পরীক্ষা আর্কাইভ

১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি

পরীক্ষা১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়12 minutes
মোট প্রশ্ন৩০
সিলেবাস
পরীক্ষা - ১৫ আইন বিষয়াবলী - ৭ Subject: The Limitation Act, 1908 Topic: Section 1-29 & Article 1-183 (Preliminary, Limitation of Suits, Appeals, and Applications, Computation of the Period of Limitation, Acquisition of Ownership by Possession, Savings and Repeals), (First Division: Suits, Second Division: Appeals, Third Division: Applications).
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি

১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ৩০ প্রশ্ন

.
The Limitation Act, 1908 এ 'Bill of Exchange'-এর সংজ্ঞায় কোনগুলো অন্তর্ভুক্ত?
  1. কেবল হুন্ডি
  2. কেবল প্রমিসরি নোট
  3. কেবল চেক
  4. হুন্ডি ও চেক উভয়ই
ব্যাখ্যা

The Limitation Act, 1908 এর সংজ্ঞাসমূহ (ধারা ২):
এই আইনে, যদি প্রেক্ষাপট বা বিষয়বস্তুর সাথে অসামঞ্জস্য না থাকে, তাহলে—

১. “আবেদনকারী” (Applicant): আবেদনকারীর মধ্যে সেই ব্যক্তিকেও অন্তর্ভুক্ত করা হবে, যার মাধ্যমে বা যার কাছ থেকে আবেদনকারী তার আবেদন করার অধিকার লাভ করেছে।

২. “বিল অব এক্সচেঞ্জ” (Bill of Exchange): এর মধ্যে হুন্ডি ও চেক অন্তর্ভুক্ত থাকবে।

৩. “বন্ড” (Bond): এমন কোনো দলিল, যার মাধ্যমে একজন ব্যক্তি অন্যজনকে টাকা পরিশোধ করার অঙ্গীকার করে, এই শর্তে যে, নির্দিষ্ট কোনো কাজ সম্পাদিত হলে বা না হলে (যথাযথ ক্ষেত্রে), সেই অঙ্গীকার অকার্যকর হবে।

৪. “বিবাদী” (Defendant): এর মধ্যে সেই ব্যক্তিকেও অন্তর্ভুক্ত করা হবে, যার মাধ্যমে বা যার কাছ থেকে কোনো বিবাদী তার দায়-দায়িত্ব অর্জন করেছে, অর্থাৎ যার কারণে তাকে মামলা করা যেতে পারে।

৫. “সুখাধিকার” (Easement): এমন একটি অধিকার যা চুক্তি থেকে উদ্ভূত নয়, কিন্তু যার মাধ্যমে একজন ব্যক্তি অন্যের জমি থেকে নিজের স্বার্থে মাটি, গাছপালা বা অন্য কোনো জিনিস অপসারণ করে ব্যবহার করতে পারেন।

৬. “বিদেশি দেশ” (Foreign Country): বাংলাদেশ ব্যতীত অন্য যেকোনো দেশ।

৭. “সদ্ভাব” (Good Faith): কোনো কাজ যদি যথাযথ যত্ন ও মনোযোগ ছাড়া সম্পাদিত হয়, তবে সেটি সদ্ভাবে (good faith) সম্পাদিত বলে গণ্য হবে না।

৮. “বাদী” (Plaintiff): এর মধ্যে সেই ব্যক্তিকেও অন্তর্ভুক্ত করা হবে, যার মাধ্যমে বা যার কাছ থেকে মামলাকারী তার মামলা করার অধিকার অর্জন করেছে।

৯. “প্রমিসরি নোট” (Promissory Note): এমন একটি দলিল, যার মাধ্যমে নির্মাতা (maker) নিঃশর্তভাবে প্রতিশ্রুতি দেন যে তিনি নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ নির্দিষ্ট সময়ে, অথবা দাবির ভিত্তিতে, অথবা দর্শনের ভিত্তিতে অপর পক্ষকে পরিশোধ করবেন।

১০. “মোকদ্দমা” (Suit): এর মধ্যে আপিল বা আবেদন অন্তর্ভুক্ত নয়।

১১. “ট্রাস্টি” (Trustee): এর মধ্যে বেনামি মালিক (benamider), ঋণ পরিশোধের পরও দখলে থাকা বন্ধকগ্রহীতা (mortgagee), বা অবৈধভাবে দখলকারী (wrong-doer) অন্তর্ভুক্ত নয়।

.
Applications বা Petitions দায়েরের সময়সীমা তামাদি আইনের প্রথম তফসিলের কোন বিভাগে উল্লেখ আছে?
  1. চতুর্থ বিভাগ
  2. তৃতীয় বিভাগ
  3. দ্বিতীয় বিভাগ
  4. প্রথম বিভাগ
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইনের প্রথম তফসিলের ৩টি বিভাগ:
১) প্রথম বিভাগ (First Division): → মোকদ্দমা দায়েরের তামাদির মেয়াদ (Limitation for Filing Suits) - এই বিভাগের অধীনে ১ থেকে ১৪৯ পর্যন্ত বিভিন্ন মামলার তামাদি মেয়াদ উল্লেখ করা হয়েছে।

২) দ্বিতীয় বিভাগ (Second Division):
 → আপীল দায়েরের তামাদির মেয়াদ (Limitation for Filing Appeals) - এই বিভাগের অধীনে ১৫০ থেকে ১৫৭ পর্যন্ত বিভিন্ন আপীলের তামাদি মেয়াদ উল্লেখ করা হয়েছে।

৩) তৃতীয় বিভাগ (Third Division):
 → বিভিন্ন দরখাস্ত (পিটিশন) দায়েরের তামাদির মেয়াদ (Limitation for Filing Applications and Petitions) - এই বিভাগের অধীনে ১৫৮ থেকে ১৮৩ পর্যন্ত বিভিন্ন দরখাস্ত বা পিটিশনের তামাদি মেয়াদ উল্লেখ করা হয়েছে।

