পরীক্ষা আর্কাইভ

৪০ দিনে ৪৭তম বিসিএস প্রস্তুতি - Archived

পরীক্ষা৪০ দিনে ৪৭তম বিসিএস প্রস্তুতি - Archivedতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়35 minutes
মোট প্রশ্ন২৮
সিলেবাস
পার্ট-১) ১) বাংলাদেশের অর্থনীতি : উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রেক্ষিত ও পঞ্চবার্ষিকী, জাতীয় আয়-ব্যয়, রাজস্ব নীতি ও বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি, দারিদ্র্য বিমোচন ইত্যাদি। ২) বাংলাদেশের জনসংখ্যা, আদমশুমারি। (অর্থনৈতিক সমীক্ষা, বাজেট, পরিসংখ্যান গ্রন্থ পড়তে হবে) পার্ট-২) সমাস, পরিভাষা, সমার্থক ও বিপরীতার্থক শব্দ [পার্ট-১ সোর্সঃ যেকোনো গাইড বই, বোর্ড বই, অর্থনৈতিক সমীক্ষা, বাজেট, পরিসংখ্যান গ্রন্থ। পার্ট-২ সোর্সঃ যেকোনো গাইড বই, যেকোনো একাডেমিক ব্যক্তির বই এবং বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণী।]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

৪০ দিনে ৪৭তম বিসিএস প্রস্তুতি - Archived

৪০ দিনে ৪৭তম বিসিএস প্রস্তুতি - Archived · তারিখ অনির্ধারিত · ২৮ প্রশ্ন

.
সমাস গঠিত শব্দ কোনটি?
  1. ক) কেষ্টা
  2. খ) নিশ্বাস
  3. গ) মিঠাই
  4. ঘ) বিপদাপন্ন
ব্যাখ্যা
বিপদকে আপন্ন = বিপদাপন্ন হলো দ্বিতীয় তৎপুরুষ সমাস। অন্যদিকে নিঃ + শ্বাস = নিঃশ্বাস শব্দটি বিসর্গ সন্ধিগঠিত। কেষ্ট + আ = কেষ্টা এবং মিঠা + আই = মিঠাই হলো বাংলা তদ্ধিত প্রত্যয়যোগে গঠিত শব্দ।
(সূত্রঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ : নবম-দশম শ্রেণী)
.
সমাহার বা মিলন অর্থে সংখ্যাবাচক শব্দের সাথে বিশেষ্য পদের যে সমাস হয়, তাকে কী বলে?
  1. ক) দিগু
  2. খ) দ্বন্দ্ব
  3. গ) বহুব্রীহি
  4. ঘ) অব্যয়ীভাব
ব্যাখ্যা
সমাহার বা মিলন অর্থে সংখ্যাবাচক শব্দের সাথে বিশেষ্য পদের সমাসকে দিগু সমাস বলে। দিগু সমাসে সমাহার বা সমষ্টি বোঝায়।
যেমনঃ তিন কালের সমাহার = ত্রিকাল, শত অব্দের সমাহার = শতাব্দী, পঞ্চ বটের সমাহার = পঞ্চবটী, পাঁচ সেরের সমাহার = পসুরি। এরূপ- চৌরাস্তা, ত্রিপদী, তেমাথা, অষ্টধাতু, চতুর্ভুজ, চতুরঙ্গ, ত্রিমোহনী ইত্যাদি।
(সূত্রঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ : নবম-দশম শ্রেণী)
.
নিচের কোনটি তৎপুরুষ সমাস নয়?
