পরীক্ষা আর্কাইভ

বার কাউন্সিল প্রস্তুতি - লং কোর্স [আর্কাইভ]

পরীক্ষাবার কাউন্সিল প্রস্তুতি - লং কোর্স [আর্কাইভ]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়22 minutes
মোট প্রশ্ন৪৪
সিলেবাস
Exam - 12 The Code of Civil Procedure, 1908: Test-4 Topic ➝ • Admission (Order-12) • Framing of Issues (Order-14) • Disposal of the suit at the first hearing (Order-15) • Adjournment (Order -17) • Hearing of the suit and Examination of Witnesses (Order- 18) • Judgment and Decree (Order-20) • Cost (Section 35 & 35B)
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল প্রস্তুতি - লং কোর্স [আর্কাইভ]

বার কাউন্সিল প্রস্তুতি - লং কোর্স [আর্কাইভ] · তারিখ অনির্ধারিত · ৪৪ প্রশ্ন

.
বিচার্য বিষয়াবলী প্রণয়নের পর কত দিনের মধ্যে আদালত ঐ মোকদ্দমার চূড়ান্ত শুনানির দিন ধার্য্য করবে?
  1. ৬০
  2. ১২০
  3. ১৮০
  4. ১৭০
সঠিক উত্তর:
১২০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২০
ব্যাখ্যা
• বিচার্য বিষয়াবলী প্রণয়নের পর ১২০ দিনের মধ্যে আদালত ঐ মোকদ্দমার চূড়ান্ত শুনানির তারিখ ধার্য্য করবে।

• দেওয়ানী মামলার একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হলো মোকদ্দমার বিচার্য বিষয় নির্ধারণ করা।কোন গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বা আইনগত কোন বিষয় এর স্বীকার করলে এবং অপর পক্ষ অস্বীকার করলে বিচার্য বিষয়ের উদ্ভব হয়। দেওয়ানি কার্যবিধির ১৪ নং আদেশে বিচার্য বিষয় সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।
বিচার্য বিষয় দুই প্রকার। যথা-

- ঘটনা বা তথ্য সংক্রান্ত বিচার্য বিষয় (issues of fact); এবং
- আইন সংক্রান্ত বিচার্য বিষয় ( issues of law)।

কোন তথ্যগত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যদি এক পক্ষ স্বীকার করে এবং অপর পক্ষ অস্বীকার করে তবে, তা তথ্যগত বিচার্য বিষয় (issues of fact) হবে। কোন আইনগত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যদি একপক্ষ স্বীকার করে এবং অপর পক্ষ অস্বীকার করে, তবে তা আইনগত বিচার্য বিষয় (issues of law) হবে।

• আদেশ ১৪ বিধি ৮-
বিচার্য বিষয়াবলী প্রণয়নের পর একশত বিশ দিনের ভিতর আদালত ঐ মোকদ্দমার চূড়ান্ত শুনানির তারিখ স্থিরীকৃত করবে।
[After the issues are framed, the Court shall within one hundred and twenty days thereof, fix a date for final hearing of the suit.]
.
ডিক্রিতে কোন তারিখ উল্লেখ থাকে?
  1. যে তারিখে ডিক্রি ঘোষণা করা হয়েছে
  2. যে তারিখে রায় ঘোষণা করা হয়েছে
  3. যে তারিখে রায় প্রস্তুত করা হয়েছে
  4. খ ও গ
সঠিক উত্তর:
যে তারিখে রায় ঘোষণা করা হয়েছে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যে তারিখে রায় ঘোষণা করা হয়েছে
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধির ২(২) ধারায় ডিক্রির সংজ্ঞা রয়েছে-
আদালতের এমন কোন আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত যা মোকদ্দমার তর্কিত/বিরোধীয় বিষয় সম্পর্কে পক্ষসমূহের অধিকার চূড়ান্তভাবে নির্ধারণ করে তাকে ডিক্রি (Decree) বলে।

অর্থ্যাৎ ডিক্রি হচ্ছে-
> আদালতের আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত (Formal expression of an adjudication); এবং
> পক্ষসমূহের অধিকার চূড়ান্তভাবে নির্ধারন করে (To determine the Rigths of the parties conclusively)।

• দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২০ এ রায় এবং ডিক্রির প্রস্তুতকরণ, বিষয়বস্তু, প্রচার ইত্যাদির বিধি-বিধান রয়েছে।
 
• আদেশ ২০ বিধি ৭ অনুসারে-
যে তারিখে রায় ঘোষণা করা হয়েছে, ডিক্রিতে ঐ তারিখ উল্লেখ থাকবে এবং বিচারক যদি স্বয়ং পরিতুষ্ট হন যে, রায় অনুসারে ডিক্রি প্রণয়ন করা হয়েছে তবে তিনি ডিক্রি স্বাক্ষর করবেন।
.
দেওয়ানী মোকদ্দমায় সর্বোচ্চ কত টাকা Adjournment Cost দেয়া যায়?
  1. সর্বোচ্চ ২০০০
  2. সর্বোচ্চ ৩০০০
  3. সর্বোচ্চ ১০০০
  4. সর্বোচ্চ ১০০০০
সঠিক উত্তর:
সর্বোচ্চ ১০০০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সর্বোচ্চ ১০০০
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধির ১৭ নং আদেশে Adjournment বা মুলতবির বিধান রয়েছে। আদালতে সময়ের প্রার্থনা (Time petition) করাই হলো মুলতবির আবেদন।

• ১৭ নং আদেশের ১ নং বিধিমতে-

> আদালত মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে (At any stage of the suit) মোকদ্দমার শুনানী মুলতবি রাখতে পারে।

> চূড়ান্ত শুনানীর আগে (Before Peremptory hearing) আদালত প্রত্যেক পক্ষকে খরচ ছাড়া সর্বোচ্চ ৬টি এবং খরচসহ সর্বোচ্চ ৩টি করে মোট ৯টি মুলতবি মঞ্জুর করতে পারে।

> অন্যদিকে চূড়ান্ত শুনানী পর্যায়ে ( At the Peremptory hearing) আদালত প্রত্যেক পক্ষকে খরচসহ সর্বোচ্চ ৩টি মুলতবি মঞ্জুর করতে পারে। তবে খরচ ছাড়া আদালত কোন মুলতবি মঞ্জুর করে না।

> মুলতবির খরচ সর্বনিম্ন ২০০ টাকা এবং সর্বোচ্চ ১০০০ টাকা হতে পারে।

> মুলতবির আবেদন মঞ্জুর করা বা না করা আদালতের বিবেচনামূলক ক্ষমতা।
.
আদালত নিম্নের কোন ক্ষেত্রে মোকদ্দমার প্রথম শুনানীর দিন রায় ঘোষণা করতে পারেন?
  1. পক্ষগণের মধ্যে আইন সংক্রান্ত কোন বিচার্য বিষয় না থাকলে
  2. পক্ষগণের মধ্যে ঘটনা সংক্রান্ত কোন বিচার্য বিষয় না থাকলে
  3. পক্ষগণের আবেদনের প্রেক্ষিতে
  4. ক বা খ
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
ব্যাখ্যা
• পক্ষগণের মধ্যে আইন সংক্রান্ত কিংবা ঘটনা সংক্রান্ত কোন বিচার্য বিষয় না থাকলে আদালত প্রথম শুনানীর দিন রায় ঘোষণা করতে পারেন।

