পরীক্ষা আর্কাইভ

১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি

পরীক্ষা১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়12 minutes
মোট প্রশ্ন৩০
সিলেবাস
পরীক্ষা - ৩৩ আইন বিষয়াবলী - ১৩ Subject: The Penal Code,1860 Topic: Section 141-294B (Offences Against Public Tranquility, Offences by Public Servants, Offences Relating to Elections, Contempt of Lawful Authority, False Evidence, Offences Against Public Justice, Offences Relating to Coin and Government Stamps, Offences Affecting Public Health, Safety, Decency, and Morals).
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি

১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ৩০ প্রশ্ন

.
করিম নিজেকে সরকারি স্বাস্থ্য পরিদর্শক পরিচয় দিয়ে কয়েকটি দোকানে গিয়ে লাইসেন্স পরীক্ষা করেন এবং জরিমানা নেওয়ার চেষ্টা করেন। তার এই কাজের জন্য সর্বোচ্চ কত মেয়াদের কারাদণ্ড হতে পারে?
  1. ৭ বছর
  2. ৫ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ২ বছর
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: ঘ) ২ বছর।

দণ্ডবিধির ১৭০ ধারা অনুযায়ী, সরকারি কর্মচারী বলে ছদ্মবেশ ধারণ করে কাজ করলে সর্বোচ্চ ২ বছর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড, বা অর্থদণ্ড, বা উভয়বিধ দণ্ড হতে পারে।

⇒ দণ্ডবিধির ১৭০ ধারার বিধান- সরকারী কর্মচারী বলে ছদ্মবেশ ধারণ:
কোন ব্যক্তি যদি কোন পদে অধিষ্ঠিত নয় বলে জানা সত্ত্বেও সে পদে অধিষ্ঠিত রয়েছে বলে পরিচয় দেয় অথবা অন্য যে ব্যক্তি যে পদে অধিষ্ঠিত আছে নিজেকে সে পদে অধিষ্ঠিত সে ব্যক্তি বলে ছদ্মবেশ ধারণ করে এবং এইরূপ মিথ্যা ছদ্মবেশ ধারণ করে সে পদের অধিকার বলে কোন কাজ করে বা করতে চেষ্টা করে, তবে সে ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

.
দাঙ্গার ক্ষেত্রে কারা দোষী বলে গণ্য হবে?
  1. শুধু অবৈধ সমাবেশের নেতা
  2. শুধু অস্ত্রধারীরা
  3. শুধু সহিংসতায় অংশগ্রহণকারীরা
  4. অবৈধ সমাবেশের প্রত্যেক সদস্য
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ১৪৬ ধারার বিধান: দাঙ্গা:
- যখন কোনো অবৈধ সমাবেশ বা তার কোনো সদস্য দ্বারা বলপ্রয়োগ বা সহিংসতা ব্যবহার করা হয়, এবং তা সেই সমাবেশের সাধারণ উদ্দেশ্য অর্জনের জন্য করা হয়, তখন সেই সমাবেশের প্রত্যেক সদস্য দাঙ্গার অপরাধে দোষী বলে গণ্য হবে।

.
দণ্ডবিধির ১৫৩(ক) ধারা কোন অপরাধের সঙ্গে সম্পর্কিত?
  1. জনশান্তি ভঙ্গ
  2. বিভিন্ন শ্রেণির মধ্যে শত্রুতা বা ঘৃণা প্রচার
  3. বেআইনি সমাবেশে যোগদানে উৎসাহিত বা সহায়তা
  4. মারাত্মক অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে বেআইনি সমাবেশে যোগদান
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি ১৫৩ক ধারা: বিভিন্ন শ্রেণির মধ্যে শত্রুতা প্রচার করা:
যে কেউ, কথার মাধ্যমে, মৌখিক বা লিখিত, অথবা সংকেতের মাধ্যমে, দৃশ্যমান উপস্থাপনা দ্বারা বা অন্য যেকোনো উপায়ে, বাংলাদেশি নাগরিকদের বিভিন্ন শ্রেণির মধ্যে শত্রুতা বা ঘৃণা প্রচার করে বা প্রচারের চেষ্টা করে, তাকে দুই বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, বা জরিমানা, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা হবে।

ব্যাখ্যা: যদি কোনো ব্যক্তি বিদ্বেষপূর্ণ উদ্দেশ্য ছাড়াই এবং প্রকৃতপক্ষে সেই সমস্যাগুলি তুলে ধরে, যা বাংলাদেশি নাগরিকদের বিভিন্ন শ্রেণির মধ্যে শত্রুতা বা ঘৃণা সৃষ্টি করছে বা সৃষ্টি করার প্রবণতা রাখে, তাহলে এটি এই ধারার অধীনে অপরাধ বলে গণ্য হবে না।

⇒ The Penal Code, 1860- Section 153A- Promoting enmity between classes:
Whoever by words, either spoken or written, or by signs, or by visible representations, or otherwise, promotes or attempts to promote feelings of enmity or hatred between different classes of the citizens of Bangladesh, shall be punished with imprisonment which may extend to two years, or with fine, or with both.

Explanation.- It does not amount to an offence within the meaning of this section to point out, without malicious intention and with an honest view to their removal, matters which are producing or have a tendency to produce, feelings of enmity or hatred between different classes of the citizens of Bangladesh.

.
The punishment under Section 197 is equivalent to punishment for-
  1. Cheating
  2. Criminal breach of trust
  3. Giving false evidence
  4. Fabricating documents
ব্যাখ্যা

⇒ The Penal Code, 1860, Section 197: Issuing or signing false certificate:
-Whoever issues or signs any certificate required by law to be given or signed, or relating to any fact of which such certificate is by law admissible in evidence, knowing or believing that such certificate is false in any material point, shall be punished in the same manner as if he gave false evidence.

