পরীক্ষা আর্কাইভ

এনএসআই [NSI] নিয়োগ প্রস্তুতি [Archived]

পরীক্ষাএনএসআই [NSI] নিয়োগ প্রস্তুতি [Archived]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়09 minutes১৭ বৈধ · অসম্পূর্ণ
মোট প্রশ্ন১৮
সিলেবাস
পরীক্ষা - ১১ বিষয়: সাধারণ জ্ঞান - ৩ টপিক: ১. ভৌগোলিক অবস্থান ও ভূ-প্রকৃতি সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়াবলি [নদ-নদী, সাগর-মহাসাগর, পাহাড় ইত্যাদি] ২. গুরুত্বপূর্ণ গ্রন্থসমূহ ও এর লেখক ৩. বাংলাদেশের গুরত্বপূর্ণ স্থাপনা, ব্যক্তি। ৪. জাতীয় ও আন্তর্জাতিক গুরুত্বপূর্ণ বনাঞ্চল (ম্যানগ্রোভ, রেইন, পাহাড়ি ইত্যাদি), ৫. ভৌগোলিক উপনাম, প্রণালি, ৬. দেশীয় ও বৈশ্বিক স্থান ও স্থাপনা (ঐতিহাসিক ও গুরুত্বপূর্ণ), ৭. জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সীমারেখা ইত্যাদি।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

এনএসআই [NSI] নিয়োগ প্রস্তুতি [Archived]

এনএসআই [NSI] নিয়োগ প্রস্তুতি [Archived] · তারিখ অনির্ধারিত · ১৮ প্রশ্ন

.
’A World of Three Zeros’ বইয়ের লেখক কে?
  1. আহমদ ছফা
  2. ড. মুহাম্মদ ইউনূস
  3. শওকত উসমান
  4. হুমায়ূন আজাদ
ব্যাখ্যা
• অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস:
- ড. মুহাম্মদ ইউনূস ২৮ জুন, ১৯৪০ সালে চট্টগ্রাম জেলার হাটহাজারী উপজেলার বাথুয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। 
- ১৯৫৭ সালে মুহাম্মদ ইউনূস ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্থনীতি বিভাগের সম্মান শ্রেণীতে ভর্তি হন এবং সেখান থেকেই বিএ এবং এমএ সম্পন্ন করেন।
- স্নাতকের পর কর্মজীবনের শুরুতেই মুহাম্মদ ইউনূস ব্যুরো অব ইকোনমিক্স -এ গবেষণা সহকারী হিসাবে যোগদান করেন।
- ১৯৬৫ সালে তিনি ফুলব্রাইট স্কলারশিপ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে যান এবং পূর্ণ বৃত্তি নিয়ে ভেন্ডারবিল্ট বিশ্ববিদ্যালয়, যুক্তরাষ্ট্র থেকে ১৯৬৯ সালে অর্থনীতিতে পিএইচডি ডিগ্রী লাভ করেন।
- ১৯৬৯ থেকে ১৯৭২ সাল পর্যন্ত মুহাম্মদ ইউনূস যুক্তরাষ্ট্রের মিডল টেনেসি স্টেট ইউনিভার্সিটিতে শিক্ষকতা করেন।
- পরবর্তীতে ১৯৭২ সালে দেশে ফিরে তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্থনীতি বিভাগে সহযোগী অধ্যাপক হিসেবে যোগ দেন এবং বিভাগীয় প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- ১৯৭৬ সালে মুহাম্মদ ইউনূস গ্রামীণ ব্যাংক প্রতিষ্ঠা করেন।
- মুহাম্মদ ইউনূস এবং তার প্রতিষ্ঠিত গ্রামীণ ব্যাংক যৌথভাবে ২০০৬ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার অর্জন করেন।
-  তিনি ১৯৮৭ সালে স্বাধীনতা পুরস্কার লাভ করেন।
- মার্কিন রাষ্ট্রপতির স্বাধীনতা পদক ২০০৯ সালে লাভ করেন।
- তিনি ছিলেন কিং হুসেন হিউম্যানিটেরিয়ান অ্যাওয়ার্ডের প্রথম প্রাপক (জর্ডান, ২০০০)।
- অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে তিনি শপথ গ্রহণ করেন - ০৮ আগস্ট ২০২৪।

• তাঁর রচিত গ্রন্থ :

- A World of Three Zeros.
- Building Social Business.