• সাধারণত মোকদ্দমার শুনানী শেষ হওয়ার পর তৎক্ষনাৎ বা ৭ দিন পর আদালত রায় প্রদান করে, তবে কিছু ক্ষেত্রে আদালত মোকদ্দমার প্রথম শুনানীর দিনে রায় ঘোষনা করতে পারে।
দেওয়ানী কার্যবিধির ১৫ নং আদেশ অনুযায়ী আদালত মোকদ্দমার প্রথম শুনানীর দিনে রায় ঘোষনা করতে পারে (DISPOSAL OF THE SUIT AT THE FIRST HEARING)। 

দেওয়ানী কার্যবিধির ১৫নং আদেশের ১নং বিধিমতে-

যেক্ষেত্রে মোকদ্দমার প্রথম শুনানির দিন প্রতীয়মান হয় যে, পক্ষগণের মধ্যে আইন সংক্রান্ত কিংবা ঘটনা সংক্রান্ত কোন বিচার্য বিষয় নেই আদালত তখনই রায় ঘোষণা করতে পারে।
[Where at the first hearing of a suit it appears that the parties are not at issue on any question of law or of fact, the Court may at once pronounce judgment.]
.
মোকদ্দমার ব্যয় সংক্রান্ত যাবতীয় সিদ্ধান্ত কে গ্রহণ করবে?
  1. বাদী পক্ষ
  2. বিবাদী পক্ষ
  3. ক এবং খ
  4. আদালত
সঠিক উত্তর:
আদালত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালত
ব্যাখ্যা
• প্রত্যেক মোকদ্দমার শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত কিছু খরচ/ব্যয় থাকে।দেওয়ানি কার্যবিধির ৩৫,৩৫ক এবং ৩৫খ ধারায় খরচের বিষয়ে বিধান রয়েছে। খরচ প্রদানের আদেশ আদালতের বিবেচনামূলক ক্ষমতা।

ধারা-৩৫ (মোকদ্দমার খরচ) 

১) নির্ধারিত হতে পারে এরূপ শর্তাবলী ও সীমাবদ্ধতা এবং বর্তমানে বলবৎ কোন আইনের বিধান সাপেক্ষে মোকদ্দমার খরচ এবং আনুষঙ্গিক ব্যয় আদালতের ইচ্ছার উপর নির্ভর করবে এবং কার দ্বারা বা কোন সম্পত্তি হতে ও কি পরিমাণ খরচ দিতে হবে তা নির্ধারণ করার এবং উক্ত সম্পর্কে প্রয়োজনীয় নির্দেশ প্রদানের ব্যাপারে আদালতের পূর্ণ ক্ষমতা থাকবে। এরূপ ক্ষমতা প্রয়োগে মোকদ্দমা বিচারে আদালতের এখতিয়ার নেই বলে কোন বাধা সৃষ্টি হবে না।

২) যখন কোন আদালত নির্দেশ দেন যে মোকদ্দমার ফলে কোন খরচ দেওয়া হবে না, তখন আদালত উহার কারণ লিখিতভাবে বর্ণনা করবে।

৩) আদালত মোকদ্দমার খরচের উপর অনধিক শতকরা বার্ষিক ৬% হারে সুদ প্রদানের নির্দেশ দিতে পারে এবং এই সুদ খরচের সাথে যোগ হবে ও যথারীতি আদায়যোগ্য হবে।
.
দেওয়ানী কার্যবিধির ১২ নং আদেশ অনুযায়ী স্বীকৃতি (Admission) হতে পারে-
  1. মৌখিক ভাবে
  2. আরজি বা লিখিত জবাবের মাধ্যমে
  3. লিখিত অন্য কোনো উপায়ে
  4. খ বা গ
সঠিক উত্তর:
খ বা গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ বা গ
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধির ১২ নং আদেশে স্বীকৃতি (Admission) বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে। মোকদ্দমার কোন পক্ষ, অপর পক্ষের দাবির সত্যতা সম্পূর্ণভাবে বা আংশিকভাবে স্বীকার করলে তা আদালতকে ৩ ভাবে জানানো যেতে পারে অর্থাৎ ৩ ভাবে স্বীকৃতি (Admission) হতে পারে। যথা-

i) আরজি বা লিখিত জবাবের মাধ্যমে লিখিত স্বীকৃতি দিয়ে;
ii) সম্মতি দ্বারা স্বীকৃতির মাধ্যমে; এবং
iii) নোটিশ দ্বারা স্বীকৃতি দিয়ে।

আদেশ ১২ বিধি ১ঃ মোকদ্দমার স্বীকারের নোটিশ-
মোকদ্দমার যেকোন পক্ষ তার আরজি বা জবাবের মাধ্যমে কিংবা লিখিত অন্য উপায়ে, অন্য কোন পক্ষের মোকদ্দমার সামগ্রিক বা আংশিকভাবে স্বীকার করে বলে নোটিশ প্রদান করতে পারে।
.
জবানবন্দী প্রদান কালে সাক্ষীর আচরণ সম্পর্কে আদালত মন্তব্য লিপিবদ্ধ করতে পারে-
  1. বাদী এবং বিবাদী উভয়পক্ষ আবেদন করলে
  2. বাদী পক্ষ আবেদন করলে
  3. আদালত গুরুত্বপূর্ণ মনে করলে
  4. বাদী পক্ষের আইনজীবী গুরত্বপূর্ণ মনে করলে
সঠিক উত্তর:
আদালত গুরুত্বপূর্ণ মনে করলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালত গুরুত্বপূর্ণ মনে করলে
ব্যাখ্যা
• সাক্ষীর আচরণ (demeanour of witness )-

দেওয়ানী কার্যবিধির ১৮নং আদেশের ১২নং বিধিতে সাক্ষীর হাব-ভাব বা আচরণ (demeanour of witness) সম্পর্কে মন্তব্য লিপিবদ্ধ সম্পর্কে বলা হয়েছে। বলা হয়েছে যে, জবানবন্দী প্রদান কালে সাক্ষীর আচরণ সম্পর্কে আদালত গুরুত্বপূর্ণ মনে করলে কোন মন্তব্য লিপিবদ্ধ করতে পারবেন।
অর্থাৎ যদি কোন সাক্ষীর আচরণ মামলার সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য প্রয়োজনীয় হয়,তখন বিচারক ন্যায় বিচারার্থে উক্ত সাক্ষীর ব্যবহার সম্পর্কে মন্তব্য লিপিবদ্ধ করতে পারবেন।

আদেশ ১৮ বিধি ১২-
আদালতে কোন সাক্ষী জবানবন্দি দানকালে তার আচরণ সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ মনে হয়, এরূপ কোন মন্তব্য লিপিবদ্ধ করতে পারে।
[The Court may record such remarks as it thinks material respecting the demeanour of any witness while under examination.]
.
রায় একবার স্বাক্ষরযুক্ত হয়ে গেলে, তা দেওয়ানি কার্যবিধির কোন ধারা ব্যতীত সংশোধন করা যাবে না?
  1. ১৫৩ ধারা
  2. ১৫২ ধারা
  3. ১৫৮ ধারা
  4. ১৫৭ ধারা
সঠিক উত্তর:
১৫২ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫২ ধারা
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ২০নং আদেশের বিধি ৩ অনুযায়ী-

