পরীক্ষা আর্কাইভ

বার কাউন্সিল ও বিজেএস জব সল্যুশন

পরীক্ষাBJS & BARতারিখ২৭ মার্চ, ২০২৪সময়55 minutes
মোট প্রশ্ন১০০
সিলেবাস
৯ম বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিস প্রিলিমিনারি (MCQ) পরীক্ষা-২০১৪
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল ও বিজেএস জব সল্যুশন

BJS & BAR · ২৭ মার্চ, ২০২৪ · ১০০ প্রশ্ন

.
কোড অব ক্রিমিনাল প্রসিডিওর এর ২৪৮ ধারা অনুসারে Complaint প্রত্যাহৃত হলে অভিযুক্ত ব্যক্তি ______।
  1. মুক্তি পাবে
  2. অব্যাহতি পাবে
  3. খালাস পাবে
  4. ডিসচার্জ হবে
সঠিক উত্তর:
খালাস পাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খালাস পাবে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৪৮ এ অভিযোগকারী কর্তৃক নালিশ প্রত্যাহারের ফলাফল দেয়া হয়েছে-

এই ধারা অনুযায়ী ম্যাজিস্ট্রেটের অনুমতি নিয়ে মামলার চূড়ান্ত আদেশ হবার পূর্বে যে কোন সময় অভিযোগকারী নালিশ প্রত্যাহার করতে পারে।অভিযোগকারী নালিশ প্রত্যাহার করলে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্ত ব্যক্তিকে খালাস [Acquittal] দিবে।

• অপরদিকে,
৪৯৪ ধারা অনুযায়ী পাবলিক প্রসিকিউটর আদালতের সম্মতিতে কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ রায় ঘোষণার পূর্বে প্রত্যাহার করতে পারে। পাবলিক প্রসিকিউটর অভিযোগ গঠনের আগে মামলা প্রত্যাহার করলে,আদালত অভিযুক্তকে [Discharge] দিতে পারে এবং অভিযোগ গঠনের পরে মামলা প্রত্যাহার করলে,আদালত অভিযুক্তকে খালাস [Acquittal] দিতে পারে।
.
একজন ১ম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট প্রদত্ত দণ্ডাদেশ অপর্যাপ্ত হলে, রাষ্ট্রপক্ষ দণ্ড বৃদ্ধির জন্য কোথায় আপিল করতে পারে?
  1. চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে
  2. চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে
  3. দায়রা জজ আদালতে
  4. হাইকোর্ট বিভাগে
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগে
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধি ধারা ৪১৭ক- অপর্যাপ্ত দণ্ডের বিরুদ্ধে আপিল:

(১) কোন আদালতের বিচারে প্রদত্ত দণ্ডাদেশের ক্ষেত্রে দণ্ডাদেশের অপর্যাপ্ততার কারণে হাইকোর্ট ডিভিশনে আপিল দায়েরের জন্য সরকার পাবলিক প্রসিকিউটরকে (রাষ্ট্রপক্ষকে) নির্দেশ প্রদান করতে পারবেন।

(২) আদালতে বিচারে দোষী সাব্যস্ত হওয়ার ক্ষেত্রে একজন ফরিয়াদী দণ্ডাদেশের অপর্যাপ্ততা হেতু আপিল আদালতে আপিল দায়ের করতে পারবেনঃ
শর্ত থাকে যে, দণ্ডাদেশের তারিখ থেকে ৬০ (ষাট) দিন পার হবার পর এই উপ-ধারার অধীন আপিল আদালত কর্তৃক কোন আপিল গৃহীত হবে না।

(৩) দণ্ডের অপর্যাপ্ততা হেতু কোন আপিল রুজু করা হলে আপিল আদালত দণ্ড বাড়ানোর বিরুদ্ধে কারণ দর্শাবার জন্য আসামীকে যৌক্তিক সুযোগ না দিয়ে দণ্ড বাড়াবেন না এবং কারণ দর্শাবার সময় আসামী তার খালাস প্রাপ্তি বা দণ্ড কমানোর জন্য আবেদন করতে পারবেন।

Section 417A- Appeal against inadequacy of sentence:
(1) The Government may, in any case of conviction on a trial held by any court, direct the Public Prosecutor to present an appeal to the High Court Division against the sentence on the ground of its inadequacy.

(2) A complainant may, in any case of conviction on a trial held by any Court, present an appeal to the Appellate Court against the sentence on the ground of its inadequacy:
Provided that no appeal under this sub-section shall be entertained by the Appellate Court after the expiry of sixty days from the date of conviction.

(3) When an appeal has been filed against the sentence on the ground of its inadequacy, the Appellate Court shall not enhance the sentence except after giving to the accused a reasonable opportunity of showing cause against such enhancement and while showing cause, the accused may plead for his acquittal or for the reduction of the sentence.
.
অভিযুক্ত ব্যক্তির দোষ স্বীকারমূলক জবানবন্দী নিম্নের কে রেকর্ড করতে পারে?
  1. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
  2. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
  3. নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট
  4. দায়রা জজ
সঠিক উত্তর:
মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
• ম্যাজিস্ট্রেট ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি লিপিবদ্ধ করেন। 

ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ (১) ধারা অনুযায়ী মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট এবং এই বিষয়ে সরকার কর্তৃক বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত দ্বিতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট জবানবন্দি লিপিবদ্ধ করতে পারবেন। এ ধরনের জবানবন্দি তদন্ত বা অনুসন্ধানকালে বা বিচার শুরু হওয়ার আগে বা পরে যেকোনো সময়  করা যাবে। তবে লিপিবদ্ধকারী ম্যাজিস্ট্রেটের অপরাধ বিচারের এখতিয়ার এখানে বিবেচ্য হবে না।

কার্যবিধির ১৬৪(৩) ধারায় বলা হয়েছে, জবানবন্দির পূর্বেই ম্যাজিস্ট্রেট আসামিকে জানাবেন যে, তিনি স্বীকারোক্তি দিতে বাধ্য নন এবং স্বীকারোক্তি দিলে তা তার বিরুদ্ধে সাক্ষ্য হিসেবে ব্যবহার হতে পারে। স্বীকারোক্তি স্বেচ্ছায় হচ্ছে বলে যুক্তিসংগতভাবে বিশ্বাস না করা পর্যন্ত ম্যাজিস্ট্রেট তা লিপিবদ্ধ করবেন না। উপরোক্ত বিষয়গুলো পালন করা হয়েছে মর্মে একটি স্মারক মন্তব্য ম্যাজিস্ট্রেট উল্লেখ করবেন। অতঃপর সেই জবানবন্দি ঘটনা সম্পর্কে যিনি অনুসন্ধান করবেন বা বিচার করবেন তার কাছে পাঠাবেন।

ম্যাজিস্ট্রেটকে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি লিপিবদ্ধ করার ক্ষেত্রে ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৬৪ ধারার নিয়ম অনুসরণ করতে হবে। এই ধারা অনুযায়ী আসামিকে জিজ্ঞাসিত প্রতিটি প্রশ্ন জবাবসহ সমগ্র জবানবন্দি আসামি যে ভাষায় বলবে বা আদালতের ভাষায় লিপিবদ্ধ করতে হবে। এরপর সেই জবানবন্দি ম্যাজিস্ট্রেট আসামিকে পড়ে শুনাবেন। জবানবন্দি আসামির বোধগম্য ভাষায় লিখিত না হলে সারমর্ম বুঝিয়ে দেবেন। জবানবন্দির সত্যতা স্বীকার করলে আসামি এবং ম্যাজিস্ট্রেট নিজে সেটাতে সই করবেন। এছাড়া উপরোক্ত বিষয় প্রতিপালন হয়েছে মর্মে ম্যাজিস্ট্রেট প্রত্যয়ন করবেন।
.
পেনাল কোড এর অপরাধসমূহ কোন আদালত কর্তৃক বিচারযোগ্য, তা ক্রিমিনাল প্রসিডিওর কোডের কোথায় উল্লেখ আছে?
  1. ১ম তফসিল, ৮ম কলাম
  2. ২য় তফসিল, ৮ম কলাম
  3. ৩য় তফসিল, ৮ম কলাম
  4. ৪র্থ তফসিল, ৮ম কলাম
সঠিক উত্তর:
২য় তফসিল, ৮ম কলাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২য় তফসিল, ৮ম কলাম
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির দ্বিতীয় তফসিলে মোট ৮টি কলাম রয়েছে, যা নিম্নরূপ-

• দ্বিতীয় তফসিল- (Second Schedule)

১ম কলাম- পেনাল কোডের অধীন ধারাসমূহ;
২য় কলাম- অপরাধ;
৩য় কলাম- পরোয়ানা ছাড়া পুলিশ গ্রেফতার করতে পারে কি পারে না অর্থাৎ আমলযোগ্য ও আমল-অযোগ্য অপরাধ;
৪র্থ কলাম- প্রথমেই সমন বা ওয়ারেন্ট ইস্যু করা হবে কিনা;
৫ম কলাম- অপরাধটি জামিনযোগ্য নাকি জামিন-অযোগ্য;
৬ষ্ঠ কলাম- অপরাধটি মীমাংসাযোগ্য (Compoundable) কিনা;
৭ম কলাম- দন্ডবিধির অধীন উল্লেখিত শাস্তি;
৮ম কলাম- যে আদালত কর্তৃক অপরাধটি বিচারযোগ্য।
.
ক্রিমিনাল প্রসিডিওর কোড-এর ১৬১ ধারার রেকর্ডকৃত সাক্ষীর জবানবন্দিতে স্বাক্ষর করবেন-
  1. সাক্ষ্য রেকর্ডকারী তদন্ত কর্মকর্তা
  2. সাক্ষ্য রেকর্ডকারী ম্যাজিস্ট্রেট
  3. নিযুক্তীয় আইনজীবী
  4. সাক্ষী নিজে
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য রেকর্ডকারী তদন্ত কর্মকর্তা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য রেকর্ডকারী তদন্ত কর্মকর্তা
ব্যাখ্যা
ফৌজদারী কার্যবিধির ১৬১ ধারা অনুযায়ী, পুলিশ (অভিযোগ তদন্তকারী কর্মকর্তা) অভিযোগের সাথে পরিচিত যেকোনো ব্যক্তিকে মৌখিকভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করতে/জবানবন্দি নিতে পারবে এবং পুলিশ জবানবন্দি রেকর্ড বা লিপিবদ্ধ করে নিবে এবং নিজে স্বাক্ষর করবে।

• ফৌজদারী কার্যবিধির ১৬১ ধারার বিধান- পুলিশ কর্তৃক সাক্ষী পরীক্ষা

(১) এই অধ্যায় মতে তদন্ত সম্পাদনকারী যে কোন পুলিশ কর্মকর্তা, অথবা এ ব্যাপারে সরকার সাধারণ বা বিশেষ আদেশ দ্বারা যে প্রকার নির্দিষ্ট করে দিতে পারেন সে প্রকার পদের নিম্নের কোন পদে অধিষ্ঠিত নহেন এরূপ এবং ঐরূপ অফিসারের অধি- যাচন অনুসারে কার্যসম্পাদনকারী যে কোন পুলিশ কর্মকর্তা ঘটনাটির তথ্যাদি এবং পারিপার্শ্বিক- তার সাথে পরিচিত আছে বলে অনুমিত যে কোন ব্যক্তিকে মৌখিকভাবে পরীক্ষা করতে পারেন।

(২) ঐরূপ ঘটনা সম্বন্ধে উক্ত কর্মকর্তা, যে সকল প্রশ্নের উত্তর তাঁকে ফৌজদারী অভিযোগে অভিযুক্ত করতে বা তাকে দণ্ডিত করতে বা কোন কিছুতে তার অধিকার খোয়াইতে চাইতে পারে সেসব প্রশ্ন ব্যতিরেকে যেসকল প্রশ্ন তাকে করবেন তার যথার্থ উত্তর প্রদান করতে ঐরূপ ব্যক্তি বাধ্য থাকবেন।

(৩) এ ধারামতে পরীক্ষা করার সময় তার নিকট কোন বিবৃতি দেয়া হলে তিনি তা লিপিবদ্ধ করতে পারেন, এবং যদি তিনি ঐরূপ করেন তাহলে, তিনি এরূপ প্রত্যেক ব্যক্তির, বিবৃতির একটি পৃথক ও সত্য নথি তৈয়ার করবেন, যার বিবৃতি তিনি নথিভুক্ত করেন।
.
আসামী যদি আরোপিত অর্থদণ্ড না দিয়ে কারা ভোগ করে, তবে নিম্নের কিরূপ আদেশ দেয়া যাবে?
  1. পুনরায় কারাদণ্ডের আদেশ
  2. অর্থদণ্ড মওকুফের আদেশ
  3. আইন দ্বারা নির্দিষ্ট মেয়াদের মধ্যে অর্থদণ্ড আদায়ের আদেশ
  4. আদালতের উপরের কোন ক্ষেত্রে আদেশ দিতে পারে না
সঠিক উত্তর:
আদালতের উপরের কোন ক্ষেত্রে আদেশ দিতে পারে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতের উপরের কোন ক্ষেত্রে আদেশ দিতে পারে না
ব্যাখ্যা
ধারাঃ ৩৮৬- জরিমানা আদায়ের পরোয়ানা (Warrant for levy of fine):

কোন আসামিকে জরিমানা দণ্ডে দণ্ডিত করা হলে দণ্ড দানকারী আদালত নিম্নলিখিত দুইটি উপায়ে জরিমানা আদায়ের ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবেন-

১. অস্থাবর সম্পত্তি ক্রয় ও বিক্রয়;

২. স্থাবর বা অস্থাবর বা উভয় প্রকার সম্পত্তিতে পরোয়ানা কার্যকর করে জরিমানার টাকা আদায়ের কর্তৃত্ব দিয়ে জেলার কালেক্টরকে পরোয়ানা দিতে পারবেন। আদালত কালেক্টরকে ওয়ারেন্ট প্রদান করলে উক্ত ওয়ারেন্ট ডিক্রি এবং কালেক্টরকে ডিক্রিদার বলে গণ্য করা হয়।

জরিমানা আদায়ের জন্য অপরাধীর স্থাবর অস্থাবর উভয় প্রকার সম্পত্তি ক্রয়-বিক্রয় করে টাকা আদায়ের জন্য পরোয়ানা জারি করতে পারবেন। যদি দণ্ডাদেশে নির্দেশ থাকে জরিমানা পরিশোধ করা না হলে, অপরাধী কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং আসামী আরোপিত অর্থদণ্ড না দিয়ে কারা ভোগ করে সেই ক্ষেত্রে পুনরায় কারাদণ্ডের আদেশ বা অর্থদণ্ড মওকুফের আদেশ বা পুনরায় আদায়ের আদেশ দিতে পারবেন না। অপরাধীকে গ্রেফতার বা কারাগারে আটক রেখেও এরূপ কোন পরোয়ানা কার্যকর করা যাবে না।

অর্থাৎ আসামী যদি আরোপিত অর্থদণ্ড না দিয়ে কারা ভোগ করে, এক্ষেত্রে আদালত উল্লিখিত কোনো আদেশ দিতে পারে না।
.
'ক' এর দোকানে 'খ' ক্যাশ কাউন্টারের দায়িত্বে নিয়োজিত থাকাবস্থায় ৫০,০০০ টাকা সরিয়ে ফেলে 'খ' পেনাল কোড- এর কোন ধারার অপরাধ করেছে?
  1. ৪০৭ ধারা
  2. ৪০৯ ধারা
  3. ৪২০ ধারা
  4. ৪০৮ ধারা
সঠিক উত্তর:
৪০৮ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪০৮ ধারা
ব্যাখ্যা
ধারা ৪০৮- কেরানী বা ভৃত্য দ্বারা অপরাধমূলক বিশ্বাস ভঙ্গ করা:

কোন ব্যক্তি যদি কেরানি বা ভৃত্য হয়ে অথবা বা ভৃত্য হিসেবে নিয়োজিত হয়ে অনুরূপ পদে কোন সম্পত্তির জিম্মাদার বা উহা পরিচালনের ক্ষমতাপ্রাপ্ত ব্যক্তি হিসেবে উহা সম্পর্কে অপরাধমূলক বিশ্বাস ভঙ্গ করে, তবে উক্ত ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং অর্থ দণ্ডেও দণ্ডনীয় হবে।

Section 408- Criminal breach of trust by clerk or servant:

Whoever, a clerk or servant or employed as a clerk or servant, and being in any manner entrusted in such capacity with property, or with any dominion over property, commits criminal breach of trust in respect of that property, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine.
.
দণ্ডবিধিতে নিম্নের কোন শাস্তির বিধান নেই?
  1. মৃত্যুদণ্ড
  2. সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত
  3. কারাদণ্ড
  4. বেত্রাঘাত
সঠিক উত্তর:
বেত্রাঘাত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেত্রাঘাত
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধিতে 'বেত্রাঘাত' শাস্তির বিধান নেই।

• দণ্ডবিধির ৫৩ ধারায় পাঁচ প্রকার শাস্তি উল্লেখ আছে। যথা:

(i)  মৃত্যুদণ্ড (Death penalty);

(ii) যাবজ্জীবন কারাদণ্ড (Imprisonment for life);

(iii) কারাদণ্ড (Imprisonment) দুই প্রকার:
ক) সশ্রম( Rigorous, that is,  with hard labour) এবং
খ) বিনাশ্রম (Simple);

(iv) সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত (forfeiture of property);

(v) অর্থদণ্ড (fine)।

⇒ যাবজ্জীবন কারাদণ্ড সর্বদায় সশ্রম কারাদণ্ড হবে।
⇒ এই ধারায়, বেত্রাঘাত শাস্তির কোনো উল্লেখ নেই।
.
'ক' ৫,০০০ টাকা 'খ' কে ৭ দিনের জন্য রাখতে দেয়। 'খ' আকস্মিক প্রয়োজনে তা খরচ করে ফেলে এবং ১৫ দিন পরে তা 'ক' এর নিকট ফেরত দেয়। এটি নিম্নের কোন অপরাধ?
  1. চুরি
  2. প্রতারণা
  3. অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৪০৫ ধারা- অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ:

কোন ব্যক্তি যদি কোনভাবে কোন সম্পত্তির বা সম্পত্তি পরিচালনের দায়িত্বপ্রাপ্ত হয়ে, অসাধুভাবে সে সম্পত্তি আত্মসাৎ করে বা নিজের ব্যবহারে প্রয়োগ করে, অথবা অনুরূপ দায়িত্ব যেভাবে নির্বাহিত হত বলে বিহিত আইনে নির্দেশ করা হয়েছে, তা খেলাফ করে সে দায়িত্ব নির্বাহ সম্পর্কে সে প্রকাশ্য বা অনুরূপ যে আইনগত চুক্তি করেছে তা খেলাফ করে সে সম্পত্তি অসাধুভাবে ব্যবহার করে, বা বিলি ব্যবস্থা করে অথবা ইচ্ছাপূর্বক অপর কোন ব্যক্তিকে তা করতে দেয়, তবে উক্ত ব্যক্তি 'অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের' অপরাধ করেছে।

উল্লিখিত ক্ষেত্রে 'ক' কে ৭ দিনের জন্য টাকা রাখতে দেয়া হয় কিন্তু 'ক' নিজের প্রয়োজনে খরচ করে এবং নির্ধারিত দিনের পর ফেরত দেয়। এখানে 'ক' অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ এর অপরাধ করেছে এবং দণ্ডবিধির ৪০৬ ধারার বিধান অনুযায়ী তিন বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

Section 405- Criminal breach of trust:
Whoever, being in any manner entrusted with property, or with any dominion over property, dishonestly misappropriates or converts to his own use that property, or dishonestly uses or disposes of that property in violation of any direction of law prescribing the mode in which such trust is to be discharged, or of any legal contract, express or implied, which he has made touching the discharge of such trust, or wilfully suffers any other person so to do, commits "criminal breach of trust".
১০.
যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশের ক্ষেত্রে দণ্ডিত ব্যক্তির সম্মতি ব্যতিরেকেই উক্ত দণ্ডকে সরকার অনধিক কত বছরে হ্রাস করতে পারে?
  1. ১৫ বছর
  2. ২০ বছর
  3. ৩০ বছর
  4. ৩৫ বছর
সঠিক উত্তর:
২০ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০ বছর
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৫৫ ধারা- বিধান যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হ্রাস বা পরিবর্তন:

যে সকল মামলার ক্ষেত্রে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করা হয়, তার প্রত্যেক ক্ষেত্রে সরকার অপরাধীর সম্মতি ব্যতীতই দণ্ড হ্রাস করে অনূর্ধ্ব ২০ বৎসর মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে পরিবর্তন করতে পারবেন।

Section 55- Commutation of sentence of imprisonment for life:
In every case in which sentence of imprisonment for life shall have been passed, the Government may, without the consent of the offender, commute the punishment for imprisonment of either description for a term not exceeding twenty years.
১১.
আত্মহত্যায় সহায়তাকারী ব্যক্তি দণ্ডপ্রাপ্ত হবে, যদি আত্মহত্যাকারীর বয়স হয়-
  1. ১৮ বছরের কম
  2. ১৮ বছরের বেশি
  3. অন্যূন ১৮ বছর
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
কোনটিই নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৩০৬ ধারা- আত্মহত্যায় সহায়তা বা প্ররোচনা দান:

কোন ব্যক্তি যদি আত্মহত্যা করে, তবে যে ব্যক্তি আত্মহত্যায় সহায়তা বা প্ররোচনা দান করবে, উক্ত ব্যক্তি দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

Section 306- Abetment of suicide:
If any person commits suicide, whoever abets the commission of such suicide, shall be punished with imprisonment either description for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine.