উৎস:
ইউনূস সেন্টার  { লিংক} এবং ব্রিটানিকা।
.
”লাইন অব কন্ট্রোল” কোন দুইটি দেশের মধ্যকার সীমান্তবর্তী রেখা?
  1. পাকিস্তান ও আফগানিস্তান
  2. ভারত ও চীন
  3. ভারত ও নেপাল
  4. ভারত ও পাকিস্তান
ব্যাখ্যা
• ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যবর্তী সীমান্ত রেখা - ”লাইন অব কন্ট্রোল।
• বাংলাদেশ ও ভারত মধ্যবর্তী সীমান্ত রেখা - র‍্যাডক্লিফ রেখা।
• ভারত ও চীনের মধ্যকার সীমান্তবর্তী রেখা - ম্যাকমাহন লাইন।

উৎস: ব্রিটানিকা।
.
বাংলাদেশের মোট ভূমির কত ভাগ নিয়ে টারশিয়ারি পাহাড় অঞ্চল নিয়ে গঠিত?
  1. ১১%
  2. ৮%
  3. ১২%
  4. ৯%
ব্যাখ্যা
• ভূপ্রকৃতির উপর ভিত্তি করে বাংলাদেশের ভূমিকে তিনটি প্রধান ভূ-অঞ্চলে বিভক্ত করা হয়েছে।
- টারশিয়ারি পাহাড় অঞ্চল, প্লাইসটোসিন উচ্চভূমি ,এবং প্লাবন সমভূমি ।
- ভূপ্রকৃতির বিস্তারিত ব্যাখ্যায় সমগ্র দেশটিকে ২৪টি উপ-অঞ্চল এবং ৫৪টি একক অঞ্চলে বিভক্ত করা হয়েছে।
- প্লাইসটোসিন উচ্চভূমির অন্তর্গত ভূ-অঞ্চাল হল- লালমাই পাহাড়ি অঞ্চল, বরেন্দ্রভূমি, মধুপুর ভাওয়ালের গড়। 
- টারশিয়ারি পাহাড় অঞ্চলের অন্তর্গত ভূ-অঞ্চল -  উত্তর ও পূর্বাঞ্চলের পাহাড়ি অঞ্চল, দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চালের পাহাড় সমূহ।
- বাংলাদেশের মোট ভূমির প্রায় ১২% ভাগ নিয়ে টারশিয়ারি পাহাড় অঞ্চল নিয়ে গঠিত।
- দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চালের পাহাড় সমূহ- রাঙ্গামাটি, বান্দরবন, কক্সবাজার,ও চট্টগ্রাম, জেলার পূর্বাংশ এ অঞ্চলের অন্তর্গত।
- উত্তর ও পূর্বাঞ্চলের পাহাড়ি অঞ্চল- ময়মনসিংহ ও নেত্রকোণা জেলার উত্তরাংশ, সিলেট জেলার উত্তর ও উত্তর- পূর্বাংশ এবং মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ জেলার পাহাড়গুলো নিয়ে এ অঞ্চল গঠিত।  

