পরীক্ষা আর্কাইভ

১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক]

পরীক্ষা১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়35 minutes
মোট প্রশ্ন২৫
সিলেবাস
পরীক্ষা – ৬ বাংলাদেশ বিষয়াবলী - ২ [১০০ নম্বর]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক]

১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক] · তারিখ অনির্ধারিত · ২৫ প্রশ্ন

.
কাকে পাল বংশের শ্রেষ্ঠ রাজা বলা হয়?
  1. ক) দেবপাল
  2. খ) মহীপাল
  3. গ) গোপাল
  4. ঘ) ধর্মপাল
সঠিক উত্তর:
ঘ) ধর্মপাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ধর্মপাল
ব্যাখ্যা
• পাল বংশ:
- পাল বংশের শ্রেষ্ঠ রাজা ছিলেন ধর্মপাল।
- ধর্মপাল বাংলার পাল বংশের দ্বিতীয় এবং সর্বশ্রেষ্ঠ রাজা।
- পাল রাজবংশের প্রতিষ্ঠাতা গোপালের পুত্র ও উত্তরাধিকারী ধর্মপাল পালদের উদীয়মান প্রতিপত্তির যুগের সূচনা করেন।
- পাল শাসন প্রতিষ্ঠা পেয়েছিল গোপালের হাত ধরে।
- গোপাল রাজ্য প্রতিষ্ঠার সূচনা করলেও পাল সাম্রাজ্যকে সুসংহত করেন গোপালের পুত্র ধর্মপাল।
- ধর্মপাল বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী ছিলেন।
- বিক্রমশীল বৌদ্ধ বিহার নির্মাণের কৃতিত্ব তাঁর।
- নয় শতক থেকে বারো শতক পর্যন্ত সমগ্র ভারতে এটি ছিল বৌদ্ধদের একটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষাকেন্দ্র।
- এছাড়া পাহাড়পুরের সোমপুর বিহারও ধর্মপালের আরেক কীর্তি।

সূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, SSC Programme, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।  
.
তমদ্দুন মজলিসের নেতৃত্বে গঠিত হয়েছিলো -
  1. ক) রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ
  2. খ) গণতান্ত্রিক যুবলীগ
  3. গ) মুসলিম লীগ
  4. ঘ) সাংস্কৃতিক সংসদ 
সঠিক উত্তর:
ক) রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ
ব্যাখ্যা
তমদ্দুন মজলিসের নেতৃত্বে গঠিত হয়েছিলো - রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ।

• রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠন:

- ১৯৪৭ সালের ২ সেপ্টেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আবুল কাশেমের নেতৃত্বে ‘তমদ্দুন মজলিস’ নামে একটি সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠে।
- তমদ্দুন মজলিস সভা-সমিতি ও লেখনীর মাধ্যমে বাংলা ভাষার পক্ষে জনমত গড়ে তোলে।
- ১৯৪৭ সালের ডিসেম্বর মাসে নূরুল হক ভূঁইয়াকে আহ্বায়ক করে তমদ্দুন মজলিস ‘রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’ গঠন করে।

- ১৫ সেপ্টেম্বর, ১৯৪৭ সালে ‘পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু’ নামে একটি পুস্তিকাও প্রকাশ করে - গণতান্ত্রিক যুবলীগ।
-  ২৩ ফেব্রুয়ারি, ১৯৪৮ সালে গণপরিষদের অধিবেশনে কংগ্রেস দলীয় সদস্য ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত উর্দু ও ইংরেজির পাশাপাশি বাংলাকেও গণপরিষদের অন্যতম ভাষা হিসেবে ব্যবহারের দাবি উত্থাপন

