পরীক্ষা আর্কাইভ

বার কাউন্সিল এনরোলমেন্ট ⎯ ২০২৬

পরীক্ষাবার কাউন্সিল এনরোলমেন্ট ⎯ ২০২৬তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়50 minutes
মোট প্রশ্ন৮৪
সিলেবাস
Exam - 15 • Full Model Test - 09 Topic: Full Syllabus
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল এনরোলমেন্ট ⎯ ২০২৬

বার কাউন্সিল এনরোলমেন্ট ⎯ ২০২৬ · তারিখ অনির্ধারিত · ৮৪ প্রশ্ন

.
বাদী কর্তৃক সমন জারির খরচা প্রদানের ব্যর্থতার জন্য বিবাদির উপর সমন জারি করা না হলে, উক্ত দেওয়ানি মোকদ্দমা কী করা যেতে পারে?
  1. খারিজ
  2. স্থগিত
  3. মুলতবি
  4. একতরফা নিষ্পত্তি
সঠিক উত্তর:
খারিজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খারিজ
ব্যাখ্যা
আদেশ ৯ বিধি-২:
নির্ধারিত তারিখে যদি দেখা যায় যে, বাদি কোর্ট ফি প্রদান না করার কিংবা ঐরূপ সমনজারির জন্য প্রয়োজনীয় ডাক-মাশুল (যদি লাগে) না দেয়ায় বিবাদির উপর সমন জারি করা হয় নেই, তবে আদালত মোকদ্দমা খারিজের আদেশ দান করতে পারবেনঃ

তবে শর্ত থাকে যে, বিবাদির উপর সমন জারি না হলেও যদি তার হাজিরা ও জবাব দানের নির্ধারিত তারিখে সে ব্যক্তিগত বা প্রতিনিধির মারফতে হাজিরা চললে প্রতিনিধির মারফতে জন্য হাজির হয়, সেক্ষেত্রে অনুরূপ খারিজের আদেশ প্রদান করা যাবে না।
.
সাক্ষীর পরীক্ষা বা দলিল পরিদর্শনের জন্য দেওয়ানি আদালত বিচার্য বিষয় নির্ধারণ সর্বোচ্চ কত দিনের জন্য মুলতবি রাখতে পারেন?
  1. ৭ দিন
  2. ১০ দিন
  3. ১৫ দিন
  4. ৩০ দিন
সঠিক উত্তর:
১৫ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫ দিন
ব্যাখ্যা
আদেশ ১৪ বিধি-৪- আদালত বিচার্য বিষয় প্রণয়নের পূর্বে সাক্ষীকে পরীক্ষা গ্রহণ বা দলিল পরিদর্শন করতে পারেন:
যদি আদালতের মতামত হয় যে, কোনো ব্যক্তি যার উপস্থিতি আদালতে নেই অথবা কোনো নথি যা মামলায় উপস্থাপন করা হয়নি তা পরীক্ষা করা ব্যতীত বিচার্য বিষয় (issues) যথাযথভাবে নির্ধারণ করা সম্ভব নয়, তবে আদালত বিচার্য বিষয় নির্ধারণের কাজ সর্বোচ্চ পনেরো (১৫) দিনের জন্য মুলতবি রাখতে পারে।
এছাড়াও, আদালত (তৎকালীন প্রচলিত কোনো আইনের বিধান সাপেক্ষে) যার কাছে সেই ব্যক্তি বা দলিল আছে, তাকে সমন বা অন্য কোনো পদ্ধতির মাধ্যমে হাজির করতে বা দলিল পেশ করতে বাধ্য করতে পারে।

[Where the Court is of opinion that the issues cannot be correctly framed without the examination of some person not before the Court or without the inspection of some document not produced in the suit, it may adjourn the framing of the issues to a day not later than fifteen days, and may (subject to any law for the time being in force) compel the attendance of any person or the production of any document by the person in whose possession or power it is by summons or other process.]
.
দেওয়ানী কার্যবিধির ১নং আদেশের ১০(৪) নং বিধি অনুযায়ী, মোকদ্দমায় কোন নতুন বিবাদীকে যুক্ত করা হলে কী সংশোধন করতে হবে?
  1. আরজি
  2. লিখিত জবাব
  3. মামলার ডিক্রি
  4. তামাদি ফরম
সঠিক উত্তর:
আরজি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আরজি
ব্যাখ্যা
দেওয়ানী কার্যবিধির ১নং আদেশের ১০(৪) নং বিধি- বিবাদী সংযোজিত হলে আরজি সংশোধন করতে হয়:
যেক্ষেত্রে মোকদ্দমায় কোন নতুন বিবাদীকে যুক্ত করা হয়, সেক্ষেত্রে আদালত অন্য কোনরূপ নির্দেশ প্রদান না করলে, আরজি প্রয়োজন অনুযায়ী সংশোধন করতে হবে এবং সংশোধিত সমন ও আরজির নকল নতুন বিবাদীর উপর জারি করতে হবে এবং আদালত যদি উপযুক্ত মনে করে তাহলে মূল বিবাদীর উপরও জারি করতে হবে।

[Where defendant added, plaint to be amended:
Where a defendant is added, the plaint shall, unless the Court otherwise directs, be amended in such manner as may be necessary, and amended copies of the summons and of the plaint shall be served on the new defendant and, if the Court thinks fit, on the original defendant.]
.
The Court of Small Causes is subordinate to-
  1. Only the District Court
  2. Only the High Court Division
  3. the Sessions Court
  4. Both the High Court Division and District Court
সঠিক উত্তর:
Both the High Court Division and District Court
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Both the High Court Division and District Court
ব্যাখ্যা
Section-3: Subordination of Courts:
For the purposes of this Code, the District Court is subordinate to the High Court Division, and every Civil Court of a grade inferior to that of a District Court and every Court of Small Causes is subordinate to the High Court Division and District Court.

দেওয়ানি কার্যবিধির ৩ ধারার বিধান - আদালতের পর্যায়ক্রম:
এই কোডের উদ্দেশ্যে, জেলা আদালত হাইকোর্ট বিভাগের অধস্তন এবং জেলা আদালতের নিম্ন পর্যায়ের সকল দেওয়ানি আদালত এবং সকল স্মল কজ কোর্ট হাইকোর্ট বিভাগ ও জেলা আদালতের অধস্তন।
.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৭ বিধি ৫ অনুযায়ী, আরজিতে কী দেখাতে হবে?
  1. বাদীর স্বার্থ ও দাবি
  2. আদালতের এখতিয়ার
  3. বিবাদীর স্বার্থ ও দাবি
  4. বাদীর দাবীর উত্তর দিতে বিবাদী বাধ্য না
সঠিক উত্তর:
বিবাদীর স্বার্থ ও দাবি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিবাদীর স্বার্থ ও দাবি
ব্যাখ্যা
আদেশ ৭ বিধি ৫: বিবাদীর স্বার্থ ও দায়িত্ব দেখাতে হবে:
আরজিতে দেখাতে হবে যে, মোকদ্দমার বিষয়বস্তুতে বিবাদীর স্বার্থসংশ্লিষ্ট বা বিবাদী অনুরূপ স্বার্থ দাবী করে এবং আরও দেখাতে হবে যে, বাদীর দাবীর উত্তর দিতে বিবাদী বাধ্য।

[Defendant's interest and liability to be shown:
The plaint shall show that the defendant is or claims to be interested in the subject-matter, and that he is liable to be called upon to answer the plaintiff's demand.]
.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর আদেশ ২১ বিধি ৩০ এর মাধ্যমে কোন প্রকার ডিক্রি কার্যকর করা হয়?
  1. অন্তর্বর্তীকালীন ডিক্রি
  2. ঘোষণামূলক ডিক্রি
  3. অর্থ পরিশোধ সংক্রান্ত ডিক্রি
  4. নিষেধাজ্ঞামূলক ডিক্রি
সঠিক উত্তর:
অর্থ পরিশোধ সংক্রান্ত ডিক্রি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অর্থ পরিশোধ সংক্রান্ত ডিক্রি
ব্যাখ্যা
আদেশ ২১ বিধি-৩০: টাকা পরিশোধের ডিক্রি:
অন্য কোন প্রতিকারের বিকল্প হিসাবে টাকা পরিশোধের জন্য ডিক্রিসহ পরিশোধের প্রত্যেক ডিক্রি দায়িককে দেওয়ানি জেলে আটক করে কিংবা তার সম্পত্তি ক্রোক এবং বিক্রয় করে কিংবা উভয় প্রকারে জারি হতে পারে।

Rule.-30: Decree for payment of money:
Every decree for the payment of money, including a decree for the payment of money as the alternative to some other relief, may be executed by the detention in the civil prison of the judgment-debtor, or by the attachment and sale of his property, or by both.
.
আদেশ ৪০, বিধি ৪ অনুসারে সম্পত্তি বিক্রির পর অবশিষ্ট টাকা কাকে প্রদান করা হবে?
  1. রিসিভারকে
  2. আদালতকে
  3. মূল মামলার বাদীকে
  4. সরকারের কোষাগারে জমা হবে
সঠিক উত্তর:
রিসিভারকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রিসিভারকে
ব্যাখ্যা
আদেশ ৪০ বিধি-৪: রিসিভারের দায়িত্ব বলবৎকরণ:
যেক্ষেত্রে রিসিভার-
ক) আদালতের নির্দেশিত সময়ে এবং ফরমে তার হিসাবাদি দাখিল করতে ব্যর্থ হয়, অথবা
খ) তার নিকট থেকে প্রাপ্য টাকা আদালতের নির্দেশ মতে পরিশোধ করতে ব্যর্থ হয়, বা
গ) তার ইচ্ছামত বরখেলাপ বা গুরুতর অবহেলার জন্য সম্পত্তির ক্ষতিসাধিত হয়, সেক্ষেত্রে আদালত তার সম্পত্তি ক্রোকের নির্দেশ দিতে পারে এবং অনুরূপ সম্পত্তি বিক্রয় করতে পারে এবং বিক্রয়লব্ধ অর্থ দ্বারা তার নিকট থেকে প্রাপ্য টাকা পরিশোধ করতে বা তার দ্বারা সাধিত অনিষ্টের খেসারত প্রদানে ব্যবহার করতে পারে এবং অবশিষ্ট টাকা (যদি কোন) রিসিভারের নিকট প্রদান করবে।
.
দেওয়ানী কার্যবিধির __________ অনুসারে, আরজি দাখিলের মাধ্যমে মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে।
  1. আদেশ ১, বিধি ১
  2. আদেশ ২, বিধি ১
  3. আদেশ ৩, বিধি ১
  4. আদেশ ৪, বিধি ১
সঠিক উত্তর:
আদেশ ৪, বিধি ১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ ৪, বিধি ১
ব্যাখ্যা
• আদেশ ৪ বিধি ১: মোকদ্দমা আরজি দাখিলের মাধ্যমে দায়ের করতে হবে:

১) আদালত অথবা তৎকর্তৃক এতদুদ্দেশ্যে নিযুক্ত কর্মকর্তার নিকট, আরজি উপস্থাপন করার মাধ্যমে প্রত্যেকটি মোকদ্দমা দাখিল করতে হবে এবং আরজি সংশ্লিষ্ট যতজন বিবাদী থাকে, ততগুলো আরজির অবিকল নকল অনুরূপ সকল বিবাদীর উপর পরোয়ানা জারি করার জন্য পেশ করতে হবে।
১ক) মোকদ্দমার ক্ষেত্রে পরোয়ানা জারি করার জন্য নির্ধারিত প্রদেয় কোর্ট ফি আরজি দাখিল করার সময় এবং অন্যান্য কার্যক্রমের ক্ষেত্রে যখন সমন ব্যবহার করা হয় তখন পরিশোধ করতে হবে।
১খ) সমনের একটি নকলসহ প্রত্যেক বিবাদীর জন্য সকল বিবাদীর পূর্ণ ও সঠিক ঠিকানা যুক্ত যথোচিত খামে আগাম প্রদত্ত প্রাপ্তি স্বীকারপত্র আরজির সঙ্গে বাদীকে পেশ করতে হবে।

২) ৬ষ্ঠ ও ৭ম আদেশের বিধিসমূহ যতদূর প্রযোজ্য হয়, তদনুসারে প্রত্যেকটি আরজি প্রণয়ন করতে হবে।
.
দেওয়ানি কার্যবিধির ১৪৪ ধারায় প্রত্যর্পণের উদ্দেশ্য কী?
  1. মামলা স্থগিত করা
  2. ডিক্রি পুনরায় জারি করা
  3. পক্ষগণকে ক্ষতিপূরণ দেয়া
  4. পক্ষগণকে পুরনো অবস্থায় ফিরিয়ে দেয়া
সঠিক উত্তর:
পক্ষগণকে পুরনো অবস্থায় ফিরিয়ে দেয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পক্ষগণকে পুরনো অবস্থায় ফিরিয়ে দেয়া
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ১৪৪ ধারা: প্রত্যর্পণের দরখাস্ত:
(১) যে ক্ষেত্রে কোন - ডিক্রির পরিবর্তন বা রদ করা হয়, সে ক্ষেত্রে সুবিধা পাওয়ার অধিকারী কোন পক্ষের আবেদনক্রমে, প্রাথমিক আদালত -(ডিক্রি প্রদানকারী আদালত) এরূপ প্রত্যর্পণের ব্যবস্থা করবেন, যাতে উক্ত ডিক্রি আদৌ প্রদত্ত না হলে পক্ষগণ যে অবস্থায় থাকতেন তাদেরকে সেই অবস্থায় স্থাপন করবেন এবং এই উদ্দেশ্যে আদালত ডিক্রি রদবদলের দরুন উদ্ভূত পরিস্থিতিতে প্রার্থীকে তার প্রাপ্য মোকদ্দমার খরচ, সুদ, ক্ষতিপূরণ ও অন্তর্বর্তীকালীন মুনাফা পরিশোধসহ আদালত যথোপযুক্ত আদেশ দান করতে পারেন।

(২) উপধারা (১) অনুসারে আবেদন করে প্রত্যর্পণ বা অন্য কোন প্রতিকার পাওয়া গেলে, এই উদ্দেশ্যে কোন মোকদ্দমা দায়ের করা চলবে না।
১০.
আদেশ ১২, বিধি ৬ এর অধীনে রায় প্রদান করা যেতে পারে-
  1. শুধুমাত্র চূড়ান্ত শুনানির পর
  2. যখন কোনো পক্ষ স্বীকারোক্তি দেয়
  3. যখন কোনো পক্ষ অনুরোধ করে
  4. উচ্চতর আদালত আদেশ দিলে
সঠিক উত্তর:
যখন কোনো পক্ষ স্বীকারোক্তি দেয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যখন কোনো পক্ষ স্বীকারোক্তি দেয়
ব্যাখ্যা
• আদেশ ১২ বিধি ৬- স্বীকারোক্তির উপর রায়:
যখন আরজি জবাবে কিংবা অন্যপ্রকারে কোন ঘটনা সম্পর্কে স্বীকারোক্তি করা হয়েছে তদক্ষেত্রে মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে যে কোন পক্ষ আদালতে এ মর্মে আবেদন করতে পারে যে, পক্ষগণের মধ্যে অন্য কোন প্রশ্ন নির্ধারণের জন্য অপেক্ষা না করে, উপরের স্বীকারোক্তি যতদূর তার পক্ষে হয়েছে, সে পর্যন্ত রায় কিংবা আদেশ দান করা হোক। এবং আদালত অনুরূপ আবেদনক্রমে যেরূপ সঙ্গত মনে করতে পারে, সেরূপ রায় কিংবা আদেশ দিতে পারে।

Order-12 Rule-6: Judgment on admissions:
Any party may, at any stage of a suit, where admissions of fact have been made, either on the pleadings or otherwise, apply to the Court for such judgment or order as upon admissions he may be entitled to, without waiting for the determination of any other question between the parties: and the Court may upon such application make such order or give such judgment, as the Court may think just.
১১.
'ক', 'খ' এর বিরুদ্ধে আদালতে একটি দেওয়ানি মোকদ্দমা দায়ের করে। উক্ত মোকদ্দমা একাধিক আদালতে দায়েরযোগ্য। এক্ষেত্রে, দেওয়ানি কার্যবিধির ২২ ধারার অধীনে মোকদ্দমা স্থানান্তরের আবেদন করতে পারবে-
  1. 'ক'
  2. 'খ'
  3. মোকদ্দমা দায়েরকৃত আদালত
  4. 'ক' এবং 'খ' উভয়
সঠিক উত্তর:
'খ'
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'খ'
ব্যাখ্যা
- এক্ষেত্রে, মোকদ্দমা স্থানান্তরের আবেদন শুধুমাত্র বিবাদী 'খ' করতে পারে।

দেওয়ানি কার্যবিধির ২২ ধারায় শুধুমাত্র বিবাদী মোকদ্দমা স্থানান্তরের আবেদন করতে পারে যদি মোকদ্দমাটি দুই বা ততোধিক আদালতের যে কোন একটিতে দায়েরযোগ্য হয় এবং তার মধ্যে যে কোন একটি আদালতে দায়ের করা হয়।

• যখন আবেদন করতে পারে:
যে কোন বিবাদী অপর পক্ষকে নোটিশ দিয়ে প্রথম সম্ভাব্য সুযোগে (At the earliest possible opportunity) এবং যে ক্ষেত্রে মোকদ্দমার বিচার্য বিষয় নির্ধারণ হয়ে গেছে, সেই ক্ষেত্রে বিচার্য বিষয় নির্ধারণের সময় বা তার পূর্বে অপর একটি আদালতে স্থানান্তরের জন্য আবেদন করতে পারবে। আদালত এইরুপ আবেদন পাওয়ার পর অপর পক্ষের আপত্তি (যদি থাকে) শ্রবণ করে এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতসমূহের কোনটিতে মামলা অগ্রসর হবে তা স্থির করবে।
১২.
দেওয়ানি কার্যবিধির ৫৬ ধারায় কোন ডিক্রি জারির ক্ষেত্রে মহিলাকে গ্রেপ্তার বা আটক করা যাবে না?
  1. সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত
  2. ঘোষণামূলক ডিক্রি
  3. টাকা পরিশোধের ডিক্রি
  4. সম্পত্তি হস্তান্তরের ডিক্রি
সঠিক উত্তর:
টাকা পরিশোধের ডিক্রি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টাকা পরিশোধের ডিক্রি
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ৫৬ ধারা- টাকার ডিক্রি জারিতে মহিলাকে গ্রেফতারের বা আটকের বাধা-নিষেধ:
এই খণ্ডে অন্য কোন বিধান থাকা সত্ত্বেও আদালত টাকা পরিশোধের জন্য ডিক্রি জারির জন্য কোন মহিলাকে দেওয়ানি জেলে গ্রেপ্তার বা আটক রাখার আদেশ প্রদান করবে না।

