পরীক্ষা আর্কাইভ

৫১তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট ও রিভিশন

পরীক্ষা৫১তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট ও রিভিশনতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়01 hr 30 mins১৩৮ বৈধ · অসম্পূর্ণ
মোট প্রশ্ন১৩৯
সিলেবাস
"Award Mania: Season - 14” এর জন্য প্রযোজ্য -------------------------------------------- ৪৭তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট⎯২
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

৫১তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট ও রিভিশন

৫১তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট ও রিভিশন · তারিখ অনির্ধারিত · ১৩৯ প্রশ্ন

.
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের কোন সাহিত্যকর্মটি বাংলাদেশে রাষ্ট্রীয়ভাবে স্বীকৃত?
  1. রমজানের ঐ রোজার শেষে (গান)
  2. বিদ্রোহী (কবিতা)
  3. চল্‌ চল্‌ চল্‌ (কবিতা/গান)
  4. কারার ঐ লৌহ-কপাট (গান)
সঠিক উত্তর:
চল্‌ চল্‌ চল্‌ (কবিতা/গান)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চল্‌ চল্‌ চল্‌ (কবিতা/গান)
ব্যাখ্যা

• জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের 'চল্ চল্ চল্' কবিতার ২১ লাইন বাংলাদেশের রণসঙ্গীত হিসেবে রাষ্ট্রীয়ভাবে স্বীকৃত। 

 - দাদরা তালের এই সংগীতটি ১৯৭২ সালের ১৩ই জানুয়ারি অনুষ্ঠিত বাংলাদেশের তৎকালীন মন্ত্রীসভার প্রথম বৈঠকে বাংলাদেশের রণ-সংগীত হিসেবে নির্বাচন করা হয়।

-------------------
• রণসঙ্গীত:

- কাজী নজরুল ইসলাম বাংলাদেশের রণসঙ্গীতের রচয়িতা।
- বাংলাদেশের রণসঙ্গীত হিসেবে 'চল্ চল্ চল্' কবিতার ২১ চরণ গৃহীত হয়েছে।
- রণসঙ্গীতটি 'নতুনের গান' শিরোনামে ঢাকার 'শিখা' পত্রিকায় ১৯২৮ (১৩৩৫) বার্ষিক সংখ্যায় প্রকাশিত হয়। পরে এর নাম হয় 'চল্ চল্ চল্'।
- নজরুলের 'সন্ধ্যা' কাব্যগ্রন্থে এই সঙ্গীত অন্তর্ভুক্ত আছে।

সঙ্গীতটির কিছু চরণ-
'চল্ চল্ চল্!/ ঊর্ধ্ব গগনে বাজে মাদল
নিম্নে উতলা ধরণী-তল,/ অরুণ প্রাতের
তরুণ দল-

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা; 'সন্ধ্যা' কাব্যগ্রন্থে এবং বাংলাপিডিয়া। 

.
বাংলা সাহিত্যের কোন কাব্যটি গদ্য ও পদ্যের সংমিশ্রণে রচিত?
  1. শূণ্যপুরাণ
  2. পদ্মপুরাণ
  3. চৈতন্য-চরিতামৃত
  4. গীতগোবিন্দম্
সঠিক উত্তর:
শূণ্যপুরাণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শূণ্যপুরাণ
ব্যাখ্যা

• 'শূণ্যপুরাণ':
- শূণ্যপুরাণ' রামাই পণ্ডিত রচিত একটি ধর্মীয় তত্ত্বের গ্রন্থ। এটি বিশেষভাবে ধর্মপূজাপদ্ধতি।
- গ্রন্থটি অন্ধকার যুগের সাহিত্য নিদর্শন। কারো মতে এটি ত্রয়োদশ থেকে অষ্টাদশ শতাব্দীর মধ্যে রচিত।
- গদ্যপদ্যে মিশ্রিত এই গ্রন্থটি একপ্রকারের চম্পুকাব্য।
- গ্রন্থটি ৫১টি অধ্যায়ে বিভক্ত। এর প্রথম ৫টি অধ্যায় সৃষ্টিতত্ত্ব সম্বন্ধীয়।
- শূন্যপুরাণ নামহীন অবস্থায় পাওয়া গিয়েছিল বিশ্বকোষ প্রণেতা নাগেন্দ্রনাথ বসু তিনটি পুথির পাঠ সংগ্রহ করে ১৩১৪ বঙ্গাব্দে 'বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষৎ' শূন্যপুরাণ নামকরন করে প্রকাশ করেন।

অন্যদিকে, 
• 'পদ্মপুরাণ' হিন্দু পুরাণ শাস্ত্রের অন্তর্গত আঠারোটি মহাপুরাণের অন্যতম। মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি বিজয় গুপ্ত 'পদ্মাপুরাণ' নামক মনসামঙ্গল কাব্য রচনা করে তিনি মঙ্গলকাব্যের ইতিহাসে অমর হয়ে আছেন।

• বাংলায় চৈত্যদেবের দ্বিতীয় জীবনীগ্রন্থ লোচন দাস রচিত 'চৈতন্য-চরিতামৃত'।

• রাধাকৃষ্ণের প্রেমলীলা অবলম্বনে জয়দেব রচিত 'গীতগোবিন্দম্' কাব্যটি আদি বৈষ্ণব পদাবলির নিদর্শন। তবে এটি বাংলা ভাষায় নয়, সংস্কৃত ভাষায় রচিত।

উৎস: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম।

.
১৯৪৬ সালের দাঙ্গার পটভূমিকায় বিজন ভট্টাচার্য রচিত নাটক কোনটি?
  1. মরাচাঁদ
  2. জীয়নকন্যা
  3. গোত্রান্তর
  4. অবরোধ
সঠিক উত্তর:
জীয়নকন্যা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জীয়নকন্যা
ব্যাখ্যা

 'জীয়নকন্যা' নাটক:
• ১৯৪৬ সালের দাঙ্গার পটভূমিকায় বিজন ভট্টাচার্য রচনা করেন 'জীয়নকন্যা' নাটক। 

• গণনাট্য আন্দোলনের ধারায় বিজন ভট্টাচার্যের পরবর্তী উল্লেখযোগ্য সংযোজন হচ্ছে জীয়ন কন্যা (১৯৪৮) গীতিনাট্যটি। এতে বেদে সমাজের নানা সংস্কার, ঐতিহ্য-লালিত প্রথা-পদ্ধতি, জাতিগত বিশ্বাস প্রভৃতির সঙ্গে দেশবিভাগের আশঙ্কায় হিন্দু-মুসলিম দাঙ্গা-বিদ্বেষের চিত্রও প্রতিফলিত হয়েছে।

• তিনটি দৃশ্যের এ গীতিনাট্যটিতে দেখা যায় যে, বেদে-সর্দার প্রবীরের কন্যা উলুপীকে সর্প-দংশন করে, তাকে বাঁচানোর জন্যে নানা ওঝা-গুণীনের আনাগোনা, কিছুতেই কিছু হয় না। অবশেষে সমস্ত ওঝা-গুণীনের তন্ত্র-মন্ত্র একত্রে চালান করলে সর্প হাজির হয়। কিন্তু সর্প শোনায় নিরাশার বাণী।  তবু উলুপীকে বাঁচানোর জন্য গুণীনের দল বাণে বাণে সর্পকে অস্থির করে তোলে। শেষপর্যন্ত বিষমুক্ত করে উলুপীর মহাজাগরণ ঘটায় 'ভারত মাতার মতো'। আসলে এই প্রয়াস সর্পের বিরুদ্ধে নয়, এ তৎকালীন 'ক্যালাস সরকারের' বিরুদ্ধে এক বিশেষ প্রতিবাদ। 

অন্যদিকে, 
-------------------
• বিজন ভট্টাচার্য রচিত 'মরাচাঁদ' নাটকে নাট্যকার পবন বাউলের গানের মধ্য দিয়ে সমাজের একেবারে নিম্নশ্রেণির মানুষের জীবন-সংগ্রামকেই চিত্রিত করেছেন।

• বিজন ভট্টাচার্য রচিত 'গোত্রান্তর' (১৯৬০) নাটকের বিষয়বস্তু ছিন্নমূল পূর্ববঙ্গবাসীর ভাগ্যবিপর্যয়।

• মুনাফাখোর মিল-মালিক ও শোষিত শ্রমিকদের নিয়ে বিজন ভট্টাচার্য রচিত নাটক 'অবরোধ' (১৯৪৭)। অবরোধ নাটকটি কমিউনিজমের আদর্শে কারখানার মালিক-শ্রমিক সংঘর্ষকে কেন্দ্র করে রচিত, তবু কারখানার মালিকের পুঁজিবাদী স্বরূপ সম্পর্কে নাট্যকারের অনভিজ্ঞতার কারণে গণনাট্য সংঘ এ নাটকটিকে গ্রহণ করতে পারেনি।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং 'Jagannath University Journal of Arts'। 

.
'বিদীর্ণ দর্পণে মুখ' কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা কে?
  1. সুধীন্দ্রনাথ দত্ত 
  2. বিষ্ণু দে
  3. নির্মলেন্দু গুণ
  4. আহসান হাবীব
সঠিক উত্তর:
আহসান হাবীব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আহসান হাবীব
ব্যাখ্যা

'বিদীর্ণ দর্পণে মুখ' আহসান হাবীব রচিত একটি কাব্যগ্রন্থ। 
- কাব্যগ্রন্থটি ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত হয়।   

----------------------
• আহসান হাবীব:
- আহসান হাবীব ছিলেন কবি ও সাংবাদিক। ১৯১৭ সালের ২ ফেব্রুয়ারি  পিরোজপুর জেলার শংকরপাশা গ্রামে তাঁর জন্ম।

- আহসান হাবীব আধুনিক কাব্যধারার কবি ছিলেন। তাঁর কাব্যচর্চার শুরু বাল্যকাল থেকেই। সপ্তম শ্রেণীতে অধ্যয়নকালে ১৯৩৩ সালে স্কুল ম্যাগাজিনে তাঁর প্রথম লেখা একটি প্রবন্ধ ‘ধর্ম’ প্রকাশিত হয়।

- ১৯৩৪ সালে তাঁর প্রথম কবিতা ‘মায়ের কবর পাড়ে কিশোর’ ছাপা হয় পিরোজপুর গভর্নমেন্ট স্কুল ম্যাগাজিনে। তখন তিনি দশম শ্রেণীর ছাত্র। এভাবেই তাঁর সাহিত্যিক জীবনের শুরু।
- আহসান হাবীবের প্রথম কবিতার বই রাত্রিশেষ প্রকাশিত হয় ১৯৪৭ সালে। 

• আহসান হাবীব রচিত অন্যান্য কাব্যগ্রন্থগুলো হলো:
- ছায়াহরিণ,
- সারা দুপুর,
- আশায় বসতি,
- মেঘ বলে চৈত্রে যাবো,
- দুহাতে দু আদিম পাথর,
- প্রেমের কবিতা,
- বিদীর্ণ দর্পণে মুখ ইতাদি।

• তাঁর দুটি বিশিষ্ট উপন্যাস হলো:
- অরণ্য নীলিমা ও
- রাণীখালের সাঁকো।

• তাঁর কয়েকটি উল্লেখযোগ্য শিশুতোষ গ্রন্থ: 
- জ্যোৎস্না রাতের গল্প,
- বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর, 
- ছুটির দিন দুপুরে ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

.
সানাউল হক কোন দশকের কবি হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন?
  1. ত্রিশের দশকের
  2. চল্লিশের দশকের
  3. পঞ্চাশের দশকের
  4. ষাটের দশকের
সঠিক উত্তর:
চল্লিশের দশকের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চল্লিশের দশকের
ব্যাখ্যা

• সানাউল হক:
- সানাউল হক ছিলেন কবি, অনুবাদক, সংস্কৃতিকর্মী, সংগঠক, শিক্ষাবিদ। জন্ম ব্রাহ্মণবাড়ীয়া জেলার চাউরা গ্রামে, ১৯২৪ সালের ২৩ মে।
- সানাউল হকের প্রকৃত নাম আল মামুন সানাউল হক।
- চল্লিশের দশকের একজন খ্যাতিমান কবি হিসেবে সানাউল হক পরিচিতি লাভ করেন। 
- তাঁর মামা মোতাহের হোসেন চৌধুরী ছিলেন কবি ও লেখক। তাঁর সান্নিধ্য ও উৎসাহে সানাউল হক সাহিত্যচর্চায় অনুপ্রাণিত হন।

সানাউল হকের সাহিত্যকর্মগুলো হলো-
• নদী ও মানুষের কবিতা (১৯৫৬), সম্ভবা অনন্য (১৯৬২), সূর্য অন্যতর (১৯৬৩), বিচূর্ণ আর্শিতে (১৯৬৮), একটি ইচ্ছা সহস্র পালে (১৯৭৩), কাল সমকাল (১৯৭৫) প্রভৃতি কাব্যগ্রন্থে সানাউল হক মানবজীবন ও জগতের ছবি আঁকার চেষ্টা করেছেন। 

• তাঁর কবিতায় তাঁর ব্যক্তিত্বকে প্রত্যক্ষ করা যায়, যেখানে তিনি সমস্যা ও সম্ভাবনায় কখনও আশাহত, কখনও আনন্দিত। এরূপ কিছু কাব্যগ্রন্থ হলো- মধ্যে পদ্মিনী শঙ্খিনী (১৯৭৬), প্রবাসে যখন (১৯৮১), বিরাশির কবিতা (১৯৮২), উত্তীর্ণ পঞ্চাশ (১৯৮৪ প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য।

• তাঁর বন্দর থেকে বন্দরে (১৯৬৪) নামক অস্ট্রেলিয়া ভ্রমণ-কাহিনী বেশ খ্যাতি লাভ করেছে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া। 

.
'বাঙালীর যে কেহ কিছু করিয়াছেন, সকলই তৈলের জোরে, বাঙালীদিগের তৈলের মূল্য অধিক নয়।'- বিখ্যাতি উক্তিটি কার রচনা?
  1. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর 
  2. আহমদ শরীফ
  3. নীহাররঞ্জন রায়
  4. হরপ্রসাদ শাস্ত্রী
সঠিক উত্তর:
হরপ্রসাদ শাস্ত্রী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হরপ্রসাদ শাস্ত্রী
ব্যাখ্যা

'তৈল' প্রবন্ধ:
- হরপ্রসাদ শাস্ত্রী রচিত প্রবন্ধ 'তৈল'। 
- হরপ্রসাদ শাস্ত্রী 'তৈল' রচনাটি লিখেছিলেন ‘বঙ্গদর্শন’ পত্রিকায়। এটি প্রকাশিত হয়েছিল ১২৮৫ বাংলায়।

প্রবন্ধের কিছু অংশ:
বাঙালীর বল নাই, বিক্রম নাই, বিদ্যাও নাই, বুদ্ধিও নাই। সুতরাং বাঙালীর একমাত্র ভরসা তৈল- বাঙালীর যে কেহ কিছু করিয়াছেন, সকলই তৈলের জোরে, বাঙালীদিগের তৈলের মূল্য অধিক নয়; এবং কি কৌশলে সেই তৈল বিধাতৃপুরুষদিগের সুখসেব্য হয়, তাহাও অতি অল্পলোক জানেন। যাঁহারা জানেন, তাঁহাদিগকে আমরা ধন্যবাদ দিই। তাঁহারাই আমাদের দেশের বড় লোক, তাঁহারাই আমাদের দেশের মুখ উজ্জ্বল করিয়া আছেন।

অন্যদিকে। 
• নীহাররঞ্জন রায়ের "বাঙালির ইতিহাস (আদিপর্ব)" বাংলা ভাষার একটি প্রামাণিক ও অমূল্য গ্রন্থ, যা ১৯৪৯ সালে প্রকাশিত হয়েছিল। এই বইটিতে বাঙালি জাতি, তাদের মাতৃভূমি 'বঙ্গ', এবং প্রাচীন বাংলার সমাজ, সংস্কৃতি ও অর্থনৈতিক জীবন সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে।

• 'বিশ শতকে বাঙালী' আহমদ শরীফ রচিত একটি প্রবন্ধ। ১৯৯৮ সালে প্রবন্ধটি প্রথম প্রকাশিত হয়।

--------------------------
• হরপ্রসাদ শাস্ত্রী:
- হরপ্রসাদ শাস্ত্রী বিখ্যাত বাঙালি ভারততত্ত্ববিদ, সংস্কৃত বিশারদ ও বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস রচয়িতা।
- তিনি বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন চর্যাপদের আবিষ্কারক।
- তিনি 'হাজার বছরের পুরান বাঙ্গালা ভাষায় বৌদ্ধগান ও দোহা' নামে 'চর্যাপদ' সম্পাদনা ও প্রকাশ করেন।

তাঁর রচিত উপন্যাস:
- কাঞ্চনমালা ও
- বেণের মেয়ে।

তাঁর রচিত অন্যান্য গ্রন্থ-
- হাজার বছরের পুরান বাঙ্গালা ভাষার বৌদ্ধগান ও দোহা,
- প্রাচীন বাংলার গৌরব,
- মেঘদূত ব্যাখ্যা,
- ভারত মহিলা,
- বাঙ্গালা ব্যাকরণ ইত্যাদি।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

.
'পাগলা দাশু' সুকুমার রায় রচিত কোন ধরনের সাহিত্য রচনা?
  1. নাটক
  2. গল্প সংকলন
  3. ছড়া
  4. কাব্যগ্রন্থ
সঠিক উত্তর:
গল্প সংকলন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গল্প সংকলন
ব্যাখ্যা

• 'পাগলা দাশু' গল্প সংকলন:
- 'পাগলা দাশু' সুকুমার রায় রচিত একটি গল্পের সংকলন। 
- পাগলা দাশু হল সুকুমার রায় সৃষ্ট একটি কাল্পনিক চরিত্র। পাগলা দাশু (১৯৪০) বইতেই প্রধানত পাগলা দাশুর ছোটো ছোটো গল্পগুলি পাওয়া যায়।
- ২০১২ সালে পাগলা দাশু গল্পের একটি সংকলন পাগলা দাশু অ্যান্ড কো-এর ক্রেজি টেলস নামে ইংরেজিতে অনূদিত হয়।
-  সে স্কুলপড়ুয়া এবং তার পাগলামি ও খুব সূক্ষ্ম হাস্যকর ব্যঙ্গাত্মক কীর্তিগুলির জন্য বিখ্যাত। গল্পগুলি মূলত শিশুপাঠ্য গল্প। বাংলা সাহিত্যে এই চরিত্রটি বিশেষ জনপ্রিয়।

 'পাগলা দাশু' গল্প সংকলনের গল্পগুলো হলো- 
- পাগলা দাশু,
- দাশুর খ্যাপামি,
- চীনে পল্কা,
- দাশুর কীর্তি,
- চালিয়াত,
- সবজান্তা,
- ভোলানাথের সর্দারি,
- আশ্চর্য কবিতা,
- নন্দলালের মন্দকপাল,
- নতুন প-িত,
- সবজাত্মা দাদা,
- যতীনের জুতো,
- ডিটেক্টিভ্,
- ব্যোমকেশের মান্জা,
- জগ্যিদাসের মামা,
- আজব সাজা,
- কালাচাঁদের ছবি,
- গোপালের পড়া,
- পেটুক,
- ভুল গল্প। 

------------------------
সুকুমার রায় রচিত সাহিত্যকর্মগুলো হলো:
• কবিতার বই:
- আবোল তাবোল,
- খাই খাই।

• গল্প: হযবরল।
• গল্প সংকলন: পাগলা দাশু।
• নাটক: চলচ্চিত্তচঞ্চরী।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং 'পাগলা দাশু' গল্প সংকলন।

.
'ক্ষুধার রাজ্যে পৃথিবী গদ্যময়:
পূর্ণিমা-চাঁদ যেন ঝল্‌সানো রুটি॥'- পঙ্‌ক্তিদ্বয় সুকান্ত ভট্টাচার্য রচিত কোন কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত?
  1. হরতাল
  2. ঘুম নেই
  3. পূর্বাভাস
  4. ছাড়পত্র
সঠিক উত্তর:
ছাড়পত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ছাড়পত্র
ব্যাখ্যা

'ক্ষুধার রাজ্যে পৃথিবী গদ্যময়: 
পূর্ণিমা-চাঁদ যেন ঝল্‌সানো রুটি॥'- পঙ্‌ক্তিদ্বয় সুকান্ত ভট্টাচার্য রচিত 'ছাড়পত্র' কাব্যগ্রন্থের 'হে মহাজীবন'কবিতার অন্তর্ভুক্ত। 

----------------------
• 'ছাড়পত্র' কাব্যগ্রন্থ:

- 'ছাড়পত্র' সুকান্ত ভট্টাচার্য রচিত ১৯৪৮ সালে প্রকাশিত বাংলা কাব্যগ্রন্থ।
- এই গ্রন্থের কবিতাগুলো রচিত হয় ১৯৪৩ থেকে ১৯৪৭ সালের মধ্যে। মাত্র একুশ বছর বয়সে সুকান্ত মারা যাবার কিছুদিন পূর্বে এই কাব্যগ্রন্থ প্রকাশিত হয়।

"ছাড়পত্র" কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত উল্লেখযোগ্য কবিতাগুলো হলো-
- ছাড়পত্র,
- আগামী, 
- চারাগাছ, 
- খবর, 
- আঠারাে বছর বয়স, 
- হে মহাজীবন, 
- দেশলাই কাঠি, 
- কৃষকের গান, 
- মধ্যবিত্ত। 

-----------------------
হে মহাজীবন

ছাড়পত্র (সুকান্ত ভট্টাচার্য)

হে-মহাজীবন, আর এ কাব্য নয়
এবার কঠিন, কঠোর গদ্যে আনো,
পদ-লালিত্য-ঝঙ্কার মুছে যাক
গদ্যের কড়া হাতুড়িকে আজ হানো!
প্রয়োজন নেই, কবিতার স্নিগ্ধতা-
কবিতা তোমায় দিলাম আজকে ছুটি,
ক্ষুধার রাজ্যে পৃথিবী গদ্যময়:
পূর্ণিমা-চাঁদ যেন ঝল্‌সানো রুটি॥

--------------------

• কিশোর কবি সুকান্ত ভট্টাচার্য রচিত কাব্যগ্রন্থগুলো হলো:
- পূর্বাভাস,
- ঘুম নেই,
- ছাড়পত্র,
- অভিযান।

• 'হরতাল' কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যের একটি গদ্যগ্রন্থ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা ও 'ছাড়পত্র' কাব্যগ্রন্থ।

.
'পূর্ণ স্বাধীনতা চূর্ণ স্বাধীনতা' নাটকটির রচয়িতা কে?
  1. মমতাজউদদীন আহমদ
  2. আলাউদ্দিন আল আজাদ
  3. শওকত ওসমান
  4.  সৈয়দ শামসুল হক
সঠিক উত্তর:
শওকত ওসমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শওকত ওসমান
ব্যাখ্যা

• 'পূর্ণ স্বাধীনতা চূর্ণ স্বাধীনতা' নাটকটির রচয়িতা শওকত ওসমান।
- ১৯৯০ সালে প্রকাশিত হয়।

শওকত ওসমানের উল্লেখযোগ্য সাহিত্যকর্মগুলো হলো- 
• নাটক:
- তস্কর লস্কর,
- পূর্ণ স্বাধীনতা চূর্ণ স্বাধীনতা,
- আমলার মামলা,
- কাঁকর মণি,
- বাগদাদের কবি।

• উপন্যাস:
- জননী (প্রথম প্রকাশিত)
- চৌরসন্ধি,
- সমাগম,
- রাজা উপাখ্যান,
- পতঙ্গ পিঞ্জর,
- রাজসাক্ষী,
- পুরাতন খঞ্জর,
- বনি আদম ইত্যাদি।

• তাঁর মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাসসমূহ:
- দুই সৈনিক
- নেকড়ে অরণ্য
- জলাংগী
- জাহান্নম হইতে বিদায়।

• তাঁর রচিত গল্পগ্রন্থ:
- ঈশ্বরের প্রতিদ্বন্দী (এর জন্য তিনি ১৯৯১ সালে ফিলিপস পুরস্কার পান)।
- পিঁজরাপোল,
- জন্ম যদি তব বঙ্গে (এটি মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক)।

অন্যদিকে, 
-----------------
• মমতাজউদদীন আহমেদ রচিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নাটক:
কী চাহ শঙ্খচিল, বর্ণচোরা, বকুলপুরের স্বাধীনতা, স্বাধীনতা আমার স্বাধীনতা, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম। 

• আলাউদ্দিন আল আজাদ রচিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নাটক: নরকে লাল লোলাপ, নিঃশব্দ যাত্রা

• সৈয়দ শামসুল হক রচিত কাব্যনাট্য- পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

১০.
জসীম উদ্‌দীন ব্যবহৃত ছদ্মনাম কোনটি?
  1. নজু মিয়া 
  2. নজর আলী 
  3. তুজম্বর আলি
  4. জসুউদ্দীন মোল্লা
সঠিক উত্তর:
তুজম্বর আলি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তুজম্বর আলি
ব্যাখ্যা

"তুজম্বর আলি" জসীম উদ্‌দীন ব্যবহৃত ছদ্মনাম।

• ১৯৭১ সালে বাঙলার দুর্দিনের সময় বেঁচে ছিলেন মহান কবি জসীম উদ্‌দীন। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের ভয়াবহ সেই অভিজ্ঞতাকে সম্বল করে তিনি ১৯৭২ সালের ফেব্রুয়ারি নাগাদ 'ভয়াবহ সেই দিনগুলিতে' নামে একটি কবিতা সংকলন ছাপিয়েছিলেন। সংকলনের 'লেখকের কথা' অংশে জসীম উদ্‌দীন জানান- 'তুজম্বর আলি' ছদ্মনামে এই সংকলনের কবিতাগুলি রাশিয়া, আমেরিকা ও ভারতে পাঠান হয়েছিল।

উল্লেখ্য, 
• জসীম উদ্‌দীন 'জমীরউদ্দীন মোল্লা' ছদ্মনামেও লিখাছেন। 

অন্যদিকে, 
• বাল্যকালে কাজী নজরুল ইসলামকে 'তারা ক্ষ্যাপা', 'নজর আলী', 'দুখু মিয়া' নামে ডাকা হতো।

উৎস: 'ভয়াবহ সেই দিনগুলিতে' কাব্যগ্রন্থ এবং বাংলাপিডিয়া; বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

১১.
মধ্যযুগের কোন কবির কাব্যকে 'রাজকণ্ঠের মণিমালা' বলে অভিহিত করা হয়েছে?
  1. চণ্ডীদাস 
  2. মুকুন্দরাম চক্রবর্তী 
  3. গোবিন্দদাস 
  4. বিদ্যাপতি
সঠিক উত্তর:
বিদ্যাপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিদ্যাপতি
ব্যাখ্যা

• বিদ্যাপতি:
- বিদ্যাপতি বৈষ্ণব কবি এবং পদসঙ্গীত ধারার রূপকার। বাঙালী কবি না হয়েও বাংলা সাহিত্যে তাঁর অবদান গুরুত্বপূর্ণ।
- তিনি মাতৃভাষা মৈথিলি ছাড়াও সংস্কৃত, অবহঠট ও ব্রজবুলি ভাষায় পদাবলি রচনা করেন।
- শৈব বংশে জন্ম বলে তিনি বহু শৈবসঙ্গীতও রচনা করেন।

- তিনি 'মৈথিল কোকিল' ও 'অভিনব জয়দেব' নামে খ্যাত। তাঁর অন্যান্য উপাধি ছিল-নব কবিশেখর, কবিরঞ্জন, কবিকণ্ঠহার, পণ্ডিত ঠাকুর, সদুপাধ্যায়, রাজপণ্ডিত ইত্যাদি।

- কিন্তু ব্রজবুলিতে রচিত রাধাকৃষ্ণ-বিষয়ক পদগুলিই তাঁর শ্রেষ্ঠ কীর্তি। বিদ্যাপতি সহস্রাধিক পদাবলি রচনা করেছিলেন। রাধাকৃষ্ণের উল্লেখ আছে এমন পদের সংখ্যা পাঁচ শতাধিক। অন্যগুলোতে রাধাকৃষ্ণের উল্লেখ না থাকলেও তাদের প্রেমলীলা বিষয়ক পদ হিসেবে গ্রহণ করতে বাধা নেই।

- মিথিলার ঐশ্বর্যপূর্ণ রাজসভায় বিদ্যাপতি অসাধারণ পাণ্ডিত্যের সঙ্গে সংস্কৃত ও প্রাকৃতের ভাষা ভাব শব্দ ছন্দ ও অলঙ্কারের খনি থেকে রত্নরাজি আহরণ করে রাধার প্রেম বর্ণনা করেছেন। বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের মতে, 'বিদ্যাপতির কবিতা স্বর্ণহার, বিদ্যাপতির গান মুরজবীণাসঙ্গিনী স্ত্রীকণ্ঠগীতি।' আর রবীন্দ্রনাথ বিদ্যাপতির কাব্যকে 'রাজকণ্ঠের মণিমালা' বলে অভিহিত করেছেন।
 
উৎস: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম এবং বাংলাপিডিয়া।

১২.
'ইন্দ্রনাথ' শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের কোন উপন্যাসের চরিত্র?
  1. শ্রীকান্ত
  2. পল্লীসমাজ
  3. পণ্ডিতমশাই
  4. পথের দাবী
সঠিক উত্তর:
শ্রীকান্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শ্রীকান্ত
ব্যাখ্যা

• 'শ্রীকান্ত' উপন্যাস:
- 'শ্রীকান্ত' শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের আত্মজৈবনিক উপন্যাস।
- শ্রীকান্ত উপন্যাসটি ৪টি খণ্ডে প্রকাশিত হয়। প্রথম খণ্ড মাসিক 'ভারতবর্ষে' (১৯১৬-১৭) 'শ্রীকান্তের ভ্রমণ কাহিনি নামে প্রকাশ পায়। লেখকের নাম মুদ্রিত হয় 'শ্রীশ্রীকান্ত শর্মা'।
- ২য় ও ৩য় খণ্ডও মাসিক 'ভারতবর্ষে' প্রকাশিত হয়। তবে ৪র্থ খণ্ড প্রকাশিত হয় 'বিচিত্র' পত্রিকায়।
- উপন্যাসের উল্লেখযোগ্য চরিত্র: শ্রীকান্ত, ইন্দ্রনাথ, রাজলক্ষ্মী।

অন্যদিকে, 
• 'পল্লীসমাজ' উপন্যাসের প্রধান চরিত্র: রমা, রমেশ, বেণী, বলরাম।

• 'পণ্ডিতমশাই' শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের লেখা একটি সামাজিক উপন্যাস, যা গ্রাম বাংলার পটভূমিতে রচিত। উপন্যাসটি মূলত বৃন্দাবন ও কুসুম নামের দুটি চরিত্রের মনস্তাত্ত্বিক টানাপোড়েন ও অনিশ্চয়তাকে কেন্দ্র করে আবর্তিত হয়েছে। 

• 'পথের দাবী' উপন্যাসের মূল চরিত্রগুলির মধ্যে রয়েছেন- বিপ্লবী সব্যসাচী মল্লিক, ভারতী ও সুমিত্রা, করুণাময়ী, বিনোদ। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা; 'পথের দাবী' উপন্যাস এবং বাংলাপিডিয়া। 

১৩.
'চাঁদের অমাবস্যা' কোন ধরনের উপন্যাস?
  1. রাজনৈতিক উপন্যাস
  2. মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস
  3. ঐতিহাসিক উপন্যাস
  4. রোমাঞ্চকর উপন্যাস
সঠিক উত্তর:
মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস
ব্যাখ্যা

'চাঁদের অমাবস্যা' উপন্যাস:
- সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ রচিত “চাঁদের অমাবস্যা” একটি মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস। 
- চাঁদের অমাবস্যা উপন্যাসে আরেফ আলী নামের একজন স্কুল মাস্টারকে অবলম্বন করে মানুষের অন্তর জীবনের জটিলতা উল্লেখ প্রসঙ্গে সামন্ত-সমাজ প্রভাবিত গ্রামীণ জীবনের নানা অসঙ্গতি তুলে ধরেছেন।
- একটি অপরাধমূলক কাজের প্রত্যক্ষদর্শী হিসেবে আরেফের মনোগত ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া এই উপন্যাসের মূল প্রতিপাদ্য বিষয়।

-----------------------
সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ রচিত উপন্যাস:
- লালসালু,
- চাঁদের অমাবস্যা,
- কাঁদো নদী কাঁদো।