এই ধারায় 'কোনো ব্যক্তি' বলতে যেকোনো বয়সের ব্যক্তিকে বোঝায়, নির্দিষ্ট বা নির্ধারিত কোনো বয়সের নয়। যার দরুণ সঠিক উত্তর 'ঘ' ই গ্রহণযোগ্য।
১২.
যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত ব্যক্তি কর্তৃক সংঘটিত খুনের সর্বনিম্ন শাস্তি কি?
  1. মৃত্যুদণ্ড
  2. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  3. মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  4. ২০ বছর মেয়াদের সশ্রম কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুদণ্ড
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৩০৩ ধারা অনুযায়ী, যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত কোন ব্যক্তি খুন করলে তার শাস্তি একমাত্র মৃত্যুদণ্ড। 

ধারা ৩০৩- যাবজ্জীবন কারাবাসে দন্ডিত ব্যক্তি কর্তৃক অনুষ্ঠিত খুনের শাস্তি:
কোন ব্যক্তি যদি যাবজীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত অবস্থায় খুন করে, তবে সে ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত হবে।

Section 303- Punishment for murder by life-convict:
Whoever, being under sentence of 95[imprisonment] for life, commits murder, shall be punished with death.
১৩.
'ক' এর বিরুদ্ধে চুরির অভিযোগ চার্জ গঠনের ক্ষেত্রে তার বিরুদ্ধে ফৌজদারী আদালত প্রদত্ত নিম্নের কোন রায়টি প্রাসঙ্গিক?
  1. 'ক' অন্য একটি যৌতুক মামলায় দণ্ডিত পেয়েছে
  2. 'ক' অন্য একটি যৌতুক মামলায়
  3. 'ক' অন্য একটি চুরি মামলায় দণ্ডিত হয়েছে
  4. 'ক' অন্য একটি চুরি মামলায় খালাস পেয়েছে
সঠিক উত্তর:
'ক' অন্য একটি চুরি মামলায় দণ্ডিত হয়েছে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'ক' অন্য একটি চুরি মামলায় দণ্ডিত হয়েছে
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২২১ (৭) অনুসারে,পূর্ববর্তী দণ্ডের বিষয় যখন উল্লেখ করতে হবেঃ

আসামি পূর্বে কোন অপরাধের দায়ে দণ্ডিত হওয়ার কারণে পরবর্তী অপরাধের ক্ষেত্রে বর্ধিত দণ্ড বা ভিন্ন প্রকৃতির সঙ্গে দণ্ডনীয় হলে এবং পরবর্তী অপরাধের দণ্ড বৃদ্ধি বা প্রকৃতি পরিবর্তনের জন্য পূর্ববর্তী দণ্ড প্রমাণ করার প্রয়ােজন হলে, অভিযােগে পূর্ববর্তী দণ্ডের ঘটনা,তারিখ ও স্থান উল্লেখ করতে হবে। যদি উক্তরূপ উল্লেখ না করা হয়ে থাকে,তবে আদালত দণ্ড দানের পূর্বে যে কোন সময়ে তা যুক্ত করতে পারেন।

এছাড়া সাক্ষ্য আইনের ৪০-৪৪ ধারায় আদালতের রায় কখন প্রাসঙ্গিক হবে এ সংক্রান্ত বিধান উল্লেখ আছে। এর মধ্যে ৪৩ ধারার বিধান হলো- যে সকল রায়, আদেশ, ডিক্রি ইত্যাদির বিচার্য বিষয় [Fact in Issue] চলমান মামলায় প্রাসঙ্গিক, সেগুলো প্রাসঙ্গিক।

অর্থাৎ উল্লিখিত দুই ধারা অনুযায়ী, পূর্ববর্তী একই মামলার দণ্ডের রায় প্রাসঙ্গিক।
১৪.
সাক্ষ্য আইন অনুসারে কোনটি প্রত্যক্ষ সাক্ষ্য?
  1. সাক্ষী যে বিষয়ে সাক্ষ্য দেয় তা সে শোনে নি
  2. সাক্ষী যে বিষয়ে সাক্ষ্য দেয় তা সে দেখেনি
  3. সাক্ষী যে বিষয়ে সাক্ষ্য দেয় তা নিজে দেখেছে
  4. সাক্ষী যে বিষয়ে সাক্ষ্য দেয় তা অন্যের মতামত
সঠিক উত্তর:
সাক্ষী যে বিষয়ে সাক্ষ্য দেয় তা নিজে দেখেছে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষী যে বিষয়ে সাক্ষ্য দেয় তা নিজে দেখেছে
ব্যাখ্যা
প্রত্যক্ষ সাক্ষ্য (Direct evidence)-

মৌখিক সাক্ষ্যকে অবশ্যই প্রত্যক্ষ হতে হবে (oral evidence must be direct) অর্থাৎ উপস্থিত সাক্ষী যে বিষয়ে সাক্ষ্য দিচ্ছে তা সে নিজে দেখেছে, শুনেছে বা উপলব্ধি করেছে।

সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা ৬০ মতে-
মৌখিক সাক্ষ্যকে সকল ক্ষেত্রে অবশ্যই প্রত্যক্ষ হতে হবে ( oral evidence must be direct)। অর্থাৎ এটি যদি এমন বিষয় সম্পর্কে হয়, যা দেখা যেতে পারে, তবে যে সাক্ষী বলবে যে, সে এটি দেখেছে তার সাক্ষ্যই দিতে হবে; এটি যদি এমন বিষয় সম্পর্কে হয় যা শোনা যেতে পারে, তবে যে সাক্ষী বলে যে, সে এটি শুনেছে, তার সাক্ষ্যই দিতে হবে। অর্থাৎ অন্যের কাছ থেকে শোনা সাক্ষ্য প্রত্যক্ষ সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য নয়।
১৫.
সাক্ষ্য আইনের কোন ধারা অনুযায়ী কোন পক্ষ নিজের সাক্ষীকে জেরা করতে পারে?
  1. ১৫২ ধারা
  2. ১৫৩ ধারা
  3. ১৫৪ ধারা
  4. ১৫৫ ধারা
সঠিক উত্তর:
১৫৪ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫৪ ধারা
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ১৫৪ ধারা অনুযায়ী কোন পক্ষ নিজের সাক্ষীকে জেরা করতে পারে।

• ১৫৪ ধারার বক্তব্য অনুযায়ী- বিরুদ্ধ পক্ষ জেরায় যেসব প্রশ্ন করতে পারে, সেসব প্রশ্ন যদি কোন পক্ষ নিজের সাক্ষীকে করার অনুমতি চায়, আদালত তা করার অনুমতি দিতে পারে। এরূপ সাক্ষীকে বৈরী/প্রতিকূল সাক্ষী (Hostile witness) বলে ।

বৈরী সাক্ষীকে সাক্ষ্য আহ্বানকারী পক্ষের জেরা করার অনুমতি দান করা আদালতের বিবেচনার উপর নির্ভর করে। আইনের সাধারণ নীতি অনুযায়ী সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ তার নিজ সাক্ষীকে জেরা করতে পারে না। কিন্তু সাক্ষ্য আইনের ১৫৪ ধারার অধীন আদালতের অনুমতি নিয়ে যে পক্ষ সাক্ষী নিয়ে আসে, সে পক্ষ নিজ সাক্ষীকে জেরা করতে পারে। এ ধরনের সাক্ষী হল বৈরী (Hostile) সাক্ষী।

সাধারণত জেরা করার উদ্দেশ্য হলো প্রতিপক্ষের সাক্ষীর বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট করা। এরূপ কাজ কোন মামলার বিরুদ্ধ পক্ষ করে থাকে, তবে ১৫৪ ধারার অধীন সাক্ষ্য আহ্বানকারী পক্ষ আদালতের অনুমতি নিয়ে নিজের সাক্ষীকে জেরা করে তার বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট করতে পারে।
১৬.
কোন মামলা প্রমাণের জন্য কত জন সাক্ষীর সাক্ষ্যের প্রয়োজন?
  1. অন্যূন ২ জন
  2. অন্যূন ৪ জন
  3. অন্যূন ৩ জন
  4. কোন নির্দিষ্ট সংখ্যক নয়
সঠিক উত্তর:
কোন নির্দিষ্ট সংখ্যক নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোন নির্দিষ্ট সংখ্যক নয়
ব্যাখ্যা
• Section 134- Number of witnesses:

No particular number of witnesses shall in any case be required for the proof of any fact.

সাক্ষ্য আইনের ১৩৪ ধারা অনুযায়ী কোন মামলা প্রমাণের জন্য সাক্ষীর সংখ্যা নির্দিষ্ট নয়; অর্থাৎ একটি মামলার কোন বিষয় প্রমাণের জন্য নির্দিষ্ট সংখ্যক সাক্ষীর প্রয়োজন নাই। শুধুমাত্র একজন সাক্ষী দ্বারাও মামলা নি:সন্দেহে প্রমাণ করা যায়।

সংখ্যায় নয়, সাক্ষীর গুণাগুণ বিচার করতে হবে (Testes ponderautur, non numerator)- এই প্রবচনটির ইংরেজী প্রতিশব্দ হল- 'witnesses are weighed, not numbered'.-বিচারকালে সাক্ষীর সাক্ষ্যকে ওজন করতে হয়, সাক্ষীর সংখ্যা নির্ধারণ করতে হয় না। যে ঘটনা সম্পর্কে যতজন মানুষ জ্ঞান রাখেন, ততজনই সাক্ষী হওয়া উচিত। সাক্ষীর সংখ্যা কৃত্রিম মানদন্ডে হওয়া উচিৎ নয়। বিচারকালে আদালত সাক্ষীর গুণাগুণ বিচার করেন, সংখ্যা নয়।
১৭.
ফৌজদারী মামলায় প্রসিকিউশন পক্ষের সাক্ষীদের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আদালত ক্রিমিনাল প্রসিডিওর কোড-এর ৩৪২ ধারা অনুসারে-
  1. পুনরায় সাক্ষীদের পরীক্ষা করবে
  2. আসামীদের পরীক্ষা করবে
  3. আসামীদের আইনজীবীদের পরীক্ষা করবে
  4. পুনরায় তদন্ত কর্মকর্তাকে পরীক্ষা করবে
সঠিক উত্তর:
আসামীদের পরীক্ষা করবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আসামীদের পরীক্ষা করবে
ব্যাখ্যা
ফৌজদারী কার্যবিধির ৩৪২ ধারা অনুযায়ী আদালত আসামীকে পরীক্ষা করতে পারবে। পরীক্ষা করতে পারবে অর্থ হলো প্রসিকিউশন পক্ষের সাক্ষীদের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে এবং আসামীকে আত্মপক্ষ সমর্থনের আহ্বান জানাবার পূর্বে আদালত আসামীকে মামলা সম্পর্কে সাধারণ প্রশ্ন করতে পারবে যেন আসামী তার বিরুদ্ধে সাক্ষ্যে উত্থাপিত কোন বিষয় বিশ্লেষণ করতে সক্ষম হয়। 

আদালত মামলার বিচার বা অনুসন্ধানের পূর্বে যেকোনো সময়ে এবং আসামীকে কোন পূর্ব সতর্ক করা ছাড়া, আদালত আসামীকে এমন প্রশ্ন করতে পারে। কিন্তু এটা অবশ্যই আসামীকে তার আত্মপক্ষ সমর্থনে আহ্বান করার পূর্বে করতে হবে।

৩৪২ ধারা অনুযায়ী আদালত আসামীর নিকট যে প্রশ্ন করে, আসামী এমন প্রশ্নের উত্তর দিতে অস্বীকার করলে বা মিথ্যা সাক্ষ্য দিলে, সে শাস্তির জন্য দায়ী হবে না। কিন্তু আদালত এই ক্ষেত্রে অনুমান করতে পারে। এক্ষেত্রে কোনো শপথ গ্রহণ করা হয় না।

Section 342: Power to examine the accused
(1) For the purpose of enabling the accused to explain any circumstances appearing in the evidence against him, the Court may, at any stage of any inquiry or trial without previously warning the accused, put such questions to him as the Court considers necessary, and shall, for the purpose aforesaid, question him generally on the case after the witnesses for the prosecution have been examined and before he is called on for his defence. 
 
(2) The accused shall not render himself liable to punishment by refusing to answer such questions, or by giving false answers to them; but the Court may draw such inference from such refusal or answers as it thinks just. 
 
(3) The answers given by the accused may be taken into consideration in such inquiry or trial, and put in evidence for or against him in any other inquiry into, or trial for, any other offence which such answers may tend to show he has committed. 
 
(4) No oath shall be administered to the accused.
১৮.
একজন মক্কেল তার নিযুক্তীর আইনজীবীর পরামর্শ গ্রহণকালে স্বীকার করে যে- সে একটি দখল জাল করেছে। এক্ষেত্রে নিম্নের কোনটি সঠিক?
  1. উক্ত স্বীকারোক্তি সাক্ষ্যে গ্রহণযোগ্য
  2. উক্ত স্বীকারোক্তি আইনতঃ অগ্রহণযোগ্য
  3. উক্ত আইনজীবী সাক্ষ্য দিয়ে স্বীকারোক্তি প্রমাণ করতে পারবে
  4. উক্ত স্বীকারোক্তি প্রমাণে অন্য সাক্ষীর সমর্থন প্রয়োজন
সঠিক উত্তর:
উক্ত স্বীকারোক্তি আইনতঃ অগ্রহণযোগ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উক্ত স্বীকারোক্তি আইনতঃ অগ্রহণযোগ্য
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ১২৬ ধারা অনুযায়ী অ্যাডভোকেট এবং মক্কেলের মধ্যে তথ্যের আদান প্রদান অ্যাডভোকেট প্রকাশ করতে বাধ্য না অথবা অ্যাডভোকেট মক্কেলের অনুমতি ছাড়া প্রকাশ করবে না।

মক্কেল স্বীকার করে যে, সে দলিল জাল করেছে। মক্কেল যেহেতু তার আত্মপক্ষ সমর্থনের জন্য বিষয়টি স্বীকার করেছে, তাই তার এই তথ্য উক্ত আইনজীবী প্রকাশ করতে বাধ্য না বা মক্কেলের অনুমতি ছাড়া প্রকাশ করবেনা এবং এমন স্বীকারোক্তি আইনত অগ্রহণযোগ্য। মক্কেল যদি বেআইনী উদ্দেশ্য সাধনের চেষ্টা হিসাবে [In furtherance of a criminal purpose) ভবিষৎ এ দলিল জাল করবে এমন কোন কথা বলতো তাহলে সেই তথ্য ১২৬ ধারায় প্রকাশ হতে সুরক্ষা পেত না এবং অ্যাডভোকেট মক্কেলের অনুমতি ছাড়া তা প্রকাশ করতে পারবে।
১৯.
একটি জেলা জজ আদালত নিম্নে কোন বিচারিক কার্যক্রমের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা দিতে পারে?
  1. কোন উচ্চতর আদালতের কার্যক্রম
  2. কোন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের কার্যক্রম
  3. কোনো অধঃস্তন দেওয়ানি আদালতের কার্যক্রম
  4. কোন জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের কার্যক্রম
সঠিক উত্তর:
কোনো অধঃস্তন দেওয়ানি আদালতের কার্যক্রম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোনো অধঃস্তন দেওয়ানি আদালতের কার্যক্রম
ব্যাখ্যা
ধারাঃ ২৪- স্থানান্তর ও প্রত্যাহারের সাধারণ ক্ষমতা (General power of transfer and withdrawal):

মোকদ্দমার যেকোন পক্ষের আবেদনক্রমে, সকল পক্ষকে নোটিশ দিয়ে এবং তাদের কারো বক্তব্য শুনার ইচ্ছা করলে তা শ্রবণ করে অথবা কোন নোটিশ না দিয়া স্বতঃপ্রবৃত্ত হয়ে হাইকোর্ট বিভাগ অথবা জেলা আদালত যে কোন সময়-

তার সম্মুখে বিচারাধীন কোন মোকদ্দমা, আপিল বা অন্যান্য কার্যক্রম তার অধীনস্থ এবং এখতিয়ারসম্পন্ন কোন আদালতে বিচার বা নিষ্পত্তির জন্য স্থানান্তরিত করতে পারেন, অথবা তার অধীনস্থ কোন আদালত হতে কোন মোকদ্দমা, আপিল বা অন্যান্য কার্যক্রম-

১) প্রত্যাহার করতে পারেন, এবং
২) তা বিচার বা নিষ্পত্তি করতে পারেন, অথবা
৩) অধীনস্ত কোন এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে বিচার বা নিষ্পত্তির জন্য স্থানান্তর করতে পারেন; অথবা
৪) যেই আদালত হতে তা প্রত্যাহার করা হয়েছিল, সেই আদালতে বিচার বা নিষ্পত্তির জন্য প্রেরণ করতে পারেন।
২০.
নিম্নের কোন চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে প্রতিপালনের জন্য বাধ্য করা যাবে?
  1. যে চুক্তি পালন না হলে সাধিত ক্ষতি অর্থ দ্বারা পূরণযোগ্য
  2. যখন ট্রাস্টি কোন সংশ্লিষ্ট ট্রাস্টের পরিপন্থি চুক্তি করে
  3. যখন কোন স্থাবর সম্পত্তি বিক্রির চুক্তি করা হয়
  4. যে চুক্তি বাতিলযোগ্য প্রকৃতির
সঠিক উত্তর:
যখন কোন স্থাবর সম্পত্তি বিক্রির চুক্তি করা হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যখন কোন স্থাবর সম্পত্তি বিক্রির চুক্তি করা হয়
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১২ ধারা মতে নিম্নলিখিত ৪টি ক্ষেত্রে কোন চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায়। যথা-

ক) চুক্তিটি অছি বা জিম্মার অন্তর্ভুক্ত হলে।
খ) চুক্তিভঙ্গের ফলে সৃষ্ট ক্ষতি নির্ণয়ের মানদন্ড না থাকলে।
গ) চুক্তিভঙ্গের ফলে আর্থিক ক্ষতিপূরণ অপর্যাপ্ত হলে।
ঘ) চুক্তিভঙ্গের ফলে ক্ষতিপূরণ পাওয়ার সম্ভাবনা না থাকলে, চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায়।

 খ.গ, এবং ঘ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বলা যায়, আর্থিক ক্ষতিপূরণ পর্যাপ্ত হলে বা নির্ণয় করা গেলে বা পাওয়া গেলে, আদালত চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের প্রতিকার দিবেনা বরং ক্ষতিপূরণ প্রতিকার দিবে।

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ১২ ধারার ব্যাখ্যায় বলা হয়েছে, যদিনা এবং যতক্ষণ পর্যন্ত না ভিন্ন কিছু প্রমাণিত হয়, ততক্ষণ পর্যন্ত আদালত অবশ্যই অনুমান করবে যে, স্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তরের চুক্তিভঙ্গের পর্যাপ্ত প্রতিকার আর্থিক ক্ষতিপূরণ প্রদানের মাধ্যমে দেওয়া সম্ভব না, এবং অস্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তরের চুক্তিভঙ্গের প্রতিকার এভাবে করা যায়।

যদি চুক্তির বিষয়বস্তু স্থাবর সম্পত্তি যেমন জমি বিক্রয়ের চুক্তি বা জমি লিজের বা বন্ধকের চুক্তি হয়, তাহলে আদালত ধরে নিবে চুক্তি ভঙ্গের প্রতিকার পর্যাপ্ত আর্থিক ক্ষতিপূরণ প্রদানের মাধ্যমে দেওয়া সম্ভব না এবং এই ক্ষেত্রে আদালত চুক্তিটি সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের আদেশ দিতে পারে।
২১.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার কত উপায়ে দেয়া যায়?
  1. ৫ প্রকার
  2. ৪ প্রকার
  3. ৩ প্রকার
  4. ২ প্রকার
সঠিক উত্তর:
৫ প্রকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ প্রকার
ব্যাখ্যা
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫ ধারা মতে ৫টি উপায়ে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদান করা যায়।
যেমন-

১। সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধার (ধারা ৮-১০);
২। যা করতে বাধ্য তা করতে আদেশ করা (ধারা ১২-৩০ ও ৫৫);
৩। যা করতে বাধ্য নয় তা করতে আদেশ করা (ধারা ৫২-৫৭);
৪। ঘোষণামূলক ডিক্রী প্রদানের মাধ্যমে (ধারা ৪২);
৫। রিসিভার নিয়োগের মাধ্যমে (ধারা ৪৪)।
২২.
'ক', 'খ'-এর নিকট ১০ শতক ভূমি বিক্রির দলিল সম্পাদন করে। উক্ত ১০ শতকের মধ্যে ৭ শতক সাভার, ২ শতক ধামরাই এবং ১ শতক কেরাণীগঞ্জ উপজেলায় অবস্থিত। উক্ত দলিলটি রেজিস্ট্রির জন্য কোথায় উপস্থাপন করতে হবে?
  1. সাভার সাব-রেজিস্ট্রার অফিসে
  2. টাঙ্গাইল সাব-রেজিস্ট্রার অফিসে
  3. কেরানীগঞ্জ সাব-রেজিস্ট্রার অফিসে
  4. ঢাকার সাব-রেজিস্ট্রার অফিসে
সঠিক উত্তর:
সাভার সাব-রেজিস্ট্রার অফিসে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাভার সাব-রেজিস্ট্রার অফিসে
ব্যাখ্যা
রেজিস্ট্রেশন আইন: ১৯০৮ এর ২৮ ধারায় বলা হয়েছে,

