পরীক্ষা আর্কাইভ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

পরীক্ষাডেইলি কুইজ [২০০ দিন]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়09 minutes
মোট প্রশ্ন১৬
সিলেবাস
বিষয় - সাধারণ বিজ্ঞান টপিক - ভৌত বিজ্ঞান: পদার্থ বিজ্ঞান বিষয়ক কাজ, শক্তি ও ক্ষমতা; তাপ ও তাপগতি বিদ্যা, পদার্থের গ্যাসীয় ধর্ম, আলোর প্রকৃতি, স্থির এবং চল তড়িৎ, আলোক বিজ্ঞান ও আলোক যন্ত্রপাতি, ট্রান্সফরমার, এক্সরে, তেজস্ক্রিয়তা। উৎস: ষষ্ঠ থেকে মাধ্যমিক শ্রেণির বিজ্ঞান বোর্ড বই, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শ্রেণির পদার্থ বিজ্ঞান বোর্ড বই [NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়], ব্রিটানিকা, যেকোনো গাইডবই। [গাইড বই থেকে পড়ার ক্ষেত্রে কনফিউজিং বিষয়গুলো ক্রসচেক করে পড়া উত্তম।]। ------------------------ [নির্দেশিকা: এই রুটিনে সারাবছর জুড়ে পরীক্ষা চলমান থাকে। আপনি আজ ১ম পরীক্ষা দেওয়া শুরু করলে ২০০ দিনের মধ্যে পুরো সিলেবাস সম্পন্ন হবে।]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন] · তারিখ অনির্ধারিত · ১৬ প্রশ্ন

.
টেলিফোন ও রেডিওর গ্রাহক যন্ত্রে বিদ্যুৎ শক্তি কোন শক্তিতে রূপান্তরিত হয়?
  1. রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়
  2. শব্দ শক্তিতে রূপান্তরিত হয়
  3. তাপ শক্তিতে রূপান্তরিত হয়
  4. যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়
সঠিক উত্তর:
শব্দ শক্তিতে রূপান্তরিত হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শব্দ শক্তিতে রূপান্তরিত হয়
ব্যাখ্যা
• শক্তির রূপান্তর:
- এক রূপের শক্তিকে রূপান্তর করে যখন অন্য রূপের শক্তিতে রূপান্তর করা হয় তখন একে শক্তির রূপান্তর বলা হয়।
- মানুষ তার চাহিদা অনুসারে শক্তিকে এক রূপ থেকে অন্য রূপে রূপান্তর করে ব্যবহার করছে।

• কতিপয় শক্তির রূপান্তর বণনা করা হল:
১. রাসায়নিক শক্তির রূপান্তর:
- খাদ্য এবং জ্বালানি যেমন তেল, গ্যাস, কয়লা ও কাঠ হচ্ছে রাসায়নিক শক্তির আধার।
- রাসায়নিক বিক্রিয়ার মাধ্যমে খাদ্যের শক্তি দেহে মুক্ত হয় এবং অন্য শক্তিতে রূপান্তরিত হওয়ার সময় দরকারী কাজ করা যায়।
- বিদ্যুৎ কোষ বা ব্যাটারিতে রাসায়নিক শক্তি বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তর হয়।
- বিদ্যুৎ শক্তি আবার বাতির ফিলামেন্টে আলোক শক্তি ও তাপ শক্তিতে রূপান্তর হয়।

২. তাপ শক্তির রূপান্তর:
- স্টীম ইঞ্জিনে তাপের সাহায্যে স্টীম উৎপন্ন করে রেলগাড়ি ইত্যাদি চালানো হয়, এখানে তাপ শক্তি যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তর হয়।
- তড়িৎ প্রবাহের কারণে বাল্বের ফিলামেন্টের মধ্য দিয়ে বাল্বে তাপ শক্তি এবং আলোক শক্তি সৃষ্টি হয়।

৩. আলোক শক্তির রূপান্তর:
- হারিকেনের চিমনিতে হাত দিলে গরম অনুভূত হয়, এখানে আলোক শক্তি তাপ শক্তিতে রূপান্তর হচ্ছে।
- ফটোগ্রাফিক ফিল্মের উপর আলোক সম্পাত করলে রাসায়নিক বিক্রিয়ার মাধ্যমে আলোকচিত্র তৈরি করা হয়, এখানে আলোকশক্তি রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তর হয়।

৪. যান্ত্রিক শক্তির রূপান্তর:
- হাতে হাত ঘষলে তাপ উৎপন্ন হয়, এক্ষেত্রে যান্ত্রিক শক্তি তাপ শক্তিতে রূপান্তর হয়।
- কলমের খালি মুখে ফুঁ দিলে যান্ত্রিক শক্তি শব্দ শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।
- পানি যখন ভূপৃষ্ট হতে উপরে কোন পাত্রে থাকে তখন তাতে বিভব শক্তি সঞ্চিত থাকে, নিচে প্রবাহিত হবার সময় বিভব শক্তি গতি শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।

৫. বিদ্যুৎ শক্তির রূপান্তর:
- বৈদ্যুতিক ইস্ত্রি, হিটার ইত্যাদিতে তড়িৎ শক্তি তাপ শক্তিতে রূপান্তর হয়।
- বৈদ্যুতিক বাল্বে বিদ্যুৎ শক্তি আলোক শক্তিতে রূপান্তর হয়।
- টেলিফোন ও রেডিওর গ্রাহক যন্ত্রে বিদ্যুৎ শক্তি শব্দ শক্তিতে রূপান্তর হয়।
- সঞ্চয়ক কোষে তড়িৎ শক্তি রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তর হয়।