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয়, নবম ও দশম শ্রেণি।
.
বেগম রোকেয়ার কোন বইটি ইউনেস্কোর ‘ওয়ার্ল্ড মেমোরি’র তালিকায় স্থান পেয়েছে?
  1. অবরোধবাসিনী
  2. মতিচূর
  3. সুলতানা’স ড্রিম’
  4. পদ্মরাগ
ব্যাখ্যা
- জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতিবিষয়ক সংস্থা ইউনেসকোর ‘বিশ্বস্মৃতি’ বা ‘ওয়ার্ল্ড মেমোরি’র তালিকায় স্থান পেয়েছে রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের লেখা নারীর মুক্তিপ্রত্যাশী উপন্যাস ‘সুলতানা’স ড্রিম’। 
- মঙ্গোলিয়ার রাজধানী উলান বাটোরে ইউনেসকোর ‘মেমোরি অব দ্য ওয়ার্ল্ড কমিটি ফর এশিয়া অ্যান্ড প্যাসিফিক’ বা মৌক্যাপের দশম সাধারণ সভায় ঘোষণাটি দেওয়া হয়।
- রোকেয়ার লেখাটিসহ দ্য ইন্ডিয়ান লেডিজ ম্যাগাজিনের একটি কপি ব্রিটিশ লাইব্রেরির দক্ষিণ এশিয়া শাখাতেও সংরক্ষিত আছে।

তথ্যসূত্র :প্রথম আলো
.
গাঙ্গিনা নদীর অবস্থান কোথায়?
  1. নেত্রকোনা
  2. জামালপুর
  3. কুমিল্লা
  4. ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের নদ-নদী:
- বাংলাদেশের মোট নদ-নদীর সংখ্যা প্রায় - ১০০৮টি।
- বাংলাদেশের দীর্ঘতম নদী - পদ্মা ।
- বাংলাদেশের ক্ষুদ্রতম নদী - গাঙ্গিনা।
- বাংলাদেশের ক্ষুদ্রতম নদীর দৈর্ঘ্য (কি.মি.)- ০.০৩২।
- নদীটি ময়মনসিংহ জেলা দিয়ে প্রবাহিত।
- নদীটি হালুয়াঘাট উপজেলা দিয়ে প্রবাহিত।

তথ্যসূত্র: যৌথ নদী কমিশন, জাতীয় নদী রক্ষা কমিশন।
.
নিচের কোনটি মুঘল আমলের স্থাপত্য শিল্পের নিদর্শন নয়?
  1. পরির বিবির মাজার
  2. লালবাগ কেল্লা
  3. আঙ্গিনা মসজিদ
  4. সাফি খানের মসজিদ
ব্যাখ্যা
- ১৬৬৪ সালে বাংলার সুবাদার হিসেবে শায়েস্তা খান কে নিয়োগ দেওয়া হয়।
- তিনি মগদের উৎখাত করে করে বাংলার মানুষের জান মাল রক্ষা করেন।
- তিনি আরকান জলদস্যুদের বিতাড়িত করেন চট্টগ্রাম থেকে।
- শায়েস্তা খানের শাসনকাল বাংলার স্থাপত্য শিল্পের জন্য বিশেষ উল্লেখযোগ্য।
- তার আমলে নির্মিত স্থাপত্য কর্মের মধ্যে, হোসাইনি দালান,  সাফি খানের মসজিদ, লালবাগ কেল্লা, পরি বিবির মাজার, ছোট কাটরা উল্লেখযোগ্য।

অন্যদিকে,
• আঙ্গিনা মসজিদ:
- লালমনিরহাট শহরের কালীবাড়ি এলাকায় একই খতিয়ানের একই দাগের জমির একই আঙ্গিনায় রয়েছে পুরান বাজার জামে মসজিদ ও কালীবাড়ি সার্বজনীন মন্দির।
- কালীবাড়ি মন্দিরটি প্রায় ২০০ বছর পুরনো।
- ১৯৪৭ সালে দেশ বিভাগের পর এই আঙ্গিনায় গড়ে উঠে একটি জামে মসজিদ।
- নাম দেওয়া হয় পুরান বাজার জামে মসজিদ।
- এ মসজিদটি আঙ্গিনা নামে পরিচিত।