করেন। 

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
মুজিবনগর সরকার কর্তৃক প্রকাশিত পত্রিকার নাম ছিল -
  1. ক) মুক্তির ডাক
  2. খ) স্বাধীনতা
  3. গ) মুক্তির বাণী
  4. ঘ) জয় বাংলা
সঠিক উত্তর:
ঘ) জয় বাংলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) জয় বাংলা
ব্যাখ্যা
• সাপ্তাহিক জয়বাংলা:
১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় মুজিবনগর থেকে প্রকাশিত বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের বাংলা সাপ্তাহিক মুখপত্র - সাপ্তাহিক জয়বাংলা।
- পত্রিকাটি মূলত ছিল মুজিবনগরে প্রবাসী বাংলাদেশ সরকারের একটি প্রচার মাধ্যম।
-  এর লক্ষ্য ছিল একদিকে মুক্তিযুদ্ধের অগ্রগতি ও মুক্তিযোদ্ধাদের কৃতিত্ব জনসমক্ষে তুলে ধরা এবং অন্যদিকে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষে বিশ্বজনমত সৃষ্টি ও আন্তর্জাতিক সমর্থন লাভ।
- সাপ্তাহিক জয়বাংলা প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯৭১ সালের ১১ মে (২৭ বৈশাখ ১৩৭৮)।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
.
মুক্তিযুদ্ধে গেরিলা দল 'ক্র্যাক প্লাটুন' দলটি গঠন করার ক্ষেত্রে প্রধান ভূমিকা পালন করেছিলেন -
  1. ক) মেজর কে. এম শফিউল্লাহ
  2. খ) মেজর খালেদ মোশাররফ
  3. গ) মেজর চিত্তরঞ্জন দত্ত
  4. ঘ) মেজর মীর শওকত আলী
সঠিক উত্তর:
খ) মেজর খালেদ মোশাররফ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) মেজর খালেদ মোশাররফ
ব্যাখ্যা
• ক্র্যাক প্লাটুন:
- ক্র্যাক প্লাটুন হলো ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় ২ নং সেক্টরের অধীনে ঢাকা শহরের তরুণদের সমন্বযে গঠিত একটি গেরিলা সংগঠন।
- ক্র্যাক প্লাটুন দলটি গঠন করার ক্ষেত্রে প্রধান ভূমিকা পালন করেছিলেন ২নং সেক্টরের কমান্ডার খালেদ মোশাররফ, বীরউত্তম এবং এটিএম হায়দার বীরউত্তম।
- এটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের ২নং সেক্টরের অধীন একটি স্বতন্ত্র গেরিলা দল ছিল যারা আসলে গণবাহিনীর অংশ বলে পরিচিত।

 - ক্র্যাক প্লাটুন ঢাকা শহরে ছোটো বড় মিলিয়ে মোট ৮২টি অপারেশন পরিচালনা করে।
- ১৯৭১ সালের জুনে ভারতের মেঘালয়ের মেলাঘর ক্যাম্প থেকে প্রথমে ১৭ জন গেরিলা প্রশিক্ষণ গ্রহণের মাধ্যমে ক্র্যাক প্লাটুনের যাত্রা শুরু করে।
- শহীদ জননী জাহানারা ইমামের সন্তান শহিদ রুমী ইমাম, শহিদ জুয়েল, শহিদ আলতাফ মাহমুদ, প্রয়াত আযম খান, প্রয়াত সাদেক হোসেন খোকা, ইশতিয়াক আজিজ উলফাত, মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া প্রমুখ ক্র্যাক প্লাটুনের সাথে যুক্ত ছিলেন।

তথ্যসূত্র: দৈনিক জনকণ্ঠ।
.
রাজনৈতিক দলকে পরামর্শ দিয়ে প্রভাবিত করে কে?
  1. ক) নির্বাচকমন্ডলী
  2. খ) চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী
  3. গ) সাধারণ জনগণ
  4. ঘ) নির্বাচন কমিশন
সঠিক উত্তর:
খ) চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী
ব্যাখ্যা
রাজনৈতিক দলকে পরামর্শ দিয়ে প্রাভাবিত করে -  চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী।

• চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী:

- চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী রাজনৈতিক প্রচারকার্য পরিচালনার একটি সংগঠিত মাধ্যম।
- চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীই কোন বা কোন ভাবে রাজনৈতিক দলের সাথে সম্পর্কিত থাকে।

- নির্বাচনী রাজনীতিতে কোন চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীই স্বতন্ত্রভাবে ক্ষমতা দখলের চেষ্টা করে না।
- সরকার গঠন তাদের লক্ষ্য নয়, তাদের মূল লক্ষ্য সরকারের নীতিকে প্রভাবিত করা।
- নির্বাচনী রাজনীতিতে বিভিন্ন চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠী বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতি সমর্থন জ্ঞাপন করে।
- অনেক সময় রাজনৈতিক দল এবং গোষ্ঠীর কার্যকলাপ এমনভাবে জড়িয়ে থাকে যে, তাদের ভূমিকার পার্থক্য নির্ধারণ করা সম্ভব হয় না।

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
২০২২ সালে বাংলাদেশ ভুটান থেকে কয়টি পণ্য আমদানিতে করমুক্ত সুবিধা প্রদান করে?
  1. ক) ১৬টি
  2. খ) ১৮টি
  3. গ) ২৩টি
  4. ঘ) ২৫টি
সঠিক উত্তর:
ক) ১৬টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১৬টি
ব্যাখ্যা
৮ আগস্ট, ২০২২ সালে বাংলাদেশ ভুটান থেকে ১৬টি পণ্য আমদানিতে করমুক্ত সুবিধা প্রদান করে।