.
যদি কোনো ব্যক্তির অপারগতা তার মৃত্যু পর্যন্ত অব্যাহত থাকে, তাহলে তবে ধারা ৬(৩) অনুসারে-
  1. মামলা খারিজ হয়ে যাবে
  2. তামাদি সাথে সাথেই শুরু হবে
  3. নতুন করে তামাদি গণনা হবে না
  4. তার আইনানুগ প্রতিনিধি মামলা করতে পারবে
ব্যাখ্যা

⇒ The Limitation Act, 1908 এর ৬ ধারার বিধান- বৈধ অপারগতা-
(১) যেক্ষেত্রে মামলা বা কার্যধারা দায়ের করার কিংবা ডিক্রি জারির জন্য দরখাস্ত দাখিলের অধিকারী ব্যক্তি, যেই সময় হতে তামাদির মেয়াদ গণনা করতে হবে, সেই সময় নাবালক, উন্মাদ বা জড়বুদ্ধি থাকে, সেক্ষেত্রে উক্ত ব্যক্তি তাহার উপরোক্ত অপারগতার অবসান হওয়ার পর, অপারগতা না থাকলে, প্রথম তফসিলের তৃতীয় কলামে অথবা ১৯০৮ সালের দেওয়ানী কার্যবিধির ৪৮ ধারায় বর্ণিত যেই মেয়াদের মধ্যে সে যা করতে পারতো, সেই মেয়াদের মধ্যে মামলা বা কার্যধারা দায়ের কিংবা দরখাস্ত দাখিল করতে পারবে।

(২) যেক্ষেত্রে অনুরূপ কোনো ব্যক্তি, যেই সময় হইতে তামাদির মেয়াদ গণনা করতে হবে, সেই সময় উপরে বর্ণিত যেই কোনো দুইটি অপারগতার অবসান হওয়ার পূর্বেই সে আরেকটি অপারগতায় পতিত হয়, সেক্ষেত্রে সেই ব্যক্তি তাহার উভয় অপারগতার অবসান হওয়ার পর, অপারগতা না থাকলে, উপরে বর্ণিত যেই মেয়াদের মধ্যে সে তা করতে পারতো, সেই মেয়াদের মধ্যে মামলা দায়ের কিংবা দরখাস্ত দাখিল করতে পারবে।


(৩) যেক্ষেত্রে অনুরূপ কোনো ব্যক্তির মৃত্যু পর্যন্ত তাহার অপারগতা অব্যাহত থাকে, সেক্ষেত্রে তাহার আইনানুগ প্রতিনিধি ঐ ব্যক্তির মৃত্যুর পর অপারগতা না থাকলে উপরে বর্ণিত যেই মেয়াদের মধ্যে তা করা যেতো, সেই মেয়াদের মধ্যে মামলা দায়ের কিংবা দাখিল করতে পারবে।


(৪) যেক্ষেত্রে উপরোক্ত ব্যক্তির মৃত্যুর তারিখে তাহার আইনানুগ প্রতিনিধি অনুরূপ কোন অপারগতায় পতিত হয়, সেক্ষেত্রে (১) ও (২) উপধারায় বিধৃত বিধানসমূহ প্রযোজ্য হবে।

.
Limitation under Article 120 of First Schedule begins-
  1. From the date of filing
  2. From the date of notice
  3. From the date of decree
  4. When the right to sue accrues
ব্যাখ্যা

Article 120 – First Schedule (Limitation Act, 1908)
Suit for which no period of limitation is provided elsewhere in this schedule- Six years from when the right to sue accrues. 

তামাদি আইনের ১২০ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে,
যেসকল মামলার জন্য তামাদির মেয়াদ এই তফসিলে উল্লেখ নেই, সেগুলো সাধারণত ৬ বছরের মধ্যে দায়ের করতে হয়।

.
তামাদি আইনের বিধান অনুযায়ী, 'ক' তার বন্ধকী স্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধারের জন্য সর্বোচ্চ কত দিনের মধ্যে বন্ধক গ্রহীতার বিরুদ্ধে মামলা করতে পারবে?
  1. ৬ বছর
  2. ১২ বছর
  3. ৪৮ বছর
  4. ৬০ বছর
ব্যাখ্যা

তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ১৪৮:
বন্ধকী স্থাবর সম্পত্তি খালাস করার জন্য বা দখল পুনরুদ্ধারের [redeem] জন্য বন্ধক গ্রহীতার বিরুদ্ধে মামলা;
তামাদি- ৬০ বৎসর;
তামাদি শুরু - যখন সম্পত্তি খালাস করার বা দখল পুনরুদ্ধার করার অধিকার উদ্ভব হয়।

.
রোয়েদাদ (award) নাকচ করার দরখাস্তের তামাদি সময় গণনায় কোন সময় বাদ দিতে হবে?
  1. রায় ঘোষণার দিন
  2. নকল নিতে যে সময় লাগে
  3. মামলার নোটিশের সময়
  4. তামাদি সময় গণনার শুরুর দিন
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইনের ১২ ধারা- আইনানুগ কার্যধারায় যেই পরিমাণ সময় গণনা হইতে বাদ দিতে হইবে:
(১) কোন মামলা আপীল বা দরখাস্তের জন্য নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ গণনা করিতে, যেইদিন হইতে উক্ত মেয়াদ গণনা করিতে হইবে সেই দিন বাদ দিতে হইবে।

(২) কোন আপীল, আপীলের অনুমতির দরখাস্ত অথবা রায় পুনরীক্ষণের দরখাস্তের জন্য নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ গণনা করিতে, যেই রায় সম্পর্কে অভিযোগ করা হইবে তাহা যেইদিন ঘোষণা করা হইয়াছে সেইদিন এবং যে ডিক্রী, দন্ডাদেশ বা আদেশ সম্পর্কে আপীল করা হইবে বা পুনরীক্ষণের প্রার্থনা করা হইবে, তাহার নকল গ্রহণ করিতে যেইসময় আবশ্যক, তাহা বাদ দিতে হইবে।


