পরীক্ষা আর্কাইভ

৯ম - ১৩তম গ্রেড পরীক্ষার প্রস্তুতি

পরীক্ষা৯ম - ১৩তম গ্রেড পরীক্ষার প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়17 minutes
মোট প্রশ্ন১৫
সিলেবাস
বাংলাদেশ-০১ - বাংলাদেশের জাতীয় বিষয়াবলি - প্রাচীনকাল হতে সম-সাময়িক কালের ইতিহাস, বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম ও মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসঃ ভাষা আন্দোলন, ১৯৫৪ নির্বাচন, ছয় দফা আন্দোলন, গণ অভুত্থান, ১৯৭০ সালের নির্বাচন, অসহযোগ আন্দোলন ১৯৭১, ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ, স্বাধীনতা ঘোষণা, মুজিবনগর সরকার, মুক্তিযুদ্ধের রণকৌশল, পাক বাহিনীর আত্মসমর্পণ ও বাংলাদেশের অভ্যুদয়।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

৯ম - ১৩তম গ্রেড পরীক্ষার প্রস্তুতি

৯ম - ১৩তম গ্রেড পরীক্ষার প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ১৫ প্রশ্ন

.
কোন দুটি দেশের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র রয়েছে?
  1. ক) কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্র
  2. খ) বাংলাদেশ ও কানাডা
  3. গ) যুক্তরাষ্ট্র ও ভারত
  4. ঘ) বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্র
সঠিক উত্তর:
ঘ) বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
পৃথিবীর দুটি দেশের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র রয়েছে। একটি বাংলাদেশ এবং অপরটি যুক্তরাষ্ট্র। ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চের প্রথম প্রহরে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। ১৭৭৬ সালে যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতার ঘোষণা করেন জর্জ ওয়াশিংটন।
.
নিচের কে ভাষা আন্দোলনের শহীদ নন-
  1. ক) জব্বার
  2. খ) রফিক
  3. গ) মতিউর
  4. ঘ) বরকত
সঠিক উত্তর:
গ) মতিউর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) মতিউর
ব্যাখ্যা
রফিক উদ্দিন, আব্দুল জব্বার, আবুল বরকত প্রমুখ ভাষা আন্দোলনের শহীদ। আমানুল্লাহ মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান (আসাদ), মতিউর রহমান মল্লিক, সার্জেন্ট জহুরুল হক, মুহম্মদ শামসুদ্দোহা, শহীদ আনোয়ারা বেগম, শহীদ রুস্তম প্রমুখ ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানে শহীদ হন।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া ও বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় নবম-দশম শ্রেণি।
.
এ.কে. ফজলুল হক পূর্ব বাংলার গভর্নর নিযুক্ত হন-
  1. ক) ১৯৫৪ সালে
  2. খ) ১৯৫৫ সালে
  3. গ) ১৯৫৬ সালে
  4. ঘ) ১৯৫৮ সালে
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৫৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৫৬ সালে
ব্যাখ্যা

হক, এ.কে ফজলুল (১৮৭৩-১৯৬২) রাজনীতিবিদ ও জননেতা। তিনি কলকাতার মেয়র (১৯৩৫), অবিভক্ত বাংলার মুখ্যমন্ত্রী (১৯৩৭-১৯৪৩) এবং পূর্ব বাংলার মুখ্যমন্ত্রী (১৯৫৪), পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী (১৯৫৫) এবং পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নরের পদ (১৯৫৬-১৯৫৮) সহ বহু উঁচু রাজনৈতিক পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন। লোকপ্রিয়ভাবে ‘শেরে বাংলা’ বা হক সাহেব রূপে পরিচিত আবুল কাশেম ফজলুল হক বাকেরগঞ্জ জেলার দক্ষিণাঞ্চলের বর্ধিষ্ণু গ্রাম সাটুরিয়ায় ১৮৭৩ সালের ২৬ অক্টোবর জন্মগ্রহণ করেন। তবে তাঁর পূর্বপুরুষদের বাড়ি ছিল বরিশাল শহর থেকে চৌদ্দ মাইল দূরে চাখার গ্রামে। তিনি ছিলেন মুহম্মদ ওয়াজিদ ও সায়িদুন্নিসা খাতুনের একমাত্র পুত্র। হকের পিতা বরিশাল আদালতের দীউয়ানি ও ফৌজদারি উকিল ছিলেন এবং তাঁর পিতামহ কাজী আকরাম আলী ছিলেন আরবি ও ফারসিতে দক্ষ পন্ডিত ও বরিশালের একজন বিশিষ্ট মোক্তার।

