পরীক্ষা আর্কাইভ

ICT Expert

পরীক্ষাICT Expertতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়07 minutes
মোট প্রশ্ন১২
সিলেবাস
পরীক্ষা – ৪ টপিক: কম্পিউটার অঙ্গসংগঠন ও পেরিফেরালস, কম্পিউটার আর্কিটেকচার, কম্পিউটার মেমরি, কম্পিউটার পারঙ্গমতা [ক্লাস ৮, ৯ ও ১০]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ICT Expert

ICT Expert · তারিখ অনির্ধারিত · ১২ প্রশ্ন

.
ROM-এর প্রকারভেদ নয় কোনটি?
  1. PROM
  2. DROM
  3. EPROM
  4. EAPROM
ব্যাখ্যা
• DROM, ROM-এর কোনো প্রকারভেদ নয়।

• রম:
- রম (ROM) হল রিড-ওনলি মেমোরি (Read-Only Memory) এর সংক্ষিপ্ত রূপ। এটি কম্পিউটারের স্থায়ী মেমোরি। 

• ROM (Read-Only Memory) এর প্রকারভেদ:
→  PROM (Programmable ROM):
- একবার প্রোগ্রাম করা যায়। 
- একবার প্রোগ্রাম করার পর ডাটা পরিবর্তন করা যায় না। 
→  EPROM (Erasable Programmable ROM):
- UV (আল্ট্রাভায়োলেট) আলো দিয়ে ডাটা মুছে আবার নতুন ডাটা লেখা যায়। 
- ২০-৩০ মিনিট UV আলোতে রাখলে সম্পূর্ণ ডাটা মুছে যায়। 
→  EEPROM/EAPROM (Electrically Erasable Programmable ROM):
- বৈদ্যুতিক সংকেত দিয়ে ডাটা মুছে আবার লেখা যায়। 
- নির্দিষ্ট অংশের ডাটা আলাদাভাবে মুছে নতুন ডাটা লেখা সম্ভব। 
- এটি Flash memory এর ভিত্তি হিসেবে কাজ করে। 
→  Mask ROM:
- ডাটা স্থায়ীভাবে লেখা হয়। 
- প্রোগ্রাম পরিবর্তন অসম্ভব। 

• ROM এর বৈশিষ্ট্য:
- কম্পিউটার বন্ধ হলেও ডাটা থেকে যায়। অর্থাৎ বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হলেও তথ্য নষ্ট হয় না। 
- সাধারণত ডাটা পড়া যায়, কিন্তু পরিবর্তন করা যায় না। 
- BIOS, অপারেটিং সিস্টেমের প্রাথমিক অংশ সংরক্ষিত থাকে।

তথ্যসূত্র:
- মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম,উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
কোন এককের মাধ্যমে প্রিন্টারের রেজোলিউশন মাপা হয়?
  1. বাইট
  2. ডিপিআই
  3. হার্জ
  4. বিট
ব্যাখ্যা
• প্রিন্টারের রেজোলিউশন পরিমাপ করা হয় ডিপিআই (DPI) এককের মাধ্যমে। 

• প্রিন্টার:
- যে যন্ত্রের সাহায্যে কম্পিউটার হতে কোনো লেখা, ছবি ইত্যাদি কাগজের ওপরে ছেপে বের করা হয়, তাকে প্রিন্টার (Printer) বলা হয়।

• প্রিন্টারের রেজোলিউশন বোঝায়, প্রিন্টারের প্রতি ইঞ্চিতে কতগুলো ডট (বিন্দু) ছাপাতে পারে- অর্থাৎ এটি প্রিন্টের সূক্ষ্মতা ও মান নির্ধারণ করে।

• DPI (Dots Per Inch):
- DPI হলো প্রিন্টারের রেজোলিউশন পরিমাপের একক।
- উদাহরণ: একটি প্রিন্টারের রেজোলিউশন যদি 600 DPI হয়, তাহলে প্রিন্টারটি প্রতি ইঞ্চিতে 600 ডট প্রিন্ট করতে পারে।
- উচ্চ DPI এর মান যত বেশী হবে প্রিন্টারের প্রিন্টের মান তত ভালো হবে।

