পরীক্ষা আর্কাইভ

৫১তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট ও রিভিশন

পরীক্ষা৫১তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট ও রিভিশনতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়01 hr 30 mins
মোট প্রশ্ন১৫২
সিলেবাস
"Award Mania: Season - 14” এর জন্য প্রযোজ্য -------------------------------------------- ৪৭তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট⎯৪
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

৫১তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট ও রিভিশন

৫১তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট ও রিভিশন · তারিখ অনির্ধারিত · ১৫২ প্রশ্ন

.
বাংলাদেশ শিল্প ব্যাংক ও বাংলাদেশ শিল্প ঋণ সংস্থার বিলুপ্তির মাধ্যমে কোন ব্যাংক প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংক লিমিটেড
  2. বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক পিএলসি
  3. উত্তরা ব্যাংক পিএলসি
  4. জনতা ব্যাংক পিএলসি
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক:
- বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক লিমিটেড বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক।
- বাংলাদেশ শিল্প ব্যাংক ও বাংলাদেশ শিল্প ঋণ সংস্থাকে একীভূত করে ১৬/১১/২০০৯ খ্রি. তারিখে শতভাগ রাষ্ট্র মালিকানাধীন বিশেষায়িত বাণিজ্যিক ব্যাংক (পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি) হিসেবে বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক লিমিটেড (বিডিবিএল) প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক লিমিটেড (বিডিবিএল) "কোম্পানি আইন ১৯৯৪ (১৯৯৪ সালের ১৮নং আইন)" এর আওতায় ১৬ নভেম্বর, ২০০৯ খ্রি. তারিখে জয়েন্ট স্টক কোম্পানিজ এন্ড ফার্মস-এ রেজিস্ট্রেশনভুক্ত হয় এবং ব্যাংক পরিচালনার জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক হতে ১৯ নভেম্বর, ২০০৯ খ্রি. তারিখে ব্যাংকিং লাইসেন্স প্রাপ্ত হয়।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার ও বিডিবিএল এর মধ্যে ৩১ ডিসেম্বর, ২০০৯ খ্রি. তারিখে সম্পাদিত Vendors Agreement মোতাবেক বাংলাদেশ শিল্প ঋণ সংস্থা (বিএসআরএস) ও বাংলাদেশ শিল্প ব্যাংকের সকল সম্পদ-দায় বিডিবিএল এর নিকট হস্তান্তরিত হয় এবং ০৩ জানুয়ারি, ২০১০ খ্রি. তারিখে ব্যাংকটি আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে।

⇒ প্রতিষ্ঠানের কার্যাবলী:
- দেশের অন্যতম প্রধান আর্থিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প (এসএমই), অবকাঠামো, ইউটিলিটি, পরিবহন, যোগাযোগ এবং অন্যান্য উন্নয়ন প্রকল্পসহ শিল্প ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগের জন্য ঋণ প্রদানের মাধ্যমে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে সহযোগিতা প্রদান;
- আমানত সংগ্রহের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানের আর্থিক ভিত্তি সুদৃঢ় করা এবং সঞ্চয়ের মাধ্যমে স্বাবলম্বী হওয়ার লক্ষ্যে জনগণের সম্পৃক্ততা বৃদ্ধি করা;
- দক্ষ ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে অভ্যন্তরীণ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করে প্রতিষ্ঠানকে লাভজনক প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরে কার্যকরী উদ্যোগ গ্রহণ করা।

উৎস: বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক ওয়েবসাইট।

.
বম ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী সম্প্রদায় প্রধানত কোন ধর্মাবলম্বী?
  1. হিন্দু 
  2. বৌদ্ধ
  3. মুসলিম
  4. খ্রিস্টান
ব্যাখ্যা

বম ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী:
- বম ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী বাংলাদেশের একটি অতি প্রাচীন নৃগোষ্ঠী।
- বমরা কুকি-চিন ভাষাভাষী মঙ্গোলীয় গােষ্ঠীভুক্ত।
- বম জনগােষ্ঠী সবচেয়ে বেশি বাস করে বান্দরবান জেলায়। এ জেলায় রুমা, থানচি, রােয়াংছড়ি ও বান্দরবান সদর থানায় তারা বসবাস করেন। এছাড়া রাঙামাটি জেলায় বিলাইছড়ি থানায়ও এদের আবাস আছে।
- বম নৃগোষ্ঠীর নিজস্ব ভাষা রয়েছে। এ ভাষা তিব্বত-বর্মান ভাষা পরিবারের অন্তর্ভুক্ত।
- বমরা শুনথলা (Sunthla) এবং পাংহয় (Panghawi) এই দুইটি গােত্রে বিভক্ত।
- বম সমাজ পুরুষতান্ত্রিক।
- বমরা মাটিতে খুঁটি পুঁতে উঁচু পাহাড়ের উপর প্ল্যাটফর্ম তৈরি করে তাতে বাড়িঘর নির্মাণ করে। তাদের ঘরকে মাচাং বলা হয়।
- বমরা তাদের জীবন পরিচালনা করে বম কাস্টমারি ল’ গ্রন্থের নির্দেশিকা অনুযায়ী।
- বমদের বাঁশনৃত্য তাদের জীবনেরই অপরিহার্য অংশ। বমদের চেরাউ নৃত্য ও সঙ্গীত আসলে কোন আনন্দের বা উৎসবের নৃত্য বা গান নয়। এ নৃত্য ও গান পরিবেশিত হয় বম পরিবারের দুঃখ ও শোকের দিনে। 
- বমদের প্রধান পেশা জুমচাষ।
- এরা প্রধানত খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বী।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

.
বীরশ্রেষ্ঠ ল্যান্স নায়েক মুন্সি আব্দুর রউফ কোন সেক্টরের অধীনে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন?
  1. ১নং সেক্টর 
  2. ২নং সেক্টর 
  3. ৫নং সেক্টর 
  4. ১১নং সেক্টর 
ব্যাখ্যা

বীরশ্রেষ্ঠ ল্যান্স নায়েক মুন্সি আব্দুর রউফ:
- বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধে চরম সাহসিকতা ও অসামান্য বীরত্বের স্বীকৃতিস্বরূপ যে সাতজন বীরকে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ সামরিক সম্মান ‘বীরশ্রেষ্ঠ’ উপাধিতে ভূষিত করা হয়, মুন্সী আবদুর রউফ তাঁদের অন্যতম।
- তিনি ১নং সেক্টরের অধীনে যুদ্ধ করেন।

⇒ স্বাধীনতাযুদ্ধ শুরু হওয়ার আগে তিনি ইস্ট পাকিস্তান রাইফেলসে কর্মরত ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টে যোগ দিয়ে যুদ্ধে অংশ নেন। ১৯৭১ সালের মার্চ মাসে আবদুর রউফ ইপিআরের ১১ নম্বর উইং চট্টগ্রামে কর্মরত ছিলেন।
- ১৯৭১ সালের ৮ এপ্রিল রাঙামাটির নানিয়ারচরের বুড়িঘাটে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর সঙ্গে মুক্তিযোদ্ধাদের মুখোমুখি লড়াই হয়।
- কৌশলগত কারণে সহযোদ্ধাদের পিছু হটতে বলে তিনি নিজেই শত্রুসেনাদের মোকাবেলা করেন, একপর্যায়ে শহীদ হন। সহযোদ্ধারা পরে তাঁর লাশ উদ্ধার করে নানিয়ারচরের চিংড়ি খালসংলগ্ন একটি টিলার ওপর সমাহিত করেন।
- মুক্তিযুদ্ধে তাঁর বীরত্ব ও আত্মদানের জন্য বাংলাদেশ রাইফেলস ১৯৭৩ সালে সিপাহি মুন্সী আবদুর রউফকে অনারারি ল্যান্স নায়েক পদে মরণোত্তর পদোন্নতি দান করে।
- তিনিই বীরশ্রেষ্ঠদের মধ্যে প্রথম শহীদ।

এছাড়াও,
- সিপাহী মোস্তফা কামাল: ২নং সেক্টর।
- সিপাহী হামিদুর রহমান: ৪নং সেক্টর।
- ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর: ৭নং সেক্টর।
- ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ শেখ: ৮নং সেক্টর।
- ইঞ্জিনরুম আর্টিফিসার রুহুল আমিন: ১০নং সেক্টর।

উৎস: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।

.
রাজশাহীর সর্বপ্রাচীন ইমারত 'বড়কুঠি' কাদের র্কীতি?
  1. ফরাসী বণিক 
  2. ইংরেজ বণিক 
  3. পর্তুগীজ বণিক 
  4. ওলন্দাজ বণিক 
ব্যাখ্যা

বড়কুঠি:
- রাজশাহী অঞ্চলের সর্বপ্রাচীন ইমারত বড়কুঠি।
- এটি রাজশাহী মহানগরীর পদ্মপাড়ে অবস্থিত’।
- সুনির্দিষ্টভাবে এই ইমারতের নির্মাণকাল নির্ধারণ করা না গেলেও বিভিন্ন সূত্রের বিচারে এর নির্মাণকাল অষ্টাদশ শতাব্দীর প্রথমার্ধে বলে ধারণা করা হয়।
- এটি এটি ওলন্দাজরা নির্মাণ করেছিল।
- ইট নির্মিত ও সমতল ছাদবিশিষ্ট এ ইমারতটি আঠারো শতকের প্রথমার্ধে (১৭২৫ সালের আগে) ওলন্দাজ রেশম ব্যবসায়ীদের নির্মিত এক উল্লেখযোগ্য কীর্তি।
- পরবর্তীতে ১৯৫৩ সালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পর বড়কুঠি ভবনে প্রশাসনিক কার্যক্রম শুরু হয়।
- এরপর থেকে এটি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের মালিকানাধীন ছিল। 

উল্লেখ্য,
- এটি প্রথমে ওলন্দাজ বা ডাচদের বাবসা কেন্দ্র ছিল।
- ঊনবিংশ শতাব্দীর প্রথম দিকে ডাচরা ভারতে তাদের কর্মকাণ্ড গুটিয়ে নেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।
- ১৮১৪ সালে ইংরেজদের সাথে একটি চুক্তি করে বড়কুঠিসহ ভারতের সব ব্যবসা কেন্দ্র ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানিকে হস্তান্তর করে।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
         ii) প্রথম আলো।

.
‘ডায়ামন্ড’ কোন ফসলের উন্নত জাত?
  1. ধান 
  2. গম 
  3. আলু
  4. টমেটো
ব্যাখ্যা

আলু:
- আলু বিশ্বের অন্যতম প্রধান ফসল।
- উৎপাদনের দিক থেকে ধান, গম ও ভুট্টার পরেই চতুর্থ স্থানে আছে আলু।
- আলু একটি স্টার্চ প্রধান খাদ্য এবং ভাতের বিকল্প হিসেবে খাওয়া যেতে পারে।
- আলু চাষের জন্য বেলে দো-আঁশ মাটি সবচেয়ে উপযোগী।

উল্লেখ্য,
- বর্তমানে আলু চাষের মোট জমির শতকরা ৬৫ ভাগ জমিতে উন্নত জাতের আলু এবং ৩৫ ভাগ জমিতে দেশি জাতের আলুর চাষ হয়ে থাকে।
- ১৯৬০ সাল থেকে এ পর্যন্ত যেসব উন্নত জাতের আলুর চাষ হচ্ছে তার মধ্যে হিরা, আইলসা, পেট্রোনিস, মুল্টা, ডায়ামন্ড, কার্ডিনাল, মন্ডিয়াল, কুফরী সিন্দুরী, চমক, ধীরা, গ্রানোলা, ক্লিওপেট্রা ও চিনেলা জাতটি সবচেয়ে বেশি চাষ হয়েছে।
- এগুলো সবই উচ্চফলনশীল জাত।

অন্যদিকে,
• উন্নত জাতের ধান: ইরাটম, ব্রি হাইব্রিড - ১, চান্দিনা, হীরা, মালা, বিপ্লব, দুলাভোগ, মোহিনী, সুফলা, আশা, প্রগতি। 
• উন্নত জাতের গম: সোনালিকা, বলাকা, দোয়েল, অগ্রণী, আনন্দ, কাঞ্চন, শতাব্দী ও আকবর।
• উন্নত জাতের টমেটো: বাহার, মানিক, রতন, অপূর্ব, মিন্টো, ঝুমকা, সিঁদুর, শ্রাবণী।

উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস।

.
‘একতারা তুই দেশের কথা’-গানটির গীতিকার কে?
  1.  আপেল মাহমুদ 
  2. গোবিন্দ হালদার
  3. গাজী মাজহারুল আনোয়ার
  4. নজরুল ইসলাম বাবু
ব্যাখ্যা

একতারা তুই দেশের কথা:
- একতারা তুই দেশের কথা গানটির গীতিকার গাজী মাজহারুল আনোয়ার।
- সুরকার: আনোয়ার পারভেজ।

এছাড়াও, মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক গান -
- জয় বাংলা, বাংলার জয় - গীতিকার: গাজী মাযহারুল আনোয়ার।
- মোরা একটি ফুলকে বাঁচাব বলে যুদ্ধ করি - গীতিকার: গোবিন্দ হালদার।
- এক সাগর রক্তের বিনিময়ে - গীতিকার: গোবিন্দ হালদার। 
- জনতার সংগ্রাম চলবেই - গীতিকার: সিকান্দার আবু জাফর। 
- মুক্তির মন্দির সোপান তলে কতো প্রাণ হলো বলিদান  - গীতিকার: মোহিনী চৌধুরী।
- এক নদী রক্ত পেরিয়ে বাংলার আকাশে - গীতিকার: আতাউর রহমান। 
- পূর্ব দিগন্তে সূর্য উঠেছে, রক্ত লাল, রক্ত লাল, রক্ত লাল - গীতিকার: গোবিন্দ হালদার।

উৎস: প্রথম আলো।

.
বিবিএস-এর সর্বশেষ তথ্যানুযায়ী, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে দেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার -
  1. ৩.৩৩%
  2. ৩.৯৭%
  3. ৪.২২%
  4. ৪.৪৭%
ব্যাখ্যা

GDP প্রবৃদ্ধি:
- ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জিডিপি'র সাময়িক হিসাব প্রাক্কলন করা হয়েছে।
- সাময়িক হিসাব অনুযায়ী ২০২৪-২৫ অর্থবছরে জিডিপি'র প্রবৃদ্ধির হার দাঁড়িয়েছে ৩.৯৭%।
- মাথাপিছু আয়: ২,৮২০ মার্কিন ডলার।

⇒ সর্বশেষ (মে, ২০২৫) ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জিডিপি'র সাময়িক হিসাব অনুসারে -
- কৃষি খাতে প্রবৃদ্ধির হার: ১.৭৯%।
- শিল্প খাতে প্রবৃদ্ধির হার: ৪.৩৪।
- সেবা খাতে প্রবৃদ্ধির হার: ৪.৫১%।

উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) ওয়েবসাইট।

.
বাংলা ভাষাকে রাষ্ট্রভাষার মর্যাদা দেয়ার দাবিতে সমগ্র পূর্ব বাংলায় প্রথম ধর্মঘট কবে পালিত হয়?
  1. ১১ মার্চ, ১৯৪৭
  2. ১৭ মার্চ, ১৯৪৭
  3. ১১ মার্চ, ১৯৪৮
  4. ১৭ মার্চ, ১৯৪৮
ব্যাখ্যা

প্রথম রাষ্ট্রভাষা দিবস:
- ভাষা আন্দোলনের ইতিহাসে এক অবিস্মরণীয় অধ্যায় দখল করে আছে ১৯৪৮ সালের ১১ মার্চ।
- বাংলা ভাষাকে রাষ্ট্রভাষার মর্যাদা দেওয়ার দাবিতে সমগ্র পূর্ব বাংলায় প্রথম ধর্মঘট অনুষ্ঠিত হয়েছিল ১৯৪৮ সালের ১১ মার্চ।
- ১৯৪৯, ১৯৫০ ও ১৯৫১ সালে ১১ মার্চ পূর্ব পাকিস্তানে পালিত হয়েছিল ‘রাষ্ট্রভাষা দিবস’ হিসেবে।

⇒ ১৯৪৮ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তান গণপরিষদে ইংরেজি ও উর্দুর পাশাপাশি বাংলায় বক্তব্য প্রদান ও সরকারি কাজে বাংলা ভাষা ব্যবহারের জন্য একটি সংশোধনী প্রস্তাব দাখিল করেন গণপরিষদ সদস্য ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত।
- ২৫ ফেব্রুয়ারি এটি গণপরিষদে আলোচিত হয়। এদিন তমিজুদ্দিন খানের নেতৃত্বে গণপরিষদের মুসলিম লীগের সব মুসলিম সদস্য একযোগে এ প্রস্তাবের বিরোধিতা করেন।
- ২ মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফজলুল হক হলে ছাত্র ও বুদ্ধিজীবীদের এক সমাবেশে শামসুল হককে আহ্বায়ক করে গঠিত হয় 'রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ'। আহ্বায়ক নির্বাচিত হন তমদ্দুন মজলিশের শামসুল আলম।  পরিষদ থেকে সংগঠনগুলো থেকে দুজন করে প্রতিনিধি রাখার প্রস্তাব গৃহীত হয়। এ সভাতেই ১১ মার্চ ১৯৪৮ তারিখে সমগ্র পূর্ব বাংলায় সাধারণ ধর্মঘটের আহ্বান জানানো হয়। 
- ১৯৪৮ সালের ১১ মার্চ স্বতঃস্ফূর্তভাবে ছাত্র ধর্মঘট ও হরতাল পালিত হয় পূর্ব বাংলার প্রায় সবগুলো জেলা শহরেই। গণপরিষদের ভাষা-তালিকা থেকে বাংলাকে বাদ দেওয়া ছাড়াও পাকিস্তানের মুদ্রা ও ডাকটিকেটে বাংলা ব্যবহার না করা এবং নৌবাহিনীতে নিয়োগের পরীক্ষা থেকে বাংলাকে বাদ দিয়ে উর্দুকে রাখার প্রতিবাদস্বরূপ ওইদিন ঢাকা শহরে সাধারণ ধর্মঘট পালিত হয়। ধর্মঘটিদের দাবি ছিল বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা এবং পূর্ব পাকিস্তানের সরকারি ভাষা হিসেবে ঘোষণা করা।
- তীব্র আন্দোলনের মুখে খাজা নাজিমুদ্দীন মুহাম্মদ আলী জিন্নাহর আসন্ন ঢাকা সফরকে কেন্দ্র করে সংগ্রাম পরিষদের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করে ৮টি বিষয়ে সমঝোতা চুক্তি সই করতে বাধ্য হন।

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) দ্য ডেইলি স্টার বাংলা।

.
২০২৪-২৫ অর্থবছরে দেশে রেমিট্যান্স প্রেরণে শীর্ষ দেশ কোনটি?
  1. সৌদি আরব
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. কুয়েত
  4. সংযুক্ত আরব আমিরাত
ব্যাখ্যা

২০২৪-২৫ অর্থবছরে রেমিট্যান্স প্রাপ্তি:
- ২০২৪-২৫ অর্থবছরে দেশে সব মিলিয়ে প্রায় ৩০.৩৩ বিলিয়ন ডলারের প্রবাসী আয় এসেছে।
- এই আয় ২০২৩-২৪ অর্থবছরের ২৩.৯১ বিলিয়ন ডলারের চেয়ে ৬.৪২ বিলিয়ন ডলার বা ২৬.৮ শতাংশ বেশি।
- ২০২৪-২৫ অর্থবছরে যুক্তরাষ্ট্র থেকে বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি রেমিট্যান্স আসে।

⇒ ২০২৪-২৫ অর্থবছরে দেশে রেমিট্যান্স প্রেরণে শীর্ষ দেশ:
১. যুক্তরাষ্ট্র, 
২. সৌদি আরব, 
৩. সংযুক্ত আরব আমিরাত, 
৪. যুক্তরাজ্য, 
৫. মালয়েশিয়া। 

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।

১০.
১৯৭২ সালের গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ অনুসারে, কোনো রাজনৈতিক দলকে নিবন্ধন পেতে হলে দেশের অন্তত কয়টি উপজেলা/থানা কমিটি থাকতে হবে?
  1. ৫০টি
  2. ৬০টি
  3. ৮০টি
  4. ১০০টি 
ব্যাখ্যা

রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন:
- রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন নির্বাচন কমিশনের অধীন।
- স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশে শতাধিক রাজনৈতিক দলের আবির্ভাব হয়েছে।

⇒ রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন প্রথা চালু হয় ২০০৮ সালে।
- ১৯৭২ সালের গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের মূল আইনে রাজনৈতিক দল নিবন্ধনের কোনো বিধান না থাকলেও রাজনীতির প্রতি বিতশ্রদ্ধ ১/১১ সরকার ১৯৭২ সালের Representation of People Order (RPO) পরিবর্তন করে সংশোধন আকারে রাজনৈতিক দল নিবন্ধনের Representation of People (Amendment) Ordinance, 2008 নামক একটি আইন করে।
- এই আইনে ১৯৭২ সালের গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের একটি অতিরিক্ত অধ্যায় সংযোজন করা হয়।
- উক্ত অধ্যায়ে ৯টি ধারা (৯০এ থেকে ৯০আই) রয়েছে।
- ৯০এ অনুসারে নির্বাচনে অংশগ্রণেচ্ছু দলসমূহকে নির্বাচন কমিশনে নিবন্ধিত হতে হবে। 

⇒ ৯০বি(১)এ ধারার বিধি অনুসারে কোনো রাজনৈতিক দলকে নিবন্ধন পেতে হলে:
(i) বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর থেকে দরখাস্ত দাখিলের তারিখ পর্যন্ত সময়ের মধ্যে অনুষ্ঠিত সংসদ নির্বাচনের যে কোনো একটিতে দলীয় নির্বাচনী প্রতীক নিয়ে কমপক্ষে একটি আসন লাভ করে থাকতে হবে অথবা,
(ii) উক্তরূপ নির্বাচনের যেকোন একটিতে দরখাস্তকারী দল কর্তৃক নির্বাচনে অংশগ্রহণকৃত আসনসমূহে প্রদত্ত মোট ভোট সংখ্যার ৫% ভোট লাভ করে থাকতে হবে অথবা,
(iii)  কেন্দ্রীয় কমিটিসহ একটি সক্রিয় কেন্দ্রীয় অফিস থাকতে হবে। কেন্দ্রীয় কমিটি ও অফিস, অফিসসহ কমপক্ষে ২১টি জেলা কমিটি এবং অফিসসহ কমপক্ষে ১০০টি উপজেলা/থানা কমিটি থাকতে হবে, যার প্রতিটিতে সদস্য হিসেবে কমপক্ষে ২০০ জন ভোটার থাকবে।

উৎস: i) বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো।

১১.
কোন রাজবংশের শাসনামলে 'কৈবর্ত বিদ্রোহ' সংঘটিত হয়েছিল?
  1. গুপ্ত রাজবংশ
  2. পাল রাজবংশ
  3. সেন রাজবংশ
  4. কুষাণ রাজবংশ
ব্যাখ্যা

পাল রাজবংশের শাসনামলে 'কৈবর্ত বিদ্রোহ' সংঘটিত হয়েছিল।

কৈবর্ত বিদ্রোহ:
- কৈবর্ত বিদ্রোহকে বলা হয়ে থাকে বাংলাদেশ এমনকি ভারতবর্ষের প্রথম সফল জনবিদ্রোহ।
- বরেন্দ্র বিদ্রোহ নামেও অভিহিত করা হয় একে।
- এ সময় পাল বংশের রাজা ছিলেন দ্বিতীয় মহীপাল, যাঁর রাজত্বকাল ধারণা করা হয় ১০৭৫ সাল থেকে ১০৮০ সালের মধ্যে। এই বিদ্রোহের নেতা ছিলেন দিব্যক বা দিব্য। তিনি খুব সম্ভব প্রথম দিকে পালদের একজন রাজকর্মচারী কিংবা সামন্ত ছিলেন। কৈবর্তদের একত্রিত করে একটি শক্তিশালী বাহিনী তৈরি করেন তিনি।
- কৈবর্ত বিদ্রোহের প্রত্যক্ষ কারণ হিসেবে তুলে ধরা হয় ধর্মীয় কারণকে। 

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) ইতিহাস, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১২.
নিম্নের কোন উপজেলায় সোনামসজিদ স্থলবন্দর অবস্থিত?
  1. শিবগঞ্জ
  2. ভোলাহাট
  3. নাচোল
  4. গোমস্তাপুর
ব্যাখ্যা

সোনামসজিদ স্থলবন্দর:
- সোনামসজিদ স্থলবন্দর চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার সোনামসজিদ সীমান্তে অবস্থিত।
- এ বন্দরের বিপরীতে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের মালদহ জেলার মহাদীপুর অবস্থিত।  
- ১২ জানুয়ারি, ২০০২ তারিখ সোনামসজিদ শুল্ক স্টেশনকে স্থলবন্দর ঘোষণা করা হয়;
- ৯ অক্টোবর, ২০০৫ তারিখ স্থলবন্দর উন্নয়ন ও পরিচালনার  জন্য কর্তৃপক্ষের সাথে  পানামা-সোনামসজিদ পোর্ট লিংক লিমিটেড মধ্যে Concession Agreement (CA) স্বাক্ষরিত হয়।  
- CA অনুযায়ী পোর্ট অপারেটর ২০-মে ২০১০ তারিখ স্থলবন্দরের অপারেশনাল কার্যক্রম শুরু করে।

• বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ:
- স্থলপথে পণ্য আমদানি-রপ্তানি সহজতর এবং উন্নতর করাই বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের লক্ষ্য।
- বর্তমানে স্থলবন্দরের মোট সংখ্যা ২৪টি এবং চলমান স্থলবন্দরের সংখ্যা ১৬টি।

⇒ ১৬টি স্থলবন্দরের মধ্যে ১১টি স্থলবন্দর যেমন বেনাপোল, ভোমরা, আখাউড়া, বুড়িমারী, নাকুগাঁও, তামাবিল, সোনাহাট, গোবড়াকুড়া-কড়ইতলী, বিলোনিয়া, শেওলা ও ধানুয়াকামালপুর স্থলবন্দর বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের (বাস্থবক) নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত হচ্ছে এবং সোনামসজিদ, হিলি, টেকনাফ, বাংলাবান্ধা ও বিবিরবাজার এই ৫টি স্থলবন্দর BOT ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে।
- এছাড়া রামগড় ও বাল্লা এই ২টি স্থলবন্দর চালুর জন্য অপেক্ষাধীন রয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ ওয়েবসাইট।

১৩.
বাংলাদেশ ভূখণ্ডের বাইরে নিম্নের কোন জনপদের অবস্থান ছিল?
  1. হরিকেল 
  2. রাঢ়
  3. বরেন্দ্র
  4. সমতট 
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ ভূখণ্ডের বাইরে অবস্থিত একটি প্রাচীন জনপদ ছিল রাঢ় জনপদ। বর্তমান ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের একটি বড় অংশ এর অন্তর্ভুক্ত ছিল। 

রাঢ় জনপদ:
- বর্তমান ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের একটি বড় অংশ এর অন্তর্ভুক্ত ছিল। 
- রাঢ় জনপদটি ২টি অংশে বিভক্ত ছিল।
- এটি গঙ্গা নদীর দক্ষিণ ও পশ্চিম ভাগে সীমাবদ্ধ ছিল।
- পশ্চিবঙ্গের আধুনিক হাওড়া, হুগলি ও বর্ধমান জেলার বিভিন্ন বৃহদাকার বসতি স্থানসমূহ বা অজয় ও দামোদর নদের মধ্যবর্তী অংশে অবস্থিত পশ্চিমবঙ্গের উল্লেখযোগ্য অংশ দক্ষিণ রাঢ়ের অন্তর্ভুক্ত ছিল এবং এর দক্ষিণ সীমা সম্ভবত রূপনারায়ণ পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল ও পশ্চিম সীমা প্রসারিত ছিল দামোদর নদের অপর পারে অবস্থিত আরামবাগ মহকুমা পর্যন্ত। 
- এই উত্তর ও দক্ষিণ রাঢ়ই ছিল যথাক্রমে বজ্রভূমি ও সূহ্মভূমি।
- রাঢ়ের প্রধান নগর বা রাজধানী ছিল কোটিবর্ষ।
- অনেক ঐতিহাসিক মেদিনীপুর জেলার পূর্বপ্রান্ত অবস্থিত আধুনিক তমলুককে প্রাচীন তাম্রলিপ্ত বলে চিহ্নিত করেছেন।
- বৌদ্ধ পুঁথি ও বিদেশী পর্যটকদের বর্ণনা থেকে জানা যায় যে, তৎকালে তাম্রলিপ্তি একটি বিখ্যাত নৌ-বাণিজ্য বন্দর ছিল।
- শুধু বাংলা নয় এটি প্রাচীন ভারতেরও পূর্বাঞ্চলের শ্রেষ্ঠ বন্দর।

এছাড়াও, 
- বরেন্দ্র: বরেন্দ্র উত্তরবঙ্গের একটি জনপদ। ঐতিহাসিকদের মতে বর্তমান রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নওগাঁ, নাটোর, বগুড়া, রংপুর, দিনাজপুর এবং পশ্চিমবঙ্গের মালদহ ও মুর্শিদাবাদের কিছু অংশ এবং দার্জিলিং ও কোচবিহারসহ গঠিত সমগ্র অঞ্চল বরেন্দ্র এলাকা।
- হরিকেল জনপদ: হরিকেল প্রাচীন পূর্ববঙ্গের একটি জনপদ। চট্টগ্রাম ও সিলেট প্রাচীন বাংলার হরিকেল জনপদের অংশ ছিল।
- সমতট: দক্ষিণ-পূর্ব বাংলার প্রাচীন জনপদের নাম সমতট। বর্তমান ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের কিছু অংশ, বাংলাদেশের বৃহত্তর কুমিল্লা ও নোয়াখালী অঞ্চল সমতট নামে পরিচিত ছিল।

উৎস: i) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) বাংলাপিডিয়া।

১৪.
জনশুমারি ও গৃহগণনা চূড়ান্ত রিপোর্ট ২০২২ অনুসারে, জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার - 
  1. ১.০২%
  2. ১.১২%
  3. ১.২৪%
  4. ১.৩৩%
ব্যাখ্যা

জনশুমারি ও গৃহগণনা:   
- ২০১৩ সালে প্রণীত পরিসংখ্যান আইন অনুযায়ী, ইতিপূর্বে পরিচিত ‘আদমশুমারি'কে 'জনশুমারি' হিসেবে অভিহিত করা হয়।
- সে অনুসারে 'আদমশুমারি ও গৃহগণনার' পরিবর্তে ২০২২ সালের জুন মাসে '৬ষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা' অনুষ্ঠিত হয়।
- স্বাধীন বাংলাদেশে ১৯৭৪ সালে প্রথম আদমশুমারি পরিচালনা করা হয়।
- ১৯৮১ সালে দ্বিতীয় ও পঞ্চম আদমশুমারি ও গৃহগণনা ২০১১ সালে অনুষ্ঠিত হয়।

⇒ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- মোট জনসংখ্যা: ১৬,৯৮,২৮,৯১১ জন।    
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.১২%। 
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১,১১৯ জন।
- দেশে পুরুষ ও নারীর অনুপাত: ৯৯.০৮ : ১০০.৯০।
- সাক্ষরতার হার: ৭৪.৮০%। 
- পুরুষ সাক্ষরতার হার: ৭৬.৭১%। 
- নারী সাক্ষরতার হার: ৭২.৯৪%। 

উল্লেখ্য,
• জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি:
- বিভাগ: ঢাকা বিভাগ; প্রতি কিলোমিটারে বসবাস - ২১৫৬ জন।
- জেলা: ঢাকা জেলা; প্রতি কিলোমিটারে বসবাস - ১০,০৬৭ জন।

• জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে কম:
- বিভাগ: বরিশাল বিভাগ; প্রতি কিলোমিটারে বসবাস - ৬৮৮ জন।
- জেলা: রাঙ্গামাটি জেলা; প্রতি কিলোমিটারে বসবাস - ১০৬ জন।

উৎস: জনশুমারি ও গৃহগণনা চূড়ান্ত রিপোর্ট ২০২২।

১৫.
ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানে ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ কত দফা দাবি পেশ করেছিল?
  1. ৪ দফা 
  2. ৬ দফা 
  3. ১১ দফা 
  4. ২১ দফা 
ব্যাখ্যা

ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান:
- ১৯৪৭ সাল থেকে ক্রমাগতভাবে পূর্বপাকিস্তানের প্রতি পাকিস্তানের শাসকগোষ্ঠি যে বৈষম্যমূলক আচরণ করেছে তার বহি:প্রকাশ ঘটে উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানে।
- পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আইয়ুব খানের বিরুদ্ধে এক দুর্বার আন্দোলন গড়ে ওঠে যা ১৯৬৯ সালের গণ-অভ্যুত্থানে রূপ নেয়।
- এসময় ছাত্রসংগ্রাম পরিষদ ১১ দফা দাবি ঘোষণা করেন।

⇒ ১৯৬৯ সালের ১৭ জানুয়ারি ছাত্রনেতারা দেশব্যাপী সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ধর্মঘটের ডাক দিলে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নর মোনেম খান ছাত্র আন্দোলন দমাতে ১৪৪ ধারা জারি করে।
- সরকারি নিপীড়নের প্রতিবাদে ২০ জানুয়ারি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলায় ছাত্রসভা ও প্রতিবাদ মিছিলের কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়।
- এ মিছিলে পুলিশের গুলিতে ছাত্রনেতা আমানুল্লাহ মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান (আসাদ) নিহত হলে আন্দোলন আরও তীব্র হয়।
- শহীদ আসাদের আত্মদানের পর ২১, ২২ ও ২৩ জানুয়ারি শোক পালনের মধ্য দিয়ে সর্বস্তরের জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে ২৪ জানুয়ারি অভূতপূর্ব গণঅভ্যুত্থানের সৃষ্টি হয়।
- পাকিস্তানি সামরিক শাসন উৎখাতের লক্ষ্যে ১৯৬৯ সালের ২৪ জানুয়ারি সংগ্রামী জনতা শাসকগোষ্ঠীর দমন-পীড়ন ও সান্ধ্য আইন ভঙ্গ করে মিছিল বের করে।
- মিছিলে পুলিশের গুলিতে ঢাকায় সচিবালয়ের সামনের রাজপথে নবকুমার ইনস্টিটিউটের নবম শ্রেণির ছাত্র কিশোর মতিউর রহমান ও রুস্তম শহীদ হন।

