পরীক্ষা আর্কাইভ

ডেইলি কুইজ [১৪০ দিনের রুটিনের অংশ]

পরীক্ষাডেইলি কুইজ [১৪০ দিনের রুটিনের অংশ]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়07 minutes
মোট প্রশ্ন১০
সিলেবাস
বিষয় - আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি টপিকসমূহ: ১. বৈশ্বিক ইতিহাস: [প্রাচীন সভ্যতা ও সাম্রাজ্যসমূহ, গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাবলী (যুদ্ধ ও বিপ্লব, বিভিন্ন দেশের সংস্কার আন্দোলন ইত্যাদি), ধর্মসমূহের ইতিহাস এবং ইতিহাসের উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিবর্গ [শুধুমাত্র গুরুত্বপূর্ণ তথ্যগুলো পড়ুন। এই টপিক সারাজীবন পড়েও শেষ হবে না।] ২. আন্তর্জাতিক পরিবেশগত ইস্যু ও কূটনীতি: [পরিবেশ বিষয়ক আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক চুক্তিসমূহ] ------------- নির্দেশনা: ১. এই রুটিনে সারাবছর জুড়ে পরীক্ষা চলমান থাকে। আজ বা যেকোন সময় পরীক্ষা শুরু করা হলেও নির্দিষ্ট সময়ে পুরো সিলেবাস সম্পন্ন হবে। ২. এই পরীক্ষাটি "Award Mania: Season - 9” এর জন্য প্রযোজ্য ।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ডেইলি কুইজ [১৪০ দিনের রুটিনের অংশ]

ডেইলি কুইজ [১৪০ দিনের রুটিনের অংশ] · তারিখ অনির্ধারিত · ১০ প্রশ্ন

.
কোন আইন ‘ডিউটোরোনোমিক কোড’ নামে পরিচিত?
  1. হাম্বুরাবী আইন
  2. হিব্রু আইন
  3. রোমান আইন
  4. অ্যাসেরীয় আইন
ব্যাখ্যা
হিব্রু সভ্যতা:
- হিব্রু সভ্যতা হলো বর্তমানের ফিলিস্তিন ও ইসরাইল অঞ্চলকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠা একটি প্রাচীন সভ্যতা।
- হিব্রু সভ্যতা জেরুজালেম নগরকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠে।
- হিব্রু মূলত ভাষার নাম, অর্থ যাযাবর বা নিম্ন শ্রেণি।
- জাতিগতভাবে হিব্রু সভ্যতার লোকজন একটি মিশ্র জাতি।
- প্রধান ধর্মীয় নেতা: হযরত মূসা (আ)।
- হিব্রুদের আদি পুরুষ ইব্রাহিম (আ:)।
- হিব্রু দেবতা যেহোভা।
- পৃথিবীর প্রাচীন ভাষা হিব্রু ভাষা।
- হিব্রু জাতি বর্তমানে ইজরাইলে বসবাস করে।
- হিব্রু সভ্যতার অবদান ধর্ম প্রচার।
- হিব্রুদেরও আইন অনেকটা হাম্মুরাবীর আইনের দ্বারা প্রভাবিত।
- ব্যাবিলনীয় আইনের অনুকরণে তারা যে আইন তৈরী করে তা 'ডিউটোরোনোমিক কোড' নামে পরিচিত ছিল।

উৎস: i) Britannica.
ii) ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
'বায়তুল হিকমাহ' কোথায় অবস্থিত?
  1. তেহরান
  2. কায়রো
  3. বাগদাদ
  4. আলেকজান্দ্রিয়া
ব্যাখ্যা
বায়তুল হিকমা:
- বায়তুল হিকমা একটি জ্ঞানচর্চাকেন্দ্র।
- মধ্যযুগে বিশ্বের সবচেয়ে বড় বইয়ের ভাণ্ডার ছিল ইরাকের বাগদাদে।
- নাম ছিল বায়তুল হিকমা বা হাউস অব উইজডম।
- বায়তুল হিকমা (House of Wisdom) প্রতিষ্ঠা করেছিলেন আব্বাসীয় খলিফা হরুন আল-রশিদ (৭৮৬–৮০৯ খ্রি.)।
- তবে এর মূল প্রতিষ্ঠা ও বিকাশ ঘটেছিল তার পুত্র খলিফা আল-মামুনের শাসনামলে (৮১৩–৮৩৩ খ্রি.)।
- খলিফা আল-মামুন ৮৩০ খ্রিষ্টাব্দে সেটির পূর্ণতা দান করেন।