যে জমি হস্তান্তর করার জন্য দলিল রেজিস্ট্রি করা হবে, সেই জমির সম্পূর্ণ বা বেশি অংশ যে সাব-রেজিস্ট্রার অফিসের অধীন অবস্থিত সেই সাব-রেজিস্ট্রার অফিসে দলিলটি রেজিস্ট্রির জন্য উপস্থাপন করতে হবে।

উক্ত সম্পত্তির বৃহত্তর অংশ একই উপজেলায় অবস্থিত না হলে যে সাব-রেজিস্ট্রারের এলাকায় এইরুপ সম্পত্তির কোন অংশ বিশেষ অবস্থিত সেই সাব-রেজিস্ট্রারের কার্যালয়ে দলিলটি নিবন্ধনের জন্য দাখিল করা যাবে।

'ক', 'খ'-এর নিকট ১০ শতক ভূমি বিক্রির দলিল সম্পাদন করে। উক্ত ১০ শতকের মধ্যে বেশি অংশ (৭ শতক) সাভারে অবস্থিত হওয়ায়, দলিলটি রেজিস্ট্রির জন্য সাভার সাব-রেজিস্ট্রার অফিসে উপস্থাপন করতে হবে।
২৩.
চুক্তি প্রবলের মামলা দায়েরের ক্ষেত্রে তামাদির মেয়াদকাল কত বছর?
  1. ১ বছর
  2. ২ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৫ বছর
সঠিক উত্তর:
১ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ বছর
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইন ১৯০৮ এর অনুচ্ছেদ ১১৩ অনুযায়ী,

চুক্তি প্রবলের মামলা করার তামাদির মেয়াদ হচ্ছে এক বছর, অর্থাৎ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন ১৮৭৭ এর ১২ ধারার অধীন চুক্তি প্রবলের মামলা করতে হবে এক বছরের মধ্যে।
২৪.
বাংলাদেশের আইনসভার নাম কি?
  1. জাতীয় পরিষদ
  2. পার্লামেন্ট
  3. জাতীয় সংসদ
  4. গণ পরিষদ
সঠিক উত্তর:
জাতীয় সংসদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাতীয় সংসদ
ব্যাখ্যা
• গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৬৫: সংসদ-প্রতিষ্ঠা:

(১) "জাতীয় সংসদ" নামে বাংলাদেশের একটি সংসদ থাকিবে এবং এই সংবিধানের বিধানাবলী-সাপেক্ষে প্রজাতন্ত্রের আইনপ্রণয়ন-ক্ষমতা সংসদের উপর ন্যস্ত হইবে:
তবে শর্ত থাকে যে, সংসদের আইন-দ্বারা যে কোন ব্যক্তি বা কর্তৃপক্ষকে আদেশ, বিধি, প্রবিধান, উপ-আইন বা আইনগত কার্যকরতাসম্পন্ন অন্যান্য চুক্তিপত্র প্রণয়নের ক্ষমতার্পণ হইতে এই দফার কোন কিছুই সংসদকে নিবৃত্ত করিবে না।

(২) একক আঞ্চলিক নির্বাচনী এলাকাসমূহ হইতে প্রত্যক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে আইনানুযায়ী নির্বাচিত তিন শত সদস্য লইয়া এবং এই অনুচ্ছেদের (৩) দফার কার্যকরতাকালে উক্ত দফায় বর্ণিত সদস্যদিগকে লইয়া সংসদ গঠিত হইবে; সদস্যগণ সংসদ-সদস্য বলিয়া অভিহিত হইবেন।

(৩) সংবিধান (সপ্তদশ সংশোধন) আইন, ২০১৮ প্রবর্তনকালে বিদ্যমান সংসদের অব্যবহিত পরবর্তী সংসদের প্রথম বৈঠকের তারিখ হইতে শুরু করিয়া পঁচিশ বৎসরকাল অতিবাহিত হইবার অব্যবহিত পরবর্তীকালে সংসদ ভাংগিয়া না যাওয়া পর্যন্ত পঞ্চাশটি আসন কেবল মহিলা-সদস্যদের জন্য সংরক্ষিত থাকিবে এবং তাঁহারা আইনানুযায়ী পূর্বোক্ত সদস্যদের দ্বারা সংসদে আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব পদ্ধতির ভিত্তিতে একক হস্তান্তরযোগ্য ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত হইবেন:
তবে শর্ত থাকে যে, এই দফার কোন কিছুই এই অনুচ্ছেদের (২) দফার অধীন কোন আসনে কোন মহিলার নির্বাচন নিবৃত্ত করিবে না।

(৩ক) সংবিধান (পঞ্চদশ সংশোধন) আইন, ২০১১ প্রবর্তনকালে বিদ্যমান সংসদের অবশিষ্ট মেয়াদে এই অনুচ্ছেদের (২) দফায় বর্ণিত প্রত্যক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে নির্বাচিত তিন শত সদস্য এবং (৩) দফায় বর্ণিত পঞ্চাশ মহিলা-সদস্য লইয়া সংসদ গঠিত হইবে।

(৪) রাজধানীতে সংসদের আসন থাকিবে।

Article 65- Establishment of Parliament:
(1) There shall be a Parliament for Bangladesh (to be known as the House of the Nation) in which, subject to the provisions of this Constitution, shall be vested the legislative powers of the Republic: 
Provided that nothing in this clause shall prevent Parliament from delegating to any person or authority, by Act of Parliament, power to make orders, rules, regulations, bye laws or other instruments having legislative effect.

(2) Parliament shall consist of three hundred members to be elected in accordance with law from single territorial constituencies by direct election and, for so long as clause (3) is effective, the members provided for in that clause; the members shall be designated as Members of Parliament. 

(3) Until the dissolution of Parliament occurring next after the expiration of the period of twenty five years beginning from the date of the first meeting of the Parliament next after the Parliament in existence at the time of the commencement of the Constitution (Seventeenth Amendment) Act, 2018, there shall be reserved fifty seats exclusively for women members and they will be elected by the aforesaid members in accordance with law on the basis of procedure of proportional representation in the Parliament through single transferable vote : 
Provided that nothing in this clause shall be deemed to prevent a woman from being elected to any of the seats provided for in clause (2) of this article.

(3A) For the remaining period of the Parliament in existence at the time of the commencement of the Constitution (Fifteenth Amendment) Act, 2011, Parliament shall consist of three hundred members elected by direct election provided for in clause (2) and fifty women members provided for in clause (3).

(4) The seat of Parliament shall be in the capital.
২৫.
সংসদ ভেঙে যাওয়া ব্যতীত অন্য কোন কারণে সংসদের সদস্য পদ শূন্য হলে, পদটি শূন্য হবার কত দিনের মধ্যে নির্বাচন করতে হবে?
  1. ৬০ দিন
  2. ৯০ দিন
  3. ১২০ দিন
  4. ১৮০ দিন
সঠিক উত্তর:
৯০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯০ দিন
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ১২৩: নির্বাচন-অনুষ্ঠানের সময়

(১) রাষ্ট্রপতি-পদের মেয়াদ অবসানের কারণে উক্ত পদ শূন্য হইলে মেয়াদ-সমাপ্তির তারিখের পূর্ববর্তী নব্বই হইতে ষাট দিনের মধ্যে শূন্য পদ পূরণের জন্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হইবে:
তবে শর্ত থাকে যে, যে সংসদের দ্বারা তিনি নির্বাচিত হইয়াছেন সেই সংসদের মেয়াদকালে রাষ্ট্রপতির কার্যকাল শেষ হইলে সংসদের পরবর্তী সাধারণ নির্বাচন না হওয়া পর্যন্ত অনুরূপ শূন্য পদ পূর্ণ করিবার জন্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হইবে না, এবং অনুরূপ সাধারণ নির্বাচনের পর সংসদের প্রথম বৈঠকের দিন হইতে ত্রিশ দিনের মধ্যে রাষ্ট্রপতির শূন্য পদ পূর্ণ করিবার জন্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হইবে।

(২) মৃত্যু, পদত্যাগ বা অপসারণের ফলে রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হইলে পদটি শূন্য হইবার পর নব্বই দিনের মধ্যে, তাহা পূর্ণ করিবার জন্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হইবে।

(৩) সংসদ-সদস্যদের সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হইবে-
(ক) মেয়াদ-অবসানের কারণে সংসদ ভাংগিয়া যাইবার ক্ষেত্রে ভাংগিয়া যাইবার পূর্ববর্তী নববই দিনের মধ্যে; এবং
(খ) মেয়াদ-অবসান ব্যতীত অন্য কোন কারণে সংসদ ভাংগিয়া যাইবার ক্ষেত্রে ভাংগিয়া যাইবার পরবর্তী নব্বই দিনের মধ্যে:
তবে শর্ত থাকে যে, এই দফার (ক) উপ-দফা অনুযায়ী অনুষ্ঠিত সাধারণ নির্বাচনে নির্বাচিত ব্যক্তিগণ, উক্ত উপ-দফায় উল্লিখিত মেয়াদ সমাপ্ত না হওয়া পর্যন্ত, সংসদ সদস্যরূপে কার্যভার গ্রহণ করিবেন না।

(৪) সংসদ ভাঙ্গিয়া যাওয়া ব্যতীত অন্য কোন কারণে সংসদের কোন সদস্যপদ শূন্য হইলে পদটি শূন্য হইবার নব্বই দিনের মধ্যে উক্ত শূন্যপদ পূর্ণ করিবার জন্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হইবে।
তবে শর্ত থাকে যে, যদি প্রধান নির্বাচন কমিশনারের মতে, কোন দৈব-দূর্বিপাকের কারণে এই দফার নির্ধারিত মেয়াদের মধ্যে উক্ত নির্বাচন অনুষ্ঠান সম্ভব না হয়, তাহা হইলে উক্ত মেয়াদের শেষ দিনের পরবর্তী নব্বই দিনের মধ্যে উক্ত নির্বাচন অনুষ্ঠিত হইবে।

Article 123: Time for holding elections

(1) In the case of a vacancy in the office of President occurring by reason of the expiration of his term of office an election to fill the vacancy shall be held within the period of ninety to sixty days prior to the date of expiration of the term:
Provided that if the term expires before the dissolution of the Parliament by members of which he was elected the election to fill the vacancy shall not be held until after the next general election of members of Parliament, but shall be held within thirty days after the first sitting of Parliament following such general election. 
 
(2) In the case of a vacancy in the office of President occurring by reason of the death, resignation or removal of the President, an election to fill the vacancy shall be held within the period of ninety days after the occurrence of the vacancy.
 
(3) A general election of the members of Parliament shall be held- 
(a) in the case of a dissolution by reason of the expiration of its term, within the period of ninety days preceding such dissolution ; and 
(b) in the case of a dissolution otherwise than by reason of such expiration, within ninety days after such dissolution: 
Provided that the persons elected at a general election under sub-clause (a) shall not assume office as members of Parliament except after the expiration of the term referred to therein.
 
(4) An election to fill the seat of a member of Parliament which falls vacant otherwise than by reason of the dissolution of Parliament shall be held within ninety days of the occurrence of the vacancy: 
Provided that in a case where, in the opinion of the Chief Election Commissioner, it is not possible, for reasons of an act of God, to hold such election within the period specified in this clause, such election shall be held within ninety days following next after the last day of such period.
২৬.
কোন বিলে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক সম্মতি দেবার সময়সীমা কতদিন?
  1. ৩০ দিন
  2. ৯০ দিন
  3. ১৫ দিন
  4. ৪০ দিন
সঠিক উত্তর:
১৫ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫ দিন
ব্যাখ্যা
• সংবিধানের ৮০ নং অনুচ্ছেদে আইন প্রণয়ন পদ্ধতি সম্পর্কে বর্ণনা করা হয়েছে।

এই অনুচ্ছেদ অনুসারে সংসদে আনীত প্রস্তাব বা আইনের খসড়া বিল নামে পরিচিত। সংসদ কর্তৃক বিলটি গৃহীত হলে তা রাষ্ট্রপতির নিকট স্বাক্ষরের জন্যে প্রেরণ করা হয়। রাষ্ট্রপতিকে ১৫ দিনের মধ্যে বিলে স্বাক্ষর করতে হয় কিংবা এটি পুনর্বিবেচনার জন্যে সংসদে প্রেরণ করতে হয়। এই সময়সীমার মধ্যে রাষ্ট্রপতি তা করতে ব্যর্থ হলে তিনি বিলে সম্মতি প্রদান করেছেন বলে ধরে নেওয়া হয়।

রাষ্ট্রপতি কোন বিল পুনর্বিবেচনার জন্যে সংসদে প্রেরণ করলে তা পুনরায় রাষ্ট্রপতির নিকট সম্মতির জন্যে প্রেরিত হলে তাতে রাষ্ট্রপতি ৭ দিনের মধ্যে স্বাক্ষর করতে হয়। অন্যথায় তিনি স্বাক্ষর বা সম্মতি প্রদান করেছেন বলে ধরে নেওয়া হয়। রাষ্ট্রপতির সম্মতির পর উক্ত বিল আইনে পরিণত হয়।

অনুচ্ছেদ ৮০- আইন প্রণয়ন পদ্ধতি:

(১) আইনপ্রণয়নের উদ্দেশ্যে সংসদে আনীত প্রত্যেকটি প্রস্তাব বিল আকারে উত্থাপিত হইবে।

(২) সংসদ কর্তৃক কোন বিল গৃহীত হইলে সম্মতির জন্য তাহা রাষ্ট্রপতির নিকট পেশ করিতে হইবে।

(৩) রাষ্ট্রপতির নিকট কোন বিল পেশ করিবার পর পনের দিনের মধ্যে তিনি তাহাতে সম্মতি দান করিবেন কিংবা অর্থবিল ব্যতীত অন্য কোন বিলের ক্ষেত্রে বিলটি বা তাহার কোন বিশেষ বিধান পুনর্বিবেচনার কিংবা রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নির্দেশিত কোন সংশোধনী বিবেচনার অনুরোধ জ্ঞাপন করিয়া একটি বার্তাসহ তিনি বিলটি সংসদে ফেরত দিতে পারিবেন; এবং রাষ্ট্রপতি তাহা করিতে অসমর্থ হইলে উক্ত মেয়াদের অবসানে তিনি বিলটিতে সম্মতিদান করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে।

(৪) রাষ্ট্রপতি যদি বিলটি অনুরূপভাবে সংসদে ফেরত পাঠান, তাহা হইলে সংসদ রাষ্টপতির বার্তাসহ তাহা পুনর্বিবেচনা করিবেন; এবং সংশোধনীসহ বা সংশোধনী ব্যতিরেকে সংসদ পুনরায় বিলটি গ্রহণ করিলে সম্মতির জন্য তাহা রাষ্ট্রপতির নিকট উপস্থাপিত হইবে এবং অনুরূপ উপস্থাপনের সাত দিনের মধ্যে তিনি বিলটিতে সম্মতিদান করিবেন; এবং রাষ্ট্রপতি তাহা করিতে অসমর্থ হইলে উক্ত মেয়াদের অবসানে তিনি বিলটিতে সম্মতিদান করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে।

(৫) সংসদ কর্তৃক গৃহীত বিলটিতে রাষ্ট্রপতি সম্মতিদান করিলে বা তিনি সম্মতিদান করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইলে তাহা আইনে পরিণত হইবে এবং সংসদের আইন বলিয়া অভিহিত হইবে।
২৭.
কোনটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান?
  1. আইন কমিশন
  2. দুর্নীতি দমন কমিশন
  3. নির্বাচন কমিশন
  4. জুডিসিয়াল সার্ভিস কমিশন
সঠিক উত্তর:
নির্বাচন কমিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নির্বাচন কমিশন
ব্যাখ্যা
সংবিধানিক প্রতিষ্ঠান:
⇨ যেসব প্রতিষ্ঠান সংবিধানের সুস্পষ্ট বিধি মোতাবেক প্রতিষ্ঠিত ও পরিচালিত হয় তাকে সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান বলে।

এরূপ চারটি প্রতিষ্ঠান হল -
- বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন ( অনুচ্ছেদ ১১৮);
- বাংলাদেশ সরকারি কর্মকমিশন;
- মহা হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়;
- জাতীয় সংসদ;
- এটর্নি জেনারেলের কার্যালয় প্রভৃতি।
২৮.
বিচার বিভাগীয় দায়িত্ব পালনকারী ম্যাজিস্ট্রেট পদে নিয়োগদান করেন-
  1. প্রধানমন্ত্রী
  2. বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি
  3. বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি
  4. জুডিসিয়াল সার্ভিস কমিশনের চেয়ারম্যান
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের সংবিধানের ১১৫ অনুচ্ছেদের বিধান: অধস্তন আদালতে নিয়োগ:

বিচারবিভাগীয় পদে বা বিচার বিভাগীয় দায়িত্বপালনকারী ম্যাজিস্ট্রেট পদে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক উক্ত উদেশ্যে প্রণীত বিধিসমূহ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি নিয়োগদান করিবেন।

Article 115- Appointments to subordinate courts:
Appointments of persons to offices in the judicial service or as magistrates exercising judicial functions shall be made by the President in accordance with rules made by him in that behalf.
২৯.
একজন হানাফী মুসলিম তার মোট সম্পত্তির সর্বোচ্চ কত অংশ হেবা করতে পারে?
  1. (১/৩) অংশ
  2. (১/২) অংশ
  3. (২/৩) অংশ
  4. সম্পূর্ণ অংশ
সঠিক উত্তর:
সম্পূর্ণ অংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্পূর্ণ অংশ
ব্যাখ্যা
• দান হলো এমন একটি চুক্তি যার মাধ্যমে এক ব্যক্তি কর্তৃক অপর ব্যক্তিকে কোনো প্রকার মূল্য বা প্রতিদান ছাড়া সম্পত্তির তাৎক্ষণিক হস্তান্তর করা হয় যা অপর ব্যক্তি বা তার পক্ষে কেউ গ্রহণ। করে। দান আরবি ভাষায় 'হেবা' নামে পরিচিত। প্রত্যেক সুস্থ সাবালক মুসলিম দান করতে পারে।

একটি দানের আবশ্যিক উপাদানগুলো হলো-
ক. Offer (প্রস্তাব);
খ. Acceptance (গ্রহণ);
গ. Delivery of possession (সম্পত্তির দখল অর্পণ)।

তবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে সম্পত্তির প্রকৃত দখল অর্পণ প্রয়োজনীয় না। দানের ক্ষেত্রে দুটি পক্ষ থাকে। একটা হলো Donor বা দাতা অর্থাৎ যে দান করে, অপরপক্ষ হলো উড়হবব বা গ্রহীতা অর্থাৎ যার বরাবর দান করা হয়।

সমস্ত সম্পত্তি দান (হেবা) করা যায় এবং দান হস্তান্তর করার সাথে সাথেই কার্যকর হয়।
৩০.
হিন্দু আইনে অনুমোদিত বিবাহ কত প্রকার?
  1. ৩ প্রকার
  2. ৪ প্রকার
  3. ২ প্রকার
  4. ৫ প্রকার
সঠিক উত্তর:
৪ প্রকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪ প্রকার
ব্যাখ্যা
দায়ভাগ ও মিতাক্ষরা অনুসারে হিন্দুদের মধ্যে আট প্রকার বিবাহ প্রচলিত ছিল, যার প্রথম চারটি সামাজিকভাবে অনুমোদিত এবং অবশিষ্ট চারটি অননুমোদিত। আট প্রকার বিবাহ হলো:

অনুমোদিত ৪ প্রকার:

ব্রাহ্ম: সর্বোত্তম পদ্ধতি, যাতে অলঙ্কারে সজ্জিতা কন্যাকে শিক্ষিত ও চরিত্রবান বরের হাতে তুলে দেয়া হতো; এক্ষেত্রে বরের নিকট থেকে কোন পণ নেয়া হতো না;
দৈব: এ ধরনের বিবাহে যজ্ঞ সম্পাদনকারী পুরোহিতের নিকট কন্যা সম্প্রদান করা হতো;
আর্য: এ বিবাহে কনের পিতা বরের নিকট থেকে এক বা দুই জোড়া গাভী গ্রহণ করতেন;
প্রজাপত্য: এ বিবাহে কনের পিতা বরের নিকট থেকে কোন পণ গ্রহণ ছাড়াই কন্যা দান করতেন এবং তাদের আশীর্বাদ করতেন যাতে তারা পারস্পরিক বিশ্বাস ও সুখের সঙ্গে দাম্পত্য জীবন যাপন করতে পারে।
 
অননুমোদিত ৪ প্রকার:

অসুর: এ বিবাহে বর পিতা অথবা অভিভাবকের নিকট থেকে মূল্য দিয়ে কনেকে ক্রয় করত;
রাক্ষস: এ বিবাহে কন্যার আত্মীয়দের প্রহার করে রোরুদ্যমান কন্যাকে তুলে নেয়া হতো;
গন্ধর্ব: বর ও কনের পরস্পরের পরিচয় ও সম্মতিতে এ বিবাহ অনুষ্ঠিত হতো;
পৈশাচ: নিকৃষ্টতম বিবাহ; এতে কন্যার প্রেমিক (কন্যার সম্মতি ব্যতিরেকে) নিদ্রিত অবস্থায় অথবা মদোম্মত্ত বা উম্মত্ত কন্যার সঙ্গে সঙ্গত হতো।
৩১.
"আ মরি বাংলা ভাষা”- এ চরণে 'আ' দ্বারা কী প্রকাশ পেয়েছে?
  1. আগ্রাবাদ
  2. আবেগ
  3. আনন্দ
  4. আনুগত্য
সঠিক উত্তর:
আনন্দ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আনন্দ
ব্যাখ্যা
'মোদের গরব, মোদের আশা, আ-মরি বাংলা ভাষা!' - এ চরণে 'আ' দ্বারা আনন্দ প্রকাশ পেয়েছে।

• 'মোদের গরব, মোদের আশা, আ-মরি বাংলা ভাষা!' - এটি অতুলপ্রসাদ সেন রচিত জনপ্রিয় দেশাত্ববোধক গান।
- তাঁর এই গানটি ষাটের দশকে পূর্ব বাংলায় বাঙালি জাতীয়তাবাদী আন্দোলনকারীদের মনে উদ্দীপনার সঞ্চার করেছিল।
- অনেক আন্দোলন, ত্যাগ, তিতিক্ষার মাধ্যমে প্রাপ্ত আমাদের মাতৃভাষা 'বাংলা', যার মাধ্যমে আমরা আবেগ, ভালোবাসা ইত্যাদি প্রকাশ করে আনন্দ পাই, এই ভাবই এই গানে প্রকাশ পেয়েছে।

তাছাড়া, 'আ' (অব্যয়) বিভিন্ন বাক্যে বিভিন্ন অর্থে ব্যবহৃত হয়:

• আনন্দ প্রকাশে-  আ মরি বাংলা ভাষা!
• সুখবোধে - আ কি আরাম!
• বিদ্রূপে - আ মরণ আর কী!
• প্রশংসায় - আ মরি! আ মরি! কী শোভা!
• স্বস্তিতে - আ! বাঁচা গেল
• স্মরণে - আ, তাই বটে!

