পরীক্ষা আর্কাইভ

২২তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষা

পরীক্ষাPSCতারিখ২ ফেব্রুয়ারি, ২০০১সময়45 minutes৯৬ বৈধ · অসম্পূর্ণ
মোট প্রশ্ন১০০
সিলেবাস
২২তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষার মূল প্রশ্ন ও সমাধান
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

২২তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষা

PSC · ২ ফেব্রুয়ারি, ২০০১ · ১০০ প্রশ্ন

.
বাংলাদেশ-ভারত পানি চুক্তির মেয়াদ-
  1. ১০ বছর
  2. ২০ বছর
  3. ২৫ বছর
  4. ৩০ বছর
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ-ভারত পানি চুক্তি:
- হিমালয়ের হিমবাহে উৎপন্ন গঙ্গা নদী।
- ফারাক্কা বাঁধ গঙ্গা নদীর উপর অবস্থিত একটি বাঁধ।
- ভারত ফারাক্কা বাঁধ নির্মাণের প্রথম পরিকল্পনা করে ১৯৫১ সালে।
- ভারতের হুগলী নদীতে পানি সরবরাহ এবং কলকাতা বন্দরটি সচল করার জন্য ১৯৭৪ সালে এই ফারাক্কা বাঁধ নির্মাণ করা হয়।

⇒ পানিসম্পদের সুষম বন্টন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ১৯৭২ সালের ১৯ মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী একটি স্থায়ী যৌথ নদী কমিশন গঠনের উদ্দেশ্যে স্বাক্ষর করেন।
- এ ঘোষণার পরিপ্রেক্ষিতে ১৯৭২ সালের নভেম্বরে একটি যৌথ নদী কমিশন গঠিত হয়।
- ফারাক্কা বাঁধের কারণে বাংলাদেশে পানির প্রবাহ কমতে থাকার প্রেক্ষাপটে ১৯৯৬ সালে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে ৩০ বছর মেয়াদী গঙ্গা চুক্তি হয়।

উল্লেখ্য,
- ৩০ বছরের চুক্তির মেয়াদ ২০২৬ সালের মধ্যে শেষ হবে।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) BBC বাংলা।
.
বাংলাদেশের সর্বাধিক বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী শিল্প কোনটি?
  1. পাট
  2. তৈরি পোশাক
  3. চা
  4. মাছ
ব্যাখ্যা
বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী শিল্প:
- অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুসারে, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে বাংলাদেশের সর্বাধিক বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী শিল্প তৈরি পোশাক।
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরে তৈরি পোশাক ও নীটওয়্যার পণ্যের রপ্তানি আয়: ৩২,৮৫৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- এটি মোট রপ্তানি আয়ের ৮৫.৪৫%।

উল্লেখ্য,
- নীটওয়্যার: ১৮,৫৯২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (৪৮.৩৫%)।
- তৈরি পোশাক: ১৪,২৬৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (৩৭.১০%)।

অন্যদিকে,
- ২য় সর্বোচ্চ রপ্তানি আয়: পাটজাত পণ্য - ৪৮২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (১.২৫%)।
- ৩য় সর্বোচ্চ রপ্তানি আয়: ইঞ্জিনিয়ারিং (প্রকৌশল) দ্রব্য - ৩৩৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (০.৮৮%)।

এছাড়াও,
⇒ সার্বিক রপ্তানি পরিস্থিতি:
১. কৃষিজাত পণ্য: ৫৩৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (১.৩৯%)।
২. হিমায়িত খাদ্য: ২৭৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (০.৭১%)।
৩. কাঁচাপাট: ১০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (০.২৬%)।
৪. চা: ৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (০.০০%)।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
.
কুমিল্লা বার্ড (BARD)-এর প্রতিষ্ঠাতা কে?
  1. মোহাম্মদ আইয়ুব খান
  2. আখতার হামিদ খান
  3. আবদুল হামিদ খান ভাসানী
  4. এ কে ফজলুল হক
ব্যাখ্যা
BARD:
- BARD-এর পূর্ণরূপ: Bangladesh Academy for Rural Development বা বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমি। 
- এটি কুমিল্লা জেলার কোটবাড়ী এলাকায় অবস্থিত।
- ১৯৫৯ সালের ২৭ মে পল্লী উন্নয়নের ক্ষেত্রে একটি প্রশিক্ষণ, গবেষণা ও প্রায়োগিক গবেষণা পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমি যাত্রা শুরু করে।
- এটি স্থানীয় সরকার, পল্লী ‍উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের অধীন একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান।
- BARD-এর প্রতিষ্ঠাতা আখতার হামিদ খান।

উৎস: বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমি ওয়েবসাইট।
.
ছয়-দফা দাবি প্রথম কোথায় উত্থাপন করা হয়?
  1. ঢাকায়
  2. লাহোরে
  3. করাচিতে
  4. নারায়ণগঞ্জে
ব্যাখ্যা
ছয়-দফা দাবি:
- ১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে একটি সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব পাকিস্তানের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও প্রতিরক্ষার দাবি সংবলিত একটি কর্মসূচি ঘোষণা করেন।
- ইতিহাসে এটিই ৬ দফা কর্মসূচি নামে পরিচিত।
- পরবর্তীতে ২৩ মার্চ, ১৯৬৬ সালে লাহোরের এক সংবাদ সম্মেলনে শেখ মুজিবুর রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে ৬ দফা দাবি ঘোষণা করেন।
- ৬ দফা দাবি বাঙালি জাতির ‘মুক্তির সনদ' বা ‘ম্যাগনেকার্টা' হিসাবে পরিচিত।
- ১৯৬৬ সালে ঘোষিত ছয় দফা কর্মসূচীর মূল বক্তব্য ছিল পূর্ব পাকিস্তানের স্বায়ত্তশাসন।
- ছয় দফা দাবি ঐতিহাসিক ‘লাহোর প্রস্তাব' এর ভিত্তিতে রচিত।

⇒ ছয়দফা কর্মসূচির দাবিসমূহ:
• প্রথম দফা: প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন
• দ্বিতীয় দফা: কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা
• তৃতীয় দফা: মুদ্রা বা অর্থ-সম্বন্ধীয় ক্ষমতা
• চতুর্থ দফা: রাজস্ব, কর বা শুল্ক সম্বন্ধীয় ক্ষমতা
• পঞ্চম দফা: বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক ক্ষমতা
• ষষ্ঠ দফা: আঞ্চলিক সেনাবাহিনী গঠনের ক্ষমতা

উৎস: i) ইতিহাস ১ম পত্র, HSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) পৌরনীতি, নবম-দশম শ্রেণি।
.
বাংলায় চিরস্থায়ী ভূমি ব্যবস্থা কে প্রবর্তন করেন?
  1. কর্নওয়ালিস
  2. ক্লাইভ
  3. জন মেয়ার
  4. ওয়ারেন হেস্টিংস
ব্যাখ্যা
চিরস্থায়ী ভূমি ব্যবস্থা:
- বাংলায় চিরস্থায়ী ভূমি ব্যবস্থা প্রবর্তন করেন লর্ড কর্নওয়ালিস।

উল্লেখ্য,
- গভর্নর জেনারেল ওয়ারেন হেস্টিংস ‘পাঁচসালা বন্দোবস্ত এবং ‘একসালা বন্দোবস্ত' প্রবর্তন করেন।
- কিন্তু এ দুটি বন্দোবস্ত রাজস্ব আদায়ের ক্ষেত্রে ফলপ্রসূ হয়নি।
- এমতাবস্থায় গভর্নর জেনারেল লর্ড কর্নওয়ালিশ নানা বিচার-বিশ্লেষণ করে ১৭৯৩ সালে ভূমি ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে এক নতুন প্রথার প্রবর্তন করেন।
- ইতিহাসে এটি ‘চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত' নামে পরিচিত।
- এটি ছিল ইংরেজদের একটি সাম্রাজ্যবাদী বিধিব্যবস্থা।
- এর মাধ্যমে ইংরেজরা এদেশে তাদের আর্থ-সামাজিক ও রাজনৈতিক ক্ষমতার ভিত্তি প্রতিষ্ঠিত করতে চেয়েছিলেন।
- এক্ষেত্রে তারা অনেক সফলতা লাভ করলেও এ ব্যবস্থার ফলে সাধারণ কৃষক এমনকি অনেক সম্ভ্রান্ত বনেদি জমিদার সর্বশান্ত হয়ে পড়ে।
- অন্যদিকে নগদ টাকার মালিক ও পুঁজিপতি মহাজনরা রাতারাতি জমিদারে পরিণত হয়।
- নব সৃষ্ট এ জমিদার শ্রেণী ইংরেজ শাসনের জন্য একটি সামাজিক ও রাজনৈতিক ভিত্তি স্থাপনে সহায়ক শক্তির ভূমিকা পালন করে।
- ১৯৫০ সালে এ ব্যবস্থা উচ্ছেদ করা হয় ।

উৎস: ইতিহাস, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। [link]
.
বাংলাদেশের সবচেয়ে উত্তরের জেলা কোনটি?
  1. দিনাজপুর
  2. ঠাকুরগাঁ
  3. লালমনিরহাট
  4. পঞ্চগড়
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান:
- বাংলাদেশ ২০°৩৪′ উত্তর অক্ষরেখা থেকে ২৬°৩৮′ উত্তর অক্ষরেখার মধ্যে এবং ৮৮°০১′ পূর্ব দ্রাঘিমা রেখা থেকে ৯২°৪১′ পূর্ব দ্রাঘিমা রেখার মধ্যে অবস্থিত।
- বাংলাদেশের উত্তরে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, মেঘালয় ও আসাম; পূর্বে আসাম, ত্রিপুরা ও মিজোরাম এবং মিয়ানমার; দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর এবং পশ্চিমে ভারতের, পশ্চিমবঙ্গ অবস্থিত।

⇒ বাংলাদেশের সবচেয়ে উত্তরের জেলা পঞ্চগড়।
- বাংলাদেশের সবচেয়ে উত্তরের উপজেলা তেঁতুলিয়া।
- বাংলাদেশের সবচেয়ে উত্তরের সীমান্তবর্তী স্থান বাংলাবান্ধা। (অক্ষাংশ ২৬°৩৮′ উত্তর অক্ষরেখা)।

এছাড়াও,
⇒ বাংলাদেশের সর্ব পশ্চিমের স্থান মনাকষা। ( ৮৮°০১′ পূর্ব দ্রাঘিমা রেখা)
- বাংলাদেশের সর্ব পশ্চিমের উপজেলা শিবগঞ্জ।
- বাংলাদেশের সর্ব পশ্চিমের জেলা চাপাইনবাবগঞ্জ।

⇒ বাংলাদেশের সর্ব পূর্বের স্থান আখাইনঠং।(৯২°৪১′ পূর্ব দ্রাঘিমা রেখা)
- বাংলাদেশের সবচেয়ে পূর্বের উপজেলা থানচি।
- দেশের সর্ব পূর্বের জেলা বান্দরবান।

⇒  বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণের স্থান ছেড়াদ্বীপ। (অক্ষাংশ ২০°৩৪′ উত্তর অক্ষরেখা)
- বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণের উপজেলা টেকনাফ।
- বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণের জেলা কক্সবাজার।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
.
সিলেট কোননদীর তীরে অবস্থিত?
  1. আড়িয়াল খাঁ
  2. সুরমা
  3. চন্দনা
  4. রূপসা
ব্যাখ্যা
সিলেট:
- সিলেটের উত্তরে ভারতের খাসিয়া-জৈন্তিয়া পাহাড়, দক্ষিণে মৌলভীবাজার জেলা, পূর্বে ভারতের কাছাড় ও করিমগঞ্জ জেলা, পশ্চিমে সুনামগঞ্জ ও হবিগঞ্জ জেলা।
- সিলেট জেলা ১৭৭২ সালের ১৭ মার্চ প্রতিষ্ঠিত হয়।
- সুলতানী আমলে সিলেটের নাম ছিল জালালাবাদ।

উল্লেখ্য,
⇒ সিলেট সুরমা নদীর তীরে অবস্থিত।
- সিলেটের প্রধান ও দীর্ঘতম নদী সুরমা, অপর বৃহৎ নদী হলো কুশিয়ারা।
- এ জেলায় ছোট বড় মিলিয়ে মোট ৮২টি হাওর-বিল রয়েছে। এগুলোর মধ্যে সিংগুয়া বিল (১২.৬৫ বর্গ কিমি), চাতলা বিল (১১.৮৬ বর্গ কিমি) উল্লেখযোগ্য।

উৎস: সিলেট জেলা ওয়েবসাইট।
.
বাংলাদেশের লোকশিল্প জাদুঘর কোথায় অবস্থিত?
  1. ময়নামতি
  2. সোনারগাঁও
  3. ঢাকা
  4. পাহাড়পুর
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ লোকশিল্প জাদুঘর:
- নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁও উপজেলায় বাংলাদেশ লোকশিল্প জাদুঘর অবস্থিত।
- বাংলাদেশের লোকশিল্পের সংরক্ষণ, বিকাশ ও সর্বসাধারণের মধ্যে লোকশিল্পের গৌরবময় দিক তুলে ধরার জন্য ১৯৭৫ সালে শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীনের উদ্যোগে বাংলাদেশ সরকার বিশাল এলাকা নিয়ে এই জাদুঘর প্রতিষ্ঠা করেন।
- সোনারগাঁয়ের 'বড়সর্দারবাড়ি' নামে পরিচিত একটি প্রাচীন জমিদার প্রাসাদে এই জাদুঘর স্থাপন করা হয়েছে।
- এখানে আরো রয়েছে একটি সমৃদ্ধ গ্রন্থাগার, কারুপল্লী ও একটি বিশাল লেক।

⇒ সোনারগাঁয়ের পূর্বে মেঘনা নদী, পশ্চিমে শীতলক্ষ্যা, দক্ষিণে ধলেশ্বরী এবং উত্তরে ব্রষ্মপুত্র দ্বারা পরিবেষ্টিত থাকায় এলাকাটি উন্নত ছিল। সেজন্য রাজা-বাদশাগণ সানন্দে সোনারগাঁয়ে বাংলার রাজধানী গড়ে তুলেছিলেন। বৌদ্ধ আমল থেকেই সুবর্ণগ্রাম শুর, পাল এবং দেব প্রভৃতি রাজার রাজধানী হিসেবে মর্যাদা পেয়েছিল।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
.
বাংলাদেশের বিখ্যাত মণিপুরী নাচ কোন অঞ্চলের?
  1. রাঙ্গামাটি
  2. রংপুর
  3. কুমিল্লা
  4. সিলেট
ব্যাখ্যা
মনিপুরি নৃত্য:
- বাংলাদেশের বিখ্যাত মণিপুরী নাচ সিলেট অঞ্চলের।
- মণিপুরীদের মধ্যে ঋতুভিত্তিক আচার অনুষ্ঠান বেশি।
- বছরের শুরুতে হয় মণিপুরী বিষ্ণুপ্রিয়াদের বিষু এবং মৈতৈদের চৈরাউবা উৎসব।
- আষাঢ় মাসে জগন্নাথদেবের রথযাত্রা ও কাঙ উৎসবের সময় প্রতিরাত্রে মণিপুরী উপাসনালয় ও মন্ডপগুলোতে বৈষ্ণব কবি জয়দেবের গীতগোবিন্দ নাচ ও গানের তালে পরিবেশন করা হয়।
- কার্ত্তিক মাসে মাসব্যাপী চলে ধর্মীয় নানান গ্রন্থের পঠন-শ্রবন।
- এরপর আসে মণিপুরীদের বৃহত্ম উৎসব রাসপূর্ণিমা। 

উল্লেখ্য,
- মণিপুরী বাংলাদেশের অন্যতম আদিবাসী সম্প্রদায়।
- জাতিগত দিক থেকে মণিপুরীরা মঙ্গোলীয় মানবগোষ্ঠীর তিব্বতি-বর্মি পরিবারের কুকি-চীন গোত্রভুক্ত।
- বাংলাদেশের বৃহত্তর সিলেট অঞ্চলের সিলেট, হবিগঞ্জ, মৌলভীবাজার ও সুনামগঞ্জ জেলা এবং ঢাকায় মণিপুরী সম্প্রদায় বসবাস করে।
- আঠারো শতকের শেষের দিকে মণিপুরীরা ভারতের মণিপুর রাজ্য থেকে বাংলাদেশের পূর্বাঞ্চলে এসে বসতি স্থাপন করে।
- মণিপুরে তিন গোষ্ঠী সম্প্রদায়ের বাস- বিষ্ণুপ্রিয়া, মৈতৈ ও পাঙন।
- বাংলাদেশের মণিপুরীদের মধ্যে বিষ্ণুপ্রিয়ারা সংখ্যাগরিষ্ঠ।
- মণিপুরী সংস্কৃতির সবচেয়ে সমৃদ্ধ শাখা হচ্ছে মণিপুরী নৃত্য।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১০.
মুক্তিযুদ্ধকালে বাংলাদেশকে কয়টি সেক্টরে ভাগ করাহ য়?
  1. আট
  2. দশ
  3. এগার
  4. পনের
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধ:
- মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিলো।

⇒ সেক্টরগুলো:
- ১নং সেক্টর: চট্টগ্রাম ও পাবর্ত্য চট্টগ্রাম,
- ২নং সেক্টর: ঢাকা, নোয়াখালী, ফরিদপুর ও কুমিল্লার অংশবিশেষ,
- ৩নং সেক্টর: কুমিল্লা, কিশোরগঞ্জ ও হবিগঞ্জ,
- ৪ নং সেক্টর: মৌলভীবাজার ও সিলেটের পূর্বাংশ,
- ৫নং সেক্টর: সিলেট ও সুনামগঞ্জ,
- ৬নং সেক্টর: রংপুর, দিনাজপুর,
- ৭নং সেক্টর: রাজশাহী, বগুড়া, পাবনা,
- ৮নং সেক্টর: কুষ্টিয়া, যশোর, ফরিদপুর,
- ৯নং সেক্টর: খুলনা, বরিশাল,
- ১০নং সেক্টর: সকল নৌপথ ও সমুদ্র উপকূলীয় অঞ্চল,
- ১১নং সেক্টর: টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১১.
বাংলাদেশ সরকারি কর্মকমিশন সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী গঠিত?
  1. ১৩৬
  2. ১৩৭
  3. ১৩৮
  4. ১৪০(২)
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন:
- বাংলাদেশ সরকারি কর্মকমিশন সংবিধানের ১৩৭ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী গঠিত।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন প্রধানত বিভিন্ন সরকারি চাকুরি ও পদে নিয়োগ দানের লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠিত একটি সাংবিধানিক সংস্থা।
- সংস্থাটি সরকারি কর্মচারীদের পদোন্নতি, পদায়ন, বদলি, শৃঙ্খলা ও আপিলের মতো বিষয়ের ক্ষেত্রে সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ার সঙ্গেও জড়িত।
- বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি কমিশনের চেয়ারম্যান এবং সদস্যদের নিয়োগ প্রদান করেন।
- সরকারি কর্মকমিশনের চেয়ারম্যান ও সদস্যদের শপথ বাক্য পাঠ করান প্রধান বিচারপতি।

