পরীক্ষা আর্কাইভ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

পরীক্ষাডেইলি কুইজ [২০০ দিন]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়09 minutes বৈধ · অসম্পূর্ণ
মোট প্রশ্ন
সিলেবাস
সাধারণ বিজ্ঞান: টপিকসমূহ: ভৌত বিজ্ঞান: (রসায়ন বিজ্ঞান বিষয়ক) পদার্থের অবস্থা ও ধর্ম, পারমাণবিক গঠন, মৌলিক কণা, মৌলের ধর্ম, পদার্থের ভৌত ও রাসায়নিক পরিবর্তন, সাধারণ রাসায়নিক বিক্রিয়া, কার্বনের বহুমুখী ব্যবহার, এসিড, ক্ষার, লবণ, পদার্থের ক্ষয়। উৎস: ষষ্ঠ থেকে মাধ্যমিক শ্রেণির বিজ্ঞান বোর্ড বই, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শ্রেণির রসায়ন বিজ্ঞান বোর্ড বই [NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়], ব্রিটানিকা, যেকোনো গাইডবই। [গাইড বই থেকে পড়ার ক্ষেত্রে কনফিউজিং বিষয়গুলো ক্রসচেক করে পড়া উত্তম।]।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন] · তারিখ অনির্ধারিত · প্রশ্ন

.
মৌমাছি হুল ফুটালে যে জ্বালাপোড়া হয়, তা নিষ্ক্রিয় করতে কোনটি ব্যবহার করা হয়?
  1. ক) জিংক কার্বোনেট
  2. খ) অক্সালিক এসিড
  3. গ) কার্বোনিক এসিড
  4. ঘ) অ্যাপামিন
ব্যাখ্যা
- পিঁপড়ার কামড়ের মাধ্যমে মূলত ফরমিক এসিড নিঃসৃত হয়, যা আমাদের শরীরে জ্বালাপোড়া সৃষ্টি করে। 
- আর মৌমাছি হুল ফুটালে ফরমিক এসিড, মেলিটিন এবং অ্যাপামিন নামক এসিডিক পদার্থ নিঃসৃত হয়, যার কারণে জ্বালাপোড়া হয় আবার আক্রান্ত স্থান ফুলেও যায়।
- এসব জ্বালাপোড়ার কারণ হচ্ছে এসিড, যা নিষ্ক্রিয় করতে জিংক কার্বোনেট, বেকিং সোডা ইত্যাদি ব্যবহার করতে পারি।

 উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি। 

.
কয়লা কোন ধরনের শিলা?
  1. ক) জৈব শিলা
  2. খ) আগ্নেয় শিলা
  3. গ) পাললিক শিলা
  4. ঘ) রূপান্তরিত শিলা
ব্যাখ্যা
- কয়লা হলো কালো বা কালচে বাদামি রঙের এক ধরনের পাললিক শিলা। এতে বিদ্যমান মূল উপাদান হচ্ছে কার্বন (C)।
- কয়লা তিন রকমের হয়ে থাকে। যথা: অ্যানথ্রাসাইট, বিটুমিনাস এবং লিগনাইট।
- অ্যানথ্রাসাইট হলো সবচেয়ে পুরোনো ও শক্ত কয়লা, যা প্রায় ৩৫০ মিলিয়ন বছর আগে তৈরি এবং এতে শতকরা প্রায় ৯৫ ভাগ কার্বন থাকে।
- বিটুমিনাস কয়লা প্রায় ৩০০ মিলিয়ন বছরের পুরোনো এবং এতে শতকরা ৫০-৮০ ভাগ কার্বন থাকে।
- লিগনাইট কয়লা ১৫০ মিলিয়ন বছরের পুরোনো এবং এতে সর্বোচ্চ শতকরা ৫০ ভাগ পর্যন্ত কার্বন থাকে। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি। 
.
বাষ্পকে শীতল করে তরলে পরিণত করার প্রক্রিয়াকে বলা হয়-
  1. ক) ঊর্ধ্বপাতন
  2. খ) বাষ্পীভবন
  3. গ) পাতন
  4. ঘ) ঘনীভবন
ব্যাখ্যা
- কোনো তরলকে তাপ প্রদান করে ঐ তরল পদার্থকে বাষ্পে পরিণত করার প্রক্রিয়াকে বাষ্পীভবন বলে। যেমন: চায়ের কাপে গরম চা রাখলে ঐ গরম চা থেকে পানি বাষ্পাকারে উড়ে যায়।
- আবার উক্ত বাষ্পকে শীতল করলে তা তরলে পরিণত হয় যাকে ঘনীভবন বলে। যেমন: জলীয় বাষ্প তাপশক্তি নির্গত করে ঠান্ডা হয়ে পানিতে পরিণত হয়।
- কোনো তরলকে তাপ প্রদানে বাষ্পে পরিণত করে তাকে পুনরায় শীতলীকরণের মাধ্যমে তরলে পরিণত করার পদ্ধতিকে পাতন বলে। অর্থাৎ
                          পাতন = বাষ্পীভবন + ঘনীভবন 
- যে প্রক্রিয়ায় কোন কঠিন পদার্থকে তাপ প্রদান করা হলে সেগুলো তরলে পরিণত না হয়ে সরাসরি বাষ্পে পরিণত হয়, সেই প্রক্রিয়াকে ঊর্ধ্বপাতন বলে। যেমন: নিশাদল (NH₄Cl), কর্পূর (C₁₀H₁₆O), ন্যাপথলিন (C₁₀H₈), কার্বন ডাই-অক্সাইড (CO₂), আয়োডিন (I₂), অ্যালুমিনিয়াম ক্লোরাইড (AlCl₃) এই পদার্থগুলোকে তাপ প্রদান করা হলে সেগুলো তরলে পরিণত না হয়ে সরাসরি বাষ্পে পরিণত হয়। এই পদার্থগুলোকে ঊর্ধ্বপাতিত পদার্থও বলা হয়।

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
.
তাপ প্রয়োগে সবচেয়ে বেশি প্রসারিত হয় -
  1. ক) গ্যাসীয় পদার্থ
  2. খ) তরল পদার্থ
  3. গ) কঠিন পদার্থ
  4. ঘ) এটি নির্দিষ্ট নয়
ব্যাখ্যা
• তাপ প্রয়োগে করলে সব ধরনের পদার্থই প্রসারিত হয়।
- তবে যে পদার্থের অণুগুলোর মধ্যকার আন্তঃআণবিক আকর্ষণ যতো কম সে পদার্থ ততো বেশি প্রসারিত হয়।
- কঠিন বা তরল পদার্থের তুলনায় বায়বীয় পদার্থের অণুগুলোর মধ্যে আন্তঃআণবিক আকর্ষণ সবচেয়ে কম।
- তাই তাপ প্রয়োগে বায়বীয় বা গ্যাসীয় পদার্থ সবচেয়ে বেশি প্রসারিত হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
.
রাসায়নিক পদার্থ পরিমাপের একক কোনটি?
  1. ক) গ্রাম
  2. খ) কিলোগ্রাম
  3. গ) মোল
  4. ঘ) লিটার
ব্যাখ্যা
- রাসায়নিক পদার্থ পরিমাপের এসআই একক হচ্ছে মোল
- কোনো উপাদানের যে পরিমাণের মধ্যে অ্যাভোগেড্রো সংখ্যক অণু, পরমাণু বা আয়ন থাকে, সেই পরিমাণকে পদার্থের মোল বলে। 
- পদার্থের পারমাণবিক ভর অথবা আণবিক ভরকে গ্রাম এককে প্রকাশ করলে যে সংখ্যা মান পাওয়া যায় তার মধ্যে অ্যাভোগেড্রো সংখ্যক পরমাণু বা অণু বর্তমান থাকে। অ্যাভোগেড্রোর এ সংখ্যার মান 6.023×1023
- কোনো পদার্থের ১ মোল বলতে সেই পরিমাণ পদার্থকে বুঝায় যার মধ্যে ঐ পদার্থের উপাদান কণিকার সংখ্যা 6.023×1023 
- কোনো মৌলিক বা যৌগিক পদার্থের ১ মোল অণু বলতে 6.023×1023 টি অণুকে বুঝায়।
- আবার একইভাবে কোনো মৌলিক পদার্থের ১ মোল পরমাণু বলতে 6.023×1023 টি পরমাণু বুঝায়।

