পরীক্ষা আর্কাইভ

ফ্রি সাপ্তাহিক মডেল টেস্ট

পরীক্ষাফ্রি সাপ্তাহিক মডেল টেস্টতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়01 hr 30 mins
মোট প্রশ্ন১৮৩
সিলেবাস
"Award Mania: Season - 16” এর জন্য প্রযোজ্য -------------------------------------------- Live MCQ ফ্রি সাপ্তাহিক ফুল মডেল টেস্ট: বিসিএসের সম্পূর্ণ সিলেবাসের উপর ২০০ নাম্বারের ফুল মডেল টেস্ট। [Live MCQ - তে প্রতি শুক্রবার সবার জন্য ফ্রি একটি ফুল মডেল টেস্ট অনুষ্ঠিত হয়।]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ফ্রি সাপ্তাহিক মডেল টেস্ট

ফ্রি সাপ্তাহিক মডেল টেস্ট · তারিখ অনির্ধারিত · ১৮৩ প্রশ্ন

.
রোমান কাব্য 'হেরোইদাইদস' অনুসরণে মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত কাব্য কোনটি?
  1. ব্রজাঙ্গনা কাব্য
  2. তিলোত্তমাসম্ভব কাব্য
  3. বীরাঙ্গনা কাব্য
  4. মেঘনাদবধ কাব্য
সঠিক উত্তর:
বীরাঙ্গনা কাব্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বীরাঙ্গনা কাব্য
ব্যাখ্যা

• 'বীরাঙ্গনা কাব্য':
- 'বীরাঙ্গনা কাব্য' মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত পত্রকাব্য। এটি ১৮৬২ সালে প্রকাশিত হয়।
- পত্রাকারে এ ধরনের কাব্য বাংলা সাহিত্যে এটাই প্রথম।
- রোমান কাব্য 'হেরোইদাইদস' কাব্যের অনুসরণে 'বীরাঙ্গনা' কাব্যগ্রন্থটি বাংলায় রচিত।
এই কাব্যে মোট ১১টি পত্র আছে।

-পৌরাণিক নারীরা মধুসূদনের হাতে যেন আধুনিক মানুষ হিসেবে পুনর্জাগরিত হয়ে নিজেদের প্রণয় কামনা ইত্যাদি প্রকাশ করেছে এই কাব্যে। বীরাঙ্গনা (১৮৬২) পত্রকাব্যের নায়িকাদের দিকে তাকালে এ কথার সত্যতা উপলব্ধি করা যাবে। এখানে জনা, কৈকেয়ী, তারা প্রমুখ পৌরাণিক নারী তাদের স্বামী বা প্রেমিকদের নিকট নিজেদের কামনা-বাসনা ও চাওয়া-পাওয়ার কথা নির্ভীকচিত্তে প্রকাশ করে। নারীচরিত্রে এরূপ দৃঢ়তার প্রকাশ বাংলা সাহিত্যে মধুসূদনের আগে আর কারও রচনায় প্রত্যক্ষ করা যায় না।
 
-----------------
মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত নাটক:
- শর্মিষ্ঠা,
- পদ্মাবতী,
- কৃষ্ণকুমারী। 

তাঁর রচিত কাব্য:
- তিলোত্তমাসম্ভব কাব্য,
- মেঘনাদবধ কাব্য,
- ব্রজাঙ্গনা কাব্য,
- বীরাঙ্গনা কাব্য, 
- চতুর্দশপদী কবিতাবলী। 

মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত প্রহসন:
- একেই কি বলে সভ্যতা,
- বুড় সালিকের ঘাড়ে রোঁ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

.
ছেচল্লিশের দাঙ্গা ও ১৯৪৭ সালের দেশভাগকে কেন্দ্র করে মাহমুদুল হক রচিত উপন্যাস কোনটি?
  1. খেলাঘর
  2. কালো বরফ
  3. কালো ঘোড়া
  4. জীবন আমার বোন
সঠিক উত্তর:
কালো বরফ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কালো বরফ
ব্যাখ্যা

• 'কালো বরফ' উপন্যাস:
- মাহমুদুল হকের 'কালো বরফ' ছেচল্লিশের দাঙ্গা ও ১৯৪৭ সালের দেশভাগকে কেন্দ্র করে রচিত। উপন্যাসটিতে হিন্দু-মুসলমানের বিরোধ-দাঙ্গা, দ্বেষ-ক্ষোভ এবং মিলন-বিরহ পরিস্ফুটিত হয়েছে।
- প্রধান চরিত্র: আব্দুল খালেক।

অন্যদিকে, 
• 'খেলাঘর' (১৯৮৮): এটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক একটি উপন্যাস। চরিত্র: রেহানা, মুকল ও ইয়াকুব। ২০০৬ সালে উপন্যাসটির চলচ্চিত্রায়ন করা হয়।
• 'কালো ঘোড়া' ইমদাদুল হক মিলন রচিত মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক একটি উপন্যাস।
• 'জীবন আমার বোন' (১৯৭২): এটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস। উপন্যাসটিতে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে মুক্তিযুদ্ধ শুরুর ঠিক আগের অর্থাৎ ১৯৭১ সালের ১ মার্চ থেকে ২৭ মার্চের ঢাকা শহরের সমাজ ও রাজনীতির উত্তেজনা জায়গা করে নিয়েছে কেন্দ্রীয় চরিত্র জাহেদুল কবির খোকার বয়ানের মাধ্যমে।

উৎস: 'কালো বরফ' উপন্যাস; বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া। 

.
‘ধাবমান’ নাটকের রচয়িতা কে?
  1. দীনবন্ধু মিত্র 
  2. মুনীর চৌধুরী
  3. সৈয়দ শামসুল হক
  4. সেলিম আল দীন 
সঠিক উত্তর:
সেলিম আল দীন 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সেলিম আল দীন 
ব্যাখ্যা

• ‘ধাবমান’ নাটক (২০০৭):
- সেলিম আল দীন রচিত ভিন্নরকম এক নাটক ‘ধাবমান’। সোহরাব নামে এক মহিষকে নিয়ে এ নাটকের কাহিনি গড়ে উঠে।

- মানুষ ও পশুর সম্পর্ক নিয়ে এমন একটি গল্প যেখানে একটি মোষ, তার রাগ-দুঃখ আছে, সে মানুষের মতো ভাবতে পারে। বস্তুত সেই পশু ও মানুষের মধ্যে কোনো পার্থক্যই নেই। তার কেবল বেঁচে থাকার অধিকার রয়েছে তা-ই নয়, সম্মানের সঙ্গে মৃত্যুর অধিকারও রয়েছে। এমনকি মৃত্যুর পর স্বর্গ-নরকের জগৎ-ঊর্ধ্ব রাজ্যেও তার স্থান হওয়া উচিত। 

- ধাবমান শুধু মানুষ ও পশুর সম্পর্কের গল্প নয়। এই নাটক অন্য একটি বাস্তবতার প্রতিও আমাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে। সেটি হলো—পশু ও মানুষ পাশাপাশি বাস করবে, সেটাই স্বাভাবিক। একসময় মানুষ এভাবেই বাস করত, অনেক ক্ষেত্রে এখনো করে। কিন্তু পশুর চেয়ে মানুষ অনেক বেশি শক্তিশালী, তার হাতে রয়েছে মারণাস্ত্র, চাইলেই সে যেকোনো পশুকে নিধন করতে পারে। তাই এই পশু যদি আমাদের নিকটাত্মীয়ই হবে, তাহলে তাকে হত্যা নয়—তার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দায়িত্বও আমাদের।

সেলিম আল দীন রচিত অন্যান্য নাটকগুলো হলো- 
- সর্প বিষয়ক গল্প ও অন্যান্য,
- বাসন,
- কেরামতমঙ্গল,
- কিত্তনখোলা,
- হাতহদাই,
- শকুন্তলা,
- মুনতাসীর ফ্যান্টাসি,
- জন্ডিস ও বিবিধ বেলুন,
- চাকা,
- যৈবতী কন্যার মন,
- হরগজ,
- নিমজ্জন ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা; 'ধাবমান’ নাটক; 'প্রথম আলো' রিপোর্টস এবং বাংলাপিডিয়া।

.
নাচোলের তেভাগা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে সেলিনা হোসেন রচিত উপন্যাস কোনটি?
  1. কাকতাড়ুয়া
  2. নিরন্তর ঘণ্টাধ্বনি
  3. কাঁটাতারে প্রজাপতি
  4. যুদ্ধ
সঠিক উত্তর:
কাঁটাতারে প্রজাপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কাঁটাতারে প্রজাপতি
ব্যাখ্যা

• 'কাঁটাতারে প্রজাপতি' উপন্যাস:
- সেলিনা হোসেনের 'কাটাতারে প্রজাপতি' [১৯৮৯] নাচোলের তেভাগা আন্দোলন ও তার কিংবদন্তিতুল্য সংগঠক ও নেত্রী ইলা মিত্রকে নিয়ে লেখা ইতিহাস-নির্ভর জীবনী-উপন্যাস।

- এ উপন্যাসের কেন্দ্রবিন্দু নাচোলের কৃষক বিদ্রোহের নেত্রী ইলা মিত্র। সেলিনা হোসেনের 'কাঁটাতারে প্রজাপতি'তে ঐতিহাসিক নায়িকাই উপন্যাসের আঙ্গিকে নিখুঁতভাবে ফুটে উঠেছেন। জমিদার বাড়ির বউ ইলা মিত্রের তেভাগা আন্দোলনের নাচোল শাখার মুখ্য কর্তা রমেন মিত্রের সঙ্গে নাচোলের কৃষক আন্দোলনে জড়িয়ে পড়ে সকলের ভালোবাসার রানিমা হয়ে ওঠার কাহিনি বিবৃত হয়েছে।

- ২৭টি অধ্যায়ে বর্ণিত 'কাঁটাতারে প্রজাপতি' উপন্যাসের কাহিনি শুরু হয়েছে সুতো উৎপাদক আজমলের চিন্তাস্রোত বর্ণনা করে। আর কাহিনি শেষ হয়েছে রাজশাহী জেল হাসপাতালে মরণাপন্ন অবস্থায় থেকে আজমলের ইলা মিত্রের জবানবন্দি পাঠ ও শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগের ঘটনার মাধ্যমে।

--------------------
সেলিনা হোসেন রচিত উপন্যাসসমূহ:
• 'যুদ্ধ' (১৯৯৮): ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে রচিত। এ উপন্যাসে ১১ নম্বর সেক্টরের নারী মুক্তিযোদ্ধা বীর প্রতীক তারামন বিবির প্রসঙ্গ এসেছে।'নিরন্তর ঘণ্টাধ্বনি' (১৯৮৭): চল্লিশের দশকের পটভূমিতে রচিত।

• 'কাকতাড়ুয়া' (১৯৯৬): এটি শিশুতোষ উপন্যাস। এটি বুধা নামে এক এতিম সাহসী কিশোর মুক্তিযোদ্ধার কাহিনি।

• 'হাঙর নদী গ্রেনেড' (১৯৭৬): এটি মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক উপন্যাস। ১৯৭২ সালে এ ঘটনা নিয়ে তিনি গল্প লেখেন। পরবর্তীতে এটি উপন্যাসে রূপান্তরিত করেন।
• 'যাপিত জীবন' (১৯৮১): এ উপন্যাসে ১৯৪৭-৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের যাবতীয় ঘটনা কেন্দ্রীয় চরিত্র জাফর এর মাধ্যমে ফুটিয়ে তুলেছেন।

• 'পোকামাকড়ের ঘরবসতি' (১৯৮৬): উপন্যাস বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলে নাফ নদীর তীরবর্তী শাহপরী দ্বীপ নামক এক ছোট দ্বীপের ধীবর শ্রেণির মানুষের জীবন সংগ্রাম এর বাস্তব রূপায়ণ। চরিত্র: মালেক, সাফিয়া।

• ‘জলোচ্ছ্বাস' (১৯৭২): দক্ষিণ বাংলার মেঘনা, তেঁতুলিয়া, আগুনমুখা, কাজল নদীর কূলে প্রতিকূল প্রকৃতি ও সামাজিক অপশক্তির বিরুদ্ধে সংগ্রামশীল মানুষের জীবনধারা এ উপন্যাসের আলেখ্য।

উৎস: 'কাঁটাতারে প্রজাপতি' উপন্যাস; বাংলাপিডিয়া এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

.
আখতারুজ্জামান ইলিয়াস রচিত গল্পগ্রন্থ নয় কোনটি?
  1. রেইনকোট
  2. খোঁয়ারি
  3. দোজখের ওম
  4. দুধেভাতে উৎপাত
সঠিক উত্তর:
রেইনকোট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রেইনকোট
ব্যাখ্যা

• 'রেইনকোট' ছোটগল্প:
- আখতারুজ্জামান ইলিয়াস রচিত 'রেইনকোট' একটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক ছোটগল্প।
- রেইনকোট ছোটগল্পটিতে মনস্তাত্ত্বিক ব্যাপার থাকলেও এটি মূলত প্রতীকী গল্প। 'রেইনকোট' গল্পটি ১৯৯৫ সালে প্রকাশিত হয়।
- মুক্তিযোদ্ধা শ্যালকের রেইনকোট গায়ে দিয়ে ভীতু প্রকৃতির নুরুল হুদার মধ্যে সঞ্চারিত হয় যে উষ্ণতা, সাহস ও দেশপ্রেম-তারই ব্যঞ্জণাময় প্রকাশ ঘটেছে এ গল্পে।
- এটি লেখকের সর্বশেষ গল্পগ্রন্থ 'জাল স্বপ্ন স্বপ্নের জাল' (১৯৯৭) গ্রন্থে সংকলিত হয়।
- 'জাল স্বপ্ন স্বপ্নের জাল' আক্তারুজ্জামান ইলিয়াস রচিত সংকলনের বিভিন্ন গল্পে পরোক্ষ বা প্রত্যক্ষভাবে মুক্তিযুদ্ধ এবং যুদ্ধ-পরবর্তী রাজনৈতিক এবং সামাজিক বাস্তবতার চিত্র ফুটে উঠেছে।

অন্যদিকে,
• আখতারুজ্জামান ইলিয়াস রচিত গল্পগ্রন্থ- খোঁয়ারি (১৯৮২), দুধেভাতে উৎপাত (১৯৮৫) ও দোজখের ওম (১৯৮৯)। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

.
'অর্ধেক নারী অর্ধেক ঈশ্বরী' কোন ধরনের গ্রন্থ?
  1. প্রবন্ধ
  2. গল্পগ্রন্থ 
  3. উপন্যাস 
  4. নাটক
সঠিক উত্তর:
উপন্যাস 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপন্যাস 
ব্যাখ্যা

• 'অর্ধেক নারী অর্ধেক ঈশ্বরী' উপন্যাস:
- আহমদ ছফার দুই খণ্ডে সমাপ্ত আত্মজৈবনিক উপন্যাস 'অর্ধেক নারী অর্ধেক ঈশ্বরী' একটি অসাধারণ প্রেমের উপন্যাস। উপন্যাসটি ‘প্রাণপূর্ণিমার চান’ নামে সাপ্তাহিক পত্রিকায় ধারাবাহিকভাবে প্রথম প্রকাশিত হয়। পরবর্তীতে এর নামকরণ করা হয় ‘অর্ধেক নারী অর্ধেক ঈশ্বরী'। 

- নর-নারীর প্রেম হলো সবচাইতে জটিলতম শিল্পকর্ম। প্রেমজ একটি অঙ্গীকার না থাকলে প্রেমের কাহিনি বয়ান করা যায় না। আহমদ ছফা 'অর্ধেক নারী অর্ধেক ঈশ্বরী' উপন্যাসের প্রথম খণ্ডটিতে প্রেমজ অঙ্গীকার নিয়েই প্রেমের কথা বলেছেন।

- লেখক একেকটি নারী চরিত্রকে এমন জীবন্তভাবে উপস্থাপন করেছেন, নারীদের মনো-জগতের এমন উন্মোচন ঘটিয়েছেন; গ্রন্থটি পাঠ করলে মনে হবে জীবনের করুণতম অভিজ্ঞতার উৎস থেকেই জন্ম লাভ করেছে এই সমস্ত চরিত্র।

- প্রেমে পড়ার জন্য যেমন সৎ, একনিষ্ঠ হৃদয়বৃত্তির প্রয়োজন, তেমনি প্রয়োজন প্রেমের কথা বয়ান করার জন্য আরেক ধরনের নিষ্ঠা এবং সততার। শক্তির সঙ্গে সততার সম্মিলন সচরাচর ঘটে না। আহমদ ছফা এই অনুপম রচনাটিতে সেই আপাত অসম্ভবকে সম্ভব করে তুলেছেন।

-----------------------
আহমদ ছফা রচিত সাহিত্যকর্মগুলো হলো-
• উপন্যাস:
- গাভী বিত্তান্ত,
- ওঙ্কার,
- অর্ধেক নারী অর্ধেক ঈশ্বরী,
- অলাতচক্র ইত্যাদি।

• প্রবন্ধ:
- বুদ্ধিবৃত্তির নতুন বিন্যাস,
- বাঙালি মুসলমানের মন,
- সাম্প্রতিক বিবেচনা,
- সিপাহী যুদ্ধের ইতিহাস।

• শিশুতোষ রচনা:
- দোলো আমার কনকচাঁপা,
- গো হাকিম ইত্যাদি।

• কবিতা গ্রন্থ:
- জল্লাদ সময়,
- দুঃখের দিনের দোহা ইত্যাদি।

উৎস: 'অর্ধেক নারী অর্ধেক ঈশ্বরী' উপন্যাস এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাস। 

.
“আমার মায়ের সোনার নোলক হারিয়ে গেল শেষে
হেথায় খুঁজি হোথায় খুঁজি সারা বাংলাদেশে।” পঙ্‌ক্তিদ্বয় কার রচনা?
  1. আল মাহমুদ
  2. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর 
  3. কাজী নজরুল ইসলাম 
  4. আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ
সঠিক উত্তর:
আল মাহমুদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আল মাহমুদ
ব্যাখ্যা

• পঙ্‌ক্তি দুটি বিখ্যাত কবি আল মাহমুদ রচিত 'নোলক' নামক কবিতার অংশ।
- যেখানে কবি তাঁর মায়ের হারিয়ে যাওয়া সোনার নোলক খুঁজে বেড়াচ্ছেন।

'নোলক' কবিতার অংশবিশেষ-

নোলক
– আল মাহমুদ
আমার মায়ের সোনার নোলক হারিয়ে গেল শেষে
হেথায় খুঁজি হোথায় খুঁজি সারা বাংলাদেশে।
নদীর কাছে গিয়েছিলাম, আছে তুমার কাছে?
-হাত দিও না আমার শরীর ভরা বোয়াল মাছে।
বললো কেঁদে তিতাস নদী হরিণবেড়ের বাঁকে
শাদা পালক বকরা যেথায় পাখ ছাড়িয়ে থাকে।

---------------------
• আল মাহমুদ:
- আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান কবি আল মাহমুদ ১৯৩৬ সালের ১১ জুলাই ব্রাহ্মণবাড়ীয়া জেলার মোড়াইল গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর প্রকৃত নাম মির আবদুল শুকুর আল মাহমুদ।
- তিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতা-পরবর্তীকালে দৈনিক গণকণ্ঠ (১৯৭২-১৯৭৪) পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন।
- 'সোনালি কাবিন' তাঁর রচিত শ্রেষ্ঠ কাব্যগ্রন্থ।

আল মাহমুদ রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- লোক লোকান্তর,
- কালের কলস,
- সোনালী কাবিন,
- পাখির কাছে ফুলের কাছে,
- অদৃষ্টবাদীদের রান্নাবান্না ইত্যাদি।

তাঁর রচিত উপন্যাস:
- ডাহুকী,
- উপমহাদেশ,
- আগুনের মেয়ে,
- চেহারার চতুরঙ্গ,
- কাবিলের বোন ইত্যাদি। 

তাঁর রচিত গল্পগ্রন্থ:
- পানকৌড়ির রক্ত,
- সৌরভের কাছে পরাজিত,
- গন্ধবণিক,
- ময়ূরীর মুখ। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

.
বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের প্রথম মুসলিম কবি শাহ মুহম্মদ সগীর কোন জেলায় জন্মগ্রহণ করেন?
  1. সিলেট 
  2. চট্টগ্রাম
  3. মুর্শিদাবাদ 
  4. নদীয়া 
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা

• শাহ মুহম্মদ সগীর:
- শাহ মুহম্মদ সগীর বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের প্রথম মুসলিম কবি এবং ইউসুফ-জোলেখা কাব্যের রচয়িতা। তিনি গৌড়ের সুলতান গিয়াসউদ্দিন আজম শাহের (১৩৮৯-১৪১০ খ্রিস্টাব্দ) রাজত্বকালে এই কাব্য রচনা করেন।
- তাঁর জন্মস্থান সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট তথ্য তাঁর কাব্যে উল্লেখ নেই, তবে পণ্ডিতদের গবেষণার ভিত্তিতে তাঁর জন্মস্থান নির্ধারণ করা হয়েছে।

তাঁর জন্মস্থান সম্পর্কিত তথ্য:
- ড. মুহম্মদ এনামুল হক তাঁর গবেষণায় শাহ মুহম্মদ সগীরের কাব্যে চট্টগ্রাম অঞ্চলের কতিপয় শব্দের ব্যবহার লক্ষ করেছেন, যেমন স্থানীয় ভাষার প্রভাব ও শব্দচয়ন।এই ভিত্তিতে তিনি অনুমান করেছেন যে শাহ মুহম্মদ সগীর চট্টগ্রামের অধিবাসী ছিলেন। এছাড়া, চট্টগ্রাম তৎকালীন সময়ে আরাকানের সাংস্কৃতিক কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত ছিল, যা তাঁর কাব্যচর্চার পটভূমির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

- তাঁর কাব্যে বাংলার স্থানীয় সামাজিক ও সাংস্কৃতিক রূপ ফুটে উঠেছে, যা চট্টগ্রামের সাংস্কৃতিক পটভূমির সঙ্গে মিলে যায়।

শাহ মুহম্মদ সগীর সম্পর্কিত আরো কিছু তথ্য:
- মধ্যযুগের তথা বাংলা সাহিত্যের প্রথম [প্রাচীনতম] মুসলিম কবি শাহ মুহম্মদ সগীর।
- তিনি পনের শতকে সুলতান গিয়াসউদ্দিন আজম শাহের সভাকবি ছিলেন এবং তাঁর নির্দেশে ইউসুফ-জোলেখা কাব্য রচনা করেন।।
- অনুবাদ সাহিত্যে বা রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান ধারার প্রথম কবি শাহ্ মুহম্মদ সগীর।

-------------------
• ইউসুফ-জোলেখা কাব্য:
- ইউসুফ-জোলেখা' শাহ মুহম্মদ সগীর রচিত কাহিনি কাব্যগ্রন্থ যা রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান ধারার প্রথম কাব্য।
এই কাব্যে রাজবন্দনায় তিনি নিজেকে সুলতান গিয়াসউদ্দিনের আজ্ঞার অধীন বলে উল্লেখ করেছেন, যা তাঁর সভাকবি হিসেবে পৃষ্ঠপোষকতা পাওয়ার ইঙ্গিত দেয়।
- কবি 'ইউসুফ-জোলেখা' কাব্যের রাজবন্দনা অংশে লিখেছেন- "মনুষ্যের মৈদ্ধে জেহ্ন ধর্ম অবতার। মহা নরপতি গোজন পিরথিম্বীর সার।।"
- শাহ মুহম্মদ সগীরের শ্রেষ্ঠ অনুবাদকর্ম ইউসুফ-জুলেখা। তিনি পারস্যের জামী রচিত 'ইউসুফ জুলেখা' কাব্যের বাংলা অনুবাদ করেন যা এই ধারার আদি গ্রন্থ।
- বাইবেল ও কোরানে ইউসুফ-জোলেখার কাহিনি বর্ণিত আছে। সগীর বাইবেল পড়েন নি; তিনি কোরান ও ফেরদৌসির কাছে থেকেই কাহিনিসূত্র গ্রহণ করে ইউসুফ ও জোলেখার প্রণয়কাহিনি লেখেন।
- পরবর্তীতে মধ্যযুগের আরো অনেক কবি ইউসুফ জুলেখা নাম দিয়ে কাব্য রচনা করেছেন। যেমন- ইউসুফ জুলেখা নিয়ে কাব্য রচনা করেন আব্দুল হাকিম এবং শাহ মুহম্মদ গরীবুল্লাহ। তকে এই কাব্য শাহ মুহাম্মদ সগীরই প্রথম লেখেন।

উৎস: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, ড. মুহম্মদ এনামুল হক; বাংলাপিডিয়া এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

.
'সাত সাগরের মাঝি' কাব্যগ্রন্থে কতটি কবিতা সংকলিত হয়েছে?
  1. সতেরো 
  2. আঠারো 
  3. উনিশ 
  4. বিশ  
সঠিক উত্তর:
উনিশ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উনিশ 
ব্যাখ্যা

• 'সাত সাগরের মাঝি' কাব্যগ্রন্থ:
- ফররুখ আহমদ রচিত 'পাঞ্জেরি' কবিতাটি 'সাত সাগরের মাঝি' কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত।
- মুসলিম জাগরণের কবি ফররুখ আহমদ রচিত প্রথম ও শ্রেষ্ঠ কাব্যগ্রন্থ 'সাত সাগরের মাঝি' ১৯৪৪ সালে প্রকাশিত হয়।
- 'সাত সাগরের মাঝি' কাব্যগ্রন্থে মোট ১৯টি কবিতা আছে।
- সাত সাগরের মাঝি নামে একটি কবিতা আছে গ্রন্থের সর্বশেষে।
- অন্যান্য উল্লেখযোগ্য কবিতা: সিন্দাবাদ, পাঞ্জেরি, লাশ, আউলাদ, দরিয়ার শেষরাত্রি ইত্যাদি।

------------------
• ফররুখ আহমদ:
- ফররুখ আহমদ ছিলেন মুসলিম পুনর্জাগরণবাদী কবি। তিনি ১৯১৮ সালের ১০ জুন মাগুরা জেলার শ্রীপুর থানার মাঝাইল গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- 'সাত সাগরের মাঝি' ফররুখ আহমদ রচিত শ্রেষ্ঠ এবং প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ।
- ১৯৪৪ সালে কলকাতার দুর্ভিক্ষের পটভূমিতে 'লাশ' কবিতা লিখে তিনি প্রথম খ্যাতি অর্জন করেন।
- ফররুখ আহমদ তাঁর বিখ্যাত কাহিনী কাব্য 'হাতেমতায়ী' এর জন্য ১৯৬৬ সালে আদমজি পুরস্কার লাভ করেন।
- ১৯৬৬ সালেই 'পাখির বাসা' শিশুতোষের জন্য ইউনেস্কো পুরস্কার লাভকরেন।
- 'মুহূর্তের কবিতা' ফররুখ আহমদ রচিত একটি সনেট সংকলন।

ফররুখ আহমদ রচিত কাব্যগ্রন্থসমূহ হলো:
- সাত সাগরের মাঝি,
- সিরাজাম মুনীরা,
- নৌফেল ও হাতেম,
- মুহূর্তের কবিতা,
- সিন্দাবাদ,
- হাতেমতায়ী,
- নতুন লেখা,
- হাবেদা মরুরকাহিনী।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

১০.
শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের খণ্ড নয় কোনটি?
  1. বিরহ খণ্ড
  2. বৃন্দাবন খণ্ড
  3. ভার খণ্ড
  4. প্রেম খণ্ড
সঠিক উত্তর:
প্রেম খণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রেম খণ্ড
ব্যাখ্যা

•  শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যেের খণ্ড নয়- প্রেম খণ্ড। 

• 'শ্রীকৃষ্ণকীর্তন' কাব্য:

- বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের প্রথম কাব্য হিসেবে 'শ্রীকৃষ্ণকীর্তন' স্বীকৃত।
- এ গ্রন্থের লেখক বড়ু চণ্ডীদাস। এটি বাংলা ভাষায় কোন লেখকের প্রথম এককগ্রন্থ।
- ১৯০৯ সালে (১৩১৬ বঙ্গাব্দে) বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্বদ্বল্লভ পশ্চিমবঙ্গের বাঁকুড়া জেলার কাকিল্যা গ্রামে মল্লরাজগুরু বৈষ্ণবমহন্ত শ্রীনিবাস আচার্যের দৌহিত্র বংশজাত শ্রী দেবেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায়ের বাড়ির গোয়ালঘর থেকে শ্রীকৃষ্ণকীর্তনের পুথি আবিষ্কার করেন।
- ১৯১৬ সালে (১৩২৩ বঙ্গাব্দ) বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে বসন্তরঞ্জন রায়ের সম্পাদনায় পুথিটি 'শ্রীকৃষ্ণকীর্তন' নামে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়।
মধ্যযুগে রচিত বাংলা ভাষার প্রথম কাব্যগ্রন্থ 'শ্রীকৃষ্ণকীর্তন'।
- শ্রীকৃষ্ণকীর্তন গীতি-আলেখ্য। রাধাকৃষ্ণের প্রণয়লীলা এর বিষয়বস্তু। মোট ১৩ খণ্ডে ৪১৮টি পদে এটি বিন্যস্ত।
- শ্রীকৃষ্ণকীর্তনের মূল কাহিনি ভাগবত থেকে নেওয়া হলেও এতে বিভিন্ন পুরাণ এবং জয়দেবের গীতগোবিন্দের প্রভাব রয়েছে।

শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যে মোট ১৩টি খণ্ড রয়েছে। এগুলো হলো-
১. জন্ম খণ্ড,
২. তাম্বুল খণ্ড,
৩. দান খণ্ড,
৪. নৌকা খণ্ড,
৫. ভার খণ্ড,
৬. ছত্র খণ্ড,
৭. বৃন্দাবন খণ্ড,
৮. কালিয়দমন খণ্ড,
৯. যমুনা খণ্ড,
১০. হার খণ্ড,
১১. বাণ খণ্ড,
১২. বংশী খণ্ড ও
১৩. বিরহ খণ্ড।

শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের প্রধান চরিত্র তিনটি-
১. কৃষ্ণ (পরমাত্মা),
২. রাধা (জীবাত্মা),
৩. বড়াই (এ দুয়ের সংযোগকারী অনুঘটক / দূতী)।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম।

১১.
যেসব শব্দাংশ পদের সঙ্গে যুক্ত হলে বক্তব্য জোরালো হয়, সেগুলোকে বলে-
  1. উপসর্গ
  2. বলক
  3. প্রত্যয়
  4. ক্রিয়ামূল
সঠিক উত্তর:
বলক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বলক
ব্যাখ্যা

বাংলা ব্যাকরণে, শব্দ গঠনের বিভিন্ন উপাদান রয়েছে, যেমন উপসর্গ, প্রত্যয়, ধাতু, এবং বলক।
• বলক:
যেসব শব্দাংশ পদের সঙ্গে যুক্ত হলে বক্তব্য জোরালো হয়, সেগুলোকে বলক বলে।
যেমন-
'তখনই' বা 'এখনও' পদের 'ই' বা 'ও' হলো বলকের উদাহরণ।

অন্য অপশন,
• উপসর্গ:
যেসব অর্থহীন শব্দাংশ অন্য শব্দের শুরুতে বসে নতুন শব্দ গঠন করে, সেগুলোকে উপসর্গ বলে।
যেমন-
- অজানা (অজানা), অভিযোগ (অভিযোগ), বেতার (বে-তার) প্রভৃতি শব্দের 'অ', 'অভি', 'বে' হলো উপসর্গ।

• প্রত্যয়:
 শব্দ ও ধাতুর পরে অর্থহীন যেসব শব্দাংশ যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ তৈরি হয়, সেগুলোকে প্রত্যয় বলে।
যেমন-
- বাঘ + আ = বাঘা।
- দিন + ইক = দৈনিক।
উপরের উদাহরণে 'আ' ও 'ইক' তদ্ধিত প্রত্যয় এবং 'বাঘা' ও 'দৈনিক' হলো তদ্ধিতান্ত শব্দ।

• ধাতু বা ক্রিয়ামূল:
বাংলা ভাষায় বহু ক্রিয়াপদ রয়েছে। এসকল ক্রিয়াপদের মূল অংশকে বলা হয় ধাতু বা ক্রিয়ামূল।
যেমন: 'লিখ্‌ + আ = লিখা; এখানে, লিখ হলো ধাতু।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি- নবম ও দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।

১২.
বাংলা ভাষায় কোন স্বরধ্বনি উচ্চারণকালে জিহ্বা নিম্ন অবস্থানে থাকে?
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা

• স্বরধ্বনির উচ্চারণ বিধি:
উচ্চারণের সময়ে জিভের উচ্চতা অনুযায়ী, জিভের সম্মুখ-পশ্চাৎ অবস্থান অনুযায়ী এবং ঠোঁটের উন্মুক্তি অনুযায়ী স্বরধ্বনিকে ভাগ করা হয়।
উচ্চারণের সময়ে জিভ কতটা উপরে ওঠে বা কতটা নিচে নামে সেই অনুযায়ী স্বরধ্বনি চার ভাগে বিভক্ত।
যথা-
১. উচ্চ স্বরধ্বনি- ই, উ।
২. উচ্চ-মধ্য স্বরধ্বনি- এ, ও।
৩. নিম্ন-মধ্য স্বরধ্বনি- অ্যা, অ।
৪. নিম্ন স্বরধ্বনি- আ।

আবার, জিভের সম্মুখ পশ্চাৎ অবস্থান অনুযায়ী স্বরধ্বনি তিন ভাগে বিভক্ত।
যথা-
১. সম্মুখ স্বরধ্বনি- ই, এ, অ্যা।
২. মধ্য স্বরধ্বনি- আ।
৩. পশ্চাৎ স্বরধ্বনি- অ, ও, উ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি, (২০১৯ ও ২০২২ সংস্করণ) এবং ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

১৩.
নিচের কোনটি দেশি শব্দ?
  1. পৃথিবী
  2. বৃক্ষ
  3. ডিঙা 
  4. হাতি
সঠিক উত্তর:
ডিঙা 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিঙা 
ব্যাখ্যা



দেশি শব্দ:

বাংলাদেশের আদিম অধিবাসীদের সংস্কৃতির কিছু কিছু শব্দ আর্যদের প্রভাবে পরিবর্তিত না হয়ে অবিকৃতভাবে বাংলা ভাষায় রক্ষিত আছে, এসব শব্দকে বলা হয় দেশি শব্দ। প্রাচীনকালে এদেশের অধিবাসী ছিলেন অনার্য, দ্রাবিড়, কোল প্রভৃতি জাতি। তাদের ভাষা ও সংস্কৃতির কিছু শব্দ বাংলা ভাষায় রক্ষিত হয়েছে। এগুলোকে দেশী শব্দ বলা হয়। অনেক সময় এসব শব্দের মূল নির্ণয় করা যায় না।

দেশী শব্দের উদাহরণ-
পেট, ডাব, গজ, টোপ, ডিঙ্গা, চাউল ইত্যাদি।

অন্যদিকে, 
-----------------
তৎসম শব্দ:
প্রাচীন ভারতীয় আর্যভাষা থেকে বিবর্তিত যেসব বাংলা শব্দের লিখিত চেহারা সংস্কৃত ভাষার শব্দের অনুরূপ সেগুলোকে তৎসম শব্দ বলে।
যথা:
পৃথিবী, আকাশ, গ্রহ, বৃক্ষ
সংস্কৃত ব্যাকরণ অনুসরণ করে গঠিত পারিভাষিক শব্দকেও তৎসম শব্দ বলা হয়।
যথা:
অধ্যাদেশ, গণপ্রজাতন্ত্রী, মহাপরিচালক, সচিবালয় ইত্যাদি।

তদ্ভব শব্দ:
প্রাচীন ভারতীয় আর্যভাষা থেকে বিবর্তিত যেসব শব্দ বাংলা ভাষায় একেবারেই স্বতন্ত্র, সেগুলোকে তদ্ভব শব্দ বলা হয়।
উদাহরণ: হাত, পা, কান, নাক, জিভ, দাঁত; হাতি, ঘোড়া, সাপ, পাখি, কুমির ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান এবং ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ। 

১৪.
বিভক্তিযুক্ত শব্দ কোনটি?
  1. দুনিয়া 
  2. কাকামশায়
  3. ঝাপসা 
  4. গহনায় 
সঠিক উত্তর:
গহনায় 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গহনায় 
ব্যাখ্যা

• গহনা (বিশেষ্য পদ),
- এটি হিন্দি ভাষার শব্দ।
অর্থ:
- অলংকার,
- ভূষণ।

এখনে, গহনায় শব্দটির সাথে 'য়' সপ্তমী বিভক্তি যুক্ত হয়েছে। 
----------------
• বিভক্তি:
যে সব বর্ণ বা বর্ণসমষ্টি বা চিহ্ন দ্বারা বাক্যের এক পদের সঙ্গে অন্য পদের সম্বন্ধ নির্ধারিত হয়, তাকে বলা বিভক্তি। বাংলা শব্দে বিভক্তি ৭ প্রকার।
যথা:
- প্রথমা বা শূণ্য বিভক্তি: শূণ্য, অ।
- দ্বিতীয়া বিভক্তি: কে, রে।
- তৃতীয়া বিভক্তি: দ্বারা, দিয়া (দিয়ে), কর্তৃক।
- চতুর্থী বিভক্তি: কে, রে।
- পঞ্চমী বিভক্তি: হইতে (হতে), থেকে, চেয়ে।
- ষষ্ঠী বিভক্তি: র, এর।
- সপ্তমী বিভক্তি: এ, য়, তে।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ) এবং অভিগম্য অভিধান।

১৫.
কোনটি বিশেষণ পদ?
  1. অভিমুখিতা
  2. গাঁথুনি
  3. প্রস্তুত
  4. খোঁয়ারি
সঠিক উত্তর:
প্রস্তুত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রস্তুত
ব্যাখ্যা

• বিশেষণ পদ:
যে পদ বিশেষ্য, সর্বনাম ও ক্রিয়াপদের দোষ, গুণ, অবস্থা, সংখ্যা, পরিমাণ, ইত্যাদি প্রকাশ করে, তাকে বিশেষণ পদ বলে।
যেমন- দুঃসাহসী, চিরন্তন, প্রস্তুত।

-------------------
• বিশেষ্য পদ:
কোনো কিছুর নামকে বিশেষ্য পদ বলে। বাক্যমধ্যে ব্যবহৃত যে সমস্ত পদ দ্বারা কোনো ব্যক্তি, জাতি, সমষ্টি, বস্তু, স্থান, কাল, ভাব, কর্ম বা গুণের নাম বোঝানো হয় তাদের বিশেষ্য পদ বলে।
যেমন- খোঁয়ারি, গতিবিদ্যা, গতকল্য, অভিমুখিতা, গাঁথুনি, মানুষ, রাজ্য, দেশ, মঙ্গলগ্রহ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম দশম শ্রেণি (২০১৯- সংস্করণ) এবং বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।

১৬.
নিচের কোন গ্রন্থটি বাজেয়াপ্ত করে লেখকের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছিল?
  1. ঘরে বাইরে
  2. অনল প্রবাহ
  3. অগ্নিবীণা 
  4. গোরা
সঠিক উত্তর:
অনল প্রবাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনল প্রবাহ
ব্যাখ্যা

• 'অনল প্রবাহ' কাব্য:
- সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজী রচিত মুসলিম জাগরণমূলক কাব্য 'অনল প্রবাহ' প্রকাশিত হয় ১৯০০ সালে।
- 'যা চলে গেছে তার জন্য শোক বৃথা বরং জাতির হৃতগৌরব উদ্ধারের প্রচেষ্টাই মুখ্য'-এই বাণীতে মুসলমানদের দুরবস্থা ও অধঃপতন ব্যক্ত করে ইংরেজদের বিরুদ্ধে ক্ষোভ ও রোষ প্রকাশ করা হয়েছে এই কাব্যটিতে।
- 'অনল প্রবাহে' কবি হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়ের 'ভারত ভিক্ষা', 'ভারত বিলাপ' ইত্যাদি কবিতার সুস্পষ্ট প্রভাব আছে।
- ১৩১৫ বঙ্গাব্দে (১৯০৮) পরিবর্তিত ও পরিবর্ধিত দ্বিতীয় সংস্করণ বের হয়।
- প্রথম সংস্করণে কবিতা ছিল মাত্র নয়টি। এগুলো হচ্ছে: অনল-প্রবাহ, তুর্যধ্বনি, মূর্ছনা, বীর-পূজা, অভিভাষণ: ছাত্রগণের প্রতি, মরক্কো-সঙ্কটে, আমীর- আগমনে, দীপনা, আমীর-অভ্যর্থনা।
- বইটির বর্ধিত সংস্করণ প্রকাশিত হলে তৎকালীন বাংলার সরকার এটি বাজেয়াপ্ত করে এবং তাঁর প্রতি গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে।
- সিরাজী তখন ফরাসি অধিকৃত চন্দননগরে গিয়ে ৮ মাস আত্মগোপন করে থাকেন।
- পরে আত্মসমর্পণ করলে বৃটিশ সরকারের বিরুদ্ধে বিদ্বেষ প্রচারের অভিযোগে তাঁকে দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়।

সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজী রচিত সাহিত্যকর্মগুলো হলো-
• উপন্যাস: রায়নন্দিনী, তারাবাঈ, ফিরোজা বেগম।
• প্রবন্ধ: স্বজাতি প্রেম, তুর্কি নারী জীবন, স্পেনীয় মুসলান সভ্যতা।
• কাব্যগ্রন্থ: অনল প্রবাহ, উচ্ছ্বাস, উদ্বোধন, স্পেন বিজয় কাব্য ইত্যাদি।
• ভ্রমণকাহিনি: তুরস্ক ভ্রমণ।

অন্যদিকে, 
-----------------
• 'ঘরে বাইরে' উপন্যাস:
- ঘরে বাইরে (১৯১৬) চলিতভাষায় লেখা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রথম উপন্যাস।
- ১৯১৫ সালে সবুজপত্র পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। ব্রিটিশ ভারতের রাজনীতি এ উপন্যাসের মূল উপজীব্য।
- স্বদেশী আন্দোলনের পটভূমিকায় রচিত এই উপন্যাসের একদিকে আছে জাতিপ্রেম ও সংকীর্ণ স্বদেশিকতার সমালোচনা ও অন্যদিকে আছে সমাজ ও প্রথা নিয়ন্ত্রিত নারী পুরুষের সম্পর্ক।
- তবে উপন্যাসটি কখনো বাজেয়াপ্ত হয়নি। 

• 'অগ্নিবীণা' কাব্যগ্রন্থ:
- 'অগ্নিবীণা' কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ।
- এই কাব্যের জনপ্রিয় কবিতা 'বিদ্রোহী'। 'বিদ্রোহী' কবিতার জন্যই মূলত তিনি 'বিদ্রোহী কবি' হিসাবে পরিচিত হন।
- কাজী নজরুল ইসলামের 'অগ্নিবীণা' কাব্যের প্রথম কবিতা- প্রলয়োল্লাস।
- 'অগ্নিবীণা' কাব্যগ্রন্থটি বিপ্লবী বারীন্দ্রকুমার ঘোষকে উৎসর্গ করেন।
- 'অগ্নিবীণা' কাব্যগ্রন্থটি কখনো বাজেয়াপ্ত করা হয়নি।

