পরীক্ষা আর্কাইভ

৪০ দিনে ৪৭তম বিসিএস প্রস্তুতি - Archived

পরীক্ষা৪০ দিনে ৪৭তম বিসিএস প্রস্তুতি - Archivedতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়25 minutes
মোট প্রশ্ন১৭
সিলেবাস
পরীক্ষা - ২০: পার্ট – ১: বাংলা সাহিত্য টপিকসমূহ: বাংলা সাহিত্যের আধুনিক যুগের লেখকগণ: [গুরুত্বপূর্ণ লেখকদের জীবনী, সাহিত্য-কর্ম, অবদান, স্বীকৃতি ইত্যাদি সম্পর্কে বিস্তারিত পড়তে হবে। অন্যান্য লেখকদের গুরুত্বপূর্ণ অবদান ও সাহিত্যকর্ম সম্পর্কে পড়লেই হবে।] ১. গুরুত্বপূর্ণ লেখকগণ: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, নীলিমা ইব্রাহিম, প্রমথ চৌধুরী, বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়, মীর মশাররফ হোসেন, মুনীর চৌধুরী। ২. অন্যান্য লেখকগণ: গোবিন্দচন্দ্র দাস, ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহ, ন্যাথানিয়েল ব্র্যাসি হ্যালহেড, নওয়াব ফয়জুন্নেসা, নবীনচন্দ্র সেন, নির্মলেন্দু গুণ, নুরুল মোমেন, প্রেমেন্দ্র মিত্র, প্যারীচাঁদ মিত্র, ফররুখ আহমদ, বদরুদ্দীন ওমর, বন্দে আলী মিয়া, বিজন ভট্টাচার্য, বিষ্ণু দে, মনোএল দা আস্‌সুম্পসাঁউ, মামুনুর রশিদ, মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার, মোতাহের হোসেন চৌধুরী, মোহাম্মদ নজিবর রহমান, মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক। পার্ট – ২: বাংলাদেশ বিষয়াবলি টপিকসমূহ: ১. বাংলাদেশের কৃষিজ সম্পদ: শস্য উৎপাদন এবং এর বহুমুখীকরণ, খাদ্য উৎপাদন ও ব্যবস্থাপনা, কৃষির উপর বিভিন্ন সমীক্ষা এবং কৃষি পরিসংখ্যান গ্রন্থ। ২. বাংলাদেশের শিল্প ও বাণিজ্য: শিল্প উৎপাদন, পণ্য আমদানি ও রপ্তানিকরণ, গার্মেন্টস শিল্প ও এর সার্বিক ব্যবস্থাপনা, বৈদেশিক লেন-দেন, অর্থ প্রেরণ, ব্যাংক ও বীমা ব্যবস্থাপনা ইত্যাদি। (অর্থনৈতিক সমীক্ষা, বাজেট, বাংলাদেশ ব্যাংক বা রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর রিপোর্ট পড়তে হবে) পার্ট-৩: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি টপিকসমূহ: আন্তর্জাতিক সংগঠন এবং বৈশ্বিক অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠান: i) জাতিসংঘের বিশেষায়িত সংস্থাসমূহ (বিশ্বব্যাংক ও IMF বাদে) [FAO, UNESCO, ICAO, IFAD, ILO, IMO, UNIDO, ITU, UNWTO, UPU, WHO, WIPO, WMO] ii) জাতিসংঘের তহবিল ও প্রোগ্রাম [UNDP, UNEP, UNFPA, UNICEF, WFP, UN-HABITAT] iii) জাতিসংঘ সম্পর্কিত অন্যান্য সংস্থা [IAEA, IOM, CTBTO, UNAIDS, UNHCR, UNRWA, UNIDIR, UNITAR, UN WOMEN, UNSSC, UNU, UNOPS, OPCW, ITC]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