Section 56- Prohibition of arrest or detention of women in execution of decree for money:
Notwithstanding anything in this Part, the Court shall not order the arrest or detention in the civil prison of a woman in execution of a decree for the payment of money.
১৩.
আদালত দেওয়ানি কার্যবিধির কোন বিধিবলে নিষেধাজ্ঞার আদেশ বাতিল, পরিবর্তন ও রদ করতে পারে?
  1. আদেশ ৩৮ বিধি-৪
  2. আদেশ ৩৮ বিধি-৬
  3. আদেশ ৩৯ বিধি-৪
  4. আদেশ ৩৯ বিধি-৬
সঠিক উত্তর:
আদেশ ৩৯ বিধি-৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ ৩৯ বিধি-৪
ব্যাখ্যা
আদেশ ৩৯ বিধি-৪: নিষেধাজ্ঞার আদেশ মুক্ত, পরিবর্তন বা বাতিল হতে পারে:
নিষেধাজ্ঞার কোন আদেশ অনুরূপ আদেশে কোন পক্ষ অসন্তুষ্ট হলে সে পক্ষের আবেদনক্রমে আদালত কর্তৃক উক্ত নিষেধাজ্ঞার আদেশ মুক্ত বা পরিবর্তন বা বাতিল হতে পারে।

Rule.-4: Order for injunction may be discharged, varied or set aside:
Any order for an injunction may be discharged, or varied, or set aside by the Court, on application made thereto by any party dissatisfied with such order.
১৪.
প্লিডিংস সংশোধনের আদেশে যদি কোনো নির্দিষ্ট সময় উল্লেখ না থাকে, তাহলে সর্বোচ্চ কত দিনের মধ্যে সংশোধন না করলে পরে আর সংশোধন করার অনুমতি পাবেন না?
  1. ৭ দিন
  2. ১০ দিন
  3. ১৪ দিন
  4. ২১ দিন
সঠিক উত্তর:
১৪ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪ দিন
ব্যাখ্যা
→ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-৬ বিধি-১৮: আদেশ প্রদানের পরে সংশোধন করতে ব্যর্থ হলে:
কোন পক্ষ আরজি জবাব সংশোধনের অনুমতি সূচক আদেশ লাভ করার পর যদি আদেশ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তা সংশোধন না করে অথবা আদেশে কোন সময় নির্ধারণ করা না হলে আদেশের তারিখ হতে চৌদ্দ দিনের মধ্যে যদি সংশোধন না করেন, তবে উক্ত নির্ধারিত সময় অতিক্রান্ত হওয়ার পর তিনি সংশোধন করার অনুমতি পাবেন না, যদি না আদালত উক্ত মেয়াদ বর্ধিত করে থাকেন।

Order-6 Rule-18: Failure to amend after order:
If a party who has obtained an order for leave to amend does not amend accordingly within the time limited for that purpose by the order, or if no time is thereby limited then within fourteen days from the date of the order, he shall not be permitted to amend after the expiration of such limited time as aforesaid or of such fourteen days, as the case may be, unless the time is extended by the Court.
১৫.
আদালতের অনুমতি ব্যতীত বাদী মোকদ্দমা প্রত্যাহার করলে, উক্ত বাদী আদেশ ২৩ বিধি-১ অনুসারে -
  1. দণ্ডিত হবে
  2. মোকদ্দমার খরচাদির জন্য দায়ী হবে
  3. মোকদ্দমার খরচাদির জন্য দায়ী হবে না
  4. মামলা পুনরায় রুজু করতে পারবে
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমার খরচাদির জন্য দায়ী হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমার খরচাদির জন্য দায়ী হবে
ব্যাখ্যা
আদেশ ২৩ বিধি-১: মোকদ্দমা প্রত্যাহার কিংবা দাবীর আংশিক পরিত্যাগ:
১) মোকদ্দমা রুজু হওয়ার পর যে কোন সময় বাদী সকল বা যে কোন বিবাদির বিরুদ্ধে তার মোকদ্দমা প্রত্যাহার করতে কিংবা তার দাবীর আংশিক পরিত্যাগ করতে পারবে।

২) যেক্ষেত্রে আদালতের নিকট এটি সন্তোষজনক হয় যে,-
ক) কিছু রীতিসিদ্ধ ত্রুটির কারণে অবশ্যই ব্যর্থ হবে; অথবা
খ) মোকদ্দমার বিষয়বস্তুর জন্য বা কোন দাবীর অংশের জন্য নতুনভাবে মোকদ্দমা রুজুর জন্য বাদীকে অনুমতি প্রদান করার অন্যান্য যথেষ্ট অজুহাত থাকে, সেক্ষেত্রে আদালত উপযুক্ত মনে করে এরূপ শর্তে বাদীকে উক্ত মোকদ্দমার বিষয়বস্তু বা কোন বাদীর উক্ত অংশ সম্পর্কে নতুনভাবে মোকদ্দমা রুজু করার স্বাধীনতাসহ উক্ত মোকদ্দমা থেকে প্রত্যাহার করার বা দাবীর আংশিক পরিত্যাগ করার অনুমতি মঞ্জুর করতে পারে।

৩) যেক্ষেত্রে উপবিধি (২) এ দায়েরে অনুমতি ব্যতীত বাদী মোকদ্দমা প্রত্যাহার করে বা দাবীর আংশিক পরিত্যাগ করে সেক্ষেত্রে সে আদালতের সিদ্ধান্ত অনুসারে মোকদ্দমার খরচাদির জন্য দায়ী হবে এবং উক্ত বিষয়বস্তু বা আংশিক দাবী সম্পর্কে নতুনভাবে কোন মোকদ্দমা রুজু করতে বারিত হবে।

৪) এই বিধির কোন কিছুই আদালতকে কতিপয় বাদীর মধ্যে থেকে একজন কর্তৃক অন্যদের সম্মতি ব্যতীত মোকদ্দমা প্রত্যাহার করার অনুমতি দিতে ক্ষমতা প্রদান করবে বলে বিবেচিত হবে না।
১৬.
রায়ের পূর্বে সম্পত্তি ক্রোক করা হলে আদেশ ৩৮, বিধি ১০ এর বিধান অনুযায়ী তা কার স্বার্থ ক্ষুণ্ণ করে না?
  1. আদালতের
  2. ডিক্রিদারের
  3. দায়িকের
  4. মোকদ্দমায় পক্ষ নয় এরূপ ব্যক্তিদের
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমায় পক্ষ নয় এরূপ ব্যক্তিদের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমায় পক্ষ নয় এরূপ ব্যক্তিদের
ব্যাখ্যা
আদেশ ৩৮ বিধি-১০: রায়ের পূর্বে ক্রোক আগন্তুকের স্বার্থ ক্ষুণ্ণ করে না বা ডিক্রিদারকে বিক্রয়ের আবেদন করতে বারিত করে না:
রায়ের পূর্বে ক্রোক দ্বারা মোকদ্দমায় পক্ষ নয় এরূপ ব্যক্তিদের ক্রোকের পূর্বে বিদ্যমান স্বার্থ ক্ষুণ্ণ হবে না, বা ডিক্রির অধিকারী কোন ব্যক্তির বিবাদীর বিরুদ্ধে উক্ত ডিক্রি জারিতে ক্রোকের অধীন সম্পত্তি বিক্রয়ে আবেদন করতে বারিত করবে না।

Order 38 Rule 10: Attachment before judgment not to affect rights of strangers not bar decree-holder from applying for sale:
Attachment before judgment shall not affect the rights, existing prior to the attachment, of persons not parties to the suit, nor bar any person holding a decree against the defendant from applying for the sale of the property under attachment in execution of such decree.
১৭.
যদি নিঃস্ব বাদীর মৃত্যুজনিত কারণে মোকদ্দমা বাতিল হয়ে যায়, তবে আদালত আদেশ ৩৩ বিধি ১১ক এর অধীন কোন বিষয়ে আদেশ দিতে পারে?
  1. নতুন বাদী নিযুক্ত করার
  2. বাদীর উত্তরাধিকারীদের দায়মুক্তির
  3. মৃত বাদীর কোর্ট ফি মওকুফের
  4. মৃত বাদীর সম্পত্তি থেকে কোর্ট ফি আদায়ের
সঠিক উত্তর:
মৃত বাদীর সম্পত্তি থেকে কোর্ট ফি আদায়ের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৃত বাদীর সম্পত্তি থেকে কোর্ট ফি আদায়ের
ব্যাখ্যা
আদেশ ৩৩ বিধি-১১ক: নিঃস্ব ব্যক্তির মোকদ্দমা বাতিল হলে কার্যপদ্ধতি:
যেক্ষেত্রে মোকদ্দমাটি নিঃস্ব বাদী বা যুক্ত কোনো সহ-বাদীর মৃত্যুজনিত কারণে মোকদ্দমা বাতিল (abate) হয়ে যায়, তাহলে আদালত আদেশ দিবে যে, যদি বাদী নিঃস্ব হিসেবে মোকদ্দমা করার অনুমতি না পেতেন তবে যে পরিমাণ আদালত ফি (court-fee) প্রদান করতে হতো, তা সরকার মৃত বাদীর সম্পত্তি থেকে আদায় করতে পারবে।

Rule.-11A: Procedure where pauper suit abates:
Where the suit abates by reason of the death of the plaintiff or of any person added as a co-plaintiff the Court shall order that the amount of court-fees which would have been paid by the plaintiff if he had not been permitted to sue as a pauper shall be recoverable by the Government from the estate of the deceased plaintiff.
১৮.
যদি দেওয়ানি আপিল আদালত অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণ করে, তবে আদালত অবশ্যই-
  1. বাদীপক্ষের অনুমতি নিবে
  2. হাইকোর্টের অনুমতি নিবে
  3. সাক্ষ্য গ্রহণের খরচ লিপিবদ্ধ করবে
  4. সাক্ষ্য গ্রহণের কারণ লিপিবদ্ধ করবে
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য গ্রহণের কারণ লিপিবদ্ধ করবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য গ্রহণের কারণ লিপিবদ্ধ করবে
ব্যাখ্যা
আদেশ ৪১ বিধি-২৭: আপিল আদালতে অতিরিক্ত সাক্ষ্য প্রদান:
১) আপিলের পক্ষগণ আপিল আদালতে মৌখিক কিংবা দালিলিক কোন প্রকার অতিরিক্ত সাক্ষ্য-প্রমাণ উপস্থাপন অধিকারী হবে না। কিন্তু যদি-
ক) যে আদালতের ডিক্রী হতে আপিল দায়ের করা হয়েছে, সে আদালত এরূপ কোন সাক্ষ্য- প্রমাণ গ্রহণ করতে অস্বীকার করেছে যা গ্রহণ করা উচিত ছিল; বা

খ) রায় প্রচারের সুবিধার্থে বা অন্য কোন গুরুত্বপূর্ণ কারণে আপিল আদালত কোন দলিল উপস্থাপন করা বা কোন সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করার প্রয়োজন মনে করে, তবে আপিল আদালত অনুরূপ সাক্ষ্য বা দলিল উপস্থাপন করা অনুমতি দিতে পারে বা সাক্ষীকে পরীক্ষা করতে পারে।

২) যেক্ষেত্রে আপিল আদালত অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণের অনুমতি দিবে, সেক্ষেত্রে আদালত সেটি গ্রহণ সম্পর্কে কারণ লিপিবদ্ধ করবে।
১৯.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর Order 20 Rule 6 অনুযায়ী, কোনটির সাথে ডিক্রির সাদৃশ্য থাকবে?
  1. আরজি
  2. রায়
  3. সমন
  4. লিখিত জবাব
সঠিক উত্তর:
রায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রায়
ব্যাখ্যা
আদেশ ২০ বিধি ৬: ডিক্রির বিষয়সমূহ:
১) রায়ের সাথে ডিক্রির সাদৃশ্য থাকবে; এতে মোকদ্দমার নম্বর, পক্ষগণের নাম ও বিবরণ এবং দাবীর বিবরণ অন্তর্ভুক্ত থাকবে এবং মঞ্জুরীকৃত প্রতিকার বা মোকদ্দমার অন্যান্য সিদ্ধান্তের পরিস্কার উল্লেখ থাকবে।
২) মোকদ্দমাতে কি পরিমাণ ব্যয় হয়েছে এবং কার দ্বারা এবং কোন সম্পত্তি থেকে এবং উক্ত ব্যয়ের কি অনুপাতে দিতে হয় সেটাও ডিক্রিতে বিবৃত থাকবে।
৩) আদালত নির্দেশ প্রদান করতে পারে যে, একপক্ষ কর্তৃক অপরপক্ষে দেয় খরচাদির পূর্ববর্তী পক্ষ হতে পরবর্তী অপর পক্ষের স্বীকৃত পাওনা কোন অংকের পারস্পরিক দায় পরিশোধিত হবে।
২০.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কত ধারা অনুসারে, আদালত ন্যায় বিচারের স্বার্থে সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনসহ ক্ষতিপূরণ প্রদানের আদেশ দিতে পারে?
  1. ১৫ ধারা
  2. ১৯ ধারা
  3. ২৯ ধারা
  4. ৩৭ ধারা
সঠিক উত্তর:
১৯ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৯ ধারার বিধান- কতিপয় ক্ষেত্রে ক্ষতিপূরণ মঞ্জুরের ক্ষমতা:
কোন ব্যক্তি যে চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের জন্য মামলা দায়ের করেছে, সে হয় তেমন কাজ সম্পাদনের অতিরিক্ত অথবা তার পরিপূরক হিসেবে চুক্তিভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণ দাবি করতে পারে।
যদি তেমন কোন মামলায় আদালত সিদ্ধান্ত করেন যে, সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদন মঞ্জুর করা আবশ্যক, কিন্তু মামলার ন্যায়বিচারের জন্য এটুকুই যথেষ্ট নয় এবং চুক্তিভঙ্গের জন্য বাদীকে কিছু ক্ষতিপূরণ প্রদান করাও প্রয়োজন, তা হলে আদালত সে অনুসারে তার জন্য ক্ষতিপূরণ মঞ্জুর করবেন।

- এই ধারা অনুসারে যে ক্ষতিপূরণ মঞ্জুর করা হবে তা আদালত কর্তৃক নির্দেশিত পন্থায় নিরূপণ করা যেতে পারে।

ব্যাখ্যা- চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদন করার অনুপযোগী হয়ে পড়েছে এমন পরিস্থিতি আদালত কর্তৃক এই ধারা অর্পিত এখতিয়ার প্রয়োগকে বাধাগ্রস্ত করে না।
২১.
A, B-এর কাছ থেকে একটি মৃত চিত্রশিল্পীর আঁকা ছবি কেনার জন্য সম্মত হয়। এই চুক্তিতে B-ও সম্মত হয় বিক্রির জন্য। পরে B ছবি হস্তান্তর করতে অস্বীকৃতি জানায়। এক্ষেত্রে, A আদালতের মাধ্যমে B-কে-
  1. ছবি হস্তান্তরের আদেশ দিতে বাধ্য করতে পারে না
  2. ক্ষতিপূরণ দিতে বাধ্য করতে পারে
  3. বিকল্প প্রতিকার দিতে বাধ্য করতে পারে
  4. ছবি হস্তান্তরের আদেশ দিতে বাধ্য করতে পারে
সঠিক উত্তর:
ছবি হস্তান্তরের আদেশ দিতে বাধ্য করতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ছবি হস্তান্তরের আদেশ দিতে বাধ্য করতে পারে
ব্যাখ্যা
⇒ এই ধরনের বস্তু (বিরল ও অদ্বিতীয় জিনিস) সহজে প্রতিস্থাপনযোগ্য নয়, এবং এর ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণের জন্য কোনো মানদণ্ড নেই। তাই A আদালতের মাধ্যমে B-কে specific performance (চুক্তি অনুযায়ী সম্পত্তি হস্তান্তরের আদেশ) দিতে বাধ্য করতে পারে।

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ধারা ১২ অনুসারে,
এ অধ্যায়ে অন্যভাবে বিধিবদ্ধ না থাকে, তবে যে কোন চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে নিম্নবর্ণিত ক্ষেত্রে আদায় করা যেতে পারে-
(ক) যখন সম্মতিভুক্ত কাজ সম্পাদন পুরোপুরি বা অংশত একটি জিম্মার অন্তর্ভুক্ত হয়;
(খ) যখন সম্মতিভূক্ত কাজ সম্পাদন না করলে কার্যত যে ক্ষতি সাধিত হবে, তার নির্ণয় করার কোন মানদণ্ডের অস্তিত্ব থাকে না;
(গ) যখন সম্মতিভূক্ত কাজ এমন হয় যে, তা সম্পাদন না করে আর্থিক ক্ষতিপূরণের মাধ্যমে পর্যাপ্ত প্রতিকার লাভ করা যায় না; অথবা
(ঘ) যখন এই সম্ভাবনা থাকে যে, সম্মতিভুক্ত কাজ সম্পাদন না করার জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ পাওয়া যাবে না।

ব্যাখ্যা:
যদি না এবং যতক্ষণ পর্যন্ত না বিপরীত কিছু প্রমাণিত হয়, আদালত এটা অবশ্যই ধরে নিবে যে, স্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তরের চুক্তিভঙ্গের পর্যাপ্ত প্রতিকার আর্থিক ক্ষতিপূরণের মাধ্যমে সম্ভব নয় এবং অস্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তরের চুক্তিভঙ্গের প্রতিকার তেমন ভাবে করা যায়।
২২.
'Preventing a party from doing that which he is under an obligation not to do' – এটিকে কোন ধরণের প্রতিকার বলে গণ্য করা হয়?
  1. আদেশাত্মক প্রতিকার
  2. নিরোধমূলক প্রতিকার
  3. প্রতিশোধমূলক প্রতিকার
  4. ন্যায়পরভিত্তিক প্রতিকার
সঠিক উত্তর:
নিরোধমূলক প্রতিকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিরোধমূলক প্রতিকার
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন ৫ ধারা মতে, সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদান করা হয় ৫ ভাবে যথা- 
(ক) সুনির্দিষ্ট সম্পত্তির দখল গ্রহণ এবং তা দাবিদারকে প্রদানের মাধ্যমে;
(খ) কোন কাজ করতে বাধ্য এমন কোন পক্ষকে ঐ কাজ করার আদেশ প্রদানের মাধ্যমে;
(গ) কোন কাজ না করতে বাধ্য এমন কোন পক্ষকে তা করা হতে বিরত রাখার মাধ্যমে;
(ঘ) ক্ষতিপূরণের রোয়েদাদ ব্যতীত পক্ষসমূহের অধিকার নির্ণয় এবং ঘোষণার মাধ্যমে; অথবা
(ঙ) রিসিভার নিয়োগের মাধ্যমে।
 
 ⇒ সুতরাং সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫ ধারামতে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের অধীন মোট ৫ প্রকার সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদান করা হয় যার মধ্যে ৪টি আদেশাত্মক প্রতিকার এবং ১টি নিষেধাত্মক বা নিরোধমূলক বা প্রতিরোধমূলক প্রতিকার (Preventive Relief)।
 
 ⇒ ৫ ধারার ক, খ, ঘ এবং ও অনুচ্ছেদের ৪টি প্রতিকার হলো আদেশাত্মক প্রতিকার। অন্যদিকে, ৫ ধারার গ অনুচ্ছেদের (কোন কাজ না করতে বাধ্য এমন কোন পক্ষকে তা করা হতে বিরত রাখা) প্রতিকারটি নিরোধমূলক বা প্রতিরোধমূলক প্রতিকার (Preventive Relief)
২৩.
'ভুলের জন্য চুক্তি রদ'- কোন শর্তের ওপর নির্ভরশীল?
  1. যদি ভুলটি পারস্পরিক হয়ে থাকে
  2. ভুলটি প্রতারণার মাধ্যমে করা হয়ে থাকলে
  3. পক্ষগণ চুক্তির পূর্বের অবস্থায় ফিরে আসতে পারবে
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
পক্ষগণ চুক্তির পূর্বের অবস্থায় ফিরে আসতে পারবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পক্ষগণ চুক্তির পূর্বের অবস্থায় ফিরে আসতে পারবে
ব্যাখ্যা
ধারা ৩৬: ভুলবশত চুক্তি বাতিল (Rescission for mistake)-
কোন চুক্তি কেবলমাত্র "ভুল" (mistake)-এর কারণে বাতিল (rescission) ঘোষণা করা যাবে না, যদি না যার বিরুদ্ধে চুক্তি বাতিলের আদেশ দেয়া হচ্ছে, তাকে এমন অবস্থায় পুনঃস্থাপন করা সম্ভব হয়—যেন উক্ত চুক্তিটি আদৌ সম্পাদিত হয়নি।

The Specific Relief Act, 1877: Section-36- Rescission for mistake:
Rescission of a contract in writing cannot be adjudged for mere mistake unless the party against whom it is adjudged can be restored to substantially the same position as if the contract had not been made.
২৪.
A temporary injunction continues until-
  1. The judgment is delivered
  2. The appeal is filed
  3. The plaintiff withdraws the case
  4. A fixed time or further order of the Court
সঠিক উত্তর:
A fixed time or further order of the Court
উত্তর
সঠিক উত্তর:
A fixed time or further order of the Court
ব্যাখ্যা
Section-53. Temporary injunctions, Perpetual injunctions:

Temporary injunctions:
Temporary injunctions are such as are to continue until a specified time, or until the further order of the Court. They may be granted at any period of a suit, and are regulated by the Code of Civil Procedure.