⇒ দণ্ডবিধির ১৯৭ ধারার বিধান- মিথ্যা সার্টিফিকেট ইস্যু করা কিংবা উহাতে স্বাক্ষর করা:
-কোন ব্যক্তি যদি আইনের নির্দেশানুসারে কোন সার্টিফিকেট ইস্যু করে কিংবা উহাতে স্বাক্ষর করে কিংবা যে বিষয়ে আইনানুসারে কোন সার্টিফিকেট সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য, সে বিষয়ে অনুরূপ সার্টিফিকেট দান বা স্বাক্ষর করে এবং সার্টিফিকেটটি কোন বাস্তব গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের দিক হতে মিথ্যা বলে জানা সত্ত্বেও বা অনুরূপভাবে মিথ্যা বলে বিশ্বাস করা সত্ত্বেও অনুরূপভাবে উহা দান বা স্বাক্ষর করে থাকে, তবে সে ব্যক্তি স্বয়ং মিথ্যা সাক্ষ্যদান করলে যেভাবে দণ্ডিত হত, এক্ষেত্রেও সে সেভাবে দণ্ডিত হবে।

.
ন্যূনতম কতজন ব্যক্তি মিলিত হলে তা বেআইনী সমাবেশ হিসেবে গণ্য হয়?
  1. ৩ জন
  2. ৫ জন
  3. ৭ জন
  4. ১০ জন
ব্যাখ্যা

দণ্ডবিধির ১৪১ ধারার বিধান- বেআইনী সমাবেশ:
পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তির সমাবেশকে 'বেআইনী সমাবেশ' সেক্ষেত্রেই বলা হয়, যেক্ষেত্রে উক্ত সমাবেশের ব্যক্তিদের সাধারণ লক্ষ্য হয়-

প্রথম: বাংলাদেশের সরকার বা আইনসভাকে অথবা কোন সরকারী কর্মচারীকে অনুরূপ কর্মচারীর আইনসম্মত ক্ষমতা প্রয়োগের সময় অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ অথবা অপরাধমূলক বলপ্রয়োগের হুমকি কর্তৃক ভীতি প্রদর্শন করা; কিংবা

দ্বিতীয়: কোন আইনের অথবা কোন আইনগত ব্যবস্থার কার্যকরীকরণে বাধা সৃষ্টি করা; কিংবা

তৃতীয়: কোন ব্যক্তির দুষ্কর্ম বা অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ অথবা অন্যবিধ অপরাধ অনুষ্ঠিত করা; কিংবা

চতুর্থ: কোন ব্যক্তির প্রতি অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ করে বা অপরাধমূলক বলপ্রয়োগের হুমকি প্রদর্শন করে কোন সম্পত্তির দখল গ্রহণ করা, অথবা কোন ব্যক্তিকে পথের অধিকার ভোগ হতে বঞ্চিত করা অথবা জল ব্যবহারের অধিকার হতে বঞ্চিত করা অথবা তাকে তার দখলে অবস্থিত অপর কোন অশরীরী অধিকার থেকে বঞ্চিত করা অথবা কোন অধিকার বা কল্পিত অধিকার প্রতিষ্টা করা; কিংবা

পঞ্চম: অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করে বা অপরাধমূলক বল প্রয়োগের হুমকি প্রদর্শন করে কোন ব্যক্তিকে সে আইনতঃ বাধ্য নয় এমন একটি কার্য সম্পাদনে বাধ্য করা অথবা যে কার্যটি করতে সে আইনত বাধ্য বা অধিকারী তা সম্পাদন হতে বিরত করা।

ব্যাখ্যা: যে সমাবেশ, সমাবিষ্ট হওয়াকালে বেআইনী ছিল না তা পরে বেআইনী সমাবেশ হতে পারে।

.
বিচার বিভাগীয় কার্যক্রম বহির্ভূত অন্যান্য ক্ষেত্রে ইচ্ছাকৃত মিথ্যা সাক্ষ্য দেয়ার সর্বোচ্চ শাস্তি কত?
  1. ১ বছর কারাদণ্ড
  2. ২ বছর কারাদণ্ড
  3. ৩ বছর কারাদণ্ড
  4. ৫ বছর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

দণ্ডবিধির ১৯৩ ধারা- মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়ার শাস্তি:
কোন ব্যক্তি যদি কোন বিচার বিভাগীয় কার্যক্রমের যে কোন পর্যায়ে ইচ্ছাপূর্বক মিথ্যা সাক্ষ্যদান ব্যবহার করার জন্য ইচ্ছাপূর্বক মিথ্যা সাক্ষ্য তৈরি করে, তবে সে ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং এতদ্ব্যতীত তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে; এবং

কোন ব্যক্তি যদি অপর কোন ক্ষেত্রে ইচ্ছাপূর্বক মিথ্যা সাক্ষ্য দান করে বা তৈরি করে, তবে সে ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে।

ব্যাখ্যা (Explanation)
১- সামরিক আদালত (Court-martial) সংঘটিত বিচারও একটি বিচার বিভাগীয় কার্যক্রম।
২- কোন আদালতের কোন কার্যক্রম শুরু হওয়ার পূর্বে আইনের নির্দেশানুগ প্রারম্ভিক তদন্ত ও বিচারবিভাগীয় কার্যক্রমের একটি পর্যায় যদিও সে তদন্ত কোন আদালতে সংঘটিত নাও হতে পারে।
৩- কোন আদালত দ্বারা আইনানুসারে নির্দেশিত এবং কোন আদালতের ক্ষমতানুসারে পরিচালিত কোন তদন্ত বিচারবিভাগীয় কার্যক্রমের একটি পর্যায় যদিও সে তদন্ত কোন আদালতে সংঘটিত নাও হতে পারে।

উদাহরণ: 
জমির সীমানা অকুস্থলে নির্ণয়কল্পে কোন আদালত দ্বারা প্রেরিত কর্মচারীর বা অফিসারের সম্মুখে সম্পাদিত তদন্তে ক শপথ গ্রহণান্তর এমন একটি বিবৃতি দান করে, যা সে মিথ্যা বলে জানে। যেহেতু উক্ত তদন্তটি একটি বিচারবিভাগীয় কার্যক্রমেরই একটি পর্যায়, সেহেতু ক মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদান করেছে বলে অভিহিত হবে।

.
অপরাধটি যদি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়, তবে অপরাধীকে আশ্রয়দানকারীর সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
  2. ৩ বছর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
  3. ৫ বছর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
  4. ৭ বছর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ২১২ ধারার বিধান- অপরাধীকে আশ্রয় দেওয়া, অপরাধটি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় হইলে:
কোন অপরাধ অনুষ্ঠিত হওয়ার পর কোন ব্যক্তি যদি কাউকে দোষী বলে জ্ঞাত করা থাকা সত্ত্বেও অথবা সে দোষী বলে বিশ্বাস করার কারণ থাকা সত্ত্বেও তাকে আইনের সাজা হতে বাঁচাবার উদ্দেশ্যে লুকিয়ে রাখে বা আশ্রয়দান করে, সেক্ষেত্রে-

