পরীক্ষা আর্কাইভ

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি

পরীক্ষা১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়17 minutes৩২ বৈধ · অসম্পূর্ণ
মোট প্রশ্ন৩৩
সিলেবাস
পরীক্ষা - ৪৬: বিষয় - বাংলা ভাষা ও ব্যাকরণ টপিক - শব্দ প্রকরণ [শব্দের শ্রেণিবিভাগ; শব্দের উৎসমূল; ধাতু, প্রকৃতি - প্রত্যয়; ক্রিয়ার কাল ও এর প্রয়োগ] এবং বিষয় - বাংলাদেশ বিষয়াবলি টপিক - বাংলাদেশের জাতীয় বিষয়াবলি [বাংলাদেশের ইতিহাস, কৃষ্টি ও সংস্কৃতি সম্পর্কিত] i) বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম ও মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস; মুক্তিযুদ্ধের রণকৌশল; মুক্তিযুদ্ধে বৃহৎ শক্তিবর্গের ভূমিকা; পাকিস্তানী বাহিনীর আত্মসমর্পণ এবং বাংলাদেশের অভ্যুদয়। ii) স্বাধীনতা পরবর্তী সময় থেকে সমসাময়িক ইতিহাস (১৯৭২ সাল থেকে বর্তমান)। ------------------ [এই রুটিনে সারাবছর জুড়ে পরীক্ষা চলমান থাকে। আজ বা যেকোন সময় পরীক্ষা শুরু করা হলেও নির্দিষ্ট সময়ে পুরো সিলেবাস সম্পন্ন হবে]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ৩৩ প্রশ্ন

.
'বালকেরা স্কুলে যাচ্ছে।' - বাক্যটি কোন ধরনের বর্তমান কাল নির্দেশ করে?
  1. বর্তমান অনুজ্ঞা
  2. নিত্য বর্তমান
  3. ঘটমান বর্তমান
  4. সাধারণ বর্তমান
ব্যাখ্যা
ঘটমান বর্তমান:
- যে ক্রিয়ার কাজ বর্তমানে ঘটছে বা চলছে, এখনো শেষ হয়ে যায়নি, তাকে ঘটমান বর্তমান কাল বলে।

যেমন:
- আমার ছোট ভাই লিখছে।
- ছেলেরা এখনো ফুটবল খেলছে।
- টেলিভিশনে রবীন্দ্রনাথের লেখা নাটক দেখাচ্ছে।
- বালকেরা স্কুলে যাচ্ছে।

উৎস: বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, অষ্টম শ্রেণি।
.
কোনটি সাধিত শব্দ?
  1. কলম
  2. গরমিল
  3. নাক
  4. লাল
ব্যাখ্যা
সাধিত শব্দ:
- যেসব শব্দকে বিশ্লেষণ করলে তার মধ্যে এক বা একাধিক অর্থপূর্ণ অংশ থাকে, সেগুলোকে সাধিত শব্দ বলে। উপসর্গ বা প্রত্যয় যোগ করলে অথবা সমাস প্রক্রিয়ায় সাধিত শব্দ তৈরি হয়।

যেমন:
- গরমিল, ('গরমিল' সমাসের ব্যাসবাক্য - "মিলের অভাব"।
- পরিচালক,
- সম্পাদকীয়,
- সংসদ,
- নীলাকাশ ইত্যাদি।

অন্যদিকে:
মৌলিক শব্দ - নাক, লাল, কলম।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিত, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
.
‘ভোরে সূর্য উদয় হয়।’ উদাহরণটি কোন বর্তমান কালের?
  1. পুরাঘটিত
  2. নিত্যবৃত্ত
  3. সাধারণ
  4. কোনোটিই নয়
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: সাধারণ বা নিত্যবৃত্ত বর্তমান। 
অপশনে দ্বৈত উত্তর থাকায় প্রশ্নটি বাতিল করা হলো। 
------------------ 

সাধারণ বর্তমান:
- যে ক্রিয়ার কাজটি বর্তমানে সাধারণভাবে ঘটে বা হয়, তাকে সাধারণ বর্তমান বা নিত্যবৃত্ত বর্তমান কাল বলে।

যেমন:
সকালে সূর্য ওঠে।
ভোরে সূর্য উদয় হয়।
দুই আর দুইয়ে চার হয়।
আমি রোজ বিদ্যালয়ে পড়তে যাই।