⇒ গণিত, জ্যোতির্বিদ্যা, চিকিৎসাবিজ্ঞান, রসায়ন, প্রাণিবিদ্যা, ভূগোল ও মানচিত্র অঙ্কনবিদ্যা বেশি চর্চা হতো এখানে।
- ভারতীয়, গ্রিক ও পারস্যের অমূল্য গ্রন্থ সংগ্রহের ওপর জোর দেওয়া হতো।
- সংগ্রহের পর সেগুলো অধ্যয়ন ও আলোচনা চলত দিনের পর দিন।
- অনুবাদ করার কাজও চলত সমানতালে।

⇒ এটি অষ্টম শতাব্দীতে নির্মিত।
- বর্তমান ইরাকের বাগদাদে বায়তুল-হিকমা অবস্থিত।
- অনুবাদকেন্দ্র হিসেবে যাত্রাপথ শুরু হলেও ক্রমেই তা গবেষণাকেন্দ্র, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও মানমন্দিরে পরিণত হয়েছিল।
- এটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল আব্বাসীয় শাসনামলে।

উৎস: Britannica.
.
একমাত্র মার্কিন প্রেসিডেন্ট যিনি পদত্যাগ করেছিলেন -
  1. আব্রাহাম লিঙ্কন
  2. মার্টিন লুথার কিং
  3. রিচার্ড নিক্সন
  4. হ্যারি এস ট্রুম্যান
ব্যাখ্যা
রিচার্ড নিক্সন:
- রিচার্ড নিক্সন ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের ৩৭তম প্রেসিডেন্ট।
- তিনি ‘ওয়াটার গেট’ কেলেঙ্কারীর সাথে জড়িত ছিলেন এবং একমাত্র মার্কিন প্রেসিডেন্ট যিনি পদত্যাগ করেছিলেন

অন্যদিকে -
- আব্রাহাম লিঙ্কন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ১৬তম রাষ্ট্রপতি। তিনি যুক্তরাষ্ট্র থেকে ১৮৬৩ সালে ক্রীতদাস প্রথা বিলুপ্ত করেন।
- মার্টিন লুথার কিং ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের নিগ্রোদের অধিকার আদায়ে আন্দোলনের অহিংসবাদী নেতা।
- ৬ ও ৯ আগস্ট, ১৯৪৫ জাপানের হিরোশিমা ও নাগাসাকি শহরে যুক্তরাষ্ট্র প্রথম লিটলবয় ও ফ্যাটম্যান নামের পারমাণবিক বোমা নিক্ষেপ করে। ৩৩তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট হ্যারি এস ট্রুম্যান এই পারমাণবিক বোমা বর্ষণের নির্দেশ দেন।

উৎস: History Channel.
.
মধ্যপ্রাচ্যে কখন প্রথম তেলঅস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছিল?
  1. ১৯৪৮ সালে
  2. ১৯৫৬ সালে
  3. ১৯৬৭ সালে
  4. ১৯৭৩ সালে
ব্যাখ্যা
তেল অস্ত্র:
- ১৯৭৩ সালের আরব-ইসরায়েল যুদ্ধে যখন যুক্তরাষ্ট্র ইসরায়েলের সমর্থনে বিমানযোগে অস্ত্র পাঠাতে শুরু করলো তখন মধ্যপ্রাচ্যের তেলসমৃদ্ধ দেশগুলো পাল্টা অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করেছিল তেলকেই।
- তারা তখন তেলের উৎপাদন কমিয়ে দেয় এবং তেলের দাম বাড়িয়ে দেয়।
- তারা ইসরায়েলকে সামরিক সহায়তাদানকারী সব দেশে তেল সরবরাহ কমিয়ে দেয়।
- ১৯৭৩ সালে ইরাকের তেল সংক্রান্ত ফেডারেল আন্ডার সেক্রেটারি ছিলেন ড. ফাদিল চালাবি।
- তিনি বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেয়, তেল উৎপাদনকারী দেশগুলো একতরফাভাবে তেলের দাম নির্ধারণ করবে।
- এতে তেল কোম্পানিগুলোর কোন ভুমিকাই থাকবে না।

