পরীক্ষা আর্কাইভ

১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক]

পরীক্ষা১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়12 minutes
মোট প্রশ্ন১৮
সিলেবাস
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি সিলেবাস: i) বাংলাদেশের জাতীয় বিষয়াবলি, ii) বাংলাদেশের কৃষিজ সম্পদ, iii) বাংলাদেশের অর্থনীতি, iv) বাংলাদেশের শিল্প ও বাণিজ্য উৎস: ষষ্ঠ থেকে উচ্চমাধ্যমিক শ্রেণির সংশ্লিষ্ট বোর্ড বই, বিভিন্ন জাতীয় সমীক্ষা, বাংলাপিডিয়া, সংশ্লিষ্ট সরকারি ওয়েবসাইট ও যেকোনো গাইড বই। --------------------- [নির্দেশিকা: এই রুটিনে সারাবছর জুড়ে পরীক্ষা চলমান থাকে। আপনি আজ ১ম পরীক্ষা দেওয়া শুরু করলে ৭০ দিনের মধ্যে পুরো সিলেবাস সম্পন্ন হবে।]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক]

১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক] · তারিখ অনির্ধারিত · ১৮ প্রশ্ন

.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩ অনুয়ায়ী, তামাক উৎপাদনে শীর্ষ জেলা -
  1. যশোর
  2. কুষ্টিয়া
  3. রংপুর
  4. ফরিদপুর
সঠিক উত্তর:
কুষ্টিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুষ্টিয়া
ব্যাখ্যা
তামাক:
- তামাকগাছের আদি নিবাস উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকায়।
- এর শুকানো পাতা সাধারণত সিগারেট, বিড়ি, হুঁকা, পান খাওয়ার জর্দায় ও নস্যি হিসেবে গুলে ব্যবহৃত হয়।
- তামাকের ইংরেজি ‘Tobacco’ এসেছে স্প্যানিশ ‘Tabaco’ শব্দ থেকে।
- তামাকের চাষ প্রায় সব ধরনের জমিতেই করা যায়।
- যেসব এলাকার গড় তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি ফারেনহাইটের মতো, সেসব অঞ্চলে এ গাছ ভালো জন্মে।
- বাংলাদেশে তামাক রবিশস্য হিসেবে চাষ করা হয়। 
- বাংলাদেশের প্রধান প্রধান তামাক উৎপাদনকারী জেলা হচ্ছে রংপুর, কুষ্টিয়া, যশোর, ঢাকা, ফরিদপুর, চট্টগ্রাম ও পটুয়াখালী।

• কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩ অনুয়ায়ী, তামাক উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: কুষ্টিয়া।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩।
.
নিম্নের কোনটি দেশের বৃহত্তম অর্থনৈতিক অঞ্চল? [এপ্রিল, ২০২৫]
  1. শ্রীহট্ট অর্থনৈতিক অঞ্চল
  2. মহেশখালী অর্থনৈতিক অঞ্চল
  3. জাপানিজ বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল
  4. জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল
সঠিক উত্তর:
জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল
ব্যাখ্যা
জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল (এনএসইজেড):
- দেশের বৃহত্তম অর্থনৈতিক অঞ্চল জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল।
- বঙ্গোপসাগরের উপকূলীয় এলাকা সন্দ্বীপ চ্যানেলের পাশে প্রায় ১৩৭ বর্গকিলোমিটার এলাকাজুড়ে গড়ে তোলা হচ্ছে এই অর্থনৈতিক অঞ্চল।
- এটি চট্টগ্রাম জেলার মিরসরাই ও সীতাকুন্ড উপজেলা এবং ফেনী জেলার সোনাগাজী উপজেলার উপকূলীয় এলাকায় অবস্থিত।
- এই শিল্পনগরের আয়তন ৩৩ হাজার ৮০৫ একর।
- এর ৪১ শতাংশ বা ১৪ হাজার একরে শুধু শিল্পকারখানা হবে, বাকি ৫৯ শতাংশ এলাকার মধ্যে আছে খোলা জায়গা, বনায়ন, বন্দর–সুবিধা, আবাসন, স্বাস্থ্য, প্রশিক্ষণ ও বিনোদনকেন্দ্র।