- দোষী ব্যক্তি যদি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়:-
যদি অপরাধটি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়, তবে সে ব্যক্তি পাঁচ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে।

- দোষী ব্যক্তি যদি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড অথবা কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়:-
যদি অপরাধটি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে কিংবা দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়, তবে সে ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে।
যদি অপরাধটি এক বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হয় এবং দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় না হয়, তবে সে ব্যক্তি সে অপরাধটির জন্য বিহিত প্রকারের কারাদণ্ডের দীর্ঘতম মেয়াদের এক-চতুর্থাংশ পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে অথবা অর্থ দণ্ডে দণ্ডিত হবে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

অত্র ধারার অপরাধ বলতে বাংলাদেশের মধ্যে যে কাজ অনুষ্ঠিত হলে তা ৩০২, ৩০৪, ৩৮২, ৩৯২, ৩৯৩, ৩৯৪, ৩৯৫, ৩৯৬, ৩৯৭, ৩৯৮, ৩৯৯, ৪০২, ৪৩৫, ৪৩৬, ৪৪৯, ৪৫০, ৪৫৭, ৪৫৮, ৪৫৯ এবং ৪৬০ ধারায় যে কোনটি অনুযায়ী দণ্ডনীয় হত, তা বাংলাদেশের বাইরে যেকোন স্থানে অনুষ্ঠিত হলে তাকেও বুঝাবে এবং অনুরূপ যেকোন কাজ যেন অভিযুক্ত ব্যক্তি বাংলাদেশের অভ্যন্তরেই সংঘটনের জন্য দোষী সাব্যস্ত হয়েছে, এমনভাবেই দণ্ডনীয় বলে পরিগণিত হবে।

ব্যতিক্রম:- দোষী ব্যক্তির স্বামী বা স্ত্রী অনুরূপ আশ্রয়দান করলে বা লুকিয়ে রাখলে তখন এই বিধান প্রয়োগযোগ্য হবে না।

.
'নির্বাচন প্রার্থী' এবং 'নির্বাচনী অধিকার' এর সংজ্ঞা দণ্ডবিধির কত ধারায় দেয়া আছে?
  1. ১৭০ ধারা
  2. ১৭০ক ধারা
  3. ১৭১ ধারা
  4. ১৭১ক ধারা
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ১৭১ক ধারার বিধান- 'নির্বাচন প্রার্থী', 'নির্বাচনী অধিকার' এর সংজ্ঞা :
এই অধ্যায়ের উদ্দেশ্যসমূহের পরিপ্রেক্ষিতে-
(ক) 'নির্বাচন প্রার্থী' বলতে কোন নির্বাচনের প্রার্থী হিসেবে মনোনীত ব্যক্তিকে বুঝাবে এবং যে ব্যক্তি কোন নির্বাচনের জল্পনা-কল্পনা চলাকালে উহাতে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে নিজেকে প্রতিভাত করেন সে ব্যক্তিকেও বুঝাবে। তবে সে ব্যক্তিকে পরে অনুরূপ নির্বাচনে প্রার্থী হিসেবে মনোনীত হতে হবে;

(খ) 'নির্বাচনী অধিকার' বলতে কোন ব্যক্তির কোন নির্বাচনে প্রার্থী হিসেবে দাঁড়াবার অথবা না দাঁড়াবার অথবা প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হতে নাম প্রত্যাহার করার অথবা ভোট দেওয়ার অথবা ভোটদান হতে বিরত থাকার অধিকার বুঝায়।

.
কোন পরিস্থিতিতে ধারা ১৭৭ অনুযায়ী সাজা দেওয়া হয়?
  1. সংবাদমাধ‍্যমে ভুল তথ্য প্রকাশ করলে
  2. ব্যক্তিগত বিবাদে মিথ্যা অভিযোগ করলে
  3. আদালতে মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়া হলে
  4. সরকারী কর্মচারীকে মিথ্যা তথ্য দিলে
ব্যাখ্যা

দণ্ডবিধির ১৭৭ ধারা- মিথ্যা তথ্য পরিবেশন:
কোন ব্যক্তি যদি কোন সরকারী কর্মচারীর নিকট, তিনি সরকারী কর্মচারী বলেই, কোন বিষয়ে তথ্য দিতে আইনত: বাধ্য হয়ে, সে বিষয়টির উপর সত্য বলে এমন কোন তথ্য পরিবেশন করে যা মিথ্যা বলে সে জানে বা যা মিথ্যা বলে বিশ্বাস করার তার কারণ রয়েছে, তবে সে ব্যক্তি ছয় মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা এক হাজার টাকা পর্যন্ত যে কোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে;

অথবা, উক্ত ব্যক্তি যে তথ্য দিতে আইনত বাধ্য, তা যদি কোন অপরাধের সংঘটন বিষয়ক হয়, বা কোন অপরাধের সংঘটন নিরোধের জন্য আবশ্যকীয় হয়, বা কোন অপরাধীকে গ্রেফতার করার জন্য আবশ্যকীয় হয়, তবে সে ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

১০.
If an innocent person is convicted and executed as a result of false evidence, the highest punishment for giving or fabricating such false evidence is-
  1. Death
  2. Imprisonment for life only
  3. Rigorous imprisonment up to 10 years only
  4. Rigorous imprisonment up to 7 years only
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ১৯৪ ধারা মতে, মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করার উদ্দেশ্যে মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদান বা মিথ্যা সাক্ষ্য উদ্ভাবনের ২ ধরনের শাস্তি হতে পারে। যথা-
(i) কোন আসামিকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করার জন্য মিথ্যা সাক্ষ্য দেয়ার পরও অথবা মিথ্যা সাক্ষ্য সৃষ্টি করার পরও উক্ত আসামীর মৃত্যুদণ্ড না হলে বা আসামি খালাস পেলে মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদানকারী যাবজ্জীবন কারাদণ্ড অথবা অনধিক ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবে।
(ii) মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদানের ফলে কোন নির্দোষ লোকের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হলে মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদানকারী মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা অনধিক ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবে

⇒ The Penal Code, 1860-Section 194: Giving or fabricating false evidence with intent to procure conviction of capital offence; if innocent person be thereby convicted and executed:

- Whoever gives or fabricates false evidence, intending thereby to cause, or knowing it to be likely that he will thereby cause, any person to be convicted of an offence which is capital by any law for the time being in force, shall be punished with imprisonment for life, or with rigorous imprisonment for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine;
and if an innocent person be convicted and executed in consequence of such false evidence, the person who gives such false evidence shall be punished either with death or the punishment herein before described.