Perpetual injunctions:
A perpetual injunction can only be granted by the decree made at the hearing and upon the merits of the suit: the defendant is thereby perpetually enjoined from the assertion of a right, or from the commission of an act, which would be contrary to the rights of the plaintiff.

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন ৫৩ ধারার বিধান:

অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা:
অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা হচ্ছে তেমন নিরোধ যা একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত অথবা আদালতের পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত কার্যকর থাকে। মামলার যেকোনো পর্যায়েই তা মঞ্জুর করা যায় এবং তা দেওয়ানি কার্যবিধি কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত হয়।

চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা:
চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা কেবল মাত্র শুনানির পর মামলার গুণাগুণের ভিত্তিতে প্রদত্ত ডিক্রি দ্বারাই মঞ্জুর করা যায়। এর মাধ্যমে প্রতিবাদীকে চিরস্থায়ীভাবে এমন একটি অধিকার প্রয়োগ হতে বা এমন একটি কাজ করা হতে বিরত থাকার নির্দেশ প্রদান করা হয়। যা বাদীর অধিকারের বিপরীত হতে পারে।
২৫.
'ক', 'খ' এর নিকট একটি মাঠ বিক্রয় করে। মাঠটির উপর দিয়ে জনসাধারনের চলাচলের অধিকার ছিল, যা সম্পর্কে 'ক' এর সরাসরি ব্যক্তিগত জ্ঞান ছিল কিন্তু সে সেটা 'খ' এর নিকট হতে গোপন রেখেছিল। এই ক্ষেত্রে-
  1. 'ক' চুক্তিটি রদ করার অধিকারী
  2. ‘খ’ শুধু ক্ষতিপূরণ পাবার অধিকারী
  3. 'খ' চুক্তিটি রদ করার অধিকারী
  4. 'ক' চুক্তিটি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যসম্পাদনের অধিকারী
সঠিক উত্তর:
'খ' চুক্তিটি রদ করার অধিকারী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'খ' চুক্তিটি রদ করার অধিকারী
ব্যাখ্যা
- এই ক্ষেত্রে 'খ' সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৫ ধারার বিধান অনুযায়ী চুক্তিটি রদ করার অধিকারী।

• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৫ ধারার বিধান: বিচারপূর্বক যখন রদ করা যায়-
লিখিত চুক্তিতে স্বার্থসংশ্লিষ্ট যেকোন ব্যক্তি তা রদ করার জন্য মামলা দায়ের করতে পারে এবং আদালত নিম্নোক্ত যেকোন ক্ষেত্রে বিচারপূর্বক চুক্তি রদ করতে পারেন:
(ক) যেখানে চুক্তি বাতিলযোগ্য অথবা বাদী কর্তৃক সমাপনীয়;
(খ) যেখানে আপাতত দৃশ্যমান নয় এমন কারণে চুক্তি অবৈধ এবং বাদীর চেয়ে প্রতিবাদীকেই দোষী করা যায় বেশি;
(গ) যেখানে একটি বিক্রয়চুক্তি বা একটি ইজারা গ্রহণের চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের জন্য ডিক্রি প্রদান করা হয়েছে এবং ক্রেতা ইজারাদার ক্রয়মূল্য বা অপরাপর অর্থ পরিশোধে ব্যর্থ হয়েছে।

যখন ক্রেতা বা ইজারাদার বিষয়বস্তুর দখলকারী থাকে এবং আদালত তেমন দখল অন্যায় মনে করেন সেখানে আদালত তাকে তেমন দখলকারী হিসাবে কোন লাভ বা ভাড়া পেয়ে থাকলে তা বিক্রেতা বা ইজারাদাতাকে প্রদানের নির্দেশ প্রদান করতে পারেন।

একই ক্ষেত্রে, আদালত সে মামলায়ই আদেশ কর্তৃক যাতে ডিক্রি প্রদান করা হয়েছিল, কিন্তু তদমোতাবেক কাজ করা হয়নি, হয় কর্তব্য অবহেলাকারী পক্ষের বেলায় বা অসম্পূর্ণ চুক্তিই মামলার ন্যায়বিচারের আবশ্যকতা মোতাবেক রদ করে দিতে পারেন।
২৬.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কত ধারায় ত্রুটিপূর্ণ স্বত্ব সম্পন্ন বিক্রেতার বিরুদ্ধে ক্রেতার অধিকারের কথা বলা হয়েছে?
  1. ১৭ ধারায়
  2. ১৮ ধারায়
  3. ১৯ ধারায়
  4. ২০ ধারায়
সঠিক উত্তর:
১৮ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮ ধারায়
ব্যাখ্যা
ধারা ১৮ – বিক্রেতার অসম্পূর্ণ মালিকানা থাকলে ক্রেতার অধিকার (Specific Relief Act):
যদি কেউ কোন স্থাবর সম্পত্তি বিক্রয় বা ভাড়া দেওয়ার চুক্তি করে এবং তার মালিকানা সম্পূর্ণ না থাকে (অর্থাৎ অসম্পূর্ণ মালিকানা থাকে), তাহলে ক্রেতা বা ভাড়াটে নিম্নোক্ত অধিকার ভোগ করবেন (যদি এই অধ্যায়ে অন্যথা কিছু না বলা থাকে):

(ক) যদি বিক্রেতা বা ভাড়াদাতা বিক্রয় বা ভাড়ার পর সম্পত্তিতে কোন স্বত্ব অর্জন করেন, তাহলে ক্রেতা বা ভাড়াটে তাকে সেই স্বত্ব ব্যবহার করে চুক্তি পূরণ করতে বাধ্য করতে পারেন।

(খ) যদি সম্পত্তির বৈধ মালিকানা নিশ্চিত করতে অন্য কারো সম্মতির প্রয়োজন হয় এবং তারা বিক্রেতার অনুরোধে সম্মতি দিতে বাধ্য থাকে, তাহলে ক্রেতা বিক্রেতাকে সেই সম্মতি সংগ্রহ করতে বাধ্য করতে পারেন।

(গ) যদি বিক্রেতা সম্পত্তিকে মুক্ত বলে দাবি করেন, কিন্তু তা বন্ধক থাকে (এবং বন্ধকের পরিমাণ ক্রয়মূল্যের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে), তাহলে ক্রেতা বিক্রেতাকে সেই বন্ধক মুক্ত করতে এবং বন্ধকদাতার কাছ থেকে দলিল গ্রহণ করতে বাধ্য করতে পারেন।

(ঘ) যদি বিক্রেতা বা ভাড়াদাতা specific performance মামলা করেন এবং সেই মামলা তার অসম্পূর্ণ মালিকানার কারণে খারিজ হয়ে যায়, তাহলে ক্রেতার অধিকার আছে—
- তার জমা দেওয়া টাকার ফেরত পাওয়ার,
- উক্ত টাকায় সুদ পাওয়ার,
- মামলার খরচ ফেরত পাওয়ার, এবং
- উপরোক্ত অর্থের জন্য বিক্রেতার সম্পত্তিতে লিয়েন (lien) বা দাবী প্রতিষ্ঠা করার।
২৭.
নিম্নের কোন ক্ষেত্রে চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরযোগ্য নয়?
  1. চুক্তি ট্রাস্টি কর্তৃক সম্পাদিত হলে
  2. চুক্তিটি ৩ মাস চলমান থাকলে
  3. চুক্তির শর্তাবলি নির্ণয় করা না গেলে
  4. চুক্তির ক্ষেত্রে আর্থিক ক্ষতিপূরণ যথেষ্ট না হলে
সঠিক উত্তর:
চুক্তির শর্তাবলি নির্ণয় করা না গেলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চুক্তির শর্তাবলি নির্ণয় করা না গেলে
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২১ ধারামতে, নিম্নলিখিত ৮টি ক্ষেত্রে চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না। যথা-
১) কোন চুক্তির ক্ষেত্রে আর্থিক ক্ষতিপূরণ যথেষ্ট হলে;
২) কোন চুক্তি জটিল ও অসংখ্য পুঙ্খানুপুঙ্খ বিবরণের সমষ্টি বা পক্ষসমূহের ব্যক্তিগত যোগ্যতা/সংকল্পের উপর নির্ভরশীল অথবা চুক্তিটি বলবৎ যোগ্য না হলে;
৩) চুক্তির শর্তাবলি নির্ণয় করা না গেলে;
৪) চুক্তিটি প্রকৃতিগতভাবে বাতিলযোগ্য বা প্রত্যাহারযোগ্য হলে;
৫) চুক্তিটি ট্রাস্টিগণ কর্তৃক ক্ষমতা বহির্ভূতভাবে সম্পাদিত হলে;
৬) বিশেষ কোন কর্পোরেশন বা পাবলিক কোম্পানি কর্তৃক ক্ষমতা বহির্ভূত কোন চুক্তি;
৭) যে চুক্তি ক্রমাগতভাবে ৩ বছর চলে অথবা;
৮) চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার পূর্বে বিষয়বস্তুর উল্লেখযোগ্য অংশ বিলুপ্ত হলে।
২৮.
একজন প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট সাক্ষ্য শুনে মনে করলেন, আসামিকে যে দণ্ড তিনি দিতে পারেন তার চেয়ে বেশি দণ্ড দেওয়া প্রয়োজন। তিনি কী করবেন?
  1. সরকারকে রিপোর্ট পাঠাবেন
  2. নিজেই সর্বোচ্চ দণ্ড প্রদান করবেন
  3. আসামিকে জামিনে মুক্তি দেবেন
  4. মামলার নথি দায়রা আদালতে পাঠাবেন
সঠিক উত্তর:
মামলার নথি দায়রা আদালতে পাঠাবেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মামলার নথি দায়রা আদালতে পাঠাবেন
ব্যাখ্যা
• ধারা ৩৪৭- যেক্ষেত্রে আসামীকে যখন উচ্চতর দণ্ড প্রদান করা হয় সেক্ষেত্রে পদ্ধতি:
এই কার্যবিধিতে যা-ই বর্ণিত থাকুক না কেন যখন কোন প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট সরকার পক্ষের সাক্ষ্য লিপিবদ্ধ করার পর এ মর্মে অভিমত পোষণ করেন যে, আসামীকে অথবা যেক্ষেত্রে একাধিক আসামীর একসাথে বিচার করা হয়, সেক্ষেত্রে তাদের মধ্যে যেকোন একজনকে দোষী মর্মে সাব্যস্ত করে ঐ ম্যাজিট্রেট যে দণ্ড দিতে পারেন তদাপেক্ষা অধিক দণ্ড দিতে হবে, সেক্ষেত্রে তিনি তার এরূপ অভিমতের কারণ লিপিবদ্ধ করে তিনি যেই দায়রা আদালতের অধীনন্ত সেই দায়রা আদালতে মামলার নথি দাখিল করতে এবং আসামীকে বা সকল আসামীকে অগ্রবর্তী করতে পারবেন এবং তার ফলে সেই দায়রা আদালতও এমনভাবে মামলার বিচার করবেন যাতে মামলাটি এই কার্যবিধি অনুসারে শুধুমাত্রই তৎকর্তৃক বিচার্য।
২৯.
জরুরি পরিস্থিতিতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৪ ধারার আদেশ কেমনভাবে দেয়া যায়?
  1. আদালতে শুনানি শেষে
  2. একতরফাভাবে
  3. উভয় পক্ষের উপস্থিতিতে
  4. প্রতীকী আদেশ হিসেবে
সঠিক উত্তর:
একতরফাভাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একতরফাভাবে
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৪ ধারা বিধান-
(১) যে সকল ক্ষেত্রে জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট, নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট অথবা এই ধারার অধীন কাজ করার জন্য সরকার বা জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট কর্তৃক বিশেষভাবে ক্ষমতা প্রাপ্ত অন্য কোন ম্যাজিষ্ট্রেটের (তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেট নহেন) মতে, এই ধারার অধীন অগ্রসর হবার মত যথেষ্ট কারণ রয়েছে এবং আশু বা দ্রুত প্রতিকার বাঞ্ছনীয়, সেই সকল ক্ষেত্রে এরূপ ম্যাজিষ্ট্রেট লিখিত আদেশে ঘটনার মূল বিষয় বস্তু বর্ণনা করে এবং ইহা ১৩৪ ধারায় বর্ণিত পদ্ধতিতে জারী করে যে কোন ব্যক্তিকে কোন নির্দিষ্ট কাজ করা হতে বিরত থাকার অথবা কোন নির্দিষ্ট সম্পত্তি তার দখলে কিংবা তার ব্যবস্থাধীনে নিবার নির্দেশ দিতে পারবেন, যদি উক্ত ম্যাজিষ্ট্রেট বিবেচনা করেন যে, তার নির্দেশে আইন সংগতভাবে নিযুক্ত কোন ব্যক্তির প্রতি বাধা, বিরক্তি বা ক্ষতি, অথবা বাধা, বিরক্তি বা ক্ষতির ঝুঁকি, অথবা মানুষের জীবন, স্বাস্থ্য বা নিরাপত্তার প্রতি বিশদ অথবা জনশান্তির বিরক্তি বা দাঙ্গা বা মারামারি নিরোধের সম্ভাবনা আছে কিংবা নিরোধে সহায়তা করবে।

(২) জরুরী পরিস্থিতিতে অথবা যার উপর আদেশ দেয়া হচ্ছে সময় মত তার উপর নোটিশ জারী করার মত পরিস্থিতি নাই, সেই সকল ক্ষেত্রে এই ধারার আদেশ একতরফাভাবে প্রদান করা যাবে।

(৩) এই ধারার আদেশ কোন ব্যক্তি বিশেষের প্রতি অথবা কোন বিশেষ স্থানে ঘন ঘন গমনকারী বা সফরকারী জনসাধারণের প্রতি নির্দেশিত হতে পারবে।

(৪) যে কোন ম্যাজিষ্ট্রেট স্বতঃপ্রবৃত্ত হয়ে বা কোন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তির আবেদন ক্রমে এই ধারানুসারে তার নিজের বা তার অধীনস্ত কোন ম্যাজিষ্ট্রেট বা তার পূর্ববর্তী ম্যাজিষ্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত কোন আদেশ বাতিল বা পরিবর্তন করতে পারবেন।

(৫) এরূপ কোন আবেদনপত্র পাওয়া গেলে ম্যাজিষ্ট্রেট আবেদনকারীকে শীঘ্র ব্যক্তিগতভাবে বা কৌসুলীর মাধ্যমে তার নিকট হাজির হবার এবং আদেশের বিরুদ্ধে কারণ দর্শাইবার সুযোগ দিবেন, এবং ম্যাজিষ্ট্রেট যদি আবেদন সম্পূর্ণরূপে বা আংশিক বাতিল করেন তাহলে তিনি লিখিতভাবে এরূপ করার কারণ লিপিবদ্ধ করবেন।

(৬) মানুষের জীবন, স্বাস্থ্য বা নিরাপত্তার প্রতি বিপদ, অথবা দাঙ্গা বা মারামারির আশংকার ক্ষেত্রে সরকার সরকারী গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা অন্যরূপ নির্দেশ না দিলে এই ধারানুসারে প্রদত্ত কোন আদেশ দুই মাসের অধিককাল বলবৎ থাকবে না।

(৭) এই ধারার বিধানসমূহ মহানগরী এলাকায় প্রযোজ্য হবে না।
৩০.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৬৯ ধারার অধীনে আদালত রায় ঘোষণার পর-
  1. সম্পূর্ণ রায় পরিবর্তন করতে পারে
  2. নতুন সাক্ষী গ্রহণ করতে পারে
  3. রায় পুনরায় বিবেচনা করতে পারে
  4. শুধুমাত্র রায়ের করণিক ভুল সংশোধন করতে পারে
সঠিক উত্তর:
শুধুমাত্র রায়ের করণিক ভুল সংশোধন করতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শুধুমাত্র রায়ের করণিক ভুল সংশোধন করতে পারে
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৬৯ ধারার বিধান- আদালত রায় পরিবর্তন করবেন না:
এই কার্যবিধি বা বর্তমানে কার্যকর অপর কোন আইনে ভিন্নরূপ কোন বিধান না থাকলে কোন আদালত রায়ে স্বাক্ষর করার পর করণিক ভুল সংশোধন করা ব্যতীত তা পরিবর্তন বা রিভিউ করবেন না।

