পরীক্ষা আর্কাইভ

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি

পরীক্ষা১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়19 minutes
মোট প্রশ্ন৩২
সিলেবাস
পরীক্ষা - ৬৩: বিষয় - সাধারণ বিজ্ঞান টপিক - জীববিজ্ঞান ১. পদার্থের জীববিজ্ঞান-বিষয়ক ধর্ম, উদ্ভিদ টিস্যু, এনিম্যাল ডাইভারসিটি, প্লান্ট ডাইভারসিটি, অর্গান এবং অর্গান সিস্টেম, সালোক সংশ্লেষণ, জুলোজিক্যাল নমেনক্লেচার, বোটানিক্যাল নমেনক্লেচার, উদ্ভিদ, ফুল, ফল, প্লান্ট নিউট্রেশন, উদ্ভিদের বংশ বৃদ্ধি ও পরাগায়ন ইত্যাদি। ২. প্রাণিজগৎ ও প্রাণিবিজ্ঞান, জেনেটিক্স, জিনতত্ত্ব ও বিবর্তন, জীববৈচিত্র্য ও প্রজনন, প্রাণী টিস্যু, প্রাণী অর্গান ও অর্গান সিস্টেম, মানব হৃদ্পিণ্ড ও হৃদরোগ, স্নায়ু ও স্নায়ুরোগ, রক্ত ও রক্ত সঞ্চালন, রক্তচাপ, খাদ্য ও পুষ্টি, ভিটামিন। এবং Subject - English Literature Topics: 1. Writers Neoclassical period [The Restoration Period, The Augustan Period, The Age of Sensibility]. 2. Writers of Romantic Period [গুরুত্বপূর্ণ লেখকদের জীবনী, সাহিত্য-কর্ম, অবদান, স্বীকৃতি ইত্যাদি সম্পর্কে বিস্তারিত পড়তে হবে। অন্যান্য লেখকদের গুরুত্বপূর্ণ অবদান ও সাহিত্যকর্ম সম্পর্কে পড়লেই হবে।] i) Important Writers: John Milton, John Dryden, Alexander Pope, Jonathan Swift, Henry Fielding, Dr. Samuel Johnson, Thomas Gray, Edmund Burke, Oliver Goldsmith, William Blake, William Wordsworth, Samuel Taylor Coleridge, Lord Byron, Percy Bysshe Shelley, John Keats, Jane Austen. ii) Other Writers: John Bunyan, John Locke, Daniel Defoe, Beaumont and Fletcher, George Chapman, Samuel Butler, William Congreve, George Farquhar, Edmund Waller, Samuel Richardson, Edward Gibbon, William Wycherley, Charles Lamb, William Hazlitt. ------------------ [এই রুটিনে সারাবছর জুড়ে পরীক্ষা চলমান থাকে। আজ বা যেকোন সময় পরীক্ষা শুরু করা হলেও নির্দিষ্ট সময়ে পুরো সিলেবাস সম্পন্ন হবে]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ৩২ প্রশ্ন

.
Which of these best describes Lycidas by John Milton?
  1. Elegy
  2. Allegory
  3. Comedy
  4. Satire
সঠিক উত্তর:
Elegy
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Elegy
ব্যাখ্যা
• John Milton-এর Lycidas একটি Elegy, যা মৃত্যুশোক প্রকাশের জন্য লেখা কাব্য। এটি কবির বন্ধু এবং সহপাঠী Edward King-এর অকালমৃত্যুকে কেন্দ্র করে রচিত। কবিতায় বন্ধুর মৃত্যুতে গভীর শোক, মানবজীবনের অনিশ্চয়তা এবং মৃত্যু-পরবর্তী জীবন নিয়ে ভাবনা প্রকাশ পেয়েছে। Milton এখানে গ্রিক ও রোমান পৌরাণিক প্রতীক, খ্রিস্টীয় বিশ্বাস এবং pastoral tradition-এর মিশ্রণ ঘটিয়েছেন। Lycidas শুধু ব্যক্তিগত শোক নয়, বরং ধর্মীয় ও নৈতিক অবক্ষয়ের প্রতিও ইঙ্গিত দেয়। যদিও এতে Allegory বা Satire-এর কিছু উপাদান আছে, তবু এটি মূলত Elegy.

• বিস্তারিত আলোচনা:
• Lycidas:
- এটি রচনা করেন John Milton.
- এটি একটি শোকগাঁথা।
- কবি তার বিশ্ববিদ্যালয়ের বন্ধু বা সহপাঠীর জাহাজ দূর্ঘটনায় মৃত্যুর প্রেক্ষিতে লিখেছিলেন।
- কবিতাটি প্রকাশিত হয় ১৬৩৮ সালে।
- এটি একটি Pastoral elegy.
- John Milton wrote Lycidas (Pastoral elegy) on the death of Edward king.
- Edward king was a friend of John Milton.

• John Milton:
- তিনি ছিলেন একজন English poet, pamphleteer এবং historian.
- তিনি William Shakespeare এর পর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ English author হিসেবে বিবেচিত।
- Milton is best known for Paradise Lost.
- it is widely regarded as the greatest epic poem in English.

• Some notable works:
- Paradise Lost (Epic);
- Paradise Regained (Epic);
- Of Education (Prose);
- Lycidas (Elegy);
- On Shakespeare (First published poem).

Source: Britannica and Live MCQ Lecture.
.
Which writer is deemed the top satirist in English literature?
  1. Samuel Johnson
  2. Geoffrey Chaucer
  3. Jonathan Swift
  4. Daniel Defoe
সঠিক উত্তর:
Jonathan Swift
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Jonathan Swift
ব্যাখ্যা
• ইংরেজি সাহিত্যে সবচেয়ে বড় ব্যঙ্গরচয়িতা (satirist) হিসেবে যিনি বিবেচিত হন, তিনি হলেন Jonathan Swift. তিনি তার তীক্ষ্ণ ব্যঙ্গাত্মক লেখার জন্য বিখ্যাত, যা সমাজ ও রাজনীতির দুর্নীতি ও অসঙ্গতিগুলোকে প্রকাশ করে। তার সবচেয়ে পরিচিত কাজ হলো “Gulliver’s Travels”, যেখানে তিনি মানব সমাজের কপটতা ও পাষণ্ডতাকে অত্যন্ত চমৎকারভাবে উপস্থাপন করেছেন। এছাড়া তার “A Modest Proposal” নামক প্রবন্ধটি সমাজের সমস্যাগুলোকে ব্যঙ্গাত্মকভাবে তুলে ধরে। Swift-এর কাজগুলো সময়ের সীমা ছাড়িয়ে মানুষের দুর্বলতা ও অসঙ্গতিকে বিচক্ষণ ও রঙিন ভাষায় উপস্থাপন করে, যা তাকে ইংরেজি সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ব্যঙ্গ রচয়িতা বানিয়েছে।

• বিস্তারিত আলোচনা:
• Jonathan Swift:
- Jonathan Swift, Ireland -এর Dublin -এ 1667 সালে জন্মগ্রহণ করেছিলেন এবং 1745 সালে মৃত্যুবরণ করেছিলেন।
- তিনি একজন Anglo-Irish author এবং clergyman ছিলেন।
- তিনি Augustan age -এর একজন বিখ্যাত Author ছিলেন.
 -The greatest satirist of the 18th century.
- অর্থাৎ, ইংরেজি সাহিত্যের সবচেয়ে বিখ্যাত ব্যঙ্গরচয়িতা বা satirist হলেন Jonathan Swift.
- তার রচিত বিখ্যাত satire হলো - ‘Gulliver’s Travels’ যেটি চার খন্ডে প্রকাশিত হয়।
- বাংলাদেশের জনপ্রিয় লেখক আবুল মনসুর আহমেদ 'গালিভারের সফরনামা' নামে এটি বাংলায় অনুবাদ করেন।
- তাঁর ছদ্মনাম ছিল Isaac Bickerstaff.

• Notable works:
- Gulliver's Travels,
- A Tale of a Tub,
- A Modest Proposal,
- A Journey to Stella,
- The Battle of Books, etc.

• Note: 'The Battle of Life' নামে Charles Dickens একটি উপন্যাস লিখেছেন।

Source: Britannica.
.
'Tom Jones' was written by which author?
  1. Henry Fielding
  2. Daniel Defoe
  3. Samuel Richardson
  4. Thomas Hardy
সঠিক উত্তর:
Henry Fielding
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Henry Fielding
ব্যাখ্যা
• ‘Tom Jones’ উপন্যাসটি লিখেছেন ক) Henry Fielding. এটি ইংরেজি সাহিত্যের একটি বিখ্যাত ক্লাসিক কাজ। এই উপন্যাসটি একটি রোমান্টিক ও হাস্যরসাত্মক কাহিনী যা একজন তরুণের জীবন ও তার প্রেমের গল্পকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে। হেনরি ফিল্ডিং তার জীবনের বাস্তব অভিজ্ঞতা ও সমাজের বিভিন্ন দিক এই উপন্যাসে সুন্দরভাবে তুলে ধরেছেন। ‘Tom Jones’ ইংরেজি সাহিত্যে রোমান্টিক ও পিকচারেসক উপন্যাসের একটি উল্লেখযোগ্য উদাহরণ হিসেবে বিবেচিত হয়। এটি পাঠকদের মনোযোগ আকর্ষণ করে এবং সাহিত্য ইতিহাসে বিশেষ স্থান পেয়েছে।

• বিস্তারিত আলোচনা:
• Tom Jones:
- British novelist and playwright Henry Fielding রচিত একটি বিখ্যাত উপন্যাস।
- Tom Jones, In full: The History of Tom Jones, a Foundling, হচ্ছে একটি comic novel.
- এটি ১৭৪৯ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়, which is the 1st half of 18th century.
- এটি একটি রোমান্স প্লটের উপরে লখা।
- Tom Jones, Picaresque Novel এর অন্যতম উদাহরণ।

• Summary:
- Tom Jones হচ্ছে একজন অনাথ যুবক; যাকে উপন্যাসের আরেক গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র Squire Allworthy সন্তানের মত লালন-পালন করেন। উপন্যাসে দেখা যায়, Squire Allworthy হলেন একজন উদার ও দয়ালু জমিদার এবং তিনি Tom এর প্রতি বিশেষ যত্নশীল। বড় হয়ে Tom তার প্রতিবেশী Sophia Western এর প্রেমে পড়ে, কিন্তু তাদের সম্পর্কের পথে নানা বাধা আসে। Tom Jons এর অনাথ পরিচয় এবং তার চরিত্রের কিছু দুর্বলতা তাদের মিলনের পথে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে।

- উপন্যাসটি টমের নানা দুঃসাহসিক অভিযান ও বিভিন্ন দুর্দশা , তার সাথে বিভিন্ন মানুষের সাক্ষাৎ এবং জীবনের নানা ঘটনার মধ্য দিয়ে এগিয়ে যাওয়ার পর, শেষ পর্যন্ত টমের প্রকৃত পরিচয় প্রকাশ পায় - সে আসলে স্কোয়ার অ্যালওয়ার্দির বোনের সন্তান। এই আবিষ্কারের পর, সমাজে তার মর্যাদা পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয় বং সে সোফিয়াকে বিয়ে করতে সক্ষম হয়।

• Main characters:
- Squire Allworthy,
- Bridget Allworthy,
- Mrs. Wilkins,
- Tom Jones,
- Sophia Western,
- Jenny Jones,
- Dr. Blifil,
- Captain Blifil,
- Partridge,
- Molly Seagrim, etc.

• Henry Fielding (1707-1754):
- Henry Fielding হলো 'The Age of Sensibility' এর একজন ইংলিশ উপন্যাসিক এবং নাট্যকার ছিলেন, যিনি Samuel Richardson -এর সঙ্গে ইংরেজি উপন্যাসের founder হিসেবে বিবেচিত হন।
- তিনি মূলত কমেডি এবং সামাজিক সমালোচনা নিয়ে লেখা তার কাজের জন্য পরিচিত।
- Fielding ইংরেজি সাহিত্যে উপন্যাসের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন।
- He is famous for the Picaresque Novel.
- তার ছদ্মনাম (pen name) হলো Captain Hercules Vinegar.