  1. ক) পণ্ডিতমূর্খ
  2. খ) অনাচার
  3. গ) মৃগশিশু
  4. ঘ) গাছপাকা
ব্যাখ্যা
পণ্ডিত হয়েও যে মূর্খ = পণ্ডিতমুর্খ হলো নিপাতনে সিদ্ধ বহুব্রীহি সমাস। গাছে পাকা = গাছপাকা হলো সপ্তমী তৎপুরুষ সমাস। ন আচার = অনাচার হলো নঞ্ তৎপুরুষ সমাস। মৃগীর শিশু = মৃগশিশু ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাস।
পূর্বপদে বিভক্তি লোপ পেয়ে যে সমাস হয় এবং যেখানে পরপদের অর্থই প্রধানরূপে প্রতীয়মান হয় তাকে তৎপুরুষ সমাস বলে। যেমনঃ বিপদকে আপন্ন = বিপদাপন্ন।
(সূত্রঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ : নবম-দশম শ্রেণী)
.
কোনটি 'নদী' শব্দের সমার্থক শব্দ নয়?
  1. ক) তটিনী
  2. খ) সিন্ধু
  3. গ) নির্ঝরিণী
  4. ঘ) সরিৎ
ব্যাখ্যা
নদী শব্দের সমার্থক শব্দ হলো তটিনী, নির্ঝরিণী, সরিৎ, শৈবলিনী, স্রোতস্বতী, স্রোতস্বিনী ইত্যাদি। অন্যদিকে সিন্ধু অর্থ সাগর, পারাপার, সমুদ্র ইত্যাদি।
(সূত্রঃ প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি : একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী : ড. হায়াৎ মামুদ এবং ড. মোহাম্মদ আমীন)
.
সঠিক সমার্থক শব্দজোড় নয় কোনটি?
  1. ক) উত্তর - উদীচী
  2. খ) কামনা – বাসনা
  3. গ) গৃহ – আবাস
  4. ঘ) আত্মজা – অর্ধাঙ্গী
ব্যাখ্যা
আত্মজা অর্থ কন্যা, মেয়ে, দুহিতা, তনয়া ইত্যাদি। অন্যদিকে অর্ধাঙ্গী অর্থ স্ত্রী, পত্নী, বউ, সহধর্মিনী ইত্যাদি।
গৃহ অর্থ আবাস, ঘর, ভবন, সদন, নিলয়, আলয় ইত্যাদি। কামনা অর্থ ইচ্ছা, বাসনা, সাধ, স্পৃহা, বাঞ্ছা, অভিপ্রায় ইত্যাদি। উত্তর অর্থ উদীচী, প্রতিবাক্য, জবাব, সাড়া ইত্যাদি।
(সূত্রঃ প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি : একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী : ড. হায়াৎ মামুদ এবং ড. মোহাম্মদ আমীন)
.
'বিদ্যুৎ' শব্দের সমার্থক শব্দ কোনটি?
  1. ক) শম্পা
  2. খ) দম্ভোলি
  3. গ) বহ্নি
  4. ঘ) ফণী
ব্যাখ্যা
বিদ্যুৎ শব্দের সমার্থক শব্দ হলো শম্পা, তড়িৎ, চপলা, চঞ্চলা, ক্ষণপ্রভা, সৌদামিনী, দামিনী ইত্যাদি।
অন্যদিকে দম্ভোলি অর্থ বজ্র বা বাজ। বহ্নি অর্থ আগুন। ফণী অর্থ সাপ।
(সূত্রঃ প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি : একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী : ড. হায়াৎ মামুদ এবং ড. মোহাম্মদ আমীন)
.
'অবনত' শব্দের যথার্থ বিপরীত শব্দ কোনটি?
  1. ক) উন্নত
  2. খ) বিরত
  3. গ) নিরত
  4. ঘ) উদ্যত
ব্যাখ্যা
অবনত শব্দের বিপরীত শব্দ হলো উন্নত। উদ্যত এবং নিরত হলো বিরত শব্দের বিপরীত শব্দ।
(সূত্রঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ : নবম-দশম শ্রেণী এবং প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি : একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী : ড. হায়াৎ মামুদ এবং ড. মোহাম্মদ আমীন)
.
সঠিক বিপরীত শব্দজোড় নয় কোনটি?
