পরীক্ষা আর্কাইভ

জব সল্যুশন [৯ম - ১৩তম গ্রেড]

পরীক্ষাUnlistedতারিখ১৯ আগস্ট, ২০২০সময়35 minutes৫৯ বৈধ · অসম্পূর্ণ
মোট প্রশ্ন৬০
সিলেবাস
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা-১২.১২.২০১৪ (গ্রেড-১০)
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

জব সল্যুশন [৯ম - ১৩তম গ্রেড]

Unlisted · ১৯ আগস্ট, ২০২০ · ৬০ প্রশ্ন

.
'সুলতানার স্বপ্ন' কার রচনা?
  1. ক) বেগম রোকেয়া
  2. খ) সুফিয়া কামাল
  3. গ) সেলিনা হাসান
  4. ঘ) তসলিমা নাসরিন
  5. ঙ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

রােকেয়া সাখাওয়াত হােসেন রচিত প্রবন্ধগ্রন্থ 'মতিচুর'। গ্রন্থটি দুই খণ্ডে (১ম খণ্ড ১৯০৪; ২য় খণ্ড ১৯২২) প্রকাশিত হয়।
তার রচিত আরাে কয়েকটি গ্রন্থঃ অবরােধবাসিনী (প্রবন্ধগ্রন্থ), পদ্মরাগ ও সুলতানার স্বপ্ন (উপন্যাস)।
সূত্রঃ শীকর বাংলা ভাষা ও সাহিত্য, মোহসিনা নাজিলা।

.
'পুকুরে পদ্মফুল জন্মে' কোন ধরনের বাক্য?
  1. ক) সরল বাক্য
  2. খ) জটিল বাক্য
  3. গ) যৌগিক বাক্য
  4. ঘ) মিশ্র বাক্য
  5. ঙ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

যে বাক্যে একটি মাত্র কর্তা (উদ্দেশ্য) এবং একটি মাত্র সমাপিকা ক্রিয়া (বিধেয়) থকে, তাকে সরল বাক্য বলে।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও ব্যকরন - নবম ও দশম শ্রেণি।

.
বাংলা বর্ণমালায় কতটি স্বরবর্ণ আছে?
  1. ক) ৭টি
  2. খ) ৮টি
  3. গ) ৯টি
  4. ঘ) ১০টি
  5. ঙ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

বাংলা বর্ণমালায় স্বরবর্ণ মোট ১১টি। তার মধ্যে পূর্ণমাত্রার বর্ণ ৬টি, অর্ধমাত্রার বর্ণ ১টি এবং মাত্রাহীন ৪টি বর্ণ রয়েছে।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা-ড. সৌমিত্র শেখর।

.
সন্ধি বিচ্ছেদ করুনঃ 'ইত্যাদি'
  1. ক) ইতি + দি
  2. খ) ইতি + আদি
  3. গ) ইত + আদি
  4. ঘ) ইতি + অদি
  5. ঙ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

ই-কার কিংবা ঈ-কার এর পর ই ও ঈ ভিন্ন অন্য স্বর থাকলে ই বা ঈ 'য' হয়। য-ফলা লেখার সময় পূর্ববর্তী ব্যঞ্জনের সাথে লিখা হয়। যেমন - ইতি + আদি = ইত্যাদি, অতি + উক্তি = অত্যুক্তি, প্রতি + এক = প্রত্যেক।
সূত্রঃ ৯ম-১০ম শ্রেণীর বোর্ড বই।

.
কৃষ্ণ এর অর্ধ-তৎসম শব্দ কোনটি?
  1. ক) পুত্র
  2. খ) কেষ্ট
  3. গ) পুত্তর
  4. ঘ) বিষ্ট
  5. ঙ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

কেষ্ট [কেশ্‌টো] (বিশেষ্য) কৃষ্ণ।
কেষ্টবিষ্টু (বিশেষ্য) (বিদ্রূপে) সন্মানিত লোক; হোমরা-চোমরা।
{(তৎসম বা সংস্কৃত শব্দ) কৃষ্ণ> কেষ্ট (অর্ধতৎসম)}
উৎসঃ বাংলা একাডেমী অভিধান।

.
তৎসম শব্দের ব্যবহার কোন ভাষারীতিতে বেশি হয়?
  1. ক) সাধু ভাষারীতিতে
  2. খ) চলিত ভাষারীতিতে
  3. গ) আঞ্চলিক ভাষারীতিতে
  4. ঘ) মিশ্র ভাষারীতিতে
  5. ঙ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

উনিশ শতকে বাংলা ভাষার যে লিখিত রূপ গড়ে উঠে তার নাম দেওয়া হয় 'সাধু ভাষা'। বাংলা লেখ্য সাধু রীতি সুনির্ধারিত ব্যাকরণের নিয়ম অনুসরণ করে চলে এবং এর পদবিন্যাস সুনিয়ন্ত্রিত ও সুনির্দিষ্ট। এ রীতি গুরুগম্ভীর ও তৎসম শব্দবহুল।
উৎসঃ শীকর বাংলা প্রশ্ন-পাঠ, মোহসীনা নাজিলা।

.
শরৎচন্দ্রের রচনা কোনটি?
  1. ক) দেবদাস
  2. খ) পদ্মরাগ
  3. গ) পালা মৌ
  4. ঘ) নবযুগ
  5. ঙ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় এর ‘দেবদাস’ উপন্যাস ১৯১৭ সালে প্রকাশিত হয়। এটি ‘ভারতবর্ষ’ পত্রিকায় প্রথম প্রকাশিত হয়।
সূত্রঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।

.
'মালী' শব্দের স্ত্রীবাচক শব্দ কোনটি?
  1. ক) মালা
  2. খ) মালিকা
  3. গ) মালিনী
  4. ঘ) মালিনি
  5. ঙ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

মালী (-লিন্‌) [মালি] (বিশেষ্য)
১) মাল্যরচনাকারী; মালাকর।
২) বেতনের বিনিময়ে বাগানের কাজে নিযুক্ত ব্যক্তি; উদ্যানরক্ষক; উদ্যানপালক।
৩) একটি হিন্দু জাতি।
(বিশেষণ) মালাধারী; মাল্যবিশিষ্ট।
মালিনী (২) (স্ত্রীলিঙ্গ)।
{(তৎসম বা সংস্কৃত) মাল্য+ইন্‌(ইন)}
উৎসঃ বাংলা একাডেমী অভিধান।