• Famous plays:
- The Tragedy of Tragedies,
- Rape Upon Rape,
- The Temple Beau,
- The Miser,
- The Modern Husband, etc.

• Famous Novels:
- Tom Jones,
- Amelia,
- Joseph Andrews.

Source:
1. Britannica.
2. An ABC of English Literature by Dr. M. Mofizar Rahman.
.
The 'Lucy poems' was written by which Romantic poet?
  1. Samuel Taylor Coleridge
  2. William Blake
  3. William Wordsworth
  4. Lord Byron
সঠিক উত্তর:
William Wordsworth
উত্তর
সঠিক উত্তর:
William Wordsworth
ব্যাখ্যা
• ‘Lucy poems’ রোমান্টিক কবি উইলিয়াম ওয়ার্ডসওয়ার্থ (William Wordsworth) লিখেছিলেন। এই কবিতাগুলোতে তিনি প্রকৃতি ও মানব জীবনের সংযোগ, হারানোর বেদনা এবং জীবনের ক্ষণস্থায়িত্বের বিষয়গুলি চিত্রিত করেছেন। ‘Lucy poems’ সিরিজে লুসি নামের একটি কাল্পনিক চরিত্রের মাধ্যমে জীবন ও মৃত্যু, ভালোবাসা ও বিচ্ছেদের অনুভূতি প্রকাশ পেয়েছে। ওয়ার্ডসওয়ার্থের এই কবিতাগুলো রোমান্টিক যুগের অনুভূতি ও দর্শনকে সুন্দরভাবে উপস্থাপন করে, যা তার সৃষ্টিশীলতার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তাই ‘Lucy poems’ এর স্রষ্টা ছিলেন উইলিয়াম ওয়ার্ডসওয়ার্থ।

• বিস্তারিত আলোচনা:
• Lucy poems:
- William Wordsworth-এর লেখা পাঁচটি কবিতার সিরিজ।
- The Lucy poems are a series of five poems.
- পাঁচটি কবিতার মধ্যে চারটি Lyrical Ballads এ প্রকাশিত হয়েছিল।
- Lucy মূলত: একজন ইংরেজ বালিকার নাম যে অল্প বয়সেই মারা যায়।

• Lucy Poems এ উল্লিখিত ৫টি কবিতার নাম হচ্ছে - 
1.  "Strange fits of passion have I known",
2. "She dwelt among the untrodden ways",
3."I travelled among unknown men",
4. "Three years she grew in sun and shower", and
5. "A slumber did my spirit seal".

• William Wordsworth:
- He is one of the major poets of the Romantic Period.
- William Wordsworth এবং Samuel Taylor Coleridge রচিত Lyrical Ballads এর প্রকাশনার মাধ্যমে Romantic Period এর সূচনা হয় ।
- Lyrical Ballads, William Wordsworth and Samuel Taylor এর যৌথ প্রকাশনা কিন্তু এই প্রকাশনায় William Wordsworth এর অবদান ছিল সর্বোচ্চ ছিল বলে তাকে The father of Romantic Age বলা হয়।
- William Wordsworth তার সাহিত্য জীবনের শুরুতে The French Revolution দ্বারা অনুপ্রাণিত হোন এবং তার কবিতায় এর প্রভাব দেখা যায়।
- French Revolution এর মূল ছিল Liberty, equality and Fraternity.
- Wordsworth, one of them, who greeted the revolution with enthusiasm.

• Famous poems of Wordsworth:
- The Solitary Reaper,
- Peter Bell,
- The Recluse,
- Tintern Abbey,
- Rainbow,
- To The Cuckoo,
- Laodamia,
- Lucy Poems,
- The Daffodils,
- Ode on immortality,
- The Excursion,
- Michael, etc.

Source: An ABC of English Literature by Dr M Mofizar Rahman, Live MCQ Lecture and Britannica.
.
Coleridge claimed Kubla Khan was composed after waking from what?
  1. A vivid opium-induced dream
  2. A long meditation
  3. A deep trance
  4. A conversation with a friend
সঠিক উত্তর:
A vivid opium-induced dream
উত্তর
সঠিক উত্তর:
A vivid opium-induced dream
ব্যাখ্যা
• Coleridge দাবি করেছিলেন যে তাঁর বিখ্যাত কবিতা "কুবলা খান" রচনা হয়েছিল একটি স্পষ্ট ও জীবন্ত আফিম-প্রভাবিত স্বপ্ন থেকে জেগে ওঠার পর। তিনি বলেছিলেন, কবিতাটি তাঁর মনের গভীর থেকে এক বিস্ময়কর দৃষ্টান্তস্বরূপ আবির্ভূত হয়েছিল যখন তিনি আফিম সেবনের ফলে একটি জাগ্রত স্বপ্ন দেখেছিলেন। এই স্বপ্নে তিনি প্রাচীন চীনের সম্রাট কুবলা খানের রাজ্যের চমকপ্রদ ও কল্পনাপ্রবণ ছবি দেখতে পান, যা পরে কবিতার আকার লাভ করে। এই অভিজ্ঞতাটি ছিল খুবই জীবন্ত ও বাস্তবসম্মত, যা তাঁকে কবিতার প্রতিটি স্তবক দ্রুত লেখার প্রেরণা দেয়। তাই, Coleridge এর মতে, "কুবলা খান" কবিতার সৃষ্টির পেছনে মূলত একটি স্পষ্ট আফিম-প্রভাবিত স্বপ্ন ছিল।

• বিস্তারিত আলোচনা:
• Kubla Khan:
- এটি Samuel Taylor Coleridge রচিত ৫০ লাইনের একটি অসমাপ্ত কবিতা।
- কবিতাটির পুরো নাম: Kubla Khan; or, a Vision in a Dream.
- এটির সাব টাইটেল হিসাবে 'A Vision in a Dream' and ''A Fragment.'' নামসমূহ ও ব্যবহৃত হয়।
- ধারণা করা হয় এই কবিতাটি 'under the influence of a dream' লেখা হয়েছিল।
- কবির নিজের ভাষ্য অনুযায়ী, এই কবিতাটি রচনার সময় তিনি নেশাগ্রস্থ ছিলেন; পাশাপাশি এই কবিতার অনেক লাইন তিনি স্বপ্নাদিষ্ট ভাবে পেয়েছেন।
- কোন কোন সাহিত্য গবেষকের মতে এই কবিতার মূল বিষয়বস্তু হলো Nature of human genius.
- Kublai Khan ছিলেন Emperor Shizu of Yuan এবং fifth khagan-emperor, তিনি ১২৬০ থেকে ১২৯৪ পর্যন্ত ক্ষমতায় ছিলেন।

• Samuel Taylor Coleridge: 
- তিনি একজন British English lyrical poet, critic এবং philosopher.
- His Lyrical Ballads, written with William Wordsworth, heralded the English Romantic movement, and his Biographia Literaria (1817) is the most significant work of general literary criticism produced in the English Romantic period.

• Notable Works of Samuel Taylor Coleridge:
- Biographia Literaria (Critical Autobiography),
- Christabel (Poem),
- Dejection: An Ode (Poem),
- Frost at Midnight (Poem),
- Kubla Khan (poem),
- Lyrical Ballads (Book),
- The Rime of the Ancient Mariner (Poem).
 
Source: An ABC of English Literature by Dr M Mofizar Rahman, Live MCQ Lecture and Britannica.
.
"Ozymandias" was written by which Romantic poet?
  1. P. B. Shelley
  2. Samuel Rogers
  3. John Keats
  4. John Clare
সঠিক উত্তর:
P. B. Shelley
উত্তর
সঠিক উত্তর:
P. B. Shelley
ব্যাখ্যা
• "Ozymandias" কবিতাটি রোমান্টিক যুগের কবি P. B. Shelley লিখেছেন। এই কবিতাটি একটি বিখ্যাত এবং গভীর অর্থবহ কবিতা যা সময়ের প্রবাহ এবং রাজত্বের ক্ষয়ক্ষতির উপর আলোকপাত করে। কবিতাটিতে একটি প্রাচীন ভগ্নপ্রায় মূর্তির বর্ণনা রয়েছে, যা প্রাচীন এক সম্রাটের দুর্দান্ত অতীতের স্মৃতিচিহ্ন হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে। তবে সেই সমস্ত গৌরব আজ নষ্ট হয়ে গেছে, যা পৃথিবীর সব ক্ষমতা ও গৌরবও শেষ হয় একদিন- এই মর্মবাণী কবিতাটির মূল বক্তব্য। "Ozymandias" কবিতার মাধ্যমে শেলি মানব ইতিহাসের মায়াজাল এবং সময়ের অবিচল সত্যকে ফুটিয়ে তুলেছেন।

• বিস্তারিত আলোচনা:
• Ozymandias:
- এই Sonnet টি রচনা করেন বিখ্যাত Romantic poet P.B. Shelley.
- এটি প্রকাশিত হয় ১৮১৮ সালে।
- Ozymandias was a Greek name for the pharaoh Ramesses II.
- কবিতাটিতে একজন ভ্রমণকারীর বর্ণনা রয়েছে, যে একটি বিধ্বস্ত ভাস্কর্য দেখতে পায়।
- ভাস্কর্যটি "Ozymandias" নামে পরিচিত, যে প্রাচীন মিসরীয় রাজা রামসেস দ্বিতীয়ের প্রতীক।
- ভাস্কর্যটির নীচে একটি খোদিত লেখার মাধ্যমে দেখা যায়, যেখানে রাজা নিজের শক্তি এবং মহানুভবতার গর্বিত বিবৃতি দিয়েছেন।
- "Ozymandias" কবিতাটি একটি শক্তিশালী বার্তা দেয় যে সময়ের সাথে সব কিছু পরিবর্তিত হয় এবং মানব অহংকারের পরিণতি অবশ্যম্ভাবী।
- এটি প্রমাণ করে যে, মহানত্ব এবং শক্তি শেষ পর্যন্ত বিলীন হয়ে যায়, এবং প্রকৃতি সবকিছুকে অতিক্রম করে।
 
• P. B. Shelley (1792-1822):
- তার পুরো নাম Percy Bysshe Shelley.
- P. B. Shelley ছিলেন একজন প্রখ্যাত ইংরেজি কবি এবং রোমান্টিক আন্দোলনের প্রধান ব্যক্তিত্ব। তাকে ইংরেজি সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি হিসেবে গণ্য করা হয়।
- তিনি ছিলেন একজন ইংরেজ রোমান্টিক কবি, যিনি তাঁর বিপ্লবী ধারণা, কল্পনাপ্রসূত সঙ্গীতশৈলী এবং সামাজিক পরিবর্তনের জন্য প্রবল সমর্থনের জন্য পরিচিত।
- তিনি রোমান্টিক আন্দোলনের একজন অগ্রগণ্য ব্যক্তি হিসেবে বিবেচিত হন এবং তাঁর ভাষা এবং বিষয়ের উদ্ভাবনী ব্যবহারের জন্য প্রশংসিত।
- তিনি বিশ্বাস করতেন সমাজের পরিবর্তনের জন্য একটি গুনগত বিপ্লবের প্রয়োজন।
- এজন্য তাকে ইংরেজি সাহিত্যের অন্যতম একজন Revolutionary poet হিসেবে গণ্য করা হয়।
- তাঁর নিরন্তর লক্ষ্য ছিল ভবিষ্যতের জন্য একটি গৌরবময় স্বর্ণযুগ নিয়ে আসা।

• His Famous Poems:
- Ode to the West Wind,
- To a Skylark,
- Ozymandias,
- Queen Mab,
- Adonais,
- The Cloud,
- Rosalind and Helen,
- The Revolt of Islam, etc.

• Drama:
- Prometheus Unbound,
- The Cenci.