তাঁর রচিত গল্পগ্রন্থ:
- নয়নচারা,
- দুই তীর ও অন্যান্য গল্প।

তাঁর রচিত নাটক:
- বহিপীর,
- তরঙ্গভঙ্গ,
- সুড়ঙ্গ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা; 'চাঁদের অমাবস্যা' উপন্যাস এবং বাংলাপিডিয়া।

১৪.
তারানাথের মতে, বাংলাদেশের গঙ্গার ধারে বাস করতেন কোন চর্যাকার?
  1. কুক্কুরীপা
  2. ডোম্বীপা
  3. লুইপা
  4. ঢেণ্ডণপা
সঠিক উত্তর:
লুইপা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লুইপা
ব্যাখ্যা

• লুইপা:
- সাধারণত লুইপাকে আদি সিদ্ধাচার্য বিবেচনা করা হয়। কিন্তু ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্ ও রাহুল সংকৃত্যায়ন তাঁকে প্রথম বলে স্বীকার করেন না।
- লুইপা বাঙালি বলে অনুমিত। উড়িষ্যায় তাঁর জন্মস্থান বলে কারও কারও ধারণা। ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্ উল্লেখ করেছেন, তারানাথের মতে লুই বাংলাদেশের গঙ্গার ধারে বাস করতেন।
- তিনি প্রথম জীবনে উদ্যানের (সোয়াতের) রাজার কায়স্থ বা লেখক ছিলেন। তখন তাঁর নাম ছিল সামন্ত শুভ।
- তিনি উড়িষ্যার রাজা ও মন্ত্রীর গুরু ছিলেন। লুইপার জীবৎকাল ৭৩০-৮১০ সাল।
- সংস্কৃত ভাষায় তিনি চারটি গ্রন্থ রচনা করেছিলেন। তাঁর একটি গ্রন্থের নাম 'অভিসময়বিভঙ্গ।'
- তিনি চর্যাপদের দুটি পদ লিখেছেন। পদ দুইটি হলো ১নং ও ২৯নং পদ।

অন্যদিকে, 
--------------------
• কুক্কুরীপা বাংলার উত্তরখণ্ডের অধিবাসী ছিলেন বলে ধারণা করা হয়। অবশ্য হিন্দিভাষীরা তাঁকে কপিলাবস্তু বা বুদ্ধের জন্মস্থান নেপালের লোক বলেছেন।
• চর্যাপদের পদকর্তাদের মধ্যে ত্রিপুরা রাজ্যের রাজা ছিলেন-ডোম্বীপা।

• ঢেণ্ডণপার জন্মস্থান অবন্তিনগর-উজ্জয়িনী, তিনি ছিলেন বর্ণে তাঁতি এবং সিদ্ধা। তিনি দেবপাল-বিগ্রহ পালের সময়ে বর্তমান ছিলেন। তাঁর জীবৎকালের ঊর্ধ্বসীমা ৮৪৫ সাল।

উল্লেখ্য, 
ড. আনিসুজ্জামান লিখেছেন, 'তিব্বতী ঐতিহ্যে বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই সিদ্ধাদের পূর্বজীবনের বর্ণ বা বৃত্তির উল্লেখ করা হয়েছে। তাতে দেখা যাচ্ছে, আর্যদেব, কঙ্কণ, ডোম্বী ও দারিক রাজা ছিলেন, কম্বলাম্বর ও ভুসুকু ছিলেন রাজপুত্র। জয়নন্দী ছিলেন রাজমন্ত্রী, লুইপাদ ছিলেন রাজসভার লেখক। জয়নন্দী, ধাম ও সরহ ব্রাহ্মণ ছিলেন, কুকুরীও সম্ভবত তাই। কাহ্ন সম্ভবত কায়স্থ ছিলেন, বীণা ছিলেন ক্ষত্রিয়। মহীধর শূদ্র ছিলেন, শরবী ছিলেন ব্যাধ। ডোম্বী বিয়ে করেছিলেন ডোমকন্যা, কুকুরীর সহচরী পূর্বজন্মে ছিলেন কুকুরী। অনাচারের দায়ে বিহার থেকে বহিষ্কৃত হয়েছিলেন বিরুআ, বিহারের দ্বারপণ্ডিত হয়ে বাকি জীবন কাটিয়েছিলেন শান্তি।'

উৎস: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম এবং চর্যাগীতি পাঠ, মাহাবুবুল হক।

১৫.
"মোর যাদুদের সমাধি পরে" স্বাধীনতা সংগ্রামের প্রেক্ষাপটে কাব্যগ্রন্থটি কার রচনা?
  1. হাসান হাফিজুর রহমান
  2. সৈয়দ আলী আহসান
  3. শামসুর রাহমান 
  4. সুফিয়া কামাল
সঠিক উত্তর:
সুফিয়া কামাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুফিয়া কামাল
ব্যাখ্যা

"মোর যাদুদের সমাধি পরে" কাব্যগ্রন্থ:
- "মোর যাদুদের সমাধি পরে" কবি সুফিয়া কামালের সপ্তম কাব্যগ্রন্থ, যা ১৯৭২ সালে প্রকাশিত হয়।
- এই কাব্যগ্রন্থটিতে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের রক্তঝরা দিনগুলোর প্রেক্ষাপটে স্বাধীনতা সংগ্রাম এবং দেশপ্রেমের কবিতা স্থান পেয়েছে।

উল্লেখ্য, 
• 'বন্দী শিবির থেকে' ও 'নিজ বাসভূমে' কাব্যগ্রন্থে শামসুর রাহমানের স্বাধীনতা সংগ্রামের প্রেক্ষাপটে রচিত কবিতাগুলি স্থান পেয়েছে।
• মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে হাসান হাফিজুর রহমান রচিত কাব্যগ্রন্থ- যখন উদ্যত সঙ্গীন।
• মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে সৈয়দ আলী আহসান রচিত কবিতা- আমার প্রতিদিনের শব্দ।  

-------------------
• সুফিয়া কামাল:
- 'জননী সাহসিকা' হিসেবে পরিচিত সুফিয়া কামাল ছিলেন মূলত কবি।
- সুফিয়া কামাল বাংলাদেশের একজন প্রথিতযশা কবি, লেখিকা ও নারী আন্দোলনের অন্যতম পথিকৃৎ।
- তিনি বরিশালের শায়েস্তাবাদে মামার বাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পৈতৃক নিবাস কুমিল্লায়।
- 'বেগম' (১৯৪৭) পত্রিকার প্রথম সম্পাদক ছিলেন তিনি।

• তাঁর রচিত উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ:
- মন ও জীবন,
- উদাত্ত পৃথিবী,
- সাঁঝের মায়া,
- অভিযাত্রিক,
- মোর যাদুদের সমাধি পরে,
- মায়া কাজল।

• তাঁর রচিত গল্পগ্রন্থ: কেয়ার কাঁটা। 
• দিনলিপি: একাত্তরের ডায়েরী। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা; "মোর যাদুদের সমাধি পরে" কাব্যগ্রন্থ এবং বাংলাপিডিয়া।

১৬.
উদাসী বাউলের জীবনদর্শনের প্রভাব পরিলক্ষিত হয় মীর মশাররফ হোসেনের কোন রচনায়?
  1. উদাসীন পথিকের মনের কথা
  2. বেহুলা গীতাভিনয়
  3. গাজী মিয়াঁর বস্তানী
  4. বসন্তকুমারী
সঠিক উত্তর:
গাজী মিয়াঁর বস্তানী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গাজী মিয়াঁর বস্তানী
ব্যাখ্যা

'গাজী মিয়াঁর বস্তানী' আত্মজৈবনিক উপন্যাস:
• 'গাজী মিয়াঁর বস্তানী' মীর মশাররফ হোসেন রচিত আত্মজৈবনিক উপন্যাস। গাজী মিয়াঁর বস্তানীতে উদাসী বাউলের জীবনদর্শনের প্রভাব পরিলক্ষিত হয়।

• এটি উপন্যাস জাতীয় রস-রচনা। কর্মজীবননির্ভর আত্মজীবনীমূলক এই রচনায় ব্যঙ্গরসের উপস্থাপন অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।

• এর প্রথম অংশ ১৮৯৯ খ্রিস্টাব্দে প্রকাশিত হয়; দ্বিতীয় অংশ পুস্তকাকারে স্বতন্ত্রভাবে প্রকাশিত হয়নি, তবে মীর রচিত আত্মজীবনী আমার জীবনী-তে এর কিয়দংশ মুদ্রিত হয়। গ্রন্থের প্রচ্ছদপটে গ্রন্থকার হিসেবে মীর মশাররফ হোসেনের নাম মুদ্রিত হয়নি; স্বত্বাধিকারী হিসেবে তাঁর ছদ্মনাম ‘উদাসীন পথিক’ মুদ্রিত হয়েছে।

• এ গ্রন্থে অনেক চরিত্রের সমাবেশ-ঘটেছে, তবে কোনো একটি মূল ঘটনাকে কেন্দ্র করে কাহিনি ও চরিত্র আবর্তিত বা বিবর্তিত হয়নি। মূলত লেখক ব্যাখ্যার মধ্য দিয়ে তৎকালীন সমাজের অন্যায়-অবিচার, অনাচার-দুর্নীতি, সমাজের মানুষের নৈতিক অবক্ষয় ও বর্বরোচিত আচরণ চিত্রিত করেছেন।

• সোনাবিবি ও মনিবিবি নামে দুই বিধবা মহিলা জমিদারের দ্বন্দ্ব উপন্যাসের মূল ঘটনা। উপন্যাসের নায়ক-নায়িকা ও স্থানের নামকরণ অভিনব, যেমন- অরাজকপুর, যমদ্বার, নচ্ছারপুর, পয়জারন্নেসা, সবলোট চৌধুরী, ভেড়াকান্ত, জয়ঢাক ইত্যাদি। ভেড়াকান্ত চরিত্রে লেখকের নিজের ছায়াপাত আছে বলে গ্রন্থখানিকে আত্মজৈবনিক রচনা বলে অভিহিত করা হয়। 

• গাজী মিয়াঁর বস্তানীর বিষয় ও অঙ্গসজ্জা সম্বন্ধে মন্তব্য করতে গিয়ে অক্ষয় কুমার মৈত্রেয় লিখেছেন- "গাজী মিয়ার বস্তানী একখানি বিচিত্র সমাজচিত্র, সুশোভিত, সুলিখিত উপন্যাস।"

---------------------
• মীর মশাররফ হোসেন রচিত নাটক:
- বসন্তকুমারী,
- জমীদার দর্পণ,
- বেহুলা গীতাভিনয়। 

• তাঁর রচিত উপন্যাস:
বিষাদ-সিন্ধু।

• আত্মজীবনীমূলক রচনা:
- উদাসীন পথিকের মনের কথা,
- গাজী মিয়াঁর বস্তানী,
- আমার জীবনী,
- কুলসুম জীবনী ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা; 'গাজী মিয়ার বস্তানী' গ্রন্থ এবং বাংলাপিডিয়া।

১৭.
কোনটি অভিশ্রুতির উদাহরণ?
  1. বাক্য > বাইক্য
  2. সাধু > সাউধ
  3. আজি > আইজ
  4. করিয়া > করে
সঠিক উত্তর:
করিয়া > করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
করিয়া > করে
ব্যাখ্যা

• অভিশ্রুতি:
বিপর্যস্ত স্বরধ্বনি পূর্ববর্তী স্বরধ্বনির সাথে মিলে গেলে এবং তদনুসারে পরবর্তী স্বরধ্বনির পরিবর্তন ঘটালে তাকে অভিশ্রুতি বলে।
যেমন:
এরূপ-
- রাখিয়া > রাইখা > রেখে,
- করিয়া > কইর‍্যা > করে,
- শুনিয়া > শুইনা > শুনে,
- বলিয়া > বইলা > বলে,
- হাটুয়া > হাউটা > হেটো,
- মাছুয়া > মাউছুয়া > মেছো ইত্যাদি।

অন্যদিকে, 
----------------
• অপিনিহিতি:
পরের ই-কার আগ উচ্চারিত হলে কিংবা যুক্ত ব্যঞ্জনধ্বনির আগে ই-কার বা উ-কার উচ্চারিত হলে তাকে অপিনিহিত বলে।
যেমন:
- আজি > আইজ,
- সাধু > সাউধ,
- রাখিয়া > রাইখ্যা,
- বাক্য > বাইক্য,
- চারি > চাইর,
- মারি > মাইর। 

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম ও দশম শ্রেণি (২০১৯-সংস্করণ)।

১৮.
ইংরেজি ভাষার শব্দ নয় কোনটি?
  1. ফ্ল্যাগশিপ
  2. ফ্যাসিস্ট
  3. ফ্লাইওভার 
  4. ফ্যাক্ট্রি
সঠিক উত্তর:
ফ্যাসিস্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফ্যাসিস্ট
ব্যাখ্যা

ফ্যাসিস্ট (বিশেষণ পদ),
- শব্দটি ইতালিয়ান ভাষা থেকে আগত। 
অর্থ:
- স্বৈরশাসক। 

ইংরেজি শব্দ- Fascist.

অন্যদিকে, 
--------------
• ফ্ল্যাগশিপ (বিশেষ্য পদ),
- শব্দটি ইংরেজি ভাষা থেকে আগত।
অর্থ:
- নৌবাহিনীর অ্যাডমিরাল বা অধিনায়ককে বহনকারী নির্দিষ্ট নৌযান। 

 ইংরেজি শব্দ- flagship.

• ফ্লাইওভার (বিশেষ্য পদ),
- শব্দটি ইংরেজি ভাষা থেকে আগত। 
অর্থ:
অন্য কোনো সড়ক বা রেলপথ অতিক্রমণের উদ্দেশ্যে তার ওপর দিয়ে উঁচু করে নির্মিত উড়াল সড়ক, উড়ালসেত্ব। 
 
ইংরেজি শব্দ- flyover.

• ফ্যাক্ট্রি (বিশেষ্য পদ),
- শব্দটি ইংরেজি ভাষা থেকে আগত।
অর্থ:
কাঁচামাল প্রক্রিয়াজাত-করণের কারখানা।

ইংরেজি শব্দ- factory.

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান। 

১৯.
স্বরসন্ধির নিয়ম সাধিত শব্দ কোনটি?
  1. দ্রাবক
  2. প্রাগুক্ত
  3. ষড়ঋতু
  4. মৃদঙ্গ
সঠিক উত্তর:
দ্রাবক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্রাবক
ব্যাখ্যা

• স্বরসন্ধির নিয়ম:
স্বরবর্ণ পরে থাকলে এ-ধ্বনির জায়গায় অয়্‌, ঐ-ধ্বনির জায়গায় আয়, ও-ধ্বনির জায়গায় অব্ এবং ঔ-ধ্বনির জায়গায় আব্‌ হয়। পরবর্তী স্বরধ্বনি বানানে সন্ধিজাত য়, ব্‌ কিংবা র্-এর সঙ্গে যুক্ত হয়।

যেমন:
শে + অন = শয়ন,
নে+ অন = নয়ন,
নৈ + অক = নায়ক,
গৈ + অক = গায়ক,
ভো + অন = ভবন,
পো + অন = পবন,
পৌ + অক = পাবক,
ভৌ + উক = ভাবুক,
নৌ + ইক = নাবিক,
দ্রৌ + অক = দ্রাবক ইত্যাদি।

অন্যদিকে, 
ব্যঞ্জন + স্বর = ব্যঞ্জন সন্ধির নিয়ম সাধিত শব্দ-
• প্রাক্ + উক্ত = প্রাগুক্ত,
• ষট্ + ঋতু = ষড়ঋতু,
• মৃৎ + অঙ্গ = মৃদঙ্গ ইত্যাদি।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

২০.
নী-প্রত্যয় যোগে গঠিত নারীবাচক শব্দ কোনটি?
  1. বাঘিনী
  2. জেলেনী
  3. গোয়ালিনী
  4. মেথরানী
সঠিক উত্তর:
জেলেনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেলেনী
ব্যাখ্যা

• নী/নি-প্রত্যয় যোগে গঠিত নারীবাচক শব্দ- জেলে - জেলেনী।

অন্যদিকে,
• আনী-প্রত্যয় যোগে গঠিত স্ত্রীবাচক শব্দ:
চাকর - চাকরানী,
মেথর - মেথরানী

• কিছু শব্দ 'ইনী' প্রত্যয় যুক্ত করে স্ত্রীবাচক করা হয়।
যথা:
কাঙাল - কাঙালিনী,
গোয়ালা - গোয়ালিনী,
বাঘ - বাঘিনী ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।

২১.
'পালনীয়' শব্দের শুদ্ধ প্রকৃতি প্রত্যয় কোনটি?
  1. √পাল্‌ + নীয়
  2. √পালন্‌ + নীয়
  3. √পাল্‌ + অনীয়
  4. √পালি্ + নীয়
সঠিক উত্তর:
√পাল্‌ + অনীয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
√পাল্‌ + অনীয়
ব্যাখ্যা



• কৃৎ প্রত্যয়-অনীয়: যোগ্য বা কর্তব্য অর্থে বিশেষণ শব্দ গঠন করে।
যেমন:
- √কৃ+ অনীয় = করণীয়,
- √দৃশ্ + অনীয় = দর্শনীয়,
- √পাল্‌ + অনীয় = পালনীয়,
- √শুচ + অনীয় = শোচনীয়,
- √স্মৃ + অনীয় = স্মরণীয়,
- √বৃ + অনীয় = বরণীয়।

এরূপ- মাননীয়, পূজনীয়, পানীয়, গ্রহণীয়, রমণীয়।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

২২.
'অজপাড়াগাঁ' শব্দে 'অজ' উপসর্গটি কী অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
  1. অভাব 
  2. নিতান্ত মন্দ
  3. পুরনো 
  4. ভিন্নতা 
সঠিক উত্তর:
নিতান্ত মন্দ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিতান্ত মন্দ
ব্যাখ্যা

• 'অজ' খাঁটি বাংলা উপসর্গ যোগে 'নিতান্ত (মন্দ)' অর্থে গঠিত শব্দ- অজপাড়াগাঁ, অজমূর্খ, অজপুকুর।

---------------------
• খাঁটি বাংলা উপসর্গ:
বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত নিজেস্ব উপসর্গকে খাঁটি বাংলা উপসর্গ বলা হয়। খাঁটি বাংলা উপসর্গ ২১টি।
যথা:
অ, অঘা, অজ, অনা, আ, আড়, আন, আব, ইতি, ঊন (ঊনা), কদ, কু, নি, পাতি, বি, ভর, রাম, স, সা, সু, হা।

- তবে বাংলা উপসর্গের মধ্যে আ, সু, বি, নি এই চারটি উপসর্গ তৎসম শব্দেও পাওয়া যায়।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯-সংস্করণ)।

২৩.
'বর্ণ চুরি করে যে' ব্যাসবাক্যটি কোন সমাস নির্দেশ করে?
  1. সমানাধিকরণ বহুব্রীহি
  2. সাধারণ কর্মধারয় 
  3. উপপদ তৎপুরুষ সমাস
  4. ব্যধিকরণ বহুব্রীহি
সঠিক উত্তর:
উপপদ তৎপুরুষ সমাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপপদ তৎপুরুষ সমাস
ব্যাখ্যা

• 'বর্ণচোরা' শব্দের বিশ্লেষণ:
"বর্ণচোরা" শব্দে প্রথম পদ "বর্ণ" হলো উপপদ, যা ক্রিয়ার সঙ্গে সম্পর্কিত। দ্বিতীয় পদ "চোরা" হলো কৃদন্ত পদ, যা "চুরি করা" ক্রিয়া থেকে উৎপন্ন। এই দুটি পদ মিলে সমাসবদ্ধ হয়ে একটি নতুন অর্থ প্রকাশ করে: বর্ণ চুরি করে যে = বর্ণচোরা।

কৃদন্ত পদের সঙ্গে উপপদের যে সমাস হয়, তাকে বলে উপপদ তৎপুরুষ সমাস বলে। সুতরাং 'বর্ণ চুরি করে যে = বর্ণচোরা' উপপদ তৎপুরুষ সমাসের উদাহরণ। 

---------------------------
উপপদ তৎপুরুষ সমাস:
যে পদের পরবর্তী ক্রিয়ামূলের সঙ্গে কৃৎ-প্রত্যয় যুক্ত হয় সে পদকে উপপদ বলে। কৃদন্ত পদের সঙ্গে উপপদের যে সমাস হয়, তাকে বলে উপপদ তৎপুরুষ সমাস।

যেমন:
জলে চরে যা = জলচর;
বাস্তু হারিয়েছে যে = বাস্তুহারা;
বর্ণ চুরি করে যে = বর্ণচোরা;
বহুকিছু দর্শন করেছে যে = বহুদর্শী;
বিঘ্ন হনন করে যে = বিঘ্নহস্তা;
জল দেয় যে = জলদ;
পক্ষে জন্মে যা = পঙ্কজ।

এরূপ- গৃহস্থ, সত্যবাদী, ইন্দ্রজিৎ, ছেলেধরা, ধামাধরা, পকেটমার, পাতাচাটা, হাড়ভাঙ্গা, মাছিমারা, ছারপোকা, ঘরপোড়া, বর্ণচোরা, গলাকাটা, পা-চাটা, পাড়াবেড়ানি, ছা-পোষা ইত্যাদি।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ এবং বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯-সংস্করণ)।

২৪.
'ঈদের চাঁদ' বাগ্‌ধারার অর্থ কী?
  1. অত্যন্ত প্রিয়জন
  2. কাল্পনিক বস্তু
  3. বিশিষ্ট ব্যক্তি
  4. আকাঙ্ক্ষিত বস্তু
সঠিক উত্তর:
আকাঙ্ক্ষিত বস্তু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আকাঙ্ক্ষিত বস্তু
ব্যাখ্যা

• 'ঈদের চাঁদ' বাগ্‌ধারার অর্থ- আকাঙ্ক্ষিত বস্তু।
বাক্য- হারানো ছেলেকে ফিরে পেয়ে মা যেন ঈদের চাঁদ হাতে পেলেন।

অন্যদিকে, 
• 'আঁধার ঘরের মানিক' অর্থ- অত্যন্ত প্রিয়জন। 
• 'আকাশকুসুম' অর্থ- কাল্পনিক বস্তু। 
• 'কেউকেটা' অর্থ- বিশিষ্ট ব্যক্তি। 

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ। 

২৫.
ষ-ত্ব বিধানের ক্ষেত্রে কোনটি অশুদ্ধ?
  1. সংস্কৃত 'সাৎ' প্রত্যয়যুক্ত পদে 'ষ' হয়
  2. উ-কারান্ত উপসর্গের পর কতগুলো ধাতুতে 'ষ' হয়
  3. ক ও র-এর পরে প্রত্যয়ের স 'ষ' হয়
  4. ঋ'এবং ঋ কারের পর 'ষ' হয়
সঠিক উত্তর:
সংস্কৃত 'সাৎ' প্রত্যয়যুক্ত পদে 'ষ' হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংস্কৃত 'সাৎ' প্রত্যয়যুক্ত পদে 'ষ' হয়
ব্যাখ্যা

• ষ-ত্ব বিধানের ক্ষেত্রে অশুদ্ধ- সংস্কৃত 'সাৎ' প্রত্যয়যুক্ত পদে 'ষ' হয়। 
• শুদ্ধ তথ্যয়- সংস্কৃত 'সাৎ' প্রত্যয়যুক্ত পদেও 'ষ' হয় না। যেমন- অগ্নিসাৎ, ধূলিসাৎ, ভূমিসাৎ ইত্যাদি।

---------------------
• ষ ব্যবহারের নিয়ম:

১. অ, আ ভিন্ন অন্য স্বরধ্বনি এবং ক ও র-এর পরে প্রত্যয়ের স 'ষ' হয়।
যেমন- ভবিষ্যৎ, মুমূর্ষু, চক্ষুষ্মান, চিকীর্ষা ইত্যাদি।

২. ই-কারান্ত এবং উ-কারান্ত উপসর্গের পর কতগুলো ধাতুতে 'ষ' হয়।
যেমন- অভিসেক > অভিষেক, সুসুপ্ত > সুষুপ্ত, অনুসঙ্গ অনুষঙ্গ, প্রতিসেধক > প্রতিষেধক, প্রতিস্থান > প্রতিষ্ঠান, অনুস্থান > অনুষ্ঠান, বিসম> বিষম, সুসমা > সুষমা ইত্যাদি।

৩. ঋ'এবং ঋ কারের পর 'ষ' হয়। যেমন- ঋষি, কৃষক, উৎকৃষ্ট, দৃষ্টি, সৃষ্টি ইত্যাদি।
৪. তৎসম শব্দে 'র'-এর পর 'ষ' হয়। যেমন- বর্ষা, ঘর্ষণ, বর্ষণ ইত্যাদি।

৫. র- ধ্বনির পরে যদি অ, আ ভিন্ন অন্য স্বরধ্বনি থাকে তবে তার পরে 'ষ' হয়। যথা: পরিষ্কার। কিন্তু অ, আ স্বরধ্বনি থাকলে স হয়। যথা: পুরস্কার।
৬. ট-বর্গীয় ধ্বনির সঙ্গে 'ষ' যুক্ত হয়। যথা: কষ্ট, স্পষ্ট, নষ্ট, কাষ্ঠ, ওষ্ঠ ইত্যাদি। 

৭. কতগুলো শব্দে স্বভাবতই 'ষ' হয়।
যেমন- ষড়ঋতু, রোষ, কোষ, আষাঢ়, ভাষণ, ভাষা, ঊষা, পৌষ, কলুষ, পাষাণ, মানুষ, ঔষধ, ষড়যন্ত্র, ভূষণ, দ্বেষ ইত্যাদি।

'ষ' এর ব্যবহার প্রযোজ্য নয় যেসব ক্ষেত্রে-
• বিদেশি ভাষা থেকে আগত শব্দে 'ষ' হয় না। যেমন জিনিস, পোশাক, -মাস্টার, পোস্ট ইত্যাদি।
• সংস্কৃত 'সাৎ' প্রত্যয়যুক্ত পদেও 'ষ' হয় না। যেমন- অগ্নিসাৎ, ধূলিসাৎ, ভূমিসাৎ ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।

২৬.
শুদ্ধ বানান কোনটি?
  1. ভবিষ্যৎবাণী
  2. ভবিষ্যতবাণী
  3. ভবিষ্যৎবাণি
  4. ভবিষ্যদ্‌বাণী
সঠিক উত্তর:
ভবিষ্যদ্‌বাণী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভবিষ্যদ্‌বাণী
ব্যাখ্যা

• শুদ্ধ বানান-  ভবিষ্যদ্‌বাণী।
- শব্দটি বিশেষ্য পদ। 
- এটি একটি সংস্কৃত শব্দ।
অর্থ:
- ভবিষ্যতে কী ঘটবে সে বিষয়ে উক্তি।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।

২৭.
'হাসেম কিংবা কাসেম এর জন্য দায়ী।' এখানে 'কিংবা' কোন ধরনের অব্যয়?
  1. সংযোজক অব্যয়
  2. বিয়োজক অব্যয়
  3. সংকোচক অব্যয়
  4. অনুগামী সমুচ্চয়ী অব্যয়
সঠিক উত্তর:
বিয়োজক অব্যয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিয়োজক অব্যয়
ব্যাখ্যা

• 'হাসেম কিংবা কাসেম এর জন্য দায়ী।' এখানে 'কিংবা' একটি বিয়োজক অব্যয়। 

--------------------
• সমুচ্চয়ী অব্যয়: 

যে অব্যয় পদ একটি বাক্যের সঙ্গে অন্য একটি বাক্যের অথবা বাক্যস্থিত একটি পদের সঙ্গে অন্য একটি পদের সংযোজন, বিয়োজন বা সংকোচন ঘটায়, তাকে সমুচ্চয়ী অব্যয় বা সম্বন্ধবাচক অব্যয় বলে।

ক. সংযোজক অব্যয়:
(i) উচ্চপদ ও সামাজিক মর্যাদা সকলেই চায়। এখানে 'ও' অব্যয়টি বাক্যস্থিত দুটি পদের সংযোজন করছে।
(ii) তিনি সৎ, তাই সকলেই তাঁকে শ্রদ্ধা করে। এখানে 'তাই' অব্যয়টি দুটি বাক্যের সংযোজন ঘটাচ্ছে। আর, অধিকন্তু, সুতরাং শব্দগুলোও সংযোজক অব্যয়।

খ. বিয়োজক অব্যয়:
(i) হাসেম কিংবা কাসেম এর জন্য দায়ী।
[এখানে 'কিংবা' অব্যয়টি দুটি পদের (হাসেম এবং কাসেমের) বিয়োগ সম্বন্ধ ঘটাচ্ছে।]

(ii) 'মন্ত্রের সাধন কিংবা শরীর পাতন'। এখানে 'কিংবা' অব্যয়টি দুটি বাক্যাংশের বিয়োজক।
[আমরা চেষ্টা করেছি বটে, কিন্তু কৃতকার্য হতে পারিনি। এখানে 'কিন্তু' অব্যয় দুটি বাক্যের বিয়োজক।]

বা, অথবা, নতুবা, না হয়, নয়তো শব্দগুলো বিয়োজক অব্যয়।

গ. সংকোচক অব্যয়:
তিনি বিদ্বান, অথচ সৎ ব্যক্তি নন। এখানে 'অথচ' অব্যয়টি দুটি বাক্যের মধ্যে ভাবের সংকোচ সাধন করেছে।
কিন্তু, বরং শব্দগুলোও সংকোচক অব্যয়।

ঘ. অনুগামী সমুচ্চয়ী অব্যয়:
যে, যদি, যদিও, যেন প্রভৃতি কয়েকটি শব্দ সংযোজক অব্যয়ের কাজ করে থাকে। তাই তাদের অনুগামী সমুচ্চয়ী অব্যয় বলে।
যেমন-
১. তিনি এত পরিশ্রম করেন যে তার স্বাস্থ্যভঙ্গ হওয়ার আশঙ্কা আছে।
২. আজ যদি (শর্ত বাচক) পারি, একবার সেখানে যাব।
৩. এভাবে চেষ্টা করবে যেন কৃতকার্য হতে পার।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।

২৮.
'ছুরি' শব্দের 'ছ' কোন ধরনের স্পৃষ্ট ব্যঞ্জন?
  1. ওষ্ঠ
  2. মূর্ধা
  3. তালু
  4. দন্ত
সঠিক উত্তর:
তালু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তালু
ব্যাখ্যা

• স্পৃষ্ট ব্যঞ্জন:
যেসব ব্যঞ্জনধ্বনি উচ্চারণের সময় দুটি বাক্‌প্রত্যঙ্গ পরস্পরের সংস্পর্শে এসে বায়ুপথে বাধা তৈরি করে, সেগুলোকে স্পৃষ্ট ব্যঞ্জন বলে। এগুলো স্পর্শ ব্যঞ্জনধ্বনি নামেও পরিচিত।
যথা:
ফল, থলে, ঠাণ্ডা, ছুরি, খেলা শব্দের ফ, থ, ঠ, ছ, খ স্পৃষ্ট ব্যঞ্জনধ্বনি।

উচ্চারণ স্থান অনুযায়ী এগুলোকে পাঁচ ভাগে ভাগ করা যায়।
যথা:
• ওষ্ঠ স্পৃষ্ট ব্যঞ্জন: প, ফ, ব, ভ।
• দন্ত স্পৃষ্ট ব্যঞ্জন: ত, থ, দ, ধ।
• মূর্ধা স্পষ্ট ব্যঞ্জন: ট, ঠ, ড, ঢ।
তালু স্পৃষ্ট ব্যঞ্জন: চ, ছ, জ, ঝ।
• কণ্ঠ স্পৃষ্ট ব্যঞ্জন: ক, খ, গ, ঘ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২-সংস্করণ)।

২৯.
The novel 'We Do Not Part' is written by-
  1. Jon Fosse
  2. Han Kang
  3. Kazuo Ishiguro
  4. J.K. Rowling
সঠিক উত্তর:
Han Kang
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Han Kang
ব্যাখ্যা

• The novel 'We Do Not Part' is written by Han Kang.