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
৩২.
'সুন্দর হে, দাও দাও সুন্দর জীবন হউক দূর অকল্যাণ সকল অশোভন'-
চরণ দু'টি কার লেখা?
  1. কাজী নজরুল ইসলাম
  2. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  3. শেখ ফজলুল করিম
  4. গোলাম মোস্তফা
সঠিক উত্তর:
কাজী নজরুল ইসলাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কাজী নজরুল ইসলাম
ব্যাখ্যা
সুন্দর হে, দাও দাও সুন্দর জীবন।
হউক দূর অকল্যাণ সকল অশোভন।- চরণদ্বয় কাজী নজরুল ইসলাম রচিত সুন্দর হে, দাও দাও সুন্দর জীবন কবিতার।
- কবিতাটি কাজী নজরুল ইসলাম রচিত 'চন্দ্রবিন্দু' কাব্যের অন্তর্গত।

সুন্দর হে, দাও দাও সুন্দর জীবন
– কাজী নজরুল ইসলাম

সুন্দর হে, দাও দাও সুন্দর জীবন।
হউক দূর অকল্যাণ সকল অশোভন।
এ প্রাণ প্রভাতি-তারার প্রায়
ফুটুক উদয়-গগন-গায়,
দুঃখ-নিশায় আনো পূর্ণ চাঁদের স্বপন॥

[উল্লেখ্য, কিছু গাইড বইয়ে এই প্রশ্নের উত্তর হিসেবে শেখ ফজলল করিম দেয়া আছে, যা ভুল।]
===================
কাজী নজরুল ইসলাম:
- কাজী নজরুল ইসলাম ১১ই জ্যৈষ্ঠ ১৩০৬ সালে ভারতের আসানসোল মহকুমার চুরুলিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- ছেলেবেলায় তিনি লেটো গানের দলে যোগ দেন।
- পরে বর্ধমান ও ময়মনসিংহের ত্রিশাল থানার দরিরামপুর হাই স্কুলে লেখাপড়া করেন।
- ১৯১৭ সালে তিনি সেনাবাহিনীর বাঙালি পল্টনে যোগ দিয়ে করাচি যান। 
- তাঁকে ‘বিদ্রোহী কবি' বলা হয়।
- মাত্র চল্লিশ বছর বয়সে কবি দুরারোগ্য রোগে আক্রান্ত হয়ে বাকশক্তি হারিয়ে ফেলেন।
- বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার পর অসুস্থ কবিকে ঢাকায় আনা হয় এবং পরে তাঁকে বাংলাদেশের নাগরিকত্ব প্রদান করা হয়।
- তাঁকে স্বাধীন বাংলাদেশের জাতীয় কবির মর্যাদায় ভূষিত করা হয়।

তাঁর রচিত কাব্যগুলোর মধ্যে রয়েছে:
- অগ্নিবীণা,
- বিষের বাঁশি,
- ছায়ানট,
- প্রলয়শিখা,
- চক্রবাক,
- সিন্ধুহিন্দোল।

কাজী নজরুল ইসলাম এর উপন্যাস:
- বাঁধন-হারা,
- মৃত্যুক্ষুধা, 
- কুহেলিকা।
 
তাঁর উল্লেখযোগ্য প্রবন্ধগ্রন্থ:
- যুগবাণী,
- দুর্দিনের যাত্রী ও
- রাজবন্দীর জবানবন্দী।

- ২৯শে আগস্ট ১৯৭৬ সালে কবি ঢাকার পি.জি. হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে মসজিদ-সংলগ্ন প্রাঙ্গণে তাঁকে পরিপূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় সমাহিত করা হয়। 

সূত্র: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস- মাহবুবুল আলম, বাংলা সাহিত্য - ৯ম-১০ম শ্রেণি।
৩৩.
'তাঁর চুল পেকেছে কিন্তু বুদ্ধি পাকেনি।'- এটা কোন ধরনের বাক্য?
  1. যৌগিক বাক্য
  2. মিশ্র বাক্য
  3. সরল বাক্য
  4. জটিল বাক্য
সঠিক উত্তর:
যৌগিক বাক্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যৌগিক বাক্য
ব্যাখ্যা
'তাঁর চুল পেকেছে কিন্তু বুদ্ধি পাকেনি'- এটি যৌগিক বাক্য।

যৌগিক বাক্য: 
- দুই বা ততোধিক স্বাধীন বাক্য যখন যোজকের মাধ্যমে যুক্ত হয়ে একটি বাক্যে পরিণত হয়, তখন তাকে যৌগিক বাক্য বলে।
- এবং,  ও, আর, অথবা, বা, কিংবা, কিন্তু, অথচ, সেজন্য, ফলে ইত্যাদি যোজক যৌগিক বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে থাকে।
- কমা(, ), সেমিকোলন(ঃ), কোলন( ; ), ড্যাশ( -) ইত্যাদি যতিচিহ্নও যোজকের কাজ করে।

যেমন,
- লােকটি অশিক্ষিত, কিন্তু অভদ্র নয়।
- তুমি চেষ্টা করোনি, তাই ব্যর্থ হয়েছ।
- তাঁর চুল পেকেছে, কিন্তু বুদ্ধি পাকেনি। - বাক্যটি ‘কিন্তু’ যোজকযোগে গঠিত যৌগিক বাক্য।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ নির্মিত, নবম-দশম শ্রেণি, সংস্করণ ২০২২।
৩৪.
'বিশ শতকের মেয়ে'- উপন্যাসটির রচয়িতা কে?
  1. ড. নীলিমা ইব্রাহিম
  2. বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
  3. সেলিনা হোসেন
  4. নূরজাহান বেগম
সঠিক উত্তর:
ড. নীলিমা ইব্রাহিম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ড. নীলিমা ইব্রাহিম
ব্যাখ্যা
'বিশ শতকের মেয়ে' উপন্যাসটির রচয়িতা- নীলিমা ইব্রাহিম। 

নীলিমা ইব্রাহিম 
- নীলিমা ইব্রাহিমের ১৯২১ সালে বাগেরহাট জেলার ফকিরহাট উপজেলায় জন্মগ্রহণ করেন।  
- তিনি মূলত শিক্ষাবিদ হিসেবে পরিচিত। 
- তিনি বেশকিছু উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ ও প্রবন্ধ রচনা করেছেন।
-  বহু জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সমাজকল্যাণ ও নারী-উন্নয়সংস্থা এবং বুদ্ধিবৃত্তিক সংগঠনের সঙ্গে যু্ক্ত ছিলেন 

তাঁর উল্লেখযোগ্য উপন্যাস:
- বিশ শতকের মেয়ে;
- এক পথ দুই বাঁক;
- কেয়াবন সঞ্চারিণী; 
- বহ্নিবলয়। 

তাঁর রচিত নাটক: 
- দুয়ে দুয়ে চার;
- যে অরণ্যে আলো নেই;
- রোদ জ্বলা বিকেল;
- সূর্যাস্তের পর।

কথানাট্য
- আমি বীরাঙ্গনা বলছি (২ খন্ড)।

ছোটগল্প
- রমনা পার্কে।

আত্মজীবনী
- বিন্দু-বিসর্গ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
৩৫.
'স্থাবর' শব্দের সঠিক বিপরীত শব্দ কোনটি?
  1. জঙ্গণ
  2. স্থাবরহীন
  3. জঙ্গম
  4. স্থাবরবিহীন
সঠিক উত্তর:
জঙ্গম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জঙ্গম
ব্যাখ্যা
'স্থাবর' শব্দের বিপরীত শব্দ হলো = জঙ্গম, অস্থাবর।

নিম্নে কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিপরীত শব্দ দেওয়া হলো:

• ‘আকুঞ্চন’ শব্দের বিপরীত শব্দ হলো = প্রসারণ।
• ‘বিরত’ শব্দের বিপরীত শব্দ হলো = নিরত।
• ‘কৃতজ্ঞ’ শব্দের বিপরীত শব্দ হলো = অকৃতজ্ঞ, কৃতঘ্ন।
• ‘আবিল’ শব্দের বিপরীত শব্দ হলো = অনাবিল।

উৎস: বাংলা দ্বিতীয় পত্র, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৮ সংস্করণ)।
৩৬.
কোন যতিচিহ্ন বাক্যের মধ্যকার বিরতিকাল নির্দেশ করে?
  1. হাইফেন
  2. লোপ
  3. সেমিকোলন
  4. বন্ধনী
সঠিক উত্তর:
সেমিকোলন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সেমিকোলন
ব্যাখ্যা
বাক্যের মধ্যকার বিরতিকাল নির্দেশ করে- সেমিকোলন।

যতিচিহ্ন:
- মুখের কথা লিখিত রূপ দেওয়ার সময় কম-বেশি থামা বোঝাতে যতিচিহ্ন ব্যবহৃত হয়।
- বক্তব্যকে স্পষ্ট করতেও যতিচিহ্ন ব্যবহৃত হয়।
- যতিচিহ্নকে বিরামচিহ্ন বা বিরতি চিহ্নও বলা হয়।

সেমিকোলন:
সেমিকোলনের স্থানে কমার চেয়ে বেশি কিন্তু দাড়িঁর চেয়ে কম থামতে হয়। বাক্যের ভেতরে শুধু থামার জন্য কমা-সেমিকোলন ব্যবহার করা হয় না। অর্থ প্রকাশেও কমা ও সেমিকোলন ভূমিকা পালন করে। যেমন:

সেমিকোলনের ব্যবহার:
- একাধিক স্বাধীন বাক্যকে একটি স্বাধীন বাক্যে লিখতে সেগুলোর মাঝে সেমিকোলন বসে।
- কমা’র বারংবার ব্যবহারের পর কিন্তু দাঁড়ির আগে সেমিকোলন বসে।
- কমা অপেক্ষা অধিক বিরতির প্রয়োজন হলে সেমিকোলন বসে।
- কোনো তালিকায় বিদ্যমান একাধিক ব্যক্তির নাম ও পদের তালিকা অনুধাবনের সুবিধার্থে সেমিকোলন ব্যবহার করা হয়।
যেমন: গঠিত কমিটিতে সভাপতি, মোহাম্মদ আমজাদ; সহ-সভাপতি, নুর উদ্দীন; সাধারণ সম্পাদক, হামেদ আলি প্রমুখ।
- আইনের কোনো ধারায় এক বা একাধিক উপধারা কিংবা শর্ত থাকলে তা পৃথককরণের জন্য সেমিকোলন ব্যবহার করা হয়।
যেমন- ধরা যাক, সংবিধানের ৩৬ নং ধারা নিম্নোক্ত উপধারা (১) বয়স ১৮ বছর হতে হবে; (২) প্রকৃতিস্থ হতে হবে।

অন্যদিকে: 
হাইফেন:
- বাক্যের মধ্যকার একাধিক পদকে সংযুক্ত করতে হাইফেন ব্যবহৃত হয়।
যেমন:
- মা-বাবার কাছে সন্তানের গৌরব সবচেয়ে বড় গৌরব।
- জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকলকে নিয়েই গড়ে উঠেছে এই ক্লাব।

বন্ধনী:
- অতিরিক্ত তথ্য উপস্থাপন ও কালনির্দেশের ক্ষেত্রে বন্ধনীর ব্যবহার হয়।
- বন্ধনী তিন প্রকার:
১) প্রথম বন্ধনী ( ),
২) দ্বিতীয় বন্ধনী { },
৩) তৃতীয় বন্ধনী  [ ]।

ইলেক বা লোপ চিহ্ন:
- বাক্যে এক বা একাধিক বর্ণকে বর্জন করা হলে, তা প্রকাশের জন্য বর্জিত স্থানে ইংরেজি ভাষায় অ্যাপস্ট্রফি বলে পরিচিত ( ' ) লোপচিহ্নটি ব্যবহৃত হয়।
- বাংলায় একে 'উর্ধ্বকমা' বলা হয়।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি  (২০১৯ সংস্করণ)।
৩৭.
ইংরেজি 'prefix' শব্দকে বাংলায় কি বলে?
  1. অনুসর্গ
  2. কারক
  3. সমাস
  4. উপসর্গ
সঠিক উত্তর:
উপসর্গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপসর্গ
ব্যাখ্যা
ইংরেজি 'Prefix' শব্দকে বাংলায় উপসর্গ বলা হয়।

উপসর্গ (Prefix):
- বাংলা ভাষায় এমন কতগুলো অব্যয়সূচক শব্দাংশ রয়েছে, যা স্বাধীন পদ হিসেবে বাক্যে ব্যবহৃত হতে পারে না।
- এগুলো অন্য শব্দের আগে বসে।
- এর প্রভাবে নতুন অর্থবোধক শব্দ তৈরি হয় এবং শব্দের অর্থের পূর্ণতা সাধিত হয় কিংবা শব্দের অর্থের সম্প্রসারণ অথবা সংকোচন ঘটে। 
- ভাষায় ব্যবহৃত এসব শব্দখণ্ড বা শব্দাংশের নাম উপসর্গ।
যেমন - 
→ 'পূর্ণ' (ভরা) শব্দের আগে 'পরি' যোগ করায় 'পরিপূর্ণ' হলো। এটি পূর্ণ শব্দের সম্প্রসারিত রূপ (অর্থে ও আকৃতিতে)।
→ 'হার' শব্দের পূর্বে 'আ' যুক্ত করে 'আহার' (খাওয়া), 'প্র' যুক্ত করে 'প্রহার' (মারা), 'বি' যুক্ত করে 'বিহার' (ভ্রমণ), 'পরি' যোগ করে 'পরিহার' (ত্যাগ), 'উপ' যোগ করে 'উপহার' (পুরস্কার), 'সম' যোগ করে 'সংহার' (বিনাশ) ইত্যাদি বিভিন্ন অর্থে বিভিন্ন শব্দ তৈরি হয়েছে।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
৩৮.
বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত বিদেশি উপসর্গ কতগুলো?
  1. ১৯টি
  2. ২০টি
  3. ২১টি
  4. অনির্ণেয়
সঠিক উত্তর:
অনির্ণেয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনির্ণেয়
ব্যাখ্যা
বিদেশি উপসর্গ:
- আরবি, ফারসি, ইংরেজি, হিন্দি - এসব ভাষার বহু শব্দ দীর্ঘকাল ধরে বাংলা ভাষায় প্রচলিত রয়েছে।
- এ সঙ্গে কতগুলো বিদেশি উপসর্গও বাংলায় চালু রয়েছে।

অর্থাৎ, বিদেশি উপসর্গ অনির্দিষ্ট বা অনির্ণেয়।

• কয়েকটি বিদেশি উপসর্গের উদাহরণ:
- আরবি উপসর্গ: আম্‌, খাস, লা, গর্।
- ফারসি উপসর্গ: কার্‌, দর্‌, না, নিম্‌, ফি, বদ্‌, বে, বর্‌, ব্‌, কম্‌।
- উর্দু-হিন্দি উপসর্গ: হর।
- ইংরেজি উপসর্গ: ফুল, হাফ, হেড, সাব।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
৩৯.
'বই-টই নিয়ে পড়তে বসো।' এখানে 'বই-টই' কী?
  1. যথাদ্বিরুক্ত
  2. অনুচর দ্বিরুক্ত
  3. সমার্থক দ্বিরুক্ত
  4. বিপরীতার্থক দ্বিরুক্ত
সঠিক উত্তর:
অনুচর দ্বিরুক্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচর দ্বিরুক্ত
ব্যাখ্যা
দ্বিরুক্ত শব্দ: 
- দ্বিরুক্ত অর্থ দুবার উক্ত হয়েছে এমন।
- বাংলা ভাষায় কোনো কোনো শব্দ, পদ বা অনুকার শব্দ, একবার ব্যবহার করলে যে অর্থ প্রকাশ করে, সেগুলো দুইবার ব্যবহার করলে অন্য কোনো সম্প্রসারিত অর্থ প্রকাশ করে।
- দ্বিরুক্ত শব্দ ব্যবহারের দিক দিয়ে কয়েক প্রকার। তার মধ্যে অন্যতম হলো: অনুচর দ্বিরুক্ত।

অনুচর দ্বিরুক্ত:
প্রথম শব্দের অর্থ যথাযথ থাকলেও দ্বিতীয় শব্দটির অর্থ যথার্থ থাকে না এবং প্রথম শব্দের অনুসরণে দ্বিতীয় শব্দ আংশিক পরিবর্তন হয়ে অনুচর দ্বিরুক্ত/যুগ্মরীতি গঠিত হয়। যেমন: বই-টই, মিট-মাট, কানা-কানি, বকা- ঝকা, ফিট-ফাট, রাতা-রাতি, ছট-ফট।

আলোচ্য প্রশ্নে 'বই-টই নিয়ে পড়তে বসো' এই বাক্যে প্রথম শব্দ 'বই' -এর অনুসরণে ২য় শব্দ 'টই' গঠিত হয়েছে "বই"-এর যথাযথ অর্থ আছে; কিন্তু 'টই'-এর কোনো অর্থ নেই।
৪০.
'Nothing succeeds like success' এর বঙ্গানুবাদ হলো-
  1. চোর পালালে বুদ্ধি বাড়ে
  2. চাঁদের কলঙ্ক আছে
  3. জলেই জল বাঁধে
  4. জীবন থাকলেই আশ থাকবে
সঠিক উত্তর:
জলেই জল বাঁধে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জলেই জল বাঁধে
ব্যাখ্যা
Nothing succeeds like success.

