পরীক্ষা আর্কাইভ

নতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি - ২০০ দিনে পুরো সিলেবাস

পরীক্ষানতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি - ২০০ দিনে পুরো সিলেবাসতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়19 minutes
মোট প্রশ্ন৩৯
সিলেবাস
বিষয় - কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি টপিক - কম্পিউটার ১. কম্পিউটার পেরিফেরালস: ইনপুট, আউটপুট ও স্টোরেজ ডিভাইসসমূহ - কি-বোর্ড, মাউস, ওসিআর (OCR) ইত্যাদি। ২. কম্পিউটারের অঙ্গ-সংগঠন: সিপিইউ, হার্ড ডিস্ক, ALU, BIOS, পাওয়ার সিস্টেম ইত্যাদি। ৩. কম্পিউটারের পারঙ্গমতা ও দৈনন্দিন জীবনে কম্পিউটারের ব্যবহার: কৃষি, যোগাযোগ, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, খেলাধুলা ইত্যাদি। ৪. কম্পিউটারের সংখ্যা পদ্ধতি ও কোড, ডিজিটাল লজিক ইত্যাদি। উৎস: অষ্টম, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শ্রেণির কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি বোর্ড বই [NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়], ব্রিটানিকা, যেকোনো গাইডবই। [গাইড বই থেকে পড়ার ক্ষেত্রে কনফিউজিং বিষয়গুলো ক্রসচেক করে পড়া উত্তম।]। --------------------- [নির্দেশিকা: এই রুটিনে সারাবছর জুড়ে পরীক্ষা চলমান থাকে। আপনি আজ ১ম পরীক্ষা দেওয়া শুরু করলে ২০০ দিনের মধ্যে পুরো সিলেবাস সম্পন্ন হবে।]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

নতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি - ২০০ দিনে পুরো সিলেবাস

নতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি - ২০০ দিনে পুরো সিলেবাস · তারিখ অনির্ধারিত · ৩৯ প্রশ্ন

.
কোনটি ভার্চুয়াল মেমরির একটি সুবিধা?
  1. RAM-এর চেয়ে বড় প্রোগ্রাম চালানো সম্ভব
  2. CPU এর ক্লক স্পিড কমানো
  3. ক্যাশ মেমরির প্রয়োজন দূর করা
  4. হার্ড ডিস্ক অ্যাক্সেসকে দ্রুততর করা
সঠিক উত্তর:
RAM-এর চেয়ে বড় প্রোগ্রাম চালানো সম্ভব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
RAM-এর চেয়ে বড় প্রোগ্রাম চালানো সম্ভব
ব্যাখ্যা

• ভার্চুয়াল মেমরির প্রধান সুবিধা হলো এটি RAM-এর চেয়ে বড় প্রোগ্রাম চালাতে সাহায্য করে। কারণ, ভার্চুয়াল মেমরি RAM এবং হার্ড ডিস্ককে মিলিয়ে একটি বড় লজিক্যাল মেমরি তৈরি করে। যখন RAM পূর্ণ থাকে, তখন কিছু অংশের ডেটা সাময়িকভাবে হার্ড ডিস্কে সংরক্ষণ করা হয় এবং প্রয়োজন অনুযায়ী আবার RAM-এ আনা হয়। ফলে, ব্যবহারকারী মনে করে তার সিস্টেমে অনেক বেশি মেমরি আছে। এভাবে বড় আকারের সফটওয়্যার বা একাধিক প্রোগ্রাম একই সাথে চালানো সম্ভব হয়। তাই সঠিক উত্তর হলো- ক) RAM-এর চেয়ে বড় প্রোগ্রাম চালানো সম্ভব।

• ভার্চুয়াল মেমরি (Virtual Memory):  
- ভার্চুয়াল মেমরি হলো কম্পিউটার সিস্টেমের একটি মেমরি ম্যানেজমেন্ট কৌশল, যেখানে হার্ড ডিস্কের একটি অংশকে RAM-এর বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করা হয়।  
- এটি মূলত RAM-এর সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে ওঠার জন্য ব্যবহৃত হয়।  
- যখন RAM পূর্ণ হয়ে যায়, তখন কম ব্যবহৃত ডেটা হার্ড ডিস্কে সংরক্ষিত হয় এবং প্রয়োজনে আবার RAM-এ আনা হয়।  
- এর ফলে আসল RAM এর চেয়ে বড় প্রোগ্রাম চালানো সম্ভব হয়।  
- ভার্চুয়াল মেমরি ক্যাশ মেমরির প্রয়োজন দূর করে না এবং হার্ড ডিস্কের গতিও বাড়ায় না।  
- CPU এর ক্লক স্পিড এর সাথে ভার্চুয়াল মেমরির কোনো সরাসরি সম্পর্ক নেই।  

সুতরাং, ভার্চুয়াল মেমরির আসল সুবিধা হলো:  
ক) RAM-এর চেয়ে বড় প্রোগ্রাম চালানো সম্ভব। 

তথ্যসূত্র: geeksforgeeks [link]

.
কোনটি একটি জনপ্রিয় ই-কমার্স পেমেন্ট গেটওয়ে?
  1. Microsoft Word
  2. Google Maps
  3. PayPal
  4. Dropbox
সঠিক উত্তর:
PayPal
উত্তর
সঠিক উত্তর:
PayPal
ব্যাখ্যা

• জনপ্রিয় ই-কমার্স পেমেন্ট গেটওয়ে হলো PayPal. এটি বিশ্বজুড়ে বহুল ব্যবহৃত একটি অনলাইন পেমেন্ট সিস্টেম, যা ক্রেতা ও বিক্রেতার মধ্যে নিরাপদ লেনদেন নিশ্চিত করে। ই-কমার্স সাইটে PayPal যুক্ত থাকলে ক্রেতারা সহজে তাদের ক্রেডিট কার্ড, ডেবিট কার্ড বা ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে অর্থ প্রদান করতে পারেন।
- Microsoft Word হলো একটি ওয়ার্ড প্রসেসিং সফটওয়্যার, Google Maps মূলত মানচিত্র ও অবস্থান নির্ণয়ের সেবা দেয় এবং Dropbox হলো একটি ক্লাউড স্টোরেজ প্ল্যাটফর্ম। এগুলো পেমেন্ট গেটওয়ে নয়। তাই ই-কমার্সের ক্ষেত্রে PayPal-ই একটি কার্যকর ও জনপ্রিয় সমাধান।

• ই-কমার্স (E-Commerce):
- ইলেকট্রনিক কমার্সকেই সাধারণ অর্থে ই-কমার্স (e-commerce or eCommerce) বলা হয়।
- ইন্টারনেট বা অন্য কোনে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে কোনো পণ্য বা সেবা ক্রয়-বিক্রয়, সরবরাহ, ব্যবসায় সংক্রান্ত লেনদেন ইত্যাদি কাজকে সম্মিলিতভাবে ই-কমার্স বলে।
- পণ্য বা সেবার উপাদান, মার্কেটিং, ডেলিভারি, সার্ভিসিং, মূল্য লেনদেন ইত্যাদি কাজকে সম্মিলিত ভাবে ই-কমার্স বলে।

• জনপ্রিয় ই-কমার্স সাইট গুলো হলো-
- www.alibaba.com,
- www.amazon.com,
- www.daraz.com,
- www.bikroy.com,
- www.ebay.com.

• ই-কমার্স এর ধরণ: 
পণ্য বিক্রয়ক্ষেত্র ও লেনদেনের প্রকৃতি অনুযায়ী ই-কমার্সকে প্রধানত চার ভাগে ভাগ করা যায়। -
১। Business to Consumer (B2C),
২। Business to Business (B2B),
৩। Consumer to Business (C2B),
8। Consumer to Consumer (C2C),

উৎস:
১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি মাহবুবুর রহমান।
২। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৩। ব্রিটানিকা।

.
বুলিয়ান অ্যালজেবরায় যোগের জন্য প্রয়োজনীয় লজিক গেট কোনটি?
  1. NOR gate
  2. NOT gate
  3. AND gate
  4. OR gate
সঠিক উত্তর:
OR gate
উত্তর
সঠিক উত্তর:
OR gate
ব্যাখ্যা

• বুলিয়ান অ্যালজেবরায় যোগ (Addition) অপারেশন বোঝাতে OR Gate ব্যবহৃত হয়। কারণ OR Gate–এর আউটপুট তখনই ১ হয়, যখন এর যেকোনো একটি বা একাধিক ইনপুট ১ হয়। অর্থাৎ, এটি ঠিক বুলিয়ান অ্যালজেবরার যোগের নিয়মের সাথে মিলে যায়। যেমন, A + B = 1 হবে যদি A = 1 অথবা B = 1 হয়। অন্যদিকে AND Gate গুণ (Multiplication) নির্দেশ করে, আর NOT Gate একটি মানের বিপরীত নির্দেশ করে। NOR Gate হলো OR Gate–এর বিপরীত। তাই বুলিয়ান যোগের ক্ষেত্রে সঠিক লজিক গেট হলো OR Gate.

• লজিক গেইট:
- লজিক গেইট হচ্ছে এক ধরনের ইলেকট্রনিক সার্কিট যা এক বা একাধিক ইনপুট গ্রহণ করে কোন যুক্তির ভিত্তিতে একটি মাত্র আউটপুট প্রদান করে।
- লজিক গেইটে ব্যবহৃত দুটি ইনপুট হলো 1 এবং 0।
- মৌলিক লজিক গেইট তিনটি। যথা- অর গেইট, অ্যান্ড গেইট এবং নট গেইট।

• OR gate: বুলিয়ান অ্যালজেবরার যোগের কাজ সম্পাদনের জন্য অর লজিক গেইট ব্যবহার করা হয়।
• AND gate: বুলিয়ান অ্যালজেবরার গুণনের কাজ সম্পাদনের জন্য এন্ড লজিক গেইট ব্যবহার করা হয়।
• NOT gate: বুলিয়ান অ্যালজেবরার পূরকের কাজ সম্পাদনের জন্য নট লজিক গেইট ব্যবহার করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

.
ব্লকচেইন কী?
  1. একটি বিকেন্দ্রীভূত ও বিতরণকৃত ডিজিটাল লেজার
  2. এক ধরনের ক্রিপ্টোকারেন্সি
  3. একটি পিয়ার-টু-পিয়ার মেসেজিং অ্যাপ
  4. একটি ক্লাউড স্টোরেজ সেবা
সঠিক উত্তর:
একটি বিকেন্দ্রীভূত ও বিতরণকৃত ডিজিটাল লেজার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একটি বিকেন্দ্রীভূত ও বিতরণকৃত ডিজিটাল লেজার
ব্যাখ্যা

• ব্লকচেইন হলো একটি বিকেন্দ্রীভূত ও বিতরণকৃত ডিজিটাল লেজার, যেখানে তথ্য ব্লকের আকারে সংরক্ষিত হয় এবং প্রতিটি ব্লক ক্রিপ্টোগ্রাফি দ্বারা সুরক্ষিত থাকে। এই প্রযুক্তিতে কোনো একক কর্তৃপক্ষ বা কেন্দ্রীয় সার্ভার নেই; বরং এটি নেটওয়ার্কের বিভিন্ন কম্পিউটারে সমানভাবে বিতরণ করা হয়। ফলে তথ্য পরিবর্তন বা জালিয়াতি করা অত্যন্ত কঠিন। ব্লকচেইন মূলত আর্থিক লেনদেন যেমন ক্রিপ্টোকারেন্সি পরিচালনায় ব্যবহৃত হলেও এর ব্যবহার এখন ভোটিং সিস্টেম, সাপ্লাই চেইন ম্যানেজমেন্ট, স্বাস্থ্যসেবা, ও চুক্তি যাচাই প্রভৃতি ক্ষেত্রে বিস্তৃত হয়েছে। এটি স্বচ্ছতা, নিরাপত্তা এবং বিশ্বাসযোগ্যতা নিশ্চিত করার একটি অত্যাধুনিক প্রযুক্তি।
 
• ব্লকচেইন:
- ব্লকচেইন হলো একটি ডেটাবেজ প্রযুক্তি যা একটি লেজার বা রেকর্ডের উপর ভিত্তি করে কাজ করে এবং এই লেজারটি সম্পূর্ণ কম্পিউটার নেটওয়ার্কে বিতরণ করা থাকে। 
- এই রেকর্ডগুলোকে ব্লক বলা হয়। 
- ব্লকচেইন প্রযুক্তি সর্বপ্রথম তৈরি করেন সাতোশি নাকামোতো নামে পরিচিত এক গোপন পরিচয়ের প্রোগ্রামার বা প্রোগ্রামারদের একটি দল। 
- ২০০৯ সালে তারা এই প্রযুক্তিটি বিটকয়েন নামক ক্রিপ্টোকারেন্সির কাঠামোর অংশ হিসেবে উদ্ভাবন করেন।
- লেনদেনগুলো ব্লক নামে পরিচিত গ্রুপে একত্রিত হয়। 
- ব্লকগুলো একটি ক্রমানুসারী সিকোয়েন্সে সাজানো থাকে, যাকে ব্লকচেইন বলা হয়। 
- ব্লকগুলো চেইনে যুক্ত করা হয় একটি গাণিতিক পদ্ধতির মাধ্যমে, যা একক ব্যবহারকারীর জন্য ব্লকচেইন পরিবর্তন করা অত্যন্ত কঠিন করে তোলে।

• বিটকয়েন (Bitcoin):
- বিটকয়েন হলো প্রথম, সবচেয়ে বেশি লেনদেন হওয়া এবং সবচেয়ে পরিচিত ক্রিপ্টোকারেন্সি।
- বিটকয়েনের মালিকরা বিভিন্ন ওয়েবসাইট ব্যবহার করে এটি অন্য ক্রিপ্টোকারেন্সিতে, অথবা বাস্তব মুদ্রায় যেমন মার্কিন ডলার বা ইউরোতে বিনিময় করতে পারেন।
- এছাড়া বিভিন্ন বিক্রেতার কাছ থেকে পণ্য ও সেবা কেনাও সম্ভব।

উৎস: ব্রিটানিকা।

.
MICR E-13B ফন্টে কোন ধরনের অক্ষর ব্যবহার করা হয়?
  1. সব ASCII অক্ষর
  2. শুধুমাত্র সংখ্যা
  3. সংখ্যা 0–9 এবং কয়েকটি বিশেষ চিহ্ন
  4. শুধুমাত্র বর্ণ
সঠিক উত্তর:
সংখ্যা 0–9 এবং কয়েকটি বিশেষ চিহ্ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংখ্যা 0–9 এবং কয়েকটি বিশেষ চিহ্ন
ব্যাখ্যা