৪০ দিনে ৪৭তম বিসিএস প্রস্তুতি - Archived

৪০ দিনে ৪৭তম বিসিএস প্রস্তুতি - Archived · তারিখ অনির্ধারিত · ১৭ প্রশ্ন

.
নিচের কোনটি কপালকুণ্ডলা উপন্যাসের চরিত্র নয়?
  1. ক) কপালকুণ্ডলা
  2. খ) নবকুমার
  3. গ) প্রতাপ
  4. ঘ) কাপালিক
ব্যাখ্যা
• প্রদত্ত প্রশ্নে উপন্যাসের চরিত্র নয় প্রতাপ। 

 কপালকুণ্ডলা:
• কপালকুণ্ডলা বঙ্কিমচন্দ্রের দ্বিতীয় উপন্যাস।
• এতে নিগূঢ় ভাবসঙ্গতির জন্য 'রোমান্স' বলা যায়। অরণ্যে এক কাপালিক-পালিতা নারী কপালকুণ্ডলাকে কেন্দ্র করে এই উপন্যাসের কাহিনি গড়ে উঠেছে। সামাজিক সংস্কারের সঙ্গে অপরিচিতা এই নারীর নবকুমারের সঙ্গে বিয়ে এবং কপালকুণ্ডলার সমাজবন্ধনের সঙ্গে দ্বন্দ্ব এই কাহিনির মূল ঘটনা। কুপালকুণ্ডলার মধ্যে যে রহস্য সেই রহস্য উদ্ঘাটনই উপন্যাসের প্রধান বিষয়। কাহিনিতে একদিকে আছে সম্রাট জাহাঙ্গিরের সময়কার আগ্রার নগর ও স্থাপত্য এবং অন্যদিকে অরণ্য ও সমুদ্র। প্রকৃতির সৌন্দর্য ও রহস্যময়তা, কপালকুণ্ডলার চরিত্র, কাহিনির ট্র্যাজিক পরিণতি এই তিনটি কারণে উপন্যাসটি বঙ্কিমচন্দ্রের অন্যতম স্মরণীয় রচনা।
• বঙ্কিমের জীবৎকালেই এই উপন্যাসের আটটি সংস্করণ হয়। অনেকের মতে এটি বঙ্কিমের শ্রেষ্ঠ উপন্যাস।

• উপন্যাসের উল্লেখযোগ্য চরিত্র: কুপালকুণ্ডলা, নবকুমার, কাপালিক ইত্যাদি।
• গিরিশচন্দ্র ঘোষ এই উপন্যাসের একটি নাট্যরূপ দেন (১৮৭৩) এবং
• দামোদর মুখোপাধ্যায় এই উপন্যাসের একটি উপসংহার উপন্যাস রচনা করেন এবং নামকরণ করেন ‘মৃন্ময়ী’। 

------------------------

• বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়: 
- তিনি একাধারে ঔপন্যাসিক, সাংবাদিক, বাংলার নবজাগরণের অন্যতম প্রধান পুরুষ।
- ১৮৩৮ সালের ২৭ জুন চবিবশ পরগনা জেলার কাঁঠালপাড়া গ্রামে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- চবিবশ পরগনা জেলার বারুইপুরে ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট থাকা অবস্থায় বঙ্কিমচন্দ্র তাঁর প্রথম দুটি বিখ্যাত  উপন্যাস দূর্গেশনন্দিনী (১৮৬৫) ও কপালকুন্ডলা (১৮৬৬) রচনা করেন। উপন্যাস দুটি দ্রুত প্রচার লাভ করে।
- তিনি বঙ্গদর্শন পত্রিকার সম্পাদনা করেন।

তাঁর রচিত উপন্যাস: 
- আনন্দমঠ
- দেবী চৌধুরাণী
- রাজসিংহ 
- সীতারাম
- কুপালকুণ্ডলা ইত্যাদি। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা - ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
.
মুনীর চৌধুরীর 'রক্তাক্ত প্রান্তর' নাটকের চরিত্র নয় কোনটি?
  1. ক) জোহরা
  2. খ) ইব্রাহীম কার্দি
  3. গ) মারওয়ান
  4. ঘ) সুজাউদ্দৌলা
ব্যাখ্যা
• মারওয়ান চরিত্রটি রক্তাক্ত প্রান্তর নাটকের নয়। 