- এটি একটি প্রবাদ বাক্য।
- এর বাংলা অর্থ: জলেই জল বাঁধে।

অন্যান্য কিছু প্রবাদ:

• After death comes the doctor.
- চোর পালালে বুদ্ধি বাড়ে।

• There are less to every wine.
- চাঁদেরও কলঙ্ক আছে।

• While there is life, there is hope.
- জীবন থাকলেই আশ থাকবে। / যতক্ষণ শ্বাস, ততক্ষণ আশ।
৪১.
মধ্যযুগের মহিলা কবি চন্দ্রাবতী নিম্নের কোনটি রচনা করেন?
  1. মহাভারত
  2. ভাগবত
  3. গীতা
  4. রামায়ণ
সঠিক উত্তর:
রামায়ণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রামায়ণ
ব্যাখ্যা
চন্দ্রাবতী রামায়ণের প্রথম মহিলা অনুবাদক।

- মহিলা রামায়ণকার বলা হয় চন্দ্রাবতীকে।
- চন্দ্রাবতী মধ্যযুগের তিনজন মহিলা কবির একজন। অপর দুইজন চণ্ডীদাসের অনুরাগী রামী ও চৈতন্যের কৃপাপাত্রী মাধবী।
- চন্দ্রাবতী ১৫৫০ খ্রিষ্টাব্দে ময়মনসিংহের কিশোরগঞ্জের পাতোয়ারি গ্রামে জন্ম গ্রহণ করেন।
- চন্দ্রাবতী ছিলেন মনসামঙ্গলের অন্যতম কবি দ্বিজ বংশীদাসের কন্যা।
- লৌকিক, মানবিক ও কিছু মৌলিক উপাদান সংযোগের ফলে তাঁর রচিত রামায়ণ বিশেষ মর্যাদা লাভ করেছিল।
- চন্দ্রাবতীর রচিত কাব্যগুলো হলো মালুয়া, দস্যু কেনারামের পালা, রামায়ণ ইত্যাদি।

 উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
৪২.
নজরুলের 'বিদ্রোহী' কবিতা প্রথম কোন পত্রিকায় প্রকাশ পায়?
  1. মোসলেম ভারত
  2. বিজলী
  3. দৈনিক নবযুগ
  4. ধূমকেতু
সঠিক উত্তর:
বিজলী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিজলী
ব্যাখ্যা
কাজী নজরুল ইসলামের 'বিদ্রোহী' কবিতাটি প্রথম- 'সাপ্তাহিক বিজলী' পত্রিকায় প্রকাশিত হয়।  

'বিদ্রোহী' কবিতা
- বিদ্রোহী কবিতাটি কাজী নজরুল ইসলামের অগ্নিবীণা কাব্যগ্রন্থের দ্বিতীয় কবিতা।
-  ‘বিদ্রোহী' কবিতা ২২ পৌষ,১৩২৮ (১৯২২ সালের ৬ জানুয়ারি) সাপ্তাহিক ‘বিজলী’ পত্রিকায় কবিতাটি প্রকাশিত হয়।
- নজরুল দ্রোহ-ভাবাপন্ন আরোও কবিতা লিখলেও শুধু এক 'বিদ্রোহী' কবিতার জন্যই তিনি বাঙালির চিরকালের বিদ্রোহী কবি।
- এর মূলে রয়েছে - বিদ্রোহ ও বিপ্লবের আবেগ।

- কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ 'অগ্নিবীণা'।
- এই কাব্যগ্রন্থটি তিনি বিপ্লবী বারীন্দ্রকুমার ঘোষকে উৎসর্গ করেন।
- এতে মোট ১২টি কবিতা রয়েছে।

'অগ্নিবীণা' কাব্যের কবিতা গুলো হলো:
- প্রলয়োল্লাস (প্রথম কবিতা), 
- বিদ্রোহী,
- রক্তাম্বরধারিণী মা,
- আগমনী,
- ধুমকেতু,
- কামালপাশা,
- আনোয়ার,
- রণভেরী,
- শাত-ইল-আরব,
- খেয়াপারের তরণী,
- কোরবানী এবং
- মোহররম।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর; বিদ্রোহী কবিতা, বাংলাপিডিয়া। 
৪৩.
'আমাদের দেশে হবে সেই ছেলে কবে, কথায় না বড় হয়ে কাজে বড় হবে।"-
  1. কামিনী রায়
  2. সুফিয়া কামাল
  3. কুসুমকুমারী দাস
  4. স্বর্ণকুমারী দেবী
সঠিক উত্তর:
কুসুমকুমারী দাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুসুমকুমারী দাস
ব্যাখ্যা
• আমাদের দেশে হবে সেই ছেলে কবে,
কথায় না বড় হয়ে কাজে বড় হবে।" - এই বিখ্যাত চরণ দু'টির রচয়িতা কুসুমকুমারী দাশ।

• কুসুমকুমারী দাশ ১৮৮২ সালে বরিশালে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি বিখ্যাত কবি জীবনানন্দ দাশের মাতা। 
- কুসুমকুমারী দাশ শিশুদের জন্য রচনা করেন 'কবিতা-মুকুল।
- তাঁর গদ্যগ্রন্থের নাম - পৌরাণিক আখ্যায়িকা।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
৪৪.
'আমরা হিন্দু বা মুসলমান যেমন সত্য, তার চেয়ে বেশি সত্য আমরা বাঙালি।'-
  1. ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
  2. মুহম্মদ আবদুল হাই
  3. আনোয়ার পাশা
  4. মুনীর চৌধুরী
সঠিক উত্তর:
ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
ব্যাখ্যা
"আমরা হিন্দু বা মুসলমান যেমন সত্য, তার চেয়ে বেশি সত্য আমরা বাঙালি" - উক্তিটি করেছিলেন মুহম্মদ শহীদুল্লাহ।

 ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ:
- ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্ (১৮৮৫-১৯৬৯) ভারতীয় উপমহাদেশের একজন স্মরণীয় বাঙালি ব্যক্তিত্ব, বহুভাষাবিদ, বিশিষ্ট শিক্ষক ও দার্শনিক ছিলেন।
- তিনি 'জ্ঞানতাপস' হিসেবে অধিক পরিচিত। তাঁকে 'চলিষ্ণু অভিধান' বলা হয়।
- ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপট জাতিসত্তা সম্পর্কে ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহর বিখ্যাত উক্তি-
''আমরা হিন্দু বা মুসলমান যেমন সত্য, তার চেয়ে বেশি সত্য আমরা বাঙালি।''

তাঁর সম্পাদিত পত্রিকা:
- আল এসলাম  (১৯১৫)
- বঙ্গীয় মুসলমান সাহিত্য পত্রিকা (১৯১৮-২১)
- বাংলার প্রথম শিশুপত্রিকা আঙুর (১৯২০
- ইংরেজি মাসিক পত্রিকা দি পীস (১৯২৩),
- বাংলা মাসিক সাহিত্য পত্রিকা বঙ্গভূমি (১৯৩৭) এবং
- পাক্ষিক তকবীর (১৯৪৭)।

তাঁর উল্লেখযোগ্য গ্রন্থগুলি হলো:
- সিন্দবাদ সওদাগরের গল্প (১৯২২),
- ভাষা ও সাহিত্য (১৯৩১),
- বাঙ্গালা ব্যাকরণ (১৯৩৬),
- দীওয়ান-ই-হাফিজ (১৯৩৮),
- শিকওয়াহ ও জওয়াব-ই-শিকওয়াহ (১৯৪২),
- রুবাইয়াত-ই-উমর খয়্যাম (১৯৪২),
- বাংলা আদব কী তারিখ (১৯৫৭),
- বাঙ্গালা ভাষার ইতিবৃত্ত (১৯৫৯) ইত্যাদি।

- তাঁর সম্পাদিত আঞ্চলিক ভাষার অভিধান এক বিশেষ কীর্তি।
- মুহম্মদ আবদুল হাই -এর সঙ্গে তাঁর যুগ্ম-সম্পাদনায় রচিত Traditional Culture in East Pakistan (১৯৬১) একখানা উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ।
- তাঁর Buddhist Mystic Songs (১৯৬০) গ্রন্থটি চর্যাপদের অনুবাদ ও সম্পাদনা কর্ম।

উৎস: বাংলাদেশে ও বিশ্ব পরিচয়, ৭ম শ্রেণি এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
৪৫.
'ঊনকোটি চৌষট্টি' এ বাগধারার অর্থ হলো-
  1. অপদার্থ
  2. পাগলামি
  3. অপব্যয়ী
  4. প্রায় সম্পূর্ণ
সঠিক উত্তর:
প্রায় সম্পূর্ণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রায় সম্পূর্ণ
ব্যাখ্যা
• 'ঊনকোটি চৌষট্টি' এই বাগধারার অর্থ = প্রায় সম্পূর্ণ।
উদাহরণ: ঊনকোটি চৌষট্টি আয়োজন করার পর সব স্থগিত করা হল। 

অন্যদিকে,
• 'উড়নচণ্ডী' বাগ্‌ধারাটির অর্থ - উচ্ছৃঙ্খল / অপব্যয়ী / অমিতব্যয়ী।
• 'ঊনপঞ্চাশ বায়ু' বাগ্‌ধারাটির অর্থ - পাগলামি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
৪৬.
Opposite gender of 'lady' is -
  1. baroness
  2. lord
  3. duchess
  4. laddie
সঠিক উত্তর:
lord
উত্তর
সঠিক উত্তর:
lord
ব্যাখ্যা
Lord - সম্ভ্রান্ত ব্যক্তি।
এর feminine gender - Lady (উচ্চবংশীয় স্ত্রীলোক)।

Other options:
Baron হচ্ছে masculine gender এবং এর feminine হচ্ছে Baroness.
Duke হচ্ছে masculine gender এবং এর feminine হচ্ছে duchess.
Laddie হচ্ছে masculine gender এবং এর feminine হচ্ছে Lassie.
৪৭.
She dreams _____ running her own business. Choose the right word to fill in the gap:
  1. in
  2. by
  3. to
  4. of/about
সঠিক উত্তর:
of/about
উত্তর
সঠিক উত্তর:
of/about
ব্যাখ্যা
• She dreams of running her own business.

কোনো কিছু কল্পনা করা বা স্বপ্ন দেখা অর্থে 'dream' শব্দের পরে preposition 'of' / 'about' বসে।

সুতরাং, সঠিক উত্তর হবে- অপশন ঘ।
৪৮.
Phrase 'amicus curiae' mean-
  1. an americus dream
  2. a senior Advocate
  3. a friend of the Court
  4. an arbitrator
সঠিক উত্তর:
a friend of the Court
উত্তর
সঠিক উত্তর:
a friend of the Court
ব্যাখ্যা
Amicus Curiae:

- 'Amicus Curiae' is related to Judiciary.
- Amicus Curiae হল ''friend of the court'' আদালতের বন্ধু।
- যিনি আইন বা বাস্তবতার প্রশ্ন সম্পর্কিত তথ্য বা পরামর্শ প্রদান করে আদালতকে সহায়তা করেন।
- অনেক সময় দেখা যায় বিজ্ঞ আদালত কোন জটিল মামলার রায়ের ব্যাপারে আইন বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে সমস্যায় পড়েন।
- সে ক্ষেত্রে উক্ত বিষয়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য বিজ্ঞ আদালত এক বা একাধীক অভিজ্ঞ এ্যাডভোকেট মহোদয়কে নিয়োগ প্রদান করতে পারেন। উক্ত ব্যক্তিগণ ঐ সমস্যার সমাধান তাদের নিজের অভিজ্ঞতা ও আইনের মাধ্যমে সমাধান করার চেষ্টা করেন অতঃপর তাদের সুচিন্তিত সিদ্ধান্ত বিজ্ঞ আদালতের নিকট অবহিত করেন।

উৎস: ব্রিটানিকা.কম।
৪৯.
Which 'up' is adverb?
  1. Our system should be up by the noon
  2. They live up in the mountains
  3. The up train will come soon
  4. We had our ups and downs of fortune
সঠিক উত্তর:
They live up in the mountains
উত্তর
সঠিক উত্তর:
They live up in the mountains
ব্যাখ্যা
• 'Up' is an adverb, a preposition, and an adjective.

- They live up in the mountains. (এখানে Up শব্দটি ‍adverb. কেননা এটি verb সংঘটিত হওয়ার  location বোঝাচ্ছে)

- Adverb হলো এমন একটি word যা কোনো verb, Adjective বা অন্য কোনো adverb কে বিশেষায়িত করে।
- প্রদত্ত প্রশ্নের অপশনগুলোর মধ্যে খ তে up শব্দটি live verb কে modify করেছে।

অপশনে প্রদত্ত চারটি বাক্যের মধ্যে, 
- Our system should be up by the noon. (এখানে Up ব্যবহৃত হচ্ছে  Adjective হিসেবে)
- The up train will come soon এই বাক্যে up- train(noun) কে modify করেছে। তাই Up এখানে adjective.
- They had their ups and downs of luck. (Ups and downs is an idiom, যার অর্থ: a succession of both good and bad experiences.)

Source: Cambridge Dictionary, Grammar reference.
৫০.
"Do or die" is a-
  1. simple sentence
  2. compound sentence
  3. complex sentence
  4. phrase
সঠিক উত্তর:
compound sentence
উত্তর
সঠিক উত্তর:
compound sentence
ব্যাখ্যা
"Do or die." is a - Compound sentence.
→ Do or die. - এই sentence টিতে 'or' দ্বারা দুটি clause যুক্ত আছে, তাই এটি Compound Sentence.

Compound sentence:  
→ Compound sentence-এ একের অধিক principal clause থাকে, যাদেরকে co-ordinate clause বলা হয়।
→ অর্থাৎ, Compound sentence- এ দুই বা ততোধিক principal clause বা co-ordinate clause থাকে।
→ এছাড়া, Compound sentence এ সাধারণত and, or, but, yet, so, therefore, otherwise, else, both --- and , either --- or, neither — nor, not only --- but also ইত্যাদি coordinating conjunction দ্বারা দুইটি principal clause যুক্ত থাকে।
৫১.
Pick up the antonym of the word 'Jovial'.
  1. jolly
  2. cheery
  3. gloomy
  4. friendly
সঠিক উত্তর:
gloomy
উত্তর
সঠিক উত্তর:
gloomy
ব্যাখ্যা
Jovial (adjective): 

English Meaning- Indicative of or marked by high spirits or good humor.
Bengali Meaning- হাসিখুশি; আমুদে; আনন্দপূর্ণ। 

Synonyms: Gay (লঘুচেতা; হাসিখুশি; উচ্ছল), Jolly (প্রফুল্ল), Merry (উল্লসিত), Festive (উৎসবমুখর), Cheerful (আনন্দদায়ক)। 
Antonyms: Sad (অসুখী), Unhappy (অসুখী), Gloomy (মনমরা), Moody (অস্থির মেজাজের)। 

Other Forms:
- Jovially (adverb)- হাশিখুশিভাবে;
- Joviality (noun)- আনন্দপূর্ণ আচরণ।

Example Sentences: 
1. The audience was in a jovial mood.
2. He's a very jovial man.
৫২.
The correct passive form of "People always remember the patriots." is-
  1. The patriots are always remembered by people
  2. The patriots are always being remembered
  3. People are always remembered by the patriots
  4. The patriots will always be remembered by people
সঠিক উত্তর:
The patriots are always remembered by people
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The patriots are always remembered by people
ব্যাখ্যা
• Active voice কে Passive Voice- এ রূপান্তরের নিয়ম:

- Active Voice এর object টি Passive Voice এর Subject হয়।
- Active Voice এর মূল Verb এর form অনুযায়ী অতিরিক্ত ‘be’ Verb বসে।
- মূল verb এর Past Participle form বসে।
- Active Voice এর subject টি Passive Voice এর Object হয় এবং তার পূর্বে Preposition (By, with, at, to, in) বসে।
- তবে Active Voice এর Subject People হলে, তা Passive Voice এর Object হিসেবে না লিখলেও চলে।

• সে অনুসারে, সঠিক passive form: The patriots are always remembered by people.
৫৩.
What is the verb of the word 'guest'?
  1. guestify
  2. entertain
  3. hospitality
  4. hospitalize
সঠিক উত্তর:
entertain
উত্তর
সঠিক উত্তর:
entertain
ব্যাখ্যা
•'Guest' হচ্ছে একটি noun, যার অর্থ- অতিথি, আগন্তুক।

'Guest' শব্দের verb হিসেবে Entertain শব্দটি ব্যবহৃত হয়।

entertain অর্থ- আপ্যায়ন করা, আতিথ্য প্রদর্শন করা, বিনোদন করা।

সুতরাং, সঠিক উত্তর হচ্ছে- অপশন (খ)।
৫৪.
'azure' means-
  1. red
  2. blue
  3. yellow
  4. black
সঠিক উত্তর:
blue
উত্তর
সঠিক উত্তর:
blue
ব্যাখ্যা
• 'Azure' অর্থ উজ্জ্বল নীল রঙ, আকাশী নীল।

Blue অর্থ নীল। সুতরাং সঠিক উত্তর হবে- Blue: অর্থাৎ, অপশন 'খ'।
৫৫.
O' Henry is famous for-
  1. novel
  2. poem
  3. drama
  4. short story
সঠিক উত্তর:
short story
উত্তর
সঠিক উত্তর:
short story
ব্যাখ্যা
O' Henry was an American famous short story writer.

O' Henry:
- His original name was William Sidney Porter.
- তিনি একজন American author.
- তিনি short-story writer.
- His tales romanticized the commonplace—in particular the life of ordinary people in New York City.

Other Notable works:
- Heart of the West
- Houston Post, Postscripts
- Letters to Lithopolis
- Roads of Destiny
- Sixes and Sevens
- Strictly Business
- The Four Million
- The Furnished Room
- The Gift of the Magi
- The Last Leaf
- The Ransom of Red Chief
- The Trimmed Lamp
- The Voice of the City
- Waifs and Strays
- Whirligigs.

Source: Britannica.com
৫৬.
'Frailty, thy name is woman!' is a quotation from -
  1. Shakespeare
  2. Bacon
  3. Fielding
  4. Jane Austen
সঠিক উত্তর:
Shakespeare
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Shakespeare
ব্যাখ্যা
'Frailty thy name is woman' এটি William Shakespeare এর বিখ্যাত একটি উক্তি।
- এটি তাঁর বিখ্যাত tragedy 'Hamlet' থেকে নেওয়া।
- এই উক্তিটি Hamlet তার মাকে উদ্দেশ্য করে বলেছেন।
- উক্তিটি এই tragedy এর প্রথম soliloquy হতে উদ্ধৃত। 
- এই উক্তির দ্বারা মুলত Hamlet তাঁর মায়ের দ্বিতীয় বিয়ের প্রতি অসন্তোষ প্রকাশের পাশাপাশি সমগ্র নারী জাতিকে frail and weak in character বলে অভিহিত করেছেন।

Hamlet is a famous tragedy by William Shakespeare.
- এটি একটি 5 acts বিশিষ্ট tragedy।
- এটি ১৫৯৯-১৬০১ সালের মধ্যে লেখা হয়েছিল।
- ১৬০৩ সালে এটি প্রকাশিত হয়।
- এই tragedy তে Shakespeare Denmark এর prince Hamlet এর কাহিনী তুলে ধরেছেন, যে জার্মানি থেকে নিজ দেশে ফিরে আসে তাঁর বাবার শেষকৃত্যে অংশগ্রহণ  করতে এবং  জানতে পারে যে , তার চাচা Claudius তার মাকে বিয়ে করেছে এবং এই চাচাই তার বাবার খুনী।

Famous other quotations of Hamlet:
- 'To be or not to be that is the question',
- Brevity is the soul of wit',
- Neither a borrower nor a lender be; For loan oft loses both itself and friend',
- 'There is divinity that shapes our end'.

The important characters of Hamlet:
- Ophelia,
- Hamlet,
- Claudius,
- Gertrude,
- Horatio,
- Polonius etc.

Source: Britannica and SparkNotes.com.
৫৭.
A person who writes and edits dictionaries is called a-
  1. Lexicographer
  2. Laryngographer
  3. Lithographer
  4. Topographer
সঠিক উত্তর:
Lexicographer
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Lexicographer
ব্যাখ্যা
‘Lexicographer’ means a person who writes and edits dictionaries/A person who compiles dictionaries.

Lexicographer: 
English Meaning - A person whose job is to write dictionaries. 
Bangla Meaning - অভিধান রচয়িতা বা সংকলক।

অন্যদিকে,
Lithographer-  তেল ও পানির মিশ্রণে এক ধরনের প্রতিচ্ছবি - বিশেষ তৈরিতে অভিজ্ঞ ব্যক্তি।
Topographer- স্থানের বিবরণ বিষয়ে নিপুণ ব্যক্তি।
Laryngographer - মানবদেহের শ্বাস - যন্ত্র সংক্রান্ত এক ধরনের পরীক্ষা - নিরীক্ষার ক্ষেত্রে নিয়োজিত প্রযুক্তিবিদ।
৫৮.
"Justice delayed is justice denied" was stated by-
  1. Disracli
  2. Emerson
  3. Gladstone
  4. Shakespeare
সঠিক উত্তর:
Gladstone
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Gladstone
ব্যাখ্যা
"Justice delayed is justice denied"- This line is stated by Gladstone.

• William Ewart Gladstone is a former Prime Minister of the United Kingdom.
- His famous quote about the judiciary is 'Justice delayed is justice denied.'

• His other famous quotes are:
- National injustice is the surest road to national downfall.
- You cannot fight against the future.
- Time is on its side.
- Justice delayed is justice denied.

Source: Britannica.com and Sparkes notes.
৫৯.
'Taj mahal' is a-
  1. monument
  2. castle
  3. tower
  4. mansion
সঠিক উত্তর:
monument
উত্তর
সঠিক উত্তর:
monument
ব্যাখ্যা
'Taj mahal' is a monument.