এছাড়াও,
- স্বল্পমেয়াদি অগ্রাধিকার পরিকল্পনার অংশ হিসেবে আগামী দুই বছরে পাঁচটি অর্থনৈতিক অঞ্চল বাস্তবায়নের পরিকল্পনার কথা জানান বেজার নির্বাহী চেয়ারম্যান। এগুলো হলো চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে অবস্থিত জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল (এনএসইজেড), শ্রীহট্ট অর্থনৈতিক অঞ্চল, জামালপুর অর্থনৈতিক অঞ্চল, মহেশখালী অর্থনৈতিক অঞ্চল ও জাপানিজ বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল (এসইজেড)।

উৎস: i) বেপজা ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো।
.
প্রকল্প হিসেবে গ্রামীণ ব্যাংক যাত্রা শুরু করে -
  1. ১৯৭৪ সালে
  2. ১৯৭৫ সালে
  3. ১৯৭৬ সালে
  4. ১৯৭৭ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৬ সালে
ব্যাখ্যা
গ্রামীণ ব্যাংক:
- গ্রামীণ ব্যাংক বাংলাদেশের একটি ক্ষুদ্রঋণ প্রদানকারী সংস্থা এবং সামাজিক উন্নয়ন ব্যাংক।
- গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
- গ্রামীণ ব্যাংক মূলত ভূমিহীন এবং দরিদ্র নারীদের পাঁচ জনের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র দল গঠনের মাধ্যমে ক্ষুদ্রঋণ প্রদান করে এবং এ ঋণের মাধ্যমে তাদের কর্মসংস্থানের সৃষ্টি করে।
- গ্রামীণ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ ১৩ জন পরিচালক নিয়ে গঠিত।
- গ্রামীন ব্যাংকের ক্ষুদ্র ঋণের ধারণা বাংলাদেশের বাইরে প্রথম মালয়েশিয়ায় চালু করে।
- ক্ষুদ্রঋণের মাধ্যমে সমাজের নীচ থেকে অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়ন সৃষ্টির প্রচেষ্টার প্রশংসায় ও ড. মুহাম্মদ ইউনূস ২০০৬ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।

⇒ গ্রামীণ ব্যাংক ১৯৭৬ সালের প্রকল্প হিসেবে যাত্রা শুরু করে।
- ১৯৮৩ সালের ২ অক্টোবর ব্যাংক হিসেবে চালু হয়।

উৎস: গ্রামীণ ব্যাংক ওয়েবসাইট।
.
সর্বশেষ কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ অনুসারে, এক ফসলি জমির পরিমাণ কত? [এপ্রিল, ২০২৫]
  1. ২০,৫৭,০০০ হেক্টর
  2. ২০,৮৭,০০০ হেক্টর
  3. ২২,৫৭,০০০ হেক্টর
  4. ২২,৮৭,০০০ হেক্টর
সঠিক উত্তর:
২০,৫৭,০০০ হেক্টর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০,৫৭,০০০ হেক্টর
ব্যাখ্যা
সর্বশেষ কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩। 

মোট জমির পরিমাণ:

- মোট আবাদযোগ্য জমি (Gross Cropped Area): ৩,৯৩,৫৮,০০০ একর (১,৫৯,২৮,০০০ হেক্টর)।
- মোট আবাদী জমি (Net Cropped Area): ১,৯৮,৭৫,০০০ একর (৮০,৪৩,০০০ হেক্টর)।
- এক ফসলি জমি: ৫০,৮৪,০০০ একর (২০,৫৭,০০০ হেক্টর)।
- দুই ফসলি জমি: ১,০১,৪৯,০০০ একর (৪১,০৭,০০০ হেক্টর)।
- তিন ফসলি জমি: ৪৫,৯২,০০০ একর (১৮,৫৮,০০০ হেক্টর)।
- চার ফসলি জমি: ৫০,০০০ একর (২০,০০০ হেক্টর)।
- আবাদযোগ্য নয় এমন জমির পরিমাণ (Not available for cultivation): ৮২,৯০,০০০ একর।
- বনাঞ্চল (Forest Area): ৬৩,৬৩,০০০ একর (প্রায়)।
- মোট জমির পরিমাণ (আবাদী, অনাবাদী, বনাঞ্চল ও অন্যান্য): ৩,৬৪,৬৫,০০০ একর।
- মোট খাদ্যশস্য: ৪,৩৪,৯৩,০০০ মেট্রিক টন।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩।
.
দেশে বর্তমানে ব্যাংক বহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠান কয়টি? [এপ্রিল, ২০২৫]
  1. ৩৩টি
  2. ৩৪টি
  3. ৩৫টি
  4. ৩৬টি
সঠিক উত্তর:
৩৫টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৫টি
ব্যাখ্যা
ব্যাংক-বহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠান:
- ব্যাংক-বহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠান বা এনবিএফআই হলো এক ধরনের আর্থিক প্রতিষ্ঠান, যারা সম্পূর্ণ ব্যাংকিং লাইসেন্স পায় না, বা কোনও জাতীয় বা আন্তর্জাতিক ব্যাংকিং নিয়ন্ত্রক সংস্থার মাধ্যমে নিয়ন্ত্রিত হয় না।
- দেশে প্রথম আর্থিক প্রতিষ্ঠানের যাত্রা শুরু হয় ১৯৮১ সালে।
- দেশের প্রথম ব্যাংক-বহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠান হলো আইপিডিসি (IPDC Finance PLC)।
- ব্যাংক-বহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে বাংলাদেশ ব্যাংক লাইসেন্স দিয়ে থাকে এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠান আইন ১৯৯৪-এর মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করে।
- অর্থাৎ ব্যাংকগুলোর মতো ব্যাংক বহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর রেগুলেটরি বডি হচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

⇒ দেশে বর্তমানে ৩৫টি আর্থিক প্রতিষ্ঠান কাজ করছে।

উৎস: i) Bangladesh Bank ওয়েবসাইট।
ii) ৭ জানুয়ারি ২০২৫, প্রথম আলো।
.
পরমাণু শক্তির শান্তিপূ্ণ ব্যবহারের মাধ্যমে কৃষি খাদ্য নিরাপত্তা নিম্নের কোন প্রতিষ্ঠানের উদ্দেশ্য?
  1. BINA
  2. BARI
  3. Seed Certification Agency
  4. BADC
সঠিক উত্তর:
BINA
উত্তর
সঠিক উত্তর:
BINA
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (BINA):
- বাংলাদেশে নার্সভুক্ত (NARS) প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ‍ইনস্টিটিউট (বিনা) একটি অন্যতম ও একক প্রতিষ্ঠান।
- বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিনা) বাংলাদেশের পারমাণবিক কৌশল কাজে লাগিয়ে কৃষিখাতে অবদান রাখার একমাত্র প্রতিষ্ঠান।
- এর প্রধান কাজ হলো পরমাণু শক্তির শান্তিপূ্ণ ব্যবহারের মাধ্যমে কৃষি খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে তাৎপর্য্পূণ অবদান রাখা।
- বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট ময়মনসিংহে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) অবস্থিত।

উল্লেখ্য,
- প্রধান কার্যালয়ের মোট ১১টি বিভাগের সমন্বয়ে বিনা’র গবেষণা কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
- বিনা'র মোট ১৩টি উপকেন্দ্র রয়েছে।

অন্যদিকে,
- BADC-এর প্রধান কাজ কৃষি উন্নয়ন।
- বীজ প্রত্যয়ন এজেন্সী (Seed Certification Agency)-এর প্রধান কাজ বীজের মান নিয়ন্ত্রণ।
- BARI-এর প্রধান কাজ কৃষি বিষয়ক ফসলের গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনা।

উৎস: BINA ওয়েবসাইট।
.
বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর কতজন? [এপ্রিল, ২০২৫]
  1. ৩ জন
  2. ৪ জন
  3. ৬ জন
  4. ৮ জন
সঠিক উত্তর:
৪ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪ জন
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ব্যাংক:
- বাংলাদেশ ব্যাংক বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও মুদ্রা নিয়ন্ত্রণের প্রধান কর্তৃপক্ষ।
- এটি বাংলাদেশ ব্যাংক আদেশ, ১৯৭২-এর মাধ্যমে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় ঢাকার মতিঝিলে অবস্থিত।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় ব্যতীত এর আরও দশটি শাখা রয়েছে। এগুলো হলো: মতিঝিল, ঢাকা, সদরঘাট, ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট, বরিশাল, রাজশাহী, বগুড়া, খুলনা, ময়মনসিংহ, রংপুর।

