পরীক্ষা আর্কাইভ

বিসিএস জব সল্যুশন - রিভিশন

পরীক্ষাবিসিএস জব সল্যুশন - রিভিশনতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়50 minutes
মোট প্রশ্ন৯৩
সিলেবাস
৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি: বিসিএস জব সল্যুশন রিভিশন পরীক্ষা - ২ পরীক্ষার টপিক: ৪৮তম বিশেষ বিসিএস (স্বাস্থ্য) প্রিলিমিনারি পরীক্ষা (জেনারেল পার্ট) ৪৭তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষা। ৩৯তম বিশেষ বিসিএস (স্বাস্থ্য) প্রিলিমিনারি পরীক্ষা (জেনারেল পার্ট)। [উপরোক্ত বিসিএসের মূল পরীক্ষার প্রশ্নগুলো Live MCQ আর্কাইভ থেকে উত্তর ও ব্যাখ্যাসহ ভালোভাবে পড়ে নিন। মূল প্রশ্ন মডিফাই করে রিভিশন পরীক্ষার প্রশ্ন প্রণীত হবে।]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বিসিএস জব সল্যুশন - রিভিশন

বিসিএস জব সল্যুশন - রিভিশন · তারিখ অনির্ধারিত · ৯৩ প্রশ্ন

.
'চাঁদের অমাবস্যা' উপন্যাসটির রচয়িতা কে?
  1. আলাউদ্দিন আল আজাদ
  2. সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
  3. আবুল হোসেন
  4. সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজী
সঠিক উত্তর:
সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
ব্যাখ্যা

'চাঁদের অমাবস্যা' উপন্যাস:
- 'চাঁদের অমাবস্যা' উপন্যাসটির রচয়িতা - 'সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ'। এটি একটি মনোসমীক্ষণ মূলক রচনা |
- চাঁদের অমাবস্যা উপন্যাসে আরেফ আলী নামের একজন স্কুল মাস্টারকে অবলম্বন করে মানুষের অন্তর জীবনের জটিলতা উল্লেখ প্রসঙ্গে সামন্ত-সমাজ প্রভাবিত গ্রামীণ জীবনের নানা অসঙ্গতি তুলে ধরেছেন।
- একটি অপরাধমূলক কাজের প্রত্যক্ষদর্শী হিসেবে আরিফের মনোগত ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া এই উপন্যাসের মূল প্রতিপাদ্য বিষয়।

সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ:
- সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ ছিলেন একজন কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার।
- তিন ১৯২২ সালের ১৫ আগস্ট চট্টগ্রামের ষোলশহরে সৈয়দ বাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি ফেনি স্কুলের ছাত্রাবস্থায় ‘ভোরের আলো’ নামে হাতে লেখ পত্রিকার সম্পাদনা করেন।
- তাঁর প্রকাশিত প্রথম গল্প ‘হঠাৎ আলোর ঝলকানি’। এটি ঢাকা কলেজ ম্যাগাজিনে প্রকাশিত হয়।
- ১৯৪৫ থেকে ১৯৪৭ পর্যন্ত কলকাতার ‘দৈনিক স্টেটসম্যান’ পত্রিকার সহকারী সম্পাদক হিসেবে তিনি দায়িত্ব পালন করেন।
- তারঁ রচিত প্রথম উপন্যাস ‘লালসালু’ (১৯৪৮)।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

.
"শ্রীকৃষ্ণকীর্তন" কাব্যে মোট কতটি সংস্কৃত শ্লোক আছে?
  1. ১৬১টি
  2. ১৬৭টি
  3. ১৬৬টি
  4. ১৬৯টি
সঠিক উত্তর:
১৬১টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬১টি
ব্যাখ্যা

"শ্রীকৃষ্ণকীর্তন" কাব্য:
বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের প্রথম কাব্য হিসেবে শ্রীকৃষ্ণকীর্তন স্বীকৃত। ১৯০৯ খ্রিষ্টাব্দে বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্বদ্বল্লভ পশ্চিমবঙ্গের বাঁকুড়া জেলার কাকিল্যা গ্রামের শ্রী দেবেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায়ের বাড়ির গোয়ালঘর থেকে শ্রীকৃষ্ণকীর্তনের পুথি আবিষ্কার করেন।
- ১৯১৬ খ্রিষ্টাব্দে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষৎ থেকে বসন্তরঞ্জন রায়ের সম্পাদনায় পুথিটি 'শ্রীকৃষ্ণকীর্তন' নামে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়।
- পুথির প্রথম দুটি এবং শেষপৃষ্ঠা পাওয়া যায় নি বলে এর নাম ও কবির নাম স্পষ্ট করে জানা যায় নি। কবির ভণিতায় 'চণ্ডীদাস' এবং অধিকাংশ ক্ষেত্রে 'বড়ু চণ্ডীদাস' পাওয়া যাওয়ায় এই গ্রন্থের কবি হিসেবে বড়ু চণ্ডীদাসকে গ্রহণ করা হয়।
- শ্রীকৃষ্ণকীর্তন গীতি-আলেখ্য। রাধাকৃষ্ণের প্রণয়লীলা এর বিষয়বস্তু। এই গ্রন্থের প্রধান তিনটি চরিত্র হচ্ছে- কৃষ্ণ, রাধা, বড়ায়ি।
- কাব্যের চরিত্র-মধ্যে ঘাত-প্রতিঘাত আছে; বাক-বিতণ্ডতা, রাগ-দ্বেষ ইত্যাদি আছে। ফলে কাব্যটি গতিশীল ও নাট্যরসাশ্রিত হয়েছে।
- এতে গীতিরসেরও উপস্থিতি লক্ষণীয়। কাব্যটি শৃঙ্গাররসপ্রধান এবং ঝুমুর গানের লক্ষণাক্রান্ত। এটি পয়ার ও ত্রিপদী ছন্দে রচিত।
- শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যে খণ্ডিতপদসহ মোট পদের সংখ্যা ৪১৮টি। পুঁথিতে সংস্কৃত শ্লোক আছে ১৬১টি।
- পুঁথির পাতার সংখ্যা ২২৬, অতএব পৃষ্ঠা সংখ্যা ৪৫২; এর মধ্যে মাঝের মোট ৪৫ পৃষ্ঠা পাওয়া যায় নি। ৪৫ পৃষ্ঠা বাদ গেলে পুঁথির প্রাপ্ত পৃষ্ঠার সংখ্যা ৪০৭।
- পুঁথির লিপি তিন হাতের লেখা। ৪১৮টি পদের মধ্যে কবির ভণিতা আছে ৪০৯টি।

- শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্য মোট তের খণ্ডে বিভক্ত। শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যেের খণ্ডগুলো হলো-
- জন্মখণ্ড, 
- তাম্বুলখণ্ড,
- দানখণ্ড,
- নৌকাখণ্ড, 
- ভারখণ্ড, 
- ছত্রখণ্ড, 
- বৃন্দাবনখণ্ড,
- কালিয়দমনখণ্ড, 
- যমুনাখণ্ড, 
- হারখণ্ড, 
- বাণখণ্ড,
- বংশীখণ্ড ও 
- রাধাবিরহ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, ড. মাহাবুবুল আলম।

.
'গাজী মিয়াঁর বস্তানী' গ্রন্থটি মীর মশাররফ হোসেনের কোন ধরনের রচনা?
  1. আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ
  2. কাব্যগ্রন্থ
  3. নাটক
  4. উপন্যাস
সঠিক উত্তর:
আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ
ব্যাখ্যা

'গাজী মিয়াঁর বস্তানী':
- 'গাজী মিয়াঁর বস্তানী' মীর মশাররফ হোসেন রচিত আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ।
- লেখক ব্যঙ্গের মাধ্যমে সমাজের অন্যায়, অনাচার, সামাজিক দুর্নীতি এবং সেই সমাজভুক্ত
মানুষগুলাের নৈতিক অধঃপতন, মনুষ্যত্ব ও হৃদয়হীন আচরণ তুলে ধরেছেন এ গ্রন্থে।
- লেখক নিজেকে ‘ভেড়াকান্ত' নামে উল্লেখ করেছেন।
- তাছাড়া আলকাতরা সান্যাল, কটা পেস্কার, জয়ঢাক, ছিড়িয়া খাতুন, অরাজকপুর, নচ্ছারপুর, জমদ্বারগ্রাম ইত্যাদি নামচয়নের মধ্যেও লেখকের ব্যঙ্গের তীব্রতা লক্ষ করা যায়।

মীর মশাররফ হোসেন:
- মীর মশাররফ হোসেন ছিলেন ঔপন্যাসিক, নাট্যকার, প্রাবন্ধিক।
- ১৮৪৭ সালের ১৩ নভেম্বর কুষ্টিয়া জেলার লাহিনীপাড়ায় তাঁর জন্ম।
- মশাররফ হোসেন ছাত্রাবস্থায় সংবাদ প্রভাকর ও কুমারখালির গ্রামবার্তা প্রকাশিকা-র মফঃস্বল সংবাদদাতার দায়িত্ব পালন করেন।
- তিনি আজিজননেহার ও হিতকরী নামে দুটি পত্রিকাও সম্পাদনা করেন।
- মীর মশাররফ ছিলেন বঙ্কিমযুগের অন্যতম প্রধান গদ্যশিল্পী ও উনিশ শতকের বাঙালি মুসলমান সাহিত্যিকদের পথিকৃৎ।

তাঁর রচিত সাহিত্যকর্ম:
• নাটক:
- বসন্তকুমারী,
- জমীদার দর্পণ,
- বেহুলা গীতাভিনয়,
- টালা অভিনয়।

• উপন্যাস:
- বিষাদ-সিন্ধু।

• আত্মজীবনীমূলক রচনা:
- উদাসীন পথিকের মনের কথা,
- গাজী মিয়াঁর বস্তানী,
- আমার জীবনী,
- কুলসুম জীবনী ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

.
"সিন্দাবাদ" কবিতাটি কোন কাব্যের অন্তর্গত?
  1. মুহূর্তের কবিতা
  2. সিরাজাম মুনীরা
  3. সাত সাগরের মাঝি
  4. নতুন লেখা
সঠিক উত্তর:
সাত সাগরের মাঝি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাত সাগরের মাঝি
ব্যাখ্যা

‘সাত সাগরের মাঝি’ কাব্যগ্রন্থ: 
- ফররুখ আহমদ রচিত 'পাঞ্জেরি' কবিতাটি ‘সাত সাগরের মাঝি’ কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত। 
- মুসলিম জাগরণের কবি ফররুখ আহমদ রচিত প্রথম ও শ্রেষ্ঠ কাব্যগ্রন্থ ‘সাত সাগরের মাঝি’ ১৯৪৪ সালে প্রকাশিত হয়।
- ‘সাত সাগরের মাঝি’ কাব্যগ্রন্থে মোট ১৯টি কবিতা আছে।
- সাত সাগরের মাঝি নামে একটি কবিতা আছে গ্রন্থের সর্বশেষে।
- অন্যান্য উল্লেখযোগ্য কবিতা: সিন্দাবাদ, পাঞ্জেরি, লাশ, আউলাদ, দরিয়ার শেষরাত্রি ইত্যাদি।

ফররুখ আহমদ রচিত কাব্যগ্রন্থসমূহ হলো:
- সাত সাগরের মাঝি,
- সিরাজাম মুনীরা,
- নৌফেল ও হাতেম,
- মুহূর্তের কবিতা,
- সিন্দাবাদ,
- হাতেমতায়ী,
- নতুন লেখা,
- হাবেদা মরুরকাহিনী।

উৎস:
১) বাংলাপিডিয়া।
২) বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

.
'উপভোগ' শব্দে 'উপ' উপসর্গটি কী অর্থে ব্যবহৃত হয়?
  1. ক্ষুদ্র
  2. সদৃশ
  3. বিশেষ
  4. সামীপ্য
সঠিক উত্তর:
বিশেষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিশেষ
ব্যাখ্যা

'উপ' উপসর্গের ব্যবহার:
সামীপ্য অর্থে = উপকূল, উপকণ্ঠ।
সদৃশ অর্থে = উপদ্বীপ, উপবন।
ক্ষুদ্র অর্থে = উপগ্রহ, উপসাগর, উপনেতা।
বিশেষ অর্থে = উপনয়ন, উপভোগ

তৎসম উপসর্গ বিশটি।
যথা:
- প্র, পরা, অপ, সম, নি, অনু, অব, নির, দুর, বি, অধি, সু, উৎ, পরি, প্রতি, অতি, অপি, অভি, উপ, আ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।

.
[এ] এবং [ও] উচ্চারণের সময় ঠোঁট কেমন থাকে?
  1. সংবৃত
  2. বিবৃত
  3. অর্ধ-বিবৃত
  4. অর্ধ-সংবৃত
সঠিক উত্তর:
অর্ধ-সংবৃত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অর্ধ-সংবৃত
ব্যাখ্যা

• স্বরধ্বনি উচ্চারণের সময়ে ঠোঁট কতটুকু খোলা বা বন্ধ থাকে অর্থাৎ কী পরিমাণ উন্মুক্ত হয়, তার ভিত্তিতে স্বরধ্বনি চারভাগে বিভক্ত:
- সংবৃত: [ই], [উ];
- অর্ধ-সংবৃত: [এ], [ও];
- অর্ধ-বিবৃত: [অ্যা] [অ];
- বিবৃত: [আ]।
সংবৃত স্বরধ্বনি উচ্চারণের সময়ে ঠোঁট কম খেলে; বিবৃত স্বরধ্বনি উচ্চারণের সময়ে ঠোঁট বেশি খোলে।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২- সংস্করণ)।

.
হুমায়ূন আহমেদ রচিত 'আগুনের পরশমণি' কোন ধরনের উপন্যাস?
  1. রোমাঞ্চকর উপন্যাস
  2. সামাজিক উপন্যাস
  3. মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক উপন্যাস
  4. ঐতিহাসিক উপন্যাস
সঠিক উত্তর:
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক উপন্যাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক উপন্যাস
ব্যাখ্যা

‘আগুনের পরশমণি' উপন্যাস:
- হুমায়ূন আহমেদ রচিত মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক উপন্যাস - আগুনের পরশমণি।
- উপন্যাসে ১৯৭১ সালের জুলাই মাসে অবরুদ্ধ ঢাকা শহরের সামগ্রিক চালচ্চিত্র অংকিত হয়েছে।
- উপন্যাসটি ১৯৮৬ সালে প্রকাশিত হয়েছে।
- এই উপন্যাসে অপরিচিত গেরিলা মুক্তিযোদ্ধা বদিউল আলমকে আশ্রয় দেয় মতিন সাহেব নামে একজন ভদ্রলোক। এভাবেই এই উপন্যাসের কাহিনি শুরু হয়েছে।

হুমায়ূন আহমেদ রচিত মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক উপন্যাস:
- জোছনা ও জননীর গল্প,
- আগুনের পরশমণি,
- শ্যামল ছায়া,
- সৌরভ,
- অনীল বাগচীর একদিন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

.
'আলালের ঘরের দুলাল' উপন্যাসটি কত সালে প্রকাশিত হয়?
  1. ১৯১৬ সালে
  2. ১৮৫৮ সালে
  3. ১৮৯৪ সালে
  4. ১৯০৯ সালে
সঠিক উত্তর:
১৮৫৮ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮৫৮ সালে
ব্যাখ্যা

'আলালের ঘরের দুলাল' উপন্যাস:
- আলালের ঘরের দুলাল বাংলা ভাষায় রচিত প্রথম উপন্যাস।
- প্যারীচাঁদ মিত্রের প্রথম গ্রন্থ 'আলালের ঘরের দুলাল'।
- আলালের ঘরের দুলাল উপন্যাসটি ১৮৫৮ সালে গ্রন্থাকারে প্রকাশ পায়।
- উপন্যাসটিতে দেশীয় বন্ধ্যা শিক্ষা ব্যবস্থা, পাশ্চাত্য সভ্যতার অন্ধ অনুকরণ, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক বিশৃঙ্খলা নিয়ে লেখক তাঁর অভিমত প্রকাশ করেছেন।
- ধনী বাবুরামের পুত্র মতিলাল কুসঙ্গে পড়ে এবং শিক্ষার ব্যাপারে পিতার অবহেলা তাকে অধঃপতনে নিয়ে যায়।
- পিতার মৃত্যুর পর মতিলাল তার বাবার প্রাপ্ত সব সম্পত্তি নষ্ট করে ফেলে।
- উপন্যাসটিতে সর্বাপেক্ষা উল্লেখযোগ্য চরিত্র হলো মোকাজান মিয়া বা ঠকচাচা।
- এছাড়াও চরিত্রে রয়েছে, বাবুরাম, বাবুরামের পুত্র মতিলাল, ধূর্ত উকিল বটলর, অর্থলোভী বাঞ্ছারাম, তোষামোদকারী বক্রেশ্বর ইত্যাদি।

প্যারীচাঁদ মিত্র:
- ১৮১৪ সালের ২২ জুলাই কলকাতায় তাঁর জন্ম।
- তিনি ছিলেন লেখক, সাংবাদিক, সংস্কৃতিসেবী, ব্যবসায়ী।
- তাঁর ছন্দনাম  “টেকচাঁদ ঠাকুর”।
- ১৮২৭ সালে তিনি হিন্দু কলেজে ভর্তি হন এবং খ্যাতিমান শিক্ষক হেনরি ডিরোজিওর তত্ত্বাবধানে থেকে শিক্ষা সম্পন্ন করেন।

উৎস:
১) বাংলাপিডিয়া।
২) বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

.
'বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর'—এখানে 'টাপুর টুপুর' দ্বিরুক্তিটি কোন অর্থ প্রকাশ করছে?
  1. ভাবের গভীরতা
  2. ধ্বনিব্যঞ্জনা
  3. অনুভূতি
  4. পৌনঃপুনিকতা
সঠিক উত্তর:
ধ্বনিব্যঞ্জনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধ্বনিব্যঞ্জনা
ব্যাখ্যা

অব্যয়ের দ্বিরুক্তি:
১. ভাবের গভীরতা বোঝাতে: তার দুঃখ দেখে সবাই হায় হায় করতে লাগল। ছি ছি, তুমি কী করেছ?
২. পৌনঃপুনিকতা বোঝাতে: বার বার সে কামান গর্জে উঠল।
৩. অনুভূতি বা ভাব বোঝাতে: ভয়ে গা ছমছম করছে। ফোঁড়াটা টন টন করছে।
৪. বিশেষণ বোঝাতে: পিলসুজে বাতি জ্বলে মিটি মিটি।
৫. ধ্বনিব্যঞ্জনা: ঝির ঝির করে বাতাস বইছে। বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ) এবং মাধ্যমিক বাংলা ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১০.
'মালিনী' চরিত্রটি কোন মঙ্গলকাব্যের অন্তর্ভুক্ত?
  1. চণ্ডীমঙ্গল
  2. ধর্মমঙ্গল
  3. মনসামঙ্গল
  4. অন্নদামঙ্গল
সঠিক উত্তর:
অন্নদামঙ্গল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অন্নদামঙ্গল
ব্যাখ্যা

‘অন্নদামঙ্গল’ কাব্য:
- নবদ্বীপের রাজা কৃষ্ণচন্দ্ররে আদেশে ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর 'অন্নদামঙ্গল' কাব্যটি রচনা করেন।
- ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর বেশ কিছু গ্রন্থ রচনা করলেও তাঁর শ্রেষ্টসৃষ্টি ‘অন্নদামঙ্গল' (১৭৫২-৫৩ সালে) রচনা করেন।
- ‘অন্নদামঙ্গল’ কাব্যের বৈশিষ্ট্য হলো ছন্দ ও অলঙ্কারের সুদক্ষ প্রয়োগ।
- সমালোচক অধ্যাপক অসিতকুমার বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতে: ‘অন্নদামঙ্গলকাব্য অষ্টদশ শতাব্দীর সর্বশ্রেষ্ঠ কাব্য, সমগ্র বাংলা সাহিত্যের উল্লেখযোগ্য গ্রন্থের অন্যতম।

- অন্নদামঙ্গল কাব্য ৩টি খণ্ডে বিভক্ত।
যথা: শিবনারায়ণ, কালিকামঙ্গল এবং মানসিংহ-ভবানন্দ খণ্ড।