• 'গোরা' উপন্যাস:
- গোরা (১৯১০) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বৃহত্তম ও রাজনৈতিক উপন্যাস।
- গোরা উপন্যাসটি 'প্রবাসী' পত্রিকায় ১৯০৮ সালে প্রকাশিত হয়।
- ধর্মান্দোলন, স্বদেশপ্রেম, এবং নারীমুক্তি চিন্তার পটভূমিকায় এই উপন্যাসটি লেখা হয়েছে।
- উপন্যাসটির চরিত্র: গোরা, সুচরিতা, কৃষ্ণদয়াল, আনন্দময়ী।
- উপন্যাসের বিষয়বস্তু হলো 'ব্যক্তির সঙ্গে সমাজের, সমাজের সঙ্গে ধর্মের, ধর্মের সঙ্গে সত্যের বিরোধ ও সমন্বয়'।
- উপন্যাসটি কখনো বাজেয়াপ্ত করা হয়নি। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

১৭.
কুহেলিকা' উপন্যাসের নায়ক চরিত্র কোনটি?
  1. রবিউল 
  2. নুরুল হুদা
  3. জাহাঙ্গীর
  4. ফিরদৌস
সঠিক উত্তর:
জাহাঙ্গীর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাহাঙ্গীর
ব্যাখ্যা

'কুহেলিকা' উপন্যাস সম্পর্কিত আরো কিছু তথ্য:
- কাজী নজরুল ইসলামের উপন্যাস 'কুহেলিকা' ১৩৩৪ বঙ্গাব্দে 'নওরোজ' পত্রিকায় 'কুহেলিকা' উপন্যাস প্রকাশ আরম্ভ হয়। গ্রন্থাকারে প্রথম প্রকাশ পায় ১৩৩৮ বঙ্গাব্দে (১৯৩১)।
- এ উপন্যাসে রাজনৈতিক প্রসঙ্গ এসেছে অত্যন্ত বড় ক্যানভাসে।
- উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র হলো- জাহাঙ্গীর। এই উপন্যাসে তিনি একজন শিক্ষিত, দেশপ্রেমিক, বিপ্লবী চরিত্র যিনি সমাজ ও রাষ্ট্রের অন্ধকার দূর করে আলোর পথ খুঁজছেন।
- উপন্যাসের নায়ক জাহাঙ্গীর বিপ্লবী স্বদেশি দলের সঙ্গে যুক্ত। কিন্তু তার যে প্রেমের সম্পর্ক ও নারী সম্পর্কে ধারণা তা যথেষ্ট ঋণাত্মক।

এই উপন্যাসের অন্যান্য চরিত্রগুলো হচ্ছে:
- কুহেলিকা,
- তাহমিনা,
- চম্পা,
- ফিরদৌস বেগম।

নারী সম্পর্কে এ উপন্যাসে বলা হয়েছে:
'ইহারা মায়াবিনীর জাত। ইহারা সকল কল্যাণের পথে মায়াজাল পাতিয়া রাখিয়াছে। ইহারা গহন-পথের কণ্টক, রাজপথের দস্যু।'

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

১৮.
চর্যার লুপ্ত পদগুলোর মধ্যে কোনটির তিব্বতী অনুবাদ পাওয়া গিয়েছে?
  1. ২৩নং 
  2. ২৪নং
  3. ২৬নং 
  4. ৪৮নং 
সঠিক উত্তর:
২৪নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৪নং
ব্যাখ্যা

• চর্যাপদ:
- চর্যাপদ হলো বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন, যা ৮ম থেকে ১২শ শতাব্দীর মধ্যে রচিত বৌদ্ধ সহজিয়া পদাবলী। এই পদগুলো মূলত প্রাচীন বাংলা, মৈথিলি, ওড়িয়া, এবং অসমীয়ার মতো পূর্ব ভারতীয় ভাষার মিশ্রণে রচিত। চর্যাপদের পাণ্ডুলিপি প্রথম আবিষ্কৃত হয় তিব্বতে, এবং এগুলো তিব্বতী ভাষায় অনুবাদিত বা টীকাকৃত আকারে পাওয়া যায়।

- বাংলা সাহিত্যের ইতিবৃত্ত, (অসিতকুমার বন্দ্যোপাধ্যায়) অনুসারে, চর্যাপদের খণ্ডিত পদগুলো (২৩, ২৪, ২৫, এবং ৪৮ নং) তিব্বতী অনুবাদ থেকে প্রাচীন বাংলায় রূপান্তর করেছেন সুকুমার সেন। তিনি আনুমানিকভাবে প্রাচীন বাংলায় রূপান্তর করেছেন।

- ১৯০৭ সালে হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবারের গ্রন্থাগার থেকে চর্যাপদের পাণ্ডুলিপি আবিষ্কার করেন। এই পাণ্ডুলিপিতে ২৩ এর খণ্ডিত, ২৪, ২৫, এবং ৪৮ নং পদগুলো ছিল লুপ্ত। অসিতকুমার বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাংলা সাহিত্যের ইতিবৃত্ত অনুসারে, মূল পুথির চারখানা পাতা লুপ্ত। এই চর্যাটির শেষ চার পঙ্‌ক্তি ও টীকা, ২৪ নং চর্যার সমস্ত অংশ ও টীকা এবং তার পরের অর্থাৎ ২৫ নং চর্যার মূল ও টীকার প্রথম অংশ বিনষ্ট। তবে এই চর্যাগুলির তিব্বতী অনুবাদ পাওয়া গিয়েছে।

- ডক্টর প্রবোধচন্দ্র বাগচী সেই অনুবাদ প্রকাশ করেন ১৯৪২ সালে। সেই অনুবাদ অবলম্বনে এই চর্যাগুলির মূল কী ছিল তা অনুমান করে একটি পাঠ-পরিকল্পনা দিয়েছেন ডক্টর হুকুমার সেন তাঁর 'চর্যাীতি পদাবলী' গ্রন্থের ৭৬ থেকে ৭৯ পৃষ্ঠায়।



উৎস: বাংলা সাহিত্যের ইতিবৃত্ত অসিতকুমার বন্দ্যোপাধ্যায়; চর্যাগীতি_পরিক্রমা- ড. নির্মল দাশ; বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, এবং বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম; বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস-সুকুমার সেন, Buddhist Mystic Songs- মুহম্মদ শহীদুল্লাহ, এবং বাংলাপিডিয়া।

১৯.
'বসন্ত' রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত কোন ধরনের গ্রন্থ?
  1. গানের সংকলন 
  2. কাব্যনাট্য
  3. নৃত্যনাট্য
  4. গীতিনাট্য
সঠিক উত্তর:
গীতিনাট্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গীতিনাট্য
ব্যাখ্যা

• 'বসন্ত' নাটক:
- 'বসন্ত' রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত গীতিনাট্য।
- এই নাটকটি ১৯২৩ সালে প্রকাশিত হয়।
- এই নাটকের বিষয় হচ্ছে যৌবনের প্রতীক ঋতুরাজ বসন্তের জয়গান।
- রবীন্দ্রনাথ এই গ্রন্থ কাজী নজরুল ইসলামকে উৎসর্গ করেন। কারণ নজরুলও বাংলার জীবনে বসন্ত তথা যৌবন এনেছিলেন।

-------------------
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত নাটকগুলো হলো-
রূপক ও সাংকেতিক নাটক:
- রাজা,
- ডাকঘর,
- অচলায়তন,
- রক্তকরবী,
- তাসের দেশ,
- কালের যাত্রা,
- রাজা ও রাণী।

কাব্যনাট্য:
- মায়ার খেলা, প্রকৃতির প্রতিশোধ,
- বিদায় অভিশাপ।

গীতিনাট্য:
- বসন্ত,
- কাল মৃগয়া।

প্রহসন:
- বৈকুণ্ঠের খাতা,
- চিরকুমার সভা,
- গোড়ায় গলদ,
- বাল্মীকিপ্রতিভা।

নৃত্যনাট্য:
- চিত্রাঙ্গদা,
- নটীর পূজা,
- চণ্ডালিকা। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

২০.
পল্লীকবি কোন গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন?
  1. বিক্রমপুরের গাওপাড়া গ্রামে।
  2. গোবিন্দপুর গ্রামে
  3. তাম্বুলখানা গ্রামে
  4. সাগরদাঁড়ি গ্রামে 
সঠিক উত্তর:
তাম্বুলখানা গ্রামে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তাম্বুলখানা গ্রামে
ব্যাখ্যা

• পল্লীকবি জসীম উদ্‌দীন:
- তিনি একাধারে কবি, কাব্যোপন্যাসিক, ঔপন্যাসিক, গীতিকার, ভ্রমণকাহিনীকার, নাট্যকার, স্মৃতিকথক, প্রাবন্ধিক, শিশুসাহিত্যিক ইত্যাদি বহুবিধ পরিচয়ে পরিচিত।
- ১৯০৩ সালের ১ জানুয়ারি ফরিদপুর জেলার তাম্বুলখানা গ্রামে তাঁর জন্ম। পৈতৃক নিবাস একই জেলার গোবিন্দপুর গ্রামে।
- ছাত্র থাকা অবস্থায় তার 'কবর' কবিতা কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের মাধ্যমিক পর্যায়ে পাঠ্য তালিকাভুক্ত করা হয়।
- তিনি ১৯৩৮ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলা বিভাগে লেকচারার পদে যোগ দেন।
- তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ রাখালী প্রকাশিত হয় ১৯২৭ সালে।
- তাঁর রচিত কবিতায় গ্রামীণ জীবনের নিখুঁত চিত্র অঙ্কিত হয়।
- তাঁর নক্সী কাঁথার মাঠ ও সোজন বাদিয়ার ঘাট বাংলা ভাষার গীতি-কবিতার উৎকৃষ্টতম নিদর্শনগুলোর অন্যতম।
- 'বোবা কাহিনী' তাঁর প্রথম উপন্যাস।

তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- রাখালী,
- নক্সী কাঁথার মাঠ,
- বালুচর,
- ধানখেত,
- সোজন বাদিয়ার ঘাট,
- হাসু,
- মাটির কান্না,
- এক পয়সার বাঁশী,
- মা যে জননী কান্দে,
- পদ্মা নদীর দেশে ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

২১.
নিত্য স্ত্রীলিঙ্গ কোনটি?
  1. নবীনা
  2. বারবনিতা
  3. কল্যাণীয়া
  4. পূজনীয়া
সঠিক উত্তর:
বারবনিতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বারবনিতা
ব্যাখ্যা

• নিত্য পুংলিঙ্গ বা স্ত্রী লিঙ্গ: 
কোনো কোনো জীবিকার ক্ষেত্রে নিছক পুরুষদের বুঝায় সেগুলোর নাম-শব্দটি নিত্য পুংলিঙ্গ হিসেবে গণ্য করা হয়। 
যেমন: পুরোহিত, মোল্লা, জল্লাদ, গুন্ডা, লম্পট, সন্তান ইত্যাদি। 

• নিত্য স্ত্রীলিঙ্গ শব্দ: বারবনিতা, অসতী, কুলটা, গর্ভবতী, রজঃস্বলা ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
---------------
• 'আ' প্রত্যয় যোগে স্ত্রীবাচক শব্দ: 
অনাথ-অনাথা, কনিষ্ঠ-কনিষ্ঠা, পূজনীয়-পূজনীয়া, কল্যাণীয়-কল্যাণীয়া, নবীন-নবীনা, শ্রদ্ধেয়-শ্রদ্ধেয়া ইত্যাদি।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

২২.
'অচেনা' শব্দে 'অ' উপসর্গটি কী অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
  1. নিন্দিত
  2. অভাব
  3. বিপরীত 
  4. স্বল্প 
সঠিক উত্তর:
নিন্দিত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিন্দিত
ব্যাখ্যা

'অ' বাংলা উপসর্গ যোগে গঠিত কিছু শব্দ: 
'নিন্দিত' অর্থে- অকেজো, অচেনা, অপয়া। 
• 'অভাব' অর্থে- অচিন, অজানা, অথৈ। 
• 'ক্রমাগত' অর্থে- অঝোর, অঝোরে। 

-----------------
• খাঁটি বাংলা উপসর্গ:
বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত নিজেস্ব উপসর্গকে খাঁটি বাংলা উপসর্গ বলা হয়। খাঁটি বাংলা উপসর্গ ২১টি।
যথা: অ, অঘা, অজ, অনা, আ, আড়, আন, আব, ইতি, উন (ঊনা), কদ, কু, নি, পাতি, বি, ভর, রাম, স, সা, সু, হা।

[বাংলা উপসর্গের মধ্যে আ, সু, বি, নি এই চারটি উপসর্গ তৎসম শব্দেও পাওয়া যায়।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯-সংস্করণ)।

২৩.
নিপাতনে সিদ্ধ প্রত্যয় সাধিত শব্দ কোনটি?
  1. গতি
  2. মতি
  3. গীতি
  4. রতি
সঠিক উত্তর:
গীতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গীতি
ব্যাখ্যা

• নিপাতনে সিদ্ধ কৃৎ-প্রত্যয়:
√গৈ + ক্তি = গীতি, √সিধ + ক্তি = সিদ্ধি, √বুধ + ক্তি = বুদ্ধি, √শক্ + ক্তি = শক্তি।

অন্যদিকে, 
• ক্তি-প্রত্যয় ('ক' ইৎ 'তি' থাকে) গম্+ক্তি=√গম্+তি = গতি (এখানে 'ম' লোপ হয়েছে)।
বিশেষ নিয়ম
• ক্তি-প্রত্যয় যোগ করলে কোনো কোনো ধাতুর অন্ত ব্যঞ্জনের লোপ হয়। যথা- মন্+ক্তি = মতি, √রম্+ক্তি = রতি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯-সংস্করণ)।

২৪.
'অরুণ' শব্দের অর্থ কী?
  1. রঙিন 
  2. কিরণ
  3. লাল রং 
  4. সূর্য 
সঠিক উত্তর:
সূর্য 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সূর্য 
ব্যাখ্যা



• 'সূর্য' শব্দের সমার্থক শব্দ: অর্ক, রবি, আফতাব, আদিত্য, মিহির, অরুণ

অন্যদিকে,
• 'কিরণ' শব্দের সমার্থক শব্দ:
ময়ূখ, কর, প্রভা, দীপ্তি, জ্যোতি, অংশু, রশ্মি, আলো, আলোক, বিভা প্রভৃতি।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান এবং ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

২৫.
নিচের কোনটি নিপাতনে সিদ্ধ ব্যঞ্জন সন্ধি?
  1. গবাক্ষ
  2. আশ্চর্য
  3. অন্যান্য
  4. মার্তণ্ড
সঠিক উত্তর:
আশ্চর্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আশ্চর্য
ব্যাখ্যা

• নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি:
কতগুলো সন্ধি কোনো নিয়মে সাধিত হয় না এমন সন্ধিকে নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি বলে।

কিছু নিপাতনে সিদ্ধ ব্যঞ্জন সন্ধি:
- পর্ + পর পরস্পর,
- আ + চর্য = আশ্চর্য,
- গো + পদ = গোষ্পদ,
- বন্ + পতি = বনস্পতি,
- ষট্ + দশ = যোড়শ,
- বৃহৎ + পতি = বৃহস্পতি,
- মনস্ + ঈষা = মনীষা,
- এক +  দশ = একাদশ।

-------------------
 কতগুলো স্বর সন্ধি কোনো নিয়ম অনুসারে হয় না, এগুলোকে নিপাতনে সিদ্ধ বলে।
যথা: কুল + অটা = কুলটা (কুলাটা নয়), গো + অক্ষ = গবাক্ষ (গবক্ষ নয়), প্র + উঢ় = প্রৌঢ় (প্রোঢ় নয়), অন্য + অন্য = অন্যান্য, মার্ত + অণ্ড = মার্তণ্ড, শুদ্ধ + ওদন = শুদ্ধোদন।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯-সংস্করণ)।

২৬.
'যতিচিহ্ন' নিয়ে ব্যাকরণের কোন তত্ত্বে আলোচনা করা হয়েছে?
  1. অর্থতত্ত্বে 
  2. ধ্বনিতত্ত্বে
  3. বাক্যতত্ত্বে
  4. শব্দতত্ত্বে
সঠিক উত্তর:
বাক্যতত্ত্বে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাক্যতত্ত্বে
ব্যাখ্যা

• বাক্যতত্ত্ব:
- বাক্যতত্ত্বে বাক্য নিয়ে আলোচনা করা হয়। বাক্যের নির্মাণ এবং এর গঠন বাক্যতত্ত্বের মূল আলোচ্য। বাক্যের মধ্যে পদ ও বর্গ কীভাবে বিন্যস্ত থাকে, বাক্যতত্ত্বে তা বর্ণনা করা হয়।
- এছাড়া এক ধরনের বাক্যকে অন্য ধরনের বাক্যে রূপান্তর, বাক্যের বাচ্য, উক্তি ইত্যাদি বাক্যতত্ত্বের আলোচ্য বিষয়।
- কারক বিশ্লেষণ, বাক্যের যোগ্যতা, বাক্যের উপাদান লোপ, যতিচিহ্ন প্রভৃতিও বাক্যতত্ত্বে আলোচিত হয়ে থাকে

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম ও দশম শ্রেণি (২০২১-সংস্করণ)।

২৭.
'সহজলভ্য' অর্থ প্রকাশ করে নিচের কোনটি?
  1. উলুখাগড়া
  2. ঝাঁকের কৈ
  3. পুঁটি মাছের প্রাণ
  4. উজানের কৈ
সঠিক উত্তর:
উজানের কৈ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উজানের কৈ
ব্যাখ্যা

• 'উজানের কৈ' বাগ্‌ধারার অর্থ - সহজলভ্য।

অন্যদিকে, 
• 'পুঁটি মাছের প্রাণ'  অর্থ - ক্ষীণজীবী লোক।
• 'উলুখাগড়া' অর্থ- গুরুত্বহীন লোক।
• 'ঝাঁকের কৈ' অর্থ - এক দলভুক্ত বা একই স্বভাবের লোক।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

২৮.
'দুঃশাসন' কোন সমাসের উদাহরণ?
  1. কর্মধারয় সমাস
  2. অব্যয়ীভাব সমাস
  3. বহুব্রীহি সমাস
  4. দ্বন্দ্ব সমাস 
সঠিক উত্তর:
কর্মধারয় সমাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কর্মধারয় সমাস
ব্যাখ্যা

• কর্মধারয় সমাস:
বিশেষ্য ও বিশেষণ পদে বা বিশেষ্য ও বিশেষণ ভাবাপন্ন পদে যে সমাস হয় এবং যেখানে পরপদের অর্থ প্রধানরূপে প্রাধান্য পায় তাকে ‘কর্মধারয়’ সমাস বলে। কর্মধারয় সমাসে সাধারণত বিশেষণ পদ আগে বসে।
যেমন:
ফুলের মতো কুমারী = ফুলকুমারী, 
নীল যে পদ্ম = নীলপদ্ম।

• সাধারণ কর্মধারয় সমাস:
মধ্যপদলোপী, উপমান, উপমিত, রূপক কর্মধারয় সমাস ছাড়া অন্যান্য কর্মধারয় সমাসকে সাধারণ কর্মধারয় সমাস বলে।
সমাসবদ্ধ শব্দে বিশেষ্য ও বিশেষণের অবস্থানগত পার্থক্য নির্দেশ করে কিছু উদাহরণ:

• (বিশেষণ+ বিশেষ্য): 
- কাঁচা যে কলা = কাঁচকলা;
- দুঃ যে শাসন = দুঃশাসন;
- মহৎ যে আত্মা = মহাত্মা।

• (বিশেষণ+ বিশেষণ):
- যিনি সুস্থ তিনিই সবল = সুস্থসবল,
- যে চালাক সেই চতুর = চালাকচতুর,
- যা কাঁচা তা-ই মিঠা = কাঁচামিঠা (কাঁচামিঠে)। 

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

২৯.
'ভূস্বামী স্বাধিকারে অধিষ্ঠান করিলে প্রজারা একদিনের নিমিত্ত নিশ্চিন্ত থাকিতে পারে না।' কোন ধরনের বাক্য?
  1. জটিল
  2. যৌগিক 
  3. সরল 
  4. মিশ্র 
সঠিক উত্তর:
সরল 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরল 
ব্যাখ্যা

• সরল থেকে জটিল বাক্যে রূপান্তর:
সরল বাক্য থেকে জটিল বাক্যে রূপান্তর করতে হলে মৌলিক অর্থওমূল অর্থ অপরিবর্তিত রেখে নিচের সাধারণ সূত্রগুলো অবলম্বন করা যেতে পারে-

• সূত্র: বাক্য পরিবর্তিত হলেও মৌলিক অর্থ অপরিবর্তিত থাকবে।
যেমন:
- সরল: 'ইহাদের ন্যায় রূপবতী রমণী আমার অন্তঃপুরে নাই।'
- জটিল: 'ইহারা যেরূপ, এরূপ রূপবতী রমণী আমার অন্তঃপুরে নাই।'

• সূত্র: সরল বাক্যের উদ্দেশ্য বা কর্তা ও বিধেয় বা সমাপিকা ক্রিয়াকে পরিবর্তন না করে সাধারণত জটিল বাক্যের প্রধান খণ্ডবাক্যটি গঠিত হয়। কিছু কিছু ক্ষেত্রে ব্যতিক্রমও হয়।
যেমন:
- সরল: 'তুমি নবমালিকা কুসুমকোমলা হওয়া সত্ত্বেও তোমায় আলবালজলসেচনে নিযুক্ত করিয়াছেন।'
- জটিল: 'যদিও তুমি নবমালিকা কুসুমকোমলা, তথাপি তোমায় আলবালজলসেচনে নিযুক্ত করিয়াছেন।'

• সূত্র: সরল বাক্যের বাকি অংশ বিশেষ্য, বিশেষণ বা ক্রিয়া-বিশেষণস্থানীয় অপ্রধান বা আশ্রিত খণ্ডবাক্যে পরিণত হয়।
যেমন:
- সরল: 'ভূস্বামী স্বাধিকারে অধিষ্ঠান করিলে প্রজারা একদিনের নিমিত্ত নিশ্চিন্ত থাকিতে পারে না।'
- জটিল: 'ভূস্বামী যখন স্বাধিকারে অধিষ্ঠান করেন, তখন প্রজারা একদিনের নিমিত্ত নিশ্চিন্ত থাকিতে পারে না।'

• সূত্র: প্রধান ও অপ্রধান খণ্ডবাক্য সাপেক্ষ সর্বনাম (যা, তা) কিংবা যোজক শব্দ (যদি, তবে) দ্বারা যুক্ত হয়।
যেমন:
- সরল: 'কার্যে ক্ষতি না হইলে তথায় গিয়া অতিথি সৎকার করুন।'
- জটিল: 'যদি কার্যে ক্ষতি না হয়, তবে তথায় গিয়া অতিথি সৎকার করুন।'

- সরল: 'কেবল লোভের উপভোগ আহরণ করাই তাহার একমাত্র প্রয়োজন।'
- জটিল: 'যাহা তাঁহার একমাত্র প্রয়োজন, তাহা হইল কেবল লোভের উপভোগ আহরণ করা।'

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

৩০.
সমার্থ শব্দের বাহুল্যজনিত অশুদ্ধি ঘটেছে নিচের কোন শব্দে?
  1. মূলসহ
  2. বিবিধপ্রকার
  3. বুদ্ধিমান
  4. অদ্যাপি
সঠিক উত্তর:
বিবিধপ্রকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিবিধপ্রকার
ব্যাখ্যা

সমার্থ শব্দের বাহুল্যজনিত অশুদ্ধি:
অশুদ্ধ - শুদ্ধ:
অদ্যাপিও - অদ্যাপি/অদ্যও।  
কদাপিও - কদাপি। 
সময়কাল - সময়/কাল। 
বিবিধপ্রকার - বিবিধ। 
সুবুদ্ধিমান - সুবুদ্ধি/বুদ্ধিমান। 
আয়ত্তাধীন - আয়ত/অধীন। 
শুধুমাত্র - শুধু/মাত্র। 
কেবলমাত্র - কেবল/মাত্র। 
সমূলসহ - সমূল/মূলসহ। 

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

৩১.
Life is but a walking shadow.
Here, 'but' is-
  1. Noun
  2. Adjective
  3. Adverb
  4. Preposition
সঠিক উত্তর:
Adverb
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Adverb
ব্যাখ্যা

• Life is but a walking shadow.
- Here, 'but' is- Adverb.

- বাক্যটিতে "but" শব্দটি 'কেবলমাত্র' বা 'মাত্র' (only/merely) অর্থে Adverb হিসেবে কাজ করছে।

• But (adverb)
- English meaning: only; just; no more than.
- Bangla meaning: শুধু; কেবল; মাত্র (এখন এই অর্থে সচরাচর only ব্যবহৃত হয়)।

- অর্থাৎ, শুধু; কেবল; মাত্র অর্থে But - adverb হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

• More examples:
- You can but request.
- We can but try.

Source:
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Cambridge Dictionary.

৩২.
Which one is correctly spelt?
  1. Remunaration
  2. Remuneration
  3. Remeuneration
  4. Reamunaration
সঠিক উত্তর:
Remuneration
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Remuneration
ব্যাখ্যা

• The correct spelling is- খ) Remuneration.

• Remuneration (noun)
- English Meaning: payment for work or services.
- Bangla Meaning: পারিতোষিক; পারিশ্রমিক; পুরস্কার।

• Ex. Sentence: They demanded adequate remuneration for their work.
- Bangla Meaning: তারা তাদের কাজের জন্য পর্যাপ্ত পারিশ্রমিক দাবি করেছিল।

Source:
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Cambridge Dictionary.

৩৩.
Identify the word that can be used as both singular and plural:
  1. Light
  2. Cliff
  3. Yoke
  4. Children
সঠিক উত্তর:
Yoke
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Yoke
ব্যাখ্যা

• The correct answer is- গ) Yoke.

• Yoke (noun) 
- English Meaning: a wooden bar that is fastened over the necks of two animals, especially cattle, and connected to the vehicle or load that they are pulling.
- Bangla Meaning: (১) জোয়াল; লাঙল বা গাড়ি টানার সময়ে বলদের গলায় কাঠের যে সংযোজক বেঁধে দেওয়া হয়। (২) (plural -এ অপরিবর্তিত) একত্রে বাঁধা বা কর্মরত বলদযুগল: four yoke of oxen.

- অর্থাৎ, জোয়াল বুঝাতে প্রচলিত plural form হলো- yoke.
- তবে, yoke এর plural 'yokes' ও হয়।

অন্যদিকে,
• Light [uncountable noun] - আলোক; আলো। → singular: light, plural: lights.

• Cliff (noun) - উঁচু খাড়া পাহাড় ; বিশেষত সমুদ্র কিনারে। → singular: Cliff, plural: Cliffs.

• Children (plural noun) - ছেলেমেয়ে। → এটি শুধু plural (singular: child).

Source: 
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Merriam-Webster Dictionary.

৩৪.
We would rather you _____ the truth.
  1. telling
  2. tell
  3. told
  4. have told
সঠিক উত্তর:
told
উত্তর
সঠিক উত্তর:
told
ব্যাখ্যা

• Complete sentence: We would rather you told the truth.
- Bangla meaning: আমরা চাই যে তুমি সত্য বলতে।

• Would rather:
- বক্তার ইচ্ছা বা অভিপ্রায় প্রকাশে কোনো কিছু করা বরং ভালো অর্থে would rather + verb -এর base form ব্যবহৃত হয়।
- যেমন: She would rather drive than take the train.

• তবে অন্য কারো কর্মকাণ্ডের প্রতি পছন্দ প্রকাশ করা (to express a preference about someone else’s action) অর্থে would rather + someone + past simple ব্যবহৃত হয়।
- অর্থাৎ, subject + would rather এবং এরপর যদি আরেকটি subject আসে, তাহলে verb এর past indefinite অথবা past perfect tense হয়।
- যেমন:
- He would rather you arrived earlier.
- I’d rather you stayed at home tonight.

আবার,
• I would rather you + the past perfect - is a sentence structure that allows you to express your preference over a situation that occurred in the past.
- যেমন: I would rather you hadn’t called him and told him I was late.
 
• Structure:
- Subject + would rather + same subject + verb base form.
- Subject + would rather + different subject + verb past simple/ past perfect form.

- যেহেতু, প্রশ্ন প্রদত্ত বাক্যে, We would rather এরপর দ্বিতীয় subject হিসাবে you এসেছে তাই শূন্যস্থানে verb এর simple past form হবে।

Source:
1. Cambridge Dictionary.
2. Merriam-Webster Dictionary.

৩৫.
Which one is the feminine gender?
  1. Heir
  2. Goose
  3. Drake
  4. Earl
সঠিক উত্তর:
Goose
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Goose
ব্যাখ্যা

• 'Goose' is the feminine gender.

• Goose (feminine gender) - রাজহংসী।
- এর masculine gender হচ্ছে - Gander - কলহংস।
- Goose শব্দটির Plural হলো - Geese.

অন্যদিকে,
• Heir (উত্তরাধিকারী) → Common gender (পুরুষ বা মহিলা উভয়ই হতে পারে)।
• Drake (পুরুষ পাতিহাঁস) → Masculine gender, এর feminine হলো- Duck (পাতিহাঁস)।
• Earl (এক ধরনের অভিজাত উপাধি) → Masculine gender, এর feminine হলো- Countess (কাউন্ট/আর্লের স্ত্রী/বিধবা)।

Source:
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Cambridge Dictionary.

৩৬.
What would be the right synonym of 'Genial'?
  1. Abrupt
  2. Inclement
  3. Nascent
  4. Gracious
সঠিক উত্তর:
Gracious
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Gracious
ব্যাখ্যা

• The right synonym of 'Genial' is- Gracious.

• Genial (Adjective)
- English Meaning: friendly and pleasant; marked by or freely expressing sympathy or friendliness.
- Bangla Meaning: সদয়; সহানুভূতিশীল; মিশুক; বৃদ্ধির অনুকূলে; মৃদু; উষ্ণ।

• Given options:
ক) Abrupt (adjective)  
- আকস্মিক; অপ্রত্যাশিত; রূঢ়; অমার্জিত।

খ) Inclement (adjective) 
- (আনুষ্ঠানিক) (আবহাওয়া বা জলবায়ু সম্বন্ধে) কঠোর, রুক্ষ, নির্মম; ঠাণ্ডা ও ঝোড়ো।

গ) Nascent (adjective)
- (আনুষ্ঠানিক) জন্ম নিচ্ছে এমন; জায়মান; উৎপদ্যমান।

ঘ) Gracious (adjective) 
-  (ব্যক্তি ও ব্যক্তিগত আচরণ) সদয়; উদার; ভদ্র; সৌজন্যময়।

• সুতরাং, অপশনের অর্থ বিবেচনা করে দেখা যায় যে, The right synonym of 'Genial' is- Gracious.

Source: 
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Merriam-Webster Dictionary.

৩৭.
It was the barest of welcomes, but it was a welcome __________ .
  1. although
  2. nonetheless
  3. therefore
  4. whatever
সঠিক উত্তর:
nonetheless
উত্তর
সঠিক উত্তর:
nonetheless
ব্যাখ্যা

• Complete sentence: It was the barest of welcomes, but it was a welcome nonetheless.
- Bangla meaning: অত্যন্ত স্বল্প আয়োজনে স্বাগত জানানো হলেও, তবু তা একরকমের স্বাগতই ছিল।

• Nonetheless/nevertheless (adverb), (conjunction)
- English Meaning: in spite of what has just been said: nevertheless.
- Bangla Meaning: তথাপি; তবু; তা সত্ত্বেও।

- Nonetheless একটা adverb যা contrast বা concession দেখায় – অর্থাৎ প্রথম অংশের সাথে বৈপরীত্য সত্ত্বেও দ্বিতীয় অংশ সত্য। 
- এখানে "barest" (সবচেয়ে কম/ন্যূনতম) হওয়া সত্ত্বেও এটা "a welcome" ছিল – এই বৈপরীত্য দেখাতে nonetheless ই উপযুক্ত।

অন্যদিকে,
ক) Although (conjunction)
- English Meaning: In spite of the fact that: even though.
- Bangla Meaning: সত্ত্বেও, যদিও; যদ্যপি।

- যদিও; কোনো কিছু সত্ত্বেও অর্থে Although/though ব্যবহৃত হয়। সাধারণত দুটি clause এর কাজের বিপরীতমুখিতা বুঝাতে ব্যবহৃত হয়।
- এরা অবশ্যই clause এর পূর্বে বসে।
- যেমন: They are good friends, although they don't see each other very often.

গ) Therefore (adverb)
- English Meaning: for that reason: because of that: consequently.
- Bangla Meaning: সেই কারণে; সুতরাং।

- এটা cause-effect দেখাতে (কারণে-ফলে) ব্যবহৃত হয়।
- যেমন: We were unable to get funding and therefore had to abandon the project.

ঘ) Whatever (Adjective, pronoun)
- English Meaning: anything or everything; it is not important what is.
- Bangla Meaning: (জোর দেওয়ার প্রয়োজনে 'what' এর স্থলে) যেকোনো প্রকার হোক না কেন; যা-ই হোক না কেন;  যেকোনোকিছু বা সবকিছু।

- used instead of the word "what" to add emphasis to a phrase, usually expressing surprise.
- যেমন: Do whatever you like.

Source:
1. Cambridge Dictionary.
2. Merriam-Webster Dictionary.

৩৮.
The girl entered the room laughing.
Here, 'laughing' is-
  1. Gerund
  2. Participle
  3. Infinitive
  4. Verb
সঠিক উত্তর:
Participle
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Participle
ব্যাখ্যা

• The girl entered the room laughing.
- Here, 'laughing' is- Participle.

- প্রদত্ত বাক্যে "laughing" শব্দটি present participle হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।
- এখানে এটি মূল verb "entered"-এর সাথে মিলে participial phrase গঠন করেছে, যা subject (the girl) কে modify করছে এবং adjective-এর কাজ করছে।

• Present participle:
- Verb -এর সাথে ing যোগ হয়ে যদি adjective -এর কাজ করে অর্থাৎ, একই সাথে Verb ও adjective -এর কাজ করে, তাহলে তাকে present participle বলে।
- সহজ ভাষায় → present participle হলো Verb + ing = adjective = Verb + adjective কাজ করে।

অন্যদিকে,
• Gerund:
- Verb -এর সাথে ing যোগ হয়ে যদি noun -এর কাজ করে অর্থাৎ, একই সাথে Verb ও noun -এর কাজ করে, তখন তাকে Gerund বলে।
- সহজে → Gerund = Verb + ing = noun = Verb + noun -এর কাজ করে।
- Gerunds don’t describe action—they act as nouns.
- যেমন: Do you enjoy teaching?

৩৯.
Today's quiz was easy compared _____ the last one.
  1. over
  2. of
  3. against
  4. with
সঠিক উত্তর:
with
উত্তর
সঠিক উত্তর:
with
ব্যাখ্যা

• Complete sentence: Today's quiz was easy compared with the last one.
- Bangla meaning: আজকের কুইজটি গতবারেরটির তুলনায় সহজ ছিল।

• Compare something/somebody with/to something/somebody
- English Meaning: in relation to (something else): measured or judged against (something else).
- Bangla Meaning:  তুলনা করা। পরস্পরের মধ্যে মিল বা সম্পর্ক নির্দেশ করা।

- "Compare" এর পরে তুলনা করার জন্য সাধারণত with/to ব্যবহৃত হয়, যখন দুটি জিনিসের মধ্যে সাদৃশ্য বা পার্থক্য দেখানো হয়।

- প্রদত্ত বাক্যে আজকের কুইজটিকে গতবারেরটির সাথে তুলনা করা হয়েছে।
- সুতরাং, শূন্যস্থানের জন্য appropriate preposition হলো "with".

Source:
1. Britannica Dictionary.
2. Longman Dictionary.

৪০.
It is half past three now.
Here, the underlined word does the function of-
  1. Preposition
  2. Adjective
  3. Adverb
  4. Verb
সঠিক উত্তর:
Preposition
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Preposition
ব্যাখ্যা

• It is half past three now.
- Here, the underlined word does the function of Preposition.

- এখানে 'past' শব্দটি একটি preposition হিসেবে কাজ করছে।
- এটি সময় নির্দেশ করার জন্য ব্যবহৃত হয়েছে এবং "three"-এর সাথে যুক্ত হয়ে "তিনটা পার হয়ে/তিনটার পরে (৩:৩০)" অর্থ প্রকাশ করছে।
- ইংরেজিতে সময় বলার ক্ষেত্রে "past" সবসময় preposition হিসেবে ব্যবহৃত হয় যখন এটি ঘড়ির মিনিট অতিক্রমের অর্থ বুঝায়।

• Past (preposition)
- English Meaning:  after; later than something.
- Bangla Meaning: গত; পরে; পেরিয়ে; ছাড়িয়ে।

• More examples:
- It is ten past six. (ছয়টা দশ মিনিট)
- It is quarter past four. (চারটা পঁচিশ মিনিট)

Source:
1. Oxford Dictionary.
2. Merriam-Webster Dictionary.

৪১.
The antonym of 'Hibernation' is-
  1. Sluggishness
  2. Torpor
  3. Overwinter
  4. Excitement
সঠিক উত্তর:
Excitement
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Excitement
ব্যাখ্যা

• The antonym of 'Hibernation' is- Excitement.

• Hibernation [হাইবানেইশ্‌ন্‌] (noun)
- English Meaning: the state of being asleep for the winter.
- Bangla Meaning: শীতনিদ্রা; গোটা শীতকালটা বিচেতন অবস্থায় কাটানো।

• Given options:
ক) Sluggishness (noun) - নিষ্ক্রিয়তা; মন্থরগতি।

খ) Torpor (noun) - অসাড় অবস্থা।

গ) Overwinter (verb) - শীতকাল কাটানো, শীতকাল অতিবাহিত করা।

ঘ) Excitement (noun) -  উত্তেজনা; উদ্রেক; ব্যস্ততা।

• সুতরাং, অপশনের অর্থ বিবেচনা করে দেখা যায় যে, The antonym of 'Hibernation' is- Excitement.

Source:
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Cambridge Dictionary.

৪২.
Choose the correct positive form of: Who else is a better player than Zaman in the team?
  1. Who is the best player than Zaman in this team?
  2. Is there any other player in this team who is as good as Zaman?
  3. Is there any other players in this team who is as good as Zaman?
  4. Are there any other player in this team who are as good as Zaman?
সঠিক উত্তর:
Is there any other player in this team who is as good as Zaman?
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Is there any other player in this team who is as good as Zaman?
ব্যাখ্যা

→ (46th BCS Preli)
- Comparative: Who else is a better player than Zaman in the team?

- Positive: Is there any other player in this team who is as good as Zaman?

- এখানে মূল বাক্যটি interrogative form এ আছে। তাই positive sentence টিও interrogative form এ রাখতে হবে।
- এবং, মূলবাক্যের অর্থের সাথে সামঞ্জস্য রেখে এমন একটি বাক্য খুঁজতে হবে যা - জামানের মতো দক্ষ আর কোনো খেলোয়াড় দলে আছে কিনা সেই প্রশ্ন করবে।

- অপশন অনুসারে একমাত্র সঠিক উত্তর খ) Is there any other player in this team who is as good as Zaman?
- এই বাক্যে Positive sentence এর structure বজায় থাকছে এবং মূল বাক্যের সাথে অর্থেরও সামঞ্জস্য ঠিক থাকছে।
-----------------------

অন্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
ক) Who is the best player than Zaman in this team?
- 'the best player than' - এই অংশের structure grammatically ভুল।
- তাছাড়া এটি Positive sentence এর structure ও অনুসারেও গঠিত হয় নি, Uses best (superlative).

গ) Is there any other players in this team who is as good as Zaman?
- এখানে 'any other এর পর players - plural ব্যবহার করা হয়েছে যা ভুল।

ঘ) Are there any other player in this team who are as good as Zaman?
- এখানে 'any other player' অংশটি singular sense প্রকাশ করছে, তাই এর verb হিসেবে শুরুতে are এর ব্যবহার ভুল।

৪৩.
Choose the right form of the verb: I didn't fancy _____ in that water.
  1. swim
  2. to swim
  3. swimming
  4. swam
সঠিক উত্তর:
swimming
উত্তর
সঠিক উত্তর:
swimming
ব্যাখ্যা

• Complete sentence: I didn't fancy swimming in that water.
- Bangla meaning: আমার সেই জলে সাঁতার কাটতে ইচ্ছে করেনি।

• Fancy (verb)
- English Meaning: to want to have or do something.
- Bangla Meaning: কিছু রাখতে চাওয়া বা করতে চাওয়া।

- Verb 'fancy' এর পরে যখন কোনো action বা কাজ করার প্রতি ইচ্ছা/অনিচ্ছা প্রকাশ করা হয়, তখন সাধারণত gerund (verb + ing) form ব্যবহৃত হয়।
- Structure: fancy + gerund (fancy doing something).

- কিছু কিছু verb এর পরে gerund (verb + ing) ব্যবহৃত হয়।
- যেমন: stop, delay, fancy, consider, admit, miss, involve, finish, postpone, imagine, avoid, deny, risk, practise, etc.

Source: 
1. High School English Grammar and Composition by Wren And Martin.
2. A Text Book of Higher English Grammar by P. K. De Sarkar.

৪৪.
The idiom “Eat humble pie” means-
  1. to celebrate a victory
  2. to eat someone's pie
  3. to admit that you were wrong
  4. to boast about one’s success
সঠিক উত্তর:
to admit that you were wrong
উত্তর
সঠিক উত্তর:
to admit that you were wrong
ব্যাখ্যা

• The idiom “Eat humble pie” means to admit that you were wrong.

• Eat humble pie (idiom)
- English Meaning: to admit that you were wrong; make a humble apology and accept humiliation.
- Bangla Meaning: ভুল স্বীকার করে ক্ষমা চাওয়া।

• Ex. Sentence: After losing the argument, he had to eat humble pie.
- Bangla Meaning: তর্ক হেরে যাওয়ার পর, তাকে ভুল স্বীকার করে ক্ষমা চাইতে হয়েছিল।

Source:
1. Cambridge Dictionary.
2. Merriam-Webster Dictionary.

৪৫.
Identify the correct sentence: 
  1. The author, along with the editors, was invited to the seminar.
  2. The author, along with the editors, were invited to the seminar.
  3. The authors, along with the editors, was invited to the seminar.
  4. The author, along with the editors, have invited to the seminar.
সঠিক উত্তর:
The author, along with the editors, was invited to the seminar.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The author, along with the editors, was invited to the seminar.
ব্যাখ্যা

• Correct sentence: The author, along with the editors, was invited to the seminar.

• Subject-Verb agreement অনুযায়ী,
- With, together with, along with, as well as, in addition to, accompanied with/by, and not, including, excluding, but, except, ইত্যাদি দ্বারা কোনো noun বা pronoun যুক্ত হলে, verb সর্বদা প্রথম subject (noun/pronoun) অনুযায়ী হবে।
- অর্থাৎ, প্রথম noun/ pronoun টি singular হলে verb টি singular হবে।
- আবার প্রথম noun/ pronoun টি plural হলে verb টি plural হবে।

- যেমন: The author, along with the editors, was invited to the seminar.
- এখানে প্রথম subject 'The author' হলো singular, তাই verb হিসেবে was ব্যবহার করা হয়েছে।

৪৬.
The novella 'Heart of Darkness' was written by-
  1. Thomas Hardy
  2. Joseph Conrad
  3. Aldous Huxley
  4. Doris Lessing
সঠিক উত্তর:
Joseph Conrad
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Joseph Conrad
ব্যাখ্যা

• The novella 'Heart of Darkness' was written by Joseph Conrad.