⇒ ব্যাংকটি পরিচালনার জন্য ৮ সদস্যবিশিষ্ট একটি পরিচালনা পর্ষদ রয়েছে।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর এ পর্ষদের সভাপতি।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের বর্তমান গভর্নর: ড. আহসান এইচ মনসুর (১৩তম)।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের মেয়াদ ৪ বছর।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর ৪ জন।
- এরা হলেন - নুরুন নাহার, ডাঃ মোঃ হাবিবুর রহমান, মোঃ জাকির হোসেন চৌধুরী, ডাঃ মোঃ কবির আহমেদ। 

উৎস: Bangladesh Bank ওয়েবসাইট। [link]
.
মুঘল আমলে নির্মিত 'ময়ূর সিংহাসন' লুণ্ঠন করে নিয়ে যায় কোন সম্রাট?
  1. ইলিয়াস শাহ
  2. সম্রাট আকবর
  3. নবাব সিরাজউদ্দৌলা
  4. নাদির শাহ
সঠিক উত্তর:
নাদির শাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নাদির শাহ
ব্যাখ্যা
ময়ূর সিংহাসন:
- ১৭শ শতাব্দীতে মুঘল সম্রাট শাহজাহান সোনার তৈরি ময়ূর সিংহাসন নির্মাণ করেন।
- সিংহাসনটিতে রূপার সিড়ি দিয়ে আরোহণ করা হতো। সিংহাসনের পেছনে দুটি ময়ূরের ছবি ছিল, যারা তাদের অনিন্দ্যসুন্দর পেখম ছড়িয়ে দাঁড়িয়ে ছিল। আর এই পেখমগুলো খচিত ছিল নানা রকম দুষ্প্রাপ্য আর অতিমূল্যবান রত্নপাথর দিয়ে। এর মাঝে ছিল নীলকান্ত মণি, পান্না, চুনি কিংবা পদ্মরাগ মণি, মুক্তা ও অন্যান্য মূল্যবান পাথর। 

উল্লেখ্য,
- ১৭৩৯ খ্রিস্টাব্দে দিল্লির সম্রাট মোহাম্মদ শাহের শাসনামলে, পারস্য সম্রাট নাদির শাহ ভারতবর্ষ অভিযানকালে লুণ্ঠন করে নিয়ে যায় সিংহাসনটি।
- এর সৌন্দর্য দেখে পাগল হয়ে নাদির শাহ সিংহাসনটি সঙ্গে নিয়ে যান নিজ দেশ পারস্যে অর্থাৎ বর্তমান ইরানে।
- ১৭৪৭ সালে নাদির শাহ আততায়ীর হাতে নিহত হন। এরপরই আসল ময়ূর সিংহাসনটি হারিয়ে যায়।

উৎস: i) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
ii) Britannica.
.
'মঙ্গার ধান' হিসেবে পরিচিত ধানের জাত কোনটি?
  1. ব্রি ধান-৭৯
  2. ব্রি ধান-৫১
  3. ব্রি ধান-৩৩
  4. ব্রি ধান-৫২
সঠিক উত্তর:
ব্রি ধান-৩৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্রি ধান-৩৩
ব্যাখ্যা
মঙ্গার ধান:
- 'মঙ্গার ধান' হিসেবে পরিচিত ধানের জাত ব্রি ধান-৩৩। ব্রি ধান-৩৩ আমন মৌসুমের ধান।
- ১৯৯৭ সালে এ জাতের উদ্ভাবন হয়।
- হেক্টরপ্রতি ফলন প্রায় ৪.৫ টন।
- জীবনকাল ১১৮ দিন।
- মঙ্গা এলাকায় এ ধান বেশ জনপ্রিয় বলে একে মঙ্গার ধান বলা হয়।

