পরীক্ষা আর্কাইভ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

পরীক্ষাডেইলি কুইজ [২০০ দিন]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়09 minutes বৈধ · অসম্পূর্ণ
মোট প্রশ্ন
সিলেবাস
[For iPad Mania (Season - 2)] --------------------------- বিষয় - সাধারণ বিজ্ঞান টপিক - ভৌত বিজ্ঞান: রসায়ন বিজ্ঞান বিষয়ক [মৌলিক কণা, ধাতব পদার্থ এবং তাদের যৌগসমূহ, পদার্থের দ্রবণ ধর্ম ও দ্রাব্যতা, সাবানের কাজ, অধাতব পদার্থ, জারণ-বিজারণ, ব্যাপন, অভিস্রবণ, প্রস্বেদন, তড়িৎ কোষ, অজৈব ও জৈব যৌগ, পলিমার।] উৎস: ষষ্ঠ থেকে মাধ্যমিক শ্রেণির বিজ্ঞান বোর্ড বই, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শ্রেণির রসায়ন বিজ্ঞান বোর্ড বই [NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়], ব্রিটানিকা, যেকোনো গাইডবই। [গাইড বই থেকে পড়ার ক্ষেত্রে কনফিউজিং বিষয়গুলো ক্রসচেক করে পড়া উত্তম।]।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন] · তারিখ অনির্ধারিত · প্রশ্ন

.
ঘনমাত্রা অনুযায়ী দ্রবণকে কত ভাগে ভাগ করা হয়?
  1. ৫ ভাগে
  2. ২ ভাগে
  3. ৩ ভাগে
  4. ৪ ভাগে
ব্যাখ্যা
দ্রবণের শ্রেণিবিভাগ:
- ঘনমাত্রা অনুযায়ী দ্রবণকে তিন ভাগে ভাগ করা হয়।
যেমন-

• সম্পৃক্ত দ্রবণ:
- কোনো নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় নির্দিষ্ট পরিমাণ দ্রাবকে সর্বাধিক দ্রব দ্রবীভূত হয়ে যে দ্রবণ উৎপন্ন করে তাকে ঐ নির্দিষ্ট তাপমাত্রার সম্পৃক্ত দ্রবণ বলা হয়।
- এ অবস্থায় দ্রবণে অতিরিক্ত দ্রব যোগ করলেও দ্রবণের ঘনমাত্রার কোনো পরিবর্তন ঘটে না।

• অসম্পৃক্ত দ্রবণ:
- কোনো নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় নির্দিষ্ট পরিমাণ দ্রাবকে সর্বাধিক যে পরিমাণ দ্রব দ্রবীভূত হতে পারে তার চেয়ে কম পরিমাণ দ্রব দ্রবণে উপস্থিত থাকলে তাকে অসম্পৃক্ত দ্রবণ বলা হয়।
- অসম্পৃক্ত দ্রবণে অতিরিক্ত দ্রব যোগ করলে দ্রবণের ঘনমাত্রা বেড়ে যায়।

• অতিপৃক্ত দ্রবণ:
- কোনো নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় কোনো নির্দিষ্ট পরিমাণ দ্রাবকে সর্বাধিক যে পরিমাণ দ্রব দ্রবীভূত থাকতে পারে যদি কোনো বিশেষ কারণে দ্রবণে আরও অতিরিক্ত দ্রব দ্রবীভূত থাকে তবে ঐ দ্রবণকে অতিপৃক্ত দ্রবণ বলা হয়।
- অতিপৃক্ত দ্রবণ অস্থায়ী প্রকৃতির হয়।