Section-369: Court not to alter judgment: 
Save as otherwise provided by this Code or by any other law for the time being in force, no Court when it has signed its judgment, shall alter or review the same, except to correct a clerical error.
৩১.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৭(৫) অনুযায়ী, তদন্ত কত দিনের মধ্যে শেষ না হলে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে জামিনে মুক্তি দিতে পারেন?
  1. ৬০ দিন
  2. ৯০ দিন
  3. ১২০ দিন
  4. ১৮০ দিন
সঠিক উত্তর:
১২০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২০ দিন
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৭ ধারার বিধান:
(৫) অপরাধ সংঘটন সম্পর্কিত সংবাদ প্রাপ্তির তারিখ অথবা এরূপ তদন্তের জন্য ম্যাজিষ্ট্রেটের আদেশ প্রাপ্তির তারিখ হতে একশত বিশ দিনের মধ্যে যদি তদন্ত সমাপ্ত না হয় তাহলে,
ক) অপরাধটি আমলে নিতে ক্ষমতাসম্পন্ন বা তদন্তের আদেশদানকারী ম্যাজিস্ট্রেট, তদন্ত সম্পর্কিত অপরাধটি যদি মৃত্যুদণ্ডে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে বা দশ বৎসরের অধিক মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধ না হয় তবে তার সন্তুষ্টি সাপেক্ষে আসামিকে জামিনে মুক্তি দিতে পারবেন; এবং

খ) তদন্ত সম্পর্কিত অপরাধটি যদি মৃত্যুদণ্ডে, যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে বা দশ বৎসরের অধিক মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধ হয়, তবে দায়রা আদালত ইহার সন্তুষ্টি সাপেক্ষে আসামিকে জামিনে মুক্তি দিতে পারবেন,

তবে শর্ত এই যে, আসামিকে যদি এই উপধারার অধীন জামিনে মুক্তি দেয়া না হয় তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট অথবা ক্ষেত্র বিশেষে দায়রা আদালত ইহার কারণ লিপিবদ্ধ করবেন।
আরও শর্ত এই যে, যেক্ষেত্রে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে বিচারে সোপর্দ করার জন্য সংশ্লিষ্ট আইনের বিধান অনুযায়ী উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের অনুমোদন গ্রহণ করা প্রয়োজন, সেক্ষেত্রে অনুমোদন গ্রহণ করতে যে সময় লাগিবে এই উপধারায় নির্ধারিত সময় হতে তা বাদ দিতে হবে।
৩২.
অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আনিত অভিযােগ মিথ্যা প্রমাণিত হলে, আদালত অভিযােগকারীকে ক্ষতিপূরণ প্রদানের আদেশের পাশাপাশি অনধিক কত দিনের কারাদণ্ডে দণ্ডিত করতে পারবেন?
  1. ১ মাস
  2. ৩ মাস
  3. ৬ মাস
  4. ১ বছর
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৫০ অনুসারে,
অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আনিত অভিযােগ মিথ্যা এবং তুচ্ছ বা বিরক্তিকর হলে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে অব্যাহতি প্রদান করবেন এবং সংবাদ দাতা বা অভিযােগকারিকে কারণ দর্শাতে বলবেন যে, কেন তার বিরুদ্ধে ক্ষতিপূরনের আদেশ দেয়া হবে না।

⇒ ফরিয়াদি/সংবাদ দাতা/অভিযােগকারীর কারণ দর্শানোর পর ম্যাজিস্ট্রেট যদি সন্তুষ্ট হন, অভিযােগটি মিথ্যা, তুচ্ছ বা বিরক্তিকর তাহলে ফরিয়াদিকে অনধিক ১০০০ টাকা পর্যন্ত ক্ষতিপূরণ বাবদ অভিযুক্তকে প্রদান করার আদেশ দিতে পারেন। এমনকি ক্ষতিপূরণ আদেশ ছাড়া ম্যাজিস্ট্রেট আদেশ দিতে পারেন যে, ক্ষতিপূরণ প্রদানকারী ব্যক্তি অনধিক ৬ মাসের কারাদণ্ডে বা অনধিক ৩০০০ টাকা অর্থদন্ডে দণ্ডিত হবেন। তবে তৃতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট এই ক্ষেত্রে অনধিক ৫০০ টাকা ক্ষতিপূরনের আদেশ দিতে পারেন।

⇒ ফরিয়াদি সংবাদদাতা ক্ষতিপূরণ প্রদানে ব্যর্থ হলে ৩০ দিন পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবেন।

⇒ দ্বিতীয় বা তৃতীয় শ্রেনীর ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষতিপূরনের আদেশের বিরুদ্ধে বা অন্য কোন ম্যাজিস্ট্রেট ১০০ টাকার বেশি ক্ষতিপূরনের আদেশের বিরুদ্ধে ক্ষতিপূরন সম্পর্কে আপিল দায়ের করা যাবে।
৩৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৯৯ অনুযায়ী, জামিনে মুক্তির পূর্বে অভিযুক্তের বন্ডের অর্থমূল্য কে নির্ধারণ করে?
  1. জামিনদার
  2. পুলিশ
  3. আদালত
  4. খ বা গ
সঠিক উত্তর:
খ বা গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ বা গ
ব্যাখ্যা
ধারা ৪৯৯- আসামী ও জামিনদারের বন্ড:
(১) কোন ব্যক্তিকে জামিনে বা তার নিজের বন্ডে মুক্তি দেয়ার পূর্বে উক্ত ব্যক্তি পুলিশ কর্মকর্তা বা আদালত যেরূপ পর্যাপ্ত মনে করেন সেরূপ পরিমাণ অর্থের জন্য একটি বন্ড সম্পাদন করবে এবং যেক্ষেত্রে তাকে জামিন মুক্তি দেয়া হয়, সেক্ষেত্রে এক বা একাধিক পর্যাপ্ত জামিনদার এ শর্তে বন্ড সম্পাদন করবে যে, উক্ত ব্যক্তি বন্ডে বর্ণিত সময়ে ও স্থানে হাজির হবে এবং পুলিশ কর্মকর্তা বা আদালত ভিন্নরূপ নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত অনুরূপে হাজির হতে হবে।

(২) মামলার জন্য এরূপ প্রয়োজন হলে জামিনে মুক্ত ব্যক্তির জন্য আরও শর্ত থাকবে যে, অভিযোগের জবাব দানের জন্য আহবান করা হলে হাইকোর্ট ডিভিশন, দায়রা আদালত বা অন্য কোন আদালতে তাকে হাজির হতে হবে।

Section 499- Bond of accused and sureties:
(1) Before any person is released on bail or released on his own bond, a bond for such sum of money as the police-officer or Court, as the case may be, thinks sufficient shall be executed by such person, and, when he is released on bail, by one or more sufficient sureties conditioned that such person shall attend at the time and place mentioned in the bond, and shall continue so to attend until otherwise directed by the police-officer or Court, as the case may be.

(2) If the case so require, the bond shall also bind the person released on bail to appear when called upon at the High Court Division, Court of Session or other Court to answer the charge.
৩৪.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ধারা ৯২ এর অধীন, অনুপস্থিত ব্যক্তির ক্ষেত্রে পরোয়ানা জারির উদ্দেশ্য কী?
  1. সাক্ষ্য গ্রহণ
  2. জামিন বাতিল
  3. সম্পত্তি ক্রোক
  4. আদালতে উপস্থিত করা
সঠিক উত্তর:
আদালতে উপস্থিত করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতে উপস্থিত করা
ব্যাখ্যা
ধারা ৯২: হাজিরার মুচলেকা ভঙ্গ করলে গ্রেফতার -
যখন কোনো ব্যক্তি, যাকে এই কোড অনুযায়ী আদালতের সামনে হাজির হওয়ার জন্য মুচলেকা নেওয়া হয়েছে, আদালতে উপস্থিত হয় না, তখন সেই আদালতে সভাপতিত্বকারী কর্মকর্তা একটি পরোয়ানা জারি করতে পারেন, যা নির্দেশ দিবে যে, ওই ব্যক্তিকে গ্রেফতার করে আদালতে উপস্থিত করানো হোক।

Section 92- Arrest by breach of bond for appearance:
When any person who is bound by any bond taken under this Code to appear before a Court, does not so appear, the officer presiding in such Court, may issue a warrant directing that such person be arrested and produced before him.
৩৫.
চার্জ গঠনের সময় ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে কী জিজ্ঞাসা করবেন?
  1. তার নাম ও পরিচয়
  2. সে অপরাধ করেছে কিনা
  3. সে মুক্তি চায় কিনা
  4. সে আদালতের উপর আস্থা রাখে কিনা
সঠিক উত্তর:
সে অপরাধ করেছে কিনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সে অপরাধ করেছে কিনা
ব্যাখ্যা
⇒ ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে বিচার সম্পর্কে ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪১ থেকে ২৫০ ধারা পর্যন্ত বর্ণনা করা হয়েছে। ২৪১ক ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট মামলার নথি ও দাখিলকৃত কাগজপত্র আমলে নিয়ে যদি এই মত পোষণ করেন যে, অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ ভিত্তিহীন তাহলে চার্জ গঠনের আগে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দিতে পারেন। আর যদি অভিযুক্ত অপরাধ করেছে বলে মনে হয়, তবে যে অপরাধের জন্য অভিযুক্ত করা হয়েছে সেই অপরাধ বিষয়ে ম্যাজিস্ট্রেট ২৪২ ধারায় আনুষ্ঠানিকভাবে চার্জ গঠন করবেন।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪২ ধারার ধারার বিধান- চার্জ গঠন:
যদি উপরোক্ত বিবেচনা ও শুনানি শেষে ম্যাজিস্ট্রেট মনে করেন যে, অভিযুক্ত অপরাধ করেছে এমন ধারণা করার জন্য যথেষ্ট প্রমাণ রয়েছে, তবে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আনীত অপরাধ সম্পর্কে আনুষ্ঠানিক চার্জ গঠন করবেন এবং তাকে জিজ্ঞাসা করবেন যে, তিনি এই অপরাধটি করেছেন কিনা
৩৬.
Who has the authority to question the accused under Section 342 of The Code of Criminal Procedure, 1898?
  1. The Court
  2. Police Officer
  3. Public Prosecutor
  4. Complainant
সঠিক উত্তর:
The Court
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The Court
ব্যাখ্যা
Section 342- Power to examine the accused:
(1) For the purpose of enabling the accused to explain any circumstances appearing in the evidence against him, the Court may, at any stage of any inquiry or trial without previously warning the accused, put such questions to him as the Court considers necessary, and shall, for the purpose aforesaid, question him generally on the case after the witnesses for the prosecution have been examined and before he is called on for his defence.

(2) The accused shall not render himself liable to punishment by refusing to answer such questions, or by giving false answers to them; but the Court may draw such inference from such refusal or answers as it thinks just.

(3) The answers given by the accused may be taken into consideration in such inquiry or trial, and put in evidence for or against him in any other inquiry into, or trial for, any other offence which such answers may tend to show he has committed.

(4) No oath shall be administered to the accused.

• ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪২ ধারার উদ্দেশ্য হলো অভিযুক্তের সাক্ষ্য গ্রহণ। অভিযুক্তের বিরুদ্ধে যে সকল সাক্ষ্য দেওয়া হয়েছে, অভিযুক্ত ঐ সকল সাক্ষ্য সম্পর্কে নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করবে। এই ক্ষেত্রে আদালতের গুরুতূপূর্ণ দায়িত্ব হলো সাক্ষ্যে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে যে সকল বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে সে বিষয় গুলোর প্রতি অভিযুক্তের দৃষ্টি আকর্ষণ করা যেন অভিযুক্ত সেই সকল বিষয় সঠিকভাবে ব্যাখ্যা করতে পারে।
এছাড়া আদালত অভিযুক্তকে মামলা সম্পর্কে সাধারণ প্রশ্ন করতে পারবে যেন অভিযুক্ত তার বিরুদ্ধে সাক্ষ্যে উত্থাপিত কোন বিষয় বিশ্লেষণ করতে সক্ষম হয়। আদালত মামলার বিচার বা অনুসন্ধানের যেকোনো সময়ে এবং আসামীকে কোন পূর্ব সতর্ক করা ছাড়া, আদালত অভিযুক্তকে এমন প্রশ্ন করতে পারে। কিন্তু এটা অবশ্যই অভিযুক্তকে তার আত্মপক্ষ সমর্থনে আহ্বান করার পূর্বে করতে হবে।উল্লেখ্য, এই ধারা অনুযায়ী আদালত অভিযুক্তের নিকট যে প্রশ্ন করে, অভিযুক্ত এমন প্রশ্নের উত্তর দিতে অস্বীকার করলে বা মিথ্যা সাক্ষ্য দিলে, সে শাস্তির জন্য দায়ী হবে না। কিন্তু আদালত এই ক্ষেত্রে অনুমান করতে পারে।
৩৭.
হাইকোর্ট ডিভিশনের রিভিশনের ক্ষমতা প্রয়োগের ক্ষেত্রে কোন শর্ত পূরণ না হলে আসামির বিরুদ্ধে আদেশ দেওয়া যাবে না?
  1. মামলার তদন্ত শেষ না হলে
  2. আসামি জামিনে থাকলে
  3. সাক্ষী অনুপস্থিত থাকলে
  4. আসামি আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ না পেলে
সঠিক উত্তর:
আসামি আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ না পেলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আসামি আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ না পেলে
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৩৯ ধারা – হাইকোর্ট ডিভিশনের রিভিশনের ক্ষমতা:
(১) হাইকোর্ট ডিভিশন, নিজে যে মামলার নথি তলব করেছে, বা যা আদেশের জন্য প্রেরিত হয়েছে, বা যা অন্য কোনওভাবে হাইকোর্ট ডিভিশনের গোচরীভূত হয়েছে—সেই মামলার ক্ষেত্রে, হাইকোর্ট ডিভিশন বিচারিক ক্ষমতাবলে ধারা ৪২৩, ৪২৬, ৪২৭ ও ৪২৮ এ আপীল আদালতকে অথবা ধারা ৪৩৮-এ কোনো আদালতকে প্রদত্ত ক্ষমতার যেকোনোটি প্রয়োগ করতে পারবে এবং দণ্ড বৃদ্ধি করতে পারবে। আর, রিভিশনে এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতের বিচারকেরা যদি তাঁদের অভিমতে সমানভাবে বিভক্ত হন, তাহলে মামলাটি ধারা ৪২৯ এ উল্লিখিত পদ্ধতিতে নিষ্পত্তি করতে হবে।

(২) আসামি যদি আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ না পায়- নিজে বা অ্যাডভোকেটের মাধ্যমে- তাহলে এই ধারা অনুসারে তার বিরুদ্ধে কোনো আদেশ দেওয়া যাবে না।

(৩) এই ধারায় সংশ্লিষ্ট দণ্ড যদি কোনো ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রদান করা হয়ে থাকে এবং আদালত মনে করেন যে আসামি উক্ত অপরাধ সংঘটন করেছে, তবে সেই অপরাধের জন্য কোনো মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট যে দণ্ড দিতে পারতেন, আদালত তার চেয়ে অধিক দণ্ড দিতে পারবে না।

(৪) এই ধারায় এমন কিছু নেই যা থেকে ধারণা করা যায় যে হাইকোর্ট ডিভিশন খালাসের অভিমতকে দণ্ডের অভিমতে রূপান্তর করতে পারবে অথবা দায়রা জজ কর্তৃক ধারা ৪৩৯ক এর অধীন প্রদত্ত আদেশের বিরুদ্ধে রিভিশনে কার্যক্রম গ্রহণ করতে পারবে।

(৫) যে ক্ষেত্রে এই বিধির অধীন আপীল করা যায়, কিন্তু আপীল দায়ের করা হয়নি—সেই ক্ষেত্রে যে পক্ষ আপীল দায়ের করতে পারত, সেই পক্ষের প্রচেষ্টায় রিভিশনের মাধ্যমে কোনো কার্যক্রম গ্রহণ করা যাবে না।

(৬) এই ধারায় যাই বলা থাকুক না কেন, যদি দণ্ডিত ব্যক্তিকে তার দণ্ড কেন বৃদ্ধি করা হবে না, সেই সম্পর্কে উপধারা (২) অনুযায়ী কারণ দর্শানোর সুযোগ দেওয়া হয়, তবে সে তার দণ্ডের বিরুদ্ধেও কারণ দর্শাতে অধিকারী হবে।
৩৮.
দায়রা জজ যদি কোনো অনিবার্য কারণে অনুপস্থিত থাকেন বা দায়িত্ব পালনে অক্ষম হন, তবে কোন আদালত জরুরি কোনো আবেদন নিষ্পত্তি করতে পারেন?
  1. যুগ্ম দায়রা জজ
  2. অতিরিক্ত দায়রা জজ
  3. হাইকোর্ট বিভাগ
  4. ক বা খ
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
ব্যাখ্যা
The Code of Criminal Procedure, 1898- ধারা ১৭ক: যুগ্ম দায়রা জজদের অধীনতা:
(১) সকল যুগ্ম দায়রা জজ (Joint Sessions Judges) সেই দায়রা জজের (Sessions Judge) অধীনস্থ, যার আদালতে তারা বিচারকার্য পরিচালনা করে থাকেন। দায়রা জজ সময় সময় এই আইনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বিচারকার্যের বণ্টন সংক্রান্ত বিধি তৈরি করতে পারেন অথবা বিশেষ নির্দেশ প্রদান করতে পারেন।

(২) দায়রা জজ যদি কোনো অনিবার্য কারণে অনুপস্থিত থাকেন বা দায়িত্ব পালনে অক্ষম হন, তবে তিনি অতিরিক্ত দায়রা জজ বা যুগ্ম দায়রা জজ-এর মাধ্যমে জরুরি কোনো আবেদন নিষ্পত্তির ব্যবস্থা করতে পারেন। এই ক্ষেত্রে, ঐ অতিরিক্ত বা যৌথ দায়রা জজ উক্ত আবেদন নিষ্পত্তির অধিকার রাখেন।
৩৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারাগুলোর অধীন আপিলে আসামির মৃত্যু হলে আপিল চূড়ান্তভাবে পণ্ড হয়?
  1. ৪০৫ ও ৪০৬ ধারা
  2. ৪০৭ ও ৪০৮ ধারা
  3. ৪১৭ ও ৪১৭ক ধারা
  4. ৪১৯ ও ৪২০ ধারা
সঠিক উত্তর:
৪১৭ ও ৪১৭ক ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪১৭ ও ৪১৭ক ধারা
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৩১ মতে-
৪১৭ ধারা ও ৪১৭ক ধারা অধীন প্রত্যেকটি আপিলে আসামীর মৃত্যু হলে চূড়ান্তভাবে পণ্ড হয়ে যাবে এবং এই অধ্যায়ের অধীন অন্যান্য প্রত্যেকটি আপিল (জরিমানার বিরুদ্ধে আপিল ব্যতিত) আপিলকারীর মৃত্যু হলে চূড়ান্তভাবে পণ্ড বা আপিল Abate হয়ে যাবে। 