• উৎস: ১. বাংলাদেশের ইতিহাস ও সভ্যতা, নবম ও দশম শ্রেণি।
২. বাংলাপিডিয়া।
৩. বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর।
৪. দ্যা ডেইলি স্টার।
.
’রিহালা’ গ্রন্থের লেখক কে ছিলেন?
  1. ইবনে বতুতা
  2. কৌটিল্যের
  3. মেগানিস্থিস
  4. হিউয়েন সাং
ব্যাখ্যা
• রিহালা গ্রন্থের লেখক : ইবনে বতুতা।

• ইবনে বতুতা :

- মরক্কোর পর্যটক ইবনে বতুতা ১৩৪৬ খ্রিস্টাব্দে বাংলায় সফর করেন। 
- বাংলার যে শহরে ইবনে বতুতা প্রথম পৌঁছেন (৯ জুলাই ১৩৪৬) তার নাম তিনি উল্লেখ করেছেন সাদকাঁও (চাটগাঁও)।
- ইবনে বতুতার ভ্রমণকাহিনী ১৩৫৫ খ্রিস্টাব্দে গ্রন্থাকারে লিপিবদ্ধ হয়।
- ইবনে বতুতার ভ্রমণ কাহিনী সম্বলিত এ গ্রন্থের নাম - রিহালা।

এাছাড়াও,
• কৌটিল্যের রচিত গ্রন্থ - অর্থশাস্ত্র।
• ইণ্ডিকা গ্রন্থের লেখক : মেগানিস্থিস।
• ফু-কুয়ো-কি গ্রন্থের লেখক : ফ-হিয়েন।
• সি- ইউ-কি গ্রন্থের লেখক : হিউয়েন সাং।
• ফেরদৌসীর রচিত গ্রন্থ - শাহনাম।

উৎস: বাংলাদেশ ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম ও দশম শ্রেণি।
.
পৃথিবীর বৃহত্তম রেইনফরেস্ট-
  1. কঙ্গোলিজ রেইনফরেস্ট
  2. নিউ গিনি রেইনফরেস্ট
  3. আমাজন রেইনফরেস্ট
  4. ভালদিভিয়ান তাপমাত্রা রেইনফরেস্ট
ব্যাখ্যা
• আমাজন রেইনফরেস্ট :
- বিশ্বের বৃহত্তম রেইনফরেস্ট।
- দক্ষিণ আমেরিকার ৪০ শতাংশ জুড়ে মোট ৯টি দেশ জুড়ে এর অবস্থান।
- আমাজনে ৫২৬ মিলিয়ন হেক্টর প্রাথমিক বনভূমি রয়েছে।
- আমাজনের প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ ব্রাজিলে অবস্থিত ।

• কঙ্গোলিজ রেইনফরেস্ট :
- ক্যামেরুন, গ্যাবন, কঙ্গো প্রজাতন্ত্র, গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্র, মধ্য আফ্রিকান প্রজাতন্ত্র, নিরক্ষীয় গিনি অঞ্চলগুলো নিয়ে এই রেইফরেস্টের অবস্থান।
- কঙ্গোলিজ রেইনফরেস্ট বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম রেইন ফরেস্ট। 

উৎস: worldrainforests website.
.
সাগর কন্যা বলা হয় কোন জেলাকে?
  1. কক্সবাজার
  2. পটুয়াখালী
  3. বান্দরবান
  4. রাঙামাটি
ব্যাখ্যা
- সাগর কন্যা বলা হয় পটুয়াখালী জেলাকে।
- বাংলার ভেনিস নামে পরিচিত - বরিশাল।
- চট্টগ্রামের পুরাতন ভৌগলিক নাম- সমন্দার।
- কুমিল্লার জেলার পুৃরাতন নাম - ত্রিপুরা।
- বাংলাদেশের পর্যটন রাজধানী - কক্সবাজার

