পরীক্ষা আর্কাইভ

১৮শ বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিস প্রিলিমিনারি পরীক্ষা-২০২৫

পরীক্ষাBJS & BARতারিখ২ নভেম্বর, ২০২৫সময়50 minutes
মোট প্রশ্ন১০০
সিলেবাস
১৮শ বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিস প্রিলিমিনারি (MCQ) পরীক্ষা-২০২৫
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১৮শ বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিস প্রিলিমিনারি পরীক্ষা-২০২৫

BJS & BAR · ২ নভেম্বর, ২০২৫ · ১০০ প্রশ্ন

.
The Transfer of Property Act, 1882 এর বিধানে সোলে ডিক্রীর ক্ষেত্রে Lis pendens নীতি-
  1. প্রয়োগযোগ্য হবে
  2. প্রয়োগযোগ্য হবে না
  3. আদালত অনুমতি দিলে প্রয়োগযোগ্য হবে
  4. উপরের কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
প্রয়োগযোগ্য হবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রয়োগযোগ্য হবে না
ব্যাখ্যা

⇒ Transfer of Property Act, 1882-এর Section 52 অনুযায়ী, Lis pendens নীতি শুধুমাত্র মামলা বিচারাধীন থাকাকালীন সময়ের জন্য প্রযোজ্য। এই নীতি অনুসারে, কোনো স্থাবর সম্পত্তির অধিকার সম্পর্কে যদি কোনো মামলা বিচারাধীন থাকে, তবে সেই সম্পত্তি মামলার কোনো পক্ষ দ্বারা স্থানান্তর করা যাবে না, যা মামলার অন্য কোনো পক্ষের অধিকারকে প্রভাবিত করতে পারে, যদি না আদালতের অনুমতি থাকে।

- "সোলে ডিক্রী" (Sole Decree) বলতে বোঝায় যখন মামলার রায় (ডিক্রি) পাস হয়ে গেছে এবং মামলা আর বিচারাধীন নেই। ডিক্রি পাস হওয়ার পরে, মামলা শেষ হয়ে যায়, তাই Lis pendens নীতি আর প্রযোজ্য হয় না।

- কারণ: Lis pendens নীতির মূল উদ্দেশ্য হল মামলা চলাকালীন সম্পত্তি স্থানান্তর রোধ করা, যাতে মামলার ফলাফল প্রভাবিত না হয়। ডিক্রি পাস হওয়ার পরে, মামলা আর বিচারাধীন থাকে না, তাই এই নীতির প্রয়োজনীয়তা থাকে না।

- Section 52-এর বিধান: এই ধারায় স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে যে, এটি শুধুমাত্র "মামলা বিচারাধীন থাকাকালীন" (during the pendency of any suit or proceeding) সময়ের জন্য প্রযোজ্য। ডিক্রি পাস হওয়ার পরে, এই শর্ত পূরণ হয় না।
সুতরাং, সোলে ডিক্রীর ক্ষেত্রে Lis pendens নীতি প্রয়োগযোগ্য হবে না। সঠিক উত্তর: খ) প্রয়োগযোগ্য হবে না। 

⇒ Transfer of Property Act, 1882-Section 52. Transfer of property pending suit relating thereto:
 During the pendency in any Court [in Bangladesh], of any suit or proceeding which is not collusive and in which any right to immoveable property is directly and specifically in question, the property cannot be transferred or otherwise dealt with by any party to the suit or proceeding so as to affect the rights of any other party thereto under any decree or order which may be made therein, except under the authority of the Court and on such terms as it may impose. 
 
Explanation.-For the purposes of this section, the pendency of a suit or proceeding shall be deemed to commence from the date of the presentation of the plaint or the institution of the proceeding in a Court of competent jurisdiction, and to continue until the suit or proceeding has been disposed of by a final decree or order and complete satisfaction or discharge of such decree or order has been obtained, or has become unobtainable by reason of the expiration of any period of limitation prescribed for the execution thereof by any law for the time being in force.

.
অনাদায়ের ক্ষেত্রে কোনো তৃতীয় ব্যক্তির অঙ্গীকার পালন, অথবা দায় পরিশোধের চুক্তিকে The Contract Act, 1872 অনুসারে কী বলা হয়?
  1. ঘটনা নির্ভর চুক্তি
  2. জামিনের চুক্তি
  3. খেসারতের চুক্তি
  4. জিম্মা
সঠিক উত্তর:
জামিনের চুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জামিনের চুক্তি
ব্যাখ্যা

⇒ চুক্তি আইন, ১৮৭২-এর ধারা ১২৬-এ "জামিনের চুক্তি" (Contract of guarantee), "জামিনদার" (surety), "প্রধান দেনাদার" (principal debtor) এবং "পাওনাদার" (creditor)-এর সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। এই ধারায় বলা হয়েছে যে, জামিনের চুক্তি হলো তৃতীয় ব্যক্তির অনাদায়ের ক্ষেত্রে তার অঙ্গীকার পালন বা দায় পরিশোধের চুক্তি, এবং এটি মৌখিক বা লিখিত হতে পারে।

- অর্থাৎ, The Contract Act, 1872 অনুসারে অনাদায়ের ক্ষেত্রে কোনো তৃতীয় ব্যক্তির অঙ্গীকার পালন, অথবা দায় পরিশোধের চুক্তিকে খ) জামিনের চুক্তি (The Contract of Guarantee) বলা হয়।

⇒ চুক্তি আইনের ১২৬ ধারার বিধান "জামিনের চুক্তি", "জামিনদার", "প্রধান দেনাদার" এবং "পাওনাদার" ("Contract of guarantee", "surety", "principal debtor" "creditor"):
- জামিনের চুক্তি: জামিনের চুক্তি হল অনাদায়ের ক্ষেত্রে কোন তৃতীয় ব্যক্তির অঙ্গীকার পালন বা দায় পরিশোধের চুক্তি।
- জামিনদার: যে ব্যক্তি এমন অঙ্গীকার করে তাকে জামিনদার বলে।
- প্রধান দেনাদার: যে ব্যক্তির অনাদায় সম্পর্কে জামিন প্রদান করা হয় তাকে প্রধান দেনাদার বলা হয়।
- পাওনাদার: যে ব্যক্তির নিকট এমন জামিন প্রদান করা হয় তাকে পাওনাদার বলে। জামিনের চুক্তি মৌখিক বা লিখিত উভয় প্রকার হতে পারে।
-----------
⇒ The Contract Act, 1872, Section 126. "Contract of guarantee", "surety", "principal debtor" and "creditor":
 A "contract of guarantee" is a contract to perform the promise, or discharge the liability, of a third person in case of his default.
The person who gives the guarantee is called the "surety": the person in respect of whose default the guarantee is given is called the "principal debtor", and the person to whom the guarantee is given is called the "creditor". A guarantee may be either oral or written.

.
The Transfer of Property Act, 1882 এর বিধানে বিনা জামানতে ঋণ গ্রহণ করা হলে ঋণদাতার পাওনার যে অধিকার সৃষ্টি হয় তাকে কী বলে?
  1. চার্জ
  2. দান
  3. রেহেন
  4. নালিশযোগ্য দাবী
সঠিক উত্তর:
নালিশযোগ্য দাবী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নালিশযোগ্য দাবী
ব্যাখ্যা

⇒ The Transfer of Property Act, 1882-এর ধারা ৩ অনুসারে, বিনা জামানতে (unsecured) ঋণ গ্রহণের ক্ষেত্রে ঋণদাতার পাওনার অধিকারকে "Actionable Claim" (নালিশযোগ্য দাবী) বলা হয়। এটি একটি এমন দাবি যা অচল সম্পত্তির মর্টগেজ, চল সম্পত্তির হাইপোথেকেশন বা প্লেজ দ্বারা সুরক্ষিত নয়, এবং যা সিভিল আদালতে মামলা করে আদায় করা যায়।
- অর্থাৎ, যেকোনো অবার্তিত ঋণ (unsecured debt) যা স্থাবর সম্পত্তির বন্ধকী বা চল সম্পত্তির হাইপোথিকেশন/প্লেজ দ্বারা সুরক্ষিত নয়, সেটি একটি "Actionable Claim"।
বিনা জামানতে ঋণের প্রকৃতি:
- যখন ঋণদাতা কোনো সম্পত্তি বন্ধক রাখেন না (যেমন মর্টগেজ, প্লেজ, হাইপোথিকেশন), তখন তার পাওনা শুধুমাত্র আইনি প্রতিকারের অধিকার (right to legal remedy) হিসেবে থাকে।
- এই অধিকার আদালতে দাবি করা যায় (নালিশযোগ্য), কিন্তু এটি কোনো সম্পত্তির উপর সুনির্দিষ্ট অধিকার (যেমন চার্জ বা রেহেন) নয়।
- সঠিক উত্তর: ঘ) নালিশযোগ্য দাবী (Actionable Claim)
কারণ, বিনা জামানতে ঋণদাতার পাওনা শুধুমাত্র আইনি প্রতিকারের অধিকার (right to sue) হিসেবে বিদ্যমান, যা Transfer of Property Act-এর Section 3 অনুযায়ী "Actionable Claim"-এর সংজ্ঞায় পড়ে।

অন্যান্য অপশনগুলো কেন সঠিক নয়:
ক) চার্জ (Charge): Section 100 অনুযায়ী, চার্জ হলো সম্পত্তির উপর একটি নিরাপত্তা স্বার্থ (security interest)। বিনা জামানতে ঋণে কোনো সম্পত্তি জড়িত থাকে না, তাই চার্জ প্রযোজ্য নয়।
খ) দান (Gift): Section 122 অনুযায়ী, দান হলো বিবেচনাবিহীন সম্পত্তি হস্তান্তর। ঋণ একটি বিবেচনামূলক চুক্তি (consideration-based contract), দান নয়।
গ) রেহেন (Rehn): রেহেন হলো একটি সুরক্ষিত লেনদেন (secured transaction), যেখানে ঋণগ্রহীতা সম্পত্তির দখল ঋণদাতার কাছে হস্তান্তর করে। বিনা জামানতে ঋণে এমন কোনো ব্যবস্থা থাকে না।

- “Actionable claim” means a claim to any debt, other than a debt secured by mortgage of immoveable property or by hypothecation or pledge of moveable property, or to any beneficial interest in moveable property not in the possession, either actual or constructive, of the claimant, which the Civil Courts recognize as affording grounds for relief, whether such debt or beneficial interest be existent, accruing, conditional or contingent:

“a person is said to have notice” of a fact when he actually knows that fact, or when, but for wilful abstention from an inquiry or search which he ought to have made, or gross negligence, he would have known it.

Explanation I.-Where any transaction relating to immoveable property is required by law to be and has been effected by a registered instrument, any person acquiring such property or any part of, or share or interest in, such property shall be deemed to have notice of such instrument as from the date of registration or, where the property is not all situated in one sub-district, or where the registered instrument has been registered under sub-section (2) of section 30 of the Registration Act, 1908, from the earliest date on which any memorandum of such registered instrument has been filed by any Sub-Registrar within whose sub-district any part of the property which is being acquired, or of the property wherein a share or interest is being acquired, is situated;

.
The State Acquisition and Tenancy Act, 1950 এর ১৪৩ ধারা অনুসারে স্বত্বলিপি হালনাগাদ সংরক্ষণ কার্যক্রমে কোন কারণপ্রসূতঃ পরিবর্তন স্বত্বলিপিতে সন্নিবেশযোগ্য নয়?
  1. হস্তান্তরের ফলে নামজারী
  2. জোতের একত্রীকরণ
  3. রিসিভার নিয়োগ
  4. জমি সিকন্তি হেতু খাজনা মওকুফ
সঠিক উত্তর:
রিসিভার নিয়োগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রিসিভার নিয়োগ
ব্যাখ্যা

⇒ The State Acquisition and Tenancy Act, 1950 এর ১৪৩ ধারা অনুসারে স্বত্বলিপি হালনাগাদ সংরক্ষণ কার্যক্রমে গ) রিসিভার নিয়োগ কারণপ্রসূতঃ পরিবর্তন স্বত্বলিপিতে সন্নিবেশযোগ্য নয়।
- ১৪৩ ধারায় সুনির্দিষ্টভাবে যে কারণগুলিতে পরিবর্তনগুলি অন্তর্ভুক্ত করার কথা বলা হয়েছে, সেগুলি হল:
ক) হস্তান্তর অথবা উত্তরাধিকারের ভিত্তিতে নামজারী।
খ) জোত ক্ষুদ্রতর অংশ ভাগকরণ, একত্রীকরণ বা সংযুক্তকরণ।
গ) সরকার কর্তৃক ক্রয় করা ভূমি অথবা জোতের নূতন বন্দোবস্ত।
ঘ) ভূমি পরিত্যাগ অথবা সিকস্তি অথবা অধিগ্রহণজনিত কারণে খাজনা মওকুফ।
রিসিভার নিয়োগ একটি প্রশাসনিক বা আদালতের আদেশ, যা জমির স্বত্বের সরাসরি পরিবর্তন ঘটায় না, তাই এটি ১৪৩ ধারা অনুযায়ী খতিয়ান হালনাগাদ করার কারণ হিসেবে গণ্য হয় না।

⇒  রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ এবং প্রজাস্বত্ব আইনের ১৪৩ ধারার বিধান খতিয়ান সংরক্ষণ: কালেক্টর অত্র আইনের ৪র্থ খণ্ড অথবা এই খণ্ড অনুযায়ী প্রস্তুতকৃত অথবা পুনঃপরীক্ষিত খতিয়ান নির্ধারিত পদ্ধতিতে সংরক্ষণ করিবেন, প্রকৃত ভুল শুদ্ধ করিয়া ও উহাতে নিম্নলিখিত হেতুতে পরিবর্তনগুলি অন্তর্ভুক্ত করিবেন-
ক) হস্তান্তর অথবা উত্তরাধিকারের ভিত্তিতে নামজারী।
খ) জোত ক্ষুদ্রতর অংশ ভাগকরণ, একত্রীকরণ বা সংযুক্তকরণ,
গ) সরকার কর্তৃক ক্রয় করা ভূমি অথবা জোতের নূতন বন্দোবস্ত: এবং
ঘ) ভূমি পরিত্যাগ অথবা সিকস্তি অথবা অধিগ্রহণজনিত কারণে খাজনা মওকুফ। 
----------- 
⇒ The State Acquisition and Tenancy Act, 1950, Section 143. Maintenance of the record-of-rights:
- The Collector shall maintain up-to-date, in the prescribed manner, the record-of-rights prepared or revised under Part IV or under this Part by correcting clerical mistakes and by incorporating therein the changes on account of- 
(a) the mutation of names as a result of transfer or inheritance; 
(b) the subdivision, amalgamation or consolidation of holdings; 
(c) the new settlement of lands or of holdings purchased by the Government; and 
(d) the abatement of rent on account of abandonment or diluvion or acquisition of land.

.
The Registration Act, 1908 এর বিধানে মিথ্যা তথ্য দিয়ে দলিল রেজিষ্ট্রির শাস্তি-
  1. ৭ বছরের কারাদণ্ড
  2. অর্থদণ্ড
  3. ক ও খ উভয়েই
  4. ক অথবা খ
সঠিক উত্তর:
ক ও খ উভয়েই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক ও খ উভয়েই
ব্যাখ্যা

⇒ The Registration Act, 1908 এর ধারা ৮২ অনুসারে, যদি কোনো ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে মিথ্যা তথ্য দিয়ে দলিল রেজিস্ট্রি করেন বা এতে সহায়তা করেন, তাহলে তার শাস্তি হবে: সর্বোচ্চ ৭ বছরের কারাদণ্ড, অর্থদণ্ড, বা উভয় দণ্ড।
সুতরাং, সঠিক উত্তর হবে: গ) ক ও খ উভয়েই।

⇒ "নিবন্ধন আইন, ১৯০৮" এর ধারা ৮২ - মিথ্যা বিবৃতি দেওয়া, মিথ্যা অনুলিপি বা অনুবাদ সরবরাহ করা, মিথ্যা ছদ্মবেশ ধারণ করা এবং তাতে সহায়তা করার জন্য শাস্তি:
যদি কোনো ব্যক্তি—
(ক) এই আইনের অধীনে কোনো কার্যক্রম বা তদন্তে, এই আইন কার্যকর করার দায়িত্বে নিয়োজিত কোনো অফিসারের সামনে ইচ্ছাকৃতভাবে কোনো মিথ্যা বিবৃতি দেন, তা শপথের অধীনে হোক বা না হোক, এবং তা লিপিবদ্ধ করা হোক বা না হোক; অথবা
(খ) ১৯ ধারা বা ২১ ধারার অধীনে কোনো কার্যধারায় কোনো নিবন্ধনকারী অফিসারের নিকট ইচ্ছাকৃতভাবে কোনো দলিলের মিথ্যা অনুলিপি বা অনুবাদ, অথবা কোনো মানচিত্র বা নকশার মিথ্যা অনুলিপি সরবরাহ করেন; অথবা
(গ) মিথ্যাভাবে অন্য কোনো ব্যক্তির ছদ্মবেশ ধারণ করেন, এবং সেই ধারণকৃত চরিত্রে কোনো দলিল উপস্থাপন করেন, বা কোনো স্বীকারোক্তি বা বিবৃতি দেন, বা কোনো সমন বা কমিশন জারির কারণ হন, বা এই আইনের অধীনে কোনো কার্যক্রম বা তদন্তে অন্য কোনো কাজ করেন; অথবা
(ঘ) এই আইন দ্বারা শাস্তিযোগ্য কোনো কাজে সহায়তা করেন;
তাহলে তিনি সর্বোচ্চ সাত বছর পর্যন্ত কারাদণ্ডে, অথবা অর্থদণ্ডে, অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন।
---------
⇒ The Registration Act, 1908 Section 82 - Penalty for making false statements, delivering false copies or translations, false personation, and abetment:

Whoever- 
(a) intentionally makes any false statement, whether on oath or not, and whether it has been recorded or not, before any officer acting in execution of this Act, in any proceeding or enquiry under this Act; or 
(b) intentionally delivers to a registering officer, in any proceeding under section 19 or section 21, a false copy or translation of a document or a false copy of a map or plan; or 
(c) falsely personates another, and in such assumed character presents any document, or makes any admission or statement, or causes any summons or commission to be issued, or does any other act in any proceeding or enquiry under this Act; or 
(d) abets anything made punishable by this Act; 
shall be punishable with imprisonment for a term which may extend to seven years, or with fine or with both.

.
The Transfer of Property Act, 1882 এর কোন ধারায় 'সৎ বিশ্বাসে ও মূল্যের বিনিময়ে হস্তান্তরগ্রহীতা'-এর অধিকার সংরক্ষণ করা হয়েছে?
  1. 53D
  2. 52
  3. 53
  4. 53B
সঠিক উত্তর:
53
উত্তর
সঠিক উত্তর:
53
ব্যাখ্যা

⇒ The Transfer of Property Act, 1882 এর ধারা 53-এ জালিয়াতিপূর্ণ হস্তান্তর (Fraudulent transfer) সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- এই ধারার উপ-ধারা (1)-এ উল্লেখ আছে যে, ঋণদাতাদের ক্ষতি করার উদ্দেশ্যে করা হস্তান্তর বাতিলযোগ্য হলেও,
“Nothing in this sub-section shall impair the rights of a transferee in good faith and for consideration.”
অর্থাৎ, সৎ বিশ্বাসে ও মূল্যের বিনিময়ে (in good faith and for consideration) হস্তান্তরগ্রহীতার অধিকার এই ধারা অনুযায়ী সংরক্ষিত হয়।অতএব, সঠিক উত্তর গ) 53।

⇒ সম্পত্তি হস্তান্তর আইন, ১৮৮২- এর ৫৩ ধারা প্রতারণামূলক হস্তান্তর:
(১) স্থাবর সম্পত্তির প্রতিটি হস্তান্তর, যা হস্তান্তরকারীর পাওনাদারদের পরাজিত বা বিলম্বিত করার অভিপ্রায়ে করা হয়েছে, তা ক্ষতিগ্রস্ত বা বিলম্বিত যে-কোনো পাওনাদারের ইচ্ছানুযায়ী বাতিলযোগ্য হবে।
এই উপ-ধারার কোনো কিছুই সৎ বিশ্বাসে এবং মূল্যের বিনিময়ে সম্পত্তি গ্রহণকারী হস্তান্তরগ্রহীতার অধিকারকে ক্ষুণ্ন করবে না।
এই উপ-ধারার কোনো কিছুই দেউলিয়াত্ব সম্পর্কিত বর্তমানে বলবৎ কোনো আইনকে প্রভাবিত করবে না।
হস্তান্তরকারীর পাওনাদারদের পরাজিত বা বিলম্বিত করার অভিপ্রায়ে কোনো হস্তান্তর করা হয়েছে এই যুক্তিতে কোনো পাওনাদার কর্তৃক (এই শব্দটির মধ্যে ডিক্রিদার অন্তর্ভুক্ত, তিনি তার ডিক্রি জারির জন্য আবেদন করুন বা না করুন) দায়েরকৃত মামলা সকল পাওনাদারের পক্ষে বা সুবিধার জন্য দায়ের করতে হবে।
(২) স্থাবর সম্পত্তির প্রতিটি হস্তান্তর, যা কোনো প্রতিদান (মূল্য) ছাড়া পরবর্তী কোনো হস্তান্তরগ্রহীতাকে প্রতারিত করার অভিপ্রায়ে করা হয়েছে, তা সেই পরবর্তী হস্তান্তরগ্রহীতার ইচ্ছানুযায়ী বাতিলযোগ্য হবে।
এই উপ-ধারার উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, কেবল এই কারণে যে পরবর্তী সময়ে মূল্যের বিনিময়ে কোনো হস্তান্তর করা হয়েছিল, প্রতিদানবিহীন কোনো হস্তান্তরকে প্রতারণার অভিপ্রায়ে করা হয়েছে বলে গণ্য করা হবে না।
 
⇒ The Transfer of Property Act, 1882 section 53. Fraudulent transfer:
(1) Every transfer of immoveable property made with intent to defeat or delay the creditors of the transferor shall be voidable at the option of any creditor so defeated or delayed. 
Nothing in this sub-section shall impair the rights of a transferee in good faith and for consideration. 
Nothing in this sub-section shall affect any law for the time being in force relating to insolvency. 
A suit instituted by a creditor (which term includes a decree-holder whether he has or has not applied for execution of his decree) to avoid a transfer on the ground that it has been made with intent to defeat or delay the creditors of the transferor, shall be instituted on behalf, or for the benefit of, all the creditors. 
(2) Every transfer of immoveable property made without consideration with intent to defraud a subsequent transferee shall be voidable at the option of such transferee. 
For the purposes of this sub-section, no transfer made without consideration shall be deemed to have been made with intent to defraud by reason only that a subsequent transfer for consideration was made.

.
The Contract Act, 1872 এর বিধান মতে Coercion-এর মাধ্যমে সম্মতি আদায় করলে সে চুক্তি -
  1. বৈধ
  2. বাতিল
  3. বাতিলযোগ্য
  4. অবৈধ
সঠিক উত্তর:
বাতিলযোগ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাতিলযোগ্য
ব্যাখ্যা

⇒ The Contract Act, 1872 এর ধারা ১৫ ও ১৯ অনুসারে, Coercion (প্রতারণা বা বলপ্রয়োগ) -এর মাধ্যমে কোনো চুক্তি সম্পাদিত হলে তা বাতিলযোগ্য (Voidable) হয়।
এর অর্থ হলো, যে পক্ষটির সম্মতি জবরদস্তিমূলকভাবে নেওয়া হয়েছে, সেই পক্ষ চুক্তিটি বাতিল করার অধিকারী। তবে চুক্তিটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল (Void) বা অবৈধ (Illegal) নয়, যতক্ষণ না ক্ষতিগ্রস্ত পক্ষ তা বাতিল করার সিদ্ধান্ত নেয়।

আইনের সংশ্লিষ্ট ধারাগুলো নিচে উল্লেখ করা হলো:
ধারা ১৪ অনুযায়ী, সম্মতি তখনই মুক্ত বা স্বাধীন (free consent) বলে গণ্য হয় যখন তা বলপ্রয়োগ (coercion), অনুচিত প্রভাব (undue influence), প্রতারণা (fraud), মিথ্যা বর্ণনা (misrepresentation) বা ভুল (mistake) দ্বারা প্রভাবিত না হয়।

ধারা ১৫ অনুযায়ী, Coercion (বলপ্রয়োগ) বলতে বোঝায় বাংলাদেশ দণ্ডবিধি অনুযায়ী নিষিদ্ধ কোনো কাজ করা বা করার হুমকি দেওয়া, অথবা কোনো ব্যক্তির স্বার্থহানি করে বেআইনিভাবে কোনো সম্পত্তি আটক করা বা আটকের হুমকি দেওয়া, যার উদ্দেশ্য হলো কোনো ব্যক্তিকে চুক্তিতে আবদ্ধ হতে বাধ্য করা।

ধারা ১৯ অনুযায়ী, যখন কোনো চুক্তিতে সম্মতি বলপ্রয়োগ (Coercion), অনুচিত প্রভাব (Undue influence), প্রতারণা (Fraud) বা ভুল তথ্য পরিবেশন (Misrepresentation)-এর মাধ্যমে আদায় করা হয়, তখন সেই চুক্তিটি সেই পক্ষের ইচ্ছাধীন বাতিলযোগ্য হয়, যার সম্মতি এভাবে আদায় করা হয়েছে। অর্থাৎ, যে পক্ষের উপর বলপ্রয়োগ করা হয়েছে, তিনি চাইলে চুক্তিটি বাতিল করতে পারেন, তবে অপর পক্ষ তা বাতিল করতে পারে না।

অর্থাৎ The Contract Act, 1872 এর বিধান মতে Coercion (বলপ্রয়োগ বা জবরদস্তি)-এর মাধ্যমে সম্মতি আদায় করলে সে চুক্তি গ) বাতিলযোগ্য (Voidable) হয়। 

.
'Onerous Gift' কোন আইনের বিধানে প্রযোজ্য?
  1. মুসলিম আইন
  2. হিন্দু আইন
  3. সম্পত্তি হস্তান্তর আইন
  4. উপরের সবকটি
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তি হস্তান্তর আইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তি হস্তান্তর আইন
ব্যাখ্যা

⇒ সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ধারা ১২৭ Onerous Gifts বা কষ্টকর দান (বা বোঝাযুক্ত দান) সম্পর্কে আলোচনা করে। এই ধারা অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি একই দলিলে এক বা একাধিক ব্যক্তিকে একাধিক সম্পত্তি দান করেন, যার মধ্যে কিছু সম্পত্তি দাতার জন্য সুবিধাজনক এবং কিছু সম্পত্তি দাতার জন্য বোঝা বা দায়যুক্ত (যেমন, ঋণ বা অন্য কোনো বাধ্যবাধকতা), তবে যাকে দান করা হয়েছে তাকে সম্পূর্ণ দানটিই গ্রহণ করতে হবে। সে কেবল সুবিধাজনক অংশ গ্রহণ করে বোঝা বা দায়যুক্ত অংশ প্রত্যাখ্যান করতে পারে না, যদি না দাতা তাকে সেই সুযোগ দেন।
মুসলিম আইনেও হিবার (হিবা-বিল-এওয়াজ, হিবা-বা-শর্ত-উল-এওয়াজ) কিছু ধারণা আছে যেখানে প্রতিদান বা শর্ত থাকে, কিন্তু Onerous Gift শব্দটি এবং ১২৭ ধারার বিস্তারিত বিধানটি মূলত সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের অংশ। 
যদিও এই আইনের বিধানগুলি হিন্দু ও মুসলিম উভয় সম্প্রদায়ের জন্যই প্রযোজ্য হতে পারে যদি তাদের ব্যক্তিগত আইনে সুনির্দিষ্ট ভিন্ন বিধান না থাকে, তথাপি এর মূল ভিত্তি হলো সম্পত্তি হস্তান্তর আইন।
'Onerous Gift' বা দায়যুক্ত দান মূলত গ) সম্পত্তি হস্তান্তর আইন (The Transfer of Property Act, 1882)-এর বিধানে প্রযোজ্য।

- অর্থাৎ "Onerous Gift" বা "বোঝাস্বরূপ দান" সম্পত্তি হস্তান্তর আইন, ১৮৮২ (The Transfer of Property Act, 1882)-এর ধারা ১২৭-এ বিধৃত হয়েছে। এই বিধান অনুযায়ী, যদি কোনো দান এমন শর্তসাপেক্ষে বা এমন সম্পত্তির হয়, যা পালন করতে গৃহীতার উপর আর্থিক দায় বা ব্যয় বর্তায় (যেমন: ঋণগ্রস্ত সম্পত্তি), তাহলে গৃহীতা সেই দান প্রত্যাখ্যান করতে পারেন। মুসলিম বা হিন্দু ব্যক্তিগত আইনে "Onerous Gift"-এর সরাসরি ও সুনির্দিষ্ট বিধান এভাবে নেই।
- সুতরাং সঠিক উত্তর: গ) সম্পত্তি হস্তান্তর আইন।

⇒ সম্পত্তি হস্তান্তর আইন, ১৮৮২- এর ১২৭ ধারা: দায়যুক্ত দান (Onerous Gifts) অযোগ্য ব্যক্তির প্রতি দায়যুক্ত দান:
যেখানে একটি দান একই ব্যক্তির কাছে একাধিক জিনিসের একটিমাত্র হস্তান্তরের আকারে করা হয়, যার মধ্যে একটি জিনিস কোনো বাধ্যবাধকতা (বোঝা) দ্বারা ভারাক্রান্ত এবং অন্যগুলি নয়, সেখানে গ্রহীতা দানটি সম্পূর্ণরূপে গ্রহণ না করলে দানের মাধ্যমে কিছুই নিতে পারে না।
যেখানে একটি দান একই ব্যক্তির কাছে একাধিক জিনিসের দুটি বা ততোধিক পৃথক এবং স্বাধীন হস্তান্তরের আকারে করা হয়, সেখানে গ্রহীতা তাদের একটি গ্রহণ করতে এবং অন্যগুলি প্রত্যাখ্যান করতে স্বাধীন, যদিও প্রথমটি সুবিধাজনক এবং পরেরগুলি দায়যুক্ত হতে পারে।
অযোগ্য ব্যক্তির প্রতি দায়যুক্ত দান:
একজন গ্রহীতা যিনি চুক্তিতে আবদ্ধ হওয়ার যোগ্য নন এবং যিনি কোনো বাধ্যবাধকতা দ্বারা ভারাক্রান্ত সম্পত্তি গ্রহণ করেন, তিনি তার সেই গ্রহণের মাধ্যমে বাধ্য (বাউন্ড) হন না। কিন্তু যদি তিনি চুক্তিতে আবদ্ধ হওয়ার যোগ্য হওয়ার পর এবং বাধ্যবাধকতা সম্পর্কে সচেতন হয়েও প্রদত্ত সম্পত্তিটি ধরে রাখেন বা বজায় রাখেন, তবে তিনি সেই বাধ্যবাধকতা দ্বারা বাধ্য হবেন।
উদাহরণসমূহ:
(ক) 'ক'-এর 'এক্স' (X) নামক একটি সমৃদ্ধ যৌথ মূলধনী কোম্পানিতে শেয়ার আছে এবং 'ওয়াই' (Y) নামক একটি সমস্যায় জর্জরিত যৌথ মূলধনী কোম্পানিতেও শেয়ার আছে। 'ওয়াই'-এর শেয়ারগুলির জন্য বড় অঙ্কের তলবি অর্থ (calls) প্রত্যাশিত। 'ক' তার সমস্ত যৌথ মূলধনী কোম্পানির শেয়ার 'খ'-কে দান করে। 'খ' 'ওয়াই'-এর শেয়ারগুলি গ্রহণ করতে অস্বীকার করে। 'খ' 'এক্স'-এর শেয়ারগুলিও নিতে পারে না।
(খ) 'ক'-এর একটি বাড়ি কয়েক বছরের জন্য ইজারা নেওয়া আছে, যার ভাড়া তাকে এবং তার প্রতিনিধিদের ইজারার মেয়াদকালে পরিশোধ করতে হবে এবং যা বাড়িটির ভাড়া দেওয়ার চেয়েও বেশি। 'ক' সেই ইজারাটি 'খ'-কে দেয় এবং একটি পৃথক ও স্বাধীন লেনদেন হিসেবে কিছু অর্থও দেয়। 'খ' ইজারাটি গ্রহণ করতে অস্বীকার করে। এই অস্বীকারের কারণে 'খ' অর্থ বাজেয়াপ্ত করে না বা হারায় না।

⇒ The Transfer of Property Act, 1882, Section-127. Onerous gifts. Onerous gift to disqualified person.
 Where a gift is in the form of a single transfer to the same person of several things of which one is, and the others are not, burden by an obligation, the donee can take nothing by the gift unless he accepts it fully. 
Where a gift is in the form of two or more separate and independent transfers to the same person of several things, the donee is at liberty to accept one of them and refuse the others, although the former may be beneficial and the latter onerous.
Onerous gift to disqualified person:
A donee not competent to contract and accepting property burdened by any obligation is not bound by his acceptance. But if, after becoming competent to contract and being aware of the obligation, he retains the property given, he becomes so bound. 
 
Illustrations:
(a) A has shares in X, a prosperous joint stock company, and also shares in Y, a joint stock company, in difficulties. Heavy calls are expected in respect of the shares in Y. A gives B all his shares in joint stock companies. B refuses to accept the shares in Y. He cannot take the shares in X. 
(b) A having a lease for a term of years of a house at a rent which he and his representatives are bound to pay during the term, and which is more than the house can be let for, gives to B the lease, and also, as a separate and independent transaction, a sum of money. B refuses to accept the lease. He does not by this refusal forfeit the money. 