তথ্যসূত্র:
- মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
- লিংক
.
কোন ফাংশন কী এর মাধ্যমে সরাসরি এড্রেস বারে চলে যাওয়া যায়?
  1. F1
  2. F3
  3. F5
  4. F6
ব্যাখ্যা
• F6 কী চাপলে এর মাধ্যমে সরাসরি এড্রেস বারে চলে যাওয়া যায়।

• ফাংশন কী:
- কীবোর্ড এর একেবারে উপরের অর্থাৎ F1 থেকে F12 পর্যন্ত মোট 12 টি কী-কে একত্রে ফাংশন কী বলা হয়।

• কম্পিউটার কীবোর্ড এর ফাংশন-কী সমূহের ব্যবহার:
- F1 এর সাহায্যে হেল্প মেনু দেখা যায়।
- F2 এর সাহায্যে কোনো ফাইল বা ফোল্ডার এর নাম পরিবর্তন করা যায়।
- F3 সার্চ সুবিধা দেয়। কমান্ড পুনরাবৃত্তি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
- F4 এর সাহায্যে last action performed repeat করা যায়। Alt + F4 চেপে সক্রিয় সব প্রোগ্রাম বন্ধ করা যায়।
- F5 এর সাহায্যে পেইজ রিফ্রেশ করা যায়।
- F6 এর সাহায্যে মাউসের কারসরকে ইন্টারনেট ব্রাউজারের অ্যাড্রেসবারে নিয়ে যেতে ব্যবহার করা হয়।
- F7 বানান ও ব্যকরণগত ভুল বের করতে ব্যবহৃত হয়।
- F8 অপারেটিং সিস্টেমের safe mood চালু করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
- F9 কোয়ার্ক এক্সপ্রেসের মেজারমেন্ট টুলবার চালু করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
- F10 ইন্টারনেট ব্রাউজারের কোনো খোলা উইন্ডোর মেনুবার চালু করা হয়।
- F11 ফুলস্ক্রিন দেখতে ব্যবহার করা হয়।
- F12 ইংরেজি থেকে বাংলা বা বাংলা থেকে ইংরেজি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।

তথ্যসূত্র:
- ব্রিটানিকা। 
.
মেমরি হতে ডাটা রিড বা রাইট অপারেশনে যে সময় লাগে তাকে কী বলা হয়?
  1. Cycle Time
  2. Access Time
  3. lateral Time
  4. Transfer Rate
ব্যাখ্যা
• মেমরি হতে ডাটা রিড বা রাইট অপারেশনে যে সময় লাগে তাকে অ্যাকসেস টাইম বলা হয়। 

• অ্যাকসেস টাইম (Access Time):
- মেমরি হতে ডেটা রিড বা রাইট অপারেশনে যে সময় লাগে তাকে অ্যাকসেস টাইম বলে।

• প্রধান মেমরির টাইম (সময়) বলতে বুঝায় মেমরির নির্দিষ্ট অ্যাড্রেসে অ্যাকসেস করা এবং তা থেকে একটি শব্দ পড়া বা লেখার মোট সময়।
- অ্যাকসেস সময় যত কম হয়, কম্পিউটার তত দ্রুতগতিতে কাজ করে।
- সাধারণত মানুষের চোখের পলক পড়তে সময় লাগে এক সেকেন্ডের দশ ভাগের এক ভাগ, যা ১০ মিলিয়ন ন্যানোসেকেন্ডের সমান।
- কম্পিউটার উক্ত সময়ে তাহলে ১০ মিলিয়ন নির্দেশ নির্বাহ করতে পারে।

