পরীক্ষা আর্কাইভ

১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি

পরীক্ষা১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়12 minutes
মোট প্রশ্ন৩০
সিলেবাস
পরীক্ষা – ৮৩: আইন বিষয়াবলী - ৩২ Subject: Optional Law-2 Topic: দুর্নীতি দমন সংক্রান্ত আইন, The Negotiable Instrument Act, 1881; & আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি

১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ৩০ প্রশ্ন

.
দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর কত ধারায় কমিশনের নিরপেক্ষতার স্বীকৃতি দেয়া হয়েছে?
  1. ধারা ১
  2. ধারা ২
  3. ধারা ৩
  4. ধারা ৪
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩
ব্যাখ্যা
দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ধারা ৩: কমিশন প্রতিষ্ঠা, ইত্যাদি-
(১) এই আইন, বলবত্ হইবার পর, যতশীঘ্র সম্ভব, সরকার, সরকারী গেজেটে, প্রজ্ঞাপন দ্বারা, এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে দুর্নীতি দমন কমিশন নামে একটি কমিশন প্রতিষ্ঠা করিবে৷

(২) এই কমিশন একটি স্বাধীন ও নিরপেক্ষ কমিশন হইবে।

(৩) কমিশন একটি স্বশাসিত সংস্থা হইবে এবং উহার স্থায়ী ধারাবাহিকতা ও একটি সাধারণ সীলমোহর থাকিবে এবং এই আইন ও বিধি সাপেক্ষে, উহার স্থাবর ও অস্থাবর উভয় প্রকার সম্পত্তি অর্জন করিবার, অধিকারে রাখিবার এবং উহা হস্তান্তর করিবার ক্ষমতা থাকিবে এবং উহার নামে উহা মামলা দায়ের করিতে পারিবে এবং উহার বিরুদ্ধেও মামলা দায়ের করা যাইবে।
.
আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ এর অধীন অপরাধসমূহ ____________ হবে।
  1. আমলযোগ্য
  2. আমলঅযোগ্য
  3. জামিনঅযোগ্য
  4. খ এবং গ
সঠিক উত্তর:
আমলযোগ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আমলযোগ্য
ব্যাখ্যা
আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ ধারা ১২- ফৌজদারী কার্যবিধির প্রয়োগ, ইত্যাদি:
(১) এই আইনে ভিন্নরূপ কিছু না থাকিলে কোন অপরাধের অভিযোগ দায়ের বা প্রাথমিক তথ্য সরবরাহ, তদন্ত, বিচার পূর্ববর্তী কার্যক্রম, বিচার ও আপীল নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে ফৌজদারী কার্যবিধির বিধানাবলী প্রযোজ্য হইবে৷ 
 
(২) এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে আদালত একটি প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট আদালত বলিয়া গণ্য হইবে এবং উক্ত আদালতের আপীল আদালত হইবে এখতিয়ারসম্পন্ন দায়রা আদালত৷ 
 
(৩) এই আইনের অধীন অপরাধসমূহ আমলযোগ্য (cognizable) হইবে৷
.
Which of the following courts is competent to try an offence under Section 138 of the Negotiable Instruments Act?
  1. Any Civil Court
  2. Any Magistrate's Court
  3. Court of Sessions
  4. Only Magistrate of First Class
সঠিক উত্তর:
Court of Sessions
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Court of Sessions
ব্যাখ্যা
Section 141: Cognizance of offences:
Notwithstanding anything contained in the Code of Criminal Procedure, 1898 (Act V of 1898),- 
(a) no court shall take cognizance of any offence punishable under section 138 except upon a complaint, in writing, made by the payee or, as the case may be, the holder in due course of the cheque; 
(b) such complaint is made within one month of the date on which the cause of action arises under clause (c) of the proviso to section 138; 
(c) no court inferior to that of a Court of Sessions shall try any offence punishable under section 138.

ধারা ১৪১-
ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ (অধিনিয়ম V of 1898)-এ যা কিছুই থাকুক না কেন, নিম্নলিখিত বিধান প্রযোজ্য হবে:
(ক) ধারা ১৩৮-এ বর্ণিত অপরাধে কোনো আদালত অভিযোগ গ্রহণ করবে না, যদি না চেকের প্রাপকের (payee) অথবা, প্রযোজ্য ক্ষেত্রে, যথাযথ ধারক (holder in due course) এর পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ দাখিল করা হয়।

(খ) এই অভিযোগটি অবশ্যই করতে হবে ধারা ১৩৮-এর প্রভিশোর (c) দফার অধীনে কার্য কারণ (cause of action) উদ্ভবের এক মাসের মধ্যে।

(গ) ধারা ১৩৮-এর অধীনে শাস্তিযোগ্য কোনো অপরাধ বিচার করতে পারবে না সেশন আদালতের চেয়ে নিম্ন কোনো আদালত।
.
দুর্নীতি দমন কমিশনারদের মেয়াদ কত বছর?
  1. ২ বছর
  2. ৩ বছর
  3. ৪ বছর
  4. ৫ বছর
সঠিক উত্তর:
৫ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ বছর
ব্যাখ্যা
"দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪" এর ধারা ৬: কমিশনারগণের নিয়োগ ও মেয়াদ-
(১) কমিশনারগণ রাষ্ট্রপতি কর্তৃক ধারা ৭ অনুসারে গঠিত বাছাই কমিটির সুপারিশক্রমে নিয়োগপ্রাপ্ত হইবেন৷ 
(২) কমিশনারগণ পূর্ণকালীন সময়ের জন্য স্ব-স্ব পদে কর্মরত থাকিবেন৷ 
(৩) কমিশনারগণ, ধারা ১০ এর বিধান সাপেক্ষে, তাঁহাদের [যোগদানের তারিখ হইতে পাঁচ বৎসর] মেয়াদের জন্য স্ব-স্ব পদে অধিষ্ঠিত থাকিবেন৷ 
(৪) উক্ত মেয়াদ অতিবাহিত হইবার পর কমিশনারগণ পুনঃ নিয়োগের যোগ্য হইবেন না৷
.
দ্রুত বিচার আদালতের বিচারক হিসেবে কাকে নিয়োগ করা হয়?
  1. দায়রা জজ
  2. চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
  3. বিশেষ ক্ষমতাপ্রাপ্ত প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট
  4. বিশেষ ক্ষমতাপ্রাপ্ত দ্বিতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট
সঠিক উত্তর:
বিশেষ ক্ষমতাপ্রাপ্ত প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিশেষ ক্ষমতাপ্রাপ্ত প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ এর ধারা ৮- দ্রুত বিচার আদালত গঠন:
(১) সরকার, সরকারী গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে প্রত্যেক জেলায় এবং মেট্রোপলিটন এলাকায় এক বা একাধিক দ্রুত বিচার আদালত গঠন করিতে পারিবে এবং উক্ত প্রজ্ঞাপনে প্রত্যেকটি দ্রুত বিচার আদালতের স্থানীয় অধিক্ষেত্র নির্ধারণ করিয়া দিতে পারিবে৷ 