অপশনে প্রদত্ত শব্দসমূহের অর্থ:
castle- দূর্গ;
mansion- বড় অট্টালিকা;
tower- অট্টালিকা;
monument - স্মৃতিসৌধ।

সুতরাং, Taj mahal একটি monument বা স্মৃতিসৌধ।
৬০.
বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার সমুদ্রসীমা বিষয়ক বিরোধের নিষ্পত্তি করেছে-
  1. Permanent Council of Arbitration
  2. Permanent Court of Arbitration
  3. International Court of Arbitration
  4. Permanent Court of Sea Arbitration
সঠিক উত্তর:
Permanent Court of Arbitration
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Permanent Court of Arbitration
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশর সমুদ্রসীমা:

- বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার সমুদ্রসীমা সংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তি হয় নেদারল্যান্ডের হেগে অবস্থিত Permanent Court Arbitration (PCA) বা স্থায়ী সালিশী আদালতে।
-এই আদালত শুনানি শেষে ৭ জুলাই ২০১৪ রায় প্রদান করে।
- এতে বিরোধপূর্ণ ২৫,৬০২ বর্গ কিমি সমুদ্রসীমার মধ্যে বাংলাদেশ ১৯,৪৬৭ এবং ভারত ৬,১৩৫ বর্গকিমি এলাকা পায়।

উল্লেখ্য,
⇒ Permanent Court Arbitration (PCA) ১৮৯৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- আন্তর্জাতিক বিভিন্ন দেশ ও কমিউনিটির মধ্যে বিবাদের শান্তিপূর্ণ সমাধানের জন্য এই আদালত স্থাপন করা হয়। 
- এর সদস্য সংখ্যা ১২২ টি । বাংলাদেশ ২০১২ সালের ২৬ এপ্রিল এর সদস্য হয়।

সূত্র: Permanent Court Arbitration ওয়েবসাইট।
৬১.
ঢাকার ঐতিহ্যবাহী নবাব পরিবারের সরকারি বাসভবন ছিল-
  1. লালবাগ কেল্লা
  2. কার্জন হল
  3. বঙ্গ ভবন
  4. আহসান মঞ্জিল
সঠিক উত্তর:
আহসান মঞ্জিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আহসান মঞ্জিল
ব্যাখ্যা
আহসান মঞ্জিল:

- আহসান মঞ্জিল  বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে কুমারটুলি এলাকায় ঢাকার নওয়াবদের আবাসিক প্রাসাদ ও জমিদারির সদর কাচারি ,বর্তমানে জাদুঘর।
- মোঘল আমলে এখানে জামালপুর পরগনার জমিদার শেখ এনায়েতউল্লাহর রঙ মহল ছিল।
- পরে তাঁর পুত্র মতিউল্লাহর নিকট থেকে রঙমহলটি ফরাসিরা ক্রয় করে এখানে একটি বাণিজ্য কুঠি স্থাপন করে।
- ১৮৩০ সালে খাজা আলীমুল্লাহ ফরাসিদের নিকট থেকে কুঠিবাড়িটি কিনে নেন এবং প্রয়োজনীয় সংস্কার সাধন করে এটি নিজের বাসভবনে পরিণত করেন।
- ১৮৫৯ সালে আহসান মঞ্জিলের নির্মাণ কাজ শুরু হয়ে ১৮৭২ সালে সমাপ্ত হয়।
- আবদুল গনি তাঁর পুত্র খাজা আহসানুল্লাহ র নামানুসারে ভবন এর নামকরণ করেন আহসান মঞ্জিল।
- ওই যুগে নবনির্মিত প্রাসাদ ভবনটি রঙমহল এবং পূর্বেকার ভবনটি অন্দরমহল নামে পরিচিত ছিল।
- আহসান মঞ্জিল দেশের একটি উল্লেখযোগ্য স্থাপত্য নিদর্শন।

উৎস:- বাংলাপিডিয়া।
৬২.
বাংলাদেশের কোন বিভাগের সাথে ভারতের সীমান্ত নেই?
  1. খুলনা
  2. বরিশাল
  3. রাজশাহী
  4. সিলেট
সঠিক উত্তর:
বরিশাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বরিশাল
ব্যাখ্যা
সীমান্ত জেলা:

- বর্তমানে বাংলাদেশে কার্যকর বিভাগ সংখ্যা ৮টি।
- জেলার সংখ্যা ৬৪টি।
- যার ৬ বিভাগের সাথে আন্তর্জাতিক সীমান্ত থাকলেও, ঢাকা ও বরিশাল বিভাগের সাথে কোনো আন্তর্জাতিক সীমান্ত নেই।
- কিন্তু ভারত ও মিয়ানমার উভয় দেশের সাথে বাংলাদেশের ৩২টি জেলার সীমান্ত রয়েছে।
- ভারতের সাথে ৩০টি এবং মিয়ানমারের সাথে ৩টি।
- রাঙামাটি জেলার সাথে ভারত ও মিয়ানমার উভয় দেশের সীমানা রয়েছে। 

উৎস: বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ ওয়েবসাইট।
৬৩.
বাংলাদেশ 'The Bay of Bengal Industrial Growth Belt (BIG-B)' সহযোগিতার উদ্যোক্তা দেশ কোনটি?
  1. চীন
  2. ভারত
  3. জাপান
  4. আমেরিকা
সঠিক উত্তর:
জাপান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাপান
ব্যাখ্যা
• এটি তৎকালীন সাম্প্রতিক প্রশ্ন ছিল।

BIG-B

- বাংলাদেশ-জাপান সম্পর্ক: ২০১৪ সালে জাপান তিন স্তর বিশিষ্ট BIG-B (The Bay of Bangal Industrial Grouth Belt) প্রকল্পটি উপস্থাপন করে।
- ঢাকা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এলাকায় শিল্পায়নকে সামনে রেখে জাইকা'র মাধ্যমে বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।
- BIG-B এর ৩টি স্তর হলো:
১. শিল্প ও বাণিজ্য,
২. জ্বালানি, যেমন- মাতারবাড়ী বিদ্যুৎ প্রকল্প,
৩. পরিবহন ব্যবস্থা।

উৎস: পত্রিকা রিপোর্ট।
৬৪.
'সাগর কন্যা' বলা হয় কোন জেলাকে?
  1. পটুয়াখালী
  2. বরগুনা
  3. বরিশাল
  4. কক্সবাজার
সঠিক উত্তর:
পটুয়াখালী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পটুয়াখালী
ব্যাখ্যা
• সাগরকন্যা:

- পটুয়াখালী জেলাকে বলা হয় সাগরকন্যা।
- বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণে কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত এ জেলারই ঐতিহ্য বহনকারী বেলাভূমি।
- অপরূপ সৌন্দর্যের লীলাভূমি সাগর কন্যা কুয়াকটা।
- একই স্থানে দাঁড়িয়ে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত অবলোকন করার মনোমুগ্ধকর পর্যটন স্পট।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৬৫.
'একাত্তরের যীশু' চলচ্চিত্রের পরিচালক কে ছিলেন-
  1. তারেক মাসুদ
  2. তানভীর মোকাম্মেল
  3. নাসিরউদ্দিন ইউসুফ
  4. মোরশেদুল ইসলাম
সঠিক উত্তর:
নাসিরউদ্দিন ইউসুফ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নাসিরউদ্দিন ইউসুফ
ব্যাখ্যা
একাত্তরের যীশু (১৯৯৩):

- চলচ্চিত্রটি নির্মাণ করেন নাসির উদ্দীন ইউসুফ।
- শাহরিয়ার কবিরের উপন্যাস থেকে এর কাহিনি নেওয়া হয়েছে।
- অভিনয় করেছেন পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়, হুমায়ুন ফরীদি, জহির উদ্দিন পীয়ার, আবুল খায়ের, আনোয়ার ফারুক, কামাল বায়েজীদ, শহীদুজ্জামান সেলিম।

অন্যদিকে,

• মোরশেদুল ইসলাম পরিচালিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র:
- আগামী ও
- সূচনা।

• তারেক মাসুদ ও ক্যাথরিন মাসুদ পরিচালিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রামাণ্যচিত্র:
- মুক্তির গান ও
- মুক্তির কথা।

• তানভীর মোকাম্মেল:
- মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র 'জীবনঢুলী'র পরিচালক।
- স্মৃতি-৭১ তাঁর প্রামাণ্যচিত্র এবং হুলিয়া তাঁর স্বল্পদৈর্ঘ্য চিত্র।
৬৬.
জাপান মার্কিন নৌ-ঘাঁটি 'পার্ল হারবার' আক্রমণ করে কত সালে?
  1. ১৯৪০
  2. ১৯৪১
  3. ১৯৪২
  4. ১৯৪৩
সঠিক উত্তর:
১৯৪১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৪১
ব্যাখ্যা
পার্ল হারবার আক্রমণ:

- উত্তর প্রশান্ত মহাসাগরের হাওয়াই দ্বীপপুঞ্জ পার্ল হারবার ছিল যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় নৌঘাঁটি।
- ঘাঁটিটি বানানো হয় ১৯০৮ সালে।
- এরপর ১৯৪০ সালে যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান নৌঘাঁটি ক্যালিফোর্নিয়া থেকে হাওয়াই দ্বীপপুঞ্জের পার্ল হারবারে স্থানান্তর করা হয়।
- কৌশলগত দিক দিয়ে এই ঘাঁটি ছিল যুক্তরাষ্ট্রের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সামরিক এলাকা।
- যুক্তরাষ্ট্রের মূল ভূখণ্ড থেকে প্রায় দুই হাজার মাইল এবং জাপান থেকে প্রায় চার হাজার মাইলে দূরে অবস্থিত ছিল এই নৌঘাঁটি।
- ১৯৪১ সালের ৭ ডিসেম্বর প্রশান্ত মহাসাগরের হাওয়াই দ্বীপপুঞ্জের পার্ল হারবারে অবস্থিত মার্কিন নৌঘাঁটিতে আক্রমণ করে বসে জাপানের সামরিক বাহিনী।
- জাপানের এই আক্রমণের সঙ্গে সঙ্গে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সব হিসাব নিকাশ পাল্টে যায়।
- জাপানের এই অতর্কিত ও ধ্বংসাত্মক হামলার পরিপ্রেক্ষিতে বিশ্বযুদ্ধে উদাসীন থাকা যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধে অংশ নেয় সক্রিয়ভাবে।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের আগে জাপান ছিল আগ্রাসি একটা দেশ। চীনের সঙ্গে পরপর দুটি যুদ্ধজয়ের পর রাশিয়ার সঙ্গে যুদ্ধজয়ে জাপান আরও বেশি আগ্রাসি হয়ে ওঠে।
- এরপর প্রথম বিশ্বযুদ্ধে জয়লাভ করায় জাপান আরও সাম্রাজ্যবাদী হয়ে ওঠে।
- ১৯৩১ সালে চীনের মাঞ্চুরিয়া আক্রমণের মধ্য দিয়ে জাপান তাদের আধিপত্য বিস্তার শুরু করে।

তথ্যসূত্র - দৈনিক প্রথম আলো, ০৭ ডিসেম্বর ২০২২।
৬৭.
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কোন অঙ্গরাজ্যটি রাশিয়ার নিকট থেকে ক্রয় করা হয়েছিল?
  1. আলাস্কা
  2. টেক্সাস
  3. ফ্লোরিডা
  4. নিউ জার্সি
সঠিক উত্তর:
আলাস্কা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আলাস্কা
ব্যাখ্যা
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র:

- স্বাধীনতা লাভ করে: ৪ জুলাই, ১৭৭৬ সালে যুক্তরাজ্য থেকে।
- যুক্তরাষ্ট্রে জাতীয় দিবস: ৪ জুলাই।
- অঙ্গরাজ্য: ৫০ টি।
- ইলেক্টোরাল ভোটের সংখ্যা: ৫৩৮ টি।
- প্রতিষ্ঠাকালীন অঙ্গরাজ্য: ১৩ টি।
- পতাকায় তারকা সংখ্যা: ৫০ টি।
- জনসংখ্যায় বৃহত্তম অঙ্গরাজ্য: ক্যালিফোর্নিয়া।
- আয়তনে বৃহত্তম অঙ্গরাজ্য: আলাস্কা।

উল্লেখ্য,
- ১৮৬৭ সালে যুক্তরাষ্ট্র রাশিয়ার নিকট থেকে আলাস্কা অঙ্গরাজ্যটি ক্রয় করেছিল।

- ১৮০৩ সালে যুক্তরাষ্ট্র লুইজিয়ানা অঙ্গরাজ্যটি ফ্রান্সের নিকট থেকে ক্রয় করেছিল।
- ১৯৫৯ সালে হাওয়াই যুক্তরাষ্ট্রের ৫০ তম (সর্বশেষ) অঙ্গরাজ্য হিসেবে যুক্ত হয়।

উৎস- আমেরিকার সরকারি ওয়েবসাইট।
৬৮.
'গুয়ানতানামো বন্দিশালা' কোন দেশে অবস্থিত?
  1. আফগানিস্তান
  2. আমেরিকা
  3. কিউবা
  4. ইরাক
সঠিক উত্তর:
কিউবা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কিউবা
ব্যাখ্যা
গুয়ানতানামো বে:

- গুয়ানতানামো বে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি কারাগার।
- ১৯০৩ সালে হাভানা চুক্তির মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র কিউবার নিকট থেকে এটি ইজারা নেয়।
- কারাগারটি ২০০২ খ্রিস্টাব্দে প্রতিষ্ঠা করা হয়।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মূল ভূ-খণ্ডের বাইরে কিউবার দক্ষিণ-পূর্ব পাশে ক্যারিবীয় সাগরে এর অবস্থান।
- এই কারাগার বন্দীদের ওপর অমানুষিক নির্যাতনের জন্য কুখ্যাত।
- ক্যাম্প সেভেন হলো কিউবায় অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের গুয়ানতানামো বে কারাগারের একটি সুরক্ষিত ও গোপনীয় বন্দি শিবির।
- এই শিবিরে ৯/১১ হামলার সাথে জড়িত ও সিআইয়ের অন্যান্য শীর্ষ স্থানীয় অপরাধীদের আটকে রাখা হতো।
- যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বিভাগ এই ক্যাম্পটি বন্ধের ঘোষণা দেয়।

উৎস: Britannica.
৬৯.
ফিফা আয়োজিত 'দ্বাদশ বিশ্বকাপ' এর অফিসিয়াল 'বল' এর নাম কি?
  1. ব্রাজুকো
  2. ব্রাজুলা
  3. ব্রাজুকা
  4. বোসা নোভা
সঠিক উত্তর:
ব্রাজুকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্রাজুকা
ব্যাখ্যা
[তৎকালীন সাম্প্রতিক প্রশ্ন বর্তমানে গুরুত্বপূর্ণ নয়।]

- ২০১৪ সালের দ্বাদশ বিশ্বকাপ ফুটবল অনুষ্ঠিত হয় - ব্রাজিলে।
- বিশ্বকাপ ফুটবল ২০১৪‘র জন্য নির্মিত বলের নাম ব্রাজুকা। 

তবে সর্বশেষ বিশ্বকাপের এই বিশেষ তথ্যসমূহ গুরুত্বপূর্ণ:
- ২০২২ সালের ২১ নভেম্বর থেকে ১৮ ডিসেম্বর কাতারে অনুষ্ঠিত হয় ২২তম ফিফা ফুটবল বিশ্বকাপের আসর।
- কাতার বিশ্বকাপের অফিসিয়াল ম্যাচ বলের নাম আল রিহলা (Al Rihla)।
- ইবনে বতুতার ভ্রমণ আর জীবনের গল্প নিয়ে যে বই লেখা, তার নামে বলটার নাম - আল রিহলা।
- আরবি ভাষার 'আল রিহলা'র বাংলা অর্থ 'যাত্রা' বা 'ভ্রমণ'।
- কাতার বিশ্বকাপের মাসকটের নাম La'eeb। আরবি ভাষায় La'eeb কথার অর্থ হলো বিশেষ দক্ষতাসম্পন্ন একজন খেলোয়াড়।

উৎস : ফিফা ওয়েবসাইট।
৭০.
  1. 0.001
  2. 1
  3. 0.01
  4. 0
সঠিক উত্তর:
0.01
উত্তর
সঠিক উত্তর:
0.01
ব্যাখ্যা


সমাধান:

= (53)1/3 × 0.002
= 5 × 0.002
= 0.01
৭১.
একটি সোনার গয়নার ওজন ১৬ গ্রাম। এতে সোনা ও তামার পরিমাণ ৩ : ১। মিশ্রণে সোনার পরিমাণ কত?
  1. ১২ গ্রাম
  2. ১৪ গ্রাম
  3. ১০ গ্রাম
  4. ৯ গ্রাম
সঠিক উত্তর:
১২ গ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২ গ্রাম
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি সোনার গয়নার ওজন ১৬ গ্রাম। এতে সোনা ও তামার পরিমাণ ৩ : ১। মিশ্রণে সোনার পরিমাণ কত?

সমাধান;
এখানে
সোনা ও তামার অনুপাত = ৩ : ১
মোট মিশ্রণের অনুপাত = ৩ + ১ = ৪

মিশ্রণে সোনার অনুপাত = (৩/৪) × ১৬ গ্রাম
= ১২ গ্রাম।
৭২.
বৃত্তের ব্যাস তিনগুণ বৃদ্ধি করলে ক্ষেত্রফল কতগুণ বৃদ্ধি পাবে?
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: বৃত্তের ব্যাস তিনগুণ বৃদ্ধি পেলে এর ক্ষেত্রফল কতগুণ বৃদ্ধি পাবে?

সমাধান:
ধরি,
বৃত্তের ব্যাসার্ধ r
বৃত্তের ব্যাস = 2r
∴ বৃত্তের ক্ষেত্রফল = πr2
ব্যাস তিনগুণ বৃদ্ধি পেলে বৃত্তের নতুন ব্যাস = (2r + 6r) = 8r
∴ ব্যাসার্ধ =8r/2 = 4r
∴ ঐ বৃত্তের ক্ষেত্রফল হবে π(4r)2 =16πr2
ক্ষেত্রফল বেড়ে যাবে = 16πr2 - πr2 = 15πr2
∴ 15 গুণ বৃদ্ধি পাবে।

----------------
প্রশ্ন : বৃত্তের ব্যাস তিনগুণ করলে ক্ষেত্রফল কতগুণ হবে?
সমাধান : 
ধরি,
বৃত্তের ব্যাসার্ধ r 
বৃত্তের ব্যাস = 2r
∴বৃত্তের ক্ষেত্রফল = πr2

ব্যাস তিনগুণ বৃদ্ধি পেলে হবে 6r   
∴ব্যাসার্ধ =6r/2 = 3r   
∴ঐ বৃত্তের ক্ষেত্রফল হবে π(3r)2 = 9πr2  
 
বৃত্তের ক্ষেত্রফল ৯ গুণ  পাবে।
 
যেহেতু এটি জব সলিউশনের প্রশ্ন এবং অপশনে ১৫ গুণ ছিল না,  তাই ৯ গুণকে সঠিক উত্তর হিসেবে নেওয়া হয়েছে।
৭৩.
  1. ১১/৩
  2. ১৩/৩
  3. ৩/১৩
  4. ৩/১১
সঠিক উত্তর:
১৩/৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩/৩
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন:

সমাধান:
৭৪.
'ক' এর টাকা 'খ'-এর টাকার দ্বিগুণ। তাদের দুইজনের মোট ৩০ টাকা আছে। 'খ' এর কত টাকা আছে?
  1. ৩০ টাকা
  2. ২০ টাকা
  3. ১৫ টাকা
  4. ১০ টাকা
সঠিক উত্তর:
১০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ টাকা
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: 'ক' এর টাকা 'খ'-এর টাকার দ্বিগুণ। তাদের দুইজনের মোট ৩০ টাকা আছে। 'খ' এর কত টাকা আছে?

সমাধান:
খ এর আছে = x টাকা
ক এর আছে = ২x টাকা

প্রশ্নমতে
x + ২x = ৩০
৩x = ৩০
x = ১০

 'খ' এর ১০ টাকা আছে।
৭৫.
a - b, a2 - ab, a2 - b2 এর ল.সা.গু নিচের কোনটি?
  1. a(a - b)
  2. (a - b)
  3. a(a2 - b2)
  4. (a2 - b2)
সঠিক উত্তর:
a(a2 - b2)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
a(a2 - b2)
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: a - b, a2 - ab, a2 - b2 এর ল.সা.গু নিচের কোনটি?

সমাধান:
১ম রাশি = a - b
২য় রাশি = a2 - ab
= a(a - b)

৩য় রাশি = a2 - b2
= (a + b)(a - b)

নির্ণেয় লসাগু = a(a + b)(a - b)
= a(a2 - b2)
৭৬.
একসেট সংখ্যা থেকে 35 সংখ্যাটি বাদ দেয়ার ফলে সেটের গড় 14 থেকে 11 হয়ে গেল। সেটের সদস্য সংখ্যা কত ছিল?
  1. 25
  2. 11
  3. 21
  4. 8
সঠিক উত্তর:
8
উত্তর
সঠিক উত্তর:
8
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একসেট সংখ্যা থেকে 35 সংখ্যাটি বাদ দেয়ার ফলে সেটের গড় 14 থেকে 11 হয়ে গেল। সেটের সদস্য সংখ্যা কত ছিল?

সমাধান:
মনেকরি
সেটের সদস্য সংখ্যা = x
x সংখ্যক সংখ্যার গড় = 14
x সংখ্যক সংখ্যার সমষ্টি = 14x

একটি সংখ্যা বাদ হওয়ায় সেটের সদস্য সংখ্যা (x - 1)
x - 1 সংখ্যক সংখ্যার গড় = 11
x - 1 সংখ্যক সংখ্যার সমষ্টি = 11(x - 1)

শর্তমতে
14x - 35 = 11(x - 1)
বা, 14x - 35 = 11x - 11
বা, 14x - 11x = 35 - 11
বা, 3x = 24
∴ x = 8

সেটের সদস্য সংখ্যা = 8

৭৭.
একজন বিক্রেতা একটি শার্ট ৪৮০ টাকায় বিক্রয় করে ২০% লাভ করল। শার্টটির ক্রয়মূল্য কত?
  1. ৩৮৪ টাকা
  2. ৪০০ টাকা
  3. ৪২০ টাকা
  4. ৫৭৬ টাকা
সঠিক উত্তর:
৪০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪০০ টাকা
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একজন বিক্রেতা একটি শার্ট ৪৮০ টাকায় বিক্রয় করে ২০% লাভ করল। শার্টটির ক্রয়মূল্য কত?