Source:
1. Britannica.
2. Poetry Foundation.
.
Which period does Charles Lamb's writing primarily represent?
  1. Romantic era
  2. Victorian era
  3. Neoclassical era
  4. Modern era
সঠিক উত্তর:
Romantic era
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Romantic era
ব্যাখ্যা
• সঠিক উত্তর হলো - ক) Romantic era. চার্লস ল্যাম্ব ছিলেন উনিশ শতকের ইংরেজি সাহিত্যিক, যিনি রোমান্টিক যুগের একজন গুরুত্বপূর্ণ লেখক ও প্রবন্ধকার। রোমান্টিক যুগ ছিল এক সময়, যখন সাহিত্য ও শিল্পকলা আবেগ, কল্পনা, প্রকৃতি এবং ব্যক্তিগত অনুভূতির ওপর গুরুত্ব দেয়। ল্যাম্বের লেখায় সহজ সরল ভাষা, মৃদু হাস্যরস এবং ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার প্রকাশ লক্ষণীয়। তিনি প্রবন্ধ ও ছোট গল্পের মাধ্যমে মানবিক অনুভূতি ও দৈনন্দিন জীবনের সহজ সত্যগুলো তুলে ধরেছেন। এই কারণে তাঁর কাজ রোমান্টিক যুগের সাথে নিবিড়ভাবে জড়িত। ভিক্টোরিয়ান বা আধুনিক যুগের লেখকদের চেয়ে তিনি রোমান্টিক আদর্শের প্রবক্তা বলে বিবেচিত হন। তাই চার্লস ল্যাম্বের সাহিত্য রোমান্টিক যুগের প্রধান প্রতিনিধি।

• অন্য অপশন আলোচনা:
• Victorian era এর কিছু লেখক হলেন:
- Alfred, Lord Tennyson,
- Robert Browning,
- Charlotte Brontë,
- Matthew Arnold.

• Neoclassical era এর কিছু লেখক হলেন:
- John Dryden,
- Samuel Butler,
- William Congreve.

• Modern era এর কিছু লেখক হলেন:
- George Bernard Shaw,
- Joseph Conrad,
- Edward Morgan Forster.

Source: Britannica.com
.
Edmund Burke is best known for his contributions to which field?
  1. Medicine
  2. Architecture
  3. Physics
  4. Political Philosophy
সঠিক উত্তর:
Political Philosophy
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Political Philosophy
ব্যাখ্যা
• Edmund Burke প্রধানত রাজনৈতিক দার্শনিক হিসেবে পরিচিত। তিনি রাজনৈতিক দর্শন ও রাজনীতিবিদ্যার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন। Burke’র কাজ বিশেষ করে রাজনীতির নৈতিকতা, সমাজ ও সরকার ব্যবস্থার বিষয়ে চিন্তাভাবনা এবং বিপ্লবের প্রভাব নিয়ে। তিনি বিশেষ করে ফরাসি বিপ্লবের সমালোচক ছিলেন এবং সামাজিক পরিবর্তনের ক্ষেত্রে সতর্ক ও ধারাবাহিকতা বজায় রাখার পক্ষে মত প্রকাশ করেন। তাই Edmund Burke রাজনৈতিক দার্শনিক হিসেবে সর্বাধিক পরিচিত।
- সঠিক উত্তর - Political Philosophy.


• বিস্তারিত আলোচনা:
• Edmund Burke:
- তিনি Dublin এ জন্মগ্রহণ করে।
- তিনি একাধারে একজন author, political theorist ও philosopher.
- He is an Irish statesman.
- British parliament member (House of Commons).

• Major Works:
- On American Taxation (speech given in House of common).
- Speech on Conciliation with America
- Speech on Mr. Fox's East India Bill

Source: An ABC of English Literature, Dr. M Mofizar Rahman and Britannica.
.
Which ancient author’s works did George Chapman famously translate?
  1. Sophocles
  2. Homer
  3. Virgil
  4. Ovid
সঠিক উত্তর:
Homer
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Homer
ব্যাখ্যা
• জর্জ চ্যাপম্যান প্রখ্যাত ব্রিটিশ কবি ও অনুবাদক ছিলেন, যিনি বিশেষ করে গ্রিক মহাকাব্যিক কবি হোমারের কাজগুলো ইংরেজিতে অনুবাদ করার জন্য বিখ্যাত। হোমার ছিলেন প্রাচীন গ্রীক সাহিত্যের প্রধান কবি, যিনি "ইলিয়াড" এবং "অডিসি" নামক দুইটি মহাকাব্য রচনা করেন। চ্যাপম্যানের অনুবাদগুলো ইংরেজি সাহিত্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান লাভ করে, কারণ তিনি হোমারের মূল গ্রিক ভাষার আবেগ ও শক্তিকে সঠিকভাবে প্রকাশ করার চেষ্টা করেন। তার অনুবাদে হোমারের গল্পগুলি ইংরেজি ভাষাভাষীদের কাছে সহজে পৌঁছায় এবং সাহিত্যের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ সেতুবন্ধন তৈরি হয়। সুতরাং, জর্জ চ্যাপম্যান হোমারের কাজগুলো অনুবাদ করার জন্য সবচেয়ে বেশি পরিচিত।
- সঠিক উত্তর: খ) Homer.

• বিস্তারিত আলোচনা:
• George Chapman translated Homer’s “Illiad” and “Odyssey” into English.
- তার অনুবাদের প্রথম বই 1598 সালে প্রকাশিত হয়েছিল।
- It was completed in 1611, and his version of the Odyssey appeared in 1616.

- Chapman’s Homer contains passages of great power and beauty and inspired the sonnet of John Keats “On First Looking into Chapman’s Homer” (1815).
- এই সাহিত্য কর্ম গুলো থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে Romantic Period এর কবি John Keats রচনা করেছিলেন On First Looking into Champman's Homer.

• George Chapman was born in 1559 in England.
- English dramatist and poet এর পাশাপাশি তিনি ছিলেন একজন প্রথিতযশা অনুবাদক।

Source: Britannica.com
১০.
'Hudibras' written by Samuel Butler is a/an -
  1. Epic poem
  2. Tragic play
  3. Mock-heroic satire
  4. Historical novel
সঠিক উত্তর:
Mock-heroic satire
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Mock-heroic satire
ব্যাখ্যা
• Hudibras লেখক স্যামুয়েল বাটলার রচিত একটি Mock-heroic satire. এটি ১৭শ শতকের ইংল্যান্ডের রাজনৈতিক ও ধর্মীয় অবক্ষয়কে ব্যঙ্গ করে লেখা। কবিতাটি ঐতিহ্যবাহী মহাকাব্যের গঠন অনুসরণ করলেও, এতে বীরত্বের পরিবর্তে হাস্যরস, ব্যঙ্গ ও তুচ্ছ বিষয়ে অতিরঞ্জিত বর্ণনা করা হয়েছে। মূল চরিত্র হাডিব্রাস একজন পিউরিটান নাইট, যার ধর্মীয় গোঁড়ামি ও অজ্ঞতাকে উপহাস করা হয়েছে। এর মাধ্যমে বাটলার তৎকালীন সমাজের ভণ্ডামি ও রাজনৈতিক সংকটকে তীব্রভাবে সমালোচনা করেন। 'Hudibras' ইংরেজি সাহিত্যেকো ব্যঙ্গ-বিদ্রুপের এক অনন্য নিদর্শন।

• বিস্তারিত আলোচনা:
• Hudibras:
- এটি Samuel Butler রচিত একটি satirical poem.
- কবিতাটি প্রকাশিত হয়েছিল ১৬৬৩ সালে যা Burlesque poem নামেও পরিচিত।
- এই কবিতাটি বেশ কিছু কারণে বিখ্যাত তন্মধ্যে অন্যতম হলো, এটি ইংরেজি সাহিত্যের প্রথম সার্থক satire যেটি কোন ব্যক্তিকে বিদ্রুপ না করে ‘আইডিয়া’ কে বিদ্রুপ করেছে।
- অর্থাৎ পুরো পিউরিটান মতাদর্শে দীক্ষিত জনসাধারণকেই তিনি তীক্ষ্ণ ভাষায় বিদ্রুপ করেছেন।
- প্রধান চরিত্র হলো একজন রগচটা, এবং ঝগড়াটে Knight যার নাম Sir Hudibras.

• Samuel Butler:
- তিনি একজন British poet ও satirist.
- তিনি Restoration Period এর একজন author.

• Samuel Butler also wrote:
- The Elephant in the Moon - A long verse poem.

Source: Britannica & Live MCQ Lecture.
১১.
Who wrote the lines “He prayeth best, who loveth best / All things both great and small”?
  1. Samuel Taylor Coleridge
  2. William Wordsworth
  3. John Keats
  4. Lord Byron
সঠিক উত্তর:
Samuel Taylor Coleridge
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Samuel Taylor Coleridge
ব্যাখ্যা
• উক্ত পঙ্‌ক্তিদুটি “He prayeth best, who loveth best / All things both great and small” ইংরেজি কাব্যগ্রন্থ The Rime of the Ancient Mariner থেকে নেওয়া, যার রচয়িতা Samuel Taylor Coleridge. এই কাব্যটিতে কবি প্রকৃতি, প্রাণী এবং সমস্ত জীবের প্রতি ভালোবাসার গুরুত্ব তুলে ধরেছেন। তিনি বুঝিয়েছেন যে প্রকৃত প্রার্থনা বা ধার্মিকতা সেই ব্যক্তিরই হয়, যে সব ধরনের জীবের প্রতি ভালোবাসা দেখায়- হোক সে ছোট কিংবা বড়। প্রকৃতির প্রতি ভালবাসাই মানুষকে সত্যিকারের ধার্মিক করে তোলে। এই শিক্ষার মাধ্যমে মানবতাবোধ ও পরিবেশ রক্ষার গুরুত্ব প্রতিফলিত হয়েছে।

• বিস্তারিত আলোচনা:
• The Rime of the Ancient Mariner:
- The poem "The Rime of the Ancient Mariner" is written by Samuel Taylor Coleridge.
- এটি একটি সাত ভাগে বিভক্ত কবিতা।
- এটি সর্বপ্রথম "Lyrical Ballads" এর অন্তর্ভুক্ত হয়ে ১৭৯৮ সালে প্রকাশিত হয়।

• The important character of this poem is:
- The Mariner,
- Wedding Guest,
- Albatross,
- The Nightmare,
- Life in Death.

• সার-সংক্ষেপ:
- কবিতাটি অপরাধ, শাস্তি এবং প্রকৃতির প্রতি শ্রদ্ধার গুরুত্ব নিয়ে লিখিত।
- কবিতার নায়ক, একটি প্রাচীন নাবিক, একদিন তিনজন তরুণকে তার অভিজ্ঞতা শোনান।
- তার গল্পে উঠে আসে কীভাবে সে একটি Albatross পাখি হত্যা করে, যার ফলে জাহাজে অভিশাপ নেমে আসে।
- তার সাথের সাথী সবাই মারা যায়, এবং একা বেঁচে থাকার পর, নাবিক প্রাকৃতিক শক্তির প্রতি শ্রদ্ধা ও তার ভুল বুঝতে পারে।
- অবশেষে, তাকে সারা পৃথিবী ঘুরে তার এই ভয়াবহ গল্প শোনাতে হবে।

• Famous quotations from this poem:
- "Alone, alone, all, all alone,
Alone on a wide sea."

- "Water, water everywhere,
Not any drop to drink."

- "He prayeth best, who loveth best
All things both great and small."

• Samuel Taylor Coleridge:
- তিনি একজন English lyrical poet, critic, এবং philosopher.
- William Wordsworth-এর সাথে রচিত 'Lyrical Ballads' ইংরেজি রোমান্টিক যুগের সূচনা করে ।
- 'Biographia Literaria' হলো Coleridge-এর সাহিত্য সমালোচনার শ্রেষ্ঠ রচনা।

• His notable works:
- Biographia Literaria,
- Christabel,
- Dejection: An Ode,
- Frost at Midnight,
- Kubla Khan,
- Lyrical Ballads,
- On the Constitution of the Church and State,
- The Rime of the Ancient Mariner.

Source: Britannica.
১২.
Which artist is known for both his poetry and his visionary paintings?
  1. Leonardo da Vinci
  2. Pablo Picasso
  3. George Farquhar
  4. William Blake
সঠিক উত্তর:
William Blake
উত্তর
সঠিক উত্তর:
William Blake
ব্যাখ্যা
• সঠিক উত্তর: ঘ) William Blake.