রক্তাক্ত প্রান্তর: 
• 'রক্তাক্ত প্রান্তর' (১৯৬২) মুনীর চৌধুরীর প্রথম পূর্ণাঙ্গ মৌলিক নাটক।
- পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধের (১৭৬১) ঘটনা অবলম্বনে তিন অঙ্ক বিশিষ্ট এই নাটকটি রচিত।
- অবশ্য ইতিহাস থেকে তিনি কাহিনি গ্রহণ করেন নি, গ্রহণ করেছেন কায়কোবাদের ‘মহাশ্মশান' (১৯০৫) গ্রন্থ থেকে।
- ‘রক্তাক্ত প্রান্তর' ঐতিহাসিক নাটক নয়, ইতিহাস-আশ্রিত নাটক।
- এ নাটকে অনেক অনৈতিহাসিক চরিত্রের সমাবেশ আছে। আতা খাঁ, হিরণবালা, অমর চরিত্র ঐতিহাসিক নয় ।
- নাটকে আছে : প্রশিক্ষিত মুসলিম যোদ্ধা ইব্রাহিম কার্দি মুসলিম শিবিরে চাকরি না পেয়ে মারাঠাদের কর্তৃক সমাদৃত হয় এবং চাকরি পায়।
- যুদ্ধ শুরু হলে ইব্রাহিম কার্দির স্ত্রী জোহরা মনুবেগ ছদ্মনাম ধারণ করে এসে স্বামীকে মুসলিম শিবিরে ফিরিয়ে নিতে চেষ্টা করে।
- বিশ্বাসঘাতকতা হবে বিবেচনা করে ইব্রাহিম কার্দি স্ত্রীকে ফিরিয়ে দেয় এবং জীবন দিয়ে মারাঠাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে।
- অন্যদিকে জোহরা ধর্মের জন্য স্বামীসঙ্গ ত্যাগ করে, কিন্তু হিরণবালা মুসলিম প্রেমিককেই গ্রহণ করে। নাটকের নায়ক ইব্রাহিম কার্দি। তার জীবনের ট্র্যাজেডি নাটকটিকে ট্র্যাজিক করে তোলে ।
------------------------
মুনীর চৌধুরী:
- মুনীর চৌধুরী ছিলেন শিক্ষাবিদ, নাট্যকার, সাহিত্যসমালোচক।
- ১৯২৫ সালের ২৭ নভেম্বর মানিকগঞ্জ শহরে তাঁর জন্ম। তাঁর পৈতৃক নিবাস নোয়াখালী জেলায়।

তাঁর রচিত অনুবাদ নাটক:
- কেউ কিছু বলতে পারে না
- রূপার কৌটা
- মুখরা রমণী বশীকরণ। 

প্রবন্ধগ্রন্থ:
- মীর মানস
- তুলনামূলক সমালোচনা
- বাংলা গদ্যরীতি। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা - ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
.
'মগের মুলুক' কাব্যটি কে লিখেছেন?
  1. ক) গোবিন্দ্রচন্দ্র দাস
  2. খ) নবীন চন্দ্র দাস
  3. গ) মনোজ বসু
  4. ঘ) শামসুর রাহমান
ব্যাখ্যা
• 'মগের মুলুক' কাব্যটি গোবিন্দ্রচন্দ্র দাস লিখেছেন। 

• গোবিন্দচন্দ্র দাস হচ্ছেন স্বভাবকবি।
- ১৮৫৫ সালের ১৬ জানুয়ারি  ঢাকা জেলার ভাওয়ালের জয়দেবপুরে এক দরিদ্র পরিবারে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।