• এই কাব্যের প্রধান চরিত্র:
- মানসিংহ,
- ভবানন্দ,
- বিদ্যাসুন্দর,
- মালিনী,
- ঈশ্বরী পাটনী ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা; বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম এবং বাংলাপিডিয়া।

১১.
'কানাকানি' — শব্দটি কোন ধরনের বহুব্রীহি সমাস?
  1. নঞ্ বহুব্রীহি
  2. মধ্যপদলোপী বহুব্রীহি
  3. ব্যধিকরণ বহুব্রীহি
  4. ব্যতিহার বহুব্রীহি
সঠিক উত্তর:
ব্যতিহার বহুব্রীহি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যতিহার বহুব্রীহি
ব্যাখ্যা

বহুব্রীহি সমাস:
- যে সমাসে পূর্বপদ বা পরপদ কোনােটির অর্থ না বুঝিয়ে অন্য কিছু বােঝায়, তাকে বহুব্রীহি সমাস বলে।
যেমন:
- বউ ভাত পরিবেশন করে যে অনুষ্ঠানে = বউভাত।

ব্যতিহার বহুব্রীহি:
- পারস্পরিক ক্রিয়ায় কোনাে অবস্থা তৈরি হলে ব্যতিহার বহুব্রীহি হয়।
যেমন:
• হাতে হাতে যে যুদ্ধ = হাতাহাতি,
কানে কানে যে কথা = কানাকানি,
• গলায় গলায় যে মিলন = গলাগলি।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

১২.
"যুগবাণী" গ্রন্থটি কোন প্রকার সাহিত্য?
  1. প্রবন্ধগ্রন্থ
  2. গল্পগ্রন্থ
  3. কাব্যগ্রন্থ
  4. নাট্যগ্রন্থ
সঠিক উত্তর:
প্রবন্ধগ্রন্থ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রবন্ধগ্রন্থ
ব্যাখ্যা

"যুগবাণী" প্রবন্ধগ্রন্থ:
- নজরুলের প্রথম যে বইটি নিষিদ্ধ হয় তার নাম "যুগবাণী"। 'নবযুগ' পত্রিকায় লেখা কাজী নজরুল ইসলামের কয়েকটি নিবন্ধনের সংকলন হলো এই 'যুগবাণী' প্রবন্ধ গ্রন্থটি।
- ১৯২২ সালের ২৩ নভেম্বর ফৌজদারি বিধির ৯৯এ ধারানুসারে তৎকালীন বাংলার ব্রিটিশ সরকার বইটি বাজেয়াপ্ত করে (গেজেট নং ১৬৬৬১পি)। সেন্ট্রাল প্রভিন্স ও বর্মা সরকার যুগপৎ গেজেট বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে "যুগবাণী" নিষিদ্ধ ঘোষণা করে।
- তৎকালীন গোয়েন্দা প্রতিবেদনে 'যুগবাণী'কে একটি ভয়ংকর বই হিসেবে চিহ্নিত করে বলা হয়, লেখক বইটির মাধ্যমে উগ্র জাতীয়তাবাদ প্রচার করছেন।'ক্রীতদাস মানসিকতার' ভারতীয় জনগণকে ব্রিটিশ সরকারের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করে শাসনভার দখলের মন্ত্রণা জোগাচ্ছেন।

উৎস:
১) বাংলাপিডিয়া।
২) বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

১৩.
'আবার আসিব ফিরে' বিখ্যাত কবিতাটি কোন কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত?
  1. বনলতা সেন
  2. নক্সী কাঁথার মাঠ
  3. রূপসী বাংলা
  4. ধূসর পাণ্ডুলিপি
সঠিক উত্তর:
রূপসী বাংলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রূপসী বাংলা
ব্যাখ্যা

'রূপসী বাংলা' কাব্যগ্রন্থ:
- জীবনানন্দ দাশ রচিত কাব্যগ্রন্থ 'রূপসী বাংলা'।
- 'রূপসী বাংলা' কাব্যগ্রন্থটি প্রকাশিত হয় ১৯৫৭ সালে।
- কবিতাগুলির গঠন সনেটের। বাংলার গ্রাম-প্রকৃতি, নদীনালা, পশু-পাখি, উৎসব, অনুষ্ঠান কাব্যের বিষয়বস্তু।
- 'আবার আসিব ফিরে' রূপসী বাংলা কাব্যের বিখ্যাত কবিতা।

জীবনানন্দ দাশ রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- ঝরা পালক,
- ধূসর পাণ্ডু লিপি,
- বনলতা সেন,
- মহাপৃথিবী,
- সাতটি তারার তিমির,
- রূপসী বাংলা,
- বেলা অবেলা কালবেলা।

অন্যদিকে,
- জসীম উদ্‌দীন রচিত 'নক্সী কাঁথার মাঠ' একটি বিখ্যাত গাথাকাব্য। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

১৪.
'কবর' কবিতাটি প্রথম কোন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়?
  1. নবযুগ
  2. সওগাত
  3. শিখা
  4. কল্লোল
সঠিক উত্তর:
কল্লোল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কল্লোল
ব্যাখ্যা

'কবর' কবিতা:
- 'কবর' কবিতাটি কবি  জসীম উদ্‌দীনের প্রথম কাব্যগ্রন্থ 'রাখালী' (১৯২৭) এর অন্তর্ভুক্ত।
- কবর কবিতাটি প্রথম প্রকাশিত হয় 'কল্লোল' পত্রিকায়। এটি মাত্রাবৃত্ত ছন্দে রচিত যাতে ১১৮টি পঙ্‌ক্তি আছে।
- কাহিনিধর্মী এই কবিতাটিতে সহজ সরল ভাষায় এক গ্রামীণ বৃদ্ধের জীবনের প্রিয়জন হারানোর বেদনার স্মৃতি বর্ণিত হয়েছে। জীবনের শেষ প্রান্তে বৃদ্ধ যে তাঁর আপনজনদের হারিয়ে ক্ষতবিক্ষত হৃদয়ে মৃত্যুর জন্য অপেক্ষা করছেন, তারই বর্ণনা কবি গভীর সহানুভূতি দিয়ে ফুটিয়ে তুলেছেন।

- 'কবর' কবিতাটি সংক্ষেপে দেয়া হলো-

কবর
-জসীম উদ্‌দীন 
এইখানে তোর দাদির কবর ডালিম-গাছের তলে,
তিরিশ বছর ভিজায়ে রেখেছি দুই নয়নের জলে।
এতটুকু তারে ঘরে এনেছিনু সোনার মতন মুখ,
পুতুলের বিয়ে ভেঙে গেল বলে কেঁদে ভাসাইত বুক।
এখানে ওখানে ঘুরিয়া ফিরিতে ভেবে হইতাম সারা,
সারা বাড়ি ভরি এত সোনা মোর ছড়াইয়া দিল কারা!
সোনালি ঊষার সোনামুখ তার আমার নয়নে ভরি
লাঙল লইয়া খেতে ছুটিতাম গাঁয়ের ও-পথ ধরি।

• 'রাখালী' কাব্যগ্রন্থ:
- জসীম উদ্‌দীন রচিত প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ।এটি প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯২৭ সালে।
- বইটিতে মোট ১৯টি কবিতা আছে। এই কাব্যের প্রথম কবিতা হচ্ছে 'রাখালী'।
- তাঁর বিখ্যাত ‘কবর’ কবিতাটি এই কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা; বাংলাপিডিয়া এবং দ্বাদশ শ্রেণি সাহিত্য পাঠ, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৫.
'পদ্মাবতী' কাব্যের প্রথম পর্বে কার সফল অভিযানের বিবরণ আছে?
  1. আলাউদ্দিন খিলজির
  2. চিতোররাজ রত্নসেনের
  3. মাগন ঠাকুরের
  4. সাদ থদোমিন্ডারের
সঠিক উত্তর:
চিতোররাজ রত্নসেনের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চিতোররাজ রত্নসেনের
ব্যাখ্যা

'পদ্মাবতী' কাব্য:
- পদ্মাবতী কবি আলাওলের প্রথম ও শ্রেষ্ঠ কাব্য। এটি মধ্যযুগীয় বাংলা সাহিত্যের একটি জনপ্রিয় প্রণয়কাব্য।
- কাব্যটি প্রখ্যাত হিন্দি কবি মালিক মুহম্মদ জায়সির 'পদুমাবৎ' কাব্যের অনুবাদ।
- আলাওল ১৬৫১ সালে আরাকান রাজ সাদ থদোমিন্ডারের রাজত্বকালে মন্ত্রী মাগন ঠাকুরের আদেশে 'পদ্মাবতী' কাব্য রচনা করেন।
- কাব্যটিতে দুইটি পর্ব রয়েছে। প্রথম পর্বে সিংহলের রাজকন্যা পদ্মাবতীকে লাভ করার জন্য চিতোররাজ রত্নসেনের সফল অভিযান এবং দ্বিতীয় পর্বে রানি পদ্মাবতীকে লাভ করার জন্য দিল্লির সুলতান আলাউদ্দিন খিলজির ব্যর্থ সামরিক অভিযানের বিবরণ আছে।

উৎস: লাল নীল দীপাবলি, হুমায়ুন আজাদ, বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম এবং বাংলাপিডিয়া।

১৬.
'গড্ডলিকা প্রবাহ' বাগ্‌ধারার অর্থ - 
  1. দৃঢ় সংকল্প
  2. তৎক্ষণাৎ
  3. অন্ধ অনুকরণ
  4. পলায়ন করা
সঠিক উত্তর:
অন্ধ অনুকরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অন্ধ অনুকরণ
ব্যাখ্যা

• 'গড্ডলিকা প্রবাহ' বাগ্‌ধারার অর্থ - অন্ধ অনুকরণ

অন্যদিকে,
কোমর বাঁধা - দৃঢ় সংকল্প।
গরম গরম - তৎক্ষণাৎ।
গা ঢাকা দেওয়া - পলায়ন করা।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ৯ম-১০ম শ্রেণি, ২০২৫ সালের সংস্করণ।

১৭.
'সূর্য' শব্দের সমার্থক শব্দ - 
  1. সোম
  2. দিনমণি
  3. মৃগাঙ্ক
  4. সৌদামিনী
সঠিক উত্তর:
দিনমণি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দিনমণি
ব্যাখ্যা

'সূর্য' শব্দের সমার্থক শব্দ:
- রবি, তপন, ভানু, ভাস্কর, আদিত্য, সবিতা, প্রভাকর, দিবাকর, বিভাবসু, দিনমণি, মার্তণ্ড, অংশুমালী, অরুণ।

অন্যদিকে,
'চাঁদ' শব্দের সমার্থক শব্দ:
- চন্দ্র, শশী, শশধর, শশাঙ্ক, বিধু, সোম, নিশাকর, সুধাংশু, সুধাকর, ইন্দু, সিতাংশু, হিমাংশু, মৃগাঙ্ক

'বিদ্যুৎ' শব্দের সমার্থক শব্দ:
- তড়িৎ, বিজলি, বিজুরি, অশনি, ক্ষণপ্রভা, সৌদামিনী, দামিনী, চপলা।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।

১৮.
কোনটি বিশেষ্য পদ নয়?
  1. একতা
  2. সৎ
  3. জনতা
  4. দর্শন
সঠিক উত্তর:
সৎ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সৎ
ব্যাখ্যা

• বিশেষ্য পদ নয় - সৎ
- এটি বিশেষণ পদ।
অর্থ: নৈতিকভাবে ভালো, সত্যবাদী।
- এটি একটি বিশেষণ, কারণ এটি বিশেষ্যের গুণ বা অবস্থা বোঝায়।
উদাহরণ: সৎ মানুষ (মানুষ বিশেষ্যকে সৎ বিশেষিত করছে)।

অন্যদিকে,
একতা:
অর্থ: ঐক্য বা মিলন।
- এটি গুণবাচক বিশেষ্য।

দর্শন:
অর্থ: দৃষ্টি, দর্শনশাস্ত্র, বা দেখা।
- এটি ভাববাচক বিশেষ্য।

জনতা:
অর্থ: জনসাধারণ বা মানুষের সমষ্টি। 
- এটি সমষ্টিবাচক বিশেষ্য।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ) এবং বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।

১৯.
'Shooting an Elephant' written by George Orwell was an- 
  1. Argumentative essay
  2. Autobiographical novel
  3. Historical fiction
  4. Autobiographical essay
সঠিক উত্তর:
Autobiographical essay
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Autobiographical essay
ব্যাখ্যা

Correct answer: Autobiographical essay.

• Shooting an Elephant:
- এই essay টি রচনা করেন English writer George Orwell.
- এটি একটি autobiographical ও political essay.

• George Orwell বার্মায় পুলিশ অফিসার থাকাকালে একটি হাতিকে গুলি করার অভিজ্ঞতা বর্ণনা করেছেন। হাতিটি বাজারে হাঙ্গামা করলেও পরে শান্ত হয়ে যায়। কিন্তু স্থানীয় মানুষের চাপ ও প্রত্যাশার কারণে তিনি অনিচ্ছা সত্ত্বেও হাতিটিকে গুলি করেন। হাতিটির ধীর ও বেদনাদায়ক মৃত্যু তাকে গভীর অনুশোচনায় ফেলে। এ ঘটনায় বোঝা যায়, উপনিবেশবাদ শুধু শোষিতদের নয়, শোষককেও নিজের স্বাধীনতা ও নৈতিকতা থেকে বঞ্চিত করে।

• George Orwell
- তার আসল নাম হলো Eric Arthur Blair.
- তিনি ব্রিটিশ ভারতের বেঙ্গল প্রদেশের মতিহারি -তে জন্মগ্রহণ করেন এবং মাত্র ৪৬ বছর বয়সে ইংল্যান্ডের লন্ডনে মৃত্যুবরণ করেন।
- তিনি একাধারে English novelist, essayist, and critic.
- Animal Farm এবং Nineteen Eighty-Four George Orwell দুটি বিখ্যাত উপন্যাস।
- এই দুটি উপন্যাসই  বিশ্ব সাহিত্যে অমর হয়ে আছে এবং সামাজিক ও রাজনৈতিক ধারণার প্রতি গভীর সমালোচনা প্রদর্শন করেছে।

• Famous Works:
• Novels:
- Animal Farm,
- Nineteen Eighty-Four / '1984',
- Burmese Days,
- Coming up for Air.

• Story/Essay:
- Shooting an Elephant,
- A Hanging.

Source: Britannica.

২০.
What is the meaning of the word "reminiscence"?
  1. to mourn silently
  2. to talk about past experience
  3. to destroy completely
  4. to question repeatedly
সঠিক উত্তর:
to talk about past experience
উত্তর
সঠিক উত্তর:
to talk about past experience
ব্যাখ্যা

Correct answer: to talk about past experience.

Reminiscence (noun)
- English meaning: to talk or write about past experiences that you remember with pleasure.
- Bangla meaning: স্মৃতিচারণ; অনুস্মরণ।

Example sentence:
1. The elderly couple shared a tender reminiscence about their first date.
2. His reminiscences of the war were both painful and enlightening.

Source:
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Cambridge Dictionary.

২১.
Which of the following is in plural form? 
  1. Memorandum
  2. Stimulus
  3. Genera
  4. Oasis
সঠিক উত্তর:
Genera
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Genera
ব্যাখ্যা

Correct answer: Genera.

Genera (plural)
- English meaning: one of the units into which a whole is divided on the basis of a common characteristic.
- Bangla meaning: গণসমূহ, মহাজাতিসমূহ বা বর্গসমূহ।
- Singular form: Genus.

• Other options,
ক) Memorandum: (singular)
- স্মারক। 
- Plural form: Memoranda, memorandums.

খ) Stimulus: (singular)
- কর্মপ্রেরণাদায়ক বস্তু বা বিষয়; উদ্দীপক, (বৃক্ষ, ফল) কাঁটা, হুল বা তীক্ষ্ণ আঁশ।
- Plural form: Stimuli.

ঘ) Oasis: (singular)
- মরূদ্যান।
- Plural form: Oases.

Source:
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Merriam-Webster Dictionary.

২২.
Running an online business is harder than it looks. Here, the underlined part is a/an-
  1. Gerund
  2. Participle
  3. Infinitive
  4. Verbal noun
সঠিক উত্তর:
Gerund
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Gerund
ব্যাখ্যা

Correct answer: Gerund.
- Running an online business is harder than it looks.
- প্রদত্ত Sentence টিতে 'Run' (Verb) এর সাথে "ing" যুক্ত হয়ে তা noun (subject) এর মতো কাজ করেছে অর্থাৎ verb ও noun এর কাজ করেছে তাই এটি gerund.

• Gerund:
- Gerund হল এমন একটি শব্দ যা verb + ing যুক্ত হয়ে Noun এর মতো কাজ করে।
- অর্থাৎ, এটি দেখতে verb-এর মতো হলেও বাক্যে Noun হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- সহজে Gerund = Verb + ing = noun = Verb + noun -এর কাজ করে।
- Gerunds don't describe action—they act as nouns.

• Gerund এর ব্যবহার:
- Subject হিসেবে ব্যবহৃত হলে।
- Object হিসেবে ব্যবহৃত হলে।
- Preposition এর object হিসেবে বসে।
- Verb এর Complement হিসেবে বসে।

অন্যদিকে,
• Participle:
- A participle is a verb that ends in -ing (present participle) or -ed, -d, -t, -en, -n (past participle).
- Participles may function as adjectives, describing or modifying nouns/pronouns.
- Participle একই সাথে Verb ও Adjective এর কাজ করে।
- Ex: The crying baby finally fell asleep.

• Infinitive:
- Infinitive হচ্ছে verb এর base form অথবা to + base form.
- Infinitive দুই রকম হতে পারে। যেমন:
- To -যুক্ত infinitive এবং
- To -বিহীন infinitive বা Bare Infinitive.
- Ex: I decided to stay home.

• Verbal Noun:
- কোন বাক্যের Verb + ing - এর পূর্বে the এবং পরে of থাকলে তাকে Verbal Noun বলে।
- The + verb+ ing + of = verbal noun.
- Ex: The building of the bridge took years.

Source: A Passage to the English Language by S.M. Zakir Hussain.

২৩.
My father let me go. (change into passive voice)
  1. I have been let go by my father.
  2. I was let to go by my father.
  3. I was being let go by my father.
  4. I was let go by my father.
সঠিক উত্তর:
I was let go by my father.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
I was let go by my father.
ব্যাখ্যা

Active: My father let me go.
Passive: I was let go by my father.
- এখানে 'let' verb-টি এখানে Past Indefinite Tense-এ আছে, কারণ 'father' 3rd person singular number হওয়া সত্ত্বেও 'lets' বসে নি। - তাই সাহায্যকারী verb হিসেবে 'was' বসবে।

• Make, See, Feel, Let, Know, heed, Bid, Dare, Watch ইত্যাদি Verb থাকলে Active Voice কে Passive Voice রূপান্তরের নিয়ম:
- Active voice এর Object টি Passive voice এর Subject হিসেবে বসে।
- Tense অনুযায়ী Auxiliary Verb বসে।
- মূল verb এর Past participle form বসে।
- Make, See, Feel, Let, know, Heed, Bid, Dare, Watch ইত্যাদি Verb থাকলে Active Voice এ to উহ্য থাকে।
- কিন্তু Passive করার সময় তাদের পর to বসে এবং ২য় verb টির Present form বসে।
- তবে, Let Verb টির পরে Active ও Passive Voice এ To বসে না। 
- by বসে।
- Active voice এর subject টি Passive voice এ object হিসেবে বসে। 

Source: Advanced Learner's Communicative English Grammar & Composition By Chowdhury & Hossain.

২৪.
Select the sentence in which 'fast' is used as a verb-
  1. Don't drive so fast!
  2. Technology is expanding at a fast pace.
  3. Muslims fast during Ramadan.
  4. Upoma went on a 24-hour fast to detox.
সঠিক উত্তর:
Muslims fast during Ramadan.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Muslims fast during Ramadan.
ব্যাখ্যা

Correct answer: Muslims fast during Ramadan.