  1. ক) সরস – নীরস
  2. খ) আদি - অন্ত
  3. গ) খুঁত - নিখুঁত
  4. ঘ) উপচয় – সঞ্চয়
ব্যাখ্যা
উপচয় ও সঞ্চয় সমার্থক শব্দ। এদের বিপরীত শব্দ হলো অপচয়। অন্যদিকে সরস – নীরস, আদি – অন্ত এবং খুঁত – নিখুঁত পরস্পর যথার্থ বিপরীত শব্দ।
(সূত্রঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ : নবম-দশম শ্রেণী এবং প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি : একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী : ড. হায়াৎ মামুদ এবং ড. মোহাম্মদ আমীন)
.
নিচের কোনটি সঠিক বিপরীত শব্দজোড়?
  1. ক) গৃহী – সন্ন্যাসী
  2. খ) আবাহন – বরণ
  3. গ) লম্বা - ঢ্যাঙ্গা
  4. ঘ) কুশ্রী – বিশ্রী
ব্যাখ্যা
উল্লিখিত অপশন সমূহের মধ্যে যথার্থ বিপরীত শব্দ হলো গৃহী – সন্ন্যাসী। অন্যদিকে আবাহন-বরণ, লম্বা-ঢ্যাঙ্গা এবং কুশ্রী-বিশ্রী হলো পরস্পর সমার্থক শব্দ যাদের যথার্থ বিপরীত শব্দ হলো যথাক্রমে বিসর্জন, বামন এবং শ্রী।
(সূত্রঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ : নবম-দশম শ্রেণী এবং প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি : একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী : ড. হায়াৎ মামুদ এবং ড. মোহাম্মদ আমীন)
১০.
সরল শব্দের যথার্থ বিপরীত শব্দ কোনটি?
  1. ক) গরল
  2. খ) বক্র
  3. গ) সোজা
  4. ঘ) ঋজু
ব্যাখ্যা
সরল শব্দের যথার্থ বিপরীত শব্দ হলো বক্র/কুটিল/জটিল। সোজা ও ঋজু হলো সরল শব্দের সমার্থক শব্দ। গরল শব্দের বিপরীত শব্দ অমৃত বা সুধা।
(সূত্রঃ প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি : একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী : ড. হায়াৎ মামুদ এবং ড. মোহাম্মদ আমীন)
১১.
সঠিক বিপরীত শব্দজোড় নয় কোনটি?
  1. ক) সুশীল - দুঃশীল
  2. খ) ব্যক্ত - প্রকাশিত
  3. গ) অধমর্ণ - উত্তমর্ণ
  4. ঘ) খাতক - মহাজন
ব্যাখ্যা
ব্যক্ত অর্থ প্রকাশিত। এর বিপরীত শব্দ হলো গূঢ়। অন্যদিকে সুশীল – দুঃশীল, অধমর্ণ – উত্তমর্ণ এবং খাতক – মহাজন পরস্পর বিপরীত শব্দ।
(সূত্রঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ : নবম-দশম শ্রেণী এবং প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি : একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী : ড. হায়াৎ মামুদ এবং ড. মোহাম্মদ আমীন)
১২.
Apartheid শব্দের বাংলা পরিভাষা হলো-
  1. ক) স্বজনপ্রীতি
  2. খ) দুর্ভিক্ষ
  3. গ) বর্ণবৈষম্য
  4. ঘ) দারিদ্র্য
ব্যাখ্যা
Apartheid শব্দের বাংলা পরিভাষা হলো বর্ণবৈষম্য বা বর্ণবাদ নীতি। অন্যদিকে Poverty, Famine এবং Nepotism এর বাংলা পরিভাষা হলো যথাক্রমে দারিদ্র্য, দুর্ভিক্ষ এবং স্বজনপ্রীতি।
(সূত্রঃ প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি : একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী : ড. হায়াৎ মামুদ এবং ড. মোহাম্মদ আমীন এবং বাংলা একাডেমি ডিকশনারি)
১৩.
Excise duty এর যথার্থ বাংলা পরিভাষা কোনটি?