William Blake একজন খ্যাতনামা ইংরেজ কবি, চিত্রশিল্পী ও খোদাইকার। তিনি একই সাথে তার কবিতা ও চিত্রকলার জন্য বিশ্বব্যাপী সমাদৃত। ব্লেকের কবিতায় যেমন রয়েছে গভীর দার্শনিকতা, তেমনি তার চিত্রকলায় দেখা যায় এক ধরনের অলৌকিক, কল্পনাপ্রসূত দৃশ্যপট। তার উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ 'Songs of Innocence and of Experience' এবং 'The Marriage of Heaven and Hell'। একইসাথে, তিনি নিজের কবিতার জন্য নিজেই চিত্র অংকন করতেন। ব্লেকের চিত্রকলা ও কবিতা উভয়ই দর্শন, ধর্ম ও সমাজের গভীর প্রশ্নগুলোকে স্পর্শ করে, যা তাকে যুগান্তকারী শিল্পী হিসেবে চিহ্নিত করেছে।

• বিস্তারিত আলোচনা:
• William Blake (1757-1827):
- ১৭৫৭ সালে তিনি ইংল্যান্ডে জন্মগ্রহণ করেছিলেন।
- তাকে ইংরেজি সাহিত্যের একজন অন্যতম সাহিত্যিক হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
- William Blake -কে প্রায়ই early Romantic যুগের অন্যতম শ্রেষ্ঠ visionary poet হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
- লেখক বা কবি পরিচয় ছাড়াও তার মূল পেশা ছিল - 'engraver and watercolor artist'.
- অর্থাৎ, তিনি খোদাই করে ছবি তৈরী করতেন এবং জলরঙ দিয়ে ছবি আঁকতেন।
- ছবি ব্যাখ্যা করতে গিয়েই তিনি কবিতা লিখতেন।

• Notable Works of William Blake:
- Songs of Innocence,
- Songs of Experience,
- The Marriage of Heaven and Hell,
- Milton a poem,
- The Divine image,
- A Vision of the Last Judgment,
- Jerusalem,
- London,
- The Tyger,
- The Lamb,
- The Everlasting Gospel,
- The First Book of Urizen,
- Vala or The Four Zoas,
- Visions of the daughters of Albion, etc.

Source:
1. Britannica.
2. An ABC of English Literature by Dr. M. Mofizar Rahman.
১৩.
লোহিত রক্তকণিকা কোথায় তৈরি হয়?
  1. প্লীহা ও অস্থিমজ্জায়
  2. যকৃত ও অস্থিমজ্জায়
  3. হৃৎপিণ্ড ও অস্থিমজ্জায়
  4. কিডনি ও অস্থিমজ্জায়
সঠিক উত্তর:
যকৃত ও অস্থিমজ্জায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যকৃত ও অস্থিমজ্জায়
ব্যাখ্যা
• ভ্রূণাবস্থায় এবং প্রাথমিক জীবনে লোহিত রক্তকণিকা যকৃতেও তৈরি হয়। ভ্রূণাবস্থায় প্লীহা-তেও লোহিত রক্তকণিকা তৈরি হয় - তবে, যকৃতের তুলনায় তা খুব অল্প পরিমাণ।
তাই, সঠিক উত্তর - খ) যকৃত ও অস্থিমজ্জায় - কারণ উভয় অঙ্গই লোহিত রক্তকণিকা তৈরিতে ভূমিকা রাখে, যদিও প্রাপ্তবয়স্কদের ক্ষেত্রে অস্থিমজ্জাই প্রধান স্থান।

• রক্তসংবহন তন্ত্র:
- যে প্রক্রিয়ায় প্রাণিদেহে রক্ত পরিবহনের কাজ সম্পন্ন হয় তাকে সংবহন প্রক্রিয়া বলে।
- রক্ত, হৃৎপিণ্ড, ধমনি, শিরা এবং লসিকা ও লসিকাবাহী নালির সমন্বয়ে মানব দেহের সংবহনতন্ত্র গঠিত।
- যে তন্ত্রের মাধ্যমে দেহে রক্ত সঞ্চালিত হয় তাকে রক্ত সংবহনতন্ত্র বলে।
- হৃৎপিণ্ড, রক্ত ও রক্তবাহী নালির সমন্বয়ে রক্ত সংবহনতন্ত্র গঠিত।

• রক্ত ও রক্তের উপাদান:
- রক্ত ঘন লাল রঙের একটি তরল পদার্থ, এটি এক ধরনের তরল যোজক টিস্যু।
- রক্তের স্বাদ ক্ষারধর্মী।
- রক্তের উপাদান দুইটি।
- যথা: রক্তরস ও রক্তকণিকা।

• রক্তকণিকা:
- রক্তে তিন ধরনের কণিকা রয়েছে।
যথা-

ক. লোহিত রক্তকণিকা:
- লোহিত রক্তকণিকার জন্য রক্তের রং লাল দেখায়, এর মধ্যে হিমোগ্লোবিন নামক একটি রঞ্জক পদার্থ থাকে।
- হিমোগ্লোবিনের সাথে অক্সিজেন যুক্ত হয়ে দেহকোষে -পৌঁছায়।
- লোহিত রক্তকণিকা উভঅবতল (উভয় পৃষ্ঠে খাদ আছে), চাকতির মতো গোলাকার কোষ।
- পরিণত লোহিত রক্তকণিকায় নিউক্লিয়াস থাকে না।
- লোহিত রক্তকণিকা যকৃত ও অস্থিমজ্জায় তৈরি হয়।

খ. শ্বেত রক্ত কণিকা:
- শ্বেত রক্তকণিকা লোহিত রক্তকণিকার চেয়ে আকারে কিছুটা বড়ো ও অনিয়মিত আকারের হয়।
- এদের নিউক্লিয়াস আছে, প্লীহা ও অস্থিমজ্জায় এদের জন্ম।
- দেহে কোনো রোগ-জীবাণু প্রবেশ করলে শ্বেত রক্তকণিকা সেগুলোকে ধ্বংস করে।
- শ্বেত রক্তকণিকা দেহের প্রহরীর মতো কাজ করে, তাই এদের সৈনিকের সাথে তুলনা করা হয়।

গ. অণুচক্রিকা:
- অণুচক্রিকা দেখতে গোলাকার বা বৃত্তের মতো।
- এরা লোহিত রক্তকণিকার চেয়ে আকারে ছোটো হয় ও নিউক্লিয়াস থাকে না, এরা গুচ্ছাকারে থাকে।
- এদের উৎপত্তি লোহিত অস্থিমজ্জায়।
- দেহের কোনো অংশ কেটে রক্তপাত ঘটলে অণুচক্রিকা রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করে, এদের প্লেটলেটও বলে।

উৎস: বিজ্ঞান, সপ্তম শ্রেণি।
১৪.
নিচের কোন উপাদানটি গাছ মাটি থেকে সংগ্রহ করে?
  1. কার্বন (C)
  2. হাইড্রোজেন (H)
  3. ফসফরাস (P)
  4. অক্সিজেন (O)
সঠিক উত্তর:
ফসফরাস (P)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফসফরাস (P)
ব্যাখ্যা
ফসফরাস (P) উপাদানটি গাছ মাটি থেকে সংগ্রহ করে।

• উদ্ভিদ পুষ্টি উপাদান:
- উদ্ভিদের সাধারণত ১৬টি উপাদানকে গাছের অত্যাবশ্যকীয় খাদ্য উপাদান বলা হয়।
- এই ১৬টি উপাদান হলো: কার্বন (C), হাইড্রোজেন (H), অক্সিজেন (O), নাইট্রোজেন (N), ফসফরাস (P), পটাশিয়াম (K), ক্যালসিয়াম (Ca), ম্যাগনেসিয়াম (Mg), সালফার (S), লৌহ (Fe), ম্যাঙ্গানিজ (Mn), জিংক (Zn), কপার (Cu), ক্লোরিন (CI), বোরন (B), ও মলিবডেনাম (Mo)।

• উদ্ভিদ পুষ্টি উপাদানের উৎস:
- বায়ু হতে উদ্ভিদ C, O এবং N সংগ্রহ করে।
- C ও O বায়ু CO2 হিসেবে প্রধানত: পাতার স্টোমাটার সাহায্যে গ্রহণ করে।
- মাটি হতে উদ্ভিদ খনিজ পদার্থ (Mineral matter) ও জৈব পদার্থ (Organic matter) সংগ্রহ করে।
- C, H, O ব্যতিত অন্যান্য উপাদান অর্থাৎ ১৩টি অপরিহার্য পুষ্টি উপাদান উদ্ভিদ মাটি হতে পরিশোষণ করে।

উৎস: উদ্ভিদ পুষ্টি ও সার ব্যবস্থাপনা, স্কুল অব এগ্রিকালচার এন্ড রুরাল ডেভেলপমেন্ট, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৫.
হৃৎপিণ্ডের বহিঃস্তরের নাম কী?
  1. মায়োকার্ডিয়াম
  2. এন্ডোকার্ডিয়াম
  3. পেরিকার্ডিয়াম
  4. এপিকার্ডিয়াম
সঠিক উত্তর:
এপিকার্ডিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এপিকার্ডিয়াম
ব্যাখ্যা
হৃৎপিণ্ডের বহিঃস্তরকে এপিকার্ডিয়াম বলে।

• হৃৎপিণ্ডের গঠন:
- হৃৎপিণ্ড বক্ষ গহ্বরের বাম দিকে দুই ফুসফুসের মাঝখানে অবস্থিত একটি ত্রিকোণাকার ফাঁপা অঙ্গ।
- এটি হৃৎপেশি নামক এক বিশেষ ধরনের অনৈচ্ছিক পেশি দ্বারা গঠিত।
- এটি পেরিকার্ডিয়াম নামক পাতলা পর্দা দ্বারা আবৃত থাকে।

• হৃৎপিণ্ডের প্রাচীরে তিনটি স্তর থাকে।
যথা-
১। বহিঃস্তর বা এপিকার্ডিয়াম:
- বহিঃস্তর মূলত যোজক কলা দ্বারা গঠিত।
- এতে বিক্ষিপ্তভাবে চর্বি থাকে।
- এটি আবরণী কলা দিয়ে আবৃত থাকে।

২। মধ্যস্তর মায়োকার্ডিয়াম:
- এটি বহিঃস্তর এবং অন্তঃস্তরের মাঝখানে অবস্থান করে।
- এটি দৃঢ় অনৈচ্ছিক পেশি দিয়ে গঠিত।

৩। অন্তঃস্তর এন্ডোকার্ডিয়াম:
- এটি সব থেকে ভেতরের স্তর।
- হৃৎপিণ্ডের প্রকোষ্ঠগুলো অন্তঃস্তর দিয়ে আবৃত থাকে।
- অন্তঃস্তরটি হৃৎপিণ্ডের কপাটিকাগুলোকেও আবৃত করে রাখে।
- হৃৎপিণ্ডের ভেতরের স্তর ফাঁপা এবং চারটি প্রকোষ্ঠে বিভক্ত।

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১৬.
নিষেকের পর ডিম্বক কীসে রূপান্তরিত হয়?
  1. ফল
  2. বীজ
  3. টেস্টা
  4. সস্য
সঠিক উত্তর:
বীজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বীজ
ব্যাখ্যা
নিষেকের পর ডিম্বক বীজে রূপান্তরিত হয়।

• নিষেকক্রিয়ার পর গর্ভাশয় ও ডিম্বকের বিভিন্ন পরিবর্তন
নিষেকক্রিয়ার পূর্বে --- নিষেকক্রিয়ার পরে
গর্ভাশয় ----------------- ফল
গর্ভাশয় ত্বক ------------ ফলত্বক
ডিম্বক ------------------ বীজ
এক্সাইন ---------------- টেস্টা
ইন্টাইন ---------------- টেগমেন
ভ্রূণপোষক টিস্যু ------- নিঃশেষ হয়ে যায়
ডিম্বাণু (নিষিক্ত) -------- ভ্রূণ
সস্য মাতৃকোষ -------- সস্য
সাহায্যকারী কোষ ----- নষ্ট হয়ে যায়
প্রতিপাদ কোষ -------- নষ্ট হয়ে যায়
মাইক্রোপাইল -------- মাইক্রোপাইল
হাইলাম -------------- হাইলাম
ডিম্বকনাড়ী ---------- বীজবৃন্ত