১১.
রফিক একজন মুদি দোকানি। সে জেনে-বুঝে এমন একটি পাল্লা ব্যবহার করে যা কম ওজন দেখায়, যাতে ক্রেতাদের কাছ থেকে বেশি টাকা আদায় করা যায়। এক্ষেত্রে রফিক দণ্ডবিধির ২৬৪ ধারায় দোষী সাব্যস্ত হলে সর্বোচ্চ কী শাস্তি হতে পারে?
  1. শুধু অর্থদণ্ড
  2. ৬ মাস কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়ই
  3. ১ বছর কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়ই
  4. ২ বছর কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়ই
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ২৬৪ ধারা- ওজনের জন্য প্রতারণামূলকভাবে মিথ্যা যন্ত্র ব্যবহার করা:
কোন ব্যক্তি যদি প্রতারণামূলকভাবে ওজনের জন্য এমন কোন যন্ত্র ব্যবহার করে, যা মিথ্যা বলে সে জানে, তবে-সেই ব্যক্তি এক বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থদণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

⇒ The Penal Code, 1860- Section 264- Fraudulent use of false instrument for weighing:
Whoever fraudulently uses any instrument for weighing which he knows to be false, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to one year, or with fine, or with both.

১২.
দণ্ডবিধির কত ধারায় বাংলাদেশি মুদ্রার সংজ্ঞা দেয়া আছে?
  1. ২২৯ ধারায়
  2. ২৩০ ধারায়
  3. ২৩১ ধারায়
  4. ২৩২ ধারায়
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ২৩০ ধারার বিধান: 'মুদ্রার' সংজ্ঞা:
বর্তমানে অর্থরূপে ব্যবহৃত এবং অনুরূপে ব্যবহৃত হওয়ার জন্য কোন রাষ্ট্রে বা সার্বভৌম শক্তির ক্ষমতাধীনে স্ট্যাম্পযুক্ত ও ইস্যুকৃত ধাতব দ্রব্যকে মুদ্রা বলে।

- বাংলাদেশি মুদ্রা:
 বাংলাদেশি মুদ্রা বলতে বাংলাদেশের সরকারের ক্ষমতাধীন অর্থরূপে ব্যবহারের জন্য স্ট্যাম্পযুক্ত ও ইস্যুকৃত ধাতবদ্রব্য বুঝাবে; এবং অর্থরূপে, ব্যবহার রহিত হওয়া সত্ত্বেও এই অধ্যায়ের উদ্দেশ্যাবলীর দিক হতে অনুরূপভাবে স্ট্যাম্পযুক্ত ও ইস্যুকৃত ধাতবদ্রব্য বাংলাদেশি মুদ্রা বলে পরিচিত হবে।


উদাহরণ:

(ক) কড়ি (কাউরি) মুদ্রা নয়।
(খ) স্ট্যাম্পবিহীন তামার টুকরো, যদিও তা অর্থরূপে ব্যবহৃত হয়, মুদ্রা নয়।
(গ) মেডেল মুদ্রা নয়, কারণ সেগুলো অর্থরূপে ব্যবহারের উদ্দেশ্যে তৈরি করা হয় না।
(ঘ) কোম্পানির টাকা নামে পরিচিত মুদ্রা রানির মুদ্রা।
(ঙ) "ফরুখাবাদ" টাকা, যা পূর্বে ভারত সরকারের কর্তৃত্বে অর্থরূপে ব্যবহৃত হতো, তা বাংলাদেশি মুদ্রা হিসেবেই গণ্য হবে, যদিও তা এখন আর ব্যবহৃত হয় না।

১৩.
একজন বিক্রেতা পচা ফল খাদ্য হিসেবে বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে দোকানে সাজিয়ে রাখে, যদিও সে জানে ফলগুলো খাওয়ার অনুপযুক্ত। দণ্ডবিধির ২৭৩ ধারায় সর্বোচ্চ কী শাস্তি হতে পারে?
  1. ৩ মাস কারাদণ্ড বা ১০০০ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয়ই
  2. ৬ মাস কারাদণ্ড বা ১০০০ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয়ই
  3. ১ বছর কারাদণ্ড বা ১০০০ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয়ই
  4. ৩ বছর কারাদণ্ড বা ১০০০ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয়ই
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ২৭৩ ধারার বিধান: ক্ষতিকর খাদ্য বা পানীয় বিক্রয়:
কোন ব্যক্তি যদি এমন কোন দ্রব্য, খাদ্য বা পানীয় হিসেবে বিক্রয় করে, প্রদান করে বা বিক্রয়ার্থে উপস্থাপন করে, যা ক্ষতিকর করা হয়েছে বা সেরূপ হয়ে গিয়েছে অথবা যা এমন অবস্থায় রয়েছে, যাতে উহা খাদ্য বা পানীয় হিসেবে ব্যবহারের অনুপযুক্ত এবং উহা খাদ্য বা পানীয় হিসেবে স্বাস্থ্যহানিকর জানা সত্ত্বেও বা বিশ্বাস করার কারণ থাকা সত্ত্বেও তা করে, তবে সে ব্যক্তি ছয় মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা এক হাজার টাকা পর্যন্ত যেকোনো পরিমাণ অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

১৪.
ধারা ১৪৮-এর শাস্তি আরোপের প্রধান শর্ত কোনটি?
  1. সরকারি স্থানে হওয়া
  2. মারাত্মক অস্ত্র বহন করা
  3. দশের বেশি সংখ্যক লোক থাকা
  4. প্রকাশ্য স্থানে হওয়া
ব্যাখ্যা

ধারা ১৪৮ – মারাত্মক অস্ত্রসহ দাঙ্গা:
যে ব্যক্তি মারাত্মক অস্ত্র (deadly weapon) বহন করে দাঙ্গার (rioting) অপরাধে দোষী হন, অথবা এমন কোনো বস্তুসহ থাকেন যা অস্ত্র হিসেবে ব্যবহৃত হলে মৃত্যু ঘটানোর সম্ভাবনা থাকে- তিনি সর্বোচ্চ তিন বছর পর্যন্ত যেকোনো ধরনের কারাদণ্ডে (সশ্রম বা বিনাশ্রম), অথবা অর্থদণ্ড, অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন।

The Penal Code, 1860- Section- 148. Rioting, armed with deadly weapon:
Whoever is guilty of rioting, being armed with a deadly weapon or with anything which, used as a weapon of offence, is likely to cause death, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, or with fine, or with both.

