পরীক্ষা আর্কাইভ

১২তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষা

পরীক্ষাPSCতারিখ১ জানুয়ারি, ১৯৯১সময়50 minutes৯৬ বৈধ · অসম্পূর্ণ
মোট প্রশ্ন১০০
সিলেবাস
১২তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষার মূল প্রশ্ন ও সমাধান
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১২তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষা

PSC · ১ জানুয়ারি, ১৯৯১ · ১০০ প্রশ্ন

.
ক্রিয়া পদের মূল অংশকে বলা হয়-
  1. বিভক্তি
  2. ধাতু
  3. প্রত্যয়
  4. কৃৎ
সঠিক উত্তর:
ধাতু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধাতু
ব্যাখ্যা
• ধাতু বা ক্রিয়ামূল:
বাংলা ভাষায় বহু ক্রিয়াপদ রয়েছে। এসকল ক্রিয়াপদের মূল অংশকে বলা হয় ধাতু বা ক্রিয়ামূল।

ধাতু ৩ প্রকার। যথা:
১. মৌলিক ধাতু,
২. সাধিত ধাতু ও
৩. যৌগিক বা সংযোগমূলক ধাতু।

• মৌলিক ধাতু:
যেসকল ধাতুকে বিশ্লেষণ করা যায় না, সেগুলোই মৌলিক ধাতু। এগুলোকে সিদ্ধ বা স্বয়ংসিদ্ধ ধাতুও বলা হয়।
যেমন- চল্‌, পড়্‌, কর্‌ ইত্যাদি।

• মৌলিক ধাতু আবার ৩ প্রকার। যথা:
ক) বাংলা ধাতু,
খ) সংস্কৃত ধাতু ও
গ) বিদেশি ধাতু।

• সাধিত ধাতু:
মৌলিক ধাতু কিংবা কোনো কোনো নাম-শব্দের সঙ্গে ‘আ’ প্রত্যয় যোগে সাধিত ধাতু গঠিত হয়। আবার যেসব ধাতু বিশ্লেষণ করলে এক বা একাধিক প্রত্যয় পাওয়া যায় তাকেও সাধিত ধাতু বলা হয়।
যেমন:
- দেখ্‌ + আ = দেখা।
- পড়+আ = পড়া।
- বল+আ =বলা।

• সাধিত ধাতু আবার ৩ প্রকার। যথা:
১. নাম ধাতু,
২. প্রযোজক (নিজন্ত) ধাতুি ও
৩. কর্মবাচ্যের ধাতু।

• যৌগিক ও সংযোগমূলক ধাতু:
বিশেষ্য, বিশেষণ বা ধ্বন্যাতক অব্যয়ের সাথে কর্‌, দে, পা, খা, ছাড় ইত্যাদি মৌলিক ধাতু সংযুক্ত হয়ে যে নতুন ধাতু গঠিত হয় তাই সংযোগমূলোক ধাতু।
যেমন: যোগ (বিশেষ্য) + কর্‌ (ধাতু) = 'যোগ কর' (সংযোগমূলোক ধাতু)।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
.
'স্বাধীনতা হীনতায় কে বাঁচিতে চায়' চরণটি কার রচনা?
  1. ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
  2. মধুসূদন দত্ত
  3. হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
  4. রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায়
সঠিক উত্তর:
রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায়
ব্যাখ্যা
• ‘স্বাধীনতা হীনতায় কে বাঁচিতে চায় হে, কে বাঁচিতে চায়’- চরণটি রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায়ের 'পদ্মিনী উপাখ্যান' নামক দেশাত্মবোধক কাব্যের অন্তর্ভুক্ত।

• রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায়:
- কবি, সাংবাদিক রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্ম পশ্চিমবঙ্গের হুগলি জেলার বাকুলিয়ায়।
- ছাত্রাবস্থায় ঈশ্বরগুপ্তের সংবাদ প্রভাকর-এ তাঁর কবিতা প্রকাশিত হয়।
- রঙ্গলালের প্রথম ও প্রধান সাহিত্যকীর্তি পদ্মিনী উপাখ্যান ১৮৫৮ খ্রিস্টাব্দে প্রকাশিত হয়।
- এটি ইংরেজি কাব্যাদর্শের অনুসরণে টডের Annals and Antiquities of Rajasthan-এর কাহিনী অবলম্বনে রচিত ঐতিহাসিক রোমান্সধর্মী কাব্য।
- ‘স্বাধীনতা হীনতায় কে বাঁচিতে চায় হে, কে বাঁচিতে চায়/ দাসত্বশৃঙ্খল বল কে পরিবে পায় হে, কে পরিবে পায়।’ পদ্মিনী উপাখ্যানে তাঁর এই উক্তি পরবর্তীকালে স্বাধীনতা সংগ্রামের বিপ্লবীদের বীজমন্ত্র হিসেবে কাজ করেছে।

তাঁর রচিত অন্যান্য কাব্য হচ্ছে:
- কর্মদেবী,
- শূরসুন্দরী ও
- কাঞ্চী কাবেরী।

- তিনি কালিদাসের ঋতুসংহার ও কুমারসম্ভব-এর পদ্যানুবাদ (১৮৭২) করেন।
- তাঁর নীতিকুসুমাঞ্জলি (১৮৭২) সংস্কৃত নীতি ও তত্ত্বমূলক কবিতার অপর পদ্যানুবাদ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
.
শুদ্ধ বাক্যটি চিহ্নিত করুন-
  1. বিদ্যান ব্যক্তিগণ দরিদ্রের শিকার হন
  2. বিদ্যান ব্যক্তিগণ দারিদ্রতার শিকার হন
  3. বিদ্বান ব্যক্তিগণ দারিদ্র্যের শিকার হন
  4. বিদ্যান ব্যক্তিগণ দরিদ্রতার স্বীকার হন
সঠিক উত্তর:
বিদ্বান ব্যক্তিগণ দারিদ্র্যের শিকার হন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিদ্বান ব্যক্তিগণ দারিদ্র্যের শিকার হন
ব্যাখ্যা
• শুদ্ধ বাক্য: বিদ্বান ব্যক্তিগণ দারিদ্র্যের শিকার হন।

অন্যদিকে,
• অপশন ‘ক’ তে দরিদ্রের বানানটি অশুদ্ধ। এবং অপশন ‘ঘ’ তে ‘স্বীকার’ শব্দটির কারণে বাক্যের যোগ্যতা গুণের অভাব পরিলক্ষিত হয়েছে।

উল্লেখ্য,
• 'দারিদ্রতা' শব্দটি প্রত্যয়ঘটিত অপপ্রয়োগের উদাহরণ।
- এর সঠিক শব্দ: দারিদ্র্য, দরিদ্রতা।

• নিয়ম:
‘তা’ ‘ত্ব’ এবং ‘য’ হলো বিশেষ্যবাচক প্রত্যয়। যা কেবল বিশেষণ শব্দকে বিশেষ্য করে। তাই বিশেষ্য শব্দের সঙ্গে আবারো ‘তা’ ‘ত্ব’ বা য যুক্ত করলে তা ভুল হবে।
যেমন:
- দৈন্যতা শব্দটি অপপ্রয়োগ বা অশুদ্ধ। কারণ ‘দীন’ বিশেষণ শব্দের সঙ্গে বিশেষ্যবাচক ‘য’ প্রত্যয় যোগ করে ‘দৈন্য’ বিশেষ্য শব্দ গঠিত হয়। ফলে ‘দৈন্য’ শব্দের সঙ্গে আবারো বিশেষ্যবাচক ‘তা’ প্রত্যয় যুক্ত হলে তা ভুল বলে গণ্য হয়েছে।

এরূপ কিছু অশুদ্ধ শব্দের শুদ্ধরূপ হলো:
• অধৈর্যতা - অধৈর্য, ধীরতা।
• আলস্যতা - আলস্য, অলসতা।
• ঐক্যতা - ঐক্য, একতা।
• দৈন্যতা - দৈন্য, দীনতা।
• কার্পণ্যতা - কার্পন্য, কৃপণতা।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
.
কোন শব্দে বিদেশি উপসর্গ ব্যবহৃত হয়েছে?
  1. নিখুঁত
  2. আনমনা
  3. অবহেলা
  4. নিমরাজী
সঠিক উত্তর:
নিমরাজী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিমরাজী
ব্যাখ্যা
• ফারসি উপসর্গ ‘নিম’ যোগে গঠিত শব্দ- নিমরাজী।

অন্যদিকে,
• খাঁটি বাংলা উপসর্গযোগে গঠিত শব্দ - আনমনা ও নিখুঁত।
• তৎসম উপসর্গযোগে গঠিত শব্দ- অবহেলা।

----------------------
• উপসর্গ:

বাংলা ভাষায় যেসব শব্দখণ্ড বা শব্দাংশ ধাতুর পূর্বে বসে নতুন শব্দ গঠন করে, সেগুলোকে বলে উপসর্গ।

• বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত উপসর্গকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১. খাঁটি বাংলা উপসর্গ,
২. সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ এবং
৩. বিদেশি উপসর্গ।

• খাঁটি বাংলা উপসর্গ:
বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত নিজস্ব উপসর্গকে খাঁটি বাংলা উপসর্গ বলা হয়। খাঁটি বাংলা উপসর্গ ২১টি।
যথা: অ, অঘা, অজ, অনা, আ, আড়, আন, আব, ইতি, ঊন (ঊনা), কদ, কু, নি, পাতি, বি, ভর, রাম, স, সা, সু, হা।

[বাংলা উপসর্গের মধ্যে আ, সু, বি, নি এই চারটি উপসর্গ তৎসম শব্দেও পাওয়া যায়।]

• সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ:
বাংলা ভাষায় যেসকল সংস্কৃত উপসর্গ ব্যবহার করা হয় তাদের সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ বলে। সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ ২০টি।
যথা: প্র, পরা, অপ, সম, নি, অনু, অব, নির, দুর, বি, অধি, সু, উৎ, পরি, প্রতি, অতি, অভি, অপি, উপ, আ।

• বিদেশি উপসর্গ:
আরবি, ফারসি, ইংরেজি, হিন্দি এসব ভাষার বহু শব্দ দীর্ঘকাল ধরে বাংলা ভাষায় প্রচলিত আছে।
এছাড়া কিছু বিদেশি উপসর্গও বাংলায় চালু আছে।

• বিদেশি উপসর্গ অনির্দিষ্ট বা অনির্ণেয়।
যেমন:
- আরবি উপসর্গ: আম, খাস, লা, গর, বাজে এবং খয়ের।
- ফারসি উপসর্গ: কার, দর, না, নিম, ফি, বদ, বে, বর, ব, কম।
- উর্দু উপসর্গ: হর।
- ইংরেজি উপসর্গ: হেড, সাব, ফুল, হাফ।

উৎস: প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ড. হায়াৎ মামুদ এবং মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০২২ সংস্করণ)।
.
কোন বানানটি শুদ্ধ?
  1. পাষাণ
  2. পাষান
  3. পাসান
  4. পাশান
সঠিক উত্তর:
পাষাণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাষাণ
ব্যাখ্যা
• বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,

• শুদ্ধ বানান: পাষাণ (বিশেষণ পদ)।
- এটি একটি সংস্কৃত শব্দ।
-'পাষাণ' শব্দের অর্থ: হৃদয়হীন; নির্মম; নিষ্ঠুর; নির্দয়।

• 'পাষাণ' এর স্ত্রীলিঙ্গ- পাষাণী (বিশেষ্য) যার অর্থ- হৃদয়হীনা; নিষ্ঠুরা বা দয়ামায়াহীনা নারী।

উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।
.
বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে প্রাচীনতম মুসলমান কবি-
  1. শাহ মুহম্মদ সগীর
  2. সাবিরিদ খান
  3. শেখ ফয়জুল্লাহ
  4. মুহাম্মদ কবীর
সঠিক উত্তর:
শাহ মুহম্মদ সগীর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শাহ মুহম্মদ সগীর
ব্যাখ্যা
• শাহ মুহম্মদ সগীর:
- মধ্যযুগের তথা বাংলা সাহিত্যের প্রথম মুসলিম কবি শাহ মুহম্মদ সগীর।
- তিনি পনের শতকের কবি ছিলেন।
- গৌড়ের সুলতান গিয়াসউদ্দিন আজম শাহের রাজত্বকালে তিনি কাব্য রচনা করেন।
- অনুবাদ সাহিত্যে বা রোমাণ্টিক প্রণয়োপাখ্যান ধারার প্রথম কবি - শাহ্‌ মুহম্মদ সগীর।
- শাহ মুহম্মদ সগীরের শ্রেষ্ঠ অনুবাদকর্ম ইউসুফ-জোলেখা।

উল্লেখ্য,
• ইউসুফ-জোলেখা কাব্য:
• ইউসুফ-জোলেখা’ শাহ মুহম্মদ সগীর রচিত কাহিনি কাব্যগ্রন্থ যা রোম্যান্টিক প্রণয়োপাখ্যান ধারার প্রথম কাব্য।
• গৌড়ের সুলতান গিয়াসউদ্দিন আজম শাহের রাজত্বকালে এ কাব্যর রচনা হয়েছিল বলে প্রমাণ মিলেছে।
• বাইবেল ও কোরানে ইউসুফ-জোলেখার কাহিনি বর্ণিত আছে। ইরানের কবি ফেরদৌসিও এই নামে কাব্য রচনা করেছেন। সগীর বাইবেল পড়েন নি। তিনি কোরান ও ফেরদৌসির কাছে থেকেই কাহিনিসূত্র গ্রহণ করে ইউসুফ ও জোলেখার প্রণয়কাহিনি লেখেন।
• পরবর্তীতে মধ্যযুগের আরো অনেক কবি ইউসুফ জোলেখা নাম দিয়ে কাব্য রচনা করেছেন। যেমন- ইউসুফ জোলেখা নিয়ে কাব্য রচনা করেন আব্দুল হাকিম এবং শাহ মুহম্মদ গরীবুল্লাহ। তকে এই কাব্য শাহ মুহাম্মদ সগীরই প্রথম লেখেন।’

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর; বাংলাপিডিয়িা।
.
'মোদের গরব, মোদের আশা/আ-মরি বাংলা ভাষা' রচিয়তা-
  1. রামনিধি গুপ্ত
  2. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  3. অতুল প্রসাদ সেন
  4. সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত
সঠিক উত্তর:
অতুল প্রসাদ সেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অতুল প্রসাদ সেন
ব্যাখ্যা
• 'মোদের গরব মোদের আশা / আ-মরি বাঙলা ভাষা'- গানটির রচয়িতা অতুল প্রসাদ সেন।
- গানটি ষাটের দশকে পূর্ব বাংলায় বাঙালি জাতীয়বাদী আন্দোলনকারীদের মনে উদ্দীপনার সঞ্চার করেছিল।

• অতুলপ্রসাদ সেন:
- অতুলপ্রসাদ সেন ১৮৭১ সালে ঢাকায় জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি মূলত কবি, গীতিকার ও গায়ক ছিলেন।
- তিনি সর্বপ্রথম বাংলা গানে ঠুমরি আমদানি করেন।
- 'মোদের গরব, মোদের আশা, আমরি বাংলা ভাষা' তাঁর রচিত বিখ্যাত গান।
- 'কয়েকটি গান ও গীতিগুচ্ছ' তাঁর গানের সংকলন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
মধুসূদন দত্ত রচিত 'বীরাঙ্গনা'-
  1. মহাকাব্য
  2. পত্রকাব্য
  3. গীতিকাব্য
  4. আখ্যানকাব্য
সঠিক উত্তর:
পত্রকাব্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পত্রকাব্য
ব্যাখ্যা
• 'বীরাঙ্গনা কাব্য':
- 'বীরাঙ্গনা কাব্য' মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত পত্রকাব্য।
- এটি ১৮৬২ সালে প্রকাশিত হয়।
- পত্রাকারে এ ধরনের কাব্য বাংলা সাহিত্যে এটাই প্রথম।
- রোমান কাব্য ‘হেরোইদাইদ্স’ কাব্যের অনুসরণে ‘বীরাঙ্গনা’ কাব্যগ্রন্থটি বাংলায় রচিত।
- এই কাব্যে মোট ১১টি পত্র আছে।
- পৌরাণিক নারীরা মধুসূদনের হাতে যেন আধুনিক মানুষ হিসেবে পুনর্জাগরিত হয়ে নিজেদের প্রণয় কামনা ইত্যাদি প্রকাশ করেছে এই কাব্যে।

----------------------------
• মাইকেল মধুসূদন দত্ত:
- মাইকেল মধুসূদন দত্ত একজন মহাকবি, নাট্যকার। তিনি ১৮২৪ সালের ২৫ জানুয়ারি যশোর জেলার কপোতাক্ষ নদের তীরে সাগরদাঁড়ি গ্রামে জম্ম গ্রহণ করেন।
- তিনি বাংলা ভাষার সনেট প্রবর্তক।
- তিনি অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক।
- মাইকেল মধুসূদন দত্ত প্রথম অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রয়োগ করেন ‘পদ্মাবতী’ নাটকে। (দ্বিতীয় অঙ্ক দ্বিতীয় গর্ভাঙ্কে)
- অমিত্রাক্ষর ছন্দে রচিত প্রথম কাব্যগ্রন্থ- তিলোত্তমাসম্ভব কাব্য। অর্থ্যাৎ, এই কাব্যটি সম্পূর্ণ অমিত্রাক্ষর ছন্দে রচিত।
- তাঁর রচিত প্রথম কাব্যগ্রন্থ দ্য ক্যাপটিভ লেডি। এটি ইংরেজিতে রচিত।

তাঁর রচিত কাব্যগুলো হলো:
- তিলোত্তমাসম্ভব কাব্য,
- মেঘনাদবধ কাব্য,
- ব্রজাঙ্গনা কাব্য,
- বীরাঙ্গনা কাব্য (পত্রকাব্য),
- চতুর্দশপদী কবিতাবলী।

- ‘হেক্টরবধ’ গদ্যে রচিত অনুবাদ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
.
রোহিনী কোন উপন্যাসের নায়িকা?
  1. কৃষ্ণকান্তের উইল
  2. চোখের বালি
  3. গৃহদাহ
  4. পথের পাঁচালী
সঠিক উত্তর:
কৃষ্ণকান্তের উইল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কৃষ্ণকান্তের উইল
ব্যাখ্যা
• 'কৃষ্ণকান্তের উইল' উপন্যাস:
- এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় অন্যতম শ্রেষ্ঠ এবং সমকালে বিতর্কিত উপন্যাস।
- এই উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র বিধবা নারী রোহিনীকে অবলম্বন করে বঙ্কিমচন্দ্র নিজেই শিল্পবোধ ও নৈতিক আদর্শের দ্বন্ধে জড়িয়ে পড়েন।
- ঔপন্যাসিকের জীবদ্দশায় এই গ্রন্থের চারটি সংস্করণ হয়।

• উপন্যাসটির প্রধান চরিত্রগুলো হলো:
- রোহিনী,
- গোবিন্দলাল,
- ভ্রমর।

----------------------------------
• বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়:
- তিনি পশ্চিমবঙ্গের চব্বিশ পরগনা জেলার কাঁঠালপাড়া গ্রামে ১৮৩৮ সালে জন্মগ্রহণ করেন।
- 'সম্বাদ প্রভাকর' পত্রিকায় কবিতা লিখে সাহিত্যচর্চায় আত্মনিয়োগ করেন।
- তাঁর রচিত প্রথম কাব্যগ্রন্থের নাম- 'ললিতা তথা মানস'।
- তাকে বাংলা উপন্যাসের জনক বলা হয়।
- উপন্যাসের প্লট,চরিত্রের গঠন ,বিবর্তন, পরিবর্তন ও পরিব্যাপ্তিতে অনুসরণ করতেন তিনি।

• তাঁর রচিত গুরুত্বপূর্ণ উপন্যাস:
- দুর্গেশনন্দিনী,
- কপালকুন্ডলা,
- বিষবৃক্ষ,
- মৃণালিণী,
- রজনী,
- আনন্দমঠ,
- দেবী চৌধুরানী,
- সীতারাম,
- কৃষ্ণকান্তের উইল।

• তাঁর রচিত গুরুত্বপূর্ণ প্রবন্ধ:
- লোকরহস্য,
- কমলাকান্তের দপ্তর,
- বিবিধ সমালোচনা,
- সাম্য।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস- মাহবুবুল আলম; বাংলাপিডিয়া।
১০.
নিম্নরেখ কোন শব্দে করণ কারকে শূন্য বিভক্তি ব্যবহৃত হয়েছে?
  1. ঘোড়াকে চাবুক মার
  2. ডাক্তার ডাক
  3. গাড়ি স্টেশন ছেড়েছে
  4. মুষলধারে বৃষ্টি পড়ছে
সঠিক উত্তর:
ঘোড়াকে চাবুক মার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘোড়াকে চাবুক মার
ব্যাখ্যা
করণ কারক:
যার দ্বারা বা যার সাহায্যে ক্রিয়া সম্পাদিত হয় তাকে করণ কারক বলে। ‘করণ' শব্দের অর্থ উপায় বা সহায়।
- বাক্যের ক্রিয়াপদকে 'কার দ্বারা বা কী উপায়ে জিজ্ঞাসা করলে যে উত্তর পাওয়া যায় তা-ই করণ কারক।

করণ কারকে বিভিন্ন বিভক্তির ব্যবহার:
• প্রথমা বা শূন্য বিভক্তি:
- ছাত্ররা বল খেলে।
- ঘোড়াকে 'চাবুক' মার।

• তৃতীয়া বা দ্বারা বিভক্তি:
- লাঙ্গল দ্বারা জমি চাষ করা হয়।
- দিয়া বিভক্তি: মন দিয়া কর সবে বিদ্যা অর্জন।

• সপ্তমী বা এ বিভক্তি:
- ফুলে ফুলে ঘর ভরেছে।
- জ্ঞানে বিমল আনন্দ হয়।

• তে বিভক্তি: লোকটা জাতিতে বৈষ্ণব।

• য় বিভক্তি: চেষ্টায় সব হয়।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা- ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নবম-দশম শ্রেণি, ২০১৯ সংস্করণ।
১১.
রূপসী বাংলার কবি-
  1. জসীমউদদীন
  2. জীবনানন্দ দাশ
  3. কালিদাস রায়
  4. সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত
সঠিক উত্তর:
জীবনানন্দ দাশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জীবনানন্দ দাশ
ব্যাখ্যা
• জীবনানন্দ দাশ:
- জীবনানন্দ দাশ কবি ও শিক্ষাবিদ ছিলেন।
- তিনি ১৮৯৯ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি বরিশালে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁদের আদি নিবাস ছিল বিক্রমপুরের গাওপাড়া গ্রামে।
- তাঁর পিতা সত্যানন্দ দাশ ছিলেন স্কুলশিক্ষক ও সমাজসেবক।
- মাতা কুসুমকুমারী দাশ ছিলেন একজন কবি।

জীবনানন্দ দাশের উপাধি সমূহ:
- ধুসরতার কবি,
- তিমির হননের কবি,
- রূপসী বাংলার কবি,
- নির্জনতার কবি।

তাঁর উল্লেখযোগ্য রচনা:
• কাব্যগ্রন্থ:
- ঝরা পালক (এটি জীবনানন্দ দাশের প্রথম কাব্য গ্রন্থ),
- ধূসর পাণ্ডু লিপি,
- বনলতা সেন,
- মহাপৃথিবী,
- সাতটি তারার তিমির,
- রূপসী বাংলা,
- বেলা অবেলা কালবেলা।