⇒ সর্বদলীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের আন্দোলনের কেন্দ্রবিন্দু ছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং ঢাকা শহর।
- কিন্তু তাদের প্রদত্ত কর্মসূচি অন্যান্য বিভাগীয় শহর এবং জেলা শহরের ছাত্র, শিক্ষক, কৃষক, শ্রমিকসহ সর্বস্তরের জনগণ পালন করে। এমনকি পশ্চিম পাকিস্তানের ছাত্ররাও এগারো দফার সমর্থনে আন্দোলন করে।
- সর্বদলীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের আহবানে ২৪ জানুয়ারির হরতাল পালনের সময় ময়মনসিংহে ২ জন নিহত ও ২০ জন আহত হয়। 
- গণঅভ্যুত্থানের জোয়ারের মুখে টিকতে না পেরে শেষাবধি ২৫ মার্চ পাকিস্তানের ‘লৌহ মানব’ প্রেসিডেন্ট আইয়ুব খান সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ইয়াহিয়া খানের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করেন।

উৎস: i) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
ii) বাংলাপিডিয়া।

১৬.
কত সালে জাতীয় সংসদে আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন পাস হয়?
  1. ২০০০ সালে
  2. ২০০১ সালে
  3. ২০০২ সালে
  4. ২০০৪ সালে
ব্যাখ্যা

 আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন:
- ২০০২ সালে জাতীয় সংসদে আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন পাস হয়। 
- এই আইনের মাধ্যমে কিছু অপরাধের দ্রুত বিচার নিশ্চিত করার জন্য বিশেষ বিধান প্রণয়ন করা হয়েছিল। 

⇒ বিলে বলা হয়েছে, দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নয়নে দ্রুত ও কার্যকর ভূমিকা পালনের উদ্দেশ্যে চাঁদাবাজি, যানবাহন চলাকালে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি, যানবাহনের ক্ষতিসাধন, স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি বিনষ্ট করা, ছিনতাই, দস্যুতা, ত্রাস ও অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টি, দরপত্র ক্রয়, বিক্রয়, গ্রহণ বা দাখিলে জোরপূর্বক বাধা প্রদান বা প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি, ভয়-ভীতি প্রদর্শন ইত্যাদি গুরুতর অপরাধের দ্রুত বিচার নিশ্চিতকরণের মাধ্যমে দেশের সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অধিকতর উন্নতির লক্ষ্যে আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ (২০০২ সালের ১১ নম্বর আইন) প্রণয়ন ও জারি করা হয়েছিল। 

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১৭.
ভাস্কর্য জননী ও গর্বিত বর্ণমালা-এর স্থপতি কে?
  1. মৃণাল হক
  2. হামিদুজ্জামান খান
  3. সৈয়দ মাঈনুল হোসেন
  4. শ্যামল চৌধুরী
ব্যাখ্যা

ভাস্কর্য জননী ও গর্বিত বর্ণমালা:
- একুশের ভাস্কর্য জননী ও গর্বিত বর্ণমালা।
- এটি ঢাকার পরিবাগে অবস্থিত।
- এর স্থপতি শিল্পী মৃণাল হক।

⇒ জননী ও গর্বিত বর্ণমালা ভাস্কর্যে দেখা যায় একজন মা তার মৃত সন্তানকে কোলে নিয়ে দাঁড়িয়ে আছেন।
- তার সামনে একটি সবুজ বৃত্তে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে কয়েকটি বাংলা বর্ণ।
- পেছনে লাল বৃত্তে রয়েছে ‘২১’ এবং ‘ব ও ‘ক’।

উৎস: i) banglanews24.com 
ii) প্রথম আলো।

১৮.
মালবর্ক দুর্গের সাথে কোন দেশ সম্পর্কিত?
  1. সুইডেন
  2. পোল্যান্ড
  3. জার্মানি
  4. মিশর
ব্যাখ্যা

মালবর্ক দুর্গ:
- উত্তর পোল্যান্ডের নোগাত নদীর তীরে অবস্থিত মালবর্ক দুর্গটি আয়তনের দিক থেকে বিশ্বের বৃহত্তম দুর্গ।
- পোল্যান্ডের মালবর্কে ১৩ শতকে নির্মিত এই দুর্গ প্রায় ৫২ একর জায়গাজুড়ে অবস্থিত।
- জার্মান ক্যাথলিক ধর্মীয় ক্রুসেডারদের সংগঠন টিউটনিক নাইটস এ দুর্গ নির্মাণ করেছে।
- এটি ছিল ইউরোপের সর্ববৃহৎ সুরক্ষিত গথিক স্থাপনা।
- ১৯৯৭ সালে ইউনেসকো এটিকে বিশ্বের ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।

সূত্র- প্রথম আলো পত্রিকা।[লিংক]

১৯.
নিচের কোন দেশে সংসদীয় পদ্ধতির সরকার ব্যবস্থা রয়েছে?
  1. অস্ট্রেলিয়া
  2. সুইডেন
  3. যুক্তরাজ্য
  4. উপরোক্ত সবগুলো
ব্যাখ্যা

সরকারের শ্রেণিবিভাগ- 
- আইন ও শাসনবিভাগ দুটি বিভাগের মধ্যে সম্পর্ক বা জবাবদিহিতা নীতির ভিত্তিতে সরকারের দুটি রূপ রয়েছে।
- যথা- সংসদীয় সরকার ও রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার।

সংসদীয় সরকার:
- যে সরকার ব্যবস্থায় শাসনবিভাগের স্থায়িত্ব ও কার্যকারিতা আইনবিভাগের উপর নির্ভরশীল, তাকে মন্ত্রিপরিষদ শাসিত সরকার বা সংসদীয় পদ্ধতির সরকার বলে।
- এতে মন্ত্রিসভার হাতে দেশের শাসন ক্ষমতা থাকে।
- সাধারণ নির্বাচনে সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ আসনে বিজয়ী দল মন্ত্রিসভা গঠন করেন।
- বাংলাদেশ, ভারত, যুক্তরাজ্য, কানাডা, সুইডেন, অস্ট্রেলিয়া প্রভৃতি দেশে সংসদীয় পদ্ধতির সরকার রয়েছে।

এছাড়াও,
- এ ধরনের সরকারে একজন নিয়মতান্ত্রিক রাষ্ট্রপ্রধান থাকেন।
- তবে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে মন্ত্রিসভা হয় প্রকৃত শাসন ক্ষমতার অধিকারী।
- সংসদীয় সরকারে প্রধানমন্ত্রীসহ মন্ত্রিসভা তাদের কাজের জন্য আইন পরিষদের নিকট দায়ী থাকে।

সূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন,  একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেনী, ব্রিটানিকা।

২০.
নিচের কোন দেশটি দূরপ্রাচ্যের অন্তর্গত?
  1. মঙ্গোলিয়া
  2. জাপান
  3. উত্তর কোরিয়া
  4. উপরোক্ত সবগুলো 
ব্যাখ্যা

• দূরপ্রাচ্য:
 - ভৌগোলিকভাবে রাশিয়ার পূর্বাঞ্চল, পূর্ব এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অঞ্চলে অবস্থিত দেশসমূহ দূরপ্রাচ্য হিসেবে অভিহিত।
- দূরপ্রাচ্যের দেশ ছয়টি। যথা -
- চীন,
- জাপান,
- উত্তর কোরিয়া,
- দক্ষিণ কোরিয়া,
- মঙ্গোলিয়া,
- তাইওয়ান

উৎস: ওয়ার্ল্ড অ্যাটলাস। 

২১.
'গার্ডিয়া সিভিল' সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত?
  1. স্পেন
  2. জাপান
  3. ফিনল্যান্ড
  4. রাশিয়া
ব্যাখ্যা

বিভিন্ন দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী:
- স্পেন: গার্ডিয়া সিভিল
- এটি গঠিত হয়  ১৮৪৪ সালে।
- এর সদর দপ্তর মাদ্রিদ, স্পেন।

অন্যদিকে,
- ভারত: BSF
- রাশিয়া: বর্ডার গার্ড সার্ভিস অব রাশিয়া
- ইতালি: গার্ডিয়া ডি ফিনাজা
- ফিনল্যান্ড: ফিনিস বর্ডার গার্ড
- জার্মানি: জার্মান ফেডারেল পুলশ
- যুক্তরাষ্ট্র: ইউনাইটেড স্টেট বর্ডার পোর্টাল
- পাকিস্তান: রেঞ্জার্স
- মিয়ানমার: বর্ডার গার্ড পুলিশ
- বাংলাদেশ: বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ। 

উৎস: ব্রিটানিকা ও বাংলাপিডিয়া।

২২.
বর্তমানে অপরিশোধিত তেল আমদানিতে শীর্ষ দেশ কোনটি? (সেপ্টেম্বর, ২০২৫)
  1. কাতার
  2. চীন
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. ইরান
ব্যাখ্যা

অপরিশোধিত তেল আমদানি:
- চীন ২০২৪ সালে প্রায় ৩২৪.৬ বিলিয়ন USD মূল্যের কাঁচা তেল আমদানি করেছে,
- যা ছিল মোট আমদানি মূল্যের ২৪.৬%,
- চীন বছরের ভিত্তিতে সবচেয়ে বড় তেল আমদানিকারক দেশ।
- যুক্তরাষ্ট্র: দ্বিতীয়। 
- ভারত: তৃতীয়।

অন্যদিকে,
রপ্তানিতে প্রথম - সৌদি আরব। 
২য় অবস্তানে রাশিয়া।  

উৎস: worlds top export report.[লিঙ্ক]

২৩.
কোন অঞ্চলের জন্য ' ডমিনো' তত্ত্বটি  ছিল?
  1. দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার
  2. উত্তর-পূর্ব এশিয়ার
  3. পূর্ব আফ্রিকায় 
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা

• ডমিনো তত্ত্ব:
- মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোয়াইট ডি. আইজেনহাওয়ার ১৯৫৪ সালের ৭ এপ্রিল এক সংবাদ সম্মেলনে ইন্দোচিনে কমিউনিজমের কথা উল্লেখ করার সময় তত্ত্বটি বর্ণনা করেছিলেন।
- ডমিনো তত্ত্বে বলা হয়েছে, কোনো একটি রাষ্ট্রে যদি সমাজতন্ত্রীরা ক্ষমতাসীন হয়, তাহলে পাশের রাষ্ট্রটিও সমাজতন্ত্রীদের দখলে চলে যাবে।
- ভিয়েতনাম যুদ্ধ এবং স্নায়ুযুদ্ধের সময়ও যুক্তরাষ্ট্র এই ডমিনো তত্ত্ব প্রয়োগ করেছিল।
- তিনি এন্টি-কমিউনিস্ট দক্ষিণ ভিয়েতনাম সরকারকে সহায়তা করেন।
- ডমিনো তত্ত্বটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার জন্য প্রযোজ্য ছিল।
- ১৯৫০ থেকে ১৯৮৯ সাল পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র তত্ত্বটি প্রচার করেছিল।

উৎস: আন্তর্জাতিক রাজনীতিকোষ, তারেক শামসুর রেহমান।

২৪.
যুক্তরাষ্ট্র থেকে নির্বাচিত প্রথম পোপের নাম কী?
  1. রবার্ট জিউস প্রেভোস্ট
  2. রবার্ট লিউজ ফ্রান্সিস
  3. রবার্ট ফ্রান্সিস প্রেভোস্ট
  4. রবার্ট হ্যাঁরি ফ্রান্সিস
ব্যাখ্যা

• পোপ:
- ‘পোপ’ হলেন ক্যাথলিক খ্রিস্টানদের প্রধান ধর্মগুরু।
- তিনি রোমান ক্যাথলিক গির্জার সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা এবং প্রাতিষ্ঠানিক প্রধান।
- তাকে খ্রিস্টান ধর্মের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
- পোপ হিসাবে যিনি নির্বাচিত হন, তিনি ভ্যাটিকানের রাষ্ট্রপ্রধানও হন।
- বর্তমান পোপ রবার্ট ফ্রান্সিস প্রেভোস্ট মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে নির্বাচিত প্রথম পোপ।
- তিনি পরিচিত পোপ চতুর্দশ লিও নামে।
- ৮ মে, ২০২৫ ভোটে নতুন পোপ নির্বাচিত হন রবার্ট ফ্রান্সিস প্রেভোস্ট।
- বিশ্বের ৭০টি দেশ থেকে ভ্যাটিকানে জড়ো হওয়া ১৩৩ কার্ডিনাল এই নির্বাচন প্রক্রিয়ায় অংশ নেন।

সূত্র: বিবিসি পত্রিকা রিপোর্ট।

২৫.
'A mind unfettered in deliberation' এটি কোন সংস্থার মূলমন্ত্র? 
  1. NATO
  2. WTO
  3. WHO
  4. UNHCR
ব্যাখ্যা

NATO:
- NATO-এর পূর্ণরূপ:North Atlantic Treaty Organisation.
- ন্যাটো ১৯৪৯ সালে যৌথ নিরাপত্তার নীতিতে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
- এটি একটি রাজনৈতিক ও সামরিক জোট।
- ন্যাটোর সদর দপ্তর বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসেলসে।
- সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা সদস্য সংখ্যা ১২টি দেশ।
- এর বর্তমান সদস্য সংখ্যা ৩২টি দেশ। (আগস্ট , ২০২৫)
- ন্যাটোতে যোগদানকারী দুইটি মুসলিম দেশ তুরস্ক ও আলবেনিয়া।
- তুরস্ক ১৯৫২ সালে এবং আলবেনিয়া ২০০৯ সালে ন্যাটোর সদস্য পদ লাভ করে।
- ২০২৪ সালে সুইডেন ন্যাটোর সর্বশেষ ৩২তম সদস্য পদ লাভ করে।
- উত্তর আটলান্টিক চুক্তির উপর ভিত্তি করে স্বাক্ষরিত একটি আন্তঃসরকারি সামরিক জোট।
- পশ্চিম ইউরোপে সম্মিলিত নিরাপত্তা নিশ্চিত করার একটি উপায় হিসেবে সংগঠনটি গঠিত হয়েছিল।
- এই সংগঠনের মূলমন্ত্র হল "A mind unfettered in deliberation".
- ন্যাটোর গঠনতন্ত্র ও চুক্তিগুলো শুধু সদস্য দেশগুলোর ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য।

অন্যদিকে,
- WHO এর মূলমন্ত্র - Health for All.
- World Trade Organization (WTO) এর মূলমন্ত্র - “Trade for peace and prosperity”

উৎস:- ন্যাটো অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

২৬.
'Land of Golden Pagodas' দেশ নামে পরিচিত-
  1. শ্রীলঙ্কা
  2. থাইল্যান্ড
  3. মিয়ানমার
  4. ইরান
ব্যাখ্যা

সোনালী প্যাগোডার দেশ:
- মিয়ানমারে অসংখ্য সোনালী রঙের প্যাগোডা ও স্তূপ ধর্ম, সংস্কৃতি এবং ঐতিহ্যের প্রতীক।
- এই বিরল ও বিস্ময়কর স্থাপত্যিক ঐতিহ্যের কারণে দেশটিকে 'Land of Golden Pagodas' বলা হয়।

ভৌগলিক উপনাম:
- সোনালী প্যাগোডার দেশ: মিয়ানমার।
- লিলি ফুলের দেশ: কানাডা।
- ক্যাঙ্গারুর দেশ: অস্ট্রেলিয়া।
- সিল্ক রুটের দেশ: ইরান।
- মার্বেলের দেশ: ইতালি।
- পঞ্চম ড্রাগনের দেশ: তাইওয়ান।
- তামার দেশ: জাম্বিয়া।
- পিরামিডের দেশ: মিশর।
- প্রাচীরের দেশ: চীন।
- ভূমিকম্পের দেশ: জাপান।

উৎস: Britannica.com

২৭.
কত সালে নেপালে ধর্মনিরপেক্ষ প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করা হয়?
  1. ২০০৪ সালে
  2. ২০০৮ সালে
  3. ২০১০ সালে
  4. ২০০৬ সালে
ব্যাখ্যা

নেপাল:
- ১৭৬৯ সালে নেপালে রাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়।
- নেপালের সর্বশেষ রাজা ছিলেন জ্ঞানেন্দ্র বীর বিক্রম শাহ।
- ২০০১ সালে রাজা হওয়ার পর ২০০৫ সালে সংবিধান স্থগিত করে তৎকালীন পার্লামেন্ট বিলুপ্ত ঘোষণা করেছিলেন জ্ঞানেন্দ্র।
- এ সময় মাওবাদীরা মূলধারার রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে মিলে বড় ধরনের বিক্ষোভ শুরু করেন।
- ২৮ মে, ২০০৮-এ, নবনির্বাচিত গণপরিষদ নেপালকে একটি ফেডারেল ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক ঘোষণা করে।
- এর মাধ্যমে নেপালের পার্লামেন্টে ২০০৮ সালে রাজতন্ত্র আনুষ্ঠানিকভাবে বিলুপ্ত করে ধর্মনিরপেক্ষ প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করা হয়।
- এভাবে ২৪০ বছরের পুরোনো রাজতন্ত্র বিলুপ্ত করে।

সূত্র: প্রথম আলো পত্রিকা  রিপোর্ট।

২৮.
মিয়ানমারের সামরিক সরকার রোহিঙ্গাদের নাগরিক সকল অধিকার বাতিল করে কত সালে? 
  1. ১৯৭৩ সালে
  2. ১৯৭৭ সালে
  3. ১৯৮২ সালে
  4. ১৯৮৭ সালে
ব্যাখ্যা

• মিয়ানমার:
- মিয়ানমার দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া মহাদেশের একটি দেশ।
- প্রাচীন নাম ব্রহ্মদেশ।
- রাজধানীর নাম ইয়াঙ্গুন।
- আগে নাম ছিল রেঙ্গুন।
- এর দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরের বিস্তীর্ণ উপকূল, পশ্চিমে বাংলাদেশ ও ভারত, উত্তরে চীন, পূর্বে চীন, লাওস ও থাইল্যান্ড।
- মিয়ানমারের সরকারী ভাষা বর্মী।
- কিয়াট হল মিয়ানমারের মুদ্রা।
- ১৯৪৮ সালে মিয়ানমার স্বাধীনতা লাভ করে।
- ১৯৬২ সালে মিয়ানমারের সামরিক সরকার রোহিঙ্গাদের প্রতি অমানবিক নির্যাতন করে।
- ১৯৭৮ সালে নে উইন সামরিক সরকার রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে 'অপারেশন ড্রাগন কিং' চালায়।
- ১৯৮২ সালে মিয়ানমারের নাগরিকত্ব আইনে ১৩৫টি গোত্রের জনগোষ্ঠীকে নাগরিকত্ব প্রদান করা হয় কিন্তু রোহিঙ্গাদের সেই তালিকার বাইরে রাখা হয়।


উৎস: ব্রিটানিকা

২৯.
জাতিসংঘ সনদে মোট কতটি আর্টিকেল রয়েছে?
  1. ১০৭টি
  2. ১০৯টি
  3. ১১১টি
  4. ১১৩টি
ব্যাখ্যা

• জাতিসংঘ:
- ১৯৪৫ সালের ২৪ অক্টোবর জাতিসংঘ সনদ কার্যকর হয়।
- ২৪ অক্টোবর প্রতিবছর জাতিসংঘ দিবস হিসেবে পালন করা হয়।
- জাতিসংঘ সনদের রচয়িতা আর্চিবাল্ড ম্যাকলেইশ।
- সনদে মোট ১১১টি অনুচ্ছেদ রয়েছে।
- এসব অনুচ্ছেদে জাতিসংঘের স্থায়ী অঙ্গ সমূহের গঠন, দ্বায়িত্ব, ক্ষমতা, ভোটিং পদ্ধতি - ইত্যাদি বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে।
-  জাতিসংঘ সনদ এই পর্যন্ত মোট ৩ বার সংশোধিত হয়েছে।

উৎস:- জাতিসংঘ ওয়েবসাইট এবং ব্রিটানিকা।

৩০.
PESCO এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Permanent Structured Cooperation
  2. Permanent Strucal Cooperation
  3. Parmanent Structured Coperation
  4. Permanent Economic Structured Cooperation
ব্যাখ্যা

• PESCO:
- PESCO এর পূর্ণরূপ - Permanent Structured Cooperation.
- PESCO - প্রতিরক্ষা বিষয়ক জোট।
- PESCO ভুক্ত ২৬টি অংশগ্রহণকারী দেশের - প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বিনিয়োগ, পরিকল্পনা, বিকাশ ও পরিচালনার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
- PESCO-ভুক্ত ২৬ টি সদস্য রাষ্ট্র হল: অস্ট্রিয়া, বেলজিয়াম, বুলগেরিয়া, ক্রোয়েশিয়া, সাইপ্রাস, চেক প্রজাতন্ত্র, এস্তোনিয়া, ফিনল্যান্ড, ফ্রান্স, জার্মানি, গ্রীস, হাঙ্গেরি, আয়ারল্যান্ড, ইতালি, লাটভিয়া, লিথুয়ানিয়া, লুক্সেমবার্গ, নেদারল্যান্ডস, পোল্যান্ড, পর্তুগাল, রোমানিয়া, স্লোভাকিয়া, স্লোভেনিয়া, স্পেন এবং সুইডেন।

উৎস: ইউরোপীয় ইউনিয়ন ওয়েবসাইট।

৩১.
'Great Leap Forward' ইতিহাসের এই সমালোচিত কর্মসূচির প্রবক্তা কে?
  1. মহাত্মা গান্ধী
  2. মাও সে তুং
  3. চে গুয়াভারা
  4. সানইয়াৎ সেন
ব্যাখ্যা

• মাও সে তুং:  
- Great Leap Forward  ইতিহাসের এই সমালোচিত কর্মসূচিটির প্রবক্তা-মাও সে তুং।
- গণপ্রজাতন্ত্রী চীনের প্রথম চেয়ারম্যান: মাও সে তুং।
- ১৯৪৯ সালের ১ অক্টোবর বেইজিংয়ের তিয়েনআনমেন চত্বরে পিপলস রিপাবলিক অব চায়না প্রতিষ্ঠা  করেন।
- চীনের কমিউনিস্ট পার্টির নাম বললে যাঁর নাম প্রথমেই বলতে হয়, তিনি মাও সে–তুং।
- ১৮৯৩ সালে মাও সে–তুং–এর জন্মের সময় চীনে চলছিল চিং রাজবংশের দুর্দশাগ্রস্ত শাসন।

অন্যদিকে,
- সানইয়াৎ সেন - চীন প্রজাতন্ত্রের জনক ও প্রতিষ্ঠাতা। তিনি চীন প্রজাতন্ত্রের প্রথম প্রেসিডেন্ট ছিলেন।

উৎস: ব্রিটানিকা ও পত্রিকা রিপোর্ট।

৩২.
বিশ্ব ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট কোন সংগঠনটি পুঁজি বিনিয়োগ বিরোধ নিষ্পত্তিতে সহায়তা প্রদান করে ?
  1. IFC
  2. ICSID
  3. IMF
  4. MIGA
ব্যাখ্যা

• ICSID:
- ICSID (International Centre for Settlement of Investment Disputes) হলো বিশ্বব্যাংক গ্রুপের একটি প্রতিষ্ঠান।
- এটি সদস্য দেশগুলোর মধ্যে পুঁজি বিনিয়োগজনিত বিরোধ নিষ্পত্তি করে থাকে।
- ICSID ১৯৬৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বর্তমান সদস্য সংখ্যা ১৬৫টি।
- ICSID সদরদপ্তর ওয়াশিংটন ডিসি তে অবস্থিত।
অন্যদিকে,
- MIGA – বহুপাক্ষিক বিনিয়োগে গ্যারান্টি প্রদান করে। 
- IFC – বেসরকারি খাতের উন্নয়ন করে। 
- IMF – আন্তর্জাতিক অর্থব্যবস্থার স্থিতিশীলতা রক্ষা করে।

উৎস: বিশ্বব্যাংক ওয়েবসাইট।

৩৩.
সম্প্রতি, আর্মেনিয়া-আজারবাইজান স্বাক্ষরিত শান্তিচুক্তির মধ্যস্থতাকারী দেশ কোনটি? (সেপ্টেম্বর, ২০২৫)
  1. কাতার
  2. জার্মানি
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. তুরস্ক
ব্যাখ্যা

আর্মেনিয়া-আজারবাইজান শান্তিচুক্তি:
- ৮ আগস্ট, ২০২৫ যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় হোয়াইট হাউসে ঐতিহাসিক শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে দক্ষিণ ককেশাস অঞ্চলের রাষ্ট্র আর্মেনিয়া ও আজারবাইজানের মধ্যে। 
- অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন আজারবাইজানের প্রেসিডেন্ট ইলহাম আলিয়েভ এবং আর্মেনিয়ার প্রধানমন্ত্রী নিকোল পাশনিয়ান।
- এর মধ্য দিয়ে কয়েক দশকের সংঘাতের অবসান এবং দীর্ঘস্থায়ী মিত্রতা তৈরি হবে বলে প্রত্যাশা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের।
- শান্তিচুক্তির পাশাপাশি উভয় দেশের সাথে করিডোর ও বাণিজ্য ইস্যুতে পৃথক চুক্তি হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের।
- বিতর্কিত নাগোরনো-কারাবাখ অঞ্চলে নিয়ে আর্মেনিয়া ও আজারবাইজান কয়েক দশক ধরে বিবাদে লিপ্ত।
- অঞ্চলটি আজারবাইজানের ভূখণ্ডের ভেতরে অবস্থিত হলেও ১৯৯৪ সালের এক যুদ্ধের পর থেকে আর্মেনিয়ার সমর্থনে জাতিগত আর্মেনীয় বাহিনী ওই অঞ্চলটি নিয়ন্ত্রণ করে আসছে।
- আর্মেনিয়া নাগোর্নো কারাবাখের দখল নেয়ার পর কয়েক দফায় রক্তক্ষয়ী সংঘাত হয় দুই দেশের মধ্যে।
- ২০২৩ সালে পুনরায় অঞ্চলটির নিয়ন্ত্রণ নেয় আজারবাইজান।

সূত্র- আল জাজিরা পত্রিকা রিপোর্ট। 

৩৪.
জনসংখ্যার দিক থেকে আফ্রিকা মহাদেশের ক্ষুদ্রতম রাষ্ট্র কোনটি? 
  1. নাইজেরিয়া
  2. দক্ষিণ সুদান
  3. সিচেলিস
  4. আলজেরিয়া
ব্যাখ্যা

• সিচেলিস:
- সিচেলিস আফ্রিকা মহাদেশের আয়তনে ক্ষুদ্রতম স্বাধীন রাষ্ট্র।
- এটি ভারত মহাসাগরে অবস্থিত একটি দ্বীপরাষ্ট্র।
- মোট আয়তন ৪৫৭ বর্গকিলোমিটার।
- জনসংখ্যা প্রায় এক লক্ষ। রাজধানীর নাম ভিক্টোরিয়া।
- আয়তনে আফ্রিকা মহাদেশের বৃহত্তম : আলজেরিয়া
- জনসংখ্যায় বৃহত্তম দেশ : নাইজেরিয়া
- জনসংখ্যায় ক্ষুদ্রতম দেশ : সিচেলিস
- বৃহত্তম জিডিপির দেশ : নাইজেরিয়া।

উৎস: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট এবং  ওয়ার্ল্ড অ্যাটলাস।

৩৫.
রোমান স্থাপত্যশৈলীর বিখ্যাত নিদর্শন ‘কলোসিয়াম’ মূলত কোনটির সাথে সম্পর্কিত? 
  1. পাঠশালা
  2. উপাসনালয়
  3. নাট্যশালা 
  4. খেলার মাঠ 
ব্যাখ্যা

• রোমান স্থাপত্য:
- রোমানদের দ্বারা নির্মিত কলােসিয়াম সবচেয়ে বড় স্থাপত্য।
- ৭২ খ্রিস্টাব্দে রোমান সম্রাট ভেসপেশিয়ানের আমলে এর নির্মাণকাজ শুরু হয়।
- শেষ হয় ৮০ খ্রিস্টাব্দে দশম রোমান সম্রাট টাইটাস ম্যাঙ্মিাসের সময়ে।
- ‘কলােসিয়াম' হলো নাট্যশালা যেখানে পুরাণনির্ভর নাটক প্রদর্শিত হতো।
- স্থানীয়ভাবে এটি অ্যামফিথিয়েট্রাম ফ্ল্যাভিয়াম নামেও পরিচিত।
- রোমানদের সময়ের বিখ্যাত সব গ্ল্যাডিয়েটর এখানে লড়তেন। 
- মূল ৬ একর জমির ওপর নির্মিত কলোসিয়ামটি ১৮৯ মিটার দীর্ঘ।
- ১৫৬ মিটার চওড়া এ স্থাপনাটির বাইরের দেয়ালের উচ্চতা ৪৮ মিটারের বেশি।
- সম্রাট হাড্রিয়ানের তৈরি ধর্মমন্দির প্যনথিয়ন রোমের একটি বড় স্থাপত্য নিদর্শন।
- এখানে একসাথে ৫,৬০০ জন দর্শক বসতে পারত।
- ভাস্কর্যের নিদর্শন হিসেবে রোমে পাওয়া গেছে অনেক মূর্তি।
- এগুলো ছিল সম্রাট, কর্মকর্তা ও দেবতাদের মূর্তি।

উৎস: ইতিহাস, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং কালেরকন্ঠ ।

৩৬.
দুইটি সংখ্যার ল.সা.গু ৬০ এবং গ.সা.গু ১০। যদি একটি সংখ্যা অপরটির দুই-তৃতীয়াংশ হয়, তবে বৃহত্তম সংখ্যাটি কত?
  1. ৩০
  2. ৩৫
  3. ২০
  4. ২৫
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: দুইটি সংখ্যার ল.সা.গু ৬০ এবং গ.সা.গু ১০। যদি একটি সংখ্যা অপরটির দুই-তৃতীয়াংশ হয়, তবে বৃহত্তম সংখ্যাটি কত?

সমাধান:
ধরি,
বড় সংখ্যাটি = ৩ক
ছোট সংখ্যাটি = ২ক

এখন,
দুইটি সংখ্যার গুণফল = ল.সা.গু × গ.সা.গু
⇒ ৩ক × ২ক = ৬০ × ১০
⇒ ৬ক= ৬০০
⇒ ক= ৬০০/৬
⇒ ক= ১০০
∴ ক = ১০

বড় সংখ্যাটি = ৩ × ১০ = ৩০
৩৭.
(x - 1)(x + 2) = (x + 4)(x - 2) হলে, x এর মান কত?
  1. 7
  2. 5
  3. 8
  4. 6
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: (x - 1)(x + 2) = (x + 4)(x - 2) হলে, x এর মান কত? 

সমাধান: 
(x - 1)(x + 2) = (x + 4) (x - 2)
⇒ x2 - x + 2x - 2 = x2 + 4x - 2x - 8
⇒ x - 2 = 2x - 8
⇒ 2x - x = 8 - 2
∴ x = 6
৩৮.
৫০ এর ২০% এর ১০% = কত?
  1. ১.৫
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: ৫০ এর ২০% এর ১০% = কত?

সমাধান:
৫০ এর ২০% এর ১০% = ৫০ × (২০/১০০) × (১০/১০০)
= ৫০ × (১/৫) × (১/১০)
= ১

৩৯.
যদি a4 + a2b2 + b4 = 8 এবং a2 + ab + b2 = 4 হয়, তবে a2 - ab + b2 এর মান কত?
  1. 4
  2. 3
  3. 2
  4. 8
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: যদি a4 + a2b2 + b4 = 8 এবং a2 + ab + b2 = 4 হয়, তবে a2 - ab + b2 এর মান কত?

সমাধান:
a4 + a2b2 + b4 = 8
⇒ (a2)2 + 2a2b2 + (b2)2 - a2b2 = 8
⇒ (a2 + b2)2 - (ab)2 = 8
⇒ (a2 + b2 + ab)(a2 + b2 - ab) = 8
⇒ (a2 + ab + b2)(a2 - ab + b2) = 8
⇒ 4(a2 - ab+ b2) = 8  [মান বসিয়ে]
⇒ a2 - ab + b2 = 8/4
∴ a2 - ab + b2 = 2
৪০.
একজন সবজি ব্যবসায়ী এক মণ আলু ৬১২ টাকায় বিক্রি করলে ১৫% ক্ষতি হয়। কত টাকায় বিক্রয় করলে ১০% লাভ হবে?
  1. ৭৮৬ টাকা
  2. ৭৭২ টাকা
  3. ৭৭৬ টাকা
  4. ৭৯২ টাকা
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একজন সবজি ব্যবসায়ী এক মণ আলু ৬১২ টাকায় বিক্রি করলে ১৫% ক্ষতি হয়। কত টাকায় বিক্রয় করলে ১০% লাভ হবে?

সমাধান:
ধরি, ক্রয়মূল্য = ক টাকা

প্রশ্নমতে,
ক - ক এর ১৫% = ৬১২
⇒ ক - (১৫ক/১০০) = ৬১২
⇒ ক - (৩ক/২০) = ৬১২
⇒ (২০ক - ৩ক)/২০ = ৬১২
⇒ ১৭ক = ৬১২ × ২০
⇒ ক = (৬১২ × ২০)/ ১৭
⇒ ক = ৭২০

আবার,
১০% লাভে বিক্রয়মূল্য = ৭২০ + ৭২০ এর ১০%
= ৭২০ + {(৭২০ × ১০)/১০০}
= ৭২০ + ৭২
= ৭৯২ টাকা।

৪১.
একটি ক্রিকেট টুর্ণামেন্ট খেলায় মোট ২১টি ম্যাচ হয়। প্রত্যেক দল প্রতিটি দলের সাথে একটি করে ম্যাচ খেললে ঐ টুর্ণামেন্টে মোট দলের সংখ্যা কত?
  1. ৮টি
  2. ৭টি
  3. ৯টি
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি ক্রিকেট টুর্ণামেন্ট খেলায় মোট ২১টি ম্যাচ হয়। প্রত্যেক দল প্রতিটি দলের সাথে একটি করে ম্যাচ খেললে ঐ টুর্ণামেন্টে মোট দলের সংখ্যা কত?