১৫.
মারামারির অপরাধে সর্বোচ্চ কত টাকা অর্থদণ্ড হতে পারে?
  1. ১০০ টাকা
  2. ২০০ টাকা
  3. ৫০০ টাকা
  4. ১০০০ টাকা
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ১৫৯ ধারার বিধান- মারামারি:
যদি দুই বা ততোধিক ব্যক্তি কোন প্রকাশ্য স্থানে মারামরি করে শান্তিভঙ্গ করে, তবে তারা "মারামারি” করেছে বলে পরিগণিত হয়।

⇒ দণ্ডবিধির ১৬০ ধারার বিধান- মারামারির শাস্তি:
কোন ব্যক্তি যদি মারামারির অপরাধ সংঘটন করে, তবে সে ব্যক্তি এক মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা একশত টাকা পর্যন্ত যে কোন পরিমাণ অর্থদণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

১৬.
'ক' বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট হতে ইস্যুকৃত একটি নির্দেশ মোতাবেক উক্ত আদালতে উপস্থিত হতে আইনত বাধ্য। কিন্তু সে ইচ্ছাকৃত আদালতে গরহাজির থাকে। 'ক' The Penal Code,1860 এর কোন ধারায় বর্ণিত অপরাধ করেছে?
  1. ১৭২ ধারা
  2. ১৭৪ ধারা
  3. ১৭৬ ধারা
  4. ১৭৭ ধারা
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ১৭৪ ধারার বিধান- সরকারি কর্মচারীর আদেশানুসারে উপস্থিত না হওয়া-
কোন ব্যক্তি সরকারি কর্মচারী হিসেবে আইনত: কোন সমন, বিজ্ঞপ্তি, আদেশ বা ঘোষণা জারি করার ক্ষমতাসম্পন্ন অনুরূপ সরকারি কর্মচারীর নিকট থেকে উদ্ভূত অনুরূপ সমন, বিজ্ঞপ্তি, আদেশ বা ঘোষণার আজ্ঞানুযায়ী স্বয়ং বা প্রতিনিধি মারফত কোন নির্দিষ্ট স্থানে এবং সময়ে হাজির হওয়ার জন্য আইনত বাধ্য হওয়া সত্ত্বেও,- ইচ্ছাকৃত সে স্থানে ও সময়ে উপস্থিত না হয় অথবা যে স্থানে সে উপস্থিত থাকতে বাধ্য সে স্থান হতে যখন তার প্রস্থান করা আইনসম্মত হত তার আগেই প্রস্থান করে, তবে সে ব্যক্তি এক মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা পাঁচশত টাকা পর্যন্ত যে কোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে;

- অথবা সমন, নোটিশ, আদেশ বা ঘোষণাটি যদি স্বয়ং বা প্রতিনিধি, মারফত কোন আদালতে উপস্থিত হওয়ার নির্দেশবাহী হয়ে থাকে, তবে সে ব্যক্তি ছয় মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা এক হাজার টাকা পর্যন্ত যে কোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

উদাহরণ:
(ক) ক বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট হতে ইস্যুকৃত একটি নির্দেশ মোতাবেক উক্ত আদালতে উপস্থিত হতে আইনত বাধ্য। কিন্তু সে ইচ্ছাকৃত আদালতে গরহাজির থাকে। ক এই ধারায় বর্ণিত অপরাধ করেছে।

(খ) ক-কে জনৈক জেলা জজ সাক্ষী হিসেবে উপস্থিত হওয়ার নির্দেশ দিয়ে সমন দিয়েছেন। ক এ সমন মোতাবেক সাক্ষী হিসেবে উক্ত জেলা জজের সম্মুখে উপস্থিত হতে আইনত বাধ্য। কিন্তু ক ইচ্ছাকৃত গরহাজির থাকে। ক এই ধারায় বর্ণিত অপরাধ করেছে।

১৭.
নির্বাচনে অবৈধ প্রভাব বিস্তার বা মিথ্যা পরিচয়দানের জন্য সর্বোচ্চ কত মেয়াদের কারাদণ্ড হতে পারে?
  1. ৬ মাস
  2. ১ বছর
  3. ২ বছর
  4. ৩ বছর
ব্যাখ্যা

- দণ্ডবিধির ১৭১চ ধারার বিধান- নির্বাচনে অবৈধ প্রভাব বিস্তার বা মিথ্যা পরিচয়দানের সাজা :-
কোন ব্যক্তি যদি কোন নির্বাচনে অবৈধ প্রভাব বিস্তার বা মিথ্যা পরিচয়দানের অপরাধ করে, তবে সে ব্যক্তি এক বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

⇒ The Penal Code, 1860- Section 171F. Punishment for undue influence or personation at an election:
Whoever commits the offence of undue influence of personation at an election shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to one year, or with fine, or with both.

১৮.
'সাধারণ উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে অনুষ্ঠিত অপরাধের জন্য বেআইনী সমাবেশে যোগদানকারী প্রত্যেক ব্যক্তিই অপরাধী সাব্যস্ত হবে'- দণ্ডবিধির কত ধারার বিধান?
  1. ১৪৫ ধারা
  2. ১৪৭ ধারা
  3. ১৪৮ ধারা
  4. ১৪৯ ধারা
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ১৪৯ ধারার বিধান- সাধারণ উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে অনুষ্ঠিত অপরাধের জন্য বেআইনী সমাবেশে যোগদানকারী প্রত্যেক ব্যক্তিই অপরাধী সাব্যস্ত হবে:
-যদি কোন বেআইনী সমাবেশে যোগদানকারী ব্যক্তি দ্বারা উক্ত বেআইনী সমাবেশে সাধারণ উদ্দেশ্য পূরণকল্পে কোন অপরাধ অনুষ্ঠিত হয়, অথবা উক্ত সাধারণ উদ্দেশ্য পূরণকল্পে যে অপরাধটি অনুষ্ঠিত হতে পারে বলে উক্ত বেআইনী সামবেশের ব্যক্তিগণ জানত তা অনুষ্ঠিত হয়, তবে উক্ত অপরাধটি অনুষ্ঠিত হওয়ার সময়ে উক্ত বেআইনী সমাবেশে যোগদানকারী প্রত্যেক ব্যক্তি উক্ত অপরাধে অপরাধী হবে।

⇒ The Penal Code, 1860- Section-149. Every member of unlawful assembly guilty of offence committed in prosecution of common object:
- If an offence is committed by any member of an unlawful assembly in prosecution of the common object of that assembly, or such as the members of that assembly knew to be likely to be committed in prosecution of that object, every person who, at the time of the committing of that offence, is a member of the same assembly, is guilty of that offence.