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৭.
কোন করোটিক স্নায়ুটি শ্রবণ শক্তির সাথে যুক্ত?
  1. অপটিক
  2. অলফ্যাক্টরি
  3. অডিটরি
  4. হাইপোগ্লোসাল
সঠিক উত্তর:
অডিটরি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অডিটরি
ব্যাখ্যা
অডিটরি করোটিক স্নায়ুটি শ্রবণ শক্তির সাথে যুক্ত।

• করোটিক স্নায়ু:
- যে সব স্নায়ু মস্তিষ্কের বিভিন্ন অংশ থেকে উৎপত্তি লাভ করে করোটিকার বিভিন্ন ছিদ্রপথে বের হয়ে দেহের বিভিন্ন অঙ্গে বিস্তৃত হয় তাদের করোটিক স্নায়ু বলে।
- মানুষের করোটিক স্নায়ু ১২ জোড়া।
- করোটিক স্নায়ুসমূহ সেনসরি বা সংবেদী, মটর বা আজ্ঞাবাহী/চেষ্টীয় এবং মিশ্র প্রকৃতির হয়ে থাকে।
- যে সকল স্নায়ু কোন সংবেদী অঙ্গ থেকে উদ্দীপনা বহন করে কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রে বা মস্তিষ্কে পৌঁছে দেয় তাদের সংবেদী স্নায়ু বলে।
যেমন- অলফ্যাক্টরি ও অপটিক স্নায়ু।
- আবার যে সব স্নায়ু কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রের কোন নির্দেশ বহন করে নির্দিষ্ট অঙ্গে পৌঁছে দেয় তাদের চেষ্টীয় বা আজ্ঞাবাহী বা মোটর স্নায়ু বলে।
যেমন- অকুলোমোটর ও ট্রকলিয়ার স্নায়ু।
- কিছু স্নায়ু সংবেদী ও আজ্ঞাবাহী উভয় ধরনের কাজ করে, এদের মিশ্র স্নায়ু বলে।
যেমন- ফ্যাসিয়াল বা ট্রাইজেমিনাল স্নায়ু।

• অলফ্যাক্টরি স্নায়ু:
-অগ্রমস্তিষ্কের অঙ্কীয়দেশ (অলফ্যাক্টরি লোবের শীর্ষদেশ) হতে উৎপন্ন হয়ে নাসিকা গহবরের মিউকাস পর্যন্ত বিস্তৃত হয়।
- এটি সংবেদী স্নায়ু এবং মস্তিষ্কে ঘ্রাণের অনুভূতি পৌঁছায়। 

• অডিটরি:
- এটি মেডুলা অবলংগাটার পার্শ্বদেশ হতে উৎপত্তি লাভ করে অন্যকর্ণে বিস্তৃত হয়।
- অডিটরি স্নায়ু সংবেদী প্রকৃতির। এটি শ্রবণ ও ভারসাম্য রক্ষার অনভূতি মস্তিষ্কে বহন করে।

• অপটিক:
- অপটিক করোটিক স্নায়ুটি দৃষ্টিশক্তির সাথে যুক্ত।

• হাইপোগ্লোসাল:
- হাইপোগ্লোসাল করোটিক স্নায়ুটি জিভের গতির সাথে যুক্ত।

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৮.
প্রাণী প্রজাতির নামকরণের জন্য কোন নীতিমালা অনুসরণ করা হয়?
  1. ICZN
  2. ICBN
  3. IZCN
  4. IBCN
সঠিক উত্তর:
ICZN
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ICZN
ব্যাখ্যা
প্রাণী প্রজাতির নামকরণের জন্য ICZN নীতিমালা অনুসরণ করা হয়।

• দ্বিপদ নামকরণ:
- দু'টি পদ নিয়ে গঠিত কোন জীব-প্রজাতির নামকে বলা হয় দ্বিপদ নাম এবং দু'টি পদের সমন্বয়ে নাম দেয়ার প্রক্রিয়াকে বলা হয় দ্বিপদ নামকরণ।
- উদ্ভিদ প্রজাতির (শৈবাল ও ছত্রাক সহ) নামকরণ করা হয়ে থাকে ICBN (International Code of Botanical Nomenclature বর্তমানে ICN = International Code of Botanical Nomenclature for Algae, Fungi & Plants) -এর নীতিমালা অনুযায়ী।
- প্রাণী প্রজাতির নামকরণ করা হয় ICZN (International Code of Zoological Nomenclature) - এর নীতিমালা অনুযায়ী।
- মানুষের বৈজ্ঞানিক নাম Homo sapiens,
- দোয়েল পাখির বৈজ্ঞানিক নাম Copsychus saularis,
- বাঘ (রয়েল বেঙ্গল)-এর বৈজ্ঞানিক নাম Panthera tigris,
- আম গাছের বৈজ্ঞানিক নাম Mangifera indica,
- বট গাছের বৈজ্ঞানিক নাম Ficus benghalensis,
- কুনোব্যাঙ এর বৈজ্ঞানিক নাম Bufo melanostictus,
- ইলিশ মাছের বৈজ্ঞানিক নাম Tenualosa ilisha,
- ধানের বৈজ্ঞানিক নাম Oryza sativa এবং
- শাপলার বৈজ্ঞানিক নাম Nymphaea nouchali ইত্যাদি।

উৎস: ১। জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। জীববিজ্ঞান প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (ড. মোহাম্মদ আবুল হাসান)।
১৯.
ডারউইনবাদ কিসের ওপর ভিত্তি করে গঠিত?
  1. অভিযোজন নির্বাচন
  2. পরিবেশগত চাপ
  3. প্রাকৃতিক নির্বাচন
  4. জীন পরিবর্তন
সঠিক উত্তর:
প্রাকৃতিক নির্বাচন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রাকৃতিক নির্বাচন
ব্যাখ্যা
ডারউইনবাদ প্রাকৃতিক নির্বাচনের ওপর ভিত্তি করে গঠিত।

• ডারউইনবাদ বা ডারউইনের তত্ত্ব:
- ব্রিটিশ প্রকৃতি বিজ্ঞানী চার্লস ডারউইন জীববিজ্ঞান তথা সমগ্র বিজ্ঞানের ইতিহাসে একটি বৈপ্লবিক চিন্তাধারার সৃষ্টি করেন।
- বিজ্ঞানী চার্লস ডারউইন (Charles Robert Darwin, 1809-1882) ইংল্যান্ডের স্রাসবেরি শহরে জন্মগ্রহণ করেন।
- প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত গ্যালাপ্যাগোস দ্বীপপুঞ্জ পরিভ্রমণকালে তিনি ঐ অঞ্চলের উদ্ভিদ এবং প্রাণিকুলের বিস্ময়কর বৈশিষ্ট্য দেখে বিশেষভাবে আকৃষ্ট হন এরপর সংগৃহীত তথ্যের ভিত্তিতে 1837 খ্রিষ্টাব্দে ইংল্যান্ডে প্রত্যাবর্তনের প্রায় 20 বছর পরে 1859 খ্রিষ্টাব্দে 'প্রাকৃতিক নির্বাচনের দ্বারা প্রজাতির উদ্ভব' (Origin of Species by Means of Natural Selection) নামক বইয়ে তাঁর মতবাদটি প্রকাশ করেন।
- ডারউইনের তত্ত্বটি বিবর্তন তত্ত্ব নামে প্রচলিত হলেও তিনি প্রকৃতপক্ষে জৈব অভিব্যক্তি তথা বিবর্তনের আবিষ্কারক নন।
- ডারউইনের সাফল্য ছিল, জৈব অভিব্যক্তির কারণ হিসেবে পর্যাপ্ত সংখ্যক -বৈজ্ঞানিক তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে একটি প্রক্রিয়ার (mechanism) ধারণা প্রতিষ্ঠা করা, যা জৈব অভিব্যক্তির যাবতীয় বিষয় ব্যাখ্যা করতে পারবে।
- জৈব অভিব্যক্তির কারণ হিসেবে প্রাকৃতিক নির্বাচনকে উল্লেখ করে আরও একজন সমসাময়িক ব্রিটিশ প্রকৃতি বিজ্ঞানী, আলফ্রেড ওয়ালেস (Alfred Russel Wallace, 1823-1913), একই সময়ে কিন্তু স্বাধীনভাবে অনুরূপ তত্ত্ব প্রণয়ন করেন।
- তবে বিভিন্ন ঐতিহাসিক কারণে তাঁর চেয়ে ডারউইনের নামেই তত্ত্বটি অধিক প্রচলিত।

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
২০.
কোনটি গঠনমূলক খাদ্য উপাদান?
  1. স্নেহ
  2. আমিষ
  3. ভিটামিন
  4. রাফেজ
সঠিক উত্তর:
আমিষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আমিষ
ব্যাখ্যা
আমিষ হচ্ছে গঠনমূলক খাদ্য উপাদান।

• খাদ্য উপাদান:
- খাদ্য অনেকগুলো রাসায়নিক বস্তুর সমন্বয়ে গঠিত, এই রাসায়নিক বস্তুগুলোকে খাদ্য উপাদান বলে।
- এই উপাদানগুলোর মধ্যে পুষ্টি থাকে, তাই খাদ্য উপাদানকে পুষ্টি উপাদানও বলা হয়।
- উপাদান অনুযায়ী খাদ্যবস্তুকে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা হয়।

যথা:
১। আমিষ: আমিষ দেহের বৃদ্ধিসাধন ও ক্ষয়পুরণ করে।
২। শর্করা: শর্করা দেহে শক্তি উৎপাদনে সহায়তা করে।
৩। স্নেহ: স্নেহ বা চর্বিজাতীয় খাদ্য দেহে তাপ ও শক্তি উৎপাদন করে।

এছাড়া আরও তিন ধরনের উপাদানও দেহের জন্য প্রয়োজন।
যেমন:
৪। ভিটামিন বা খাদ্যপ্রাণ: ভিটামিন বা খাদ্যপ্রাণ দেহে রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়ায় এবং বিভিন্ন রাসায়নিক বিক্রিয়ায় উদ্দীপনা যোগায়।
৫। খনিজ লবণ: খনিজ লবণ দেহের বিভিন্ন জৈবিক কাজে অংশ নেয়।
৬। পানি: দেহে পানি ও তাপের সমতা রক্ষা করে, এছাড়া কোষের কার্যাদি নিয়ন্ত্রণ করে এবং কোষ ও তার অঙ্গাণুগুলোকে ধারণ করে।
- খাদ্য উপাদানের বাইরে আরও একটি উপাদান রয়েছে, যেটি কোনো পুষ্টি না জোগালেও একটি গুরুত্বপূর্ণ খাদ্য উপাদান।
৭। রাফেজ: রাফেজ বা খাদ্য আঁশ (Fibre) পানি শোষণ করে এবং মলের পরিমাণ বৃদ্ধি করে ও বৃহদন্ত্র থেকে মল নিষ্কাশনে সাহায্য করে।

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
২১.
নিচের কোন উদ্ভিদ শাখা কলমের মাধ্যমে চাষ করা যায়?
  1. পটল
  2. ডালিয়া
  3. গোলাপ
  4. মিষ্টি আলু
সঠিক উত্তর:
গোলাপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গোলাপ
ব্যাখ্যা
গোলাপ শাখা কলমের মাধ্যমে চাষ করা যায়।

• দেহ অঙ্গের মাধ্যমেও অযৌন জনন ঘটে। এ ধরনের অযৌন জননকে অঙ্গজ জননও (Vegetative reproduction) বলা হয়।

• এটা আবার দু'ভাবে হয়।
যথা- (ক) স্বাভাবিক অঙ্গজ জনন এবং
(খ) কৃত্রিম উপায়ে অঙ্গজ জনন।