৬. শব্দ শক্তির রূপান্তর:
- কারখানার জীবাণু ধ্বংস করা কিংবা ময়লা জামাকাপড় পরিষ্কার করার জন্য শব্দোত্তর তরঙ্গ ব্যবহার করা হয়, এক্ষেত্রে শব্দ শক্তি যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।

৭. নিউক্লিয় শক্তির রূপান্তর:
- নিউক্লিয় সাবমেরিনে নিউক্লিয় শক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তর করা হয়।
- নিউক্লিয় বোমার ধ্বংস লীলা নিউক্লীয় শক্তির রূপান্তর ভিন্ন আর কিছুই নয়।
- নিউক্লিয় চুল্লীতে নিউক্লীয় শক্তি অন্যান্য শক্তি বিশেষ করে তড়িৎ শক্তিতে রূপান্তর হলে শক্তির চাহিদা অনেকাংশেই পূরণ করে থাকে।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
পানিতে কোনো বস্তুর প্রকৃত অবস্থান দেখা না যাওয়ার কারণ কী?
  1. আলোর প্রতিসরণ
  2. আলোর প্রতিফলন
  3. আলোর বিক্ষেপণ
  4. খ ও গ
সঠিক উত্তর:
আলোর প্রতিসরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আলোর প্রতিসরণ
ব্যাখ্যা
• আলো:
- আলো এক প্রকার শক্তি বা বাহ্যিক কারণ যা চোখে প্রবেশ করে দর্শনের অনুভূতি জন্মায়।
- আলোর বেগ প্রতি সেকেন্ডে 3 × 108 মিটার, বা ১ লক্ষ ৮৬ হাজার মাইল এবং কিলোমিটারে আলোর গতি ৩ লাখ কিলোমিটার।
- সূর্য হতে পৃথিবীর দূরত্ব ১৫ কোটি কিলোমিটার। সূর্য হতে পৃথিবীতে আলো আসতে সময় লাগবে ৫০০ সেকেন্ড বা ৮ মিনিট ২০ সেকেন্ড।
- আলো এক সেকেন্ডে যায় ৩,০০,০০০ কিলোমিটার। আলো এই গতিতে চলে এক বছরে অর্থাৎ ৩৬৫ দিনে যে দূরত্ব অতিক্রম করে তাই হলো এক আলোক বর্ষ।
- এক আলোক বর্ষ হলো প্রায় ৯.৪৬ × ১০১৫ মিটার বা ৯.৪৬ × ১০১২ কিলোমিটার।

• আলোর প্রতিসরণ:
- আলো যখন এক স্বচ্ছ মাধ্যম থেকে অন্য স্বচ্ছ মাধ্যমের বিভেদতলে আপতিত হয় তখন ২য় মাধ্যমে আলোর গতিপথের দিক পাল্টে যাওয়াকে আলোর প্রতিসরণ বলে।
- আলো এক স্বচ্ছ মাধ্যম থেকে অন্য স্বচ্ছ মাধ্যমে যাওয়ার সময় প্রতিসরিত আলোকরশ্মি অভিলম্ব হতে সরে যায় বা অভিলম্বের দিকে আসে।
- বিষয়টি দুইটি মাধ্যমের ঘনত্বের উপর নির্ভর করে।
- আলোর প্রতিসরণের জন্য বস্তুর প্রকৃত অবস্থান দেখা যায় না।

• আলোর প্রতিফলন:
- আলোক রশ্মি যখন কোন স্বচ্ছ ও সমসত্ব মাধ্যম থেকে এসে অন্য এক মাধ্যমের বিভেদ তলে আপতিত হয়, তখন ওই আলোক রশ্মির কিছু অংশ দ্বিতীয় মাধ্যমের তল থেকে দিক পরিবর্তন করে আবার প্রথম মাধ্যমের ফিরে আসে, একে আলোর প্রতিফলন বলে।

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
.
তাপ পরিমাপক যন্ত্র-
  1. হাইড্রোমিটার
  2. অ্যালটিমিটার
  3. ক্যালরিমিটার
  4. স্ফিগমেমোমিটার
সঠিক উত্তর:
ক্যালরিমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্যালরিমিটার
ব্যাখ্যা
• তাপ:
- তাপ হল বস্তুর বা পদার্থের অভ্যন্তরস্থ অণুসমূহের গতির সঙ্গে সম্পর্কিত এক প্রকার শক্তি যা ঠান্ডা ও গরমের অনুভূতি সৃষ্টি করে।
- তাপ শক্তির একটি রূপ, তাই শক্তি তথা কাজের এককই তাপের একক।
- তাপের SI একক জুল (J)।
- এক সময় তাপ পরিমাপের জন্য একক ধরা হতো ক্যালরি। এটি মেট্রিক পদ্ধতির একক যা পুষ্টি বিজ্ঞানে ব্যবহৃত হয়।
- 1 গ্রাম পানির তাপমাত্রা 1° C বাড়াতে বা কমাতে যতটা তাপের প্রয়োজন তাকে 1 ক্যালরি (Cal) ধরা হতো।
- 4.2 জুল যান্ত্রিক শক্তি 1 ক্যালরি তাপের সমতুল্য। তাই, 1 ক্যালরি = 4.2 জুল।
- তাপ পরিমাপক যন্ত্র ক্যালরিমিটার।
- তাপের প্রবাহ তাপের পরিমাণের ওপর নির্ভর করে না।
- দুটি বস্তুর তাপের পরিমাণ এক হলেও এদের তাপমাত্রার পরিমাণ ভিন্ন হতে পারে।