• Heart of Darkness:
- Novella টি রচনা করেন Joseph Conrad.
- ১৮৯৯ সালে এটি প্রথম প্রকাশিত হয়। 
- Heart of Darkness পশ্চিমা ঔপনিবেশিকতার বিভীষিকাগুলো বিশ্লেষণ করে, যা এটিকে এমন একটি প্রক্রিয়া হিসেবে চিত্রিত করে যা শুধুমাত্র যেসব ভূখণ্ড ও জনগণকে শোষণ করে তাদেরকেই কলুষিত করে না, বরং পশ্চিমাদের—যারা এই শোষণকে চালিত করে—তাদেরকেও নৈতিকভাবে কলুষিত করে তোলে।
- এটি  Western colonialism এর ভয়াবহতা নিয়ে বর্ণিত একটি novella.
- The novella begins with a group of passengers aboard a boat floating on the river Thames.

• Joseph Conrad (1857-1924):
- তার Original name: Jozef Teodor Konrad Korzeniowski.
- তিনি ছিলেন একজন পোলিশ বংশোদ্ভূত English novelist ও short-story writer.
- During his lifetime, Conrad was admired for the richness of his prose and his renderings of dangerous life at sea and in exotic places.

• Notable works:
- Heart of Darkness (Novella),
- Lord Jim,
- Nostromo,
- The Secret Agent,
- Under Western Eyes,
- Typhoon,
- Victory,
- Youth, etc.

Source: Britannica.

৪৭.
"There are more things in heaven and earth, Horatio,
Than are dreamt of in your philosophy."
This extract is taken from Shakespeare's play-
  1. Macbeth
  2. Julius Caesar
  3. Othello
  4. Hamlet
সঠিক উত্তর:
Hamlet
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Hamlet
ব্যাখ্যা

• "There are more things in heaven and earth, Horatio,
Than are dreamt of in your philosophy."
- This extract is taken from Shakespeare's play Hamlet.

• Hamlet:
- Shakespeare রচিত tragedy গুলোর মধ্যে Hamlet is one of the most celebrated tragedies in English literature.
- তাঁর অন্যান্য tragedy গুলোর মত এটিও 5acts বিশিষ্ট।
- ১৫৯৯-১৬০১ সালের মধ্যে লেখা এই tragedy টি প্রকাশিত হয় ১৬০৩ সালে।
- এর কেন্দ্রীয় চরিত্র Hamlet ছিলেন prince of Denmark যিনি  জার্মানি থেকে নিজ দেশে ফিরে আসে তাঁর বাবার শেষকৃত্যে অংশগ্রহণ করতে এবং জানতে পারে যে তার চাচা Claudius তার মাকে বিয়ে করেছে এবং এই চাচাই তার বাবার খুনী।
- সত্য উদঘাটনের পর বিভিন্ন ঘটনা প্রবাহের মধ্যে দিয়ে tragedy এর কাহিনী সামনে এগিয়ে যায় এবং শেষাংশে Hamlet এর মৃত্যুর মধ্যে দিয়ে এর সমাপ্তি ঘটে।

• Main characters:
- Hamlet,
- Ophelia,
- Claudius,
- Gertrude,
- Horatio (Loyal and Best friend of Hamlet),
- Polonius (Ophelia's Father),
- Laertes (Ophelia's brother), etc.

• Famous quotations from Hamlet:
- "To be or not to be that is the question."
- "Frailty, thy name is woman."
- "Brevity is the soul of wit."
- "Listen to many, speak to a few."
- "There is nothing either good or bad, but thinking makes it so."
- "Though this be madness, yet there is method in't."
- "Conscience does make cowards of us all."
- "One may smile, and smile, and be a villain."
- "There's a divinity that shapes our ends,
Rough-hew them how we will."
- "There are more things in heaven and earth, Horatio,
Than are dreamt of in your philosophy."

• William Shakespeare (1564-1616):
- William Shakespeare একাধারে একজন English poet, dramatist এবং actor.
- তাকে 'English National Poet' বলা হয়।
- Stratford-upon-Avon -এ জন্মগ্রহণ করেছেন বলে তাকে Bard of Avon বা Swan of Avon বলা হয়।
- তাকে অনেকেই সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ নাট্যকার হিসেবে বিবেচনা করেন।
- Shakespeare occupies a unique position in world literature.
- William Shakespeare মূলত তাঁর Drama and Sonnet -এর জন্য পরিচিত।
- তিনি মোট ১৫৪ টি sonnet এবং ৩৭ টি play লিখেছেন।
- এছাড়া তিনি Long narrative poem ও লিখেছেন।

• Notable Works (Plays):
- A Midsummer Night’s Dream,
- All’s Well That Ends Well,
- Antony and Cleopatra,
- As You Like It,
- Hamlet,
- Julius Caesar,
- Othello,
- King Lear,
- Macbeth,
- Measure for Measure,
- Much Ado About Nothing,
- Richard III,
- The Taming of the Shrew,
- The Tempest, etc.
 
Source:
1. Britannica.
2. An ABC of English Literature by Dr. M. Mofizar Rahman.

৪৮.
Who wrote the verse drama 'The Cocktail Party'?
  1. Harold Pinter
  2. T. S. Eliot
  3. Oscar Wilde
  4. Graham Greene
সঠিক উত্তর:
T. S. Eliot
উত্তর
সঠিক উত্তর:
T. S. Eliot
ব্যাখ্যা

• The verse drama 'The Cocktail Party' was written by T. S. Eliot.

• The Cocktail Party:
- এটি T. S Eliot লিখিত একটি play/ verse drama in three acts.
- ১৯৪৯ সালে এই drama টি লেখা হয়েছিল।
- ১৯৫০ সালে এটি প্রথম প্রকাশিত হয়।
- Based on Alcestis by Euripides, it is a morality play presented as a comedy of manners.
- Eliot’s most commercially successful play, it was more conventional and less poetic than his earlier dramatic works.

• Main Characters:
- Edward Chamberlayne, 
- Alicia, 
- Celia,
- Sir Henry Harcourt, 
- The Priest, etc. 

• T. S. Eliot (1888-1965):
- তার পুরো নাম Thomas Stearns Eliot.
- T.S. Eliot ছিলেন একজন প্রখ্যাত আমেরিকান কবি, নাট্যকার, এবং সাহিত্য সমালোচক, যিনি আধুনিক ইংরেজি সাহিত্যে তাঁর অভিনব রচনা এবং গুরত্বপূর্ণ চিন্তাধারার জন্য পরিচিত।
- Eliot -কে বিংশ শতাব্দীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ সাহিত্যিক বিবেচেনা করা হয়।
- তিনি ১৯৪৮ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
- তিনি নোবেল পুরস্কার অর্জনকারী একজন কবি, যিনি আধুনিক কবিতার ধারায় নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছেন।

• Notable works:
• His known plays:
- The Confidential Clerk,
- Murder in the Cathedral,
- The Cocktail Party,
- The Elder Statesman,
- The Trail of a Judge, etc.

• Poems
- The Waste Land (1922)
- Four Quartets,
- The Hollow Men,
- The Love Song of J. Alfred Prufrock,
- Ash Wednesday (Poem), etc.

উল্লেখ্য যে,
- Harold Pinter লিখেছেন- The Birthday Party (Play),
- K. Mansfield লিখেছেন- The Garden Party (Short story).

Source: Britannica.

৪৯.
"Dr. Aziz" is a famous character who appears in-
  1. Pride and Prejudice
  2. A Passage to India
  3. The Doctor’s Dilemma
  4. An Ideal Husband
সঠিক উত্তর:
A Passage to India
উত্তর
সঠিক উত্তর:
A Passage to India
ব্যাখ্যা

• "Dr. Aziz" is a famous character who appears in A Passage to India.

• A Passage to India:
- এটি E.M. Forster লিখিত একটি novel.
- এটি ১৯২৪ সালে published হয়।
- বইটিতে ব্রিটিশ ও ইন্ডিয়ানদের মধ্যকার সম্পর্ক তুলে ধরা হয়েছে।
- The tensions that arise when a visiting Englishwoman, Adela Quested, accuses a well-respected Indian man, Dr. Aziz, of having attacked her during an outing.

• Main Characters:
- Dr. Aziz,
- Adela Quested,
- Mrs. Moore,
- Rony Hislop,
- Cyril Fielding, etc.

• E.M. Forster (1879-1970):
- তিনি একজন British writer.
- তিনি একাধারে একজন British novelist, essayist এবং social ও literary critic.
- His fame rests largely on his novels Howards End and A Passage to India and on a large body of criticism.

• Notable works:
- A Room with a View,
- A Passage to India,
- Aspects of the Novel,
- Howards End,
- Marianne Thornton,
- The Hill of Devi,
- The Longest Journey, etc.

• উল্লেখ্য যে, 'A Passage to India' শিরোনামে American poet - Walt Whitman এর একটি কবিতা রয়েছে।

Source:
1. Britannica.
2. SparkNotes.

৫০.
The poem 'The Solitary Reaper' belongs to-
  1. Alexander Pope
  2. P. B. Shelley
  3. William Wordsworth
  4. S. T. Coleridge
সঠিক উত্তর:
William Wordsworth
উত্তর
সঠিক উত্তর:
William Wordsworth
ব্যাখ্যা

• The poem 'The Solitary Reaper' belongs to William Wordsworth.

• The Solitary Reaper:
- 'The Solitary Reaper' is a poem written by W. Wordsworth.
- এই কবিতাটি প্রকাশিত হয় ১৮০৭ সালে। 
- কবিতায় দেখা যায়, একটা তরুনী মেয়ে স্কটল্যান্ডের গ্রামীন পরিবেশে এবং পাহাড়ী এলাকায় একাকী কাজে মগ্ন।
- কাজের পাশাপাশী সে করুন দু:খের গান গুনগুনিয়ে গাইছে।
-  The Solitary Reaper  বাংলা অর্থ একাকী শস্যচ্ছেদক(যে ফসল কাটে)।

• William Wordsworth (1770–1850):
- তিনি Romantic Period -এর একজন English poet ছিলেন।
- তিনি ১৮৪৩ সালে ইংল্যান্ডের Poet Laureate হন এবং তার মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি এই ভূমিকা পালন করেন।
- Wordsworth -এর জন্ম Northern England -এর Lake District এ হওয়ায় তাকে Lake Poet বলা হয়।
- He is called the Poet of Nature, Poet of Childhood.
- তার কবিতায় প্রকৃতির সঙ্গে মানুষের সম্পর্ক এবং প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়েছে।
- তিনি শৈশবকাল থেকেই প্রকৃতির প্রতি গভীর আকর্ষণ অনুভব করেন।
- Wordsworth -এর লেখার শৈলী সহজ ও প্রাকৃতিক, যা সাধারণ মানুষের ভাষা এবং অভিজ্ঞতাকে তুলে ধরে।

• Notable works:
- Lyrical Ballads,
- The Daffodils,
- The Solitary Reaper,
- Tintern Abbey,
- The Excursion,
- Michael,
- Ode on Immortality,
- Lucy Poems,
- To the Cuckoo,
- The Prelude,
- The Recluse,
- Peter Bell,
- The Ruined Cottage,
- The World Is Too Much with Us,
- The Ecclesiastical sonnets, etc.

• 'The Borderers' is the only play written by William Wordsworth.

Source:
1. Britannica.
2. An ABC of English Literature by Dr. M Mofizar Rahman.

৫১.
"Hope springs eternal in the human breast;
Man never is, but always to be blest." is phrased by-
  1. Alfred Lord Tennyson
  2. Alexander Pope
  3. G. B. Shaw
  4. Jonathan Swift
সঠিক উত্তর:
Alexander Pope
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Alexander Pope
ব্যাখ্যা

• "Hope springs eternal in the human breast;
Man never is, but always to be blest." is phrased by Alexander Pope.

• Alexander Pope (1688-1744):
- He is the most famous poet of the Augustan Age.
- The Augustan age is also known/called as the Age of the Pope.
- কারন এই যুগে অন্যতম সাহিত্যিক ছিলেন Alexander Pope যিনি এই যুগে তাঁর লেখনীর দ্বারা আধিপত্য বিস্তার করেছিলেন।
- তিনি একজন Mock Heroic Poet হিসাবেও পরিচিত।

• Famous quotes:
- Fools rush in where angels fear to tread.
- To err is human; to forgive, divine.
- An honest man is the noblest work of God.
- A little learning is a dangerous thing.
- Amusement is the happiness of those who cannot think.
- 'Tis Education forms the common mind,
Just as the Twig is bent, the Tree's inclin'd.
- Be not the first by whom the new are tried,
Nor yet the last to lay the old aside.
- Hope springs eternal in the human breast;
Man never is, but always to be blest.
- Know then thyself, presume not God to scan;
The proper study of mankind is man.

• Notable works:
- The Rape of the Lock (Famous Mock-Heroic poem),
- The Dunciad (poem) (major work of mock-heroic verse),
- The New Dunciad (poem),
- Windsor-Forest(poem),
- An Epistle to Dr. Arbuthnot (poem),
- An Essay on Criticism (poem),
- An Essay on Man (poem),
- Eloisa to Abelard (poem),
- Epistle to the Right Honourable Richard Earl of Burlington (essay),
- Memoirs of Martinus Scriblerus, etc.

Source:
1. Britannica.
2. Poetry Foundation.

৫২.
Who was the writer of the autobiographical essay “A Hanging”?
  1. George Orwell
  2. Charles Lamb
  3. Francis Bacon
  4. William Hazlitt
সঠিক উত্তর:
George Orwell
উত্তর
সঠিক উত্তর:
George Orwell
ব্যাখ্যা

• The correct answer is George Orwell.

• A Hanging:
- এই autobiographical essay টি রচনা করেন English writer George Orwell.
- এটি একটি autobiographical ও political essay.

• “A Hanging” জর্জ অরওয়েল-এর লেখা একটি প্রবন্ধ, যা তিনি বাস্তব অভিজ্ঞতার উপর ভিত্তি করে লিখেছেন। George Orwell বার্মায় পুলিশ অফিসার থাকাকালে একজন অপরাধীর ফাঁসির দৃশ্য বর্ণনা করেছেন। তিনি কেবল ফাঁসির প্রক্রিয়া দেখান না, বরং মানব জীবনের মূল্য, ন্যায্যতা ও সহমর্মিতার অনুভূতিও পাঠকের সামনে তুলে ধরেন।

• George Orwell (1903-1950):
- তার আসল নাম হলো Eric Arthur Blair.
- তিনি ব্রিটিশ ভারতের বেঙ্গল প্রদেশের মতিহারি -তে জন্মগ্রহণ করেন এবং মাত্র ৪৬ বছর বয়সে ইংল্যান্ডের লন্ডনে মৃত্যুবরণ করেন।
- তিনি ছিলেন একজন ইংরেজ উপন্যাসক, প্রবন্ধকার, এবং সমালোচক।
- তিনি দুটি বিখ্যাত উপন্যাস Animal Farm (১৯৪৫) এবং Nineteen Eighty-Four (১৯৪৯) -এর জন্য পরিচিত।
- এই দুটি উপন্যাসই  বিশ্ব সাহিত্যে অমর হয়ে আছে এবং সামাজিক ও রাজনৈতিক ধারণার প্রতি গভীর সমালোচনা প্রদর্শন করেছে।

• Famous Works:
• Novels:
- Animal Farm,
- Nineteen Eighty-Four / '1984',
- Burmese Days,
- Coming up for Air.

• Story/Essay:
- Shooting an Elephant,
- A Hanging.

Source: Britannica.

৫৩.
"My Last Duchess" is a-
  1. Elizabethan poem
  2. Romantic poem
  3. Victorian poem
  4. Modern poem
সঠিক উত্তর:
Victorian poem
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Victorian poem
ব্যাখ্যা

• "My Last Duchess" is a Victorian poem.
- Victorian period এর প্রধান ইংরেজি কবি Robert Browning এর লেখা একটি সফল dramatic monologue.

• My Last Duchess:
- এটি একটি dramatic monologue, যা 56 লাইনে রচিত।
- কবিতার বক্তা ফেরারার ডিউক, যে তার প্রয়াত স্ত্রীর ছবির সম্পর্কে মন্তব্য করছে।
- ডিউক তার স্ত্রীর নিষ্পাপতা ও চরিত্র সম্পর্কে কথা বলে, তবে তার অতিরিক্ত বন্ধুত্বপূর্ণ মনোভাব এবং তার শাসনের প্রতি শ্রদ্ধা না দেখানোর জন্য স্ত্রীর প্রতি বিরক্তি প্রকাশ করে।
- কবিতার মধ্যে শেষের দিকে এটি স্পষ্ট হয়ে ওঠে যে, ডিউক নিজেই তার স্ত্রীর মৃত্যুর জন্য দায়ী।

• Robert Browning (1812-1889):
- Robert Browning ছিলেন ভিক্টোরিয়ান যুগের একজন প্রধান ইংরেজি কবি।
- তিনি নাটকীয় একক বক্তৃতা এবং মানসিক চিত্রকল্পের জন্য পরিচিত।
- তার সবচেয়ে বিখ্যাত কাজ ছিল The Ring and the Book , যা একটি রোমান হত্যাকাণ্ডের বিচার প্রক্রিয়ার গল্প।

• His notable poems:
- My Last Duchess,
- Fra Lippo Lippi,
- Men and Women (Books of poems),
- Porphyria’s Lover,
- Pippa Passes,
- Rabbi Ben Ezra,
- Fra Lippo Lippi,
- Sordello,
- The Pied Piper of Hamelin,
- The Ring and the Book,
- The Patriot,
- Bishop Blougram’s Apology (long poem), etc.

Drama:
- Pippa Passes.

Source: Britannica.

৫৪.
Who is not the modern poet?
  1. John Masefield
  2. Dylan Thomas
  3. William Butler Yeats
  4. Matthew Arnold
সঠিক উত্তর:
Matthew Arnold
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Matthew Arnold
ব্যাখ্যা

• Matthew Arnold is not a modern poet, He is a Victorian poet.

অন্যদিকে,

- John Masefield, Dylan Thomas, এবং W.B. Yeats এই তিনজনই হলো modern poets (late 19th–20th century).

• Matthew Arnold (1822-1888):
- তিনি একজন বিখ্যাত English Victorian poet এবং literary ও social critic.
- তিনি সমসাময়িক সমাজের বিভিন্ন শ্রেণির রুচি ও আচরণের সমালোচনার জন্য পরিচিত।
- তিনি শুরুতে inspector of schools হিসেবে কাজ করেন, পরে তিনি professor of poetry হিসেবে যোগ দান করেন Oxford -এ।
- তিনি সংস্কৃতির একজন প্রচারক হিসেবে খ্যাত, বিশেষ করে তাঁর বিখ্যাত criticism রচনা Culture and Anarchy (1869)-এর জন্য।
- Matthew was the eldest son of the renowned Thomas Arnold.

• Notable Works:
• Famous elegies: 
- Thyrsis,
- Rugby Chapel.

• Famous poems:
- Dover Beach,
- The scholar gypsy (lyric poem),
- Sohrab and Rustom,
- The Forsaken Merman,
- Empedocles on Etna,
- Cromwell.

• Famous books:
- Culture and Anarchy,
- The Study of Poetry,
- Literature and Dogma,
- Essays in Criticism,
- On Translating Homer (lectures),
- On the Study of Celtic Literature (lectures), etc.

Source: Britannica.

৫৫.
"Our sweetest songs are those that tell of saddest thought."
This poetic line is taken from the poem of-
  1. The Cloud
  2. Endymion
  3. To a Skylark
  4. Ode to the West Wind
সঠিক উত্তর:
To a Skylark
উত্তর
সঠিক উত্তর:
To a Skylark
ব্যাখ্যা

• "Our sweetest songs are those that tell of saddest thought."
- This poetic line is taken from the poem of- To a Skylark.

• To a Skylark:
- এটি একটি lyric poem.
- Skylark হলো চড়ুই -এর মতো দেখতে একটি পাখি।
- কবি একে চাঁদের আলোর সাথে তুলনা করেন।
- কবির মনে এটি joyous spirit of the divine -এর প্রতীক।
- তিনি skylark হবার ইচ্ছা পোষণ করেন।
- এর গান থেকে তিনি আত্মার প্রেরণা খুঁজে পান। তিনি মনে করেন এর গান স্বর্গীয়।

• To a Skylark -এর এই অংশটুকু:
- "We look before and after,
And pine for what is not:
Our sincerest laughter
With some pain is fraught;
Our sweetest songs are those that tell of saddest thought."

• P.B. Shelley (1792-1822):
- তিনি একজন English Romantic poet.
- তাঁর পুরো নাম Percy Bysshe Shelley.
- তাকে ইংরেজি সাহিত্যের অন্যতম একজন Revolutionary poet হিসেবে গণ্য করা হয়।
- His poetry reflected idealism, radical thought, personal love, and a quest for social justice.
- মাত্র ২৯ বছর বয়সে মৃত্যু হয় ইংরেজি সাহিত্যের এই উজ্জ্বল নক্ষত্রের।

• Famous quotations:
- "If Winter comes can spring be far behind?"
- "The more we study, the more we discover our ignorance."
- "Our sweetest songs are those that tell of saddest thought."
- "Poets are the unacknowledged legislators of the world."
- "Fear not the future, weep not for the past."
- "I am the daughter of Earth and Water; And the nursling of the sky."

• Famous Poems:
- To a Skylark,
- Ode to the West Wind,
- Ozymandias,
- Queen Mab,
- Adonais,
- The Cloud,
- Rosalind and Helen,
- The Revolt of Islam, etc.

Source:
1. Britannica.
2. Poetry Foundation.

৫৬.
Who is the poet of 'The Good-Morrow'?
  1. Robert Herrick
  2. John Donne
  3. James Joyce
  4. Andrew Marvell
সঠিক উত্তর:
John Donne
উত্তর
সঠিক উত্তর:
John Donne
ব্যাখ্যা

• The poet of 'The Good-Morrow' is John Donne.

• The Good Morrow:
- "The Good Morrow" বিখ্যাত কবিতাটি লিখেছেন মেটাফিজিকাল কবি হিসেবে পরিচিত John Donn.
- এটি ১৬৩৩ সালে প্রকাশিত হয়।
- The main theme of the poem is love.
- It mainly describes a conversation between the speaker and his lover.

• এই কবিতার বিখ্যাত উক্তি:
- “I wonder, by my troth, what thou and I Did, till we loved?"
- "Love all love of other sights controls,
And makes one little room an everywhere."

• John Donne (1572-1631):
- John Donne ছিলেন Renaissance যুগের একজন অন্যতম বিখ্যাত কবি।
- Metaphysical poetry -এর জনক বলা হয় John Donne কে।
- তিনি আধ্যাত্মিক কবিতার সূচনা করেছিলেন তাই তাকে Father of Metaphysical poetry বলা হয়।
- এছাড়াও তিনি Poet of Love and Religious হিসেবেও পরিচিত।
- কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর John Done -এর কবিতা দ্বারা অত্যন্ত প্রভাবিত হয়েছিলেন।

• Famous poems:
- The Good-Morrow,
- The Canonization,
- The Flea,
- The Ecstasy,
- The Sun Rising,
- Twicknam Garden,
- For Whom The Bell Tolls,
- A Valediction: Forbidding Mourning, etc.

Source:
1. Britannica.
2. Poetry Foundation.

৫৭.
Who said 'Veni, Vidi, Vici'?
  1. Julius Caesar
  2. Brutus
  3. Mark Antony
  4. Cassius
সঠিক উত্তর:
Julius Caesar
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Julius Caesar
ব্যাখ্যা

• 'Veni, Vidi, Vici' is said by Julius Ceaser.
- এই বিখ্যাত লাইনটি নেওয়া হয়েছে William Shakespeare-এর নাটক Julius Caesar থেকে।
- এই latin phrase টির ইংরেজি অর্থ হচ্ছে - I came, I saw, I conquered.
- নাটকের কেন্দ্রীয় চরিত্র Julius Ceaser এই উক্তিটি করেছিলেন।

• Julius Caesar:
- এটি William Shakespeare এর একটি Historical Play এবং Tragedy.
- ১৫৯৯-১৬০০ সালের মধ্যে এই নাটকটি লেখা হয় এবং ১৬২৩ সালে Shakespeare এর First Folio এর অন্তর্ভুক্ত হয়ে প্রকাশিত হয়।
- Julius Caesar Rome এর ruler ছিলেন।
- Caesar এর betrayer এর নাম হলো Brutus.
- নাটকটি রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রকে ঘিরে আবর্তিত হয় যা Julius Caesar, একজন রোমান রাষ্ট্রনায়ক এবং সামরিক জেনারেলকে হত্যার দিকে নিয়ে যায়।
- ঈর্ষান্বিত ষড়যন্ত্রকারীরা সিজারের বন্ধু Brutus কে Caesar এর বিরুদ্ধে তাদের হত্যার ষড়যন্ত্রে যোগ দিতে রাজি করায়।
- Caesar কে অত্যধিক ক্ষমতা অর্জন থেকে বিরত রাখতে, Brutus এবং ষড়যন্ত্রকারীরা তাকে March এর Ides এ হত্যা করে।
- Mark Antony ষড়যন্ত্রকারীদের রোম থেকে তাড়িয়ে দেয় এবং একটি যুদ্ধে তাদের সাথে লড়াই করে।

• Main characters:
- Julius Caesar,
- Brutus (Marcus Brutus),
- Mark Antony,
- Cleopatra,
- Cassius,
- Calpurnia,
- Octavia,
- Portia, etc.

• এই tragedy এর কয়েকটি বিখ্যাত উক্তি হচ্ছে- 
- 'Cowards die many times before death; The valiant never taste of death but once.',
- 'Veni, Vidi, Vici (I came, I saw, I conquered),
- 'Et tu, Brute? ('You too, Brutus?')' (last words of Julius Caesar).

• William Shakespeare (1564-1616):
- William Shakespeare একাধারে একজন English poet, dramatist এবং actor.
- তাকে 'English National Poet' বলা হয়।
- Stratford-upon-Avon -এ জন্মগ্রহণ করেছেন বলে তাকে Bard of Avon বা Swan of Avon বলা হয়।
- তাকে অনেকেই সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ নাট্যকার হিসেবে বিবেচনা করেন।
- Shakespeare occupies a unique position in world literature.
- William Shakespeare মূলত তাঁর Drama and Sonnet -এর জন্য পরিচিত।
- তিনি মোট ১৫৪ টি sonnet এবং ৩৭ টি play লিখেছেন।
- এছাড়া তিনি Long narrative poem ও লিখেছেন।

Source:
1. Britannica.
2. SparkNotes.

৫৮.
Paradise Lost and Paradise Regained are two epic by-
  1. Edmund Spenser
  2. William Blake
  3. John Dryden
  4. John Milton
সঠিক উত্তর:
John Milton
উত্তর
সঠিক উত্তর:
John Milton
ব্যাখ্যা

• Paradise Lost and Paradise Regained are two epic by John Milton.

• Paradise Lost and Paradise Regained:
- John Milton রচিত বিখ্যাত মহাকাব্য।
- Paradise Lost প্রকাশিত হয় 1667 সালে এবং Paradise Regained প্রকাশিত হয় 1671 সালে।
- এই দুটি মহাকাব্য তিনি অন্ধ অবস্থায় লিখেন।
- Paradise Lost হলো মানবতার পতনের কাহিনী।
- Paradise Regained হলো মানবতার মুক্তির ও ঈশ্বরের প্রতি আনুগত্যের মাধ্যমে পুনঃপ্রতিষ্ঠার কাহিনী।

• John Milton (1608-1674):
- তিনি ছিলেন একজন English poet, pamphleteer এবং historian.
- তিনি William Shakespeare এর পর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ English author হিসেবে বিবেচিত।
- Milton is best known for Paradise Lost.
- it is widely regarded as the greatest epic poem in English.

• Notable works:
- Paradise Lost (Epic);
- Paradise Regained (Epic);
- Of Education (Prose);
- Lycidas (Elegy);
- On Shakespeare (First published poem), etc.

Source:
1. Britannica.
2. An ABC of English Literature by Dr. M. Mofizar Rahman.

৫৯.
What is a limerick in literature?
  1. A dramatic monologue in free verse
  2. A humorous poem with five lines
  3. A Japanese poetic form
  4. An eight-line love poem
সঠিক উত্তর:
A humorous poem with five lines
উত্তর
সঠিক উত্তর:
A humorous poem with five lines
ব্যাখ্যা

• A limerick is a humorous poem with five lines.

• Limerick:
- English Meaning: A light or humorous verse form of five lines.
- Bangla Meaning: কৌতুকপূর্ণ পঞ্চপদী ছড়া।

- মূলত এটি হচ্ছে পাঁচ লাইনের মজার ছড়া। 
- A popular form of short, funny verse that is often nonsensical and rude.
- a five-line poem with a strict rhyme scheme (AABBA, lines 1,2, and 5 rhyme together, while lines 3 and 4 rhymes togther).
- The first collections of limericks in English date from about 1820.

• Example of Limerick:
- "There was an Old Man who supposed
That the street door was partially closed;
But some very large rats
Ate his coats and his hats,
While that futile Old Gentleman dozed."

Source: 
1. Britannica.
2. Literary terms.net

৬০.
Emily Jane Bronte is a/an-
  1. English novelist 
  2. English poet 
  3. English novelist and poet
  4. Irish author
সঠিক উত্তর:
English novelist and poet
উত্তর
সঠিক উত্তর:
English novelist and poet
ব্যাখ্যা

• Emily Jane Bronte is an English novelist and poet.

• Emily Bronte (1818-1848):
- Emily Bronte was an English novelist and poet.
- তার পুরো নাম Emily Jane Bronte.
- তার ছদ্মনাম Ellis Bell.
- Charlotte Bronte এর ছোট বোন।
- Emily was perhaps the greatest of the three Bronte sisters.
- Wuthering Heights তার একমাত্র উপন্যাস এবং এই উপন্যাস ঘিরেই মূলত তার পরিচয়।
- মাত্র ৩০ বছর বয়সে মারা যান।

• Notable works:
- Poems by Currer, Ellis and acton Bell;
- Wuthering Heights.

Source: Britannica.

৬১.
    সঠিক উত্তর:
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: 

    সমাধান:

    ৬২.
    1. 11
    2. 2
    3. 3
    4. 1
    সঠিক উত্তর:
    1
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    1
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: 

    সমাধান: 

    ৬৩.
    'MATHEMATICS' শব্দটি থেকে এলোমেলোভাবে একটি বর্ণ নির্বাচন করা হলো। নির্বাচিত বর্ণটি A হওয়ার সম্ভাবনা কত?
    1. 2/11
    2. 4/3
    3. 9/11
    4. 1/11
    সঠিক উত্তর:
    2/11
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    2/11
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: 'MATHEMATICS' শব্দটি থেকে এলোমেলোভাবে একটি বর্ণ নির্বাচন করা হলো। নির্বাচিত বর্ণটি A হওয়ার সম্ভাবনা কত?

    সমাধান: 
    'M A T H E M A T I C S' শব্দটিতে 
    মোট বর্ণ আছে = 11 

    এবং যার মধ্যে 'A' বর্ণ আছে = 2

    ∴ A হওয়ার সম্ভাবনা, P(A) = 'A' এর সংখ্যা​/মোট বর্ণ
    = 2/11

    ৬৪.
    যদি x = √10 + 3 হয়, তবে x3 - 1/x3 এর মান কত?
    1. 216
    2. 234
    3. 254
    4. 334
    সঠিক উত্তর:
    234
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    234
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: যদি x = √10 + 3 হয়, তবে x3 - 1/x3 এর মান কত?

    সমাধন: 
    দেওয়া আছে, 
    x = √10 + 3

    এখন, 
    1/x = 1/(√10 + 3)
    = (√10 - 3)/(√10 + 3)(√10 - 3)
    = (√10 - 3)/(√10)2 - (3)2
    = (√10 - 3)/(10 - 9)
    = √10 - 3
    ∴ 1/x = √10 - 3

    ∴ x - 1/x = √10 + 3 - √10 + 3 = 6

    প্রশ্নমতে, 
    x3 - 1/x3
    = (x - 1/x)3 + 3 × x × (1/x)(x - 1/x)
    = 63 + (3 × 6)
    = 216 + 18
    = 234

    ৬৫.
    ৫০ টাকায় ১০ টি কলা বিক্রয় করার ৫০% ক্ষতি হয়। ৫০ টাকায় ৬ টি কলা বিক্রয় করলে শতকরা কত লাভ বা ক্ষতি হবে?
    1. ২৫% ক্ষতি
    2. ১৫% লাভ 
    3. ১৬.৬৭% ক্ষতি
    4. ১২.৫% লাভ 
    সঠিক উত্তর:
    ১৬.৬৭% ক্ষতি
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ১৬.৬৭% ক্ষতি
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: ৫০ টাকায় ১০ টি কলা বিক্রয় করার ৫০% ক্ষতি হয়। ৫০ টাকায় ৬ টি কলা বিক্রয় করলে শতকরা কত লাভ বা ক্ষতি হবে? 

    সমাধান: 
    দেওয়া আছে,
    বিক্রয় মূল্য = ৫০ টাকা 
    এবং ক্ষতি ৫০%
    ∴ ক্রয়মূল্য = (৫০ + ৫০) = ১০০ টাকা 

    ১০ টি কলার ক্রয়মূল্য = ১০০ টাকা 
    ∴ ১ টি কলার ক্রয়মূল্য = ১০০/১০ = 10 টাকা

    আবার, 
    ৬ টি কলার বিক্রয়মূল্য = ৫০ টাকা
    ∴ ১ টি কলার বিক্রয়মূল্য = ৫০/৬ = ২৫/৩ টাকা

    ∴ ক্ষতি = ১০ - (২৫/৩) = (৩০ - ২৫)/৩ = ৫/৩ টাকা

    ∴ ১০ টাকায় ক্ষতি হয় = ৫/৩ টাকা 
    ∴ ১ টাকায় ক্ষতি হয় = ৫/৩০ টাকা 
    ∴ ১০০ টাকায় ক্ষতি হয় = (৫ × ১০০)/৩০ = ৫০/৩ = ১৬.৬৭ টাকা 

    সুতরাং, ক্ষতির পরিমাণ ১৬.৬৭%

    ৬৬.
    রিশাদ তার বেতন থেকে প্রথম মাসে 1200 টাকা সঞ্চয় করেন এবং পরবর্তী প্রতিমাসে এর পূর্ববর্তী মাসের তুলনায় 100 টাকা বেশি সঞ্চয় করেন। তিনি কত বছরে মোট 106200 টাকা সঞ্চয় করেন?
    1. 3 বছর
    2. 2 বছর
    3. 5 বছর
    4. 4 বছর
    সঠিক উত্তর:
    3 বছর
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    3 বছর
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: রিশাদ তার বেতন থেকে প্রথম মাসে 1200 টাকা সঞ্চয় করেন এবং পরবর্তী প্রতিমাসে এর পূর্ববর্তী মাসের তুলনায় 100 টাকা বেশি সঞ্চয় করেন। তিনি কত বছরে মোট 106200 টাকা সঞ্চয় করেন?

    সমাধান: 
    একটি সমান্তর ধারা।
    প্রথম পদ(প্রথম মাস), a = 1200 টাকা
    সাধারণ অন্তর(প্রতি মাসে বৃদ্ধি), d = 100 টাকা
    n মাস পরে মোট সঞ্চয়, Sn = 106200 টাকা।

    আমরা জানি, 
    Sn = (n/2)[2a + (n - 1)d]
    ⇒ (n/2)[2 × 1200 + (n - 1)100] = 106200
    ⇒ (n/2)(2400 + 100n - 100) = 106200
    ⇒ (n/2)(100n + 2300) = 106200
    ⇒ n(100n + 2300) = 212400
    ⇒ 100n2 + 2300n - 212400 = 0
    ⇒ n2 + 23n - 2124 = 0
    ⇒ n2 + 59n - 36n - 2124 = 0
    ⇒ n(n + 59) - 36(n + 59) = 0
    ⇒ (n + 59)(n - 36) = 0
    হয়,
    n + 59 = 0
    ∴ n = - 59  [মাস কখনো ঋণাত্মক হতে পারেনা] 

    অথবা, 
    n - 36 = 0
    ∴ n = 36

    নির্ণেয় সময় 36 মাস বা 3 বছর।

    ৬৭.
    যদি (2x + 1, 5) = (9, 3y - 2) হলে, (x, y) এর মান কত?
    1. (3/7, 3)
    2. (4, 3/7)
    3. (2, 4) 
    4. (4, 7/3)
    সঠিক উত্তর:
    (4, 7/3)
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    (4, 7/3)
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: যদি (2x + 1, 5) = (9, 3y - 2) হলে, (x, y) এর মান কত?

    সমাধান: 
    দেওয়া আছে, 
    (2x + 1, 5) = (9, 3y - 2)

    এখন, 
    2x + 1 = 9
    ⇒ 2x = 9 - 1
    ⇒ 2x = 8
    ⇒ x = 8/2
    ∴ x = 4

    এবং
    3y - 2 = 5
    ⇒ 3y = 5 + 2
    ⇒ 3y = 7
    ∴ y = 7/3

    ∴ (x, y) = (4, 7/3)

    ৬৮.
    যদি কোনো সেটের nটি উপাদান থাকে, তবে সেই সেটের সকল প্রকৃত উপসেটের সংখ্যা কত?
    1.  2n
    2.  2n + 1
    3. 2n - 1
    4.  22
    সঠিক উত্তর:
    2n - 1
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    2n - 1
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: যদি কোনো সেটের nটি উপাদান থাকে, তবে সেই সেটের সকল প্রকৃত উপসেটের সংখ্যা কত?

    সমাধান:
    উপসেট (Subset):
    - কোনো সেটের উপাদানগুলো নিয়ে যতগুলো নতুন সেট গঠন করা যায়, তাদের প্রত্যেকটিকে মূল সেটের উপসেট বলে।
    - কোনো সেটের উপাদান সংখ্যা n হলে, তার মোট উপসেটের সংখ্যা হয় 2n
    - ফাঁকা সেট (∅) এবং মূল সেট নিজেও তার উপসেট।

    প্রকৃত উপসেট (Proper Subset):
    - মূল সেট ব্যতীত বাকি সব উপসেটকে প্রকৃত উপসেট বলা হয়।
    - অর্থাৎ, একটি সেটের সকল উপসেটের মধ্য থেকে শুধু মূল সেটটিকে বাদ দিলেই প্রকৃত উপসেটগুলো পাওয়া যায়।

    - যেহেতু মোট উপসেটের সংখ্যা 2n এবং এর মধ্যে একটি হলো মূল সেট নিজেই, তাই প্রকৃত উপসেটের সংখ্যা হবে 2n - 1।

    ৬৯.
    একটি অর্ধবৃত্তাকার জানালার ব্যাসার্ধ 28 সে.মি হলে জানালাটির পরিসীমা কত হবে?
    1. 144 সে.মি 
    2. 108 সে.মি 
    3. 88 সে.মি 
    4. 188 সে.মি 
    সঠিক উত্তর:
    144 সে.মি 
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    144 সে.মি 
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: একটি অর্ধবৃত্তাকার জানালার ব্যাসার্ধ 28 সে.মি হলে জানালাটির পরিসীমা কত হবে?

    সমাধান: 
    দেওয়া আছে,
    ব্যাসার্ধ, r = 28 সে.মি.

    আমরা জানি,
    অর্ধবৃত্তের পরিসীমা = বৃত্তের অর্ধ পরিধি + ব্যাস
    = (2πr/2) + 2r
    = πr + 2r
    = {(22/7) × 28} + (2 × 28)
    = (22 × 4) + 56
    = 88 + 56
    = 144 সে.মি । 

    ৭০.
    ক, খ ও গ-এর মধ্যে 260 টাকা এমনভাবে ভাগ করতে হবে যেন ক-এর অংশের 2 গুণ, খ-এর অংশের 3 গুণ এবং গ-এর অংশের 4 গুণ সমান হয়। তাহলে গ-এর টাকার পরিমাণ কত?
    1. 100 টাকা
    2. 120 টাকা
    3. 80 টাকা
    4. 60 টাকা
    সঠিক উত্তর:
    60 টাকা
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    60 টাকা
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: ক, খ ও গ-এর মধ্যে 260 টাকা এমনভাবে ভাগ করতে হবে যেন ক-এর অংশের 2 গুণ, খ-এর অংশের 3 গুণ এবং গ-এর অংশের 4 গুণ সমান হয়। তাহলে গ-এর টাকার পরিমাণ কত?

    সমাধান:
    ধরি,
    ক-এর অংশ = x
    খ-এর অংশ = y
    গ-এর অংশ = z

    প্রদত্ত শর্ত,
    2x = 3y = 4z = k [ধরি সবগুলোর সমান মান = k]
    2x = k
    ∴ x = k/2

    3y = k
    ∴ y = k/3
    এবং 
    4z = k
    ∴ z = k/4

    প্রশ্নমতে, 
    x + y + z = 260
    ⇒ (k/2) + (k/3) + (k/4) = 260
    ⇒ (6k + 4k + 3k)/12 = 260
    ⇒ 13k/12 = 260
    ⇒ k = (260 × 12)/13
    ∴ k = 240

    ∴ গ-এর অংশ, z = k/4 = 240/4 = 60 টাকা

    সুতরাং গ-এর টাকার পরিমাণ = 60 টাকা।

    ৭১.
    যদি 32x - 3x + 2 = 3x + 1 - 27 হয়, তবে x এর মান কত?
    1. (1, - 1)
    2. (1, 2)
    3. (2, 3)
    4. (0, 2)
    সঠিক উত্তর:
    (1, 2)
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    (1, 2)
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: যদি 32x - 3x + 2 = 3x + 1 - 27 হয়, তবে x এর মান কত? 

    সমাধান: 
    দেওয়া আছে, 
    32x - 3x + 2 = 3x + 1 - 27
    ⇒ (3x)2 - (3x × 32) = (3x × 31) - 27

    ধরি, 3x = p
    ⇒ p2 - 9p = 3p - 27
    ⇒ p2 - 12p + 27 = 0
    ⇒ p2 - 9p - 3p + 27 = 0
    ⇒ p(p - 9) - 3(p - 9) = 0
    ⇒ (p - 9)(p - 3) = 0
    হয়, 
    p - 9 = 0 
    ⇒ p = 9 
    ⇒ 3x = 32   ;   [p এর মান বসিয়ে পাই]
    ∴ x = 2

    অথবা, 
    p - 3 = 0
    ⇒ p = 3 
    ⇒ 3x = 31     ; [p এর মান বসিয়ে পাই]
    ∴ x = 1

    সুতরাং, x এর মান (1, 2) 

    ৭২.
    'ORANGE' শব্দের স্বরবর্ণগুলো বেজোড় স্থানে রেখে মোট কত উপায়ে সাজানো যায়?
    1. 144টি
    2. 720টি
    3. 72টি
    4. 36টি
    সঠিক উত্তর:
    36টি
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    36টি
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: 'ORANGE' শব্দের স্বরবর্ণগুলো বেজোড় স্থানে রেখে মোট কত উপায়ে সাজানো যায়?

    সমাধান:
    'ORANGE' শব্দটিতে মোট 6টি বর্ণ আছে। যথা,  O, R, A, N, G, E
    এর মধ্যে স্বরবর্ণ (vowels) 3টি আছে। যথা, O, A, E
    ব্যঞ্জনবর্ণ (consonants) 3টি আছে। যথা,R, N, G 
    সব বর্ণ ভিন্ন ভিন্ন (কোনো পুনরাবৃত্তি নেই)।

    3টি স্বরবর্ণ (O, A, E) কে 3টি বেজোড় স্থানে সাজানোর উপায় = 3!

    আবার,
    3টি ব্যঞ্জনবর্ণ (R, N, G) কে 3টি জোড় স্থানে সাজানোর উপায় = 3!