  1. ক) বিক্রয় কর
  2. খ) সম্পূরক শুল্ক
  3. গ) আবগারি শুল্ক
  4. ঘ) মূসক
ব্যাখ্যা
Excise duty এর যথাযথ বাংলা পরিভাষা হলো আবগারি শুল্ক। দেশের অভ্যন্তরে উৎপাদিত ও ব্যবহৃত দ্রব্য বা পণ্যের উপর আরোপিত করকে আবগারি শুল্ক বলা হয়।
অন্যদিকে Value Added Tax (VAT) এবং Supplementary Tax অর্থ যথাক্রমে মূসক এবং সম্পূরক শুল্ক।
(সূত্রঃ প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি : একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী : ড. হায়াৎ মামুদ এবং ড. মোহাম্মদ আমীন এবং বাংলা একাডেমি ডিকশনারি)
১৪.
ওয়ার্ল্ড পপুলেশন রিভিউ-২০২০ অনুসারে জনসংখ্যায় বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান কততম?
  1. ক) ৬ষ্ঠ
  2. খ) ৭ম
  3. গ) ৮ম
  4. ঘ) ৯ম
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিল কর্তৃক প্রকাশিত ওয়ার্ল্ড পপুলেশন রিভিউ-২০২০ অনুসারে জনসংখ্যায় বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান ৮ম। এশিয়ায় পঞ্চম, মুসলিম বিশ্বে ৪র্থ এবং দক্ষিণ এশিয়ায় তৃতীয়। বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যা ১৬.৪৭ কোটি।
(সূত্র: লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার : আগস্ট)
১৫.
বাংলাদেশ ভূখণ্ডের জনগোষ্ঠী বাঙালি হিসেবে পরিচিতি পেতে শুরু করে-
  1. ক) অষ্টম শতক থেকে
  2. খ) নবম শতক থেকে
  3. গ) এয়োদশ শতক থেকে
  4. ঘ) চতুর্দশ শতক থেকে
ব্যাখ্যা
চতুর্দশ শতকে ১৩৫২ সালে সোনারগাঁও দখলের মাধ্যমে শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ সমগ্র বাংলা জয় করেন এবং দুই বাংলাকে একত্রিত করে বৃহত্তর বাংলা গড়েন। তার সময় থেকেই বাংলাভাষী জনগণ বাঙালি হিসেবে পরিচিতি পায়।
তার আগে অস্ট্রিক, দ্রাবিড় প্রভৃতি অনার্য জনগোষ্ঠীর সাথে আর্য জনগোষ্ঠীর সংমিশ্রণে বাঙালি জাতি গড়ে উঠে।
(সূত্রঃ বাংলাপিডিয়া এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
১৬.
সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সম্প্রদায়ের সংস্কৃতি সম্পর্কে বলা হয়েছে?
  1. ক) ২ক
  2. খ) ১৭ক
  3. গ) ১৮ক
  4. ঘ) ২৩ক
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধানের ২৩ক অনুচ্ছেদে ‘উপজাতি, ক্ষুদ্র জাতিসত্তা, নৃ-গোষ্ঠী ও সম্প্রদায়ের সংস্কৃতি’ সম্পর্কে বলা হয়েছে। এই অনুচ্ছেদটি ২০১১ সালে সংবিধানের ১৫তম সংশোধনী দ্বারা গৃহিত হয়।
এতে বলা হয়েছে, “রাষ্ট্র বিভিন্ন উপজাতি, ক্ষুদ্র জাতিসত্তা, নৃ-গোষ্ঠী ও সম্প্রদায়ের অন্যান্য বৈশিষ্ট্যপূর্ণ আঞ্চলিক সংস্কৃতি এবং ঐতিহ্য সংরক্ষণ, উন্নয়ন, ও বিকাশের ব্যবস্থা গ্রহণ করিবেন।”
(সূত্রঃ বাংলাদেশের সংবিধান)
১৭.
ককবোরক কোন নৃগোষ্ঠীর ভাষা?