• আরো কিছু পরিমাপক যন্ত্র:
- তাপমাত্রা পরিমাপক যন্ত্র - থার্মোমিটার।
- সমুদ্রের গভীরতা পরিমাপক যন্ত্র - ফ্যাদোমিটার।
- উচ্চতা পরিমাপক যন্ত্র - অ্যালটিমিটার।
- আর্দ্রতা পরিমাপক যন্ত্র - হাইড্রোমিটার।
- ভূমিকম্প পরিমাপক যন্ত্রের নাম - সিসমোগ্রাফ।
- ভূমিকম্পের মাত্রা নির্ণায়ক যন্ত্রের নাম - রিখটার স্কেল।
- বায়ুর চাপ নির্ণায়ক যন্ত্ৰ - ব্যারোমিটার।
- উড়োজাহাজের গতি নির্ণায়ক যন্ত্র -ট্যাকোমিটার।
- আটিয়াল ও রক্তের চাপ মাপক যন্ত্র - স্ফিগমেমোমিটার।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
বৈদ্যুতিক উপায়ে, AC কে DC তে রূপান্তর করে একমুখীকরণ করতে কোন মেশিন ব্যবহার করা হয়?
  1. ট্রান্সফর্মার
  2. রেকটিফায়ার
  3. ডায়নামো
  4. মোটর
সঠিক উত্তর:
রেকটিফায়ার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রেকটিফায়ার
ব্যাখ্যা
• রেকটিফায়ার:
- যে সার্কিট অলটারনেটিং বা AC কারন্টকে ডাইরেক্ট বা DC কারেন্টে রূপান্তর করে তা রেকটিফায়ার।
- একমুখীকরণের কাজটি যে যন্ত্র দ্বারা সম্পন্ন করা হয় তাকে রেকটিফায়ার বলে।
- ডায়োড যখন সম্মুখী ঝোঁকে থাকে তখন এর মধ্য দিয়ে তড়িৎ প্রবাহিত হয় এবং যখন এটি বিমুখী ঝোঁকে থাকে তখন এর মধ্য দিয়ে তড়িৎ প্রবাহিত হয় না।
- জাংশন ডায়োডের এ বিশেষ ধর্মকে কাজে লাগিয়ে রেকটিফিকেশন বা একমুখীকরণের কাজটি সম্পন্ন করা হয়।
- এটি মূলত AC কারেন্টকে পালসেটিং DC তে রূপান্তর করে।
- অধিকাংশ ইলেকট্রিক সার্কিট লো- ভোল্টেজ এবং লো-ডি.সি. কারেন্টে চলে।
- এই বিপুল পরিমাণ পাওয়ারের চাহিদা মেটাতে সেল ব্যবহার সাশ্রয়ী নয়।
- তাই এ.সি. কে প্রয়োজনীয় মানে কমিয়ে ডি.সি. তে রূপান্তরিত করে ব্যবহার করা হয়।

• রেকটিফায়ার সার্কিটের প্রকারভেদ:
১. হাফ ওয়েভ রেকটিফায়ার (Half Wave Rectifier)
২. ফুল ওয়েভ রেকটিফায়ার (Full Wave Rectifier)
৩. সেন্টার ট্যাপ ফুল ওয়েভ রেকটিফায়ার (Center Tape Full Wave Rectifier)
৪.ব্রীজ ফুল ওয়েভ রেকটিফায়ার (Bridge Full Wave Rectifier)।

উৎস:
১. পদার্থ দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. www.eeebangla.com.
.
কোনটি এক্সরের ধর্ম নয়?
  1. আলোর ন্যায় প্রতিফলন, প্রতিসরণ, অপবর্তন এবং পোলারণ ঘটে।
  2. এই রশ্মি গ্যাসের মধ্য দিয়ে গমনের সময় গ্যাসকে আয়নিত করে না।
  3. এক্সরের ভেদন ক্ষমতা অত্যধিক।
  4. এক্সরে তড়িৎ ক্ষেত্র ও চুম্বক ক্ষেত্র দ্বারা বিক্ষিপ্ত হয় না।
সঠিক উত্তর:
এই রশ্মি গ্যাসের মধ্য দিয়ে গমনের সময় গ্যাসকে আয়নিত করে না।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এই রশ্মি গ্যাসের মধ্য দিয়ে গমনের সময় গ্যাসকে আয়নিত করে না।
ব্যাখ্যা
• এক্স-রে :
- জার্মান পদার্থবিদ উইলহেলম রন্টজেন এক্স-রশ্মি আবিষ্কার করেন।
- ১৮৯৫ সালে এক্স-রশ্মি আবিষ্কৃত হয়। এক্স-রশ্মি আবিষ্কারের জন্য বিজ্ঞানী রনজেন ১৯০১ সালে নোবেল পুরস্কার পান।
- এটি একটি তড়িৎচুম্বকীয় তরঙ্গ।
- এক্স-রশ্মির তরঙ্গদৈর্ঘ্য 10- 8 m থেকে 10- 13 m পর্যন্ত।