(৩) যেইক্ষেত্রে ডিক্রী সম্পর্কে আপীল বা পুনরীক্ষণের প্রার্থনা করা হয়, সেইক্ষেত্রে উক্ত ডিক্রী যে রায়ের উপর প্রতিষ্ঠিত সেই রায়ের নকল লইতে যে সময় লাগে, তাহাও বাদ দিতে হইবে।


(৪) কোন রোয়েদাদ নাকচ করিবার দরখাস্তের জন্য নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ গণনা করিতে, রোয়েদাদের নকল লইতে যে সময় লাগে, তাহা বাদ দিতে হইবে।

.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ৯ ধারা-এর অধীন স্থাবর সম্পত্তির দখল উদ্ধারের মামলা দায়েরের তামাদি মেয়াদ-
  1. ৩ মাস
  2. ৬ মাস
  3. ১ বছর
  4. ৩ বছর
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮-এর প্রথম তফসিলের অনুচ্ছেদ-৩ অনুসারে,
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ৯ ধারা-এর অধীন স্থাবর সম্পত্তির দখল উদ্ধারের (Recovery of Possession of Immovable Property) মামলা দায়েরের 
তামাদি মেয়াদ হলো ৬ মাস। এই সময়সীমা গণনা শুরু হয় সম্পত্তি বেদখল হওয়ার তারিখ থেকে।

.
The Limitation Act, 1908 এর ধারা ১৭(১) অনুযায়ী তামাদি মেয়াদ কখন থেকে গণনা করা হবে?
  1. মৃত ব্যক্তির মৃত্যুর দিন থেকে
  2. মামলা দায়েরের দিন থেকে
  3. সম্পত্তি হস্তান্তরের দিন থেকে
  4. মৃত ব্যক্তির আইনানুগ প্রতিনিধি যোগ্য হওয়ার দিন থেকে
ব্যাখ্যা

ধারা-১৭: মামলা করিবার অধিকার অর্জনের পূর্বে মৃত্যুর ফলাফল:
(১) যেই ক্ষেত্রে কোনো ব্যক্তি জীবিত থাকিলে একটা মামলা দায়ের বা দরখাস্ত দাখিল করিবার অধিকারী হইতো, কিন্তু সেই ব্যক্তি উক্ত অধিকার সৃষ্টি হইবার পূর্বেই মৃত্যুবরণ করে, সেইক্ষেত্রে মৃত ব্যক্তির আইনানুগ প্রতিনিধি উক্ত মামলা দায়ের বা দরখাস্ত দাখিল করিবার যোগ্যতাসম্পন্ন হইবার সময় হইতে তামাদি মেয়াদ গণনা করা হইবে।

(২) যেইক্ষেত্রে কোনো ব্যক্তি জীবিত থাকিলে তাহার বিরুদ্ধে কেহ একটা মামলা দায়ের বা দরখাস্ত দাখিল করিবার অধিকার লাভ করিতো, কিন্তু সেই ব্যক্তি উক্ত অধিকার সৃষ্টি হইবার পূর্বেই মৃত্যুবরণ করে, সেইক্ষেত্রে যখন মৃত ব্যক্তির এইরূপ কোনো আইনানুগ প্রতিনিধি থাকিবে, যাহার বিরুদ্ধে বাদী মামলা দায়ের বা দরক্ষাস্ত দাখিল করিতে পারিবে, তখন হইতে তামাদি মেয়াদ গণনা করা হইবে।


(৩) সম্পত্তি প্রয়োগের অগ্রাধিকার প্রয়োগের মামলা অথবা স্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত দখল বা বংশগত কোনো পদলাভ সম্পর্কিত মামলার ক্ষেত্রে উপরোক্ত (১) ও (২) উপধারার কোনো কিছুই প্রযোজ্য নহে।

.
ফৌজদারি কার্যবিধির অধীনে খালাসের বিরুদ্ধে আপিল করার সময়সীমা-
  1. ৩০ দিন
  2. ৬০ দিন
  3. ৩ মাস
  4. ৬ মাস
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ১৫৭ অনুযায়ী,
ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর অধীনে খালাস (Acquittal) আদেশের বিরুদ্ধে আপীল  করার জন্য সময়সীমা ৬ মাস।

- এই মেয়াদ গণনা শুরু হয় যে আদেশের বিরুদ্ধে আপীল করা হচ্ছে তার তারিখ থেকে।

১০.
একটি নিলাম বিক্রয় বাতিল মামলা চলে ৮ মাস। পরে নিলাম নিশ্চিত হয় এবং ক্রেতা দখল চায়। তামাদি সময়ের ওপর এই ৮ মাসের প্রভাব কী?
  1. তামাদি সময় কমবে
  2. তামাদি সময় একই থাকবে
  3. তামাদি সময় থেকে ৮ মাস বাদ যাবে
  4. নতুন তামাদি সময় শুরু হবে
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: গ. তামাদি সময় থেকে ৮ মাস বাদ যাবে।

তামাদি আইন, ১৯০৮ - ধারা ১৬- ডিক্রি জারিকৃত বিক্রয় বাতিলের কার্যক্রম চলাকালে সময় বাদ দেওয়া:
যে ক্ষেত্রে কোনো ব্যক্তি ডিক্রি জারির ভিত্তিতে নিলাম বিক্রয়ের মাধ্যমে ক্রেতা হয়ে দখল পাওয়ার জন্য মামলা দায়ের করে, সেই ক্ষেত্রে তামাদি সময় গণনার সময় বিক্রয় বাতিল করার জন্য যে সময়কাল মামলা বা কার্যক্রম চালানো হয়েছে, তা তামাদি সময় থেকে বাদ দেওয়া হবে।

Section 16: Exclusion of time during which proceedings to set aside execution-sale are pending-
In computing the period of limitation prescribed for a suit for possession by a purchaser at a sale in execution of a decree, the time during which a proceeding to set aside the sale has been prosecuted shall be excluded.