• We Do Not Part:

- "We Do Not Part" হলো দক্ষিণ কোরিয়ান নোবেলজয়ী লেখিকা হান কাং-এর একটি সাম্প্রতিক উপন্যাস।
- Jakbyeolhaji Anneunda নামে ২০২১ সালে প্রকাশিত হয়,পরবর্তীতে ইংরেজিতে ২০২৫ সালে 'We Do Not Part' নামে প্রকাশিত হয়।
- এটি একটি ঐতিহাসিক কথাসাহিত্য (historical fiction).
- উপন্যাসটি ১৯৪৮ সালের জেজু বিদ্রোহ (Jeju Uprising)–এর পটভূমিতে রচিত, যেখানে হাজার হাজার সাধারণ মানুষ রাজনৈতিক দমন-পীড়নের শিকার হয়ে প্রাণ হারায়। 
- 'We Do Not Part' মূলত ট্র্যাজেডি, স্মৃতি, ভালোবাসা আর মানবিক ভঙ্গুরতার গল্প, যা ব্যক্তিগত শোককে জাতীয় ইতিহাসের সঙ্গে মিলিয়ে দিয়েছে।

• Han Kang (1970-):
- জন্ম ১৯৭০, গওাংজু, দক্ষিণ কোরিয়া।
- প্রথম দক্ষিণ কোরীয় ও ১৮তম নারী হিসেবে সাহিত্যে নোবেলজয়ী।
- তিনি পরীক্ষামূলক উপন্যাস রচনা এবং মানবজাতির সহিংসতার প্রবণতা নিয়ে লেখার জন্য বিশেষভাবে পরিচিত।

• Notable Works:
- Greek Lessons,
- Human Acts,
- The Vegetarian,
- The White Book,
- We Do Not Part.

Source: Britannica.

৩০.
“There are two tragedies in life. One is to lose your heart's desire. The other is to gain it.”
This is said by-
  1. Thomas Hardy
  2. George Bernard Shaw
  3. William Shakespeare
  4. Francis Bacon
সঠিক উত্তর:
George Bernard Shaw
উত্তর
সঠিক উত্তর:
George Bernard Shaw
ব্যাখ্যা

• “There are two tragedies in life. One is to lose your heart's desire. The other is to gain it.”
- This is said by George Bernard Shaw.
- এই উক্তিটি George Bernard Shaw-এর একটি বিখ্যাত উক্তি, যা তাঁর নাটক "Man and Superman" থেকে নেওয়া।

• Man and Superman:
- This is a famous play written by G.B. Shaw.
- 4 acts বিশিষ্ট এই play টি ১৯০৩ সালে প্রকাশিত হয়।
- "Man and Superman" হলো একটি বুদ্ধিদীপ্ত নাটক, যেখানে প্রেম, বিবাহ, সমাজ এবং দার্শনিক চিন্তাধারার উপর আলোচনা করা হয়েছে।
- নাটকের মূল চরিত্র John Tanner, একজন স্বাধীনচেতা, বুদ্ধিমান পুরুষ, যিনি বিয়ে এবং সামাজিক বাধা থেকে মুক্ত থাকতে চান।
- কিন্তু Ann Whitefield নামে এক চতুর মেয়ে তাকে বিয়ে করার জন্য পরিকল্পনা করে।
- নাটকের মাধ্যমে Shaw দেখান যে, প্রকৃতির উদ্দেশ্য হলো মানুষের উন্নতি এবং উচ্চতর মানবজাতি (Superman) তৈরি করা।
- নাটকের মধ্যে একটি বিখ্যাত অংশ হলো "Don Juan in Hell", যেখানে গভীর দার্শনিক আলোচনা করা হয় জীবন ও নৈতিকতার উপর।
- The play incorporates Shaw’s concept of the “life force” and satirizes the relationship between the sexes.

• Important characters:
- John Tanner,
- Hector Malone,
- Ann Whitefield,
- Mendoza,
- Roebuck Ramsden,
- Octavius Robinson,
- Violet Robinson,
- Susan Ramsden, etc.

• Man and Superman নাটকের আরো কিছু উক্তি হলো- 
- “Liberty means responsibility. That is why most men dread it.”
- “Criminals do not die by the hands of the law. They die by the hands of other men.” 
- "There is no love sincerer than the love of food".
- "A lifetime of happiness! No man alive could bear it: it would be hell on earth."
- "Home is the girl's prison and the woman's workhouse."
- "The more things a man is ashamed of, the more respectable he is."
- "Democracy substitutes election by the incompetent many for appointment by the corrupt few."

• G. B. Shaw (1856-1950):
- তার পুরো নাম George Bernard Shaw.
- তিনি 'Modern period' এর নাট্যকার।
- George Bernard Shaw একজন Irish নাট্যকার এবং সাহিত্য সমালোচক।
- তিনি ১৯২৫ সালে নোবেল পুরস্কার পান।
- তার সর্বাধিক বাণিজ্যিকভাবে সফল নাটক Pygmalion থেকে জনপ্রিয় মিউজিক্যাল My Fair Lady তৈরি হয়।

• Famous Plays of G.B. Shaw:
- Pygmalion (Romantic play),
- Candida (Comedy/Problem Play),
- Major Barbara (Social satire),
- Mrs. Warren's Profession (play),
- Arms and the Man (Romantic comedy),
- Caesar and Cleopatra (Historical play/tragedy),
- Man and Superman; (Comedy play),
- The Doctor's Dilemma; (satire drama/play, Epilogue),
- Heartbreak House (Drama/Social Criticism),
- St. Joan of Arc (Historical Drama/Tragedy).

Source:
1. Britannica.
2. SparkNotes.

৩১.
The Commonwealth Period lasted from—
  1. 1660–1700
  2. 1649–1660
  3. 1603–1625
  4. 1558–1603
সঠিক উত্তর:
1649–1660
উত্তর
সঠিক উত্তর:
1649–1660
ব্যাখ্যা

• The Commonwealth Period lasted from— খ) 1649–1660.

• The Renaissance Period (1500-1660):
- 1500 থেকে 1660 পর্যন্ত সময়কালকে ইংরেজী সাহিত্যে The Renaissance Period হিসেবে ধরা হয়ে থাকে।
- যদিও Renaissance যুগের সূচনা হয় 1453 সালে কিন্তু ইংরেজী সাহিত্যে এর প্রভাব পরে 1500 এর পর থেকে।
- This period is called the Renaissance because the Renaissance spirit was the main driving force that characterized the literature of that time.

• Renaissance Period মোট 4টি ছোট সময়কালে বিভক্ত। যথা:
- Elizabethan age: 1558-1603.
- Jacobean age: 1603-1625.
- Caroline's age: 1625-1649.
- Commonwealth age: 1649- 1660.

• English Literature Periods and their sub-ages:
1. The Old English Period (450 -1066)

2. The Middle English Period (1066 -1500):
i) The Anglo-Norman Period
ii) The Age of Chaucer

3. The Renaissance Period (1500 -1660):
i) Elizabethan Period (1558-1603),
ii) Jacobean Period (1603-1625),
iii) Caroline Period (1625-1649) and
iv) Commonwealth Period (1649-1660).

4. The Neoclassical Period (1660 -1785):
i) The Restoration Period (1660-1700),
ii) The Augustan Period (1700-1745) and
iii) The Age of Sensibility (1745-1785/1798).

5. The Romantic Period (1798 -1832)

6. The Victorian Period (1832 -1901):
i) The Pre-Raphaelites: (1848-1860)
ii) Aestheticism & Decadence: (1880-1901)

7. The Modern Period (1901 -1939)

8. Present: The Post Modern Period (1939-)

Source: An ABC of English Literature by Dr M Mofizar Rahman.

৩২.
Which character is the heroine character from ‘As You Like It’ written by Shakespeare?
  1. Portia
  2. Rosalind
  3. Viola
  4. Ophelia
সঠিক উত্তর:
Rosalind
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Rosalind
ব্যাখ্যা

• The famous character 'Rosalind' is the heroine character from ‘As You Like It’ written by Shakespeare.
- Rosalind হলো William Shakespeare -এর comedy 'As You Like It' -এর female protagonist.

• As You Like It:
- "As You Like It" is a pastoral comedy written by William Shakespeare.
- 5 acts বিশিষ্ট এই comedy play টি ১৫৯৮-১৬০০ সালের মধ্যে লেখা।
- ১৬২৩ সালে comedy টি First Folio এর অন্তর্ভুক্ত হয়ে প্রকাশিত হয়। 
- The Forest of Arden নামক একটি কাল্পনিক বনে অধিকাংশ কাহিনীর অবতারণা। 
- রোমান্টিক কমেডি ধাঁচের এই নাটকে Orlando এবং Rosalind এর প্রেমের কাহিনী বর্ণিত হয়েছে। 

• The Forest of Arden নামক একটি কাল্পনিক বনে অধিকাংশ কাহিনীর অবতারণা। 
- রোমান্টিক কমেডি ধাঁচের এই নাটকে  Orlando এবং Rosalind এর প্রেমের কাহিনী বর্ণিত হয়েছে। 
- ক্ষমতার দ্বন্দ্ব থেকে ছোটভাই Duke Frederick তার বড় ভাই  Duke Senior কে নির্বাসিত করে। এদিকে  Orlando কে তার ছোট ভাই Oliver নায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত করে। 
- অপর দিকে, Oliver এবং Celia পরস্পরের প্রেমে পড়ে।
- এভাবে নানা ঘটনা দূর্ঘটনার পর প্রেমিক যুগলের প্রেম পরিণতি পায় আর্ডেনের জঙ্গলে।

• The important characters:
- Rosalind (Heroine),
- Celia (Cousin of Rosalind),
- Orlando (Male lead),
- Oliver,
- Duke Senior,
- Duke Frederick,
- Touchstone,
- Audrey, etc.

• The famous quotations from this play:
- "All the world's a stage
And all the men and women are merely players."
- "Sweet are the uses of adversity"
- "Love is merely a madness."
- "To the last gasp with truth and loyalty."
- "I'll have no husband, if you be not he."
- "Under the greenwood tree who loves to die with me, and turn his merry note."

• William Shakespeare (1564-1616):
- William Shakespeare একাধারে একজন English poet, dramatist এবং actor.
- তাকে 'English National Poet' বলা হয়।
- Stratford-upon-Avon -এ জন্মগ্রহণ করেছেন বলে তাকে Bard of Avon বা Swan of Avon বলা হয়।
- তাকে অনেকেই সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ নাট্যকার হিসেবে বিবেচনা করেন।
- Shakespeare occupies a unique position in world literature.
- William Shakespeare মূলত তাঁর Drama and Sonnet -এর জন্য পরিচিত।
- তিনি মোট ১৫৪ টি sonnet এবং ৩৭ টি play লিখেছেন।
- এছাড়া তিনি Long narrative poem ও লিখেছেন।

• Famous Comedies:
- As You Like It,
- The Tempest,
- Twelfth Night,
- A Midsummer Night's Dream, etc.

Source: 
1. Britannica.
2. An ABC of English Literature by Dr. M Mofizar Rahman.

৩৩.
Who penned the poem "The Second Coming"?
  1. T.S. Eliot 
  2. W. B. Yeats 
  3. W. H. Auden
  4. Dylan Thomas
সঠিক উত্তর:
W. B. Yeats 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
W. B. Yeats 
ব্যাখ্যা

• The poem "The Second Coming" was penned by W. B. Yeats.

• The Second Coming:
- 'The Second Coming' হলো William Butler Yeats লিখিত একটি বিখ্যাত কবিতা।
- It is a two-stanza poem in blank verse.
- "The Second Coming" কবিতাটি প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর বিশ্বের বিশৃঙ্খলা ও নৈতিক অধঃপতন নিয়ে লেখা।
- Yeats এখানে খ্রিস্টান ধারণা অনুযায়ী যীশুর পুনরাগমন (Second Coming) নিয়ে কথা বললেও, কবিতায় তিনি ভয়ানক কিছু আসন্ন বিপর্যয়ের পূর্বাভাস দেন।
- "The Second Coming" একটি ভবিষ্যদ্বাণীমূলক কবিতা, যেখানে ইয়েটস বিশ্বযুদ্ধের পরের বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি ও সভ্যতার অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ তুলে ধরেছেন।

• কবিতার মূল থিম:
- বিশ্বের বিশৃঙ্খলা ও নৈতিক বিপর্যয়।
- সভ্যতার পতন ও এক নতুন ভয়ের যুগের আগমন।
- ভবিষ্যতের এক ভয়াবহ রূপ।

• William Butler Yeats (1865-1939):
- Yeats ছিলেন একজন আইরিশ কবি, নাট্যকার এবং সাহিত্যিক, যিনি আধুনিক ইংরেজি সাহিত্যের অন্যতম প্রধান ব্যক্তিত্ব।
- William Butler Yeats is a famous literary figure who belongs to the Modern Period.
- একজন কবি এবং নাট্যকার হিসাবে তিনি এবং তার সাহিত্যকর্ম গুলো আয়ারল্যান্ডের ঐতিহ্য এবং রাজনীতি দ্বারা প্রভাবিত হয়েছিলো।
- নিজের জন্মভূমির প্রতি তার ভালোবাসার প্রকাশ তার বিভিন্ন কবিতায় লক্ষ্য করা যায়।
- W.B Yeats কে Ireland -এর 'National Poet' বলা হয়ে থাকে।
- তিনি ১৯২৩ সালে প্রথম আইরিশ হিসেবে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।

• Notable poems:
- Easter 1916,
- September 1913,
- No Second Troy,
- The Second Coming,
- A Prayer for My Daughter,
- The Tower,
- The Stolen Child,
- Sailing to Byzantium,
- The Lake Isle of Innisfree,
- The Man Who Dreamed of Fairyland,
- An Irish Airman Foresees His Death, etc.

Source:
1. Britannica.
2. Poetry Foundation.

৩৪.
“I must be cruel only to be kind;
Thus bad begins, and worse remains behind.”
This famous line is taken from Shakespeare's play-
  1. Hamlet
  2. King Lear
  3. Macbeth
  4. Julius Caesar
সঠিক উত্তর:
Hamlet
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Hamlet
ব্যাখ্যা

• “I must be cruel only to be kind;
Thus bad begins, and worse remains behind.”
- This famous line is taken from Shakespeare's play 'Hamlet'.

• Hamlet:
- Shakespeare রচিত tragedy গুলোর মধ্যে Hamlet is one of the most celebrated tragedies in English literature.
- তাঁর অন্যান্য tragedy গুলোর মত এটিও 5acts বিশিষ্ট।
- ১৫৯৯-১৬০১ সালের মধ্যে লেখা এই tragedy টি প্রকাশিত হয় ১৬০৩ সালে।
- এর কেন্দ্রীয় চরিত্র Hamlet ছিলেন prince of Denmark যিনি  জার্মানি থেকে নিজ দেশে ফিরে আসে তাঁর বাবার শেষকৃত্যে অংশগ্রহণ করতে এবং জানতে পারে যে তার চাচা Claudius তার মাকে বিয়ে করেছে এবং এই চাচাই তার বাবার খুনী।
- সত্য উদঘাটনের পর বিভিন্ন ঘটনা প্রবাহের মধ্যে দিয়ে tragedy এর কাহিনী সামনে এগিয়ে যায় এবং শেষাংশে Hamlet এর মৃত্যুর মধ্যে দিয়ে এর সমাপ্তি ঘটে।

• Main characters:
- Hamlet,
- Ophelia,
- Claudius,
- Gertrude,
- Horatio (Loyal and Best friend of Hamlet),
- Polonius (Ophelia's Father),
- Laertes (Ophelia's brother), etc.

• Famous quotations from Hamlet:
- "To be or not to be that is the question."
- "Frailty, thy name is woman."
- "Brevity is the soul of wit."
- "Listen to many, speak to a few."
- "Though this be madness, yet there is method in't."
- "Conscience does make cowards of us all."
- "One may smile, and smile, and be a villain."
- "There's a divinity that shapes our ends,
Rough-hew them how we will."
- "There is nothing either good or bad, but thinking makes it so."
- "There are more things in heaven and earth, Horatio,
Than are dreamt of in your philosophy."

• William Shakespeare (1564-1616):
- William Shakespeare একাধারে একজন English poet, dramatist এবং actor.
- তাকে 'English National Poet' বলা হয়।
- Stratford-upon-Avon -এ জন্মগ্রহণ করেছেন বলে তাকে Bard of Avon বা Swan of Avon বলা হয়।
- তাকে অনেকেই সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ নাট্যকার হিসেবে বিবেচনা করেন।
- Shakespeare occupies a unique position in world literature.
- William Shakespeare মূলত তাঁর Drama and Sonnet -এর জন্য পরিচিত।
- তিনি মোট ১৫৪ টি sonnet এবং ৩৭ টি play লিখেছেন।
- এছাড়া তিনি Long narrative poem ও লিখেছেন।

• Notable Works (Plays):
- Hamlet,
- Julius Caesar,
- Othello,
- King Lear,
- Macbeth,
- As You Like It,
- Measure for Measure,
- Much Ado About Nothing,
- A Midsummer Night’s Dream,
- All’s Well That Ends Well,
- Antony and Cleopatra,
- Richard III,
- The Taming of the Shrew,
- The Tempest, etc.
 
Source:
1. Britannica.
2. Sparknotes.

৩৫.
The literary device that repeats initial consonant sounds is called-
  1. Epilogue
  2. Alliteration
  3. Aphorism
  4. Onomatopoeia
সঠিক উত্তর:
Alliteration
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Alliteration
ব্যাখ্যা

• The literary device that repeats initial consonant sounds is called 'alliteration'.

• Alliteration (অনুপ্রাস):
- The Repetition of a consonant at the beginning of two or more words or stressed syllables is called Alliteration.
- যখন পরস্পর সম্পর্কযুক্ত বা পাশাপাশি স্থাপিত শব্দের শুরুতে একই বর্ণ বা একই ধরনের উচ্চারণ থাকে তখন তাকে অনুপ্রাস (Alliteration) বলে।

• Examples of Alliteration:
- 'The fair breeze blew, the white foam flew, The furrow followed free.'
- এখানে 'f' এবং 'b' দ্বারা শুরু হওয়া শব্দ পাশাপাশি বসেছে অর্থাৎ, consonant sound এর repetition ঘটেছে।

অন্যদিকে,
• Epilogue:
- A short speech at the end of a play is called an epilogue.
- নাটক, গল্প বা সিনেমা শেষে দর্শকদের উদ্দেশ্যে সমাপনী বক্তব্য যেখানে চরিত্রগুলো সম্বন্ধে বিশেষ তথ্য প্রদান করা হয়ে থাকে।

• Aphorism:
- A short saying that is intended to express a general truth.
- The use of aphorisms reflects the range of an author's experience and adds universality to the text in which it is used.
- Aphorism হলো একটি সংক্ষিপ্ত, অন্তর্দৃষ্টিপূর্ণ উক্তি বা পর্যবেক্ষণ যা একটি সাধারণ সত্য বা নীতিকে প্রকাশ করে।
- এটি সাধারণত সংক্ষিপ্ত, স্মরণীয় এবং প্রায়শই একটি দার্শনিক বা নৈতিক সুরে লেখা হয়।
- এগুলো সংক্ষিপ্ত এবং প্রভাবশালীভাবে জ্ঞান যোগাযোগ করার জন্য ব্যবহৃত হয়।

• Aphorism -এর কিছু উদাহরণ হলো-
- "Knowledge is power."
- "Time is money."

• Onomatopoeia:
- Onomatopoeia কে আমরা বাংলায় বলি অনুকার অব্যয়। 
- বৃষ্টির ঝমঝম শব্দ, ঘড়ির টিকটিক শব্দ, হাওয়ার শনশন শব্দ ইত্যাদি অনুকার অব্যয়ের উদাহরণ।
- এই ধরণের শব্দ ধ্বণির অণুকরণে গঠিত হয়।
- Rain pitter-patters, drip-drops, Frogs croak, Cats meow, ইত্যাদি হলো Onomatopoeia-এর উদাহরণ।

Source:
1. Literary terms.net
2. An ABC of English Literature by Dr. M. Mofizar Rahman.

৩৬.
Which one of the following poets does not belong to the Victorian era?
  1. Alfred Tennyson
  2. Robert Browning
  3. Matthew Arnold
  4. Robert Frost
সঠিক উত্তর:
Robert Frost
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Robert Frost
ব্যাখ্যা

• Robert Frost is not a Victorian poet.
- তিনি একজন আমেরিকান আধুনিক কবি।

• Robert Frost (1874-1963):
- Robert Frost একজন আমেরিকান কবি। তাকে আমেরিকার শ্রেষ্ঠ কবি বলা হয়।
- তিনি ‘Nature poet’, ‘Regional poet’ নামে পরিচিত।
- তিনি চারবার Pulitzer পুরস্কার লাভ করেন।
- তার উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থগুলো হচ্ছেঃ A Boy’s Will, North of Boston, From Mountain Interval etc.
- Mending Wall কবিতাটি তার ‘North of Boston’ কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত।

• Poems:
- Fire and Ice,
- Mending Wall,
- Birches,
- Out Out,
- Nothing Gold Can Stay,
- Home Burial, etc.

• অন্যদিকে,
ক) Alfred Tennyson (1809-1892),

খ) Robert Browning (1812-1889),

গ) Matthew Arnold (1822-1888),
- উল্লিখিত তিনজনই হলেন Victorian period-এর বিখ্যাত কবি।

Source:
1. Britannica.
2. An ABC of English Literature by Dr. M. Mofizar Rahman.

৩৭.
‘The White Peacock’ is the first novel of which author?
  1. Thomas Hardy
  2. D.H. Lawrence
  3. Jane Austen
  4. Charles Dickens
সঠিক উত্তর:
D.H. Lawrence
উত্তর
সঠিক উত্তর:
D.H. Lawrence
ব্যাখ্যা

• ‘The White Peacock’ is the first novel of D.H. Lawrence.

• The White Peacock:
- D.H. Lawrence রচিত প্রথম উপন্যাস।
- এটি প্রকাশিত হয় ১৯১১ সালে।
- The White Peacock shows Lawrence's early experiments with narrative techniques.
- প্রকৃতির সঙ্গে সম্পর্কিত তার বর্ণনামূলক চিত্রকল্পের ব্যবহার, এবং তার চরিত্রগুলির মানসিক গভীরতাকে ধরার ক্ষমতা, তার এই লেখার অন্যতম বিশেষত্ব।
- উপন্যাসটি ইংল্যান্ডের গ্রামীণ অঞ্চলের একটি পরিবারের জীবনকে নিয়ে লেখা।
- উপন্যাসের শিরোনামে উল্লিখিত সাদা ময়ূর সৌন্দর্য, বিশুদ্ধতা এবং আধ্যাত্মিকতার প্রতীক।
- এটি একটি আধুনিকতাবাদী উপন্যাস যা মানব সম্পর্ক, প্রকৃতির সঙ্গে মানুষের সংযোগ, এবং সামাজিক শ্রেণিবিভাগের জটিলতা নিয়ে আলোচনা করে।

• Main characters:
- Cyril Beardsall,
- Lettie Beardsall,
- Maud Haxby,
- George Saxton,
- The White Peacock,
- Mr. Sykes,
- Mrs. Sykes, etc.

• D.H. Lawrence (1885-1930):
- D.H. Lawrence, in full David Herbert Lawrence, is an English author of novels, short stories, poems, plays, essays, travel books, and letters.
- তিনি আধুনিক ইংরেজি সাহিত্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব হিসেবে বিবেচিত হন।
- তিনি প্রকৃতির সঙ্গে মানুষের সম্পর্ক এবং আধ্যাত্মিক জাগরণের গুরুত্ব তুলে ধরেন।
- তার উপন্যাস Sons and Lovers (1913), The Rainbow (1915), and Women in Love (1920) -এর জন্য তিনি বিশ শতকের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ লেখক হিসেবে পরিচিতি পান।
- তার লেখার বৈচিত্র্য এবং গভীরতা তাকে আধুনিক সাহিত্যের এক অনন্য প্রতিভা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।

• His other novels:
- Aaron’s Rod,
- Lady Chatterley's Lover,
- Sons and Lovers,
- The Rainbow,
- Women in Love,
- A Modern Lover, etc.

Source: Britannica.

৩৮.
What kind of play is "The Tempest"?
  1. Tragedy
  2. Satire
  3. Romantic comedy
  4. Historic play
সঠিক উত্তর:
Romantic comedy
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Romantic comedy
ব্যাখ্যা

• "The Tempest" is primarily a 'Romantic comedy'.

• The Tempest:
- 'The Tempest' by William Shakespeare is a Comedy play/ drama.
- এটি 5 act এ বিভক্ত একটি Romance/Tragicomedy, যা ১৬২৩ সালে First Foilo এর অন্তর্ভুক্ত হয়ে প্রকাশিত হয়।
- The Tempest হচ্ছে William Shakespeare এর last work বা Swan Song.
- Tempest শব্দটির অর্থ হচ্ছে Violent Storm.

• Summary:
- এই কমেডিতে Duke Prospero এবং তাঁর কন্যা Miranda এর কথা বলা হয়েছে, যারা কিনা ডিউকের ছোট ভাইয়ের দ্বারা ষড়যন্ত্রের স্বীকার হয়ে এক দূরদ্বীপে নির্বাসিত হয়।
- এই নাটকে Propero কে supernatural powers এর অধিকারী হিসেবে দেখানো হয়েছে যার আয়ত্ত্বে থাকে Ariel এবং Caliban নামক দুইটি supernatural creature.
- নাটকের শুরুতেই দেখা যায় Prospero তার জাদু শক্তির ব্যবহার করে সমুদ্রে এক ভয়াবহ ঝড়ের সৃষ্টি করেছেন, যার ফলে নাটকের অন্য চরিত্র গুলো তার নির্বাসিত স্বীপে এসে পৌঁছেছে।
- Prospero, using his knowledge of magic and sorcery, conjures a storm (the tempest) to shipwreck his brother Antonio, who had usurped his position and cast him out.

• Main Characters: 
- Prospero (Duke),
- Miranda(Heroine),
- Ariel (Supernatural creature - good character),
- Caliban (Supernatural creature - bad in character),
- Antony (Villain/ brother of Duke),
- Ferdinand (Hero),
- Gonzalo, etc.

• Famous quotations from The Tempest: 
- “Hell is empty and all the devils are here.”
- “We are such stuff as dreams are made on, and our little life is rounded with a sleep.”
- “This thing of darkness, I acknowledge mine.”
- “Thought is free.”
- “O, brave new world, that has such people in't!”
- “Awake, dear heart, awake. Thou hast slept well. Awake.”
- “Misery acquaints a man with strange bedfellows.”

• William Shakespeare (1564-1616):
- William Shakespeare was born on 23 April 1564 AD and died on 23 April 1616 AD.
- তার জন্মস্থান Stratford Avon.
- তিনি একাধারে একজন English poet, dramatist এবং actor.
- তাকে English national poet বলা হয়।
- তাকে 'Bard of Avon' বা Swan of Avon বলা হয়।
- Shakespeare wrote a total of 37 plays and 154 sonnets.

• Shakespeare রচিত Famous Comedy:
- As You Like It,
- The Tempest,
- Twelfth Night,
- Love's Labour's Lost,
- A Comedy of Errors,
- The Taming of the Shrew,
- Much Ado About Nothing,
- All's Well That Ends Well,
- A Midsummer Night's Dream,
- The Merry Wives of Windsor,
- The Two Gentlemen of Verona, etc.

Source: Britannica.

৩৯.
A Latin expression, 'Carpe Diem' means-
  1. Carry the day
  2. Remember your past
  3. Seize the day
  4. A good friend
সঠিক উত্তর:
Seize the day
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Seize the day
ব্যাখ্যা

• A Latin expression, 'Carpe Diem' means "Seize the day".

• Carpe Diem (noun):
- English Meaning: Seize the day; enjoy the present.
- Bangla Meaning: বর্তমানকে উপভোগ কর।

- "seize the day", used for saying that people should enjoy the present rather than worrying about the future.

• Ex. Sentence: The carpe diem spirit that prevails during wartime.
- Bangla Meaning: যুদ্ধ চলাকালীন জীবনকে উপভোগ করার মনোভাব বিরাজ করে।

অন্যদিকে,
ক) Carry the day - জয়লাভ করা।

খ) Remember your past - তোমার অতীতকে মনে রাখ।

ঘ) A good friend (Bon ami) - সৎ বা ভালো বন্ধু।

Source:
1. Cambridge Dictionary.
2. Merriam-Webster Dictionary.

৪০.
Fill in the blank with the right form of verb:
I stopped _____ him last year.
  1. saw
  2. to see
  3. seeing
  4. see
সঠিক উত্তর:
seeing
উত্তর
সঠিক উত্তর:
seeing
ব্যাখ্যা

• Complete sentence: I stopped seeing him last year.
- Bangla meaning: আমি গত বছর তার সঙ্গে দেখা করা ছেড়ে দিয়েছি।

• Stop (verb):
- Stop -এর পরে gerund (-ing form) এবং infinitive (to + verb) দুটিই বসতে পারে।

• Stop + gerund:
- to finish doing something that you do regularly or as a habit.
- অর্থাৎ, কোনো কাজ পুরোপুরি বন্ধ করা অর্থে Stop -এর পরে gerund (verb এর-ing form) ব্যবহৃত হয়।
- Example: I stopped seeing him last year.
- এখানে, "last year (past event)" phrase টি স্থায়ীভাবে বন্ধ করার (তার সাথে দেখা করার অভ্যাস শেষ করার) ইঙ্গিত দেয়, তাই এখানে gerund বসবে।
- সুতরাং, শূন্যস্থানে সঠিক শব্দ হবে- seeing.

অন্যদিকে,
• Stop + infinitive:
- to pause for a short time while travelling or during an activity.
- অর্থাৎ, ভ্রমণের সময় বা কোনও কার্যকলাপের সময় অল্প সময়ের জন্য বিরতি নেওয়া অর্থে Stop -এর পরে infinitive (to + verb) ব্যবহৃত হয়।

- Example: I stopped to see him on my way back.

- আবার, Stop -এর পরে Bare infinitive "see" এবং past form "saw" ব্যবহৃত হয় না।

Source:
1. A Passage to the English Language by S M Zakir Hussain.
2. Cambridge Dictionary.

৪১.
Fill in the blank with the correct preposition:
He is allergic ____ cats, so he avoids them.
  1. at
  2. with
  3. to
  4. from
সঠিক উত্তর:
to
উত্তর
সঠিক উত্তর:
to
ব্যাখ্যা

• Complete sentence: He is allergic to cats, so he avoids them.
- Bangla meaning: তার বিড়ালদের প্রতি অ্যালার্জি আছে, তাই সে তাদের এড়িয়ে চলে।

• Allergic (to)
- English Meaning: of, relating to, affected with, or caused by allergy; having an aversion.
- Bangla Meaning:  (১) কোনো বস্তুর প্রতি অ্যালার্জিপ্রবণ হওয়া; (২) (কথ্য) কোনো ব্যক্তি বা বস্তুর প্রতি বিরূপ মনোভাবাপন্ন হওয়া।

- অর্থাৎ, অ্যালার্জিপ্রবণ হওয়া বা কোনো ব্যক্তি বা বস্তুর প্রতি বিরূপ মনোভাবাপন্ন হওয়া বোঝাতে Allergic -এর পরে appropriate preposition হিসেবে 'to' বসে।

• More examples:
- She is allergic to beef.
- I don’t know why he is so allergic to me.

Source:
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Cambridge Dictionary.

৪২.
The synonym of 'Pastoral' is-
  1. Ambiguous
  2. Temporal
  3. Rustical
  4. Secular
সঠিক উত্তর:
Rustical
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Rustical
ব্যাখ্যা

• The synonym of 'Pastoral' is- গ) Rustical.

• Pastoral (Adjective, Noun)
- English Meaning: of or relating to the countryside: not urbane; a work of literature portraying an idealized version of country life.
- Bangla Meaning: গ্রাম্য; চারণভূমিতুল্য; মেষপালক সংক্রান্ত; রাখালী কবিতা; যাজকসংক্রান্ত।

• Given Options:
ক) Ambiguous - (১) দ্ব্যর্থক। (২) অনিশ্চিত অর্থ বা অভিপ্রায়বিশিষ্ট।

খ) Temporal - (১) সময়গত। (২) পার্থিব বা বিষয়ী; অনাধ্যাত্মিক।

গ) Rustical - গ্রামীণ; গ্রামস্থ; গ্রামের মানুষের বৈশিষ্ট্য বা অনুরূপ।

ঘ) Secular - পার্থিব, আধ্যাত্মিক নয় এমন; ব্যবহারিক; ধর্মনিরপেক্ষ।

• সুতরাং, অপশনের অর্থ বিবেচনা করে দেখা যায় যে, The synonym of 'Pastoral' is- গ) Rustical.

Source:
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Merriam-Webster Dictionary.

৪৩.
Identify the underlined clause in the sentence:
She asked when the meeting would start.
  1. Noun Clause
  2. Adjective Clause
  3. Adverbial Clause
  4. Independent Clause
সঠিক উত্তর:
Noun Clause
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Noun Clause
ব্যাখ্যা

• She asked when the meeting would start.
- The underlined clause is a- ক) Noun Clause.