• Muslims fast during Ramadan.
- মুসলিমরা রমজান মাসে রোজা রাখেন।"
- এখানে fast হলো verb, অর্থাৎ "রোজা রাখা"।
- যেহেতু এটি একটি কাজ বা Action বোঝাচ্ছে, তাই এটি এখানে Verb।

• Fast: [verb]
- English meaning: to eat little or no food for a period of time, especially for religious or medical reasons.
- Bangla meaning: উপবাস করা; রোজা রাখা।

Other options,
ক) Don't drive so fast!
- এখানে drive হলো verb এবং "fast" word টি এই verb কে modify করছে, অর্থাৎ "কত দ্রুত ড্রাইভ করবে"।
- সুতরাং এখানে fast - adverb.

• Fast: [adverb]
- English meaning: quickly.
- Bangla meaning: দ্রুত; তাড়াতাড়ি। 

 খ) Technology is expanding at a fast pace.
- এখানে fast হচ্ছে adjective, কারণ এটি pace (noun) কে describe করছে।
- সেক্ষেত্রে “fast” adjective.

• Fast: [adjective]
- English meaning: moving or happening quickly, or able to move or happen quickly.
- Bangla meaning: ক্ষিপ্র; দ্রতগামী। 

ঘ) Upoma went on a 24-hour fast to detox.
- এখানে fast হলো noun, অর্থাৎ "রোজা"।

• Fast: [noun]
- English meaning: a period during which you do not eat food, especially for religious or health reasons.
- Bangla meaning: উপবাস, উপবাসের দিন বা সময়।

Source:
1. Oxford Dictionary.
2. Cambridge Dictionary.
3. Accessible Dictionary by Bangla Academy.

২৫.
Choose the synonym of the word 'unanimity'-
  1. Contention
  2. Bickering
  3. Consensus
  4. Dispute
সঠিক উত্তর:
Consensus
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Consensus
ব্যাখ্যা

Correct answer: Consensus.

• Unanimity (noun)
- English Meaning: agreement by all people involved; consensus; the quality or state of being unanimous.
- Bangla Meaning: ঐকমত্য; মতৈক্য।

• Consensus (noun)

- English meaning: general agreement (as of opinion or fact) among a group of people or things.
- Bangla meaning: মিল; ঐক্য; ঐকমত্য।

• Given options:
ক) Contention
- English Meaning: a point advanced or maintained in a debate or argument.
- Bangla Meaning:  তর্ক; যুক্তিপ্রদর্শন; কলহ।

খ) Bickering
- English Meaning: petty and petulant quarreling especially when prolonged or habitual.
- Bangla Meaning: খুঁটিনাটি বা গুরুত্বহীন বিষয় নিয়ে ঝগড়া করা।

ঘ) Dispute
- English Meaning: to engage in argument: debate.
- Bangla Meaning: বিতর্ক; বিরোধ; যুক্তি।

Source: 
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Merriam-Webster Dictionary.

২৬.
Choose the correct sentence-
  1. The police are investigating into the case.
  2. The police are investigating to the case.
  3. The police are investigating about the case.
  4. The police are investigating the case.
সঠিক উত্তর:
The police are investigating the case.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The police are investigating the case.
ব্যাখ্যা

Correct answer: The police are investigating the case.

• "investigate" অর্থ তদন্ত/অনুসন্ধার করা। 
- এটি একটি transitive verb. এর পর কোনো preposition বসে না, সরাসরি object বসে।

• এই রকম আরো কিছু verb হচ্ছে - 
- Reach, resemble, violate, discuss, investigate, recommend, order, command, enter, ইত্যাদি।
- Verb গুলো transitive বলে এদের পরে কোনো preposition বসে না।
- এদের পর সরাসরি object বসে।

• উল্লেখ্য বাকি অপশনগুলোতে transitive verb "investigate" এর পর Preposition ব্যবহার করা হয়েছে। যেহেতু Investigate এর পর কোনো Preposition বসে না, তাই কোনটিই সঠিক নয়।

Source: A Passage to the English Language by S.M. Zakir Hussain.

২৭.
I, together with my parents, _________ present at the ceremony yesterday.
  1. am
  2. are
  3. was
  4. were
সঠিক উত্তর:
was
উত্তর
সঠিক উত্তর:
was
ব্যাখ্যা

Correct answer: was.
Complete sentence: I, together with my parents, was present at the ceremony yesterday.
- প্রশ্নে উল্লিখিত বাক্যে "together with" এর পূর্বে Singular subject "I" থাকায়  শূন্যস্থানে am/was বসবে।
- আবার যেহেতু অনুষ্ঠানটি গতকাল অনুষ্ঠিত হয়েছিলো তাই was ই হলো সঠিক উত্তর। 

• Subject-Verb Agreement অনুযায়ী,
- As well as, with, together with, along with, in addition to, including to, accompanied by, দ্বারা দুইটি Noun  বা Pronoun যুক্ত হলে Verb টি  পূর্বে যে Noun বা Pronoun থাকে সে অনুযায়ী হয়।
- এখানে 'I' এবং 'my parents' "together with" দ্বারা যুক্ত হয়েছে।
- প্রথম subject 'I' হলো singular তাই verb টি singular (was) হবে।

Source: Advanced Learner's Communicative English Grammar and Composition by Chowdhury and Hossain.

২৮.
Do or die.(make it complex)
  1. Without doing, you will die.
  2. Do and die.
  3. In spite of you do not do, you will die.
  4. If you do not do, you will die.
সঠিক উত্তর:
If you do not do, you will die.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
If you do not do, you will die.
ব্যাখ্যা

Compound: Do or die.
Complex: If you do not do, you will die.

• Or যুক্ত Compound sentence কে Complex করার নিয়ম:
- প্রথমে if বসে।
- subject বসে।
- do not বসে।
- প্রথম clause টি বসে।
- comma (,) বসে।
- ২য় clause বসে।

Other option:
ক) Without doing, you will die.
- এটি ভুল কারন, এটি একটি Simple sentence। এখানে 'Without+ ing' ব্যবহার করে Simple sentence গঠন করা হয়েছে।

খ) Do and die.
- এটি ভুল কারন, এখানে Complex sentence এর পরিবর্তে Compound Sentence গঠন করা হয়েছে।

গ) In spite of you do not do, you will die.
- এটি ভুল কারন, "Or" যুক্ত Compound sentence কে Complex করার ক্ষেত্র প্রথমে if + subject বসে।

Source: Advanced Learner's Communicative English Grammar and Composition by Chowdhury and Hossain.

২৯.
It is better to light a candle than ________ the darkness.
  1. cursing
  2. curse
  3. to curse
  4. to have cursed
সঠিক উত্তর:
to curse
উত্তর
সঠিক উত্তর:
to curse
ব্যাখ্যা

Correct answer: to curse.
Complete sentence: It is better to light a candle than to curse the darkness.
Parallelism এর নিয়ম অনুসারে যেহেতু বাক্যের প্রথম অংশটি Infinitive, তাই 'than'-এর পরের অংশটিও অবশ্যই Infinitive হবে।

• Parallelism:
- The use of matching sentence structure, phrases, or longer parts so as to balance ideas of equal importance is called Parallelism.
- অর্থ্যাৎ যদি একটি অংশ Infinitive (to+verb) হয়, তবে অন্যগুলোকেও Infinitive হতে হবে।
- আবার যদি একটি Gerund (verb+ing) হয়, তবে অন্যগুলোকেও Gerund হতে হবে।

 • Parallelism এর নিয়ম অনুসারে শব্দের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে হয়।
- এই নিয়মানুসারে 'Than' বা 'As' দিয়ে তুলনা করার সময় দুই পাশের গঠন একই হতে হয়।
- এখানে than'-এর পূর্বের অংশটি Infinitive (to light) তাই 'than'-এর পরের অংশটিও (to curse) অবশ্যই Infinitive হবে।  

Source: A Passage to the English Language by S.M. Zakir Hussain.

৩০.
What is the full name of the Play "Doctor Faustus"?
  1. The History of Doctor Faustus
  2. The history of Scholar Doctor Faustus
  3. The Tragicall History of  Doctor Faustus
  4. The heroic Deeds of Doctor Faustus
সঠিক উত্তর:
The Tragicall History of  Doctor Faustus
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The Tragicall History of  Doctor Faustus
ব্যাখ্যা

Correct answer: The Tragicall History of  Doctor Faustus.

• Doctor Faustus:
- "Doctor Faustus" হলো Christopher Marlowe-এর লেখা একটি বিখ্যাত নাটক। এটি একটি ট্র্যাজেডি (tragedy).
- নাটকটির পুরো নাম The Tragicall History of D. Faustus.
- ১৬০৪ সালে প্রকাশিত হওয়া এটি একটি 5 act বিশিষ্ট নাটক।

• সার-সংক্ষেপ:
- Doctor Faustus হলো Christopher Marlowe-র লেখা একটি ট্র্যাজেডি নাটক, যেখানে Faustus নামে একজন উচ্চাকাঙ্ক্ষী বিজ্ঞানী।
- শয়তান Mephistopheles এর মাধ্যমে Lucifer-এর কাছে আত্মা বিক্রির বিনিময়ে অলৌকিক ক্ষমতা অর্জন করে।
- Faustus তার আত্মা শয়তানকে বিক্রি করে এবং ২৪ বছর পর্যন্ত অসীম ক্ষমতা লাভ করতে চায়।
- Faustus তার আত্মা শয়তানকে বিক্রি করে এবং ২৪ বছর পর্যন্ত অসীম ক্ষমতা লাভ করতে চায়।
- এই সময়ের মধ্যে Faustus বিভিন্ন ধরনের অলৌকিক ক্ষমতা ব্যবহার করে, তবে তার ভিতরে গভীর অনুশোচনা ও দ্বিধা থাকে। 
- নাটকের শেষে, Faustus কে নরককুণ্ডে টেনে নেওয়া হয়, যেখানে সে চিরকাল শাস্তি ভোগ করে।

• Christopher Marlowe:
- তিনি Elizabethan Period এর কবি।
- তাঁকে 'The Father of English Tragedy' বলা হয়।
- তিনি একজন 'University Wit' ছিলেন।

His Notable Works: (plays)
- Doctor Faustus,
- The Jew of Malta,
- Tamburlaine the Great,
- Dido, Queen of Carthage,
- Edward II,
- The Massacre at Paris.

Source:
1. Britannica.
2. An ABC of English Literature, Dr. M. Mofizar Rahman.

৩১.
What is the meaning of the word 'Spectacular'?
  1. Expression of good wish
  2. Very exciting in appearance
  3. Very expensive and luxurious
  4. Having unlimited power.
সঠিক উত্তর:
Very exciting in appearance
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Very exciting in appearance
ব্যাখ্যা

Correct answer: Very exciting in appearance.

• Spectacular (adjective, noun)

- English Meaning: very exciting to look at; beautiful in a dramatic and eye-catching way.
- Bangla Meaning: সমারোহপূর্ণ; জমকালো; সাধারণের দৃষ্টি-আকর্ষক; চমৎকার বা লক্ষণীয় দৃশ্য।

• Example sentence:
1. I was attracted by the spectacular display of fireworks.
2. He scored a spectacular goal in the second half of the game.

Source:
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Cambridge Dictionary.

৩২.
The word 'fauna' indicates
  1. atmosphere of a particular area
  2. plant life of a particular area
  3. animals of a particular area
  4. air quality of a particular area
সঠিক উত্তর:
animals of a particular area
উত্তর
সঠিক উত্তর:
animals of a particular area
ব্যাখ্যা

Correct answer: animals.
The word 'fauna' indicates animals.

Fauna (noun)
- English Meaning: animal life.
- Bangla Meaning: কোনো জায়গায় কোনো বিশেষ সময়ের প্রাণিকুল।

• Example sentence:
1. The forest's fauna are safeguarded by local wildlife life protection laws.
2. The fauna of Liberia is very peculiar.

Source:
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Cambridge Dictionary.

৩৩.
A bat is a piece of sports equipment. It is also a/an-
  1. insect
  2. food
  3. animal
  4. flower
সঠিক উত্তর:
animal
উত্তর
সঠিক উত্তর:
animal
ব্যাখ্যা

Correct answer: animal.

Bat (noun)
- English meaning: a small animal like a mouse with wings that flies at night
- Bangla meaning: বাদুড়।

Bat (noun)
- English meaning: a specially shaped piece of wood used for hitting the ball in some games.
- Bangla meaning: ক্রিকেট বা বেইসবল খেলায় ব্যবহৃত কাঠের লাঠি বা ব্যাট।

Source:
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Cambridge Dictionary.

৩৪.
Hatred or prejudice against women is called -
  1. philanthropy
  2. misogyny
  3. benevolence
  4. misanthropy
সঠিক উত্তর:
misogyny
উত্তর
সঠিক উত্তর:
misogyny
ব্যাখ্যা

Correct answer: misogyny.

• Misogyny (noun)

- English Meaning: hatred of, aversion to, or prejudice against women.
- Bangla Meaning: নারীবিদ্বেষ; স্ত্রীদ্বেষ।

• অন্য অপশনগুলোর মধ্যে -
ক) Philanthropy
- English Meaning: goodwill to fellow members of the human race especially: active effort to promote human welfare.
- Bangla Meaning: মানবপ্রেম; লোকহিতৈষণা; জনসেবা।

গ) Benevolence
- English meaning: the quality of being well-meaning; kindness/ An inclination to do kind or charitable acts.
- Bangla Meaning: হিতসাধনের ইচ্ছা বা সংকল্প।

ঘ) Misanthropy
English meaning: a hatred or distrust of humankind.
Bangla Meaning: নরবিদ্বেষ; নৃবিদ্বেষ; মানববৈরভাব।

Source: 
1. Merriam-Webster Dictionary.
2. Cambridge Dictionary.
3. Accessible Dictionary by Bangla Academy.

৩৫.
Choose the correct spelling-
  1. Schizophrenia
  2. Scizophrenia
  3. Schizophrania
  4. Scizophrania
সঠিক উত্তর:
Schizophrenia
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Schizophrenia
ব্যাখ্যা

Correct answer: Schizophrenia.

Schizophrenia (noun)
- English meaning: a serious mental illness in which someone cannot understand what is real and what is imaginary.
- Bangla meaning: মানসিক রোগবিশেষ।

Example sentence:
- Geneticists regard schizophrenia as a complex disease.
- The study provided a valuable new insight into how to treat schizophrenia.

Source:
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Cambridge Dictionary.

৩৬.
I have a question regarding the new cricket rules. The word "regarding" is a/an-
  1. Preposition
  2. Adjective
  3. Adverb
  4. Noun
সঠিক উত্তর:
Preposition
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Preposition
ব্যাখ্যা

Correct answer: Preposition.
- I have a question regarding the new cricket rules. 
- এইখানে "question" এর সাথে "cricket rules" এর সম্পর্ক বোঝাতে "regarding" শব্দটি ব্যবহৃত হয়েছে, তাই "regarding" শব্দটি এইখানে Preposition হিসেবে কাজ করেছে। বাক্যটিতে "regarding" শব্দটি একটি Participle Preposition হিসেবে কাজ করছে। 

• Participle Preposition:
- Preposition, Noun বা, Pronoun এর পূর্বে বসে Sentence এ অন্যান্য পদের সাথে তাদের সম্পর্ক নির্দেশ করে।
- Participle (gerund forms -ing’ or -ed forms) যখন বাক্যে কোনো Noun বা Pronoun-এর আগে বসে Preposition-এর মতো কাজ করে, তাদের Participle Preposition বলে। 
- এগুলো দেখতে Verb-এর মতো হলেও কাজ করে Preposition-এর মতো।
- Participial prepositions include: excluding, following, notwithstanding, pending, considering, during, regarding, including, etc. 

Source: A Passage to the English Language by S.M. Zakir Hussain.

৩৭.
Which of the following words has been formed with a suffix?
  1. moral
  2. authenticity
  3. amnesia
  4. aspersions
সঠিক উত্তর:
authenticity
উত্তর
সঠিক উত্তর:
authenticity
ব্যাখ্যা

Correct answer: authenticity.
- The word "authenticity" is formed with a suffix.
- Authenticity ( Authentic+ ity)
- শব্দটি গঠিত হয়েছে (ity) suffix যুক্ত হয়ে।

Other options:
ক) Moral (noun) (root word)
- নৈতিক; নীতিঘটিত; নীতিবোধ; নীতিশাস্ত্র।

গ) Amnesia (Uncountable noun) (root word)
- (চিকিৎসাশাস্ত্র) আংশিক বা সম্পূর্ণ স্মৃতিবিলোপ।

ঘ) Aspersions (noun) (root word)
-  কুৎসা করা; কটাক্ষপাত করা।

Source: Accessible Dictionary by Bangla Academy.

৩৮.
'Obstetrics' is a branch of medical science that deals with-
  1. Adults girls
  2. Pregnant women
  3. Old women
  4. Old people
সঠিক উত্তর:
Pregnant women
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Pregnant women
ব্যাখ্যা

Correct answer: Pregnant women.

• Obstetrics (noun) (plural)
- English Meaning: a branch of medical science that deals with pregnancy, childbirth, and the postpartum period.
- Bangla Meaning: ধাত্রীবিদ্যা।

Example sentence:
1. She is currently doing her residency in obstetrics and gynecology. 
2. The hospital’s obstetrics ward provides comprehensive care for both mother and baby.

Source:
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Merriam-Webster Dictionary.

৩৯.
যদি logx 2500 = 4 হয়, তবে x এর মান কত?
  1. 8√3
  2. 3√2
  3. 5√2
  4. 6√2
সঠিক উত্তর:
5√2
উত্তর
সঠিক উত্তর:
5√2
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: যদি logx 2500 = 4 হয়, তবে x এর মান কত?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
logx 2500 = 4
⇒ x4 = 2500
⇒ x4 = 625 × 4
⇒ x4 = 54 × 22
⇒ x4 = 54 × (√2)4
⇒ x4 = (5√2)4
∴ x = 5√2

৪০.
নিচের কোন বানানটি সঠিক নয়? 
  1. Diaphragm
  2. Rheumatism
  3. Pshycology
  4. Anaesthesia
সঠিক উত্তর:
Pshycology
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Pshycology
ব্যাখ্যা

• অশুদ্ধ বানান হলো: গ) Pshycology
- এর সঠিক বানান - Psychology

• Psychology:
- English meaning: the scientific study of the human mind and its functions, especially those affecting behavior in a given context.
- Bangla meaning: মনোবিজ্ঞান; মনস্তত্ত্ব।

অন্য শুদ্ধ বানান গুলোর অর্থ -
ক) Diaphragm:
- English meaning: a dome-shaped, muscular partition separating the thorax from the abdomen in mammals.
- Bangla meaning: মধ্যচ্ছদা; বুক ও পেটের মধ্যবর্তী মাংসপেশি।

খ) Rheumatism:
- English meaning: any disease marked by inflammation and pain in the joints, muscles, or fibrous tissue.
- Bangla meaning: বাত; গাঁটের ব্যথা বা বাতব্যাধি।

ঘ) Anaesthesia [UK]: [US anesthesia]
- English meaning: insensitivity to pain, especially as artificially induced by the administration of gases or the injection of drugs before surgical operations.
- Bangla meaning: অনুভূতিবিলোপ; অস্ত্রোপচারের পূর্বে ঔষধ প্রয়োগে অবশকরণ।

Source: Oxford & Cambridge Dictionary.

৪১.
P(2, 3), Q(4, 7) এবং R(6, k) বিন্দুত্রয় সমরেখ হলে k এর মান কত?
  1. 11
  2. 6
  3. 13
  4. 15
সঠিক উত্তর:
11
উত্তর
সঠিক উত্তর:
11
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: P(2, 3), Q(4, 7) এবং R(6, k) বিন্দুত্রয় সমরেখ হলে k এর মান কত?

সমাধান:
যেহেতু P(2, 3), Q(4, 7) এবং R(6, k) বিন্দু তিনটি সমরেখ, তাই PQ রেখার ঢাল ও QR রেখার ঢাল সমান হবে।

আমরা জানি, ঢাল m = (y2 - y1)/(x2 - x1)

∴ PQ রেখার ঢাল = (7 - 3)/(4 - 2) = 4/2 = 2
∴ QR রেখার ঢাল = (k - 7)/(6 - 4) = (k - 7)/2

শর্তমতে,
(k - 7)/2 = 2
⇒ k - 7 = 4
⇒ k = 4 + 7
∴ k = 11

অতএব, k এর মান = 11

৪২.
যদি UBCMF অর্থ “Table” হয়, তবে MJHIU অর্থ কী?
  1. Light
  2. Mango
  3. Shirt
  4. Lemon
সঠিক উত্তর:
Light
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Light
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: যদি UBCMF অর্থ “Table” হয়, তবে MJHIU অর্থ কী?