রায় ঘোষণা করার সময় বিচারক কর্তৃক তা তারিখসহ স্বাক্ষরযুক্ত হতে হবে এবং একবার স্বাক্ষরিত হলে ১৫২ ধারা অনুসারে কিংবা পুনরীক্ষণ ব্যতীত তা পরবর্তী কোন সময়ে সংশোধিত বা সংযোজিত হতে পারবে না।

• দেওয়ানি কার্যবিধির ১৫২ ধারায় দেওয়ানি মোকদ্দমার রায়, ডিক্রি, আদেশ সংশোধন (Amendment of judgement, decree & order) করার বিধান রয়েছে।
এই ধারামতে, আদালত যে কোন সময় নিজ উদ্যোগে (own motion) বা কোন পক্ষের আবেদনের ভিত্তিতে-

> করনিক বা গানিতিক ভুল (clerical or arithmetical mistakes),
> আকস্মিক ভ্রান্তি বা বিচ্যুতির (accidental slip or omission) কারণে রায়, ডিক্রি অথবা আদেশ সংশোধন করতে পারেন।

• উল্লেখ্য যে, দেওয়ানী কার্যবিধির ১৫৩ ধারায় আদালতের দেওয়ানি মামলার কার্য ধারার ত্রুটি সংশোধন করার ক্ষমতা রয়েছে। ১৫৩ ধারামতে আদালত যে কোন সময় মোকদ্দমার কোন প্রকৃত প্রশ্ন বা বিচার্য বিষয় নির্ধারনের জন্য মামলার কার্য ধারার ত্রুটি (any defect or error in any proceeding in a suit) সংশোধন করতে পারেন।
.
এক পক্ষ কর্তৃক অপর পক্ষকে দলিলের সত্যতা স্বীকারের নোটিশ প্রদান করা হলে, কত দিনের মধ্যে অপর পক্ষকে জবাব দিতে হবে?
  1. ১০ দিনের মধ্যে
  2. ৭ দিনের মধ্যে
  3. ১৫ দিনের মধ্যে
  4. ৯ দিনের মধ্যে
সঠিক উত্তর:
১৫ দিনের মধ্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫ দিনের মধ্যে
ব্যাখ্যা
• মোকদ্দমার কোন পক্ষ, অপর পক্ষকে কোন দলিলের সত্যতা স্বীকার করে নেওয়ার জন্য নোটিশ প্রদান করলে, নোটিশ প্রদানের ১৫ দিনের মধ্যে উক্ত পক্ষকে জবাব দিতে হবে। তবে উক্ত সময়ের মধ্যে দলিল স্বীকার না করলে অস্বীকারকারী পক্ষকে মামলার খরচ প্রদান করতে হবে।

আদেশ ১২, বিধি ২: দলিলের সত্যতা স্বীকারের জন্য নোটিশ-

সকল ন্যায়সঙ্গত ব্যতিক্রম ছাড়া যে কোন পক্ষ অপর পক্ষকে নোটিশ জারির ১৫ (পনের) দিনের মধ্যে স্বীকার করতে আহ্বান জানাতে পারে; এবং অনুরূপ নোটিশ প্রদানের পর যদি সে পক্ষ স্বীকার করতে অস্বীকার বা অবহেলা করে, তাহলে মোকদ্দমার ফলাফল যেটাই হোক অনুরূপ দলিলাদি প্রমাণ করতে খরচাদি উক্ত অস্বীকারকারী কিংবা অবহেলাকারী পক্ষকে পরিশোধ করতে হবে, যদি না আদালত অন্য কোন রকম নির্দেশ দেন; এবং
আদালতের মতে খরচ বাঁচানোর জন্য নোটিশ দিতে বাদ দেয়া হলে তা ব্যতীত দলিল প্রমাণের কোন খরচ মঞ্জুর করা যাবে না, যদি না অনুরূপ নোটিশ প্রদান করা হয়ে থাকে।
১০.
দেওয়ানী কার্যবিধির কোন বিধি অনুযায়ী আদালত বিচার্য বিষয় সংশোধন [Amend] বা কর্তন [Strike out] করতে পারে?
  1. আদেশ ১৪, বিধি ৫
  2. আদেশ ১৩, বিধি ৫
  3. আদেশ ১৪, বিধি ৬
  4. আদেশ ১৫, বিধি ৩
সঠিক উত্তর:
আদেশ ১৪, বিধি ৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ ১৪, বিধি ৫
ব্যাখ্যা
আদেশ ১৪ বিধি ৫ঃ বিচার্য বিষয় সংশোধন এবং কর্তন ক্ষমতা (Power to amend and strike out issues)-

১) আদালত ডিক্রি প্রদানের পূর্বে যে কোন সময় আদালত উপযুক্ত মনে করে এরূপ শর্তে বিচার্য বিষয় সংশোধন কিংবা অতিরিক্ত বিচার্য বিষয় গঠন করতে পারে এবং পক্ষগণের মধ্যে বিরোধীয় বিষয়াবলী নির্ণয় করতে প্রয়োজনীয় হতে পারে এরূপ সংশোধনী কিংবা অতিরিক্ত বিচার্য বিষয় সেভাবে প্রণীত হবে। 
[The Court may at any time before passing a decree amend the issues or frame additional issues on such terms as it thinks fit, and all such amendments or additional issues as may be necessary for determining the matters in controversy between the parties shall be so made or framed.]

২) ডিক্রি দেয়ার পূর্বে আদালত আরো তার নিকট ভ্রান্তভাবে গঠিত কিংবা প্রবর্তিত হয়েছে বলে পরিদৃষ্ট হলে কোন বিচার্য বিষয় কেটে দিতে পারে।
[The Court may also at any time before passing a decree, strike out any issues that appear to it to be wrongly framed or introduced.]
১১.
চূড়ান্ত শুনানী পর্যায়ে (At peremtory hearing) আদালত কয়টির অধিক মামলা রাখবে না?
  1. ৫ টির
  2. ১০০ টির
  3. ১২০ টির
  4. ৭০টির
সঠিক উত্তর:
১০০ টির
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০০ টির
ব্যাখ্যা
কোন আদালত চূড়ান্ত শুনানির জন্য দৈনন্দিন কার্যতালিকায় সর্বোচ্চ ৫টি এবং চূড়ান্ত পর্যায়ে সর্বোচ্চ ১০০টি মোকদ্দমা নির্ধারণ করবেন

• মোকদ্দমার শুনানী (Hearing of suit) অর্থ হলো, আদালতে কোনো মামলার বিচারকার্য যেখানে বিচারক সাক্ষ্য গ্রহণ করে বা যুক্তিতর্ক শোনে ইত্যাদি।
দেওয়ানি কার্যবিধির ১৮ নং আদেশে মোকদ্দমার শুনানী এবং সাক্ষীদের সাক্ষ্য গ্রহণ [Hearing of the Suit and Examination of Witnesses] সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।