উৎস: বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, অষ্টম শ্রেণি।

.
'আল-' কোন ধরনের প্রত্যয়ের উদাহরণ?
  1. সংস্কৃত কৃৎ-প্রত্যয়
  2. বিদেশি তদ্ধিত প্রত্যয়
  3. বাংলা কৃৎ-প্রত্যয়
  4. সংস্কৃত তদ্ধিত প্রত্যয়
ব্যাখ্যা
• 'আল-' বাংলা কৃৎ প্রত্যয়যোগে গঠিত শব্দ:

যেমন:
- √মাত্ + আল= মাতাল,
- √মিশ্ + আল= মিশাল।

এরূপ কিছু বাংলা কৃৎ প্রত্যয় হলো-
 অন্, আ, অনা, অনি, অন্ত, অক, আ, আই, আও, আন, আরি, ই, ইয়া > ইয়ে ইত্যাদি। 

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯-সংস্করণ)।
.
‘কুলি’ শব্দটি কোন ভাষা থেকে আগত? 
  1. ফারসি
  2. আরবি
  3. তুর্কি
  4. বাংলা
ব্যাখ্যা
• 'কুলি' শব্দটি 'তুর্কি' ভাষা হতে আগত।
- এটি একটি বিশেষ্য পদ।

শব্দের অর্থ:
- ভার বহন যার পেশা,
- শ্রমিক,
- মজুর।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
.
'তুমি হয়তো আমাকে এ কথা বলে থাকবে।' - বাক্যটি কোন কালের উদাহরণ?
  1. পুরাঘটিত বর্তমান
  2. পুরাঘটিত ভবিষ্যৎ
  3. ঘটমান ভবিষ্যৎ
  4. সাধারণ ভবিষ্যৎ
ব্যাখ্যা
পুরাঘটিত ভবিষ্যৎ:
- যে ক্রিয়া সম্ভবত ঘটে গিয়েছে এবং সেটি বোঝাতে সাধারণ ভবিষ্যৎ কালবোধক শব্দ ব্যবহার করা হয়, এমন হলে তার কালকে পুরাঘটিত ভবিষ্যৎ কাল বলে।

যেমন:
- তুমি হয়তো আমাকে এ কথা বলে থাকবে।
- সম্ভবত আগামীকাল পরীক্ষার ফল বের হয়ে থাকবে।
- কাঞ্চন বোধহয় কঠিন অঙ্কটা বুঝে থাকবে।

উৎস: বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, অষ্টম শ্রেণি।
.
নিচের কোনটি রূঢ়ি শব্দ?
  1. জলধি
  2. দৌহিত্র
  3. হরিণ
  4. গায়ক
ব্যাখ্যা
রূঢ়ি শব্দ:
- যেসব শব্দ প্রত্যয় ও উপসর্গযোগে মূল শব্দের অনুগামি না হয়ে ভিন্ন অর্থ প্রকাশ করে তাদের রূঢ় বা রূঢ়ি শব্দ বলে।

যেমন:
- বাঁশি, তৈল, সন্দেশ, প্রবীণ, হরিণ, পাঞ্জাবী, হস্তী ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
যৌগিক শব্দ - গায়ক, দৌহিত্র।
যৌগরূঢ় শব্দ - জলধি।

উংস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
.
যে ধাতু বিশ্লেষণ করা যায় না, তাকে বলা হয় -
  1. সংযোগমূলক ধাতু
  2. যৌগিক ধাতু
  3. মৌলিক ধাতু
  4. সাধিত ধাতু
ব্যাখ্যা
মৌলিক ধাতু:
- যেসকল ধাতুকে বিশ্লেষণ করা যায় না, সেগুলোই মৌলিক ধাতু। এগুলোকে সিদ্ধ বা স্বয়ংসিদ্ধ ধাতুও বলা হয়।

যেমন-
- চল্‌, পড়্‌, কর্‌ ইত্যাদি।

মৌলিক ধাতু আবার ৩ প্রকার।
যথা:
ক) বাংলা ধাতু,
খ) সংস্কৃত ধাতু ও
গ) বিদেশি ধাতু।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
.
নিচের কোনটি হিন্দি শব্দ?
  1. রোকড়
  2. আঁতেল
  3. কাঁচি
  4. লাগ
ব্যাখ্যা
• 'রোকড়' শব্দটি 'হিন্দি' ভাষা হতে আগত।
- এটি একটি বিশেষ্য পদ।

শব্দের অর্থ:
- জমাখরচের পাকা হিসাবের খাতা (রোকড়বহি)।

অন্যদিকে,
ফরাসি শব্দ - আঁতেল।
তুর্কি শব্দ - কাঁচি।
দেশি শব্দ- লাগ।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
১০.
'কাঁদন' শব্দের সঠিক প্রকৃতি ও প্রত্যয় কোনটি?
  1. √কাঁদ্ + অন
  2. √কৃ + অন
  3. √কাঁদ্ + অ
  4. √কাদ্ + অন
ব্যাখ্যা
বাংলা কৃৎ প্রত্যয়যোগে শব্দ গঠন:

অ:
- √কাঁদ্ + অ = কাঁদ,
- √ধর্ + অ = ধর,
- √চল্ + অ = চল,
- √পড়ু + অ = পড়।

অন> ওন:
- √নাচ্ + অন = নাচন,
- √কাঁদ্ + অন = কাঁদন।

উৎস: বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, সপ্তম শ্রেণি।
১১.
কোনটি তদ্ধিত প্রত্যয়?
  1. চোরাই
  2. সেবায়েত
  3. জ্বালানি
  4. ডাকাত
ব্যাখ্যা
বাংলা তদ্ধিত প্রত্যয়:
- সংস্কৃত ও বিদেশি প্রত্যয় বাদে বাংলা ভাষার সকল তদ্ধিত প্রত্যয় বাংলা তদ্ধিত প্রত্যয়।

যেমন:
- থাল + আ = থালা,
- চোর + আই = চোরাই।

অন্যদিকে,
কৃৎ প্রত্যয়যোগে শব্দ গঠন - √ডাক্ + আইত = ডাকাইত > ডাকাত, √জ্বাল্ + আনি = জ্বালানি, √সের্ + আইত = সেবাইত > সেবায়েত।

উৎস: বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, অষ্টম শ্রেণি এবং ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
১২.
কোন দুটি যৌগিক শব্দ?
  1. মধুর, বাবুয়ানা
  2. বাবুয়ানা, জলধি
  3. মধুর, গবেষণা
  4. জলধি, তৈল
ব্যাখ্যা
যৌগিক শব্দ:
যে সকল শব্দের ব্যুৎপত্তিগত অর্থ ও ব্যবহারিক অর্থ একই রকম, সেগুলোকে যৌগিক শব্দ বলে।

যেমন:
- গায়ক = গৈ + ণক (অক) অর্থ: গান করে যে।
- কর্তব্য = কৃ + তব্য - অর্থ: যা করা উচিত।
- বাবুয়ানা = বাবু + আনা - অর্থ: বাবুর ভাব।
- মধুর = মধু + র - অর্থ: মধুর মতো মিষ্টি গুণযুক্ত।
- দৌহিত্র = দুহিতা + ষ্ণ্য - অর্থ: কন্যার পুত্র, নাতি।

অন্যদিকে,
রূঢ়ি শব্দ - তৈল, গবেষণা।
যোগরূঢ় শব্দ - জলধি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
১৩.
'কী সব আঁকাআঁকি করছ?' - এখানে 'আঁকাআঁকি' শব্দটি কোন ধাতুযোগে গঠিত?
  1. বাংলা ধাতু
  2. বিদেশি ধাতু
  3. সংস্কৃত ধাতু
  4. কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
বাংলা ধাতু:
- যেসব ধাতু সংস্কৃত থেকে প্রাকৃতের মাধ্যমে পরিবর্তিত হয়ে বাংলায় ব্যবহৃত হয়, তাকে বাংলা ধাতু বা খাঁটি বাংলা ধাতু বলে।

যেমন:
আঁক্ + আ = আঁকা: কী সব আঁকাআঁকি করছ?
দেখ্ + আ = দেখা: জাদুঘর আমার কয়েকবার দেখা।
কর্ + অ = কর: তুমি কী কর?
হাস্ + ই = হাসি: তোমার হাসিটি খুব সুন্দর।

উৎস: বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, অষ্টম শ্রেণি।
১৪.
‘পুলিশ’ শব্দটি কোন ভাষা থেকে এসেছে?
  1. পর্তুগিজ
  2. ইংরেজি
  3. ফরাসি
  4. ওলন্দাজ
ব্যাখ্যা
‘পুলিশ’ শব্দটি 'ইংরেজি' ভাষা থেকে এসেছে।
- এটি একটি বিশেষ্য পদ।

শব্দের অর্থ:
- শান্তিরক্ষা ও অপরাধ দমনের জন্য নিয়োজিত সরকারি বাহিনী;
- কোতোয়াল।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
১৫.
আমরা তখন রোজ সকালে নদী তীরে ভ্রমণ করতাম। - বাক্যটি কোন ধরনের অতীত কাল নির্দেশ করে?
  1. পুরাঘটিত
  2. নিত্যবৃত্ত
  3. ঘটমান
  4. সাধারণ
ব্যাখ্যা
নিত্যবৃত্ত অতীত:
- যে ক্রিয়া অতীতে প্রায়ই ঘটত এমন বোঝায়, তাকে নিত্যবৃত্ত অতীত কাল বলে।