উল্লেখ্য,
- খরা সহিষ্ণু ধানের জাতসমূহ: ব্রি ধান-৫৫, ব্রি ধান-৫৬, ব্রি ধান-৫৭, ব্রি ধান-৬৬।

অন্যদিকে,
⇒ জলমগ্নতা সহিষ্ণু ধানের জাতসমূহ: ব্রি ধান-৫১, ব্রি ধান-৫২, ব্রি ধান-৭৯ প্রভৃতি।

উৎস: i) কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর।
ii) বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট।
১০.
বাংলাদেশের কোন ইপিজেড থেকে সবচেয়ে বেশি রপ্তানি আয় আসে? [এপ্রিল, ২০২৫]
  1. ঢাকা ইপিজেড
  2. কর্ণফুলী ইপিজেড
  3. কুমিল্লা ইপিজেড
  4. চট্টগ্রাম ইপিজেড
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম ইপিজেড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম ইপিজেড
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল (EPZ):
- শিল্প খাতের দ্রুত বিকাশ এর লক্ষ্যে বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষ-বেপজা (Bangladesh Export Processing Zone Authority-BEPZA) দেশে ইপিজেড স্থাপনের মাধ্যমে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্টকরণসহ দেশে শিল্প খাত বিকাশে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করে আসছে।
- বাংলাদেশে বর্তমানে মোট ৮টি সরকারি ইপিজেড রয়েছে।
- যথা: চট্টগ্রাম, ঢাকা, মোংলা, কুমিল্লা, ঈশ্বরদী, উত্তরা, আদমজী ও কর্ণফুলী ইপিজেড।

উল্লেখ্য,
⇒ বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুসারে সবচেয়ে বেশি উৎপাদনরত শিল্প প্রতিষ্ঠান রয়েছে চট্টগ্রাম ইপিজেডে; উৎপাদনরত শিল্প প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা: ১৪৫টি। সবচেয়ে বেশি বিনিয়োগ হয় ও রপ্তানি আয় আসে চট্টগ্রাম ইপিজেড।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
১১.
স্বাধীনতার পর দেশে প্রথম কৃষি শুমারি অনুষ্ঠিত হয় -
  1. ১৯৭৪ সালে
  2. ১৯৭৫ সালে
  3. ১৯৭৬ সালে
  4. ১৯৭৭ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭৭ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৭ সালে
ব্যাখ্যা
কৃষি শুমারি:
- স্বাধীনতার পর দেশে প্রথম কৃষি শুমারি অনুষ্ঠিত হয় ১৯৭৭ সালে।
- তার আগে বাংলাদেশ ভূখন্ডে (তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান) ১৯৬০ সালে সর্ব প্রথম কৃষি শুমারি অনুষ্ঠিত হয়।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশে মোট কৃষিশুমারি হয় ৬টি।
- সর্বশেষ কৃষি শুমারি করা হয় ২০১৯ সালে।
- এই শুমারির স্লোগান ছিল 'কৃষি শুমারি সফল করি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ি'।
- বিশ্ব খাদ্য ও কৃষি সংস্থার গাইডলাইন অনুসারে পরিসংখ্যান ব্যুরো কৃষি শুমারি পরিচালনা করে।

উৎস: i) বিবিএস ওয়েবসাইট।
ii) কৃষি মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
১২.
সাধারণত মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) কত শতাংশ পর্যন্ত ঘাটতি বাজেটকে সহনীয় বলে ধরা হয়?
  1. ৩ শতাংশ
  2. ৪ শতাংশ
  3. ৫ শতাংশ
  4. ৬ শতাংশ
সঠিক উত্তর:
৫ শতাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ শতাংশ
ব্যাখ্যা
ঘাটতি বাজেট:
- কোনো আর্থিক বছরে সরকারের প্রত্যাশিত আয় অপেক্ষা ব্যয়ের পরিমাণ বেশি হলে তাকে ঘাটতি বাজেট বলে।
- বাজেটের এ ঘাটতি পূরণের লক্ষ্যে সরকার সাধারণ মানুষের কাছ থেকে ঋণ, কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে ঋণ, বৈদেশিক ঋণ ও অনুদান নিয়ে থাকে।
- ঘাটতি বাজেট বলতে বোঝায় যখন ব্যয় আয়ের চেয়ে বেশি হয়।
- সাধারণত মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ৫ শতাংশ পর্যন্ত ঘাটতিকে সহনীয় বলে ধরা হয়।

