ব্যাখ্যা
⇒ ইতিহাসের বেশ কিছু উৎস বিদ্যমান। যার একটি হচ্ছে ঐতিহাসিকদের বিবরণী।
-এ ছাড়াও শিলালিপি ও তাম্রলিপি, মুদ্রা, স্থাপত্য, মসজিদ,মন্দির বেশ কিছু প্রত্নত্বাত্তিক উৎস বিদ্যমান।
-ভারতীয় ইতিহাস জানার সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য প্রত্নতাত্ত্বিক উৎস শিলালিপি।
৪৯তম বিসিএস ⎯ ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি [১৯১] · তারিখ অনির্ধারিত · ৩৯ প্রশ্ন
⇒ ইতিহাসের বেশ কিছু উৎস বিদ্যমান। যার একটি হচ্ছে ঐতিহাসিকদের বিবরণী।
-এ ছাড়াও শিলালিপি ও তাম্রলিপি, মুদ্রা, স্থাপত্য, মসজিদ,মন্দির বেশ কিছু প্রত্নত্বাত্তিক উৎস বিদ্যমান।
-ভারতীয় ইতিহাস জানার সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য প্রত্নতাত্ত্বিক উৎস শিলালিপি।
⇒'তবাকাৎ-ই-নাসিরী' গ্রন্থটির রচয়িতা মিনহাজ-ই-সিরাজ।
-মু্হাম্মদ ঘুরী থেকে ১২৬০ খ্রি. পর্যন্ত সময়ের বিবরণ রয়েছে এই গ্রন্থে।
⇒The Chach Nama (also spelled Chachnamah) is a medieval Persian text.
-that narrates the history of Sindh (now in Pakistan),
-including the rise of the Chach dynasty
-and its eventual fall to the Arab Umayyad forces in the early 8th century.
⇒ ১০০০ খ্রিস্টাব্দ থেকে ১০২৭ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে তিনি সতেরো বার ভারত অভিযান করেন।
-এই ২৭ বছরে তিনি ভারতের ভিন্ন ভিন্ন ১৭ জায়গায় অভিযান পরিচালনা করেন।
-আল-বিরুনী সুলতান মাহমুদের আক্রমণের সময় জ্ঞানার্জন ও গবেষণা করতে ভারতে এসেছিলেন।
⇒সুলতান মাহমুদ রাজধানী গজনিকে তিলোত্তোমা নগরীতে পরিণত করতে চেয়েছিলেন।
-তাঁর ছিল একটি অত্যন্ত শক্তিশালী সৈন্যবাহিনী। তিনি দক্ষ পশ্রাসন ব্যবস্থা গড়ে তোলেন।
-এসবের জন্য তাঁর প্রচুর অর্থের প্রয়োজন ছিল।
-কিন্তু গজনীর রাষ্ট্রীয় কোষাগার তাঁর চাহিদার যোগান দিতে না পারায় বাইরে থেকে অর্থ সংগ্রহের পরিকল্পনা করেন।
-এ জন্যই তিনি ১৭ বার ভারতের বিভিন্ন মন্দিরে আক্রমন করেছেন।
⇒আল বিরুনী ছিলেন, সুলতান মাহমুদের দরবারের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র।
-আল বিরুনীকে ইতিহাসে বিখ্যাত করে রেখেছে ‘কিতাব-উল-হিন্দ’ গ্রন্থটি।
- যে গ্রন্থ থেকে সুলতান মাহমুদের শাসনামলের তথ্য পাওয়া যায়।
⇒তৎকালীন ভারতের সিন্ধু ও মুলতানের রাজা ছিলেন দাহির।
-আরব সাম্রাজ্যের খলিফা ছিলেন প্রথম ওয়ালিদ।
-আরব সাম্রাজ্যের পূর্বাঞ্চল অর্থাৎ ইরাক প্রদেশের গভর্ণর ছিলেন হাজ্জাজ বিন ইউসুফ।
⇒ হাজ্জাজ বিন ইউসুফ ১ম ৭১০ সালে সেনাপতি ওবায়দুল্লাহ ও বুদাইলের নেতৃত্বে পর পর দু’টি অভিযান পাঠিয়ে ব্যর্থ হন ।