তথ্যসূত্র:
- মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
কোনটি সহায়ক বা নন-ভোলাটাইল মেমোরি নয়?
  1. হার্ডডিস্ক
  2. সিডি
  3. র‍্যাম
  4. ডিভিডি
ব্যাখ্যা
• র‍্যাম(RAM) ও রম (ROM) সহায়ক বা নন-ভোলাটাইল মেমোরি নয়, বরং এগুলো প্রধান মেমোরি। 

• মেমোরি:
- কম্পিউটারের অভ্যন্তরে যে অংশে তথ্যসমূহ স্থায়ী বা অস্থায়ীভাবে জমা থাকে তাকে কম্পিউটারের মেমোরি বলা হয়। 

• মেমোরির শ্রেণিবিভাগ:
কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত মেমোরিকে প্রধানত তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
-  প্রধান মেমোরি বা মুখ্য মেমোরি (Main Memory or Primary Memory,
-  সহায়ক মেমোরি বা গৌণ মেমোরি (Secondary Memory or Mass Memory),
-   ইন্টারনাল মেমোরি (Internal Memory)।

• সহায়ক মেমোরি:
- কম্পিউটারের যে মেমোরিতে বিভিন্ন তথ্য, নির্দেশাবলি, অডিও, ভিডিও, ইমেজ স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায় তাকে সহায়ক মেমোরি বলা হয়।

• উদাহরণ:
- হার্ডডিস্ক, সিডি, ডিভিডি, পেনড্রাইভ, জিপ ড্রাইভ, ম্যাগনেটিক টেপ ইত্যাদি।

• সহায়ক মেমোরির বৈশিষ্ট্য:
- কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশের (CPU) সঙ্গে সরাসরি সংযোগ থাকে না, ফলে ধীরগতির হয়। 
- এ ধরনের মেমরিকে নন-ভোলাটাইল মেমোরিও (Non-Volatile Memory) বলা হয়।
- যেকোনো তথ্য বা প্রোগ্রাম স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায়।
- ধারণক্ষমতা অত্যধিক।
- সহজে পরিবহন করা যায়।
- পুরাতন তথ্য মুছা যায় এবং নতুন তথ্য সংরক্ষণ করা যায়।
- কম্পিউটার বন্ধ করলে বা বিদ্যুৎ প্রবাহ বন্ধ হলে সংরক্ষিত তথ্যসমূহ সাধারণত মুছে যায় না।

তথ্যসূত্র:
- মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
হার্ডডিস্কের ধারণক্ষমতা কোনটির উপর নির্ভর করে না?
  1. প্ল্যাটারের ঘনত্ব
  2. ট্র্যাকে সেক্টরের সংখ্যা
  3. প্রসেসরের ক্লক স্পিড
  4. ট্র্যাকের সংখ্যা
ব্যাখ্যা
• প্রসেসরের ক্লক স্পিডের উপর হার্ডডিস্কের ধারণক্ষমতা নির্ভর করে না, বরং এটি CPU এর পারফরমেন্স নির্ধারণ করে। 

• হার্ডডিস্ক:
- হার্ডডিস্ক বা HDD হলো ধাতব পাতের সমন্বয়ে গঠিত সহায়ক স্মৃতি।

• HDD (Hard Disk Drive)-এর ডেটা চৌম্বকীয় ডিস্ক-এর মাধ্যমে সংরক্ষিত হয়।
- HDD-এর ভিতরে ঘূর্ণায়মান চৌম্বকীয় প্লেটার (Platter) থাকে, যার উপর ডেটা চৌম্বকীয়ভাবে রেকর্ড করা হয়।
- রিড/রাইট হেড এই ডেটা অ্যাক্সেস বা পরিবর্তন করে।

• হার্ডডিস্কের ধারণক্ষমতা নির্ভর করে নিম্নলিখিত বিষয়ের ওপর -
- ব্যবহারযোগ্য পৃষ্ঠের সংখ্যা।
- ট্র্যাকের সংখ্যা।
- ট্র্যাকে সেক্টরের সংখ্যা।
- প্রতি সেক্টরের ধারণক্ষম বাইটের সংখ্যা।
- প্ল্যাটারের ঘনত্ব।