.
'শেষের কবিতা' কার রচনা?
  1. ক) সত্যেন সেন
  2. খ) আবুল ফজল
  3. গ) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  4. ঘ) আল-মাহমুদ
  5. ঙ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

শেষের কবিতা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত রোমান্টিক উপন্যাস। এটি প্রকাশিত হয় ১৯২৯ সালে। এটি একটি কাব্যোপন্যাস। এর অন্যতম চরিত্র অমিত ও লাবণ্য।
উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ লেকচার।

১০.
'উত্থান' এর বিপরীত শব্দ কোনটি?
  1. ক) উন্মোচন
  2. খ) পতন
  3. গ) অবতান
  4. ঘ) অবসান
  5. ঙ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

উত্থান এর বিপরীত শব্দ পতন।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা-ড. সৌমিত্র শেখর।

১১.
কোনটি বহুব্রীহি সমাস?
  1. ক) দশানন
  2. খ) সুপুরুষ
  3. গ) সাদাকালো
  4. ঘ) চৌরাস্তা
  5. ঙ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

যে সমাসে পূর্ব বা পর কোন পদের অর্থ না বুঝিয়ে তৃতীয় কোন অর্থ প্রকাশ করে তাকে বহুব্রীহি সমাস বলে।
যেমনঃ
-- দশ আনন যার = দশানন,
-- চতুষ্পদ = চার পা বিশিষ্ট প্রাণী,
-- পদ্মনাভ = পদ্ম নাভিতে যার,
-- নীলাম্বর = নীল অম্বর যার।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।

১২.
কোন শাসকদের সময়কে বাংলা সাহিত্যের অন্ধকার যুগ বলে?
  1. ক) পাল
  2. খ) সেন
  3. গ) গুপ্ত
  4. ঘ) তুর্কী
  5. ঙ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

বাংলা সাহিত্যে ১২০১-১৮০০ খ্রিষ্টাব্দ হচ্ছে মধ্যযুগ। মধ্যযুগের প্রথম ১৫০ বছর (১২০১-১৩৫০ খ্রিষ্টাব্দ) হচ্ছে অন্ধকার যুগ। তখন বাংলার শাসক ছিল তুর্কিরা।
উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ বাংলা লেকচার।

১৩.
Questions 13 to 16: Choose the word which is most nearly the same as in meaning as the given word.
Select
  1. ক) Pick
  2. খ) Look
  3. গ) Elect
  4. ঘ) Pass
  5. ঙ) Observe
ব্যাখ্যা

Select (verb transitive) পছন্দ করা; নির্বাচিত করা; বেছে নেওয়া।
Pick (verb transitive), (verb intransitive) বাছাই করা; নির্বাচন করা।

১৪.
Crime
  1. ক) Thief
  2. খ) Offense
  3. গ) Trial
  4. ঘ) Dark
  5. ঙ) Punishment
ব্যাখ্যা

Crime (noun) [countable noun] অপরাধ।
Offence (America(n)= offense) (noun)[countable noun] অপরাধ; পাপ; আইন বা নিয়মের লংঘন।

১৫.
Fight
  1. ক) Rolling
  2. খ) Gun
  3. গ) Combat
  4. ঘ) Brave
  5. ঙ) Smoke
ব্যাখ্যা
Combat (noun) যুদ্ধ; সংগ্রাম।
১৬.
Peace
  1. ক) Blue
  2. খ) Fruit
  3. গ) Professie
  4. ঘ) Mind
  5. ঙ) Harmony
ব্যাখ্যা

Peace: শান্তি; শান্ত অবস্থা; প্রশান্তি; নির্জনতা।
Harmony: মিল; ঐকতান।

১৭.
Choose the odd word from the given options.
  1. ক) Water
  2. খ) Food
  3. গ) House
  4. ঘ) Car
  5. ঙ) Education
ব্যাখ্যা
প্রশ্নোক্ত অপশন গুলোর মধ্যে education শব্দটি abstract noun; এছাড়া বাকি শব্দ গুলো material noun.
১৮.
Choose the odd word from the given options.
  1. ক) Profit
  2. খ) Business
  3. গ) Loss
  4. ঘ) Power
  5. ঙ) Risk
ব্যাখ্যা
Profit, Loss এবং Risk ব্যবসার সাথে সরাসরি সম্পর্কযুক্ত শব্দ। কিন্তু Power ব্যবসার সাথে সরাসরি সম্পর্কযুক্ত শব্দ নয়।
১৯.
Choose the odd word from the given options.
  1. ক) Success
  2. খ) Hard work
  3. গ) Morning
  4. ঘ) Patience
  5. ঙ) Result
ব্যাখ্যা
Hard work, Patience (ধৈর্য্য), Result এবং Success পস্পর সম্পর্কযুক্ত শব্দ।
২০.
Choose the odd word from the given options.
  1. ক) Agriculture
  2. খ) Seed
  3. গ) Weather
  4. ঘ) Farmer
  5. ঙ) Consultant
ব্যাখ্যা
Agriculture, Seed, Weather এবং Farmer পস্পর সম্পর্কযুক্ত শব্দ। কিন্তু Consultant (পরামর্শকারী) সাধারণত অন্যান্য শব্দ গুলোর সাথে নিবিড় ভাবে (closely related) নয়।
২১.
Choose the correctly spelled word from the given options.
  1. ক) Parallel
  2. খ) Paralal
  3. গ) Parallal
  4. ঘ) Perallal
  5. ঙ) Paralel
ব্যাখ্যা
Parallel (adjective) (রেখা) সমান্তরাল।
২২.
Choose the correctly spelled word from the given options.
  1. ক) Comittie
  2. খ) Committee
  3. গ) Comittee
  4. ঘ) Commeetty
  5. ঙ) Committy
ব্যাখ্যা
Committee (noun) বিশেষ কাজ সম্পাদনের জন্য নির্বাচিত ব্যক্তিবর্গ; কমিটি; সমিতি।
২৩.
Choose the correctly spelled word from the given options.
  1. ক) Profesor
  2. খ) Professer
  3. গ) Profeser
  4. ঘ) Profesar
  5. ঙ) Professor
ব্যাখ্যা
Professor: শিক্ষক; অধ্যাপক; প্রফেসর।
২৪.
Choose the correctly spelled word from the given options.
  1. ক) Problam
  2. খ) Probleme
  3. গ) Problem
  4. ঘ) Problum
  5. ঙ) Problame
ব্যাখ্যা
Problem (noun) [Countable noun] সমস্যা।
২৫.
কবির ৩০০ টি কলা কিনলো ৭৫০ টাকা দিয়ে। সে ১৩৫০ টাকায় সবগুলো কলা বিক্রয় করে দিলো। সে ক্রয়মূল্যের উপর শতকরা কত লাভ করলো?
  1. ক) ৪০%
  2. খ) ৫০%
  3. গ) ৬০%
  4. ঘ) ৮০%
  5. ঙ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