• উপন্যাস:
- মাল্যবান,
- সুতীর্থ।

• প্রবন্ধগ্রন্থ:
- কবিতার কথা।

উৎস: বাংলাপিডিয়া; বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১২.
বটতলার পুঁথি বলতে বুঝায়-
  1. মধ্যযুগীয় কাব্যের হস্তলিখিত পাণ্ডুলিপি
  2. বটতলা নামক স্থানে রচিত কাব্য
  3. দোভাষী বাংলায় রচিত পুঁথি সাহিত্য
  4. অবিমিশ্র দেশজ বাংলায় রচিত লোকসাহিত্য
সঠিক উত্তর:
দোভাষী বাংলায় রচিত পুঁথি সাহিত্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দোভাষী বাংলায় রচিত পুঁথি সাহিত্য
ব্যাখ্যা
• বটতলার পুঁথি বলতে বুঝায়- দোভাষী পুথি এবং পরবর্তীকালে ‘মিশ্র ভাষারীতির কাব্য।

------------------------------
• পুথি সাহিত্য:

- পুথি সাহিত্য আরবি, উর্দু, ফারসি ও হিন্দি ভাষার মিশ্রণে রচিত এক বিশেষ শ্রেণীর বাংলা সাহিত্য। আঠারো থেকে উনিশ শতক পর্যন্ত এর ব্যাপ্তিকাল। এ সাহিত্যের রচয়িতা এবং পাঠক উভয়ই ছিল মুসলমান সম্প্রদায়।

- পুথি (বা পুঁথি) শব্দের উৎপত্তি ‘পুস্তিকা’ শব্দ থেকে। এ অর্থে পুথি শব্দদ্বারা যেকোনো গ্রন্থকে বোঝালেও পুথি সাহিত্যের ক্ষেত্রে তা বিশেষ অর্থ বহন করে। বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে একটি বিশেষ সময়ে রচিত বিশেষ ধরণের সাহিত্যই পুথি সাহিত্য নামে পরিচিত।

- হুগলির বালিয়া-হাফেজপুরের কবি ফকির গরীবুল্লাহ (আনু. ১৬৮০-১৭৭০) আমীর হামজা রচনা করে এ কাব্যধারার সূত্রপাত করেন। আরবদেশের ইতিহাস-পুরাণ মিশ্রিত কাহিনি অবলম্বনে রচিত আমীর হামজা জঙ্গনামা বা যুদ্ধ বিষয়ক কাব্য।

- মধ্যযুগে প্রায় পাঁচশ বছর ধরে বাংলা ভাষার যে ঐতিহ্য তৈরি হয়েছিল, তার সঙ্গে এ কাব্যের ভাষার মিল নেই। বাংলা শব্দের সঙ্গে আরবি, ফারসি প্রভৃতি শব্দের মিশ্রণজাত একটি ভিন্ন ভাষায় কাব্যটি রচিত। সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় এ কাব্যে ৩২% বিদেশি শব্দের পরিসংখ্যান দিয়েছেন। হুগলি, হাওড়া, কলকাতা, ২৪ পরগনা প্রভৃতি অঞ্চলের মুসলমানদের কথ্যভাষা এর উৎস ছিল বলে মনে করা হয়।

- গরীবুল্লাহ নিজে এবং তাঁর শিষ্য সৈয়দ হামজা এ ভাষায় আরও কয়েকখানি কাব্য রচনা করেন। তাঁদের অনুসরণে পরবর্তীকালে বহু সংখ্যক মুসলমান কবি এ জাতীয় কাব্য রচনা করেন।
- এগুলির পাঠক ছিল সর্বস্তরের মুসলমান; তবে নিম্নবিত্তের চাকরিজীবী, ব্যবসায়ী ও শ্রমজীবী মানুষের কাছে এর জনপ্রিয়তা ছিল সর্বাধিক।

- পুথি সাহিত্যের শব্দসম্ভার ও ভাষারীতি লক্ষ করে বিভিন্ন জন এর বিভিন্ন নামকরণ করেছেন। রেভারেন্ড জেমস লং এ ভাষাকে বলেছেন ‘মুসলমানী বাংলা’, আর এ ভাষায় রচিত সাহিত্যকে বলেছেন ‘মুসলমানী বাংলা সাহিত্য’।

- কলকাতার বটতলার ছাপাখানার বদৌলতে প্রচার লাভ করে বলে এগুলি ‘বটতলার পুথি’ নামেও পরিচিত হয়।
- গবেষকগণ ভাষা-বৈশিষ্ট্য ও বাক্যরীতির দিক থেকে বিচার করে প্রথমে এগুলিকে দোভাষী পুথি এবং পরবর্তীকালে ‘মিশ্র ভাষারীতির কাব্য’ বলে অভিহিত করেন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১৩.
এক কথায় প্রকাশ করুন- 'যা বলা হয়নি'
  1. অউক্ত
  2. অব্যক্ত
  3. অনুক্ত
  4. অব্যাক্ত
সঠিক উত্তর:
অনুক্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুক্ত
ব্যাখ্যা
• 'যা বলা হয় নি' এর এক কথায় প্রকাশ - অনুক্ত।

এমন আরো কিছু গুরুত্বপূর্ণ এক কথায় প্রকাশ হলো:
- ‘যা বলা হয়েছে’ এক কথায় বলে - উক্ত।
- ‘যা বলা হবে’ এক কথায় বলে - বক্তব্য।
- ‘যা বলা হচ্ছে’ এক কথায় বলে - বক্ষ্যমাণ।
- ‘যা প্রকাশ করা হয়নি’ এক কথায় বলে - অব্যক্ত।
- ‘যা পূর্বে শোনা যায় নি’ এক কথায় বলে - অশ্রুতপূর্ব।
- 'যা বলার যোগ্য নয়' এক কথায় বলে - অকথ্য।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর; প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ড. হায়াৎ মামুদ এবং বাংলা ভাষার ব্যাকরণ নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
১৪.
কবি গান রচয়িতা এবং গায়ক হিসেবে এরা উভয়েই পরিচিত-
  1. রাম বসু এবং ভোলা ময়রা
  2. এন্টনি ফিরিঙ্গি এবং রামপ্রসাদ রায়
  3. সাবিরিদ খান এবং দশরথী রায়
  4. আলাওল এবং ভারতচন্দ্র
সঠিক উত্তর:
রাম বসু এবং ভোলা ময়রা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাম বসু এবং ভোলা ময়রা
ব্যাখ্যা
• কবি গান রচয়িতা এবং গায়ক হিসেবে পরিচিত- রাম বসু এবং ভোলা ময়রা।

অন্যদিকে,
- অপশন - খ) তে প্রদত্ত 'এন্টনি ফিরিঙ্গি' কবিওয়ালা হলেও 'রামপ্রসাদ রায়' নামে কোনো কবিওয়ালার সন্ধান পাওয়া যায়নি।
- অপশন গ) তে প্রদত্ত 'সাবিরিদ খান' মধ্যযুগের আখ্যানকবি ও 'দাশরথি রায়' (১৮০৬-১৮৫৭) স্বভাবকবি ও পাঁচালিকার। ‘দাশু রায়’ নামেও তিনি পরিচিত ছিলেন।
- অপশন ঘ) তে প্রদত্ত 'আলাওল' (আনু. ১৬০৭-১৬৮০) মধ্যযুগীয় বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি এবং 'ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর' (১৭১২-১৭৬০) মধ্যযুগের সর্বশেষ কবি, আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অগ্রদূত।


-------------------------
• আঠারো শতকের শেষ ও উনিশ শতকের শুরুর দিকে বাংলা সাহিত্যে কবিগান রচয়িতাদের আবির্ভাব ঘটে।
- উল্লেখযোগ্য কবিগানের ধরন - তর্জা, পাঁচালি, খেউড়, আখড়াই, দাঁড়া কবিগান, বসা কবিগান, ঢপ, টপ্পা, কীর্তন ইত্যাদি।
- কবিগান এক ধরনের প্রতিযোগিতামূলক গান। দুটি দলে এ প্রতিযোগিতা হয়। দলের দলপতিকে বলে কবিয়াল বা সরকার।
- কবিয়ালের সঙ্গীদের নাম দোহার। যন্ত্রসঙ্গীতকারীদের মধ্যে ঢুলি মুখ্য ভূমিকা পালন করে। দল দুটি পর্যায়ক্রমে আসরে এসে গান পরিবেশন করে।

উল্লেখযোগ্য কবিগান রচয়িতা:
- গোঁজলা গুই (প্রাচীনতম কবি)
- রাম বসু,
- রাসু,
- নৃসিংহ
- অ্যান্টনি ফিরিঙ্গি
- হরু ঠাকুর
- রামনিধি গুপ্ত
- কেষ্টা মুচী
- ভবানী
- রামানন্দ নন্দী
- ভোলা ময়রা (ভোলানাথ মোদক),
- নিতাই বৈরাগী

- বিশ শতকের শুরুতে কলকাতায় কবিগানের গুরুত্ব হারাতে থাকলেও বাংলাদেশের গ্রামাঞ্চলে এর জনপ্রিয়তা বাড়তে থাকে।
- বিশ শতকে সর্বাধিক জনপ্রিয় কয়েকজন কবিয়াল হরিচরণ আচার্য (১৮৬১-১৯৪১), রমেশ শীল (১৮৭৭-১৯৬৭), রাজেন্দ্রনাথ সরকার (১৮৯২-১৯৭৪), মানিকগঞ্জের রাধাবল্লভ সরকার, উপেন্দ্র সরকার, ভাসান সরকার, কুমুদ সরকার, অভয়চরণ সরকার, বিজয়কৃষ্ণ অধিকারী (১৯০৩-১৯৮৫), গুমানী দেওয়ান প্রমুখ।

উৎস: লাল নীল দীপাবলি, ড. হুমায়ুন আজাদ; বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
১৫.
কোন শব্দে ধাতুর সঙ্গে প্রত্যয় যুক্ত হয়েছে?
  1. ঠগী
  2. পানাস
  3. পাঠক
  4. সেলামী
সঠিক উত্তর:
পাঠক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাঠক
ব্যাখ্যা

বাংলা ভাষার ব্যাকরণ নবম-দশম শ্রেণি ২০১৯ সংস্করণ অনুসারে,
• √পাঠ্ + অক = পাঠক, পাঠ ধাতুর সাথে 'অক' কৃৎ প্রত্যয় যুক্ত হয়েছে।

বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,
• পাঠক (বিশেষ্য)
- এটি সংস্কৃত শব্দ,
- পাঠক শব্দের যথার্থ প্রকৃতি-প্রত্যয় = √পাঠি+অক;
অর্থ: পাঠকারী, ছাত্র, কথক, শিক্ষক।

সুতরাং অপশন অনুসারে, সঠিক উত্তর অপশন ‘গ’।

১৬.
বাগধারা যুগলদের মধ্যে কোন জোড়া সর্বাধিক সমার্থবাচক?
  1. অমাবস্যার চাঁদ; আকাশ কুসুম
  2. বক ধার্মিক; বিড়াল তপস্বী
  3. রুই-কাতলা; কেউ কেটা
  4. বক ধার্মিক; ভিজে বেড়াল
সঠিক উত্তর:
বক ধার্মিক; বিড়াল তপস্বী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বক ধার্মিক; বিড়াল তপস্বী
ব্যাখ্যা
• বক ধার্মিক ও বিড়াল তপস্বী বাগ্‌ধারাগুলোর অর্থ - ভণ্ড।

অন্যান্য বাগ্‌ধারাগুলোর অর্থ হলো: 
- ভিজে বিড়াল অর্থ - কপট ব্যক্তি।
- অমাবস্যার চাঁদ অর্থ - দুর্লভ বস্তু।
- আকাশ কুসুম অর্থ - অসম্ভব কল্পনা।
- রুই-কাতলা অর্থ - পদস্থ বা নেতৃস্থানীয় ব্যক্তি।
- কেউ কেটা অর্থ - সামান্য।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
১৭.
বাংলা সাহিত্যের সর্বাধিক সমৃদ্ধ ধারা-
  1. নাটক
  2. ছোট গল্প
  3. প্রবন্ধ
  4. গীতি কবিতা
সঠিক উত্তর:
গীতি কবিতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গীতি কবিতা
ব্যাখ্যা
• গীতিকবিতা:
- গীতিকবিতার মধ্যে কবিহৃদয়ের বিশেষ কোন অনুভূতি, সঙ্গীতমাধুর্য সহকারে রূপায়িত হয়ে ওঠে। কবির ব্যক্তিগত অনুভূতি এর উপজীব্য, সঙ্গীতের ব্যঞ্জনা নিয়ে তার প্রকাশ।

- যে শ্রেণির কবিতায় কবির হৃদয়ের অনুভূতি বা একান্ত ব্যক্তিগত বাসনাকামনা ও আনন্দবেদনা প্রাণের অন্তস্তল থেকে আবেগকম্পিত সুরে অখণ্ড ভাবমূর্তিতে আত্মপ্রকাশ করে, তাকেই গীতিকবিতা বলে অভিহিত করা হয়।

- আন্তরিকতাপূর্ণ অনুভূতি, অবয়বের স্বল্পতা, সঙ্গীতমাধুর্য ও গতিস্বাচ্ছন্দ্য-এই কয়টি বৈশিষ্ট্য গীতিকবিতার মধ্যে বিদ্যমান।

- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের মতে, বক্তার ভাবোচ্ছ্বাসের পরিস্ফুটন মাত্র যার উদ্দেশ্য সেই কাব্যই গীতিকাব্য। হৃদয়ের অনুভূতি সাধারণত দীর্ঘস্থায়ী নয় বলে তা অবলম্বনে লেখা গীতিকবিতাও দীর্ঘ আকারের হয় না।

- গীতিকবিতায় ভাববস্তু সংক্ষিপ্ত বা বিস্তৃত উভয় রূপই হতে পারে। আর একারণেই গীতিকবিতার আকার তথা দৈর্ঘ্য সম্পর্কে সঠিক পরিমাণ নির্ধারণ অসম্ভব।

- বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগে বৈষ্ণব পদাবলিতে গীতিকবিতার বৈশিষ্ট্য প্রথম বারের মত ফুটে উঠেছিল। তবে কবিতা প্রাচীন ও মধ্য যুগের সৃষ্টি হলেও গীতিকবিতা আধুনিক যুগের সৃষ্টি।

- আধুনিক যুগে সৃষ্ঠ এই গীতি কবিতাই এই যুগের সবচেয়ে সমৃদ্ধ ধারা।

----------------------
উল্লেখ্য,
- মধ্যযুগের সবচেয়ে সমৃদ্ধ সাহিত্য ধারা - বৈষ্ণব সাহিত্যধারা।

উৎস: বাংলাপিডিয়া; বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও লাল নীল দীপাবলী, হুমায়ুন আজাদ।
১৮.
মুসলমান কবি রচিত প্রাচীনতম বাংলা কাব্য-
  1. ইউসুফ জুলেখা
  2. রসুল বিজয়
  3. নূরনামা
  4. শবে মেরাজ
সঠিক উত্তর:
ইউসুফ জুলেখা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইউসুফ জুলেখা
ব্যাখ্যা
• মুসলমান কবি রচিত প্রাচীনতম বাংলা কাব্য ইউসুফ জোলেখা।
- এটি রচনা করেন শাহ মুহম্মদ সগীর।

• ইউসুফ-জোলেখা কাব্য:

• ইউসুফ-জোলেখা’ শাহ মুহম্মদ সগীর রচিত কাহিনি কাব্যগ্রন্থ যা রোম্যান্টিক প্রণয়োপাখ্যান ধারার প্রথম কাব্য।
• গৌড়ের সুলতান গিয়াসউদ্দিন আজম শাহের রাজত্বকালে এ কাব্যর রচনা হয়েছিল বলে প্রমাণ মিলেছে।
• বাইবেল ও কোরানে ইউসুফ-জোলেখার কাহিনি বর্ণিত আছে। ইরানের কবি ফেরদৌসিও এই নামে কাব্য রচনা করেছেন। সগীর বাইবেল পড়েন নি। তিনি কোরান ও ফেরদৌসির কাছে থেকেই কাহিনিসূত্র গ্রহণ করে ইউসুফ ও জোলেখার প্রণয়কাহিনি লেখেন।
• পরবর্তীতে মধ্যযুগের আরো অনেক কবি ইউসুফ জোলেখা নাম দিয়ে কাব্য রচনা করেছেন। যেমন- ইউসুফ জোলেখা নিয়ে কাব্য রচনা করেন আব্দুল হাকিম এবং শাহ মুহম্মদ গরীবুল্লাহ। তকে এই কাব্য শাহ মুহাম্মদ সগীরই প্রথম লেখেন।’

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর; বাংলাপিডিয়িা।
১৯.
বাংলাভাষা এই শব্দ দুটি গ্রহণ করেছে চীনা ভাষা হতে-
  1. চাকু, চাকর
  2. খদ্দর, হরতাল
  3. চা, চিনি
  4. রিকশা, রেস্তোঁরা
সঠিক উত্তর:
চা, চিনি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চা, চিনি
ব্যাখ্যা
• চা
- চীনা শব্দ।
অর্থ:
- বাংলাদেশ ভারত চীন শ্রীলঙ্কা প্রভৃতি দেশের পাহাড়ি অঞ্চলের গুল্মজাতীয় উদ্ভিদের (Camellia sinensis) প্রক্রিয়াজাত কচি পাতা।
- ফুটন্ত জলে ওই পাতা সিক্ত করে প্রাপ্তপানীয়বিশেষ।
- চায়ের সঙ্গে পরিবেশিত হালকাআহার্য।

• চিনি
- অর্ধ তৎসম শব্দ।
অর্থ:
- আখ বিট প্রভৃতি উদ্ভিদের নির্যাস থেকে উৎপন্ন কেলাসিত মিষ্ট পদার্থবিশেষ।

• চাকু (বিশেষ্য)
- তুর্কি শব্দ।
অর্থ:
- ভাঁজ করে রাখা যায় এমন ফলাযুক্ত ছুরি।

• চাকর (বিশেষ্য)
- ফারসি শব্দ।
অর্থ:
- ভৃত্য; পরিচর্যাকারী; সেবক; পরিচারক।
- কর্মচারী; নির্দিষ্ট কর্ম সম্পাদনের জন্য নিযুক্ত বেতনভোগী ব্যক্তি।
- আজ্ঞাবহ; তাঁবেদার।

• হরতাল (বিশেষ্য)
- গুজরাটি শব্দ।
অর্থ:
- ধর্মঘট;
- বিক্ষোভ প্রকাশ করার জন্য যানবাহন,
- হাট-বাজার, দোকান-পাট,
- অফিস-আদালত ইত্যাদি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য বন্ধ করা।

• রিকশা
- জাপানি শব্দ।
অর্থ:
- মনুষ্যবাহিত দুই বা তিন চাকার সড়ক্যান।

• রেস্তোরাঁ (বিশেষ্য)
- ফারসি শব্দ।
অর্থ:
- হোটেলবিশেষ;
- চায়ের দোকান।

[বাংলা একাডেমি অভিধান অনুসারে চিনি অর্ধ তৎসম শব্দ যা 'শর্করা শব্দ' থেকে উৎপত্তি হয়েছে, কিন্তু নবম -দশম শ্রেণির ব্যাকরণ বই অনুযায়ী চিনি চীনা শব্দ। তাই অপশনগুলোর মধ্যে অধিক গ্রহনযোগ্য হিসেবে চা,চিনি উত্তর নেওয়া হলো।]

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান এবং অভিগম্য অভিধান।
২০.
ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ ছিলেন প্রধানত-
  1. ভাষাতত্ত্ববিদ
  2. সাহিত্যের ইতিহাস রচয়িতা
  3. ইসলাম প্রচারক
  4. সমাজ সংস্কারক
সঠিক উত্তর:
ভাষাতত্ত্ববিদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভাষাতত্ত্ববিদ
ব্যাখ্যা
• ড.মুহম্মদ শহীদুল্লাহ ছিলেন একাধারে ভাষাবিজ্ঞানী ও ভাষাতাত্ত্বিক, গবেষক, অনুবাদক, চিন্তাবিদ ও শিক্ষাবিদ। তবে তিনি ভাষাতত্ত্ববিদ হিসেবে বহুল পরিচিত।

-----------------------------------
• ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্:
• ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্ (১৮৮৫-১৯৬৯) ভারতীয় উপমহাদেশের একজন স্মরণীয় বাঙালি ব্যক্তিত্ব, বহুভাষাবিদ, বিশিষ্ট শিক্ষক ও দার্শনিক ছিলেন। তিনি ১৮৮৫ সালের ১০ জুলাই পশ্চিমবঙ্গের চব্বিশ পরগনা জেলার পেয়ারা গ্রামে তাঁর জন্ম।
• তিনি 'জ্ঞানতাপস' হিসেবে অধিক পরিচিত। তাঁকে 'চলিষ্ণু অভিধান' বলা হয়।
• ১৯৫৫-৫৮ সাল পর্যন্ত তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা ও সংস্কৃত বিভাগে অধ্যক্ষের দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৬৭ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ইমেরিটাস নিযু্ক্ত হন।
• ভাষা, সাহিত্য ও সংস্কৃতি বিষয়ে শহীদুল্লাহ্ বহু মননশীল ও জ্ঞানগর্ভ প্রবন্ধ নানা পত্র-পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে এবং এ সংক্রান্ত বিভিন্ন পত্র-পত্রিকা তিনি সম্পাদনা করেন। আল এসলাম পত্রিকার সহকারী সম্পাদক ও বঙ্গীয় মুসলমান সাহিত্য পত্রিকার যুগ্ম সম্পাদক হিসেবে তিনি যোগ্যতার পরিচয় দেন।
• তাঁরই সম্পাদনা ও প্রকাশনায় মুসলিম বাংলার প্রথম শিশুপত্রিকা আঙুর আত্মপ্রকাশ করে। এছাড়াও তিনি ইংরেজি মাসিক পত্রিকা দি পীস, বাংলা মাসিক সাহিত্য পত্রিকা বঙ্গভূমি এবং পাক্ষিক তকবীর সম্পাদনা করেন।
• ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপট জাতিসত্তা সম্পর্কে ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহর বিখ্যাত উক্তি- ''আমরা হিন্দু বা মুসলমান যেমন সত্য, তার চেয়ে বেশি সত্য আমরা বাঙালি।''

তাঁর উল্লেখযোগ্য গ্রন্থগুলি হলো:
- সিন্দবাদ সওদাগরের গল্প,
- ভাষা ও সাহিত্য,
- বাঙ্গালা ব্যাকরণ,
- দীওয়ান-ই-হাফিজ,
- শিকওয়াহ ও জওয়াব-ই-শিকওয়াহ,
- রুবাইয়াত-ই-উমর খয়্যাম,
- Essays on Islam,
- আমাদের সমস্যা,
- পদ্মাবতী,
- বাংলা সাহিত্যের কথা (২ খণ্ড),
- বিদ্যাপতি শতক,
- বাংলা আদব কী তারিখ,
- বাঙ্গালা ভাষার ইতিবৃত্ত,
- কুরআন শরীফ,
- অমরকাব্য,
- সেকালের রূপকথা ইত্যাদি।

• তাঁর সম্পাদিত আঞ্চলিক ভাষার অভিধান এক বিশেষ কীর্তি। মুহম্মদ আবদুল হাই -এর সঙ্গে তাঁর যুগ্ম-সম্পাদনায় রচিত Traditional Culture in East Pakistan (১৯৬১) একখানা উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
২১.
What is the verb of the word 'Shortly'?
  1. Short
  2. Shorter
  3. Shorten
  4. Shortness
সঠিক উত্তর:
Shorten
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Shorten
ব্যাখ্যা

• Shortly এর verb form হলো- Shorten.

