পরীক্ষা আর্কাইভ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

পরীক্ষাডেইলি কুইজ [২০০ দিন]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়09 minutes
মোট প্রশ্ন১০
সিলেবাস
বাংলা ব্যাকরণ: টপিকসমূহ: ধ্বনিতত্ত্ব (বর্ণ-প্রকরণ; ধ্বনির উচ্চারণ বিধি; ধ্বনি পরিবর্তন) উৎস: অষ্টম শ্রেণি ও মাধ্যমিক বাংলা ব্যাকরণ বোর্ড বই (NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়), বাংলা একাডেমির অভিধান অথবা যেকোনো স্কলার (যেমন: ড. হায়াৎ মামুদ)-এর বই। (ব্যাকরণ - এর ক্ষেত্রে গাইড থেকে পড়াশুনা করলে, বিতর্কিত বিষয়গুলো বোর্ড বই ও বাংলা একাডেমি অভিধান থেকে ক্রসচেক করে নিলে উত্তম হবে।)
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন] · তারিখ অনির্ধারিত · ১০ প্রশ্ন

.
নিচের কোন দুটি বর্ণ ওষ্ঠ স্পৃষ্ট ব্যঞ্জন?
  1. ক) ব, ভ
  2. খ) দ, ধ
  3. গ) ড, ঢ
  4. ঘ) জ, ঝ
সঠিক উত্তর:
ক) ব, ভ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ব, ভ
ব্যাখ্যা
• উচ্চারণ স্থান অনুযায়ী স্পর্শ ব্যঞ্জনধ্বনিকে ওষ্ঠ স্পৃষ্ট, দন্ত স্পৃষ্ট, মূর্ধা স্পৃষ্ট, তালু স্পৃষ্ট এবং কণ্ঠ স্পৃষ্ট – এই পাঁচ ভাগে ভাগ করা যায়।
যথা -
১. ওষ্ঠ স্পৃষ্ট ব্যঞ্জন: প, ফ, ব, ভ
২. দন্ত স্পৃষ্ট ব্যঞ্জন: ত, থ, দ, ধ
৩. মূর্ধা স্পৃষ্ট ব্যঞ্জন: ট, ঠ, ড, ঢ
৪. তালু স্পৃষ্ট ব্যঞ্জন: চ, ছ, জ, ঝ
৫. কণ্ঠ স্পৃষ্ট ব্যঞ্জন: ক, খ, গ, ঘ

সূত্র: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
.
উচ্চারণ স্থান অনুযায়ী স্পর্শ ব্যঞ্জনধ্বনিকে কয় ভাগে ভাগ করা হয়েছে?
  1. ক) ৩ ভাগে
  2. খ) ৪ ভাগে
  3. গ) ৫ ভাগে
  4. ঘ) ৬ ভাগে
সঠিক উত্তর:
গ) ৫ ভাগে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৫ ভাগে
ব্যাখ্যা
স্পৃষ্ট ব্যঞ্জন: যেসব ব্যঞ্জনধ্বনি উচ্চারণের সময়ে দুটি বাপ্রত্যঙ্গ পরস্পরের সংস্পর্শে এসে বায়ুপথে বাধা তৈরি করে, সেগুলোকে স্পৃষ্ট ব্যঞ্জন বলে। এগুলো স্পর্শ ব্যঞ্জনধ্বনি নামেও পরিচিত। পথ, তল, টক, চর, কল শব্দের প, ত, , ট, চ, ক স্পৃষ্ট ব্যঞ্জনধ্বনি।

• উচ্চারণ স্থান অনুযায়ী এগুলোকে ওষ্ঠ স্পৃষ্ট, দন্ত স্পৃষ্ট, মূর্ধা স্পৃষ্ট, তালু স্পৃষ্ট এবং কণ্ঠ স্পৃষ্ট – এই পাঁচ ভাগে ভাগ করা যায়।
যথা -
১. ওষ্ঠ স্পৃষ্ট ব্যঞ্জন: প, ফ, ব, ভ
২. দন্ত স্পৃষ্ট ব্যঞ্জন: ত, থ, দ, ধ
৩. মূর্ধা স্পৃষ্ট ব্যঞ্জন: ট, ঠ, ড, ঢ
৪. তালু স্পৃষ্ট ব্যঞ্জন: চ, ছ, জ, ঝ
৫. কণ্ঠ স্পৃষ্ট ব্যঞ্জন: ক, খ, গ, ঘ

সূত্র: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি।
.
'ঔষধ' শব্দের সঠিক উচ্চারণ -
  1. ক) ঔশধ
  2. খ) ওউ্শদধ্‌
  3. গ) ওউ্শ‌সধ্‌
  4. ঘ) ওউ্শ‌ধ্‌
সঠিক উত্তর:
ঘ) ওউ্শ‌ধ্‌
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ওউ্শ‌ধ্‌
ব্যাখ্যা
• 'ঔষধ' (বিশেষ্য) শব্দের সঠিক উচ্চারণ [ওউ্শ‌ধ্‌]। 
১. যার দ্বারা রোগ নাশ হয় বা প্রতিকার হয় এমন দ্রব্য; পীড়া ও ক্লেশ নিবারণকারী পদার্থ; ভেষজ দাওয়াই। 
২. (আলঙ্কারিক) প্রতিকার।