তাঁর প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ হচ্ছে: 
- প্রসূন 
- প্রেম ও ফুল 
- মগের মুলুক 
- কস্তুরী 
- চন্দন 
- শোক ও সান্ত্বনা 
- শোকোচ্ছ্বাস ইত্যাদি। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা - ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
.
বাংলা ভাষার প্রথম ব্যাকরণগ্রন্থের রচয়িতা কে?
  1. ক) রামমোহন রায়
  2. খ) উইলিয়াম কেরি
  3. গ) মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ্‌
  4. ঘ) নাথিনিয়েল ব্রাশি হ্যালহেড
ব্যাখ্যা
• বাংলা ভাষার প্রথম ব্যাকরণ গ্রন্থ রচয়িতা নাথিনিয়েল ব্রাশি হ্যালহ্যাড।
- তার রচিত গ্রন্থটির নাম 'এ গ্রামার অফ দি বেঙ্গল ল্যাঙ্গুয়েজ' (১৭৭৮)। গ্রন্থটি মূলত ইংরেজী ভাষায় রচিত।
- তবে দৃষ্টান্ত দেবার সময় এর কিছু অংশ বাংলা লিপিতে মুদ্রিত হয়।

• রামমোহন রায় প্রথম বাঙালি যিনি বাংলা ভাষায় প্রথম বাংলা ব্যাকরণ রচনা করেন।
- রামমোহন রচিত ব্যাকরণ গ্রন্থের নাম 'গৌড়ীয় ব্যাকরণ' (১৮৩৩)।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
নিচের কোনটি নবীনচন্দ্র সেনের আত্মজীবনী?
  1. ক) আমার জীবন
  2. খ) প্রভাস
  3. গ) রৈবতক
  4. ঘ) কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
• 'আমার জীবন' নবীনচন্দ্র সেনের আত্মজীবনী। 

• নবীনচন্দ্র সেন:
- নবীনচন্দ্র সেন ছিলেন কবি।
- ১৮৪৭ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি চট্টগ্রামের নোয়াপাড়া গ্রামে তাঁর জন্ম।
- নবীনচন্দ্র সেন ছাত্রজীবন থেকেই নবীনচন্দ্র কবিতা রচনা শুরু করেন। প্যারীচরণ সরকার সম্পাদিত এডুকেশন গেজেটে তাঁর কবিতা প্রকাশিত হতো।
- তাঁর প্রথম কাব্যসংকলন অবকাশরঞ্জিনী প্রকাশিত হয় ১৮৭১ সালে।
- ১৮৭৫ সালে তাঁর পলাশীর যুদ্ধ মহাকাব্য প্রকাশিত হলে তিনি ব্রিটিশ সরকারের রোষানলে পড়েন।

• রৈবতক (১৮৮৭), কুরুক্ষেত্র (১৮৯৩) ও প্রভাস (১৮৯৬) কাব্যত্রয়ী নবীনচন্দ্রের কবিপ্রতিভার শ্রেষ্ঠ প্রকাশ। এগুলির নায়ক  কৃষ্ণ এবং এতে যথাক্রমে কৃষ্ণের আদি, মধ্য ও অন্তলীলা বর্ণিত হয়েছে। নবীনচন্দ্রের এই তিনটি কাব্যও মহাকাব্যের লক্ষণাক্রান্ত। কাহিনীর বিশালতা এবং বহুমুখী বৈচিত্র্যের কারণে গ্রন্থত্রয়ের কাব্যবন্ধন অনেকটা শিথিল ও দুর্বল।

নবীনচন্দ্রের আরও কয়েকটি উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ:
- আমার জীবন,
- খৃস্ট,
- ক্লিওপেট্রা,
- ভানুমতী,
- প্রবাসের পত্র ইত্যাদি।

- তিনি ভগবদ্গীতা ও চন্ডীর কাব্যানুবাদ করেন।
- তাঁর আত্মজীবনী আমার জীবন  গ্রন্থখানি উপন্যাসের মতো সুখপাঠ্য এবং সমকালীন সমাজ, রাজনীতি ও প্রশাসন সম্পর্কিত একটি প্রামাণ্য দলিল।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা - ড. সৌমিত্র শেখর, বাংলাপিডিয়া।
.
নুরুল মোমেন রচিত নাটক নয় কোনটি?
  1. ক) আলোছায়া
  2. খ) কবর
  3. গ) আইনের অন্তরালে
  4. ঘ) শতকরা আশি
ব্যাখ্যা
• কবর নাটক নুরুল মোমেন রচিত নাটক নয়। 