- ভুটান থেকে ১৬টি পণ্য আমদানিতে কোন ধরণের কাস্টমস ডিউটি বা ট্যাক্স আরোপ করা হবে না।
- পণ্যগুলো বাংলাদেশ ভুটান থেকে খুব বেশি আমদানি করে না। এর ফলে শুল্ক অব্যাহতি দেওয়া হলেও তাতে সরকারের তেমন রাজস্ব ক্ষতি হবে না।

- বাংলাদেশের ১০০টি পণ্য ভুটানে এবং ভুটানের ৩৪টি পণ্য বাংলাদেশে শুল্কমুক্ত সুবিধা পাবার কথা ছিলো।
- অবশ্য ২০১০ সাল থেকে বাংলাদেশ ভুটানকে ১৮টি পণ্যে শুল্কমুক্ত বাজার সুবিধা দিচ্ছে। আর বাংলাদেশের ৯০টি পণ্য ভুটানে শুল্কমুক্ত বাজার সুবিধা পাচ্ছে। 
- নতুন এ ১৬টি পণ্যে শুল্কমুক্ত সুবিধা দেওয়ায় চুক্তির শর্ত পূরণ হলো।

- ২০২২ সালে যে ১৬টি পণ্যে শুল্কমুক্ত সুবিধা দেওয়া হয়েছে সেগুলোর মধ্যে রয়েছে -
দুধ, প্রাকৃতিক মধু, গম বা মেসলিনের আটা, জ্যাম, ফলের জেলি, মার্মালেড, সিমেন্ট ক্লিংকার, পোর্টল্যান্ড সিমেন্ট, সাবান, পার্টিকেল বোর্ড, ফেরো সিলিকন, লৌহ অথবা নন-আলয় স্টিলের বার এবং রড, মিনারেল ওয়াটার, গমের ভুসি, কাঠের আসবাবপত্র ইত্যাদি। 

তথ্যসূত্র: The Business Standard বাংলা
.
মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘আগামী’ এর পরিচালক -
  1. ক) রুবাইয়াত হোসেন
  2. খ) নাসির উদ্দীন ইউসুফ
  3. গ) মোরশেদুল ইসলাম
  4. ঘ) তৌকীর আহমেদ
সঠিক উত্তর:
গ) মোরশেদুল ইসলাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) মোরশেদুল ইসলাম
ব্যাখ্যা
• মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র:
- মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘আগামী’ এর পরিচালক - মোরশেদুল ইসলাম।
- আগামী মোরশেদুল ইসলাম পরিচালিত ১৯৮৪ সালের বাংলাদেশী স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র।
- বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধভিত্তিক এই চলচ্চিত্রের কাহিনি, চিত্রনাট্য ও সংলাপ লিখেছেন মোরশেদুল ইসলাম।
- এতে অভিনয় করেছেন পীযুষ বন্দ্যোপাধ্যায়, ফাহমিদা পারভীন মিঠু, আলী যাকের, মুজিবুর রহমান দিলু, রওশন জামিল প্রমুখ।

তথ্যসূত্র: প্রথম আলো।
.
রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থায় আইন বিভাগের নিকট দায়ী নয় -
  1. ক) শাসন বিভাগ
  2. খ) বিচার বিভাগ
  3. গ) শাসন ও বিচার বিভাগ
  4. ঘ) সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ক) শাসন বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) শাসন বিভাগ
ব্যাখ্যা
রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থায় আইন বিভাগের নিকট দায়ী নয় - শাসন বিভাগ।

• রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার (Presidential form of Government):

- রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার হল এমন এক সরকার ব্যবস্থা যেখানে রাষ্ট্রপতির হাতে রাষ্ট্রের সর্বময় ক্ষমতা ন্যস্ত থাকে।
- তিনি তার কাজের জন্য আইন পরিষদের নিকট দায়ী থাকেন না। অর্থাৎ শাসন বিভাগ আইন বিভাগের নিকট দায়ী থাকে না।
- এ ধরনের সরকার ব্যবস্থায় রাষ্ট্রপ্রধান এবং প্রকৃত শাসক ও নির্বাহী প্রধান একই ব্যক্তি হন।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার প্রচলিত আছে।

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
বাংলাদেশের ফুসফুস হিসেবে কোনটিকে আখ্যায়িত করা হয়?
  1. ক) সুন্দরবন
  2. খ) মধুপুরের বনভূমি
  3. গ) বঙ্গোপসাগর
  4. ঘ) পার্বত্য চট্টগ্রামের পাহাড়সমূহ
সঠিক উত্তর:
ক) সুন্দরবন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) সুন্দরবন
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের ফুসফুস:
- বিশ্ব মানচিত্রে এশিয়া মহাদেশের দক্ষিণে স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশের অবস্থান।
- আজকের যে বাংলাদেশ তার দক্ষিণ সীমান্তে রয়েছে বঙ্গোপসাগরের নীল জলরাশি।
- বাংলাদেশের দক্ষিণ সীমায় বঙ্গোপসাগর এবং তার কূল বরাবর সমতট ভূমিতে গাছগাছালি দিয়ে ঘেরা সবুজের আস্তরণ।
- দক্ষিণ-পূর্ব কোণে রয়েছে বাংলাদেশের ফুসফুস হিসেবে পরিচিত সুন্দরবন।
- সুন্দরবন হচ্ছে পৃথিবীর বৃহত্তম গ্রীষ্ম-অঞ্চলীয় (ম্যানগ্রোভ) বনভূমি।