    ∴ মোট উপায় = (বেজোড় স্থানে স্বরবর্ণ সাজানোর উপায়) × (জোড় স্থানে ব্যঞ্জনবর্ণ সাজানোর উপায়)
    = 3! × 3!
    = 6 × 6
    = 36টি

    ৭৩.
    7 - 2x ≤ 3x + 12 অসমতার সমাধান কোনটি?
    1. x ≤ 1
    2. x > - 1
    3. x ≥ - 1
    4. x ≥ 2
    সঠিক উত্তর:
    x ≥ - 1
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    x ≥ - 1
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: 7 - 2x ≤ 3x + 12 অসমতার সমাধান কোনটি?

    সমাধান: 
    দেওয়া আছে,
    7 - 2x ≤ 3x + 12
    x-সম্বন্ধীয় পদগুলোকে একপাশে এবং ধ্রুবক পদগুলোকে অন্যপাশে নিয়ে যাই। 
    - 2x - 3x ≤ 12 - 7
    ⇒ - 5x ≤ 5
    উভয় পাশকে - 5 দিয়ে ভাগ করি (ঋণাত্মক চিহ্ন দ্বারা ভাগ করলে অসমতার চিহ্ন উল্টে)।
    ∴ x ≥ - 1

    ৭৪.
    ΔABC এর ∠A = 50° এবং ∠B = 70°। ∠C এর সমদ্বিখন্ডক AB বাহুকে D বিন্দুতে ছেদ করলে ∠CDA = কত?
    1. 80°
    2. 120°
    3. 180°
    4. 100°
    সঠিক উত্তর:
    100°
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    100°
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: ΔABC এর ∠A = 50° এবং ∠B = 70°। ∠C এর সমদ্বিখন্ডক AB বাহুকে D বিন্দুতে ছেদ করলে ∠CDA = কত?

    সমাধান:
     
    ΔABC এ,
    ∠A + ∠B + ∠C = 180°
    ⇒ 50° + 70° + ∠C = 180°
    ⇒ ∠C = 180° - 120°
    ∴ ∠C = 60°

    ∠C এর সমদ্বিখণ্ডক অর্থাৎ, (1/2) ∠C= 60º/2 = 30°

    ΔADC এ, ∠CAD + ∠CDA + ∠ACD = 180°
    ⇒ ∠A + ∠CDA + ∠C = 180°
    ⇒ 50° + ∠CDA + 30° = 180°
    ⇒ ∠CDA = 180° - 80°
    ∴ ∠CDA = 100°

    ৭৫.
    একটি নির্দিষ্ট মূলধনের ৫ বছরের সরল সুদ মূলধনের ১/৫ অংশ হলে, বার্ষিক সুদের হার কত?
    1. ৪%
    2. ৫.৫%
    3. ৫%
    4. ৮.৫%
    সঠিক উত্তর:
    ৪%
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ৪%
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: একটি নির্দিষ্ট মূলধনের ৫ বছরের সরল সুদ মূলধনের ১/৫ অংশ হলে, বার্ষিক সুদের হার কত?

    সমাধান:
    ধরি, আসল,P = ক
    সুদ, I = ক এর ১/৫ = ক/৫
    সময়, n = ৫ বছর
    সুদের হার, r = ?

    আমরা জানি,
    I = (P × r × n)/১০০
    ⇒ ক/৫ = (ক × r × ৫)/১০০
    ⇒ ১০০ক = ৫(ক × r × ৫)
    ⇒ ১০০ = ৫(r × ৫)
    ⇒ (r × ৫) = ১০০/৫
    ⇒ r = ৪

    ∴ সুদের হার ৪%

    ৭৬.
    একটি গুণোত্তর ধারার প্রথম ও দ্বিতীয় পদ যথাক্রমে 27 এবং 9 হলে ধারাটির নবম পদ কত?
    1. 1/729
    2. 1/81
    3. 1/27
    4. 1/243
    সঠিক উত্তর:
    1/243
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    1/243
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: একটি গুণোত্তর ধারার প্রথম ও দ্বিতীয় পদ যথাক্রমে 27 এবং 9 হলে ধারাটির নবম পদ কত?

    সমাধান:
    এটি একটি গুণোত্তর ধারা। 
    প্রথম পদ = 27  
    দ্বিতীয় পদ = 9
    এবং সাধারণ অনুপাত r = 9/27 = 1/3

    আমরা জানি,
    n তম পদ = arn - 1
    9 তম পদ = ar9 - 1 
    = ar
    = 27 × (1/3)8
    = 33 × (1/38)
    = 1/35
    = 1/243

    সুতরাং, ধারাটির নবম পদ 1/243। 

    ৭৭.
    ৭, ১১, ১৫, ১৯ সংখ্যার গাণিতিক গড় ৯, ১২, ১৫ এবং নিচের কোন সংখ্যার গাণিতিক গড়ের সমান?
    1. ১৬
    2. ২৩ 
    3. ১৩ 
    4. ২০ 
    সঠিক উত্তর:
    ১৬
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ১৬
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: ৭, ১১, ১৫, ১৯ সংখ্যার গাণিতিক গড় ৯, ১২, ১৫ এবং নিচের কোন সংখ্যার গাণিতিক গড়ের সমান?

    সমাধান:
    ধরি সংখ্যা = ক 

    প্রশ্নমতে, 
    (৭ + ১১ + ১৫ + ১৯)/৪ = (৯ + ১২ + ১৫ + ক)/৪ 
    ⇒ ৫২/৪ = (৩৬ + ক)/৪ 
    ⇒ ৩৬ + ক = ৫২ 
    ⇒ ক = ৫২ - ৩৬ 
    ∴ ক = ১৬ 

    সুতরাং, ৭, ১১, ১৫, ১৯ এর গাণিতিক গড় = ৯, ১২, ১৫, ১৬ এর গাণিতিক গড়

    ৭৮.
    f(x) = x3 - 4x2 + x + 6 এর একটি উৎপাদক নিচের কোনটি?
    1. (x - 6)
    2. (x + 1)
    3. (x + 4)
    4. (x - 1)
    সঠিক উত্তর:
    (x + 1)
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    (x + 1)
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: f(x) = x3 - 4x2 + x + 6 এর একটি উৎপাদক নিচের কোনটি? 

    সমাধান:
    ধরি, f(x) = x3 - 4x2 + x + 6
    ∴ f(- 1) = (- 1)3 - 4(- 1)2 + (- 1) + 6
    = - 1 - 4 - 1 + 6
    = - 6 + 6
    = 0 

    যেহেতু f(-1) = 0, সুতরাং উৎপাদক উপপাদ্য অনুযায়ী, x - (-1), অর্থাৎ (x + 1) হলো প্রদত্ত রাশিটির একটি উৎপাদক।

    ৭৯.
    P, Q এর তুলনায় খাটো কিন্তু R এর চেয়ে লম্বা৷ S, P এর তুলনায় খাটো কিন্তু R এর চেয়ে লম্বা৷ T, Q এর চেয়ে খাটো কিন্তু P এর চেয়ে লম্বা। উচ্চতার দিক থেকে সবচেয়ে লম্বা কে? 
    1. T
    2. R
    3. S
    4. Q
    সঠিক উত্তর:
    Q
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    Q
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: P, Q এর তুলনায় খাটো কিন্তু R এর চেয়ে লম্বা৷ S, P এর তুলনায় খাটো কিন্তু R এর চেয়ে লম্বা৷ T, Q এর চেয়ে খাটো কিন্তু P এর চেয়ে লম্বা। উচ্চতার দিক থেকে সবচেয়ে লম্বা কে?

    সমাধান:
    ১ম শর্তমতে, R < P < Q
    ২য় শর্তমতে, R < S < P
    ৩য় শর্তমতে, P < T < Q

    অর্থাৎ, সমন্বিতভাবে এদের উচ্চতার ক্রম হবে R < S < P < T < Q

    সুতরাং, উচ্চতার দিক থেকে সবচেয়ে লম্বা Q

    ৮০.
    নিচের চিত্রে ভারসাম্য রক্ষার জন্য BC এর দূরত্ব কত মিটার?
    1. 14.5 মিটার
    2. 12 মিটার
    3. 10.5 মিটার
    4. 16 মিটার
    সঠিক উত্তর:
    12 মিটার
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    12 মিটার
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: নিচের চিত্রে ভারসাম্য রক্ষার জন্য BC এর দূরত্ব কত মিটার?


    সমাধান:
    ভারসাম্য রক্ষা করতে হলে উভয় পাশে ভর ও দৈর্ঘ্যের গুণফল সমান হতে হবে।
    ধরি,
    AC অংশের দৈর্ঘ্য, l1
    BC অংশের দৈর্ঘ্য, l2
    AC অংশের ভর, m1
    BC অংশের ভর, m2

    এখন
    ∴ l1 × m1 = l2 × m2
     ⇒ 9 × 6 = l2 × 4.5
     ⇒ 4.5 × l2 = 54
     ⇒ l2 = 36/4.5
    ∴ l2 = 12

    ∴ ভারসাম্য রক্ষার জন্য BC এর দূরত্ব 12 মিটার। 

    ৮১.
    Choose the correct spelling-
    1. Conseciencious
    2. Conscientious
    3. Consciencious
    4. Consientious
    সঠিক উত্তর:
    Conscientious
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    Conscientious
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: Choose the correct spelling-

    সমাধান:
    'Conscientious' শব্দের অর্থ হলো দায়িত্বপরায়ণ, সতর্ক ও নৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে সঠিক কাজ করার চেষ্টা করা।

    Primary meaning:
    যে ব্যক্তি নিজের কাজের প্রতি যত্নশীল, দায়িত্বশীল এবং সতর্কভাবে কাজ করে।
    উদাহরণ: একজন conscientious ছাত্র সময়মতো হোমওয়ার্ক করে এবং মন দিয়ে পড়ে।

    Synonyms (প্রায়শই interchangeable):
    Diligent = পরিশ্রমী
    Meticulous = যত্নশীল
    Careful = সতর্ক
    Thorough = খুঁটিনাটি পর্যন্ত খেয়াল রাখে

    Example sentence:
    She is a conscientious worker who never misses a deadline.
    - সে একজন দায়িত্বশীল কর্মী, যিনি কখনও সময়মতো কাজ শেষ করতে ভুল করেন না।


    সঠিক উত্তর খ) Conscientious

    ৮২.
    আলী প্রথমে উত্তর দিকে 10 কিলোমিটার হাঁটে। তারপর সেখান থেকে দক্ষিণ দিকে 6 কিলোমিটার হাঁটে। তারপর পূর্ব দিকে 3 কিলোমিটার হাঁটে। শুরুর স্থানের তুলনায় সে কত দূরে এবং কোন দিকে আছে?
    1. 7 কি.মি. এবং পশ্চিম দিকে
    2. 5 কি.মি. এবং উত্তর-পূর্ব দিকে
    3. 7 কি.মি. এবং পূর্ব দিকে
    4. 5 কি.মি. এবং দক্ষিণ-পূর্ব দিকে
    সঠিক উত্তর:
    5 কি.মি. এবং উত্তর-পূর্ব দিকে
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    5 কি.মি. এবং উত্তর-পূর্ব দিকে
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: আলী প্রথমে উত্তর দিকে 10 কিলোমিটার হাঁটে। তারপর সেখান থেকে দক্ষিণ দিকে 6 কিলোমিটার হাঁটে। তারপর পূর্ব দিকে 3 কিলোমিটার হাঁটে। শুরুর স্থানের তুলনায় সে কত দূরে এবং কোন দিকে আছে?

    সমাধান: 

    উত্তরে 10 কি.মি. হাঁটার পর দক্ষিণে 6 কি.মি. হাঁটলে, উত্তর দিক বরাবর দূরত্ব = 10 - 6 = 4 কি.মি.।
    তারপর পূর্ব দিকে 3 কি.মি. হাঁটে।
    শুরুর স্থান থেকে তার অবস্থান: উত্তর-পূর্ব কোণে একটি সমকোণী ত্রিভুজে (উত্তরে 4 কি.মি., পূর্বে 3 কি.মি.)।
    ∴ সরল দূরত্ব = √(42 + 32) = √(16 + 9) = √25 = 5 কি.মি.।
    এবং দিক উত্তর-পূর্ব 

    সুতরাং, সে শুরুর স্থান থেকে 5 কিলোমিটার দূরে, উত্তর-পূর্ব দিকে।

    ৮৩.
    আপনার কাছে ৪টি আধুলি, ৭টি সিকি এবং কিছু ৫ পয়সার মুদ্রা আছে। মোট মুদ্রার সংখ্যা ২০টি এবং মোট টাকার পরিমাণ ৪ টাকা ২০ পয়সা। ৫ পয়সার মুদ্রা কয়টি আছে?
    1. ১০টি
    2. ৮টি
    3. ১১টি
    4. ৯টি
    সঠিক উত্তর:
    ৯টি
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ৯টি
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: আপনার কাছে ৪টি আধুলি, ৭টি সিকি এবং কিছু ৫ পয়সার মুদ্রা আছে। মোট মুদ্রার সংখ্যা ২০টি এবং মোট টাকার পরিমাণ ৪ টাকা ২০ পয়সা। ৫ পয়সার মুদ্রা কয়টি আছে?

    সমাধান:
    দেওয়া আছে, 
    ৪টি আধুলি = ৪ × ৫০ = ২০০ পয়সা  ; [আধুলি = ৫০ পয়সা] 
    ৭টি সিকি = ৭ × ২৫ = ১৭৫ পয়সা     ; [সিকি = ২৫ পয়সা] 

    ∴ আধুলি ও সিকি থেকে মোট = ২০০ + ১৭৫ = ৩৭৫ পয়সা
    মোট টাকার পরিমাণ ৪ টাকা ২০ পয়সা = (৪ × ১০০) + ২০ = ৪২০ পয়সা    ; [১ টাকা = ১০০ পয়সা] 

    অতএব, ৫ পয়সার মুদ্রা থেকে আসতে হবে = ৪২০ - ৩৭৫ = ৪৫ পয়সা

    ∴ ৫ পয়সার মুদ্রার সংখ্যা = ৪৫/৫ = ৯টি

    সুতরাং, ৫ পয়সার মুদ্রা ৯টি আছে।

    ৮৪.
    যদি 6 × 5 = 91, 8 × 7 = 169 এবং 10 × 7 = 211 হয়, তাহলে 11 × 10 = ?
    1. 331
    2. 321
    3. 341
    4. 351
    সঠিক উত্তর:
    331
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    331
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: যদি 6 × 5 = 91, 8 × 7 = 169 এবং 10 × 7 = 219 হয়, তাহলে 11 × 10 = ?

    সমাধান:
    প্রতিটি ক্ষেত্রে দুটি সংখ্যা a এবং b এর গুণফলের পরিবর্তে নিম্নলিখিত নিয়ম অনুসরণ করা হয়েছে।
    (a + b)2 - (a × b)

    এখন, 
    6 × 5 ⇒ (6 + 5)2 - (6 × 5) = 112 - 30 = 121 - 30 = 91

    8 × 7 ⇒ (8 + 7)2 - (8 × 7) = 152 - 56 = 225 - 56 = 169

    10 × 7 ⇒ (10 + 7)2 - (10 × 7) = 172 - 70 = 289 - 70 = 219

    একইভাবে,
    (11 + 10)2 - (11 × 10) = 212 - 110 = 441 - 110 = 331

    সুতরাং, 11 × 10 = 331

    ৮৫.
    চিত্র (C) এর উন্মোচিত রূপের সাথে সবচেয়ে ঘনিষ্ঠভাবে সাদৃশ্যপূর্ণ নিচের কোনটি?
    1. 1
    2. 2
    3. 3
    4. 4
    সঠিক উত্তর:
    3
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    3
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: চিত্র (C) এর উন্মোচিত রূপের সাথে সবচেয়ে ঘনিষ্ঠভাবে সাদৃশ্যপূর্ণ নিচের কোনটি?

    সমাধান:
    একটি কাগজ নিয়ে প্রথমে যথাক্রমে A ও B চিত্রে প্রদর্শিতরূপে ভাঁজ করি। তারপর যথাক্রমে C চিত্রে প্রদর্শিতরূপে দুইটি ছিদ্র করি। 
    তারপর কাগজের ভাঁজ খুলে উন্মোচিত করলে (3) নং চিত্রটির অনুরূপ পাওয়া যাবে।

    অর্থাৎ, প্রদত্ত চিত্রে  (C) এর উন্মোচিত রূপের সাথে সবচেয়ে ঘনিষ্ঠভাবে সাদৃশ্যপূর্ণ হলো অপশন গ) 3 নং 

    ৮৬.
    SCD, TEF, UGH, VIJ, ______ শূন্যস্থানে কোনটি বসবে?
    1. VKL
    2. WLM
    3. XKL
    4. WKL
    সঠিক উত্তর:
    WKL
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    WKL
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: SCD, TEF, UGH, VIJ, ______ শূন্যস্থানে কোনটি বসবে?

    সমাধান:
    এখানে দুটি বর্ণানুক্রমিক সিরিজ আছে.
    প্রথম সিরিজ শুধুমাত্র প্রথম অক্ষর: S, T, U, V, W.
    দ্বিতীয় সিরিজ বাকি অক্ষর গুলো নিয়ে: CD, EF, GH, IJ, KL.

    ∴ শূন্যস্থানে WKL বসবে।

    ৮৭.
    দুটি গিয়ার চাকা সংযুক্ত আছে। বড় চাকায় 60টি দাঁত এবং ছোট চাকায় 20টি দাঁত আছে। বড় চাকা একবার পূর্ণ ঘুরলে ছোট চাকা কয়বার ঘুরবে?
    1. 3 বার
    2. 12 বার
    3. 120 বার
    4. 30 বার
    সঠিক উত্তর:
    3 বার
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    3 বার
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: দুটি গিয়ার চাকা সংযুক্ত আছে। বড় চাকায় 60টি দাঁত এবং ছোট চাকায় 20টি দাঁত আছে। বড় চাকা একবার পূর্ণ ঘুরলে ছোট চাকা কয়বার ঘুরবে?

    সমাধান:
    দেওয়া আছে,
    বড় চাকায় দাঁত = 60টি
    ছোট চাকায় দাঁত = 20টি
    ধরি, বড় চাকা 1 বার পূর্ণ ঘুরলে ছোট চাকা n বার ঘুরবে।

    এখন, গিয়ার চাকায় দাঁতের সংখ্যা অনুপাতে ঘূর্ণনের সংখ্যা বিপরীত অনুপাতে হয়। 
    অর্থাৎ, বড় চাকার ঘূর্ণন সংখ্যা × বড় চাকার দাঁতের সংখ্যা = ছোট চাকার ঘূর্ণন সংখ্যা × ছোট চাকার দাঁতের সংখ্যা
    ∴ 1 × 60 = n × 20
    ⇒ 20n = 60
    ⇒ n = 60/20 = 3
    ∴ n = 3

    সুতরাং, বড় চাকা একবার পূর্ণ ঘুরলে ছোট চাকা 3 বার ঘুরবে।

    ৮৮.
    প্রদত্ত চিত্রে কয়টি ত্রিভুজ আছে? 
    1. 12টি
    2. 13টি
    3. 14টি
    4. কোনটিই নয় 
    সঠিক উত্তর:
    13টি
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    13টি
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: প্রদত্ত চিত্রে কয়টি ত্রিভুজ আছে? 

    সমাধান: 

    একটি ফাঁকা ঘর নিয়ে ত্রিভুজ আছে - 1, 2, 3, 5, 6 = 5টি
    দুইটি ফাঁকা ঘর নিয়ে ত্রিভুজ আছে - 12, 23, 34, 14, 56 = 5টি
    তিনটি ফাঁকা ঘর নিয়ে ত্রিভুজ আছে - 236 = 1টি
    চারটি ফাঁকা ঘর নিয়ে ত্রিভুজ আছে = 1234 = 1টি 
    সবগুলো ফাঁকা ঘর নিয়ে ত্রিভুজ আছে - 123456 = 1টি

    মোট ত্রিভুজ আছে = 5 + 5 + 1 + 1 + 1 = 13টি

    ৮৯.
    একটি ছাত্রাবাসে প্রথমে ৩৫ জন ছাত্র ছিল। ছাত্র সংখ্যা ৭ জন বেড়ে গেলে প্রতিদিনের মোট মেস খরচ ৪২ টাকা বৃদ্ধি পায়, কিন্তু প্রতি ছাত্রের গড় খরচ ১ টাকা কমে যায়। তাহলে পূর্বে দিনপ্রতি মেস খরচ কত ছিল? 
    1. ৩২০ টাকা
    2. ৫৪০ টাকা
    3. ৩৮০ টাকা
    4. ৪২০ টাকা
    সঠিক উত্তর:
    ৪২০ টাকা
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ৪২০ টাকা
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: একটি ছাত্রাবাসে প্রথমে ৩৫ জন ছাত্র ছিল। ছাত্র সংখ্যা ৭ জন বেড়ে গেলে প্রতিদিনের মোট মেস খরচ ৪২ টাকা বৃদ্ধি পায়, কিন্তু প্রতি ছাত্রের গড় খরচ ১ টাকা কমে যায়। তাহলে পূর্বে দিনপ্রতি মেস খরচ কত ছিল? 

    সমাধান: 
    ধরি, পূর্বে দিনপ্রতি মোট মেস খরচ = ক টাকা
    পূর্বে ছাত্র সংখ্যা = ৩৫ জন
    ∴ পূর্বে মাথাপিছু খরচ = ক/৩৫ টাকা

    আবার, 
    ছাত্র সংখ্যা বেড়ে = ৩৫ + ৭ = ৪২ জন
    নতুন দিনপ্রতি মোট খরচ = (ক + ৪২) টাকা
    ∴ নতুন মাথাপিছু খরচ = (ক + ৪২)/৪২ টাকা

    প্রশ্নমতে, 
    (ক/৩৫) - (ক + ৪২)/৪২ = ১ 
    ⇒ {৬ক - ৫(ক + ৪২)/২১০ = ১ 
    ⇒ ৬ক - ৫ক - ২১০ = ২১০ 
    ⇒ ক = ২১০ + ২১০ 
    ∴ ক = ৪২০ টাকা 

    সুতরাং, পূর্বে দিনপ্রতি মেস খরচ ছিল ৪২০ টাকা।

    ৯০.
    প্রশ্নবোধক স্থানে কোন সংখ্যাটি বসবে? 
    1. 51
    2. 48
    3. 45
    4. 54
    সঠিক উত্তর:
    48
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    48
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: প্রশ্নবোধক স্থানে কোন সংখ্যাটি বসবে? 

    সমাধান: 
    প্রথম কলাম (5   16   49):
    5 × 3 + 1 = 16, 16 × 3 + 1 = 49

    দ্বিতীয় কলাম (9   29   89):
    9 × 3 + 2 = 29, 29 × 3 + 2 = 89

    তৃতীয় কলাম (15   ?   147):
    15 × 3 + 3 = 48, 48 × 3 + 3 = 147

    ∴ দ্বিতীয় সারির তৃতীয় সংখ্যা (অর্থাৎ প্রশ্নচিহ্নের স্থানে) = 15 × 3 + 3 = 45 + 3 = 48

    ৯১.
    পরবর্তী প্যাটার্ন হবে নিচের কোনটি?
    1. A
    2. B
    3. C
    4. D
    সঠিক উত্তর:
    B
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    B
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: পরবর্তী প্যাটার্ন হবে নিচের কোনটি?

    সমাধান:
    কালো রং করা চিত্রগুলো ঘড়ির কাঁটা বিপরীতে ৪৫° কোণে ঘুরে।
    উপর থেকে একটা রংহীন চিত্র কালো রং দ্বারা আবৃত হয় আর নিচ থেকে কালো রং যুক্ত একটি চিত্র রংহীন হয়। 

    সুতরাং পরের প্যাটার্নটি হবে B।

    ৯২.
    যদি K = 11 এবং KING = 41 হয়, তবে RING = কত? 
    1. 56
    2. 48
    3. 61
    4. 44
    সঠিক উত্তর:
    48
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    48
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: যদি K = 11 এবং KING = 41 হয়, তবে RING = কত?  

    সমাধান: 

    এখানে, ইংরেজি বর্ণমালায় বর্ণের স্থানীয় মান অনুসারে, 
    K = 11
    এবং KING = 11 + 9 + 14 + 7 = 41

    একইভাবে, 
    RING = 18 + 9 + 14 + 7 = 48

    ৯৩.
    A person aged between 40 and 49 years is known as a-
    1. quinquagenarian
    2. septuagenarian
    3. octogenarian
    4. quadragenarian
    সঠিক উত্তর:
    quadragenarian
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    quadragenarian
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: A person aged between 40 and 49 years is known as a-

    সমাধান:
    A person between 10 and 19 years old is called a denarian.
    A person between 20 and 29 is called a vicenarian.
    A person between 30 and 39 is called a tricenarian.
    A person between 40 and 49 is called a quadragenarian.
    A person between 50 and 59 is called a quinquagenarian.
    A person between 60 and 69 is called a sexagenarian.
    A person between 70 and 79 is called a septuagenarian.
    A person between 80 and 89 is called an octogenarian.
    A person between 90 and 99 is called a nonagenarian.
    A person between 100 and 109 is called a centenarian.
    A person 110 years old or older is called a supercentenarian.

    উৎস: The Britannica Dictionary.

    ৯৪.
    তাড়িতচৌম্বক তরঙ্গ ব্যবহার করে দূরত্বে সংকেত পাঠানোর প্রক্রিয়া কে আবিষ্কার করেন? 
    1. জগদীশ চন্দ্র বসু
    2. জি. মার্কনী
    3. হেনরিখ হার্জ
    4. জেমস ক্লার্ক ম্যাক্সওয়েল
    সঠিক উত্তর:
    জি. মার্কনী
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    জি. মার্কনী
    ব্যাখ্যা

    আধুনিক পদার্থবিজ্ঞানের অবদান: 
    - ঊনবিংশ শতাব্দীর শেষের দিকে আধুনিক পদার্থবিজ্ঞানের অভূতপূর্ব উন্নতি ঘটে। 
    - ১৮৬৪ সালে বিখ্যাত পদার্থবিজ্ঞানী জেমস ক্লার্ক ম্যাক্সওয়েল আলোর তড়িৎ চুম্বকীয় তত্ত্বের ধারণা দেন। 
    - তিনি তড়িৎ ক্ষেত্র এবং চুম্বক ক্ষেত্র একত্র করে তড়িৎ চুম্বকীয় তত্ত্বের বিকাশ ঘটান যা পরবর্তীতে জার্মান পদার্থবিজ্ঞানী হেনরিখ হার্জের পরীক্ষা দ্বারা প্রমাণিত হয়। 
    - ১৮৯৬ সালে বিজ্ঞানী জি. মার্কনী তাড়িতচৌম্বক তরঙ্গ ব্যবহার করে অধিক দূরত্বে সংকেত পাঠানোর পন্থা আবিষ্কার করেন। 
    - বাঙ্গালী বিজ্ঞানী জগদীশ চন্দ্র বসুও একই প্রকার পরীক্ষা নীরিক্ষা চালান। 
    - পরবর্তীতে বিজ্ঞানী জি. মার্কনী বেতার যন্ত্র আবিষ্কার করেন। 

    উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

    ৯৫.
    কোনো দেশের শিল্পোন্নয়ন নিরূপণে কোন এসিডের ব্যবহারকে ভিত্তি হিসেবে ধরা হয়?
    1. নাইট্রিক এসিড
    2. হাইড্রোক্লোরিক এসিড
    3. সালফিউরিক এসিড
    4. কার্বোলিক এসিড
    সঠিক উত্তর:
    সালফিউরিক এসিড
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    সালফিউরিক এসিড
    ব্যাখ্যা

    দৈনন্দিন জীবনে এসিডের ব্যবহার: 
    - আমাদের দৈনন্দিন জীবনে এবং শিল্প কারখানায় এসিডের ব্যবহার অনস্বীকার্য।
    যেমন-
    • সোনার গহনা তৈরির সময় স্বর্ণকাররা নাইট্রিক এসিড ব্যবহার করেন। 
    • আইপিএস, গাড়ি, মাইক বাজানোর সময়, সৌর বিদ্যুৎ উৎপাদন ইত্যাদি ক্ষেত্রে যে ব্যাটারি ব্যবহার করা হয় তাতে সালফিউরিক এসিড ব্যবহৃত হয়। 
    • বাসাবাড়িতে সাপের উপদ্রব কমানোর জন্য যে রাসায়নিক পদার্থ ব্যবহৃত হয় সেটি হলো কার্বোলিক এসিড। 
    • আমাদের খাদ্যদ্রব্য হজম করার জন্য পাকস্থলীতে এসিড অত্যাবশ্যকীয় এবং সেটি হলো হাইড্রোক্লোরিক এসিড। 
    • সার কারখানায় অতি প্রয়োজনীয় একটি উপাদান হলো সালফিউরিক এসিড। 
    • এছাড়া ডিটারজেন্ট থেকে শুরু করে নানারকম রং, ঔষধপত্র, কীটনাশকসহ পেইন্ট, কাগজ, বিস্ফোরক ও রেয়ন তৈরিতে প্রচুর সালফিউরিক এসিড (H2SO4) ব্যবহৃত হয়। 
    কোনো একটি দেশ কতটা শিল্পোন্নত তা বিচার করা হয় ঐ দেশ কতটুকু সালফিউরিক এসিড (H2SO4) ব্যবহার করে তার উপর ভিত্তি করে। 
    • ইস্পাত তৈরির কারখানা, ঔষধ, চামড়া শিল্প ইত্যাদি অনেক শিল্পে হাইড্রোক্লোরিক এসিড (HCI) এসিড ব্যবহৃত হয়। 
    • সার কারখানায়, বিস্ফোরক প্রস্তুতি, খনি থেকে মূল্যবান ধাতু যেমন- সোনা আহরণে ও রকেটে জ্বালানির সাথে নাইট্রিক এসিড (HNO3) এসিড ব্যবহৃত হয়। 

    উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।

    ৯৬.
    RNA ভাইরাসের উদাহরণ নয় কোনটি?
    1. Harpes simplex
    2. Mumps 
    3. Rubella 
    4. Influenza B 
    সঠিক উত্তর:
    Harpes simplex
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    Harpes simplex
    ব্যাখ্যা

    - RNA ভাইরাসের উদাহরণ নয়- Harpes simplex.

    DNA ভাইরাসঘটিত রোগ: 

    - যে ভাইরাসে নিউক্লিক অ্যাসিড হিসেবে DNA থাকে তাদেরকে DNA ভাইরাস বলা হয়। 
    - DNA ভাইরাসের উদাহরণ হলো- Harpes simplex (Human), Tipula Iridescent, Rabbitpox, Vaccinia (bovine), Variola (Human), Pustular dermatitis (Sheep), এডেনা গ্রুপ, প্যাপিলোমা (মানব), পলিওমা, ΦX174 কলিফাজ, Cauliflower mosaic, Adenoassociaed ইত্যাদি। 

    RNA ভাইরাসঘটিত রোগ: 
    - যে ভাইরাসে নিউক্লিক অ্যাসিড হিসেবে RNA থাকে তাদেরকে RNA ভাইরাস বলা হয়। 
    - RNA ভাইরাসের উদাহরণ হলো- Influenza B (Human), পোলিও (মানব), Rubella (Human), পীতজ্বর (মানব), ডেঙ্গু (মানব), Encephalitis (Human), Leukemia (cat), Mumps (Human), Measles (Human), Cold (Human), Newcastle disease (fowl), Rabies (dog), Vesicular stomatitis (cattle), Tobacco mosaic, Sugarcane mosaic, filamentous bacteriophage fd (Pseudomonas), Cucumber mosaic ইত্যাদি। 

    উৎস: জীববিজ্ঞান প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (ড. মোহাম্মদ আবুল হাসান) এবং ভাইরাসতত্ত্ব পরিচয় (আহমেদ মাতীন)।

    ৯৭.
    সরল দোলন গতিতে কণার ত্বরণের দিক কোনটির দিকে হয়? 
    1. গতিবেগের দিকে 
    2. সরণের দিকে 
    3. সাম্যাবস্থানের বিপরীত দিকে 
    4. সর্বদা সাম্যাবস্থান অভিমুখী 
    সঠিক উত্তর:
    সর্বদা সাম্যাবস্থান অভিমুখী 
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    সর্বদা সাম্যাবস্থান অভিমুখী 
    ব্যাখ্যা

    সরল দোলন গতি: 
    - কম্পনশীল কোনো বস্তুকণার ত্বরণ সাম্যাবস্থান থেকে কণাটির সরণের সমানুপাতিক এবং সর্বদাই সাম্যাবস্থান অভিমুখী হলে, ঐ কণার গতিকে সরল দোলন গতি বলা হয়। 
    অর্থাৎ, যদি কোনো পর্যাবৃত্ত গতি সম্পন্ন বস্তুর ত্বরণ তার সাম্যাবস্থান থেকে সরণের সমানুপাতিক এবং বিপরীতমুখী অর্থাৎ সর্বদা সাম্য বিন্দু অভিমুখী হয় তবে ঐ বস্তুর গতিকে সরল দোলন গতি বলে। 

    সরল দোলন গতির বৈশিষ্ট্য: 
    - সরল দোলন গতির কতগুলো নির্দিষ্ট বৈশিষ্ট্য আছে। 
    - এই বৈশিষ্ট্যসমূহ দিয়ে কোনো কণার গতি সরল দোলন গতি কিনা তা নির্ধারণ করা হয়। 
    - নিচে সরল দোলন গতির বৈশিষ্ট্যসমূহ দেয়া হলো- 
    ১। সরল দোলন গতি হলো এক ধরনের রৈখিক পর্যাবৃত্ত গতি। অর্থাৎ, কোনো বস্তুকণা একই সময়ে বারবার একটি নির্দিষ্ট সরলরেখাংশ বরাবর এদিক-ওদিক যাওয়া-আসা করে। 
    ২। সরল দোলন গতি বিশিষ্ট কণার ত্বরণ সর্বদা তার সাম্যাবস্থান অভিমুখী হয়। 
    ৩। কণাটির ত্বরণ সাম্যাবস্থান থেকে সরণের সমানুপাতিক। 
    ৪। কণাটি যে মুহূর্তে সাম্যাবস্থান অতিক্রম করে সেই মুহূর্তে গতিবেগ সর্বোচ্চ হয়। সরণের শেষ সীমায় গতিবেগ মুহূর্তের জন্য শূন্য হয় এবং তারপরেই কণাটি বিপরীত দিকে যাত্রা শুরু করে। 
    ৫। সরল দোলন গতির পর্যায়কাল তার বিস্তারের উপর নির্ভরশীল নয়। বিভিন্ন বাহ্যিক কারণে বিস্তার হ্রাস পেতে থাকলেও পর্যায়কাল অপরিবর্তিত থাকে। 
    ৬। সরল দোলন গতি সম্পন্ন কণার স্পন্দন সীমা সাম্যাবস্থান থেকে উভয় দিকে সমান দূরে অবস্থান করে। 
    ৭। সরল দোলন গতি সম্পন্ন কণার সরণ সাইন বা কোসাইন অপেক্ষক দ্বারা প্রকাশ করা যায়। 

    উৎস: পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

    ৯৮.
    তরল পদার্থের ক্ষেত্রে সঠিক বৈশিষ্ট্য কোনটি? 
    1. পারস্পরিক আকর্ষণ বল নেই 
    2. নির্দিষ্ট আকার এবং আয়তন আছে 
    3. নির্দিষ্ট আকার নেই কিন্তু নির্দিষ্ট আয়তন আছে 
    4. নির্দিষ্ট আকার এবং নির্দিষ্ট আয়তন কিছুই নেই 
    সঠিক উত্তর:
    নির্দিষ্ট আকার নেই কিন্তু নির্দিষ্ট আয়তন আছে 
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    নির্দিষ্ট আকার নেই কিন্তু নির্দিষ্ট আয়তন আছে 
    ব্যাখ্যা

    কঠিন পদার্থ: 
    - কঠিন পদার্থের নির্দিষ্ট আকার ও আয়তন থাকে। 
    - কঠিন পদার্থের অণুগুলোর মধ্যে পারস্পরিক আকর্ষণ বল খুবই তীব্র। 
    যেমন- ইট, কাঠ, লোহা, সোনা, রূপা, কয়লা, চাল, গম ইত্যাদি। 

    তরল পদার্থ: 
    - তরল পদার্থের কোনো নির্দিষ্ট আকার নেই, তবে নির্দিষ্ট আয়তন আছে। 
    - একে যখন যে পাত্রে রাখা যায় সে পাত্রের আয়তন ধারণ করে। 
    - পানিকে কলসীতে রাখলে কলসীর আকার, বোতলে রাখলে বোতলের আকার, গ্লাসে রাখলে গ্লাসের আকার ধারণ করে। 
    যেমন- দুধ, পানি, অ্যালকোহল, কেরোসিন তেল, নারিকেল তেল, সয়াবিন তেল এসবই তরল পদার্থ। 

    গ্যাসীয় পদার্থ: 
    - গ্যাসীয় পদার্থের নির্দিষ্ট আকার বা আয়তন নেই, তবে এর নির্দিষ্ট ওজন আছে। 
    - এ ধরনের পদার্থকে যে পাত্রেই রাখা হোক না কেন সে পাত্রকে পূর্ণ করে রাখে। 
    - যে পাত্রে গ্যাসীয় উপাদানকে রাখা হয় সে পাত্রের আয়তনই তার আয়তন, সে পাত্রের আকারই তার আকার। 
    যেমন- অক্সিজেন, নাইট্রোজেন, হাইড্রোজেন, কার্বন ডাই-অক্সাইড, অ্যামোনিয়া -এরা সকলেই গ্যাসীয় পদার্থ। 
    - গ্যাসীয় পদার্থের অণুগুলোর মধ্যে পারস্পরিক আকর্ষণ নেই বললেই চলে। 

    উৎস: রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

    ৯৯.
    কোন প্রস্বেদন প্রক্রিয়ায় পাতার উপরে কিউটিনের আবরণ ভেদ করে পানি বের হয়?
    1. লেন্টিকুলার প্রস্বেদন
    2. মূলশিকড় প্রস্বেদন
    3. পত্ররন্ধ্রীয় প্রস্বেদন 
    4. কিউটিকুলার প্রস্বেদন 
    সঠিক উত্তর:
    কিউটিকুলার প্রস্বেদন 
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    কিউটিকুলার প্রস্বেদন 
    ব্যাখ্যা

    প্রস্বেদন (Transpiration): 
    - উদ্ভিদ প্রধানত মূল দিয়ে তার প্রয়োজনীয় পানি শোষণ করে। শোষিত পানির অতি সামান্য অংশ উদ্ভিদের বিভিন্ন জৈবিক কার্যাবলির জন্য ব্যয় হয়, অবশিষ্ট পানি উদ্ভিদের বায়বীয় অংশ দিয়ে বাষ্পাকারে বাইরে বের হয়ে যায়। 
    - সাধারণত স্থলজ উদ্ভিদ যে শারীরতত্ত্বীয় প্রক্রিয়ায় তার বায়বীয় অঙ্গের মাধ্যমে বাষ্পাকারে পানি বের করে দেয়, সেটাই প্রস্বেদন বা বাষ্পমোচন প্রক্রিয়া। - এই কাজটি তার বায়বীয় অঙ্গের কোন অংশের মাধ্যমে ঘটে, তার ভিত্তিতে এদের তিন ভাগে ভাগ করা হয়েছে। 
    যথা-
    ১। পত্ররন্ধ্রীয় প্রস্বেদন (Stomatal transpiration): 
    - পাতায়, কচিকাণ্ডে, ফুলের বৃতি ও পাপড়িতে দুটি রক্ষীকোষ (Guard cell) বেষ্টিত এক ধরনের রন্ধ্র থাকে, এদেরকে পত্ররন্ধ্র (একবচন stoma, বহুবচন stomata) বলে। কোনো উদ্ভিদের মোট প্রস্বেদনের ৯০-৯৫% হয় পত্ররন্ধ্রের মাধ্যমে। 

    ২। কিউটিকুলার প্রস্বেদন (Cuticular transpiration): 
    - উদ্ভিদের বহিঃত্বকে বিশেষ করে পাতার উপরে এবং নিচে কিউটিনের আবরণ থাকে, এ আবরণকে কিউটিকল বলে। কিউটিকল ভেদ করে কিছু পানি বাষ্পাকারে বাইরে বের হয়, এ প্রক্রিয়াকে কিউটিকুলার প্রস্বেদন বলে। 

    ৩। লেন্টিকুলার প্রস্বেদন (Lenticular transpiration): 
    - উদ্ভিদে গৌণ বৃদ্ধি হলে কাণ্ডের বাকল ফেটে লেন্টিসেল নামক ছিদ্র সৃষ্টি হয়। লেন্টিসেলের ভিতরের কোষগুলো আলাদাভাবে সজ্জিত থাকে এবং এর মাধ্যমে কিছু পানি বাইরে বেরিয়ে যায়, একে লেন্টিকুলার প্রস্বেদন বলে। 

    উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

    ১০০.
    উপকূলে কোনো একটি স্থানে জোয়ারের কত সময় পর ভাটার সৃষ্টি হয়? 
    1. ১২ ঘণ্টা ২৮ মিনিট
    2. ৬ ঘণ্টা ১৩ মিনিট 
    3. ৮ ঘণ্টা ১২ মিনিট
    4. ১৩ ঘণ্টা ১৬ মিনিট
    সঠিক উত্তর:
    ৬ ঘণ্টা ১৩ মিনিট 
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ৬ ঘণ্টা ১৩ মিনিট 
    ব্যাখ্যা

    জোয়ার-ভাটা: 
    - সমুদ্রের একই জায়গায় প্রতিদিন দুইবার জোয়ার ও দুইবার ভাটা হয়। সমুদ্রের পানি এভাবে ফুলে উঠাকে বলা হয় জোয়ার এবং নেমে যাওয়াকে ভাটা বলে। 
    - উপকূলে কোনো একটি স্থানে একটি জোয়ারের প্রায় ৬ ঘন্টা ১৩ মিনিট পর ভাটা হয়। 
    - উপকূলে কোনো একটি স্থানে পর পর দুটি জোয়ার বা দুটি ভাটার মধ্যে ব্যবধান হলো ১২ ঘণ্টা ২৬ মিনিট। 
    - চন্দ্র ও সূর্যের আকর্ষণ শক্তি এবং পৃথিবীর কেন্দ্রাতিক শক্তি প্রভৃতির প্রভাবে সমুদ্রের পানি নির্দিষ্ট সময় অন্তর ফুলে উঠে আবার নেমে যায়। 
    অর্থাৎ, সমুদ্রে একই জায়গায় প্রতিদিন দু’বার জোয়ার ও দু’বার ভাটা হয়। 
    - সমুদ্রের মোহনা থেকে নদীগুলোর স্রোতের বিপরীতে উজানে কয়েক কিলোমিটার পর্যন্ত জোয়ার ভাটা বেশি অনুভূত হয়। 
    - সমুদ্রের মধ্যভাগ থেকে উপকূলের কাছে পানির অগভীর অংশে জোয়ারের পানির উচ্চতা বেশি থাকে। 
    - তবে বিভিন্ন নদীপথে দেশের ভিতরে সমুদ্রের পানি যখন প্রবেশ করে এবং নেমে যায় তাকে জোয়ার ভাটা বলে না। 
     
    উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এইসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

    ১০১.
    আমিষ বা প্রোটিন জাতীয় খাদ্যের পরিপাক কোথায় শুরু হয়? 
    1. মুখবিবর 
    2. পাকস্থলী 
    3. ক্ষুদ্রান্ত্র 
    4. বৃহদান্ত্র 
    সঠিক উত্তর:
    পাকস্থলী 
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    পাকস্থলী 
    ব্যাখ্যা

