পরীক্ষা আর্কাইভ

বিসিএস জব সল্যুশন - রিভিশন

পরীক্ষাবিসিএস জব সল্যুশন - রিভিশনতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়50 minutes
মোট প্রশ্ন৯৬
সিলেবাস
৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি: বিসিএস জব সল্যুশন রিভিশন পরীক্ষা - ১ পরীক্ষার টপিক: ৫০তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষা। ৪৯তম বিশেষ বিসিএস (শিক্ষা) প্রিলিমিনারি পরীক্ষা (জেনারেল পার্ট) ২০তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষা। [উপরোক্ত বিসিএসের মূল পরীক্ষার প্রশ্নগুলো Live MCQ আর্কাইভ থেকে উত্তর ও ব্যাখ্যাসহ ভালোভাবে পড়ে নিন। মূল প্রশ্ন মডিফাই করে রিভিশন পরীক্ষার প্রশ্ন প্রণীত হবে।]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বিসিএস জব সল্যুশন - রিভিশন

বিসিএস জব সল্যুশন - রিভিশন · তারিখ অনির্ধারিত · ৯৬ প্রশ্ন

.
'কবি' উপন্যাসের প্রধান চরিত্র কোনটি? 
  1. রতন 
  2. নিতাইচরণ
  3. কমল 
  4. ইন্দ্রনাথ 
সঠিক উত্তর:
নিতাইচরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিতাইচরণ
ব্যাখ্যা

• 'কবি' উপন্যাস সম্পর্কিত আলোচনা:
- 'কবি' উপন্যাসটি তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখা দ্বাদশ উপন্যাস। এ উপন্যাসটি প্রকৃতপক্ষে তাঁর লেখা একটি পূর্ব-প্রকাশিত ছোটগল্পের বিস্তৃত রূপ।
- রামানন্দ চট্টোপাধ্যায় এর সম্পাদনায় প্রকাশিত প্রবাসী মাসিকপত্রে গল্পটি ১৯৪১ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল। গ্রন্থাকারে প্রকাশের আগে "কবি" উপন্যাসটি পাটনা থেকে প্রকাশিত প্রভাতী পত্রিকায় ধারাবাহিকভাবে ১৯৪২ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল। কবি গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয় ১৯৪৩ সালে।
- এই উপন্যাসে ডোম সম্প্রদায়ের একজন যুবকের কবি রূপে প্রতিষ্ঠা এবং দুটি নারীর সঙ্গে তার সম্পর্ক বিষয়ক কাহিনি বর্ণিত হয়েছে।
- উপন্যাসের প্রধান চরিত্র নিতাইচরণ। 
- এই উপন্যাসের 'জীবন এতো ছোট ক্যানে?' সংলাপটি ক্ল্যাসিক মর্যাদা পেয়েছে। 

----------------------------
• তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়:
- তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় ছিলেন কথাসাহিত্যিক, রাজনীতিবিদ। তিনি ১৮৯৮ সালে পশ্চিমবঙ্গের বীরভূম জেলায় এক জমিদারবংশে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর রচিত প্রথম গল্প ‘রসকলি’ সেকালের বিখ্যাত পত্রিকা কল্লোল-এ প্রকাশিত হয়।
- তাঁর রচিত ত্রয়ী উপন্যাস - ধাত্রীদেবতা, গণদেবতা, পঞ্চগ্রাম। 
- আদিবাসী সাঁওতাল বিদ্রোহ নিয়ে তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপন্যাস 'অরণ্যবহ্নি' (১৯৬৬)।
- বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম নিয়ে রচিত তাঁর উপন্যাসের নাম 'একটি কালো মেয়ের কথা' (১৯৭১)।
- তিনি 'পদ্মশ্রী' ও 'পদ্মভূষণ' উপাধি লাভ করেন।
- ১৯৭১ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর তাঁর মৃত্যু হয়।

• তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত উপন্যাসসমুহ: 
- চৈতালি ঘূর্ণি, 
- ধাত্রীদেবতা, 
- কালিন্দী, 
- কবি, 
- হাঁসুলী বাঁকের উপকথা, 
- গণদেবতা, 
- পঞ্চগ্রাম,
- আরগ্য নিকেতন, 
- পঞ্চপুণ্ডলী, 
- রাধা ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা; 'কবি' উপন্যাস এবং বাংলাপিডিয়া।

.
‘বালক’ পত্রিকাটি প্রথম কার সম্পাদনায় প্রকাশিত হয়?
  1. স্বর্ণকুমারী দেবী 
  2. কাদম্বরী দেবী 
  3. ইন্দিরা দেবী
  4. জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
সঠিক উত্তর:
জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
ব্যাখ্যা

• ‘বালক’ পত্রিকা:
‘বালক’ ছিল কলকাতার জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়ি থেকে প্রকাশিত একটি পারিবারিক সচিত্র মাসিক শিশু-পত্রিকা। ১২৯২ বঙ্গাব্দের বৈশাখ মাসে পত্রিকাটি প্রকাশিত হয় জ্ঞানদানন্দিনী দেবী–র সম্পাদনায়। তিনি ছিলেন সত্যেন্দ্রনাথ ঠাকুরের স্ত্রী ও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মেজোবৌঠাকুরানী। যদিও সম্পাদক ছিলেন জ্ঞানদানন্দিনী দেবী, পত্রিকার কার্যাধ্যক্ষ ছিলেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।

১২৯৩ বঙ্গাব্দে কার্য্যধ্যক্ষের পদ থেকে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর অবসর নেন। ফলে জ্ঞানদানন্দিনীর পক্ষে একা পত্রিকা দেখাশোনা অসম্ভব হয়ে উঠেছিল। সচিত্র মাসিক পত্রিকা 'বালক' তাই দীর্ঘায়ু হয়নি, মাত্র এক বছর চলেছিল।

পরে এটি যুক্ত হয় ঠাকুরবাড়িরই বিখ্যাত পত্রিকা 'ভারতী'র সঙ্গে, যুগ্ম-পত্রিকার নাম হয় 'ভারতী ও বালক'। প্রথম সংখ্যা প্রকাশিত হয়েছিল ১২৯৩ বঙ্গাব্দের বৈশাখ মাসে (ইংরাজী ১৮৮৬ খ্রিস্টাব্দে)। তৎকালীন 'ভারতী' পত্রিকার সম্পাদক স্বর্ণকুমারী দেবী 'বালক' পত্রিকার সম্পাদনা করেন। 'ভারতী'র সাথে যুগ্মভাবে 'বালক'-এর আয়ুষ্কাল ছিল সাত বছর এবং এই সাতবছরে শিশুসাহিত্য রচনার ক্ষেত্রে বাংলায় জাগরণ এনেছিলো 'বালক' পত্রিকা। 

‘বালক’ পত্রিকায় ঠাকুরবাড়ির সদস্যদের পাশাপাশি তৎকালীন বহু খ্যাতনামা লেখকের রচনা প্রকাশিত হতো, যা বাংলা শিশুসাহিত্যের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

উৎস: ‘বালক’ পত্রিকা এবং বাংলাপিডিয়া। 

.
'যথেষ্ট' শব্দের শুদ্ধ সন্ধি বিচ্ছেদ কোনটি?
  1. যথা + এষ্ট
  2. যথা + ইষ্ট
  3. যথাঃ + ইষ্ট
  4. যথ + ইষ্ট
সঠিক উত্তর:
যথা + ইষ্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যথা + ইষ্ট
ব্যাখ্যা

• স্বরসন্ধির নিয়ম:
অ-কার কিংবা আ-কারের পর ই-কার কিংবা ঈ-কার থাকলে উভয়ে মিলে এ-কার হয়; এ-কার পূর্ববর্তী ব্যঞ্জনের সঙ্গে যুক্ত হয়।
যেমন-
- অ + ই = এ; শুভ + ইচ্ছা = শুভেচ্ছা। 
- আ + ই = এ; যথা + ইষ্ট = যথেষ্ট।
- অ + ঈ = এ; পরম + ঈশ = পরমেশ।
- আ + ঈ = এ; মহা + ঈশ = মহেশ।

এরূপ- ঢাকেশ্বরী, পূর্ণেন্দু, শ্রবণেন্দ্রিয়, সেচ্ছা, রমেশ, নরেন্দ্র ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯-সংস্করণ)। 

.
'আমীর হামজা' কাব্যের প্রথম অংশ রচনা করেন কে?
  1. সৈয়দ হামজা 
  2. দৌলত কাজী 
  3. শাহ্ গরীবুল্লাহ
  4. শেখ ফয়জুল্লাহ
সঠিক উত্তর:
শাহ্ গরীবুল্লাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শাহ্ গরীবুল্লাহ
ব্যাখ্যা

'আমীর হামজা':
- 'আমীর হামজা' মধ্যযুগের দোভাষী পুথিসাহিত্যের একটি জনপ্রিয় কাব্য।
- এতে বীর যোদ্ধা আমীর হামজার যুদ্ধজয়ের কাহিনি বর্ণিত হয়েছে। মোট ৭০টি পর্বে এ বিশাল কাব্য সমাপ্ত হয়।
- এর প্রথম অংশ শাহ্‌ গরিবুল্লাহ রচনা করেন আঠারো শতকের মধ্যভাগে, বাকি অংশ তাঁর শিষ্য সৈয়দ হামজা ১৭৯৪ সালে সমাপ্ত করেন।
- কাব্যের কেন্দ্রীয় চরিত্র আমীর হামজা হযরত মুহাম্মদ (স.) -এর পিতৃব্য ছিলেন। তাঁর সঙ্গে ইরানের অধিপতি নওশেরোয়ানের বিরোধ ও যুদ্ধ কাব্যের প্রধান বিষয়বস্তু।

------------------------
• শাহ্‌ গরীবুল্লাহ:
- শাহ্‌ গরীবুল্লাহ (আনু. ১৬৭০-১৭৭০) দোভাষী পুথি রচয়িতা। পশ্চিমবঙ্গের হাওড়া জেলার হাফেজপুরে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর নামে প্রচলিত এ যাবৎ পাঁচখানি কাব্যের সন্ধান পাওয়া যায়।
- সেগুলি হলো: ইউসুফ জোলায়খা, জঙ্গনামা, সোনাভান, সত্যপীরের কথা এবং আমীর হামজা (১ম খণ্ড)।
- কিন্তু এ কাব্যগুলি বটতলার পুথি প্রকাশকদের দ্বারা নানা ব্যক্তির নামে প্রকাশিত হয়েছে।

উল্লেখ্য, 
• বাংলা মর্সিয়া সাহিত্যের আদি ও প্রধান কবি হলেন শেখ ফয়জুল্লাহ। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

.
নিচের কোনটি অনুজ্ঞাসূচক বাক্য?
  1. হুররে, আমরা জিতেছি!
  2. ভালো লোক ভালো কাজের পরামর্শ দেন।
  3. এখান থেকে বিদায় হও।
  4. তিনি এবার গ্রামে যাবেন না। 
সঠিক উত্তর:
এখান থেকে বিদায় হও।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এখান থেকে বিদায় হও।
ব্যাখ্যা

অর্থানুসারে বাক্যকে পাঁচ ভাগে ভাগ করা হয়েছে-
১. বর্ণনা বা বিবরণমূলক বাক্য: যে বাক্যের সাহায্যে কোনো কিছু বর্ণনা বা বিবৃত করা হয়, সে বাক্যকে বলা হয় বর্ণনামূলক বাক্য।
যেমন-
- পৃথিবী সূর্যের চারদিকে ঘোরে। 
- লোকটি প্রতিদিন পুকুরে সাতার কাটে। 
- সে কবিতা লিখছে ইত্যাদি।

এ বাক্যকে আবার অস্তিবাচক বা হ্যাঁসূচক বাক্য ও নেতিবাচক বা না-সূচক বাক্য- এ দুভাগে ভাগ করা
হয়েছে।

ক. অস্তিবাচক বাক্য:
যে বাক্য দ্বারা কোনো কিছুর বর্ণনায় ইতিবাচক দিক তুলে ধরা হয়, সে বাক্যকে বলা হয় অস্তিবাচক বাক্য।
যেমন-
- আমি প্রত্যদিন সকালে হাটি।
- ছাত্ররা নিয়মিত লেখাপড়া করে।
- ভালো লোক ভালো কাজের পরামর্শ দেন।

খ. নেতিবাচক বাক্য:
যে বাক্যের সাহায্যে কোন কিছুর নেতিবাচক বর্ণনা দেয়া হয়, তাকে বলা হয় নেতিবাচক বাক্য।
যেমন-
- সে এখন আর গান গায় না।
- ছেলেটির অসুখ এখনও ভালো হয়নি।
- তিনি এবার গ্রামে যাবেন না ইত্যাদি।

২. প্রশ্নবোধক বাক্য: যে বাক্যের সাহায্যে কোনো কিছু জিঞ্জাসা বা প্রশ্ন করা হয়, তাকে বলা হয় প্রশ্নবোধক বাক্য।
যেমন:
- তুমি কি লোকটিকে চিন?
- সে কি আজ বাড়ি যাবে?
- তুমি কি প্রতিদিন স্কুলে যাও ইত্যাদি।

৩. অনুজ্ঞাসূচক বাক্য: যে বাক্যের সাহায্যে আদেশ, উপদেশ, অনুরোধ, নিষেধ, প্রস্তাব ইত্যাদি প্রকাশিত হয় তাকে বলা হয় অনুজ্ঞাসূচক বাক্য। যেমন-
আদেশ : এখান থেকে বিদায় হও।
অনুরোধ : দয়া করে আমার কাজটি করে দাও।
উপদেশ : অযথা সময় নষ্ট করো না।
নিষেধ : অনুমতি ছাড়া কখনও তার ঘরে প্রবেশ করো না।
প্রস্তাব : চল, খেলার মাঠে ফুটবল খেলি আসি।

৪. ইচ্ছাসূচক বাক্য: এ ধরনের বাক্যে শুভজনক প্রার্থনা, আশিস, আকাঙ্ক্ষা করা হয়।
যথা-
- তোমার মঙ্গল হোক।
- পরীক্ষায় সফল হও।

৫. বিস্ময়সূচক বাক্য: যে বাক্যে আশ্চর্যজনক কিছু বুঝায় তাকে বিস্ময়সূচক বাক্য বলে।
যথা-
- হুররে, আমরা জিতেছি!

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ব্যাকরণ, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
প্রবীণ বৌদ্ধসিদ্ধাচার্য ও চর্যাপদের কবি হলেন-
  1. বীণাপা 
  2. ভুসুকুপা 
  3.  কাহ্নপা
  4. লুইপা 
সঠিক উত্তর:
লুইপা 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লুইপা 
ব্যাখ্যা

• চর্যার কবি 'লুইপা':
- লুইপা প্রবীণ বৌদ্ধসিদ্ধাচার্য ও চর্যাপদের একজন কবি।
- 'লুইপা' রচিত চর্যার পদ সংখ্যা দুইটি। লুইপা চর্যাপদের ১ ও ২৯ নং পদ রচনা করেন।
- মুহাম্মদ শহীদুল্লার অনুমান: ৭৩০ থেকে ৮১০ খ্রিষ্টাব্দের মধ্যে লুইপা জীবিত - ছিলেন। হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর মতে, লুইপা রাঢ় অঞ্চলের লোক।

- 'চয্যাচর্যবিনিশ্চয়'-এর প্রথম কবি লুইপা। তিব্বতি ঐতিহ্যে প্রাপ্ত চুরাশি জন সিদ্ধাচার্যের নামের তালিকায় লুইয়ের নাম আদিতম। অনেক পণ্ডিত লুইপাকে ও প্রথম চর্যাগীতি রচয়িতা বলে মনে করেন। তাঁর জীবৎকাল ৭৩০-৮১০ খ্রিষ্টাব্দের মধ্যে। সে সময় ছিল রাজা ধর্মপালের রাজত্বকাল। হিন্দিভাষীরা লুইপাকে মগধ বা বিহারের অধিবাসী বলে দাবি করেন।

লুইপা রচিত চর্যাপদের প্রথম পদ-
'কাআ তরুবর পাঞ্চ বি ডাল।
চঞ্চল চীএ পৈঠা কাল।।'

বাংলা অর্থ: 
দেহ গাছের মত, এর পাঁচটি ডাল।
চঞ্চল মনে কাল প্রবেশ করে।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

.
'কুহেলিকা' উপন্যাসটি প্রথম কোন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়? 
  1. লাঙ্গল 
  2. বিজলী 
  3. নওরোজ
  4. বিচিত্রা 
সঠিক উত্তর:
নওরোজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নওরোজ
ব্যাখ্যা

• 'কুহেলিকা' উপন্যাস সম্পর্কিত কিছু তথ্য:
- কাজী নজরুল ইসলামের উপন্যাস ‘কুহেলিকা’ ১৩৩৪ বঙ্গাব্দে 'নওরোজ' পত্রিকায় 'কুহেলিকা' উপন্যাস প্রকাশ আরম্ভ হয়। গ্রন্থাকারে প্রথম প্রকাশ পায় ১৩৩৮ বঙ্গাব্দে (১৯৩১)।
- এ উপন্যাসে রাজনৈতিক প্রসঙ্গ এসেছে অত্যন্ত বড় ক্যানভাসে।উপন্যাসের নায়ক জাহাঙ্গীর বিপ্লবী স্বদেশি দলের সঙ্গে যুক্ত।
- এই উপন্যাসে তিনি একজন শিক্ষিত, দেশপ্রেমিক, বিপ্লবী চরিত্র — যিনি সমাজ ও রাষ্ট্রের অন্ধকার দূর করে আলোর পথ খুঁজছেন। কিন্তু তার যে প্রেমের সম্পর্ক ও নারী সম্পর্কে ধারণা তা যথেষ্ট ঋণাত্মক।

- নারী সম্পর্কে এ উপন্যাসে বলা হয়েছে:
‘ইহারা মায়াবিনীর জাত। ইহারা সকল কল্যাণের পথে মায়াজাল পাতিয়া রাখিয়াছে। ইহারা গহন-পথের কণ্টক, রাজপথের দস্যু।'

এই উপন্যাসের অন্যান্য চরিত্রগুলো হচ্ছে:
- কুহেলিকা,
- তাহমিনা,
- চম্পা,
- ফিরদৌস বেগম।

-----------------
কাজী নজরুল ইসলাম সম্পর্কে কিছু সংক্ষিপ্ত তথ্য:
- বাংলাদেশের জাতীয় কবি এবং অবিভক্ত বাংলার সাহিত্য, সমাজ ও সংস্কৃতি ক্ষেত্রের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ব্যক্তিত্ব।
- তিনি ১৩০৬ বঙ্গাব্দের ১১ জ্যৈষ্ঠ  (২৪ মে ১৮৯৯) পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার চুরুলিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। 
- তাঁর ডাক নাম ছিলো ‘দুখু মিয়া’। 
- বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে তিনি ‘বিদ্রোহী কবি’ এবং আধুনিক বাংলা গানের জগতে ‘বুলবুল’ নামে খ্যাত।

• কাজী নজরুল ইসলাম রচিত উপন্যাস:
- বাঁধন-হারা,
- মৃত্যুক্ষুধা,
- কুহেলিকা।

উৎস: বাংলা ভাষা সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

.
’প্রস্তুতি’ অর্থে ’উৎ’ উপসর্গটি ব্যবহৃত হয়েছে নিচের কোন শব্দে?
  1. উৎফুল্ল
  2. উচ্চারণ
  3. উদগ্রীব
  4. উচ্ছৃঙ্খল
সঠিক উত্তর:
উচ্চারণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উচ্চারণ
ব্যাখ্যা

’উৎ’ উপসর্গটি অন্য যেসব অর্থে ব্যবহৃত হয়-
• ’ঊর্ধ্বমুখিতা" অর্থে- উদ্যম, উন্নতি, উৎক্ষিপ্ত, উদগ্রীব, উত্তোলন।
• ’আতিশয্য’ অর্থে- উচ্ছেদ, উত্তপ্ত, উৎফুল্ল, উৎসুক, উৎপীড়ন।
• ’প্রস্তুতি’ অর্থে- উৎপাদন, উচ্চারণ।
• ’অপকর্ষ’ অর্থে- উৎকোচ, উচ্ছৃঙ্খল, উৎকট।

• সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ:
বাংলা ভাষায় যেসকল সংস্কৃত উপসর্গ ব্যবহার করা হয় তাদের সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ বলে। সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ ২০ টি।
যথা:
প্র, পরা, অপ, সম, নি, অনু, অব, নির, দুর, বি, অধি, সু, উৎ, পরি, প্রতি, অতি, অভি, অপি, উপ, আ।

উৎস: ভাষা শিক্ষা- ড. হায়াৎ মামুদ এবং বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯-সংস্করণ)।

.
বিদেশি তদ্ধিত প্রত্যয় সাধিত শব্দ কোনটি?
  1. খবরদার
  2. জমকালো
  3. চতুরালি
  4. কাঠুরে
সঠিক উত্তর:
খবরদার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খবরদার
ব্যাখ্যা

• বিদেশি তদ্ধিত প্রত্যয়:
শব্দের পরে যেসব বিদেশি প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠন করে সেসব প্রত্যয়কে বিদেশি তদ্ধিত প্রত্যয় বলে।
যেমন:
- বিবি + আনা = বিবিয়ানা;
- দুধ + ওয়ালা = দুধওয়ালা;
- মানান + সই = মানানসই;
- খবর + দার = খবরদার;
- কারি + গর = কারিগর;
- গিন্নী + পনা = গিন্নীপনা।

------------------------------
• বাংলা তদ্ধিত প্রত্যয়:
সংস্কৃত ও বিদেশি প্রত্যয় বাদে বাংলা ভাষার সকল তদ্ধিত প্রত্যয়কে বাংলা তদ্ধিত প্রত্যয় বলে।
যেমন:
• আলি/আলো/আলি/আলী>এল-প্রত্যয়: বিশেষ্য ও বিশেষণ গঠনে : দাঁত-দাঁতাল, লাঠি-লাঠিয়াল-লেঠেল, তেজ-তেজাল, ধার-ধারাল, শাঁস-শাঁসাল, জমক-জমকালো, দুধ দুধাল> দুধেল, হিম-হিমেল, চতুর-চতুরালি, ঘটক— ঘটকালি, সিঁদ—সিঁদেল, গাঁজা—গেঁজেল।

• উরিয়া>উড়িয়া/উড়ে/রে-প্রত্যয় : হাট-হাটুরিয়া> হাটুরে, সাপ- সাপুড়িয়া > সাপুড়ে, কাঠ-কাঠুরে। 

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ) এবং ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

১০.
বিসর্গ সন্ধি সাধিত শব্দ কোনটি?
  1. সংসার
  2. দিগন্ত
  3. শিরশ্ছেদ
  4. কালোত্তীর্ণ
সঠিক উত্তর:
শিরশ্ছেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শিরশ্ছেদ
ব্যাখ্যা

• বিসর্গ সন্ধি:
পূর্বপদের শেষে বিসর্গ (ঃ) থাকলে এবং পরপদের প্রথমে চ্ বা ছ্‌ থাকলে বিসর্গ পরিবর্তিত হয়ে শ্, ট্‌ বা ঠ্‌ থাকলে ষ্‌; ত থাকলে স্ হয় এবং পরবর্তী ব্যঞ্জনে তা যুক্ত হয়।

যেমন:
- নিঃ + চয় = নিশ্চয়,
- দুঃ + চিন্তা = দুশ্চিন্তা,
- নিঃ + ছিদ্র = নিশ্ছিদ্র,
- শিরঃ + ছেদ = শিরশ্ছেদ।

অন্যদিকে,
-----------------
 ব্যঞ্জনধ্বনি + স্বরধ্বনি:
ক, চ, ট, ত্, প্-এর পরে স্বরধ্বনি থাকলে সেগুলো যথাক্রমে গ্, জ্, ড্ (ড়), দ্, ব্ হয়। পরবর্তী স্বরধ্বনিটি পূর্ববর্তী ব্যঞ্জনধ্বনির সঙ্গে যুক্ত হয়। যেমন:
- দিক্ + অন্ত = দিগন্ত,
- ণিচ্ + অন্ত = ণিজন্ত,
- ষট্ + আনন = ষড়ানন। 

ব্যঞ্জনে + ব্যঞ্জনে = ব্যঞ্জনসন্ধি:
ম্-এর পর অন্তঃস্থ ধ্বনি য, র, ল, ব, কিংবা শ, ষ, স, হ থাকলে, ম্ স্থলে অনুস্বার  হয়। যেমন- সম্ + সার = সংসার, সম্ + গ্রাম = সংগ্রাম। 

স্বরসন্ধি:
প্রথম পদের শেষের অ-ধ্বনি বা আ-ধ্বনির সঙ্গে দ্বিতীয় পদের প্রথম হ্রস্ব-উ ধ্বনি বা দীর্ঘ-উ ধ্বনির যোগে ও-ধ্বনি হয়। বানানে তা ও-কারের রূপ নিয়ে আগের বর্ণে যুক্ত হয়। যেমন: কাল + উত্তীর্ণ = কালোত্তীর্ণ, মান + উত্তীর্ণ = মানোত্তীর্ণ।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ এবং বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯-সংস্করণ)।

১১.
ভাষার সবচেয়ে ক্ষুদ্রতম উপাদান কোনটি?
  1. শব্দমূল 
  2. ধ্বনিমূল 
  3. বর্গমূল 
  4. পদ
সঠিক উত্তর:
ধ্বনিমূল 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধ্বনিমূল 
ব্যাখ্যা