যেমন:
স্কুল ছুটির পর বন্ধুদের সঙ্গে রোজ পড়া নিয়ে আলাপ করতাম।
ছুটিতে প্রতি বছর গ্রামের বাড়িতে বেড়াতে যেতাম।
আমরা তখন রোজ সকালে নদী তীরে ভ্রমণ করতাম।

উৎস: বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, অষ্টম শ্রেণি।
১৬.
কোন শব্দটিতে বিদেশি প্রত্যয় ব্যবহৃত হয়েছে?
  1. বেতানো
  2. ধুনাচি
  3. নজরানা
  4. কানাই
ব্যাখ্যা
বিদেশি তদ্ধিত প্রত্যয়যোগে শব্দ গঠন:

আনা, আনি:
বাবু + আনা = বাবুয়ানা,
সাহেবি + আনা = সাহেবিয়ানা,
নজর + আনা = নজরানা।

খানা:
মুদি + খানা = মুদিখানা,
ছাপা খানা = ছাপাখানা।

অন্যদিকে,
বাংলা তদ্ধিত প্রত্যয়যোগে শব্দ গঠন - কানু + আই = কানাই, ধুনা + আচি = ধুনাচি, বেত + আন্ = বেতান > বেতানো।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ) এবং বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, সপ্তম শ্রেণি।
১৭.
কোনটি আরবি শব্দ নয়?
  1. ইমান
  2. বেহেশত
  3. হালাল
  4. আল্লাহ
ব্যাখ্যা
• 'বেহেশত' শব্দটি ফারসি ভাষার শব্দ।
- এটি একটি বিশেষ্য পদ।

শব্দের অর্থ:
-  স্বর্গ, জান্নাত।

অন্যদিকে,
আরবি শব্দ - ইমান, হালাল, আল্লাহ।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
১৮.
কোনটি সংস্কৃত ধাতু?
  1. অক্
  2. হাস্
  3. কর্
  4. দেখ্
ব্যাখ্যা
সংস্কৃত ধাতু:
- তৎসম ক্রিয়াপদের ধাতুকে সংস্কৃত ধাতু বলে।

যেমন:
অক্ + অন = অঙ্কন: ছোটদের চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতায় বিথু প্রথম হয়েছে।
দৃশ্ + য = দৃশ্য: দুর্ঘটনার মর্মান্তিক দৃশ্য বর্ণনা করা যায় না।
কৃ + তব্য = কর্তব্য: ছাত্রদের কর্তব্য লেখাপড়া করা।
হস্ + য = হাস্য: অকারণ হাস্য-পরিহাস ত্যাগ কর।

অন্যদিকে,
বাংলা ধাতু - দেখ্, কর্, হাস্।

উৎস: বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, অষ্টম শ্রেণি।
১৯.
নিম্নের কোন বাক্যটি পুরাঘটিত অতীত কালের?
  1. আমরা তখন বই পড়ছিলাম।
  2. তুমি কি কাজটি করেছিলে?
  3. বাবা প্রতিদিন বাজার করতেন।
  4. শিকারি পাখিটিকে গুলি করল।
ব্যাখ্যা
পুরাঘটিত অতীত কাল:
- যে ক্রিয়া অতীতের বহু পূর্বেই সংগঠিত হয়ে গিয়েছে এবং যার পরে আরও কিছু ঘটনা ঘটে গেছে, তার কালকে পুরাঘটিত অতীত কাল বলা হয়।

যেমন:
- সেবার তাকে সুস্থই দেখেছিলাম।
- তুমি কি কাজটি করেছিলে?

অন্যদিকে,
সাধারণ অতীত কাল - শিকারি পাখিটিকে গুলি করল।
নিত্যবৃত্ত অতীত - বাবা প্রতিদিন বাজার করতেন।
ঘটমান অতীত কাল - আমরা তখন বই পড়ছিলাম।

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২০.
'কর্তব্য' শব্দের সঠিক প্রকৃতি ও প্রত্যয় কোনটি?
  1. √কৃ + তব্য
  2. √কর্ত + ব্য
  3. √কর্ + তব্য
  4. √কৃত + তব্য
ব্যাখ্যা
সংস্কৃত কৃৎ প্রত্যয়যোগে শব্দ গঠন:

যেমন:
অ(অচ্)
√পট্ + অ = পাঠ, 
√জি + অ = জয়,
√কৃ + তব্য = কর্তব্য ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, সপ্তম শ্রেণি।
২১.
'শিক্ষক ছাত্রদের পড়াচ্ছেন।' - বাক্যে 'পড়াচ্ছেন' কোন ধাতুযোগে গঠিত?
  1. নাম ধাতু
  2. প্রযোজক ধাতু
  3. কর্মবাচ্যের ধাতু
  4. সংযোগমূলক ধাতু
ব্যাখ্যা
প্রযোজক ধাতু:
- মৌলিক ধাতুর পরে (অপরকে নিয়োজিত করা অর্থে) আ-প্রত্যয়যোগে যে ধাতু গঠিত হয়, তাকে প্রযোজক ধাতু বা ণিজন্ত ধাতু বলে।

যেমন:
পড়ু + আ = পড়া: শিক্ষক ছাত্রদের পড়াচ্ছেন।
কর্ + আ = করা: সে নিজে করে না, অন্যকে দিয়ে করায়।
খেল্ + আ = খেলা: 'হা ডু ডু' আমাদের জাতীয় খেলা।

উৎস: বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, অষ্টম শ্রেণি।
২২.
সিপাহী হামিদুর রহমানকে কোথায় সমাহিত করা হয়?
  1. যশোরের কাশিপুর নামক স্থানে
  2. মিরপুর বুদ্ধিজীবী কবরস্থান
  3. চাঁপাইনবাবগঞ্জের সোনা মসজিদ প্রাঙ্গণ
  4. ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ার দরুইন গ্রামে
ব্যাখ্যা
• সিপাহী হামিদুর রহমান:
- সেক্টর: ৪ নং,
- মৃত্যু: ২৮ অক্টোবর, ১৯৭১।
- সমাধিস্থল: মিরপুর বুদ্ধিজীবী কবরস্থান।

অন্যদিকে,
• সিপাহী মোস্তফা কামাল:
- সেক্টর: ২ নং,
- মৃত্যু: ১৮ এপ্রিল, ১৯৭১।
- জন্মস্থান: ভোলা জেলায় দৌলতখান উপজেলার পশ্চিম হাজীপাড়া গ্রামে।
- সমাধি স্থল: ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ার দরুইন গ্রামে।

• ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর:
- সেক্টর: ৭ নং,
- মৃত্যু: ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৭১ (বীরশ্রেষ্ঠদের মধ্যে শেষ শহীদ)।
- সমাধিস্থল: চাঁপাইনবাবগঞ্জের সোনা মসজিদ প্রাঙ্গণ।

• ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান:
- বাংলাদেশ বিমান বাহিনী,
- মৃত্যু: ২০ আগস্ট, ১৯৭১।
- সমাধিস্থল: মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থান।

• নূর মোহাম্মদ শেখ:
- সেক্টর: ৮ নং,
- মৃত্যু: ৫ সেপ্টেম্বর, ১৯৭১।
- সমাধিস্থল: যশোরের কাশিপুর নামক স্থানে।

উৎস: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট ও বাংলাপিডিয়া।
২৩.
মুক্তিযুদ্ধকালীন 'কে' ফোর্সের প্রধান কে ছিলেন?
  1. এ কে খন্দকার
  2. খালেদ মোশাররফ
  3. এ টি এম হায়দার
  4. খাদেমুল বাশার
ব্যাখ্যা
• কে ফোর্স:
- মেজর খালেদ মোশাররফের নেতৃত্বে ‘কে ফোর্স’ গঠিত হয় ৪ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট, ৯ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট, ১০ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট, ১ ফিল্ড ব্যাটারি আর্টিলারি ও একটি সিগন্যাল কোম্পানী সদস্যদের নিয়ে।
- কে ফোর্সের উল্লেখযোগ্য যুদ্ধ সমূহ ছিল দেউশ মন্দভাগ অভিযান, শালদা নদী অভিযান, পরশুরাম, চিতলিয়া, ফুলগাজী, নিলক্ষ্মীর যুদ্ধ, বিলোনিয়ার যুদ্ধ, চাপিলতার যুদ্ধ, কুমিল্লা শহরের যুদ্ধ, নোয়াখালীর যুদ্ধ, কশবার যুদ্ধ, বারচরগ্রাম যুদ্ধ, মিয়াবাজার যুদ্ধ, গাজীপুর যুদ্ধ, সলিয়াদীঘি যুদ্ধ, ফেনী যুদ্ধ, চট্টগ্রাম বিজয় ও ময়নামতি বিজয়।
- তার হেডকোয়ার্টার ছিল মেলাঘর (আগরতলা)।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
২৪.
বাংলাদেশের নৌ কমান্ডারদের দ্বারা পরিচালিত অভিযানের নাম-
  1. অপারেশন সি হান্ট
  2. অপারেশন বিগ বার্ড
  3. অপারেশন জ্যাকপট
  4. অপারেশন কিলোফাইট
ব্যাখ্যা
• অপারেশন জ্যাকপট:
- অপারেশন জ্যাকপট ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে বাঙালি নৌ-কমান্ডোরা বিভিন্ন অভিযানের মাধ্যমে অত্যন্ত অল্প সময়ে যুদ্ধের গতি সম্পর্কে বিশ্বকে ধারণা দিতে সক্ষম হয়।
- ১৯৭১ সালের ১৫ আগস্ট পরিচালিত নৌ-কমান্ডো বাহিনীর প্রথম অভিযান ‘অপারেশন জ্যাকপট’ নামে পরিচিত।
- এদিন রাতে নৌ-কমান্ডোরা একযোগে মংলা, চট্টগ্রাম, চাঁদপুর, নারায়ণগঞ্জ বন্দর আক্রমণ করে এবং পাকিস্তান বাহিনীর ২৬ টি পণ্য ও সমরাস্ত্রবাহী জাহাজ ও গানবোট ডুবিয়ে দেয়।
- মুক্তিযুদ্ধকালে যুদ্ধাঞ্চলকে যে ১১ টি সেক্টরে ভাগ করা হয় এর মধ্যে ১০নং সেক্টরের অধীনে ছিল নৌ-কমান্ডো।
- মূলত সমুদ্র উপকূলবর্তী এলাকা, নদী ও সমুদ্র বন্দরসহ বাংলাদেশের সমগ্র জলপথ নিয়ে এ সেক্টর গঠিত হয়।
-  ১০নং সেক্টরের কোনো নির্দিষ্ট সেক্টর কমান্ডার ছিলেন না।