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের পাঁচটি অনুচ্ছেদ সংবলিত একটি অধ্যায়ে কমিশনের গঠনপ্রণালী ও কার্যাবলি নির্দেশিত হয়েছে:
- ১৩৭ নং: সরকারি কর্ম কমিশন-প্রতিষ্ঠা।
- ১৩৮ নং: সরকারি কর্ম কমিশনের সদস্য-নিয়োগ।
- ১৩৯ নং: সরকারি কর্ম কমিশনের সদস্যপদের মেয়াদ।
- ১৪০ নং: সরকারি কর্ম কমিশনের দায়িত্ব।
- ১৪১ নং: সরকারি কর্ম কমিশন বার্ষিক রিপোর্ট কিভাবে জমা দিবে তার কথা উল্লেখ রয়েছে।

উৎস: i) বাংলাদেশের সংবিধান।
ii) বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন ওয়েবসাইট।
১২.
জাতির জনক বঙ্গবন্ধু জাতিসংঘের কোথায় বাংলা ভাষায় বক্তৃতা প্রদান করেন?
  1. স্বস্তি পরিষদে
  2. সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে
  3. ইকোসোকে (ECOSOC)
  4. ইউনেসকোতে (UNESCO)
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ও জাতিসংঘ:
- ১৯৭২ সালের ১৭ অক্টোবর জাতিসংঘে পর্যবেক্ষকের মর্যাদা লাভ করে।
- বাংলাদেশের জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে ১৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৪ সাল।
- বাংলাদেশ জাতিসংঘের ১৩৬ তম সদস্য।
- ২৫ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৪ সালে সাধারণ পরিষদের ২৯তম অধিবেশনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলায় ভাষণ প্রদান করেন।

এছাড়াও,
- বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭৯তম অধিবেশনে বাংলা ভাষায় বক্তৃতা প্রদান করেন।

উৎস: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
১৩.
মুক্তিযুদ্ধের বিজয়ের দিন আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের পক্ষে প্রতিনিধিত্ব করেন কে?
  1. জেনারেল মোহাম্মদ আতাউল গণি ওসমানী
  2. গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ কে খন্দকার
  3. ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান
  4. ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর
ব্যাখ্যা
পাকিস্তানি বাহিনীর আত্মসমর্পণ:
- ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিকেলে ঢাকা রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) মিত্রবাহিনীর কাছে পাকিস্তান সেনাবাহিনী নিঃশর্তভাবে আত্মসমর্পণ করে।
- তাদের এ আত্মসমর্পণের মধ্য দিয়ে ২৬ মার্চ শুরু হওয়া মুক্তিযুদ্ধের সফল পরিসমাপ্তি ঘটে।

উল্লেখ্য,
- ১৬ই ডিসেম্বর ১৯৭১ বিকাল ৪টা ৩০ মিনিটে ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহ্রাওয়ার্দী উদ্যান) পাকিস্তান সামরিক বাহিনীর ৯৩ হাজার সৈন্য বিনা শর্তে সম্মিলিত বাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণ করে।
- এই আত্মসমর্পণ দলিলে স্বাক্ষর করেন পূর্বাঞ্চলের সম্মিলিত বাহিনী প্রধান লেঃ জেনারেল জগজিত সিং অরোরা ও পাকিস্তান সেনাবাহিনীর পূর্বাঞ্চলীয় অধিনায়ক লেঃ জেঃ এ কে নিয়াজী।
- এই আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ সরকারের প্রতিনিধিত্ব করেন মুক্তিবাহিনীর উপ-সেনা প্রধান ও বিমান বাহিনী প্রধান গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ কে খন্দকার।
- ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ বাংলাদেশ শত্রুমুক্ত হয়।
- প্রতি বছর এই দিনটি "বিজয় দিবস" হিসাবে পালিত হয়।

⇒ এই অনুষ্ঠানে মুক্তিবাহিনীর নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিদের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন -
- এস ফোর্স অধিনায়ক লেঃ কর্নেল কে এম সফিউল্লাহ,
- ২নং সেক্টরের ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক মেজর এ টি এম হায়দার এবং,
- টাঙ্গাইল মুক্তি বাহিনীর অধিনায়ক জনাব কাদের সিদ্দিকী।

উৎস: i) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্ৰেণী।
ii) মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
১৪.
আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র কবে জারি করা হয়?
  1. ১০ এপ্রিল, ১৯৭১
  2. ১৭ এপ্রিল, ১৯৭১
  3. ৭ মার্চ, ১৯৭১
  4. ২৫ মার্চ, ১৯৭১
ব্যাখ্যা
স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র:
- স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র বলতে মুজিবনগর সরকার কর্তৃক বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণাকে বোঝানো হয়।
- ১০ এপ্রিল, ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র জারি করার মাধ্যমে বাংলাদেশকে গণপ্রজাতন্ত্রী হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
- ১৭ এপ্রিল, ১৯৭১ সালে মুজিবনগর সরকার শপথ নেওয়ার মাধ্যমে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মপ্রকাশ করে।
- ১৭ এপ্রিল মেহেরপুরের সীমান্তবর্তী বৈদ্যনাথতলায় (পরবর্তী নাম মুজিবনগর) এক অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানে গণপরিষদ সদস্য অধ্যাপক এম ইউসুফ আলী আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র পাঠ করেন।
- ঘোষণার মাধ্যমে নবগঠিত আইন পরিষদ বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব ঘোষণা করে।
- ঘোষণায় ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ বঙ্গবন্ধু কর্তৃক স্বাধীনতার ঘোষণাকে আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমোদন করা হয়।
- ঘোষণাপত্রে ২৬ মার্চ থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতা কার্যকর বলে ঘোষণা করা হয়।
- এ ঘোষণাবলে প্রবাসী মুজিবনগর সরকার বৈধ বলে বিবেচিত হয়।
- স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র লিপিবদ্ধ করেন ব্যারিস্টার আমিরুল ইসলাম।

উল্লেখ্য,
- ৬ষ্ঠ তফসিলে ২৬ মার্চের স্বাধীনতা ঘোষনা সংযুক্ত করা হয়।
- ৭ম তফসিলে ১০ এপ্রিলের স্বাধীনতার ঘোষনাপত্র সংযুক্ত করা হয়।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১৫.
কোন আরব দেশ সর্বপ্রথম বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে?
  1. ইরাক
  2. মিশর
  3. কুয়েত
  4. জর্ডান
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশকে স্বীকৃতি:
- ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের পর বাংলাদেশকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসাবে সর্বপ্রথম স্বীকৃতি প্রদান করে ভুটান ও ভারত।
- ভুটান ও ভারত উভয় দেশই বাংলাদেশকে ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর স্বীকৃতি দিয়েছিল।
- সর্বশেষ দেশ হিসেবে চীন বাংলাদেশকে ১৯৭৫ সালের ৩১ আগস্ট স্বীকৃতি প্রদান করে।

⇒ প্রথম আরব দেশ হিসেবে ইরাক ৮ জুলাই, ১৯৭২ তারিখে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।

উল্লেখ্য,
- তৃতীয় দেশ ও প্রথম ইউরোপীয় দেশ হিসেবে পূর্ব জার্মানি ১৯৭২ সালের ১১ জানুয়ারি বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।
- বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দানকারী প্রথম মুসলিম দেশ আফ্রিকার সেনেগাল।
- এশিয়ার মুসলিম দেশগুলোর মধ্যে মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়া প্রথম বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।
- প্রথম পশ্চিমা দেশ হিসেবে গ্রেট ব্রিটেন বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় ১৯৭২ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র স্বীকৃতি দেয় ৪ এপ্রিল, ১৯৭২।
- দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশের মধ্যে সর্ব প্রথম বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে ভেনিজুয়েলা (২ মে ১৯৭২)।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
১৬.
সোনালী আঁশের দেশ কোনটি?
  1. ভারত
  2. শ্রীলঙ্কা
  3. পাকিস্তান
  4. বাংলাদেশ
ব্যাখ্যা
সোনালী আঁশের দেশ:
- সোনালী আঁশের দেশ বলা হয় বাংলাদেশকে।

পাট:
- পাট এক প্রকার সোনালী আঁশ।
- পাট ও পাটজাত দ্রব্য রপ্তানির মাধ্যমে বাংলাদেশ প্রতিবছর বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে।
- এজন্য বাংলাদেশে পাটকে ‘সোনালী আঁশ’ বলা হয়।

⇒ পাটকে সোনালি আঁশ বলার চারটি কারণ নিচে দেওয়া হলো:
১. কৃষিদ্রব্যের মধ্যে পাট ও পাটজাত দ্রব্য থেকে এদেশের রপ্তানি আয়ের একটা বড় অংশ আসে বলে এদেশের মনুষের অর্থনৈতিক জীবনের বড় অংশ পাটের ওপর নির্ভরশীল।
২. বাংলাদেশের মাটি ও জলবায়ু পাট চাষের জন্য বিশেষ উপযোগী।
৩. বাংলাদেশের বিপুল সংখ্যক মানুষ পাট চাষ ও ব্যবসার সাথে যুক্ত।
৪. ভারতের পরে বাংলাদেশেই সবচেয়ে বেশি পাট উত্পন্ন হয়।

উল্লেখ্য,
- পাট এক ধরনের কৃষিপণ্য।
- পাট একটি বর্ষাকালীন ফসল।
- পাট বাংলাদেশের প্রধান অর্থকরী ফসল।
- বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার প্রায় এক চতুর্থাংশ প্রত্যক্ষ পরোক্ষভাবে পাট এবং পাট শিল্পের সাথে জড়িত।
- পাট দিয়ে তৈরি হচ্ছে ব্যাগ, শাড়ি, জুতা, স্যান্ডেল, বিছানার চাদর, পর্দা সোফার কভার,কার্পেট এবং আরো নানা ধরনের পণ্য।
- দেশের ভেতরে পলিথিন বা প্লাস্টিকের ব্যাগ নিষিদ্ধ করে পাটের তৈরি ব্যাগ ব্যবহার করা হলে পাটের বিপুল চাহিদা তৈরি হবে।

উৎস: i) দৈনিক ইত্তেফাক।
ii) পাট অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।
১৭.
বাংলা একাডেমির মূল ভবনের নাম কি ছিল?
  1. বর্ধমান হাউজ
  2. বাংলা ভবন
  3. আহসান মঞ্জি
  4. চামেলী হাউজ
ব্যাখ্যা
বাংলা একাডেমি:
- বাংলা একাডেমি বাংলা ভাষা সংক্রান্ত সর্ববৃহৎ গবেষণা প্রতিষ্ঠান।
- ১৩৬২ বঙ্গাব্দের ১৭ অগ্রহায়ণ (৩ ডিসেম্বর ১৯৫৫) ঢাকার বর্ধমান হাউসে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়। 
- ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন এবং এ দেশের মুসলিম মধ্যবিত্তের জাগরণ ও আত্মপরিচয় বিকাশের প্রেরণায় এ প্রতিষ্ঠানের জন্ম হয়।

⇒ ১৯২৫ সালে কলকাতায় বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদে মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্ বাংলা ভাষায় জ্ঞানসাধনা ও সাহিত্যচর্চার প্রস্তাব করেন।
- ১৯৫৫ সালের ৩ ডিসেম্বর ঐতিহাসিক বর্ধমান হাউসে (স্থাপিত ১৯০৬) বাংলা একাডেমি প্রতিষ্ঠা করেন।
- আবু হোসেন সরকার বাংলা একাডেমীর উদ্বোধন করেন।
- ১৯৬০ সালে ‘দি বেঙ্গলী একাডেমী অ্যাক্ট’ গৃহীত হলে এটি সরকারি অর্থে পরিচালিত স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের মর্যাদা লাভ করে।
- বাংলা একাডেমির বর্তমান সভাপতি আবুল কাসেম ফজলুল হক।
- বাংলা একাডেমির বর্তমান মহাপরিচালক মোহাম্মদ আজম।

উৎস: i) বাংলা একাডেমি ওয়েবসাইট।
ii) বাংলাপিডিয়া।
১৮.
ঢাকা বিভাগে কয়টি জেলা আছে?
  1. ১৫টি
  2. ১৭টি
  3. ১৪টি
  4. ১২টি
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
এটি তৎকালীন সাম্প্রতিক প্রশ্ন যা পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন। অপশনে সঠিক উত্তর না থাকায় প্রশ্নটি বাতিল করা হলো।

বাংলাদেশের বিভাগসমূহ:

- বাংলাদেশ আটটি প্রধান প্রশাসনিক অঞ্চলে বিভক্ত যাদের বাংলায় বিভাগ হিসেবে অভিহিত করা হয়।

⇒ বাংলাদেশের ৮টি বিভাগে জেলার সংখ্যা:
- ঢাকা বিভাগে জেলার সংখ্যা: ১৩টি।
- চট্টগ্রাম বিভাগে জেলার সংখ্যা: ১১টি।
- খুলনা বিভাগে জেলার সংখ্যা: ১০টি।
- রাজশাহী বিভাগে জেলার সংখ্যা: ৮টি।
- রংপুর বিভাগে জেলার সংখ্যা: ৮টি।
- বরিশাল বিভাগে জেলার সংখ্যা: ৬টি।
- সিলেট বিভাগে জেলার সংখ্যা: ৪টি।
- ময়মনসিংহ বিভাগে জেলার সংখ্যা: ৪টি।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১৯.
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয় কোন সালে?
  1. ১৯০৫ সালে
  2. ১৯১১ সালে
  3. ১৯৩৫ সালে
  4. ১৯২১ সালে
ব্যাখ্যা
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়:
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশের প্রাচীনতম, সর্ববৃহৎ এবং উপমহাদেশের অন্যতম প্রাচীন ঐতিহ্যবাহী উচ্চশিক্ষা ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান।
- ১৯২০ সালে ভারতীয় বিধানসভায় গৃহীত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আইনবলে ১৯২১ সালের ১ জুলাই আবাসিক বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়। 
- ঢাকার রমনা এলাকার প্রায় ৬০০ একর জমি নিয়ে এ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা হয়।

উল্লেখ্য,
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য নওয়াব স্যার সলিমুল্লাহ বিশেষ ভূমিকা পালন করেন।
- এমনকি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের জন্য তিনি ঢাকার রমনা এলাকায় নিজ জমি দান করেন।
- বঙ্গভঙ্গের পর ঢাকায় ‘সর্বভারতীয় মুসলিম শিক্ষা সম্মেলন’ এবং ‘পূর্ববঙ্গ ও আসাম প্রাদেশিক শিক্ষা সমিতির’ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
- নওয়াব সলিমুল্লাহ ১৯০৫ সাল থেকেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য সরকারের ওপর চাপ দিচ্ছিলেন।
- ১৯১২ সালের ২৯ জানুয়ারি লর্ড হার্ডিঞ্জ ঢাকায় আগমন করে তিন দিন অবস্থান করেন।
- ৩১ জানুয়ারি নবাব সলিমুল্লাহর নেতৃত্বে ১৯ সদস্যের একটি মুসলিম প্রতিনিধি দল বড়লাটের সঙ্গে দেখা করে একটি মানপত্র প্রদান করেন এবং কয়েকটি প্রস্তাব পেশ করে পূর্ববঙ্গের মুসলমানদের স্বার্থসংরক্ষণের প্রতি তার দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।
- ১৯১২ সালের ২ ফেব্রুয়ারি এক ইশতেহারে ভারত সরকার কর্তৃক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার সুপারিশ ঘোষণা করা হয়।
- ১৯২১ সাল থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঠদান হয়ে আসছে।

উৎস: i) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ওয়েবসাইট।
ii) বাংলাপিডিয়া।
২০.
সতীদাহ প্রথা কবে রহিত হয়?
  1. ১৮১৯ সালে
  2. ১৮২৯ সালে
  3. ১৮৩৯ সালে
  4. ১৯৪৯ সালে
ব্যাখ্যা
সতীদাহ প্রথা:
- সতীদাহ প্রথা হলো হিন্দু ধর্মাবলম্বী কোনো সদ্য বিধবা নারীকে স্বামীর চিতায় সহমরণ বা আত্মাহুতি দিতে বাধ্য করার এক অমানষিক ও অমানবিক প্রথা।
- সতীদাহ প্রথা ছিল মূলত সামাজিক ও ধর্মীয় হত্যাকাণ্ড। 

⇒ ১৭৯৯ সালে উইলিয়াম কেরি এই প্রথা বন্ধের প্রয়াস নেন।
- গভর্নর জেনারেল লর্ড ওয়েলেসলির কাছে তিনি সতীদাহ বন্ধের আবেদন জানান।
- এরপর রামমোহন রায় ১৮১২ সালে সতীদাহবিরোধী সামাজিক আন্দোলন শুরু করেন।
- ১৮২৮ সালে লর্ড উইলিয়াম বেন্টিঙ্ক বাংলার গভর্নর হয়ে আসেন। লর্ড বেন্টিঙ্কের কাছে রামমোহন রায় সতীদাহ প্রথা নিষিদ্ধ ঘোষণার জন্য আবেদন করেন। লর্ড বেন্টিঙ্ক রামমোহনের যুক্তির সারবত্তা অনুভব করে আইনটি পাসে উদ্যোগী হন।
- ব্রিটিশ শাসনের ক্ষেত্রে ঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও তিনি ১৮২৯ সালের ৪ ডিসেম্বর সতীদাহ প্রথাকে নিষিদ্ধ ও শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে ঘোষণা করে আইন পাস করেন।

উল্লেখ্য,
- ১৮৩২ সালে প্রিভি কাউন্সিল রক্ষণশীল হিন্দুদের আপিল খারিজ করে লর্ড বেন্টিঙ্কের আদেশ বহাল রাখেন। এই বিজয়ের পরিপ্রেক্ষিতে দিল্লির বাদশাহ দ্বিতীয় আকবর রামমোহনকে ‘রাজা’ উপাধিতে ভূষিত করেন। এরপর ভারতবর্ষ থেকে সতীদাহ প্রথা পুরোপুরি বন্ধ করতে আরও তিন দশক লেগে যায়।

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) ইতিহাস প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২১.
দহগ্রাম ছিটমহল কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. নীলফামারী
  2. কুড়িগ্রাম
  3. লালমনিরহাট
  4. দিনাজপুর
ব্যাখ্যা
দহগ্রাম ছিটমহল:
- দহগ্রাম ছিটমহল লালমনিরহাট জেলায় অবস্থিত।