ভাষার সবচেয়ে ক্ষুদ্রতম উপাদান হলো ধ্বনিমূল, তবে ধ্বনিমূলের মধ্যে কোনো অর্থ বহন করার ক্ষমতা নেই। সাধারণত লেখ্য ভাষার প্রতিটি বর্ণ কথ্য ভাষার একটি ধ্বনিমূল নির্দেশ করে। অন্যদিকে, রূপমূল সর্বদা কোনো না কোনোভাবে অর্থসংশ্লিষ্ট থাকে।

• ধ্বনিমূল ও ধ্বনির শ্রেণিবিভাগ:
প্রত্যেক ভাষায় ব্যবহৃত ধ্বনিগুলো বিচার করলে কতকগুলো ক্ষুদ্রতম অবিভাজ্য ধ্বনি-একক পাওয়া যায়। এদের বলা হয় ধ্বনিমূল (Phoneme) বা মৌলিক ধ্বনি। ভাষার ধ্বনিমূলগুলোকে প্রধানত দুটো ভাগে ভাগ করা যায়; যথা-১. স্বরধ্বনি, ২. ব্যঞ্জনধ্বনি। বাংলা স্বরধ্বনির লিখিত রূপকে বলে স্বরবর্ণ এবং ব্যঞ্জনধ্বনির লিখিত রূপকে বলে ব্যঞ্জনবর্ণ। বাংলা স্বরবর্ণ ও ব্যঞ্জনবর্ণগুলোকে একত্রে বলে বাংলা বর্ণমালা।

• স্বরবর্ণ: অ, আ, ই, ঈ, উ, ঊ, ঋ, এ, ঐ, ও, ঔ। মোট ১১টি। 

• ব্যঞ্জনবর্ণ: ক, খ, গ, ঘ, ঙ, চ, ছ, জ, ঝ, ঞ, ট, ঠ, ড, ঢ, ণ, ত, থ, দ, ধ, ন, প, ফ, ব, ত, ম, য, র, ল, শ, ষ, স, হ, ড়, ঢ়, য়, ং, ৎ, ঃ, ঁ। মোট ৩৯টি। 

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ এবং উচ্চমাধ্যমিক বাংলা ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

১২.
ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাস কোনটি?
  1. হতশ্রী
  2. হৃতসর্বস্ব
  3. জবরদস্তি
  4. রাজপুত্র
সঠিক উত্তর:
রাজপুত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাজপুত্র
ব্যাখ্যা

• ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাস: 
পূর্বপদে যষ্ঠী বিভক্তির (র, এর) লোপ হয়ে যে সমাস হয়, তাকে ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাস বলে।

যথা: 
- চায়ের বাগান = চাবাগান, 
- রাজার পুত্র = রাজপুত্র, 
- খেয়ার ঘাট = খেয়াঘাট,
- স্ব-এর অধীন = স্বাধীন।

অন্যদিকে, 
সমানাধিকরণ বহুব্রীহি
পূর্বপদ বিশেষণ ও পরপদ বিশেষ্য হলে সমানাধিকরণ বহুব্রীহি সমাস হয়। যেমন: হত হয়েছে শ্রী যার = হতশ্রী, খোশ মেজাজ যার = খোশমেজাজ।
এরকম: হৃতসর্বস্ব, উচ্চশির, পীতাম্বর, নীলকণ্ঠ, জবরদস্তি, সুশীল, সুশ্রী, বদবখ্ত, কমবখ্ত ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ- ৯ম ও ১০ম শ্রেণি (২০১৮ সংস্করণ)।

১৩.
ফররুখ আহমদ কত সালে জন্মগ্রহণ করেন?
  1. ১৯৩৮ সালের ১০ জুন
  2. ১৯২৮ সালের ১০ জুলাই 
  3. ১৯১৮ সালের ১০ জুন
  4. ১৯০৮ সালের ১০ জুলাই
সঠিক উত্তর:
১৯১৮ সালের ১০ জুন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯১৮ সালের ১০ জুন
ব্যাখ্যা

ফররুখ আহমদ এর জীবিনী ও সাহিত্যকর্ম: 
- ফররুখ আহমদ ছিলেন মুসলিম পুনর্জাগরণবাদী কবি। তিনি ১৯১৮ সালের ১০ জুন মাগুরা জেলার শ্রীপুর থানার মাঝাইল গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- ‘সাত সাগরের মাঝি’ ফররুখ আহমদ রচিত শ্রেষ্ঠ এবং প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ।
- ১৯৪৪ সালে কলকাতার দুর্ভিক্ষের পটভূমিতে ‘লাশ’ কবিতা লিখে তিনি প্রথম খ্যাতি অর্জন করেন।
- ফররুখ আহমদ তাঁর বিখ্যাত কাহিনী কাব্য 'হাতেমতায়ী' এর জন্য ১৯৬৬ সালে আদমজি পুরস্কার লাভ করেন।
- ১৯৬৬ সালেই 'পাখির বাসা' শিশুতোষের জন্য ইউনেস্কো পুরস্কার লাভ করেন।
- ‘মুহূর্তের কবিতা’ ফররুখ আহমদ রচিত একটি সনেট সংকলন।

তাঁর শিশু-কিশোরদের জন্য রচিত গ্রন্থ:
- পাখির বাসা,
- হরফের ছড়া,
- নতুন লেখা,
- ছড়ার আসর,
- চিড়িয়াখানা,
- কিস্‌সা কাহিনী,
- মাহফিল ১ম ও ২য় খণ্ড,
- ফুলের জলসা।

ফররুখ আহমদ রচিত কাব্যগ্রন্থসমূহ হলো:
- সাত সাগরের মাঝি,
- নৌফেল ও হাতেম,
- সিন্দাবাদ,
- নতুন লেখা,
- হাবেদা মরুরকাহিনী।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

১৪.
শুদ্ধ বানান কোনটি?
  1. শুশ্ৰুষু 
  2. শুশ্ৰূষু 
  3. শূশ্ৰুষু 
  4. শুশ্ৰুষূ
সঠিক উত্তর:
শুশ্ৰূষু 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শুশ্ৰূষু 
ব্যাখ্যা

• শুদ্ধ বানান: শুশ্ৰূষু। 
- এটি একটি সংস্কৃত শব্দ।
- শব্দটি বিশেষণ পদ।
অর্থ:
- সেবা করতে ইচ্ছুক; সেবক।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান। 

১৫.
‘কাঠখোট্টা’ বলতে কী বুঝায়?
  1. নীরস
  2. স্পষ্টভাষী
  3. অত্যন্ত অলস
  4. বিশৃঙ্খল
সঠিক উত্তর:
নীরস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নীরস
ব্যাখ্যা

• ‘কাঠখোট্টা’ অর্থ - নীরস ও অনমনীয়। 

অন্যদিকে, 
• 'ঠোঁট কাটা' অর্থ - স্পষ্টভাষী/বেহায়া।
• 'গোঁফ খেজুরে' অর্থ - অত্যন্ত অলস। 
• 'জগাখিচুড়ি' অর্থ - বিশৃঙ্খল। 

• গুরত্বপূর্ণ কিছু বাগ্‌ধারা:
- ‘কালেভাদ্রে’ অর্থ - কদাচিৎ।
- ‘কান কাটা’ অর্থ - বেহায়া।
- ‘পায়া ভারি’ অর্থ - অহঙ্কার।
- 'কেউ কেটা' অর্থ - সামান্য ।
- ‘কূপমুণ্ডুক' অর্থ - সীমাবদ্ধ জ্ঞান।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

১৬.
'বিষাদ-সিন্ধু' উপন্যাসটি কয়টি পর্বে সম্পন্ন হয়েছে?
  1. দুই 
  2. তিন 
  3. চার 
  4. পাঁচ 
সঠিক উত্তর:
তিন 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তিন 
ব্যাখ্যা

• ‘বিষাদ-সিন্ধু’ উপন্যাস:
- মীর মশাররফ হোসেনের খ্যাতি মূলত এ গ্রন্থটির জন্যেই। 'বিষাদ-সিন্ধু' (১৮৮৫- '৯১) একটি ইতিহাস আশ্রিত উপন্যাস।
- হাসান ও হোসেনের সঙ্গে দামেস্ক অধিপতি মাবিয়ার একমাত্র পুত্র এজিদের কারবালা প্রান্তরের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ এবং ইমাম হাসান-হোসেনের করুণ মৃত্যুকাহিনি 'বিষাদ-সিন্ধু' গ্রন্থে বর্ণিত মূল বিষয়।
- মূল ঘটনার ঐতিহাসিক সত্যতা থাকলেও গ্রন্থটিতে ইতিহাসের অন্ধ অনুসরণ করা হয় নি।
- 'বিষাদ-সিন্ধু' উপন্যাসটি 'মহরম পর্ব্ব' (১৮৮৫), 'উদ্ধার পর্ব্ব' (১৮৮৭) ও 'এজিদ-বধ পর্ব্ব' (১৮৯১) এই তিনটি পর্বে সম্পন্ন হয়েছে।
- গ্রন্থটি উপক্রমণিকা ও উপসংহারসহ মোট তেষট্টিটি 'প্রবাহ' অর্থাৎ অধ্যায় নিয়ে লিখিত।
- তন্মধ্যে 'মহরম পর্ব্বে' উপক্রমণিকা ও ছাব্বিশটি প্রবাহ, 'উদ্ধার পর্ব্বে' ত্রিশটি প্রবাহ, 'এজিদ-বধ পর্ব্বে' পাঁচটি প্রবাহ ও উপসংহার-অংশ রয়েছে।
- প্রথমত ইসলাম ধর্ম সম্পর্কিত স্পর্শকাতর কাহিনি সাধারণ মুসলিম পাঠকের কাছে এর জনপ্রিয়তার প্রধান কারণ।
- দ্বিতীয়ত 'বিষাদ-সিন্ধু'র জাদুকরী রচনাগুণের জন্যে সাহিত্যরসিকজনের কাছেও গ্রন্থটি আদরণীয়।
- জয়নাবের রূপে বিমোহিত এজিদ এবং এই রূপতৃষ্ণার পরিণামে বহু মানুষের বিপর্যয় ও ধ্বংসের যে কথকতা বর্ণিত হয়েছে তা গ্রন্থটিকে সর্বজনীন করে তুলেছে।
- 'বিষাদ-সিন্ধু'র কাহিনিতে অ্যান্টি-এস্টাব্লিশমেন্ট চেতনা মূলত মাইকেল মধুসূদন দত্তের 'মেঘনাদবধ কাব্য' থেকেই মীর মশাররফ হোসেন গ্রহণ করেছেন।

---------------------------
মীর মশাররফ হোসেন রচিত সাহিত্যকর্মগুলো হলো-
• তাঁর রচিত নাটক:
- বসন্তকুমারী,
- জমিদার দর্পণ,
- বেহুলা গীতাভিনয়। 

• তাঁর রচিত আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ:
- গাজী মিয়াঁর বস্তানী,
- আমার জীবনী,
- কুলসুম জীবনী।

• তাঁর রচিত প্রবন্ধগ্রন্থ:
- গো-জীবন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

১৭.
"রূপ-নারানের কূলে, জেগে উঠিলাম; জানিলাম এ জগৎ স্বপ্ন নয়।"- পঙ্‌ক্তিগুলো কোন গ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত? 
  1. শেষ প্রশ্ন
  2. শেষের কবিতা
  3. শেষ কথা
  4. শেষলেখা
সঠিক উত্তর:
শেষলেখা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শেষলেখা
ব্যাখ্যা

• 'শেষলেখা' কাব্যগ্রন্থ:
- শেষলেখা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা কাব্যগ্রন্থ। এটি ১৯৪১ সালে তাঁর মৃত্যুর পর প্রকাশিত হয়।
- এটির নামকরণ রবীন্দ্রনাথ নিজে করে যেতে পারেন নি।
- অধিকাংশ রচনা তাঁর জীবনের শেষ কয়েকদিনে রচনা। কয়েকটি কবিতা মুখে মুখে রচিত। 

'শেষলেখা' কাব্যগ্রন্থে তিনি লিখেছেন-
"রূপ-নারানের কূলে,
জেগে উঠিলাম;
জানিলাম এ জগৎ
স্বপ্ন নয়।"

অন্যদিকে,
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত ছোটগল্প - শেষ কথা।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের উপন্যাস - শেষের কবিতা।
- শরৎচন্দ্রের উপন্যাস - শেষ প্রশ্ন ও শেষের পরিচয়।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।  

১৮.
শামসুর রাহমান রচিত কাব্যগ্রন্থ নয় কোনটি?
  1. বিধ্বস্ত নীলিমা
  2. নিজ বাসভূমে
  3. নিয়ত মন্তাজ
  4. নিরালোকে দিব্যরথ
সঠিক উত্তর:
নিয়ত মন্তাজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিয়ত মন্তাজ
ব্যাখ্যা

• 'নিয়ত মন্তাজ' শামসুর রাহমান রচিত উপন্যাস। 
- উপন্যাসটি  ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত হয়।
 
- শামসুর রাহমান উপন্যাস লিখেছেন চারটি। অক্টোপাস (১৯৮৩), অদ্ভুত আঁধার এক (১৯৮৫), নিয়ত মন্তাজ (১৯৮৫) এবং এলো সে অবেলায় ১৯৯৪ চারটি উপন্যাসেই বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক অস্থিতিশীলতার পাশাপাশি, তৎকালীন সমাজ ও নগরকেন্দ্রিক মধ্যবিত্ত নাগরিকদের জীবনভাষ্য এক অন্তহীন অসঙ্গতি নবতর সৃজনী ব্যঞ্জনায় উঠে এসেছে। 

------------------------
• শামসুর রাহমান:
- তিনি ১৯২৯ সালের ২৩ অক্টোবর পুরান ঢাকার ৪৬ নম্বর মাহুতটুলীতে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পৈত্রিক বাড়ি শামসুর রহমানে জেলার রায়পুর থানার পাড়াতলী গ্রামে।
- শামসুর রহমান বিশ শতকের দ্বিতীয়ার্ধে বাংলা সাহিত্যের অন্যতম কবি হিসেবে খ্যাত।

শামসুর রাহমান রচিত কিছু উপন্যাস:
- অক্টোপাস,
- নিয়ত মন্তাজ,
- এলো সে অবেলায়।

শামসুর রাহমান রচিত কিছু উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ:
- বাংলাদেশ স্বপ্ন দ্যাখে'
- প্রথম গান দ্বিতীয় মৃত্যুর আগে,
- রৌদ্র করোটিতে,
- বিধ্বস্ত নীলিমা,
- নিরালোকে দিব্যরথ,
- নিজ বাসভূমে,
- বন্দী শিবির থেকে,
- ফিরিয়ে নাও ঘাতক কাঁটা,
- আমি অনাহারী,
- প্রতিদিন ঘরহীন ঘরে,
- উদ্ভট উটের পিঠে চলেছে স্বদেশ,
- বুক তার বাংলাদেশের হৃদয়,
- হরিণের হাড়,
- তুমি নিঃশ্বাস তুমি হৃদস্পন্দন ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

১৯.
'নদী ও নারী' উপন্যাসের উপজীব্য কী?
  1. কৃষকদের দুর্দশা 
  2. চরের মানুষের জীবনালেখ্য
  3. নগরজীবনের জটিলতা ও একাকীত্ব
  4. ঐতিহাসিক ঘটনাবলির বর্ণনা
সঠিক উত্তর:
চরের মানুষের জীবনালেখ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চরের মানুষের জীবনালেখ্য
ব্যাখ্যা

• 'নদী ও নারী' উপন্যাস:
- 'নদী ও নারী' উপন্যাসের রচয়িতা হুমায়ুন কবির।
- ১৯৪৫ সালে তাঁর 'নদী ও নারী' উপন্যাসটি প্রকাশিত হয় এবং একই বছর 'Men and Rivers' নামে এর একটি ইংরেজি সংস্করণও প্রকাশিত হয়।
- এ উপন্যাসের পটভূমিতে রয়েছে চরের মানুষের জীবনালেখ্য।
- নজু মিয়া আর আসগর মিয়া দুই বন্ধু। তাদের জীবনের ঘটনাকে কেন্দ্র করেই আবর্তিত হয়েছে 'নদী ও নারী উপন্যাসের কাহিনি।
- এ উপন্যাসে তিনি পদ্মা নদীর পরিবেশে বাঙালি মুসলমান সমাজজীবনের একটি নিখুঁত চিত্র উপস্থাপন করেছেন।
- ১৯৬৫ সালে ঢাকায় উপন্যাসটি চলচ্চিত্রায়িত হয়।

------------------
• হুমায়ুন কবির:
- তিনি একাধারে রাজনীতিবিদ, লেখক, দার্শনিক ছিলেন। ১৯০৬ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি ফরিদপুর জেলার কোমরপুর গ্রামে তাঁর জন্ম।
- তাঁর প্রকৃত নাম হুমায়ুন জহিরউদ্দিন আমির-ই-কবির।
- তিনি 'চতুরঙ্গ' পত্রিকা সম্পাদনা করে স্মরণীয় হয়ে আছেন।
- ১৯৬৯ সালের ১৮ আগস্ট হৃদরোগে তাঁর মৃত্যু হয়।

• তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- স্বপ্নসাধ,
- সাথী,
- অষ্টাদশী।

• তাঁর রচিত উপন্যাস:
- নদী ও নারী।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

২০.
Helena said, "I took the mobile home with me." Its indirect form is- 
  1. Helena said that she took the mobile home with her. 
  2. Helena said that she had taken the mobile home with her. 
  3. Helena confirmed that she has taken the mobile home with her.
  4. Helena told that she had the mobile taken home with her. 
সঠিক উত্তর:
Helena said that she had taken the mobile home with her. 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Helena said that she had taken the mobile home with her. 
ব্যাখ্যা

- Direct Narration: Helena said, "I took the mobile home with me."
- Indirect Narration: Helena said that she had taken the mobile home with her.

• Assertive sentence -এর Direct narration থেকে Indirect narration -এ পরিবর্তন করার নিয়ম:
- প্রথমে Reporting verb -এর subject বসে।
- তারপর Reporting verb (say/said, tell/told) বসে (যদি থাকে)।
- Reporting verb - 'said to + object' থাকলে Indirect -এ 'told + object' বসে।
- Inverted comma উঠে গিয়ে that বসে।
- তারপর Reported speech -এর subject এর person পরিবর্তন করতে হয়,
- Reported speech -এর 1st person (I) সবসময় Reporting verb -এর subject -এর number, person, ও gender অনুসারে পরিবর্তিত হয়।
- যেমন: (I → she), (me → her).
- Direct speech টি- past indefinite tense (took) -এ থাকলে Indirect speech - এ, তা past perfect tense (had taken) -এ পরিবর্তন করতে হয়।
- তারপর বাকি অংশ বসে।

অন্যান্য অপশন বিশ্লেষণ:
ক) Helena said that she took the mobile home with her.
→ এটি ভুল, কারণ tense -এর পরিবর্তন হয়নি ("took" should become "had taken").

গ) Helena confirmed that she has taken the mobile home with her.
→ এটি ভুল, কারণ tense -এর ভুল পরিবর্তন হয়েছে ("has taken" না হয়ে "had taken" হবে).

ঘ) Helena told that she had the mobile taken home with her.
→  এটি ভুল, কারণ "told" সাধারণত object নেয়, এছাড়া "had the mobile taken" হলো wrong structure.

Source: A Passage to the English Language by S M Zakir Hussain.

২১.
'It is no use arguing with him.'
Here, the word "arguing" is a/an -
  1. Participle
  2. Infinitive
  3. Gerund
  4. Verbal noun 
সঠিক উত্তর:
Gerund
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Gerund
ব্যাখ্যা

• Correct Answer: গ) Gerund.

- 'It is no use arguing with him.'
- এখানে "arguing" হলো Gerund কারণ, কোনো লাভ নেই অর্থে It's no use (doing something) ব্যবহৃত হয় এবং এরপর আরেকটি verb আসলে verb টি সবসময় Gerund (verb + ing) হয়।

- Structure: It is no use + gerund (verb-ing).

- অর্থাৎ, বাক্যের real subject হিসেবে "arguing" এখানে noun হিসেবে কাজ করছে (Noun phrase : arguing with him).

• Gerund:
- Verb -এর সাথে ing যোগ হয়ে যদি noun -এর কাজ করে অর্থাৎ, একই সাথে Verb ও noun -এর কাজ করে, তখন তাকে Gerund বলে।
- সহজে → Gerund = Verb + ing = noun = Verb + noun -এর কাজ করে।
- Gerunds don’t describe action- they act as nouns.

• Functions of the Gerund:
1. As a subject of a verb: Rising early is a good habit.
2. As an object of a verb: I like reading poetry.
3. As an object of a preposition: I am tired of waiting.
4. As a complement of a verb: Seeing is believing.
5. As absolutely (part of a compound noun): This is my writing-table.

অন্যদিকে,
• Present participle:
- Verb -এর সাথে ing যোগ হয়ে যদি adjective -এর কাজ করে অর্থাৎ, একই সাথে Verb ও adjective -এর কাজ করে, তাহলে তাকে present participle বলে।
- সহজ ভাষায় → present participle হলো Verb + ing = adjective = Verb + adjective কাজ করে।
- Present participle দ্বারা চলমান sense বোঝায়।
- যেমন: The falling leaves are beautiful (adjective - modifies "leaves").

• Infinitive:
- Infinitive হচ্ছে verb এর base form অথবা to + base form.
- যেমন: fall, to fall.

• Infintive দুই রকম হতে পারে। যেমন:
- To -যুক্ত infinitive এবং
- To -বিহীন infinitive বা Bare Infinitive.

• Verbal Noun:
- কোন বাক্যের Verb + ing - এর পূর্বে the এবং পরে of থাকলে তাকে Verbal Noun বলে।
- The + verb+ing + of = verbal noun.
- যেমন: The writing of a good letter is difficult.

Source: 
1. High School English Grammar and Composition by Wren And Martin.
2. A Passage to the English Language by S M Zakir Hussain.

২২.
Passengers should get ______ the airport at least one hour before departure.
  1. at
  2. to
  3. in
  4. into
সঠিক উত্তর:
to
উত্তর
সঠিক উত্তর:
to
ব্যাখ্যা

Correct sentence: Passengers should get to the airport at least one hour before departure.
Bangla meaning: যাত্রীদের উড্ডয়নের কমপক্ষে এক ঘণ্টা আগে বিমানবন্দরে পৌঁছানো উচিত।

• Get to [phrasal verb]
- English Meaning: to arrive; to succeed in reaching or communicating with; contact.
- Bangla Meaning: কোথাও, (কোনোকিছুতে, কারো কাছে) পৌঁছানো।

- Get to + place/destination.
- "Get to the centre" = কেন্দ্রে পৌঁছাতে হবে।
- অর্থাৎ, সাধারণভাবে 'কোথাও পৌঁছানো' অর্থে phrasal verb হিসেবে "get to" ব্যবহৃত হয়।
- "Get to" = পৌঁছানো (arrive at/reach), এটি সাধারণত Destination-এর সাথে ব্যবহৃত হয়।
- যেমন: get to school, get to work, get to the party, get to the airport, etc.

আবার,
• "Get to" মানে to begin; to have an effect on: such as influence; bother ইত্যাদি।

- "Get to somebody" idiomatic ভাবেও ব্যবহৃত হয় যার মানে "to annoy or affect somebody".
- যেমন: His tone of voice really gets to me sometimes.

অন্যদিকে,
• Get at somebody/something - কারো/ কোনোকিছুর নাগাল পাওয়া।
- Example: He stretched his hands to get at the books on the uppermost shelf.

- আবার, কাউকে সমালোচনা করা (to keep criticizing somebody) অর্থে 'Get at somebody' ব্যবহৃত হয়।
- Example: He's always getting at me.

• Get in/get into something - (ক) পৌঁছানো; (খ) নির্বাচিত হওয়া; He got in for his home constituency.

• Get in/into এর অর্থ: ভিতরে প্রবেশ করা (enter, especially vehicles/buildings), জড়িত হওয়া (get involved), ইত্যাদি।

Source: 
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Collins Dictionary.
3. Merriam-Webster Dictionary.

২৩.
The punishment of the Mariner in The Rime of the Ancient Mariner symbolizes—
  1. the cruelty of nature
  2. the consequences of violating  life principle
  3. the power of imagination 
  4.  the beauty of the sea
সঠিক উত্তর:
the consequences of violating  life principle
উত্তর
সঠিক উত্তর:
the consequences of violating  life principle
ব্যাখ্যা

Correct Answer: খ) the consequences of violating life principle.

• Samuel Taylor Coleridge-এর "The Rime of the Ancient Mariner", poem-এ Mariner যখন Albatross পাখিটিকে হত্যা করে, তখন সে প্রকৃতির নিয়ম (natural order) এবং জীবনের নীতি (life principle) ভঙ্গ করে।
- এর ফল হিসেবে Mariner ভয়াবহ শাস্তি পায়-তার crew মারা যায় এবং সে একা বেঁচে থেকে কষ্ট ভোগ করে।

- পাখিটি নাবিকদের জন্য শুভ লক্ষণ ছিল, তাদের সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ আচরণ করত, কিন্তু Mariner বিনা কারণে, হঠাৎ করে ক্রসবো দিয়ে পাখিটিকে মেরে ফেলে।
- কবিতায় এই হত্যার কোনো যুক্তিসঙ্গত কারণ দেওয়া হয়নি। এটিই মানুষের অযৌক্তিকতা (irrationality) এবং প্রকৃতির প্রতি অকারণ নিষ্ঠুরতার প্রতীক।

• The Rime of the Ancient Mariner: 
- The poem 'The Rime of the Ancient Mariner' was written by Samuel Taylor Coleridge.
- The Rime of the ancient Mariner কবিতায় Albatross নামক একটি পাখিকে কোনো কারণ ছাড়াই হত্যা করে।
- এবং সেই পাপের কারণে তাকে প্রায়শ্চিত্ত করে যেতে হয়।
- এভাবেই কবিতার কাহিনি সামনের দিকে এগিয়ে যেতে থাকে।
- এটি একটি ৭ পার্টের কবিতা।
- এটি সর্বপ্রথম 'Lyrical Ballads' এর অন্তর্ভুক্ত হয়ে ১৭৯৮ সালে প্রকাশিত হয়।
-  The important characters of this poem is - The Mariner, the Wedding Guest, the Albatross, The Nightmare, and Life in Death.