• MICR (Magnetic Ink Character Recognition) E-13B ফন্ট মূলত ব্যাংকিং ব্যবস্থায় ব্যবহৃত হয়, বিশেষ করে চেক প্রসেসিংয়ের জন্য। এই ফন্টে সব ASCII অক্ষর বা শুধুমাত্র বর্ণ ব্যবহৃত হয় না। আবার কেবল সংখ্যা দিয়েও সীমাবদ্ধ নয়। এতে সংখ্যা 0 থেকে 9 পর্যন্ত ব্যবহার করা হয় এবং এর সাথে কিছু নির্দিষ্ট বিশেষ চিহ্ন যেমন চারটি অনন্য সিম্বল থাকে—Transit (⑆), Amount (⑇), On-Us (⑈) এবং Dash (⑉)। এসব অক্ষর ও চিহ্ন একসাথে ব্যবহার করে ব্যাংক সহজে স্বয়ংক্রিয়ভাবে চেক শনাক্ত, শ্রেণিবদ্ধ এবং প্রক্রিয়াজাত করতে পারে। সঠিক উত্তর হলো গ)।

⚪ MICR:
- MICR হলো Magnetic Ink Character Recognition.
- চৌম্বক কালি বা ফেরোসোফেরিক অক্সাইডযুক্ত কালীর সাহায্যে MICR লেখা হয়।
- এই কালিতে লেখা কাগজ শক্তিশালী চৌম্বকক্ষেত্রে রাখলে কালির ফেরোসোফেরিক অক্সাইড চুম্বকে পরিণত হয়।
- ব্যাংকের চেক বইয়ে MICR টেকনোলজি ব্যবহার করা হয়।
- MICR চেক ব্যাংক লেনদেনের জন্য নিরাপদ এবং সময় সাশ্রয়ী।
- মূলত MICR চেক ব্যাংক আধুনিকীকরণ প্রক্রিয়ার অন্যতম একটি অংশ।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

.
কোন গেইটগুলো সার্বজনীন গেইট হিসেবে পরিচিতি?
  1. OR এবং NOT
  2. XOR এবং NOT
  3. AND এবং OR
  4. NAND এবং NOR
সঠিক উত্তর:
NAND এবং NOR
উত্তর
সঠিক উত্তর:
NAND এবং NOR
ব্যাখ্যা

• সার্বজনীন গেইট বলতে সেই লজিক গেইটগুলোকে বোঝানো হয় যেগুলো ব্যবহার করে অন্য সব মৌলিক গেইট (AND, OR, NOT) তৈরি করা যায়। NAND এবং NOR গেইটকে সার্বজনীন গেইট বলা হয়, কারণ শুধু NAND অথবা শুধু NOR দিয়েই সমস্ত লজিক সার্কিট বাস্তবায়ন সম্ভব। যেমন, NAND গেইট দিয়ে NOT, AND এবং OR গেইট তৈরি করা যায় আবার NOR গেইট দিয়েও একইভাবে তৈরি করা যায়। এই কারণে NAND ও NOR গেইট ডিজিটাল ইলেকট্রনিকসে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং বহুল ব্যবহৃত। সুতরাং সঠিক উত্তর হলো: ঘ) NAND এবং NOR.

• সার্বজনীন গেইট:
- যে সকল গেইটের মাধ্যমে অ্যান্ড, অর ও নট গেইটের ফাংশনকে প্রতিস্থাপন করা যায় তাদেরকে সার্বজনীন গেইট বলা হয়।
- অর, অ্যান্ড এবং নট এই তিনটি মৌলিক গেইটের সমন্বয়ে সকল প্রকার লজিক সার্কিট বা যুক্তি বর্তনী তৈরি করা যায়।
- আবার শুধুমাত্র ন্যান্ড গেইট ব্যবহার করেই যে কোন লজিক সার্কিট বা যুক্তি বর্তনী তৈরি করা যায়।
- এর কারণ NAND গেইট দিয়ে অর, অ্যান্ড এবং নট গেইট বাস্তবায়ন সম্ভব।
- একইভাবে শুধু NOR গেইট দিয়েই অর, অ্যান্ড এবং নট গেইট তথা যে কোন লজিক সার্কিট বা যুক্তি বর্তনী তৈরি করা সম্ভব।
- এ জন্য NAND এবং NOR গেইট দুটিকে বলা হয় সার্বজনীন গেইট।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
দশমিক ১০ এর হেক্সাডেসিমাল রূপ কত?
  1. A
  2. 8
  3. 9
  4. B
সঠিক উত্তর:
A
উত্তর
সঠিক উত্তর:
A
ব্যাখ্যা

• দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি হলো আমাদের প্রচলিত গণনার পদ্ধতি, যেখানে ভিত্তি (Base) ১০। অন্যদিকে হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি হলো ১৬ এবং এখানে ০ থেকে ৯ পর্যন্ত সংখ্যা ও A থেকে F পর্যন্ত অক্ষর ব্যবহার করা হয়, যেখানে A মানে ১০, B মানে ১১, এভাবে F মানে ১৫ বোঝায়। এখন দশমিক ১০ সংখ্যাটিকে হেক্সাডেসিমালে রূপান্তর করলে দেখা যায় যে ১০ এর মান সরাসরি হেক্সাডেসিমালে A দ্বারা প্রকাশ করা হয়। অর্থাৎ, দশমিক ১০ = হেক্সাডেসিমাল A.

দশমিক ---- বাইনারি ---- অকট্যাল ---- হেক্সাডেসিমাল
৮ ------------ ১০০০ ---------- ১০ ------------ ৮
৯ ------------ ১০০১ ----------- ১১ ------------ ৯
১০ -----------১০১০ ----------- ১২------------- A
১১ ----------- ১০১১ ----------- ১৩ ------------ B

• হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা:
- হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা হলো এমন সংখ্যা যা ১৬ ভিত্তিতে লেখা হয়।
- এই সংখ্যাগুলোতে ব্যবহার করা হয় ০ থেকে ৯ পর্যন্ত ডিজিট এবং A থেকে F পর্যন্ত অক্ষর।
- এখানে A, B, C, D, E, F যথাক্রমে ১০, ১১, ১২, ১৩, ১৪, ১৫ মানে। তাই হেক্সাডেসিমাল সংখ্যায় G, H, Z অক্ষরগুলো থাকতে পারে না কারণ এগুলো হেক্সাডেসিমাল ভিত্তিতে স্বীকৃত নয়।

• সংখ্যা পদ্ধতি:
- কোন সংখ্যা লেখা বা প্রকাশ করার পদ্ধতিকে সংখ্যা পদ্ধতি বলে।
- সংখ্যা পদ্ধতির বেজ বা ভিত্তির উপর নির্ভর করে চার ধরনের সংখ্যা পদ্ধতির প্রচলন লক্ষ্য করা যায়। যথা-
১. দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি (Decimal Number System),
২. বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি (Binary Number System),
৩. অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি (Octal Number System) ও
৪. হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি (Hexadecimal Number System)।

- দশমিক সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি ১০।
- বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি ২।
- অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি ৮।
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি ১৬।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

.
Unicode মূলত কী সরবরাহ করে?
  1. একটি প্রোগ্রামিং ভাষা
  2. ফাইল কম্প্রেস করার একটি পদ্ধতি
  3. সব ভাষার অক্ষরের জন্য একটি এঙ্কোডিং স্ট্যান্ডার্ড
  4. একটি ডেটাবেস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম
সঠিক উত্তর:
সব ভাষার অক্ষরের জন্য একটি এঙ্কোডিং স্ট্যান্ডার্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সব ভাষার অক্ষরের জন্য একটি এঙ্কোডিং স্ট্যান্ডার্ড
ব্যাখ্যা

• Unicode মূলত সব ভাষার অক্ষরের জন্য একটি এঙ্কোডিং স্ট্যান্ডার্ড সরবরাহ করে। এটি এমন একটি আন্তর্জাতিক মান, যা পৃথিবীর প্রায় সব ভাষার বর্ণমালা, প্রতীক, সংখ্যা এবং বিশেষ চিহ্নগুলোকে একটি অভিন্ন কোডে উপস্থাপন করে। Unicode ব্যবহারের মাধ্যমে ভিন্ন ভিন্ন প্ল্যাটফর্ম, ডিভাইস এবং সফটওয়্যারে একই অক্ষর একইভাবে প্রদর্শিত হয়। উদাহরণস্বরূপ, ইংরেজি, বাংলা, আরবি বা চীনা—সব ভাষার জন্য আলাদা আলাদা কোড পয়েন্ট Unicode-এ নির্ধারিত আছে। এর ফলে বহুভাষিক ডকুমেন্ট তৈরি, ওয়েব কনটেন্ট প্রকাশ এবং ডেটা বিনিময় সহজ হয়। তাই সঠিক উত্তর হলো (গ)।

ইউনিকোড (Unicode):
- ১৯৯১ সালে Apple Computer Corporation এবং Xerox Corporation এর একদল প্রকৌশলী যৌথভাবে ইউনিকোড উদ্ভাবন করেন। 
- বিশ্বের ছোট বড় সকল ভাষাকে কম্পিউটারে কোডভুক্ত করার জন্য ইউনিকোড ব্যবহৃত হয়। 
- ইউনিকোড মূলতঃ ২ বাইট বা ১৬ বিটের কোড। 
- এই কোডের মাধ্যমে ৬৫,৫৩৬ বা ২০ টি অদ্বিতীয় চিহ্নকে নির্দিষ্ট করা যায়। 
- ইউনিকোড হল একটি আন্তর্জাতিক অক্ষর-এনকোডিং সিস্টেম। এটি আধুনিক এবং প্রাচীন বিশ্বের বিভিন্ন ভাষার লিখিত পাঠ্যের  ইলেকট্রনিক আদান-প্রদান, প্রক্রিয়াকরণ এবং প্রদর্শনে সহায়তা করার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে।
- ইউনিকোডের প্রথম সংস্করণ ১৯৯১ সালে প্রবর্তিত হয়েছিল। এর সর্বশেষ সংস্করণে ১০০,০০০-এরও বেশি অক্ষর রয়েছে। 
- ইউনিকোডের আগে অসংখ্য এনকোডিং সিস্টেম ছিল, যার মধ্যে ASCII অন্যতম। 
- ইউনিকোডের বিশেষত্ব হল এর প্রতিটি অক্ষরের জন্য দেওয়া ইউনিক নম্বর যেকোনো সিস্টেমে একই থাকে, যা ইউনিকোড সমর্থন করে।

উৎস: ১।তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২। ব্রিটানিকা।

.
কোন স্টোরেজ ডিভাইসে কম্পিউটারে ডেটা অ্যাক্সেসের স্পিড সবচেয়ে বেশি?
  1. Hard Disk
  2. RAM
  3. ROM
  4. Register
সঠিক উত্তর:
Register
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Register
ব্যাখ্যা

• কম্পিউটারে ডেটা অ্যাক্সেসের গতি নির্ভর করে স্টোরেজ ডিভাইসের ধরন ও প্রযুক্তির উপর। সাধারণভাবে, Register হল CPU-এর ভিতরে থাকা ক্ষুদ্র কিন্তু অত্যন্ত দ্রুত স্টোরেজ, যা তাত্ক্ষণিকভাবে ডেটা প্রক্রিয়াকরণের জন্য ব্যবহৃত হয়। এর পরে আসে RAM, যা CPU এবং অন্যান্য ডিভাইসের মধ্যে দ্রুত তথ্য আদান-প্রদানের জন্য ব্যবহৃত হয়। ROM হলো স্থায়ী মেমোরি, যা সাধারণত ধীর এবং শুধুমাত্র পড়ার জন্য ব্যবহৃত হয়। সবচেয়ে ধীর স্টোরেজ হলো Hard Disk, যা চুম্বকীয় বা মেকানিকাল প্রযুক্তির উপর নির্ভর করে। তাই দ্রুততম ডেটা অ্যাক্সেসের জন্য Register সবচেয়ে উপযুক্ত।

• কম্পিউটারের মেমোরির গতি অনুযায়ী যদি সাজাই, তাহলে ক্রম হবে:
Register > Cache > RAM > ROM > Hard Disk.

রেজিস্টার (Register):
- মূলত মাইক্রোপ্রসেসরের অস্থায়ী মেমরি রেজিস্টার হিসেবে কাজ করে।
- রেজিস্টার তৈরি হয় ফ্লিপ- ফ্লপের সাহায্যে।
- এগুলোর কাজ করার ক্ষমতা অত্যন্ত দ্রুত।
- মাইক্রোপ্রসেসরের কার্যাবলি সম্পাদানের জন্য এর অভ্যন্তরে বিভিন্ন ধরনের রেজিস্টার ব্যবহৃত হয়। যেমন: অ্যাকুমুলেটর, ইনস্ট্রাকশন রেজিস্টার, প্রোগ্রাম কাউন্টার ইত্যাদি।

• মেমরির ধারণক্ষমতা ও গতির ক্রম:


- পিরামিডের শীর্ষে অবস্থান করা রেজিস্টারের ধারণক্ষমতা কম হলেও এর গতি যেমন সবচেয়ে বেশি, খরচও তেমনি সবচেয়ে বেশি।
- আবার পিরামিডের একদম পাদদেশে অবস্থিত অপটিক্যাল ডিস্কের ধারণক্ষমতা বেশি হলেও গতি কম এবং দামও তুলনামূলক কম।

এছাড়াও, 
- RAM এবং ROM হলো কম্পিউটারের প্রধান মেমোরি।
- RAM হলো অস্থায়ী মেমোরি বা ভোলাটাইল মেমোরি এবং ROM স্থায়ী মেমোরি বা নন-ভোলাটাইল মেমোরি।
- অসংখ্য ফ্লপি ডিস্কের ক্ষমতা সম্পন্ন ডিস্কই হলো হার্ড ডিস্ক।
- হার্ড ডিস্ককে একটি কম্পিউটারের তথ্য ভান্ডার বলা যায়।
- সাধারণত কম্পিউটারের ভিতরে স্থায়ীভাবে হার্ড ডিস্ক বসিয়ে রেখে কাজ করতে হয়।

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।
৩. কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১০.
অক্টাল সংখ্যা 157 কে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর করলে কত হবে?
  1. 119
  2. 115
  3. 111
  4. 121
সঠিক উত্তর:
111
উত্তর
সঠিক উত্তর:
111
ব্যাখ্যা

• অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতিতে প্রতিটি সংখ্যা ০ থেকে ৭ পর্যন্ত অঙ্ক দ্বারা প্রকাশিত হয়। একটি অক্টাল সংখ্যা দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর করার জন্য, প্রতিটি অঙ্ককে তার অবস্থান অনুযায়ী ৮ এর ঘাত দ্বারা গুণ করতে হয়। উদাহরণস্বরূপ, অক্টাল সংখ্যা 157 কে দশমিক সংখ্যা পদ্ধতিতে রূপান্তর করি। সুতরাং, অক্টাল সংখ্যা 157 এর দশমিক মান হবে 111.

• অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি:
- অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি হলো একটি সংখ্যা পদ্ধতি যার ভিত্তি (base) ৮। এটি ০ থেকে ৭ পর্যন্ত মোট ৮টি সংখ্যা ব্যবহার করে, যেমন: ০, ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬, ৭।
- প্রতিটি অঙ্কের মান নির্ধারণ করা হয় তার অবস্থান (position) অনুযায়ী এবং ৮-এর ঘাত (power) ব্যবহার করে।
- এই পদ্ধতিটি সাধারণত কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত হয়, বিশেষ করে তখন যখন বাইনারি সংখ্যাকে সংক্ষিপ্তভাবে প্রকাশ করতে হয়, কারণ তিনটি বাইনারি বিট = একটি অক্টাল সংখ্যা।
- উদাহরণস্বরূপ, বাইনারি সংখ্যা 101010 কে অক্টালে রূপান্তর করলে পাওয়া যায় 52।

এখানে,
(157)8
= (1 × 82) + (5 × 81) + (7 × 80)
= (1 × 64) + (5 × 8) + (7 × 1)
= 64 + 40 + 7
= (111)10

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্ত, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

১১.
কোন অংশটি কম্পিউটারে প্রোগ্রাম এবং ডেটা সাময়িকভাবে সংরক্ষণ করে?
  1. Hard disk
  2. ALU
  3. RAM
  4. ROM
সঠিক উত্তর:
RAM
উত্তর
সঠিক উত্তর:
RAM
ব্যাখ্যা

• কম্পিউটারে প্রোগ্রাম এবং ডেটা সাময়িকভাবে সংরক্ষণ করার জন্য RAM (Random Access Memory) ব্যবহার করা হয়। এটি একটি অস্থায়ী মেমোরি, যা কেবল তখনই তথ্য ধরে রাখে যখন কম্পিউটার চালু থাকে। কম্পিউটার যখন কোনো প্রোগ্রাম চালায় বা ডেটা প্রসেস করে, তখন সেই তথ্য RAM-এ লোড হয়, যাতে CPU দ্রুত অ্যাক্সেস করতে পারে। RAM-এর সাহায্যে কম্পিউটার দ্রুত হিসাব করতে এবং প্রোগ্রাম চালাতে সক্ষম হয়, কারণ এটি Hard Disk-এর তুলনায় অনেক দ্রুত। Hard Disk স্থায়ীভাবে তথ্য সংরক্ষণ করে, ALU গণনা ও প্রক্রিয়াকরণের কাজ করে, আর ROM-এ স্থায়ী তথ্য থাকে, যা পরিবর্তন করা যায় না। তাই সাময়িক সংরক্ষণের জন্য RAM অপরিহার্য।
 
RAM: 
- RAM এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Random Access Memory. 
- RAM কে কার্যকরী স্মৃতি কেন্দ্র বলা হয়। 
- RAM যতো বাড়বে কম্পিউটারের কার্যক্ষমতা ততো বাড়বে, অর্থাৎ ততো বেশি ফাইলকে একসাথে স্মৃতি কেন্দ্রে উঠিয়ে কাজ করতে পারবে। 
- RAM এ লেখাপড়া উভয়ই করা যায়। 
- কিন্তু বিদ্যুৎ চলে গেলে RAM থেকে সমস্ত তথ্য মুছে যায়. তাই RAM কে ভোলাটাইল বলে। 
- RAM দুই ধরনের। DRAM (Dynamic RAM) ও SRAM (Static RAM)। 
- প্রথম দিকে পিসিতে শুধু DRAM ব্যবহৃত হতো, বর্তমানে উভয় প্রকারের RAM-ই পিসিতে ব্যবহৃত হচ্ছে।
- ব্যবহারকারী যখন কোনো সফটওয়্যার চালায় (যেমন: Chrome, Word), সেটি RAM-এ লোড হয়। CPU সরাসরি RAM থেকে ডেটা পড়ে এবং প্রসেস করে।
- দ্রুতগতির অ্যাক্সেসের জন্য RAM অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ (হার্ড ডিস্কের চেয়ে ১০-১০০ গুণ দ্রুত)।

উৎস: কম্পিউটার পরিচিতি ও ব্যবহার, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১২.
মাইক্রোপ্রসেসরের প্রধান কাজ কী?
  1. নির্দেশাবলী কার্যকর করা
  2. ডেটা স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা
  3. RAM-এর ক্ষমতা বৃদ্ধি করা
  4. সার্কিটকে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা
সঠিক উত্তর:
নির্দেশাবলী কার্যকর করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নির্দেশাবলী কার্যকর করা
ব্যাখ্যা

• মাইক্রোপ্রসেসরের প্রধান কাজ হলো নির্দেশাবলী কার্যকর করা। এটি একটি কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ ইউনিট (CPU) যা কম্পিউটারের মস্তিষ্কের মতো কাজ করে। মাইক্রোপ্রসেসর বিভিন্ন ধরনের ইনপুট নেয়, যেমন প্রোগ্রামের কোড বা ব্যবহারকারীর নির্দেশ, এবং এগুলিকে প্রসেস করে আউটপুট তৈরি করে। এটি গণনা, লজিক্যাল অপারেশন, এবং ডেটা স্থানান্তরসহ বিভিন্ন কাজ সম্পাদন করতে সক্ষম। অন্য অপশনগুলো—ডেটা স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ, RAM-এর ক্ষমতা বৃদ্ধি, বা সার্কিটকে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা—মাইক্রোপ্রসেসরের কাজের অংশ নয়। এগুলো আলাদা উপাদান যেমন মেমোরি বা পাওয়ার সাপ্লাই দ্বারা সম্পন্ন হয়। তাই, মাইক্রোপ্রসেসরের মূল কাজ হল নির্দেশাবলী কার্যকর করা।

• মাইক্রোপ্রসেসর:
- মাইক্রোপ্রসেসর হলো একটি ক্ষুদ্র ইলেকট্রনিক যন্ত্রাংশ যা CPU-এর গাণিতিক, যুক্তিগত ও নিয়ন্ত্রণ কার্য সম্পাদন করে।
- এটি একটি ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট (IC) যা প্রোগ্রামের নির্দেশনা ব্যাখ্যা ও সম্পাদন করতে পারে।

• উদ্ভব ও বিকাশ:
- LSI (Large Scale Integration) প্রযুক্তির মাধ্যমে ১৯৭০-এর দশকে হাজার হাজার যন্ত্রাংশ একত্রে একটি সিলিকন চিপে বসানো সম্ভব হয়।
- বিশ্বের প্রথম মাইক্রোপ্রসেসর ছিল Intel 4004, যা ১৯৭১ সালে বাজারে আসে।
- VLSI (Very Large Scale Integration) প্রযুক্তির মাধ্যমে ১৯৮০-এর দশকে মাইক্রোপ্রসেসরের ঘনত্ব ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পায়।
- ২০১০-এর দশকে একটি ছোট চিপেই বিলিয়ন সংখ্যক যন্ত্রাংশ বসানো সম্ভব হয়েছে।

• মাইক্রোপ্রসেসরের প্রধান কাজগুলো হলো-
- ইনপুট ও আউটপুট অংশগুলোর সংগে কাজের সমন্বয় সাধন করা।
- গাণিতিক/যুক্তির কাজ করা।
- কম্পিউটারের স্মৃতিতে সঞ্চিত প্রোগ্রাম নির্বাহ করা।
- স্মৃতি ও গাণিতিক/যুক্তি অংশের তথ্য প্রক্রিয়াকরণের কাজ এবং অন্যান্য অংশের সাথে তথ্য বিনিময়ের কাজ নিয়ন্ত্রণ করা।

উৎস: ১। এসএসসি প্রোগ্রাম, কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। ব্রিটানিকা।

১৩.
RFID-এর সম্পূর্ণ রূপ কী?
  1. Rapid Frequency Integration Device
  2. Radio Forwarding Identification
  3. Radio Frequency Identification
  4. Remote Frequency Interference Device
সঠিক উত্তর:
Radio Frequency Identification
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Radio Frequency Identification
ব্যাখ্যা

• RFID-এর সম্পূর্ণ রূপ হলো Radio Frequency Identification। এটি একটি প্রযুক্তি যা রেডিও তরঙ্গ ব্যবহার করে বস্তুর তথ্য সনাক্ত ও ট্র্যাক করতে সক্ষম। RFID সিস্টেম সাধারণত দুটি প্রধান উপাদান নিয়ে গঠিত: ট্যাগ এবং রিডার। ট্যাগে একটি মাইক্রোচিপ এবং অ্যান্টেনা থাকে, যা ট্যাগের তথ্য সংরক্ষণ করে। রিডার ট্যাগ থেকে তথ্য গ্রহণ করে এবং তা প্রসেস করতে সক্ষম। এই প্রযুক্তি লজিস্টিক্স, পণ্য ট্র্যাকিং, লাইব্রেরি ব্যবস্থাপনা, এবং পশু সনাক্তকরণের মতো ক্ষেত্রে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। RFID-এর মাধ্যমে তথ্য দ্রুত ও নির্ভুলভাবে সনাক্ত করা যায়, যা সময় ও শ্রম বাঁচাতে সাহায্য করে। সুতরাং সঠিক উত্তর হলো গ) Radio Frequency Identification.

RFID-এর পরিচিতি ও ব্যবহার:
- RFID-এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Radio Frequency Identification।
- এটি হলো ক্রেডিট কার্ডের মতো পাতলা এবং ছোট একটি ইলেকট্রনিক ডিভাইস, যা কোনো বস্তু, ব্যক্তি বা প্রাণীকে শনাক্তকরণের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- এতে খুব ছোট একটি চিপ, একটি কয়েল ও অ্যান্টেনা থাকে।
- প্রাণীদেহের RFID ট্যাগগুলো সাধারণ RFID ট্যাগ থেকে একটু ভিন্ন হয়; এগুলো ক্যাপসুল আকৃতির হয়।
- সাধারণত পোষা প্রাণী যেমন গরু, ছাগল ইত্যাদির পরিচয় নির্দিষ্ট করার জন্য RFID ট্যাগ তাদের দেহে সিরিঞ্জের মাধ্যমে ঢুকিয়ে দেয়া হয়।

RFID-এর ব্যবহার:
- কোনো প্রাণী ট্র্যাক (track) করা বা প্রাণীটির অবস্থান নির্ণয় করা।
- স্ক্রু আকৃতির ট্যাগকে গাছে কিংবা কাঠের জিনিসে লাগানো, যা পরে আইডেন্টিফিকেশনের সুবিধা দেয়।
- ক্রেডিট কার্ড শেপের ট্যাগ ব্যবহার করে অফিস-বাসায় মানুষের চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা।
- দোকানে পণ্যের মধ্যে RFID ট্যাগ লাগিয়ে চুরি প্রতিরোধ করা (ট্যাগ দোকানের বাইরে গেলে অ্যালার্ম বেজে উঠবে)।
- শিপিং কন্টেইনার, ভারী যন্ত্রপাতি ইত্যাদি পরিবহণের সময় RFID ট্যাগ ব্যবহার করে পরিচয় নির্দিষ্ট করা যায়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

১৪.
কম্পিউটিং-এ ন্যানোটেকনোলজির কী কাজে লাগতে পারে?
  1. তাপ উৎপাদন বৃদ্ধি করা
  2. ইন্টারনেটের গতি কমানো
  3. কম্পিউটার বড় করা
  4. দ্রুত ও শক্তি সাশ্রয়ী প্রসেসর তৈরি করা
সঠিক উত্তর:
দ্রুত ও শক্তি সাশ্রয়ী প্রসেসর তৈরি করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্রুত ও শক্তি সাশ্রয়ী প্রসেসর তৈরি করা
ব্যাখ্যা

• কম্পিউটিং-এ ন্যানোটেকনোলজি বিশেষভাবে দ্রুত এবং শক্তি সাশ্রয়ী প্রসেসর তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। ন্যানোমিটার স্তরের প্রযুক্তি ব্যবহার করে ট্রানজিস্টর এবং অন্যান্য চিপ উপাদানগুলোকে আরও ছোট, ঘন এবং দক্ষভাবে তৈরি করা সম্ভব। এর ফলে কম্পিউটার প্রসেসরের গতি বাড়ে, তাপ উৎপাদন কমে এবং বিদ্যুৎ খরচ কম হয়। এছাড়াও, ছোট আকারের উপাদান ব্যবহার করে কম্পিউটার বা স্মার্ট ডিভাইসগুলো আরও হালকা ও কম স্থানের মধ্যে রাখা যায়। তাই ন্যানোটেকনোলজি মূলত কম্পিউটিং-এর কার্যক্ষমতা উন্নত ও শক্তি সাশ্রয়ী প্রসেসর তৈরি করার কাজে ব্যবহৃত হয়। উত্তর হলো: ঘ) দ্রুত ও শক্তি সাশ্রয়ী প্রসেসর তৈরি করা।

• ন্যানোটেকনোলজি:
- গ্রিক শব্দ "Nanos" অথবা ল্যাটিন শব্দ "nanus' থেকে ন্যানো (Nano) শব্দটি উৎপত্তি হয়েছে যার আভিধানিক অর্থ Dwarf (বামন বা জাদুকরী ক্ষমতাসম্পন্ন ক্ষুদ্রাকৃতির মানব বা পশু)।
- রিচার্ড ফাইনম্যানকে ন্যানোপ্রযুক্তির জনক বলা হয়।
- ন্যানোপ্রযুক্তি হচ্ছে পারমাণবিক বা আণবিকমাত্রার কার্যক্রমের প্রকৌশল শাস্ত্র যা কোন ডিভাইস বা সিস্টেমের কাজ এবং এর আরও অধিক উন্নয়নের সাথে সম্পৃক্ত।
- অর্থাৎ, ন্যানোপ্রযুক্তি হলো পারমাণবিক বা আণবিক স্কেলে অতিক্ষুদ্র ডিভাইস তৈরি করার জন্য ধাতব ও বস্তুকে সুনিপুণভাবে কাজে লাগানোর বিজ্ঞান।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

১৫.
কম্পিউটারের কোন অংশে ক্যাশ মেমোরি থাকে?
  1. CPU এবং RAM এর মধ্যে
  2. হার্ড ডিস্কের ভিতরে
  3. RAM এবং GPU এর মধ্যে
  4. পাওয়ার সাপ্লাই ইউনিটের ভিতরে
সঠিক উত্তর:
CPU এবং RAM এর মধ্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
CPU এবং RAM এর মধ্যে
ব্যাখ্যা