উল্লেখ্য,
- লালমনিরহাট জেলাধীন পাটগ্রাম উপজেলার সীমান্তবর্তী ভারতের অভ্যন্তরে বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ ছিটমহল দহগ্রাম ও আঙ্গরপোতা।
- এ ছিটমহলের সাথে তৎকালীন পাকিস্তানের মূল ভূখন্ডের যোগাযোগের জন্য একটি ‘প্যাসেজ ডোর’ এর ব্যবস্থা রাখা হয়েছিল, যা বর্তমানে ‘তিন বিঘা করিডোর’ নামে পরিচিত।
- পাকিস্তান আমল পেরিয়ে বাংলাদেশ আমল পর্যন্ত তিন বিঘা হস্তান্তর প্রশ্নে প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্র সচিব পর্যায়ের অনেক বৈঠক এবং চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- ১৯৮৫ খ্রিষ্টাব্দের পর থেকে দহগ্রাম ও আঙ্গরপোতা ছিটমহল পাটগ্রাম উপজেলার একটি স্বতন্ত্র ইউনিয়ন ‘দহগ্রাম ইউনিয়ন’ হিসেবে পরিগণিত হয়।
- ১৯৯২ খ্রিষ্টাব্দের ২৬ জুন ইজারার মাধ্যমে উক্ত তিন বিঘা বাংলাদেশকে প্রদান করা হয়।

⇒ ৬ সেপ্টেম্বর ২০১১ খ্রি. তারিখে ঢাকাতে অনুষ্ঠিত হাসিনা-মনমোহন বৈঠকে স্বাক্ষরিত চুক্তি মোতাবেক বাংলাদেশীদের যাতায়াতের জন্য তিনবিঘা করিডোর বর্তমানে ২৪ ঘন্টা খোলা রাখা হচ্ছে।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
২২.
ইসলামী সম্মেলন সংস্থার প্রধান কার্যালয় কোথায়?
  1. তেহরান
  2. জেদ্দা
  3. কায়রো
  4. রিয়াদ
ব্যাখ্যা
ইসলামি সহযোগিতা সংস্থা (OIC):
- OIC-এর পূর্ণরূপ: The Organisation of Islamic Cooperation.
- এটি মুসলিম দেশগুলোর একটি রাজনৈতিক জোট।
- ইসরাইল কর্তৃক আল আকসা মসজিদে অগ্নিসংযোগের প্রেক্ষাপটে OIC গঠিত হয়।
- গঠিত হয়: ২৫ সেপ্টেম্বর, ১৯৬৯, মরক্কোতে অনুষ্ঠিত রাবাত সম্মেলনের মাধ্যমে।

⇒ প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য: ২৪টি।
- সদরদপ্তর: জেদ্দা, সৌদি আরব।
- বর্তমান মহাসচিব: ইব্রাহিম তাহা।
- বর্তমান সদস্য: ৫৭টি।
- এর অফিসিয়াল ভাষা: আরবি, ইংরেজি এবং ফরাসি।

উৎস: OIC ওয়েবসাইট।
২৩.
বাংলাদেশ কত সালে ইসলামী সম্মেলন সংস্থার সদস্যপদ লাভ করে?
  1. ১৯৭২ সালে
  2. ১৯৭৩ সালে
  3. ১৯৭৪ সালে
  4. ১৯৭৫ সালে
ব্যাখ্যা
ইসলামি সহযোগিতা সংস্থা (OIC):
- ইসলামি সহযোগিতা সংস্থা মুসলিম দেশগুলোর একটি রাজনৈতিক জোট।
- ইসরাইল কর্তৃক আল আকসা মসজিদে অগ্নিসংযোগের প্রেক্ষাপটে মরক্কোতে অনুষ্ঠিত রাবাত সম্মেলনের মাধ্যমে ২৫ সেপ্টেম্বর, ১৯৬৯ তারিখে OIC গঠিত হয়।

⇒ প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য: ২৪টি।
- সদরদপ্তর: জেদ্দা, সৌদি আরব।
- বর্তমান মহাসচিব: ইব্রাহিম তাহা।
- বর্তমান সদস্য: ৫৭টি।

উল্লেখ্য,
- ১৯৭৪ সালে পাকিস্তানের লাহোরে অনুষ্ঠিত ওআইসির ২য় শীর্ষ সম্মেলনে সদস্য পদ লাভ করে বাংলাদেশ। 
- ১৯৭৪ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের লাহোরে আয়োজিত ইসলামী সহযোগিতা সংস্থার (ওআইসি) সম্মেলনে তত্কালীন মুসলিম বিশ্বের সমস্যা এবং সম্ভাবনা তুলে ধরে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এক যুগান্তকারী বক্তব্য দেন।
- বাংলাদেশ OIC-এর ৩২তম সদস্য।

উৎস: OIC ওয়েবসাইট।
২৪.
অমর্ত্য সেন কোন বিষয়ে গবেষণা করে নোবেল পুরস্কার পান?
  1. দুর্ভিক্ষ ও দারিদ্র্য
  2. উন্নয়নের গতিধারা
  3. মাইক্রোক্রেডিট
  4. বৈদেশিক সাহায্য
ব্যাখ্যা
অমর্ত্য সেন:
- অমর্ত্য সেন একজন ভারতীয় বাঙালী অর্থনীতিবিদ ও দার্শনিক।
- ১৯৯৮ সালে তিনি অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেছিলেন।
- দারিদ্র এবং দুর্ভিক্ষ নিয়ে গবেষণার জন্য ১৯৯৮ সালে অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার পান অমর্ত্য সেন।

উল্লেখ্য,
- ১৯৫১ সালে আইএসসি পরীক্ষায় প্রথম হয়ে তিনি ভর্তি হন কলকাতার প্রেসিডেন্সি কলেজে এবং তারপর অর্থনীতি নিয়ে উচ্চতর শিক্ষা গ্রহণ করেন ইংল্যাণ্ডে কেম্ব্রিজের ট্রিনিটি কলেজে।
- এছাড়াও তিনি ১৯৯৮ থেকে ২০০৪ সাল পর্যন্ত ক্যামব্রিজের ট্রিনিটি কলেজের মাস্টার হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
- তিনি ইকোনমিস্ট ফর পিস অ্যান্ড সিকিউরিটির একজন ট্রাষ্টি।
- তিনিই প্রথম ভারতীয় শিক্ষাবিদ যিনি একটি অক্সব্রিজ কলেজের প্রধান হন।
- এছাড়াও তিনি প্রস্তাবিত নালন্দা আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসাবেও কাজ করেছেন।
- ২০০৬ সালে টাইম ম্যাগাজিন তাকে অনূর্ধ্ব ষাট বছর বয়সী ভারতীয় বীর হিসেবে চিহ্নিত করেছে।
- ২০১০ সালে তাকে বিশ্বের ১০০ প্রভাবশালী ব্যক্তির তালিকায় স্থান দেওয়া হয়।

এছাড়াও,
- অমর্ত্য সেনের লেখা গ্রন্থাবলি ৩০টিরও বেশি ভাষায় অনূদিত হয়েছে।
- The Idea Of Justice-গ্রন্থটির রচয়িতা অমর্ত্য সেন।
- বইটি মূলত জন রলসের 'A Theory of Justice' (1971)-এর মৌলিক ধারণাগুলির একটি সমালোচনা এবং সংশোধন।

উৎস: i)  Britannica.
ii) BBC.
২৫.
জোট নিরপেক্ষ আন্দোলন (NAM)-এর আগামী শীর্ষ সম্মেলন কোন শহরে অনুষ্ঠিত হবে?
  1. দিল্লী
  2. ডারবান
  3. ঢাকা
  4. জাকার্তা
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
এটি তৎকালীন সাম্প্রতিক প্রশ্ন যা পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন। অপশনে সঠিক উত্তর না থাকায় প্রশ্নটি বাতিল করা হলো।

জোট নিরপেক্ষ আন্দোলন (NAM):

- NAM-এর পূর্ণরূপ: Non-Aligned Movement.
- জোট নিরপেক্ষ আন্দোলন (Non-Aligned Movement বা NAM) একটি আন্তর্জাতিক সংগঠন, যা মূলত শীতল যুদ্ধের সময়ে বিশ্ব রাজনীতির দুটি প্রধান শক্তির ব্লক- পূর্ব ব্লক (সোভিয়েত ইউনিয়ন) এবং পশ্চিম ব্লক (যুক্তরাষ্ট্র)—এর বাইরে থাকার উদ্দেশ্যে গঠন করা হয়েছিল।
- এর প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য ছিল বিভিন্ন দেশকে নিরপেক্ষভাবে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বজায় রাখতে সহায়তা করা, যাতে তারা কোনো একটি শক্তির পক্ষও নিতে বাধ্য না হয়।

⇒ বর্তমান সদস্য: ১২১টি।
- সর্বশেষ দক্ষিণ সুদান।
- চেয়ারম্যান: ইলহাম ইলিয়েভ।

⇒ NAM-এর মূল উদ্দেশ্য ছিল:
- বিশ্বে শান্তি ও নিরাপত্তা বজায় রাখা।
- আন্তর্জাতিক শক্তির সমতা প্রতিষ্ঠা করা।
- কল্যাণমুখী অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং মানবাধিকার রক্ষা করা।
- আগ্রাসী শক্তির বিরুদ্ধে সংগ্রাম করা।
- উন্নয়নশীল দেশগুলোর মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধি করা।

উল্লেখ্য,
- সর্বশেষ NAM-এর ১৯তম শীর্ষ সম্মেলন ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে উগান্ডায় অনুষ্ঠিত হয়।
- পরবর্তী ২০তম শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে ২০২৫ সালে উজবেকিস্তানে।

উৎস: NAM ওয়েবসাইট।
২৬.
উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদ (GCC)-এর সদস্য সংখ্যা কত?
ব্যাখ্যা
GCC:
- GCC-এর পূর্ণরূপ: Gulf Cooperation Council.
- Gulf Cooperation Council হলো পারস্য উপসাগর তীরবর্তী আরব উপদ্বীপের দেশগুলোর একটি রাজনৈতিক ও অর্থনেতিক জোট।
- গঠিত হয়: ২৫মে, ১৯৮১ ।
- সদরদপ্তর: রিয়াদ, সৌদি আরব।
- বর্তমান মহাসচিব: জাসেম মোহাম্মদ আল বুদাইউই।
- বর্তমান সদস্য সংখ্যা: ৬টি (সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, কুয়েত, বাহরাইন, ওমান)।
- GCC সদস্য দেশগুলো একে অপরের মধ্যে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, ট্যুরিজম এবং অবকাঠামো উন্নয়নে সহায়তা করে থাকে।

উল্লেখ্য,
- সুপ্রিম কাউন্সিল GCC-এর সর্বোচ্চ সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী সত্তা, যা সদস্য রাষ্ট্রপ্রধানদের নিয়ে গঠিত এবং বার্ষিক বৈঠক করে। সিদ্ধান্তগুলো সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়। এছাড়া, একটি প্রতিরক্ষা পরিকল্পনা কাউন্সিল রয়েছে যা সামরিক সহযোগিতা সমন্বয় করে।
- GCC সনদের ৪ নম্বর অনুচ্ছেদ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং এটি জোটটির মূল উদ্দেশ্য স্পষ্টভাবে নির্ধারণ করে। এই অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, GCC গঠিত হয়েছিল সদস্য দেশগুলির মধ্যে সম্পর্ক জোরদার করার জন্য এবং দেশগুলির নাগরিকদের মধ্যে সহযোগিতা বাড়ানোর জন্য। 

উৎস: Britannica.
২৭.
BIMSTEC কী ধরনের সংগঠন?
  1. রাজনৈতিক
  2. অর্থনৈতিক
  3. বাণিজ্যিক
  4. সামাজিক
ব্যাখ্যা
BIMSTEC:
- BIMSTEC-এর পূর্ণরূপ: Bay of Bengal Initiative for Multi-Sectoral Technical and Economic Co- Operation বা বঙ্গোপসাগরীয় অঞ্চলের আঞ্চলিক সংস্থা।
- এটি একটি অর্থনৈতিক সংগঠন।
- এর পূর্বনাম ছিল BISTEC (Bangladesh, India, Sri Lanka, Thailand Economic Cooperation), পরবর্তীতে মায়ানমার যোগদান করলে M যুক্ত হয়ে BIMSTEC হয় এবং নেপাল ও ভুটান যোগদানের পর বর্তমান নাম ধারণ করে।
- ৬ জুন ১৯৯৭ সালে ব্যাংকক ঘোষণাপত্রের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয়।

উল্লেখ্য,
- এটি ৬ জুন, ১৯৯৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ছিল ৪টি।
- বর্তমান সদস্য সংখ্যা ৭টি।
- এগুলো হলো: বাংলাদেশ, ভারত, শ্রীলঙ্কা, থাইল্যান্ড, মিয়ানমার, নেপাল ও ভুটান।
- সদরদপ্তর: ঢাকা, বাংলাদেশ।
- বর্তমান মহাসচিব: ইন্দ্রমণি পান্ডে।

উৎস: BIMSTEC ওয়েবসাইট।
২৮.
সার্ক কোন সালে কোথায় প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৮৫ সালে ঢাকায়
  2. ১৯৮৩ সালে দিল্লীতে
  3. ১৯৮৪ সালে কলম্বোতে
  4. ১৯৮৬ সালে মালেতে
ব্যাখ্যা
SAARC:
- SAARC-এর পূর্ণরূপ: South Asian Association for Regional Cooperation বা দক্ষিণ এশিয় বহুপাক্ষিক আঞ্চলিক সহযোগিতা ফোরাম।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ৮ ডিসেম্বর, ১৯৮৫ (ঢাকা, বাংলাদেশ)।
- সদরদপ্তর: কাঠমান্ডু, নেপাল।
- বর্তমান মহাসচিব গোলাম সারওয়ার।

⇒ প্রতিষ্ঠাতা সদস্য: ৭টি।
- বর্তমান সদস্য সংখ্যা ৮টি।
- সদস্য দেশ: বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, নেপাল, শ্রীলংকা, ভুটান, মালদ্বীপ, আফগানিস্তান।
- সর্বশেষ সদস্য আফগানিস্তান ২০০৭ সালের ৩ এপ্রিল সার্কে যোগ দেয়।

উৎস: SAARC ওয়েবসাইট।
২৯.
জাতিসংঘের বর্তমান সদস্য সংখ্যা কত?
  1. ১৯৩
  2. ১৮৯
  3. ১৭০
  4. ১৭৫
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘ (United Nations):
- বিশ্বের বৃহত্তম আন্তর্জাতিক সংস্থা হলো জাতিসংঘ।
- এটি জাতিপুঞ্জের (League of Nations) উত্তরসূরী।
- জাতিসংঘ সনদ স্বাক্ষরিত হয়: ২৬ জুন, ১৯৪৫।
- জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠিত হয়: ২৪ অক্টোবর, ১৯৪৫।
- স্বাক্ষরের স্থান: যুক্তরাষ্ট্রের সানফ্রান্সিসকো।
- বর্তমান মহাসচিব: আন্তোনিও গুতেরেস।
- সদরদপ্তর: ম্যানহাটন, নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র।
- দাপ্তরিক ভাষা ৬টি: ইংরেজি, ফ্রেঞ্চ, চীনা, রুশ, স্প্যানিশ এবং আরবি।
- কার্যকরী দাপ্তরিক ভাষা ২টি: ইংরেজি ও ফ্রেঞ্চ।
- প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য: ৫১টি।
- বর্তমান সদস্য: ১৯৩টি।
- জাতিসংঘের স্থায়ী পর্যবেক্ষকের সংখ্যা ২টি: ভ্যাটিকান সিটি, ফিলিস্তিন।

উৎস: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
৩০.
বাংলাদেশ কতবার স্বস্তি পরিষদের সদস্যপদ লাভ করে?
  1. ২ বার
  2. ৩ বার
  3. ১ বার
  4. ৪ বার
ব্যাখ্যা
নিরাপত্তা পরিষদ (UN Security Council):
- জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ (United Nations Security Council বা UNSC) হলো জাতিসংঘের প্রধান সংস্থা, যা আন্তর্জাতিক শান্তি এবং নিরাপত্তা রক্ষা করার জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত। 
- এর প্রধান দায়িত্ব হলো বিশ্বজুড়ে শান্তি বজায় রাখা এবং সংঘাত প্রতিরোধ করা।
- নিরাপত্তা পরিষদের সদস্য সংখ্যা ১৫ (পাঁচটি স্থায়ী সদস্য এবং দশটি অস্থায়ী সদস্য)।
- স্থায়ী সদস্য: চীন, ফ্রান্স, রাশিয়া, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র। এই পাঁচ পরাশক্তিকে একত্রে পি-৫ নামে অভিহিত করা হয়।

⇒ জাতিসংঘ সনদের ২৩ নং অনুচ্ছেদে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ গঠনের কথা বলা হয়েছে।
- স্থায়ী সদস্যদের ভেটো (Veto) পাওয়ার থাকে, অর্থাৎ তারা একটি সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ভোট দিলে সেই সিদ্ধান্ত গৃহীত হবে না। 
- অস্থায়ী সদস্যরা নির্বাচনের মাধ্যমে নির্বাচিত হন এবং তাদের মেয়াদকাল সাধারণত দুই বছর। এই সদস্যদের কোনো ভেটো ক্ষমতা নেই, তবে তারা আলোচনায় অংশগ্রহণ করতে পারে এবং ভোট দিতে পারে।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ ২ বার জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য নির্বাচিত হয়।
- প্রথমবার ১৯৭৯-৮০ মেয়াদে এবং দ্বিতীয়বার ২০০০-০১ মেয়াদে।

উৎস: UN Security Council ওয়েবসাইট।
৩১.
রাশিয়ার কুরস্ক নামক সাবমেরিনটির ওজন কত টন?
  1. ১২,৮০০ টন
  2. ১৩,৯০০ টন
  3. ১৪,২০০ টন
  4. ১৫,০০০ টন
ব্যাখ্যা

রাশিয়ার কুরস্ক নামক সাবমেরিন:
- কুরস্ক (Kursk) ছিল একটি রাশিয়ান নিউক্লিয়ার-পাওয়ারড সাবমেরিন, যা ২০০০ সালের ১২ আগস্ট রাশিয়ার উত্তর সাগরে ডুবে যায়।
- রাশিয়ার কুরস্ক নামক সাবমেরিনটির ওজন ১৪,২০০ টন।


⇒ কুরস্ক (K-141) সাবমেরিনের নামকরণ ছিল একটি গৌরবময় মুহূর্ত, কারণ এটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের বাগদানের ৫০তম বার্ষিকী উপলক্ষে যুদ্ধের সম্মানে নামকরণ করা হয়েছিল।
- তবে, ২০০০ সালের ১২ আগস্ট যখন কুরস্ক ডুবে যায়, তখন এই গৌরবময় নামকরণ একটি গভীর ট্র্যাজেডি ও শোকের সঙ্গে যুক্ত হয়ে যায়।

⇒ কুরস্কের দুর্ঘটনা ছিল একটি ভয়াবহ ঘটনা। বারেন্টস সাগরে রাশিয়ান নৌবাহিনীর একটি নিয়মিত অনুশীলন চলাকালীন, সাবমেরিনটি একটি বিস্ফোরণের কারণে ডুবে যায়। এই বিপর্যয়ে ১১৮ জন ক্রু সদস্য প্রাণ হারান, যারা সাবমেরিনটির মধ্যে ছিলেন।

উৎস: i) BBC.
ii) Mammoet.