১৯.
দণ্ডবিধির ১৬৩ ধারায় পারিতোষিক গ্রহণের উদ্দেশ্য কোনটি হতে পারে?
  1. সরকারি কাজ করানো বা করা হতে বিরত রাখা
  2. সরকারি দায়িত্ব পালনে অনুগ্রহ বা নিগ্রহ প্রদর্শন
  3. সরকার বা আইনসভা দ্বারা উপকার বা অপকার করানো
  4. উপরোক্ত সকলটি
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ১৬৩ ধারার বিধান- সরকারি কর্মচারীর উপর ব্যক্তিগত প্রভাব প্রয়োগের জন্য পারিতোষিক গ্রহণ:
কোন ব্যক্তি যদি সরকারি কর্মচারীর উপর তার ব্যক্তিগত প্রভাব প্রয়োগ করে উক্ত সরকারি কর্মচারীকে দিয়ে কোন সরকারি কাজ করানোর বা করা হতে বিরত রাখার উদ্দেশ্যে বা পুরস্কার হিসাবে, অথবা সরকারি দায়িত্ব পালনকালে কোন ব্যক্তিকে অনুগ্রহ প্রদর্শন বা নিগ্রহ প্রদর্শন করানোর বা করা হতে বিরত রাখার জন্য, অথবা বাংলাদেশের সরকার বা আইনসভা দ্বারা কিংবা কোন সরকারি কর্মচারী দ্বারা কোন উপকার বা অপকার করানোর জন্য বা তা করানোর চেষ্টায় নিজের বা অপর কোন ব্যক্তির জন্য কারো নিকট থেকে কোনরূপ পারিতোষিক গ্রহণ করে, বা লাভ করে, বা গ্রহণ করতে সম্মত হয়, বা লাভ করতে চেষ্টা করে, তবে সে ব্যক্তি এক বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থদণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

২০.
ধারা ২৬৯-এর অপরাধটি মূলত কোন বিষয়ের বিরুদ্ধে?
  1. ব্যক্তিগত অধিকার
  2. রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা
  3. সম্পত্তির অধিকার
  4. জনস্বাস্থ্য ও মানবজীবনের নিরাপত্তা
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: ঘ) জনস্বাস্থ্য ও মানবজীবনের নিরাপত্তা।

দণ্ডবিধির ২৬৯ ধারা এমন অবহেলামূলক কার্যকে দণ্ডনীয় করে, যার ফলে জীবন বিপন্নকারী মারাত্মক রোগের সংক্রমণ ছড়ানোর সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়। তাই এই অপরাধটি মূলত জনস্বাস্থ্য ও মানবজীবনের নিরাপত্তার বিরুদ্ধে।

⇒ দণ্ডবিধির ২৬৯ ধারার বিধান: জীবন বিপন্নকারী মারাত্মক রোগের সংক্রমণ বিস্তার করতে পারে এবং অবহেলামূলক কার্য:
কোন ব্যক্তি যদি বেআইনিভাবে বা অবহেলামূলকভাবে এমন কোন কার্য করে যা জীবন বিপন্নকারী মারাত্মক কোন রোগের সংক্রমণ ছড়াতে পারে, তা জানা সত্ত্বেও বা বিশ্বাস করার কারণ থাকা সত্ত্বেও তা করে, তবে-সেই ব্যক্তি ছয়মাস পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

২১.
রহিম একটি কল্পিত নাম ব্যবহার করে ভোটদান করে। রহিমের অপরাধটি কোন ধারার অধীনে পড়বে?
  1. ধারা ১৭১ঘ
  2. ধারা ১৭১চ
  3.  ধারা ১৭২
  4. ধারা ১৭৩
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: ক) ধারা ১৭১ঘ।

⇒ দণ্ডবিধির ১৭১ঘ ধারার বিধান- নির্বাচনে মিথ্যা পরিচয় দান:
কোন ব্যক্তি যদি কোন নির্বাচনে অপর কোন জীবিত বা মৃত ব্যক্তির নামে ভোটের কাগজের জন্য প্রার্থনা করে বা অপর কোন জীবিত বা মৃত ব্যক্তির নামে ভোটদান করে বা কোন কল্পিত নামে ভোটের কাগজ প্রার্থনা বা ভোটদান করে অথবা অনুরূপ নির্বাচনে একবার ভোটদানের পর পুনরায় একই নির্বাচনে নিজের নামে ভোটের কাগজ চায় এবং কোন ব্যক্তি যদি অনুরূপ কোন উপায়ে কোন ব্যক্তি দ্বারা ভোটদানে সহায়তা করে বা অনুরূপ কোন উপায়ে কোন ব্যক্তির ভোট সংগ্রহ করে বা সংগ্রহ করার চেষ্টা করে, তবে সে ব্যক্তি নির্বাচনে মিথ্যা পরিচয়দানের অপরাধে অপরাধী হবে।

২২.
ধারা ২৭৪ কোন অপরাধের সাথে সম্পর্কিত?
  1. খাদ্যে ভেজাল দেয়া
  2. ওষুধে ভেজাল দেয়া
  3. ক্ষতিকর পরিবেশ সৃষ্টি করা
  4. জাল দলিল সৃষ্টি করা
ব্যাখ্যা

ধারা ২৭৪ – ওষুধ ভেজালকরণ:
যদি কোনো ব্যক্তি কোনো ওষুধ বা চিকিৎসা-প্রস্তুতিতে এমনভাবে ভেজাল মেশান যাতে ওই ওষুধের কার্যকারিতা কমে যায়, তার স্বাভাবিক কার্যক্ষমতা পরিবর্তিত হয়, কিংবা সেটি মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর বা বিষাক্ত হয়ে ওঠে, তবে তা অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে। এ ধরনের ভেজাল মেশানোর উদ্দেশ্য থাকতে পারে—ওষুধটি যেন ভেজালযুক্ত না বলে ধরে নিয়ে বিক্রি হয় বা চিকিৎসার কাজে ব্যবহৃত হয়; কিংবা ভেজাল থাকার পরও সেটি চিকিৎসা কাজে ব্যবহৃত হওয়ার সম্ভাবনা ব্যক্তি জানেন। অর্থাৎ, ভেজাল যুক্ত থাকা সত্ত্বেও ওষুধকে বিশুদ্ধ পণ্য হিসেবে ব্যবহার বা বিক্রির অভিপ্রায় থাকলে এই ধারা প্রযোজ্য হয়।