Shortly (adverb)
English meaning: soon
Bangla meaning: শীঘ্রই; কিছুক্ষণের মধ্যে; অল্প।
Example: We will shortly be arriving in King's Cross Station.

Shorten (verb transitive, intransitive)
English Meaning: to reduce the length or duration of.
Bangla Meaning: ছোট/সংক্ষিপ্ত হওয়া বা করা; খাটো করা; খর্ব করা।


• অন্যদিকে, 
- Short - বাক্যে ব্যবহারের ভিত্তিতে Adverb, Adjective, Verb, Noun হতে পারে।
- Shortish হচ্ছে Adjective.
Shorter এবং Shortness হচ্ছে noun. 

Source:
1. Accessible Dictionary.
2. Merriam-Webster dictionary.

২২.
Choose the correct sentence-
  1. Let he and you be witnesses
  2. Let you and him be witnesses
  3. Let you and he be witnesses
  4. Let you and he be witness
সঠিক উত্তর:
Let you and him be witnesses
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Let you and him be witnesses
ব্যাখ্যা

ইংরেজিতে কোনো বাক্যে একাধিক Pronoun বসলে তা সাধারণত '231' বা '23' বা '21' অথবা '31' নিয়মে বসে।
- অর্থাৎ প্রথমে second person, তারপর third person এবং শেষে first person.
- এবং এরপরে verb সর্বদা plural হয়।

• এক্ষেত্রে,  দোষ স্বীকার করলে অথবা অপরাধ স্বীকার করলে '123'/ '132' নিয়মে বসবে।
- যেমন - I, you and he committed the crime.

• সাধারণত Let এরপর সবসময় objective pronoun বসে।
- উল্লেখিত অপশন গুলোর মধ্যে - you and him হচ্ছে objective pronoun.
- এর subjective form হচ্ছে - you and he.

• নিয়মানুযায়ী সঠিক বাক্য হচ্ছে - Let you and him be witnesses.
- অন্য বাক্যগুলোতে pronoun এর ভুল ব্যবহার হয়েছে বিধায় বাক্যগুলো সঠিক নয়।

২৩.
Choose the correct sentence-
  1. The matter was informed to the police.
  2. The matter has been informed of the police.
  3. The police was informed of the matter.
  4. The police were informed of the matter.
সঠিক উত্তর:
The police were informed of the matter.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The police were informed of the matter.
ব্যাখ্যা

• The police - আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় নিয়োজিত সরকারি বাহিনী; পুলিশ।
- The police - Collective noun টি সবসময় 'singular' রূপ, কিন্তু 'plural verb' সহ ব্যবহৃত হয়।

• আবার, 
- Inform someone of something এর অর্থ হলো কাউকে কোনো বিষয়ে জানানো।
- Inform এর Structure সাধারণত এ রকম হয়ে থাকে:
- Inform + ব্যক্তিবাচক Object + of + ধারণাবাচক Object.

• সুতরাং, সঠিক বাক্যটি হবে - The police were informed of the matter.

২৪.
Who, Which, What are -
  1. Demonstrative pronoun
  2. Relative pronoun
  3. Reflexive Pronoun
  4. Indefinite pronoun
সঠিক উত্তর:
Relative pronoun
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Relative pronoun
ব্যাখ্যা
• Who, which, what are - Relative Pronouns and Interrogative pronoun.
- অপশনে যেহেতু relative pronoun আছে, তাই এটিই উত্তর হবে।

• Relative Pronoun:
এই pronoun দুটি বাক্যের মধ্যে relation বা সমন্ধ বুঝিয়ে দেয়। এগুলো বাক্যের মাঝে বসে।
যেমন - who, whose, whom, which, that ইত্যাদি।

• Interrogative Pronoun:
এই pronoun গুলো প্রশ্ন করার জন্য ব্যবহৃত হয়। এগুলো বাক্যের প্রথমে বসে।
যেমন -who, whose, whom, which, what.

• Pronoun ৮ প্রকার।
- যথা-
1. Personal pronouns (he, they)
2. Demonstrative pronouns (this, these)
3. Interrogative pronouns (which, who, where, what)
4. Indefinite pronouns (none, several)
5. Possessive pronouns (his, your)
6. Reciprocal pronouns (each other, one another)
7. Relative pronouns (Who, which, where, what)
8. Reflexive pronouns (itself, himself)
২৫.
Choose the correct one-
  1. Mispel
  2. Misspell
  3. Mispell
  4. Misspel
সঠিক উত্তর:
Misspell
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Misspell
ব্যাখ্যা
• Misspell (Verb)
English Meaning: To fail to spell a word correctly
Bangla Meaning:  বানান ভুল করা; ভুল বানান করা।
Example: Edgar Allan Poe’s middle name is often misspelled as Allen.

Source: 
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Cambridge Dictionary.
২৬.
Fill in the blanks 'What is the time - your watch?'
  1. by
  2. in
  3. at
  4. with
সঠিক উত্তর:
by
উত্তর
সঠিক উত্তর:
by
ব্যাখ্যা
• Preposition 'by' এর অর্থ হলো according to.
- তোমার ঘড়িতে অর্থ বুঝাতে ‘by your watch’ phrase টি ব্যবহৃত হয়।

- অতএব, শূন্যস্থানে সঠিক উত্তর হিসেবে 'by' বসবে।
- Complete Sentence: What is the time by your watch?​
২৭.
Fill in the blanks 'Give my ____ to him.'
  1. Warm compliment
  2. Compliments
  3. Best compliment
  4. Heartiest compliment
সঠিক উত্তর:
Compliments
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Compliments
ব্যাখ্যা
• Complete sentence: Give my compliments to him.
- Bangla Meaning: তাকে আমার অভিনন্দন দিন।

• Compliment এর plural form হলো Compliments.

- English Meaning:  a polite expression of praise or admiration.
- Bangla Meaning: প্রশংসাসূচক; শ্রদ্ধাসূচক বা সৌজন্যসূচক কথা। 
'compliments' is the appropriate word to fill in the blank.

Source:
1. Oxford Learner's Dictionary
2. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
২৮.
'Caesar and Cleopatra' is-
  1. a tragedy by Shakespeare
  2. a play By G. B. Shaw
  3. a poem by Lord Byron
  4. a novel by S.T. Coleridge
সঠিক উত্তর:
a play By G. B. Shaw
উত্তর
সঠিক উত্তর:
a play By G. B. Shaw
ব্যাখ্যা

• Caesar and Cleopatra:
- এটি George Bernard Shaw রচিত একটি 4 act বিশিষ্ট tragedy play.
- এই ট্র্যাজিডিটি ১৮৯৮ সালে রচিত এবং ১৯০১ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়।
- এটি লেখকের first great play হিসেবে বিবেচিত।
- Caesar and Cleopatra was extraordinarily successful, largely because of Shaw’s talent for characterization.

• Characters:
- Julius Caesar,
- Cleopatra,
- Rufio,
- Ftatateeta,
- Pothinus,
- Ptolemy,
- Britannus,
- Apollodorus,
- Lucius Septimius,
- Mark Antony
- Pompey,
- Achillas,
- Theodotus, etc,

• G. B. Shaw (1856-1950):
- তার পুরো নাম George Bernard Shaw.
- তিনি 'Modern period' এর নাট্যকার।
- George Bernard Shaw একজন Irish নাট্যকার এবং সাহিত্য সমালোচক।
- তিনি ১৯২৫ সালে নোবেল পুরস্কার পান।

• Famous Plays of G.B. Shaw:
- Pygmalion (Romantic play),
- Major Barbara (Social satire),
- Mrs. Warren's Profession;(play),
- Arms and the Man (Romantic comedy),
- Heartbreak House;
- Caesar and Cleopatra; (play/tragedy),
- Man and Superman; (Comedy play),
- The Doctor's Dilemma; (satire drama/play, Epilogue),
- St. Joan of Arc etc.

• উল্লেখ্য যে, Antony and Cleopatra শিরোনামে William Shakespeare এর একটি tragedy play রয়েছে।

Source: An ABC of English Literature, Dr. M Mofizar Rahman; Encyclopedia Britannica and Live MCQ Lecture.

২৯.
Who is the greatest modern English dramatist?
  1. Virginia Woolf
  2. George Bernard Shaw
  3. P. B. Shelley
  4. S. T. Coleridge
সঠিক উত্তর:
George Bernard Shaw
উত্তর
সঠিক উত্তর:
George Bernard Shaw
ব্যাখ্যা

• G. B. Shaw (1856-1950):
- তার পুরো নাম George Bernard Shaw.
- George Bernard Shaw একজন Irish নাট্যকার এবং সাহিত্য সমালোচক
- He is considered to be the greatest modern English dramatist.
-তিনি ১৯২৫ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পান।

• Famous Plays of G.B. Shaw:
- Pygmalion (Romantic play),
- Major Barbara (Social satire),
- Mrs. Warren's Profession;(play),
- Arms and the Man (Romantic comedy),
- Heartbreak House;
- Caesar and Cleopatra; (play/tragedy),
- Man and Superman; (Comedy play),
- The Doctor's Dilemma; (satire drama/play, Epilogue),
- St. Joan of Arc etc.

• অন্যদিকে, 
- P. B. Shelley এবং S. T. Coleridge হচ্ছেন Romantic Period এর বিখ্যাত কবি।
- Virginia Woolf modern period এর একজন সুপরিচিত novelist.

Source: An ABC of English Literature, Dr M Mofizar Rahman; Encyclopedia Britannica

৩০.
Who is the modern philosopher who was awarded Nobel Prize for literature?
  1. James Baker
  2. Dr. Kissinger
  3. Bertrand Russel
  4. Lenin
সঠিক উত্তর:
Bertrand Russel
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Bertrand Russel
ব্যাখ্যা
• Bertrand Russell is the modern philosopher who was awarded the Nobel Prize for literature.
- He has won the Nobel Prize in Literature without being a literary person.

• Bertrand Russell, in full Bertrand Arthur William Russell, is a British philosopher logician, and social reformer, founding figure in the analytic movement in Anglo-American philosophy.
- Russell’s contributions to Logic, epistemology, and philosophy in mathematics established him as one of the foremost philosophers of the 20th century.
- সাহিত্যিক না হয়েও ১৯৫০ সালে তিনি সাহিত্যে Noble prize লাভ করেন।

• Russell's Some notable works - 
- Mysticism and Logic,
- History of Modern Philosophy,
- The Analysis of Mind,
- Authority and the Individual,
- The Future of Mankind.

• অন্যদিকে, 
• James Baker (born April 28, 1930, Houston, Texas, U.S.) is an American government official, political manager, and lawyer who occupied important posts in the Republican presidential administrations of the 1980s and early ’90s, including that of U.S. secretary of state (1989–92).

Dr. Kissinger/ Henry Kissinger (born May 27, 1923, Fürth, Germany—died November 29, 2023, Kent, Connecticut, U.S.) was an American political scientist, who, as adviser for national security affairs and as secretary of state, was a major influence in the shaping of U.S. foreign policy from 1969 to 1976 under Presidents Richard Nixon and Gerald Ford. 

Vladimir Lenin (born April 10 [April 22, New Style], 1870, Simbirsk, Russia—died January 21, 1924, Gorki [later Gorki Leninskiye], near Moscow) was the founder of the Russian Communist Party (Bolsheviks), inspirer and leader of the Bolshevik Revolution (1917), and the architect, builder, and first head (1917–24) of the Soviet state. 

Source: An ABC of English Literature by Dr M Mofizar Rahman and Britannica.
৩১.
Who is the author of 'A Farewell to Arms'?
  1. T. S. Eliot
  2. John Milton
  3. Plato
  4. Emest Hemingway
সঠিক উত্তর:
Emest Hemingway
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Emest Hemingway
ব্যাখ্যা
• 'A Farewell to Arms' উপন্যাসের রচয়িতা- Ernest Hemingway.

• A Farewell to Arms:
- এটি ১৯২৯ সালে প্রকাশিত লেখকের তৃতীয় novel.
- আত্মজৈবনিক উপাদান থাকার কারণে এই উপন্যাসটিকে লেখক রচিত অন্যতম শ্রেষ্ঠ সাহিত্যকর্ম হিসেবে গণ্য করা হয়।
- এই novel এ arms বলতে একই সাথে অস্ত্র এবং প্রেমিকার হাত বোঝানো হয়েছে।
- The plot is set during the Italian campaign of World War I. First published in 1929, it is a first-person account of an American, Frederic Henry, serving as a lieutenant in the ambulance corps of the Italian Army.
- The title is taken from a poem by the 16th-century English dramatist George Peele.
 
• A Farewell to Arms এর উল্লেখযোগ্য চরিত্র সমূহ - 
- Lieutenant Frederic Henry (Protagonist),
- Henry Catherine Barkley,
- Helen Ferguson,
- Lieutenant Rinaldi, etc.

• উপন্যাসের বিখ্যাত উক্তি:
- “All thinking men are atheists".
 
• Ernest Hemingway (1899-1961): 
• Ernest Hemingway, in full Ernest Miller Hemingway একজন আমেরিকান novelist এবং short-story writer. 
- He was noted both for the intense masculinity of his writing and for his adventurous and widely publicized life.
- তাঁর সংক্ষিপ্ত এবং সুস্পষ্ট গদ্যশৈলী ২0 শতকে American and British কথাসাহিত্যে একটি শক্তিশালী প্রভাব ফেলেছিল।
- ১৯৫৪ সালে The Old Man and The Sea Novel  এর জন্য Ernest Hemingway, Noble Prize লাভ করেন।
 করেন। 
 
• তাঁর বিখ্যাত novel সমূহ - 
- The old man and The Sea
- A Farewell to Arms,
- Green Hills of Africa ইত্যাদি
- The Sun Also Rises তার প্রথম novel যা Novelist হিসেবে ইংরেজি সাহিত্যে তাকে প্রতিষ্ঠিত হতে গুরুত্বপূর্ণ পালন করেছে।
 
Source: Britannica.com & Live MCQ Lecture. 
৩২.
Who is the most famous satirist in English literature?
  1. Alexander Pope
  2. Jonathan Swift
  3. William Wordsworth
  4. Bulter
সঠিক উত্তর:
Jonathan Swift
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Jonathan Swift
ব্যাখ্যা
• ইংরেজি সাহিত্যের সবচেয়ে famous satirist বা ব্যাঙ্গাত্মক সাহিত্য রচয়িতা হিসেবে পরিচিত-  Jonathan Swift.

• Jonathan Swift: (1667-1745)
- তিনি মূলত একজন Anglo-Irish author. 
- Jonathan Swift একজন যাজক ছিলেন।
- তার স্ত্রীর নাম Abigail Erick.
- তিনি একসময় সক্রিয় রাজনীতিতে যোগ দেন এবং Tories পার্টির হয়ে Pamphlet লেখা শুরু করেন। 
- ‘Gulliver’s Travels’ তার রচিত বিখ্যাত satire.
- তাঁর ছদ্মনাম Isaac Bickerstaff.

• Best Works:
- Journal to Stella,
- Gulliver's Travels,
- The Battle of Books,
- A Tale of a Tub,
- A Modest Proposal.
 
Source: Britannica.com
৩৩.
What is the synonym of- 'Delude'?
  1. Demand
  2. Permit
  3. Aggravate
  4. Deceive
সঠিক উত্তর:
Deceive
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Deceive
ব্যাখ্যা
• Delude (verb transitive) 
- প্রতারিত/বিভ্রান্ত করা।

• প্রশ্নে উল্লেখিত অপশন গুলোর মধ্যে - 
ক) Demand (noun) (verb)
- চাহিদা; দাবি; যাচ্ঞা, চাওয়া; দাবি/হুকুম/তলব করা।

খ) Permit (verb transitive), (verb intransitive)
- অনুমতি দান করা; বাধা সৃষ্টি না-করা।

গ) Aggravate (verb transitive)
- অধিক গুরুতর/সঙ্গিন/শোচনীয় করে তোলা; প্রকোপ অধিকতর বৃদ্ধি করা; অবনতি ঘটানো

ঘ) Deceive (verb) 
- যা নয়, তাই বলে বিশ্বাস জন্মানো; প্রতারিত করা; ধোঁকা দেওয়া; ঠকানো; বিভ্রান্ত করা

- সুতরাং, বোঝা যাচ্ছে প্রশ্নে উল্লেখিত অপশন গুলোর মধ্যে - Deceive শব্দটি Delude এর সমার্থক অর্থ প্রকাশ করে। 

Source: Accessible Dictionary by Bangla Academy.
৩৪.
What is the noun of the word 'Waste'?
  1. Waste
  2. Wasting
  3. Wastage
  4. Wasteful
সঠিক উত্তর:
Waste
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Waste
ব্যাখ্যা
• Waste (adjective): 
Meaning - (১) (জমি) নিষ্ফলা; পতিত: wasteland.
(২) অকেজো; অনাবশ্যক বিধায় নিক্ষিপ্ত হয়েছে এমন; বাতিল: শিল্প-আবর্জনা বা শিল্প-বর্জ্য।

আবার, 
• Waste (verb): 
Meaning - (১) কাজে না-লাগানো; অপচয় করা; অপব্যয় করা। 
(২) বিধ্বস্ত করা।
(৩) ক্রমশ দুর্বল হওয়া  বা করা; ক্রমশ ক্ষয় পাওয়া করা। 

অপশনসমূহ, 
Waste (noun) - (১) অপচয়; (২) আবর্জনা; বর্জ্য পদার্থ; (৩) পতিত অঞ্চল। 
Wasting (adjective) - ক্ষয়; পতন; অধ:পতন। 
Wastage (noun) - ক্ষয়, হ্রাস প্রভৃতির পরিমাণ; অপব্যয় বা অপচয়ের পরিমাণ; ক্ষয়, হ্রাস, অপব্যয় বা অপব্যয়জনিত ক্ষতি।
Wasteful (adjective) - অপচয়ী; অপব্যয়ী। 

• অপশনমূহ বিবেচনায় সঠিক উত্তর - ক) Waste (noun).
- Wastage - noun হলেও, waste এর noun form নয়।

Source: Accessible Dictionary by Bangla Academy.
৩৫.
What is the antonym of 'Queer'?
  1. Integrated
  2. Orderly
  3. Abnormal
  4. Odd
সঠিক উত্তর:
Orderly
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Orderly
ব্যাখ্যা

• Queer (Adjective)
English Meaning: strange; odd.
Bangla Meaning: অদ্ভুত; অস্বাভাবিক।

Synonym: odd, strange, unusual, funny, peculiar, curious, bizarre.
Antonym: normal, ordinary, typical, usual, average, standard.

• অপশনে উল্লিখিত অপশনগুলোর মধ্যে -
ক) Integrated (verb transitive)
- (বিভিন্ন অংশ নিয়ে) সমগ্রতাসাধন করা; (যা অসম্পূর্ণ বা অপূর্ণাঙ্গ তাকে) সম্পূর্ণতা দান করা; সংহত করা।

খ) Orderly adjective)
- সুবিন্যস্ত; সাজানো-গোছানো; ছিমছাম.

গ) Abnormal (adjective)
- অস্বাভাবিক; অস্বভাবী।

ঘ) Odd (adjective)
- অদ্ভুত; অস্বাভাবিক।

• সুতরাং, বোঝা যাচ্ছে প্রশ্নে উল্লেখিত অপশন গুলোর মধ্যে - Orderly শব্দটি Queer এর বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। 

Source: Merriam-Webster Dictionary and Accessible Dictionary by Bangla Academy.

৩৬.
What is the adjective of the word 'Heart'?
  1. Heart
  2. Hearten
  3. Heartening
  4. Heartful
সঠিক উত্তর:
Heartening
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Heartening
ব্যাখ্যা
• অপশনে উল্লিখিত শব্দগুলোর মধ্যে - 
ক) Heart (noun) আবেগ-অনুভূতি, বিশেষত প্রেমানুভূতির উৎস; হৃদয়; প্রাণ;হৃৎপিণ্ড ; হৃদ্‌যন্ত্র; রক্তাশয়।
খ) Hearten (verb) - উৎসাহ দেওয়া; উল্লসিত করা।
গ) Heartening (adjective) - উৎসাহব্যঞ্জক; উল্লাসজনক।
ঘ) Heartful - (কোন শব্দ নেই)
• সুতরাং, The adjective of the word 'Heart' is 'Heartening'.

Source: Accessible Dictionary by Bangla Academy
৩৭.
ঢাকা থেকে সরাসরি নোয়াখালী যাওয়ার আন্তঃমহানগরীয় ট্রেনটির নাম -
  1. এগার সিন্দুর এক্সপ্রেস
  2. পারাবত এক্সেপ্রেস
  3. উপকূল এক্সপ্রেস
  4. সৈকত এক্সপ্রেস
সঠিক উত্তর:
উপকূল এক্সপ্রেস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপকূল এক্সপ্রেস
ব্যাখ্যা
• উপকূল এক্সপ্রেস: 
- নোয়াখালী রেলওয়ে স্টেশন হতে ঢাকা পর্যন্ত চলাচলকারী একটি আন্তঃনগর ট্রেন।
- উপকূল এক্সপ্রেস ট্রেনটি ১৭ই জানুয়ারি ১৯৮৬ সালে উদ্বোধন হয় ।
- নোয়াখালী থেকে ঢাকা, ঢাকা থেকে নোয়াখালী যাতায়াত করে। এই রুটের একটি জনপ্রিয় ট্রেন।

- এটি নোয়াখালী থেকে ছাড়ে ভোর ৬টা ৩০ মিনিটে সময় ।
- আর ঢাকা গিয়ে পৌঁছায় দুপুর ২ টা ২৫ মিনিটে।
- অপর দিক থেকে ঢাকা থেকে ছাড়ে বিকেল ৪ টা ০০ মিনিটে।
- নোয়াখালী গিয়ে পৌঁছায় রাত ১০ টা ০০ মিনিটে।
- উপকূল এক্সপ্রেস ট্রেনটি সপ্তাহের ছয়দিন চলাচল করে।

অন্যদিকে, 
• 'এগারো সিন্দুর এক্সপ্রেস' - ঢাকা-কিশোরগঞ্জ রুটে চলাচল করে,
• 'পারাবত এক্সপ্রেস' - ঢাকা-সিলেট রুটে চলাচল করে। 

Source: https://railway.com.bd
৩৮.
বাংলাদেশের বৃহত্তম হাওর-
  1. পাথরচাওলি
  2. হাইল
  3. চলনবিল
  4. হাকালুকি
সঠিক উত্তর:
হাকালুকি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাকালুকি
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের বৃহত্তম হাওর — হাকালুকি হাওর।

• হাকালুকি হাওর:
- হাকালুকি হাওর বাংলাদেশের বৃহত্তর হাওর।
- এটি এশিয়ার অন্যতম বৃহত্তম মিঠাপানির জলাভূমি। 
- এটির মোট আয়তন ২১,৫০০ হেক্টর।
- এটি মৌলভীবাজার ও সিলেট জেলায় অবস্থিত।
- হাকালুকি হাওরে প্রায় ২৩৮টি বিল রয়েছে।
- হাকালুকি হাওরের বিশাল জলরাশির মূল প্রবাহ হলো জুরী এবং পানাই নদী।

এছাড়াও, 
- শনির হাওর ও টাঙ্গুয়ার হাওর সুনামগঞ্জ জেলায় অবস্থিত।
- টাঙ্গুয়ার হাওর বিভিন্ন জাতের মৎস্য প্রজাতি ও অতিথি পাখির জন্য বিখ্যাত।

অন্যদিকে,
• টাঙ্গুয়ার হাওর (১১,৭০০ হেক্টর) সুনামগঞ্জ জেলায় অবস্থিত।
• হাইল হাওর (১৫,১০০ হেক্টর) মৌলভীবাজার জেলায় অবস্থিত।
• শনির হাওর (৬,৬৩৮ হেক্টর) সুনামগঞ্জ জেলায় অবস্থিত।
• বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম হাওর টাঙ্গুয়ার হাওর।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন, বাংলাপিডিয়া।
৩৯.
কিওক্রাডাং-এর উচ্চতা প্রায়-
  1. ১০১০ মিটার
  2. ১৫৩০ মিটার
  3. ১২৩০ মিটার
  4. ১৩৬৪ মিটার
সঠিক উত্তর:
১২৩০ মিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২৩০ মিটার
ব্যাখ্যা
• দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ:
- বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি, বান্দরবান এবং চট্টগ্রাম জেলার অংশবিশেষে অবস্থিত পাহাড়সমূহ নিয়ে এ অঞ্চল গঠিত।
- এ অঞ্চলের পাহাড়গুলোর গড় উচ্চতা প্রায় ৬১০ মিটার।
- এখানকার পাহাড়গুলো পশ্চিম থেকে পূর্বদিকে ক্রমশ বেড়েছে।

- বাংলাদেশের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ তাজিং ডং বান্দরবান জেলায় অবস্থিত যার বর্তমান নাম বিজয়। এর উচ্চতা ১,২৩১ মিটার।
- আবার এ অঞ্চলের দক্ষিণ-পূর্বপ্রান্তে বান্দরবান জেলার কিওক্রাডং পর্বত অবস্থিত যার উচ্চতা ১,২৩০ মিটার।
- এ অঞ্চলে পাহাড়ের মাঝে মাঝে বহু সংকীর্ণ উপত্যকা দেখা যায়।
- এ উপত্যকা দিয়ে কর্ণফুলী, সাঙ্গু, মাতামুহুরী, হালদা, কাসালাং, নাফ প্রভৃতি নদী প্রবাহিত হয়ে বঙ্গোপসাগরে মিশেছে। 

তথ্যসূত্র: ইতিহাস প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪০.
[তৎকালীন সাম্প্রতিক প্রশ্ন; অনুগ্রহ করে বর্তমান তথ্য জেনে নিন] বাংলাদেশে বার্ষিক চা উৎপাদনের পরিমাণ হচ্ছে প্রায়-
  1. ১৪ কোটি পাউন্ড
  2. ১৩ কোটি পাউন্ড
  3. ১০.৫ কোটি পাউন্ড
  4. ৯.৫ কোটি পাউন্ড
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশে বার্ষিক চা উৎপাদনের পরিমাণ:
- ১৮৪ বছরের ইতিহাসে চা উৎপাদনের সর্বোচ্চ রেকর্ড হয়েছে।
- চা উৎপাদনের অতীতের সকল রেকর্ড অতিক্রম করে ২০২৩ সালে দেশের ১৬৮টি চা বাগান এবং ক্ষুদ্রায়তন চা বাগান থেকে রেকর্ড পরিমাণ,
মোট ১০২.৯২ মিলিয়ন কেজি চা উৎপাদিত হয়েছে।
- শুধুমাত্র উত্তরাঞ্চলে সমতলের চা বাগান ও ক্ষুদ্রায়তন বাগান থেকেও ২০২৩ সালে রেকর্ড পরিমাণ ১৭.৯৩ মিলিয়ন কেজি চা জাতীয় উৎপাদনে যুক্ত হয়েছে।
- দেশের চা শিল্পের ইতিহাসে এটি একটি মাইলফলক।

উৎস: বাংলাদেশ চা বোর্ড।
৪১.
ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকার আয়তন প্রায়-
  1. ১০০ বর্গমাইল
  2. ৯০ বর্গমাইল
  3. ১৬০ বর্গমাইল
  4. ৮০ বর্গমাইল
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
• ঢাকা সিটি জরিপের সীমানা ও আয়তন: 
- ঢাকা জেলার আয়তন প্রায় ১৪৬৩.৬০ ব.কি.মি.।
- এ জেলার উত্তরে- গাজীপুর ও টাঙ্গাইল, পূর্বে- নারায়ণগঞ্জ, দক্ষিণে- মুন্সীগঞ্জ এবং পশ্চিমে- মানিকগঞ্জ জেলা। 
- ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন -আয়তন- ১৯৬.২২ বর্গ কি. মি.
- ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন - আয়তন- ১০৯.২৫১ বর্গ কি.মি.
- মোট আয়তন - ৩০৫.৪৭ বর্গ কি.মি. 

সে হিসেবে, মোট আয়তন হবে- ১১৭.৯৪ বর্গ মাইল হবে।
অপশনে সঠিক উত্তর না থাকায় প্রশ্নটি বাতিল করা হলো।

ডিএমপি ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী,  ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকার  আয়তন দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া, ডিএমপি ওয়েবসাইটে, ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তর।
৪২.
একটি কাঁচা পাটের গাইটের ওজন-
  1. ৩.৫ মণ
  2. ৪ মণ
  3. ৪.৫ মণ
  4. ৫ মণ
সঠিক উত্তর:
৪.৫ মণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪.৫ মণ
ব্যাখ্যা
কাঁচা পাটের গাইট:
- পাট বাংলাদেশের প্রধান অর্থকরী ফসল।
- বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার প্রায় এক চতুর্থাংশ প্রত্যক্ষ পরোক্ষভাবে পাট এবং পাট শিল্পের সাথে জড়িত।
- জাতীয় রপ্তানি আয়ে পাট খাতের অবস্থান দ্বিতীয়।
- পাটজাত পণ্যকে ২০২৩ সালের ‘প্রোডাক্ট অব দ্য ইয়ার’ বা বর্ষপণ্য এবং পাটকে কৃষিপণ্য হিসেবে গণ্য করার ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
- পাট উৎপাদনের পর থেকে পচনের আগ পর্যন্ত একে কাঁচা পাট নামে অভিহিত করা হয়।
- পাট অধিদপ্তরের তথ্যানুযায়ী, বছরে দেশে ৮৫ থেকে ৯০ লাখ বেল কাঁচাপাট উৎপাদিত হয়।
- একটি কাঁচা পাটের গাঁইটের ওজন ৪.৫ মণ।

উল্লেখ্য,
- পাটের ওজন হিসেব করা হয় বেল দিয়ে।
- বেল অর্থ গাঁট বাধা।
- গাঁট থেকেই গাঁইট এসেছে বলা যায়।
- ১ বেল = ১৮২.২৫ কেজি।
- ১ মণ = ৩৭.৩২ কেজি
- ১৮২.২৫ কেজি= প্রায় ৪.৫ মণ।

উৎস: i) কৃষি তথ্য সার্ভিস। 
         ii) বাংলা একাডেমি অভিধান।
৪৩.
গঙ্গা নদীর পানি প্রবাহ বৃদ্ধির জন্য বাংলাদেশের প্রস্তাব-
  1. নেপালে জলাধার নির্মাণ
  2. গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্রের মধ্যে সংযোগ খাল খনন
  3. বাংলাদেশের অভ্যন্তরে গঙ্গা বাঁধ নির্মাণ
  4. গঙ্গার শাখা নদীসমূহের পানি প্রবাহ বৃদ্ধি
সঠিক উত্তর:
নেপালে জলাধার নির্মাণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নেপালে জলাধার নির্মাণ
ব্যাখ্যা
• গঙ্গা নদীর পানি প্রবাহ বৃদ্ধির জন্য বাংলাদেশের প্রস্তাব: 
- গঙ্গা নদীর পানি প্রবাহ বৃদ্ধির জন্য বাংলাদেশের প্রস্তাব ছিল নেপালে জলাধার নির্মাণ। 
- বাংলাদেশের প্রস্তাবনায় বলা হয়েছিল-নেপালে সাতটি পানি সংরক্ষণাগার স্বাভাবিক উচ্চতায় নির্মাণ করতে পারলে ফারাক্কায় বর্তমানে শুষ্ক মৌসুমে যে পরিমাণ পানি পাওয়া যাচ্ছে তার চেয়ে অতিরিক্ত আরও ৪৫ হাজার কিউসেক পানি বেশি পাওয়া যেত৷
- আর যদি সাতটি পানি সংরক্ষণাগারের মধ্যে অন্য চারটি সংরক্ষণাগার নির্মাণ করা যায় তাহলে অতিরিক্ত আরও ১ লাখ ৮০ হাজার কিউসেক পানি বেশি পাওয়া যাবে৷
- নেপাল থেকে উৎপন্ন কোশি, কর্ণালী ও গন্ধকীর মত গঙ্গা নদীর এইসব গুরুত্বপূর্ণ উপ নদী ফারাক্কায় শুকনো মৌসুমে গঙ্গায় লব্ধ মোট প্রবাহের ৭১ শতাংশ যোগান দেয়৷
- বাংলাদেশের এক তৃতীয়াংশ মানুষ অর্থাৎ প্রায় ৪ কোটি লোক গঙ্গার পানির উপর নির্ভরশীল৷

গঙ্গার পানিবণ্টন চুক্তি:
- ১৯৯৬ সালের ১২ ডিসেম্বর ভারতের নয়াদিল্লির হায়দ্রাবাদ হাউসে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে গঙ্গা নদীর পানি বন্টন বিষয়ে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- ১৯৯৬ সালে ৩০ বছরের জন্য স্বাক্ষরিত গঙ্গা চুক্তির মেয়াদ ২০২৬ সালে শেষ হবে।
- চুক্তি অনুযায়ী বাংলাদেশ ৩৫ হাজার কিউসেক পানি প্রাপ্তির বিধান থাকলেও বাস্তবে তা হয়নি।

উল্লেখ্য,
- হিমালয়ের হিমবাহে উৎপন্ন গঙ্গা নদী।
- গঙ্গা নদী ভারতের উত্তর প্রদেশ, বিহার ও পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে বাংলাদেশের গোয়ালন্দের কাছে ব্রহ্মপুত্র নদীর সঙ্গে মিলিত হয়েছে।
- গঙ্গা নদী বাংলাদেশে পদ্মা নামে অভিহিত।
- ভারত ফারাক্কা বাঁধ নির্মাণের প্রথম পরিকল্পনা করে ১৯৫১ সালে। 
- এ অঞ্চলের পানিসম্পদের সুষম বন্টন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ১৯৭২ সালের ১৯ মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী একটি স্থায়ী  যৌথ নদী কমিশন গঠনের উদ্দেশ্যে এক যৌথ ঘোষণায় স্বাক্ষর করেন।
- এ ঘোষণার পরিপ্রেক্ষিতে ১৯৭২ সালের নভেম্বরে একটি যৌথ নদী কমিশন গঠিত হয়। 
- ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ সরকার গঠনের পর গঙ্গার পানি বন্টন সম্পর্কে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়।
- ১৯৯৬ সালের ১২ ডিসেম্বর নয়াদিল্লিতে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে ৩০ বছর মেয়াদি গঙ্গার পানি বন্টন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

সূত্র: dw.com, বাংলাপিডিয়া ও প্রথমআলো।
৪৪.
ভারত-বাংলাদেশ যৌথ নদী কমিশনের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য-
  1. দু'দেশের নদীগুলোর নাব্যতা বৃদ্ধি
  2. দু'দেশের নদীগুলোর পলিমাটি অপসারণ
  3. বন্যা নিয়ন্ত্রণে দু দেশের মধ্যে সহযোগিতা
  4. দু'দেশের নৌ-পরিবহন ব্যবস্থার উন্নয়ন
সঠিক উত্তর:
দু'দেশের নদীগুলোর নাব্যতা বৃদ্ধি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দু'দেশের নদীগুলোর নাব্যতা বৃদ্ধি
ব্যাখ্যা
ভারত-বাংলাদেশ যৌথ নদী কমিশনের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য- দু'দেশের নদীগুলোর নাব্যতা বৃদ্ধি।

• যৌথ নদী কমিশন:

- ১৯৭২ সালের মার্চ মাসে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ ও প্রজাতন্ত্রী ভারত সরকারের প্রধানমন্ত্রীদ্বয়ের মধ্যে যৌথ ঘোষণার মাধ্যমে দু’দেশের বিশেষজ্ঞ সমন্বয়ে অভিন্ন নদীর ব্যাপক জরিপ কার্যক্রম পরিচালন এবং নাব্যতা ঠিক রেখে,
- বন্যা নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে প্রকল্প প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন, বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণের বিস্তারিত প্রকল্প প্রণয়ন,
ও প্রধান প্রধান নদীর বন্যা নিয়ন্ত্রণ ও সেচ প্রকল্পের উপর সমীক্ষা পরিচালন,
- উভয় দেশের জনগণের পারস্পরিক সুবিধা অর্জনের লক্ষ্যে এতদাঞ্চলের পানি সম্পদের ন্যায়সঙ্গত ব্যবহার,
- এবং বাংলাদেশের সাথে ভারত সংলগ্ন এলাকায় পাওয়ার গ্রীড সংযোজনের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের জন্য স্থায়ী ভিত্তিতে ভারত-বাংলাদেশ যৌথ নদী কমিশন গঠিত হয়।

• দীর্ঘ মেয়াদে গঙ্গার পানি প্রবাহ বৃদ্ধির লক্ষ্যে উভয় দেশ পারস্পরিক সহযোগিতার প্রয়োজনে এবং দুদেশের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত অন্যান্য নদীর পানি বণ্টনের ক্ষেত্রেও অনুরূপ চুক্তিতে পৌঁছানোর ব্যাপারে একমত হয়। 

উৎস: যৌথ নদী কমিশন ওয়েবসাইট, বাংলাপিডিয়া।
৪৫.
স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা প্রথম উত্তোলিত হয়েছিল ১৯৭১ সালের-
  1. ২ মার্চ
  2. ২৩ মার্চ
  3. ১০ মার্চ
  4. ২৫ মার্চ
সঠিক উত্তর:
২ মার্চ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ মার্চ
ব্যাখ্যা
•পতাকা:
- প্রথম পতাকা উত্তোলন ২ মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলায় ছাত্র জনতার সমাবেশে তৎকালীন ঢাকসুর ভিপি আ.স.ম আব্দুর রব স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা প্রথম উত্তোলন করেছিল।
- গৃহীত হয় ৬ মার্চ।
- সংবিধানের ৪ নং অনুচ্ছেদের জাতীয় পতাকার কথা বলা হয়েছে।
- ২রা মার্চ বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা দিবস।
- প্রথম নকশাকার – শিব নারায়ণ দাস (৬ জুন ১৯৭০)
- প্রথম আনুষ্ঠানিক উত্তোলন – ২৩ মার্চ ১৯৭১, বঙ্গবন্ধুর বাসভবনে এবং একই দিনে সারা বাংলাদেশে।
- বাংলাদেশের বাহিরে প্রথম উত্তোলন – কলকাতাস্থ পাকিস্তানের ডেপুটি হাইকমিশনারে।
- জাতীয় পতাকার দৈর্ঘ্য ও প্রস্থের অনুপাত – ১০:৬ (৫:৩)।

উৎস: স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের ইতিহাস, বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণি।
৪৬.
'গম্ভীরা' বাংলাদেশের কোন অঞ্চলের লোকসঙ্গীত?
  1. পার্বত্য চট্টগ্রাম
  2. সিলেট
  3. রাজশাহী
  4. রংপুর
সঠিক উত্তর:
রাজশাহী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাজশাহী
ব্যাখ্যা
• গম্ভীরা:
- গম্ভীরা গান এক প্রকার জনপ্রিয় লোকসঙ্গীত।
- সাধারণত বৃহত্তর রাজশাহী অঞ্চলে এ গান প্রচলিত।
- ‘গম্ভীরা’ হচ্ছে এক প্রকার উৎসব।
- ধারণা করা হয় যে, গম্ভীরা উৎসবের প্রচলন হয়েছে শিবপূজাকে কেন্দ্র করে।
- শিবের এক নাম ‘গম্ভীর’, তাই শিবের উৎসব গম্ভীরা উৎসব এবং শিবের বন্দনাগীতিই হলো গম্ভীরা গান।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
৪৭.
ঢাকার বিখ্যাত তারা মসজিদ তৈরি করেছিলেন-
  1. শায়েস্তা খান
  2. নবাব সলিমুল্লাহ
  3. মির্জা আহমেদ জান
  4. মির্জা গোলাম খান
সঠিক উত্তর:
মির্জা আহমেদ জান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মির্জা আহমেদ জান
ব্যাখ্যা
• ঢাকার বিখ্যাত তারা মসজিদ তৈরি করেন — 'মির্জা আহমেদ জান'। 

• তারা মসজিদ: 
- তারা মসজিদ পুরানো ঢাকার আরমানিটোলায় আবুল খয়রাত সড়কে অবস্থিত।
- সাদা মার্বেলের গম্বুজের ওপর নীলরঙা তারায় খচিত এ মসজিদ নির্মিত হয় আঠারো শতকের প্রথম দিকে।
- মির্জা গোলাম পীর (মির্জা আহমদ জান) ঢাকার বিখ্যাত ‘তারা মসজিদ’ তৈরি করেন।
- ১৯২৬ সালে, ঢাকার তৎকালীন স্থানীয় ব্যবসায়ী, আলী জান বেপারী মসজিদটির সংস্কার করেন। সে সময় জাপানের রঙিন চিনি-টিকরি পদার্থ ব্যবহৃত হয় মসজিদটির মোজাইক কারুকাজে।
- মসজিদের বতর্মান দৈর্ঘ্য ৭০ ফুট (২১.৩৪ মিটার), প্রস্থ ২৬ ফুট (৭.৯৮ মিটার)।

উল্লেখ্য, 
- ছোট কাটরা  নির্মান করেন শায়েস্তা খান এবং বড় কাটরা নির্মান করেন শাহ সুজা ।
-  ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য নওয়াব সলিমুল্লাহ বিশেষ ভূমিকা পালন করেন। এমনকি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের জন্য তিনি ঢাকার রমনা এলাকায় নিজ জমি দান করেন।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন।
৪৮.
কোন শাসকের সময় থেকে সমগ্র বাংলা ভাষাভাষী অঞ্চল পরিচিত হয়ে ওঠে বাঙ্গালাহ নামে?
  1. ফখরুদ্দিন মোবারক শাহ
  2. শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ্
  3. জালালুদ্দিন মুহাম্মদ আকবর
  4. ঈসা খান
সঠিক উত্তর:
শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ্
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ্
ব্যাখ্যা
• সুলতান শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ - এর সময় থেকে সমগ্র বাংলা ভাষাভাষী অঞ্চল 'বাঙ্গালাহ' নামে পরিচিত হয়ে ওঠে।

• সুলতান শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ:
- ফখরুদ্দিন মুবারক শাহ বাংলার স্বাধীন সুলতানি যুগের সূচনা করলেও সুলতানি যুগের প্রকৃত প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন সুলতান শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ।
- দুইবাংলার সমগ্র সীমানাকে একত্রিত করে বাঙ্গালাহ নামটি তাঁর সময়েই প্রচলিত হয়।
- তাঁর রাজত্বকালে বাঙালিরা সর্বপ্রথম একটি জাতি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।
- এ সময় বাংলার লোকেরা বাঙালি হিসেবে পরিচিত হয়।
- এ কারণে ঐতিহাসিকগণ তাঁকে 'বাঙালি জাতীয়তাবাদের জনক' বলে উল্লেখ করেছেন।
- বাংলার ইতিহাসের এ মহানায়ক সুদীর্ঘ ১৬ বছর রাজত্ব করার পর ১৩৫৮ খ্রিস্টাব্দে মৃত্যুবরণ করেন।

উল্লেখ্য,
- ইলিয়াস শাহ ১৩৫২ খ্রিস্টাব্দে ফখরুদ্দিন মুবারক শাহের পুত্র ও সোনারগাঁও-এর শাসক ইখতিয়ারউদ্দিন গাজী শাহকে পরাজিত করে পূর্ব বঙ্গে রাজ্য সম্প্রসারণ করেন।
- লখনৌতি, সাতগাঁও এবং এর সাথে সোনারগাঁও অধিকার করে ইলিয়াস শাহ সমগ্র বাংলার একচ্ছত্র অধিপতির মর্যাদা লাভ করেন।
- ইতিপূর্বে এই বিরল গৌরব আর কোন মুসলমান শাসক অর্জন করতে পারেন নি।
- এ কারণে ঐতিহাসিক শামস-ই- সিরাজ আফীফ ইলিয়াস শাহকে 'শাহ-ই-বাঙ্গালাহ" এবং 'সুলতান-ই-বাঙ্গালাহ' উপাধিতে ভূষিত করেন।

উৎস: ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৯.
বাংলাদেশের উন্নতমানের কয়লার সন্ধান পাওয়া গেছে-
  1. জামালগঞ্জে
  2. জকিগঞ্জে
  3. বিজয়পুরে
  4. রানীগঞ্জে
সঠিক উত্তর:
জামালগঞ্জে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জামালগঞ্জে
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের উন্নতমানের কয়লার সন্ধান পাওয়া গেছে- জামালগঞ্জে।
-------------------------
• খনিজ সম্পদ কয়লা ও বাংলাদেশ: 
- বাংলাদেশে দ্বিতীয় প্রধান খনিজ পদার্থ - কয়লা।
- বাংলাদেশে এ যাবৎকাল পর্যন্ত আবিষ্কৃত প্রধান কয়লার খনি - পাঁচটি।
- সেগুলোর মধ্যে, 
১.দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া কয়লাক্ষেত্র,
২.জয়পুরহাটের জামালগঞ্জ কয়লাক্ষেত্র,
৩.রংপুর জেলার খালাশপীর কয়লাক্ষেত্র, 
৪. ফুলবাড়ী, দিনাজপুর এবং
৫.দিনাজপুরের দীঘিপাড়ায় অবস্থিত কয়লাক্ষেত্র।

- এই পাঁচটি কয়লাক্ষেত্রে বর্তমানে মোট ৩৩০০ মিলিয়ন মে. টন কয়লা মজুদ আছে।

এছাড়াও, 
- পীট কয়লা পাওয়া গেছে-ফরিদপুর, খুলনা, সিলেট, বি-বাড়িয়া, এবং ময়মনসিংহ।
- বাংলাদেশে প্রধান খনিজ পদার্থ - প্রাকৃতিক গ্যাস।
- বাংলাদেশে এ পর্যন্ত আবি: গ্যাসক্ষেত্র - ২৯ টি। সর্বশেষ ইলিশা গ্যাসক্ষেত্র, পাবনা।
- সর্বপ্রথম গ্যাসক্ষেত্র আবি: হয় -১৯৫৫ সালে সিলেটের হরিপুরে।
-  সর্ববৃহৎ গ্যাসক্ষেত্র -তিতাস গ্যাসক্ষেত্র।
- সমুদ্র উপকূলীয় গ্যাসক্ষেত্র - সাঙ্গু ও কুতুবদিয়া।

উল্লেখ্য,
• বাংলাদেশে চীনামাটির সন্ধান পাওয়া গেছে — নেত্রকোনা জেলার বিজয়পুরে। 

তথ্যসূত্র - খনিজ সম্পদ উন্নয়ন ব্যুরো ওয়েবসাইট।
৫০.
বাংলাদেশের চীনামাটির সন্ধান পাওয়া গেছে-
  1. রানীগঞ্জে
  2. বিজয়পুরে
  3. টেকেরহাটে
  4. বাগালীবাজারে
সঠিক উত্তর:
বিজয়পুরে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিজয়পুরে
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশে চীনামাটির সন্ধান পাওয়া গেছে — নেত্রকোনা জেলার বিজয়পুরে। 
----------------- 
• 'চীনামাটি':
- চীনামাটি কেওলিন কর্দম মণিক দ্বারা গঠিত উন্নতমানের কর্দম; প্রধানত সিরামিক শিল্পে ব্যবহৃত হয়ে থাকে।
- বাংলাদেশে গৃহস্থালি সামগ্রী হিসেবে চীনামাটির তৈরী তৈজসপত্রের ব্যাপক ব্যবহার রয়েছে। 
- বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে চীনামাটির সন্ধান পাওয়া গিয়েছে।
- নেত্রকোনা জেলার বিজয়পুর ও গোপালপুরে, শেরপুর জেলার নালিতাবাড়ী উপজেলায়, চট্টগ্রাম জেলার হাইটগাঁও ও সাতকানিয়া উপজেলার বাইতুল ইজ্জতে চীনামাটির মজুত রয়েছে।
- এ ছাড়া দিনাজপুর জেলার মধ্যপাড়া, বড়পুকুরিয়া ও দীঘিপাড়া এবং নওগাঁ জেলার পত্নীতলাতে ভূ-পৃষ্ঠের নিকটে চীনামাটি মজুতের সন্ধান পাওয়া গিয়েছে।

উল্লেখ্য,
- ১৯৫৭ সালে বর্তমান নেত্রকোনা জেলার দুর্গাপুর থানার অন্তর্গত ভেদিকুরা নামক স্থানে প্রথম চীনামাটির সন্ধান লাভ করে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৫১.
"এখানে যারা প্রাণ দিয়েছে রমনার ঊর্ধ্বমুখী কৃষ্ণচূড়ার নীচে সেখানে আমি কাঁদতে আসিনি" এর রচয়িতা-
  1. জহির রায়হান
  2. গাফ্ফার চৌধুরী
  3. শামসুর রাহমান
  4. মাহবুব আলম চৌধুরী
সঠিক উত্তর:
মাহবুব আলম চৌধুরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাহবুব আলম চৌধুরী
ব্যাখ্যা
• ‘কাঁদতে আসিনি ফাঁসির দাবি নিয়ে এসেছি’ - এই কবিতাটি রচনার প্রেক্ষাপট 'ভাষা আন্দোলন'।
------------------ 
• কবিতাটি রচনার প্রেক্ষাপট সম্পর্কে আলোচনা:   
- ‘কাঁদতে আসিনি ফাঁসির দাবি নিয়ে এসেছি’ কবিতাটির রচিয়তা মাহাবুব-উল-আলম চৌধুরী।
- এটি ভাষা আন্দোলন নিয়ে প্রথম কবিতা।
- মাহাবুব-উল-আলম চৌধুরী প্রগতিশীল মাসিক সীমান্ত পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন এবং চট্টগ্রামের রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম কমিটির আহ্বায়ক ছিলেন।
- ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী গুলি চালিয়ে হত্যা করে মাতৃভাষার অধিকার প্রতিষ্ঠার দাবিতে মিছিলরত তরুণদের। সেই খবর ছড়িয়ে পড়ে সারা দেশে।
মাহবুব উল আলম চৌধুরী তখন অসুস্থ; তাঁর শরীরে জলবসন্তের চিহ্ন। রাত জেগে তিনি লিখলেন আগুনঝরা কবিতা: ‘কাঁদতে আসিনি, ফাঁসির দাবি নিয়ে এসেছি’।
- ২২ ফেব্রুয়ারিতেই চট্টগ্রামের লালদিঘি ময়দানে রাজনৈতিক কর্মী হারুনুর রশীদ কবিতাটি আবৃত্তি করে শোনান।
--------------- 
মাহবুব-উল-আলম চৌধুরী:
- মাহবুব-উল-আলম চৌধুরী কবি, সাংবাদিক, লেখক, ভাষা সৈনিক এবং ভাষা আন্দোলনের প্রথম কবিতার রচয়িতা।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চত্তরে (২১ ফেব্রুয়ারি, ১৯৫২) আন্দোলনকারী ভাষা সৈনিকদের ওপর পুলিশের গুলি এবং ছাত্র নিহত হওয়ার তাৎক্ষণিক প্রতিবাদ স্বরূপ কবি মাহবুব উল আলম চৌধুরী  ’একুশে’ শিরোনামে রচনা করেন তাঁর বিখ্যাত কবিতা ’কাঁদতে আসিনি ফাঁসির দাবী নিয়ে এসেছি’ যা ভাষা আন্দোলনের প্রথম কবিতা হিসেবে স্বীকৃত।
- মাহবুব উল আলম চৌধুরীর জন্ম ৭ নভেম্বর ১৯২৭, চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলার গহিরা গ্রামের আসাদ চৌধুরীর বাড়িতে। 

---------------
কবিতার কিছু অংশ:

এখানে যারা প্রাণ দিয়েছে
রমনার ঊর্ধ্বমুখী কৃষ্ণচূড়ার তলায়
যেখানে আগুনের ফুলকির মতো
এখানে-ওখানে জ্বলছে অসংখ্য রক্তের ছাপ
সেখানে আমি কাঁদতে আসিনি।
আজ আমি শোকে বিহ্বল নই
আজ আমি ক্রোধে উন্মত্ত নই
আজ আমি প্রতিজ্ঞায় অবিচল।
যে শিশু আর কোনোদিন তার
পিতার কোলে ঝাঁপিয়ে পড়ার
সুযোগ পাবে না
----------------  
উৎস:
১) বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
২) বাংলাপিডিয়া।
৫২.
মহাস্থানগড় এক সময় বাংলার রাজধানী ছিল, তখন তার নাম ছিল-
  1. মহাস্থান
  2. কর্ণসুবর্ণ
  3. পুণ্ড্রনগর
  4. রামাবতী
সঠিক উত্তর:
পুণ্ড্রনগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পুণ্ড্রনগর
ব্যাখ্যা
• মহাস্থানগড়:
- মহাস্থানগড় বাংলাদেশের একটি অন্যতম প্রাচীন পুরাকীর্তি।
- পূর্বে এর নাম ছিল পুণ্ড্রবর্ধন বা পুণ্ড্রনগর।
- এক সময় মহাস্থানগড় বাংলার রাজধানী ছিল।
- এখানে মৌর্য, গুপ্ত, পাল, সেন সাম্রাজ্যের প্রচুর নিদর্শন পাওয়া গিয়েছে।
- এর অবস্থান বগুড়া জেলার শিবগঞ্জ উপজেলায়।
- বগুড়া শহর থেকে প্রায় ১০ কি.মি উত্তরে মহাস্থান গড় অবস্থিত।
- সেন বংশের শেষ রাজা লক্ষ্মণ সেন (১০৮২-১১২৫) যখন গৌড়ের রাজা ছিলেন তখন এই গড় অরক্ষিত ছিল।
- মহাস্থানগড়ের বিস্তীর্ণ ধবংসাবশেষ প্রাচীর পুণ্ড্রবর্ধনভূক্তির রাজধানী পুন্ড্রনগরেরসুদীর্ঘ প্রায় আড়াই হাজার বছরের গৌরবোজ্জল ইতিহাসের এক নীরব স্বাক্ষী।
- এটি বাংলাদেশের সবচেয়ে পুরাতন ঐতিহাসিক স্থান।

উৎস:- বাংলাপিডিয়া।
৫৩.
বিখ্যাত সাধক শাহ সুলতান বলখির মাজার অবস্থিত-
  1. মহাস্থানগড়ে
  2. শাহজাদপুরে
  3. নেত্রকোণায়
  4. রামপালে
সঠিক উত্তর:
মহাস্থানগড়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মহাস্থানগড়ে
ব্যাখ্যা
• শাহ সুলতান বলখীর মাজার:
- শাহ সুলতান মাহিসওয়ার (রঃ) একজন দরবেশ।
- তিনি বগুড়া জেলার মহাস্থানগড়ে সমাহিত।
- শাহ সুলতান বলখীর মাজার মহাস্থানগড়ে অবস্থিত।
- শাহ সুলতান মাহিসওয়ারের ইতিহাস অস্পষ্ট।
- কথিত আছে যে, তিনি বলখ রাজ্যের রাজার পুত্র ছিলেন এবং এজন্য তিনি বলখী নামেও পরিচিত।

মহাস্থানগড়:
• মহাস্থানগড়ে বাংলাদেশের সর্বপ্রাচীন ও সর্ববৃহৎ নগর পুন্ড্রনগরের ধ্বংসাবশেষ বিদ্যমান। 
• মহাস্থানগড়ে শাহ সুলতান বলখীর মাজার রয়েছে । 
• সম্রাট অশোকের সময়ের খ্রিস্টপূর্ব তৃতীয় শতকের পাথরের চাকতিতে খোদাই করা লিপি পাওয়া গেছে । 
• স্থানটি বগুড়া শহর থেকে ১৩ কিমি (৮ মাইল) উত্তরে করতোয়া নদীর তীরে ।

এছাড়া, 
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর জমিদারি তদারকি উপলক্ষে বাংলাদেশের শাহজাদপুরে এসেছিলেন। তাছাড়া, এখানে বাংলাদেশের গো-চারণের জন্যে বাথান ভূমি রয়েছে- শাহজাদপুরে। 
 বাংলাদেশে প্রথম উপজাতীয় কালচারাল একাডেমি অবস্থিত - বিরিশিরি, নেত্রকোনা।
- রামপাল বিদ্যুৎ প্রকল্প বাংলাদেশের বাগেরহাট জেলার রামপালে অবস্থিত একটি প্রস্তাবিত কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র।

তথ্যসূত্র: ইতিহাস প্রথম পত্র, এইচ এস সি ,উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাপিডিয়া।
৫৪.
ভৌগোলিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ একটি কাল্পনিক রেখা বাংলাদেশের উপর দিয়ে গিয়েছে, সেটি হচ্ছে-
  1. মূল মধ্যরেখা
  2. কর্কট ক্রান্তি রেখা
  3. মকর ক্রান্তি রেখা
  4. আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা
সঠিক উত্তর:
কর্কট ক্রান্তি রেখা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কর্কট ক্রান্তি রেখা
ব্যাখ্যা
কর্কটক্রান্তি রেখা:
- ভৌগোলিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ কর্কট ক্রান্তি রেখা বাংলাদেশের উপর দিয়ে গিয়েছে।
- কর্কটক্রান্তি রেখার অপর নাম ২৩.৫° উত্তর অক্ষরেখা।
- বছরে সূর্য একবার বিষুবরেখা অতিক্রম করে উত্তর গোলার্ধের সর্বশেষ যে স্থান পর্যন্ত পরিক্রমা করে (২৩.৫ ডিগ্রী উত্তর অক্ষাংশ ) আবার বিষুবরেখার দিকে ফিরে আসে, সেই কাল্পনিক রেখাটিকে কর্কটক্রান্তি রেখা বলে ।
- ভূ-পৃষ্ঠের যে কোনো স্থানে নিরক্ষরেখার সাথে পৃথিবীর কেন্দ্র বিন্দুতে সৃষ্ট কৌণিক দূরত্বকে অক্ষাংশ বলে এবং যে কাল্পনিক রেখার মাধ্যমে একে প্রকাশ করা হয়, তাকে অক্ষরেখা বলে।
- ২৩.৫° উত্তর ও দক্ষিণ অক্ষরেখাসমূহ যথাক্রমে কর্কটক্রান্তি রেখা ও মকর ক্রান্তি রেখা নামে অভিহিত হয়।
- ৬৬.৫° উত্তর ও দক্ষিণ অক্ষরেখাসমূহ যথাক্রমে সুমেরু বৃত্ত ও কুমেরু বৃত্ত নামে অভিহিত হয়।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৫.
যে বায়ু সর্বদাই উচ্চচাপ অঞ্চল থেকে নিম্নচাপ অঞ্চলের দিকে প্রবাহিত হয় তাকে বলা হয়-
  1. আয়ন বায়
  2. প্রত্যয়ন বায়ু
  3. মৌসুমী বায়ু
  4. নিয়ত বায়ু
সঠিক উত্তর:
নিয়ত বায়ু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিয়ত বায়ু
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন প্রকার বায়ুপ্রবাহ:
- বায়ু সর্বদা একস্থান হতে অন্যস্থানে প্রবাহিত হয়।
- বায়ু কিছু নিয়ম মেনে প্রবাহিত হয়।
যেমন- সাধারণত উচ্চচাপ বলয় থেকে শীতল ও ভারী বায়ু নিম্নচাপ বলয়ে প্রবাহিত হয়।
- বায়ু প্রবাহের আরেকটি বৈশিষ্ট্য হলো ফেরেলের সূত্রানুযায়ী বায়ুপ্রবাহ উত্তর গোলার্ধের ডান দিকে ও দক্ষিণ গোলার্ধের বাম দিকে বেঁকে যায়।
- বায়ুপ্রবাহ প্রধানত চার প্রকার।
যথা-
• নিয়ত বায়ু,
• সাময়িক বায়ু,
• স্থানীয় বায়ু ও
• অনিয়মিত বায়ু।
----------------- 
নিয়ত বায়ু:
- যে বায়ু সর্বদাই উচ্চচাপ অঞ্চল হতে নিম্নচাপ অঞ্চলে দিকে প্রবাহিত হয়, তাকে নিয়ত বায়ু বলে।
- নিয়ত বায়ুপ্রবাহ সারা বছর একই দিকে প্রবাহিত হয়।
- এই বায়ুপ্রবাহ পৃথিবীর চাপ বলয়গুলো দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়।
- নিয়ত বায়ুকে আবার তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়।
যথা-
• অয়ন বায়ু,
• পশ্চিমা বায়ু ও
• মেরু বায়ু।

উল্লেখ্য, 
- কর্কটীয় ও মকরীয় উচ্চচাপ অঞ্চল থেকে নিরক্ষীয় নিম্নচাপ অঞ্চলের দিকে সদা প্রবাহিত বায়ুকে বলা হয়- অয়ন বায়ু।
- পশ্চিমা বায়ুর অপর নাম প্রত্যয়ন বায়ু।
- বছরের বিশেষ সময়ে যে বায়ু প্রবাহিত হয় তাকে মৌসুমী বায়ু বলে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৬.
জাপান পার্ল হারবার আক্রমণ করে -
  1. ৭ ডিসেম্বর ১৯৪১
  2. ২৩ জুন ১৪৪২
  3. ৩ নভেম্বর ১৯৪২
  4. ২৬ জুলাই ১৯৪৩
সঠিক উত্তর:
৭ ডিসেম্বর ১৯৪১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ ডিসেম্বর ১৯৪১
ব্যাখ্যা
পার্ল হারবার আক্রমণ:
- উত্তর প্রশান্ত মহাসাগরের হাওয়াই দ্বীপপুঞ্জ পার্ল হারবার ছিল যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় নৌঘাঁটি।
- ঘাঁটিটি বানানো হয় ১৯০৮ সালে।
- এরপর ১৯৪০ সালে যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান নৌঘাঁটি ক্যালিফোর্নিয়া থেকে হাওয়াই দ্বীপপুঞ্জের পার্ল হারবারে স্থানান্তর করা হয়।
- কৌশলগত দিক দিয়ে এই ঘাঁটি ছিল যুক্তরাষ্ট্রের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সামরিক এলাকা।
- যুক্তরাষ্ট্রের মূল ভূখণ্ড থেকে প্রায় দুই হাজার মাইল এবং জাপান থেকে প্রায় চার হাজার মাইলে দূরে অবস্থিত ছিল এই নৌঘাঁটি।
- ১৯৪১ সালের ৭ ডিসেম্বর পার্ল হারবারে অবস্থিত মার্কিন নৌঘাঁটিতে আক্রমণ করে বসে জাপানের সামরিক বাহিনী।
- জাপানের এই আক্রমণের সঙ্গে সঙ্গে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সব হিসাব নিকাশ পাল্টে যায়।
- জাপানের এই অতর্কিত ও ধ্বংসাত্মক হামলার পরিপ্রেক্ষিতে বিশ্বযুদ্ধে উদাসীন থাকা যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধে অংশ নেয় সক্রিয়ভাবে।

উল্লেখ্য,
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের আগে জাপান ছিল আগ্রাসি একটা দেশ।
- চীনের সঙ্গে পরপর দুটি যুদ্ধজয়ের পর রাশিয়ার সঙ্গে যুদ্ধজয়ে জাপান আরও বেশি আগ্রাসি হয়ে ওঠে।
- এরপর প্রথম বিশ্বযুদ্ধে জয়লাভ করায় জাপান আরও সাম্রাজ্যবাদী হয়ে ওঠে।
- ১৯৩১ সালে চীনের মাঞ্চুরিয়া আক্রমণের মধ্য দিয়ে জাপান তাদের আধিপত্য বিস্তার শুরু করে।

উৎস: i) Britannica.
ii) ৭ ডিসেম্বর ২০২২, প্রথম আলো।
৫৭.
সৌদি আরবে আমেরিকান সৈন্য মোতায়েনের উদ্দেশ্য -
  1. ইরাকের আক্রমণ হতে সৌদি আরবকে রক্ষা করা
  2. ইরাকের কুয়েত দখল অবসান করা
  3. স্বল্পমূল্যে জ্বালানি তেলের সরবরাহ নিশ্চিত করা
  4. উপরের সবকটি
সঠিক উত্তর:
উপরের সবকটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবকটি
ব্যাখ্যা
[প্রশ্নটি তৎকালীন সাম্প্রতিক প্রশ্ন যা বর্তমানে আর গুরুত্বপূর্ণ নয়।]

সৌদি আরব:
- আরব উপদ্বীপের সুবিশাল অংশজুড়ে মধ্যপ্রাচ্যের দেশ সৌদি আরবের অবস্থান।
- ভূখণ্ডের দিক থেকে এশিয়ার পঞ্চম বৃহৎ রাষ্ট্র সৌদি আরব। 
- এর উত্তরে জর্দান ও ইরাক, উত্তর-পূর্বে কুয়েত, কাতার ও বাহরাইন, পূর্বে সংযুক্ত আরব আমিরাত, দক্ষিণ-পূর্বে ওমান এবং দক্ষিণে ইয়েমেন।
- এটিই একমাত্র দেশ যেখানে লোহিত সাগর ও পারস্য সাগরের উপকূল রয়েছে।
- দেশটির বেশির ভাগ ভূখণ্ডই মরুভূমি ও পার্বত্যময়।
- ১৯৩২ সালে ইবনে সাউদ সৌদি আরবে রাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেন।
- সৌদি আরব দুই পবিত্র মসজিদের ভূমি হিসেবেও পরিচিত (মক্কা এবং মদিনা)।
- তেল-গ্যাসের বিশাল মজুদ রয়েছে সৌদি আরবে।
- দেশটির সমৃদ্ধির প্রধান কারণ এটিই।
- রাজধানী ও সবচেয়ে বড় শহর: রিয়াদ।
- দাপ্তরিক ভাষা : আরবি।
- মুদ্রা: সৌদি রিয়াল।
- জাতিসংঘে যোগদান: ২৪ অক্টোবর ১৯৪৫।
- সৌদি আরবের কোনো আইনসভা ও সংবিধান নেই।
- সৌদি আরবই একমাত্র দেশ যার পতাকায় কালেমা লেখা আছে।
- পৃথিবীতে একমাত্র সৌদি আরবের পতাকা কখনো অর্ধনমিত করা হয় না।

⇒ সৌদি আরবে আমেরিকান সৈন্য:
- সৌদি আরবে তেল আবিষ্কৃত হওয়ার পরে এটি দ্রুত সম্পদশালী রাষ্ট্রে পরিণত হয়।
- সৌদি আরবের জনসংখ্যা কম হওয়ায় সশস্ত্রবাহিনীতে যোগদানের উপযুক্ত লোকের সংখ‍্যাও ছিল কম, ফলে সৌদি সশস্ত্রবাহিনী সংখ‍্যাগত দিক থেকে ছিল বেশ দুর্বল।
- সৌদি সশস্ত্রবাহিনীতে দুটি জিনিসের ঘাটতি ছিল– প্রশিক্ষণ এবং সৈন‍্যসংখ‍্যা। 
- সৌদি আরবের উত্তরাঞ্চলীয় প্রতিবেশী রাষ্ট্র ইরাকের সৌদি আরবকে আক্রমণ করার সামর্থ্য ছিল।
- ইরাক ও কুয়েতের মধ‍্যে বেশ কিছু বিষয় নিয়ে দ্বন্দ্বের সৃষ্টি হয়। 
- ইরাক কুয়েতকে ঐতিহাসিকভাবে ইরাকি ভূমি হিসেবে বিবেচনা করত।
- সৌদি আরবের পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশে অবস্থিত তেলক্ষেত্রগুলোর মধ‍্যে কয়েক মাইল বালি ছাড়া আর কোনো বাধা ছিল না। 
- এমতাবস্থায় ইরাকি ট‍্যাঙ্কবহর যদি সৌদি সীমান্ত অতিক্রম করে সৌদি তেলক্ষেত্রগুলোর দিকে ধাবিত হতো, সৌদি আরবের পক্ষে কিছুই করা সম্ভব হতো না।
- সৌদি আরবের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য তাদের কাছে একটি পথই খোলা ছিল।
- সেটি হলো সৌদি আরবের মাটিতে মার্কিন সৈন‍্য মোতায়েন করা।
- এছাড়াও অন্য একটি কারণ হল স্বল্পমূল্যে জ্বালানি তেলের সরবরাহ নিশ্চিত করা।
- এজন্য সৌদি আরব আমেরিকান সৈন্য মোতায়েন করেছিল।

উৎস: Britannica.
৫৮.
১১তম এশিয়ান গেমসের উদ্বোধনী ও সমাপনী অনুষ্ঠান যে স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হয় তার নাম -
  1. পিকিং স্পোর্টস স্টেডিয়াম
  2. বেইজিং স্পোর্টস স্টেডিয়াম
  3. ওয়ার্কার্স স্টেডিয়াম, বেইজিং
  4. চায়না স্পোর্টস স্টেডিয়াম
সঠিক উত্তর:
ওয়ার্কার্স স্টেডিয়াম, বেইজিং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওয়ার্কার্স স্টেডিয়াম, বেইজিং
ব্যাখ্যা
[প্রশ্নটি তৎকালীন সাম্প্রতিক প্রশ্ন যা বর্তমানে আর গুরুত্বপূর্ণ নয়।]

১১তম এশিয়ান গেমস:
- ১১তম এশিয়ান গেমসের উদ্বোধনী ও সমাপনী অনুষ্ঠান যে স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হয় তার নাম ওয়ার্কার্স স্টেডিয়াম, বেইজিং।

উল্লেখ্য,
⇒ এশিয়ান গেমস:
- ‘দ্য গ্রেটেস্ট শো অন এশিয়া’।
- অলিম্পিকের পর বিশ্ব ক্রীড়াঙ্গনে সবচেয়ে বেশি মানুষের প্রতিনিধিত্বকারী খেলোয়াড় ও ক্রীড়াবিদদের অনুষ্ঠান।
- এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে খেলাধুলার মাধ্যমে প্রীতির সম্পর্ক স্থাপন, সাংস্কৃতিক যোগাযোগ ও সম্মিলিতভাবে এশিয়া ক্রীড়াঙ্গনকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া এই গেমসের লক্ষ্য।
- নয়াদিল্লির ন্যাশনাল স্টেডিয়ামে ১৯৫১ সালের ৪ থেকে ১১ মার্চ প্রথম এশিয়ান গেমস অনুষ্ঠিত হয়।