• সাধারণত যে সকল Verb এর পরে "it" বসানো যায়, অর্থাৎ transitive verb এবং তাদের পরে That/ Wh Word দ্বারা শুরু হয়ে যদি কোনো Clause বসে তখন Clause টি Noun Clause হয়।
- প্রদত্ত sentence টিতে 'when the meeting would start' Noun clause এর নিয়ম অনুযায়ী transitive verb (asked) এর পরে Wh word (when) দ্বারা শুরু হয়েছে। 
- অর্থাৎ, "asked" Verb এর direct object হিসেবে এটি Noun clause হয়েছে।

• Noun Clause:
- যে সব Subordinate Clause Noun এর কাজ করে থাকে, অর্থাৎ Subject, Object, Compliment বা Case in Apposition- এর কাজ করে থাকে তাকে Noun Clause বলে।

• Noun Clause বিভিন্নভাবে ব্যবহৃত হতে পারে। যেমন:
- Verb এর Subject হিসেবে।
- Verb এর Object হিসেবে।
- Verb এর Subjective Complement হিসেবে।
- Verb এর Objective Complement হিসেবে।
- Preposition এর object হিসেবে।

Source: A Passage to the English Language by S M Zakir Hussain.

৪৪.
A ____ of sightseers descends upon the island every summer.
  1. school
  2. swarm
  3. cluster
  4. flight
সঠিক উত্তর:
swarm
উত্তর
সঠিক উত্তর:
swarm
ব্যাখ্যা

• Complete sentence: A swarm of sightseers descends upon the island every summer.
- Bangla meaning: প্রতি গ্রীষ্মে দ্বীপটিতে পর্যটকের ভিড় নেমে আসে।

• Swarm:
- English Meaning: A great number of honeybees/ants/locusts/sightseers/tourists/meteors/children.
- Bangla Meaning; জাঁক, পাল, দল।

- Example: a swarm of ants/locusts; a swarm of bees; swarms of children in the park.

• অন্যদিকে,
ক) School: A group of fish is called - a school of fish.
- মাছের ঝাঁক; ভিড়।

গ) Cluster: A number of similar things that occur together.
- গুচ্ছ; ঝাঁক; ঝাড়; স্তবক; দল: a cluster of trees, flowers, bees. 

ঘ) Flight: a group of similar beings or objects flying through the air together; a number of competitors (as in a sport).
- It is used for birds or insects flying together (e.g., a flight of birds) but is not typically used for people.

• Collective Noun:

- A Collective Noun is the name of a number (or collection) of persons or things taken together and
spoken of as one whole.
– যে সকল Noun দ্বারা সমজাতীয় কিছু ব্যক্তি, বস্তুর সমষ্টিকে বোঝায় তাদেরকে Collective Noun বলে।
- অর্থাৎ কিছু Common Noun এর সমষ্টিকেই collective noun বলে।
- যেমন: cattle, herd, army, public, library, jury, committee, crew, majority, minority, etc.

৪৫.
The correct passive form of: Who will teach us English?
  1. By whom we will be taught English?
  2. By whom English will be taught?
  3. By whom will we be taught English?
  4. English will be taught by who?
সঠিক উত্তর:
By whom will we be taught English?
উত্তর
সঠিক উত্তর:
By whom will we be taught English?
ব্যাখ্যা

- Active: Who will teach us English?
- Passive: By whom will we be taught English?

• Who যুক্ত Interrogative Sentence এর Active Voice কে Passive Voice করার নিয়ম:
- Who এর পরিবর্তে প্রথমে By whom বসে।
- এরপর Tense ও Person অনুযায়ী modal auxiliary Verb বসাতে হয়। 
- Object টি Subject হয়।
- Tense অনুযায়ী কর্তার পরে be/being/been বসাতে হয়। 
- মূল Verb এর Past Participle বসে।
- বাকি অংশ বসে।
- সবার শেষে প্রশ্নবোধক চিহ্ন বসে।
​ 
• Structure: By whom + auxiliary verb + subject + V3 + ?
- অথবা: Who + auxiliary verb + subject + V3 + by + ?

• More Examples:
- Active: Who will help you?
- Passive: By whom will you be helped?

৪৬.
A rumour went that she ______ at the examination.
  1. has cheated
  2. had cheated
  3. cheating
  4. caught cheating
সঠিক উত্তর:
had cheated
উত্তর
সঠিক উত্তর:
had cheated
ব্যাখ্যা

• Complete sentence: A rumour went that she had cheated at the examination.
- Bangla meaning: গুজব রটেছিল যে সে পরীক্ষায় নকল করেছে।

• Sequence of tense অনুযায়ী,
- Principal clause -এর verb টি past tense -এ থাকলে sub-ordinate clause -এর verb টিও past tense -এ হবে।
- সাধারণত, that, which, where, when, how, though, although ইত্যাদি দ্বারা sub-ordinate clause টি শুরু হয়।

- তবে that যুক্ত sub-ordinate clause -এ that -এর পূর্বে past indefinite tense হলে that -এর পরে past perfect tense হয়। এক্ষেত্রে that এর পরের অংশের কাজটি আগে সংঘটিত হয়।
- যেমন: A rumour went that she had cheated at the examination.
- এখানে that-এর পূর্বে 'A rumour went' past indefinite tense -এ আছে তাই that -এর পরে past perfect tense verb হবে।

- অর্থাৎ, had cheated হবে।

অন্যদিকে,
ক) 'has cheated' ভুল, কারণ এটি present perfect.

গ) 'cheating' হলো gerund/present participle, কিন্তু এখানে past perfect হবে।

ঘ) 'caught cheating' হলো past indefinite, past perfect নয়।

Source: A Passage to the English Language by S M Zakir Hussain.

৪৭.
Which is the correct complex form of the sentence?
"An honest man earns the trust of all."
  1. A man earns the trust of all who is honest.
  2. All trust the man who is honest.
  3. An honest man who earns the trust of all.
  4. A man who is honest earns the trust of all.
সঠিক উত্তর:
A man who is honest earns the trust of all.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
A man who is honest earns the trust of all.
ব্যাখ্যা

- Simple: An honest man earns the trust of all.
- Complex: A man who is honest earns the trust of all.

• Adjective + noun যুক্ত Simple Sentence কে Complex করার নিয়ম:
- প্রথমে প্রদত্ত article বসে।
- Adjective এর পরের noun টি বসে।
- Relative pronoun who/which/that বসে।
- Tense অনুযায়ী verb বসে +
- Adjective টি বসে +
- প্রদত্ত noun এর পর থেকে শেষ অংশ বসে। 

• More Examples:
- Simple: An industrious boy can shine in life.
- Complex: A boy who is industrious can shine in life.

৪৮.
Children love collecting fallen leaves in the autumn.
Here, the underlined word acts as-
  1. Gerund
  2. Present participle
  3. Verbal noun
  4. Infinitive
সঠিক উত্তর:
Gerund
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Gerund
ব্যাখ্যা

• Children love collecting fallen leaves in the autumn.
- Here, the underlined word acts as- Gerund.

- এখানে, 'collecting' শব্দটি 'love' - Verb -এর Object হওয়ার কারণে এটি Noun হিসেবে কাজ করছে।
- অর্থাৎ, 'collecting' দ্বারা এখানে সংগ্রহ করার কাজের নাম 'চয়ন' বুঝানো হচ্ছে।
- আর Verb+ing → Noun হিসেবে ব্যবহৃত হলে এটি Gerund হয়।  

• Gerund:
- Verb -এর সাথে ing যোগ হয়ে যদি noun -এর কাজ করে অর্থাৎ, একই সাথে Verb ও noun -এর কাজ করে, তখন তাকে Gerund বলে।
- সহজে → Gerund = Verb + ing = noun = Verb + noun -এর কাজ করে।
- Gerunds don’t describe action—they act as nouns.

• Functions of the Gerund:
1. Subject of a verb: Rising early is a good habit.
2. Object of a verb: I like reading poetry.
3. Object of a preposition: I am tired of waiting.
4. Complement of a verb: Seeing is believing.
5. As absolutely (part of a compound noun): This is my writing table.

• অন্যদিকে,
- Present Participle (verb+ing) হলো verbal adjective যা noun/pronoun কে modify করে অর্থাৎ, adjective-এর কাজ করে।

- আর (The + gerund + of) হলো Verbal noun.

- Infinitive হলো Verb এর base form এবং to + base form.

Source: High School English Grammar and Composition by Wren And Martin.

৪৯.
What is the antonym of the word 'Insouciance'?
  1. Composure
  2. Interest
  3. Nonchalance
  4. Anarchy
সঠিক উত্তর:
Interest
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Interest
ব্যাখ্যা

• The antonym of the word 'Insouciance' is - খ) Interest.

• Insouciance (Noun)
- English Meaning: lighthearted unconcern: nonchalance; casual lack of concern; indifference.
- Bangla Meaning: নিরুদ্বেগ; ঔদাসীন্য; নির্লিপ্ততা; নিরাসক্তি।

• Given options:
ক) Composure - শান্তি; স্থৈর্য; আত্মসংবরণ।

খ) Interest - আগ্রহ; আকর্ষণ; আসক্তি; অনুরাগ; স্পৃহা; আমোদ; যে গুণ কৌতূহল বা ঔৎসুক্য উদ্দীপ্ত করে বা মনোযোগ আকর্ষণ করে।

গ) Nonchalance - নির্লিপ্ততা; ঔদাসীন্য।

ঘ) Anarchy - নৈরাজ্য; অরাজকতা; বিশৃঙ্খলা।

• সুতরাং, অপশনের অর্থ বিবেচনা করে দেখা যায় যে, The antonym of the word 'Insouciance' is - খ) Interest.

Source:
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Merriam-Webster Dictionary.

৫০.
Some things are best left unsaid.
The underlined word is a/an-
  1. Noun
  2. Adjective
  3. Adverb
  4. Verb
সঠিক উত্তর:
Adverb
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Adverb
ব্যাখ্যা

• Some things are best left unsaid.
- The underlined word is an adverb.

- "Best" modifies the verb phrase "left unsaid," telling us how things are left.
- অর্থাৎ, প্রদত্ত বাক্যে 'best' verb phrase "left unsaid" কে modify করায় adverb হিসেবে কাজ করছে।

• Best (adverb) [superlative of well]
- English Meaning: in the best way: to greatest advantage; most.
- Bangla Meaning: সবচেয়ে ভালো।

- "Best" শব্দটি বিভিন্ন parts of speech হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে। যেমন:
• Best (Noun) - সেরা।
- যেমন: You haven't heard the best of it.

• Best (Adjective) - সর্বোত্তম; সর্বোৎকৃষ্ট; সবচেয়ে ভালো; সবার সেরা।
- যেমন: He is the best student in the class.

• Best (Verb) - (কথ্য) জিতে যাওয়া; পরাস্ত করা।
- যেমন: She bested by their opponents.

Source: 
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Merriam-Webster Dictionary.

৫১.
Which one is incorrectly spelled?
  1. Acquaintence
  2. Accommodation
  3. Accordance
  4. Acknowledgment
সঠিক উত্তর:
Acquaintence
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Acquaintence
ব্যাখ্যা

• The incorrectly spelled word is - ক) Acquaintence.
 
• Acquaintance (Noun)
- English Meaning: The state of being acquainted; personal knowledge: familiarity.
- Bangla Meaning: অভিজ্ঞতালব্ধ জ্ঞান বা তথ্য; পরিচয়; প্রাচীনতর ইংরেজি, সমষ্টিবাচক) পরিচিতজন।

• অন্যদিকে বাকি অপশনগুলোর spelling সঠিক। 
খ) Accommodation - নিবাসন; অস্থায়ী আবাস; আহার ও বাসস্থান।

গ) Accordance - অনুযায়ী; অনুসারে; মাফিক।

ঘ) Acknowledgment ("acknowledgement" in British English)- কৃতজ্ঞতাস্বীকার; প্রাপ্তিস্বীকার; স্বীকৃতি।

Source: 
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Merriam-Webster Dictionary.

৫২.
What is the verb of 'Poor'?
  1. Empoor
  2. Impoverish
  3. Pooren
  4. Bepoor
সঠিক উত্তর:
Impoverish
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Impoverish
ব্যাখ্যা

• The verb of 'Poor' is Impoverish.

• Poor (adjective)
- English Meaning: less than adequate: meager.
- Bangla Meaning: দরিদ্র; গরিব; নির্ধন; বিত্তহীন; নিঃস্ব; দুর্গত।

• Impoverish (Verb)
- English Meaning: to make poor; to deprive of strength, richness.
- Bangla Meaning: (আনুষ্ঠানিক) দরিদ্র/নিঃস্ব করা; সদ্‌গুণাবলি লুপ্ত হওয়া।

- Example: The war impoverished many families.

• Other forms:
- Poorish (adjective) - দরিদ্র।
- Poorness (Noun) - দীনতা; দৈন্য; হীনতা; অপকৃষ্টতা।
- Poverty (Noun) - দারিদ্র্য; দরিদ্রতা; দীনতা; দৈন্য; দরিদ্রদশা।
- Impoverishment (Noun) - দরিদ্রীকরণ; দরিদ্রীভবন।

অন্যদিকে,
- "Empoor", "Bepoor", "Pooren" are not standard English words.

Source: 
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Merriam-Webster Dictionary.

৫৩.
“To mind one’s P’s and Q’s” means-
  1. To write neatly and clearly
  2. To remember important rules
  3. To keep secrets
  4. To be careful about one’s behavior
সঠিক উত্তর:
To be careful about one’s behavior
উত্তর
সঠিক উত্তর:
To be careful about one’s behavior
ব্যাখ্যা

• “To mind one’s P’s and Q’s” means - To be careful about one’s behavior.

• Mind one’s P’s and Q’s (Idiom)
- English Meaning: To be careful about behaving in a polite or proper way.
- Bangla Meaning: ভদ্র বা সঠিক আচরণের ব্যাপারে সতর্ক থাকা।

অন্যদিকে,
ক) To write neatly and clearly - সুন্দর ও স্পষ্টভাবে লেখা।

খ) To remember important rules - গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম মনে রাখা।

গ) To keep secrets - গোপন রাখা।

Source:
1. Oxford Dictionary.
2. Merriam-Webster Dictionary.

৫৪.
Fill in the gap: When water _______, its density decreases.
  1. freezes
  2. will freeze
  3. froze
  4. would freeze
সঠিক উত্তর:
freezes
উত্তর
সঠিক উত্তর:
freezes
ব্যাখ্যা

Complete sentence: When water freezes, its density decreases.
- Bangla meaning: পানি যখন বরফে পরিণত হয়, এর ঘনত্ব হ্রাস পায়।

• যদি দুইটি চিরন্তন সত্য, বৈজ্ঞানিক সত্য, অভ্যাসগত কাজ ইত্যাদি 'when' দ্বারা যুক্ত হয় দুটিই present indefinite tense হয়।
- অর্থাৎ, উক্ত শর্তযুক্ত দুইটি Clause, When দ্বারা যুক্ত হলে, তখন দুইটি clause -ই present indefinite tense হবে।
- Example: When water freezes, its density decreases.

- তাই শূন্যস্থানে সঠিক শব্দ হবে- freezes.

• More examples:
- When water freezes, it turns into ice.

৫৫.
The study or theory of knowledge is called-
  1. Psychology
  2. Epistemology
  3. Etymology
  4. Philology
সঠিক উত্তর:
Epistemology
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Epistemology
ব্যাখ্যা

• The study or theory of knowledge is called "Epistemology".

Epistemology (Noun)
- English Meaning: The study or theory of knowledge, especially with regard to its methods, validity, and scope, and the distinction between justified belief and opinion.
- Bangla Meaning: জ্ঞানতত্ত্ব।

• Other options:
ক) Psychology:
- English Meaning: The science of mind and behavior.
- Bangla Meaning: মনোবিদ্যা; মনোবিজ্ঞান।

গ) Etymology:
- English Meaning: The study of the origin and history of words, or a study of this type relating to one word.
- Bangla Meaning: শব্দের উৎপত্তি ও ইতিহাসসংক্রান্ত বিজ্ঞান।

ঘ) Philology:
- English Meaning: The study of language; the branch of knowledge that deals with the structure, historical development, and relationships of a language or languages.
- Bangla Meaning: ভাষাবিজ্ঞান; ভাষাতত্ত্ব।

Source:
1. Oxford Dictionary.
2. Merriam-Webster Dictionary.

৫৬.
Identify the correct sentence:
  1. Had the diplomat react with more tact, the international conflict might have avoided.
  2. Had the diplomat react with more tact, the international conflict might have been avoided.
  3. Had the diplomat reacted with more tact, the international conflict might have been avoided.
  4. Had the diplomat reacted with more tact, the international conflict should have avoided.
সঠিক উত্তর:
Had the diplomat reacted with more tact, the international conflict might have been avoided.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Had the diplomat reacted with more tact, the international conflict might have been avoided.
ব্যাখ্যা

• Correct sentence: Had the diplomat reacted with more tact, the international conflict might have been avoided.
- Bangla meaning: কূটনীতিবিদ যদি আরও কৌশলে প্রতিক্রিয়া জানাতেন, তাহলে আন্তর্জাতিক সংঘাত এড়ানো যেত।

• Third conditional -এর নিয়মানুযায়ী:
- If clause (শর্তযুক্ত অংশে)-এ যদি (had + V3) হয়, তবে পরবর্তী clause -এ would/could/might + have + V3 + extension হয়।

• Structure: If + Past Perfect (had + V3) + Subject + would/could/might + have + verb-এর past participle. 

- এখানে, আন্তর্জাতিক সংঘাত কারো দ্বারা এড়ানো যেত (নিজে নিজে বন্ধ হয় না)। তাই এখানে passive structure 'might have been' হবে।

• Note:
- If না থাকলে Condition part টি 'Had' দ্বারা শুরু হয়।
- অর্থাৎ, Had + subject + V3, Subject + would/could/might + have + verb-এর past participle. 

• More Examples:
- Had the government implemented the policy sooner, the economic crisis could have been mitigated.
- If she had anticipated the storm, she would have postponed the expedition to the summit.

- অন্য অপশনগুলো Third conditional -এর নিয়মানুযায়ী ভুল।

ক) Had the diplomat react with more tact, the international conflict might have avoided.
- 'Had' আছে তাই, reacted হবে, এবং পরের অংশে passive structure 'might have been' হবে।

খ) Had the diplomat react with more tact, the international conflict might have been avoided.
- Had' আছে তাই, reacted হবে।

ঘ) Had the diplomat reacted with more tact, the international conflict should have avoided.
- Third conditional -এর নিয়মানুযায়ী, পরের অংশে would/could/might + have + verb-এর past participle হবে।

৫৭.
Identify the correct sentence:
  1. No one, including the experts, could solving the puzzle.
  2. No one, including the experts, can solves the puzzle.
  3. No one, including the experts, solve the puzzle.
  4. No one, including the experts, solves the puzzle.
সঠিক উত্তর:
No one, including the experts, solves the puzzle.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
No one, including the experts, solves the puzzle.
ব্যাখ্যা

Correct sentence: No one, including the experts, solves the puzzle.

​• Subject-Verb agreement অনুযায়ী:
​- With, together with, along with, as well as, in addition to, accompanied with/by, and not, including, excluding, but, except ইত্যাদি দ্বারা কোনো noun বা pronoun যুক্ত হলে, verb সর্বদা প্রথম subject (noun/ pronoun) অনুযায়ী হবে।
- অর্থাৎ, প্রথম noun/ pronoun টি singular হলে verb টি singular হবে।
- আবার প্রথম noun/ pronoun টি plural হলে verb টি plural হবে।

- যেমন: No one including the experts solves the puzzle.
- এখানে প্রথম subject 'No one' (singular), তাই singular verb 'solves' ব্যবহার সঠিক।
- The phrase "including the experts" is a prepositional phrase that does not affect the verb. It adds extra information.

- অন্য অপশনগুলো Subject-Verb agreement অনুযায়ী ভুল।
ক) No one, including the experts, could solving the puzzle.
- could solve হলে সঠিক হতো।

খ) No one, including the experts, can solves the puzzle.
- 'can solves' হবে না, can এর পরে verb এর base form বসে।

গ) No one, including the experts, solve the puzzle.
- Subject singular, তাই verb -এর সাথে 's' যুক্ত হবে।

৫৮.
সম্প্রতি, ঢাকার কোন উপজেলাকে ‘ডিগ্রেডেড এয়ারশেড’ ঘোষণা করা হয়েছে? [সেপ্টেম্বর, ২০২৫]
  1. দোহার 
  2. সাভার
  3. কেরানীগঞ্জ
  4. নবাবগঞ্জ
সঠিক উত্তর:
সাভার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাভার
ব্যাখ্যা

ডিগ্রেডেড এয়ারশেড:
- বায়ুদূষণের মাত্রা নিয়মিতভাবে জাতীয় মান অতিক্রম করলে কোনো এলাকাকে ‘ডিগ্রেডেড এয়ারশেড’ ঘোষণা করা হয়।
- বায়ুদূষণ গুরুতর আকার ধারণ করায় ঢাকা জেলার অন্তর্গত শিল্পঘন সাভার উপজেলাকে ‘ডিগ্রেডেড এয়ারশেড’ ঘোষণা করেছে পরিবেশ অধিদপ্তর।
- ​সাভারের বায়ুর বার্ষিক মানমাত্রা জাতীয় বার্ষিক নির্ধারিত মানমাত্রার প্রায় তিন গুণ অতিক্রম করেছে।
​- পরিপত্র অনুযায়ী, আগামী সেপ্টেম্বর থেকে সাভার উপজেলার অন্তর্গত সব ধরনের ইটভাটায় (টানেল ও হাইব্রিড হফম্যান কিলন ছাড়া) ইট পোড়ানোসহ ইট প্রস্তুতের কার্যক্রম পরিচালনা সম্পাদন নিষিদ্ধ।
- উন্মুক্ত অবস্থায় কঠিন বর্জ্য পোড়ানো এবং বায়ুদূষণ সৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে এমন সব ধরনের নতুন শিল্পকারখানার অনুকূলে অবস্থানগত ও পরিবেশগত ছাড়পত্র প্রদান বন্ধ থাকবে।

উৎস- প্রথম আলো পত্রিকা।[লিংক]

৫৯.
নিচের কোন ব্যক্তি লাহোর প্রস্তাব উত্থাপক এর সাথে সম্পর্কিত?
  1. খাজা নাজিমউদ্দিন
  2. মুহম্মদ আলী জিন্নাহ
  3. হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
  4. এ. কে. ফজলুল হক
সঠিক উত্তর:
এ. কে. ফজলুল হক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এ. কে. ফজলুল হক
ব্যাখ্যা

লাহোর প্রস্তাব:
- ১৯৪০ সালের ২৩ মার্চ মুসলিম লীগের বার্ষিক অধিবেশনে বাংলার মুখ্যমন্ত্রী এ কে ফজলুল হক একটি প্রস্তাব পেশ করেন।
- মুহম্মদ আলী জিন্নাহর সভাপতিত্বে প্রস্তাবটি সভায় গৃহীত হয়।
- এই প্রস্তাবই ঐতিহাসিক লাহোর প্রস্তাব নামে পরিচিত।
- লাহোর প্রস্তাবের ভিত্তি ছিল দ্বিজাতি তত্ত্ব।
- এ প্রস্তাব ভারতীয় মুসলমানদের মধ্যে পৃথক আবাসভূমির স্বপ্ন বপন করে।
- এ প্রস্তাবে ভারতে একাধিক মুসলিম রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার কথা বলা হলেও ১৯৪৬ সালের দিল্লি অধিবেশনে কেবল পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব গৃহিত হয়।

​অন্যদিকে, 
- শেরে বাংলা এ.কে. ফজলুল হক ছিলেন একজন রাজনীতিবিদ ও জননেতা।
- তিনি ছিলেন অবিভক্ত বাংলার প্রথম মুখ্যমন্ত্রী।
- ১৯১৬ সালে লক্ষ্ণৌ শহরে লীগ কংগ্রেসের যুক্ত অধিবেশনে তিনি যে প্রস্তাব উত্থাপন করেন, তাই বিখ্যাত ‘লক্ষ্ণৌ চুক্তি’ নামে অভিহিত হয়।
- ১৯২৭ সালে তিনি কৃষক-প্রজা পার্টি নামে একটি রাজনৈতিক দল গঠন করেন।
- ১৯৪০ সালে মোহাম্মদ আলী জিন্নাহর সভাপতিত্বে লাহোরে অনুষ্ঠিত নিখিল ভারত মুসলিম লীগের অধিবেশনে জ্বালাময়ী বক্তৃতায় প্রথম পাকিস্তান প্রস্তাব পেশ করেন।
- তাঁর বক্তৃতায় মুগ্ধ হয়ে পাঞ্জাববাসীরা তাঁকে উপাধি দেয় শের-ই-বঙ্গাল অর্থাৎ বাংলার বাঘ।
- ১৯৫৪ সালে দেশের সাধারণ নির্বাচনে তিনি ‘যুক্তফ্রন্ট’ দলের নেতৃত্ব দিয়ে বিপুল ভোটাধিক্যে জয়লাভ করে পূর্ব পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হন।
- ১৯৫৬ সাল থেকে ১৯৫৮ সাল পর্যন্ত তিনি পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নর পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৬০.
 ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর কত নং সেক্টরে যুদ্ধ করেন?
  1. ৭ নং
  2. ১০ নং
  3. ৬ নং
  4. ৪ নং
সঠিক উত্তর:
৭ নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ নং
ব্যাখ্যা

বীরশ্রেষ্ঠ:
- বীর শ্রেষ্ঠ বীরত্বের জন্য প্রদত্ত বাংলাদেশের সর্বোচ্চ সামরিক পুরস্কার। যুদ্ধক্ষেত্রে অতুলনীয় সাহস ও আত্মত্যাগের নিদর্শন স্থাপনকারী যোদ্ধার স্বীকৃতিস্বরূপ এই পদক দেয়া হয়। বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে শহীদ সাতজন মুক্তিযোদ্ধাকে এই পদক দেয়া হয়েছে।

• ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর,
- সেক্টর: ৭ নং,
- মৃত্যু: ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৭১ (বীরশ্রেষ্ঠদের মধ্যে শেষ শহীদ)।
- সমাধিস্থল: চাঁপাইনবাবগঞ্জের সোনা মসজিদ প্রাঙ্গণ।

​• সিপাহী হামিদুর রহমান,
- সেক্টর: ৪ নং,
- মৃত্যু: ২৮ অক্টোবর, ১৯৭১।
- সমাধিস্থল: মিরপুর বুদ্ধিজীবী কবরস্থান।

​• মোহাম্মদ রুহুল আমিন,
- সেক্টর: ১০ নং,
- মৃত্যু: ১০ ডিসেম্বর, ১৯৭১।
- সমাধিস্থল: রূপসা ফেরিঘাটের লুকপুরে।

​• ল্যান্স নায়েক মুন্সি আব্দুর রউফ,
- সেক্টর: ১ নং,
- মৃত্যু: ৮ এপ্রিল, ১৯৭১ (বীরশ্রেষ্ঠদের মধ্যে ১ম শহীদ)।
- সমাধিস্থল: রাঙামাটি শহরের রিজার্ভ বাজারে কেন্দ্রিয় শহীদ মিনারের পাশে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।

৬১.
নিম্নের কোন ব্যক্তি সর্বপ্রথম ভারতবর্ষের মানচিত্র অঙ্কন করেন?
  1. জেমস রেনেল
  2. কামরুল হাসান
  3. শিব নারায়ণ
  4. র‍্যাডক্লিফ
সঠিক উত্তর:
জেমস রেনেল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেমস রেনেল
ব্যাখ্যা

মানচিত্র:
​​- রেনেল, জেমস ভূগোলবিদ ও নৌ-প্রকৌশলী। 
- ​তিনি বাংলার নদী অববাহিকা সম্পর্কে অনুসন্ধান চালান এবং সর্বপ্রথম ভারতবর্ষের মানচিত্র অঙ্কন করেন।
​-  ব্রিটিশ কৌশলগত ও প্রশাসনিকভাবে  গুরুত্বপূর্ণ গ্রন্থ 'বেঙ্গল অ্যাটলাস অ্যাটলাসে' ১৭৭৯ সালে প্রকাশ করেন।
​- ১৭৭৭ সালে ভারত ত্যাগ করার আগ পর্যন্ত তিনি অসংখ্য স্থানীয় ও প্রাদেশিক মানচিত্র তৈরির দায়িত্বে ছিলেন।

অন্যদিকে,
- মানচিত্র খচিত বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার ডিজাইনার হচ্ছে শিব নারায়ণ দাস।
​- বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার ডিজাইনের বর্তমান রূপটির রূপকার শিল্পী কামরুল হাসান।

​উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি এবং ব্রিটানিকা।

৬২.
নিম্নের কোনটি সরকারি আইনগত সহায়তার হেল্পলাইন নম্বর  হিসেবে পরিচিত?
  1. ১৬৪২০
  2. ৩৩৩
  3. ১০৯৮
  4. ১৬৪৩০
সঠিক উত্তর:
১৬৪৩০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬৪৩০
ব্যাখ্যা

- কোটা সংস্কার আন্দোলন ঘিরে বিগত সরকারের করা মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহারে আইনি সহায়তার দিতে হেল্পলাইন চালু করেছে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়। মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ১৬৪৩০ নম্বরে ফোন করে সহায়তা চাওয়া যাবে

বিভিন্ন সেবায় হেল্পলাইন:
- ৯৯৯: বাংলাদেশের জরুরি কল সেন্টার।
- ১০৯: নারী নির্যাতন বা বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ নম্বর।
- ১০৯৮: শিশু সহায়তামুলক কল সেন্টার।
- ৩৩৩: জাতীয় তথ্যবাতায়ন কল সেন্টার।
- ১০৫: জাতীয় পরিচয়পত্র তথ্য কল সেন্টার।
- ১০০: বিটিআরসি কল সেন্টার।
- ১৬৪২০: বিটিসিএল কল সেন্টার।

সূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন। 

৬৩.
'ফ্লোর ক্রসিং' সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে সন্নিবেশিত করা হয়েছে?
  1. ৬৯নং অনুচ্ছেদে
  2. ৬8নং অনুচ্ছেদে
  3. ৭১নং অনুচ্ছেদে
  4. ৭০নং অনুচ্ছেদে
সঠিক উত্তর:
৭০নং অনুচ্ছেদে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭০নং অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা

সংবিধান:
- ৭০তম অনুচ্ছেদে ফ্লোর ক্রসিং সম্পর্কে বলা হয়েছে, এটি সংসদ সদস্যদের নিজের দলের বিরুদ্ধে ভোট দেওয়া বোঝায়।
- এর মাধ্যমে একজন সংসদ সদস্য যদি নিজ দলের পক্ষে না দাঁড়িয়ে বিরোধী দলের পক্ষে ভোট দেন, এটাকে ফ্লোর ক্রসিং হিসেবে গণ্য করা হয়।

অন্যদিকে, 
- ৬৮নং অনুচ্ছেদে: সংসদ-সদস্যদের [পারিশ্রমিক] প্রভৃতি,
- ৬৯নং অনুচ্ছেদে: শপথগ্রহণের পূর্বে আসন গ্রহণ বা ভোট দান করিলে সদস্যের অর্থদণ্ড,
- ৭১নং অনুচ্ছেদে: দ্বৈত-সদস্যতায় বাধা।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান। 

৬৪.
বর্তমানে প্রতিবন্ধী ব্যক্তির করমুক্ত আয় সীমা কত? [সেপ্টেম্বর- ২০২৫]
  1. ৪,৭৫,০০০ টাকা
  2. ৪,৫০,০০০ টাকা
  3. ৪,০০,০০০ টাকা
  4. ৫,০০,০০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
৪,৭৫,০০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪,৭৫,০০০ টাকা
ব্যাখ্যা

[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

করমুক্ত আয় সীমা:
- বর্তমানে সাধারণ ব্যক্তির করমুক্ত আয় সীমা: ৩৫০০০০ টাকা।
- নারী ও ৬৫ বছর বা তদূর্ধ্ব ব্যক্তির করমুক্ত আয় সীমা: ৪০০০০০ টাকা।
- প্রতিবন্ধী ব্যক্তির করমুক্ত আয় সীমা: ৪৭৫০০০ টাকা।
- গেজেটভুক্ত যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধাদের করমুক্ত আয় সীমা: ৫০০০০০ টাকা।
- তৃতীয় লিঙ্গের ব্যক্তির করমুক্ত আয় সীমা: ৪৭৫০০০ টাকা।