    পরিপাকতন্ত্রে খাদ্য দ্রব্যের পরিপাক ও পরিশোষণ: 
    - দৈনন্দিন জীবনে মানুষ যে সব আমিষ জাতীয় খাদ্য গ্রহণ করে তন্মধ্যে দুধ, মাছ, মাংস, ডিম ও ডাল উল্লেখযোগ্য।
    - এ সকল খাদ্য পরিপাকে যে সকল সাহায্যকারী এনজাইম ভূমিকা রাখে তা হলো- 
    ১. পাচক রস: পেপসিনোজেন ও জিলেটিনেজ। 
    ২. অগ্ন্যাশয় রস: ট্রিপসিনোজেন, কার্বক্সিপেপটাইডেজ- এ. বি ইলাস্টেজ, কোলাজিনেজ প্রভৃতি। 
    ৩. আন্ত্রিক রস: অ্যামাইনোপেপটাইডেজ, ট্রাইপেপটাইডেজ ও প্রোলিডেজ। 
    - আমিষ বা প্রোটিন জাতীয় খাদ্যের পরিপাক পাকস্থলিতে শুরু হয়ে ক্ষুদ্রান্ত্রে শেষ হয়। 
    - মুখবিবরের লালা রসে আমিষ পরিপাককারী এনজাইম না থাকায় মুখবিবরে আমিষের কোনো পরিপাক হয় না। 
    - কেবলমাত্র খাদ্য চিবানোর ফলে লালারস মিলে খাদ্যকে পিচ্ছিল ও নরম করে। 

    উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

    ১০২.
    পর্যায়বৃত্ত পরিবর্তী তড়িৎ প্রবাহের উৎস কোনটি? 
    1. রেজিস্টর
    2. জেনারেটর
    3. ব্যাটারি
    4. তড়িৎ কোষ
    সঠিক উত্তর:
    জেনারেটর
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    জেনারেটর
    ব্যাখ্যা

    তড়িৎ প্রবাহ: 
    - কোনো পরিবাহীর যেকোনো প্রস্থচ্ছেদের মধ্যে দিয়ে একক সময়ে যে পরিমাণ আধান প্রবাহিত হয় তাই হলো তড়িৎ প্রবাহ। 
    - প্রচলিত তড়িৎ প্রবাহের দিক ইলেকট্রনের প্রবাহের বিপরীত দিকে হয়। 
    - তড়িৎ প্রবাহের একক হলো অ্যাম্পিয়ার, একে সাধারণত A দ্বারা প্রকাশ করা হয়। 

    তড়িৎ প্রবাহের প্রকারভেদ: 
    - তড়িৎ প্রবাহ প্রধানত দুই প্রকার। 
    যথা- 
    (ক) একমুখী বা ডিসি প্রবাহ: 
    - যখন সময়ের সাথে সাধারণত তড়িৎ প্রবাহের দিকের কোনো পরিবর্তন ঘটে না, অর্থাৎ যে তড়িৎ প্রবাহ সবসময় একই দিকে প্রবাহিত হয়, সেই প্রবাহকে একমুখী প্রবাহ বলে। 
    - তড়িৎ কোষ বা ব্যাটারি থেকে একমুখী প্রবাহ পাওয়া যায়। 
    - আবার ডিসি জেনারেটরের সাহায্যেও এই প্রকার তড়িৎ প্রবাহ উৎপন্ন করা যায়। 

    খ) পরিবর্তী বা এসি প্রবাহ: 
    - যদি সময়ের সাথে তড়িৎ প্রবাহের দিক বারবার পরিবর্তিত হয়, সেই তড়িৎ প্রবাহকে পরিবর্তী প্রবাহ বলে। যদি দিক পরিবর্তনের মধ্যবর্তী সময় স্থির থাকে তবে এটিকে পর্যাবৃত্ত পরিবর্তী প্রবাহ বা সাধারনভাবে পর্যাবৃত্ত প্রবাহ বলে। 
    - বর্তমান বিশ্বের সকল দেশের তড়িৎ প্রবাহই পর্যায়বৃত্ত প্রবাহ, কারণ তুলনামূলকভাবে এটি উৎপন্ন ও সরবরাহ করা সহজ এবং সাশ্রয়ী। 
    - পর্যায়বৃত্ত প্রবাহের উৎস জেনারেটর বা ডায়নামো। 
    - দেশের বিভিন্ন বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রে জেনারেটরের সাহায্যে পর্যায়বৃত্ত প্রবাহ উৎপন্ন করা হয়। 
    - পর্যায়বৃত্ত পরিবর্তী প্রবাহের দিক পরিবর্তনের হার দেশভেদে বিভিন্ন হয়। 
    যেমন- বাংলাদেশে পর্যায়বৃত্ত পরিবর্তী প্রবাহ প্রতি সেকেন্ডে পঞ্চাশবার এবং যুক্তরাষ্ট্রে প্রতি সেকেন্ডে ষাটবার দিক পরিবর্তন করে। 

    উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।

    ১০৩.
    নিচের কোন শিলা গ্রাফাইটে রূপান্তরিত হয়? 
    1. কয়লা
    2. গ্রানাইট
    3. বেলেপাথর
    4. চুনাপাথর
    সঠিক উত্তর:
    কয়লা
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    কয়লা
    ব্যাখ্যা

    শিলা: 
    - ভূত্বক যেসব উপাদান দ্বারা গঠিত তাদের সাধারণ নাম শিলা। 
    - ভূতত্ত্ববিদগণের মতে দুই বা ততোধিক খনিজ দ্রব্যের সংমিশ্রণে এসব শিলার সৃষ্টি হয়। 
    - ভূত্বক গঠনকারী সকল কঠিন ও কোমল পদার্থই শিলা। 
    উদাহরণস্বরূপ নুড়ি, কাঁকর, গ্রানাইট, কাদা, বালি প্রভৃতি। 
    - গঠনপ্রণালি অনুসারে শিলাকে তিনটি প্রধান শ্রেণিতে বিভক্ত করা হয়। 
    যথা- (১) আগ্নেয় শিলা, (২) পাললিক শিলা ও (৩) রূপান্তরিত শিলা। 

    রূপান্তরিত শিলা: 
    - আগ্নেয় ও পাললিক শিলা যখন প্রচন্ড চাপ, উত্তাপ এবং রাসায়নিক ক্রিয়ার ফলে রূপ পরিবর্তন করে নতুন রূপ ধারণ করে তখন তাকে রূপান্তরিত শিলা বলে। 
    - ভূআন্দোলন, অগ্ন্যুৎপাত ও ভূমিকম্প, রাসায়নিক ক্রিয়া কিংবা ভূগর্ভস্থ তাপ আগ্নেয় ও পাললিক শিলাকে রূপান্তরিত করে। 
    যেমন- চুনাপাথর রূপান্তরিত হয়ে মার্বেল, বেলেপাথর রূপান্তরিত হয়ে কোয়ার্টজাইট, কাদা ও শেল রূপান্তরিত হয়ে স্লেট, গ্রানাইট রূপান্তরিত হয়ে নিস এবং কয়লা রূপান্তরিত হয়ে গ্রাফাইটে পরিণত হয়। 
    - রূপান্তরিত শিলার বৈশিষ্ট্য হচ্ছে এই শিলা স্ফটিকযুক্ত, খুব কঠিন হয়; এতে জীবাশ্ম দেখা যায় না; কোনো কোনো রূপান্তরিত শিলায় ঢেউ খেলানো স্তর দেখা যায়। 

    উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

    ১০৪.
    শ্বেত রক্ত কণিকা কীভাবে জীবাণুকে ধ্বংস করে?
    1. হজম প্রক্রিয়ায়
    2. অ্যান্টিবায়োটিক উৎপাদন করে 
    3. ফ্যাগোসাইটোসিস প্রক্রিয়ায় 
    4. লাল রক্তকণিকার মাধ্যমে
    সঠিক উত্তর:
    ফ্যাগোসাইটোসিস প্রক্রিয়ায় 
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ফ্যাগোসাইটোসিস প্রক্রিয়ায় 
    ব্যাখ্যা

    শ্বেত রক্ত কণিকা: 
    - শ্বেত কণিকার নির্দিষ্ট কোনো আকার নেই। এইগুলো হিমোগ্লোবিনবিহীন এবং নিউক্লিয়াসযুক্ত বড় আকারের কোষ।
    - শ্বেত কণিকার গড় আয়ু ১-১৫ দিন। 
    - হিমোগ্লোবিন না থাকার কারণে এদের শ্বেত রক্তকণিকা বলে, ইংরেজিতে এই কণিকাকে White Blood Cell বা WBC বলে। 
    - রক্তে এদের সংখ্যা RBC-এর তুলনায় অনেক কম। 
    - এরা অ্যামিবার মতো দেহের আকারের পরিবর্তন করে। 
    - শ্বেত রক্ত কণিকা ফ্যাগোসাইটোসিস প্রক্রিয়ায় জীবাণুকে ধ্বংস করে। 
    - রক্ত জালিকার প্রাচীর ভেদ করে টিস্যুর মধ্যে প্রবেশ করতে পারে। 
    - শ্বেত কণিকাগুলো রক্তরসের মধ্য দিয়ে নিজেরাই চলতে পারে। 
    - দেহ বাইরের জীবাণু দ্বারা আক্রান্ত হলে, দ্রুত শ্বেত কণিকার সংখ্যার বৃদ্ধি ঘটে। 
    - মানবদেহে প্রতি ঘন মিলিমিটার রক্তে ৪-১০ হাজার শ্বেত রক্তকণিকা থাকে। শিশু ও অসুস্থ মানবদেহে এর সংখ্যা বেড়ে যায়। 

    উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

    ১০৫.
    অ্যান্ড্রয়েড (Android) অ্যাপ্লিকেশন ফ্রেমওয়ার্ক তৈরির জন্য প্রধানত কোন প্রোগ্রামিং ভাষাটি ব্যবহৃত হয়েছে?
    1. Fortran
    2. Java
    3. Python
    4. Objective-C
    সঠিক উত্তর:
    Java
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    Java
    ব্যাখ্যা

    • অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমের ইউজার ইন্টারফেস এবং অ্যাপ্লিকেশন ফ্রেমওয়ার্ক মূলত জাভা (Java) প্রোগ্রামিং ভাষা ব্যবহার করে তৈরি করা হয়েছে।

    • Android OS:
    - অ্যান্ড্রয়েড একটি ওপেন সোর্স অপারেটিং সিস্টেম যা ২০০৮ সালে চালু হয়।
    - এটি গুগল কর্তৃক নির্মিত একটি অপারেটিং সিস্টেম।
    - এটি লিনাক্স ভিত্তিক একটি অপারেটিং সিস্টেম।
    - অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ্লিকেশনগুলো সাধারনত জাভা প্রোগ্রামিং ভাষায় লিখা হয়।
    - অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমের ফাইল এক্সটেনশন হলো .apk ।
    - APK এর পূর্ণরূপ Android Application Package.
    - Android গুগলের একটি মাল্টি ইউজার অপারেটিং সিস্টেম।
    - Android OS ব্যবহৃত প্রথম ফোন T-Mobile G1 (HTC Dream নামে বেশি পরিচিত)।

    অন্যান্য অপশন:
    - Fortran: বৈজ্ঞানিক ও গাণিতিক গণনার জন্য ব্যবহৃত ভাষা; মোবাইল অপারেটিং সিস্টেমের অ্যাপ ফ্রেমওয়ার্ক তৈরিতে ব্যবহৃত হয় না।
    - Python: ডেটা সায়েন্স ও এআই তে জনপ্রিয় হলেও অ্যান্ড্রয়েডের কোর অ্যাপ ফ্রেমওয়ার্ক তৈরিতে এটি ব্যবহৃত হয় না।
    - Objective-C: অ্যাপলের আইওএস এবং ম্যাক অপারেটিং সিস্টেমের জন্য বিশেষভাবে ব্যবহৃত ভাষা।

    উৎস: গুগলের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট ও ব্রিটানিকা।

    ১০৬.
    নিচের কোনটি DBMS সফটওয়্যার নয়?
    1. ORACLE
    2. Microsoft Access
    3. MS Excel
    4. MySQL
    সঠিক উত্তর:
    MS Excel
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    MS Excel
    ব্যাখ্যা

    • MS Excel মূলত একটি স্প্রেডশিট অ্যাপ্লিকেশন যা গাণিতিক হিসাব-নিকাশ এবং ডেটা বিশ্লেষণের জন্য ব্যবহৃত হয়, এটি ডেটাবেস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম বা DBMS নয়।
    - অন্যদিকে, DBMS হলো এমন একটি সিস্টেম যা বিশাল পরিমাণ তথ্য বা ডেটাবেস সুশৃঙ্খলভাবে সংরক্ষণ, পরিচালনা এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য বিশেষভাবে ডিজাইন করা হয়েছে।

    DBMS: 
    - DBMS এর পূর্ণরূপ Database Management System.
    - ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম হলো পরস্পর সম্পর্কযুক্ত ডেটা বা তথ্য একসেস, নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা  করার জন্য প্রয়োজনীয় প্রোগ্রামের সমষ্টি।
    - DBMS ব্যবহার করে ডেটাকে সংরক্ষণ, নিরাপত্তা প্রদান, আধুনিকরণের কাজ করা হয়।
    - DBMS ব্যবহারকারী ও ডেটাবেজ এর মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করে থাকে।

    DBMS এর প্রধান ৩ টি কাজ হচ্ছে:
    - ডেটাবেজ তৈরি,
    - ডেটাবেজ ইন্টারোগেশন,
    - ডেটাবেজ রক্ষণাবেক্ষণ।

    কয়েকটি DBMS:
    - Microsoft Access,
    - ORACLE,
    - MySQL,
    - Microsoft SQL Server,
    - SQLite,
    - Postgre SQL.

    উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি।

    ১০৭.
    কোন গেট ব্যবহার করে যেকোনো বুলিয়ান ফাংশন বাস্তবায়ন সম্ভব?
    1. NOR
    2. XNOR Gate
    3. NAND
    4. ক ও গ উভয়ই
    সঠিক উত্তর:
    ক ও গ উভয়ই
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ক ও গ উভয়ই
    ব্যাখ্যা

    • NAND এবং NOR উভয়কেই বলা হয় Universal Gate. কারণ শুধু NAND অথবা শুধু NOR দিয়েই যেকোনো বুলিয়ান ফাংশন (AND, OR, NOT, XOR ইত্যাদি) তৈরি করা যায়।

    লজিক গেইট:
    - লজিক গেইট হচ্ছে এক ধরনের ইলেকট্রনিক সার্কিট যা এক বা একাধিক ইনপুট গ্রহণ করে কোন যুক্তির ভিত্তিতে একটি মাত্র আউটপুট প্রদান করে।
    - লজিক গেইটে ব্যবহৃত দুটি ইনপুট হলো 1 এবং 0.
    - মৌলিক লজিক গেইট তিনটি। যথা- অর গেইট, অ্যান্ড গেইট এবং নট গেইট।
    - বুলিয়ান অ্যালজেবরার যোগের কাজ সম্পাদনের জন্য অর লজিক গেইট ব্যবহার করা হয়।
    - বুলিয়ান অ্যালজেবরার গুণনের কাজ সম্পাদনের জন্য এন্ড লজিক গেইট ব্যবহার করা হয়।
    - বুলিয়ান অ্যালজেবরার পূরকের কাজ সম্পাদনের জন্য নট লজিক গেইট ব্যবহার করা হয়। 

    • সার্বজনীন গেইট:
    - যে গেইট এর সাহায্যে মৌলিক গেইটসহ (AND, OR, NOT) যেকোনো গেইট এবং যেকোনো সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায় তাকে সার্বজনীন গেইট বলে।
    - NAND ও NOR গেইটকে সার্বজনীন গেইট বলা হয়।
    - কারণ, শুধুমাত্র NAND গেইট বা শুধুমাত্র NOR গেইট দিয়ে মৌলিক গেইটসহ যেকোনো লজিক গেইট বা সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায়।

    উৎস:
    ১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, মাহবুবুর রহমান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
    ২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

    ১০৮.
    কোন সাইবার আক্রমণে অতিরিক্ত ট্রাফিক পাঠিয়ে সার্ভার অচল করে দেওয়া হয়?
    1. Evil Twin Attack
    2. Phishing
    3. DDoS Attack
    4. Ransomware
    সঠিক উত্তর:
    DDoS Attack
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    DDoS Attack
    ব্যাখ্যা

    • DDoS Attack- এই আক্রমণে অসংখ্য ডিভাইস থেকে একসাথে এত বেশি রিকোয়েস্ট পাঠানো হয় যে সার্ভারটি সেই চাপ সামলাতে না পেরে ডাউন হয়ে যায়। এর মূল লক্ষ্য হলো নির্দিষ্ট কোনো ওয়েবসাইট বা অনলাইন পরিষেবাকে সাধারণ ব্যবহারকারীদের জন্য ব্যবহারের অযোগ্য করে তোলা।

    • DDoS Attack:

    - DDoS এর পূর্ণরূপ Distributed Denial of Service.
    - DDoS Attack হলো এক ধরণের সাইবার অপরাধ।
    - DoS হলো এক ধরনের সাইবার আক্রমণ যেখানে হ্যাকার ডিভাইসের স্বাভাবিক কার্যকারিতা বাধাগ্রস্ত করে একটি কম্পিউটার বা অন্য ডিভাইসকে তার উদ্দেশ্য ব্যবহারকারীদের কাছ থেকে দূরে রাখে।
    - কোনো কম্পিউটার সিস্টেম বা ইন্টারনেট ওয়েবসাইটে এই আক্রমণ চালানোর মাধ্যমে ঐ সিস্টেম বা সাইটের যথাযথ কার্যক্রমকে ধীর গতির, বা অনেক ক্ষেত্রে পুরোপুরি বন্ধ করে দেয়া হয়।
    - DoS দ্বারা একটি নেটওয়ার্ককে আক্রমন করা যায় এবং DDoS দ্বারা একাধিক নেটওয়ার্কেকে আক্রমন করা যায়।

    • উল্লেখযোগ্য কিছু সাইবার অপরাধ হলো:
    - হ্যাকিং,
    - স্প্যামিং,
    - সাইবার থেফ্ট,
    - সাইবার বুলি,
    - স্ফুফিং,
    - ফিশিং,
    - ভিশিং,
    - স্নিকিং,
    - প্লেজিয়ারিজম ইত্যাদি।

    অন্যান্য অপশন:
    - Evil Twin Attack: একটি ভুয়া ওয়াইফাই নেটওয়ার্ক তৈরি করে তথ্য চুরির কৌশল।
    - Phishing: এটি ছদ্মবেশ ধারণ করে প্রতারণার মাধ্যমে ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত তথ্য হাতিয়ে নেওয়ার পদ্ধতি।
    - Ransomware: এক ধরনের ক্ষতিকারক সফটওয়্যার যা ব্যবহারকারীর ফাইল লক করে মুক্তিপণ দাবি করে।

    উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান। ব্রিটানিকা।

    ১০৯.
    কম্পিউটার চালু হওয়ার সময় ব্যবহৃত POST এর পূর্ণরূপ কী?
    1. Program Operating Software Test
    2. Peripheral Online Speed Test
    3. Power On Self Test
    4. Pre-Operating System Trace
    সঠিক উত্তর:
    Power On Self Test
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    Power On Self Test
    ব্যাখ্যা

    • POST (Power On Self Test) হলো একটি ডায়াগনস্টিক প্রক্রিয়া, যা প্রতিবার কম্পিউটার চালু হলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে চালু হয়।

    বুটিং (Booting):
    - একটি কম্পিউটারকে চালু করা হলে তা সিপিইউ বা সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট প্রথমেই যাচাই করে নেয় যে কী-বোর্ড, মাউস, মনিটর ইত্যাদি যন্ত্রাংশ এর সঙ্গে সঠিকভাবে যুক্ত আছে কিনা। এই যাচাই করার প্রক্রিয়াকে বলে পোস্ট Power on self test (POST)।
    - যদি এই যন্ত্রাংশগুলো সঠিক ভাবে যুক্ত থাকে, তা হলে সিপিইউ কম্পিউটারের অপারেটিং সিস্টেমকে হার্ডডিস্ক থেকে স্বয়ংক্রিয় ভাবে র‍্যামের মধ্যে তুলে নেয় এবং কম্পিউটারকে ব্যবহারকরীর নির্দেশ গ্রহণের জন্য প্রস্তুত করে। এই সামগ্রিক প্রক্রিয়াকে বলা হয় বুটিং (Booting)।
    - অর্থাৎ বুটিং একটি স্বয়ক্রিয় প্রক্রিয়া, যা সম্পূর্ণ হওয়ার পরেই কম্পিউটারকে ব্যবহার করা হয়।

    Booting-এর ধাপগুলো:
    1) Power On → কম্পিউটার চালু হলে BIOS/UEFI লোড হয়।
    2) POST (Power-On Self Test) → হার্ডওয়্যার ঠিকমতো কাজ করছে কিনা চেক করা হয়।
    3) Boot Loader Execution → অপারেটিং সিস্টেমের boot manager (যেমন Windows Boot Manager বা GRUB) চালু হয়।
    4) OS Loading → Windows, Linux বা অন্য OS মেমোরিতে লোড হয়।
    5) User Interface Ready → ইউজার login করতে পারে এবং সিস্টেম ব্যবহার করতে পারে।

    উৎস:
    ১। মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
    ২। Lenovo Website.

    ১১০.
    উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমে বর্তমানে চলমান কোনো প্রোগ্রাম বা উইন্ডো দ্রুত বন্ধ করার জন্য কোন শর্টকাটটি ব্যবহৃত হয়?
    1. Ctrl + Esc
    2. Windows + L
    3. Ctrl + F4
    4. Alt + F4
    সঠিক উত্তর:
    Alt + F4
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    Alt + F4
    ব্যাখ্যা

    • Alt + F4 উইন্ডোজের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কীবোর্ড শর্টকাট যা বর্তমানে স্ক্রিনে থাকা সক্রিয় (Active) অ্যাপ্লিকেশন বা উইন্ডোটি বন্ধ করতে ব্যবহৃত হয়।
    - আবার ডেস্কটপে যদি কোনো অ্যাপ্লিকেশন খোলা না থাকে, তাহলে এই শর্টকাট চাপলে Windows শাটডাউন বা রিস্টার্ট করার অপশন দেখায়। অর্থাৎ, এটি ফাইলের নাম পরিবর্তন, পৃষ্ঠা রিফ্রেশ বা নতুন উইন্ডো খোলার জন্য ব্যবহৃত হয় না। তাই সঠিক উত্তর হলো ঘ) বর্তমান উইন্ডো বন্ধ করবে।​

    ফাংশন কী:
    ফাংশন কী হলো কিবোর্ডে থাকা বিশেষ ধরনের কী, যা বিভিন্ন সফটওয়্যারে নির্দিষ্ট কাজ করতে ব্যবহৃত হয়। সাধারণত এগুলো F1 থেকে F12 পর্যন্ত থাকে।

    F1-F12: ফাংশন কী-এর কাজ দেওয়া হলো:
    - F1 এর সাহায্যে সাধারণত Help মেনু খুলে।
    - F2 এর সাহায্যে নির্বাচিত ফাইল বা ফোল্ডারের নাম পরিবর্তন (Rename) করতে ব্যবহৃত হয়।
    - F3 এর সাহায্যে দ্রুত সার্চ বা খোঁজার অপশন চালু করে।
    - F4 এর সাহায্যে Alt + F4 চাপলে বর্তমান উইন্ডো বন্ধ হয়।
    - F5 ব্রাউজারে বা ডেস্কটপে Refresh করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
    - F6 ব্রাউজারে Address bar সিলেক্ট করে।
    - F7 মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে Spelling ও Grammar Check চালু করে।
    - F8 উইন্ডোজ চালুর সময় সেফ মোড (Safe Mode) চালুর জন্য ব্যবহৃত হয়।
    - F9 কোয়ার্ক এক্সপ্রেসের মেজারমেন্ট টুলবার চালু করার জন্য ব্যবহার করা হত।
    - F10 মেনু বার চালু করে।
    - F11 ফুলস্ক্রিন মোড চালু বা বন্ধ করে।
    - F12 ইন্সরেজি থেকে বাংলা বা বাংলা থেকে ইংরেজি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।

    অন্যান্য অপশন:
    - Ctrl + Esc: স্টার্ট মেনু খোলার জন্য ব্যবহৃত হয়।
    - Windows + L: এটি কম্পিউটার বা ইউজার অ্যাকাউন্ট দ্রুত লক করার কমান্ড।
    - Ctrl + F4: এটি শুধুমাত্র অ্যাপ্লিকেশনের ভেতরে থাকা বর্তমান ট্যাব বা ডকুমেন্ট বন্ধ করে কিন্তু পুরো প্রোগ্রামটি বন্ধ করে না।

    উৎস: Microsoft website.

    ১১১.
    (A7)16 = (R)10 , এখানে, R এর মান কত হবে?
    1. 155
    2. 167
    3. 200
    4. 212
    সঠিক উত্তর:
    167
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    167
    ব্যাখ্যা

    • (A7)16 = (R)10 , এখানে, R এর মান 167 হবে।
    - অর্থাৎ হেক্সাডেসিমেল A7 কে দশমিক সিস্টেমে প্রকাশ করলে 167 হবে।

    হেক্সাডেসিমেল থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর:
    - হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা থেকে দশমিক সংখ্যা রূপান্তর করতে হলে, প্রতিটি অংককে ১৬-এর ঘাত অনুযায়ী গুণ করতে হবে।
    - একক স্থানীয় অংকটিকে 160 দ্বারা গুণ করতে হবে।
    - দশক স্থানীয় অংকটিকে 161 দ্বারা গুণ করতে হবে।
    - শতক স্থানীয় অংকটিকে 162 দ্বারা গুণ করতে হবে, এবং এভাবে বামে যাওয়ার সাথে সাথে ১৬-এর ঘাত বাড়বে।
    - গুণফলগুলো যোগ করে, আপনি উক্ত হেক্সাডেসিমেল সংখ্যাটির সমতুল্য দশমিক মান পেতে পারবেন।
    - হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা A, B, C, D, E, এবং F যথাক্রমে ১০, ১১, ১২, ১৩, ১৪, এবং ১৫ মানের সমান।

    এখন,
    (A7)16
    = 10 × 161 + 7 × 160
    = 10 × 16 + 7 × 1
    = 160 + 7 = 167

    সুতরাং, (A7)16 = (167)10 

    উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

    ১১২.
    TCP/IP মডেলে প্যাকেট রাউটিং কোন লেয়ারে সম্পন্ন হয়?
    1. Application Layer
    2. Session Layer
    3. Network Access Layer
    4. Internet Layer
    সঠিক উত্তর:
    Internet Layer
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    Internet Layer
    ব্যাখ্যা

    • TCP/IP মডেলে ইন্টারনেট লেয়ারের প্রধান কাজ হলো আইপি (IP) অ্যাড্রেস ব্যবহার করে ডেটা প্যাকেটগুলোকে এক নেটওয়ার্ক থেকে অন্য নেটওয়ার্কে পাঠানোর জন্য সবচেয়ে কার্যকর পথ বা রুট নির্ধারণ করা।
    - এই লেয়ারে রাউটার কাজ করে যা ডেটা প্যাকেটের গন্তব্য যাচাই করে থাকে।

    TCP/IP:
    - TCP/IP প্রোটোকলটি ইন্টারনেট সংযোগের ক্ষেত্রে সর্বাধিক ব্যবহৃত হয়।
    - ইন্টারনেটের সকল কম্পিউটার কমান্ড এবং ডাটা আদান-প্রদানের TCP/IP প্রোটোকল ব্যবহার করে।
    - ইন্টারনেটে যেকোনো কম্পিউটার আরেকটি কম্পিউটারে সাথে সহজেই সংযোজিত হতে পারে।
    - একটি কম্পিউটার প্রথমে লোকাল বা স্থানীয় নেটওয়ার্কের সাথে সংযোজিত হয়, অতঃপর ইন্টারনেট ব্যাকবোনের মাধ্যমে সারা বিশ্বের সাথে যোগাযোগ স্থাপন করতে সক্ষম হয়।
    - ইন্টারনেটের সকল কম্পিউটারেরই একটি IP Address থাকে এবং প্রায় সকলের একটি ঠিকানা থাকে, যা ডোমেইন নেম সিস্টেম ব্যবহার করে।

    • অপশন আলোচনা:
    - Application Layer: এটি ব্যবহারকারীর অ্যাপ্লিকেশন এবং প্রোটোকলের সাথে সম্পর্কিত, রাউটিং নির্ধারণ করে না।
    - Session Layer: এটি মূলত ওএসআই মডেলের একটি লেয়ার যা সংযোগ নিয়ন্ত্রণ করে কিন্তু টিসিপি/আইপি মডেলে এটি কোনো আলাদা লেয়ার হিসেবে নেই।
    - Network Access Layer: এটি ফিজিক্যাল ও ডাটা লিঙ্ক লেয়ার কাজ করে, স্থানীয় নেটওয়ার্কে ডেটা প্রেরণ করে, রাউটিং নয়।

    উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

    ১১৩.
    নিচের কোনটি 'সিমপ্লেক্স মোড' এর উদাহরণ? 
    1. টেলিফোন
    2. ওয়াকিটকি
    3. টেলিভিশন
    4. মোবাইল
    সঠিক উত্তর:
    টেলিভিশন
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    টেলিভিশন
    ব্যাখ্যা

    • সিমপ্লেক্স মোড হলো এমন একটি ডেটা ট্রান্সমিশন মোড যেখানে ডেটা শুধুমাত্র একদিকে প্রবাহিত হতে পারে। রেডিও বা টেলিভিশন সম্প্রচারে স্টেশন থেকে তথ্য গ্রাহকের কাছে পাঠানো হয়, কিন্তু গ্রাহক ফিরতি কোনো তথ্য পাঠাতে পারেন না।

    ডাটা ট্রান্সমিশন মোড:
    - উৎস থেকে গন্তব্যে ডাটা ট্রান্সফারের ক্ষেত্রে ডাটা প্রবাহের দিককে বিবেচনা করে ডাটা পাঠানোর পদ্ধতিকে ডাটা ট্রান্সমিশন মোড বলা হয়। 
    - ডাটা প্রবাহের দিকের উপর ভিত্তি করে ডাটা ট্রান্সমিশন মোডকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। 

    যেমন- 
    ১. সিমপ্লেক্স (Simplex): 
    - শুধুমাত্র একদিকে ডাটা প্রেরণের মোড বা পদ্ধতিকে বলা হয় সিমপ্লেক্স। 
    - এক্ষেত্রে গ্রাহক যন্ত্রটি কখনোই প্রেরক যন্ত্রটিতে ডাটা পাঠাতে পারে না। 
    যেমন- রেডিও, টিভি, কীবোর্ড থেকে কম্পিউটারে ডাটা প্রেরণ ইত্যাদি। 

    ২. হাফ-ডুপ্লেক্স (Half-Duplex): 
    - হাফ-ডুপ্লেক্স পদ্ধতিতে যে কোন প্রান্ত ডাটা গ্রহণ অথবা প্রেরণ করতে পারে কিন্তু গ্রহণ এবং প্রেরণ একই সাথে করতে পারে না। 
    - নিম্নের চিত্রে হাফ-ডুপ্লেক্স ব্যবস্থায় A যখন ডাটা প্রেরণ করবে B তখন ডাটা গ্রহণ করতে পারবে, প্রেরণ করতে পারবে না। 
    যেমন- ওয়াকিটকি। 

    ৩. ফুল-ডুপ্লেক্স (Full-Duplex): 
    - ফুল-ডুপ্লেক্স মোডে একই সময়ে উভয় দিক হতে ডাটা প্ররণের ব্যবস্থা থাকে। 
    - যে কোন প্রান্ত প্রয়োজনে ডাটা প্রেরণ করার সময় ডাটা গ্রহণ অথবা ডাটা গ্রহণের সময় প্রেরণও করতে পারবে। 
    যেমন- টেলিফোন, মোবাইল ফোন ইত্যাদি। 

    উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং ব্রিটানিকা।

    ১১৪.
    Pay-As-You-Go ক্লাউড মডেলের প্রধান সুবিধা কোনটি?
    1. উচ্চ প্রাথমিক বিনিয়োগ
    2. ব্যবহার পর্যবেক্ষণ করা অনাবশ্যক
    3. পরিবর্তনশীল চাহিদার জন্য সাশ্রয়ী
    4. সবসময় সীমাহীন রিসোর্স
    সঠিক উত্তর:
    পরিবর্তনশীল চাহিদার জন্য সাশ্রয়ী
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    পরিবর্তনশীল চাহিদার জন্য সাশ্রয়ী
    ব্যাখ্যা

    • পে-অ্যাজ-ইউ-গো মডেলে গ্রাহক কেবল তার ব্যবহৃত রিসোর্সের জন্যই অর্থ প্রদান করেন।
    - যখন কোনো অ্যাপ বা সার্ভিসে লোড বা ট্রাফিক বৃদ্ধি পায়, তখন গ্রাহক তাৎক্ষণিক বাড়তি রিসোর্স গ্রহণ করতে পারেন এবং লোড কমে গেলে রিসোর্স কমিয়ে খরচ সাশ্রয় করতে পারেন।

    • ক্লাউড কম্পিউটিং:
    - ক্লাউড কম্পিউটিং এর মূল বিষয়টি হলো নিজের ব্যবহৃত কম্পিউটারের হার্ড ড্রাইভের পরিবর্তে ইন্টারনেট সেবা প্রদানকারী কোন প্রতিষ্ঠানের নিকট হতে সার্ভিস বা হার্ডওয়‍্যার ভাড়া নেওয়া।
    - ক্লাউড কম্পিউটিং কোনো নির্দিষ্ট টেকনোলজি নয়, বেশ কয়েকটি টেকনোলজিকে কাজে লাগিয়ে তৈরি করা একটা ব্যবসায়িক মডেল বা বিশেষ পরিসেবা।
    - অ্যামাজন বাণিজ্যিকভাবে ২০০৬ সালে এর ব্যবহার শুরু করে।

    • ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের প্রধান সার্ভিস মডেল:
    - সেবার ধরণ অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিংকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:

    ১. Infrastructure-as-a-Service - IaaS:
    - ব্যবহারকারী তার প্রয়োজনীয় অপারেটিং সিস্টেম ও সফটওয়্যার চালানোর জন্য ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান তাদের নেটওয়ার্ক, সিপিইউ, স্টোরেজ ও অন্যান্য মৌলিক কম্পিউটিং রিসোর্স ভাড়া দেয়।
    - উদাহরণ: আমাজন ইলাস্টিক কম্পিউট ক্লাউড (EC2).

    ২. Platform-as-a-Service - PaaS:
    - ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয় হার্ডওয়্যার, অপারেটিং সিস্টেম, ওয়েব সার্ভার, ডেটাবেজ ইত্যাদি থাকে।
    - অ্যাপলিকেশন ডেভেলপারগণ তাদের তৈরি করা সফ্টওয়্যার এই প্ল্যাটফর্মে ভাড়ায় চালাতে পারেন।
    - উদাহরণ: গুগলের অ্যাপ ইঞ্জিন, Microsoft Azure.

    ৩. Software-as-a-Service - SaaS:
    - ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের তৈরিকৃত অ্যাপলিকেশন সফটওয়্যার ব্যবহারকারীগণ ইন্টারনেটের মাধ্যমে চালাতে পারেন।
    - উদাহরণ: Google Docs.

    • যুক্তরাষ্ট্রের "ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অব স্ট্যন্ডার্ড এন্ড টেস্টিং (NIST)" এর মতে ক্লাউড কম্পিউটিং হলো ক্রেতার তথ্য ও বিভিন্ন এ্যাপ্লিকেশনকে কোন সেবাদাতার সিস্টেমে আউটসোর্স করার এমন একটি মডেল যাতে নিম্নোক্ত ৩টি বৈশিষ্ট্য থাকবে:
    ১. রিসোর্স স্কেলেবিলিটি:
    - ছোট বা বড় যাই হোক, ক্রেতার সব ধরনের চাহিদাই মেটানো হবে, ক্রেতা যত চাইবে সেবা দাতা ততোই অধিক পরিমাণে সেবা দিতে পারবে।

    ২. অন-ডিমান্ড:
    - ক্রেতা যখন চাইবে, তখনই সেবা দিতে পারবে। ক্রেতা তার ইচ্ছা অনুযায়ী যখন খুশি তার চাহিদা বাড়াতে বা কমাতে পারবে।

    ৩. পে-অ্যাজ-ইউ-গো:
    - এটা একটি পেমেন্ট মডেল। ক্রেতাকে আগে থেকে কোন সার্ভিস রিজার্ভ করতে হবে না। ক্রেতা যা ব্যবহার করবে কেবলমাত্র তার জন্যই পেমেন্ট দিতে হবে।

    উৎস:
    ১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি , একাদশ দ্বাদশ শ্রেণী, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
    ২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

    ১১৫.
    ChatGPT-এ টেক্সট প্রম্পট বোঝার জন্য কোন এনকোডার ব্যবহার করা হয়?
    1. Transformer-based Encoder
    2. CLIP Text Encoder
    3. VAE Encoder
    4. CNN Encoder
    সঠিক উত্তর:
    Transformer-based Encoder
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    Transformer-based Encoder
    ব্যাখ্যা

    • ChatGPT মূলত ট্রান্সফরমার (Transformer) আর্কিটেকচারের ওপর ভিত্তি করে তৈরি একটি লার্জ ল্যাঙ্গুয়েজ মডেল।
    - এটি মানুষের দেওয়া প্রম্পট বা টেক্সট বিশ্লেষণ করার জন্য ট্রান্সফরমার এনকোডিং মেকানিজম এবং সেলফ-অ্যাটেনশন (Self-attention) ব্যবহার করে, যা প্রতিটি শব্দের মধ্যকার প্রেক্ষাপট ও গুরুত্ব বুঝতে সাহায্য করে।

    • ChatGPT (চ্যাটজিপিটি):
    - ৩০ নভেম্বর, ২০২২ তারিখে চালু হয়েছে কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তার চ্যাটবট (AI Chatbot), যার নাম ChatGPT.
    - ChatGPT এর পূর্ণরুপ হচ্ছে Chat Generative Pre-trained Transformer.
    - এটি Reinforcement Learning from Human Feedback (RLHF) মডেল ব্যবহার করে।
    - বর্তমানে GPT- 5 ভার্সন চলছে।
    - OpenAI নামক প্রযুক্তি কোম্পানি চালু করেছে জনপ্রিয় এই চ্যাটবটটি।

    • Transformer-based Encoder এর বৈশিষ্ট্য:
    - এটি শব্দের ক্রম বা অবস্থান বোঝার জন্য পজিশনাল এনকোডিং ব্যবহার করে।
    - সেলফ-অ্যাটেনশন এর মাধ্যমে এটি বাক্যের অনেক দূরের শব্দের সাথেও সম্পর্ক স্থাপন করতে পারে।
    - এটি মূলত টেক্সট-টু-টেক্সট রূপান্তরের জন্য সবচেয়ে শক্তিশালী আর্কিটেকচার।

    অন্যান্য অপশন:
    - CLIP Text Encoder: ইমেজ এবং টেক্সটের মধ্যে সংযোগ স্থাপনের জন্য ব্যবহৃত হয় যা সাধারণত Stable diffusion বা DALL-E মডেলে দেখা যায়।
    - VAE Encoder: ডেটাকে সংকুচিত করে ল্যাটেন্ট রিপ্রেজেন্টেশন তৈরি করতে ব্যবহৃত হয় যা মূলত ইমেজ বা অডিও প্রসেসিংয়ের সাথে যুক্ত।
    - CNN Encoder: গ্রাফিক্স বা ছবির বৈশিষ্ট্য শনাক্ত করার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে যা টেক্সট প্রসেসিংয়ের জন্য আদর্শ নয়।

    উৎস:
    ১। ব্রিটানিকা।
    ২। IBM website [link]

    ১১৬.
    সুইচ কোন নেটওয়ার্ক টপোলজিতে কেন্দ্রীয় সংযোগ ডিভাইস হিসেবে কাজ করে?
    1. বাস টপোলজি
    2. মেশ টপোলজি
    3. স্টার টপোলজি
    4. ক ও খ উভয়ই
    সঠিক উত্তর:
    স্টার টপোলজি
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    স্টার টপোলজি
    ব্যাখ্যা

    • স্টার টপোলজিতে একটি কেন্দ্রীয় হাব বা সুইচ থাকে যার মাধ্যমে নেটওয়ার্কের সকল কম্পিউটার বা নোড একে অপরের সাথে যোগাযোগ করে।
    - বর্তমানে কর্মক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য হাবের পরিবর্তে সুইচই বেশি ব্যবহৃত হয়।

    • সুইচ:
    - সুইচ একটি ডিভাইস যা নেটওয়ার্কের ডাটাকে বিভক্ত করে নেটওয়ার্কের সকল সিস্টেমে না পাঠিয়ে নির্দিষ্ট গন্তব্যে পাঠিয়ে দেয়।
    - হাব এবং সুইচ এর কাজ প্রায় একই। তবে হাব প্রেরিত সিগন্যাল গ্রহণ করার পর একই সাথে প্রত্যেকটি কম্পিউটারে পাঠায় কিন্তু সুইচ প্রেরিত সিগন্যাল গ্রহণ করার পর টার্গেট কম্পিউটারে পাঠায়।
    - স্টার টপোলজিতে সুইচ একটি কেন্দ্রিয় কানেকটিভ ডিভাইস হিসাবে ব্যবহৃত হয়।

    • স্টার টপোলজি:
    - যে টপোলজিতে কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণকারী কম্পিউটার বা হোস্ট বা হাব বা সুইচের সাথে অন্যান্য কম্পিউটার বা পেরিফেরালসমূহকে সংযুক্ত করে নেটওয়ার্ক গড়ে তোলে, তাকে স্টার টপোলজি বলে।
    - এক্ষেত্রে সংযুক্ত নোডগুলো কেন্দ্রীয় কম্পিউটার বা হাব বা সুইচের মাধ্যমে তথ্য আদান-প্রদান করে থাকে।
    - এ সংগঠনের কোনো একটি কম্পিউটার নষ্ট হলে বাকি নেটওয়ার্কে তার প্রভাব পড়েনা।

    • অন্যান্য অপশন:
    বাস টপোলজি:
    - যে টপোলজিতে একটি মূল ক্যাবলের সাথে সব কয়েকটি ওয়ার্কস্টেশন বা কম্পিউটার সংযুক্ত থাকে তাকে বাস টপোলজি বলে।
    - একে অনেক সময় লিনিয়ার টপোলজিও বলা হয়।
    - এখানে মূল ক্যাবল বা তারটিকে বলা হয় ব্যাকবোন।
    - এখানে কোন কেন্দ্রিয় কম্পিউটার থাকে না।
    - প্রতিটি কম্পিউটার বা ওয়ার্কস্টেশন মূল বাসের সাথে তারের মাধ্যমে সংযুক্ত থাকে।

    মেশ টপোলজি:
    - মেশ টপোলজির প্রত্যেকটি ওয়ার্কস্টেশন বা কম্পিউটারের একাধিক সংযোগ ব্যবস্থা থাকে এবং প্রতিটি কম্পিউটার আলাদা লিংক ব্যবস্থাধীন থাকে।
    - এ ধরনের নেটওয়ার্কভূক্ত কম্পিউটারগুলোর মধ্যে পারস্পরিক সংযোগকে পয়েন্ট টু পয়েন্ট লিংক বলে।

    উৎস: ১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
    ২। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