সমাধান:

UBCMF অর্থ 'Table'
এখানে, প্রতিটি বর্ণ তার পূর্বের বর্ণ দ্বারা প্রতিস্থাপিত হয়েছে।
U  B  C  M  F
↓   ↓  ↓   ↓   ↓
T  A  B   L   E

একইভাবে,
M  J  H  I  U
↓   ↓  ↓   ↓  ↓ 
L   i   g  h  t

৪৩.
যদি U = {1, 2, 3, 4, 5, 6, 7, 8}, A = {2, 4, 6} এবং B = {1, 3} হয়, তবে A ∩ B' এর মান কত?
  1. A
  2. B
  3. B‘
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
A
উত্তর
সঠিক উত্তর:
A
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: যদি U = {1, 2, 3, 4, 5, 6, 7, 8}, A = {2, 4, 6} এবং B = {1, 3} হয়, তবে A ∩ B' এর মান কত?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
U = {1, 2, 3, 4, 5, 6, 7, 8}
A = {2, 4, 6} এবং B = {1, 3}

এখন,
B' = U - B
= {1, 2, 3, 4, 5, 6, 7, 8} - {1, 3}
= {2, 4, 5, 6, 7, 8}

∴ A ∩ B' = {2, 4, 6} ∩ {2, 4, 5, 6, 7, 8}
= {2, 4, 6}
= A

সুতরাং, A ∩ B' = A

৪৪.
নিচের চিত্রে মোট কয়টি ত্রিভুজ আছে?
  1. 9টি
  2. 8টি
  3. 10টি
  4. 12টি
সঠিক উত্তর:
12টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
12টি
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: নিচের চিত্রে মোট কয়টি ত্রিভুজ আছে?


সমাধান:

1টি ফাঁকা স্থান নিয়ে গঠিত ত্রিভুজগুলো হলো: AEH, EHI, EBF, EFI, FGC, IFG, DGH এবং HIG = 8টি
2টি ফাঁকা স্থান নিয়ে গঠিত ত্রিভুজগুলো হলো: HEF, EHG, HFG এবং EFG = 4টি

∴ চিত্রে মোট ত্রিভুজের সংখ্যা = 8 + 4 = 12টি

৪৫.
  1. 11/3
  2. 7/2
  3. 3/5
  4. 8/5
সঠিক উত্তর:
7/2
উত্তর
সঠিক উত্তর:
7/2
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন:

সমাধান:

৪৬.
একটি গাছের পাদদেশ হতে ২৫√৩ মিটার দূরে একটি স্থানে গাছটির শীর্ষের উন্নতি কোণ ৩০° হলে, গাছটির উচ্চতা কত মিটার?
  1. ২৫ মিটার
  2. ৭৫ মিটার
  3. ৩৬√৩ মিটার
  4. √৩/২৫ মিটার
সঠিক উত্তর:
২৫ মিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৫ মিটার
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি গাছের পাদদেশ হতে ২৫√৩ মিটার দূরে একটি স্থানে গাছটির শীর্ষের উন্নতি কোণ ৩০° হলে, গাছটির উচ্চতা কত মিটার?

সমাধান:

ধরি, গাছটির উচ্চতা = h মিটার
গাছের পাদদেশ থেকে ঐ স্থানের দূরত্ব = ২৫√৩ মিটার
শীর্ষের উন্নতি কোণ = ৩০°

আমরা জানি,
tanθ = লম্ব/ভূমি
⇒ tan ৩০° = h/(২৫√৩)
⇒ ১/√৩ = h/(২৫√৩)
⇒ h = (২৫√৩)/√৩
∴ h = ২৫ মিটার

∴ গাছটির উচ্চতা ২৫ মিটার।

৪৭.
একজন ব্যক্তি ৬ মাইল উত্তরে, ৮ মাইল পূর্বে এবং তারপরে ৯ মাইল উত্তরে ভ্রমণ করেন। তিনি শুরুর বিন্দু থেকে কত দূরে আছেন?
  1. ১১ মাইল
  2. ১৩ মাইল
  3. ১৭ মাইল
  4. ১৫ মাইল
সঠিক উত্তর:
১৭ মাইল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭ মাইল
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একজন ব্যক্তি ৬ মাইল উত্তরে, ৮ মাইল পূর্বে এবং তারপরে ৯ মাইল উত্তরে ভ্রমণ করেন। তিনি শুরুর বিন্দু থেকে কত দূরে আছেন?

সমাধান:

মোট উত্তর দিকের দূরত্ব,
ED = AB + CD = ৬ + ৯ = ১৫ মাইল

পূর্ব দিকের দূরত্ব,
AE = BC = ৮ মাইল

∴ দূরত্ব, AD = √(ED + AE)
= √(১৫ + ৮)
= √(২২৫ + ৬৪)
= √২৮৯
= ১৭ মাইল

সুতরাং, শুরুর বিন্দু থেকে ১৭ মাইল দূরে আছেন।

৪৮.
যদি কোনো বর্গক্ষেত্রের প্রত্যেক বাহুর পরিমাণ ২০% বৃদ্ধি করা হয়, তবে তার ক্ষেত্রফল শতকরা কত বৃদ্ধি পাবে?
  1. ২১%
  2. ৪২%
  3. ৪৪%
  4. ৫০%
সঠিক উত্তর:
৪৪%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৪%
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: যদি কোনো বর্গক্ষেত্রের প্রত্যেক বাহুর পরিমাণ ২০% বৃদ্ধি করা হয়, তবে তার ক্ষেত্রফল শতকরা কত বৃদ্ধি পাবে?

সমাধান:
ধরি,
বর্গক্ষেত্রের এক বাহুর দৈর্ঘ্য = ১০০ একক
∴ বর্গক্ষেত্রের আদি ক্ষেত্রফল = (১০০) = ১০,০০০ বর্গ একক

আবার,
বাহুর দৈর্ঘ্য ২০% বৃদ্ধি করা হলে,
∴ বাহুর নতুন দৈর্ঘ্য = (১০০ + ১০০ এর ২০%) একক
= (১০০ + ২০) একক
= ১২০ একক

∴ বর্গক্ষেত্রের নতুন ক্ষেত্রফল = (১২০) = ১৪,৪০০ বর্গ একক
∴ ক্ষেত্রফল বৃদ্ধি পায় = (১৪,৪০০ - ১০,০০০) বর্গ একক = ৪,৪০০ বর্গ একক

∴ শতকরা ক্ষেত্রফল বৃদ্ধি = (৪,৪০০/১০,০০০) × ১০০%
= ৪৪%

সুতরাং, ক্ষেত্রফল শতকরা ৪৪% বৃদ্ধি পাবে।

৪৯.
২৫০০ টাকা ১০% হারে ২ বছরের জন্য বিনিয়োগ করা হলে, সরল ও চক্রবৃদ্ধি মুনাফার পার্থক্য কত?
  1. ২৫ টাকা
  2. ৩২ টাকা
  3. ৫৫ টাকা
  4. ২০ টাকা
সঠিক উত্তর:
২৫ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৫ টাকা
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: ২৫০০ টাকা ১০% হারে ২ বছরের জন্য বিনিয়োগ করা হলে, সরল ও চক্রবৃদ্ধি মুনাফার পার্থক্য কত?

সমাধান:
মূলধন, P = ২৫০০ টাকা
সুদের হার, r = ১০%
সময়, n = ২ বছর

সরল মুনাফার ক্ষেত্রে,
I = (P × r × n)/১০০ 
= (২৫০০ × ১০ × ২)/১০০
= ৫০০ টাকা

আবার, চক্রবৃদ্ধি মুনাফার ক্ষেত্রে সবৃদ্ধি মূলধন,
C = P{১ + (r/১০০)}n
= ২৫০০ × {(১ + ১০/১০০)}
= ২৫০০ × (১১/১০)
= ২৫০০ × (১২১/১০০)
= ২৫ × ১২১
= ৩০২৫ টাকা

∴ চক্রবৃদ্ধি মুনাফা = C - P = ৩০২৫ - ২৫০০ = ৫২৫ টাকা

∴ সরল ও চক্রবৃদ্ধি মুনাফার পার্থক্য = ৫২৫ - ৫০০ = ২৫ টাকা

৫০.
যদি nC5 = nC3 হয়, তবে 11Cn এর মান কত?
  1. 165
  2. 286
  3. 220
  4. 346
সঠিক উত্তর:
165
উত্তর
সঠিক উত্তর:
165
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: যদি nC5 = nC3 হয়, তবে 11Cn এর মান কত?

সমাধান: 
দেওয়া আছে,
nC5 = nC3
nCn - 5 = nC [যেহেতু, nCr = nCn - r]
⇒ n - 5 = 3
∴ n = 5 + 3 = 8

সুতরাং, প্রদত্ত রাশি,
= 11Cn
= 11C [n = 8]
= 11!/(8! × 3!)
= (11 × 10 × 9 × 8!)/(8! × 3 × 2 × 1)
= (11 × 10 × 9)/(3 × 2 × 1)
= 990/6
= 165

৫১.
যদি, ৬ × ৯ = ৪৫৩০ এবং ৫ × ৭ = ৩৫২৫ হয় তবে, ৪ × ৮ = ?
  1. ৩২১২
  2. ৪০২০
  3. ৪৮৩২
  4. ৪৫৩০
সঠিক উত্তর:
৪০২০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪০২০
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: যদি, ৬ × ৯ = ৪৫৩০ এবং ৫ × ৭ = ৩৫২৫ হয় তবে, ৪ × ৮ = ?

সমাধান:
৬ × ৯ = ৪৫৩০ [প্রথমে ২য় সংখ্যার ৫ গুণ তারপর ১ম সংখ্যার ৫ গুণ বসেছে]
৫ × ৭ = ৩৫২৫ [প্রথমে ২য় সংখ্যার ৫ গুণ তারপর ১ম সংখ্যার ৫ গুণ বসেছে]

∴ ৪ × ৮ = ৪০২০

৫২.
একটি গুণোত্তর ধারার প্রথম ও দ্বিতীয় পদ যথাক্রমে 125 এবং 25, তাহলে ধারাটির সপ্তম পদ কত?
  1. 1/216
  2. 1/25
  3. 1/125
  4. 1/729
সঠিক উত্তর:
1/125
উত্তর
সঠিক উত্তর:
1/125
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি গুণোত্তর ধারার প্রথম ও দ্বিতীয় পদ যথাক্রমে 125 এবং 25, তাহলে ধারাটির সপ্তম পদ কত?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
প্রথম পদ, a = 125
দ্বিতীয় পদ, ar2 - 1 = ar = 25
∴ সাধারণ অনুপাত, r = 25/125 = 1/5

আমরা জানি, গুণোত্তর ধারার n-তম পদ = arn - 1
∴ সপ্তম পদ = ar7 - 1 = 125 × (1/5)6
= 125 × 1/56
= 53/56
= 1/53
= 1/125

সুতরাং, ধারাটির সপ্তম পদ 1/125

৫৩.
ঘড়িতে যখন ৯ টা ৩০ মিনিট বাজে তখন ঘণ্টার কাঁটা ও মিনিটের কাঁটার মধ্যবর্তী কোণ কত ডিগ্রি হবে? 
  1. ৯০°
  2. ১০৫°
  3. ১১৫°
  4. ১০০.৫°
সঠিক উত্তর:
১০৫°
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০৫°
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: ঘড়িতে যখন ৯ টা ৩০ মিনিট বাজে তখন ঘণ্টার কাঁটা ও মিনিটের কাঁটার মধ্যবর্তী কোণ কত ডিগ্রি হবে? 

সমাধান:
এখানে, H = ৯, M = ৩০

মধ্যবর্তী কোণ = | (১১M - ৬০H)/২ |
= | (১১ × ৩০ - ৬০ × ৯)/২ |
= | (৩৩০ - ৫৪০)/২ |
= | - ২১০/২ | 
= | - ১০৫ | 
= ১০৫°

সুতরাং, ঘণ্টার কাঁটা ও মিনিটের কাঁটার মধ্যবর্তী কোণ = ১০৫°

৫৪.
নিম্নলিখিত কোন গ্যাসটি গ্রিন হাউস প্রভাব সৃষ্টি করে?
  1. আর্গন
  2. নাইট্রাস অক্সাইড
  3. নাইট্রোজেন
  4. হিলিয়াম
সঠিক উত্তর:
নাইট্রাস অক্সাইড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নাইট্রাস অক্সাইড
ব্যাখ্যা

অপশনে উল্লিখিত গ্যাসসমূহের মধ্যে নাইট্রাস অক্সাইড গ্যাস গ্রিন হাউস প্রভাব সৃষ্টি করে।

গ্রিন হাউস প্রভাব:
- শীতপ্রধান দেশে গ্রিন হাউসের (কাঁচ নির্মিত একটি ঘর) মাধ্যমে কৃত্রিমভাবে সবুজ উদ্ভিদ জন্মানো হয়।
- গ্রিন হাউস গ্যাসসমূহ শীতপ্রধান দেশের গ্রিন হাউস ঘরের ন্যায় সূর্য থেকে আগত রশ্মি তাপ বিকিরণে বাঁধা সৃষ্টি করে বায়ুমণ্ডলকে উত্তপ্ত করে।
- গ্রিন হাউস গ্যাস কর্তৃক বায়ুমণ্ডলের এইরূপ তাপ বৃদ্ধির প্রক্রিয়াকে গ্রিন হাউস অ্যাফেক্ট (Greenhouse effect) বলে।
- গ্রিন হাউস ইফেক্ট কথাটি সর্বপ্রথম সোভানটে আরহেনিয়াস প্রথম ব্যবহার করেন।
- গ্রিন হাউস গ্যাসসমূহ হলো-কার্বন ডাইঅক্সাইড (CO2), মিথেন (CH4), নাইট্রাস অক্সাইড (N2O), ক্লোরোফ্লোরোকার্বন (CFC)। 

বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধির প্রধান নিয়ামক হিসেবে নিম্নে গ্রিন হাউস গ্যাস ও গ্রিন হাউস প্রতিক্রিয়া সম্পর্কে আলোচনা করা হলো।

গ্রিন হাউস গ্যাসসমূহ:
১। কার্বন ডাইঅক্সাইড (CO2):
- কার্বন ডাইঅক্সাইড বর্ণহীন, সামান্য গন্ধযুক্ত কার্বন ও অক্সিজেন নিয়ে গঠিত একটি গ্যাস।
- পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের ০.০৩ শতাংশ কার্বন ডাইঅক্সাইড।
- জীবের প্রশ্বাসের সাথে কার্বন ডাইঅক্সাইড, আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতে, উদ্ভিদ ও প্রাণিদেহের পচন, মোটরযান ও শিল্প কারখানার জ্বালানি (কয়লা, প্রাকৃতিক গ্যাস, তৈল) পোড়ানো থেকে কার্বন ডাইঅক্সাইড বায়ুমণ্ডলে যোগ হয়।
- বর্তমানে তরল ও কঠিন কার্বন ডাইঅক্সাইড রেফ্রিজারেন্ট হিসেবে আইসক্রিম, অগ্নিনির্বাপক যন্ত্রে ব্যবহৃত হয়।
- সবুজ উদ্ভিদ এর খাদ্য প্রস্তুতে কার্বন ডাইঅক্সাইড গ্রহণ করলেও বন উজাড় বৃদ্ধি পাওয়ায়, অধিক হারে জীবাশ্ম জ্বালানি ব্যবহার, মোটরযানের সংখ্যা প্রভৃতি বৃদ্ধির কারণে বায়ুমণ্ডলে বিশ্বব্যাপী কার্বন ডাই অক্সাইডের পরিমাণ বাড়ছে এবং বায়ুমণ্ডলকে উত্তপ্ত করছে।

২। মিথেন (CH4):
- প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রধান উপাদান মিথেন।
- এছাড়াও জলাভূমিতে পানির নিচে পানা পচনের মাধ্যমে, ধানের বর্জ্য অবশিষ্টাংশের পচন থেকে মিথেন পাওয়া যায়।
- তাপ ধারণ ক্ষমতার ক্ষেত্রে মিথেন কার্বন ডাই অক্সাইডের চাইতে ২০ গুণ বেশি তাপ ধারণ করে।

৩। ক্লোরোফ্লোরো কার্বন (CFC):
- সিএফসি সাধারণত বিষমুক্ত, নিষ্ক্রিয় এবং ফ্লোরিন ও কার্বনের সমন্বয়ে গঠিত যৌগ।
- সিএফসি হিমায়নে (ফ্রিজ, এসি) ও স্প্রে-ক্যানে (অ্যারেসোল), মাইক্রো ইলেকট্রিক সার্কিট ও প্লাস্টিক ফোমে ব্যবহৃত হয়।

৪। নাইট্রাস অক্সাইড (N2O):
- অক্সিজেনের সাথে নাইট্রোজেন যুক্ত হয়ে নাইট্রোজেনের অক্সাইডসমূহ তৈরি করে।
- এটিও বর্ণহীন, সামান্য মিষ্টিগন্ধযুক্ত।
- এই গ্যাসের উৎসসমূহ হলো মোটরযান, শক্তি উৎপাদন কেন্দ্র, নাইট্রোজেন সমৃদ্ধ রাসায়নিক সার, কারখানা।

অন্যদিকে,
- আর্গন (Ar): বর্ণহীন, গন্ধহীন, স্বাদহীন, পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে তৃতীয় সর্বাধিক পরিমাণে থাকে। গ্রিনহাউস গ্যাস নয়।
- নাইট্রোজেন (N2): পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের ৭৮.০৯% গঠন করে। গ্রিনহাউস গ্যাস নয়।
- হিলিয়াম : এটি একটি নিষ্ক্রিয় (inert) গ্যাস। পর্যায় সারণির Noble gas গ্রুপের অন্তর্ভুক্ত।

উৎস: পরিবেশ বিজ্ঞান, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উম্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫৫.
ভার্চুয়াল মেমোরি ব্যবস্থায় তথ্য সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে কোন দুটি উপাদানের সমন্বয় ঘটে?
  1. RAM ও CPU
  2. CPU ও হার্ডডিস্ক
  3. RAM ও ডিস্ক স্টোরেজ
  4. মনিটর ও কীবোর্ড
সঠিক উত্তর:
RAM ও ডিস্ক স্টোরেজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
RAM ও ডিস্ক স্টোরেজ
ব্যাখ্যা

ভার্চুয়াল মেমোরি RAM এবং ডিস্ক স্টোরেজ উভয়ই ব্যবহার করে মেমোরি পরিচালনা করে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী প্রোগ্রামের অংশগুলো RAM-এ লোড করে।

ভার্চুয়াল মেমোরি (Virtual Memory):
 - ভার্চুয়াল মেমোরি হলো একটি মেমোরি ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি, যা অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করে।
- এর মাধ্যমে অ্যাপ্লিকেশনগুলোকে এমনভাবে দেখানো হয় যেন তারা একটি বড় ও ধারাবাহিক মেমোরি ব্লক ব্যবহার করছে, যদিও বাস্তবে শারীরিক মেমোরি (RAM) সীমিত এবং সবসময় ধারাবাহিকভাবে বরাদ্দ করা থাকে না।

- এর মূল ধারণা হলো—একটি প্রোগ্রামকে ছোট ছোট অংশে (যাকে পেজ বা Page বলা হয়) ভাগ করা।
- যখন প্রধান মেমোরি (RAM)-তে জায়গা প্রয়োজন হয়, তখন কিছু পেজ ডিস্কে সরিয়ে রাখা হয় এবং প্রয়োজন হলে সেগুলো আবার RAM-এ ফিরিয়ে আনা হয়।

ভার্চুয়াল মেমোরির উদ্দেশ্য:
১. একটি প্রোগ্রাম চালানোর জন্য পুরো প্রোগ্রাম একসাথে মেমোরিতে লোড করার প্রয়োজন হয় না। শুধুমাত্র প্রয়োজনীয় অংশগুলো লোড করা হয়।
২. প্রোগ্রামের আকার সিস্টেমে থাকা শারীরিক মেমোরির চেয়ে বড় হতে পারে।
৩. ভার্চুয়াল মেমোরি এমন একটি বড় মেমোরির ধারণা তৈরি করে, যদিও প্রকৃত RAM ছোট হতে পারে।
৪. এটি RAM এবং ডিস্ক স্টোরেজ উভয়ই ব্যবহার করে মেমোরি পরিচালনা করে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী প্রোগ্রামের অংশগুলো RAM-এ লোড করে।
৫. এর ফলে সিস্টেম একসাথে আরও বেশি প্রোগ্রাম চালাতে পারে এবং মেমোরি আরও দক্ষভাবে পরিচালনা করতে সক্ষম হয়।

উৎস: geeksforgeeks.

৫৬.
পত্ররন্ধ্রীয় প্রস্বেদন মূলত কোথা থেকে ঘটে?
  1. পাতার উপরের পৃষ্ঠ
  2. পাতার নিচের পৃষ্ঠ
  3. কাণ্ডের বাইরের আবরণ
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
পাতার নিচের পৃষ্ঠ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাতার নিচের পৃষ্ঠ
ব্যাখ্যা

পত্ররন্ধ্রীয় প্রস্বেদন প্রধানত পাতার নিচের পৃষ্ঠে দেখা যায়।

প্রস্বেদন:
- উদ্ভিদ মাটি থেকে যে পরিমাণ পানি শোষণ করে তার কিছু অংশ বিভিন্ন জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় ব্যবহৃত হয়।
- অধিকাংশ পানি বাষ্পাকারে বের হয়।
- তবে কিছু পানি উদ্ভিদদেহ থেকে পানি হিসেবেই বের হয়।
- উদ্ভিদদেহ থেকে যে প্রক্রিয়ায় পানি বাষ্পাকারে বের হয় তাকে প্রস্বেদন বলা হয়।
- প্রস্বেদনের প্রধান অঙ্গ উদ্ভিদের পাতা।
- এছাড়া কান্ড এবং শাখা-প্রশাখা থেকেও প্রস্বেদন হয়ে থাকে।
- প্রস্বেদনের প্রকারভেদ: প্রস্বেদন তিন প্রকার।
- যথা- (ক) পত্ররন্ধ্রীয় প্রস্বেদন, (খ) কিউটিকুলার প্রস্বেদন এবং (গ) লেন্টিকুলার প্রস্বেদন।

 • পত্ররন্ধ্রীয় প্রস্বেদন:
- পত্ররন্ধ্রীয় প্রস্বেদন প্রধানত পাতার নিচের পৃষ্ঠে দেখা যায়।
- এছাড়া কচি কান্ডেও অনেক পত্ররন্ধ্র থাকে।
- পত্ররন্ধ্রের মধ্য দিয়েই বেশির ভাগ প্রস্বেদন ঘটে।
- উদ্ভিদের মোট প্রস্বেদনের ৯০-৯৫% পত্ররন্ধ্রের মাধ্যমে ঘটে।
- শিরা ও উপশিরার মধ্য দিয়ে পানি প্যালিসেড প্যারেনকাইমা এবং স্পঞ্জি প্যারেনকাইমা কোষ সমূহে পৌঁছায়।
- স্পঞ্জি প্যারেনকাইমা টিস্যুর কোষগুলো আলগাভাবে সাজান থাকে।
- কোষগুলোর মাঝে অনেক আন্তঃকোষীয় ফাঁকা স্থান থাকে।
- উদ্ভিদের সালোকসংশ্লেষণের জন্য প্রয়োজনীয় কার্বন ডাইঅক্সাইড স্পঞ্জি প্যারেনকাইমা অঞ্চলেই শোষিত হয়।
- উদ্ভিদ বায়ুর কার্বন ডাইঅক্সাইড ব্যাপন প্রক্রিয়ায় শোষণ করে।
- পত্ররন্ধ্রের মধ্যদিয়ে বায়ু প্রথমে পত্ররন্ধ্রীয় প্রকোষ্ঠে প্রবেশ করে।
- এখান থেকে বায়ু প্যালিসেড প্যারেনকাইমা টিস্যুর কোষগুলোর আন্তঃকোষীয় ফাঁকাস্থানে ছড়িয়ে পড়ে।
- প্যালিসেড প্যারেনকাইমা টিস্যুর কোষগুলোর বহিঃপৃষ্ঠ সব সময় ভেজা থাকে এবং এজন্য ব্যাপন প্রক্রিয়ায় সুবিধা হয়।
- এ রকম অবস্থায় উদ্ভিদ যেমন বায়ু থেকে কার্বন ডাইঅক্সাইড গ্রহণ করে, বায়ুও তেমন উদ্ভিদ কোষের ভেজা পৃষ্ঠদেশ থেকে পানি জলীয় বাষ্পরূপে গ্রহণ করে।
- উদ্ভিদ কোষ থেকে নেয়া পানি জলীয় বাষ্পরূপে ব্যাপন প্রক্রিয়ায় পত্ররন্ধ্রের মধ্য দিয়ে বাইরের বায়ুতে ছড়িয়ে পড়ে।
- পত্ররন্ধ্রের মধ্যদিয়ে সংঘটিত হয় বলে এ ধরনের প্রস্বেদনকে পত্ররন্ধ্রীয় প্রস্বেদন বলা হয়।

কিউটিকুলার প্রস্বেদন:
- উদ্ভিদের কান্ড এবং পাতার বহিঃত্বকের উপর কিউটিন এর আবরণকে কিউটিকল বলা হয়।
- উদ্ভিদকে শুষ্কতার হাত থেকে রক্ষা করাই এর কাজ।
- কিউটিকল পাতলা হলে কিউটিকল ভেদ করে কিছু পানি বাষ্পাকারে বের হয়ে আসে। এটাই কিউটিকুলার প্রস্বেদন।

লেন্টিকুলার প্রস্বেদন:
- উদ্ভিদদেহে সেকেন্ডারি বৃদ্ধির ফলে কান্ডের বাইরের আবরণ (বহিঃত্বক অথবা কর্ক) কোন কোন জায়গায় ফেঁটে যায়।
- এতে কান্ডের ভেতরের কোষ বাইরের পরিবেশে উন্মুক্ত হয়।
- এ উন্মুক্ত জায়গাগুলোকে লেন্টিসেল বলা হয়।
- লেন্টিসেলের মধ্য দিয়ে ভেতরের টিস্যু থেকে পানি বাষ্পাকারে বের হয়ে আসে। এটাই লেন্টিকুলার প্রস্বেদন।

উৎস: জীববিজ্ঞান, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উম্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫৭.
HTTPS প্রোটোকল কেন ব্যবহৃত হয়?
  1. ওয়েবসাইট ডিজাইন করার জন্য
  2. ব্যবহারকারী এবং ওয়েবসাইটের মধ্যে তথ্য স্থানান্তর সুরক্ষিত রাখার জন্য
  3. ওয়েবসাইট দ্রুত লোড করার জন্য
  4. ব্রাউজার আপডেট করার জন্য
সঠিক উত্তর:
ব্যবহারকারী এবং ওয়েবসাইটের মধ্যে তথ্য স্থানান্তর সুরক্ষিত রাখার জন্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যবহারকারী এবং ওয়েবসাইটের মধ্যে তথ্য স্থানান্তর সুরক্ষিত রাখার জন্য
ব্যাখ্যা

HTTPS (Hyper Text Transfer Protocol Secure) মূলত ডেটা এনক্রিপশন নিশ্চিত করে, যা ব্যবহারকারী এবং ওয়েবসাইটের মধ্যে আদান-প্রদানকৃত তথ্য (যেমন-লগইন ক্রেডেনশিয়াল, ব্যক্তিগত ডেটা, পেমেন্ট তথ্য) নিরাপদে রাখে।

HTTPS:
 - https এর পূর্ণরূপ হচ্ছে- Hyper Text Transfer Protocol Secure.
- HTTPS হলো একটি প্রোটোকল যা ব্যবহারকারীর ওয়েব ব্রাউজার এবং একটি ওয়েবসাইটের মধ্যে যোগাযোগ এবং ডেটা স্থানান্তর সুরক্ষিত করে।
- HTTPS (Hyper Text Transfer Protocol Secure) মূলত ডেটা এনক্রিপশন নিশ্চিত করে, যা ব্যবহারকারী এবং ওয়েবসাইটের মধ্যে আদান-প্রদানকৃত তথ্য (যেমন-লগইন ক্রেডেনশিয়াল, ব্যক্তিগত ডেটা, পেমেন্ট তথ্য) নিরাপদে রাখে।
- ই-কমার্সে যখন গ্রাহক অনলাইনে টাকা পরিশোধ করেন বা ব্যক্তিগত তথ্য (পাসওয়ার্ড, কার্ড নম্বর ইত্যাদি) দেন, তখন সেই ডেটাকে সুরক্ষিত রাখা অত্যন্ত জরুরি। এজন্য ব্যবহৃত হয় HTTPS (Hyper Text Transfer Protocol Secure). 
- কোন ওয়েবসাইটের ঠিকানায় ব্যবহৃত https এর 'S' দিয়ে Secured (সুরক্ষিত) বোঝায়।
- HTTPS Protocol-টি ইন্টারনেটে তথ্য আদান-প্রদানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে থাকে।
- তাই ওয়েব অ্যাড্রেসে এ অংশটি লিখা হয় না। www অংশ দিয়েই শুরু করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণী, মাহবুবুর রহমান।

৫৮.
এম্বেডেড সিস্টেম সাধারণত কোন ধরনের প্রসেসর ব্যবহার করে?
  1. সার্ভার প্রসেসর
  2. সুপারকম্পিউটার প্রসেসর
  3. মাইক্রোপ্রসেসর বা মাইক্রোকন্ট্রোলার
  4. GPU প্রসেসর
সঠিক উত্তর:
মাইক্রোপ্রসেসর বা মাইক্রোকন্ট্রোলার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাইক্রোপ্রসেসর বা মাইক্রোকন্ট্রোলার
ব্যাখ্যা

এম্বেডেড সিস্টেমে সীমিত মেমরি ও নির্দিষ্ট কাজের জন্য মাইক্রোপ্রসেসর বা মাইক্রোকন্ট্রোলার ব্যবহার করা হয়।

• এম্বেডেড সিস্টেম:
 
- এম্বেডেড সিস্টেম হলো একটি কম্পিউটেশনাল সিস্টেম যা নির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের জন্য হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যারের সমন্বয়ে তৈরি করা হয়।
- এম্বেডেড সিস্টেমগুলো হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যারের সমন্বয়ে কাজ করে, যা নির্দিষ্ট কাজগুলোর উপর কেন্দ্রীভূত থাকে।
- একটি এম্বেডেড সিস্টেমের মূল অংশে থাকে মাইক্রোকন্ট্রোলার বা মাইক্রোপ্রসেসর হার্ডওয়্যার, যার উপর ব্যবহারকারী সফটওয়্যারের আকারে কোড লিখে সিস্টেম নিয়ন্ত্রণ করে।
- এটিকে বলা যায় একটি বিশেষ উদ্দেশ্যে তৈরি ডেডিকেটেড কম্পিউটার সিস্টেম।
- এটি আমাদের প্রচলিত কম্পিউটার বা সাধারণ উদ্দেশ্যের কম্পিউটার নয়।
- এম্বেডেড সিস্টেম স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারে বা বড় কোনো সিস্টেমের সাথে সংযুক্ত হয়ে কিছু নির্দিষ্ট কার্য সম্পাদন করতে পারে। - এই সিস্টেমগুলো মানুষের হস্তক্ষেপ ছাড়াই বা খুব সামান্য হস্তক্ষেপে কাজ করতে পারে।

এম্বেডেড সিস্টেমের উদাহরণ:
ডিজিটাল ঘড়ি
ওয়াশিং মেশিন
খেলনা
টেলিভিশন
ডিজিটাল ফোন
লেজার প্রিন্টার
ক্যামেরা
শিল্পযন্ত্র
ইলেকট্রনিক ক্যালকুলেটর
অটোমোবাইল
চিকিৎসা সরঞ্জাম ইত্যাদি।

এম্বেডেড সিস্টেমের ব্যবহার:
গৃহস্থালির যন্ত্রপাতি
পরিবহন
স্বাস্থ্যসেবা
ব্যবসা ও অফিস
প্রতিরক্ষা খাত
মহাকাশশিল্প
কৃষি খাত

উৎস: geeksforgeeks.

৫৯.
QR কোড মূলত কোন কাজে তৈরি করা হয়েছিল?
  1. বিজ্ঞাপন প্রচারের জন্য
  2. টিকিটিং ব্যবস্থার জন্য
  3. অটোমোবাইল যন্ত্রাংশ ট্র্যাক করার জন্য
  4. ব্যাংকিং সেবার জন্য
সঠিক উত্তর:
অটোমোবাইল যন্ত্রাংশ ট্র্যাক করার জন্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অটোমোবাইল যন্ত্রাংশ ট্র্যাক করার জন্য
ব্যাখ্যা

QR কোড:
- QR কোড হলো এক ধরনের বারকোড, যা ছোট কালো ও সাদা বর্গক্ষেত্র দিয়ে তৈরি।
- এই বর্গক্ষেত্রগুলিতে তথ্য সংরক্ষিত থাকে, যা সহজে কম্পিউটার বা স্মার্টফোন স্ক্যানার দিয়ে পড়া যায়।
- কালো-সাদা স্কোয়ারগুলোতে সংখ্যা, ইংরেজি অক্ষর বা এমনকি জাপানি কানজি ও অন্যান্য অ-ল্যাটিন অক্ষরও রাখা যেতে পারে।

 • QR কোডের ব্যবহার:
- মূলত QR কোড তৈরি করা হয়েছিল অটোমোবাইল যন্ত্রাংশ ট্র্যাক করার জন্য।
- এখন এটি বিজ্ঞাপন, টিকিট, পণ্য ট্র্যাকিং এবং আরও নানা কাজে ব্যবহার করা হয়।

 • QR কোড স্ক্যান ও বৈশিষ্ট্য:
- QR কোড স্ক্যান করতে ব্যবহারকারীদের ফোন বা লেজার স্ক্যানার প্রয়োজন হয়।
- বিশেষ সফটওয়্যার তথ্যটি ডিকোড করে দেখায়।
- সবচেয়ে বড় QR কোড (Version 40) 177 × 177 পিক্সেলের হয় এবং সবচেয়ে ছোট (Version 1) 21 × 21 পিক্সেলের হয়।
- Version 40 QR কোডে প্রায় 7,089টি সংখ্যা বা 4,296টি আলফানিউমেরিক অক্ষর সংরক্ষণ করা যায়।
- অনেক স্মার্টফোনে বিল্ট-ইন QR রিডার থাকায় এগুলি বিজ্ঞাপন ও প্রচারণায় সহজেই ব্যবহার করা যায়।

উৎস: ব্রিটানিকা।

৬০.
LLM-এর কোন কোন ক্ষেত্রে GPU অপরিহার্য?
  1. শুধুমাত্র ডেটা সংরক্ষণে
  2. শুধুমাত্র সফটওয়্যার আপডেটে
  3. ট্রেনিং ও ইনফারেন্স উভয় ক্ষেত্রে
  4. শুধুমাত্র ইন্টারনেট ব্যবহারে
সঠিক উত্তর:
ট্রেনিং ও ইনফারেন্স উভয় ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ট্রেনিং ও ইনফারেন্স উভয় ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা

LLM ট্রেনিং ও ইনফারেন্স-দুটোর ক্ষেত্রেই GPU অপরিহার্য ভূমিকা পালন করে।

• LLM :
- LLM বা Large Language Model চালানোর ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রাংশ হলো Graphics Card (GPU)।
- কারণ LLM-এর প্রশিক্ষণ ও ব্যবহার উভয় ক্ষেত্রেই বিপুল পরিমাণ ম্যাট্রিক্স গণনা ও প্যারালাল প্রসেসিং প্রয়োজন হয়, যা সাধারণ Processor (CPU) দিয়ে ধীরগতিতে সম্পন্ন হয়।
- শক্তিশালী GPU একসঙ্গে লক্ষাধিক অপারেশন দ্রুত সম্পাদন করতে সক্ষম, ফলে মডেল কার্যকরভাবে চালানো যায়।
- RAM, Storage Device এবং Processor অবশ্যই সহায়ক ভূমিকা রাখে, তবে মূলত GPU-এর ক্ষমতাই নির্ধারণ করে মডেল কতটা দক্ষতার সঙ্গে কাজ করবে।
- তাই LLM চালানোর ক্ষেত্রে Graphics Card-ই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপাদান।

 • LLM চালানোর জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রাংশ:
- LLM (Large Language Model) চালানোর ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ হল Graphics Card (GPU).

 • Graphics Card (GPU):
- GPU বিশাল পরিমাণ ডেটা সমান্তরালভাবে প্রসেস করতে পারে।
- LLM মডেলগুলোর প্রশিক্ষণ ও কার্যকরভাবে চালানোর জন্য হাজার হাজার কোর বিশিষ্ট GPU ব্যবহৃত হয়।
- CPU এর তুলনায় GPU অনেক দ্রুতগতিতে ম্যাট্রিক্স ও টেনসর অপারেশন করতে সক্ষম।
- LLM ট্রেনিং ও ইনফারেন্স-দুটোর ক্ষেত্রেই GPU অপরিহার্য ভূমিকা পালন করে।

বর্তমান সময়ে NVIDIA A100, H100 এর মতো GPU LLM এর জন্য সবচেয়ে ব্যবহৃত।

GPU এর ক্ষমতা যত বেশি হবে, তত দ্রুত ও কার্যকরভাবে LLM চালানো সম্ভব হবে।

উৎস: geeksforgeeks.

৬১.
আল্ট্রাসনোগ্রাফির মাধ্যমে কীভাবে ছবি তৈরি হয়?
  1. তাপের পরিবর্তনের মাধ্যমে
  2. প্রতিফলিত শব্দ তরঙ্গের সাহায্যে
  3. আলো শোষণের মাধ্যমে
  4. চৌম্বকীয় ক্ষেত্রের মাধ্যমে
সঠিক উত্তর:
প্রতিফলিত শব্দ তরঙ্গের সাহায্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রতিফলিত শব্দ তরঙ্গের সাহায্যে
ব্যাখ্যা

উচ্চ কম্পাঙ্কের শব্দ যখন শরীরের গভীরের কোনো অঙ্গ বা পেশি থেকে প্রতিফলিত হয় তখন প্রতিফলিত তরঙ্গের সাহায্যে ঐ অঙ্গের অনুরূপ একটি প্রতিবিম্ব মনিটরের পর্দায় গঠন করা হয়।

• আল্ট্রাসনোগ্রাফি:
- আল্ট্রাসনোগ্রাফি হলো এমন একটি প্রক্রিয়া যা উচ্চ কম্পাঙ্কের শব্দের প্রতিফলনের উপর নির্ভরশীল।
- উচ্চ কম্পাঙ্কের শব্দ যখন শরীরের গভীরের কোনো অঙ্গ বা পেশি থেকে প্রতিফলিত হয় তখন প্রতিফলিত তরঙ্গের সাহায্যে ঐ অঙ্গের অনুরূপ একটি প্রতিবিম্ব মনিটরের পর্দায় গঠন করা হয়।
- রোগ নির্ণয়ের জন্য যে আল্ট্রাসনোগ্রাফি করা হয় সেই শব্দের কম্পাঙ্ক 1-10 মেগাহার্টজ হয়ে থাকে।
- আট্রাসনোগ্রাফির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্যবহার স্ত্রীরোগ এবং প্রসূতিবিজ্ঞানে লক্ষ্য করা যায়।
- এর সাহায্যে ভ্রুণের আকার, পূর্নতা, ভ্রুণের স্বাভাবিক বা অস্বাভাবিক অবস্থান জানা যায়।
- প্রসূতিবিদ্যায় এটি একটি দ্রুত, নিরাপদ এবং নির্ভরযোগ্য কৌশল।
- আল্ট্রাসনোগ্রাফির সাহায্যে পিত্তপাথর, জড়ায়ুর টিউমার এবং অন্যান্য পেলভিক মাসের উপস্থিতিও শনাক্ত করা যায়।
- এক্সরের তুলনায় আল্ট্রাসনোগ্রাফি অধিকতর নিরাপদ রোগ নির্ণয় পদ্ধতি।
- তবুও আল্ট্রাসাউন্ড খুব সীমিত সময়ের জন্য ব্যবহার করতে হবে।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উম্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬২.
BIOS/UEFI সক্রিয় হয় কোন ধাপে?
  1. OS Loading
  2. User Login
  3. Power On
  4. Application Running
সঠিক উত্তর:
Power On
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Power On
ব্যাখ্যা

• কম্পিউটার চালু (Power On) করার সাথে সাথেই BIOS/UEFI সক্রিয় হয়।
- এটি প্রথমে POST (Power-On Self Test) সম্পন্ন করে, হার্ডওয়্যার পরীক্ষা করে এবং তারপর অপারেটিং সিস্টেম লোড করার প্রক্রিয়া শুরু করে।

• বুটিং (Booting):
-  বুটিং একটি কম্পিউটারকে চালু করা হলে তা সিপিইউ বা সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট প্রথমেই যাচাই করে নেয় যে কী-বোর্ড, মাউস, মনিটর ইত্যাদি যন্ত্রাংশ এর সঙ্গে সঠিকভাবে যুক্ত আছে কিনা।
- এই যাচাই করার প্রক্রিয়াকে বলে পোস্ট Power on self test (POST)।
- যদি এই যন্ত্রাংশগুলো সঠিক ভাবে যুক্ত থাকে, তা হলে সিপিইউ কম্পিউটারের অপারেটিং সিস্টেমকে হার্ডডিস্ক থেকে স্বয়ংক্রিয় ভাবে র‍্যামের মধ্যে তুলে নেয় এবং কম্পিউটারকে ব্যবহারকরীর নির্দেশ গ্রহণের জন্য প্রস্তুত করে।
- এই সামগ্রিক প্রক্রিয়াকে বলা হয় বুটিং (Booting)।
- অর্থাৎ বুটিং একটি স্বয়ক্রিয় প্রক্রিয়া, যা সম্পূর্ণ হওয়ার পরেই কম্পিউটারকে ব্যবহার করা হয়।

Booting-এর ধাপগুলো:
1) কম্পিউটার চালু (Power On ) করলে মাদারবোর্ডের ফার্মওয়্যার (BIOS/UEFI) সক্রিয় হয়।
2) POST (Power-On Self Test) হার্ডওয়্যার ঠিকমতো কাজ করছে কিনা চেক করা হয়। BIOS/UEFI হার্ডওয়্যার চেক করে (RAM, CPU, Keyboard, Monitor, Storage)।
3) Boot Loader Execution অপারেটিং সিস্টেমের boot manager (যেমন Windows Boot Manager বা GRUB) চালু হয়।
4) OS Loading → Bootloader নির্বাচিত Kernel মেমরিতে লোড করে। Kernel hardware initialize করে এবং প্রয়োজনীয় ড্রাইভার, সার্ভিস লোড করে। এরপর অপারেটিং সিস্টেম পূর্ণভাবে চালু হয়।
5) User Interface Ready ইউজার login করতে পারে এবং সিস্টেম ব্যবহার করতে পারে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬৩.
ফিটকিরি কোন ধরনের যৌগ?
  1. একলবণ
  2. দ্বি-লবণ
  3. অম্ল
  4. ক্ষার
সঠিক উত্তর:
দ্বি-লবণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্বি-লবণ
ব্যাখ্যা

ফিটকিরি একটি দ্বি-লবণ অর্থাৎ দুটি লবণ (পটাসিয়াম সালফেট এবং অ্যালুমিনিয়াম সালফেট) এর সাধারণ মিশ্রণ।

ফিটকিরি:
- প্রাচীনকাল থেকেই আমাদের দেশে এন্টিসেপটিক হিসেবে ফিটকিরির ব্যবহার প্রচলিত।
- ফিটকিরি অ্যালুমিনিয়াম সালফেট, পটাশিয়াম সালফার ও ২৪ অণু পানির যৌগ।
- ফিটকিরির রাসায়নিক সংকেত হচ্ছে [K2SO4.Al2(SO4 )3. 24H2O] |
- ফিটকিরি বা পটাস অ্যালামে ২৪ অণু কেলাস পানি যুক্ত থাকে।
- ফিটকিরি মানুষের কাছে পটাশ অ্যালাম নামে পরিচিত।

- ফিটকিরি একটি দ্বি-লবণ অর্থাৎ দুটি লবণ (পটাসিয়াম সালফেট এবং অ্যালুমিনিয়াম সালফেট) এর সাধারণ মিশ্রণ।
- অ্যালাম কঠিন অবস্থায় সুনির্দিষ্ট আকৃতির কেলাস।
- এটি সাধারণত কঠিন অবস্থায় বাজারে প্রচলিত।
- বিভিন্ন কাজে ফিটকিরি ব্যবহার করা হয়।
যেমন-
- এটি জীবাণুনাশক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- কোথাও কেটে গেলে, ছিঁড়ে গেলে সেখানে পানিতে ভিজানো ফিটকিরি ঘষে দেওয়া হয়।
- ফিটকিরি কঠিন অবস্থায় থাকে বলে প্রথমে পানিতে ভিজিয়ে নিতে হয় অথবা পানিতে দ্রবীভূত করে তা ক্ষতস্থানে লাগানো হয়।
- খাবার পানি বিশুদ্ধ বা জীবাণুমুক্ত করার জন্য এর সাথে পরিমাণমত ফিটকিরি ব্যবহারের ঘণ্টাখানেক আগে দিয়ে রাখা হয়।
- ফিটকিরি গলে গেলে পানি ছেঁকে নেয়া হয়।
- অনেকে দাড়ি কাটার পর এন্টিসেপটিক হিসেবে ফিটকিরি ব্যবহার করেন।
- এটি আফটার সেভ লোশান হিসেবে কাজ করে। ফিটকিরি রক্তক্ষরণও বন্ধ করে।

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি এবং রসায়ন প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬৪.
SSD দ্রুতগতির হওয়ার প্রধান কারণ কী?
  1. এতে ঘূর্ণনশীল ডিস্ক থাকে
  2. এতে রিড/রাইট হেড থাকে
  3. এতে NAND ফ্ল্যাশ মেমোরি ব্যবহৃত হয়
  4. এতে ম্যাগনেটিক টেপ ব্যবহৃত হয়
সঠিক উত্তর:
এতে NAND ফ্ল্যাশ মেমোরি ব্যবহৃত হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এতে NAND ফ্ল্যাশ মেমোরি ব্যবহৃত হয়
ব্যাখ্যা

সবচেয়ে দ্রুত গতি সম্পন্ন স্টোরেজ ডিভাইস হলো SSD (Solid State Drive)। SSD-তে কোনো চলমান পার্ট নেই, বরং এটি NAND ফ্ল্যাশ মেমোরিতে ডেটা সংরক্ষণ করে, যা ডেটা অ্যাক্সেসের সময়কে অনেক দ্রুত করে তোলে।

• SSD:
- SSD এর পূর্ণরূপ Solid State Drive. সলিড-স্টেট ড্রাইভ (SSD) কম্পিউটারে ব্যবহৃত স্টোরেজ ডিভাইসের একটি নতুন প্রজন্ম।
- SSD ফ্ল্যাশ-ভিত্তিক মেমোরি ব্যবহার করে ডেটা সংরক্ষণ করে, যা Traditional Hard Disk এর তুলনায় অনেক দ্রুত।
- SSD ব্যবহারের ফলে কম্পিউটার পরিচালনায় উল্লেখযোগ্য পরিমাণ গতি আসে।
- সবচেয়ে দ্রুত গতি সম্পন্ন স্টোরেজ ডিভাইস হলো SSD (Solid State Drive)। SSD-তে কোনো চলমান পার্ট নেই, বরং এটি NAND ফ্ল্যাশ মেমোরিতে ডেটা সংরক্ষণ করে, যা ডেটা অ্যাক্সেসের সময়কে অনেক দ্রুত করে তোলে।
- SSD দ্রুত বুটিং, ফাইল ট্রান্সফার এবং অ্যাপ্লিকেশন লোডিং-এর জন্য আদর্শ, তাই আধুনিক কম্পিউটার ও ল্যাপটপে SSD ব্যবহারের প্রবণতা বেশি।
- কম্পিউটারে ব্যবহৃত স্টোরেজ ডিভাইসের একটি নতুন প্রজন্ম।

• সেকেন্ডারি স্টোরেজ ডিভাইস:
 - কম্পিউটারে বিপুল পরিমাণে তথ্য স্থায়ীভাবে সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত হার্ডওয়্যারসমূহকে বলা হয় সেকেন্ডারি স্টোরেজ ডিভাইস
- হার্ডডিস্ক, এসএসডি, সিডি, ডিভিডি, পেনড্রাইভ, জিপ ড্রাইভ, ম্যাগনেটিক টেপ ইত্যাদি সেকেন্ডারি স্টোরেজ ডিভাইসের উদাহরণ।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উম্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬৫.
কোন নেটওয়ার্ক ডিভাইস শুধুমাত্র একই প্রটোকল বিশিষ্ট নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করতে পারে?
  1. হাব
  2. সুইচ
  3. রাউটার
  4. গেটওয়ে
সঠিক উত্তর:
রাউটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাউটার
ব্যাখ্যা

রাউটার একই প্রটোকল বিশিষ্ট নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করতে পারে।

• রাউটার:
- রাউটার ব্যবহার করে নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের কাজ করা হয়।
- ছোট ছোট নেটওয়ার্ক রাউটারের মাধ্যমে সংযুক্ত করে বড় ধরনের নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা হয়।
- রাউটার নেটওয়ার্কের মধ্যে একাধিক পথ সৃষ্টি করে ভিন্ন ভিন্ন ধরনের নেটওয়ার্ক যেমন ইথারনেট, টোকেন, রিং কে সংযুক্ত করতে পারে।
- রাউটার একই প্রটোকল বিশিষ্ট নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করতে পারে।

• গেটওয়ে :

- গেটওয়ে ব্যবহার করে নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের কাজ করা হয়।
- গেটওয়ে এবং রাউটার ব্যবহার করে ছোট ছোট নেটওয়ার্ককে সংযুক্ত করে বড় ধরনের নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা হয়।
- রাউটার একই প্রটোকল বিশিষ্ট নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করতে পারে কিন্তু গেটওয়ে বিভিন্ন প্রটোকল বিশিষ্ট নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করতে পারে।

• সুইচ :
- সুইচ একটি ডিভাইস যা নেটওয়ার্কের ডাটাকে বিভক্ত করে নেটওয়ার্কের সকল সিস্টেমে না পাঠিয়ে নির্দিষ্ট গন্তব্যে পাঠিয়ে দেয়।
- হাব এবং সুইচ এর কাজ প্রায় একই।
- তবে হাব  প্রোগ্রাম প্রেরিত সিগন্যাল গ্রহণ করার পর একই সাথে প্রত্যেকটি কম্পিউটারে পাঠায় কিন্তু সুইচ প্রেরিত সিগন্যাল গ্রহণ করার পর টার্গেট কম্পিউটারে পাঠায়।
- স্টার টপোলজিতে সুইচ একটি কেন্দ্রিয় কানেকটিভ ডিভাইস হিসাবে ব্যবহৃত হয়।

• হাব :
- হাবের মাধ্যমে কম্পিউটারসমূহ পরস্পরের সাথে যুক্ত থাকে।
- হাবের ক্ষমতার উপর নির্ভর করে কম্পিউটারের সংযোগের সংখ্যা।
- স্টার টপোলজিতে হাব একটি কেন্দ্রিয় ডিভাইস হিসাবে ব্যবহৃত হয়।
- হাবে মাল্টিপল পোর্ট থাকে।
- যখন একটি প্যাকেট কোন একটি পোর্টে পৌছায়, এটি সেই প্যাকেটকে কপি করে হাবের সকল পোর্টে পাঠায়।
- হাব কার্যকারিতার দিক থেকে হাব দুই প্রকার।
 যথা-
১। সক্রিয় হাব :
- এ ধরণের হাব সংকেতের মানকে বৃদ্ধি করে।
- আবার কোন কোন সক্রিয় হাব সংকেতকে অল্প মাত্রায় প্রসেসও করে থাকে।
- এই সকল হাব মূল সংকেত থেকে অপ্রয়োজনীয় সংকেত বাদ দিয়ে প্রয়োজনীয় সংকেত প্রেরণ করে।
 ২। নিষ্ক্রিয় হাব :
- এ ধরণের হাব সংকেতের মানকে বৃদ্ধি করে।
- এ সকল হাব শুধু তথ্য আদান প্রদানে সহায়তা করে মাত্র।
- এজন্য এই সকল হাবকে কোন সক্রিয় হাবের সাথে সংযুক্ত করে দেয়া হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬৬.
তরল অবস্থায় সোডিয়ামের বৈশিষ্ট্য কী?
  1. কম সক্রিয়
  2. কঠিন অবস্থার তুলনায় বেশি সক্রিয়
  3. সম্পূর্ণ নিষ্ক্রিয়
  4. পানি শোষণ করে না
সঠিক উত্তর:
কঠিন অবস্থার তুলনায় বেশি সক্রিয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কঠিন অবস্থার তুলনায় বেশি সক্রিয়
ব্যাখ্যা

তরল অবস্থায় সোডিয়াম কঠিন অবস্থার চেয়ে বেশি সক্রিয় এবং প্রায় ১২৫°C (২৫৭°F) তাপমাত্রায় এটি জ্বলে উঠতে পারে।

সোডিয়াম:
- সোডিয়াম একটি সক্রিয় ধাতু।
- সোডিয়াম পানির সঙ্গে দ্রুত বিক্রিয়া করে তাপ উৎপন্ন করে এবং হাইড্রোজেন গ্যাস নির্গত করে।
- এই বিক্রিয়াটি এতটাই দ্রুত হয় যে নির্গত হাইড্রোজেন গ্যাস আগুনের সংস্পর্শে এসে জ্বলে ওঠে।
- সোডিয়াম স্বাভাবিকভাবে বাতাসের সঙ্গে বিক্রিয়া করে, বাতাসের জলীয় বাষ্পের উপস্থিতিতে এটি দ্রুত ক্ষয়প্রাপ্ত হয়।
 - সাধারণ বাতাসে সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড (NaOH) এর একটি আস্তরণ তৈরি হয়, যা বাতাস থেকে কার্বন ডাই অক্সাইড শোষণ করে সোডিয়াম বাইকার্বোনেটে (NaHCO3) পরিণত হয়।
- সোডিয়ামকে সাধারণত কেরোসিন বা ন্যাপথার মতো inert তরলে ডুবিয়ে রাখা হয়, কারণ এটি নাইট্রোজেনের সঙ্গে বিক্রিয়া করে না।
 - তরল অবস্থায় সোডিয়াম কঠিন অবস্থার চেয়ে বেশি সক্রিয় এবং প্রায় ১২৫° C (২৫৭° F) তাপমাত্রায় এটি জ্বলে উঠতে পারে।

উৎস: ব্রিটানিকা।

৬৭.
গণপরিষদে বাংলাদেশের সংবিধান গৃহীত হয় কবে?
  1. ১১ অক্টোবর, ১৯৭২
  2. ১২ অক্টোবর, ১৯৭২
  3. ৪ নভেম্বর, ১৯৭২
  4. ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৭২
সঠিক উত্তর:
৪ নভেম্বর, ১৯৭২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪ নভেম্বর, ১৯৭২
ব্যাখ্যা

সংবিধান:
- সংবিধানের খসড়া প্রণয়নের লক্ষ্যে খসড়া সংবধিান প্রণয়ন কমিটি গঠন করা হয়: ১১ এপ্রিল, ১৯৭২ সালে।
- খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটির প্রথম অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়: ১৭ এপ্রিল, ১৯৭২ সালে।
- খসড়া সংবধিান প্রণয়ন কমিটি সংবিধানের চূড়ান্ত খসড়া প্রণয়ন করেন: ১১ অক্টোবর, ১৯৭২ সালে।
- খসড়া সংবিধান গণপরিষদে উত্থাপিত হয়: ১২ অক্টোবর, ১৯৭২ সালে।
- গণপরিষদে বাংলাদেশের সংবিধান গৃহীত হয়: ৪ নভেম্বর, ১৯৭২ সালে।
- সংবিধান স্পিকার কর্তৃক প্রমাণীকৃত হয়: ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।
- গণপরিষদের সদস্যগণ হস্তলিখিত সংবিধানে স্বাক্ষর করেনঃ ১৪ ডিসেম্বর ও ১৫ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।
- বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকর হয়: ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।

৬৮.
সেভেন সিস্টার্সের কোন রাজ্যটির সাথে বাংলাদেশের সীমান্ত নেই?
  1. ত্রিপুরা
  2. মিজোরাম
  3. মেঘালয়
  4. অরুণাচল
সঠিক উত্তর:
অরুণাচল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অরুণাচল
ব্যাখ্যা

→ সেভেন সিস্টার্সের অরুণাচল রাজ্যটির সাথে বাংলাদেশের সীমান্ত নেই।

সেভেন সিস্টার্স:
- উত্তর-পূর্ব ভারতের সাতটি রাজ্য সেভেন সিস্টার্স নামে পরিচিত।
- রাজ্যগুলো হচ্ছে -আসাম, অরুণাচল, মেঘালয়, ত্রিপুরা, মণিপুর, মিজোরাম ও নাগাল্যান্ড।
- ভারতের সেভেন সিস্টারস খ্যাত রাজ্যগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের সীমান্ত সংলগ্ন নয় মণিপুর, নাগাল্যান্ড এবং অরুণাচল রাজ্য।
- ভারতের মোট ৫টি রাজ্য বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী।
- এগুলো হলো: আসাম, ত্রিপুরা, মিজোরাম, মেঘালয় ও পশ্চিমবঙ্গ।

তথ্যসূত্র - ওয়ার্ল্ড এটলাস।

৬৯.
তমদ্দুন মজলিশের প্রতিষ্ঠাতা কে?
  1. ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত
  2. আবুল কাশেম
  3. শামসুল হক
  4. আবদুল হক
সঠিক উত্তর:
আবুল কাশেম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আবুল কাশেম
ব্যাখ্যা

→ তমদ্দুন মজলিশের প্রতিষ্ঠাতা আবুল কাশেম।

ভাষা আন্দোলন:
- তমদ্দুন মজলিশ ছিল ভাষা আন্দোলনের প্রথম সংগঠন।
- তমদ্দুন মজলিশ  ইসলামী আদর্শাশ্রয়ী একটি সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সংগঠন।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আবুল কাশেমের উদ্যোগে ১৯৪৭ সালের ২ সেপ্টেম্বর এটি প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এর নামকরণ হয় পাকিস্তান তমদ্দুন মজলিশ।

ভাষা আন্দোলন নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ অন্যান্য তথ্য:
- ভাষা আন্দোলন ছিলো বাঙালি সংস্কৃতির স্বাধিকার আন্দোলন।
- ১৯০৬ সালে নিখিল ভারত মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠার সময় উর্দু বনাম বাংলা বিতর্ক প্রথম ওঠে।
- ১৯৩৭ সালে মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ মুসলিম লীগের দাপ্তরিক ভাষা উর্দু করার প্রস্তাব করলে শেরে বাংলা এ. কে. ফজলুল হক এর বিরোধিতা করেন। 
- ভাষা আন্দোলনের প্রথম পুস্তিকা প্রকাশ করে 'তমদ্দুন মজলিশ।
- বাঙালির মুক্তি সংগ্রামের প্রথম ঘটনা হলো ভাষা আন্দোলন।
- এই আন্দোলনের মধ্য দিয়েই বাঙালি জাতীয়তাবোধের উন্মেষ ঘটে।
- ভাষার আন্দোলনের সূত্রপাত ঘটে ১৯৪৭ সালে এবং চূড়ান্ত রূপ লাভ করে ১৯৫২ সালে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি ও বাংলাপিডিয়া।

৭০.
মানুষের মধ্যে সামাজিক মূল্যেবোধ গড়ে উঠে কোনটির মাধ্যমে?
  1. উচ্চমানের প্রযুক্তি অনুসরণ
  2. অর্থনৈতিক প্রণোদনা
  3. সামাজিকীকরণ
  4. আইনের বাধ্যবাধকতা
সঠিক উত্তর:
সামাজিকীকরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সামাজিকীকরণ
ব্যাখ্যা

→ মানুষের মধ্যে সামাজিক মূল্যেবোধ গড়ে উঠে সামাজিকীকরণের মাধ্যমে।

সামাজিক মূল্যবোধ:
- যে চিন্তা-ভাবনা, লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য মানুষের সামাজিক আচার-আচরণ ও কর্মকাণ্ডকে নিয়ন্ত্রিত ও পরিচালিত করে তাই সামাজিক মূল্যবোধ।
- সমাজবিজ্ঞানী ফ্রান্সিস ই.মেরিল এর মতে, "সামাজিক মূল্যবোধ হলো মানুষের দলীয় কল্যাণের জন্য আচরণ সংরক্ষণ করা, যা মানুষ গুরুত্বপূর্ণ বলে বিবেচনা করে।
- বড়দের সম্মান করা, সহনশীলতা, দানশীল হওয়া, আতিথেয়তা ইত্যাদি হচ্ছে সামাজিক মূল্যবোধ।
- সুতরাং মানুষের মধ্যে সামাজিক মূল্যেবোধ গড়ে উঠে সামাজিকীকরণের মাধ্যমে।

উল্লেখ্য:
- আইনের বাধ্যবাধকতার মাধ্যমে সামাজিক মূল্যেবোধ গড়ে উঠে না।
- অর্থনৈতিক প্রণোদনার মাধ্যমে অর্থনৈতিক মূল্যেবোধ গড়ে উঠে।
- উচ্চমানের প্রযুক্তি অনুসরণের মাধ্যমে দেশের উন্নয়ন হয়।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন, প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মো: মোজাম্মেল হক।

৭১.
১ম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট নিয়ে গঠিত হয় কোন ব্রিগেড ফোর্স?
  1. এস ফোর্স
  2. কে ফোর্স
  3. জেড ফোর্স
  4. এন ফোর্স
সঠিক উত্তর:
জেড ফোর্স
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেড ফোর্স
ব্যাখ্যা

ব্রিগেড ফোর্স:
- মুক্তিযুদ্ধের সময় ৩টি ব্রিগেড ফোর্স গঠন করা হয়।
• জেড ফোর্স,
• কে ফোর্স,
• এস ফোর্স।

⇒ জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে জেড ফোর্স।
- ‘জেড ফোর্স’ নামে পরিচিত নিয়মিত বাহিনীর প্রথম ব্রিগেডটি জুলাই মাসে গঠিত হয়।
- ব্রিগেডটি ১ম, ৩য় ও ৮ম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট নিয়ে গঠিত হয়।

⇒ কে.এম.সফিউল্লাহর নেতৃত্বে এস ফোর্স।
- ‘এস ফোর্স’ নামে পরিচিত দ্বিতীয় নিয়মিত ব্রিগেডটি অক্টোবরে গঠিত হয়।
- ব্রিগেডটি দ্বিতীয় ও একাদশ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের সৈনিকদের নিয়ে অক্টোবরে গঠিত হয়।

⇒ খালেদ মোশাররফের নেতৃত্বে কে ফোর্স।
- ‘কে ফোর্স’ গঠিত হয় ৪র্থ, ৯ম ও ১০ম ইস্ট বেঙ্গলের সদস্যদের নিয়ে।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ও বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭২.
উচ্চ ফলনশীল ধানের জাত কোনটি?
  1. সুফলা
  2. অগ্নিশ্বর
  3. কবরী
  4. কাঞ্চন
সঠিক উত্তর:
সুফলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুফলা
ব্যাখ্যা

উচ্চ ফলনশীল ধানের জাত:
- বিপ্লব, হিরা, মালা, ইরাটম, ময়না, চান্দিনা, হরিধান, নারিফা, সুফলা, প্রগতি ইত্যাদি।

উচ্চ ফলনশীল কলার জাত:
- সিঙ্গাপুরী, কাবুলী, মেহের সাগর, অমৃত সাগর, সবরি, অনুপম, মালভোগ, মর্তমান, চাঁপা, অগ্নিশ্বর, কবরী।

উচ্চ ফলনশীল আলুর জাত:
- হীরা, আইলসা, ডায়মন্ড, কার্ডিনাল, চমক, মরিনী, সুন্দরী, কুফরী, মুলটা ইত্যাদি।

উচ্চ ফলনশীল গমের জাত:
- কাঞ্চন, আকবর, অঘ্রাণী, প্রতিভা, সৌরভ, গৌরব।

উচ্চ ফলনশীল পেঁয়াজের জাত:
- সুখ সাগর, ঝিটকা, কৈলাসনগর, তাহেরপুরী, ভাতি।

উচ্চ ফলনশীল বাঁধাকপির জাত:
- গ্রীন এক্সপ্রেস, ড্রামহেড, গোল্ডেন ক্রস, প্রভাতী, অগ্রদূত।

উচ্চ ফলনশীল আমের জাত:
- মহানন্দা, ল্যাংড়া, ফজলি, হাড়িভাঙ্গা, আম্রপালি, গোপালভোগ, সূর্যপুরী, হিমসাগর, মোহনভোগ প্রভৃতি।

উচ্চ ফলনশীল ভুট্টার জাত:
- বর্ণালি, শুভ্রা, খই, মোহর।

তথ্যসূত্র - জাতীয় কৃষি বাতায়ন।

৭৩.
নিচের কোনটি নিয়ত বায়ুপ্রবাহ?
  1. উপত্যকা বায়ু
  2. পার্বত্য বায়ু
  3. মৌসুমি বায়ু
  4. অয়ন বায়ু
সঠিক উত্তর:
অয়ন বায়ু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অয়ন বায়ু
ব্যাখ্যা

বায়ুপ্রবাহের প্রকারভেদ:
- বায়ুপ্রবাহ মূলত চার প্রকার। যথা-
# নিয়মিত বায়ু।
# স্থানীয় বায়ু।
# সাময়িক বায়ু।
# অনিয়মিত বায়ু।

• নিয়ত বায়ুপ্রবাহ তিন প্রকার। যথা-
# অয়ন বায়ু।
# মেরু বায়ু।
# পশ্চিমা বায়ু।

• সাময়িক বায়ু প্রধানত দুই প্রকার। যথা-
# স্থলবায়ু ও সমুদ্রবায়ু।
# মৌসুমি বায়ু।

• স্থানীয় বায়ু হলো দুই প্রকার। যথা-
# পার্বত্য বায়ু।
# উপত্যকা বায়ু।

• অনিয়মিত বায়ু দুই প্রকার। যথা-
# ঘূর্ণিবাত বায়ু।
# প্রতীপ ঘূর্ণিবাত বায়ু।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭৪.
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর চূড়ান্ত রিপোর্ট অনুযায়ী, পুরুষের সাক্ষরতার হার কত?
  1. ৭৩.৩৯%
  2. ৭৪.৭৮%
  3. ৭৫.২১%
  4. ৭৬.৭১%
সঠিক উত্তর:
৭৬.৭১%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭৬.৭১%
ব্যাখ্যা

জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) জনশুমারি পরিচালনা করে।
- ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুষ্ঠিত হয় : ১৫-২১ জুন ২০২২ সালে।
- এটি দেশের প্রথম ডিজিটাল শুমারি।
- জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর তথ্য সংগ্রহে যে পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে -  CAPI.
- CAPI এর পূর্ণরূপ - Computer Assisted Personal Interviewing.
- গণনায় যে পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে-  মোডিফাইড ডি-ফ্যাক্টো (Modified De-facto) পদ্ধতি।
- মোট জনসংখ্যা: ১৬ কোটি ৯৮ লাখ ২৮ হাজার ৯১১ জন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.১২%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১১১৯ জন।
- সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) - ৭৪.৮০%।
- পুরুষের সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) - ৭৬.৭১%।
- মহিলার সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) - ৭২.৯৪%।
- বিভাগভিত্তিক সাক্ষরতার হার সবচেয়ে বেশি ঢাকা বিভাগে (৭৮.২৪%)।
- বিভাগভিত্তিক সাক্ষরতার হার সবচেয়ে কম ময়মনসিংহ বিভাগে (৬৭.২৩%)।
- সাক্ষরতার হারে শীর্ষ জেলা পিরোজপুর (৮৫.৫৩%)।
- সাক্ষরতার হারে সর্বনিম্ন জেলা জামালপুর (৬১.৭০%)।

তথ্যসূত্র - পরিসংখ্যান ব্যুরোর ওয়েবসাইট।

৭৫.
'অপারেশন রাইজিং লায়ন' কোন দেশের বিরুদ্ধে পরিচালনা করা হয়?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. ইরান
  3. ইসরায়েল
  4. ইউক্রেন
সঠিক উত্তর:
ইরান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইরান
ব্যাখ্যা

‘অপারেশন রাইজিং লায়ন':
- ইসরায়েল কর্তৃক ইরানে চালানো সামরিক অভিযানটির নাম 'অপারেশন রাইজিং লায়ন'।
- 'রাইজিং লায়ন' নামটি বাইবেলের একটি অনুচ্ছেদে সিংহের প্রতীকী পরাক্রমকে তুলে ধরে, ইসরায়েলের যুদ্ধ প্রস্তুতি এবং আত্মবিশ্বাসের প্রতীক।
- ১৩ জুন ২০২৫-এর ভোরে ইসরায়েলি বিমান বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদ যৌথভাবে 'অপারেশন রাইজিং লায়ন' পরিচালনা করে।
- ইসরায়েল প্রথমে 'ড্রোন' দ্বারা ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দুর্বল করা, এরপর প্রধান পারমাণবিক ও সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে বিমান হামলা করে।

→ উল্লেখ্য:
- এই হামলার জবাবে ইরান পাল্টা হামলা চালায়।
- এই হামলার নাম দেয়া হয় 'অপারেশন টু প্রমিজ থ্রি’।
- ইরান পাল্টা জবাবে শতাধিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ছুড়ে।

তথ্যসূত্র - পত্রিকার রিপোর্ট।

৭৬.
টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের পক্ষে প্রথম সেঞ্চুরি করেন কে?
  1. খালেদ মাসুদ পাইলট
  2. আমিনুল ইসলাম বুলবুল
  3. মোহাম্মদ আশরাফুল
  4. হাবিবুল বাশার সুমন
সঠিক উত্তর:
আমিনুল ইসলাম বুলবুল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আমিনুল ইসলাম বুলবুল
ব্যাখ্যা

টেস্টে প্রথম:
- প্রথম টেস্ট ম্যাচে বাংলাদেশের অধিনায়ক ছিলেন নাইমুর রহমান।
- ভারতের বিপক্ষে বাংলাদেশ প্রথম টেস্ট ম্যাচ খেলে।
- বাংলাদেশ প্রথম টেস্ট ম্যাচ জয় পায় জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে।
- প্রথম টেস্ট উইকেট শিকার করেছেন নাইমুর রহমান।
- প্রথম হাফ সেঞ্চুরি করেন হাবিবুল বাশার।
- প্রথম সেঞ্চুরি করেন আমিনুল ইসলাম বুলবুল।
- প্রথম ডাবল সেঞ্চুরি: মুশফিকুর রহিম।
- প্রথম ৫ উইকেট শিকার করেন নাইমুর রহমান।
- প্রথম ১০০ উইকেট মোহাম্মদ রফিকের।
- প্রথম ব্যক্তিগত হাজার রান সংগ্রাহক হাবিবুল বাশার।
- একমাত্র ১০ উইকেট’ শিকার করেন এনামুল হক জুনিয়র।

তথ্যসূত্র - ক্রিক ইনফো ওয়েবসাইট ও দৈনিক প্রথম আলো, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮।

৭৭.
লেবানন ও ইসরায়েলের মধ্যকার সীমানা কোনটি?
  1. ব্লু লাইন
  2. লাইন অব ডিমারকেশন
  3. ডুরান্ড লাইন
  4. পার্পল লাইন
সঠিক উত্তর:
ব্লু লাইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্লু লাইন
ব্যাখ্যা

বিভিন্ন দেশের সীমানা:
→ ব্লু লাইন: লেবানন ও ইসরায়েলের মধ্যকার সীমানা।
→ পার্পল লাইন: ইসরাইল ও সিরিয়ার মধ্যে সীমানা।
→ সনেরা লাইন: মেক্সিকো ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার সীমানা।
→ ওডার-নেইস লাইন: জার্মানি ও পোল্যান্ডের মধ্যকার সীমানা।
→ লাইন অব ডিমারকেশন: পর্তুগাল ও স্পেনের মধ্যে সীমানা।
→ ডুরান্ড লাইন: পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্যে সীমানা।
→ রেডক্লিফ লাইন: ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সীমারেখা।
→ লাইন অব একচুয়াল কন্ট্রোল / ম্যাকমোহন লাইন: চীন ও ভারতের মধ্যে সীমানা।
→ লাইন অব কন্ট্রোল: ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সীমানা।

তথ্যসূত্র - Britannica.com

৭৮.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫ অনুযায়ী, এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে -
  1. ভারতে
  2. চীনে
  3. পাকিস্তানে
  4. জাপানে
সঠিক উত্তর:
জাপানে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাপানে
ব্যাখ্যা

রপ্তানি আয়:
- একক দেশ হিসেবে রপ্তানি বাণিজ্যের সবচেয়ে বড় অংশীদার দেশ - যুক্তরাষ্ট্র।
- যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য তৈরি পোশাক।
- যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি হার ১৮.০০%।
- একক দেশ হিসেবে রপ্তানি বাণিজ্যের দ্বিতীয় অবস্থানে আছে জার্মানি।
- জার্মানিতে রপ্তানি হার ১০.৯৬%।
- একক দেশ হিসেবে রপ্তানি বাণিজ্যের তৃতীয় অবস্থানে আছে যুক্তরাজ্য।
- যুক্তরাজ্যে রপ্তানি হার ৯.৫৭%।

• এশিয়া,
- এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে – জাপানে।
- জাপানে রপ্তানি হার ২.৯২%।

• অঞ্চল,
- অঞ্চল হিসাবে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে - ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশসমূহে।
- ইউরোপে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ক্রেতা রাষ্ট্র - জার্মানি।
- ইউরোপের দেশগুলোতে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য তৈরি পোশাক।

তথ্যসূত্র - অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫।

৭৯.
নিচের কোন দেশটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় অক্ষশক্তির অন্তর্ভুক্ত ছিল?
  1. ব্রিটেন
  2. ইতালি
  3. ফ্রান্স
  4. পোল্যান্ড
সঠিক উত্তর:
ইতালি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইতালি
ব্যাখ্যা

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ:
- ১৯৩৯ সালের ১ সেপ্টেম্বর জার্মানি কর্তৃক পোল্যান্ড আক্রমণের মাধ্যমে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয়।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে অক্ষশক্তির অন্তর্ভুক্ত ছিল,
• জার্মানি,
• জাপান,
• ইতালি।

- মিত্রশক্তির অন্তর্ভুক্ত ছিল,
• ব্রিটেন,
• ফ্রান্স,
• যুক্তরাষ্ট্র,
• সোভিয়েত ইউনিয়ন,
• চীন,
• পোল্যান্ড,
• নেদারল্যান্ডস প্রভৃতি দেশ।

- ৮ ডিসেম্বর, ১৯৪১ সালে যুক্তরাষ্ট্র দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সরাসরি যোগদান করে।
- ৭ মে ১৯৪৫ জার্মানি মিত্রবাহিনীর নিকট নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ করে।
- ২ সেপ্টেম্বর ১৯৪৫ জাপান কর্তৃক আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মসমর্পণের মাধ্যমে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটে।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ইতিহাসে প্রথমবারের মতো পারমাণবিক অস্ত্রের দুটি ব্যবহার হয়েছিল।
- তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন তথা রাশিয়ার নেতা বা প্রেসিডেন্ট ছিলেন জোসেফ স্ট্যালিন।
- যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন উইনস্টন চার্চিল।
- যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ছিলেন ফ্রাঙ্কলিন ডি রুজভেল্ট ও হ্যারি এস. ট্রুম্যান।

তথ্যসূত্র - হিস্টোরি ও ব্রিটানিকা কম।

৮০.
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কত শতাংশ ভোট পড়েছে?
  1. ৫২.৮১%
  2. ৫৬.২৫%
  3. ৫৯.৪৪%
  4. ৬২.৮৭%
সঠিক উত্তর:
৫৯.৪৪%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৯.৪৪%
ব্যাখ্যা

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন:
- ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬।
- প্রতিদ্বন্দ্বী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কত শতাংশ ভোট পড়েছে?রাজনৈতিক দল ৫০টি (নিবন্ধিত ৬০টি)।
- প্রদত্ত ভোটের হার ৫৯.৪৪%।
- মোট ভোটার ১২ কোটি ৭৭ লাখ ১১ হাজার ৭৯৩ জন।
- গণভোট পড়েছে ৬০.২৬%।
- তৃতীয়-লিঙ্গের ভোটার ১ হাজার ২৩২ জন।
- পোস্টাল ব্যালটে ভোট নিবন্ধনকারী ভোটারের সংখ্যা ১৫ লাখ ২৮ হাজার ১৩১ জন।
- ভোট প্রদান ১২ লাখ ২৪ হাজার ১৮৮ জন (৮০.১১%)।
- মোট প্রার্থী ২২২৮ জন।
- স্বতন্ত্র ২৭৩ জন (নির্বাচিত ৭ জন)।
- নির্বাচিত নারী প্রার্থী ৭ জন,
- বিএনপি থেকে ৬ জন।
- স্বতন্ত্র ১ জন।

তথ্যসূত্র - ডেইলি স্টার বাংলা এবং প্রথম আলো পত্রিকার রিপোর্ট।

৮১.
'Rules of Business' প্রণয়ন করেন কে?
  1. প্রধানমন্ত্রী
  2. স্পিকার
  3. প্রধান বিচারপতি
  4. রাষ্ট্রপতি
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা

→ 'Rules of Business' প্রণয়ন করেন রাষ্ট্রপতি।

রাষ্ট্রপতি:
- রাষ্ট্রপতি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সাংবিধানিক প্রধান।
- বাংলাদেশের সংবিধানের চতুর্থ অংশের ৪৮-৫৪ অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রপতি সম্পর্কিত বিধানাবলি বিধৃত হয়েছে।
- রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আসনে অধিষ্ঠিত।
- তিনি সংবিধান ও আইন বলে তাঁর উপর অর্পিত ক্ষমতা প্রয়োগ ও দায়িত্ব সম্পন্ন করেন।
- রাষ্ট্রপতি জারিকৃত আইনকে অধ্যাদেশ বলে।
- সরকারের যাবতীয় নির্বাহী কার্যাদি রাষ্ট্রপতির নামে সম্পাদন করা হয়।
- সংসদ-সদস্যদের দ্বারা রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন।
- রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার জন্যে নূন্যতম বয়স ৩৫ বছর।
- রাষ্ট্রপতির পদ শূণ্য হলে মেয়াদ শেষ হওয়ার ৬০-৯০ দিনের মধ্যে রাষ্ট্রপতির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার বিধান রয়েছে।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ও বাংলাদেশের সংবিধান।

৮২.
ন্যাটোর কোন অনুচ্ছেদে জাতিসংঘ সনদের বাধ্যবাধকতা উল্লেখ রয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ৩
  2. অনুচ্ছেদ ৭
  3. অনুচ্ছেদ ৯
  4. অনুচ্ছেদ ১১
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৭
ব্যাখ্যা