সুত্রঃ বাংলাপিডিয়া।

.
অবিভক্ত বাংলার শেষ মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন-
  1. ক) খাজা নাজিমুদ্দিন
  2. খ) হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
  3. গ) আবু হোসেন সরকার
  4. ঘ) শেরে বাংলা এ.কে. ফজলুল হক
সঠিক উত্তর:
খ) হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
ব্যাখ্যা
১৯৪৬ সালে অবিভক্ত বাংলায় সর্বশেষ সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এতে হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর নেতৃত্বাধীন মুসলিমলীগ ১১৪টি আসন পেয়ে জয় লাভ করে এবং সোহরাওয়ার্দী মুখ্যমন্ত্রী হন।
১৯৪৭ সালের ১৪ আগস্ট পাকিস্তান সৃষ্টি হলে খাজা নাজিমুদ্দিন পূর্ব বাংলার প্রথম মুখ্যমন্ত্রী নিযুক্ত হন।
(সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী : পৃষ্ঠা-১৪১)
.
মুক্তিযুদ্ধের সময় বিগ্রেড আকারে কয়টি ফোর্স গঠিত হয়েছিল?
  1. ক) ২টি
  2. খ) ৩টি
  3. গ) ৪টি
  4. ঘ) ৬টি
সঠিক উত্তর:
খ) ৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৩টি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় প্রধান সেনাপতি কর্নেল এম এ জি ওসমানী (সেনাবাহিনীর সদস্যদের নিয়ে) বিগ্রেড আকারে তিনটি ফোর্স গঠন করেছিলেন। ফোর্স ৩টি হলো- ১. জেড ফোর্স (জিয়াউর রহমান), ২. কে ফোর্স (খালেদ মোশারফ) এবং ৩. এস ফোর্স (কে এম শফিউল্লাহ)।
.
ভাষা আন্দোলনের মুখপত্র-
  1. ক) একুশে সংকলন
  2. খ) সাপ্তাহিক জয়বাংলা
  3. গ) দৈনিক ইত্তেফাক
  4. ঘ) সাপ্তাহিক সৈনিক
সঠিক উত্তর:
ঘ) সাপ্তাহিক সৈনিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সাপ্তাহিক সৈনিক
ব্যাখ্যা

ভাষা আন্দোলনের মুখপত্র ছিল - 'সৈনিক' পত্রিকা। এটি সাপ্তাহিক আকারে প্রকাশিত হত।
ভাষা আন্দোলনের প্রথম সংগঠন 'তমুদ্দিন মজলিশ' - এর উদ্যোক্তাগণ এই পত্রিকার প্রকাশক ছিলেন। সেই অর্থে এটি তমুদ্দিন মজলিশেরও মুখপত্র। এতে তৎকালীন বাংলা ভাষার প্রতিযশা সকল লেখকগণই লিখে বাংলা সপক্ষে জনমত গড়ে তুলতে সহায়তা করেন।
সাপ্তাহিক সৈনিক - এর প্রথম সংখ্যা প্রকাশিত হয় - ১৯৪৮ সালের ১৪ নভেম্বর (২৮ কার্তিক ১৩৫৫)।
এর প্রথম সম্পাদক ছিলেন - শাহেদ আলী। পরে এর সম্পাদক ছিলেন - আবদুল গফুর ও সানাউল্লাহ নুরী।