⇒ তেল অবরোধ:
- বড় বড় তেলক্ষেত্রগুলো ছিল সৌদি আরব, ইরাক, ইরান, কুয়েত এসব মধ্যপ্রাচ্যের দেশে।
- কিন্তু সেই তেল উত্তোলন করছিল সেই বড় পশ্চিমা কোম্পানিগুলো, তেলের দামও নির্ধারণ করছিল তারাই।
- আরব-ইসরায়েল যুদ্ধে যখন যুক্তরাষ্ট্র ইসরায়েলের সমর্থনে বিমানযোগে অস্ত্র পাঠাতে শুরু করলো তখন মধ্যপ্রাচ্যের তেলসমৃদ্ধ দেশগুলো পাল্টা অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করেছিল তেলকেই।
- তারা কমিয়ে দিল তেলের উৎপাদন, বাড়িয়ে দিল তেলের দাম, আর ইসরায়েলকে সামরিক সহায়তাদানকারী সব দেশে তেল সরবরাহ কমিয়ে দিল।
- ১৯৭৩ সালে তেল রপ্তানিকারী আরব দেশগুলো যুক্তরাষ্ট্রসহ বেশ কিছু শিল্পোন্নত দেশের বিরুদ্ধে তেল নিষেধাজ্ঞা জারি করে।
- তারা ঠিক করলো, তেল উৎপাদনকারী দেশগুলোই তেলের দাম নির্ধারণ করবে।
- আরব-ইসরায়েল যুদ্ধে ইসরায়েলকে সমর্থন দেয়ায় তারা এই পদক্ষেপ নিয়েছিল।
- এর পরিণামে বিশ্ববাজারে তেলের দাম বেড়ে গিয়েছিল কয়েকগুণ।
- এর সুদুরপ্রসারী প্রভাব পড়েছিল বিশ্ব রাজনীতি এবং অর্থনীতিতে।
- এভাবেই আরবরা তেল অবরোধ করে।

উৎস: i) World Atlas.
ii) BBC.
.
সিনহাই বিপ্লবের মাধ্যমে কে চীনের ক্ষমতায় আসীন হয়?
  1. সান ইয়েৎ সেন
  2. মাও সেতুং
  3. চিয়াং কাইশেক
  4. খো চি মিন
ব্যাখ্যা
সিনহাই বিপ্লব:
- সিনহাই বিপ্লব যা চীনে 'Xinhai Revolution' হিসেবে পরিচিত।
- এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক আন্দোলন ছিল যা চিং রাজবংশের (Qing Dynasty) এর পতন ঘটিয়ে চীনে প্রথম প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করে।
- এই বিপ্লবের ফলে চীনে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯১১ সালের ১০ অক্টোবর এই বিপ্লব শুরু হয় যা ১৯১২ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সংঘটিত হয়।

⇒ ১৯১১ সালের অক্টোবরে সান ইয়েৎ সেনের নেতৃত্বে চীনে প্রজাতান্ত্রিক বিপ্লব সংঘটিত হয়।
- সান ইয়েৎ সেন ছিলেন চীন প্রজাতন্ত্রের প্রথম প্রেসিডেন্ট।