৩২.
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনালের মতে বিশ্বের সবচেয়ে বেশি দুর্নীতিগ্রস্ত দেশ কোনটি?
  1. সুইডেন
  2. নাইজেরিয়া
  3. বাংলাদেশ
  4. ভারত
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
এটি তৎকালীন সাম্প্রতিক প্রশ্ন যা পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন। অপশনে সঠিক উত্তর না থাকায় প্রশ্নটি বাতিল করা হলো।

দুর্নীতির ধারণা সূচক-২০২৩:
- Transparency International প্রতিবছর বিশ্বব্যাপী দুর্নীতি ধারণা সূচক (CPI) প্রকাশ করে।
- সর্বশেষ জানুয়ারি, ২০২৪-এ দুর্নীতির ধারণা সূচক (সিপিআই) প্রতিবেদন-২০২৩ প্রকাশ করেছে টিআই। 

⇒ বিশ্বের সবচেয়ে বেশি দুর্নীতিগ্রস্ত দেশ:
১. সোমালিয়া,
২. ভেনিজুয়েলা,
৩. সিরিয়া,
৪. দক্ষিণ সুদান,
৫. ইয়েমেন।

Transparency International:
- Transparency International (TI) জার্মান ভিত্তিক একটি আন্তর্জাতিক দুর্নীতিবিরোধী সংস্থা।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৯৩ সালে।
- প্রতিষ্ঠাতা: পিটার ইজেন।
- সদর দপ্তর: বার্লিন, জার্মানি।

উৎস: Transparency International ওয়েবসাইট।
৩৩.
'বিশ্বের জনসংখ্যা পরিস্থিতি ২০০০' রিপোর্ট অনুসারে নারী নির্যাতনের ক্ষেত্রে শীর্ষে রয়েছে কোন দেশ?
  1. পাকিস্তান
  2. কেনিয়া
  3. পাপুয়া নিউগিনি
  4. বাংলাদেশ
ব্যাখ্যা
এটি তৎকালীন সাম্প্রতিক প্রশ্ন যা পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন। 

UNFPA - এর ২০০০ সালের রিপোর্ট অনুসারে নারী নির্যাতনে শীর্ষে ছিল পাপুয়া নিউগিনি।

উৎস: UNFPA ওয়েবসাইট।
৩৪.
২০০০ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন কে?
  1. প্রেসিডেন্ট কিম দায়ে জং
  2. হোমস জে হেকম্যান
  3. গাও সিংজিয়ান
  4. এরিক ক্যান্ডেল
ব্যাখ্যা
নোবেল শান্তি পুরস্কার, ২০০০:
- ২০০০ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করে দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক রাষ্ট্রপ্রধান, গণতন্ত্রপন্থী মানবধিকারকর্মী কিম দ্যায়ে জং।

উল্লেখ্য,
- ২০০০ সালে জং উত্তর কোরিয়ার সাথে সম্পর্ক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি পদক্ষেপ নেন।
- দুই কোরিয়ার মধ্যে শান্তি আলোচনা তখন এতটাই জনপ্রিয় হয়েছিল যে তখন এ আলোচনার নাম দেওয়া হয়েছিল 'হিস্টোরিক হ্যান্ডশেক'।
- দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট দ্যায়ে জং-এর সময়ে দুই কোরিয়ার সম্পর্কে অনেক অগ্রগতি হয়েছিল।
- পুরো শান্তি প্রক্রিয়াটির সাথে আমেরিকার তৎকালীন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন পরোক্ষভাবে জড়িত ছিলেন। 

এছাড়াও,
- ২০২৪ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন জাপানি সংস্থা নিহন হিদানকিও।

উৎস: Britannica.
৩৫.
পৃথিবীর বৃহত্তম মহাদেশ কোনটি?
  1. আফ্রিকা
  2. ইউরোপ
  3. এশিয়া
  4. উত্তর আমেরিকা
ব্যাখ্যা
পৃথিবীর বৃহত্তম মহাদেশ:
- পৃথিবীর বৃহত্তম মহাদেশ এশিয়া মহাদেশ। 

• এশিয়া মহাদেশ:
- এশিয়া মহাদেশ পৃথিবীর মোট ভূপৃষ্ঠের প্রায় ৮.৭% (অথবা মোট ভূমি এলাকার ২৯.৫%) জুড়ে বিস্তৃত।
- এটি পৃথিবীর সবচেয়ে জনবহুল মহাদেশ।
- এশিয়া মহাদেশ ৪৮টি দেশ নিয়ে গঠিত।
- এশিয়ার আয়তনে বৃহত্তম দেশ রাশিয়া এবং ক্ষুদ্রতম দেশ মালদ্বীপ।
- এশিয়ার বৃহত্তম সাগর: দক্ষিণ চীন সাগর,
- এশিয়ার দীর্ঘতম নদী ইয়াংজি,
- এশিয়ার গভীরতম হ্রদ: বৈকাল হ্রদ,
- সর্বোচ্চ স্থান মাউন্ট এভারেষ্ট (৮,৮৫০ মিটার),
- এশিয়া এবং ইউরোপ মহাদেশের মাঝ বরাবর ইউরাল পর্বতমালা অবস্থিত।

উৎস: World Atlas.
৩৬.
হেলসিংকি কোন দেশের রাজধানী?
  1. সুইডেন
  2. নরওয়ে
  3. ফিনল্যান্ড
  4. পোল্যান্ড
ব্যাখ্যা
ফিনল্যান্ড:
- ফিনল্যান্ড একটি স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশ, যা উত্তর ইউরোপে অবস্থিত।
- ফিনল্যান্ডের সীমানায় রয়েছে সুইডেন, নরওয়ে, রাশিয়া এবং বাল্টিক সাগর।
- রাজধানী: হেলসিঙ্কি।
- আইনসভা: এডুসকুন্টা।
- মুদ্রা: ইউরো।

উল্লেখ্য,
- ফিনল্যান্ডকে পৃথিবীর সবচেয়ে সুখী দেশ বলা হয়।
- দেশটি 'হাজার হ্রদের দেশ' হিসেবে পরিচিত। ফিনল্যান্ডে প্রায় ৫৬,০০০ হ্রদ রয়েছে। 

অন্যদিকে,
- নরওয়ের রাজধানী অসলো।
- সুইডেনের রাজধানী স্টকহোম।
- পোল্যান্ডের রাজধানী ওয়ারশ।

উৎস: Britannica.
৩৭.
সুইডেনের মুদ্রার নাম কি?
  1. পাউন্ড
  2. ডলার
  3. ক্রোনা
  4. পেসো
ব্যাখ্যা
সুইডেন:
- সুইডেন একটি স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশ, যা উত্তর ইউরোপে অবস্থিত।
- পশ্চিমে নরওয়ে, উত্তর-পূর্বে ফিনল্যান্ড, এবং দক্ষিণ-পূর্বে আছে যথাক্রমে বাল্টিক সাগর ও বথনিয়া উপসাগর। 
- রাজধানী: স্টকহোম।
- সুইডেন একটি সাংবিধানিক রাজতন্ত্র। 
- আইনসভা: রিক্সড্যাগ। 
- মুদ্রা: সুইডিশ ক্রোনা। 
- সরকার প্রধান: প্রধানমন্ত্রী উলফ ক্রিস্টারসন। 
- রাষ্ট্রপ্রধান: রাজা কার্ল ষোড়শ গুস্তাফ।

উল্লেখ্য,
- সুইডেন ১৯৯৫ সালে ইউরোপীয় ইউনিয়নে যোগদান করে। 
- সুইডেন ২০২৪ সালে ন্যাটোতে যোগদান করে।

উৎস: Britannica.
৩৮.
NAM-এর বর্তমান সদস্য সংখ্যা কত?
  1. ১০০
  2. ১১০
  3. ১১৪
  4. ১১০.
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
এটি তৎকালীন সাম্প্রতিক প্রশ্ন যা পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন। অপশনে সঠিক উত্তর না থাকায় প্রশ্নটি বাতিল করা হলো।

NAM:
- NAM-এর পূর্ণরূপ: Non-Aligned Movement বা জোট-নিরপেক্ষ আন্দোলন।
- ১৯৫৫ সালের ১৮-২৪ এপ্রিল বান্দুং কনফারেন্সের প্রেক্ষিতে ন্যাম গঠিত হয়।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১ সেপ্টেম্বর, ১৯৬১।
- বর্তমান সদস্য: ১২১টি।
- সর্বশেষ দক্ষিণ সুদান।
- চেয়ারম্যান: ইলহাম ইলিয়েভ।
- বাংলাদেশ ১৯৭৩ সালে ন্যাম-এর সদস্য পদ লাভ করে।

উল্লেখ্য,
- এটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর স্নায়ুযুদ্ধকালীন পুঁজিবাদী দেশসমূহের জোট ন্যাটো এবং সমাজতান্ত্রিক দেশসমূহের জোট ওয়ারশ থেকে নিরপেক্ষ আন্দোলনের জন্য প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৫৫ সালের ১৮-২৪ এপ্রিল ইন্দোনেশিয়ার বান্দুং-এ এশিয়া ও আফ্রিকার ২৯টি দেশের অংশগ্রহণে বান্দুং সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
- এই সম্মেলনে স্নায়ুযুদ্ধকালীন সময়ে তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলোর ভূমিকা, শান্তি বজায় রাখা, অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও উপনিবেশবাদ থেকে মুক্তির বিষয়ে আলোচনা হয়।

উৎস: NAM ওয়েবসাইট।
৩৯.
কমনওয়েলথ সেক্রেটারিয়েট যে অট্টালিকায় অবস্থিত তার নাম কি?
  1. মার্লবোরো হাউজ
  2. হোয়াইট হাউজ
  3. বাকিংহাম প্রাসাদ
  4. দি চেকার্স
ব্যাখ্যা
মার্লবোরো হাউজ:
- কমনওয়েলথ সেক্রেটারিয়েট যে অট্টালিকায় অবস্থিত তার নাম মার্লবোরো হাউজ।

উল্লেখ্য,
- মার্লবোরো হাউজ (Marlborough House) একটি ঐতিহাসিক ভবন যা লন্ডনের সেন্ট জেমস পার্ক এলাকায় অবস্থিত।
- মার্লবোরো হাউজটি প্রথমে ডিউক অফ মার্লবোরোর জন্য ১৭১১ সালে নির্মিত হয়েছিল। 
- এটি কমনওয়েলথ অফ নেশনস (Commonwealth of Nations) এর প্রধান কার্যালয় হিসেবেও ব্যবহৃত হয়ে থাকে।
- বর্তমানে মার্লবোরো হাউজটি কমনওয়েলথ সেক্রেটারিয়েট এর প্রধান কার্যালয় হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

অন্যদিকে,
- হোয়াইট হাউজ (White House) যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের সরকারি বাসভবন এবং কার্যালয়। 
- বাকিংহাম প্রাসাদ (Buckingham Palace) হল যুক্তরাজ্যের রাজপরিবারের প্রধান বাসভবন এবং লন্ডনে অবস্থিত একটি ঐতিহাসিক প্রাসাদ। 
- দি চেকার্স (Chequers) যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রীর সরকারী বাসভবন হিসেবে ব্যবহৃত একটি ঐতিহাসিক প্রাসাদ।

উৎস: Commonwealth ওয়েবসাইট।
৪০.
প্রথম সাফ গেমস কোথায় অনুষ্ঠিত হয়?
  1. ঢাকা
  2. নয়াদিল্লী
  3. কলম্বো
  4. কাঠমান্ডু
ব্যাখ্যা
প্রথম সাফ গেমস:
- প্রথম সাফ গেমস ১৯৮৪ সালের সেপ্টেম্বরে নেপালের কাঠমান্ডুতে অনুষ্ঠিত হয়।
- প্রথম গেমসে অংশগ্রহণকারী দেশগুলি ছিল বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, নেপাল, মালদ্বীপ এবং ভুটান।

উল্লেখ্য,
- দুই বছর অন্তর অন্তর সাফ গেমস অনুষ্ঠিত হয়।
- ২য় সাফ গেমস ১৯৮৫ সালে বাংলাদেশের ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয়।

উৎস: Olympic Council of Asia.
৪১.
বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস বিষয়ক প্রথম উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ কার রচনা?
  1. দীনেশচন্দ্র সেনগুপ্ত
  2. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়
  3. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
  4. সুকুমার সেন
ব্যাখ্যা
• 'বঙ্গভাষা ও সাহিত্য' বাংলা সাহিত্যের প্রথম ইতিহাসগ্রন্থ।
- গ্রন্থটির রচয়িতা দীনেশচন্দ্র সেন।

'বঙ্গভাষা ও সাহিত্য' গ্রন্থ:
- বঙ্গভাষা ও বঙ্গলিপির উৎপত্তি, সংস্কৃত-প্রাকৃত ও বাংলার সম্পর্ক, প্রাচীন বাংলা সাহিত্য, মধ্যযুগের ধর্মগোষ্ঠী ও তাদের সঙ্গে সাহিত্যের যোগ ইত্যাদি বিষয়ে মনোজ্ঞ বিবিরণ লিপিবদ্ধ আছে এই গ্রন্থে।
- ইংরেজপূর্ব বাংলা সাহিত্যে এমন বিশারদ এবং অনুরাগপূর্ণ ইতিহাস ইতোপূর্বে রচিত হয় নি।
- এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম ইতিহাসগ্রন্থ যেখানে সাহিত্য ও সমাজের গূঢ় সম্পর্কের ইঙ্গিত দেয়া হয়।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
৪২.
'ভাষা প্রকাশ বাঙ্গালা ব্যাকরণ' কে রচনা করেন?
  1. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
  2. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়
  3. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
  4. মুহম্মদ এনামুল হক
ব্যাখ্যা
• ‘ভাষা প্রকাশ বাঙ্গালা ব্যাকরণ' গ্রন্থের রচয়িতা-  সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়।

• সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়: 
- ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় বাংলা ভাষার শ্রেষ্ঠ ভাষাবিজ্ঞানী।
- ১৯৩৬ সালে কলকাতার রয়েল এশিয়াটিক সোসাইটির ফেলো নির্বাচিত হন।
- তাঁর বিখ্যাত রচনা হলো অরিজিন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অব দি বেঙ্গলি ল্যাংগুয়েজ, (ওডিবিএল, ১৯২৬)। 

• তাঁর রচিত গ্রন্থ:
- অরিজিন এন্ড ডেভলেপমেন্ট অব বেঙ্গলি ল্যাঙ্গুয়েজ,
- ভাষা প্রকাশ বাঙ্গালা ব্যাকরণ,
- পশ্চিমের যাত্রী,
- বাংলা ভাষাতত্ত্বের ভূমিকা,
- ভারতের ভাষা ও ভাষা সমস্যা।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
৪৩.
'পদাবলী'র প্রথম কবি কে?
  1. শ্রীচৈতন্য
  2. বিদ্যাপতি
  3. চণ্ডীদাস
  4. জ্ঞানদাস
ব্যাখ্যা
• বৈষ্ণব পদাবলি:
বৈষ্ণব পদাবলি মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের শ্রেষ্ঠ ফসল।

⇒ বিদ্যাপতি ব্রজবুলি ভাষায় প্রথম বৈষ্ণব পদ রচনা করেন। অবাঙালি কবি বিদ্যাপতিকে ব্রজবুলি ভাষায় বৈষ্ণব পদাবলির আদি কবি বলা হয়। উনি অভিনব জয়দেব নামেও পরিচিত।

অন্যদিকে, 
⇒ বাংলা ভাষায় প্রথম বৈষ্ণব পদাবলি রচনা করেন চণ্ডীদাস।

• বিদ্যাপতি:
- মিথিলার রাজসভার কবি ছিলেন বিদ্যাপতি।
- ‘মৈথিল কোকিল’ বলতে মিথিলার কবি বিদ্যাপতিকে বোঝায়।
- তিনি ছিলেন বৈষ্ণব কবি এবং পদসঙ্গীত ধারার রূপকার।
- তাঁর শ্রেষ্ঠ কীর্তি হচ্ছে ব্রজবুলিতে রচিত রাধাকৃষ্ণ বিষয়ক পদ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর; লাল নীল দীপাবলি, হুমায়ুন আজাদ।
৪৪.
দোভাষী পুঁথি বলতে কি বোঝায়?
  1. দুই ভাষায় রচিত পুঁথি
  2. কয়েকটি ভাষার শব্দ ব্যবহার করে মিশ্রিত ভাষায় রচিত পুঁথি
  3. তৈরি করা কৃত্রিম ভাষায় রচিত পুঁথি
  4. আঞ্চলিক বাংলায় রচিত পুঁথি
ব্যাখ্যা
• পুথি সাহিত্য:
- পুথি সাহিত্য আরবি, উর্দু, ফারসি ও হিন্দি ভাষার মিশ্রণে রচিত এক বিশেষ শ্রেণীর বাংলা সাহিত্য। আঠারো থেকে উনিশ শতক পর্যন্ত এর ব্যাপ্তিকাল। এ সাহিত্যের রচয়িতা এবং পাঠক উভয়ই ছিল মুসলমান সম্প্রদায়।

- পুথি (বা পুঁথি) শব্দের উৎপত্তি ‘পুস্তিকা’ শব্দ থেকে। এ অর্থে পুথি শব্দদ্বারা যেকোনো গ্রন্থকে বোঝালেও পুথি সাহিত্যের ক্ষেত্রে তা বিশেষ অর্থ বহন করে। বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে একটি বিশেষ সময়ে রচিত বিশেষ ধরণের সাহিত্যই পুথি সাহিত্য নামে পরিচিত।

- হুগলির বালিয়া-হাফেজপুরের কবি ফকির গরীবুল্লাহ (আনু. ১৬৮০-১৭৭০) আমীর হামজা রচনা করে এ কাব্যধারার সূত্রপাত করেন। আরবদেশের ইতিহাস-পুরাণ মিশ্রিত কাহিনি অবলম্বনে রচিত আমীর হামজা জঙ্গনামা বা যুদ্ধ বিষয়ক কাব্য।

- মধ্যযুগে প্রায় পাঁচশ বছর ধরে বাংলা ভাষার যে ঐতিহ্য তৈরি হয়েছিল, তার সঙ্গে এ কাব্যের ভাষার মিল নেই। বাংলা শব্দের সঙ্গে আরবি, ফারসি প্রভৃতি শব্দের মিশ্রণজাত একটি ভিন্ন ভাষায় কাব্যটি রচিত। সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় এ কাব্যে ৩২% বিদেশি শব্দের পরিসংখ্যান দিয়েছেন। হুগলি, হাওড়া, কলকাতা, ২৪ পরগনা প্রভৃতি অঞ্চলের মুসলমানদের কথ্যভাষা এর উৎস ছিল বলে মনে করা হয়।

- গরীবুল্লাহ নিজে এবং তাঁর শিষ্য সৈয়দ হামজা এ ভাষায় আরও কয়েকখানি কাব্য রচনা করেন। তাঁদের অনুসরণে পরবর্তীকালে বহু সংখ্যক মুসলমান কবি এ জাতীয় কাব্য রচনা করেন।
- এগুলির পাঠক ছিল সর্বস্তরের মুসলমান; তবে নিম্নবিত্তের চাকরিজীবী, ব্যবসায়ী ও শ্রমজীবী মানুষের কাছে এর জনপ্রিয়তা ছিল সর্বাধিক।