    ১১৭.
    কখন প্রথম বাংলাদেশের সকল রাজনৈতিক দল ভেঙে দেওয়া হয়?
    1. ২৪ জানুয়ারি, ১৯৭৫ সালে
    2. ২৪ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৫ সালে
    3. ১৭ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৪ সালে
    4. ১৭ জুলাই, ১৯৭৪ সালে
    সঠিক উত্তর:
    ২৪ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৫ সালে
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ২৪ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৫ সালে
    ব্যাখ্যা

    বাকশাল:
    - বাকশাল ব্যবস্থা ছিল রাষ্ট্রপতি শাসিত ব্যবস্থা।
    - ১৯৭৪ সালের জুন মাসে জাসদ 'বিপ্লবী গণবাহিনী' নামে একটি সশস্ত্র অঙ্গসংগঠন ও সশস্ত্র বাহিনীর মধ্যে 'বিপ্লবী সৈনিক সংস্থা' নামে একটি সেল গঠন করে।
    - এসকল কারণে ক্ষমতাসীন ও বিরোধীদল সমূহের মধ্যে শান্তিপূর্ণ সহ অবস্থান বিঘ্নিত হয়।
    - ১৯৭৪ সালে সরকার দেশব্যাপী জরুরি অবস্থা ঘোষণা করে।
    - ১৯৭৫ সালে ২৫ জানুয়ারি জাতীয় সংসদে সংবিধানের চতুর্থ সংশোধনীর মাধ্যমে দেশে রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হয়।
    - ১৯৭৫ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি দেশের সকল রাজনৈতিক দল ভেঙে দিয়ে 'বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামীলীগ' বা 'বাকশাল' গঠন করা হয়।
    - বাকশাল গঠনের মাধ্যমে একদলীয় শাসন ব্যবস্থা চালু হয়।

    উল্লেখ্য,
    - ১৯৭৫ সালের ১ সেপ্টেম্বর থেকে বাকশাল কার্যকর হওয়ার কথা ছিলো।
    - এর সভাপতি ছিলেন শেখ মুজিবুর রহমান এবং সাধারণ সম্পাদক ছিলেন ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী।
    - এর আগে ২৫ জানুয়ারি জাতীয় সংসদে সংবিধানের চতুর্থ সংশোধনীর মাধ্যমে দেশে রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হয়।

    উৎস: i) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
             ii) ইতিহাস ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

    ১১৮.
    এপিকালচার কী?
    1. রেশম চাষ বিদ্যা
    2. মৎস্য চাষ বিদ্যা
    3. মৌমাছি চাষ বিদ্যা
    4. পাখি পালন বিদ্যা
    সঠিক উত্তর:
    মৌমাছি চাষ বিদ্যা
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    মৌমাছি চাষ বিদ্যা
    ব্যাখ্যা

    • এপিকালচার (Apiculture):
    - বিজ্ঞানসম্মত উপায়ে মৌমাছি প্রতিপালন এবং মৌমাছির মধু সংগ্রহ করাকে এপিকালচার বলে। বর্তমানে কৃতিম উপায়ে মৌমাছি পালনের তথা এপিকালচার ব্যবস্থার প্রচলন শুরু হয়।

    • সেরিকালচার (Sericulture):
    - বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে রেশম পোকার চাষ পদ্ধতিকে বলে সেরিকালচার। তুঁতজাত রেশম মথের প্রতিপালন এবং এর গুটি থেকে অপরিশোধিত রেশম নিষ্কাশন ও পরিশোধন করে ব্যবহারোপযোগী পণ্যে পরিণত করার সার্বিক পদ্ধতিই সেরিকালচার নামে পরিচিত।

    • পিসিকালচার (Pisciculture):
    - বিজ্ঞানভিত্তিক উপায়ে মৎস্য চাষ তথা মৎস্য পালন, আহরণ ও সংরক্ষণ পদ্ধতিকে পিসিকালচার বলে। মাছ ছাড়াও বিভিন্ন শামুক, ঝিনুক, কাঁকড়া ইত্যাদি অর্থনৈতিক গুরুত্ব সম্পন্ন প্রাণীদের চাষ পালন, আহরণ ও সংরক্ষণ পদ্ধতিকে পিসিকালচার বলে।

    • এভিকালচার (Aviculture):
    - পাখি পালন বিষয়াদি বিদ্যাকে এভিকালচার বলে। যে বিদ্যায় পাখিদের সমস্ত শ্রেণী ও বাসস্থান নিয়ে আলোচনা করা হয় তাকে এভিকালচার বলে।

    উৎস: ব্রিটানিকা।

    ১১৯.
    জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুসারে, স্বাক্ষরতার হার-
    1. ৭৩.২০%
    2. ৭২.৮০%
    3. ৭৪.৮০%
    4. ৭৬.৮০%
    সঠিক উত্তর:
    ৭৪.৮০%
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ৭৪.৮০%
    ব্যাখ্যা

    • ৬ষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা:
    - স্বাধীন বাংলাদেশে ১৯৭৪ সালে প্রথম আদমশুমারি পরিচালনা করা হয়।
    - ২০১৩ সালে প্রণীত পরিসংখ্যান আইন অনুযায়ী, ইতিপূর্বে পরিচিত ‘আদমশুমারি'কে 'জনশুমারি' হিসেবে অভিহিত করা হয়।
    - ২০২২ সালের ১৫-২১ জুন বাংলাদেশে ৬ষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
    - এটি দেশের প্রথম ডিজিটাল শুমারি।
    - জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর তথ্য সংগ্রহে CAPI- Computer Assisted Personal Interviewing পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে।
    - গণনায় মোডিফাইড ডি-ফ্যাক্টো (Modified De-facto) পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে।

     জনশুমারি ও গৃহগণনা-২০২২ অনুযায়ী:
    - মোট জনসংখ্যা: ১৬,৯৮,২৮,৯১১ জন।
    - জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.১২%।
    - জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১,১১৯ জন।
    - দেশে পুরুষ ও নারীর অনুপাত: ৯৯.০৮ : ১০০.৯০।
    - স্বাক্ষরতার হার: ৭৪.৮০%।

    উৎস: জনশুমারি ও গৃহগণনা চূড়ান্ত রিপোর্ট ২০২২।

    ১২০.
    বাংলাদেশ জাতীয় নারী ফুটবল দলের অধিনায়ক কে?
    1. সাবিনা খাতুন
    2. নিগার সুলতানা জ্যোতি
    3. আফঈদা খন্দকার প্রান্তি
    4. শারমিন আক্তার
    সঠিক উত্তর:
    আফঈদা খন্দকার প্রান্তি
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    আফঈদা খন্দকার প্রান্তি
    ব্যাখ্যা

    • আফঈদা খন্দকার প্রান্তি:
    - ১৮ বছর বয়সী বাংলাদেশ জাতীয় নারী ফুটবল দলের অধিনায়ক আফঈদা খন্দকার প্রান্তি সাতক্ষীরা তথা বাংলাদেশের গর্ব।
    - তিনি নারী ফুটবল দলের একজন উদীয়মান তারকা।
    - সাতক্ষীরার মেয়ে আফঈদা এর আগে বিভিন্ন বয়সভিত্তিক দলে অধিনায়কত্ব করেছেন।
    - তার নেতৃত্বে বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল এশিয়ান কাপের বাছাই পর্বে খেলার যোগ্যতা অর্জন করে ইতিহাস সৃষ্টি করেছে।

    সম্প্রতি,
    - এশিয়ান কাপ বাছাইপর্বে স্বাগতিক মিয়ানমারকে ২-১ গোলে হারিয়ে মূল পর্বে প্রথমবারের মত জায়গা করে নিয়েছে লাল-সবুজের নারী দল।যে দলটিকে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন আফঈদা।
    - অনূর্ধ্ব-২০ সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ-২০২৫’এ অধিনায়ক এর দায়িতও পেয়েছেন আফঈদা।

    উৎস: বাসস ও বাফুফে ওয়েবসাইট

    ১২১.
    জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুযায়ী, কোন জেলায় ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি?
    1. খাগড়াছড়ি
    2. রাঙামাটি
    3. বান্দরবান
    4. সিলেট
    সঠিক উত্তর:
    রাঙামাটি
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    রাঙামাটি
    ব্যাখ্যা

    • জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুযায়ী,
    - দেশের ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর জনসংখ্যা ১৬ লাখ ৫০ হাজার ১৫৯। জনশুমারিতে দেশের ৫০টি জাতিসত্তার জনসংখ্যা তুলে ধরা হয়।
    - এর মধ্যে চাকমাদের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।
    • জেলার নিরিখে দেশে রাঙামাটিতে ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।
    - এ জেলায় এসব জাতিগোষ্ঠীর মানুষের সংখ্যা ৩ লাখ ৭২ হাজার ৮৬৪।
    - এরপরই আছে আরেক পার্বত্য জেলা খাগড়াছড়ি। এখানে জাতিগোষ্ঠীর মানুষের সংখ্যা ৩ লাখ ৪৯ হাজার ৩৭৮।
    - বিভাগ অনুযায়ী, বরিশালে ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী জনসংখ্যা ৪ হাজার ১৮১ জন, চট্টগ্রামে ৯ লাখ ৯০ হাজার ৮৬০, ঢাকায় ৮২ হাজার ৩১১, খুলনায় ৩৮ হাজার ৯৯২, ময়মনসিংহে ৬১ হাজার ৫৫৯, রাজশাহীতে ২ লাখ ৪৪ হাজার ৫৯২, রংপুরে ৯১ হাজার ৭০ ও সিলেটে ১ লাখ ৩৬ হাজার ৫৯৪ জন।

    - ৫০টি জাতিসত্তার মধ্যে পার্বত্য চট্টগ্রামের জাতিগোষ্ঠী চাকমাদের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি, ৪ লাখ ৮৩ হাজার ২৯৯।
    - সংখ্যার দিক দিয়ে দ্বিতীয় এবং তৃতীয় অবস্থানে আছে পার্বত্য চট্টগ্রামেরই দুই জাতিগোষ্ঠী মারমা ও ত্রিপুরা।
    - মারমাদের সংখ্যা ২ লাখ ২৪ হাজার ২৬২ আর ত্রিপুরাদের সংখ্যা ১ লাখ ৫৬ হাজার ৫৭৮। চতুর্থ স্থানে আছে সমতলের জাতিগোষ্ঠী সাঁওতাল। তাঁদের সংখ্যা ১ লাখ ২৯ হাজার ৪৯ জন।

    উৎস: জনশুমারি ও গৃহগণনা চূড়ান্ত রিপোর্ট ২০২২।

    ১২২.
    বাংলাদেশের এলডিসি থেকে উত্তরণের সময় নির্ধারিত হয়েছে কবে?
    1. ২৪ নভেম্বর, ২০২৬ সালে
    2. ২৬ ডিসেম্বর, ২০২৬ সালে
    3. ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সালে
    4. ২৬ অক্টোবর, ২০২৬ সালে
    সঠিক উত্তর:
    ২৪ নভেম্বর, ২০২৬ সালে
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ২৪ নভেম্বর, ২০২৬ সালে
    ব্যাখ্যা

    • LDC:
    - LDC-এর পূর্ণরূপ: Least Developed Countries বা স্বল্পোন্নত দেশ।
    - জাতিসংঘের মতে, এই দেশগুলো আর্থ-সামাজিক বিকাশের সর্বনিম্ন সূচক প্রদর্শন করে।
    - জনসংখ্যা, অর্থনৈতিক সক্ষমতা, ছোট দ্বীপপুঞ্জ, ভূবেষ্টিত দেশ—এসব বৈশিষ্ট্যের ওপর ভিত্তি করে এলডিসিতে তালিকাভুক্ত করে জাতিসংঘ।
    - বর্তমানে বিশ্বে ৪৪টি স্বল্পোন্নত দেশ রয়েছে, এর মধ্যে এশিয়া মহাদেশের ৮টি দেশ হয়েছে।

    উল্লেখ্য,
    - ১৯৭১ সালে প্রথম স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা করা হয়।
    - বাংলাদেশ ১৯৭৫ সালে এই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়।
    - বাংলাদেশ নানা ধরনের যাচাই–বাছাই পেরিয়ে ২০২৬ সালের ২৪ নভেম্বর এলডিসি থেকে উত্তরণের জন্য সময় নির্ধারণ করেছে।

    উৎস: i) প্রথম আলো।
    ii) UN ওয়েবসাইট।

    ১২৩.
    ঢাকার আসাদ গেটের পুরাতন নাম কী ছিল?
    1. সোহরাওয়ার্দী গেট
    2. আইয়ুব গেট
    3. জিন্নাহ গেট
    4. ইস্পাহানী গেট
    সঠিক উত্তর:
    আইয়ুব গেট
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    আইয়ুব গেট
    ব্যাখ্যা

    • শহীদ আসাদ:
    - শহীদ আসাদ উনিশশত ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান এর শহীদ ছাত্রনেতা।
    - আসাদুজ্জামান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের শেষ বর্ষের ছাত্র ছিলেন।
    - তিনি ১৯৬৯ সালের ২০ জানুয়ারি ছাত্র সংগ্রাম কমিটির ১১ দফা আদায়ের মিছিলে পুলিশের গুলিতে নিহত হন।
    তাঁর মৃত্যু ঊনসত্তরের ছাত্র-গণআন্দোলনের গোটা অবয়বকেই পাল্টে দেয় এবং তা আইয়ুব খানের শাসন ও নিপীড়নমূলক ব্যবস্থার বিরুদ্ধে গণঅভ্যুত্থানে পরিণত হয়।
    - অনেক জায়গায় জনতা স্বতঃস্ফূর্তভাবে আইয়ুবের নামফলক নামিয়ে আসাদের নাম উৎকীর্ণ করে।
    - এভাবে ‘আইয়ুব গেট’ হয়ে যায় ‘আসাদ গেট’, ‘আইয়ুব এভিনিউ’ নামান্তরিত হয়ে হয় ‘আসাদ এভিনিউ’।
    - তখন থেকে আসাদের নাম হয়ে ওঠে নিপীড়নের বিরুদ্ধে সংগ্রামের মূর্ত প্রতীক।

    উৎস: বাংলাপিডিয়া।

    ১২৪.
    ‘সর্বদলীয় কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা কর্ম পরিষদ' এর আহ্বায়ক কে ছিলেন?
    1. শামসুল আলম
    2. এ.এস.এম নূরুল হক ভূঁইয়া
    3. কাজী গোলাম মাহবুব
    4. আবুল কাশেম
    সঠিক উত্তর:
    শামসুল আলম
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    শামসুল আলম
    ব্যাখ্যা

    • সর্বদলীয় কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা কর্ম পরিষদ:
    - ১৯৪৮ সালের ২ মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফজলুল হক হলে তমদ্দুন মজলিশ কর্মী এবং অন্যান্য সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক কর্মীদের যৌথসভায় মজলিশ কর্মী শামসুল আলমকে আহবায়ক করে ‘সর্বদলীয় কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা কর্ম পরিষদ’ নামে একটি নতুন কমিটি গঠিত হয়।

    উল্লেখ্য,
    - তমদ্দুন মজলিশের নেতৃত্বে ১৯৪৭ সালের ১ অক্টোবর প্রথম রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয়। এ পরিষদের আহবায়ক নির্বাচিত হন মজলিশ নেতা ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক এএসএম নূরুল হক ভূইয়া।

    উৎস: বাংলাপিডিয়া।

    ১২৫.
    ২০২৪–২৫ অর্থবছরে, বাংলাদেশের মোট রপ্তানি আয়ের কত শতাংশ ভারত থেকে আসে?
    1. ৩.৬৫%
    2. ৯.৩৪ %
    3. ১১.৪২ %
    4. ১৪.২২ %
    সঠিক উত্তর:
    ৩.৬৫%
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ৩.৬৫%
    ব্যাখ্যা

    • ২০২৪–২৫ অর্থ-বছরের জুলাই-জুন সময়ের ভারতে ১,৭৬৪.২৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের পণ্য রপ্তানি হয়েছে যা বিবেচ্য সময়ের মোট রপ্তানি আয়ের ৩.৬৫%।
    - ভারতে রপ্তানিকৃত প্রধান পণ্য হলো পাট ও পাটজাতপণ্য (৫৩, ৬৩০৫১০) ,(২১১.২৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার), ওভেন গার্মেন্টস্ (৬২) (৪২৮.৪৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার), নীটওয়‍্যার (৬১) (২১৫.৭৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার), কটন ও কটন প্রোডাক্টস (৫২) (২৯.৮৮ মি: মা: ড:), প্লাস্টিক দ্রব্যাদি (৩৯) (৫৬.৭২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার) এবং চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য (৪১–৪৩, ৬৪০৩) (১০৮.১৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার)।
    - বিগত বছরের একই সময়ের রপ্তানি আয় ১,৫৬৯.২৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের তুলনায় ১২.৪৩% বেশি।

     উল্লেখ্য,
    - মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশী রপ্তানি পণ্যের বৃহত্তম বাজার।
    - আমাদের রপ্তানি কার্যক্রম পর্যালোচনা করলে দেখা যায় যে, বরাবরের মত আমাদের পণ্যের আমদানীকারক দেশ সমূহের তালিকায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র শীর্ষে অবস্থান করছে।
    - ২০২৪–২০২৫ অর্থ-বছরের জুলাই-জুন সময়ের যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি হয়েছে ৮,৬৯২.৩৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের পণ্য যা উক্ত সময়ের মোট রপ্তানির ১৮.০০%। 

    উৎস: রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো।

    ১২৬.
    কৃষিক্ষেত্রে 'পার্চিং পদ্ধতি' কোন কাজে ব্যবহৃত হয়?
    1. পোকা দমনে
    2. সার দেওয়ায়
    3. সেচ কাজে
    4. নালা তৈরিতে
    সঠিক উত্তর:
    পোকা দমনে
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    পোকা দমনে
    ব্যাখ্যা

    • পার্চিং পদ্ধতি:
    - খেতের ক্ষতিকর পোকা দমনে এটা প্রাকৃতিক পদ্ধতি।
    - এই পদ্ধতির নাম ‘পার্চিং’ অর্থাৎ পাখির বসার জন্য দাঁড়।
    - এই পদ্ধতিতে ধানখেতে পাখি বসার উপযোগী বাঁশের আগা, কঞ্চি, গাছের ডাল প্রভৃতি পুঁতে দিতে হয়।
    - পাখি বাঁশের এই আগা, কঞ্চি, গাছের ডালে বসে ক্ষতিকর পোকামাকড় ধরে খায়।
    - ক্ষতিকর পোকামাকড় বিশেষ করে মাজরা পোকা দমনে এই পদ্ধতি বেশ কার্যকর।
    - ধানের চারা রোপণের ২০ দিনের মধ্যে খেতে পার্চিং করা হয়।

    উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন, প্রথম আলো পত্রিকা।

    ১২৭.
    ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান হাদি কত তারিখে মৃত্যুবরণ করেন?
    1. ১২ ডিসেম্বর, ২০২৫
    2. ১৫ ডিসেম্বর, ২০২৫
    3. ১৭ ডিসেম্বর, ২০২৫
    4. ১৮ ডিসেম্বর, ২০২৫
    সঠিক উত্তর:
    ১৮ ডিসেম্বর, ২০২৫
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ১৮ ডিসেম্বর, ২০২৫
    ব্যাখ্যা

    • শরিফ ওসমান হাদি:
    - ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক ছিলেন শরিফ ওসমান হাদি।
    - তিনি ঢাকা-৮ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করার ঘোষণা দিয়ে প্রচারে নেমেছিলেন।
    - ২০২৫ সালের ১২ ডিসেম্বর তিনি গুলিবিদ্ধ হন।
    - উন্নত চিকিৎসার জন্য ১৫ ডিসেম্বর ওসমান হাদিকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্স করে সিঙ্গাপুরে নেওয়া হয়।
    - ১৮ ডিসেম্বর, ২০২৫ সালে সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
    - জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সহযোদ্ধাদের চোখে তিনি এক লড়াকু যোদ্ধা। 

    উৎস: প্রথম আলো ও বিএসএস।

    ১২৮.
    ২০২৫ সালে সমাজসেবায় স্বাধীনতা পুরস্কার লাভ করেছেন কে?
    1. ফজলে হাসান আবেদ
    2. মীর আবদুস শুকুর আল মাহমুদ
    3. অধ্যাপক জামাল নজরুল ইসলাম
    4. মো: ইউসুফ চৌধুরী
    সঠিক উত্তর:
    ফজলে হাসান আবেদ
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ফজলে হাসান আবেদ
    ব্যাখ্যা

    • স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৫:
    - জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ 'স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৫' পেয়েছেন ৭ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি।
    • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি: অধ্যাপক জামাল নজরুল ইসলাম (মরণোত্তর)।
    • সাহিত্য: মীর আবদুস শুকুর আল মাহমুদ (মরণোত্তর)।
    • সংস্কৃতি: নভেরা আহমেদ (মরণোত্তর)।
    • সমাজসেবা: স্যার ফজলে হাসান আবেদ (মরণোত্তর)।
    • মুক্তিযুদ্ধ ও সংস্কৃতি: মোহাম্মদ মাহবুবুল হক খান ওরফে আজম খান (মরণোত্তর)।
    • শিক্ষা ও গবেষণা: জনাব বদরুদ্দীন মোহাম্মদ উমর।
    • প্রতিবাদী তারুন্য: আবরার ফাহাদ (মরণোত্তর)।

    উল্লেখ্য,
    ২০২৫ সালে সমাজসেবায় একুশে পদক লাভ করেন - মো: ইউসুফ চৌধুরী

    উৎস: মন্ত্রি পরিষদ বিভাগ ওয়েবসাইট।

    ১২৯.
    বাংলাদেশে মূল্যস্ফীতির হার পরিমাপ করা হয় কোন সূচকের মাধ্যমে?
    1. Core Inflation
    2. CPI (Consumer Price Index)
    3. WPI (Wholesale Price Index)
    4. PPI (Producer Price Index)
    সঠিক উত্তর:
    CPI (Consumer Price Index)
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    CPI (Consumer Price Index)
    ব্যাখ্যা

    • মূল্যস্ফীতির হার পরিমাপক:
    - বর্তমানে জাতিসংঘের গাইডলাইন অনুযায়ী বাংলাদেশে মূল্যস্ফীতির হিসাব করা হয়, যাকে বলা হয় কনজ্যুমার প্রাইস ইনডেক্স (সিপিআই)।
    - এ পদ্ধতিতে ৭৪৯টি পণ্য ও সেবার বাজারদর ওঠানামার ভিত্তিতে মূল্যস্ফীতির হিসাব প্রকাশ করা হয়ে থাকে।
    - এরমধ্যে ২৪২টি খাদ্যপণ্য এবং ৫০৭টি খাদ্য-বহির্ভূত পণ্য ও সেবা রয়েছে। 

    - দেশের ৬৪ জেলার ১৫৪টি হাটবাজার থেকে নির্ধারিত সময়ে তথ্য নিয়ে বিবিএস সিপিআই পদ্ধতিতে মূল্যস্ফীতির তথ্য প্রকাশ করে।
    - তবে এই ৭৪৯টি আইটেমের মধ্যে বেশ কয়েকটি আইটেম রয়েছে যেগুলো বাংলাদেশে ভোগ হয় না।

    - বেশিরভাগ দেশ মূল্যস্ফীতির প্রধান হিসাবের জন্য সিপিআই পদ্ধতি ব্যবহার করে।
    - তবে নীতিনির্ধারকদের মূল্যস্ফীতির প্রকৃত প্রবণতা বোঝার সুবিধার্থে অনেক দেশ দ্বিতীয় প্রধান পদ্ধতি হিসেবে কোর ইনফ্লেশন পদ্ধতি অনুসরণ করে।

    উৎস: TBS Link

    ১৩০.
    BCIC-এর অধীনে সার কারখানার সংখ্যা কতটি?
    1. ৫টি
    2. ৪টি
    3. ৭টি
    4. ১১টি
    সঠিক উত্তর:
    ৭টি
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ৭টি
    ব্যাখ্যা

    • BCIC-এর অধীনে সার কারখানার সংখ্যা -৭টি

    বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাষ্ট্রিজ কর্পোরেশন (BCIC):
    - বর্তমানে বিসিআইসি’র অধীনে ১১টি  শিল্প কারখানা চালু রয়েছে।

    • চালু কারখানাগুলোর মধ্যে:
    • ইউরিয়া সার কারখানা: ৫টি (চিটাগাং ইউরিয়া ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরী লিমিটেড, যমুনা ফার্টিলাইজার কোম্পানী লিমিটেড,আশুগঞ্জ ফার্টিলাইজার এ্যান্ড কেমিক্যাল কোম্পানী লিঃ, শাহজালাল ফার্টিলাইজার কোম্পানী লিঃ,ঘোড়াশাল পলাশ ফার্টিলাইজার পাবলিক লিমিটেড কোম্পানী )।
    • ডিএপি সার কারখানা: ১টি (ডিএপি ফার্টিলাইজার কোং লিঃ)।
    • টিএসপি সার কারখানা: ১টি (টিএসপি কমপ্লেক্স লিঃ)।
    • কাগজ কারখানা: ১টি (কর্ণফুলী পেপার মিলস্ লিঃ)।
    • সিমেন্ট কারখানা: ১টি (ছাতক সিমেন্ট কোম্পানী লিঃ)।
    • গ্লাসশীট কারখানা: ১টি (উসমানিয়া গ্লাসশীট ফ্যাক্টরী লিঃ)।
    • স্যানিটারীওয়্যার ইস্যুলেটর কারখানা: ১টি (বাংলাদেশ ইস্যুলেটর এন্ড স্যানিটারীওয়্যার ফ্যাক্টরী লিঃ)।

    উৎস: BCIC ওয়েবসাইট। 

    ১৩১.
    ‘ভোটার-তালিকায় নামভুক্তির যোগ্যতা’ সংক্রান্ত সংবিধানের অনুচ্ছেদ কোনটি?
    1. অনুচ্ছেদ - ১২৪
    2. অনুচ্ছেদ - ১২১
    3. অনুচ্ছেদ - ১২৩
    4. অনুচ্ছেদ - ১২২ 
    সঠিক উত্তর:
    অনুচ্ছেদ - ১২২ 
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    অনুচ্ছেদ - ১২২ 
    ব্যাখ্যা

    • অনুচ্ছেদ - ১২২: ভোটার-তালিকায় নামভুক্তির যোগ্যতা:
    ১. প্রাপ্ত বয়স্কের ভোটাধিকারের-ভিত্তিতে সংসদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
    ২. কোন ব্যক্তি সংসদের নির্বাচনের জন্য নির্ধারিত কোন নির্বাচনী এলাকায় ভোটার-তালিকাভুক্ত হবার অধিকারী হবেন, যদি -
    (ক) তিনি বাংলাদেশের নাগরিক হন;
    (খ) তাঁর বয়স ১৮ বৎসরের কম না হয়;
    (গ) কোন যোগ্য আদালত কর্তৃক তাঁর সম্পর্কে অপ্রকৃতিস্থ হিসেবে ঘোষণা বহাল না থাকে;
    (ঘ) তিনি ঐ নির্বাচনী এলাকার অধিবাসী বা আইনের দ্বারা ঐ নির্বাচনী এলাকার অধিবাসী বিবেচিত হন; এবং
    (ঙ) তিনি ১৯৭২ সালের বাংলাদেশ যোগসাজশকারী (বিশেষ ট্রাইব্যুনাল) আদেশের (দালাল আইন) অধীন কোন অপরাধের জন্য দণ্ডিত না হয়ে থাকেন।

    অন্যদিকে: 
    - অনুচ্ছেদ - ১২১ : প্রতি এলাকার জন্য একটিমাত্র ভোটার তালিকা।
    - অনুচ্ছেদ - ১২৪ : নির্বাচন সম্পর্কে সংসদের বিধান প্রণয়নের ক্ষমতা। 
    - অনুচ্ছেদ - ১২৩ : নির্বাচন-অনুষ্ঠানের সময়।

    উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

    ১৩২.
    'গণভোট' সর্বপ্রথম সংবিধানের কত নং সংশোধনীর মাধ্যমে যুক্ত করা হয়?
    1. পঞ্চম সংশোধনী
    2. অষ্টম সংশোধনী
    3. দ্বাদশ সংশোধনী
    4. ত্রয়োদশ সংশোধনী
    সঠিক উত্তর:
    দ্বাদশ সংশোধনী
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    দ্বাদশ সংশোধনী
    ব্যাখ্যা

    • সংবিধানের ১৪২ অনুচ্ছেদের অংশ ছিল গণভোট।
    - এটি ১৯৯১ সালে দ্বাদশ সংশোধনীতে যুক্ত হয়।
    উল্লেখ্য,
    - বাংলাদেশে আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা ও গণভোট পদ্ধতি বাতিল করে সংবিধানের যে পঞ্চদশ সংশোধনী আনা হয়েছিলো সেটিকে আংশিক বাতিল করেছে হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ।

    • দ্বাদশ সংশোধনী:
    - সংসদে উত্থাপন: ২ জুলাই, ১৯৯১
    - উত্থাপনকারী: আইন ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মির্জা গোলাম হাফিজ
    - সংসদে গৃহীত: ৬ আগস্ট, ১৯৯১
    - রাষ্ট্রপতির সম্মতি লাভ: ১৮ সেপ্টেম্বর, ১৯৯১  

    সংবিধানের দ্বাদশ সংশোধন আইনের সংশোধন মাধ্যমে ১৭ বছর পর বাংলাদেশে সংসদীয় সরকার পদ্ধতির পুনঃপ্রবর্তন ঘটে;
    যেখানে-
    ১. রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের সাংবিধানিক প্রধান হন; 
    ২. প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রের প্রধান নির্বাহী বা সরকার প্রধান হন; 
    ৩. প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে মন্ত্রিপরিষদ জাতীয় সংসদের কাছে দায়বদ্ধ হয়;
    ৪. উপ-রাষ্ট্রপতির পদ বিলোপ করা হয়, জাতীয় সংসদের সদস্যদের ভোটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের বিধান করা হয়।

    উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

    ১৩৩.
    রাষ্ট্রপতির অভিশংসনের ক্ষমতা কার হাতে রয়েছে?
    1. জাতীয় সংসদ
    2. প্রধানমন্ত্রী
    3. মন্ত্রীপরিষদ
    4. সুপ্রিম কোর্ট
    সঠিক উত্তর:
    জাতীয় সংসদ
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    জাতীয় সংসদ
    ব্যাখ্যা

    • বাংলাদেশের সংবিধান অনুসারে, রাষ্ট্রপতির অভিশংসনের ক্ষমতা জাতীয় সংসদ এর হাতে রয়েছে।

    রাষ্ট্রপতির অভিশংসন:

    ৫২। (১) এই সংবিধান লংঘন বা গুরুতর অসদাচরণের অভিযোগে রাষ্ট্রপতিকে অভিশংসিত করা যাইতে পারিবে; ইহার জন্য সংসদের মোট সদস্যের সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশের স্বাক্ষরে অনুরূপ অভিযোগের বিবরণ লিপিবদ্ধ করিয়া একটি প্রস্তাবের নোটিশ স্পীকারের নিকট প্রদান করিতে হইবে; স্পীকারের নিকট অনুরূপ নোটিশ প্রদানের দিন হইতে চৌদ্দ দিনের পূর্বে বা ত্রিশ দিনের পর এই প্রস্তাব আলোচিত হইতে পারিবে না; এবং সংসদ অধিবেশনরত না থাকিলে স্পীকার অবিলম্বে সংসদ আহবান করিবেন। 
    (২) এই অনুচ্ছেদের অধীন কোন অভিযোগ তদন্তের জন্য সংসদ কর্তৃক নিযুক্ত বা আখ্যায়িত কোন আদালত, ট্রাইব্যুনাল বা কর্তৃপক্ষের নিকট সংসদ রাষ্ট্রপতির আচরণ গোচর করিতে পারিবেন। 
    (৩) অভিযোগ-বিবেচনাকালে রাষ্ট্রপতির উপস্থিত থাকিবার এবং প্রতিনিধি-প্রেরণের অধিকার থাকিবে। 
    (৪) অভিযোগ-বিবেচনার পর মোট সদস্য-সংখ্যার অন্যূন দুই-তৃতীয়াংশ ভোটে অভিযোগ যথার্থ বলিয়া ঘোষণা করিয়া সংসদ কোন প্রস্তাব গ্রহণ করিলে প্রস্তাব গৃহীত হইবার তারিখে রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হইবে। 
    (৫) এই সংবিধানের ৫৪ অনুচ্ছেদ-অনুযায়ী স্পীকার কর্তৃক রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব-পালনকালে এই অনুচ্ছেদের বিধানাবলী এই পরিবর্তন-সাপেক্ষে প্রযোজ্য হইবে যে, এই অনুচ্ছেদের (১) দফায় স্পীকারের উল্লেখ ডেপুটি স্পীকারের উল্লেখ বলিয়া গণ্য হইবে এবং (৪) দফায় রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হইবার উল্লেখ স্পীকারের পদ শূন্য হইবার উল্লেখ বলিয়া গণ্য হইবে; এবং (৪) দফায় বর্ণিত কোন প্রস্তাব গৃহীত হইলে স্পীকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালনে বিরত হইবেন।

    উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

    ১৩৪.
    জুলাই জাতীয় সনদে কতটি সংস্কার প্রস্তাব উল্লেখ রয়েছে?
    1. ২৮টি
    2. ৩০টি
    3. ৮৪টি 
    4. ৯০টি 
    সঠিক উত্তর:
    ৮৪টি 
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ৮৪টি 
    ব্যাখ্যা

    • জুলাই জাতীয় সনদ:
    - ১৭ অক্টোবর, ২০২৫ তারিখে ‘জুলাই জাতীয় সনদ-২০২৫’ আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাক্ষরিত হয়েছে।
    - জুলাই জাতীয় সনদকে চব্বিশের জুলাই-আগস্টের গণ-অভ্যুত্থানে জনগণের ত্যাগ ও রক্তদানের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে প্রণীত নতুন রাজনৈতিক সমঝোতার দলিল হিসেবে গণ্য হচ্ছে।
    - এই সনদ বাস্তবায়নে মোট সাত দফা অঙ্গীকার করা হয়েছে।

    - জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় ২৪টি রাজনৈতিক দলের ৪৮ জন প্রতিনিধি আনুষ্ঠানিকভাবে ওই সনদে সই করেন।
    - এরপর সই করেন জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সভাপতি ও প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ কমিশনের সদস্যরা। 
    - সাত দফা অঙ্গীকারনামার ভিত্তিতে প্রণীত ৪০ পৃষ্ঠার এই সনদের তিনটি ভাগের মধ্যে প্রথম ভাগে পটভূমি, দ্বিতীয় ভাগে ৮৪টি সংস্কার প্রস্তাব ও তৃতীয় ভাগে সনদ বাস্তবায়নের সাত দফা অঙ্গীকার রয়েছে।

     এই সনদের ৮৪টি সংস্কার প্রস্তাবের মধ্যে ৪৭টি বিষয়কে ‘সংবিধান সংশোধন সাপেক্ষে সংস্কার’ এবং বাকি ৩৭টি বিষয়কে ‘আইন বা অধ্যাদেশ, বিধি ও নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে সংস্কার’ হিসেবে চিহ্নিত করেছে ঐকমত্য কমিশন। জুলাই সনদের পটভূমি ব্যাখ্যা করে সংস্কারযজ্ঞ নিয়ে ঐকমত্য কমিশনের কার্যক্রমসহ সংস্কারের ৮৪ দফা তুলে ধরা হয়েছে। এর মধ্যে রাজনৈতিক দলগুলো কী অঙ্গীকার করছে, তা উল্লেখ করার পর স্বাক্ষরের জায়গা রাখা হয়েছে।

    উল্লেখ্য, 
    - জুলাই ঘোষণাপত্রে ২৮টি ধারা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। 

    উৎস: i) প্রথম আলো।
    ii) কালের কন্ঠ।

    ১৩৫.
    বাংলাদেশের শাসন বিভাগের কয়টি অংশ?
    1. একটি
    2. দুইটি
    3. তিনটি
    4. চারটি
    সঠিক উত্তর:
    দুইটি
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    দুইটি
    ব্যাখ্যা

    •  শাসন বিভাগের দুইটি অংশ।

    • শাসন বিভাগ:
    • সরকারের সর্ববৃহৎ বিভাগ হল শাসন বিভাগ।
    - যা নির্বাহী বিভাগও বলা হয়।
    - শাসন বিভাগ আইন প্রয়োগ ও আইনের আলোকে রাষ্ট্রের কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে।
    - জনগণকে সেবা প্রদানের মূল দায়িত্বে থাকে শাসন বিভাগ।

    • শাসন বিভাগের দুটি অংশ থাকে:
    • একটি রাজনৈতিক অংশ
    • অন্যটি অরাজনৈতিক অংশ।
    - রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রিপরিষদ সদস্যগণ শাসন বিভাগের রাজনৈতিক অংশ।
    - রাজনৈতিক অংশ অস্থায়ী।
    - তাঁরা নির্দিষ্ট মেয়াদের জন্য নির্বাচিত এবং নিয়োগপ্রাপ্ত হয়ে থাকেন।
    - আমলাগণ শাসন বিভাগের অরাজনৈতিক অংশ, স্থায়ী ও বেতনভূক্ত।
    - শাসন বিভাগের ক্ষমতা বিভিন্ন ইউনিটে বিভক্ত থাকে।
    - যা কেন্দ্রিয় ও মাঠ প্রশাসন হিসেবে পরিচিত।
    - কেন্দ্রে থাকে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগ।
    - মাঠ প্রশাসনে জেলা-উপজেলা প্রশাসন সরকারি দায়িত্ব পালন করে।

    উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

    ১৩৬.
    সংবিধান সংস্কার কমিশন এর সুপারিশ অনুসারে, সংসদের উচ্চকক্ষের আসন সংখ্যা হবে-
    1. ১০০টি
    2. ৪০০টি
    3. ১০৫টি
    4. ৫০৫টি
    সঠিক উত্তর:
    ১০৫টি
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ১০৫টি
    ব্যাখ্যা

     সংবিধান সংস্কার কমিশন: 
    - গঠিত হয়- ৬ অক্টোবর, ২০২৪
    - কমিশনের প্রধান- অধ্যাপক আলী রীয়াজ
    - মোট সদস্য- ৯ জন

    • উল্লেখযোগ্য সুপারিশসমূহ:
    - সাংবিধানিক নাম: জনগণতন্ত্রী বাংলাদেশ (People's Republic of Bangladesh),
    - নাগরিকত্ব: বাংলাদেশি,
    - মূলনীতি: ৪টি (সাম্য, মানবিক মর্যাদা, সামাজিক সুবিচার, বহুত্ববাদ এবং গণতন্ত্র),
    - সংসদ: দ্বিকক্ষবিশিষ্ট (নিম্নকক্ষ: ৪০০টি আসন; উচ্চকক্ষ: ১০৫টি আসন),
    - মেয়াদ: ৪ বছর (সরকারের মেয়াদ, সংসদের মেয়াদ, রাষ্ট্রপতির মেয়াদ),
    - সংসদীয় প্রার্থী হওয়ার ন্যূনতম বয়স: ২১ বছর।

    উৎস: সংবিধান সংস্কার কমিশন

    ১৩৭.
    সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানে নির্বাচন কমিশনের কাজ নয় কোনটি?
    1. সঠিক ভোটার তালিকা প্রণয়ন।
    2. রাজনৈতিক দলের সাথে মত বিনিময়।
    3. ভোটাদের সাথে মত বিনিময়।
    4. সকল রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা।
    সঠিক উত্তর:
    সকল রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা।
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    সকল রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা।
    ব্যাখ্যা

    • সকল রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা নির্বাচন কমিশনের কাজ নয়।
    - সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য নির্বাচন কমিশন কেবল সকল রাজনৈতিক দলকে আহ্বান করতে পারে।
    - কিন্তু তারা আসবে কী আসবে না সেটা রাজনৈতিক দলের ব্যাপার।

    • সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা:

    - সঠিক ভোটার তালিকা প্রণয়ন
    - রাজনৈতিক দলের সাথে মত বিনিময় করা।
    - স্থানীয় প্রশাসনের সাথে যথাযথ সমন্বয় করা।
    - ভোটাদের সাথে মত বিনিময় করা।

    উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়

    ১৩৮.
    জল্লাদের দরবার অনুষ্ঠানে 'কেল্লা ফতেহ খান' দ্বারা কোন চরিত্রকে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে?
    1. আইয়ুব খান 
    2. ইয়াহিয়া খান
    3. জুলফিকার আলী ভুট্টো
    4. কোনোটিই নয়
    সঠিক উত্তর:
    ইয়াহিয়া খান
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ইয়াহিয়া খান
    ব্যাখ্যা

    • স্বাধীন বাংলা বেতার:
    - স্বাধীন বাংলা বেতারের অত্যন্ত জনপ্রিয় দুটি অনুষ্ঠান ছিল ‘চরমপত্র‘ ও ‘জল্লাদের দরবার’।
    - জল্লাদের দরবার-এ জেনারেল ইয়াহিয়া খানের অমানবিক চরিত্র ও পাশবিক আচরণকে তুলে ধরা হতো।
    - এই ব্যঙ্গাত্মক সিরিজে তাকে ‘কেল্লা ফতেহ খান’ চরিত্রে চিত্রিত করা হয় এবং এই ভূমিকায় অভিনয় করেন রাজু আহমেদ।
    - চরমপত্র সিরিজটি পরিকল্পনা করেন জাতীয় পরিষদ সদস্য আবদুল মান্নান এবং স্থানীয় ঢাকাইয়া উপভাষায় এর স্ক্রিপ্ট তৈরি করেন এম.আর আখতার মুকুল, যিনি নিজেই এর উপস্থাপক ছিলেন।
    - এই ব্যতিক্রমধর্মী অনুষ্ঠানটি জনগণের কাছে বিপুলভাবে সমাদৃত হয়।
    - এতে একইসঙ্গে ছিল তীক্ষ্ণ ব্যঙ্গ ও জাতীয়তা বোধের প্রকাশ যা জনগণের নৈতিক মনোবল দৃঢ়ীকরণে ও স্বাধীনতা সংগ্রামীদের আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধিতে সহায়ক ভূমিকা পালন করেছিল।

    উৎস: বাংলাপিডিয়া।

    ১৩৯.
    বার্ড (BARD) এর প্রতিষ্ঠাতা কে?
    1. ড. মুহাম্মদ ইউনূস
    2. ড. আখতার হামিদ খান
    3. ড. ফজলে আবেদ
    4. ড. এম এ বারী
    সঠিক উত্তর:
    ড. আখতার হামিদ খান
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ড. আখতার হামিদ খান
    ব্যাখ্যা

    বার্ড: 
    - বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমি (বার্ড)-এর প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন ড. আখতার হামিদ খান।
    - তিনি ১৯৫৯ সালের ২৭ মে বার্ড প্রতিষ্ঠা করেন,
    - এটি পল্লী উন্নয়ন, প্রশিক্ষণ ও গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনার জন্য গঠিত হয়।
    - প্রতিষ্ঠানটি স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন একটি স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা।
    - বার্ড পরিচালিত ‘কুমিল্লা মডেল’ পল্লী উন্নয়নের ক্ষেত্রে দেশে-বিদেশে ব্যাপক স্বীকৃতি পেয়েছে।
    - ২১ সদস্য বিশিষ্ট পরিচালনা পর্ষদের মাধ্যমে এটি পরিচালিত হয়, এর সভাপতি মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী।
    - পল্লী উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ বার্ড ১৯৮৬ সালে ‘স্বাধীনতা পদক’ লাভ করে।

    উৎস: বার্ড ওয়েবসাইট। 

    ১৪০.
    ১৯৭৪ সালের দুর্ভিক্ষের কারণ নয় কোনটি?
    1. আন্তর্জাতিক খাদ্য সহায়তা পেতে ব্যর্থতা
    2. বার্ষিক খাদ্যশস্য উৎপাদন হ্রাস পাওয়া
    3. সরকারি অব্যবস্থাপনা 
    4. চোরাচালান ও মজুদদারি
    সঠিক উত্তর:
    বার্ষিক খাদ্যশস্য উৎপাদন হ্রাস পাওয়া
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    বার্ষিক খাদ্যশস্য উৎপাদন হ্রাস পাওয়া
    ব্যাখ্যা

    ১৯৭৪ সালে দুর্ভিক্ষের কারণ:
    - ১৯৭৪ সালে দুর্ভিক্ষের পেছনে বেশ কয়েকটি কার্যকারণ রয়েছে।
    - প্রথমত, প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও বন্যা: ১৯৭৪ সালে ভয়াবহ বন্যা হয়, যেখানে জুন থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত যমুনা নদী ছয়বার ভেঙে পড়ে।
    - প্রচুর ফসল নষ্ট হয় এবং বহু মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়, ফলে কৃষিকাজে নিয়োজিত দিনমজুররা কাজ হারান।
    - কিন্তু, অমর্ত্য সেনের Poverty and Famine গ্রন্থ ও তৎকালই খাদ্যশস্যের উৎপাদনের তথ্য অনুসারে,
    - ১৯৭৪ সালে দেশে মোট খাদ্যশস্যের উৎপাদন এবং মাথাপিছু খাদ্যশস্যের প্রাপ্যতা ১৯৭২ বা ১৯৭৩ সালের চেয়ে বেশি ছিল,যা বার্ষিক খাদ্যশস্য উৎপাদন হ্রাস পাওয়াকে দুর্ভিক্ষের কারণ হিসেবে চিহ্নিত করার ধারণাকে ভুল প্রমাণ করে।

    -  দুর্ভিক্ষ অর্থনীতি (Famine Economics): ১৯৭৩ থেকে ১৯৭৪ সালের মধ্যে চালের দাম দ্বিগুণ হয়ে যায়, যা নিম্নবিত্তের জন্য খাদ্য দুষ্প্রাপ্য করে তোলে। চালের দাম বৃদ্ধির মূল কারণ পুরোপুরি নিশ্চিত নয়, তবে চোরাচালান ও মজুদদারির ভূমিকা ছিল বলে ধারণা করা হয়। অমর্ত্য সেনের ‘অধিকার তত্ত্ব’ (Entitlement Theory) অনুযায়ী, দুর্ভিক্ষ খাদ্যের অভাবে নয়, বরং মানুষের তা কেনার সামর্থ্যের অভাবে ঘটে।

    - বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সংকট ও আন্তর্জাতিক সাহায্যের অভাব: ১৯৭৩ সালের তেল সংকটের কারণে খাদ্য ও জ্বালানির দাম দ্রুত বেড়ে যায়। বাংলাদেশ সরকার তখন আর্থিক সংকটে ছিল এবং পর্যাপ্ত খাদ্য আমদানি করতে পারেনি। যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশকে খাদ্যসহায়তা দিতে অস্বীকৃতি জানায়, কারণ বাংলাদেশ কিউবার সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক রেখেছিল। যুক্তরাষ্ট্রের Public Law 480 (পিএল ৪৮০) অনুসারে, এটি তাদের নীতির পরিপন্থী ছিল। খাদ্যসহায়তা এক বছর দেরিতে আসে, যখন দুর্ভিক্ষ এরই মধ্যে তার ভয়াবহ রূপ নিয়েছে।

    - ১৯৭৪ সালের দুর্ভিক্ষ একাধিক কারণের সম্মিলিত ফল, যার মধ্যে রাজনৈতিক অব্যবস্থাপনা, বাজার নিয়ন্ত্রণের ব্যর্থতা এবং বৈশ্বিক অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ ছিল। যদিও মতাদর্শগত সংঘাত (যেমন, যুক্তরাষ্ট্র ও কিউবার সম্পর্কজনিত সমস্যা) কিছুটা ভূমিকা রেখেছিল, মূলত দুর্নীতি, বাজারে খাদ্যের প্রাপ্যতা নিশ্চিত করতে না পারা এবং কার্যকর নীতি গ্রহণের ব্যর্থতার কারণেই এ দুর্ভিক্ষ সংঘটিত হয়।

    উৎস: বনিক বার্তা ও Poverty and Famines: An Essay on Entitlement and Deprivation, AMARTYA SEN.