লাভ = ১৩৫০ - ৭৫০ = ৬০০ টাকা।
শতকরা লাভ = (৬০০ X ১০০) / ৭৫০ = ৮০ টাকা।

২৬.
খালেক ও তার বাবার বয়সের সমষ্টি ৪০ বছর। খালেকের বাবা তার থেকে ২৮ বছরের বড়। ১৩ বছর পর তাদের বয়সের সমষ্টি কত হবে?
  1. ক) ৬৬ বছর
  2. খ) ৫৩ বছর
  3. গ) ৫৬ বছর
  4. ঘ) ৭২ বছর
  5. ঙ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

ধরি,
খালেকের বয়স - ক
সুতরাং, তার বাবার বয়স = ক + ২৮
প্রশ্নমতে, ক + ক + ২৮ = ৪০
২ক = ১২
ক = ৬
অর্থাৎ, খালেকের বয়স = ৬ ও তার বাবার বয়স = (৪০ - ৬) = ৩৪
১৩ বছর পর তাদের বয়স হবে, (৬ +১৩) + (৩৪ + ১৩)
= ৬৬
--------
অন্যভাবে করলে,
১৩ বছর পরে দুইজনেরই বয়স ১৩ X ২ = ২৬ বছর বাড়বে।
অর্থাৎ, ১৩ বছর পরে বয়সের সমষ্টি হবে (৪০+২৬) = ৬৬ বছর।

২৭.
যদি ২০ জন লোক একটি কাজের অর্ধেক করতে পারে ৩০ দিনে তবে ঐ একই কাজ ৫০ দিনে করতে অতিরিক্ত কতজন লোক লাগবে?
  1. ক) ৮ জন
  2. খ) ১০ জন
  3. গ) ৪ জন
  4. ঘ) ৬ জন
  5. ঙ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

২০ জনে ১/২ অংশ করে = ৩০ দিনে
২০ জনে ১ (সম্পূর্ণ অংশ) করে = ৩০ X ২ দিনে = ৬০ দিনে।
এখন, ৬০ দিনে কাজটি করে = ২০ জনে।
∴ ৫০ দিনে কাজটি করে = (২০ X ৬০) / ৫০ জনে।
= ২৪ জনে।
সুতরাং অতিরিক্ত লোক লাগবে = ২৪ - ২০ = ৪ জন।

২৮.
জাকারিয়া ২৫০০ টাকা দিয়ে একটি গাড়ি কিনে ২৫% লাভে বিক্রয় করলো। গাড়িটি সে কত দামে বিক্রয় করলো?
  1. ক) ২৭২৫ টাকা
  2. খ) ৩০০০ টাকা
  3. গ) ৩১২৫ টাকা
  4. ঘ) ৩২০০ টাকা
  5. ঙ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

২৫% লাভে,
ক্রয়মূল্য ১০০ টাকা হলে বিক্রয়মূল্য ১২৫ টাকা।
ক্রয়মূল্য ২৫০০ টাকা হলে বিক্রয়মূল্য (১২৫ X ২৫০০) / ১০০ টাকা।
= ৩১২৫ টাকা।

২৯.
রাজশাহী থেকে খুলনার দূরত্ব ২৮২ কিলোমটার। একটি বাস ৭ ঘন্টায় খুলনা থেকে রাজশাহী চলে আসলো। পথে বাসটি ১ ঘন্টা যাত্রা বিরতি নেয়। বাসটির গড় গতিবেগ কত কি.মি/ঘন্টা?
  1. ক) ৪২
  2. খ) ৪৯
  3. গ) ৫৫
  4. ঘ) ৬৩
  5. ঙ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

মোট সময় নেয় = ৭ ঘন্টা।
যাত্রা বিরতি = ১ ঘন্টা।
নিট সময় নেয় = ৭ - ১ = ৬ ঘন্টা।
মোট দূরত্ব = ২৮২ কিলোমিটার।
∴ বাসটির গড় গতিবেগ = ২৮২/৬ কিমি/ঘন্টা।
= ৪৭ কিমি/ঘন্টা।

৩০.
এক ব্যক্তি ২০% সরল সুদে ৭০০ টাকা এবং ১০% সরল সুদে ৫০০ টাকা বিনিয়োগ করলে এক বছর পর তিনি কত সুদ পাবেন?
  1. ক) ১৫০ টাকা
  2. খ) ১৯০ টাকা
  3. গ) ২২৫ টাকা
  4. ঘ) ২৯০ টাকা
  5. ঙ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

৭০০ টাকার ১ বছরের সুদ = (২০ X ৭০০) / ১০০ = ১৪০ টাকা।
৫০০ টাকার ১ বছরের সুদ = (১০ X ৫০০) / ১০০ = ৫০ টাকা।
সুতরাং ১ বছরের মোট সুদ = ১৪০+৫০ = ১৯০ টাকা।

৩১.
একটি স্কুলে ৫০০ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে ২০% ছাত্রী। কোন এক বুধবারে ৪০ জন ছাত্র অনুপস্থিত ছিলো। ঐদিন শতকরা কতজন ছাত্র উপস্থিত ছিলো?
  1. ক) ৯০%
  2. খ) ৮০%
  3. গ) ৭৫%
  4. ঘ) ৫০%
  5. ঙ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