-এর পর মাত্র ১৭ (সতেরো) বছর বয়স্ক ভ্রাতুস্পুত্র ও জামাতা মুহম্মদ বিন-কাসিমের নেতৃত্বে ৭১১ সালে সৈন্যবাহিনী নিয়ে অভিযান প্ররণ করেন।।
⇒১০২৬ খ্রিস্টাব্দে কাথিওয়ারের (বর্তমান গুজরাট) এর সোমনাথ মন্দিরে অভিযান পরিচালিত হয়।
-এই মন্দিরে বিপুল পরিমাণ ধন-রত্ন সঞ্চিত ছিল।
-হিন্দুগণ সোমনাথ মন্দিরকে অজেয় মনে করতো।
⇒রাওয়ার দুর্গ দখলের সময় ৭১২ সালে রাজা দাহির এক বিশাল সৈন্যবাহিনী নিয়ে বাধা দিয়েও পরাজিত ও নিহত হয়।
-দাহিরের বিধবা পত্নী রাণীবাঈ আগুনে ঝাঁপ দেন।
-এ রীতিকে জওহর ব্রত বলা হতো।
⇒১১৯১ খ্রিস্টাব্দে তরাইন প্রান্তরে পৃথ্বীরাজের বাহিনীর সাথে যুদ্ধে মুহম্মদ ঘুরির বাহিনী পরাজিত হলে তিনি নিজে আহত হন ও পলায়ন করেন।
-এটি তরাইনের প্রথম যুদ্ধ নামে পরিচিত।
-মুহম্মদ ঘুরি ১১৯২ খ্রিস্টাব্দে ১,২০,০০০ সৈন্য নিয়ে আবার ভারত আক্রমণ করেন।
-পৃথ্বীরাজের বাহিনীর সাথে তরাইনের যুদ্ধে পৃথ্বীরাজের বাহিনী পরাজিত হলে পৃথ্বীরাজ পলায়ন করেন।
⇒১০০০ খ্রিস্টাব্দ থেকে ১০২৭ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে তিনি সতেরো বার ভারত অভিযান করেন।
-এই ২৭ বছরে তিনি ভারতের ভিন্ন ভিন্ন ১৭ জায়গায় অভিযান পরিচালনা করেন।
-১৭ বারই সুলতান মাহমুদের কাছে পরাজিত হওয়ার ফলে রাজপুতদের মনোবলে চিড় ধরে
-এবং তাদের দুর্বলতা প্রকাশ পায়।
⇒ঈশ্বরী প্রসাদ সুলতান মাহমুদের যুগকে কবিতার যুগ বলে অভিহিত করেছেন।
-ঐ যুগের প্রসিদ্ধ কবি ছিলেন আবুল কাশেম ফেরদৌসী।
-প্রাচ্যের হোমার নামে খ্যাত এ কবি সুলতান মাহমুদের অনুরোধে জগদ্বিখ্যাত ‘শাহনামা’ মহাকাব্য রচনা করেন।
এবং তিনি এই মহাকাব্য সুলতান মাহমুদকেই উৎসর্গ করেন।
⇒আরব সাম্রাজ্যের সাথে ভারতের ব্যবসায় বাণিজ্য বৃদ্ধি পায়।
-দক্ষিণ এবং দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার উপকূলে আরবদের সামুদ্রিক বাণিজ্য সুদূর প্রসারী হয়।
-ফলে উভয় পক্ষের অর্থনৈতিক দিক থেকে লাভবান হয়।
⇒মুহম্মদ ঘুরি ১১৯২ খ্রিস্টাব্দে ১,২০,০০০ সৈন্য নিয়ে আবার ভারত আক্রমণ করেন।
-এবারও পৃথ্বীরাজের বাহিনীর সাথে তরাইনের যুদ্ধে পৃথ্বীরাজের বাহিনী পরাজিত হলে পৃথ্বীরাজ পলায়ন করেন।
-তারাইন দ্বিতীয় যুদ্ধে ঘুরীর সাফল্যের প্রধান কারণ হচ্ছে অশ্বারোহী ও তুর্কি ধনুক কৌশলের ব্যবহার।
⇒The Indian numerical system (Hindu numerals), later called Arabic numerals in Europe.
-The concept of zero (ṣifr), which revolutionized mathematics.
-Algebra and trigonometric knowledge were also enriched through Indian influence.