উৎস: বাংলাপিডিয়া
২৫.
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট কে ছিলেন?
  1. জিমি কার্টার
  2. রিচার্ড নিক্সন
  3. জন এফ কেনেডি
  4. বিল ক্লিনটন
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব:
- যুক্তরাষ্ট্রের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন- রিচার্ড নিক্সন।

- বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় ভারতের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন- ইন্দিরা গান্ধী।
- সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রেসিডেন্ট ছিলেন- নিকোলাই পদগর্নি।
- এই সময় সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন- আলেক্সেই কোসিগিন।
- জাতিসংঘের মহাসচিব ছিলেন- উ থান্ট।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, সপ্তম শ্রেণি।
২৬.
'তেলিয়াপাড়া স্ট্র্যাটেজি' প্রণয়ন করা হয় -
  1. ১৪ এপ্রিল, ১৯৭১ সালে
  2. ৪ এপ্রিল, ১৯৭১ সালে
  3. ৫ মে, ১৯৭১ সালে
  4. ১৫ মে, ১৯৭১ সালে
ব্যাখ্যা
• তেলিয়াপাড়া স্ট্র্যাটেজি:
- ১৯৭১ সালের একাত্তর সালের ৪ এপ্রিল সামরিক বাহিনীর বাঙালি কর্মকর্তারা সিলেটের তেলিয়াপাড়া চা বাগানে এক বৈঠকে মিলিত হন।
- সেখানে তারা মুক্তিযুদ্ধের রণকৌশল প্রণয়ন করে।
- পরে এটি তেলিয়াপাড়া স্ট্র্যাটেজি নামে পরিচিত হয়।
- বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয় এম এ জি ওসমানী যুদ্ধে নেতৃত্ব দেবেন এবং বাংলাদেশকে চারটি সামরিক অঞ্চলে ভাগ করে সশস্ত্র যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়া হবে।
- ১২-১৭ জুলাই কলকাতায় মুজিবনগর সরকারের নেতৃত্বে আমাদের মুক্তিযুদ্ধ সংক্রান্ত একটি দীর্ঘ সম্মেলন হয়, সেখানেই তিনটি নিয়মিত বাহিনী তৈরি এবং বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
২৭.
১৯৭১ সালে সর্বপ্রথম কোন পত্রিকায় পাকিস্তানি বাহিনীর গণহত্যার উপর সাইমন ড্রিং এর প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়?
  1. ডেইলি টেলিগ্রাফ
  2. নিউইয়র্ক টাইমস
  3. নিউজ উইকস
  4. ডেইলি মেইল
ব্যাখ্যা
• অপারেশন সার্চলাইট ও সাইমন ড্রিং:
- ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে পাকবাহিনী 'অপারেশন সার্চলাইট' নামে ইতিহাসের বর্বরতম গণহত্যা চালায়।
- ব্রিটিশ সাংবাদিক সাইমন ড্রিং জীবনের ঝুঁকি নিয়ে হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল এ গোপনে অবস্থান করে এই ধ্বংসযজ্ঞ প্রত্যক্ষ করেন।
- পরে ৩০ মার্চ, ১৯৭১ ডেইলি টেলিগ্রাফ পত্রিকায় 'ট্যাংকস ক্রাশ রিভোল্ড ইন পাকিস্তান' শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে পাকবাহিনীর এর বর্বরতা বহির্বিশ্বে প্রকাশ করেন।