• এক্স-রে এর ধর্ম:
১. এক্সরে সরল পথে গমন করে।
২. এক্সরে অদৃশ্য রশ্মি। সাধারণ আলো রেটিনায় পড়লে দৃষ্টির অনুভূতি জাগায় কিন্তু এর ক্ষেত্রে এমন ঘটে না।
৩. এক্সরে তাড়িতচুম্বকীয় আড় তরঙ্গ।
৪. এর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের চেয়ে অনেক ছোট।
৫. এটি আলোর সমবেগে গমন করে।
৬. আলোর ন্যায় প্রতিফলন, প্রতিসরণ, অপবর্তন এবং পোলারণ ঘটে।
৭. এই রশ্মি আলো তড়িৎ ক্রিয়া প্রদর্শণ করে।
৮. এক্সরে ফটোগ্রাফিক প্লেটে প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে।
৯. এক্সরে তড়িৎ ক্ষেত্র ও চুম্বক ক্ষেত্র দ্বারা বিক্ষিপ্ত হয় না। সুতরাং এর কোন চার্জ নাই।
১০. এই রশ্মি গ্যাসের মধ্য দিয়ে গমনের সময় গ্যাসকে আয়নিত করে।
১১. এক্সরে প্রতিপ্রভা সৃষ্টি করতে পারে।
১২. এক্সরের ভেদন ক্ষমতা অত্যধিক।
১৩. এক্সরে জীবন্ত কোষকে ধ্বংস করতে পারে।

উৎস: বিজ্ঞান এবং পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
তড়িৎ কোন দিকে প্রবাহিত হয়?
  1. ঋণাত্নক পাত থেকে ধনাত্নক পাতে
  2. নিম্ন বিভব থেকে উচ্চ বিভবে
  3. উচ্চ বিভব থেকে নিম্ন বভবে
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
উচ্চ বিভব থেকে নিম্ন বভবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উচ্চ বিভব থেকে নিম্ন বভবে
ব্যাখ্যা
• তড়িৎ প্রবাহ:
- দুটি ভিন্ন বিভবের ধাতব বস্তুকে যখন পরিবাহী তার দ্বারা যুক্ত করা হয় তখন তারের মধ্য দিয়ে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হয়।
- নিম্ন বিভবসম্পন্ন ধাতব বস্তু থেকে ঋণাত্মক আধানযুক্ত ইলেকট্রন উচ্চ বিভবসম্পন্ন ধাতব বস্তুর দিকে প্রবাহিত হয়। যতক্ষণ পর্যন্ত ধাতব বস্তুর মধ্যে বিভব পার্থক্য বর্তমান থাকে ততক্ষণ পর্যন্ত ঋণাত্মক আধানের এই প্রবাহ চলে।
- কোনোভাবে যদি ধাতব বস্তুদ্বয়ের মধ্যবর্তী বিভব পার্থক্য বজায় রাখা যায় তখন এই প্রবাহ নিরবচ্ছিন্নভাবে চলতে থাকে।
- ঋণাত্মক আধান বা ইলেকট্রনের এই প্রবাহের জন্যই তড়িৎ প্রবাহিত হয়।
- মূলত কোনো পরিবাহীর যেকোনো প্রস্থচ্ছেদের মধ্য দিয়ে একক সময়ে যে পরিমাণ আধান প্রবাহিত হয় তাই হলো তড়িৎ প্রবাহ।
- প্রচলিত তড়িৎ প্রবাহের দিক ইলেকট্রন প্রবাহের বিপরীত দিকে হয়।
-অর্থাৎ ইলেকট্রন নিম্ন বিভব থেকে উচ্চ বিভবের দিকে প্রবাহিত হয় কিন্তু তড়িৎ প্রবাহিত হয় উচ্চ বিভব থেকে নিম্ন বিভবের দিকে।
- তড়িৎ প্রবাহের একক হলো অ্যাম্পিয়ার।
- একে সাধারণত A দ্বারা প্রকাশ করা হয়।

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।
.
রেফ্রিজারেটরে প্রধানত কোন উদ্বায়ী পদার্থটি ব্যবহৃত হয়?
  1. ফ্রেয়ন
  2. কর্পূর
  3. হাইড্রোজেন
  4. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ফ্রেয়ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফ্রেয়ন
ব্যাখ্যা
• রেফ্রিজারেটর:
- রেফ্রিজারেটরের শীতলীকরণ প্রকোষ্ঠকে ঘিরে থাকে তামার তৈরি ফাপা নলের কুন্ডলী, একে বাষ্পীভবন কুন্ডলী বলে।
- এই কুন্ডলীর মধ্যে উদ্বায়ী পদার্থ ফ্রেয়ন ব্যবহার করা হয়।
- ফ্রেয়ন হচ্ছে ডাইক্লোরােডাইফ্লোরাে মিথেন।
- এই নলের সাথে একটি সংকোচন পাম্প সংযুক্ত থাকে।
- পাম্প চালু করা হলে নলের ভিতরের চাপ কমে যাওয়ায় ফ্রেয়ন দ্রুত বাষ্পীভূত হয়।
- এজন্য যে সুপ্ততাপ প্রয়ােজন তার খানিকটা ফ্রেয়ন নিজে সরবরাহ করে আর বাকীটা আসে শীতলীকরণ প্রকোষ্ঠ থেকে, ফলে শীতলীকরণ ঘটে।