উৎস- জাতীয় বাজেট ২০২৪-২৫ অর্থবছর।

৬৫.
বাংলাদেশে প্রতিবছর কবে 'জাতীয় জনসংখ্যা দিবস' পালন করা হয়?
  1. ৫ মে
  2. ৪ এপ্রিল
  3. ২ ফেব্রুয়ারি
  4. ২২ এপ্রিল
সঠিক উত্তর:
২ ফেব্রুয়ারি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ ফেব্রুয়ারি
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের জনসংখ্যা নীতি:
- সাধারণভাবে একটি দেশের জনসংখ্যা বিষয়ে জাতীয় পর্যায়ে পরিকল্পনা গ্রহণ করার জন্য যে দিক নির্দেশনা হয় তাকেই বলা হয় দেশটির জনসংখ্যা নীতি।
- দেশের আর্থ-সামাজিক অবস্থার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এই নীতি প্রণয়ন করা হয়।
- এ নীতির লক্ষ্য হলো জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ করে দেশের নাগরিকদের জীবনমানের উন্নতি এবং দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন নিশ্চিত করা।
- বাংলাদেশে প্রতি বর্গকিলোমিটারে ১,১৭১ জন লোক বাস করে এবং মাথাপিছু আয় ২৭৮৪ মার্কিন ডলার।
- জনসংখ্যা সম্পর্কে বর্তমানে বাংলাদেশের স্লোগান হচ্ছে 'দুটি সন্তানের বেশি নয়, একটি হলে ভালো হয়।'
- প্রতিবছর ২রা ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশে 'জাতীয় জনসংখ্যা দিবস' পালন করা হয়।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা- ২০২৪।

৬৬.
নিম্নের কোন আন্দোলনের সাথে 'তমদ্দুন মজলিস' জড়িত?
  1. শাসনতন্ত্র আন্দোলন
  2. ভাষা আন্দোলন
  3. দেশ বিভাগ
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
ভাষা আন্দোলন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভাষা আন্দোলন
ব্যাখ্যা

তমদ্দুন মজলিস: 
- পাকিস্তান রাষ্ট্র সৃষ্টি হওয়ার পর পরই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আবুল কাশেমের নেতৃত্বে গঠিত হয় ভাষা আন্দোলনের প্রথম সংগঠন তমদ্দুন মজলিস।
- ১৯৪৭ সালের ১৫ই সেপ্টেম্বর ভাষা আন্দোলনের প্রথম পুস্তিকা 'পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু' প্রকাশ করে।
- যেখানে রাষ্ট্রভাষা বাংলা দাবির পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করা হয়।
- তমদ্দুন মজলিশের উদ্যোগে ভাষা আন্দোলনকে রাজনৈতিক রূপদানের জন্য ১৯৪৭ সালের ডিসেম্বর মাসে গঠিত হয় প্রথম 'রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ', যার আহ্বায়ক মনোনীত হন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক নূরুল হক ভূইয়া।
- রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদের পাশাপাশি পাকিস্তান গণতান্ত্রিক যুবলীগ, পূর্ববঙ্গ বুদ্ধিজীবী সমাজ, সাংবাদিক সংঘ বিভিন্ন সভা-সমিতিতে বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবি জানান।
- সবকিছুকে উপেক্ষা করে ডিসেম্বর মাসে করাচিতে অনুষ্ঠিত শিক্ষা সম্মেলনের ঘোষণাপত্রে উর্দুকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার জন্য সংবিধান সভার কাছে সুপারিশ করা হয়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।

৬৭.
কোন আমল থেকে সমগ্র বাংলাদেশের অধিবাসীরা 'বাঙালি' নামে পরিচিতি লাভ করে?
  1. ইলিয়াস শাহী আমল
  2. গুপ্ত আমল
  3. পাল আমল
  4. হোসেন শাহী আমল
সঠিক উত্তর:
ইলিয়াস শাহী আমল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইলিয়াস শাহী আমল
ব্যাখ্যা

ইলিয়াস শাহী আমল: 
- ইলিয়াস শাহী সুলতানগণ বাংলাদেশে প্রায় ১২২ বছর শাসন করেন।
- এ বংশের প্রতিষ্ঠাতা সুলতান শামসুদ্দীন ইলিয়াস শাহ্ সর্বপ্রথম বাংলার বিভিন্ন অংশ একত্র করেন।
- এর আগে কোন মুসলমান সুলতান সমগ্র বাংলাদেশকে একত্র করতে পারেননি।
- তাই এ আমল থেকেই সমগ্র বাংলাদেশ 'বাঙ্গালা' নামে পরিচিত হয় এবং অধিবাসীরা পরিচিত হয় 'বাঙালি' নামে।
- ইলিয়াস শাহী সুলতানগণ স্থানীয় জনগণের মন জয় করার জন্য উদারনৈতিক বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেন।
- তাঁরা জাতি, ধর্ম ও বর্ণ নির্বিশেষে যোগ্যতার ভিত্তিতে সবাইকে শাসনকার্যে ও সেনাবাহিনীতে নিয়োগ করেন।
- তাঁরা দেশীয় ভাষা ও সাহিত্যের সমাদর এবং দেশীয় কবিদের পৃষ্ঠপোষকতা করেন।
- তাঁদের উদার নীতির ফলে বাংলাদেশে সামাজিক জীবনে এক নতুন ধারার সৃষ্টি হয়েছিল।
- ইলিয়াস শাহী সুলতানগণ আরবদেশ, চীন ও পারস্যের সাথে সম্পর্ক স্থাপন করেন।
- ইলিয়াস শাহী আমলে বাংলার কৃষি, শিল্প ও ব্যবসা-বাণিজ্যের যথেষ্ট উন্নতি হয়েছিল।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

৬৮.
নিম্নের কোন স্থানে পদ্মা ও মেঘনা নদী মিলিত হয়েছে?
  1. গোয়ালন্দে
  2. চাঁদপুরে
  3. হুগলীতে
  4. দুর্লভপুরে
সঠিক উত্তর:
চাঁদপুরে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চাঁদপুরে
ব্যাখ্যা

পদ্মা নদী: 
- পদ্মা বাংলাদেশের একটি প্রধান নদী।
- এটি হিমালয়ে উৎপন্ন গঙ্গানদীর প্রধান শাখা।
- বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ শহর রাজশাহী এই পদ্মার উত্তর তীরে অবস্থিত।
- হিমালয়ের গঙ্গোত্রী হিমবাহ থেকে থেকে উৎপন্ন গঙ্গা নদীর প্রধান শাখা চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ উপজেলায় (মানাকোসা ও দুর্লভপুর ইউনিয়ন) বাংলাদেশে প্রবেশ করে,এখান থেকে নদীটি পদ্মা নাম ধারণ করেছে।
- গঙ্গার অন্য শাখাটি ভাগীরথী নামে ভারতে হুগলীর দিকে প্রবাহিত হয়।
- উৎপত্তিস্থল হতে ২২০০ কিলোমিটার দূরে গোয়ালন্দে যমুনা নদীর সাথে মিলিত হয়ে মিলিত প্রবাহ পদ্মা নামে আরো পূর্ব দিকে চাঁদপুর জেলায় মেঘনা নদীর সাথে মিলিত হয়েছে।
- সবশেষে পদ্মা-মেঘনার মিলিত প্রবাহ মেঘনা নাম ধারণ করে দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরের সাথে মিলিত হয়।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৬৯.
নিম্নের কোন জনপদের রাজধানী 'কোটিবর্ষ' ছিল?
  1. গৌড়
  2. হরিকেল
  3. রাঢ়
  4. বঙ্গ
সঠিক উত্তর:
রাঢ়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাঢ়
ব্যাখ্যা


রাঢ়: 
- রাঢ় বলতে পশ্চিম বাংলার দক্ষিণাঞ্চলকেই বুঝানো হতো।
- এটি গঙ্গা নদীর দক্ষিণ ও পশ্চিম ভাগে সীমাবদ্ধ ছিল।
- জনপদটি দুটি অংশে বিভক্ত ছিল।
- একটি ছিল দক্ষিণ রাঢ় এবং অন্যটি ছিল উত্তর রাঢ়।
- এই উত্তর ও দক্ষিণ রাঢ়ই ছিল যথাক্রমে বজ্রভূমি ও সূক্ষভূমি।
- রাঢ়ের প্রধান নগর বা রাজধানী ছিল কোটিবর্ষ।
- রাঢ় বা সূক্ষদেশের অন্তর্গত তাম্রলিপ্তের কথা টলেমির ভূগোলে উল্লিখিত ছিল।

এছাড়াও,
হরিকেল:
- হরিকেল জনপদের কথা প্রথম জানা যায় প্রথম শতকের চট্টগ্রামে প্রাপ্ত লিপিতে।
- চন্দ্রবংশীয় লিপিতেও হরিকেল রাজ্যের কথা আছে।
- হরিকেল জনপদ আধুনিক সিলেট থেকে পার্বত্য চট্টগ্রাম পর্যন্ত বিস্তৃত ছিলো।

গৌড়:
- গুড় উৎপাদনের কেন্দ্র বলে গৌড় নগর ও দেশের নামের উদ্ভব হয়।
- আর হয়ত এই গৌড়নগরকে ঘিরেই পরে গৌড় জনপদ গড়ে উঠেছিল।
- বাংলার প্রাচীন জনপদগুলো যে যুগে যুগে সীমানা সম্প্রসারণ করেছে তার বড় উদাহরণ হলো গৌড়।

বঙ্গ:
- বঙ্গ একটি প্রাচীন জনপদ।
- ঐতরেয় আরণ্যক গ্রন্থে একটি উপজাতির নাম হিসেবে বঙ্গের প্রথম উল্লেখ পাওয়া যায়।
- মহাভারত, রামায়ণ ও হরিবংশেও রয়েছে বঙ্গ প্রসঙ্গ।
- মহাভারতের আদি অন্যান্য জনপদের সাথে উচ্চারিত হয়েছে বঙ্গের নাম।
- মহাকবি কালীদাসের রঘুবংশ কাব্যে আছে বঙ্গের অবস্থান ও সীমানা সম্পর্কিত কিছু তথ্য।
- তিনি ভাগীরথী ও পদ্মার স্রোত মধ্যবর্তী এলাকায় যে ত্রিভুজাকৃতি ব-দ্বীপ সৃষ্টি হয়েছে তাকেই বঙ্গদের অঞ্চল বলেছেন। আর এ অঞ্চলই সম্ভবত টলেমির 'গঙ্গরিডাই'।
- প্রাচীন শিলালিপিতে বঙ্গের দুটি অঞ্চলের নাম পাওয়া যায়। একটি বিক্রমপুর বঙ্গ অন্যটি নাব্য বঙ্গ।

সূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭০.
আমদানি ও রপ্তানি পণ্য পরিবহন সহজ করতে কোন বন্দরে ‘অনলাইন গেট পাস’ ব্যবস্থা চালু করা হয়? [সেপ্টেম্বর- ২০২৫]
  1. পায়রা বন্দর
  2. মোংলা বন্দর
  3. চট্টগ্রাম বন্দর
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম বন্দর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম বন্দর
ব্যাখ্যা

অনলাইন গেট পাস: 
- আমদানি ও রপ্তানি পণ্য পরিবহন সহজ করতে চট্টগ্রাম বন্দরে ‘অনলাইন গেট পাস’ ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে।
- ২০২৫ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল এসএম মনিরুজ্জামান এই ডিজিটাল ব্যবস্থার উদ্বোধন করেন।
- এর ফলে পণ্য প্রবেশ ও বের হওয়ার সময় কমবে এবং যানজট হ্রাস পাবে। টার্মিনাল অপারেটিং সিস্টেমের (টিওএস) আওতায় ডেটাসফট সিস্টেমস বাংলাদেশ লিমিটেড প্রযুক্তিগত সহায়তা দিয়েছে।
- ডিজিটাল পেমেন্টের মাধ্যমে ফি পরিশোধ করে দ্রুত গেট পাস সংগ্রহ করা যাবে।
- প্রতিদিন প্রায় ৮ হাজার যানবাহন বন্দরের মাধ্যমে চলাচল করায় এই ব্যবস্থা কার্যক্রমকে আরও সহজ করবে।

​অন্যদিকে, 
- ১৯৭৬ সালে জারিকৃত রাষ্ট্রপতির ৫২ নং আদেশ বলে চট্টগ্রাম বন্দর ট্রাস্ট-কে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ (চবক) এ রূপান্তরিত করা হয়।
- চট্টগ্রাম বন্দর দেশের প্রধান ও ব্যস্ততম সামুদ্রিক বন্দর।
- চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ একটি স্বায়ত্ত্বশাসিত সংস্থা।

উৎস - চট্টগ্রাম বন্দর ওয়েবসাইট ও প্রথম আলো পত্রিক।

৭১.
নিম্নের কোন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী 'রাখালরাস ও মহারাস উৎসব' পালন করে?
  1. গারো
  2. মণিপুরী
  3. চাকমা
  4. রাখাইন
সঠিক উত্তর:
মণিপুরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মণিপুরী
ব্যাখ্যা

মণিপুরী ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী: 
- রাস উৎসব পালন করে মণিপুরী ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী।
- এটি তাদের প্রধান উৎসব,
- এটা সাধারণত শরতের পূর্ণিমা তিথিতে অনুষ্ঠিত হয়।
- মণিপুরী সম্প্রদায়ের মানুষের কাছে এই উৎসব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
- রাস উৎসবের দুটি প্রধান পর্ব রয়েছে।
- একটির নাম রাখালরাস, যা দিনব্যাপী পালন করা হয়, এবং
- অন্যটি মহারাস, যা রাতের বেলায় অনুষ্ঠিত হয়
- মণিপুরী জাতির পূর্ব পুরুষরা ছিলেন পাখাংবা নামক একজন প্রাচীন রাজা।
- ৩৩ সালে পাখাংবা সিংহাসনে আরোহণ করেছিলেন।
- মণিপুরী সম্প্রদায় বাংলাদেশের সিলেট, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ এবং সুনামগঞ্জ জেলার বিভিন্ন অঞ্চলে বসবাস করে থাকে, বিশেষ করে মৌলভীবাজার জেলাতে তাদের সংখ্যা বেশি।

অন্যদিকে, 
- চাকমাদের প্রধান উৎসব বিজু।
- রাখাইনদের প্রধান উৎসব জলকেলি।
- গারো জনগোষ্ঠীর প্রধান উৎসব ওয়ানগালা।

উৎস - সংশ্লিষ্ট জেলার সরকারি ওয়েবসাইট, বাংলাপিডিয়া ও প্রথম আলো।

৭২.
১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের সময় পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী কে ছিলেন?
  1. ইস্কান্দর মির্জা
  2. মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ
  3. লিয়াকত আলী খান
  4. খাজা নাজিমউদ্দীন
সঠিক উত্তর:
খাজা নাজিমউদ্দীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খাজা নাজিমউদ্দীন
ব্যাখ্যা

ভাষা আন্দোলন:
​- ভাষা আন্দোলন ছিল বাংলা ভাষার রাষ্ট্রীয় মর্যাদার দাবিতে সংগঠিত এক গণআন্দোলন।
- ১৯৪৭ সালে পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার পর রাষ্ট্রভাষা হিসেবে উর্দু ঘোষণার বিরুদ্ধে পূর্ব পাকিস্তানে দাবি ওঠে বাংলা ভাষাকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে গ্রহণ করার।
- ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি ছাত্ররা 'রাষ্ট্রভাষা বাংলা চাই' শ্লোগানে বিক্ষোভ শুরু করলে পুলিশ গুলি চালায়, যার ফলে রফিক, জববার, বরকতসহ অনেকে শহীদ হন।
- আন্দোলন আরও তীব্র হয় এবং ১৯৫৬ সালে পাকিস্তান জাতীয় পরিষদ বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে গ্রহণ করে।
- ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি মাতৃভাষার জন্য বাঙালির আত্মত্যাগকে স্মরণ করে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালন করা হয়।
- ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের সময় পূর্ব বাংলার মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন নুরুল আমিন।
- ১৯৫২ সালে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন খাজা নাজিমউদ্দিন।
- ১৯৫২ সালে গভর্নর ছিলেন গোলাম মুহাম্মদ।

উৎস: বাংলাপিডিয়া। 

৭৩.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদ অনুসারে কাউকে নিজের বিপক্ষে সাক্ষ্য দিতে বাধ্য করা যাবে না?
  1. অনুচ্ছেদ - ৩৪
  2. অনুচ্ছেদ - ৩৫
  3. অনুচ্ছেদ - ৩২
  4. অনুচ্ছেদ - ৩৩
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ - ৩৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ - ৩৫
ব্যাখ্যা

সংবিধান:
- বাংলাদেশের সংবিধান রচিত হয় - গণপরিষদের মাধ্যমে।
- সংবিধান গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হয়।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ১৫৩ টি অনুচ্ছেদ আছে।
- সংবিধানের ভাগ বা অধ্যায় আছে ১১টি।
- সংবিধান কার্যকর হয় - ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।

৩৫।অনুচ্ছেদ অনুসারে:
(১) কেউ যদি কোনো অপরাধ করেন, তাহলে সেই অপরাধ সংঘটনের সময় যে আইন কার্যকর ছিল, সে আইন অনুযায়ীই তার বিচার হবে। নতুন কোনো কঠোর শাস্তি তাকে দেওয়া যাবে না।
(২) একবার যদি কাউকে কোনো অপরাধের জন্য বিচার করে শাস্তি দেওয়া হয়, তাহলে তাকে একই অপরাধে আবার বিচার করা বা শাস্তি দেওয়া যাবে না।
(৩) ফৌজদারি অপরাধের অভিযোগ উঠলে, অভিযুক্ত ব্যক্তি স্বাধীন ও নিরপেক্ষ আদালতে দ্রুত এবং প্রকাশ্যে বিচার পাওয়ার অধিকারী থাকবেন।
(৪) কাউকে নিজের বিপক্ষে সাক্ষ্য দিতে বাধ্য করা যাবে না।
(৫) কাউকে নির্যাতন করা যাবে না, নিষ্ঠুর বা অমানবিক শাস্তি দেওয়া যাবে না, কিংবা লজ্জাজনক আচরণ করা যাবে না।
(৬) প্রচলিত আইনে যে শাস্তি বা বিচারপদ্ধতি নির্ধারিত আছে, তা এই অনুচ্ছেদের (৩) বা (৫) দফার কোনো কিছুর দ্বারা প্রভাবিত হবে না।

অন্যদিকে:
- অনুচ্ছেদ ৩২: জীবন ও ব্যক্তি-স্বাধীনতার অধিকার-রক্ষণ,
- অনুচ্ছেদ ৩৩: গ্রেপ্তার ও আটক সম্পর্কে রক্ষাকবচ,
- অনুচ্ছেদ ৩৪: জবরদস্তি-শ্রম নিষিদ্ধকরণ।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান। 

৭৪.
নিম্নের কোনটি পরোক্ষ কর নয়?
  1. মূল্য সংযোজন কর
  2. আবগারি শুল্ক
  3. আয়কর
  4. সম্পূরক শুল্ক
সঠিক উত্তর:
আয়কর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আয়কর
ব্যাখ্যা

পরোক্ষ কর:
- যেসব করের বোঝা সরাসরি ব্যক্তিকে বহন করতে হয় না তাদের পরোক্ষ কর বলা হয়।
পরোক্ষ করের মধ্যে রয়েছে:
- সম্পূরক শুল্ক,
- মূল্য সংযোজন কর (মূসক),
- আমদানি শুল্ক,
- আবগারি শুল্ক প্রভৃতি।

প্রত্যক্ষ কর:
- প্রত্যক্ষ কর হলো এরূপ কর যার বোঝা সরাসরি ব্যক্তিকে বহন করতে হয়।

প্রত্যক্ষ করসমূহ হলো:
- দানকর,
- ভূমি উন্নয়ন কর,
- আয়কর,
- ভ্রমণ কর ইত্যাদি।

উৎস: কর ব্যবস্থা ও নিরীক্ষা শাস্ত্র, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭৫.
বর্তমান সময়ে সুনামগঞ্জ ও ময়মনসিংহের গারো পাহাড়ে কোন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী বসবাস করে?
  1. খিয়াং
  2. রাখাইন
  3. চাকমা
  4. গারো
সঠিক উত্তর:
গারো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গারো
ব্যাখ্যা

গারো:
- গারো বাংলাদেশে বসবাসকারী একটি নৃগোষ্ঠী।
- টাংগাইল, জামালপুর, শেরপুর, ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা, সুনামগঞ্জ, সিলেট, গাজীপুর জেলায় এদের বাস।
- গারো ভারতের মেঘালয় রাজ্যের গারো পাহাড় ও বাংলাদেশের বৃহত্তর ময়মনসিংহ জেলায় বসবাসকারী আদিবাসী সম্প্রদায়।
- গারোরা ভাষা অনুযায়ী বোডো মঙ্গোলীয় ভাষাগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত।
- জাতিগত পরিচয়ের ক্ষেত্রে অনেক গারোই নিজেদেরকে মান্দি বলে পরিচয় দেন।
- গারোদের সমাজে মাতৃতান্ত্রিক পরিবার প্রথা প্রচলিত।
- তাদের প্রধান ধর্মীয় ও সামাজিক উৎসবের নাম 'ওয়ানগালা'।
- গারোদের ভাষায় 'মান্দি' শব্দের অর্থ হল 'মানুষ'।
- তাদের আদি ধর্মের নাম 'সাংসারেক'।

উৎস: নৃ-গোষ্ঠীসনদ বাংলাদেশ ও বাংলাপিডিয়া।

৭৬.
বাংলাদেশের কৃষিতে 'শতাব্দী ও ডেলফোজ'  কী ধরনের ফসলের জাত হিসেবে পরিচিত?
  1. ভুট্টা ও তামাক
  2. গম ও তুলা
  3. গম ও টমেটো
  4. আলু ও আম
সঠিক উত্তর:
গম ও তুলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গম ও তুলা
ব্যাখ্যা

গম:
- গমের উন্নত জাত: বলাকা, দোয়েল, সোনালিকা, আকবর, আনন্দ, কাঞ্চন, শতাব্দী
- তুলা: সিবি-১০, রূপালী, ডেলফোজ।

অন্যান্য ফসল ও তাদের কিছু উন্নত জাত:
-  ধান: ব্রি হাইব্রিড - ১, সুফলা, প্রগতি।
-  ভুট্টা: বর্ণালী, শুভ্রা, উত্তরণ।
-  বেগুন: নয়নতারা, শুকতারা, বিজয়।
- আলু: হিরা, গ্রানোলা, কার্ডিনাল।
- আম: ল্যাংড়া, গোপালভোগ, হাড়িভাঙ্গা।

উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস। 

৭৭.
নিম্নের কোন জেলায় মাত্র একটি সংসদীয় আসন রয়েছে?
  1. খাগড়াছড়ি
  2. রাঙামাটি
  3. বান্দরবান
  4. বর্ণিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো
ব্যাখ্যা

সংসদীয় আসন;
​- বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের মোট আসন সংখ্যা ৩৫০টি।
- এর মধ্যে জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত আসন সংখ্যা ৩০০টি।
- ১ নং আসন হলো পঞ্চগড়-১।
- জাতীয় সংসদের ৩০০ নং আসন হলো বান্দরবান।
- সর্বোচ্চ ২০টি আসন রয়েছে ঢাকা জেলায়।
- বান্দরবান, রাঙামাটি এবং খাগড়াছড়ি জেলায় মাত্র একটি করে সংসদীয় আসন রয়েছে।

উৎস: জাতীয় সংসদ সচিবালয় ওয়েবসাইট ও প্রথম আলো পত্রিকা।

৭৮.
কালাপানি অঞ্চলটি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে চলমান দ্বন্দ্ব রয়েছে কোন দুটি দেশের মধ্যে?
  1. ভারত ও পাকিস্তান
  2. ভারত ও নেপাল
  3. ভারত ও চীন
  4. কোনটি নয় 
সঠিক উত্তর:
ভারত ও নেপাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভারত ও নেপাল
ব্যাখ্যা

◉ কালাপানি অঞ্চল নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে দ্বন্দ্ব রয়েছে ভারত ও নেপালের মধ্যে। এটি ভারতের উত্তরাখণ্ডে অবস্থিত হলেও নেপাল তাদের মানচিত্রে নিজস্ব ভূখণ্ড হিসেবে দাবি করে।

• ভারত-নেপাল সীমান্ত বিরোধ:
- ভারত ও নেপালের মধ্যে সীমান্ত দৈর্ঘ্য ১,৬৯০ কিলোমিটার বা ১,০৫০ মাইল।
- এই দুই দেশের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে চলা সীমান্ত বিরোধের প্রধান ক্ষেত্রগুলি হলো কালাপানি, লিমপিয়াধুরা, লিপুলেখ এবং সুস্তা।
- ২০১৯ সালের ২ নভেম্বর, ভারত নতুন একটি রাজনৈতিক মানচিত্র প্রকাশ করে, যেখানে বিতর্কিত ভূখণ্ডগুলির মধ্যে কালাপানি, লিমপিয়াধুরা ও লিপুলেখ ভারতীয় সীমান্তের অন্তর্ভুক্ত হিসেবে দেখানো হয়।
- এই মানচিত্র প্রকাশের পর, নেপাল এটি নিয়ে আপত্তি জানায়।

সূত্র: দৈনিক প্রথম আলো ও বিবিসি বাংলা।

৭৯.
হাইফা কোন দেশের প্রধান বন্দরনগরী?
  1. মিশর 
  2. জর্ডান
  3. লেবানন 
  4. ইসরায়েল
সঠিক উত্তর:
ইসরায়েল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইসরায়েল
ব্যাখ্যা

◉ হাইফা হলো ইসরায়েলের প্রধান বন্দরনগরী, যা ভূমধ্যসাগরের উপকূলে অবস্থিত। এটি ইসরায়েলের বৃহত্তম আন্তর্জাতিক সমুদ্রবন্দরগুলোর একটি।

ইসরাইল:
- মধ্যপ্রাচ্যের মুসলিম দেশগুলোর মাঝখানে ছোট্ট একটি দেশ ইসরাইল।
- ফিলিস্তিন অংশের ভূমি দখল করে রাষ্ট্র গঠন করে ইসরাইল।
- মুসলমান, ইহুদি ও খ্রিস্টান এই তিন ধর্মাবলম্বীদের কাছে পবিত্রভূমি ফিলিস্তিনের জেরুজালেম।
- বেলফোর ঘোষণা ইসরাইল রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠার সঙ্গে সম্পর্কিত।
- ১৯৪৮ সালের ১৪ই মে ব্রিটিশ ও মার্কিনদের সহায়তায় ইহুদিরা আরব ভূমিতে ইসরাইল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করে।
- গোয়েন্দা সংস্থা: মোসাদ, আমান।
- ইসরাইলের স্বপ্নদ্রষ্টা অস্ট্রিয়ান সাংবাদিক থিওডর হার্জেল।
- ইহুদিবাদ অন্দোলনের প্রবক্তা থিওডোর হার্জল।
- হাইফা ইসরায়েলের প্রধান বন্দরনগরী।

সূত্র: Britannica ও Al Jazeera.

৮০.
নিম্নলিখিত কোনটি টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (SDG)-এর অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. দারিদ্র্য নির্মূল
  2. বৈষম্য হ্রাস
  3. সামরিক শক্তি বৃদ্ধি
  4. ক্ষুধামুক্তি
সঠিক উত্তর:
সামরিক শক্তি বৃদ্ধি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সামরিক শক্তি বৃদ্ধি
ব্যাখ্যা

◉ টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (SDG)-এর মধ্যে দারিদ্র্য নির্মূল, বৈষম্য হ্রাস ও ক্ষুধামুক্তি অন্তর্ভুক্ত, কিন্তু সামরিক শক্তি বৃদ্ধি নয়।

টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (SDG):
- SDG এর পূর্ণরূপ Sustainable Development Goals.
- SDGs-এর মেয়াদ ২০১৬ থেকে ২০৩০ সাল।
- এতে মোট ১৭টি বৈশ্বিক লক্ষ্য (Goals) এর আওতায় ১৬৯টি টার্গেট অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

লক্ষ্যমাত্রাসমূহ হলো:
১. দারিদ্র্য নির্মূল,
২. ক্ষুধামুক্তি,
৩. সুস্বাস্থ্য,
৪. মানসম্মত শিক্ষা,
৫. লিঙ্গ সমতা,
৬. বিশুদ্ধ পানি ও স্যানিটেশন,
৭. সাশ্রয়ী ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি,
৮. উপযুক্ত কাজ ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি,
৯. শিল্প, উদ্ভাবন ও অবকাঠামো,
১০. বৈষম্য হ্রাস,
১১. টেকসই শহর ও জনগণ,
১২. পরিমিত ভোগ ও উৎপাদন,
১৩. জলবায়ু বিষয়ে পদক্ষেপ,
১৪. সামুদ্রিক বাস্তুসংস্থান,
১৫. স্থলভাগের জীবন,
১৬. শান্তি, ন্যায়বিচার ও শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান,
১৭. অভিষ্টের জন্যে অংশীদারিত্ব।

সূত্র: UNDP ওয়েবসাইট।

৮১.
NATO এর কোন অনুচ্ছেদের অধীনে কোন রাষ্ট্র ন্যাটোতে যোগ দিতে পারে?
  1. অনুচ্ছেদ - ১৫ 
  2. অনুচ্ছেদ - ১১ 
  3. অনুচ্ছেদ - ১০
  4. অনুচ্ছেদ - ৯ 
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ - ১০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ - ১০
ব্যাখ্যা

◉ ন্যাটোর অনুচ্ছেদ-১০ অনুযায়ী Open Door Policy বা নতুন সদস্য অন্তর্ভুক্তি নীতি পরিচালিত হয়। এই অনুচ্ছেদের অধীনে নতুন সদস্য রাষ্ট্র ন্যাটোতে যোগ দিতে পারে। 

ন্যাটো:
- NATO-এর পূর্ণরূপ হলো North Atlantic Treaty Organization,
- এটি একটি রাজনৈতিক ও সামরিক জোট।
- ১৯৪৯ সালে যৌথ নিরাপত্তার নীতির ভিত্তিতে এই সংস্থা প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ন্যাটোর সদর দপ্তর বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসেলসে অবস্থিত। বর্তমানে এর মহাপরিচালক Mark Rutte. [আগস্ট - ২০২৫]

উল্লেখ্য, 
- সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা সদস্য সংখ্যা ছিল ১২টি দেশ।
- পরবর্তীতে আরও দেশ যোগ দেওয়ার মাধ্যমে এর সদস্য সংখ্যা বৃদ্ধি পায়।
- ন্যাটোতে যোগদানকারী দুইটি মুসলিম দেশ হলো তুরস্ক ও আলবেনিয়া।
- তুরস্ক ১৯৫২ সালে এবং আলবেনিয়া ২০০৯ সালে ন্যাটোর সদস্য পদ লাভ করে।
- সর্বশেষ ২০২৪ সালে সুইডেন ন্যাটোর সদস্য হিসেবে যোগ দেয়।
- বর্তমানে ন্যাটোর সদস্য সংখ্যা ৩২টি।[আগস্ট - ২০২৫]
- ন্যাটোর অনুচ্ছেদ-১০ অনুযায়ী Open Door Policy বা নতুন সদস্য অন্তর্ভুক্তি নীতি পরিচালিত হয়। 

সূত্র - ন্যাটো ওয়েবসাইট।

৮২.
কোন সালে IAEA শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করে?
  1. ২০১০ সালে
  2. ২০০৫ সালে
  3. ২০১৫ সালে
  4. ২০২০ সালে
সঠিক উত্তর:
২০০৫ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০৫ সালে
ব্যাখ্যা

◉ IAEA (International Atomic Energy Agency) শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করে ২০০৫ সালে। এটি পেয়েছিল পারমাণবিক শক্তির শান্তিপূর্ণ ব্যবহারে ভূমিকা রাখার জন্য।

IAEA:
- IAEA-এর পূর্ণরূপ: International Atomic Energy Agency.
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ২৯ জুলাই, ১৯৫৭।
- বর্তমান সদস্য: ১৮০টি। [আগস্ট - ২০২৫]
- সদরদপ্তর: ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া।
- IAEA ২০০৫ সালে শান্তিতে নোবেল পুরষ্কার পায় লাভ করে।
- বাংলাদেশ ১৯৭২ সালে IAEA এর সদস্যপদ লাভ করে।

সূত্র: IAEA ওয়েবসাইট।

৮৩.
Inter-Services Intelligence কোন দেশের গোয়েন্দা সংস্থা?
  1. আফগানিস্তান 
  2. পাকিস্তান
  3. ইরান 
  4. ইরাক 
সঠিক উত্তর:
পাকিস্তান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাকিস্তান
ব্যাখ্যা

◉ ISI বা Inter-Services Intelligence হলো পাকিস্তানের প্রধান গোয়েন্দা সংস্থা।

​Inter-Services Intelligence:
- ISI বা Inter-Services Intelligence পাকিস্তানের সামরিক গোয়েন্দা সংস্থা,
- এটি ১৯৪৮ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটি মূলত পাকিস্তানের জাতীয় নিরাপত্তা ও কৌশলগত স্বার্থ রক্ষা করতে কাজ করে।
- আফগান যুদ্ধের সময়, ISI মার্কিন সহযোগিতায় মুজাহিদিনদের সহায়তা করেছিল।
- সংস্থাটি কাশ্মীর ইস্যু, আফগানিস্তানের রাজনীতি এবং সন্ত্রাসবিরোধী কার্যক্রমে সক্রিয় ভূমিকা রাখে।

সূত্র: ব্রিটানিকা। 

৮৪.
কিয়োটো প্রটোকল কার্যকর হয় কোন সালে?
  1. ১৯৯৭ সালে
  2. ২০০১ সালে
  3. ২০০৫ সালে
  4. ২০১০ সালে
সঠিক উত্তর:
২০০৫ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০৫ সালে
ব্যাখ্যা

◉ কিয়োটো প্রটোকল কার্যকর হয় ২০০৫ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি। এটি জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন কমানোর জন্য একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি।

কিয়োটো প্রটোকল: 
- কিয়োটো প্রটোকল একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি যা বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণের উদ্দেশ্যে গৃহীত হয়।
- এটি ১৯৯৭ সালের ডিসেম্বরে জাপানের কিয়োটো শহরে অনুষ্ঠিত ৩য় জাতিসংঘ জলবায়ু সম্মেলন বা COP-3 এ গৃহীত হয়। 
- প্রথম দেশ হিসেবে কিয়োটো প্রটোকল প্রত্যাহার করে কানাডা। 
- ২০০৫ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি কার্যকর হয়।
- বাংলাদেশ ২০০১ সালের ২২ অক্টোবর কিয়োটো প্রটোকল চুক্তির অন্তর্ভুক্ত হয় এবং
- ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৬ সালে চুক্তিটি অনুমোদন দেয়।

সূত্র: UNFCCC ওয়েবসাইট এবং রয়টার্স।

৮৫.
নিম্নলিখিত কোন দেশটি OPEC-এর সদস্য নয়? [আগস্ট - ২০২৫]
  1. ইরান
  2. সৌদি আরব
  3. রাশিয়া
  4. ভেনেজুয়েলা
সঠিক উত্তর:
রাশিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাশিয়া
ব্যাখ্যা

◉ রাশিয়া OPEC-এর সদস্য নয়। 

• OPEC: 
- পেট্রোলিয়াম রপ্তানিকারক দেশগুলোর সংস্থা হলো ওপেক (OPEC),
- এটি হলো বিশ্বের তেল রপ্তানিকারক দেশগুলোর একটি আন্তর্জাতিক জোট।
- এটি ১৯৬০ সালের ১০ থেকে ১৪ সেপ্টেম্বর ‘বাগদাদ কনফারেন্স’-এর মাধ্যমে গঠিত হয়।
- সংস্থাটির প্রধান সদরদপ্তর অষ্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনায় অবস্থিত।
- ২০২৪ সালের ১ জানুয়ারি তারিখে অ্যাঙ্গোলা ওপেক থেকে সদস্যপদ ত্যাগ করে, যার ফলে বর্তমানে সংস্থাটির সদস্য সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১২টি। [আগস্ট - ২০২৫]

• Member Countries:
→ Algeria,
→ Iraq,
→ Kuwait,
→ Libya,
→ Nigeria,
→ Saudi Arabia,
→ Congo,
→ Equatorial Guinea,
→ Gabon,
→ Iran,
→ United Arab Emirates,
→ Venezuela.