সমাধান:
ধরি,
মোট দলের সংখ্যা n টি

∴ nC = ২১
⇒ n!/{(n - ২)! × ২!} = ২১
⇒ n(n - ১) = ৪২
⇒ n - n - ৪২ = ০
⇒ n - ৭n + ৬n - ৪২ = ০
⇒ n(n - ৭) + ৬(n - ৭) = ০
⇒ (n - ৭)(n + ৬) = ০
∴ n = ৭ অথবা n = - ৬
n = - ৬ গ্রহণযোগ্য নয়।

∴ মোট দলের সংখ্যা ৭টি।
৪২.
  1. 1/3
  2. 3/4
  3. 2/3
  4. 2/5
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন:


সমাধান:
৪৩.
দুটি বৃত্ত পরস্পরকে অন্তঃস্থভাবে স্পর্শ করেছে। বৃত্ত দুটির ব্যাসার্ধ যথাক্রমে ৬ সে.মি. ও ২ সে.মি. হলে কেন্দ্র দুটির মধ্যে দূরত্ব কত হবে?
  1. ৫ সে.মি.
  2. ৬ সে.মি.
  3. ৪ সে.মি.
  4. ৩ সে.মি.
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: দুটি বৃত্ত পরস্পরকে অন্তঃস্থভাবে স্পর্শ করেছে। বৃত্ত দুটির ব্যাসার্ধ যথাক্রমে ৬ সে.মি. ও ২ সে.মি. হলে কেন্দ্র দুটির মধ্যে দূরত্ব কত হবে?

সমাধান:

দুটি বৃত্ত পরস্পরকে অন্তঃস্থভাবে স্পর্শ তাদের কেন্দ্রদ্বয়ের মধ্যবর্তী দূরত্ব হবে বৃত্ত দুটির ব্যাসার্ধের বিয়োগফলের সমান।
মনে করি,
A কেন্দ্রবিশিষ্ট বৃত্তের ব্যাসার্ধ AC = ৬ সে.মি.
B কেন্দ্রবিশিষ্ট বৃত্তের ব্যাসার্ধ BC = ২ সে.মি.
কেন্দ্রদ্বয়ের মধ্যবর্তী দূরত্ব = AB= AC - BC
= ৬ - ২ সে.মি.
= ৪ সে.মি.
৪৪.
P = {x ∈ N : 2 < x ≤ 8} এবং Q = {x ∈ N : x বিজোড় এবং x ≤ 9} হলে, P ∪ Q = কত?
  1. {3, 5, 7}
  2. {4, 6, 8}
  3. {1, 2, 3, 4, 5, 6, 7, 8, 9}
  4. {1, 3, 4, 5, 6, 7, 8, 9}
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: P = {x ∈ N : 2 < x ≤ 8} এবং Q = {x ∈ N : x বিজোড় এবং x ≤ 9} হলে, P ∪ Q = কত?

সমাধান:
P = {x ∈ N : 2 < x ≤ 8}
= {3, 4, 5, 6, 7, 8}

Q = {x ∈ N : x বিজোড় এবং x ≤ 9}
= {1, 3, 5, 7, 9}

সুতরাং, P ∪ Q = {3, 4, 5, 6, 7, 8} ∪ {1, 3, 5, 7, 9}
= {1, 3, 4, 5, 6, 7, 8, 9}

৪৫.
১ থেকে ৩০ পর্যন্ত স্বাভাবিক সংখ্যা থেকে একটি সংখ্যা তোলা হলে সংখ্যাটি ৩ অথবা ৭ এর গুণিতক হওয়ার সম্ভাবনা কত?
  1. ১৩/৩০
  2. ৭/১৫
  3. ৬/২৫
  4. ৭/২০
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: ১ থেকে ৩০ পর্যন্ত স্বাভাবিক সংখ্যা থেকে একটি সংখ্যা তোলা হলে সংখ্যাটি ৩ অথবা ৭ এর গুণিতক হওয়ার সম্ভাবনা কত?

সমাধান:
১ থেকে ৩০ পর্যন্ত স্বাভাবিক সংখ্যার মাঝে ৩ এর গুণিতক = {৩, ৬, ৯, ১২, ১৫, ১৮, ২১, ২৪, ২৭, ৩০}
১ থেকে ৩০ পর্যন্ত স্বাভাবিক সংখ্যার মাঝে ৭ এর গুণিতক = {৭, ১৪, ২১, ২৮}

১ থেকে ৩০ পর্যন্ত স্বাভাবিক সংখ্যার মাঝে ৩ অথবা ৭ এর গুণিতক = {৩, ৬, ৭, ৯, ১২, ১৪, ১৫, ১৮, ২১, ২৪, ২৭, ২৮, ৩০} মোট ১৩টি
১ থেকে ৩০ পর্যন্ত স্বাভাবিক সংখ্যা মোট ৩০টি

∴ ১ থেকে ৩০ পর্যন্ত স্বাভাবিক সংখ্যা থেকে একটি সংখ্যা তোলা হলে তা ৩ অথবা ৭ এর গুণিতক হওয়ার সম্ভাবনা ১৩/৩০

৪৬.
m3 - 21m - 20 এর একটি উৎপাদক নিচের কোনটি?
  1. (m - 1)
  2. (m + 3)
  3. (m + 1)
  4. (m + 2)
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: m3 - 21m - 20 এর একটি উৎপাদক নিচের কোনটি?

সমাধান:
এখানে,
m = 1 বসিয়ে পাই,
m3 - 21m - 20 = (- 1)3 - 21 (- 1) - 20
= - 1 + 21 - 20
= 0

∴ (m + 1) হবে রাশিটির একটি উৎপাদক। 
m3 - 21m - 20
= m3 + m2 - m2 - m - 20m - 20
= m2(m + 1) - m(m +1) - 20(m + 1)
= (m + 1) (m2 - m - 20)

৪৭.
একটি রম্বসের ক্ষেত্রফল 96 বর্গসে.মি. এবং কর্ণদ্বয়ের অনুপাত 3 : 4 হলে, রম্বসের কর্ণদ্বয়ের সমষ্টি কত?
  1. 24 সে.মি.
  2. 28 সে.মি.
  3. 26 সে.মি.
  4. 32 সে.মি.
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি রম্বসের ক্ষেত্রফল 96 বর্গসে.মি. এবং কর্ণদ্বয়ের অনুপাত 3 : 4 হলে, রম্বসের কর্ণদ্বয়ের সমষ্টি কত?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
রম্বসের কর্ণদ্বয়ের অনুপাত = 3 : 4
ধরি, কর্ণদ্বয় যথাক্রমে 3a এবং 4a

প্রশ্নমতে,
(1/2) × 3a × 4a = 96
⇒ 12a2/2 = 96
⇒ 6a2 = 96
⇒ a2 = 16
∴ a = 4

∴ রম্বসের কর্ণদ্বয়ের দৈর্ঘ্য (3 × 4) = 12 সে.মি. এবং (4 × 4) = 16 সে.মি.
​ ∴ রম্বসের কর্ণদ্বয়ের সমষ্টি = (12 + 16) সে.মি. = 28 সে.মি.
৪৮.
|2x + 5| < 7 অসমতাটির সমাধান নিচের কোনটি?
  1. 2 > x > 5
  2. 1 > x > 5
  3. - 6 < x < 1
  4. - 8 < x < 3
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: |2x + 5| < 7 অসমতাটির সমাধান নিচের কোনটি?

সমাধান:
|2x + 5| < 7
(2x + 5) অঋণাত্মক হলে প্রদত্ত অসমতা দাঁড়ায় (2x + 5) < 7
⇒ 2x + 5 - 5 < 7 - 5
⇒ 2x < 2
∴ x < 1

আবার,
(2x + 5) ঋণাত্মক হলে প্রদত্ত অসমতা দাঁড়ায় - (2x + 5) < 7
⇒ (2x + 5) > - 7
⇒ 2x + 5 - 5 > - 7 - 5
⇒ 2x > - 12
∴ x > - 6

∴ অসমতাটির সমাধান: - 6 < x < 1

৪৯.
বছরের কিছু মাসে ৩০ দিন থাকে, এবং কিছু মাসে ৩১ দিন থাকে। সব মিলিয়ে কয়টি মাসে ২৮ দিন থাকে?
  1. ৮ 
  2. ১২
  3. ১০ 
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: বছরের কিছু মাসে ৩০ দিন থাকে, এবং কিছু মাসে ৩১ দিন থাকে। সব মিলিয়ে কয়টি মাসে ২৮ দিন থাকে?

সমাধান:
- ১২টি মাসেই ২৮ দিন থাকে।
- মাসে ৩০ বা ৩১ দিন যাই থাকুক না কেন, ২৮ দিন থাকবেই।

৫০.
৪:৩০-এ ঘড়ির ঘণ্টা ও মিনিট কাঁটার মধ্যে কোণ কত ডিগ্রি?
  1. ২৫°
  2. ৭৫°
  3. ৬০°
  4. ৪৫°
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: ৪:৩০-এ ঘড়ির ঘণ্টা ও মিনিট কাঁটার মধ্যে কোণ কত ডিগ্রি?

সমাধান:
আমরা জানি,
মধ্যবর্তী কোন = │(১১m - ৬০h)/২ │
= │(১১ × ৩০ -  ৬০ × ৪)/২│
= │(৩৩০ - ২৪০)/২│°
= │৯০/২│°
= ৪৫°

৫১.
X চিত্রটি আয়নায় প্রতিফলিত হলে কেমন দেখাবে?
  1. 1
  2. 2
  3. 3
  4. 4
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: X চিত্রটি আয়নায় প্রতিফলিত হলে কেমন দেখাবে?


সমাধান:


সঠিক উত্তর: ৪নং চিত্রটি। 

৫২.
নিচের কোন সংখ্যাটির গুণনীয়ক সংখ্যা সবচেয়ে কম? 
  1. ৫৫
  2. ৪৭
  3. ৮৭
  4. ৯১
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: নিচের কোন সংখ্যাটির গুণনীয়ক সংখ্যা সবচেয়ে কম? 

সমাধান:
প্রদত্ত সংখ্যা গুলোর মধ্যে ,
৯১ = ১ × ৯১; ১৩ × ৭ 
৪৭ = ৪৭ × ১
৮৭ = ১ × ৮৭; ২৯ × ৩
৫৫ = ১ × ৫৫; ১১ × ৫

যেহেতু ৪৭ সংখ্যাটি ৪৭ ও ১ ছাড়া অন্যকোনো সংখ্যা দ্বারা বিভাজ্য নয় তাই ৪৭ সংখ্যাটি মৌলিক।
সুতরাং, ৪৭ সংখ্যাটির গুণনীয়ক সংখ্যা সবচেয়ে কম।

৫৩.
যদি p = 5q হয়, তবে (p + q), p এর কত শতাংশ?
  1. 90%
  2. 110%
  3. 120%
  4. 10%
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: যদি p = 5q হয়, তবে (p + q), p এর কত শতাংশ?

সমাধান: 
দেওয়া আছে, 
p = 5q

এখন, 
p + q = 5q + q
= 6q

(p + q), p এর = {(p + q)/p} × 100% 
= (6q/5q) × 100%
= 120%

৫৪.
বাংলা ব্যঞ্জনবর্ণ মালায় 'ব' বর্ণটির পূর্বের পঞ্চম বর্ণের পরবর্তী বর্ণ কোনটি?
  1. দ 
  2. ধ 
  3. ন 
  4. প 
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: বাংলা ব্যঞ্জনবর্ণ মালায় 'ব' বর্ণটির পূর্বের পঞ্চম বর্ণের পরবর্তী বর্ণ কোনটি?

সমাধান:
 

বাংলা ব্যঞ্জনবর্ণ মালায় 'ব' বর্ণটির পূর্বের পঞ্চম হচ্ছে - দ। 
বাংলা ব্যঞ্জনবর্ণ মালায় 'ব' বর্ণটির পূর্বের পঞ্চম বর্ণের পরবর্তী বর্ণ হচ্ছে - ধ। 

৫৫.
চিত্র (X)-এর মতো বিন্দু স্থাপনের শর্ত অনুযায়ী নিচের কোন চিত্রটি সঠিক?
  1. 1
  2. 2
  3. 3
  4. 4
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: চিত্র (X)-এর মতো বিন্দু স্থাপনের শর্ত অনুযায়ী নিচের কোন চিত্রটি সঠিক?
 

সমাধান:
X চিত্রে ডটটি (বিন্দুটি)  বসেছে শুধুমাত্র বর্গ ও বৃত্তের সাধারণ অংশে এবং ত্রিভুজের বাহিরে। 

ত্রিভুজের বাহিরে বর্গ ও বৃত্তের সাধারণ অংশ রয়েছে কেবলমাত্র 4 নং চিত্রে।

৫৬.
(S, O, S, A, A, R, L, B, T) অক্ষরগুলোকে নতুন করে সাজালে নিচের কোনটি পাওয়া যাবে?
  1. একটি দেশ
  2. একটি পাখি
  3. একটি মহাসাগর
  4. একটি গাছ
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: (S, O, S, A, A, R, L, B, T) অক্ষরগুলোকে নতুন করে সাজালে নিচের কোনটি পাওয়া যাবে?

সঠিক উত্তর:
একটি পাখি 

ব্যাখ্যা: 
অক্ষরগুলো "ALBATROSS" শব্দটি গঠন করে, যা একটি পাখির নাম।

৫৭.
যদি P, Q-এর মা হন এবং Q, D-এর বাবা হন তাহলে P এবং D-এর সম্পর্ক কী?
  1. মা
  2. দাদি
  3. বোন
  4. চাচি
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: যদি P, Q-এর মা হন এবং Q, D-এর বাবা হন তাহলে P এবং D-এর সম্পর্ক কী?

সমাধান:
যদি P, Q-এর মা হন এবং Q, D-এর বাবা হন, তাহলে P হলেন D-এর দাদি।

কারণ,
P, Q-এর মা, এর মানে হলো P হলেন Q-এর জন্মদাত্রী।
Q, D-এর বাবা, এর মানে হলো Q হলেন D-এর জন্মদাতা।
সুতরাং, P হলেন D-এর বাবার মা, অর্থাৎ দাদি। 

৫৮.
___________ মতো আবার ৪৭ তম বিসিএসে ভুল দাগিয়ে আইসো না। 
  1. কেঁচে গণ্ডুষের  
  2. একাদশে বৃহস্পতির 
  3. খোদার খাসির
  4. গোবেচরার 
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: ___________ মতো আবার ৪৭ তম বিসিএসে ভুল দাগিয়ে আইসো না। 

সমাধান:
• খোদার খাসির মতো আবার ৪৭ তম বিসিএসে ভুল দাগিয়ে আইসো না। 

- 'খোদার খাসি' বাগধারার অর্থ = ভাবনাচিন্তাহীন।

• অপশন আলোচনা:
- কেঁচে গন্ডুষ বাগধারার অর্থ নতুন করে/পুনরায় শুরু করা।
- গোবেচরা' বাগধারাটির অর্থ- 'নিরীহ'। 
- 'একাদশে বৃহস্পতি' বাগধারাটির অর্থ সৌভাগ্যের বিষয় বা মহাসৌভাগ্য।

৫৯.
√০.০০০০০৬২৫ এর বর্গমূলের তিন গুণ  কত?
  1. ০.১৫ 
  2. ০.১০৫ 
  3. ০.০১৫ 
  4. কোনোটিই নয় 
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: √০.০০০০০৬২৫ এর বর্গমূলের তিন গুণ কত?

সমাধান:
√০.০০০০০৬২৫ = ০.০০২৫
∴ ০.০০২৫ এর বর্গমূল = √০.০০২৫
= ০.০৫

∴ √০.০০০০০৬২৫ এর বর্গমূলের তিন গুণ  = ০.০৫ × ৩ 
= ০.১৫ 

৬০.
কম্পিউটারকে ক্ষতিকর সফটওয়্যার থেকে রক্ষা করতে নিচের কোনটি ব্যবহার করা হয়?
  1. টার্মিনাল
  2. ডিভাইস ড্রাইভার
  3. ফায়ারওয়াল
  4. ভার্চুয়াল রিয়েলিটি হেডসেট
ব্যাখ্যা
ফায়ারওয়াল হলো একটি সিকিউরিটি সিস্টেম, যা কম্পিউটার নেটওয়ার্কে আসা-যাওয়া করা ডেটা ফিল্টার করে এবং অননুমোদিত প্রবেশ বা ক্ষতিকর সফটওয়্যার থেকে সুরক্ষা দেয়।

ফায়ারওয়াল (Firewall):
- অননুমোদিত (Unauthorized) ব্যবহারকারীর হাত থেকে নেটওয়ার্ক রিসোর্সকে রক্ষা কিংবা সাইবার অ্যাটাক প্রতিরোধ করতে ফায়ারওয়াল (Firewall) ব্যবহার করা হয়।
- ফায়ারওয়াল হলো এমন এক ধরনের তথ্য ব্যবস্থাপনার নিরাপত্তা ব্যবস্থা যা কোনো একটি কোম্পানির নিজস্ব নেটওয়ার্ক তথা ইন্ট্রানেট ও ইন্টারনেট নেটওয়ার্কের মধ্যে অবৈধ অ্যাক্সেস নিয়ন্ত্রণ করে।
- সহজভাবে বলা যায়, কোনো কম্পিউটারের সফ্টওয়‍্যারের নিরাপত্তা প্রদানের নিমিত্তে ফায়ারওয়াল তৈরি করা হয়।
- সাধারণত কোনো ফায়ারওয়ালের সাথে রাউটার (Router) বা ডেডিকেটেড সার্ভার (Dedicated server) থাকে যা সম্পূর্ণ ফায়ারওয়াল হিসেবে কাজ করে।
- ফায়ারওয়াল কোনো প্রতিষ্ঠানের গেইট কিপার (Gate Keeper) হিসেবে কাজ করে যা যে কোনো ধরনের প্রবেশকে নিরাপদ এবং ডেটার ফিল্টার হিসেবে কাজ করে।
- তবে ফায়ারওয়াল হ্যাকিং এর ক্ষেত্রে বাধা সৃষ্টি করে কিন্তু সবসময় প্রতিরোধ করতে পারে না।

অন্যান্য অপশনসমূহ, 
টার্মিনাল ➝ শুধু ইনপুট/আউটপুট ডিভাইস হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
ডিভাইস ড্রাইভার ➝ হার্ডওয়্যার চালানোর জন্য প্রয়োজনীয় সফটওয়্যার।
ভার্চুয়াল রিয়েলিটি হেডসেট ➝ বিনোদন ও সিমুলেশনের জন্য ব্যবহৃত হয়।

উৎস: ই-কমার্স, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৬১.
Embedded System এর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য কী?
  1. High Processing Power
  2. Real-time Response
  3. Large Storage
  4. User Interface
ব্যাখ্যা
◉ Embedded System হলো বিশেষ উদ্দেশ্যে তৈরি কম্পিউটার সিস্টেম, যা নির্দিষ্ট কাজ দক্ষতার সাথে সম্পাদন করে। এর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হলো Real-time Response – অর্থাৎ ইনপুট বা ঘটনার সাথে সাথে দ্রুত সঠিক আউটপুট দেওয়া। যেমন: গাড়ির ব্রেক কন্ট্রোল সিস্টেম, পেসমেকার, ওয়াশিং মেশিন ইত্যাদি।

এমবেডেড কম্পিউটার:
- এম্বেডেড কম্পিউটার হলো একটি বিশেষায়িত কম্পিউটার সিস্টেম যা একটি বৃহৎ সিস্টেম বা মেশিনের অংশবিশেষ হিসাবে ব্যবহৃত হয়।
- এটি হলো মাইক্রোপ্রসেসর, সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা সম্বলিত মেমরি বা রম এবং ইনপুট/আউটপুট সিস্টেমের সমন্বয়ে গঠিত এক প্রকার কম্পিউটার।
- এর মূল বৈশিষ্ট্য হলো এর Real-time Response বা রিয়েল-টাইম প্রতিক্রিয়া, যেখানে এটি দ্রুত ইনপুট গ্রহণ করে এবং সময়মতো সঠিক আউটপুট প্রদান করে।
- এমবেডেড সিস্টেমে সাধারণত একটি মাইক্রোপ্রসেসর বোর্ড এবং কিছু সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম সম্বলিত রম থাকে।
- আধুনিক এমবেডেড সিস্টেমে মাইক্রো কন্ট্রোলার এর ব্যবহার হয়।
- এতে মনিটর কিংবা অন্যান্য হার্ডওয়্যার থাকে না।
- সেল ফোন, এসি, প্রিন্টার, থার্মোস্ট্যাট, ভিডিও গেমস্, ATM, ওয়াশিং মেশিন, স্মার্ট ওয়াচ প্রভৃতিতে এমবেডেড সিস্টেম ব্যবহৃত হয়।
- এমবেডেড সিস্টেমে ব্যবহৃত জনপ্রিয় প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ হচ্ছে— C, C++, Python, Java, Assembly. 

উৎস: 
১। Indian Institute of Embedded Systems. 
২। Maven Silicon ওয়েবসাইট। 
৬২.
Hexadecimal সংখ্যা A5A এর Decimal মান কত?
  1. 2450
  2. 2550
  3. 2650
  4. 2850
ব্যাখ্যা
◉ Hexadecimal সংখ্যা A5A এর Decimal মান হচ্ছে - 2650.

হেক্সাডেসিমেল থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর: 
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যাকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তরের জন্য সংখ্যাটির প্রত্যেক অংককে নিজ নিজ স্থানীয় মান দ্বারা গুণ করে প্রাপ্ত গুণফলসমূহকে যোগ করতে হবে। এভাবে প্রাপ্ত যোগফলই হবে উক্ত হেক্সাডেসিমেল সংখ্যার সমতুল্য দশমিক সংখ্যা।
- হেক্সাডেসিমেল থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর করার সময় প্রত্যেক অংককে ১৬ দ্বারা গুণ করতে হবে।
- গুণ করার সময় স্থানীয় মান অনুযায়ী ১৬ এর ঘাত ০ হতে বাড়তে থাকবে। যেমন- একক স্থানীয় অংকটিকে ১৬ দ্বারা, দশক স্থানীয় অংকটিকে ১৬ দ্বারা, শতক স্থানীয় অংকটিকে ১৬ দ্বারা,.....গুণ করতে হবে।
- এক্ষেত্রে খেয়াল রাখতে হবে যে, হেক্সাডেসিমেল সংখ্যাটির কোন অংক A, B, C, D, E ও F হলে যথাক্রমে ১০, ১১, ১২, ১৩, ১৪ ও ১৫ দিয়ে গুণ করতে হবে।
- প্রাপ্ত গুণফলকে যোগ করলে উক্ত হেক্সাডেসিমেল সংখ্যাটির সমতুল্য দশমিক মান পাওয়া যাবে।

এখানে, 
A5A = (A × 162) + (5 × 161) + (A × 160)
= (10 × 256) + (5 × 16) + (10 × 1)
= 2560 + 80 + 10
= 2650

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬৩.
CSMA/CD প্রোটোকল কোন নেটওয়ার্কে ব্যবহৃত হয়?
  1. WiFi
  2. Bluetooth
  3. 4G
  4. Ethernet
ব্যাখ্যা
◉ CSMA/CD (Carrier Sense Multiple Access with Collision Detection) প্রোটোকলটি মূলত Ethernet (wired LAN)-এ ব্যবহৃত হয়।

ইথারনেট: 
- ইথারনেট একটি কম্পিউটার নেটওয়ার্ক প্রযুক্তি যা স্থানীয় এলাকা নেটওয়ার্ক (LAN) তৈরি করতে ব্যবহৃত হয়। এটি প্রাথমিকভাবে ডাটা ট্রান্সমিশন বা তথ্য আদান-প্রদান করে থাকে।
- এর মাধ্যমে ডিভাইসগুলি একে অপরের সাথে যোগাযোগ করে এবং নেটওয়ার্কে ডাটা পাঠানোর জন্য বিভিন্ন ধরনের ট্রান্সমিশন মোড ব্যবহার করা হয়। এখন, ইথারনেটে ব্যবহৃত
- ইথারনেটের ক্ষেত্রে: আধুনিক ইথারনেটের প্রযুক্তি যেমন Gigabit Ethernet (১০/১০০/১০০০ এমবিপিএস) এবং 10-Gigabit Ethernet এই মোড ব্যবহার করে থাকে।

CSMA/CD (Carrier Sense Multiple Access with Collision Detection): 
- এটি একটি Random-access পদ্ধতি, যার মাধ্যমে নেটওয়ার্কে ডেটা পাঠানোর সময় Collision (সংঘর্ষ) হওয়ার সম্ভাবনা কমানো হয়।
- এটি বিশেষভাবে Ethernet (wired LAN)-এ ব্যবহৃত হয়।

অন্য অপশনগুলো:
WiFi → এখানে ব্যবহৃত হয় CSMA/CA (Collision Avoidance), CD নয়।
Bluetooth → Frequency Hopping Spread Spectrum (FHSS) ব্যবহার করে।
4G → OFDMA, SC-FDMA ইত্যাদি আধুনিক প্রোটোকল ব্যবহার করে।

উৎস:
১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। ব্রিটানিকা। 
৬৪.
Database System-এ Primary Key এর কাজ কী?
  1. ডাটা দ্রুত সার্চ করা
  2. ডুপ্লিকেট রেকর্ড রোধ করা
  3. নতুন টেবিল তৈরি করা
  4. ইনডেক্সিং নিয়ন্ত্রণ করা
ব্যাখ্যা
◉ Primary Key হলো একটি টেবিলের এমন একটি ফিল্ড বা অ্যাট্রিবিউট যা প্রতিটি রেকর্ডকে অন্যদের থেকে আলাদা (Unique) করে। এর মাধ্যমে একই ধরনের ডুপ্লিকেট ডেটা প্রবেশ করতে বাধা দেওয়া হয় এবং প্রতিটি রেকর্ডকে আলাদা করে শনাক্ত করা যায়।

• কী-ফিল্ড:
- যে ফিল্ড এর উপর ভিত্তি করে ডাটাবেজ এর ডেটা শনাক্ত, অনুসন্ধান, সম্পর্ক স্থাপন ইত্যাদি কাজ করা হয়, তাকে কী-ফিল্ড বলে।
• কী ৩ ধরনের হয়। যথা:

১. প্রাইমারি কী:
- যে ফিল্ড এর মান দ্বারা একটি রেকর্ডকে অন্য রেকর্ড থেকে আলাদা করা যায় তাকে প্রাইমারি কী বলে।
- যেমন: ID হলো ডাটা টেবিলের এমন একটি অদ্বিতীয় ফিল্ড যার ডাটা অন্য ডাটার সাথে মিলে না। একজনের ID অন্যজনের সাথে কখনোই মিলে না সাধারণত।
- রোল নম্বর, মোবাইল নম্বর একটি প্রাইমারি কী এর উদাহরণ কারণ প্রত্যাকের রোল বা মোবাইল নম্বর ভিন্ন হয়ে থাকে।

২. কম্পোজিট প্রাইমারি কী:
- যদি একটি ডাটা টেবিলের একাধিক কী একসাথে প্রাইমারি কী হিসাবে কাজ করে তাহলে তাদেরকে একসাথে কম্পোজিট প্রাইমারি কী বলে।

৩. ফরেন কী:
- একটি টেবিলের প্রাইমারি কী যদি অন্য একটি টেবিলে থাকে তাহলে অন্য টেবিলের সেই কী কে ফরেন কী বলা হয়।
- যেমন: একটি কোম্পানির ২ টা ডাটা টেবিলের মধ্যে তাদের এমপ্লয়িদের ID ফিল্ড একই থাকলে তাকে একটি নির্দিষ্ট টেবিলের সাপেক্ষে অন্য টেবিলের ফরেন কি বলে।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি।
২. ব্রিটানিকা।
৬৫.
HTTP এবং HTTPS এর মূল পার্থক্য কী?
  1. Speed
  2. Compatibility
  3. Encryption
  4. File Size
ব্যাখ্যা
◉ HTTPS (HyperText Transfer Protocol Secure) হচ্ছে HTTP-এর সিকিউর ভার্সন, যেখানে ডেটা SSL/TLS encryption ব্যবহার করে এনক্রিপ্ট করা হয়। ফলে ব্যবহারকারীর তথ্য (যেমন পাসওয়ার্ড, ব্যাংকিং ডেটা ইত্যাদি) সুরক্ষিত থাকে।

HTTP (HyperText Transfer Protocol):
- এটি একটি সাধারণ প্রোটোকল যা ওয়েব ব্রাউজার ও সার্ভারের মধ্যে ডেটা আদান-প্রদানে ব্যবহৃত হয়। তবে এতে কোনো নিরাপত্তা ব্যবস্থা (encryption) নেই।

HTTPS:
- https এর পূর্ণরূপ হচ্ছে- Hypertext Transfer Protocol Secure.
- HTTPS হলো একটি প্রোটোকল যা ব্যবহারকারীর ওয়েব ব্রাউজার এবং একটি ওয়েবসাইটের মধ্যে যোগাযোগ এবং ডেটা স্থানান্তর সুরক্ষিত করে।
- কোন ওয়েবসাইটের ঠিকানায় ব্যবহৃত https এর 'S' দিয়ে Secured (সুরক্ষিত) বোঝায়।
- HTTPS Protocol-টি ইন্টারনেটে তথ্য আদান-প্রদানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে থাকে।
- https, http-এর চেয়ে অধিকতর নিরাপদ।
- সাধারণত প্রায় সব ওয়েব অ্যাড্রেসই শুরু হয় http:// দিয়ে।
- তাই ওয়েব অ্যাড্রেসে এ অংশটি লিখা হয় না। www অংশ দিয়েই শুরু করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
৬৬.
Email এর কোন প্রোটোকল Message Retrieval এর জন্য ব্যবহৃত হয়?
  1. SMTP
  2. POP3
  3. TCP
  4. FTP
ব্যাখ্যা
◉ POP3 (Post Office Protocol version 3) ই-মেইল সার্ভার থেকে মেইল ডাউনলোড/রিট্রিভ করার (Retrieval) জন্য ব্যবহৃত হয়।

ই-মেইল:
- ১৯৭১ সালে আরপানেট ইলেকট্রনিক মাধ্যমে পত্রালাপের সূচনার মাধ্যমে প্রথম ইমেইল সিস্টেম চালু করেন রেমন্ড স্যামুয়েল টমলিসন।
- ইলেকট্রনিক মেইল বা ই-মেইল হলো একজন বার্তা লেখকের কাছ থেকে এক বা একাধিক প্রাপকের কাছে কোন বার্তা বা ডিজিটাল মেসেজ বিনিময় করার নির্ভরযোগ্য পদ্ধতি।
- ই-মেইল ঠিকানায় @ চিহ্নটি অবশ্যই থাকতে হয়।
- একটি ইমেইল ঠিকানা ইউজার আইডি ও ডোমেইন নেম নিয়ে গঠিত।
- abc@def.com এ @ অংশের পূর্বে থাকে ইউজার আইডি এবং @ অংশের পরে থাকে ডোমেইন নেম।
- ই-মেইল সার্ভারে POP, IMAP এবং SMTP প্রোটোকল ব্যবহার করা হয়।

• POP:
- POP এর পূর্ণরূপ হল Post Office Protocol.
- ব্যবহারকারী যে সকল মেইল গ্রহণ করে বা তার কাছে আসে সেগুলোকে অন্তর্মুখী বা ইনকামিং মেইল বলা হয়।
- মেইল সার্ভার থেকে ইনকামিং মেইল গ্রহণ করার জন্য সর্বাধিক জনপ্রিয় প্রোটোকল POP3.