⇒জয়চাঁদের সাথে মোকাবেলার জন্য মুহম্মদ ঘুরি ১১৯৪ খ্রিস্টাব্দে পুনরায় ভারতে আসেন।
-চান্দাওয়ার যুদ্ধ (১১৯৪) জয়চাঁদের সাথে বিজয় লাভ করে গজনীতে ফিরে যান।
⇒সুলতান মাহমুদ সোমনাথ অভিযান শেষে গজনি ফেরার পথে জাঠগণ চোরাগুপ্তা হামলা চালিয়ে তাঁর সৈন্যবাহিনীকে উত্যক্ত করে।
-এ জন্য মাহমুদ ১০২৭ খ্রিস্টাব্দে তাঁর এই শেষ অভিযান পরিচালনা করে জাঠদের পরাজিত করেন।
⇒রাজাই ছিলেন প্রধান এবং সকল ক্ষেত্রে তাঁর মতামতই চূড়ান্ত।
-রাজকার্য পরিচালনার ব্যাপারে মন্ত্রীগণ রাজাকে পরামর্শ দিতেন এবং সাহায্য করতেন।
-এ সময় সাম্রাজ্য বিভিন্ন প্রদেশে বিভক্ত ছিল।
-প্রাদেশিক প্রধানকে বলা হত ‘উপারিক’।
-প্রদেশগুলি জেলায় বিভক্ত ছিল। জেলাকে বলা হত ‘বিষয়’।
-জেলার শাসনকর্তা বিষয়পতি নামে অভিহিত হতেন।
⇒মরক্কোর বিখ্যাত পর্যটক ছিলেন ইবনে বতুতা।
-তিনি তুঘলক আমলে ভারত পরিভ্রমনে এসেছিলেন।
-ইবনে বতুতার তার ভ্রমন বিষয়ক একটি পুস্তক রচনা করেন।
-যার নাম হচ্ছে 'কিতব উর রেহালা' ।
- তার ভ্রমণকাহিনীতে দিল্লি সালতানাতের বর্ণনা পাওয়া যায়।
⇒শ্রীলংকার রাজা মুসলিম সাম্রাজ্যের রাজধানী দামেস্কে আরব বণিকদের মৃতদেহ, পরিবার-পরিজন ও অথর্সামগ্রীসহ আটটি জাহাজে বোঝাই করে প্রেরণ করেন।
-সাথে খলিফা এবং হাজ্জাজের জন্য কিছু উপহারও ছিল।
-সিন্ধুর দেবল বন্দরের (করাচির সন্নিকটে) কাছে এ সকল জাহাজ জলদস্যুদের দ্বারা লুন্ঠিত হয়।
⇒মুহাম্মদ ঘুরি ১১৭৩ সালে ঘুর সাম্রাজ্যের অধিপতি হওয়ার পর বিজয় আভিযানে বেরিয়ে পরেন।
- তিনি ১১৭৫ খ্রিস্টাব্দে কারমাতি শিয়াদের পরাজিত করে মুলতান দখল করেন। যা ছিল ১ম ভারতে আক্রমণ।
-১১৭৮ খ্রিস্টাব্দে তিনি গুজরাটের রাজধানী আনহিলওয়ার আক্রমণ করেন।
-কিন্তু গুজরাট রাজের হাতে তিনি পরাজিত হন।
⇒ভারতে ইসলামের বিজয়ের বীজ বপিত হয়েছিল সিন্ধু বিজয়ের মধ্য দিয়েই।
-অনেক সূফী দরবেশের আগমন ঘটে।
-ভারতে সূফীদের দ্বারাই ইসলাম প্রচার হয়েছিল।
-স্থানীয় অধিবাসীগণ মুসলমানদের সংস্পর্শে আসার কারণে তারা ইসলামের সাম্য ও মৈত্রীর আদর্শ দ্বারা আকৃষ্ট হয়ে ইসলাম ধর্মে দীক্ষিত হয়।
⇒মুহম্মদ ঘুরি ১১৯২ খ্রিস্টাব্দে ১,২০,০০০ সৈন্য নিয়ে আবার ভারত আক্রমণ করেন।
-পৃথ্বীরাজের বাহিনীর সাথে তরাইনের যুদ্ধে পৃথ্বীরাজের বাহিনী পরাজিত হলে পৃথ্বীরাজ পলায়ন করেন।
-আজমীর পর্যন্ত মুসলমানদের দখলে আসে।
-তার বিশ্বস্থ অনুচর কুতুবউদ্দিন আইবককে বিজিত অঞ্চলের শাসনকর্তা নিযুক্ত করে মুহম্মদ ঘোরি গজনীতে প্রত্যাবর্তন করেন। -কুতুবউদ্দিন আইবক মুসলিম বিজয়কে আরও সম্পস্রারিত করে হানসী, মীরাট, দিল্ল ও কুইলী দখল করেন।