• Samuel Taylor Coleridge: 
- তিনি একজন English lyrical poet, critic এবং philosopher.
- তাঁকে Poet of Supernaturalism বলা হয়।

• Notable Works of Samuel Taylor Coleridge:
- Biographia Literaria (Critical Autobiography);
- Christabel (Poem);
- Dejection: An Ode (Poem);
- Frost at Midnight (Poem);
- Kubla Khan (poem);
- Lyrical Ballads (Book);
- The Rime of the Ancient Marine (Poem).

Other Options:
ক) the cruelty of nature - প্রকৃতির নিষ্ঠুরতা।
- Poem-এ nature কখনো harsh মনে হলেও, আসলে nature নিজে cruel না।
- বরং Mariner-এর অপরাধের জন্য punishment আসে।

গ) the power of imagination - কল্পনার শক্তি।
- Poem-এ imagination আছে (supernatural elements),
- কিন্তু punishment-এর মূল অর্থ imagination না।
- বরং moral consequence.

ঘ) the beauty of the sea - সমুদ্রের সৌন্দর্য।
- Poem-এ sea-এর beauty আছে, কিন্তু punishment-এর সাথে এর সম্পর্ক নেই।

Source:
- Encyclopedia Britannica.
- Live MCQ English Essence.

২৪.
The novel Wuthering Heights mainly deals with-
  1. Social reform and education
  2. Nature and travel experiences
  3. Intense love and revenge
  4. Historical wars and politics
সঠিক উত্তর:
Intense love and revenge
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Intense love and revenge
ব্যাখ্যা

• Correct Answer: Intense love and revenge.

- Emily Bronte এর Wuthering Heights উপন্যাসটি intense ও destructive love-এর গল্প, 
- যা Heathcliff এবং Catherine Earnshaw-এর মধ্যে অস্বাভাবিক আবেগ, obsession এবং প্রতিশোধের মাধ্যমে প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে নিষ্ঠুরতা ও অত্যাচার ছড়িয়ে দেয়।

• Wuthering Heights:
- Emily Bronte wrote the novel 'Wuthering Heights'.
- এই উপন্যাসটি ১৮৪৭ সালে প্রকাশিত হয়।
- লেখক এতে Ellis Bell ছদ্মনাম ব্যবহার করেন।
- এটি ইংরেজি সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও জনপ্রিয় রোমান্টিক উপন্যাসগুলোর মধ্যে একটি।

• সার-সংক্ষেপ:
- Wuthering Heights মূলত Heathcliff এবং Catherine Earnshaw এর ভীতিকর, তীব্র প্রেম ও প্রতিশোধের কাহিনী।
- এই উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র একটি এতিম বালক এর। যার নাম Heathcliff.
- অন্যের আশ্রয়ে থাকে এবং পরবর্তীতে আশ্রয়দাতার কন্যা Catherine Earnshaw এর সাথে তার মনের মিলন ঘটে, দুইজন দুইজনকে ভালবেসে ফেলে।
- কিন্তু Catherine প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করে অন্যত্র বিয়ে করলে Heathcliff নিরুদেশ হয়ে যায়।
- যখন ফিরে আসে তখন সে অথেল সম্পদের মালিক।
- সে তার মালিকের বাড়ি Wuthering Heights কিনে নেয় এবং এর পাশাপাশি প্রাক্তন প্রেমিকা Catherine এর ননদের সাথে প্রেমের অভিনয় করে সম্পত্তির লোভের তাকে বিয়ে করে।
- পরবর্তীতে এই বিয়ে ভেঙ্গে যায় এবং Catherine মারা যায়। তার ভাই Hindley ও মারা যায়। তাদের সন্তানরা ধীরে ধীরে বড় হতে থাকে। এভাবে কাহিনি এর প্রজন্ম থাকে পরের প্রজন্মের মাঝে এগিয়ে যায়।

• মূলত Heathcliff এর সামাজিক অবস্থা ও অমানবিক পরিস্থিতির কারণে তার এবং Catherine এর প্রেম ব্যাহত হয়। পরে Heathcliff তার প্রতি বিশ্বাসঘাতকতা ও অবহেলার প্রতিশোধ নিতে শুরু করে। বইটি প্রেম, ঈর্ষা, প্রতিশোধ, এবং মানুষের প্রকৃত স্বভাবের অন্ধকার দিকের গভীর বিশ্লেষণ তুলে ধরে। শেষ পর্যন্ত পরবর্তী প্রজন্মের মধ্যে কিছুটা শান্তি ও মীমাংসা দেখা যায়।

• Important Characters
- Catherine Earnshaw,
- Cathy Linton,
- Edgar Linton,
- Heathcliff, Etc.

• Emily Bronte:
- Charlotte Bronte এর ছোট বোন।
- Wuthering Heights তার একমাত্র উপন্যাস এবং এই উপন্যাস ঘিরেই মূলত তার পরিচয়।
- মাত্র ৩০ বছর বয়সে মারা যান।

• Notable Works
- Poems by Currer, Ellis and Acton Bell.
- Wuthering Heights.

২৫.
What is the antonym of 'perception'? 
  1. Intelligence
  2. Incomprehension
  3. Prudent
  4. Sensation
সঠিক উত্তর:
Incomprehension
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Incomprehension
ব্যাখ্যা

• The antonym of 'perception' is- incomprehension.

• Perception (Noun)
- English Meaning: the state of being aware : consciousness.
- Bangla Meaning: (আনুষ্ঠানিক) প্রত্যক্ষকরণ; (ইন্দিয়ের সাহায্যে) উপলব্ধি।

• Given options:
ক) intelligence (noun)
- বিচক্ষণতা; চাতুর্য; ধূর্ততা।

খ) incomprehension (noun)
- উপলব্ধির অভাব; অনুপলব্ধি; অনবধারণ।

গ) prudent (adjective)
- সতর্ক; দূরদর্শী।

ঘ) sensation (noun)
- ইন্দ্রিয়বোধ; অনুভূতি।

• সুতরাং, অপশনের অর্থ বিবেচনা করে দেখা যায় যে, The antonym of 'perception' is- incomprehension.

Source: 
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Oxford Dictionary.

২৬.
Which one is a coordinating conjunction? 
  1. since
  2. yet
  3. lest
  4. as
সঠিক উত্তর:
yet
উত্তর
সঠিক উত্তর:
yet
ব্যাখ্যা

• The coordinating conjunction is- yet.

• Conjunction:
- যে Part of speech দুই বা ততোধিক Word, Phrase বা Clause এর মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে, তাকে Conjunction বলে।

• There are three basic types of conjunctions:
1. Coordinating Conjunction:
- যা সমমানের দুইটি word, phrase বা clause এর মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে।
- অর্থাৎ Coordinating Conjunctions সমান গুরুত্বসম্পন্ন দুটি word, phrase, বা clause যুক্ত করতে ব্যবহৃত হয়।
- যেমন: and, or, but, yet, so, nor, etc.

2. Subordinating Conjunction:
- যে Conjunction একটি clause এর শুরুতে বসে অন্য clause এর স্থান, কাল, ধরণ, মাত্রা, ইত্যাদি বুঝানোর জন্য ব্যবহৃত হয়, তাকে Subordinating Conjunction বলে।
- অর্থাৎ, একটি clause অন্য clause-এর ওপর নির্ভরশীল হলে, সেখানে Subordinating Conjunction ব্যবহৃত হয়।
- যেমন: how, if, lest, after, although, as, because, before, even if, even though, once, since, unless, until, when, where, while, etc.

3. Correlative Conjunction:
- পরস্পর সম্পর্কযুক্ত জোড়ায় জোড়ায় ব্যবহৃত conjunction গুলোই হলো Correlative Conjunctions.
- অর্থাৎ, Correlative Conjunctions এগুলো সবসময় জোড়ায় জোড়ায় ব্যবহৃত হয় এবং একই ধরনের word বা phrase যুক্ত করে।
- যেমন: either…or, neither…nor, not only…but also, both…and, whether…or, as…as, ইত্যাদি।

২৭.
A paved strip that is used for the landing and takeoff of aircraft is called a/an-
  1. Terminal
  2. Hanger
  3. Hangar
  4. Runway
সঠিক উত্তর:
Runway
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Runway
ব্যাখ্যা

• A paved strip that is used for the landing and takeoff of aircraft is called a/an- Runway.

• Runway (noun):
- English Meaning:  a paved strip of ground on a landing field for the landing and takeoff of aircraft.
- Bangla Meaning: বিমানের উড্ডয়ন ও অবতরণের জন্য বিশেষভাবে তৈরি সমতল ক্ষেত্র; ধাবনভূমি।

• Other Options:
ক) Terminal (Noun)
- English Meaning: The area or building at a station, airport, or port that is used by passengers leaving or arriving by train, aircraft, or ship.
- Bangla Meaning: রেল/বাস/লঞ্চ/জাহাজ লাইনের প্রান্তিক স্টেশন।

খ) Hanger (Noun)
- English Meaning: A shaped piece of wood, plastic, or metal with a hook at the top, from which clothes may be hung in order to keep them in shape.
- Bangla Meaning: যে বস্তুতে কোনোকিছু টাঙিয়ে রাখা হয়; ঝুলনা; কাপড়চোপড় টাঙিয়ে রাখার ঝুলনা।

গ) Hangar (Noun)
- English Meaning: A very large building in which aircraft are kept; a shed or shelter.
- Bangla Meaning: বিমানছাউনি; বিমানঘর।

Source: 
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Collins Dictionary.

২৮.
Choose the correct spelling:
  1. Hommonym
  2. Homonym
  3. Homonom
  4. Homonum
সঠিক উত্তর:
Homonym
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Homonym
ব্যাখ্যা

Homonym (noun):
- English Meaning: Words that sound the same but have different meanings/spellings (to/too/two).
- Bangla Meaning: সমলেখ বা সমস্বন শব্দ; যেসব শব্দের রূপ ও উচ্চারণ অভিন্ন কিন্তু অর্থ বিভিন্ন।

Example Sentences:
- The words lead, as in the metal, and lead, as in the verb, are homonyms.
- The homonyms there and their.

২৯.
What gender is the word 'Sibling'?
  1. masculine
  2. feminine
  3. neuter
  4. common
সঠিক উত্তর:
common
উত্তর
সঠিক উত্তর:
common
ব্যাখ্যা

• 'Sibling' is a common gender.

Sibling (noun):
- English Meaning: one of two or more individuals having one common parent.
- Bangla Meaning: একই মাতাপিতার সন্তান; ভাই বা কোন।

• Common gender:
- Noun টি পুংবাচক বা স্ত্রীবাচক উভয়কেই বুঝালে তা Common Gender হয়।
- যেমন: Parent, Child, Baby, Sibling, Server, Monarch, Sheep, Deer, Teacher, Student, Neighbor, etc.

• Gender:
- যে সকল শব্দ দ্বারা কোন noun or pronoun এর পুরুষ, স্ত্রী বা এদের উভয়টি অথবা কোনটিই নয় বা অবচেতন পদার্থ (ক্লীব) ইত্যাদি বুঝায় তাদেরকে Gender বলে।

• Gender চার প্রকার। যথা:
- Masculine gender (পুং লিঙ্গ),
- Feminine gender (স্ত্রী লিঙ্গ),
- Common/Neutral gender (উভয় লিঙ্গ/লিঙ্গ নিরপেক্ষ),
- Neuter gender (ক্লীব লিঙ্গ).

Source: 
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Merriam-Webster Dictionary.

৩০.
''Poetry is the breath and the finer spirit of all knowledge" is a statement ascribed to-
  1. Samuel Taylor Coleridge
  2. T. S. Eliot
  3. William Wordsworth
  4. Percy Bysshe Shelley
সঠিক উত্তর:
William Wordsworth
উত্তর
সঠিক উত্তর:
William Wordsworth
ব্যাখ্যা

• ''Poetry is the breath and the finer spirit of all knowledge" is a statement ascribed to- William Wordsworth.

• William Wordsworth (1770–1850):

- তিনি Romantic Period -এর একজন English poet ছিলেন।
- তিনি ১৮৪৩ সালে ইংল্যান্ডের Poet Laureate হন এবং তার মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি এই ভূমিকা পালন করেন।
- Wordsworth -এর জন্ম Northern England -এর Lake District এ হওয়ায় তাকে Lake Poet বলা হয়।
- He is called the Poet of Nature, the Poet of Childhood.
- তার কবিতায় প্রকৃতির সঙ্গে মানুষের সম্পর্ক এবং প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়েছে।
- তিনি শৈশবকাল থেকেই প্রকৃতির প্রতি গভীর আকর্ষণ অনুভব করেন।
- Wordsworth -এর লেখার শৈলী সহজ ও প্রাকৃতিক, যা সাধারণ মানুষের ভাষা এবং অভিজ্ঞতাকে তুলে ধরে।

• His famous quotations:
- 'Poetry is the breath and the finer spirit of all knowledge',
- 'Poetry is the spontaneous overflow of powerful feelings: it takes its origin from emotion recollected in tranquillity.'
- 'Ten thousand saw at a glance Tossing their heads in sprightly lance',
- 'I wandered lonely as a cloud',
- 'Child is the father of man',
- 'Our birth is but a sleep and a forgetting',
- 'Nature never did betray the heart that loved her',
- 'Come forth into the light of things, let nature be your teacher'.

Source:
1. Britannica.
2. Poetry Foundation.

৩১.
'The baby cried loudly in the night.'
In this sentence, the verb 'cried' is-
  1. Causative Verb
  2. Intransitive Verb
  3. Transitive verb
  4. Factitive Verb
সঠিক উত্তর:
Intransitive Verb
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Intransitive Verb
ব্যাখ্যা

• 'The baby cried loudly in the night.' - Here, the verb 'cried' is intransitive.

- "cried" এখানে Intransitive verb কারণ এটি কোনো Direct object গ্রহণ করেনি।
- Intransitive verb হলো এমন Verb যা কোন Direct object ছাড়াই সম্পূর্ণ অর্থ প্রকাশ করে।
- The verb "cried" does not take a direct object - it expresses an action that does not pass over to an object.
অর্থাৎ, subject (the baby) কেবল তার কাজ (crying) করছে, কোনো object প্রভাবিত করছে না।

• Intransitive verb:
- An intransitive verb is a verb that denotes an action which does not pass over to an object, or which expresses a state or being.
- অর্থাৎ, intransitive verb হলো subject নিজের দ্বারাই যে কাজ সম্পন্ন হয়, action (কাজ) সম্পন্ন হওয়ার জন্য object -এর দ্বারস্থ হতে হয় না। 
- যে verb -এর কর্ম (direct object) নেই তাকে Intransitive verb বলে।
- এই verb কে 'কি' বা 'কাকে' দ্বারা প্রশ্ন করলে উত্তর পাওয়া যায় না। Direct object থাকে না বলে প্রশ্ন করলে উত্তর পাওয়া যায় না।
- সাধারণত verb-এর পরে কোনো word না থাকলে অথবা verb-এর পরে adverb/preposition থাকলে সেটি Intransitive verb হবে।

• More Examples:
- The glass broke.
- We shall stop here a few days.
- The leaves fall in winter.

অন্যদিকে,
• Causative Verb:
- Subject যখন নিজে কাজ না করে অন্যকে দিয়ে কাজ করিয়ে নেয় তখন এই অর্থে causative verb ব্যবহৃত হয়। 
- Help, Get, Have, Let, Make ইত্যাদি বহুল প্রচলিত causative verb.
- Make, have, get প্রভৃতি যোগে অনেক verb- কে causative verb এ পরিণত করা যায়।
- যেমন: He always has me do his work. (সে সব সময় আমাকে দিয়ে তার কাজ করিয়ে নেয়।)

• Transitive verb:
- যে verb এর object আছে তাকে transitive verb বলে৷
- Transitive verbs এর সাধারণ Structure হচ্ছে: subject + verb + object.
- Object সর্বদাই Noun অথবা Pronoun হয়।
- তাই বাক্যে verb এর পরে Noun অথবা Pronoun থাকলে verb টি সাধারণত transitive verb হবে।
- আবার intransitive verb এর শেষে preposition + object যুক্ত করেও তাকে transitive verb এ পরিণত করা যায়।
- যেমন: He writes a letter. write হলো transitive verb, কারণ এর object হলো a letter.

• Factitive Verb:
- যে Verb এর Object বসানোর পরও Objective Complement ছাড়া বাক্যের অর্থ সম্পূর্ণ হয় না, তাকে Factitive Verb বলে।
- Factitive Verb হলো এমন ক্রিয়া যা দুটি object নেয় - একটি direct object এবং একটি object complement।
- এই verb direct object কে object complement হিসেবে বর্ণিত অবস্থায় পরিণত করে বা নিয়োগ দেয়।
- কিছু factitive verbs হলো: Elect, Select, Make, Appoint, Call, Name, etc.

- যেমন: The manager appointed him secretary.
- উল্লিখিত বাক্যে secretary হচ্ছে Objective Complement Factitive Object.
- "The manager appointed him" দ্বারা বাক্য সম্পন্ন হচ্ছে না, তাই Objective Complement হিসেবে secretary বসানোর পর বাক্যটি সম্পন্ন হয়েছে।
- যেহেতু Object (him) বসানোর পরও Objective Complement ছাড়া বাক্যের অর্থ সম্পূর্ণ হয়নি তাই এটি Factitive Verb.

Source: 
1. High School English Grammar and Composition by Wren And Martin.
2. A Passage to the English Language by S.M. Zakir Hussain. 

৩২.
She believes that honesty is the best policy.
The underlined part is a/an -
  1. Adverbial clause
  2. Noun clause
  3. Adjective clause
  4. Principal clause
সঠিক উত্তর:
Noun clause
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Noun clause
ব্যাখ্যা

• She believes that honesty is the best policy.
- The underlined part “that honesty is the best policy” is a noun clause.

- এখানে "that honesty is the best policy" অংশটি believes verb-এর object হিসেবে কাজ করছে।
- Noun clause সাধারণত verb-এর object, subject, or complement হিসেবে ব্যবহার হয়।

• Noun clause:
- যে সব subordinate- clause noun এর কাজ করে থাকে অর্থাৎ, subject, object, compliment, বা case in apposition- এর কাজ করে থাকে তাদেরকে বলে noun clause.
- Noun clauses are used when a single word isn't enough.

• একটি বাক্যের যেসব স্থানে Noun clause  বসতে পারে -

1. Verb এর subject হিসেবে। 
Example: That he has much money is known to all.

2. Verb এর object হিসেবে।
Example: I know that he has done it.

3. Verb এর complement হিসেবে।
Example: This is what I said.

4. Preposition এর object হিসেবে;
Example: I cannot understand the meaning of what he said.

5. Noun/ pronoun - এর apposition হিসেবে।
Example: The fact that he is a thief is clear to all.

Source:
- A Passage to the English Language, S.M. Zakir Hussain.
- Advanced Learner's Grammar and Composition by Chowdhury and Hossain.

৩৩.
Choose the synonym for 'horror': 
  1. Serenity
  2. Composure
  3. Fright
  4. Equanimity
সঠিক উত্তর:
Fright
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Fright
ব্যাখ্যা

• Horror: [noun]
English meaning: painful and intense fear, dread, or dismay.
Bangla meaning: বিভীষিকা; আতঙ্ক; আতঙ্কবোধ।

Other options,

ক) Serenity: [noun]
English meaning: a state of utter calm and unruffled repose or quietude.
Bangla meaning:  প্রশান্তি।

খ) Composure: [noun]
English meaning: a calmness or repose especially of mind, bearing, or appearance : self-possession.
Bangla meaning: শান্তি; স্থৈর্য; আত্মসংবরণ।

গ) Fright: [noun]
English meaning: fear excited by sudden danger : alarm.
Bangla meaning: আকস্মিক প্রচণ্ড ভীতি; আতঙ্ক; ত্রাস; সন্ত্রাস।

ঘ) Equanimity: [noun]
English meaning: evenness of mind especially under stress.
Bangla meaning: মনমেজাজের প্রশান্তি।

অপশন বিবেচনা করে দেখা যায়, horror এর synonym হলো - Fright.
 
Source:
- Cambridge Dictionary.
- Accessible Dictionary.
- Oxford Dictionary.

৩৪.
____ the sun rises in the east, the exact time of sunrise varies throughout the year.
  1. Because
  2. Although
  3. Since
  4. If
সঠিক উত্তর:
Although
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Although
ব্যাখ্যা

• Correct answer: খ) Although.

Complete sentence: Although the sun rises in the east, the exact time of sunrise varies throughout the year.
Bangla meaning: যদিও সূর্য পূর্বদিকে ওঠে, সারাবছর সূর্য ওঠার সময় ঠিক একই থাকে না।

• Although শব্দের অর্থ যদিও, তথাপি।
- কোন sentence-এ দুটি কাজের বিপরীতমুখীতা বোঝাতে although ব্যবহার করা হয় যা সবসময় দুটি বিপরীতমুখী ঘটনা বা কাজকে যুক্ত করে।
- এখানে, সলিড এবং লিকুইড দুটো বিপরীতধর্মী পদার্থ।
- এখানে বৈপরীত্য বা contrast প্রকাশ করছে। তাই Although ব্যবহৃত হয়েছে।
- The conjunctions but and although/though connect ideas that contrast.

Other Options:
ক) Because - কারণ, যেহেতু।

গ) Since - যেহেতু, থেকে। 

ঘ) If - যদি। 

Source: Oxford Learner's Dictionary.

৩৫.
If a material is elastic, it tends to _____.
  1. retain its shape after stretching
  2. melt easily
  3. conduct electricity
  4. absorb water
সঠিক উত্তর:
retain its shape after stretching
উত্তর
সঠিক উত্তর:
retain its shape after stretching
ব্যাখ্যা

• Complete Sentence: If a material is elastic, it tends to retain its shape after stretching.
Bangla Meaning: যদি কোনো পদার্থ স্থিতিস্থাপক হয়, তবে তা প্রসারিত হওয়ার পর তার আকার বজায় রাখার প্রবণতা দেখায়।

Elastic (adjective)
- English Meaning: capable of recovering size and shape after deformation.
- Bangla Meaning: নমনীয় ও স্থিতিস্থাপক।

- Elastic পদার্থ এমন যা টানলে বা চাপে বিকৃত হয়, কিন্তু চাপ বা টান সরানোর পর আসল আকারে ফিরে আসে।

অন্য অপশনগুলো ভুল কারণ:
খ) melt easily : গলনযোগ্যতা নির্দেশ করে, elasticity নয়।

গ) conduct electricity : বৈদ্যুতিক পরিবাহিতা নির্দেশ করে, elasticity নয়।

ঘ) absorb water : জল শোষণ করার ক্ষমতা নির্দেশ করে, elasticity নয়।

৩৬.
The passive form of the sentence "The gardener was watering the plants." - 
  1. The plants were watered by the gardener.
  2. The plants were being watered by the gardener.
  3. The plants was being watered by the gardener.
  4. The plants were to be watered by the gardener.
সঠিক উত্তর:
The plants were being watered by the gardener.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The plants were being watered by the gardener.
ব্যাখ্যা

• প্রশ্নে উল্লেখিত বাক্যটি Past continuous tense এ আছে।
- Past continuous tense যুক্ত active voice কে passive করার নিয়ম -

• Object টি subject হয়ে বসবে।
- Tense ও person অনুযায়ী was/were + being বসবে।
- এরপর verb এর past participle form + by + subject টি object হয়ে বসবে।

- সুতরাং, নিয়মানুযায়ী, 
• Active: The gardener was watering the plants.
• Passive: The plants were being watered by the gardener.

৩৭.
EXCITE : CALM -
  1. Restrain : Compose 
  2. Agitate : Soothe
  3. Upset : Perturb
  4. Stimulate : Provoke
সঠিক উত্তর:
Agitate : Soothe
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Agitate : Soothe
ব্যাখ্যা

• The Bengali meaning of question words:
- Excite: আন্দোলিত করা; উত্তেজিত করা; আবেগকম্পিত করা।
- Calm: স্থির; শান্ত; নিস্তরঙ্গ।

• The Bengali meaning of option words:
ক)  
- Restrain: ধরে রাখা; নিয়ন্ত্রণে রাখা।
- Compose: শান্ত হওয়া; আবেগ বা চিন্তার উপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করা।

খ) 
- Agitate: আলোড়িত/বিক্ষুব্ধ করা; নাড়া দেওয়া।
- Soothe: শান্ত বা প্রশমিত করা।

গ)
- Upset: বিপর্যস্ত করা; ওলটপালট করা; মেজাজ বিগড়ানো; বিচলিত/অস্থির করা; তছনছ/চুরমার/লণ্ডভণ্ড করা।
- Perturb: উত্তেজিত করা; বিঘ্ন সৃষ্টি করা।

ঘ)
- Stimulate: উদ্দীপিত করা; জাগিয়ে তোলা; উত্তেজিত করা।
- Provoke: ক্রুদ্ধ/ক্ষুব্ধ করা।

• শব্দগুলোর অর্থানুযায়ী বুঝা যাচ্ছে সঠিক Analogy টি হবে - Agitate : Soothe.
Excite এর ঠিক বিপরীত হলো Calm
Agitate এর ঠিক বিপরীত হলো Soothe.