- পুথি সাহিত্যের শব্দসম্ভার ও ভাষারীতি লক্ষ করে বিভিন্ন জন এর বিভিন্ন নামকরণ করেছেন। রেভারেন্ড জেমস লং এ ভাষাকে বলেছেন ‘মুসলমানী বাংলা’, আর এ ভাষায় রচিত সাহিত্যকে বলেছেন ‘মুসলমানী বাংলা সাহিত্য’।

- কলকাতার বটতলার ছাপাখানার বদৌলতে প্রচার লাভ করে বলে এগুলি ‘বটতলার পুথি’ নামেও পরিচিত হয়।
- গবেষকগণ ভাষা-বৈশিষ্ট্য ও বাক্যরীতির দিক থেকে বিচার করে প্রথমে এগুলিকে দোভাষী পুথি এবং পরবর্তীকালে ‘মিশ্র ভাষারীতির কাব্য’ বলে অভিহিত করেন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৪৫.
'সঞ্চয়িতা' কোন কবির কাব্য সংকলন?
  1. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  2. সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত
  3. কাজী নজরুল ইসলাম
  4. জসীমউদ্দীন
ব্যাখ্যা
• সঞ্চয়িতা:
- ‘সঞ্চয়িতা’ (১৯৩১) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত নিজ কবিতার সংকলন।
- ‘সঞ্চয়িতা’ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সর্বাপেক্ষা জনপ্রিয় সংকলিত গ্রন্থ।
- কবিতাগুলি কালানুক্রমিকভাবে সজ্জিত। ‘সান্ধ্যসঙ্গীত’ কাব্যগ্রন্থ থেকে কবিতাগুলি এতে সংকলিত হয়েছে।

অন্যদিকে,
• সঞ্চিতা:
- কাজী নজরুল ইসলামের কবিতা সংকলন - ‘সঞ্চিতা'।
- এতে ৭৮টি কবিতা ও গান সংকলিত হয়েছে।
- ‘সঞ্চিতা' কবিতা সংকলনটি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে কাজী নজরুল ইসলাম উৎসর্গ করেন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
৪৬.
রবীন্দ্রনাথের কোন গ্রন্থটি নাটক?
  1. চোখের বালি
  2. বলাকা
  3. ঘরে-বাইরে
  4. রক্তকরবী
ব্যাখ্যা
• 'রক্তকরবী' নাটক:
- রক্তকরবী রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সাংকেতিক নাটক। নাটকটি বাংলা ১৩৩০ সনের শিলং-এর শৈলবাসে রচিত।
- তখন এর নামকরণ হয়েছিল যক্ষপুরী।
- ১৩৩০ সনের আশ্বিন মাসে যখন প্রবাসীতে প্রকাশিত হয় তখন এর নাম হয় রক্তকরবী।
- মানুষের অসীম লোভ কীভাবে জীবনের সব সৌন্দর্য ও স্বাভাবিকতাকে অস্বীকার করে মানুষকে নিছক যন্ত্র ও উৎপাদনের প্রয়োজনীয় উপকরণে পরিণত করেছে এবং এর ফলে তার বিরুদ্ধে মানুষের
প্রতিবাদ কীরূপ ধারণ করেছে এরই প্রতিফলন ঘটেছে এ নাটকটিতে।
- রক্তকরবীতে ধনের উপর ধান্যের, শক্তির উপর প্রেমের ও মৃত্যুর উপর জীবনের জয়গান গাওয়া হয়েছে।
- নাটকে 'নন্দিনী' চরিত্রটি নিপীড়িত মানুষের মাঝখানে দেখা দিয়েছে আনন্দের দূত রূপে।
- 'রঞ্জন' বিদ্রোহের বাণী বহন করে এনেছে। শেষপর্যন্ত জয়ী হয়েছে মানুষের প্রাণশক্তি।

উল্লেখযোগ্য চরিত্রগুলো হলো;
- নন্দিনী,
- রঞ্জন।

------------------
অন্যদিকে, 
• 'চোখের বালি' 'ঘরে-বাইরে' রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের উপন্যাস। 
• 'বলাকা' রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত কাব্যগ্রন্থ। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
৪৭.
কোন কবিতা রচনার কারণে নজরুল ইসলামের কারাদণ্ড হয়েছিল?
  1. বিদ্রোহী
  2. আনন্দময়ীর আগমনে
  3. কাণ্ডারী হুশিয়ার
  4. অগ্রপথিক
ব্যাখ্যা
• 'আনন্দময়ীর আগমনে' কবিতার জন্য কাজী নজরুল ইসলামের কারাদণ্ড হয়েছিল।

• 'আনন্দময়ীর আগমনে' কবিতা:
- কাজী নজরুল ইসলাম 'আনন্দময়ীর আগমনে' কবিতা রচনার জন্য কারাবরণ করেণ।
- ৭৯ লাইনের বৃটিশ বিরোধী এই কবিতাটিতে নজরুলের ক্ষুব্ধ মনের প্রকাশ পাওয়া যায় জ্বালাময়ী শব্দের অন্তরালে।
- 'ধূমকেতু' পত্রিকার পূজা সংখ্যায় 'আনন্দময়ীর আগমনে' (২৬ শে সেপ্টেম্বর, ১৯২২) কবিতাটি প্রকাশিত হলে কাজী নজরুল ইসলাম কুমিল্লা থেকে ৮ই নভেম্বর গ্রেফতার হন।

---------------------
• কাজী নজরুল ইসলাম:
- কাজী নজরুল ইসলাম বাংলাদেশের জাতীয় কবি এবং অবিভক্ত বাংলার সাহিত্য, সমাজ ও সংস্কৃতি ক্ষেত্রের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ব্যক্তিত্ব।
- কাজী নজরুল ইসলাম ১৩০৬ বঙ্গাব্দের ১১ জ্যৈষ্ঠ (২৪ মে ১৮৯৯) পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার চুরুলিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- নজরুলের ডাক নাম ছিল 'দুখু মিয়া'। বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে তিনি 'বিদ্রোহী কবি'।
- কাজী নজরুল ইসলাম আধুনিক বাংলা গানের জগতে 'বুলবুল' নামে খ্যাত।

তাঁর রচিত উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ:
- অগ্নিবীণা,
- বিষের বাঁশী,
- ছায়ানট,
- সাম্যবাদী,
- সর্বহারা,
- সিন্ধু-হিন্দোল,
- চক্রবাক,
- ফণি-মনসা,
- প্রলয়-শিখা।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
৪৮.
কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত লেখা কোনটি?
  1. বাউণ্ডেলের আত্মকাহিনী
  2. মুক্তি
  3. হেবা
  4. বিদ্রোহী
ব্যাখ্যা
• করাচি সেনানিবাসে বসে রচিত এবং কলকাতার বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় প্রকাশিত নজরুলের রচনাবলির মধ্যে রয়েছে ‘বাউন্ডেলের আত্মকাহিনী’ (১৯১৯ সালের মে মাসে সওগাত পত্রিকায় প্রকাশিত হয়) নামক প্রথম গদ্য রচনা।

---------------
• কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত বিভিন্ন লেখাগুলো হলো:
- প্রথম প্রকাশিত কবিতা ‘মুক্তি’ (বঙ্গীয় মুসলমান সাহিত্য পত্রিকা, জুলাই ১৯১৯)
- 'অগ্নি-বীণা' (১৯২২) কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ।
- কাজী নজরুলের রচিত প্রথম উপন্যাস 'বাঁধন-হারা' ( ১৯২৭)।
- কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত প্রবন্ধের নাম – তুর্কিমহিলার ঘোমটা খোলা।
- কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত নাটক ঝিলিমিলি (১৯৩০)।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
৪৯.
সওগাত পত্রিকার সম্পাদক কে ছিলেন?
  1. মোহাম্মদ নাসিরউদ্দীন
  2. আবুল কালাম শামসুদ্দীন
  3. কাজী আব্দুল ওদুদ
  4. সিকান্দার আবু জাফর
ব্যাখ্যা
• 'সওগাত' পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন- 'মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন'।

• 'সওগাত' পত্রিকা:
- ১৩২৫ বঙ্গাব্দের (১৯১৮ সাল) অগ্রহায়ণ মাসে মোহাম্মদ নাসিরউদ্দীনের সম্পাদনায় কলকাতা থেকে এটি প্রকাশিত হয়।
- কাজী নজরুল ইসলাম ছিলেন সওগাতের প্রধান লেখকদের অন্যতম।
- তিনি যখন করাচিতে বেঙ্গল রেজিমেন্টে কর্মরত, তখন 'বাউন্ডুলের আত্মকাহিনী' নামে একটি ছোট গল্প পাঠান।
- এটিই ছিল তাঁর সওগাতে প্রকাশিত প্রথম লেখা।
- সওগাতের অন্যান্য প্রধান লেখক ছিলেন বেগম রোকেয়া, কাজী আবদুল ওদুদ, আবুল কালাম শামসুদ্দীন, আবুল মনসুর আহমদ এবং আবুল ফজল।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং সত্যেন্দ্রনাথ ঠাকুরও এতে লিখেছেন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর, বাংলাপিডিয়া।
৫০.
'সাত সাগরের মাঝি' কাব্যগ্রন্থটির কবি কে?
  1. ফররুখ আহমদ
  2. আহসান হাবিব
  3. শামসুর রাহমান
  4. হাসান হাফিজুর রহমান
ব্যাখ্যা
• 'সাত সাগরের মাঝি'- ফররুখ আহমদ রচিত প্রধান কাব্যগ্রন্থ।

----------------------
• 'সাত সাগরের মাঝি' কাব্যগ্রন্থ:
- মুসলিম জাগরণের কবি ফররুখ আহমদ রচিত প্রথম ও শ্রেষ্ঠ কাব্যগ্রন্থ 'সাত সাগরের মাঝি' ১৯৪৪ সালে প্রকাশিত হয়।
- ফররুখ আহমদ রচিত 'পাঞ্জেরি' কবিতাটি 'সাত সাগরের মাঝি' কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত। 'সাত সাগরের মাঝি' কাব্যগ্রন্থে মোট ১৯ টি কবিতা রয়েছে।
- সাত সাগরের মাঝি নামে একটি নাম কবিতা আছে গ্রন্থের সর্বশেষে।

অন্যান্য উল্লেখযোগ্য কবিতাগুলো হচ্ছে:
- সিন্দাবাদ,
- পাঞ্জেরি,
- লাশ,
- আউলাদ,
- দরিয়ার শেষরাত্রি ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
৫১.
'পথের দাবি' উপন্যাসের রচয়িতা কে?
  1. শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
  2. মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
  3. সত্যেন সেন
  4. সুকান্ত ভট্টাচার্য
ব্যাখ্যা
"পথের দাবী" উপন্যাস:
• 'পথের দাবী' শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত রাজনৈতিক উপন্যাস। এটি প্রকাশিত হয় ১৯২৬ সালে।

• এটি স্বদেশী বিপ্লবীদের হাতে হাতে থাকতো। কাহিনির পটভূমিকা ব্রহ্মদেশ। কারো এক গুপ্ত বিপ্লবী দলের নায়ক সব্যসাচী এই উপন্যাসের প্রধান চরিত্র। কারো মতে সব্যসাচী চরিত্রে বিপ্লবী রাসবিহারী বসুর ছায়াপাত ঘটেছে। নিঃসন্দেহে এই কাহিনিতে ব্রিটিশ শাসনের তীব্র সমালোচনা এবং সশস্ত্র বিপ্লবকে আন্তরিক সমর্থন আছে।

• গ্রন্থটি প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গে সরকার কর্তৃক নিষিদ্ধ হয়। নান্দনিক মানদণ্ডে 'পথের দাবী' উৎকৃষ্ট সাহিত্য কিনা এ নিয়ে প্রশ্ন থাকতে পারে। কিন্তু ব্রিটিশবিরোধী স্বাধীনতা সংগ্রামে এ উপন্যাস উদ্দীপকের ভূমিকা রাখে।

• আমি বিপ্লবী, ভারতের স্বাধীনতাই আমার একমাত্র কাম্য, আমার একটি মাত্র সাধনা।'- এই বক্তব্য ছিল উপন্যাসের শেষে। ভারতীয় রাজনৈতিক আন্দোলনের ইতিহাসে এই গ্রন্থ বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ।

• 'বঙ্গবাণী' পত্রিকায় ১৩২৯-এর ফাল্গুন সংখ্যা থেকে 'পথের দাবী' ধারাবাহিকরূপে প্রকাশিত হয়।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
৫২.
অপলাপ শব্দের অর্থ কি?
  1. অস্বীকার
  2. মিথ্যা
  3. প্রলাপ
  4. অসদালাপ
ব্যাখ্যা
• অপলাপ (বিশেষ্য পদ),
- এটি একটি সংস্কৃত শব্দ।
 
অর্থ:
- অবমাননা।
- গোপন।
- মিথ্যা উক্তি ((সত্যের অপলাপ)।
- অস্বীকার (তুমি একেবারে পরিণয় পর্যন্ত অপলাপ করিতেছ ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর)।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
৫৩.
পদ বা পদাবলী বলতে কি বুঝায়?
  1. লাচাড়ী ছন্দে রচিত পদ্য বা কবিতাবলী
  2. পদ্যাকারে রচিত দেবস্তুতিমূলক রচনা
  3. বাউল বা মরমী গীতি
  4. বৌদ্ধ বা বৈষ্ণবীয় ধর্মের গূঢ় বিষয়ের বিশেষ সৃষ্টি
ব্যাখ্যা
• পদাবলী (বিশেষ্য পদ), 
অর্থ: বৈষ্ণব ও শাক্ত গীতিকবিতা।

• পদাবলী:
পদাবলী একটি সামগ্রিক গীতি শাখা যা লোকসাহিত্য, ধর্মীয় কাব্য এবং মানবিক অনুভূতিকে সমন্বিত করে।
গীতোপযোগী ও ভণিতাযুক্ত ছন্দোবদ্ধ রচনা ‘পদ’ নামে অভিহিত। রাধাকৃষ্ণের প্রণয়লীলা এবং চৈতন্যদেবের প্রেমসাধনাকে অবলম্বন করেই বিস্তার লাভ করে মধ্যযুগের পদাবলী বা গীতিকাব্যের ধারা।

• বৈষ্ণব পদাবলী:
বৈষ্ণব পদাবলী পুরোপুরি বৈষ্ণব ধর্ম এবং কৃষ্ণভক্তির উপর ভিত্তি করে লেখা হয়। এতে শ্রীকৃষ্, গোপী প্রেম, ভগবান শ্রীকৃষ্ণের মহিমা ও ভক্তির প্রেম প্রতিফলিত হয়।

উল্লেখ্য,
পদাবলী একটি বৃহত্তর শব্দ, যা বিভিন্ন ধরনের গান বা গীতিকাব্যকে নির্দেশ করে, সেখানে বৈষ্ণব পদাবলী বিশেষভাবে বৈষ্ণব ধর্মের প্রভাবিত গীতির জন্য ব্যবহৃত হয়। সুতরাং,পদ বা পদাবলী পদ্যাকারে রচিত দেবস্তুতিমূলক রচনা। 

-------------------
প্রাসঙ্গিক আলোচনা:
চৈতন্যপূর্বযুগের একটি উল্লেখযোগ্য সাহিত্যধারা হচ্ছে পদাবলি। এর শুরু চৈতন্যপূর্বযুগেই। রাধাকৃষ্ণের লীলাবিষয়ক এ সাহিত্য ভাব, ভাষা ও ছন্দে অতুলনীয়। এতে ভগবান শ্রীকৃষ্ণ আত্মার আত্মীয়রূপে কল্পিত; তাঁর ও ভক্তের মধ্যে কোনো দূরত্ব নেই।

পরে রাধাকৃ ষ্ণের প্রণয়লীলা এবং চৈতন্যদেবের প্রেমসাধনাকে অবলম্বন করেই বিস্তার লাভ করে মধ্যযুগের পদাবলি বা গীতিকাব্যের ধারা। চৈতন্যদেবের পরবর্তী বৈষ্ণব কবিদের দ্বারা পদাবলি সাহিত্য বিশেষভাবে পরিপুষ্ট হয়। অনেকের মতে বাংলা সাহিত্যের প্রকৃত জাগরণ ঘটে এই পদাবলি রচনার মধ্য দিয়েই।

কতিপয় মুসলমানসহ অগণিত কবি রাধাকৃষ্ণলীলার পদ রচনা করে বাংলা সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করেন, যেমন: চণ্ডীদাস, জ্ঞানদাস, লোচনদাস, গোবিন্দদাস, কবিবল্লভ রায়শেখর, বলরাম দাস, নরোত্তম দাস, নরহরি দাস, রাধামোহন ঠাকুর প্রমুখ। মিথিলার বিদ্যাপতি ছিলেন চৈতন্যপূর্ব কবি। মৈথিল ভাষায় রচিত তাঁর পদগুলি পদাবলি সাহিত্যের মূল্যবান সম্পদ। চণ্ডীদাস ও বিদ্যাপতি পদাবলি সাহিত্যের দুই সেরা কবি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
৫৪.
বাংলা সাহিত্যের ইতিবৃত্ত (আধুনিক) কারা রচনা করেন?
  1. ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ ও সৈয়দ আলী আহসান
  2. ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ ও মুহম্মদ আব্দুল হাই
  3. মুহম্মদ আব্দুল হাই, আনিসুজ্জামান ও আনোয়ার পাশা
  4. মুহম্মদ আব্দুল হাই ও সৈয়দ আলী আহসান
ব্যাখ্যা
• 'বাংলা সাহিত্যের ইতিবৃত্ত' (আধুনিক যুগ) প্রবন্ধগ্রন্থের রচয়িতা সৈয়দ আলী আহসান। তিনি মুহম্মদ আবদুল হাইয়ের সাথে একত্রে গ্রন্থটি প্রকাশ করেন।

গ্রন্থের সংক্ষেপ:
কয়েক বছর আগে কেন্দ্রীয় পাকিস্তান সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী বাংলা সাহিত্যের একটি ধারাবাহিক ইতিহাস রচনার ভার পড়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের উপর। ইতিহাসটির দ্বিতীয় খণ্ড সদ্য প্রকাশিত হয়েছে। এটি লিখেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যক্ষ মুহম্মদ আবদুল হাই এবং করাচী বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যক্ষ সৈয়দ আলী আহসান। আধুনিক যুগ অর্থাৎ বৃটিশ আমল থেকে শুরু করে পাকিস্তানোত্তর যুগের বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস এঁরা আলোচনা করেছেন।