⇒ বাজেট ঘাটতি দুভাবে পূরণ করা হয়।
- বৈদেশিক উৎস: এটি মূলত বৈদেশিক ঋণ। সরকার বিভিন্ন দাতা সংস্থা ও দেশ থেকে সহজ শর্তে ঋণ নেয়।
- অভ্যন্তরীণ উৎস: সরকার দুভাবে দেশের ভেতর থেকে ঋণ নেয়। যেমন, ব্যাংকিং ব্যবস্থা ও ব্যাংকবহির্ভূত ব্যবস্থা।

উল্লেখ্য,
- উন্নয়নশীল দেশগুলো সাধারণত ঘাটতি বাজেটই প্রণয়ন করে।
- উন্নয়নশীল দেশে প্রাকৃতিক সম্পদের পরিপূর্ণ ব্যবহার, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি, মাথাপিছু আয় বৃদ্ধি ও জনগণের জীবনযাত্রার মান বৃদ্ধির লক্ষ্যে কিছুটা ঘাটতি বাজেট প্রণয়ন করতে হয়।
- বাংলাদেশও শুরু থেকেই ঘাটতি বাজেট প্রণয়ন করেছে।
- অর্থনীতিবিদরা মনে করেন, বাংলাদেশের মতো দরিদ্র দেশে কিছুটা ঘাটতি থাকা ভালো। এতে অব্যবহৃত সম্পদের ব্যবহার বাড়ে, ঘাটতি পূরণের চাপ থাকে। তাতে অর্থনীতিতে উদ্দীপনা সৃষ্টি হয়।

উৎস: i) অর্থবিভাগ ওয়েবসাইট।
ii) দৈনিক ইত্তেফাক।
১৩.
একজন কৃষি খামারির একই কৃষিপণ্য উৎপাদনকারী অবিচ্ছিন্ন জমিকে বলা হয় -
  1. জীবন নির্বাহী খামার
  2. কৃষি বিপণন
  3. কৃষিজোত
  4. বাণিজ্যিক খামার
সঠিক উত্তর:
কৃষিজোত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কৃষিজোত
ব্যাখ্যা
কৃষি সম্পর্কিত সংজ্ঞা -

কৃষি:
- ভূমির সাথে সম্পর্কিত উৎপাদনব্যবস্থাকে কৃষি বলে।

কৃষি খামার:
- কৃষক যে জমিতে কৃষিকাজ পরিচালনা করে তাকে কৃষি খামার বলে।

কৃষিজোত:
- একজন কৃষি খামারির একই কৃষিপণ্য উৎপাদনকারী অবিচ্ছিন্ন জমিকে কৃষিজোত বলে।

জীবন নির্বাহী খামার:
- যে খামারের উৎপাদন থেকে কৃষক তার পরিবার পরিজন নিয়ে কোনো রকমে খেয়ে-পরে জীবন নির্বাহ করতে পারে তাকে জীবন নির্বাহী খামার বলে।

বাণিজ্যিক খামার:
- মুনাফা অর্জনের উদ্দেশ্যে যে খামার পরিচালিত হয় তাকে বাণিজ্যিক খামার বলে।

কৃষিঋণ:
- কৃষির আনুষঙ্গিক উপকরণ ক্রয় এবং অন্যান্য উৎপাদন ব্যয় নির্বাহের জন্য কৃষকরা যে ঋণ গ্রহণ করেন তাকে কৃষিঋণ বলে।

শস্য বহুমুখীকরণ:
- একই জমি বা কৃষিজোতে বিভিন্ন মৌসুমে একফসলের পরিবর্তে ভিন্ন ভিন্ন ফসল উৎপাদন করার প্রক্রিয়াকে শস্য বহুমুখীকরণ বলে।

আদর্শ খামার:
- যে খামারে উৎপাদনের বিভিন্ন উপাদানের সুষ্ঠু প্রয়োগের ফলে একরপ্রতি সর্বাধিক ফসল উৎপাদনের জন্য চাষাবাদ করা হয় তাকে আদর্শ খামার বলে।