উৎস:- বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্ব সভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০.
দ্বিতীয় বাহাদুর শাহকে কোথায় নির্বাসিত করা হয়?
  1. ক) রেঙ্গুন (বার্মা)
  2. খ) শ্রীলংকা
  3. গ) মালদ্বীপ
  4. ঘ) অস্ট্রেলিয়া
সঠিক উত্তর:
ক) রেঙ্গুন (বার্মা)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) রেঙ্গুন (বার্মা)
ব্যাখ্যা
দ্বিতীয় বাহাদুর শাহকে রেঙ্গুনে (বার্মা) নির্বাসিত করা হয়।

• দ্বিতীয় বাহাদুর শাহ:

- ১৫২৬ খ্রিস্টাব্দে সম্রাট জহিরউদ্দিন বাবর কর্তৃক ভারতবর্ষে মোগল বংশের শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়।
- পরবর্তীতে তার উত্তরসূরীরা এটিকে সর্বভারতীয় সাম্রাজ্যে রুপান্তরিত করে।
- বাবর থেকে আওরঙ্গজেব অর্থাৎ ১৫২৬ থেকে ১৭০৭ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত মোগল শাসন ছিল স্বর্ণযুগের শাসন।

- ১৭০৭ খ্রিস্টাব্দে আওরঙ্গজেবের মৃত্যুর পর মোগল শাসনের পতনে প্রক্রিয়া শুরু হয়।
- ১৮৫৭ সালে শেষ মোগল সম্রাট দ্বিতীয় বাহাদুর শাহ জাফর ইংরেজ কর্তৃক নির্বাসিত হলে মোগল শাসনের চূড়ান্ত পরিসমাপ্তি হয়।
- তাই ১৭০৭ থেকে ১৮৫৭ সময় কালকে (প্রায় দেড়শ বছর) মোগল বংশের পতনের যুগ বলা হয়। 


- ইংরেজ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানী ১৮৫৭ সালে সিপাহী বিদ্রোহের নেতৃত্ব দেয়ার কারণে মোগল সম্রাট দ্বিতীয় বাহাদুর শাহ জাফরকে রেঙ্গুনে (বার্মা) নির্বাসিত করেন।
- বাহাদুর শাহের নির্বাসনের মধ্য দিয়ে ভারতে মোগল শাসনের চূড়ান্ত অবসান ঘটে।

তথ্যসূত্র: ইতিহাস প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১.
মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠান (স্পারসো) কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) আগারগাঁও
  2. খ) বেতবুনিয়া
  3. গ) গাজীপুর
  4. ঘ) মিরপুর
সঠিক উত্তর:
ক) আগারগাঁও
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) আগারগাঁও
ব্যাখ্যা
স্পারসো ঢাকার আগারগাঁও এ অবস্থিত।

• স্পারসো:

- বাংলাদেশ  মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠান (স্পারসো) প্রযুক্তি ভিত্তিক বহুমাত্রিক গবেষণা ও প্রয়োগ বিষয়ে একটি সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠান।
- ১৯৮০ সালে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিভাগের অধীন স্পারসো প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৮৫ সালে প্রতিষ্ঠানটি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন স্থানান্তর করা হয়।
- ১৯৯১ সালে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের ২৯ নম্বর আইন দ্বারা স্পারসোকে সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠানে রূপান্তর করা হয়।
- ১৯৯৫ সালে গেজেট বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে দেশে ও বিদেশে মহাকাশ সংক্রান্ত কার্যক্রমের জন্য স্পারসোকে “ন্যাশনাল ফোকাল পয়েন্ট” নির্ধারণ করা হয়।
- এটি ঢাকা শহরের আগারগাঁও এ অবস্থিত।

সূত্র: বাংলাদেশ  মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠান (স্পারসো)।
১২.
জনশুমারি ও গৃহ গণনা ২০২২ অনুযায়ী, কোন বিভাগে জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি?
  1. ক) চট্টগ্রাম
  2. খ) সিলেট
  3. গ) ঢাকা
  4. ঘ) রাজশাহী
সঠিক উত্তর:
গ) ঢাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ঢাকা
ব্যাখ্যা
জনশুমারি ও গৃহ গণনা ২০২২ অনুযায়ী, ঘনত্ব বেশি - ঢাকা বিভাগে (২১৫৬ জন)।