    ১৪১.
    'ঢাকা গেইট' কে নির্মাণ করেন?
    1. ইসলাম খান
    2. মীর জুমলা
    3. শায়েস্তা খান
    4. নওয়াব সলিমুল্লাহ
    সঠিক উত্তর:
    মীর জুমলা
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    মীর জুমলা
    ব্যাখ্যা

    ঢাকা গেইট:
    - ঢাকা গেইট ঐতিহাসিক মোগল স্থাপত্য নিদর্শন।
    - এটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দোয়েল চত্বর এলাকার ঐতিহাসিক স্থাপনা
    - এটি মীর জুমলা গেইট, ময়মনসিংহ গেইট বা রমনা গেইট নামেও পরিচিত ছিল।
    - 'ঢাকা গেইট' এর নির্মাতা হলেন 'মীর জুমলা'।

    উল্লেখ্য,
    - মুঘল সম্রাট আওরঙ্গজেবের সময়ে বাংলার গভর্নর হয়ে আসেন মীর জুমলা।
    - মীর জুমলা ১৬৬০ থেকে ১৬৬৩ সালের মধ্যে ঢাকা গেইট নির্মাণ করেছিলেন।
    - সীমানা চিহ্নিত করতে এবং স্থলপথে শত্রুদের আক্রমণ থেকে রক্ষা করতে এটি নির্মাণ করা হয়।
    - সম্প্রতি ঢাকা গেট সংস্কার শেষে নতুন করে উদ্বোধন হয় ঐতিহাসিক ঢাকা গেইট।

    উৎস: বিবিসি বাংলা।

    ১৪২.
    জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে ‘United Nations Convention against Cybercrime (UNCC)’ গৃহীত হয় কবে?
    1. ২০২০ সালে 
    2. ২০২২ সালে
    3. ২০২৪ সালে 
    4. ২০২৫ সালে
    সঠিক উত্তর:
    ২০২৪ সালে 
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ২০২৪ সালে 
    ব্যাখ্যা

    • United Nations Convention against Cyber Crime:
    - জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ ২৪ ডিসেম্বর ২০২৪ সালে নিউ ইয়র্কে Resolution 79/243- এর মাধ্যমে সাইবার অপরাধ প্রতিরোধ সংক্রান্ত কনভেনশন গ্রহণ করে। 
    - কনভেনশনটি ২৫ অক্টোবর ২০২৫ সালে ভিয়েতনামের হ্যানয়ে একটি আনুষ্ঠানিক স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উন্মুক্ত করা হয়। 
    - এটি নিউ ইয়র্কের জাতিসংঘ সদর দফতরে ৩১ ডিসেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত স্বাক্ষরের জন্য খোলা হয়।

    উদ্দেশ্য:
    - এই কনভেনশন হলো সাইবার অপরাধ নিয়ে প্রথম বিশ্বব্যাপী বিস্তৃত চুক্তি, যা রাষ্ট্রগুলোকে সাইবার অপরাধ প্রতিরোধ ও মোকাবিলায় বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণের সুযোগ প্রদান করে। 
    - কনভেনশনটি বিশ্বের দেশগুলোকে সাইবার অপরাধ প্রতিরোধ, তদন্ত এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতার জন্য একটি কাঠামো প্রদান করে।

    তথ্যসূত্র: জাতিসংঘের ওয়েবসাইট। 

    ১৪৩.
    বিশ্বের সর্ববৃহৎ তেলের মজুদ রয়েছে কোন দেশে?
    1. ভেনেজুয়েলা
    2. সৌদি আরব
    3. যুক্তরাষ্ট্র
    4. ইরান
    সঠিক উত্তর:
    ভেনেজুয়েলা
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ভেনেজুয়েলা
    ব্যাখ্যা

    • বিশ্বের শীর্ষ তেল মজুতধারী দেশ:
    - ভেনেজুয়েলার কাছে বিশ্বের সবচেয়ে বেশি তেল মজুত রয়েছে, যার পরিমাণ ৩০০ বিলিয়ন ব্যারেলেরও বেশি। 
    - সৌদি আরব বিশ্বের দ্বিতীয় সর্বাধিক তেল মজুতধারী দেশ, যেখানে প্রায় ২৬৭ বিলিয়ন ব্যারেল তেল সংরক্ষিত আছে।

    - যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ তেল উৎপাদক দেশ এবং একই সঙ্গে বিশ্বের সবচেয়ে বড় তেল ভোক্তা। 
    - এ কারণে যুক্তরাষ্ট্রকে অন্যান্য বহু তেল উৎপাদনকারী দেশ থেকে অতিরিক্ত তেল আমদানি করতে হয়। 
    - বিশ্বে তেল উৎপাদনে অন্যতম শীর্ষ অবস্থানে থাকলেও, মোট মজুতের দিক থেকে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান মাত্র নবম।

    » বিশ্বের শীর্ষ তেল মজুতধারী দেশসমূহ: 
    ১) ভেনেজুয়েলা — ৩০৩.২২ বিলিয়ন ব্যারেল
    ২) সৌদি আরব — ২৬৭.১৯ বিলিয়ন ব্যারেল
    ৩) ইরান — ২০৮.৬০ বিলিয়ন ব্যারেল
    ৪) কানাডা — ১৬৩.৬৩ বিলিয়ন ব্যারেল
    ৫) ইরাক — ১৪৫.০২ বিলিয়ন ব্যারেল
    ৬) সংযুক্ত আরব আমিরাত — ১১৩.০০ বিলিয়ন ব্যারেল
    ৭) কুয়েত — ১০১.৫০ বিলিয়ন ব্যারেল
    ৮) রাশিয়া — ৮০.০০ বিলিয়ন ব্যারেল
    ৯) যুক্তরাষ্ট্র — ৫৫.২৫ বিলিয়ন ব্যারেল
    ১০) লিবিয়া — ৪৮.৩৬ বিলিয়ন ব্যারেল



    তথ্যসূত্র:
    i) World Population Review. (Link1)
    ii) OPEC (Link2)
    iii) Global Fire Power. (Link3)
    iV) Word Atlas. (Link4)

    ১৪৪.
    ‘Black Hand’ নামক সংগঠনটি কোন দেশের সাথে জড়িত?    
    1. সার্বিয়া 
    2. অষ্ট্রিয়া 
    3. ফ্রান্স
    4. জার্মানি
    সঠিক উত্তর:
    সার্বিয়া 
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    সার্বিয়া 
    ব্যাখ্যা

    • ব্ল্যাক হ্যান্ড: 
    - ব্ল্যাক হ্যান্ড ছিল সার্বিয়ার একটি গোপন সংগঠন।
    - এরা সার্বিয়ার বাইরে থাকা সার্বদের স্বাধীনতার জন্য লড়াই করত এবং হ্যাবসবার্গ বা অটোমান শাসকদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড করত।
    - ১৯১৪ সালে অস্ট্রিয়ান আর্চডিউক ফ্রানজ ফার্দিনান্দের হত্যার পরিকল্পনায় এদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল, যা প্রথম বিশ্বযুদ্ধের শুরু ঘটায়।
    - ব্ল্যাক হ্যান্ড ১৯১১ সালে তৈরি হয় এবং কর্নেল দ্রাগুতিন দিমিত্রিজেভিক নেতৃত্বে পরিচালিত হতো। 
    - এর সদস্যরা মূলত সেনাবাহিনীর কর্মকর্তারা এবং কিছু সরকারি কর্মকর্তা ছিলেন।
    - সার্বিয়ার ভিতরে তারা সেনাবাহিনী এবং সরকারের ওপর এত প্রভাব বিস্তার করেছিল যে, সরকারের ক্ষমতাকেও চ্যালেঞ্জ করতে পারত।
    - ১৯১৭ সালে প্রিন্স আলেকজান্ডার ব্ল্যাক হ্যান্ডের নেতাদের গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠান। 
    - দ্রাগুতিন দিমিত্রিজেভিক এবং আরও দুইজনকে ফাঁসি দেওয়া হয় এবং ২০০-এর বেশি সদস্যকে কারাগারে পাঠানো হয়।

    তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।  

    ১৪৫.
    'লোম্বক প্রণালি' কোনো দেশে অবস্থিত? 
    1. ইন্দোনেশিয়া 
    2. রাশিয়া
    3. ফিলিপাইন 
    4. মালয়েশিয়া
    সঠিক উত্তর:
    ইন্দোনেশিয়া 
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ইন্দোনেশিয়া 
    ব্যাখ্যা

    • লম্বক প্রণালী (Lombok Strait): 
    - একটি প্রণালী (Strait) হলো প্রাকৃতিকভাবে গঠিত একটি সংকীর্ণ জলপথ, যা দুটি স্থলভাগের মধ্যে অবস্থান করে এবং দুটি বড় জলরাশিকে সংযুক্ত করে।
    - লম্বক প্রণালী ইন্দোনেশিয়ার লম্বক ও বালি দ্বীপের মধ্যে অবস্থিত।
    - এটি ভারত মহাসাগরকে জাভা সাগরের সঙ্গে সংযুক্ত করে।

    - লম্বক প্রণালী ৬০ কিমি দীর্ঘ এবং এর সর্বোচ্চ গভীরতা ২৫০ মিটার (৮২০ ফুট)।
    - এটি প্রায়শই একটি বিকল্প পথ হিসেবে ব্যবহৃত হয়, বিশেষ করে ভারি মালবাহী জাহাজ (Bulk Carriers) এবং সুপারট্যাংকারগুলো যেগুলো আরব দেশ থেকে চীনে তেল বা অন্যান্য পণ্য পরিবহন করে।

    তথ্যসূত্র: ওয়ার্ল্ড এটলাস। (Link) 

    ১৪৬.
    'মনরো ডকট্রিন' এর মূল বক্তব্য কোনটি?
    1. আমেরিকায় ইউরোপীয় প্রভাব বিস্তার উৎসাহিত করা 
    2. এশিয়ায় মার্কিন হস্তক্ষেপ বৃদ্ধি করা 
    3. আমেরিকায় ইউরোপীয় প্রভাব রোধ করা
    4. আফ্রিকায় মার্কিন প্রভাব বিস্তার করা 
    সঠিক উত্তর:
    আমেরিকায় ইউরোপীয় প্রভাব রোধ করা
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    আমেরিকায় ইউরোপীয় প্রভাব রোধ করা
    ব্যাখ্যা

    - 'মনরো ডকট্রিন' এর মূল বক্তব্য আমেরিকায় ইউরোপীয় প্রভাব রোধ করা। 

    • মনরো ডকট্রিন (Monroe Doctrine): 
    -  ২ ডিসেম্বর ১৮২৩ সালে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জেমস মনরো কর্তৃক কংগ্রেসকে দেওয়া বার্ষিক ভাষণে ঘোষণা করা হয়।
    - তিনি উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকার বিষয়গুলিতে হস্তক্ষেপ না করতে ইউরোপীয় শক্তিগুলিকে সতর্ক করেন। 

    » মনরো ডকট্রিনের মূল বক্তব্য ছিল:

    ১. উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকার কোনো স্বাধীন দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে ইউরোপের কোনো দেশ হস্তক্ষেপ করতে পারবে না।

    ২. এই অঞ্চলে নতুন করে কোনো উপনিবেশ স্থাপন করা যাবে না।

    ৩. কোনো ইউরোপীয় হস্তক্ষেপকে আমেরিকার নিরাপত্তার ওপর সরাসরি আক্রমণ হিসেবে দেখা হবে।

    ৪. বিনিময়ে তিনি প্রতিশ্রুতি দেন যে, যুক্তরাষ্ট্র বিদ্যমান ইউরোপীয় উপনিবেশগুলোকে স্বীকৃতি দেবে এবং ইউরোপীয় দেশগুলোর অভ্যন্তরীণ বিষয়গুলিতে হস্তক্ষেপ করবে না।

    তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা ও আল জাজিরা। (Link)

    ১৪৭.
    বিশ্ব ঐতিহ্য তালিকাভুক্ত ‘হিরকানিয়ান বন’ কোনো দেশে অবস্থিত? 
    1. জাপান
    2. পাকিস্তান
    3. লেবানন
    4. ইরান
    সঠিক উত্তর:
    ইরান
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ইরান
    ব্যাখ্যা

    •  হিরকানিয়ান বনভূমি: 
    - হিরকানিয়ান বনভূমি একটি সবুজ বৃত্তাকার বনাঞ্চল, যা পশ্চিমে ককেশাস অঞ্চল থেকে এবং পূর্বে  অর্ধ-মরু এলাকা থেকে আলাদা অবস্থানে রয়েছে।
    - এটি আজারবাইজানের দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে শুরু হয়ে ইরানের গোলেস্তান প্রদেশ পর্যন্ত বিস্তৃত।
    - এই বনভূমি কাস্পিয়ান সাগরের দক্ষিণ ও দক্ষিণ–পশ্চিম উপকূল বরাবর প্রায় এক হাজার কিলোমিটার জুড়ে ছড়িয়ে আছে। 
    - ইরানের তিনটি প্রদেশ (গিলান, মাজানদারান ও গোলেস্তান) এবং আজারবাইজানের দুটি জেলা (লেনকোরান ও আস্তারা) জুড়ে অবস্থান করছে।
    - হিরকানিয়ান বনভূমির অবশিষ্ট প্রায় ৭ শতাংশ এলাকা ইরানে রয়েছে। 

    প্রসঙ্গত,
    - ৫ জুলাই ২০১৯ সালে ইউনেস্কো ইরানের উত্তরাঞ্চলের হিরকানিয়ান বনভূমিকে 'বিশ্ব ঐতিহ্য তালিকা'য় অন্তর্ভুক্ত করার সিদ্ধান্ত নেয়।



    তথ্যসূত্র: ইউনেস্কোর ওয়েবসাইট। (Link) 

    ১৪৮.
    পশ্চিম আফ্রিকার দেশগুলোর জোট ‘ECOWAS’ কোন চুক্তির মাধ্যমে গঠিত হয়? 
    1. আবুজ চুক্তি
    2. লাগোস চুক্তি
    3. আকরা চুক্তি
    4. লোমে চুক্তি
    সঠিক উত্তর:
    লাগোস চুক্তি
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    লাগোস চুক্তি
    ব্যাখ্যা

    • ECOWAS:
    - এটি ECOWAS-এর পূর্ণরূপ: Economic Community of West African States.
    - পশ্চিম আফ্রিকার দেশগুলোয় আর্থসামাজিক উন্নয়নে এই জোট কাজ করে।
    - ২৮ মে, ১৯৭৫ সালে লাগোস চুক্তির মাধ্যমে (নাইজেরিয়ার লাগোসে) প্রতিষ্ঠিত হয়।
    - সদরদপ্তর: আবুজা, নাইজেরিয়া।
    - চুক্তি স্বাক্ষরকারী দেশ: ১৫ টি।
    - বেনিন, বুর্কিনা ফাসো, কোত দিভোয়ার (আইভরি কোস্ট), গাম্বিয়া, ঘানা, গিনি, গিনি-বিসাউ, লাইবেরিয়া, মালি, মরিতানিয়া, নাইজার, নাইজেরিয়া, সিয়েরা লিওনে, সেনেগাল এবং টোগো। 
    - এর বর্তমান সদস্য সংখ্যা: ১২টি।
    - বেনিন, কাবো ভার্দে, কোত দিভোয়ার (আইভরি কোস্ট), গাম্বিয়া, ঘানা, গিনি, গিনি-বিসাউ, লাইবেরিয়া, নাইজেরিয়া, সিয়েরা লিওনে, সেনেগাল এবং টোগো।

    উল্লেখ্য,
    - ২০২৫ সালের ২৯ জানুয়ারি, বুর্কিনা ফাসো, মালি এবং নাইজার আনুষ্ঠানিকভাবে ECOWAS থেকে বেরিয়ে আসে।

    তথ্যসূত্র: ECOWAS ওয়েবসাইট ও ব্রিটানিকা। 

    ১৪৯.
    'জি-২০ শীর্ষ সম্মেলন- ২০২৫' কোথায় অনুষ্ঠিত হয়েছে? 
    1. অন্টারিও 
    2. জোহানেসবার্গ
    3. টোকিও
    4. নয়া দিল্লি
    সঠিক উত্তর:
    জোহানেসবার্গ
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    জোহানেসবার্গ
    ব্যাখ্যা

    • জি-২০ শীর্ষ সম্মেলন, ২০২৫:
    - ২০২৫ সালের জি-২০ শীর্ষ সম্মেলন ২২-২৩ নভেম্বর, ২০২৫ তারিখে দক্ষিণ আফ্রিকার জোহানেসবার্গে অনুষ্ঠিত হয়।
    - ইতিহাসে প্রথমবারের মতো কোনো আফ্রিকান দেশে এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
    - এবারের মূল প্রতিপাদ্য ছিল 'সংহতি, সমতা ও স্থায়িত্ব'।
    - এতে অংশ নেওয়া বিশ্ব নেতারা ১২২ দফার একটি বিস্তারিত যৌথ ঘোষণাপত্রে একমত হন।
    - দক্ষিণ আফ্রিকায় ‘শ্বেতাঙ্গ গণহত্যা’ চলছে বলে দাবি করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সম্মেলনটি বর্জন করেছে।

    উল্লেখ্য,
    - জি-২০ বিশ্বের ধনী দেশগুলোর সংগঠনের নাম।
    - প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৯৯ সালে।
    - বর্তমান সদস্য: ২১টি; ১৯টি স্বাধীন রাষ্ট্র এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন, ও আফ্রিকান ইউনিয়ন। [ব্যাখ্যা আপডেট - জানুয়ারি, ২০২৬]
    - এসব দেশ বিশ্বব্যাপী মোট জিডিপি'র প্রায় ৮৫ শতাংশ ও বিশ্বের মোট জনসংখ্যার প্রায় দুই তৃতীয়াংশের প্রতিনিধিত্ব করে। 
    - প্রথম G-20 শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় ২০০৮ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে। 

    তথ্যসূত্র: বাসস, জি-২০ ওয়েবসাইট।  

    ১৫০.
    পরিবেশ বিষয়ক সংস্থা 'গ্রিনপিস'- এর সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত? 
    1. রটারডাম 
    2. আমস্টারডাম
    3. নাইরোবি
    4. ভ্যানকুভার 
    সঠিক উত্তর:
    আমস্টারডাম
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    আমস্টারডাম
    ব্যাখ্যা

    • গ্রিনপিস:
    - গ্রিনপিস নেদারল্যান্ড ভিত্তিক আন্তর্জাতিক পরিবেশবাদী সংগঠন।
    - প্রতিষ্ঠিত হয়:  ১৯৭১ সালে, কানাডায়।
    - সদরদপ্তর: নেদারল্যান্ডের আমস্টারডাম।
    - পারমাণবিক শক্তির ব্যবহার ও পারমাণবিক বোমার পরীক্ষা বন্ধে ১৯৬৯ সালে Don't make a wave Committee গঠিত হয়।
    - সংস্থাটির উদ্দেশ্য সারা বিশ্বে বন্য পরিবেশ ধ্বংস, গ্লোবাল ওয়ার্মিং, অধিক হারে মৎস্য শিকার, বানিজ্যিক ভাবে তিমি শিকার এবং  পারমানবিক শক্তির বিরুদ্ধে প্রচারনা চালানো।

    তথ্যসূত্র: Greenpeace এর ওয়েবসাইট।

    ১৫১.
    ‘হারমিট কিংডম’ হিসেবে পরিচিত কোন দেশ?
    1. তিব্বত 
    2. কোরিয়া 
    3. ভুটান 
    4. কিউবা
    সঠিক উত্তর:
    কোরিয়া 
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    কোরিয়া 
    ব্যাখ্যা

    • হারমিট কিংডম (Hermit Kingdom): 
    - “হারমিট কিংডম” বলতে এমন একটি দেশকে বোঝায় যা নিজের ইচ্ছে অনুসারে বাইরে বিশ্বের সঙ্গে যোগাযোগ কম রাখে।
    - এই ধরনের দেশ বিদেশিদের সঙ্গে বাণিজ্য বা সম্পর্ক সীমিত রাখে এবং বাইরে থেকে আসা প্রভাবকে কড়া নিয়ন্ত্রণ করে।

    - কোরিয়াকে “হারমিট কিংডম” বলা হতো চোসন রাজবংশের সময়ে, যারা ১৩০০-এর শেষ থেকে ১৯০০-এর শুরু পর্যন্ত শাসন করেছিল।
    - ১৩৬৭ খ্রিস্টাব্দ থেকে ১৮৭৬ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত কোরিয়া এমন একটি সময়ে ছিল যখন চীন ছাড়া অন্য কোনো দেশের সঙ্গে এর যোগাযোগ বন্ধ ছিল।
    - তখন কোরিয়ার শাসকরা দেশে বাইরের বিশ্বের প্রভাব কমাতে দেশটিকে ইচ্ছাকৃতভাবে আলাদা রাখতেন।
    - বিদেশিরা সাধারণ মানুষের সঙ্গে মেলামেশা করতে পারত না, এবং অনুমতি ছাড়া কোনো সম্পর্ক বা বাণিজ্যও করা যেত না।
    - উত্তর কোরিয়া এখন পর্যন্ত এই আত্মনির্বাসী নীতি বজায় রেখেছে।

    উল্লেখ্য,
    - দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ (১৯৩৯-১৯৪৫) শেষের পর আমেরিকা ও সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে প্রভাব বিস্তারকে কেন্দ্র করে কোরিয়া দুই ভাগে বিভক্ত হয়।  
    - দেশটি ভাগ হয়ে যায় দুই অংশে:
    - উত্তর কোরিয়া, যেখানে কমিউনিস্ট শাসন চলে। 
    - এবং দক্ষিণ কোরিয়া, যেখানে আমেরিকার সমর্থনে গণতান্ত্রিক সরকার স্থাপিত হয়। 

    তথ্যসূত্র:
    i) Aljazeera. (Link1)
    ii) Dictionary.com (Link2)
    iii) History Today. (Link3) 

    ১৫২.
    ‘ডেল্টা ফোর্স’ কোন দেশের বিশেষ সামরিক বাহিনী? 
    1. যুক্তরাষ্ট্র
    2. যুক্তরাজ্য
    3. ভারত 
    4. রাশিয়া
    সঠিক উত্তর:
    যুক্তরাষ্ট্র
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    যুক্তরাষ্ট্র
    ব্যাখ্যা

    • ডেল্টা ফোর্স: 
    - ডেল্টা ফোর্স যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনীর একটি অত্যন্ত গোপন ও শক্তিশালী বিশেষ অভিযান ইউনিট।
    - সদর দপ্তর: ফোর্ট ব্র্যাগ, নর্থ ক্যারোলাইনা।
    - প্রতিষ্ঠা: ১৯ নভেম্বর ১৯৭৭ সালে বেকউইথ এবং কর্নেল থমাস হেনরি কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত হয়।
    - ডেল্টা ফোর্স গঠনের ধারণাটি আসে কর্নেল চার্লস বেকউইথের কাছ থেকে।
    - তিনি ছিলেন একজন গ্রিন বেরেট (একটি বিশেষায়িত ফোর্স) এর সদস্য এবং ভিয়েতনাম যুদ্ধের অভিজ্ঞ সৈনিক।
    - এটি Combat Applications Group (CAG), Army Compartmented Elements (ACE), Task Force Green এবং সংক্ষেপে “the Unit” নামেও পরিচিত, পাশাপাশি বিভিন্ন গোপন কভার নামও রয়েছে।
    - এটি যুক্তরাষ্ট্রের জয়েন্ট স্পেশাল অপারেশনস কমান্ডের (জেএসওসি) সরাসরি অধীনে কাজ করে।

    • দায়িত্ব: 
    - এ ইউনিট মূলত সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান, জিম্মি উদ্ধার, সরাসরি সামরিক হামলা ও বিশেষ গোয়েন্দা নজরদারি-সংক্রান্ত কাজের জন্য প্রশিক্ষিত।
    - মার্কিন প্রেসিডেন্ট ও প্রতিরক্ষামন্ত্রীর সরাসরি নির্দেশে এ ইউনিটকে সবচেয়ে জটিল, গোপন ও ঝুঁকিপূর্ণ অভিযানে পাঠানো হয়।

    প্রসঙ্গত, 
    - ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলা মাদুরো ও তাঁর স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেসকে তুলে নেওয়ার অভিযানে নিজেদের বিশেষায়িত বাহিনী ‘ডেল্টা ফোর্স’ ব্যবহার করেছে যুক্তরাষ্ট্র। 

    তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা ও প্রথম আলো। (Link1) (Link2)

    ১৫৩.
    ইউরোপীয় পরিবেশ সংস্থার সদস্য কয়টি? [জানুয়ারি, ২০২৬]
    1. ২৭টি
    2. ২৮টি 
    3. ৩০টি 
    4. ৩২টি
    সঠিক উত্তর:
    ৩২টি
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ৩২টি
    ব্যাখ্যা

    • ইউরোপীয় পরিবেশ সংস্থা (European Environment Agency):
    - ইউরোপীয় ইউনিয়নকে পরিবেশ বিষয়ক তথ্য সরবরাহের মাধ্যমে সহায়তা করা এই সংস্থার প্রধান কাজ।
    - গঠন ১৯৯৪ সালে।
    - সদরদপ্তর কোপেনহেগেন, ডেনমার্ক।
    - সদস্য দেশ-৩২ টি।  [ব্যাখ্যা আপডেট - জানুয়ারি, ২০২৬]
    - সহযোগী দেশ ০৬টি।

    তথ্যসূত্র: EEA ওয়েবসাইট।

    ১৫৪.
    ‘Institute for Intelligence and Special Operations’ কোন দেশের গোয়েন্দা সংস্থা? 
    1. যুক্তরাষ্ট্র
    2. ইসরায়েল
    3. যুক্তরাজ্য
    4. ফ্রান্স
    সঠিক উত্তর:
    ইসরায়েল
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ইসরায়েল
    ব্যাখ্যা

    - Institute for Intelligence and Special Operations হলো ইসরায়েলের প্রধান গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের আনুষ্ঠানিক নাম। 

    • মোসাদ:

    - মোসাদ ইসরায়েলের প্রধান গোয়েন্দা সংস্থা।
    - এটি প্রতিষ্ঠিত হয় ১৩ ডিসেম্বর, ১৯৪৯ সালে।
    - প্রতিষ্ঠাতা: ডেভিড বেনগুরিয়ন।
    - সদরদপ্তর: তেলআবিব, ইসরায়েল।
    - হিব্রু ভাষায় ‘মোসাদ’ শব্দের অর্থ ‘ইনস্টিটিউট’ বা প্রতিষ্ঠান।
    - আনুষ্ঠানিকভাবে এই বৈদেশিক গোয়েন্দা সংস্থার নাম ‘দ্য ইনস্টিটিউট ফর ইনটেলিজেন্স অ্যান্ড স্পেশাল অপারেশন্স’ (Institute for Intelligence and Special Operations)। 
    - মোসাদ কাজ করে তথ্য সংগ্রহ, গোপন অভিযান ও সন্ত্রাসবাদ দমন নিয়ে।
    - এর পরিচালক সরাসরি ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রীর কাছে জবাবদিহি করেন।
    - এটি বিশ্বের বৃহত্তম গুপ্তচর সংস্থাগুলোর একটি।
    - মোসাদের কার্যক্রম এবং বাজেট কোনো আইন দ্বারা সংজ্ঞায়িত নয়। 

    তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা, মোসাদের ওয়েবসাইড ও বাংলাদশ প্রতিদিন। (Link1) (Link2) 

    ১৫৫.
    'Alliance of Sahel States' কোন তিনটি দেশের জোট?
    1. বুর্কিনা ফাসো, নাইজার ও শাদ
    2. মালি, শাদ ও সুদান
    3. মালি, ঘানা ও নাইজেরিয়া
    4. মালি, বুর্কিনা ফাসো ও নাইজার
    সঠিক উত্তর:
    মালি, বুর্কিনা ফাসো ও নাইজার
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    মালি, বুর্কিনা ফাসো ও নাইজার
    ব্যাখ্যা

    • Alliance of Sahel States (AES): 
    - ফ্রান্সের উপনিবেশিত প্রভাবমুক্ত তিনটি পশ্চিম আফ্রিকান দেশের জোট।
    - সদস্য দেশ: ৩টি। বুর্কিনা ফাসো, মালি এবং নাইজার।
    - তিন দেশই সেনা অভ্যুত্থান দ্বারা শাসন করা হচ্ছে। 
    - লক্ষ্য: সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা সহযোগিতা বৃদ্ধি করা।

    প্রসঙ্গত,
    - ২০২৫ সালের ২৯ জানুয়ারি, বুর্কিনা ফাসো, মালি এবং নাইজার আনুষ্ঠানিকভাবে পশ্চিম আফ্রিকার দেশগুলোর জোট ‘ECOWAS’ থেকে বেরিয়ে আসে।

    তথ্যসূত্র: Observer Research Foundation ওয়েবসাইট ও আলজাজিরা। (Link) 

    ১৫৬.
    ‘ইন্তিফাদা’ বলতে কী বোঝানো হয়? 
    1. অভ্যুত্থান
    2. কূটনীতি
    3. যুদ্ধ
    4. গনহত্যা 
    সঠিক উত্তর:
    অভ্যুত্থান
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    অভ্যুত্থান
    ব্যাখ্যা

    • ইন্তিফাদা:
    - ফিলিস্তিনী গণঅভ্যুত্থানকে ইন্তিফাদা হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে।
    - এটি একটি আরবি শব্দ।
    - ফিলিস্তিনী জনগণের উপর ইহুদী অত্যাচারের ও দখলের প্রতিবাদে ফিলিস্তিনী তরুণরা এই ইন্তিফাদার নাম দিয়েছিলেন। 

    - আরব-ইসরায়েলি যুদ্ধের ২০ বছর পর ১৯৮৭ সালের শেষদিকে শুরু হয় ফিলিস্তিনিদের এক সংগ্রাম।
     - সে সময় থেকে ১৯৯৩ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলে সে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে প্রথম ফিলিস্তিনি সংগ্রামের সময়কাল।
     - এটিই ‘প্রথম ইন্তেফাদা’ বা প্রথম গণজাগরণের আন্দোলন হিসেবে পরিচিত।
    - ১৯৯৩ সালে অসলো চুক্তির মধ্য দিয়ে সে দফায় ইন্তিফাদার অবসান ঘটে।
    - এই ইন্তিফাদা একাধিক সময়ে পরিচালিত হয়েছে। 
    - দ্বিতীয় ইন্তিফাদা পরিচালিত হয় ২০০০ সাল থেকে ২০০৫ সাল পর্যন্ত। 
    - প্রথম ইন্তিফাদার কারণে মাদ্রিদে ১৯৯১ সালে ফিলিস্তিন সংক্রান্ত শান্তি আলোচনা শুরু হয় এবং শেষ পর্যন্ত অসলোতে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল। 
    - এমনকি পিএলও ইসরাইলকে স্বীকৃতিও দিয়েছিল।

    তথ্যসূত্র: আন্তর্জাতিক রাজনীতিকোষ, তারেক শামসুর রেহমান ও বিবিসি। (Link)

    ১৫৭.
    ইউরোজোনে যুক্ত হওয়া সর্বশেষ দেশ কোনটি? [জানুয়ারি, ২০২৬]
    1. ক্রোয়েশিয়া
    2. রোমানিয়া
    3. বুলগেরিয়া
    4. হাঙ্গেরি
    সঠিক উত্তর:
    বুলগেরিয়া
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    বুলগেরিয়া
    ব্যাখ্যা

    - বর্তমানে ইউরোজোনে যুক্ত হওয়া সর্বশেষ দেশ বুলগেরিয়া। 

    • ইউরো:
    - ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশসমূহের একক মুদ্রার নাম ইউরো।
    - ইউরো মুদ্রার জনক হলেন রবার্ট মুন্ডেল।
    - ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক ১ জানুয়ারি, ১৯৯৯ সালে EU অঞ্চলে একক মুদ্রা 'ইউরো' চালু করে।
    - ইউরো মুদ্রা € প্রতীক দ্বারা উপস্থাপিত হয়।

    উল্লেখ্য,
    - ১৯৯৯ সালে ইউরোপের ১৪টি দেশ (অস্ট্রিয়া, বেলজিয়াম, জার্মানি, ফিনল্যান্ড, ফ্রান্স, আয়ারল্যান্ড, ইতালি, লুক্সেমবুর্গ, মোনাকো, নেদারল্যান্ডস, পর্তুগাল, স্পেন, সান মারিনো এবং ভ্যাটিকান সিটি) ইউরো প্রথম ব্যবহার করে।
    - পরে ইউরোপের অন্যান্য দেশ ইউরো গ্রহণ করে।
    - বর্তমানে ইউরো মুদ্রা গ্রহণকারী সর্বশেষ দেশ বুলগেরিয়া। 
    - প্রায় দেড় শতাব্দী পর নিজস্ব মুদ্রা লেভকে বিদায় জানিয়ে ইউরো মুদ্রা অঞ্চলের ২১তম সদস্য হিসাবে ইউরো চালু করেছে বুলগেরিয়া।
     - ১ জানুয়ারি, ২০২৬ থেকে দেশটিতে লেভের পরিবর্তে ইউরো মুদ্রা চালু করেছে।

    ⇒ এখন পর্যন্ত ২১টি দেশ একক মুদ্রা হিসেবে ইউরো মুদ্রা গ্রহণ করেছে।
    - দেশগুলো হল: অস্ট্রিয়া, গ্রিস, জার্মানি, ফ্রান্স, স্পেন, পর্তুগাল, নেদারল্যান্ড, বেলজিয়াম, লুক্সেমবার্গ, আয়ারল্যান্ড, মাল্টা, সাইপ্রাস, লিথুনিয়া, লাটভিয়া, এস্তোনিয়া, স্লোভেনিয়া, স্লোভাকিয়া, ইতালি,  ফিনল্যান্ড, ক্রোয়েশিয়া ও বুলগেরিয়া। 

    তথ্যসূত্র: EU ওয়েবসাইট ও ইউরোপীয় কমিশন। (Link)

    ১৫৮.
    'কলোসিয়াম' কোন সভ্যতার নিদর্শন? 
    1. গ্রিক সভ্যতা
    2. রোমান সভ্যতা
    3. মিশরীয় সভ্যতা
    4. মেসোপটেমীয় সভ্যতা
    সঠিক উত্তর:
    রোমান সভ্যতা
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    রোমান সভ্যতা
    ব্যাখ্যা

    • কলোসিয়াম:
    - কলোসিয়াম প্রাচীন রোমান সভ্যতায় গড়ে ওঠে। 

    ⇒ কলোসিয়াম হচ্ছে রোমানদের তৈরি এক বিশাল অ্যাম্ফিথিয়েটার বা নাট্যশালা।
    - কালোসিয়ামের নির্মাণ কাজ শুরু হয় ৭২ খ্রিস্টাব্দে রোমান সম্রাট ভেসপেসিয়ান (Vespasian) এর শাসনামলে এবং তার পুত্র টিটাস (Titus) ৮০ খ্রিস্টাব্দে এটি সম্পূর্ণ করেন। পরে, সম্রাট ডমিশিয়ান (Domitian) কিছু সংস্কার কাজ করেন।
    - কলোসিয়ামটি মূলত গ্ল্যাডিয়েটরদের লড়াই এবং অন্যান্য জনসমক্ষে অনুষ্ঠিত প্রদর্শনীগুলোর জন্য ব্যবহৃত হতো। 
    - এর প্রাথমিক নাম ছিল ফ্ল্যাভিয়ান অ্যাম্ফিথিয়েটার। 
    - এটি প্রায় ৫০,০০০ দর্শক ধারণক্ষম ছিল।
    - ইউনেস্কো ১৯৯০ সালে কলোসিয়ামকে বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী অঞ্চল হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।

    তথ্যসূত্র: i) Britannica.
    ii) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।

    ১৫৯.
    প্রথমবার নারীদের ভোটাধিকার দেওয়া হয় কোন দেশে? 
    1. নরওয়ে
    2. নিউজিল্যান্ড
    3. ফ্রান্স
    4. যুক্তরাষ্ট্র
    সঠিক উত্তর:
    নিউজিল্যান্ড
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    নিউজিল্যান্ড
    ব্যাখ্যা

    • নারী ভোটাধিকার পাওয়া দেশ: 
    - নিউজিল্যান্ড ১৮৯৩ সালে নারীরা ভোট দেয়।
    - বিশ্বের প্রথম দেশ, যেখানে নারীরা ভোট দেওয়ার অধিকার পায়।
    - তবে, তারা প্রার্থী হওয়ার (elected) সুযোগ পায় বহু বছর পরে– ১৯১৯ সালে।

    • অন্যান্য দেশে নারীর ভোটাধিকার:
    - নরওয়ে: ১৯১৩ সালে। 
    - ফ্রান্স: ১৯৪৫ সালে। 
    - যুক্তরাষ্ট্র: ১৯২০ সালে।

    তথ্যসূত্র: World Atlas.