আদেশ ১৮ বিধি ২০-

কোন আদালত চূড়ান্ত শ্রবণ কার্যের নিমিত্তে দৈনন্দিন কার্যতালিকায় আংশিক শ্রবণীয় মোকদ্দমাসহ পাঁচটির অধিক মোকদ্দমা এবং চূড়ান্ত পর্যায়ে একশতটির অধিক মোকদ্দমা নির্ধারণ করবে না; এবং নিষ্পত্তির পর চূড়ান্ত পর্যায়ের মোকদ্দমার সংখ্যা সত্তরটির নিম্নে নেমে আসলে সাধারণত দাখিল করা তারিখের উপর ভিত্তি করে আদালত চূড়ান্ত পর্যায়ে আরও মোকদ্দমা আনার ব্যবস্থা করতে পারবেঃ
তবে শর্ত থাকে যে, কোন আদালতে শ্রবণ কার্যের নিমিত্তে তৈরীকৃত মোকদ্দমার সংখ্যা উপযুক্ত মতে নির্ধারণের জন্য যথেষ্ট না হলে যথোপযুক্ত পদ্ধতিতে নির্ধারণ করার বিবেচনামূলক ক্ষমতা আদালতের থাকবে।

[Court shall not fix more than five suits including two part -heard suits, in the daily cause list for peremptory hearing and more than one hundred suits in the peremptory stage and when upon disposal, the total number of suits in the peremptory stage comes down to less than seventy, the Court shall then bring in more suit in the peremptory stage, generally in the order of dates of institution of suits:
Provided that if in any Court, the number of suits made ready for hearing is not sufficient for fixation in the manner as aforesaid, it shall be in the discretion of the Court to make the fixation in a reasonable manner.]
১২.
ডিক্রিতে কোন কোন বিষয় উল্লেখ থাকবে?
  1. পক্ষগণের নাম ও বিবরণ
  2. মোকদ্দমার নম্বর
  3. মঞ্জুরীকৃত প্রতিকার
  4. উল্লেখিত সকল বিষয়
সঠিক উত্তর:
উল্লেখিত সকল বিষয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লেখিত সকল বিষয়
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২০ এ রায় এবং ডিক্রির প্রস্তুতকরণ, বিষয়বস্তু,প্রচার ইত্যাদির বিধি-বিধান রয়েছে।

আদেশ ২০ বিধি ৬ঃ ডিক্রির বিষয়সমূহ (Contents of decree)-

১) রায়ের সাথে ডিক্রির সাদৃশ্য থাকবে। এতে মোকদ্দমার নম্বর,পক্ষগণের নাম ও বিবরণ এবং দাবীর বিবরণ অন্তর্ভুক্ত থাকবে এবং মঞ্জুরীকৃত প্রতিকার বা মোকদ্দমার অন্যান্য সিদ্ধান্তের পরিষ্কার উল্লেখ থাকবে।
[The decree shall agree with the judgment, it shall contain the number of the suit, the names and descriptions of the parties, and particulars of the claim, and shall specify clearly the relief granted or other determination of the suit.]

২) মোকদ্দমাতে কি পরিমাণ ব্যয় হয়েছে এবং কার দ্বারা এবং কোন সম্পত্তি থেকে এবং উক্ত ব্যয়ের কি অনুপাতে দিতে হয় সেটাও ডিক্রিতে বিবৃত থাকবে।
[The decree shall also state the amount of costs incurred in the suit, and by whom or out of what property and in what proportions such costs are to be paid.]

৩) আদালত নির্দেশ প্রদান করতে পারে যে, একপক্ষ কর্তৃক অপরপক্ষে দেয় খরচাদির পূর্ববর্তী পক্ষ হতে পরবর্তী অপর পক্ষের স্বীকৃত পাওনা কোন অংকের পারস্পরিক দায় পরিশোধিত হবে।
[The Court may direct that the costs payable to one party by the other shall be set-off against any sum which is admitted or found to be due from the former to the latter.]
১৩.
কোন মোকদ্দমায় আইনগত ও ঘটনাগত বিচার্য বিষয়ের উদ্ভব হলে,আদালত-
  1. আইনগত ও ঘটনাগত বিচার্য বিষয় একত্রে নিষ্পত্তি করবেন
  2. প্রথমে আইনগত বিচার্য বিষয় নিষ্পত্তি করতে পারে
  3. আইনগত বিচার্য বিষয়ের নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত, ঘটনাগত বিচার্য বিষয় নিষ্পত্তি স্থগিত রাখতে পারবেন
  4. 'খ' ও 'গ' উভয়
সঠিক উত্তর:
'খ' ও 'গ' উভয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'খ' ও 'গ' উভয়
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী মামলার একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হলো মোকদ্দমার বিচার্য বিষয় নির্ধারণ করা।
কোন গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বা আইনগত কোন বিষয় এর স্বীকার করলে এবং অপর পক্ষ অস্বীকার করলে বিচার্য বিষয়ের উদ্ভব হয়। দেওয়ানি কার্যবিধির ১৪ নং আদেশে বিচার্য বিষয় সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।

আদেশ ১৪ বিধি ২-
যেক্ষেত্রে একই মোকদ্দমায় আইন ও ঘটনা উভয়ের বিচার্য বিষয়ের উদ্ভব হয় এবং আদালত এই মত পোষণ করে যে, শুধুমাত্র আইন সংক্রান্ত বিচার্য বিষয়ের উপর মোকদ্দমাটি বা উহার কোন অংশ নিষ্পত্তি করা যেতে পারে,
সেক্ষেত্রে আদালত প্রথমে সেই বিচার্য বিষয় সম্পর্কে বিচার করবে এবং ঐ উদ্দেশ্যে আদালত যথার্থ মত দিলে আইন সংক্রান্ত বিচার্য বিষয় নির্ণীত না হওয়া অবধি ঘটনা সংক্রান্ত বিষয়ের নির্ধারণ স্থগিত রাখতে পারে।

[Where issues both of law and of fact arise in the same suit, and the Court is of opinion that the case or any part thereof may be disposed of on the issues of law only, it shall try those issues first, and for that purpose may, if it thinks fit, postpone the settlement of the issues of fact until after the issues of law have been determined.]
১৪.
দেওয়ানি মোকদ্দমায় রায় কখন ঘোষিত হয়?
  1. মোকদ্দমার শুনানি সমাপ্ত হওয়ার পর তৎক্ষণাৎ
  2. চূড়ান্ত শুনানির ৭ দিনের মধ্যে
  3. মোকদ্দমার শুনানি সমাপ্ত হওয়ার ১০ দিনের মধ্যে
  4. ক বা খ
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২০ এ রায় এবং ডিক্রির প্রস্তুতকরণ,বিষয়বস্তু,প্রচার ইত্যাদির বিধি-বিধান রয়েছে।

আদেশ ২০ বিধি ১-

মোকদ্দমার শুনানি সমাপ্ত হওয়ার পর আদালতে তৎক্ষণাৎ কিংবা ভবিষ্যত কোন দিনে যা সাতদিনের বেশি হবে না,পক্ষগণের বা তাদের উকিলগণের উপর যথাযথ বিজ্ঞপ্তি প্রদান করার পর প্রকাশ্য আদালতে রায় ঘোষণা করবে।
[The Court after the case has been heard, shall pronounce judgment in open Court either at once or on some future day, not beyond seven days of which due notice shall be given to the parties or their pleaders.]