⇒ চিং রাজবংশ ছিল চীনের শেষ সামন্ততান্ত্রিক রাজবংশ যা ১৬৪৪ থেকে ১৯১২ সাল পর্যন্ত শাসন করেছিল।
- জনগণের মধ্যে রাজবংশের শাসন ও শোষণের বিরুদ্ধে ক্ষোভ ছিল।
- চিং রাজবংশের শেষ সম্রাট পু ই স্বীকার করেন যে রাজবংশের শাসন অব্যাহত রাখার কোনও সম্ভাবনা নেই।
- এর ফলে, চীনের প্রথম প্রেসিডেন্ট হিসেবে সান ইয়েৎ-সেন নির্বাচিত হন।
- চিং রাজবংশের পতনের সাথে সাথে চীনে সাম্রাজ্যবাদী শক্তির আধিপত্য কমে আসে।

উৎস: Britannica.
.
ভারতের কোন রাজ্যে নকশাল আন্দোলনের সূত্রপাত ঘটে?
  1. মণিপুর
  2. পশ্চিমবঙ্গ
  3. আসাম
  4. অরুণাচল প্রদেশ
ব্যাখ্যা
নকশাল আন্দোলন:
- নকশাল আন্দোলন একটি কমিউনিস্ট আন্দোলন।
- নকশাল বা নকশালবাদী বলতে উগ্র বামপন্থী দলগুলোকে নির্দেশ করা হয়।
- ১৯৬৭ সালে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের শিলিগুড়ি জেলার নকশালবাড়ি গ্রামে পুলিশের সাথে কৃষক ও আদিবাসীদের সংঘর্ষের মাধ্যমে নকশালবাড়ি বা নকশাল আন্দোলনের সূত্রপাত ঘটে।
- পরবর্তীতে এ আন্দোলন বিহার, উড়িষ্যা, ছত্তিসগড়, অন্ধপ্রদেশ, মধ্যপ্রদেশ, মহারাষ্ট্র প্রভৃতি রাজ্যে ছড়িয়ে পড়ে।
- এ আন্দোলনের নেতৃত্ব দেন কমিউনিস্ট নেতা চারু মজুমদার, কানু স্যানাল, জঙ্গল সাঁওতাল প্রমুখ।

⇒ নকশালপন্থীরা মাও সেতুং এর অনুসারী।
- এরা ছিলো উগ্র বামপন্থী যারা সশস্ত্র লড়াইয়ের মাধ্যমে ভারতে কমিউনিস্ট শাসনব্যবস্থা কায়েম করতে সচেষ্ট।

উল্লেখ্য,
- বর্তমানে নকশাল আন্দোলন অনেকটাই স্তিমিত।

উৎস: Britannica.
.
বেনজির ভুট্টো কে ছিলেন?
  1. বিশ্বের প্রথম মহিলা প্রেসিডেন্ট
  2. বিশ্বের প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রী
  3. মুসলিম বিশ্বের প্রথম নারী প্রেসিডেন্ট
  4. মুসলিম বিশ্বের প্রথম নির্বাচিত নারী প্রধানমন্ত্রী
ব্যাখ্যা
বেনজির ভুট্টো:
- মুসলিম বিশ্বের প্রথম নির্বাচিত নারী প্রধানমন্ত্রী বেনজির ভুট্টো।
- বেনজির ভুট্টোর জন্ম ১৯৫৩ সালের ২১ জুন, করাচিতে।
- বেনজির ভুট্টো ছিলেন জুলফিকার আলি ভুট্টোর কন্যা।
- জুলফিকার আলি ভুট্টো ১৯৭১ থেকে ১৯৭৭ সাল পর্যন্ত পাকিস্তানের নেতা ছিলেন।
- প্রতিপক্ষের এক নেতাকে খুনের অভিযোগে ১৯৭৯ সালে জুলফিকার আলী ভুট্টোর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হলে বেনজির ভুট্টো মাত্র ২৬ বছর বয়সে পাকিস্তান পিপলস পার্টির (পিপিপি) দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
- ১৯৮৮ সালে অনুষ্ঠিত সাধারণ নির্বাচনে বেনজির ভুট্টোর নেতৃত্বাধীন পিপিপি জয়ী হলে তিনি মাত্র ৩৫ বছর বয়সে প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন।
- তিনি ১৯৮৮-৯০ এবং ১৯৯৩-৯৬ সালে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হিসাবে দুটি মেয়াদে দায়িত্ব পালন করেন।