  1. ক) চাকমা
  2. খ) ত্রিপুরা
  3. গ) গারো
  4. ঘ) সাঁওতাল
ব্যাখ্যা
ককবোরক ত্রিপুরা সম্প্রদায়ের ভাষা। এর অর্থ মানুষের ভাষা। এই ভাষার নিজস্ব বর্ণমালা নেই। বাংলা ও রোমান হরফে লেখা হয়।
আচিক খুসিক গারো উপজাতিদের ভাষা। চাকমা এবং সাওতালরা যথাক্রমে চাকমা, ও সাওতালি ভাষায় কথা বলে।
(সূত্রঃ ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ভাষা ও সংস্কৃতি : সপ্তম শ্রেণী এবং বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় : অষ্টম শ্রেণী)
১৮.
বিবিএস এর সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী বাংলাদেশে প্রতি হাজারে স্থূল জন্মহার কত?
  1. ক) ১৫.৯
  2. খ) ১৮.৩
  3. গ) ১৮.১
  4. ঘ) ২০.০
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর সর্বশেষ SVRS Report-2019 অনুসারে বাংলাদেশে প্রতি হাজারে স্থূল জন্মহার ১৮.১। এর মধ্যে শহর অঞ্চলে স্থূল জন্মহার ১৫.৯ এবং গ্রামাঞ্চলে স্থূল জন্মহার ২০.০। বাংলাদেশে প্রতি হাজারে স্থূল মৃত্যুহার ৪.৯।
(সূত্রঃ বিবিএস SVRS Report-2019, বিবিএস ওয়েবসাইট)
১৯.
চিম্বুক পাহাড়ের পাদদেশে কোন জনগোষ্ঠী বসবাস করে?
  1. ক) মারমা
  2. খ) তঞ্চঙ্গা
  3. গ) লুসাই
  4. ঘ) চাকমা
ব্যাখ্যা
বান্দরবান জেলার রুমা উপজেলায় অবস্থিত চিম্বুক পাহাড়কে বাংলার দার্জিলিং বলা হয়। এই পাহাড়ের পাদদেশে মারমা সম্প্রদায় বসবাস করে।
মারমা সম্প্রদায় বান্দরবান জেলার বোমাং সার্কেলের অন্তর্গত। বান্দরবানের সর্বত্রই মারমাদের বসতি লক্ষ্য করা যায়। বান্দরবান জেলায় প্রায় ৭৫ হাজারের অধিক মারমা জনগোষ্ঠী বসবাস করে। এছাড়া রাঙামাটি ও খাগড়াছড়ি জেলাতেও এদের বসতি রয়েছে। জনসংখ্যায় মারমা সম্প্রদায় পার্বত্য চট্টগ্রামের দ্বিতীয় বৃহত্তম উপজাতি। এরা আরাকান থেকে এদেশে এসেছে।
(সূত্র: পার্বত্য বান্দরবান জেলা পরিষদ ও বান্দরবান জেলা ওয়েবসাইট এবং দৈনিক যুগান্তর)
২০.
আদমশুমারি পরিচালনার দায়িত্বে নিয়োজিত প্রতিষ্ঠান কোনটি?
  1. ক) নিপোর্ট
  2. খ) বিবিএস
  3. গ) ব্যানবেইস
  4. ঘ) পিকেএসএফ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো বা বিবিএস আদমশুমারি পরিচালনার দায়িত্বে নিয়োজিত। এটি পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি প্রতিষ্ঠান।
দেশ স্বাধীনের পর প্রথমে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীন আদমশুমারি কমিশন আদমশুমারির দায়িত্বে নিয়োজিত ছিলো। ১৯৭৪ সালে বঙ্গবন্ধু সরকার আদমশুমারি কমিশনসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়াধীন ৪টি পরিসংখ্যান অফিসকে একীভূত করে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো গঠন করে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো ঢাকার আগারগাঁও এ অবস্থিত। এছাড়া বিভাগীয় শহরগুলোতে এটির শাখা রয়েছে।
(সূত্র: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো)
২১.