Section 431- Abatement of appeals
Every appeal under section 417 or section 417A shall finally abate on the death of the accused, and every other appeal under this Chapter
(except an appeal from a sentence of fine) shall finally abate on the death of the appellant.
৪০.
শাস্তি হিসেবে কেবলমাত্র জরিমানা করা হলে এবং তা অনাদায়ে কেউ দণ্ডিত হলে, আাদশের তারিখ হতে আদালত সাধারণত সর্বোচ্চ কতদিনের ভেতরে তা পরিশোধের নির্দেশ দেবেন?
  1. ৩০ দিন
  2. ৪৫ দিন
  3. ৬০ দিন
  4. ৯০ দিন
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
ব্যাখ্যা
ধারা ৩৮৮: কারাদণ্ড কার্যকর স্থগিতকরণ (Suspension of execution of sentence of imprisonment):
(১) যদি কোনো দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তি কেবল জরিমানার দণ্ডে দণ্ডিত হন এবং জরিমানা পরিশোধে ব্যর্থ হলে তার পরিবর্তে কারাদণ্ড নির্ধারিত থাকে, তাহলে নিম্নবর্ণিত নির্দেশ আদালত দিতে পারে:
(ক) আদালত আদেশ দিতে পারে যে, জরিমানার পুরো অর্থ:
- আদেশের তারিখ হতে সর্বোচ্চ ৩০ দিনের মধ্যে সম্পূর্ণরূপে পরিশোধ করতে হবে, অথবা
- ২ বা ৩ কিস্তিতে পরিশোধ করতে হবে, যার প্রথম কিস্তি ৩০ দিনের মধ্যে এবং পরবর্তী কিস্তিগুলো ৩০ দিনের ব্যবধানে দিতে হবে।

(খ) আদালত কারাদণ্ড স্থগিত রাখতে পারে, এবং দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে মুক্তি দিতে পারে, যদি সে একটি মুচলেকা দেয় (যথাসম্ভব জামিনদার সহ বা জামিনদার ব্যতিরেকে) – যাতে উল্লেখ থাকবে সে নির্ধারিত দিন বা কিস্তির তারিখ অনুযায়ী আদালতে হাজির হবে এবং অর্থ পরিশোধ করবে। যদি জরিমানার পুরো অর্থ বা কোনো কিস্তি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পরিশোধ না হয়, তাহলে আদালত কারাদণ্ড তৎক্ষণাৎ কার্যকর করার নির্দেশ দিতে পারে।

(২) উপরের উপ-ধারা (১)–এর বিধানসমূহ প্রযোজ্য হবে এমন অন্য যেকোনো ক্ষেত্রে যেখানে অর্থ প্রদানের আদেশ দেওয়া হয়েছে এবং পরিশোধ না হলে কারাদণ্ড হতে পারে। এবং যদি আদেশপ্রাপ্ত ব্যক্তি আদালতের চাওয়ার পরও মুচলেকা দিতে অস্বীকার করেন, তাহলে আদালত তাৎক্ষণিকভাবে কারাদণ্ডের আদেশ দিতে পারবে।
৪১.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট আসামিকে ব্যক্তিগত হাজিরা থেকে রেহাই দিতে পারেন?
  1. ২০৫ ধারায়
  2. ২০৫ক ধারায়
  3. ২০৫খ ধারায়
  4. ২০৫ঘ ধারায়
সঠিক উত্তর:
২০৫ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০৫ ধারায়
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২০৫- ম্যাজিস্ট্রেট আসামির ব্যক্তিগত হাজিরা থেকে অব্যাহতি দিতে পারেন:
(১) যখন কোন ম্যাজিস্ট্রেট সমন জারি করেন তখন যুক্তিসংগত কারণ থাকলে তিনি আসামিকে ব্যক্তিগত হাজিরা হতে রেহাই দিয়ে, তাকে উকিলের মাধ্যমে হাজির হওয়ার অনুমতি দিতে পারবেন।

(২) কিন্তু তদন্ত বা বিচারকারী ম্যাজিস্ট্রেট তার বিচারিক ক্ষমতায় মামলার যে কোন পর্যায়ে আসামিকে ব্যক্তিগতভাবে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিতে পারবেন এবং প্রয়োজনবোধে ইতোপূর্বে বর্ণিত পদ্ধতিতে তাকে হাজির হতে বাধ্য করতে পারবেন।

Section 205: Magistrate may dispense with personal attendance of accused-
(1) Whenever a Magistrate issues a summons, he may, if he sees reason so to do, dispense with the personal attendance of the accused, and permit him to appear by his pleader. 

(2) But the Magistrate inquiring into or trying the case may, in his discretion, at any stage of the proceedings, direct the personal attendance of the accused, and, if necessary, enforce such attendance in manner hereinbefore provided.
৪২.
According to Section 494 of The Code of Criminal Procedure, 1898, Withdrawal from prosecution can only be done with the consent of-
  1. Court
  2. Police
  3. Accused
  4. Complainant
সঠিক উত্তর:
Court
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Court
ব্যাখ্যা
Section 494: Effect of withdrawal from prosecution-
Any Public Prosecutor may, with the consent of the Court, before the judgment is pronounced, withdraw from the prosecution of any person either generally or in respect of any one or more of the offences for which he is tried; and upon such withdrawal-
(a) if it is made before a charge has been framed, the accused shall be discharged in respect of such offence or offences;
(b) if it is made after a charge has been framed, or when under Code no charge is required, he shall be acquitted in respect of such offence or offences.

অর্থাৎ, ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯৪ ধারা অনুযায়ী পাবলিক প্রসিকিউটর আদালতের সম্মতিতে কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ রায় ঘোষণার পূর্বে প্রত্যাহার করতে পারে।
⇒ অভিযোগ গঠনের আগে মামলা প্রত্যাহার করলে, আদালত অভিযুক্তকে অব্যাহতি (Discharge) দিবে; আর
⇒ অভিযোগ গঠনের পরে মামলা প্রত্যাহার করলে, আদালত অভিযুক্তকে খালাস (Acquittal) দিবে।
৪৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪০ক ধারা মূলত কোন বিষয়ের সাথে সম্পর্কিত?
  1. জামিনের নিয়ম
  2. সাক্ষ্য প্রমাণের পদ্ধতি
  3. মামলার রায় প্রদান
  4. অভিযুক্তের অনুপস্থিতিতে বিচার পরিচালনা
সঠিক উত্তর:
অভিযুক্তের অনুপস্থিতিতে বিচার পরিচালনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অভিযুক্তের অনুপস্থিতিতে বিচার পরিচালনা
ব্যাখ্যা
ধারা ৫৪০ক- কিছু কিছু ক্ষেত্রে অভিযুক্তর অনুপস্থিতিতে অনুসন্ধান ও বিচারের বিধান-
(১) দুই বা ততোধিক অভিযুক্ত আদালতে হাজির থাকলে এই বিধির অধীন অনুসন্ধান বা বিচারের যে কোন পর্যায়ে জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট যদি কোন কারণ বশতঃ সন্তুষ্ট হন যে, অভিযুক্তদের এক বা একাধিক জন আদালতে হাজির থাকতে অসমর্থ, তাহলে উক্ত কারণ লিপিবদ্ধ করে অভিযুক্তের এডভোকেট হাজির থাকলে অভিযুক্তকে হাজির থেকে মুক্তি দিতে এবং তার অনুপস্থিতিতে অনুসন্ধান বা বিচার চালিয়ে যেতে পারবেন এবং কার্যধারার পরবর্তী পর্যায়ে উক্ত অভিযুক্তকে ব্যক্তিগতভাবে হাজির থাকার নির্দেশ দিতে পারবেন।

(২) এরূপ কোন মামলায় অভিযুক্তর এডভোকেট না থাকলে কিংবা জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট যদি অভিযুক্তর হাজিরা প্রয়োজন মনে করেন তাহলে তিনি উপযুক্ত মনে করলে এবং কারণ লিপিবদ্ধ করে অনুসন্ধান বা বিচার মুলতবি রাখতে পারবেন, কিংবা উক্ত অভিযুক্তর মামলা পৃথকভাবে গ্রহণ করার বা বিচারের আদেশ দিতে পারবেন।
৪৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৯১ ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট কখন অভিযুক্তকে তার অন্যত্র বিচার চাওয়ার অধিকার সম্পর্কে জানাবেন?
  1. অভিযোগ গঠনের আগে
  2. সাক্ষ্য গ্রহণের পরে
  3. সাক্ষ্য গ্রহণের পূর্বে
  4. রায় ঘোষণার সময়
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য গ্রহণের পূর্বে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য গ্রহণের পূর্বে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ১৯১ ধারায় অভিযুক্ত ব্যক্তির আবেদনক্রমে মামলা স্থানান্তরের বিধান করা হয়েছে-
কোন ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক কোন অপরাধ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৯০(১)(গ) ধারায় আমলে গ্রহণ করেন, তখন সাক্ষ্য গ্রহণের পূর্বে অভিযুক্তকে ম্যাজিস্ট্রেট জানাবে যে, অন্য কোন আদালতের মাধ্যমে সে তার মামলার বিচার বা অনুসন্ধান করাতে অধিকারী; যদি অভিযুক্ত (বা একাধিক অভিযুক্তর ক্ষেত্রে, তাদের মধ্যে কেউ একজন) ঐ ম্যাজিস্ট্রেটের অধীনে বিচার করতে আপত্তি করে, তাহলে সেই মামলাটি ঐ ম্যাজিস্ট্রেট বিচার করবেন না; বরং, তা দায়রা আদালতে পাঠানো হবে বা অন্য কোনো ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে স্থানান্তর করা হবে।

[When a Magistrate takes cognizance of an offence under sub-section (1),clause (c), of the preceding section,the accused shall before any evidence is taken, be informed that he is entitled to have the case tried by another Court and if the accused or any of the accused if there be more than one objects to being tried by such Magistrate, the case shall instead of being tried by such Magistrate,be sent to the Court of Session or transferred to another Magistrate.]
৪৫.
'Forged document'- এর সংজ্ঞা দণ্ডবিধির কত ধারায় উল্লেখ আছে?
  1. ৪৬৩ ধারায়
  2. ৪৬৪ ধারায়
  3. ৪৬৮ ধারায়
  4.  ৪৭০ ধারায়
সঠিক উত্তর:
 ৪৭০ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
 ৪৭০ ধারায়
ব্যাখ্যা
ধারা ৪৭০: জাল দলিল (forged document)-
একটি দলিল, যা সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে জালিয়াতির মাধ্যমে প্রস্তুত করা হয়, তাকে “জাল দলিল”  বলা হয়।

[A false document made wholly or in part by forgery is designated “a forged document"]
৪৬.
যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধের ক্ষেত্রে, অপরাধীকে আশ্রয়দানে আশ্রয়দাতার সর্বোচ্চ সাজা কত?
  1. ১ বছর কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  2. ২ বছর কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  3. ৩ বছর কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  4. ৫ বছর কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
সঠিক উত্তর:
৩ বছর কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ২১২ ধারার বিধান অপরাধীকে আশ্রয় দেওয়া, অপরাধটি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় হইলে:
কোন অপরাধ অনুষ্ঠিত হওয়ার পর কোন ব্যক্তি যদি কাউকে দোষী বলে জ্ঞাত করা থাকা সত্ত্বেও অথবা সে দোষী বলে বিশ্বাস করার কারণ থাকা সত্ত্বেও তাকে আইনের সাজা হতে বাঁচাবার উদ্দেশ্যে লুকিয়ে রাখে বা আশ্রয়দান করে, সেক্ষেত্রে-

- দোষী ব্যক্তি যদি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়:-
যদি অপরাধটি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়, তবে সে ব্যক্তি পাঁচ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে।

- দোষী ব্যক্তি যদি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড অথবা কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়:-
যদি অপরাধটি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে কিংবা দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হয়, তবে সে ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে।

যদি অপরাধটি এক বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হয় এবং দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় না হয়, তবে সে ব্যক্তি সে অপরাধটির জন্য বিহিত প্রকারের কারাদণ্ডের দীর্ঘতম মেয়াদের এক-চতুর্থাংশ পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে অথবা অর্থ দণ্ডে দণ্ডিত হবে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

অত্র ধারার অপরাধ বলতে বাংলাদেশের মধ্যে যে কাজ অনুষ্ঠিত হলে তা ৩০২, ৩০৪, ৩৮২, ৩৯২, ৩৯৩, ৩৯৪, ৩৯৫, ৩৯৬, ৩৯৭, ৩৯৮, ৩৯৯, ৪০২, ৪৩৫, ৪৩৬, ৪৪৯, ৪৫০, ৪৫৭, ৪৫৮, ৪৫৯ এবং ৪৬০ ধারায় যে কোনটি অনুযায়ী দণ্ডনীয় হত, তা বাংলাদেশের বাইরে যেকোন স্থানে অনুষ্ঠিত হলে তাকেও বুঝাবে এবং অনুরূপ যেকোন কাজ যেন অভিযুক্ত ব্যক্তি বাংলাদেশের অভ্যন্তরেই সংঘটনের জন্য দোষী সাব্যস্ত হয়েছে, এমনভাবেই দণ্ডনীয় বলে পরিগণিত হবে।

ব্যতিক্রম: দোষী ব্যক্তির স্বামী বা স্ত্রী অনুরূপ আশ্রয়দান করলে বা লুকিয়ে রাখলে তখন এই বিধান প্রয়োগযোগ্য হবে না।
৪৭.
Under Section 55 of The Penal Code, 1860, who has the authority to commute a sentence of imprisonment for life?
  1. The High Court
  2. The President
  3. The Government
  4. The Trial Court
সঠিক উত্তর:
The Government
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The Government
ব্যাখ্যা
Section 55- Commutation of sentence of imprisonment for life:
In every case in which sentence of imprisonment for life shall have been passed, the Government may, without the consent of the offender, commute the punishment for imprisonment of either description for a term not exceeding twenty years.

দণ্ডবিধির ৫৫ ধারা- যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হ্রাস বা পরিবর্তন:
যে সকল মামলার ক্ষেত্রে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করা হয়, তার প্রত্যেক ক্ষেত্রে সরকার অপরাধীর সম্মতি ব্যতীতই দণ্ড হ্রাস করে অনূর্ধ্ব ২০ বৎসর মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে পরিবর্তন করতে পারবেন।
৪৮.
অন্যায়ভাবে আটকানোর চেষ্টায় আক্রমণ করলে দণ্ডবিধির ৩৫৭ ধারায় সর্বোচ্চ কত টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড হতে পারে?
  1. ৫০০ টাকা
  2. ১০০০ টাকা
  3. ৩০০০ টাকা
  4. সর্বোচ্চ সীমা উল্লেখ নেই
সঠিক উত্তর:
১০০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ধারা ৩৫৭: অন্যায়ভাবে আটকানোর প্রচেষ্টায় আক্রমণ বা অপরাধজনিত বলপ্রয়োগ-
যে কেউ কোনো ব্যক্তিকে অন্যায়ভাবে আটকানোর প্রচেষ্টায় তার প্রতি আক্রমণ করে বা অপরাধজনিত বলপ্রয়োগ করে, তিনি যেকোনো ধরণের (সশ্রম বা বিনাশ্রম) কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবেন, যা সর্বোচ্চ এক বছর পর্যন্ত হতে পারে, অথবা এক হাজার টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ডে, অথবা উভয় দণ্ডেই দণ্ডিত হবেন।

[Whoever assaults or uses criminal force to any person, in attempting wrongfully to confine that person, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to one year, or with fine which may extend to one thousand taka, or with both.]
৪৯.
মানহানিকর বিষয় রয়েছে এরকম মুদ্রিত বস্তু জেনেশুনে বিক্রয় করার শাস্তি কী হতে পারে?
  1. কেবল সশ্রম কারাদণ্ড
  2. কেবল ১০০০ টাকা অর্থদণ্ড
  3. কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ড
  4. কোনো শাস্তি নয়
সঠিক উত্তর:
কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ড
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৫০২ ধারা – মানহানিকর বিষয়সম্বলিত মুদ্রিত বা খোদিত বস্তু বিক্রয়:
যে ব্যক্তি জানে যে কোনো মুদ্রিত বা খোদিত বস্তুতে মানহানিকর বিষয় রয়েছে এবং সে সেই বস্তু বিক্রয় বা বিক্রয়ের জন্য প্রস্তাব করে, তাকে দুই বছরের জন্য বিনাশ্রম কারাদণ্ড, বা অর্থদণ্ড, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা হবে।

[Whoever sells or offers for sale any printed or engraved substance containing defamatory matter, knowing that it contains such matter, shall be punished with simple imprisonment for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.]
৫০.
শিক্ষার্থীদের রাজনৈতিক কার্যকলাপে অংশগ্রহণে প্ররোচিত করলে কী শাস্তি হতে পারে?
  1. এক বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড
  2. দুই বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড
  3. তিন বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড
  4. কোনো শাস্তি নেই
সঠিক উত্তর:
দুই বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুই বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ধারা ১৫৩খ: শিক্ষার্থীদের রাজনৈতিক কার্যকলাপে অংশগ্রহণে প্ররোচিত করা:
যে কেউ, কথা দিয়ে, তা লিখিত বা মৌখিক হোক, বা চিহ্ন দিয়ে, দৃশ্যমান উপস্থাপনার মাধ্যমে, বা অন্য কোনোভাবে, কোনো শিক্ষার্থী বা শিক্ষার্থীদের কোনো শ্রেণি, বা শিক্ষার্থীদের সঙ্গে যুক্ত বা শিক্ষার্থীদের নিয়ে আগ্রহী কোনো প্রতিষ্ঠানকে এমন কোনো রাজনৈতিক কার্যকলাপে অংশগ্রহণ করতে প্ররোচিত করে বা প্ররোচিত করার চেষ্টা করে যা জনশৃঙ্খলা ব্যাহত বা ধ্বংস করে, বা করতে পারে, সে ক্ষেত্রে তাকে দুই বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, বা অর্থদণ্ড, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা হবে।
৫১.
'নির্বাচনকালে অন্যায় প্রভাব (Undue influence at elections)' দণ্ডবিধির কত ধারায় সংজ্ঞায়িত?
  1. ১৭০
  2. ১৭১ক
  3. ১৭১গ
  4. ১৭১ঘ
সঠিক উত্তর:
১৭১গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭১গ
ব্যাখ্যা
ধারা ১৭১গ: নির্বাচনকালে অন্যায় প্রভাব-
(১) যে ব্যক্তি স্বেচ্ছায় বা চেষ্টা করে কোনো নির্বাচনী অধিকারের মুক্ত ব্যবহারকে হস্তক্ষেপ করতে, সে নির্বাচনকালে অন্যায় প্রভাবের অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হবে।

(২) উপধারা (১)-এর সাধারণ বিধির উপর ক্ষতি না করে, যে ব্যক্তি—
(ক) কোনো প্রার্থী বা ভোটার অথবা প্রার্থী বা ভোটারের সাথে সম্পর্কিত ব্যক্তিকে কোনো ধরনের ক্ষতির ভয় দেখায়, অথবা
(খ) কোনো প্রার্থী বা ভোটারকে বিশ্বাস করতে বাধ্য করে বা চেষ্টা করে যে সে বা তার সাথে সম্পর্কিত কেউ ঈশ্বরের অদৃষ্টদোষ বা আধ্যাত্মিক শাস্তির সম্মুখীন হবে,