(ক) স্বাভাবিক অঙ্গজ জনন:
- কিছু কিছু উদ্ভিদের মূল থেকে নতুন উদ্ভিদের সৃষ্টি হয়। যেমন- মিষ্টি আলু, ডালিয়া, কাঁকরোল, পটল ইত্যাদি।
- কতিপয় উদ্ভিদের কান্ড থেকে নতুন উদ্ভিদের সৃষ্টি হয়। যেমন- আদা, হলুদ, সটি, আলু, ওলকচু ইত্যাদি।
- কিছু উদ্ভিদের পাতার কিনারায় পত্রাশ্রয়ী মুকুল হতে নতুন উদ্ভিদের সৃষ্টি হয়। যথা- পাঁথরকুচি।

(খ) কৃত্রিম অঙ্গজ জনন: এটি বিভিন্ন উপায়ে হতে পারে। যথা-
১। শাখা কলম দ্বারা - কতিপয় উদ্ভিদের কান্ড থেকে স্বাভাবিকভাবে নতুন উদ্ভিদ জন্মায় না কিন্তু উদ্ভিদের শাখা কেঁটে ভেজা মাটিতে রোপন করলে নতুন উদ্ভিদের সৃষ্টি হয়।
যেমন- গোলাপ, চাঁপা, জবা ইত্যাদি।

২। গুটি কলমের মাধ্যমে - অনেক উদ্ভিদের শাখার চারপাশের বাকল ছাড়িয়ে নিয়ে তার চারদিকে সার ও গোবর মাটির প্রলেপ দিয়ে তার উপরে খড় বা চটের বস্তা বেঁধে রাখলে, উক্ত স্থানে শিকড় গজায় তখন শিকড়সহ শাখাটি মাতৃ উদ্ভিদ থেকে আলাদা করে অন্যত্র রোপন করা হয়।
যেমন- গোলাপ, আম, লেবু, লিচু ইত্যাদি।

৩। দাবা কলমের দ্বারা - এক্ষেত্রে গাছের একটি শাখাকে মাটির সাথে আবদ্ধ করে প্রত্যেক দিন উক্ত স্থানে পানি দেয়া হয়। কয়েক দিনের মধ্যে মাটিতে আবদ্ধ শাখার পর্ব থেকে মূল গজায়। পরে মূলসহ শাখাটিকে কেটে অন্যত্র রোপন করা হয়।
যেমন- চন্দ্রমল্লিকা, পুদিনা, লেবু ইত্যাদি।

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২২.
রক্ত কোন ধরনের কলা?
  1. স্নায়ুকলা
  2. এপিথেলিয়াল কলা
  3. মাংসপেশিক কলা
  4. তরল যোজক কলা
সঠিক উত্তর:
তরল যোজক কলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তরল যোজক কলা
ব্যাখ্যা
রক্ত এক ধরনের তরল যোজক কলা।

রক্ত (Blood):
- রক্ত একটি অস্বচ্ছ, মৃদু ক্ষারীয় এবং লবণাক্ত তরল পদার্থ।
- রক্ত হৃৎপিণ্ড, শিরা, উপশিরা, ধমনি, শাখা ধমনি এবং কৈশিকনালি পথে আবর্তিত হয়।
লোহিত রক্তকোষে হিমোগ্লোবিন নামক রঞ্জক পদার্থ থাকার কারণে রক্তের রং লাল দেখায়।
- হাড়ের লাল অস্থিমজ্জাতে রক্তকোষের জন্ম হয়।

• রক্তের উপাদান:
- রক্ত এক ধরনের তরল যোজক কলা।
- রক্তের উপাদান দুইটি।
- যথা: রক্তরস ও রক্তকণিকা।
- রক্তরস এবং কয়েক ধরনের রক্তকোষের সমন্বয়ে রক্ত গঠিত।

• রক্তরস (Plasma):
- রক্তের বর্ণহীন তরল অংশকে রক্তরস বলে।
- সাধারণত রক্তের শতকরা প্রায় ৫৫ ভাগ রক্তরস।
- রক্তরসের প্রধান উপাদান পানি।
- এছাড়া বাকি অংশে কিছু প্রোটিন, জৈবযৌগ ও সামান্য অজৈব লবণদ্রবীভূত অবস্থায় থাকে।
-যেমন- প্রোটিন (যথা-অ্যালবুমিন, গ্লোবিউলিন ও ফাইব্রিনোজেন), গ্লুকোজ, ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র চর্বিকণা, খনিজ লবণ, ভিটামিন, হরমোন, এন্টিবডি, বর্জ্য পদার্থ (যেমন:
কার্বন ডাই-অক্সাইড, ইউরিয়া, ইউরিক এসিড) ইত্যাদি।
- এছাড়া রক্তরসে সামান্য পরিমাণে সোডিয়াম ক্লোরাইড, সোডিয়াম বাইকার্বোনেট ও অ্যামাইনো এসিড থাকে।
- খাদ্য হিসেবে যা গ্রহণ করা হয় তা পরিপাক হয়ে অন্ত্রের গাত্রে শোষিত হয় এবং রক্তরসে মিশে দেহের সর্বত্র সঞ্চালিত হয়।
- এভাবে দেহকোষগুলো পুষ্টিকর দ্রব্যাদি গ্রহণ করে দেহের পুষ্টির সাধন এবং ক্ষয়পূরণ করে।

• রক্তকণিকা:
- রক্তে তিন ধরনের কণিকা রয়েছে।
যথা-

ক. লোহিত রক্তকণিকা:
- লোহিত রক্তকণিকার জন্য রক্তের রং লাল দেখায়, এর মধ্যে হিমোগ্লোবিন নামক একটি রঞ্জক পদার্থ থাকে।
- হিমোগ্লোবিনের সাথে অক্সিজেন যুক্ত হয়ে দেহকোষে -পৌঁছায়।
- লোহিত রক্তকণিকা উভঅবতল (উভয় পৃষ্ঠে খাদ আছে), চাকতির মতো গোলাকার কোষ।
- পরিণত লোহিত রক্তকণিকায় নিউক্লিয়াস থাকে না।
- লোহিত রক্তকণিকা যকৃত ও অস্থিমজ্জায় তৈরি হয়।

খ. শ্বেত রক্ত কণিকা:
- শ্বেত রক্তকণিকা লোহিত রক্তকণিকার চেয়ে আকারে কিছুটা বড়ো ও অনিয়মিত আকারের হয়।
- এদের নিউক্লিয়াস আছে, প্লীহা ও অস্থিমজ্জায় এদের জন্ম।
- দেহে কোনো রোগ-জীবাণু প্রবেশ করলে শ্বেত রক্তকণিকা সেগুলোকে ধ্বংস করে।
- শ্বেত রক্তকণিকা দেহের প্রহরীর মতো কাজ করে, তাই এদের সৈনিকের সাথে তুলনা করা হয়।

গ. অণুচক্রিকা:
- অণুচক্রিকা দেখতে গোলাকার বা বৃত্তের মতো।
- এরা লোহিত রক্তকণিকার চেয়ে আকারে ছোটো হয় ও নিউক্লিয়াস থাকে না, এরা গুচ্ছাকারে থাকে।
- এদের উৎপত্তি লোহিত অস্থিমজ্জায়।
- দেহের কোনো অংশ কেটে রক্তপাত ঘটলে অণুচক্রিকা রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করে, এদের প্লেটলেটও বলে।

উৎস: ১। বিজ্ঞান, সপ্তম শ্রেণি।
২। জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
২৩.
নিম্নলিখিত কোনটি গুচ্ছিত ফল?
  1. কাঁঠাল
  2. আতা
  3. আপেল
  4. ধান
সঠিক উত্তর:
আতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আতা
ব্যাখ্যা
আতা একটি গুচ্ছিত ফল।

• ফল (Fruits)
- প্রকৃত ফল (True fruit): গর্ভাশয় থেকে উৎপন্ন হয়।
যেমন- আম, জাম, লিচু।

- অপ্রকৃত ফল (False fruit): গর্ভাশয় ব্যতীত অন্য অংশ থেকে উৎপন্ন হয়।
যেমন- আপেল, কাঁঠাল।

- সরল ফল (Simple fruit): একটি পুষ্প হতে একটি মাত্র ফল উৎপন্ন হয়।
যেমন আম, ধান।

-গুচ্ছিত ফল (Aggregate fruit): একটি মাত্র পুষ্পের মুক্ত গর্ভাশয়গুলো হতে একগুচ্ছ ফল উৎপন্ন হয়।
যেমন- আতা, স্ট্রবেরি।

- যৌগিক ফল (Multiple fruit): সমগ্র পুষ্পমঞ্জরী হতে একটি মাত্র ফল উৎপন্ন হয়।
যেমন- কাঁঠাল, আনারস।

- লিগিউম (Legume): ফল উপর থেকে নিচে দুটি কপাটে বিদীর্ণ হয়।
যেমন- শিম, মটর।

- ক্যাপসুল (Capsule): ফল উপর থেকে নিচে বহু কপাটে বিদীর্ণ হয়।
যেমন ধুতুরা, ঢেঁড়স, পাট।

- ক্যারিঅপসিস (Caryopsis): ফল এক প্রকোষ্ঠবিশিষ্ট এবং একটি মাত্র বীজযুক্ত। ফলত্বক ও বীজত্বক পরস্পর সংলগ্ন থাকে।
যেমন ধান, গম।

- সিলিকুয়া (Siliqua): শুষ্ক বিদারী ফল যা পরিপক্ব হলে নিচ থেকে উপরের দিকে ক্রমশ ফেটে যায়। এই ফল লম্বা ও নলাকার হয়।
যেমন- সরিষা, মূলা।

- বেরি (Berry): ফল এক বা একাধিক গর্ভপত্রী এবং বহুবীজী। এদের বহিঃত্বক পাতলা। অন্তঃত্বক ও মধ্যত্বক সংযুক্ত থাকে।
যেমন কলা, টমেটো।

- সাইজোকার্প (Schizocarp): শুষ্ক অবিদারী ফল।
যেমন- ধনে, গাজর।

- সরোসিস (Sorosis): এক্ষেত্রে স্পাইক বা স্প্যাডিক্স মঞ্জরীটি একটি একক রসালো যৌগিক ফলে পরিণত হয়।
যেমন- কাঁঠাল, আনারস।

- পেপো (Pepo): বহু বীজযুক্ত সরস ফল যাদের অমরাবিন্যাস বহুপ্রান্তীয় এবং গর্ভাশয় অধোগর্ভ। বহিঃত্বক চামড়ার মতো এবং বীজগুলো অমরার সাথে সংযুক্ত।
যেমন- কুমড়া, শসা।

- ড্রপ (Drupe): এক বা একাধিক প্রকোষ্ঠবিশিষ্ট গর্ভাশয়তে একক বীজযুক্ত ফলের সৃষ্টি হয়। এর বহিঃত্বক পাতলা, মধ্যত্বক রসালো ও পুরু এবং অজ্ঞত্বক কাষ্ঠল।
যেমন- আম, কুল ও আমড়া।

-  হেসপেরিডিয়াম (Hesperidium): সরস অবিদারী ফল। ফলের অন্তঃত্বক রসালো ও কোয়া গঠন করে।
যেমন- কমলা, বাতাবীলেবু।

উৎস: জীববিজ্ঞান প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (ড. মোহাম্মদ আবুল হাসান)।
২৪.
মানুষের করোটিক স্নায়ু কয় জোড়া?
  1. ১০ জোড়া
  2. ১২ জোড়া
  3. ১৪ জোড়া
  4. ১৫ জোড়া
সঠিক উত্তর:
১২ জোড়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২ জোড়া
ব্যাখ্যা
মানুষের করোটিক স্নায়ু ১২ জোড়া।