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
ডায়োডে কোন অংশকে পজেটিভ বা ফরোয়ার্ড বেস টার্মিনাল বলা হয়?
  1. ক্যাথোড
  2. অ্যানোড
  3. ট্রান্সফরমার
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
অ্যানোড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যানোড
ব্যাখ্যা
• ডায়োড:
- একটি p টাইপ অর্ধপরিবাহী ও একটি n টাইপ অর্ধপরিবাহী পাশাপাশি জোড়া লাগিয়ে p-n জাংশন তৈরি করা হয়, এই p-n জাংশনই হচ্ছে ডায়োড।
- ডায়োড শব্দটি ‘ডাই’ এবং ‘ইলেক্ট্রোড’ এই দুইটি কথার সমন্নয়ে গঠিত।
- দুই ইলেক্ট্রোড বিশিষ্ট্র ইলেক্ট্রনিকস কম্পোনেন্টই হলো ডায়োড।
- ডায়োড এমন একটি ইলেকট্রনিক ডিভাইস, যেখানে ব্যাটারির এক ধরনের সংযোগে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হয়, উল্টো সংযোগে হয় না।
- ডায়োড মূলত রেকটিফায়ার হিসেবে কাজ করে।
- রেকটিফায়ার এসি প্রবাহকে ডিসি প্রবাহে রূপান্তর করে।
- ডায়োডের দুইটা বর্তর্নী রয়েছে যার একটি অ্যানোড এবং অন্যটি ক্যাথোড।
- সাধারণত অ্যানোডকে পজেটিভ বা ফরোয়ার্ড বেস টার্মিনাল এবং ক্যাথোডকে নেগেটিভ রিভার্স বেস টার্মিনাল বলা হয়।

উৎস:
১. পদার্থবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।
.
কোনটি ব্যবহার করে তেজস্ক্রিয়তা আবিষ্কার করা হয়?
  1. হিলিয়াম
  2. সোডিয়াম
  3. ইউরেনিয়াম
  4. পটাসিয়াম
সঠিক উত্তর:
ইউরেনিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইউরেনিয়াম
ব্যাখ্যা
• তেজস্ক্রিয়তা:
- বিজ্ঞানী হেনরী বেকরেল সর্বপ্রথম লক্ষ করেন যে, ইউরেনিয়াম ও ইউরেনিয়ামের যৌগ হতে অবিরাম স্বতঃস্ফ‚র্তভাবে এক প্রকার কণা এবং রশ্মি নির্গত হয়।
- পরবর্তীতে পিয়ারে কুরী এবং তাঁর স্ত্রী মাদাম কুরী থোরিয়ামের মধ্যে এই একই গুণ আবিষ্কার করেন।
- কোন পদার্থ হতে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অবিরাম এরূপ কণা বা রশ্মি নির্গত হওয়াকে তেজস্ক্রিয়তা বলে এবং যে পদার্থ হতে এরূপ কণা বা রশ্মি নির্গত হয় তাকে তেজস্ক্রিয় পদার্থ বলে।
- ইউরেনিয়াম ব্যবহার করে তেজস্ক্রিয়তা আবিষ্কার করা হয়।
- ১৮৯৬ সালে ফরাসি বিজ্ঞানী হেনরি বেকরেল সর্বপ্রথম তেজস্ক্রিয়তা আবিষ্কার করেন।
- তেজস্ক্রিয়তার একক বেকরেল।

• তেজস্ক্রিয় পদার্থসমূহ:
- রেডন (Rn)
- রেডিয়াম (Ra)
- থোরিয়াম (Th)
- ইউরেনিয়াম (U)

• তেজস্ক্রিয়তা দুই প্রকার। যথা:
১. প্রাকৃতিক তেজস্ক্রিয়তা:
- কোন পদার্থ হতে স্বতঃস্ফ‚র্তভাবে যে তেজস্ক্রিয়তা ঘটে, তাকে প্রাকৃতিক তেজস্ক্রিয়তা বলে।

• প্রাকৃতিক তেজস্ক্রিয়তার উদাহরণ:

- ইউরেনিয়াম,
- রেডিয়াম,
- থোরিয়াম প্রভৃতি।

২. কৃত্রিম তেজস্ক্রিয়তা:
- কৃত্রিম উপায়ে কোন মৌলকে তেজস্ক্রিয় মৌলে পরিণত করলে যে তেজস্ক্রিয়তা ঘটে, তাকে কৃত্রিম তেজস্ক্রিয়তা বলে।
- কোন পরমাণুর নিউক্লিয়াসে দ্রুত গতিসম্পন্ন চার্জিত কণা দিয়ে আঘাত করলে উহাকে তেজস্ক্রিয় মৌলে পরিণত করা যায়।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০.
নিচের কোনটি ক্ষমতার মাত্রা?
  1. ML - 2T - 3
  2. ML1T - 2
  3. ML2T - 3
  4. ML - 2T 3
সঠিক উত্তর:
ML2T - 3
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ML2T - 3
ব্যাখ্যা
• ক্ষমতা:
- একটি নির্দিষ্ট সময়ে কি পরিমাণ কাজ সম্পন্ন হয় তা দ্বারা ক্ষমতার পরিমাপ করা হয়।
- ক্ষমতা P দ্বারা প্রকাশ করা হয়।
- ক্ষমতার এস.আই একক ওয়াট।
- ক্ষমতার আরেকটি একক হল অশ্বক্ষমতা (HP) ।
- কোনো যন্ত্রে F পরিমাণ বল প্রয়োগের ফলে যন্ত্রটি যদি বলের দিকে বেগ প্রাপ্ত হয় তবে বল এবং বেগের গুণফল হবে ঐ যন্ত্রের ক্ষমতা।
- ক্ষমতার মাত্রা ML2T - 3
- এক অশ্বক্ষমতা (HP) = ৭৪৬ ওয়াট।

সুতরাং, ক্ষমতা, P = সম্পন্ন কাজ (W) /প্রয়োজনীয় সময় (T)।
⇒ P = (বল × সরণ)/সময়
⇒ P = বল (F) × বেগ (v)
∴ P = Fv

উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১.
নিচের কোন প্রক্রিয়ায় তাপ তরঙ্গ আকারে সঞ্চালিত হয়?
  1. বিকিরণ পদ্ধতি
  2. পরিচলন পদ্ধতি
  3. পরিবহন পদ্ধতি
  4. সংবহন পদ্ধতি
সঠিক উত্তর:
বিকিরণ পদ্ধতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিকিরণ পদ্ধতি
ব্যাখ্যা
• তাপ সঞ্চালন:
- তাপ বেশি তাপমাত্রার স্থান থেকে কম তাপমাত্রার স্থানে যেতে পারে। তাপের এই স্থান পরিবর্তনকে তাপ সঞ্চালন বলে।
- তাপ সঞ্চালন তিন প্রক্রিয়ায় সংঘটিত হয়। যথা:
১. পরিবহন,
২. পরিচলন ও
৩. বিকিরণ।

• বিকিরণ পদ্ধতি:
- যে প্রক্রিয়ায় তাপ কোনো জড় মাধ্যম ছাড়াই অপেক্ষাকৃত উষ্ণতর স্থান থেকে শীতলতর স্থানে সঞ্চালিত হয় সেই প্রক্রিয়াকে তাপের বিকিরণ বলে।
- সূর্য থেকে আমরা তাপ পাই।
- বিকিরণ পদ্ধতিতে যে তাপ এক স্থান থেকে অন্য স্থানে সঞ্চালিত হয় তাকে বিকীর্ণ তাপ বলে।
- বিকীর্ণ তাপ শক্তি ও আলোক শক্তির মধ্যে সাদৃশ্য বিদ্যমান।
- তাই সূর্য থেকে তাপ ও আলোক শক্তি তরঙ্গাকারে এক সাথে পৃথিবীতে পৌঁছায়।
- সূর্য এবং পৃথিবীর মধ্যে দূরত্ব 1.5 × 108 কি.মি।
- এর প্রায় পুরোটাই শূন্য, কোনো জড় মাধ্যম নেই।
- সূর্য থেকে পৃথিবীতে তাপ আসে বিকিরণ পদ্ধতিতে।

• পরিচলন পদ্ধতি:
- কোনো পদার্থের অণুগুলি তাপ গ্রহণ করে, উষ্ণতর অংশ থেকে শীতলতর অংশের দিকে অণুগুলি চলাচলের মাধ্যমে তাপের সঞ্চালন ঘটায় এই পদ্ধতিকেই পরিচলন পদ্ধতি বলা হয়।
- তরল এবং বাষ্পীয় পদার্থের মধ্যে তাপ পরিচলন পদ্ধতির মাধ্যমে সঞ্চালিত হয়।

• পরিবহন পদ্ধতি:
- যে পদ্ধতিতে পদার্থের অণুগুলি তাদের স্থান পরিবর্তন করে না, শুধুমাত্র অণুগুলি স্পন্দনের মাধ্যমে এক অণু পার্শ্ববর্তী অণুকে তাপ প্রদান করে। এভাবেই পদার্থের উষ্ণতর অংশ থেকে শীতলতম অংশের দিকে তাপ সঞ্চালিত হওয়াকে পরিবহন বলা হয়।
- কঠিন বস্তুতে পরিবহন পদ্ধতিতে তাপ সঞ্চালিত হয়।

উৎস:
১. পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
২. পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২.
গ্যাসীয় পদার্থে কোনটি বিদ্যমান থাকে?
  1. নির্দিষ্ট আয়তন
  2. নির্দিষ্ট ভর
  3. নির্দিষ্ট আকার
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
নির্দিষ্ট ভর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নির্দিষ্ট ভর
ব্যাখ্যা
• বায়বীয় পদার্থ:
- গ্যাসীয় বা বায়বীয় পদার্থের নির্দিষ্ট ভর আছে কিন্তু নির্দিষ্ট আকার কিংবা নির্দিষ্ট আয়তন নেই।
- যেকোনো পরিমাণ গ্যাসীয় পদার্থ যেকোনো আয়তনের পাত্রে রাখলে গ্যাসীয় পদার্থ সেই পাত্রের পুরো আয়তন দখল করে।
- গ্যাসীয় পদার্থের কণাগুলো কঠিন ও তরলের চেয়ে বেশি দূরে দূরে অবস্থান করে বলে এদের আন্তঃকণা আকর্ষণ বল খুবই কম।

• উদাহরণ:
- অক্সিজেন,
- কার্বন ডাই-অক্সাইড,
- হাইড্রোজেন,
- নাইট্রোজেন,
- অ্যামোনিয়া ইত্যাদি।

উৎস:
১. রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
১৩.
আলোর প্রতিসরণের সূত্র আবিষ্কার করেন কে?
  1. স্নেল
  2. গিলবার্ট
  3. রবার্ট হুক
  4. হাইগেন
সঠিক উত্তর:
স্নেল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্নেল
ব্যাখ্যা
• প্রতিসরণ:
- এক স্বচ্ছ মাধ্যম থেকে অন্য স্বচ্ছ মাধ্যমে যাওয়ার সময় দুই মাধ্যমের বিভেদ তলে তীর্যকভাবে আপতিত আলোক রশ্মির দিক পরিবর্তনের ঘটনাকে আলোর প্রতিসরণ বলে।
অর্থাৎ, দুটি স্বচ্ছ মাধ্যমের বিভেদ তলে আলোক রশ্মির দিক পরিবর্তনের ঘটনাকে আলোর প্রতিসরণ বলে।
- বিভেদ তলের উপর আপতন বিন্দুতে অঙ্কিত লম্বকে অভিলম্ব বলে।
- আপতন বিন্দুতে আপতিত রশ্মি ও অভিলম্বের মধ্যে সৃষ্ট কোণকে আপতন কোণ এবং প্রতিসরিত রশ্মি ও অভিলম্বের মধ্যে সৃষ্ট কোণকে প্রতিসরণ কোণ বলে।

