পরীক্ষা আর্কাইভ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

পরীক্ষাডেইলি কুইজ [২০০ দিন]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়07 minutes
মোট প্রশ্ন১৪
সিলেবাস
ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া, হৃদ্পিণ্ড ও হৃদরোগ, স্নায়ু ও স্নায়ুরোগ, রক্ত ও রক্ত সঞ্চালন, রক্তচাপ, খাদ্য ও পুষ্টি, ভিটামিন, মাইক্রোবায়োলজি। সোর্সঃ যেকোনো গাইড বই, ষষ্ঠ থেকে SSC & HSC বোর্ড বই।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন] · তারিখ অনির্ধারিত · ১৪ প্রশ্ন

.
ভাইরাসের ক্ষেত্রে কোনটি সঠিক নয়?
  1. ক) আদি কোষবিশিষ্ট
  2. খ) বাধ্যতামূলক পরজীবী
  3. গ) অতি-আণুবীক্ষণিক সত্তা
  4. ঘ) DNA অথবা RNA উপস্থিত
ব্যাখ্যা

ব্যাখ্যা:
ভাইরাস একটি ল্যাটিন শব্দ যার অর্থ হলো বিষ। এটি প্রোটিন আবরণ এবং অভ্যন্তরস্থ নিউক্লিক এসিড (DNA অথবা RNA) এই দু'টি অংশ নিয়ে গঠিত। ভাইরাস অকোষীয় (আদি কোষীয় নয়), অতি-আণুবীক্ষণিক সত্তা, বাধ্যতামূলক পরজীবী জৈবকণা যা জীবদেহের অভ্যন্তরে সক্রিয় হয়ে রোগ সৃষ্টি করে কিন্তু জীবদেহের বাইরে নিষ্ক্রিয় অবস্থায় বিরাজ করে।
সত্যিকার অর্থে এরা অণুজীব নয়, অণুজীবের মতো। ভাইরাস দেহে কোষীয় বৈশিষ্ট্য তথা কোষ প্রাচীর, কোষঝিল্লি ও সাইটোপ্লাজম নেই- তাই ভাইরাসকে অকোষীয় বলা হয়।
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক উদ্ভিদবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি

.
গঠনের দিক থেকে ভাইরাস কতটি অংশে বিভক্ত?
  1. ক) ২
  2. খ) ৩
  3. গ) ৪
  4. ঘ) ৫
ব্যাখ্যা
ভাইরাসের গঠনঃ
বিভিন্ন প্রকার ভাইরাসের গঠন বিভিন্ন প্রকার হয়ে থাকে।
সাধারণভাবে প্রতিটি ভাইরাস প্রধানত দুটি অংশে বিভক্ত।
যথা -
- প্রােটিন আবরণ তথা ক্যাপসিড ও
- নিউক্লিক এসিড।

ক্যাপসিড (Capsid):
অপেক্ষাকৃত জটিল ভাইরাসে নিউক্লিক এসিডের বাইরে একে ঘিরে অবস্থিত প্রােটিন আবরণটি হলাে ক্যাপসিড। এ প্রােটিন আবরণটি অসংখ্য প্রােটিন অণু দ্বারা গঠিত। ক্যাপসিড আবরণের এক একটি প্রােটিন অণুকে ক্যাপসােমিয়ার (capsomere) বলে।
এ ক্যাপসােমিয়ার অণুসমূহ নির্দিষ্ট ভাইরাস নির্দিষ্ট ধরণের।
কোনাে কোনাে প্রাণি ভাইরাসের ক্যাপসিডের বাহিরে একটি লিপােপ্রােটিনের স্তর থাকে এবং এর একককে পেপলােমার (peplomer) বলে। এ ধরনের ভাইরাসকে লিপপাভাইরাস (lipovirus) বলে।

নিউক্লিক এসিড (Nucleic Acid):
প্রতিটি ভাইরাস দেহের কেন্দ্রে অবস্থান করে নিউক্লিক এসিড।
নিউক্লিক এসিড ভাইরাসের বংশগতি নির্ধারক পদার্থ। নিউক্লিক এসিড দু'ধরনের তথা DNA (ডি অক্সিরাইবাে নিউক্লিক এসিড) ও RNA (রাইবাে নিউক্লিক এসিড)।

উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর সাধারণ বিজ্ঞান বই (উন্মুক্ত)
.
নিচের কোন রোগটির জন্য ব্যাকটেরিয়া দায়ী?
  1. ক) আনডিউলেটেড ফিভার
  2. খ) জলাতঙ্ক
  3. গ) পীত জ্বর
  4. ঘ) টুংরো রোগ
ব্যাখ্যা

ব্যাখ্যা:
- মানুষের অধিকাংশ মারাত্মক রোগগুলিই ব্যাকটেরিয়া দিয়ে হয়ে থাকে। মানুষের যক্ষ্মা, নিউমোনিয়া, টাইফয়েড, কলেরা, ডিপথেরিয়া, আমাশয়, ধনুষ্টংকার, হুপিংকাশি ইত্যাদি ব্যাকটেরিয়া ঘটিত রোগ। এ ছাড়াও এনথ্রাক্স, মেনিনিজাইটিস, কুষ্ঠ, আনডিউলেটেড ফিভার ইত্যাদি রোগও ব্যাকটেরিয়া দিয়ে হয়ে থাকে।
- AIDS, ডেঙ্গু, বার্ড ফ্লু, চিকুনগুনিয়া, সোয়াইন ফ্লু, SARS, জলাতঙ্ক, গুটি বসন্ত, জলবসন্ত, ভাইরাল নিউমোনিয়া, সাধারণ সর্দি, হাম, ইনফ্লুয়েঞ্জা, হার্পিস, পীত জ্বর, গো- বসন্ত, এনোজেনিটাল ক্যান্সার, তামাক, সিম, গোল আলু ইত্যাদির মোজাইক রোগ, কলার বানচি টপ রোগ, ধানের টুংরো রোগ ইত্যাদি বিভিন্ন ভাইরাসের কারণে হয়ে থাকে।
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক উদ্ভিদবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি

.
ব্যাকটেরিয়ার প্রধান জনন পদ্ধতি কোনটি?
  1. ক) মাইটোসিস
  2. খ) মিয়োসিস
  3. গ) দ্বি-ভাজন
  4. ঘ) অঙ্গজ জনন
ব্যাখ্যা

ব্যাখ্যা:
ক্রোমোসোম না থাকায় ব্যাকটেরিয়া কোষে মাইটোসিস ও মিয়োসিস ঘটে না। ব্যাকটেরিয়ার প্রধান জনন পদ্ধতি হলো দ্বি-ভাজন পদ্ধতি। এটি একটি অযৌন পদ্ধতি। কুঁড়ি তথা মুকুলোদগম প্রক্রিয়ায় কোনো কোনো ব্যাকটেরিয়াতে সংখ্যাবৃদ্ধি হতে পারে। কুঁড়ি সৃষ্টির পদ্ধতিকে অঙ্গজ জনন পদ্ধতি বলা যেতে পারে।
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক উদ্ভিদবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি

.
নিচের কোনটি রক্তের প্লাজমা প্রোটিন নয়?
  1. ক) অ্যালবুমিন
  2. খ) ইউরিয়া
  3. গ) প্রোথ্রম্বিন
  4. ঘ) ফাইব্রিনোজেন
ব্যাখ্যা

ব্যাখ্যা:
রক্তে জৈব পদার্থের ভিতরে প্লাজমা প্রোটিন এর পরিমাণ প্রায় ৭.৫%। প্লাজমা প্রোটিন এর মধ্যে অ্যালবুমিন, গ্লোবিউলিন, প্রোথ্রম্বিন, ফাইব্রিনোজেন প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য।
রক্তে বিদ্যমান নাইট্রোজেনঘটিত রেচন পদার্থের মধ্যে রয়েছে ইউরিয়া, ইউরিক এসিড, ক্রিয়েটিনিন, জ্যানথিন, অ্যামোনিয়া ইত্যাদি।
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক প্রাণিবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি

.
মানবদেহে রক্ত সংবহনের ক্ষেত্রে কোনটি সঠিক নয়?
  1. ক) মানুষের রক্ত সংবহনতন্ত্র বদ্ধ ধরনের
  2. খ) মানুষের ক্ষেত্রে বৃক্কীয় পোর্টাল সংবহন অনুপস্থিত
  3. গ) পালমোনারি সংবহনের শুরু হয় ফুসফুসীয় শিরা থেকে
  4. ঘ) মানবদেহে চার প্রক্রিয়ায় রক্তসংবহন সংঘটিত হয়
ব্যাখ্যা