• ঔ বর্ণের উচ্চারণ [ওউ]: ঔষধ [ওউ্শ‌ধ্‌], মৌমাছি [মোমাছি]।

সূত্র: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
.
Apenthesis এর অর্থ -
  1. ক) অপিনিহিতি
  2. খ) অন্ত্যস্বরাগম
  3. গ) দ্বিত্ব ব্যঞ্জন
  4. ঘ) সমীভবন
সঠিক উত্তর:
ক) অপিনিহিতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) অপিনিহিতি
ব্যাখ্যা
• অপিনিহিতি এর ইংরেজি প্রতিশব্দ Apenthesis। 

অন্যদিকে, 
- অন্ত্যস্বরাগম এর ইংরেজি প্রতিশব্দ Apothesis।
- দ্বিত্ব ব্যঞ্জন এর ইংরেজি প্রতিশব্দ Long Consonant।
- সমীভবন এর ইংরেজি প্রতিশব্দ Assimilation।

সূত্র: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
.
'অতি' শব্দটিতে 'অ' বর্ণের উচ্চারণ কোন ধরনের?
  1. ক) স্বাভাবিক উচ্চারণ
  2. খ) [ও] উচ্চারণ
  3. গ) অস্বাভাবিক উচ্চারণ
  4. ঘ) কোনোটি নয়
সঠিক উত্তর:
খ) [ও] উচ্চারণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) [ও] উচ্চারণ
ব্যাখ্যা
• স্বরবর্ণ  অ বর্ণের উচ্চারণ দুই রকম: [অ] এবং [ও]।
- সাধারণ উচ্চারণ [অ], কিন্তু পাশের ধ্বনির প্রভাবে [অ] কখনো কখনো [ও]-এর মতো উচ্চারিত হয়।

• অ বর্ণের স্বাভাবিক উচ্চারণ: অনেক [অনেক্], কথা [কথা], অনাথ [অনাথ্]।
• অ বর্ণের [ও] উচ্চারণ: অতি [ওতি], অণু [ওনু], পক্ষ [পোখো], অদ্য [ওদো], মন [মোন্]।

সূত্র: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
.
অল্পপ্রাণ ব্যঞ্জন কোনটি?
  1. ক) ফ
  2. খ) প
  3. গ) থ
  4. ঘ) ঢ়
সঠিক উত্তর:
খ) প
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) প
ব্যাখ্যা
• ব্যঞ্জনধ্বনি উচ্চারণের সময়ে বায়ুপ্রবাহের বেগ কমবেশি হওয়ার ভিত্তিতে ব্যঞ্জনধ্বনিকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়:

১. অল্পপ্রাণ ব্যঞ্জন: সেসব ধ্বনি উচ্চারণের সময়ে ফুসফুস থেকে নির্গত বায়ুপ্রবাহের মাত্রা অপেক্ষাকৃত কম, সেগুলোকে বলা হয় অল্পপ্রাণ ধ্বনি।
– যেমন:  , ব, ত, দ, স, ট, ড, ড়, চ, জ, শ, ক, গ ইত্যাদি ।

২. মহাপ্রাণ ব্যঞ্জন: সেসব ধ্বনি উচ্চারণের সময়ে ফুসফুস থেকে নির্গত বায়ুপ্রবাহ অপেক্ষাকৃত বেশি, সেগুলোকে বলা হয় মহাপ্রাণ ধ্বনি।
– যেমন: ফ, ভ, থ, ধ, ঠ, ঢ, ঢ়, ছ, ঝ, খ, ঘ, হ ইত্যাদি।

সূত্র: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
.
'ফলাহার' থেকে 'ফলার' শব্দটি হওয়ার কারণ -
  1. ক) ধ্বনি বিপর্যয়
  2. খ) অন্তর্হতি
  3. গ) ব্যঞ্জন বিকৃতি
  4. ঘ) ব্যঞ্জনচ্যুতি
সঠিক উত্তর:
খ) অন্তর্হতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) অন্তর্হতি
ব্যাখ্যা
অন্তর্হতি: পদের মধ্যে কোনো ব্যঞ্জনধ্বনি লোপ পেলে তাকে বলে অন্তর্হতি । যেমন – ফাল্গুন ফাগুন, ফলাহার > ফলার, আলাহিদা > আলাদা ইত্যাদি ।