(২) সরকার বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত একজন প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেটকে উক্ত আদালতের বিচারক নিযুক্ত করিবে।
.
আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ এর কত ধারায় ডিজিটাল সাক্ষ্যের গ্রহণযোগ্যতার বিধান আছে?
  1. ধারা ১১
  2. ধারা ১২
  3. ধারা ১৩
  4. ধারা ১৪
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৪
ব্যাখ্যা
আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ এর ধারা ১৪- ক্যামেরায় গৃহীত ছবি, রেকর্ডকৃত কথাবার্তা ইত্যাদির সাক্ষ্যমূল্য:
কোন পুলিশ বা আইন প্রয়োগকারী বাহিনীর সদস্য বা অন্য কোন ব্যক্তি এই আইনে বর্ণিত কোন অপরাধ সংঘটন বা সংঘটনের প্রস্তুতি গ্রহণ বা উহা সংঘটনে সহায়তা সংক্রান্ত কোন ঘটনার চলচ্চিত্র বা স্থিরচিত্র ধারণ বা গ্রহণ করিলে বা কোন কথাবার্তা বা আলাপ আলোচনা টেপ রেকর্ড বা ডিস্কে ধারণ করিলে উক্ত চলচ্চিত্র বা স্থিরচিত্র বা টেপ বা ডিস্ক উক্ত অপরাধের বিচারে সাক্ষ্য হিসাবে গ্রহণযোগ্য হইবে৷
.
দুর্নীতি দমন কমিশন আইনের অধীনে মামলা গ্রহণের আগে কী বাধ্যতামূলক?
  1. আদালতের পূর্বানুমতি
  2. কমিশনের অনুমোদন
  3. সাক্ষীর জবানবন্দি
  4. কমিশনের চেয়ারম্যানের লিখিত অভিযোগ
সঠিক উত্তর:
কমিশনের অনুমোদন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কমিশনের অনুমোদন
ব্যাখ্যা
দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ধারা ৩২: মামলা দায়েরের ক্ষেত্রে অনুমোদন:
১. ফৌজদারী কার্যবিধি বা অন্য কোনো আইনে কিছুই থাকুক না কেন, কমিশনের অনুমোদন (Sanction) ছাড়া কোনো আদালত দুর্নীতি আইনের অধীনে কোনো অপরাধের বিচার গ্রহণ (Cognizance) করতে পারবে না।

২. যখন এই আইনের অধীনে মামলা দায়ের করা হবে, তখন কমিশনের (এবং প্রয়োজনে সরকারের) অনুমোদনের কপি মামলার সঙ্গে আদালতে দাখিল করতে হবে।
.
দ্রুত বিচার আদালত কিসের ভিত্তিতে মামলা গ্রহণ করতে পারে?
  1. মৌখিক অভিযোগ
  2. লিখিত অভিযোগ বা রিপোর্ট
  3. সংবাদ প্রতিবেদনের ভিত্তিতে
  4. মৌখিক বা লিখিত অভিযোগ
সঠিক উত্তর:
লিখিত অভিযোগ বা রিপোর্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লিখিত অভিযোগ বা রিপোর্ট
ব্যাখ্যা
আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ এর ধারা ৯- আদালতের এখতিয়ার:
(১) অন্য কোন আইনে ভিন্নতর যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই আইনের অধীন অপরাধসমূহ কেবলমাত্র দ্রুত বিচার আদালতে বিচারযোগ্য হইবে৷ 
 
(২) সাব-ইন্সপেক্টর পদমর্যাদার নিম্নে নহে এমন কোন পুলিশ কমকতা বা এতদুদ্দেশ্যে সরকারের নিকট হইতে সাধারণ বা বিশেষ আদেশ দ্বারা ক্ষমতাপ্রাপ্ত অন্য কোন ব্যক্তির লিখিত রিপোর্ট বা অভিযোগের ভিত্তিতে, বা অপরাধ সংঘটনের ফলে ক্ষতিগ্রস্ত কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান কিংবা অপরাধ সংঘটন সম্পর্কে অবহিত আছেন এমন কোন ব্যক্তির লিখিত অভিযোগে আদালত কোন অপরাধ বিচারার্থ গ্রহণ করিতে পারিবে৷ 
 
(৩) এই আইনের অধীন কোন অপরাধের সহিত অন্য আইনের অধীন কোন অপরাধ যুক্তভাবে সংঘটিত হইলে এই আইনের অধীন বিচার্য অপরাধের বিচার দ্রুত বিচার আদালতে অনুষ্ঠিত হইবে এবং অন্য আইনের অধীন সংঘটিত অপরাধের বিচার এখতিয়ারসম্পন্ন অন্য আদালত কিংবা ট্রাইব্যুনালে অনুষ্ঠিত হইবে৷
.
চেক ডিজঅনারের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ শাস্তি কী হতে পারে?
  1. ৬ মাসের কারাদণ্ড
  2. ১ বছরের কারাদণ্ড
  3. চেকের সমপরিমাণ জরিমানা
  4. চেকের দ্বিগুণ জরিমানা
সঠিক উত্তর:
১ বছরের কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ বছরের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
ধারা ১৩৮- অর্থের ঘাটতির কারণে চেক প্রত্যাখ্যান:
যদি কোনো ব্যক্তি তার ব্যাংক হিসাব থেকে চেক প্রদান করেন এবং ব্যাংক সেই চেকটি অর্থের ঘাটতির কারণে বা অনুমোদিত সীমা অতিক্রম করার কারণে অবৈরত ঘোষণা করে, তবে সেই ব্যক্তি অপরাধী বলে গণ্য হবেন।

শাস্তি:
- সর্বোচ্চ ১ বছরের কারাদণ্ড, অথবা
- চেকের মূল অঙ্কের সর্বোচ্চ ৩ গুণ অর্থদণ্ড, অথবা
- উভয়ই।

তবে শর্ত থাকে যে, এই ধারা তখনই প্রযোজ্য যদি:
(ক) চেকটি প্রদান তারিখ থেকে ৬ মাসের মধ্যে বা যতদিন বৈধ, তার মধ্যে ব্যাংকে উপস্থাপন করা হয়।
(খ) চেক প্রত্যাখ্যানের তথ্য পাওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে লিখিত নোটিশ প্রদান করা হয় ড্রয়ার (চেকদাতা)-কে।
(গ) ড্রয়ার সেই নোটিশ পাওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে অর্থ পরিশোধ করতে ব্যর্থ হন।
১০.
আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ এর অধীনে গ্রেফতারী পরোয়ানা জারীর কত দিনের মধ্যে গ্রেফতারের সম্ভাবনা না থাকলে, আদালত অনুপস্থিতিতে বিচার করতে পারে?
  1. ৩ দিন
  2. ৫ দিন
  3. ৭ দিন
  4. ১০ দিন
সঠিক উত্তর:
৭ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ দিন
ব্যাখ্যা
আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ এর ধারা ১১- আসামীর অনুপস্থিতিতে বিচার:
যদি আদালতের এ মর্মে বিশ্বাস করিবার যুক্তিসংগত কারণ থাকে যে,- 
(ক) অভিযুক্ত ব্যক্তি তাহার গ্রেফতার বা তাহাকে বিচারের জন্য সোপর্দকরণ এড়াইবার জন্য পলাতক রহিয়াছেন বা আত্মগোপন করিয়াছেন, এবং 
(খ) গ্রেফতারী পরোয়ানা জারীর সাত দিনের মধ্যে তাহার গ্রেফতারের কোন সম্ভাবনা নাই- 