• সর্বশেষ বা ৬ষ্ঠ আদমশুমারি হয়: ১৫-২১ জুন ২০২২
• আদমশুমারি করে- পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের অধীনে বাংলাদেশ পরিসংখ্যা ব্যুরো (বিবিএস)

- চূড়ান্ত প্রতিবেদন জনসংখ্যা: ১৬,৫১,৫৮,৬১৬ জন বা প্রায় ১৬ কোটি ৫১ লাখ।
- পুরুষ: ৮,১৭,১২,৮২৪ জন,
- মহিলা: ৮,৩৩,৪৭,২০৬ জন,
- নারী : পুরুষ- ১০০: ৯৮

- আয়তনে বড় জেলা: রাঙ্গামাটি।
- আয়তনে ছোট জেলা: নারায়ণগঞ্জ।
- জনসংখ্যার ঘনত্বঃ ১১১৯ জন।
- ঘনত্ব বেশি: ঢাকা বিভাগে (২১৫৬ জন)।
- ঘনত্ব কম: বরিশাল বিভাগে (৬৮৮ জন)।
- জনসংখ্যার বৃদ্ধির হার: ১.২২%
- স্বাক্ষরতার হার: ৭৪.৬৬%

সুত্র: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো
১৩.
ছয় দফা দাবি প্রথম উত্থাপন করা হয় কোথায়?
  1. ক) করাচীতে
  2. খ) লাহোরে
  3. গ) ঢাকায়
  4. ঘ) কলকাতায়
সঠিক উত্তর:
খ) লাহোরে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) লাহোরে
ব্যাখ্যা
ছয় দফা দাবি প্রথম উত্থাপন করা হয় - লাহোরে।

• 'ছয় দফা':

- ১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে একটি সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব পাকিস্তানের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও প্রতিরক্ষার দাবি সংবলিত একটি কর্মসূচি ঘোষণা করেন। ইতিহাসে এটিই ৬ দফা কর্মসূচি নামে পরিচিত।
- পরবর্তীতে ২৩ মার্চ, ১৯৬৬ সালে লাহোরের এক সংবাদ সম্মেলনে শেখ মুজিবুর রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে ৬ দফা দাবি ঘোষণা করেন।
- ৬ দফা দাবিকে বাঙালি জাতির ‘মুক্তির সনদ’ বা ‘ম্যাগনেকার্টা’ হিসাবে পরিচিত।
- ছয় দফা দাবি ঐতিহাসিক ‘লাহোর প্রস্তাব’ এর ভিত্তিতে রচিত।

• দফা গুলো হলো:-
- প্রথম দফাঃ প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন‌।
- দ্বিতীয় দফাঃ কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা,
- তৃতীয় দফাঃ মুদ্রা বা অর্থ-সম্বন্ধীয় ক্ষমতা,
- চতুর্থ দফাঃ রাজস্ব, কর বা শুল্ক সম্বন্ধীয় ক্ষমতা,
- পঞ্চম দফাঃ বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক ক্ষমতা এবং
- ষষ্ঠ দফাঃ আঞ্চলিক সেনাবাহিনী গঠনের ক্ষমতা।

তথ্যসূত্র: ইতিহাস প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৪.
বাংলাবান্ধা স্থল বন্দর কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. ক) কুড়িগ্রাম
  2. খ) যশোর
  3. গ) পঞ্চগড়
  4. ঘ) সিলেট
সঠিক উত্তর:
গ) পঞ্চগড়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) পঞ্চগড়
ব্যাখ্যা
• বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর:
- বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরটি বাংলাদেশের পঞ্চগড় জেলার তেতুলিয়া উপজেলার বাংলাবান্ধা সীমান্তে অবস্থিত।
- এর বিপরীতে পশ্চিমবঙ্গের জলপাইগুড়ি জেলার ফুলবাড়ী সীমান্ত অবস্থিত।
-  স্থলপথে আমদানি রপ্তানি সহজ করার জন্য ১২ জানুয়ারি, ২০০২ সালে বাংলাবান্ধা শুল্ক স্টেশনটিকে স্থলবন্দর ঘোষণা করা হয়।