Source: Accessible Dictionary by Bangla Academy.

৩৮.
Who wrote "Dover Beach"? 
  1. William Wordsworth
  2. Robert Browning
  3. John Keats
  4. Matthew Arnold
সঠিক উত্তর:
Matthew Arnold
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Matthew Arnold
ব্যাখ্যা

• Correct Answer: গ) Matthew Arnold.

• Dover Beach:
- "Dover Beach" কবিতাটি Matthew Arnold রচিত।
- এটি প্রথম প্রকাশিত হয় ১৮৬৭ সালে তাঁর New Poems সংকলনে।
- এটি Arnold-এর সবচেয়ে বিখ্যাত এবং প্রশংসিত কবিতা।
- মোট ৩৭ লাইনের এই কবিতায় আধুনিক পৃথিবীতে ধর্মীয় বিশ্বাসের পতনের কথা বলা হয়েছে।
- কবি বিশ্বাস করেন, এই ধর্মীয় শূন্যতার পরিবর্তে ভালোবাসা ও আন্তরিকতা হতে পারে মানুষের একমাত্র আশ্রয়। 

• Matthew Arnold (1822-1888):
- তিনি একজন ভিক্টোরিয়ান যুগের ইংরেজ কবি ছিলেন, এবং সাহিত্য ও সামাজিক critic হিসেবে পরিচিত।
- তিনি সমসাময়িক সমাজের বিভিন্ন শ্রেণির রুচি ও আচরণের সমালোচনার জন্য পরিচিত।
- তিনি সংস্কৃতির একজন প্রচারক হিসেবে খ্যাত, বিশেষ করে তাঁর বিখ্যাত রচনা Culture and Anarchy (1869)-এর জন্য।

• Notable Works:
Famous elegies:
- Thyrsis,
- Rugby Chapel.

Famous poems:
- Dover Beach,
- The scholar gypsy,
- Sohrab and Rustom,
- Cromwell.

Famous books:
- Culture and Anarchy,
- The Study of Poetry,
- Literature and Dogma,
- Essays in Criticism.

Source: Britannica.

৩৯.
The politician answered the reporter ______, making it hard to tell whether he supported the new policy or not.
  1. abruptly
  2. equitably
  3. ambiguously
  4. incisively
সঠিক উত্তর:
ambiguously
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ambiguously
ব্যাখ্যা

• Given Options:
ক) abruptly (adverb)
- আচমকা।

খ) equitably (adverb)
- ন্যায়সঙ্গত পন্থায়।

গ) ambiguously (adverb)
- অনিশ্চিত অর্থ বা অভিপ্রায়বিশিষ্ট ভাবে।

ঘ) Incisively (adverb)
- তীক্ষ্ণভাবে।

- The politician answered the reporter ambiguously, making it hard to tell whether he supported the new policy or not.
- রাজনীতিবিদ সাংবাদিককে উভয়ভাবে উত্তর দিলেন, ফলে বোঝা কঠিন হয়ে গেল তিনি নতুন নীতি সমর্থন করছেন কি না।

- Ambiguously মানে হলো “স্পষ্ট নয়, দ্ব্যর্থকভাবে”।
- পাঠক বা শ্রোতা, বক্তার বক্তব্যে নিশ্চিত হতে পারছে না যে রাজনীতিবিদ/বক্তা কোন দিকটি গ্রহণ করেছেন।
- তাই, শূন্যস্থানে ambiguously বসবে।

Source: Accessible Dictionary by Bangla Academy.

৪০.
যদি (p + q)2 = 144 এবং pq = 32 হয়, তবে (p - q) এর মান কত?
  1. 12
  2. 4
  3. 16
  4. 9
সঠিক উত্তর:
4
উত্তর
সঠিক উত্তর:
4
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: যদি (p + q)2 = 144 এবং pq = 32 হয়, তবে (p - q) এর মান কত? 

সমাধান: 
দেওয়া আছে, 
(p + q)2 = 144 এবং pq = 32

আমরা জানি, 
(p - q)2 = (p + q)2 - 4pq
⇒ (p - q)2 = 144 - (4 × 32)
⇒ (p - q)2 = 144 - 128
⇒ (p - q)2 = 16
⇒ (p - q) = √16
∴ p - q = 4

৪১.
'PARALLEL' শব্দটির বর্ণগুলোকে নিয়ে কত প্রকারে বিন্যাস করা যায়?
  1. 2520
  2. 4200
  3. 4032
  4. 3360
সঠিক উত্তর:
3360
উত্তর
সঠিক উত্তর:
3360
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: 'PARALLEL' শব্দটির বর্ণগুলোকে নিয়ে কত প্রকারে বিন্যাস করা যায়?

সমাধান:
'PARALLEL' শব্দটিতে মোট বর্ণ আছে 8টি
যেখানে, A আছে 2 বার, L আছে 3 বার এবং P, R, E প্রত্যেকে 1 বার করে আছে। 

∴ মোট বিন্যাস = 8!/(2! × 3!)
= (8 × 7 × 6 × 5 × 4 × 3 × 2)/(2 × 3 × 2)
= 8 × 7 × 6 × 5 × 2
= 56 × 60
= 3360

সুতরাং, 'PARALLEL' শব্দটির বর্ণগুলিকে নিয়ে 3360 প্রকারে বিন্যাস করা যায়। 

৪২.
নিচের ধারার পরবর্তী সংখ্যাটি কত?
৩, √২৫, ৭, √৮১, ১১, √১৬৯, ...... 
  1. ১৭ 
  2. ১৫ 
  3. ১৪ 
  4. ১৯ 
সঠিক উত্তর:
১৫ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫ 
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: নিচের ধারার পরবর্তী সংখ্যাটি কত?
৩, √২৫, ৭, √৮১, ১১, √১৬৯, ...... 

সমাধান:
দেওয়া ধারাটি ৩, √২৫, ৭, √৮১, ১১, √১৬৯, ......

প্রথম পদ = ৩ 
দ্বিতীয় পদ = √২৫ = ৫  
তৃতীয় পদ = ৭  
চতুর্থ পদ = √৮১  = ৯ 
পঞ্চম পদ = ১১ 
ষষ্ঠ পদ = √১৬৯ = ১৩

এখন সংখ্যাগুলি দেখি ৩, ৫, ৭, ৯, ১১, ১৩,.......

প্যাটার্ন: এটি একটি বিজোড় সংখ্যার ধারা যেখানে প্রতিটি পদ আগের পদ থেকে ২ বেশি।
পরবর্তী সংখ্যা = ১৩ + ২ = ১৫ 

∴ সঠিক উত্তর: খ) ১৫ 

৪৩.
a এর কোন মানের জন্য 4x + 5y = 12 এবং 8x - ay = 20 সরলরেখা দুটি সমান্তরাল?
  1. 12
  2. - 6
  3. 5
  4. - 10
সঠিক উত্তর:
- 10
উত্তর
সঠিক উত্তর:
- 10
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: a এর কোন মানের জন্য 4x + 5y = 12 এবং 8x - ay = 20 সরলরেখা দুটি সমান্তরাল?

সমাধান: 
দুটি সরলরেখা সমান্তরাল হওয়ার শর্ত হলো তাদের ঢাল সমান হতে হবে।

দেওয়া আছে, 
প্রথম সরলরেখা, 4x + 5y = 12
⇒ 5y = - 4x + 12
⇒ y = (- 4/5)x + (12/5)
∴ ঢাল m1 = - 4/5  ; [y = mx + c এর সাথে তুলনা করে পাই] 

আবার, 
দ্বিতীয় সরলরেখা, 8x - ay = 20
⇒ ay = 8x - 20 
⇒ y = (8/a)x - 20/a ; (যদি k ≠ 0 হয়)
∴ ঢাল m2 = 8/a ; [y = mx + c এর সাথে তুলনা করে পাই] 

∴ সমান্তরাল হওয়ার শর্ত, m1 = m2
⇒ - 4/5 = 8/a
⇒ 4a = - 40
⇒ a = - 40/4
∴ a = - 10

সুতরাং, a এর মান - 10 হলে দুটি সরলরেখা সমান্তরাল হবে।

৪৪.
3x2 - 7x - 6 কে উৎপাদকে বিশ্লেষণ করুন-
  1. (3x - 2)(x + 3)
  2. (3x - 3)(x + 2)
  3. (3x + 2)(x - 3)
  4. (x - 2)(3x + 3)
সঠিক উত্তর:
(3x + 2)(x - 3)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
(3x + 2)(x - 3)
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: 3x2 - 7x - 6 কে উৎপাদকে বিশ্লেষণ করুন-

সমাধান: 
3x2 - 7x - 6
= 3x2 - 9x + 2x - 6
= 3x(x - 3) + 2(x - 3)
= (3x + 2)(x - 3)

৪৫.
যদি কোনো যান্ত্রিক ব্যবস্থায় দুটি গিয়ার সংযুক্ত থাকে এবং একটি ছোট ও অন্যটি বড় হয়, তবে ছোট গিয়ারটি বড়টির তুলনায় কীভাবে ঘুরবে?
  1. দ্রুত ঘুরবে
  2. একইভাবে
  3. ধীরে ঘুরবে
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
দ্রুত ঘুরবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্রুত ঘুরবে
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: যদি কোনো যান্ত্রিক ব্যবস্থায় দুটি গিয়ার সংযুক্ত থাকে এবং একটি ছোট ও অন্যটি বড় হয়, তবে ছোট গিয়ারটি বড়টির তুলনায় কীভাবে ঘুরবে?

সমাধান:

যখন দুটি গিয়ার চাকা সংযুক্ত থাকে, তখা তারা একে অপরকে স্পর্শ করে এবং চলে।

গুরুত্বপূর্ণ বিষয়:
- ছোট চাকার দাঁতের সংখ্যা < বড় চাকার দাঁতের সংখ্যা
- যখন সংযুক্ত থাকে, উভয় চাকার দাঁত একটি নির্দিষ্ট সময়ে একই সংখ্যক বার মিলিত হয়

গতির সম্পর্ক:
- ছোট চাকাটি বড় চাকার চেয়ে দ্রুত গতিতে ঘোরে (জোরে/বেগে ঘোরে)।

কারণ:
- যদি বড় চাকায় 100 দাঁত এবং ছোটটায় 20 দাঁত থাকে
- বড় চাকা 1 বার ঘুরলে, ছোট চাকা 5 বার ঘোরে
- তাই ছোট চাকা আরও বেশি দ্রুত ঘোরে
- সঠিক উত্তর: খ) জোরে

সুতরাং, ছোট চাকাটি বড় চাকার চেয়ে জোরে/দ্রুত গতিতে ঘোরে।

৪৬.
একটা লোহার গোলক গলিয়ে কয়টি সমান আয়তনের গোলক তৈরি সম্ভব যাদের প্রত্যেকের ব্যাসার্ধ বড় গোলকটির এক-তৃতীয়াংশ। 
  1. 36টি
  2. 18টি
  3. 27টি
  4. 9টি
সঠিক উত্তর:
27টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
27টি
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটা লোহার গোলক গলিয়ে কয়টি সমান আয়তনের গোলক তৈরি সম্ভব যাদের প্রত্যেকের ব্যাসার্ধ বড় গোলকটির এক-তৃতীয়াংশ। 

সমাধান:
ধরি,
বড় গোলকের ব্যাসার্ধ = R
ছোট গোলকের ব্যাসার্ধ, r = R/3

আমরা জানি,
গোলকের আয়তন V = (4/3)πr3

এখন,
বড় গোলকের আয়তন = (4/3)πR3
ছোট গোলকের আয়তন = (4/3)π(R/3)3 = (1/27) × (4/3)πR3

∴ ছোট গোলকের সংখ্যা = বড় গোলকের আয়তন ÷ ছোট গোলকের আয়তন
= {(4/3)πR3} ÷ {(1/27) × (4/3)πR3}
= 1/(1/27)
= 27

সুতরাং, বড় গোলকটি গলিয়ে 27টি সমান ছোট গোলক তৈরি করা সম্ভব।

৪৭.
loga√343 = 3/2 হলে a এর মান কত?
  1. 7
  2. 3
  3. 9
  4. 5
সঠিক উত্তর:
7
উত্তর
সঠিক উত্তর:
7
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: loga√343 = 3/2 হলে a এর মান কত? 

সমাধান: 
দেওয়া আছে, 
loga√343 = 3/2
⇒ a3/2 = √343 
⇒ a3/2 = (73)1/2
⇒ a3/2 = 73/2
∴ a = 7

৪৮.
নিচের কোন বানানটি সঠিক?
  1. Mileniam
  2. Millennium
  3. Milennium
  4. Milleniumm
সঠিক উত্তর:
Millennium
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Millennium
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: নিচের কোন বানানটি সঠিক?

সমাধান:
সঠিক বানান: খ) Millennium

সঠিক ইংরেজি বানান হলো Millennium যার অর্থ সহস্রাব্দ বা ১০০০ বছরের সময়কাল। 

অন্য অপশনগুলো ভুল। 

উৎস:
১। বাংলা একাডেমি, প্রশাসনিক পরিভাষা। 
২। Accessible Dictionary. [link]

৪৯.
একটি ত্রিভুজের প্রথম কোণ দ্বিতীয় কোণের দ্বিগুণ। তৃতীয় কোণ প্রথম ও দ্বিতীয় কোণের যোগফলের অর্ধেক। দ্বিতীয় কোণ কত ডিগ্রি?
  1. ৬০°
  2. ৩০°
  3. ৫০°
  4. ৪০°
সঠিক উত্তর:
৪০°
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪০°
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি ত্রিভুজের প্রথম কোণ দ্বিতীয় কোণের দ্বিগুণ। তৃতীয় কোণ প্রথম ও দ্বিতীয় কোণের যোগফলের অর্ধেক। দ্বিতীয় কোণ কত ডিগ্রি?

সমাধান: 
ধরি,
দ্বিতীয় কোণ = ক
তাহলে প্রথম কোণ = ২ক  ; (দ্বিতীয় কোণের দ্বিগুণ)
এবং তৃতীয় কোণ = (প্রথম + দ্বিতীয়) এর অর্ধেক
= (প্রথম + দ্বিতীয়)/২ 
= (২ক + ক)/২ 
= ৩ক/২

আমরা জানি, 
ত্রিভুজের তিন কোণের যোগফল = ১৮০°
⇒ ২ক + ক + (৩ক/২) = ১৮০°
⇒ (৪ক + ২ক + ৩ক)/২ = ১৮০°
⇒ ৯ক/২ = ১৮০°
⇒ ৯ক = ১৮০° × ২ 
⇒ ৯ক = ৩৬০°
⇒ ক = ৩৬০/৯
∴ ক = ৪০°

সুতরাং, দ্বিতীয় কোণ ৪০°। 

৫০.
দুটি সংখ্যার অনুপাত ৪ : ৭। উভয় থেকে ৩ বিয়োগ করলে অনুপাত হয় ১ : ২। সংখ্যা দুটি কত?
  1. ১০ এবং ১৭
  2. ১২ এবং ২১
  3. ৮ এবং ১৪
  4. ১৫ এবং ২৫
সঠিক উত্তর:
১২ এবং ২১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২ এবং ২১
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: দুটি সংখ্যার অনুপাত ৪ : ৭। উভয় থেকে ৩ বিয়োগ করলে অনুপাত হয় ১ : ২। সংখ্যা দুটি কত?

সমাধান: 
ধরি, সংখ্যা দুটি যথাক্রমে ৪ক এবং ৭ক
উভয় থেকে ৩ বিয়োগ করলে নতুন অনুপাত ১ : ২ হয়। 
অর্থাৎ, 
⇒ (৪ক - ৩) : (৭ক - ৩) = ১ : ২
⇒ (৪ক - ৩)/(৭ক - ৩) = ১/২
⇒ ৮ক - ৬ = ৭ক - ৩ 
⇒ ৮ক - ৭ক = - ৩ + ৬ 
∴ ক = ৩ 
সুতরাং, প্রথম সংখ্যা = ৪ × ৩ = ১২ এবং দ্বিতীয় সংখ্যা = ৭ × ৩ = ২১

অতএব, সংখ্যা দুটি যথাক্রমে ১২ এবং ২১। 

৫১.
যদি একটি গাড়ীর গতি তিনগুণ করা হয়, তবে গাড়ীটির গতিশক্তি পূর্বের গতিশক্তির কতগুণ হবে?
  1. ১২ গুণ
  2. ১.৫ গুণ
  3. ৪.৫ গুণ
  4. ৯ গুণ
সঠিক উত্তর:
৯ গুণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯ গুণ
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: যদি একটি গাড়ীর গতি তিনগুণ করা হয়, তবে গাড়ীটির গতিশক্তি পূর্বের গতিশক্তির কতগুণ হবে?

সমাধান:
আমরা জানি, 
গতিশক্তির, K.E = (1/2)mv2
গতি তিনগুণ করলে, নতুন গতি হবে, vnew = 3v

∴ নতুন গতিশক্তি: K.Enew = (1/2)m(3v)2
= (1/2)m × 9v2
= 9 × [(1/2)mv2)]
= 9 × K.E

অর্থাৎ, নতুন গতিশক্তি পুরনো গতিশক্তির ৯ গুণ হবে। 

৫২.
বার্ষিক ৩.৫% সরল মুনাফায় কত টাকা বিনিয়োগ করলে ৬ বছরে মুনাফা-আসলে ১৩৩১ টাকা হবে?
  1. ১১০০ টাকা
  2. ১০৫০ টাকা
  3. ১২০০ টাকা
  4. ১১৮০ টাকা
সঠিক উত্তর:
১১০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১০০ টাকা
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: বার্ষিক ৩.৫% সরল মুনাফায় কত টাকা বিনিয়োগ করলে ৬ বছরে মুনাফা-আসলে ১৩৩১ টাকা হবে?

সমাধান: 
দেওয়া আছে, 
সরল মুনাফার হার, r = ৩.৫%
সময়, n = ৬ বছর
মুনাফা-আসলে, A = ১৩৩১ টাকা

আমরা জানি, 
মুনাফা = Prn/১০০
= (P × ৬ × ৩.৫)/১০০
= ২১P/১০০ 
∴ মুনাফা = ০.২১P

আমরা জানি, 
মুনাফা-আসলে = আসল + মুনাফা
⇒ P + ০.২১P = ১৩৩১
⇒ P(১ + ০.২১) = ১৩৩১
⇒ P = ১৩৩১/১.২১
∴ P = ১১০০ টাকা 

সুতরাং, ১১০০ টাকা বিনিয়োগ করলে ৬ বছরে ১৩৩১ টাকা হবে।

৫৩.
পিতার বর্তমান বয়স পুত্রের বয়সের চারগুণ। ৬ বছর পূর্বে পিতার বয়স পুত্রের বয়সের দশগুণ ছিল। পিতার বর্তমান বয়স কত?
  1. ৪২ বছর
  2. ৩৬ বছর
  3. ৪৮ বছর
  4. ৪০ বছর
সঠিক উত্তর:
৩৬ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৬ বছর
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: পিতার বর্তমান বয়স পুত্রের বয়সের চারগুণ। ৬ বছর পূর্বে পিতার বয়স পুত্রের বয়সের দশগুণ ছিল। পিতার বর্তমান বয়স কত?

সমাধান:
ধরি,
পুত্রের বর্তমান বয়স = ক বছর
∴ পিতার বর্তমান বয়স = ৪ক বছর

শর্তমতে,
১০(ক - ৬) = ৪ক - ৬
⇒ ১০ক - ৬০ = ৪ক - ৬
⇒ ১০ক - ৪ক = ৬০ - ৬
⇒ ৬ক = ৫৪
∴ ক = ৯
∴ পুত্রের বর্তমান বয়স = ৯ বছর
এবং পিতার বর্তমান বয়স = (৯ × ৪) বছর = ৩৬ বছর।

৫৪.
রাকিব ১ কি.মি. পূর্ব দিকে হাঁটলেন, তারপর দক্ষিণ দিকে ঘুরে ৫ কি.মি. হাঁটলেন। এরপর তিনি আবার পূর্ব দিকে ঘুরে ২ কি.মি. হাঁটলেন। এরপর তিনি উত্তর দিকে ঘুরে ৯ কি.মি. হাঁটলেন। এখন তিনি শুরু স্থান থেকে কত দূরে আছেন?
  1. ৮ কি.মি.
  2. ১০ কি.মি.
  3. ৭ কি.মি.
  4. ৫ কি.মি.
সঠিক উত্তর:
৫ কি.মি.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ কি.মি.
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: রাকিব ১ কি.মি. পূর্ব দিকে হাঁটলেন, তারপর দক্ষিণ দিকে ঘুরে ৫ কি.মি. হাঁটলেন। এরপর তিনি আবার পূর্ব দিকে ঘুরে ২ কি.মি. হাঁটলেন। এরপর তিনি উত্তর দিকে ঘুরে ৯ কি.মি. হাঁটলেন। এখন তিনি শুরু স্থান থেকে কত দূরে আছেন?

সমাধান:

ধরি,
পূর্বদিকে A থেকে B বিন্দুতে গেলেন ১ কি.মি.
দক্ষিণ দিকে B থেকে C বিন্দুতে গেলেন ৫ কি.মি.
পূর্বদিকে C থেকে D বিন্দুতে গেলেন ২ কি.মি.
উত্তরদিকে D থেকে E বিন্দুতে গেলেন ৯ কি.মি.

অতএব,
AB = ১ কি.মি.
BC = DF = ৫ কি.মি.
CD = BF = ২ কি.মি.
DE = ৯ কি.মি.

AF = AB + BF = (১ + ২) কি.মি. = ৩ কি.মি.
EF = DE - DF = (৯ - ৫) কি.মি. = ৪ কি.মি.

পিথাগোরাসের উপপাদ্য অনুযায়ী,
AE = AF + EF
⇒ AE = (৩) + (৪)
⇒ AE = ৯ + ১৬
⇒ AE = ২৫
⇒ AE = ৫

∴ যাত্রা শুরুর স্থান A থেকে শেষ স্থান E এর দূরত্ব ৫ কি.মি.