তাহা হইলে আদালত অন্ততঃ একটি বাংলা দৈনিক খবরের কাগজে প্রজ্ঞাপিত আদেশ দ্বারা আদেশে উল্লিখিত সময় যাহা সাত দিনের বেশী হইবে না, এর মধ্যে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আদালতে হাজির হইবার জন্য নির্দেশ দিতে পারিবে এবং উক্ত সময়ের মধ্যে অভিযুক্ত ব্যক্তি আদালতে হাজির হইতে ব্যর্থ হইলে আদালত তাহার অনুপস্থিতিতে বিচার কার্য সম্পন্ন করিতে পারিবে৷
১১.
দুর্নীতি দমন কমিশন আইনের অধীন অপরাধসমূহ কাদের দ্বারা বিচারযোগ্য?
  1. দায়রা জজ
  2. স্পেশাল জজ
  3. হাইকোর্ট বিভাগ
  4. চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
সঠিক উত্তর:
স্পেশাল জজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্পেশাল জজ
ব্যাখ্যা
দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ধারা ২৮- “অপরাধের বিচার, ইত্যাদি”:
(১) আপাততঃ বলবত্ অন্য কোন আইনে ভিন্নরূপ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই আইনের অধীন ও উহার তফসিলে বর্ণিত অপরাধসমূহ কেবলমাত্র স্পেশাল জজ কর্তৃক বিচারযোগ্য হইবে৷ 
(২) এই আইনের অধীন ও উহার তফসিলে বর্ণিত অপরাধসমূহের বিচার ও আপীল নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে The Criminal Law Amendment Act, 1958 (XL of 1958) এর বিধানাবলী প্রযোজ্য হইবে৷ 
(৩) The Criminal Law Amendment Act, 1958 (XL of 1958) এর কোন বিধান এই আইনের কোন বিধানের সহিত অসংগতিপূর্ণ হইলে এই আইনের বিধান কার্যকর হইবে৷
১২.
চেক ডিজঅনার সংক্রান্ত মামলায় আপিল করতে হলে কী পরিমাণ অর্থ আদালতে জমা দিতে হয়?
  1. ২৫%
  2. ৫০%
  3. ৭৫%
  4. ১০০%
সঠিক উত্তর:
৫০%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫০%
ব্যাখ্যা
Section 138A of the Negotiable Instruments Act, 1881: Restriction in respect of appeal :
"Notwithstanding anything contained in the Code of Criminal Procedure, 1898, no appeal against any order of sentence under sub-section (1) of section 138 shall lie, unless an amount of not less than fifty per cent of the amount of the dishonoured cheque is deposited before filing the appeal in the court which awarded the sentence."

বাংলা অনুবাদ:
ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এ যা-ই বলা থাকুক না কেন, ধারা ১৩৮(১)-এর অধীনে প্রদত্ত দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে কোনো আপিল গ্রহণযোগ্য হবে না, যদি না দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তি চেকের অমান্যকৃত অর্থের অন্তত ৫০% পরিমাণ অর্থ সেই আদালতে জমা দেন, যে আদালত দণ্ড প্রদান করেছে।
১৩.
দুর্নীতি দমন কমিশন আইনে মিথ্যা তথ্য প্রদানকারীর সর্বোচ্চ শাস্তি কত?
  1. ৫ বছর সশ্রম কারাদণ্ড
  2. ৭ বছর সশ্রম কারাদণ্ড
  3. ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড
  4. ১৪ বছর সশ্রম কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
৫ বছর সশ্রম কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ বছর সশ্রম কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ধারা ২৮গ: “মিথ্যা তথ্য প্রদানের দণ্ড”:
(১) মিথ্যা জানিয়া বা তথ্যের সত্যতা সম্পর্কে নিশ্চিত না হইয়া কোন ব্যক্তি ভিত্তিহীন কোন তথ্য, যে তথ্যের ভিত্তিতে এই আইনের অধীন তদন্ত বা বিচার কার্য পরিচালিত হইবার সম্ভাবনা থাকে, প্রদান করিলে তিনি মিথ্যা তথ্য প্রদান করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে। 
 
(২) কোন ব্যক্তি উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত কোন মিথ্যা তথ্য প্রদান করিলে তিনি এই ধারার অধীন অপরাধ করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে এবং উক্ত অপরাধের জন্য তিনি অন্যূন ২ (দুই) বৎসর বা অনধিক ৫ (পাঁচ) বৎসর সশ্রম কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন। 
 
(৩) তথ্য প্রদানকারী কমিশনের বা সরকারি কোন কর্মকর্তা-কর্মচারী হইলে এবং তিনি উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত কোন মিথ্যা তথ্য প্রদান করিলে তাহার বিরুদ্ধে উপ-ধারা (২) এ উল্লিখিত দণ্ড প্রদান করা হইবে।]
১৪.
'দুর্নীতি দমন কমিশনারগণ দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে স্বাধীন থাকবেন'- দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর কত ধারায় বলা আছে?
  1. ধারা ২১
  2. ধারা ২২
  3. ধারা ২৪
  4. ধারা ২৬
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৪
ব্যাখ্যা
দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ধারা ২৪- দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে স্বাধীনতা:
এই আইনের বিধানাবলী সাপেক্ষে, কমিশনারগণ এই আইনের অধীন দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে স্বাধীন থাকিবেন৷
১৫.
আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইনের অধীন বিচার কোন পদ্ধতিতে সম্পন্ন করা হবে?
  1. সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে
  2. নিয়মিত বিচার পদ্ধতিতে
  3. আপীল পদ্ধতিতে
  4. বিশেষ বিচারিক পদ্ধতিতে
সঠিক উত্তর:
সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে
ব্যাখ্যা
আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ এর ধারা ১০-বিচার পদ্ধতি:
(১) আদালত এই আইনের অধীন সংঘটিত অপরাধের বিচার সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে সম্পন্ন করিবে এবং এতদুদ্দেশ্যে এই আইনে ভিন্নতর কিছু না থাকিলে, ফৌজদারী কার্যবিধির Chapter XXII-তে বর্ণিত পদ্ধতি, যতদূর প্রযোজ্য হয়, অনুসরণ করিবে৷ 
 