সদ্যসমাপ্ত ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে গড় মূল্যস্ফিতি ছিলো কত শতাংশ?
  1. ক) ৫.৪০ শতাংশ
  2. খ) ৫.৪৮ শতাংশ
  3. গ) ৫.৬৫ শতাংশ
  4. ঘ) ৬.০২ শতাংশ
ব্যাখ্যা
সদ্যসমাপ্ত ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে বাংলাদেশের গড় মূল্যস্ফিতি ছিলো ৫.৬৫ শতাংশ। এর আগের ২০১৮-২০১৯ অর্থবছরে গড় মূল্যস্ফিতি ছিলো ৫.৪৮ শতাংশ। চলতি ২০২০-২০২১ অর্থবছরে অনুমিত গড় মূল্যস্ফিতি ৫.৪ শতাংশ।
(সূত্র: বাংলা ট্রিবিউন)
২২.
২০২০-২০২১ অর্থবছরের বাজেটে সর্বোচ্চ বরাদ্দপ্রাপ্ত খাত কোনটি?
  1. ক) শিক্ষা ও প্রযুক্তি
  2. খ) জনপ্রশাসন
  3. গ) স্বাস্থ্য
  4. ঘ) কৃষি
ব্যাখ্যা
২০২০-২০২১ অর্থবছরের বাজেটে সর্বোচ্চ বরাদ্দ প্রাপ্ত খাত হলো জনপ্রশাসন খাত। এই খাতে বরাদ্দের পরিমাণ মোট বাজেটের শতকরা ১৯.৯ শতাংশ। শিক্ষা ও প্রযুক্তি খাতে বরাদ্দ ১৫.১ শতাংশ। স্বাস্থ্যখাতে ৫.১ শতাংশ। কৃষিখাতে ৫.৩ শতাংশ।
(সূত্র: লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার : জুলাই)
২৩.
২০১৯-২০২০ অর্থবছরে স্থিরমূল্যে জিডিপিতে সেবাখাতের অবদান কত শতাংশ?
  1. ক) ৫০.৪ শতাংশ
  2. খ) ৫১.৩ শতাংশ
  3. গ) ৫৪.৫ শতাংশ
  4. ঘ) ৫৬.১ শতাংশ
ব্যাখ্যা
বিবিএসের সাময়িক হিসাবে ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে স্থিরমূল্যে জিডিপিতে সেবাখাতের অবদান ৫১.৩০ শতাংশ। অন্যদিকে জিডিপিতে শিল্প ও কৃষিখাতের অবদান যথাক্রমে ৩৫.৩৬ শতাংশ এবং ১৩.৩৫ শতাংশ।
(সূত্র: বিবিএস ওয়েবসাইট)
২৪.
বিবিএসের সাময়িক হিসাবে বাংলাদেশের মাথাপিছু GDP কত মার্কিন ডলার?
  1. ক) ১৯০৯ ডলার
  2. খ) ১৮২৮ ডলার
  3. গ) ১৯৭০ ডলার
  4. ঘ) ২০৬৪ ডলার
ব্যাখ্যা
বিবিএসের সাময়িক হিসাবে ২০১৯-২০২০ অর্থবছর শেষে বাংলাদেশের মাথাপিছু GDP ১৯৭০ মার্কিন ডলার। মাথাপিছু জাতীয় আয় ২০৬৪ মার্কিন ডলার।
২০১৮-১৯ অর্থবছরে মাথাপিছু জাতীয় আয় এবং জিডিপি ছিলো যথাক্রমে ১৯০৯ ও ১৮২৮ মার্কিন ডলার।
(সূত্র: বিবিএস)
২৫.
বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরাম হলো-
  1. ক) একটি এনজিও
  2. খ) দাতাদের ফোরাম
  3. গ) সরকারি নীতি নির্ধারণী ফোরাম
  4. ঘ) জলবায়ু সহায়তা ট্রাস্ট
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরাম (বিডিএফ) হলো বাংলাদেশের উন্নয়ন সহযোগী বা দাতাদের একটি ফোরাম। এটি ১৯৭৪ সালে বাংলাদেশ এইড গ্রুপ নামে গঠিত হয়। বর্তমানে বিডিএফের এর বৈঠক নিয়মিতভাবে ঢাকায় অনুষ্ঠিত হচ্ছে। বিশ্বব্যাংক এই ফোরামের সমন্বয়কের দায়িত্ব পালন করে।
(সূত্রঃ ইআরডি ওয়েবসাইট)
২৬.
পরিকল্পনা কমিশন প্রণীত সবচেয়ে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা কোনটি?
  1. ক) প্রথম প্রেক্ষিত পরিকল্পনা
  2. খ) বদ্বীপ পরিকল্পনা
  3. গ) দারিদ্র্য বিমোচন কৌশলপত্র
  4. ঘ) দ্বিতীয় প্রেক্ষিত পরিকল্পনা
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সবচেয়ে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা হলো ১০০ বছর মেয়াদী বদ্বীপ পরিকল্পনা বা ডেল্টা প্ল্যান-২১০০। ২০১৮ সালের ৪ সেপ্টেম্বর জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের সভায় এটির অনুমোদন দেওয়া হয়।
এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রীকে চেয়ারম্যান করে ১২ সদস্যের ডেল্টা গভর্ন্যান্স কাউন্সিল গঠন করা হয়েছে। বদ্বীপ পরিকল্পনা প্রণয়নে নেদারল্যান্ডস সহায়তা করে।
(সূত্রঃ পরিকল্পনা কমিশন ওয়েবসাইট এবং দৈনিক যুগান্তর)
২৭.
বর্তমানে দেশে বয়স্কভাতা গ্রহণকারীর সংখ্যা কত?
  1. ক) ২০ লক্ষ
  2. খ) ৩৪ লক্ষ
  3. গ) ৪৪ লক্ষ
  4. ঘ) ৪৯ লক্ষ
ব্যাখ্যা
সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির অংশ হিসেবে সমাজসেবা অধিদফতরের অধীনে ১৯৯৭-৯৮ সালে দেশে প্রথম বয়স্কভাতা প্রদান কর্মসূচি চালু হয়। শুরুতে এর সংখ্যা ছিলো ৪.০৩ লক্ষ জন এবং ভাতার পরিমাণ ছিলো মাসিক ১০০ টাকা।
চলতি ২০২০-২০২১ অর্থবছরে এসে বয়স্কভাতা গ্রহণকারীর সংখ্যা দাড়িয়েছে ৪৯ লক্ষ এবং মাসিক ভাতার পরিমাণ ৫০০ টাকা।
(সূত্র: সমাজসেবা অধিদফতর ওয়েবসাইট)
২৮.
কোন দেশের সহায়তায় কর্ণফুলী নদীর তলদেশে দেশের প্রথম সুরঙ্গপথ নির্মিত হচ্ছে?
  1. ক) জাপান
  2. খ) দক্ষিণ কোরিয়া
  3. গ) ভারত
  4. ঘ) চীন
ব্যাখ্যা
চীনের আর্থিক ও কারিগরি সহায়তায় চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদীর তলদেশ দিয়ে দেশের প্রথম সুরঙ্গপথ বঙ্গবন্ধু টানেল নির্মিত হচ্ছে। ৩,৪০০ মিটার দীর্ঘ টানেলটি নির্মাণে মোট ব্যয় প্রায় দশ হাজার চারশ কোটি টাকা। এর মধ্যে চীনা বিনিয়োগের পরিমাণ প্রায় সাড়ে ছয় হাজার কোটি টাকা।
চায়না কমিউনিকেন্স কনস্ট্রাকশন কোম্পানি এটি নির্মাণ করছে। ২০২২ সালে ডিসেম্বরে এটি যান চলাচলের জন্যে উন্মুক্ত করে দেওয়ার লক্ষ্য স্থির করা হয়েছে।
(সূত্র: প্রথম আলো)