৫৫.
ইনসুলিন কোন ধরনের পদার্থ?
  1. অ্যান্টিবডি
  2. ভিটামিন
  3. এনজাইম
  4. হরমোন
সঠিক উত্তর:
হরমোন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হরমোন
ব্যাখ্যা

ইনসুলিন: 
- ইনসুলিন এক ধরনের হরমোন। 
- ইনসুলিন অগ্ন্যাশয়ের Islets of langerhans এর বিটা কোষ থেকে নিঃসৃত হয় যা রক্তে বিদ্যমান গ্লুকোজকে দেহ কোষে প্রবেশে সাহায্য করে।
- এর ফলে গ্লুকোজের উচ্চ মাত্রা হ্রাসপ্রাপ্ত হয়ে স্বাভাবিক মাত্রায় ফিরে আসে। 
- কোন কারণে অগ্ন্যাশয় থেকে ইনসুলিন নিঃসৃত না হলে বা কম নিঃসৃত হলে অথবা নিঃসৃত ইনসুলিন অকার্যকর হলে রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা বেড়ে যায় (ডায়াবেটিস) রোগ হয়। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি এবং প্রাণীবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫৬.
মনিটরের রেজুল্যশন কিসের উপর নির্ভর করে?
  1. মনিটরের আকারের উপর
  2. মনিটরের ব্যাকলাইটের শক্তির উপর
  3. পিক্সেলের সংখ্যার উপর
  4. ফসফরাসের রঙের উপর
সঠিক উত্তর:
পিক্সেলের সংখ্যার উপর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পিক্সেলের সংখ্যার উপর
ব্যাখ্যা

• পিক্সেল: 
- একটি ইমেজের ডট পার ইঞ্চিকে পিক্সেল বলে (DPI)।
অর্থাৎ, সহজভাবে বলতে গেলে পিক্সেল হলো একটি ইমেজের ক্ষুদ্রতম অংশ। 
- কম্পিউটারের তথ্য প্রদর্শনের ক্ষুদ্রতম একক হচ্ছে পিক্সেল। 
- পিক্সেল হচ্ছে ডেটা প্রদর্শনের উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত মাধ্যমের (মনিটরের পর্দা) ক্ষুদ্রতম এলাকা, যার বর্ণ ও উজ্জ্বলতা স্বতন্ত্রভাবে নিয়ন্ত্রণ করা যায়। 
- সিআরটি মনিটরের প্রধান উপকরণ পিকচার টিউবের ভেতরের দিকে লাল, সবুজ ও আসমানি-এ তিনটি মৌলিক বর্ণের ফসফরাসের আবরণের প্রলেপ থাকে। 

- পেছনের দিকে ইলেকট্রন বিম নিক্ষেপের জন্য একটি ইলেকট্রন গান থাকে। 
- ইলেকট্রন বিম ফসফরাসের ওপরে পতিত হলে ফসফরাস উজ্জ্বল আলো নির্গত করে। 
- ফসফরাসের ধরনের ভিত্তিতে মনিটরের পর্দায় প্রদর্শিত বিষয় এক রঙের বা বহু রঙের হতে পারে। ফসফরাসের আবরণটি অনেকগুলো বিন্দু বা ডটের সমন্বয়ে গঠিত, এদেরকে পিক্সেল বলা হয়। 
-  মনিটরের পর্দায় একটি ইমেজ বা চিত্র তখনই পূর্ণাঙ্গভাবে অবলোকন করা যায়, যখন ইলেকট্রন বিম সম্পূর্ণ স্ক্রিনটিকে স্ক্যান করে এবং প্রতিটি পিক্সেলকে উজ্জ্বল করে দেয়। 
- পিক্সেলের সংখ্যার উপর মনিটরের রেজুল্যশন নির্ভর করে। 
- বর্তমানে প্রচলিত মনিটরগুলো সাধারণত ৬৪০০০ থেকে ২ মিলিয়ন পিক্সেলবিশিষ্ট হয়ে থাকে। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫৭.
পেরিস্কোপে ব্যবহৃত দুটি দর্পণ পরস্পরের সাথে কেমন অবস্থানে থাকে?
  1. পরস্পর লম্ব
  2. পরস্পর সমান্তরাল
  3. পরস্পর বিপরীতমুখী
  4. এলোমেলোভাবে স্থাপিত
সঠিক উত্তর:
পরস্পর সমান্তরাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পরস্পর সমান্তরাল
ব্যাখ্যা

পেরিস্কোপ: 
- আলোর প্রতিফলনকে কাজে লাগিয়ে পেরিস্কোপ তৈরি হয়। 
- পেরিস্কোপ তৈরিতে দুটি সমতল দর্পণ প্রয়োজন হয়। 
- আলো এসে প্রথম দর্পণে প্রতিফলিত হয়ে দ্বিতীয় দর্পণে পড়ে। দ্বিতীয় দর্পণ থেকে আলো যখন প্রতিফলিত হয়ে আমাদের চোখে পড়ে, তখন যে বস্তুটি সরাসরি দেখা যায় না তা আমরা দেখতে পাই। 
- পেরিস্কোপ তৈরি হয় একটি লম্বা সরু টিউবের দুই প্রান্তে সমতল দর্পণের (আয়না) দুটি ফালি বা স্ট্রিপ স্থাপন করে। 
- দর্পণ দুটিকে টিউবের দেয়ালের সাথে ৪৫° কোণে স্থাপন করা হয়, এরা পরস্পরের সাথে সমান্তরাল থাকে এবং ৯০° কোণে আলোর বিসরণ ঘটায় বা বাঁকিয়ে দেয়। 
- স্টেডিয়ামে ভিড়ের মধ্যে খেলা দেখার জন্য পেরিস্কোপ ব্যবহার করা হয়। এছাড়া বাঙ্কারে ওতপেতে থাকা সৈন্যরা ভূমিতে কী আছে তা দেখার এবং সমুদ্র পৃষ্ঠে কী আছে তা ডুবোজাহাজ থেকে দেখার জন্য পেরিস্কোপ ব্যবহার করে। 

উৎস: বিজ্ঞান, ষষ্ঠ শ্রেণি।

৫৮.
মার্ক-১ (Mark-I) কম্পিউটার তৈরি হয় কোন সালে?
  1. ১৯৪৪ সালে
  2. ১৯৩৮ সালে
  3. ১৯৩৫ সালে
  4. ১৯৫১ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৪৪ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৪৪ সালে
ব্যাখ্যা

• ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল কম্পিউটার: 
- যান্ত্রিক ও ইলেকট্রনিক উভয় পদ্ধতির সমন্বয়ে গঠিত কম্পিউটারকে ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল কম্পিউটার বলা হয়। 
- ১৯৩৭ সালে আমেরিকার হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিতের অধ্যাপক ড. হাওয়ার্ড এইচ আইকেন ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল টেকনিক ব্যবহার করে চার্লস ব্যাবেজের অ্যানালাইটিক ইঞ্জিনের মতো একটি যন্ত্র তৈরি করার পরিকল্পনা করেন, যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে কাজ করতে পারে। 
- ১৯৪৪ সালে হাওয়ার্ড আইকেন মার্ক-১ (Mark-I) নামের পৃথিবীর প্রথম ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল কম্পিউটার তৈরি করেন। 
- মার্ক-১ ছিল হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় ও আইবিএম কোম্পানির যৌথ উদ্যোগের একটি ফসল। 
- মার্ক-১ কম্পিউটারটি ১৫ বছর চালু ছিল। 
- বর্তমানে এটি প্রদর্শনের জন্য হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে সংরক্ষিত আছে। 

উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫৯.
ট্রানজিস্টরকে কোন কাজে ব্যবহার করা যায়?
  1. শুধুমাত্র তাপ উৎপাদনে
  2. উচ্চগতিসম্পন্ন সুইচ হিসেবে
  3. ব্যাটারি চার্জ করার জন্য
  4. আলো তৈরি করার জন্য
সঠিক উত্তর:
উচ্চগতিসম্পন্ন সুইচ হিসেবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উচ্চগতিসম্পন্ন সুইচ হিসেবে
ব্যাখ্যা

ট্রানজিস্টর (Transistor): 
- ট্রানজিস্টর একটি ইংরেজি শব্দ। Transfer এবং Resistor এই দুটি পৃথক ইংরেজি শব্দের সমন্বয়ে Transistor শব্দটি গঠিত হয়েছে।
- ট্রানজিস্টরকে বিংশ শতাব্দীর শ্রেষ্ঠ আবিষ্কার বলা যায়। ট্রানজিস্টরের আবিষ্কার ইলেকট্রনিক্স এর জগতে বিপণ্ড সংঘটিত করেছে। ১৯৪৮ সালে যুক্তরাষ্ট্রের বেল টেলিফোন ল্যাবরেটরির তিনজন গবেষক জে. বার্ডিন, ডব্লিউ ব্রাটেন ও ডব্লিউ সক্লে ট্রানজিস্টর আবিষ্কার করেন। এই গুরত্বপূর্ণ আবিষ্কারের জন্য তিনজনকে ১৯৫৬ সালে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরষ্কার প্রদান করা হয়। 
- ট্রানজিস্টর দুর্বল তড়িৎ সংকেতকে বিবর্ধন করতে পারে এবং উচ্চগতিসম্পন্ন সুইচ হিসেবে ব্যবহার করা যায়। 
- দুটি একই ধরনের অর্ধপরিবাহীর (n-টাইপ অথবা p-টাইপ) মাঝখানে এদের বিপরীত ধরনের (p-টাইপ অথবা n-টাইপ) অর্ধপরিবাহী বিশেষ প্রক্রিয়ায় পরস্পরের সাথে যুক্ত করে যে যন্ত্র বা কৌশল (Device) তৈরি করা হয় তাকে ট্রানজিস্টর বলে।
- গঠন ও প্রকৃতি অনুসারে জাংশন ট্রানজিস্টর দুই প্রকার।
যথা- ১) p-n-p ট্রানজিস্টর এবং ২) n-p-n ট্রানজিস্টর। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬০.
সেলুলোজ কোন ধরনের শর্করা অণু দ্বারা গঠিত?
  1. ফ্রুক্টোজ
  2. ল্যাকটোজ
  3. β-D গ্লুকোজ
  4. α-D গ্লুকোজ
সঠিক উত্তর:
β-D গ্লুকোজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
β-D গ্লুকোজ
ব্যাখ্যা

সেলুলোজ: 
- উদ্ভিদের কোষপ্রাচীর সেলুলোজ দিয়ে গঠিত। 
- অসংখ্য β-D গ্লুকোজ অণু পরস্পর β-১-৪ কার্বন বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে সেলুলোজ গঠন করে। 
- উদ্ভিদের অবকাঠামো নির্মাণে সেলুলোজ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। উদ্ভিদদেহে যেহেতু কোন কঙ্কাল নেই সেহেতু উদ্ভিদের ভার বহনের দায়িত্ব পালন করে সেলুলোজ। 
- সেলুলোজের পরিমাণ তুলায় ৯৪%, লিনেনে ৯০% এবং কাঠে ৬০%। 
- সেলুলোজকে ঘন H2SO4 বা HCI বা NaOH দ্বারা হাইড্রোলাইসিস করে গ্লুকোজে পরিণত করা যায়। 
- মানুষের পাকস্থলি বা অন্ত্রে সেলুলেজ এনজাইম না থাকায় সেলুলোজ জাতীয় পদার্থ হজম হয় না অর্থাৎ পুষ্টিতে কোন কাজে আসে না। তবে সেলুলোজ গরু-ছাগলে পুষ্টি হিসেবেও কাজ করতে পারে। 
- বস্ত্র ও বন শিল্পে প্রধান উপাদান সেলুলোজ, তাই মানব সভ্যতায় এর অবদান অপরিসীম। 
- সেলুলোজের কাজ হচ্ছে উদ্ভিদের গাঠনিক উপাদান হিসেবে কাজ করা। 

সেলুলোজের ব্যবহার: 
- সেলুলোজ কাগজ ও বস্ত্র শিল্পের প্রধান রাসায়নিক উপাদান হিসেবে থাকে। 
- সেলুলোজকে অ্যাসিটেট ফটোগ্রাফিক ফিল্মে ব্যবহৃত হয়। 
- সেলুলোজকে নাইট্রেট বিস্ফোরক হিসেবে ব্যবহার করা হয়। 
- আসবাবপত্র ও নির্মাণ সামগ্রী তৈরিতে যান্ত্রিক সাহায্য প্রদানকারী প্রধান উপাদান সেলুলোজ, কাঠখেকো কীটপতঙ্গের পুষ্টিনালিতে বসবাসকারী এক ধরনের পরজীবী সেলুলোজ নামক উৎসেচক নিঃসৃত করে কাঠ হজমে সাহায্য করে। 

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬১.
ক্লাউড কম্পিউটিং Software as a Service (SaaS) কোন সেবা প্রদান করে?
  1. কেবল ডেটা স্টোরেজ
  2. হার্ডওয়্যার ভাড়া
  3. সরাসরি সফটওয়্যার ব্যবহার ইন্টারনেটের মাধ্যমে
  4. প্রোগ্রামিং শেখানো
সঠিক উত্তর:
সরাসরি সফটওয়্যার ব্যবহার ইন্টারনেটের মাধ্যমে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরাসরি সফটওয়্যার ব্যবহার ইন্টারনেটের মাধ্যমে
ব্যাখ্যা

• ক্লাউড কম্পিউটিং: 
- কম্পিউটার রিসোর্স ব্যবহার করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কোনো সার্ভিস বা সেবা প্রদান করাকে ক্লাউড কম্পিউটিং বলে। 
- ১৯৬০ সালে জন ম্যাকর্থি সর্বপ্রথম ক্লাউড কম্পিউটিং সম্পর্কে ধারণা দেন। 
- ২০০৫ সাল থেকে আমাজন ডট কম ইলাস্টিক কম্পিউট ক্লাউড বা EC2 ব্যবহার শুরু করে। 
- ২০০৬ সালে আমাজন ওয়েব সার্ভিস সর্বপ্রথম বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিং এর ব্যবহার শুরু করে। 

• ক্লাউড কম্পিউটিং সার্ভিস মডেল: 
- ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের প্রধান সার্ভিস মডেল সেবার ধরণ অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিংকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। 
যথা- 
১. অবকাঠামোগত সেবা (Infrastructure as a services-IaaS): 
- ব্যবহারকারী তার প্রয়োজনীয় অপারেটিং সিস্টেম ও সফটওয়্যার চালানোর জন্য ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান তাদের নেটওয়ার্ক, সিপিইউ, স্টোরেজ ও অন্যান্য মৌলিক কম্পিউটিং রিসোর্স ভাড়া দেয়। 

২. প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা (Platform as a services-PaaS): 
- ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয় হার্ডওয়্যার, অপারেটিং সিস্টেম, ওয়েব সার্ভার, ডেটাবেজ, প্রোগ্রাম এক্সিউশন পরিবেশ ইত্যাদি থাকে। এ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপারগণ তাদের তৈরি করা সফটওয়্যার এই প্ল্যাটফর্মে ভাড়ায় চালাতে পারেন। 

৩. সফটওয়্যার সেবা (Software/application as a services-SaaS): 
- ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের তৈরিকৃত এ্যাপ্লিকেশন সফ্টওয়্যার ব্যবহারকারীগণ ইন্টারনেটের মাধ্যমে চালাতে পারেন
- কয়েকটি ক্লাউড কম্পিউটিং এর প্রোভাইডার হচ্ছে- Amazon Web Services (AWS), Microsoft Azure, Google Cloud Platform (GCP), IBM Cloud, Oracle Cloud, ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬২.
তেজস্ক্রিয় পদার্থ মানবদেহে কোন রোগের কারণ হতে পারে?
  1. ক্যান্সার
  2. অ্যানিমিয়া
  3. যক্ষ্মা 
  4. ডায়াবেটিস
সঠিক উত্তর:
ক্যান্সার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্যান্সার
ব্যাখ্যা

তেজস্ক্রিয়তা: 
- কয়েকটি বিশেষ ধরনের নিঃসরণ করে ভারী নিউক্লিয়াসগুলো স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভেঙ্গে যাওয়ার প্রক্রিয়াকে তেজস্ক্রিয়তা বলে। 
- ১৮৯৬ খ্রিস্টাব্দে হেনরি বেকারেল তেজস্ক্রিয়তা আবিষ্কার করেন।
- পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র বা পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির কারখানা থেকে দুর্ঘটনা বা পরীক্ষা-নিরীক্ষার ফলে বের হয়ে আসা তেজস্ক্রিয় পদার্থ দিয়ে মাটির মারাত্মক দূষণ হয়ে থাকে। 
- তেজস্ক্রিয় পদার্থ যেমন- রেডন (Rn), রেডিয়াম (Ra), থোরিয়াম (Th), ইউরেনিয়াম (U) ইত্যাদি শুধু মাটির উর্বরতাই নষ্ট করে না, এরা প্রাণীদেহের ত্বক ও ফুসফুসের ক্যান্সারের কারণ হতে পারে। 
- উচ্চমাত্রায় তেজস্ক্রিয়তার ফলে গাছপালা মরে যায়। এছাড়া অন্যান্য খাদ্যশৃংখলের মাধ্যমে এরা প্রাণীদেহে প্রবেশ করে ভয়াবহ রোগ সৃষ্টি করে। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি এবং ব্রিটানিকা।

৬৩.
এমআরআই যন্ত্রে কোন প্রযুক্তি ব্যবহার করে শরীরের অঙ্গের বিস্তারিত প্রতিবিম্ব তৈরি করা হয়?
  1. এক্স-রে
  2. রেডিও তরঙ্গ
  3. লেজার তরঙ্গ 
  4. আল্ট্রাসোনিক তরঙ্গ 
সঠিক উত্তর:
রেডিও তরঙ্গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রেডিও তরঙ্গ
ব্যাখ্যা

এমআরআই (MRI): 
- এমআরআই এর অর্থ হচ্ছে ম্যাগনেটিক রেজোন্যান্স ইম্যাজিং (Magnetic Resonance Imaging)। 
- এমআরআই যন্ত্রে শক্তিশালী চৌম্বকক্ষেত্র এবং রেডিও তরঙ্গ ব্যবহার করে শরীরের কোনো স্থানের বা অঙ্গের বিস্তৃত প্রতিবিম্ব গঠন করা হয়। নিউক্লিয় চৌম্বক অনুনাদের ভৌত এবং রাসায়নিক নীতির উপর ভিত্তি করে এমআরআই যন্ত্র কাজ করে। এই নীতি ব্যবহার করে কোনো অণুর প্রকৃতি সম্পর্কে তথ্য জানা যায়। 
- এমআরআই একটি নিরাপদ রোগ নির্ণয় পদ্ধতি। 
- এই যন্ত্রে এক্সরে বা অন্য কোনো ধরনের বিকিরণ ব্যবহার করা হয় না। 
- শরীরের যে অংশের এমআরআই স্ক্যান করা হয় সেখান থেকে প্রাপ্ত সংকেতকে একটি কম্পিউটারের সাহায্যে পরিবর্তিত করে সেই অংশের অত্যন্ত স্পষ্ট প্রতিবিম্ব গঠন করা হয়। প্রত্যেকটি প্রতিবিম্ব শরীরের কোনো স্থানের এক একটি ফালির মতো কাজ করে। এভাবে অনেকগুলো প্রতিবিম্ব তৈরি করা হয়, যেগুলো শরীরের ঐ অংশের সকল বৈশিষ্ট্যকে ফুটিয়ে তুলে। 
- পায়ের গোড়ালির মচকানো এবং পিঠের ব্যাথায় এমআরআই ব্যবহার করে জখমের বা আঘাতের তীব্রতা নিরূপণ করা হয়। ব্রেণ এবং মেরু রুজ্জুর বিস্তৃত প্রতিবিম্ব তৈরির জন্য এমআরআই হলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬৪.
তড়িৎ শক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তর করে- 
  1. ডায়নামো
  2. মাইক্রোফোন
  3. বৈদ্যুতিক মোটর
  4. ব্যাটারি
সঠিক উত্তর:
বৈদ্যুতিক মোটর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বৈদ্যুতিক মোটর
ব্যাখ্যা

শক্তির রূপান্তর: 
- জেনারেটর বা ডায়নামো- যান্ত্রিক শক্তিকে তড়িৎ শক্তিতে রূপান্তর করে।
- বৈদ্যুতিক মোটর- তড়িৎ শক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তর করে। 
- লাউড স্পীকার ও বৈদ্যুতিক ঘন্টা- বিদ্যুৎ শক্তিকে শব্দ শক্তিতে রূপান্তর করে। 
- মাইক্রোফোন- শব্দ শক্তিকে বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তর করে। 
- মোবাইল ফোনের ব্যাটারিকে বিদ্যুৎ দিয়ে চার্জ দেওয়ার ফলে তড়িৎ শক্তি রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়। 

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬৫.
HTTPS-এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Hypertext Transfer Protocol Safe
  2. Hypertext Transfer Protocol Secure
  3. Hypertext Transport Protocol Secure
  4. Hyper Transfer Protocol Secured
সঠিক উত্তর:
Hypertext Transfer Protocol Secure
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Hypertext Transfer Protocol Secure
ব্যাখ্যা

HTTPS: 
- https এর পূর্ণরূপ হচ্ছে- Hypertext Transfer Protocol Secure.
- HTTPS হলো একটি প্রোটোকল যা ব্যবহারকারীর ওয়েব ব্রাউজার এবং একটি ওয়েবসাইটের মধ্যে যোগাযোগ এবং ডেটা স্থানান্তর সুরক্ষিত করে। 
- কোন ওয়েবসাইটের ঠিকানায় ব্যবহৃত https এর 'S' দিয়ে Secured (সুরক্ষিত) বোঝায়। 
- HTTPS Protocol-টি ইন্টারনেটে তথ্য আদান-প্রদানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে থাকে। 
- https, http-এর চেয়ে অধিকতর নিরাপদ। 
- সাধারণত প্রায় সব ওয়েব অ্যাড্রেসই শুরু হয় http:// দিয়ে। 
- তাই ওয়েব অ্যাড্রেসে এ অংশটি লিখা হয় না। www অংশ দিয়েই শুরু করা হয়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।

৬৬.
লিথিয়াম আয়ন ব্যাটারির অসুবিধা কোনটি?
  1. চার্জ ধরে রাখার হার বেশি
  2. মেমোরী প্রভাব নেই 
  3. ব্যাটারি হালকা
  4. আভ্যন্তরীণ রোধ বেশি
সঠিক উত্তর:
আভ্যন্তরীণ রোধ বেশি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আভ্যন্তরীণ রোধ বেশি
ব্যাখ্যা

লিথিয়াম আয়ন ব্যাটারি: 
- বিজ্ঞানী উইটিংহাম (Whittinghum) সর্বপ্রথম 1970 সালে লিথিয়াম ব্যাটারির প্রস্তাব করেন। 
- এটি একটি সেকেন্ডারী সেল। 

লিথিয়াম আয়ন ব্যাটারির গঠন: 
- লিথিয়াম আয়ন ব্যাটারির তিনটি মূল কার্যকরী উপাদান হচ্ছে ঋণাত্মক ইলেকট্রোড, ধনাত্মক ইলেকট্রোড এবং ইলেকট্রোলাইট। 
- ধনাত্মক তড়িৎদ্বার সাধারণত কার্বন হতে তৈরী করা হয়। ধনাত্মক তড়িৎদ্বার ধাতব অক্সাইডের তৈরী এবং ইলেকট্রোলাইট হচ্ছে জৈব দ্রাবকে দ্রবীভূত লিথিয়াম লবণ। 
- বানিজ্যিকভাবে ব্যবহৃত ঋণাত্মক ইলেকট্রোড হয় গ্রাফইট এবং ধনাত্মক ইলেকট্রোড হিসাবে নিম্নলিখিত তিনটি পদার্থের যে কোন একটি ব্যবহৃত হয়-
(i) লিথিয়াম কোবাল্ট অক্সাইড স্তর (Li-CoO2), (ii) লিথিয়াম আয়রন ফসফেট এবং (iii) লিথিয়াম ম্যাঙ্গানিজ অক্সাইড (Li-Mn2O4)।

- লিথিয়াম আয়ন ব্যাটারির সুবিধা ও অসুবিধা দেওয়া হলো- 
সুবিধা: 
১। বিভিন্ন আকার আকৃতির পাওয়া যায় যা বিভিন্ন যন্ত্রপাতিতে সাইজেই ফিট হয়। 
২। অন্যান্য ব্যাটারি হতে হালকা। 
৩। অন্যান্য জলীয় ব্যাটারি হতে এদের বিভব পার্থক্য অধিক (উন্মুক্ত সার্কিটে)। 
৪। কোনো মেমোরী প্রভাব নেই। 
৫। অব্যবহৃত অবস্থায় চার্জ হারানোর হার কম (5-10%) অন্যান্য কার্যকারী ক্ষেত্রে হার 30% । 
৬। ব্যাটারির উপাদান পরিবেশগতভাবে বন্ধুভাবাপন্য। 

অসুবিধা: 
১। চার্জের ফলে ইলেক্ট্রোলাইটের মধ্যে জমাট বাধে যা আয়নের পরিবহনে বাধা দেয়। 
২। উচ্চ মাত্রায় চার্জ করা এবং তাপমাত্রা বৃদ্ধিতে ব্যাটারির ধারকতা হারায়। 
৩। ২৫° C তাপমাত্রায় পূর্ণ চার্জের ফলে উভমূখীতা হারায়। 
৪। আভ্যন্তরীণ রোধ বেশি। 
৫। উচ্চ ক্ষমতার যন্ত্রের ক্ষেত্রে একটি বড় ব্যাটারি ব্যবহার অসুবিধা বরং একাধিক ছোট ব্যাটারি ব্যবহার করলে ভাল ফল পাওয়া যায়। 
৬। উচ্চ তাপমাত্রায় এ ব্যাটারি ব্যবহার বিপদজনক। 

উৎস: রসায়ন দ্বিতীয় পত্র (তড়িৎ রসায়ন), এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬৭.
'পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু?' শীর্ষক পুস্তিকাটি কোন সংগঠন প্রকাশ করে?
  1. সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ
  2. বাংলা ভাষা সংস্কার কমিটি
  3. পাকিস্তান সাহিত্য সংসদ
  4. তমদ্দুন মজলিশ
সঠিক উত্তর:
তমদ্দুন মজলিশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তমদ্দুন মজলিশ
ব্যাখ্যা

তমদ্দুন মজলিশ:
- 'পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু?' শীর্ষক পুস্তিকাটি কোন সংগঠন প্রকাশ করে তমদ্দুন মজলিশ।

• তমদ্দুন মজলিশ ইসলামী আদর্শাশ্রয়ী একটি সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সংগঠন। 
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞানের অধ্যাপক আবুল কাসেমের নেতৃত্বে তমদ্দুন মজলিশ গঠিত হয়। এটিই ছিল ভাষা আন্দোলনের প্রথম সংগঠন।

• ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আবুল কাশেমের উদ্যোগে ১৯৪৭ সালের ১ সেপ্টেম্বর এটি প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এর নামকরণ হয় পাকিস্তান তমদ্দুন মজলিস"।
- পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার পর নতুন বাস্তবতায় তমদ্দুন মজলিস কেবল বাংলা ভাষায়ই নয়, বরং একটা সার্বিক জীবন ব্যবস্থা ও রাষ্ট্র ব্যবস্থা সম্পর্কে পরিচ্ছন্ন ভাষায় একটা ধারণা দেয়ার চেষ্টা করেছিলো।
- তমদ্দুন মজলিশ ১৯৪৭ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর ‘পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু’ শিরোনামে অধ্যাপক আবুল কাশেম সম্পাদিত একটি পুস্তিকা প্রকাশ করে।
- তমদ্দুন মজলিসের নেতৃত্বেই ১৯৪৭ সালের পহেলা অক্টোবর প্রথম রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয়।
- ১৯৪৮ সালের দোসরা মার্চ তমদ্দুন মজলিশসহ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক কর্মীদের যৌথসভায় শামসুল আলমকে আহ্বায়ক করে 'সর্বদলীয় কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা কর্ম পরিষদ' নামে নতুন কমিটি হয়েছিলো।

উৎস: i) ইতিহাস, HSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) বাংলাপিডিয়া।

৬৮.
সংবিধানের দ্বাদশ সংশোধনীর মূল উদ্দেশ্য কী ছিল?
  1. রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার প্রবর্তন
  2. মন্ত্রিপরিষদ শাসিত সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তন
  3. তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তন
  4. গণভোট ব্যবস্থা বিলুপ্তি
সঠিক উত্তর:
মন্ত্রিপরিষদ শাসিত সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মন্ত্রিপরিষদ শাসিত সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তন
ব্যাখ্যা