• ক্যাশ মেমোরি মূলত CPU এবং RAM এর মধ্যে থাকে। এটি একটি দ্রুত গতির মেমোরি যা প্রক্রিয়াকরণের সময় CPU-কে বারবার RAM থেকে ডেটা আনতে না হয় তা নিশ্চিত করে। ক্যাশ মেমোরি CPU-এর নিকটবর্তী হওয়ায় এটি তথ্য খুব দ্রুত সরবরাহ করতে পারে, ফলে প্রোগ্রামের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। সাধারণত CPU তে লেভেল ১ (L1), লেভেল ২ (L2) এবং কিছু ক্ষেত্রে লেভেল ৩ (L3) ক্যাশ থাকে, যা পর্যায়ক্রমে RAM থেকে ডেটা দ্রুত অ্যাক্সেস করতে সাহায্য করে। এটি প্রক্রিয়াকরণকে মসৃণ ও কার্যকর করে। তাই ক্যাশ মেমোরি CPU এবং RAM-এর মধ্যে অবস্থান করে।

সঠিক উত্তর: ক) CPU এবং RAM এর মধ্যে।

ক্যাশ মেমোরি (Cache Memory):
- এটি এক ধরনের বিশেষ উচ্চগতির মেমোরি ব্যবস্থা।
- মাইক্রোপ্রসেসর ও প্রধান স্মৃতির মাঝে অতি উচ্চগতির এবং কম ধারণক্ষমতাসম্পন্ন যে মেমোরি ব্যবহার করা হয় তাকে ক্যাশ মেমোরি বলা হয়।
- ক্যাশ মেমোরি র‍্যামের চেয়ে ছোট।
- কম্পিউটারের ডেটা স্থানান্তরের গতি বৃদ্ধি তথা মাইক্রোপ্রসেসরের প্রক্রিয়াকরণের গতি বৃদ্ধির জন্য ক্যাশ মেমোরি ব্যবহৃত হয়।
- এটি এক ধরনের স্ট্যাটিক স্মৃতি, যা উচ্চগতি সম্পূর্ণ ও তুলনামূলক দামি মেমোরি।
- ক্যাশ মেমোরি থাকে EPROM-এ।
- যখন CPU কোনো ডেটা প্রয়োজন করে, তখন এটি প্রথমে ক্যাশ মেমোরিতে খোঁজে। যদি সেখানে ডেটা পাওয়া যায় (যাকে ক্যাশ হিট বলে), CPU-কে ধীরগতির RAM বা অন্যান্য স্টোরেজ থেকে ডেটা আনতে হয় না, ফলে সামগ্রিক প্রসেসিং গতি বৃদ্ধি পায়। 
- ক্যাশ মেমোরি CPU-এর কাছাকাছি অবস্থান করে এবং এটি RAM-এর তুলনায় অনেক দ্রুতগতির হওয়ায় ডেটা অ্যাক্সেসের সময় কমে যায়।

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।

১৬.
বায়োইনফরমেটিক্সের প্রধান লক্ষ্য কী?
  1. চিকিৎসা যন্ত্র তৈরি করা
  2. মানব মস্তিষ্ক অধ্যয়ন করা
  3. জৈবিক তথ্য বিশ্লেষণ করা
  4. রসায়নিক বিক্রিয়া ডিজাইন করা
সঠিক উত্তর:
জৈবিক তথ্য বিশ্লেষণ করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জৈবিক তথ্য বিশ্লেষণ করা
ব্যাখ্যা

• বায়োইনফরমেটিক্সের প্রধান লক্ষ্য হলো জৈবিক তথ্য বিশ্লেষণ করা। এটি জীববিজ্ঞানের বৃহৎ ডেটা, যেমন জেনোম, প্রোটিন, এবং জৈব রাসায়নিক তথ্যকে সংরক্ষণ, বিশ্লেষণ ও ব্যাখ্যা করার জন্য কম্পিউটার এবং অ্যালগরিদম ব্যবহার করে। এর মাধ্যমে জিনের কার্যক্রম, রোগের কারণ, ও বিভিন্ন জীববৈচিত্র্যের প্যাটার্ন সম্পর্কে জানা যায়। চিকিৎসা যন্ত্র তৈরি করা, মানব মস্তিষ্ক অধ্যয়ন করা বা রসায়নিক বিক্রিয়া ডিজাইন করা সরাসরি বায়োইনফরমেটিক্সের লক্ষ্য নয়, যদিও এগুলোর জন্য প্রাপ্ত তথ্য ব্যবহার হতে পারে। মূলত এটি জীববিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তির সংমিশ্রণ যা জৈবিক সমস্যার সমাধান করে।

সঠিক উত্তর: গ) জৈবিক তথ্য বিশ্লেষণ করা।

বায়োইনফরমেটিক্স (Bioinformatics):
- বায়োইনফরমেটিক্স হলো এমন একটি শাখা যেখানে জীববিজ্ঞানের তথ্য বিশ্লেষণের জন্য কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে সমাধান করা হয়।

বায়োইনফরমেটিক্স এর প্রয়োগ/ব্যবহার:
- প্যাটার্ন রিকোগনিশন,
- ডেটা মাইনিং,
- মেশিন ল্যাংগুয়েজ অ্যালগরিদম,
- ভিজ্যুয়ালাইজেশন ইত্যাদি,

বিভিন্ন গবেষণার ক্ষেত্রে বায়োইনফরমেটিক্স ব্যবহৃত হচ্ছে:
- সিকুয়েন্স এলাইনমেন্ট,
- ডিএনএ ম্যাপিং,
- ডিএনএ এনালাইসিস,
- জিন ফাইন্ডিং,
- জিনোম সমাগম,
- ড্রাগ নকশা,
- ড্রাগ আবিষ্কার,
- প্রোটিনের গঠন,
- প্রোটিনের ভবিষ্যত গঠন,
- জিন সূত্রের ভবিষ্যত,
- প্রোটিন-প্রোটিনের মিথষ্ক্রিয়া,
- জিনোম এর ব্যাপ্তি এবং বিবর্তনের মডেলিং, ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

১৭.
ক্যাশ মেমোরি সিস্টেমে, অ্যাক্সেস টাইম সাধারণত কোন এককে পরিমাপ করা হয়?
  1. Minutes
  2. Milliseconds
  3. Seconds
  4. Nanoseconds
সঠিক উত্তর:
Nanoseconds
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Nanoseconds
ব্যাখ্যা

• ক্যাশ মেমোরি সিস্টেমের প্রধান লক্ষ্য হল প্রসেসরের জন্য দ্রুততম ডেটা অ্যাক্সেস নিশ্চিত করা। এটি প্রধান মেমোরির তুলনায় অনেক দ্রুত হওয়ায় প্রসেসর ডেটা বা নির্দেশনা তৎক্ষণাৎ পেতে পারে। অ্যাক্সেস টাইম বলতে বোঝায় একটি মেমোরি অবস্থান থেকে ডেটা পড়া বা লেখা সম্পন্ন করতে কত সময় লাগে। ক্যাশ মেমোরির ক্ষেত্রে এই সময় খুবই ক্ষুদ্র, কারণ এটি প্রসেসরের কাছাকাছি অবস্থিত এবং উচ্চ গতির SRAM ব্যবহার করে তৈরি হয়। তাই ক্যাশ মেমোরির অ্যাক্সেস টাইম সাধারণত ন্যানোসেকেন্ড (Nanoseconds) এককে পরিমাপ করা হয়। এটি মিলিসেকেন্ড বা সেকেন্ডের তুলনায় অনেক ছোট, যা দ্রুত প্রসেসিং সক্ষম করে। সুতরাং সঠিক উত্তর হলো ঘ) Nanoseconds.

• অ্যাকসেস টাইম (Access Time):
- মেমরি হতে ডেটার রিড বা রাইট অপারেশনে যে সময় লাগে তাকে অ্যাকসেস টাইম বলে।
- প্রধান মেমরির টাইম (সময়) বলতে বোঝায় মেমরির নির্দিষ্ট অ্যাড্রেসে অ্যাকসেস করা এবং তা থেকে একটি শব্দ পড়া বা লেখার মোট সময়।
- সিক ও ল্যাটেন্সি সময় যোগ করলে অ্যাকসেস সময় পাওয়া যায়।
- সাধারণত মানুষের চোখের পলক পড়তে সময় লাগে এক সেকেন্ডের দশ ভাগের এক ভাগ, যা ১০ মিলিয়ন ন্যানোসেকেন্ডের সমান।

• সিক টাইম (Seek Time): 
- চৌম্বক ডিস্কের ক্ষেত্রে রিড-রাইট হেডকে সঠিক ট্র্যাকে নিয়ে যেতে যে সময় লাগে তাকে সিক টাইম বলে। 

• ল্যাটেন্সি টাইম (Latency time): 
- রিড-রাইট হেড থেকে ট্র্যাকে নিয়ে যাওয়ার পরে সঠিক শব্দে পৌঁছতে যে সময় লাগে তাকে ল্যাটেন্সি টাইম বলে। 

• লিখন অপারেশন (Write Operation): 
- মেমরির একটি নির্দিষ্ট সেলে নতুন ওয়ার্ড সংরক্ষণ করাকে লিখন বা Write Operation বলা হয়। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৮.
HDD-এর তুলনায় SSD ব্যবহার করার মূল সুবিধা কী?
  1. দ্রুত ডেটা অ্যাক্সেস
  2. স্টোরেজের ক্ষমতা বেশি
  3. বেশি মুভিং পার্টস
  4. খরচ কম
সঠিক উত্তর:
দ্রুত ডেটা অ্যাক্সেস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্রুত ডেটা অ্যাক্সেস
ব্যাখ্যা

• HDD-এর তুলনায় SSD ব্যবহারের প্রধান সুবিধা হলো দ্রুত ডেটা অ্যাক্সেস। SSD তে কোনো মেকানিক্যাল মুভিং পার্টস থাকে না, ফলে ডেটা পড়া এবং লেখা অনেক দ্রুত হয়। HDD-তে প্ল্যাটার ঘোরানোর এবং রিড/রাইট হেড সরানোর কারণে ডেটা অ্যাক্সেস ধীর হয়। SSD কম্পিউটার বা ল্যাপটপের বুট টাইম কমায়, অ্যাপ্লিকেশন দ্রুত লোড হয় এবং ফাইল ট্রান্সফার দ্রুত হয়। যদিও SSD সাধারণত HDD-এর তুলনায় দাম বেশি এবং স্টোরেজ ক্ষমতা কিছুটা কম হতে পারে, তবুও দ্রুত কর্মক্ষমতার কারণে এটি আধুনিক সিস্টেমে বেশি ব্যবহৃত হয়। তাই, SSD-এর মূল সুবিধা হলো ডেটা অ্যাক্সেসের উচ্চ গতি।
 
SSD:
- SSD এর পূর্ণরূপ Solid State Drive.
- সলিড-স্টেট ড্রাইভ (SSD) কম্পিউটারে ব্যবহৃত স্টোরেজ ডিভাইসের একটি নতুন প্রজন্ম। 
- SSD ফ্ল্যাশ-ভিত্তিক মেমোরি ব্যবহার করে ডেটা সংরক্ষণ করে, যা Traditional Hard Disk এর তুলনায় অনেক দ্রুত।
- SSD ব্যবহারের ফলে কম্পিউটার পরিচালনায় উল্লেখযোগ্য পরিমাণ গতি আসে।

SSD ও HDD:
SSD: ফ্ল্যাশ মেমোরি ব্যবহার করে, দ্রুতগতি, কম বিদ্যুৎ খরচ, কম তাপ উৎপাদন।
HDD: চৌম্বকীয় ডিস্ক ব্যবহার করে, তুলনামূলক ধীরগতি, যান্ত্রিক অংশ রয়েছে।

উৎস: IBM [link]

১৯.
ক্রায়োসার্জারি প্রায়ই কোন রোগের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়?
  1. হাড় ভাঙা
  2. উচ্চ রক্তচাপ
  3. ত্বকের ক্ষত
  4. ডায়াবেটিস
সঠিক উত্তর:
ত্বকের ক্ষত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ত্বকের ক্ষত
ব্যাখ্যা

• ক্রায়োসার্জারি মূলত ত্বকের ক্ষত বা ত্বকের অসাধারণ কোষ বৃদ্ধি, যেমন মোল, ওয়ার্ট বা ক্যান্সারযুক্ত ক্ষত নিরাময়ে ব্যবহৃত হয়। এই প্রক্রিয়ায় খুব কম তাপমাত্রায় এক ধরনের তরল নাইট্রোজেন ব্যবহার করে ক্ষত বা অস্বাভাবিক কোষকে জমিয়ে ধ্বংস করা হয়। এতে চারপাশের সুস্থ টিস্যুর ওপর প্রভাব খুব কম পড়ে এবং ক্ষতের পুনরাবৃত্তি কম হয়। হাড় ভাঙা, উচ্চ রক্তচাপ বা ডায়াবেটিসের চিকিৎসায় ক্রায়োসার্জারি সাধারণত প্রয়োগ করা হয় না, কারণ এসব অবস্থার জন্য অন্যান্য চিকিৎসা পদ্ধতি বেশি কার্যকর। তাই ক্রায়োসার্জারি প্রায়শই ত্বকের ক্ষতের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়।

সঠিক উত্তর: গ) ত্বকের ক্ষত।

• ক্রায়োসার্জারি:
ক্রায়োসার্জারি হলো একটি চিকিৎসা পদ্ধতি, যেখানে অত্যন্ত ঠান্ডা (সাধারণত তরল নাইট্রোজেন) ব্যবহার করে শরীরের অস্বাভাবিক বা ক্যান্সারগ্রস্ত কোষ বা টিস্যু ধ্বংস করা হয়।

• ব্যবহৃত রাসায়নিক পদার্থ:
- তরল নাইট্রোজেন,
- তরল কার্বন ডাই-অক্সাইড,
- নাইট্রাস অক্সাইড,
- আর্গন,
- ইথাইল ক্লোরাইড,
- ফ্লোরিনেটেড হাইড্রোকার্বন, ইত্যাদি।

• ক্রায়োসার্জারির ব্যবহার:
- ওয়ার্টস অপসারণ,
- চোখের লেন্স বা ছানি অপসারণ,
- কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রের টিউমার নির্মূল,
- কিছু হৃদরোগজনিত সমস্যা নির্মূল,
- হেমোরয়েড নির্মূল,
- স্ত্রীরোগ ও ইউরোলজিক টিউমারের নিয়ন্ত্রণ।

উৎস:.১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২। ব্রিটানিকা।

২০.
QWERTY কী-বোর্ডে কতটি ফাংশন কী আছে?
  1. ৯টি
  2. ১৮টি
  3. ১২টি
  4. ১৫ টি
সঠিক উত্তর:
১২টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২টি
ব্যাখ্যা