১১.
বিদেশে সম্পাদিত চুক্তির উপর বাংলাদেশে মামলা করলে কোন তামাদি আইন প্রযোজ্য হবে?
  1. বিদেশী দেশের তামাদি আইন
  2. আন্তর্জাতিক আইন
  3. বাংলাদেশে প্রচলিত তামাদি আইন
  4. আদালতের বিবেচনা অনুযায়ী যেকোনো আইন
ব্যাখ্যা

তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ধারা ১১ বৈদেশিক চুক্তির উপর মামলার (Suits on foreign contracts) ক্ষেত্রে তামাদির বিধান উল্লেখ করেছে। উক্ত ধারা অনুযায়ী,
⇒ বিদেশে সম্পাদিত চুক্তির উপর বাংলাদেশে যেইসব মামলা দায়ের করা হয়, সেগুলি এ আইনে উল্লেখিত তামাদির বিধিসমূহের অধীন।
⇒ বিদেশে সম্পাদিত চুক্তির উপর বাংলাদেশে দায়েরকৃত মামলার ক্ষেত্রে বিদেশী কোনো আইনে তামাদি সংক্রান্ত বিধি জবাব স্বরূপ গ্রহণীয় হবে না।

তবে যদি সেই বিধি অনুসারে ,
চুক্তিটির পরিসমাপ্তি ঘটে থাকে এবং যদি উক্ত বিধি অনুসারে নির্ধারিত সময়কালে সংশ্লিষ্ট পক্ষগণ সেই দেশে স্থায়ীভাবে বসবাস করে থাকে, সেক্ষেত্রে তার ব্যতিক্রম হবে।

১২.
ধারা ১৯(২) অনুযায়ী, মৌখিক সাক্ষ্য কোন বিষয়ে গ্রহণযোগ্য নয়?
  1. স্বাক্ষরের তারিখ
  2. স্বাক্ষরকারীর পরিচয়
  3. সম্পত্তির অবস্থান 
  4. স্বীকারোক্তির বিষয়বস্তু
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ ধারা-১৯: লিখিত স্বীকারোক্তির প্রভাব:
(১) কোনো সম্পত্তি বা অধিকার সম্পর্কিত মামলার বা দরখাস্তের জন্য নির্ধারিত সময়সীমা শেষ হওয়ার পূর্বে, যদি সেই সম্পত্তি বা অধিকার সম্পর্কে দায় স্বীকার করে লিখিতভাবে কোনো স্বীকারোক্তি করা হয় এবং তা সেই ব্যক্তির দ্বারা স্বাক্ষরিত হয় যার বিরুদ্ধে দাবি করা হয়েছে, বা এমন কারো দ্বারা স্বাক্ষরিত হয় যার মাধ্যমে সে ব্যক্তি ঐ অধিকার বা দায়িত্ব অর্জন করেছে—তাহলে, ঐ স্বীকারোক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার সময় থেকে নতুন করে তামাদি সময় গণনা শুরু হবে।

(২) যদি স্বীকারোক্তিপত্রে তারিখ উল্লেখ না থাকে, তবে তা কখন স্বাক্ষরিত হয়েছে সে বিষয়ে মৌখিক সাক্ষ্য প্রদান করা যাবে; তবে সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর বিধান সাপেক্ষে, সেই স্বীকারোক্তির বিষয়বস্তু সম্পর্কে মৌখিক সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য হবে না।

ব্যাখ্যা-১: এই ধারার উদ্দেশ্যে, একটি স্বীকারোক্তি যথেষ্ট বলেই বিবেচিত হবে, যদিও তাতে সম্পত্তি বা অধিকারটির প্রকৃত প্রকৃতি নির্দিষ্ট করে উল্লেখ না থাকে, বা তাতে বলা হয়ে থাকে যে অর্থ প্রদান, প্রদান, সম্পাদন বা ভোগের সময় এখনো আসেনি, কিংবা অর্থ প্রদান, সম্পাদন বা ভোগের অনুমতি দেওয়ার অস্বীকৃতির সাথে যুক্ত থাকে, অথবা তা যদি সেট-অফ দাবির সাথে যুক্ত থাকে, এমনকি যদি তা সম্পত্তি বা অধিকারপ্রাপ্ত ব্যক্তির পরিবর্তে অন্য কাউকে উদ্দেশ্য করেও লেখা হয়।
ব্যাখ্যা-২: এই ধারার উদ্দেশ্যে "স্বাক্ষর" বলতে নিজ হাতে স্বাক্ষর বা যথাযথভাবে অনুমোদিত প্রতিনিধির মাধ্যমে স্বাক্ষর বোঝানো হয়।ব্যাখ্যা-৩: এই ধারার উদ্দেশ্যে, ডিক্রি বা আদেশ কার্যকর করার দরখাস্তকে একটি অধিকার সংক্রান্ত দরখাস্ত হিসেবে গণ্য করা হবে।

১৩.
According to Section 9, once limitation time begins to run-
  1. It may stop due to later disability
  2. It stops if the plaintiff becomes insane
  3. It starts again if the defendant becomes insolvent
  4. It continues regardless of any subsequent disability
ব্যাখ্যা

Section 9: Continuous running of time
Where once time has begun to run, no subsequent disability or inability to sue stops it: 
Provided that where letters of administration to the estate of a creditor have been granted to his debtor, the running of the time prescribed for a suit to recover the debt shall be suspended while the administration continues.

ধারা ৯- সময়ের অবিরাম চলন
একবার তামাদির মেয়াদ গণনা শুরু হলে পরবর্তী কোন অপারগতা বা অক্ষমতা দ্বারা তা বন্ধ হবে না।

ব্যতিক্রম
যেক্ষেত্রে পাওনাদারের (Creditor) সম্পত্তির ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব দেনাদারের (Debtor) উপর পরিচালনার পত্ৰনামার (Letters of Administration) মাধ্যমে অর্পন করেছে, সেইক্ষেত্রে যতদিন উক্ত দায়িত্ব ন্যাস্ত থাকবে ততদিন উক্ত দেনার টাকা আদায়ের মামলার তামাদির মেয়াদ অতিবাহিত হওয়া স্থগিত থাকবে।