উল্লেখ্য,
- ২০০৭ সালের ২৭ ডিসেম্বর এক আত্মঘাতী বোমা হামলায় বেনজির ভুট্টো নিহত হন।

অন্যদিকে -
- বিশ্বের প্রথম মহিলা প্রেসিডেন্ট ইসাবেলা পেরন।
- মুসলিম বিশ্বের প্রথম নারী প্রেসিডেন্ট মেঘবর্তী সুকর্নপুত্রী।
- বিশ্বের প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রী শ্রীমাভো বন্দরানায়েক।

উৎস: Britannica.
.
কিউবান বিপ্লব কোন শাসকের পতন ঘটায়?
  1. ফুলগেনসিও বাতিস্তা
  2. চে গুয়েভারা
  3. ফিদেল কাস্ত্রো
  4. অগাস্তো পিনোশে
ব্যাখ্যা
কিউবা বিপ্লব:
- কিউবার বিপ্লবী মহানায়ক ফিদেল কাস্ত্রো।
- কিউবার তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ফুলগেনসিও বাতিস্তা ও কিউবার ওপর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাবের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়ে বিপ্লবের ময়দানে সক্রিয় হন কাস্ত্রো।
- তার প্রথম পদক্ষেপ ছিল মেক্সিকো থেকে কিউবায় আক্রমণ চালানো।

⇒ ১৯৫৬ সালের ২৫ নভেম্বর ফিদেল কাস্ত্রো ও তার বিপ্লবী সহযোগীরা কিউবার উদ্দেশে যাত্রা শুরু করেন।
- পৌঁছানোর সঙ্গে সঙ্গেই বাতিস্তার সেনাবাহিনীর আক্রমণে নাস্তানাবুদ হন।
- শুরুর দিকেই তাকে কারাবন্দী করে বাতিস্তা সরকার।
- কিউবার মানুষের মুক্তির জন্য গেরিলা যুদ্ধে নামেন কাস্ত্রো।
- এরই মধ্যে চে গুয়েভারার সঙ্গে ফিদেল কাস্ত্রোর গেরিলা যুদ্ধে পরিকল্পনা আরও বিস্তৃতি পায়।
- ফিদেল কাস্ত্রো তাকে গ্রেনেড তৈরির কারখানা, রুটি বানানোর জন্য চুল্লি প্রস্তুত এবং নিরক্ষর সঙ্গীদের লেখাপড়ার জন্য স্কুল তৈরির দায়িত্ব দেন।
- বিখ্যাত টাইম ম্যাগাজিন তিন বছর পর চে গুয়েভারাকে ‘কাস্ত্রোর মস্তিষ্ক’ বলে আখ্যায়িত করেছিল।
- সংগঠিত হয়ে কাস্ত্রোর বিপ্লবী বাহিনী গেরিলা যুদ্ধে আরও সক্রিয় হয়ে ওঠে।
- আচমকা হামলায় বাতিস্তা সরকার পর্যুদস্ত হয়ে পড়ে।
- সিয়েরা পর্বতমালা, শহর পেরিয়ে তারা হাভানায় ঢুকে পড়লে বাতিস্তা সরকার পালিয়ে যায়।
- জয়ী হন কাস্ত্রো, জয় হয় বিপ্লবের।
- বিপ্লবের নেতা, ফিদেল কাস্ত্রো, ১৯৫৯ থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত কিউবা শাসন করেছিলেন।
- এই বিপ্লব ফুলগেনসিও বাতিস্তার পতন ঘটায়।