• QWERTY কী-বোর্ডে সাধারণত ফাংশন কী (Function Keys) F1 থেকে F12 পর্যন্ত থাকে, অর্থাৎ মোট ১২টি। এই কীগুলো মূলত বিশেষ কাজের জন্য ব্যবহার করা হয়। উদাহরণস্বরূপ, F1 সাধারণত সাহায্যের (Help) জন্য ব্যবহার হয়, F5 পেজ রিফ্রেশ করার জন্য, আর F11 সম্পূর্ণ স্ক্রীন মোড চালু বা বন্ধ করার জন্য ব্যবহৃত হয়। ফাংশন কীগুলো প্রায় সব ধরনের কম্পিউটার অ্যাপ্লিকেশন এবং অপারেটিং সিস্টেমে কার্যকর থাকে। তাই, প্রদত্ত অপশন গুলোর মধ্যে সঠিক উত্তর হলো গ) ১২টি। এগুলো ব্যবহার করে ইউজার কম্পিউটার পরিচালনা আরও দ্রুত ও সহজভাবে করতে পারে।
 
• ফাংশন কী:
- একটি স্ট্যান্ডার্ড QWERTY কী-বোর্ডের একদম উপরের সারিতে F1 থেকে F12 পর্যন্ত ফাংশন কী-গুলো সাজানো থাকে।

- QWERTY কী-বোর্ডে 'নিউমেরিক কী' থাকে ১৭ টি।
- ফাংশন কী থাকে ১২টি।
- অ্যারো কী থাকে ৪ টি।
- নেভিগেশন কী থাকে ১০টি।

উৎস:
১. কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযিক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল), নবম-দশম শ্রেণি।
২. ব্রিটানিকা।

২১.
কোনটি গিগাবাইটের চেয়ে বড়?
  1. বাইট
  2. কিলোবাইট
  3. টেরাবাইট
  4. মেগাবাইট
সঠিক উত্তর:
টেরাবাইট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টেরাবাইট
ব্যাখ্যা

• গিগাবাইটের চেয়ে বড় একক হলো টেরাবাইট। কম্পিউটার ডেটা মাপার জন্য বিভিন্ন একক ব্যবহার করা হয়। সবচেয়ে ছোট হলো বাইট, যা একটি অক্ষর বা সংখ্যা সংরক্ষণ করতে পারে। তার চেয়ে বড় হলো কিলোবাইট, যা সাধারণত ১০২৪ বাইট সমান হয়। মেগাবাইট আরও বড়, যা ১০২৪ কিলোবাইটের সমান। এরপর আসে গিগাবাইট, যা ১০২৪ মেগাবাইটের সমান। সর্বশেষ এবং এগুলোর চেয়ে বড় হলো টেরাবাইট, যা ১০২৪ গিগাবাইটের সমান। সুতরাং, প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে গিগাবাইটের চেয়ে বড় একক হলো টেরাবাইট। এটি সাধারণত বড় ফাইল বা ডেটা স্টোরেজ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।

বিট ও বাইট:
- বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে ০ অথবা ১ অংককে বিট বলে।
- বিট ডেটা কমিউনিকেশনের মৌলিক একক
- ডেটা ও তথ্য পরিমাপের জন্য বিট একক হিসেবে ব্যবহার করা হয়।

পরিমাপ:
- ১ নিবল = ৪ বিট।
- ১ বাইট = ৮ বিট।
- ১ কিলোবিট = ১০০০ বিট।
- ১ মেগাবিট = ১০০০ কিলোবিট।
- ১ গিগাবিট = ১০০০ মেগাবিট।
- ১ টেরাবিট = ১০০০ গিগাবিট।
- ১ কিলোবাইট = ১০২৪ বাইট।
- ১ মেগাবাইট = ১০২৪ কিলোবাইট।
- ১ গিগাবাইট = ১০২৪ মেগাবাইট।
- ১ টেরাবাইট = ১০২৪ গিগাবাইট।
- ১ পেটাবাইট = ১০২৪ টেরাবাইট।

উৎস:
১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।

২২.
কোনটি কন্ট্রোল ইউনিট সম্পর্কে সত্য?
  1. মেমরি, CPU এবং I/O ডিভাইস নিয়ন্ত্রণ করে
  2. লজিক্যাল ক্যালকুলেশন করে
  3. প্রোগ্রাম স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করে
  4. ALU এর সমতুল্য
সঠিক উত্তর:
মেমরি, CPU এবং I/O ডিভাইস নিয়ন্ত্রণ করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেমরি, CPU এবং I/O ডিভাইস নিয়ন্ত্রণ করে
ব্যাখ্যা

• কন্ট্রোল ইউনিট (CU) কম্পিউটারের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ যা CPU-এর অন্যান্য উপাদানগুলোকে পরিচালনা এবং সমন্বয় করে। এটি মূলত মেমরি, ইনপুট/আউটপুট (I/O) ডিভাইস এবং Arithmetic Logic Unit (ALU)-এর কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করে, যাতে কম্পিউটার প্রোগ্রাম অনুযায়ী ঠিকমতো কাজ করতে পারে। CU নিজে কোনো লজিক্যাল ক্যালকুলেশন বা গণনা করে না; এটি শুধু নির্দেশাবলী পড়ে এবং সেগুলো কার্যকর করার জন্য সিগন্যাল পাঠায়। এটি প্রোগ্রাম স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করতে পারে না, বরং প্রোগ্রামকে নিয়ন্ত্রণ এবং পরিচালনা করে। ALU-এর সমতুল্য নয়, কারণ ALU গণনা ও লজিক্যাল অপারেশন সম্পাদন করে, যেখানে CU প্রধানত নির্দেশনামূলক নিয়ন্ত্রণের কাজ করে। 

​কম্পিউটার সিস্টেমের প্রধান পাঁচটি অংশ হলো:
১। ইনপুট ইউনিট (Input Unit)
২। নিয়ন্ত্রণ ইউনিট (Control Unit)
৩। গাণিতিক যুক্তি ইউনিট (Arithmetic Logic Unit)
৪। মেমোরি ইউনিট (Memory Unit)
৫। আউটপুট ইউনিট (Output Unit)

​নিয়ন্ত্রণ অংশ (Control Unit):
- কন্ট্রোল ইউনিটের প্রধান কাজ হলো মেমোরি থেকে নির্দেশনা কোড পড়া ও ডিকোড করা।
- মাইক্রোপ্রসেসরের অন্য অংশগুলোকে কাজে লাগানোর জন্য প্রয়োজনীয় নিয়ন্ত্রণ সংকেত তৈরি করা। যেমন—গাণিতিক কার্যক্রম সম্পন্ন করার জন্য মাইক্রোপ্রসেসরের গাণিতিক যুক্তি অংশকে নিয়ন্ত্রণ সংকেতের মাধ্যমে নির্দেশ প্রদান করা।
- নিয়ন্ত্রণ ইউনিট বা কন্ট্রোল ইউনিট কম্পিউটারের সমস্ত অংশকে নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনার কাজে নিয়োজিত থাকে।
- এটি কম্পিউটারের প্রতিটি নির্দেশ পরীক্ষা করে এবং কার্যকর করার জন্য প্রয়োজনীয় সংকেত তৈরি করে।
- মেমোরিতে কখন তথ্যের প্রয়োজন হবে, সহায়ক মেমোরি থেকে কখন প্রধান মেমোরিতে তথ্য নিতে হবে, কখন ইনপুট থেকে উপাত্ত নিতে হবে, কখন ফলাফল দিতে হবে - এ সব বিষয় নিয়ন্ত্রণ করে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বিবিএ প্রোগ্রাম)।

২৩.
LLM-এর পূর্ণরূপ কী?
  1.  Large Language Model 
  2. Linear Logic Machine
  3.  Local Learning Method 
  4. Low-level Memory
সঠিক উত্তর:
 Large Language Model 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
 Large Language Model 
ব্যাখ্যা

• LLM-এর পূর্ণরূপ হলো Large Language Model. এটি একটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) মডেল যা ভাষা বোঝা, তৈরি করা এবং প্রক্রিয়াকরণের জন্য ডিজাইন করা হয়েছে। LLM সাধারণত বিশাল পরিমাণের টেক্সট ডেটা দিয়ে প্রশিক্ষণ করা হয়, যার ফলে এটি মানুষের মতো বাক্য গঠন করতে, প্রশ্নের উত্তর দিতে এবং বিভিন্ন ভাষাগত কাজ সম্পাদন করতে সক্ষম হয়। উদাহরণস্বরূপ, ChatGPT ও অন্যান্য উন্নত চ্যাটবটগুলি LLM-এর উপর ভিত্তি করে কাজ করে। এটি শুধুমাত্র শব্দের মিল নয়, বরং প্রাসঙ্গিকতা, ব্যাকরণ, এবং অর্থ বোঝার ক্ষমতাও প্রদান করে। তাই LLM আধুনিক ভাষা প্রযুক্তির মূল ভিত্তি।

• ChatGPT:
- ChatGPT হলো একটি সফটওয়্যার যা স্বাভাবিক ভাষায় প্রশ্নের উত্তর দেয়।
- এটি OpenAI নামে আমেরিকান প্রতিষ্ঠান ৩০ নভেম্বর ২০২২ সালে চালু করে।
- ChatGPT GPT (Generative Pre-training Transformer) আর্কিটেকচারে তৈরি একটি নিউরাল নেটওয়ার্ক।
- এর কাজ হলো মানুষের মতো স্বাভাবিক লেখা তৈরি করা, যেমন চ্যাটবট, কন্টেন্ট তৈরি, ভাষা অনুবাদে।
- ChatGPT শব্দের সম্ভাবনা হিসাব করে টেক্সট তৈরি করে, পূর্ববর্তী শব্দগুলোর ওপর নির্ভর করে।
- ChatGPT-র কিছু সীমাবদ্ধতা রয়েছে, যেমন ভুল বা বিভ্রান্তিকর তথ্য তৈরি করা ("হ্যালুসিনেশন")।
- ChatGPT নিজে বলে যে এটি একমাত্র নির্ভরযোগ্য তথ্যসূত্র নয় এবং তথ্য যাচাই প্রয়োজন।

উৎস: ব্রিটানিকা।

২৪.
যদি একটি CPU-র ক্লক স্পিড ৩ GHz হয়, এটি প্রতি সেকেন্ডে কতটি সাইকেল সম্পন্ন করে?
  1. ৩০০ বিলিয়ন
  2. ৩ লাখ
  3. ৩ বিলিয়ন
  4. ৩ মিলিয়ন
সঠিক উত্তর:
৩ বিলিয়ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বিলিয়ন
ব্যাখ্যা

• একটি CPU-র ক্লক স্পিড বলতে বোঝায়, প্রতি সেকেন্ডে প্রসেসর কতবার সিগন্যাল বা সাইকেল সম্পন্ন করে। যদি একটি CPU-র ক্লক স্পিড ৩ GHz হয়, তবে এখানে "GHz" মানে হলো "গিগাহার্টজ"। ১ হার্টজ মানে প্রতি সেকেন্ডে ১ সাইকেল। ১ GHz সমান ১ বিলিয়ন (১০) সাইকেল প্রতি সেকেন্ডে। সুতরাং, ৩ GHz মানে ৩ × ১০ সাইকেল, অর্থাৎ ৩ বিলিয়ন সাইকেল প্রতি সেকেন্ডে। তাই সঠিক উত্তর হলো গ) ৩ বিলিয়ন, যা CPU-র গতির মানকে নির্দেশ করে।

- প্রসেসরের স্পিড (Clock Speed - GHz): যত বেশি GHz, তত দ্রুত কম্পিউটার ডাটা প্রসেস করতে পারে।
- কোর সংখ্যা (Cores): একাধিক কোর থাকলে প্রসেসিং ক্ষমতা বাড়ে (যেমন: Dual-core, Quad-core, Octa-core)।
- ক্যাশ মেমোরি (Cache Memory): দ্রুত ডাটা অ্যাক্সেস করতে সাহায্য করে।

সিপিইউ:
- কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় অংশ হলো সিপিইউ বা সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট।
- সিপিইউ বলতে আগের দিনে বোঝাত কম্পিউটারের মধ্যবর্তী কেন্দ্রীয় অংশটিকে।
- এখন সিপিইউ বলতে শুধু মাইক্রোপ্রসেসরকে বোঝানো হয়।
- সিপিইউকে কম্পিউটারের ব্রেইন বা মস্তিষ্ক বলা হয়।

সূত্র: 
১। কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। Intel [link]

২৫.
অধিকাংশ ব্রাউজারে F5 কী চাপার ফলে কী ঘটে?
  1. চলমান পেজটি রিফ্রেশ বা লোড হয়
  2. পেইজটি বুকমার্ক হয়
  3. ডেভেলপার টুলস খুলে
  4. ব্রাউজার বন্ধ হয়
সঠিক উত্তর:
চলমান পেজটি রিফ্রেশ বা লোড হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চলমান পেজটি রিফ্রেশ বা লোড হয়
ব্যাখ্যা

• অধিকাংশ ব্রাউজারে F5 কী চাপলে চলমান ওয়েবপেজটি রিফ্রেশ বা রিলোড হয়। অর্থাৎ, ব্রাউজার আবার সেই ওয়েবসাইটে গিয়ে সার্ভার থেকে হালনাগাদ তথ্য সংগ্রহ করে এবং পেজটি নতুন করে প্রদর্শন করে। অনেক সময় ওয়েবসাইটে নতুন কনটেন্ট যোগ হলে বা কোনো ত্রুটি দেখা দিলে ব্যবহারকারীরা F5 চাপ দিয়ে পেজ আপডেট করে সর্বশেষ তথ্য দেখতে পান। এটি বুকমার্ক করা, ডেভেলপার টুলস খোলা বা ব্রাউজার বন্ধ করার কাজ করে না। তাই প্রদত্ত প্রশ্নের সঠিক উত্তর হলো- ক) চলমান পেজটি রিফ্রেশ বা লোড হয়।

কি-বোর্ডে ১২টি ফাংশন কী রয়েছে।
-কি-বোর্ডে মোট ১০৫ টি কী রয়েছে।

• ফাংশন কী:
- ফাংশন কী হলো কিবোর্ডে থাকা বিশেষ ধরনের কী, যা বিভিন্ন সফটওয়্যারে নির্দিষ্ট কাজ করতে ব্যবহৃত হয়। সাধারণত এগুলো F1 থেকে F12 পর্যন্ত থাকে।