উৎস: বাংলাদেশ স্থল বন্দর কর্তৃপক্ষ ওয়েবসাইট।
১৫.
ক্যাপ্টেন মহিউদ্দীন জাহাঙ্গীর কোন সেক্টরের অধীনে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করে?
  1. ক) ৫ নং
  2. খ) ৬ নং
  3. গ) ৭ নং
  4. ঘ) ৮ নং
সঠিক উত্তর:
গ) ৭ নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৭ নং
ব্যাখ্যা
• মহিউদ্দীন জাহাঙ্গীর:
 - ১৯৪৯ সালের ৭ মার্চ, বরিশাল জেলার বাবুগঞ্জ উপজেলার রহিমগঞ্জ গ্রামে।
- ১৯৬৮ সালে পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে কমিশনপ্রাপ্ত হন।
- ১৯৭১ সালের জুলাই মাসে পাকিস্তান থেকে পালিয়ে মুক্তিযুদ্ধে যোগ দেন। তখন তাঁর পদবি ছিল ক্যাপ্টেন।
- ৭ নম্বর সেক্টরের মাহদীপুর সাব-সেক্টরের অধিনায়ক ছিলেন।
- ১৪ ডিসেম্বর চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহর দখলের যুদ্ধে শহীদ হন।
- ১৫ ডিসেম্বর মহিউদ্দীন জাহাঙ্গীরের মরদেহ ঐতিহাসিক সোনা মসজিদ প্রাঙ্গণে সমাহিত করা হয়।

তথ্যসূত্র:- চিরন্তন ১৯৭১, প্রথম আলো।
১৬.
মুক্তিযুদ্ধের কোন সেক্টরে কেবল নৌ কমান্ড দ্বারা গঠিত হয়েছিল?
  1. ক) ৮ নং
  2. খ) ৭ নং
  3. গ) ১০ নং
  4. ঘ) ৫ নং
সঠিক উত্তর:
গ) ১০ নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১০ নং
ব্যাখ্যা
• মুক্তিযুদ্ধ:
- ১৯৭১ সালের ১১ই এপ্রিল ‍মুজিবনগর সরকার যুদ্ধ পরিচালনার সুবিধার জন্যে সমগ্র দেশকে ১১ টি সেক্টরে ভাগ করে।
- এরমধ্যে ১০ নং সেক্টর ছিলো একমাত্র নৌ সেক্টর।
- দেশের সমুদ্র এলাকা ও নৌপথ নিয়ে এই সেক্টর গঠিত ছিলো।
- ১০ নং সেক্টরে কোন নিয়মিত সেক্টর কমান্ডার ছিলো না।
- যখন যে সেক্টর এলাকায় অভিযান পরিচালিত হতো সেই সেক্টরের কমান্ডার ১০ নং সেক্টরের কমান্ডারের দায়িত্ব পালন করতেন।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া
১৭.
প্রথম বাংলাদেশি নারী হিসেবে হিমালয়ের দুর্গম ‘ডোলমা খাং’ পর্বতচূড়া জয় করেন কে?
  1. ক) সান্তা মরিয়ম
  2. খ) সালমা ইসলাম
  3. গ) শায়লা বিথী
  4. ঘ) রাবেয়া খাতুন
সঠিক উত্তর:
গ) শায়লা বিথী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) শায়লা বিথী
ব্যাখ্যা
• শায়লা বিথী:
- প্রথম বাংলাদেশি নারী হিসেবে হিমালয়ের প্রায় ৬ হাজার ৩৩২ মিটার উঁচু ডোলমা খাং পর্বতচূড়ায় পা রাখেন বাংলাদেশি পর্বতারোহী শায়লা বিথী।
 - প্রথম বাংলাদেশি নারী হিসেবে তিনি দুর্গম এ পর্বতচূড়ায় পা রাখেন। 
- ৫ নভেম্বর, ২০২২ সালে ডোলমা খাং চূড়ায় বাংলাদেশের পতাকা উড়ান শায়লা বিথী। 

- ২০১৬ সালে তিনি ভারতের নেহেরু ইনস্টিটিউট অব মাউন্টিনিয়ারিং থেকে পর্বতারোহণের মৌলিক প্রশিক্ষণ কোর্স সম্পন্ন করেন। 
- প্রথম বাংলাদেশি নারী হিসেবে ২০১৮ সালের মে মাসে তিনি ৭ হাজার ৪৫ মিটার উচ্চতায় তিব্বতের লাকপারি পর্বতচূড়া জয় করেন।
- ২০১৯ সালের মে মাসে প্রথম বাংলাদেশি নারী হিসেবে ৫ হাজার ৭৫৫ মিটার দীর্ঘ হিমালয়ের দুর্গম তাশিলাপচা গিরিপথ পার হন। 

তথ্যসূত্র: ডেইলি স্টার নিউজ।
১৮.
বঙ্গবন্ধু সেতু কোন নদীর উপর নির্মিত?
  1. ক) যমুনা
  2. খ) মেঘনা
  3. গ) সুরমা
  4. ঘ) পদ্মা
সঠিক উত্তর:
ক) যমুনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) যমুনা
ব্যাখ্যা
 বঙ্গবন্ধু সেতু যমুনা নদীর উপর অবস্থিত।

বঙ্গবন্ধু সেতু:

- বঙ্গবন্ধু সেতু ১৯৯৮ সালের জুনে উন্মুক্ত করা হয়। 
- এই সেতুর যমুনা নদীর পূর্ব পাড়ের ভুয়াপুর এবং পশ্চিম পাড়ে সিরাজগঞ্জকে সংযুক্ত করেছে।
- এটি ১৯৯৮ সালে নির্মাণকালীন সময়ে পৃথিবীর ১১তম বৃহত্তম সেতু এবং বর্তমানে এটি দক্ষিণ এশিয়ার ৬ষ্ঠ বৃহত্তম সেতু। 
- এটি যমুনা নদীর উপর দিয়ে নির্মিত যা বাংলাদেশের প্রধান তিনটি সেতুর একটি এবং পানি প্রবাহের উপর ভিত্তি করে বিশ্বের পঞ্চম বৃহত্তম।
- বঙ্গবন্ধু সেতু যা বাংলাদেশের পূর্ব এবং পশ্চিমাঞ্চলের মধ্যে কৌশলগত সেতুবন্ধন তৈরী করেছে।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ
১৯.
বাংলাদেশের জিডিপিকে উৎপাদনের ভিত্তিতে কয়টি বৃহৎ খাতে বিভক্ত করা হয়েছে?
  1. ক) দুইটি
  2. খ) তিনটি
  3. গ) চারটি
  4. ঘ) পাঁচটি
সঠিক উত্তর:
খ) তিনটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) তিনটি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের জিডিপিকে উৎপাদনের ভিত্তিতে তিনটি বৃহৎ খাতে বিভক্ত করা হয়েছে
-যথা:
- সেবা খাত
- কৃষিখাত ও
- শিল্পখাত।

উল্লেখ্য, সার্বিকভাবে জিডিপি ১৯ টি খাত নিয়ে গঠিত।
- এ ১৯ টি খাতের ৬ টি খাত আবার উপখাত নিয়ে বিভক্ত।
- বাংলাদেশে বর্তমানে জিডিপিতে কৃষি খাতের অবদান-১১.৫০%
- সেবা খাত-৫১.৪৪% 
- শিল্প খাত- ৩৭.০৭%

তথ্যসূত্র: অথনৈতিক সমীক্ষা-২০২২
২০.
১৯৫২ সালে পূর্ব পাকিস্তানের মূখ্যমন্ত্রী কে ছিলেন?
  1. ক) নূরুল আমিন
  2. খ) লিয়াকত আলী খান
  3. গ) খাজা নাজিমুদ্দিন
  4. ঘ) চৌধুরী খালিকুজ্জামান
সঠিক উত্তর:
ক) নূরুল আমিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) নূরুল আমিন
ব্যাখ্যা
- ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের সময় পূর্ব বাংলার মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন নুরুল আমিন।
- তিনি ১৯৪৮-১৯৫৩ সময়ে পূর্ব বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন।
- তখন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন খাজা নাজিমউদ্দিন।
- গভর্নর ছিলেন গোলাম মুহাম্মদ।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া
২১.
মুক্তিযুদ্ধে তারামন বিবি কোন সেক্টরে যুদ্ধ করেন?
  1. ক) ৪ নং
  2. খ) ৬ নং
  3. গ) ৯ নং
  4. ঘ) ১১ নং
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১১ নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১১ নং
ব্যাখ্যা
• তারামন বিবির:
- বাংলাদেশের দুইজন বীর প্রতীক খেতাব প্রাপ্ত নারী মুক্তিযোদ্ধার একজন কুড়িগ্রামের তারামন বিবি।
- তারামন বিবির আসল নাম ছিল তারাবানু।
- মুক্তিযুদ্ধের সময় তার বয়স ছিল মাত্র ১৩ বছর।
- মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি কুড়িগ্রাম জেলায় নিজ গ্রাম শংকর মাধবপুরে ছিলেন।
- তিনি ১১ নং সেক্টরে যুদ্ধ করেছেন যার সেক্টর কমান্ডার ছিলেন আবু তাহের (বীর উত্তম)।
- মুক্তিযুদ্ধে বিজয়ের পরে ১৯৭৩ সালে বঙ্গবন্ধু সরকার তাকে স্বাধীনতা যুদ্ধে অসামান্য অবদানের জন্য বীর প্রতীক উপাধিতে ভূষিত করে।
- মৃত্যুবরণ করেন - ২০১৮ সালের ১ ডিসেম্বর।

তথ্যসূত্র: ডেইলি স্টার।
২২.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে ‘সরকারি কর্ম কমিশন‘ (PSC) গঠনের উল্লেখ আছে?
  1. ক) ৩৬ নং অনুচ্ছেদে
  2. খ) ১২৭ নং অনুচ্ছেদে
  3. গ) ১৩৭ নং অনুচ্ছেদে
  4. ঘ) ১৪০ নং অনুচ্ছেদে
সঠিক উত্তর:
গ) ১৩৭ নং অনুচ্ছেদে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৩৭ নং অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা
• সংবিধান:
- সংবিধানের ১৩৭ নং অনুচ্ছেদে 'সরকারি কর্ম কমিশন' গঠনের উল্লেখ করে বলা হয়েছে ‘আইনের দ্বারা বাংলাদেশের জন্য এক বা একাধিক সরকারী কর্ম কমিশন প্রতিষ্ঠার বিধান করা যাবে এবং একজন সভাপতিকে ও আইনের দ্বারা যেরূপ নির্ধারিত হবে, সেরূপ অন্যান্য সদস্যকে নিয়ে প্রত্যেক কমিশন গঠিত হবে’।

এছাড়াও-
- অনুচ্ছেদ- ৩৬ চলাফেরার স্বাধীনতা।
- অনুচ্ছেদ- ১২৭ মহা হিসাব-নিরীক্ষক পদের প্রতিষ্ঠা।
- অনুচ্ছেদ- ১৪০ সরকারি কর্ম কমিশনের দ্বায়িত্ব।

সূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান
২৩.
স্বাধীনতাযুদ্ধের সময়ে জেনারেল ইয়াহিয়ার মুখের ছবি দিয়ে আঁকা ‘এই জানোয়ারদের হত্যা করতে হবে’ পোস্টারটি এঁকেছিলেন -
  1. ক) সফিউদ্দিন আহমেদ
  2. খ) এস এম সুলতান
  3. গ) কামরুল হাসান
  4. ঘ) মোস্তফা মনোয়ার
সঠিক উত্তর:
গ) কামরুল হাসান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) কামরুল হাসান
ব্যাখ্যা
• কামরুল হাসান:
- কামরুল হাসান প্রখ্যাত বাংলাদেশি চিত্রশিল্পী।
- প্রকৃত নাম আবু শরাফ মোহাম্মদ কামরুল হাসান।
- ’১৯২১ সালের ২ ডিসেম্বর পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার নারেঙ্গা গ্রামে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি চিত্রশিল্পী হলেও নিজে ‘পটুয়া’ নামে পরিচিত হতে পছন্দ করতেন।
-  কামরুল হাসান স্বাধীনতাযুদ্ধের সময়ে জেনারেল ইয়াহিয়ার মুখের ছবি দিয়ে আঁকা ‘এই জানোয়ারদের হত্যা করতে হবে’ পোস্টারটি খুব বিখ্যাত হয়।
- কামরুল হাসান বাংলাদেশের স্বাধিকার ও অসহযোগ আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন (১৯৬৯-৭০) এবং মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন।
- তিনি বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার চূড়ান্ত নকশা ও গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সরকারি মনোগ্রাম তৈরি করার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
২৪.
মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) সেগুনবাগিচায়
  2. খ) আগারগাঁওয়ে
  3. গ) শাহবাগে
  4. ঘ) মিরপুরে
সঠিক উত্তর:
খ) আগারগাঁওয়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) আগারগাঁওয়ে
ব্যাখ্যা
• মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর:
- ১৯৯৬ সালের ২২ মার্চ ঢাকার সেগুনবাগিচায় একটি পুরানো দ্বিতল বাড়িতে মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক দেশের প্রথম জাদুঘর 'মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর' প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ২০১৭ সালের ১৬ এপ্রিল আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের মাধ্যমে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্মিত নিজস্ব ভবনে 'মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর' স্থানান্তর করা হয়।
- বর্তমানে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর ঢাকার আগারঁগাওয়ে অবস্থিত।

তথ্যসূত্র:- মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের ওয়েবসাইট।
২৫.
জাগ্রত চৌরঙ্গী ভাস্কর্যটি কোথায়?
  1. ক) জয়দেবপুর চৌরাস্তায়
  2. খ) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে
  3. গ) মেহেরপুরে
  4. ঘ) কুষ্টিয়ায়
সঠিক উত্তর:
ক) জয়দেবপুর চৌরাস্তায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) জয়দেবপুর চৌরাস্তায়
ব্যাখ্যা
• 'জাগ্রত চৌরঙ্গী':
- মুক্তিযুদ্ধের প্রেরণায় নির্মিত প্রথম ভাস্কর্য 'জাগ্রত চৌরঙ্গী'।
- এই ভাস্কর্যের স্থপতি আব্দুর রাজ্জাক।
- 'জাগ্রত চৌরঙ্গী' ভাস্কর্যটি গাজীপুরের জয়দেবপুর চৌরাস্তায় অবস্থিত।

উৎস: গাজীপুর জেলার সরকারি ওয়েবসাইট।