উৎস: সংগ্রামের নোটবুক।
২৮.
১নং সেক্টরের সদরদপ্তর কোথায় ছিল?
  1. মেলাঘর
  2. হরিণা
  3. বুড়ি মাড়ি
  4. বাঁশতলা
ব্যাখ্যা
• ১নং সেক্টর:
- চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রাম জেলা এবং নোয়াখালী জেলার সমগ্র পূর্বাঞ্চল বেলোনিয়া বুলগের মুহুরী নদীর তীরে নিয়ে গঠিত।
- বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সী আব্দুর রব।
- সদরদপ্তর: হরিণা।
- সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর জিয়াউর রহমান, পরে মেজর রফিকুল ইসলামের স্থলাভিষিক্ত হন।

অন্যদিকে,
• ২নং সেক্টর:
- ঢাকা, কুমিল্লা এবং ফরিদপুর জেলা এবং নোয়াখালী জেলার অংশ নিয়ে গঠিত।
- সদরদপ্তর: মেলাঘর।
- সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর খালেদ মোশাররফ, পরে মেজর এটিএম হায়দারের স্থলাভিষিক্ত হন।

• ৫নং সেক্টর:
- সিলেট জেলার দুর্গাপুর থেকে ডাউকি (তামাবিল) এবং জেলার পূর্বসীমা পর্যন্ত বিস্তৃত এলাকা নিয়ে গঠিত।
- বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান।
- সদরদপ্তর: বাঁশতলা
- সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর মীর শওকত আলী।

• ৬নং সেক্টর:
- সমগ্র রংপুর জেলা এবং দিনাজপুর জেলার ঠাকুরগাঁও মহকুমা নিয়ে গঠিত। প্রধানত রংপুর ও দিনাজপুরের ইপিআর বাহিনী নিয়ে এই সেক্টর গঠিত হয়।
- সদরদপ্তর: বুড়ি মাড়ি (বাংলাদেশের ভূখণ্ডের অভ্যন্তরে একমাত্র সদর দপ্তর)।
- সেক্টর কমান্ডার ছিলেন উইং কমান্ডার এম খেদেমুল বাশার।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
২৯.
স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রে ”চরমপত্র” পাঠ করতেন কে?
  1. মাহবুবুল হক
  2. আবদুল মান্নান
  3. এম. আর. আখতার মুকুল
  4. মাজহারুল ইসলাম  
ব্যাখ্যা
• স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র :
- স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ শুরু হওয়ার পরপরই বাংলাদেশের প্রবাসী সরকার কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত বেতার সম্প্রচার কেন্দ্র।
- চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে এর প্রাথমিক যাত্রা শুরু হয়। এই কেন্দ্র থেকেই বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করা হয়েছিল।
- ১৯৭১-এর ৩০ মার্চ পাকিস্তান বিমান বাহিনী কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র লক্ষ্য করে ব্যাপক বোমাবর্ষণ করে। ফলে এটি অচল হয়ে যায়।
- ২৫ মে তারিখ কেন্দ্রটি কলকাতায় স্থানান্তরিত হয় এবং একই দিনে সেখানে এটি তার কার্যক্রম শুরু করে।
- স্বাধীন বাংলা বেতারের অত্যন্ত জনপ্রিয় দুটি অনুষ্ঠান ছিল ‘চরমপত্র‘ ও ‘জল্লাদের দরবার’
- জল্লাদের দরবার-এ জেনারেল ইয়াহিয়া খানের অমানবিক চরিত্র ও পাশবিক আচরণকে তুলে ধরা হতো।
- চরমপত্র সিরিজটি পরিকল্পনা করেন - আবদুল মান্নান ।
- এম.আর আখতার মুকুল, এর উপস্থাপক ছিলেন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৩০.
'জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশন' এর সভাপতি কে?
  1. ড. মুহাম্মদ ইউনূস
  2. আসিফ মাহমুদ সজিব ভূঁইয়া
  3. মীর মুগ্ধ
  4. জেনারেল ওয়াকার-উজ- জামান
ব্যাখ্যা
• জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশন:
- বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে আহতদের যাবতীয় চিকিৎসা ব্যয় সরকার বহন করবে।
- আন্দোলনে যারা আহত হয়েছেন, সরকারি হাসপাতালে তাদের বিনামূল্যে চিকিৎসাসহ যাবতীয় চিকিৎসা ব্যয় বহন করা হবে।
- একইসঙ্গে আন্দোলনে আহত চিকিৎসধীন ছাত্র জনতার চিকিৎসা সেবা সুনিশ্চিতে দেশের সব সরকারি হাসপাতালে আলাদা স্পেশালাইজড ডেডিকেটেড কেয়ার ইউনিট তৈরি করারও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
- জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহিদদের স্মৃতি সংরক্ষণ ও শহিদ পরিবারগুলোকে সহায়তার জন্য গঠন করা হয়েছে 'জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশন'।
- প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস ফাউন্ডেশনের সভাপতি।
- ফাউন্ডেশনের সাত সদস্যের কার্যনির্বাহী কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন- কাজী ওয়াকার আহমদ (কোষাধ্যক্ষ), তথ্য উপদেষ্টা মো. নাহিদ ইসলাম (দপ্তর সম্পাদক) এবং যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজিব ভূঁইয়া, নুরজাহান বেগম ও সমাজকল্যাণ উপদেষ্টা শারমিন এস মুর্শিদ (কার্যনির্বাহী সদস্য)।
- এ ফাউন্ডেশনে প্রধান উপদেষ্টার ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিল থেকে ইতোমধ্যে ১০০ কোটি টাকা অনুদান দেওয়া হয়েছে।