মোট ছাত্রী সংখ্যা = (২০ X ৫০০) / ১০০ = ১০০ জন।
মোট ছাত্র সংখ্যা = ৫০০ - ১০০ = ৪০০ জন।
বুধবারে ছাত্র উপস্থিত ছিল = ৪০০ - ৪০ = ৩৬০ জন।
∴ শতকরা উপস্থিতি = (৩৬০ X ১০০)/৪০০ = ৯০ %।

৩২.
সামাদ সাহেবের মাসিক বেতন ১২০০০ টাকা। এক বছর পর তার বেতন ১১% বৃদ্ধি পেলো। আগামী বছর সামাদ সাহেব কত টাকা মাসিক বেতনে বছর শুরু করবেন?
  1. ক) ১২০৭৫ টাকা
  2. খ) ১৩৩২০ টাকা
  3. গ) ১৬০০০ টাকা
  4. ঘ) ১৪৪০০ টাকা
  5. ঙ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

সামাদ সাহেব ১২০০০ + ১২০০০ X (১১/১০০) = ১৩৩২০ টাকা মাসিক বেতনে আগামী বছর শুরু করবেন।

৩৩.
৭২০ এর ৬.৫%= কত?
  1. ক) ৩৭
  2. খ) ৪৬.৮
  3. গ) ৫৬.৪
  4. ঘ) ৪৯
  5. ঙ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
৭২০ এর ৬.৫ % = ৭২০ X (৬.৫/১০০) = ৪৬.৮
৩৪.
০, ১, ৪, ৬, ৯ এই সংখ্যাগুলো কে এক বা একাধিকবার ব্যবহার করে পাঁচ অংকের ক্ষুদ্রত্তম সংখ্যা কত?
  1. ক) ০১৪৬৯
  2. খ) ১০৪৬৯
  3. গ) ৯০১৪৬
  4. ঘ) ১০০০০
  5. ঙ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
পাঁচ অংকের ক্ষুদ্রত্তম সংখ্যা = ১০০০০
৩৫.
একটি বড় বাক্সের মধ্যে ৪টি বাক্স আছে ও তার প্রত্যেকটির ভিতর ৬টি করে ছোট বক্স আছে। মোট বক্সের সংখ্যা কত?
  1. ক) ১৮টি
  2. খ) ২০টি
  3. গ) ২৫টি
  4. ঘ) ৩০টি
  5. ঙ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

বড় বাক্স = ১ টি।
মাঝারি বাক্স = ৪ টি।
এবং ছোট বাক্স = ৪ X ৬ = ২৪ টি।
সুতরাং মোট বাক্স আছে = ১+৪+২৪ = ২৯ টি।

৩৬.
টাকায় এক ডজন কলা বিক্রয় করায় ২৫% ক্ষতি হয়। ৫০% লাভ করতে হলে টাকায় কতটি কলা বিক্রয় করতে হবে?
  1. ক) ৫টি
  2. খ) ৬টি
  3. গ) ৭টি
  4. ঘ) ৮টি
  5. ঙ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

ক্রয়মূল্য ১০০ টাকা হলে,
২৫% ক্ষতিতে বিক্রয়মূল্য = ১০০-২৫ = ৭৫ টাকা।
৫০% লাভে বিক্রয়মূল্য = ১০০+৫০ = ১৫০ টাকা।
পূর্বের বিক্রয়মূল্য ৭৫ টাকা হলে বিক্রয় করতে হবে ১৫০ টাকায়।
পূর্বের বিক্রয়মূল্য ১ টাকা হলে বিক্রয় করতে হবে ১৫০/৭৫ = ২ টাকায়।
২ টাকায় বিক্রি করতে হবে = ১২ টি কলা।
১ টাকায় বিক্রি করতে হবে = ১২/২ = ৬ টি কলা।

৩৭.
কয়টি জেলা নিয়ে পার্বত্য চট্টগ্রাম গঠিত?
  1. ক) ২টি
  2. খ) ৩টি
  3. গ) ৪টি
  4. ঘ) ৫টি
  5. ঙ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান এই তিনটি জেলা নিয়ে পার্বত্য চট্টগ্রাম গঠিত। আশির দশকের প্রথম দিকে দেশব্যাপী প্রশাসনিক সংস্কারের অংশ হিসেবে পার্বত্য চট্টগ্রামকে তিনটি স্বতন্ত্র জেলায় বিভক্ত করা হয়। এগুলো হচ্ছে রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান জেলা।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া।

৩৮.
বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. ক) ময়মনসিংহ
  2. খ) বরিশাল
  3. গ) গাজীপুর
  4. ঘ) চাঁদপুর
  5. ঙ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের কৃষি গবেষণার একটি প্রধান অঙ্গ হচ্ছে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট, যা দেশের প্রধান খাদ্য ধান উৎপাদন ও জাত উন্নয়নে কাজ করছে। ঢাকা থেকে ৩৬ কিলোমিটার উত্তরে জয়দেবপুরে (গাজীপুরে) ১৯৭০ সালের ১ অক্টোবর পূর্ব পাকিস্তান ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট হিসেবে এর যাত্রা শুরু। ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার পর এ প্রতিষ্ঠানের নতুন নামকরণ করা হয় বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট, যা বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট অ্যাক্ট, ১৯৭৩ অনুযায়ী প্রতিষ্ঠিত।
উৎসঃ BRRI ওয়েবসাইট।

৩৯.
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক কে ছিলেন?
  1. ক) শেখ মুজিবুর রাহমান
  2. খ) এম এ জি ওসমানী
  3. গ) একে খন্দকার
  4. ঘ) তাজউদ্দীন আহমদ
  5. ঙ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। তিনি অস্থায়ী বাংলাদেশ সরকারের রাষ্ট্রপতি ছিলেন। অন্যদিকে মুক্তিবাহিনীর প্রধান বা প্রধান সেনাপতি ছিলেন জেনারেল এম এ জি ওসমানী। তাজউদ্দীন আহমদ ছিলেন অস্থায়ী প্রবাসী সরকারের প্রধানমন্ত্রী এবং মাওলানা ভাসানী ছিলেন ‍মুজিবনগর সরকারের সর্বদলীয় উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য।
সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী।