১৪.
'ক' জমি বিক্রি করেন। বিক্রয় দলিল রেজিস্ট্রি হয় ৫ জানুয়ারি, ২০২১। ক্রেতা ১০ জানুয়ারি, ২০২১ জমিতে দখল গ্রহণ করেন। অগ্রক্রয়ের মামলা করার সময় শুরু হবে-
  1. ৫ জানুয়ারি, ২০২১ থেকে
  2. ১০ জানুয়ারি, ২০২১ থেকে
  3. চুক্তির দিন থেকে
  4. বিক্রয়ের নোটিশের দিন থেকে
ব্যাখ্যা

 ⇒ তামাদি আইনের প্রথম তফসিলের ১০ অনুচ্ছেদ অনুসারে,
অগ্রক্রয়ের (pre-emption) অধিকার কার্যকর করার জন্য মামলা দায়েরের তামাদির মেয়াদ ১ বছর।

এই মেয়াদ গণনা শুরু হয়:
→ ক্রেতা যদি সম্পত্তিতে প্রত্যক্ষ দখল গ্রহণ করে, তাহলে দখল গ্রহণের তারিখ থেকে।
→ যদি ক্রেতা প্রত্যক্ষ দখল গ্রহণ না করে, তাহলে বিক্রয় দলিল রেজিস্ট্রিকৃত হওয়ার তারিখ থেকে।

এ ঘটনায় ক্রেতা ১০ জানুয়ারি, ২০২১ দখল গ্রহণ করেছেন, তাই  তামাদি সময় শুরু ১০ জানুয়ারি, ২০২১ থেকে।

১৫.
সুখাধিকার ভোগের গণনার ক্ষেত্রে মামলা দায়েরের তারিখের অব্যবহিত পূর্ববতী কত বছরের মধ্যে সমাপ্ত ২০ বছর বিবেচনা করা হবে?
  1. ৬ বছর
  2. ৩ বছর
  3. ২ বছর
  4. ১ বছর
ব্যাখ্যা

তামাদি আইনের ২৬ ধারার বিধান: সুখাধিকার সমূহ অর্জন (Acquisition of right to easements):
(১) যেইক্ষেত্রে কোন দালানে আলো বা বাতাসের প্রবেশ ও ব্যবহার সুখাধিকার হিসাবে এবং অধিকার হিসাবে অব্যাহতভাবে এবং বিশ বৎসর যাবত শান্তিপূর্ণভাবে ভোগ করা হইয়াছে,
এবং যেইক্ষেত্রে কোন পথ বা জলস্রোত অথবা কোন পানির ব্যবহার অথবা অন্য যে কোন সুখাধিকার (ইতিবাচক, নৈতিবাচক যাহাই হউক না কেন) কোন ব্যক্তি সুখাধিকার ও অধিকার হিসাবে উহাতে স্বত্ব দাবি করিয়া অব্যাহতভাবে এবং বিশ বৎসর যাবত শান্তিপূর্ণভাবে ও প্রকাশ্যে ভোগ করিয়াছে, সেইক্ষেত্রে অনুরূপ আলো-বাতাসের প্রবেশ ও ব্যবহার, পথ, জলস্রোত, পানির ব্যবহার অথবা অন্য কোন সুখাধিকার নিরঙ্কুশ ও অলংঘনীয় অধিকারে পরিণত হইবে।
যদি কোন মামলায় উক্তরূপ কোন অধিকারের দাবির বিরোধিতা করা হয়, সেই মামলায় উক্ত উভয় ক্ষেত্রেই বিশ বৎসর বলিতে মামলা দায়েরের তারিখের অব্যবহিত পূর্ববতী দুই বৎসরের মধ্যে সমাপ্ত বিশ বৎসর বুঝাইবে।

(২) যে সম্পত্তির উপর (১) উপধারা অনুসারে অধিকার দাবি করা হয়, তাহা যদি সরকারের সম্পত্তি হয় তবে উক্ত উপধারায় বিশ বৎসর কথাগুলির স্থলে ষাট বৎসর কথাগুলি প্রতিস্থাপিত হইবে।

ব্যাখ্যা: এই ধারার অর্থানুসারে কোন কিছুই ব্যাহত হইবে না যদি দাবিদার ব্যতীত অন্য কোন লোকের কার্য দ্বারা বাধার ফলে দখল বা ভোগে প্রকৃত বিরতি না হয় এবং যদি উক্ত বাধা মানিয়া না লওয়া হয় অথবা উহাতে মৌন সম্মতি প্রকাশ না করা হয় এবং তাহা দাবিদারের গোচরীভূত হইবার পর এক বৎসর অতিবাহিত হয়।

১৬.
ধারা ২৪ অনুযায়ী, তামাদি সময় গণনা কখন শুরু হবে?
  1. কার্যের দিন থেকে
  2. ক্ষতির দিন থেকে
  3. মামলা দায়েরের দিন থেকে
  4. নোটিশ দেওয়ার দিন থেকে
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইনের ২৪ ধারার বিধান: বিশেষ ক্ষতির কারণ না হইলে যে কাজের জন্য মামলা করা যায় না তাহার জন্য ক্ষতিপূরণের মামলা:
যে কার্যের দ্বারা বাস্তবিক পক্ষে কোন নির্দিষ্ট ক্ষতি সাধিত না হইলে কোন মামলার কারণ উদ্ভূত হয় না, তদ্রূপ কার্যের দরুন ক্ষতিপূরণের মামলার জন্য যখন ক্ষতি হয়, তখন হইতে তামাদির মেয়াদ গণনা করিতে হইবে।

উদাহরণ:
'ক' একটি জমির উপরিভাগের মালিক। 'খ' ঐ জমির ভূগর্ভের মালিক। উপরিভাগের তাৎক্ষণিক স্পষ্ট কোন ক্ষতি না করিয়া ভূ-গর্ভ হইতে কয়লা খনন ও উত্তোলন করে। কিন্তু অবশেষে জমিটির উপরিভাগ ধসে পড়ে। এইক্ষেত্রে 'ক' কর্তৃক 'খ' এর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের তামাদির মেয়াদ ধসিয়া পড়ার সময় হইতে শুরু হইবে।