সংবিধানের দ্বাদশ সংশোধনী:
- দ্বাদশ সংশোধনী বিল উত্থাপন করেন খালেদা জিয়া। 
- এই সংশোধনী আইন পাস হয় ১৯৯১ সালের ৬ আগস্ট।
- এ সংশোধনীর মূল প্রতিপাদ্য বিষয় হল রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থার পরিবর্তে মন্ত্রিপরিষদ শাসিত সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তন। ১৯৯১ সালের ৬ই আগস্ট ৩০৭-০ ভোটে এ সংশোধনী বিলটি গৃহীত হয়।

• এ সংশোধনীর প্রধান প্রধান দিক:
- দ্বাদশ সংশোধনীর প্রধান দিক হল সংসদীয় সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তন। এ সংশোধনীর দ্বারা বাংলাদেশের সরকার পদ্ধতি পরিবর্তন করা হয়। রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থার পরিবর্তে সংসদীয় সরকার পদ্ধতি প্রবর্তন করা হয়।
- নামমাত্র রাষ্ট্রপতি: এ সংশোধনীর দ্বারা বাংলাদেশে একজন নামমাত্র রাষ্ট্রপতি ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হয়। তিনি আইনানুসারে সংসদ সদস্য দ্বারা নির্বাচিত হবেন। তিনি যাবতীয় বিষয় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে পরামর্শক্রমে কাজ করবেন।
- রাষ্ট্রপতির মেয়াদ: এ সংশোধনীর মাধ্যমে রাষ্ট্রপতির মেয়াদ নির্ধারিত হয়। রাষ্ট্রপতি ৫ বছরের জন্য নির্বাচিত হবেন। একাধিক্রমে তিনি ১০ বছরের বেশি মেয়াদে ক্ষমতায় থাকবেন না।
- উপ-রাষ্ট্রপতির পদ বিলোপ: উপ-রাষ্ট্রপতির পদ বিলোপ দ্বাদ্বশ সংশোধনীর একটি উল্লেখযোগ্য দিক। দ্বাদশ সংশোধনীর দ্বারা উপ-রাষ্ট্রপতির পদটি বিলোপ করা হয়। এ সংশোধনীতে বলা হয়, কোন কারণে রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে জাতীয় সংসদের স্পীকার অস্থায়ীভাবে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন।
- মন্ত্রিসভা গঠন: মন্ত্রিসভা গঠন পদ্ধতি সংবিধানের দ্বাদশ সংশোধনীর একটি বিশেষ দিক। এ সংশোধনীতে বলা হয় বাংলাদেশ সরকার ব্যবস্থায় একটি মন্ত্রিসভা থাকবে। রাষ্ট্রপতি সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের আস্থাভাজন ব্যক্তিকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিযুক্ত করবেন। তিনি হবেন এ মন্ত্রিসভার নেতা।
- গণভোট পদ্ধতি: এ সংশোধনীতে গণভোট পদ্ধতির কথা বলা হয়। দ্বাদশ সংশোধনী দ্বারা কেবল প্রস্তাবনা, সংবিধানের প্রস্তাবনা, অনুচ্ছেদ ৮, ৪৮, ৫৬ ও ১৪২ সংক্রান্ত কোন সংশোধনী বিল গণভোট আকারে পেশ করার বিধান রাখা হয়।
- তাছাড়া, সংবিধানের ৫৯ অনুচ্ছেদের মাধ্যমে এই আইনে স্থানীয় সরকার কাঠামোতে জনপ্রতিনিধিদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হয়, যা দেশে গণতন্ত্রের ভিত্তি সুদৃঢ় করে।

উৎস: i) BBC.
ii) বাংলাদেশের রাজনৈতিক উন্নয়ন, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬৯.
পৃথিবীর প্রথম পারমাণবিক বোমার পরীক্ষা কী নামে পরিচিত?
  1. গ্যাজেট
  2. লিটল বয়
  3. ফ্যাট ম্যান
  4. ট্রিনিটি
সঠিক উত্তর:
ট্রিনিটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ট্রিনিটি
ব্যাখ্যা

পৃথিবীর প্রথম পারমাণবিক বোমা:
- পারমাণবিক বোমা তৈরি করতে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় যুক্তরাষ্ট্র একটি প্রকল্প হাতে নিয়েছিল। এই প্রকল্পের নাম ছিল 'ম্যানহাটান প্রজেক্ট'। সেই বোমা তৈরির প্রধান বিজ্ঞানী ছিলেন রবার্ট ওপেনহাইমার।
- ১৬ই জুলাই ১৯৪৫ তারিখে যুক্তরাষ্ট্রের নিউ মেক্সিকো অঙ্গরাজ্যের ইয়োর্নাদা দেল মুয়ের্তো মরুভূমিতে বিশ্বের প্রথম পারমাণবিক বোমার পরীক্ষা চালানো হয়েছিল। এর সাংকেতিক নাম ছিল ট্রিনিটি।

উল্লেখ্য,
- জাপানের দুটি শহরে এই বোমা ফেলার পর বিপুল প্রাণহানি আর ধ্বংসলীলা ঘটেছিল।
- ৬ আগস্ট, ১৯৪৫ জাপানের হিরোশিমা শহরে যুক্তরাষ্ট্র প্রথম লিটলবয় নামের পারমাণবিক বোমা নিক্ষেপ করে।
- ৯ আগস্ট, ১৯৪৫ ফ্যাটম্যান নামের বোমা নিক্ষেপ করা হয় নাগাসাকি শহরে।
- ৩৩তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট হ্যারি এস ট্রুম্যান এই পারমাণবিক বোমা বর্ষণের নির্দেশ দেন।

উৎস: BBC.

৭০.
'শীতকালীন অলিম্পিক-২০২৬' শীতকালীন অলিম্পিকের কততম আসর?
  1. ২২তম
  2. ২৩তম
  3. ২৪তম
  4. ২৫তম
সঠিক উত্তর:
২৫তম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৫তম
ব্যাখ্যা

শীতকালীন অলিম্পিক ২০২৬:
- এটি শীতকালীন অলিম্পিকের ২৫তম আসর।
- সময়সূচী: সালের ৬-২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬।
- স্থান: মিলান ও কর্টিনা ডি'অ্যামপেজো, ইতালি।
- তৃতীয়বারের মতো ইতালি বিশ্বের বৃহত্তম শীতকালীন ক্রীড়া ইভেন্ট আয়োজন করেছে।
- ৯২টি দেশের প্রায় তিন হাজার ক্রীড়াবিদ অংশ নিয়েছেন এবারের আয়োজনে।
- ২০২৬ শীতকালীন গেমসের মাসকট মিলো ও তিনা।

উল্লেখ্য,
- অলিম্পিক গেমস হলো একটি আন্তর্জাতিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা যেখানে গ্রীষ্মকালীন এবং শীতকালীন অনুষ্ঠানে বিভিন্ন দেশের প্রতিযোগীরা বিভিন্ন ধরনের খেলায় অংশগ্রহণ করেন।
- দুই শতাধিক দেশের অংশগ্রহণে মুখরিত এই অলিম্পিক গেমস বিশ্বের সবচেয়ে বড় এবং সর্বোচ্চ সম্মানজনক প্রতিযোগিতা হিসেবে বিবেচিত হয়ে থাকে।
- গ্রীষ্ম এবং শীতকালীন দুটো প্রকরণ, প্রতিটি দুই বছর পরপর হয়ে থাকে।
- আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটি (আইওসি) অলিম্পিক গেমস সংক্রান্ত সব কার্যকলাপ নিয়ন্ত্রণ করে থাকে।
- প্রথম শীতকালীন অলিম্পিক আসর বসেছিল ফ্রান্সের চামোনিক্স শহরে, ১৯২৪ সালে। 

উৎস: i) Olympics.
 ii) Britannica.

৭১.
কোন দেশটি ইউরো মুদ্রা ব্যবহার করেনা?
  1. সুইডেন
  2. অস্ট্রিয়া
  3. স্লোভেনিয়া
  4. এস্তোনিয়া
সঠিক উত্তর:
সুইডেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুইডেন
ব্যাখ্যা

 ইউরো:
- ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশসমূহের একক মুদ্রার নাম ইউরো।
- ইউরো মুদ্রার প্রতীক: €।
- ইউরো মুদ্রার জনক: রবার্ট মুন্ডেল।
- ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক 'ইউরো' মুদ্রা চালু করে: ১ জানুয়ারি, ১৯৯৯।
- ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলোতে 'ইউরো' মুদ্রা অভিন্ন মুদ্রা হিসেবে কার্যকর হয়: ২০০২ সালে।

• ইউরো মুদ্রা ব্যবহারকারী দেশ: ২১টি। দেশগুলো হলো: অস্ট্রিয়া, গ্রিস, জার্মানি, ফ্রান্স, স্পেন, পর্তুগাল, নেদারল্যান্ড, বেলজিয়াম, লুক্সেমবার্গ, আয়ারল্যান্ড, মাল্টা, সাইপ্রাস, লিথুনিয়া, লাটভিয়া, এস্তোনিয়া, স্লোভেনিয়া, স্লোভাকিয়া, ইতালি, ফিনল্যান্ড, ক্রোয়েশিয়া ও বুলগেরিয়া।

উল্লেখ্য,
- সুইডেন ইউরো মুদ্রা ব্যবহার করেনা। সুইডেনের মুদ্রা সুইডিশ ক্রোনা।

উৎস: European Union ওয়েবসাইট।

৭২.
আমলাতন্ত্রের 'লাল ফিতা' দিয়ে বোঝানো হয় -
  1. কাজের দীর্ঘসূত্রতা 
  2. পদোন্নতি
  3. দুর্বল সরকার ব্যবস্থা
  4. রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা
সঠিক উত্তর:
কাজের দীর্ঘসূত্রতা 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কাজের দীর্ঘসূত্রতা 
ব্যাখ্যা

আমলাতন্ত্রে লালফিতার দৌরাত্ম্য:
- 'লালফিতার দৌরাত্ম্য' (Red tapism) সাধারণত আমলাতন্ত্রে বেশি দেখা যায়।
- 'লালফিতা' বলতে আমলাতন্ত্রের দীর্ঘসূত্রিতা ও সাবেকী আমলের নিয়ম-কানুনকে অন্ধভাবে অনুকরণ ও অনুসরণ করাকে বোঝায়।

• আমলাতন্ত্রের লালফিতার দৌরাত্ম্য শব্দটি আমলাতন্ত্রের অহেতুক বাড়াবাড়ি, কড়াকড়ি, বিলম্ব, আনুষ্ঠানিকতা, হয়রানি ও নেতিবাচক অর্থে প্রচলিত। রাজনৈতিক নেতৃত্বের শৈথিল্যের সুযোগে আমলারা এসব দেশে বিশেষভাবে লালফিতা নির্ভর হয়ে উঠে। প্রশাসনের প্রচলিত নিয়ম নীতি ও বিধি-বিধানের অজুহাতে আমলারা প্রায়শ জনগণকে সেবাদানে বিলম্ব ঘটান।

• অতিবেশি নিয়ম কানুনের কারণে জনগণ সরকারি অফিসে এসে এক টেবিল থেকে অন্য টেবিলে ছোটাছুটিতে বাধ্য হন। আবার আইন কানুনের জটিলতার জন্য আমলারা সময়মত কাজ সম্পন্ন করতে পারেন না।

উল্লেখ্য,
- লালফিতার সুযোগে অনেক সময় আমলারা দুর্নীতিপরায়ণ হয়ে উঠতে পারেন। পদসোপান নীতির কারণেও আমলাতন্ত্রে কাজের বিলম্ব হয়ে থাকে। লালফিতার দৌরাত্ম্যে আমলাতন্ত্র জনবিচ্ছিন্ন ও অপ্রিয় হয়ে ওঠে। নির্বাচিত গণতান্ত্রিক সরকার আমলাতন্ত্রের উপর অতিমাত্রায় নির্ভরশীল হলে, তাদের জনপ্রিয়তা হ্রাস পায়, এমনকি এ কারণে সরকারের পতন পর্যন্ত হতে পারে।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেস উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭৩.
মহাস্থান ব্রাহ্মী লিপি কোন জনপদের নিদর্শন?
  1. বঙ্গ
  2. পুণ্ড্র
  3. হরিকেল
  4. তাম্রলিপ্ত
সঠিক উত্তর:
পুণ্ড্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পুণ্ড্র
ব্যাখ্যা

মহাস্থান ব্রাহ্মী লিপি:
- মহাস্থান ব্রাহ্মী লিপি প্রাচীন বাংলার পুণ্ড্র জনপদের নিদর্শন। 
- মহাস্থান ব্রাহ্মী লিপি (আনু. ৩য় খ্রি.পূ.)  ব্রাহ্মী রীতিতে উৎকীর্ণ একটি খন্ডিত শিলালিপি।
- এ শিলালিপি বাংলাদেশের বগুড়া জেলার মহাস্থানে পাওয়া গেছে। এটি হচ্ছে বাংলার প্রাচীনতম লিপিতাত্ত্বিক দলিল।
- এ শিলালিপিতে ‘পুডনগল’-এ (বাংলাদশের উত্তরাঞ্চলের পুন্ড্রনগর> মহাস্থান) কর্তব্যরত মহামাত্রের নিকট জারিকৃত জনৈক শাসকের একটি আদেশ লিপিবদ্ধ করা হয়। এতে সংবঙ্গীয় নামে পরিচিত শহর ও শহরতলীর অধিবাসীদের দুর্দশা দূর করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
- এ শিলালিপির ঐতিহাসিক গুরুত্ব এখানে যে, এটি পুন্ড্রবর্ধন অঞ্চলে মৌর্য শাসনের প্রাচীনতম সাক্ষ্য বহন করছে। এ শিলালিপি বাংলার যে কোন অঞ্চলের মধ্যে প্রথম নগরায়ণের সুনির্দিষ্ট প্রমাণ দেয়।

• পুন্ড্র:
- বাংলার প্রাচীনতম স্থান বা নগরকেন্দ্র হলো বগুড়া জেলায় অবস্থিত মহাস্থানগড় যা প্রাচীনকালে 'পুণ্ড্রনগর' বা 'পুন্ড্রবর্ধন' নামে পরিচিত ছিল। - বর্তমান বগুড়া শহরের অদূরে করতোয়া নদীর তীরে পুন্ড্রনগর অবস্থিত। পরবর্তীকালে এর নাম মহাস্থানগড় হয়।
- এ রাজ্যের বিস্তৃতি বর্তমান বগুড়া, রংপুর ও দিনাজপুর পর্যন্ত ছিল। পুন্ড্র রাজ্যের উত্তর অংশের নাম বরেন্দ্র, বরেন্দ্রী অথবা বরেন্দ্রভূমি ছিল।
- গুপ্ত যুগে পুন্ড্রনগর ছিল গুপ্তদের প্রাদেশিক রাজধানী।
- প্রাচীন সভ্যতার নিদর্শনের দিক দিয়ে পুন্ড্রই ছিল বাংলাদেশের সবচেয়ে সমৃদ্ধ রাজ্য। এটি বাংলাদেশের সবচেয়ে পুরাতন ঐতিহাসিক স্থান।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
iii) বাংলাদেশ স্টাডিজ, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭৪.
বসনিয়া যুদ্ধ অবসানে কোন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়?
  1. প্যারিস শান্তি চুক্তি
  2. ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি
  3. অসলো চুক্তি
  4. ডেটন চুক্তি
সঠিক উত্তর:
ডেটন চুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডেটন চুক্তি
ব্যাখ্যা

বসনিয়া যুদ্ধ:
- বসনিয়া যুদ্ধ ছিল সাবেক যুগোস্লাভিয়ার ভাঙনের প্রেক্ষাপটে বসনিয়া ও হার্জেগোভিনায় সংঘটিত এক ভয়াবহ জাতিগত ও গৃহযুদ্ধ।
- সংঘটনের সময়কাল: ১৯৯২-১৯৯৫ সাল।
- ১৯৯২ সালের মার্চ মাসে বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা স্বাধীনতা ঘোষণা করলে, বসনীয় সার্বরা তা প্রতিরোধ করতে চেয়েছিল এবং একটি পৃথক সার্ব রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে যুদ্ধ শুরু করে, যা মূলত মুসলিম নিধনের উদ্দেশ্যে পরিচালিত ছিল।
- এই যুদ্ধে সার্বদের জাতিগত নিধনযজ্ঞে প্রায় ১ লক্ষ মানুষ নিহত এবং ২০ লক্ষাধিক মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়।
- ন্যাটো (NATO) বসনিয়ান সার্ব বাহিনীর বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান চালায় এবং যুদ্ধের অবসান ঘটাতে সাহায্য করে।
- ১৯৯৫ সালে ডেটন চুক্তির মাধ্যমে এই যুদ্ধের অবসান ঘটে এবং বসনিয়া ও হার্জেগোভিনাকে দুটি ফেডারেশনে ভাগ করা হয়।

• ডেটন চুক্তি:
- চুক্তির প্রাথমিক স্বাক্ষর: ২১ নভেম্বর, ১৯৯৫ (স্থান: ডেটন, ওহাইও, যুক্তরাষ্ট্র)।
- চুক্তির আনুষ্ঠানিক স্বাক্ষর: ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৯৫ (স্থান: প্যারিস, ফ্রান্স)।
- পক্ষসমূহ: বসনিয়া অ্যান্ড হার্জেগোভিনা, ক্রোয়েশিয়া, সার্বিয়া।
- চুক্তি স্বাক্ষরকারী: ক্রোয়েশিয়ার প্রেসিডেন্ট ফ্রানজো তুজমান, সার্বিয়ার প্রেসিডেন্ট স্লোবোদান মিলোসেভিচ (যাঁকে পরে হেগে ‘যুদ্ধাপরাধী’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছিল) এবং বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার প্রেসিডেন্ট এলিজা আইজেবগোভিচ।
- মধ্যস্থতাকারী: তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন।

অন্যদিকে,
- ১৯৭৩ সালের ২৭ জানুয়ারি স্বাক্ষরিত প্যারিস শান্তি চুক্তি ভিয়েতনাম যুদ্ধ অবসান হয়।
- ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি হলো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় মিশরের রাষ্ট্রপতি আনোয়ার সাদাত এবং ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী মেনাখেম বেগিনের মধ্যে স্বাক্ষরিত একটি ঐতিহাসিক শান্তি চুক্তি যার উদ্দেশ্য মিশর ও ইসরায়েলের মধ্যে দশকের পর দশক ধরে চলা যুদ্ধের অবসান ঘটিয়ে দীর্ঘমেয়াদী শান্তি প্রতিষ্ঠা করা।
- অসলো চুক্তি হলো ১৯৯৩ সালে ইসরায়েল এবং ফিলিস্তিন লিবারেশন অর্গানাইজেশনের (PLO) মধ্যে স্বাক্ষরিত ঐতিহাসিক শান্তি চুক্তি। এর মাধ্যমে ফিলিস্তিনিরা পশ্চিম তীর ও ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ পায় এবং ইসরায়েলকে স্বীকৃতি দেয়।

উৎস: i) OSCE.org.
ii) Britannica.

৭৫.
ট্রপিক অব ক্যান্সার বাংলাদেশের কয়টি জেলার উপর দিয়ে অতিক্রম করেছে?
  1. ৬টি
  2. ৭টি
  3. ৯টি
  4. ১১টি
সঠিক উত্তর:
১১টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১টি
ব্যাখ্যা

কর্কটক্রান্তি রেখা (Tropic of Cancer):
- কর্কটক্রান্তি রেখা হলো উত্তর গোলার্ধে বিষুবরেখার সমান্তরালে অবস্থিত একটি কাল্পনিক রেখা যা নিরক্ষরেখার প্রায় ২৩.৫° উত্তর অক্ষাংশে অবস্থিত।
- কর্কটক্রান্তি রেখা প্রধানত ১৭টি দেশ, ৩টি মহাদেশ ও ৬টি জলাশয়ের ওপর দিয়ে অতিক্রম করেছে। 
- প্রধান দেশসমূহ: আলজেরিয়া, নাইজার, লিবিয়া, মিশর, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ওমান, ভারত, বাংলাদেশ, মায়ানমার, চীন, তাইওয়ান, মেক্সিকো, বাহামা, পশ্চিম সাহারা, মৌরিতানিয়া, মালি।
- যেসব এলাকার ওপর দিয়ে কর্কটক্রান্তি রেখা গেছে, সেসব এলাকা এবং আশপাশের এলাকায় তাপ অনেক বেশি। এখানে সূর্যের কিরণ লম্বভাবে পড়ে। 

উল্লেখ্য,
- কর্কটক্রান্তি রেখা বাংলাদেশের মাঝামাঝি স্থান দিয়ে অতিক্রম করেছে। এই রেখার অবস্থানের কারণে বাংলাদেশ গ্রীষ্মমন্ডলীয় জলবায়ুর অন্তর্গত এবং এখানে উষ্ণ ও আর্দ্র আবহাওয়া বিরাজ করে। 
- এটি বাংলাদেশের ১১টি জেলার উপর দিয়ে ( চুয়াডাঙ্গা, ঝিনাইদহ, মাগুরা, রাজবাড়ি, ফরিদপুর, ঢাকা, মুন্সিগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ, কুমিল্লা, খাগড়াছড়ি ও রাঙামাটি) অতিক্রম করেছে।

উৎস: i) ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
ii) Worldatlas.

৭৬.
সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী ভোটার তালিকায় নামভুক্তির যোগ্যতা নির্ধারণ করা হয়?
  1. ১১৮ নং
  2. ১২০ নং
  3. ১২২ নং
  4. ১২৪ নং
সঠিক উত্তর:
১২২ নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২২ নং
ব্যাখ্যা

সংবিধানের ১২২ নং অনুচ্ছেদ: ভোটার-তালিকায় নামভুক্তির যোগ্যতা
- সংবিধানের ১২২ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী ভোটার তালিকায় নামভুক্তির যোগ্যতা নির্ধারণ করা হয়।

• ১২২ (১) প্রাপ্তবয়স্কের ভোটাধিকার-ভিত্তিতে সংসদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

• ১২২ (২) কোন ব্যক্তি সংসদের নির্বাচনের জন্য নির্ধারিত কোন নির্বাচনী এলাকায় ভোটার-তালিকাভু্ক্ত হবার অধিকারী হবেন, যদি -
(ক) তিনি বাংলাদেশের নাগরিক হন;
(খ) তাঁর বয়স আঠার বৎসরের কম না হয়;
(গ) কোন যোগ্য আদালত কর্তৃক তাঁহার সম্পর্কে অপ্রকৃতিস্থ বলিয়া ঘোষণা বহাল না থেকে থাকে;
(ঘ) তিনি ঐ নির্বাচনী এলাকার অধিবাসী বা আইনের দ্বারা ঐ নির্বাচনী এলাকার অধিবাসী বিবেচিত হন; এবং
(ঙ) তিনি ১৯৭২ সালের বাংলাদেশ যোগসাজশকারী (বিশেষ ট্রাইব্যুনাল) আদেশের অধীন কোন অপরাধের জন্য দণ্ডিত না হয়ে থাকেন।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

৭৭.
সুশাসন প্রতিষ্ঠার জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপাদান কোনটি?
  1. শিক্ষা ব্যবস্থা
  2. অর্থনৈতিক ভারসাম্য 
  3. নেতৃত্বের বলিষ্ঠতা
  4. গণতান্ত্রিক চর্চা ও আইনের শাসন
সঠিক উত্তর:
গণতান্ত্রিক চর্চা ও আইনের শাসন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গণতান্ত্রিক চর্চা ও আইনের শাসন
ব্যাখ্যা

সুশাসন প্রতিষ্ঠার জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপাদান গণতান্ত্রিক চর্চা ও আইনের শাসন। 

সুশাসন:
- সুশাসন শব্দের ইংরেজি প্রতিশব্দ হচ্ছে Good Governance। সুশাসন (Good Governance) অর্থ হচ্ছে নির্ভুল, দক্ষ ও কার্যকরী শাসন।
- জনগণ, রাষ্ট্র ও প্রশাসনের সাথে ঘনিষ্ঠ প্রত্যয় হলো সুশাসন।
- সুশাসন হলো যৌক্তিক এবং দক্ষভাবে শাসন পরিচালনা।
- সুশাসন অবশ্যই আইনের শাসনের ওপর প্রতিষ্ঠিত। 
-সুশাসন মূলত একটি শোষণ ও দুর্নীতিমুক্ত পরিবেশে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা, আইনের শাসন, মানবাধিকার এবং জনকল্যাণমূলক রাষ্ট্র পরিচালনার প্রতিশ্রুতি দেয়।
- সুশাসন প্রতিষ্ঠার জন্য প্রয়োজন গণতান্ত্রিক চর্চা, মূল্যবোধের বিকাশ, উপযুক্ত শিক্ষা ব্যবস্থা, বলিষ্ঠ নেতৃত্ব, অর্থনৈতিক ভারসাম্য, রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা।

• মোটকথা সুশাসন হচ্ছে এমন একটি রাষ্ট্র ব্যবস্থার প্রতিফলন যেখানে শাসক ও শাসিতের মধ্যে সুসম্পর্ক বজায় থাকবে, সর্বোচ্চ স্বাধীন বিচার বিভাগ থাকবে, আইনের শাসন থাকবে, নীতির গণতন্ত্রায়ন থাকবে, মানবাধিকারের নিশ্চয়তা থাকবে, সিদ্ধান্ত গ্রহণে সকলের অংশগ্রহণের সুযোগ থাকবে, মতামত ও পছন্দের স্বাধীনতা থাকবে এবং স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা থাকবে। 
- জাতিসংঘের ভাষায়- 'সুশাসনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য হলো, মৌলিক স্বাধীনতার উন্নয়ন'।