(২) এই আইনের অধীন কোন অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তি হাতেনাতে পুলিশ কর্তৃক ধৃত হইলে বা অন্য কোন ব্যক্তি কর্তৃক ধৃত হইয়া পুলিশের নিকট সোপর্দ করা হইলে, পুলিশ অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের প্রাথমিক রিপোর্টসহ তাহাকে চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যে আদালতে হাজির করিবে এবং উহার পরবর্তী সাত কার্যদিবসের মধ্যে অপরাধ সম্পর্কে আদালতে রিপোর্ট বা অভিযোগ পেশ করিবে এবং আদালত অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ প্রদান করিয়া উক্তরূপ রিপোর্ট বা অভিযোগ প্রাপ্তির তারিখ হইতে ত্রিশ কার্যদিবসের মধ্যে বিচার কার্য সম্পন্ন করিবে৷ 
 
(৩) অভিযুক্ত ব্যক্তি উপ-ধারা (২) এ উল্লিখিতভাবে হাতেনাতে ধৃত না হইলে, অপরাধ সংঘটনের পরবর্তী সাত কার্যদিবসের মধ্যে ধারা ৯(২) এর অধীন রিপোর্ট বা অভিযোগ দাখিল করিতে হইবে এবং উক্ত রিপোর্ট বা অভিযোগ দায়েরের পরবর্তী ষাট কার্যদিবসের মধ্যে, ধারা ১১ এর বিধান সাপেক্ষে, আদালত বিচার কার্য সম্পন্ন করিব৷ 
 
(৪) উপ-ধারা (২) ও (৩) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই আইনের অধীন কোন অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তি উপ-ধারা (২) এ উল্লিখিতভাবে ধৃত না হইয়া অন্য কোনভাবে ধৃত হইলে বা আদালতে আত্নসমর্পণ করিলে, উক্ত অপরাধের বিষয়ে, যত দ্রুত সম্ভব, ধারা ৯(২) এর অধীন রিপোর্ট বা অভিযোগ দাখিল করিতে হইবে এবং আদালত অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আত্নপক্ষ সমর্থনের সুযোগ প্রদান করিয়া উক্তরূপ রির্পোট বা অভিযোগ প্রাপ্তির তারিখ হইতে ৩০ (ত্রিশ) কার্যদিবসের মধ্যে বিচারকার্য সম্পন্ন করিবে।
১৬.
দুর্নীতি প্রতিরোধে “ফাঁদ মামলা (Trap case)” এর বিধান কোথায় উল্লেখ আছে?
  1. দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ধারা ২৬
  2. দুর্নীতি দমন কমিশন বিধিমালা, ২০০৭ এর বিধি ১৬
  3. দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ধারা ২১
  4. দুর্নীতি দমন কমিশন বিধিমালা, ২০০৭ এর বিধি ২৬
সঠিক উত্তর:
দুর্নীতি দমন কমিশন বিধিমালা, ২০০৭ এর বিধি ১৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুর্নীতি দমন কমিশন বিধিমালা, ২০০৭ এর বিধি ১৬
ব্যাখ্যা
দুর্নীতি দমন কমিশন বিধিমালা, ২০০৭ বিধি ১৬- ফাঁদ মামলা (Trap case):
দুর্নীতি প্রতিরোধের নিমিত্ত আইনের তফসিলভুক্ত অপরাধে জড়িত কোন ব্যক্তি বা ব্যক্তিবর্গকে হাতেনাতে ধৃত করিবার উদ্দেশ্যে তদন্তের দায়িত্বপ্রাপ্ত কমিশনার এর অনুমোদনক্রমে তৎকর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ফাঁদ মামলা (Trap case) প্রস্তুত করিতে বা পরিচালনা করিতে পারিবেন।
১৭.
কোনো কোম্পানি Negotiable Instruments Act, 1881 এর ১৩৮ ধারার অধীনে অপরাধ করলে, কারা দায়ী বলে গণ্য হবে?
  1. শুধুমাত্র কোম্পানি
  2. শুধুমাত্র ব্যবস্থাপক
  3. শুধুমাত্র শেয়ারহোল্ডাররা
  4. কোম্পানি এবং দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা উভয়ই
সঠিক উত্তর:
কোম্পানি এবং দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা উভয়ই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোম্পানি এবং দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা উভয়ই
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: ঘ) কোম্পানি এবং দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা উভয়ই।

Negotiable Instruments Act, 1881– ধারা ১৪০ (কোম্পানির দ্বারা সংঘটিত অপরাধ)-
(১) যদি ধারা ১৩৮ অনুযায়ী কোনো কোম্পানি অপরাধ করে, তবে যিনি ওই সময় কোম্পানির ব্যবসার পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন, তিনি এবং কোম্পানিটি উভয়ই অপরাধী বলে গণ্য হবেন এবং শাস্তিযোগ্য হবেন।
তবে শর্ত থাকে যে, যদি কোনো ব্যক্তি প্রমাণ করতে পারেন যে:
- তিনি অপরাধ সম্পর্কে অজ্ঞ ছিলেন, অথবা
- তিনি যথাযথ সতর্কতা অবলম্বন করেছিলেন, তাহলে তিনি দণ্ড থেকে অব্যাহতি পাবেন।

(২) যদি প্রমাণিত হয় যে কোম্পানির কোনো পরিচালক/ম্যানেজার/সেক্রেটারি/কর্মকর্তা জানিয়ে সম্মতি দিয়েছেন, সহযোগিতা করেছেন, বা অবহেলা করেছেন, তাহলে তিনিও অপরাধী বলে গণ্য হবেন এবং শাস্তিযোগ্য হবেন।

ব্যাখ্যা (Explanation):
- “কোম্পানি” বলতে বোঝায়: বডি কর্পোরেট, ফার্ম, বা বিভিন্ন ব্যক্তির সমিতি।
- ফার্মের ক্ষেত্রে “ডিরেক্টর” বলতে বোঝায় অংশীদার।
১৮.
আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ এর কত ধারায় আদালতকে অপরাধ সংঘটনে ব্যবহৃত যন্ত্রপাতি জব্দ করার ক্ষমতা দেয়া হয়েছে?
  1. ধারা ৭
  2. ধারা ৮
  3. ধারা ৯
  4. ধারা ১০
সঠিক উত্তর:
ধারা ৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৭
ব্যাখ্যা
আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ এর ধারা ৭- অপরাধ সংঘটনে ব্যবহৃত যন্ত্রপাতি, অস্ত্র, ইত্যাদি:
আদালত উপযুক্ত বিবেচনা করিলে, কোন অপরাধ সংঘটনের জন্য ব্যবহৃত কোন যন্ত্রপাতি, অস্ত্র বা যানবাহন, এবং উক্ত অপরাধের দ্বারা সংগৃহীত অর্থ, মালামাল বা সম্পদ রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্তির বা উহার বৈধ মালিক বা দখলদারের নিকট ফেরত দিবার আদেশ দিতে পারিবে৷
১৯.
নিচের কোনটি চেকদাতাকে নোটিশ প্রদানের বৈধ পদ্ধতি নয়?
  1. ব্যক্তিগতভাবে প্রদান
  2. টেলিফোনে মৌখিকভাবে জানানো
  3. রেজিস্টার্ড ডাকযোগে প্রাপকের ঠিকানায়
  4. জাতীয় বাংলা দৈনিক পত্রিকায় প্রকাশ
সঠিক উত্তর:
টেলিফোনে মৌখিকভাবে জানানো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টেলিফোনে মৌখিকভাবে জানানো
ব্যাখ্যা
হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইন, ১৮৮১ এর ধারা ১৩৮ - চেক ডিজঅনার (প্রত্যাখ্যান) সংক্রান্ত:
(১ক) উপ-ধারা (১)-এর (খ) দফায় উল্লিখিত নোটিশ প্রদান করা যেতে পারে নিম্নলিখিত ৩টি পদ্ধতিতে:
(ক) ব্যক্তিগতভাবে চেকদাতাকে প্রদান করে;
(খ) প্রাপকের সাধারণ বা সর্বশেষ পরিচিত ঠিকানায় প্রাপ্তিস্বীকারসহ রেজিস্টার্ড ডাকযোগে পাঠিয়ে;
(গ) একটি বহুল প্রচারিত বাংলা জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় প্রকাশ করে।