৪০.
নোবেল পুরস্কার প্রাপ্ত প্রথম বাঙালি কে?
  1. ক) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  2. খ) অমর্ত্য সেন
  3. গ) মুহাম্মদ ইউনুস
  4. ঘ) ফজলে হাসান আবিদ
  5. ঙ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
১৯০১ সালে নোবেল পুরস্কার প্রচলনের পর থেকে ২০১৯ পর্যন্ত ৪ জন বাঙালি ব্যক্তিত্ত্ব এই পুরস্কার জয় করেছেন। সর্বপ্রথম বাঙালি হিসাবে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, ১৯১৩ সালে, সাহিত্যে। পরবর্তীতে ১৯৯৮ সালে অমর্ত্য সেন অর্থনীতিতে এবং ২০০৬ সালে ড. মুহাম্মদ ইউনূস শান্তিতে এই পুরস্কার জয় করেন। ২০১৯ সালে পুনরায় অর্থনীতিতে নোবেল পান অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়।
৪১.
বাংলাদেশের একমাত্র জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রটি কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) বান্দরবান
  2. খ) রামু
  3. গ) কাপ্তাই
  4. ঘ) রাঙ্গামাটি
  5. ঙ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের একমাত্র জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রটি রাঙ্গামাটি জেলার কাপ্তাই উপজেলায় অবস্থিত। এটি ১৯৬২ সালে পাকিস্তান সরকার যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তা নির্মাণ করে। এতে দৈনিক প্রায় ২৩০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপন্ন হয়।
৪২.
কোন প্রাণী প্রাকৃতিক লাঙ্গল বলা হয়?
  1. ক) ব্যাঙ
  2. খ) ষাঁড়
  3. গ) মহিষ
  4. ঘ) কেঁচো
  5. ঙ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

কেঁচো ত্বকের সাহায্যে শ্বাসকার্য সম্পন্ন করে। এরা মাটির নিচে বাস করে। কেঁচো মাটির উর্বরা শক্তির জন্য বিশাল আশীর্বাদ। এরা ফসলের জমি ওলট-পালট করে উপরের মাটির নিচে ও নিচের মাটি উপরে তুলে আনে। তাই কেঁচোকে প্রকৃতির লাঙ্গল বলা হয়।
উৎসঃ জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৪৩.
নিচের কোন জেলা রেশম গুটি উৎপাদনের জন্য বিখ্যাত?
  1. ক) ভোলা
  2. খ) নাটোর
  3. গ) রাজশাহী
  4. ঘ) সিলেট
  5. ঙ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
রেশম গুটি উৎপাদনের জন্য বিখ্যাত রাজশাহী জেলা।
তথ্য যাচাইঃ বাংলাদেশ সরকারের ওয়েবসাইট এবং বাংলাপিডিয়া।
৪৪.
সম্প্রতি কোন ভাইরাস এর বিস্তারে বিশ্বব্যাপী সতর্কতা গ্রহণ করা হয়?
  1. ক) এইচ আই ভি
  2. খ) ভেরিসেলা
  3. গ) ইবোলা
  4. ঘ) মর্স
  5. ঙ) কোনটিই নয়
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
আরও কয়েক বছর আগে কোন ভাইরাসের বিষয়ে সতর্কতা ছিল সেটা মুখস্থ না করলেও চলবে। নিচে আপডেট তথ্য দেয়া হল।

৩১ ডিসেম্বর ২০১৯ চীনের হুবেই প্রদেশের প্রধান শহর উহানে প্রথম করোনা ভাইরাসের সংক্রমণে কোভিড-১৯ রোগী শনাক্ত হয় এবং চীন তা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাকে অবহিত করে। সেখানে কোভিড-১৯ সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ১১ ফেব্রুয়ারি এই রোগের নামকরণ করে কোভিড-১৯। বর্তমানে এই ভাইরাস বিস্তারে বিশ্বব্যাপী সতর্কতা গ্রহণ করা হয়েছে।
সূত্রঃ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ওয়েবসাইট।

৪৫.
কম্পিউটার এর জনক কে?
  1. ক) চার্লস ব্যাবেজ
  2. খ) স্টিফেন হকিন্স
  3. গ) আলফ্রেড নোবেল
  4. ঘ) আইনস্টাইন
  5. ঙ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

কম্পিউটারের জনক হিসেবে অভিহিত চার্লস ব্যাবেজ ১৮৩৩ সালে অ্যানালিটিক্যাল ইঞ্জিন তৈরির পরিকল্পনা গ্রহণ ও নকশা তৈরি করেন। তার এই অ্যানালিটিক্যাল ইঞ্জিনের পরিকল্পনায় আধুনিক কম্পিউটারের ধারণা নিহিত থাকায় চার্লস ব্যাবেজকে কম্পিউটারের জনক বলা হয়। ১৮২২ সালে চার্লস ব্যাবেজ ডিফারেন্স ইঞ্জিন আবিষ্কার করেন।
সূত্রঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণী এবং ব্রিটানিকা।

৪৬.
ধান উৎপাদনে পৃথিবীতে বাংলাদেশ এর স্থান কততম?
  1. ক) ২য়
  2. খ) ৩য়
  3. গ) ৪র্থ
  4. ঘ) ৫ম
  5. ঙ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

ধান উৎপাদনে বিশ্বে শীর্ষ দেশ হলো চীন। USDA এর সর্বশেষ ও গত বছরের পরিসংখ্যানে বিশ্বে মোট ধান উৎপাদন হয় ৪৯.৯০ কোটি মে. টন। এর মধ্যে চীন উৎপাদন করে ১৪.৬৭ কোটি মে. টন। দ্বিতীয় ভারত (১১.৮ কোটি মে. টন)। গতবছরে ধান উৎপাদনে বিশ্বে ও এশিয়ায় বাংলাদেশের অবস্থান ছিলো চতুর্থ (৩.৫৮৫ কোটি মে. টন)। তবে চলতি বছরের পূর্বাভাসে বাংলাদেশের ধান উৎপাদন ৩.৬০ কোটি মে.টন ছাড়িয়ে যাবে ধারণা করা হচ্ছে। সেক্ষেত্রে এবছর ধান উৎপাদনে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান হবে তৃতীয়।
সূত্রঃ USDA ওয়েবসাইট।

৪৭.
বাংলাদেশের প্রধান অর্থকরী ফসল কোনটি?
  1. ক) ধান
  2. খ) গম
  3. গ) আখ
  4. ঘ) পাট
  5. ঙ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