উৎস: i) পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মো: মোজাম্মেল হক।
ii) পৌরনীতি ও সুশাসন, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭৮.
বাংলাদেশের সুন্দরবনের আয়তন কত বর্গ কিলোমিটার?
  1. ৫,৮৯৬ বর্গ কিলোমিটার
  2. ৬,০১৭ বর্গ কিলোমিটার
  3. ৬,১১২ বর্গ কিলোমিটার
  4. ৬,১২৮ বর্গ কিলোমিটার
সঠিক উত্তর:
৬,০১৭ বর্গ কিলোমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬,০১৭ বর্গ কিলোমিটার
ব্যাখ্যা

সুন্দরবন:
- সুন্দরবন পৃথিবীর বৃহত্তম প্রাকৃতিক ম্যানগ্রোভ বনভূমি । এ বনের অধিকাংশ এলাকা জোয়ার ভাটার কারণে দিনে দু'বার লোনা পানি দ্বারা বিধৌত হয় বলে একে ম্যানগ্রোভ বন বলা হয়। ম্যানগ্রোভ বন হলো উপকূলীয় বন।
- এর অন্য নাম বাদাবন।

• সুন্দরবনের মোট আয়তন প্রায় ১০০০০ বর্গ কিলোমিটার।
- বাংলাদেশের সুন্দরবনের আয়তন প্রায় ৬০১৭ বর্গ কিলোমিটার যা দেশের আয়তনের ৪.২%, সমগ্র বনভূমির প্রায় ৪৪% এবং বন অধিদপ্তর নিয়ন্ত্রিত বনভূমির ৩৮.১২%, এর মধ্যে ৬৯% স্থলভাগ ও ৩১% জলভাগ।

উল্লেখ্য,
- সুন্দরবন সংলগ্ন জেলা ৩টি। সেগুলো হলো বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের জেলা খুলনা, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরা। তন্মধ্যে খুলনা জেলাস্থ সুন্দরবনের আয়তন ২০৭২.২৪ বর্গ কিলোমিটার।
- সুন্দরবনের প্রধান বৃক্ষ হলো সুন্দরী। সুন্দরবনের অন্যান্য গাছের মধ্যে গরান, গেওয়া, কেওড়া, ধুন্দল, গোলপাতা ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য। বন্যপ্রাণীসমূহের মধ্যে: রয়েল বেঙ্গল টাইগার, চিত্রা হরিণ, বানর ইত্যাদি।

• ইউনেস্কো ৭ ডিসেম্বর, ১৯৯৭ সালে সুন্দরবনকে ৭৯৮তম 'World Heritage site' বা বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করে।

উৎস: i) বনবিভাগ ওয়েবসাইট।
ii) বাংলাপিডিয়া।

৭৯.
‘মনপুরা ৭০’ চিত্রকর্মটি কে আঁকেন?
  1. কামরুল হাসান
  2. মুর্তাজা বশির
  3. জয়নুল আবেদিন
  4. এস এম সুলতান
সঠিক উত্তর:
জয়নুল আবেদিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জয়নুল আবেদিন
ব্যাখ্যা

মনপুরা ৭০:
- ‘মনপুরা ৭০’ চিত্রকর্মটি আঁকেন শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন।
- ১৯৭০ সালের ১২ নভেম্বর প্রলয়ংকরী ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাস 'গোর্কি'তে ১০ লাখ মানুষের প্রাণহানি ঘটে। সাগর, নদী, খাল-বিলে ভেসে ছিল অসংখ্য লাশ আর এক কোটি মৃত গবাদিপশু। ঘরবাড়ি, স্বজন হারিয়ে পথে বসেন উপকূলের লাখো মানুষ। উপকূলীয় দ্বীপচরসহ বহু এলাকার ঘরবাড়ি নিশ্চিহ্ন হয়ে বিরান জনপদে পরিণত হয়।
- শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন এই প্রলয়ংকরী ঘূর্ণিঝড়বিধ্বস্ত মনপুরা ঘুরে ঘূর্ণিঝড়ের ধ্বংসাত্মক ও ধ্বংসাত্মক প্রভাবকে ২৮ ফুট লম্বা ‘মনপুরা ৭০’ নামে একটি শিল্পকর্ম চিত্রিত করেন।

শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন:
- জয়নুল আবেদিন ১৯১৪ খ্রিস্টাব্দে তৎকালীন ময়মনসিংহ জেলার কিশোরগঞ্জ মহুকুমার কেন্দুয়াতে (বর্তমান নেত্রকোণা) জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি ১৯৫৮ সালে তৎকালীন পাকিস্তান সরকারের সবচেয়ে বড় খেতাব হেলাল-ই-ইমতিয়াজ অর্জন করেন এবং ১৯৭১ সালে সেটি বর্জন করেন।
- জয়নুল তাঁর প্রথম জীবনেই নদী ও অবারিত প্রকৃতির মাঝে রোমান্টিকতার অনুপ্রেরণা পান।
- জয়নুল আবেদিন ও তাঁর কয়েকজন সহযোগী, যারা দেশ ভাগের পর ঢাকায় অভিবাসী হয়েছিলেন, আর্ট ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা করেন।
- ১৯৬৮ সালে ঢাকা আর্ট কলেজের ছাত্রদের তরফ থেকে 'শিল্পাচার্য' উপাধি লাভ করেন।
- ১৯৭৪ সালে তিনি জাতীয় অধ্যাপক (বাংলাদেশ) সম্মান লাভ করেন।
- ১৯৭৫ সালে জয়নুল আবেদিন সোনারগাঁও এ একটি লোকশিল্প জাদুঘর এবং ময়মনসিংহে শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন সংগ্রহশালা প্রতিষ্ঠা করেন।
- এ দুটি প্রতিষ্ঠানে তাঁর অংকিত কিছু চিত্রকর্ম সংরক্ষিত আছে।
- ১৯৭৬ সালের ২৮ মে ঢাকায় তাঁর মৃত্যু হয়।

উল্লেখ্য,
- তাঁর আরো কিছু বিখ্যাত শিল্পকর্ম: ম্যাডোনা, দুর্ভিক্ষ, সংগ্রাম, সাঁওতাল রমণী, বিদ্রোহী, মনপুরা, নবান্ন, মহিলা ইত্যাদি।
- ‘দুই মহিলা’ (গোয়াশ, ১৯৫৩), ‘পাইন্যার মা’ (গোয়াশ, ১৯৫৩) ও ‘মহিলা’ (জলরং, ১৯৫৩), 'ফসল মাড়াই', জলরং (১৯৬৩) হলো এ আমলের উল্লেখযোগ্য চিত্রকর্ম।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) প্রথম আলো।

৮০.
‘ফ্রি অ্যান্ড ওপেন ইন্দো-প্যাসিফিক’ (FOIP) ধারণাটির উদ্ভাবক কোন দেশ?
  1. চীন
  2. জাপান
  3. ভারত
  4. দক্ষিণ কোরিয়া
সঠিক উত্তর:
জাপান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাপান
ব্যাখ্যা

ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চল:
- ভারত মহাসাগর ও প্রশান্ত মহাসাগরকে ঘিরে যেসব দেশ রয়েছে সেগুলোকে একত্রে ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চল বলা হয়। এই অঞ্চলে রয়েছে  যুক্তরাষ্ট্র, জাপান, চীন, দক্ষিণ কোরিয়া, অস্ট্রেলিয়া, ভারত, বাংলাদেশসহ আরও অনেক দেশ। 
- যুক্তরাষ্ট্রের প্রশান্ত মহাসাগরীয় উপকূল থেকে ভারত মহাসাগর পর্যন্ত প্রসারিত ইন্দো-প্যাসিফিক বিশ্বের সবচেয়ে গতিশীল অঞ্চল।
- ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে পারমাণবিক শক্তিধর দেশগুলোর পাশাপাশি রয়েছে অনেক উঠতি অর্থনৈতিক পরাশক্তির দেশ।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ২০২১ সালে যে ইন্দো-প্যাসিফিক স্ট্রাটেজি ঘোষণা করে, সেখানে তারা দেখিয়েছে ইন্দো-প্যাসিফিক দেশগুলোতে যে জনসংখা সেটা বৈশ্বিক জনসংখ্যার অর্ধেকেরও বেশি, যার ৫৮ শতাংশই আবার তরুণ। 
- এখানকার অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বৈশ্বিক অর্থনীতিরই দুই-তৃতীয়াংশ, জিডিপি’র পরিমাণ হচ্ছে বৈশ্বিক জিডিপি’র ৬০ শতাংশ।
- এছাড়া বিশ্বে যে সমুদ্র আছে, তার ৬৫ শতাংশ পড়েছে ইন্দো-প্যাসিফিকে, ভূমির ক্ষেত্রে যেটা ২৫ শতাংশ। সবমিলিয়ে এই অঞ্চল হয়ে উঠছে বৈশ্বিক রাজনীতির ভরকেন্দ্র এবং আগ্রহের কারণ।

• 'Free and Open Indo-Pacific' (FOIP):
- 'Free and Open Indo-Pacific' (FOIP) বা মুক্ত ও উন্মুক্ত ইন্দো-প্যাসিফিক কৌশলটির উদ্ভাবক হলেন জাপানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবে।
- তিনি ২০১৬ সালের আগস্ট মাসে কেনিয়ার নাইরোবিতে অনুষ্ঠিত Sixth Tokyo International Conference on African Development (TICAD VI)-এর একটি ভাষণে এই ধারণাটি প্রথম আনুষ্ঠানিকভাবে উপস্থাপন করেন। 
- তাঁর এই ধারণাটি এশিয়া ও আফ্রিকা এবং প্রশান্ত ও ভারত মহাসাগরের মধ্যে সংযোগ ও সমৃদ্ধি বৃদ্ধির লক্ষ্যে তৈরি। 
- পরবর্তীতে যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া, ভারতসহ অন্যান্য দেশ এই ধারণা গ্রহণ করে নিজস্ব ইন্দো-প্যাসিফিক কৌশলে অন্তর্ভুক্ত করেছে।

উৎস: i) Ministry of Foreign Affairs of Japan ওয়েবসাইট।
ii) BBC.

৮১.
ভারতের কোন রাজ্যের সাথে বাংলাদেশের সবচেয়ে দীর্ঘ সীমান্ত রয়েছে?
  1. পশ্চিমবঙ্গ
  2. মেঘালয়
  3. ত্রিপুরা
  4. আসাম
সঠিক উত্তর:
পশ্চিমবঙ্গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পশ্চিমবঙ্গ
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের সীমান্ত:
- বাংলাদেশের সাথে ভারত ও মিয়ানমার ২টি দেশের সীমান্ত রয়েছে।
- ভারতের ৫টি রাজ্যের সাথে বাংলাদেশের সীমান্ত রয়েছে। এগুলো হলো: পশ্চিমবঙ্গ, আসাম, ত্রিপুরা, মিজোরাম ও মেঘালয়।
- ভারতের সেভেন সিস্টার্স রাজ্যগুলো হলো: আসাম, মিজোরাম, মণিপুর, মেঘালয়, নাগাল্যান্ড, অরুনাচল ও ত্রিপুরা। এদের মধ্যে ৪টির সাথে বাংলাদেশের সীমান্ত রয়েছে। সেভেন সিস্টার্সভুক্ত মণিপুর, অরুণাচল ও নাগাল্যান্ড রাজ্যের সাথে বাংলাদেশের কোনো সীমান্ত সংযোগ নেই।

• বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী জেলা ৩২টি: ভারতের সাথে ৩০টি এবং মিয়ানমারের সাথে ৩টি জেলার (রাঙামাটি, বান্দরবন ও কক্সবাজার) সীমান্ত রয়েছে।
- রাঙামাটি জেলায় বাংলাদেশ, ভারত ও মিয়ানমারের সীমান্তরেখা পরস্পরকে স্পর্শ করেছে। অর্থাৎ এটি তিনদেশের সীমান্ত যুক্ত হওয়া একটি সাধারণ জেলা।
- বরিশাল ও ঢাকা বিভাগের সাথে কোন দেশের সীমান্ত সংযোগ নেই।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ-ভারতের সীমান্ত দৈর্ঘ্য ৪০৯৭ কিলোমিটার।
- ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের সাথে বাংলাদেশের সবচেয়ে দীর্ঘ সীমান্ত রয়েছে। সীমান্ত দৈর্ঘ্য: ২২১৭ কিলোমিটার।
- অন্যদিকে আসাম (২৬৭.৫ কিলোমিটার), মেঘালয় (৪৪৩ কিমি), ত্রিপুরা (৮৫৬ কিলোমিটার)।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) PIB ওয়েবসাইট।

৮২.
নিচের কোনটি দুর্যোগ প্রতিরোধের উদাহরণ? 
  1. বেড়িবাঁধ নির্মাণ ও মেরামত
  2. শস্য বহুমুখীকরণ
  3. জরুরি অবস্থার জন্য ঔষধপত্র প্রস্তুত রাখা
  4. ত্রাণ বিতরণ
সঠিক উত্তর:
বেড়িবাঁধ নির্মাণ ও মেরামত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেড়িবাঁধ নির্মাণ ও মেরামত
ব্যাখ্যা

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা চক্র:
- দুর্যোগ প্রতিরোধ, দুর্যোগ প্রশমন এবং দুর্যোগের পূর্বপ্রস্তুতি দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার মুখ্য উপাদান। সুতরাং দুর্যোগকে কার্যকরভাবে মোকাবিলার লক্ষ্যে দুর্যোগপূর্ব সময়েই ব্যবস্থাপনার বেশি কাজ সম্পন্ন করতে হয়। দুর্যোগ সংঘটনের পরপরই এর ব্যবস্থাপনার অন্যান্য উপাদানের মধ্যে রয়েছে সাড়াদান, পুনরুদ্ধার ও উন্নয়ন। 

• পূর্বপ্রস্তুতি:
- পূর্ব প্রস্তুতি বলতে দুর্যোগ চলাকালীন সময়ে দুর্যোগের ক্ষয়ক্ষতি ও ঝুঁকি কমানোর উদ্দেশ্যে দুর্যোগের পূর্বেই ব্যবস্থা গ্রহণকে বোঝায়। ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চল ও জনগোষ্ঠিকে চিহ্নিতকরণ, দুর্যোগ মোকাবিলা সংক্রান্ত পরিকল্পনা প্রনয়ণ, জরুরি অবস্থা মোকাবিলার জন্য প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি ও সম্পদের ব্যবস্থা নিশ্চিতকরণ, ড্রিল বা পথ নাটক অভিনয় এবং রাস্তাঘাট, যানবাহন, বেতার যন্ত্র, টর্চ-ব্যাটারি ও প্রয়োজনীয় ঔষধপত্র ইত্যাদি দুর্যোগের পূর্বে প্রস্তুত রাখা দুর্যোগ পূর্বপ্রস্তুতির অন্তর্ভুক্ত।

• প্রতিরোধ:
- প্রাকৃতিক দুর্যোগকে সম্পূর্ণরূপে প্রতিরোধ করা সম্ভব নয়। তবে দুর্যোগের ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ কমানোর ব্যাপারে প্রতিরোধব্যবস্থা গ্রহন, যেমন- বেড়িবাঁধ নির্মাণ ও মেরামত, আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ, পাকা ও মজবুত স্কুল ও ঘরবাড়ি নির্মাণ, নদী খনন ইত্যাদি বুঝায়। কাঠামোগত দুর্যোগ প্রশমন যথেষ্ট ব্যয়বহুল, যা বাংলাদেশের ন্যায় উন্নয়নশীল দেশের পক্ষে বৈদেশিক সাহায্য ব্যতীত তৈরি করা কষ্টসাধ্য। অপরদিকে, অকাঠামোগত দুর্যোগ প্রতিরোধ যেমন- দুর্যোগ মোকাবিলার প্রশিক্ষণ, গণসচেতনতা বৃদ্ধি, পূর্বপ্রস্তুতি ইত্যাদি কার্যক্রম অপেক্ষাকৃত স্বল্প ব্যয়ে করা সম্ভব।

• প্রশমন:
- দীর্ঘ সময়ব্যাপী নানা পদক্ষেপের মাধ্যমে দুর্যোগ সংঘটনের হার হ্রাস করা এবং দুর্যোগ-পূর্ব প্রস্তুতি গ্রহন করাকে দুর্যোগ প্রশমন বলে। মজবুত পাকা ভবন ও অবকাঠামো নির্মাণ, শস্য বহুমুখীকরণ, ভূমি ব্যবহারে বিপর্যয় হ্রাসের কৌশল অবলম্বন, অর্থনৈতিক উন্নয়ন, কম ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় লোক স্থানান্তর ইত্যাদি কার্যক্রম দুর্যোগ প্রশমনের আওতাভুক্ত। দীর্ঘস্থায়ী দুর্যোগ প্রশমন ব্যয়বহুল হলেও সরকার সীমিত সম্পদের মধ্যে বিভিন্ন স্থানে বেড়িবাঁধ নির্মাণ, নদী খনন, আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ, বনায়ন ইত্যাদি কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।

• সাড়াদান:
- দুর্যোগের পরপরই সাড়াদান করা প্রয়োজন। সাড়াদান বলতে নিরাপদ স্থানে অপসারণ, তল্লাশি ও উদ্ধার, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপন এবং ত্রাণ ও পুনর্বাসন কার্যক্রমকে বোঝায়।

• পুনরুদ্ধার:
- দুর্যোগের ফলে জৈব ও অজৈব সকল সম্পদ, প্রাকৃতিক পরিবেশ, সামাজিক ও অর্থনৈতিক অবকাঠামো ইত্যাদি খাতে যে ক্ষয়ক্ষতি সাধিত হয়, পুন:নির্মাণের মাধ্যমে দুর্যোগপূর্ব অবস্থায় ফিরিয়ে আনাকেই পুনরুদ্ধার বলা হয়। এক্ষেত্রে সরকারি, বেসরকারি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা ও আন্তর্জাতিক সংস্থাসমূহের সাহায্য ও সহায়তা প্রয়োজন হয়।

• উন্নয়ন:
- দুর্যোগে বিপর্যস্ত এলাকাকে পূর্ব অবস্থায় ফিরিয়ে আনার অব্যবহিত পর উক্ত এলাকার ভৌগোলিক ও পরিবেশগত বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে উন্নয়ন কার্যক্রম গ্রহন করা আবশ্যক।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮৩.
স্বাধীনতা দিবস কত সালে জাতীয় দিবস হিসেবে ঘোষণা দেওয়া হয়?
  1. ১৯৭৯ সাল
  2. ১৯৮০ সাল
  3. ১৯৮১ সাল
  4. ১৯৮২ সাল
সঠিক উত্তর:
১৯৮০ সাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৮০ সাল
ব্যাখ্যা

স্বাধীনতা দিবস:
- ২৬ শে মার্চ বাংলাদেশের জাতীয় ও স্বাধীনতা দিবস।
- ১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ রাতে পাকিস্তানি সৈন্যদের নির্বিচার গণহত্যা ও ধ্বংসযজ্ঞ শুরু হওয়ার পর ২৬শে মার্চ বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করা হয়।
- ১৯৭২ সালের ২২শে জানুয়ারি প্রকাশিত এক প্রজ্ঞাপনে এই দিনটিকে বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস হিসেবে উদযাপন করার সিদ্ধান্ত হয় এবং সরকারিভাবে এ দিনটিতে ছুটি ঘোষণা করা হয়।
- ১৯৮০ সালের ৩ অক্টোবর রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সরকার দিনটিকে জাতীয় দিবস হিসেবেও উদযাপনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।
- ১৯৮১ সাল থেকে ২৬ শে মার্চ বাংলাদেশের জাতীয় দিবস হিসেবে পালিত হয়ে আসছে।
 
উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস বেশ বর্ণাঢ্যভাবে উদযাপন করা হয়।
- ৩১ বার তোপধ্বনির মধ্য দিয়ে দিবসের শুভসূচনা করা হয়।
- জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে দিবসের কর্মসূচি শুরু হয়।
- সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে সরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত এবং ব্যক্তিমালিকানাধীন ভবনসমূহে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়।

উৎস: i) জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি ওয়েবসাইট।
ii) বাংলাপিডিয়া। 

৮৪.
বাংলাদেশের কোন নদীটি ইয়ারলুং সাংপো নামে পরিচিত?
  1. পদ্মা 
  2. মেঘনা
  3. ব্রহ্মপুত্র
  4. তিস্তা
সঠিক উত্তর:
ব্রহ্মপুত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্রহ্মপুত্র
ব্যাখ্যা

ব্রহ্মপুত্র (Brahmaputra) নদ:
- ব্রহ্মপুত্র নদ হিমালয় পর্বতের তিব্বত অংশের মানস সরোবর থেকে উৎপত্তি লাভ করেছে।
- এরপর তিব্বত হয়ে ভারতের আসাম রাজ্যের ভিতর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে কুড়িগ্রাম জেলার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে।
- বাংলাদেশে ময়মনসিংহ জেলার দেওয়ানগঞ্জের কাছে দক্ষিণ-পূর্ব দিকে বাঁক নিয়ে ভৈরববাজারের দক্ষিণে মেঘনা নদীর সাথে মিলিত হয়েছে।
- মেঘনা নদীতে মিলিত হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত এটি পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নামে পরিচিত।
- বাংলাদেশ অংশে ব্রহ্মপুত্র নদ প্রায় ২৭৭ কিলোমিটার প্রবাহিত হয়েছে।
- প্রধান শাখানদী: বংশী ও শীতলক্ষ্যা।
- প্রধান উপনদী: ধরলা ও তিস্তা।

উল্লেখ্য,
- ব্রহ্মপুত্র নদ তিব্বতে ইয়ারলুং সাংপো (Yarlung Tsangpo) নামে পরিচিত। 
- তিব্বতে এর নাম ইয়ারলুং সাংপো, অরুণাচলে সিয়ং এবং আসাম ও বাংলাদেশে এর নাম হয়েছে ব্রহ্মপুত্র।

উৎস: i) বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) Britannica.

৮৫.
প্রথম বিশ্বযুদ্ধে কোন দেশ নিরপেক্ষ ছিল?
  1. সুইডেন
  2. অস্ট্রিয়া
  3. সার্বিয়া
  4. বুলগেরিয়া
সঠিক উত্তর:
সুইডেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুইডেন
ব্যাখ্যা

প্রথম বিশ্বযুদ্ধ: 
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধ (World War I) ১৯১৪ থেকে ১৯১৮ সাল পর্যন্ত সংঘটিত হয়েছিল এবং এটি ছিল ইতিহাসের অন্যতম বৃহৎ ও ধ্বংসাত্মক যুদ্ধ।
- যুদ্ধটি মূলত ইউরোপের বিভিন্ন শক্তির মধ্যে সংঘটিত হলেও এর প্রভাব ছিল পৃথিবীজুড়ে।

যুদ্ধের পটভূমি:
- যুদ্ধ শুরু হয়: ২৮ জুলাই, ১৯১৪ সালে।
- শেষ হয়: ১১ নভেম্বর, ১৯১৮ সালে।
- যুদ্ধের ফলাফল: মিত্র শক্তির বিজয়।
- অক্ষশক্তি: জার্মানি, অস্ট্রিয়া, হাঙ্গেরি, অটোমান সাম্রাজ্য ও বুলগেরিয়া।
- মিত্রশক্তি: সার্বিয়া, রাশিয়া, ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, ইতালি, জাপান প্রভৃতি দেশ।

উল্লেখ্য, প্রথম বিশ্বযুদ্ধে নিরপেক্ষ দেশ:
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধে নিরপেক্ষ দেশ ছিল সুইডেন।
- সুইডেন তার নিরপেক্ষতার জন্য সারা বিশ্বে পরিচিত ছিল।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় সুইডেন নিরপেক্ষতা ঘোষণা করে।

উৎস: i) Britannica.
ii) History.com

৮৬.
‘আমার দেখা রাজনীতির পঞ্চাশ বছর’ বইটির রচয়িতা কে?
  1. আবুল মনসুর আহমদ
  2. কাজী মোতাহার হোসেন
  3. আহমদ ছফা
  4. আব্দুর রাজ্জাক
সঠিক উত্তর:
আবুল মনসুর আহমদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আবুল মনসুর আহমদ
ব্যাখ্যা

আমার দেখা রাজনীতির পঞ্চাশ বছর:
- ‘আমার দেখা রাজনীতির পঞ্চাশ বছর’ বইটির রচয়িতা বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ, সাংবাদিক ও সাহিত্যিক আবুল মনসুর আহমদ।
- এটি মূলত তাঁর আত্মস্মৃতিমূলক গ্রন্থ।
- এখানে ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলন থেকে শুরু করে পাকিস্তান আমল পর্যন্ত রাজনৈতিক পরিস্থিতির নিরপেক্ষ বিশ্লেষণ ফুটে উঠেছে।
- আবুল মনসুর আহমদের লেখা বহুল পঠিত ‘আমার দেখা রাজনীতির পঞ্চাশ বছর’ বইটি ইংরেজিতে অনুবাদ করছেন রোচনা মজুমদার।

• আবুল মনসুর আহমেদ:
- আবুল মনসুর আহমদ ১৮৯৮ সালের ৩ সেপ্টেম্বর ময়মনসিংহ জেলার ত্রিশালে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি ৮০ বছর বয়সে ১৯৭৯ সালের ১৮ মার্চ মারা যান।
- তাঁর উল্লেখযোগ্য রচনার মধ্যে রয়েছে ‘আমার দেখা রাজনীতির পঞ্চাশ বছর’, ‘আত্মকথা’, ‘বেশী দামে কেনা কম দামে বেচা আমাদের স্বাধীনতা’, ‘শেরে বাংলা হইতে বঙ্গবন্ধু’, ‘বাংলাদেশের কালচার’, ‘গালিভারের সফরনামা’, ‘ব্যঙ্গরচনা’, ‘আয়না’, ‘ফুড কনফারেন্স’ প্রভৃতি।
- আবুল মনসুর আহমদ ১৯৪৬ সালে অবিভক্ত বাংলার কলকাতা থেকে প্রকাশিত দৈনিক কৃষক, নবযুগ ও ইত্তেহাদ-এর সম্পাদক ছিলেন।
- তিনি শেরেবাংলা এ কে ফজলুল হকের যুক্তফ্রন্ট সরকারে প্রাদেশিক শিক্ষামন্ত্রী ছিলেন। ১৯৫৭ সালে তদানীন্তন প্রধানমন্ত্রী হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর সরকারে ছিলেন কেন্দ্রীয় বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রী।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) প্রথম আলো। 

৮৭.
৪৯তম সমান্তরাল রেখা কোন দুটি দেশের মধ্যে প্রধান সীমান্ত হিসেবে পরিচিত?
  1. যুক্তরাষ্ট্র-কানাডা
  2. যুক্তরাষ্ট্র-মেক্সিকো
  3. যুক্তরাজ্য-ফ্রান্স
  4. উত্তর কোরিয়া- দক্ষিণ কোরিয়া
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র-কানাডা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র-কানাডা
ব্যাখ্যা

৪৯তম সমান্তরাল রেখা (49th parallel north):
- ৪৯তম সমান্তরাল রেখা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং কানাডার মধ্যবর্তী সীমান্ত হিসেবে পরিচিত।
- এটি এই দুই দেশের মধ্যে একটি প্রধান আন্তর্জাতিক সীমানা রেখা, যা প্রায় মাইল বিস্তৃত এবং বিশ্বের দীর্ঘতম অরক্ষিত আন্তর্জাতিক সীমান্ত হিসেবেও পরিচিত।
- উত্তর গোলার্ধে পৃথিবীকে ঘিরে যে অনেকগুলো কাল্পনিক বৃত্ত আঁকা থাকে, ৪৯তম সমান্তরাল রেখা সেগুলোর মধ্যে একটি। নিরক্ষরেখা থেকে ৪৯ ডিগ্রি উত্তরে যে অক্ষাংশের রেখা আছে, তাকেই বলে ৪৯তম সমান্তরাল অক্ষ রেখা।
- এটি কানাডার ব্রিটিশ কলাম্বিয়া, আলবার্টা, সাসকাচোয়ান এবং ম্যানিটোবা প্রদেশগুলোর সাথে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন, আইডাহো, মন্টানা, নর্থ ডাকোটা এবং মিনেসোটা অঙ্গরাজ্যের সীমানা নির্ধারণ করে।
- ১৮১৮ সালের অ্যাংলো-আমেরিকান কনভেনশন এবং ১৮৪৬ সালের ওরেগন চুক্তির মাধ্যমে এই সীমানা নির্দিষ্ট করা হয়েছিল।

উৎস: Britannica.