সঠিক উত্তর: খ) টেলিফোনে মৌখিকভাবে জানানো।
২০.
একজন ব্যক্তি মিছিলে অংশ নিয়ে জনসাধারণের যানবাহন ভাঙচুর করে এবং একটি সরকারী বাসের ক্ষতি সাধন করে। দ্রুত বিচার আইন, ২০০০ এর অধীনে এই ব্যক্তির সর্বনিম্ন কী শাস্তি হতে পারে?
  1. ৬ মাস বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  2. ২ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  3. ১ বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  4. ৩ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
সঠিক উত্তর:
২ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
ব্যাখ্যা
দ্রুত বিচার আইনের ধারা ৪(১):
"কোন ব্যক্তি কোন আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ করিলে তিনি অন্যুন দুই বৎসর এবং অনধিক সাত বৎসর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।"

⇒ প্রশ্নে উল্লিখিত অপরাধটি একটি আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ, কারণ এতে:
- জনসাধারণের যানবাহন ভাঙচুর করা হয়েছে, এবং
- সরকারি সম্পদের ক্ষতিসাধন ঘটেছে।

⇒ এজন্য আইন মোতাবেক, কমপক্ষে ২ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড দেওয়া আদালতের বাধ্যতামূলক এখতিয়ারভুক্ত।
২১.
দুর্নীতি দমন কমিশন আইনে তদন্তকারী কর্মকর্তাকে প্রাথমিক সময়সীমা এবং বর্ধিত সময় মিলিয়ে সর্বোচ্চ কতদিনে তদন্ত শেষ করতে হবে?
  1. ১৫০ কর্মদিবস
  2. ১৬০ কর্মদিবস
  3. ১৮০ কর্মদিবস
  4. ২০০ কর্মদিবস
সঠিক উত্তর:
১৮০ কর্মদিবস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮০ কর্মদিবস
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: গ) ১৮০ কর্মদিবস।

দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ধারা ২০ক – “তদন্তের সময়সীমা”:
(১) অন্য কোন আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, ধারা ২০ এর অধীন ক্ষমতা প্রাপ্তির তারিখ হইতে অনধিক ১২০ (একশত বিশ) কর্মদিবসের মধ্যে তদন্তকারী কর্মকর্তাকে এই আইন ও তফসিলে উল্লিখিত কোন অপরাধের তদন্ত কার্য সম্পন্ন করিতে হইবে। 
 
(২) উপ-ধারা (১) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, কোন যুক্তিসঙ্গত কারণে, উক্ত উপ-ধারায় উল্লিখিত সময়সীমার মধ্যে তদন্ত কার্য সম্পন্ন করা সম্ভবপর না হইলে তদন্তকারী কর্মকর্তা সময়সীমা বৃদ্ধির জন্য কমিশনের নিকট আবেদন করিতে পারিবেন এবং উক্ত ক্ষেত্রে কমিশন আরও অনধিক ৬০ (ষাট) কর্মদিবস সময় বৃদ্ধি করিতে পারিবে। 
 
(৩) তদন্তকারী কর্মকর্তা উপ-ধারা (১) বা, ক্ষেত্রমত, (২) এ উল্লিখিত সময়সীমার মধ্যে তদন্ত কার্য সম্পন্ন করিতে ব্যর্থ হইলে,- 
 (ক) উক্ত তদন্ত কার্য ৯০ (নব্বই) কর্মদিবসের মধ্যে সমাপ্তির জন্য নূতনভাবে অন্য কোন কর্মকর্তাকে, ধারা ২০ এর বিধান অনুসারে, ক্ষমতা অর্পণ করিতে হইবে; এবং 
 (খ) সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অদক্ষতার অভিযোগে, ক্ষেত্রমত, কমিশন, পুলিশ বা সংশ্লিষ্ট সংস্থার জন্য প্রযোজ্য আইন বা বিধি-বিধান অনুযায়ী বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করিতে হইবে।
২২.
আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইনে জামিন দেওয়ার এখতিয়ার কার আছে?
  1. শুধু পুলিশের
  2. শুধু সরকারের
  3. শুধু বিচারিক আদালতের
  4. বিচারিক ও আপীল আদালত উভয়ের
সঠিক উত্তর:
বিচারিক ও আপীল আদালত উভয়ের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিচারিক ও আপীল আদালত উভয়ের
ব্যাখ্যা
আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ এর ধারা ১৩- জামিন সংক্রান্ত বিধান:
ফৌজদারী কার্যবিধিতে ভিন্নতর যাহা কিছুই থাকুক না কেন, রাষ্ট্রকে শুনানীর যুক্তিসংগত সুযোগ দিয়া এবং সংশ্লিষ্ট নথি পর্যালোচনা করিয়া আদালত কিংবা আপীল আদালত যদি এই মর্মে সন্তুষ্ট হয় যে, এই আইনের অধীন অপরাধ সংঘটনের জন্য অভিযুক্ত কিংবা, ক্ষেত্রমত, দণ্ডপ্রাপ্ত কোন ব্যক্তিকে জামিন দেওয়া ন্যায়সংগত হইবে তাহা হইলে তদ্‌মর্মে কারণ লিপিবদ্ধ করিয়া আদালত কিংবা, ক্ষেত্রমত, আপীল আদালত উক্ত ব্যক্তিকে জামিনে মুক্তির আদেশ দিতে পারিবে৷
২৩.
চেক প্রত্যাখ্যাত হওয়ার পর প্রাপক কত দিনের মধ্যে লিখিত নোটিশ প্রদান করবে?
  1. ১৫ দিন
  2. ৩০ দিন
  3. ৬০ দিন
  4. ৯০ দিন
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
ব্যাখ্যা
হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইন, ১৮৮১ এর ধারা ১৩৮ - চেক ডিজঅনার (প্রত্যাখ্যান) সংক্রান্ত:
(১) যদি কোনো ব্যক্তি নিজের ব্যাংক হিসাবে রক্ষিত অর্থ থেকে অন্য কোনো ব্যক্তিকে পরিশোধের জন্য একটি চেক প্রদান করেন এবং উক্ত চেকটি ব্যাংক কর্তৃক প্রত্যাখ্যাত হয় ওই হিসাবে পর্যাপ্ত অর্থ না থাকার কারণে, অথবা উক্ত ব্যাংকের সাথে চুক্তি অনুযায়ী অনুমোদিত পরিমাণের চেয়ে বেশি অর্থ চেকের মাধ্যমে তোলা হয়েছে - তবে উক্ত ব্যক্তিকে একটি অপরাধে দোষী গণ্য করা হবে এবং তাকে ১ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, অথবা চেকের পরিমাণের তিন গুণ পর্যন্ত অর্থদণ্ড, অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা যেতে পারে।

শর্তাবলি:
এই ধারা প্রযোজ্য হবে তখনই, যদি:
(ক) চেকটি ইস্যুর তারিখ হতে ৬ মাসের মধ্যে বা তার মেয়াদ থাকাকালীন, যেটি আগে ঘটে, ব্যাংকে উপস্থাপন করা হয়;
(খ) চেক প্রত্যাখ্যাত হওয়ার বিষয়ে ব্যাংক থেকে তথ্য পাওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে, প্রাপক বা উপযুক্ত ধারক লিখিতভাবে টাকা চেয়ে নোটিশ প্রদান করেন;
(গ) নোটিশ পাওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে, চেকদাতা উক্ত অর্থ পরিশোধ করতে ব্যর্থ হন।

(১ক) উপ-ধারা (১)-এর (খ) দফায় উল্লিখিত নোটিশ প্রদান করা যেতে পারে নিম্নলিখিত ৩টি পদ্ধতিতে:
(ক) ব্যক্তিগতভাবে চেকদাতাকে প্রদান করে;
(খ) প্রাপকের সাধারণ বা সর্বশেষ পরিচিত ঠিকানায় প্রাপ্তিস্বীকারসহ রেজিস্টার্ড ডাকযোগে পাঠিয়ে;
(গ) একটি বহুল প্রচারিত বাংলা জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় প্রকাশ করে।

(২) যদি উপ-ধারা (১) অনুযায়ী অর্থদণ্ড আদায় করা হয়, তবে চেকের মূল পরিমাণ পর্যন্ত অর্থ চেকধারককে প্রদান করা হবে (যতটুকু আদায় সম্ভব হয়)।

(৩) উপ-ধারা (১) ও (২)-এর বিধান সত্ত্বেও, চেকধারক সিভিল আদালতের মাধ্যমে বকেয়া টাকা আদায়ের মামলা দায়ের করার অধিকার সংরক্ষণ করেন, যদি পুরো অর্থ বা আংশিক অর্থ আদায় না হয়।
২৪.
দুর্নীতি দমন কমিশন দুর্নীতির অভিযোগ অনুসন্ধান করতে পারে-
  1. শুধুমাত্র সরকারি সংস্থার অনুরোধে
  2. শুধুমাত্র আদালতের আদেশে
  3. শুধুমাত্র ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তির আবেদনের ভিত্তিতে
  4. স্বউদ্যোগে বা ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তির আবেদনের ভিত্তিতে
সঠিক উত্তর:
স্বউদ্যোগে বা ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তির আবেদনের ভিত্তিতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্বউদ্যোগে বা ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তির আবেদনের ভিত্তিতে
ব্যাখ্যা
দুর্নীতি দমন কমিশন আইন এর ধারা ১৭ – কমিশনের কার্যাবলী:
কমিশন নিম্নবর্ণিত সকল বা যে কোন কার্য সম্পাদন করিতে পারিবে, যথা:- 
(ক) তফসিলে উল্লিখিত অপরাধসমূহের অনুসন্ধান ও তদন্ত পরিচালনা; 
(খ) অনুচ্ছেদ (ক) এর অধীন অনুসন্ধান ও তদন্ত পরিচালনার ভিত্তিতে এই আইনের অধীন মামলা দায়ের ও পরিচালনা; 
(গ) দুর্নীতি সম্পর্কিত কোন অভিযোগ স্বউদ্যোগে বা ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি বা তাহার পক্ষে অন্য কোন ব্যক্তি কর্তৃক দাখিলকৃত আবেদনের ভিত্তিতে অনুসন্ধান; 
(ঘ) দুর্নীতি দমন বিষয়ে আইন দ্বারা কমিশনকে অর্পিত যে কোন দায়িত্ব পালন করা; 
(ঙ) দুর্নীতি প্রতিরোধের জন্য কোন আইনের অধীন স্বীকৃত ব্যবস্থাদি পর্যালোচনা এবং কার্যকর বাস্তবায়নের জন্য রাষ্ট্রপতির নিকট সুপারিশ পেশ করা; 
(চ) দুর্নীতি প্রতিরোধের বিষয়ে গবেষণা পরিকল্পনা তৈরী করা এবং গবেষণালব্ধ ফলাফলের ভিত্তিতে করণীয় সম্পর্কে রাষ্ট্রপতির নিকট সুপারিশ পেশ করা; 
(ছ) দুর্নীতি প্রতিরোধের লক্ষ্যে সততা ও নিষ্ঠাবোধ সৃষ্টি করা এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে গণসচেতনতা গড়িয়া তোলার ব্যবস্থা করা; 
(জ) কমিশনের কার্যাবলী বা দায়িত্বের মধ্যে পড়ে এমন সকল বিষয়ের উপর সেমিনার, সিম্পোজিয়াম, কর্মশালা ইত্যাদি অনুষ্ঠানের ব্যবস্থা করা; 
(ঝ) আর্থ-সামাজিক অবস্থার প্রেক্ষিতে বাংলাদেশে বিদ্যমান বিভিন্ন প্রকার দুর্নীতির উত্স চিহ্নিত করা এবং তদ্‌নুসারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য রাষ্ট্রপতির নিকট সুপারিশ পেশ করা; 
(ঞ) দুর্নীতির অনুসন্ধান, তদন্ত, মামলা দায়ের এবং উক্তরূপ অনুসন্ধান, তদন্ত ও মামলা দায়েরের ক্ষেত্রে কমিশনের অনুমোদন পদ্ধতি নির্ধারণ করা; এবং 
(ট) দুর্নীতি প্রতিরোধের জন্য প্রয়োজনীয় বিবেচিত অন্য যে কোন কার্য সম্পাদন করা৷
২৫.
আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইনে মিথ্যা মামলা দায়েরের সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ১ বছর সশ্রম কারাদণ্ড
  2. ২ বছর সশ্রম কারাদণ্ড
  3. ৩ বছর সশ্রম কারাদণ্ড
  4. ৫ বছর সশ্রম কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
৫ বছর সশ্রম কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ বছর সশ্রম কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ এর ধারা ৬- মিথ্যা মামলা, অভিযোগ দায়ের, ইত্যাদির শাস্তি:
যদি কোন ব্যক্তি অন্য কোন ব্যক্তির ক্ষতিসাধনের অভিপ্রায়ে উক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ সংঘটনের কোন ন্যায্য বা আইনানুগ কারণ নাই জানিয়াও তাহার বিরুদ্ধে কোন মামলা বা অভিযোগ দায়ের করেন বা করান, তাহা হইলে প্রথমোক্ত ব্যক্তি অন্যুন দুই বছর এবং অনধিক পাঁচ বছর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন৷

শাস্তি:
সর্বনিম্ন: ২ বছর সশ্রম কারাদণ্ড;
সর্বোচ্চ: ৫ বছর সশ্রম কারাদণ্ড;
অতিরিক্ত: অর্থদণ্ড।
২৬.
দুর্নীতি দমন কমিশনের প্রধান নির্বাহী কে?
  1. সচিব
  2. পরিচালক
  3. মহাপরিচালক
  4. চেয়ারম্যান
সঠিক উত্তর:
চেয়ারম্যান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চেয়ারম্যান
ব্যাখ্যা
দুর্নীতি দমন কমিশন আইন অনুযায়ী ধারা ১২ – প্রধান নির্বাহী:
(১) চেয়ারম্যান কমিশনের প্রধান নির্বাহী হইবেন; এবং তাঁহার পদত্যাগ, অপসারণ, অনুপস্থিতি, অসুস্থতা বা অন্য কোন কারণে দায়িত্ব পালনে অপারগতার ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতি একজন কমিশনারকে চেয়ারম্যানের দায়িত্ব সাময়িকভাবে পালনের নির্দেশ দিতে পারিবেন৷ 
 
(২) চেয়ারম্যানের সার্বিক তত্ত্বাবধান ও নিয়ন্ত্রণে অন্যান্য কমিশনারগণ তাঁহাদের উপর অর্পিত দায়িত্ব পালন করিবেন এবং এইরূপ দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে চেয়ারম্যানের নিকট কমিশনারগণের জবাবদিহিতা থাকিবে৷
২৭.
দুর্নীতি দমন কমিশন বিধিমালা, ২০০৭ এর কত বিধিতে অভ্যন্তরীণ দুর্নীতি দমন কমিটি গঠনের কথা বলা হয়েছে?
  1. বিধি ১৯
  2. বিধি ২১
  3. বিধি ২৩
  4. বিধি ২৬
সঠিক উত্তর:
বিধি ১৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিধি ১৯
ব্যাখ্যা
দুর্নীতি দমন কমিশন বিধিমালা, ২০০৭ বিধি ১৯- অভ্যন্তরীণ দুর্নীতি দমন কমিটি:
(১) কমিশনের কোন কর্মকর্তা-কর্মচারী আইন ও এই বিধিমালার আওতায় ক্ষমতা প্রয়োগের ক্ষেত্রে কোন দুর্নীতি বা অনিয়মের আশ্রয় গ্রহণ করিতেছেন কিনা কিংবা কোন ব্যক্তিকে অযথা হয়রানি করিতেছেন কিনা অথবা আইন ও এই বিধিমালার আওতায় কোন অপরাধ করিয়াছেন কিনা তাহা সার্বক্ষণিক পরিবীক্ষণ, নজরদারী, অভিযোগ দায়ের, অনুসন্ধান, তদন্ত, মামলা দায়েরের ও বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ বা সুপারিশ প্রদানের লক্ষ্যে, যে ক্ষেত্রে যাহা প্রযোজ্য, অভ্যন্তরীণ দুর্নীতি দমন কমিটি নামে একটি কমিটি থাকিবে।

(২) কমিশনের চেয়ারম্যান উপ-বিধি (১) এর অধীন গঠিত কমিটির চেয়ারম্যান হইবেন এবং কমিশনের সচিব এবং আইন ও প্রসিকিউশন এর দায়িত্বপ্রাপ্ত মহাপরিচালক উহার সদস্য হইবেন।
(৩) কমিশনের সচিব বা আইন ও প্রসিকিউশন এর দায়িত্বপ্রাপ্ত মহাপরিচালক এর বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ উত্থাপিত হইলে উহা কমিশনের চেয়ারম্যান নিজে বা তৎকর্তৃক মনোনীত কোন কমিশনার দ্বারা তদন্ত করিতে হইবে।

(৪) উপ-বিধি (১) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, কমিশন প্রয়োজন মনে করিলে কমিশন বহির্ভূত অন্য তদন্তকারী সংস্থা যথাঃ-ডিজিএফআই, র‍্যাব, সিআইডি, ডিবি, এনএসআই ইত্যাদি সংস্থাকেও এইরূপ তদন্ত সম্পন্নের অনুরোধ করিতে পারিবে।

(৫) উপ-বিধি (৪) এর অধীন অনুরোধ করা হইলে উক্ত তদন্তকারী সংস্থার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কেবল সংশ্লিষ্ট অপরাধ তদন্তের বিষয়ে আইনের অধীন কমিশন কর্মকর্তা হিসাবে গণ্য হইবেন এবং আইন অনুযায়ী তদন্ত সম্পন্ন করিয়া অভিযুক্তের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করিতে পারিবেন।

(৬) উপ-বিধি (৫) এর অধীনে সম্পাদিত তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হইলে অভিযোগনামার সহিত কমিশনের অনুমোদনসহ মামলা দায়েরের ব্যবস্থা গ্রহণ করিতে হইবে।

(৭) এই বিধির অধীন অনুসন্ধান ও তদন্তকার্য পরিচালনার ক্ষেত্রে আইন ও এই বিধিমালার বিধানাবলী অনুসরণ করিতে হইবে।
২৮.
আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধে হাতেনাতে ধৃত ব্যক্তির ক্ষেত্রে, আদালত কত দিনের মধ্যে বিচার সম্পন্ন করবে?
  1. ১৫ কার্যদিবস
  2. ৩০ কার্যদিবস
  3. ৬০ কার্যদিবস
  4. ৯০ কার্যদিবস
সঠিক উত্তর:
৩০ কার্যদিবস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ কার্যদিবস
ব্যাখ্যা
আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ এর ধারা ১০-বিচার পদ্ধতি:
(১) আদালত এই আইনের অধীন সংঘটিত অপরাধের বিচার সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে সম্পন্ন করিবে এবং এতদুদ্দেশ্যে এই আইনে ভিন্নতর কিছু না থাকিলে, ফৌজদারী কার্যবিধির Chapter XXII-তে বর্ণিত পদ্ধতি, যতদূর প্রযোজ্য হয়, অনুসরণ করিবে৷ 
 
(২) এই আইনের অধীন কোন অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তি হাতেনাতে পুলিশ কর্তৃক ধৃত হইলে বা অন্য কোন ব্যক্তি কর্তৃক ধৃত হইয়া পুলিশের নিকট সোপর্দ করা হইলে, পুলিশ অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের প্রাথমিক রিপোর্টসহ তাহাকে চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যে আদালতে হাজির করিবে এবং উহার পরবর্তী সাত কার্যদিবসের মধ্যে অপরাধ সম্পর্কে আদালতে রিপোর্ট বা অভিযোগ পেশ করিবে এবং আদালত অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ প্রদান করিয়া উক্তরূপ রিপোর্ট বা অভিযোগ প্রাপ্তির তারিখ হইতে ত্রিশ কার্যদিবসের মধ্যে বিচার কার্য সম্পন্ন করিবে৷ 
 