উৎস: 'বাংলা সাহিত্যের ইতিবৃত্ত' (আধুনিক যুগ)।
৫৫.
কোনটি ঠিক?
  1. গোরা (নাট্যগ্রন্থ)
  2. বিদ্রোহী (কাব্যগ্রন্থ)
  3. পথের দাবী (উপন্যাস)
  4. কাত্তরের দিনগুলি (উপন্যাস)
ব্যাখ্যা
"পথের দাবী" উপন্যাস:
• 'পথের দাবী' শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত রাজনৈতিক উপন্যাস। এটি প্রকাশিত হয় ১৯২৬ সালে।

• এটি স্বদেশী বিপ্লবীদের হাতে হাতে থাকতো। কাহিনির পটভূমিকা ব্রহ্মদেশ। কারো এক গুপ্ত বিপ্লবী দলের নায়ক সব্যসাচী এই উপন্যাসের প্রধান চরিত্র। কারো মতে সব্যসাচী চরিত্রে বিপ্লবী রাসবিহারী বসুর ছায়াপাত ঘটেছে। নিঃসন্দেহে এই কাহিনিতে ব্রিটিশ শাসনের তীব্র সমালোচনা এবং সশস্ত্র বিপ্লবকে আন্তরিক সমর্থন আছে।

• গ্রন্থটি প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গে সরকার কর্তৃক নিষিদ্ধ হয়। নান্দনিক মানদণ্ডে 'পথের দাবী' উৎকৃষ্ট সাহিত্য কিনা এ নিয়ে প্রশ্ন থাকতে পারে। কিন্তু ব্রিটিশবিরোধী স্বাধীনতা সংগ্রামে এ উপন্যাস উদ্দীপকের ভূমিকা রাখে।

• আমি বিপ্লবী, ভারতের স্বাধীনতাই আমার একমাত্র কাম্য, আমার একটি মাত্র সাধনা।'- এই বক্তব্য ছিল উপন্যাসের শেষে। ভারতীয় রাজনৈতিক আন্দোলনের ইতিহাসে এই গ্রন্থ বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ।

• 'বঙ্গবাণী' পত্রিকায় ১৩২৯-এর ফাল্গুন সংখ্যা থেকে 'পথের দাবী' ধারাবাহিকরূপে প্রকাশিত হয়।

অন্যদিকে, 
- জাহানারা ইমাম রচিত 'একাত্তরের দিনগুলি' শীর্ষক দিনপঞ্জির আকারে রচিত মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে স্মৃতিচারণমূলক গ্রন্থ।
- কাজী নজরুল ইসলামের 'বিদ্রোহী' একটি কবিতা। কবিতাটি ২২শে পৌষ ১৩২৮ (৬ জানুয়ারি, ১৯২২) 'সাপ্তাহিক বিজলী' পত্রিকায় প্রথম প্রকাশিত হয়।
- রবীনাথ ঠাকুর রচিত উপন্যাস 'গোরা' (১৯১০)। উপন্যাসের নায়ক গোরা সিপাহী বিদ্রোহের সময় নিহত এক আইরিশ দম্পতির সন্তান।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
৫৬.
কোনটি হযরত মুহম্মদ (স)-এর জীবনী গ্রন্থ?
  1. মরুমায়া
  2. মরু ভাস্কর
  3. মরুতীর্থ
  4. মরু কুসুম
ব্যাখ্যা
• 'মরুভাস্কর' জীবনী গ্রন্থ:
- মোহাম্মদ ওয়াজেদ আলী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) এর জীবনী নিয়ে মরুভাস্কর রচনা করেন।
- এর প্রকাশকাল ১৯৪১ সাল।
- মোহাম্মদ ওয়াজেদ আলী একজন মুসলিম স্বাতন্ত্রবাদী লেখক।

উল্লেখ্য,
• "মরু-ভাস্কর" কাব্যগ্রন্থ:
- মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) এর জীবনীকাব্য 'মরু-ভাস্কর' এর রচয়িতা কাজী নজরুল ইসলাম।
- ১৩৩৭ বঙ্গাব্দ থেকে কাব্যটি রচিত হয়। ১৩৫৭ বঙ্গাব্দে (১৯৫০) গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়।
- এ কাব্যের চারটি সর্গে  -মোহাম্মদ (স.) জন্ম, শৈশব, কৈশোর, বিয়ে ইত্যাদি বর্ণিত হয়েছে।

উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা-ড. সৌমিত্র শেখর
৫৭.
পদাবলী লিখেছেন-
  1. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  2. মাইকেল মধুসূদন
  3. ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
  4. কায়কোবাদ
ব্যাখ্যা
• "ভানুসিংহ ঠাকুরের পদাবলী":
- 'ভানুসিংহ ঠাকুরের পদাবলী' রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত বৈষ্ণব পদাবলির ধারার এবং ব্রজবুলি ভাষায় লিখিত একটি কাব্য।
- ১২৯১ সনে আষাঢ়ের মাঝামাঝি এ কাব্যটির প্রকাশকালে কবির নাম হিসেবে আখ্যাপত্রে লিখিত হয় ভানুসিংহ ঠাকুর। আর গ্রন্থটির প্রকাশক হন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।
- প্রকাশকের বিজ্ঞাপনে বলা হয়: ভানুসিংহের পদাবলী শৈশব সঙ্গীতের আনুষঙ্গিক স্বরূপে প্রকাশিত হইল। ইহার অধিকাংশই পুরাতন কালের খাতা হইতে সন্ধান করিয়া বাহির করিয়াছি।
'ভানুসিংহ ঠাকুরের পদাবলী' গ্রন্থে বর্তমানে মোট ২০টি পদ রয়েছে।
- এই কাব্যগ্রন্থের উল্লেখযোগ্য কবিতা- মরণ ও  প্রশ্ন।

'মরণ' কবিতার বিখ্যাত পঙ্‌ক্তি: "মরণ রে, তুই মম শ্যামসমান।"

উৎস: ভানুসিংহ ঠাকুরের পদাবলী কাব্যগ্রন্থ।
৫৮.
'বাংলা একাডেমী সংক্ষিপ্ত বাংলা অভিধান'-এর সম্পাদক কে?
  1. মুহম্মদ আব্দুল হাই
  2. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
  3. মুহম্মদ এনামুল হক
  4. আহমদ শরীফ
ব্যাখ্যা
• 'বাংলা একাডেমি সংক্ষিপ্ত বাংলা অভিধান' এর সম্পাদক হলেন আহমদ শরীফ।
• অভিধান ও শব্দকোষ মিলে ২০০৯ সাল নাগাদ বাংলা একাডেমি প্রায় সত্তরটি অভিধান প্রকাশ করে। এর মধ্যে ক্ষুদ্রাকৃতি পরিভাষাকোষ যেমন রয়েছে, তেমনি বহুখণ্ডে প্রকাশিত অভিধানও রয়েছে।

-----------------
এসব অভিধানের মধ্যে কয়েকটি উল্লেখযোগ্য অভিধানের নাম:
- আঞ্চলিক ভাষার অভিধান- ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্। 
- চরিতাভিধান - শামসুজ্জামান খান প্রমুখ। 
- উচ্চারণ অভিধান-  নরেন বিশ্বাস। 
- সমকালীন বাংলা ভাষার অভিধান, দু-খণ্ড - আবু ইসহাক, ১৯৯৩ ও ১৯৯৮)। 
- বানান অভিধান- জামিল চৌধুরী। 
- 'লেখক অভিধান' আশফাক-উল-আলম প্রমুখ,
- মধ্যযুগের বাংলা ভাষার অভিধান-  মোহাম্মদ আবদুল কাইউম প্রভৃতি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলা একাডেমি ওয়েবসাইট।
৫৯.
'ভিক্ষুকটা যে পিছনে লেগেই রয়েছে, কী বিপদ!'- এই বাক্যের 'কী'-এর অর্থ-
  1. ভয়
  2. রাগ
  3. বিরক্তি
  4. বিপদ
ব্যাখ্যা
• একই অব্যয় শব্দের বিভিন্ন অর্থের ব্যবহারে,
- 'কী বিপদ, লোকটা যে পিছু ছাড়ে না।'-এখানে অব্যয়টি ব্যবহৃত হয়েছে বিরক্তি প্রকাশে।

তেমনি,
'ভিক্ষুকটা যে পিছনে লেগেই রয়েছে, কী বিপদ!' বাক্যের অব্যয় পদটি (কী) 'বিরক্তি' অর্থ প্রকাশ করে।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি ২০১৯ সংস্করণ।
৬০.
'ঢাকের কাঠি' বাগধারার অর্থ
  1. সাহায্যকারী
  2. তোষামুদে
  3. বাদক
  4. স্বাস্থ্যহীন লোক
ব্যাখ্যা
• 'ঢাকের কাঠি' বাগ্‌ধারার অর্থ- মোসাহেব / তোষামুদে / চাটুকার।
- বাক্য: ঢাকের কাঠির কথায় বাড়াবাড়ি করা ভালো নয়।

এরূপ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বাগ্‌ধারা হলো:
• 'ঢাকের বাঁয়া' অর্থ - অকেজো।
বাক্য: দায়িত্ব দু'জনের ওপর থাকলে কী হবে, মামুন তো ঢাকের বাঁয়া।

• 'ঢেঁকির কুমির' অর্থ - অপদার্থ।
বাক্য: ঢেঁকির কুমিররা কখনোই জীবনে উন্নতি লাভ করতে পারে না।

• 'ঢাক পেটানো' অর্থ - প্রচার করা।
বাক্য: আইবুড়ো মেয়ের বয়স সতেরো, তা কি ঢাক পিটিয়ে জানাতে হবে!

উৎস: প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ড. হায়াৎ মামুদ।
৬১.
(Qs. 61-64): Each question below consists of a related pair of words. Select the pair that best expresses a relationship similar to that expressed in the original pair.
61) Submission.... Yielding.
  1. Subjection... Liberation.
  2. Restrain...Indulge.
  3. Compliant... Acquiescent.
  4. Restriction ... Relaxation.
ব্যাখ্যা
• The correct answer is - Compliant... Acquiescent.

• প্রশ্নে উল্লিখিত শব্দগুলোর অর্থ:
- Submission - আনুগত্য, নম্রতা, বশ্যতা আর।
- Yielding - নম্র, বিনয়ী।

• সঠিক উত্তরের শব্দগুলোর অর্থ:
- Acquiscent - সম্মতি।
- Complaint - সম্মত।

• এখানে শব্দজোড়ের সম্পর্ক দাড়ায় এরকম যার নম্রতা আছে সেই নম্র, যে সম্মত সেই সম্মতি জানায়।

• অন্যান্য অপশন,
- subjection - পরাধীনতা ,বশ্যতা, দমন ইত্যাদি।... Liberation - মুক্তি, স্বাধীনতা।
- Restrain - দমন করা,নিয়ন্ত্রণ করা, বাঁধা প্রদান।... Indulge - সাধ মিটানো, পরিতৃপ্ত করা। 
- Restriction - বাঁধা, নিষেধ। ... Relaxation - প্রশমন , শ্লথ ,কম কঠোরতাপূর্ণ। 

• সুতরাং, সঠিক relationship টি হচ্ছে- গ) Compliant... Acquiescent.

Source:
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Cambridge Dictionary.
৬২.
Vacillate... Hesitate
  1. Persevere... Waiver
  2. Impulsive... Deliberate
  3. Obstinate...Accommodating
  4. Irresolute ... Indecisive
ব্যাখ্যা
• The correct answer is -Irresolute ... Indecisive.

• প্রশ্নে উল্লিখিত শব্দগুলোর অর্থ:
- Vacillate - দ্বিধান্বিত হওয়া। 
- Hesitate - দ্বিধান্বিত হওয়া। 

• সঠিক উত্তরের শব্দগুলোর অর্থ:
- Irresolute - অস্থিরমতি; চলচিত্ত; অস্থিরমনস্ক; অনবস্থিত।
- Indecisive - অনিশ্চায়ক; অনির্ণায়ক; অনিশ্চিত

- অর্থাৎ, শব্দ জোড়াগুলো সমার্থক অর্থ প্রকাশ করছে।

• অন্যান্য অপশন,
- persevere - অধ্যবসায়ী হওয়া; নিরবচ্ছিন্ন মনোযোগে কাজ করে যাওয়া; যত্নশীল হত্তয়া। ... Waiver - (দাবি ইত্যাদি) পরিত্যাগ এবং পরিত্যাগের লিখিত বিবৃতি, স্বত্বত্যাগ; না-দাবি।
- impulsive - আবেগপ্রবণ। ... Deliberate - ইচ্ছাকৃত।
- obstinate - একগুঁয়ে,জেদি। ... accommodating - অন্যদের মনোরঞ্জনে উৎসাহী; সুনম্য; অমায়িক।

• সুতরাং, সঠিক relationship টি হচ্ছে- ঘ) Irresolute ... Indecisive.

Source:
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Cambridge Dictionary.
৬৩.
Assert ... Dissent.
  1. Affirm... Object.
  2. Reject... Disapprove.
  3. Acknowledge... Recognize.
  4. Endorse... Ratify.
ব্যাখ্যা
• The correct answer is - Affirm... Object.

• প্রশ্নে উল্লিখিত শব্দগুলোর অর্থ:
- Assert - (অধিকার) দাবি করা; দৃঢ়ভাবে ঘোষণা করা।
- Dissent - ভিন্নমতাবলম্বন করা; ভিন্নমত প্রকাশ করা; অনুমোদন করতে অস্বীকার করা।

• সঠিক উত্তরের শব্দগুলোর অর্থ:
- Affirm - দৃঢ়ভাবে ঘোষণা করা।
- Object - আপত্তি করা।

• অর্থাৎ, এ শব্দজোড়াগুলো পরস্পর বিপরীত অর্থ প্রকাশ করছে।

• অন্যান্য অপশন,
- Reject - বাতিল করা, প্রত্যাখ্যান করা, অগ্রাহ্য করা। ... Disapprove - প্রত্যাখ্যান করা, বাতিল করা, অনুমোদন না করা।
- Acknowledge - স্বীকার করা, মেনে নেওয়া, প্রাপ্তি স্বীকার। ... Recognize - স্বীকৃতি দেওয়া, চিনতে পারা প্রভৃতি।
- Endorse - অনুমোদন করা; দাবি সমর্থন করা। ... Ratify - (চুক্তি ইত্যাদি) দৃঢ়ভাবে অনুমোদন করা; অনুসমর্থন করা।

• সুতরাং, শব্দ জোড়াগুলো বিশ্লেষণ করলে দেখা যায় যে, সঠিক relationship  টি হচ্ছে- ক) Affirm... Object.

Source: Accessible Dictionary by Bangla Academy.
৬৪.
Distort ... Twist.
  1. Straighten...Bend.
  2. Deform... Reform.
  3. Harmonize... Balance
  4. Observe... Blur.
ব্যাখ্যা
• The correct answer is - Harmonize... Balance.

• প্রশ্নে উল্লিখিত শব্দগুলোর অর্থ:
- Distort - বিকৃত করা।
- Twist - মোচড়ানো ,বিকৃত করা প্রভৃতি। 

• সঠিক উত্তরের শব্দগুলোর অর্থ:
- Harmonize - সমন্বয় সাধান করা, খাপ খাওয়া।
- Balance - সদৃশ করা , ভারসাম্য অবস্থান রাখা।

• অর্থাৎ, এ শব্দজোড়াগুলো পরস্পর সমার্থক অর্থ প্রকাশ করছে।

• অন্যান্য অপশন,
- Straighten - সরল করা বা হওয়া; সোজা করা। ... Bend - বাঁকানো; বাঁকা করা। 
- Deform - বিকৃতকরণ; বিকৃত/বিকলাঙ্গ করা।। ... Reform - সংশোধন করা; সংস্কার করা; সংস্কারসাধন করা।
- Observe - লক্ষ করা; মনোযোগসহকারে দেখা; পর্যবেক্ষণ করা; পালন করা, উদযাপন করা। ... Blur - দুর্বোধ্য; কলঙ্ক; কালি বা অনুরুপ বস্তুর দাগ; ছিটা বা প্রলেপ।

• সুতরাং, শব্দ জোড়াগুলো বিশ্লেষণ করলে দেখা যায় যে, সঠিক relationship টি হচ্ছে- গ) Harmonize... Balance.

Source: Accessible Dictionary by Bangla Academy.
৬৫.
Question No. (65-69) are incomplete sentences.
Choose the word or phrase that best completes the sentence.
65) Government has been entrusted ____ elected politicians.
  1. with
  2. for
  3. to
  4. at
ব্যাখ্যা

• Entrust: to give someone a thing or duty for which they are responsible.

• Entrust Subject with Something:
- Many people had entrusted the company with money they intended to use in retirement.
- Be entrusted with something/somebody - I was entrusted with the task of looking after the money.

• Entrust Something to Subject:
- He entrusted the arrangement of a mortgage to a local firm of financial advisers.
- Two senior officials have been entrusted with organizing the auction.

• Entrust Subject to do Something:
- We entrust a board of Edinburgh's leading businessmen to run the affairs of the organization.
-----------------

• Entrusted with something - কোনো কিছুতে আস্থা স্থাপন করা,
• Entrusted to someone কোনো ব্যক্তি বা ব্যক্তিবর্গকে বিশ্বাস করা।
- এখানে politicians যেহেতু person সেহেতু Entrusted to হবে।

Source: Cambridge Dictionary.