উৎস: Britannica.
.
'ডেজার্ট ফক্স' নামে পরিচিত কে?
  1. জোসেফ স্ট্যালিন
  2. ফ্রাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট
  3. ফিল্ড মার্শাল রোমেল
  4. প্রিন্স বিসমার্ক
ব্যাখ্যা
ফিল্ড মার্শাল রোমেল:
- ফিল্ড মার্শাল এরউইন রোমেল (Erwin Rommel) ছিলেন নাজি জার্মানির একজন বিখ্যাত সেনা কমান্ডার।
- তিনি ইতিহাসে ‘ডেজার্ট ফক্স’ বা ‘মরুভূমির শিয়াল’ নামে খ্যাত।

উল্লেখ্য,
- তার বিশেষ খ্যাতি ছিল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় আফ্রিকায়, বিশেষত উত্তর আফ্রিকায়, জার্মান আফ্রিকা কর্পসের (German Afrika Korps) নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য।
- রোমেল ১৯১০ সালে জার্মানির সেনাবাহিনীতে যোগ দেন এবং দ্রুতই তার কৌশলগত দক্ষতা এবং নেতৃত্বের জন্য পরিচিতি লাভ করেন।
- এই কারণেই তিনি 'ডেজার্ট ফক্স' নামে পরিচিত হয়ে উঠেন।

এছাড়াও,
- রোমেল যুদ্ধের শেষের দিকে হিটলারের নীতির বিরোধিতা করতে শুরু করেন এবং ১৯৪৪ সালে তাকে সামরিক ষড়যন্ত্রে জড়িত থাকার অভিযোগে আত্মহত্যার জন্য চাপ দেওয়া হয়।
- তার মৃত্যু আত্মহত্যা হিসেবে ঘোষণা করা হয়, যদিও এটি এক ধরনের চাপ বা ষড়যন্ত্র ছিল।
- ১৪ অক্টোবর, ১৯৪৪-এ বিষ খেয়ে আত্মহত্যা করার অনুমতি দেওয়া হয়েছিল।
- রোমেলকে তার দক্ষতা, সাহসিকতা এবং কৌশলগত চিন্তাভাবনার জন্য স্মরণ করা হয়।

উৎস: Britannica.
১০.
প্যারিস জলবায়ু চুক্তিতে অংশগ্রহণকারী দেশগুলো বৈশ্বিক উষ্ণতা কত ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখতে সম্মত হয়েছিলো?
  1. ০.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস
  2. ১.০ ডিগ্রি সেলসিয়াস
  3. ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস
  4. ২.০ ডিগ্রি সেলসিয়াস
ব্যাখ্যা
প্যারিস জলবায়ু চুক্তি-২০১৫:
- প্যারিস জলবায়ু চুক্তি একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি।
- ২০১৫ সালের ৩০ নভেম্বর থেকে ১২ ডিসেম্বর প্যারিসে কপ–২১ সম্মেলনে স্বাক্ষরিত হয়।
- চুক্তিটি কার্যকর হয় ৪ নভেম্বর ২০১৬।

⇒ চুক্তির গুরুত্বপূর্ণ উপাদান:
- বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি ২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কম করা।
- গাছ, মাটি ও সমুদ্র প্রাকৃতিকভাবে যতটা শোষণ করতে পারে, ২০৫০ সাল থেকে ২১০০ সালের মধ্যে কৃত্রিমভাবে গ্রিনহাউজ গ্যাসের নিঃসরণ সেই পর্যায়ে নামিয়ে আনা।
- প্রতি ৫ বছর অন্তর ক্ষতিকর গ্যাস নিঃসরণ রোধে প্রত্যেকটি দেশের ভূমিকা পর্যালোচনা করা।
- জলবায়ু পরিবর্তনের সাথে মানিয়ে নিতে এবং নবায়নযোগ্য শক্তি ব্যবহার নিশ্চিত করতে গরিব দেশগুলোকে ধনী দেশগুলোর ‘জলবায়ু তহবিল’ দিয়ে সাহায্য করা।

উৎস: UNFCCC ওয়েবসাইট।