• F1-F12: ফাংশন কী-এর কাজ দেওয়া হলো:
- F1 এর সাহায্যে সাধারণত Help মেনু খুলে।
- F2 এর সাহায্যে নির্বাচিত ফাইল বা ফোল্ডারের নাম পরিবর্তন (Rename) করতে ব্যবহৃত হয়।
- F3 এর সাহায্যে দ্রুত সার্চ বা খোঁজার অপশন চালু করে।
- F4 এর সাহায্যে Alt + F4 চাপলে বর্তমান উইন্ডো বন্ধ হয়।
- F5 ব্রাউজারে বা ডেস্কটপে Refresh করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- F6 ব্রাউজারে Address bar সিলেক্ট করে।
- F7 মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে Spelling ও Grammar Check চালু করে।
- F8 উইন্ডোজ চালুর সময় সেফ মোড (Safe Mode) চালুর জন্য ব্যবহৃত হয়।
- F9 কোয়ার্ক এক্সপ্রেসের মেজারমেন্ট টুলবার চালু করার জন্য ব্যবহার করা হত।
- F10 মেনু বার চালু করে।
- F11 ফুলস্ক্রিন মোড চালু বা বন্ধ করে।
- F12 ইন্সরেজি থেকে বাংলা বা বাংলা থেকে ইংরেজি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২৬.
IoT তে Edge Computing মূলত কী কাজে ব্যবহৃত হয়?
  1. স্ক্রিনের রেজোলিউশন বাড়ানো
  2. ব্যাটারির আয়ু কমানো
  3. দূরবর্তী সার্ভারে তথ্য সংরক্ষণ করা
  4. উৎসের কাছাকাছি তথ্য প্রক্রিয়াজাত করা
সঠিক উত্তর:
উৎসের কাছাকাছি তথ্য প্রক্রিয়াজাত করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উৎসের কাছাকাছি তথ্য প্রক্রিয়াজাত করা
ব্যাখ্যা

• IoT-তে Edge Computing মূলত ব্যবহৃত হয় উৎসের কাছাকাছি তথ্য প্রক্রিয়াজাত করার জন্য। অর্থাৎ, ডেটা প্রথমে দূরবর্তী ক্লাউড সার্ভারে পাঠানোর পরিবর্তে ডিভাইস বা লোকাল নোডেই প্রাথমিকভাবে প্রক্রিয়াকরণ করা হয়। এর ফলে দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা সম্ভব হয় এবং ল্যাটেন্সি কমে যায়। এছাড়াও নেটওয়ার্ক ব্যান্ডউইডথের ওপর চাপ কমে, কারণ সব তথ্য সার্ভারে পাঠাতে হয় না। এই প্রক্রিয়া IoT ডিভাইসের কার্যকারিতা বাড়ায় এবং তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া প্রয়োজন এমন কাজ, যেমন স্মার্ট ট্রাফিক সিস্টেম বা হেলথ মনিটরিং, আরও নির্ভরযোগ্য ও কার্যকর করে তোলে।

• IoT (Internet of Things):
- IoT (Internet of Things) এমন একটি প্রযুক্তি, যার মাধ্যমে নানা ধরণের বস্তু (যন্ত্র, সেন্সর, ডিভাইস) ইন্টারনেটের মাধ্যমে একে অপরের সাথে সংযুক্ত থাকে এবং তথ্য আদান-প্রদান করে তাকে ইন্টারনেট অব থিংস বা আইওটি (Internet of Things-IoT) বলে।
- আমাদের চারপাশে প্রতিদিনকার জীবনে আমরা যেসব যন্ত্রপাতির ব্যবহার যেমন গাড়ির গ্যারেজের দরজা, গাড়ি, কন্ট্রোল, ফ্যান, টিভি, দরজার ইলেকট্রিক লক ইত্যাদি বিভিন্ন প্রয়োজনে যন্ত্র বা জিনিসপত্রকে অটোমেটিক করার জন্য এসবের সাথে কম্পিউটার সিস্টেম সংযুক্ত থাকে।
- এই প্রযুক্তিতে আমাদের ঘরের বিভিন্ন ইলেক্ট্রনিক যন্ত্রপাতি যেমন: টিভি, ফ্রিজ, লাইট প্রভৃতি ইন্টারনেট-এর সাথে সংযুক্ত করে এগুলোকে দূর থেকে নিয়ন্ত্রণ করা যায়।

Edge computing:
- Edge computing-এর মূল লক্ষ্য হলো ডেটা উৎস (যেমন সেন্সর, IoT ডিভাইস, স্মার্টফোন) এর কাছাকাছি কম্পিউটিং প্রসেসিং করা।
- এতে করে ডেটা ক্লাউড বা সেন্ট্রাল সার্ভারে পাঠানোর পূর্বেই প্রাথমিক প্রসেসিং সম্পন্ন করা যায়। 

এর ফলে, 
- Latency কমে: ডেটা দ্রুত প্রসেস হওয়ায় রিয়েল-টাইম রেসপন্স সম্ভব হয়।
- Bandwidth খরচ কমে: সব ডেটা ক্লাউডে পাঠানোর দরকার হয় না, ফলে ইন্টারনেট ব্যান্ডউইথ কম ব্যবহার হয়।
- Security বাড়ে: লোকালি ডেটা প্রসেসিং-এর মাধ্যমে ডেটা ট্রান্সমিশনের সময় ঝুঁকি কমে।

উৎস:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মো. মাহবুবুর রহমান।
- IBM [link]

২৭.
প্রসেসরের কার্যক্ষমতা কোন এককে পরিমাপ করা হয়?
  1. Kilograms
  2. Megapixels
  3. Gigabytes
  4. Gigahertz
সঠিক উত্তর:
Gigahertz
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Gigahertz
ব্যাখ্যা

• প্রসেসরের কার্যক্ষমতা সাধারণত Gigahertz (GHz) এককে পরিমাপ করা হয়। গিগাহার্টজ হলো প্রসেসরের ক্লক স্পিড বা ঘড়ির গতি পরিমাপের একক, যা নির্দেশ করে প্রসেসর প্রতি সেকেন্ডে কত বিলিয়ন সাইকেল সম্পন্ন করতে পারে। ক্লক স্পিড যত বেশি হয়, প্রসেসর তত দ্রুত নির্দেশনা কার্যকর করতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, একটি 3.5 GHz প্রসেসর প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৩.৫ বিলিয়ন অপারেশন সম্পাদন করতে সক্ষম। যদিও কার্যক্ষমতা নির্ভর করে কোর সংখ্যা, ক্যাশ মেমরি এবং আর্কিটেকচারের উপরও, তবুও প্রসেসরের গতির সাধারণ মানদণ্ড হিসেবে গিগাহার্টজ ব্যবহৃত হয়। সুতরাং সঠিক উত্তর হলো ঘ) Gigahertz.

• সিপিইউ/ মাইক্রোকম্পিউটারের গতি: 
- মাইক্রোকম্পিউটারের গতি বিবেচনা করা হয় সিপিইউ তথা মাইক্রোপ্রসেসরের ক্লক স্পিড (Clock Speed)-এর দ্বারা।
- ক্লক স্পিড পরিমাপ করা হয় প্রতি সেকেন্ডে কতটি স্পন্দন (Pulse) বা টিক সম্পন্ন হয় তার ওপর নির্ভর করে।
- স্পন্দন পরিমাপ করা হয় হার্টজে।

- প্রসেসরের ক্লকটি প্রতি সেকেন্ডে এক মিলিয়ন বার স্পন্দন বা টিক করার সময়কে ১ মেগাহার্টজ হিসেবে অভিহিত করা হয়।
- যেমন- কোনো প্রসেসরের গতি যদি ৩৩ মেগাহার্টজ হয়, তাহলে তার অর্থ হলো প্রতি সেকেন্ড ৩৩,০০০,০০০ স্পন্দন তৈরি হবে।
- অর্থাৎ উক্ত প্রসেসরটি প্রতি সেকেন্ডে ৩৩,০০০,০০০ ইনস্ট্রাকশন আদান-প্রদান করতে পারবে।
- এই স্পন্দনকেই ক্লক স্পিড ((Clock Speed) বলা হয়।
- সুতরাং প্রসেসরের স্পিড বা গতি বলতে প্রসেসরটি কত কিলোহার্টজ, মেগাহার্টজ বা গিগাহার্টজের তাই-ই বোঝায়।

সূত্র: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২৮.
কোনটি ALU দ্বারা সম্পাদিত সাধারণ অ্যারিথমেটিক অপারেশন?
  1. Addition
  2. Searching
  3. Sorting
  4. Transmitting
সঠিক উত্তর:
Addition
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Addition
ব্যাখ্যা

• ALU বা Arithmetic Logic Unit হলো কম্পিউটারের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ, যা মূলত গাণিতিক এবং যৌক্তিক কাজ সম্পাদন করে। ALU দ্বারা সম্পাদিত সাধারণ অ্যারিথমেটিক অপারেশনগুলোর মধ্যে যোগ (Addition), বিয়োগ, গুণ এবং ভাগ প্রধান। প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে “Addition” একটি মৌলিক ও সাধারণ অ্যারিথমেটিক অপারেশন, যা সরাসরি ALU সম্পাদন করে থাকে। অন্যদিকে Searching, Sorting বা Transmitting হলো ডাটা ব্যবস্থাপনার কাজ, যেগুলো সরাসরি ALU নয় বরং প্রসেসরের অন্যান্য অংশ বা সফটওয়্যার দ্বারা সম্পাদিত হয়। তাই সঠিক উত্তর হলো ক) Addition, যা ALU-র প্রধান কার্যক্রমের একটি।
 
• ALU (অ্যারিথমেটিক-লজিক ইউনিট):
- ALU হল অ্যারিথমেটিক-লজিক ইউনিট।
- এটি একটি ডিজিটাল কম্পিউটার সিস্টেমের চারটি মৌলিক কার্যকরী উপাদানের মধ্যে একটি।
- অন্য তিনটি হলো: ইনপুট-আউটপুট সরঞ্জাম, প্রধান মেমরি এবং কন্ট্রোল ইউনিট।
- ALU-এর কাজ হল ইনকামিং ডেটা প্রক্রিয়াকরণের জন্য গাণিতিক এবং লজিক অ্যালগরিদমগুলো সম্পাদন করা।
- এটি অত্যন্ত উচ্চ গতিতে কাজ করে, যা ন্যানো সেকেন্ডের মধ্যে সম্পন্ন হতে পারে।
- ALU-তে এমন সার্কিট রয়েছে যা দুটি গাণিতিক মান যোগ, বিয়োগ, গুণ ও ভাগ করতে পারে।
- এছাড়া লজিক অপারেশনের জন্য AND এবং OR-এর মতো সার্কিটও রয়েছে।
- ALU-তে বেশ কয়েকটি রেজিস্টার থাকে, যা গণনার ফলাফলগুলো কিছু সময়ের জন্য ধরে রাখে, যাতে সেগুলো আরও গাণিতিক অপারেশনের জন্য ব্যবহার করা যায় অথবা প্রধান মেমরিতে স্থানান্তর করা যায়।

উৎস: ব্রিটানিকা।

২৯.
কোন স্লটের মাধ্যমে মাদারবোর্ডে গ্রাফিক্স কার্ড ইনস্টল করা হয়?
  1. PCIe
  2. USB
  3. SATA
  4. DIMM
সঠিক উত্তর:
PCIe
উত্তর
সঠিক উত্তর:
PCIe
ব্যাখ্যা

• গ্রাফিক্স কার্ড মাদারবোর্ডে ইনস্টল করার জন্য ব্যবহৃত হয় PCIe (Peripheral Component Interconnect Express) স্লট। এটি একটি উচ্চগতির এক্সপ্যানশন স্লট যা বিশেষভাবে গ্রাফিক্স কার্ড, সাউন্ড কার্ড বা অন্যান্য এক্সপ্যানশন কার্ড সংযোগের জন্য ব্যবহৃত হয়। PCIe স্লটের গতি ও ব্যান্ডউইথ অন্যান্য সংযোগ পোর্টের তুলনায় অনেক বেশি, যা গ্রাফিক্স কার্ডকে দ্রুত ডেটা প্রসেস করতে সহায়তা করে। অন্যদিকে USB সাধারণত বাহ্যিক ডিভাইস সংযোগের জন্য, SATA স্টোরেজ ড্রাইভ যুক্ত করার জন্য এবং DIMM র‍্যাম ইনস্টল করার জন্য ব্যবহৃত হয়। তাই সঠিক উত্তর হলো ক) PCIe.

• মাদারবোর্ড:
- মাদারবোর্ড বা মেইনবোর্ড হলো কম্পিউটারের ভেতরে অবস্থিত সার্কিট বোর্ড যাতে সিস্টেম এর প্রয়োজনীয় বিভিন্ন ডিভাইস পরস্পরের সাথে সংযুক্ত থাকে এবং নতুন ডিভাইস সংযুক্ত করার ব্যাবস্থা থাকে। 
- মাদারবোর্ড এর জন্য ভালো ব্র্যান্ডগুলো হলো: Gigabyte, Intel, Foxcon, Asus ইত্যাদি। 
- মাদারবোর্ডকে প্রায়ই কম্পিউটার এর “মেরুদণ্ড” বা “ব্যাকবোন” বলা হয়, কারণ এটি সবকিছুকে একত্রে ধরে রাখে ও সংযোগ দেয়।

• অবস্থান ও আকার:
- মাদারবোর্ড হলো কম্পিউটারের কেসের (casing) ভেতরে সবচেয়ে বড় বোর্ড।
- একটি টাওয়ার কম্পিউটারে এটি উল্লম্বভাবে বাম বা ডান পাশে বসানো থাকে।
- বিভিন্ন ধরনের মাদারবোর্ড বিভিন্ন কম্পিউটার ও প্রসেসরের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ থাকে।

• গঠন ও উপাদান:
- ভিত্তি (Base): শক্ত, non-conductive (বিদ্যুৎ না পরিবাহিত) প্লাস্টিকের শীট।
- ট্রেস (Traces): পাতলা কপার বা অ্যালুমিনিয়ামের রেখা, যা সার্কিট গঠন করে।
- স্লট ও সকেট:
  • CPU (Central Processing Unit),
  • RAM (Random Access Memory),
  • Expansion Cards (যেমন: গ্রাফিক্স কার্ড)।
- পোর্ট ও সংযোগ: হার্ডড্রাইভ, ডিস্কড্রাইভ, ফ্রন্ট প্যানেল, মনিটর, কীবোর্ড, মাউসের সঙ্গে সংযোগ।

উৎস: ১। কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, ভোকেশনাল।
২। ব্রিটানিকা।

৩০.
Google AI Studio-তে কোন এআই মডেল ফ্যামিলিটি ব্যবহৃত হয়?
  1. Siri
  2. Watson
  3. Gemini
  4. কোনটিই নয় 
সঠিক উত্তর:
Gemini
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Gemini
ব্যাখ্যা