তথ্যসূত্র:
- মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
কোনটি ইনপুট ডিভাইস নয়?
  1. লাইটপেন
  2. ট্র্যাকবল
  3. স্ক্যানার
  4. ইমেজ সেটার
ব্যাখ্যা
•"ইমেজ সেটার " ইনপুট ডিভাইস নয়, বরং এটি আউটপুট ডিভাইস। 

• ইনপুট ডিভাইস:
- যে সব যন্ত্র বা ডিভাইস দ্বারা কম্পিউটারে বিভিন্ন ডাটা এবং নির্দেশ প্রদান করা হয় সেসব যন্ত্র বা ডিভাইসকে ইনপুট ডিভাইস বলা হয়। 

• ইনপুট ডিভাইসের বৈশিষ্ট্য:
- ইনপুট ডিভাইস ব্যবহারকারীর কাছ থেকে ডেটা বা নির্দেশনা গ্রহণ করে।
- এটি সেই ডেটাকে ডিজিটাল সিগনালে রূপান্তর করে কম্পিউটারে পাঠায়।
- প্রতিটি ইনপুট ডিভাইসের নিজস্ব নির্ভুলতা ও গতির মাত্রা রয়েছে। 

• ইনপুট ডিভাইসের  উদাহরণ:
- কি-বোর্ড,
- ওএমআর,
- মাউস,
- ওসিআর,
- ট্র্যাকবল,
- স্ক্যানার,
- জয়স্টিক,
- ডিজিটাইজার,
- টাচ স্ক্রিন,
- লাইটপেন,
- বার কোড রিডার,
- পয়েন্ট অফ সেল, ডিজিটাল ক্যামেরা ইত্যাদি।

অন্যদিকে, 
আউটপুট ডিভাইস সমূহ হলো- 
- মনিটর, 
-  প্রিন্টার, 
-  প্লটার, 
-  স্পিকার, 
-  মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর, 
-  ইমেজ সেটার, 
-  ফিল্ম রেকর্ডার, 
-  হেড ফোন ইত্যাদি।

তথ্যসূত্র:
- মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম,উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
প্রাইমারি স্টোরেজ ডিভাইসের বৈশিষ্ট্য নয় কোনটি?
  1. অ্যাকসেস সময় কম
  2. ডাটা স্থানান্তরের গতি বেশি
  3. ধারণক্ষমতা বেশি
  4. সিপিইউ এর সাথে সরাসরি সংযুক্ত
ব্যাখ্যা
• ধারণক্ষমতা বেশি থাকা প্রাইমারি স্টোরেজ ডিভাইসের বৈশিষ্ট্য নয়। 

• প্রাইমারি স্টোরেজ ডিভাইস:
- প্রোগ্রাম চলাকালীন সময়ে কম্পিউটারে প্রোগ্রামের বিভিন্ন তথ্য ও ফলাফলকে অস্থায়ীভাবে সংগ্রহের জন্য ব্যবহৃত ডিভাইসসমূহকে প্রাইমারি স্টোরেজ ডিভাইস বলা হয়।
- প্রাইমারি স্টোরেজ হলো মাইক্রোপ্রসেসরের কর্মক্ষেত্র বা ওয়ার্কপ্লেস। 
যেমন- র‍্যাম।

• প্রাইমারি স্টোরেজের বৈশিষ্ট্য:
-  এ ধরনের স্টোরেজ সাধারণত সিপিইউয়ের সাথে সরাসরি সংযোগ থাকে।
- প্রক্রিয়াকরণের জন্য প্রয়োজনীয় প্রোগ্রাম ও ডেটা এবং কম্পিউটারের নিজস্ব নিয়ন্ত্রণের জন্য ব্যবহৃত কিছু প্রোগ্রাম প্রাইমারি স্টোরেজ ডিভাইস ধারণ করে।
-  অ্যাকসেস সময় কম।
-  ধারণক্ষমতা তুলনামূলকভাবে কম থাকে।
-  ডেটা স্থানান্তরের গতি বেশি।
-  বিদ্যুৎ প্রবাহ বন্ধ হওয়ার সাথে সাথে এ ধরনের স্টোরেজে সংরক্ষিত তথ্য মুছে যায় ইত্যাদি।