সমাধান:
২০% লাভে 
ক্রয়মূল্য ১০০ টাকা হলে বিক্রয়মূল্য = (১০০ + ২০) টাকা
= ১২০ টাকা

বিক্রয়মূল্য ১২০ টাকা হলে ক্রয়মূল্য ১০০ টাকা 
বিক্রয়মূল্য ১ টাকা হলে ক্রয়মূল্য ১০০/১২০ টাকা 
বিক্রয়মূল্য ১ টাকা হলে ক্রয়মূল্য (১০০ × ৪৮০)/১২০ টাকা 
= ৪০০ টাকা 
৭৮.
একটি সমবাহু ত্রিভুজের একটি বাহুর দৈর্ঘ্য 6 cm হলে, এর ক্ষেত্রফল কত?
  1. 3√3 cm2
  2. 4√3 cm2
  3. 6√3 cm2
  4. 9√3 cm2
সঠিক উত্তর:
9√3 cm2
উত্তর
সঠিক উত্তর:
9√3 cm2
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি সমবাহু ত্রিভুজের বাহুর দৈর্ঘ্য 6 সে: মি: হলে এর ক্ষেত্রফল কত?

সমাধান:
সমবাহু ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল = (√3/4)(বাহু)2
= (√3/4) (6)2
= (√3/4) × 36
= 9√3 বর্গ সে.মি.
৭৯.
২৬০° পরিমাণের কোণকে কি কোণ বলে?
  1. সম্পূরক কোণ
  2. প্রবৃদ্ধ কোণ
  3. পূরক কোণ
  4. স্থূলকোণ
সঠিক উত্তর:
প্রবৃদ্ধ কোণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রবৃদ্ধ কোণ
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ২৬০° পরিমাপের কোণকে কি কোণ বলে?

সমাধান:
প্রবৃদ্ধ কোণ (Reflex angle ): দুই সমকোণ থেকে বড় কিন্তু চার সমকোণ থেকে ছোট কোণকে প্রবৃদ্ধ কোণ বলা হয়।
২৬০° হলো প্রবৃদ্ধ কোণ। 
৮০.
'আলট্রাসনোগ্রাফি' হচ্ছে-
  1. শক্তিশালী শব্দ নিয়ে পিত্তপাথর বিচূর্ণীকরণ
  2. শরীরের তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের শব্দ দ্বারা ইমেজিং
  3. শরীরের অভ্যন্তরের শব্দ বিশ্লেষণ
  4. নতুন ধরনের এক্সরে
সঠিক উত্তর:
শরীরের তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের শব্দ দ্বারা ইমেজিং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শরীরের তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের শব্দ দ্বারা ইমেজিং
ব্যাখ্যা
আল্ট্রাসনোগ্রাফি:

- শরীরের অভ্যন্তরীণ নরম পেশী বা টিস্যুর সমস্যা নির্ণয়ে আল্ট্রাসাউন্ডকে কাজে লাগিয়ে যে পরীক্ষা করা হয় তাকে আল্ট্রাসনোগ্রাফি বলে।
- আল্ট্রাসনোগ্রাফিতে উচ্চ কম্পাংকের শব্দের প্রতিফলন বা প্রতিধ্বনিকে কাজে লাগানো হয়।
- উচ্চ কম্পাংকের শব্দ যখন শরীরের গভীরের কোনো অঙ্গ বা পেশী থেকে প্রতিফলিত হয় তখন প্রতিফলিত তরঙ্গের সাহায্যে ঐ অঙ্গের অনুরূপ একটি প্রতিবিম্ব মনিটরের পর্দায় গঠন করা হয়।
- রোগ নির্ণয়ে যে আল্ট্রাসনোগ্রাফি করা হয় সেই শব্দের কম্পাংক ১-১০ মেগাহার্টজ হয়ে থাকে।
- হৃদপিন্ডে অথবা শরীরের গুরুত্বপূর্ণ অন্যান্য নরম অঙ্গ যেমন- যকৃৎ, পিত্তথলি, প্রধানরক্ত নালী সমূহে আল্ট্রাসনোগ্রাফি করা হয়।
- বিশেষত ভ্রুণের বৃদ্ধি, বৃদ্ধিপ্রাপ্ত ভ্রুণের লিঙ্গ নির্ধারণ ও স্ত্রী প্রজননতন্ত্রের টিউমার সনাক্তকরণে।
- এক্সরের তুলনায় আল্ট্রাসনোগ্রাফি অধিকতর নিরাপদ রোগ নির্ণয়ের কৌশল।

তথ্যসূত্র- বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮১.
কোন তরঙ্গ সবচেয়ে দ্রুত অগ্রসর হয়?
  1. সমুদ্রের পানির তরঙ্গ
  2. ভূ-পৃষ্ঠের ভূ-কম্পন
  3. বেহালা হতে নিঃসৃত সুরেলা তরঙ্গ
  4. সূর্য হতে আগত বিদ্যুৎ চুম্বকীয় তরঙ্গ
সঠিক উত্তর:
সূর্য হতে আগত বিদ্যুৎ চুম্বকীয় তরঙ্গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সূর্য হতে আগত বিদ্যুৎ চুম্বকীয় তরঙ্গ
ব্যাখ্যা
• আমরা সূর্য থেকে আলো এবং তাপ পাই। সূর্য থেকে পৃথিবীতে আলো এবং তাপ আসে তরঙ্গাকারে। সূর্য এবং পৃথিবীর মধ্যে মহাশূন্য, কোন জড় মাধ্যম নেই। আলো, তাপ মাধ্যম ছাড়াই বিশেষ ধরনের তরঙ্গ আকারে সঞ্চারিত হয়। এ তরঙ্গকে বলা হয় তড়িৎ চুম্বকীয় তরঙ্গ। বেতার তরঙ্গ, এক্সরশ্মি, গামারশ্মি, তড়িৎ চুম্বকীয় তরঙ্গ ইত্যাদি তড়িৎ চুম্বকীয় তরঙ্গ এর উদাহরণ।

• সূর্য হতে আগত আলো একটি তড়িৎ চুম্বকীয় তরঙ্গ।

সাধারণত, যেসব তরঙ্গের কম্পাংক বা তরঙ্গ'র দৈর্ঘ্য বেশি, সেসব তরঙ্গ বেশি অগ্রসর হয়। যেহেতু পানির তরঙ্গ, ভূকম্পন তরঙ্গ, শব্দ তরঙ্গ-এর বেগ বা দ্রুতি আলোর দ্রুতির চেয়ে কম, তাই বিদ্যুৎ চুম্বকীয় তরঙ্গ সবচেয়ে দ্রুত অগ্রসর হয়।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৮২.
একটি ধাতব মুদ্রা ও একটি পালক বায়ু শূন্য স্থানের উপর হতে এক সঙ্গে পতিত হলে কোণটি প্রথমে নিচে পড়বে?
  1. ধাতব মুদ্রা
  2. পালক
  3. দুটো একসঙ্গে
  4. কোনটিই পড়বে না
সঠিক উত্তর:
দুটো একসঙ্গে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুটো একসঙ্গে
ব্যাখ্যা
পড়ন্ত বস্তুর সূত্র: 
- পড়ন্ত বস্তু সম্পর্কে গ্যালিলিও তিনটি সূত্র প্রদান করেন।
- সূত্রগুলো একমাত্র স্থির অবস্থান থেকে বিনা বাধায় পড়ন্ত বস্তুর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।

প্রথম সূত্র হচ্ছে: স্থির অবস্থান ও একই উচ্চতা থেকে বিনা বাধায় পড়ন্ত বস্তু সমান সময়ে সমান পথ অতিক্রম করবে।

অর্থাৎ একটি বায়ুশূন্য স্থানে একটি পালক ও একটি ধাতব মুদ্রা একত্রে ছেড়ে দিলে উভয়টিই এই সূত্রানুসারে একসাথে পড়বে।

দ্বিতীয় সূত্র: 
- স্থির অবস্থান থেকে বিনা বাধায় পড়ন্ত বস্তুর নির্দিষ্ট সময়ে (t) প্রাপ্ত বেগ (v) ঐ সময়ের সমানুপাতিক। 
অর্থাৎ v ∞ t. 

তৃতীয় সূত্র: 
- স্থির অবস্থান থেকে বিনা বাধায় পড়ন্ত বস্তু নির্দিষ্ট সময়ে যে দূরত্ব (h) অতিক্রম করে তা ঐ সময়ের (t) বর্গের সমানুপাতিক। 
অর্থাৎ h ∞ t2.

উৎস: পদার্থ প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৮৩.
স্ট্রোক এর লক্ষণসমূহ হলো-
  1. চোখে ঝাপসা দেখা ও কথা বলতে সমস্যা অনুভব করা
  2. হঠাৎ দুর্বলতা অনুভব হওয়া বা শরীরের কোন অংশ অবশ হয়ে যাওয়া
  3. হঠাৎ তন্দ্রাচ্ছন্নতা হওয়া বা চলতে ফিরতে সমস্যা অনুভব করা
  4. উপরের সবগুলো বা যে কোন একটি
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো বা যে কোন একটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো বা যে কোন একটি
ব্যাখ্যা
স্ট্রোক:
- মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণকে চলতি কথায় স্ট্রোক (Stroke) বলা হয়।
- স্ট্রোক একটি স্নায়বিক রোগ।

স্ট্রোকের কারণ:
- সাধারণত ধমনিগাত্র শক্ত হয়ে যাওয়া ও উচ্চ রক্ত চাপজনিত কারণে মস্তিষ্কে রক্ষক্ষরণ হতে পারে।
- অনেক সময় অত্যধিক স্নায়ুবিক চাপ, যেমন- উত্তেজনা বা অধিক পরিশ্রমের কারণে এরূপ রক্তক্ষরণ হয়।
- নির্গত রক্ত জমাট বেঁধে মস্তিষ্কের ক্ষতি সাধন করে, রক্ত মস্তিষ্কের গহ্বরে ও মাথার খুলিতে ঢুকে গেলে রোগীর মৃত্যুও ঘটতে পারে।

লক্ষণ:
- প্রচন্ড মাথা ব্যথা, ঘাড় শক্ত হয়ে যাওয়া, চোখে ঝাপসা দেখা ও কথা বলতে সমস্যা অনুভব করা, কয়েক মিনিটের মধ্যে রোগী সংজ্ঞা হারিয়ে যাওয়া, মাংস পেশি শিথিল হয়ে যাওয়া, শ্বসন ও নাড়ির স্পন্দন কমে যাওয়া, মুখমন্ডল লালবর্ণ ধারণ করা ইত্যাদি।

প্রতিরোধের উপায়:
- ধূমপান চিরতরে পরিহার করা।
- উচ্চ রক্ত চাপ নিয়ন্ত্রণে রাখা।
- ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখা।
- দুশ্চিন্তামুক্ত থাকা, সুষম খাবার, পরিমিত ঘুম এবং ব্যায়াম করা।

তথ্যসূত্র - জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮৪.
একটি 'বৈদ্যুতিক জেনারেটর' হচ্ছে-
  1. বৈদ্যুতিক আধানের উৎস
  2. তাপশক্তির উৎস
  3. একটি বিদ্যুৎ চুম্বক
  4. শক্তির কনভার্টার
সঠিক উত্তর:
শক্তির কনভার্টার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শক্তির কনভার্টার
ব্যাখ্যা
জেনারেটর (Generator):

- একটি 'বৈদ্যুতিক জেনারেটর' হচ্ছে শক্তির কনভার্টার।
- যান্ত্রিক শক্তিকে তড়িৎ শক্তিতে রূপান্তর করার যন্ত্রকে জেনারেটর বলে।
- তড়িৎ চৌম্বক আবেশের উপর ভিত্তি করে জেনারেটর তৈরি করা হয়।
- জেনারেটর দুই ধরনের হয়ে থাকে । যেমন, ডি. সি. জেনারেটর ও এ. সি. জেনারেটর। 
-  এ. সি. জেনারেটরই বহুল ব্যবহৃত হয়। 
- মোটর ও জেনারেটরের গঠন প্রায় একই।
- মোটরে তড়িৎ শক্তিকে কাজে লাগিয়ে যান্ত্রিক শক্তি সৃষ্টি করা হয়।
- আর জেনারেটরে যান্ত্রিক শক্তিকে কাজে লাগিয়ে তড়িৎ শক্তি সৃষ্টি করা হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮৫.
কোন হেপাটাইটিস ভাইরাস 'RNA ভাইরাস' নহে?
  1. হেপাটাইটিস A ভাইরাস
  2. হেপাটাইটিস B ভাইরাস
  3. হেপাটাইটিস C ভাইরাস
  4. হেপাটাইটিস E ভাইরাস
সঠিক উত্তর:
হেপাটাইটিস B ভাইরাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হেপাটাইটিস B ভাইরাস
ব্যাখ্যা
হেপাটাইটিস:

- হেপাটাইটিস লিভার বা যকৃৎ এর একটি প্রদাহ যা হেপাটাইটিসের ৫টি ভাইরাসের ( এ, বি, সি, ডি এবং ই) মাধ্যমে ঘটে।
- দূষিত পানি ও খাবারের মাধ্যমে হেপাটাইটিসের বিভিন্ন ভাইরাস শরীরে প্রবেশ করে। 
- হেপাটাইটিস লিভারের কার্যক্ষমতা ধীরে ধীরে কময়ে দিতে শুরু করে। 
- হেপাটাইটিসের ভাইরাসগুলোর মধ্যে টাইপ-বি এবং সি মারাত্মক রূপ নেয় এবং লিভার সিরোসিস এবং ক্যান্সারের মতো মারাত্মক আকার ধারণ করে।
- প্রাথমিক অবস্থায় তা চিকিৎসা না করলে গুরুতর হয়ে ওঠে এবং লিভার সম্পূর্ণরূপে ক্ষতিগ্রস্থ হতে পারে। 

• ভাইরাসের নাম- ধরণ- সংক্রমণের মাধ্যম:

Hepatities A- RNA - পানি, দূষিত খাবার;
Hepatities B- DNA- রক্ত, যৌন মাধ্যম;
Hepatities C- RNA- রক্ত, যৌন মাধ্যম;
Hepatities D- RNA- রক্ত, যৌন মাধ্যম, লালা;
Hepatities E- RNA- পানি, দূষিত খাবার।

উৎস: জীববিজ্ঞান, প্রথম পত্র- গাজী আজমল, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৮৬.
প্রকৃতিতে সবচেয়ে শক্ত পদার্থ কি?
  1. হীরা
  2. পিতল
  3. ইস্পাত
  4. গ্রানাইট
সঠিক উত্তর:
হীরা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হীরা
ব্যাখ্যা
হীরক ধাতু:

- কার্বন একটি অধাতু ও বিজারক পদার্থ। 
- কার্বনের দানাদার রূপভেদ হলো- গ্রাফাইট ও হীরক। 
- প্রকৃতিতে প্রাপ্ত সবচেয়ে শক্ত বা কঠিন পদার্থ হচ্ছে হীরক।
- হীরক কাঁচ কাটতে ব্যবহার করা হয়।
- গ্রাফাইট উত্তম বিদ্যুৎ পরিবাহী বলে তা ইলেকট্রোড হিসেবে ব্যবহৃত হয়। 
- যন্ত্রাংশ লুব্রিকেশন করার জন্য এবং কাদা সহযোগে পুড়িয়ে কাঠ পেন্সিলের সীস  তৈরীতে গ্রাফাইট ব্যবহৃত হয়।

অন্যদিকে, 
- সবচেয়ে ভারী মূল্যবান ধাতু প্লাটিনাম। 
- পারদ হলো সর্বনিম্ন গলনাঙ্কের ধাতু। 
- প্রকৃতিতে প্রাপ্ত সবচেয়ে শক্ত ধাতু - টাংস্টেন। 
- প্রকৃতিতে প্রাপ্ত সবচেয়ে ভারি ধাতু - ইউরেনিয়াম।

উৎস: রসায়ন বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৮৭.
কোনটি অস্থায়ী মেমোরির কাজ করে?
  1. RAAM
  2. ROM
  3. RAM
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
RAM
উত্তর
সঠিক উত্তর:
RAM
ব্যাখ্যা
RAM: 
- RAM এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Random Access Memory. 
- মাদারবোর্ডের সাথে সরাসরি সংযুক্ত যে মেমোরিতে পঠন এবং লিখন দুটি কাজই সম্পন্ন করা যায় সে মেমোরিকে RAM বলা হয়। 
- এটি একটি অস্থায়ী মেমোরি। 
- কম্পিউটারের যতক্ষণ বিদ্যুৎপ্রবাহ চালিত থাকে ততক্ষণ RAM এ তথ্যসমূহ সংরক্ষিত থাকে। 
- বিদ্যুৎ প্রবাহ বন্ধ হওয়ার সাথে সাথে RAM তার সমস্ত তথ্য মুছে ফেলে। 
- এজন্য RAM কে কম্পিউটারের অস্থায়ী মেমোরিও বলা হয়।

উল্লেখ্য,
• ROM: 
- এটি হচ্ছে ইলেক্ট্রনিক্স ডিভাইস (যেমন কম্পিউটার) এর স্টোরেজ সিস্টেম।
- এটিকে স্থায়ী স্টোরেজ হিসেবে ডিভাইসে ব্যবহার করা হয়।
- RAM এবং ROM হলো কম্পিউটারের প্রধান মেমোরি।
- তবে ROM স্থায়ী মেমোরি বা নন-ভোলাটাইল মেমোরি।
- বিদ্যুৎ চলে গেলে ROM এর তথ্য মুছে যায় না তাই এটি নন-ভোলাটাইল মেমোরি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮৮.
কোনটি 'অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার'?
  1. LINUX
  2. MS-DOS
  3. Power point
  4. MS Windows 98
সঠিক উত্তর:
Power point
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Power point
ব্যাখ্যা
সফটওয়্যারের শ্রেণি বিভাগ:
- কম্পিউটারের সফটওয়্যারকে মূলত দুই ভাগে ভাগ করা হয়। যথা: 
১. সিস্টেম সফটওয়্যার (System Software) ও
২. অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার (Application Software) বা ব্যবহারিক সফটওয়্যার।

সিস্টেম সফটওয়্যার (System Software):

- সিস্টেম সফটওয়্যার হলো কম্পিউটারের নিয়ন্ত্রক।
- এটি কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার ও ব্যবহারিক প্রোগ্রামের মধ্যে যোগসূত্র রচনা ও রক্ষা করে। 
- কম্পিউটারকে সঠিকভাবে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের জন্য যে সকল প্রোগ্রাম বা প্রোগ্রাম সমষ্টি দরকার তাদেরকে সিস্টেম সফটওয়্যার বলে। 
- MS DOS, LINUX, UNIX, MS WINDOWS 98, MS WINDOWS, MAC OS, SYMBIAN, ANDROID, PC DOS, XENIX, AIX, ইত্যাদি হলো সিস্টেম সফটওয়্যারের উদাহরণ।

অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার (Application Software):

- অ্যাপ্লিকেশন সফট্ওয়্যার কম্পিউটারে বিভিন্ন ধরনের ব্যবহারিক কাজের জন্য তৈরি হয়।
- ব্যবহারকারী যে সকল সফটওয়্যার ব্যবহার করে ব্যবহারিক সমস্যা সমাধান বা ডেটা প্রক্রিয়াকরণের কাজ করতে পারে তাকে অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম বা ব্যবহারিক সফটওয়্যার বলা হয়। যেমন:
- ওয়ার্ড প্রসেসিং সফটওয়্যার: Word Pad, Note Pad, MS Word, Latet.
- ডেটাবেস ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার: Oracle, Ms Access, Poxpro.
- প্রেজেন্টেশন সফটওয়্যার: Microsoft Powerpoint, Macromedia Flash.