নুরুল মোমেন:
- জন্ম ফরিদপুর (তৎকালীন যশোর) জেলার আলফাডাঙ্গায় ২৫ নভেম্বর ১৯০৬ সালে। 
- নুরুল মোমেনের প্রথম নাটক রূপান্তর ১৯৪২ সালে ঢাকা বেতার-এ প্রচারিত হয়।
- তিনি নিজে নাটকটি পরিচালনা করেন। ১৯৪৭ সালে নাটকটি গ্রন্থরূপে প্রকাশিত হয়।
- তাঁর নেমেসিস নাটক শনিবারের চিঠি পত্রিকায় প্রকাশিত হয় ১৯৪৫ সালে। গ্রন্থরূপে প্রকাশিত হয় ১৯৪৮ সালে।
- নাটকটি পঞ্চাশ-দশকের মন্বন্তরের পটভূমিতে রচিত।

তাঁর নাটক:
- যদি এমন হতো   
- নয়া খান্দান  
- আলোছায়া 
- আইনের অন্তরালে 
- শতকরা আশি  
- রূপলেখা   
- যেমন ইচ্ছা তেমন। 
 
• কবর নাটকটি মুনীর চৌধুরীর। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা - ড. সৌমিত্র শেখর, বাংলাপিডিয়া।
.
কৃষি ও কৃষিভিত্তিক সেবাকে জনগণের দোড়গোয়ায় পৌছে দেওয়ার লক্ষ্যে অনলাইনভিত্তিক ই সেবা প্রতিষ্ঠান কোনটি?
  1. ক) আমাদের ডিজিটাল ঠিকানা
  2. খ) কৃষকের বাড়ি
  3. গ) কৃষকের তথ্য বাতায়ন
  4. ঘ) কৃষকের ডিজিটাল ঠিকানা
ব্যাখ্যা
• কৃষিভিত্তিক ই-সেবা প্রতিষ্ঠান:
- কোভিড-19 এর অভিঘাতসহ বিভিন্ন আপদকালীন পরিস্থিতি মোকাবেলায় কৃষি ‍উৎপাদন বৃদ্ধি চলমান রাখা, কৃষিবিপণন ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং কৃষি পণ্যের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিতকরণে অনলাইনভিত্তিক ই সেবা প্রতিষ্ঠান চালু করা হয়েছে।
যেমন:
- কৃষকের জানালা 
- কৃষকের ডিজিটাল ঠিকানা
- কৃষি বাতায়ন
- বন্ধু ফোন
- Online Fertilizer Recomendation Software
- Bangladesh Rice Knowledge Bank ইত্যাদি। 

এছাড়াও -
- ইউনিয়ন পর্যায়ে সরকার কর্তৃক স্থাপিত কৃষি তথ্য ও যোগাযোগ কেন্দ্র- Agriculture Information and Communication Center (AICC)।

তথ্যসূত্র: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ– ২০২১ (বিবিএস)
.
যমুনা ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. ক) জামালপুর
  2. খ) সিরাজগঞ্জ
  3. গ) টাঙ্গাইল
  4. ঘ) বগুড়া
ব্যাখ্যা
- যমুনা ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড জামালপুর জেলার সরিষাবাড়ী থানার তারাকান্দিতে অবস্থিত।
- এটি ১৯৯২ সালে স্থাপিত হয়। এর বার্ষিক উৎপাদন ক্ষমতা ৫.৬১ লক্ষ মেট্রিক টন।
- এটিতে দানাদার ইউরিয়া সার উৎপাদিত হয়।
- শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন বাংলাদেশ রসায়ন শিল্প সংস্থার নিয়ন্ত্রণে বর্তমানে দেশে ৮টি সার কারখানা রয়েছে। এর মধ্যে চালু কারখানা ৬টি।