যেসব ফসল প্রধানত বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে চাষ করা হয় তাদের অর্থকরী ফসল বলে। পাট বাংলাদেশের প্রধান অর্থকরী ফসল। বাংলাদেশে বছরে প্রায় ১৬ লক্ষ মে. টন পাট উৎপাদিত হয় যা বিশ্বে দ্বিতীয়। তবে পাট রপ্তানিতে বাংলাদেশ বিশ্বে প্রথম। বাংলাদেশের অন্যান্য অর্থকরী ফসলের মধ্যে রয়েছে চা, আখ, তামাক, তুলা, রাবার ইত্যাদি৷
সূত্রঃ বাংলাপিডিয়া, গ্লোবাল ট্রেড ও বাংলাদেশ পাট গবেষণা কেন্দ্র ওয়েবসাইট।

৪৮.
কোনটি মুক্ত জলাশয়ের অন্তর্ভূক্ত?
  1. ক) পুকুর
  2. খ) ডোবা
  3. গ) বিল
  4. ঘ) দিঘী
  5. ঙ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের মৎস্য উৎপাদন ক্ষেত্রকে প্রধানত অভ্যন্তরীণ ও সামুদ্রিক এ দুই ভাগে ভাগ করা যায়। অভ্যন্তরীণ উৎসের মধ্যে রয়েছে মুক্ত জলাশয় ও বদ্ধ জলাশয়। মুক্ত জলাশয়ের মধ্যে আছে প্লাবন ভূমি, নদী, বিল, কাপ্তাই হ্রদ ও সুন্দরবন। এর আয়তন ৪০.৪৭ লাখ হেক্টর, যা মোট অভ্যন্তরীণ জলাশয়ের শতকরা ৮৮.৪৬ ভাগ। বদ্ধ জলাশয়ের মধ্যে আছে পুকুর, মরা নদীর অংশ বা বাঁওড় ও উপকূলীয় চিংড়ি খামার। এর আয়তন ৫.২৮ লাখ হেক্টর, যা মোট অভ্যন্তরীণ জলাশয়ের ১১.৫৪ শতাংশ। আমাদের সমুদ্র তটরেখা ৭১০ কিলোমিটার দীর্ঘ। অর্থনৈতিক এলাকা ২০০ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত বিস্তৃত। মোট সামুদ্রিক জলসম্পদের আয়তন ১৬৬ লাখ হেক্টর, যা দেশের মোট জলসম্পদের ৭৮.৩৯ শতাংশ।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া।

৪৯.
'উফশী' কি?
  1. ক) উন্নতজাতের আধুনিক ধান চাষ
  2. খ) উচ্চফলনশীল এক জাতের গম
  3. গ) উচ্চফলনশীল এক জাতের পাট
  4. ঘ) উচ্চফলনশীল এক জাতের আখ
  5. ঙ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
উফশী শব্দের পূর্ণরূপ উচ্চফলনশীল।
৫০.
কোনটি সমন্বিত চাষ?
  1. ক) হাঁস ও মাছ
  2. খ) মুরগি ও মাছ
  3. গ) হাঁস, ধান ও মাছ
  4. ঘ) a, b, c সবগুলি
  5. ঙ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
সমন্বিত চাষ হচ্ছে একই জমিতে একই সময়ে একাধিক ফসল উৎপাদন করা, যেমন—পুকুরে মাছ ও হাঁস-মুরগি চাষ এবং ধানক্ষেতে মাছ ও গলদা চিংড়ি চাষ।
উৎসঃ কৃষিশিক্ষা, নবম-দশম শ্রেণি।
৫১.
ভুট্টা কোন শ্রেনীর উদ্ভিদ?
  1. ক) খাদ্য শস্য
  2. খ) চিনি
  3. গ) আঁশ
  4. ঘ) তেল
  5. ঙ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

আমাদের দেশের কৃষির প্রধান উপখাত হলো- শস্য উৎপাদন।
বাংলাদেশের মানুষের প্রধান খাবার ভাত, আর তাই এই দেশের প্রায় ৮০ ভাগ কৃষি জমিতেই ধান উৎপাদন হয়। এছাড়াও গম, ভুট্টা, সহ শাকসব্জি উৎপাদন প্রচুর পরিমানে হয়।
উৎসঃ একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর অর্থনীতি (২য় পত্র) বই, প্রঃ মোস্তাফিজুর রহমান।

৫২.
সালোকসংশ্লেষণের এর মাধ্যমে খাদ্য প্রস্তুত করে কোষের কোন অঙ্গ?
  1. ক) সাইটোপ্লাজম
  2. খ) নিউক্লিয়াস
  3. গ) ক্লোরোপ্লাস্ট
  4. ঘ) গলজি বস্তু
  5. ঙ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

প্লাস্টিড উদ্ভিদ কোষের একটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গাণু। প্লাস্টিডের প্রধান কাজ খাদ্য প্রস্তুত করা, খাদ্য সঞ্চয় করা এবং উদ্ভিদদেহকে বর্ণময় এবং আকর্ষনীয় করে পরাগায়নে সাহায্য করা।প্লাস্টিড তিন ধরনের। যথা- ক্লোরোপ্লাস্ট, ক্রোমোপ্লাস্ট এবং লিউকোপ্লাস্ট।
লিউকোপ্লাস্ট বর্ণহীন অর্থাৎ এদের কোন রঞ্জক পদার্থ থাকে না, ক্রোমোপ্লাস্ট সবুজ বর্ণ ছাড়া অন্যান্য বর্ণ ধারণ করে এবং সবুজ প্লাস্টিডের নাম ক্লোরোপ্লাস্ট। ক্লোরোপ্লাস্টের ভিতর সবুজ বর্ণ কণিকা ক্লোরোফিল থাকে। সালোকসংশ্লেষ প্রক্রিয়ায় খাদ্য প্রস্তুত করা এর কাজ। ক্লোরোফিল অনুর উপাদান ম্যাগনেসিয়াম।
উৎসঃ জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৫৩.
কোষের শক্তি উৎপাদন করে কে?
  1. ক) মাইটোকন্ড্রিয়া
  2. খ) কোষ গহবর
  3. গ) লিউকোপ্লাস্ট
  4. ঘ) গলজি বস্তু
  5. ঙ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