• SMTP:
- SMTP এর পূর্ণরূপ হল Simple Mail Transfer Protocol.
- মেল সার্ভার এবং অন্যান্য বার্তা স্থানান্তর এজেন্ট মেল বার্তা পাঠাতে এবং গ্রহণ করতে SMTP ব্যবহার করে।

• IMAP:
- IMAP এর পূর্ণরূপ হল Internet Message Access Protocol.
- IMAP প্রটোকল ব্যবহার করে মেইল বক্সে শুধু প্রবেশ করা যায়।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ - দ্বাদশ শ্রেণি।
২. মাইক্রোসফট।
৬৭.
বিশ্বের প্রথম স্মার্টফোন “Simon Personal Communicator” বাজারে আনে কোন প্রতিষ্ঠান?
  1. নকিয়া
  2. ব্ল্যাকবেরি
  3. আইবিএম
  4. গুগল
ব্যাখ্যা
◉ ১৯৯৪ সালে IBM "Simon Personal Communicator" নামে বিশ্বের প্রথম স্মার্টফোন বাজারে আনে।

স্মার্টফোন:
- স্মার্টফোন হলো বিশেষ ধরনের মোবাইল ফোন যা মোবাইল কম্পিউটিং প্লাটফর্মের ওপর প্রতিষ্ঠিত।
- সর্বপ্রথম স্মার্টফোন ডিজাইন করে IBM প্রতিষ্ঠান।
- বেলসাউথ প্রতিষ্ঠান ১৯৯৪ সালে স্মার্টফোন বাজারে আনেন।
- এই স্মার্টফোনে ক্যালেন্ডার, ঠিকানা বই, ক্যালকুলেটর এবং অন্যান্য ফাংশন অ্যাক্সেস করার জন্য একটি টাচস্ক্রিন ইন্টারফেস অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল।
- স্মার্টফোন ডেটা রূপান্তরের জন্য প্যাকেট সুইচিং পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।
- স্মার্টফোনে ডাটা স্থানান্তর উচ্চ গতিসম্পন্ন।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৬৮.
কম্পিউটার চালুর সময় যেসব প্রোগ্রাম স্থায়ীভাবে মেমরিতে সংরক্ষিত থাকে এবং স্বয়ংক্রিয়ভাবে কাজ শুরু করে, সেগুলোকে কী বলা হয়?
  1. মিডলওয়্যার
  2. ফার্মওয়্যার
  3. সফটওয়্যার
  4. অপারেটিং সিস্টেম
ব্যাখ্যা
Firmware হলো বিশেষ ধরণের প্রোগ্রাম, যা কম্পিউটার বা ডিভাইসের ROM/Flash Memory-তে স্থায়ীভাবে সংরক্ষিত থাকে। ডিভাইস চালু হওয়ার সাথে সাথে এটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে কাজ শুরু করে এবং হার্ডওয়্যারকে প্রাথমিকভাবে চালু ও নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে।

ফার্মওয়্যার: 
- ফার্মওয়্যার হচ্ছে বিশেষ ধরনের সফটওয়্যার যা সুনির্দিষ্ট হার্ডওয়্যার পরিচালনার জন্য প্রয়োজন পড়ে।
- ফার্মওয়্যার মূলত হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার-এর সমন্বয়ে গঠিত।
- কম্পিউটারে বহুল ব্যবহৃত একটি ফার্মওয়্যার হলো Basic Input Output System (BIOS)।
- এছাড়া প্রত্যেকটি হার্ডওয়্যারের সাথে থাকে তার নিজস্ব ডিভাইস ড্রাইভার।
- ফার্মওয়্যারগুলো সাধারণত মেশিন নির্ভর হয়ে থাকে। অর্থাৎ এক এক মেশিনের জন্য আলাদা আলাদা ডিভাইস ড্রাইভারের প্রয়োজন পড়ে।
- কম্পিউটার তৈরি করার সময় মেমোরি নামক হার্ডওয়্যারে কিছু স্থায়ী প্রোগ্রাম তৈরি করে দেওয়া হয়। এটিই হচ্ছে ফার্মওয়্যার।
- এগুলি পড়া যায় কিন্তু পরিবর্তন করা যায় না। যেমন PC-তে ব্যবহৃত ROM BIOS (Read Only Memory Basic Input Output System) হচ্ছে একটি ফার্মওয়্যার।
- এটিতে কিছু প্রোগ্রাম জমা করে রাখা হয় যা হার্ডওয়্যার ও সফ্টওয়্যারের মধ্যে যোগাযোগ ঘটায়।

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণি।
৬৯.
ক্লাউড কম্পিউটিং-এ কোন মডেলে একাধিক সংস্থা একটি ইনফ্রাস্ট্রাকচার শেয়ার করে?
  1. হাইব্রিড ক্লাউড
  2. কমিউনিটি ক্লাউড
  3. ডিস্ট্রিবিউটেড ক্লাউড
  4. প্রাইভেট ক্লাউড
ব্যাখ্যা
◉ কমিউনিটি ক্লাউড হলো এমন একটি ক্লাউড মডেল যেখানে একই রকম চাহিদা বা নিরাপত্তা নীতি থাকা একাধিক সংস্থা মিলে একটি ইনফ্রাস্ট্রাকচার শেয়ার করে। যেমন: ব্যাংকিং সেক্টরের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান মিলে একটি নিরাপদ ক্লাউড ব্যবহার করতে পারে।

ক্লাউড কম্পিউটিং এর প্রকারভেদ:
- ক্লাউড ব্যবহারকারী কারা, তার ওপরে ভিত্তি করে ক্লাউড কম্পিউটিং এর প্রকারভেদ:

• পাবলিক ক্লাউড (Public Cloud):
- পাবলিক ক্লাউড হলো এমন ক্লাউড যা সাধারণ জনগণের জন্য উন্মুক্ত। যে টাকা দেবে, সেই সার্ভিস পাবে, এমন ক্লাউডকে বলা হয় পাবলিক ক্লাউড।
- যেমন: আমাজনের EC2.
- এসব ক্লাউডের সুবিধা হলো যে কেউ এর সেবা নিতে পারে।

• প্রাইভেট ক্লাউড (Private Cloud):
- যখন বড় কোনো সংস্থা নিজেদের অভ্যন্তরীণ বিভিন্ন পরিষেবা দেওয়ার জন্য ক্লাউড সিস্টেম ডেভোলাপ করে তখন তাকে প্রাইভেট ক্লাউড বলে।
- এটি সাধারণত একটি সংস্থায় অভ্যন্তরীণভাবে নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা করা হয়।
- এতে খরচ অনেক বেশি হয়, নিজস্ব ডেটা সেন্টার বসাতে হয় এবং রক্ষণাবেক্ষণের জন্য নিজস্ব জনবল রাখার প্রয়োজন হয়।

• হাইব্রিড ক্লাউড (Hybrid Cloud):
- হাইব্রিড ক্লাউড হলো পাবলিক আর প্রাইভেটের সংমিশ্রণ।
- এখানে প্রাইভেট ক্লাউড দিয়ে প্রাথমিক চাহিদা মেটানো হয়, আর প্রাইভেট ক্লাউডের ধারণক্ষমতা অতিক্রান্ত হয়ে গেলে পাবলিক ক্লাউডের সাহায্য নেয়া হয়।
- পাবলিক ক্লাউডের চেয়ে হাইব্রিড ক্লাউডের খরচ বেশি।

• কমিউনিটি ক্লাউড (Community Cloud):
- সাধারণত কোনো বিশেষ কমিউনিটির জন্য যে ক্লাউড ডেভেলোপ করা হয় সেটি হলো কমিউনিটি ক্লাউড।
- কমিউনিটি ক্লাউডের সুবিধা হলো কমিউনিটির মধ্যে ইউজার সীমাবদ্ধ থাকে বলে এখানে সিকিউরিটির কোনো সমস্যা নেই।
- আর অসুবিধা হলো এখানে ক্লায়েন্টের সংখ্যা সীমিত বলে খরচ বেশি হয়।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৭০.
কম্পিউটারে ক্যাশ মেমোরির প্রধান উদ্দেশ্য কী?
  1. সিস্টেম বুট করা
  2. তথ্য পুনরুদ্ধার করা
  3. স্ক্রিন রিফ্রেশ করা
  4. প্রসেসরের কাজ দ্রুত করা
ব্যাখ্যা
◉ Cache Memory হলো প্রসেসর (CPU) ও প্রধান মেমোরি (RAM)-এর মধ্যে অবস্থিত একটি মেমোরি। CPU বারবার যেসব ডেটা ও নির্দেশনা ব্যবহার করে, সেগুলো ক্যাশে সংরক্ষিত থাকে। এর ফলে CPU সরাসরি দ্রুত ডেটা পায় এবং প্রসেসিং স্পিড বেড়ে যায়।

ক্যাশ মেমোরি (Cache Memory):
- এটি এক ধরনের বিশেষ উচ্চগতির মেমোরি ব্যবস্থা।
- মাইক্রোপ্রসেসর ও প্রধান স্মৃতির মাঝে অতি উচ্চগতির এবং কম ধারণক্ষমতাসম্পন্ন যে মেমোরি ব্যবহার করা হয় তাকে ক্যাশ মেমোরি বলা হয়।
- ক্যাশ মেমোরি র‍্যামের চেয়ে ছোট।
- কম্পিউটারের ডেটা স্থানান্তরের গতি বৃদ্ধি তথা মাইক্রোপ্রসেসরের প্রক্রিয়াকরণের গতি বৃদ্ধির জন্য ক্যাশ মেমোরি ব্যবহৃত হয়।
- এটি এক ধরনের স্ট্যাটিক স্মৃতি, যা উচ্চগতি সম্পূর্ণ ও তুলনামূলক দামি মেমোরি।
- ক্যাশ মেমোরি থাকে EPROM-এ।
- যখন CPU কোনো ডেটা প্রয়োজন করে, তখন এটি প্রথমে ক্যাশ মেমোরিতে খোঁজে। যদি সেখানে ডেটা পাওয়া যায় (যাকে ক্যাশ হিট বলে), CPU-কে ধীরগতির RAM বা অন্যান্য স্টোরেজ থেকে ডেটা আনতে হয় না, ফলে সামগ্রিক প্রসেসিং গতি বৃদ্ধি পায়।
- ক্যাশ মেমোরি CPU-এর কাছাকাছি অবস্থান করে এবং এটি RAM-এর তুলনায় অনেক দ্রুতগতির হওয়ায় ডেটা অ্যাক্সেসের সময় কমে যায়।

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।
৭১.
অবতল লেন্স কী? 
  1. যে লেন্স আলো শোষণ করে 
  2. যে লেন্স আলো প্রতিফলিত করে 
  3. যে লেন্স আলোক রশ্মিকে অপসারিত করে 
  4. যে লেন্স আলোক রশ্মিকে এক বিন্দুতে মিলিত করে 
ব্যাখ্যা

লেন্স: 
- দুটি গোলকীয় অথবা একটি গোলকীয় এবং একটি সমতল পৃষ্ঠ দ্বারা আবদ্ধ কোন স্বচ্ছ প্রতিসারক আলোক মাধ্যমকে লেন্স বলে। 
- লেন্স প্রধানত দুই প্রকার। 
যথা-
১। অভিসারী বা উত্তল লেন্স: 
- যে লেন্সের মধ্য দিয়ে এক গুচ্ছ আলোক রশ্মি প্রতিসরিত হয়ে প্রতিসরণের পর একটি নির্দিষ্ট বিন্দুতে মিলিত হয় তাকে অভিসারী লেন্স বলে। 

উত্তল লেন্সের ব্যবহার: 
১. উত্তল লেন্সকে আতশী কাঁচ হিসেবে ব্যবহার করা হয়। 
২. উত্তল লেন্সের সাহায্যে আলোক রশ্মিকে একটি বিন্দুতে কেন্দ্রীভূত করে আগুন জ্বালানোর কাজে ব্যবহৃত হয়। 
৩. চশমা, ক্যামেরা, বিবর্ধক কাঁচ, অণুবীক্ষণ যন্ত্র, দূরবীক্ষণ যন্ত্র ইত্যাদিতে ব্যবহৃত হয়। 

২। অপসারী বা অবতল লেন্স: 
- যে লেন্সের মধ্য দিয়ে এক গুচ্ছ আলোক রশ্মি প্রতিসরিত হয়ে প্রতিসরণের পর চারিদিকে ছড়িয়ে পড়ে বা অপসারিত করে তাকে অপসারী লেন্স বলে। 

অবতল লেন্সের ব্যবহার: 
১. চশমায় ব্যবহার করা হয়। 
২. গ্যালিলিওর দূরবীক্ষণ যন্ত্রে ব্যবহার করা হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৭২.
পরিবাহিতার একক কোনটি? 
  1. সিমেন্স 
  2. ভোল্ট 
  3. ও’ম 
  4. কুলম্ব 
ব্যাখ্যা

পরিবাহিতা (Conductance): 
- স্থির তাপমাত্রায় কোন নির্দিষ্ট পরিবাহীর মধ্য দিয়ে প্রবাহিত তড়িৎ প্রবাহ পরিবাহীর দুই প্রান্তের বিভব পার্থক্যের সমানুপাতিক।
অর্থাৎ, কোনো পরিবাহীর স্থির তাপমাত্রায় দুই প্রান্তের বিভব পার্থক্য V থাকা অবস্থায় এর ভিতর দিয়েপরিমাণ তড়িৎ প্রবাহ হলে ও'মের সূত্রানুসারে,
I ∝ V
বা, I = GV; এখানে G একটি সমানুপাতিক ধ্রুবক। 
- একে পরিবাহীর তড়িৎ পরিবাহিতা (conductance) বলে। 
- পরিবাহীতায় একক সিমেন্স (Siemens), একে সংক্ষেপে S দিয়ে প্রকাশ করা হয়। 
- একই বিভব পার্থক্যে যে পরিবাহীর ভিতর দিয়ে যত বেশি তড়িৎ প্রবাহিত হবে সে পরিবাহীর তড়িৎ পরিবাহিতা তত বেশি। আবার একই বিভব পার্থক্যে যে পরিবাহীর ভিতর দিয়ে যত কম তড়িৎ প্রবাহিত হবে সে পরিবাহীর রোধ তত বেশি। 
- প্রকৃতপক্ষে কোনো পরিবাহীর তড়িৎ পরিবাহিতা তার রোধের মানের বিপরীত সংখ্যা। 
- উপাদান, তাপমাত্রা এবং আকার আকৃতির উপর পরিবাহীর তড়িৎ পরিবাহিতা নির্ভর করে। 
- তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেলে সকল পরিবাহীর তড়িৎ পরিবাহিতা হ্রাস পায়। 
- সকল ধাতুই উত্তম পরিবাহী কিন্তু একই আকার আকৃতির সকল ধাতুর তড়িৎ পরিবাহিতা সমান নয়। 
যেমন- রূপার তড়িৎ পরিবাহিতা সবচেয়ে বেশি, অপরদিকে জার্মেনিয়াম, সিলিকন ইত্যাদির তড়িৎ পরিবাহিতা সাধারণ তাপমাত্রায় খুবই কম। 

অন্যদিকে, 
- ও’ম → এটি রোধের (Resistance) একক। 
- ভোল্ট → এটি ভোল্টেজ বা বিভব পার্থক্য এর একক। 
- কুলম্ব → এটি আধানের (Charge) একক। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭৩.
উদ্বায়ী পদার্থ কোনটি? 
  1. আয়রন 
  2. নিকোটিন 
  3. আয়োডিন
  4. গ্লিসারিন 
ব্যাখ্যা

পদার্থের অবস্থা: 
- পদার্থের ভৌত অবস্থা নির্দেশ করে পদার্থের সংযুক্তি অপরিবর্তিত রেখে উহার বিভিন্ন অবস্থার প্রকাশ।  
- পদার্থের ভৌত অবস্থার মধ্যে পড়ে পদার্থের ঘনত্ব, স্থায়ীত্ব, স্ফুটনাঙ্ক, দ্রাব্যতা, চৌম্বক ধর্ম ও আলোর সাথে প্রতিক্রিয়া ইত্যাদি। 
- কঠিন, তরল ও গ্যাসীয় অবস্থা সবই কিন্তু পদার্থের ভৌত অবস্থা। 
- তাপমাত্রার পরিবর্তন ঘটলে পদার্থের ভৌত অবস্থার পরিবর্তন ঘটে। 
- কঠিন বরফকে তাপ দিলে তরল পানি, পানিকে তাপ দিলে গ্যাসীয় অবস্থা বাষ্পে পরিণত হয়। বিপরীতভাবে জলীয় বাষ্পকে ঠাণ্ডা করলে তরল পানি, তরল পানিকে ঠাণ্ডা করলে কঠিন বরফে পরিণত হয়। 
- আবার কর্পূর, আয়োডিন, নিশাদল এসব কঠিন পদার্থকে তাপ দিলে সরাসরি কঠিন অবস্থা থেকে গ্যাসীয় অবস্থায় পরিবর্তিত হয়। আবার গ্যাসীয় অবস্থা থেকে শীতল করলে তরল অবস্থায় পরিণত হয়ে সরাসরি কঠিন অবস্থা প্রাপ্ত হয়। 
- প্রকৃতপক্ষে কর্পূর, আয়োডিন, নিশাদল প্রভৃতি হলো উদ্বায়ী পদার্থ। 

অন্যদিকে, 
- আয়রন → ধাতু, উদ্বায়ী পদার্থ নয়। 
- নিকোটিন → জৈব যৌগ, উদ্বায়ী পদার্থ নয়। 
- গ্লিসারিন → তরল পদার্থ, উদ্বায়ী নয়। 

উৎস: রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭৪.
হাইড্রোকার্বনকে কোন শ্রেণির যৌগ বলা হয়? 
  1. জৈব যৌগ 
  2. এসিড 
  3. লবণ 
  4. অজৈব যৌগ 
ব্যাখ্যা

জৈব যৌগ: 
- কার্বন ও হাইড্রোজেন দ্বারা গঠিত যৌগসমূহকে হাইড্রোকার্বন বলা হয় এবং এই হাইড্রোকার্বন ও এদের জাতসমূহকে বলা হয় জৈব যৌগ। 
যেমন- মিথেন, ইথেন, বেনজিন, ইউরিয়া, প্রোপিন, পেন্টাইন ইত্যাদি জৈব যৌগ। 
- জৈব যৌগের বিক্রিয়া হতে সাধারণত অনেক বেশি সময় লাগে। 
- জৈব যৌগসমূহ সাধারণত সমযোজী বন্ধনের মাধ্যমে গঠিত হয়। 
- জৈব যৌগের জনক ফ্রেডরিখ ভোলার। 

অজৈব যৌগ: 
- দুই বা ততোধিক মৌলের সমন্বয়ে অজৈব যৌগ গঠিত হয়।
- সাধারণত অজৈব যৌগে কার্বন অনুপস্থিত থাকে। 
যেমন- পানি, খাবার লবণ, খাবার সোডা, কাপড় কাচার সোডা, কস্টিক সোডা, চুন, মরিচা ইত্যাদি অজৈব যৌগ। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।

৭৫.
জোয়ার-ভাটার ওপর কোন মহাজাগতিক বস্তুর আকর্ষণ সবচেয়ে বেশি প্রভাব ফেলে? 
  1. সূর্য 
  2. চন্দ্র 
  3. পৃথিবী 
  4. নক্ষত্র 
ব্যাখ্যা

জোয়ার-ভাটা: 
- মহাকর্ষ শক্তি এবং কেন্দ্রাতিগ শক্তির কারণে সমুদ্রের পানি নির্দিষ্ট সময় ব্যবধানে একই জায়গায় ফুলে ওঠে আবার অন্য সময় নেমে যায়। সমুদ্রের পানির এইরূপ ফুলে ওঠাকে জোয়ার এবং নেমে যাওয়াকে ভাটা বলে।
- সমুদ্রের একই জায়গায় প্রতিদিন দুইবার জোয়ার এবং দুইবার ভাটা সংঘটিত হয়। 
- চন্দ্র অপেক্ষা সূর্য ২ কোটি ৬০ লক্ষ গুণ বড় এবং পৃথিবী অপেক্ষা সূর্য প্রায় ১৩ লক্ষ গুণ বড় হলেও পৃথিবী থেকে সূর্য গড়ে প্রায় ১৫ কোটি কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এবং পৃথিবী থেকে চন্দ্র গড়ে প্রায় ৩৮.৪ লক্ষ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। এ কারণেই পৃথিবীর ওপর চন্দ্রের আকর্ষণ ক্ষমতা সূর্য অপেক্ষা বেশি। 
- ফলে জোয়ার-ভাটায় চন্দ্রের প্রভাব বা চাঁদের আকর্ষণ বেশি লক্ষ্য করা যায়। 
- জোয়ার ভাটাকে প্রধানত চারভাগে ভাগ করা যায়। 
যথা: 
১. মুখ্য জোয়ার: 
- চন্দ্র পৃথিবীর চারদিকে আবর্তনকালে পৃথিবীর যে অংশ চন্দ্রের নিকটবর্তী হয়, সেখানে চন্দ্রের আকর্ষণ সর্বাপেক্ষা বেশি হয়। এই আকর্ষণে চারদিক থেকে জলরাশি এসে চন্দ্রের দিকে ফুলে ওঠে এবং জোয়ার হয়। এরূপ সৃষ্ট জোয়ারকে মুখ্য জোয়ার বা প্রত্যক্ষ জোয়ার বলে। 

২. গৌণ জোয়ার: 
- চাঁদ পৃথিবীর যে পার্শ্বে আকর্ষণ করে তার বিপরীত দিকের জলরাশির ওপর মহাকর্ষ শক্তির প্রভাব কমে যায় এবং কেন্দ্রাতিগ শক্তির সৃষ্টি হয়। এতে চারদিক থেকে পানি ঐ স্থানে এসে জোয়ারের সৃষ্টি করে। এভাবে চাঁদের বিপরীত দিকে যে জোয়ার হয় তাকে গৌণ জোয়ার বা পরোক্ষ জোয়ার বলে। 

৩. ভরা কটাল বা তেজ কটাল: 
- অমাবস্যা ও পূর্ণিমা তিথিতে পৃথিবী, চাঁদ ও সূর্য একই সরল রেখায় অবস্থান করলে, চন্দ্র ও সূর্যের মিলিত বলের প্রবল আকর্ষণে যে তীব্র জোয়ারের সৃষ্টি হয়, তাকে তেজ কটাল বা ভরা কটাল বা ভরা জোয়ার বলে।

৪. মরা কটাল: 
- চন্দ্র ও সূর্য যখন পৃথিবীর সাথে এক সমকোণে থেকে পৃথিবীকে আকর্ষণ করে তখন চন্দ্রের আকর্ষণে সেখানে জোয়ার হয় এবং সূর্যের আকর্ষণে সেখানে ভাটা হয়। এই ধরনের জোয়ারকে মরা কটাল বা মরা জোয়ার বলে। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭৬.
স্থির তরঙ্গ সাধারণত কোন বাদ্যযন্ত্রের তারে দেখা যায়? 
  1. গীটার 
  2. ড্রাম 
  3. বাঁশি 
  4. তবলা 
ব্যাখ্যা

স্থির তরঙ্গ: 
- একই রকম দুটি অগ্রগামী তরঙ্গ বিপরীত দিক থেকে সমভাবে অগ্রসর হয়ে একে অপরের উপর আপতিত হলে যে তরঙ্গের উদ্ভব হয় তাকে স্থির তরঙ্গ বলে। 
- একটি তারের বা মোটা দড়ির এক প্রান্ত একটি দৃঢ় অবলম্বনে বেঁধে অন্য প্রান্ত ধরে উপর নিচে দোলালে একটি তরঙ্গ তার বেয়ে অগ্রসর হবে এবং বন্ধ প্রান্তে প্রতিফলিত হয়ে আবার ফিরে আসবে। এই প্রতিফলিত তরঙ্গ যখন নতুন অগ্রগামী তরঙ্গের উপর আপতিত হবে তখন স্থির তরঙ্গ উদ্ভব হবে। 
- এই তরঙ্গ তার বা দড়ি বেয়ে অগ্রসর না হয়ে বরং তার বা দড়ির ঐ অংশের মধ্যে উৎপন্ন ও লুপ্ত হবে। তরঙ্গের উদ্ভবের সময় দেখা যাবে তারের কোনো বিন্দুতে কোনো স্পন্দন নাই। 
- আবার কোনো কোনো বিন্দুতে সব সময় সর্বাধিক স্পন্দন হতে থাকবে। যে বিন্দুতে কোনো স্পন্দন নাই সে বিন্দুগুলোকে নিস্পন্দ বিন্দু (Node) এবং যে বিন্দুতে সব সময় সর্বাধিক স্পন্দন হয় সে বিন্দুগুলোকে সুস্পন্দ বিন্দু (Antinode) বলে। 
​- নিস্পন্দ ও সুস্পন্দ বিন্দুগুলোর অবস্থানগুলো সব সময় স্থির। 
- পরপর দুটো সুস্পন্দ বিন্দু বা দুটো নিস্পন্দ বিন্দুর মধ্যবর্তী দূরত্ব তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের অর্ধেক হয়। 
- গীটার, একতারা, সেতার ইত্যাদি বাদ্য যন্ত্রের তারে স্থির তরঙ্গ উৎপন্ন হয়। 

উৎস: পদার্থ প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭৭.
'ভালো' শব্দটি বিশেষণ রূপে ব্যবহৃত হয়েছে নিচের কোন বাক্যে?
  1. আপন ভালো সবাই চায়।
  2. তিনি সবসময় অন্যের ভালোর জন্য কাজ করেন।
  3. ভালো বাড়ি পাওয়া কঠিন।
  4. ভালো আর মন্দের মধ্যে পার্থক্য বোঝা দরকার।
ব্যাখ্যা

ভালো বাড়ি পাওয়া কঠিন।

[এই বাক্যে "ভালো" শব্দটি বিশেষণ রূপে ব্যবহৃত হয়েছে। এটি "বাড়ি" শব্দটির গুণ বা বিশেষত্ব বর্ণনা করছে, অর্থাৎ বাড়ির গুণগত মান বা ভালোত্ব নির্দেশ করছে। অতএব, "ভালো" এখানে একটি বিশেষণ পদ।]

অন্যদিকে,
• আপন ভালো সবাই চায়।- এখানে "ভালো" শব্দটি বিশেষ্য রূপে ব্যবহৃত হয়েছে।
• তিনি সবসময় অন্যের ভালোর জন্য কাজ করেন।- এখানে "ভালো" শব্দটি বিশেষ্য রূপে ব্যবহৃত হয়েছে।
• ভালো আর মন্দের মধ্যে পার্থক্য বোঝা দরকার।- এই বাক্যে "ভালো" এবং "মন্দ" উভয়ই বিশেষ্য পদ হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।

--------------------------
বাংলা ভাষায় একই পদ বিশেষ্য ও বিশেষণ রূপে ব্যবহৃত হতে পারে। যেমন-
ভালো:
বিশেষণ রূপে- ভালো বাড়ি পাওয়া কঠিন।
বিশেষ্য রূপে-  আপন ভালো সবাই চায়।

মন্দ:
বিশেষণ রূপে- মন্দ কথা বলতে নেই।
বিশেষ্য রূপে-  এখানে কী মন্দটা তুমি দেখলে?

পুণ্য:
বিশেষণ রূপে- তোমার এ পুণ্য প্রচেষ্টা সফল হোক।
বিশেষ্য রূপে- পুণ্যে মতি হোক।

নিশীথ:
বিশেষণ রূপে- নিশীথ রাতে বাজছে বাঁশি।
বিশেষ্য রূপে- গভীর নিশীথে প্রকৃতি সুপ্ত।

শীত:
বিশেষণ রূপে- শীতকালে কুয়াশা পড়ে।
বিশেষ্য রূপে- শীতের সকালে চারদিক কুয়াশায় অন্ধকার।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।

৭৮.
সংস্কৃত তদ্ধিত প্রত্যয় সাধিত শব্দ কোনটি?
  1. ঈশ্বর
  2. সাহিত্যিক
  3.  চলিষ্ণু
  4. পঠিতব্য
ব্যাখ্যা

সংস্কৃত তদ্ধিত প্রত্যয়- ষ্ণিক (ইক):
(ক) দক্ষ বা বেত্তা অর্থে: সাহিত্য + ষ্ণিক = সাহিত্যিক, বেদ + ষ্ণিক = বৈদিক, বিজ্ঞান + ষ্ণিক = বৈজ্ঞানিক।

(খ) বিষয়ক অর্থে: সমুদ্র + ষ্ণিক = সামুদ্রিক, নগর + ষ্ণিক = নাগরিক, মাস + ষ্ণিক =  মাসিক, ধর্ম + ষ্ণিক = ধার্মিক, সমর + ষ্ণিক = সামরিক, সমাজ + ষ্ণিক = সামাজিক।

(গ) বিশেষণ গঠনে: হেমন্ত + ষ্ণিক = হৈমন্তিক, অকস্মাৎ + ষ্ণিক = আকস্মিক।

অন্যদিকে, 
-----------------
কৃদন্ত বিশেষণ গঠনে কতিপয় কৃৎ-প্রত্যয়:
• ইষ্ণু-প্রত্যয়: √চল্ + ইষ্ণু = চলিষ্ণু। এরূপ - ক্ষয়িষ্ণু, বর্ধিষ্ণু।
• বর-প্রত্যয়: √ঈশ্ + বর = ঈশ্বর, √ভাস্ + বর = ভাস্বর।

• তব্য- কৃৎ প্রত্যয়: √কৃ + তব্য = কর্তব্য, √দা + তব্য = দাতব্য, √পট্ + তব্য = পঠিতব্য।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।

৭৯.
'অপিনিহিতি' শব্দটি কোন ধরনের উপসর্গ যোগে গঠিত?
  1. আরবি উপসর্গ
  2. খাঁটি বাংলা উপসর্গ
  3. ফারসি উপসর্গ
  4. তৎসম উপসর্গ
ব্যাখ্যা

• 'অপি' তৎসম উপসর্গ যোগে 'ব্যাকরণের সূত্র' অর্থে গঠিত শব্দ- অপিনিহিতি। 

--------------------
• তৎসম (সংস্কৃত) উপসর্গ:
বাংলা ভাষায় বহু সংস্কৃত শব্দ হুবহু এসে গেছে। সেই সঙ্গে সংস্কৃত উপসর্গও তৎসম শব্দের আগে বসে শব্দের নতুন রূপে অর্থের সংকোচন সম্প্রসারণ করে থাকে। তৎসম উপসর্গ বিশটি।

যথা:
প্র, পরা, অপ, সম, নি, অনু, অব, নির, দুর, বি, অধি, সু, উৎ, পরি, প্রতি, অতি, অপি, অভি, উপ, আ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।

৮০.
'বাস্তু থেকে উৎখাত হয়েছে যে' এর এক কথায় প্রকাশ কী?
  1. উদ্‌বান্ত
  2. উদ্বায়ী
  3. উদ্‌বাস্তু 
  4. উদ্‌ভ্রান্ত
ব্যাখ্যা

• 'বাস্তু থেকে উৎখাত হয়েছে যে' এক কথায় বলে - উদ্‌বাস্তু।

অন্যদিকে, 
----------------
• 'বাতাসে উবে যায় এমন' - উদ্বায়ী।
• 'যা উদ্‌গিরণ করা হয়েছে' - উদ্‌বান্ত। 
• 'উচ্ছৃঙ্খলভাবে বিচরণ করে এমন' - উদ্‌ভ্রান্ত। 

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ এবং বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।  

৮১.
'সাতসমুদ্র' কোন সমাসের উদাহরণ?
  1. দ্বিগু সমাস
  2. তৎপুরুষ সমাস 
  3. বহুব্রীহি সমাস 
  4. কর্মধারয় সমাস 
ব্যাখ্যা

• দ্বিগু সমাস:
সমাহার (সমষ্টি) বা মিলন অর্থে সংখ্যাবাচক শব্দের সঙ্গে বিশেষ্য পদের যে সমাস হয়, তাকে দ্বিগু সমাস বলে। দ্বিগু সমাসে সমাসনিষ্পন্ন পদটি বিশেষ্য পদ হয়।

দ্বিগু সমাস নির্ণয়ের সহজ উপায়-
দ্বিগু সমাসে প্রথম পদটি সংখ্যাবাচক হয় এবং পরপদটি হবে বিশেষ্য। সমস্তপদটি দ্বারা সমষ্টি বা সমাহার বোঝায়। এবং সমস্তপদটি একটি বিশেষ্য পদ হয়। যেমন: 
- সাত সমুদ্রের সমাহার = সাতসমুদ্র। 

["সাতসমুদ্র" দ্বিগু সমাস কারণ এটি একটি সংখ্যাবাচক শব্দ ("সাত") এবং একটি বিশেষ্য পদ ("সমুদ্র") নিয়ে গঠিত এবং "সাতসমুদ্র" শব্দটি সাতটি সমুদ্রের সমষ্টি বা মিলন বোঝায়।]

এরূপ কিছু উদাহরণ হলো-
আটটি ধাতুর সমাহার = অষ্টধাতু;
তিন কালের সমাহার = ত্রিকাল;
পাঁচ সেরের সমাহার = পঁসুরি;
শত বর্ষের সমাহার = শতবর্ষ;
শত অব্দের সমাহারারা = শতাব্দী;
সপ্ত ঋষির সমাহার = সপ্তর্ষি;
ত্রি (তিন) পদের সমাহার = ত্রিপদী ইত্যাদি।

এরূপ- অষ্টধাতু, চতুর্ভুজ, চতুরঙ্গ, ত্রিমোহিনী, তেরনদী, পঞ্চভূত, সাতসমুদ্র ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯-সংস্করণ) এবং ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

৮২.
'দুলি দুহি পীড়া' ধরণ ন জাই। রুখের তেগুলি কুম্ভীরে খাই।' চর্যার পদটি কোন কবির রচনা?
  1. ভুসুকুপা 
  2. শবরপা 
  3. কুক্কুরীপা
  4. শান্তিপা 
ব্যাখ্যা

•  কুক্কুরীপা:
- কুক্কুরীপা চর্যাগীতির তিনটি গানের রচয়িতা (২, ২০ ও ৪৮)। এদের মধ্যে একটি গান [৪৮ সংখ্যক পুথির লুপ্ত অংশ ছিল]। তিনি উচ্চবংশীয় ছিলেন বলে ধারণা করা হয়। তাঁর চর্যার ভাষা সে ইঙ্গিত বহন করে।

 - কুক্কুরীপা তান্ত্রিক নাম কিংবা ছদ্মনাম। কুলীন বা উচ্চবংশীয় হলেও কাব্যমূর্তির কারণে বা তান্ত্রিকতার আকর্ষণে তিনি এ নাম ব্যবহার করে থাকতে পারেন বলে ধারণা করা হয়। নামের সঙ্গে 'পা' যুক্ত থাকায় কেউ কেউ একে গুরুর প্রতি শ্রদ্ধাসূচক ছদ্মনাম বলে মনে করেন।

- তারানাথের মতে, সঙ্গে সবসময় একটি কুক্কুরী থাকত বলে তাঁর নামকরণ হয়েছে কুকুরীপা।

- কুক্কুরীপা বাংলার উত্তরখণ্ডের অধিবাসী ছিলেন বলে ধারণা করা হয়। অবশ্য হিন্দিভাষীরা তাঁকে কপিলাবস্তু বা বুদ্ধের জন্মস্থান নেপালের লোক বলেছেন।
- সংস্কৃত রচনা 'মহামায়াসাধন'-এর রচয়িতা হিসেবে কুক্কুরীপার নাম পাওয়া গেছে। এ থেকে অনুমিত হয়, তিনি মহামায়ার উপাসক ছিলেন।
- ড. শহীদুল্লাহর মতে, কুকুরীপা ৭৪০ থেকে ৮২০ খ্রিষ্টাব্দের মধ্যে জীবিত ছিলেন। ধারণা করা হয়, ৮০৯ খ্রিষ্টাব্দে রাজা ধর্মপালের শাসনামলে কুকুরীপা তাঁর পৃষ্ঠপোষকতা পেয়েছিলেন।