৬৬.
He has paid the penalty _____ his crimes ____ five years in prison.
  1. for, with
  2. at, by
  3. about, at
  4. after, in
ব্যাখ্যা
• Complete sentence: He has paid the penalty for his crimes with five years in prison.
- Bangla meaning: সে তার অপরাধের জন্য পাঁচ বছর জেল খেটে খেসারত দিয়েছে।

• Pay for something [phrasal verb with pay verb]
- English Meaning: To be punished for doing something bad to someone else, or to suffer because of a mistake that you made.
- Bangla Meaning:  ক্ষতিপুরণ করা; ব্যয়বহন করা; দাম দেত্তয়া; মূল্য দেত্তয়া; ক্ষতিপূরণ করা; কষ্টভোগ করা; ব্যয়বহন করা।

- পাঁচ বছর কারাদন্ড সহ - অর্থে five years -এর আগে with ব্যবহার করা হয়।

Source: Cambridge Dictionary.
৬৭.
The path _____ paved, so we were able to walk through the path.
  1. was
  2. had been
  3. has been
  4. being
ব্যাখ্যা
• Complete sentence: The path had been paved, so we were able to walk through the path.
- Bangla meaning: পথটি বাঁধানো ছিল, তাই আমরা সহজেই পথে হাঁটতে পেরেছি।

• বাক্যে দুটি clause -ই past tense -এ আছে।
- তাই নিয়মানুযায়ী পূর্বের কাজটি past perfect tense এবং পরের কাজটি past indefinite tense হবে।
- সঠিক বাক্যটি হবে - The path had been paved, so we were able to walk through the path.
- অর্থাৎ, পাকা করার কাজটি আগে হয়েছিল (The path had been paved).
- সুতরাং, সঠিক উত্তরটি হবে option 'খ'।
৬৮.
In spite of my requests, he did not _____ .
  1. give in
  2. fall in
  3. get off
  4. give forth
ব্যাখ্যা
• Complete sentence: In spite of my requests, he did not give in.
- Bangla meaning: আমার অনুরোধ সত্ত্বেও সে আত্মসমর্পণ করে নি।

• Give in [phrasal verb with give verb]
- English Meaning: To accept that you have been defeated and agree to stop competing or fighting.
- Bangla Meaning: আত্মসমর্পণ করা।

• Other options:
- Fall in - ভেঙে করা ,সারি বেধে দাঁড়ানো। 
- Get forth - উদগীরণ করা, নিঃসৃত করা /হওয়া।
- Get off - নেমে আসা; অবরোহন করা; অবতরণ করা; অপসৃত হত্তয়া; সরা; যাত্রা করা।
- give forth - প্রকাশ করা; উৎপন্ন করা।

• Give in দিয়ে বাক্যটি অর্থবোধক হয়। সুতরাং, উত্তর option 'ক'।

Source:
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Cambridge Dictionary.
৬৯.
The children studied in a class room ____ windows were never opened.
  1. that
  2. which
  3. where
  4. whose
ব্যাখ্যা
• Complete sentence: The children studied in a class room whose windows were never opened.
- Bangla meaning: শিশুরা একটি কক্ষে পড়াশুনা/অধ্যয়ন করেছিলো যার জানালা কখনোই খোলা হয়নি।

• Relative Pronoun
- দুটি বাক্যকে সংযোগ করতে Relative Pronoun - who, which, what, whose, whom, that, etc. ইত্যাদি ব্যবহৃত হয়।
- বাক্যটির প্রথম অংশের অর্থ শিশুরা একটি কক্ষে পড়াশুনা/অধ্যয়ন করেছিলো।
- দ্বিতীয় অংশের অর্থ জানালা কখনোই খোলা হয়নি।

- দুটি অংশকে একত্র করতে হলে relative pronoun বসবে, কারণ দুটি অংশের মধ্যে সম্পর্ক আছে। আর সম্পর্ক বোঝানোর ক্ষেত্রে relative pronoun -এর possessive হয় অর্থাৎ whose (যার) হবে।
- অর্থাৎ, এখানে (কার/কীসের) windows খোলা হয়নি, উত্তরে বোঝাচ্ছে class room -এর।
- সুতরাং, একমাত্র whose বসালে বাক্যটি অর্থবোধক হয়।
৭০.
Question No. 70-72 are incomplete sentence. Fill in the gaps by choosing one word from the choices given.
70) To stay healthy, we must plan to have a balanced____.
  1. food
  2. diet
  3. outlook
  4. figure
ব্যাখ্যা
• Complete sentence: To stay healthy, we must plan to have a balanced diet.
- Bangla meaning: সুস্থ থাকতে হলে আমাদের সুষম খাদ্য খাওয়ার পরিকল্পনা করতে হবে।

• balanced diet - সুষম পথ্য/ খাদ্য।

• বাক্যে have অর্থ হলো খাওয়া। এক্ষেত্রে balanced food এবং balanced diet ব্যবহারের সম্ভবনা রয়েছে।
- diet এবং food - এর মধ্যে balanced food -এ জাতীয় phrase -এর ব্যবহার দেখা যায় না।
- তাছাড়া food -এর আগে a বসানো যায় না, diet -এর আগে বসে।

• সুতরাং, উত্তর হবে diet।

Source:
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Cambridge Dictionary.
৭১.
We must keep our fingers_____ that the weather will stay fine for the picnic tomorrow.
  1. raised
  2. pointed
  3. lifted
  4. cressed (crossed)
ব্যাখ্যা
• The correct answer is - cressed (crossed).
- এখানে ভুলভাবে cressed দেওয়া আছে।

• Keep one's fingers crossed (cressed)
- English Meaning: to hope strongly that something will happen.
- Bangla Meaning: আশা পোষণ করা, কামনা করা।

• Complete sentence: We must keep our fingers crossed that the weather will stay fine for the picnic tomorrow.

- Bangla meaning: আগামীকালকের পিকনিকের জন্য আবহাওয়া ভালো থাকবে আমরা অবশ্যই সেই কামনা করি।
৭২.
They have ____ their support for our case.
  1. pledged
  2. disavowed
  3. provided
  4. defered
ব্যাখ্যা
• Complete sentence: They have pledged their support for our case.
- Bangla meaning: তারা আমাদের মামলার জন্য তাদের সমর্থনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

• Pledge 
- English Meaning: to make a serious or formal promise to give or do something.
- Bangla Meaning: প্রতিজ্ঞা/অঙ্গীকার করা; প্রতিশ্রুতি দেওয়া; অঙ্গীকারাবদ্ধ/প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হওয়া।

• শূন্যস্থানে pledged বসালে বাক্যটি অর্থপূর্ণ হয়। সুতরাং, উত্তর হবে pledged.
-অন্যান্য অপশনগুলো বাক্যের অর্থ পরিপূর্ণ করে না।

Source:
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Cambridge Dictionary.
৭৩.
Cul-de-sac
  1. selection
  2. dead end
  3. error
  4. bubble
ব্যাখ্যা
• The meaning of 'Cul-de-sac' is 'Dead end'.

• Cul-de-sac 
- English Meaning: a short road that is blocked off at one end.
- Bangla Meaning: (কানাগলি (Noun), কানাগলিসংক্রান্ত (Adjective)।

• অন্যদিকে,
- selection - নির্বাচন।
- error - ভুল।
- bubble - বুদবুদ, (লাক্ষণিক) অবাস্তব পরিকল্পনা; আকাশকুসুম।

Source:
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Cambridge Dictionary.
৭৪.
Parcel
  1. quarrel
  2. piece of land
  3. postage
  4. unobstructed view
ব্যাখ্যা
• The word Parcel means - a piece of land.

• Parcel 
- English Meaning: an area of land; an object or collection of objects wrapped in paper, especially so that it can be sent by post.
- Bangla Meaning: সঙ্গে বহনের বা ডাকযোগে প্রেরণের মোড়ক; পারসেল; এক দাগ জমি (বিশেষত কোনো তালুকের অংশ)।

• অন্যদিকে,
- quarrel - ঝগড়া; কলহ; বিবাদ।
- postage - ডাকমাসুল; ডাকখরচা।
- unobstructed view - বাধাহীন দৃশ্য।

Source:
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Cambridge Dictionary.
৭৫.
Ruminant
  1. Cud-chewing animal
  2. Soup
  3. Gossip
  4. Noise-maker
ব্যাখ্যা
• The word 'Ruminant' means - Cud-chewing animal.

• Ruminant (noun)
- English Meaning: a type of animal that brings up food from its stomach and chews it again, for example a cow, sheep, or deer.
- Bangla Meaning: রোমন্থক বা জাবর কাটা (প্রাণী)।

• অন্যদিকে,
- Soup - ঝোল; স্যুপ।
- Gossip - জল্পনা; গালগল্প।
- Noise-maker - গোলমাল সৃষ্টিকারী।

Source:
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Cambridge Dictionary.
৭৬.
Read the following passage and answer questions (76-80):
On the face of it, telescopes and data bases sound like very different things. Telescopes sit on the top of mountains, and are pointed at the skies; data bases sit on computer hard disks, humming away and going no where. Yet they have something in common; both allow astronomers to explore the universe. Modern telescopes are highly automated pieces of machinery equipped with digital sensors that produce reams of observational data. Such data can be stored, processed and distributed just like other digital information.
This means it is no longer necessary for astronomer actually to visit a telescope to make observation.
  1. Telescopes and data bases complement each other for the astronomer.
  2. Telescopes and data bases are both becoming relevant for the astronomer.
  3. Telescopes and data bases have nothing in common for the astronomer.
  4. Telescopes and data bases can be confusing to the astronomer.
ব্যাখ্যা
• The correct answer is - option ক) Telescopes and data bases complement each other for the astronomer.

• কারণ, passage -এ বলা হয়েছে, They have something in common; both allow astronomers to explore the universe.
- অর্থাৎ, টেলিস্কোপ এবং ডেটাবেস উভয়ই পরস্পর পূরক।
- সুতরাং একটির কাজ অপরটির দ্বারা করা সম্ভব।

• So we can say, telescopes and data bases complement each other for the astronomer. 

• অন্যদিকে, 
- Option (খ) - তে বলা হয়েছে টেলিস্কোপ এবং ডেটাবেস উভয়ই জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের নিকট প্রাসঙ্গিক।
- Option গ) ও ঘ) এক্ষেত্রে সামঞ্জস্য নয়।
৭৭.
Data bases sit on computer disks, humming away implies.
  1. Data bases are singing instrumant
  2. Data bases are useless and static
  3. Data bases make soft-sound but are working away.
  4. Data bases are things of the past.
ব্যাখ্যা
• The correct answer is - option গ) Data bases make soft-sound but are working away.

• Humming away refers to continuous humming but we must know that data bases are not musical instrument as per the passage.
- Humming away অর্থ হলো - অনবরত গুণগুণ করে কাজ করে চলে।

• Options আলোচনা,
ক) - তে বলা হচ্ছে Data base হলো গানের যন্ত্র,

খ) তে বলা হচ্ছে এটি ব্যবহার অযোগ্য এবং স্থবির ।

গ) তে বলা হয়েছে এটি মৃদু আওয়াজ সৃষ্টি করে, কাজ করে চলে, যা মূল বাক্যের অর্থের সাথে সংগতিপূর্ণ ।

ঘ) তে বলা হচ্ছে এটি অতীতের বিষয়।

- So, the sentence from the passage "Telescopes sit on the top of mountains, and are pointed at the skies; data bases sit on computer hard disks, humming away and going no where" tells us the telescope continuously work and make soft sounds.

• সুতরাং, Options বিশ্লেষণ করলে দেখা যায় যে, Option (গ) সঠিক।
৭৮.
Modern data base produce reams of observational data.
  1. Data bases produce a lot of information
  2. Data bases are pecked with paper.
  3. Data bases create information instantly.
  4. Data bases are of limited use in strong information.
ব্যাখ্যা
• The correct answer is - option ক) Data bases produce a lot of information.

- Produce reams of observational data - এখানে reams অর্থ হলো ভুরিভুরি, প্রচুর, অনেক।
- A database is a collection of information that is organized so that it can be easily accessed, managed and updated.
Computer databases typically contain aggregations of data records or files, containing information about sales transactions or interactions with specific customers.
- So, we can say that data bases produce a lot of information.

• Options Explanation:
- Option (ক) -তে বলা হয়েছে a lot of information প্রচুর তথ্য।
- Option (খ) - তে বলা হয়েছে packed with paper কাগজে মোড়ানো।
- Option (গ) - তে বলা হয়েছে create information instantly - তৎক্ষণিকভাবে তথ্য তৈরি করে।
- Option (ঘ) - তে বলা হয়েছে of limited use in strong information তথ্য সংরক্ষণ এর ব্যবহার সীমিত।

• সুতরাং, অপশন বিশ্লেষণ করে বুঝা যায় যে, Option (ক) ই সঠিক।
৭৯.
Choose the correct one.
  1. The contemporary astronomer needs to look at the sky from a mountain top.
  2. The contemporary astronomer needs a telescope to explore the universe.
  3. The contemporary astronomer needs heavy machinery to explore the universe.
  4. the contemporary astronomer needs a telescope equipped with digital sensors to explore the universe.
ব্যাখ্যা
• The correct answer is - option ঘ) the contemporary astronomer needs a telescope equipped with digital sensors to explore the universe.

• Modern telescopes are highly automated pieces of machinery equipped with digital sensors that produce reams of observational data.
- Such data can be stored, processed and distributed just like other digital information.
- This means it is no longer necessary for an astronomer actually to visit a telescope to make observation.
- So option "D" is correct as per the passage.

• Option Explanation:
- Option - (ক) - আধুনিক জ্যোতির্বিজ্ঞানীদেরকে পর্বতের চূড়া থেকে আকাশের দিকে তাকাতে হয়।
- Option (খ) - তে বলা হয়েছে বিশ্বকে আবিষ্কার করতে telescope প্রয়োজন যা passage অনুযায়ী ভুল।
- Option (গ) - তে বলা হয়েছে, astronomer - দের ভারী যন্ত্রপাতি প্রয়োজন অথচ এ জাতীয় কথা passage - এ বলা হয়নি।
- Option (ঘ) - তে বলা হয়েছে diyital sensor যুক্ত telescope প্রয়োজন, যা passage থেকে সমর্থন পাওয়া যায় দ্বিতীয় প্যারায়।

• সুতরাং, অপশন বিশ্লেষণ করে বুঝা যায় যে, Option (ঘ) ই সঠিক।
৮০.
A good title for the passage will be_____.
  1. Telescope and exploration of the universe.
  2. Digital telescope and exploration of the universe.
  3. Astronomers and exploration of the universe.
  4. Space exploration in the new millennium.
ব্যাখ্যা
• The correct answer is - option খ) Digital telescope and exploration of the universe.

• The passage tells us about how modern digital telescopes have become and how they help astronomers to explore the world easily and efficiently.
- so "Digital telescope and exploration of the universe." is a suitable title for the passage.

• Option Explanation:
- সাধারণত, passage -এর title নির্ধারণের ক্ষেত্রে লক্ষ রাখতে হয় যে, - passage -এর মূল theme টি যেন focus করা হয়।
- অর্থাৎ, passage -এর প্রতিটি para ভালো করে পড়ে দেখতে হবে যে, passage টিতে কোন বিষয়ে জোর দেওয়া হয়েছে।

- এখানে প্রথম প্যারায় telescope এবং data base - এর সম্পর্ক এবং exploration - এর উপস্থিতি ছাড়াই digital sensor যুক্ত করার মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ ও সংরক্ষণ করা যায় বলা হয়েছে।
- অর্থাৎ, আবিষ্কারের ক্ষেত্রে digital telescope -এর বিষয়টিকেই জোর দিয়ে তুলে ধরার চেষ্টা করা হয়েছে।

• সুতরাং, passage -এর বিষয়ের প্রাসঙ্গিকতার বিবেচনায় option (খ) ই সঠিক উত্তর।
৮১.
একটি সংখ্যা ৬৫০ থেকে যত বড় ৮২০ থেকে তত ছোট। সংখ্যাটি কত?
  1. ৭৩০
  2. ৭৩৫
  3. ৮০০
  4. ৭৮০
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি সংখ্যা ৬৫০ থেকে যত বড় ৮২০ থেকে তত ছোট, সংখ্যাটি কত?

সমাধান:
ধরি
সংখ্যাটি = ক

প্রশ্নমতে
৮২০ - ক = ক - ৬৫০
বা, ৮২০ + ৬৫০ = ক + ক
বা ২ক = ১৪৭০
বা ক = ১৪৭০/২
∴ ক = ৭৩৫
৮২.
কোনো পরীক্ষায় পরীক্ষার্থীর ৮০% গণিত এবং ৭০% বাংলায় পাস করলো। উভয় বিষয়ে পাস করলো ৬০%, উভয় বিষয়ে শতকরা কত জন ফেল করলো?
  1. ১৫%
  2. ১০%
  3. ১২%
  4. ১১%
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: কোনো পরীক্ষায় পরীক্ষার্থীর ৮০% গণিত এবং ৭০% বাংলায় পাস করল। উভয় বিষয়ে পাস করল ৬০%। উভয় বিষয়ে শতকরা কতজন ফেল করল?

সমাধান:
গণিতে পাশ করে = ৮০%
∴ শুধু গণিতে পাশ করে = (৮০ - ৬০)% = ২০%

বাংলায় পাশ করে = ৭০%
∴ শুধু বাংলায় পাশ করে = (৭০ - ৬০)% = ১০%

এক এবং উভয় বিষয়ে পাশ করে = (২০ + ১০ + ৬০)%
= ৯০%

সুতরাং, উভয় বিষয়ে ফেল করে = (১০০ - ৯০)% = ১০%
৮৩.
কোন কোন স্বাভাবিক সংখ্যা দ্বারা ৩৪৬ কে ভাগ করলে প্রতি ক্ষেত্রে ৩১ অবশিষ্ট থাকে?
  1. ৩৫, ৪৫, ৬৩, ১০৫, ৩১৫
  2. ৩৫, ৪০, ৬৫, ১১০, ৩১৫
  3. ৩৫, ৪৫, ৭০, ১০৫, ৩১৫
  4. ৩৫, ৪৫, ৬৩, ১১০, ৩১৫
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: কোন কোন স্বাভাবিক সংখ্যা দ্বারা ৩৪৬ কে ভাগ করলে প্রতি ক্ষেত্রে ৩১ অবশিষ্ট থাকে?

সমাধান:
যে সকল স্বাভাবিক সংখ্যা দ্বারা ৩৪৬ কে ভাগ করলে প্রতি ক্ষেত্রে ৩১ অবশিষ্ট থাকে,
সে সংখ্যাটি ৩১ অপেক্ষা বড় এবং সংখ্যাটি (৩৪৬ - ৩১) = ৩১৫ এর গুণনীয়ক।
এখানে,
৩১৫
= ১ × ৩১৫
= ৩ × ১০৫
= ৫ × ৬৩
= ৭ × ৪৫
= ৯ × ৩৫
= ১৫ × ২১ 

∴ ৩১ অপেক্ষা বড়  ৩১৫ এর গুণনীয়কসমূহ = ৩৫, ৪৫, ৬৩, ১০৫, ৩১৫
৮৪.
একটি দ্রব্য ৩৮০ টাকায় বিক্রয় করায় ২০ টাকা ক্ষতি হলো। ক্ষতির শতকরা হার কত?
  1. ৪%
  2. ৬%
  3. ৫%
  4. ৭%
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি দ্রব্য ৩৮০ টাকায় বিক্রয় করায় ২০ টাকা ক্ষতি হলো, শতকরা ক্ষতির হার কত?

সমাধান:
একটি দ্রব্য ৩৮০ টাকায় বিক্রয় করায় ২০ টাকা ক্ষতি হলে,
ক্রয়মূল্য = ৩৮০ + ২০ টাকা = ৪০০ টাকা 

৪০০ টাকায় ক্ষতি হয় = ২০ টাকা 
১০০ টাকায় ক্ষতি হয় = (২০ × ১০০)/৪০০ টাকা 
= ৫ টাকা 

∴ শতকরা ক্ষতির হার ৫%
৮৫.
দুটি ক্রমিক সংখ্যার বর্গের অন্তর ১৯৯ হলে বড় সংখ্যাটি কত?
  1. ৭০
  2. ৮০
  3. ৯০
  4. ১০০
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: দুটি ক্রমিক সংখ্যার বর্গের অন্তর ১৯৯ হলে বড় সংখ্যাটি কত?

সমাধান: 
বৃহত্তম  সংখ্যাটি = ক + ১ 
ক্ষুদ্রতম সংখ্যাটি = ক

প্রশ্নমতে,
(ক + ১) - ক = ১৯৯
বা, ক+ ২ক + ১ - ক = ১৯৯
বা, ২ক = ১৯৯ - ১
বা, ২ক = ১৯৮
বা, ক = ৯৯

∴  বৃহত্তম সংখ্যাটি = ক + ১ = ৯৯ + ১ = ১০০
৮৬.
একটি প্রকৃত ভগ্নাংশের হর ও লবের অন্তর ২, হর ও লব উভয় থেকে ৩ বিয়োগ করলে যে ভগ্নাংশ পাওয়া যায় তার সঙ্গে (১/৪) যোগ করলে যোগফল ১ হয়, ভগ্নাংশটি কত?
  1. ৭/৯
  2. ৯/১১
  3. ১১/১৩
  4. ১৩/১৫
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি প্রকৃত ভগ্নাংশের হর ও লবের অন্তর ২, হর ও লব উভয় থেকে ৩ বিয়োগ করলে যে ভগ্নাংশ পাওয়া যায় তার সঙ্গে (১/৪) যোগ করলে যোগফল ১ হয়, ভগ্নাংশটি কত?