উৎস- প্রথম আলো, বিডিনিউজ, কুমিল্লা জেলা ওয়েব সাইট।
১০.
আদিনাথ মন্দির কোন পাহাড়ে অবস্থিত?
  1. গারো পাহাড়
  2. মৈনাক পাহাড়
  3. সীতাকুন্ড পাহাড়
  4. চিম্বুক পাহাড়
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
- একমাত্র পাহাড় বিশিষ্ট দ্বীপ হল -  মহেশখালী দ্বীপ।
- আদিনাথ মন্দির মহেশখালী দ্বীপের মৈনাক পাহাড়ে অবস্থিত।
- চিম্বুক পাহাড় বান্দরবান জেলায় অবস্থিত।
- ময়মনসিংহ জেলায় অবস্থিত - গারো পাহাড়।
-  হিন্দু সম্প্রদায়ের তীর্থস্থান চন্দ্রনাথ পাহাড় সীতাকুন্ডে অবস্থিত।

উৎস: কুলাউড়া উপজেলা, বান্দরবান জেলা,মহেশখালী ও সীতাকুন্ড উপজেলা, ওয়েব সাইট।
১১.
পানামা খালের অবস্থান কোথায়?
  1. দক্ষিণ আমেরিকা
  2. মধ্য আমেরিকা
  3. উত্তর আমেরিকা
  4. মধ্য ইউরোপ
ব্যাখ্যা
• পানামা খাল: 
- পানামা খাল হলো মধ্য আমেরিকার পানামা রাজ্যে পাওয়া মানব প্রকৌশলের এক বিস্ময়।
- প্রশান্ত মহাসাগর ও আটলান্টিক মহাসাগরের মধ্যে একটি সামুদ্রিক সংযোগস্থল।
- দৈর্ঘ্য- ৪৮ মাইল।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে খাল নির্মাণের অধিকার দেয়।
- ১৯০৪ সালের নভেম্বরে মার্কিন কর্মীরা খনন শুরু করে।
- ১৯১৪ সালে নির্মাণ সম্পন্ন হয়।
-  পানামা খাল অঞ্চলটি নিয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং পানামার মধ্যে আঞ্চলিক বিরোধ রয়েছে।
- ১৯৯৯ সালের ৩১ ডিসেম্বর, আমেরিকান সরকার পানামা খাল কর্তৃপক্ষের কাছে নিয়ন্ত্রণ হস্তান্তর করে।

উৎস: WorldAtlas {লিংক}
১২.
দ্য স্পিরিট অব ইসলাম গ্রন্থটির লেখক কে?
  1. অধ্যাপক ড. গোলাম মুরশিদ
  2. ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্
  3. মইদুল ইসলাম
  4. সৈয়দ আমীর আলী
ব্যাখ্যা
• সৈয়দ আমীর আলী:
- ভারতীয় মুসলমানদের স্বার্থ সংরক্ষণে উদ্যোগী এবং ইসলামের ইতিহাস ও সমাজ বিষয়ক লেখক।
- তিনি ১৮৪৯ সালের ৬ এপ্রিল উড়িষ্যার কটকে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর রচিত গ্রন্থ - দ্য স্পিরিট অব ইসলাম।
- তাঁর রচিত প্রবন্ধগুলির মধ্যে ‘এ ক্রাই ফ্রম দি ইন্ডিয়ান মোহামেডানস’ ও ‘দি রিয়েল স্ট্যাটাস অব উইমেন ইন ইসলাম’ (১৮৯১) উল্লেখযোগ্য।

• অধ্যাপক ড. গোলাম মুরশিদ রচিত গ্রন্থ ‘হাজার বছরের বাঙালি সংস্কৃতি’।
• মূলধারা একাত্তর গ্রন্থের রচয়িতা - মইদুল ইসলাম।
• ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্ রচয়িতা গ্রন্থ -
- বাংলা ভাষার ইতিবৃত্ত,
- দীওয়ানে হাফিজ,
- রুবাইয়াত-ই-ওমর খৈয়াম,
- বিদ্যাপতি শতক, 