তাহলে তাকে নির্বাচনী অধিকারের মুক্ত ব্যবহারকে হস্তক্ষেপ হিসাবে গণ্য করা হবে, যেমনটি উপধারা (১)-এ উল্লেখিত।

(৩) সরকারি নীতি বা সরকারি কর্মের প্রতিশ্রুতি, বা কোনো নির্বাচনী অধিকারে হস্তক্ষেপ করার উদ্দেশ্য ছাড়া শুধুমাত্র কোনো আইনগত অধিকার প্রয়োগ করা, এটি এই ধারার অধীনে হস্তক্ষেপ হিসাবে গণ্য হবে না।
৫২.
চুরির অপরাধে ৩ বছরের জন্য দণ্ডিত আসামি পরবর্তীতে আবার একই অপরাধ করলে, দ্বিতীয়বারের অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ কোন দণ্ডে দণ্ডিত হতে পারে?
  1. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  2. ৭ বছর কারাদণ্ড
  3. ৫ বছর কারাদণ্ড
  4. উক্ত অপরাধটির সর্বোচ্চ সাজার দ্বিগুণ সাজা
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০ – ধারা ৭৫: পূর্বের দণ্ডের পর অধ্যায় ১২ বা অধ্যায় ১৭ এর অধীন নির্দিষ্ট অপরাধের জন্য অধিকতর শাস্তি:
যে ব্যক্তি বাংলাদেশে কোনো আদালত কর্তৃক দণ্ডবিধির অধ্যায় ১২ (মুদ্রা ও সরকারী স্ট্যাম্প সম্পর্কিত অপরাধ) বা অধ্যায় ১৭ (সম্পত্তির বিরুদ্ধে অপরাধ) এর অধীন এমন কোনো অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন, যার শাস্তি তিন বছর বা ততোধিক মেয়াদে কারাদণ্ড, এবং পুনরায় তিনি উপরোক্ত কোনো এক অধ্যায়ের অধীন অনুরূপ মেয়াদে কারাদণ্ডযোগ্য অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হন, তাহলে তার শাস্তি বৃদ্ধি পাবে এবং তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড অথবা ১০ বছরের মধ্যে কোনো মেয়াদের শাস্তি দেওয়া হবে।

Section -75. Enhanced punishment for certain offences under Chapter XII or Chapter XVII after previous conviction:
Whoever, having been convicted,
(a) by a Court in Bangladesh of an offence punishable under Chapter XII or Chapter XVII of this Code with imprisonment of either description for a term of three years or upwards;
shall be guilty of any offence punishable under either of those Chapters with like imprisonment for the like term, shall be subject for every such subsequent offence to imprisonment for life, or to imprisonment of either description for a term which may extend to ten years.
৫৩.
দণ্ডবিধি অনুসারে- “Wrongful loss” is the loss by unlawful means of property to which the person losing it is ___________.
  1. legally entitled
  2. not legally entitled
  3. in possesion of any property
  4. not in possesion of any property
সঠিক উত্তর:
legally entitled
উত্তর
সঠিক উত্তর:
legally entitled
ব্যাখ্যা
• Section 23- Wrongful loss:
"Wrongful loss" is the loss by unlawful means of property to which the person losing it is legally entitled.
"অন্যায্য ক্ষতি" হল অবৈধ উপায়ে এমন সম্পত্তির ক্ষতি যার উপর ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তির আইনগত অধিকার রয়েছে।
৫৪.
‘ম’ একটি দোকানদারকে ভয় দেখায় যে, যদি সে তাকে বাকিতে জিনিস না দেয়, তাহলে তার দোকানে আগুন লাগিয়ে দেবে। 'ম' এর এই আচরণ কোন ধরনের অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে?
  1. মানহানি
  2. অবৈধ অনুপ্রবেশ
  3. দস্যুতা
  4. অপরাধমূলক ভীতিপ্রদর্শন
সঠিক উত্তর:
অপরাধমূলক ভীতিপ্রদর্শন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপরাধমূলক ভীতিপ্রদর্শন
ব্যাখ্যা
ধারা ৫০৩: অপরাধমূলক ভীতিপ্রদর্শন-
যদি কোনো ব্যক্তি অন্য ব্যক্তিকে তার ব্যক্তি, সুনাম বা সম্পত্তির ক্ষতির হুমকি দেয়, অথবা সেই ব্যক্তির আগ্রহসম্পন্ন অন্য কারো ব্যক্তি বা সুনামের ক্ষতির হুমকি দেয়, এবং এর মাধ্যমে তাকে ভীত করার উদ্দেশ্যে, অথবা তাকে এমন কোনো কাজ করতে বাধ্য করার উদ্দেশ্যে যা সে আইনত বাধ্য নয়, অথবা তাকে এমন কোনো কাজ না করতে বাধ্য করার উদ্দেশ্যে যা সে আইনত করতে অধিকারী, তাহলে তা অপরাধমূলক ভীতিপ্রদর্শন হিসেবে গণ্য হবে।​

ব্যাখ্যা: যদি কোনো ব্যক্তি মৃত ব্যক্তির সুনাম ক্ষতির হুমকি দেয়, এবং সেই মৃত ব্যক্তি হুমকিপ্রাপ্ত ব্যক্তির আগ্রহসম্পন্ন হন, তবে সেটিও এই ধারার অন্তর্ভুক্ত হবে।​

ধারা ৫০৬: অপরাধমূলক ভীতিপ্রদর্শনের শাস্তি-
যে ব্যক্তি অপরাধমূলক ভীতিপ্রদর্শন করেন, তিনি সর্বোচ্চ দুই বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, অথবা অর্থদণ্ড, অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হতে পারেন।
৫৫.
ঘৃণা, বিদ্বেষ বা বৈরিতা সৃষ্টি করা ছাড়া সরকারের কোন শাসন পরিচালন বিষয়ক কার্য সম্পর্কে অসমর্থনমূলক অভিমত বা মন্তব্য প্রকাশ দণ্ডবিধির ১২৪ক ধারামতে-
  1. সাধারণ অপরাধ বলে পরিগণিত হবে
  2. সরকার বিরোধী অপরাধ বলে গণ্য হবে
  3. শাসন ব্যবস্থার বিরুদ্ধে অপরাধ বলে গণ্য হবে
  4. অপরাধ বলে পরিগণিত হবে না
সঠিক উত্তর:
অপরাধ বলে পরিগণিত হবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপরাধ বলে পরিগণিত হবে না
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১২৪ক ধারার বিধান- রাষ্ট্রদ্রোহিতা:
কোন ব্যক্তি যদি উচ্চারিত বা লিখিত কথা বা উক্তি দ্বারা, অথবা চিহ্নাদি দ্বারা, অথবা দৃশ্যমান প্রতীকের সহায়তায় অথবা অপর কোনভাবে বাংলাদেশে আইনানুসারে প্রতিষ্ঠিত সরকারের প্রতি ঘৃণা বা বিদ্বেষ সৃষ্টি করে বা করার চেষ্টা করে অথবা বৈরিতা উদ্রেক করে বা করার চেষ্টা করে, তবে সে ব্যক্তি যাবজ্জীবন অথবা যে কোন কম মেয়াদের কারাদণ্ডে যার সাথে অর্থদণ্ড যোগ করা যাবে অথবা তিন বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে যার সাথে অর্থদণ্ড যোগ করা যাবে, অথবা তাকে অর্থ দণ্ডে দণ্ডিত করা হবে।

ব্যাখ্যা ১: ‘বৈরিতা' বলতে রাজানুগত্যহীনতা এবং সর্বপ্রকার শত্রুতার ভাব বুঝায়।
ব্যাখ্যা ২: ঘৃণা, বিদ্বেষ বা বৈরিতা সৃষ্টি করা বা সৃষ্টি করার চেষ্টা করা ছাড়াই আইনসম্মত উপায়ে পরিবর্তন বা সংশোধনের উদ্দেশ্যে সরকারের গৃহীত ব্যবস্থাসমূহের প্রতি অসমর্থন প্রকাশ এই ধারামতে অপরাধ বলে পরিগণিত হবে না।
ব্যাখ্যা ৩: ঘৃণা, বিদ্বেষ বা বৈরিতা সৃষ্টি করার বা সৃষ্টি করার চেষ্টা করা ছাড়াই সরকারের কোন শাসন পরিচালন বিষয়ক বা অন্যরূপ কার্য সম্পর্কে অসমর্থনমূলক অভিমত বা মন্তব্য প্রকাশ এই ধারামতে অপরাধ বলে পরিগণিত হবে না। 
৫৬.
খাদ্য বা পানীয়ের ভেজাল মেশানোর অপরাধে, যদি অভিযুক্ত ব্যক্তি দোষী হয়, তার সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ৩ মাসের কারাদণ্ড বা ১ হাজার টাকা জরিমানা বা উভয়
  2. ৬ মাসের কারাদণ্ড বা ১ হাজার টাকা জরিমানা বা উভয়
  3. ১ বছরের কারাদণ্ড বা ২ হাজার টাকা জরিমানা বা উভয়
  4. ৩ বছরের কারাদণ্ড বা ২ হাজার টাকা জরিমানা বা উভয়
সঠিক উত্তর:
৬ মাসের কারাদণ্ড বা ১ হাজার টাকা জরিমানা বা উভয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ মাসের কারাদণ্ড বা ১ হাজার টাকা জরিমানা বা উভয়
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ধারা ২৭২: খাদ্য বা পানীয়ের ভেজাল-
যে ব্যক্তি কোনো খাদ্য বা পানীয়ের দ্রব্যে ভেজাল মিশায়, যাতে ওই দ্রব্যটি খাদ্য বা পানীয় হিসেবে ক্ষতিকর হয় এবং সে ওই দ্রব্যটি খাদ্য বা পানীয় হিসেবে বিক্রি করার উদ্দেশ্যে বা জানার পরেও যে এটি খাদ্য বা পানীয় হিসেবে বিক্রি হতে পারে, তাকে সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডের শাস্তি প্রদান করা হবে যা সর্বোচ্চ ছয় মাস পর্যন্ত হতে পারে, অথবা সর্বোচ্চ এক হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অথবা উভয় শাস্তি

[Whoever adulterates any article of food or drink, so as to make such article noxious as food or drink, intending to sell such article as food or drink, or knowing it to be likely that the same will be sold as food or drink, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to six months, or with fine which may extend to one thousand taka, or with both.]
৫৭.
গুরুতর এবং আকস্মিক উসকানির কারণে স্বেচ্ছায় গুরুতর আঘাত প্রদান করার ক্ষেত্রে দণ্ডবিধির কোন ধারা প্রযোজ্য হবে?
  1. ধারা ৩২৩
  2. ধারা ৩২৬
  3. ধারা ৩৩৫
  4. ধারা ৩৩৬
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩৩৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩৩৫
ব্যাখ্যা
ধারা ৩৩৫: উসকানির কারণে স্বেচ্ছায় দেওয়া গুরুতর আঘাত-
যে ব্যক্তি গুরুতর এবং আকস্মিক উসকানির কারণে স্বেচ্ছায় গুরুতর আঘাত প্রদান করবে, যদি সে এই আঘাত দেওয়ার উদ্দেশ্য না থাকে বা তার জানা না থাকে যে, সে অন্য কোনো ব্যক্তিকে আঘাত করতে পারে, যিনি উসকানি দিয়েছেন, তাহলে তাকে সর্বোচ্চ চার বছরের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড, অথবা সর্বোচ্চ দুই হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অথবা উভয়ই দণ্ড দেওয়া হতে পারে।

⇒ মাহিন সহকর্মীর কাছ থেকে গভীর এবং আকস্মিক উসকানি পেয়েছে, যার ফলশ্রুতিতে সে সহকর্মীকে আঘাত করে গুরুতর ক্ষতি করেছে (চোয়াল ভাঙা = grievous hurt)। তবে মাহিনের উদ্দেশ্য ছিল না গুরুতর ক্ষতি করা, এবং সে কেবল উসকানিতে তা করেছে — এ পরিস্থিতিতে দণ্ডবিধির ৩৩৫ ধারা প্রযোজ্য।
৫৮.
দণ্ডবিধির কত ধারা অনুযায়ী, বেআইনীভাবে কাউকে শ্রমে বাধ্য করা অপরাধ?
  1. ৩৭২ ধারা
  2. ৩৭৩ ধারা
  3. ৩৭৪ ধারা
  4. ৩৭৬ ধারা
সঠিক উত্তর:
৩৭৪ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৭৪ ধারা
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৩৭৪ ধারা- বেআইনী শ্রমে বাধ্য করা:
(১) কোনো ব্যক্তি যদি কাউকে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে শ্রম দান করতে বাধ্য করে, তবে সেই ব্যক্তি এক বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থদণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

(২) কোনো ব্যক্তি যদি কোন যুদ্ধবন্দী বা অপর কোন আশ্রিত ব্যক্তিকে বাংলাদেশ সশ্রম বাহিনীতে কার্য করতে বাধ্য করে, তবে সে ব্যক্তি এক বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে।

ব্যাখ্যা: এই “যুদ্ধবন্দী" এবং "আশ্রিত ব্যক্তি" অভিব্যক্তিসমূহ যথাক্রমে ১৯৪৯ সনের ১২ই আগষ্ট তারিখের যুদ্ধবন্দীর ব্যবস্থাপনা সম্পর্কিত জেনেভা সম্মেলনের-৪ দফা এবং ১৯৪৯ সনের ১২ই আগষ্ট তারিখের যুদ্ধকালে বেসামরিক ব্যক্তিবর্গের নিরাপত্তা সম্পর্কিত জেনেভা সম্মেলনের ৪ দফা মোতাবেক তৎসমূহের প্রতি আরোপিত অর্থের অনুরূপ অর্থ দ্যোতক হবে।
৫৯.
A, Z-এর বিরুদ্ধে একটি মানহানিকর মিথ্যা অভিযোগ (libel) প্রকাশ করার হুমকি দেয়, যদি না Z তাকে টাকা দেয়। এইভাবে A, Z-কে টাকা দিতে বাধ্য করে। A-এর এই আচরণটি _______ হিসেবে গণ্য হবে।
  1. জালিয়াতি
  2. বলপূর্বক আদায়
  3. ডাকাতি
  4. অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ
সঠিক উত্তর:
বলপূর্বক আদায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বলপূর্বক আদায়
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৮৩ ধারার বিধান- বল প্রয়োগে সম্পত্তি আদায়:
কোন ব্যক্তি যদি ইচ্ছাকৃতভাবে কাউকে তার বা অপর কারো জখম হওয়ার ভয়ে অভিভূত করে এবং তদ্বারা অনুরূপ ভয়ে অভিভূত ব্যক্তিকে কোন ব্যক্তির কাছে যেকোন প্রকার দান বা চাঁদা প্রদানের বা কোন সম্পত্তি, মূল্যবান জামানত বা মূল্যবান জামানতে রূপান্তরযোগ্য কোন স্বাক্ষরিত বা সীলমোহরযুক্ত বস্তু অর্পণে অসাধুভাবে বাধ্য করে, তবে সে ব্যক্তি বল প্রয়োগে 'সম্পত্তি আদায়' করার অপরাধ করেছে বলে পরিগণিত হয়।

উদাহরণ-
(ক) ক, গ-কে এইরূপ ভয় দেখায় যে, গ তাকে টাকা না দিলে ক গ-এর বিরুদ্ধে মানহানির কুৎসা রটনা করবে। এইভাবে সে তাকে টাকা দিতে গ-কে বাধ্য করে। ক 'বল প্রয়োগে সম্পত্তি আদায়' করেছে বলে পরিগণিত হবে।
৬০.
বসতবাড়ি বা অনুরূপ স্থানে চুরি করলে সর্বোচ্চ কত বছরের কারাদণ্ড হতে পারে?
  1. ৩ বছর
  2. ৫ বছর
  3. ৭ বছর
  4. ১০ বছর
সঠিক উত্তর:
৭ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ বছর
ব্যাখ্যা
বসতবাড়ি বা অনুরূপ স্থানে চুরি – ধারা ৩৮০ (The Penal Code, 1860):
যে কেউ কোনো ভবন, তাঁবু বা জাহাজে চুরি করে — যা মানুষের বসবাসের জন্য ব্যবহৃত হয় বা সম্পত্তি সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত হয় — সে ব্যক্তি যেকোনো ধরণের (সশ্রম বা বিনাশ্রম) কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবেন, যা সর্বোচ্চ সাত বছর পর্যন্ত হতে পারে এবং তিনি অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হওয়ারও যোগ্য হবেন।
৬১.
A warehouse-keeper entrusted with goods sells them without the owner's consent. He is liable under ___________ of The Penal Code, 1860.
  1. Section 403
  2. Section 405
  3. Section 407
  4. Section 420
সঠিক উত্তর:
Section 407
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Section 407
ব্যাখ্যা
Section 407- Criminal breach of trust by carrier, etc.
Whoever, being entrusted with property as a carrier, wharfinger or warehouse-keeper, commits criminal breach of trust in respect of such property, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine.