৮৮.
গ্রিনল্যান্ড কে আবিষ্কার করেন?
  1. এরিক দ্য রেড
  2. হ্যান্স এগেডে
  3. ক্রিস্টোফার কলম্বাস
  4. লেইফ এরিকসন
সঠিক উত্তর:
এরিক দ্য রেড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এরিক দ্য রেড
ব্যাখ্যা

গ্রিনল্যান্ড:
- বিশ্বের বৃহত্তম দ্বীপ গ্রিনল্যান্ড ডেনমার্কের একটি স্বশাসিত অঞ্চল।
- এটি উত্তর আমেরিকা মহাদেশের অংশ। এর অবস্থান উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরে উত্তর আমেরিকা এবং ইউরোপ মহাদেশের মধ্যে অবস্থিত। এর অবস্থান কানাডা এবং আইসল্যান্ডের মাঝে অবস্থিত।
- আয়তনে এটি মূল ডেনমার্কের চেয়ে গ্রীনল্যান্ড প্রায় ৫০ গুন বড়।
- রাজধানী: নুউক।
- গ্রিনল্যান্ডের অধিবাসীরা এস্কিমো হিসেবে পরিচিত।
- গ্রীনল্যান্ডের ৮০ শতাংশ এলাকা বরফে ঢাকা।
- জনসংখ্যার ৯০ শতাংশ হচ্ছে আদিবাসী ইনুইট সম্প্রদায়ের।

উল্লেখ্য,
- ৯৮২ খ্রিস্টাব্দে নরওয়েজিয়ান অভিযাত্রী এরিক দ্য রেড গ্রিনল্যান্ড আবিষ্কার করেন।
- ১৭২১ খ্রিস্টাব্দে ড্যানিশ-নরওয়েজিয়ান মিশনারি হ্যান্স এগেডে-এর নেতৃত্বে গ্রিনল্যান্ডে ড্যানিশ উপনিবেশ শুরু হয়।
- ১৮১৪ সালে নেপোলিয়নের যুদ্ধের পর ‘কিল চুক্তি’র মাধ্যমে ডেনমার্ক-নরওয়ে রাজ্য বিভক্ত হয়। নরওয়ে সুইডেনের অংশ হলেও গ্রিনল্যান্ড, আইসল্যান্ড এবং ফারো দ্বীপপুঞ্জ ডেনমার্কের অধীনে থেকে যায়।
- ১৯৫৩ সালে ডেনমার্ক সংবিধান পরিবর্তন করে গ্রিনল্যান্ডকে একটি পূর্ণাঙ্গ প্রদেশ হিসেবে ঘোষণা করে। ফলে এটি উপনিবেশের মর্যাদা হারায় এবং অবিচ্ছেদ্য অংশ (কাউন্টি) হয়।
- ১৯৭৯ সালে গণভোটের মাধ্যমে গ্রিনল্যান্ডকে স্বায়ত্তশাসিত মর্যাদা দেওয়া হয়। ২০০৯ সালে দ্বীপটি আরও বিস্তৃত স্বায়ত্তশাসনের অনুমোদন পায়। এর ফলে তারা নিজেদের আইন ও প্রশাসনের ওপর অধিক নিয়ন্ত্রণ লাভ করে।

উৎস: i) Britannica.
ii) BBC.

৮৯.
সাধারণ নির্বাচনের ফল ঘোষণার কত দিনের মধ্যে জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন আহ্বান করতে হয়?
  1. ১৫ দিন
  2. ৩০ দিন
  3. ৬০ দিন
  4. ৯০ দিন
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
ব্যাখ্যা

জাতীয় সংসদ:
- জাতীয় সংসদ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের এক কক্ষবিশিষ্ট আইনসভা।
- দেশের সংবিধানের বিধানাবলি সাপেক্ষে আইন প্রণয়ন ক্ষমতা এ সংসদের ওপর ন্যস্ত।
- প্রতি নির্বাচনী এলাকা থেকে সরাসরি ভোটে নির্বাচিত ৩০০ সদস্য সমন্বয়ে জাতীয় সংসদ গঠিত হয়।
- জাতীয় সংসদের মেয়াদ ৫ বছর।
- জাতীয় সংসদের কার্য পরিচালনার জন্য কোরাম থাকতে হয়।
- অধিবেশনে কোরামের জন্য ন্যূনতম ৬০ জন সদস্যের উপস্থিতি প্রয়োজন।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের পর পর দুই অধিবেশনের মধ্যে সর্বোচ্চ ৬০ দিন বিরতি থাকে।
- একাধারে কোনো সংসদ সদস্য জাতীয় সংসদে ৯০টি কার্যদিবস অনুপস্থিত থাকলে তাহার সংসদ সদস্যপদ বাতিল হয়ে যায়।
- রাষ্ট্রপতি জাতীয় সংসদের অধিবেশন আহবান, স্থগিত ও ভঙ্গ করেন।
- সাধারণ নির্বাচনের ফলাফল ঘোষিত হওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে বৈঠক অনুষ্ঠানের জন্য সংসদ আহ্বান করা হবে।
- একাধারে কোনো সংসদ সদস্য জাতীয় সংসদে ৯০ টি কার্যদিবস অনুপস্থিত থাকলে তাহার সংসদ সদস্যপদ বাতিল হয়ে যায়।
- দেশের নিরাপত্তা বা অর্থনৈতিক জীবনে হুমকির কারণে জরুরি অবস্থা (সর্বাধিক ১২০ দিনের জন্য) ঘোষিত হতে পারে।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

৯০.
মন্ট্রিল প্রটোকলের কিগালি সংশোধনীর প্রধান লক্ষ্য কোন গ্যাস নিয়ন্ত্রণ করা?
  1. হাইড্রোফ্লুরোকার্বন
  2. ক্লোরোফ্লুরোকার্বন
  3. মিথেন
  4. নাইট্রাস অক্সাইড
সঠিক উত্তর:
হাইড্রোফ্লুরোকার্বন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইড্রোফ্লুরোকার্বন
ব্যাখ্যা

মন্ট্রিল প্রটোকল:
- Montreal Protocol-এর পূর্ণরূপ: The Montreal Protocol on Substances that Deplete the Ozone Layer.
- মন্ট্রিল প্রোটোকল হল ওজোন স্তর ক্ষয়কারী পদার্থ (ODS) ব্যবহার এবং উৎপাদন বন্ধ করার জন্য একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি। 
- মন্ট্রিল প্রোটকলের মূখ্য আলোচ্য বিষয়: ওজোন স্তরের সুরক্ষা।

- চুক্তি গৃহীত হয়: ১৬ সেপ্টেম্বর, ১৯৮৭ সালে।
- কার্যকর হয়: ১ জানুয়ারী, ১৯৮৯ সালে।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: মন্ট্রিল, কানাডা।
- চুক্তি স্বাক্ষরকারী দেশ: ২০০টি।
- চুক্তি অনুমোদনকারী দেশ: ১৯৮টি।

• কিগালি সংশোধনী:
- মন্ট্রিল প্রটোকলের সর্বশেষ সংশোধনী হলো কিগালি সংশোধনী।
- কিগালি সংশোধনী গৃহীত হয়: ১৫ অক্টোবর, ২০১৬। 
- কিগালি সংশোধনী কার্যকর হয়: ১ জানুয়ারি, ২০১৯।
- এটি একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি যা রুয়ান্ডার কিগালিতে অনুষ্ঠিত সম্মেলনে গৃহীত হয়ছিল।
- এর লক্ষ্য হাইড্রোফ্লুরোকার্বন (HFCs)-এর ব্যবহার কমিয়ে পৃথিবীর উষ্ণায়ন কমানো এবং পৃথিবীকে আরও পরিবেশবান্ধব, টেকসই ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া।
- এই সংশোধনীর মাধ্যমে, বিভিন্ন দেশ আগামী ৩০ বছরের মধ্যে HFCs এর উৎপাদন এবং ব্যবহার ৮০%-৮৫% কমিয়ে আনবে।

উৎস: i) UNEP ওয়েবসাইট।
ii) Ozone Secretariat।
ii) তথ্য অধিদফতর (পিআইডি)।

৯১.
দ্বিজাতি তত্ত্বের প্রাথমিক ধারণা কে দেন?
  1. মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ
  2. মাওলানা মওদুদী
  3. স্যার সৈয়দ আহমদ খান
  4. আল্লামা ইকবাল
সঠিক উত্তর:
স্যার সৈয়দ আহমদ খান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্যার সৈয়দ আহমদ খান
ব্যাখ্যা

দ্বিজাতি তত্ত্ব:
- দ্বিজাতি তত্ত্ব (Two-Nation Theory) হলো এমন একটি রাজনৈতিক ও আদর্শিক মতবাদ যা ১৯৪৭ সালের ভারত বিভক্তির মূল কারণ।
- এই তত্ত্ব অনুসারে, ভারতীয় উপমহাদেশের হিন্দু ও মুসলমানরা কেবল দুটি ভিন্ন ধর্মাবলম্বী মানুষই নয়, বরং তারা দুটি আলাদা জাতি। তাদের নিজস্ব সংস্কৃতি, ঐতিহ্য, রীতিনীতি এবং জীবনধারা সম্পূর্ণ ভিন্ন হওয়ায়, একটি একক রাষ্ট্রে তারা একত্রে বসবাস করতে পারে না।
- এই তত্ত্বের ওপর ভিত্তি করেই ১৯৪৭ সালে ব্রিটিশ ভারত বিভাজিত হয়ে ভারত ও পাকিস্তান নামে দুটি স্বাধীন রাষ্ট্রের জন্ম হয়।

মুসলমানদের একটি জাতি হিসেবে আত্মপরিচয়ের সন্ধানে উদ্বুদ্ধ করতে স্যার সৈয়দ আহমদ খান (১৮১৭-১৯৮) প্রথম এ ধারণার উন্মেষ ঘটান। তিনি ভারতের মুসলমানদের কংগ্রেস দলের তথাকথিত জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের স্রোতে গা ভাসাতে নিরূৎসাহিত করতেন। তিনি প্রচার করেন যে, ভারতীয় মুসলিম তাদের নিজেদের স্বার্থ রক্ষায় একটি জাতি গঠন করবে এবং স্বশাসনের জন্য কংগ্রেস কর্তৃক পরিচালিত আন্দোলনের সঙ্গে মুসলমানদের জোটবদ্ধ হওয়া উচিৎ হবে না। তাঁর এ ধারণা উপনিবেশিক শাসকদের সমর্থন লাভ করে।

⇒ যদিও স্যার সৈয়দ আহমদ খান দ্বিজাতি তত্ত্ব-এর ভিত্তি স্থাপন করেন, তবুও এই তত্ত্বের প্রধান প্রবক্তা ছিলেন নিখিল ভারত মুসলিম লীগের নেতা মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ। 
- স্যার সৈয়দ আহমদ খান এর প্রাথমিক ধারণা দেন, আল্লামা ইকবাল এটিকে শক্তিশালী করেন এবং মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ ১৯৪০ সালের লাহোর প্রস্তাবে এটিকে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিষ্ঠা করেন।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) বাংলাদেশের রাজনৈতিক উন্নয়ন, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯২.
বর্তমানে দেশে নিবন্ধিত চা বাগানের সংখ্যা কতটি? [ফেব্রুয়ারি, ২০২৬]
  1. ১৭০টি
  2. ১৭১টি
  3. ১৭২টি
  4. ১৭৩টি
সঠিক উত্তর:
১৭১টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭১টি
ব্যাখ্যা

বর্তমানে দেশে নিবন্ধিত চা বাগান:
- চা বোর্ডের তথ্যানুযায়ী, বর্তমানে দেশে নিবন্ধিত চা বাগানের সংখ্যা ১৭১টি।
- বর্তমানে দেশে ৩টি চা নিলাম কেন্দ্র রয়েছে (চট্টগ্রাম, শ্রীমঙ্গল, পঞ্চগড়)।

উল্লেখ্য,
- ১৮০০ শতাব্দীর প্রথম ভাগে ভারতবর্ষের আসাম ও তৎসংলগ্ন এলাকায় চা চাষ শুরু হয়। তারই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশের চট্টগ্রাম জেলার কর্ণফুলী নদীর তীরে চা আবাদের জন্য ১৮২৮ খ্রিষ্টাব্দে জমি বরাদ্দ হয়।
- ১৮৪০ খ্রিষ্টাব্দে চট্টগ্রাম শহরের বর্তমান চট্টগ্রাম ক্লাব সংলগ্ন এলাকায় একটি চা বাগান প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল যা কুন্ডদের বাগান নামে পরিচিত।
- সিলেটের মালনীছড়ায় প্রথম বাণিজ্যিকভাবে চা চাষ শুরু হয় ১৮৫৭ সালে।
- দেশ স্বাধীনের পূর্ব পর্যন্ত বাংলাদেশে শুধুমাত্র দুইটি জেলায় চা আবাদ করা হতো। একটি সিলেট জেলায় যা ‘সুরমা ভ্যালি' নামে পরিচিত ছিল, আর অপরটি চট্টগ্রাম জেলায় যা ‘হালদা ভ্যালি' নামে পরিচিত ছিল।

• ১৯৭০ খ্রিষ্টাব্দে বাংলাদেশে চা বাগানের সংখ্যা ছিল ১৫০টি।
- দেশে সবচেয়ে বেশি চা বাগান রয়েছে মৌলভীবাজার জেলায়। মৌলভীবাজার জেলায় ৯০টি চা বাগান রয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশ চা বোর্ড ওয়েবসাইট।

৯৩.
ICCPR-এর মূল উদ্দেশ্য কী? 
  1. অর্থনৈতিক ও সামাজিক অধিকার সুরক্ষা
  2. পরিবেশ রক্ষা
  3. বাণিজ্যিক অধিকার সুরক্ষা
  4. নাগরিক ও রাজনৈতিক অধিকার সুরক্ষা
সঠিক উত্তর:
নাগরিক ও রাজনৈতিক অধিকার সুরক্ষা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নাগরিক ও রাজনৈতিক অধিকার সুরক্ষা
ব্যাখ্যা

ICCPR:
- ICCPR-এর পূর্ণরূপ: International Covenant on Civil and Political Rights.
- এটি জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক নাগরিক ও রাজনৈতিক অধিকার চুক্তি।
- গৃহীত হয়: ১৯৬৬ সালে।
- কার্যকর হয়: ২৩ মার্চ, ১৯৭৬ সালে।
- আন্তর্জাতিক এই চুক্তি জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ কর্তৃক গৃহীত হয়।
- বিশ্বের প্রতিটি মানুষের অধিকার সংরক্ষণ করার জন্য অর্থাৎ বিশ্বের প্রতিটি পেশার এবং প্রতিটি মানুষ যেন সমান অধিকার পায় সেই লক্ষ্যে ১৯৬৬ সালে দুইটি আন্তর্জাতিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- এর উদ্দেশ্য হলো মানুষের মৌলিক নাগরিক ও রাজনৈতিক অধিকার যেমন-জীবনের অধিকার, বাকস্বাধীনতা, ধর্মীয় স্বাধীনতা, ভোটাধিকার ও ন্যায়বিচারের অধিকার সুরক্ষা করা।
- এতে মোট ৫৩টি অনুচ্ছেদ রয়েছে।
- এই চুক্তি বাস্তবায়ন তদারকি করে জাতিসংঘ মানবাধিকার কমিটি (UN Human Rights Committee)।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ এটি ২০০০ সালে অনুমোদন করে।

উৎস: UN ওয়েবসাইট।

৯৪.
Worldwide Governance Indicators (WGI) কোন সংস্থা প্রকাশ করে?
  1. জাতিসংঘ
  2. বিশ্বব্যাংক
  3. আইএমএফ
  4. এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক
সঠিক উত্তর:
বিশ্বব্যাংক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিশ্বব্যাংক
ব্যাখ্যা

বিশ্বব্যাংক বর্ণিত সুশাসন সূচক:
- বিশ্বব্যাংকের Worldwide Governance Indicators (WGI) হলো বিশ্বের সবচেয়ে বহুল ব্যবহৃত শাসনব্যবস্থা (governance) পরিমাপের সূচক।
- এটি ১৯৯৬ সাল থেকে শুরু হয়ে ১৯৯৯ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়।
- WGI মোট ৩৫টি আন্তঃদেশীয় তথ্যসূত্র থেকে সংগৃহীত উপাত্তের ওপর ভিত্তি করে প্রস্তুত করা হয়। এসব তথ্যসূত্রের মধ্যে রয়েছে গৃহস্থালি জরিপ, ব্যবসা প্রতিষ্ঠানভিত্তিক জরিপ এবং বিশেষজ্ঞ মূল্যায়ন। এই সূচকগুলো প্রতিবছর প্রকাশিত হয়।

• WGI প্রতিবছর শাসনের ছয়টি মাত্রাকে কেন্দ্র করে যৌগিক সূচক প্রকাশ করে। এই ছয়টি মাত্রা হলো:
১) মত প্রকাশ ও জবাবদিহিতা (Voice and Accountability),
২) রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা (Political Stability),
৩) সরকারি কার্যকারিতা (Government Effectiveness),
৪) নিয়ন্ত্রক গুণমান (Regulatory Quality),
৫) আইনের শাসন (Rule of Law) এবং
৬) দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণ (Control of Corruption)।

উৎস: i) বিশ্বব্যাংক ওয়েবসাইট।
ii) The Worldwide Governance Indicators 2025 Methodology.
iii) WGI 2025 Revision: Governance Estimates and Absolute Scores (1996-2024).

৯৫.
শহীদ আবু সাঈদ কবে শহীদ হন?
  1. ১৬ জুলাই, ২০২৪
  2. ২৫ জুলাই, ২০২৪
  3. ২৯ জুলাই, ২০২৪
  4. ৫ আগস্ট, ২০২৪
সঠিক উত্তর:
১৬ জুলাই, ২০২৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬ জুলাই, ২০২৪
ব্যাখ্যা

শহীদ আবু সাঈদ:
- রংপুর জেলার পীরগঞ্জ উপজেলা বাবনপুর গ্রামের মোঃ মকবুল হোসেন এর ঘরে জন্ম নেয় আবু সাঈদ।
- ২৫ বছর বয়সী আবু সাঈদ বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের ১২তম ব্যাচের শিক্ষার্থী ছিলেন।
- তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের কোটা সংস্কার আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক ছিলেন।
- ১৬ জুলাই, ২০২৪ তারিখে তিনি রংপুরে গুলিবিদ্ধ হয়ে শহীদ হয়েছিলেন।

উল্লেখ্য,
- ২০২৪ সালে সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনে ১৬ জুলাই দুপুরে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে পার্ক মোড়ে গুলিবিদ্ধ হন আবু সাঈদ।
- ১৬ জুলাই কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের কর্মসূচি চলাকালে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনের সড়কে পুলিশ আবু সাঈদকে খুব কাছ থেকে গুলি করে।
- আবু সাঈদ এক হাতে লাঠি নিয়ে দুই হাত প্রসারিত করে বুক পেতে দেন।
- কিছুক্ষণের মধ্যেই তিনি লুটিয়ে পড়েন।
- বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে নিরস্ত্র আবু সাঈদের পুলিশ কর্তৃক গুলিবিদ্ধ হওয়ার ভিডিও ছড়িয়ে পড়লে সারা দেশে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়।
- এই হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে সোচ্চার হন বহু মানুষ, যাতে আরও গতিশীল হয় কোটা সংস্কার আন্দোলন।
- ওই আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় ছাত্র-জনতার বিক্ষোভের মুখে গত ৫ আগস্ট প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করে দেশ ছেড়ে পালিয়ে যান হাসিনা।

উৎস: i) বাংলা সাহিত্য, নবম-দশম শ্রেণি।
ii) দৈনিক ইনকিলাব।

৯৬.
NATO-এর অনুচ্ছেদ-৫ প্রথম কবে কার্যকর করা হয়?
  1. কোরিয়া যুদ্ধে
  2. ইউক্রেন যুদ্ধে
  3. কসোভো যুদ্ধে
  4. ৯/১১ হামলার পর
সঠিক উত্তর:
৯/১১ হামলার পর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯/১১ হামলার পর
ব্যাখ্যা

NATO:
- ন্যাটো প্রতিষ্ঠার চুক্তিটি ১৪টি ধারার।

⇒ অনুচ্ছেদ/আর্টিকেল - ৫: Collective Security বা যৌথ নিরাপত্তা।
- অনুচ্ছেদ - ৫ এ বলা হয়েছে - জোটভুক্ত কোনো দেশ যদি বিদেশি শক্তির দ্বারা আক্রমণের শিকার হয়, তাহলে জোটের সব সদস্যদেশ একযোগে তা প্রতিহত করবে। অর্থাৎ সদস্যদেশগুলো সম্মিলিতভাবে একে অপরকে সুরক্ষা দেবে। ন্যাটোর মূল ভিত্তি ধরা হয় এ ধারাকে।
- ন্যাটোর ইতিহাসে একবার মাত্র ন্যাটোর আর্টিকেল-৫ কার্যকর করা হয়েছে। নাইন ইলেভেনে টুইন টাওয়ার হামলার পর ২০০১ সালে এই আর্টিকেল অনুযায়ী পদক্ষেপ নেওয়া হয়। এটির ভিত্তিতেই সদস্য রাষ্ট্রগুলোকে সঙ্গে নিয়ে আফগানিস্তানে হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র।
- ২০০১ সালের ৯/১১ হামলার পর Operation Eagle Assist-এর মাধ্যমে আফগানিস্তানে NATO-এর প্রথম অ-ইউরোপীয় অভিযান শুরু হয়, যা পরে ISAF (ইন্টারন্যাশনাল সিকিউরিটি অ্যাসিস্ট্যান্স ফোর্স) মিশনে রূপান্তরিত হয়।

উল্লেখ্য,
- ১৯৯২ সালে বসনিয়া যুদ্ধের মাধ্যমে ন্যাটো প্রথম কোনো সামরিক অভিযানে অংশ নেয়।
- এরপর ১৯৯৯ সালে কসোভো যুদ্ধে বিমান বাহিনীর মাধ্যমে দ্বিতীয় অভিযানে নামে তারা।
- আর তৃতীয় অভিযান শুরু করে ২০০১ সালে আফগানিস্তানে।
- ২০০৩ সালে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে ইরাক যুদ্ধে সহায়তা কার্যক্রম চালায় ন্যাটো।

উৎস: NATO ওয়েবসাইট।