১৭.
রহিমকে মিথ্যা অভিযোগে ১ জুন, ২০২৩ তারিখে আটক করা হয় এবং ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ তাকে মুক্তি দেওয়া হয়। তিনি হেফাজতে রাখা ও মিথ্যা কারাদণ্ডের জন্য ক্ষতিপূরণ দাবি করতে চান। তিনি সর্বশেষ কোন সময়ের মধ্যে মামলা করতে পারবেন?
  1. ১ জুন, ২০২৪
  2. ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৪
  3. ১ ডিসেম্বর, ২০২৪
  4. ১ সেপ্টেম্বর ২০২৫
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ-১৯- মিথ্যা বা অন্যায় কারাদণ্ড [False Imprisonment] ভোগের জন্য ক্ষতিপূরণ আদায়ের মামলা।
তামাদি- ১ বৎসর।
সময় গণনা শুরু- কারাদণ্ড যখন সমাপ্ত হয়।

তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ১৯ অনুযায়ী—
মিথ্যা বা অন্যায় কারাদণ্ডের ক্ষতিপূরণের মামলা করতে হলে, মুক্তির তারিখ থেকে ১ বছরের মধ্যে মামলা করতে হবে।

রহিম মুক্তি পেয়েছেন → ১ সেপ্টেম্বর ২০২৪।
তাই তামাদি সময় শেষ হবে → ১ সেপ্টেম্বর ২০২৫।

১৮.
Under Section 28, the extinguishment of right occurs-
  1. Automatically by operation of law
  2. Only when the court orders
  3. When the parties agree
  4. When a new suit is filed
ব্যাখ্যা

⇒ The Limitation Act, 1908, Section- 28. Extinguishment of right to property:
At the determination of the period hereby limited to any person for instituting a suit for possession of any property, his right to such property shall be extinguished. 

তামাদি আইন, ১৯০৮–এর ধারা ২৮ বলছে যে—
কোনো ব্যক্তি যদি নির্ধারিত তামাদি সময়ের মধ্যে কোনো সম্পত্তির দখল চেয়ে মামলা না করে, তাহলে—
- তার সেই সম্পত্তির অধিকার নিজে থেকেই লোপ পায়।
- আদালতের আলাদা কোনো আদেশ লাগে না।
- এটি আইন স্বয়ংক্রিয়ভাবে ঘটায়।

অর্থাৎ, সময়মতো মামলা না করলে—
“Remedy is barred” নয়, বরং “Right itself is extinguished” হয়ে যায়। এটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে আইনের বলে ঘটে (by operation of law)
আদালতের নির্দেশ বা পক্ষদ্বয়ের সম্মতির প্রয়োজন হয় না

১৯.
The Limitation Act, 1908 এর ধারা ১৩ কার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য?
  1. শুধুমাত্র বাদী
  2. শুধুমাত্র বিবাদী
  3. শুধুমাত্র সরকারি বাদী
  4. বাদী এবং বিবাদী উভয়ের ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: খ) শুধুমাত্র বিবাদী।

তামাদি আইনের ১৩ ধারা অনুযায়ী,
বাদীর যখন মামলা করার অধিকার জন্মায় তখন 
যদি বিবাদী উক্ত সময়ে সরকারের কার্যের অংশ হিসাবে দেশের বাইরে থাকে, বিবাদী যতদিন বিদেশে থাকবে ততদিন তামাদির মেয়াদের গণনা স্থগিত থাকবে। তাই বলা যায় যে, বিবাদীর বিদেশে অবস্থানের সময়টুকু তামাদি থেকে বাদ যাবে।

২০.
তামাদি আইন, ১৯০৮-এর প্রথম তফসিলের কত অনুচ্ছেদে হাইকোর্টের মূল দেওয়ানি এখতিয়ার (original civil jurisdiction)-এ প্রদত্ত রায়, ডিক্রি বা আদেশ কার্যকর করার জন্য মামলার তামাদি মেয়াদ উল্লেখ আছে?
  1. অনুচ্ছেদ ১৮০
  2. অনুচ্ছেদ ১৮১
  3. অনুচ্ছেদ ১৮২
  4. অনুচ্ছেদ ১৮৩
ব্যাখ্যা

তামাদি আইন, ১৯০৮-এর অনুচ্ছেদ ১৮৩:
হাইকোর্টের মূল দেওয়ানি এখতিয়ার (original civil jurisdiction)-এ প্রদত্ত রায়, ডিক্রি বা আদেশ অথবা আপিল বিভাগ [Appellate Division] কর্তৃক প্রদত্ত আদেশ কার্যকর করার জন্য মামলা:
তামাদি মেয়াদ: ১২ বছর।

সময় গণনার শুরু:
যেদিন সেই ব্যক্তি, যিনি উক্ত রায়, ডিক্রি বা আদেশ কার্যকর করতে পারেন, প্রথমবারের মতো তা কার্যকর করার অধিকার লাভ করেন, সেদিন থেকে।

২১.
ধারা ১৫(১) অনুসারে কোন সময় বাদ দিতে হবে?
  1. নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দিন
  2. নিষেধাজ্ঞা জারির দিন
  3. নিষেধাজ্ঞা বলবৎ থাকা পুরো সময়
  4. উল্লিখিত সব
ব্যাখ্যা

তামাদি আইনের ১৫ ধারার বিধান অনুযায়ী, কার্যক্রম স্থগিত থাকাকালীন সময় বাদ দিতে হইবে-
(১) যেই মামলা বা ডিক্রি জারির দরখাস্ত দায়ের বা জারি কোনো নিষেধাজ্ঞা বা আদেশ দ্বারা স্থগিত রাখা হয়েছে, তার জন্য নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ গণনার সময়, যতদিন উক্ত নিষেধাজ্ঞা বা আদেশ বলবৎ ছিল, যেদিন তা প্রদত্ত হয়েছিল এবং যেদিন তা প্রত্যাহার করা হয়েছিল, তা বাদ দিতে হবে।