ধারা ৪০৭: পরিবহনকারী, গুদামদার ইত্যাদির দ্বারা বিশ্বাসভঙ্গ-
যে কেউ, যিনি পরিবহনকারী (carrier), ঘাটের মালিক বা তত্ত্বাবধায়ক (wharfinger), অথবা গুদামদার (warehouse-keeper) হিসেবে কোনো সম্পত্তি সংরক্ষণের জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত হন, এবং সেই সম্পত্তি সম্পর্কে বিশ্বাসভঙ্গ করেন, তিনি সর্বোচ্চ ৭ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবেন এবং তার সাথে অর্থদণ্ডও হতে পারে।
৬২.
দণ্ডবিধির ৩১৭ ধারা অনুসারে, অভিভাবক কর্তৃক কত বছরের কম বয়স্ক শিশুকে পরিত্যাগ করা অপরাধ?
  1. ৯ বছরের
  2. ১২ বছরের
  3. ১৪ বছরের
  4. ১৬ বছরের
সঠিক উত্তর:
১২ বছরের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২ বছরের
ব্যাখ্যা
ধারা ৩১৭ - ১২ বছরের নিচে শিশু সন্তানকে ফেলে যাওয়া বা পরিত্যাগ করা :
যে ব্যক্তি, ১২ বছরের কম বয়সী কোনো শিশুর পিতা বা মাতা, অথবা ওই শিশুর দেখাশোনার দায়িত্বে নিয়োজিত, সে যদি ইচ্ছাকৃতভাবে পুরোপুরিভাবে শিশুটিকে পরিত্যাগ করার উদ্দেশ্যে ওই শিশুকে কোনো স্থানে রেখে দেয় বা ফেলে দেয়, তাহলে-
- সে ব্যক্তি সর্বোচ্চ সাত বছর মেয়াদে কারাদণ্ড, অথবা
- অর্থদণ্ড, অথবা
- উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন।

ব্যাখ্যা (Explanation):
এই ধারাটি এমন কোনো বাধা সৃষ্টি করে না যাতে শিশুটি মারা গেলে অপরাধীর বিরুদ্ধে খুন (murder) বা অপরাধজনিত হত্যাকাণ্ড (culpable homicide)-এর অভিযোগে বিচার হওয়া থেকে বিরত রাখা হয়।
৬৩.
সাক্ষ্য আইনের ১২ ধারা কোন প্রকার মামলার জন্য প্রাসঙ্গিক?
  1. ফৌজদারি মামলা
  2. ক্ষতিপূরণ মামলা
  3. পারিবারিক মামলা
  4. সম্পত্তি হস্তান্তর মামলা
সঠিক উত্তর:
ক্ষতিপূরণ মামলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্ষতিপূরণ মামলা
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২, ধারা-১২: ক্ষতিপূরণের পরিমাণ নির্ধারণে প্রাসঙ্গিক তথ্য:
যে সকল দেওয়ানি মোকদ্দমায় ক্ষতিপূরণ দাবি করা হয়, সেক্ষেত্রে যে কোন তথ্য যা আদালতকে ক্ষতিপূরণের পরিমাণ নির্ধারণে সহায়তা করবে, তা প্রাসঙ্গিক।

অর্থাৎ, সাক্ষ্য আইনের ১২ ধারা অনুযায়ী,
যে কোনো ঘটনা যা আদালতকে মামলার ক্ষতিপূরণ নির্ধারণে সহায়তা করে, সেগুলোকে প্রাসঙ্গিক হিসেবে গণ্য করা হবে।

Section-12. In suits for damages, facts tending to enable Court to determine amount are relevant:
In suits in which damages are claimed, any fact which will enable the Court to determine the amount of damages which ought to be awarded, is relevant.
৬৪.
যখন একটি দলিলের প্রত্যয়ন আইন অনুসারে প্রয়োজন নেই, তবুও যদি তা প্রত্যায়িত হয়ে থাকে, তবে সে ক্ষেত্রে উক্ত দলিল কী হিসেবে প্রমাণ করা যাবে?
  1. প্রত্যায়িত দলিল
  2. খাঁটি দলিল
  3. অপ্রত্যায়িত দলিল
  4. কোনো ক্ষেত্রেই প্রমাণ করা যাবে না
সঠিক উত্তর:
অপ্রত্যায়িত দলিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপ্রত্যায়িত দলিল
ব্যাখ্যা
ধারা ৭২: আইনের দ্বারা প্রত্যয়ন (attestation) আবশ্যক নয় এমন দলিলের প্রমাণ-
যে দলিল আইন অনুযায়ী প্রত্যয়ন আবশ্যক নয়, তা প্রত্যায়িত হলেও, সেটিকে এমনভাবে প্রমাণ করা যাবে যেন সেটি অপ্রত্যায়িত দলিল।
[An attested document not required by law to be attested may be proved as if it was unattested.]
৬৫.
“প্রতিবেশীর জমি দখলের উদ্দেশ্যে তাকে হত্যা”- এটি কোন প্রকার প্রাসঙ্গিকতা?
  1. প্রস্তুতি
  2. অভিপ্রায়
  3. পরবর্তী কার্য
  4. পূর্ববর্তী কার্য
সঠিক উত্তর:
অভিপ্রায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অভিপ্রায়
ব্যাখ্যা
• The Evidence Act, 1872 এর ৮ ধারায় বিচার্য বা প্রাসঙ্গিক বিষয়ের অভিপ্রায় (Motive), প্রস্তুতি (Preparation) এবং পূর্ববর্তী ও পরবর্তী কার্য (Previous or Subsequent Conduct) কে প্রাসঙ্গিক সাক্ষ্য হিসাবে গণ্য করা হয়েছে। কিছু উদাহরণ নিম্নরূপ:

অভিপ্রায় (Motive):
একজন ব্যক্তির হত্যার অভিপ্রায় দেখানো যেতে পারে যে, তিনি অপরাধীর মানসিক অবস্থা কি ছিল। যেমন অত্যাধিক ঋণগ্রস্ততা বা প্রতিহিংসার অভিপ্রায়।
উদাহরণ:
ক) এক জীবিত স্ত্রীকে ফেলে অন্য একজনের সাথে বিবাহ করার উদ্দেশ্যে স্বামী প্রথম স্ত্রীকে হত্যা করেছে।
খ) একজন প্রতিবেশীর জমি দখল করার জন্য অন্য প্রতিবেশী তাকে হত্যা করেছে।

প্রস্তুতি (Preparation):
অপরাধ সংঘটনের পূর্ব প্রস্তুতি নেওয়ার প্রমাণ যেমন অস্ত্র সংগ্রহ করা, লুকানো পরিকল্পনা করা ইত্যাদি।
উদাহরণ:
ক) ডাকাতি করার জন্য অপরাধী পূর্বে অস্ত্র ও মাস্ক সংগ্রহ করেছিল।
খ) এক ব্যক্তি তার বন্ধুকে হত্যা করার পরিকল্পনা করে তার বাড়িতে বিষাক্ত খাবার পাঠিয়েছিল।

পূর্ববর্তী কার্য (Previous Conduct):
অপরাধীর পূর্ববর্তী কাজকর্ম যা তার আচরণের ধারা প্রদর্শন করে।
উদাহরণ:
ক) বহুবার স্ত্রীকে নির্যাতন ও মারধর করার পর এক দিন স্বামী তাকে হত্যা করেছে।
খ) এক ব্যক্তি পূর্বে বারবার তার প্রতিবেশীর সম্পত্তি অপহরণ করেছে এবং পরে তাকে হত্যা করেছে।

পরবর্তী কার্য (Subsequent Conduct):
অপরাধের পর অপরাধীর আচরণ যেমন পলাতক অবস্থা, সন্দেহজনক কাজ, মিথ্যা বক্তব্য প্রদান ইত্যাদি।
উদাহরণ:
ক) হত্যাকাণ্ডের পর অপরাধী পালিয়ে গিয়েছিল এবং জামাকাপড় পরিবর্তন করেছিল।
খ) অপরাধের পর অপরাধী তার ছদ্মনাম ব্যবহার করে অন্যত্র পালিয়ে গিয়েছিল।
৬৬.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ১৬১ অনুযায়ী, স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করতে ব্যবহৃত কোনো লেখা প্রতিপক্ষকে কখন দেখাতে হবে?
  1. কেবল আদালতের নির্দেশে
  2. প্রতিপক্ষ পক্ষ চাইলে
  3. যদি তা সরকারী দলিল হয়
  4. উল্লিখিত কোন ক্ষেত্রেই নয়
সঠিক উত্তর:
প্রতিপক্ষ পক্ষ চাইলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রতিপক্ষ পক্ষ চাইলে
ব্যাখ্যা
ধারা ১৬১: স্মৃতি পুনরুজ্জীবিতের জন্য ব্যবহৃত লেখার বিষয়ে প্রতিপক্ষের অধিকার-
যে লেখাগুলোর উল্লেখ পূর্ববর্তী দুই ধারার অধীনে করা হয়েছে (অর্থাৎ ধারা ১৫৯ ও ১৬০), তা যদি কোনো সাক্ষী স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করতে ব্যবহার করেন, তাহলে প্রতিপক্ষ পক্ষ (adverse party) চাইলে সেই লেখা উত্থাপন ও প্রদর্শন করতে হবে। প্রতিপক্ষ চাইলে উক্ত লেখার বিষয়ে সাক্ষীকে জেরা (cross-examine) করতে পারবে।

Right of adverse party as to writing used to refresh memory-
Any writing referred to under the provisions of the two last preceding sections must be produced and shown to the adverse party if he requires it: such party may, if he pleases, cross-examine the witness thereupon.
৬৭.
'ক' তার জমিতে 'খ' ও 'গ'-এর অনধিকার প্রবেশের কারণে মামলা করে। 'খ' দাবি করে, ওই জমিতে সাধারণের চলাচলের অধিকার আছে; কিন্তু 'ক' তা অস্বীকার করে। অথচ পূর্বে 'ক' ও 'গ'-এর এক মামলায় আদালত ডিক্রি দিয়েছিল যে, সেখানে সাধারণের চলাচলের অধিকার রয়েছে। আদালতের এই ডিক্রি বর্তমানে 'ক' এবং 'খ' এর মধ্যেকার মামলায়-
  1. প্রাসঙ্গিক হবে
  2. চূড়ান্ত প্রমাণ হবে না
  3. প্রাসঙ্গিক হবে না
  4. ক এবং খ
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪২ ধারায় জনসংশ্লিষ্ট প্রকৃতির [Public Nature] বিষয়ে আদালতের রায় প্রাসঙ্গিক করা হয়েছে। সাক্ষ্য আইনের সাধারণ নিয়ম হলো রায়ের পক্ষ নয় এমন কোন ব্যক্তির ক্ষেত্রে উক্ত রায় বাধ্যকর হবেনা। কিন্তু এই নিয়মের প্রথম ব্যতিক্রম ৪১ ধারায় এবং দ্বিতীয় ব্যতিক্রম সাক্ষ্য আইনের ৪২ ধারায় উল্লেখ করা হয়েছে। এই ধারায় বলা হয়েছে, একই পক্ষ হোক বা না হোক, জনসংশ্লিষ্ট প্রকৃতির বিষয় যেমন প্রথা, প্রেসক্রিপশন (অনুমতি সাপেক্ষে ব্যবহার অধিকার) ইত্যাদি বিষয়ে আদালতের রায় প্রাসঙ্গিক।

⇒ উদাহরণ
'ক' 'খ' এর বিরুদ্ধে তার জমিতে অনধিকার প্রবেশের কারণে মামলা করে। 'খ' উক্ত জমিতে সাধারণ জনগণের চলাচলের অধিকার আছে বলে দাবী করে। 'ক' এই দাবী অস্বীকার করে। 'ক' এবং 'গ' এর মধ্যে উক্ত জমি নিয়ে পূর্বের কোন এক মামলায় আদালত উক্ত জমিতে সাধারণের চলাচলের অধিকার আছে বলে ডিক্রি প্রদান করেছিল। আদালতের এই ডিক্রি বর্তমানে 'ক' এবং 'খ' এর মধ্যেকার মামলায় প্রাসঙ্গিক হবে। কিন্তু এটা চলাচলের অধিকার যে আছে তার চূড়ান্ত প্রমাণ না।
৬৮.
Under Section 77 of The Evidence Act, 1872, what can be used to prove the contents of public documents?
  1. Oral statements
  2. Certified copies
  3. Affidavit of witness
  4. Original documents only
সঠিক উত্তর:
Certified copies
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Certified copies
ব্যাখ্যা
Section 77- Proof of documents by production of certified copies:
Such certified copies may be produced in proof of the contents of the public documents or parts of the public documents of which they purport to be copies.

সাক্ষ্য আইনের ৭৭ ধারা:
"অনুরূপ জাবেদা নকল (সাক্ষ্য আইনের ৭৬ ধারার অধীন প্রদত্ত জাবেদা নকল)সরকারি যে দলিলের নকল বা যে দলিলের অংশ বিশেষের নকল বলে দেয়া হয়, সেই দলিলের বা তার অংশ বিশেষের বিষয়বস্তুর প্রমাণ স্বরূপ তা উপস্থাপন করা যেতে পারে।"
৬৯.
আইনসম্মতভাবে বাধ্য না হয়ে কোনো ব্যক্তি প্রশ্নের উত্তর না দিলে, আদালত কী অনুমান করতে পারে?
  1. সে নির্দোষ
  2. সে উত্তর জানে না
  3. উত্তরটি তার পক্ষে অনুকূল হতো না
  4. কোনো কিছু অনুমান করবে না
সঠিক উত্তর:
উত্তরটি তার পক্ষে অনুকূল হতো না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উত্তরটি তার পক্ষে অনুকূল হতো না
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ১১৪ ধারার বিধান: আদালত কিছু তথ্যের অস্তিত্ব অনুমান করতে পারে-
আদালত প্রকৃতি এবং মানবিক আচরণের সাধারণ গতিপ্রকৃতি, সরকারি ও বেসরকারি কার্যাবলীর সাপেক্ষে বিশেষ মামলার তথ্যগুলি বিবেচনা করে, যে কোনো তথ্য বা ঘটনার অস্তিত্ব অনুমান করতে পারে যা আদালতের মতে সম্ভবত ঘটেছে। আদালত নিম্নলিখিত বিষয়গুলি অনুমান করতে পারে -
(ক) যে ব্যক্তি চুরির কিছুক্ষণ পরেই চুরি মালামাল দখলে রাখে, সে নিজেই চোর অথবা জেনেশুনে চুরি মাল গ্রহণ করেছে, যদি না সে তার দখলের কারণ ব্যাখ্যা করতে পারে;
(খ) যে ব্যক্তি অপরাধের সহযোগী, সে অবিশ্বাসযোগ্য, যদি না তার সাক্ষ্যের মূল বিষয়গুলি অন্য কোনো প্রমাণ দ্বারা সমর্থিত হয়;
(গ) একটি হুন্ডি স্বীকৃত বা অনুমোদিত হয়েছে প্রাপ্য মূল্যের বিনিময়ে;

(ঘ) যেকোনো বস্তু বা অবস্থা যা এমন সময়সীমার মধ্যে দেখা গেছে যে সময়সীমার মধ্যে এরকম বস্তু বা অবস্থা সাধারণত লুপ্ত হয়ে যায় না, তা এখনও বিদ্যমান রয়েছে;
(ঙ) বিচারিক এবং সরকারি কার্যাবলী নিয়মানুসারে সম্পাদিত হয়েছে;
(চ) বিশেষ ক্ষেত্রে ব্যবসায়িক নিয়মানুসারে কার্যক্রম পালিত হয়েছে;

(ছ) যে প্রমাণ উপস্থাপন করা সম্ভব ছিল কিন্তু করা হয়নি, তা উপস্থাপিত হলে যে ব্যক্তি তা প্রমাণ করতে অস্বীকার করেছেন তার পক্ষে অনুকূল হতো না;
(জ) কোনো ব্যক্তি যদি আইনসম্মতভাবে বাধ্য না হয়ে কোনো প্রশ্নের উত্তর দিতে অস্বীকার করে, তাহলে মনে করা হবে উত্তরটি তার পক্ষে অনুকূল হতো না;
(ঝ) কোনো দায়বদ্ধকারী দলিল দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তির কাছে থাকলে, মনে করা হবে দায়িত্বটি পরিশোধিত হয়েছে।
তবে বিশেষ মামলার ক্ষেত্রে এই নিয়মগুলি প্রযোজ্য কিনা তা বিবেচনা করার সময় আদালত নিম্নলিখিত বিষয়গুলিও বিবেচনা করবে।
৭০.
সাক্ষ্য আইনের ১৬২ ধারায়, নথি উপস্থাপন নিয়ে যদি আপত্তি থাকে, তাহলে সেই আপত্তির বৈধতা নির্ধারণ করবেন কে?
  1. আইনজীবী
  2. পুলিশ
  3. আদালত
  4. সাক্ষী নিজে
সঠিক উত্তর:
আদালত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালত
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৬২ ধারার বিধান: নথি উপস্থাপন:
যদি কোনো সাক্ষীকে কোনো নথি আদালতে উপস্থাপনের জন্য ডাকা হয়, তবে সেই নথিটি তার অধিকারে বা হেফাজতে থাকলে, তিনি তা আদালতে আনতে বাধ্য থাকবেন, যদিও সেই নথি উপস্থাপন করা বা তা গ্রহণযোগ্য হওয়া নিয়ে কোনো আপত্তি থাকলেও। আপত্তির বৈধতা আদালতই নির্ধারণ করবে।
আদালত যদি মনে করে, তবে নথিটি পর্যালোচনা করতে পারে, যদি না সেটি রাষ্ট্র সম্পর্কিত কোনো বিষয়বস্তু হয়। এছাড়াও, নথির গ্রহণযোগ্যতা নির্ধারণের জন্য আদালত অন্যান্য প্রমাণ সংগ্রহ করতে পারে।

Section-162. Production of documents:
A witness summoned to produce a document shall, if it is in his possession or power, bring it to Court, notwithstanding any objection which there may be to its production or to its admissibility. The validity of any such objection shall be decided on by the Court. 
The Court, if it sees fit, may inspect the document, unless it refers to matters of State, or take other evidence to enable it to determine on its admissibility.
৭১.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ১২৫ অনুযায়ী, ম্যাজিস্ট্রেট কোন ধরনের তথ্য প্রকাশ করতে বাধ্য নন?
  1. কোনো সাক্ষীর বিবরণ
  2. অপরাধ সংঘটন সংক্রান্ত তথ্য
  3. বিচার সংক্রান্ত তথ্য
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
অপরাধ সংঘটন সংক্রান্ত তথ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপরাধ সংঘটন সংক্রান্ত তথ্য
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১২৫ ধারার বিধান: অপরাধ সংঘটন সংক্রান্ত তথ্য:
কোনও ম্যাজিস্ট্রেট বা পুলিশ কর্মকর্তা অপরাধ সংঘটনের বিষয়ে তথ্য কোথা থেকে পেয়েছেন, তা প্রকাশ করতে বাধ্য থাকবেন না। তেমনি, কোনও রাজস্ব কর্মকর্তা জনস্বার্থে রাজস্ব সম্পর্কিত কোনও অপরাধের বিষয়ে তথ্য কোথা থেকে পেয়েছেন, তা প্রকাশ করতে বাধ্য থাকবেন না।

ব্যাখ্যা: এই ধারায় "রাজস্ব কর্মকর্তা" বলতে জনস্বার্থে রাজস্ব সম্পর্কিত কোনো শাখায় নিযুক্ত বা কাজরত কর্মকর্তাকে বোঝায়।
৭২.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ৯০ক অনুসারে, আদালত ডিজিটাল রেকর্ডকে সঠিক বলে অনুমান করতে পারে যদি রেকর্ডটি -
  1. সরকারি হেফাজতে থাকে
  2. ১ বছর পুরোনো হয়
  3. ৫ বছর পুরোনো হয়
  4. স্বয়ংক্রিয় সফটওয়্যার দ্বারা তৈরি করা হয়
সঠিক উত্তর:
৫ বছর পুরোনো হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ বছর পুরোনো হয়
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৯০ক অনুযায়ী,
যে কোনো ডিজিটাল রেকর্ড যদি পাঁচ বছর পুরোনো হয় এবং আদালত মনে করে যে এটি সঠিকভাবে সংরক্ষিত হয়েছে,
 তবে আদালত এটি সঠিক বলে ধরে নিতে পারে এবং অনুমান করতে পারে যে ডিজিটাল স্বাক্ষরটি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা তার অনুমোদিত কোনো ব্যক্তির দ্বারা সংযুক্ত হয়েছে।

