বীজ থেকে শিশু উদ্ভিদ উৎপন্ন হওয়ার প্রক্রিয়াকে অঙ্কুরোদগম বলে।
বীজের অঙ্কুরোদগম প্রধানত তিন প্রকার।
যথা-
ক) মৃদগত
খ) মৃদভেদী এবং
গ) জরায়ুজ।
মৃদগত অঙ্কুরোদগম বা হাইপোজিয়াল জারমিনেশনঃ
যে অঙ্কুরোদগম প্রক্রিয়ায় বীজ পত্রাদি কাণ্ডের দ্রুত বৃদ্ধির ফলে ভ্রূণ মুকুল মাটির ওপরে কিন্তু বীজপত্র মাটির নিচে থেকে যায় তাকে মৃৎগত অঙ্কুরোগম বা হাইপোজিয়াল জারমিনেশন বলে।
যেমন- আম, ছোলা, মটরশুটি, ধান, গম ইত্যাদি।
মৃদভেদী অঙ্কুরোদগম বা এপিজিয়াল জারমিনেশনঃ
যে অঙ্কুরোদগম প্রক্রিয়ায় বীজ পত্রাবকাণ্ডের দ্রুত বৃদ্ধির ফলে বীজপত্র বীজত্বক ফেটে মাটি ভেদ করে ওপরে উঠে আসে তাকে মৃৎভেদী অঙ্কুরোদগম বা এপিজিয়াল জারমিনেশন বলে।
যেমন- তেঁতুল, লাউ, পিঁয়াজ, কুমড়া, শিম ইত্যাদি।
জরায়ুজ অঙ্কুরোদগম বা ভিভিপেরাস জারমিনেশনঃ
লোনা মাটির অধিকাংশ উদ্ভিদে যে বিশেষ অঙ্কুরোদগম দেখা যায় তাকে জরায়ুজ অঙ্কুরোদগম বলে।
যেমন- সুন্দরী, গরান, কেওড়া, কাকড়া ইত্যাদি।
উৎসঃ বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।