জীবের শ্বসনকার্যে সাহায্য করা মাইটোকন্ড্রিয়ার প্রধান কাজ। জীবের শ্বসন ক্রিয়ার ধাপ চারটি। যথা- গ্লাইকোলাইসিস, অ্যাসিটাইল কো-এ সৃষ্টি, ক্রেবস চক্র এবং ইলেকট্রন প্রবাহ তন্ত্র। শক্তি উৎপাদনের সকল প্রক্রিয়া মাইক্রোকন্ডিয়ার অভ্যন্তরে ঘটে থাকে বলে মাইটোকন্ড্রিয়াকে কোষের শক্তি উৎপাদন কেন্দ্র বা পাওয়ার হাউস বলা হয়।
উৎসঃ জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৫৪.
মূলের কোন অংশ মাটি থেকে খাদ্য শোষণ করে?
  1. ক) বর্ধিষ্ণু অঞ্চল
  2. খ) স্থায়ী অঞ্চল
  3. গ) বিভাজন অঞ্চল
  4. ঘ) মূলরোম অঞ্চল
  5. ঙ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

মূল নিম্নলিখিত কাজসমূহ করে থাকেঃ
১। মূল উদ্ভিদকে মাটির সাথে শক্তভাবে আটকে রাখে ফলে ঝড় বাতাসে সহজে হেলে পড়ে না।
২। মূল মাটি থেকে পানি ও খনিজ পদার্থ শোষণ করে। আমরা জানি, মূলে মূলরোম অঞ্চল বলে একটি অংশ থাকে। এখানে অসংখ্য সূক্ষ্ম সূক্ষ্ম রোম উৎপন্ন হয় যার মাধ্যমে উদ্ভিদ পানি ও খনিজ পদার্থ সংগ্রহ করে।
উৎসঃ বিজ্ঞান, ষষ্ঠ শ্রেণি।

৫৫.
শালগম কোন ধরনের রুপান্তরিত মূল?
  1. ক) কন্দাকৃতি
  2. খ) রূপান্তরিত প্রধান মূল
  3. গ) অস্থানিক মুল
  4. ঘ) শাখা মূল
  5. ঙ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

মূল কখনও বিশেষ কাজ সম্পাদনের জন্য রূপান্তরিত হতে পারে। আকৃতিগত দিক থেকে এরা চার প্রকার যথা- ১। মূলাকৃতিমূল, ২। গাজরাকৃতিমূল ৩। শালগমাকৃতিমূল এবং ৪। কন্দাকৃতিমূল।
মূলাকৃতি মূল: এরা খাদ্য সঞ্চয় করে তাই প্রধান মূল মোটা ও রসাল হয়। এই মূলের মধ্যভাগ মোটা কিন্তুদুই প্রান্ত ক্রমশ: সরু। যেমন - মূলা।
গাজরাকৃতি মূল: এরা খাদ্য সঞ্চয় করে তাই, প্রধান মূলটি মোটা ও রসাল হয়। এই মূলের উপরের দিক মোটা এবং নিচের দিকে ক্রমশ: সরু হয়ে যায়। যেমন - গাজর।
শালগমাকৃতি মূল: এই ক্ষেত্রে প্রধান মূলটির উপরের অংশ খাদ্য সঞ্চয়ের ফলে গোলাকার এবং নিচের অংশ হঠাৎ করে সরু হয়ে যায়। যেমন - শালগম।
কন্দাকৃতি মূল: খাদ্য সঞ্চয়ের ফলে কখনও কখনও প্রধান মূলটি অনিয়মিত ভাবে মোটা হয়। এদের কোনো নির্দিষ্ট আকার বা আকৃতি নেই। যথা- সন্ধামালতি।
উৎসঃ বিজ্ঞান, সপ্তম শ্রেণি।

৫৬.
কোন কাণ্ড খাদ্য তৈরি করে?
  1. ক) হলুদ এর কাণ্ড
  2. খ) রুপান্তরিত কাণ্ড
  3. গ) বায়বীয় কাণ্ড
  4. ঘ) সবুজ কাণ্ড
  5. ঙ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

কাণ্ড সাধাণরত মাটির উপরে অবস্থান করে এবং পাতা, ফুল ও ফল ধারণ করে। কিন্তু ক্ষেত্র বিশেষে সাধারণ কাজ ছাড়াও বিভিন্ন ধরণের কাজ সম্পন্ন করার জন্য কাণ্ডের আকৃতিগত ও অবস্থাগত পরিবর্তন ঘটে। এ ধরণের পরিবর্তনকে কাণ্ডের রূপান্তর বলে।
অবস্থান অনুযায়ী রূপান্তরিত কাণ্ড তিন প্রকার, যথা- ১) ভূ- নিম্নস্থ রূপান্তরিত কাণ্ড ২) অর্ধ বায়বীয় রূপান্তরিত কাণ্ড ও ৩) বায়বীয় রূপান্তরিত কাণ্ড।
এদের মধ্যে বায়বীয় রূপান্তরিত কান্ড খাদ্য তৈরি করে।
বায়বীয় রূপান্তরিত কাণ্ডঃ এ সকল কাণ্ড মাটির উপরে স্বাভাবিক কাণ্ডের মত অবস্থান করে কিন্তু বিশেষ ধরণের কাজ যেমন খাদ্য তৈরী, অঙ্গজ প্রজনন, আত্মরক্ষা, আরোহণ ইত্যাদি কাজের জন্য রূপান্তরিত হয়ে থাকে।
উৎসঃ বিজ্ঞান, সপ্তম শ্রেণি।

৫৭.
প্রস্বেদন পাতার একটি -
  1. ক) বিশেষ কাজ
  2. খ) স্বাভাবিক কাজ
  3. গ) অসম্পূর্ন কাজ
  4. ঘ) আদৌ পাতার কাজ নয়
  5. ঙ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