তথ্যসূত্র - রসায়ন প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
স্বল্পমাত্রায় দ্রবণীয় দ্রব কোনটি?
  1. NaCl
  2. KCI
  3. NaNO3
  4. AgBr
ব্যাখ্যা
• স্বল্প দ্রবণীয় দ্রব: 
- এ ধরনের দ্রব দ্রাবকের মধ্যে খুবই সামান্য পরিমাণে দ্রবীভূত হয়ে সম্পৃক্ত দ্রবণ উৎপন্ন করে। 
- সাধারণ তাপমাত্রায় যেসব লবণের দ্রাব্যতা 0.01 গ্রাম অণু/লিটার বা 0-01 molL-1 এর চেয়ে কম তাদের স্বল্প দ্রবণীয় দ্রব বলা হয়। 
- যেমন- সিলভার ক্লোরাইড (AgCl), সিলভার ব্রোমাইড (AgBr), সিলভার আয়োডাইড (Agl), সিলভার কার্বনেট (Ag2CO3), ক্যালসিয়াম কার্বনেট (CaCO3), ক্যালসিয়াম সালফেট (CaSO4), ক্যালসিয়াম অক্সালেট (CaCO4), ক্যালসিয়াম হাইড্রক্সাইড Ca(OH)2, লেড ক্লোরাইড (PbCl2 ) ইত্যাদি স্বল্প দ্রবণীয় দ্রব।

• অতিমাত্রায় দ্রবণীয় দ্রব: 
- বেশ কিছু দ্রব আছে যারা পানিতে সম্পূর্ণভাবে দ্রবীভূত হয়ে যায়। 
- এদের দ্রাব্যতা গুণ অনেক বেশি হওয়ায় এরা দ্রবণে সম্পূর্ণভাবে আয়নিত অবস্থায় থাকে। 
- এ জাতীয় দ্রবের আণবিক অবস্থা ও আয়নিক অবস্থার মধ্যে কোনো সাম্যাবস্থা বিরাজ করে না। 
- যেমন- সোডিয়াম ক্লোরাইড (NaCl), সোডিয়াম নাইট্রেট (NaNO3), পটাশিয়াম ক্লোরাইড (KCI), পটাশিয়াম নাইট্রেট (KNO3), অ্যামোনিয়াম ক্লোরাইড (NH4Cl), অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট (NH4NO3) ইত্যাদি অতিমাত্রায় দ্রবণীয় দ্রব। 

তথ্যসূত্র - রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
নিচের কোনটি জৈব যৌগ নয়?
  1. কস্টিক সোডা
  2. প্রোপিন
  3. পেন্টাইন
  4. বেনজিন
ব্যাখ্যা
• জৈব যৌগ:
- কার্বন ও হাইড্রোজেন দ্বারা গঠিত যৌগসমূহকে হাইড্রোকার্বন বলা হয়।
- এই হাইড্রোকার্বন ও এদের জাতসমূহকে বলা হয় জৈব যৌগ।
- মিথেন, ইথেন, বেনজিন, ইউরিয়া, প্রোপিন, পেন্টাইন ইত্যাদি।

• অজৈব যৌগসমূহ:
- পানি, খাবার লবণ, খাবার সোডা, কাপড় কাচার সোডা, কস্টিক সোডা, চুন, মরিচা ইত্যাদি।

তথ্যসূত্র - রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
.
নিচের কোনটি ধাতব খনিজ পদার্থ?
  1. Quartz
  2. NaCl
  3. Au
  4. Mica
ব্যাখ্যা
ধাতব খনিজ পদার্থ:
- পৃথিবীর অধিকাংশই খনিজই মাটি কিংবা শিলা থেকে পাওয়া খনিজ পদার্থ যার বেশিরভাগ খনিজ পদার্থই কঠিন অবস্থায় পাওয়া যায়।
- এখন পর্যন্ত প্রকৃতিতে প্রায় ২৫০০ রকমের খনিজ পদার্থ খনিজ পদার্থ ধাতব কিংবা অধাতব দুটোই হতে পারে পাওয়া গেছে।

• ধাতব খনিজ:
- ধাতব খনিজ পদার্থের মধ্যে অন্যতম হলো: লোহা (Fe), তামা (Cu), সোনা (Au), রূপা (Ag)।

• অধাতব খনিজ:
- অধাতব খনিজ পদার্থের মধ্যে রয়েছে কোয়ার্টজ (Quartz), মাইকা (Mica) কিংবা খনিজ লবণ (NaCl) আবার গ্যাস, কয়লা, পেট্রোল এগুলোকে জৈব খনিজ পদার্থ বলে।

তথ্যসূত্র - বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
.
কোন প্রক্রিয়ায় হালকা ঘনত্বের দ্রবণ হতে পানি অধিক ঘনত্বের দ্রবণের দিকে প্রবাহিত হয়?
  1. শ্বসন
  2. অভিস্রবণ
  3. ব্যাপন
  4. প্রস্বেদন
ব্যাখ্যা
অভিস্রবণ:

- অভিস্রবণ প্রক্রিয়ায় হালকা ঘনত্বের দ্রবণ হতে পানি অধিক ঘনত্বের দ্রবণের দিকে প্রবাহিত হয়।
- দুটি ভিন্ন ঘনত্বের দ্রবণ একটি অর্ধভেদ্য পর্দা দ্বারা পাশাপাশি পৃথক থাকলে দ্রাবক অণুর কম ঘনত্বের দ্রবণ থেকে অধিক ঘনত্বের দ্রবণের দিকে পর্দা অতিক্রম করে প্রবেশ করার প্রক্রিয়াকে অভিস্রবণ বলে।
- এ প্রক্রিয়া ততক্ষণ পর্যন্ত চলতে থাকবে যতক্ষণ পর্যন্ত দুটি দ্রবণের ঘনত্ব সমান না হবে।
- অভিস্রবণ একটি ভৌত প্রক্রিয়া, কিন্তু উদ্ভিদের ক্ষেত্রে প্রোটোপ্লাজমের নিয়ন্ত্রণে ঘটে বলে এটি একটি জৈব প্রক্রিয়া।
- অভিস্রবণ প্রক্রিয়ায় উদ্ভিদ মাটি হতে পানি শোষণ করে।
- অভিস্রবণ প্রক্রিয়ায় উদ্ভিদের পানি শোষণ বুঝতে হলে, অভিস্রবণ প্রক্রিয়াটি ভালোভাবে জানা প্রয়োজন।
- পানিতে কিসমিস ডুবিয়ে রাখলে কিছুক্ষণের মধ্যেই অভিস্রবণ প্রক্রিয়ায় কিসমিস ফুলে ওঠে।

তথ্যসূত্র - উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
নিচের কোন বিক্রিয়াটি ক্যাথোডে সম্পন্ন হয়?
  1. জারণ বিক্রিয়া
  2. বিজারণ বিক্রিয়া
  3. প্রশমন বিক্রিয়া
  4. সংযোজন বিক্রিয়া
ব্যাখ্যা
বিজারণ:
- জারণ বিক্রিয়ায় ইলেকট্রনের বর্জন ঘটে এবং বিজারণে গ্রহণ হয়।
- যে বিক্রিয়ক ইলেকট্রন গ্রহণ করে তাকে জারক (Oxidant) এবং যে বিক্রিয়ক ইলেকট্রন বর্জন করে তাকে বিজারক (Reductant) বলে।
- জারক অন্যকে জারিত করে এবং নিজে বিজারিত হয়।
- বিজারক অন্যকে বিজারিত করে এবং নিজে জারিত হয়।
- বিজারণ বিক্রিয়া সম্পন্ন হয় ক্যাথোডে।

অন্যদিকে,
- জারণ বিক্রিয়া সম্পন্ন হয় অ্যানোডে।

তথ্যসূত্র - রসায়ন বোর্ড বই, নবম-দশম শ্রেণি।
.
প্রোটনের ক্ষেত্রে কোনটি সত্য?
  1. প্রোটনের ভর হাইড্রোজেনের ভরের চেয়ে বেশি।
  2. আপেক্ষিক আধান -1.
  3. প্রোটনের সংকেত n.
  4. প্রোটন পরমাণুর নিউক্লিয়াস বা কেন্দ্রে থাকে।
ব্যাখ্যা
প্রোটন:

- প্রোটন সকল মৌলের পরমাণুর একটি সাধারণ মূল কণিকা।
- এটি পরমাণুর নিউক্লিয়াস বা কেন্দ্রে থাকে।
- হাইড্রোজেন পরমাণু থেকে একটি ইলেকট্রন অপসারণ করলে যে ধনাত্মক বিদ্যুৎবাহী কণা পাওয়া যায় তাকেই প্রোটন বলা হয়।
- ইহার সংকেত H+
- প্রোটনের ভর প্রায় হাইড্রোজেনের ভরের সমান।
- প্রোটনের আসল ভর ও আধান যথাক্রমে 1.67×10-24g ও 1.60×10-19 C
- প্রোটনের আপেক্ষিক ভর 1 একক।
- প্রোটনের আরেকটি সংকেত P
- আপেক্ষিক আধান +1

তথ্যসূত্র - রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
হাইড্রোজেন বিহীন জৈব যৌগ নয় কোনটি?
  1. গ্যামাক্সিন
  2. ফ্রেয়ন
  3. ইথাইন
  4. পাইরিন
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
হাইড্রোকার্বন:
- হাইড্রোজেন ও কার্বন দ্বারা গঠিত জৈব যৌগসমূহকে হাইড্রোকার্বন বলে।
- জৈব যৌগের মধ্যে সরলতম যৌগ হলো এ হাইড্রোকার্বন।
- হাইড্রোকার্বনের অন্যান্য জাতকসমূহই হচ্ছে সমগোত্রীয় শ্রেণীর বিভিন্ন জৈব যৌগ। 

হাইড্রোজেন বিহীন জৈব যৌগ:
- হেক্সাক্লোরো ইথেন, ফসজিন, ক্লোরোপিক্রিন ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
- ফরমালিন, বিউটিন, ফরমিক এসিড, বিউটেন, পাইরিন, গ্যামাক্সিন, ইথাইন ইত্যাদি বেশিরভাগ জৈব যৌগতেই হাইড্রোজেন উপস্থিত থাকে।

- এছাড়া কিছু কিছু ফ্রেয়নে হাইড্রোজেন থাকতে পারে।

==============
[প্রশ্নটির প্রতিটি অপশনের যৌগে হাইড্রোজেন আছে। তাই প্রশ্নটি বাতিল করা হয়েছে।]

তথ্যসূত্র - উচ্চ মাধ্যমিক রসায়ন বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
.
অতিমাত্রায় দ্রবণীয় দ্রবের ক্ষেত্রে সত্য নয় কোনটি?
  1. এদের দ্রাব্যতা গুণ অনেক বেশি।
  2. দ্রবের আণবিক ও আয়নিক অবস্থার মধ্যে সাম্যাবস্থা বিরাজ করে।
  3. দ্রবণে সম্পূর্ণভাবে আয়নিত অবস্থায় থাকে।
  4. পানিতে সম্পূর্ণভাবে দ্রবীভূত হয়ে যায়।
ব্যাখ্যা
অতিমাত্রায় দ্রবণীয় দ্রব: 

- বেশ কিছু দ্রব আছে যারা পানিতে সম্পূর্ণভাবে দ্রবীভূত হয়ে যায়। 
- এদের দ্রাব্যতা গুণ অনেক বেশি হওয়ায় এরা দ্রবণে সম্পূর্ণভাবে আয়নিত অবস্থায় থাকে। 
- এ জাতীয় দ্রবের আণবিক অবস্থা ও আয়নিক অবস্থার মধ্যে কোনো সাম্যাবস্থা বিরাজ করে না। 
- যেমন- সোডিয়াম ক্লোরাইড (NaCl), সোডিয়াম নাইট্রেট (NaNO3), পটাশিয়াম ক্লোরাইড (KCI), পটাশিয়াম নাইট্রেট (KNO3), অ্যামোনিয়াম ক্লোরাইড (NH4Cl), অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট (NH4NO3 ) ইত্যাদি অতিমাত্রায় দ্রবণীয় দ্রব।

তথ্যসূত্র - রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।