• উক্ত বিধিতে ''shall'' শব্দটি ব্যবহৃত হয়েছে। যার দরুণ এই বিধান আদালতের জন্য বাধ্যতামূলক।
১৫.
ঘটনা বা দলিল সম্পর্কে স্বীকারোক্তিতে কে শপথনামা (Affidavit) প্রদান করলে তা যথেষ্ট প্রমাণ বলে গণ্য হবে?
  1. স্বীকারোক্তিকারী পক্ষ
  2. উকিল বা তার মুহুরী
  3. ৩য় যেকোনো পক্ষ
  4. উল্লিখিত কেউ নয়
সঠিক উত্তর:
উকিল বা তার মুহুরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উকিল বা তার মুহুরী
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধির ১২নং আদেশ অনুযায়ী স্বীকারোক্তি তিন (৩) প্রকার-

১/ মামলা স্বীকারের নোটিশ [বিধি-১]
২/ দলিল স্বীকার নোটিশ  [বিধি-২]
৩/ ঘটনা স্বীকারের জন্য নোটিশ [বিধি ৪]

আদেশ ১২ বিধি ৭ঃ 

কোন ঘটনা বা দলিল সম্পর্কে স্বীকারোক্তির জন্য নোটিশ দেয়া হলে, তদনুসারে কোন স্বীকারোক্তি করা হলে যদি তার প্রমাণ আবশ্যক হয়, তবে উকিল বা তার মুহুরী উক্ত স্বীকারোক্তিতে প্রদত্ত স্বাক্ষরের শপথনামা প্রদান করলে তা যথেষ্ট প্রমাণ বলে গণ্য হবে।
[An affidavit of the pleader or his clerk, of the due signature of any admissions made in pursuance of any notice to admit documents or facts shall be sufficient evidence of such admissions, if evidence thereof is required.]
১৬.
আদালত কর্তৃক নির্দেশিত মুলতবির খরচ প্রদানে ব্যর্থ হলে আদালত-
  1. মোকদ্দমা খারিজ করতে পারে
  2. মোকদ্দমাটি একতরফা সূত্রে নিষ্পত্তি করতে পারে
  3. মোকদ্দমা স্থগিত করতে পারে
  4. ক বা খ
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
ব্যাখ্যা
• আইনে মুলতুবি [Adjournment] অর্থ হলো আদালতের কার্যপ্রণালিতে কোনো মামলার শুনানি পরবর্তী কোনো তারিখ পর্যন্ত স্থগিত বা মুলতুবি করা। সাধারণত কোন মোকদ্দমার শুনানী শুরু হলে তা চলমান থাকবে। কিন্তু অনিবার্য অবস্থার প্রেক্ষাপটে মোকদ্দমার কোন পক্ষ আদালতে হাজির নাও হতে পারে এবং তখন শুনানী মুলতুবির আবেদন করা প্রয়োজনীয় হয়।
দেওয়ানী কার্যবিধির ১৭ নং আদেশে [Adjournment] বা মূলতবির বিধানসমূহ রয়েছে।আদালত মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে (At any stage of the suit) মোকদ্দমার শুনানী মুলতবি রাখতে পারে। মুলতবির খরচ সর্বনিম্ন ২০০ টাকা এবং সর্বোচ্চ ১০০০ টাকা হতে পারে।

• খরচ প্রদানে ব্যর্থতার ফলাফল- [আদেশ ১৭ বিধি ১(৩) এবং ১(৪) বিধি]

> ১৭ আদেশের ১নং বিধির অধীন আদালত বাদী পক্ষকে খরচ প্রদানের আদেশ দিলে এবং যদি বাদী খরচ প্রদানে ব্যর্থ হয়, তাহলে আদালত মোকদ্দমাটি খারিজ [Dismissed the suit] করে দিতে পারে;

> আবার, বিবাদী পক্ষকে খরচ প্রদানের আদেশ দিলে এবং যদি বিবাদী খরচ প্রদানে ব্যর্থ হয়, তাহলে আদালত মোকদ্দমাটি একতরফা সূত্রে নিষ্পত্তির [Disposed of ex parte] আদেশ দিতে পারে।)
১৭.
''যেক্ষেত্রে মোকদ্দমার প্রথম শুনানির দিন প্রতীয়মান হয় যে, পক্ষগণের মধ্যে আইন সংক্রান্ত কিংবা ঘটনা সংক্রান্ত কোন বিচার্য বিষয় নেই আদালত তখনই রায় ঘোষণা করতে পারেন''-দেওয়ানী কার্যবিধির কত বিধানের অধীন?
  1. আদেশ ১৭ বিধি ১
  2. আদেশ ১৬ বিধি ১
  3. আদেশ ১৫ বিধি ১
  4. আদেশ ১৮ বিধি ১
সঠিক উত্তর:
আদেশ ১৫ বিধি ১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ ১৫ বিধি ১
ব্যাখ্যা
• সাধারণত মোকদ্দমার শুনানী শেষ হওয়ার পর তৎক্ষনাৎ বা ৭ দিন পর আদালত রায় প্রদান করে, তবে কিছু ক্ষেত্রে আদালত মোকদ্দমার প্রথম শুনানীর দিনে রায় ঘোষনা করতে পারে। দেওয়ানী কার্যবিধির ১৫ নং আদেশ অনুযায়ী আদালত মোকদ্দমার প্রথম শুনানীর দিনে রায় ঘোষনা করতে পারে (DISPOSAL OF THE SUIT AT THE FIRST HEARING)। 

দেওয়ানী কার্যবিধির ১৫ নং আদেশের ১ নং বিধিমতে-

যেক্ষেত্রে মোকদ্দমার প্রথম শুনানির দিন প্রতীয়মান হয় যে, পক্ষগণের মধ্যে আইন সংক্রান্ত কিংবা ঘটনা সংক্রান্ত কোন বিচার্য বিষয় নেই আদালত তখনই রায় ঘোষণা করতে পারে।
[Where at the first hearing of a suit it appears that the parties are not at issue on any question of law or of fact, the Court may at once pronounce judgment.]
১৮.
চূড়ান্ত পর্যায়ে মোকদ্দমার সংখ্যা ন্যূনতম কয়টি হলে, আদালত অতিরিক্ত মোকদ্দমা আনার ব্যবস্থা করবে?
  1. ৫০ টি
  2. ৭০ টি
  3. ১০০ টি
  4. ৮০ টি
সঠিক উত্তর:
৭০ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭০ টি
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ১৮নং আদেশে মোকদ্দমার শুনানী এবং সাক্ষীদের সাক্ষ্য গ্রহণ [Hearing of the Suit and Examination of Witnesses] সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।

আদেশ ১৮ বিধি ২০-
কোন আদালত চূড়ান্ত শ্রবণ কার্যের নিমিত্তে দৈনন্দিন কার্যতালিকায় আংশিক শ্রবণীয় মোকদ্দমাসহ পাঁচটির অধিক মোকদ্দমা এবং চূড়ান্ত পর্যায়ে একশতটির অধিক মোকদ্দমা নির্ধারণ করবে না; এবং নিষ্পত্তির পর চূড়ান্ত পর্যায়ের মোকদ্দমার সংখ্যা সত্তরটির নিম্নে নেমে আসলে সাধারণত দাখিল করা তারিখের উপর ভিত্তি করে আদালত চূড়ান্ত পর্যায়ে আরও মোকদ্দমা আনার ব্যবস্থা করতে পারবেঃ
তবে শর্ত থাকে যে, কোন আদালতে শ্রবণ কার্যের নিমিত্তে তৈরীকৃত মোকদ্দমার সংখ্যা উপযুক্ত মতে নির্ধারণের জন্য যথেষ্ট না হলে যথোপযুক্ত পদ্ধতিতে নির্ধারণ করার বিবেচনামূলক ক্ষমতা আদালতের থাকবে।