• ব্যঞ্জন বিকৃতি: শব্দ-মধ্যে কোনো কোনো সময় কোনো ব্যঞ্জন পরিবর্তিত হয়ে নতুন ব্যঞ্জনধ্বনি ব্যবহৃত হয়। একে বলে ব্যঞ্জন বিকৃতি। যেমন— কবাট > কপাট, ধোবা > ধোপা, ধাইমা > দাইমা ইত্যাদি ৷ 

• ব্যঞ্জনচ্যুতি: পাশাপাশি সমউচ্চারণের দুটি ব্যঞ্জনধ্বনি থাকলে তার একটি লোপ পায়। এরূপ লোপকে বলা হয় ধ্বনিচ্যুতি বা ব্যঞ্জনচ্যুতি। যেমন— বউদিদি > বউদি, বড় দাদা > বড়দা ইত্যাদি । 

• ধ্বনি বিপর্যয়: শব্দের মধ্যে দুটি ব্যঞ্জনের পরস্পর পরিবর্তন ঘটলে তাকে ধ্বনি বিপর্যয় বলে। যেমন : - ইংরেজি বাক্স > বাংলা বাস্ক, জাপানি রিক্সা > বাংলা রিস্কা ইত্যাদি। অনুরূপ – পিশাচ, পিচাশ, লাফ, ফাল।

সূত্র: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
.
ট, ঠ, ড, ঢ কোন ধরনের স্পর্শ ব্যঞ্জনধ্বনি?
  1. ক) কণ্ঠ ব্যঞ্জন
  2. খ) তালু ব্যঞ্জন
  3. গ) দন্ত ব্যঞ্জন
  4. ঘ) মূর্ধা ব্যঞ্জন
সঠিক উত্তর:
ঘ) মূর্ধা ব্যঞ্জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) মূর্ধা ব্যঞ্জন
ব্যাখ্যা
• উচ্চারণ স্থান অনুযায়ী স্পর্শ ব্যঞ্জনধ্বনিকে ওষ্ঠ স্পৃষ্ট, দন্ত স্পৃষ্ট, মূর্ধা স্পৃষ্ট, তালু স্পৃষ্ট এবং কণ্ঠ স্পৃষ্ট – এই পাঁচ ভাগে ভাগ করা যায়।
যথা -
১. ওষ্ঠ স্পৃষ্ট ব্যঞ্জন: প, ফ, ব, ভ
২. দন্ত স্পৃষ্ট ব্যঞ্জন: ত, থ, দ, ধ
৩. মূর্ধা স্পৃষ্ট ব্যঞ্জন: ট, ঠ, ড, ঢ
৪. তালু স্পৃষ্ট ব্যঞ্জন: চ, ছ, জ, ঝ
৫. কণ্ঠ স্পৃষ্ট ব্যঞ্জন: ক, খ, গ, ঘ

সূত্র: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
.
নিচের কোনটি মহাপ্রাণ ব্যঞ্জন?
  1. ক) ব
  2. খ) ত
  3. গ) দ
  4. ঘ) ভ
সঠিক উত্তর:
ঘ) ভ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ভ
ব্যাখ্যা
১. অল্পপ্রাণ ব্যঞ্জন: সেসব ধ্বনি উচ্চারণের সময়ে ফুসফুস থেকে নির্গত বায়ুপ্রবাহের মাত্রা অপেক্ষাকৃত কম, সেগুলোকে বলা হয় অল্পপ্রাণ ধ্বনি। 
– যেমন:  প, ব, ত, দ, স, ট, ড, ড়, চ, জ, শ, ক, গ ইত্যাদি । 

২. মহাপ্রাণ ব্যঞ্জন: সেসব ধ্বনি উচ্চারণের সময়ে ফুসফুস থেকে নির্গত বায়ুপ্রবাহ অপেক্ষাকৃত বেশি, সেগুলোকে বলা হয় মহাপ্রাণ ধ্বনি। 
– যেমন: ফ, , থ, ধ, ঠ, ঢ, ঢ়, ছ, ঝ, খ, ঘ, হ ইত্যাদি।

সূত্র: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
১০.
তাড়িত ব্যঞ্জনধ্বনি কোনটি?
  1. ক) ম
  2. খ) ড়
  3. গ) র
  4. ঘ) ল
সঠিক উত্তর:
খ) ড়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ড়
ব্যাখ্যা
• তাড়িত ব্যঞ্জন: যে ধ্বনি উচ্চারণের সময়ে জিভের সামনের অংশ দন্তমূলের একটু উপরে অর্থাৎ মূর্ধায় টোকা দেওয়ার মতো করে একবার ছুঁয়ে যায়, তাকে তাড়িত ব্যঞ্জন বলে। বাড়ি, মূঢ় প্রভৃতি শব্দের ড়, ঢ় তাড়িত ব্যঞ্জনধ্বনির উদাহরণ।

অন্যদিকে, 
• ল পার্শ্বিক ব্যঞ্জনধ্বনি।
• র কম্পিত ব্যঞ্জনধ্বনি।
• ম নাসিক্য ব্যঞ্জনধ্বনি।

সূত্র: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।