ব্যাখ্যা:
- মানুষের রক্ত সংবহনতন্ত্র বদ্ধ ধরনের। অর্থাৎ রক্ত হৃদপিণ্ড, ধমনি, শিরা ও কৈশিক নালির মাধ্যমে সঞ্চালিত হয়ে অভ্যন্তরীণ পরিবহন সম্পন্ন করে।
- মানুষের রক্ত সংবহনতন্ত্রে দ্বি-চক্রীয় সংবহন অর্থাৎ সিস্টেমিক ও পালমোনারি চক্র দেখা যায়। মানবদেহে চার প্রক্রিয়ায় রক্তসংবহন সংঘটিত হয়, যথা- সিস্টেমিক, পালমোনারি, পোর্টাল এবং করোনারি।
- যে সংবহনে রক্ত হৃদপিণ্ডের ডান নিলয় থেকে ফুসফুসে পৌছায় এবং ফুসফুস থেকে বাম অলিন্দে ফিরে আসে, তাকে পালমোনারি বা ফুসফুসীয় সংবহন বলে। পালমোনারি সংবহনের শুরু হয় ফুসফুসীয় ধমনি থেকে আর শেষ হয় পালমোনারি শিরার মাধ্যমে বাম অলিন্দে ফেরত আসার মাধ্যমে।
- মেরুদণ্ডী প্রাণীতে সাধারণত যকৃত এবং বৃক্কীয়- এ দুধরনের পোর্টাল সংবহন দেখা যায়। তবে রেনাল পোর্টাল সংবহন মানুষসহ বিভিন্ন স্তন্যপায়ী প্রাণীতে অনুপস্থিত।
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক প্রাণিবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি

.
নিচের কোনটি কার্বন- ডাই- অক্সাইড সমৃদ্ধ রক্ত সংবহনে ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) হেপাটিক ধমনি
  2. খ) ফুসফুসীয় ধমনি
  3. গ) পালমােনারি শিরা
  4. ঘ) ফিমোরাল ধমনি
ব্যাখ্যা

ব্যাখ্যা:
সাধারণত ধমনি সংবহনে অক্সিজেন সমৃদ্ধ রক্তের আধিক্য থাকে।
যেমন মহাধমনি, হেপাটিক বা যকৃত ধমনি, ফিমোরাল ধমনি ইত্যাদি প্রায় সকল ধমনি সংবহনেই অক্সিজেন সমৃদ্ধ রক্তের আধিক্য থাকের

কেবল ফুসফুসীয় ধমনির সংবহনে কার্বন- ডাই- অক্সাইড সমৃদ্ধ রক্তের আধিক্য থাকে।
- ফুসফুসীয় ধমনির উদ্ভব হয় ডান নিলয় থেকে।
- হৃদপিণ্ডের ডান নিলয়ের সংকোচনের ফলে কার্বন- ডাই- অক্সাইড সমৃদ্ধ রক্ত তথা অক্সিজেনরিক্ত রক্ত ফুসফুসীয় ধমনিতে প্রবেশ করে।

সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক প্রাণিবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি

করােনারি ধমনি: অ্যাওর্টা অ্যাওর্টিক আর্চ গঠনের পূর্বেই ডান ও বাম করােনারি ধমনি উৎপন্ন করে। এরা অক্সিজেন যুক্ত রক্ত হৃদপেশীতে সরবরাহ করে।

ইনমিনেট ধমনি: এটি একটি খাটো ও মােটা ধমনি। এটি অভিন্ন ক্যারােটিড ধমনি ও ডান সাবক্লেভিয়ান ধমনিতে বিভক্ত।

পালমােনারী ধমনি: দেহ থেকে গৃহীত কার্বন-ডাই-অক্সাইড সমৃদ্ধ রক্ত অক্সিজেনময় হওয়ার জন্য ফুসফুসে বহন করে।

পালমােনারি শিরা: ফুসফুস থেকে অক্সিজেনময় রক্ত দেহে সরবরাহের জন্য হৃদপিন্ডে বহন করে।

সূত্রঃ প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
হৃৎচক্রের স্বাভাবিক সময়কাল কত?
  1. ক) ০.৮ সেকেন্ড
  2. খ) ০.৫ সেকেন্ড
  3. গ) ৭৫ সেকেন্ড
  4. ঘ) ৬০ সেকেন্ড
ব্যাখ্যা