তাঁর রচিত গ্রন্থের মধ্যে রয়েছে
- যোগভাবনাপ্রদেশ,
- স্রবপরিচ্ছদ।

কুকুরীপা রচিত চর্যার পদগুলো হলো:
১. দুলি দুহি পীড়া' ধরণ ন জাই। রুখের তেগুলি কুম্ভীরে খাই'।
২. আঙ্গন ঘরপণ সুন ভো বিআতী। কানেট চোরে নিল অধরাতী।
৩. সসুরা নিদ গেল বহুড়ী জাগই'। কানেট চোরে নিল কা গই মাগই 1
৪. দিবসহি' বহুড়ী কাউহি' ডর' ভাই'। রাতি ভইলে কামরু জাই"।
৫. অইসনী" চর্যা কুকুরীপাত্র গাইল"। কোড়ি মাঝে একু হিঅহি" সমাইল।

আধুনিক বাংলায় রূপান্তর:
১. মাদি কচ্ছপ দোহন করে দুগ্ধ-পাত্রে, দুধ ধরানো গেল না। গাছের তেঁতুল কুমিরে খায়।
২. ওগো প্রসূতি, ঘরের কাছে আঙিনা। অর্ধরাতে চোর কানপাশা নিয়ে গেল।
৩. স্বশুর নিদ্রা গেল, বধূ রইল জেগে। কানপাশা চোরে নিলে কার কাছে মাগা যায়?
৪. দিনে বধূ কাকের ভয়ে ভীত হয়। রাত হলে কামরাজ্যে [বা কামরূপ) যায়।
৫. এমন চর্যা কুক্করীপা গাইলেন। কোটির মধ্যে একের চিত্তে তা প্রবেশ করল।

উৎস: 'চর্যাগীতি পাঠ' ড. মাহবুবুল হক।

৮৩.
বাংলা ভাষার নিজস্ব বাগ্‌ধারা ও ধ্বনি সহযোগে নতুন ছন্দসৃষ্টি করেছিলেন কোন কবি?
  1. সুকুমার রায় 
  2. সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত
  3. দ্বিজেন্দ্রলাল রায়
  4. অমিয় চক্রবর্তী
ব্যাখ্যা

• সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত:
- সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত ছিলেন কবি ও ছান্দসিক। কলকাতার নিকটবর্তী নিমতা গ্রামে ১৮৮২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- সত্যেন্দ্রনাথ ছিলেন ভারতী পত্রিকাগোষ্ঠীর অন্যতম বিশিষ্ট কবি।
- বাংলা ভাষার নিজস্ব বাগ্‌ধারা ও ধ্বনি সহযোগে নতুন ছন্দসৃষ্টি তাঁর কবিপ্রতিভার মৌলিক কীর্তি। এজন্য তিনি 'ছন্দের জাদুকর' ও ' ছন্দোরাজ' নামে সাধারণ্যে পরিচিত।
- ১৯১৮ সালে ভারতী পত্রিকার বৈশাখ সংখ্যায় ছন্দ সম্পর্কিত তাঁর প্রসিদ্ধ রচনা 'ছন্দ-সরস্বতী' প্রকাশিত হয়।
- সত্যেন্দ্রনাথ একাধিক ছদ্মনামে কাব্যচর্চা করতেন, যেমন নবকুমার, কবিরত্ন, অশীতিপর শর্মা, ত্রিবিক্রম বর্মণ, কলমগীর ইত্যাদি।
- ১৯২২ সালের ২৫শে ফেব্রুয়ারি তাঁর মৃত্যু হয়। তাঁর মৃত্যুর পর রচিত 'সত্যেন-প্রয়াণ' কবিতা কাজী নজরুল ইসলাম লিখেন।

তাঁর রচিত বিখ্যাত কাব্য:
- সবিতা,
- সন্ধিক্ষণ,
- বেণু ও বীণা,
- কুহু ও কেকা,
- অভ্র আবীর,
- হসন্তিকা,
- বেলা শেষের গান,
- বিদায় আরতি,
- কাব্যসঞ্চয়ন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

৮৪.
'মৃত্যু-ক্ষুধা' কাজী নজরুল ইসলামের কোন ধরনের উপন্যাস?
  1. সামাজিক উপন্যাস
  2. রাজনৈতিক উপন্যাস
  3. পত্রোপন্যাস
  4. ঐতিহাসিক উপন্যাস
ব্যাখ্যা

কাজী নজরুল ইসলামের উপন্যাস ৩টি।
যথা:
- বাঁধন-হারা,
- মৃত্যু-ক্ষুধা,
- কুহেলিকা।

• 'মৃত্যু-ক্ষুধা' উপন্যাস:
- 'মৃত্যুক্ষুধা' কাজী নজরুল ইসলামের কালজয়ী উপন্যাস। ১৯২৭-১৯৩০- এসময়ের মধ্যে উপন্যাসটি রচিত এবং সওগাত পত্রিকায় ধারাবাহিকভাবে মুদ্রিত হয় (অগ্রহায়ণ ১৩৩৪-১৩৩৬ ফাল্গুন)। 

- ‘মৃত্যু-ক্ষুধা’ উপন্যাসটি একটি সামাজিক উপন্যাস, যা প্রধানত দারিদ্র্য, ক্ষুধা, ধর্মান্তরণ, সাম্যবাদী চেতনা এবং নিম্নবিত্ত মানুষের জীবনসংগ্রামের চিত্র তুলে ধরে।

- উপন্যাসটি নজরুলের বাস্তব অভিজ্ঞতাপ্রসূত। ১৯২৬ থেকে ১৯২৯ সাল পর্যন্ত নজরুল কৃষ্ণনগরে বাস করতেন। এ নগরের চাঁদসড়কের ধারে বিরাট কম্পাউন্ডওয়ালা একতলা বাংলো প্যাটার্নের একটি বাড়িতে তাঁর থাকার ব্যবস্থা ছিল। মৃত্যুক্ষুধা উপন্যাসের পটভূমি উক্ত বাড়ি, ওমান কাথলি পাড়া এবং কলতলার পারিপার্শ্বিককে কেন্দ্র করে রচিত।

- উপন্যাসের প্রথমাংশ কৃষ্ণনগরে এবং শেষাংশ কলকাতায় রচিত। কৃষ্ণনগরে অবস্থানকালে নিদারুণ দুঃখ-কষ্ট এবং দুঃসাধ্য কৃচ্ছ্রসাধন ছিল নজরুলের নিত্য জীবনযাত্রার অঙ্গ। তাই দারিদ্রের চিত্র, সাম্য ও বিপ্লবীচেতনা এ উপন্যাসের রূপকল্পের সঙ্গে অঙ্গাঅঙ্গিভাবে জড়িত। তাঁর বহুল পঠিত ‘দ্রারিদ্র’ কবিতাটিও এ সময়ের রচনা।

- উপন্যাসের প্রধান চরিত্রগুলো হলো- আনাস, রুবি, মেজো- বৌ, প্যাঁকালে, কুর্শি।

--------------------
• 'বাঁধন-হারা' উপন্যাস:
- কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম উপন্যাস বাঁধন-হারা।
- এ রচনাকে বাংলা সাহিত্যের প্রথম পত্রোপন্যাস।
- উপন্যাসটি ১৩২৭ সালের মোসলেম ভারত-এ প্রথম বর্ষের প্রথম সংখ্যা থেকে ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হয়।
- এ উপন্যাসের প্রধান চরিত্র- নূরুল হুদা, মাহবুবা, সাহসিকাদি।

• 'কুহেলিকা' উপন্যাস:
- কুহেলিকা উপন্যাসটি রাজনৈতিক উপন্যাস।
- উপন্যাসটি ১৩৩৪ বঙ্গাব্দের আষাঢ় মাসে কলকাতা থেকে প্রকাশিত মাসিক নওরোজ পত্রিকায় 'কুহেলিকা' উপন্যাসের প্রথম অংশ প্রকাশিত হয়।
- ১৯৩১ খ্রিষ্টাব্দে এটি প্রথম গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা; মৃত্যু-ক্ষুধা' উপন্যাস এবং বাংলাপিডিয়া।

৮৫.
'সব্যসাচী' ছদ্মনাম ব্যবহার করতেন কোন প্রাবন্ধিক?
  1. বুদ্ধদেব বসু 
  2. সুভাষ মুখোপাধ্যায় 
  3. মোহিতলাল মজুমদার
  4. নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায় 
ব্যাখ্যা

• মোহিতলাল মজুমদার:
- মোহিতলাল মজুমদার ছিলেন কবি, প্রাবন্ধিক ও সাহিত্যসমালোচক।
- ১৮৮৮ সালের ২৬ অক্টোবর নদীয়ার কাঁচড়াপাড়া গ্রামে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পৈতৃক নিবাস হুগলির বলাগড়ে।
- পেশায় তিনি একজন অধ্যাপক ছিলেন।তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনা করেন।
- তিনি তাঁর সমালোচনামূলক প্রবন্ধগুলিতে 'কৃত্তিবাস ওঝা', 'সব্যসাচী', 'শ্রী সত্যসুন্দর দাস' ইত্যাদি ছদ্মনাম ব্যবহার করতেন।
- তিনি মৃত্যুবরণ করেন ২৬ জুলাই ১৯৫২ সালে।

অন্যদিকে, 
• বুদ্ধদেব বসু (১৯০৮-১৯৭৪) বাংলা সাহিত্যের একজন প্রভাবশালী ও বহুমুখী লেখক, যাঁকে "সব্যসাচী" লেখক বলে অভিহিত করা হয়। এই উপাধি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের পর বাংলা সাহিত্যে তাঁর বহুমুখী প্রতিভার স্বীকৃতি হিসেবে দেওয়া হয়েছে। তবে 'সব্যসাচী' বুদ্ধদেব বসুর ব্যবহৃত ছদ্মনাম নয়।

• সুভাষ মুখোপাধ্যায়ের ছদ্মনাম ছিল- সুবচনী।
• নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়ের সাহিত্যিক ছদ্মনাম সুনন্দ।  

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

৮৬.
'ঠাকুর বাড়ির আঙিনায়' স্মৃতিকথামূলক গ্রন্থের রচয়িতা কে?
  1. বুদ্ধদেব বসু 
  2. জসীম উদ্‌দীন
  3. নির্মলেন্দু গুণ
  4. জীবনানন্দ দাশ 
ব্যাখ্যা

• 'ঠাকুর বাড়ির আঙিনায়':
- 'ঠাকুর বাড়ির আঙিনায়' জসীম উদ্‌দীন রচিত একটি স্মৃতিকথামূলক গ্রন্থ। 
- গ্রন্থটি ১৯৬১ সালে নন্দিতা বসু প্রকাশিকা ৫-১ রমানাথ মজুমদার স্ট্রীট কলিকাতা-৯ থেকে প্রকাশিত হয়। 

- অনেকটা স্মৃতিভারাক্রান্ত ভঙিতেই জসীম উদ্‌দীন বইটি শুরু করেছেন এবং শেষও করেছেন। কীভাবে প্রথম রবীন্দ্রনাথের নাম শুনেছেন এবং কীভাবে তার কবিতা পড়তে শুরু করেছেন তার বিস্তৃত বর্ণনা দিয়ে বইটি শুরু করে শেষ করেছেন ঠাকুর-বাড়ির ভগ্নদশার বর্ণনা দিয়ে।

'ঠাকুর-বাড়ির আঙিনায়' কেবল রবীন্দ্রনাথের কথাই নেই। বরং আরও বেশি করে আছে অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কথা। অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সূত্রধরেই ঠাকুর বাড়ির আঙিনায় পা ফেলার সৌভাগ্য হয় জসীম উদ্‌দীনের।

অবনীন্দ্রনাথের মৃত্যুর পর তার বাড়িটি নিলাম হয়ে যায়। বাংলার এত বড় শিল্পীর বাড়ি কেউ সংরক্ষণ করলো না ভেবে দুঃখ পেয়েছেন। বাড়িটি এখন বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তর্ভুক্ত হলেও "আজ ঠাকুর-বাড়ির সেই ইন্দ্রপুরী শ্মশানে পরিণত হইয়াছে', বলে মন্তব্য করেছেন জসীম উদ্‌দীন।

-----------------------
• জসীম উদ্‌দীন: 
- জসীম উদ্‌দীন একজন প্রখ্যাত বাঙালি কবি, শিক্ষাবিদ। তিনি ১৯০৩ সালের ১ জানুয়ারি ফরিদপুর জেলার তাম্বুলখানা গ্রামে মাতুলালয়ে জন্ম গ্রহণ করেন।
- জসীম উদ্দীনকে 'পল্লিকবি' বলা হয়। জসীম উদ্দীনের কর্মজীবন শুরু হয় পল্লিসাহিত্যের সংগ্রাহক হিসেবে।
- কলেজজীবনে 'কবর' কবিতা রচনা করে তিনি বিপুল খ্যাতি অর্জন করেন। বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নকালেই তাঁর এ কবিতাটি প্রবেশিকা বাংলা সংকলনের অন্তর্ভুক্ত হয়। কবি হিসেবে এটি তাঁর এক অসামান্য সাফল্য।
- জসীম উদ্‌দীনের শ্রেষ্ঠ কাব্যগ্রন্থ নক্সীকাঁথার মাঠ।
- জসীম উদ্‌দীনের প্রথম কাব্যগ্রন্থ - রাখালী।

• তাঁর রচিত স্মৃতিকথা:
- যাদের দেখেছি,
- ঠাকুর বাড়ির আঙিনায়।

• তাঁর রচিত ভ্রমণকাহিনি:
- চলে মুসাফির,
- হলদে পীরের দেশ,
- যে দেশে মানুস বড়,
- জার্মানির শহরে ও বন্দরে। 

• তাঁর রচিত উপন্যাস: বোবাকাহিনী।
• আত্মজীবনী: জীবনকথা। 

• তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- রাখালী,
- নক্সীকাঁথার মাঠ,
- সুচয়নী,
- সোজন বাদিয়ার ঘাট,
- এক পয়সার বাঁশি,
- বালুচর,
- ধানক্ষেত,
- রূপবতী,
- মা যে জননী কান্দে,
- মাটির কান্না। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা;  'ঠাকুর বাড়ির আঙিনায়'  স্মৃতিকথা এবং বাংলাপিডিয়া।

৮৭.
মৈমনসিংহ গীতিকা সংকলনের অন্তর্ভুক্ত পালা নয় কোনটি?
  1. রূপবতী
  2. কাজল রেখা
  3. আয়না বিবি
  4. চন্দ্রাবতী
ব্যাখ্যা

• মৈমনসিংহ গীতিকা সংকলনের অন্তর্ভুক্ত পালা নয়-  আয়না বিবি।  
- আয়না বিবি পূর্ববঙ্গ-গীতিকা' সংকলের অন্তর্ভুক্ত পালা। আয়না বিবি পালায় হিন্দু-মুসলমানের গৃহস্থালির করুণ চিত্র ফুটে উঠেছে। 

• 'পূর্ববঙ্গ-গীতিকা':
পূর্ববঙ্গ-গীতিকা পূর্ববাংলার লোকসাহিত্যের একটি সংকলন। পূর্ববাংলার বিভিন্ন অঞ্চল থেকে পালাগুলো সংগ্রহ করা হয়। এগুলির প্রধান প্রধান সংগ্রাহক হলেন চন্দ্রকুমার দে, দীনেশচন্দ্র সেন, আশুতোষ চৌধুরী, জসীম উদ্‌দীন, নগেন্দ্রচন্দ্র দে, রজনীকান্ত ভদ্র, বিহারীলাল রায়, বিজয়নারায়ণ আচার্য প্রমুখ।

পূর্ববঙ্গ-গীতিকাগুলো হলো:
- ভেলুয়া,
- মইষাল বন্ধু,
- কমলারাণী,
- দেওয়ান ঈসা খাঁ,
- ফিরোজ খাঁ দেওয়ান,
- আয়না বিবি,
- শ্যামরায়,
- শিলাদেবী ইত্যাদি। 

------------------------
• মৈমনসিংহ গীতিকা:
- মৈমনসিংহ গীতিকা ময়মনসিংহ অঞ্চলের প্রাচীন পালাগানের সংকলন।
- কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক দীনেশচন্দ্র সেন বৃহত্তর ময়মনসিংহ জেলা থেকে স্থানীয় সংগ্রাহকদের সহায়তায় প্রচলিত এ পালাগানগুলো সংগ্রহ ও সম্পাদনা করে মৈমনসিংহ গীতিকা (১৯২৩) নামে গ্রন্থাকারে প্রকাশ করেন।
- মৈমনসিংহ গীতিকা বিশ্বের ২৩টি ভাষায় মুদ্রিত হয়।

গীতিকাগুলো হলো:
- চন্দ্রাবতী (নয়ানচাঁদ ঘোষ),
- দেওয়ানা মদিনা (মনসুর বয়াতি),
- মহুয়া (দ্বিজ কানাই),
- মলুয়া (চন্দ্রাবতী),
- কমলা (দ্বিজ ঈশান),
- দেওয়ান ভাবনা,
- দস্যু কেনারামের পালা (চন্দ্রাবতী),
- রূপবতী,
- কাজল রেখা,
- কঙ্ক ও লীলা, 
- বিদ্যাসুন্দর, 
- রামায়ণ উল্লেখযোগ্য।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া। 

৮৮.
সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের দেশবিভাগের পটভূমিতে রচিত উপন্যাস কোনটি?
  1. নীলকণ্ঠ পাখির খোঁজে
  2. কালো বরফ
  3. কেয়াপাতার নৌকো
  4. পূর্ব-পশ্চিম
ব্যাখ্যা

'পূর্ব-পশ্চিম' উপন্যাস:
- পূর্ব-পশ্চিম (১৯৮৯) ১৯৪৭ সালের ভারতবর্ষের দেশবিভাগের প্রেক্ষাপটে সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় রচিত একটি বৃহৎ উপন্যাস।
- 'উপন্যাসটি কলকাতা থেকে ধারাবাহিকভাবে 'দেশ' পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছিল। 

- সাতচল্লিশের দেশভাগ আর এর ফলে দুই বাংলার হাজার হাজার পরিবারের বাপ-দাদার ভিটে ছেড়ে ভিনদেশে পাড়ি দেয়ার ঘটনা উপমহাদেশের ইতিহাসের এক নির্মম সত্য। সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় তার বিখ্যাত ‘পূর্ব-পশ্চিম’ উপন্যাসের দুই খণ্ডে তুলে ধরেছেন দেশবিভাগের সেই বিচ্ছেদ বেদনার কথা।

- সেইসাথে তার কালজয়ী এ উপন্যাসে উঠে এসেছে তৎকালীন সামাজিক, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক পালা বদলের গল্প। ঐতিহাসিক উপন্যাস না হয়েও ইতিহাসকে আঁকড়ে দুই বাংলার কয়েকটি পরিবারের গল্পকে কেন্দ্র করে এগিয়ে চলেছে উপন্যাসের কাহিনি। বাংলাদেশের বিক্রমপুর থেকে আমেরিকার নিউইয়র্ক জুড়ে রয়েছে এই উপন্যাসের ক্যানভাস।

--------------------
অন্যান্য অপশনে দেশবিভাগের প্রেক্ষাপটে রচিত উপন্যাস-
• অতীন বন্দ্যোপাধ্যায়ের "নীলকণ্ঠ পাখির খোঁজে"। 
• মাহমুদুল হকের "কালো বরফ"।
• এবং প্রফুল্ল রায়ের "কেয়াপাতার নৌকো"। 

উৎস: 'পূর্ব-পশ্চিম' উপন্যাস এবং বাংলাপিডিয়া। 

৮৯.
'বন্দে মাতরম্' গানটি ধ্বনিত হয়েছে নিচের কোন উপন্যাসে? 
  1. গোরা 
  2. পথের দাবী 
  3. আনন্দমঠ
  4. ঘরে বাইরে 
ব্যাখ্যা

• 'বন্দে মাতরম্' গানটি ধ্বনিত হয়েছে বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের রচিত 'আনন্দমঠ' উপন্যাসে। 

‘বন্দে মাতরম্’ গানটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের আনন্দমঠ উপন্যাসে (১৮৮২) প্রথম প্রকাশিত হয় এবং এটি উপন্যাসের একটি কেন্দ্রীয় উপাদান। গানটি ১৮৭০-এর দশকে রচিত হয় এবং আনন্দমঠে সন্ন্যাসী বিদ্রোহীদের মুখে গীত হয়, যারা ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনের বিরুদ্ধে লড়াই করছিল। এটি মাতৃভূমির প্রতি ভক্তি ও দেশপ্রেমের প্রতীক হিসেবে ব্যবহৃত হয় এবং পরবর্তীতে ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের প্রেরণাদায়ক সঙ্গীত হয়ে ওঠে। গানটির প্রথম দুটি স্তবক ভারতের জাতীয় সঙ্গীত হিসেবে গৃহীত হয় (১৯৫০)।

---------------------
• 'আনন্দমঠ' উপন্যাস:

- ছিয়াত্তরের মন্বন্তরের পটভূমিকায় সন্ন্যাসী বিদ্রোহের ছায়া অবলম্বনে বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের রচিত এই উপন্যাসটি প্রকাশিত হয়েছে ১৮৮২ সালে।

- উপন্যাসটিতে প্রতিপাদ্য বিষয় হিসেবে দাঁড়িয়েছে স্বদেশভক্তি, স্বজাতি ও স্বধর্মপ্রীতি। এই উপন্যাসে বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় স্বদেশ বলতে বঙ্গভূমিকে, আর ধর্ম বলতে হিন্দু ধর্মকে বুঝিয়েছেন।

- উল্লেখ্য যে এটি কোন ঐতিহাসিক উপন্যাস নয়। এর ঘটনা কল্পিত কিন্তু অবিশ্বাস্য নয়। চরিত্রগুলি আদর্শায়িত। মন্বন্তরের বর্ণনা নিখুঁত, সাধারণ গ্রামীণ জীবনের আখ্যান বাস্তব। সর্বোপরি প্রেম এবং আদর্শের দ্বন্দ্ব এই উপন্যাসের কাহিনিকে নিবিড়তা দিয়েছে।

- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত এই গ্রন্থের 'বন্দে মাতরম্' গানটির ভূমিকা যেমন ঐতিহাসিক, তেমনি ঐতিহাসিক এই উপন্যাসের প্রভাব। 'বন্দে মাতরম্' গান দ্বারা বুঝিয়েছেন ইংরেজ বিরোধী আন্দোলনের দীক্ষা। এই গ্রন্থে রচিত গানের 'বন্দে মাতরম্' ধ্বনি পরবর্তীকালে ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনকারীদের অত্যন্ত প্রিয় ও উদ্দীপক স্লোগান হিসেবে গৃহীত হয়।

- নরেশচন্দ্র সেনগুপ্ত 'The Abbey of Bliss' (1907) এবং শ্রী অরবিন্দ 'Ananda Math' (1910) নামে উপন্যাসটির ইংরেজি অনুবাদ করেন। এটি মূলত বাস্তবানুগ রোমান্সধর্মী উপন্যাস।

- এই গ্রন্থ থেকে বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের রচনায় স্বসম্প্রদায়প্রীতি লক্ষ করা যায়।

অন্যদিকে, 
• 'গোরা' উপন্যাস:
- 'গোরা' (১৯১০) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বৃহত্তম ও রাজনৈতিক উপন্যাস। গোরা উপন্যাসটি 'প্রবাসী' পত্রিকায় ১৯০৮ সালে প্রকাশিত হয়।
- ধর্মান্দোলন, স্বদেশপ্রেম, এবং নারীমুক্তি চিন্তার পটভূমিকায় এই উপন্যাসটি লেখা হয়েছে।
- উপন্যাসটির চরিত্র: গোরা, সুচরিতা, কৃষ্ণদয়াল, আনন্দময়ী।

• 'পথের দাবী' উপন্যাস:
- 'পথের দাবী' শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত রাজনৈতিক উপন্যাস। এটি প্রকাশিত হয় ১৯২৬ সালে।
- এটি স্বদেশী বিপ্লবীদের হাতে হাতে থাকতো। কাহিনির পটভূমিকা ব্রহ্মদেশ। কানো এক গুপ্ত বিপ্লবী দলের নায়ক সব্যসাচী এই উপন্যাসের প্রধান চরিত্র। কারো মতে সব্যসাচী চরিত্রে বিপ্লবী রাসবিহারী বসুর ছায়াপাত ঘটেছে। নিঃসন্দেহে এই কাহিনিতে ব্রিটিশ শাসনের তীব্র সমালোচনা এবং সশস্ত্র বিপ্লবকে আন্তরিক সমর্থন আছে।

• 'ঘরে-বাইরে' উপন্যাস:
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের চলিত ভাষায় লেখা প্রথম উপন্যাস। ১৯১৬ সালে উপন্যাসটি প্রকাশিত হয়।
- উপন্যাসটি স্বদেশি আন্দোলনের পটভূমিকায় রচিত।
- ঘরে-বাইরে উপন্যাসের সাথে পাশ্চাত্য ঔপন্যাসিক স্টিভেনসনের 'প্রিন্স অটো' উপন্যাসের ভাবসাদৃশ্য আছে।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

৯০.
'শ্রীকৃষ্ণকীর্তন' কাব্য বসন্তরঞ্জন রায়ের সম্পাদনায় কত বঙ্গাব্দে প্রকাশিত হয়?
  1. ১৩০৯ বঙ্গাব্দে
  2. ১৩২৩ বঙ্গাব্দে
  3. ১৩১৬ বঙ্গাব্দে
  4. ১৩২২ বঙ্গাব্দে
ব্যাখ্যা

• 'শ্রীকৃষ্ণকীর্তন' কাব্য:
- বড়ু চণ্ডীদাস আনুমানিক ১৩০৯ খ্রিষ্টাব্দে ছাতনা, বাঁকুড়া মতান্তরে বীরভূমের নানুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।

- 'শ্রীকৃষ্ণকীর্তন' বড়ু চণ্ডীদাসের রাধাকৃষ্ণনের প্রণয় বর্ণনার মাধ্যমে ঈশ্বরতত্ত্ব প্রকাশ করে রচিত কাব্যগ্রন্থ। এটি মধ্যযুগে রচিত বাংলা ভাষার প্রথম কাব্যগ্রন্থ।

- ১৯০৯ খ্রিষ্টাব্দে (১৩১৬ বঙ্গাব্দে) বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্বদ্বল্লভ পশ্চিমবঙ্গের বাঁকুড়া জেলায় কাকিল্যা গ্রামে মল্লরাজগুরু বৈষ্ণবমহন্ত শ্রীনিবাসের দৌহিত্র শ্রী দেবেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায়ের গোয়ালঘর থেকে শ্রীকৃষ্ণকীর্তন পুথি আবিষ্কার করেন।

- শ্রীকৃষ্ণকীর্তন গ্রন্থকে শ্রীকৃষ্ণসন্দর্ভ নামেও অভিহিত করা হয়। এই গ্রন্থের প্রধান তিনটি চরিত্র হচ্ছে- কৃষ্ণ, রাধা, বড়ায়ি/ বড়াই।

- শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যে মোট ১৩টি খণ্ড রয়েছে। ১৯১৬ খ্রিষ্টাব্দে (১৩২৩ বঙ্গাব্দে) বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষৎ থেকে শ্রীকৃষ্ণকীর্তন বসন্তরঞ্জন রায়ের সম্পাদনায় প্রকাশিত হয়।

অন্যদিকে, 
• বৃন্দাবনের শ্রীরাধা, ললিতা, বিশাখা, চন্দ্রাবলি- বৈষ্ণব পদাবলির সমর্থা নায়িকা। তাদের মধ্যে শ্রীরাধা হলেন সর্বশ্রেষ্ঠ।
• অন্নদামঙ্গল কাব্যের চরিত্র- ঈশ্বরী পাটনী। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞেসা।

৯১.
বর্ণদ্বিত্বের উদাহরণ কোনটি?
  1. গলদা > গল্লা
  2. স্বর্ণ > সন্ন
  3. ছোট > ছোট্ট
  4. রাজ্য > রাজ্জ
ব্যাখ্যা

• বর্ণদ্বিত্ব বা দ্বিত্ব ব্যঞ্জন বা ব্যঞ্জনদ্বিত্বতা: 
অর্থের গুরুত্ব অনুযায়ী কিছু শব্দের কোনো ধ্বনির উচ্চারণে দ্বিত্ব হয়, আর সে কারণে তাদের বানানে দ্বিত্ববর্ণ আসে। একে বলে বর্ণদ্বিত্ব বা দ্বিত্ব ব্যঞ্জন বা ব্যঞ্জনদ্বিত্বতা।

যেমন:
- সকাল > সক্কাল,
- মুলুক > মুল্লুক,
- বড় > বড্ড,
- ছোট > ছোট্ট,
- কিছু > কিচ্ছু,
- পাকা > পাক্কা ইত্যাদি।

অন্যদিকে, 
-----------------------
• প্রগত সমীভবন:
পূর্ববর্তী ব্যঞ্জনধ্বনির প্রভাবে পরবর্তী অসম ব্যঞ্জনধ্বনি পূর্ববর্তী ব্যঞ্জনধ্বনির সমতা প্রাপ্ত হয়। যেমন-পক্ক > পক্ক, পূর্ববর্তী 'ক'-এর প্রভাবে পরবর্তী 'ব' উচ্চারণে 'ক'-তে রূপান্তরিত হয়ে সাম্য লাভ করেছে।

এরূপ কিছু উদাহরণ হলো-
- চন্দন > চন্নন,
- গলদা > গল্লা,
- স্বর্ণ > সন্ন,
- পদ্ম > পদ্দ,
- রাজ্য > রাজ্জ,
- চক্র > চক্কর,
- লগ্ন > লগ্ন ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯-সংস্করণ) এবং ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

৯২.
অর্থের বিবেচনায় 'দয়ালু' কোন ধরনের শব্দ?
  1. রূঢ় শব্দ
  2. মিশ্র শব্দ
  3. যোগরূঢ় শব্দ
  4. যৌগিক শব্দ
ব্যাখ্যা

• অর্থের বিবেচনায় 'দয়ালু' একটি যৌগিক শব্দ। 

-------------------
• যৌগিক শব্দ:

যে সকল শব্দের ব্যুৎপত্তিগত অর্থ ও ব্যবহারিক অর্থ একই রকম, সেগুলোকে যৌগিক শব্দ বলে।
যেমন:
গায়ক = গৈ + ণক (অক) অর্থ: গান করে যে।
কর্তব্য = কৃ + তব্য - অর্থ: যা করা উচিত।
বাবুয়ানা = বাবু + আনা - অর্থ: বাবুর ভাব।
মধুর = মধু + র - অর্থ: মধুর মতো মিষ্টি গুণযুক্ত।
দৌহিত্র = দুহিতা + ষ্ণ্য - অর্থ: কন্যার পুত্র, নাতি।
চিকামারা = চিকা + মারা অর্থ: দেওয়ালের লিখন।

'দয়ালু' শব্দের গঠন ও বিশ্লেষণ:
• দয়া + আলু = দয়ালু; শব্দটিতে 'দয়া' (বিশেষ্য পদ) এবং 'আলু' (প্রত্যয়) মিলে গঠিত।

- "দয়ালু" শব্দের ব্যুৎপত্তিগত অর্থ ("যে দয়া রাখে") এবং ব্যবহারিক অর্থ ("দয়াশীল বা করুণাময় ব্যক্তি")। শব্দটির ব্যুৎপত্তিগত অর্থ ও ব্যবহারিক অর্থ একই রকম যা যৌগিক শব্দের প্রধান বৈশিষ্ট্য।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ); ভাষা-শিক্ষা, ড হায়াৎ মামুদ এবং বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।

৯৩.
উচ্চারণস্থান অনুসারে 'ল' কোন ধরনের ব্যঞ্জন? 
  1. তালব্য ব্যঞ্জন
  2. মূর্ধন্য ব্যঞ্জন
  3. দন্তমূলীয় ব্যঞ্জন
  4. দন্ত্য ব্যঞ্জন
ব্যাখ্যা

• দন্তমূলীয় ব্যঞ্জন:
যেসব ব্যঞ্জনধ্বনি উচ্চারণের সময়ে জিভের ডগা উপরের পাটির দাঁতের গোড়ার সঙ্গে লেগে বায়ুপথে বাধা সৃষ্টি করে, সেগুলোকে দন্তমূলীয় ব্যঞ্জন বলে।
নানা, রাত, লাল, সালাম প্রভৃতি শব্দের ন, র, ল, স দন্ত্যমূলীয় ব্যঞ্জনধ্বনির উদাহরণ।

অন্যদিকে,
• তালব্য ব্যঞ্জন: চ, ছ, জ, ঝ, শ তালব্য ব্যঞ্জনধ্বনির উদাহরণ।
• মূর্ধন্য ব্যঞ্জন: ট, ঠ, ড, ঢ, ড়, ঢ় মূর্ধন্য ব্যঞ্জনধ্বনির উদাহরণ।
• দন্ত্য ব্যঞ্জন: ত, থ, দ, ধ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১-সংস্করণ)

৯৪.
'দরজা' শব্দটি কোন ভাষা থেকে আগত?
  1. বাংলা 
  2. আরবি 
  3. হিন্দি 
  4. ফারসি 
ব্যাখ্যা

দরজা (বিশেষ্য পদ),
- শব্দটি ফারসি ভাষা থেকে আগত।
অর্থ:
- দুয়ার,
- দ্বার,
- পাট।

এরূপ ফারসি ভাষার কিছু শব্দ হলো-
দরকার, দরখাস্ত, দরগা, দরজি, দরদ, দরদালান, দরদি, দরপরদা, দরদিয়া ইত্যাদি। 

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।  

৯৫.
ঠিকানা লেখার সময় রাস্তার নামের পর কোন যতিচিহ্ন বসে?
  1. ড্যাশ 
  2. কমা
  3. কোলন
  4. সেমিকোলন 
ব্যাখ্যা

• 'কমা' যতিচিহ্ন:
কমা সামান্য বিরতি নির্দেশ করে। কমা পূর্ণযতি নয়, তাই কমা দিয়ে কোনো বাক্য শেষ হয় না। কমা চিহ্নের বাংলা নাম পাদচ্ছেদ।

• কমা (,) এর ব্যবহার:

- বাক্য সুস্পষ্ট করতে বাক্যকে কয়েকটি ভাগে ভাগ করে প্রতিটি ভাগের মাঝে কমা বসে। যেমন- সুখ চাও, সুখ পাবে বই পড়ে।