• প্রতিসরণের সূত্র (Laws of Refraction):
- আলোর প্রতিসরণ দু'টি সূত্র মেনে চলে এদের প্রতিসরণের সূত্র বলে।
- ১৬২০ সালে বিজ্ঞানী স্নেল (Willebrord Snellius) সর্বপ্রথম এ সূত্র প্রকাশ করেন। তাই এ সূত্রগুলোকে স্নেলের সূত্রও বলা হয়।
- সূত্র দু'টি হলো-
১. দুই মাধ্যমের বিভেদ তলে আপতিত রশ্মি, আপতন বিন্দুতে অঙ্কিত অভিলম্ব এবং প্রতিসরিত রশ্মি একই সমতলে অবস্থান করে।
২. এক জোড়া নির্দিষ্ট মাধ্যম এবং নির্দিষ্ট বর্ণের আলোর জন্য আপতন কোণের সাইন এবং প্রতিসরণ কোণের সাইনের অনুপাত সর্বদা ধ্রুব।
অর্থাৎ, sin i/sin r = একটি ধ্রুব (সংখ্যা)।

• অপশন আলোচনা:
- রবার্ট হুক পদার্থের স্থিতিস্থাপকতার সূত্র আবিষ্কার করেন।
- বিজ্ঞানী হাইগেনস আলোর তরঙ্গ তত্ত্বের ব্যাখ্যা প্রদান করেন।
- ডা. গিলবার্ট চুম্বকত্ব নিয়ে গবেষণা করেন। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৪.
কোন প্রক্রিয়ায় বৈদ্যুতিক রোধের মধ্য দিয়ে বিদ্যুৎ প্রবাহ চালনা করলে তাপের সৃষ্টি হয়?
  1. অপ্রত্যাবর্তী প্রক্রিয়া
  2. সমোষ্ণ প্রক্রিয়া
  3. প্রত্যাবর্তী প্রক্রিয়া
  4. উভমুখী প্রক্রিয়া
সঠিক উত্তর:
অপ্রত্যাবর্তী প্রক্রিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপ্রত্যাবর্তী প্রক্রিয়া
ব্যাখ্যা
• প্রত্যাবর্তী ও অপ্রত্যাবর্তী প্রক্রিয়া:
- কোনো সিস্টেম যখন এক অবস্থা থেকে অন্য অবস্থায় যায় বা পরিবর্তিত হয়, তখন অবস্থার এ পরিবর্তন দু'ভাবে সংঘটিত হতে পারে। যথা:

১. প্রত্যাবর্তী প্রক্রিয়া:
- যে প্রক্রিয়া বিপরীতমুখী হয়ে প্রত্যাবর্তন করে এবং সম্মুখবর্তী ও বিপরীতমুখী প্রক্রিয়ার প্রতি স্তরে তাপ ও কাজের ফলাফল সমান ও বিপরীত হয়, সে প্রক্রিয়াকে প্রত্যাবর্তী বা প্রত্যাগামী প্রক্রিয়া বলে।

• প্রত্যাবর্তী প্রক্রিয়ার উদাহরণ:
১. আমরা জানি, বরফ তাপ শোষণ করে পানিতে পরিণত হয়। এখন যদি সেই পানি থেকে সমপরিমাণ তাপ অপসারণ করে সমআয়তনের বরফ পাওয়া যায়, তবে এটি প্রত্যাবর্তী প্রক্রিয়ার একটি উদাহরণ।

২. স্থিতিস্থাপক সীমার মধ্যে খুব ধীরে ধীরে কোনো স্প্রিংকে সম্প্রসারণ করতে প্রতি ধাপে স্প্রিং এর উপর যে পরিমাণ কাজ করা হবে, সংকোচনের সময় স্প্রিংটিও সেই একই পরিমাণ কাজ সম্পন্ন করবে।

৩. অল্প উপর থেকে একটি স্থিতিস্থাপক বলকে একটি স্থিতিস্থাপক ইস্পাত পাতের উপর ফেলা হলে বলটি যদি | প্রাথমিক উচ্চতা পর্যন্ত উপরে উঠে আসে তবে বোঝা যাবে যে, শক্তির কোনো অপচয় হয়নি। সুতরাং প্রক্রিয়াটি প্রত্যাবর্তী।

২. অপ্রত্যাবর্তী প্রক্রিয়া:
- যে প্রক্রিয়া বিপরীতমুখী হয়ে প্রত্যাবর্তন করতে পারে না অর্থাৎ সম্মুখবর্তী ও বিপরীতমুখী প্রতি স্তরে তাপ ও কাজের ফলাফল সমান ও বিপরীত হয় না তাকে অপ্রত্যাবর্তী প্রক্রিয়া বলে।
- প্রকৃতিতে যে সমস্ত পরিবর্তন বা রূপান্তর নিজ থেকেই ঘটে সেগুলোকে স্বতঃস্ফূর্ত পরিবর্তন বলে। যেমন- তাপ সবসময়ই উচ্চতর তাপমাত্রা থেকে নিম্নতর তাপমাত্রার দিকে প্রবাহিত হবে, বস্তু সবসময়ই উঁচু থেকে নিচুতে পড়তে থাকে।