উদ্ভিদদেহ থেকে যে প্রক্রিয়ায় পানি বাষ্পাকারে বের হয় তাকে প্রস্বেদন বলা হয়। প্রস্বেদনের প্রধান অঙ্গ উদ্ভিদের পাতা। এছাড়া কান্ড এবং শাখা-প্রশাখা থেকেও প্রস্বেদন হয়ে থাকে। পানি শোষণের চেয়ে প্রস্বেদনে পানি হারানোর হার বেশি হলে উদ্ভিদ দেহে পানি ও খনিজের ঘাটতি দেখা দেয়। প্রস্বেদন কিছু ক্ষতিসাধন করলেও এই প্রক্রিয়া উদ্ভিদের জন্য অত্যাবশ্যকীয়। বৈশিষ্ট্যের বৈপরীত্যের জন্য বিজ্ঞানী কার্টিস প্রস্বদনকে ‘প্রয়োজনীয় ক্ষতি বা Necessary Evil’ নামে অভিহিত করেছেন।
সূত্রঃ জীববিজ্ঞান ৯ম-১০ম শ্রেণি।

৫৮.
পরাগায়ন কত প্রকার?
  1. ক) ২
  2. খ) ৩
  3. গ) ৪
  4. ঘ) ৫
  5. ঙ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

পরাগায়ন দু'প্রকার। যথা- স্ব-পরাগায়ন এবং পর-পরাগায়ন।
- স্ব-পরাগায়ন : একই ফুলে বা একই গাছের ভিন্ন দুটি ফুলের মধ্যে যখন পরাগায়ন ঘটে তখন তাকে স্ব-পরাগায়ন বলা হয়।
ধুতুরা, সরিষা, কুমড়া ইত্যাদি উদ্ভিদে স্ব-পরাগায়ন ঘটে।
- পর-পরাগায়ন : একই প্রজাতির দুটি ভিন্ন উদ্ভিদের ফুলের মধ্যে যখন পরাগায়ন ঘটে তখন তাকে পর-পরাগায়ন বলে।
শিমুল, পেঁপে ইত্যাদি গাছের ফুলে পর-পরাগায়ন হতে দেখা যায়।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর জীববিজ্ঞান বই (উন্মুক্ত)।

৫৯.
নিচের কোনটি চিনি উৎপাদনকারী উদ্ভিদ?
  1. ক) কেনাফ
  2. খ) শন
  3. গ) বিট
  4. ঘ) পাট
  5. ঙ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

যে সমস্ত উদ্ভিদ থেকে চিনি সংগ্রহ করা হয় তাদেরকে চিনি উৎপাদনকারী ফসল বলে। চিনি উৎপাদনকারী ফসলগুলো তাদের দেহের বিভিন্ন অংশে সুক্রোজ জমা করে রাখে। যেমন- আখ, খেজুর, সুগার বীট, ম্যাপল, ভুট্টা, সরগম, সাগো প্রভৃতি উদ্ভিদ এদের কান্ডে চিনি জমা করে রাখে। এদের মধ্যে সাগো ব্যাতীত অন্যগুলোর ক্ষেত্রে কান্ডের কোষকলার ভিতর রস হিসেবে চিনি বিদ্যমান থাকে। সাগোর ক্ষেত্রে পূর্নবয়স্ক গাছে পিথের উপরিভাগে কান্ডাংশের মাঝে অসংখ্য ক্ষুদ্রাকৃতি গ্রানিউল আকারে দানাদার সুক্রোজ অবস্থান করে। সুগার বীট ও গাজরের মূলে সুক্রোজ থাকে। নারিকেল ও তাল গাছের ফুল থেকে সুক্রোজ পাওয়া যায়। এছাড়া কিছু কিছু উদ্ভিদ তাদের ফলে সুক্রোজ সঞ্চয় করে রাখে। উল্লিখিত উদ্ভিদগুলোর মধ্যে বিশ্বে চিনি উৎপাদনের বিবেচনায় আখ এবং সুগার বীট হচ্ছে অন্যতম।
পৃথিবীর মোট উৎপাদিত চিনির প্রায় শতকরা ৬৫ ভাগ আখ থেকে এবং অবশিষ্ট ৩৫ ভাগ সুগার বীট থেকে উৎপন্ন হয়।
সূত্রঃ উন্মুক্ত বিশ্ব বিদ্যালয়ের বোর্ড বই।

৬০.
নিচের কোন বীজে মৃৎগত অঙ্কুরোদগম হয়?
  1. ক) রেডি
  2. খ) মিষ্টি কুমড়া
  3. গ) আম
  4. ঘ) সীম
  5. ঙ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

বীজ থেকে শিশু উদ্ভিদ উৎপন্ন হওয়ার প্রক্রিয়াকে অঙ্কুরোদগম বলে।
বীজের অঙ্কুরোদগম প্রধানত তিন প্রকার।
যথা-
ক) মৃদগত
খ) মৃদভেদী এবং
গ) জরায়ুজ।
মৃদগত অঙ্কুরোদগম বা হাইপোজিয়াল জারমিনেশনঃ
যে অঙ্কুরোদগম প্রক্রিয়ায় বীজ পত্রাদি কাণ্ডের দ্রুত বৃদ্ধির ফলে ভ্রূণ মুকুল মাটির ওপরে কিন্তু বীজপত্র মাটির নিচে থেকে যায় তাকে মৃৎগত অঙ্কুরোগম বা হাইপোজিয়াল জারমিনেশন বলে।
যেমন- আম, ছোলা, মটরশুটি, ধান, গম ইত্যাদি।

মৃদভেদী অঙ্কুরোদগম বা এপিজিয়াল জারমিনেশনঃ
যে অঙ্কুরোদগম প্রক্রিয়ায় বীজ পত্রাবকাণ্ডের দ্রুত বৃদ্ধির ফলে বীজপত্র বীজত্বক ফেটে মাটি ভেদ করে ওপরে উঠে আসে তাকে মৃৎভেদী অঙ্কুরোদগম বা এপিজিয়াল জারমিনেশন বলে।
যেমন- তেঁতুল, লাউ, পিঁয়াজ, কুমড়া, শিম ইত্যাদি।

জরায়ুজ অঙ্কুরোদগম বা ভিভিপেরাস জারমিনেশনঃ
লোনা মাটির অধিকাংশ উদ্ভিদে যে বিশেষ অঙ্কুরোদগম দেখা যায় তাকে জরায়ুজ অঙ্কুরোদগম বলে।
যেমন- সুন্দরী, গরান, কেওড়া, কাকড়া ইত্যাদি।

উৎসঃ বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।