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
নাইট্রোজেন পরমাণুর যোজ্যতা ইলেকট্রন সংখ্যা কত?
  1. ক) ২
  2. খ) ৩
  3. গ) ৪
  4. ঘ) ৬
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: ৫টি (অপশনে নেই)
অপশনে সঠিক উত্তর না থাকায় বাতিল করা হয়েছে।
---------------------------------------

কোনো মৌলের ইলেকট্রন বিন্যাসে সর্বশেষ কক্ষপথে যে ইলেকট্রন বা ইলেকট্রনসমূহ থাকে তার সংখ্যাকে যোজ্যতা ইলেকট্রন সংখ্যা বলা হয়।

যেমন: পটাশিয়াম ও অক্সিজেনের ইলেকট্রন বিন্যাসে সর্বশেষ কক্ষপথে যথাক্রমে ১টি ও ৬টি করে ইলেকট্রন বিদ্যমান।
সুতরাং K এর যোজ্যতা ইলেকট্রন ১টি এবং অক্সিজেনের যোজ্যতা ইলেকট্রন ৬টি।

নিচের তালিকায় কিছু মৌলের ইলেকট্রন বিন্যাস হতে যোজ্যতা ইলেকট্রনের সংখ্যা দেখানো হলো:


এখানে নাইট্রোজেন (N) এর K কক্ষপথে 2টি এবং L কক্ষপথে 5টি ইলেকট্রন আছে। নাইট্রোজেনের ক্ষেত্রে L কক্ষপথই হলো সর্বশেষ কক্ষপথ। যেহেতু সর্বশেষ কক্ষপথে 5টি ইলেকট্রন আছে। সুতরাং নাইট্রোজেনের যোজ্যতা ইলেকট্রন আছে 5টি।


উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
.
আধুনিক পর্যায় সারণিতে গ্রুপের সংখ্যা-
  1. ক) ৭
  2. খ) ৯
  3. গ) ১৪
  4. ঘ) ১৮
ব্যাখ্যা
- ১৯১৪ সালে বিজ্ঞানী বোর মৌলের পরমাণুর ইলেকট্রন বিন্যাসের ভিত্তিতে বিস্তৃত আকারে একটি পর্যায় সারণি তৈরি করেন। এটি দীর্ঘ পর্যায় সারণি বা বোরের সারণি নামে পরিচিত।
- বোরের পর্যায় সারণিকে আধুনিক পর্যায় সারণি বলা হয়।
- মৌলের পরমাণুর ইলেকট্রন বিন্যাসই পর্যায় সারণির মূল ভিত্তি।
- এ সারণিতে মৌলগুলোকে পর্যায় ও গ্রুপ বরাবর ভাগ করা হয়েছে। 
- পর্যায়গুলোকে ১ম পর্যায়, ২য় পর্যায়, ৩য় পর্যায়, ৪র্থ পর্যায়, ৫ম পর্যায়, ৬ষ্ঠ পর্যায়, ৭ম পর্যায় এভাবে ভাগ করা হয়েছে।
- আর গ্রুপগুলোকে যথাক্রমে ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬, ৭, ৮, ৯,১০, ১১, ১২, ১৩, ১৪, ১৫, ১৬, ১৭, ১৮ গ্রুপ এভাবে সাজানো হয়েছে। 
- সমগ্র পর্যায় সারণিকে ৭টি পর্যায় ও ১৮টি গ্রুপ হিসেবে ভাগ করা রয়েছে
- প্রতিটি পর্যায়ের বাম দিক থেকে গ্রুপ-১ এর মৌল দিয়ে শুরু করে গ্রুপ-১৮ তে গিয়ে শেষ হয়েছে।

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।