- পরস্পর সম্পর্কিত একাধিক বিশেষ্য বা বিশেষণ পদ একসঙ্গে ব্যবহৃত হলে শেষ পদটি ছাড়া প্রতিটির পরে কমা বসে। যেমন- ১৬ ডিসেম্বর আমাদের মন সুখ, স্বাচ্ছন্দ্য, ভালবাসা, আনন্দে ভরে থাকে।

- সম্বোধনের পরে কমা বসে। যেমন- রশিদ, এদিকে এসো।

- জটিল বাক্যের প্রত্যেকটি খণ্ডবাক্যের পরে কমা বসে। যেমন- যে পরিশ্রম করে, সেই সুখ লাভ করে।

- কোন বাক্যে উদ্ধৃতি থাকলে, তার আগের খণ্ডবাক্যের শেষে কমা (,) বসে। যেমন- আহমদ ছফা বলেন, 'মানুষের উপর বিশ্বাস হারানো পাপ।' তুমি বললে, 'আমি কালকে আবার আসবো।'

- মাসের তারিখ লেখার সময় বার ও মাসের পর কমা বসে। যেমন- ২৫ বৈশাখ, ১৪১৮, বুধবার।

- ঠিকানা লেখার সময় বাড়ির নাম্বার বা রাস্তার নামের পর কমা বসে। যেমন-৬৮, নবাবপুর রোড, ঢাকা-১০০০।
- ডিগ্রী পদবি লেখার সময় কমা ব্যবহৃত হয়। যেমন- ডক্টর মুহম্মদ এনামুল হক, এম, এ, পি-এইচ,ডি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯-২০২১ সংস্করণ) এবং ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

৯৬.
শুদ্ধ বানান কোনটি?
  1. জগদ্‌বিখ্যাতো
  2. জগৎবিখ্যাত
  3. জগদ্‌বিখ্যাত
  4. জগতবিখ্যাত
ব্যাখ্যা

• শুদ্ধ বানান: জগদ্‌বিখ্যাত। 
- শব্দটি একটি বিশেষ্য পদ।
- এটি একটি সংস্কৃত শব্দ।
অর্থ:
- বিশ্বজোড়া খ্যাতি আছে এমন।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান। 

৯৭.
নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধির দৃষ্টান্ত কোনটি?
  1. গায়ক
  2. গবাদি
  3. গবেষণা
  4. গোষ্পদ
ব্যাখ্যা

• নিপাতনে সিদ্ধ ব্যঞ্জনসন্ধি:
কতগুলো সন্ধি কোন নিয়ম অনুসারে হয় না, সেগুলোকে নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি বলে।

নিচে কয়েকটি নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধির উদাহরণ হলো:
আ + চর্য = আশ্চর্য,
গো + পদ = গোষ্পদ,
আ + পদ = আস্পদ,
পর + পর = পরস্পর,
ষট্ + দশ = ষোড়শ,
এক + দশ = একাদশ,
হরি + চন্দ্র = হরিশ্চন্দ্র,
পতৎ + অঞ্জলি = পতঞ্জলি ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
• এ, ঐ, ও, ঔ-কারের পর এ, ঐ স্থানে যথাক্রমে অয়, আয় এবং ও, ঔ স্থানে যথাক্রমে অব্ ও আব্ হয়।
 যেমন:
গৈ + অক = গায়ক,
গো + আদি = গবাদি,
গো + এষণা = গবেষণা,
পো + ইত্র = পবিত্র।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ) এবং ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

৯৮.
ধ্বন্যাত্মক শব্দের উদাহরণ কোনটি?
  1. চাকর-বাকর
  2. চকচক
  3. জ্বর জ্বর
  4. সুরে সুরে
ব্যাখ্যা

• ধ্বন্যাত্মক শব্দ:
কোনো প্রাকৃতিক ধ্বনির অনুকরণে যেসব শব্দ তৈরি হয়, সেগুলোকে ধ্বন্যাত্মক শব্দ বলে। আর ধ্বন্যাত্মক শব্দের পনেরাবৃত্তিকে ধ্বান্যাত্মক দ্বিত্ব বলে।

কয়েকটি ধ্বন্যাত্মক দ্বিত্বের উদাহরণ:
কুট কুট, কোঁত কোঁত, কুটুস-কুটুস, খক খক, টুং টুং, ঠুক ঠুক, ধুপ ধুপ, দুম দুম, ঢং ঢং, চকচক, টসটস, থকথকে, ভটভট, হিস হিস।

কিছু ক্ষেত্রে ধ্বন্যাত্মক দ্বিত্বের মাঝখানে স্বরধ্বনির আগমন ঘটে।
যেমন- খপাখপ, গবাগব, ঝটাঝট, ফটাফট, দমাদম, পটাপট। 

অন্যদিকে, 
------------------
• অনুকার দ্বিত্ব:
পরপর প্রয়োগ হওয়া কাছাকাছি চেহারার শব্দকে অনুকার দ্বিত্ব বলে। এতে প্রথম শব্দটি অর্থপূর্ণ হলেও প্রায় ক্ষেত্রে দ্বিতীয় শব্দটি অর্থহীন হয় এবং প্রথম শব্দের অনুকরণে তৈরি হয়। এই অনুকরণ প্রক্রিয়ায় দ্বিতীয় শব্দের শুরুতে ট, ফ, ব, ম, শ প্রভৃতি ধ্বনি যুক্ত থাকতে দেখা যায়। তাতে শব্দকে খানিকটা অনির্দিষ্ট, সাধারণ বা গুরুত্বহীন করা হয়।
যেমন:
কচর-মচর, অঙ্ক-টঙ্ক, চাকর-বাকর, এলোমেলো, অল্পসল্প, ব্যাপার-স্যাপার, বুঝে-সুঝে ইত্যাদি।

• পুনরাবৃত্ত দ্বিত্ব:
- পুনরায় আবৃত্ত হলে তাকে পুনরাবৃত্ত দ্বিত্ব বলে। পুনরাবৃত্ত দ্বিত্ব বিভক্তিহীন বা বিভক্তিযুক্ত হতে পারে।
যেমন: জ্বর জ্বর, পর পর, কবি কবি, হাতে হাতে, কথায় কথায়, জোরে জোরে ইত্যাদি।

বিভক্তিহীন পুনরাবৃত্ত:
ভালো ভালো (কথা), কত কত (লোক), হঠাৎ হঠাৎ (ব্যথা), ঘুম ঘুম (চোখ), উড় উড়ু (মন), গরম গরম (জিলাপি), হায় হায় (করা)।

বিভক্তিযুক্ত পুনরাবৃত্ত:
কথায় কথায় (বাড়া), মজার মজার (কথা), ঝাঁকে ঝাঁকে (চলা), চোখে চোখে (রাখা), মনে মনে (হাসা), সুরে সুরে (বলা), পথে পথে (হাঁটা)।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১-সংস্করণ)।

৯৯.
"এ পথের যদি শেষ না হতো কোনোদিন; অনন্তকাল ধরে এমনি চলতে পারতাম আমরা।"- উক্তিটি কার রচনা?
  1. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর 
  2. শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
  3. জহির রায়হান
  4. হুমায়ূন আহমেদ
ব্যাখ্যা

• 'একুশের গল্প':
- "একুশের গল্প" জহির রায়হানের একটি বিখ্যাত ছোটগল্প, যা ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে রচিত। এটি তাঁর গল্পগ্রন্থ "সূর্যগ্রহণ" (১৯৫৫) এবং গল্প সংকলন "জহির রায়হান রচনাবলী" (২য় খণ্ড, ১৯৮১) এর অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।

- গল্পটি ভাষা আন্দোলনের শহীদদের আত্মত্যাগ, বন্ধুত্ব এবং স্মৃতির মাধ্যমে বাঙালির জাতীয়তাবাদী চেতনা ফুটিয়ে তোলে।

- গল্পের প্রধান চরিত্র- তপু, রেণু ও রাহাত। এক উদ্দাম, প্রাণবন্ত তরুণ ভাষা শহিদ হয়; কিন্তু পুলিশ তাঁর লাশ গুম করে ফেলে। পরবর্তীতে তাঁর কঙ্কাল মেডিক্যাল কলেজে পড়ুয়া এক বন্ধু আবিষ্কার করে। এই গল্পটি জহির রায়হান রচনাবলি (২য় খণ্ড) থেকে নেওয়া হয়েছে।

এ গল্পের উল্লেখযোগ্য কিছু সংলাপ:
- "এ পথের যদি শেষ না হতো কোনোদিন; অনন্তকাল ধরে এমনি চলতে পারতাম আমরা।"
- "ওই যে লোকটা বলছিল সে বার্নাডশ হবে, পরশু রাতে মারা গেছে।"
- "পলকহীন চোখজোড়া দিয়ে অশ্রুর ফোয়ারা নেমেছিলো তার।"
- "তপুকে আবার ফিরে পাবো, এ কথা ভুলেও ভাবিনি কোনো দিন। তবু সে আবার ফিরে এসেছে আমাদের মাঝে।"

------------------
জহির রায়হান রচিত অন্যান্য গল্পগুলো হলো:
- সোনার হরিণ;
- সময়ের প্রয়োজনে;
- একটি জিজ্ঞাসা;
- হারানো বলয়;
- বাঁধ;
- সূর্যগ্রহণ;
- নয়া পত্তন;
- মহামৃত্যু;
- ভাঙাচোরা;
- অপরাধ;
- স্বীকৃতি;
- অতি পরিচিত;
- ইচ্ছা অনিচ্ছা;
- জনন্মান্তর।
 
উৎস: বাংলাপিডিয়া; বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলা সাহিত্যপাঠ ও 'একুশের গল্প' জহির রায়হান।

১০০.
নিচের কোনটি সঠিক?
  1. পুতুল নিয়ে খেলা (গল্প)- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় 
  2. পুতুল নিয়ে খেলা (উপন্যাস)- হাসান আজুজুল হক 
  3. পুতুল নিয়ে খেলা (প্রবন্ধ) বুদ্ধদেব বসু 
  4. পুতুল নিয়ে খেলা (উপন্যাস)- অন্নদাশঙ্কর রায়
ব্যাখ্যা

• 'পুতুল নিয়ে খেলা':
- 'পুতুল নিয়ে খেলা' অন্নদাশঙ্কর রায় রচিত উপন্যাস। এই উপন্যাসে পাঠক প্রেমিকার বিভিন্ন রূপ দেখতে পান। লেখক অবশ্য সেটা দেখান সিরিও-কমিক ভঙ্গিতে।

-----------------------
• অন্নদাশঙ্কর রায়:

- তিনি ছিলেন ঔপন্যাসিক, প্রাবন্ধিক, কবি, চিন্তাবিদ। তিনি ১৯০৪ সালের ১৫ মার্চ ভারতের উড়িষ্যা প্রদেশের ঢেঙ্কানলে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি উনিশ শতকের বাঙালি রেনেসাঁ ঐতিহ্যের শেষ বুদ্ধিজীবী হিসেবে অভিহিত।
- তাঁর প্রথম প্রকাশিত লেখার নাম 'তিনটি প্রশ্ন' (প্রবাসী', ১৯২০)। তাঁর প্রথম উপন্যাসের নাম 'অসমাপিকা' (১৯৩০)।
- তাঁর প্রথম কবিতাগ্রন্থের নাম 'রাখী' (১৯৩২)।

তাঁর রচিত উপন্যাস:
- যার যথা দেশ,
- অজ্ঞাতবাস,
- কঙ্কাবতী,
- দুঃখমোচন,
- মর্তের স্বর্গ,
- অপসরণ।

তাঁর রচিত ভ্রমনকাহিনি:
- পথে প্রবাসে,
- ইউরোপের চিঠি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা;  'পুতুল নিয়ে খেলা' উপন্যাস এবং বাংলাপিডিয়া।

১০১.
আবু জাফর শামসুদ্দীন ও মোহাম্মদ নাসির আলির যৌথ সম্পাদনায় প্রকাশিত সাহিত্যপত্র কোনটি?
  1. নয়া সড়ক
  2. দৈনিক আজাদ
  3. দৈনিক সোলতান
  4. দৈনিক সমকাল
ব্যাখ্যা

• 'নয়া সড়ক' পত্রিকা:
- 'নয়া সড়ক' একটি বার্ষিক সাহিত্যপত্র।
- ১৯৪৮ সালে পত্রিকাটি প্রকাশ হয় আবু জাফর শামসুদ্দীন ও মোহাম্মদ নাসির আলির যৌথ সম্পাদনায়।
- মনে করা হয়, ১৯৪৭ সালের ভারত ভাগের পর এটিই স্বাধীন পূর্ববাংলার প্রথম বাংলা সাহিত্যপত্র। পত্রিকার নামকরণেই বোঝা যায় নতুনের দিকে যাত্রার প্রত্যাশী ছিলেন আয়োজকগণ।
- এই সাহিত্যপত্রে মূলত মুসলিম লেখকদের লেখা ছিল। এই লেখকদের অনেকেই পরবর্তীকালে স্বনামে খ্যাত হয়েছিলেন। এই সাহিত্যপত্রটি আজ দুর্লভ।
- বাংলা একাডেমীর 'দুষ্প্রাপ্য' বিভাগে এর প্রথম সংখ্যাটি রক্ষিত আছে।

অন্যদিকে, 
-------------------
• দৈনিক সোলতান পত্রিকায় সাবএডিটর হিসেবে আবু জাফর শামসুদ্দীনর  কর্মজীবন শুরু হয়।

• দৈনিক আজাদ বিংশ শতাব্দীর ব্রিটিশ-শাসিত ভারতে প্রবর্তিত একটি বাংলা দৈনিক পত্রিকা ছিল। এটি ১৯৩৬ সালে চালু হয়ে ১৯৯০ পর্যন্ত প্রকাশিত হয়। আজাদ ঢাকার প্রথম দৈনিক পত্রিকা ছিল। পত্রিকাটি বাংলা ভাষা আন্দোলনের সময় বাংলা ভাষার পক্ষে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। দৈনিক আজাদের প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ছিলেন মওলানা মুহাম্মদ আকরাম খাঁ।

• দৈনিক সমকাল বাংলাদেশের ঢাকা থেকে প্রকাশিত একটি বাংলা দৈনিক পত্রিকা। এটি ২০০৫ সালের ৩১ মে থেকে প্রকাশিত হয়ে আসছে। বিশিষ্ট সাংবাদিক গোলাম সারওয়ার এই পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক। পত্রিকাটির প্রকাশক ও ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া। 

১০২.
'মিলির হাতে স্টেনগান' গল্পটির রচয়িতা কে?
  1. শওকত আলী 
  2. আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
  3. আনোয়ার পাশা
  4. ইমদাদুল হক মিলন 
ব্যাখ্যা

• 'মিলির হাতে স্টেনগান' গল্প:
- আখতারুজ্জামান ইলিয়াস রচিত 'দুধেভাতে উৎপাত' গল্প গ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত 'মিলির হাতে স্টেনগান' গল্পে স্বাধীনতা পরবর্তী বাংলাদেশের চিত্র অঙ্কন করা হয়েছে।

গল্পের কাহিনি সংক্ষেপ-
মিলির হাতে স্টেনগান গল্পটির প্রেক্ষাপট বাহাত্তর বা তিয়াত্তর সালের ঢাকা শহর। মা, বাবা, দুই ভাই ও এক বোন নিয়ে মিলিদের পরিবার। বড় ছেলে রানা একজন মুক্তিযোদ্ধা। অস্ত্র জমা দেয়নি সে, নিজের কাছেই লুকিয়ে রেখেছে তার স্টেনগানটি।

না, দীর্ঘ নয় মাসের জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে দোদুল্যমান প্রতিটি মুহূর্তের বিশ্বস্ত সহচর হিসেবে অস্ত্রটির প্রতি একান্ত ভালবাসা থেকে স্টেনগানটি রেখে দেয়নি রানা, বরং এই অস্ত্রটিকেই বর্তমানে টিকে থাকার অবলম্বন হিসেবে এখনো সযত্নে আগলে রেখেছে সে।

অবশ্য শুধু টিকে থাকার ব্যাপারে সাহায্য করাই যে স্টেনগানটির মূল লক্ষ্য, তা কিন্তু নয়। বরং মাঝেমধ্যে আনকোরা নতুন টিভি সেট বা অন্য কোনো গৃহসজ্জার উপকরণ হস্তগত করার কাজেও যে অস্ত্রটি এখনো সফল পার্শ্বচর হিসেবে রানার সাথে সাথে অবস্থান করে, গল্পটি পড়ে তা বুঝতে বেগ পেতে হয় না।

কিন্তু যত সমস্যা বাঁধাচ্ছে আব্বাস পাগলা। এই ‘থরোব্রেড বাস্টার্ড’টা নির্লজ্জের মতো রানার কাছে তার সাধের স্টেনগানটা চেয়ে বসে। আব্বাস পাগলার ভাষ্যমতে, চাঁদের মধ্যে নাকি দখলদার বাহিনী ঘাঁটি গেড়ে বসেছে। সেই হানাদারদের গুষ্টির পিণ্ডি চটকানোর জন্য রানার স্টেনগানটাই যথেষ্ট আব্বাস পাগলার জন্য।

--------------------
আখতারুজ্জামান ইলিয়াস রচিত গল্পগ্রন্থ: 
- অন্য ঘরে অন্য স্বর,
- খোয়ারি, 
- দুধভাতে উৎপাত,
-দোজখের ওম।

উৎস: 'মিলির হাতে স্টেনগান' গল্প; 'দুধেভাতে উৎপাত' গল্পগ্রন্থ। 

১০৩.
মঙ্গলকাব্যের বিদ্রোহী নারী চরিত্র কোনটি?
  1. সনকা
  2. ফুল্লরা
  3. বেহুলা
  4. মনসা
ব্যাখ্যা

• 'মনসামঙ্গল' কাব্য:
- সাপের দেবী মনসাকে কেন্দ্র করে যে কাব্যগুলো রচিত হয়েছে তাই মনসামঙ্গল। মনসার অপর নাম কেতকা বা পদ্মা। তাই মনসামঙ্গল কাব্যের অপর নাম কেতকামঙ্গল বা পদ্মাপুরাণ। মনসামঙ্গলকাব্য মঙ্গলকাব্যের আদি ও প্রাচীনতম ধারা। এখানের মানুষের সংগ্রামের কাহিনি দেখানো হয়েছে।
- কানা হরিদত্ত মনসামঙ্গলের আদি কবি। এছাড়াও বিজয় গুপ্ত, নারায়ণ দেব, বিপ্রদাস পিপিলাই, দ্বিজ বংশীদাস, কেতকাদাস ক্ষেমানন্দ, প্রমুখ ছিলেন 'মনসামঙ্গল' কাব্যের রচয়িতা।

'মনসামঙ্গল' কাব্যের চরিত্রগুলো হলো:
- সাপের দেবী মনসা,
- চাঁদ সওদাগর,
- সনকা,
- বেহুলা,
- লখিন্দর।

'মনসামঙ্গল' কাব্যের চরিত্রের বিশ্লেষণ:
• মনসামঙ্গলের কাহিনির মাধ্যমে চাঁদ সদাগরের চরিত্রটি গতানুগতিক ধ্যানধারণার বিরুদ্ধে বিদ্রোহী হিসেবে বিশিষ্ট হয়ে উঠেছে। নিগৃহীত মানবতার জীবনবাণী রূপে মঙ্গলকাব্যের যে বৈশিষ্ট্য তা এই চরিত্রে রথার্থই প্রতিফলিত হয়েছে। মানবিকতার পরাভব ও আত্মগ্লানিতে পূর্ণ সে যুগে চাঁদ সুজার্গর শক্তিমান বিদ্রোহী হিসেবে অনন্য পরিচয় দান করেছেন। নিগৃহীত জাতির মর্মগত বঞ্চনা, আর্তনাদ ও বিক্ষোভ চাঁদ সদাগরের বিদ্রোহী স্বভাবের মাধ্যমে রূপ লাভ করেছে।

• বেহুলা চরিত্রের মধ্যে বাঙালি নারীত্বের যে প্রতিচ্ছবি আঁকা হয়েছে, তা কেবল ত্যাগ-তিতিক্ষায় সমুজ্জ্বলই নয়, অতন্ত্র আত্মবিশ্বাস ও অমিত বীর্যে ভাস্বর। বেহুলার নারীশক্তি চাঁদ সদাগরের পৌরুষের সমগোত্রীয় বিদ্রোহী। যে আত্মশক্তির প্রাচুর্যে চাঁদ সদাগর বারবার ব্যর্থতার পরেও ভেঙে পড়েন নি, ক্ষুব্ধ আক্রোশে কেবল উন্মত্ত হয়ে উঠেছেন, সেই মানবী শক্তির সার্থক পরিণামরূপে দেবপুরী-প্রত্যাগতা বেহুলার আবির্ভাব।

উৎস: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম; বাংলাপিডিয়া এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

১০৪.
মুনীর চৌধুরী রচিত নাটক কোনটি?
  1. জনপদ
  2. নবান্ন
  3. মানুষ
  4. চাকা 
ব্যাখ্যা

• 'মানুষ' নাটক:
- 'মানুষ' (১৯৪৭) এক দৃশ্য বিশিষ্ট মুনীর চৌধুরী রচিত নাটক। ১৯৪৬ খ্রিষ্টাব্দে সংঘটিত সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার প্রেক্ষাপটে নাটকটি রচিত।
- মানুষ নাটকের চরিত্রগুলো: ফরিদ, জুলেখা, বাবা, মা, ডাক্তার।

কাহিনি সংক্ষেপ:
এক হিন্দু তরুণ ডাক্তার আত্মরক্ষার জন্য এক মুসলিম বাড়িতে প্রবেশ করে। সে বাড়িতে একজন অসুস্থ, অন্য একজন দাঙ্গায় মারা গেছে। ডাক্তার রোগীকে চিকিৎসা দেয়। এ সময় হিন্দু ডাক্তারের খোঁজে মুসলিম দাঙ্গাকারীরা ঘরে প্রবেশ করে। তখন গৃহকর্ত্রী মশারির নিচে অসুস্থ সন্তানের পাশে ডাক্তারকে আড়াল করে তার জীবন রক্ষা করে। এভাবেই মানুষ বা মানবতা বড় হয়ে দেখা দেয়।

অন্যদিকে, 
• 'নবনাট্য' আন্দোলন'র প্রবক্তা বিজন ভট্টাচার্য রচিত নাটক- জনপদ, নবান্ন। 
• সেলিম আল দিন রচিত নাটক- চাকা। 

-------------------
• মুনীর চৌধুরী:
- মুনীর চৌধুরী ছিলেন একজন বাংলাদেশি শিক্ষাবিদ, নাট্যকার, সাহিত্য সমালোচক ও বাগ্মী। ১৯২৫ সালের ২৭ নভেম্বর মানিকগঞ্জ শহরে তাঁর জন্ম।
- মুনীর চৌধুরী শিক্ষা ও পেশাগত জীবনে বামপন্থী রাজনীতি ও প্রগতিশীল সাংস্কৃতিক আন্দোলনের সঙ্গে জড়িত ছিলেন।
- 'মুনীর অপটিমা' তাঁর উদ্ভাবিত বাংলা টাইপ-রাইটিং।

মুনীর চৌধুরীর মৌলিক নাটক:
- রক্তাক্ত প্রান্তর,
- চিঠি,
- কবর,
- মানুষ,
- দণ্ডকারণ্য।

অনুবাদ নাটক:
- কেউ কিছু বলতে পারে না,
- রূপার কৌটা ও
- মুখরা রমণী বশীকরণ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

১০৫.
সাহিত্যকর্মে অসাধারণ অবদানের জন্য শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় কত সালে 'কুন্তলীন পুরস্কার' লাভ করেন?
  1. ১৯২৩ খ্রিস্টাব্দে
  2. ১৯০৩ খ্রিস্টাব্দে
  3. ১৯০৯ খ্রিস্টাব্দে
  4. ১৯৩৪ খ্রিস্টাব্দে
ব্যাখ্যা

• সাহিত্যকর্মে অসাধারণ অবদানের জন্য শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ১৯০৩ খ্রিস্টাব্দে 'কুন্তলীন পুরস্কার' লাভ করেন।
- মূলত তাঁর বিখ্যাত "মন্দির" গল্পটি রচনার মাধ্যমে তিনি 'কুন্তলীন পুরস্কার' লাভ করেন।

তাঁর অন্যান্য অর্জনগুলো-
-  জগত্তারিণী স্বর্ণপদক (১৯২৩), বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদের সদস্যপদ (১৯৩৪) এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিলিট উপাধি (১৯৩৬) লাভ করেন। 

-----------------------
• "মন্দির" গল্প:
- "মন্দির" এই গল্পটি  ১৯০৩ খ্রিস্টাব্দ একটি সাহিত্য স্মরণিকা "কুন্তলীন পুস্তিকামালা"য় প্রকাশ পায়। গল্পটি ১৩০৯ বঙ্গাব্দে (১৯০৩ খ্রিস্টাব্দ) "কুন্তলীন পুরস্কার"-প্রাপ্ত।
- গল্পটি তাঁর সম্পর্কীয় মাতুল (মামা) ও বাল্যবন্ধু শ্রীসুরেন্দ্রনাথ গঙ্গোপাধ্যায়ের নামে প্রকাশিত। "বসুমতী" পত্রিকার সম্পাদক দেড়শ'টি গল্পের মধ্যে "মন্দির" গল্পটিকে শ্রেষ্ঠ বলে বিবেচনা করেন।

গল্পের বিষয়বস্তু:
অমরনাথ অপর্ণাকে বিবাহ করেও দাম্পত্য জীবনে শান্তিলাভ করতে পারেনি। অপর্ণা পিতৃগৃহে স্থাপিত রাধাকৃষ্ণের চরণে নিজেকে উৎসর্গীকৃত করেছেন অনেক আগে।

উল্লেখযোগ্য চরিত্র: 'অমরনাথ', 'অপর্ণা' প্রমুখ। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং "মন্দির" গল্প।

১০৬.
'হাবেদা মরুর কাহিনী' গ্রন্থটির রচয়িতা কে?
  1. সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজী
  2. কায়কোবাদ 
  3. গোলাম মোস্তফা
  4. ফররুখ আহমদ
ব্যাখ্যা

"হাবেদা মরুর কাহিনী" বাংলাদেশের প্রখ্যাত কবি ফররুখ আহমদ-এর একটি কাব্যগ্রন্থ, যা ১৯৮১ সালে প্রকাশিত হয়েছিল।
- ফররুখ আহমদের কবিতায় মুসলিম রেনেসাঁর অনুপ্রেরণা, আরব-ইরানের ঐতিহ্য এবং ইসলামের আদর্শের প্রকাশ লক্ষ্য করা যায়। "হাবেদা মরুর কাহিনী" কাব্যগ্রন্থেও এই ধারা পরিলক্ষিত হয়। 

-------------------
• ফররুখ আহমদ:
- ফররুখ আহমদ একজন প্রখ্যাত বাংলাদেশি কবি। ১৯১৮ সালের ১০ জুন মাগুরা জেলার শ্রীপুর থানার মাঝাইল গ্রামে তাঁর জন্ম।
- ফররুখ আহমদ 'মুসলিম রেনেসাঁর কবি' বা 'মুসলিম পুনর্জাগরণবাদী কবি' হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন।
- তাঁর কাব্যের মৌলিক প্রবণতা মুসলিম সংস্কৃতির গৌরবকীর্তন ও জাতীয় চেতনার পুনর্জাগরণ।
- পাকিস্তানবাদ, ইসলামিক আদর্শ ও আরব-ইরানের ঐতিহ্য তাঁর কবিতায় উজ্জ্বলভাবে ফুটে উঠেছে।
- হাতেমতায়ী কাহিনিকাব্যের জন্যে তিনি আদমজি পুরস্কার লাভ করেন।
- পাখির বাসা গ্রন্থের জন্যে ইউনেস্কো পুরস্কার লাভ করেন।

তাঁর উল্লেখযোগ্য কাব্য:
- সাত সাগরের মাঝি,
- সিরাজাম মুনিরা,
- নৌফেল ও হাতেম,
- মুহূর্তের কবিতা,
- হাতেমতায়ী,
- হাবেদা মরুর কাহিনী ইত্যাদি।

তাঁর শিশুতোষ রচনা।
- পাখির বাসা,
- হরফের ছড়া,
- ছড়ার আসর, ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা; "হাবেদা মরুর কাহিনী" কাব্যগ্রন্থ এবং বাংলাপিডিয়া। 

১০৭.
A plaintive song, 'The Solitary Reaper' was composed by-
  1. John Donne
  2. Thomas Gray
  3. William Wordsworth
  4. Samuel Taylor Coleridge
ব্যাখ্যা

• A plaintive song, 'The Solitary Reaper' was composed by William Wordsworth.

• The Solitary Reaper:
- The Solitary Reaper কবিতাটি William Wordsworth এর লেখা।
- এটি ১৮০৭ সালে তাঁর "Poems, in Two Volumes" সংকলনে প্রকাশিত হয়।
- It is a pastoral snapshot of a young woman working alone in a field in the Highlands of Scotland, singing a plaintive song in Gaelic.
- কবি তরুণীর গান শুনে মোহিত হয়।
- যদিও কবি ভাষাটি বুঝতে পারে না, তবুও তিনি কল্পনা করেন যে গানটি হয়তো প্রাচীন শোক বা ব্যক্তিগত দুঃখের কথা বলে।

• William Wordsworth (1770-1850):
- William Wordsworth একজন ইংরেজ কবি ছিলেন।
- তিনি ইংরেজি সাহিত্যের Romantic Period এর একজন অন্যতম কবি।
- তিনি স্যামুয়েল টেইলর কোলরিজের সঙ্গে মিলিত হয়ে Lyrical Ballads (১৭৯৮) রচনা করেন, যা ইংরেজি রোমান্টিক আন্দোলনের সূচনা করে।
- Lyrical Ballads এর দ্বিতীয় সংস্করণের (১৮০০) ভূমিকায় তিনি যে নীতিমালা ব্যাখ্যা করেন, তা ছিল বিপ্লবাত্মক।
- Wordsworth সাধারণ মানুষের জীবনের ঘটনা ও পরিস্থিতি নিয়ে কবিতা লিখতে চেয়েছিলেন এবং সেই কবিতাগুলোতে সাধারণ মানুষের ব্যবহৃত ভাষা প্রয়োগের চেষ্টা করেছিলেন।
- এর মাধ্যমে তারা ইংরেজি ভাষার সাহিত্যকে আমূল পরিবর্তন করেন।

• Notable Works:
- Lines Composed a Few Miles Above Tintern Abbey (poem),
- Lyrical Ballads (collection of poems),
- Ode: Intimations of Immortality (poem),
- The Solitary Reaper (poem),
- The Excursion (poem),
- The Prelude (poem),
- The Ruined Cottage (poem),
- Peter Bell (poem),
- The World Is Too Much with Us (sonnet).

Source: Britannica.

১০৮.
Ulysses by James Joyce belongs to–
  1. Restoration period
  2. Modern period
  3. Victorian period
  4. Romantic period
ব্যাখ্যা

• Ulysses by James Joyce belongs to the Modern period.

• Ulysses:
- "Ulysses" একটি আধুনিক ক্লাসিক উপন্যাস যা Ireland -এর বিখ্যাত ঔপন্যাসিক James Joyce রচিত একটি novel.
- ১৯২২ সালে এটি প্রথম প্রকাশিত হয়।
- এটি আধুনিক সাহিত্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কাজ।
- এটি সাধারণত ইংরেজি সাহিত্যে একটি 'master piece' হিসেবে বিবেচিত।
- একটি Single day -এর মধ্যে Ireland -এর Dublin -এর আশেপাশে ঘটা ঘটনা নিয়ে এটি লিখা।
- The novel is constructed as a modern parallel to Homer's Odyssey.

• James Joyce (1882-1941):
- তার পুরো নাম James Augustine Aloysius Joyce.
- He was an Irish novelist noted for his experimental use of language and exploration of new literary methods.
- বিংশ শতাব্দী অর্থাৎ Modern Period -এর বিখ্যাত novelist দের মধ্যে James Joyce অন্যতম।
- James Joyce's Ulysses (1922), a complex evocation of the inner states of the characters Leopold and Molly Bloom and Stephen Dedalus.
- Ulysses হলো James Joyce রচিত বিংশ শতাব্দীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ উপন্যাস।
- James Joyce তার 'Stream of Consciousness' (চেতনার অন্তঃশীল প্রবাহ) টেকনিকের জন্যে বিখ্যাত।

• Notable works:
• Short Stories:
- After the Race,
- A Little Cloud,
- A Mother,
- An Encounter,
- A Painful Case, etc.

• Plays:
- Exiles.

• Poems:
- Chamber Music,
- I Hear an Army,
- Penyeach.

- উল্লেখ্য যে, Ulyssess নামে Victorian poet Alfred Tennyson এর একটি poem রয়েছে।

Source: Britannica.

১০৯.
'The Duchess of Malfi' is a tragic play by-
  1. Ben Jonson
  2. Christopher Marlowe
  3. John Dryden
  4. John Webster
ব্যাখ্যা

• 'The Duchess of Malfi' is a tragic play by John Webster.

