পরীক্ষা আর্কাইভ

৫১তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট ও রিভিশন

পরীক্ষা৫১তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট ও রিভিশনতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়35 minutes
মোট প্রশ্ন৪২
সিলেবাস
"Award Mania: Season - 14” এর জন্য প্রযোজ্য -------------------------------------------- ৪৭তম বিসিএস প্রস্তুতি - সাবজেক্ট ফাইনাল ও রিভিশন [রাউন্ড ⎯ ৩] বিষয়ের নাম: বাংলাদেশ বিষয়াবলি⎯২ [১০০ নাম্বার] (টপিকগুলোর বিস্তারিত সিলেবাস বাটনে বা পিএসসির সিলেবাসেই পাবেন।) ১) বাংলাদেশের সংবিধান। ২) বাংলাদেশের রাজনৈতিক ব্যবস্থা ও সরকার ব্যবস্থা। ৩) বাংলাদেশের জনসংখ্যা, আদমশুমারি, জাতি, গোষ্ঠী ও উপজাতি সংক্রান্ত বিষয়াদি। ৪) বাংলাদেশের জাতীয় অর্জন, বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব, গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান ও স্থাপনাসমূহ, জাতীয় পুরস্কার, বাংলাদেশের খেলাধুলাসহ চলচ্চিত্র, গণমাধ্যম-সংশ্লিষ্ট বিষয়াদি।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

৫১তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট ও রিভিশন

৫১তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট ও রিভিশন · তারিখ অনির্ধারিত · ৪২ প্রশ্ন

.
জেলা অনুযায়ী সবচেয়ে কম জনসংখ্যার ঘনত্ব কোথায়? [আগস্ট - ২০২৫]
  1. খাগড়াছড়ি
  2. বান্দরবান
  3. রাঙ্গামাটি
  4. কক্সবাজার
সঠিক উত্তর:
রাঙ্গামাটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাঙ্গামাটি
ব্যাখ্যা
- রাঙ্গামাটি পাহাড়ি ভৌগোলিক অবস্থার কারণে জনসংখ্যা ঘনত্ব তুলনামূলক কম।

ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২: 
- বাংলাদেশে ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুষ্ঠিত হয় ১৫ জুন থেকে ২১ জুন পর্যন্ত।
- এতে ব্যবহৃত তথ্য সংগ্রহ পদ্ধতি ছিল CPI এবং গণনা পদ্ধতি ছিল Modified De-fecto।
- দেশে মোট জনসংখ্যা দাঁড়ায় ১৬,৯৮,২৮,৯১১ জন, বার্ষিক জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ১.১২%।
- সাক্ষরতার হার ৭৪.৮০%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব ১১১৯ জন প্রতি বর্গকিলোমিটার।
- সবচেয়ে বেশি মানুষ বাস করে ঢাকায় এবং সবচেয়ে কম মানুষ বাস করে বরিশাল বিভাগে।

উল্লেখ্য, 
- জেলার মধ্যে রাঙ্গামাটির ঘনত্ব সবচেয়ে কম।

সূত্র: ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২।
.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির অভিশংসন সম্ভব?
  1. ৫১নং অনুচ্ছেদ
  2. ৫৩নং অনুচ্ছেদ
  3. ৫২নং অনুচ্ছেদ
  4. ৫৪নং অনুচ্ছেদ
সঠিক উত্তর:
৫২নং অনুচ্ছেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫২নং অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা
রাষ্ট্রপতির অভিশংসন:
- সংবিধানের ৫২(১) নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, এই সংবিধান লংঘন বা গুরুতর অসদাচরণের অভিযোগে রাষ্ট্রপতিকে অভিশংসিত করা যেতে পারবে; তার জন্য সংসদের মোট সদস্যের সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশের স্বাক্ষরে অনুরূপ অভিযোগের বিবরণ লিপিবদ্ধ করে একটি প্রস্তাবের নোটিশ স্পীকারের নিকট প্রদান করতে হবে; স্পীকারের নিকট অনুরূপ নোটিশ প্রদানের দিন হতে চৌদ্দ দিনের পূর্বে বা ত্রিশ দিনের পর এই প্রস্তাব আলোচিত হতে পারবে না; এবং সংসদ অধিবেশনরত না থাকিলে স্পীকার অবিলম্বে সংসদ আহবান করবেন।

অন্যদিকে,
অনুচ্ছেদ ৫১ - রাষ্ট্রপতির দায়মুক্তি।
অনুচ্ছেদ ৫৪- অনুপস্থিতি প্রভৃতির-কালে রাষ্ট্রপতি-পদে স্পীকার।
অনুচ্ছেদ ৫৩- অসামর্থ্যের কারণে রাষ্ট্রপতির অপসারণ।

সূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।
.
মাতৃপ্রধান পরিবার ব্যবস্থার প্রচলন কোন জাতিসত্তায় রয়েছে?
  1. চাকমা
  2. মারমা
  3. বম
  4. গারো
সঠিক উত্তর:
গারো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গারো
ব্যাখ্যা
গারো:
- গারো ভারতের মেঘালয় রাজ্যের গারো পাহাড় ও বাংলাদেশের বৃহত্তর ময়মনসিংহ জেলায় বসবাসকারী আদিবাসী সম্প্রদায়।
- গারোরা ভাষা অনুযায়ী বোডো মঙ্গোলীয় ভাষাগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত।
- জাতিগত পরিচয়ের ক্ষেত্রে অনেক গারোই নিজেদেরকে মান্দি বলে পরিচয় দেন।
- গারোদের সমাজে মাতৃতান্ত্রিক পরিবার প্রথা প্রচলিত।
- তাদের প্রধান ধর্মীয় ও সামাজিক উৎসবের নাম 'ওয়ানগালা'।
- আশ্বিন মাসে একেক গ্রামের মানুষদের সামর্থ্যানুযায়ী সাত দিন কিংবা তিনদিন ধরে এই উৎসব অনুষ্ঠিত হতো।
- তাদের আদি ধর্মের নাম 'সাংসারেক'।

সূত্র: নৃ-গোষ্ঠীসনদ বাংলাদেশ।
.
বাংলাদেশে বসবাসকারী ত্রিপুরাদের সমাজব্যবস্থা কেমন?
  1. মাতৃতান্ত্রিক
  2. পিতৃতান্ত্রিক
  3. সামন্ততান্ত্রিক
  4. কোনটি নয় 
সঠিক উত্তর:
পিতৃতান্ত্রিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পিতৃতান্ত্রিক
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশে বসবাসকারী ত্রিপুরাদের সমাজ পিতৃতান্ত্রিক।

ত্রিপুরা: 

- ত্রিপুরা, ত্রিপুরী বা তিপ্রা হচ্ছে ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের একটি নৃগোষ্ঠী।
- তিন পার্বত্য জেলা ছাড়াও ত্রিপুরা জনগোষ্ঠী সমতল এলাকার কুমিল্লা, সিলেট, বৃহত্তর চট্টগামের বিভিন্ন উপজেলা, রাজবাড়ী, চাঁদপুর, ফরিদপুর প্রভৃতি অঞ্চলেও বর্তমানে বসবাস করে।
- বাংলাদেশে এদের সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশ পার্বত্য চট্টগ্রামে বাস করে।
- পরবর্তী সময়ে এই জনগোষ্ঠী ভারতের আসাম হয়ে অত্র অঞ্চলে বসতি গড়ে তোলে।
- ত্রিপুরা নৃগোষ্ঠীর ভাষার নাম ককবরক।
- বাংলাদেশে বসবাসকারী ত্রিপুরাদের সমাজব্যবস্থা পিতৃতান্ত্রিক।
- ত্রিপুরারা সনাতন ধর্মের অনুসারী।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া।
.
কোন নৃগোষ্ঠী বাংলাদেশে বাস করে না?
  1. কোচ
  2. ডালু
  3. চাক
  4. নাগা
সঠিক উত্তর:
নাগা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নাগা
ব্যাখ্যা

- নাগা নৃগোষ্ঠী ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চল ও বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী অঞ্চলে বসবাস করে।

এছাড়াও, 
কোচ:
কোচ বাংলাদেশ ও ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কোচবিহারে বসবাসকারী অন্যতম প্রাচীন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী। বর্তমানে কোচ জাতির বিস্তৃতি আদিভূমি কোচবিহার ছড়িয়ে ময়মনসিংহ জেলায় তাদের আবাস গড়ে তোলে । বর্তমানে শেরপুর জেলার ঝিনাইগাতী , নালিতাবাড়ী এবং শ্রীবর্দী উপজেলায় তাদের বসবাস।

ডালু:
ডালু জাতি হচ্ছে বাংলাদেশে বসবাসকারী একটি ক্ষুদ্র জাতির নাম। ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট ও শেরপুরের নালিতাবাড়ি অঞ্চলে ডালু জাতির মানুষদের বাস। তাদের অনেকে মনে করেন মণিপুরিই হচ্ছে তাদের আসল ভাষা।

চাক:
চাক বাংলাদেশের একটি উপজাতি। বাংলাদেশের বান্দরবান, চট্টগ্রামের চাক পাহাড় ও মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে তাদের বসবাস রয়েছে। চকরা যে ভাষায় কথা বলে সেটি চাক ভাষা নামে পরিচিত। চাকদের ভাষায় 'চক' শব্দের অর্থ 'দাঁড়ানো'।

সূত্র: ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী সনদ।

.
লাহোর প্রস্তাব কবে পেশ করা হয়েছিল?
  1. ১৯৩৫ সালে 
  2. ১৯৪০ সালে 
  3. ১৯৪৭ সালে 
  4. ১৯৪৯ সালে 
সঠিক উত্তর:
১৯৪০ সালে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৪০ সালে 
ব্যাখ্যা
- ১৯৪০ সালের ২৩ মার্চ লাহোর শহরে এটি পেশ করা হয়।

লাহোর প্রস্তাব:
- ১৯৪০ সালের ২৩ মার্চ মুসলিম লীগের বার্ষিক অধিবেশনে বাংলার মুখ্যমন্ত্রী এ কে ফজলুল হক একটি প্রস্তাব পেশ করেন।
- জিন্নাহর সভাপতিত্বে প্রস্তাবটি সভায় গৃহীত হয়। এই প্রস্তাবই ঐতিহাসিক লাহোর প্রস্তাব নামে পরিচিত। 
- লাহোর প্রস্তাবের ভিত্তি ছিল দ্বিজাতি তত্ত্ব।

- এ প্রস্তাবের কোথাও পাকিস্তান শব্দটি ছিল না।
- তথাপি এ প্রস্তাব ‘পাকিস্তান প্রস্তাব’ হিসেবে পরিচিতি লাভ করে।
- এ প্রস্তাব ভারতীয় মুসলমানদের মধ্যে পৃথক আবাসভূমির স্বপ্ন বপন করে।
- কংগ্রেস নেতৃবৃন্দ লাহোর প্রস্তাবের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে। 
- এ প্রস্তাবে ভারতে একাধিক মুসলিম রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার কথা বলা হলেও ১৯৪৬ সালের দিল্লি অধিবেশনে কেবল পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব গৃহিত হয়।
 
সূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইতএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
বাংলাদেশের বৃহত্তম নৃগোষ্ঠী কোনটি?
  1. মারমা
  2. চাকমা
  3. ত্রিপুরা
  4. সাঁওতাল   
সঠিক উত্তর:
চাকমা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চাকমা
ব্যাখ্যা

চাকমা:
- চাকমা বাংলাদেশের বৃহত্তম নৃগোষ্ঠী।
- তারা নিজেদেরকে চাঙমা বলে।
- পার্বত্য চট্টগ্রামের মধ্য ও উত্তরাঞ্চলেই তাদের প্রধান বসতি।
- এখানে তারা আরও কয়েকটি আলাদা আদিবাসী সঙ্গে মিশ্রিত।
- চাকমাদের শতকরা ৯০ জনেরও বেশি রাঙ্গামাটি ও খাগড়াছড়ি জেলায় কেন্দ্রীভূত।
- ১৮৬০ সালে জুমচাষ নিষিদ্ধ হলে তারা পার্বত্য চট্টগ্রামের পূর্বাঞ্চলে চলে যায়।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া ও পত্রিকা রিপোর্ট।

.
চতুর্দশ সংশোধনীর মাধ্যমে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিদের অবসরের বয়স কত করা হয়?
  1. ৬৫ বছর 
  2. ৬৬ বছর 
  3. ৬৭ বছর 
  4. ৬৮ বছর 
সঠিক উত্তর:
৬৭ বছর 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬৭ বছর 
ব্যাখ্যা

চতুর্দশ সংশোধনীর মাধ্যমে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিদের অবসরের বয়স ৬৭ বছর করা হয়। 

চতুর্দশ সংশোধনী: 

- চতুর্দশ সংশোধনী আইন সংবিধানের চতুর্দশ সংশোধনী আইন ২০০৪ সালের ১৬ মে সংসদে পাস হয়।
- বিভিন্ন বিধান সংবিধানে যুক্ত হয়। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে, এই সংশোধনীর মাধ্যমে সংসদে সংরক্ষিত নারী আসন ৩০ থেকে ৪৫ এ উন্নীত করা হয়, যা পরবর্তী দশ বছর পর্যন্ত বলবৎ থাকবে।
- এছাড়াও এই সংশোধনীর মাধ্যমে সুপ্রীম কোর্টের বিচারপতিদের অবসরগ্রহণের বয়স ৬৫ থেকে ৬৭-তে বর্ধিত করা হয়।
- এর পাশাপাশি এই সংশোধনীতে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর ছবি তাদের স্ব স্ব কার্যলয়সহ সকল সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান এবং বিদেশে বাংলাদেশ দূতাবাসসমূহে টানানোর ব্যবস্থা বাধ্যতামূলক করা হয়।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া। 

.
পাঙন সম্প্রদায় কোন নৃগোষ্ঠীর শাখা?
  1. চাকমা
  2. মণিপুরী
  3. গারো
  4. তঞ্চঙ্গ্যা
সঠিক উত্তর:
মণিপুরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মণিপুরী
ব্যাখ্যা

- পাঙনরা মণিপুরী নৃগোষ্ঠীর একটি শাখা।

মণিপুরী: 

- পাঙন সম্প্রদায় মূলত মণিপুরী নৃগোষ্ঠীর একটি শাখা।
- মণিপুরের রাজা চৌরজিৎ সিংহের সময়কালে সংঘটিত বার্মা-মণিপুর যুদ্ধ (১৮১৯-১৮২৫) এর প্রেক্ষাপটে মণিপুরী জনগণের একটি অংশ ভারত ও বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়।
- বাংলাদেশে আগত মণিপুরীরা প্রধানত তিনটি শাখায় বিভক্ত হয়: (১) বিষ্ণুপ্রিয়া, (২) মৈতৈ এবং (৩) পাঙন।
- পাঙনরা আর্য বংশভুক্ত হলেও মৈতৈ ভাষায় কথা বলেন এবং তারা ইসলাম ধর্ম অনুসরণ করেন।
- এদের ভাষাগত পরিচিতি মৈতৈদের সঙ্গে মিলে গেলেও ধর্মীয় পরিচয় আলাদা। ফলে, পাঙনদের আলাদা একটি সম্প্রদায় হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।
- মূলত ধর্মীয় বিশ্বাসে মুসলিম হলেও, তারা মণিপুরী সমাজের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের অংশ হিসেবেই বিবেচিত।

সূত্র: ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী সনদ। 

১০.
মারমারা কোন কোন জেলায় বেশি বসবাস করে?
  1. কক্সবাজার ও সিলেট
  2. বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি
  3. সুনামগঞ্জ ও নেত্রকোনা
  4. ময়মনসিংহ ও নেত্রকোনা
সঠিক উত্তর:
বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি
ব্যাখ্যা
মারমা:
- মারমা  বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম আদিবাসী জনগোষ্ঠী।
- পার্বত্য জেলা রাঙ্গামাটি, বান্দরবান এবং খাগড়াছড়িতে বসবাস করে।
- সাংগ্রাই উৎসব হলো মারমা জনগণের সবচেয়ে বড় ও গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় ও সামাজিক উৎসব।
- এটি মূলত বাংলা নববর্ষের সময়, অর্থাৎ এপ্রিল মাসে পালিত হয়।
- উৎসবটি মূলত বৌদ্ধ নববর্ষ উদ্‌যাপনের একটি রূপ। 

উল্লেখ্য, 
- তাদের নিজস্ব ভাষা রয়েছে।
- বাসস্থান: রাঙ্গামাটি, বান্দরবান এবং খাগড়াছড়ি।
- ধর্ম: বৌদ্ধ।
- সবচেয়ে বড় উৎসব: সাংগ্রাই।
- গ্রাম পর্যায়ের প্রশাসনিক প্রধান: কারবারি।
- মৌজা পর্যায়ের প্রধান: হেডম্যান।
- সার্কেল প্রধান: রাজা।

সূত্র - বাংলাপিডিয়া।
১১.
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর চূড়ান্ত রিপোর্ট অনুযায়ী, বাংলাদেশে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সংখ্যা কত?
  1. ৫২টি
  2. ৫০টি
  3. ৪৮টি
  4. ৪৫টি
সঠিক উত্তর:
৫০টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫০টি
ব্যাখ্যা
ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- দেশে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সংখ্যা - ৫০টি।
- জনসংখ্যায় বৃহত্তম ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী - চাকমা।
- জনসংখ্যায় দ্বিতীয় ও তৃতীয় বৃহত্তম ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী যথাক্রমে - মারমা (২,২৪,২৯৯ জন) ও ত্রিপুরা (১,৫৬,৬২০ জন)।
- জনসংখ্যায় সবচেয়ে ছোট ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী - ভিল (৯৫জন)।
- ক্ষুদ্র-নৃগোষ্ঠীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি যে জেলায় - রাঙ্গামাটি (৩,৭২,৮৭৫ জন)।
- ক্ষুদ্র-নৃগোষ্ঠীর সংখ্যা সবচেয়ে কম যে জেলায় - লালমনিরহাট (১১৮ জন)।

সূত্র: ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২।
১২.
ওরাওঁ সমাজে গ্রামীণ শান্তি শৃঙ্খলা রক্ষার জন্য গঠিত সংগঠনের নাম কী?
  1. পাঁড়হা
  2. পাঞ্চেস
  3. নাইগাস
  4. মহাতোষ
সঠিক উত্তর:
পাঞ্চেস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাঞ্চেস
ব্যাখ্যা

ওরাওঁ
- ওরাওঁ বাংলাদেশের একটি নৃগোষ্ঠী। 
- এদের বাসস্থান বাংলাদেশের বরেন্দ্র অঞ্চলে। 
- তারা অস্ট্রিক এবং ভাষাতাত্ত্বিক সূত্রে দ্রাবিড়।
- ১৮৮১ সালের আদমশুমারিতে দেখা যায় যে, তারা বরেন্দ্র অঞ্চল ছাড়াও ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম এবং নোয়াখালী জেলায়ও বসবাস করত।
- যাবতীয় বিবাদ মেটানো ও শান্তি শৃঙ্খলা রক্ষার জন্য গ্রাম সংগঠন আছে যাকে বলা হয় পাঞ্চেস। 
- প্রতিটি গ্রামে একজন হেডম্যান বা মহাতোষ থাকে এবং একজন পুরোহিত বা নাইগাস থাকে। 
- গ্রামের বয়স্ক সাত-আটজন ব্যক্তি দ্বারা পাঞ্চেস গঠিত হয়। পাঞ্চেস-এর কার্যকাল সাধারণত তিন থেকে পাঁচ বছরের জন্য হয়। 
- ওরাওঁদের ভাষার নাম কুরুক। এ ভাষার কোনো বর্ণমালা নেই। তাদের সাহিত্য মৌখিক।  

সূত্র: বাংলাপিডিয়া। 

১৩.
গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় কোনটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে?
  1. সেনাবাহিনী
  2. রাজনৈতিক দল
  3. বিচার বিভাগ
  4. স্থানীয় সরকার
সঠিক উত্তর:
রাজনৈতিক দল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাজনৈতিক দল
ব্যাখ্যা
- গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় রাজনৈতিক দল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। 

রাজনৈতিক ব্যবস্থা:

- বাংলাদেশে বহুদলীয় গণতন্ত্রিক ব্যবস্থা বিদ্যমান।
- বিভিন্ন সময়ে একাধিক রাজনৈতিক দল জাতীয় সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভ করে।
- স্বাধীন বাংলাদেশের সূচনালগ্নেই এ দেশে বহুদলীয় গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৭৫ থেকে ১৯৯১ সময়ে দেশে রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থা প্রচলিত ছিলো।
- বাংলাদেশের আইনসভা জাতীয় সংসদ নামে পরিচিত যা এককক্ষ বিশিষ্ট।

সূত্র: পৌরনীতি ও নাগরিকতা: নবম-দশম শ্রেণি ও বাংলাপিডিয়া।
১৪.
বাংলাদেশের সংবিধানে প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনালের বিধান কোন অনুচ্ছেদে উল্লেখ আছে?
  1. ১০৩নং অনুচ্ছেদ
  2. ১১৭নং অনুচ্ছেদ
  3. ১০৮নং অনুচ্ছেদ
  4. ১১০নং অনুচ্ছেদ
সঠিক উত্তর:
১১৭নং অনুচ্ছেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১৭নং অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধানের ১১৭নং অনুচ্ছেদ অনুসারে, প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল প্রতিষ্ঠা করতে পারে সংসদ। 

অনুচ্ছেদ ১১৭: প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনালসমূহ

১. ইতঃপূর্বে যা বলা হয়েছে, তা সত্ত্বেও নিম্নলিখিত ক্ষেত্রসমুহ সম্পর্কে বা ক্ষেত্রসমুহ থেকে উদ্ভূত বিষয়াদির উপর এখতিয়ার প্রয়োগের জন্য সংসদ আইনের দ্বারা এক বা একাধিক প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল প্রতিষ্ঠিত করতে পারবেন-
(ক) নবম ভাগে বর্ণিত বিষয়াদি এবং অর্থদণ্ড বা অন্য দণ্ডসহ প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত ব্যক্তিদের কর্মের শর্তাবলী;
(খ) যে কোন রাষ্ট্রায়ত্ত উদ্যোগ বা সংবিধিবদ্ধ সরকারী কর্তৃপক্ষের চালনা ও ব্যবস্থাপনা এবং অনুরূপ উদ্যোগ বা সংবিধিবদ্ধ সরকারী কর্তৃপক্ষে কর্মসহ কোন আইনের দ্বারা বা অধীন সরকারের উপর ন্যস্ত বা সরকারের দ্বারা পরিচালিত কোন সম্পত্তির অর্জন, প্রশাসন, ব্যবস্থাপনা ও বিলি-ব্যবস্থা;

অন্যদিকে,
- সংবিধানের ১০৩নং অনুচ্ছেদটি মূলত আপিল বিভাগের এখতিয়ার সংজ্ঞায়িত করে।
- বাংলাদেশের সংবিধানের ১০৮নং অনুচ্ছেদ সুপ্রিম কোর্টকে "কোর্ট অফ রেকর্ড" হিসাবে সংজ্ঞায়িত করে। 
- ১১০নং অনুচ্ছেদ: অধস্তন আদালত হইতে হাইকোর্ট বিভাগে মামলা স্থানান্তর।

সূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।
১৫.
CPD-এর প্রতিষ্ঠাতা কে?
  1. ড. আতিউর রহমান
  2. রেহমান সোবহান
  3. মুহিত কামাল
  4. উপরের কেউ নন 
সঠিক উত্তর:
রেহমান সোবহান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রেহমান সোবহান
ব্যাখ্যা
- প্রখ্যাত অর্থনীতিবিদ রেহমান সোবহান CPD প্রতিষ্ঠা করেন।

CPD:
- CPD-এর পূর্ণরূপ: Center for Policy Dialogue.
- CPD হলো বাংলাদেশের একটি বেসরকারি গবেষণা সংস্থা যা সরকারি বিভিন্ন বাণিজ্যিক পদক্ষেপের বিষয়ে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে কাজ করে।
- এটি ১৯৯৩ সালে অর্থনীতিবিদ রেহমান সোবহান কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বর্তমানে এর সদর দপ্তর ঢাকার ধানমন্ডিতে অবস্থিত।
- সিপিডির লক্ষ্য বাংলাদেশের নাগরিক সমাজের ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণের জন্য একটি চাহিদা-চালিত এবং জবাবদিহিমূলক উন্নয়ন প্রক্রিয়া গড়ে তোলা, তথ্যবহুল বিতর্ক উদ্দীপিত করা, জ্ঞান তৈরি করা এবং গবেষণা, সংলাপ, প্রচার এবং সমর্থনের মাধ্যমে নীতি নির্ধারণকে প্রভাবিত করা। 

সূত্র: CPD ওয়েবসাইট ও প্রথম আলো পত্রিকা।
১৬.
সংবিধান অনুসারে, কোন বিলকে অর্থবিল বলা হয় না?
  1. সরকারের ঋণ গ্রহণ সংক্রান্ত বিল
  2. সংযুক্ত তহবিল থেকে অর্থ বরাদ্দ সংক্রান্ত বিল
  3. স্থানীয় সরকারের ফি সংক্রান্ত বিল
  4. কর আরোপ সংক্রান্ত বিল
সঠিক উত্তর:
স্থানীয় সরকারের ফি সংক্রান্ত বিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্থানীয় সরকারের ফি সংক্রান্ত বিল
ব্যাখ্যা
৮১। অর্থবিল:
(১) এই অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, “অর্থবিল” বলতে সেই সব বিলকে বোঝায়, যেগুলোর মধ্যে কর আরোপ, রদবদল বা মওকুফ, সরকারি ঋণ গ্রহণ বা গ্যারান্টি দেওয়া, সংযুক্ত তহবিল থেকে অর্থ ব্যয় বা বরাদ্দ, তহবিলের হিসাব-নিকাশ ও সরকারের আর্থিক দায়দায়িত্বের বিষয় থাকে। এ ছাড়া এসব বিষয়ের সঙ্গে সম্পর্কিত যেকোনো বিষয় থাকলেও সেটি অর্থবিল হিসেবে গণ্য হবে।

(২) কোনো জরিমানা, ফি, উসুল বা স্থানীয় সরকারের কর সংক্রান্ত বিষয় থাকলেই কোনো বিলকে অর্থবিল বলা যাবে না। 

(৩) অর্থবিল রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের জন্য পাঠানোর সময় স্পীকারকে অবশ্যই একটি সনদ দিতে হবে যে, এটি একটি অর্থবিল। এই সনদ চূড়ান্ত হবে, এবং এ বিষয়ে আদালতে কোনো প্রশ্ন তোলা যাবে না।

সূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।
১৭.
দেশের প্রথম 'জুলাই শহিদ স্মৃতিস্তম্ভ' উদ্বোধন করা হয়েছে কোথায়?
  1. রাজশাহী 
  2. খুলনা
  3. কুমিল্লা
  4. নারায়ণগঞ্জ
সঠিক উত্তর:
নারায়ণগঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নারায়ণগঞ্জ
ব্যাখ্যা
জুলাই শহিদ স্মৃতিস্তম্ভ:
- নারায়ণগঞ্জে দেশের প্রথম 'জুলাই শহিদ স্মৃতিস্তম্ভ' উদ্বোধন করা হয়েছে।
- শহীদদের স্মরণে সরকারি উদ্যোগে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সহায়তায় নির্মিত হয়েছে এই স্মৃতিস্তম্ভ।
- ১৩ জুলাই, ২০২৫ জেলার সদর উপজেলার হাজীগঞ্জ এলাকায় স্মৃতিস্তম্ভটি উদ্বোধন করেন অন্তর্বর্তী সরকারের পাঁচ উপদেষ্টা।
- স্মৃতিস্তম্ভের ফলকে ২১ জন শহিদের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।

সূত্র- পত্রিকা প্রতিবেদন।
১৮.
বাংলাদেশের জনগণ জাতি হিসাবে বাঙালি এবং নাগরিকগণ বাংলাদেশী পরিচয়ে পরিচিত হবেন - সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে উল্লেখ আছে?
  1. ৫নং
  2. ৬নং
  3. ৭নং
  4. ৯নং
সঠিক উত্তর:
৬নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬নং
ব্যাখ্যা
- সংবিধানের ৬নং অনুচ্ছেদে নাগরিকত্ব সম্পর্কে বলা হয়েছে, "বাংলাদেশের জনগণ জাতি হিসাবে বাঙালী এবং নাগরিকগণ বাংলাদেশী বলিয়া পরিচিত হইবেন"।  

অন্যদিকে: 
- অনুচ্ছেদ ৫-এ রাজধানী সম্পর্কে বলা হয়েছে।  
- অনুচ্ছেদ ৭-এ সংবিধানের প্রাধান্য সম্পর্কে বলা হয়েছে।  
- অনুচ্ছেদ ৯-এ জাতীয়তাবাদ সম্পর্কে বলা হয়েছে। 

সূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান। 
১৯.
যদি একটি দল টানা দুইটি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ না নেয়, তাহলে কী হবে?
  1. সতর্কবার্তা দেওয়া হবে
  2. নিবন্ধন স্থগিত হবে
  3. নিবন্ধন বাতিল হবে 
  4. আর্থিক জরিমানা হবে
সঠিক উত্তর:
নিবন্ধন বাতিল হবে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিবন্ধন বাতিল হবে 
ব্যাখ্যা
- টানা দুইটি জাতীয় নির্বাচনে অংশ না নিলে নিবন্ধন বাতিল হবে।

রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন বাতিলের কারণ:
- কোন নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন নিম্নোক্ত কারণে বাতিল হবে, যথা:
- দলের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী সর্বোচ্চ সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী কমিটি কর্তৃক দলকে বিলুপ্ত ঘোষণা করা হলে কিংবা নিবন্ধন বাতিলের জন্য দলের প্রধান ও সাধারণ সম্পাদক বা মহাসচিবদের সমপর্যায়ের পদাধিকারী কর্তৃক দলীয় সিদ্ধান্তের কার্যবিবরণীসহ কমিশন বরাবর আবেদন করা হলে;
- নিবন্ধিত কোন রাজনৈতিক দল সরকার কর্তৃক নিষিদ্ধ ঘোষিত হলে;
- এই আইন ও বিধিমালার অধীন কমিশনে প্রেরিতব্য কোন তথ্য পরপর তিন বছর প্রেরণ করতে ব্যর্থ হলে;
- রাজনৈতিক দলটি পরপর দুইটি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করলে;

সূত্র: বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন ওয়েবসাইট।
২০.
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (TIB) কবে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৯৪
  2. ১৯৯৫
  3. ১৯৯৬
  4. ১৯৯৮
সঠিক উত্তর:
১৯৯৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯৬
ব্যাখ্যা
→ TIB ১৯৯৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।

'Transparency International Bangladesh (TIB):
- এটি সুশীল সমাজের অংশ।
- ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (TIB) ১৯৯৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- প্রাথমিকভাবে এটি একটি ট্রাস্ট হিসেবে গঠিত হয় এবং পরে ১৯৯৮ সালে বাংলাদেশ সরকারের এনজিও বিষয়ক ব্যুরোতে একটি নিবন্ধিত বেসরকারি সংস্থা (NGO) হিসেবে নিবন্ধিত হয় ।
- টিআইবি একটি নির্দলীয়, অলাভজনক এবং স্বাধীন সংস্থা যা এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তোলার জন্য নিবেদিত যেখানে সরকার, রাজনীতি, ব্যবসা, নাগরিক সমাজ এবং দৈনন্দিন জীবন থেকে দুর্নীতি নির্মূল করা হবে।
- টিআইবি দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ কল্পনা করে।
- এটি সচেতনতা বৃদ্ধি, সততা বৃদ্ধি এবং উন্নত সমাজের জন্য নীতিগত পরিবর্তনের মাধ্যমে এটি অর্জনের চেষ্টা করে।
- টিআইবি নাগরিকদের দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াই করতে, পদক্ষেপ নিতে এবং সুশাসন ও স্বচ্ছতার জন্য সরকারকে জবাবদিহি করতে সক্ষম করার জন্য গবেষণা তথ্য, অ্যাডভোকেসি রিসোর্স এবং নাগরিক সম্পৃক্ততা ব্যবহার করে।

সূত্র: TIB ওয়েবসাইট।
২১.
সংবিধানের কোন সংশোধনীর মাধ্যমে ইসলামকে রাষ্ট্রধর্ম হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়?
  1. পঞ্চম সংশোধনী
  2. অষ্টম সংশোধনী
  3. সপ্তম সংশোধনী
  4.  ষষ্ঠ সংশোধনী 
সঠিক উত্তর:
অষ্টম সংশোধনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অষ্টম সংশোধনী
ব্যাখ্যা
১৯৮৮ সালে অষ্টম সংশোধনীর মাধ্যমে সংবিধানের অনুচ্ছেদ ২-এ পরিবর্তন এনে ইসলামকে রাষ্ট্রধর্ম হিসেবে ঘোষণা করা হয়

অষ্টম সংশোধনী: 
অষ্টম সংশোধনী আইন ১৯৮৮ সালের ৭ জুন এই সংশোধনী আইন পাস হয়।
- এর দ্বারা সংবিধানের ২, ৩, ৫, ৩০ ও ১০০ অনুচ্ছেদ সংশোধন করা হয়।

এই সংশোধনী আইনবলে
(১) ইসলাম রাষ্ট্রধর্ম হিসেবে ঘোষিত হয়;
(২) ঢাকার বাইরে হাইকোর্ট বিভাগের ছয়টি স্থায়ী বেঞ্চ স্থাপনের মধ্য দিয়ে বিচার বিভাগের বিকেন্দ্রীকরণ করা হয়;
(৩) সংবিধানের ৩০ অনুচ্ছেদ সংশোধন করে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির পূর্বানুমতি ছাড়া এদেশের কোনো নাগরিক কর্তৃক কোনো বিদেশী রাষ্ট্রের প্রদত্ত কোনো খেতাব, সম্মাননা, পুরস্কার বা অভিধা গ্রহণ নিষিদ্ধ করা হয়। উল্লেখ করা যেতে পারে যে, পরবর্তী সময়ে সুপ্রীম কোর্ট সংবিধানের ১০০ অনুচ্ছেদের সংশোধনীকে অসাংবিধানিক ঘোষণা করে, কারণ তার দ্বারা সংবিধানের মৌলিক কাঠামো পরিবর্তিত হয়েছে।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া। 
২২.
নিচের কোনটি বিরোধী দলের কাজ?
  1. গঠনমূলক সমালোচনা
  2. প্রার্থী মনোনয়ন
  3. রাজনৈতিক সংযোগ সাধন
  4. সবগুলো 
সঠিক উত্তর:
সবগুলো 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলো 
ব্যাখ্যা
বিরোধী দলের কাজ:
গঠনমূলক সমালোচনা:
- গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে বিরোধী দল সরকারের গঠনমূলক সমালোচনা করে সরকারকে নিয়ন্ত্রণে রাখে।
- সরকার বিরোধী দলের সমালোচনার চাপে একক কোন সিদ্ধান্ত জনগণের উপর চাপিয়ে দিতে পারে না।
- বিরোধী দল সুপরিকল্পিতভাবে সরকারের সমালোচনা করে সরকারের ত্রুটি-বিচ্যুতি জনসাধারণের সামনে তুলে ধরে।

প্রার্থী মনোনয়ন:
- আধুনিক গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে নিয়মতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ক্ষমতা হস্তান্তর হয়ে থাকে।
- এ ক্ষমতা হস্তান্তরের সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য মাধ্যম হল সাধারণ নির্বাচন।
- তাই নির্বাচনের সময় বিরোধী দল নিজ-আদর্শ সংশ্লিষ্ট প্রার্থী মনোনয়ন করে এবং প্রার্থীর সমর্থনে প্রচারকার্য চালায়।

• গণতন্ত্র রক্ষা:
- আধুনিক গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে বিরোধী দল ছাড়া গণতন্ত্র টিকে থাকতে পারে না।
- গণতন্ত্র মানেই বিভিন্ন মতামতের সংমিশ্রণ।
- এক্ষেত্রে বিভিন্ন দলের সহাবস্থান অবশ্যই থাকতে হয়।
- শক্তিশালী বিরোধী দলের অভাবে সরকার স্বৈরাচারী হয়ে যেতে পারে।

রাজনৈতিক সংযোগ সাধন:
- আধুনিক গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় বিরোধী দলের অন্যতম কাজ হল রাজনৈতিক সংযোগ সাধন।
- বিরোধী দল জনগনের বিভিন্ন দাবি-দাওয়া বা মতামতকে সরকারের নিকট পেশ করে থাকে।
- এভাবে বিরোধী দলের সাথে জনগণের সংযোগ সাধন হয়ে থাকে।

• জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা:
- গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে সাধারণ নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠ দল মন্ত্রিসভা গঠন করে।
- মন্ত্রিসভা তাদের কার্যের জন্য ব্যক্তিগত ও যৌথভাবে আইনসভার নিকট দায়ী থাকে।
- মন্ত্রিসভার যেকোন সিদ্ধান্ত বা নীতি সম্পর্কে বিরোধীদলের সদস্যরা জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারেন। মন্ত্রীগণ তার জবাব দিতে বাধ্য থাকেন।

• রাজনৈতিক সামাজিকীকরণ:
- রাজনৈতিক সামাজিকীকরণের ক্ষেত্রে বিরোধী দল তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।
- জনগণকে রাজনীতির সাথে একত্রীকরণ, মূল্যবান ভোট সম্পর্কে সচেতন করাসহ বিভিন্ন বিষয়ে বিরোধী দল কাজ করে থাকে।

সূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৩.
'দ্বিজাতি তত্ত্বের' প্রবক্তা কে?
  1. স্যার সৈয়দ আহমদ খান
  2. মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ
  3. এ.কে. ফজলুল হক
  4. নওয়াব সলিমুল্লাহ
সঠিক উত্তর:
মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ
ব্যাখ্যা
জিন্নাহর দ্বিজাতি তত্ত্ব:
- জাতিতত্ত্বের বিশ্লেষণে একটি জনগোষ্ঠীকে তখনই জাতি বলা যায়, যার ভাষা, শিক্ষা, সংস্কৃতি, সাহিত্য, মনন, কৃষ্টি, ধর্ম এমনকি অর্থনীতি একটি একক সত্তায় পরিণতি লাভ করে।
- মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ ভারতের হিন্দু ও মুসলমান এ দুটি ধর্মীয় সম্প্রদায়কে দুটি পৃথক জাতি হিসেবে চিহ্নিত করেছিলেন। এটিই মূলত জিন্নাহর 'দ্বিজাতি তত্ত্ব'।
- ১৯৩৯ সালে জিন্নাহ্ তাঁর 'দ্বিজাতি তত্ত্ব' ঘোষণা করেন।
- পরবর্তী বছর লাহোরে মুসলিম লীগের ঘোষণায় এরই প্রতিধ্বনি পুনর্ব্যক্ত হয়েছে।
- ১৯৪০ খ্রিস্টাব্দের ২৩ মার্চ লাহোরে অনুষ্ঠিত মুসলিম লীগের অধিবেশনের সভাপতি ছিলেন মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ্।
- এ অধিবেশনেই বাংলার নেতা ও প্রধানমন্ত্রী এ.কে. ফজলুল হক বিখ্যাত লাহোর প্রস্তাব উত্থাপন করেন।
- এতে বলা হয় যে, কোনো শাসনতান্ত্রিক পরিকল্পনা এদেশে কার্যকর বা মুসলমানদের কাছে গ্রহণযোগ্য হবে না যদি একটি নিম্নবর্ণিত মূলনীতির উপর প্রতিষ্ঠিত না হয়।

সূত্র - ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৪.
জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি (নেপ) কোথায় অবস্থিত?
  1. ময়মনসিংহ
  2. ঢাকা
  3. রংপুর 
  4. চট্টগ্রাম
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা

নেপ:
- জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি (নেপ) সর্বপ্রথম ১৯৬৯ সনে জুনিয়র ট্রেনিং কলেজ (জেটিসি) হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটি ময়মনসিংহে অবস্থিত।
- মহান স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালে জুনিয়র ট্রেনিং কলেজ (জেটিসি)গুলো রূপান্তরিত হয়ে কলেজ অব এডুকেশন নামে যাত্রা শুরু করে ।
- ১৯৭৮ সালে ময়মনসিংহস্থ কলেজ অব এডুকেশনটি "মৌলিক শিক্ষা একাডেমি" (Academy for Fundamental Education) নামে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৮৫ সালে এর নামকরণ করা হয় ‘‘জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি (নেপ)" ।
- ২০০৪ সালের ১ অক্টোবর থেকে একাডেমি স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠান হিসেবে কার্যক্রম পরিচালনা করে।

সূত্র: নেপ ওয়েবসাইট

২৫.
কোন বাঙালি বিজ্ঞানী কৃষ্ণগহ্বর (Black Hole) নিয়ে গবেষণা করেছেন?
  1. সত্যেন্দ্রনাথ বসু
  2. আরজ আলী মাতুব্বর
  3. কুদরত-ই-খুদা
  4. ড. জামাল নজরুল ইসলাম
সঠিক উত্তর:
ড. জামাল নজরুল ইসলাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ড. জামাল নজরুল ইসলাম
ব্যাখ্যা
- কৃষ্ণগহ্বর নিয়ে বাঙালি বিজ্ঞানী প্রফেসর জামাল নজরুল ইসলাম গবেষণা করেছেন।

বিজ্ঞানী প্রফেসর জামাল নজরুল ইসলাম:
- বিশ্বখ্যাত বিজ্ঞানী প্রফেসর ড. জামাল নজরুল ইসলাম।
- পেশাগতভাবে তিনি ছিলেন একজন তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানী, এবং তাঁর গবেষণার ক্ষেত্র ছিল আপেক্ষিকতা, বিশ্বতত্ত্ব এবং কোয়ান্টাম তত্ত্ব।
- আইনষ্টাইনের আপেক্ষিকতার তত্ত্ব, কোয়ান্টাম মেকানিক্স, কসমোলজি ও মহাবিশ্বের সৃষ্টি তত্ত্বের মতো জটিল বিষয় নিয়ে করেছেন মৌলিক গবেষণা।
- ১৯৮৩ সালে কেমব্রিজ ইউনিভার্সিটি প্রেস থেকে প্রকাশিত তাঁর বই ’দি আল্টিমেট ফেইট অফ দি ইউনিভার্স’ বিশ্বব্যাপী প্রশংসিত হয়।
- বাংলা একাডেমি থেকে প্রকাশিত বাংলা ভাষায় তাঁর সবচেয়ে বিখ্যাত বই ⎯ 'কৃষ্ণগহ্বর’ (ব্ল্যাক হোল)।
- তাঁর গবেষণা আইনস্টাইন-পরবর্তী মহাবিশ্ব গবেষণায় বিরাট অবদান রেখেছে।
- সৌরজগতের বিভিন্ন গ্রহ কখনো এক সরলরেখায় এলে পৃথিবীর ওপর তার প্রভাব পড়বে কি না, তা নিয়ে কাজ করেছেন তিনি।
- ২০০০ সালে তিনি বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক ’একুশে পদকে’ ভূষিত হন।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া ও প্রথম আলো।
২৬.
বাংলাদেশ জাতিসংঘের কততম সদস্য রাষ্ট্র হিসেবে যুক্ত হয়েছে?
  1. ১৩২তম
  2. ১৩৪তম
  3. ১৩৬তম
  4. ১৩৯তম
সঠিক উত্তর:
১৩৬তম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩৬তম
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ও জাতিসংঘ: 
- ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ জাতিসংঘের ১৩৬ তম সদস্য দেশ হিসেবে যোগদান করেন।
- ১৯৭৬ ও ১৯৮১ সালে দুই মেয়াদে চার বছরের জন্য অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদে সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করে।
- তাছাড়াও ১৯৮৬-৮৭ মেয়াদে ৪১তম সাধারণ পরিষদের সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশের হুমায়ুন রশিদ চৌধুরী।
- বাংলাদেশ দুইবার অর্থাৎ ১৯৭৯-১৯৮০ এবং ২০০০-২০০১ মেয়াদে নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য নির্বাচিত হয়।

সূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় (৯ম-১০ম) ও পত্রিকা রিপোর্ট।
২৭.
সংবিধানের কোন ভাগে নির্বাচনের কথা উল্লেখ আছে?
  1. চতুর্থ
  2. অষ্টম
  3. সপ্তম
  4. নবম
সঠিক উত্তর:
সপ্তম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সপ্তম
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধান:
- বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ১১টি ভাগ রয়েছে।
- এর মধ্যে প্রথম ভাগে প্রজাতন্ত্র,
- দ্বিতীয় ভাগে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি,
- তৃতীয় ভাগে মৌলিক অধিকার,
- চতুর্থ ভাগে নির্বাহী বিভাগ,
- পঞ্চম ভাগে আইনসভা,
- ষষ্ঠ ভাগে বিচার বিভাগ,
- সপ্তম ভাগে নির্বাচন,
- অষ্টম ভাগে মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক,
- নবম ভাগে বাংলাদেশের কর্মবিভাগ ও নবম-ক ভাগ জরুরী বিধানাবলী,
- দশম ভাগে সংবিধান সশোধন এবং একাদশ ভাগ বিবিধ।

সূত্র: বাংলাদেশ সংবিধান।
২৮.
বাংলাদেশের সংবিধানের ১৩৭নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী কয়টি সরকারি কর্ম কমিশন প্রতিষ্ঠার বিধান রয়েছে?
  1. সর্বদা একটি
  2. সর্বোচ্চ দুটি
  3. এক বা একাধিক
  4. কোনটি নয় 
সঠিক উত্তর:
এক বা একাধিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এক বা একাধিক
ব্যাখ্যা
১৩৭নং অনুচ্ছেদ: সরকারি কর্ম কমিশন প্রতিষ্ঠা: 
- আইনের দ্বারা বাংলাদেশের জন্য এক বা একাধিক সরকারি কর্ম কমিশন প্রতিষ্ঠার বিধান করা যাবে এবং একজন সভাপতিকে ও আইনের দ্বারা যেরূপ নির্ধারিত হবে, সেইরূপ অন্যান্য সদস্যকে নিয়ে প্রত্যেক কমিশন গঠিত হবে।
------------------------ 

বাংলাদেশের সংবিধান:
- সংবিধান গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হয়।
- সংবিধান কার্যকর হয় ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ১৫৩টি অনুচ্ছেদ আছে।
- সংবিধানের ভাগ বা অধ্যায় আছে ১১টি।

সূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।
২৯.
বাংলাদেশের জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনের সংখ্যা কত? [আগস্ট - ২০২৫]
  1. ৫০টি
  2. ৬০টি
  3. ৪৫টি
  4. ৩০টি
সঠিক উত্তর:
৫০টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫০টি
ব্যাখ্যা
সংরক্ষিত সংসদীয় আসন:
- বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ ৩৫০টি আসন নিয়ে গঠিত।
- এর মধ্যে জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত আসন সংখ্যা ৩০০টি।
- মহিলাদের জন্য সংসদে সংরক্ষিত আসন ৫০টি।

উল্লেখ্য,
- সংরক্ষিত নারী আসনের সাংসদ নির্বাচিত হন জাতীয় নির্বাচনে ৩০০ আসনে বিজয়ী হয়ে সাংসদ হিসেবে শপথ গ্রহণ করা প্রতিনিধিদের ভোটের মাধ্যমে।
- অর্থাৎ পরোক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে সংরক্ষিত আসনের নারী সদস্যগণ নির্বাচিত হন।

সূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৩০.
 বাংলাদেশের সংবিধানের ৪১নং অনুচ্ছেদ কোন বিষয়ের সাথে সম্পর্কিত?
  1. বাক-স্বাধীনতা
  2. ধর্মীয় স্বাধীনতা
  3. চলাফেরার স্বাধীনতা
  4. সমাবেশের স্বাধীনতা
সঠিক উত্তর:
ধর্মীয় স্বাধীনতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধর্মীয় স্বাধীনতা
ব্যাখ্যা
→  বাংলাদেশের সংবিধানের ৪১নং অনুচ্ছেদ ধর্মীয় স্বাধীনতা নিশ্চিত করে।

অনুচ্ছেদ ৪১: ধর্মীয় স্বাধীনতা

(১) আইন, জনশৃঙ্খলা ও নৈতিকতা-সাপেক্ষে।
(ক) প্রত্যেক নাগরিকের যে কোন ধর্ম অবলম্বন, পালন বা প্রচারের অধিকার রয়েছে ।
(খ) প্রত্যেক ধর্মীয় সম্প্রদায় ও উপ-সম্প্রদায়ের নিজস্ব ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের স্থাপন, রক্ষণ ও ব্যবস্থাপনার অধিকার রয়েছে।
(২) কোন শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানে যোগদানকারী কোন ব্যক্তির নিজস্ব ধর্ম-সংক্রান্ত না হলে তাঁকে কোন ধর্মীয় শিক্ষাগ্রহণ কিংবা কোন ধর্মীয় অনুষ্ঠান বা উপাসনায় অংশগ্রহণ বা যোগদান করতে হবে না।
- জরুরি অবস্থার সময়ও এই বিধানটি রহিত করা যায় না।

অন্যদিকে:
- অনুচ্ছেদ ৩৯- চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা এবং বাক-স্বাধীনতা।
- অনুচ্ছেদ ৩৭- সমাবেশের স্বাধীনতা।
- অনুচ্ছেদ ৩৬- চলাফেরার স্বাধীনতা।

সূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।
৩১.
১৯৮৮ সালে বাংলাদেশ কোন দুই অপারেশনে অংশগ্রহণ করে?
  1. UNTAG ও UNAMIR
  2. UNIIMOG ও UNTAG
  3. UNOSOM ও UNMISS
  4. UNPROFOR ও UNMIK
সঠিক উত্তর:
UNIIMOG ও UNTAG
উত্তর
সঠিক উত্তর:
UNIIMOG ও UNTAG
ব্যাখ্যা

শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশ:
- জাতিসংঘের উদ্যোগে গঠিত শান্তিরক্ষা বাহিনী এখন পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে শান্তিরক্ষায় নিয়োজিত।
- ১৯৪৮ সালে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশন শুরু হয়।
- ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর ১৩৬তম সদস্য হিসাবে বাংলাদেশ জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে।
- বাংলাদেশ ১৯৮৮ সাল থেকে শান্তিরক্ষা বাহিনীতে কাজ করছে।
- সর্বপ্রথম বাংলাদেশ ১৯৮৮ সালে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে সৈন্য পাঠায়।

উল্লেখ্য,
- ১৯৮৮ সালে বাংলাদেশ দুটি অপারেশনে অংশগ্রহণ করে, একটি ইরাক-ইরান (UNIIMOG) এবং অন্যটি নামিবিয়া (UNTAG)।
- UNIIMOG মিশনে ১৫ জন সদস্য প্রেরণ করে আনুষ্ঠানিকভাবে শান্তিরক্ষী মিশন কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করে।
 
সূত্র: United Nations in Bangladesh ওয়েবসাইট ও ARMED FORCES DIVISION ওয়েবসাইট।

৩২.
সুপ্রীম কোর্টের কয়টি বিভাগ রয়েছে?
  1. একটি
  2. তিনটি
  3. দুইটি
  4. চারটি
সঠিক উত্তর:
দুইটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুইটি
ব্যাখ্যা
→ হাইকোর্ট বিভাগ ও আপিল বিভাগ—এই দুটি বিভাগ রয়েছে।

সুপ্রীম কোর্টের গঠন:

- বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আদালতের নাম সুপ্রীম কোট।
- সুপ্রীম কোর্টের প্রধান হল প্রধান বিচারপতি।
- এ আদালতের দু’টি বিভাগ রয়েছে যথা- হাইকোর্ট বিভাগ ও আপিল বিভাগ।

উল্লেখ্য,
- রাষ্ট্রপতি প্রধান বিচারপতি নিয়োগ করেন।
- প্রধান বিচারপতির পরামর্শে রাষ্ট্রপতি সুপ্রীম কোর্টের অন্যান্য বিচারপতি নিয়োগ দিয়ে থাকেন।
- বাংলাদেশী কোন নাগরিক ১০ বছর এডভোকেট হিসেবে অভিজ্ঞতা থাকলে বা ১০ বছর বিচার বিভাগীয় কোন পদে চাকুরি করলে সুপ্রীম কোর্টের বিচারক হিসেবে নিয়োগ লাভের যোগ্য বলে বিবেচিত হন।

সূত্র: পৌরনীতি ও নাগরিকতা (নবম-দশম শ্রেণি), উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৩.
সরকারি বিল কারা উত্থাপন করে?
  1. সাধারণ সংসদ সদস্য
  2. বিরোধী দলের নেতা
  3. স্পিকার
  4. মন্ত্রীরা
সঠিক উত্তর:
মন্ত্রীরা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মন্ত্রীরা
ব্যাখ্যা
→ সরকারি বিল মন্ত্রীদের দ্বারা উত্থাপিত হয়।

বিল:

- আইনের প্রাথমিক প্রস্তাবকে সংসদীয় ভাষায় বিল বলা হয়।
- আইন প্রণয়নের উদ্দেশ্যে সংসদে আনীত প্রত্যেকটি প্রস্তাব বিল আকারে উত্থাপিত হয়।
- বিল দুই প্রকার।

যথা
- সরকারি বিল ও
- বেসরকারি বিল।

সরকারি বিল
- সরকারি বিল উত্থাপনের জন্য ৭ দিন সময়।
- যে বিল মন্ত্রীদের দ্বারা উত্থাপিত হয় তাকে সরকারি বিল বলে।

বেসরকারি বিল
- যে বিল সাধারণ সংসদ সদস্যদের দ্বারা উত্থাপিত হয় তাকে বেসরকারি বিল বলে।
- বেসরকারি বিল উত্থাপনের জন্য ১৫ দিনের নোটিশ প্রয়োজন হয়।

সূত্র:- পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক এবং সংসদ সচিবালয় ওয়েবসাইট।
৩৪.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে জনগণের সেবা করাকে প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত ব্যক্তিদের কর্তব্য হিসাবে আখ্যায়িত করা হয়েছে?
  1. ২০নং 
  2. ১৯(১)নং 
  3. ২১নং 
  4. ২২নং 
সঠিক উত্তর:
২১নং 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২১নং 
ব্যাখ্যা

অনুচ্ছেদ: ২১ - নাগরিক ও সরকারী কর্মচারীদের কর্তব্য: 
(১) সংবিধান ও আইন মান্য করা, শৃঙ্খলা রক্ষা করা, নাগরিকদায়িত্ব পালন করা এবং জাতীয় সম্পত্তি রক্ষা করা প্রত্যেক নাগরিকের কর্তব্য৷  
(২) সকল সময়ে জনগণের সেবা করার চেষ্টা করা প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত প্রত্যেক ব্যক্তির কর্তব্য। 

অন্যদিকে,
- ১৯(১) নং অনুচ্ছেদ : সকল নাগরিকের জন্যে সুযোগের সমতা নিশ্চিত করিতে রাষ্ট্র সচেষ্ট হইবেন।
- ২২ নং অনুচ্ছেদ : নির্বাহী বিভাগ হইতে বিচার বিভাগের পৃথকীকরণ।
- ২০ নং অনুচ্ছেদ : অধিকার ও কর্তব্যরূপে কর্ম

সূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান। 

৩৫.
নবযুগ তেভাগা খামার কে প্রতিষ্ঠা করেন?
  1. শামসুল আলম
  2. ড. মুহাম্মদ ইউনূস
  3. জাফরুল্লাহ চৌধুরী
  4. আবদুল লতিফ সিদ্দিকী
সঠিক উত্তর:
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
ব্যাখ্যা

নবযুগ তেভাগা খামার:
- অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
- ১৯৭৪ সালে ড. মুহাম্মদ ইউনূস 'নবযুগ তেভাগা খামার' প্রতিষ্ঠা করেন।
- এটি পরবর্তীতে সরকার প্যাকেজ প্রোগ্রামের আওতায় অধিগ্রহণ করে।
- ড. ইউনূস চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক থাকা অবস্থায় বিভাগে কাজের পাশাপাশি আশপাশের গ্রামে ঘুরতেন।
- জোবরা ও সংলগ্ন গ্রামগুলোতে শুরু করেছিলেন একটি মাঠ গবেষণা, যেখানে তিনি যাচাই করতে চেয়েছিলেন সমাজের একেবারে নিচুতলার মানুষের মধ্যে ব্যাংকঋণ সরবরাহের সম্ভাব্যতা।
- সেখানে শুরুতে তেভাগা পদ্ধতি কৃষকদের খামার প্রতিষ্ঠার মাধ্যমের কার্যক্রম শুরু করেন অধ্যাপক ইউনূস।
- যার নাম ছিল নবযুগ তেভাগা খামার।
- জমি যার সে ফসলের তিন ভাগের এক ভাগ পাবে, আর যে বীজ দেবে সার দেবে সে পাবে এক ভাগ, আর চাষ করবে, পানি দেবে সে পাবে এক ভাগ।

সূত্র: বিবিসি ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৩৬.
সর্বোচ্চ কত শতাংশ মন্ত্রী সংসদ সদস্য না হয়েও নিয়োগ পেতে পারেন?
  1. ৫%
  2. ৮%
  3. ১০%
  4. ১৫%
সঠিক উত্তর:
১০%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০%
ব্যাখ্যা

- মন্ত্রিসভার কমপক্ষে নয়-দশমাংশ সদস্য সংসদ সদস্যদের মধ্য থেকে নিয়োগ দিতে হয়।
- বাংলাদেশের সংবিধানের ৫৬(২) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রীসহ অন্যান্য মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপ-মন্ত্রীদের মধ্যে অন্তত ৯০% সংসদ সদস্য হতে হবে। অর্থাৎ, তাঁরা নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি হবেন।
- বাকি সর্বোচ্চ ১০% মন্ত্রী হতে পারেন এমন ব্যক্তি, যাঁরা সরাসরি সংসদ সদস্য না হলেও সংসদে নির্বাচিত হওয়ার যোগ্য।

সূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।

৩৭.
বাংলাদেশের পোস্টাল একাডেমি কোথায় অবস্থিত?
  1. ঢাকা
  2. চট্টগ্রাম
  3. রাজশাহী
  4. খুলনা
সঠিক উত্তর:
রাজশাহী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাজশাহী
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশের পোস্টাল একাডেমি রাজশাহী শহরে অবস্থিত।

বাংলাদেশের পোস্টাল একাডেমি:
- বাংলাদেশের পোস্টাল একাডেমি রাজশাহী শহরে অবস্থিত।
- এটি জাতীয়ভাবে মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনা ও পেশাগত দক্ষতার উন্নয়নের লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠিত একটি সরকারি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান।
- স্বাধীনতার পরপরই এই একাডেমি প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হয় এবং ১৯৭৪ সালে এর প্রস্তাব চূড়ান্তভাবে অনুমোদিত হয়।
- ১৯৮২ সালে পোস্টাল একাডেমি রাজশাহীতে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে।
- পরবর্তীতে ১৯৮৬ সালে এটি বর্তমান রূপে পুনর্গঠিত ও পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়।
- শুরু থেকে একাডেমি প্রায় ৬০০টি প্রশিক্ষণ কোর্স পরিচালনা করেছে, যেখানে ছয় হাজারেরও বেশি প্রশিক্ষণার্থী অংশগ্রহণ করেছেন।
- প্রশিক্ষণগুলো পোস্টাল ব্যবস্থাপনা, মানব সম্পদ, আর্থিক ও জনসংযোগসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে কেন্দ্রীভূত।

সূত্র: বাংলাদেশের পোস্টাল একাডেমি ওয়েবসাইট।

৩৮.
বাংলা একাডেমির প্রথম পরিচালক ছিলেন কে?
  1. মাওলানা আঁকরাম খাঁ
  2. মুহম্মদ এনামুল হক
  3. অধ্যাপক মোহাম্মদ আজম
  4. প্রফেসর মযহারুল ইসলাম
সঠিক উত্তর:
মুহম্মদ এনামুল হক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুহম্মদ এনামুল হক
ব্যাখ্যা
- মুহম্মদ এনামুল হক ১৯৫৬ সালের ১ ডিসেম্বর পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

বাংলা একাডেমি:
- বাংলা একাডেমি বাংলা ভাষা সংক্রান্ত সর্ববৃহৎ গবেষণা প্রতিষ্ঠান হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
- এটি ৩ ডিসেম্বর, ১৯৫৫ সালে ঢাকার বর্ধমান হাউসে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বাংলা একাডেমির প্রথম পরিচালক ছিলেন মুহম্মদ এনামুল হক,
- তিনি ১৯৫৬ সালের ১ ডিসেম্বর একাডেমির প্রথম পরিচালকের দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
- বাংলা একাডেমির প্রথম মহাপরিচালক ছিলেন প্রফেসর মযহারুল ইসলাম।
- বাংলা একাডেমির প্রথম সভাপতি ছিলেন মাওলানা আঁকরাম খাঁ।
- বর্তমানে বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক হলেন অধ্যাপক মোহাম্মদ আজম। 

সূত্র: বাংলাপিডিয়া ও বাংলা একাডেমি ওয়েবসাইট।
৩৯.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদের ভিত্তিতে সুপ্রিম কোর্টের পরামর্শ অনুসরণ করে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়?
  1. ১১১নং অনুচ্ছেদ
  2. ১০৬নং অনুচ্ছেদ
  3. ১১০নং অনুচ্ছেদ
  4. ১০৯নং অনুচ্ছেদ
সঠিক উত্তর:
১০৬নং অনুচ্ছেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০৬নং অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা

- ড. মুহাম্মদ ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয় সংবিধানের ১০৬ অনুচ্ছেদের ভিত্তিতে। 

বাংলাদেশের সংবিধানের ১০৬ নং অনুচ্ছেদ:
• সুপ্রীম কোর্টের উপদেষ্টামূলক এখতিয়ার:
- যদি কোন সময়ে রাষ্ট্রপতির নিকট প্রতীয়মান হয় যে, আইনের এমন কোন প্রশ্ন উত্থাপিত হয় বা উত্থাপনের সম্ভাবনা দেখা দেয়, যা এমন ধরনের ও এমন জনগুরুত্বসম্পন্ন যে, সেই সম্পর্কে সুপ্রীম কোর্টের মতামত গ্রহণ করা প্রয়োজন, তা হইলে তিনি প্রশ্নটি আপীল বিভাগের বিবেচনার জন্য প্রেরণ করিতে পারবেন এবং উক্ত বিভাগ স্বীয় বিবেচনায় উপযুক্ত শুনানীর পর প্রশ্নটি সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে স্বীয় মতামত জ্ঞাপন করতে পারবেন।

অন্যদিকে -
- ১০৯নং অনুচ্ছেদ: আদালতসমূহের উপর তত্ত্বাবধায়ন ও নিয়ন্ত্রণ।
- ১১০নং অনুচ্ছেদ: অধস্তন আদালত হইতে হাইকোর্ট বিভাগে মামলা স্থানান্তর।
- ১১১নং অনুচ্ছেদ: সুপ্রিম কোর্টের রায়ের বাধ্যতামূলক।

সূত্র: জুলাই ঘোষণাপত্র ও বাংলাদেশের সংবিধান। 

৪০.
‘গেরিলা’ চলচ্চিত্রের কাহিনি কোন উপন্যাস অবলম্বনে নির্মিত?
  1. নিষিদ্ধ লোবান
  2. আর্তনাদ
  3. আলোহারা 
  4. আগুনের পরশমণি
সঠিক উত্তর:
নিষিদ্ধ লোবান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিষিদ্ধ লোবান
ব্যাখ্যা
‘নিষিদ্ধ লোবান’ উপন্যাস:
- গেরিলা ২০১১ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত একটি বাংলাদেশী চলচ্চিত্র,
- এটি পরিচালনা করেন নাসির উদ্দিন ইউসুফ।
- এই চলচ্চিত্রটি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে নির্মিত এবং এর কাহিনি সৈয়দ শামসুল হকের উপন্যাস ‘নিষিদ্ধ লোবান’ অবলম্বনে রচিত।
- চলচ্চিত্রটির চিত্রনাট্য যৌথভাবে রচনা করেছেন নাসির উদ্দীন ইউসুফ ও এবাদুর রহমান।
- গেরিলা মুক্তির পর ব্যাপক প্রশংসা লাভ করে এবং মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্রের মধ্যে এটি একটি উল্লেখযোগ্য সংযোজন হিসেবে বিবেচিত হয়।

সূত্র: প্রথম আলো।
৪১.
রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ ব্যতীত কোন দুটি নিয়োগ দিতে পারেন?
  1. মন্ত্রী ও সচিব
  2. সচিব ও মহাপরিচালক
  3. প্রধানমন্ত্রী ও প্রধান বিচারপতি
  4. স্পিকার ও নির্বাচন কমিশনার
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রী ও প্রধান বিচারপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রী ও প্রধান বিচারপতি
ব্যাখ্যা

→ প্রধানমন্ত্রী ও প্রধান বিচারপতি পদে রাষ্ট্রপতি সরাসরি নিয়োগ দেন।

৪৮ অনুচ্ছেদ: রাষ্ট্রপতি 

- বাংলাদেশে একজন রাষ্ট্রপতি থাকবেন যিনি আইন অনুযায়ী জাতীয় সংসদের সদস্যদের ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত হবেন। রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের প্রধান ব্যক্তি হিসেবে সকলের ঊর্ধ্বে অবস্থান করবেন এবং সংবিধান ও অন্যান্য আইনে যে ক্ষমতা ও দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, তা পালন করবেন।
- রাষ্ট্রপতি তাঁর অধিকাংশ দায়িত্ব প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী পালন করবেন। তবে, প্রধানমন্ত্রী ও প্রধান বিচারপতি নিয়োগের ক্ষেত্রে তিনি সরাসরি দায়িত্ব পালন করতে পারেন।  
- রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার জন্য একজন ব্যক্তির কমপক্ষে ৩৫ বছর বয়স হতে হবে, সংসদ সদস্য হওয়ার যোগ্য হতে হবে, এবং তিনি যদি কখনও সংবিধান অনুযায়ী অভিশংসনের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতির পদ থেকে অপসারিত হয়ে থাকেন, তবে তিনি আর রাষ্ট্রপতি হওয়ার যোগ্য নন।
- প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রপতিকে দেশের অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক নীতিমালা সম্পর্কে নিয়মিতভাবে অবহিত করবেন। রাষ্ট্রপতি চাইলে যে কোনো বিষয় মন্ত্রিসভায় আলোচনা করার জন্য তোলা যাবে।

সূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান। 

৪২.
জেনারেল এরশাদের পতনের পর অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন কে?
  1. বিচারপতি শাহাবুদ্দীন আহমদ
  2. বিচারপতি হাবিবুর রহমান
  3. বিচারপতি আবু সাইদ চৌধুরী 
  4. বিচারপতি লতিফুর রহমান
সঠিক উত্তর:
বিচারপতি শাহাবুদ্দীন আহমদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিচারপতি শাহাবুদ্দীন আহমদ
ব্যাখ্যা
- জেনারেল এরশাদের পতনের পর বিচারপতি শাহাবুদ্দীন আহমদ অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
 
তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রতিষ্ঠা:
- এরশাদ বিরোধী আন্দোলন প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর ঐক্যবদ্ধ ঘোষণার মাধ্যমে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পায়।
- সারাদেশে আন্দোলন ব্যাপক আকার ধারণ করলে সরকার ২৭ নভেম্বর ১৯৯০ জরুরি অবস্থা জারি ও রাজনৈতিক তৎপরতা নিষিদ্ধ ঘোষণা করে।
- জরুরি অবস্থা উপেক্ষা করে জনগণ রাস্তায় নেমে এরশাদের পদত্যাগ দাবি করে।
- সামরিক বাহিনী এরশাদকে সমর্থন প্রত্যাহার করলে, নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তরের দাবি মেনে নিতে বাধ্য হয়।
- ১৯৯০ সালের ৪ ডিসেম্বর এরশাদ পদত্যাগের সিদ্ধান্ত গ্রহণ ।
- ৬ ডিসেম্বর ১৯৯০ সালে উপ-রাষ্ট্রপতি মওদুদ আহমেদ পদত্যাগ করেন।
- তিন-জোটের মনোনীত প্রার্থী, প্রধান বিচারপতি শাহাবুদ্দীন আহমেদকে উপ-রাষ্ট্রপতি নিয়োগ দেওয়া হয়।
- এরশাদ পদত্যাগ করে বিচারপতি শাহাবুদ্দীনের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করেন।
- এর মাধ্যমে এরশাদের শাসনের অবসান ঘটে এবং বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথম তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটি দেশের প্রথম অসামরিক উপায়ে ক্ষমতা হস্তান্তরের উদাহরণ।

সূত্র - রাষ্ট্রবিজ্ঞান-৫, বিএ ও বিএসএস প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।