এই অপরাধে দোষী হলে সর্বোচ্চ ছয় মাস পর্যন্ত যেকোনো ধরনের কারাদণ্ড (সশ্রম বা বিনাশ্রম) অথবা সর্বোচ্চ এক হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানা, কিংবা উভয় দণ্ড আরোপ করা যেতে পারে। ধারা ২৭৪ মূলত জনস্বাস্থ্য ও জননিরাপত্তা সুরক্ষার উদ্দেশ্যে প্রণীত, কারণ ওষুধে ভেজাল মেশানো মানুষের জীবন ও চিকিৎসার উপর গুরুতর ঝুঁকি সৃষ্টি করতে পারে।

২৩.
দণ্ডবিধির ২৮০ ধারার ক্ষেত্রে কোনটি অপরিহার্য নয়?
  1. নৌযান চালানো
  2. মানুষের মৃত্যু
  3. অবহেলা বা বেপরোয়া আচরণ
  4. জীবন বিপন্ন হওয়ার আশঙ্কা
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: খ) মানুষের মৃত্যু।

দণ্ডবিধির ২৮০ ধারায় অপরাধ সংঘটিত হওয়ার জন্য মানুষের মৃত্যু হওয়া অপরিহার্য নয়। বরং নৌযান বেপরোয়াভাবে বা অবহেলায় চালানোর ফলে মানুষের জীবন বিপন্ন হওয়া বা আঘাতের আশঙ্কা সৃষ্টি হওয়াই যথেষ্ট।

দণ্ডবিধির ২৮০ ধারা- বেপরোয়াভাবে নৌযান চালনা:
কোন ব্যক্তি যদি এমন বেপরোয়াভাবে বা অবহেলার সাথে কোন নৌযান চালনা করে, যার কারণে কোন মানুষের জীবন বিপদাপন্ন হয় অথবা অপর কোন ব্যক্তির আঘাত লাগার বা জখম হওয়ার আশঙ্কা দেখা দেয়, তবে সে ব্যক্তি ছয় মাস পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা এক হাজার টাকা পর্যন্ত যেকোন পরিমাণের অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

⇒ The Penal Code, 1860- Section 280. Rash navigation of vessel:
Whoever navigates any vessel in a manner so rash or negligent as to endanger human life, or to be likely to cause hurt or injury to any other person, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to six months, or with fine which may extend to one thousand taka, or with both.

২৪.
যদি মিথ্যা অভিযোগটি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধ সম্পর্কে হয়, তবে সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  2. ৭ বছর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
  3. ৫ বছর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
  4. ৩ বছর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ২১১ ধারা বিধান- ক্ষতিসাধনের উদ্দেশ্যে অপরাধ বিষয়ক মিথ্যা অভিযোগ উত্থাপন:
কোন ব্যক্তি যদি অন্য কোন ব্যক্তিকে ক্ষতিসাধনের জন্য উক্ত অন্য ব্যক্তির বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা রুজু করার বা অপরাধ সংঘটনের অভিযোগ উত্থাপন করার কোন সংগত বা আইনানুগ যুক্তি নাই বলে জানা সত্ত্বেও উক্ত অন্য ব্যক্তির বিরুদ্ধে কোন ফৌজদারি মামলা রুজু করে বা অনুরূপ মামলা রুজু করায়, কিংবা উক্ত অন্য ব্যক্তির কোন অপরাধ করেছে বলে মিথ্যা অভিযোগ উত্থাপন করে, তবে সে ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা উভয় দণ্ডেই দণ্ডিত হবে;

এবং যদি অনুরূপ ফৌজদারি মামলায়, মৃত্যুদণ্ডে, যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে, কিংবা সাত বৎসর বা তদূর্ধ্ব মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় কোন অপরাধ সংঘটনের মিথ্যা অভিযোগ রুজু করা হয়, তবে সে ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং এতদ্‌ব্যতীত তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে।

২৫.
Section 215 of the Penal Code deals with-
  1. Receiving stolen property
  2. Harbouring an offender
  3. Taking gift to help recover stolen property
  4. Taking gift to help recover personal property
ব্যাখ্যা

⇒ The Penal Code, 1860-Section 215. Taking gift to help to recover stolen property, etc:
Whoever takes or agrees or consents to take any gratification under pretence or on account of helping any person to recover any moveable property of which he shall have been deprived by any offence punishable under this Code, shall, unless he uses all means in his power to cause the offender to be apprehended and convicted of the offence, be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.

⇒ দণ্ডবিধির ২১৫ ধারার বিধান: চোরাই সম্পত্তি ইত্যাদি উদ্ধারে সহায়তা করার জন্য উপহার গ্রহণ করা:
কোন ব্যক্তি এই বিধি বলে দণ্ডনীয় কোন অপরাধহেতু যে সম্পত্তি হতে বঞ্চিত হয়েছে তাকে সে সম্পত্তি উদ্ধারে সহায়তার ভান করে বা সহায়তা করার জন্য যদি কেউ কোন পারিতোষিক গ্রহণ করে কিংবা গ্রহণ করতে স্বীকৃত বা সম্মত হয়, তবে সে যদি না অপরাধীকে গ্রেফতার ও অপরাধের জন্য দণ্ডিত করানোর জন্য তার সাধ্যায়ও সকল ব্যবস্থা গ্রহণ করে, তবে সে ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

২৬.
'ক' এবং তার বন্ধুরা জনসাধারণের রাস্তার উপর গাড়ির রেস করছিলেন। সে কাউকে ধাক্কা না দিলেও রাস্তার মানুষজন আতঙ্কিত হয়ে পড়ে এবং তাদের জীবন বিপন্ন হওয়ার আশঙ্কা করে। এক্ষেত্রে, 'ক' এবং তার বন্ধুদের সর্বোচ্চ শাস্তি কী হতে পারে?
  1. ৩ বছর কারাদণ্ড
  2. ৫ বছর কারাদণ্ড
  3. ৭ বছর কারাদণ্ড
  4. ১০ বছর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