ন্যাটোর অনুচ্ছেদ:
- অনুচ্ছেদ ১: শান্তিপূর্ণ সমাধান,
- অনুচ্ছেদ ২: বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক,
- অনুচ্ছেদ ৩: প্রতিরক্ষা সক্ষমতা,
- অনুচ্ছেদ ৪: পরামর্শ,
- অনুচ্ছেদ ৫: সম্মিলিত প্রতিরক্ষা,
- অনুচ্ছেদ ৬: আক্রমণের সংজ্ঞা,
- অনুচ্ছেদ ৭: জাতিসংঘ সনদের বাধ্যবাধকতা,
- অনুচ্ছেদ ৮: অ-দ্বন্দ্বমূলক সম্পৃক্ততা,
- অনুচ্ছেদ ৯: বাস্তবায়ন পরিষদ,
- অনুচ্ছেদ ১০: অতিরিক্ত পক্ষসমূহ,
- অনুচ্ছেদ ১১: চুক্তি অনুমোদন এবং প্রয়োগ,
- অনুচ্ছেদ ১২: চুক্তি পর্যালোচনা,
- অনুচ্ছেদ ১৩: জোটের সদস্যতা ত্যাগ,
- অনুচ্ছেদ ১৪: চুক্তির অন্যান্য সংস্করণের গ্রহণযোগ্যতা।

তথ্যসূত্র - ন্যাটো অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

৮৩.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫ অনুযায়ী, জিডিপিতে কোন খাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ সবচেয়ে বেশি?
  1. যোগাযোগ
  2. সেবা
  3. কৃষি
  4. শিল্প
সঠিক উত্তর:
কৃষি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কৃষি
ব্যাখ্যা

অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫:
- অর্থনীতি/জিডিপিতে কৃষিখাতের অবদান = ১০.৯৪%।
- অর্থনীতি/জিডিপিতে শিল্পখাতের অবদান = ৩৭.৪৪%।
- অর্থনীতি/জিডিপিতে সেবাখাতের অবদান= ৫১.৬২%।

অন্যদিকে,
- অর্থনীতি/জিডিপিতে কৃষিখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ - ৪৪.৬৭%।
- অর্থনীতি/জিডিপিতে শিল্পখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ - ১৭.৩৭%।
- অর্থনীতি/জিডিপিতে সেবাখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ - ৩৭.৯৬%।

তথ্যসূত্র - অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫।

৮৪.
মায়া সভ্যতার ধর্মীয় ক্যালেন্ডারের নাম কী?
  1. হাব
  2. কাতুন
  3. টজলকিন
  4. উইনাল
সঠিক উত্তর:
টজলকিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টজলকিন
ব্যাখ্যা

মায়া সভ্যতা:
- তৎকালীন পৃথিবীর সবচেয়ে আধুনিক ও উন্নত সভ্যতা ছিল এ মায়া সভ্যতা।
- মায়া সভ্যতায় বসবাসকারীদের মায়ানও বলা হতো।
- মেক্সিকো ও মধ্য আমেরিকার কয়েকটি দেশ যেমন গুয়েতমালা, বেলিজ, এল সালভাদের, হন্ডরাস প্রভৃতি দেশে মায়া সভ্যতা লোকজনের বসবাস ছিল।
- তারা আনুমানিক খ্রিস্টপূর্ব ১৮০০ অব্দ থেকে এসকল অঞ্চলে বসবাস শুরু করে।
- মায়া সভ্যতার অন্যতম কেন্দ্রবিন্দু ছিল মেক্সিকোর অন্যতম প্রদেশ ইয়াকাতানে অবস্থিত চেচেন ইৎজা (Chichen Itza) শহর।
- মায়া সভ্যতাকে দুটি পর্যায়ে বিভক্ত করা যায়। যথা-
১. প্রাচীন মায়া সভ্যতা (খ্রিস্টপূর্ব ১৮০০-২৫০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত) এবং
২. ক্ল্যাসিক মায়া সভ্যতা (২৫০-৯০০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত)।

→ মায়ারা দুটি ক্যালেন্ডার তৈরি করেছিল:
• হাব (Haab): ৩৬৫ দিনের সৌর ক্যালেন্ডার।
• টজলকিন (Tzolk’in): ২৬০ দিনের ধর্মীয় ক্যালেন্ডার।

তথ্যসূত্র - Britannica & history.com

৮৫.
মুক্তিযুদ্ধের সময় আমেরিকান কনসাল জেনারেল আর্চার ব্লাডের বিখ্যাত প্রতিবেদনের নাম কী?
  1. Blood Telegram
  2. East Pakistan Cable
  3. Dhaka Dispatch
  4. Archer Telegram
সঠিক উত্তর:
Blood Telegram
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Blood Telegram
ব্যাখ্যা

→ মুক্তিযুদ্ধের সময় আমেরিকান কনসাল জেনারেল আর্চার ব্লাডের বিখ্যাত প্রতিবেদনের নাম 'The Blood Telegram'।

The Blood Telegram:
- বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকা নিয়ে আমেরিকান অধ্যাপক গ্যারি জে বাসের রচিত বইটির মূল নাম 'দ্য ব্লাড টেলিগ্রাম: নিক্সন, নিসিঞ্জার অ্যান্ড আ ফরগটেন জেনোসাইড'।
- 'ব্লাড টেলিগ্রাম' হল আর্চার ব্লাডের একটি তারবার্তা।
- ১৯৭১ সালে তিনি পূর্ব পাকিস্তানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কনসাল জেনারেল ছিলেন।
- ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় আর্চার ব্লাড যুক্তরাষ্ট্র সরকারকে তৎকালীন চলমান গণহত্যা বন্ধে ব্যর্থ হওয়ায় একটি টেলিগ্রাম বার্তা পাঠান, যা ইতিহাসে 'ব্লাড টেলিগ্রাম' নামে পরিচিতি পায়।
- 'ব্লাড টেলিগ্রাম' বার্তাটি ২০১৩ সালে প্রকাশিত হয়।
- এ বইটি অন্য যেকোনো বইয়ের চেয়ে আলাদা এবং স্বতন্ত্র।
- প্রথম কোনো পশ্চিমা গবেষক ১৯৭১-এ সংঘঠিত বাংলাদেশের গণহত্যাকে 'প্রমাণিত গণহত্যা' হিসেবে বিশ্বের সামনে দাঁড় করানোর প্রয়াস পেয়েছেন।

তথ্যসূত্র - Amazon.com ও প্রথম আলো পত্রিকার রিপোর্ট।

৮৬.
জাতিসংঘের এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে আন্তঃদেশীয় বাণিজ্য ব্যবস্থা ত্বরান্বিত করতে স্বাক্ষরিত হয় কোনটি?
  1. ESCAP
  2. ECOSOC
  3. ESCWA
  4. ECLAC
সঠিক উত্তর:
ESCAP
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ESCAP
ব্যাখ্যা

ESCAP:
- জাতিসংঘের এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে আন্তঃদেশীয় বাণিজ্য ব্যবস্থা ত্বরান্বিত করতে স্বাক্ষরিত হয়।
- কাগজবিহীন বাণিজ্য সহজীকরণ কাঠামো চুক্তি।
- ESCAP এর পূর্ণরূপ- Economic and Social Commission for Asia and the Pacific.
- এশিয়া প্যাসিফিক আঞ্চলিক অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশনের (ESCAP) সহায়তায় ২০১৬ সালে এই চুক্তি গ্রহণ করা হয়।
- সদর দপ্তর: ব্যাংকক, থাইল্যান্ড।
- ESCAP-ভুক্ত ৫৩টি সদস্য দেশ এ চুক্তিতে অংশ নিতে পারবে।

→ উল্লেখ্য:
- জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশন (ECOSOC)।
- পশ্চিম এশীয় অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশন (ESCWA)।
- ল্যাটিন আমেরিকা ও ক্যারিবীয় অর্থনৈতিক কমিশন (ECLAC)।

তথ্যসূত্র - ESCAP অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

৮৭.
রুশ বিপ্লবের দ্বিতীয় পর্যায় কোনটি?
  1. জুলাই বিপ্লব
  2. আগস্ট বিপ্লব
  3. সেপ্টেম্বর বিপ্লব
  4. অক্টোবর বিপ্লব
সঠিক উত্তর:
অক্টোবর বিপ্লব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অক্টোবর বিপ্লব
ব্যাখ্যা

রুশ বিপ্লব:
- ১৯১৭ সালে রাশিয়ায় মূলত দুটি বিপ্লব সংঘটিত হয়।
- এই দুটি বিপ্লব হলো ফেব্রুয়ারি বিপ্লব ও বলশেভিক বিপ্লব।
- এই দুটি বিপ্লবকে একত্রে ১৯১৭ সালের রুশ বিপ্লব' বলা হয়।

ফেব্রুয়ারি বিপ্লব:
- রুশ বিপ্লবের প্রথম পর্যায়কে ফেব্রুয়ারি বিপ্লব বলে।
- ফেব্রুয়ারি বিপ্লবের ফলে দ্বিতীয় নিকোলাসকে ক্ষমতা থেকে উচ্ছেদ ও বন্দি করা হয়।
- ১৯১৭ সালের ফেব্রুয়ারিতে পেট্রোগ্রাদে (সেন্ট পিটার্সবার্গে) খাদ্য ঘাটতি নিয়ে দাঙ্গা শুরু হয়।
- সেনাবাহিনী বিদ্রোহীদের সাথে যোগ দিলে নিকোলাস ত্যাগ করতে বাধ্য হন।
- রাশিয়ার রাজতন্ত্রের পতন হয় ফেব্রুয়ারি বিপ্লবের কারণে।

বলশেভিক বিপ্লব/অক্টোবর বিপ্লব:
- রুশ বিপ্লবের দ্বিতীয় পর্যায়কে বলশেভিক বা অক্টোবর বিপ্লব বলে।
- বলশেভিক বিপ্লবের ফলে রাশিয়ায় লেনিনের নেতৃত্বে বিশ্বের প্রথম সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
- বলশেভিক বিপ্লবের নেতা ছিলেন ভ্লাদিমির লেনিন ও লিওন ট্রটস্কি।

তথ্যসূত্র - History.com & Britannica.com

৮৮.
বাংলার সবচেয়ে প্রাচীন ও সমৃদ্ধ রাজ্য ছিল কোনটি?
  1. সমতট
  2. বঙ্গ
  3. পুণ্ড্র
  4. হরিকেল
সঠিক উত্তর:
পুণ্ড্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পুণ্ড্র
ব্যাখ্যা

পুণ্ড্র জনপদ:
- প্রাচীন সভ্যতার নিদর্শনের দিক দিয়ে পুণ্ড্রই ছিল বাংলার সবচেয়ে প্রাচীন ও সমৃদ্ধ রাজ্য।
- পুণ্ড্র ‘জন' বা জাতি এ জনপদ গঠন করেছিল।
- পুণ্ড্ররা বঙ্গসহ অন্যান্য জাতিগোষ্ঠীর নিকটজন ছিল।
- পুন্ড্রদের রাজ্যের রাজধানীর নাম পুন্ড্রনগর।
- বর্তমান বগুড়া শহরের অদূরে করতোয়া নদীর তীরে পুন্ড্রনগর অবস্থিত।
- পরবর্তী কালে এর নাম মহাস্থানগড় হয়। 
- এ রাজ্যের বিস্তৃতি বর্তমান বগুড়া, রংপুর, রাজশাহী ও দিনাজপুর পর্যন্ত ছিল।
- পুণ্ড্র রাজ্যের উত্তর অংশের নাম বরেন্দ্র, বরেন্দ্রী অথবা বরেন্দ্রভূমি ছিল।
- রাজশাহী অঞ্চলকে এখনও বরেন্দ্র বলা হয়ে থাকে। ক্রমবর্ধমান সমৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে পুণ্ড্র ৫ম-৬ষ্ঠ শতকে পুণ্ড্র বর্ধন নামে পরিচিত হয়।
- গুপ্ত যুগে (৪র্থ- ৬ষ্ঠ শতকে) পুণ্ড্র নগর ছিল গুপ্তদের প্রাদেশিক রাজধানী।
- পুন্ড্র জনপদে একটি উন্নত নগর সভ্যতা ছিল।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ স্টাডিজ, বিবিএস প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম- দশম শ্রেণি ও বাংলাপিডিয়া।

৮৯.
মার্কিন কংগ্রেসের কোন কক্ষকে অঙ্গরাজ্যগুলোর প্রতিনিধিত্বমূলক বলা হয়? 
  1. হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভ
  2. সিনেট
  3. নেসেট
  4. ডুমা
সঠিক উত্তর:
সিনেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিনেট
ব্যাখ্যা

কংগ্রেস:
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় সরকারের আইন সভার নাম কংগ্রেস।
- আইন প্রণয়ন করাই এর প্রধান কাজ।
- কংগ্রেস একটি দ্বি-কক্ষ বিশিষ্ট আইন সভা।
- কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ ‘প্রতিনিধি সভা' (The House of Representative) এবং উচ্চকক্ষ 'সিনেট' (The Senate) নামে পরিচিত।

→ নিম্নকক্ষ:
- কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ ‘প্রতিনিধি সভা' বা 'হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভ' নামে পরিচিত।
• আসন সংখ্যা - ৪৩৫টি।
• মেয়াদ - ২ বছর।
• 'হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভ' সদস্য নির্বাচিত হওয়ার জন্য, একজন ব্যক্তির বয়স কমপক্ষে ২৫ বছর হতে হবে।

→ উচ্চকক্ষ:
- কংগ্রেসের উচ্চকক্ষ 'সিনেট' নামে পরিচিত।
• আসন সংখ্যা - ১০০টি।
• মেয়াদ - ৬ বছর।
• 'সিনেট' সদস্য নির্বাচিত হওয়ার জন্য, একজন ব্যক্তির বয়স কমপক্ষে ৩০ বছর হতে হবে।

→ উল্লেখ:
- যুক্তরাষ্ট্রীয় ব্যবস্থার ঐতিহ্য অনুসারে 'নিম্নকক্ষ' বা 'হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভ' হল মার্কিন জনগণের প্রতিনিধিত্বমূলক কক্ষ আর উচ্চকক্ষ বা ‘সিনেট' হল অঙ্গরাজ্যগুলোর প্রতিনিধিত্বমূলক কক্ষ।
- মার্কিন কংগ্রেসের হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভ ও সিনেটের সদস্যরা জনগণের দ্বারা প্রত্যক্ষভাবে নির্বাচিত হন।
- বর্তমানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ডেমোক্রেটিক পার্টি ও রিপাবলিকান পার্টি এ দু'টি দলের প্রাধান্য বিদ্যমান।

তথ্যসূত্র - যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি ওয়েবসাইট।

৯০.
রপ্তানির ক্ষেত্রে মূল্য সংযোজন কর কত শতাংশ?
  1. ০%
  2. ৫%
  3. ৭%
  4. ১৫%
সঠিক উত্তর:
০%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
০%
ব্যাখ্যা

মূল্য সংযোজন কর:
- মূল্য সংযোজন কর (মূসক) হচ্ছে কোন পণ্য বা সেবার ক্ষেত্রে তার উৎপাদন ও বণ্টনের প্রতিটি পর্যায় শেষে সংযোজিত মূল্যের ওপর শতকরা হারের কর।
- বাংলাদেশে মূল্য সংযোজন কর একটি পরোক্ষ কর।
- ১৯৯০ সনের মধ্য জুনের কিছু আগে মূল্য সংযোজন কর আইন ১৯৯০ (খসড়া) তৈরি করা হয়।
- মূল্য সংযোজন কর চালু হয় ১ জুলাই ১৯৯১ সালে।
- সকল পন্য ও সেবার উপর ১৫% মূল্য সংযোজন কর আরোপ হয়।
- আমদানি ও সরবরাহের ক্ষেত্রে মূল্য সংযোজন কর ১৫%।
- পন্য বা সেবার সর্বশেষ ভোক্তা মূল্য সংযোজন কর দাতা।
- রপ্তানির ক্ষেত্রে মূল্য সংযোজন কর ০%।

তথ্যসূত্র- জাতীয় রাজস্ব বোর্ড, বাংলাদেশ ওয়েবসাইট ও বাংলাপিডিয়া।

৯১.
'বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস' পালিত হয় কবে?
  1. ১১ জুলাই
  2. ৭ এপ্রিল
  3. ৪ অক্টোবর
  4. ৫ ডিসেম্বর
সঠিক উত্তর:
৭ এপ্রিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ এপ্রিল
ব্যাখ্যা

বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস:
- ৭ এপ্রিল 'বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস' পালন করা হয়।
- ১৯৪৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে জাতিসংঘ অর্থনীতি ও সমাজ পরিষদ আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য ক্ষেত্রের সম্মেলন ডাকার সিদ্ধান্ত নেয়।
- একই বছরের জুন ও জুলাই মাসে আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সাংগঠনিক আইন গৃহীত হয়।
- ১৯৪৮ সালের ৭ এপ্রিল এই সংগঠন আইন আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর হয়।
- এদিন বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস বলে নির্ধারিত হয়।

→ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ দিবস:
- ১১ জুলাই - বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস।
- ৫ জুন - বিশ্ব পরিবেশ দিবস।
- ২১ মার্চ - বিশ্ব বন দিবস।
- ৮ জুন - বিশ্ব সমুদ্র দিবস।
- ৫ ডিসেম্বর - বিশ্ব মৃত্তিকা দিবস।
- ৪ অক্টোবর - বিশ্ব প্রাণী দিবস।
- ৮ মার্চ - বিশ্ব নারী দিবস।

তথ্যসূত্র - জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।

৯২.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে মন্ত্রিসভার উল্লেখ রয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ৫৪
  2. অনুচ্ছেদ ৫৫
  3. অনুচ্ছেদ ৫৬
  4. অনুচ্ছেদ ৫৭
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৫৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৫৫
ব্যাখ্যা

অনুচ্ছেদ:
- অনুচ্ছেদ ৫০ - রাষ্ট্রপতি-পদের মেয়াদ।
- অনুচ্ছেদ ৫১ - রাষ্ট্রপতির দায়মুক্তি।
- অনুচ্ছেদে ৫২ - রাষ্ট্রপতির অভিশংসনের বিষয়টি সংবিধানে উল্লেখ করা হয়েছে।
- অনুচ্ছেদ ৫৩ - অসামর্থ্যের কারণে রাষ্ট্রপতির অপসারণ।
- অনুচ্ছেদ ৫৪ - অনুপস্থিতি প্রভৃতির-কালে রাষ্ট্রপতি-পদে স্পীকার।
- অনুচ্ছেদ ৫৫ - মন্ত্রিসভা।
- অনুচ্ছেদ ৫৬ - মন্ত্রিগণ।
- অনুচ্ছেদ ৫৭ - প্রধানমন্ত্রীর পদের মেয়াদ।
- অনুচ্ছেদ ৫৮ - অন্যান্য মন্ত্রীর পদের মেয়াদ।
- অনুচ্ছেদ ৫৯ - স্থানীয় শাসন।
- অনুচ্ছেদ ৬০ - স্থানীয় শাসন-সংক্রান্ত প্রতিষ্ঠানের ক্ষমতা।
- অনুচ্ছেদ ৬১ - সর্বাধিনায়কতা।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।

৯৩.
বর্ণবাদ নিয়ে সমালোচনার জেরে কত সালে কমনওয়েলথ থেকে সরে যায় দক্ষিণ আফ্রিকা?
  1. ১৯৬০ সালে
  2. ১৯৬১ সালে
  3. ১৯৬২ সালে
  4. ১৯৬৩ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৬১ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৬১ সালে
ব্যাখ্যা

কমনওয়েলথ:
- আধুনিক কমনওয়েলথ ১৯৪৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- কমনওয়েলথ এর সদর দপ্তর লন্ডনে।
- কমনওয়েলথে দাপ্তরিক ভাষা ইংরেজী।
- এর বর্তমান সদস্য সংখ্যা ৫৬টি দেশ।
- বর্ণবাদ নিয়ে সমালোচনার জেরে ১৯৬১ সালে কমনওয়েলথ থেকে সরে যায় দক্ষিণ আফ্রিকা।
- বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দিয়ে সদস্যভুক্ত করায় পাকিস্তান ১৯৭২ সালে কমনওয়েলথ ত্যাগ করে।
- পরবর্তিতে পাকিস্তান ১৯৮৯ সালে ও দক্ষিণ আফ্রিকা ১৯৯৪ সালে কমনওয়েলথে যোগদান করে।

→ উল্লেখ্য:
- বাংলাদেশ ১৯৭২ সালে কমনওয়েলথের সদস্য হয়।
- বাংলাদেশ কমনওয়েলথের ৩২তম সদস্য।

তথ্যসূত্র- কমনওয়েলথ অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।