সূত্র: OPEC ওয়েবসাইট।

৮৬.
কোন দুই নেতা ক্যাম্প ডেভিড চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন?
  1. গামাল আবদেল নাসের ও গোল্ডা মেয়ার
  2. আনোয়ার সাদাত ও মেনাচেম বেগিন
  3. ইয়াসির আরাফাত ও ইয়িতজাক রবিন
  4. হোসনি মুবারক ও শিমন পেরেজ
সঠিক উত্তর:
আনোয়ার সাদাত ও মেনাচেম বেগিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আনোয়ার সাদাত ও মেনাচেম বেগিন
ব্যাখ্যা

◉ ক্যাম্প ডেভিড চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন মিশরের রাষ্ট্রপতি আনোয়ার সাদাত ও ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী মেনাচেম বেগিন। এই চুক্তি ১৯৭৮ সালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টারের মধ্যস্থতায় সম্পাদিত হয়।

ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি: 
- ক্যাম্প ডেভিড চুক্তির ফলে মিশর মধ্যপ্রাচ্যে ইসরায়েলের সাথে প্রথম শান্তিচুক্তি করে।
- ১৯৭৮ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় মিশরের প্রেসিডেন্ট আনোয়ার সাদাত ও ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী মেনাচেম বেগিন চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।
- এই চুক্তির মাধ্যমে ইসরায়েল সিনাই উপদ্বীপ থেকে সৈন্য প্রত্যাহারে সম্মত হয় এবং মিশর আনুষ্ঠানিকভাবে ইসরায়েলকে স্বীকৃতি দেয়।
- এর ফলে ১৯৭৯ সালে দুই দেশের মধ্যে শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- তবে, এই চুক্তির জন্য মিশরকে আরব লীগ ও ওআইসি থেকে বহিষ্কার করা হয় এবং অনেক আরব দেশ এর বিরোধিতা করে।
 
সূত্র - History.com ও ব্রিটানিকা। 

৮৭.
জার্মানি কর্তৃক কোন দেশ আক্রমণের মাধ্যমে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সূচনা হয়েছিল?
  1. ফ্রান্স
  2. রাশিয়া
  3. পোল্যান্ড
  4. ব্রিটেন
সঠিক উত্তর:
পোল্যান্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পোল্যান্ড
ব্যাখ্যা

◉ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সূচনা হয় জার্মানির পোল্যান্ড আক্রমণের মাধ্যমে ১৯৩৯ সালের ১ সেপ্টেম্বর। এই আগ্রাসনের পর যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্স জার্মানির বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ:
- ১৯৩৯ সালের ১ সেপ্টেম্বর জার্মানি কর্তৃক পোল্যান্ড আক্রমণের মাধ্যমে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয়।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে অক্ষশক্তির অন্তর্ভুক্ত ছিলো জার্মানি, জাপান ও ইতালি।
- মিত্রশক্তিতে ছিলো ব্রিটেন, ফ্রান্স, যুক্তরাষ্ট্র, সোভিয়েত ইউনিয়ন, চীন, পোল্যান্ড, নেদারল্যান্ডস প্রভৃতি দেশ।
- ৮ ডিসেম্বর, ১৯৪১ সালে যুক্তরাষ্ট্র দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সরাসরি যোগদান করে।
- ৭ মে ১৯৪৫ জার্মানি মিত্রবাহিনীর নিকট নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ করে।
- ২ সেপ্টেম্বর ১৯৪৫ জাপান কর্তৃক আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মসমর্পণের মাধ্যমে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটে।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ইতিহাসে প্রথমবারের মতো পারমাণবিক অস্ত্রের দুটি ব্যবহার হয়েছিল।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ ছিল মানব ইতিহাসের সবচেয়ে মারাত্মক সংঘাত; এর ফলে ৭০ থেকে ৮৫ মিলিয়ন প্রাণহানি ঘটে, যাদের অধিকাংশই বেসামরিক নাগরিক।

সূত্র: হিস্টোরি ও ব্রিটানিকা.কম।

৮৮.
IUCN এর ক্ষেত্রে 'Red List' হচ্ছে - 
  1. বিপন্ন ভাষার তালিকা
  2. বিপন্ন প্রাণী ও উদ্ভিদের তালিকা
  3. বিরল খনিজের তালিকা
  4. পরিবেশ দূষণকারী দেশের তালিকা
সঠিক উত্তর:
বিপন্ন প্রাণী ও উদ্ভিদের তালিকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিপন্ন প্রাণী ও উদ্ভিদের তালিকা
ব্যাখ্যা

◉ IUCN Red List হলো একটি বৈজ্ঞানিকভাবে প্রস্তুতকৃত আন্তর্জাতিক তালিকা, যেখানে পৃথিবীর বিভিন্ন প্রাণী ও উদ্ভিদ প্রজাতির বিলুপ্তির ঝুঁকি মূল্যায়ন করে শ্রেণিবদ্ধ করা হয়।

IUCN:
- IUCN এর পূর্ণরূপ - International Union for the Conservation of Nature.
- বিশ্বব্যাপী প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ করার জন্য ১৯৪৮ সালের ৫ অক্টোবর ফ্রান্সের ফন্টেনব্লিউতে 'IUCN' প্রতিষ্ঠিত হয়।
- IUCN - এর সদর দপ্তর হলো সুইজারল্যান্ডের গ্লান্ড শহরে ।
- এটি নিয়ে বিশ্বের ১৬০ টির অধিক দেশ কাজ করছে।
- রাশিয়ার আশখাবাদে ১৯৭৮ সালে IUCN এর ১৪তম অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়েছিল।

উল্লেখ্য, 
- IUCN Red List হলো প্রাণী ও উদ্ভিদের বিলুপ্তির ঝুঁকি অনুযায়ী শ্রেণিবিন্যাস করা হয়।

সূত্র: IUCN ওয়েবসাইট। 

৮৯.
২০২৫ সালের আগস্টে, আর্মেনিয়া-আজারবাইজান স্বাক্ষরিত শান্তিচুক্তির মধ্যস্থতাকারী দেশ কোনটি?  
  1. রাশিয়া
  2. পাকিস্তান 
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. তুরস্ক 
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা

◉ ২০২৫ সালের আগস্টে আর্মেনিয়া ও আজারবাইজানের মধ্যে স্বাক্ষরিত শান্তিচুক্তির প্রধান মধ্যস্থতাকারী দেশ ছিল যুক্তরাষ্ট্র, বিশেষভাবে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নেতৃত্বে এই চুক্তি সম্পন্ন হয়।

আর্মেনিয়া-আজারবাইজান শান্তিচুক্তি:
- ৮ আগস্ট, ২০২৫ যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় হোয়াইট হাউসে ঐতিহাসিক শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে দক্ষিণ ককেশাস অঞ্চলের রাষ্ট্র আর্মেনিয়া ও আজারবাইজানের মধ্যে।
- অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন আজারবাইজানের প্রেসিডেন্ট ইলহাম আলিয়েভ এবং আর্মেনিয়ার প্রধানমন্ত্রী নিকোল পাশনিয়ান।
- এর মধ্য দিয়ে কয়েক দশকের সংঘাতের অবসান এবং দীর্ঘস্থায়ী মিত্রতা তৈরি হবে বলে প্রত্যাশা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের।
- শান্তিচুক্তির পাশাপাশি উভয় দেশের সাথে করিডোর ও বাণিজ্য ইস্যুতে পৃথক চুক্তি হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের।

উল্লেখ্য,
- বিতর্কিত নাগোরনো-কারাবাখ অঞ্চলে নিয়ে আর্মেনিয়া ও আজারবাইজান কয়েক দশক ধরে বিবাদে লিপ্ত।
- অঞ্চলটি আজারবাইজানের ভূখণ্ডের ভেতরে অবস্থিত হলেও ১৯৯৪ সালের এক যুদ্ধের পর থেকে আর্মেনিয়ার সমর্থনে জাতিগত আর্মেনীয় বাহিনী ওই অঞ্চলটি নিয়ন্ত্রণ করে আসছে।
- আর্মেনিয়া নাগোর্নো কারাবাখের দখল নেয়ার পর কয়েক দফায় রক্তক্ষয়ী সংঘাত হয় দুই দেশের মধ্যে।
- ২০২৩ সালে পুনরায় অঞ্চলটির নিয়ন্ত্রণ নেয় আজারবাইজান।

সূত্র- নিউজ প্রতিবেদন।

৯০.
সাম্প্রতিক সময়ে কোন দুই দেশের মধ্যে এমারেল্ড ট্রায়াঙ্গল ঘিরে সংঘাত শুরু হয়? [আগস্ট - ২০২৫]
  1. থাইল্যান্ড ও ভিয়েতনাম
  2. থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়া
  3. কম্বোডিয়া ও লাওস
  4. কম্বোডিয়া ও ভিয়েতনাম
সঠিক উত্তর:
থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়া
ব্যাখ্যা

◉ সাম্প্রতিক সময়ে থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়ার মধ্যে এমারেল্ড ট্রায়াঙ্গল ঘিরে সংঘাত শুরু হয়েছে। এই অঞ্চলটি সীমান্তবর্তী ধর্মীয় স্থাপনা ও ভূখণ্ড দাবি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিতর্কিত।

এমারেল্ড ট্রায়াঙ্গল:
- "এমারেল্ড ট্রায়াঙ্গল" হলো একটি বনভূমি ও পাহাড়ি অঞ্চল যা কম্বোডিয়া, থাইল্যান্ড ও লাওস- এই তিন দেশের সীমান্ত এলাকায় বিস্তৃত।
- এটি "Mom Bei" (কম্বোডিয়ান নাম) অথবা থাইল্যান্ডে "Chong Bok" নামে পরিচিত।
- বন–জঙ্গলে ঘেরা এই অঞ্চলে অনেক মন্দির রয়েছে।
- কম্বোডিয়া ও থাইল্যান্ডের মধ্যে এই অঞ্চল নিয়ে দুই দেশের মধ্যে শত বছরের বেশি সময় ধরে দ্বন্দ্ব চলে আসছে।
- এই অঞ্চলে রয়েছে প্রচুর মূল্যবান কাঠ, ভেষজ উদ্ভিদ, এবং সম্ভবত খনিজ ও অন্যান্য প্রাকৃতিক সম্পদ।
- ফলে কম্বোডিয়া ও থাইল্যান্ড দুই দেশই এই অঞ্চলের নিয়ন্ত্রণে আগ্রহী।

উল্লেখ্য
- কম্বোডিয়া ও থাইল্যান্ডের মধ্যে ৮১৭ কিলোমিটারের সীমান্ত রয়েছে।
- কম্বোডিয়া একসময় ফরাসি উপনিবেশের অংশ ছিল।
- ১৯০৭ সালে থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়ার মধ্যে একটি সীমানারেখা নির্ধারণ করে দেয় ঔপনিবেশিক সরকার।
- তবে পরে ওই মানচিত্র নিয়ে আপত্তি তোলে ব্যাংকক।
- তাদের অভিযোগ, ১১ শতকে নির্মিত প্রেয়াহ বিহার মন্দির কম্বোডিয়ার ভূখণ্ডে পড়েছে।
- সাম্প্রতিক সময়ে থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়ার মধ্যে আবারো সংঘাত শুরু হয়।

সূত্র- পত্রিকা প্রতিবেদন। 

৯১.
যুক্তরাষ্ট্রের "Strategic Defense Initiative" এর প্রবক্তা ছিলেন কে?
  1. জন এফ. কেনেডি
  2. লিন্ডন বি. জনসন
  3. রোনাল্ড রিগান
  4. হেনরি কিসিঞ্জার
সঠিক উত্তর:
রোনাল্ড রিগান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রোনাল্ড রিগান
ব্যাখ্যা

◉ "Strategic Defense Initiative" (এসডিআই), এটি সাধারণত "স্টার ওয়ারস বা তারকা যুদ্ধ" নামে পরিচিত। এর প্রবক্তা ছিলেন প্রেসিডেন্ট রোনাল্ড রিগান।

যুক্তরাষ্ট্র:
- যুক্তরাষ্ট্রে মোট পঞ্চাশটি রাজ্য রয়েছে।
- আকারের দিক থেকে সবচেয়ে বড় রাজ্য হলো আলাস্কা, আর জনসংখ্যার দিক থেকে বৃহত্তম রাজ্য হলো ক্যালিফোর্নিয়া।
- যুক্তরাষ্ট্র ১৭৭৬ সালের ৪ জুলাই ব্রিটিশ উপনিবেশ থেকে স্বাধীনতা লাভ করে,
- এটি ‘স্বাধীনতা দিবস’ হিসেবে জাতীয়ভাবে উদযাপিত হয়।
- দেশটির প্রথম প্রেসিডেন্ট ছিলেন জর্জ ওয়াশিংটন, তিনি স্বাধীনতার পর নেতৃত্ব দেন নবগঠিত রাষ্ট্রকে।
- যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে আরেক গুরুত্বপূর্ণ নেতা ছিলেন আব্রাহাম লিংকন, তিনি ১৮৬৩ সালে ক্রীতদাস প্রথা বিলোপ করেন।

উল্লেখ্য, 
- যুক্তরাষ্ট্রের "Strategic Defense Initiative (SDI)" এর প্রবক্তা ছিলেন প্রেসিডেন্ট রোনাল্ড রেগান

সূত্র: ব্রিটানিকা।

৯২.
নিচের কোন দেশ প্রথম কার্বন কর চালু করে?
  1. সুইডেন
  2. ফিনল্যান্ড
  3. আয়ারল্যান্ড
  4. নিউজিল্যান্ড
সঠিক উত্তর:
ফিনল্যান্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফিনল্যান্ড
ব্যাখ্যা

◉ বিশ্বে প্রথম কার্বন কর চালু করে ফিনল্যান্ড, ১৯৯০ সালে। এর মাধ্যমে তারা পরিবেশ দূষণ কমাতে জ্বালানি ব্যবহারে কর আরোপের পথ দেখায়।

প্রথম কার্বন কর: 
- ১৯৯০ সালে ফিনল্যান্ড ছিল প্রথম কার্বন কর চালুকারী দেশ।
- দূষণ কমাতে এবং কার্বন ডাই অক্সাইড নির্গমনের উপর কর আরোপের মাধ্যমে পরিবেশবান্ধব অনুশীলনকে উৎসাহিত করার প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে এই কর চালু করা হয়েছিল।
- পরবর্তীতে সুইডেন, আয়ারল্যান্ড, ব্রিটেন, নিউজিল্যান্ড সহ বিশ্বের অনেক দেশ কার্বন কর চালু করে৷
- এর আওতায় কার্বন নিঃসরণকারী জ্বালানি ব্যবহারের ক্ষেত্রে নির্ধারিত হারে ট্যাক্স প্রদান করতে হয়।

সূত্র: প্রথম আলো ও ব্রিটানিকা। 

৯৩.
হার্ড ডিস্ক কোন ধরনের মেমোরি?
  1. Primary Memory
  2. Secondary Memory
  3. Cache Memory
  4. Virtual Memory
সঠিক উত্তর:
Secondary Memory
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Secondary Memory
ব্যাখ্যা
◉ হার্ড ডিস্ক (Hard Disk) হলো সেকেন্ডারি মেমোরি, কারণ এতে ডাটা স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায় এবং এটি বিদ্যুৎ বন্ধ হলেও ডাটা হারায় না।

সহায়ক মেমরি (Secondary Memory):
- কম্পিউটারের যে মেমোরিতে বিভিন্ন তথ্য, নির্দেশাবলি, অডিও, ভিডিও, ইমেজ স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায় তাকে সহায়ক মেমোরি বলা হয়।
- এ ধরনের মেমোরির কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশের সঙ্গে সরাসরি সংযোগ থাকে না বিধায় ধীরগতি সম্পন্ন হয়।
- বিদ্যুৎ চলে গেলে বা কম্পিউটার বন্ধ করলেও প্রোগ্রাম হারিয়ে বা মুছে যায় না।

সহায়ক মেমরি (Secondary Memory) এর উদাহরণ:
- হার্ডডিস্ক, 
- সিডি, 
- ডিভিডি, 
- পেনড্রাইভ, 
- জিপ ড্রাইভ, 
- ম্যাগনেটিক টেপ ইত্যাদি।

অন্যদিকে, 
Primary Memory (RAM, ROM): কম্পিউটারের সরাসরি ব্যবহারযোগ্য মেমোরি, যেখানে ডেটা সাময়িকভাবে থাকে।
Cache Memory: দ্রুতগতির ছোট মেমোরি যা CPU ও RAM এর মাঝে কাজ করে।
Virtual Memory: RAM এর ঘাটতি পূরণের জন্য হার্ড ডিস্কের অংশকে অস্থায়ীভাবে RAM এর মতো ব্যবহার করা হয়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯৪.
IP Address এ কয়টি অংশ থাকে?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫টি
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা

IP Address এর লজিক্যাল অংশ ২টি (Network ID + Host ID); 
আবার, IPv Address প্রযুক্তিগতভাবে ৪টি অংশে (Octet) বিভক্ত থাকে।
ভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে দুইটিই সঠিক উত্তর। 
প্রশ্নে ভাষাগত ত্রুটি থাকায় প্রশ্নটি বাতিল করা হলো। 
----------------- 

◉ IP Address (বিশেষ করে IPv4) মোট ৪টি অংশে (Octet) বিভক্ত থাকে।
IPv4 ঠিকানার দৈর্ঘ্য 32-bit, যা ৪টি octet (প্রতি অংশে 8-bit) এ ভাগ করা হয়। প্রতিটি অংশের মান থাকে 0 থেকে 255 পর্যন্ত। উদাহরণ: 192.168.0.1 → এখানে ৪টি অংশ আছে।

IP Address: 
- IP এর পূর্ণরূপ হলো Internet Protocol.
- ইন্টারনেটের সাথে সংযুক্ত প্রতিটি কম্পিউটারের একটি ঠিকানা থাকে। এ ঠিকানাকে বলা হয় আইপি অ্যাড্রেস (IP Address)।
- তথ্য আদান প্রদানে সাধারণত IP Address ব্যবহৃত হয়ে থাকে। সাধারণ ব্যবহারকারীগণ IP Address এর মাধ্যমে তথ্যবলি গ্রহণ ও প্রেরণ করে থাকেন।
- সমগ্র বিশ্বের সকল ধরনের আইপি অ্যাড্রেস ও ডোমেইন নেম নিয়ন্ত্রণ ও ব্যবস্থাপনাকারী সংস্থা হলো ICANN (Internet Corporation for Assigned Names and Numbers)।

আইপি অ্যাড্রেস দু'ধরনের হয়ে থাকে। যথা-
১। IPv4 (Internet Protocol Version 4) ও
২। IPv6 (Internet Protocol Version 6)

IPv4: 
- চারটি অংশের সমন্বয়ে গঠিত আইপি অ্যাড্রেস IPv4 (IP ভার্সন 4) নামে পরিচিত যার কার্যক্রম শুরু হয় ১৯৮০ এর দশকে।
- IPv4 এর অ্যাড্রেস হলো 4×8 বা 32 বিটের। যার সাহায্যে 232 বা 4294967296 সংখ্যক নেটওয়ার্কযুক্ত কম্পিউটার বা ডিভাইসকে সনাক্ত করা যায়।
- ডটেড ডেসিমাল নোটেশন (e.g., 192.168.1.1) এ লেখা হয়।

IPv6: 
- আইপি অ্যাড্রেস এর নতুন ভার্সন হলো IPv6 যা ১৯৯৬ সালে তৈরি করা হয়েছিল IP অ্যাড্রেস এর পরবর্তী প্রজন্ম হিসেবে ব্যবহারের জন্য।
- এই IPv6 এর সাহায্যে 2128 সংখ্যক ডিভাইসকে সনাক্ত করা যায় বা 2128 টি ডিভাইসে ইন্টারনেট সংযোগ দেয়া যায় এবং যা 128 বিটের অ্যাড্রেস।
- হেক্সাডেসিমাল ফরম্যাটে (e.g., 2001:0db8:85a3::8a2e:0370:7334) লেখা হয়।
- বর্তমানে ইন্টারনেটের পরিধি বিস্তৃত হওয়ায় এবং কম্পিউটার, সার্ভার, নেটওয়ার্ক ডিভাইসসহ অন্যান্য ডিজিটাল ডিভাইসের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় ইন্টারনেট সংযোগ প্রদানের ক্ষেত্রে বিপুল সংখ্যক আইপি অ্যাড্রেসের প্রয়োজন হওয়ায় IPv6 এর প্রয়োজনীতা দেখা যায়।

উৎস: ই-কমার্স, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

৯৫.
টু-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন কেন গুরুত্বপূর্ণ?
  1. পাসওয়ার্ড চুরি হলেও অতিরিক্ত ভেরিফিকেশন প্রয়োজন হয়
  2. ফিশিং ও হ্যাকিং আক্রমণ থেকে সুরক্ষা দেয়
  3. ব্যাংকিং ও সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট নিরাপদ রাখে
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
◉ টু-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন (2FA) হলো একটি অতিরিক্ত নিরাপত্তা স্তর, যা শুধুমাত্র পাসওয়ার্ডের ওপর নির্ভর না করে অ্যাকাউন্টকে আরও সুরক্ষিত করে।
- যদি পাসওয়ার্ড চুরি হয়, তবুও OTP, ফিঙ্গারপ্রিন্ট, বা সিকিউরিটি কী ছাড়া লগইন সম্ভব নয়।
- এটি ফিশিং ও হ্যাকিং আক্রমণ প্রতিরোধ করে।
- বিশেষ করে ব্যাংকিং, ইমেইল ও সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট সুরক্ষায় এটি অত্যন্ত কার্যকর।
তাই সবগুলো কারণেই 2FA গুরুত্বপূর্ণ।

টু-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন (2FA) হলো একটি নিরাপত্তা ব্যবস্থা, যেখানে দুইটি ভিন্ন ধরণের ভেরিফিকেশন ফ্যাক্টর ব্যবহার করে একজন ব্যবহারকারীকে চিহ্নিত করা হয়। এটি পাসওয়ার্ড চুরির বিরুদ্ধে একটি বাড়তি সুরক্ষা ব্যবস্থা প্রদান করে।
- সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বা অনলাইন অ্যাকাউন্টগুলোকে নিরাপদ রাখতে শুধুমাত্র পাসওয়ার্ডের ওপর নির্ভরশীলতা এখন পুরোপুরি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারে না। থেকে যায় হ্যাক হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি। অনলাইনের এসব অ্যাকাউন্ট নিরাপদ রাখার জন্য প্রয়োজন টু-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন বা সংক্ষেপে টুএফএ সিস্টেম।

টু-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন সাধারণত দুটি ধাপে কাজ করে:
প্রথম স্তর: পাসওয়ার্ড বা পিন ইনপুট করা।
দ্বিতীয় স্তর:
- OTP (One-Time Password) মোবাইলে পাঠানো, 
- Authenticator অ্যাপে কোড তৈরি, 
- ফিঙ্গারপ্রিন্ট বা ফেস আইডি, 
- USB Security Key.

টু-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন গুরুত্বপূর্ণ, কারণ- 
- পাসওয়ার্ড চুরি হলেও এক্সট্রা ভেরিফিকেশন থাকে, 
- ফিশিং ও হ্যাকিং আক্রমণ থেকে রক্ষা করে, 
- ব্যাংকিং, ইমেইল ও সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট সুরক্ষিত রাখে, 
- Unauthorized Access প্রতিরোধ করে। 

উৎস: 
১। ডেইলি স্টার পত্রিকা রিপোর্ট। 
২। Microsoft Security Documentation on 2FA.
৯৬.
নিচের কোনটি ‘Phishing Attack’-এর সঠিক উদাহরণ?
  1. ভুয়া ই-মেইল বা ওয়েবসাইটের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত তথ্য চুরি করা
  2. ভুয়া পরিচয়ে অন্যের কম্পিউটারের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নেওয়া
  3. নেটওয়ার্কে ডেটা আদান-প্রদানের সময় তথ্য হাতিয়ে নেওয়া
  4. ব্যবহারকারীকে আসল ওয়েবসাইটের পরিবর্তে ভুয়া ওয়েবসাইটে প্রবেশ করানো
সঠিক উত্তর:
ভুয়া ই-মেইল বা ওয়েবসাইটের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত তথ্য চুরি করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভুয়া ই-মেইল বা ওয়েবসাইটের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত তথ্য চুরি করা
ব্যাখ্যা
◉ ফিশিং (Phishing) হলো একটি সাইবার প্রতারণার কৌশল, যেখানে প্রতারকরা (Hackers) বিভিন্ন মাধ্যমে ভুয়া ইমেইল, মেসেজ বা ওয়েবসাইট ব্যবহার করে ব্যক্তিগত তথ্য চুরি করে।

ফিশিং (Phishing): 
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবহার করে কারো কাছ থেকে প্রতরণার মাধ্যমে ব্যক্তিগত তথ্যাদি যেমন- নাম, পাসওয়ার্ড, ডেভিড বা ক্রেডিট কার্ডের তথ্য ইত্যাদি সংগ্রহ করাকে বা হ্যাক করাকে বলা হয় ফিশিং।
- সাধারণত ই-মেইল বা মেসেজের মাধ্যমে ফিশিং করা হয়ে থাকে। এ পদ্ধতিতে ফিশার হ্যাকাররা ই-মেইল বা মেসেজের মাধ্যমে ওয়েবসাইটে সংযুক্ত ব্যবহারকারীর কাছে ব্যক্তিগত তথ্য ভেরিফিকেশন বা যাচাইয়ের জন্য চায়।
- যদি কেউ এ ফাঁদে পা দেয় তাহলে ফিশার হ্যাকাররা তথ্য সংগ্রহ করে তাকে বিভিন্ন ধরনের বিপদে ফেলে দেয়।

অন্যান্য অপশনসমূহ, 
খ) স্পুফিং (Spoofing): স্পুফিং হলো এমন এক ধরনের পদ্ধতি যেখানে সাইবার অপরাধীরা নিজের পরিচয় গোপন করে অন্যের পরিচয় বা ভূয়া ওয়েবসাইটের ঠিকানা ব্যবহার করে ব্যক্তিগত বা প্রতিষ্ঠানের কিংবা নেটওয়ার্কযুক্ত কম্পিউটারের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে তথ্যাদি হাতিয়ে নেয় বা চুরি করে।

গ) স্নিফিং (Sniffing): প্লিফিং হলো কমিউনিকেশন লাইনের মধ্য দিয়ে তথ্য আদান-প্রদানের সময় তথ্যকে ক্যাপচার বা হাতিয়ে নেওয়ার একটি পদ্ধতি।

ঘ) ফার্মিং (Pharming): ওয়েবসাইট ব্যবহারকারীকে তার কাঙ্খিত ওয়েবসাইটের পরিবর্তে অন্য ওয়েবসাইটে প্রবেশ করানো বা নিয়ে যাওয়াকে বলা হয় ফার্মিং।

সূত্র: ই-কমার্স, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৯৭.
(5012)10 সংখ্যাটিকে হেক্সাডেসিমেলে রূপান্তর করলে পাওয়া যায় -
  1. 1392
  2. 1394
  3. 1492
  4. 14A2
সঠিক উত্তর:
1394
উত্তর
সঠিক উত্তর:
1394
ব্যাখ্যা
◉ (5012)10 সংখ্যাটিকে হেক্সাডেসিমেলে রূপান্তর করলে পাওয়া যায় - 1394.