[Court shall not fix more than five suits including two part -heard suits, in the daily cause list for peremptory hearing and more than one hundred suits in the peremptory stage, and when upon disposal, the total number of suits in the peremptory stage comes down to less than seventy, the Court shall then bring in more suit in the peremptory stage, generally in the order of dates of institution of suits: 
Provided that if in any Court, the number of suits made ready for hearing is not sufficient for fixation in the manner as aforesaid, it shall be in the discretion of the Court to make the fixation in a reasonable manner.]
১৯.
আদালত মোকদ্দমার খরচের উপর বার্ষিক কত % হারে সুদ প্রদানের নির্দেশ দিতে পারে?
  1. অনধিক ৫%
  2. অনধিক ৬%
  3. অনধিক ৮%
  4. অনধিক ৪%
সঠিক উত্তর:
অনধিক ৬%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনধিক ৬%
ব্যাখ্যা
• প্রত্যেক মোকদ্দমার শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত কিছু খরচ/ব্যয় থাকে। দেওয়ানি কার্যবিধির ৩৫,৩৫ক এবং ৩৫খ ধারায় খরচের বিষয়ে বিধান রয়েছে। খরচ প্রদানের আদেশ আদালতের বিবেচনামূলক ক্ষমতা।

ধারা ৩৫ (মোকদ্দমার খরচ)-

১) নির্ধারিত হতে পারে এরূপ শর্তাবলী ও সীমাবদ্ধতা এবং বর্তমানে বলবৎ কোন আইনের বিধান সাপেক্ষে মোকদ্দমার খরচ এবং আনুষঙ্গিক ব্যয় আদালতের ইচ্ছার উপর নির্ভর করবে এবং কার দ্বারা বা কোন সম্পত্তি হতে ও কি পরিমাণ খরচ দিতে হবে তা নির্ধারণ করার এবং উক্ত সম্পর্কে প্রয়োজনীয় নির্দেশ প্রদানের ব্যাপারে আদালতের পূর্ণ ক্ষমতা থাকবে। এরূপ ক্ষমতা প্রয়োগে মোকদ্দমা বিচারে আদালতের এখতিয়ার নেই বলে কোন বাধা সৃষ্টি হবে না।

২) যখন কোন আদালত নির্দেশ দেন যে মোকদ্দমার ফলে কোন খরচ দেওয়া হবে না, তখন আদালত উহার কারণ লিখিতভাবে বর্ণনা করবে।

৩) আদালত মোকদ্দমার খরচের উপর অনধিক শতকরা বার্ষিক ৬% হারে সুদ প্রদানের নির্দেশ দিতে পারে এবং এই সুদ খরচের সাথে যোগ হবে ও যথারীতি আদায়যোগ্য হবে।
২০.
আদালত কখন মোকদ্দমার শুনানী মুলতবি রাখতে পারেন?
  1. মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে
  2. লিখিত জবাব দাখিলের পূর্বে
  3. মোকদ্দমার শেষে
  4. বাদীপক্ষ যখনই আবেদন করেন
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধির ১৭ নং আদেশে Adjournment বা মূলতবির বিধান রয়েছে। আদালতে সময়ের প্রার্থনা (Time petition) করাই হলো মূলতবীর আবেদন।

• ১৭ নং আদেশের ১ নং বিধিমতে-

> আদালত মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে (At any stage of the suit) মোকদ্দমার শুনানী মুলতবি রাখতে পারে

> চূড়ান্ত শুনানীর আগে (Before Peremptory hearing) আদালত প্রত্যেক পক্ষকে খরচ ছাড়া সর্বোচ্চ ৬টি এবং খরচসহ সর্বোচ্চ ৩টি করে মোট ৯টি মূলতবি মঞ্জুর করতে পারে।

> অন্যদিকে চূড়ান্ত শুনানী পর্যায়ে ( At the Peremptory hearing) আদালত প্রত্যেক পক্ষকে খরচসহ সর্বোচ্চ ৩টি মূলতবি মঞ্জুর করতে পারে। তবে খরচ ছাড়া আদালত কোন মূলতবি মঞ্জুর করেনা।

> মুলতবির খরচ সর্বনিম্ন ২০০ টাকা এবং সর্বোচ্চ ১০০০ টাকা হতে পারে।

> মুলতবির আবেদন মঞ্জুর করা বা না করা আদালতের বিবেচনামূলক ক্ষমতা।
২১.
বহু বিবাদির মধ্যে কোনো একজনের বিরুদ্ধে বিচার্য বিষয় না থাকলে, আদালত-
  1. উক্ত বিবাদির পক্ষে রায় ঘোষণা করতে পারে
  2. উক্ত বিবাদির পক্ষে বা বিপক্ষে রায় ঘোষণা করতে পারে
  3. সকল বিবাদির পক্ষে রায় ঘোষণা করতে পারে
  4. উক্ত বিবাদির বিপক্ষে রায় ঘোষণা করতে পারে
সঠিক উত্তর:
উক্ত বিবাদির পক্ষে বা বিপক্ষে রায় ঘোষণা করতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উক্ত বিবাদির পক্ষে বা বিপক্ষে রায় ঘোষণা করতে পারে
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধির ১৫ নং আদেশ অনুযায়ী আদালত মোকদ্দমার প্রথম শুনানীর দিনে রায় ঘোষনা করতে পারে (DISPOSAL OF THE SUIT AT THE FIRST HEARING).

আদেশ ১৫ বিধি ২- 

যেক্ষেত্রে একাধিক বিবাদি থাকে এবং আইন কিংবা ঘটনার কোন প্রশ্নে বিবাদিদের কোন একজনের সাথে যদির সঙ্গে কোন বিরোধ না থাকে, সেক্ষেত্রে আদালত তখন ঐ বিবাদির পক্ষে বা বিপক্ষে রায় ঘোষণা করতে পারে এবং মোকদ্দমা শুধু অন্যান্য বিবাদিদের বিরুদ্ধে পরিচালিত হবে।
[Where there are more defendants than one and any one of the defendants is not at issue with the plaintiff on any question of law or of fact, the Court may at once pronounce judgment for or against such defendant and the suit shall proceed only against the other defendants.]
২২.
নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দলিল স্বীকার না করা হলে,মোকদ্দমার খরচ প্রদান করবে-
  1. অস্বীকারকারী পক্ষ
  2. আদালত যাকে নির্দেশ দিবে
  3. মোকদ্দমায় যার বিপক্ষে রায় হবে
  4. ক বা খ
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
ব্যাখ্যা
• মোকদ্দমার কোন পক্ষ, অপর পক্ষকে কোন দলিলের সত্যতা স্বীকার করে নেওয়ার জন্য নোটিশ প্রদান করলে, নোটিশ প্রদানের ১৫ দিনের মধ্যে উক্ত পক্ষকে জবাব দিতে হবে। তবে উক্ত সময়ের মধ্যে দলিল স্বীকার না করলে অস্বীকারকারী পক্ষকে মামলার খরচ প্রদান করতে হবে