.
The Transfer of Property Act, 1882 এর ১০৫ ধারা অনুসারে ইজারার মূল্যকে কী বলা হয়?
  1. খাজনা
  2. সুদ
  3. কর
  4. সেলামী
সঠিক উত্তর:
সেলামী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সেলামী
ব্যাখ্যা

⇒ The Transfer of Property Act, 1882 এর ১০৫ ধারা অনুসারে ইজারার মূল্যকে দুইভাবে অভিহিত করা হয়:
১. এককালীন মূল্যকে বলা হয় সেলামী (Premium)।
২. পর্যায়ক্রমিকভাবে প্রদেয় অর্থ, ফসলের অংশ বা সেবাকে বলা হয় খাজনা (Rent)।
যেহেতু প্রশ্নে সাধারণভাবে 'ইজারার মূল্যকে কী বলা হয়?' জানতে চাওয়া হয়েছে এবং উত্তরে 'খাজনা' ও 'সেলামী' উভয় বিকল্পই রয়েছে, তাই সঠিক উত্তর নির্ভর করবে মূল্যটি এককালীন না পর্যায়ক্রমিক তার উপর। তবে আইনি সংজ্ঞায় উভয়ই ইজারার মূল্য।
যদি প্রশ্নটি এককালীন মূল্যকে উদ্দেশ্য করে থাকে, তবে সঠিক উত্তর হবে ঘ) সেলামী।
যদি প্রশ্নটি পর্যায়ক্রমিক মূল্যকে উদ্দেশ্য করে থাকে, তবে সঠিক উত্তর হবে ক) খাজনা।
সাধারণ অর্থে, ইজারা বা লিজের ক্ষেত্রে শুরুতেই যে বড় অঙ্কের টাকা দেওয়া হয়, সেটি সেলামী হিসেবেই পরিচিত।

- প্রশ্নে শুধুমাত্র "ইজারার মূল্য" (price) বলা হয়েছে। ধারা ১০৫-এ "price"-কে "premium" (সেলামী) হিসেবে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে।
আর পর্যায়ক্রমিকভাবে প্রদেয় অর্থকে "rent" (খাজনা) বলা হয়েছে।যেহেতু প্রশ্নে "মূল্য" (price) শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে, তাই এর সঠিক পরিভাষা হলো: ঘ) সেলামী।
- খাজনা হলো মূল্য নয়, বরং তা মূল্যের বিনিময়ে প্রদেয় পর্যায়ক্রমিক অর্থ।
সুতরাং, প্রশ্নের শাব্দিক প্রেক্ষিতে সেলামী-ই সঠিক উত্তর।

⇒ সম্পত্তি হস্তান্তর আইন, ১৮৮২, ধারা-১০৫। "ইজারা" (Lease) এর সংজ্ঞা:
স্থাবর সম্পত্তির ইজারা হলো একটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য, স্পষ্টভাবে বা উহ্যভাবে, অথবা চিরস্থায়ীভাবে, কোনো সম্পত্তি ভোগ করার অধিকার হস্তান্তর। এই হস্তান্তরের প্রতিদানস্বরূপ একটি মূল্য পরিশোধিত বা প্রতিজ্ঞাত হতে পারে, অথবা অর্থ, ফসলের অংশ, সেবা বা অন্য কোনো মূল্যবান জিনিস হতে পারে, যা হস্তান্তর গ্রহীতা কর্তৃক হস্তান্তরকারীর নিকট পর্যায়ক্রমিকভাবে বা নির্দিষ্ট উপলক্ষে প্রদান করা হবে এবং হস্তান্তর গ্রহীতা সেই শর্তাবলীতে হস্তান্তরটি গ্রহণ করবেন।
"ইজারাদাতা", "ইজারাদার", "সেলামী" এবং "খাজনা" এর সংজ্ঞা:
যিনি সম্পত্তি হস্তান্তর করেন, তাকে ইজারাদাতা (lessor) বলা হয়; যিনি হস্তান্তর গ্রহণ করেন, তাকে ইজারাদার (lessee) বলা হয়; এককালীন মূল্যকে সেলামী (premium) বলা হয়; এবং যে অর্থ, ফসলের অংশ, সেবা বা অন্য কোনো জিনিস পর্যায়ক্রমিকভাবে প্রদান করতে হবে, তাকে খাজনা (rent) বলা হয়।

⇒ The Transfer of Property Act, 1882, Section-105. “Lease” defined:
A lease of immoveable property is a transfer of a right to enjoy such property, made for a certain time, express or implied, or in perpetuity, in consideration of a price paid or promised, or of money, a share of crops, service or any other thing of value, to be rendered periodically or on specified occasions to the transferor by the transferee, who accepts the transfer on such terms.

"Lessor", "lessee", "premium" and "rent" defined:
The transferor is called the lessor, the transferee is called the lessee, the price is called the premium, and the money, share, service or other thing to be so rendered is called the rent.

১০.
The Transfer of Property Act, 1882 এ বিধানে সম্পত্তির বিক্রয় চুক্তিতে দলিল সম্পাদন ও রেজিষ্ট্রির সময় উল্লেখ না থাকলে কত সময় ধরে নিতে হবে?
  1. ২ মাস
  2. ৪ মাস
  3. ৬ মাস
  4. ১ মাস
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
ব্যাখ্যা

⇒ The Transfer of Property Act, 1882 এর ৫৪ক ধারার বিধান বিক্রয় চুক্তি নিবন্ধিত হতে হবে, প্রভৃতি:
 হস্তান্তরগ্রহীতা সম্পত্তি বা এর কোন অংশের দখল গ্রহণ করুক বা না করুক, কোন স্থাবর সম্পত্তির বিক্রয় চুক্তি শুধুমাত্র লিখিত দলিল সম্পাদন এবং The Registration Act, 1908 এর আওতায় রেজিস্ট্রেশনের মাধ্যমে করা যাবে।
- স্থাবর সম্পত্তির বিক্রয় চুক্তিতে বিক্রয় দলিল সম্পাদন ও রেজিস্ট্রেশনের জন্য যে সময়ের উল্লেখ থাকবে রেজিস্ট্রেশনের তারিখ হতে তা কার্যকর হবে এবং যদি কোন সময় উল্লেখ না থাকে তাহলে এই সময় ৬ মাস ধরে নিতে হবে
--------------
⇒ The Transfer of Property Act, 1882 Section 54A. Contract for sale to be registered, etc.
Notwithstanding anything to the contrary contained in this Act or any other law for the time being in force, a contract for sale of any immoveable property can be made only by an instrument in writing and registered under the Registration Act, 1908, whether or not the transferee has taken possession of the property or any part thereof. 

In a contract for sale of any immoveable property, a time, to be effective from the date of registration, shall be mentioned for execution and registration of the instrument of sale, and if no time is mentioned, six months shall be deemed to be the time.

১১.
বাংলাদেশ মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠান (স্পারসো)- এর গবেষণা অনুযায়ী বাংলাদেশের কোন তিনটি দ্বীপ ধীরে ধীরে এক হয়ে যাচ্ছে?
  1. হাতিয়া, সন্দ্বীপ, ভাসানচর
  2. সন্দ্বীপ, হাতিয়া, নিঝুমদ্বীপ
  3. হাতিয়া, উড়িরচর, সন্দ্বীপ
  4. সন্দ্বীপ, স্বর্ণদ্বীপ, ভাসানচর
সঠিক উত্তর:
সন্দ্বীপ, স্বর্ণদ্বীপ, ভাসানচর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সন্দ্বীপ, স্বর্ণদ্বীপ, ভাসানচর
ব্যাখ্যা

SPARRSO:
- SPARRSO এর পূর্ণরূপ: Space Research and Remote Sensing Organization বা বাংলাদেশ মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠান।
- বাংলাদেশ  মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠান (স্পারসো) প্রযুক্তি ভিত্তিক বহুমাত্রিক গবেষণা ও প্রয়োগ বিষয়ে একটি সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠান।
- প্রতিষ্ঠানটির ম্যান্ডেট হচ্ছে- কৃষি, বন, মৎস্য, ভূতত্ত্ব, মানচিত্র অংকন, পানি সম্পদ, ভূমি ব্যবহার, আবহাওয়া, পরিবেশ, ভূগোল, সমুদ্র বিজ্ঞান, শিক্ষা এবং জ্ঞান ও বিজ্ঞানের অন্যান্য ক্ষেত্রে মহাকাশ ও দূর অনুধাবন প্রযুক্তিকে শান্তিপূর্ণভাবে ব্যবহার করা এবং উক্ত প্রযুক্তির উন্নয়ন ও ব্যবহারিক প্রয়োগের জন্য গবেষণা কাজ পরিচালনা করা।

উল্লেখ্য, 
- বাংলাদেশ মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠান (স্পারসো)- এর গবেষণা অনুযায়ী বাংলাদেশের সন্দ্বীপ, স্বর্ণদ্বীপ, ভাসানচর ধীরে ধীরে এক হয়ে যাচ্ছে।
- তিন যুগ ধরে সন্দ্বীপ, জাহাইজ্জার চর (বর্তমান স্বর্ণদ্বীপ) ও ভাসানচর—এই তিন দ্বীপ ধীরে ধীরে এক হয়ে যাচ্ছে। 
- নতুন নতুন ভূমির উত্থানের কারণেই এমনটা ঘটছে।
- সন্দ্বীপ বহু বছর ধরেই ক্ষয় ও পলিমাটি জমার প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। গবেষণায় দেখা যায়, ১৯৮৯ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে সন্দ্বীপের পাশেই জেগে উঠেছে জাহাইজ্জার চর (বর্তমান স্বর্ণদ্বীপ) ও ভাসানচর।

উৎস: i) বাংলাদেশ মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠান (স্পারসো) ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো। [link]

১২.
সম্প্রতি বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় 'মোন্থা' এর অর্থ কী?
  1. তীব্র বাতাস
  2. কালো মেঘ
  3. সুগন্ধি ফুল
  4. উত্তাল ঢেউ
সঠিক উত্তর:
সুগন্ধি ফুল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুগন্ধি ফুল
ব্যাখ্যা

ঘূর্ণিঝড়:
- সম্প্রতি (অক্টোবর, ২০২৫)-এ বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট নিম্নচাপ যা ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিয়েছে।
- প্রবল ঘূর্ণিঝড়ের নাম ‘মোন্থা’।
- ঘূর্ণিঝড় 'মোন্থা'র নাম প্রদান করেছে থাইল্যান্ড।
- থাইল্যান্ডের দেওয়া এই নামের অর্থ ‘সুগন্ধি ফুল’।
- ২৮ অক্টোবর, ২০২৫ স্থানীয় সময় রাতে ঝড়টি ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশের উপকূল অতিক্রম করেছে।

উল্লেখ্য,
- বছরের বিভিন্ন সময়ে বিশ্বজুড়ে যে ঝড়, ঘূর্ণিঝড় ঘনীভূত হওয়ার পূর্বাভাস পেয়ে থাকে আবহাওয়া দপ্তর, পালা করে বিভিন্ন দেশ তার নামকরণ করে।
- আর এটি করে আন্তর্জাতিক আবহাওয়া সংস্থা ওয়ার্ল্ড মেটিওরোলজিক্যাল অর্গানাইজেশন (ডব্লিউএমও)।
- ডব্লিউএমও সে জন্য পাঁচটি বিশেষ আঞ্চলিক আবহাওয়া সংস্থার (আরএসএমসি) সঙ্গে সমন্বয় করে ২০০৪ সাল থেকে ঘূর্ণিঝড়ের নামকরণ শুরু করেছে।

উৎস: প্রথম আলো।

১৩.
প্রটোকল বলতে বুঝায়-
  1. বহুপাক্ষিক চুক্তি
  2. প্রতিষ্ঠাগত আন্তর্জাতিক চুক্তি
  3. দ্বিপাক্ষিক চুক্তি
  4. আন্তর্জাতিক কোনো চুক্তির সংযুক্তি
সঠিক উত্তর:
আন্তর্জাতিক কোনো চুক্তির সংযুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আন্তর্জাতিক কোনো চুক্তির সংযুক্তি
ব্যাখ্যা

প্রটোকল’ (Protocol):
- প্রটোকল হলো আন্তর্জাতিক কোনো চুক্তির সংযুক্তি।
- প্রোটোকল হলো একটি সহায়ক দলিল যা কোনো প্রধান চুক্তি বা কনভেনশনের সংযুক্তি, পরিপূরক বা সংশোধনী হিসেবে কাজ করে।

এছাড়াও,
- চুক্তি (Treaty): দুই বা ততোধিক দেশের মধ্যে লিখিত চুক্তি যা আইনত বাধ্যতামূলক। এটা যেকোনো বিষয় (যেমন: শান্তি, বাণিজ্য) নিয়ে হতে পারে।
- কনভেনশন (Convention): চুক্তির একটা বিশেষ ধরন যা সাধারণত অনেক দেশ মিলে একটা নির্দিষ্ট সমস্যা (যেমন: মানবাধিকার) নিয়ে করে।

উৎস: U.S. Fish & Wildlife Service.

১৪.
গাজা অভিমুখী গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা কয়টি রাষ্ট্রকে প্রতিনিধিত্ব করেছে?
  1. ৪৫টি
  2. ৪৭টি
  3. ৪৬টি
  4. ৪৪টি
সঠিক উত্তর:
৪৭টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৭টি
ব্যাখ্যা

Global Sumud Flotilla (গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা):
- অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় মানবিক সহায়তা পৌঁছে দিতে গঠিত হয়েছে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় নাগরিক নৌবহর গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা।
- ‘সুমুদ’ শব্দের অর্থ হলো অবিচলতা ও সহনশীলতা, যা ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতীক।
- ২০২৫ সালের মাঝামাঝি সময়ে ফ্রিডম ফ্লোটিলা কোয়ালিশন, গ্লোবাল মুভমেন্ট টু গাজা, মাগরেব সুমুদ ফ্লোটিলা ও সুমুদ নুসান্তারার যৌথ উদ্যোগে এই নৌবহর গড়ে ওঠে।
- ফ্লোটিলায় ৪২টি জাহাজে ৪৭টি দেশের প্রায় ৫০০ অংশগ্রহণকারী যোগ দেন।

⇒ ২০০৭ সাল থেকে ইসরায়েল গাজাকে স্থল, আকাশ ও সমুদ্রপথে অবরোধ করে রেখেছে।
- ফলে গাজার সাধারণ মানুষ মানবিক সংকটে পড়েছেন।
- খাদ্য, ওষুধ, বিশুদ্ধ পানি ও পুনর্গঠনের সামগ্রী প্রায়ই আটকে দেওয়া হয়।
- গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা মূলত বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নাগরিক সমাজ, মানবাধিকারকর্মী, চিকিৎসক, সাংবাদিক ও রাজনৈতিক কর্মীদের সমন্বয়ে গঠিত হয়। তারা সমুদ্রপথে জাহাজে করে সরাসরি গাজায় সাহায্য পাঠানোর চেষ্টা করেন।

⇒ ফ্লোটিলার মধ্যে আছেন পরিবেশকর্মী গ্রেটা থুনবার্গ, নেলসন ম্যান্ডেলার নাতি ম্যান্ডলা ম্যান্ডেলা, ইতালির সংসদ সদস্য, মানবাধিকারকর্মী, সাংবাদিক, চিকিৎসক ও আইনজীবীরা।
- স্পেনের বার্সেলোনা থেকে সেপ্টেম্বরের শুরুতে ফ্লোটিলার যাত্রা শুরু হয়।
- পরবর্তীতে তিউনিশিয়া, ইতালির সিসিলি দ্বীপ ও গ্রিসের সাইরাস দ্বীপ থেকে নৌযান যুক্ত হয়। পথে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠন এর সঙ্গে সংহতি জানায়।

উৎস: i) Global Sumud Flotilla. [link]
ii) Al Jazeera.

১৫.
লীগ অব ন্যাশনস্ কত সালে ফিলিস্তিনকে ব্রিটিশ শাসনের অধীনে নিয়ে আসে?
  1. ১৯২৭
  2. ১৯১৭
  3. ১৯২২
  4. ১৯৩৭
সঠিক উত্তর:
১৯২২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯২২
ব্যাখ্যা

ফিলিস্তিনে ব্রিটিশ অনুশাসন:
- লীগ অব ন্যাশনস ১৯২২ সালে ফিলিস্তিনকে ব্রিটিশ শাসনের অধীনে নিয়ে আসে।

⇒ ১৯২০ থেকে ১৯৪৮ সাল পর্যন্ত ব্রিটিশ বেসামরিক প্রশাসন ফিলিস্তিন পরিচালনা করে।
- ব্রিটিশরা ১৯২২ সালের জুন মাসে বিলুপ্ত লীগ অব নেশনস থেকে ফিলিস্তিনের জন্য কর্তৃত্ব লাভ করে।
- লীগ অব নেশনস-এর গঠনতন্ত্রের ২২নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী ব্রিটেনকে এই কর্তৃত্ব দেওয়া হয়।

উল্লেখ্য,
- ১৯১৭ সালের বেলফোর ঘোষণা (Balfour Declaration) ফিলিস্তিনে একটি ইহুদি জাতীয় আবাসভূমি প্রতিষ্ঠার প্রতি সমর্থন জানায়। 
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধে অটোমান সাম্রাজ্যের পরাজয়ের পর, বেলফোর ঘোষণাটি মিত্রশক্তির সমর্থন পায়। সে সময় ফিলিস্তিনকে ব্রিটিশ ম্যান্ডেটের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল।
- ১৯২২ সালের জুলাইয়ে লীগ অফ নেশনস ওই অঞ্চলে ব্রিটিশ ম্যান্ডেটের অনুমোদনও দেয়। লীগ অফ নেশনস ছিল জাতিসংঘের পূর্ববর্তী একটি সংস্থা।
- এই অনুমোদনের মাধ্যমে ব্রিটেন আনুষ্ঠানিকভাবে ওই অঞ্চলের প্রশাসনিক দায়িত্ব পায়।
- এর ফলে ইহুদি অভিবাসন বৃদ্ধি পায় এবং স্থানীয় আরবদের সঙ্গে সংঘাত শুরু হয়।
- ফিলিস্তিনে ক্রমবর্ধমান সহিংসতা ও বিদ্রোহের কারণে ব্রিটেন ১৯৪৭ সালে জাতিসংঘে বিষয়টি তুলে দেয়।
- অবশেষে ১৪ মে ১৯৪৮ সালে ব্রিটিশ ম্যান্ডেটের অবসান ঘটে এবং ইসরায়েল রাষ্ট্র ঘোষিত হয়।

উৎস: i) UN ওয়েবসাইট। 
ii) BBC.

১৬.
ড. আবেদ চৌধুরী একজন-
  1. চিকিৎসক
  2. জিন গবেষক
  3. উদ্ভিদ গবেষক
  4. প্রাণী গবেষক
সঠিক উত্তর:
জিন গবেষক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জিন গবেষক
ব্যাখ্যা

ড. আবেদ চৌধুরী:
- ড.আবেদ চৌধুরী একজন বাংলাদেশী জিন বিজ্ঞানী, ধান গবেষক ও লেখক।
- আধুনিক জীববিজ্ঞানের প্রথম সারির গবেষকদের একজন।
- তিনি বাংলাদেশের মৌলভীবাজার জেলার কুলাউড়া উপজেলার হাজীপুর ইউনিয়নের কানিহাটি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- বর্তমানে অস্ট্রেলিয়ার বসবাস করছেন।  
- ড. আবেদ চৌধুরী উচ্চশিক্ষা অর্জন করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগে, যুক্তরাষ্ট্রের অরিগন স্টেট ইনিস্টিটিউট অফ মলিকুলার বায়োলজি এবং ওয়াশিংটন স্টেটের ফ্রেড হাচিনসন ক্যান্সার রিসার্চ ইনিস্টিটিউটে।

⇒ ১৯৮৩ সালে পিএইচ.ডি গবেষণাকালে তিনি রেকডি নামক জেনেটিক রিকম্বিনেশনের একটি নতুন জিন আবিষ্কার করেন যা নিয়ে আশির দশকে আমেরিকা ও ইউরোপে ব্যাপক গবেষণা হয়। অযৌন বীজ উৎপাদন (এফআইএস) সংক্রান্ত তিনটি নতুন জিন আবিষ্কার করেন, যার মাধ্যমে এই জিনবিশিষ্ট মিউটেন্ট নিষেক ছাড়াই আংশিক বীজ উৎপাদনে সক্ষম হয়। তাঁর এই আবিষ্কার এপোমিক্সিসের সূচনা করেছে যার মাধ্যমে পিতৃবিহীন বীজ উৎপাদন সম্ভব হয়।

⇒ এযাবৎ তাঁর সফল গবেষণা পঞ্চব্রীহি ধান। জিনবিজ্ঞানী ড আবেদ চৌধুরী একটি নতুন জাতের ধানগাছ উদ্ভাবন করেছেন, যেটি একবার রোপণে পাঁচবার ধান দেবে ভিন্ন ভিন্ন মৌসুমে। তার উদ্ভাবিত এই ধানগাছের নাম দিয়েছেন ‘পঞ্চব্রীহি’। পঞ্চ মানে ‘পাঁচ’ আর ব্রীহি মানে ‘ধান’।

⇒ ২০১৯ সালে তিনি সোনালি ধান নামে আরেকটি নতুন ধানের জাত উদ্ভাবন করেছিলেন; যেটি ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য বেশ উপকারী। পাশাপাশি ডায়াবেটিস রোগ নিয়ন্ত্রণে ও ওজন কমাতে সহায়তা করে।

উৎস: i) বাংলাদেশ বন গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।
ii) সমকাল।

১৭.
নিম্নের কোন রাষ্ট্র আফগানিস্তানের তালেবান সরকারকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দিয়েছে?
  1. উত্তর কোরিয়া
  2. চীন
  3. কিউবা
  4. রাশিয়া
সঠিক উত্তর:
রাশিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাশিয়া
ব্যাখ্যা

তালেবান সরকারকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি:
- বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে তালেবান সরকারকে বৈধ কর্তৃপক্ষ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে রাশিয়া।
- ৪ জুলাই ২০২৫ তারিখে রাশিয়া তালেবান সরকারকে স্বীকৃতি প্রদান করেছে।
- এর মধ্য দিয়ে রাশিয়া তালেবান সরকারকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দেওয়া প্রথম দেশ হয়ে উঠেছে।
- ২০২৪ সালের জুলাই মাসে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন তালেবানকে ‘সন্ত্রাসবিরোধী লড়াইয়ের মিত্র’ বলে আখ্যা দেন।
- এপ্রিল মাসে রাশিয়ার সর্বোচ্চ আদালত তালেবানের ওপর থেকে ‘সন্ত্রাসী’ আখ্যা তুলে নেন।

⇒ আফগানিস্তানের সোভিয়েত বাহিনীর বিরুদ্ধে লড়াইয়ের ভেতর দিয়ে জন্ম হয়েছিল তালেবান বাহিনীর। ১৯৯৬ সালে তালেবান গোষ্ঠী কাবুলের দখল নেয়।
- ১১ই সেপ্টেম্বর, ২০০১-এর সন্ত্রাসী হামলার পর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র আফগানিস্তান আক্রমণ করে এবং ২০০১-এর শেষে তালেবানদের উৎখাত করে। এক বিধ্বংসী সামরিক অভিযানে ২০০১ সালে তালেবানকে ক্ষমতাচ্যুত করার পর গত ২০ বছর ধরে আফগানিস্তানের সামরিক নিয়ন্ত্রণ ধরে রেখেছিল যুক্তরাষ্ট্র ও তার  ন্যাটো মিত্ররা। 
- ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারীতে যুক্তরাষ্ট্র এবং তালেবানের মধ্যে শান্তি চুক্তি হয়। ২০২১ সালে মার্কিন বাহিনী প্রত্যাহারের পর তালেবানরা কাবুল পুনরায় দখল করে।
- ২০ বছর পর ২০২১ সালে তালেবানরা আবারও আফগানিস্তানে ক্ষমতায় আসে।
- ১৯৭৯ থেকে ১৯৮৯ সালের সোভিয়েত আগ্রাসন থেকে চার দশকের যুদ্ধের পর আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি ও বিনোয়েগের জন্য আগ্রহী দেশটির তালেবান সরকার।

উৎস: i) Britannica.
ii) BBC.

১৮.
কোন পণ্যটি প্রথম বাংলাদেশী জি আই পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি অর্জন করে?
  1. ইলিশ মাছ
  2. কালিজিরা ধান
  3. ফজলি আম
  4. জামদানি শাড়ি
সঠিক উত্তর:
জামদানি শাড়ি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জামদানি শাড়ি
ব্যাখ্যা

জিআই (GI):
- জিআই (GI) এর পূর্ণরুপ হলো (Geographical indication) ভৌগলিক নির্দেশক।
- জাতিসংঘের সংস্থা WIPO (World Intellectual Property Organization) হলো জিআই পণ্যের স্বীকৃতি দানকারী প্রতিষ্ঠান।
- ভৌগোলিক নির্দেশক (Geographical indication) হচ্ছে একটি প্রতীক বা চিহ্ন, যা পণ্য ও সেবার উৎস, গুণাগুণ ও সুনাম ধারণ এবং প্রচার করে।
- কোনো দেশের আবহাওয়া ও পরিবেশ যদি কোনো পণ্য উৎপাদনের ক্ষেত্রে বিশেষ কোনো গুরুত্ব রাখে, সেই দেশের সংস্কৃতির সঙ্গে যদি বিষয়টি সম্পর্কিত হয়, তাহলে সেটাকে সে দেশের ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
- বাংলাদেশের প্রথম জিআই পণ্য জামদানি শাড়ি। জামদানি শাড়ি জিআই (ভৌগোলিক নির্দেশক) পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি পায় ২০১৬ সালে।

অন্যদিকে,
- ইলিশ মাছ জিআই (ভৌগোলিক নির্দেশক) পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি পায় ২০১৭ সালে। 

উৎস: i) পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর ওয়েবসাইট। 
ii) প্রথম আলো।

১৯.
জলবায়ু পরিবর্তন এবং জীববৈচিত্রের ক্ষতি মোকাবিলায় ২০২৪ সালে কোন সংস্থা 'Nature Restoration Regulation' প্রণয়ন করেছে?
  1. অর্থনৈতিক সহযোগিতা ও উন্নয়ন সংস্থা (OCED)
  2. জাতিসংঘ পরিবেশ কর্মসূচি (UNEP)
  3. ইউরোপীয় ইউনিয়ন (EU)
  4. বিশ্ব ব্যাংক (World Bank)
সঠিক উত্তর:
ইউরোপীয় ইউনিয়ন (EU)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইউরোপীয় ইউনিয়ন (EU)
ব্যাখ্যা

Nature Restoration Regulation:
- জলবায়ু পরিবর্তন এবং জীববৈচিত্রের ক্ষতি মোকাবিলায় ২০২৪ সালে 'Nature Restoration Regulation' প্রণয়ন করেছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (EU)।

⇒ Nature Restoration Regulation এই নিয়মাবলীটি জলবায়ু পরিবর্তন এবং জীববৈচিত্র্যের ক্ষতি মোকাবিলায় ইউরোপীয় কমিশনের ২০২২ সালের প্রস্তাবের ভিত্তিতে তৈরি হয়েছে।
- এটি ২০২৪ সালের ১৭ জুন ইউরোপীয় ইউনিয়নের পরিবেশমন্ত্রীদের কাউন্সিল দ্বারা গৃহীত হয় এবং ১৮ আগস্ট, ২০২৪ থেকে কার্যকর হয়।
- মূল উদ্দেশ্য: এই আইনের মূল উদ্দেশ্য হলো ক্ষতিগ্রস্ত প্রাকৃতিক বাস্তুতন্ত্র (ecosystem) পুনরুদ্ধার করা, জীববৈচিত্র্য রক্ষা করা এবং জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব মোকাবিলা করা। 
- আইন অনুযায়ী, ২০৩০ সালের মধ্যে ইউরোপীয় ইউনিয়নের মোট স্থল ও সমুদ্রভাগের কমপক্ষে ২০% অংশ পুনরুদ্ধার করতে হবে। এছাড়া ২০৫০ সালের মধ্যে সকল ক্ষতিগ্রস্ত বাস্তুতন্ত্র পুনরুদ্ধারের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

উৎস: EU ওয়েবসাইট।

২০.
’কলম্ব' শব্দের প্রতিশব্দ কি?
  1. তীর
  2. কদম
  3. সমুদ্র
  4. ঢেউ
সঠিক উত্তর:
তীর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তীর
ব্যাখ্যা

বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,


 অভিগম্য অভিধান অনুসারে,
 

• কলম্ব (বিশেষ্য পদ), 

- এটি একটি সংস্কৃত শব্দ। 
অর্থ:
- বাণ, তীর/তির, শর। 
- কদম্ব/কদম গাছ। 
- শাকের ডাঁটা।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান এবং অভিগম্য অভিধান। 

২১.
'তোষামোদ ও রাজনীতির ভাষা' গ্রন্থের রচয়িতা কে?
  1. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
  2. মুহম্মদ আব্দুল হাই
  3. আবুল মনসুর আহমদ
  4. সৈয়দ মুজতবা আলী
সঠিক উত্তর:
মুহম্মদ আব্দুল হাই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুহম্মদ আব্দুল হাই
ব্যাখ্যা

• মুহম্মদ আবদুল হাই রচিত গ্রন্থ তোষামোদ ও রাজনীতির ভাষা।

• মুহম্মদ আবদুল হাই:
- মুহম্মদ আবদুল হাই একজন শিক্ষাবিদ, সাহিত্যিক, গবেষক, ভাষাবিজ্ঞানী।
-তিনি ২৬ নভেম্বর ১৯১৯ সালে মুর্শিদাবাদের রাণীনগর থানার মরিচা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর রচিত গ্রন্থ ধ্বনিবিজ্ঞান ও বাংলা ধ্বনিতত্ত্ব (১৯৬৪)।
- 'বাংলা সাহিত্যের ইতিবৃত্ত' (আধুনিক যুগ) প্রবন্ধগ্রন্থের রচয়িতা সৈয়দ আলী আহসান। তিনি মুহম্মদ আবদুল হাইয়ের সাথে একত্রে গ্রন্থটি প্রকাশ করেন।

তাঁর রচিত গ্রন্থ:
- সাহিত্য ও সংস্কৃতি,
- তোষামোদ ও রাজনীতির ভাষা,
- ভাষা ও সাহিত্য,
- ধ্বনিবিজ্ঞান ও বাংলা ধ্বনিতত্ত্ব,
- বাংলা সাহিত্যের ইতিবৃত্ত প্রভৃতি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

২২.
অগ্নিবীণা কাব্যগ্রস্থটি কাজী নজরুল ইসলাম কাকে উৎসর্গ করেছিলেন?
  1. অরবিন্দ ঘোষ
  2. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
  3. বারীন্দ্রকুমার ঘোষ
  4. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
সঠিক উত্তর:
বারীন্দ্রকুমার ঘোষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বারীন্দ্রকুমার ঘোষ
ব্যাখ্যা

• 'অগ্নিবীণা' কাব্যগ্রন্থ:
- 'অগ্নিবীণা' কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ।
- এই কাব্যের জনপ্রিয় কবিতা 'বিদ্রোহী'। 'বিদ্রোহী' কবিতার জন্যই মূলত তিনি 'বিদ্রোহী কবি' হিসাবে পরিচিত হন।
- কাজী নজরুল ইসলামের 'অগ্নিবীণা' কাব্যের প্রথম কবিতা- প্রলয়োল্লাস।
- 'অগ্নিবীণা' কাব্যগ্রন্থটি বিপ্লবী বারীন্দ্রকুমার ঘোষকে উৎসর্গ করেন।

অগ্নিবীণা কাব্যে মোট ১২টি কবিতা রয়েছে। কবিতাগুলো হলো:
- প্রলয়োল্লাস,
- বিদ্রোহী,
- রক্তাম্বর-ধারিণী মা,
- আগমণী,
- ধূমকেতু,
- কামাল পাশা,
- আনোয়ার,
- রণভেরী,
- শাত-ইল-আরব,
- খেয়াপারের তরণী,
- কোরবানী,
- মহররম।

-----------------------------
কাজী নজরুল ইসলাম:
- কাজী নজরুল ইসলাম বাংলাদেশের জাতীয় কবি এবং অবিভক্ত বাংলার সাহিত্য, সমাজ ও সংস্কৃতি ক্ষেত্রের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ব্যক্তিত্ব।
- কাজী নজরুল ইসলাম ১৩০৬ বঙ্গাব্দের ১১ জ্যৈষ্ঠ (২৪ মে ১৮৯৯) পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার চুরুলিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- নজরুলের ডাক নাম ছিল ‘দুখু মিয়া’।
- বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে তিনি ‘বিদ্রোহী কবি’।
- কাজী নজরুল ইসলাম আধুনিক বাংলা গানের জগতে ‘বুলবুল’ নামে খ্যাত।

তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- অগ্নি-বীণা,
- সঞ্চিতা,
- চিত্তনামা,
- মরুভাস্কর,
- সর্বহারা,
- ফণি-মনসা,
- চক্রবাক,
- সাম্যবাদী,
- ছায়ানট,
- নতুন চাঁদ,
- পুবের হাওয়া,
- জিঞ্জির,
- বিষের বাঁশি,
- দোলনচাঁপা,
- সিন্ধু হিন্দোল,
- ভাঙার গান,
- সন্ধ্যা ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।

২৩.
নিচের কোন শব্দগুচ্ছের বানান শুদ্ধ?
  1. স্বত্বা, পুণ্য
  2. শশ্রুষা, মূমূর্ষূ
  3. স্বান্তনা, রুচিবান
  4. প্রাঙ্গণ, নীরব
সঠিক উত্তর:
প্রাঙ্গণ, নীরব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রাঙ্গণ, নীরব
ব্যাখ্যা

শুদ্ধ বানান- প্রাঙ্গণ, নীরব। 

অন্যদিকে, 
ক) স্বত্বা, পুণ্য- এখানে “স্বত্বা” → ভুল, শুদ্ধ বানান স্বত্ব। “পুণ্য” ঠিক আছে। 
খ) শশ্রুষা, মূমূর্ষূ- এখানে দুটোই ভুল বানান। শুদ্ধ: শুশ্রূষা, মুমূর্ষু।
গ) স্বান্তনা, রুচিবান- এখানে “স্বান্তনা” শব্দের বানানটি ভুল, শুদ্ধ: সান্ত্বনা। “রুচিবান” ঠিক আছে।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান। 

২৪.
'বাস্তুহারা' কোন সমাসভুক্ত?
  1. অব্যয়ীভাব
  2. নিত্য
  3. মধ্যপদলোপী কর্মধারয়
  4. উপপদ তৎপুরুষ
সঠিক উত্তর:
উপপদ তৎপুরুষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপপদ তৎপুরুষ
ব্যাখ্যা

• উপপদ তৎপুরুষ সমাস:
যে পদের পরবর্তী ক্রিয়ামূলের সঙ্গে কৃৎ-প্রত্যয় যুক্ত হয় সে পদকে উপপদ বলে। কৃদন্ত পদের সঙ্গে উপপদের যে সমাস হয়, তাকে বলে উপপদ তৎপুরুষ সমাস।

কৃদন্ত পদ: কৃৎ প্রত্যয় যোগে যে শব্দ তৈরি হয় তাকে কৃদন্ত পদ বলে। যেমন: √চর্‌ > চর (বিচরণ করা অর্থে); √ধর্ > ধর (ধরা অর্থে)।

উপপদ: কোন শব্দকে বিশ্লেষণ করলে যদি একটি পৃথক শব্দ, এরপর ধাতু, এরপর প্রত্যয় পাওয়া যায় (শব্দ ধাতু প্রত্যয়) এবং সেই প্রত্যয়টি হয় কৃৎ প্রত্যয় তাহলে প্রাপ্ত বিশিষ্ট শব্দকে উপপদ বলা হয়।
যেমন:
- বাস্তু হারিয়েছে যে = বাস্তুহারা; (√বাস্তু + হার্ + আ); 
- খেচর= খ + √চর্ + অ।

যেমন:
- জলে চরে যা = জলচর।
- জল দেয় যে = জলদ।
- পঙ্কে জন্মে যা = পঙ্কজ।
- পকেট মারে যে = পকেটমার।

এরূপ- সত্যবাদী, ইন্দ্রজিৎ, ছেলেধরা, ধামাধরা, পাতাচাটা, হাড়ভাঙ্গা, মাছিমারা, ছাড়পোকা এবং বর্ণচোরা ইত্যাদি।