সমাধান:
লব ক 
হর ক + ২,
ভগ্নাংশটি ক/(ক + ২)

প্রশ্নমতে,
(ক - ৩)/(ক + ২ - ৩) + (১/৪) = ১
(ক - ৩)/(ক - ১) + (১/৪) = ১
(ক - ৩)/(ক - ১) = ১ - (১/৪)
(ক - ৩)/(ক - ১) = (৪ - ১)/৪
(ক - ৩)/(ক - ১) = ৩/৪
৪ক - ১২ = ৩ক - ৩
৪ক - ৩ক = ১২ - ৩
ক = ৯

অতএব
ভগ্নাংশটি ৯/(৯ + ২) = ৯/১১
৮৭.
কোন সংখ্যাটি বৃহত্তম?
  1. ০.৩
  2. ১/৩
  3. √০.৩
  4. ২/৫
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: কোন সংখ্যাটি বৃহত্তম?

সমাধান:
ক) ০.৩ = ০.৩
খ) ১/৩ = ০.৩৩
গ) √০.৩ =০.৫৪৭
ঘ) ২/৫ = ০.৪
৮৮.
x + y =12 এবং x - y = 2 হলে xy এর মান কত?
  1. 35
  2. 140
  3. 70
  4. 144
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: x + y = 12 এবং x - y = 2 হলে xy এর মান কত?

সমাধান: 
দেওয়া আছে
x + y = 12
x - y = 2

আমরা জানি,
4xy = (x + y)2 - (x - y)2
বা, 4xy = 122 - 22
বা, 4xy = 144 - 4 
বা, 4xy = 140
∴ xy = 35
৮৯.
এক ব্যক্তি তার স্ত্রীর চেয়ে ৫ বছরের বড়। তার স্ত্রীর বয়স ছেলের বয়সের ৪ গুণ। ৫ বছর পরে ছেলের বয়স ১২ বছর হলে বর্তমান ঐ ব্যক্তির বয়স কত?
  1. ৬৫ বছর
  2. ২৮ বছর
  3. ৩৩ বছর
  4. ৫৩ বছর
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: এক ব্যক্তি তার স্ত্রীর চেয়ে ৫ বছরের বড়। তার স্ত্রীর বয়স ছেলের বয়সের ৪ গুণ। ৫ বছর পরে ছেলের বয়স ১২ বছর হলে বর্তমান ঐ ব্যক্তির বয়স কত?

সমাধান:
৫ বছর পরে ছেলের বয়স ১২ বছর
∴ ছেলের বর্তমান বয়স = (১২ - ৫) বছর
= ৭ বছর

আবার,
 স্ত্রীর বয়স ছেলের বয়সের ৪ গুণ
∴ স্ত্রীর বয়স = (৭ × ৪) বছর
= ২৮ বছর

∴ ঐ ব্যক্তির বয়স = (২৮ + ৫) বছর
= ৩৩ বছর
৯০.
৬০ মিটারবিশিষ্ট একটি বাঁশকে ৩ : ৭ : ১০ অনুপাতে ভাগ করলে টুকরাগুলোর সাইজ কত?
  1. ৮ মিটার; ২২ মিটার; ৩০ মিটার
  2. ১০ মিটার; ২০ মিটার; ৩০ মিটার
  3. ৯ মিটার; ২১ মিটার; ৩০ মিটার
  4. ১২ মিটার; ২০ মিটার; ২৮ মিটার
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ৬০ মিটারবিশিষ্ট একটি বাঁশকে ৩ : ৭ : ১০ অনুপাতে ভাগ করলে টুকরাগুলোর সাইজ কত?

সমাধান:
প্রদত্ত অনুপাত = ৩ : ৭ : ১০
অনুপাতের রাশিগুলোর যোগফল = ৩ + ৭ + ১০ = ২০

প্রথম টুকরা = ৬০ এর ৩/২০ = ৯ মি
দ্বিতীয় টুকরা = ৬০ এর ৭/২০ = ২১ মি
তৃতীয় টুকরা = ৬০ এর ১০/২০ = ৩০ মি

টুকরাগুলোর সাইজ = ৯, ২১ ও ৩০ মিটার
৯১.
নিউট্রন আবিষ্কার করেন
  1. কিউরি
  2. রাদারফোর্ড
  3. চ্যাডউইক
  4. থমসন
ব্যাখ্যা
• নিউট্রন:
- নিউট্রন আধানহীন বা চার্জ নিরপেক্ষ কণা।
- ১৯৩২ সালে বিজ্ঞানী চ্যাডউইক নিউট্রন আবিষ্কার করেন।
- ইহার ভর প্রায় প্রোটনের ভরের সমান।
- একমাত্র হাইড্রোজেন পরমাণু ছাড়া সকল পরমাণুর নিউক্লিয়াসে নিউট্রন বিদ্যমান।
- নিউট্রনের প্রতীক হচ্ছে n।
- নিউট্রনের আসল ভর 1.675×10-24 g।
- আপেক্ষিক আধান শূন্য।

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯২.
যেসব নিউক্লিয়াসের নিউট্রন সংখ্যা সমান কিন্তু ভরসংখ্যা সমান নয় তাদের বলা হয়-
  1. আইসোটোপ
  2. আইসোমার
  3. আইসোটোন
  4. আইসোবার
ব্যাখ্যা
• আইসোটোন:
- যে সকল নিউক্লিয়াসের নিউট্রন সংখ্যা সমান কিন্তু ভর সংখ্যা সমান নয় তাদেরকে আইসোটোন বলা হয়।

• আইসোটোপ:
- যেসব নিউক্লিয়াসের প্রোটন সংখ্যা একই , কিন্তু ভর সংখ্যা ভিন্ন তাদেরকে আইসোটোপ বলে।

• আইসোবার:
- যেসব নিউক্লিয়াসের ভর সংখ্যা একই, কিন্তু প্রোটন সংখ্যা ভিন্ন তাদেরকে আইসোবার বলে।

• আইসোমার:
- যেসব নিউক্লিয়াসের পারমাণবিক সংখ্যা ও ভর সংখ্যা একই তাদেরকে আইসোমার বলা হয়।

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
৯৩.
উড়োজাহাজের গতি নির্ণয়াক যন্ত্র-
  1. ক্রনোমিটার
  2. ট্যাকোমিটার
  3. হাইগ্রোমিটার
  4. ওডোমিটার
ব্যাখ্যা
• উড়োজাহাজের গতি নির্ণায়ক যন্ত্র - ট্যাকোমিটার।

- সমুদ্রের দ্রাঘিমা পরিমাপক যন্ত্র - ক্রনোমিটার।
- মোটর গাড়ির গতি নির্ণায়ক যন্ত্র - ওডোমিটার।
- বায়ুর আর্দ্রতা মাপার যন্ত্র - হাইগ্রোমিটার।

উৎস: ব্রিটানিকা
৯৪.
ভূমিকম্প নির্ণায়ক যন্ত্র-
  1. ব্যারোমিটার
  2. সেক্সট্যান্ট
  3. সিসমোগ্রাফ
  4. ম্যানোমিটার
ব্যাখ্যা
- ভূমিকম্প নির্ণায়ক যন্ত্র সিসমোগ্রাফ।

- সেক্সট্যান্ট যন্ত্রের সাহায্যে সূর্যের উন্নতি কোণ নির্ণয় করে অক্ষাংশ নির্ণয় করা যায়।
- বায়ুচাপ মাপার যন্ত্রের নাম ব্যারোমিটার।
- গ্যাসের চাপ নির্ণায়ক যন্ত্রের নাম ম্যানোমিটার।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৯৫.
রঙিন টেলিভিশন থেকে ক্ষতিকর রশ্মি বের হয়-
  1. গামা রশ্মি
  2. বিটা রশ্মি
  3. রঞ্জন রশ্মি
  4. কসমিক রশ্মি
ব্যাখ্যা
• রঙিন টেলিভিশন থেকে ক্ষতিকর রঞ্জন রশ্মি বের হয়।

- রঙিন অনুষ্ঠান সম্প্রচারের জন্য রঙিন টেলিভিশনে যে সকল মৌলিক যন্ত্রপাতি ব্যবহৃত হয়, সাদাকালো অনুষ্ঠান সম্প্রচারের জন্যও একই যন্ত্রপাতি ব্যবহৃত হয়। তবে রং সম্পর্কিত তথ্য প্রেরণ ও গ্রহণের জন্য রঙিন টেলিভিশনে বাড়তি কিছু যন্ত্রপাতি ব্যবহৃত হয়।
- রঙিন টেলিভিশনের ক্যামেরায় রঙিন ছবি উৎপাদনের জন্য লাল, নীল ও সবুজ এ তিনটি রং-এর পৃথক পৃথক ইলেকট্রন টিউব থাকে।
- রঙিন টেলিভিশনের গ্রাহক যন্ত্রেও তিনটি রং যেমন লাল, নীল ও সবুজের জন্য তিনটি ইলেকট্রনগান ব্যবহার করা হয়।
- এর পর্দাও তৈরী হয় তিন রকম ফসফর দানা দিয়ে।
- ইলেকট্রন গান থেকে যখন ফসফরাসের উপর ইলেকট্রন বীম পতিত হয় তখন একটা বিশেষ রং শুধু একটি বিশেষ রং-এর দানাকে আলোকিত করে।
- ফলে পর্দায় একই সাথে ফুটে ওঠে লাল, নীল ও সবুজ রঙের বিন্দু, যার বিভিন্ন রকম মিশ্রণে টেলিভিশন পর্দায় ফুটে ওঠে রঙিন ছবি।
- টিভির পর্দায় ফসফর থাকে, ইলেকট্রন যখন এই ফসফরকে আঘাত করে তখন এখান থেকে মৃদু রঞ্জনরশ্মি নির্গত হয়, এটার পরিমাণ এতই ক্ষুদ্রতর যা উপেক্ষা করা যায়।

উৎস: বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯৬.
সূর্যে শক্তি উৎপন্ন হয়-
  1. পরমাণুর ফিশন পদ্ধতিতে
  2. পরমাণুর ফিউশন পদ্ধতিতে
  3. রাসায়নিক বিক্রিয়ার ফলে
  4. তেজস্ক্রিয়তার ফলে
ব্যাখ্যা
• সূর্যে শক্তি উৎপন্ন হয় পরমাণুর ফিউশন পদ্ধতিতে।
- সূর্য থেকে যে শক্তি পাওয়ার যায় তাকে বলা হয় সৌরশক্তি।
- সূর্য সকল শক্তির উৎস।
- পৃথিবীতে যত শক্তি আছে তার সবই কোনো না কোনোভাবে সূর্যের কিরণ থেকে তৈরি হয়েছে।
- প্রকৃতপক্ষে সূর্যের শক্তির উৎস পারমাণবিক শক্তি, কারণ সূর্যে ফিউশন বিক্রিয়ার মাধ্যমে শক্তি উৎপন্ন হয়।
- এ শক্তি পৃথিবীতে বিকিরিত হয়।

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯৭.
ডেঙ্গু জ্বরের বাহক-
  1. অ্যানোফিলিস
  2. কিউলেক্স
  3. এডিস
  4. সকল ধরনের মশা
ব্যাখ্যা
ডেঙ্গু:
• এডিস মশা ডেঙ্গু জ্বরের জীবাণু বহন করে।
• ডেঙ্গু জ্বরের বাহক মশার নাম Aedes aegypti.
• এছাড়াও এডিস এলবোপিকটাস মশার কামড়েও ডেঙ্গু রোগ ছড়াতে পারে।
• এডিস মশার কামড়ের মাধ্যমে ভাইরাস সংক্রমণের তিন থেকে পনেরো দিনের মধ্যে সচরাচর ডেঙ্গু জ্বরের উপসর্গগুলো দেখা দেয়।

ডেঙ্গু জ্বরের উপসর্গ:
- জ্বর, মাথাব্যথা, বমি, পেশিতে ও গাঁটে ব্যাথা এবং চর্মে ফুসকুড়ি।
- দুই থেকে সাত দিনের মাঝে সাধারণত ডেঙ্গু রোগী আরোগ্য লাভ করে।
- কিছু কিছু ক্ষেত্রে রোগটি মারাত্মক রক্তক্ষরী রূপ নিতে পারে যাকে ডেঙ্গু রক্তক্ষরী জ্বর বলা হয়। এর ফলে রক্তপাত হয়, রক্ত অনুচক্রিকার মাত্রা কমে যায় এবং রক্ত প্লাজমার নিঃসরণ ঘটে।
- কিছু কিছু ক্ষেত্রে ডেঙ্গু শক সিনড্রোম দেখা দেয়।
- ডেঙ্গু শক সিনড্রোমে রক্তচাপ বিপজ্জনকভাবে কমে যায়।

উৎস: জীববিজ্ঞান-২য় পত্র (প্রাণিবিজ্ঞান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি এবং WHO ওয়েবসাইট।
৯৮.
পেনিসিলিয়াম আবিষ্কার করেন-
  1. রবার্ট হুক
  2. টমাস এডিসন
  3. আলেকজান্ডার ফ্লেমিং
  4. জেমস ওয়াট
ব্যাখ্যা
[পেনিসিলিন এক ধরনের অ্যান্টিবায়োটিক যা পেনিসিলিয়াম নামক ছত্রাক থেকে তৈরি হয়। ১৯২৮ সালে আলেকজান্ডার ফ্লেমিং পেনিসিলিন আবিষ্কার করেন। ১৯৪০ সালে বিজ্ঞানী চেইন ও ফ্লোরি এবং তাঁদের সহকর্মীরা ১৯৪০ সালের শুরুতেই বিশুদ্ধ পেনিসিলিন উৎপাদনে সক্ষম হন এবং পেনিসিলিনের বানিজ্যিক উৎপাদনেও অবদান রাখেন।]

• পেনিসিলিন:

- পেনিসিলিনের আবিষ্কারক আলেকজান্ডার ফ্লেমিং।
- সময়: ১৯২৮ সাল।
- স্থান: লন্ডন, যুক্তরাজ্য।
- একটি পরীক্ষাগারে ফ্লেমিং স্ট্যাফাইলোকক্কাস ব্যাকটেরিয়ার উপর পরীক্ষা চালানোর সময় দুর্ঘটনাবশত পেনিসিলিয়াম নোটেটাম ছত্রাকের জীবাণুনাশক ক্ষমতা আবিষ্কার করেন।
- পেনিসিলিন ছিল প্রথম কার্যকর অ্যান্টিবায়োটিক, যা জীবাণুজনিত রোগের চিকিৎসায় বিপ্লব ঘটায়।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে এটি সংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
- ১৯৪৫ সালে তিনি নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।

উৎস:
1. Britannica.
2. Nobel Prize Official Website.
৯৯.
গ্রিন হাউজ প্রতিক্রিয়া এই দেশের জন্য ভয়াবহ আশঙ্কার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে-
  1. সমুদ্রতলের উচ্চতা বেড়ে যেতে পারে
  2. বৃষ্টিপাতের পরিমাণ কমে যেতে পারে
  3. নদ-নদীর পানি কমে যেতে পারে
  4. ওজোন স্তরের ক্ষতি নাও হতে পারে
ব্যাখ্যা
[গ্রিনহাউজ প্রতিক্রিয়ার ফলে পৃথিবীর তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাবে। এতে করে মেরু অঞ্চলসহ পৃথিবীর অন্যান্য স্থানে সঞ্চিত থাকা বরফ গলতে শুরু করবে। যার কারণে সমুদ্রের পানির উচ্চতা বৃদ্ধি পাবে। ফলশ্রুতিতে বাংলাদেশসহ পৃথিবীর স্থলভাগের অনেক নিম্নভূমি সমুদ্রের পানিতে নিমজ্জিত হবে।]

• গ্রিন হাউজ প্রভাব:
- গ্রিন হাউজ হলো এমন একটি কাঁচের ঘর যেখানে নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে গাছপালা জন্মানোর জন্য উপযোগী আবহাওয়া তৈরিকরা হয়।
- সূর্যের আলো যখন এই কাঁচের ঘরের ভিতরে প্রবেশ করে তখন ভিতরে তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায়।
- পৃথিবীও গ্রিন হাউজের মত এমন একটি আবাসস্থল যেখানে প্রতিদিনই তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাচ্ছে যা পৃথিবী হতে দূরীভূত হচ্ছে না।
- গ্রিন হাউজের তাপমাত্রা ধরে রাখার প্রক্রিয়াটি বিশ্বের তাপমাত্রা বৃদ্ধি প্রক্রিয়ার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
- এ কারণেই গ্রিন হাউজ এর সাথে মিল রেখে বিশ্বের তাপমাত্রা বৃদ্ধিকে চিহ্নিত করা হয়েছে গ্রিন হাউজ প্রতিক্রিয়া হিসেবে।
- বৈশ্বিক উষ্ণায়ন হলো বিশ্বের গড় তাপমাত্রা বৃদ্ধি।
- এটিকে গ্রিন হাউজের প্রতিক্রিয়া হিসেবে দেখা হয়।
- বৈশ্বিক উষ্ণায়নের জন্য বিভিন্ন ধরনের গ্যাসকে দায়ী করা হয়। এগুলো হলো কার্বন ডাই-অক্সাইড, নাইট্রাস অক্সাইড, ক্লোরোফ্লোরো কার্বন, মিথেন, ওজোন, জলীয়বাষ্প প্রভৃতি।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০০.
আমাদের দেশে বনায়নের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ-
  1. গাছপালা পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট করে
  2. গাছপালা O₂ ত্যাগ করে পরিবেশকে নির্মল রাখে ও জীব জগতকে বাঁচায়
  3. দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে কোনো অবদান নেই
  4. ঝড় ও বন্যার আশঙ্কা বাড়িয়ে দেয়
ব্যাখ্যা
- পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় কোন দেশের মোট আয়তনের ন্যূনতম ২৫ ভাগ বনভূমি থাকতে হয়।
- বাংলাদেশে বনভূমির পরিমাণ মোট আয়তনের শতকরা ১৭ ভাগ।

উল্লেখ্য যে,
- আমাদের দেশের জন্য বনায়ন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ-
গাছপালা অক্সিজেন ত্যাগ করে পরিবেশকে নির্মল রাখে ও জীব জগতকে বাঁচায়।
• গাছপালা বিভিন্ন ছোট জীবজন্তু ও পাখির আশ্রয়স্থল হিসাবে কাজ করে এবং পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করে।
• গাছপালা বিভিন্ন দুর্যোগ থেকে জীবজগতকে রক্ষা করে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।