• করোটিক স্নায়ু:
- যে সব স্নায়ু মস্তিষ্কের বিভিন্ন অংশ থেকে উৎপত্তি লাভ করে করোটিকার বিভিন্ন ছিদ্রপথে বের হয়ে দেহের বিভিন্ন অঙ্গে বিস্তৃত হয় তাদের করোটিক স্নায়ু বলে।
- মানুষের করোটিক স্নায়ু ১২ জোড়া।
- করোটিক স্নায়ুসমূহ সেনসরি বা সংবেদী, মটর বা আজ্ঞাবাহী/চেষ্টীয় এবং মিশ্র প্রকৃতির হয়ে থাকে।
- যে সকল স্নায়ু কোন সংবেদী অঙ্গ থেকে উদ্দীপনা বহন করে কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রে বা মস্তিষ্কে পৌঁছে দেয় তাদের সংবেদী স্নায়ু বলে।
যেমন- অলফ্যাক্টরি ও অপটিক স্নায়ু।
- আবার যে সব স্নায়ু কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রের কোন নির্দেশ বহন করে নির্দিষ্ট অঙ্গে পৌঁছে দেয় তাদের চেষ্টীয় বা আজ্ঞাবাহী বা মোটর স্নায়ু বলে।
যেমন- অকুলোমোটর ও ট্রকলিয়ার স্নায়ু।
- কিছু স্নায়ু সংবেদী ও আজ্ঞাবাহী উভয় ধরনের কাজ করে, এদের মিশ্র স্নায়ু বলে।
যেমন- ফ্যাসিয়াল বা ট্রাইজেমিনাল স্নায়ু।

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৫.
ভ্রূণের হৃৎপিণ্ড গঠিত হয় কততম সপ্তাহে?
  1. ৪র্থ
  2. ৬ষ্ঠ
  3. ৫ম
  4. ৮ম
সঠিক উত্তর:
৪র্থ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪র্থ
ব্যাখ্যা
৪র্থ তম সপ্তাহে ভ্রূণের হৃৎপিণ্ড গঠিত হয়।

• ভ্রূণ ও ফিটাসের বিকাশ 
- ১ম সপ্তাহ - নিষেক ও ক্লিভেজ; ৪–৫ দিনে ব্লাস্টোসিস্ট উৎপত্তি; কোষ >১০০; ৬–৯ দিনে ইমপ্লান্টেশন।
- ২য় সপ্তাহ - তিনটি অঙ্কুর স্তর (এক্টোডার্ম, এন্ডোডার্ম, মেসোডার্ম) গঠিত হয়।
- ৩য় সপ্তাহ - মাসিক বন্ধ হয় (প্রথম লক্ষণ); মেরুদণ্ড, মস্তিষ্ক ও সুষুমা স্নায়ুর উৎপত্তি; ভ্রূণের দৈর্ঘ্য ২ মিমি।
- ৪র্থ সপ্তাহ - হৃৎপিণ্ড, রক্তনালি, রক্ত গঠন শুরু; আমবিলিক্যাল কর্ড গঠিত; ভ্রূণ ৫ মিমি।
- ৫ম সপ্তাহ - মস্তিষ্ক দ্রুত বৃদ্ধি পায়; লিম্ব বাড (limb bud) তৈরি হয়।
- ৬ষ্ঠ সপ্তাহ - চোখ ও কান গঠনের সূচনা।
- ৭ম সপ্তাহ - মুখমণ্ডল গঠিত হয়; চোখে রঙ দেখা যায়।
- ১২তম সপ্তাহ - অঙ্গ, পেশি, হাড়, হাত-পায়ের আঙুল পরিপূর্ণ; জনন অঙ্গ সুগঠিত; দৈর্ঘ্য ১০ সেমি।
- ২০তম সপ্তাহ - ভ্রূ ও চোখের পাতা (lashes) গঠিত; আঙুলের রেখা দৃশ্যমান।
- ২৪তম সপ্তাহ - চোখের পাতা খুলতে পারে।
- ২৬তম সপ্তাহ - অপ্রাপ্তকালীন জন্ম হলেও বেঁচে থাকার সম্ভাবনা থাকে।
- ২৮তম সপ্তাহ - নড়াচড়ার ক্ষমতা বৃদ্ধি; স্পর্শ ও অতিশব্দ অনুভব করে; মূত্র ত্যাগ করে; দৈর্ঘ্য ৩৭ সেমি।
- ৩০তম সপ্তাহ - মাথা নিচের দিকে চলে আসে – জন্মের জন্য প্রস্তুত। 
- ৩৮তম সপ্তাহ - সাধারণত ৯ মাসের শিশুর জন্ম হয় (পূর্ণাঙ্গ গর্ভকাল)।

উৎস: জীববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (গাজী আজমল)।
২৬.
গাইনিসিয়ামের প্রতিটি অংশকে কী বলা হয়?
  1. গর্ভাশয়
  2. কার্পেল
  3. স্তবক
  4. পুষ্পাক্ষ
সঠিক উত্তর:
কার্পেল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কার্পেল
ব্যাখ্যা
গাইনিসিয়ামের প্রতিটি অংশকে কার্পেল বলা হয়।

• গাইনিসিয়াম (Gynoecium) বা স্ত্রীস্তবক:
- ফুলের সবচেয়ে ভেতরের স্তবক (চতুর্থ স্তবক) হলো গাইনিসিয়াম বা স্ত্রীস্তবক।
- এ স্তবকের প্রতিটি সদস্যকে বলা হয় কার্পেল (carpel), স্ত্রীকেশর বা গর্ভপত্র।

• গর্ভপাদ পুষ্প (Hypogynous):
- পুষ্পাক্ষ উত্তল হয় এবং গর্ভাশয় এর কেন্দ্রে সর্বোচ্চ স্থানে অবস্থান করে।
- পুষ্পের অবশিষ্ট তিনটি স্তবক ক্রমান্বয়ে গর্ভাশয়ের নিচে সজ্জিত থাকে।
- এরা হলো অধিগর্ভ গর্ভাশয় (superior ovary)।
- যেমন: সরিষা, জবা, ধান ফুল।

• গর্তকটি পুষ্প (Perigynous):
- পুষ্পাক্ষ অবতল বা পেয়ালাকৃতি হয় এবং গর্ভাশয় এর কেন্দ্রস্থলে অবস্থান করে।
- পুষ্পের অবশিষ্ট তিনটি স্তবক গর্ভাশয়কে ঘিরে ক্রমান্বয়ে পেয়ালার কিনারায় সজ্জিত থাকে।
- এরা হলো অর্ধ-অধিগর্ভ গর্ভাশয় (half superior ovary)।
- যেমন: শিম, গোলাপ ফুল।

• গর্ভশীর্ষ পুষ্প (Epigynous):
- পুষ্পাক্ষ প্রসারিত হয়ে পেয়ালাকৃতি ধারণ করে এবং গর্ভাশয়ের পাদদেশে সংযুক্ত থাকে।
- পুষ্পের অবশিষ্ট তিনটি স্তবক গর্ভাশয়ের উপরে পর্যায়ক্রমে সজ্জিত থাকে।
- এরা হলো অধোগর্ভ গর্ভাশয় (inferior ovary)।
- যেমন: কুমড়া, পেয়ারা ফুল।

উৎস: জীববিজ্ঞান প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (ড. মোহাম্মদ আবুল হাসান)।
২৭.
কোনটি Multiple fruit?
  1. স্ট্রবেরি
  2. আনারস
  3. সরিষা
  4. গাজর
সঠিক উত্তর:
আনারস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আনারস
ব্যাখ্যা
আনারস একটি Multiple fruit.

- যৌগিক ফল (Multiple fruit): সমগ্র পুষ্পমঞ্জরী হতে একটি মাত্র ফল উৎপন্ন হয়।
যেমন- কাঁঠাল, আনারস।

• ফল (Fruits)
- প্রকৃত ফল (True fruit): গর্ভাশয় থেকে উৎপন্ন হয়।
যেমন- আম, জাম, লিচু।

- অপ্রকৃত ফল (False fruit): গর্ভাশয় ব্যতীত অন্য অংশ থেকে উৎপন্ন হয়।
যেমন- আপেল, কাঁঠাল।

- সরল ফল (Simple fruit): একটি পুষ্প হতে একটি মাত্র ফল উৎপন্ন হয়।
যেমন আম, ধান।

-গুচ্ছিত ফল (Aggregate fruit): একটি মাত্র পুষ্পের মুক্ত গর্ভাশয়গুলো হতে একগুচ্ছ ফল উৎপন্ন হয়।
যেমন- আতা, স্ট্রবেরি।

- যৌগিক ফল (Multiple fruit): সমগ্র পুষ্পমঞ্জরী হতে একটি মাত্র ফল উৎপন্ন হয়।
যেমন- কাঁঠাল, আনারস।

- লিগিউম (Legume): ফল উপর থেকে নিচে দুটি কপাটে বিদীর্ণ হয়।
যেমন- শিম, মটর।

- ক্যাপসুল (Capsule): ফল উপর থেকে নিচে বহু কপাটে বিদীর্ণ হয়।
যেমন- ধুতুরা, ঢেঁড়স, পাট।

- ক্যারিঅপসিস (Caryopsis): ফল এক প্রকোষ্ঠবিশিষ্ট এবং একটি মাত্র বীজযুক্ত। ফলত্বক ও বীজত্বক পরস্পর সংলগ্ন থাকে।
যেমন-  ধান, গম।

- সিলিকুয়া (Siliqua): শুষ্ক বিদারী ফল যা পরিপক্ব হলে নিচ থেকে উপরের দিকে ক্রমশ ফেটে যায়। এই ফল লম্বা ও নলাকার হয়।
যেমন- সরিষা, মূলা।

- বেরি (Berry): ফল এক বা একাধিক গর্ভপত্রী এবং বহুবীজী। এদের বহিঃত্বক পাতলা। অন্তঃত্বক ও মধ্যত্বক সংযুক্ত থাকে।
যেমন কলা, টমেটো।

- সাইজোকার্প (Schizocarp): শুষ্ক অবিদারী ফল।
যেমন- ধনে, গাজর।

- সরোসিস (Sorosis): এক্ষেত্রে স্পাইক বা স্প্যাডিক্স মঞ্জরীটি একটি একক রসালো যৌগিক ফলে পরিণত হয়।
যেমন- কাঁঠাল, আনারস।

- পেপো (Pepo): বহু বীজযুক্ত সরস ফল যাদের অমরাবিন্যাস বহুপ্রান্তীয় এবং গর্ভাশয় অধোগর্ভ। বহিঃত্বক চামড়ার মতো এবং বীজগুলো অমরার সাথে সংযুক্ত।
যেমন- কুমড়া, শসা।

- ড্রপ (Drupe): এক বা একাধিক প্রকোষ্ঠবিশিষ্ট গর্ভাশয়তে একক বীজযুক্ত ফলের সৃষ্টি হয়। এর বহিঃত্বক পাতলা, মধ্যত্বক রসালো ও পুরু এবং অজ্ঞত্বক কাষ্ঠল।
যেমন- আম, কুল ও আমড়া।

-  হেসপেরিডিয়াম (Hesperidium): সরস অবিদারী ফল। ফলের অন্তঃত্বক রসালো ও কোয়া গঠন করে।
যেমন- কমলা, বাতাবীলেবু।

উৎস: জীববিজ্ঞান প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (ড. মোহাম্মদ আবুল হাসান)।
২৮.
O রক্ত গ্রুপের ব্যক্তি রক্ত দান করতে পারেন -
  1. কেবল A ও B গ্রুপের ব্যক্তিকে
  2. শুধুমাত্র AB গ্রুপের ব্যক্তিকে
  3. কেবলমাত্র O গ্রুপের ব্যক্তিকে
  4. সব রক্ত গ্রুপের ব্যক্তিকে
সঠিক উত্তর:
সব রক্ত গ্রুপের ব্যক্তিকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সব রক্ত গ্রুপের ব্যক্তিকে
ব্যাখ্যা
সব রক্ত গ্রুপের ব্যক্তিকে O রক্ত গ্রুপের ব্যক্তি রক্ত দান করতে পারেন।

• রক্তের গ্রুপ:
- লোহিত রক্ত কণিকার প্লাজমা মেমব্রেনে অবস্থিত বিভিন্ন অ্যান্টিজেনের উপস্থিতির ভিত্তিতে রক্তের শ্রেণীবিন্যাসকে 'রক্ত গ্রুপ' বলে।
- রক্ত কণিকায় অ্যান্টিজেনের উপস্থিত ও অনুপস্থিতির উপর নির্ভর করে রক্তের যে শ্রেণীবিন্যাস, তা ব্লাড গ্রুপ নামে পরিচিত।
- মানুষের রক্তে A ও B এ দু'ধরনের অ্যান্টিজেন থাকতে পারে।