• The Duchess of Malfi:
- এটি একটি 5 acts বিশিষ্ট tragedy play যা Revenge Tragedy/ Tragedy of Suffering হিসেবে পরিচিত।
- এটি ১৬১৩-১৪ সালে লেখা এবং ১৬২৩ সালে প্রকাশিত হয়। 
- The Duchess of Malfi tells the story of the spirited duchess and her love for her trustworthy steward Antonio.
- তার দুই ভাই Ferdinand (ক্যালাব্রিয়ার ডিউক) এবং Cardinal বিরোধিতা সত্ত্বেও তারা গোপনে বিয়ে করে।
- পরবর্তীতে তাদের তিনটি সন্তান জন্ম নেয়  কিন্তু জিজ্ঞাসাবাদের মুখে তিনি কখনো তাঁর ভাইদের কাছে তাঁর বাচ্চাদের নাম বলেন নি।
- Duchess এর ভাইয়েরা সকল খবর বের করার জন্য তার বিরুদ্ধে Bosola নামক একজন গোয়েন্দা ( Bosola) নিযুক্ত করে।
-  Bosola বিভিন্ন কৌশলে Dutchess এর কাছ থেকে তাড় স্বামি সন্তানদের খবর জেনে তার ভাইদেরকে বলে দেয় এবং তাদের আদেশে এদেরকে গ্রেফতার করতে যায়।
- নাটকের শেষে দেখা যায় সবাই মারা গিয়েছে কেবল মাত্র Dutchess এর বড় সন্তানটি ছাড়া যে কিনা পরবর্তীতে Malfi এর শাসক হয়।
- Webster’s The Duchess of Malfi কে সচরাচর last great tragedy of the Elizabethan and Jacobean eras হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

• Major Characters:
- Bosola,
- The Duchess,
- Ferdinand,
- Cardinal,
- Antonio,
- Delio,
- Cariola,
- Julia, etc.

• John Webster (1580-1632):
- তিনি একজন English Dramatist. 
- He is best known for his dark and intense tragedies.
- তাঁর জন্ম ১৫৮০ সালে এবং ১৬৩২ সালে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। 
- তিনি Jacobean যুগের একজন সাহিত্যিক। 
- তিনি শেক্সপীয়রের সমসাময়িক ছিলেন এবং যদিও তাঁর সময়কালে তিনি তেমন পরিচিত ছিলেন না, তবুও তিনি জ্যাকোবিয়ান নাটক অধ্যয়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে পরিণত হয়েছেন।

• Famous Tragedies of John Webster:
- The Duchess of Malfi,
- The White Devils,
- The Devil's Law Case.

Source:
1. Britannica.
2. An ABC of English Literature by Dr. M. Mofizar Rahman.

১১০.
Who phrased "A thing of beauty is a joy forever"?
  1. Lord Byron
  2. John Keats
  3. P. B. Shelley
  4. William Wordsworth
ব্যাখ্যা

• "A thing of beauty is a joy forever" is phrased by John Keats.
- এটি John Keats -এর লেখা 'Endymion' কবিতার প্রথম লাইন।

• Endymion:

- গ্রীক মিথ অনুযায়ী Endymion একজন অনিন্দ্য সুন্দর যুবকের নাম।
- কবিতায় দেখানো হয়েছে Endymion একজন রাখাল যে তার প্রেমিকার সন্ধান করে, যার নাম Cynthia.
- এই কবিতায় কবি truth of beauty এর অনুসন্ধান করেছেন। 
- সৌন্দর্য চিরস্থায়ী এবং সৌন্দর্যের এই চেতনা আমাদের অন্তরকে আলোকিত করে রাখে।
- কবিতার প্রথম লাইন: A thing of beauty is a joy forever.

- এই কবিতাটি John Ketas এর first long poem.
- কবিতাটিকে poetic epic ও বলা হয়ে থাকে।
- This work is divided into four 1,000-line sections, and its verse is composed in loose rhymed couplets.

• John Keats (1795-1821:
- John Keats ছিলেন একজন বিখ্যাত ইংরেজি রোমান্টিক কবি।
- Keats -এর কবিতাগুলি তার সংবেদনশীলতা, সৃষ্টিশীলতা এবং প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও মানব অভিজ্ঞতার গভীর উপলব্ধির জন্য পরিচিত।
- তিনি ইংরেজি সাহিত্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান অধিকার করেন এবং তার কাজগুলি আধুনিক কবিদের ওপর গভীর প্রভাব ফেলে।
- তাকে ‘Poet of beauty’ বলা হয়।
- এছাড়া তাকে 'Poet of sensuousness' ও বলা হয়।

• তার Title গুলো হলো:
- Poet of Beauty;
- Poet of Sensuousness;
- A Death Hunted Poet;
- এর পাশাপাশি তিনি Physician, Surgeon, এবং Doctor ছিলেন।
- তার সাহিত্য কর্মের মধ্যে আছে: Sonnets, Odes, and Epics.

• John Keats's famous quotations:
- “Beauty is truth, truth beauty,”—that is all
 Ye know on earth, and all ye need to know."
- "A thing of beauty is a joy forever:
Its loveliness increases; it will never
Pass into nothingness."
- "Heard melodies are sweet, but those unheard Are sweeter."
- "My heart aches, and a drowsy numbness pains
My sense, as though of hemlock I had drunk"
- "Where are the songs of spring? Aye, where are they?"
- "Ever let the Fancy roam,
Pleasure never is at home."

• Famous poems:
- Ode to Psyche,
- Ode to a Nightingale
- Ode on Melancholy,
- Ode on a Grecian Urn,
- To Autumn,
- Bright Star,
- On First Looking into Chapman's Homer,
- Lamia,
- Hyperion,
- The Eve of St,
- La Belle Dame Sans Merci, etc.

Source:
1. Britannica.
2. Poetry Foundation.

১১১.
Which of the following is not primarily a poetry form?
  1. Haiku
  2. Fable
  3. Ballad
  4. Ode
ব্যাখ্যা

• "Fable" is not primarily a poetry form.

• Fable (উপকথা):
- A fable is a short story, typically with animals as characters, conveying a moral lesson.
- অর্থাৎ, "Fable" হলো জীবজন্তুর আচরণ ও কথাবার্তার মাধ্যমে নীতিকথা তুলে ধরার উদ্দেশ্যে রচিত কল্পকাহিনি।
- It is a form of prose (not poetry).

• অন্যদিকে,
• Haiku:
- Haiku is a traditional Japanese poetry form consisting of three lines with a 5-7-5 syllable pattern.

• Ballad:
- Ballad is a narrative poetry form that tells a story, often set to music.
- Ballad হচ্ছে একটি narrative বা আখ্যানমূলক কবিতা, যেখানে dialouge and action এর মাধ্যমে কাহিনির বর্ননা করা হয়।

• Ode:
- Ode is a lyrical poetry form that addresses and praises a person, place, thing, or idea.
- কবিতাবিশেষ (গাথাকবিতা); সাধারণত অনিয়মিত ছন্দে রচিত ও মহৎ অনুভূতি প্রকাশক এই কবিতা প্রায়ই কোনো বিশেষ ঘটনা বা বস্তুর মহিমাকীর্তন করে।

- Sonnet, Haiku, Ballad, Ode, Epic ইত্যাদি হচ্ছে কবিতার বিভিন্ন form.

Source:
1. Britannica.
2. An ABC of English Literature by Dr. M. Mofizar Rahman.

১১২.
'Mirabell' appears as the main male character in-
  1. Love for Love
  2. The Way of the World 
  3. A Midsummer Night's Dream
  4. As You Like It
ব্যাখ্যা

• 'Mirabell' appears as the main male character in the play 'The Way of the World'.

• The Way of the World:
- এটি William Congreve রচিত একটি বিখ্যাত নাটক।
- Comedy of Manner এর ধারায় লেখা 5acts বিশিষ্ট এই playটি ১৭০০ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়।
- এই play টিকে William Congreve এর অন্যতম সেরা সৃষ্টি হিসেবে বিবেচনা করা হয়ে থাকে।
- Way of The World এ লেখক তাঁর তৎকালীন সমাজ ব্যবস্থা এবং এর রীতিনীতি গুলোকে বিশেষ করে প্রেম এবং বিবাহ সম্পর্কিত বিষয় গুলোকে নিয়ে উপহাস করেছেন।
- The plot concerns the efforts of the lovers Millamant and Mirabell to obtain the permission of Millamant’s aunt for their marriage.
- একে অন্যের সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হবার জন্য এবং Millamant এর aunt এর নিকট থেকে অনুমতি নেয়ার জন্য তারা বিভিন্ন পন্থা অবলম্বন করে।
- নানারকম ভুল বোঝাবুঝি, ষড়যন্ত্র এবং হাস্যরস এর মাধ্যমে কাহিনি সামনের দিকে এগিয়ে যেতে থাকে।
- Despite a scheme that goes awry and after several misunderstandings and other complications are cleared up, the two finally obtain her consent.

• Main characters:
- Mirabell (male protagonist),
- Millamant (female protagonist),
- Fainall,
- Marwood,
- Lady Wishfort,
- Mrs. Arabella Fainall,
- Petulant, etc.

• William Congreve (1670-1729):
- তিনি Restoration Period এর একজন স্বনামধন্য সাহিত্যিক এবং Comedy of Manners এর জন্য বিশেষ ভাবে বিখ্যাত।
- He shaped the English comedy of manners through his brilliant comic dialogue, his satirical portrayal of the war of the sexes, and his ironic scrutiny of the affectations of his age.

• Famous plays:
- Love for Love,
- The Way of the World,
- The Double Dealer,
- The Old Bachelor, etc.
 
Source:
1. Britannica.
2. An ABC of English Literature by Dr. M. Mofizar Rahman.

১১৩.
George Bernard Shaw is the playwright of-
  1. Riders to the Sea
  2. The Caretaker
  3. Man and Superman
  4. The Old Man and the Sea
ব্যাখ্যা

• George Bernard Shaw is the playwright of 'Man and Superman'.

• Man and Superman:
- The play 'Man and Superman' is written by G.B. Shaw.
- 4 acts বিশিষ্ট এই play টি ১৯০৩ সালে প্রকাশিত হয়।
- The play incorporates Shaw’s concept of the “life force” and satirizes the relationship between the sexes.

• Summary:
- "Man and Superman" হলো একটি বুদ্ধিদীপ্ত নাটক, যেখানে প্রেম, বিবাহ, সমাজ এবং দার্শনিক চিন্তাধারার উপর আলোচনা করা হয়েছে।
- নাটকের মূল চরিত্র John Tanner, একজন স্বাধীনচেতা, বুদ্ধিমান পুরুষ, যিনি বিয়ে এবং সামাজিক বাধা থেকে মুক্ত থাকতে চান। কিন্তু Ann Whitefield নামে এক চতুর মেয়ে তাকে বিয়ে করার জন্য পরিকল্পনা করে। নাটকের মাধ্যমে Shaw দেখান যে, প্রকৃতির উদ্দেশ্য হলো মানুষের উন্নতি এবং উচ্চতর মানবজাতি (Superman) তৈরি করা।
- নাটকের মধ্যে একটি বিখ্যাত অংশ হলো "Don Juan in Hell", যেখানে গভীর দার্শনিক আলোচনা করা হয় জীবন ও নৈতিকতার উপর।

• Important characters:
- John Tanner,
- Hector Malone,
- Ann Whitefield,
- Mendoza,
- Roebuck Ramsden,
- Octavius Robinson,
- Violet Robinson,
- Susan Ramsden, etc.

• ​G. B. Shaw (1856-1950):
- তার পুরো নাম George Bernard Shaw.
- George Bernard Shaw 'Modern period' এর একজন Irish নাট্যকার এবং সাহিত্য সমালোচক।
- তিনি ১৯২৫ সালে নোবেল পুরস্কার পান।
- G.B. Shaw ছিলেন Fabian Society এর একজন সদস্য।
- তাঁর উপাধি হলো - The greatest modern English dramatist এবং তাঁকে The father of modern English literature বলা হয়।

​• Famous Plays of G.B. Shaw:
- Pygmalion (Romantic play),
- Man and Superman (Comedy play),
- Major Barbara (Social satire),
- Mrs. Warren's Profession (play),
- Arms and the Man (Romantic comedy),
- Heartbreak House (comedy play),
- Caesar and Cleopatra (play/tragedy),
- The Doctor's Dilemma (satire drama/play, Epilogue),
​- St. Joan of Arc, etc.

অন্যদিকে,
ক) Riders to the Sea: This is a play by John Millington Synge.

খ) The Caretaker: This is a play by Harold Pinter.

ঘ) The Old Man and the Sea: This is a novella by Ernest Hemingway, not a play.

Source:
1. Britannica.
2. SparkNotes.

১১৪.
"One may smile, and smile, and be a villain"
This extract is taken from-
  1. Macbeth
  2. Hamlet
  3. Othello
  4. Julius Caesar
ব্যাখ্যা

• "One may smile, and smile, and be a villain"
- This extract is taken from Shakespeare's play Hamlet.

• Hamlet:
- William Shakespeare রচিত tragedy গুলোর মধ্যে Hamlet is one of the most celebrated tragedies in English literature.
- তাঁর অন্যান্য tragedy গুলোর মত এটিও 5acts বিশিষ্ট।
- ১৫৯৯-১৬০১ সালের মধ্যে লেখা এই tragedy টি প্রকাশিত হয় 1603 সালে।
- এর কেন্দ্রীয় চরিত্র Prince Hamlet ছিলেন 'prince of Denmark' যিনি  জার্মানি থেকে নিজ দেশে ফিরে আসে তাঁর বাবার শেষকৃত্যে অংশগ্রহণ  করতে এবং জানতে পারে যে তার চাচা Claudius তার মাকে বিয়ে করেছে এবং এই চাচাই তার বাবার খুনী।
- সত্য উদঘাটনের পর বিভিন্ন ঘটনা প্রবাহের মধ্যে দিয়ে tragedy -এর কাহিনী সামনে এগিয়ে যায় এবং শেষাংশে Hamlet -এর মৃত্যুর মধ্যে দিয়ে এই tragedy -র সমাপ্তি ঘটে।

The main characters of Hamlet:
- Hamlet,
- Ophelia,
- Claudius,
- Gertrude,
- Horatio (Loyal and Best friend of Hamlet),
- Polonius (Ophelia's Father),
- Laertes (Ophelia's brother), etc.

• Famous quotations from Hamlet:
- "To be or not to be that is the question."
- "Frailty, thy name is woman."
- "Brevity is the soul of wit."
- "Listen to many, speak to a few."
- "Though this be madness, yet there is method in't."
- "Conscience does make cowards of us all."
- "One may smile, and smile, and be a villain."
- "There's a divinity that shapes our ends,
Rough-hew them how we will."
- "There is nothing either good or bad, but thinking makes it so."
- "There are more things in heaven and earth, Horatio,
Than are dreamt of in your philosophy."

• William Shakespeare (1564-1616):
- William Shakespeare একাধারে একজন English poet, dramatist এবং actor.
- তাকে 'English National Poet' বলা হয়।
- Stratford-upon-Avon -এ জন্মগ্রহণ করেছেন বলে তাকে Bard of Avon বা Swan of Avon বলা হয়।
- তাকে অনেকেই সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ নাট্যকার হিসেবে বিবেচনা করেন।
- Shakespeare occupies a unique position in world literature.
- William Shakespeare মূলত তাঁর Drama and Sonnet -এর জন্য পরিচিত।
- তিনি মোট ১৫৪ টি sonnet এবং ৩৭ টি play লিখেছেন।
- এছাড়া তিনি Long narrative poem ও লিখেছেন।

• Notable works: 
Tragedy:
- Hamlet,
- Othello,
- King Lear,
- Macbeth,
- Julius Caesar.

Comedy:
- As You Like It,
- The Tempest,
- Twelfth Night,
- A Midsummer Night's Dream, etc.

Famous poem:
- Shall I Compare Thee to a Summer Day/Sonnet 18,
- The Rape of Lucrece,
- Venus and Adonis.

Source: Britannica.

১১৫.
A science-fiction novel, 'The Invisible Man' was authored by-
  1. Charles Darwin
  2. H. G. Wells
  3. D. H. Lawrence
  4. Mark Twain
ব্যাখ্যা

• A science-fiction novel, 'The Invisible Man' was authored by H. G. Wells.

• The Invisible Man:
- এটি H. G. Wells রচিত একটি science fiction novel.
- এটি প্রথম প্রকাশিত হয় ১৮৯৭ সালে।
- It is one of Wells's most famous works and explores themes of isolation, power, and the consequences of scientific experimentation.
- গল্পটির কেন্দ্রবিন্দু হল Griffin নামক এক প্রতিভাবান কিন্তু মানসিকভাবে অস্থির এক scienitist যিনি অদৃশ্য হওয়ার সূত্র আবিষ্কার করেন।
- তিনি নিজের শরীরে এই সূত্র প্রয়োগ করে অদৃশ্য হয়ে যান, কিন্তু নিজেকে আবার দৃশ্যমান করার কোনো উপায় খুঁজে পান না।
- প্রথমে তিনি এই ক্ষমতাকে লুকিয়ে থাকার সুবিধা হিসেবে দেখলেও, পরে এটি এক ভয়ংকর অভিশাপে পরিণত হয়।
- তিনি ক্রমশ মানসিকভাবে অস্থির হয়ে পড়েন এবং ক্ষমতার লোভে অপরাধমূলক কাজকর্মে জড়িয়ে পড়েন।
- অবশেষে মানুষ তাকে ধরতে সক্ষম হয় এবং তিনি নিহত হন।

• H. G. Wells (1866-1946):
- তার পুরো নাম Herbert George Wells.
- H. G. Wells was an English novelist, journalist, sociologist, and historian best known for such science fiction novels.
- তিনি মূলত তার কল্পবিজ্ঞান (Science Fiction) উপন্যাস ও ছোটোগল্পগুলির জন্য সমধিক পরিচিত।
- তার বিখ্যাত Science Fiction রচনার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো "The Time Machine" এবং "The War of the Worlds"।

• Notable works:
- The Time Machine,
- The Invisible Man, 
- The War of the Worlds,
- The New Machiavelle,
- The First Men in the Moon,
- The Science of Life,
- The Shape of Things to Come,
- Experiment in Autobiography,
- The Island of Dr. Moreau, etc.

Source:
1. Britannica.
2. An ABC of English Literature by Dr. M. Mofizar Rahman.

১১৬.
What is 'Blank Verse' in literature?
  1. Verses with double couplet
  2. Verse without any blanks
  3. Prose without any poetic elements
  4. Unrhymed iambic pentameter verse
ব্যাখ্যা

• Blank verse is 'Unrhymed iambic pentameter verse'.

​• ​Blank verse (অমিত্রাক্ষার ছন্দ):
- 'Blank Verse' in Literature is kind of verse having no rhyming ends or unrhymed iambic pentameter verse.
- এর অর্থ হচ্ছে Blank verse বা অমিত্রাক্ষার ছন্দের কবিতায় ছন্দের কোনো অন্তমিল নেই।
- ছন্দের অন্তমিল দেখা না গেলেও এতে iambic pentameter এর দেখা মেলে।
- An iambic pentameter line is a verse line of five iambic feet.
- In blank verse, the last word of a line does not rhyme with the last word of any of the successive lines.
- এই ধরণের verse গুলো অনেকটাই Normal speech এর মতন হয়ে থাকে।

​• Example:
- John Milton's paradise lost is an epic poem in blank verse.

Source: An ABC of English Literature - Dr. M Mofizar Rahman.

১১৭.
Pick out the incorrect singular-plural pair:
  1. Stimulus : Stimuluses
  2. Genus : Genuses
  3. Syllabus : Syllabuses
  4. Terminus : Terminuses
ব্যাখ্যা

• The incorrect singular-plural pair is - Stimulus : Stimuluses.

• Stimulus (noun)
- English Meaning: a thing that arouses activity or energy in someone or something; a spur or incentive.
- Bangla Meaning: কর্মপ্রেরণাদায়ক বস্তু বা বিষয়; উদ্দীপক, (বৃক্ষ, ফল) কাঁটা, হুল বা তীক্ষ্ণ আঁশ।

- এর plural form হচ্ছে - Stimuli.

• অন্যদিকে,
- Syllabus এর plural হলো Syllabi/Syllabuses.
- Genus এর plural হলো Genera/Genuses.
- Terminus এর plural হলো Termini/Terminuses.

Source:
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Merriam-Webster Dictionary.

১১৮.
Fill in the gap: In fear of _____, the spy changed his appearance.
  1. recognizing
  2. being recognized
  3. having recognized
  4. be recognized
ব্যাখ্যা

• Complete sentence: In fear of being recognized, the spy changed his appearance.
-Bangla Meaning: কেউ চিনে ফেলতে পারে এই ভয়ে গুপ্তচর তার বেশ পরিবর্তন করল।

• In fear of যুক্ত বাক্যের গঠন:
- সাধারণত Active construction -এ Preposition এর পর Verb+ing ব্যবহৃত হয়।
- কিন্তু এই বাক্যটিতে passive construction প্রয়োজন, কারণ অন্য কারো দ্বারা 'recognized' হয়।
- Verb+ing এর Passive form হচ্ছে being + verb এরপর Past Participle.
- "In fear of being recognized" correctly uses the passive gerund (being + past participle).

- সুতরাং, শূন্যস্থানে সঠিক উত্তর হবে- being recognized.

অন্যদিকে,

ক) recognizing: (he recognizes others) এটি Active construction -এ বসে।

গ) having recognized: (he recognized someone) এটি Active construction -এ past action নির্দেশ করে।

ঘ) be recognized: এটি ভুল, কারণ preposition "of" এর পরে gerund প্রয়োজন।

১১৯.
Identify the correctly spelled word.
  1. Propoganda
  2. Exagerate
  3. Perseverance
  4. Ocassion
ব্যাখ্যা

• The correctly spelled word is - Perseverance.

• Perseverance (noun)
- English Meaning: Persistence in doing something despite difficulty or delay in achieving success.
- Bangla Meaning: অধ্যবসায়; ঐকান্তিকতা; উদ্যম; নিরবচ্ছিন্ন প্রচেষ্টা; প্রয়োজনীয় গুণাবলি; যোগ্যতা।

• অন্যদিকে, বাকি অপশনগুলোর সঠিক spelling হলো-
ক) Propaganda - (তুচ্ছার্থে) মতবাদ; তথ্য; মতামত; সরকারি বিবৃতি; প্রচারণা; রটনা; স্বপ্রচার।

খ) Exaggerate - অতিরঞ্জিত করা; অত্যুক্তি করা; বাড়িয়ে বলা।

ঘ) Occasion - কোনো নির্দিষ্ট ঘটনার সময়; (কোনোকিছুর) উপযুক্ত সময়।

 Source: 
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Oxford Dictionary.

১২০.
The phrasal verb “give away” means:
  1. To keep something secret
  2. To provide something for free
  3. To hide something carefully
  4. To sell something secretly
ব্যাখ্যা

• The phrasal verb “give away” means: To provide something for free.

• Give (sth) away
- English Meaning: give something freely as a gift or donation; reveal the true identity of someone.
- Bangla Meaning: বিনামূল্যে কিছু প্রদান করা; উপহার বা দান হিসেবে কিছু দেওয়া; ইচ্ছাকৃতভাবে বা অনিচ্ছাকৃতভাবে ফাঁস করে দেওয়া।

• Ex. Sentences:
- I gave away all my books.
- The shop is giving away a sample to every customer.

অন্যদিকে,
ক) "To keep something secret" - কিছু গোপন রাখা।

গ) "To hide something carefully" - সাবধানে কিছু লুকানো।

ঘ) "To sell something secretly" - গোপনে কিছু বিক্রি করা।

Source:
1. Cambridge Dictionary.
2. Oxford Dictionary.

১২১.
Never drive as if you own the road.
The underlined part is an example of-
  1. Noun Clause
  2. Adjective Clause
  3. Adverbial Clause
  4. Noun Phrase
ব্যাখ্যা

• Never drive as if you own the road.
- The underlined part is an example of an adverbial clause.

- এই clause টি মূলত adverbial clause of manner.
- কারণ, এটি verb "drive" কে modify করছে (কীভাবে গাড়ি চালানো উচিত নয় তা বর্ণনা করছে)।

• Adverb clause of manner মূলত কোনো কাজ কীভাবে ঘটে তা নির্দেশ করে।
- Sub-ordinate clause টি how, as, as if, as though, like, ইত্যাদি দিয়ে শুরু হয় অথবা Verb কে 'How' দিয়ে প্রশ্ন করলে Adverb Clause of Manner পাওয়া যায়।

• More Examples:
- Do it exactly as I showed you.
- She cooks like she was born to do it.

• Adverbial clause:
- যে সব subordinate clause বাক্যে ব্যবহার হয়ে adverb -এর কাজ করে, তাদেরকে adverbial clause বা adverb clause বলে।
- অর্থাৎ, adverbial clause বাক্যে verb বা adjective clause বা অন্য একটি adverbial clause -কে modify করে।
- Adverbial clause সবসময় সময়, স্থান, কাল, কারণ, উদ্দেশ্য, ধরন, ফলাফল ইত্যাদি প্রকাশ করে ।

অন্যদিকে,
• Noun clause:
- A noun clause is a dependent clause that acts as a noun in a sentence.
- যে সব ‘subordinate clause’ noun এর কাজ করে, তাদেরকে Noun clause বলে।
- অর্থাৎ, noun clause বাক্যে subject, object, complement বা case in apposition- এর কাজ করে থাকে।

• Adjective clause:
- An adjective clause is a subordinate clause which acts as an adjective in a sentence and qualifies a noun or noun equivalent.
- যেসব sub-ordinate clause বাক্যে ব্যবহার হয়ে adjective এর কাজ করে তাদেরকে Adjective clause বলে।
- অর্থাৎ বাক্যে noun/pronoun -এর পরে বসে ঐ noun/pronoun -কে modify করে তাকে adjective clause বলে।

• Noun phrase:
- Noun phrase হলো সেইসব phrase, যেসব phrase দ্বারা noun -এর কাজ সম্পন্ন হয়।
--------------
• Clause ও phrase -এর পার্থক্য:
- Clause এর মধ্যে অবশ্যই একটি Finite Verb বা সমাপিকা ক্রিয়া থাকবে; কিন্তু Verb Phrase ব্যতিত অন্যান্য Phrase এর মধ্যে কোনো Finite Verb বা সমাপিকা ক্রিয়া থাকবে না।
- অন্য কথায় Clause এর মধ্যে Verb Tense এর Structure অনুযায়ী থাকবে, কিন্তু Phrase এর মধ্যে Verb নাও থাকতে পারে, আর যদি থাকে তাহলে Tense এর Structure অনুযায়ী থাকবে না।

১২২.
Many flocks of birds flew away.
Here, the underlined word is-
  1. Proper noun
  2. Collective noun
  3. Common noun
  4. Abstract noun
ব্যাখ্যা

• Many flocks of birds flew away.
- Here, the underlined word is Common noun.

• Flock (noun)
- English meaning: A group of sheep, goats, or birds, or a group of people.
- Bangla meaning: (পাখির) ঝাঁক; (পশুর) পাল। (২) (মানুষের) দল।

• Explanation:
- 'Flock' সাধারণত Collective Noun হলেও, এই বাক্যে 'Flock' common noun হয়েছে।
- কারণ, Collective Noun -এর পূর্বে সংখ্যাবাচক শব্দ বসালে অথবা এটির সাথে s/es যোগ করলে তা Common noun -এ পরিণত হয়।
- যেমন: Many flocks of birds flew away. (অনেকগুলো পাখির ঝাঁক উড়ে গেল।)
- এই বাক্যে flocks -এর সাথে 's' যুক্ত আছে তাই এটি Common noun.

• More examples:
- There are ten classes in our school.
- The armies of the allies came to help.

• Collective noun:
- যে সকল noun দ্বারা সমজাতীয় কিছু ব্যক্তি, বস্তু বা স্থানের অবিভক্ত সমষ্টিকে বোঝায় তাদেরকে Collective noun বলে।
- অর্থাৎ, কিছু Common noun-এর সমষ্টিকেই Collective noun বলে।

• Common noun:
- যে সব noun দ্বারা নির্দিষ্ট কোন ব্যক্তি, বস্তু বা স্থানের নাম না বুঝিয়ে একজাতীয় সবাইকেই বোঝায় তাদেরকে Common noun বলে।

Source:
1. A Passage to the English Language by S M Zakir Hussain.
2. NCTB English Grammar (Class 9 & 10).

১২৩.
The synonym of 'Embezzle' is -
  1. Confuse
  2. Remunerate
  3. Exacerbate
  4. Misappropriate
ব্যাখ্যা

• The synonym of 'Embezzle' is - Misappropriate.

Embezzle (verb)
- English Meaning: to appropriate (something, such as property entrusted to one's care) fraudulently to one's own use.
- Bangla Meaning: (কারো জিম্মায় রক্ষিত টাকা) আত্মসাৎ করা।

• Given options:

ক) Confuse -  গুলিয়ে ফেলা; বিশৃঙ্খল করা; বিভ্রান্ত বা কিংকর্তব্যবিমূঢ় হওয়া বা করা।

খ) Remunerate -  (কাজ বা সেবার জন্য) পারিতোষিক দেওয়া; পুরস্কৃত করা।

গ) Exacerbate - (আনুষ্ঠানিক) (ব্যক্তির ক্ষেত্রে) উত্তেজিত করা; (দুঃখের, রোগের, ঘটনার ক্ষেত্রে) আরো খারাপের দিকে যাওয়া।

ঘ) Misappropriate - অন্যায়ভাবে গ্রহণ ও ব্যবহার করা; আত্মসাৎ করা।
 
• সুতরাং, অপশনের অর্থ বিবেচনা করে দেখা যায় যে, The synonym of 'Embezzle' is - Misappropriate.

Source:
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Merriam-Webster Dictionary.

১২৪.
What news have you brought?
In this sentence, 'What' is a/an-
  1. Noun
  2. Adjective
  3. Pronoun
  4. Adverb
ব্যাখ্যা

• What news have you brought?
- In this sentence, 'What' is an adjective.

- What এখানে 'news' noun টিকে modify করায় Adjective হয়েছে।
- As an adjective, 'what' can refer to people or things.

• Interrogative Adjective:
- Interrogative pronoun যখন adjective -রূপে কাজ করে তখন তাকে Interrogative adjective বলে।
- অর্থাৎ, Interrogative pronoun (What, Which. whose etc.) গুলো যখন Noun এর পূর্বে বসে প্রশ্ন করে (noun টিকে modify করে) তখন সেগুলো adjective-এর কাজ করে, তাই এরা Interrogative adjective.
- Interrogative adjective হলো এক প্রকার Pronominal Adjective.

• More Examples:
- What minerals do we export?
- What colour do you like best?
- What size shoes do you take?

Source:
1. Cambridge Dictionary.
2. A Passage to the English Language by S M Zakir Hussain.

১২৫.
They have two children, both of _____ abroad.
  1. whom live
  2. who live
  3. who lives
  4. whom living
ব্যাখ্যা

• Complete sentence: They have two children, both of whom live abroad.
- Bangla meaning: তাদের দুটি সন্তান রয়েছে, যাদের দুজনেই বিদেশে থাকে।

• Both (উভয়ই):
- We use both to refer to two things or people together.
- "Both" subject হিসেবে ব্যবহৃত হলে, verb সবসময় plural হবে।

- প্রদত্ত বাক্যে main clause হলো- They have two children. এবং এই সম্পর্কে অতিরিক্ত তথ্য দেওয়ার জন্য একটি relative clause প্রয়োজন।
- "Both of whom" পূর্বে উল্লিখিত "two children" কে বুঝাতে relative clause গঠন করেছে।
- Preposition "of" -এর object হিসেবে pronoun এর objective form 'whom' ব্যবহৃত হবে।
- Relative clause -এর subject 'both' হলো plural তাই verb ও plural হবে।
- So the plural form "live" is correct.

অন্যদিকে,
খ) who live: "Who" is incorrect after the preposition "of."

গ) who lives: "Who" is wrong after "of," and "lives" (singular) does not agree with the plural subject "both."

ঘ) whom living: This lacks a finite verb.
- অর্থাৎ, Relative clause -এ একটি finite verb প্রয়োজন, কিন্তু এখানে "Living" gerund ব্যবহৃত হয়েছে তাই এটি ভুল।

Source:
1. A Passage to the English Language by S M Zakir Hussain.
2. Cambridge Dictionary.

১২৬.
He told a lie. Such is not acceptable in polite society.
Here, 'such' is-
  1. Distributive pronoun 
  2. Demonstrative pronoun
  3. Indefinite pronoun
  4. Relative pronoun
ব্যাখ্যা

• He told a lie. Such is not acceptable in polite society.
- Here, 'such' is a Demonstrative Pronoun.

- "Such" এখানে একটি Demonstrative Pronoun (নির্দেশক সর্বনাম) হিসেবে কাজ করছে, কারণ এটি ইতোমধ্যে উল্লেখিত নির্দিষ্ট (lie) কিছুকে নির্দেশ করে বা বোঝায় ("this" বা "that" এর অনুরূপ)। 
- It replaces the noun phrase "telling a lie" or "the act of lying" to avoid repetition.

• Demonstrative Pronoun:
- ব্যক্তি বা বস্তুকে যদি এটি, ওটি, এগুলি, ওগুলি ইত্যাদি শব্দ দ্বারা নির্দেশ করা হয় তাহলে এই শব্দগুলোকে demonstrative pronoun বলে।
- যেমন: this, that, these, those, such, the same, it, so, etc.

• Types of Pronouns:
1. Personal Pronoun: I, you, they, he, she, etc.
2. Interrogative Pronoun: Who, What, which, etc.
3. Distributive Pronoun: Each, either, neither, etc.
4. Demonstrative Pronoun: This, such, that, etc.
5. Relative Pronoun: Who, what, which, that, etc.
6. Reciprocal Pronoun: Each other, one another, etc.
7. Reflexive Pronoun: Myself, yourself, herself, etc.
8. Indefinite Pronoun: One, any, some, etc.

Source: A Passage to the English Language by S. M. Zakir Hussain.

১২৭.
Citizens _____ the laws of the country.
  1. have to respect
  2. could respect
  3. might respect
  4. must be respect
ব্যাখ্যা

• Complete sentence: Citizens have to respect the laws of the country.
- Bangla meaning: নাগরিকদের দেশের আইনকে সম্মান করতে হবে।

• Have to/has to/had to + verb (modal auxiliary)
- (used with the infinitive form of another verb) to need to or be forced to; must.
- Used to say that something is required by a rule or law.
- used to say that something is required or necessary.
- অর্থাৎ, কাউকে (জোরসূচক) কোনো কিছু করতে হবে/হয়েছিল বোঝাতে বা কোনও নিয়ম বা আইন অনুসারে কিছু করতে হবে বোঝাতে Have to/has to/had to + verb -এর base form ব্যবহৃত হয়।

- প্রদত্ত বাক্যে নাগরিকদের দেশের আইনকে সম্মান করতে হবে (জোর প্রদান করা হয়েছে) তাই শূন্যস্থানে 'have to respect' বসবে।

• Other options:
খ) could respect: implies ability or possibility, not obligation.
- আবার অতীত সামর্থ্য বোঝাতে Could + verb -এর base form ব্যবহৃত হয়।

গ) might respect: suggests uncertainty or permission, not a requirement.
- অনুমতি, ভবিষ্যৎ অনুমান/ সম্ভাবনা বোঝাতে Might + verb -এর base form ব্যবহৃত হয়।

ঘ) must be respect is grammatically incorrect.
- "Must" is a modal verb and should be followed by the base form of the verb ("respect").