(২) যেই মামলার জন্য বর্তমানে বলবৎ অন্য কোনো আইনের বিধান অনুসারে নোটিশ দেয়া হয়েছে, তার জন্য নির্ধারিত মেয়াদ গণনায় নোটিশের কাল বাদ দিতে হবে।

২২.
হাজির হতে ব্যর্থ হওয়া বা সমন–খরচ জমা না দেওয়ার ফলে মামলা খারিজ হলে সেই খারিজ আদেশ বাতিলের দরখাস্ত দাখিলের তামাদি সময়-
  1. ১৫ দিন
  2. ৩০ দিন
  3. ৬০ দিন
  4. ৯০ দিন
ব্যাখ্যা

অনুচ্ছেদ-১৬৩
হাজির হতে ব্যর্থ হওয়ার জন্য বা গরহাজিরার ফলে [default of appearance] বা সমন জারীর খরচ জমা না দেওয়ার জন্য অথবা খরচার জামানত দাখিল না করার জন্য মামলা খারিজ আদেশ বাতিল করার জন্য দরখাস্ত [to set aside an order of dismissal]

তামাদি- ৩০ দিন।
সময় গণনা শুরু -খারিজ হওয়ার তারিখ হতে।

২৩.
নতুন কোনো বাদী বা বিবাদীকে পক্ষভুক্ত করলে মামলাটি তার ক্ষেত্রে দায়ের হয়েছে বলে গণ্য হবে-
  1. মামলার মূল দাখিল তারিখে
  2. পক্ষভুক্তির তারিখে
  3. নোটিশ প্রদানের তারিখে
  4. আদালতের নির্দেশের তারিখে
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইনের ধারা ২২ এর বিধান নতুন বাদী বা বিবাদীকে কারও স্থলাভিষিক্ত বা পক্ষভুক্ত করার ফলাফল:-
(১) যেক্ষেত্রে মামলা দায়ের করার পর নতুন কোনো বাদী বা বিবাদীকে কারও স্থলাভিষিক্ত বা পক্ষভুক্ত করা হয়, সেক্ষেত্রে সেই ব্যক্তি যেই তারিখে অনুরূপ পক্ষভুক্ত হয়েছে, তার জন্য মামলাটি সেই তারিখে দায়ের করা হয়েছে বলে গণ্য হবে।

(২) যেক্ষেত্রে মামলা মুলতবি থাকাকালে স্বত্বার্পণ বা কোনো স্বত্ব হস্তান্তরের কারণে কাউকে পক্ষভুক্ত বা স্থলাভিষিক্ত করা হয় অথবা যেক্ষেত্রে বাদীকে বিবাদী কিংবা বিবাদীকে বাদীতে রূপান্তরিত করা হয়, সেক্ষেত্রে (১) উপধারার কোনো কিছুই প্রযোজ্য হবে না।

২৪.
অস্থাবর সম্পত্তি অন্যায়ভাবে জব্দ করার ক্ষতিপূরণের মামলার তামাদি সময়-
  1. ৬ মাস
  2. ১ বছর
  3. ২ বছর
  4. ৩ বছর
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইনের ২৯ অনুচ্ছেদের বিধান-
আইনসম্মত পদ্ধতিতে অস্থাবর সম্পত্তি অন্যায়ভাবে জব্দ [wrongful seizure] করার জন্য ক্ষতিপূরণের মামলার
তামাদি মেয়াদ- ১ বৎসর।
সময় গণনা শুরু- জব্দ করার তারিখ থেকে।

The limitation Act-1908- Schedule-1 Article 29: 
For compensation for wrongful seizure of moveable property under legal process - One year from the date of Seizure.

২৫.
When does a fresh period of limitation begin in the case of a continuing breach?
  1. At the time of filing the suit
  2. Only once at the first occurrence
  3. When the court declares so
  4. At every moment the breach continues
ব্যাখ্যা

Section 23: Continuing breaches and wrongs-
In the case of a continuing breach of contract and in the case of a continuing wrong independent of contract, a fresh period of limitation begins to run at every moment of the time during which the breach or the wrong, as the case may be, continues.

২৩ ধারা: অবিরাম চুক্তিভঙ্গ-
যেক্ষেত্রে অবিরাম চুক্তি ভঙ্গ করা হয় এবং যেইক্ষেত্রে অবিরাম চুক্তি নিরপেক্ষভাবে অন্যায় করা হয়, সেক্ষেত্রে চুক্তি ভঙ্গ বা অন্যায় চলাকালীন সময়ের প্রতি মুহূর্তেই নতুন করে তামাদির মেয়াদ অতিবাহিত হতে শুরু করে।

২৬.
তামাদি আইনের প্রথম তফসিলের অনুচ্ছেদ ১৮১ অনুযায়ী, তামাদি সময়সীমা কখন থেকে গণনা করা হবে?
  1. আবেদন গ্রহণের দিন থেকে
  2. আবেদনকারীর জ্ঞাত হওয়ার দিন থেকে
  3. মামলার রায় ঘোষণার দিন থেকে
  4. অধিকার উদ্ভবের সময় থেকে
ব্যাখ্যা

তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ১৮১-
দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর ৪৮ ধারায় কোন বিধান নাই সেই সকল দরখাস্ত বা যে সকল দরখাস্তের জন্য তামাদির মেয়াদ এই তফসিলে উল্লেখ নেই, সেই সকল দরখাস্ত দাখিলের তামাদির মেয়াদ, যখন থেকে অধিকার উদ্ভব হয় সেই সময় থেকে- ৩ বছর।

২৭.
The Limitation Act, 1908 এর ধারা ৮ কোন ধরনের মামলায় প্রযোজ্য নয়?
  1. ঋণ আদায়ের মামলা
  2. ঘোষণামূলক মামলা
  3. অগ্রক্রয়ের মামলা
  4. বংশগত পদলাভ সম্পর্কিত মামলা
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইনের ৮ ধারার বিধান: বিশেষ ব্যতিক্রম:
৬ অথবা ৭ ধারার কোন কিছুই অগ্রক্রয়ের অধিকার বলবতের মামলায় প্রযোজ্য নহে। যেই মেয়াদের মধ্যে মামলা অবশ্যই দায়ের বা দরখাস্ত দাখিল করিতে হইবে, 
সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির অপারগতার অবসানে বা মৃত্যুর পর তাহা উক্ত ধারাদ্বয়ের কোন কিছুই তিন বৎসরের অধিক বর্ধিত করিয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে না।