তথ্যসূত্র:
- মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম,উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
কম্পিউটার সংগঠনের কোন অংশটি মেমোরি ও গাণিতিক যুক্তি ইউনিট এর মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে?
  1. ইনপুট অংশ
  2. মাদারবোর্ড
  3. কন্ট্রোল ইউনিট
  4. পাওয়ার সাপ্লাই
ব্যাখ্যা
• মেমোরি ও গাণিতিক যুক্তি ইউনিটের (ALU) মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে কন্ট্রোল ইউনিট। 

• কম্পিউটার সংগঠন:
- কম্পিউটার  সংগঠন বলতে মূলত হার্ডওয়্যার এর সংগঠনকেই বোঝায়। 

• কম্পিউটার সংগঠনের ৫ টি অংশ রয়েছে। যথা-
- ইনপুট ইউনিট,
- কন্ট্রোল ইউনিট,
- গাণিতিক যুক্তি ইউনিট,
- মেমোরি ইউনিট,
- আউটপুট ইউনিট। 

• কন্ট্রোল ইউনিট:
- একটি কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশের যে অংশ কম্পিউটারের কার্যাবলীর নির্দেশনা দেয় তাকে Control Unit বা নিয়ন্ত্রণ অংশ বলা হয়। 

• কন্ট্রোল বা নিয়ন্ত্রণ ইউনিট কম্পিউটারের সকল অংশকে নিয়ন্ত্রণের ও পরিচালনার কাজে নিয়োজিত থাকে।
- এটি কম্পিউটারের প্রতিটি নির্দেশ পরীক্ষা করে এবং কার্যকর করার জন্য প্রয়োজনীয় সংকেত তৈরি করে।
- মেমোরিতে কখন তথ্যের প্রয়োজন হবে, সহায়ক মেমোরি হতে কখন প্রধান মেমোরিতে তথ্য নিতে হবে, কখন ইনপুট হতে উপাত্ত নিতে হবে, কখন ফলাফল দিতে হবে এ সব বিষয় নিয়ন্ত্রণ করে।
- মেমোরি ও গাণিতিক যুক্তি ইউনিটের (ALU) মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে কন্ট্রোল ইউনিট (Control Unit)। 
- কন্ট্রোল ইউনিট মেমোরি থেকে ডেটা সংগ্রহ করে এবং ALU কে প্রয়োজনীয় নির্দেশ প্রদান করে, যা ডেটার উপর গাণিতিক ও যৌক্তিক কাজ করে থাকে। 
- এরপর, ALU ফলাফল মেমরিতে সংরক্ষণ করে। 
- নিয়ন্ত্রণ ইউনিটের প্রধান কাজই হলো মেমোরি হতে ইনস্ট্রাকশন কোড পড়া ও ডিকোড করা এবং মাইক্রোপ্রসেসরের অন্য অংশসমূহকে কাজে লাগানোর জন্য প্রয়োজনীয় কন্ট্রোল সিগন্যাল তৈরি করা।

তথ্যসূত্র:
- মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম,উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০.
কম্পিউটারের এক্সপানশন বাস নয় কোনটি?
  1. ফায়ারওয়্যার বাস
  2. ইউএসবি বাস
  3. ডাটা বাস
  4. লোকাল বাস
ব্যাখ্যা
• ডাটা বাস কম্পিউটারের এক্সপানশন বাস নয়, বরং এটি কন্ট্রোল বাসের একটি প্রকার। 