ব্যাখ্যা:
প্রাপ্তবয়স্ক সুস্থ ব্যক্তির হৃৎস্পন্দনের হার প্রতি মিনিটে প্রায় ৭০-৮০ বার। প্রতি হৃৎস্পন্দন সম্পন্ন করতে সিস্টোল ও ডায়াস্টোলের যে চক্রাকার ঘটনাবলি অনুসৃত হয় তাকে কার্ডিয়াক চক্র বা হৃৎচক্র বলে। যদি প্রতি মিনিটে গড়ে ৭৫ বার হৃৎস্পন্দন হয়, তবে হৃৎচক্রের সময়কাল = ৬০/৭৫ সেকেন্ড = ০.৮ সেকেন্ড। স্বাভাবিকভাবেই অ্যাট্রিয়াল চক্র এবং ভেন্ট্রিকুলার চক্র উভয়েরই স্থিতিকাল ০.৮ সেকেন্ড।
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক প্রাণিবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি

.
হৃৎপিণ্ডের সর্বাধিক পেশিবহুল অংশ কোনটি?
  1. ক) ডান অলিন্দ
  2. খ) ডান নিলয়
  3. গ) বাম অলিন্দ
  4. ঘ) বাম নিলয়
ব্যাখ্যা

ব্যাখ্যা:
ডান অলিন্দ হলো হৃৎপিণ্ডের সবচেয়ে কম পেশিবহুল অংশ আর বাম নিলয় হলো সর্বাধিক পেশিবহুল অংশ। ডান অলিন্দ মহাশিরার মাধ্যমে ফুসফুস ছাড়া দেহের অন্য সকল অঙ্গ থেকে অক্সিজেনরিক্ত রক্তগ্রহণ করে। বাম নিলয় মহাধমনির মাধ্যমে ফুসফুস ছাড়া দেহের অন্যান্য অংশে রক্ত পাম্প করে। দেহের প্রায় সমগ্র অংশে রক্ত পাম্প করতে হয় বলে বাম নিলয় হৃৎপিণ্ডের সবচেয়ে পেশিবহুল অংশ।
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক প্রাণিবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি

১০.
নিচের কোনটি অগ্রমস্তিষ্কের অংশ?
  1. ক) সেরেবেলাম
  2. খ) হাইপোথ্যালামাস
  3. গ) কর্পোরা কোয়াড্রিজেমিনা
  4. ঘ) সেরেব্রাল পেডাঙ্কল
ব্যাখ্যা

ব্যাখ্যা:
- সেরেব্রাম, থ্যালামাস, হাইপোথ্যালামাস হলো অগ্রমস্তিষ্কের অংশ।
- সেরেব্রাল পেডাঙ্কল, কর্পোরা কোয়াড্রিজেমিনা, সেরেব্রাল অ্যাকুইডাক্ট হলো মধ্যমস্তিষ্কের অংশ।
- সেরেবেলাম, মেডুলা অবলংটা, পনস হলো পশ্চাৎমস্তিষ্কের অংশ।
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক প্রাণিবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি

১১.
নিচের কোনটি ভিটামিন এ এর কাজ নয়?
  1. ক) দেহের বিভিন্ন আবরণী কলা সজীব রাখা
  2. খ) হাড় এবং দাঁতের গঠন এবং দাঁতের মাড়ি সুস্থ
  3. গ) দেহের স্বাভাবিক গঠন ব্যাহত করা
  4. ঘ) দৃষ্টিশক্তি ঠিক রাখে এবং রাতকানা রোগ প্রতিরােধ করা
ব্যাখ্যা
প্রাণিজ উৎসের মধ্যে ডিম, গরুর দুধ, মাখন, ছানা, দই, ঘি, যকৃৎ ও বিভিন্ন তেলসমৃদ্ধ মাছে, বিশেষ করে কড মাছে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন A পাওয়া যায়।
উদ্ভিজ্জ উৎসের মধ্যে ক্যারােটিন সমৃদ্ধ শাক-সবজি, যেমন- লালশাক, কচুশাক, পুঁইশাক, পাটশাক, কলমিশাক, ডাঁটাশাক, পুদিনা পাতা, গাজর, মিষ্টি কুমড়া, ঢেঁড়স, বাঁধাকপি, মটরশুটি এবং বিভিন্ন ধরনের ফল যেমন: আম, পাকা পেঁপে, কাঁঠাল ইত্যাদিতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন A রয়েছে।
ভিটামিন A যেসব কাজ করে সেগুলাে হলাে:

১. দেহের স্বাভাবিক গঠন এবং বর্ধন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হওয়ার কাজ নিশ্চিত করে।
২. দেহের বিভিন্ন আবরণী কলা যেমন: ত্বক, চোখের কর্নিয়া ইত্যাদিকে স্বাভাবিক ও সজীব রাখে।
৩. হাড় এবং দাঁতের গঠন এবং দাঁতের মাড়ি সুস্থ রাখে।
৪. দৃষ্টিশক্তি ঠিক রাখে এবং রাতকানা রোগ প্রতিরােধ করে।
৫. দেহে রােগ সংক্রমণ প্রতিরােধ করে।

উৎসঃ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি
১২.
নিচের কোনটি দ্বি-শর্করা পুষ্টি উপাদান?
  1. ক) গ্লাইকোজেন
  2. খ) গ্লুকোজ
  3. গ) ফ্রুক্টোজ
  4. ঘ) সুক্রোজ
ব্যাখ্যা

ব্যাখ্যা:
- গ্লুকোজ, ফ্রুক্টোজ, গ্যালাক্টোজ হলো এক শর্করা পুষ্টি উপাদান।
- সুক্রোজ, ল্যাকটোজ হলো দ্বি-শর্করা পুষ্টি উপাদান।
- শ্বেতসার, গ্লাইকোজেন হলো বহু শর্করা পুষ্টি উপাদান।
সূত্র: মাধ্যমিক জীববিজ্ঞান বোর্ড বই, নবম-দশম শ্রেণি

১৩.
একজন পূর্ণবয়স্ক ব্যক্তির দিনে কী পরিমাণে চর্বির প্রয়োজন হয়?
  1. ক) ১০-২০ গ্রাম
  2. খ) ৫০-৬০ গ্রাম
  3. গ) ১৫০-১৮৫ গ্রাম
  4. ঘ) ৮০-১০০ গ্রাম
ব্যাখ্যা

ব্যাখ্যা:
উৎস অনুযায়ী স্নেহপদার্থ দুই ধরনের : উদ্ভিজ্জ এবং প্রাণিজ স্নেহপদার্থ।
সয়াবিন, সরিষা, তিল, বাদাম, সূর্যমুখীর তেল ভোজ্যতেল হিসাবে ব্যবহার করা হয়। ভোজ্যতেলের মধ্যে সয়াবিন তেল উৎকৃষ্টতম।
চর্বি, ঘি, ডালডা ইত্যাদি প্রাণিজ স্নেহপদার্থ। ডিমের কুসুমে স্নেহপদার্থ আছে, কিন্তু সাদা অংশে স্নেহপদার্থ থাকে না। একজন সুস্থ পূর্ণবয়স্ক ব্যক্তির দিনে ৫০-৬০ গ্রাম চর্বির প্রয়োজন হয়।
সূত্র: মাধ্যমিক জীববিজ্ঞান বোর্ড বই, নবম-দশম শ্রেণি

১৪.
টমেটো, সূর্যমুখী জাতীয় উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য কোন মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট প্রয়োজন?
  1. ক) ক্লোরিন
  2. খ) মোলিবডেনাম
  3. গ) ম্যাংগানিজ
  4. ঘ) কপার
ব্যাখ্যা

ব্যাখ্যা:
- সুগারবিট এর মূল এবং কাণ্ডের বৃদ্ধির জন্য ক্লোরিনের প্রয়োজন।
- অণুজীব দিয়ে বায়বীয় নাইট্রোজেন সংবন্ধনের জন্য মোলিবডেনাম আবশ্যক।
- ক্লোরোপ্লাস্ট গঠন ও সংরক্ষণের জন্য ম্যাংগানিজ প্রয়োজন।
- টমেটো, সূর্যমুখী জাতীয় উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য কপার বা তামার প্রয়োজন।
সূত্র: মাধ্যমিক জীববিজ্ঞান বোর্ড বই, নবম-দশম শ্রেণি