উদাহরণ:

(ক) ক নাবালক থাকাকালে মিরাস আদায়ের জন্য মামলা করিবার অধিকার লাভ করে। ইহার ১১ বৎসর পর সে সাবালক হয়। সাধারণ আইন অনুসারে ক মামলা দায়ের করিবার জন্য মাত্র অবশিষ্ট এক বৎসর সময় পায়। কিন্তু ৬ ধারা ও অত্র ধারা অনুসারে সে আরও দুই বৎসর অতিরিক্ত সময় পাইবে। অর্থাৎ সাবালক হইবার পর তিন বৎসরের মধ্যে সে মামলা দায়ের করিতে পারিবে।

২৮.
তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ধারা ২০ কোন বিষয়ের সাথে সম্পর্কিত?
  1. নিলাম বিক্রয়
  2. সুদ বা ঋণ পরিশোধ
  3. বিবাহ সংক্রান্ত অধিকার
  4. তৃতীয় পক্ষের দাবি
ব্যাখ্যা

তামাদি আইন, ১৯০৮- ধারা ২০ : উত্তর দায় (Debt) সংক্রান্ত ঋণ বা সুদ প্রদানের ফলাফল:
(১) যে ক্ষেত্রে কোনো দেনা বা দায়ের সুদ বাবদ নির্ধারিত মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার পূর্বে, উক্ত দেনা বা দায় পরিশোধে দায়ী ব্যক্তি স্বয়ং অথবা তার যথাযথভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত প্রতিনিধি কোনো অর্থ প্রদান করে, সে ক্ষেত্রে উক্ত অর্থ প্রদানের তারিখ থেকে নতুন করে তামাদি মেয়াদ গণনা করতে হবে।

তবে শর্ত থাকে যে, ১৯২৮ সালের ১লা জানুয়ারির পূর্বে সুদ পরিশোধের ক্ষেত্র ব্যতীত, অন্যান্য সকল ক্ষেত্রে যিনি অর্থ প্রদান করবেন, সেই ব্যক্তির স্বহস্তে লিখিত ও স্বাক্ষরিত (অথবা অন্যের দ্বারা লিখিত হলেও তার দ্বারা স্বাক্ষরিত) স্বীকৃতি থাকতে হবে।

২৯.
ধারা ২৯(৩) অনুযায়ী তামাদি আইন কোন ধরনের মামলায় প্রযোজ্য নয়?
  1. চুক্তি আইনের ২৫ ধারার মামলা
  2. ফৌজদারি কার্যবিধির অধীনে মামলা
  3. বিবাহ-বিচ্ছেদ আইন, ১৮৬৯ অনুসারে আনীত মামলা
  4. ১৮৮২ সালের সুখাধিকার আইনের আওতাধীন মামলা
ব্যাখ্যা

• তামাদি আইন,১৯০৮ এর ধারা ২৯ এ বলা আছে-
(১) এই আইনের কোনো বিধান ১৮৭২ সালের চুক্তি আইনের ২৫ ধারাকে প্রভাবিত করবে না।

(২) যেক্ষেত্রে কোনো বিশেষ আইনে কোনো মামলা, আপিল বা দরখাস্তের জন্য এই আইনের প্রথম তফসিলে নির্ধারিত মেয়াদ অপেক্ষা ভিন্নতর মেয়াদের বিধান রয়েছে, সেক্ষেত্রে এই আইনের ৩ ধারার বিধানসমূহ এইরূপভাবে প্রযোজ্য হবে, যেন উক্ত ভিন্নতর মেয়াদ এই আইনের উক্ত তফসিলেই নির্ধারিত হয়েছে এবং কোন

বিশেষ আইনের বিধান অনুসারে কোন মামলা, আপিল বা দরখাস্তের তামাদির মেয়াদ গণনার উদ্দেশ্যে-
ক. এই আইনের ৪ ধারা, ৯ হতে ১৮ ধারা ও ২২ ধারার বিধানসমূহ সেই পরিমাণে প্রযোজ্য হবে, যে পরিমাণ তা উক্ত বিশেষ আইনের স্পষ্ট বহির্ভূত নয়; এবং
খ. এই আইনের অবশিষ্ট বিধানসমূহ প্রযোজ্য হবে না।

(৩) এই আইনের কোন বিধান বিবাহ-বিচ্ছেদ আইন, ১৮৬৯ অনুসারে আনীত মামলার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না।

(৪) যে সকল এলাকায় ১৮৮২ সালের সুখাধিকার আইনের আওতায় আপাতত সম্প্রসারিত করা হবে, সেই সকল এলাকা। হতে উদ্ভূত মামলার ক্ষেত্রে আইনের ২৬ ও ২৭ ধারা এবং ২ ধারায় বর্ণিত 'সুখাধিকার' এবং সংজ্ঞা প্রযোজ্য হবে না।

৩০.
তামাদি আইনের প্রথম তফসিলের ৪০ অনুচ্ছেদ অনুসারে, গ্রন্থস্বত্ব বা বিশেষ সুবিধা লঙ্ঘনের ক্ষতিপূরণের মামলার তামাদি সময়-
  1. ১ বছর
  2. ২ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৬ বছর
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইনের ৪০ অনুচ্ছেদ অনুসারে-
গ্রন্থস্বত্ব বা অন্য কোন বিশেষ সুবিধা লঙ্ঘনের ক্ষতিপূরণের মামলা দায়েরের তামাদির মেয়াদ-৩ বছর।
এ মেয়াদ গণনা শুরু হবে- লঙ্ঘনের তারিখ হতে।

Article 40 of the Limitation Act:
The period of limitation of the  suit for compensation for infringing copyright or any other exclusive privilege is-3 years. The period begins from the date of infringement