• কম্পিউটার বাস (Computer Bus):
- কম্পিউটারের বাস হলো এমন একগুচ্ছ তার, যার মধ্যে দিয়ে ডিজিটাল সংকেত ০ বা ১ চলাচল করতে পারে।
- বাসের সাহায্যেই কম্পিউটারের বিভিন্ন হার্ডওয়‍্যার একে অপরের সঙ্গে যোগাযোগের মাধ্যমে তথ্য আদান-প্রদান করে।
- কম্পিউটারের বাস কতকগুলো বিদ্যুৎ পরিবাহী লাইনের সাহায্যে গঠিত, যার মাধ্যমে কম্পিউটারের এক ডিভাইস থেকে অন্য ডিভাইসে ডেটা, তথ্য, সিগন্যাল, নির্দেশ বা প্রোগ্রাম আদান-প্রদানের কাজ সম্পন্ন হয়।

• সিস্টেম বাস:
- যে সমস্ত বাস মাদারবোর্ড ও সিপিইউ বা মাইক্রোপ্রসেসরের সাথে সরাসরি সংযুক্ত থেকে মেমরি, ইনপুট-আউটপুটসহ অন্যান্য ডিভাইসের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে তথ্য আদান-প্রদান করে তাদেরকে সিস্টেম বাস বলে।
- সিস্টেম বাসকে ইন্টারনাল বাসও বলা হয়।

→ সিস্টেম বাসের প্রকারভেদ:
- ডেটা বাস (Data Bus), 
- অ্যাড্রেস বাস (Address Bus), 
- কন্ট্রোল বাস (Control Bus)। 

• এক্সপানশন বাস:
- যে সকল বাস প্রধান বাসের সাহায্যকারী বাস হিসেবে কাজ করে সেগুলোকে এক্সপানশন বাস (Expansion Bus) বলা হয়। 

→ এক্সপানশন বাসের প্রকারভেদ:
- আইএসএ বাস (ISA Bus), 
-  ইআইএসএ বাস (EISA Bus), 
-  ইউএসবি (USB)
 - ফায়ারওয়্যার বাস (Fireware Bus)
-  এজিপি বাস (AGP Bus),
-  লোকাল বাস (Local Bus): লোকাল বাস দুই প্রকার হয়ে থাকে। যথা- 
ⅰ. ভেসা বাস (VESA Bus), 
ii. পিসিআই বাস (PCI Bus)। 

তথ্যসূত্র:
- মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১.
কোন এককের মাধ্যমে CPU-এর ক্লক স্পিড পরিমাপ করা হয়?
  1. বাইট
  2. হার্টজ
  3. বিট
  4. ভোল্ট
ব্যাখ্যা
• CPU-এর ক্লক স্পিড পরিমাপের একক হলো হার্টজ। 

• ক্লক স্পিড:
- একটি কম্পিউটারের প্রসেসর প্রতি সেকেন্ডে কতগুলো নির্দেশনা সম্পাদন করতে পারে তার পরিমাণকে কম্পিউটারের ক্লক স্পিড বলা হয়। 

• মাইক্রোকম্পিউটারের গতি:
- মাইক্রোকম্পিউটারের গতি বিবেচনা করা হয় সিপিইউ তথা মাইক্রোপ্রসেসরের ক্লক স্পিড (Clock Speed)-এর দ্বারা।
- ক্লক স্পিড পরিমাপ করা হয় প্রতি সেকেন্ডে কতটি স্পন্দন (Pulse) বা টিক সম্পন্ন হয় তার ওপর নির্ভর করে।
- স্পন্দন পরিমাপ করা হয় হার্টজে।
- এই স্পন্দনকেই ক্লক স্পিড (Clock Speed) বলা হয়।
- প্রসেসরের ক্লকটি প্রতি সেকেন্ডে এক মিলিয়ন বার স্পন্দন বা টিক করার সময়কে ১ মেগাহার্টজ হিসেবে অভিহিত করা হয়।
- যেমন- কোনো প্রসেসরের গতি যদি ৩৩ মেগাহার্টজ হয়, তাহলে তার অর্থ হলো প্রতি সেকেন্ড ৩৩,০০০,০০০ স্পন্দন তৈরি হবে।
- অর্থাৎ উক্ত প্রসেসরটি প্রতি সেকেন্ডে ৩৩,০০০,০০০ ইনস্ট্রাকশন আদান-প্রদান করতে পারবে।
- সুতরাং প্রসেসরের স্পিড বা গতি বলতে প্রসেসরটি কত কিলোহার্টজ, মেগাহার্টজ বা গিগাহার্টজের তাই-ই বোঝায়।