উৎস : বাংলাপিডিয়া এবং বাংলা একাডেমি।
১৩.
ভোলার আদি নাম ছিল-
  1. ইন্দ্রকপুর
  2. বাকলা
  3. গগেুায়ানাল্যান্ড
  4. শাহবাজপুর
ব্যাখ্যা
ভোলা:
- বাংলাদেশের একমাত্র দ্বীপ জেলা।
- ভোলা একদা বৃহত্তর বরিশাল জেলার একটি মহকুমা ছিল। 
- ১৯৮৪ সালে মহকুমা থেকে জেলার মর্যাদা পায়।
-  ভোলার আদি নাম ছিল দক্ষিণ শাহবাজপুর। 
- ১৫১৭ সালে জন ডি সিলবেরা নামক জনৈক পর্তুগীজ জলদস্যু দ্বীপটি দখল করে।
- ভোলায় রয়েছে,  চর কুকরী মুকরী, ঢালচর, লতার চর ও চর নিজাম সহ অসংখ্য চর।

উৎস: ভোলা জেলা ওয়েব সাইট।
১৪.
‘চারুকলা ইনস্টিটিউট’ প্রতিষ্ঠা করেন কে?
  1. জয়নুল আবেদিন
  2. এস.এম. সুলতান
  3. কামরুল হাসান
  4. মৃণাল হক
ব্যাখ্যা
শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন: 
- জয়নুল আবেদিন ১৯১৪ খ্রিস্টাব্দের ২৯ ডিসেম্বর তৎকালীন ময়মনসিংহ জেলার কিশোরগঞ্জ মহকুমার কেন্দুয়ায় জন্মগ্রহণ করেন।
-  জয়নুল আবেদিনের উদ্যোগে ১৯৪৮ খ্রিস্টাব্দে পুরান ঢাকার জনসন রোডের গভর্নমেন্ট আর্ট ইন্সটিটিউট স্থাপিত হয়।
- ১৯৭১ সালের পর একই প্রতিষ্ঠানের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় ‘বাংলাদেশ চারু ও কারুকলা মহাবিদ্যালয় এবং ১৯৮৩ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কাঠামোর অধীনে ‘চারুকলা ইনস্টিটিউট’, ২০০৮-এ ‘চারুকলা অনুষদ’ নামে  যাত্রা শুরু করে।
- জয়নুল আবেদিনের প্রচেষ্টায় নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে লোকশিল্প জাদুঘর ও ময়মনসিংহে জয়নুল সংগ্রহশালা প্রতিষ্ঠা হয়।
- তার উল্লেখযোগ্য চিত্রকর্ম- দুর্ভিক্ষে, মনপুরা ৭০, দুই মহিলা ,পাইন্যার মা ও ‘মহিলা।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং চারুকলা অনুষদ ওয়েবসাইট।
১৫.
বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থিত-
  1. হাড়িয়াভাঙ্গা নদী
  2. নাফ নদী
  3. হালদা নদী
  4. কর্ণফুলী নদী
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সীমানা: 
- বাংলাদেশের উত্তরে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, মেঘালয় ও আসাম রাজ্য।
- পূর্বে আসাম, ত্রিপুরা , মিজোরাম রাজ্য ও মিয়ানমার।
- পশ্চিমে -ভারতের পশ্চিমবঙ্গ।
- বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত - হাড়িয়াভাঙ্গা নদী।
- বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থিত - নাফ নদী।
- দক্ষিণে- বঙ্গপোসাগর।
- দক্ষিণ বঙ্গপোসাগরের তটরেখার দৈর্ঘ্য - ৭১৬ কিলোমিটার।
- বাংলাদেশের মোট সীমানারেখা - ৪,৭১১ কিলোমিটার।
- ভারতের সাথে বাংলাদেশের মোট সীমানা রেখা - ৩৭১৫ কিলোমিটার
- বাংলাদেশে - মিয়ানমারের সীমানা রেখা - ২৮০ কিলোমিটার