২০২৩ এশিয়ান গেমস:
- নির্ধারিত তারিখ: ২৩ সেপ্টেম্বর - ৮ অক্টোবর ২০২৩।
- আয়োজক দেশ: চীন।
- স্থান: হ্যাংজু অলিম্পিক স্পোর্টস এক্সপো সেন্টার।
- ক্রীড়া সংখ্যা: ৪০।
- অংশগ্রহণকারী দেশগুলি হলো: ভারত, জাপান, চীন, দক্ষিণ কোরিয়া, ইরান, থাইল্যান্ড, উত্তর কোরিয়া, চাইনিজ তাইপেই, ইন্দোনেশিয়া।

উৎস: Olympics.com.
৫৯.
জাতিসংঘে রাষ্ট্রপতির ভাষণ অনুযায়ী বাংলাদেশে শিশুমৃত্যুর হার কমিয়ে আনা হয়েছে প্রতি হাজারে -
  1. ১৩৭
  2. ১২১
  3. ১১৭
  4. ১১০
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
[প্রশ্নটি তৎকালীন সাম্প্রতিক প্রশ্ন যা বর্তমানে আর গুরুত্বপূর্ণ নয়, তাই প্রশ্নটি বাতিল করা হলো।]

[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

শিশুমৃত্যুর হার:
- দেশে শিশুমৃত্যুর হার উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে।
- স্বাধীনতার সময় শিশুমৃত্যুর হার ছিল ১৪১।
- প্রতি হাজারে শিশু মৃত্যুর হার (১ বছরের কম) ২৭ জন।
- প্রতি হাজারে শিশু মৃত্যুর হার (৫ বছরের কম) ৩৩ জন।

উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
৬০.
শাত-ইল-আরবকে কেন্দ্র করে ইরাক ও ইরানের মধ্যে স্বাক্ষরিত চুক্তির নাম -
  1. দামেস্ক চুক্তি
  2. আলজিয়ার্স চুক্তি
  3. কায়রো চুক্তি
  4. বৈরুত চুক্তি
সঠিক উত্তর:
আলজিয়ার্স চুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আলজিয়ার্স চুক্তি
ব্যাখ্যা
শাত-ইল-আরবকে কেন্দ্র করে ইরাক ও ইরানের মধ্যে স্বাক্ষরিত চুক্তির নাম আলজিয়ার্স চুক্তি।

শাত-ইল-আরব:
- এটি পারস্য উপসাগরে অবস্থিত।
- শাত-ইল-আরব জলপথের অধিকারকে কেন্দ্র করেই মূলত ইরাক-ইরান বিরোধ শুরু হয়।
- বর্তমানে এটি ইরানের দখলে রয়েছে।
- ১৯৮০-১৯৮৮ সাল পর্যন্ত শাত-ইল-আরবকে কেন্দ্র করে যুদ্ধ হয়েছিল।
- শাত-ইল আরব জলপথকে কেন্দ্র করে ইরাক ও ইরানের মধ্যে বিরোধ অবসানের উদ্দেশ্যে ১৯৭৫ সালের ১৩ জুন আলজিয়ার্স চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- তবে চুক্তি স্বাক্ষরের পাঁচ বছরের মাথায় দেশ দুটি শাত-ইল-আরবকে কেন্দ্র করে যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে।

⇒ আলজিয়ার্স চুক্তি:
- চুক্তি স্বাক্ষরকারী: ইরাক এবং ইরান।
- চুক্তির বিষয়: শাত-ইল-আরব সহ বিরোধপূর্ণ সীমানা নিয়ে দুই দেশের মধ্যে মীমাংসা।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১৩ই জুন, ১৯৭৫।
- চুক্তি অনুমোদন হয়: ১৯৭৬ সালে।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: আলজির্য়াস, আলজেরিয়া।
- স্বাক্ষরকারী: ইরানের পক্ষে রেজা শাহ পাহলভী এবং ইরাকের তৎকালীন ভাইস প্রেসিডেন্ট সাদ্দাম হোসেন।

উল্লেখ্য,
- আলজিয়ার্স চুক্তি অকার্যকর হয় ১৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৮০ সালে ইরাক কর্তৃক ইরান আক্রমনের মধ্য দিয়ে।

উৎস: Britannica.
৬১.
'৫০০ দিনের প্ল্যান' বলতে বোঝায় যে এ সময়ের মধ্যে -
  1. 'ওয়ারশ' জোট ভেঙ্গে দেয়ার প্রকল্প সম্পন্ন করা
  2. রুমানিয়াতে গণতান্ত্রিক প্রথা প্রচলন সম্পন্ন করা
  3. সোভিয়েত ইউনিয়নে প্রস্তাবিত বাজার অর্থনীতি প্রচলন সম্পন্ন করা
  4. পূর্ব জার্মানি হতে সোভিয়েত সৈন্য প্রত্যাহার সম্পন্ন করা
সঠিক উত্তর:
সোভিয়েত ইউনিয়নে প্রস্তাবিত বাজার অর্থনীতি প্রচলন সম্পন্ন করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সোভিয়েত ইউনিয়নে প্রস্তাবিত বাজার অর্থনীতি প্রচলন সম্পন্ন করা
ব্যাখ্যা
'৫০০ দিনের প্ল্যান' বলতে বোঝায় যে এ সময়ের মধ্যে সোভিয়েত ইউনিয়নে প্রস্তাবিত বাজার অর্থনীতি প্রচলন সম্পন্ন করা।

৫০০ দিনের প্ল্যান:
- কমিউনিস্ট অর্থনীতিকে বাজার অর্থনীতিতে রূপান্তরের জন্য সোভিয়েত ইউনিয়নে যে প্রকল্প হাতে নেয়া হয় তা হলো ৫০০ দিনের প্লান।

- স্ট্যানিস্লাভ শাতালিন, গ্রিগরি ইয়াভলিনস্কি  এবং ইয়েভজেনি ইয়াসিনসহ একদল অর্থনীতিবিদ এই কর্মসূচির প্রস্তাব করেছিলেন।
- সোভিয়েত ইউনিয়নকে নতুন করে গড়ে তোলার দরকার ছিল না, সংস্কার করা দরকার ছিল।
- ৫০০ দিনের প্রোগ্রামটি এক ধরণের অর্থনৈতিক শক থেরাপি বাস্তবায়নের প্রস্তাব করা হয়েছিল যা দুই বছরেরও কম সময়ের মধ্যে সোভিয়েত ইউনিয়নকে ব্যাপকভাবে রূপান্তর করার প্রস্তাব করেছিল।

স্টানিস্লাভ শাতালিন ( মিখাইল গর্বাচেভের অর্থনৈতিক উপদেষ্টা ) এর নির্দেশনায় একটি ওয়ার্ক গ্রুপ দ্বারা প্রোগ্রামটি আরও তৈরি করা হয়েছিল । প্রকল্পে কাজ শুরু করার আগে, শাতালিনকে গর্বাচেভ আশ্বস্ত করেছিলেন যে তিনি সোভিয়েত অর্থনীতির আমূল সংস্কারের বিষয়ে গুরুতর ।

- অতএব, 1990 সালের আগস্টে, গ্রুপটি "বাজারে স্থানান্তর" শিরোনামে একটি 400-পৃষ্ঠার প্রতিবেদন জারি করেছে। এটি ইয়াভলিনস্কি দ্বারা প্রস্তুত পূর্ববর্তী "400 দিনের প্রকল্প" এর উপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছিল এবং এটি 500 দিনের মধ্যে একটি আধুনিক বাজার অর্থনীতির ভিত্তি তৈরি করার উদ্দেশ্যে "500 দিনের প্রোগ্রাম" হিসাবে পরিচিতি লাভ করেছিল। প্রতিবেদনে একটি প্রতিযোগিতামূলক বাজার অর্থনীতি, ব্যাপক বেসরকারিকরণ , বাজার দ্বারা নির্ধারিত মূল্য , বিশ্ব অর্থনৈতিক ব্যবস্থার সাথে একীভূতকরণ , কেন্দ্রীয় সরকার থেকে প্রজাতন্ত্রের কাছে ক্ষমতার একটি বড় হস্তান্তর এবং অন্যান্য অনেক আমূল সংস্কারের আহ্বান জানানো হয়েছে।

500 দিনের কর্মসূচি অবিলম্বে বরিস ইয়েলৎসিনের সম্পূর্ণ সমর্থন এবং মিখাইল গর্বাচেভের কাছ থেকে আরও সন্দেহজনক সমর্থন অর্জন করে ; এর পরেই, মন্ত্রী পরিষদের চেয়ারম্যান নিকোলাই রাইজকভ প্রকাশ্যে এটি প্রত্যাখ্যান করেছেন ।

শেষ পর্যন্ত, এই শক থেরাপি পরিকল্পনা ইউএসএসআর-এর পতনের জন্য একটি অবদানকারী কারণ ছিল।

উৎস: Britannica.
৬২.
জেমস গ্রান্টের মতে প্রতিরোধযোগ্য পীড়ায় বিশ্বে প্রতিদিন শিশু মৃত্যুর সংখ্যা -
  1. ৪,০০,০০০
  2. ৪০,০০০
  3. ৪৪,০০০
  4. ৫৪,০০০
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
[প্রশ্নটি তৎকালীন সাম্প্রতিক প্রশ্ন যা বর্তমানে আর গুরুত্বপূর্ণ নয়, তাই প্রশ্নটি বাতিল করা হলো।]

[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

প্রতিরোধযোগ্য পীড়ায় বিশ্বে প্রতিদিন শিশু মৃত্যুর সংখ্যা:
- বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, ‘শিশুমৃত্যুর হার অনেকটাই কমেছে।
- তবে এখনও প্রতিবছর লাখ লাখ পরিবার শিশু হারানোর যন্ত্রণা ভোগ করে।
- আর এর অধিকাংশই ঘটে শিশুর জন্মের প্রথম দিনগুলোতে।
- ২০২২ সালে বিশ্বে ৫ বছর বয়সের আগে মারা যাওয়া ৪৯ লাখ শিশুর প্রায় অর্ধেকই ছিল নবজাতক।
- এছাড়াও এই সময়ে ৫ থেকে ২৪ বছর বয়সী শিশু ও তরুণ মারা গেছে আরও ২১ লাখ।
- প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, এই মর্মান্তিক জীবনের ক্ষতি প্রাথমিকভাবে প্রতিরোধযোগ্য বা চিকিৎসাযোগ্য।
- কেননা, অকাল জন্ম, জন্মের সময় জটিলতা, নিউমোনিয়া, ডায়রিয়া এবং ম্যালেরিয়া মতো প্রতিরোধ্যযোগ্য কারণে তাদের মৃত্যু হয়েছে।

উল্লেখ্য,
- ২০২২ সালে ৫ বছরের কম বয়সী ৪.৯ মিলিয়ন শিশু মারা গেছে।
- ২০২২ সালে প্রতিদিন ৫ বছরের কম বয়সী ১৩,৪০০ শিশু মারা গেছে।
- বিশ্বব্যাপী, নিউমোনিয়া, ডায়রিয়া এবং ম্যালেরিয়া সহ সংক্রামক রোগগুলি পাঁচ বছরের কম বয়সী মৃত্যুর একটি প্রধান কারণ।
- এর সাথে অকাল জন্ম এবং ইন্ট্রাপার্টাম-সম্পর্কিত জটিলতা ও অন্য কারণ।
- বিশ্বব্যাপী পাঁচ বছরের কম বয়সী মৃত্যুর হার ৫৯ শতাংশ কমেছে। 

উৎস: WHO ওয়েবসাইট।
৬৩.
হাজার হ্রদের দেশ কোনটি?
  1. নরওয়ে
  2. ফিনল্যান্ড
  3. ইন্দোনেশিয়া
  4. জাপান
সঠিক উত্তর:
ফিনল্যান্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফিনল্যান্ড
ব্যাখ্যা
ফিনল্যান্ড:
- হাজার হ্রদের দেশ ফিনল্যান্ড।
- ফিনল্যান্ড নর্ডিক অঞ্চলে অবস্থিত একটি দেশ।
- ফিনল্যান্ডের রাজধানী ও বৃহত্তম শহর হেলসিঙ্কি।
- দেশটি ঘন বনাঞ্চলে পূর্ণ এবং পূর্ব ও পশ্চিম ইউরোপের সীমান্ত তৈরি করে আছে।
- ফিনল্যান্ডের পশ্চিম সীমান্তবর্তী দেশ সুইডেন ও পূর্ব সীমান্তবর্তী দেশ রাশিয়া।
- ১৮০৯ সালের পূর্ব পর্যন্ত দীর্ঘদিন ফিনল্যান্ড সুইডিশ রাজতন্ত্রের অধীনে ছিল।
- এই সময়টাতে সুইডেন ফিনল্যান্ডকে তাদের উপনিবেশ হিসাবে ব্যবহার করতো।
- ফিনল্যান্ডের আইনসভা এডুসকুন্টা।

উল্লেখ্য,
- কয়েক হাজার বছর আগেও এটি বরফে ঢাকা ছিল।
- বরফের চাপে এখানকার ভূমি স্থানে স্থানে দেবে গিয়ে হাজার হাজার হ্রদের সৃষ্টি করেছে।

উৎস: Britannica.
৬৪.
পারস্য উপসাগরের আঞ্চলিক জোটের নাম -
  1. ওএইউ
  2. আরব লীগ
  3. জিসিসি
  4. ওএএস
সঠিক উত্তর:
জিসিসি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জিসিসি
ব্যাখ্যা
Gulf Cooperation Council (GCC):
- Gulf Cooperation Council হলো পারস্য উপসাগর তীরবর্তী আরব উপদ্বীপের দেশগুলোর একটি রাজনৈতিক ও অর্থনেতিক জোট।
- এটি ১৯৮১ সালের ২৫মে গঠিত হয়।
- এর সদরদপ্তর: রিয়াদ, সৌদি আরব।
- বর্তমান মহাসচিব জাসেম মোহাম্মদ আল বুদাইউই।
- এর সদস্য সংখ্যা ৬টি।
এগুলো হলো:
• সৌদি আরব,
• সংযুক্ত আরব আমিরাত,
• কাতার,
• কুয়েত,
• বাহরাইন এবং
• ওমান।

উৎস: GCC ওয়েবসাইট।
৬৫.
বাস্তিল দুর্গের পতন ঘটেছিল -
  1. ১৪ জুলাই ১৭৮৯
  2. ৭ জুন ১৭৮৮
  3. ৫ অক্টোবর ১৭৮৮
  4. ২৬ আগস্ট ১৭৮৮
সঠিক উত্তর:
১৪ জুলাই ১৭৮৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪ জুলাই ১৭৮৯
ব্যাখ্যা
বাস্তিল দুর্গ:
- ফরাসি স্বৈরতন্ত্র এবং অত্যাচারের একমাত্র প্রতীক ছিল এই বাস্তিল দুর্গ।
- এই বাস্তিল দুর্গে রাজতন্ত্রের বিরোধী ব্যক্তিদের বন্দি করে রাখা হতো ও অত্যাচার করা হতো।
- তাই জনগণের কাছে বাস্তিল দুর্গ ছিল ফরাসি রাজতন্ত্রের অত্যাচারের প্রতীক।
- রাজধানী প্যারিসে শ্রমিক ও সাধারণ জনগণ খাদ্যের দাবিতে রাজতন্ত্রের অত্যাচারের প্রতীক বাস্তিল দুর্গ আক্রমণ করে।
- ১৭৮৯ সালের ১৪ জুলাই ফ্রান্সের বিদ্রোহী জনগণ বাস্তিল দুর্গ আক্রমণ করে ধ্বংস করেছিল।
- সমস্ত বন্দিরাও মুক্তি পায়।
বাস্তিল দুর্গের পতনের মাধ্যমে ফরাসী বিপ্লব শুরু হয়।

উল্লেখ্য,
- বাস্তিল দুর্গের পতনের ফলে রাজা ষোড়শ লুই-এর স্বৈরশাসনের অবসান হয়।
- রাজা জাতীয় পরিষদকে স্বীকৃতি দেন এবং এই সময় থেকে রাষ্ট্রের প্রকৃত ক্ষমতা আইনসভার হাতে চলে যায়।
- ফ্রান্সের প্রশাসনিক বিকেন্দ্রীকরণের সূচনা হয় এবং অভিজাততন্ত্রের পতন আসন্ন হয়ে ওঠে।

উৎস: Britannica.
৬৬.
কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের বর্তমান নাম -
  1. লিওপোন্ডভিল
  2. জিম্বাবুয়ে
  3. জিবুতি
  4. জায়ারে
সঠিক উত্তর:
জায়ারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জায়ারে
ব্যাখ্যা
কঙ্গো গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র:
- গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্র আফ্রিকা মহাদেশের একটি রাষ্ট্র।
- পূর্বে এর নাম ছিল জায়ারে।
- কঙ্গোর রাজধানী ব্রাজাভিল।
- সরকারি ভাষা ফরাসি।
- বেলজিয়াম থেকে ১৯৬০ সালে স্বাধীনতা লাভ করে।
- সীমান্তবর্তী দেশ ৯টি।

উৎস: Worldatlas.
৬৭.
'ট্রাফালগার স্কোয়ার' কোন শহরে অবস্থিত?
  1. ওয়াশিংটন
  2. প্যারিস
  3. মস্কো
  4. লন্ডন
সঠিক উত্তর:
লন্ডন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লন্ডন
ব্যাখ্যা
ট্রাফালগার স্কয়ার:
- ট্রাফালগার স্কয়ার ইংল্যান্ডের সেন্ট্রাল লন্ডনে অবস্থিত।
- এটি একটি সাধারণ জনগণের মিলনস্থল।
- ১৮০৫ সালে ইংল্যান্ড ফ্রান্স ও স্পেনের সম্মিলিত বাহিনীর সাথে যুদ্ধ করে জয়লাভ করে।
- ট্রাফালগারের যুদ্ধ জয়কে স্মরণীয় করে রাখতে লন্ডনের কেন্দ্রস্থল একটি চত্ত্বরের নামকরণ করা হয় ট্রাফালগার স্কয়ার।

উৎস: Britannica.
৬৮.
মিশর সুয়েজ খাল জাতীয়করণ করেছিল -
  1. ১৯৫৬ সালে
  2. ১৯৫৫ সালে
  3. ১৯৫৪ সালে
  4. ১৯৫৩ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৫৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৫৬ সালে
ব্যাখ্যা
সুয়েজ খাল:
- সুয়েজ খাল মিশরের সিনাই উপদ্বীপের পশ্চিমে অবস্থিত।
- এটি একটি কৃত্তিম সামুদ্রিক খাল।
- এটি ভূমধ্যসাগরকে লোহিত সাগরের সাথে যুক্ত করেছে।
- দশ বছর ধরে খননের পর পথটি ১৮৬৯ খ্রিষ্টাব্দে সর্বসাধারণের জন্য খুলে দেয়া হয়।
- নির্মাণ শুরু হয়েছে: ২৫ এপ্রিল, ১৮৫৯।
- নির্মাণ শেষ হয়: ১৭ নভেম্বর, ১৮৬৯।
- খালটি মিশরের সুয়েজ ক্যানেল অথোরিটির মালিকানাধীন।

উল্লেখ্য,
- মিশরের প্রেসিডেন্ট গামাল আবদেল নাসের সুয়েজ খাল জাতীয়করণ করেছিলেন ১৯৫৬ সালে।
- দখল করে নিয়েছিলেন মধ্যপ্রাচ্য থেকে তেল রপ্তানির অন্যতম প্রধান পথটির নিয়ন্ত্রণ।

উৎস: i) Britannica.
ii) ৯ মে ২০২১, বিবিসি বাংলা।
৬৯.
ADBC বৃত্তে AB এবং CD দুটি সমান জ্যা পরস্পর P বিন্দুতে ছেদ করলে কোনটি সত্য?
  1. PC = PD
  2. PA = PB
  3. PB = PA
  4. PB = PD
সঠিক উত্তর:
PB = PD
উত্তর
সঠিক উত্তর:
PB = PD
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ADBC বৃত্তে AB এবং CD দুটি সমান জ্যা পরস্পর P বিন্দুতে ছেদ করলে কোনটি সত্য?

সমাধান:

দুইটি সমান জ্যা পরস্পর ছেদ করলে প্রথমটির খন্ডিত অংশ অপরটির খন্ডিত অংশের সমান হয়।
PA = PC
PB = PD
জ্যা দুটির ছেদবিন্দুর অবস্থানের সাপেক্ষে দুটোই উত্তর হতে পারে।
৭০.
P এর মান কত হলে 4x2 - Px + 9 একটি পূর্ণ বর্গ হবে?
  1. 10
  2. 9
  3. 16
  4. 12
সঠিক উত্তর:
12
উত্তর
সঠিক উত্তর:
12
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: P এর মান কত হলে 4x2 - Px + 9 একটি পূর্ণ বর্গ হবে?

সমাধান:
4x2 - Px + 9
= (2x)2 - 2.2x.3 + (3)2 - Px + 12x
= (2x - 3)2 - (Px - 12x)

∴ - Px + 12x = 0
⇒ Px = 12x
∴ P = 12

সুতরাং P = 12 হলে রাশিটি পূর্ণবর্গ হবে।
৭১.
নিচের কোন সংখ্যাটি √2 এবং √3 এর মধ্যবর্তী মূলদ সংখ্যা?
  1. (√2 + √3)/2
  2. (√2.√3)/2
  3. 1.5
  4. 1.8
সঠিক উত্তর:
1.5
উত্তর
সঠিক উত্তর:
1.5
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: নিচের কোন সংখ্যাটি √2 এবং √3 এর মধ্যবর্তী মূলদ সংখ্যা?

সমাধান: 
মূলদ সংখ্যা: যেসব সংখ্যাকে p/q আকারে প্রকাশ করা যায় যেখানে p, q স্বাভাবিক সংখ্যা এবং q≠0 তাদেরকে মূলদ সংখ্যা বলে।

- শূণ্য, সব স্বাভাবিক সংখ্যা ও ভগ্নাংশ মূলদ সংখ্যা।
- সব পূর্ণসংখ্যা মূলদ সংখ্যা।
- সব পূর্ণবর্গ সংখ্যার বর্গমূল মূলদ সংখ্যা। যেমন: √16, √36.
- সব পূর্ণ ঘন সংখ্যার ঘনমূল মূলদ সংখ্যা।

এখানে
√2 = 1.4142
√3 = 1.7320

√2 এবং √3 এর মধ্যবর্তী মূলদ সংখ্যা = 1.5
৭২.
x2 - 8x - 8y + 16 + y2 এর সঙ্গে কত যোগ করলে যোগফল একটি পূর্ণবর্গ হবে?
  1. - 2xy
  2. 8xy
  3. 6xy
  4. 2xy
সঠিক উত্তর:
2xy
উত্তর
সঠিক উত্তর:
2xy
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: x2 - 8x - 8y + 16 + y2 এর সঙ্গে কত যোগ করলে যোগফল একটি পূর্ণবর্গ হবে?

সমাধান:
x2 - 8x - 8y + 16 + y2
= x2 + y2 + (- 4)2 + 2. x.( - 4) + 2.y.(- 4) + 2.x.y - 2xy
= (x + y - 4)2 - 2xy

x2 - 8x - 8y + 16 + y2 এর সাথে 2xy যোগ করলে যোগফল পূর্ণবর্গ হবে।
৭৩.
2x2 - x - 15 এর উৎপাদক হবে-
  1. (x + 6)(x - 5)
  2. (x - 5)(x - 6)
  3. (x + 3)(2x - 5)
  4. (2x + 5)(x - 3)
সঠিক উত্তর:
(2x + 5)(x - 3)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
(2x + 5)(x - 3)
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: 2x2 - x - 15 এর উৎপাদক হবে-

সমাধান:
2x2 - x - 15
= 2x2 - 6x + 5x - 15
= 2x(x - 3) + 5(x - 3)
= (x - 3)(2x + 5)
৭৪.
চারটি সমান বাহু দ্বারা সীমাবদ্ধ একটি ক্ষেত্র যার একটি কোণও সমকোণ নয়, এরূপ চিত্রকে বলা হয়-
  1. বর্গক্ষেত্র
  2. চতুর্ভুজ
  3. রম্বস
  4. সামান্তরিক
সঠিক উত্তর:
রম্বস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রম্বস
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: চারটি সমান বাহু দ্বারা সীমাবদ্ধ একটি ক্ষেত্র যার একটি কোণও সমকোণ নয়, এরূপ চিত্রকে বলা হয়-

সমাধান:
- চারটি সমান বাহু দ্বারা সীমাবদ্ধ একটি ক্ষেত্র যার কোনো কোণ সমকোণ নয়, এরূপ চিত্রকে বলা হয় রম্বস।
- প্রকৃতপক্ষে, রম্বস হলো সামান্তরিকের একটি বিশেষ রূপ অর্থাৎ সামান্তরিকের সন্নিহিত বাহুদ্বয় সমান হলে তখন তা রম্বস হয়ে যায়।
- এটিকে সমবাহু চতুর্ভুজও বলা হয় কারণ এর চারটি বাহুর দৈর্ঘ্য পরস্পর সমান।
- রম্বসের কর্ণদ্বয় পরস্পরকে সমকোণে সমদ্বিখণ্ডিত করে।
- রম্বসের বিপরীত কোণগুলো পরস্পর সমান।
৭৫.
a4 + 4 এর উৎপাদক কী কী?
  1. (a2 + 2a + 2)(a2 - 2a - 2)
  2. (a2 + 2a + 2)(a2 - 2a + 2)
  3. (a2 - 2a + 2)(a2 + 2a - 2)
  4. (a2 - 2a - 2)(a2 - 2a + 2)
সঠিক উত্তর:
(a2 + 2a + 2)(a2 - 2a + 2)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
(a2 + 2a + 2)(a2 - 2a + 2)
ব্যাখ্যা
a4 + 4 এর উৎপাদক কী কী?

সমাধান: 
a4 + 4 
= a4 + 4 + 4a2 - 4a2
= (a2)2 + 2.a2. 2 + 22 - 4a2
= (a2 + 2)2 - (2a)2
= (a2 + 2 + 2a)(a2 + 2 - 2a)
=(a2 + 2a + 2)(a2 - 2a + 2)
৭৬.
একটি সমবাহু ত্রিভুজের একটি বাহু ১৬ মিটার। ত্রিভুজটির ক্ষেত্রফল কত?
  1. ৬৪√৩ বর্গমিটার
  2. ১৯২ বর্গমিটার
  3. ৬৪ বর্গমিটার
  4. ৩২√৩ বর্গমিটার
সঠিক উত্তর:
৬৪√৩ বর্গমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬৪√৩ বর্গমিটার
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি সমবাহু ত্রিভুজের একটি বাহু ১৬ মিটার। ত্রিভুজটির ক্ষেত্রফল কত?

সমাধান:
আমরা জানি,
সমবাহু ত্রিভুজের বাহুর দৈর্ঘ্য a হলে ক্ষেত্রফল (√3/4)a2
দেওয়া আছে,
সমবাহু ত্রিভুজটির একটি বাহুর দৈর্ঘ্য a = ১৬ মিটার।

ত্রিভুজটির ক্ষেত্রফল = (√৩/৪) × (১৬)
= (√৩/৪) × ১৬ × ১৬
= ৬৪√৩ বর্গমিটার
৭৭.
চিনির মূল্য ২৫% বৃদ্ধি পাওয়াতে একটি পরিবার চিনি খাওয়া এমনিভাবে কমালো যে চিনি বাবদ ব্যয় বৃদ্ধি পেল না। ঐ পরিবার চিনি খাওয়া বাবদ শতকরা কত কমালো?
  1. ২২%
  2. ২৫%
  3. ২০%
  4. ৩০%
সঠিক উত্তর:
২০%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০%
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: চিনির মূল্য ২৫% বৃদ্ধি পাওয়াতে একটি পরিবার চিনি খাওয়া এমনিভাবে কমালো যে চিনি বাবদ ব্যয় বৃদ্ধি পেল না। ঐ পরিবার চিনি খাওয়া বাবদ শতকরা কত কমালো?

সমাধান:
২৫% বৃদ্ধিতে বর্তমান মূল্য = (১০০ + ২৫) টাকা = ১২৫ টাকা

বর্তমান মূল্য ১২৫ টাকা হলে পূর্বমূল্য ১০০ টাকা
বর্তমান মূল্য ১ টাকা হলে পূর্বমূল্য ১০০/১২৫ টাকা
বর্তমান মূল্য ১০০ টাকা হলে পূর্বমুল্য = (১০০×১০০)/১২৫
= ৮০ টাকা

∴ঐ পরিবার চিনি খাওয়া কমালো (১০০ - ৮০) = ২০%
৭৮.
বার্ষিক পরীক্ষায় একটি ছাত্র ক সংখ্যক প্রশ্নের প্রথম ২০টির মধ্যে ১৫টি নির্ভুল উত্তর দিল। বাকি যা প্রশ্ন রইল তার ১/৩ অংশ সে নির্ভুল উত্তর দিল। সমস্ত প্রশ্নের মান সমান। যদি ছাত্রটি শতকরা ৭৫ ভাগ নম্বর পায় তবে প্রশ্নের সংখ্যা কত ছিল?
  1. ১৫টি
  2. ২০টি
  3. ২৫টি
  4. ১৮টি
সঠিক উত্তর:
২০টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০টি
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: বার্ষিক পরীক্ষায় একটি ছাত্র ক সংখ্যক প্রশ্নের প্রথম ২০টির মধ্যে ১৫টি নির্ভুল উত্তর দিল। বাকি যা প্রশ্ন রইল তার ১/৩ অংশ সে নির্ভুল উত্তর দিল। সমস্ত প্রশ্নের মান সমান। যদি ছাত্রটি শতকরা ৭৫ ভাগ নম্বর পায় তবে প্রশ্নের সংখ্যা কত ছিল?

সমাধান:
ধরি,
প্রশ্নসংখ্যা = ক

সে সঠিক উত্তর দেয় = ক এর ৭৫%
= ক এর ৭৫/১০০
= ৩ক/৪

শর্তমতে,
১৫ + (১/৩)(ক - ২০) = ৩ক/৪
বা, (৪৫ + ক - ২০)/৩ = ৩ক/৪
বা, (ক + ২৫)/৩ = ৩ক/4
বা, ৯ক = ৪ক + ১০০
বা, ৯ক - ৪ক = ১০০
বা, ৫ক = ১০০
∴ ক = ২০
৭৯.
নৌকা ও স্রোতের বেগ ঘণ্টায় যথাক্রমে ১০ ও ৫ কিমি। নদী পথে ৪৫ কিমি দীর্ঘ পথ একবার অতিক্রম করে ফিরে আসতে কত ঘণ্টা সময় লাগবে?
  1. ৯ ঘণ্টা
  2. ১২ ঘণ্টা
  3. ১০ ঘণ্টা
  4. ১৮ ঘণ্টা
সঠিক উত্তর:
১২ ঘণ্টা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২ ঘণ্টা
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: নৌকা ও স্রোতের বেগ ঘণ্টায় যথাক্রমে ১০ ও ৫ কিমি। নদী পথে ৪৫ কিমি দীর্ঘ পথ একবার অতিক্রম করে ফিরে আসতে কত ঘণ্টা সময় লাগবে?

সমাধান:
স্রোতের অনুকূলের বেগ = নৌকার বেগ + স্রোতের বেগ= ১০ + ৫ = ১৫ কিমি/ঘণ্টা
স্রোতের প্রতিকূলের বেগ = নৌকার বেগ - স্রোতের বেগ = ১০ - ৫ = ৫ কিমি/ঘণ্টা

এখন,
স্রোতের অনুকূলে যেতে সময় লাগে = ৪৫/১৫ = ৩ ঘণ্টা
স্রোতের প্রতিকূলে ফিরে আস্তে সময় লাগে = ৪৫/৫ = ৯ ঘণ্টা

∴ মোট সময় = (৩ + ৯) = ১২ ঘণ্টা
৮০.
৮, ১১, ১৭, ২৯, ৫৩,  ____। পরবর্তী সংখ্যাটি কত?
  1. ১০১
  2. ১০২
  3. ৭৫
  4. ৫৯
সঠিক উত্তর:
১০১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০১
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ৮, ১১, ১৭, ২৯, ৫৩,  ____। পরবর্তী সংখ্যাটি কত?

সমাধান:
১ম পদ = ৮
২য় পদ = ৮ + ৩ = ১১
৩য় পদ = ১১ + ৬ = ১৭
৪র্থ পদ = ১৭ + ১২ = ২৯
৫ম পদ = ২৯ + ২৪ = ৫৩
৬ষ্ঠ পদ = ৫৩ + ৪৮ = ১০১
৮১.
২০৫৭৩.৪ মিলিগ্রামে কত কিলোগ্রাম?
  1. ২.০৫৭৩৪
  2. ০.২০৫৭৩৪
  3. ০.০২০৫৭৩৪
  4. ২০.৫৭৩৪০
সঠিক উত্তর:
০.০২০৫৭৩৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
০.০২০৫৭৩৪
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ২০৫৭৩.৪ মিলিগ্রামে কত কিলোগ্রাম?

সমাধান:
আমরা জানি,
১০০০০০০ মিলিগ্রাম = ১ কিলোগ্রাম
∴ ২০৫৭৩.৪ মিলিগ্রাম = ২০৫৭৩.৪/১০০০০০০ কিলোগ্রাম
= ০.০২০৫৭৩৪ কিলোগ্রাম
৮২.
একটি স্কুলে ছাত্রদের ড্রিল করার সময় ৮, ১০ এবং ১২ সারিতে সাজানো যায়। আবার বর্গাকারেও সাজানো যায়। ঐ স্কুলে কমপক্ষে কতজন ছাত্র আছে?
  1. ৩৬০০
  2. ২৪০০
  3. ১২০০
  4. ৩০০০
সঠিক উত্তর:
৩৬০০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৬০০
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি স্কুলের ছাত্রদের ড্রিল করার সময় ৮, ১০ এবং ১২ সারিতে সাজানো যায়, আবার বর্গাকারেও সাজানো যায়। ঐ স্কুলে কমপক্ষে কতজন ছাত্র রয়েছে?

সমাধান:
স্কুলে ছাত্রদের ৮, ১০ ও ১২ সারিতে সাজানো যায়।
ফলে তাদের সংখ্যা ৮, ১০ ও ১২ দ্বারা বিভাজ্য।
এমন ক্ষুদ্রতম সংখ্যা হবে ৮, ১০ ও ১২ এর লসাগু।

৮, ১০ ও ১২ এর লসাগু = (২ × ২) × ২ × ৩ × ৫ যা বর্গাকারে সাজানো সম্ভব নয়।

(২ × ২) × ২ × ৩ × ৫ কে বর্গাকার সংখ্যা করতে হলে কমপক্ষে (২ × ৩ × ৫) বা ৩০ দ্বারা গুণ করতে হবে।

৮, ১০ ও ১২ সারিতে এবং বর্গাকারে সাজানোর জন্য স্কুলে ছাত্রদের সংখ্যা হবে
= (২ × ২) × (২ × ২) × (৩ × ৩) × ৫ × ৫ জন
= ৩৬০০ জন
৮৩.
৫ : ১৮, ৭ : ২ এবং ৩ : ৬ এর মিশ্র অনুপাত কত?
  1. ৭২ : ১০৫
  2. ৭২ : ৩৫
  3. ৩৫ : ৭২
  4. ১০৫ : ৭২
সঠিক উত্তর:
৩৫ : ৭২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৫ : ৭২
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ৫ : ১৮, ৭ : ২ এবং ৩ : ৬ এর মিশ্র অনুপাত কত? 

সমাধান: 
 দেওয়া আছে, 
৫ : ১৮, ৭ : ২ এবং ৩ : ৬

∴ মিশ্র অনুপাত = (৫ × ৭ × ৩) : (১৮ × ২ × ৬)
= ১০৫ : ২১৬ 
= ৩৫ : ৭২
৮৪.
সুষম বহুভুজের একটি অন্তঃকোণের পরিমাণ ১৩৫° হলে এর বাহুর সংখ্যা কত?
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: সুষম বহুভুজের একটি অন্তঃকোণের পরিমাণ ১৩৫° হলে এর বাহুর সংখ্যা কত?

সমাধান: 
সুষম বহুভুজের একটি অন্তঃকোণের পরিমাণ ১৩৫°
সুষম বহুভুজের প্রতিটি বহি:স্থ কোণের পরিমাণ = ১৮০° - ১৩৫° = ৪৫°

সুতরাং বাহুর সংখ্যা = ৩৬০°/৪৫° = ৮টি
৮৫.
অধিকাংশ ফটোকপি মেশিন কাজ করে-
  1. অফসেট মুদ্রণ পদ্ধতিতে
  2. পোলারয়েড ফটোগ্রাফি পদ্ধতিতে
  3. ডিজিট্যাল ইমেজিং পদ্ধতিতে
  4. স্থির বৈদ্যুতিক ইমেজিং পদ্ধতিতে
সঠিক উত্তর:
স্থির বৈদ্যুতিক ইমেজিং পদ্ধতিতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্থির বৈদ্যুতিক ইমেজিং পদ্ধতিতে
ব্যাখ্যা
• অধিকাংশ ফটোকপি মেশিন কাজ করে স্থির বৈদ্যুতিক ইমেজিং পদ্ধতিতে।

- অধিকাংশ ফটোকপি মেশিন একটি প্রক্রিয়া অনুসরণ করে যা স্ট্যাটিক ইলেক্ট্রিসিটি বা স্থির বৈদ্যুতিক চার্জের ওপর ভিত্তি করে কাজ করে।
- এই প্রক্রিয়াটি মূলত জেরোগ্রাফি (Xerography) নামে পরিচিত।
• ফটোকপি মেশিনের কাজের পদ্ধতি সাধারণত নিম্নলিখিত ধাপগুলো অনুসরণ করে:
- প্রাথমিক চার্জিং (Charging): একটি ড্রাম বা বেলন যন্ত্র একটি উচ্চ ভোল্টেজের দ্বারা সমানভাবে চার্জ করা হয়।
- ইমেজিং (Imaging): মূল ডকুমেন্টের ছবি একটি শক্তিশালী আলোর উৎস দ্বারা ড্রামে প্রক্ষেপিত হয়। যেখানে আলো ড্রামে পড়ে, সেখানে চার্জ মুক্ত হয়ে যায় এবং যেখানে আলো পড়ে না, সেখানে চার্জ থাকে। এভাবে ড্রামে একটি লুকানো বা ল্যাটেন্ট ইমেজ তৈরি হয়।
- ডেভেলপিং (Developing): ড্রামটি টোনার (এক ধরনের কালো পাউডার) দ্বারা আবৃত হয়, যা চার্জ করা অংশে আটকে যায়। এতে ড্রামে একটি দৃশ্যমান ইমেজ তৈরি হয়।
- ট্রান্সফারিং (Transferring): ড্রাম থেকে টোনার কাগজে স্থানান্তরিত করা হয়। কাগজটি একটি উচ্চ চার্জযুক্ত রোলার বা বেলন দ্বারা আকর্ষিত হয়, ফলে টোনার কাগজের উপর স্থানান্তরিত হয়।
- ফিউজিং (Fusing): কাগজটি একটি উত্তপ্ত রোলারের মাধ্যমে পাস হয়, যা টোনারকে গলিয়ে কাগজের সাথে স্থায়ীভাবে সংযুক্ত করে।
- ক্লিনিং (Cleaning): ড্রামের বাকি টোনার অপসারণ করা হয় এবং ড্রামটি পুনরায় চার্জিংয়ের জন্য প্রস্তুত করা হয়।

উৎস:
১. ব্রিটানিকা।
২. [xerox]
৮৬.
কোনো বস্তুকে পানিতে সম্পূর্ণভাবে ডুবালে পানিতে যেখানে এটা রাখা যায় সেখানেই এটা থাকে কারণ-
  1. বস্তুর ঘনত্ব পানির ঘনত্বের চেয়ে বেশি
  2. বস্তুর ঘনত্ব পানির ঘনত্বের চেয়ে কম
  3. বস্তুর ঘনত্ব পানির ঘনত্বের সমান
  4. বস্তু ও পানির ঘনত্বের মধ্যে নিবিড় সম্পর্ক বিদ্যমান
সঠিক উত্তর:
বস্তুর ঘনত্ব পানির ঘনত্বের সমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বস্তুর ঘনত্ব পানির ঘনত্বের সমান
ব্যাখ্যা
• কোনো বস্তুকে পানিতে সম্পূর্ণভাবে ডুবালে পানিতে যেখানে এটা রাখা যায় সেখানেই এটা থাকে কারণ বস্তুর ঘনত্ব পানির ঘনত্বের সমান।

- বস্তুর একক আয়তনের ভরকে তার উপাদানের ঘনত্ব বলে।
- ঘনত্বের একক kgm3.
- ঘনত্বের মাত্রা ML-3.
- যখন কোনো বস্তুর ঘনত্ব পানির ঘনত্বের সমান হয়, তখন বস্তুটি পানিতে নিরপেক্ষ ভাসমান অবস্থায় থাকে।
- অর্থাৎ, বস্তুটি পানিতে পুরোপুরি ডুবে থাকে কিন্তু কোনো দিকে ভেসে ওঠে না বা নিচে ডুবে যায় না। এই অবস্থায় বস্তুর ওজন এবং পানির বুয়েন্ট ফোর্স একে অপরের সমান হয়।
- যদি কোনো বস্তুর ঘনত্ব পানির ঘনত্বের চেয়ে বেশি হয়, তাহলে বস্তুটি পানির নিচে ডুবে যাবে।
- যদি কো্নো বস্তুর ঘনত্ব পানির ঘনত্বের চেয়ে কম হয়, তাহলে বস্তুটি পানির উপর ভেসে উঠবে
- আর্কিমিডিসের সূত্র অনুসারে, কোনো বস্তুকে পানিতে ডুবালে বস্তুটি তার ওজনের সমান পরিমাণ পানিকে স্থানচ্যুত করে। যদি বস্তুর ঘনত্ব পানির সমান হয়, তাহলে বস্তুটি সম্পূর্ণভাবে পানিতে ডুবলেও সেটা পানির মধ্যে একই স্থানে অবস্থান করবে।

উৎস:
১. Principles of Physics by David Halliday, Robert Resnick, and Jearl Walker.
২. পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮৭.
আকাশে বিজলী চমকায়-
  1. দুই খণ্ড মেঘ পরস্পর সংঘর্ষে এলে
  2. মেঘের অসংখ্য পানি ও বরফ কণার মধ্যে চার্জ সঞ্চিত হলে
  3. মেঘে বিদ্যুৎ পরিবাহী কোষ তৈরি হলে
  4. মেঘ বিদ্যুৎ পরিবাহী অবস্থায় এলে
সঠিক উত্তর:
মেঘের অসংখ্য পানি ও বরফ কণার মধ্যে চার্জ সঞ্চিত হলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেঘের অসংখ্য পানি ও বরফ কণার মধ্যে চার্জ সঞ্চিত হলে
ব্যাখ্যা
- আকাশে মেঘ জমা হবার সময় জলীয় বাষ্প যখন উপরে উঠতে থাকে তখন সেই জলীয় বাষ্পের ঘর্ষণের কারণে কিছু ইলেকট্রন আলাদা হয়ে নিচের মেঘগুলোর মাঝে জমা হতে থাকে।
- তখন স্বাভাবিকভাবেই উপরের মেঘের মাঝে ইলেকট্রন কম পড়ে এবং সেখানে পজিটিভ চার্জ জমা হয়।
- মেঘের ভেতর যখন প্রচুর চার্জ জমা হয় তখন স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসার জন্য মেঘের ভেতরে বড় স্পার্ক হয়, যেটাকে আমরা বলি বিজলি চমকানো।
- মাঝে মাঝে আকাশের মেঘে এত বেশি চার্জ জমা হয় যে সেগুলো বাতাসকে আয়নিত করে আক্ষরিক অর্থে লক্ষ মাইল বেগে মাটিতে নেমে আসে এবং আমরা সেটাকে বলি বজ্রপাত।
- বজ্রপাতের সময় মেঘ থেকে বিশাল পরিমাণ চার্জ পৃথিবীতে নেমে আসে।
- বাতাসের ভেতর দিয়ে যাবার সময় সেটা বাতাসকে আয়নিত করে ফেলে, তখন সেখানে প্রচণ্ড তাপ আর আলো আর শব্দ তৈরি হয়ে এই বিশাল পরিমাণ চার্জ যেখানে হাজির হয় সেখানে ভয়ংকর ক্ষতি হতে পারে।
- বজ্রপাতের সময় লক্ষ অ্যাম্পিয়ারের মতো বিদ্যুৎ প্রবাহিত হতে পারে এবং এই বিদ্যুৎ প্রবাহের জন্য বাতাসের তাপমাত্রা 20 থেকে 30 হাজার ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত উত্তপ্ত হয়ে যায়, যেটা সূর্য পৃষ্ঠের তাপমাত্রা থেকে বেশি।
- এই তাপমাত্রার কারণে আমরা নীলাভ সাদা আলোর একটা ঝলকানি দেখতে পাই।
- বজ্রপাতের শব্দ একধরনের শকওয়েভ।
- আলোর ঝলকানি এবং শব্দ একই সাথে তৈরি হলেও আমরা আলোটিকে প্রথম দেখি আলোর গতিবেগ এত বেশি যে সেটা প্রায় সাথে সাথে পৌঁছে যায়।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৮৮.
যে সর্বোচ্চ শ্রুতি সীমার উপরে মানুষ বধির হতে পারে তা হচ্ছে-
  1. ৭৫ ডিবি
  2. ৯০ ডিবি
  3. ১০৫ ডিবি
  4. ১২০ ডিবি
সঠিক উত্তর:
১০৫ ডিবি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০৫ ডিবি
ব্যাখ্যা
- শব্দের তীব্রতা পরিমাপের একক ডেসিবেল (DB)।
- বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO)-এর মতে সাধারণত 60 ডেসিবেল শব্দ একজন মানুষকে সাময়িকভাবে এবং 100 ডেসিবেল শব্দ পুরোপুরি বধির করে ফেলে।
- পরিবেশ অধিদপ্তরের মতে অতি-শব্দ মানুষের মানসিক এবং দৈহিক ক্ষতির কারণ।
- ৮৫ ডিবিতে শ্রবণ শক্তি ক্ষতিগ্রস্ত হতে শুরু করে এবং মাত্রা ১২০ ডিবি হলে কানে ব্যথা শুরু হয়।
- বাংলাদেশের পরিবেশ অধিদপ্তরের জরিপ অনুসারে, যেকোন ব্যক্তি যেকোন স্থানে আধঘণ্টা বা তার অধিক সময় ধরে ঘটা ১০০ ডিবি বা তার অধিক শব্দ দূষণের ফলে বধির হয়ে যেতে পারে।

[১০০ ডিবি অপশনে না থাকায় অধিক গ্রহণযোগ্য হিসেবে ১০৫ ডিবি সঠিক উত্তর হিসেবে নেয়া হয়েছে]

উৎস:
১. পদার্থ ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. বাংলাপিডিয়া।
৮৯.
পানিতে নৌকার বৈঠা বাঁকা দেখা যাওয়ার কারণ, আলোর-
  1. পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন
  2. প্রতিসরণ
  3. বিচ্ছুরণ
  4. পোলারায়ন
সঠিক উত্তর:
প্রতিসরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রতিসরণ
ব্যাখ্যা

• আলোর প্রতিসরণ:
- আলো যখন এক স্বচ্ছ মাধ্যম থেকে অন্য স্বচ্ছ মাধ্যমের বিভেদতলে আপতিত হয় তখন ২য় মাধ্যমে আলোর গতিপথের দিক পাল্টে যাওয়াকে আলোর প্রতিসরণ বলে।
- আলো এক স্বচ্ছ মাধ্যম থেকে অন্য স্বচ্ছ মাধ্যমে যাওয়ার সময় প্রতিসরিত আলোকরশ্মি অভিলম্ব হতে সরে যায় বা অভিলম্বের দিকে আসে।
- বিষয়টি দুইটি মাধ্যমের ঘনত্বের উপর নির্ভর করে।
- আলোর প্রতিসরণের জন্য বস্তুর প্রকৃত অবস্থান দেখা যায় না। 

• আলোর প্রতিসরণের ফলে:
- পুকুরের পানির ভেতর মাছকে কিছুটা ওপরে দেখা যায়। 
- একটি সরল দণ্ডকে তির্যকভাবে পানিতে ডোবালে বাঁকা দেখা যায়। 
- পানিতে ডােবানাে পয়সা উপর থেকে তাকালে কিছুটা উপরে দেখা যায়। 
- খাঁড়াভাবে তাকালে পুকুরের গভীরতা প্রকৃত গভীরতা থেকে কম মনে হয়।
- পানিতে নৌকার বৈঠা বাঁকা দেখা যায়।

উৎস:
১. পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
২. বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৯০.
রান্না করার হাড়ি পাতিল সাধারণত এলুমিনিয়ামের তৈরি হয়। এর প্রধান কারণ -
  1. এটি হালকা ও দামে সস্তা
  2. এটি সব দেশেই পাওয়া যায়
  3. এতে দ্রুত তাপ সঞ্চারিত হয়ে খাদ্যদ্রব্য তাড়াতাড়ি সিদ্ধ হয়
  4. এটি সহজে ভেঙ্গে যায় না এবং বেশি গরম সহ্য করতে পারে
সঠিক উত্তর:
এতে দ্রুত তাপ সঞ্চারিত হয়ে খাদ্যদ্রব্য তাড়াতাড়ি সিদ্ধ হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এতে দ্রুত তাপ সঞ্চারিত হয়ে খাদ্যদ্রব্য তাড়াতাড়ি সিদ্ধ হয়
ব্যাখ্যা
- রান্না করার হাড়ি পাতিল সাধারণত এলুমিনিয়ামের তৈরি হয়।
- এর প্রধান কারণ হলো এতে দ্রুত তাপ সঞ্চারিত হয়ে খাদ্যদ্রব্য তাড়াতাড়ি সিদ্ধ হয়।
- এলুমিনিয়াম হালকা এবং দামে সস্তা হলেও, এর তাপ পরিবাহিতা খুব ভালো হওয়ায় এটি রান্নার পাত্র হিসেবে বেশি ব্যবহৃত হয়।
- এটি তাপকে সমানভাবে ছড়িয়ে দেয় এবং খাদ্য দ্রব্য দ্রুত সিদ্ধ করতে সহায়তা করে।
- এলুমিনিয়াম তাপ সুপরিবাহী পদার্থ।

উৎস: বিজ্ঞান, ষষ্ঠ শ্রেণি
৯১.
গ্রিন-হাউজ ইফেক্ট বলতে বুঝায়-
  1. সূর্যালোকের অভাবে সালোক সংশ্লেষণে ঘাটতি
  2. তাপ আটকে পড়ে সার্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি
  3. প্রাকৃতিক চাষের বদলে ক্রমবর্ধমানভাবে কৃত্রিম চাষের প্রয়োজনীয়তা
  4. উপগ্রহের সাহায্যে দূর থেকে ভূমণ্ডলের অবলোকন
সঠিক উত্তর:
তাপ আটকে পড়ে সার্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তাপ আটকে পড়ে সার্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি
ব্যাখ্যা
• গ্রিন হাউজ প্রভাব:
- গ্রিন হাউজ হলো এমন একটি কাঁচের ঘর যেখানে নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে গাছপালা জন্মানোর জন্য উপযোগী আবহাওয়া তৈরিকরা হয়।
- সূর্যের আলো যখন এই কাঁচের ঘরের ভিতরে প্রবেশ করে তখন ভিতরে তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায়।
- পৃথিবীও গ্রিন হাউজের মত এমন একটি আবাসস্থল যেখানে প্রতিদিনই তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাচ্ছে যা পৃথিবী হতে দূরীভূত হচ্ছে না।
- গ্রিন হাউজের তাপমাত্রা ধরে রাখার প্রক্রিয়াটি বিশ্বের তাপমাত্রা বৃদ্ধি প্রক্রিয়ার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
- এ কারণেই গ্রিন হাউজ এর সাথে মিল রেখে বিশ্বের তাপমাত্রা বৃদ্ধিকে চিহ্নিত করা হয়েছে গ্রিন হাউজ প্রতিক্রিয়া হিসেবে।
- বৈশ্বিক উষ্ণায়ন হলো বিশ্বের গড় তাপমাত্রা বৃদ্ধি।
- এটিকে গ্রিন হাউজের প্রতিক্রিয়া হিসেবে দেখা হয়।
- বৈশ্বিক উষ্ণায়নের জন্য বিভিন্ন ধরনের গ্যাসকে দায়ী করা হয়। এগুলো হলো কার্বন ডাই-অক্সাইড, নাইট্রাস অক্সাইড, ক্লোরোফ্লোরো কার্বন, মিথেন, ওজোন, জলীয়বাষ্প প্রভৃতি।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯২.
রিমোট সেন্সিং বা দূর অনুধাবন বলতে বিশেষভাবে বুঝায়-
  1. রেডিও ট্রান্সমিটার সহযোগে দূর থেকে তথ্য সংগ্রহ
  2. রাডারের সাহায্যে চারদিকের পরিবেশের অবলোকন
  3. কোয়াসার প্রভৃতি মহাজাতিক উৎস থেকে সংকেত অনুধাবন
  4. উপগ্রহের সাহায্যে দূর থেকে ভূমণ্ডলের অবলোকন
সঠিক উত্তর:
উপগ্রহের সাহায্যে দূর থেকে ভূমণ্ডলের অবলোকন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপগ্রহের সাহায্যে দূর থেকে ভূমণ্ডলের অবলোকন
ব্যাখ্যা
• দূর অনুধাবন প্রযুক্তি (Remote Sensing):
- রিমোট সেন্সিং হলো উপগ্রহ বা উচ্চতর স্থান থেকে ভূমি, জল, বন, আবহাওয়া ইত্যাদি সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করার প্রক্রিয়া।
- এটি বিভিন্ন ধরনের সেন্সর ব্যবহার করে, যা দূর থেকে ভূমণ্ডলের ছবি বা তথ্য সংগ্রহ করে।
- সাধারণত বিমান বা উপগ্রহ এ পদ্ধতি সমাধা করে।
- দূর অনুধাবন প্রযুক্তিকে তিনটি পর্বে বিভক্ত করা যায়:
ক. কোনো প্লাটফর্মে বসানো সেন্সর থেকে উপাত্ত সংগ্রহ, যেমন একটি উপগ্রহ,
খ. উপাত্ত ব্যবহার এবং
গ. উপাত্তের ব্যাখ্যা যা পরীক্ষাকৃত পৃষ্ঠের বিষয়ভিত্তিক মানচিত্র প্রণয়ণে কাজে লাগে।
- তড়িৎ চুম্বকীয় বিকিরণ ব্যবহারকারী দূর অনুধাবন ব্যবস্থার চারটি উপাদান আছে- সূত্র বা উৎস; ভূ-পৃষ্ঠের সঙ্গে পারস্পরিক ক্রিয়া; বায়ুমন্ডলের সঙ্গে মিথস্ক্রিয়া এবং একটি সেন্সর।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও নাসা।
৯৩.
পালতোলা নৌকা সম্পূর্ণ অন্য দিকের বাতাসকেও এর সম্মুখ গতিতে ব্যবহার করতে পারে। কারণ-
  1. ক্রিয়ার বদলে প্রতিক্রিয়াটি ব্যবহৃত হয়
  2. সম্মুখ অভিমুখে বলের উপাংশটিকে কার্যকর রাখা হয়
  3. পালের দাড়িতে টানের নিয়ন্ত্রণ বিশেষ দিকে বাতাসকে কার্যকর করে
  4. পালের আকৃতিকে সুকৌশলে ব্যবহার করা যায়
সঠিক উত্তর:
সম্মুখ অভিমুখে বলের উপাংশটিকে কার্যকর রাখা হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্মুখ অভিমুখে বলের উপাংশটিকে কার্যকর রাখা হয়
ব্যাখ্যা
- যথাযথভাবে হাল ঘুরিয়ে বিপরীতমূখী বলকে নিষ্ক্রিয় করা গেলে নৌকা অন্যদিকের বাতাসকে সম্মুখ অভিমূখে বলের উপাংশটিকে কাজে লাগিয়ে তা নৌকার সম্মুখগতিতে ব্যাবহার করতে পারে।

- পৃথিবী পৃষ্ঠের তাপমাত্রার পার্থক্যের কারণে বায়ু প্রবাহিত হয়।
- বায়ু প্রবাহজনিত গতিশক্তিকে তড়িৎ শক্তিতে রূপান্তর করা যায়।
- যে যন্ত্রের সাহায্যে বায়ু প্রবাহজনিত গতিশক্তিকে বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তর করা হয় তাকে বায়ুকল বলে।
- বায়ু প্রবাহকে কাজে লাগিয়ে প্রাচীনকালের মানুষেরা কুয়া থেকে পানি তোলা, জাহাজ চালানো ইত্যাদি কাজ সম্পাদন করতো।
- নৌকায় পাল তুলে আজও বায়ু শক্তিকে কাজে লাগানো হয়।
- পালতোলা নৌকাতে বাতাস দুইভাবে কাজ করে।
- একটি বলের অভিমূখে অন্যটি বলের বিপরীত।

উৎস:
১. ব্রিটানিকা।
২. পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯৪.
সাধারণ স্ট্রোরেজ ব্যাটারিতে সিসার ইলেকট্রোডের সঙ্গে যে তরলটি ব্যবহৃত হয় তা হলো-
  1. নাইট্রিক এসিড
  2. সালফিউরিক এসিড
  3. এমোনিয়াম ক্লোরাইড
  4. হাইড্রোক্লোরিক এসিড
সঠিক উত্তর:
সালফিউরিক এসিড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সালফিউরিক এসিড
ব্যাখ্যা
- সৌর প্যানেলে তৈরি সৌরবিদ্যুৎ সংরক্ষণের জন্য সালফিউরিক এসিড (H₂SO₄) ব্যবহার করা হয়।
- বাসাবাড়িতে আইপিএস (IPS) চালানোর জন্য অত্যাবশ্যকীয় একটি উপাদান হলো সালফিউরিক এসিড (H₂SO₄)।
- সাধারণ স্টোরেজ ব্যাটারিতে সিসার ইলেকট্রোডের সঙ্গে যে তরলটি পাওয়া যায় তা হলো সালফিউরিক এসিড (H₂SO₄)।
- ফসল উৎপাদনের জন্য সার হলো অতি প্রয়োজনীয় একটি জিনিস। সার হিসেবে আমরা যেগুলো ব্যবহার করি তার মধ্যে অন্যতম হলো অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট (NH₄NO₃), অ্যামোনিয়াম সালফেট [(NH₄)2SO₄] ও অ্যামোনিয়াম ফসফেট [(NH₄)3PO₄]। আর সার কারখানায় এগুলো তৈরি করা হয় যথাক্রমে নাইট্রিক এসিড (HNO₃), সালফিউরিক এসিড (H₂SO₄) এবং ফসফরিক এসিড (H₃PO₄) ব্যবহার করে।

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৯৫.
ফুলানো বেলুনের মুখ ছেড়ে দিলে বাতাস বেরিয়ে যাবার সঙ্গে বেলুনটি ছুটে যায়। কোন ইঞ্জিনের নীতির সঙ্গে এর মিল আছে?
  1. বাষ্পীয় ইঞ্জিন
  2. অন্তর্দহন ইঞ্জিন
  3. স্টারলিং ইঞ্জিন
  4. রকেট ইঞ্জিন
সঠিক উত্তর:
রকেট ইঞ্জিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রকেট ইঞ্জিন
ব্যাখ্যা

• ফুলানো বেলুনের মুখ ছেড়ে দিলে বাতাস বেরিয়ে যাবার সঙ্গে বেলুনটি ছুটে যায়। রকেট ইঞ্জিনের নীতির সঙ্গে এর মিল আছে।

- ফুলানো বেলুনের মুখ ছেড়ে দিলে বেলুনটি ছুটে যায় এবং এই প্রক্রিয়াটি নিউটনের তৃতীয় সুত্রের (Newton's Third Law of Motion) সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
- নিউটনের তৃতীয় সুত্রটি হলো: "প্রত্যেক ক্রিয়ার সমান ও বিপরীত প্রতিক্রিয়া আছে।"
- বেলুনের মুখ ছেড়ে দিলে বেলুনের ভিতরের বাতাস উচ্চচাপে বাইরে বেরিয়ে আসে, যা বেলুনের উপর বিপরীত দিকের বল প্রয়োগ করে। এই প্রতিক্রিয়া হিসাবে বেলুনটি বিপরীত দিকে ছুটে যায়।
- এই ধারণাটি রকেট ইঞ্জিনের কার্যপ্রণালীতে ব্যবহৃত হয়।
- রকেট ইঞ্জিনে জ্বালানী পুড়িয়ে উচ্চচাপের গ্যাস বাইরে বেরিয়ে আসে এবং এর ফলে রকেটটি বিপরীত দিকে ধাবিত হয়।

উৎস: ScienceDirect & Britannica Website

৯৬.
ফিউশন প্রক্রিয়ায় -
  1. একটি পরমাণু ভেঙ্গে প্রচণ্ড শক্তি সৃষ্টি করে
  2. একাধিক পরমাণু যুক্ত হয়ে নতুন পরমাণু গঠন করে
  3. ভারী পরমাণু ভেঙ্গে দুটি পরমাণু গঠিত হয়
  4. একটি পরমাণু ভেঙ্গে দুটি পরমাণু সৃষ্টি হয়
সঠিক উত্তর:
একাধিক পরমাণু যুক্ত হয়ে নতুন পরমাণু গঠন করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একাধিক পরমাণু যুক্ত হয়ে নতুন পরমাণু গঠন করে
ব্যাখ্যা
- ফিউশন প্রক্রিয়ায় একাধিক পরমাণু যুক্ত হয়ে নতুন পরমাণু গঠন করে এবং প্রচন্ড তাপশক্তি উৎপন্ন করে। 
- পরমাণুর নিউক্লিয়াস হতে দুটি প্রক্রিয়ায় প্রচুর পরিমাণ শক্তি উৎপন্ন করা যায়। যথা-
১. নিউক্লিয়ার ফিশন বা নিউক্লীয় বিভাজন:
- যে প্রক্রিয়ায় ভারী পরমাণুর নিউক্লিয়াস শক্তিশালী কণিকার আঘাতের ফলে প্রায় সমান দুটি খন্ডে বিভক্ত হয় এবং বিপুল পরিমাণ শক্তি নির্গত হয় তাকে নিউক্লিয়ার ফিশন বলে।

২. নিউক্লিয়ার ফিউশন বা নিউক্লীয় সংযোজন:
- যে প্রক্রিয়ায় একাধিক হালকা নিউক্লিয়াস যুক্ত হয়ে একটি ভারী নিউক্লিয়াসে পরিণত হয় এবং তাতে প্রচুর শক্তি নির্গত হয় তাকে নিউক্লিয়ার ফিউশন বলে।
- জার্মান বিজ্ঞানী বেথের মতে সূর্য রশ্মি কোনো কোনো ক্ষেত্রে অত্যাধুনিক উচ্চ তাপমাত্রায় সব সময় হাইড্রোজেন পরমাণু হিলিয়াম পরমাণুতে পরিবর্তিত হচ্ছে এবং শক্তি নির্গত হচ্ছে। প্রকৃতি এ শক্তি ব্যবহার করছে।
- সূর্যে এ বিক্রিয়া স্বচ্ছন্দে ঘটে।

উৎস:
১. উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়,সাধারণ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি]
২. রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
৯৭.
প্রবল জোয়ারের কারণ, এ সময়-
  1. সূর্য ও চন্দ্র পৃথিবীর সঙ্গে সমকোণ করে থাকে
  2. চন্দ্র পৃথিবীর সবচেয়ে কাছে থাকে
  3. পৃথিবী সূর্যের সবচেয়ে কাছে থাকে
  4. সূর্য, চন্দ্র ও পৃথিবী এক সরল রেখায় থাকে
সঠিক উত্তর:
সূর্য, চন্দ্র ও পৃথিবী এক সরল রেখায় থাকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সূর্য, চন্দ্র ও পৃথিবী এক সরল রেখায় থাকে
ব্যাখ্যা
• প্রবল জোয়ারের কারণ, এ সময় সূর্য, চন্দ্র ও পৃথিবী এক সরলরেখায় অবস্থান করে।

• জোয়ার-ভাটা:
- চন্দ্র ও সূর্যের আর্ষণ শক্তি পৃথিবীর কেন্দ্রাতিক প্রভৃতির প্রভাবে সমুদ্রের পানি নির্দিষ্ট সময় অন্তর ফুলে উঠে আবার নেমে যায়। সমুদ্র পানি এভাবে ফুলে উঠাকে বলা হয় জোয়ার এবং. নেমে যাওয়াকে ভাটা বলে।
- বিজ্ঞানীরা প্রমাণ করেছেন চন্দ্র ও সূর্যের প্রভাবেই এবং পৃথিবীর আবর্তনের ফলে সৃষ্ট কেন্দ্রাতিক শক্তির প্রভাবে জোয়ার ভাটা হয়।- জোয়ার ভাটা সংঘটনের কারণকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
ক. মহাকর্ষণ শক্তির প্রভাব এবং
খ. কেন্দ্রাতিগ শক্তির প্রভাব।
- সূর্য, চন্দ্র ও পৃথিবী এক সরলরেখায় অবস্থান করলে উভয়ের আকর্ষণে জোয়ার অত্যন্ত প্রবল হয়।
- অমাবস্যায় চন্দ্র ও সূর্য পৃথিবীর একই দিকে অবস্থান করে। এর ফলে চন্দ্র ও সূর্যের আকর্ষণ শক্তি একই দিক হতে একই সাথে কার্যকরী হয়। সূর্যের আকর্ষণ চন্দ্রের আকর্ষণের কম হলেও এ সময় উভয়ের মিলিত শক্তিতে আকর্ষণ আর ও প্রবল হয়।

উৎস: ভূগোল-১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯৮.
নিচের কোন উক্তিটি সঠিক?
  1. বায়ু একটি যৌগিক পদার্থ
  2. বায়ু একটি মৌলিক পদার্থ
  3. বায়ু একটি মিশ্র পদার্থ
  4. বায়ু বলতে অক্সিজেন ও নাইট্রোজেনকেই বুঝায়
সঠিক উত্তর:
বায়ু একটি মিশ্র পদার্থ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বায়ু একটি মিশ্র পদার্থ
ব্যাখ্যা
- এ মহাবিশ্বে যা কিছু আছে তাকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়।
- একটি ভাগে আছে পদার্থ যাদের ওজন বা ভর আছে, জায়গা দখল করে এবং বল প্রয়োগে বাধা দেয়।
- দুই বা ততোধিক পদার্থকে যে কোনো অনুপাতে একত্রে মিশ্রিত করলে যদি তারা নিজ নিজ ধর্ম বজায় রেখে পাশাপাশি অবস্থান করে, তবে উক্ত সমাবেশকে মিশ্রণ বলা হয়।
- বায়ু একটি মিশ্র পদার্থ, কারণ বায়ুতে এর উপাদানসমূহ যেমন- নাইট্রোজেন, অক্সিজেন, কার্বন ডাই-অক্সাইড ইত্যাদি নিজ নিজ ধর্ম বজায় রেখে পাশাপাশি অবস্থান করে।

উৎস: মাধ্যমিক রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি এবং বিজ্ঞান, সপ্তম শ্রেণি।
৯৯.
শহরের রাস্তায় ট্রাফিক লাইট যে ক্রম অনুসারে জ্বলে তা হলো -
  1. লাল-সবুজ-হলুদ-লাল-সবুজ
  2. লাল-হলুদ-সবুজ-লাল-হলুদ
  3. লাল-হলুদ-সবুজ-হলুদ-লাল
  4. লাল-হলুদ-লাল-সবুজ-হলুদ
সঠিক উত্তর:
লাল-হলুদ-সবুজ-হলুদ-লাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লাল-হলুদ-সবুজ-হলুদ-লাল
ব্যাখ্যা
- শহরের রাস্তায় ট্রাফিক লাইট যে ক্রম অনুসারে জ্বলে তা হলো: লাল-হলুদ-সবুজ- হলুদ-লাল।
- ট্রাফিক সিগন্যালে লাল মানে থামতে হবে।
- হলুদ বাতি জ্বলে উঠলে নিতে হবে যাত্রার প্রস্তুতি। অর্থাৎ আরও কিছু সময় অপেক্ষা করার পরই যাত্রা শুরু নির্দেশক হলুদ আলো।
- আর সবুজ বাতি জ্বলে উঠলেই এগিয়ে যেতে হবে।
- চলন্ত অবস্থায় হলুদ বাতি জ্বলে উঠলে গতি কমিয়ে থামানোর প্রস্তুতি নিতে হবে।
- লালবাতি জ্বলে উঠলে থামতে হবে।

উৎস: সময় নিউজ রিপোর্ট। [Link]
১০০.
শহরের রাস্তায় ট্রাফিক পুলিশ সাধারণত সাদা ছাতা ও সাদা জামা ব্যবহার করে থাকে কারণ -
  1. সরকারি নির্দেশ
  2. দূর থেকে চোখে পড়বে বলে
  3. তাপ বিকিরণ থেকে বাঁচার জন্য
  4. দেখতে সুন্দর লাগে
সঠিক উত্তর:
তাপ বিকিরণ থেকে বাঁচার জন্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তাপ বিকিরণ থেকে বাঁচার জন্য
ব্যাখ্যা
• তাপ বিকিরণ থেকে বাঁচার জন্য শহরের রাস্তায় ট্রাফিক পুলিশ সাধারণত সাদা ছাতা ও সাদা জামা ব্যবহার করে থাকে।

- সূর্যের সাদা আলো সাতটি বর্ণের সমম্বয়ে গঠিত।
- সাদা বস্তুর তাপ শোষণ ক্ষমতা একেবারেই কম।
- গ্রীষ্মকালে সাদা কাপড় আরামদায়ক হয়, কেননা সাদা কাপড় সূর্যের আলোর সব বর্ণকেই প্রতিফলিত করে এবং সামান্য অংশ জামা কর্তৃক শোষিত হয়।
- সাদা রঙের জামার তাপ শোষণ ক্ষমতা কম, এজন্যই গ্রীষ্মকালে সাদা রঙের জামা অধিক আরামদায়ক।
- কালো রঙের জামার তাপ শোষণ ক্ষমতা বেশি, সেজন্য তা গ্রীষ্মকালে ততটা আরামদায়ক হয় না।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং ব্রিটানিকা।