• অপ্রত্যাবর্তী প্রক্রিয়ার উদাহরণ:
১. দুটি বস্তুর মধ্যে ঘর্ষণের ফলে যে তাপ সৃষ্টি হয় তা একটি অপ্রত্যাবর্তী প্রক্রিয়া। কারণ ঘর্ষণের বিরুদ্ধে যে কাজ হয় তাই তাপে রূপান্তরিত হয় এবং এ উৎপাদিত তাপকে কোনো প্রকারেই কাজে রূপান্তরিত করা যায় না।

২. তাপমাত্রার পার্থক্য আছে এমন দুটি বস্তুকে তাপীয় সংস্পর্শে রাখলে তাপ সবসময়ই অধিক তাপমাত্রার বস্তু হতে কম তাপমাত্রার বস্তুতে প্রবাহিত হবে। কিন্তু কখনোই কম তাপমাত্রার বস্ত্র হতে অধিক তাপমাত্রার বস্তুতে তাপ প্রবাহিত হবে না। সুতরাং এটি একটি অপ্রত্যাবর্তী প্রক্রিয়া।

৩. বৈদ্যুতিক রোধের মধ্য দিয়ে বিদ্যুৎ প্রবাহ চালনা করলে তাপের সৃষ্টি হয়। এটি একটি অপ্রত্যাবর্তী প্রক্রিয়া।

উৎস: পদার্থ প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৫.
কোন পদার্থটির আপেক্ষিক তাপ বেশি?
  1. জলীয় বাষ্প
  2. মাটি
  3. তামা
  4. পানি
সঠিক উত্তর:
পানি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পানি
ব্যাখ্যা
- অপশনে উল্লেখিত পদার্থগুলোর মধ্যে পানির আপেক্ষিক তাপ বেশি।

• আপেক্ষিক তাপ:
- 1kg ভরের কোন বস্তুর তাপমাত্রা 1K বাড়াতে যে পরিমাণ তাপের প্রয়োজন হয়, তাকে ঐ বস্তুর উপাদানের আপেক্ষিক তাপ বলে।
- তাই এক্ষেত্রে একক ভর বা 1kg ভরের বস্তুর তাপধারণ ক্ষমতা বিবেচনা করা হয়।
- আপেক্ষিক তাপের একক Jkg- 1K- 1.
- সীসার আপেক্ষিক তাপ 130 kg- 1K- 1 বলতে বুঝায় 1kg সীসার তাপমাত্রা 1K বাড়াতে 130J তাপের প্রয়োজন।
- একই পদার্থের পরিমাণ বা ভর ভিন্ন হলে তাদের তাপধারণ ক্ষমতাও ভিন্ন হয়।
যেমন- আঁধা লিটার (0.5kg) পানির তাপ ধারণ ক্ষমতা থেকে পাঁচ লিটার বা (5kg) পানির তাপধারণ ক্ষমতা বেশি।
- সমান ভরের ভিন্ন ভিন্ন পদার্থের তাপধারণ ক্ষমতার তুলনা করতে হলে সব ক্ষেত্রে ভরের পরিমাণ নির্দিষ্ট করতে হয়।

• নিচে কয়েকটি পদার্থের আপেক্ষিক তাপ উল্লেখ করা হলো:
- পানির আপেক্ষিক তাপ 4200 Jkg- 1K- 1.
- জলীয় বাষ্পের আপেক্ষিক তাপ 2000 Jkg- 1K- 1.
- রূপার আপেক্ষিক তাপ 230 Jkg- 1K- 1.
- মাটির আপেক্ষিক তাপ 800 থেকে 1400 Jkg- 1K- 1.
- বরফের আপেক্ষিক তাপ 2100 Jkg- 1K- 1.
- তামার আপেক্ষিক তাপ 400 Jkg- 1K- 1.
- সীসার আপেক্ষিক তাপ 130 Jkg- 1K- 1.
- বায়ুর আপেক্ষিক তাপ 700 থেকে 1000 Jkg- 1K- 1.

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৬.
STP-তে গ্যাসের মোলার আয়তন কত লিটার?
  1. 22.414 Lmol- 1
  2. 19.210 Lmol- 1
  3. 27.502 Lmol- 1
  4. 24.112 Lmol- 1
সঠিক উত্তর:
22.414 Lmol- 1
উত্তর
সঠিক উত্তর:
22.414 Lmol- 1
ব্যাখ্যা
• মোলার আয়তন:
- বর্তমানে গ্যাসের মোলার আয়তন প্রকাশের দুটি পদ্ধতি আছে। যথা:
১. STP পদ্ধতি:
- STP এর পুরো নাম Standard Temperature and Pressure.
- এ পদ্ধতিতে আদর্শ তাপমাত্রা 0°C বা 273 K ও আদর্শ চাপ 1 atm বা 101.325 kPa ধরা হয়।
- STP তে গ্যাসের মোলার আয়তন হয়, Vm = 22.414 Lmol- 1.

২. SATP পদ্ধতি:
- SATP এর পুরো নাম Standard Ambient Temperature and Pressure.
- Ambient শব্দের অর্থ হলো পারিপার্শ্বিক বা আবহমণ্ডল বা কক্ষ।
- এ পদ্ধতিতে বিশ্বব্যাপি গ্যাসের কক্ষ তাপমাত্রা 25°C বা 298 K (কেলভিন) এবং বায়ুমণ্ডল চাপ 100 kPa (কিলো প্যাসকেল) ধরা হয়।
- SATP তে গ্যাসের মোলার আয়তন, Vθm = 24.789 Lmol- 1 ধরা হয়।

উৎস: রসায়ন দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি ড. হাজারী ও নাগ।