আদেশ ১২, বিধি ২: দলিলের সত্যতা স্বীকারের জন্য নোটিশ-

সকল ন্যায়সঙ্গত ব্যতিক্রম ছাড়া যে কোন পক্ষ অপর পক্ষকে নোটিশ জারির ১৫ (পনের) দিনের মধ্যে স্বীকার করতে আহ্বান জানাতে পারে; এবং অনুরূপ নোটিশ প্রদানের পর যদি সে পক্ষ স্বীকার করতে অস্বীকার বা অবহেলা করে, তাহলে মোকদ্দমার ফলাফল যেটাই হোক অনুরূপ দলিলাদি প্রমাণ করতে খরচাদি উক্ত অস্বীকারকারী কিংবা অবহেলাকারী পক্ষকে পরিশোধ করতে হবে, যদি না আদালত অন্য কোন রকম নির্দেশ দেন এবং 
আদালতের মতে খরচ বাঁচানোর জন্য নোটিশ দিতে বাদ দেয়া হলে তা ব্যতীত দলিল প্রমাণের কোন খরচ মঞ্জুর করা যাবে না, যদি না অনুরূপ নোটিশ প্রদান করা হয়ে থাকে।
২৩.
রায় ঘোষণার তারিখ হতে কত দিনের মধ্যে ডিক্রি প্রণয়ন করতে হবে?
  1. ১৪ দিন
  2. ৭ দিন
  3. ৫ দিন
  4. ১৫ দিন
সঠিক উত্তর:
৭ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ দিন
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধির ২(২) ধারায় ডিক্রির সংজ্ঞা রয়েছে-
আদালতের এমন কোন আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত যা মোকদ্দমার তর্কিত/বিরোধীয় বিষয় সম্পর্কে পক্ষসমূহের অধিকার চূড়ান্তভাবে নির্ধারণ করে তাকে ডিক্রি (Decree) বলে।
• কার্যবিধির ৩৩ ধারা মতে কোন মোকদ্দমার শুনানীর পর আদালত রায় ঘোষনা করে এবং পরবর্তীতে এই রায়ের ভিত্তিতে ডিক্রি প্রদান করে।
রায় হল ডিক্রির ভিত্তি, তাই রায় আগে প্রদান করা হয় এবং ডিক্রি পরে দেয়া হয়।

• দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২০ বিধি ৫ক তে ডিক্রি প্রণয়নের সময় দেয়া হয়েছে। এ বিধিমতে-

''রায় ঘোষণার তারিখ হতে সাত দিনের মধ্যে ডিক্রি প্রণয়ন করতে হবে।''
[The decree shall be drawn up within seven days from the date of pronouncement of the judgment.]
২৪.
নিম্নলিখিত কোন ক্ষেত্রে বিচার্য বিষয় প্রণয়ন করার প্রয়োজন নেই?
  1. বিবাদি আত্মপক্ষ সমর্থন করলে
  2. বিবাদি আবেদন করলে
  3. বিবাদি আত্মপক্ষ সমর্থন না করলে
  4. উল্লেখিত সকল ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
বিবাদি আত্মপক্ষ সমর্থন না করলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিবাদি আত্মপক্ষ সমর্থন না করলে
ব্যাখ্যা
মোকদ্দমার প্রথম শুনানির সময় বিবাদি আত্মপক্ষ সমর্থন না করলে আদালত বিচার্য বিষয় প্রণয়ন করবে না।

• আদেশ ১৪ বিধি-১ (বিচার্য বিষয় প্রণয়ন) —

১) ঘটনা কিংবা আইনের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে এক পক্ষ দৃঢ়ভাবে ঘোষণা করে এবং অপরপক্ষ অস্বীকার করে, তখনই বিচার্য বিষয়ের উদ্ভব হয়।

২) গুরুত্বপূর্ণ বিষয়াবলী আইন কিংবা ঘটনার সে সমস্ত বিষয়াবলী যা বাদিকে তার মোকদ্দমা করার অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে অবশ্যই নালিশ করতে হয় কিংবা বিবাদিতে তার আত্মপক্ষ সমর্থন করতে অবশ্যই প্রতিবাদ করতে হয়।

৩) একপক্ষ কর্তৃক দৃঢ়ভাবে ঘোষিত এবং অপর পক্ষ কর্তৃক অস্বীকৃত প্রত্যেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় একটি আলাদা বিচার্য বিষয়ের সৃষ্টি করবে।

৪) বিচার্য বিষয় দুই প্রকারেরঃ ক) ঘটনা সংক্রান্ত বিচার্য বিষয়, খ) আইন সংক্রান্ত বিচার্য বিষয়।

৫) মোকদ্দমার প্রথম শুনানির দিন আদালত বাদির আরজি এবং লিখিত বর্ণনা, (যদি কোন), পাঠ করার পর এবং প্রয়োজনমত পক্ষগণের এরূপ পরীক্ষা করার পর ঘটনা কিংবা আইনের কোন গুরুত্বপূর্ণ বিবৃতির উপর পক্ষগণ এর বিরোধ তা নির্ধারণ করবে এবং ইহার পর যে সকল বিচার্য বিষয়ের উপর মোকদ্দমার সঠিক সিদ্ধান্ত নির্ভর করে বলে প্রতীয়মান হয়, সে সমস্ত বিচার্য বিষয় প্রণয়নে অগ্রসরমান হবে এবং তা লিপিবদ্ধ করবেঃ

তবে শর্ত থাকে যে, ৪ এবং ৫ বিধির বিধানাবলী সাপেক্ষে যে কোন ক্ষেত্রে মোকদ্দমার প্রথম শুনানির কিংবা লিখিত বর্ণনা দাখিলের পনের দিনের মধ্যে যেটাই পরে ঘটে তখন বিচার্য বিষয় প্রণয়ন এবং লিপিবদ্ধ করতে হবে।

৬) মোকদ্দমার প্রথম শুনানির সময় বিবাদি আত্মপক্ষ সমর্থন না করলে এই বিধির কোন বিধানেই আদালত বিচার্য বিষয় প্রণয়ন এবং লিপিবদ্ধ করবে না।
২৫.
হাজির হওয়া সাক্ষীদের সাক্ষ্য প্রকাশ্য আদালতে মৌখিকভাবে গ্রহণ করতে হবে-
  1. বিচারকের উপস্থিতিতে
  2. বিচারকের তত্ত্বাবধানে
  3. বিচারকের ব্যক্তিগত নির্দেশনায়
  4. 'ক', 'খ' ও 'গ'-এ বর্ণিত সকল শর্তে
সঠিক উত্তর:
'ক', 'খ' ও 'গ'-এ বর্ণিত সকল শর্তে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'ক', 'খ' ও 'গ'-এ বর্ণিত সকল শর্তে
ব্যাখ্যা
• মোকদ্দমার শুনানী (Hearing of suit) অর্থ হলো, আদালতে কোনো মামলার বিচারকার্য যেখানে বিচারক সাক্ষ্য গ্রহণ করে বা যুক্তিতর্ক শোনে ইত্যাদি।
দেওয়ানি কার্যবিধির ১৮ নং আদেশে মোকদ্দমার শুনানী এবং সাক্ষীদের সাক্ষ্য গ্রহণ [Hearing of the Suit and Examination of Witnesses] সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।