-কুতুবউদ্দিন আইবক ১২০৬ সালে ভারতে স্থায়ীশাসন প্রতিষ্ঠা করেন।
⇒মুহম্মদ ঘুরি ছিলেন একজন বিজেতা।
-তিনি ছিলেন বাস্তববাদী রাজনীতিবিদ।
-তাঁর বিশ্বস্থ ক্রীতদাস ও সেনাপতি কুতুবউদ্দিন আইবেককে ভারতবর্ষের অধিকৃত অঞ্চলে প্রতিনিধি ও শাসক হিসেবে নিযুক্ত করেছিলেন বলেই ভারতে তথাকথিত দাস বংশ প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
- তিনি ১২০৬ সালে মৃত্যুবরণ করলে কুতুবউদ্দিন আইবেক স্বাধিন সালতানাত প্রতিষ্ঠা করেন।
⇒কুতুবউদ্দিনের জীবন শুরু হয়েছিল মুহাম্মদ ঘুরির ক্রীতদাস হিসেবে।
-১১৯২ খ্রিস্টাব্দে সংঘটিত তরাইনের দ্বিতীয় যুদ্ধে কুতুবউদ্দিন আইবেক প্রধান সেনাপতির দায়িত্ব পালন করেন।
⇒সুলতান মাহমুদ ছিলেন তুর্কি বংশোদ্ভূত।
-গজনি রাজবংশের প্রতিষ্ঠাতা আলপ্তগীনের ক্রীতদাস ও জামাতা গজনীর আমির সবক্তুগীনের পুত্র ছিলেন সুলতান মাহমুদ।
-তিনি ৯৯৭ সালে গজনীর সিংহাসনে আরোহন করেন।
⇒হাজ্জাজ বিন ইউসুফ ৭১০ সালে সেনাপতি ওবায়দুল্লাহ ও বুদাইলের নেতৃত্বে পর পর দু’টি অভিযান পাঠিয়ে ব্যর্থ হন ।
-এর পর মাত্র ১৭ (সতেরো) বছর বয়স্ক ভ্রাতুস্পুত্র ও জামাতা মুহম্মদ বিন-কাসিমের নেতৃত্বে সৈন্যবাহিনী নিয়ে অভিযান প্ররণ করেন।
-৭১২ সালেমুহম্মদ বিন-কাসিম রাজা দাহিরকে পরাজিত করে সিন্ধু বিজয় করেন।
⇒সুলতান মাহমুদ ১০০০-১০২৭ সালের মধ্যে ১৭বার ভারত অভিযানেই বিজয়ী হয়েছিলেন।
- এ জন্য ঈশ্বরী প্রসাদ তাঁকে ‘বড় মাপের দিগ্বিজয়ী বীর’ বলে আখ্যায়িত করেছেন।
-ঈশ্বর টোপ্পয়ার মতে, সুলতান মাহমুদ ছিলেন ‘গজনির নেপোলিয়ন’।
⇒রাজনৈতিক বিশৃংঙ্খলায় ক্ষুদ্রক্ষুদ্র রাজ্যে বিভক্ত হয়ে পড়ে।
-এ সময় ভারতবষের্র কেন্দ্রিয় শাসন ছিল না।
- এ জন্য তাদের ঐক্যবদ্ধ কোন শক্তিও ছিল না।
⇒মুসলিম বিজয়ের প্রাক-কালে ভারতীয়গণ শিক্ষা-দীক্ষা, সাহিত্য, জ্ঞান-বিজ্ঞান ও শিল্পকলা চর্চায় কৃতিত্ব অর্জন করেন।
-সে যুগে ভারতে অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠে।
-ভারতের স্বনামধন্য বল্লভী এবং বিহারের নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয় ছাড়াও উদন্তপুর, বিক্রমশীলা, বারানসী প্রভৃতি স্থানে উচ্চ শিক্ষার প্রতিষ্ঠান ছিল।
-নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয় বা মহাবিহার ছিল প্রচিন মগধ রাজ্যের অন্তর্গত।
⇒ সে সময় ভারতীরা জ্যোতির্বিদ্যা, গণিত, চিকিৎসা শাস্ত্র, দশর্ন ও সাহিত্য প্রভৃতি জ্ঞানের চর্চা করত।