• O রক্তের গ্রুপ:
- O রক্তের গ্রুপের লোকেরা সাধারণত সর্বজনীন রক্ত দাতা হিসাবে পরিচিত এবং শুধুমাত্র O রক্তের গ্রুপ থেকে রক্ত গ্রহণ করতে পারে।

• AB রক্তের গ্রুপ:
- AB রক্তের গ্রুপকে সর্বজনীন গ্রহীতা বলা হয় কারণ সব গ্রুপের রক্ত এটি গ্রহণ করতে পারে এবং শুধুমাত্র AB রক্তের গ্রুপের ব্যক্তিদের রক্ত দান করতে পারে।

• A রক্তের গ্রুপ:
- A রক্তের গ্রুপের ব্যক্তি শুধুমাত্র A এবং O রক্তের গ্রুপ থেকে রক্ত গ্রহণ করতে পারে এবং টাইপ A এবং AB ব্যক্তিদের দান করতে পারে।

• B রক্তের গ্রুপ:
- B রক্তের গ্রুপের ব্যক্তি শুধুমাত্র B এবং O রক্তের গ্রুপ থেকে রক্ত গ্রহণ করতে পারে এবং B এবং AB গ্রুপের ব্যক্তিদের রক্ত দান করতে পারে।

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৯.
আইশ আকৃতি আবরণী টিস্যু কোথায় দেখা যায়?
  1. হাড়ের ম্যাট্রিক্স
  2. বৃক্কের বোম্যান্স ক্যাপসুল
  3. বৃক্কের সংগ্রাহক নালিকা
  4. অন্ত্রের প্রাচীর
সঠিক উত্তর:
বৃক্কের বোম্যান্স ক্যাপসুল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বৃক্কের বোম্যান্স ক্যাপসুল
ব্যাখ্যা
বৃক্কের বোম্যান্স ক্যাপসুলে আইশ আকৃতি আবরণী টিস্যু দেখা যায়।

• প্রাণী টিস্যুর প্রকারভেদ:
- কোন বিশেষ টিস্যু গঠনকারী কোষের সংখ্যা, বৈশিষ্ট্য এবং তাদের নিঃসৃত বা সৃষ্ট আন্তঃকোষীয় পদার্থ বা মাতৃকার বৈশিষ্ট্য, পরিমাণ, উপস্থিতি ও অনুপস্থিতির উপর নির্ভর করে প্রাণী টিস্যুকে প্রধানত চার ভাগে ভাগ করা হয়েছে। যথা-
(ক) আবরণী টিস্যু,
(খ) যোজক টিস্যু,
(গ) পেশি টিস্যু এবং
(ঘ) স্নায়ু টিস্যু।

• আবরণী টিস্যু:
- আবরণী টিস্যুর কোষগুলো ঘন সন্নিবেশিত এবং একটি ভিত্তি পর্দার উপর বিন্যস্ত থাকে।
- এ প্রকার টিস্যুর মাতৃকা থাকে না।

• কাজ
- কোন অঙ্গের বা নালীর ভেতরের এবং বাইরের আবরণ তৈরি করে।
- ত্বকীয় টিস্যু রূপান্তরিত হয়ে রক্ষণ, ক্ষরণ, শোষণ, ব্যাপন এবং পরিবহন ইত্যাদি কাজে অংশ নেয়।
- এটি রূপান্তরিত হয়ে গ্রন্থি টিস্যু এবং জার্মিনাল টিস্যুতে পরিণত হয়ে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কাজ করে।

• প্রকারভেদ:
কোষের আকৃতি, প্রাণী দেহে অবস্থান এবং কাজের প্রকৃতি অনুযায়ী আবরণী টিস্যু তিন প্রকার। যথা-

১. আইশ আকৃতি আবরণী টিস্যু-
- এ প্রকার টিস্যুর কোষগুলো আঁইশের ন্যায় চ্যাপ্টা এবং নিউক্লিয়াস বড়।
- যেমন- বৃক্কের বোম্যান্স ক্যাপসুল প্রাচীর।

• কাজ
- প্রধানত ছাকন এবং আবরণ সৃষ্টি।

২. ঘনাকৃতি আবরণী টিস্যু-
- এ টিস্যুর কোষগুলো ঘনকের ন্যায়।
- যেমন- বৃক্কের সংগ্রাহক নালিকা।

• কাজ-
- প্রধানত পরিশোষণ এবং আবরণ সৃষ্টি।

৩. স্তম্ভাকৃতি আবরণী টিস্যু-
- এ টিস্যুর কোষগুলো স্তম্ভের ন্যায় সরু এবং লম্বা।
- যেমন- প্রাণীদের অস্ত্রে অন্তঃপ্রাচীর।

• কাজ-
- প্রধানত ক্ষরণ, রক্ষণ এবং শোষণ।

উৎস: ১। জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩০.
কোনটি বায়ু পরাগায়নের উদাহরণ?
  1. ধান
  2. সরিষা
  3. কচু
  4. শিমুল
সঠিক উত্তর:
ধান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধান
ব্যাখ্যা
ধান বায়ু পরাগায়নের একটি উদাহরণ।

• পরাগায়ণ:
- ফুলের পরাগধানী থেকে পরাগরেণুর ঐ ফুলের বা অন্য ফুলের গর্ভমুন্ডে পতিত হওয়াকে পরাগায়ন বলে।

• পরাগায়ন দুই প্রকার। যথা:
১. স্ব-পরাগায়ন:
- একই ফুলে বা একই গাছের ভিন্ন দুটি ফুলের মধ্যে যখন পরাগায়ন ঘটে তখন তাকে স্বপরাগায়ন বলে।
• উদাহরণ:
- ধুতুরা,
- শিম,
- টমেটো,
- তুলা, ইত্যাদি।

২. পর পরাগায়ন:
- একই প্রজাতির দুটি ভিন্ন উদ্ভিদের ফুলের মধ্যে যখন পরাগ সংযোগ ঘটে তখন তাকে পর পরাগায়ন বলে।
• বায়ু পরাগায়ন:
- ধান,

- গম,
- ভুট্টা,
- ইক্ষু, ইত্যাদি।

• পতঙ্গ পরাগায়ন:
- জবা,
- কুমড়া,
- সরিষা,
- গোলাপ,  ইত্যাদি।

•  প্রাণীপরাগায়ন:
- কদম,
- কলা,
- কচু,
- শিমুল, ইত্যাদি।

• পানি পরাগায়ন:
- পাতা শ্যাওলা,
- কাঁটা শ্যাওলা, ইত্যাদি।

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৩১.
ইলিশ মাছের বৈজ্ঞানিক নাম কী?
  1. Labeo ilisha
  2. Tenualosa ilisha
  3. Cirrhinus ilisha
  4. Saccharum officinarum
সঠিক উত্তর:
Tenualosa ilisha
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Tenualosa ilisha
ব্যাখ্যা
ইলিশ মাছের বৈজ্ঞানিক নাম হচ্ছে Tenualosa ilisha

• দ্বিপদ নামকরণ:
- দু'টি পদ নিয়ে গঠিত কোন জীব-প্রজাতির নামকে বলা হয় দ্বিপদ নাম এবং দু'টি পদের সমন্বয়ে নাম দেয়ার প্রক্রিয়াকে বলা হয় দ্বিপদ নামকরণ।
- উদ্ভিদ প্রজাতির (শৈবাল ও ছত্রাক সহ) নামকরণ করা হয়ে থাকে ICBN (International Code of Botanical Nomenclature বর্তমানে ICN = International Code of Botanical Nomenclature for Algae, Fungi & Plants) -এর নীতিমালা অনুযায়ী।
- প্রাণী প্রজাতির নামকরণ করা হয় ICZN (International Code of Zoological Nomenclature) - এর নীতিমালা অনুযায়ী।
- মানুষের বৈজ্ঞানিক নাম Homo sapiens,
- দোয়েল পাখির বৈজ্ঞানিক নাম Copsychus saularis,
- বাঘ (রয়েল বেঙ্গল)-এর বৈজ্ঞানিক নাম Panthera tigris,
- আম গাছের বৈজ্ঞানিক নাম Mangifera indica,
- বট গাছের বৈজ্ঞানিক নাম Ficus benghalensis,
- কুনোব্যাঙ এর বৈজ্ঞানিক নাম Bufo melanostictus,
- ইলিশ মাছের বৈজ্ঞানিক নাম Tenualosa ilisha,
- ধানের বৈজ্ঞানিক নাম Oryza sativa এবং
- শাপলার বৈজ্ঞানিক নাম Nymphaea nouchali ইত্যাদি।

উৎস: ১। জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। জীববিজ্ঞান প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (ড. মোহাম্মদ আবুল হাসান)।
৩২.
করোনারি ধমনিতে রক্ত প্রবাহ বৃদ্ধি করার জন্য কোন ওষুধ দেওয়া হয়?
  1. ইনসুলিন
  2. প্যারাসিটামল
  3. নাইট্রোগ্লিসারিন
  4. অ্যান্টিবায়োটিক
সঠিক উত্তর:
নাইট্রোগ্লিসারিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নাইট্রোগ্লিসারিন
ব্যাখ্যা

করোনারি ধমনিতে রক্ত প্রবাহ বৃদ্ধি করার জন্য নাইট্রোগ্লিসারিন দেওয়া হয়।

• হার্ট অ্যাটাক:
- হৃদপেশিতে আঘাত লেগে বুকে ব্যথা ও চাপ সৃষ্টি হয়ে ২০-৪০ মিনিটের মধ্যে স্বাভাবিক রক্ত প্রবাহ ফিরে না আসলে হৃদপেশির মৃত্যু ঘটতে থাকে এবং এরূপ ৬-৮ ঘণ্টা ধরে পেশি মারা যেতে থাকলে তবে হার্ট অ্যাটাক ঘটে থাকে।
- হৃদপেশির আঘাতজনিত কারণে এ অবস্থা সৃষ্টি হয়।
- যখন হৃদপেশির স্বাভাবিক কার্যক্রম বিঘ্নিত হয় তখন তা আর সঠিকভাবে সংকোচন ঘটাতে পারে না এবং হৃদপিণ্ডের স্পন্দন থেমে যায় ও ফলে মস্তিষ্ক বিনষ্ট হয় এবং দেহের বিভিন্ন অঞ্চলে রক্ত প্রেরণে অক্ষম হয়।
- এক্ষেত্রে পাঁচ মিনিটের মধ্যে স্পন্দন শুরু না হলে মস্তিষ্ক বিনষ্ট ও রোগীর মৃত্যু ঘটে।
-অধিকাংশ ক্ষেত্রে ভেন্ট্রিকুলার ফ্রাইব্রিলেশনজনিত হার্ট অ্যাটাক থেকে রোগীর মৃত্যু ঘটে।
- ভেন্ট্রিকুলার ফ্রাইব্রিলেশন শুরু হওয়ার পাঁচ মিনিটের মধ্যে যদি কার্ডিও পালমোনারি সঞ্চালন করা সম্ভব হয় তবে রোগী মৃত্যুর কবল থেকে রক্ষা পেতে পারে।


• হার্ট অ্যাটাকের জন্য দায়ী ঝুঁকিপূর্ণ কারণগুলো হলো:
- ভেন্ট্রিকুলার ফ্রাইব্রিলেশন,
- রক্তে কোলেস্টেরল বৃদ্ধি,
- উচ্চ রক্ত চাপ,
- তামাক সেবন।

• হার্ট অ্যাটাকের চিকিৎসা:
- তাৎক্ষণিক ডাক্তারের শরণাপন্য হওয়া ও অক্সিজেন সরবরাহ করা।
- রক্ত জমাট বাঁধানো প্রতিহত করার জন্য অ্যাসপিরিন দেয়া।
- করোনারি ধমনির মধ্যে রক্ত প্রবাহ বৃদ্ধি করার জন্য নাইট্রোগ্লিসারিন দেওয়া।
- বুকের ব্যথার চিকিৎসা আরম্ভ করা।
- নিয়মিত খাবার গ্রহণে সতর্কতা অবলম্বন করা।

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।