তথ্যসূত্র:
- মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
- Intel website. 
১২.
CPU-এর প্রধান কাজ নয় কোনটি?
  1. গাণিতিক যুক্তি সমাধান
  2. যৌক্তিক সিদ্ধান্ত নেওয়া
  3. স্থায়ীভাবে ডাটা সংরক্ষণ করা
  4. নির্দেশনা কার্যকর করা
ব্যাখ্যা
• স্থায়ীভাবে ডাটা সংরক্ষণ করা CPU-এর প্রধান কাজ নয়। 

• সিপিইউ:
- কম্পিউটারের যে অংশ ডেটা প্রক্রিয়াকরণের কাজ করে তাকে সিপিইউ (সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট) বা কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশ বলে।

• সিপিইউ এর বৈশিষ্ট্য:
- কম্পিউটার ব্যবহারকারীর দেওয়া তথ্য ও নির্দেশের ভিত্তিতে ডেটাকে প্রক্রিয়াজাত করে ফলাফল বা আউটপুট প্রদান করে থাকে।
- প্রক্রিয়াকরণের কাজ সম্পাদন করার জন্য কম্পিউটারের ভেতর থাকে প্রক্রিয়াকরণ ইউনিট।
- প্রক্রিয়াকরণ ইউনিটকে প্রক্রিয়াকরণের কাজ করতে আরো কিছু যান্ত্রিক অংশ সহায়ক ভূমিকা পালন করে থাকে। 
- সিপিইউ কম্পিউটারের মস্তিষ্ক বা ব্রেইনস্বরূপ।
- কম্পিউটারের কাজ করার গতি ও ক্ষমতা প্রধানত সিপিইউ-এর ওপর নির্ভরশীল।

• সিপিইউ-এর সংগঠন:
সিপিইউ নিম্নলিখিত তিনটি অংশ নিয়ে গঠিত। যথা-
- গাণিতিক যুক্তি অংশ (Arithmatic Logic Unit)। 
- নিয়ন্ত্রণ অংশ (Control Unit)। 
- স্মৃতি অংশ (Memory Unit)। 

• CPU-এর প্রধান কাজ:
→ গাণিতিক যুক্তি সমাধান:
- ALU (Arithmetic Logic Unit) দ্বারা যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ এবং লজিক্যাল অপারেশন (AND, OR, NOT) সম্পাদন করে।
→ যৌক্তিক সিদ্ধান্ত নেওয়া:
- ALU ও Control Unit যৌক্তিক অপারেশনের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেয় (যেমন: IF...THEN শর্ত)।
→ নির্দেশনা কার্যকর করা:
- Control Unit প্রোগ্রামের প্রতিটি নির্দেশনা পড়ে এবং ALU, রেজিস্টার ইত্যাদিকে পরিচালনা করে।
→ ডেটা স্থানান্তর:
- রেজিস্টার, RAM, এবং I/O ডিভাইসের মধ্যে ডেটা আদান-প্রদান করে।

• ডেটা সংরক্ষণের জন্য RAM, ROM, হার্ড ডিস্ক, বা SSD ব্যবহৃত হয়।
- CPU শুধু অস্থায়ী ডেটা রেজিস্টারে রাখে (যেমন: Cache), যা পাওয়ার অফ করলে মুছে যায়।

তথ্যসূত্র:
- মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
- ব্রিটানিকা।