• Google AI Studio-তে ব্যবহৃত এআই মডেল ফ্যামিলি হলো Gemini. গুগল ২০২৩ সালে Gemini উন্মোচন করে, যা তাদের সর্বাধুনিক জেনারেটিভ এআই মডেল সিরিজ। Gemini মূলত কথোপকথন, টেক্সট প্রক্রিয়াকরণ, সার্চ উন্নত করা, কোডিং সহায়তা এবং মাল্টিমোডাল কাজ (টেক্সট, ছবি, অডিও ইত্যাদি) সম্পাদনের জন্য তৈরি করা হয়েছে। Google AI Studio হলো একটি প্ল্যাটফর্ম যেখানে ডেভেলপাররা সহজে Gemini মডেল ব্যবহার করে নিজেদের অ্যাপ বা প্রজেক্টে এআই ক্ষমতা যোগ করতে পারেন। Siri হলো অ্যাপলের ভয়েস অ্যাসিস্ট্যান্ট, Watson হলো IBM-এর এআই সিস্টেম এবং BERT মূলত ভাষা বোঝার জন্য ব্যবহৃত হতো, তবে বর্তমানে Gemini-ই Google AI Studio-এর মূল মডেল।

• কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা:
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা হচ্ছে বিজ্ঞান এবং প্রযুক্তির সমন্বয়।
- মানুষ যেভাবে চিন্তা করে তেমনি কৃত্রিম উপায়ে কম্পিউটারে সেভাবে চিন্তা ভাবনার রূপদান করাকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বলে।
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রধান উদ্দেশ্য হলো কম্পিউটারকে উন্নত করা যাতে কম্পিউটার চিন্তা করার ক্ষমতা, পাশাপাশি দেখতে পারা, শুনতে পারা, হাঁটা এবং অনুভব করার ক্ষমতা পায়।

• কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় যেসব স্বতন্ত্র্য বৈশিষ্ট্য পরিলক্ষিত হয় তা নিম্নরূপ:
১। কোন বিষয় সম্পর্কে ধারণা গ্রহণ।
২। সমস্যার কারণ নির্ণয়পূর্বক সমাধানের পথ নির্দেশ।
৩। সিদ্ধান্ত গ্রহণ ক্ষমতা।
৪। সমস্যা সমাধানের ক্ষমতা।
৫।নতুন নতুন জ্ঞান অর্জন।
৬। ভাষা বুঝার ক্ষমতা।
৭। অর্জিত জ্ঞান কাজে লাগাবার মত সক্ষমতা।
৮। মানুষের মত অভিজ্ঞতা কাজে লাগানো।
৯। পরস্পর সম্পর্কিত বিভিন্ন বিষয় অনুধাবন এবং সাড়া দেয়ার ক্ষমতা।
১। ভুল, অপ্রাসঙ্গিক এবং অসম্পূর্ণ তথ্য-উপাত্ত পরিচালনা।
১১। জটিল অবস্থা অনুধাবন ও পরিচালনার ক্ষমতা।
১২। নতুন পরিস্থিতিতে খাপ খাইয়ে নেয়ার ক্ষমতা; ইত্যাদি।

উৎস:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
- IBM [link]

৩১.
কম্পিউটার গ্রাফিক্সের কার্যক্ষমতা কোন ধরনের বেঞ্চমার্ক দ্বারা মাপা হয়?
  1. GPU benchmark
  2. CPU benchmark
  3. Memory benchmark
  4. Disk benchmark
সঠিক উত্তর:
GPU benchmark
উত্তর
সঠিক উত্তর:
GPU benchmark
ব্যাখ্যা

• কম্পিউটার গ্রাফিক্সের কার্যক্ষমতা মূলত GPU benchmark দ্বারা মাপা হয়, কারণ গ্রাফিক্স প্রসেসিং ইউনিট (GPU) জটিল ভিজ্যুয়াল ইফেক্ট, থ্রিডি রেন্ডারিং এবং উচ্চ রেজোলিউশনের ইমেজ প্রক্রিয়াকরণের জন্য বিশেষভাবে তৈরি। GPU benchmark পরীক্ষায় নির্দিষ্ট গ্রাফিক্যাল টাস্ক যেমন ফ্রেম রেট, রেজোলিউশন হ্যান্ডলিং, শেডার পারফরম্যান্স এবং রেন্ডারিং স্পিড যাচাই করা হয়। CPU, মেমরি বা ডিস্ক বেঞ্চমার্ক মূলত সিস্টেমের অন্যান্য দিক যেমন ডেটা প্রক্রিয়াকরণ, সঞ্চয় ও মেমরি ম্যানেজমেন্ট মূল্যায়ন করে, যা সরাসরি গ্রাফিক্স পারফরম্যান্স নির্ধারণ করে না। তাই কম্পিউটার গ্রাফিক্সের গুণগত ও কার্যকর মূল্যায়নে GPU benchmark সবচেয়ে উপযুক্ত।

• কম্পিউটারের কর্মক্ষমতা:
- কম্পিউটারের কর্মক্ষমতা বলতে বোঝায়, কম্পিউটার কত দ্রুত কাজ করতে পারে। এটিকে বিভিন্নভাবে পরিমাপ করা যায়, যেমন প্রসেসিং স্পিড, মেমোরি স্পিড, হার্ডডিস্কের গতি ইত্যাদি।

• Benchmark সফটওয়্যার হল এমন একটি বিশেষ ধরণের প্রোগ্রাম যা কম্পিউটারের বিভিন্ন হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের দক্ষতা (performance) যাচাই করতে সাহায্য করে।
- এটি CPU, GPU, RAM, ডিস্ক স্পিড ইত্যাদির কার্যকারিতা পরীক্ষা করে।
- ফলাফল হিসেবে একটি স্কোর বা তুলনামূলক রিপোর্ট দেয় — যা অন্য কম্পিউটারের সাথে তুলনা করা যায়।

• কিছু জনপ্রিয় Benchmark সফটওয়্যারের নাম: 
- Cinebench, 
- Geekbench, 
- 3DMark, 
- PassMark.

তথ্যসূত্র: 
- "Computer Fundamentals" by P.K. Sinha.
- এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা।
- sciencedirect [link]

৩২.
মাদারবোর্ডকে শক্তি সরবরাহ করে:
  1. SSD
  2. RAM
  3. PSU
  4. HDD
সঠিক উত্তর:
PSU
উত্তর
সঠিক উত্তর:
PSU
ব্যাখ্যা

• মাদারবোর্ডকে সরাসরি শক্তি সরবরাহ করে PSU (Power Supply Unit)। PSU হলো কম্পিউটারের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান, যা বৈদ্যুতিক সাপ্লাই থেকে পাওয়া AC ভোল্টেজকে মাদারবোর্ড এবং অন্যান্য হার্ডওয়্যার উপাদানের জন্য উপযুক্ত DC ভোল্টেজে রূপান্তর করে। SSD, RAM, এবং HDD হলো স্টোরেজ এবং মেমোরি উপাদান, যা কাজ করার জন্য মাদারবোর্ডের মাধ্যমে PSU থেকে বিদ্যুৎ গ্রহণ করে। অর্থাৎ, মাদারবোর্ড নিজে কখনও শক্তি উৎপন্ন করতে পারে না; এটি শুধুমাত্র PSU থেকে প্রাপ্ত বিদ্যুৎ বিতরণ করে বিভিন্ন কম্পিউটার উপাদানের মধ্যে। তাই মাদারবোর্ডের কার্যক্রম নির্ভর করে মূলত PSU-এর শক্তির উপর।

• মাদারবোর্ড:
- মাদারবোর্ড বা মেইনবোর্ড হলো কম্পিউটারের ভেতরে অবস্থিত সার্কিট বোর্ড যাতে সিস্টেম এর প্রয়োজনীয় বিভিন্ন ডিভাইস পরস্পরের সাথে সংযুক্ত থাকে এবং নতুন ডিভাইস সংযুক্ত করার ব্যাবস্থা থাকে।
- মাদারবোর্ড এর জন্য ভালো ব্র্যান্ডগুলো হলো: Gigabyte, Intel, Foxcon, Asus ইত্যাদি।
- মাদারবোর্ডকে প্রায়ই কম্পিউটার এর “মেরুদণ্ড” বা “ব্যাকবোন” বলা হয়, কারণ এটি সবকিছুকে একত্রে ধরে রাখে ও সংযোগ দেয়।

• অবস্থান ও আকার:
- মাদারবোর্ড হলো কম্পিউটারের কেসের (casing) ভেতরে সবচেয়ে বড় বোর্ড।
- একটি টাওয়ার কম্পিউটারে এটি উল্লম্বভাবে বাম বা ডান পাশে বসানো থাকে।
- বিভিন্ন ধরনের মাদারবোর্ড বিভিন্ন কম্পিউটার ও প্রসেসরের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ থাকে।
- মাদারবোর্ড হলো কম্পিউটারের কেসের (casing) ভেতরে সবচেয়ে বড় বোর্ড।
- একটি টাওয়ার কম্পিউটারে এটি উল্লম্বভাবে বাম বা ডান পাশে বসানো থাকে।
- বিভিন্ন ধরনের মাদারবোর্ড বিভিন্ন কম্পিউটার ও প্রসেসরের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ থাকে।

উৎস: ১। কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, ভোকেশনাল।
২। ব্রিটানিকা।

৩৩.
কোনটি শারীরিক বৈশিষ্ট্য নয়, আচরণিক বৈশিষ্ট্য?
  1. স্বাক্ষর
  2. আঙুলের ছাপ
  3. চোখের আইরিস
  4. মুখমন্ডলের অবয়ব
সঠিক উত্তর:
স্বাক্ষর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্বাক্ষর
ব্যাখ্যা

• আচরণিক বৈশিষ্ট্য হলো ক) স্বাক্ষর। কারণ স্বাক্ষর মানুষ দ্বারা শেখা এবং অভ্যাসের মাধ্যমে গঠিত, এটি জন্মগত বা শারীরিকভাবে নির্ধারিত নয়। অন্যদিকে আঙুলের ছাপ, চোখের আইরিস এবং মুখমন্ডলের অবয়ব সবাই শারীরিক বৈশিষ্ট্য, যা জেনেটিক এবং শারীরিক গঠনের উপর নির্ভরশীল। আঙুলের ছাপ এবং আইরিসের প্যাটার্ন অপরিবর্তনীয় এবং ব্যক্তিগত স্বতন্ত্রতা নিশ্চিত করে। মুখমন্ডলের অবয়বও শারীরিক গঠন দ্বারা নির্ধারিত। তাই স্বাক্ষরই হলো এমন একটি বৈশিষ্ট্য যা শারীরিক নয়, বরং আচরণ ও অভ্যাসের উপর নির্ভরশীল।

• বায়োমেট্রিক্স:
- বায়োমেট্রিক্স এমন একটি প্রযুক্তি, যার মাধ্যমে ব্যক্তির শারীরিক বা আচরণগত বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে তার পরিচয় নিশ্চিত করা হয়।
- এটি মানুষের দেহের বিশেষ বৈশিষ্ট্য যেমন আঙুলের ছাপ, চোখের আইরিস, মুখাবয়ব অথবা কণ্ঠস্বর ব্যবহার করে পরিচয় যাচাই করে।

• দেহের গঠন ও আচরণগত বৈশিষ্ট্যের উপর ভিত্তি করে বায়োমেট্রিক্স দুই প্রকার। যেমন:
১। শারীরবৃত্তীয় বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতি:
- আঙুলের ছাপ,
- হাতের রেখা শনাক্তকরণ,
- মুখমন্ডলের অবয়ব,
- চোখের আইরিস শনাক্তকরণ।

২। আচরণগত বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতি:
- কণ্ঠস্বর যাচাইকরণ,
- স্বাক্ষর শনাক্তকরণ,
- কী-বোর্ডে টাইপিং গতি যাচাইকরণ।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মোঃ মাহবুবুর রহমান।

৩৪.
কোন প্রযুক্তির মাধ্যমে কম্পিউটার ডেটা বিশ্লেষণ করে রোগের প্রাদুর্ভাব পূর্বানুমান করা যায়?
  1. Blood test
  2. MRI
  3. CT scan
  4. AI & Big Data
সঠিক উত্তর:
AI & Big Data
উত্তর
সঠিক উত্তর:
AI & Big Data
ব্যাখ্যা

• রোগের প্রাদুর্ভাব পূর্বানুমান করতে সবচেয়ে কার্যকর প্রযুক্তি হলো AI & Big Data। আধুনিক যুগে বিশাল পরিমাণ স্বাস্থ্যসংশ্লিষ্ট তথ্য যেমন রোগীর ইতিহাস, ভ্যাকসিনেশন, পরিবেশগত ফ্যাক্টর এবং সামাজিক আচরণ সংগ্রহ করা হয়। এই ডেটা বিশ্লেষণে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) বিভিন্ন প্যাটার্ন চিহ্নিত করতে পারে এবং সম্ভাব্য রোগের প্রাদুর্ভাব নির্ধারণে সহায়তা করে। অন্যদিকে, Blood test, MRI, বা CT scan শুধুমাত্র ব্যক্তিগত রোগ নির্ণয়ে ব্যবহার হয় এবং বৃহৎ জনসংখ্যার উপর ভিত্তি করে প্রাদুর্ভাব পূর্বানুমান করতে সক্ষম নয়। তাই জনস্বাস্থ্য পর্যায়ে রোগ প্রতিরোধ ও পরিকল্পনার জন্য AI ও Big Data সবচেয়ে কার্যকর প্রযুক্তি।

চিকিৎসা ক্ষেত্রে কম্পিউটার: 
- বর্তমানে প্রায় সকল দেশে রোগ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিনির্ভর কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং কম্পিউটার প্রযুক্তি যথাযথ প্রয়োগ দ্বারা সূক্ষ্মভাবে রোগ নির্ণয় করা সম্ভব হচ্ছে। 
- EHR (Electronic Health Record) এর মাধ্যমে ডেটাবেজে রোগীর সকল তথ্য সংরক্ষিত থাকে এবং রোগী তার EHR ব্যবহার করে যে কোন স্থান হতে তার রোগ সম্পর্কিত তথ্য, রিপোর্ট, চিকিৎসা ব্যবস্থাপত্র ইত্যাদি যেকোন স্থানে বসে পেতে পারেন। 
- সিটিস্ক্যান এর অর্থ (Computed Tomography Scan), চিকিৎসা বিজ্ঞানে এটি প্রতিবিম্ব তৈরির একটি প্রক্রিয়া। আলোর প্রতিসরণের সাথে জ্যামিতিক হিসেবের মাধ্যমে দ্বিমাত্রিক ছবিগুলোকে ত্রিমাত্রিক করা হয়, এতে কোনো বস্তুর অবস্থান নিঁখুতভাবে নির্ণয় করা যায়। 
- রোগীর অস্বাভাবিক লক্ষণগুলো পরীক্ষা এবং পর্যবেক্ষণ করার জন্য কম্পিউটার (যেমন: ইসিজি, ইকোকার্ডিওগ্রাম) ব্যবহার করা হয়  ইত্যাদি। 