-সে যুগে স্থাপত্য ও ভাস্কর্য শিল্পে প্রভূত উন্নতি সাধিত হয়েছিল।
-তারই উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত ছিল উন্নত চিত্র ও স্থাপত্যকীতির্র নিদর্শন অজন্তা-ইলোরা।
⇒ সুলতানী আমলের ইতিহাসের উৎস ছিল-চাচ নামা,তারিখ-ই-সিন্ধ,কিতাব-উল-ইয়ামিনী,তারিখ-উল-হিন্দ
,তাজ-উল-মাসির,তবাকাৎ-ই-নাসিরী,খাজাইন-উল-ফুতুহ,তারিখ-ই-ফিরোজশাহী,ফুতুহা-তুস-সালাতিন প্রভৃতি গ্রন্থ।
-মুঘল আমলের ইতিহাসের উৎস ছিল-তুযুক-ই-বাবরী,হুমায়ুন নামা,তুযুক-ই-জাহাঙ্গীরী,তাজকিরাতুল ওয়াকিয়াত,আইন-ই-আকবরী,আকবর নামা,পাদশাহ নামা,মাসির-ই-আলমগীরি,মুনতাখাব-উল-লুবাব,মুনতাখাব-উল-তোবারিক প্রভৃতি গ্রন্থ।
⇒মুহম্মদ ঘুরি ১১৯২ খ্রিস্টাব্দে তরাইনের ২য় যুদ্ধে পৃথ্বীরাজের বাহিনী পরাজিত হলে পৃথ্বীরাজ পলায়ন করেন।
-আজমীর পর্যন্ত মুসলমানদের দখলে আসে।
-তার বিশ্বস্থ অনুচর কুতুবউদ্দিন আইবককে বিজিত অঞ্চলের শাসনকর্তা নিযুক্ত করে মুহম্মদ ঘোরি গজনীতে প্রত্যাবর্তন করেন। -কুতুবউদ্দিন আইবক মুসলিম বিজয়কে আরও সম্পস্রারিত করে হানসী, মীরাট, দিল্ল ও কুইলী দখল করেন।
-এর সব গুলো অঞ্চলই ছিল উত্তর-পশ্চিম ভারতের অন্তর্গত।
⇒ মুসলমানদের বিজয়ের ফলে ভারতীয় সভ্যতা ও ইসলামি সভ্যতার মধ্যে যোগাযোগের ফলে ভাবের আদান-প্রদান ও সংমিশণ্র ঘটে।
-আব্বাসীয় যুগে ভারতীয় জ্ঞান-বিজ্ঞানের বই-পুস্তক আরবি ভাষায় অনুবাদ করার ব্যবস্থা করে এক স্বর্ণ যুগের সূচনা করেছিলেন।
-নতুন করে ইন্দো-ইসলামি সংস্কৃতির বিকাশ ঘটে।
⇒সুলতান মাহমুদ ছিলেন তুর্কি বংশোদ্ভূত।
-গজনি রাজবংশের প্রতিষ্ঠাতা আলপ্তগীনের ক্রীতদাস ও জামাতা গজনীর আমির সবক্তুগীনের পুত্র ছিলেন সুলতান মাহমুদ।
-তিনি ৯৯৭ সালে গজনীর সিংহাসনে আরোহন করেন।
⇒মুহাম্ম বিন কাসিম ৭১২ সালে রাজা দাহিরকে পরাজিত করেন।
-দাহিরের বিধবা পত্নী রাণীবাঈ আগুনে ঝাঁপ দিয়ে জওহর ব্রত পালন করেন।
-এর পর তিনি ব্রাহ্মণাবাদ,সিন্ধুর রাজধানী আলোর দুর্গ,মুলতান জয় করেন।
⇒সুলতান মাহমুদ ১০০০-১০২৭ সালের মধ্যে ১৭বার ভারত অভিযানেই বিজয়ী হয়েছিলেন।
-তিনি কানৌজ,গুজরাট,কাশ্মির,সোমনাথে অভিযান করলেও কখনো দিল্লিতে অভিযান করেন নি।
⇒১১৯২ খ্রিস্টাব্দে সংঘটিত তরাইনের দ্বিতীয় যুদ্ধে কুতুবউদ্দিন আইবেক প্রধান সেনাপতির দায়িত্ব পালন করেন।
-তিনি ১১৯২ খ্রিস্টাব্দের মধ্যেই হানসী, মীরাট, কোল, দিল্লি ও রণথম্বর বিজয় করেন।
- মুহাম্মদ ঘুরী তাকে রেখে গজনীতে ফিরলে তিনি লাহোরে রাজধানী স্থাপন করেন।
-পরে লাহোরে থেকে রাজধানী দিল্লিতে স্থানান্তর করেন।