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ - নবম ও দশম শ্রেণি
১৬.
আর্টেমিসের মন্দির কোথায় অবস্থিত?
  1. চীন
  2. ইন্দোনেশিয়া
  3. ইতালি
  4. তুরস্ক
ব্যাখ্যা
• আর্টেমিসের মন্দির:
- এটি পশ্চিম তুরস্কে অবস্থিত।
- এটি ছিল বিশ্বের সপ্তাশ্চর্যের মধ্যে একটি ।
-  মন্দিরটি নির্মাণ করেছিলেন লিডিয়ার রাজা ক্রয়েসাস , প্রায় ৫৫০ খ্রিস্টপূর্বাব্দে।
- আর্টেমিসিয়াম আকার ছিল, ৩৫০ বাই ১৮০ ফুট (প্রায় ১১০ বাই ৫৫ মিটার) এরও বেশি,
-  এটি  অসাধারণ শিল্পকর্মের জন্যও বিখ্যাত ছিল ।
- ২৬২ খ্রিস্টাব্দে গোথদের আক্রমণে মন্দিরটি ধ্বংস হয়ে যায় এবং কখনও পুনর্নির্মাণ করা হয়নি।
- মন্দিরের সামান্য অবশিষ্টাংশ রয়েছে।
-  ব্রিটিশ জাদুঘরে অনেক টুকরো, বিশেষ করে ভাস্কর্যযুক্ত স্তম্ভ।

উৎস: ব্রিটানিকা।
১৭.
বাংলাদেশের মহীসোপান এলাকার পরিমাণ কত?
  1. ২০০ নটিক্যাল মাইল
  2. ১২ নটিক্যাল মাইল
  3. ২২০ নটিক্যাল মাইল
  4. ৩৫০ নটিক্যাল মাইল
ব্যাখ্যা
-বাংলাদেশের মোট আয়াতন - ১,৪৭,৫৭০ বর্গ কিলোমিটার ।
- বাংলাদেশের মোট সীমানারেখা - ৪,৭১১ কিলোমিটার
- ভারতের সাথে বাংলাদেশের মোট সীমানা রেখা - ৩৭১৫ কিলোমিটার
- বাংলাদেশে - মিয়ানমারের সীমানা রেখা - ২৮০ কিলোমিটার
- বাংলাদেশের বন অঞ্চলের আয়তন- ২১,৬৫৭ কিলোমিটার
- বাংলাদেশের টেরিটোরিয়াল সমুদ্রসীমা - ১২ নটিক্যাল মাইল।
- বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সমুদ্রসীমা - ২০০ নটিক্যাল মাইল।
- বাংলাদেশের উপকূলীয় সমুদ্রসীমা - ৩৫০ নটিক্যাল মাইল।
- উপকূলীয় সমুদ্রসীমার ভৌগলিক নাম - মহীসোপান

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ - নবম ও দশম শ্রেণি
১৮.
এশিয়ার দীর্ঘতম নদী কোনটি?
  1. ইয়াংজি নদী
  2. নীল নদ
  3. মিসিসিপি নদী
  4. হলুদ নদী
ব্যাখ্যা
• ইয়াংজি নদী এশিয়ার দীর্ঘতম নদী, যার দৈর্ঘ্য ৩,৯১৫ মাইল।
• এটি তিব্বতের মালভূমি থেকে শুরু হয়ে ১১টি প্রদেশের মধ্য দিয়ে পূর্ব চীন সাগরে পৌঁছানোর আগে প্রবাহিত হয়। 
• এশিয়ার দ্বিতীয় দীর্ঘতম হলুদ নদী।

অন্যদিকে,
- নীল নদের অববাহিকায মিশরীয় সভ্যতা গড়ে উঠে।
- বিশ্বের  দীর্ঘতম নদী- নীল নদ।

উৎস : WorldAtlas {লিংক}