অর্থাৎ, চিকিৎসাক্ষেত্রে তথ্য সংরক্ষণ, ইমেজ বিশ্লেষণ এবং রোগী পর্যবেক্ষণ প্রভৃতি সকল ক্ষেত্রেই কম্পিউটার ব্যবহৃত হয়। 

উৎস:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্ত, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান)।
- IEEE [link]

৩৫.
BIOS-এর পরিবর্তে বর্তমানে যে প্রযুক্তি ব্যবহৃত হচ্ছে তা হলো -
  1. RAM
  2. USB
  3. UEFI
  4. CMOS
সঠিক উত্তর:
UEFI
উত্তর
সঠিক উত্তর:
UEFI
ব্যাখ্যা

• বর্তমানে BIOS-এর পরিবর্তে যে প্রযুক্তি ব্যবহার করা হচ্ছে তা হলো UEFI (Unified Extensible Firmware Interface)। UEFI হল একটি আধুনিক ফার্মওয়্যার ইন্টারফেস যা BIOS-এর সীমাবদ্ধতা দূর করেছে। এটি দ্রুত বুটিং, বড় স্টোরেজ ডিভাইস সমর্থন এবং উন্নত নিরাপত্তা প্রদান করে। UEFI গ্রাফিকাল ইউজার ইন্টারফেস সমর্থন করে এবং মাউস ব্যবহার করা সম্ভব, যেখানে BIOS সাধারণত কেবল কীবোর্ডে কাজ করতো। এছাড়া, UEFI সিস্টেমে Secure Boot ফিচারের মাধ্যমে ম্যালওয়্যার বা অবাঞ্ছিত সফটওয়্যারকে বুটিং-এর সময় থেকে প্রতিরোধ করা যায়। তাই আধুনিক কম্পিউটারগুলোতে BIOS-এর পরিবর্তে UEFI ব্যবহৃত হচ্ছে।

​BIOS:
- BIOS (Basic Input/Output System) হলো একটি কম্পিউটার প্রোগ্রাম, যা EPROM-এ সংরক্ষিত থাকে এবং কম্পিউটার চালু হলে CPU এটি ব্যবহার করে।
- স্টার্ট-আপ প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পর BIOS, OS এবং peripheral devices-এর মধ্যে ডেটা প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করে। ফলে OS বা অন্য application program-কে ডিভাইসের বিস্তারিত তথ্য (যেমন hardware address) জানতে হয় না।

UEFI:
- একবিংশ শতাব্দীর শুরুতে BIOS-এর জায়গায় UEFI (Unified Extensible Firmware Interface) ব্যবহৃত হতে শুরু করে।
- UEFI বড় স্টোরেজ ড্রাইভ সমর্থন করতে পারে এবং BIOS-এর তুলনায় অনেক দ্রুত কাজ করে।
​​
​উৎস: ব্রিটানিকা।

৩৬.
ভার্চুয়াল রিয়েলিটি অনুভব করতে কোন ডিভাইসটি প্রয়োজন?
  1. Headset
  2. Keyboard
  3. Monitor
  4. Printer
সঠিক উত্তর:
Headset
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Headset
ব্যাখ্যা

• ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (VR) অনুভব করার জন্য প্রধান ডিভাইস হল হেডসেট। হেডসেট একটি বিশেষ ধরনের চশমার মতো ডিভাইস, যা ব্যবহারকারীর চোখের সামনে একটি সম্পূর্ণ 3D ভিজ্যুয়াল পরিবেশ তৈরি করে। এটি মাথার গতি ও অবস্থান শনাক্ত করতে সেন্সর ব্যবহার করে, যার মাধ্যমে ব্যবহারকারী VR জগতে ঘুরতে এবং বিভিন্ন দিক দেখতেও পারে। কীবোর্ড বা মনিটর শুধুমাত্র ইনপুট বা আউটপুট ডিভাইস হিসেবে কাজ করে, কিন্তু সরাসরি ভার্চুয়াল রিয়েলিটি অনুভব করাতে সক্ষম নয়। প্রিন্টার সম্পূর্ণ ভিন্ন কাজের জন্য ব্যবহৃত হয়। তাই VR অভিজ্ঞতার জন্য হেডসেট অপরিহার্য।

• ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (VR):
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (VR) হলো কম্পিউটার প্রযুক্তি ও সিমুলেশন তত্ত্বের ওপর ভিত্তি করে নির্মিত একটি কল্পনাপ্রসূত পরিবেশ, যা ব্যবহারকারীর কাছে বাস্তব মনে হয়।
- প্রযুক্তির ব্যবহার:
- ত্রিমাত্রিক (3D) ইমেজ তৈরি করে।
- ব্যবহারকারী যেন সেই পরিবেশে আছেন এমন অনুভূতি দেয়।

• ব্যবহৃত সফটওয়্যার:
- Vizard,
- VRToolKit,
- 3D Studio Max,
- Maya.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি মাহবুবুর রহমান।

৩৭.
SWIFT প্রধানত কোন কাজের জন্য ব্যবহৃত হয়?
  1. অনলাইনে কেনাকাটা
  2. স্টক ট্রেডিং
  3. আন্তর্জাতিক মানি ট্রান্সফার
  4. মোবাইল ব্যাংক
সঠিক উত্তর:
আন্তর্জাতিক মানি ট্রান্সফার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আন্তর্জাতিক মানি ট্রান্সফার
ব্যাখ্যা

• SWIFT প্রধানত আন্তর্জাতিক মানি ট্রান্সফারের জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি একটি নিরাপদ এবং বিশ্বব্যাপী যোগাযোগ নেটওয়ার্ক, যা ব্যাংক এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলিকে দ্রুত ও নির্ভুলভাবে অর্থ আদান-প্রদানের তথ্য বিনিময় করতে সাহায্য করে। SWIFT নিজেই টাকা পাঠায় না, বরং ট্রান্সফারের নির্দেশ এবং তথ্যের আদান-প্রদান নিশ্চিত করে, যাতে একটি দেশের ব্যাংক থেকে অন্য দেশের ব্যাংকে অর্থ প্রেরণ সহজ এবং ঝুঁকিমুক্ত হয়। এটি বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেন, ব্যাংকিং চিঠিপত্র এবং অন্যান্য আর্থিক নথি দ্রুত এবং নির্ভুলভাবে আদান-প্রদানের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অনলাইনে কেনাকাটা, স্টক ট্রেডিং বা মোবাইল ব্যাংকিং SWIFT এর সরাসরি কাজ নয়।

সঠিক উত্তর: গ) আন্তর্জাতিক মানি ট্রান্সফার।

SWIFT Code: 
- SWIFT (Societyfor Worldwide Interbank Finnancial Telecommunication) হলো বেলজিয়ামভিত্তিক আন্তঃব্যাংক আর্থিক লেনদেনের নেটওয়ার্ক। 
- সুইফট-এর মাধ্যমে আন্তঃব্যাংক লেনদেনের পরিচিতি শনাক্ত করা হয়।
- SWIFT (Society for Worldwide Interbank Financial Telecommunication) এর প্রধান কাজ হলো একটি বিশ্বব্যাপী মেসেজিং নেটওয়ার্ক প্রদান করা, যা আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে নিরাপদভাবে টাকা স্থানান্তরের নির্দেশসহ বিভিন্ন তথ্য আদান-প্রদান করতে সাহায্য করে এবং আন্তর্জাতিক পেমেন্ট সহজতর করে। 
- এই শনাক্তকরণ মূলতঃ সংকেতলিপি তথা কোডের মাধ্যমে করা হয়ে থাকে। 
- এক্ষেত্রে লেনদেনের তারবার্তা (ওয়্যার) এই সুইফট কোডের মাধ্যমে আদান-প্রদান করা হয়। 
- বিশ্বের দু'শতাধিক দেশে ১১ হাজার ব্যাংক সুইফট ব্যবহার করে। 
- আর্থিক লেনদেনে কোড পরিচালনাকারী আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান সুইফট সম্মিলিতভাবে পরিচালনা করছে বিশ্বের অন্তত ৩ হাজার আর্থিক প্রতিষ্ঠান। 
- বাংলাদেশের প্রায় সব ব্যাংক আন্তর্জাতিক লেনদেনে সুইফট-এর সেবা নেয়।

উৎস: ১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২। ব্রিটানিকা।

৩৮.
CPU মূলত কোন কাজের জন্য ব্যবহৃত হয়?
  1. তথ্য প্রক্রিয়াকরণ
  2. তথ্য সংরক্ষণ
  3. প্রদর্শন
  4. ঠান্ডা রাখা
সঠিক উত্তর:
তথ্য প্রক্রিয়াকরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তথ্য প্রক্রিয়াকরণ
ব্যাখ্যা

• CPU বা Central Processing Unit মূলত কম্পিউটারের “মস্তিষ্ক” হিসেবে কাজ করে। এটি তথ্য প্রক্রিয়াকরণের প্রধান কেন্দ্র, যেখানে ইনপুট থেকে প্রাপ্ত তথ্য বিশ্লেষণ, গণনা এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। CPU বিভিন্ন ধরনের অপারেশন যেমন যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ এবং লজিক্যাল তুলনা সম্পন্ন করতে পারে। প্রোগ্রাম বা সফটওয়্যারের নির্দেশনা অনুযায়ী এটি ডেটাকে প্রক্রিয়াকরণ করে এবং ফলাফল আউটপুট ডিভাইসের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর কাছে পৌঁছে দেয়। তথ্য সংরক্ষণ, প্রদর্শন বা কম্পিউটার ঠান্ডা রাখা CPU-এর কাজের অংশ নয়; এগুলো আলাদা হার্ডওয়্যার যেমন RAM, মনিটর বা কুলিং সিস্টেমের দায়িত্ব। সুতরাং, CPU মূলত তথ্য প্রক্রিয়াকরণের জন্য ব্যবহৃত হয়।
 
সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট (CPU):
- সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট (CPU) হলো যেকোনো ডিজিটাল কম্পিউটার সিস্টেমের প্রধান অংশ। 
- এটি সাধারণত প্রধান মেমরি, কন্ট্রোল ইউনিট এবং অ্যারিথমেটিক-লজিক ইউনিট নিয়ে গঠিত। 
- এটি একটি কম্পিউটার সিস্টেমের ফিজিক্যাল হার্ট বা মূল কেন্দ্র হিসেবে কাজ করে। 
- এর সাথে বিভিন্ন পেরিফেরাল সরঞ্জাম যেমন ইনপুট/আউটপুট ডিভাইস এবং সহায়ক স্টোরেজ ইউনিট যুক্ত থাকে। 
- আধুনিক কম্পিউটারে, CPU একটি ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট চিপের মধ্যে থাকে, যাকে মাইক্রোপ্রসেসর বলা হয়।

- সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিটের কন্ট্রোল ইউনিট কম্পিউটারের কার্যক্রমগুলো নিয়ন্ত্রণ করে এবং একত্রিত করে। 
- এটি প্রধান মেমরি থেকে সঠিক ক্রমে নির্দেশাবলী নির্বাচন ও পুনরুদ্ধার করে এবং সেগুলোকে ব্যাখ্যা করে সিস্টেমের অন্যান্য কার্যকরী উপাদানগুলোকে সক্রিয় করে, যাতে তারা তাদের নিজ নিজ কাজগুলো সঠিক সময়ে করতে পারে। 
- সমস্ত ইনপুট ডেটা প্রধান মেমরির মাধ্যমে অ্যারিথমেটিক-লজিক ইউনিটে স্থানান্তরিত হয়। 
- অ্যারিথমেটিক-লজিক ইউনিট চারটি মৌলিক গাণিতিক ফাংশন (যোগ, বিয়োগ, গুণ এবং ভাগ) এবং ডেটা তুলনা ও সমস্যার সমাধান করার জন্য প্রয়োজনীয় পদ্ধতি নির্বাচন করার মতো কিছু লজিক অপারেশন করে।

উৎস: ব্রিটানিকা।

৩৯.
OCR প্রক্রিয়ার পর সাধারণত কোন ফাইল ফরম্যাট উৎপন্ন হয়?
  1. .mp3
  2. .jpg
  3. .txt
  4. .mp4 
সঠিক উত্তর:
.txt
উত্তর
সঠিক উত্তর:
.txt
ব্যাখ্যা

• OCR (Optical Character Recognition) হল একটি প্রযুক্তি যা স্ক্যান করা ছবি বা পিডিএফ থেকে লেখা চিহ্নিত করে এবং ডিজিটাল টেক্সটে রূপান্তর করে। এই প্রক্রিয়ার মূল উদ্দেশ্য হলো ছবির মধ্যে থাকা অক্ষরগুলোকে এডিটেবল এবং সার্চেবল ফরম্যাটে পরিবর্তন করা। OCR-এর পর সাধারণত যে ফাইল ফরম্যাট উৎপন্ন হয় তা হলো .txt ফাইল বা, .pdf ফাইল, কারণ এটি কেবল টেক্সট সংরক্ষণ করে এবং সহজেই বিভিন্ন প্রোগ্রামে ব্যবহারযোগ্য। অন্য ফরম্যাট যেমন .jpg বা .mp4 মূলত ছবি বা ভিডিও সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত হয়, আর .mp3 শুধুমাত্র অডিও সংরক্ষণের জন্য। সুতরাং, OCR-এর আউটপুটের জন্য সঠিক উত্তর হলো গ) .txt

​OCR:
- OCR -এর পূর্ণ নাম হলো Optical Character Reader.
- এটি মূলত একটি ইনপুট ডিভাইস হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- সাধারণত OCR বিভিন্ন আকারের দাগ, চিহ্ন এবং সব ধরনের আলফানিউমেরিক ক্যারেক্টার পড়তে পারে।
- এটি এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যে শুধুমাত্র ছাপার লেখা না, হাতের লেখা পর্যন্ত পড়তে পারে।
- OCR-এর কার্যপ্রণালী মূলত OCR সফটওয়্যারের মাধ্যমে সম্পাদিত হয়।
- এ ক্ষেত্রে OCR যন্ত্রটি প্রথমে ডকুমেন্টের বিটম্যাপ ইমেজ তৈরি করে।
- অতঃপর OCR সফটওয়‍্যার সেগুলোকে ASCII টেক্সটে রূপান্তরিত করে ফলে কম্পিউটার বিভিন্ন অক্ষর, বর্ণ, সংখ্যা বা বিশেষ ক্যারেক্টার চিনতে পারে।

​OCR এর ব্যবহার:
- ইনস্যুরেন্স প্রিমিয়াম নোটিশ,
- চিঠির পিনকোড,
- ক্যাশ রেজিস্টার,
- ইলেকট্রিক বিল ইত্যাদি পড়ার জন্য OCR ব্যবহৃত হয়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।