উৎস: তথ্য অধিদফতর
৩১.
মুক্তিযুদ্ধকালে কাদেরিয়া বাহিনী কোন অঞ্চলে সক্রিয় ছিল?
  1. টাঙ্গাইলে
  2. খুলনায়
  3. যশোরে
  4. বরিশালে
ব্যাখ্যা
• মুক্তিযুদ্ধে কাদেরিয়া বাহিনী:
- ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী টাঙ্গাইলে তার নিজস্ব বাহিনী নিয়ে অভিযান পরিচালনা করেন।
- তাঁর বাহিনীর নাম ছিল কাদেরিয়া বাহিনী।
- এ বাহিনী মুক্তিযুদ্ধে টাঙ্গাইলের বিভিন্ন এলাকায় কৃতিত্বের সাথে পাকবাহিনীর মোকাবিলা করে।
- ২৮ মার্চ ভূয়াপুর কলেজের শহীদ মিনারের পাদদেশে ‘ভূঞাপুর সর্বদলীয় সংগ্রাম পরিষদ’-এর সভায় আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করা হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৩২.
মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার জন্য ১০ই এপ্রিল ১৯৭১ সালে সমগ্র বাংলাদেশকে কয়টি অঞ্চলে ভাগ করা হয়?
  1. ৩ টি
  2. ৪ টি
  3. ৮ টি
  4. ১১ টি
ব্যাখ্যা
• মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার জন্য ১০ই এপ্রিল '৭১ বাংলাদেশ সরকার সমগ্র বাংলাদেশকে ৪টি যুদ্ধঅঞ্চলে বিভক্ত করেন।
- এই ৪টি অঞ্চলের দায়িত্বপ্রাপ্ত অধিনায়ক ছিলেন:
ক) চট্টগ্রাম অঞ্চল - মেজর জিয়াউর রহমান,
খ) কুমিল্লা অঞ্চল - মেজর খালেদ মোশাররফ,
গ) সিলেট অঞ্চল - মেজর কে এম সফিউল্লাহ,
ঘ) দক্ষিণ পশ্চিম - অঞ্চল মেজর আবু ওসমান চৌধুরী।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৩৩.
মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য ইউ কে চিং মারমা কোন খেতাব লাভ করেছে?
  1. বীরশ্রষ্ঠ
  2. বীরউত্তম
  3. বীর বিক্রম
  4. বীর প্রতীক
ব্যাখ্যা
• ইউকে চিং (উক্য চিং মারমা):
- মুক্তিযুদ্ধে খেতাবপ্রাপ্ত একমাত্র ক্ষুদ্র-নৃগোষ্ঠীর মুক্তিযোদ্ধা৷
- তিনি বীরবিক্রম খেতাবে সম্মানিত।
- তিনি মারমা সম্প্রদায়ের লোক।
- মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি ইপিআর-এর সদস্য ছিলেন।
- ৬ নং সেক্টরে যুদ্ধ করেন।

উৎস: ডেইলি স্টার ও বান্দরবান জেলা ওয়েবসাইট।