(তথ্যসূত্রঃ বিসিআইসি ওয়েবসাইট)
.
পোষাক রপ্তানিতে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান কত?
  1. ক) প্রথম
  2. খ) দ্বিতীয়
  3. গ) তৃতীয়
  4. ঘ) চতুর্থ
ব্যাখ্যা
• পোষাক রপ্তানি:
- পোষাক রপ্তানিতে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান - দ্বিতীয়।
- বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা (ডাব্লিউটিও) প্রকাশিত বিশ্ব বাণিজ্য পরিসংখ্যান পর্যালোচনা ২০২২-এ দেখা যায়, বাংলাদেশ ২০২১ সালে বৈশ্বিক তৈরি পোশাক রপ্তানি বাজারে আবারও দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেছে।

- বিশ্বব্যাপী তৈরি পোশাক (আরএমজি) রপ্তানিতে ভিয়েতনামের অংশ ২০২০ সালের ৬.৪০ শতাংশ থেকে ২০২১ সালে ৫.৮০ শতাংশ কমেছে।
- বাংলাদেশের হিস্যা ২০২০ সালের ৬.৩০ শতাংশ থেকে গত বছর ৬.৪০ শতাংশে উন্নীত হয়েছে।
- এই অনুপাত ২০১৯ সালে ৬.৮০ শতাংশ এবং ২০১৮ সালে ছিল ৬.৪০ শতাংশ।

- তথ্য অনুযায়ী, ইউরোপীয় ইউনিয়নের পোশাক আমদানিতে সরবরাহকারী সব শীর্ষ দেশের মধ্যে সবচেয়ে বেশি প্রবৃদ্ধি হয়েছে বাংলাদেশের।
- এ ছাড়া চীন ইউরোপীয় ইউনিয়নের পোশাক আমদানির প্রধান শীর্ষস্থানীয় উৎস এবং ২৮.০৬ শতাংশ অংশ নিয়ে চীনের প্রবৃদ্ধি হয়েছে ২৬.৫৯ শতাংশ।

তথ্যসূত্র: কালের কণ্ঠ।
১০.
ফেঞ্চুগঞ্জ সার কারখানায় উৎপন্ন হয় -
  1. ক) ইউরিয়া ও অ্যামোনিয়াম সালফেট
  2. খ) ফসফরাস
  3. গ) ইউরিয়া
  4. ঘ) ইউরিয়া ও ফসফরাস
ব্যাখ্যা
ফেঞ্চুগঞ্জ সার কারখানায় উৎপন্ন হয় - ইউরিয়া ও অ্যামোনিয়াম সালফেট।

• ফেঞ্চুগঞ্জ সার কারখানা:

- সিলেট জেলার ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার মাইগাঁও ইউনিয়নে অবস্থিত।
- ন্যাচারাল গ্যাস ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরি লিঃ (ফেঞ্চুগঞ্জ সার কারখানা) এটি এশিয়ার প্রথম সার কারখানা।
- ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা হতে প্রায় ০৫ কিলোমিটার দক্ষিণে সিলেট-মৌলভীবাজার হাইওয়ে রোডের পূর্ব দিকে হাইওয়ে রোড হতে ০১ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত।

- দেশের প্রথম ও সর্ববৃহৎ সার কারখানা হচ্ছে ফেঞ্চুগঞ্জ সারকারখানা।
- এই কারখানাটি ১৯৬১ সালে ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার মাইগাঁও ইউনিয়নের অবস্থিত।
- এই কারখানাটিতে ১৯৬৯ সালে এ্যামোনিয়াম সালফেট পস্ন্যান্টটি স্থাপন করা হয়।
- এ ফ্যাক্টরীর বার্ষিক উৎপাদন ক্ষমতা ছিল ১,০৬,০০০ মেট্রিক টন।