উল্লেখ্য, তমুদ্দিন মজলিশের উদ্যোগে আরো একটি মাসিক পত্রিকা প্রকাশিত হতো যার নাম - 'মাসিক দ্যুতি'
মাসিক দ্যুতি - ভাষা আন্দোলনের স্বপক্ষে কাজ করলেও সে অর্থে এটিকে ভাষা আন্দোলনের মুখপত্র বলা যায় না।
এছাড়াও, 'দৈনিক আজাদ' পত্রিকাও ভাষা আন্দোলনে বাংলা ভাষার পক্ষে বিভিন্ন নিবন্ধ প্রকাশ করতো।
বাংলা ভাষার পক্ষের আরো কয়েকটি পত্রিকা হচ্ছে - ইনসাফ, মিল্লাত, ইত্তেহাদ, ইত্তেফাক, ঢাকাপ্রকাশ, সীমান্ত ইত্যাদি।

অন্যদিকে, 'মর্নিং নিউজ' উর্দুর পক্ষে নিউজ প্রকাশ করে বাংলা ভাষার তীব্র বিরোধিতা করতো।

উৎসঃ বাংলাপিডিয়া, কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের প্রকাশিত স্মারকগ্রন্থ ও প্রথম আলো আর্কাইভ।

.
ইখতিয়ার উদ্দিন মুহম্মদ বিন বখতিয়ার খলজী কোন দেশের সেনাপতি ছিলেন?
  1. আরব সেনাপতি
  2. তুর্কি সেনাপতি
  3. ভারতীয় সেনাপতি
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
তুর্কি সেনাপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তুর্কি সেনাপতি
ব্যাখ্যা
ইখতিয়ার উদ্দিন বখতিয়ার খলজি:
- বখতিয়ার খলজী ছিলেন বাংলার দিল্লি সুলতানাতের একজন মুসলিম সুলতান।
- তিনি ছিলেন একজন তুর্কি সেনাপতি।
- তিনি আফগানিস্তানের গরমশির এলাকার অধিবাসী ছিলেন।
- তিনি তুর্কীদের খিলজী সম্প্রদায়ভুক্ত ছিলেন।
- ইখতিয়ার উদ্দিন বখতিয়ার খলজি দ্বাদশ শতাব্দীতে ভারতবর্ষে আসেন।
- তিনি ৬০১ হিজরিতে (১২০৫ খ্রি.) বিনা বাধায় গৌড় জয় করেন এবং লখনৌতি নাম দিয়ে সেখানে তাঁর রাজধানী স্থাপন করেন।
- উল্লেখ্য, পূর্বে গৌড়ের নাম ছিল লক্ষণাবতী।
- ত্রয়োদশ শতকে তার নদীয়া জয়ের মাধ্যমে বাংলায় মুসলিম শাসনের সূত্রপাত হয়।
- তিনি ১২০৪ সালে বাংলার সেন বংশের রাজা লক্ষ্মণ সেনকে বিনা বাঁধায় পরাজিত করে নদীয়া জয় করেন।
- তিনি স্বল্প সময়ের জন্য নদীয়ায় অবস্থান করেন এবং পরে গৌড়ের দিকে যাত্রা করেন।
-  বাংলা জয় করেন ১৩ শতকে।
- ১২০৬ সালে বখতিয়ার খিলজী ইহলোক ত্যাগ করেন।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি এবং বাংলার ইতিহাস; সুলতানি আমল: আব্দুল করিম।
.
আওয়ামীলীগের ঐতিহাসিক ছয় দফার প্রথম দফা-
  1. ক) স্বতন্ত্র মুদ্রা ব্যবস্থা চালু
  2. খ) স্বতন্ত্র আর্থিক ব্যবস্থা
  3. গ) প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন
  4. ঘ) রাষ্ট্রভাষা বাংলা
সঠিক উত্তর:
গ) প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন
ব্যাখ্যা
১৯৬৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের লাহোরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ৬ দফা ঘোষণা করেন।
ছয়টি দফা হলো-
১. প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন
২. ফেডারেল সরকার
৩. মুদ্রা সংক্রান্ত ক্ষমতা
৪. ট্যাক্স, খাজনা ও কর ধার্য
৫. বৈদেশিক বাণিজ্য
৬. প্যারা মিলিশিয়া গঠন।
উৎসঃ বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
.
মুক্তিযুদ্ধের সময় ঢাকা কোন সেক্টরের অধীনে ছিল?
  1. ক) ৩ নং
  2. খ) ৪ নং
  3. গ) ২ নং
  4. ঘ) ৯ নং
সঠিক উত্তর:
গ) ২ নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ২ নং
ব্যাখ্যা