কৃষি বিপণন:
- কৃষি ফসল উৎপাদন থেকে শুরু করে ভোক্তা পর্যন্ত পৌঁছানোর সব কার্যক্রমকে কৃষি বিপণন বলে।

কৃষি প্রযুক্তি:
- বিজ্ঞানসম্মত জ্ঞান ও যন্ত্রপাতি প্রয়োগ করে তুলনামূলকভাবে অল্প সময়ে স্বল্প খরচে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি করাকে কৃষি প্রযুক্তি বলে।

উৎস: অর্থনীতি ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী।
১৪.
অর্থনৈতিক সেক্টরগুলোর মধ্যে কোন খাতে জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার বেশি? [অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪]
  1. মৎস্য খাত
  2. শিল্প খাত
  3. সেবা খাত
  4. কৃষি খাত
সঠিক উত্তর:
শিল্প খাত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শিল্প খাত
ব্যাখ্যা
⇔ বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সেক্টরগুলোর মধ্যে শিল্প খাতে কর্মসংস্থান বেশি।

খাতভিত্তিক জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার:

⇒ বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সেক্টরগুলোর মধ্যে -
• জিডিপিতে কৃষি খাতের অবদান ১১.০২ শতাংশ এবং প্রবৃদ্ধির হার ৩.২১ শতাংশ।
• জিডিপিতে শিল্প খাতের অবদান ৩৭.৯৫ শতাংশ এবং প্রবৃদ্ধির হার ৬.৬৬ শতাংশ।
• জিডিপিতে সেবা খাতের অবদান ৫১.০৪ শতাংশ এবং প্রবৃদ্ধির হার ৫.৮০ শতাংশ।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
১৫.
বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় অধ্যাপক -
  1. জয়নুল আবেদিন
  2. কাজী মোতাহার হোসেন
  3. আবদুর রাজ্জাক
  4. বর্ণিত সবাই 
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবাই 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবাই 
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় অধ্যাপক:
- জাতীয় অধ্যাপক বাংলাদেশের একটি বিশেষ রাষ্ট্রীয় সম্মাননা।
- বাংলাদেশ সরকার শিক্ষা, জ্ঞান-বিজ্ঞান ও গবেষণার জন্য দেশের বিশিষ্ট পণ্ডিত, চিন্তাবিদ এবং শিক্ষকদের এ সম্মাননা দিয়ে থাকে।
- ১৯৭৫ সাল থেকে এই সম্মাননা দেওয়া হচ্ছে।
- সাধারণত পাঁচ বছর মেয়াদের জন্য কোনও বিশিষ্ট ব্যক্তি জাতীয় অধ্যাপক হিসেবে নিযুক্তি পেয়ে থাকেন।

⇒ ১৯৭৫ সালে সর্বপ্রথম তিনজন বিশিষ্ট ব্যক্তিকে জাতীয় অধ্যাপক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। তাঁরা হলেন:
• শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন, 
• শিক্ষাবিদ আবদুর রাজ্জাক এবং
• পরিসংখ্যানবিদ কাজী মোতাহার হোসেন।

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
- সুফিয়া আহমেদ প্রথম নারী হিসেবে ১৯৯৪ সালে জাতীয় অধ্যাপক হিসেবে নিয়োগ পান।

উৎস: শিক্ষা মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
১৬.
বর্তমানে 'সয়াবিন' উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কোনটি? [এপ্রিল, ২০২৫] 
  1. ময়মনসিংহ
  2. ফরিদপুর 
  3. বগুড়া 
  4. লক্ষ্মীপুর
সঠিক উত্তর:
লক্ষ্মীপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লক্ষ্মীপুর
ব্যাখ্যা
সয়াবিন:
- বর্তমানে 'সয়াবিন' উৎপাদনে শীর্ষ জেলা লক্ষ্মীপুর।
- দেশে মোট উৎপাদিত সয়াবিনের ৮০ শতাংশই মিলছে লক্ষ্মীপুর থেকে।
- দেশের খ্যাতনামা ভোজ্যতেল ও পোলট্রি খাদ্য প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানগুলো এসব সয়াবিন সংগ্রহ করেন।
- জেলার কমলনগর, রামগতি, রায়পুর ও লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলায় সবচেয়ে বেশি সয়াবিন আবাদ হয়।