• পূর্ণ দশমিক সংখ্যাকে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যায় রূপান্তর:
- দশমিক সংখ্যাকে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যায় রূপান্তরিত করার জন্য দশমিক সংখ্যাকে ১৬ দিয়ে ভাগ করে ভাগশেষকে সংরক্ষণ করতে হবে।
- ভাগফলকে পুনরায় ১৬ দিয়ে ভাগ করে ভাগশেষকে সংরক্ষণ করতে হবে।
- এ পদ্ধতির পুনরাবৃত্তি করতে হবে যতক্ষণ না ভাজ্য ০ হয়।
- সংরক্ষিত ভাগশেষগুলোকে শেষ থেকে প্রথম দিকে ধারাবাহিকভাবে অর্থাৎ উল্টো করে সাজিয়ে লিখলে ১ থেকে F এর সমন্বয়ে যে সংখ্যাটি পাওয়া যায় তাই দশমিক সংখ্যার সমকক্ষ হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা।
- ভাগশেষ সংরক্ষণের ক্ষেত্রে যদি ভাগশেষ ১০ থেকে ১৫ হয় তবে যথাক্রমে ১০ → A, ১১ → B, ১২→ C, ১৩→D, ১৪ → E ও ১৫ → F সংখ্যা লিখতে হবে।



উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯৮.
কোন Function Key ব্যবহার করে কম্পিউটারে Help Menu দেখা যায়?
  1. F1
  2. F2
  3. F3
  4. F4
সঠিক উত্তর:
F1
উত্তর
সঠিক উত্তর:
F1
ব্যাখ্যা
◉ কম্পিউটারের প্রায় সব সফটওয়্যার ও অপারেটিং সিস্টেমে F1 চাপলে Help Menu বা সাহায্য ডকুমেন্টেশন খোলা হয়। উদাহরণ: Microsoft Word, Excel, Browser (Chrome/Firefox) — সবগুলোতেই F1 হলো Help এর শর্টকাট কী।

ফাংশন কী:
- বিশেষ কার্য সম্পাদনের জন্য কম্পিউটারের কীবোর্ডের বাম পাশের ওপরের সন্নিবেশিত F থেকে F12 পর্যন্ত কীগুলোকে ফাংশন কী বলা হয়।
- বার বার করতে হয় এমন কাজগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে সম্পাদনের জন্য ফাংশন কীগুলো ব্যবহৃত হয়।
- ফাংশন কীগুলোর মাধ্যমে তথ্য সংযোজন, বিয়োজন, সম্পাদনার কাজসহ মেনুর বিভিন্ন কমান্ড বা অপশন নির্বাচন করা হয়।

কম্পিউটার কী বোর্ড এর ফাংশন কী সমূহের ব্যবহার:
- F1 এর সাহায্যে হেল্প মেনু দেখা যায়।
- F2 এর সাহায্যে কোনো ফাইল বা ফোল্ডার এর নাম পরিবর্তন করা যায়।
- F3 সার্চ সুবিধা দেয়। কমান্ড পুনরাবৃত্তি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
- F4 last action performed repeat করা যায়। Alt-F4 চেপে সক্রিয় সব প্রোগ্রাম বন্ধ করা যায়।
- F5 পেইজ রিফ্রেশ করা যায়।
- F6 মাউসের কারসরকে ইন্টারনেট ব্রাউজারের অ্যাড্রেসবারে নিয়ে যেতে ব্যবহার করা হয়।
- F7 বানান ও ব্যকরণগত ভুল বের করতে ব্যবহৃত হয়।
- F8 অপারেটিং সিস্টেমের safe mood চালু করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
- F9 কোয়ার্ক এক্সপ্রেসের মেজারমেন্ট টুলবার চালু করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
- F10 ইন্টারনেট ব্রাউজারের কোনো খোলা উইন্ডোর মেনুবার চালু করা হয়।
- F11 ফুলস্ক্রিন দেখতে ব্যবহার করা হয়।
- F12 ইংরেজি থকে বাংলা বা বাংলা থেকে ইংরেজি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও ব্রিটানিকা।
৯৯.
কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত রেজিস্টার কোন প্রযুক্তির মাধ্যমে গঠিত হয়?
  1. Magnetic Disk
  2. Transistor
  3. Hard Disk
  4. Flip-Flop
সঠিক উত্তর:
Flip-Flop
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Flip-Flop
ব্যাখ্যা
◉ রেজিস্টার হলো ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্সের একটি মৌলিক উপাদান, যা ডেটা সংরক্ষণ এবং স্থানান্তরের জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি ফ্লিপ-ফ্লপ দিয়ে তৈরি হয়, কারণ ফ্লিপ-ফ্লপগুলি বাইনারি ডেটা (0 এবং 1) সংরক্ষণ করতে সক্ষম।

রেজিস্টার (Register):
- মূলত মাইক্রোপ্রসেসরের অস্থায়ী মেমরি রেজিস্টার হিসেবে কাজ করে।
- রেজিস্টার তৈরি হয় ফ্লিপ- ফ্লপের সাহায্যে।
- এগুলোর কাজ করার ক্ষমতা অত্যন্ত দ্রুত।
- মাইক্রোপ্রসেসরের কার্যাবলি সম্পাদানের জন্য এর অভ্যন্তরে বিভিন্ন ধরনের রেজিস্টার ব্যবহৃত হয়। যেমন- অ্যাকুমুলেটর, ইনস্ট্রাকশন রেজিস্টার, প্রোগ্রাম কাউন্টার ইত্যাদি।
- মাইক্রোপ্রসেসর যখন হিসাব-নিকাশের কার্যাবলি সম্পাদন করে তখন ডেটাকে সাময়িকভাবে জমা রাখার জন্য রেজিস্টারসমূহ ব্যবহৃত হয়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০০.
কোন নেটওয়ার্ক মডেলে সব কম্পিউটার সমান ক্ষমতাসম্পন্ন এবং একে অপরের সাথে সরাসরি রিসোর্স শেয়ার করে?
  1. Client-Server Network
  2. Peer-to-Peer Network
  3. Hybrid Network
  4. Metropolitan Area Network
সঠিক উত্তর:
Peer-to-Peer Network
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Peer-to-Peer Network
ব্যাখ্যা
◉ Peer-to-Peer (P2P) Network এ সব কম্পিউটার (Peer) সমান ক্ষমতাসম্পন্ন থাকে। প্রতিটি কম্পিউটারই অন্যদের সাথে সরাসরি ফাইল, প্রিন্টার বা অন্যান্য রিসোর্স শেয়ার করতে পারে। কোনো কেন্দ্রীয় সার্ভারের প্রয়োজন হয় না।
 
• নিয়ন্ত্রণ কাঠামো এবং সার্ভিস প্রদানের ভিত্তিতে কম্পিউটার নেটওয়ার্কসমূহকে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা যায়।
যথা-
১। ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক (Client-Server Network), 
২। পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্ক (Peer to Peer Network) ও 
৩। হাইব্রিড নেটওয়ার্ক (Hybride Network)। 

ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক:
- কেন্দ্রীয়ভাবে ডাটা স্টোর, নিরাপত্তা দেওয়া, বিভিন্ন এ্যাপ্লিকেশন চালানোর জন্য ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক খুবই উপযোগী।
- এই নেটওয়ার্কে একটি কম্পিউটারে সকল রিসোর্স থাকে এবং অন্যান্য সকল কম্পিউটারগুলো এসব রিসোর্স ব্যবহার করে। 

পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্ক:
- পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্কে প্রত্যেক কম্পিউটার হতে রিসোর্স শেয়ার করা যায়।
- এই নেটওয়ার্কে প্রতিটি কম্পিউটার একই সাথে সার্ভার এবং ক্লায়েন্ট। 

হাইব্রিড নেটওয়ার্ক:
- হাইব্রিড নেটওয়ার্ক মূলত ক্লায়েন্ট সার্ভার এবং পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্কের সমন্বয়ে গঠিত।
- সাধারনত হাইব্রিড নেটওয়ার্কে সার্ভার অংশের প্রাধান্য থাকে।
- তবে এর পাশাপাশি অল্প বিস্তারে পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্কের অংশ থাকে। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০১.
কোয়ান্টাম কম্পিউটিংয়ে একটি Qubit একই সাথে 0 এবং 1 উভয় অবস্থায় থাকতে পারে, একে কী বলা হয়?
  1. Entanglement
  2. Interference
  3. Superposition
  4. Quantum Tunneling
সঠিক উত্তর:
Superposition
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Superposition
ব্যাখ্যা
◉ কোয়ান্টাম বিট বা কুবিট (Qubit) হলো কোয়ান্টাম কম্পিউটিং-এর মৌলিক একক, যা ক্লাসিক্যাল বিটের তুলনায় আরও শক্তিশালী কারণ এটি শুধুমাত্র 0 বা 1 নয়, বরং একই সাথে 0 এবং 1 উভয় অবস্থায় থাকতে পারে। এই বিশেষ বৈশিষ্ট্যকে সুপারপজিশন (Superposition) বলা হয়।

কোয়ান্টাম কম্পিউটিং:
- কোয়ান্টাম কম্পিউটিং আধুনিক কম্পিউটার বিজ্ঞান এবং গাণিতিক সমস্যাগুলির সমাধানে একটি বিপ্লবী ধারণা।
- এটি কোয়ান্টাম মেকানিক্স এর ধারণা ব্যবহার করে, যেখানে কোয়ান্টাম বিট (Qubit) একাধিক অবস্থানে থাকতে পারে, এবং তার ফলে এটি নির্দিষ্ট কাজগুলো খুব দ্রুত এবং দক্ষভাবে সম্পাদন করতে সক্ষম হয়।
- কোয়ান্টাম কম্পিউটিংয়ের জন্য যে অ্যালগরিদমগুলি তৈরি হয়েছে, সেগুলি সাধারণত ক্লাসিক্যাল কম্পিউটারের তুলনায় কিছু সমস্যা সমাধানে অনেক দ্রুত কাজ করে।
- এমন কিছু গুরুত্বপূর্ণ কোয়ান্টাম অ্যালগরিদমের মধ্যে একটি হল Shor’s Algorithm, যা বড় সংখ্যার গুণফল বের করা (Integer Factorization) এর জন্য ব্যবহৃত হয়।

অন্যান্য অপশনসমূহ, 
- Entanglement হলো দুটি বা একাধিক Qubit-এর এমন সম্পর্ক, যেখানে একটির অবস্থা অন্যটির ওপর নির্ভরশীল হয়।
- Interference হলো সম্ভাবনার তরঙ্গ প্রভাব ব্যবহার করে সঠিক সমাধানের সম্ভাবনা বাড়ানো।
- Quantum Tunneling হলো এক কোয়ান্টাম কণার শক্তি প্রতিবন্ধকতা ভেদ করে অপর প্রান্তে চলে যাওয়ার প্রক্রিয়া।

উৎস: ব্রিটানিকা। 
১০২.
নিচের কোনটি Compiler-এর কাজ নয়?
  1. Source Code কে Machine Code এ রূপান্তর
  2. Syntax Error খুঁজে বের করা
  3. Program Runtime এ Execute করা
  4. Code Optimization করা
সঠিক উত্তর:
Program Runtime এ Execute করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Program Runtime এ Execute করা
ব্যাখ্যা
Compiler সরাসরি Runtime এ Program Execute করে না। এটি কেবল Executable File (.exe, .out) তৈরি করে। Execution-এর কাজ করে Loader/Operating System.
অন্যদিকে, Interpreter হলো সেই প্রোগ্রাম, যা কোডকে এক লাইন করে পড়ে এবং সরাসরি Runtime এ Execute করে।

কম্পাইলার (Compiler):
- কম্পাইলার হল এমন একটি অনুবাদক যা সোর্স প্রোগ্রাম একসাথে সম্পূর্ণরূপে মেশিনের ভাষায় অনুবাদ করে একটি অবজেক্ট প্রোগ্রাম তৈরি করে এবং একটি এক্সিকিউশন ফাইল (.exe) তৈরি করে।
- এখানকার এক্সিকিউশন ফাইল অত্যন্ত দ্রুততার সাথে এক্সিকিউট হয়ে থাকে।
- ফলে প্রোগ্রামিং প্রক্রিয়া অত্যন্ত দ্রুততর হয় এবং প্রোগ্রামারকে নিজ হাতে কোন অনুবাদকের কাজ করতে হয় না।
- ভিন্ন ভিন্ন উচ্চতর ভাষার প্রোগ্রামের জন্য ভিন্ন ভিন্ন কম্পাইলার ব্যবহৃত হয়।
- কারণ কোন নির্দিষ্ট কম্পাইলার একটি মাত্র উচ্চতর ভাষার প্রোগ্রামকে কম্পাইল করতে পারে। যেমন- যে কম্পাইলার COBOL প্রোগ্রামকে কম্পাইল করতে পারে
সেই কম্পাইলার বেসিক প্রোগ্রাম কম্পাইল করতে পারে না।
- কম্পাইলার অনুবাদ করা ছাড়াও উৎস প্রোগ্রামের গুণাগুণও বিচার করতে পারে।

কম্পাইলারের প্রধান কাজ:
১. উৎস প্রোগ্রামকে অনুবাদ করে অবজেক্ট প্রোগ্রাম তৈরি করা।
২. প্রোগ্রামের সঙ্গে প্রয়োজনীয় রুটিন যোগ করা । রুটিন হলো প্রোথামের ছোট অংশ যাতে কোনো নির্দিষ্ট কাজ করার
জন্য নির্দেশ দেয়া থাকে।
৩. প্রোগ্রামে কোনো ভুল থাকলে তা জানানো ।
৪. প্রোগ্রামের যেকোনো ভুল-ত্রুটি সংশোধন করা।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০৩.
লাইপেজ এনজাইম কোন ধরনের খাদ্য হজমে সাহায্য করে? 
  1. স্নেহ 
  2. খনিজ 
  3. প্রোটিন 
  4. শর্করা 
সঠিক উত্তর:
স্নেহ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্নেহ 
ব্যাখ্যা

আমিষ: 
- আমিষ বা প্রোটিন জাতীয় খাদ্য কার্বন, হাইড্রোজেন, অক্সিজেন এবং নাইট্রোজেন দিয়ে গঠিত। 
- আমিষে শতকরা ১৬ ভাগ নাইট্রোজেন থাকে। 
- আমিষে সামান্য পরিমাণে সালফার, ফসফরাস এবং আয়রন থাকে। 
- শুধু আমিষ জাতীয় খাদ্যই শরীরে নাইট্রোজেন সরবরাহ করে বলে পুষ্টি বিজ্ঞানে আমিষকে একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিসেবে বিবেচনা করা হয়। 
- অগ্ন্যাশয়ে অ্যামাইলেজ, ট্রিপসিন, কাইমোট্রিপসিন এবং লাইপেজ এনজাইম তৈরি হয়। এই এনজাইমগুলো ডিওডেনামে এসে খাদ্যের সঙ্গে মিশে। 
- ট্রিপসিন ও কাইমোট্রিপসিন আমিষ জাতীয় খাদ্য হজমে সাহায্য করে। 
- লাইপেজ স্নেহ খাদ্য হজমে সাহায্য করে। 
- অ্যামাইলেজ শর্করা জাতীয় খাদ্য হজমে সাহায্য করে। 
- মুখবিবরের লালাগ্রন্থি থেকে হজমে সাহায্যকারী উপাদান হিসেবে নিঃসৃত এনজাইমটি হলো টায়ালিন। 
- টায়ালিন এনজাইম স্টার্চ, গ্লাইকোজেন, ডেক্সট্রিন অণুকে আর্দ্রবিশ্লিষ্ট করে প্রথমে দ্রবণীয় স্টার্চ এবং পরে ক্ষুদ্রতর ডেক্সট্রিন অণুতে পরিণত করে। 

উৎস: বিজ্ঞান, সপ্তম শ্রেণি; জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি এবং প্রাণিবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

১০৪.
অর্ধপরিবাহীর উদাহরণ কোনটি? 
  1. লোহা 
  2. জার্মেনিয়াম 
  3. তামা
  4. প্লাস্টিক 
সঠিক উত্তর:
জার্মেনিয়াম 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জার্মেনিয়াম 
ব্যাখ্যা

পরিবাহী: 
- যেসব পদার্থের মধ্য দিয়ে আধান সহজে প্রবাহিত হতে পারে সে সব পদার্থকে পরিবাহী বলে, যেমন- রূপা, তামা, লোহা ইত্যাদি। 
- মূলতঃ সকল ধাতব পদার্থই পরিবাহী।
- পরিবাহী পদার্থে আধান প্রদান করলে আধানগুলো কোনো জায়গায় আবদ্ধ না থেকে সমস্ত পরিবাহীতে ছড়িয়ে পরে। তাই দুটি আহিত বস্তুকে কোনো পরিবাহী দিয়ে যুক্ত করলে সহজেই আধান এক বস্তু থেকে অপর বস্তুতে সঞ্চালিত হয়ে তড়িৎ প্রবাহের সৃষ্টি করে। 
- পরিবাহী তড়িৎ প্রবাহে বাধা দান করে না বললেই চলে। 
- পরিবাহী পদার্থকে তাপ প্রয়োগ করলে তড়িৎ প্রবাহে বাধা দান করার ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। 

অর্ধপরিবাহী: 
- কিছু কিছু পদার্থ আছে যেমন- জার্মেনিয়াম, সিলিকন ইত্যাদি যাদের তড়িৎ পরিবহন ক্ষমতা পরিবাহী এবং অপরিবাহী পদার্থের মাঝামাঝি। 
অর্থাৎ, যার মধ্য দিয়ে তড়িৎ প্রবাহ করতে পারে কিন্তু তা পরিবাহীর চেয়ে অনেক কম, কিন্তু অপরিবাহীর চেয়ে বেশি এদেরকে অর্ধপরিবাহী বলে। 
- পরিবাহী এবং অর্ধ পরিবাহীর মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য হলো- পরিবাহীর তাপমাত্রা বৃদ্ধি করলে তড়িৎ প্রবাহের ক্ষমতা হ্রাস পায়, কিন্তু অর্ধপরিবাহীর তাপমাত্রা বৃদ্ধি করলে তড়িৎ প্রবাহের ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। এর অর্থ হলো তাপমাত্রা বৃদ্ধি করলে পরিবাহীর রোধ বৃদ্ধি পায় আর অর্ধপরিবাহীর রোধ হ্রাস পায়। 

অপরিবাহী: 
- যেসব পদার্থের মধ্য দিয়ে আধান প্রবাহিত হতে পারে না সে সব পদার্থকে অপরিবাহী বলে, যেমন- কাচ, কাঠ, প্লাস্টিক ইত্যাদি। 
- মূলতঃ প্রায় সকল অধাতব পদার্থই অপরিবাহী। 
- অপরিবাহী পদার্থে আধান প্রদান করলে আধান কোথাও সঞ্চালিত না হয়ে অপরিবাহী পদার্থের যে স্থানে আধান প্রদান করা হয় সে স্থানেই আবদ্ধ থাকে। তাই দুটি আহিত বস্তুকে কোনো অপরিবাহী দিয়ে যুক্ত করলে আধান এক বস্তু থেকে অপর বস্তুতে সঞ্চালিত হয় না, ফলে তড়িৎ প্রবাহের সৃষ্টি করে না। 
- অপরিবাহী তড়িৎ প্রবাহে বাধা দান করে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১০৫.
অধাতুর তুলনায় ধাতুর ঘনত্ব সাধারণত- 
  1. বেশি 
  2. কম
  3. সমান 
  4. অপরিবর্তনশীল
সঠিক উত্তর:
বেশি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেশি 
ব্যাখ্যা

ধাতু-অধাতু: 
- ভূপৃষ্টের উপরিভাগ বিভিন্ন রকম যৌগিক পদার্থ যেমন-সিলিকন ডাই-অক্সাইড (বালি), ক্যালসিয়াম কার্বনেট (চুনাপাথর) ইত্যাদি দুই প্রকার মৌলিক পদার্থ দিয়ে গঠিত।
যথা- ধাতু ও অধাতু। 
- প্রকৃতিতে প্রায় সকল ধাতু ও অধাতু যৌগিক পদার্থ হিসেবে পাওয়া যায়। তবে কয়লা, সালফার ও অল্প পরিমাণ গোল্ড মৌলিক পদার্থ হিসেবে পাওয়া যায়। 
- যে সকল ধাতু ও অধাতু বেশি সক্রিয় তাদের যৌগ বেশি পরিমাণে এবং যে সকল যৌগ কম সক্রিয় তাদের যৌগ কম পরিমাণে প্রকৃতিতে পাওয়া যায়। 

ধাতুর বৈশিষ্ট্য: 
ঘাতসহনীয়তা: ধাতুকে পিটিয়ে বিভিন্ন আকার দেওয়া যায়। 
নমনীয়তা: ধাতুকে বাঁকানো যায়। 
উজ্জ্বলতা: ধাতুর আলোক বিচ্ছুরণ বা প্রতিফলন করে বলে এগুলো চকচক করে। 
গলনাঙ্ক ও স্ফুটনাঙ্ক: ধাতুসমূহের গলনাঙ্ক ও স্ফুটনাঙ্ক অত্যন্ত বেশি (তবে পারদ সাধারণ তাপমাত্রায় তরল)। 
ঘনত্ব: অধাতুর চেয়ে ধাতুসমূহের ঘনত্ব বেশি। 
পরিবাহিতা: ধাতুসমূহ তাপ ও বিদ্যুৎ পরিবাহী। 
ধাতব শব্দ: আঘাত করলে ধাতু টুন টুন শব্দ করে। 

উৎস: রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১০৬.
H+ সংকেত দ্বারা কোন কণিকা বুঝায়? 
  1. নিউট্রন 
  2. ইলেকট্রন 
  3. পজিট্রন 
  4. প্রোটন 
সঠিক উত্তর:
প্রোটন 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রোটন 
ব্যাখ্যা

- H+ সংকেত দ্বারা মৌলিক কণিকা প্রোটনকে বুঝায়, এটি পরমাণুর নিউক্লিয়াস বা কেন্দ্রে থাকে। 

পরমাণুর মৌলিক কণিকাসমূহ: 

- যে সব সূক্ষ্ম কণিকা দ্বারা পরমাণু গঠিত তাদেরকে মৌলিক কণিকা বলা হয়। 
- পরমাণুর মৌলিক কণিকাগুলো হলো- ১. ইলেকট্রন, ২. প্রোটন ও ৩. নিউট্রন। 

প্রোটন (Proton): 
- ইলেকট্রনের মত প্রোটনও সকল মৌলের পরমাণুর একটি সাধারণ মূল কণিকা। 
- এটি পরমাণুর নিউক্লিয়াস বা কেন্দ্রে থাকে। 
- হাইড্রোজেন পরমাণু থেকে একটি ইলেকট্রন অপসারণ করলে যে ধনাত্মক বিদ্যুৎবাহী কণা পাওয়া যায় তাকেই প্রোটন বলা হয়। 
- প্রোটনের সংকেত H+ । 
- প্রোটনের ভর প্রায় হাইড্রোজেনের ভরের সমান। 
- প্রোটনের আসল ভর 1.67×10-24 g ও আধান 1.60× 10-19 C । 
- প্রোটনের আপেক্ষিক ভর 1 একক। 
- প্রোটনের আরেকটি সংকেত P । 
- প্রোটনের আপেক্ষিক আধান +1 । 

উৎস: রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১০৭.
শব্দের তীব্রতা পরিমাপক যন্ত্র কোনটি? 
  1. ম্যানোমিটার 
  2. ক্রনোমিটার 
  3. ওডোমিটার 
  4. অডিওমিটার 
সঠিক উত্তর:
অডিওমিটার 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অডিওমিটার 
ব্যাখ্যা

শব্দের তীব্রতা পরিমাপক যন্ত্র- অডিওমিটার। 

অন্যদিকে, 
- সমুদ্রের দ্রাঘিমা পরিমাপক যন্ত্র - ক্রনোমিটার। 
- গ্যাসের চাপ নির্ণায়ক যন্ত্র - ম্যানোমিটার। 
- মোটর গাড়ির গতি নির্ণায়ক যন্ত্র- ওডোমিটার। 

আরও গুরুত্বপূর্ণ কিছু নির্ণায়ক যন্ত্র: 
- উড়োজাহাজের গতি নির্ণায়ক যন্ত্র- ট্যাকোমিটার। 
- উচ্চতা নির্ণায়ক যন্ত্র- অ্যালটিমিটার। 
- তরলের আপেক্ষিক গুরুত্ব নির্ণায়ক যন্ত্র - হাইড্রোমিটার। 
- পানির তলায় তেলের সঞ্চায়ক যন্ত্র - গ্রাডিমিটার।

উৎস: এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা।

১০৮.
(√3, 1) কে পোলার স্থানাঙ্কে প্রকাশ করলে কত হয়? 
  1. (2, π/6)
  2. (4, - π/6)
  3. (2, - π/3)
  4. (3, 4π)
সঠিক উত্তর:
(2, π/6)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
(2, π/6)
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: (√3, 1) কে পোলার স্থানাঙ্কে প্রকাশ করলে কত হয়? 

সমাধান:
ধরি, 
(√3, 1) কে পোলার স্থানাঙ্ক (r, θ)

এখানে, 
r = √[(√3)2 + (1)2]
= √4
= 2

আবার, 
θ = tan-1 (1/√3)
= tan-1 (1/√3)
= π/6

∴ (√3, 1) এর পোলার স্থানাঙ্ক = (2, π/6)

১০৯.
আহসান সাহেব ২০১১, ২০১২ এবং ২০১৩ সালের প্রত্যেক বছর পূর্বের বছরের অপেক্ষা ১০% বেশি পারিশ্রমিক পান। ২০১৩ সালে তিনি ২০১১ সাল অপেক্ষা কত বেশি পারিশ্রমিক পান?
  1. ৩০%
  2. ২৭%
  3. ২১%
  4. ১৭%
সঠিক উত্তর:
২১%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২১%
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: আহসান সাহেব ২০১১, ২০১২ এবং ২০১৩ সালের প্রত্যেক বছর পূর্বের বছরের অপেক্ষা ১০% বেশি পারিশ্রমিক পান। ২০১৩ সালে তিনি ২০১১ সাল অপেক্ষা কত বেশি পারিশ্রমিক পান?

সমাধান:
মনেকরি,
শ্রমিকটি ২০১১ সালে পারিশ্রমিক ১০০ টাকা পেলে,

তাহলে,
২০১২ সালে পারিশ্রমিক পায় (১০০ + ১০) = ১১০ টাকা
এবং
২০১৩ সালে পারিশ্রমিক পায় (১১০ + ১১০ এর ১০%) টাকা = {১১০ + ১১০ × (১০/১০০)} = ১২১ টাকা

∴ শ্রমিকের পারিশ্রমিক বৃদ্ধি পায় (১২১ - ১০০)% = ২১%

১১০.
সোনালী ব্যাংকে আরিফ নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা জমা রাখলেন। জমাকৃত টাকা সরল মুনাফায় ৪ বছরে আসলের ৩/২ অংশ হয়। মুনাফার হার কত?
  1. ৩৭.৫%
  2. ১৫.৫%
  3. ১২%
  4. ১২.৫%
সঠিক উত্তর:
১২.৫%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২.৫%
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: সোনালী ব্যাংকে আরিফ নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা জমা রাখলেন। জমাকৃত টাকা সরল মুনাফায় ৪ বছরে আসলের ৩/২ অংশ হয়। মুনাফার হার কত?

সমাধান:
আসল = P হলে, 
অর্থাৎ, আরিফ সোনালী ব্যাংকে P পরিমাণ টাকা জমা রাখলেন। 

মুনাফা, I = মুনাফা সহ আসল - আসল 
বা, I = আসলের ৩/২ অংশ - আসল 
বা, I = P × (৩/২) - P
বা, I = (৩P/২) - P
বা, I = (৩P - ২P)/২
বা, I = P/২

আমরা জানি, 
মুনাফা, I = Pnr/১০০ 
বা, P/২ = (P × ৪ × r)/১০০ 
বা, ১/২ = (৪ × r)/১০০
বা, ১/২ = r/২৫
বা, r = ২৫/২
∴ r = ১২.৫%

অর্থাৎ মুনাফার হার = ১২.৫%

১১১.
তেল আবিব শহরে হামাস কর্তৃক মিসাইল আক্রমণের সময় ঐ শহরের চারটি স্থান থেকে যথাক্রমে ১, ৫/৪, ৩/২ এবং ৭/৪ মিনিট অন্তর অন্তর সাইরেন বাজতে লাগলো। একবার একত্রে বাজবার কতক্ষণ পর আবার সাইরেনগুলো একত্রে বাজবে?
  1. ২ ঘন্টা ৪৫ মিনিট
  2. ১ ঘন্টা ৪৫ মিনিট
  3. ৩ ঘন্টা 
  4. ১ ঘন্টা ২০ মিনিট
সঠিক উত্তর:
১ ঘন্টা ৪৫ মিনিট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ ঘন্টা ৪৫ মিনিট
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: তেল আবিব শহরে হামাস কর্তৃক মিসাইল আক্রমণের সময় ঐ শহরের চারটি স্থান থেকে যথাক্রমে ১, ৫/৪, ৩/২ এবং ৭/৪ মিনিট অন্তর অন্তর সাইরেন বাজতে লাগলো। একবার একত্রে বাজবার কতক্ষণ পর আবার সাইরেনগুলো একত্রে বাজবে?

সমাধান: 
নির্ণেয় সময় হবে ১, ৫/৪, ৩/২ এবং ৭/৪ এর ল.সা.গু.

আমরা জানি, 
ভগ্নাংশের ল.সা.গু. লবগুলোর ল.সা.গু./হরগুলোর গ.সা.গু 
= (১, ৫, ৩, ৭ ল.সা.গু.)/(১, ৪, ২, ৪ এর গ.সা.গু.)
= ১০৫/১ 
= ১০৫

অতএব সাইরেন গুলো আবার একত্রে বাজবে ১০৫ মিনিট বা ১ ঘন্টা ৪৫ মিনিট পর।

১১২.
বাংলা স্বরবর্ণগুলো থেকে দৈবভাবে একটি বর্ণ নেওয়া হলে বর্ণটি মাত্রাহীন বর্ণ না হওয়ার সম্ভাবনা কত?
  1. ১১/৫০ 
  2. ২/১১ 
  3. ৭/১১
  4. ৪/১১
সঠিক উত্তর:
৭/১১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭/১১
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: বাংলা স্বরবর্ণগুলো থেকে দৈবভাবে একটি বর্ণ নেওয়া হলে বর্ণটি মাত্রাহীন বর্ণ না হওয়ার সম্ভাবনা কত?

সমাধান: 
বাংলা বর্ণমালায় স্বরবর্ণ ১১টি। 
বাংলা বর্ণমালায় মাত্রাহীন স্বরবর্ণ ৪টি।
বাংলা বর্ণমালায় মাত্রাযুক্ত স্বরবর্ণ ৭টি।

∴ দৈবভাবে একটি বর্ণ নেওয়া হলে, মাত্রাহীন নয় এমন বর্ণ (অর্থাৎ মাত্রাযুক্ত) হওয়ার সম্ভাবনা = ৭/১১

১১৩.
(p2 - q2) (x2 - y2) + 4pqxy এর উৎপাদক কত?
  1. (px + qy + py - qx) (px + qy - py + qx)  
  2. (px + qy + py + qx) (px - qy - py + qx)  
  3. (px - qy + py - qx) (px + qy - py - qx) 
  4. (px - qy - py + qx) (px - qy + py - qx) 
সঠিক উত্তর:
(px + qy + py - qx) (px + qy - py + qx)  
উত্তর
সঠিক উত্তর:
(px + qy + py - qx) (px + qy - py + qx)  
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: (p2 - q2) (x2 - y2) + 4pqxy এর উৎপাদক কত? 

সমাধান:
(p2 - q2) (x2 - y2) + 4pqxy
= p2x2 - p2y2 - q2x2 + q2y2 + 2pqxy + 2pqxy 
= (p2x2 + 2pqxy + q2y2) - (p2y2 - 2pqxy + q2x2
= (px + qy)2 - (py - qx)2 
= (px + qy + py - qx) (px + qy - py + qx)

১১৪.
log65 + log6(3z + 1) = log6(z + 2) + 1 হলে , z-1 এর মান কত?
  1. 7/9
  2. 9/7
  3. 1/9
  4. 1
সঠিক উত্তর:
9/7
উত্তর
সঠিক উত্তর:
9/7
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: log65 + log6(3z + 1) = log6(z + 2) + 1 হলে , z-1 এর মান কত?

সমাধান:
log65 + log6(3z + 1) = log6(z + 2) + 1
⇒ log65 + log6(3z + 1) = log6(z + 2) + log66
⇒ log6{5(3z + 1)} = log6{6(z + 2)}
⇒ log6(15z + 5) = log6(6z + 12)
⇒ 15z + 5 = 6z + 12
⇒ 9z = 7
⇒ z = 7/9
∴ z-1 = 9/7

১১৫.
α = 2 + √3 এবং β = 2 - √3 মূলবিশিষ্ট সমীকরণ নিচের কোনটি?
  1.  p2 - 3p - 2 = 0
  2. p2 - 5p + 3 = 0
  3.  p2 + 4p + 2 = 0
  4. p2 - 4p + 1 = 0
সঠিক উত্তর:
p2 - 4p + 1 = 0
উত্তর
সঠিক উত্তর:
p2 - 4p + 1 = 0
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: α = 2 + √3 এবং β = 2 - √3 মূলবিশিষ্ট সমীকরণ নিচের কোনটি?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
মূলদ্বয়, α = 2 + √3 এবং
β = 2 - √3

মূলদ্বয়ের যোগফল,
α +  β = 2 + √3 + 2 - √3
∴ α +  β = 4

মূলদ্বয়ের গুণফল,
αβ = (2 + √3) . (2 - √3)
= (2)2 - (√3)2
= 4 - 3
∴ αβ = 1

∴ নির্ণেয় সমীকরণ p2 - (α +  β) p + αβ = 0
⇒ p2 - 4p + 1 = 0

∴ নির্ণেয় সমীকরণ, p2 - 4p + 1 = 0

১১৬.
(8,9) কেন্দ্রবিশিষ্ট বৃত্ত y-অক্ষকে স্পর্শ করলে, বৃত্তটির ব্যাস কত একক?
  1. 8 একক
  2. 24 একক
  3. 16 একক
  4. 12 একক
সঠিক উত্তর:
16 একক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
16 একক
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: (8,9) কেন্দ্রবিশিষ্ট বৃত্ত y-অক্ষকে স্পর্শ করলে, বৃত্তটির ব্যাস কত একক?