ধারা ২৭৯- জনসাধারণের পথে বেপরোয়া বা অবহেলাপূর্ণ গাড়ি চালানো:
যে ব্যক্তি জনসাধারণের রাস্তায় কোনো যানবাহন চালায় বা আরোহী অবস্থায় চালনা করে এবং এমনভাবে পরিচালনা করে যে তা বেপরোয়া বা অবহেলাপূর্ণ চালনার মধ্যে পড়ে, এবং যার ফলে মানবজীবন বিপন্ন হওয়ার আশঙ্কা থাকে বা অন্য কারো আঘাত বা ক্ষতির সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়—তাকে এই ধারার অধীনে দণ্ডিত করা হবে।

এখানে “বেপরোয়া চালনা” বলতে এমন চালনাকে বোঝানো হয়েছে যা সাধারণ নিরাপত্তাবোধের বিরুদ্ধে এবং যার মাধ্যমে অন্যের জীবন ও নিরাপত্তা ঝুঁকিতে পড়ে। একইভাবে “অবহেলাপূর্ণ চালনা” বলতে এমন চালনাকে বোঝায় যা চালকের অসতর্কতা বা দায়িত্বহীনতার কারণে ঘটে এবং যার ফলে দুর্ঘটনার ঝুঁকি থাকে।

এই অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হলে সর্বোচ্চ তিন বছর পর্যন্ত যেকোনো ধরনের কারাদণ্ড (সশ্রম বা বিনাশ্রম), অথবা সর্বনিম্ন এক হাজার টাকা থেকে সর্বোচ্চ পাঁচ হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানা, অথবা উভয় দণ্ড প্রদান করা হতে পারে।

ব্যাখ্যা- কেউ যদি জনসাধারণের রাস্তায় আইন দ্বারা নির্ধারিত গতিসীমা অতিক্রম করে যানবাহন চালায়, তবে তাকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে এই ধারার উদ্দেশ্যে বেপরোয়া বা অবহেলাপূর্ণভাবে গাড়ি চালানো হয়েছে বলে গণ্য করা হবে।

২৭.
সরকারি স্ট্যাম্প জালকরণের সর্বোচ্চ কী শাস্তির বিধান রয়েছে?
  1. মৃত্যুদণ্ড
  2. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  3. ১০ বছর কারাদণ্ড
  4. ৭ বছর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ২৫৫ ধারা- সরকারি স্ট্যাম্প জাল করণ:
কোন ব্যক্তি যদি সরকার দ্বারা রাজস্বের উদ্দেশ্যে প্রবর্তিত কোন স্ট্যাম্প জাল করে বা জ্ঞাতসারে অনুরূপ কোন স্ট্যাম্প জাল করার প্রক্রিয়ার অংশ বিশেষ সম্পাদন করে, তবে সে ব্যক্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তাকে অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

ব্যাখ্যা:- এক মূল্যের খাঁটি স্ট্যাম্পকে কোন ব্যক্তি যদি দেখতে অপর মূল্যের খাঁটি স্ট্যাম্পের মত করে লয়, তবে সে ব্যক্তি এই অপরাধ অনুষ্ঠান করে বলে পরিগণিত হবে।

২৮.
To be liable under Section 143, a person must-
  1. Use force in the assembly
  2. Commit an offence during the assembly
  3. Be a member of an unlawful assembly
  4. Organize the unlawful assembly
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: C. Be a member of an unlawful assembly

দণ্ডবিধির ১৪৩ ধারা অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তিকে শাস্তিযোগ্য হতে হলে তার অপরাধটি শুধু একটি—সে যেন বেআইনি সমাবেশের সদস্য হয়। এখানে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো:
- ব্যক্তিকে বলপ্রয়োগ করতে হবে না;
- তাকে অপরাধ সংঘটন করতেই হবে না;
- সমাবেশটি সে আয়োজন করেছে কিনা, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ নয়।

⇒ শুধুমাত্র বেআইনি সমাবেশের সদস্য হওয়াই এই ধারা অনুযায়ী অপরাধ।

দণ্ডবিধির ১৪৩ ধারার বিধান- বেআইনী সমাবেশের সদস্য হওয়ার শাস্তি:
কোনো ব্যক্তি যদি বেআইনী সমাবেশের সদস্য হয়, তবে তাকে ছয় মাস পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থদণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত করা যাবে।

⇒ Section 143- Punishment:
Whoever is a member of an unlawful assembly, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to six months, or with fine, or with both.

২৯.
প্রাণীর প্রতি অবহেলার কারণে মানবজীবন বিপন্ন হলে সর্বোচ্চ কারাদণ্ড কত?
  1. ৩ মাস
  2. ৬ মাস
  3. ১ বছর
  4. ২ বছর
ব্যাখ্যা

ধারা ২৮৯ – প্রাণীর প্রতি অবহেলার কারণে মানবজীবন বিপন্ন করা:
যে ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে বা অবহেলার কারণে তার দখলে থাকা কোনো প্রাণীর ক্ষেত্রে এমন ব্যবস্থা গ্রহণ না করে, যা মানবজীবনের সম্ভাব্য বিপদ বা গুরুতর আঘাতের সম্ভাব্য বিপদ রোধ করার জন্য প্রয়োজনীয়, তাহলে তিনি দোষী বলে গণ্য হবেন।

শাস্তি:
- সর্বোচ্চ ৬ মাস পর্যন্ত যেকোনো ধরনের কারাদণ্ড (সশ্রম বা বিনাশ্রম), অথবা
- সর্বোচ্চ এক হাজার টাকা জরিমানা, অথবা
- উভয় দণ্ড।

৩০.
দাঙ্গা দমনকালে সরকারি কর্মচারীকে আক্রমণ বা বাধাদান করা- দণ্ডবিধির কত ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ?
  1. ১৫০ ধারা
  2. ১৫১ ধারা
  3. ১৫২ ধারা
  4. ১৫৩ ধারা
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধির ১৫২ ধারার বিধান: দাঙ্গা ইত্যাদি দমনকালে সরকারি কর্মচারীকে আক্রমণ বা বাধাদান করা:
কোন সরকারি কর্মচারী অনুরূপ সরকারি কর্মচারী হিসেবে তাঁর কর্তব্য সম্পাদন উদ্দেশ্যে একটি অবৈধ সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করার অথবা দাঙ্গা দমন করার প্রচেষ্টাকালে কোন ব্যক্তি যদি তাকে আক্রমণ করে অথবা আক্রমণ করার হুমকি প্রদর্শন করে, অথবা বাধাদান করে বা বাধাদান করার চেষ্টা করে, অথবা অনুরূপ সরকারি কর্মচারীর প্রতি অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ করে বা করার হুমকি প্রদর্শন করে বা চেষ্টা করে, তবে সে ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডে দণ্ডিত হবে।