তথ্যসূত্র: ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার ওয়েবসাইট।
১১.
কৃষি জমিতে কোন সার সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) টিএসপি
  2. খ) ডিএপি
  3. গ) ইউরিয়া
  4. ঘ) জিংক সালফেট
ব্যাখ্যা
কৃষি জমিতে ব্যবহৃত সারগুলোর মধ্যে - 
- সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয় - ইউরিয়া।
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ- ডিএপি।
- বাংলাদেশের কৃষিতে ২০২১-২২ অর্থ বছরে মোট রাসায়নিক সার ব্যবহৃত হয়-৫৬৯১.৫০ হাজার মেট্রিক টন।

তথ্যসূত্র: অথনৈতিক সমীক্ষা-২০২২
১২.
সাধারণ বীমা কর্পোরেশন কত সালে প্রতিষ্ঠা লাভ করে?
  1. ক) ১৯৭২ সালে
  2. খ) ১৯৭৩ সালে
  3. গ) ১৯৭৫ সালে
  4. ঘ) ১৯৭৭ সালে
ব্যাখ্যা
সাধারণ বীমা কর্পোরেশন ১৯৭৩ সালে প্রতিষ্ঠা লাভ করে।

• সাধারণ বীমা কর্পোরেশন:

- সাধারণ বীমা কর্পোরেশন একমাত্র রাষ্ট্রীয় সাধারণ বীমা প্রতিষ্ঠান যা সরাসরি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের অর্থ মন্ত্রণালয়ের প্রত্যক্ষ নিয়ন্ত্রণ ও তত্ত্বাবধায়নে পরিচালিত হয়।
- বাংলাদেশের সকল ধরণের সাধারণ বীমা ও পুনঃবীমা ব্যবসা করার জন্য বীমা কর্পোরেশন আইন ১৯৭৩ (এক্ট নং ৬) এর অধীনে ১৯৭৩ সালের ১৪ মে এটি গঠিত হয়।

- বর্তমানে সাধারণ বীমা কর্পোরেশন বীমা কর্পোরেশন আইন, ২০১৯ এর মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে। 
- সাধারণ বীমা কর্পোরেশন ১৯৮৪ সাল পর্যন্ত সাধারণ বীমা ব্যবসায় একমাত্র বীমা প্রতিষ্ঠান হিসাবে কাজ করতে থাকে।
- ১৯৮৪ সালে বাংলাদেশ সরকার ব্যক্তি মালিকানাধীন বীমা কোম্পানির অনুমোদন প্রাদান করে এবং সে লক্ষ্যে বীমা কর্পোরেশন অধ্যাদেশ (সংশোধীত) ১৯৮৪ প্রচার করে।

তথ্যসূত্র: সাধারণ বীমা কর্পোরেশন ওয়েবসাইট।
১৩.
বাংলাদেশের প্রথম কাগজ কল কর্ণফুলি পেপার মিলস কখন প্রতিষ্ঠা লাভ করে?
  1. ক) ১৯৫৩ সালে
  2. খ) ১৯৫৫ সালে
  3. গ) ১৯৫৭ সালে
  4. ঘ) ১৯৫৯ সালে
ব্যাখ্যা
• কর্ণফুলি পেপার মিলস্:
- বাংলাদেশের প্রথম কাগজ কল কর্ণফুলি পেপার মিলস্ লিমিটেড।
- অবস্থান- চন্দ্রঘোনা, কাপ্তাই, রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা।
- প্রতিষ্ঠা লাভ করে - ১৯৫৩ সালে।
- ’বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পরই এ প্রতিষ্ঠানটিকে জাতীয়করণ করা হয়।

- কাগজ উৎপাদনে ব্যবহৃত কাঁচামাল বাশেঁর প্রাপ্যতার উপর ভিত্তি করে কর্ণফুলি পেপার মিলটি চন্দ্রঘোনায় স্থাপন করা হয়।
- এতে কাঁচামাল হিসেবে পার্বত্য চট্টগ্রাম বনাঞ্চলের বাঁশ ব্যবহৃত হয়।
- এই মিলে সাদা কাগজ এবং বাদামী ও অন্যান্য রঙ্গিন কাগজ উৎপাদিত হয়।
- এ দেশে সরকারী চাহিদার প্রায় অর্ধেকের বেশি কাগজ সরবরাহ করে থাকে এ প্রতিষ্ঠানটি।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন।
১৪.
Food and Agriculture Organization (FAO) এর সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) জেনেভা
  2. খ) ভিয়েনা
  3. গ) প্যারিস
  4. ঘ) রোম
ব্যাখ্যা
• Food and Agriculture Organization (FAO) এর সদর দপ্তর রোমে অবস্থিত।  