উল্লেখ্য,
- এ অঞ্চলের উর্বর মাটি সয়াবিন চাষের জন্য উপযোগী।
- এখানকার মাটি দোআঁশজাতীয়।
- এ মাটিতে একবার লাঙল চালালেই তা সয়াবিন চাষের উপযোগী হয়।
- লক্ষ্মীপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, জেলায় এবার ৪২ হাজার হেক্টর জমিতে সয়াবিন আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়।
- তবে এর চেয়ে আরও ১ হাজার ৬৬০ হেক্টর বেশি জমিতে সয়াবিনের আবাদ করা হয়েছে।
- কৃষি কর্মকর্তারা বলেন, সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে এ বছরে জেলায় অন্তত ৮৪ হাজার মেট্রিক টন সয়াবিন উৎপাদনের সম্ভাবনা রয়েছে, যার বাজারমূল্য ৩২০–৩৫০ কোটি টাকা। 

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) ৬ মার্চ ২০২৫, প্রথম আলো। 
১৭.
বাংলার প্রাচীন নগরী 'কর্ণসুবর্ণ'-এর অবস্থান কোথায় ছিল?
  1. বরিশাল 
  2. বগুড়া 
  3. কুমিল্লা 
  4. চাঁপাইনবাবগঞ্জ
সঠিক উত্তর:
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
ব্যাখ্যা
প্রাচীন গৌড় নগরী:
- প্রাচীন গৌড় নগরী ভারতীয় উপমহাদেশে মধ্যযুগীয় অন্যতম বৃহৎ নগরী।
- আনুমানিক ১৪৫০ খ্রিস্টাব্দ থেকে ১৫৬৫ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত এটি বাংলার রাজধানী ছিল।
- প্রাচীন এই দূর্গনগরীর অধিকাংশ পড়েছে বর্তমান ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের মালদা জেলায় এবং কিছু অংশ পড়েছে বাংলাদশের চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায়।
- এ থেকে প্রতীয়মান হয় যে, কর্ণসুবর্ণ দেশ ও গৌড়দেশ অভিন্ন।
- গৌড়ের রাজধানী শহর ছিল কর্ণসুবর্ণ।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্ব সভ্যতা, HSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৮.
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ শেয়ার ক্রয়-বিক্রয়ে নিম্নের কোন সূচকটি ব্যবহার করে?
  1. DSE CDSET Index
  2. DS30 Index
  3. DSE Broad Index
  4. বর্ণিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো
ব্যাখ্যা
স্টক এক্সচেঞ্জ:
- স্টক এক্সচেঞ্জ হলো একটি বাজার যেখানে স্টক এবং অন্যান্য সিকিউরিটিজ বিনিয়োগকারীদের মধ্যে লেনদেন করা হয়।
- বাংলাদেশে স্টক এক্সচেঞ্জ (শেয়ার বাজার) দুইটি। যথা:
• ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (১৯৫৪ সাল),
• চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (১৯৯৫ সাল)।

⇒ ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ:
- ঢাকার শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ নিয়ে গঠিত।
- এটি দেশের বৃহত্তম শেয়ার বাজার।
- এটি রাজধানী ঢাকার প্রধানতম বাণিজ্যিক এলাকা মতিঝিলে অবস্থিত।
- ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ প্রতিষ্ঠা লাভ করে ১৯৫৪ সালে।
- আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু করে ১৯৫৬ সালে।

⇒ ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ শেয়ার ক্রয়-বিক্রয়ে সূচক পদ্ধতি অবলম্বন করে।
- সাধারণ শেয়ার বাজারের গতি বা সার্বিক অবস্থা বোঝার জন্য সূচক ব্যবহার করা হয়। এগুলো হলো:
i) DSE Broad Index,
ii) DSEX Shariah Index,
iii) DS30 Index,
iv) DSE CDSET Index.

উৎস: DSE ওয়েবসাইট।