১৯৭১ সালের ১১ এপ্রিল প্রবাসী সরকার সমগ্র বাংলাদেশকে ১১ টি সেক্টরে বিভক্ত করে। ফেনী নদী থেকে আখাউড়া-ভৈরব রেললাইনের পশ্চিমপ্রান্ত এবং ঢাকা শহর ও ফরিদপুরের অংশবিশেষ নিয়ে ২নং সেক্টর গঠিত হয়। এপ্রিল থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ২নং সেক্টরের কমান্ডার নিযুক্ত হন মেজর খালেদ মোশারফ। সেপ্টেম্বর থেকে ডিসেম্বর এ টি এম হায়দার ২নং সেক্টরের কমান্ডার নিযুক্ত হন।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া

১০.
কে পূর্ব বাংলার নামকরণ বাংলাদেশ করেন?
  1. ক) হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
  2. খ) মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী
  3. গ) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
  4. ঘ) শেরে বাংলা এ. কে. ফজলুল হক
সঠিক উত্তর:
গ) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
ব্যাখ্যা

১৯৬৯ সালের ৫ ডিসেম্বর হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর মৃত্যু দিবস উপলক্ষ্যে আয়োজিত এক জনসভায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব পূর্ব বাংলার নামকরণ করেন ‘বাংলাদেশ’।
তিনি বলেন, “একসময় এদেশের বুক হইতে, মানচিত্রের পৃষ্ঠা হইতে ‘বাংলা’ কথাটির সর্বশেষ চিহ্নটুকুও চিরতরে মুছিয়া ফেলার চেষ্টা করা হইয়াছে। ... একমাত্র ‘বঙ্গোপসাগর’ ছাড়া আর কোন কিছুর নামের সঙ্গে ‘বাংলা’ কথাটির অস্তিত্ব খুঁজিয়া পাওয়া যায় নাই। ... জনগণের পক্ষ হইতে আমি ঘোষণা করিতেছি- আজ হইতে পাকিস্তানের পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশটির নাম পূর্ব পাকিস্তানের পরিবর্তে শুধুমাত্র বাংলাদেশ”।
সূত্রঃ বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের ওয়েবসাইট।