⇒ The Evidence Act,1872, section- 90A. Presumption as to digital records five years old:
Where any digital record, purporting or proved to be five years old, is produced from any custody which the Court in the particular case considers proper, the Court may presume that the digital signature which purports to be the digital signature of any particular person was so affixed by him or any person authorized by him in this behalf.
৭৩.
একজন আইনজীবী অপমান করার উদ্দেশ্যে সাক্ষীকে তার ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে প্রশ্ন করে যা মামলার সাথে সরাসরি সম্পর্কিত নয়। এই প্রশ্নটি সাক্ষ্য আইনের ১৫২ ধারা অনুসারে-
  1. গ্রহণযোগ্য
  2. বাধ্যতামূলক
  3. নিষিদ্ধযোগ্য
  4. রেকর্ডে নেওয়া হবে না কিন্তু প্রশ্ন করা যাবে
সঠিক উত্তর:
নিষিদ্ধযোগ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিষিদ্ধযোগ্য
ব্যাখ্যা
 • সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ১৫২ ধারা অনুসারে,
আদালত যে কোনো প্রশ্ন নিষিদ্ধ করবে যা তার কাছে অপমান বা বিরক্ত করার উদ্দেশ্যে করা হয়েছে বলে মনে হয়, অথবা যা, নিজে যথাযথ হলেও, আদালতের কাছে অনাবশ্যকভাবে আপত্তিকর রূপে প্রতীয়মান হয়।

Section 152- Questions intended to insult or annoy:
The Court shall forbid any question which appears to it to be intended to insult or annoy, or which, though proper in itself, appears to the Court needlessly offensive in form.
৭৪.
সাক্ষ্য আইনের ৬৮ ধারা অনুযায়ী, যে দলিল সত্যায়নের প্রয়োজন, তা প্রমাণ করতে সাধারণত কী করতে হয়?
  1. দলিল রেজিস্ট্রি করতে হয়
  2. দলিলটি আদালতে জমা দিতে হয়
  3. কমপক্ষে একজন সত্যায়নকারী সাক্ষীকে তলব করতে হয়
  4. উল্লিখিত সব
সঠিক উত্তর:
কমপক্ষে একজন সত্যায়নকারী সাক্ষীকে তলব করতে হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কমপক্ষে একজন সত্যায়নকারী সাক্ষীকে তলব করতে হয়
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ৬৮ ধারার বিধান- যে দলিল সত্যায়িত করা আইনত প্রয়োজন, তা সম্পাদনের প্রমাণ:
যে দলিল আইনে সত্যায়ন করার জন্য নির্দেশিত সেই দলিল প্রমাণ করার জন্য অন্ততপক্ষে একজন সত্যায়নকারী সাক্ষী তলব না করা পর্যন্ত দলিলটি সাক্ষ্য হিসাবে ব্যবহার করা যাবে না। তবে শর্ত থাকে যে উইল ব্যতীত অন্য কোন দলিল যদি- রেজিস্ট্রি করা হয়ে থাকে এবং সম্পাদনকারী যদি সম্পাদনের কথা নির্দিষ্টভাবে অস্বীকার করা না হয়, তা হলে প্রত্যয়নকারী সাক্ষীকে তলব করা প্রয়োজন হবে না।
৭৫.
অচল মুদ্রা বলে জানা সত্ত্বেও প্রতারণামূলকভাবে অন্যকে তা অর্পণের দায়ে ‘ক’- অভিযুক্ত হয়েছে। সাক্ষ্য আইনের কোন ধারা মতে ইতিপূর্বে ‘ক’-এর এইরূপ অপরাধে দণ্ডিত হওয়ার ঘটনা বর্তমান বিচারের ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক হবে?
  1. ১২ ধারা
  2. ১৪ ধারা
  3. ১৫ ধারা
  4. ১৬ ধারা
সঠিক উত্তর:
১৪ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৪ ধারার বিধান: মনের বা দেহের অবস্থা বা দৈহিক উপলব্ধির অস্তিত্ব যে সকল বিষয় প্রদর্শন করেঃ
ইচ্ছা, জ্ঞান, সরল বিশ্বাস, অবহেলা হঠকারিতা, কোন ব্যক্তিবিশেষের প্রতি বিদ্বেষ অথবা কল্যাণ কামনার মানসিক অবস্থার অস্তিত্ব যে সকল বিষয় প্রকাশ করে অথবা কোন শারীরিক অবস্থা শারীরিক অনুভূতির অস্তিত্ব প্রকাশ করে, সেগুলো তখনই প্রাসঙ্গিক, যখন উক্তরূপ কোন মানসকি অথবা শারীরিক অবস্থা অথবা শারীরিক অনুভূতির অস্তিত্ব বিচার্য অথবা প্রাসঙ্গিক বিষয় হয়।

ব্যাখ্যা-১: কোন প্রাসঙ্গিক মানসিক অবস্থা প্রকাশ করার নিমিত্তে যে বিষয়টি প্রাসঙ্গিক হয়, তাকে সংশ্লিষ্ট মানসিক অবস্থাটি সাধারণভাবে নয়, নির্ধারিতকোন বিচার্য বিষয় প্রসঙ্গে বিদ্যমান রয়েছে এরূপ প্রকাশ করতে হবে।

ব্যাখ্যা-২: তবে যখন কোন অপরাধে অভিযুক্ত কোন ব্যক্তির বিচারকালে উক্ত ব্যক্তি কর্তৃক পূর্বে- কৃত কোন অপরাধ এ ধারা অনুযায়ী প্রাসঙ্গিক, তখন উক্ত ব্যক্তির পূর্বে দণ্ডিত হওয়াও প্রাসঙ্গিক বিষয়।
৭৬.
'Effect of fraud’ - এটি তামাদি আইনের কত ধারার শিরোনাম?
  1. ১৭ ধারা
  2. ১৮ ধারা
  3. ১৯ ধারা
  4. ২০ ধারা
সঠিক উত্তর:
১৮ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮ ধারা
ব্যাখ্যা
Section 18: Effect of fraud
Where any person having a right to institute a suit or make an application has, by means of fraud, been kept from the knowledge of such right or of the title on which it is founded, or where any document necessary to establish such right has been fraudulently concealed from him, the time limited for instituting a suit or making an application- 
(a) against the person guilty of the fraud or accessory thereto, or
(b) against any person claiming through him otherwise than in good faith and for a valuable consideration,  

shall be computed from the time when the fraud first became known to the person injuriously affected thereby, or, in the case of the concealed document, when he first had the means of producing it or compelling its production.

• ধারা ১৮- মামলা বা দরখাস্ত দাখিলের ক্ষেত্রে প্রতারণার ফলাফল:
 যেক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি একটি মামলা বা দরখাস্ত দাখিলের অধিকারী, কিন্তু প্রতারণার মাধ্যমে তাকে সেই অধিকারের বিষয়ে বা যে স্বত্বের উপর উক্ত অধিকার প্রতিষ্ঠিত তা জানতে দেয়া হয় নাই অথবা উক্ত অধিকার প্রতিষ্ঠা করার জন্য যে দলির প্রয়োজন তা প্রতারণা করে গােপন রাখা হয়েছে, সেই সকল ক্ষেত্রে তামাদির মেয়াদ গণনা শুরু হবে বাদী যেদিন-
১। সর্বপ্রথম প্রতারণার কথা জানতে পারে সেদিন থেকে, অথবা
২। যেদিন গােপন রাখা দলিল উত্থাপন করতে পারবে, অথবা
৩। অপর পক্ষের কাছে থাকা দলিলটি যেদিন হাজির করতে বাধ্য করতে পারবে।
৭৭.
হাইকোর্ট ভিন্ন অন্য যেকোনো ফৌজদারি আপিল আদালতে আপিল করার তামাদির মেয়াদ কত?
  1. ২০ দিন
  2. ৩০ দিন
  3. ৬০ দিন
  4. ৯০ দিন
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ- ১৫৪: ১৮৯৮ সালের ফৌজদারী কার্যবিধি অনুসারে হাইকোর্ট ভিন্ন যে কোন আদালতে আপিল -
তামাদি- ৩০ দিন;
সময় গণনা শুরু- যে দণ্ডাদেশ বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা হয়েছে তার তারিখ হতে।
৭৮.
তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ধারা ১৭ কোন পরিস্থিতিতে প্রযোজ্য?
  1. মোকদ্দমার অধিকার সৃষ্টির পরে মৃত্যু ঘটলে
  2. অধিকার জন্মের পরে মামলা দায়েরে বিলম্ব হলে
  3. মোকদ্দমার অধিকার সৃষ্টির আগেই মৃত্যু ঘটলে
  4. উল্লিখিত কোন ক্ষেত্রেই নয়
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমার অধিকার সৃষ্টির আগেই মৃত্যু ঘটলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমার অধিকার সৃষ্টির আগেই মৃত্যু ঘটলে
ব্যাখ্যা
The Limitation Act, 1908 এর ১৭ ধারার বিধান- অধিকার অর্জনের পূর্বে মৃত্যুর ফলাফল:-
কোন ব্যক্তি জীবিত থাকলে মোকদ্দমা বা দরখাস্ত দায়েরের অধিকারী হত কিন্তু অধিকারটি সৃষ্টি হওয়ার আগেই তার মৃত্যু হলে সেই ব্যক্তির আইনগত প্রতিনিধি ঐ মোকদ্দমা বা দরখাস্ত দায়ের করার যোগ্যতা সম্পন্ন হওয়ার সময় থেকে তামাদির মেয়াদ গণনা হবে। একইভাবে কারো বিরুদ্ধে অধিকার সৃষ্টি হওয়ার আগেই তার মৃত্যু হলে তার আইনগত প্রতিনিধির বিরুদ্ধে আইনগত যোগ্যতা সাপেক্ষে উক্ত মোকদ্দমা বা দরখাস্ত দায়েরের তামাদি গণনা হবে।

এই ধারার ব্যতিক্রম হলো- অগ্রক্রয়, স্থাবর সম্পত্তির দখলের মোকদ্দমা এবং বংশগত পদের মোকদ্দমা।
৭৯.
তামাদি আইনের কত ধারায় সদিচ্ছায় ভুল আদালতে মামলা দায়ের করা সময় তামাদি গণনায় বাদ দেওয়া হবে?
  1. ৪ ধারায়
  2. ৫ ধারায়
  3. ১৪ ধারায়
  4. ১৬ ধারায়
সঠিক উত্তর:
১৪ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪ ধারায়
ব্যাখ্যা
ধারা ১৪: ভুল আদালতে সদিচ্ছায় পরিচালিত কার্যধারার সময় বাদ দেওয়া-
(১) যেকোনো মামলার জন্য নির্ধারিত তামাদি সময় গণনার ক্ষেত্রে, যদি বাদী সততা ও যথাযথ যত্নসহকারে অন্য কোনো দেওয়ানি কার্যধারা পরিচালনা করে থাকেন — তা প্রথম আদালতে হোক কিংবা আপিল আদালতে — এবং সেই কার্যধারা একই কারণে দায়েরকৃত হয় এবং সেই আদালত কোনো এখতিয়ারগত ত্রুটি বা অনুরূপ কোনো কারণে মামলাটি গ্রহণে অক্ষম হয়, তাহলে সেই সময় তামাদি সময় গণনায় বাদ দেওয়া হবে।

(২) একইভাবে, যেকোনো দরখাস্তের তামাদি সময় গণনার সময়ও, যদি আবেদনকারী সততা ও সচেষ্টতার সাথে পূর্বে একই প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে একই প্রার্থনার জন্য অন্য কোনো দেওয়ানি কার্যধারা পরিচালনা করে থাকেন এবং আদালত এখতিয়ারগত ত্রুটির কারণে তা গ্রহণ করতে অক্ষম হয় — তবে সেই সময় বাদ যাবে।

ব্যাখ্যা ১: পূর্বের মামলা বা দরখাস্ত চলাকালীন সময় বাদ দেওয়ার ক্ষেত্রে, মামলা/দরখাস্ত দায়েরের দিন এবং নিষ্পত্তির দিন – উভয়ই গণনায় ধরা হবে।
ব্যাখ্যা ২: যদি কোনো বাদী বা আবেদনকারী একটি আপিল প্রতিরোধ করেন, তবে তাকেও কার্যধারা পরিচালনাকারী হিসেবে গণ্য করা হবে।
ব্যাখ্যা ৩: এই ধারার উদ্দেশ্যে, অপ্রাসঙ্গিক পক্ষ বা কারণের ভুল সংযুক্তিকরণ (misjoinder of parties or causes of action) কে আদালতের এখতিয়ারগত ত্রুটির অনুরূপ কারণ বলে গণ্য করা হবে।
৮০.
ঘোষণামূলক মোকদ্দমার তামাদির মেয়াদ The Limitation Act, 1908 এর প্রথম তফসিলের কোন অনুচ্ছেদের অধীনে নির্ধারিত?
  1. ১০ অনুচ্ছেদ
  2. ১২ অনুচ্ছেদ
  3. ১০০ অনুচ্ছেদ
  4. ১২০ অনুচ্ছেদ
সঠিক উত্তর:
১২০ অনুচ্ছেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২০ অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪২ ধারায় ঘোষণামূলক মামলার বিধান রয়েছে। কোন ব্যক্তির আইনগত পরিচয় (Legal Character) কিংবা সম্পত্তিতে তার স্বত্বের অধিকার কেউ যদি অস্বীকার করে, তখন আইনগত পরিচয় বা কোন সম্পত্তির স্বত্বের অধিকারী (Person entitled to property) ব্যক্তি তার অধিকার ঘোষণা চেয়ে আদালতে যে মামলা দায়ের করে, তাকে ঘোষণামূলক মামলা বা Declaratory Suit বা Suit for Declaration বলে। শুধুমাত্র ঘোষণামূলক মোকদ্দমা দায়ের করার তামাদির মেয়াদ তামাদি আইনের তফসিলে উল্লেখ করা হয়নি। তাই শুধুমাত্র ঘোষণামূলক মোকদ্দমা দায়ের করার তামাদির মেয়াদ গণনার ক্ষেত্রে তামাদি আইনের ১২০ অনুচ্ছেদ প্রযোজ্য হবে।

• তামাদি আইনের ১২০ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী-
ঘোষণামূলক মোকদ্দমা দায়ের করার তামাদির মেয়াদ হবে ৬ বছর।
৮১.
ডিক্রি জারির নিলামে ক্রয়কৃত কোনো সম্পত্তির দখল নেওয়ার জন্য ক্রেতা যখন মামলা করে, তখন তামাদি গণনায় বিক্রয় বাতিলের মামলার সময়কাল কীভাবে বিবেচিত হবে?
  1. অন্তর্ভুক্ত হবে
  2. বাদ দেওয়া হবে
  3. দ্বিগুণ গণনা হবে
  4. আলাদা গণনা হবে
সঠিক উত্তর:
বাদ দেওয়া হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাদ দেওয়া হবে
ব্যাখ্যা
তামাদি আইন, ১৯০৮ - ধারা ১৬- ডিক্রি জারিকৃত বিক্রয় বাতিলের কার্যক্রম চলাকালে সময় বাদ দেওয়া:
যে ক্ষেত্রে কোনো ব্যক্তি ডিক্রি জারির ভিত্তিতে নিলাম বিক্রয়ের মাধ্যমে ক্রেতা হয়ে দখল পাওয়ার জন্য মামলা দায়ের করে, সেই ক্ষেত্রে তামাদি সময় গণনার সময় বিক্রয় বাতিল করার জন্য যে সময়কাল মামলা বা কার্যক্রম চালানো হয়েছে, তা তামাদি সময় থেকে বাদ দেওয়া হবে।

Section 16: Exclusion of time during which proceedings to set aside execution-sale are pending-
In computing the period of limitation prescribed for a suit for possession by a purchaser at a sale in execution of a decree, the time during which a proceeding to set aside the sale has been prosecuted shall be excluded.
৮২.
নিম্নের কোন ক্ষেত্রে তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ১৪৪ প্রযোজ্য?
  1. দেউলিয়াত্ব ঘোষণা
  2. সম্পত্তির মালিকানা
  3. দখল পুনরুদ্ধার
  4. বংশগত পদ রক্ষা
সঠিক উত্তর:
দখল পুনরুদ্ধার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দখল পুনরুদ্ধার
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ : ১৪৪, প্রথম তফসিল, তামাদি আইন-
যদি কারো জমি বা স্থাবর সম্পত্তি অন্য কেউ জবরদখল করে নেয়, সেই দখল পুনরুদ্ধারের জন্য মামলা দায়েরের তামাদি মেয়াদ (Limitation Period) - ১২ বছর। এই সময় গণনা শুরু হবে যখন প্রতিপক্ষের দখল বাদীর স্বার্থের বিরুদ্ধে (adverse) হয়ে ওঠে।
৮৩.
“Good faith”: nothing shall be deemed to be done in good faith which is not done with due care and attention - এই সংজ্ঞাটি তামাদি আইনের কোন ধারায় বর্ণিত আছে?
  1. ২(৩) ধারায়
  2. ২(৪) ধারায়
  3. ২(৬) ধারায়
  4. ২(৭) ধারায়
সঠিক উত্তর:
২(৭) ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২(৭) ধারায়
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইনের ২(৭) ধারায় Good faith এর বিধান রয়েছে।

ধারা ২(৭)-
‘সরল বিশ্বাস' অর্থে যথার্থ যত্ন কিংবা সাবধানতা ও মনোযোগের সহিত করা হয়নি-এমন কোন কিছুই সরল বিশ্বাসে করা হয়েছে বলে পরিগণিত হবে না।

Section 2(7)-
“good faith”: nothing shall be deemed to be done in good faith which is not done with due care and attention.
৮৪.
বার কাউন্সিল কার বিরুদ্ধে পেশাগত অসদাচরণের বিচার করে?
  1. বিচারক
  2. মক্কেল
  3. তালিকাভুক্ত অ্যাডভোকেট
  4. উল্লিখিত সবার
সঠিক উত্তর:
তালিকাভুক্ত অ্যাডভোকেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তালিকাভুক্ত অ্যাডভোকেট
ব্যাখ্যা
⇒ The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972 এর অনুচ্ছেদ-১০: বার কাউন্সিলের কতিপয় কার্যাবলী-
১. অ্যাডভোকেট তালিকাভুক্তি করা এবং এই উদ্দেশ্যে পরীক্ষা নেয়া, সনদ প্রদান, তালিকাভুক্তি থেকে বাদ দেয়া;
২. এরূপ তালিকা প্রণয়ন ও রক্ষণাবেক্ষণ করা;
৩. অ্যাডভোকেটদের পেশাগত আচার আচরণ ও নৈতিকতা নির্ধারণ করা;
৪. অ্যাডভোকেটদের বিরুদ্ধে পেশাগত অসদাচরণের অভিযোগের বিচার ও শাস্তি দেওয়া;
৫. তালিকাভুক্ত অ্যাডভোকেটগণের সুযোগ-সুবিধা ও স্বার্থ রক্ষা করা;
৬. বার কাউন্সিল ফান্ডের ব্যবস্থা করা;
৭. সদস্যদের নির্বাচনের আয়োজন করা;
৮. অনুসরণযোগ্য বিধি প্রণয়ন করা;
৯. আইন শিক্ষার উন্নয়ন করা;
১০. অন্যান্য অনুমোদিত ও সহায়ক যাবতীয় কার্যাবলী সম্পাদন করা।