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮৯.
এক কিলোবাইট সমান কত?
  1. ১০২৪ বিটস
  2. ১০০ বিটস
  3. ১০২৪ বাইটস
  4. ৮১৯২ বাইটস
সঠিক উত্তর:
১০২৪ বাইটস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০২৪ বাইটস
ব্যাখ্যা
বিট ও বাইট: 

- বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে ০ অথবা ১ অংককে বিট বলে। 
- বিট ডেটা কমিউনিকেশনের মৌলিক একক। 
- ডেটা ও তথ্য পরিমাপের জন্য বিট একক হিসেবে ব্যবহার করা হয়। 
- ১ কিলোবিট = ১০০০ বিট। 
- ১ মেগাবিট = ১০০০ কিলোবিট। 
- ১ গিগাবিট = ১০০০ মেগাবিট। 
- ১ টেরাবিট = ১০০০ গিগাবিট। 

- ৮ টি বিট নিয়ে ১ টি বাইট গঠিত হয়। 
- ১ কিলোবাইট = ১০২৪ বাইট। 
- ১ মেগাবাইট = ১০২৪ কিলোবাইট। 
- ১ গিগাবাইট = ১০২৪ মেগাবাইট। 
- ১ টেরাবাইট = ১০২৪ গিগাবাইট। 
- ১ পেটাবাইট = ১০২৪ টেরাবাইট। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (প্রকৌশলী মুজিবর রহমান)।
৯০.
দেওয়ানী মামলায় Peremptory hearing- এর পূর্ব পর্যন্ত cost ছাড়া কতটি মুলতবি আদেশ দেয়া যায়?
  1. ৩টি
  2. ৪টি
  3. ৫টি
  4. ৬টি
সঠিক উত্তর:
৬টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬টি
ব্যাখ্যা
• আইনে মুলতবি [Adjournment] অর্থ হলো আদালতের কার্যপ্রণালিতে কোনো মামলার শুনানি পরবর্তী কোনো তারিখ পর্যন্ত স্থগিত বা মুলতবি করা। সাধারণত কোন মোকদ্দমার শুনানী শুরু হলে তা চলমান থাকবে। কিন্তু অনিবার্য অবস্থার প্রেক্ষাপটে মোকদ্দমার কোন পক্ষ আদালতে হাজির নাও হতে পারে এবং তখন শুনানী মুলতবির আবেদন করা প্রয়োজনীয় হয়।

• দেওয়ানি কার্যবিধির ১৭নং আদেশে [Adjournment] বা মুলতবির বিধানসমূহ রয়েছে। আদালত মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে (At any stage of the suit) মোকদ্দমার শুনানী মুলতবি রাখতে পারে। ১৭নং আদেশ অনুযায়ী মুলতবির কিছু সাধারন বিধান-

⇒ আদালত মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে (At any stage of the suit) মোকদ্দমার শুনানী মুলতবি রাখতে পারে।
⇒ চূড়ান্ত শুনানীর আগে (Before Peremptory hearing) আদালত প্রত্যেক পক্ষকে খরচ ছাড়া সর্বোচ্চ ৬টি এবং খরচসহ সর্বোচ্চ ৩টি করে মোট ৯টি মুলতবি মঞ্জুর করতে পারে।
⇒ অন্যদিকে চূড়ান্ত শুনানী পর্যায়ে (At the Peremptory hearing) আদালত প্রত্যেক পক্ষকে খরচসহ সর্বোচ্চ ৩টি মুলতবি মঞ্জুর করতে পারে। তবে খরচ ছাড়া আদালত কোন মুলতবি মঞ্জুর করে না।
⇒ মুলতবির খরচ সর্বনিম্ন ২০০ টাকা এবং সর্বোচ্চ ১০০০ টাকা হতে পারে।
⇒ মুলতবির আবেদন মঞ্জুর করা বা না করা আদালতের বিবেচনামূলক ক্ষমতা।
৯১.
দু'টি পৃথক মামলায় ভিন্ন দু'জন বাদী একই বিবাদীর বিরুদ্ধে একই সম্পত্তির ব্যাপারে একই স্বত্ব দাবি করলে নিম্নের কোন কার্যক্রম গ্রহণ সঠিক হবে?
  1. দুটি মামলায় বিচার একত্রে চলবে
  2. দুটি মামলার বিচার পৃথক কোর্টে চলবে
  3. দুটি মামলার মধ্যে পরের মামলাটি স্থগিত হবে
  4. দুটি মামলার বিচার একই কোর্টে পাশাপাশি চলবে
সঠিক উত্তর:
দুটি মামলায় বিচার একত্রে চলবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুটি মামলায় বিচার একত্রে চলবে
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধির ১০ ধারার রেস-সাবজুডিস নীতি প্রয়োগ করে আদালত যেমন পরবর্তীতে দায়েরকৃত মোকদ্দমাটি স্থগিত করতে পারে। সেই সাথে, ১৫১ ধারার সহজাত ক্ষমতা প্রয়োগ করে আদালত একই পক্ষসমূহের মধ্যে বিভিন্ন মোকদ্দমা একত্রিকরণ করার আদেশ দিতে পারে যে ক্ষেত্রে বিচার্য বিষয় প্রকৃতিগতভাবে একই।

দু'টি পৃথক মামলায় ভিন্ন দু'জন বাদী একই বিবাদীর বিরুদ্ধে একই সম্পত্তির ব্যাপারে একই স্বত্ব দাবী করলে, ১০ ধারার রেস-সাবজুডিস নীতি অনুযায়ী পরবর্তীতে দায়েরকৃত মোকদ্দমার বিচার স্থগিত থাকার কথা। কিন্তু যেহেতু ১০ ধারার উদ্দেশ্য হলো বিরোধপূর্ণ সিদ্ধান্ত পরিহার করা, তাই যথাযথ মোকদ্দমার ক্ষেত্রে উভয় মোকদ্দমা একত্রিকরণ করে বিচার করার আদেশ আদালত দিতে পারে।

তাই দুইটি মোকদ্দমার বিচার একত্রে (Analogous Hearing) চলতে ১৫১ ধারায় আবেদন করা যায়।
৯২.
কোন ক্ষেত্রে ডিক্রিদার দায়িকের বিরুদ্ধে জারী মামলা করতে পারে না?
  1. দখল উদ্ধারের ডিক্রি
  2. স্বত্ব ঘোষণার ডিক্রি
  3. বাটোয়ারার চূড়ান্ত ডিক্রি
  4. স্থায়ী নিষেধাজ্ঞার ডিক্রি
সঠিক উত্তর:
স্বত্ব ঘোষণার ডিক্রি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্বত্ব ঘোষণার ডিক্রি
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪২ ধারায় ঘোষণামূলক মামলার বিধান রয়েছে। কোন ব্যক্তির আইনগত পরিচয় (Legal Character) কিংবা সম্পত্তিতে তার স্বত্বের অধিকার কেউ যদি অস্বীকার করে, তখন আইনগত পরিচয় বা কোন সম্পত্তির স্বত্বের অধিকারী (Person entitled to property) ব্যক্তি তার অধিকার ঘোষণা চেয়ে আদালতে যে মামলা দায়ের করে তাকে ঘোষণামূলক মামলা বা Declaratory Suit বা Suit for Declaration বলে।

ঘোষণামূলক মামলায় আদালত ঘোষণা মঞ্জুর করে যে ডিক্রি প্রদান করে, তাকে ঘোষণামূলক ডিক্রি বা Declaratory Decree বলে। অর্থাৎ ৪২ ধারায় আদালত যে ডিক্রি প্রদান করে,তাকে ঘোষণামূলক ডিক্রি (Declaratory Decree) বলে।

স্বত্ব ঘোষণার ক্ষেত্রে ডিক্রি জারীর মামলা করার প্রয়োজন হয় না। কারণ এই ক্ষেত্রে শুধুমাত্র ঘোষণার মাধ্যমেই ডিক্রিদার (স্বত্ব ঘোষণা প্রার্থীত ব্যক্তির) অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়। যেমন 'ক' আদালতে এই মর্মে ঘোষণামূলক মোকদ্দমা দায়ের করে যে, সে 'খ' এর ছেলে। আদালত 'ক' এর পক্ষে ডিক্রি প্রদান করে। এই ক্ষেত্রে 'ক' কে ডিক্রি জারির আবেদন করার প্রয়োজন নেই। কিন্তু দখল উদ্ধার, বাটোয়ারা এবং স্থায়ী নিষেধাজ্ঞার ক্ষেত্রে ডিক্রি জারী আবেদন দায়ের করতে হয়।
৯৩.
বাদীর আরজি সংশোধনীর দরখাস্ত নামঞ্জুরের আদেশের বিরুদ্ধে প্রতিকার কি?
  1. রিভিশন
  2. রিভিউ
  3. আপীল
  4. রেফারেন্স
সঠিক উত্তর:
রিভিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রিভিশন
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধি আদেশর ৬ এর বিধি ১৭ অনুযায়ী প্লিডিংস সংশোধনের বিধান আছে।

⇒ আদেশর ৬ বিধি ১ অনুযায়ী প্রিডিং বলতে আরজি বা লিখিত জৰাৰ বুঝাবে। 
⇒ মামর্লা যে কোন পর্যায়ে প্লিডিংস সংশোধণ হতে পারে।
⇒  প্লিডিংস সংশোধন করা বা না করা আদালতের বিবেচনা মূলক ক্ষমতা।
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি আদেশর ৬ এর বিধি ১৭ অনুযায়ী আরজি জবাব সংশোধন বা প্লিডিংস সংশোধন বলতে মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে আদালত যে কোন পক্ষকে ন্যায় সঙ্গত পদ্ধতিতে ও শর্তে তার আরজি জবাবে পরিবর্তন বা সংশোধন করার অনুমতি দিতে পারেন এবং উভয়পক্ষের মধ্যে বিরোধের প্রকৃত প্রশ্ন নির্ধারণের উদ্দেশ্যেই এরূপ যাবতীয় প্রয়োজনীয় সংশোধন করা যাবে।
⇒ তবে শর্ত থাকে যে, মোকদ্দমার বিচারকার্য শুরু হওয়ার পর , সংশোধনের কোন আবেদন গ্রহণযোগ্য হবে না।
⇒ যদি  আদালত অভিমত পোষণ করেন যে, পরিশ্রম করা সত্ত্বেও পার্টি  বিচারকার্য শুরু হওয়ার পূর্বে বিষয়টি উত্থাপন করতে পারেননি সেক্ষেত্রে আবেদন গ্রহণযোগ্য হবে।
⇒ আরো শর্ত থাকে যে, বিচারকার্য শুরু হওয়ার পর যদি সংশোধনের আবেদন করা হয় এবং আদালত এই মত পোষণ করেন যে, বিচারকার্য পরিচালনাকে বিলম্ব করার জন্য এটি করা হয়েছে, সেক্ষেত্রে আদালত আপত্তিকারীকে যেরূপ উপযুক্ত মনে তদ্রুপ ক্ষতিপূরণ বাবদ অর্থ পরিশোধ করতে আদেশ দিবেন।
⇒ বাদীর আরজি সংশোধনীর দরখাস্ত নামঞ্জুরের আদেশ আপীলযোগ্য আদেশ নয়, আদেশের বিরুদ্ধে ১১৫ ধারা অনুযায়ী রিভিশন করা যাবে।
৯৪.
আরজিতে উল্লেখিত বক্তব্য লিখিত বর্ণনায় অস্বীকার করা না হলে সে বক্তব্য-
  1. বিবাদী সাক্ষ্য দিয়ে খণ্ডন করতে পারবে
  2. বিবাদী অস্বীকৃতি বলে গণ্য হবে
  3. বিবাদীর স্বীকৃতি বলে গণ্য হবে
  4. উপরের কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
বিবাদীর স্বীকৃতি বলে গণ্য হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিবাদীর স্বীকৃতি বলে গণ্য হবে
ব্যাখ্যা
• আদেশ-৮, বিধি-৩: সুনির্দিষ্টভাবে অস্বীকার-

ক্ষতিপূরণ ব্যতীত আরজিতে উল্লেখিত প্রতিটি অভিযোগ বিবাদী সুনির্দিষ্টভাবে অস্বীকার করবে, তা নাহলে বিবাদী তা স্বীকার করেছে বলে গণ্য হবে। অর্থাৎ বিবাদী তার লিখিত জবাবে বাদীর দাবি চাতুরীপূর্ণভাবে অস্বীকার করবে না। যদি বিবাদী আরজির কোন বিষয় চাতুরীপূর্ণভাবে অস্বীকার করেন, তবে তা স্বীকার করেছেন বলেই ধরে নেয়া হবে।

Denial to be specific-
It shall not be sufficient for a defendant in his written statement to deny generally the grounds alleged by the plantiff, but the defendant must deal specifically with each allegation of fact of which he does not admit the truth, except damages.
৯৫.
নিষেধাজ্ঞার ডিক্রি জারীর দরখাস্ত দাখিলের মেয়াদকাল গণনা করা হয়-
  1. ডিক্রির স্বাক্ষরের তারিখ হতে
  2. ডিক্রি অমান্য করার তারিখ হতে
  3. ডিক্রি কার্যকর করার তারিখ হতে
  4. ডিক্রির সইমহুরী নকল প্রাপ্তির তারিখ হতে
সঠিক উত্তর:
ডিক্রির সইমহুরী নকল প্রাপ্তির তারিখ হতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিক্রির সইমহুরী নকল প্রাপ্তির তারিখ হতে
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইনের ১২ ধারা মতে কতিপয় সময় বাদ দিয়ে তামাদির মেয়াদ গণনা করতে হবে। যথা-
⇒ মামলা, আপিল বা দরখাস্তের মেয়াদ আরম্ভের দিন,
⇒ রায় ঘোষণার দিন,
রায়ের নকল গ্রহণে ব্যয়িত সময়,
⇒ রোয়েদাদ উত্তোলন করতে যে সময় ব্যয় হয়।

Section 12: Exclusion of time in legal proceedings

(1) In computing the period of limitation prescribed for any suit, appeal or application, the day from which such period is to be reckoned shall be excluded. 

(2) In computing the period of limitation prescribed for an appeal, an application for leave to appeal and an application for a review of judgment, the day on which the judgment complained of was pronounced, and the time requisite for obtaining a copy of the decree, sentence or order appealed from or sought to be reviewed, shall be excluded. 
 
(3) Where a decree is appealed from or sought to be reviewed, the time requisite for obtaining a copy of the judgment on which it is founded shall also be excluded. 
 
(4) In computing the period of limitation prescribed for an application to set aside an award, the time requisite for obtaining a copy of the award shall be excluded.
৯৬.
নিম্নের কোন ক্ষেত্রে কোন মামলা এ্যাবেট হবার কারণ উদ্ভব হতে পারে?
  1. প্রতিদ্বন্দ্বিপক্ষের মৃত্যু
  2. প্রতিদ্বন্দ্বিপক্ষের দেশান্তর
  3. প্রতিদ্বন্দ্বিপক্ষের দেওয়ালিয়াত্ব
  4. পূর্বোক্ত সবগুলোর কারণে
সঠিক উত্তর:
প্রতিদ্বন্দ্বিপক্ষের দেওয়ালিয়াত্ব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রতিদ্বন্দ্বিপক্ষের দেওয়ালিয়াত্ব
ব্যাখ্যা
• এ্যাবেট অর্থ হলো বাতিল। দেওয়ানী কার্যবিধির ২২ নং আদেশের ৮ নং বিধিতে বলা হয়েছে বাদীর দেওলিয়াত্ব মামলাটি বাতিল হবে না এবং এই ক্ষেত্রে বাদীর স্বত্বনিয়োগী বা রিসিভার মামলাটি চালিয়ে নিতে পারে। কিন্তু এই নিয়মটি প্রতিদ্বন্দ্বিপক্ষের (বিবাদীর) দেওলিয়াত্বর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।

অর্থাৎ বিবাদী যদি দেওলিয়া হয়ে যায়, তাহলে মামলা এ্যাবেট হতে পারে। যেমন 'ক' 'খ' এর বিরুদ্ধে ২০০০০০ টাকার মামলা দায়ের করেছে। 'খ' কে আদালত দেওলিয়া ঘোষণা করেছে। সুতরাং 'খ' এর বিরুদ্ধে আর মামলা চলতে পারে না। কিন্তু এই মামলায় 'খ' যদি মারা যায়, তাহলে আদালত এই মৃত ব্যক্তির আইনগত প্রতিনিধিদের কে বিবাদী হিসেবে যুক্ত করে মামলায় অগ্রসর হতে পারবে। (আদেশ ২২ বিধি ৪)
৯৭.
মধ্যস্থতার মাধ্যমে প্রদত্ত আপস ডিক্রির কারণে কোন পক্ষ সংক্ষুদ্ধ হলে, তার প্রতিকার নিম্নের কোনটি?
  1. হাইকোর্ট বিভাগে রিভিশন
  2. হাইকোর্ট বিভাগে আপীল
  3. জেলা জজ আদালতে রিভিশন
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
কোনটিই নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধির ৮৯ক(১২) ধারা মতে,
মধ্যস্থতার মাধ্যমে আদালত কোন আদেশ বা ডিক্রি প্রদান করলে তার বিরুদ্ধে কোন আপিল বা রিভিশন করা যাবে না।

মধ্যস্থতার ফলে ডিক্রি প্রদান- মধ্যস্থতার মাধ্যমে মোকদ্দমাটি আপোষ-মিমাংসা হলে, উক্ত আপোষ প্রতিবেদন প্রাপ্তির ৭ দিনের মধ্যে আদালত আদেশ বা ডিক্রি প্রদান করবে।
আপোষের উপর ভিত্তি করে ডিক্রি প্রদানের ক্ষেত্রে আদালত দেওয়ানি কার্যবিধির ২৩ নং আদেশের সোলে ডিক্রির বিধানসমূহ অনুসরণ করবে।

Section 89A(12):
No appeal or revision shall lie against any order or decree passed by the Court in pursuance of settlement between the parties under this section.
৯৮.
কোড অব ক্রিমিনাল প্রসিডিওর-এর ৪৯১ ধারা অনুযায়ী 'হেবিয়াস কর্পাস' প্রকৃতির নির্দেশনামূলক আদেশ প্রদানের ক্ষমতা কোন আদালতের এখতিয়ারভুক্ত?
  1. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
  2. জেলা জজ
  3. হাইকোর্ট বিভাগ
  4. আপীল বিভাগ
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগ
ব্যাখ্যা
ফৌজদারী কার্যবিধির ৪৯১ ধারায় হাইকোর্ট বিভাগ direction of the nature of a habeas corpus ইস্যু করতে পারে। যখন কোন ব্যক্তিকে বেআইনীভাব আটক করা হয়, তখন বন্দী হাজির রিট [writ of habeas corpus] পিটিশন দায়ের করা যায়। যে কোন ব্যক্তি বন্দী হাজির রিট দায়ের করতে পারবে। বন্দী হাজির অর্থ হলো- বন্দীকে আদালতে হাজির করা।

ধারা ৪৯১: হেবিয়াস কর্পাস প্রকৃতির নির্দেশ প্রদানের ক্ষমতা-

(১) হাইকোর্ট ডিভিশন যখনই সঠিক মনে করেন, তখন এ মর্মে নির্দেশ প্রদান করতে পারবেন যে-

(ক) ইহার ফৌজদারী আপীল এখতিয়ারের সীমার মধ্যে অবস্থানকারী কোন ব্যক্তি সম্পর্কে আইন অনুসারে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাকে আদালতে উপস্থিত করা হোক;
(খ) উপরোক্ত সীমার মধ্যে সরকারী বা বেসরকারী হেফাজতে বে-আইনী অযৌক্তিকভাবে আটক কোন ব্যক্তিকে মুক্তি দেয়া হোক;
(গ) আদালতের বিবেচনাধীন বা অনুসন্ধানাধীন কোন বিষয়ে সাক্ষী হিসাবে জবানবন্দী নিয়ে উপরোক্ত সীমার মধ্যে অবস্থিত কোন জেলে আটক কোন বন্দীকে আদালতে হাজির করা হোক,
(ঘ) কোন কোর্ট মার্শাল বা কমিশনারের বিবেচনাধীন কোন বিষয় বিচারের জন্য বা সাক্ষী দিবার জন্য উক্তরূপে আটক কোন বন্দীকে যথাক্রমে উক্ত কোর্ট মার্শাল বা কমিশনার বরাবর হাজির করা হোক,
(ঙ) উপরোক্ত সীমার মধ্যে অবস্থানকারী কোন বন্দীকে বিচারের উদ্দেশ্যে এক হেফাজত হতে অন্য হেফাজতে অপসারণ করা হোক; এবং 

(২) মামলার পদ্ধতি নিয়ন্ত্রণের জন্য সুপ্রীম কোর্ট সময়ে সময়ে এই ধারার অধীন নিয়ম প্রণয়ন করতে পারবেন।

(৩) এই ধারার কোন বিধানই বর্তমান কার্যকর কোন নিবারণমূলক আটক আইনের অধীন আটক ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
৯৯.
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ভোগের ক্ষেত্রে সাজার প্রকৃতি কিরূপ হবে?
  1. সশ্রম
  2. বিনাশ্রম
  3. সাধারণ শ্রম
  4. সবকটি
সঠিক উত্তর:
সশ্রম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সশ্রম
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৫৩ ধারার ব্যাখ্যাতে উল্লেখ আছে যে, যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হলে তা অবশ্যই সশ্রম হবে।

• দণ্ডবিধির ৫৩ ধারায় পাঁচ প্রকার শাস্তি উল্লেখ আছে। যথা:

(i)  মৃত্যুদণ্ড (Death penalty);

(ii) যাবজ্জীবন কারাদণ্ড (Imprisonment for life);

(iii) কারাদণ্ড (Imprisonment) দুই প্রকার:
ক) সশ্রম( Rigorous, that is,  with hard labour) এবং
খ) বিনাশ্রম (Simple);

(iv) সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত (forfeiture of property);

(v) অর্থদণ্ড (fine)।

⇒ যাবজ্জীবন কারাদণ্ড সর্বদায় সশ্রম কারাদণ্ড হবে।
১০০.
নিম্নের কোনটি Cognizable অপরাধ?
  1. দাঙ্গা-হাঙ্গামা
  2. ভয় দেখানো
  3. স্বেচ্ছায় আঘাত করা
  4. স্বামী কর্তৃক যৌতুক দাবি
সঠিক উত্তর:
দাঙ্গা-হাঙ্গামা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দাঙ্গা-হাঙ্গামা
ব্যাখ্যা
• Cognizable অপরাধ অর্থ হলো ধরণের অপরাধ যে ক্ষেত্রে পুলিশ ওয়ারেন্ট ছাড়া (বিনা পরোয়ানায়) অপরাধীকে আটক করতে পারে।

ফৌজদারী কার্যবিধির তফসিল নং-২ অনুযায়ী পুলিশ দণ্ডবিধির অধীন ১৪৭ ধারার দাঙ্গা-হাঙ্গামা অপরাধ সংঘটনকারী অপরাধীদেরকে বিনা পরোয়ানায় আটক করতে পারে। তাই দাঙ্গা-হাঙ্গামা হলো একটি Cognizable অপরাধ।