সমাধান:
কেন্দ্র (8, 9) বিশিষ্ট একটি বৃত্ত যদি y-অক্ষকে স্পর্শ করে (অর্থাৎ x = 0), তাহলে কেন্দ্র থেকে y-অক্ষ পর্যন্ত অনুভূমিক দূরত্বই বৃত্তের ব্যাসার্ধ।

কেন্দ্রের x-সমন্বয় = 8 ⇒ দূরত্ব = |8| = 8 একক।

তাহলে ব্যাসার্ধ = 8 একক ⇒ ব্যাস = 2 × 8 = 16 একক.
বৃত্তটির ব্যাস = 16 একক। 

১১৭.
0.1 + 0.01 + 0.001 +................ ধারাটির অসীম পদ পর্যন্ত যোগফল:
  1. 1/13
  2. 1/3
  3. 1/11
  4. 1/9
সঠিক উত্তর:
1/9
উত্তর
সঠিক উত্তর:
1/9
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: 0.1 + 0.01 + 0.001 +................ ধারাটির অসীম পদ পর্যন্ত যোগফল:

সমাধান:

এখানে,
a = 0.1
r = 0.01/0.1 = 0.1 [0.1 <  1]

আমরা জানি,
অসীম পদের সমষ্টি S = a/(1 - r)
= ০.1/(1 - 0.1) 
= 1/9

 

১১৮.
হানিফের বয়স আরাফের বয়সের 1/2 অংশ। জিদনি আরাফের চেয়ে 3 বছরের বড়। তাদের বয়সের সমষ্টি অনূর্ধ্ব 25 বছর হলে, জিদনির বয়স অসমতার মাধ্যমে প্রকাশ করুন।
  1. জিদনির বয়স ≤ 11.8 বছর
  2. জিদনির বয়স ≤ 15.5 বছর
  3. জিদনির বয়স ≤ 25 বছর
  4. জিদনির বয়স ≤ 12.8 বছর
সঠিক উত্তর:
জিদনির বয়স ≤ 11.8 বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জিদনির বয়স ≤ 11.8 বছর
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: হানিফের বয়স আরাফের বয়সের 1/2 অংশ। জিদনি আরাফের চেয়ে 3 বছরের বড়। তাদের বয়সের সমষ্টি অনূর্ধ্ব 25 বছর হলে, জিদনির বয়স অসমতার মাধ্যমে প্রকাশ করুন।

সমাধান:
ধরি, আরাফের বয়স y বছর 
হানিফের বয়স y/2 বছর 
জিদনির বয়স y + 3 বছর

প্রশ্নমতে, 
y + (y/2) + (y + 3) ≤ 25
⇒ 2y + (y/2) + 3 ≤ 25 
⇒ (4y + y + 6)/2 ≤ 25
⇒ 5y + 6 ≤ 25 × 2 
⇒ 5y ≤ 50 - 6
⇒ y ≤ 44/5
⇒ y ≤ 8.8
⇒ y + 3 ≤ 8.8 + 3 
∴ y + 3 ≤ 11.8

অতএব, জিদনির বয়স ≤ 11.8 বছর

১১৯.
f(y2015 + 1) = y4030 + y2015 + 1 হলে, f(1) = ?
  1. 2
  2. 0
  3. - 1
  4. 1
সঠিক উত্তর:
1
উত্তর
সঠিক উত্তর:
1
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: f(y2015 + 1) = y4030 + y2015 + 1 হলে, f(1) = ?

সমাধান:
মনে করি, 
y2015 + 1 = p
⇒ y2015 = p - 1

এখন, 
f(p) = (p - 1)2 + (p - 1) + 1 [যেহেতু, y2015 = p - 1, y4030 = (p - 1)2]
⇒ f(p) = p2 -2.p.1 + 12 + p - 1 + 1
⇒ f(p) = p2 - p + 1

∴ f(1) = 12 - 1 + 1 
= 1

১২০.
একটি বইয়ের পৃষ্ঠা সংখ্যা ১০০০ এবং প্রতি পাতার পুরুত্ব ০.২ মি.মি.। বইটির দৈর্ঘ্য ২০ সে.মি. ও প্রস্থ ৯ সে.মি. হলে বইটির আয়তন কত?
  1. ১৮৫০ ঘন সে.মি.
  2. ৯০০ ঘন সে.মি.
  3. ১৮০০ ঘন সে.মি.
  4. ১০৫০ ঘন সে.মি.
সঠিক উত্তর:
১৮০০ ঘন সে.মি.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮০০ ঘন সে.মি.
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি বইয়ের পৃষ্ঠা সংখ্যা ১০০০ এবং প্রতি পাতার পুরুত্ব ০.২ মি.মি.। বইটির দৈর্ঘ্য ২০ সে.মি. ও প্রস্থ ৯ সে.মি. হলে বইটির আয়তন কত?

সমাধান:
আমরা জানি,
বইয়ের ২ পৃষ্ঠা = ১ পাতা
বইয়ের ১০০০ পৃষ্ঠা = ৫০০ পাতা

৫০০ পাতার পুরুত্ব = (৫০০ × ০.২) মি.মি. = ১০০ মি.মি. = ১০ সে.মি.

আমরা জানি, 
বইটির আয়তন = (২০ × ৯ × ১০) ঘন সে.মি.
= ১৮০০ ঘন সে.মি.

১২১.
বাদুরতলা থেকে কান্দিরপাড় যেতে ৩ টি পৃথক পথ আছে এবং কান্দিরপাড় থেকে কোটবাড়ি যেতে ৭ টি পৃথক পথ আছে। মিজান কত প্রকারে বাদুরতলা থেকে কান্দিরপাড় হয়ে কোটবাড়ি যেতে পারবে?
  1. ২৮টি উপায়
  2. ১৮টি উপায়
  3. ২১টি উপায়
  4. ৯টি উপায়
সঠিক উত্তর:
২১টি উপায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২১টি উপায়
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: বাদুরতলা থেকে কান্দিরপাড় যেতে ৩ টি পৃথক পথ আছে এবং কান্দিরপাড় থেকে কোটবাড়ি যেতে ৭ টি পৃথক পথ আছে। মিজান কত প্রকারে বাদুরতলা থেকে কান্দিরপাড় হয়ে কোটবাড়ি যেতে পারবে?

সমাধান: 
মিজান বাদুরতলা থেকে কান্দিরপাড় হয়ে কোটবাড়ি যেতে পারবে = ৩ × ৭ উপায়ে
= ২১ উপায়ে

সুতরাং ২১টি উপায়ে মিজান কোটবাড়ি যেতে পারবে।

১২২.
i + i2 + i3 + i4 + ...................... + i25 = ?
  1. 2i
  2. 1
  3. - i
  4. i
সঠিক উত্তর:
i
উত্তর
সঠিক উত্তর:
i
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: i + i2 + i3 + i4 + ...................... + i25 = ?

সমাধান: 

i এর ক্রমিক চারটি ঘাতের যোগফল শুন্য।
i = √ - 1
i2 = - 1
i3 = - i
i4 = 1
i5 = i

তাই i24 পর্যন্ত যোগফল শুন্য। 

∴ i25
= i24 + 1
= (i4)6 . i1
= (1)6 . i
= i

১২৩.
0, 3, 8, 15, 24, 35, 48 ........ অনুক্রমটির পরবর্তী সংখ্যা কোনটি?
  1. 59
  2. 63
  3. 75
  4. 84
সঠিক উত্তর:
63
উত্তর
সঠিক উত্তর:
63
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: 0, 3, 8, 15, 24, 35, 48 ........ অনুক্রমটির পরবর্তী সংখ্যা কোনটি?

সমাধান:
প্রথম ও দ্বিতীয় সংখ্যার পার্থক্য = 3
দ্বিতীয় ও তৃতীয় সংখ্যার পার্থক্য = 5
তৃতীয় ও চতুর্থ সংখ্যার পার্থক্য = 8
সংখ্যাগুলোর পার্থক্য ক্রমিক বিজোড় সংখ্যা অনুযায়ী বৃদ্ধি পেয়েছে।
এখানে,
3 - 0 = 3
8 - 3 = 5
15 - 8 = 7
24 - 15 = 9
35 - 24 = 11
48 - 35 = 13

অতএব,
অনুক্রমটির পরবর্তী সংখ্যা হবে = 48 + 15 = 63

∴ অনুক্রমটির পরবর্তী সংখ্যা = 63

১২৪.
রহমান ঘুরতে বের হয়ে পশ্চিম দিকে 8 কিমি যায়, এরপর উত্তর দিকে 7 কিমি যায়। সেখান থেকে পূর্বদিকে 8 কিমি গিয়ে অতঃপর উত্তর দিকে 8 কিমি যায়। যাত্রা শুরুর স্থান থেকে তার বর্তমান অবস্থানের দূরত্ব কত?
  1. 12 কিমি
  2. 15 কিমি
  3. 17 কিমি
  4. 21 কিমি
সঠিক উত্তর:
15 কিমি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
15 কিমি
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: রহমান ঘুরতে বের হয়ে পশ্চিম দিকে 8 কিমি যায়, এরপর উত্তর দিকে 7 কিমি যায়। সেখান থেকে পূর্বদিকে 8 কিমি গিয়ে অতঃপর উত্তর দিকে 8 কিমি যায়। যাত্রা শুরুর স্থান থেকে তার বর্তমান অবস্থানের দূরত্ব কত?

সমাধান:

মনে করি,
রহমান B বিন্দু থেকে 8 কিমি পশ্চিমে C বিন্দুতে যায়।
C বিন্দু থেকে 7 কিমি উত্তরে D বিন্দুতে যায়।
D বিন্দু থেকে 8 কিমি পূর্বে E বিন্দুতে যায়।
E বিন্দু থেকে 7 কিমি উত্তরে A বিন্দুতে যায়।

BC = DE = 8
CD = EB = 7
AB = AE + EB = 8 + 7 = 15


যাত্রা শুরুর স্থান থেকে বর্তমান অবস্থানের দূরত্ব AB = 15 কিমি

১২৫.
Liability : Immunity, then ? : ?
  1. Real estate : Property
  2. Debit : Credit
  3. Fidelity : Honesty
  4. Pardon : Amnesty
সঠিক উত্তর:
Debit : Credit
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Debit : Credit
ব্যাখ্যা

সম্পর্ক: Liability ও Immunity পরস্পর বিপরীত সম্পর্ক প্রকাশ করে। 
Liability
(noun) - দায়; দায়িত্ব; বাধ্যবাধকতা। 
Immunity (noun) - (কর, শুল্ক ইত্যাদি থেকে) রেহাই; মাফ। 

অপশনসমূহের মধ্যে শুধুমাত্র Debit এর বিপরীত হচ্ছে Credit
Debit শব্দের বাংলা অর্থ খরচ। Credit শব্দের বাংলা অর্থ জমা। 

বাকি অপশনসমূহ সমার্থক শব্দ। 

১২৬.
হোয়াংহো নদীর সাথে কুয়েনলুন পর্বতের যেমন সম্পর্ক সাঙ্গু নদীর সাথে নিম্নের কোনটির তেমন সম্পর্ক?
  1. আরাকান পর্বত
  2. মেঘালয় পর্বত
  3. লুসাই পাহাড়
  4. কৈলাস শৃঙ্গ
সঠিক উত্তর:
আরাকান পর্বত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আরাকান পর্বত
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: হোয়াংহো নদীর সাথে কুয়েনলুন পর্বতের যেরূপ সম্পর্ক সাঙ্গু নদীর সাথে নিম্নের কোনটির সেরূপ সম্পর্ক?

সমাধান:
হোয়াংহো নদীর উৎপত্তি কুয়েনলুন পর্বত থেকে, সাঙ্গু নদীর উৎপত্তি আরাকান পবর্ত হতে।

কয়েকটি নদীর উৎপত্তিস্থল:
- কর্ণফুলি: কর্ণফুলি নদী চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রাম এলাকার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নদী যা ভারতের মিজোরাম রাজ্যের লুসাই পাহাড় থেকে উৎপত্তি হয়েছে।
- পদ্মা: বাংলাদেশের প্রধান নদী পদ্মা। এ নদী গঙ্গা নামে মধ্য হিমালয়ের গঙ্গোত্রী হিমবাহ থেকে উৎপন্ন হয়েছে।
- মহানন্দা: হিমালয়ের পাদদেশে দার্জিলিং এর নিকটবর্তী মহালড্রীম পর্বত হতে মহানন্দা নদীর উৎপত্তি হয়েছে।

১২৭.
প্রশ্নবোধক চিহ্নিত স্থানে কী বসবে?
    সঠিক উত্তর:
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: প্রশ্নবোধক চিহ্নিত স্থানে কী বসবে?


    সমাধান:
    এখানে, ইংরেজি বর্ণমালার অবস্থান বুঝানো হয়েছে।

    সঠিক উত্তর 

    ১২৮.
    কোন রেলপথে মোট ২৫টি স্টেশন আছে। প্রত্যেক স্টেশন থেকে যাত্রীরা অন্য যে-কোনো স্টেশনে যাওয়ার টিকেট কিনতে পারে। স্টেশনগুলোকে সব মিলিয়ে মোট কত ধরনের টিকেট রাখতে হবে?
    1. ৭০০টি
    2. ৪০০টি
    3. ৫০০টি
    4. ৬০০টি
    সঠিক উত্তর:
    ৬০০টি
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ৬০০টি
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: কোন রেলপথে মোট ২৫টি স্টেশন আছে। প্রত্যেক স্টেশন থেকে যাত্রীরা অন্য যে-কোনো স্টেশনে যাওয়ার টিকেট কিনতে পারে। স্টেশনগুলোকে সব মিলিয়ে মোট কত ধরনের টিকেট রাখতে হবে?

    সমাধান:
    যেহেতু, প্রত্যেক স্টেশন থেকে যাত্রীরা অন্য যে-কোনো স্টেশনে যাওয়ার টিকেট কিনতে পারে,
    তাই প্রত্যেক যাত্রী টিকেট কিনতে পারবে = (২৫ - ১) = ২৪টি  [নিজ স্টেশনের টিকেট কিনার প্রয়োজন নেই তাই মোট স্টেশন থেকে ১ বিয়োগ করা হয়েছে]

    ∴ মোট টিকেট রাখতে হবে = (২৫ × ২৪)টি
    = ৬০০টি

    ১২৯.
    যদি ট × G = ৭৭ হয় তবে জ × E = নিচের কোনটি?
    1. ৪২
    2. ৩৬
    3. ৬৬
    4. ৪০
    সঠিক উত্তর:
    ৪০
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ৪০
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: যদি ট × G = ৭৭ হয় তবে জ × E = নিচের কোনটি?

    সমাধান:
    বাংলা ব্যাঞ্জন বর্ণ ট এর অবস্থানগত মান = ১১
    ইংরেজি বর্ণমালা G এর অবস্থানগত মান = ৭
     ট × G  = ১১ × ৭ = ৭৭

    একইভাবে,
    জ × E = ৮ × ৫ = ৪০

    ১৩০.
    দুপুর ২টায় ঘড়ির ঘণ্টা ও মিনিটের কাঁটার মধ্যে উৎপন্ন কোণের মান কত ডিগ্রি?
    1. ৬০°
    2. ৯০°
    3. ৪৫°
    4. ৪০°
    সঠিক উত্তর:
    ৬০°
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ৬০°
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: দুপুর ২টায় ঘড়ির ঘণ্টা ও মিনিটের কাঁটার মধ্যে উৎপন্ন কোণের মান কত ডিগ্রি?

    সমাধান:
    আমরা জানি,
    মধ্যবর্তী কোণ = |(১১M – ৬০H/২|°
    = |{(১১ × ০) - (৬০ × ২)}/২|°
    = |- ১২০/২|°
    = |- ৬০°|
    = ৬০°

    ১৩১.
    ৮ জন কর্মী ৮টি চেয়ার ৮ ঘণ্টায় তৈরি করতে পারে। ২০ জন কর্মী ২০টি চেয়ার তৈরি করতে কত সময় লাগবে?
    1. ১২ ঘণ্টায়
    2. ২০ ঘণ্টায়
    3. ৮ ঘণ্টায়
    4. ১০ ঘণ্টায়
    সঠিক উত্তর:
    ৮ ঘণ্টায়
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ৮ ঘণ্টায়
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: ৮ জন কর্মী ৮টি চেয়ার ৮ ঘণ্টায় তৈরি করতে পারে। ২০ জন কর্মী ২০টি চেয়ার তৈরি করতে কত সময় লাগবে?

    সমাধান:
    ৮ জন কর্মী ৮টি চেয়ার তৈরি করতে পারে ৮ ঘণ্টায়
    ∴ ১ জন কর্মী ১টি চেয়ার তৈরি করতে পারে = (৮ × ৮)/৮ ঘণ্টায়
    ∴ ২০ জন কর্মী ২০টি চেয়ার তৈরি করতে পারে = (৮ × ৮ × ২০)/(৮ × ২০) ঘণ্টায়
    = ৮ ঘণ্টায়

    ১৩২.
    যদি TIGER = VKIGT হয় তাহলে PANDA = ?
    1. RCPCF
    2. RCFPC
    3. RCPFC
    4. RFCPC
    সঠিক উত্তর:
    RCPFC
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    RCPFC
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: যদি TIGER = VKIGT হয় তাহলে PANDA = ?

    সমাধান:
    যদি TIGER = VKIGT হয় তাহলে PANDA = RCPFC

    TIGER শব্দটির বর্ণগুলোর অবস্থান থেকে ২ ধাপ সামনে অগ্রসর হয়ে পাই,
    T(20) + 2 → V (22)
    I(9) + 2 → K (11)
    G (7) + 2 → I (9)
    E(5) + 2 → G (7)
    R (18) + 2 → T (20)
    ∴ TIGER = RGECP

    অনুরূপভাবে,
    PANDA শব্দটির বর্ণগুলোর অবস্থান থেকে ২ ধাপ সামনে অগ্রসর হয়ে পাই,
    P (16) + 2 → R(18)
    A (1) + 2 → C (3)
    N (14) + 2 → P (16)
    D (4) + 2 → F (6)
    A (1) + 2 → C (3)

    ∴ PANDA = RCPFC

    ১৩৩.
    ক্লাউডবার্স্ট বলতে কী বোঝায়?
    1. অতি অল্প সময়ে অতি অল্প বৃষ্টিপাত
    2. অতি অল্প সময়ে অতি বেশি বৃষ্টিপাত
    3. দীর্ঘ সময় ধরে স্বাভাবিক বৃষ্টিপাত
    4. দীর্ঘ সময় ধরে অতি বেশি বৃষ্টিপাত
    সঠিক উত্তর:
    অতি অল্প সময়ে অতি বেশি বৃষ্টিপাত
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    অতি অল্প সময়ে অতি বেশি বৃষ্টিপাত
    ব্যাখ্যা

    মেঘ বিস্ফোরণ (Cloudburst):
    - ক্লাউডবার্স্ট হল অল্প সময়ের মধ্যে কোনো নির্দিষ্ট স্বল্প জায়গায় শিলাবৃষ্টি এবং বজ্রপাত সহ অতি বৃষ্টিপাত।

    ​⇒ এর ফলে আকস্মিক বন্যা এবং ভূমিধ্বস হতে পারে।
    - সাধারণত যখন ১০ বর্গকিলোমিটার (৩.৮৬ বর্গ মাইল) অঞ্চলে এক ঘন্টার মধ্যে ১০ সেন্টিমিটার (৩.৯৪ ইঞ্চি) এর বেশি পরিমাণ বৃষ্টিপাত হয়, তাকে ক্লাউড বিস্ফোরণ বা ক্লাউডবার্স্ট বলে থাকে।
    - এটি হিমালয়ান অঞ্চল এবং পার্বত্য এলাকায় বেশি ঘটে থাকে।
    - সাধারণত ক্লাউডবার্স্ট বর্ষা ঋতুতে হয়ে থাকে।
    - তবে বিশেষজ্ঞদের অনেকের মতে জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে এর পরিমাণ দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে।

    ⇒ মেঘ বিস্ফোরণের বৈশিষ্ট্য:
    - মেঘ বিস্ফোরণ আকস্মিকভাবে ঘটে এবং খুব কম সময়ের মধ্যে একটি নির্দিষ্ট অঞ্চলে প্রচুর পরিমাণে বৃষ্টিপাত ঘটায়।
    - এটি সাধারণত খুব ছোট এলাকা জুড়ে ঘটে।
    - মেঘ বিস্ফোরণের পরিধি কয়েক বর্গ কিলোমিটারের বেশি হয় না।
    - মেঘ বিস্ফোরণের ফলে স্বল্প সময়ের মধ্যে প্রচুর পরিমাণে বৃষ্টি হয়।
    - কখনও কখনও এটি এতটাই প্রবল হয় যে তাৎক্ষণিকভাবে স্থানীয় নদী এবং জলাশয়গুলো পানিতে ভরে যায়, যা বন্যার সৃষ্টি করে।

    উৎস: i) Britannica.
    ii) প্রথম আলো।

    ১৩৪.
    কোনটি নদীর প্রাথমিক অবস্থা?
    1. ঊর্ধ্বগতি
    2. নিম্নগতি
    3. মধ্যগতি
    4. সমগতি
    সঠিক উত্তর:
    ঊর্ধ্বগতি
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ঊর্ধ্বগতি
    ব্যাখ্যা

    নদীর বিভিন্ন গতি বা অবস্থা (Life cycle of a river):
    - উৎস থেকে মোহনা পর্যন্ত নদীর গতিপথের আয়তন, গভীরতা, ঢাল, স্রোতের বেগ প্রভৃতির উপর ভিত্তি করে নদীর গতিপথকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
    (ক) ঊর্ধ্বগতি (Youthful Stage/Upper Course)
    (খ) মধ্যগতি (Mature Stage/Middle Course)
    (গ) নিম্নগতি (Old Stage/Lower Course)

    ⇒ ঊর্ধ্বগতি:
    ​- ঊর্ধ্বগতি হলো নদীর প্রাথমিক অবস্থা। পর্বতের যে স্থান থেকে নদীর উৎপত্তি হয়েছে সেখান থেকে সমভূমিতে পৌঁছানো পর্যন্ত অংশকে নদীর ঊর্ধ্বগতি বলে। ঊর্ধ্বগতিতে নদীর প্রধান কাজ হলো ক্ষয়সাধন। ঊর্ধ্বগতি অবস্থায় নদী স্থলভাগকে ক্ষয় করে এবং তা পরিবহন করে। এ অবস্থায় নদীর প্রধান কাজ ক্ষয় করা হলেও অনেক সময় নদীর ঢাল কমে গেলে হঠাৎ অধিক পরিমাণে পাথরের টুকরা এলে নদী তখন তা বহন করতে না পেরে হালকা সঞ্চয় করে।

    ​উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, ৯ম-১০ম শ্রেণি।

    ১৩৫.
    নায়াগ্রা জলপ্রপাত কোন দুটি অঞ্চলের মধ্যে অবস্থিত?
    1. নিউইয়র্ক এবং ওন্টারিও
    2. নিউইয়র্ক এবং কুইবেক
    3. পেনসিলভানিয়া এবং ওন্টারিও
    4. পেনসিলভানিয়া এবং কুইবেক
    সঠিক উত্তর:
    নিউইয়র্ক এবং ওন্টারিও
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    নিউইয়র্ক এবং ওন্টারিও
    ব্যাখ্যা

    নায়াগ্রা জলপ্রপাত:
    - নায়াগ্রা জলপ্রপাত উত্তর আমেরিকা মহাদেশে অবস্থিত।
    - এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক এবং কানাডার ওন্টারিওর সীমান্তে অবস্থিত।
    - নায়াগ্রা নদী এই জলপ্রপাতটির মাধ্যমে আটলান্টিক মহাসাগরে প্রবাহিত হয়।

    ⇒ এটি পৃথিবীর অন্যতম বিখ্যাত জলপ্রপাত।
    - নায়াগ্রা জলপ্রপাতের উচ্চতা প্রায় ৫১ মিটার (১৬৭ ফুট) এবং এটি প্রতি মিনিটে প্রায় ২,৮০০ ঘনমিটার পানি পতিত হয়।
    - এটি মূলত তিনটি জলপ্রপাতের সমষ্টি। সবচেয়ে বড় জলপ্রপাতটির নাম হলো হর্সশু ফলস বা কানাডা ফলস। এর পরের ফলসটির নাম আমেরিকান ফলস। অন্যটির নাম ব্রাইডল ভেইল ফলস।
    - নায়াগ্রা জলপ্রপাতের তিন ভাগের এক ভাগ আমেরিকায়। বাকি দুই ভাগ কানাডায়।

    উৎস: Britannica.

    ১৩৬.
    দিনাজপুর জেলার অধিকাংশ স্থান কোন সমভূমির অন্তর্গত?
    1. ব-দ্বীপ সমভূমি
    2. প্লাবন সমভূমি
    3. পাদদেশীয় পলল সমভূমি
    4. কোনটিই নয়
    সঠিক উত্তর:
    পাদদেশীয় পলল সমভূমি
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    পাদদেশীয় পলল সমভূমি
    ব্যাখ্যা

    দিনাজপুর জেলার অধিকাংশ স্থান পাদদেশীয় পলল সমভূমির অন্তর্গত।

    পাদদেশীয় পলল সমভূমি (Peidmont Alluvial Plain): 
    ​- অনেক সময় পাহাড়িয়া নদী পাদদেশে পলি সঞ্চয় করতে করতে একটা সময় পাহাড়ের পাদদেশে নতুন বিশাল সমভূমি গড়ে তোলে। 
    ​- এ ধরনের সমভূমিকে পাদদেশীয় পলল সমভূমি বলে। 
    ​- বাংলাদেশের তিস্তা, আত্রাই, করতোয়া সংলগ্ন রংপুর ও দিনাজপুর জেলার অধিকাংশ স্থানই পলল সমভূমি নামে পরিচিত। 
    ​- এসব নদী উত্তরের হিমালয় থেকে উৎপন্ন হয়ে সহজেই পাহাড় থেকে পলল বহন করে এ অঞ্চলে সঞ্চয় করে পাদদেশীয় পললভূমি গঠন করেছে।

    ​উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, ৯ম-১০ম শ্রেণি।

    ১৩৭.
    ইতালির ভিসুভিয়াস কী ধরনের পর্বত?
    1. ভঙ্গিল পর্বত
    2. চ্যুতি-স্তূপ পর্বত
    3. আগ্নেয় পর্বত
    4. ল্যাকোলিথ পর্বত
    সঠিক উত্তর:
    আগ্নেয় পর্বত
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    আগ্নেয় পর্বত
    ব্যাখ্যা

    ভিসুভিয়াস পর্বত:
    - ভিসুভিয়াস পর্বত (Mount Vesuvius) ইতালিতে অবস্থিত।
    - এটি একটি আগ্নেয় পর্বত।
    - ভিসুভিয়াস পর্বত বিশ্বের সবচেয়ে বিপজ্জনক আগ্নেয়গিরিগুলির মধ্যে একটি হিসেবে পরিচিত।
    - ৭৯ খ্রিষ্টাব্দে ভিসুভিয়াস পর্বতের ভয়াবহ অগ্ন্যুৎপাতের ফলে পম্পেই ও হারকুলেনিয়াম শহর দুটি ধ্বংস হয়ে যায়।
    - এই অগ্ন্যুৎপাতের কারণে আগ্নেয়গিরির বিস্ফোরণ থেকে নির্গত লাভা, ছাই এবং গ্যাস দ্রুতভাবে শহরগুলোকে আচ্ছন্ন করে ফেলে, যা এতে বসবাসরত মানুষের জন্য মৃত্যুর কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

    ​⇒ ​আগ্নেয় পর্বত:
    - ভূ-অভ্যন্তরস্থ ক্রিয়াকলাপের জন্য ম্যাগমা লাভা হিসাবে উদগিরিত হয়ে চারদিকে সঞ্চিত হয়। পরবর্তীতে জমে ঠান্ডা হয়ে যে শিলাস্তূপের সৃষ্টি করে তাকে আগ্নেয় পর্বত বলে।
    - আগ্নেয় পর্বতের উৎপত্তি কোনো কোনো ক্ষেত্রে ভূ-আলোড়নের জন্য ভূ-ত্বকের দুর্বল অংশের ফাটলের মধ্য দিয়ে ভূ-গর্ভস্থ উত্তপ্ত লাভা, নানা প্রকার গ্যাস ও বাষ্প, ছাই, ধাতু ইত্যাদি প্রবল বেগে বেরিয়ে আসে। এই উত্তপ্ত লাভা ফাটলের চতুর্দিকে সঞ্চিত হতে হতে উঁচু পর্বতের সৃষ্টি করে।
    - যেমন- জাপানের ফুজিয়ামা, হাওয়াই দ্বীপের মওনালোয়া, ইতালির ভিসুভিয়াস, আফ্রিকার কিলিমানজারো ইত্যাদি।

    ​অন্যদিকে,
    - চ্যুতি-স্তূপ পর্বত: ভারতের বিন্ধ্যা ও সাতপুরা পর্বত, জার্মানির ব্ল‍্যাক ফরেস্ট, পাকিস্তানের লবণ পর্বত।
    - ল্যাকোলিথ পর্বত: যুক্তরাষ্ট্রের হেনরী পর্বত।
    - ভঙ্গিল পর্বত (Folded Mountain): এশিয়ার হিমালয়, দক্ষিণ আমেরিকার আন্দিজ, উত্তর আমেরিকার রকি এবং ইউরোপের আল্পস পর্বতমালা।

    উৎস: i) ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
    ii) ভূগোল ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

    ১৩৮.
    রাশিয়ার মূল ভূখণ্ড ও ক্রিমিয়াকে পৃথক করেছে কোন প্রণালি?
    1. সিসিলি প্রণালি
    2. ফ্লোরিডা প্রণালি
    3. ডেভিস প্রণালি
    4. কার্চ প্রণালি
    সঠিক উত্তর:
    কার্চ প্রণালি
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    কার্চ প্রণালি
    ব্যাখ্যা

    কার্চ প্রণালি:
    - কৃষ্ণসাগর ও অ্যাজভ সাগর কার্চ প্রণালি দ্বারা পরস্পরের সাথে যুক্ত।
    - কার্চ প্রণালি রাশিয়ার মূল ভূখণ্ড থেকে রাশিয়া অধিকৃত ক্রিমিয়া উপদ্বীপকে পৃথক করেছে।
    - অ্যাজভ সাগরের তীরে ইউক্রেনের মারিয়াপোল ও রাশিয়ার রোস্টভ সমুদ্রবন্দর অবস্থিত।
    - ইউক্রেনের আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের ক্ষেত্রে কার্চ প্রণালির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।

    অন্যদিকে,
    - ফ্লোরিডা প্রণালী মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে কিউবা থেকে পৃথক করেছে।
    - সিসিলি প্রণালীটি সিসিলি দ্বীপকে ইতালি থেকে পৃথক করেছে।
    - কানাডা ও গ্রিনল্যান্ডকে পৃথক করেছে ডেভিস প্রণালী।

    উৎস: Britannica.

    ১৩৯.
    নিম্নের কোনটি মূল্যবোধ গঠনের মাধ্যম নয়?
    1. পরিবার
    2. সভা
    3. শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান
    4. সমাজ
    সঠিক উত্তর:
    সভা
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    সভা
    ব্যাখ্যা

    সভা মূল্যবোধ গঠনের মাধ্যম নয়।

    ​মূল্যবোধ:
    - মূল্যবোধ হলো মানুষের আচরণ পরিচালনাকারী নীতি ও মানদণ্ড।
    - মূল্যবোধ হলো মানুষের ভিতরের নৈতিক গুণাবলী। 
    ​- মানুষের আচরণ তার নৈতিক গুণাবলি বা মূল্যবোধ দ্বারা পরিচালিত হয়। 
    ​- মানুষ পরিবার, বিদ্যালয় ও সমাজ থেকে মূল্যবোধের শিক্ষা পায়। 
    ​- মানুষের নৈতিক জীবন ও নৈতিকতার মূল ভিত্তি হল পরিবার থেকে গড়ে ওঠা মূল্যবোধ। 
    ​- জীবনের অধিকাংশ ক্ষেত্রে মানুষ যে নৈতিক মূল্যবোধ লালন ও অনুসরণ করে তার উৎস হলো পরিবার।

    উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।