(৩) অভিযুক্ত ব্যক্তি উপ-ধারা (২) এ উল্লিখিতভাবে হাতেনাতে ধৃত না হইলে, অপরাধ সংঘটনের পরবর্তী সাত কার্যদিবসের মধ্যে ধারা ৯(২) এর অধীন রিপোর্ট বা অভিযোগ দাখিল করিতে হইবে এবং উক্ত রিপোর্ট বা অভিযোগ দায়েরের পরবর্তী ষাট কার্যদিবসের মধ্যে, ধারা ১১ এর বিধান সাপেক্ষে, আদালত বিচার কার্য সম্পন্ন করিব৷ 
 
(৪) উপ-ধারা (২) ও (৩) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই আইনের অধীন কোন অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তি উপ-ধারা (২) এ উল্লিখিতভাবে ধৃত না হইয়া অন্য কোনভাবে ধৃত হইলে বা আদালতে আত্নসমর্পণ করিলে, উক্ত অপরাধের বিষয়ে, যত দ্রুত সম্ভব, ধারা ৯(২) এর অধীন রিপোর্ট বা অভিযোগ দাখিল করিতে হইবে এবং আদালত অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আত্নপক্ষ সমর্থনের সুযোগ প্রদান করিয়া উক্তরূপ রির্পোট বা অভিযোগ প্রাপ্তির তারিখ হইতে ৩০ (ত্রিশ) কার্যদিবসের মধ্যে বিচারকার্য সম্পন্ন করিবে।
২৯.
জ্ঞাত আয়ের উৎস ছাড়া কেউ যদি সম্পত্তি অর্জন করেন এবং সন্তোষজনক ব্যাখ্যা দিতে ব্যর্থ হন, তাহলে সর্বোচ্চ কী শাস্তি হতে পারে?
  1. ৫ বছর জেল
  2. ৭ বছর জেল
  3. ১০ বছর জেল
  4. ১৪ বছর জেল
সঠিক উত্তর:
১০ বছর জেল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ বছর জেল
ব্যাখ্যা
দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ধারা ২৭: "জ্ঞাত আয়ের উৎস বহির্ভূত সম্পত্তির দখল":
(১) কোন ব্যক্তি তাহার নিজ নামে, বা তাহার পক্ষে অন্য কোন ব্যক্তির নামে, এমন কোন স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তির দখলে রহিয়াছেন বা মালিকানা অর্জন করিয়াছেন, যাহা অসাধু উপায়ে অর্জিত হইয়াছে এবং তাহার জ্ঞাত আয়ের উত্সের সহিত অসংগতিপূর্ণ বলিয়া মনে করিবার যথেষ্ট কারণ রহিয়াছে এবং তিনি উক্তরূপ সম্পত্তি দখল সম্পর্কে আদালতের নিকট বিচারে সন্তোষজনক ব্যাখ্যা প্রদান করিতে ব্যর্থ হইলে উক্ত ব্যক্তি অনূর্ধ্ব ১০ (দশ) বছর এবং অন্যুন ০৩ (তিন) বছর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদে কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন; এবং উক্তরূপ সম্পত্তিসমূহ বাজেয়াপ্ত যোগ্য হইবে৷ 

(২) উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত কোন অপরাধের বিচার চলাকালীন যদি প্রমাণিত হয় যে, অভিযুক্ত ব্যক্তি নিজ নামে, বা তাহার পক্ষে অপর কোন ব্যক্তির নামে, তাহার জ্ঞাত আয়ের উত্সের সহিত অসঙ্গতিপূর্ণ স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তির মালিকানা অর্জন করিয়াছেন বা অনুরূপ সম্পত্তির দখলে রহিয়াছেন, তাহা হইলে আদালত অনুমান করিবে (shall presume) যে, অভিযুক্ত ব্যক্তি উক্ত অপরাধে দোষী, যদি অভিযুক্ত ব্যক্তি আদালতে উক্ত অনুমান খণ্ডন (rebut) করিতে না পারেন; এবং কেবল উক্তরূপ অনুমানের উপর ভিত্তি করিয়া প্রদত্ত কোন দণ্ড অবৈধ হইবে না৷
৩০.
দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ৩৩ ধারার অধীনে, কমিশনের নিজস্ব প্রসিকিউটর নিযুক্ত না হওয়া পর্যন্ত কে মামলা পরিচালনা করবেন?
  1. পাবলিক প্রসিকিউটর
  2. কমিশনের চেয়ারম্যান
  3. অনুমোদিত আইনজীবী
  4. অনুমোদিত বিশেষ প্রতিনিধি
সঠিক উত্তর:
অনুমোদিত আইনজীবী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুমোদিত আইনজীবী
ব্যাখ্যা
"দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪"-এর ধারা ৩৩: কমিশনের নিজস্ব প্রসিকিউশন ইউনিট:
(১) এই আইনের অধীন কমিশন কর্তৃক তদন্তকৃত এবং স্পেশাল জজ কর্তৃক বিচারযোগ্য মামলাসমূহ পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যক প্রসিকিউটর এর সমন্বয়ে কমিশনের অধীন উহার নিজস্ব একটি স্থায়ী প্রসিকিউশন ইউনিট থাকিবে৷

(২) উক্ত প্রসিকিউটরগণের নিয়োগ ও চাকুরীর শর্তাবলী বিধি দ্বারা নির্ধারিত হইবে৷

(৩) এই ধারার অধীন কমিশনের নিজস্ব প্রসিকিউটর নিযুক্ত না হওয়া পর্যন্ত, কমিশন কর্তৃক অস্থায়ী ভিত্তিতে নিযুক্ত বা অনুমোদিত আইনজীবীগণ এই আইনের অধীন মামলাসমূহ পরিচালনা করিবে৷

(৪) এই ধারার অধীন নিযুক্ত প্রসিকিউটরগণ পাবলিক প্রসিকিউটর বলিয়া গণ্য হইবেন৷

(৫) দুর্নীতি দমন কমিশন কর্তৃক দায়েরকৃত মামলায় অথবা দুর্নীতি দমন কমিশন কর্তৃক গৃহীত যে কোন কার্যক্রমের যে কোন পর্যায়ে কোন আদালতে কেহ কোন প্রতিকার প্রার্থনা করিলে দুর্নীতি দমন কমিশনকে পক্ষভুক্ত করিতে হইবে এবং দুর্নীতি দমন কমিশন কর্তৃক দায়েরকৃত কোন মামলায় বা কার্যক্রমে কোন ব্যক্তি জামিন কিংবা অন্য কোন প্রকার প্রতিকার প্রার্থনা করিলে কমিশনকে শুনানীর জন্য যুক্তিসংগত সময় প্রদান না করিয়া শুনানি গ্রহণ করা যাইবে না।