১১.
ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানে শহীদ হওয়া আসাদুজ্জামান জন্মস্থান-
  1. ক) কিশোরগঞ্জ
  2. খ) নরসিংদী
  3. গ) নারায়ণগঞ্জ
  4. ঘ) গাজিপুর
সঠিক উত্তর:
খ) নরসিংদী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) নরসিংদী
ব্যাখ্যা
ঊনসত্তরের গণআন্দোলনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের ছাত্র আসাদুজ্জামান আসাদ নরসিংদী জেলার শিবপুর উপজেলার হাতিরদিয়ায় জন্মগ্রহণ করে।
তিনি ২০ জানুয়ারি ১৯৬৯ সালে শহীদ হন।
বাংলাদেশে ২০ জানুয়ারিকে শহীদ আসাদ দিবস হিসেবে পালিত হয়।
উৎসঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্ব সভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
১২.
বাংলাদেশের ইতিহাসে যে ঘটনাটি আগে ঘটেছিল-
  1. ক) বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন
  2. খ) আওয়ামী মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠা
  3. গ) তমদ্দুন মজলিস প্রতিষ্ঠা
  4. ঘ) বাংলাদেশ ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠা
সঠিক উত্তর:
গ) তমদ্দুন মজলিস প্রতিষ্ঠা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) তমদ্দুন মজলিস প্রতিষ্ঠা
ব্যাখ্যা
অধ্যাপক আবুল কাশেমের উদ্যোগে ১৯৪৭ সালের ২ সেপ্টেম্বর প্রতিষ্ঠিত হয় তমদ্দুন মজলিশ।
৪ জানুয়ারি, ১৯৪৮ সালে পূর্ব বাংলা মুসলিম ছাত্রলীগ প্রতিষ্ঠিত হয়।
ঢাকার কে.এম. দাস লেনের রোজগার্ডেনে এক কর্মী সম্মেলনে পূর্ব বাংলার বাঙালি প্রগতিশীল নেতা ও কর্মী ঢাকায় মিলিত হয়ে ১৯৪৯ সালের ২৩ জুন 'আওয়ামী মুসলিম লীগ' গঠন করেন।
১৯৫২ সালে চূড়ান্ত ভাষা আন্দোলন শুরু হয়েছিল।
উৎসঃ সংশ্লিষ্ট সংগঠনের ওয়েবসাইট ও বাংলাপিডিয়া।
১৩.
মুজিবনগর সরকারের ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রী ছিলেন-
  1. ক) সৈয়দ নজরুল ইসলাম
  2. খ) এ.এইচ.এম. কামরুজ্জামান
  3. গ) তাজউদ্দীন আহমদ
  4. ঘ) খন্দকার মোশতাক আহমেদ
সঠিক উত্তর:
খ) এ.এইচ.এম. কামরুজ্জামান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) এ.এইচ.এম. কামরুজ্জামান
ব্যাখ্যা
১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল আনুষ্ঠানিকভাবে মুজিবনগর সরকারের মন্ত্রিসভা শপথ গ্রহণ করে এবং এই সরকারের কাঠামো ছিল নিম্নরূপ-
রাষ্ট্রপতিঃ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান;
উপরাষ্ট্রপতিঃ সৈয়দ নজরুল ইসলাম;
প্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষামন্ত্রীঃ তাজউদ্দীন আহমদ;
অর্থ, বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রীঃ এম মনসুর আলী;
স্বরাষ্ট্র, কৃষি, ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রীঃ এ.এইচ.এম. কামরুজ্জামান,
পররাষ্ট্র ও আইনমন্ত্রীঃ খন্দকার মোশতাক আহমেদ;
প্রধান সেনাপতিঃ কর্নেল অবসরপ্রাপ্ত এম. এ. জি ওসমানী;
চিফ অব স্টাফঃ কর্নেল (অব.) আব্দুর রব এবং
ডেপুটি চিফ অব স্টাফ এবং বিমান বাহিনীর প্রধানঃ গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ. কে. খন্দকার।
উৎসঃ পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
১৪.
মেজর আবু ওসমান চৌধুরী কত নম্বর সেক্টরের কমান্ডার ছিলেন-
  1. ক) ৪ নং
  2. খ) ৬ নং
  3. গ) ৮ নং
  4. ঘ) ৯ নং
সঠিক উত্তর:
গ) ৮ নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৮ নং
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধকালে মেজর আবু ওসমান চৌধুরী ৮ নং সেক্টর কমান্ডার ছিলেন।
সমগ্র কুষ্টিয়া জেলা, ফরিদপুরের অংশবিশেষ এবং দৌলতপুর-সাতক্ষীরা সড়ক পর্যন্ত খুলনা জেলার এলাকা ৮ নং সেক্টরের অধীনে ছিল।
সম্প্রতি এই সেক্টর কমান্ডার মৃত্যুবরণ করেন।
উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার।
১৫.
ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের প্রত্যক্ষ ফলাফল-
  1. ক) আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার
  2. খ) আয়ুব খানের ক্ষমতা হস্তান্তর
  3. গ) ইয়াহিয়া খানের ক্ষমতা গ্রহণ
  4. ঘ) উপরের সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপরের সবগুলোই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপরের সবগুলোই
ব্যাখ্যা
ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের প্রত্যক্ষ ফলাফল ছিল-
- আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার (২২ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৯),
- আয়ুব খানের ক্ষমতা হস্তান্তর (২৫ মার্চ, ১৯৬৯)
- ইয়াহিয়া খানের ক্ষমতা গ্রহণ।