• Food and Agriculture Organization (FAO): 
- ১৯৪৫ সালে কানাডার কুইবেকে প্রতিষ্ঠিত হয়। 
- বাংলাদেশ সদস্যপদ পায় ১৯৭৩ সালে। 
- ১৯৫টি সদস্য (১টি সংস্থা ও ১৯৪টি  দেশ)। 
- বিশ্ব খাদ্য দিবস ১৬ অক্টোবর। 
- সদর দপ্তর: রোম, ইতালি। 
- মহাপরিচালক Qu Dongyu. 

সূত্র: FAO ওয়েব সাইট।
১৫.
বাংলাদেশ কত সালে WHO এর সদস্যপদ পায়?
  1. ক) ১৯৭৫ সালে
  2. খ) ১৯৭২ সালে
  3. গ) ১৯৭৩ সালে
  4. ঘ) ১৯৭৪ সালে
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ ১৯৭২ সালে WHO এর সদস্যপদ পায়।  

• WHO:
-
৭ এপ্রিল, ১৯৪৮ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। 
- বাংলাদেশ ১৯৭২ সালে WHO এর সদস্যপদ পায়।  
- সদস্য ১৯৪টি। 
- সর্বশেষ সদস্য: দক্ষিণ সুদান। 
- সদরদপ্তর: জেনেভা, সুইজারল্যান্ড। 
- মহাপরিচালক: টেডরস আধানম গ্রেব্রিয়াসুস। 

সূত্র: WHO ওয়েব সাইট। 
১৬.
বিশ্ব মেধা সংরক্ষণ সংস্থার সংক্ষিপ্ত রূপ কোনটি?
  1. ক) ITU
  2. খ) ICAO
  3. গ) WIPO
  4. ঘ) IMO
ব্যাখ্যা
• বিশ্ব মেধা সংরক্ষণ সংস্থার সংক্ষিপ্ত রূপ WIPO. 

• WIPO (World Intellectual Property Organization) হলো জাতিসংঘের বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পদ বিষয়ক বৈশ্বিক সংস্থা।
- World Intellectual Property Organization (WIPO) প্রতিষ্ঠিত হয় – ১৯৬৭ সালে।
-  এর সদরদপ্তর জেনেভায় অবস্থিত।
- ১৯৬৭ সালের ১৪ জুলাই WIPO কনভেনশন গৃহীত হয় যা ১৯৭০ সালে কার্যকর হয়।
- ১৯৭৪ সালে WIPO জাতিসংঘের বিশেষায়িত সংস্থার মর্যাদা লাভ করে।
- বর্তমান সদস্য সংখ্যা ১৯৩টি দেশ। 

তথ্যসত্র: WIPO এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
১৭.
UNIDIR এর সম্পর্কে কোন তথ্যটি সঠিক নয়?
  1. ক) নিরস্ত্রীকরণ গবেষণা সংস্থা।
  2. খ) এটি ১৯৮০ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
  3. গ) এটির সদর দপ্তর ভিয়েনা।
  4. ঘ) কোনটি নয়।
ব্যাখ্যা
• প্রদত্ত প্রশ্নের উত্তর: এর সদরদপ্তর ভিয়েনা। 

UNIDIR:
- UNIDIR এর পূর্ণরূপ হলো United Nations Institute for Disarmament Research.
- নিরস্ত্রীকরণ গবেষণা সংস্থা। 
- এর প্রতিষ্ঠা ১৯৮০ সালে।
- সদর দপ্তর জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।
- UNIDIR এর বর্তমান পরিচালক- Dr. Robin Geiss.

তথ্যসূত্র: UNIDIR ওয়েবসাইট