Source:
1. A Passage to the English Language by S M Zakir Hussain.
2. Cambridge Dictionary.
3. Merriam-Webster Dictionary.

১২৮.
My friend opened a store _____ the street from the theater.
  1. on
  2. down
  3. across
  4. at
ব্যাখ্যা

• Complete sentence: My friend opened a store across the street from the theater.
- Bangla meaning: আমার বন্ধু থিয়েটারের পাশে রাস্তার অপর পাশে একটি দোকান খুলেছে।

• Across [preposition]
- English Meaning: on the opposite side of; from one side to the other side of, or at the other side of.
- Bangla Meaning: ওপারে; ওধারে; একদিক থেকে অন্যদিকে।

- ওপারে/ওধারে অর্থে preposition হিসেবে across ব্যবহৃত হয়।
- "Across" is the preposition that correctly indicates the location of the store to the street.
- When you're describing a location on the other side of the street, "across" is more commonly used.

- আবার, কোনো কিছুর এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে যাওয়া (যেমন: রাস্তা, নদী, মাঠ ইত্যাদি পার হওয়া) বোঝাতে across ব্যবহৃত হয়।
- যেমন: We walked across the bridge.

- আবার, কোনো স্থান বা দেশের সমগ্র অংশজুড়ে (in every part of a particular place or country) বোঝাতে across ব্যবহৃত হয়।
- যেমন: Voting took place peacefully across most of the country.

• অন্যদিকে,
- At/On: জায়গার নাম যদি street এর নামে হয়, তখন At বা On ব্যবহার করা যেতে পারে। 
- যেমন: He lives on Baker Street.

- Along: কোনো স্থানের দূরত্ব বরাবর পাশ দিয়ে বা ধার দিয়ে বোঝাতে along ব্যবহৃত হয়।
- যেমন: Walk along the road.

- Down: in or towards a low or lower position, from a higher on; along, around, through, toward, in, into, or on.
- অর্থাৎ, নিচে; নিম্নে; নিম্নাভিমুখে; নিচের দিকে ইত্যাদি অর্থে 'Down' preposition হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- যেমন: I slid down the hill.

Source:
1. Cambridge Dictionary.
2. Longman Dictionary.

১২৯.
Choose the correct sentence:
  1. Barely did she got back in bed when her alarm went off.
  2. Barely she had got back in bed when her alarm went off.
  3. Barely had she got back in bed when her alarm went off.
  4. Barely she got back in bed when her alarm went off.
ব্যাখ্যা

• Correct Sentence: Barely had she got back in bed when her alarm went off.
- Bangla Meaning: সে বিছানায় ফিরে আসতে না আসতেই তার অ্যালার্ম বেজে উঠল।

• Inversion of verb:
- প্রশ্ন করতে বা জোর প্রদান করতে বাক্যে subject এর পূর্বে verb ব্যবহৃত হওয়াকে Inversion of verb বলে।
- "Barely" একটি negative adverb (অর্থ: মাত্র), যা যখন বাক্যের শুরুতে আসে, তখন inversion হয়।

• Negative adverb -এর inversion:
- Negative adverb + Auxiliary verb + Subject + Principal verb + Extension.

- Negative adverb গুলো হলো- Hardly, Barely, Scarcely, Rarely, Seldom, Very seldom, Never, Never again, Never before, No sooner, No where, Neither, Nor, Little (negative), etc.

• More Examples:
- Nowhere will you find such a country.
- Seldom do we have goods returned to us because they are faulty

অন্যদিকে,
ক) Barely did she got back in bed when her alarm went off.
- "did" ব্যবহার হলে এর পরে verb এর base form বসে।
- Scarecely/Barely........when, যুক্ত বাক্যের গঠনে প্রথম অংশে past perfect এবং পরের অংশে past indefinite হয়।

খ) Barely she had got back in bed when her alarm went off.
- এখানে inversion হয়নি।"Barely" একটি negative adverb (অর্থ: মাত্র), যা যখন বাক্যের শুরুতে আসে, তখন inversion হয়।

ঘ) Barely she got back in bed when her alarm went off.
- এখানে inversion হয়নি এবং 'had' বাদ গেছে। 'she got back' না হয়ে "had she got back" হবে।

১৩০.
Find out the meaning of the following phrase: At length.
  1. Finally
  2. Far away
  3. Briefly
  4. Without thinking
ব্যাখ্যা

• The phrase 'At length' means- Finally.

• At length:
- English Meaning: at last: finally; fully, comprehensively; after a long time.
- Bangla Meaning: অবশেষে; দীর্ঘ সময় পর; বিস্তারিতভাবে।

• Ex. Sentence: We at length reached the top of the mountain.
- Bangla Meaning: অবশেষে আমরা পাহাড়ের চূড়ায় পৌঁছে গেলাম।

• Other options:
খ) Far away - অনেক দূরে।

গ) Briefly - সংক্ষেপে।

ঘ) Without thinking - চিন্তা না করেই।

Source: 
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Merriam-Webster Dictionary.

১৩১.
As soon as the sun rose, the birds began singing. (Negative)
  1. No sooner had the sun risen when the birds began singing.
  2. No sooner had the sun rose than the birds begun singing.
  3. No sooner had the sun risen than the birds began singing.
  4. No sooner had the sun risen than the birds begun singing.
ব্যাখ্যা

- Affirmative: As soon as she entered the room, she started crying.
- Negative: No sooner had the sun risen than the birds began singing.

• As soon as যুক্ত positive sentence কে Negative করতে হলে:
- প্রথমে As soon as এর জায়গায় No sooner had বসবে,
- প্রদত্ত Sentence এর subject বসবে,
- সে Sentence এর মূল verb এর past participle form বসে,
- sentence এর বাকী অংশ বসে + than + দ্বিতীয় বাক্য অপরিবর্তিত ভাবে বসে।

• More Examples:
- Affirmative: As soon as the thief saw the police, he ran away.
- Negative: No sooner had the thief seen the police than he ran away.

অন্যদিকে,
ক) No sooner had the sun risen when the birds began singing.
- 'No sooner had' এর সাথে than বসে, "when" নয়।

খ) No sooner had the sun rose than the birds begun singing.
- 'No sooner had' এর পরে past participle "risen" হবে "rose" নয়।

ঘ) No sooner had the sun risen than the birds begun singing.
- প্রথম অংশে 'No sooner had' থাকলে পরের অংশে (than এর পরে) past indefinite "began" হবে "begun" (past participle) নয়।

১৩২.
Antonym for 'status quo' is-
  1. Normality
  2. Irregularity
  3. Conventionality
  4. Vice versa
ব্যাখ্যা

• Antonym for 'status quo' is- Irregularity.

• Status quo (Noun)
- English Meaning: The present, normal, or conventional situation or condition; the existing state of affairs, especially regarding social or political issues.
- Bangla Meaning: বর্তমান অবস্থা; স্থিতাবস্থা।

• Given options:
ক) Normality -  নৈয়মিকতা।

খ) Irregularity - অবিধিতা; নিয়মবিরুদ্ধতা; অনিয়ম; বিধিবিরুদ্ধতা; অসমতা।

গ) Conventionality - প্রথাগত গুণ বা চরিত্র।

ঘ) Vice versa - (লাতিন) অপর পক্ষেও (অনুরূপ); শর্তাবলি উল্টে দিয়ে।

- 'Irregularity' অর্থ অনিয়মিত, অস্বাভাবিক, অথবা স্বাভাবিক প্যাটার্নের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ না হওয়ার অবস্থা। এটি সরাসরি একটি স্থিতিশীল, অপরিবর্তনীয় "স্থিতাবস্থা" ধারণার বিরোধিতা করে।
- সুতরাং, অপশন বিবেচনা করে দেখা যায় যে, Antonym for 'status quo' is- Irregularity.

Source: 
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Merriam-Webster Dictionary.

১৩৩.
Which of the following sentences is correct?
  1. He had better not to be forget to bring his ID.
  2. He had best not forget to bring his ID.
  3. He had better not to forget to bring his ID.
  4. He had best not forgetting to bring his ID.
ব্যাখ্যা

• Correct sentence: He had best not forget to bring his ID.

• Had better/had best:
- English Meaning: would be wise to.
- Bangla Meaning: বরং ভালো; বুদ্ধিমানের কাজ হবে।

• Had better/had best এর ব্যবহার: 
- তবুও/ বরং ভালো; উচিত অর্থে "Had better/had best" ব্যবহৃত হয় এবং এর পরে সর্বদা verb এর base form বসে।
- 'Had better' unreal past, ইহা present/future tense এর অর্থ প্রকাশ করে।
- কাউকে উপদেশ/সতর্ক করার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।

• Note: "had best" "had better," এর চেয়ে less common হলেও grammatically correct এবং একি অর্থ প্রকাশ করে।

• More examples:
- You had better to see a doctor.

অন্যদিকে,
ক) "He had better not to be forget.
- grammatically ভুল, কারণ had better এর পরে verb এর base form বসবে।

গ) "He had better not to forget.
- had better এর পরে infinitive বসবে না verb এর base form বসবে।

ঘ) "He had best not forgetting.
- ভুল, কারণ "forgetting" হলো gerund, কিন্তু এখানে base form দরকার।

১৩৪.
গার্দাফুই অন্তরীপ কোথায় অবস্থিত?
  1. চিলি
  2. ভারত
  3. স্পেন
  4. সোমালিয়া
ব্যাখ্যা

অন্তরীপ:
- ভূপৃষ্ঠের কোন অংশ ক্রমশ সরু হয়ে কোন জল-অংশে প্রবেশ করলে সেই সংকীর্ণ অংশকে অন্তরীপ বলা হয়।
-গার্দাফুই অন্তরীপ সোমালিয়ায় অবস্থিত।

এছাড়াও, 
- ট্রাফালগার অন্তরীপ : স্পেন
- উত্তমাশা অন্তরীপ : দক্ষিণ আফ্রিকা
- হর্ন অন্তরীপ : চিলি
- মরিস জেসাপ অন্তরীপ : গ্রিনল্যান্ড
- কন্যাকুমারী অন্তরীপ : ভারত।

সূত্র: ব্রিটানিকা ও ওয়ার্ল্ড অ্যাটলাস। 

১৩৫.
নিম্নের কোনটি ইউরোপ মহাদেশের দীর্ঘতম নদী হিসেবে বিবেচিত?
  1. ভলগা
  2. ওলগা
  3. মারে 
  4. দানিয়ুব
ব্যাখ্যা

ইউরোপ মহাদেশ:
- ইউরোপ মহাদেশ আয়তনের দিক থেকে বিশ্বের ষষ্ঠ বৃহত্তম মহাদেশ।
- এর আয়তন ৯৯ লক্ষ ২৮ হাজার ৫৯৯ বর্গকিলোমিটার।
- ইউরোপ মহাদেশের উত্তরে উত্তর মহাসাগর, দক্ষিণে ভুমধ্যসাগর ও কৃষ্ণসাগর, পূর্বে কাস্পিয়ান সাগর, ইউরাল নদী ও ইউরাল পর্বত এবং পশ্চিমে আটলান্টিক মহাসাগর অবস্থিত।
- আয়তনে বৃহৎ রাশিয়া (১,৭০,৭৫,৪০০ বর্গকিলোমিটার) এবং ক্ষুদ্রতম ভ্যাটিকান (০.৪৪ বর্গকিলোমিটার)।
- এশিয়া এবং ইউরোপ উভয় মহাদেশে রাশিয়ার অবস্থান হলেও এটি ইউরোপ মহাদেশের অন্তর্ভুক্ত।
- এ মহাদেশের দীর্ঘতম নদী ভলগা (৩,৫৩০ কিলোমিটার)।
- ইউরোপের শ্রেষ্ঠ শিল্প প্রধান দেশ যুক্তরাজ্য।
- এশিয়া এবং ইউরোপ মহাদেশকে একত্রে ইউরেশিয়া বলা হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা।

১৩৬.
নিম্নের কোনটির সাথে 'Ninety Degree East Ridge' সম্পর্কিত?
  1. ভূ-উপগ্রহ
  2. শৈলশিরা
  3. সাবমেরিন
  4. সমুদ্র খাত
ব্যাখ্যা

৯০° পূর্ব-শৈলশিরা (Ninety Degree East Ridge):
- এই শৈলশিরাটি বঙ্গোপসাগরের মাঝ বরাবর উত্তর থেকে দক্ষিণ দিকে প্রায় ৯০° পূর্ব দ্রাঘিমা বরাবর বিস্তৃত বলে একে ৯০° পূর্ব শৈলশিরা বলে।
- এটি বেঙ্গল শৈলশিরা নামেও পরিচিত।
- এই শৈলশিরা ১৫০° উত্তর অক্ষাংশ থেকে শুরু করে ৩০° দক্ষিণ অক্ষাংশ পর্যন্ত প্রায় ৫,০০০ কিলোমিটার দীর্ঘ।

উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৩৭.
 নিম্নের কোনটি মিঠাপানির জলমগ্ন বনভূমি?
  1. সুন্দরবন
  2. রাতারগুল
  3. শালবন
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা

 জলাবন বা জলমগ্ন বনভূমি:
- বাংলাদেশের মিঠাপানির একমাত্র জলাবন বা জলমগ্ন বনভূমি বা সোয়াম্প ফরেস্ট হলো রাতারগুল বনভূমি।
- এটি সিলেট জেলার গোয়াইনঘাট উপজেলায় অবস্থিত। রাতারগুলকে বাংলার আমাজন বলা হয়।
- রাতারগুলের মোট আয়তন প্রায় ২০৫ হেক্টর। এই বনের উদ্ভিদের মধ্যে হিজল, করচ, বরুন ও মুর্তা উল্লেখযোগ্য।
- শীতকাল ব্যতীত বছরের অন্যান্য সময় এ বন পানিতে নিমজ্জিত থাকে। মুর্তা বা রাতা উদ্ভিদের আধিক্যের জন্যে এই বন রাতারগুল নামে পরিচিত।

অন্যদিকে,
- সুন্দরবন হলো প্রাকৃতিক ম্যানগ্রোভ বা স্রোতজ বনভূমি। প্যারাবন হলো সৃজিত ম্যানগ্রোভ বনভূমি। শালবন একটি পত্রপতনশীল বনভূমি।

সূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও বন বিভাগ ওয়েবসাইট। 

১৩৮.
'সেন্দাই ফ্রেমওয়ার্ক' কোন বিষয়ের সাথে সংশ্লিষ্ট?
  1. ক্ষতিকর বর্জ্য ব্যবস্থাপনা
  2. দুর্যোগের ঝুঁকিহ্রাস
  3. জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলা
  4. জলাভূমির যথাযথ ব্যবহার
ব্যাখ্যা

সেন্দাই ফ্রেমওয়ার্ক:
- ২০১৫ সালের ১৪ থেকে ১৮ মার্চ জাপানের সেন্দাই শহরে অনুষ্ঠিত হয় জাতিসংঘের তৃতীয় দুর্যোগের ঝুঁকিহ্রাস বিষয়ক সম্মেলন। 
- এই সম্মেলনে দুর্যোগের ঝুঁকিহ্রাস সংক্রান্ত সেন্দাই ফ্রেমওয়ার্ক : ২০১৫-২০৩০ গৃহীত হয়।
- সেন্দাই ফ্রেমওয়ার্কে ২০৩০ সালের মধ্যে অর্জনের জন্যে সাতটি লক্ষ্য স্থির করা হয়।

• এগুলো হলো:
- বিশ্বব্যাপী দুর্যোগে মৃত্যুর সংখ্যা কমিয়ে আনা
- দুর্যোগের ফলে আক্রান্তের সংখ্যা হ্রাস করা
- দুর্যোগের আর্থিক ক্ষয়-ক্ষতি হ্রাস করা
- দুর্যোগের ফলে গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো ও জরুরি সেবাখাতের ক্ষয়-ক্ষতি হ্রাস করা
- জাতীয় ও স্থানীয় পর্যায়ে দুর্যোগের ঝুঁকিহ্রাস কৌশলের বিস্তৃতি
- উন্নয়নশীল দেশগুলোর মধ্যে দুর্যোগের ঝুঁকিহ্রাস বিষয়ে সহযোগিতা বৃদ্ধি করা
- দুর্যোগের পূর্বাভাস প্রযুক্তি ও পদ্ধতির উন্নয়ন, সম্প্রসারণ ও সহজলভ্যতা বৃদ্ধি।

সূত্র: জাতিসংঘ দুর্যোগ ঝুঁকিহ্রাস কার্যালয়। 

১৩৯.
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে নিম্নের কোনটি তুলনামূলক কম ব্যয়বহুল?
  1. অকাঠামোগত প্রশমন ব্যবস্থা
  2. নদী খনন
  3. আশ্রয়কেন্দ্র তৈরি 
  4. বেরিবাঁধ নির্মাণ
ব্যাখ্যা

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা:
- প্রাকৃতিক দুর্যোগকে পুরোপুরি নির্মূল করা সম্ভব না হলেও যথাযথ ব্যবস্থাপনার দ্বারা এর ক্ষতির পরিমাণ অনেকটাই কমিয়ে আনা সম্ভব।
- এ ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে কাঠামোগত ও অকাঠামোগত প্রশমন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।
- কাঠামোগত দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা যেমন: বেরিবাঁধ নির্মাণ, আশ্রয়কেন্দ্র তৈরি, নদী খনন ইত্যাদি খুবই ব্যয়বহুল যা অনুন্নত ও উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্যে উপযোগী নয়।
- গণসচেতনতা বৃদ্ধি, প্রশিক্ষণ প্রদান প্রভৃতি অকাঠামোগত প্রশমন ব্যবস্থা তুলনামূলক কম ব্যয়বহুল যা দরিদ্রদেশগুলোর জন্যে উপযোগী।

সূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেনি। 

১৪০.
নিম্নের কোনটি রূপান্তরিত শিলা?
  1. কয়লা
  2. চুনাপাথর
  3. গ্রানাইট
  4. নিস
ব্যাখ্যা

শিলা:
- আগ্নেয় ও পাললিক শিলা প্রচণ্ড চাপ, উত্তাপ, রাসায়নিক ক্রিয়া প্রভৃতির ফলে রূপ পরিবর্তন করে যে নতুন শিলায় পরিণত হয় তা রূপান্তরিত শিলা নামে পরিচিত।

বিভিন্ন রূপান্তরিত শিলা:
- কয়লা রূপান্তরিত হয়ে গ্রাফাইট, 
- চুনাপাথর রূপান্তরিত হয়ে মার্বেল, 
- বেলপাথর রূপান্তরিত হয়ে কোয়ার্টজাইট,
- গ্রানাইট রূপান্তরিত হয়ে নিস।

অন্যদিকে,
- গ্রানাইট : আগ্নেয় শিলা
- কয়লা ও চুনাপাথর : পাললিক শিলা।

সূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণি। 

১৪১.
নিম্নের কোথায় ল্যানোস ও প্যাম্পাস তৃণভূমি দেখা যায়?
  1. উত্তর আমেরিকা
  2. পূর্ব ইউরোপ 
  3. দক্ষিণ আমেরিকা
  4. অস্ট্রেলিয়া
ব্যাখ্যা

তৃণভূমি:
- ল্যানোস ও প্যাম্পাস হলো দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশে অবস্থিত দুটো তৃণভূমির নাম।
- তৃণভূমি হলো ঘাস দ্বারা আচ্ছাদিত সুবিস্তৃত ভূমি। সাধারণত স্বল্প বৃষ্টিপাতযুক্ত অঞ্চলে তৃণভূমি গড়ে উঠে।

পৃথিবীর বিখ্যাত কিছু তৃণভূমি:
- প্রেইরি উত্তর আমেরিকায় অবস্থিত।
- সাভানা আফ্রিকায় অবস্থিত।
- স্টেপ পূর্ব ইউরোপ ও মধ্য এশিয়ায় অবস্থিত।

সূত্র: ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক ও ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট। 

১৪২.
পৃথিবীতে চাপ বলয়ের সংখ্যা কতটি রয়েছে?
  1. ৭টি
  2. ৮টি
  3. ৫টি
  4. ৬টি
ব্যাখ্যা

 চাপ বলয়:
- পৃথিবীতে মোট চাপ বলয়ের সংখ্যা ৭টি। এর মধ্যে উচ্চচাপ বলয় চারটি এবং নিম্নচাপ বলয় তিনটি।
এগুলো হলো:
- নিরক্ষীয় নিম্নচাপ বলয়
- কর্কটীয় উচ্চচাপ বলয়
- মকরীয় উচ্চচাপ বলয়
- উত্তর মেরুবৃত্ত নিম্নচাপ বলয়
- দক্ষিণ মেরুবৃত্ত নিম্নচাপ বলয়
- উত্তর মেরু উচ্চচাপ বলয় এবং
- দক্ষিণ মেরু উচ্চচাপ বলয়।

সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক প্রাকৃতিক ভূগোল,নবম-দশম শ্রেণি। 

১৪৩.
নিম্নের কোনটি উঁচু উচ্চতার মেঘ?
  1. কিউম্যুলাস
  2. নিম্বাস
  3. স্ট্রেটাস
  4. সিরাস
ব্যাখ্যা

মেঘ:
- সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে উচ্চতার ভিত্তিতে মেঘকে তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে।
এগুলো হলো:

• উঁচু উচ্চতার মেঘ:
সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৬,০০০ মিটারের উর্ধ্বে অবস্থিত মেঘসমূহ উঁচু উচ্চতার মেঘ।
উঁচু উচ্চতার মেঘসমূহ হলো:
- সিরাস
- সিরোকিউম্যুলাস
- সিরোস্ট্রেটাস প্রভৃতি।

• মাঝারি উচ্চতার মেঘ:
সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ২,০০০ থেকে ৬,০০০ মিটার উচ্চতায় অবস্থিত মেঘসমূহ মাঝারি উচ্চতার মেঘ নামে পরিচিত।
মাঝারি উচ্চতার মেঘসমূহ হলো:
- অল্টোস্ট্রেটাস
- কিউম্যুলাসস্ট্রেটাস
- নিম্বোস্ট্রেটাস

• নিম্ন উচ্চতার মেঘসমূহ:
- সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ২,০০০ মিটার উচ্চতার মধ্যে অবস্থিত মেঘসমূহ নিম্ন উচ্চতার মেঘ নামে পরিচিত।
নিম্ন উচ্চতার মেঘসমূহ হলো:
- স্ট্রেটাস
- স্ট্রেটোকিউম্যুলাস
- কিউম্যুলাস
- কিউম্যুলোনিম্বাস।

সূত্র: বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা। 

১৪৪.
অধ্যাপক হল্যান্ডের মতে, আইনের কতটি উৎস রয়েছে?
  1. ৫টি
  2. ৬টি
  3. ৭টি
  4. উপরের কোনটিই  নয়
ব্যাখ্যা

• আইনের উৎস (Sources of Law):
- জন অস্টিনের মতে, আইনের উৎস একটি এবং তা হচ্ছে 'সার্বভৌমের আদেশ'।
-  অধ্যাপক হল্যান্ডের মতে, আইনের উৎস হলো ৬টি; যথা : (১) প্রথা, (২) ধর্ম, (৩) বিচারকের রায়, (৪) ন্যায়বিচার, (৫) বিজ্ঞানসম্মত আলোচনা, (৬) আইনসভা।
- ওপেনহাইম জনমতকেও আইনের উৎস বলে মনে করেছেন। কেননা জনমতের প্রভাবে অনেক সময় সরকার আইন প্রণয়ন বা প্রচলিত আইন পরিবর্তন ও সংশোধন করে থাকে।

সূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মো: মোজাম্মেল হক। 

১৪৫.
'আইন হচ্ছে আবেগহীন যুক্তি।' – এই সংজ্ঞাটি কে দিয়েছেন?
  1. থমাস হবস
  2. অ্যারিস্টটল
  3. ইমানুয়েল কান্ট
  4. জন অস্টিন
ব্যাখ্যা

আইন:
- সভ্য সমাজের মানদণ্ড হলো - আইনের শাসন।
- আইন শব্দটি ফার্সি শব্দ।
- সাংবিধানিক আইন বা বিধি-বিধানে সরকার পরিচালিত হয়।
- যুক্তিসিদ্ধ আচ্ছার অভিব্যক্তিই আইন উক্তিটি করেন - অ্যারিস্টটল।
- আইন হচ্ছে আবেগহীন যুক্ত উক্তিটি করেন - অ্যারিস্টটল
- ''Law is the passionless reason'' উক্তিটি করেন - অ্যারিস্টটল। 

অন্য দিকে,
- আইন হচ্ছে নিম্নতমের প্রতি ঊর্ধ্বতন রাজনৈতিক কর্তৃত্বের আদেশ উক্তিটি করেন - জন অস্টিন।
- আইনের সর্বজনগ্রাহ্য বা সর্বাপেক্ষা বিজ্ঞানসম্মত সংজ্ঞা প্রদান করেছেন - উড্রো উইলসন।
- রাষ্ট সৃষ্টির পূর্বেই আইনের জন্ম হয়েছে এই অভিমত ব্যক্ত করেন - হেনরি মেইন।

সূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মো: মোজাম্মেল হক।

১৪৬.
সভ্য সমাজকে বিচার করার প্রধান মানদণ্ড কোনটি?
  1. অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি
  2. আইনের শাসন
  3. প্রযুক্তিগত উন্নতি
  4. গণতন্ত্র
ব্যাখ্যা

আইন:
- সুশাসনের মূলভিত্তি হলো আইনের শাসন যা সভ্য সমাজকে বিচার করার প্রধান মানদন্ড। 
- আইনের শাসনের অর্থ আইনের চোখে সকলে সমান, কেউ আইনের উর্ধ্বে নয়।
- আইনের শাসন ব্যতীত সাম্য, স্বাধীনতা এবং মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠা লাভ করতে পারে না।

সূত্র: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম-দশম শ্রেণি।

১৪৭.
“Sociology is the science of society or of social phenomena.” – এই সংজ্ঞাটি sociology-র কে প্রদান করেছে?
  1. কার্ল মার্কস
  2. এল এফ ওয়ার্ড
  3. লর্ড ব্রাইস
  4. ম্যাক্স ওয়েবার
ব্যাখ্যা

সুশাসন:
- পৌরনীতি ও সুশাসন সমাজবিজ্ঞানের একটি শাখা হিসেবে নাগরিকের আচার-আচরণ, রীতি- নীতি, নাগরিকের অধিকার ও কর্তব্য, রাষ্ট্রের শাসন প্রণালীসহ নাগরিকের সামগ্রিক বিষয়াবলি সম্বন্ধে আলোচনা করে।
- সমাজবিজ্ঞান সম্পর্কে এল এফ ওয়ার্ড (L.F. Ward) বলেন, "Sociology is the science of society or of social phenomena.”

অন্যদিকে,
- রাষ্ট্রবিজ্ঞানী লর্ড ব্রাইস সুনাগরিকের ৩টি গুণাবলির উল্লেখ করেছেন। এগুলো হলো: বুদ্ধি, বিবেক এবং আত্মসংযম।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা  এসএসসি প্রোগ্রাম, ও পৌরনীতি ও সুশাসন, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৪৮.
মূল্যবোধ শিক্ষা ও সুশাসনের ধারণা পরস্পরের ______
  1. প্রতিদ্বন্দ্বী
  2. অসংলগ্ন
  3. সম্পূরক
  4. পৃথক
ব্যাখ্যা

জাতীয় উন্নয়ন:
- দেশের সার্বিক উন্নয়ন বা জাতীয় উন্নয়নের জন্যে মূল্যবোধ শিক্ষা ও সুশাসন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
- মূল্যবোধ শিক্ষা ও সুশাসনের ধারণা পরস্পরের সম্পূরক।
- সুশাসন ও মূল্যবোধ শিক্ষার ধারণা উভয়ই মানবজাতির জন্য ইতিবাচক।
- মূল্যবোধ শিক্ষা ও সুশাসনের সমন্বিত প্রয়োগ একটি জাতির রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নকে ত্বরান্বিত করে। যেমন-

• রাজনৈতিক উন্নয়ন:
মূল্যবোধ শিক্ষা রাজনৈতিক নেতাদের নৈতিকতা ও দায়িত্ববোধ গড়ে তোলে। সুশাসনের ফলে গণতন্ত্র শক্তিশালী হয়, দুর্নীতি কমে, এবং জনগণের অধিকার ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিত হয়।

• অর্থনৈতিক উন্নয়ন:
সুশাসনের ফলে বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরি হয়, দুর্নীতি হ্রাস পায় এবং ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসার ঘটে, যা দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বাড়ায়।

• সামাজিক উন্নয়ন:
মূল্যবোধ শিক্ষা ও সুশাসন সমাজে ন্যায়বিচার, সামাজিক সমতা, আইন-শৃঙ্খলা, এবং নাগরিকদের অধিকার নিশ্চিত করে। এটি সামাজিক স্থিতিশীলতা ও শান্তি বজায় রাখে।

সূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় : নবম-দশম শ্রেণি এবং উচ্চমাধ্যমিক পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম-পত্র। 

১৪৯.
ই-গভর্নেন্সের ফলে কী কী সুফল অর্জিত হয়?
  1. সুশাসন প্রতিষ্ঠা পায়
  2. সরকারের স্বচ্ছতা বৃদ্ধি পায়
  3. সরকারের দক্ষতা বৃদ্ধি পায়
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

• ই-গভর্নেন্স:
-  ইন্টারনেটের মাধ্যমে বিভিন্ন তথ্য ও সেবা জনগণের নিকট পৌঁছানোকেই ই-গভর্নেন্স বলে।
- ই-গভর্নেন্স এর পূর্ণরূপ ইলেকট্রনিক গভর্নেন্স।

• লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য:
- ই-গভর্নেন্সের মূল লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য হচ্ছে সুশাসন প্রতিষ্ঠা করা।
- ই-গভর্নেন্সের ফলে সরকারের স্বচ্ছতা বৃদ্ধি পায়।
- ই-গভর্নেন্সের ফলে সরকারের দক্ষতা বৃদ্ধি পায়।
- ই-গভর্নেন্সের ফলে সরকারের জবাবদিহিতা বৃদ্ধি পায়।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।

১৫০.
লর্ড ব্রাইসের মতে সুনাগরিকের গুণাবলী হলো— বুদ্ধি, আত্মসংযম এবং আর কোন গুণ?
  1. বিবেক 
  2. প্রজ্ঞা
  3. নিষ্ঠা
  4. জ্ঞান
ব্যাখ্যা

সুনাগরিক:
- সুনাগরিক ছাড়া সমাজ সুন্দর ও সার্থক হতে পারে না।
- তবে লর্ড ব্রাইস প্রদত্ত উপাদানগুলোই এ পর্যন্ত সবেচেয়ে গ্রহণযোগ্য।
- তিনি মনে করেন কোন নাগরিক সুনাগরিক হিসেবে পরিগণিত হবে যদি তিনটি গুণ যথা- (১) বুদ্ধি (২) আত্মসংযম (৩) বিবেক থাকে।
-  অধ্যাপক ই, এম, হোয়াইটের মতে সুনাগরিকের গুণাবলী হলো− জ্ঞান, প্রজ্ঞা ও নিষ্ঠা।

উৎস: সিভিক এডুকেশন-১ এবং পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৫১.
‘খ্যাতি বা সম্মান অর্জনের অধিকার’ কোন শ্রেণির অধিকার হিসেবে বিবেচিত হয়?
  1. সাংস্কৃতিক অধিকার
  2. আইনগত অধিকার
  3. সামাজিক অধিকার
  4. রাজনৈতিক অধিকার
ব্যাখ্যা

সামাজিক অধিকার
- যে সকল অধিকার নাগরিকের সভ্য জীবযাপনের জন্য অপরিহার্য তাকেই সামাজিক অধিকার বলে।  
- সামাজিক অধিকার সমূহ নিম্নরূপ:
i. জীবনের অধিকার,
ii. ব্যক্তি স্বাধীনতার অধিকার,
iii. চিন্তা ও মত প্রকাশের স্বাধীনতা,
iv. সভা-সমিতির অধিকার, 
v. খ্যাতি বা সম্মান লাভের অধিকার ইত্যাদি । 

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন প্রথমপত্র , একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি , মো: মোজাম্মেল হক।

১৫২.
সুশাসনের স্তম্ভ হিসেবে ‘দায়িত্বশীলতা, স্বচ্ছতা, আইনি কাঠামো ও অংশগ্রহণ’—এই নীতি কোন আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান প্রবর্তন করেছিল? 
  1. জাতিসংঘ
  2. এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক
  3. আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল
  4. বিশ্বব্যাংক
ব্যাখ্যা

 বিশ্বব্যাংক:
- বিশ্বব্যাংকের মতে, ‘Governance is the manner in which power is exercised in the management of a countries economic and social resources for development.’
- সুশাসন এমন এক প্রক্রিয়া যেখানে রাজনৈতিক কর্তৃত্ব ও প্রাতিষ্ঠানিক সম্পদ সমাজের সমস্যা ও চাহিদা পূরণে ব্যবহৃত হয়।
-  বিশ্বব্যাংক সর্বপ্রথম সুশাসনের ধারণা দেয় ১৯৮৯ সালে।

এছাড়াও,
- ১৯৯২ সালে সর্বপ্রথম সুশাসনের সংজ্ঞা প্রদান করে।
- ২০০০ সালে বিশ্বব্যাংক সুশাসনের চারটি স্তম্ভ ঘোষণা করে।
- চারটি স্তম্ভ হল:-দায়িত্বশীলতা, স্বচ্ছতা, আইনি কাঠামো, অংশগ্রহণ।

উৎস: বিশ্বব্যাংকের ওয়েবসাইট এবং পৌরনীতি ও সুশাসন, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ।