পরীক্ষা আর্কাইভ

GKPedia - বাংলাদেশ বিষয়াবলি

পরীক্ষাGKPedia - বাংলাদেশ বিষয়াবলিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়07 minutes
মোট প্রশ্ন১২
সিলেবাস
"পরীক্ষা – ৪ টপিক: বাংলাদেশের জনসংখ্যা জাতি, গোষ্ঠী ও উপজাতি সংক্রান্ত বিষয়াবলি এবং বাংলাদেশের অর্থনীতি উন্নয়ন পরিকল্পনা, পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা, জাতীয় আয়-ব্যয়, বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচী, দারিদ্র্য বিমোচন কর্মসূচী [Live Class – 5 & 6] ক্লাস মেন্টর: তপন ভট্টাচার্য"
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

GKPedia - বাংলাদেশ বিষয়াবলি

GKPedia - বাংলাদেশ বিষয়াবলি · তারিখ অনির্ধারিত · ১২ প্রশ্ন

.
জনশুমারি ও গৃহগণনা - ২০২২ অনুযায়ী বাংলাদেশে বসবাসকারী উপজাতির সংখ্যা -
  1. ৫১টি
  2. ৫০টি
  3. ৫২টি
  4. ৪৮টি
সঠিক উত্তর:
৫০টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫০টি
ব্যাখ্যা
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- বাংলাদেশে বসবাসকারী উপজাতির সংখ্যা- ৫০ টি।
- ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী জনসংখ্যা ১৬,৫০,৪৭৮ জন।
- ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীভুক্ত জনসংখ্যা সবচেয়ে বেশি বাস করে চট্টগ্রাম বিভাগে (এ জনগোষ্ঠীর ৬০.০৪%)।
- উপজাতির সংখ্যা সবচেয়ে কম বরিশাল বিভাগে (০.২৫%)।
- বাংলাদেশে বসবাসকারী ক্ষুদ্র জনগোষ্ঠীর মধ্যে চাকমা ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।

উল্লেখ্য:
-  চাকমারা বান্দরবান, রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও কক্সবাজার অঞ্চলে বসবাস করে।
- তাদের পারিবারিক কাঠামো পিতৃতান্ত্রিক। তারা বৌদ্ধ ধর্মের অনুসারী।
- তাদের প্রধান ভাষা চাকমা বা চাঙমা। তারা গ্রামকে আদাম এবং গ্রামের প্রধানকে বলে কার্বরী।
- চাকমা সমাজের প্রধান হলো চাকমা রাজা।

উৎস: পরিসংখ্যান ব্যুরোর ওয়েবসাইট এবং বান্দরবান জেলা ওয়েবসাইট।
.
বাংলাদেশের প্রথম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার সময়কাল -
  1. ১৯৭২-১৯৭৭
  2. ১৯৭৪-১৯৭৯
  3. ১৯৭৩-১৯৭৭
  4. ১৯৭৩-১৯৭৮
সঠিক উত্তর:
১৯৭৩-১৯৭৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৩-১৯৭৮
ব্যাখ্যা
পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা:
- বাংলাদেশের মোট ৮টি পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।
- প্রথম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (১৯৭৩-১৯৭৮)।
- দ্বিতীয় পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (১৯৮০-১৯৮৫)।
- তৃতীয় পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (১৯৮৬-১৯৯০)।
- চতুর্থ পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (১৯৯০-১৯৯৫)।
- পঞ্চম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (১৯৯৭-২০০২)।
- ষষ্ঠ পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (২০১১-২০১৫)।
- সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (২০১৬-২০২০)।
- অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (২০২০-২০২৫)।

উৎস: পরিকল্পনা কমিশন ওয়েবসাইট।
.
বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরাম প্রতিষ্ঠিত হয় কবে?
  1. ১৯৭৪ সালে
  2. ১৯৭৩ সালে
  3. ১৯৭৫ সালে
  4. ১৯৭৬ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭৪ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৪ সালে
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরাম হলো বাংলাদেশের উন্নয়ন সহযোগী বা দাতাদের একটি ফোরাম।
- এটি ১৯৭৪ সালে গঠিত হয়।
- বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরামের সমন্বয়কারী সংস্থা হলো- বিশ্বব্যাংক। 
- শুরুতে এটির নাম ছিলো বাংলাদেশ এইড গ্রুপ।
- ১৯৯৭ সালে এর নাম হয় 'প্যারিস কনসোর্টিয়াম গ্রুপ' এবং ২০০২ সালে এর নামকরণ করা হয় 'বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরাম'। 
- প্রথমদিকে এই সংস্থার বৈঠক প্যারিসে অনুষ্ঠিত হলেও ২০০৩ সাল থেকে এর বৈঠক নিয়মিতভাবে ঢাকায় অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

উৎস: ইআরডি ওয়েবসাইট।
.
মং সার্কেলের প্রধান কার্যালয় কোথায়?
  1. বান্দরবান
  2. রাঙামাটি
  3. খাগড়াছড়ি
  4. কক্সবাজার
সঠিক উত্তর:
খাগড়াছড়ি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খাগড়াছড়ি
ব্যাখ্যা
- পার্বত্য চট্টগ্রামে সার্কেল রয়েছে ৩টি।
- সার্কেল ও প্রধান কার্যালয়সমূহ:
- বোমাং সার্কেল: বান্দরবান জেলা
- চাকমা সার্কেল: রাঙামাটি জেলা
- মং সার্কেল: খাগড়াছড়ি জেলা
- পার্বত্য চট্টগ্রামের এই ৩ সার্কেল প্রধানরা স্থানীয় পাহাড়ি জনগণের কাছে 'রাজা' হিসেবেই পরিচিত।
- সরকারিভাবে সার্কেল প্রধানদের সার্কেল চীফ বলা হয়।

উৎস: পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট।
.
অর্থনৈতিক পরিষদে বাংলাদেশ ডেল্টা প্ল্যান কত সালে অনুমোদিত হয়?
  1. ২০১৬ সালে
  2. ২০১৭ সালে
  3. ২০১৮ সালে
  4. ২০১৯ সালে
সঠিক উত্তর:
২০১৮ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১৮ সালে
ব্যাখ্যা
 বাংলাদেশ ডেল্টা প্ল্যান:
- ডেল্টা প্ল্যান- ২১০০ বা ব-দ্বীপ পরিকল্পনা দেশের সবচেয়ে বড় উন্নয়ন পরিকল্পনা ।
- এই পরিকল্পনা প্রণয়নে ও বাস্তবায়নে নেদারল্যান্ডস সরকার বাংলাদেশকে সহায়তা করছে।
- ২০১৮ সালের ৪ সেপ্টেম্বর জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদে এই পরিকল্পনা অনুমোদন দেওয়া হয়।
- ডেল্টা প্ল্যানে ছয়টি লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে- বন্যা, নদী ভাঙন, নদী ব্যবস্থাপনা, নগর ও গ্রামে পনি সরবরাহ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, বন্য নিয়ন্ত্রণ ও নিষ্কাশন ।
- ২০২০ সালের ১ জুলাই ১২ সদস্যের এই কাউন্সিল গঠন করে প্রজ্ঞাপন জারি করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
- সরকারের পরিকল্পনামন্ত্রীকে ডেল্টা কাউন্সিলের ভাইস- চেয়ারম্যান করা হয়েছে।
- ধাপে ধাপে বাস্তবায়নযোগ্য এই মহাপরিকল্পনার প্রথম ধাপে অর্থাৎ ২০৩০ সাল নাগাদ বাস্তবায়নের জন্য গ্রহণ করা হয়েছে ৮০টি প্রকল্প।
- আয়ের ২.৫% এর মধ্যে ২% রাষ্ট্রীয় কোষাগার থেকে।
- বাকি ০.৫% বেসরকারি খাত থেকে নেওয়ার কথা বলা হয়েছে।

উৎস: পরিকল্পনা কমিশন ওয়েবসাইট।
.
গ্রাম পঞ্চায়েত কোন সমাজের মূলভিত্তি?
  1. চাকমা
  2. মারমা
  3. গারো
  4. সাঁওতাল
সঠিক উত্তর:
সাঁওতাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাঁওতাল
ব্যাখ্যা
পঞ্চায়েত ব্যবস্থা শুধুমাত্র সাঁওতাল সমাজে প্রচলিত।

সাঁওতাল:

- বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিমাংশে বসবাসকারী ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীগুলোর মধ্যে একটি প্রধান নৃগোষ্ঠী হলো সাঁওতাল।
- তারা রাজশাহী, দিনাজপুর, রংপুর ও বগুড়া জেলায় বাস করে।
- সাঁওতালরা অস্ট্রালয়েড নৃগোষ্ঠীভুক্ত লোক।  
- সাঁওতাল সমাজ হলো পিতৃতান্ত্রিক।
- তাদের সমাজে পিতার সূত্র ধরে সন্তানের দল ও গোত্র পরিচয় নির্ণয় করা হয়।
- সাঁওতাল সমাজের মূল ভিত্তি হচ্ছে গ্রাম পঞ্চায়েত।
- পঞ্চায়েত পরিচালনার জন্য সাধারণত পাঁচজন সদস্য থাকেন। এরা হলো মাঞ্জাহি হারাম, জগমাঞ্জাহি, জগপরানিক, গোডেৎ ও নায়কি।
- নায়কিকে তারা পঞ্চায়েত সদস্য নয় বরং ধর্মগুরু হিসাবে মনে করে। 

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, অষ্টম শ্রেণি।
.
দারিদ্র বিমোচনে অবদানের জন্য বাংলাদেশের কোন ব্যক্তি 'নাইট' উপাধি পেয়েছেন?
  1. ড. মুহাম্মদ ইউনূস
  2. ফজলে হাসান আবেদ
  3. ড. জাফর উল্লাহ্‌
  4. শাইখ সিরাজ
সঠিক উত্তর:
ফজলে হাসান আবেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফজলে হাসান আবেদ
ব্যাখ্যা
ফজলে হাসান আবেদ:
- স্যার ফজলে হাসান আবেদ ১৯৩৬ সালের ২৭শে এপ্রিল হবিগঞ্জ জেলার বানিয়াচং গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন৷
- ফজলে হাসান আবেদ ব্রাক এর প্রতিষ্ঠাতা।
- স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম নাগরিক হিসেবে নাইট উপাধিতে সম্মানিত হন বেসরকারী সংগঠন ব্রাকের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান ফজলে হাসান আবেদ৷
- দারিদ্র বিমোচন ও দরিদ্র মহিলাদের ক্ষমতায়নের জন্য তিনি এই উপাধিতে ভূষিত হন।
- ব্রাক বিশ্বের সর্ববৃহৎ বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা।

উৎস: ব্রাক এর ওয়েবসাইট।
.
সাঁওতালদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব কোনটি?
  1. বৈসুক
  2. সোহরাই
  3. সাংগ্রাই
  4. ওয়ানগালা
সঠিক উত্তর:
সোহরাই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সোহরাই
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে বসবাসরত কয়েকটি ক্ষুদ্র-নৃগোষ্ঠীর উৎসব সমূহ:

- ত্রিপুরাদের প্রধান উৎসবের নাম - বৈসুক,
- সাঁওতালদের প্রধান উৎসবের নাম - সোহরাই,
- মারমা/রাখাইনদের প্রধান উৎসবের নাম - সাংগ্রাই এবং
- গারোদের ধর্মীয় ও সামাজিক প্রধান উৎসবের নাম - ওয়ানগালা।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় : সপ্তম ও অষ্টম শ্রেণী।
.
কোন উপজাতিগোষ্ঠীতে মাতৃতান্ত্রিক সমাজব্যবস্থা বিদ্যমান?
  1. সাঁওতাল
  2. চাকমা
  3. খাসিয়া
  4. হাজং
সঠিক উত্তর:
খাসিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খাসিয়া
ব্যাখ্যা
মাতৃতান্ত্রিক উপজাতি:
- গারো।
- খাসিয়া।

পিতৃতান্ত্রিক উপজাতি:
- চাকমা
- সাঁওতাল
- হাজং
- মারমা

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১০.
'দারিদ্র্য নির্মূল' SDG এর কত নং লক্ষমাত্রা?
  1. ১ম
  2. ২য়
  3. ৩য়
  4. ৪র্থ
সঠিক উত্তর:
১ম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ম
ব্যাখ্যা
টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (SDG):
- SDG - এর পূর্ণরূপ Sustainable Development Goals বা টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য।
- SDGs-এর মেয়াদ ২০১৬ থেকে ২০৩০ সাল। এতে মোট ১৭টি বৈশ্বিক লক্ষ্য (Goals) এর আওতায় ১৬৯টি টার্গেট অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। 

লক্ষ্যমাত্রাসমূহ হলো:
- দারিদ্র্য নির্মূল
- ক্ষুধামুক্তি
- সুস্বাস্থ্য
- মানসম্মত শিক্ষা
- লিঙ্গ সমতা
- বিশুদ্ধ পানি ও স্যানিটেশন
- সাশ্রয়ী ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি
- উপযুক্ত কাজ ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি
- শিল্প, উদ্ভাবন ও অবকাঠামো
- বৈষম্য হ্রাস
- টেকসই শহর ও জনগণ
- পরিমিত ভোগ ও উৎপাদন
- জলবায়ু বিষয়ে পদক্ষেপ
- সামুদ্রিক বাস্তুসংস্থান
- স্থলভাগের জীবন
- শান্তি, ন্যায়বিচার ও শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান এবং
- অভিষ্টের জন্যে অংশীদারিত্ব।

উৎস: SDG ওয়েবসাইট।
১১.
ডেলটা প্লান-২১০০ এর লক্ষ্য নয় কোনটি?
  1. আর্সেনিক হ্রাসকল্প
  2. বর্জ্য ব্যবস্থাপনা
  3. নদী ভাঙন
  4. বন্যা নিয়ন্ত্রণ
সঠিক উত্তর:
আর্সেনিক হ্রাসকল্প
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আর্সেনিক হ্রাসকল্প
ব্যাখ্যা
ডেল্টা প্ল্যান-২১০০:   
- ডেল্টা প্ল্যান-২১০০ হলো ২০১৮ সালে বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক প্রণীত একটি ব্যাপক উন্নয়ন পরিকল্পনা।
- এটি মূলত একটি পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা। 
- বন্যা, বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নগর ও গ্রামে পানি সরবরাহ, নদী ভাঙন, নদী ব্যবস্থাপনা, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও নিষ্কাশন ব্যবস্থাপনার দীর্ঘমেয়াদী কৌশল।
- এটি প্রণয়ন ও বাস্তবায়নে নেদারল্যান্ডস বাংলাদেশকে সহায়তা করছে।
- এই পরিকল্পনার প্রথম ধাপে অর্থাৎ ২০৩০ সালের মধ্যে বাস্তবায়নের জন্য ৮০টি প্রকল্প গ্ৰহণ করা হয়েছে।
- এর মধ্যে ৬৫টি ভৌত অবকাঠামো প্রকল্প এবং ১৫টি প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা, দক্ষতা ও গবেষণা বিষয়ক প্রকল্প।

উৎস: পরিকল্পনা কমিশন ওয়েবসাইট।
১২.
খাসিয়া উপজাতি কোন ভাষায় কথা বলে?
  1. কুরুখ
  2. মন খেমে
  3. আচিক খুসিক
  4. পালি
সঠিক উত্তর:
মন খেমে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মন খেমে
ব্যাখ্যা
উপজাতিদের ভাষা:
খাসিয়া - মন খেমে
চাকমা - চাকমা ভাষা
ওঁরাও - কুরুখ, শাদ্রি
গারো - আচিক খুসিক
ত্রিপুরা - ককবরক
মগ - পালি

উৎস: বাংলাপিডিয়া।