    ১৬০.
    ফিলিস্তানি বংশোদ্ভূত কোন বিজ্ঞানী ২০২৫ সালের নোবেল পুরস্কারে ভূষিত হন? 
    1. ওমর এম ইয়াগি
    2. আহমেদ জেওয়াইল
    3. আজিজ সানকার
    4. ইলিয়াস জেমস কোরি
    সঠিক উত্তর:
    ওমর এম ইয়াগি
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ওমর এম ইয়াগি
    ব্যাখ্যা

    • ফিলিস্তিনি বংশোদ্ভূত নোবেল জয়ী:
    - এ বছর রসায়নে নোবেল পেয়েছেন তিন বিজ্ঞানী।
    -‘মেটাল অরগানিক ফ্রেমওয়ার্ক’ উদ্ভাবনের কারণে তাদের এই পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।
     - এবারের তিনজনের মধ্যে রয়েছেন- ওমর এম ইয়াগি। 
    - তিনি যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক।

    - বর্তমানে মার্কিন নাগরিক হলেও ওমর এম ইয়াগির জন্ম হয়েছিল এক ফিলিস্তিনি শরণার্থী বাবা-মায়ের ঘরে।
     - নিজ দেশ ফিলিস্তিন থেকে বাস্তুচ্যুত হওয়া ওমরের বাবা-মা চলে যান জর্ডানের আম্মানে। ১৯৬৫ সালে সেখানেই জন্ম হয় তার।

    - মাত্র ১৫ বছর বয়সে বাবার অনুপ্রেরণায় যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমান ওমর।
     - ওই সময় খুব বেশি ইংরেজি না জানলেও যুক্তরাষ্ট্রের একটি কলেজে ভর্তি হন তিনি।
     - এরপর সেখানেই গ্র্যাজুয়েশন এবং পোস্ট গ্র্যাজুয়েশন সম্পন্ন করেন।
     - পরবর্তীতে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রসায়নে পিএইচডি করেন ওমর।
     - তিনি তার জ্ঞানের মাধ্যমে বৈশ্বিক সমস্যা সমাধানে মনোনিবেশ করেন।

    তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ প্রতিদিন। (Link)

    ১৬১.
    বনভূমি সংরক্ষণে উৎসাহ প্রদানের লক্ষ্যে ‘Tropical Forests Forever Facility’ উদ্যোগটি চালু করেছে কোন দেশ? 
    1. ব্রাজিল
    2. ভূটান
    3. ইন্দোনেশিয়া
    4. কলম্বিয়া
    সঠিক উত্তর:
    ব্রাজিল
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ব্রাজিল
    ব্যাখ্যা

    • Tropical Forests Forever Fund (TFFF): 
    - পরিবেশ সংরক্ষণে বৈশ্বিক দৃষ্টিভঙ্গি রূপান্তরের লক্ষ্যে ব্রাজিল Tropical Forests Forever Fund (TFFF) নামক একটি তহবিল চালু করেছে। 
    - এই তহবিল উষ্ণমণ্ডলীয় বন সংরক্ষণের COP30 সম্মেলনের সময় পরিকল্পনা করা হয়। 
    - উষ্ণমণ্ডলীয় বনসম্পন্ন ৭০টিরও বেশি উন্নয়নশীল দেশ এই তহবিল থেকে আর্থিক সহায়তা প্রাপ্তির যোগ্যতা অর্জন করবে। 

    - ব্রাজিল COP28 সম্মেলন (২০২৩, দুবাই) থেকে TFFF গঠনের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।
    - ওই সম্মেলনে দেশটির রাষ্ট্রপতি লুলা দা সিলভা প্রথমবার প্রকাশ্যে এই প্রকল্পের বিষয়ে বক্তৃতা প্রদান করেন।
    - এপর্যন্ত আরও পাঁচটি উষ্ণমণ্ডলীয় বনসম্পন্ন দেশ এই উদ্যোগে অংশ গ্রহণ করেছে, যেগুলি হলো – কলম্বিয়া, ঘানা, কঙ্গো গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র, ইন্দোনেশিয়া এবং মালয়েশিয়া।
    - তাছাড়া, তহবিল ব্যবস্থাপনার কাঠামো গঠন ও বাস্তবায়নে সহায়তা প্রদান করছে জার্মানি, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ফ্রান্স, নরওয়ে এবং যুক্তরাজ্য এই পাঁচটি সম্ভাব্য বিনিয়োগকারী দেশ।

    তথ্যসূত্র:
    i) COP30 Brasil Amazônia ওয়েবসাইট। (Link) 
    ii) কালের কণ্ঠ। (Link2)
    iii) Tropical Forests Forever Fund ওয়েবসাইট। (Link3)

    ১৬২.
    অত্যাধুনিক মানববিহীন যুদ্ধবিমান 'বায়রাক্তার কিজিলেলমা' কোন দেশের তৈরী? 
    1. তুরস্ক
    2. ফ্রান্স
    3. ইসরায়েল
    4. ইরান 
    সঠিক উত্তর:
    তুরস্ক
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    তুরস্ক
    ব্যাখ্যা

    • বায়রাক্তার কিজিলেলমা: 
    - তুরস্কের প্রথম মানববিহীন যুদ্ধবিমান বায়রাক্তার কিজিলেলমা। 
    - জেটচালিত 'বায়রাক্তার কিজিলেলমা' মানববিহীন যুদ্ধ বিমান বিশ্বে প্রথমবারের মতো সম্পূর্ণ স্বয়ংক্রিয়ভাবে ক্লোজ ফরমেশন ফ্লাইট পরিচালনা করেছে। 
    - এটি তুরস্কের Baykar Technologies কোম্পানি তৈরি করছে। 
    - এটি জেট চালিত, স্টেলথ ডিজাইনের এবং স্বয়ংক্রিয়ভাবে উড়তে, অবতরণ করতে এবং লক্ষ্য আক্রমণ করতে সক্ষম।
     - বিমানটিতে আধুনিক রাডার, সেন্সর এবং স্বয়ংক্রিয় লক্ষ্য নির্ধারণের ব্যবস্থা রয়েছে।
    - উন্নত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নির্ভর পরিচালনা প্রযুক্তি ব্যবহার করে এই ফ্লাইট সম্পন্ন হয়। 
    - উত্তর-পশ্চিম তুরস্কের চোরলুতে অবস্থিত আকিনজি ফ্লাইট ট্রেনিং অ্যান্ড টেস্ট সেন্টারে এই ঐতিহাসিক ফ্লাইটের পরীক্ষা চালানো হয়।

    তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ প্রতিদিন।(Link) 

    ১৬৩.
    দুর্নীতি সম্পর্কিত ‘Corruption Perceptions Index’ রিপোর্ট প্রকাশকারী সংস্থা কোনটি? 
    1. ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
    2. সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
    3. দুর্নীতি দমন কমিশন
    4. জাতিসংঘ 
    সঠিক উত্তর:
    ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
    ব্যাখ্যা

    • ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল: 
    - প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৯৩ সালে। 
    - প্রতিষ্ঠাতা: পিটার ইজেন। 
    - এটি ১০০টিরও বেশি দেশে কাজ করছে। 
    - সদর দপ্তর: বার্লিন, জার্মানি। 
    - ২০০৯ সালে বৈশ্বিক দুর্নীতি প্রতিবেদন (Global Corruption Report) প্রকাশ করে। 
    - ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল প্রতিবছর Corruption Perceptions Index প্রকাশ করে (১৯৯৫ সালে প্রথম)। 
    - ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বিশ্বজুড়ে দুর্নীতির বিরুদ্ধে কাজ করছে এবং একটি স্বচ্ছ ও ন্যায়সঙ্গত সমাজ গড়ার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে।

    তথ্যসূত্র: ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল ওয়েবসাইট।

    ১৬৪.
    পরিবেশকর্মী গ্রেটা থুনবার্গ যে দেশের নাগরিক - 
    1. সুইডেন
    2. ফিনল্যান্ড
    3. সুইজারল্যান্ড
    4. ডেনমার্ক
    সঠিক উত্তর:
    সুইডেন
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    সুইডেন
    ব্যাখ্যা

    • গ্রেটা থুনবার্গ:
    - গ্রেটা থুনবার্গ ছিলেন সুইডেনের একজন পরিবেশবাদী আন্দোলনকর্মী।
    - তার জন্মস্থান: স্টকহোম, সুইডেন।
    - গ্রেটা থুনবার্গের বাবা স্ভান্তে থুনবার্গ একজন অভিনেতা এবং রসায়নে নোবেল পুরস্কার জয়ী বিজ্ঞানী স্ভান্তে আরহেনিয়াসের উত্তরসূরি।
    - ২০১৮ সালের মে মাসে গ্রেটার বয়স যখন ১৫, সেসময় গ্রেটা স্থানীয় এক পত্রিকার জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ে এক রচনা প্রতিযোগিতায় পুরস্কার পান।
    - অগাস্ট, ২০১৮-এ সুইডেনের পার্লামেন্ট ভবনের সামনে বিক্ষোভ করা শুরু করেন তিনি।
    - সুইডেন সরকার যেন ২০১৫ সালের প্যারিস সম্মেলনে বিশ্বের শীর্ষ নেতাদের আলোচনায় ঠিক হওয়া সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কার্বন নির্গমন নিয়ন্ত্রণ করার বিষয়ে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হয়, সেলক্ষ্যে বিক্ষোভ করে গ্রেটা।

    উল্লেখ্য, 
    - সম্প্রতি, ২০২৫ সালের অক্টোবরে, ফিলিস্তিনের গাজা অভিমুখী ত্রাণবাহী নৌযানের বহর ‘গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা’ থেকে আটক ১৭১ জন মানবাধিকারকর্মীকে ফেরত পাঠিয়েছে ইসরায়েল। 
    - তাঁদের মধ্যে সুইডিশ জলবায়ু অধিকারকর্মী গ্রেটা থুনবার্গও রয়েছেন। 

    তথ্যসূত্র: Fridays For Future ওয়েবসাইট ও প্রথম আলো। 

    ১৬৫.
    'Bangkok Vision 2030' উদ্যোগটি কোন সংস্থা কর্তৃক গৃহীত? 
    1. BIMSTEC
    2. ASEAN
    3. SAARC
    4. ESCAP
    সঠিক উত্তর:
    BIMSTEC
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    BIMSTEC
    ব্যাখ্যা

    • BIMSTEC:
    - BIMSTEC-এর পূর্ণরূপ: Bay of Bengal Initiative for Multi-Sectoral Technical and Economic Co- Operation বা বঙ্গোপসাগরীয় অঞ্চলের আঞ্চলিক সহযোগিতামূলক সংস্থা।
    - এটি ৬ জুন, ১৯৯৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
    - এর প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ছিল ৪টি।
    - এর পূর্বনাম ছিল BISTEC (Bangladesh, India, Sri Lanka, Thailand Economic Cooperation), পরবর্তীতে মায়ানমার যোগদান করলে M যুক্ত হয়ে BIMSTEC হয় এবং নেপাল ও ভুটান যোগদানের পর বর্তমান নাম ধারণ করে।
    - বর্তমান সদস্য সংখ্যা ৭টি।
    - এগুলো হলো: বাংলাদেশ, ভারত, শ্রীলঙ্কা, থাইল্যান্ড, মিয়ানমার, নেপাল ও ভুটান।
    - সদরদপ্তর: ঢাকা, বাংলাদেশ।

    উল্লেখ্য,
    ⇒ Bangkok Vision 2030 হলো BIMSTEC-এর একটি কৌশলগত নথি, যা দক্ষিণ এশিয়া ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে অর্থনৈতিক ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে তৈরি করা হয়েছে।
    - মূল উদ্দেশ্য: "A Prosperous, Resilient and Open BIMSTEC by 2030 for our people and future generations" অর্থাৎ, ২০৩০ সালের মধ্যে একটি সমৃদ্ধ, স্থিতিস্থাপক ও উন্মুক্ত BIMSTEC গঠন করা, যা বর্তমান ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য কল্যাণকর হবে। 

    তথ্যসূত্র: BIMSTEC ওয়েবসাইট।

    ১৬৬.
    ঘূর্ণিঝড়ের সময় সমুদ্রপৃষ্ঠের পানির গড় তাপমাত্রা কত থাকে?
    1. ১৯°
    2. ২১°
    3. ২৩°
    4. ২৭°
    সঠিক উত্তর:
    ২৭°
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ২৭°
    ব্যাখ্যা

    ঘূর্ণিঝড়:
    - ঘূর্ণিঝড় হলো একটি অন্যতম প্রাকৃতিক দুর্যোগ যা প্রাকৃতিক পরিবেশ, মানুষ ও প্রাণিজগতের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি করে। সারা বিশ্বে ঘূর্ণিঝড় নানা নামে পরিচিত।
    - অনিয়মিত বায়ুর উৎকৃষ্ট উদাহরণ হলো ঘূর্ণিঝড় ও প্রতীপ ঘূর্ণিঝড়।
    - উপরের ও নিচের বায়ুর পারস্পরিক ক্রিয়ার মাধ্যমে এই ঘূর্ণিঝড় সংঘটিত হয়।
    - ঘূর্ণিঝড়ের সময় পশ্চিমা বায়ু প্রবাহ দ্বারা মধ্য অক্ষাংশ অঞ্চলের নিম্নচাপ ও উচ্চচাপ পশ্চিম থেকে পূর্ব দিকে অগ্রসর হয়।
    - এই ঝড়ের সময় বায়ুপ্রবাহের গতিবেগ ঘন্টায় ৬৫ কি.মি বা তারও বেশি হয়।
    - এছাড়াও নিম্নচাপ সৃষ্টি হয়। দ্রুত উর্দ্ধগামী বায়ু জলীয়বাষ্পপূর্ণ থাকলে ঘূর্ণিঝড়ের সময় প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়।
    - ঘূর্ণিঝড়ের বায়ু আবর্তনের কেন্দ্রকে চোখ বলা হয়।
    - উত্তর গোলার্ধে প্রবল ঘূর্ণিবায়ু বাইরের থেকে কেন্দ্রের দিকে প্রবাহিত হয়। পরে প্রচন্ড শক্তিতে বায়ু আবর্তনের মাধ্যমে উপরের দিকে উঠতে থাকে।
    - ঘূর্ণিঝড় উষ্ণ জলরাশি থেকে সৃষ্টি হয় যার গড় উঞ্চতা ২৭° সেলসিয়াস।
    - সমুদ্র পৃষ্ঠের কাছাকাছি অন্তত ২৭° সেলসিয়াস তাপমাত্রা বিশিষ্ট যথেষ্ট পরিমাণে উষ্ণ ও আর্দ্র বায়ু থাকে।
    - মুষলধারে বৃষ্টিপাত হয় এবং বায়ুপ্রবাহের ভেতরে এবং উপরের দিকে খাড়া হয়ে মেঘপুঞ্জের সৃষ্টি হয়।
    - উর্দ্ধস্তরের বায়ু বহির্গামী হবে।

    তথ্যসূত্র - ভূগোল ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

    ১৬৭.
    ঢাকার প্রতিপাদ স্থান কোথায় অবস্থিত?
    1. প্রশান্ত মহাসাগরে
    2. ভারত মহাসাগরে
    3. আটলান্টিক মহাসাগরে
    4. উত্তর মহাসাগরে
    সঠিক উত্তর:
    প্রশান্ত মহাসাগরে
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    প্রশান্ত মহাসাগরে
    ব্যাখ্যা

    প্রতিপাদ স্থান:
    - পৃথিবী পৃষ্ঠের কোনো বিন্দুর ঠিক বিপরীত দিকের বিন্দুকে সেই স্থানের প্রতিপাদ স্থান বলে।
    - বাংলাদেশ থেকে পৃথিবীর কেন্দ্র ভেদ করে সরলরেখা টানলে চিলির নিকট প্রশান্ত মহাসাগরে গিয়ে বের হবে।
    - ঢাকার প্রতিপাদ স্থান- চিলির নিকট প্রশান্ত মহাসাগরে।

    উল্লেখ্য:
    - প্রতিপাদ স্থান সম্পূর্ণরূপে একে অন্যের বিপরীতে অবস্থান করে।
    - প্রতিপাদ স্থান নির্ণয়ের জন্য পৃথিবী পৃষ্ঠের কোনো বিন্দু থেকে পৃথিবীর কেন্দ্রের মধ্য দিয়ে একটি কল্পিত রেখা পৃথিবীর ঠিক বিপরীত দিকে টানলে ঐ কল্পিত রেখা যে বিন্দুতে পৃথিবী পৃষ্ঠের বিপরীত পাশে মিলিত হয় সেই স্থানই ঐ বিন্দুর প্রতিপাদ স্থান।
    - প্রতিপাদ স্থানদ্বয়ের অক্ষাংশ এক, তবে এরা পরস্পর বিপরীত গোলার্ধে অবস্থান করে।
    - প্রতিপাদ স্থান দুইটির অক্ষাংশের মান এক হলেও এদের দ্রাঘিমার পার্থক্য ১৮০০।
    - অর্থাৎ ৯০° পূর্ব দ্রাঘিমায় অবস্থিত বাংলাদেশ আর চিলির নিকট প্রশান্ত মহাসাগরের ঐ স্থানটি ৯০° পশ্চিম দ্রাঘিমায় অবস্থিত হবে অর্থাৎ ঠিক বিপরীত ঢাকার প্রতিপাদ স্থান।

    তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

    ১৬৮.
    দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার প্রধান উদ্দেশ্য কয়টি?
    1. ২টি
    2. ৩টি
    3. ৪টি
    4. ৫টি
    সঠিক উত্তর:
    ৩টি
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ৩টি
    ব্যাখ্যা

    দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা:
    - দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার অর্থ হলো, যথাযথ পর্যবেক্ষণ ও বিশ্লেষণের মাধ্যমে দুর্যোগ প্রতিরোধ, দুর্যোগ প্রস্তুতি এবং দুর্যোগ সাড়াদান ও পুনরুদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনা।
    - দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার প্রধান উদ্দেশ্য তিনটি। উদ্দেশ্যগুলো হলো-
    (ক) দুর্যোগকালিন সময়ে জীবন, সম্পদ ও পরিবেশের সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতি এড়ানো বা পরিমাণ হ্রাস করা।
    (খ) দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত জনগণের মধ্যে দ্রুত প্রয়োজনীয় ত্রাণ পৌঁছানো ও পূণর্বাসন নিশ্চিত করা।
    (গ) দুর্যোগ পরবর্তী পুনরুদ্ধার কাজ সুষ্ঠুরূপে সম্পন্ন করা।

    তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

    ১৬৯.
    বাংলাদেশ অংশের সুন্দরবনের আয়তন প্রায় কত বর্গকিলোমিটার?
    1. ৫,২০৯ বর্গ কিলোমিটার
    2. ৬,০১৭ বর্গ কিলোমিটার
    3. ৭,৫৪৮ বর্গ কিলোমিটার
    4. ৮,৪৯২ বর্গ কিলোমিটার
    সঠিক উত্তর:
    ৬,০১৭ বর্গ কিলোমিটার
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ৬,০১৭ বর্গ কিলোমিটার
    ব্যাখ্যা

    সুন্দরবন:
    - সুন্দরবন  বাংলাদেশের দক্ষিণ অংশে গঙ্গা ও ব্রহ্মপুত্রের বদ্বীপ এলাকায় অবস্থিত পৃথিবীর বৃহত্তম জোয়ারধৌত গরান বনভূমি (mangrove forest)।
    - কর্কটক্রান্তির সামান্য দক্ষিণে ভারত ও বাংলাদেশের উপকূল ধরে বিস্তৃত ২১°৩০´-২২°৩০´ উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮৯°০০´-৮৯°৫৫´ পূর্ব দ্রাঘিমার মধ্যবর্তী স্থানে এ বনের অবস্থান।
    - বাংলাদেশ অংশের সুন্দরবনের মোট আয়তন প্রায় ৬,০১৭ বর্গ কিলোমিটার যা সুন্দরবনের মোট আয়তনের প্রায় ৬২ ভাগ।
    - নানা ধরনের গাছপালার চমৎকার সমারোহ ও বিন্যাস এবং বন্যপ্রাণীর অনন্য সমাবেশ এ বনভূমিকে চিহ্নিত করেছে এক অপরূপ প্রাকৃতিক নিদর্শন হিসেবে।
    - অর্থনৈতিক কর্মকান্ডের একটি উলে­খযোগ্য কেন্দ্র হিসেবেও এটি বিবেচিত; এখান থেকে সংগৃহীত হয় নানা কাজে ব্যবহার উপযোগী বনবৃক্ষ, আহরিত হয় প্রচুর পরিমাণ মধু, মোম ও মাছ।
    - সাতক্ষীরা, খুলনা এবং বাগেরহাট জেলার অংশবিশেষ জুড়ে বাংলাদেশের সুন্দরবন বিস্তৃত।
    - পরস্পর সংযুক্ত প্রায় ৪০০ নদী-নালা, খালসহ প্রায় ২০০টি ছোট বড় দ্বীপ ছড়িয়ে আছে সুন্দরবনে।

    তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।

    ১৭০.
    বাংলাদেশের জলবায়ু কী ধরনের?
    1. ক্রান্তীয় মৌসুমি জলবায়ু
    2. আর্দ্র ক্রান্তীয় জলবায়ু
    3. নিরক্ষীয় জলবায়ু
    4. উপ-ক্রান্তীয় জলবায়ু
    সঠিক উত্তর:
    ক্রান্তীয় মৌসুমি জলবায়ু
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ক্রান্তীয় মৌসুমি জলবায়ু
    ব্যাখ্যা

    জলবায়ু:
    - জলবায়ু হলো কোনো একটি অঞ্চলের সাধারণত ৩০-৪০ বছরের গড় আবহাওয়ার অবস্থা।
    - অর্থাৎ জলবায়ু হলো কোনো একটি অঞ্চলের অনেক বছরের বায়ুমন্ডলের নিম্নস্তরের সামগ্রিক গড় অবস্থা।
    - জলবায়ুর বৈশিষ্ট্য হলো এটি নিয়ত পরিবর্তনশীল নয়।
    - আবহাওয়ার থেকে জলবায়ুর পার্থক্য হলো আবহাওয়া কোনো দেশ বা মহাদেশের বায়ুমণ্ডলের স্বল্পস্থায়ী অবস্থাকে বুঝায়।
    - জলবায়ু বলতে কোনো দেশ বা মহাদেশের বায়ুমণ্ডলের দীর্ঘস্থায়ী অবস্থাকে বুঝায়।
    - বাংলাদেশের ‘ক্রান্তীয় মৌসুমি’ জলবায়ুর দেশ।
    - জলবায়ুর প্রধান নিয়ামকগুলো হলো- অক্ষাংশ, উচ্চতা, সমুদ্র থেকে দূরত্ব, বায়ুপ্রবাহ, বনভূমি, সমুদ্রস্রোত, পর্বতের অবস্থান, ভূমির ঢাল ও মৃত্তিকা প্রভৃতি।

    তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

    ১৭১.
    প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহের মধ্যে কোনটি অন্তর্ভুক্ত?
    1. লালমাই পাহাড়
    2. রাঙামাটির পাহাড়
    3. সিলেটের পাহাড়
    4. খাগড়াছড়ির পাহাড়
    সঠিক উত্তর:
    লালমাই পাহাড়
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    লালমাই পাহাড়
    ব্যাখ্যা

    ভূ-প্রকৃতি (Physiography):
    - বাংলাদেশ পৃথিবীর অন্যতম বৃহত্তম ব-দ্বীপ।
    - এদেশের ভূ-খন্ড উত্তর দিক থেকে দক্ষিণ দিকে ক্রমশ ঢালু হয়ে বিস্তৃত।
    - উত্তর-পূর্ব এবং দক্ষিণ-পূর্ব দিকের পাহাড়ি অংশ ব্যতীত সমগ্র দেশ নদীবিধৌত পলল দ্বারা গঠিত সমভূমি।
    - এই পললের পুরুত্ব প্রায় ১৮-২২ কিলোমিটার।
    - ভূ-প্রকৃতির ভিন্নতার উপর ভিত্তি করে বাংলাদেশের ভূ-প্রকৃতিকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
    • টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ।
    • প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ।
    • সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি।

    • টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ:
    - টারশিয়ারি যুগে হিমালয় পর্বত উত্থিত হওয়ার সময় যে সকল পর্বতের সৃষ্টি হয়েছে সেগুলো টারশিয়ারি যুগের পাহাড় নামে পরিচিত।
    - আজ থেকে প্রায় ২০ লক্ষ বছর পূর্বের সময়কে টারশিয়ারি যুগ বলা হয়।
    - রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি, চট্টগ্রাম, সিলেট, মৌলভীবাজার এবং হবিগঞ্জের পাহাড়গুলো টারশিয়ারি যুগের।
    - এ পাহাড়গুলোকে আসামের লুসাই এবং মিয়ানমারের আরাকান পাহাড়ের সমগোত্রীয় বলে ধারণা করা হয়।
    - টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ বেলেপাথর, শেল ও কর্দম দ্বারা গঠিত।
    - টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহকে আবার দুইভাগে ভাগ করা যায়। এগুলো হলো-
    • দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ।
    • উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ।

    • প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ:
    - আজ থেকে আনুমানিক প্রায় ২৫,০০০ বছর পূর্বের সময়কে প্লাইস্টোসিনকাল বলে।
    - এ অঞ্চলের মাটির রং লাল ও ধূসর।
    - দেশের উত্তর-পশ্চিমাংশের বরেন্দ্রভূমি, মধ্যভাগের মধুপুর ও ভাওয়ালের গড় এবং কুমিল্লা জেলার লালমাই পাহাড় বা উচ্চভূমি এর অন্তর্ভুক্ত।
    - প্লাইস্টোসিনকালে এসব উচ্চভূমি গঠিত হয়েছিল বলে ধারণা করা হয়। 

    • সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি:
    - টারশিয়ারি যুগের পাহাড় এবং প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ ব্যতীত সমগ্র দেশ সাম্প্রতিককালের পলি দ্বারা গঠিত এক বিস্তীর্ণ সমভূমি।
    - এই প্লাবন সমভূমির বয়স ১২,০০০ বছরের কম।
    - পদ্মা, মেঘনা, যমুনা প্রভৃতি প্রধান নদীসহ অসংখ্য উপনদী এবং শাখানদী জালের ন্যায় সমগ্র দেশে ছড়িয়ে রয়েছে। ন
    - বন্যার সঙ্গে বাহিত পলিমাটি সঞ্চিত হয়ে দেশের বিস্তীর্ণ এলাকায় এই প্লাবন সমভূমি সৃষ্টি হয়েছে।
    - এ প্লাবন সমভূমির আয়তন প্রায় ১,২৪,২৬৬ বর্গকিলোমিটার।
    - এ অঞ্চলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হলো বিক্ষিপ্তভাবে ছড়িয়ে থাকা অসংখ্য জলাভূমি ও নিম্নভূমি। স্থানীয়ভাবে এগুলোকে বিল, ঝিল ও হাওড় বলে।
    - রাজশাহী অঞ্চলের চলনবিল, ঢাকার আড়িয়াল বিল, গোপালগঞ্জের বিল, সুনামগঞ্জ, সিলেট, মৌলভীবাজার, ময়মনসিংহ এবং শেরপুর জেলার হাওড় ও বিল উল্লেখযোগ্য।
    - মেঘনা নদীর মোহনায় হাতিয়া, সন্দ্বীপ, শাহবাজপুর এবং ভোলা জেলায় বেশ কিছু দ্বীপ অবস্থিত। এছাড়া দক্ষিণ উপকূলে আরও কিছু ছোট ছোট দ্বীপ রয়েছে।

    তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

    ১৭২.
    নিচের কোনটি সাময়িক বায়ু?
    1. অয়ন বায়ু
    2. মৌসুমি বায়ু
    3. মেরু বায়ু
    4. পশ্চিমা বায়ু
    সঠিক উত্তর:
    মৌসুমি বায়ু
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    মৌসুমি বায়ু
    ব্যাখ্যা

    বায়ুপ্রবাহের প্রকারভেদ:
    - বায়ুপ্রবাহ মূলত চার প্রকার। যথা-
    # নিয়মিত বায়ু।
    # স্থানীয় বায়ু।
    # সাময়িক বায়ু।
    # অনিয়মিত বায়ু।

    • নিয়ত বায়ুপ্রবাহ তিন প্রকার। যথা-
    # অয়ন বায়ু।
    # মেরু বায়ু।
    # পশ্চিমা বায়ু।

    • সাময়িক বায়ু প্রধানত দুই প্রকার। যথা-
    # স্থলবায়ু ও সমুদ্রবায়ু।
    # মৌসুমি বায়ু।

    • স্থানীয় বায়ু হলো দুই প্রকার। যথা-
    # পার্বত্য বায়ু।
    # উপত্যকা বায়ু।

    • অনিয়মিত বায়ু দুই প্রকার। যথা-
    # ঘূর্ণিবাত বায়ু।
    # প্রতীপ ঘূর্ণিবাত বায়ু।

    তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

    ১৭৩.
    'সতীদাহ প্রথা রহিত করা' কোন ধরনের মূল্যবোধের উদাহরণ?
    1. ধর্মীয় মূল্যবোধ
    2. আধুনিক মূল্যবোধ
    3. সামাজিক মূল্যবোধ
    4. নৈতিক মূল্যবোধ
    সঠিক উত্তর:
    আধুনিক মূল্যবোধ
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    আধুনিক মূল্যবোধ
    ব্যাখ্যা

    ⇒ সতীদাহ প্রথা বন্ধ করা আধুনিক মূল্যবোধ।

    আধুনিক মূল্যবোধ:
    - সমাজ নিয়ত পরিবর্তনশীল, আর এ পরিবর্তনের সাথে সাথে মূল্যবোধেরও পরিবর্তন ঘটে।
    - এজন্যই অতীতের অনেক মূল্যবোধই এখন অর্থহীন হয়ে পড়েছে।
    - অতীতে বাল্যবিবাহের প্রচলন ছিল, এখন মানুষ বাল্যবিবাহকে অপছন্দ করে।
    - রাষ্ট্র আইন করে বাল্যবিবাহ বন্ধ করে দিয়েছে।

    উল্লেখ্য:
    - অতীতে হিন্দু সমাজে সতীদাহ প্রথা, সহমরণ প্রথা প্রচলিত ছিল, বিধবা বিবাহ নিষিদ্ধ ছিল। এগুলো আজ আর নেই।
    - মূল্যবোধ এজন্যই নৈর্ব্যক্তিক।
    - বর্তমানের অনেক মূল্যবোধ একদিন ভবিষ্যতে হয়তো থাকবে না। গড়ে ওঠবে নতুন মূল্যবোধ।

    তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।

    ১৭৪.
    লর্ড ব্রাইস-এর মতে সুনাগরিকের গুণ কয়টি?
    1. একটি
    2. দুইটি
    3. তিনটি
    4. চারটি
    সঠিক উত্তর:
    তিনটি
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    তিনটি
    ব্যাখ্যা

    ⇒ সুনাগরিক:
    - সুনাগরিক মানে হল আদর্শ নাগরিক।
    - সুনাগরিকই রাষ্ট্রের প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্য যথাযথভাবে পালন করে।
    - যেকোন রাষ্ট্রের উন্নতি ও সমৃদ্ধির জন্য সুনাগরিকের প্রয়োজনীয়তা অপরিহার্য।

    ⇒ সুনাগরিকের গুণাবলি:
    - লর্ড ব্রাইস প্রদত্ত উপাদানগুলোই এ পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি গ্রহণযোগ্যতা পেয়েছে।
    - লর্ড ব্রাইস-এর মতে সুনাগরিকের গুণ ৩টি।
    - কোনো নাগরিক সুনাগরিক হিসেবে পরিগণিত হবে যদি-
    • বুদ্ধি,
    • আত্মসংযম,
    • বিবেক,
    - এই তিনটি গুণ তার মধ্যে থাকে।

    তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম-দশম শ্রেণি ও পত্রিকা রিপোর্ট।

    ১৭৫.
    শক্তিশালী ও নিরপেক্ষ গণমাধ্যমে অনুপস্থিত থাকলে নিচের কোনটি বাধাগ্রস্ত হয়?
    1. মূল্যবোধ অবক্ষয়
    2. সুশাসন
    3. সামাজিক অবক্ষয়
    4. শিক্ষার গুণগতমান
    সঠিক উত্তর:
    সুশাসন
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    সুশাসন
    ব্যাখ্যা

    ⇒ স্বাধীন সংবাদমাধ্যম:
    - স্বাধীন সংবাদমাধ্যমকে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ বলা হয়।
    - সংবাদপত্রের স্বাধীনতা যদি সঠিকভাবে ব্যবহার করা না হয় অথবা সংবাদমাধ্যম যদি কোনো দুরভিসন্ধি নিয়ে অসত্য বা অর্ধসত্য সংবাদ প্রচার করে, তা দেশ, জাতি ও সমাজের ক্ষতির কারণ হতে পারে।

    ⇒ সুশাসন:
    - শক্তিশালী ও নিরপেক্ষ গণমাধ্যমে অনুপস্থিতি সুশাসনের অন্তরায় হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
    - গণমাধ্যমে একমাত্র ব্যবস্থা যা সুশাসনের নিয়ামকগুলোকে জনমত সৃষ্টির মাধ্যমে সুসংহত করতে পারে।
    - স্বাধীন সংবাদ মাধ্যম আর স্বাধীন বিচার বিভাগ ছাড়া সুশাসন প্রতিষ্ঠা, মানবাধিকার রক্ষা ও প্রশাসনের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা সম্ভব নয়।
    - বর্তমানে 'সুশাসন' ও 'গণমাধ্যম' এ দুটি বিষয় পরস্পর গভীরভাবে সম্পৃক্ত।
    - গণতান্ত্রিক সমাজব্যবস্থায় দুর্নীতি, স্বেচ্ছাচারিতা ও আইনের শাসনকে কেউ কেউ বৃদ্ধাঙ্গুলি প্রদর্শন করে থাকে যা গনমাধ্যমের জোরালো ভূমিকার মাধ্যমে তা প্রতিহত করা যায়।

    তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।

    ১৭৬.
    সরকার ও জনগণের 'Win Win Game' বলা হয় কোনটিকে?
    1. নৈতিকতা
    2. সুশাসন
    3. মূল্যবোধ
    4. সততা
    সঠিক উত্তর:
    সুশাসন
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    সুশাসন
    ব্যাখ্যা

    সুশাসন:
    - সুশাসন একটি সামাজিক ধারণা।
    - 'সুশাসন' হলো একটি কাঙিক্ষত রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থার প্রতিফলন।
    - 'সুশাসন' হলো ন্যায়নীতি অনুসারে উত্তমরূপে, সুষ্ঠভাবে ও নিরপেক্ষ দৃষ্টিতে দেশ বা রাষ্ট্র শাসন।
    - অন্যকথায় সুশাসন বলতে রাষ্ট্রের সাথে সুশীল সমাজের, সরকারের সাথে শাসিত জনগণের, শাসকের সাথে শাসিতের সম্পর্ককে বুঝায়।
    - সুশাসন হচ্ছে অংশগ্রহণমূলক, স্বচ্ছ, দায়িত্বশীল ও ন্যায়সংগত ব্যবস্থা যা আইনের শাসনকে নিশ্চিত করে।
    - সুশাসনকে সরকারের উচ্চতর দক্ষতা হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
    - মূলত: ল্যাটিন আমেরিকা ও আফ্রিকা মহাদেশে বিশ্বব্যাংকের ব্যর্থতার ফলে ১৯৮৯ সালে বিশ্বব্যাংক কর্তৃক সুশাসনের ধারণাটি উদ্ভব হয়।
    - এটি বিশ্বব্যাংকের প্রেসক্রিপশন নামে পরিচিত।
    - আশির দশকের দ্বিতীয়ার্ধে বিশ্বব্যাংক সুশাসনকে উন্নয়নের এজেন্ডাভুক্ত করে।
    - এতে সরকার ও জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত হয় ও উভয়েই লাভবান হয় বলে সুশাসনকে সরকার ও জনগণের 'Win Win Game' বলা হয়।

    তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মো: মোজাম্মেল হক ও সুশাসন বনাম সামাজিক ও পারিবারিক মূল্যবোধ

    ১৭৭.
    নিচের কোনটি রাজনৈতিক মূল্যবোধ?
    1. রাজনৈতিক শৃঙ্খলাবোধ
    2. রাষ্ট্রের প্রতি আনুগত্য প্রদর্শন
    3. আইন মেনে চলা
    4. উপরের সবগুলো
    সঠিক উত্তর:
    উপরের সবগুলো
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    উপরের সবগুলো
    ব্যাখ্যা

    রাজনৈতিক মূল্যবোধ:
    - রাজনৈতিক মূল্যবোধ মানুষের রাজনৈতিক আচরণ ও কর্মকান্ডকে পরিচালিত ও নিয়ন্ত্রিত করে। রাজনেতিক মূল্যবোধের মধ্যে রয়েছে:
    - আইন মেনে চলা,
    - রাষ্ট্রের প্রতি আনুগত্য প্রদর্শন,
    - রাজনৈতিক অংশগ্রহণ,
    - রাজনৈতিক শৃঙ্খলাবোধ প্রভৃতি।

    তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রথমপত্র, মো. মোজাম্মেল হক।

    ১৭৮.
    মূল্যবোধ শিক্ষার মাধ্যমে নিচের কোনটি রোধ করা যায়?
    1. ব্যভিচার
    2. রাহাজানি
    3. ইভটিজিং
    4. উপরের সবগুলো
    সঠিক উত্তর:
    উপরের সবগুলো
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    উপরের সবগুলো
    ব্যাখ্যা

    সামাজিক অবক্ষয়:
    - মূল্যবোধের অনুপস্থিতি হলো সামাজিক অবক্ষয় বা মূল্যবোধের অবক্ষয়।
    - তাই মূল্যবোধ শিক্ষার প্রধান উদ্দেশ্য হলো সামাজিক অবক্ষয় রোধ করা।
    - মূল্যবোধ শিক্ষা শিষ্টাচার, সততা, ন্যায়পরায়ণতা, শৃঙ্খলাবোধ প্রভৃতির মাধ্যমে সামাজিক অবক্ষয় তথা ব্যভিচার, রাহাজানি, মাদকাসক্ততা, ইভটিজিং প্রভৃতি রোধ করে থাকে।
    - সুশাসন প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে মূল্যবোধের কার্যকর উপস্থিতি বাঞ্চনীয়।
    উল্লেখ্য:
    - যে কোনো সমাজের রীতিনীতি, মনোভাব এবং সমাজের অন্যান্য অনুমোদিত আচার-আচরণের সমন্বয়ে সামাজিক মূল্যবোধের সৃষ্টি হয়।
    - এসব মূল্যবোধের অবনতিই সামাজিক মূল্যবোধের অবক্ষয়।
    - সমাজে আইনের শাসনের দুর্বলতা ও অভাব, মানুষের সহনশীলতার অভাব এবং বিশৃঙ্খল পরিবেশের কারণেও মূল্যবোধের অবক্ষয় ঘটে।
    - ধর্মীয় অপব্যাখ্যাও মানুষকে মূল্যবোধহীন পথে পরিচালিত করতে পারে, যেমন- কোনো বিষয়ে মনগড়া ফতোয়াজারির মাধ্যমে দোররা মারা মূল্যবোধ পরিপন্থি কাজ।
    - সুতরাং আইনের শাসন সামাজিক অবক্ষয় রোধ করে।

    তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন ১মপত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক ও পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম-দশম শ্রেণি।

    ১৭৯.
    সর্বপ্রথম সুশাসন প্রত্যয়টি ব্যবহার করে কোন সংস্থা?
    1. বিশ্বব্যাংক
    2. জাতিসংঘ
    3. এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক
    4. ইউরোপীয় ইউনিয়ন
    সঠিক উত্তর:
    বিশ্বব্যাংক
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    বিশ্বব্যাংক
    ব্যাখ্যা

    - বর্তমান বিশ্বে একটি জনপ্রিয় ধারণা হল সুশাসন।
    - সামাজিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের পূর্বশর্ত হচ্ছে সুশাসন।
    - ১৯৮৯ সালে বিশ্বব্যাংকের এক প্রতিবেদন সর্বপ্রথম সুশাসন প্রত্যয়টি ব্যবহার করা হয়।
    - ২০০০ সালে বিশ্বব্যাংক সুশাসনের চারটি স্তম্ভ ঘোষণা করে।
    - এ চারটি স্তম্ভ হল-
    • দায়িত্বশীলতা,
    • স্বচ্ছতা,
    • আইনী কাঠামো ও
    • অংশগ্রহণ।

    তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন- প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

    ১৮০.
    মূল্যবোধ শিক্ষার প্রধান ও প্রাথমিক উৎস কোনটি?
    1. বিদ্যালয়
    2. সহপাঠী
    3. পরিবার
    4. কর্মক্ষেত্র
    সঠিক উত্তর:
    পরিবার
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    পরিবার
    ব্যাখ্যা

    মূল্যবোধ:
    - মূল্যবোধ হলো মানুষের আচরণ পরিচালনাকারী মানদন্ড ও নীতি।
    - মূল্যবোধের প্রধান ও প্রাথমিক উৎস হলো পরিবার।
    - পরিবার থেকেই মূল্যবোধ শিক্ষার সূচনা হয়।
    - মূল্যবোধ শিক্ষার প্রধান প্রাতিষ্ঠানিক উৎস হলো বিদ্যালয়।
    - এছাড়া সামাজিক রীতিনীতি, প্রথা, ধর্ম, আদর্শ ইত্যাদি মূল্যবোধের অন্যতম উপাদান হিসেবে বিবেচিত।

    তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি: প্রথমপত্র, মো. মোজাম্মেল হক।

    ১৮১.
    রাষ্ট্রের সবচেয়ে প্রয়োজনীয় ও বৈধ উপকরণ কোনটি?
    1. স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা
    2. নিরপেক্ষতা ও দায়িত্বশীলতা
    3. আইনের শাসন
    4. অংশগ্রহণ
    সঠিক উত্তর:
    আইনের শাসন
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    আইনের শাসন
    ব্যাখ্যা

    ⇒ রাষ্ট্রের সবচেয়ে প্রয়োজনীয় ও বৈধ উপকরণ আইনের শাসন।

    আইনের শাসন:
    - সুশাসনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হচ্ছে আইনের শাসন।
    - এটি একটি রাষ্ট্রের সবচেয়ে প্রয়োজনীয় ও বৈধ উপকরণ।
    - মানবাধিকার নিশ্চিতকরণে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আইনের শাসন।
    - আইনের মাধ্যমেই স্বেচ্ছাচারী ক্ষমতা ও আধিপত্য রোধ করা যায়।
    - রাষ্ট্রের সংবিধান হচ্ছে একটি রাষ্ট্রের আইনের প্রধানতম উৎস।

    তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম-দশম শ্রেণি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

    ১৮২.
    মূল্যবোধের চালিকা শক্তি কোনটি?
    1. গণতন্ত্র
    2. সুশাসন
    3. সংস্কৃতি
    4. উন্নয়ন
    সঠিক উত্তর:
    সংস্কৃতি
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    সংস্কৃতি
    ব্যাখ্যা

    মূল্যবোধ:
    - সমাজ জীবনে মানুষের ব্যক্তিগত ও সমষ্টিগত আচার-আচরণ পরিচালিত ও নিয়ন্ত্রিত হয় মূল্যবোধের দ্বারা। আমাদের এ সকল কর্মকাণ্ড সংস্কৃতি দ্বারাই নিয়ন্ত্রিত হয়।
    - মূল্যবোধের মাধ্যমে সমাজভেদে মানুষের আচার-আচরণের মাঝে যে পার্থক্য পরিলক্ষিত হয় সংস্কৃতি মানুষকে তার কাঙ্ক্ষিত আচরণটি শেখায়।
    - সুতরাং সংস্কৃতি হচ্ছে মূল্যবোধের চালিকাশক্তি।

    তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন (প্রথম পত্র), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।

    ১৮৩.
    সুশাসন নিয়ে 'শ্বেতপত্র' প্রকাশ করে কোন সংস্থা?
    1. African Development Bank
    2. United Nations Development Programme
    3. International Monetary Fund
    4. European Economic Community
    সঠিক উত্তর:
    European Economic Community
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    European Economic Community
    ব্যাখ্যা

    সুশাসন ও EEC:
    - সুশাসনের অর্থ নির্ভুল, দক্ষ ও কার্যকরী শাসন।
    - সুশাসনের জন্য রাষ্ট্রের ন্যায়পরায়ণ আচরণ, দুর্নীতি ও নিপীড়নমুক্ত স্বাধীন পরিবেশ ও নিরপেক্ষ এবং স্বাধীন বিচার বিভাগ অপরিহার্য।
    - আর সুশাসনের জন্য খুব বেশি প্রয়োজন স্বাধীন ও শক্তিশালী গণমাধ্যম।
    - সুশাসনের বড় অন্তরায় দুর্নীতি।
    - সুশাসন নিয়ে 'White paper' বা 'শ্বেতপত্র' প্রকাশ করে European Economic Community (EEC)।
    - EEC, যা পরবর্তীতে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (EU) হিসেবে পরিচিত, সুশাসনের গুরুত্ব এবং এর প্রচারের জন্য বিভিন্ন নীতি গ্রহণ করেছে।
    - EEC সুশাসনকে একটি ভিত্তি হিসেবে গ্রহণ করে যার মাধ্যমে সদস্য রাষ্ট্রগুলির মধ্যে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা, ন্যায়বিচার, এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত হতে পারে।
    - এটি তার বিভিন্ন নীতিমালা, অর্থনৈতিক পরিকল্পনা, এবং সামাজিক উন্নয়ন উদ্যোগের মাধ্যমে সুশাসনের প্রচার এবং বাস্তবায়ন করে।

    তথ্যসূত্র - European Economic Community ওয়েবসাইট।