উৎস: ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াত মামুদ এবং বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯-সংস্করণ)।

২৫.
বাংলায় মৌলিক স্বরধ্বনি কয়টি?
  1. ২ টি
  2. ৭ টি
  3. ৫ টি
  4. ৩ টি
সঠিক উত্তর:
৭ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ টি
ব্যাখ্যা

• ধ্বনি:
- ধ্বনি ভাষার ক্ষুদ্রতম একক।
- বাংলা ভাষায় ৩৭টি মৌলিক ধ্বনি রয়েছে।
- মৌলিক ব্যঞ্জনধ্বনি ৩০টি; মৌলিক স্বরধ্বনি ৭টি।
- এই ধ্বনিগুলোকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়: স্বরধ্বনি ও ব্যঞ্জনধ্বনি।

মৌলিক স্বরধ্বনি:
- যেসব ধ্বনি উচ্চারণের সময়ে বায়ু মুখগহ্বরের কোথাও বাধা পায় না, সেগুলোকে স্বরধ্বনি বলে।
- মৌলিক স্বরধ্বনি ৭টি:
- [ই], [এ], [অ্যা], [আ], [অ], [ও], [উ]। 

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম ও দশম শ্রেণি (২০২১-সংস্করণ)।

২৬.
১৯৪৪ এর দুর্ভিক্ষের ভিত্তিতে ফররুখ আহমদ রচিত কবিতা কোনটি?
  1. লাশ
  2. ডাহুক
  3. সাত সাগরের মাঝি
  4. পাঞ্জেরি
সঠিক উত্তর:
লাশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লাশ
ব্যাখ্যা

• "লাশ" কবিতা ও পটভূমি:
- ফররুখ আহমদের "লাশ" কবিতাটি ১৯৪৪ সালে কলকাতার দুর্ভিক্ষের পটভূমিতে রচিত। এই কবিতায় কবি দুর্ভিক্ষের কারণে সৃষ্ট দুর্দশা ও অসহায় মানুষের করুণ পরিণতি ফুটিয়ে তুলেছেন। 'লাশ' কবিতাটি লিখে তিনি প্রথম খ্যাতি অর্জন করেন।
- কবিতাটি ফররুখ আহমদের 'সাত সাগরের মাঝি' কাব্যগ্রন্থে সংকলিত হয়েছে।

লাশ
ফররুখ আহমদ
যেখানে প্রশস্ত পথ ঘুরে গেল মোড়,
কালো পিচ-ঢালা রঙে লাগে নাই ধূলির আঁচড়,
সেখানে পথের পাশে মুখ গুঁজে প'ড়ে আছে জমিনের 'পর;
সন্ধ্যার জনতা জানি কোনদিন রাখে না সে মৃতের খবর।

----------------------
ফররুখ আহমদ:
- ফররুখ আহমদ ছিলেন মুসলিম পুনর্জাগরণবাদী কবি।ফররুখ আহমদ ১৯১৮ সালের ১০ জুন মাগুরা জেলার শ্রীপুর থানার মাঝাইল গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- 'সাত সাগরের মাঝি' ফররুখ আহমদ রচিত শ্রেষ্ঠ এবং প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ।
- ১৯৪৪ সালে কলকাতার দুর্ভিক্ষের পটভূমিতে 'লাশ' কবিতা লিখে তিনি প্রথম খ্যাতি অর্জন করেন।
- ফররুখ আহমদ তাঁর বিখ্যাত কাহিনী কাব্য 'হাতেমতায়ী' এর জন্য ১৯৬৬ সালে আদমজি পুরস্কার লাভ করেন।
- ১৯৬৬ সালেই 'পাখির বাসা' শিশুতোষের জন্য ইউনেস্কো পুরস্কার লাভ করেন।
- 'মুহূর্তের কবিতা' ফররুখ আহমদ রচিত একটি সনেট সংকলন।

ফররুখ আহমদ রচিত কাব্যগ্রন্থসমূহ হলো:
- সাত সাগরের মাঝি,
- সিরাজাম মুনীরা,
- নৌফেল ও হাতেম,
- মুহূর্তের কবিতা,
- সিন্দাবাদ,
- হাতেমতায়ী,
- নতুন লেখা,
- হাবেদা মরুরকাহিনী।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

২৭.
'বারিধি' শব্দটি কিভাবে গঠিত হয়েছে?
  1. সমাসযোগে
  2. প্রত্যয়যোগে
  3. সন্ধিযোগে
  4. উপসর্গযোগে
সঠিক উত্তর:
প্রত্যয়যোগে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রত্যয়যোগে
ব্যাখ্যা

• বারিধি (বিশেষ্য পদ),
- এটি একটি সংস্কৃত শব্দ।
- প্রকৃতি প্রত্যয়- [বারি+√ধা + ই]। 
অর্থ: বারিধর।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান। 

২৮.
'সত্যপীর' কার ছদ্মনাম?
  1. শওকত ওসমান
  2. মীর মোশাররফ হোসেন
  3. সৈয়দ মুজতবা আলী
  4. সৈয়দ শামসুল হক
সঠিক উত্তর:
সৈয়দ মুজতবা আলী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সৈয়দ মুজতবা আলী
ব্যাখ্যা

• সৈয়দ মুজতবা আলী ছিলেন একজন শিক্ষাবিদ ও সাহিত্যিক। 
- সৈয়দ মুজতবা আলী ব্যবহৃত কিছু ছদ্মনাম হলো- প্রিয়দর্শী; ওমর খৈয়াম; মুসাফির; সত্য পীর।

-----------------
সৈয়দ মুজতবা আলী রচিত গ্রন্থসমূহ:
• উপন্যাস:
- অবিশ্বাস্য,
- শবনম।

• রম্যরচনা:
- পঞ্চতন্ত্র,
- ময়ূরকণ্ঠী।

• ছোটগল্প:
- চাচা-কাহিনী,
- টুনি মেম।

অন্যদিকে, 
• মীর মশাররফ হোসেনর ছদ্মনাম গুলো: গৌড়তটবাসী মশা, গাজী মিয়া এবং  উদাসীন পথিক।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

২৯.
সকলেই কবি নয়, কেউ কেউ কবি'- এই অমর বাক্যাংশের রচয়িতা কে?
  1. বিষ্ণু দে
  2. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
  3. জীবনানন্দ দাশ
  4. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
সঠিক উত্তর:
জীবনানন্দ দাশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জীবনানন্দ দাশ
ব্যাখ্যা

• 'কবিতার কথা' প্রবন্ধগ্রন্থ:
- কবি জীবনানন্দ দাশ রচিত প্রবন্ধগ্রন্থ 'কবিতার কথা'।
- এই গ্রন্থের বিখ্যাত উক্তি হলো, 'সকলেই কবি নন, কেউ কেউ কবি।'
- জীবনানন্দ দাশ কবি হলেও তিনি মূলত উপন্যাস ও প্রবন্ধগ্রন্থও লিখেছেন।

-----------------
জীবনানন্দ দাশ:
- জীবননান্দ দাশ আধুনিক যুগের এবং ত্রিশের দশকের অন্যতম কবি। তিনি ১৮৯৯ সালে বরিশালে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁদের আদি নিবাস ছিল বিক্রমপুরের গাওপাড়া গ্রামে।
- পিতা সত্যানন্দ দাশ ছিলেন স্কুলশিক্ষক ও সমাজসেবক। তিনি ব্রহ্মবাদী পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ছিলেন। মাতা কুসুমকুমারী দাশ ছিলেন একজন বিখ্যাত কবি।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর জীবনানন্দ দাশের কবিতাকে "চিত্ররূপময়" কবিতা বলে আখ্যায়িত করেছেন।
- তাঁকে বলা হয়ে থাকে- ধূসরতার কবি, তিমির হননের কবি, নির্জনতার কবি, রূপসী বাংলার কবি।

জীবনানন্দ দাশ রচিত উপন্যাসগুলো হলো:
- মাল্যবান;
- সতীর্থ;
- কল্যাণী।

জীবনানন্দের উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ:
- ঝরাপালক, [প্রথম কাব্যগ্রন্থ]
- ধূসর পাণ্ডুলিপি,
- বনলতা সেন,
- সাতটি তারার তিমির,
- রূপসী বাংলা।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

৩০.
নিম্নের কোন ধারায় প্রজাতন্ত্র অর্থ 'গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ' সংজ্ঞাটি দেওয়া আছে-
  1. The General Clauses Act, 1897 এর 3(50a)
  2. The General Clauses Act, 1897 এর 3(45)
  3. The General Clauses Act, 1897 এর 3(46)
  4. The General Clauses Act, 1897 এর 3(46a)
সঠিক উত্তর:
The General Clauses Act, 1897 এর 3(46a)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The General Clauses Act, 1897 এর 3(46a)
ব্যাখ্যা

⇒ The General Clauses Act, 1897 এর বিধান মতে ঘ) The General Clauses Act, 1897 এর 3(46a) ধারায় 'প্রজাতন্ত্র' অর্থ 'গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ' সংজ্ঞাটি দেওয়া আছে।
⇒ The General Clauses Act, 1897 Section-3(46a) "the Republic" means the People's Republic of Bangladesh.

৩১.
আমেরিকার আইন ব্যবস্থায় প্রচলিত 'Due process' ধারণার সমার্থক বিধান বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে প্রতিফলিত হয়েছে?
  1. ২৭ ও ৩১ অনুচ্ছেদ
  2. ২৮ ও ২৯ অনুচ্ছেদ
  3. ৩২ অনুচ্ছেদ
  4. সবকটিতেই
সঠিক উত্তর:
সবকটিতেই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবকটিতেই
ব্যাখ্যা

⇒ Due Process: আমেরিকার আইন ব্যবস্থায় একটি মৌলিক ধারণা। Due Process (যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া) হলো একটি সাংবিধানিক নীতি যা নিশ্চিত করে যে সরকার কোনো ব্যক্তির জীবন, স্বাধীনতা বা সম্পত্তি কেড়ে নেওয়ার আগে অবশ্যই ন্যায্য এবং যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করবে। এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানের ৫ম এবং ১৪তম সংশোধনীতে বর্ণিত আছে।

- ৫ম সংশোধনী (১৭৯১): "কোনো ব্যক্তিকে যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া ছাড়া জীবন, স্বাধীনতা বা সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত করা যাবে না।" এটি ফেডারেল সরকারের উপর প্রযোজ্য। 
- ১৪তম সংশোধনী (১৮৬৮): "কোনো রাজ্য এমন কোনো আইন প্রণয়ন বা প্রয়োগ করবে না যা যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের সুবিধাসমূহ হ্রাস করে; কিংবা যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া ছাড়া কোনো ব্যক্তিকে জীবন, স্বাধীনতা বা সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত করবে না।" এটি রাজ্য সরকারগুলোর উপর প্রযোজ্য। 

- যুক্তরাষ্ট্রের 'Due Process of Law' ধারণাটির দুটি মূল দিক রয়েছে:
১. প্রক্রিয়াগত ন্যায়বিচার (Procedural Due Process): আইনি প্রক্রিয়া ও বিচারিক পদ্ধতির ন্যায্যতা নিশ্চিত করা।
২. বস্তুগত ন্যায়বিচার (Substantive Due Process): আইনের বিষয়বস্তু ও প্রয়োগের ন্যায্যতা নিশ্চিত করা।

বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ২৭:
“সকল নাগরিক আইনের দৃষ্টিতে সমান এবং আইনের সমান আশ্রয় লাভের অধিকারী।”
- এটি আইনের সমতা এবং আইনের সমান সুরক্ষা নিশ্চিত করে। ‘Due process’ এর প্রক্রিয়াগত ন্যায়বিচারের (Procedural Due Process) সঙ্গে পরোক্ষভাবে সম্পর্কিত, কারণ কোনো ব্যক্তিকে বৈষম্যপূর্ণ বা অনিয়মিতভাবে আইনগত সুবিধা থেকে বঞ্চিত করা যাবে না।
 
বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ২৮ ও ২৯:
২৮ অনুচ্ছেদ: “কেবল ধর্ম, গোষ্ঠী, বর্ণ, নারীপুরুষভেদ বা জন্মস্থানের কারণে কোনো নাগরিকের প্রতি রাষ্ট্র বৈষম্য প্রদর্শন করবে না।”
২৯ অনুচ্ছেদ: সরকারি নিয়োগে সকলের জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করে।
- এগুলো মূলত বৈষম্য নিষিদ্ধকরণ ও সুযোগের সমতা সম্পর্কিত। ‘Due process’ এর সরাসরি প্রতিফলন এখানে নেই, তবে রাষ্ট্রের আইন প্রয়োগে বৈষম্য না করার দিক থেকে পরোক্ষভাবে সম্পর্কিত।
 
বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৩১:
“আইনের আশ্রয়লাভ এবং আইনানুযায়ী ও কেবল আইনানুযায়ী ব্যবহারলাভ যে কোনো স্থানে অবস্থানরত প্রত্যেক নাগরিকের এবং সাময়িকভাবে বাংলাদেশে অবস্থানরত অপরাপর ব্যক্তির অবিচ্ছেদ্য অধিকার এবং বিশেষতঃ আইনানুযায়ী ব্যতীত এমন কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাইবে না, যাহাতে কোনো ব্যক্তির জীবন, স্বাধীনতা, দেহ, সুনাম বা সম্পত্তির হানি ঘটে।”
- এটি ‘Due process’ ধারণার নিরাপত্তা ও ন্যায্যতা নিশ্চিতকরণের দিককে প্রতিফলিত করে। আইনানুযায়ী ব্যতীত কোনো ব্যক্তির জীবন, স্বাধীনতা বা সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত করা যাবে না—এটি Due Process এর মূল বিষয়বস্তু।
 
বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৩২:
“আইনানুযায়ী ব্যতীত জীবন ও ব্যক্তিস্বাধীনতা হইতে কোন ব্যক্তিকে বঞ্চিত করা যাইবে না।”
- এটি ‘Due Process of Law’ এর সরাসরি সমতুল্য। আমেরিকার সংবিধানের ৫ম ও ১৪তম সংশোধনীতে উল্লেখিত “No person shall be deprived of life, liberty, or property, without due process of law” ধারণার সাথে সরাসরি মিল।
 
অতএব, বলা যায় যে, 
- ২৭ ও ৩১ অনুচ্ছেদ → আইন অনুযায়ী সমান অধিকার ও ন্যায্য প্রক্রিয়ার মূলনীতি।যা ‘Due process’ এর মূল ধারণার সাথে সম্পর্কিত।
- অনুচ্ছেদ ২৮ ও ২৯ রাষ্ট্রের আইন প্রয়োগে বৈষম্য না করার দিক থেকে পরোক্ষভাবে সম্পর্কিত।
- ৩২ অনুচ্ছেদ → জীবন ও ব্যক্তিস্বাধীনতার সরাসরি সুরক্ষা, ‘Due process’ এর মূল ধারণা। 
- বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আদালত বিভিন্ন রায়ে স্পষ্ট করেছে যে, ২৭, ৩১ এবং ৩২ অনুচ্ছেদ একত্রে ‘Due process’ ধারণার বিভিন্ন দিকের বাস্তবায়ন।
ঘ) সবকটিতেই → সঠিক উত্তর, কারণ ২৭, ৩১ ও ৩২ অনুচ্ছেদ একত্রে ‘Due process’ ধারণার বিভিন্ন দিককে অন্তর্ভুক্ত করে।
সঠিক উত্তর: ঘ) সবকটিতেই।

৩২.
বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট এর বিচারকগণকে অপসারণের সুপারিশকারী কর্তৃপক্ষ -
  1. প্রধানমন্ত্রী
  2. রাষ্ট্রপতি
  3. সুপ্রীম জুডিসিয়াল কাউন্সিল
  4. জাতীয় সংসদ
সঠিক উত্তর:
সুপ্রীম জুডিসিয়াল কাউন্সিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুপ্রীম জুডিসিয়াল কাউন্সিল
ব্যাখ্যা

সুপ্রিম কোর্ট:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের এখতিয়ার বর্ণিত হয়েছে।
- সংবিধানের ৯৪ (১) অনুচ্ছেদে বর্ণিত হয়েছে যে, আপীল বিভাগ এবং হাইকোর্ট বিভাগ নিয়ে বাংলাদেশের জন্য সুপ্রিম কোর্ট গঠিত হবে।
- সুপ্রিম কোর্টের এই দুই বিভাগের পৃথক এখতিয়ার রয়েছে।
- সংবিধান ও সংবিধানের পাশাপাশি দেশের সাধারণ আইন (সংসদ কর্তৃক পাশকৃত আইন) এই এখতিয়ারের উৎস।
- ১৯৭২ সালের ১৮ ডিসেম্বর বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট প্রতিষ্ঠিত করা হয়।

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৯৬ অনুচ্ছেদ অনুসারে (১৬তম সংশোধনী বাতিলের পর), সুপ্রীম কোর্টের বিচারকদের অসদাচরণ বা অসামর্থ্যের কারণে অপসারণের জন্য সুপ্রীম জুডিসিয়াল কাউন্সিল (SJC) তদন্ত করে রাষ্ট্রপতিকে সুপারিশ করে। SJC-এর চেয়ারম্যান প্রধান বিচারপতি এবং অন্যান্য সদস্য আপীল বিভাগের সিনিয়র বিচারক। এই রায় ২০২৪ সালের অক্টোবরে অ্যাপিলেট ডিভিশন কর্তৃক নিশ্চিত হয়েছে, যা বিচারবিভাগের স্বাধীনতা রক্ষার জন্য সংসদের ক্ষমতা বাতিল করে।

অর্থাৎ, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের বিচারকদের অপসারণের সুপারিশ করার জন্য সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিল (Supreme Judicial Council) হলো মূল কর্তৃপক্ষ।
- আপিল বিভাগের এক রায়ের মাধ্যমে এই কাউন্সিলকে পুনরায় বিচারক অপসারণের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।
- এর মাধ্যমে সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনীর মাধ্যমে বিচারপতি অপসারণের যে ক্ষমতা সংসদের হাতে ন্যস্ত করা হয়েছিল, সেটি সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলের হাতে নেওয়া হয়েছে।

৩৩.
'বাংলাদেশ একটি একক, স্বাধীন ও সার্বভৌম প্রজাতন্ত্র' সংবিধানের কোথায় এর উল্লেখ আছে?
  1. প্রস্তাবনায়
  2. অনুচ্ছেদ ১
  3. অনুচ্ছেদ ৭
  4. অনুচ্ছেদ ৪(২)
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের সংবিধান:  
- বাংলাদেশের সংবিধানের ১ নং অনুচ্ছেদে উল্লেখ আছে যে- বাংলাদেশ একটি একক, স্বাধীন ও সার্বভৌম প্রজাতন্ত্র, যাহা “গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ” নামে পরিচিত হইবে৷

অন্যদিকে, 
- সংবিধানের ৭ নং অনুচ্ছেদে উল্লেখ আছে - সংবিধানের প্রাধান্য।
- সংবিধানের ৪(২) নং অনুচ্ছেদে উল্লেখ আছে -  প্রজাতন্ত্রের জাতীয় পতাকা হইতেছে সবুজ ক্ষেত্রের উপর স্থাপিত রক্তবর্ণের একটি ভরাট বৃত্ত।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

৩৪.
রাষ্ট্রপতি প্রণীত অধ্যাদেশ কত দিনের মধ্যে সংসদের মাধ্যমে আইনে পরিণত করা না হলে বিলুপ্ত হয়ে যাবে?
  1. অধ্যাদেশ প্রণয়নের তারিখ হতে ৯০ দিন
  2. প্রথম সংসদ অধিবেশনের ১ম দিন হতে ৩০ দিন
  3. প্রথম সংসদ অধিবেশনে উত্থাপনের তারিখ হতে ৩০ দিন
  4. অধ্যাদেশ প্রণয়নের তারিখ হতে ৬ মাস
সঠিক উত্তর:
প্রথম সংসদ অধিবেশনে উত্থাপনের তারিখ হতে ৩০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রথম সংসদ অধিবেশনে উত্থাপনের তারিখ হতে ৩০ দিন
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৯৩(২) অনুচ্ছেদ অনুসারে: রাষ্ট্রপতি প্রণীত অধ্যাদেশ সংসদের প্রথম অধিবেশনে উপস্থাপিত হতে হবে।
উপস্থাপনের পর ৩০ দিন অতিবাহিত হলে অথবা এর আগেই সংসদ যদি অধ্যাদেশটি অননুমোদনের প্রস্তাব পাস করে, তাহলে অধ্যাদেশটির কার্যকরতা লোপ পাবে।
সুতরাং, সময় গণনা হবে প্রথম সংসদ অধিবেশনে উত্থাপনের তারিখ হতে ৩০ দিন।

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৯৩ অনুচ্ছেদ অধ্যাদেশ প্রণয়ন-ক্ষমতা:
(১) সংসদ ভাঙ্গিয়া যাওয়া অবস্থায় অথবা উহার অধিবেশনকাল ব্যতীত কোন সময়ে রাষ্ট্রপতির নিকট আশু ব্যবস্থাগ্রহণের জন্য প্রয়োজনীয় পরিস্থিতি বিদ্যমান রহিয়াছে বলিয়া সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হইলে তিনি উক্ত পরিস্থিতিতে যেরূপ প্রয়োজনীয় বলিয়া মনে করিবেন, সেইরূপ অধ্যাদেশ প্রণয়ন ও জারী করিতে পারিবেন এবং জারী হইবার সময় হইতে অনুরূপভাবে প্রণীত অধ্যাদেশ সংসদের আইনের ন্যায় ক্ষমতাসম্পন্ন হইবে:
তবে শর্ত থাকে যে, এই দফার অধীন কোন অধ্যাদেশে এমন কোন বিধান করা হইবে না,
(ক) যাহা এই সংবিধানের অধীন সংসদের আইন-দ্বারা আইনসঙ্গতভাবে করা যায় না;
(খ) যাহাতে এই সংবিধানের কোন বিধান পরিবর্তিত বা রহিত হইয়া যায়; অথবা
(গ) যাহার দ্বারা পূর্বে প্রণীত কোন অধ্যাদেশের যে কোন বিধানকে অব্যাহতভাবে বলবৎ করা যায়।
(২) এই অনুচ্ছেদের (১) দফার অধীন প্রণীত কোন অধ্যাদেশ জারী হইবার পর অনুষ্ঠিত সংসদের প্রথম বৈঠকে তাহা উপস্থাপিত হইবে এবং ইতঃপূর্বে বাতিল না হইয়া থাকিলে অধ্যাদেশটি অনুরূপভাবে উপস্থাপনের পর ত্রিশ দিন অতিবাহিত হইলে কিংবা অনুরূপ মেয়াদ উত্তীর্ণ হইবার পূর্বে তাহা অননুমোদন করিয়া সংসদে প্রস্তাব গৃহীত হইলে অধ্যাদেশটির কার্যকরতা লোপ পাইবে।
(৩) সংসদ ভাঙ্গিয়া যাওয়া অবস্থার কোন সময়ে রাষ্ট্রপতির নিকট ব্যবস্থা-গ্রহণের জন্য প্রয়োজনীয় পরিস্থিতি বিদ্যমান রহিয়াছে বলিয়া সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হইলে তিনি এমন অধ্যাদেশ প্রণয়ন ও জারী করিতে পারিবেন, যাহাতে সংবিধান-দ্বারা সংযুক্ত তহবিলের উপর কোন ব্যয় দায়যুক্ত হউক বা না হউক, উক্ত তহবিল হইতে সেইরূপ ব্যয়নির্বাহের কর্তৃত্ব প্রদান করা যাইবে এবং অনুরূপভাবে প্রণীত কোন অধ্যাদেশ জারী হইবার সময় হইতে তাহা সংসদের আইনের ন্যায় ক্ষমতাসম্পন্ন হইবে। 
(৪) এই অনুচ্ছেদের (৩) দফার অধীন জারীকৃত প্রত্যেক অধ্যাদেশ যথাশীঘ্র সংসদে উপস্থাপিত হইবে এবং সংসদ পুনর্গঠিত হইবার তারিখ হইতে ত্রিশ দিনের মধ্যে এই সংবিধানের ৮৭, ৮৯ ও ৯০ অনুচ্ছেদসমূহের বিধানাবলী প্রয়োজনীয় উপযোগীকরণসহ পালিত হইবে।

৩৫.
আদালত ও ট্রাইব্যুনাল সমূহের উপর হাইকোর্ট বিভাগের তত্ত্বাবধান ও নিয়ন্ত্রণ ক্ষমতা প্রয়োগে নিম্নের কোন বিধানটি অতিরিক্ত বলে বিবেচিত?
  1. সংবিধানের ১০৯ অনুচ্ছেদ
  2. দেওয়ানী কার্যবিধির ১১৫ ধারা
  3. সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদ
  4. ফৌজদারী কার্যবিধির ৪৩৯ ধারা
সঠিক উত্তর:
সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা

⇒ আদালত ও ট্রাইব্যুনাল সমূহের উপর হাইকোর্ট বিভাগের তত্ত্বাবধান ও নিয়ন্ত্রণ ক্ষমতা প্রয়োগের ক্ষেত্রে সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদ অতিরিক্ত বলে বিবেচিত হয়। অতএব, সঠিক উত্তর গ) সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদ।

ক) সংবিধানের ১০৯ অনুচ্ছেদ (মূল বিধান):
- এই অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, "হাইকোর্ট বিভাগ দেশের সকল অধস্তন আদালত ও ট্রাইব্যুনালের উপর তত্ত্বাবধান ও নিয়ন্ত্রণ করবে।"
- এটি হাইকোর্টের মৌলিক ও সরাসরি ক্ষমতা প্রদান করে। এই বিধান অধস্তন আদালতের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ, নির্দেশ প্রদান এবং আইনি প্রক্রিয়া নিশ্চিত করার ভিত্তি।
 
খ) দেওয়ানী কার্যবিধির ১১৫ ধারা (প্রয়োগমূলক বিধান):
- এই ধারায় হাইকোর্টকে এই ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে যে, সে যেকোনো অধস্তন আদালতের কাছ থেকে রেকর্ড তলব করতে পারে এবং সেই রেকর্ড পরীক্ষা করে দেখতে পারে যে অধস্তন আদালত আইন অনুযায়ী কাজ করছে কিনা। অর্থাৎ এটি হাইকোর্ট বিভাগকে রিভিশন এর মাধ্যমে তত্ত্বাবধান ক্ষমতা প্রয়োগের একটি প্রক্রিয়াগত পদ্ধতি নির্ধারণ করে।

ঘ) ফৌজদারী কার্যবিধির ৪৩৯ ধারা (নির্দিষ্ট ক্ষমতা):
- এটিও হাইকোর্ট বিভাগের রিভিশন ক্ষমতা, যার মাধ্যমে নিম্ন আদালতের ফৌজদারী মামলার রেকর্ড তলব করে আদেশ সংশোধন বা পরিবর্তন করা যায়। অর্থাৎ এটি ফৌজদারী বিষয়ে হাইকোর্ট বিভাগের রিভিশন ক্ষমতা নির্ধারণ করে।
 
সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদ (অতিরিক্ত বিধান):
- সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদ হাইকোর্ট বিভাগকে রিট জারি করার ক্ষমতা দেয়, যার মাধ্যমে অধস্তন আদালতের এখতিয়ার বহির্ভূত বা বেআইনি কার্যক্রমকে চ্যালেঞ্জ করা যায়। যা নিম্ন আদালতের আদেশের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করার একটি শক্তিশালী মাধ্যম। ১০২ অনুচ্ছেদ একটি সাধারণ এখতিয়ার বিধান, যা তত্ত্বাবধান ও নিয়ন্ত্রণের নির্দিষ্ট ক্ষমতার সাথে সরাসরি সম্পর্কিত নয়।
অর্থাৎ এটি হাইকোর্টের সাধারণ এখতিয়ার নির্ধারণ করে, কিন্তু এটি সরাসরি অধস্তন আদালতের উপর তত্ত্বাবধান ও নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা প্রদান করে না।
অতএব, হাইকোর্টের তত্ত্বাবধান ও নিয়ন্ত্রণ ক্ষমতা প্রয়োগের ক্ষেত্রে এই বিধানটি অপ্রয়োজনীয় বা অতিরিক্ত হিসেবে বিবেচিত হয়।
সঠিক উত্তর: গ) সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদ।

৩৬.
আইন ব্যাখ্যার প্রচলিত পদ্ধতিগুলিকে আক্ষরিক (Gramatical) এবং যুক্তিবাদী (Logical) দুটি ভাগে ভাগ করেছেন বিখ্যাত আইনবিদ-
  1. N.S Bindra
  2. Salmond
  3. Francis Bacon
  4. John Chipman Gray
সঠিক উত্তর:
Salmond
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Salmond
ব্যাখ্যা

⇒ আইন ব্যাখ্যার প্রচলিত পদ্ধতিগুলিকে আক্ষরিক (Grammatical) এবং যুক্তিবাদী (Logical) দুটি ভাগে ভাগ করেছেন বিখ্যাত আইনবিদ খ) Salmond।

স্যালমন্ডের (Salmond) আইন ব্যাখ্যা তত্ত্ব:
স্যার জন স্যালমন্ড (Sir John William Salmond) তার বিখ্যাত গ্রন্থ "Jurisprudence"-এ আইন ব্যাখ্যার পদ্ধতিকে দুটি প্রধান ভাগে বিভক্ত করেছেন:
আক্ষরিক বা ব্যাকরণগত পদ্ধতি (Grammatical Method): এই পদ্ধতিতে আইনের ভাষার শাব্দিক অর্থ, বাক্য গঠন এবং শব্দের অভিধানিক অর্থকে প্রাধান্য দেওয়া হয়। এটি আইনের পাঠ্যকে যথাসম্ভব শাব্দিকভাবে ব্যাখ্যা করে।
যুক্তিবাদী পদ্ধতি (Logical Method): এই পদ্ধতিতে আইনের উদ্দেশ্য, প্রেক্ষাপট, এবং আইন প্রণয়নের পেছনের যুক্তি ও নীতিকে বিবেচনায় নেওয়া হয়। এটি আইনের "আত্মা" বা মূল উদ্দেশ্য বুঝতে চেষ্টা করে।
 
স্যালমন্ডের তত্ত্বের গুরুত্ব:
স্যালমন্ডের মতে, আক্ষরিক ব্যাখ্যা আইনের স্থিতিশীলতা এবং নির্ভরযোগ্যতা নিশ্চিত করে, যেখানে যুক্তিবাদী ব্যাখ্যা আইনের প্রয়োগকে যুক্তিসঙ্গত ও ন্যায়সঙ্গত করে।
তিনি বলেন, আদর্শ আইন ব্যাখ্যায় উভয় পদ্ধতির সমন্বয় প্রয়োজন।

স্যালমন্ডের তত্ত্বের প্রভাব:
- স্যালমন্ডের এই দ্বিবিভাজন আইন ব্যাখ্যার ক্ষেত্রে একটি মৌলিক চিন্তাধারা হিসেবে স্বীকৃত।
- এই তত্ত্ব বিশ্বের বিভিন্ন দেশের আইনবিদ ও বিচারপতিদের দ্বারা গৃহীত হয়েছে।
- বাংলাদেশ ও ভারতের আইনগত ব্যবস্থায়ও এই দ্বিবিভাজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
 
অর্থাৎ আইন ব্যাখ্যার প্রচলিত পদ্ধতিগুলিকে আক্ষরিক (Grammatical) এবং যুক্তিবাদী (Logical) দুটি ভাগে ভাগ করেছেন বিখ্যাত আইনবিদ স্যার জন স্যালমন্ড (Salmond)। তাই সঠিক উত্তর: খ) Salmond।
 
অন্যান্য আইনবিদদের সাথে তুলনা:
N.S Bindra: তিনি ভারতীয় আইন ব্যবস্থায় বিশেষ অবদান রেখেছেন, কিন্তু আইন ব্যাখ্যার পদ্ধতিকে আক্ষরিক ও যুক্তিবাদী দুই ভাগে ভাগ করার জন্য তিনি বিশেষভাবে পরিচিত নন।
Francis Bacon: তিনি আইন ব্যাখ্যার ক্ষেত্রে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতির ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন, কিন্তু এই নির্দিষ্ট দ্বিবিভাজনের জন্য তিনি পরিচিত নন।
John Chipman Gray: তিনি আইনের উৎস এবং বিচারপতিদের ভূমিকা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ করেছেন, কিন্তু এই নির্দিষ্ট দ্বিবিভাজনের জন্য তিনি পরিচিত নন।

জন সালমন্ড (John Salmond) তাঁর Jurisprudence গ্রন্থে আইন ব্যাখ্যার (statutory interpretation) প্রচলিত পদ্ধতিগুলিকে স্পষ্টভাবে গ্রামাটিক্যাল (Grammatical বা আক্ষরিক) এবং লজিক্যাল (Logical বা যুক্তিবাদী) দুটি প্রধান ভাগে বিভক্ত করেছেন। এটি কমন ল (যেমন ইংরেজ এবং ভারতীয় আইন) শিক্ষা ও অনুশীলনে ব্যাপকভাবে গৃহীত, কারণ এই বিভাজন আইনের অক্ষরিক অর্থ এবং উদ্দেশ্যের মধ্যে ভারসাম্য স্থাপন করে। অন্যান্য আইনবিদ যেমন গ্রে (Gray) এই বিভাজন উল্লেখ করলেও, তা স্যাভিগনির (Savigny) ফ্রেমওয়ার্কের অংশ হিসেবে এবং অপ্রচলিত বলে উল্লেখ করেছেন, যা সালমন্ডের মতো স্বতন্ত্র অবদান নয়।
Salmond-On-Jurisprudence বই [লিঙ্ক] lawndlegislation ওয়েবসাইট [লিঙ্ক]

- জন চিপম্যান গ্রে (John Chipman Gray) তাঁর The Nature and Sources of the Law (১৯০৯) গ্রন্থে আইন ব্যাখ্যার (statutory interpretation) পদ্ধতিগুলির উল্লেখ করেছেন, কিন্তু তিনি এগুলিকে স্পষ্টভাবে শুধুমাত্র 'আক্ষরিক (Grammatical)' এবং 'যুক্তিবাদী (Logical)' দুটি প্রধান ভাগে বিভক্ত করেননি। বরং, তিনি জার্মান আইনবিদ ফ্রিডরিখ কার্ল ভন স্যাভিগনির (Friedrich Carl von Savigny) চারটি ভাগের (grammatical, logical, historical, systematic) উল্লেখ করে বলেছেন যে এটি 'generally followed' নয়। এই বিভাজন গ্রে-এর মূল অবদান নয়, যেখানে তিনি বিচারকদের ভূমিকা এবং আইনের সোর্সস (judges' decisions as law) উপর বেশি ফোকাস করেছেন।- জন সালমন্ড (John Salmond) তাঁর Jurisprudence (১৯০২) গ্রন্থে এই দ্বৈত বিভাজনকে স্পষ্টভাবে প্রচলিত পদ্ধতি হিসেবে উপস্থাপন করেছেন, যা কমন ল-এর ঐতিহ্যে (যেমন ইংল্যান্ড এবং ভারত) ব্যাপকভাবে গৃহীত। গ্রে-এর ক্ষেত্রে এটি secondary reference মাত্র, এবং তাঁর ফোকাস US legal formalism-এ।
The Nature and Sources of the Law  বই এর [ লিঙ্ক ]

৩৭.
সংসদের কোন আইনের দ্বারা বা কর্তৃত্ব ব্যতীত কোন কর আরোপ বা সংগ্রহ করা যাইবে না'- সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে?
  1. ৮৫
  2. ৮১
  3. ৮৩
  4. ৮০
সঠিক উত্তর:
৮৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮৩
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৮৩ অনুচ্ছেদের বিধান: সংসদের আইন ব্যতীত করারোপে বাধা:
- সংসদের কোন আইনের দ্বারা বা কর্তৃত্ব ব্যতীত কোন কর আরোপ বা সংগ্রহ করা যাইবে না।

⇒ Article 83. No taxation except by or under Act of Parliament:
- No tax shall be levied or collected except by or under the authority of an Act of Parliament.

অন্যদিকে,
- ৮০ নং অনুচ্ছেদ: আইনপ্রণয়ন-পদ্ধতি। 
- ৮১ নং অনুচ্ছেদ: অর্থবিল। 
- ৮৫ নং অনুচ্ছেদ:  সরকারী অর্থের নিয়ন্ত্রণ।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

৩৮.
Envy is the ulcer of the soul'- the figure of speech that lies here is-
  1. Simple
  2. Metaphor
  3. Personification
  4. Hyperbole
সঠিক উত্তর:
Metaphor
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Metaphor
ব্যাখ্যা

"Envy is the ulcer of the soul" - এখানে যে অলংকার ব্যবহৃত হয়েছে তা হলো খ) Metaphor.
- Envy কে সরাসরি ulcer বলা হয়েছে।
- এর মাধ্যমে বোঝানো হচ্ছে যে, ঈর্ষা আত্মার (soul) যতটা ক্ষতি করে, ঠিক ততটাই ক্ষতি করে যতটা একটি আলসার শরীরের ক্ষতি করে।

• Metaphor:
- A metaphor is an implicit comparison between two different things.
- যখন কোনো বাক্যে দুটি ভিন্ন বা বিজাতীয় জিনিসের মাঝে পরোক্ষভাবে বা রূপকার্থে তুলনা করা হয় তাকে বলা হয় Metaphor.
- সাধারণত Metaphor দ্বারা এমন দুইটি জিনিসের মধ্যে তুলনা দেওয়া হয় যারা একই রকম বা সদৃশ নয় কিন্তু তাদের মধ্যে কিছু সাধারণ মিল থাকে।

• Metaphor এর আরো কিছু উদাহরণ হলো - 
- Life is but a walking shadow.
- "She's all states, and all princes, I"
- "Revenge is a wild justice.
- All the world's a stage, And all the men and women merely players.

Other option,
ক) Simple: প্রশ্নে simile এর পরিবর্তে Simple দেওয়া হয়েছে। 
- Simile:
- A simile is an explicit comparison between two different things.
- Usually as and like are used in it.
- In simile the resemblance is explicitly indicated by the words.
- দুটি ভিন্নধর্মী জিনিসের মধ্যে As ও Like দ্বারা তুলনা বোঝালে তাকে Simile বলে।
- উপমেয়ের সাথে উপমানের সাদৃশ্য কল্পনা করা।
- যেমন: She is as innocent as a lamb.

গ) Personification:
- A figure of speech in which lifeless objects or ideas are given imaginary life.
- অর্থাৎ নির্জীব বা জড় বস্তুকে ব্যক্তিরূপে প্রয়োগ করার কৌশল।
- Personification এর মাধ্যমে কোন জড় বস্তুকে কাল্পনিক জীবন দান করে সেগুলোকে উপমা হিসাবে লেখায় ব্যবহার করা হয়।

Examples:
"There lies the port: the vessel puffs her sail: (Tennyson: "Ulysses").
- The vessel has been used as a living being.

ঘ) Hyperbole
- An exaggerated statement or an extreme overstatement.
- অতিশয়োক্তি; অত্যুক্তি; অতিরঞ্জন।
- কমেডিতে ইচ্ছাকৃতভাবে অতিরঞ্জিত ভাব প্রকাশের জন্য Hyperbole ব্যবহৃত হয়। 
- Love poetry তে প্রিয়জনের প্রতি তীব্র প্রশংসা জানাতে Hyperbole ব্যবহৃত হয়। 
- Hyperbole হাসির উদ্রেক অথবা কঠিন সমালোচনা প্রকাশ করতে পারে।

Source:  An ABC of English Literature - Dr. M Mofizar Rahman.

৩৯.
"Blessed are they who maintain justice." Here 'who' is a/an-
  1. Interrogative adjective
  2. Interrogative pronoun
  3. Coordinating conjunction
  4. Relative pronoun
সঠিক উত্তর:
Relative pronoun
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Relative pronoun
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: ঘ) Relative pronoun.

Blessed are they who maintain justice.
- এখানে who শব্দটি “they” কে বিস্তারিতভাবে বর্ণনা করছে।
- যেহেতু এটি পূর্ববর্তী noun (“they”) এর সাথে সম্পর্ক স্থাপন করছে এবং তার সম্পর্কে অতিরিক্ত তথ্য দিচ্ছে, তাই এটি Relative pronoun.

Relative pronoun:
- যে pronoun পূর্বে উল্লেখিত কোন Noun বা Pronoun কে নির্দেশ পূর্বক দুটি বাক্যকে যুক্ত করে তাকে Relative Pronoun বলে। 
 - Who, which, that, what - এগুলো Relative Pronoun রূপে ব্যবহৃত হয়। 

• Pronoun ৮ প্রকার। যথা-
1. Personal Pronoun (I, we, me, it)
2. Demonstrative Pronoun (this, that)
3. Interrogative Pronoun (what, who)
4. Relative Pronoun (what, who, that)
5. Indefinite Pronoun (one, some, any, all, many)
6. Distributive Pronoun (each, every)
7. Reflexive Pronoun (myself, themselves)
8. Reciprocal Pronoun (each other, one another)

৪০.
Which of the following is correctly spelt?
  1. Connoisseur
  2. Ubiquitus
  3. Rendezvos
  4. Evanecent
সঠিক উত্তর:
Connoisseur
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Connoisseur
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: ক) Connoisseur.

• Connoisseur (noun)
English Meaning: A person who has expert knowledge of something, especially an art, food, or drink, and is qualified to judge and appreciate its quality.
Bangla Meaning: প্রধানত চারুকলা (আর্ট) বিষয়ে রসজ্ঞ; পণ্ডিত বিচারক; সমঝদার: a connoisseur of painting/wine.

অন্য অপশন গুলোর সঠিক বানান ও অর্থ - 

খ) Ubiquitous (adjective)
English Meaning: Something that is present, found, or existing everywhere or in many places at the same time.
Bangla Meaning: সর্বব্যাপী; সর্বত্র বিদ্যমান।

গ) Rendezvous (noun)
English Meaning: A meeting at an agreed time and place, typically between two people.
Bangla Meaning: একটি সম্মত সময়ে পরস্পর সাক্ষাৎ এবং ঐরূপ সাক্ষাতের স্থান; সংকেতস্থান।

ঘ) Evanescent: [adjective]
English meaning: lasting for only a short time, then disappearing quickly and being forgotten.
Bangla meaning: বিলীয়মান; ক্ষণস্থায়ী, বিস্মৃতিপ্রবণ।

Source: Accessible Dictionary.

৪১.
Choose the correct word/words to complete the sentence: "I will drink life to the _____.''
  1. little
  2. lees
  3. least
  4. less
সঠিক উত্তর:
lees
উত্তর
সঠিক উত্তর:
lees
ব্যাখ্যা

Complete sentence: I will drink life to the lees.

এটি Alfred, Lord Tennyson এর বিখ্যাত কবিতা "Ulysses" এর একটি লাইন। 

It little profits that an idle king,
By this still hearth, among these barren crags,
Match'd with an aged wife, I mete and dole
Unequal laws unto a savage race,
That hoard, and sleep, and feed, and know not me.
I cannot rest from travel: I will drink
Life to the lees: All times I have enjoy'd.....

এটি Ulysses কবিতাটির একটি অংশ।

--------- Ulysses by Alfred, Lord Tennyson.

• Ulysses (Poem)
- The poem is written in blank verse.
- কবিতাটি ১৮৩৩ সালে লেখা এবং was  published in the two-volume collection Poems (1842).
- হোমারের কাব্য Iliad থেকে অনুপ্রাণিত।
- এটি মূলত: একটি Dramatic Monologue.

• Famous quotes from this poem,
- Made weak by time and fate, but strong in will to strive to seek, to find, and not to yield
- I will never rest from travels, I will drink life to the lees.

• Lord Alfred Tennyson: (1809-1892)
- Alfred Tennyson হলেন Victorian Period এর অন্যতম কবি যাকে এই যুগের Chief Representative হিসাবে ধরা হয়।
- তিনি ১৮৫০ সালে ইংল্যান্ডের Poet Laureate নিযুক্ত হোন। 
- তিনি তাঁর Melodious language এর জন্য অনেক প্রসিদ্ধ এবং তাঁকে Lyric Poet বলা হয়ে থাকে।.
- Tennyson এর "In Memoriam" এই elegy বা শোকগাথাঁ টি তাঁর অত্যন্ত কাছের বন্ধু Arthur Henry Hallam এর মৃত্যু শোকে রচনা করেছিলেন।

• His Famous Poems:
- Oenone,
- Ulysses,
- The Lotos-Eaters,
- Locksley Hall,
- In Memoriam,
- Morte D'Arthur,
- The Princess,
- The Two Voices,
- The Lady of the Shalott, etc.

• উল্লেখ্য যে, "Ulysses" নামক উপন্যাসটি আইরিশ লেখক James Joyce লিখেছেন।

Source: Britannica.

৪২.
Which one of the following is the correct sentence?
  1. Why they went there yesterday?
  2. Why had they gone there yesterday?
  3. Why did they go there yesterday?
  4. Why did they went there yesterday?
সঠিক উত্তর:
Why did they go there yesterday?
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Why did they go there yesterday?
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: গ) Why did they go there yesterday?

• বাক্যের শেষে 'yesterday' থাকায় Past Indefinite Tense নির্দেশ করে। 
- Yesterday, ago, long ago, long since, last, last night, last week, last month, last year, the day before yesterday, as soon as ইত্যাদি শব্দগুচ্ছ Past Indefinite Tense নির্দেশক শব্দ অর্থ এরা যদি কোনো বাক্যে থাকে তবে সেই বাক্যটি past indefinite tense এ হয়।
- আবার, Past Indefinite Tense যদি interrogative হয় তবে structure হবে: Wh-questions + did + V1 + extension +? 

Options,
ক) Why they went there yesterday?
- ভুল – প্রশ্ন বাক্যে “did” ব্যবহার না করলে word order ঠিক থাকে না।

খ) Why had they gone there yesterday?
- ভুল – “had gone” হলো past perfect, যা সাধারণভাবে “yesterday” এর সাথে ব্যবহার হয় না।

গ) Why did they go there yesterday?
-  সঠিক – এটি হলো simple past tense question, “did + base verb” ব্যবহার করে প্রশ্ন করা হয়েছে।

ঘ) Why did they went there yesterday?
-  ভুল – “did” ব্যবহার করলে verb base form থাকতে হবে, “went” নয়।

৪৩.
Find the correct sentence:
  1. The Taj Mahal is one of the wonder of the world.
  2. Sahara is in Africa.
  3. Bay of Bengal lies to the south of Bangladesh.
  4. The Ganges flows down from the Himalayas.
সঠিক উত্তর:
The Ganges flows down from the Himalayas.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The Ganges flows down from the Himalayas.
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: ঘ) The Ganges flows down from the Himalayas.
- নদীর নাম "The Ganges" - সঠিকভাবে "the" ব্যবহার করা হয়েছে
- পর্বতমালার নাম "the Himalayas" - সঠিকভাবে "the" ব্যবহার করা হয়েছে
- ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ শুদ্ধ।

• নদীর নামের আগে Article The হয়।
- Example: The Padma.

• সাধারণত পর্বতমালার নামের পূর্বে article হিসাবে the বসে।
- Example: The Himalayas, The Bindhays.

Options,

ক) The Taj Mahal is one of the wonder of the world.
- ভুল: "wonder" এর পরিবর্তে "wonders" হবে।
- "One of the" এর পরে সবসময় plural noun ব্যবহার হয়।

খ) Sahara is in Africa.
- ভুল: "Sahara" এর আগে "the" article লাগবে।
- নির্দিষ্ট মরুভূমির নামের আগে 'The' বসে।

গ) Bay of Bengal lies to the south of Bangladesh. 
- ভুল: "Bay of Bengal" এর আগে "the" article লাগবে।
- সাগর, মহাসাগর, নদীর নামের আগে article ব্যবহৃত হয়।

৪৪.
The phrase 'to break the internet' means to-
  1. generate something that goes viral with massive amount of online discussion
  2. speak against the abuses of internet
  3. use internet with restrictions and rules
  4. prevent negative online viral issues
সঠিক উত্তর:
generate something that goes viral with massive amount of online discussion
উত্তর
সঠিক উত্তর:
generate something that goes viral with massive amount of online discussion
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: ক) generate something that goes viral with massive amount of online discussion.

break the internet:
English meaning: to post (= publish) something on the internet that causes a very large amount of interest, shock, or excitement, with a large number of people sharing or reacting to what you have posted.
Bangla meaning: ইন্টারনেটে ধুম ধাম সৃষ্টি করা বা যেমন কিছু অত্যন্ত ভাইরাল হয়ে যায় যে ইন্টারনেটে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়।

Example: 
- Remember when that photo of Kim Kardashian broke the internet?
- This cute kid basically broke the internet, with his video getting almost a billion views.

Source: Cambridge Dictionary.

৪৫.
The idiom 'on cloud nine' means
  1. extremely happy
  2. extremely sorry
  3. extremely dissatisfied
  4. most unlucky
সঠিক উত্তর:
extremely happy
উত্তর
সঠিক উত্তর:
extremely happy
ব্যাখ্যা

Answer - extremely happy.

• On cloud nine:
English meaning: to be extremely happy and excited.
Bangla meaning: কোন কিছু নিয়ে অত্যন্ত খুশি এবং উত্তেজিত হওয়া।

Example: "Was Helen pleased about getting that job?" "Pleased? She was on cloud nine!"

Source: Cambridge Dictionary.

৪৬.
'Charity begins at home and justice next door'- who wrote this?
  1. John Milton
  2. Christopher Marlowe
  3. Charles Dickens
  4. William Shakespeare
সঠিক উত্তর:
Charles Dickens
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Charles Dickens
ব্যাখ্যা

"Charity begins at home and justice begins next door" - এই উক্তিটি লিখেছেন বিখ্যাত ঔপন্যাসিক Charles Dickens.
- এই উক্তিটি চার্লস ডিকেন্সের বিখ্যাত উপন্যাস "Martin Chuzzlewit" থেকে নেওয়া হয়েছে

Martin Chuzzlewit:
- এটি রচনা করেন Charles Dickens.
- এটি একটি novel.
- It was published serially under the pseudonym “Boz” from 1843 to 1844 and in book form in 1844.

• Charles Dickens:
- তিনি একজন ব্রিটিশ novelist.
- Charles Dickens -এর ছদ্মনাম ছিল Boz.
- He was considered the greatest novelist of the Victorian era.

• Best Works:
- A Christmas Carol,
- David Copperfield,
- Bleak House.
- A Tale of Two Cities,
- Great Expectations,
- Our Mutual Friend,
- Hard Times, etc.

Source: Britannica.

৪৭.
In linguistics, semantics refers to-
  1. the study of meaning in language
  2. the study of sentence formation
  3. the study of human speech sounds
  4. the study of word formation
সঠিক উত্তর:
the study of meaning in language
উত্তর
সঠিক উত্তর:
the study of meaning in language
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: ক) the study of meaning in language.

Semantics হলো ভাষাবিজ্ঞানের একটি শাখা যা ভাষার অর্থ নিয়ে আলোচনা করে।

Semantics:
English meaning: the study of meanings in a language.
Bangla meaninng: singular verb -সহ) শব্দ ও বাক্যের অর্থঘটিত বিজ্ঞান; বাগর্থবিজ্ঞান; শব্দার্থবিজ্ঞান।

অন্যান্য বিকল্প:

- the study of sentence formation – Syntax.
- the study of human speech sounds – Phonetics/Phonology.
- the study of word formation – Morphology.

Source: Cambridge Dictionary.

৪৮.
লিগ্যাল এইড অফিসার কর্তৃক মিমাংসা সভা অনুষ্ঠানের ক্ষেত্রে জারিকারক নোটিশ গ্রহণের কতদিনের মধ্যে পক্ষগণের ঠিকানায় জারির ব্যবস্থা করবেন?
  1. অনধিক ১৫ দিন
  2. অনধিক ৭ দিন
  3. অনধিক ১০ দিন
  4. অনধিক ২১ দিন
সঠিক উত্তর:
অনধিক ৭ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনধিক ৭ দিন
ব্যাখ্যা

⇒ লিগ্যাল এইড অফিসার কর্তৃক মিমাংসা সভা অনুষ্ঠানের ক্ষেত্রে জারিকারক নোটিশ গ্রহণের খ) অনধিক ৭ দিন-এর মধ্যে পক্ষগণের ঠিকানায় জারির ব্যবস্থা করবেন। 
- জাতীয় আইনগত সহায়তা প্রদান সংস্থার বিধিমালা, ২০১৫ অনুযায়ী, লিগ্যাল এইড অফিসার কর্তৃক প্রেরিত নোটিশ জারির জন্য জারিকারক নোটিশ প্রাপ্তির অনধিক সাত দিনের মধ্যে তা পক্ষগণের নিকট জারির ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।

⇒ আইনগত সহায়তা প্রদান (আইনী পরামর্শ ও বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি) বিধিমালা, ২০১৫  বিধি- ৬: পক্ষগণের প্রতি নোটিশ।
(১) লিগ্যাল এইড অফিসার, মিমাংসা সভায় হাজির হইবার জন্য, পক্ষগণ বরাবর ফরম-২(ক) মোতাবেক নোটিশ প্রেরণ করিবেন।
(২) পক্ষগণের ঠিকানা নোটিশে উল্লেখপূর্বক লিগ্যাল এইড অফিসের অফিস সহকারী এতদ্‌সংশ্লিষ্ট রেজিস্টারে লিপিবদ্ধ করতঃ উক্ত নোটিশ জারীকারক বরাবর হস্তান্তর করিবেন।
(৩) জারীকারক, নোটিশ গ্রহণের তারিখ হইতে অনধিক ৭ (সাত) দিনের মধ্যে, পক্ষগণের ঠিকানায় নোটিশ জারীর ব্যবস্থা করিবেন।
(৪) উপ-বিধি (২) এ উল্লিখিত জারীকারক নিয়োগ না হওয়া অবধি জেলাজজ আদালত বা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের নেজারত শাখা উহার জারীকারক দ্বারা জারীকার্য সম্পাদনে লিগ্যাল এইড অফিসকে প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করিবে:
তবে শর্ত থাকে যে, জেলাজজ আদালত বা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের মাধ্যমে নোটিশ জারীর ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট লিগ্যাল এইড অফিসকে এতদসংক্রান্ত ব্যয়ভার বহন করিতে হইবে।

৪৯.
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর অধীন প্রতিরোধমূলক তল্লাশি কার্যক্রম পরিচালনার কত ঘন্টার মধ্যে তল্লাশির কারণ ও ফলাফল সম্বলিত বিবরণ প্রতিবেদন প্রস্তুত করতে হয়?
  1. ৪৫ ঘন্টা
  2. ৭২ ঘন্টা
  3. ৬০ ঘন্টা
  4. ১২ ঘন্টা
সঠিক উত্তর:
৭২ ঘন্টা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭২ ঘন্টা
ব্যাখ্যা

⇒ মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর ধারা ২০(৪) অনুসারে: "তল্লাশী সম্পাদনের ৭২ (বাহাত্তর) ঘন্টার মধ্যে তল্লাশী কার্যে নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তা তল্লাশীর কারণ এবং ফলাফলের বিবরণ সম্বলিত প্রতিবেদন তৈরী করিবেন..."
অর্থাৎ, প্রতিরোধমূলক তল্লাশি কার্যক্রম শেষ হওয়ার পর ৭২ ঘন্টার (৩ দিনের) মধ্যে তল্লাশির কারণ ও ফলাফল সম্বলিত বিবরণ প্রতিবেদন প্রস্তুত করতে হয়।

⇒ মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর ধারা ২০: প্রতিরোধমূলক তল্লাশী এবং আটক:
(১) কোন মানব পাচার অপরাধ প্রতিরোধকল্পে, উপ-পরিদর্শকের নিম্ন পদমর্যাদার নহেন, এমন কোন পুলিশ কর্মকর্তা তাহার ঊর্ধ্বতন নিয়ন্ত্রণকারী কর্মকর্তার অনুমোদন সাপেক্ষে বা নির্দেশে এই আইনের অধীন প্রতিরোধমূলক তল্লাশী করিবার, যে কোন আঙ্গিনায় প্রবেশ করিবার এবং এই আইনের অধীন কোন অপরাধ সংঘটনে ব্যবহৃত হইবার সম্ভাবনা রহিয়াছে এমন সরঞ্জামাদি বা তথ্য-প্রমাণ বা দলিল আটক করিবার ক্ষমতাপ্রাপ্ত হইবেন।
(২) কোন ব্যক্তির সহিত অথবা কোন স্থানে এই আইনের অধীন অপরাধ সংঘটনের উপযোগী সরঞ্জাম বা উপাদান উপস্থিত আছে এবং তল্লাশী পরোয়ানা সংগ্রহে বিলম্বের কারণে অপরাধটি প্রকৃতই সংঘটিত হইবার বা কোন সাক্ষ্য প্রমাণ নষ্ট হইবার যুক্তিসঙ্গত কারণ বিদ্যমান থাকিলে উপ-ধারা (১) এর অধীন বিনা পরোয়ানায় তল্লাশী করা যাইবে এবং তল্লাশী চালাইবার পূর্বে তল্লাশীর জন্য প্রস্ত্তত অফিসার যেই স্থানে তল্লাশী চালাইবেন উক্ত স্থানটি যেই এলাকায় অবস্থিত সেই এলাকার দুই বা ততোধিক সম্মানিত অধিবাসীকে তল্লাশীতে হাজির থাকিতে ও উহার সাক্ষী হইতে আহবান জানাইবেন এবং উক্ত সাক্ষীদের উপস্থিতিতে তল্লাশী চালাইতে হইবে এবং উক্ত অফিসার তল্লাশীর সময় জব্দকৃত সমস্ত সামগ্রী এবং যেই সকল স্থানে উক্ত সামগ্রীসমূহ পাওয়া গিয়াছে তাহাদের একটি তালিকা প্রস্ত্তত করিবেন এবং উহাতে সাক্ষীগণের স্বাক্ষর গ্রহণ করিবেন।
(৩) ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ১০৩ এর বিধানের আলোকে এবং যেই ব্যক্তির শরীর বা সম্পত্তিতে তল্লাশী চালানো হইবে তাহার মানবাধিকার ও মানবিক মর্যাদার প্রতি যথোপযুক্ত সম্মান প্রদর্শনপূর্বক উপ-ধারা (১) এর অধীন তল্লাশী সম্পাদন করিতে হইবে এবং, বিশেষতঃ, কোন নারীর বিরুদ্ধে তল্লাশী পরিচালনা করা হইলে তল্লাশী দলের সহিত অবশ্যই একজন নারী কর্মকর্তা বা নারী প্রবেশন কর্মকর্তা থাকিবেন।
(৪) তল্লাশী সম্পাদনের ৭২ (বাহাত্তর) ঘন্টার মধ্যে তল্লাশী কার্যে নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তা তল্লাশীর কারণ এবং ফলাফলের বিবরণ সম্বলিত প্রতিবেদন তৈরী করিবেন এবং তাহার অনুলিপি ইলেকট্রনিক বা অন্য কোনো উপায়ে সংশ্লিষ্ট ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট এবং একই সাথে সংশ্লিষ্ট অপরাধের বিচারের এখতিয়ারসম্পন্ন ট্রাইব্যুনালে প্রেরণ করিবে, যাহা ট্রাইব্যুনালের হেফাজতে রক্ষিত থাকিবে এবং উক্ত কর্মকর্তার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং যাহার বিরুদ্ধে তল্লাশী পরিচালিত হইয়াছে তাহাকে প্রতিবেদনের একটি করিয়া অনুলিপি প্রদান করিতে হইবে।

৫০.
আদালত কর্তৃক একজন সরকারী কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন আইন, ২০০৪ এর অধীন অপরাধ বিচারার্থে আমলে গ্রহণের ক্ষেত্রে-
  1. শুধুমাত্র দুর্নীতি দমন কমিশনের অনুমোদন আবশ্যক হবে
  2. শুধুমাত্র সরকারের অনুমোদন আবশ্যক হবে
  3. কমিশন ও সরকার উভয়ের অনুমোদন আবশ্যক হবে
  4. কোনো অনুমোদনেরই আবশ্যকতা নেই
সঠিক উত্তর:
কমিশন ও সরকার উভয়ের অনুমোদন আবশ্যক হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কমিশন ও সরকার উভয়ের অনুমোদন আবশ্যক হবে
ব্যাখ্যা

⇒ দুর্নীতি দমন আইন, ২০০৪ এর অধীনে একজন সরকারী কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অপরাধ বিচারার্থে আমলে গ্রহণের ক্ষেত্রে কমিশন ও সরকার উভয়ের অনুমোদন আবশ্যক হবে। অর্থাৎ, সঠিক উত্তর গ)।

১. দুর্নীতি দমন কমিশনের অনুমোদন (ধারা ৩২(১)):

"ফৌজদারী কার্যবিধি বা আপাততঃ বলবৎ অন্য কোন আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, নির্ধারিত পদ্ধতিতে কমিশনের অনুমোদন (Sanction) ব্যতিরেকে কোন আদালত এই আইনের অধীন কোন অপরাধ বিচারার্থ আমলে (Cognizance) গ্রহণ করিবে না।"
-অর্থাৎ এই ধারা সকল ব্যক্তির ক্ষেত্রেই (সরকারি কর্মকর্তা সহ) দুর্নীতি দমন কমিশনের অনুমোদন বাধ্যতামূলক করে। এটি একটি সর্বজনীন শর্ত।

২. সরকারের অনুমোদন (ধারা ৩২ক ও ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ১৯৭):

- ধারা ৩২ক: "ধারা ৩২ এর বিধান সাপেক্ষে, এই আইনের অধীন জজ, ম্যাজিস্ট্রেট বা সরকারি কর্মচারীর বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের ক্ষেত্রে ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ১৯৭ এর বিধান আবশ্যিকভাবে প্রতিপালন করিতে হইবে।"
- ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ১৯৭(১): "যখন কোনো ব্যক্তি যিনি দণ্ডবিধির ধারা ১৯ এর অর্থে একজন বিচারক, অথবা যখন কোনো ম্যাজিস্ট্রেট, অথবা যখন কোনো সরকারি কর্মচারী যাকে সরকারের অনুমোদন ব্যতিরেকে তার পদ থেকে অপসারণ করা যায় না, তার বিরুদ্ধে কোনো অপরাধের অভিযোগ আনা হয় যা তিনি তার দায়িত্ব পালনকালে বা দায়িত্ব পালনেরত থাকাকালে কথিত সময় সংঘটিত বলে অভিযোগ করা হয়, তখন কোনো আদালত সরকারের পূর্ব অনুমোদন ব্যতিরেকে এই ধরনের অপরাধের আমল গ্রহণ করবে না।"

- অর্থাৎ এই দুটি বিধান অনুযায়ী, শুধুমাত্র সরকারি কর্মচারীদের ক্ষেত্রে সরকারের অনুমোদন অতিরিক্তভাবে প্রয়োজন। ধারা ৩২ক ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ১৯৭ কে দুর্নীতি দমন আইনের অধীনে বাধ্যতামূলক করে।
 
উভয় অনুমোদনের সমন্বয় (ধারা ৩২(২)):
"এই আইনের অধীন মামলা দায়েরের ক্ষেত্রে কমিশন এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে, সরকার ও কমিশন কর্তৃক প্রদত্ত অনুমোদনপত্রের কপি মামলা দায়েরের সময় আদালতে দাখিল করিতে হইবে।"
অর্থাৎ "প্রযোজ্য ক্ষেত্রে" শব্দবন্ধটি সরকারি কর্মকর্তাদের ক্ষেত্রে সরকারের অনুমোদনের প্রয়োজনীয়তা নির্দেশ করে। এটি উভয় অনুমোদনের সমন্বয় নিশ্চিত করে।

অতএব, বলা যায় যে,
সরকারি কর্মকর্তাদের জন্য দ্বৈত শর্ত:ধারা ৩২(১): সকল অভিযুক্তের জন্য কমিশনের অনুমোদন আবশ্যক।
ধারা ৩২ক + ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ১৯৭(১): সরকারি কর্মচারীদের জন্য সরকারের অনুমোদন অতিরিক্তভাবে আবশ্যক।
অতএব, একজন সরকারি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা আমলে নিতে হলে কমিশন ও সরকার উভয়ের লিখিত অনুমোদন আদালতে দাখিল করতে হবে।

সুতরাং, দুর্নীতি দমন আইনের অধীন সরকারি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা আমলে নেওয়ার ক্ষেত্রে উভয় অনুমোদন প্রয়োজন: 
১) দুর্নীতি দমন কমিশনের অনুমোদন (ধারা ৩২ অনুযায়ী)
২) সরকারের অনুমোদন (ধারা ৩২ক ও ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ১৯৭ অনুযায়ী)
সঠিক উত্তর: গ) কমিশন ও সরকার উভয়ের অনুমোদন আবশ্যক হবে।

৫১.
মাদকদ্রব্যের রাসায়নিক গঠনের অনুরুপ গঠন বিশিষ্ট বস্তু না হওয়া সত্ত্বেও মাদকের ন্যায় আসক্তি সৃষ্টিকারী মনোদৈহিক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টিতে কার্যকর বস্তুকে কী বলে?
  1. অ্যাগনিস্ট (Agonist)
  2. অ্যালকালয়েড (Alkaloid)
  3. অ্যালকোহল (Alcohol)
  4. অ্যানালগ (Analogue)
সঠিক উত্তর:
অ্যাগনিস্ট (Agonist)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যাগনিস্ট (Agonist)
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ধারা ২(২)-এ 'অ্যাগনিস্ট (Agonist)'-কে সুনির্দিষ্টভাবে এভাবে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে: এইরূপ কোনো বস্তু যাহা তপশিলে উল্লিখিত কোনো মাদকদ্রব্যের রাসায়নিক গঠনের অনুরূপ গঠনবিশিষ্ট বস্তু না হওয়া সত্ত্বেও আসক্তি সৃষ্টিকারী মনোদৈহিক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টিতে উক্ত বস্তুর মতো একইভাবে কার্যকর। এটি মাদকের ফার্মাকোলজিক্যাল (pharmacological) প্রভাবের অনুরূপ কিন্তু স্ট্রাকচারাল (structural) সাদৃশ্য ছাড়া।

অন্যান্য অপশনের ব্যাখ্যা:
খ) অ্যালকালয়েড (Alkaloid): (৪)‘অ্যালকালয়েড (Alkaloid)’ অর্থ তপশিলের উল্লিখিত কোনো বস্তু বা মাদকদ্রব্য হইতে রাসায়নিক বিশ্লেষণের মাধ্যমে প্রাপ্ত কোনো বস্তু যাহার আসক্তি সৃষ্টিকারী মনোদৈহিক প্রতিক্রিয়া মূল মাদকদ্রব্য বা মাদকজাতীয় বস্তুটির অনুরূপ;
গ) অ্যালকোহল (Alcohol): (৫) ‘অ্যালকোহল (Alcohol)’ অর্থ 1[হাইড্রোকার্বনজাত হাইড্রোক্সিল (OH-] মূলকসম্বলিত কোনো জৈব যৌগ অথবা তপশিলের ‘খ’ শ্রেণির মাদকদ্রব্যের ক্রমিক নং ৩ এবং ‘গ’ শ্রেণির মাদকদ্রব্যের ক্রমিক নং ১ ও ২ এ উল্লিখিত কোনো তরল পদার্থ;।
ঘ) অ্যানালগ (Analogue): (৩) ‘অ্যানালগ (Analogue)’ অর্থ তপশিলের অন্তর্ভুক্ত হয় নাই এইরূপ বস্তু, যাহার রাসায়নিক সংগঠন তপশিলের অন্তর্গত কোনো মাদকের রাসায়নিক সংগঠনের অনুরূপ এবং যাহার আসক্তি সৃষ্টিকারী মনোদৈহিক কার্যক্রম একই রকম। 

অর্থাৎ মাদকদ্রব্যের রাসায়নিক গঠনের অনুরূপ না হওয়া সত্ত্বেও মাদকের ন্যায় আসক্তি সৃষ্টিকারী মনোদৈহিক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টিতে কার্যকর বস্তু বলতে অ্যাগনিস্ট (Agonist) বোঝায়। সুতরাং সঠিক উত্তর ক)।

৫২.
মাদক দ্রব্য সংক্রান্ত অপরাধের সাথে নিম্নের কোন আইনের অপরাধ জড়িত?
  1. মানি লন্ডারিং আইন, ২০১২
  2. এসিড অপরাধ দমন আইন, ২০০২
  3. ফরমালিন নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৫
  4. উপরের কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
মানি লন্ডারিং আইন, ২০১২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মানি লন্ডারিং আইন, ২০১২
ব্যাখ্যা

⇒ মাদক দ্রব্য সংক্রান্ত অপরাধের সাথে মানি লন্ডারিং আইন, ২০১২-এর অপরাধ সরাসরি জড়িত। অতএব, সঠিক উত্তর ক)।

মানি লন্ডারিং আইন, ২০১২ এবং মাদক অপরাধের সম্পর্ক:
- মানি লন্ডারিং হলো অবৈধ উপায়ে অর্জিত অর্থকে বৈধ আয় হিসেবে প্রদর্শনের প্রক্রিয়া।
- মাদক অপরাধ (যেমন মাদক পাচার, বিক্রি, উৎপাদন) থেকে প্রাপ্ত অর্থ সাধারণত অবৈধ এবং এই অর্থকে বৈধ করার জন্য মানি লন্ডারিং করা হয়।
- মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২-এর ধারা ৪(২) অনুযায়ী, মাদক দ্রব্য পাচার একটি "পূর্বশর্ত অপরাধ" (Predicate Offence) হিসেবে স্বীকৃত। অর্থাৎ, মাদক পাচারের মাধ্যমে অর্জিত অর্থ পাচার করা মানি লন্ডারিং আইনের অধীনে দণ্ডনীয় অপরাধ।

উদাহরণস্বরূপ, কোনো ব্যক্তি মাদক বিক্রি করে অর্জিত অর্থ ব্যাংকে জমা রেখে বা সম্পত্তি ক্রয় করে তা বৈধ করলে, তা মানি লন্ডারিং আইনের অধীনে শাস্তিযোগ্য।

আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপট: জাতিসংঘের মাদকদ্রব্য ও অপরাধ বিষয়ক কার্যালয় (UNODC) এবং ফাইন্যান্সিয়াল অ্যাকশন টাস্ক ফোর্স (FATF) মাদক অপরাধকে মানি লন্ডারিংয়ের অন্যতম প্রধান উৎস হিসেবে চিহ্নিত করেছে।
 
অন্যান্য অপশনগুলির ব্যাখ্যা:
খ) এসিড অপরাধ দমন আইন, ২০০২: এই আইনটি এসিড নিক্ষেপ, এসিড বহন বা এসিড সংক্রান্ত অন্যান্য অপরাধ (যেমন হত্যা, শারীরিক আঘাত) নিয়ন্ত্রণ করে। এটি মাদক অপরাধের সাথে সরাসরি সম্পর্কিত নয়। এসিড অপরাধ সাধারণত ব্যক্তিগত শত্রুতা, সন্ত্রাস বা সামাজিক দ্বন্দ্বের সাথে জড়িত।
গ) ফরমালিন নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৫: এই আইনটি খাদ্যদ্রব্য, ফলমূল বা অন্যান্য পণ্যে ফরমালিন ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ করে। ফরমালিন একটি বিষাক্ত রাসায়নিক পদার্থ যা খাদ্য সংরক্ষণে অবৈধভাবে ব্যবহৃত হয়। এটি মাদক অপরাধের সাথে কোনো সম্পর্ক রাখে না। ফরমালিন মাদক তৈরির উপাদান হিসেবে ব্যবহৃত হয় না এবং এই আইন শুধুমাত্র খাদ্য নিরাপত্তা সংক্রান্ত।
ঘ) উপরের কোনটিই নয়: এই অপশনটি ভুল, কারণ মানি লন্ডারিং আইন, ২০১২ মাদক অপরাধের সাথে সরাসরি জড়িত।

সুতরাং, মাদক অপরাধ থেকে প্রাপ্ত অর্থকে বৈধ করার জন্য মানি লন্ডারিং করা হয়, যা মানি লন্ডারিং আইন, ২০১২-এর অধীনে দণ্ডনীয়।
এসিড অপরাধ দমন আইন এবং ফরমালিন নিয়ন্ত্রণ আইন মাদক অপরাধের সাথে সম্পর্কিত নয়।
তাই সঠিক উত্তর: ক) মানি লন্ডারিং আইন, ২০১২।

৫৩.
কোনো ব্যক্তি দুর্নীতির অপরাধের অভিযোগ দায়ের করতে থানায় গেলে দুর্নীতি দমন কমিশন বিধিমালা, ২০০৭ অনুযায়ী থানার দায়িত্ব হবে-
  1. অভিযোগটি এজাহার হিসাবে রেকর্ড করে তদন্তের জন্য দুর্নীতি দমন কমিশনে পাঠানো
  2. অভিযোগটি সাধারণ ডায়েরিভুক্ত করে উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য দুর্নীতি দমন কমিশনে পাঠানো
  3. দুর্নীতি দমন কমিশনে অভিযোগ দায়েরের পরামর্শ দিয়ে অভিযোগটি অভিযোগকারীকে ফেরত দেয়া
  4. অভিযোগটি এজাহার হিসাবে রেকর্ড করে একজন এসআই কে তদন্তের দায়িত্ব দেয়া
সঠিক উত্তর:
অভিযোগটি সাধারণ ডায়েরিভুক্ত করে উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য দুর্নীতি দমন কমিশনে পাঠানো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অভিযোগটি সাধারণ ডায়েরিভুক্ত করে উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য দুর্নীতি দমন কমিশনে পাঠানো
ব্যাখ্যা

⇒ দুর্নীতি দমন কমিশন বিধিমালা, ২০০৭ এর বিধি ৪(২) অনুসারে: থানায় দুর্নীতির অপরাধ সংক্রান্ত অভিযোগ পাওয়ার পর তা রেজিস্টারভুক্ত (সাধারণ ডায়েরিভুক্ত) করতে হবে। তারপর অনধিক দুই কার্যদিবসের মধ্যে তদন্তের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট প্রেরণ করতে হবে:
- কমিশন বহির্ভূত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ক্ষেত্রে → নিকটস্থ জেলা কার্যালয়ে
- কমিশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ক্ষেত্রে → কমিশনের প্রধান কার্যালয়ে
এখানে থানার দায়িত্ব হলো অভিযোগটি রেকর্ড করে কমিশনে প্রেরণ করা, নিজে তদন্ত শুরু করা নয় বা এজাহার হিসেবে রেকর্ড করা নয়।

সঠিক উত্তর: খ) অভিযোগটি সাধারণ ডায়েরিভুক্ত করে উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য দুর্নীতি দমন কমিশনে পাঠানো।

⇒ দুর্নীতি দমন কমিশন বিধিমালা, ২০০৭ বিধি- ৪: থানায় দুর্নীতির অপরাধ সংক্রান্ত অভিযোগ দায়ের:
- এই বিধিতে যাহা কিছুই থাকুক না কেন আইনের তফসিলে উল্লিখিত কোন অপরাধ সংক্রান্ত বিষয়ে থানায় অভিযোগ দায়েরের ক্ষেত্রে কোন বাধা থাকিবে না, তবে সংশ্লিষ্ট থানা উক্ত অভিযোগটি প্রাপ্তির পর উহা রেজিস্টারভুক্ত করিয়া অনধিক দুই কার্যদিবসের মধ্যে আইন অনুযায়ী তদন্তকার্য পরিচালনার জন্য উহা কমিশন বহির্ভূত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ক্ষেত্রে নিকটস্থ জেলা কার্যালয়ে এবং কমিশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ক্ষেত্রে কমিশন বরাবরে প্রেরণ করিবে।

৫৪.
রায় প্রদানকালে আনীত অভিযোগ মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মর্মে সন্তোযজনকভাবে প্রমাণিত হলে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল মামলা বা অভিযোগ দায়েরকারী ব্যক্তিকে কত দিনের কারাদণ্ডে দণ্ডিত করতে পারবে?
  1. অনধিক দুই বৎসর
  2. অনধিক সাত বৎসর
  3. অনধিক এক বৎসর
  4. অনধিক পাঁচ বৎর
সঠিক উত্তর:
অনধিক দুই বৎসর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনধিক দুই বৎসর
ব্যাখ্যা

⇒ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ধারা ১৭(৩) অনুসারে, বিচার সম্পন্ন হওয়ার পর রায় প্রদানকালে যদি অভিযোগ মিথ্যা ও হয়রানিমূলক প্রমাণিত হয়, তাহলে ট্রাইব্যুনাল অভিযোগকারীকে কারণ দর্শানোর সুযোগ প্রদান করে অভিযুক্তের পক্ষে ক্ষতিপূরণের আদেশ দিতে পারে এবং প্রয়োজনে অভিযোগকারীকে অনধিক ২ বছর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করতে পারে।
সুতরাং, মিথ্যা ও হয়রানিমূলক অভিযোগ প্রমাণিত হলে ট্রাইব্যুনাল অভিযোগ দায়েরকারীকে সর্বোচ্চ ২ বছর কারাদণ্ডে দণ্ডিত করতে পারবে।

⇒ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ধারা ১৭: মিথ্যা মামলা, অভিযোগ দায়ের ইত্যাদির শাস্তি:
(১) যদি কোন ব্যক্তি অন্য কোন ব্যক্তির মর্যাদাহানি বা ক্ষতিসাধনের অভিপ্রায়ে উক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে এই আইনের অন্য কোন ধারার অধীন মামলা বা অভিযোগ করার জন্য ন্যায্য বা আইনানুগ কারণ নাই জানিয়াও মামলা বা অভিযোগ দায়ের করেন বা করান তাহা হইলে মামলা বা অভিযোগ দায়েরকারী ব্যক্তি এবং যিনি অভিযোগ দায়ের করাইয়াছেন উক্ত ব্যক্তি অনধিক সাত বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।
(২) এই আইনের অধীন প্রতিষ্ঠিত ট্রাইব্যুনাল কোন লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে অথবা তাহার স্বীয় ক্ষমতায় উপ-ধারা (১) এ বর্ণিত অপরাধ আমলে লইয়া তাহার বিচার করিতে পারিবে।
(৩) উপ-ধারা (১) ও (২) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই আইনের অধীন কোন অপরাধের বিচার সম্পন্ন হওয়ার পর রায় প্রদানকালে যদি ট্রাইব্যুনালের নিকট সন্তোষজনকভাবে প্রমাণিত হয় যে, কোন অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ মিথ্যা ও হয়রানিমূলক, তাহা হইলে উক্ত ট্রাইব্যুনাল মামলা বা অভিযোগ দায়েরকারী ব্যক্তিকে কারণ দর্শানোর সুযোগ প্রদানপূর্বক সংশ্লিষ্ট অভিযুক্ত ব্যক্তি বা অভিযুক্ত ব্যক্তিগণ বরাবর যথাযথ ক্ষতিপূরণ প্রদানের আদেশ দিতে পারিবে এবং প্রয়োজন মনে করিলে ক্ষতিপূরণের আদেশ প্রদানের পাশাপাশি উক্ত মামলা বা অভিযোগ দায়েরকারী ব্যক্তিকে অনধিক দুই বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করিবার আদেশ প্রদান করিতে পারিবে।

৫৫.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর অধীন সংঘটিত অপরাধের শিকার ব্যক্তির মেডিক্যাল পরীক্ষা সম্পন্ন হওয়ার কত ঘন্টার মধ্যে এই সংক্রান্ত একটি সার্টিফিকেট বিনামূল্যে ভিকটিমকে প্রদান করতে হবে?
  1. ৩৬ ঘন্টা
  2. ৪৮ ঘন্টা
  3. ৭২ ঘন্টা
  4. ২৪ ঘন্টা
সঠিক উত্তর:
৭২ ঘন্টা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭২ ঘন্টা
ব্যাখ্যা

⇒ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ধারা ৩২ অনুসারে, অপরাধের শিকার ব্যক্তির মেডিক্যাল পরীক্ষা সম্পন্ন হওয়ার ৭২ ঘণ্টার মধ্যে চিকিৎসককে বিনামূল্যে মেডিক্যাল সার্টিফিকেট প্রদান করতে হবে—শিকার ব্যক্তি বা তার পরিবারের সদস্য এবং তদন্তকারী কর্মকর্তাকে। এই সার্টিফিকেটটি পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে প্রস্তুত হয় এবং এটি বিচার প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। 

⇒ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ধারা ৩২ অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তি এবং অপরাধের শিকার ব্যক্তির মেডিক্যাল পরীক্ষা:
(১) এই আইনের অধীন সংঘটিত অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তি এবং অপরাধের শিকার ব্যক্তির মেডিক্যাল পরীক্ষা সর্বাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করিয়া সরকারি হাসপাতালে কিংবা সরকার কর্তৃক এতদুদ্দেশ্যে স্বীকৃত কোন বেসরকারি হাসপাতালে সম্পন্ন করা যাইবে এবং সরকারি হাসপাতালে এই আইনের অধীন সংঘটিত অপরাধের শিকার ব্যক্তি নিজে হাজির হইলে কিংবা এই আইনের অধীন সংঘটিত অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তি বা অপরাধের শিকার ব্যক্তি পুলিশ কর্তৃক উপস্থাপিত হইলে তাহাদের মেডিক্যাল পরীক্ষার জন্য কোন ফি প্রদেয় হইবে না।

(২) উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত কোন হাসপাতালে এই আইনের অধীন সংঘটিত অপরাধের শিকার ব্যক্তিকে চিকিৎসার জন্য উপস্থিত করা হইলে, উক্ত হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক তাহার মেডিক্যাল পরীক্ষা অতিদ্রুত সম্পন্ন করিবে এবং উক্ত মেডিক্যাল পরীক্ষা সম্পন্ন হইবার পরবর্তী বাহাত্তর ঘণ্টার মধ্যে এই সংক্রান্ত একটি সার্টিফিকেট বিনামূল্যে অপরাধের শিকার ব্যক্তিকে বা, ক্ষেত্রমত, তাহার পরিবারকে ও তদন্তকারী কর্মকর্তাকে প্রদান করিবে এবং এইরূপ অপরাধ সংঘটনের বিষয়টি স্থানীয় থানাকে অবহিত করিবে।
(৩) এই ধারার অধীন যুক্তিসঙ্গত সময়ের মধ্যে কোন মেডিক্যাল পরীক্ষা সম্পন্ন না করার ক্ষেত্রে, তৎসম্পর্কে ব্যাখ্যা সম্বলিত প্রতিবেদন পর্যালোচনার পর নিয়ন্ত্রণকারী কর্মকর্তা কিংবা, ক্ষেত্রমত, মেডিক্যাল পরীক্ষার আদেশ প্রদানকারী কর্তৃপক্ষ বা তাহার নিকট হইতে ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, ম্যাজিষ্ট্রেট, ট্রাইব্যুনাল বা সংশ্লিষ্ট অন্য কোন কর্তৃপক্ষ যদি এই সিদ্ধান্তে উপনীত হন যে, যুক্তিসঙ্গত সময়ের মধ্যে মেডিক্যাল পরীক্ষা সম্পন্ন না হওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকই দায়ী, তাহা হইলে উহা দায়ী ব্যক্তির অদক্ষতা ও অসদাচরণ বলিয়া বিবেচিত হইবে এবং এই অদক্ষতা ও অসদাচরণ তাহার বার্ষিক গোপনীয় প্রতিবেদনে লিপিবদ্ধ করা হইবে এবং উপযুক্ত ক্ষেত্রে চাকুরী বিধিমালা অনুযায়ী তাহার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাইবে, এবং সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকের বিরুদ্ধে কর্তব্যে অবহেলার জন্য তাহার নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষ বা, ক্ষেত্রমত, যথাযথ কর্তৃপক্ষ কর্তৃক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ট্রাইব্যুনাল নির্দেশ দিতে পারিবে ৷

৫৬.
কোন ব্যক্তি অ্যালকোহল পান কিংবা নেশাগ্রস্ত অবস্থায় গাড়ি চালালে কী দণ্ডে পতিত হবেন?
  1. অনুর্ধ্ব ৩ বৎসর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
  2. অনুর্ধ্ব ৭ বৎসর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
  3. অনুর্ধ্ব ২ বৎসর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
  4. অনুর্ধ্ব ১ বৎসর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
সঠিক উত্তর:
অনুর্ধ্ব ১ বৎসর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুর্ধ্ব ১ বৎসর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: ঘ) অনুর্ধ্ব ১ বৎসর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ধার ৩৬(৫):
কোনো ব্যক্তি অ্যালকোহল পান কিংবা যে-কোনো ধরনের নেশাগ্রস্ত অবস্থায় জনসাধারণের শান্তি বিনষ্ট অথবা বিরক্তিকর কোনো আচরণ করিলে কিংবা নেশাগ্রস্ত অবস্থায় গাড়ি চালনা করিলে তিনি অনূর্ধ্ব ১ (এক) বৎসর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হইবে।

⇒ এই ধারা অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে সর্বোচ্চ এক বছরের কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করা যেতে পারে।

৫৭.
মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এর অধীনে সংঘটিত অপরাধ বিচারের এখতিয়ার সম্পন্ন আদালত হলো-
  1. স্পেশাল জজ আদালত
  2. জেলা ও দায়রা জজ আদালত
  3. চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত
  4. 'ক' ও 'খ' তে উল্লিখিত উভয় আদালত
সঠিক উত্তর:
স্পেশাল জজ আদালত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্পেশাল জজ আদালত
ব্যাখ্যা

⇒ মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এর অধীনে সংঘটিত অপরাধ বিচারের এখতিয়ার সম্পন্ন আদালত হলো- স্পেশাল জজ আদালত।

মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এর ধারা ৯: অপরাধের তদন্ত ও বিচার:

(১) আপাতত বলবৎ অন্য কোন আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই আইনের অধীন অপরাধসমূহ ধারা ২(ঠ) তে উল্লিখিত তদন্তকারী সংস্থার কর্মকর্তা বা এতদুদ্দেশ্যে সরকারের সহিত পরামর্শক্রমে, বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট কর্তৃক একাধিক তদন্তকারী সংস্থার কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে গঠত যৌথ তদন্তকারী দল, তদন্ত করিবে।

(২) আপাতত বলবৎ অন্য কোন আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই আইনের অধীন অপরাধসমূহ Criminal Law (Amendment) Act, 1958 (Act XL of 1958) এর ধারা ৩ এর অধীন নিযুক্ত স্পেশাল জজ কর্তৃক বিচার্য হইবে।

(৩) অভিযুক্ত ব্যক্তি বা সত্তার সম্পত্তি অনুসন্ধান ও সনাক্তকরণের লক্ষ্যে তদন্ত কর্মকর্তা কর্তৃক এই আইনের পাশাপাশি অন্যান্য আইনে এতদ্‌উদ্দেশ্যে প্রদত্ত ক্ষমতাও প্রয়োগ করিতে পারিবে।

(৪) তদন্তকারী সংস্থা এই আইনের অধীন সংঘটিত অপরাধ অনুসন্ধান বা তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনার বিষয়টি বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটকে অবহিত করিবে।

উল্লেখ্য,
Criminal Law (Amendment) Act, 1958  এর ধারা ৩ – স্পেশাল জজ নিয়োগ:
(১) সরকার সরকারি গেজেটে বিজ্ঞপ্তি জারি করে যথেষ্ট সংখ্যক স্পেশাল জজ (Special Judges) নিয়োগ করবে, যারা তফসিলে উল্লেখিত অপরাধগুলি বিচার ও শাস্তি প্রদানের জন্য দায়িত্ব পালন করবে।

(২) কোনো ব্যক্তিকে বিশেষ বিচারক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া যাবে না যদি না সে:
- বর্তমানে সেশন জাজ (Sessions Judge) হয় বা
- অতিরিক্ত সেশন জাজ (Additional Sessions Judge) অথবা
- সহকারী সেশন জাজ (Assistant Sessions Judge) হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছে।

৫৮.
আইনের সাথে সংঘাতে জড়িত শিশুর সর্বোত্তম স্বার্থে বিকল্প পন্থা (Diversion) গ্রহণ করা হলে বিকল্প পন্থার শর্ত প্রতিপালন বিষয়ে লক্ষ্য রাখার দায়িত্ব কার উপর বর্তায়?
  1. শিশুর মাতা-পিতা বা অভিভাবক
  2. প্রবেশন কর্মকর্তা
  3. শিশু আদালত
  4. শিশু বিষয়ক পুলিশ কর্মকর্তা
সঠিক উত্তর:
প্রবেশন কর্মকর্তা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রবেশন কর্মকর্তা
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: খ) প্রবেশন কর্মকর্তা।

শিশু আইন, ২০১৩ এর ধারা ৪৮(৩) অনুসারে:
যখন শিশুর সর্বোত্তম স্বার্থে কোনো আইনগত বিরোধ এড়িয়ে Diversion (বিকল্প পন্থা) গ্রহণ করা হয়, তখন সেই বিকল্প শর্তগুলো পালন হচ্ছে কিনা তা পর্যবেক্ষণ ও বাস্তবায়নের মূল দায়িত্ব থাকে প্রবেশন কর্মকর্তার উপর। প্রবেশন কর্মকর্তা শিশুকে ও তার পরিবারকে পরামর্শ, তত্ত্বাবধান ও সহায়তা করে, শর্তাবলীর বাস্তবায়ন সম্পর্কে আদালতকে রিপোর্ট করে এবং প্রয়োজনীয় সংশোধনী/সহায়তা নিশ্চিত করে।

শিশু আইন, ২০১৩ এর ধারা ৪৮- বিকল্প পন্থা (diversion):
(১) এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে আইনের সহিত সংঘাতে জড়িত শিশুকে গ্রেফতার বা আটকের পর হইতে বিচার কার্যক্রমের যেকোন পর্যায়ে আনুষ্ঠানিক বিচার কার্যক্রমের পরিবর্তে, শিশুর পারিবারিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক, আর্থিক, নৃতাত্ত্বিক, মনস্তাত্ত্বিক ও শিক্ষাগত পটভূমি বিবেচনাপূর্বক, বিরোধীয় বিষয় মীমাংসাসহ তাহার সর্বোত্তম স্বার্থ নিশ্চিতকল্পে বিকল্প পন্থা (diversion) গ্রহণ করা যাইবে।

(২) ফৌজদারি কার্যবিধি বা আপাততঃ বলবৎ অন্য কোন আইনে ভিন্নতর যাহা কিছুই থাকুক না কেন, শিশুর গ্রেফতারের পর হইতে বিচার কার্যক্রমের যেকোন পর্যায়ে, শিশুবিষয়ক পুলিশ কর্মকর্তা বা, ক্ষেত্রমত, শিশু-আদালত আনুষ্ঠানিক বিচার প্রক্রিয়ার পরিবর্তে বিকল্প উপায়ে বিরোধ নিষ্পত্তির নিমিত্ত বিকল্প পন্থা গ্রহণের জন্য বিষয়টি প্রবেশন কর্মকর্তার নিকট প্রেরণ করিতে পারিবে।

(৩) উপ-ধারা (২) এর অধীন বিকল্প পন্থা গ্রহণ করা হইলে সংশ্লিষ্ট শিশু, তাহার মাতা-পিতা এবং তাহাদের উভয়ের অবর্তমানে তত্ত্বাবধানকারী অভিভাবক বা কর্তৃপক্ষ অথবা আইনানুগ বা বৈধ অভিভাবক বা, ক্ষেত্রমত, বর্ধিত পরিবারের সদস্য বিকল্প পন্থার শর্ত প্রতিপালন করিতেছে কি না প্রবেশন কর্মকর্তা তাহা লক্ষ্য রাখিবেন এবং বিষয়টি, সময় সময়, শিশুবিষয়ক পুলিশ কর্মকর্তা বা, ক্ষেত্রমত, শিশু-আদালতকে অবহিত করিবেন।

(৪) শিশু, তাহার মাতা-পিতা এবং তাহাদের উভয়ের অবর্তমানে তত্ত্বাবধানকারী অভিভাবক বা কর্তৃপক্ষ অথবা আইনানুগ বা বৈধ অভিভাবক বা, ক্ষেত্রমত, বর্ধিত পরিবারের সদস্য বিকল্প পন্থার কোন শর্ত ভঙ্গ করিলে প্রবেশন কর্মকর্তা বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে লিখিত আকারে শিশুবিষয়ক পুলিশ কর্মকর্তা বা, ক্ষেত্রমত, শিশু-আদালতকে অবহিত করিবেন।
 
(৫) বিকল্প পন্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া ও পদ্ধতি বিধি দ্বারা নির্ধারিত হইবে।

(৬) এই ধারার উদ্দেশ্য পূরণকল্পে অধিদপ্তর বিকল্প পন্থা বাস্তবায়নের জন্য যথাযথ যুগোপযোগী ও বাস্তবায়নযোগ্য কার্যক্রম গ্রহণ করিতে পারিবে।

৫৯.
নিম্নের কোনটি The Special Powers Act, 1974 এর তফসিলভুক্ত আইন-
  1. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন, ২০০৬
  2. মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮
  3. The Arms Acts, 1878
  4. The Explosive Act, 1884
সঠিক উত্তর:
The Arms Acts, 1878
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The Arms Acts, 1878
ব্যাখ্যা

The Special Powers Act, 1974 এর তফসিলভুক্ত আইনসমূহ:
- এই আইনের অধীনে শাস্তিযোগ্য অপরাধসমূহ।
- Arms Act, 1878 (XI of 1878) অনুযায়ী শাস্তিযোগ্য অপরাধ। অর্থাৎ, অস্ত্র আইন, ১৮৭৮-এর অধীনে যেসব অপরাধ শাস্তিযোগ্য, সেগুলোও অন্তর্ভুক্ত।
- Explosive Substances Act, 1908 (VI of 1908) অনুযায়ী শাস্তিযোগ্য অপরাধ। অর্থাৎ, বিস্ফোরক পদার্থ আইন, ১৯০৮-এর অধীনে শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
- Emergency Powers Act, 1975 (I of 1975) এর অধীনে বা সেই আইন অনুযায়ী গঠিত যে কোনো নিয়ম/আদেশের অধীনে শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
- ফরমালিন নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৫-এর অধীনে শাস্তিযোগ্য অপরাধসমূহ।
- উপরোক্ত যে কোনো অপরাধ করার চেষ্টা, ষড়যন্ত্র বা প্ররোচনা/সহায়তা। 
অর্থাৎ, যদি কেউ এই অপরাধগুলোর প্রস্তুতি নেয়, সাহায্য করে বা ষড়যন্ত্র করে, তাহলে সেটিও শাস্তিযোগ্য হবে।

৬০.
The Special Powers Act, 1974 এর ৩ ধারা অনুযায়ী কোনো ব্যক্তিকে আটক রাখার আদেশ প্রদান করতে পারবেন কে?
  1. জেলা জজ বা অতিরিক্ত জেলা জজ
  2. স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
  3. উপদেষ্টা পর্ষদ (Advisory Board)
  4. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
সঠিক উত্তর:
জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা

⇒ The Special Powers Act, 1974 এর ৩ ধারা অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তিকে আটক রাখার আদেশ প্রদান করতে পারবেন - জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট।

The Special Powers Act, 1974 এর ৩ ধারা: কতিপয় ব্যক্তিকে আটক বা বহিস্কারাদেশ প্রদানের ক্ষমতা-
(১) সরকার যদি এই মর্মে সন্তষ্ট হয় যে, কোনো ব্যক্তিকে ক্ষতিকর কার্য করা হইতে নিবৃত্ত করিবার জন্য আদেশ প্রদান করা আবশ্যক, তাহা হইলে - 
(ক)উক্ত ব্যক্তিকে আটক রাখিবার আদেশ প্রদান করিতে পারিবে;
(খ) উক্ত ব্যক্তিকে আদেশে উল্লিখিত পদ্ধতিতে এবং সময়ের পূর্বে ও পরে বাংলাদেশ ত্যাগ করিবার আদেশ প্রদান করিতে পারিবে:
তবে শর্ত থাকে যে, বাংলাদেশের কোনো নাগরিকের ক্ষেত্রে, বহিস্কারাদেশ প্রদান করা যাইবে না।

(২) যদি কোনো জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কোনো ব্যক্তি সম্পর্কে এই মর্মে সন্তুষ্ট হন যে, তাহাকে ধারা ২ এর দফা (চ) এর উপ-দফা (ই), (ঈ), (উ), (উ), (ঋ) বা (এ) এর অর্থানুসারে কোনো ক্ষতিকর কার্য করা হইতে নিবৃত্ত রাখিবার উদ্দেশ্যে আটক রাখা প্রয়োজন, তাহা হইলে তিনি তাহাকে আটকের আদেশ প্রদান করিতে পারিবেন।

(৩) উপ-ধারা (২) অনুসারে কোনো আদেশ প্রদান করা হইলে, আদেশ প্রদানকারী জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট অনুরূপ আদেশ প্রদানের কারণ এবং তাহার মতে উক্ত বিষয়ের সহিত সম্পর্কিত অন্যান্য সকল বিবরণসহ আটকের বিষয়টি অনতিবিলম্বে সরকারকে অবহিত করিবেন, এবং সরকার কর্তৃক ইতোমধ্যে ইহা অনুমোদিত না হইলে, উক্ত আটকাদেশ প্রদানের পর হইতে পরবর্তী ত্রিশ দিনের অধিক কার্যকর থাকিবে না।

(8) উপ-ধারা (১) (খ) এর অধীন প্রদত্ত আদেশ অনুসারে যদি কোনো ব্যক্তি বাংলাদেশ ত্যাগ করিতে ব্যর্থ হন, তাহা হইলে, উপ-ধারা (৫) এর বিধান ক্ষুন্ন না করিয়া, কোনো পুলিশ কর্মকর্তা বা সরকার কর্তৃক এতদুদ্দেশ্যে ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোনো ব্যক্তি তাহাকে অপসারণ করিতে পারিবেন।

(৫) যদি কোনো ব্যক্তি উপ-ধারা (১) (খ) এর অধীন প্রদত্ত আদেশ লঙ্ঘন করেন, তাহা হইলে তিনি অনধিক তিন বৎসরের কারাদণ্ড, বা অর্থদণ্ড, বা উভয় দন্ডে দণ্ডিত হইবেন।

৬১.
মেধাস্বত্ব সংরক্ষণ ও বিশ্বব্যাপী পাইরেসি নজরদারি করে কোনটি?
  1. EPUB
  2. IBM
  3. COD
  4. BSA
সঠিক উত্তর:
BSA
উত্তর
সঠিক উত্তর:
BSA
ব্যাখ্যা

• সঠিক উত্তর হলো: ঘ) BSA — কারণ BSA (Business Software Alliance) বিশ্বব্যাপী সফটওয়্যার পাইরেসি নিয়ন্ত্রণ ও মেধাস্বত্ব সংরক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনা করে।

বাকি অপশনগুলো সংক্ষেপে:

ক) EPUB – একটি ইলেকট্রনিক বুক ফর্ম্যাট।
খ) IBM – একটি প্রযুক্তি ও সফটওয়্যার কোম্পানি।
গ) COD – সাধারণত “Cash on Delivery” বা “Call of Duty” সংক্ষেপ।

• মেধাস্বত্ব সংরক্ষণ ও বিশ্বব্যাপী পাইরেসি নজরদারি (Intellectual Property Protection & Anti-Piracy):
- মেধাস্বত্ব সংরক্ষণ হলো সেই প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে সৃজনশীল কাজ, সফটওয়্যার, প্রকাশনা, গান বা অন্যান্য কনটেন্টের স্বত্বাধিকার সুরক্ষিত করা হয়।  
- বিশ্বব্যাপী পাইরেসি নজরদারি নিশ্চিত করে যে অননুমোদিতভাবে সফটওয়্যার বা কনটেন্টের অবৈধ ব্যবহার বা বিতরণ না হয়।  
- এই কার্যক্রম সাধারণত আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান বা সংস্থা দ্বারা পরিচালিত হয়, যা সফটওয়্যার, প্রযুক্তি ও ডিজিটাল কনটেন্টের স্বত্ব সংরক্ষণের উপর মনোযোগ দেয়।  
- সংস্থা যেমন BSA (Business Software Alliance) সফটওয়্যার এবং ডিজিটাল কনটেন্টের পাইরেসি রোধে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে কাজ করে।  
- EPUB হলো ইলেকট্রনিক বই ফরম্যাট, IBM হলো প্রযুক্তি কোম্পানি, COD হলো নগদ পরিশোধের পদ্ধতি, যা সরাসরি মেধাস্বত্ব সংরক্ষণ বা পাইরেসি নজরদারির সাথে সম্পর্কিত নয়।  

সুতরাং, মেধাস্বত্ব সংরক্ষণ ও বিশ্বব্যাপী পাইরেসি নজরদারির জন্য মূল প্রতিষ্ঠান হলো BSA.
সঠিক উত্তর: ঘ) BSA.

সূত্র - sciencedirect [লিঙ্ক]

৬২.
P, Q থেকে লম্বা। Q, R এর থেকে লম্বা। M, N থেকে লম্বা। N, Q অপেক্ষা লম্বা। কার উচ্চতা সব থেকে কম?
  1. P
  2. Q
  3. R
  4. N
সঠিক উত্তর:
R
উত্তর
সঠিক উত্তর:
R
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: P, Q থেকে লম্বা। Q, R এর থেকে লম্বা। M, N থেকে লম্বা। N, Q অপেক্ষা লম্বা। কার উচ্চতা সব থেকে কম?

সমাধান:
প্রদত্ত শর্তানুসারে,
P > Q > M > N > R 

অথবা, 
P > N > Q > M > R 
R এর উচ্চতা সব থেকে কম। 

৬৩.
৪০ কেজি মিশ্রণে বালি ও সিমেন্ট এর পরিমাণের অনুপাত ৪: ১। মিশ্রণটিতে বালির পরিমাণ কত?
  1. ৩২ কেজি
  2. ৩০ কেজি
  3. ২৫ কেজি
  4. ২৪ কেজি
সঠিক উত্তর:
৩২ কেজি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩২ কেজি
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: ৪০ কেজি মিশ্রণে বালি ও সিমেন্ট এর পরিমাণের অনুপাত ৪: ১। মিশ্রণটিতে বালির পরিমাণ কত?

সমাধান:
অনুপাতটির পূর্ব ও উত্তর রাশির যোগপফল = ৪ + ১ = ৫
∴ বালির পরিমাণ = ৪০ কেজির (৪/৫) অংশ
= ৩২ কেজি

৬৪.
a3 - ৪a - 8 কে a + 1 দ্বারা ভাগ করলে ভাগশেষ কত?
  1. - 1
  2. - 15
  3. 1
  4. 0
সঠিক উত্তর:
- 1
উত্তর
সঠিক উত্তর:
- 1
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: a3 - ৪a - 8 কে a + 1 দ্বারা ভাগ করলে ভাগশেষ কত?

সমাধান: 

রিমাইন্ডার থিওরেম অনুসারে, যদি কোনো পলিনোমিয়াল f(a) কে a - c দ্বারা ভাগ করা হয়, ভাগশেষ হয় f(c)

এখানে a + 1 = a - (- 1), তাই c = - 1

a = - 1 বসাই

⇒ f(a) = a3 - 8a - 8
⇒  f(- 1) = (- 1)3 - 8(- 1) - 8
= - 1 + 8 - 8
= - 1

তাই ভাগশেষ = - 1

উত্তর: ক) - 1

৬৫.
ফলের দোকান থেকে ১৮০ টি ফজলি আম কিনে আনা হলো। ২ দিন পর ৯ টি আম পঁচে গেল। শতকরা কতটি আম ভালো আছে?
  1. ১০৫টি
  2. ৮৫টি
  3. ৭৫টি
  4. ৯৫টি
সঠিক উত্তর:
৯৫টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯৫টি
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: ফলের দোকান থেকে ১৮০ টি ফজলি আম কিনে আনা হলো। ২ দিন পর ৯ টি আম পঁচে গেল। শতকরা কতটি আম ভালো আছে?

সমাধান: 
মোট আম কেনা হলো = ১৮০ টি
এর মধ্যে পচে গেল = ৯ টি
∴ ভালো আম রইলো = (১৮০ - ৯) টি
= ১৭১ টি ভালো

১৮০ টি ফজলি আমের মধ্যে ভালো আছে = ১৭১ টি
∴ ১ টি ফজলি আমের মধ্যে ভালো আছে = ১৭১/১৮০ টি
∴ ১০০ টি ফজলি আমের মধ্যে ভালো আছে = (১৭১ × ১০০)/১৮০ টি
= ৯৫ টি

∴ শতকরা আম ভালো আছে = ৯৫ টি।

৬৬.
'রেডিওথেরাপি' কোষের কোনটিকে ধ্বংস করে?
  1. নিউক্লিয়াস
  2. মাইটোকন্ড্রিয়া
  3. কোষগহবর
  4. DNA
সঠিক উত্তর:
DNA
উত্তর
সঠিক উত্তর:
DNA
ব্যাখ্যা

• রেডিওথেরাপি মূলত ক্যান্সার কোষের বৃদ্ধি ও বিভাজন রোধ করার জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি উচ্চ-শক্তির রেডিয়েশন ব্যবহার করে কোষের মধ্যে জিনগত উপাদানকে লক্ষ্য করে। বিশেষভাবে, রেডিওথেরাপি কোষের DNA কে ধ্বংস করে। DNA হলো কোষের জেনেটিক ম্যাটেরিয়াল যা কোষের বৃদ্ধি, বিভাজন এবং পুনর্নবীকরণের নিয়ন্ত্রণ করে। যখন DNA ক্ষতিগ্রস্ত হয়, কোষ ঠিকমতো বিভাজন করতে পারে না এবং শেষ পর্যন্ত মৃত্যু হয়। তাই, রেডিওথেরাপি মূলত ক্যান্সার কোষকে সুনির্দিষ্টভাবে ধ্বংস করার জন্য DNA-কে লক্ষ্য করে, অন্য কোষাংশ যেমন নিউক্লিয়াস বা মাইটোকন্ড্রিয়ার উপর সরাসরি প্রভাব কম থাকে।

সঠিক উত্তর: ঘ) DNA.

কোমোথেরাপি (Camotherapy):
- কেমোথেরাপি হলো এমন এক ধরনের চিকিৎসা যেখানে বিশেষ ধরনের রাসায়নিক ঔষধ ব্যবহার করে শরীরের জন্য ক্ষতিকর দ্রুত বিভাজনরত কোষ ধ্বংস করা হয়। এটি ক্যান্সার চিকিৎসায় বহুল ব্যবহৃত পদ্ধতি।
- ক্যান্সার আক্রান্ত রোগীর শরীরের কিছু কোষ বিভাজনের গতি অস্বাভাবিক হারে বেড়ে যায়। জীবদেহের কোষ বিভাজনের উপর ভিত্তি করে কেমোথেরাপি গঠিত।
- কেমোথেরাপিতে ব্যবহৃত রাসায়নিক ঔষধ কোষ বিভাজনের নির্দিষ্ট ধাপে প্রয়োগ করা হয়। কোষ বিভাজনের কোন ধাপে প্রয়োগ করা হবে তার উপর নির্ভর করে রাসায়নিক ঔষধ ঠিক করা হয়। এটি একটি নির্দিষ্ট সময় জুড়ে থাকে।
- যেমন প্রতিদিনে একবার, সপ্তাহে একবার বা মাসে একবার প্রভৃতি। সাধারণত এভাবে প্রায় ছয়বার ঔষধ প্রয়োগ করা হয়।

রেডিওথেরাপি (Radio Therapy) :
- রেডিওথেরাপি হলো ক্যান্সার নিয়ন্ত্রণের একটি কৌশল যার মাধ্যমে শরীরের ক্যান্সার আক্রান্ত অঙ্গের কোষগুলো ক্ষতিগ্রস্থ করা হয়।
- রেডিও থেরাপি একটি চিকিৎসা প্রক্রিয়া যা ব্যবহার করে বিভিন্ন রোগের চিকিৎসা করা হয়।
- রেডিও থেরাপি শব্দটি ইংরেজি Radiation Therapy এর সংক্ষিপ্ত রূপ।
- এটি ব্যবহার করে ক্যান্সার, থাইরয়েড গ্রন্থির অস্বাভাবিক প্রকৃতি, রক্তের কিছু ব্যধির চিকিৎসা করা হয়।
- সাধারণত রেডিওথেরাপি উচ্চ শক্তি সম্পন্ন এক্সরে ব্যবহার করে ক্যান্সার কোষ ধ্বংস করে। শরীরের যে অঙ্গে ক্যানসার হয়েছে সে অঙ্গের আক্রান্ত স্থানে রশ্মি প্রয়োগ করা হয় এর ফলে কোষের বৃদ্ধি ও বিভাজন ক্ষমতা ধ্বংস হয়ে যায়।
- এ প্রক্রিয়ায় কিছু সংখ্যক সুস্থ কোষও ক্ষতিগ্রস্থ হয়। তবুও আমাদের উদ্দেশ্য হলো যত কম সংখ্যক সুস্থ কোষকে ক্ষতিগ্রস্থ করে বহু সংখ্যক ক্যান্সার কোষকে ধ্বংস করা। ক্ষতিগ্রস্থ অধিকাংশ সুস্থ কোষ নিজ থেকেই এই ক্ষয়পূরণ করতে পারে।
- দুই ধরনের শক্তিকে কাজে লাগিয়ে ক্যান্সার আক্রান্ত কোষের DNA ধ্বংস করা হয় একটি হলে ফোটন কণাকে কাজে লাগিয়ে অন্যটি তেজস্ক্রিয় কণার মাধ্যমে।

উৎস: মাধ্যমিক বিজ্ঞান, SSC প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদায়লয়।

৬৭.
রঙিন টেলিভিশনে ব্যবহৃত মৌলিক রংগুলো হলো-
  1. সবুজ, বেগুনী, লাল
  2. লাল, সবুজ, নীল
  3. নীল, কমলা, লাল
  4. লাল, নীল, হলুদ
সঠিক উত্তর:
লাল, সবুজ, নীল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লাল, সবুজ, নীল
ব্যাখ্যা

• রঙিন টেলিভিশনে ব্যবহৃত মৌলিক রং হলো লাল, সবুজ এবং নীল। এগুলোকে সাধারণত RGB (Red, Green, Blue) রঙ বলা হয়। টেলিভিশনের স্ক্রিনে এই তিনটি রঙ বিভিন্ন মাত্রায় মিলিয়ে নানা রঙ তৈরি করা হয়। উদাহরণস্বরূপ, লাল ও সবুজ একসাথে মিলে হলুদ রঙ তৈরি করে, সবুজ ও নীল মিলে সায়ান, আর লাল ও নীল মিলে মজেন্টা। এই প্রক্রিয়াকে অ্যাডিটিভ কালার মিক্সিং বলা হয়। তাই, রঙিন টেলিভিশন বা কম্পিউটার মনিটরে হাজার হাজার ভিন্ন রঙ প্রদর্শনের জন্য মূলত এই তিনটি রঙ ব্যবহার করা হয়। এটি প্রযুক্তিগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ মানুষের চোখ মূলত এই তিনটি রঙের আলোকে সনাক্ত করতে পারে।

টেলিভিশন:

- টেলিভিশন শব্দের অর্থ দূরদর্শন।
- ১৯২৬ সালে স্কটিশ বিজ্ঞানী লজি বেয়ার্ড টেলিভিশন আবিষ্কার করেন।
- টেলিভিশনে শব্দ ও ছবি প্রেরণের জন্য প্রয়োজন একটি প্রেরক ষ্টেশনের।
- এ প্রেরক ষ্টেশনে থাকে শব্দ ও ছবি প্রেরণের জন্য দুটো পৃথক প্রেরক যন্ত্র।
- একটি প্রেরক যন্ত্রের সাহায্যে শব্দকে তাড়িতচৌম্বক তরঙ্গে রূপান্তরিত করে প্রেরণ করা হয় এবং অন্য প্রেরক যন্ত্রের সাহায্যে ছবিকে তড়িৎ-সংকেতে রূপান্তরিত করে তা তাড়িতচৌম্বক তরঙ্গ হিসেবে প্রেরণ করা হয়।

রঙিন টেলিভিশন:
- রঙিন অনুষ্ঠান সম্প্রচারের জন্য রঙিন টেলিভিশনে যে সকল মৌলিক যন্ত্রপাতি ব্যবহৃত হয়, সাদাকালো অনুষ্ঠান সম্প্রচারের জন্যও একই যন্ত্রপাতি ব্যবহৃত হয়।
- রং সম্পর্কিত তথ্য প্রেরণ ও গ্রহণের জন্য রঙিন টেলিভিশনে বাড়তি কিছু যন্ত্রপাতি ব্যবহৃত হয়।
- রঙিন টেলিভিশনের ক্যামেরায় রঙিন ছবি উৎপাদনের জন্য লাল, নীল ও সবুজ এই তিনটি মৌলিক রঙ ব্যবহৃত হয়।
- রঙিন টেলিভিশনের গ্রাহক যন্ত্রেও তিনটি রং যেমন লাল, নীল ও সবুজের জন্য তিনটি ইলেকট্রনগান ব্যবহার করা হয়।
- এর পর্দাও তৈরী হয় তিন রকম ফসফর দানা দিয়ে।
- ইলেকট্রন গান থেকে যখন ফসফরাসের উপর ইলেকট্রন বীম পতিত হয় তখন একটা বিশেষ রং শুধু একটি বিশেষ রং-এর দানাকে আলোকিত করে।
- ফলে পর্দায় একই সাথে ফুটে ওঠে লাল, নীল ও সবুজ রঙের বিন্দু, যার বিভিন্ন রকম মিশ্রণে টেলিভিশন পর্দায় ফুটে ওঠে রঙিন ছবি।

তথ্যসূত্র - বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬৮.
যদি 1394 = ACID হয় তাহলে 4516 = ?
  1. DEAD
  2. DEAL
  3. DEAN
  4. DEAF
সঠিক উত্তর:
DEAF
উত্তর
সঠিক উত্তর:
DEAF
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: যদি 1394 = ACID হয় তাহলে 4516 = ?

সমাধান:
যদি 1394 = ACID হয় তাহলে 4516 = DEAF

ইংরেজি বর্ণমালার অবস্থান (A = 1, B = 2,..., Z = 26) বিবেচনা করে দেখা যায়-
1 = A, 
3 = C, 
9 = I, 
4 = D 
∴ 1394 = ACID

একইভাবে,
4 = D ,
5 = E,
1 = A, 
6 = F

∴ 4516 = DEAF

৬৯.
৬ মিটার দীর্ঘ একটি গাছের ছায়ার দৈর্ঘ্য 6√3 হলে গাছের শীর্ষ বিন্দুর উন্নতি কোণ কত?
  1. 45°
  2. 30°
  3. 60°
সঠিক উত্তর:
30°
উত্তর
সঠিক উত্তর:
30°
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: ৬ মিটার দীর্ঘ একটি গাছের ছায়ার দৈর্ঘ্য 6√3 হলে গাছের শীর্ষ বিন্দুর উন্নতি কোণ কত?

সমাধান: 


এখানে,
একটি সমকোণী ত্রিভুজ গঠিত হয়,
গাছের উচ্চতা = লম্ব বাহু = AB = ৬ মিটার
ছায়ার দৈর্ঘ্য = অনুভূমিক বাহু = BC = 6√3 মিটার
গাছের শীর্ষ থেকে ছায়ার শেষ প্রান্ত পর্যন্ত দূরত্ব = অতিভুজ

গাছের শীর্ষ বিন্দুর উন্নতি কোণ = সূর্যের আলো এবং মাটির মধ্যে কোণ θ

ট্যানজেন্ট হলো বিপরীত পাশ / সংলগ্ন পাশ

tan θ = গাছের উচ্চতা / ছায়ার দৈর্ঘ্য = 6 / (6√3)
⇒ tan θ = 1 / √3
⇒ tan θ = 1 / √3
⇒ θ = 30°

সঠিক উত্তর: গ) 30°

৭০.
x - 1/x = √3 হলে x2 - √3 x এর মান কত?
  1. 4
  2. 3
  3. 2
  4. 1
সঠিক উত্তর:
1
উত্তর
সঠিক উত্তর:
1
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: x - 1/x = √3 হলে x2 - √3 x এর মান কত?

সমাধান:
দেওয়া হয়েছে,
x - 1/x = √3

x2 - √3 x
= x2 - √3 x
= x2 - (x - 1/x) x (যেহেতু √3 = x - 1/x)
= x2 - (x2 - 1)
= x2 - x2 + 1
= 1

সঠিক উত্তর: 1

৭১.
ΔABC এ ∠A = 70°, ∠B = 20° হলে ত্রিভুজটি কী ধরনের?
  1. সমবাহু
  2. সুক্ষকোণী
  3. সমকোণী
  4. সমদ্বিবাহু
সঠিক উত্তর:
সমকোণী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সমকোণী
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: ΔABC এ ∠A = 70°, ∠B = 20° হলে ত্রিভুজটি কী ধরনের?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
ΔABC এর ∠A = 70°, ∠B = 20°

∴ অপর কোণটি, ∠C = 180° - (70° + 20°)
= 180° - 90°
= 90°

এখানে, ∠C কোণ 90° হওয়ায়,
তাই, ΔABC একটি সমকোণী ত্রিভুজ।

৭২.
শরীরে পানি কত ভাগ কমে গেলে সংজ্ঞা লোপ পায়?
  1. ১৬%
  2. ১২%
  3. ১৪%
  4. ১০%
সঠিক উত্তর:
১০%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০%
ব্যাখ্যা

• মানব শরীরের প্রায় ৬০%- ৭৫% জল দিয়ে গঠিত। জল শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ, পুষ্টি পরিবহন এবং পদার্থবিনিময় প্রক্রিয়ার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শরীরে পানি কমে গেলে ডিহাইড্রেশন হয়। যদি শরীরের মোট পানির পরিমাণের প্রায় ১০%–১৬% কমে যায়, তখন মারাত্মক প্রভাব দেখা দিতে পারে। বিশেষভাবে, শরীরে প্রায় ১০% পানি হ্রাস হলে স্নায়ুতন্ত্রে প্রভাব পড়ে এবং মানুষ সংজ্ঞা হারাতে পারে। এই পর্যায়ে মস্তিষ্ক ঠিকভাবে কাজ করতে পারে না, অজ্ঞান হওয়া সম্ভব এবং জীবনসংকটজনক অবস্থার সৃষ্টি হয়। তাই পর্যাপ্ত পানি গ্রহণ শরীরের স্বাভাবিক কার্যক্রম এবং জীবন রক্ষার জন্য অপরিহার্য।

সঠিক উত্তর: গ) ১০%
 
- উল্লেখ্য, অধিকাংশ মানুষ ৩–৪% পরিমাণ শরীরের জল কমে গেলেও তা সহজেই সহ্য করতে পারে এবং এতে কোনো স্বাস্থ্যগত সমস্যা দেখা দেয় না। ৫–৮% হ্রাস হলে ক্লান্তি এবং মাথা ঘোরা অনুভূত হতে পারে। মোট শরীরের জলের ১০% এর বেশি হ্রাস হলে শারীরিক ও মানসিক দুর্বলতা দেখা দিতে পারে, যা তীব্র তৃষ্ণার সঙ্গে যুক্ত থাকে। শরীরের জলের ১৫–২৫% ক্ষতি হলে মৃত্যুও ঘটতে পারে।

 • মানবদেহ ও পানি:
- পানি খাদ্যের একটি প্রধান উপাদান।
- দেহের গঠন ও অভ্যন্তরীণ কাজ পানি ছাড়া চলতে পারে না।
- আমাদের দৈহিক ওজনের ৬০%- ৭৫% হচ্ছে পানি।
- আমাদের রক্ত, মাংস, স্নায়ু, দাঁত, হাড় ইত্যাদি প্রতিটি অঙ্গ গঠনের জন্য পানির প্রয়োজন।
পানি জীবদেহে দ্রাবকের কাজ করে, খাদ্য উপাদানের পরিপাক ও পরিশোষণে সাহায্য করে।
- বিপাকের ফলে দেহে উৎপন্ন ইউরিয়া, অ্যামোনিয়া ইত্যাদি শরীরের জন্য ক্ষতিকর এবং
- বিষাক্ত পদার্থগুলোকে পানি মূত্র ও ঘাম হিসেবে শরীর থেকে বের করে দেয়।
- একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের দৈনিক ২-৩ লিটার পানি পান করা উচিত, কারণ প্রায় ঐ পরিমাণ পানি প্রত্যেকদিনই আমাদের শরীর থেকে বের হয়ে যায়।
- শরীরে পানি ১০% কমে গেলে সংজ্ঞা লোপ পায়, এমনকি মৃত্যুও ঘটতে পারে।

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৭৩.
'A' জানে যে 'B', 'Z' কে হত্যা করেছে, তবুও 'B' কে শাস্তি হতে রক্ষা করার উদ্দেশ্যে 'Z' এর মৃতদেহ লুকিয়ে ফেলতে 'A', 'B' কে সাহায্য করে। The Penal Code, 1860 এর কোন ধারায় 'A' শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছে?
  1. 304
  2. 302
  3. 202
  4. 201
সঠিক উত্তর:
201
উত্তর
সঠিক উত্তর:
201
ব্যাখ্যা

⇒ উল্লিখিত ঘটনাটি দণ্ডবিধির ধারা ২০১-এর একটি স্পষ্ট উদাহরণ, যা ধারাটির উদাহরণ (Illustration) হিসেবেও উল্লেখিত আছে।
- দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ধারা ২০১ অনুসারে, যদি কোনো ব্যক্তি অপরাধ সংঘটিত হয়েছে জেনেশুনে বা বিশ্বাস করার কারণ থাকা সত্ত্বেও, অপরাধীকে শাস্তি থেকে রক্ষা করার উদ্দেশ্যে অপরাধের সাক্ষ্য (যেমন: মৃতদেহ) অদৃশ্য করে বা মিথ্যা তথ্য দেয়, তাহলে সে শাস্তিযোগ্য। এখানে 'A'-এর কাজ (মৃতদেহ লুকিয়ে সাহায্য করা) হত্যার সাক্ষ্য অদৃশ্য করার অপরাধ, যা ধারা ২০১-এর উদাহরণের মতোই।
শাস্তি: হত্যার মতো মৃত্যুদণ্ডযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে ৭ বছর পর্যন্ত যেকোনো প্রকারের কারাদণ্ড এবং জরিমানা।

⇒ দণ্ডবিধির ২০১ ধারার বিধান অপরাধকারীকে গোপন করিবার জন্য অপরাধের সাক্ষ্য অদৃশ্য করিয়া দেওয়া বা মিথ্যা তথ্য সরবরাহ করা:
- কোন ব্যক্তি যদি কোন অপরাধীকে আইনের সাজা হতে বাঁচাবার উদ্দেশ্যে, কোন অপরাধ অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে জানা সত্ত্বেও অথবা অপরাধ অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে তার বিশ্বাস করার কারণ থাকা সত্ত্বেও, সে অপরাধটি সংঘটনের কোন সাক্ষ্য বা প্রমাণ বিলুপ্ত করে বা করায়, অথবা সে উদ্দেশ্য নিয়ে সে অপরাধটি সম্পর্কে কোন খবর দেয়, যা সে মিথ্যা বলে জানে অথবা যা মিথ্যা বলে তার বিশ্বাস করার কারণ রয়েছে, তখন-
-যদি অপরাধটি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় হয় (if a capital offence):-
যদি, যে অপরাধটি অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে সে জানে বা যে অপরাধটি অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে তার বিশ্বাস সে অপরাধটি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়, তবে সে ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে;
যদি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হয় (if punishable with imrisonment for life):-
এবং যদি অপরাধটি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়, তবে সে ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে;
যদি দশ বৎসর অপেক্ষা কম মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হয় (if punishable with less thatn ten year’s imprisonment):-
এবং যদি অপরাধটি দশ বৎসর অপেক্ষা কম মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়, তবে সে ব্যক্তি অপরাধটির জন্য যে ধরনের কারাদণ্ডের বিধান করা হয়েছে, সে ধরনের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং অপরাধটির জন্য দীর্ঘতম যে মেয়াদের কারাদণ্ডের বিধান করা হয়েছে, তার কারাদণ্ডের মেয়াদ উহার এক চতুর্থাংশ পর্যন্ত যেকোনো দৈর্ঘ্যের হবে, অথবা অর্থ দণ্ডে দণ্ডিত হবে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
উদাহরণ:
'খ', 'চ'-কে খুন করেছে জানা সত্ত্বেও 'ক', 'খ'-কে সাজা হতে বাঁচাবার উদ্দেশ্যে 'খ'-কে 'চ' এর মৃতদেহটি লুকিয়ে ফেলিতে সহায়তা করে। 'ক' সাত বৎসর সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং এতদ্‌ব্যতীত তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে।
------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 201. Causing disappearance of evidence of offence, or giving false information to screen offender- if a capital offence; if punishable with imprisonment for life; if punishable with less than ten years’ imprisonment:
Whoever, knowing or having reason to believe that an offence has been committed, causes any evidence of the commission of that offence to disappear, with the intention of screening the offender from legal punishment, or with that intention gives any information respecting the offence which he knows or believes to be false,
shall, if the offence which he knows or believes to have been committed is punishable with death, be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine;
and if the offence is punishable with [imprisonment for life], or with imprisonment which may extend to ten years, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, and shall also be liable to fine;
and if the offence is punishable with imprisonment for any term not extending to ten years, shall be punished with imprisonment of the description provided for the offence, for a term which may extend to one-fourth part of the longest term of the imprisonment provided for the offence, or with fine, or with both.

Illustration:
A, knowing that B has murdered Z, assists B to hide the body with the intention of screening B from punishment. A is liable to imprisonment of either description for seven years, and also to fine.

৭৪.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর কোন ধারা অনুযায়ী আদালত সাক্ষীর সুরক্ষা বা নিরাপত্তার জন্য প্রয়োজনীয় আদেশ প্রদান করতে পারে?
  1. 544(2)
  2. 542
  3. 540(2)
  4. 543
সঠিক উত্তর:
544(2)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
544(2)
ব্যাখ্যা

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ধারা ৫৪৪(২) অনুযায়ী, আদালত সাক্ষীর সুরক্ষা বা নিরাপত্তার জন্য প্রয়োজনীয় আদেশ প্রদান করতে পারে।

ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৫৪৪: অভিযোগকারী, সাক্ষী ও ভুক্তভোগীর খরচ এবং সুরক্ষা:

(১) সরকারের কোনো অর্ডার থাকার শর্তে, কোনো ফৌজদারি আদালত যদি মঞ্জুর করে, তবে সরকার পক্ষ থেকে অভিযোগকারী বা সাক্ষীর যুক্তিসঙ্গত খরচ প্রদানের নির্দেশ দিতে পারে, যখন তারা কোনো তদন্ত, বিচার বা এই কোড অনুযায়ী অন্যান্য কার্যক্রমে আদালতে উপস্থিত হন।

(২) কোনো আদালত, কোনো ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তির আবেদন বা নিজ উদ্যোগে, ফৌজদারি প্রক্রিয়ার যেকোনো পর্যায়ে, সেই ধরনের কোনো আদেশ দিতে বা পদক্ষেপ নিতে পারে যা কোনো তথ্যদাতা, অভিযোগকারী, ভুক্তভোগী বা সাক্ষীর সুরক্ষা বা নিরাপত্তার জন্য প্রয়োজনীয়।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-544: Expenses and protection of complainants, witnesses and victims:

(1) Subject to any order made by the Government, any Criminal Court may, if it thinks fit, order payment, on the part of Government, of the reasonable expenses of any complainant or witness attending for the purposes of any inquiry, trial or other proceeding before such Court under this Code.

(2) Any Court may, on the application of any aggrieved person or on its own motion, at any stage of a criminal proceeding, pass such order or take such steps as may be necessary for the protection or security of any informant, complainant, victim or witness.

৭৫.
"In Dubio Pro Reo" এই ম্যাক্সিমটি নিম্নের কার সাথে সম্পর্কিত?
  1. আসামি
  2. অভিযোগকারী
  3. বৈরী সাক্ষী
  4. সাক্ষী
সঠিক উত্তর:
আসামি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আসামি
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: ক) আসামি (Accused)।

ম্যাক্সিম: “In Dubio Pro Reo”
বাংলা অর্থ: “সন্দেহের ক্ষেত্রে আসামির পক্ষেই রায় দিতে হবে।”
অর্থাৎ, যদি মামলার প্রমাণে যুক্তিসঙ্গত সন্দেহ থাকে, তবে আসামিকে দোষী করা যাবে না।

এই নীতি ফৌজদারী বিচারব্যবস্থার (Criminal Justice System) একটি মৌলিক ও গুরুত্বপূর্ণ নীতি। এর মূল কথা হলো-
আদালতের চোখে দোষ প্রমাণ না হওয়া পর্যন্ত প্রত্যেক আসামি নির্দোষ (Presumed innocent until proven guilty)। সুতরাং, যদি প্রমাণে সামান্যও যুক্তিসঙ্গত সন্দেহ (reasonable doubt) থাকে, তবে বিচারককে আসামির পক্ষে সিদ্ধান্ত দিতে হবে।

উদাহরণ:
যদি কোনো মামলায় প্রমাণ এমন হয় যে, আসামি অপরাধ করেছে- এমন ধারণা তৈরি হয়, কিন্তু তবুও কিছু বাস্তবিক সন্দেহ থেকে যায় যে সে নাও করতে পারে, তাহলে আদালত আসামিকে শাস্তি দেয়া যাবে না।

৭৬.
'ফৌজদারী মামলার ক্ষেত্রে তামাদি আইন প্রযোজ্য নয়'- এই বক্তব্যের ব্যতিক্রম কোনটি?
  1. এজাহার দায়ের
  2. পুলিশ রিপোর্ট দাখিল
  3. চার্জ গঠন
  4. আপিল দায়ের
সঠিক উত্তর:
আপিল দায়ের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপিল দায়ের
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: ঘ) আপিল দায়ের।

তামাদি অর্থ বিলুপ্ত বা অচল। তামাদি শব্দটি আরবি ভাষা হতে উদ্ভূত। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে আইনগত দাবী আদায় না করলে উক্ত দাবী বাতিল হয়েছে বলে গণ্য হবে এটাই তামাদি।

প্রশ্নে উল্লিখিত বক্তব্যটি হলো - “ফৌজদারী মামলার ক্ষেত্রে তামাদি আইন (Limitation Act) প্রযোজ্য নয়।”
অর্থাৎ, সাধারণভাবে ফৌজদারী মামলায় মামলা দায়ের, তদন্ত, চার্জ গঠন ইত্যাদির ক্ষেত্রে তামাদি আইন প্রযোজ্য হয় না। অর্থাৎ এগুলোর জন্য নির্দিষ্ট সময়সীমা না থাকলেও মামলা চলতে পারে।

কিন্তু ব্যতিক্রম হলো- আপিল (Appeal) দায়েরের ক্ষেত্রে। ফৌজদারী মামলার রায় ঘোষণার পর আপিল দায়েরের নির্দিষ্ট সময়সীমা আছে, যা Limitation Act, 1908 অনুযায়ী নির্ধারিত। যেমন- তামাদি আইনের প্রথম তফসিলের ১৫০ অনুচ্ছেদ অনুসারে, মৃত্যুদণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করার জন্য ৭ দিনের মধ্যে আবেদন করতে হবে। এই সময়সীমা দণ্ডাদেশের তারিখ থেকে গণনা করা হয়।

৭৭.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর কোন ধারা অনুসারে জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট ঘটনাস্থল সরেজমিনে পরিদর্শন করতে পারেন?
  1. 540
  2. 539
  3. 539B
  4. 538
সঠিক উত্তর:
539B
উত্তর
সঠিক উত্তর:
539B
ব্যাখ্যা

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 (ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮) এর গ) 539B ধারা অনুসারে জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট ঘটনাস্থল সরেজমিনে পরিদর্শন করতে পারেন। 
ধারা ৫৩৯খ (Section 539B) অনুযায়ী, বিচারক বা ম্যাজিস্ট্রেট কোনো মামলার বিচার বা তদন্ত চলাকালীন মামলার সঠিক নিষ্পত্তির জন্য যদি প্রয়োজন মনে করেন, তবে তিনি মামলার ঘটনাস্থল সরেজমিনে পরিদর্শন করতে পারেন এবং পরিদর্শনের একটি স্মারকলিপি তৈরি করবেন। এই স্মারকলিপিটি মামলার নথির অংশ হবে এবং পক্ষগণকে তা দেখার সুযোগ দেওয়া হবে।

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধির ৫৩৯খ- সরেজমিনে পরিদর্শন:-
১) কোন তদন্ত, বিচার বা অন্য কার্যধারার যে কোন পর্যায়ে কোন জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট পক্ষসমূহকে নোটিশ দিয়ে যে স্থানে কোন অপরাধ করা হয়েছে মর্মে অভিযোগ আনীত হয়েছে সে স্থান কিংবা উক্ত তদন্ত বা বিচারে প্রদত্ত কোন সাক্ষ্য যথাযথভাবে উপলব্ধি করার জন্য প্রয়োজন বলে মনে করলে অন্য কোন স্থান সফর ও পরিদর্শন করতে পারবেন, ও অনাবশ্যক বিলম্ব ছাড়াই উক্ত পরিদর্শন বা সফরে দৃষ্ট কোন প্রাসঙ্গিক ঘটনা সম্পর্কে একটি স্মারকলিপি তৈরি করবেন।
২) উক্ত স্মারকলিপি মামলার নথির অংশ হবে। পাবলিক প্রসিকিউটর বা ফরিয়াদি কিংবা অভিযুক্ত চাইলে উহার একটি নকল তাকে বিনা মূল্যে সরববরাহ করতে হবে।
 ------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section 539B: Local inspection:-
(1) Any Judge or Magistrate may at any stage of any inquiry, trial or other proceeding, after due notice to the parties, visit and inspect any place in which an offence is alleged to have been committed, or any other place which it is in his opinion necessary to view for the purpose of property appreciating the evidence given at such inquiry or trial, and shall without unnecessary delay record a memorandum of any relevant facts observed at such inspection.
(2) Such memorandum shall form part of the record of the If the Public Prosecutor, complainant or accused so desires, a copy of the memorandum shall be furnished to him free of cost:

৭৮.
The Code of Criminal Procedure, 1898 অনুসারে বাংলাদেশের বাইরে সংঘটিত অপরাধ এর তদন্ত ও বিচার বাংলাদেশের অভ্যন্তরে করতে হলে-
  1. সরকারের পূর্বানুমোদন (prior sanction) লাগবে।
  2. বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের অনুমতি লাগবে।
  3. তদন্ত বা বিচারের যেকোনো পর্যায়ে অনুমোদন নেওয়া যাবে।
  4. কোনো পূর্বানুমোদন লাগবে না।
সঠিক উত্তর:
সরকারের পূর্বানুমোদন (prior sanction) লাগবে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকারের পূর্বানুমোদন (prior sanction) লাগবে।
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা-১৮৮ এ স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে যে, বাংলাদেশের বাইরে সংঘটিত অপরাধের তদন্ত বাংলাদেশে শুরু করার জন্য সরকারের পূর্বানুমোদন (prior sanction) আবশ্যক। ধারাটি বাংলাদেশের নাগরিক কর্তৃক বিদেশে সংঘটিত অপরাধ বা বাংলাদেশে নিবন্ধিত জাহাজ/বিমানে সংঘটিত অপরাধের বিচার বাংলাদেশে করার বিধান দেয়।
পূর্বানুমোদনের বাধ্যবাধকতা: তবে, এই বিধানের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ শর্তটি হলো প্রথম শর্তসাপেক্ষে (First Proviso) অংশে। এতে উল্লেখ আছে: "এই অধ্যায়ের পূর্ববর্তী কোনো ধারায় কিছু থাকা সত্ত্বেও, সরকারের অনুমোদন (sanction) ব্যতীত বাংলাদেশে এই ধরনের কোনো অভিযোগ তদন্ত করা যাবে না।"
অনুমোদনের সময়: এই অনুমোদন তদন্ত শুরুর পূর্বেই নিতে হবে। তদন্ত বা বিচারের যেকোনো পর্যায়ে এটি নেওয়ার কোনো বিধান নেই।

অর্থাৎ ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ১৮৮ অনুযায়ী, বাংলাদেশের বাইরে সংঘটিত অপরাধের তদন্ত বাংলাদেশে শুরু করতে অবশ্যই সরকারের পূর্বানুমোদন (prior sanction) প্রয়োজন।

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা-১৮৮: বাংলাদেশের বাইরে সংঘটিত অপরাধের জন্য দায়বদ্ধতা:
যখন বাংলাদেশের কোনো নাগরিক বাংলাদেশের সীমা ব্যতীত বা বাইরে কোনো স্থানে কোনো অপরাধ করে, অথবা
যখন কোনো ব্যক্তি বাংলাদেশের নিবন্ধিত কোনো জাহাজ বা বিমানে, সেটি যেখানেই থাকুক না কেন, কোনো অপরাধ করে,
তখন সেই অপরাধের জন্য তার সাথে এমনভাবে আচরণ করা যেতে পারে যেন অপরাধটি বাংলাদেশের অভ্যন্তরে এমন কোনো স্থানে সংঘটিত হয়েছে যেখানে তাকে পাওয়া যেতে পারে:
অভিযোগ তদন্তের উপযুক্ততা প্রত্যয়নের জন্য রাজনৈতিক এজেন্টগণ:
তবে শর্ত থাকে যে, এই অধ্যায়ের পূর্ববর্তী কোনো ধারায় কিছু থাকা সত্ত্বেও, সরকারের অনুমোদন (sanction) ব্যতীত বাংলাদেশে এই ধরনের কোনো অভিযোগ তদন্ত করা যাবে না:
আরও শর্ত থাকে যে, এই ধারার অধীনে কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে গৃহীত কোনো কার্যক্রম, যা বাংলাদেশে সংঘটিত হলে একই অপরাধের জন্য পরবর্তী কার্যক্রমের ক্ষেত্রে বাধা হতো, তা বাংলাদেশের সীমার বাইরের কোনো অঞ্চলে একই অপরাধের জন্য ১৯৭৪ সালের প্রত্যর্পণ আইন (Extradition Act, 1974) এর অধীনে তার বিরুদ্ধে আরও কার্যক্রমের ক্ষেত্রে বাধা হবে।

⇒The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-188. Liability for offences committed outside Bangladesh:
When a citizen of Bangladesh commits an offence at any place without and beyond the limits of Bangladesh, or 
When any person commits an offence on any ship or aircraft registered in Bangladesh wherever it may be, 
he may be dealt with in respect of such offence as if it had been committed at any place within Bangladesh at which he may be found:
Political Agents to certify fitness of inquiry into charge
Provided that notwithstanding anything in any of the preceding sections of this Chapter no charge as to any such offence shall be inquired into in Bangladesh except with the sanction of the Government: 
Provided, also, that any proceedings taken against any person under this section which would be a bar to subsequent proceedings against such person for the same offence if such offence had been committed in Bangladesh shall be a bar to further proceedings against him under the Extradition Act, 1974, in respect of the same offence in any territory beyond the limits of Bangladesh.

৭৯.
The Penal Code, 1860 এর কোন ধারা অনুসারে সরকার মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত আসামির সম্মতি ব্যতীত উক্ত দণ্ডকে অন্য যেকোনো দণ্ডে রূপান্তর করতে পারে?
  1. 44
  2. 54
  3. 64
  4. 74
সঠিক উত্তর:
54
উত্তর
সঠিক উত্তর:
54
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৫৪ অনুসারে, সরকার মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত আসামির সম্মতি ব্যতীত উক্ত দণ্ডকে দণ্ডবিধিতে উল্লিখিত অন্য যেকোনো দণ্ডে (যেমন: যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, সশ্রম কারাদণ্ড ইত্যাদি) রূপান্তর (Commute) করার ক্ষমতা রাখে।

⇒ দণ্ডবিধির  ৫৪ ধারার বিধান মৃত্যুদণ্ড হ্রাসকরণ:- মৃত্যুদণ্ড দান করা যেতে পারে এইরূপ প্রত্যেক ক্ষেত্রে সরকার অপরাধকারীর সম্মতি ব্যতিরেকে উক্ত দত্তকে এই বিধি ও আইন বলে ব্যবস্থিত অন্য যেকোন স্বল্প দণ্ডে রূপান্তরিত করতে পারবেন।
---------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 54. Commutation of sentence of death:- In every case in which sentence of death shall have been passed, the Government may, without the consent of the offender, commute the punishment for any other punishment provided by this Code.

৮০.
'ক' একটি বাক্স ভেঙ্গে কিছু গহনা চুরির চেষ্টা করে। সে বাক্সটি ভেঙ্গে দেখতে পায় তাতে কোনো গহনা নেই। 'ক' The Penal Code, 1860 এর কোন ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছে?
  1. 411
  2. 379
  3. 380
  4. 511
সঠিক উত্তর:
511
উত্তর
সঠিক উত্তর:
511
ব্যাখ্যা

⇒ উল্লিখিত ঘটনাটি দণ্ডবিধির ধারা ৫১১-এর একটি স্পষ্ট উদাহরণ, যা ধারাটির উদাহরণ (Illustration)-এও উল্লেখ আছে।
- দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ধারা ৫১১ অনুসারে, যাবজ্জীবন বা কারাদণ্ডযোগ্য অপরাধের উদ্যোগ (attempt) করলে এবং সেই উদ্যোগে কোনো কাজ করলে (যদি এর জন্য আলাদা বিধান না থাকে), তাহলে অপরাধটির শাস্তির অর্ধেক পর্যন্ত কারাদণ্ড, জরিমানা বা উভয় দ্বারা শাস্তিযোগ্য। এখানে ‘ক’-এর বাক্স ভাঙ্গা চুরির উদ্যোগের কাজ (act towards commission), যা ধারা ৫১১-এর উদাহরণ (ক)-এর মতোই। চুরি সংঘটিত না হলেও উদ্যোগ শাস্তিযোগ্য।

⇒ দণ্ডবিধির ৫১১ ধারার বিধান যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে বা কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধ সংঘটনের উদ্যোগের সাজা:-
কোন ব্যক্তি যদি এই বিধিবলে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় কোন অপরাধ সংঘটন করার অথবা অনুরূপ কোন অপরাধ সংঘটন করানোর উদ্যোগ করে এবং অনুরূপ উদ্যোগের মাধ্যমে অপরাধটি সংঘটনের উদ্দেশ্যে কোন কাজ করে, তবে যেক্ষেত্রে অনুরূপ উদ্যোগের সাজার জন্য এই বিধিতে কোন প্রকাশ্য বিধান করা হয় নাই, সেক্ষেত্রে সে ব্যক্তি অপরাধটির জন্য সে ধরনের অপরাধের জন্য বিহিত দণ্ডের দীর্ঘতম মেয়াদের অর্ধেক পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে বা সে অপরাধটির জন্য যে অর্থ দণ্ডেও বিধান করা হয়েছে সে অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
উদাহরণ:
(ক) 'ক' একটি বাক্স ভেঙ্গে কিছু গহনাপত্র চুরি করার উদ্যোগ করে। সে বাক্সটি ভেঙ্গে দেখতে পায় যে, উহাতে কোন গহনাপত্র নাই। সে চুরির উদ্দেশ্যে এই কাজটি করেছে; সুতরাং সে এই ধারার আওতায় অপরাধী বলে পরিগণিত হবে।
(খ) 'ক', 'চ'- এর পকেটে হাত দিয়ে চ-এর পকেট মারার উদ্যোগ নেয়। 'চ'- এর পকেটে কিছু ছিল না বলে ক-এর চেষ্টা ব্যর্থ হয়। 'ক' এই ধারার আওতায় অপরাধী বলে পরিগণিত হবে।
----------- 
⇒ The Penal Code, 1860,Section 511- Punishment for attempting to commit offences punishable with imprisonment for life or imprisonment:
Whoever attempts to commit an offence punishable by this Code with imprisonment for life or imprisonment, or to cause such an offence to be committed, and in such attempt does any act towards the commission of the offence, shall, where no express provision is made by this Code for the punishment of such attempt, be punished with imprisonment of any description provided for the offence, for a term which may extend to one-half of the longest term of imprisonment provided for that offence, or with such fine as is provided for the offence, or with both.

Illustration:
(a) A makes an attempt to steal some jewels by breaking open a box, and finds after so opening the box, that there is no jewel in it. He has done an act towards the commission of theft, and therefore is guilty under this section. 
(b) A makes an attempt to pick the pocket of Z by thrusting his hand into Z's pocket. A fails in the attempt in consequence of Z's having nothing in his pocket. A is guilty under this section.

৮১.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর কোন ধারা অনুসারে একজন ব্যক্তিকে গ্রেফতার করার পরে গ্রেফতারকারী পুলিশ অফিসারের জন্য Memorandum of Arrest প্রস্তুত করা বাধ্যতামূলক?
  1. 43A
  2. 47A
  3. 46A
  4. 45A
সঠিক উত্তর:
46A
উত্তর
সঠিক উত্তর:
46A
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি ১৮৯৮,(Act No. V of 1898)-এর SCHEDULE V-এ নতুন Form IA, যা "গ্রেপ্তার স্মারক" (Memorandum of Arrest) নামে পরিচিত, ধারা ৪৬ক (Section 46A)-এর অধীনে উল্লেখিত হয়েছে। এই ফর্মটি গ্রেপ্তারের সময় এবং স্থানে প্রস্তুত করতে হয় এবং গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তির সাথে ম্যাজিস্ট্রেট বা আদালতে পাঠাতে হয়। ফর্মটির উদ্দেশ্য হলো গ্রেপ্তারের বিস্তারিত তথ্য (যেমন গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তির নাম, ঠিকানা, গ্রেপ্তারের কারণ, শারীরিক অবস্থা, পরিবারকে অবহিত করার তথ্য) রেকর্ড করা, যাতে গ্রেপ্তার প্রক্রিয়া স্বচ্ছ এবং মানবাধিকার সুরক্ষিত থাকে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি ১৮৯৮,-এর SCHEDULE V-তে নতুন Form IA সন্নিবেশিত হয়েছে যা "MEMORANDUM OF ARREST" নামে পরিচিত এবং এটি ধারা 46A অনুসারে প্রস্তুত করতে হবে। এই ফর্মে নিম্নলিখিত বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত থাকবে:
- গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির নাম, পিতার নাম, স্বামীর নাম (যদি থাকে), ঠিকানা ও বয়স
- গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির NID/পাসপোর্ট/জন্ম নিবন্ধন নম্বর (যদি থাকে)
- গ্রেফতারের স্থান
- গ্রেফতারের তারিখ ও সময়
- গ্রেফতারের কারণ (সম্পর্কিত আইন ও ধারা উল্লেখসহ)
- নিশ্চয়তা প্রদানকারী/অভিযোগকারীর নাম ও ঠিকানা (যদি থাকে)
- মামলা/জিডি নম্বর
- গ্রেফতারের পরিপত্র নম্বর ও তারিখ (যদি প্রযোজ্য হয়)
- গ্রেফতারের সময় গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির শারীরিক অবস্থা
- শরীরে কোন আঘাতের কারণ থাকলে তা উল্লেখ
- উপস্থিত নিবন্ধিত চিকিৎসকের নাম ও শংসাপত্র (যদি আঘাতপ্রাপ্ত হয় তাহলে এর একটি কপি সংযুক্ত করতে হবে)
- গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির পরিবারের সদস্য/আত্মীয়/বন্ধু/প্রতিবেশীকে জানানো হয়েছে কিনা - হ্যাঁ/না
- গ্রেফতারের তথ্য জানানো ব্যক্তির নাম ও ঠিকানা
- তথ্য প্রাপ্ত ব্যক্তির যোগাযোগ নম্বর
- সেই আদালতের নাম যেখানে গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে তোলা হবে
- গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির স্বাক্ষর বা আঙুলের ছাপ (যদি অস্বীকার না করে)
- গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির পরিবারের সদস্য বা স্থানীয় সম্মানিত ব্যক্তির স্বাক্ষর (যদি না পাওয়া যায় তবে কারণ উল্লেখ করতে হবে)
- গ্রেফতার কর্মকর্তার নাম, পদবী, আইডি নম্বর ও স্বাক্ষরও অন্তর্ভুক্ত থাকবে।

নির্দেশনা:
এই মেমো গ্রেফতারের সময় ও স্থানে প্রস্তুত করা হবে এবং গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির সাথে ম্যাজিস্ট্রেট বা আদালতে পাঠাতে হবে। আঘাতপ্রাপ্ত ব্যক্তির ক্ষেত্রে চিকিৎসকের শংসাপত্র ও মুক্তির দলিল সংযুক্ত করতে হবে। মেমো এর একটি কপি মামলার ডায়েরিতে সংরক্ষণ করতে হবে ভবিষ্যৎ ব্যবহারের জন্য।

৮২.
The Code of Criminal Procedure, 1898 অনুসারে দণ্ডের অপর্যাপ্ততার বিরুদ্ধে অভিযোগকারী দণ্ডাদেশ প্রদানের কত দিনের মধ্যে আপিল দায়ের করতে পারবে?
  1. ৬০ দিন
  2. ৩০ দিন
  3. ৯০ দিন
  4. ১২০ দিন
সঠিক উত্তর:
৬০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬০ দিন
ব্যাখ্যা

ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৪১৭ক(২) অনুসারে, ফরিয়াদী দণ্ডাদেশের অপর্যাপ্ততার কারণে আপিল দায়ের করতে চাইলে দণ্ডাদেশের তারিখ থেকে ৬০ (ষাট) দিনের মধ্যে আপিল দায়ের করতে হবে। এই সময়সীমা পার হয়ে গেলে আপিল আদালত আর তা গ্রহণ করবেন না।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১৭ক ধারার বিধান অপর্যাপ্ত দণ্ডের বিরুদ্ধে আপিল:-
(১) কোন আদালতের বিচারে প্রদত্ত দণ্ডাদেশের ক্ষেত্রে দণ্ডাদেশের অপর্যাপ্ততার কারণে হাইকোর্ট ডিভিশনে আপিল দায়েরের জন্য সরকার পাবলিক প্রসিকিউটরকে নির্দেশ প্রদান করতে পারবেন।
(২) আদালতে বিচারে দোষী সাব্যস্ত হওয়ার ক্ষেত্রে একজন ফরিয়াদী দণ্ডাদেশের অপর্যাপ্ততাহেতু আপিল আদালতে আপিল দায়ের করতে পারবেনঃ
শর্ত থাকে যে, দণ্ডাদেশের তারিখ থেকে ৬০ (ষাট) দিন পার হবার পর এই উপ-ধারার অধীন আপিল আদালত কর্তৃক কোন আপিল গৃহীত হবে না।
(৩) দণ্ডের অপর্যাপ্ততা হেতু কোন আপিল রুজু করা হলে আপিল আদালত দণ্ড বাড়ানোর বিরুদ্ধে কারণ দর্শাবার জন্য আসামীকে যৌক্তিক সুযোগ না দিয়ে দণ্ড বাড়াবেন না এবং কারণ দর্শাবার সময় আসামী তার খালাস প্রাপ্তি বা দণ্ড কমানোর জন্য আবেদন করতে পারবেন।
---------------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898,-Section 417A: Appeal against inadequacy of sentence:
(1) The Government may, in any case of conviction on a trial held by any court, direct the Public Prosecutor to present an appeal to the High Court Division against the sentence on the ground of its inadequacy.
(2) A complainant may, in any case of conviction on a trial held by any Court, present an appeal to the Appellate Court against the sentence on the ground of its inadequacy:
Provided that no appeal under this sub-section shall be entertained by the Appellate Court after the expiry of sixty days from the date of conviction.
(3) When an appeal has been filed against the sentence on the ground of its inadequacy, the Appellate Court shall not enhance the sentence except after giving to the accused a reasonable opportunity of showing cause against such enhancement and while showing cause, the accused may plead for his acquittal or for the reduction of the sentence.

৮৩.
"Semper Praesumitur Pro Legitimatione Puerorum"- নীতিটি The Evidence Act, 1872 এর কোন ধারার সাথে সম্পর্কিত?
  1. 115
  2. 111
  3. 114
  4. 112
সঠিক উত্তর:
112
উত্তর
সঠিক উত্তর:
112
ব্যাখ্যা

ল্যাটিন নীতি: “Semper Praesumitur Pro Legitimatione Puerorum”
বাংলা অর্থ: সর্বদা সন্তানের বৈধতা অনুমান করা হবে।

⇒ নীতিটি The Evidence Act, 1872 এর ১১২ ধারার (Section 112) সাথে সম্পর্কিত।

Section 112– Birth during marriage, conclusive proof of legitimacy:
The fact that any person was born during the continuance of a valid marriage between his mother and any man, or within two hundred and eighty days after its dissolution, the mother remaining unmarried, shall be conclusive proof that he is the legitimate son of that man, unless it can be shown that the parties to the marriage had no access to each other at any time when he could have been begotten.

বাংলা অর্থ:
যদি কোনো শিশু বৈধ বিবাহ চলাকালীন জন্মগ্রহণ করে, অথবা বিবাহ বিচ্ছেদের পর ২৮০ দিনের মধ্যে জন্মগ্রহণ করে, এবং মা ঐ সময় পর্যন্ত পুনরায় বিবাহ না করে, তবে আইন ধরে নেবে যে শিশুটি বৈধ সন্তান (legitimate child) - যতক্ষণ পর্যন্ত প্রমাণ না হয় যে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে মিলন (access) সম্ভব ছিল না।

অর্থাৎ, এই ধারা অনুযায়ী আদালত সবসময় ধরে নেয়- বিবাহিত দম্পতির ঘরে জন্ম নেয়া সন্তান বৈধ। এটি “Semper Praesumitur Pro Legitimatione Puerorum” (সন্তান সর্বদা বৈধ বলে অনুমান করা হবে) নীতিরই প্রতিফলন।

৮৪.
হিন্দু আইনে Factum Valet নীতিটির প্রবর্তক কে?
  1. মনু
  2. নারদ
  3. জীমূতবাহন
  4. যাজ্ঞবল্ক্য
সঠিক উত্তর:
জীমূতবাহন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জীমূতবাহন
ব্যাখ্যা

⇒ হিন্দু আইনে ফ্যাক্টাম ভ্যালেট (Factum valet] নীতিটির প্রবর্তক হলো জীমুতবাহন।
- Factum valet quod fieri non debuit অর্থ হলো উচিৎ নয় এমন কোন কাজ কেউ করে ফেললে সেটাকে অবৈধ গণ্য করা হবে না।
- এটা বর্তমানে দায়ভাগ এবং মিতাক্ষর উভয় মতবাদে স্বীকৃত নীতি।
- এই নীতির আলোকে আদালত হিন্দু আইনের কতিপয় ক্ষেত্রে এটি প্রয়োগ করে।
- যেমন অভিভাবকের সম্মতি ছাড়া একটি বিয়ে অনুষ্ঠিত হলো।
- বিয়ের ক্ষেত্রে অভিভাবকের সম্মতি বিধি মোতাবেক একটি দিক নির্দেশক পন্থা মাত্র, সম্মতি ছাড়া বিয়ে হলে সেটি অবৈধ হবে না।

৮৫.
ইসলামী জুরিসপ্রুডেন্স এর বিজ্ঞান হলো-
  1. ইজমা
  2. কিয়াস
  3. ফিকাহ্
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ফিকাহ্
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফিকাহ্
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: গ) ফিকাহ্ (Fiqh)।

ইসলামী জুরিসপ্রুডেন্স (Islamic Jurisprudence):
ইসলামী জুরিসপ্রুডেন্স বলতে ইসলামী শরীয়তের আইনি দিক বা ইসলামী আইন বিজ্ঞানের (Science of Islamic Law) আলোচনা বোঝায়। এটি এমন একটি বিজ্ঞান যা দ্বারা ইসলামী শরীয়তের ব্যবহারিক বিধানসমূহ (practical rulings) কুরআন, হাদীস, ইজমা ও কিয়াসের মাধ্যমে উদ্ভাবন ও বিশ্লেষণ করা হয়।

অপরদিকে, ফিকাহ্ (Fiqh) আরবি শব্দ- অর্থ: জ্ঞান, উপলব্ধি, গভীর বোঝাপড়া। শরীয়তের পরিভাষায়:
ফিকাহ্ হলো এমন এক বিজ্ঞান যার মাধ্যমে কুরআন ও সুন্নাহ থেকে সংগৃহীত বিধানাবলি বিশ্লেষণ করে মানুষের দৈনন্দিন জীবনের কাজকর্ম (ইবাদত, মুআমালাত, নিকাহ, তালাক, উত্তরাধিকার ইত্যাদি) সম্পর্কে শরয়ি বিধান নির্ধারণ করা হয়। অর্থাৎ- ফিকাহ্ হচ্ছে ইসলামী জুরিসপ্রুডেন্স-এরই নাম।

উল্লেখ্য,
ইজমা (Ijma):
কোনো বিশেষ যুগে কোনো বিশেষ প্রশ্নে মুসলিম আইনজ্ঞদের ঐকমত্যকে আইনের পরিভাষায় ইজমা বলে।
ইসলামের আইনে তৃতীয় উৎস ইজমা। গুরুত্বের বিচারে কুরআন ও হাদিসের পরেই ইজমার স্থান। কোন বিশেষ যুগে আইন সংক্রান্ত কোন বিশেষ প্রশ্নের সমস্যার সমাধান কুরআন ও হাদিসকে কেন্দ্র করে মুসলিম পণ্ডিতগণ যে সম্মিলিত অভিমত পোষণ করেছেন ইসলামি শরীআতে তাই হলো ইজমা। ইজমা রাসূলুল্লাহ (স)-এর বাণী দ্বারা বৈধ প্রমাণিত হয়েছে।

কিয়াস (Qiyas):
কিয়াস হলো ইসলামি আইনশাস্ত্রের একটি পদ্ধতি যেখানে কুরআন ও সুন্নাহতে সরাসরি সমাধান নেই এমন নতুন সমস্যাগুলোর সমাধান করার জন্য, সেখানে থাকা কোনো বিধানকে তার কারণ বা সাদৃশ্যের ভিত্তিতে বিচার-বুদ্ধি প্রয়োগ করে নির্ণয় করা হয়। এটি ইসলামি শরিয়তের চতুর্থ উৎস।

৮৬.
নিচের কোন ক্ষেত্রে দান উইলের মত কার্যকর হয়?
  1. স্বামী কর্তৃক স্ত্রী বরাবর দান
  2. অজাত ব্যক্তি বরাবর দান
  3. মাতৃগর্ভে থাকা শিশু বরাবর দান
  4. মরজ-উল-মউত কালে দান
সঠিক উত্তর:
মরজ-উল-মউত কালে দান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মরজ-উল-মউত কালে দান
ব্যাখ্যা

“মরজ-উল-মউত” অর্থাৎ মৃত্যুশয্যা বা মৃত্যুভয় উপস্থিত থাকা অবস্থায় করা দান - ইসলামী আইনে উইল হিসেবে গণ্য হয়।

মরজ-উল-মউত বা মৃত্যুশয্যায় দান:
মরজ শব্দের অর্থ- রোগ, মউত শব্দের অর্থ- মৃত্যু। মরজ-উল-মউত'র অর্থ মৃত্যুরোগ (Death Sickness) বা যে রোগে মৃত্যুর সম্ভাবনা আছে। যদি কেউ মৃত্যুর আশঙ্কাজনক রোগে বা অবস্থায় দান করে, তবে সেই দান মৃত্যুর পর কার্যকর হয় এবং উইলের বিধান অনুযায়ী কার্যকর হয়। অর্থাৎ, সেই দান কেবলমাত্র মোট সম্পত্তির তৃতীয়াংশ (১/৩) পর্যন্ত বৈধ হয়। 

মূল নিয়মাবলী:
১. মৃত্যুশয্যায় দানকৃত সম্পত্তি দাতার মোট সম্পত্তির ১/৩ অংশের বেশি হতে পারে না।
২. উত্তরাধিকারীদের মধ্যে কাউকে এই দান করা যাবে না, যদি না বাকি উত্তরাধিকারীরা সম্মতি দেয়।

৮৭.
পারিবারিক আদালত বিবাদীর প্রার্থনামতে লিখিত বর্ণনা দাখিলের জন্য সর্বোচ্চ সময় দিতে পারে-
  1. অন্যূন ২১ দিন
  2. ২১ কর্মদিবস
  3. অনধিক ২১ দিন
  4. অন্যূন ২১ কর্মদিবস
সঠিক উত্তর:
অনধিক ২১ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনধিক ২১ দিন
ব্যাখ্যা

⇒ পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩-এর ধারা ৮ লিখিত জবাব:
(১) বিবাদীর উপস্থিতির জন্য নির্ধারিত তারিখে, বাদী ও বিবাদী পারিবারিক আদালতে হাজির হইবে এবং বিবাদী তাহার আত্মপক্ষ সমর্থনে লিখিত জবাব দাখিল করিবেন:
তবে শর্ত থাকে যে, বিবাদী উপযুক্ত কারণ প্রদর্শনপূর্বক সময় প্রার্থনা করিলে আদালত তাহার আত্মপক্ষ সমর্থনে লিখিত জবাব দাখিলের জন্য অনধিক ২১(একুশ) দিনের মধ্যে অপর একটি তারিখ ধার্য করিতে পারিবে।
(২) লিখিত জবাবে আত্মপক্ষ সমর্থনে উপস্থিত করিতে ইচ্ছুক সাক্ষীগণের নাম ও ঠিকানার তফসিল থাকিবে:
তবে শর্ত থাকে যে, বিবাদী আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে, পরবর্তী যেকোনো পর্যায়ে সাক্ষী আহ্বান করিতে পারিবে, যদি আদালত মনে করে যে, ন্যায়বিচারের স্বার্থে উক্ত সাক্ষ্য গ্রহণ প্রয়োজন।
(৩) যেক্ষেত্রে বিবাদী তাহার আত্মপক্ষ সমর্থনে সাক্ষ্য হিসাবে তাহার দখলে বা ক্ষমতাধীনে রহিয়াছে এইরূপ কোনো দলিলের উপর নির্ভর করেন সেইক্ষেত্রে তিনি লিখিত জবাব দাখিলের সময় আদালতে উহা উপস্থাপন করিবেন এবং একই সময় উক্ত দলিল বা উহার কোনো অবিকল নকল বা ছায়ালিপি বা অন্য যেকোনো কপি লিখিত জবাবের সহিত নথিভুক্ত করিবার জন্য দাখিল করিবেন এবং উক্ত দলিল একটি তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করিয়া উহা লিখিত জবাবের সহিত সংযুক্ত করিবেন।
(৪) যেক্ষেত্রে বিবাদী তাহার লিখিত জবাবের সমর্থনে সাক্ষ্য হিসাবে এমন কোনো দলিলের উপর নির্ভর করেন যাহা তাহার দখলে বা ক্ষমতাধীন নাই, সেইক্ষেত্রে তিনি লিখিত জবাবের সহিত সংযুক্ত করিবার তালিকায় এইরূপ দলিল অন্তর্ভুক্ত করিবেন এবং যাহার দখলে বা ক্ষমতাধীন উহা রহিয়াছে তাহা উল্লেখ করিবেন।
(৫) উপধারা (২), (৩) ও (৪) এ বর্ণিত তপশিল ও দলিলসমূহের তালিকাসহ মোকদ্দমাতে যতসংখ্যক বাদী রহিয়াছে তাহার দ্বিগুণসংখ্যক লিখিত জবাবের অবিকল নকল লিখিত জবাবের সহিত প্রদান করিতে হইবে।
(৬) উপধারা (৫) এ বর্ণিত তপশিল, দলিল এবং দলিলসমূহের তালিকাসহ লিখিত জবাবের অনুলিপি বাদী, ক্ষেত্রমত, আদালতে উপস্থিত তাহার প্রতিনিধি বা আইনজীবীকে প্রদান করিতে হইবে।
(৭) যেক্ষেত্রে লিখিত জবাব দাখিল করিবার সময় বিবাদী কর্তৃক কোনো দলিল আদালতে দাখিল করিবার প্রয়োজন ছিল অথবা লিখিত জবাবের সহিত সংযুক্ত করিবার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করিবার প্রয়োজন ছিল তবে উহা দাখিল বা অন্তর্ভুক্ত করা হয় নাই, সেইক্ষেত্রে আদালতের অনুমতি ব্যতীত, মোকদ্দমার শুনানিতে উক্ত দলিল তাহার অনুকূলে সাক্ষ্য হিসাবে গৃহীত হইবে না।
(৮) আদালত কোনো ব্যতিক্রমী ক্ষেত্র ব্যতীত উপধারা (৭) এর অধীন কোনো দলিল অন্তর্ভুক্তির অনুমতি প্রদান করিবে না।

৮৮.
হিন্দু দায়ভাগ মতবাদ অনুসারে উত্তরাধিকার থেকে সম্পূর্ণ বঞ্চিত হয়-
  1. বন্ধ্যা কন্যা
  2. পুত্রবতী কন্যা
  3. পুত্রসম্ভবা কন্যা
  4. অবিবাহিত কন্যা
সঠিক উত্তর:
বন্ধ্যা কন্যা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বন্ধ্যা কন্যা
ব্যাখ্যা

⇒ হিন্দু দায়ভাগ মতবাদ অনুসারে উত্তরাধিকার থেকে সম্পূর্ণ বঞ্চিত হয়- বন্ধ্যা কন্যা।

বাংলাদেশে হিন্দু সম্প্রদায়ের সম্পত্তি বণ্টন হয়ে থাকে দায়ভাগ মতবাদ অনুসারে। এই মতবাদ অনুসারে উত্তরাধিকার নির্ণয় করতে যে নীতি অনুসরণ করা হয়, তা হলো মৃত ব্যক্তির আত্মার কল্যাণে আধ্যাত্মিক নীতি (ডকট্রিন অব স্পিরিচুয়াল বিলিফ)। হিন্দুধর্মাবলম্বী কেউ মৃত্যুবরণ করলে নিয়ম অনুযায়ী মৃত ব্যক্তির সম্পত্তিতে সবার আগে তাঁর পুত্র, পুত্রের অনুপস্থিতিতে পৌত্র (পুত্রের পুত্র) এবং পুত্র ও পৌত্রের অনুপস্থিতিতে প্রপ্রৌত্র (পুত্রের পুত্রের পুত্র) সম্পূর্ণ সম্পত্তির উত্তরাধিকারী হন। কারণ, পুত্র তাঁর পিতার, পৌত্র তাঁর পিতার ও প্রপৌত্র তাঁর পিতা ও পিতামহের প্রতিনিধিত্ব করেন।

সম্পত্তিতে হিন্দু নারীর অধিকার:
পিতা বা স্বামীর সম্পত্তিতে হিন্দু নারীদের একচ্ছত্র অধিকার নেই, জীবনস্বত্ব আছে। দায়ভাগ মতবাদ অনুসারে কোনো ব্যক্তির মৃত্যুর পর তাঁর সম্পত্তির সম্পূর্ণ উত্তরাধিকার হন জীবিত পুত্র বা পুত্রেরা। পুত্রের উপস্থিতিতে কন্যা সম্পত্তি পান না। অর্থাৎ কন্যার অধিকার নির্ভর করবে পুত্র থাকা বা না থাকার ওপর।

১. কন্যা হিসেবে: মৃত ব্যক্তির পুত্র, পৌত্র, প্রপৌত্র ও স্ত্রী থাকলে কন্যা তাঁর পিতার সম্পত্তি পান না। তাঁদের কেউ না থাকলে কন্যাদের মধ্যে অবিবাহিত কন্যার দাবি সবার আগে। তবে বিধবা কন্যা, বন্ধ্যা কন্যা ও যে কন্যার পুত্রসন্তান নেই, শুধু কন্যাসন্তান আছে, তিনি কিছু পাবেন না।

২. স্ত্রী (বিধবা) হিসেবে: সম্পত্তিতে হিন্দু মহিলার অধিকার আইন, ১৯৩৭ পাস হওয়ার পর মৃত ব্যক্তির বিধবা স্ত্রী এক পুত্রের সমান অংশ জীবনস্বত্ব পান।

৩. মা হিসেবে: মৃত ব্যক্তির স্ত্রী, পুত্র, কন্যা, দৌহিত্র ও পিতা জীবিত থাকলে মা কিছু পান না।

৪. বোন হিসেবে: কোনো অবস্থাতেই বোন তাঁর ভাইয়ের সম্পত্তি পান না।

৮৯.
পারিবারিক আদালতের প্রদত্ত একতরফা ডিক্রি বাতিলের আবেদন দায়েরের মেয়াদ গণনার ক্ষেত্রে The Limitation Act, 1908 এর ৫ ধারা পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ এর কত ধারায় প্রযোজ্য হবে?
  1. ৬(৯)
  2. ১১
  3. ১০(৬)
সঠিক উত্তর:
১০(৬)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০(৬)
ব্যাখ্যা

⇒ পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩-এর ধারা ১০(৬)-এর অধীন একতরফা ডিক্রি বাতিলের আবেদন দায়েরের মেয়াদ গণনায় Limitation Act, 1908-এর ধারা ৫ (যা মেয়াদ বাড়ানোর জন্য যথেষ্ট কারণ দেখানোর বিধান করে) প্রযোজ্য হয়, যেমনটি ধারা ১০(৭)-এ স্পষ্টভাবে উল্লেখিত: "Limitation Act, 1908 (Act No. IX of 1908) এর section 5 এর বিধানাবলি উপধারা (৬) এর অধীন আবেদনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হইবে।" এটি আবেদনের ৩০ দিনের মেয়াদের বাইরে যাওয়া ক্ষেত্রে স্বাধীনতা দেয়, যদি যথেষ্ট কারণ প্রমাণিত হয়।

⇒ পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩-এর ধারা ১০ পক্ষগণের অনুপস্থিতির ফলাফল:
(১) বিবাদীর উপস্থিতির জন্য ধার্যকৃত তারিখে মোকদ্দমার শুনানির জন্য ডাকা হইলে উক্ত সময়ে কোনো পক্ষই উপস্থিত না থাকিলে, আদালত মোকদ্দমা খারিজ করিয়া দিতে পারিবে।
(২) যেক্ষেত্রে মোকদ্দমা শুনানির জন্য ডাকা হইলে বাদী উপস্থিত হন, তবে বিবাদী অনুপস্থিত থাকেন, সেইক্ষেত্রে-
(ক) যদি প্রমাণিত হয় যে, বিবাদীর প্রতি সমন বা নোটিশ যথাযথভাবে জারি করা হইয়াছে, তাহা হইলে আদালত মোকদ্দমাটি একতরফাভাবে নিষ্পত্তির লক্ষ্যে কার্যক্রম গ্রহণ করিতে পারিবে;
(খ) যদি সমন বা নোটিশ বিবাদীর উপর যথাযথভাবে জারি করা হইয়াছে মর্মে প্রমাণিত না হয়, তাহা হইলে আদালত বিবাদীর উপর নূতনভাবে সমন ও নোটিশ জারি কারিবার আদেশ প্রদান করিবে;
(গ) যদি প্রমাণিত হয় যে, বিবাদীর প্রতি সমন বা নোটিশ জারি করা হইয়াছে, তবে তাহার উপস্থিতির জন্য ধার্যকৃত তারিখে তাহাকে উপস্থিত হইয়া জবাব প্রদানের যথেষ্ট সময় দেওয়া হয় নাই, তাহা হইলে আদালত পরবর্তী অনধিক ২১ (একুশ) দিনের মধ্যে নির্ধারিত কোনো তারিখ পর্যন্ত মোকদ্দমার শুনানি স্থগিত রাখিবে এবং বিবাদীকে উক্ত তারিখ সম্পর্কে নোটিশ প্রদান করিবে।
(৩) যেক্ষেত্রে আদালত মোকদ্দমার শুনানি মুলতবি করিয়া একতরফা শুনানির জন্য ধার্য করে এবং বিবাদী শুনানিকালে বা তৎপূর্বে আদালতে হাজির হইয়া পূর্বে হাজির না হইবার উপযুক্ত কারণ উল্লেখ করে, সেইক্ষেত্রে আদালত, উপযুক্ত মনে করিলে, শর্তসাপেক্ষে বিবাদীকে জবাব দাখিলের সুযোগ প্রদান করিয়া এইরূপে শুনানি করিবে যেন তিনি তাহার হাজির হইবার জন্য ধার্যকৃত দিনেই উপস্থিত হইয়াছেন।
(৪) যেক্ষেত্রে মোকদ্দমা শুনানির জন্য ডাকা হইলে বিবাদী উপস্থিত হন, তবে বাদী অনুপস্থিত থাকেন, সেইক্ষেত্রে আদালত মোকদ্দমা খারিজ করিবে, তবে বিবাদী যদি দাবির সম্পূর্ণ বা অংশবিশেষ স্বীকার করে, তাহা হইলে বিবাদীর উক্তরূপ স্বীকৃতির উপর আদালত বিবাদীর বিরুদ্ধে ডিক্রি প্রদান করিবে এবং যেক্ষেত্রে দাবির অংশবিশেষ স্বীকার করা হইয়াছে, সেইক্ষেত্রে মোকদ্দমাটি ততটুকু খারিজ করিবে যতটুকু দাবির অবশিষ্টাংশের সহিত সম্পর্কিত।
(৫) যেক্ষেত্রে কোনো মোকদ্দমা উপধারা (১) এর অধীন খারিজ করা হয় অথবা উপধারা (৪) এর অধীন সম্পূর্ণ বা আংশিক খারিজ করা হয়, সেইক্ষেত্রে বাদী, খারিজ আদেশ প্রদানের ৩০ (ত্রিশ) দিনের মধ্যে, আদেশ প্রদানকারী আদালতে উক্ত আদেশ রহিত করিবার জন্য আবেদন করিতে পারিবেন এবং যদি তিনি আদালতকে এই মর্মে সন্তুষ্ট করিতে সক্ষম হন যে, মোকদ্দমাটি শুনানির সময় তাহার অনুপস্থিতির জন্য যথেষ্ট কারণ ছিল, তাহা হইলে আদালত খারিজ আদেশ রহিত করিয়া একটি আদেশ প্রদান করিবে এবং মোকদ্দমাটি চালাইয়া যাইবার জন্য একটি তারিখ ধার্য করিবে:
তবে শর্ত থাকে যে, মোকদ্দমার খরচ বা অন্য কোনো বিষয়ে আদালত যেরূপ উপযুক্ত মনে করিবে সেইরূপ শর্তে উপধারা (৪) এর অধীন মোকদ্দমার খারিজ আদেশ রহিত করিতে পারিবে :
আরও শর্ত থাকে যে, বিবাদীর উপর আবেদনের নোটিশ জারি না করা পর্যন্ত উপধারা (৪) এর অধীন মোকদ্দমার খারিজ আদেশ রহিত করা যাইবে না।
(৬) বিবাদীর বিরুদ্ধে একতরফাভাবে ডিক্রি প্রদান করা হইলে, তিনি ডিক্রি প্রদানের ৩০ (ত্রিশ) দিনের মধ্যে, ডিক্রি প্রদানকারী আদালতে উহা বাতিলের আদেশ দানের জন্য আবেদন করিতে পারিবেন এবং তিনি যদি আদালতকে সন্তুষ্ট করিতে সক্ষম হন যে, মোকদ্দমার শুনানির সময় তাহার আদালতে অনুপস্থিত থাকিবার যথেষ্ট কারণ ছিল, তাহা হইলে আদালত খরচ বা অন্য কোনো বিষয়ে যেরূপ উপযুক্ত মনে করিবে, সেইরূপ শর্তে তাহার বিরুদ্ধে প্রদত্ত ডিক্রি বাতিল করিবার আদেশ প্রদান করিবে এবং মোকদ্দমাটি পরিচালনার জন্য একটি নির্দিষ্ট তারিখ ধার্য করিবে :
তবে শর্ত থাকে যে, যদি ডিক্রিটি এমন হয় যে, তাহা কেবল উক্ত বিবাদীর বিরুদ্ধেই বাতিল করা যায় না, তাহা হইলে সকল বা অন্য যেকোনো বিবাদীর বিরুদ্ধে প্রদত্ত ডিক্রি বাতিল করা যাইবে :
আরও শর্ত থাকে যে, বাদীর উপর আবেদনের নোটিশ জারি না করিয়া এই উপধারার অধীন কোনো আদেশ প্রদান করা যাইবে না।
(৭) Limitation Act, 1908 (Act No. IX of 1908) এর section 5 এর বিধানাবলি উপধারা (৬) এর অধীন আবেদনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হইবে।

৯০.
স্ত্রীর আবেদনের প্রেক্ষিতে আদালত কর্তৃক বিবাহ বাতিলের ক্ষমতা _____ নামে পরিচিত।
  1. জিহার
  2. ফাসেক
  3. খুলা
  4. ইলা
সঠিক উত্তর:
ফাসেক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফাসেক
ব্যাখ্যা

ফাসেক (Faskh):
স্ত্রীর আবেদনের ভিত্তিতে বিচারক বা কাজী কর্তৃক বিবাহ বাতিল ঘোষণা করাকে ফাসেক বলা হয়। স্ত্রী তার বিবাহ-বিচ্ছেদ ঘটাতে হলে তাকে ১৯৩৯ সালের মুসলিম বিবাহ বিচ্ছেদ আইনের ২ ধারায় বর্ণিত যে কোন একটি বা একাধিক কারণ প্রমাণ সাপেক্ষে পারিবারিক আদালতের ডিক্রী দ্বারা বিবাহ-বিচ্ছেদ ঘটাতে হবে। উপরোক্ত আইনে স্ত্রী কর্তৃক আদালতের মাধ্যমে তালাক লাভের জন্য নিম্নলিখিত কারণগুলো স্বীকৃত হয়েছে-
১. চার বছর যাবৎ স্বামী নিরুদ্দেশ থাকলে;
২. দুই বছর যাবৎ স্ত্রীর খোরপোষ দিতে স্বামী ব্যর্থ হলে;
৩. স্বামী ১৯৬৬ সালের মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশের বিধান লঙ্ঘন করে একাধিক স্ত্রী গ্রহণ করলে;
৪. স্বামীর সাত বছর বা তদূর্ধ্ব মেয়াদের কারাদণ্ড হলে;
৫. কোন যুক্তিসঙ্গত কারণ ছাড়া স্বামী তিন বছর যাবৎ দাম্পত্য দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হলে;
৬. স্বামী বিবাহের সময় পুরুষত্বহীন (Impotence or inability to consummate) থাকলে এবং তা মোকদ্দমা দায়ের করা পর্যন্ত বজায় থাকলে;
৭. স্বামী দুই বছর যাবৎ পাগল (Mental illness) থাকলে বা কুষ্ঠ ব্যাধিগ্রস্ত বা মারাত্মক যৌনব্যাধিতে আক্রান্ত থাকলে;
৮. নাবালিকা অবস্থায় স্ত্রীর সঙ্গে বিবাহ হয়ে থাকলে সাবালকত্ব লাভের পর (১৮ বছর পূর্ণ) স্ত্রী বিবাহ অস্বীকার করলে। কিন্তু এই ক্ষেত্রে যৌন সম্পর্ক স্থাপিত হলে এরূপ মোকদ্দমা করা যাবে না।
৯. নিম্নলিখিত যে কোন অর্থে স্ত্রীর ওপর স্বামী নিষ্ঠুর আচরণ করে থাকলে, যেমন-
ক. অভ্যাসগতভাবে তাকে মারধর করে অথবা আচরণের নিষ্ঠুরতার মাধ্যমে সংসার-জীবনকে দুর্বিষহ করে তুললে, অথবা
খ. কুখ্যাত স্ত্রীলোকদের সঙ্গে স্বামী মেলামেশা করলে কিংবা বদনামের সঙ্গে জীবনযাপন করলে, অথবা
গ. নৈতিকতাবিহীন জীবন-যাপনের জন্য স্ত্রীকে বাধ্য করার চেষ্টা করলে, অথবা
ঘ. স্ত্রীর সম্পত্তি হস্তান্তর করে দিলে কিংবা স্ত্রীকে তার সম্পত্তির ওপর বৈধ অধিকার প্রয়োগ থেকে নিবারণ করলে, অথবা,
ঙ. স্ত্রীকে তার ধর্মীয় অনুষ্ঠান পালনে বাধা দিলে, অথবা
চ. স্বামীর একাধিক স্ত্রী থাকলে পবিত্র কোরআনের নির্দেশ অনুযায়ী তাদের সঙ্গে সমান ব্যবহার না করলে।

অপরদিকে, 
খুলা:
স্ত্রী আরেকটি উপায়ে স্বামীকে তালাক/বিচ্ছেদ দিতে পারে। এটি হচ্ছে খুলা, যা চুক্তিভিত্তিক বিচ্ছেদ হিসেবেও পরিচিত। অর্থাৎ যখন কোন স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বনিবনা হচ্ছে না বা স্ত্রী স্বামীর উপর বিরূপ মনোভাব পোষণ করেন তখন স্ত্রী চাইলে প্রতিদানের (অর্থ বা সম্পত্তি) বিনিময়ে স্বামীকে বিচ্ছেদ ঘটাতে রাজী করাতে পারে। এই ধরনের বিচ্ছেদকে খুলা বলে। 

ইলা:
স্বামী যদি আল্লাহর নামে শপথ করে বলেন যে, তিনি তার স্ত্রীর সঙ্গে সহবাস করবেন না, তবে একে “ইলা” বলে। স্বামী যদি এভাবে শপথ করে এবং চার মাসের মধ্যে স্ত্রীর সঙ্গে সহবাস না করে, তবে চার মাস শেষে স্বয়ংক্রিয়ভাবে এই তালাক কার্যকর হয়।

জিহার:
স্বামী যদি তার স্ত্রীকে নিজের এমন কোনো মহরাম নারীর (যাকে বিয়ে করা হারাম) সঙ্গে তুলনা করেন— যেমন বলে,
“তুমি তো আমার মায়ের মতো” — তখন একে জিহার বলে। এমন কথা বলা হারাম ও গুরুতর পাপ। এতে স্ত্রী স্বামীর জন্য হারাম হয়ে যায়।

৯১.
নিম্নের কোনটি তিন তালাক নামে পরিচিত?
  1. তালাক আহসান (ahsan)
  2. তালাক হাসান (hasan)
  3. তালাক-উল-বিদাত (talak al-bid'a)
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
তালাক-উল-বিদাত (talak al-bid'a)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তালাক-উল-বিদাত (talak al-bid'a)
ব্যাখ্যা

⇒ তালাক-উল-বিদাত ‘তিন তালাক’ নামে পরিচিত।

তালাক আরবি শব্দ। যার আভিধানিক অর্থ বিচ্ছিন্ন হওয়া বা ত্যাগ করা। ইসলাম ধর্মে তালাক বলতে স্বামী ও স্ত্রীর বৈবাহিক সম্পর্ক হইতে বিচ্ছিন্ন হওয়াকে বুঝায়। তালাক প্রধানত দুই ধরনের:

১। তালাক-উস-সুন্নাহ (অনুমোদিত তালাক): 
তালাক-উস-সুন্নাহ হলো হযরত মোহাম্মদ (সা:) এর সুন্নত বা হাদিসে বর্ণিত নিয়ম অনুযায়ী তালাক। তালাক-উস-সুন্নাহ [Talaq-us-Sunna] দুই প্রকার হতে পারে; 

- তালাক-ই-আহসান (Ahsan): স্ত্রীর তুহরে (পবিত্র সময়) একবার তালাক উচ্চারণ করা হলে এবং স্ত্রীর ইদ্দতকাল (৩টি ঋতুকাল পর্যন্ত) তার সাথে যৌন সম্পর্ক (Consummation) না রাখলে, ইদ্দতকাল শেষ হওয়ার সাথে সাথে তালাক কার্যকর হবে এবং অপ্রত্যাহারযোগ্য হবে। এটি সর্বাপেক্ষা অনুমোদিত তালাক। 

 - তালাক-ই-হাসান (Hasan): স্বামী তার স্ত্রীর পরপর ৩টি তুহরের প্রত্যেক তুহরেই ১ বার করে তালাক উচ্চারণ করবে এবং তুহর কালে স্ত্রীর শারীরিক সম্পর্ক হতে বিরত থাকবে। তৃতীয় উচ্চারণের সঙ্গে সঙ্গেই তালাক কার্যকর হবে। এই ক্ষেত্রে তালাক অপ্রত্যাহারযোগ্য।

২। তালাক-উল-বিদাত বা অননুমোদিত তালাক:
তালাক-ই-আহসান ও তালাক-ই-হাসান পদ্ধতি ছাড়া অন্য সকল পদ্ধতির তালাককে তালাক-উল-বিদাত বলা হয়। স্বামী পর পর তিন তালাক উচ্চারণ করে অথবা এক বাক্যে তিন তালাক উচ্চারণ করে স্ত্রীর পবিত্র অবস্থায় অথবা অপবিত্র অবস্থায় এই তালাক প্রদান করা হয়।
যেমন- স্ত্রীর পবিত্র বা অপবিত্র অবস্থায় স্বামী স্ত্রীকে বলে, "আমি তোমাকে তালাক দিলাম, তালাক দিলাম, তালাক দিলাম" অথবা "আমি তোমাকে তিন তালাক দিলাম" অথবা "আমি তোমাকে বাইন তালাক দিলাম" ইত্যাদি। এই ধরনের তালাক প্রত্যাহার করা যায় না। 

৯২.
হানাফী মতবাদ অনুযায়ী অগ্রক্রয়ের অধিকার প্রয়োগ করতে পারে কয় শ্রেণির ব্যক্তি? 
  1. ৫ শ্রেণির
  2. ৪ শ্রেণির
  3. ২ শ্রেণির
  4. ৩ শ্রেণির
সঠিক উত্তর:
৩ শ্রেণির
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ শ্রেণির
ব্যাখ্যা

⇒ হানাফী আইন অনুসারে, অগ্রক্রয়ের অধিকার (Right of Pre-emption) প্রয়োগের অধিকার মোট ৩ শ্রেণির ব্যক্তির আছে। এরা হলো: (১) শাফি-ই-শরিক (সহ-অংশীদার বা যৌথ মালিক), (২) শাফি-ই-খালিত (সুবিধাসমূহের অংশগ্রহণকারী, যেমন পথ চলাচলের অধিকারী), এবং (৩) শাফি-ই-জার (সংলগ্ন বা পার্শ্বর্তী স্থাবর সম্পত্তির মালিক)। এই শ্রেণিগুলো অগ্রক্রয়ের অধিকারের ক্রমানুসারে প্রয়োগ হয়।

⇒ অগ্রক্রয়ের অধিকার প্রয়োগ:
হানাফী আইন অনুযায়ী ৩ শ্রেণির ব্যক্তির অগ্রক্রয়ের অধিকার প্রয়োগের অধিকার আছে।
১) শাফি-ই-শরিক [Shafi-e-sharik ]
২) শাফি-ই-খালিত [Shafi-e-Khalit]
৩) শাফি-ই-জার [Shafi-e-jar]

- শাফি-ই-শরিক [Shafi-e-sharik ]
শাফি-ই-শরিক [Shafi-e-sharik | হলো সম্পত্তিতে কোন সহ-অংশীদার। যেমন; 'ক' এবং 'খ' হলো 'ম' এর সন্তান। সুতরাং 'ম' এর সম্পত্তির যৌথ মালিক হলো 'ক' এবং 'খ'। যদি 'ক' তার সম্পত্তি 'গ' এর নিকট বিক্রয় করে তাহলে 'খ' অগ্রক্রয়ের অধিকার প্রয়োগ করতে পারবে। আবার 'খ' তার সম্পত্তি 'গ' এর নিকট বিক্রয় করলে, 'ক' অগ্রক্রয়ের অধিকার প্রয়োগ করতে পারবে।

- শাফি-ই-খালিত [Shafi-e-Khalit]
শাফি-ই-খালিত [Shafi-e-Khalit] অর্থ হলো সুবিধাসমূহের ক্ষেত্রে অংশগ্রহণকারী (Participator in immunities]। এটা বলতে এমন ব্যক্তিকে বোঝায় যে কোন সুখাধিকার যেমন পথে চলাচলের অধিকার ইত্যাদিতে অধিকারী।

- শাফি-ই-জার [Shafi-e-jar]
শাফি-ই-জার [Shafi-e-jar) অর্থ হলো সংলগ্ন বা পার্শবর্তী স্থাবর সম্পত্তির মালিক (owners of adjoining immovable property)। হানাফী আইন অনুযায়ী যে ভূমি বিক্রয় হবে তার সংলগ্ন জমির মালিক অগ্রক্রয়ের অধিকার প্রয়োগ করতে পারে।

৯৩.
The Code of Civil Procedure (Amendment) Ordinance, কবে থেকে কার্যকর হয়?
  1. ৮ মে, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ
  2. ৮ জুলাই, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ
  3. ৮ আগষ্ট, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ
  4. ৮ জুন, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ
সঠিক উত্তর:
৮ মে, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮ মে, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ
ব্যাখ্যা

⇒ The Code of Civil Procedure (Amendment) Ordinance, 2025 (২০২৫ সনের ১৮ নং অধ্যাদেশ) এর সংক্ষিপ্ত শিরোনাম ও প্রবর্তন বিষয়ক ধারা ১(১) এবং ১(২)-তে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে এই অধ্যাদেশটি ৮ মে, ২০২৫ তারিখে জারি হয়েছে এবং এটি অবিলম্বে কার্যকর হয়েছে। এই তারিখটি অধ্যাদেশের প্রকাশনার সাথে সম্পর্কিত এবং এটি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৯৩(১) অনুচ্ছেদের অধীনে রাষ্ট্রপতির ক্ষমতাবলে প্রণীত ও জারি করা হয়েছে।

- অর্থাৎ, প্রশ্নটি The Code of Civil Procedure (Amendment) Ordinance কার্যকর হওয়ার তারিখ সম্পর্কে। প্রদত্ত তথ্য অনুযায়ী, The Code of Civil Procedure (Amendment) Ordinance, 2025 এর ধারা ১(২) তে বলা হয়েছে যে এটি ৮ মে, ২০২৫ তারিখে জারি হয়েছে এবং অবিলম্বে কার্যকর হয়েছে।

সুতরাং, সঠিক উত্তর: ক) ৮ মে, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ।

- এই অধ্যাদেশটি দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর বিভিন্ন ধারা ও বিধিতে সংশোধনী এনেছে, যার মাধ্যমে মোকদ্দমার প্রক্রিয়া আরও দ্রুত ও কার্যকর করার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।

৯৪.
The Civil Courts Act, 1887 অনুসারে দেওয়ানী আদালত বসার স্থান নির্ধারণের এখতিয়ার কার?
  1. হাইকোর্ট বিভাগ
  2. আপীল বিভাগ
  3. জেলা জজ
  4. সরকার
সঠিক উত্তর:
সরকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকার
ব্যাখ্যা

The Civil Courts Act, 1887-এর ধারা 14(1) ও (2) অনুযায়ী একমাত্র সরকার-ই দেওয়ানি আদালতের বসার স্থান নির্ধারণ বা পরিবর্তনের এখতিয়ার রাখে।
- সরকার সরকারি গেজেটে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের মাধ্যমে এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করে।

⇒ The Civil Courts Act, 1887 এর ধারা ১৪ – আদালতের আসনস্থল:
(১) সরকার সরকারি গেজেটে (Official Gazette) বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের মাধ্যমে যে কোনো দেওয়ানি আদালতের আসনস্থল স্থির করতে বা পরিবর্তন করতে পারে।
(২) বর্তমানে যে সকল স্থানে এই ধরনের আদালত অনুষ্ঠিত হচ্ছে, সেগুলি স্বয়ংক্রিয়ভাবে এই ধারা অনুযায়ী স্থির করা হয়েছে বলে গণ্য হবে।

⇒ The Civil Courts Act, 1887- section-14. Place of sitting of Courts:
 (1) The Government may, by notification in the official Gazette, fix and alter the place or places at which any Civil Court under this Act is to be held. 
(2) All places at which any such Courts are now held shall be deemed to have been fixed under this section.

৯৫.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর _______ ধারায় আপীল পর্যায়ে মধ্যস্থতার বিধান আছে।
  1. 89C
  2. 89E
  3. 89D
  4. 89B
সঠিক উত্তর:
89C
উত্তর
সঠিক উত্তর:
89C
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৮৯গ (Section 89C) আপিল আদালতে মধ্যস্থতার (mediation in appeal) বিষয়ে বিধান প্রদান করে।
- এ ধারায় বলা হয়েছে, যদি আদেশ ৪১ এর অধীন কোনো ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল করা হয় এবং তা মূল পক্ষগণ বা তাদের স্থলাভিষিক্তদের মধ্যে হয়, তাহলে আপিল আদালত নিজে মধ্যস্থতা করতে পারে বা অন্য কারো মাধ্যমে মধ্যস্থতার জন্য পাঠাতে পারে।

অর্থাৎ The Code of Civil Procedure, 1908 এর ৮৯গ (Section 89C) ধারায় আপীল পর্যায়ে মধ্যস্থতার বিধান আছে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ৮৯গ ধারার বিধান আপিলে মধ্যস্থতা (Mediation in Appeal): যদি আদেশ ৪১ এর অধীনে মূল ডিক্রি হতে কোন আপিল দায়ের হয় এবং যদি একই পক্ষগণের বা মূল পক্ষগণের স্থলাভিষিক্ত পক্ষগণের মধ্যে উক্ত আপিল দায়ের হয়ে থাকে, তাহলে আপিল আদালত উক্ত আপিলের বিরোধ বা বিরোধসমূহ মধ্যস্থতার মাধ্যমে নিষ্পত্তি করবে অথবা আপিলের বিরোধ বা বিরোধসমূহ মধ্যস্থতার মাধ্যমে নিষ্পত্তির জন্য প্রেরণ করবে। এরূপ মধ্যস্থতার ক্ষেত্রে আপিল আদালত প্রয়োজনীয় মনে করলে যতদূর সম্ভব ৮৯ক ধারার বিধানসমূহকে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন (Mutatis Mutandis) সাপেক্ষে অনুসরণ করবে।
----------
⇒The Code of Civil Procedure, 1908, Section 89C- Mediation in Appeal:
(1) An Appellate Court shall mediate in an appeal or refer the appeal for mediation in order to settle the dispute or disputes in that appeal, if the appeal is an appeal from original decree under Order XLI, and is between the same parties who contested in the original suit or the parties who have been substituted for the original contesting parties. 
(2) In mediation under sub-section (1), the provisions of section 89A shall be followed with necessary changes (mutatis mutandis) as may be expedient.

৯৬.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর Order VII Rule 10 অনুসারে প্রদত্ত আর্জি ফেরতের আদেশ _______ যোগ্য।
  1. আপিল
  2. রিভিশন
  3. রিভিউ
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
আপিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপিল
ব্যাখ্যা

⇒ আপিলযোগ্য আদেশ:
 সাধারনত আদেশের বিরুদ্ধে আপীল চলে না, তবে আদেশটি যদি আপিলযোগ্য আদেশ হয় তাহলে উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যায়। যে সকল আদেশ আপিলযোগ্য, সে সকল আদেশ সম্পর্কে Order 43 এ বিধান রয়েছে। আদেশ ৪৩ এ মোট ২৫টি আপীলযোগ্য আদেশ (Appealable Order) রয়েছে।

অর্থাৎ আইনে স্পষ্ট বিধান না থাকলে, মূল অথবা আপিল এখতিয়ার প্রয়োগকারী আদালত কর্তৃক প্রদত্ত যে কোন আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে না; কিন্তু ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল করা যায়।

- উল্লিখিত প্রশ্নের Order 7 rule 10 আদেশটি আদেশ ৪৩ এর বিধি ১ এর আপিল যোগ্য আদেশের তালিকায় রয়েছে। 

আদেশ ৭ বিধি-১০: আরজি ফেরত (Return of plaint)-
⇒ বাদী যদি এখতিয়ারহীন আদালতে আরতি দায়ের করে, তাহলে আদালত উক্ত আরজি এখতিয়ার সম্পন্ন আদালতে পেশ করার জন্য বাদীকে ফেরত প্রদান করবে।
⇒ আরজি ফেরত প্রদানের সময় বিচারক আরজি পেশ করার এবং ফেরত দেওয়ার তারিখ, আরজি দাখিলকারির নাম এবং ফেরত দেওয়ার কারণ সংক্ষেপে লিখবেন।

প্রতিকার: আরজি ফেরতের আদেশটি আপিলযোগ্য আদেশ (Appealable Order)। [বিধি-১, আদেশ ৪৩] ।

৯৭.
মূলতবী খরচা দাখিল করতে ব্যর্থ হলে মোকদ্দমা খারিজ বা একতরফা নিষ্পত্তির আদেশ সরাসরি বাতিলের জন্য কোন বিধান মতে প্রার্থনা করতে হয়?
  1. Order XVII Rule 1(7)
  2. Order XVII Rule 1(5)
  3. Order IX Rule 13A
  4. Order IX Rule 9A
সঠিক উত্তর:
Order XVII Rule 1(7)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Order XVII Rule 1(7)
ব্যাখ্যা

⇒ মূলতবী খরচা দাখিল করতে ব্যর্থ হলে মোকদ্দমা খারিজ বা একতরফা নিষ্পত্তির আদেশ সরাসরি বাতিলের জন্য দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর আদেশ ১৭ বিধি ১(৭) [Order XVII Rule 1(7)] এর বিধান মতে প্রার্থনা/ আবেদন করতে হয়।

The Code of Civil Procedure, 1908 এর Order XVII Rule 1(7) অনুযায়ী,
উপ-বিধি (৩) বা (৪) অনুযায়ী কোনো মামলা খারিজ করা হলে বা একতরফাভাবে (ex parte) নিষ্পত্তি করা হলে, যে পক্ষের ব্যর্থতার কারণে মামলাটি খারিজ বা একতরফাভাবে নিষ্পত্তি হয়েছে, সে পক্ষ যদি সেই খারিজ বা একতরফা নিষ্পত্তির তারিখ থেকে ত্রিশ (৩০) দিনের মধ্যে আদালতে দুই হাজার টাকা খরচসহ মামলাটি পুনরুজ্জীবিত (revive) করার জন্য আবেদন করে, তবে উক্ত আবেদন দাখিলের পর মামলাটি আর কোনো অতিরিক্ত কার্যক্রম ছাড়াই পুনরায় শুনানির জন্য পুনরুজ্জীবিত হবে; এবং আদালতে জমাকৃত উক্ত খরচ বিপক্ষ পক্ষকে (অন্য পক্ষকে) প্রদান করা হবে।

৯৮.
সমন জারির ক্ষেত্রে দেওয়ানী কার্যবিধির কোন বিধানটি সংশোধিত হয়ে Short Message Service, Voice Calls, Instant Messaging Services সন্নিবেশিত হয়েছে?
  1. Order V Rule 9(3)
  2. Order V Rule 9(5)
  3. Order V Rule 9(2)
  4. Order V Rule 9(4)
সঠিক উত্তর:
Order V Rule 9(3)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Order V Rule 9(3)
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি (সংশোধনী) অধ্যাদেশ, ২০২৫ অনুযায়ী Order V, Rule 9, Sub-rule (3)-এ “transmission of documents through” শব্দগুচ্ছের পরিবর্তে যুক্ত হয়েছে:
"Short Message Service, Voice Calls, Instant Messaging Services,"
অর্থাৎ, এখন সমন বা কাগজপত্র পাঠানোর জন্য নিম্নলিখিত প্রযুক্তিগুলো ব্যবহার করা যাবে:
- Short Message Service (SMS)
- Voice Calls
- Instant Messaging Services (যেমন WhatsApp, Messenger ইত্যাদি)

এছাড়াও, উক্ত বিধানে আরও বলা হয়েছে:
“Provided that the proof of such service shall be kept in record.”
অর্থাৎ, এই প্রযুক্তির মাধ্যমে পাঠানো সমনের প্রমাণ অবশ্যই রেকর্ডে রাখতে হবে।

⇒ সমন জারির ক্ষেত্রে দেওয়ানী কার্যবিধির ক) Order V Rule 9(3) বিধানটি সংশোধিত হয়ে Short Message Service, Voice Calls, Instant Messaging Services সন্নিবেশিত হয়েছে।

তাই সঠিক উত্তর হচ্ছে: ক) Order V Rule 9(3)। 

৯৯.
The Specific Relief Act, 1877 এর কোন ধারায় নেতিবাচক চুক্তি পালনের নিষেধাজ্ঞা প্রদানের বিধান আছে?
  1. 52
  2. 57
  3. 56
  4. 42
সঠিক উত্তর:
57
উত্তর
সঠিক উত্তর:
57
ব্যাখ্যা

​⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ধারা ৫৭-এ নেতিবাচক চুক্তি (Negative Agreement) পালনের জন্য নিষেধাজ্ঞা প্রদানের বিধান রয়েছে। এই ধারা অনুসারে, যদি একটি চুক্তিতে হাঁ-সূচক (Affirmative) এবং নেতিবাচক (Negative) উভয় ধরনের সম্মতি থাকে, তবে আদালত হাঁ-সূচক চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন বাধ্য করতে অক্ষম হলেও নেতিবাচক চুক্তি পালনের জন্য নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করতে পারে, শর্ত থাকে যে বাদী তার অংশে চুক্তি পালনে ব্যর্থ হয়নি।

​⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৭ ধারার বিধান হল নেতিবাচক চুক্তি পালনের নিষেধাজ্ঞা : ধারা ৫৬ এর উপধারা-(চ) এর বিধান সত্ত্বেও যেক্ষেত্রে একটি সুস্পষ্টভাবে বা ইঙ্গিতবোধকভাবে কতিপয় নির্দিষ্ট কাজ করা এবং কতিপয় নির্দিষ্ট কাজ না করবার সম্মতির সমন্বয়, সেক্ষেত্রে হাঁ-সূচক চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনে বাধ্য করতে আদালত অসমর্থ হলেও সে পরিস্থিতি আদালতকে না সূচক কাজ সম্পাদন সম্বন্ধে নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করা থেকে নিবারণ করবে না।
তবে শর্ত থাকে যে, বাদী তার যতটুকু অবশ্যপালনীয়, চুক্তির ততটুকু পালনে ব্যর্থ হয় নাই।

- নেতিবাচক চুক্তি পালনের জন্য নিষেধাজ্ঞা (Injunction to perform negative agreement)-
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৭ ধারামতে আদালত চুক্তির ইতিবাচক অংশ সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করার আদেশ দিতে না পারলেও, চুক্তির নেতিবাচক অংশ পালনের জন্য নিষেধাজ্ঞার আদেশ দিতে পারবেন।

যেমন- A, B এর সাথে এই মর্মে চুক্তি করে যে, সে ১২ মাসের জন্য B এর থিয়েটারে গান গাইবে এবং এই সময়ে সে অন্যত্র জনসম্মুখে গান পরিবেশন করবে না। এই চুক্তির সুনির্দিষ্ট বলবৎ করার জন্য B ডিক্রি পাওয়ার অধিকারী নয়, কিন্তু A যেন এই সময়ে অন্যত্র জনসম্মুখে গান পরিবেশন না করতে পারে বা তাকে গান গাওয়া হতে বিরত রাখতে B নিষেধাজ্ঞা পেতে পারে।
-----------
⇒ The Specific Relief Act, 1877, Section-57. Injunction to perform negative agreement:
Notwithstanding section 56, clause (f), where a contract comprises an affirmative agreement to do a certain act, coupled with a negative agreement, express or implied, not to do a certain act, the circumstance that the Court is unable to compel specific performance of the affirmative agreement shall not preclude it from granting an injunction to perform the negative agreement: provided that the applicant has not failed to perform the contract so far as it is binding on him.

Illustrations:
(a) A contracts to sell to B for taka 1,000 the good-will of a certain business unconnected with business-premises, and further agrees not to carry on that business in Chittagong. B pays A the taka 1,000 but A carries on the business in Chittagong. The Court cannot compel A to send his customers to B, but B may obtain an injunction restraining A from carrying on the business in Chittagong.
(b) A contracts to sell to B the good-will of a business. A then sets up similar business close by B's shop and solicits his old-customers to deal with him. This is contrary to his implied contract, and B may obtain an injunction to restrain A from soliciting the customers, and from doing any act whereby their good-will may be withdrawn from B.

(c) A contracts with B to sing for twelve months as B's theatre and not to sing in public elsewhere, B cannot obtain specific performance of the contract to sing, but he is entitled to an injunction restraining A from singing at any other place of public entertainment.

(d) B contracts with A that he will serve him faithfully for twelve months as a clerk. A is not entitled to a decree for specific performance of the contract. But he is entitled to an injunction restraining B from serving a rival house as clerk.
(e) A contracts with B that, in consideration of taka 1,000 to be paid to him by B on a day fixed, he will not set up a certain business within a specified distance. B fails to pay the money. A cannot be restrained from carrying on the business within the specified distance.

১০০.
দেওয়ানী মোকদ্দমা মিথ্যা ও বানোয়াট প্রমাণ হলে আদালত সর্বোচ্চ কত টাকা ক্ষতিপূরণমূলক খরচা আরোপ করতে পারে?
  1. ৫০,০০০/- টাকা
  2. ৫০০০/-টাকা
  3. ২০,০০০/-টাকা
  4. ১০,০০০/- টাকা
সঠিক উত্তর:
৫০,০০০/- টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫০,০০০/- টাকা
ব্যাখ্যা

⇒  দেওয়ানী কার্যবিধির ৩৫ক ধারা অনুযায়ী, কোনো পক্ষ যদি মিথ্যা বা উৎপীড়নমূলক মামলা দায়ের করে, তাহলে আদালত প্রতিপক্ষকে ক্ষতিপূরণ বাবদ নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা প্রদানের নির্দেশ দিতে পারে।
- আগে এই সর্বোচ্চ পরিমাণ ছিল “twenty” অর্থাৎ ২০ হাজার টাকা, কিন্তু— দেওয়ানী কার্যবিধি (সংশোধনী) অধ্যাদেশ, ২০২৫ অনুযায়ী, ৩৫A ধারার উপ-ধারা (১)-এ “twenty” শব্দের পরিবর্তে “fifty” শব্দটি প্রতিস্থাপিত হয়েছে।
অর্থাৎ এখন সর্বোচ্চ ক্ষতিপূরণ ৫০,০০০ টাকা পর্যন্ত ধার্য করা যেতে পারে।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ৩৫ক ধারার বিধান: মিথ্যা বা বিব্রতকর দাবি বা আত্মপক্ষ সমর্থনের ক্ষেত্রে ক্ষতিপূরণমূলক খরচ:
১) যদি কোন মোকদ্দমা অথবা জারির কর্মপদ্ধতিসহ অন্য কার্যক্রমে, কিন্তু আপিলে নয়, কোন পক্ষ দাবিতে অথবা জবাবে এই জন্য আপত্তি প্রদান করে যে, দাবি কিংবা জবাব, অথবা উহার কোন পার্ট, মিথ্যা বা বিরক্তিকর, এবং তৎপরবর্তীতে ঐরূপ দাবি কিংবা জবাবকে মিথ্যা অথবা বিরক্তিকর হিসাবে ধারণা প্রদান করার কারণ লিপিবদ্ধ করার পর ক্ষতিপূরণ হিসাবে আপত্তিকারীকে খরচা প্রদান করার আদেশ দিবে, যা আদালতের আর্থিক এতিয়ারের পরিসীমা অতিক্রান্ত না করে পঞ্চাশ হাজার টাকা পর্যন্ত হবে।

২) এই ধারার অধীন তাতে বর্ণিত কারণে কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে আদেশ প্রদান করা হলে ঐ দাবি কিংবা জবাব সম্পর্কে তাকে ফৌজদারি দায় থেকে অব্যাহতি প্রদান করা হবে না।

৩) মিথ্যা কিংবা বিরক্তিকর দাবি অথবা জবাবের নিমিত্তে উক্ত ধারার অধীন মঞ্জুরীকৃত খরচার পরিমাণ পরবর্তী খেসারত অথবা ক্ষতিপূরণের মোকদ্দমায় ঐরূপ দাবি অথবা জবাব সম্পর্কে বিবেচনায় রাখতে হবে।

⇒ আগে মামলা-মোকদ্দমা অপ্রয়োজনে দায়ের করে হয়রানি করলে আদালত সর্বোচ্চ ২০,০০০/- টাকা ক্ষতিপূরণ আদায় করতে পারত। বর্তমানে Code of Civil Procedure (Amendment) Ordinance, 2025 এর মাধ্যমে আদালত ৫০,০০০/- টাকা ক্ষতিপূরনের আদেশ দিতে পারবেন।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Section- 35A. Compensatory costs in respect of false or vexatious claims or defences.
(1) If in any suit or other proceeding, including an execution proceeding, not being an appeal, any party objects to the claim or defence on the ground that the claim or defence, or any part of it, is false or vexatious, and if, thereafter, such claim or defence is disallowed, in whole or in part, the Court shall, after recording its reasons for holding such claim or defence to be false or vexatious, make an order for the payment to the objector, such cost by way of compensation which may, without exceeding the limit of the Court's pecuniary jurisdiction, extend upto fifty thousand taka.
(2) No person against whom an order has been made under this section shall, by reason thereof, be exempted from any criminal liability in respect of any claim or defence made by him.
(3) The amount of any cost awarded under this section in respect of a false or vexatious claim or defence shall be taken into account in any subsequent suit for damages or compensation in respect of such claim or defence.