• আদেশ ১৮ বিধি-৪ (প্রকাশ্য আদালতে সাক্ষীদের জবানবন্দি)-

হাজির হওয়া সাক্ষীদের সাক্ষ্য বিচারকের উপস্থিতিতে, ব্যক্তিগত নির্দেশনায় এবং তত্ত্বাবধানে প্রকাশ্য আদালতে মৌখিকভাবে গ্রহণ করতে হবে।
[The evidence of the witness in attendance shall be taken orally in open Court in the presence and under the personal direction and superintendence of the Judge.]
২৬.
রায় এবং ডিক্রির প্রত্যায়িত নকল(Certified copies) দেয়া হবে-
  1. পক্ষগণের আবেদনক্রমে এবং তাদের খরচে
  2. পক্ষগণের আবেদনক্রমে এবং আদালতের খরচে
  3. পক্ষগণের আবেদন ছাড়া এবং আদালতের খরচে
  4. উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
পক্ষগণের আবেদনক্রমে এবং তাদের খরচে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পক্ষগণের আবেদনক্রমে এবং তাদের খরচে
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২০ এ রায় এবং ডিক্রির প্রস্তুতকরণ, বিষয়বস্তু, প্রচার ইত্যাদির বিধি-বিধান রয়েছে। কোন মোকদ্দমার শুনানীর পর আদালত রায় ঘোষনা করে এবং পরবর্তীতে এই রায়ের ভিত্তিতে ডিক্রি প্রদান করা হয়।

• আদেশ ২০ বিধি-২০ঃ
আদালতে পক্ষগণের আবেদনক্রমে এবং তাদের খরচায় রায় এবং ডিক্রির প্রত্যায়িত নকল সরবরাহ করা হবে।
[Certified copies of the judgment and decree shall be furnished to the parties on application to the Court and at their expense.]
২৭.
আদেশ ১৭ এর অধীন মুলতবির পর নির্ধারিত তারিখে পক্ষগণ হাজির না হলে, আদালত দেওয়ানী কার্যবিধির কোন আদেশ অনুযায়ী বিচার কার্য চালিয়ে যেতে পারবে?
  1. ১০নং আদেশ
  2. ৯নং আদেশ
  3. ১৫নং আদেশ
  4. ১১নং আদেশ
সঠিক উত্তর:
৯নং আদেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯নং আদেশ
ব্যাখ্যা
আদেশ ১৭, বিধি ২: মুলতবির পর নির্ধারিত তারিখে পক্ষগণ হাজির না হওয়ার ফলাফল-

যে তারিখ পর্যন্ত শুনানী মূলতবি রাখা হয়েছিল সেই তারিখে পক্ষগণ বা কোন এক পক্ষ আদালতে হাজির না হলে আদালত দেওয়ানী কার্যবিধির ৯নং আদেশ অনুযায়ী যে কোন পন্থায় বিচার কার্য চালিয়ে যেতে পারবেন।
[Where on any day to which the hearing of the suit is adjourned, the parties or any of them fail to appear,the Court may proceed to dispose of the suit in one of the modes directed in that behalf by Order IX or make such other order as it thinks fit.]

অর্থাৎ শুনানী মুলতবি রাখার পর নির্ধারিত তারিখে বাদী হাজির না হলে মামলা খারিজ, বিবাদী হাজির না হলে একতরফা ডিক্রি অথবা বাদী ও বিবাদী উভয় হাজির না হলে মামলা খারিজ হবে।
২৮.
আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সময়ের মধ্যে লিখিত আপত্তি দাখিল করতে ব্যর্থ হলে, আদালত আদেশ দিতে পারে-
  1. আদালতকে সর্বোচ্চ ৩০০০ টাকা খরচের
  2. অপর পক্ষকে সর্বোচ্চ ২০০০ টাকা খরচের
  3. অপরপক্ষকে সর্বোচ্চ ৩০০০ টাকা খরচের
  4. আদালতকে সর্বোচ্চ ২০০০ টাকা ক্ষতিপূরণের
সঠিক উত্তর:
অপর পক্ষকে সর্বোচ্চ ২০০০ টাকা খরচের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপর পক্ষকে সর্বোচ্চ ২০০০ টাকা খরচের
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ৩৫খ ধারায় বিলম্বের জন্য খরচ প্রদানের বিধান রয়েছে।মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোন পক্ষ কোন দরখাস্ত বা আবেদন অথবা লিখিত আপত্তি দাখিল করতে ব্যর্থ হলে, আদালত সর্বোচ্চ ২০০০ (দুই হাজার) টাকা খরচের আদেশ দিতে পারে। লিখিত জবাব দাখিলের পূর্বেই যে দরখাস্ত করা উচিৎ ছিল সে দরখাস্তটি যদি লিখিত জবাব দাখিলের পর করা হয়, তাহলে আদালত অপর পক্ষকে অনধিক ৩০০০ (তিন হাজার) টাকা খরচ প্রদানের নির্দেশ দিতে পারে।

ধারা-৩৫খঃ
১) কোন মোকদ্দমা বা কার্যপ্রক্রিয়ার যে কোন স্তরে আদালত কর্তৃক নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে দরখাস্ত কিংবা লিখিতভাবে কোন আপত্তি যদি পেশ করা না হয়, তাহলে সর্বোচ্চ দুই হাজার টাকা পর্যন্ত উক্ত পক্ষ অন্য পক্ষকে খরচা প্রদান না করা পর্যন্ত উক্ত দরখাস্ত বা লিখিত আপত্তি শুনানির নিমিত্তে গ্রহণকৃত হবে না।

২) লিখিত জবাব পেশের পর মোকদ্দমার কোন পক্ষ যদি এমন কোন বিষয়ে দরখাস্ত পেশ করেন, যা আদালতের মতানুযায়ী পূর্বেই পেশ করতে পারতেন বা পেশ করা সমীচীন ছিল এবং তাতে মূল মোকদ্দমার কার্যক্রমে দেরী হওয়ার সম্ভাবনা আছে তদকারণে আদালত দরখাস্ত নিবে কিন্তু তা শুনানি এবং নিষ্পত্তি করবে না, যদি না ঐ পক্ষ আদালত যেরূপে নির্দিষ্ট এবং নির্দেশ করবে এবং সেরূপে অপরপক্ষকে সর্বোচ্চ তিন হাজার টাকা খরচা দিবে এবং উক্ত খরচা দিতে না পারলে দরখাস্ত তাৎক্ষণিকভাবে বাতিল হয়ে যাবে।
২৯.
স্মল ক্লজ আদালত (Small Cause Courts) এর রায়ে থাকবে-
  1. রায়ে নির্ধারনযোগ্য বিষয়সমূহ এবং সিদ্ধান্ত
  2. মোকদ্দমার সংক্ষিপ্ত বিবরণ
  3. সিদ্ধান্ত এবং অনুরুপ সিদ্ধান্তের কারণসমূহ
  4. ক,খ এবং গ
সঠিক উত্তর:
রায়ে নির্ধারনযোগ্য বিষয়সমূহ এবং সিদ্ধান্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রায়ে নির্ধারনযোগ্য বিষয়সমূহ এবং সিদ্ধান্ত
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২০ এ রায় এবং ডিক্রির প্রস্তুতকরণ, বিষয়বস্তু, প্রচার ইত্যাদির বিধি-বিধান রয়েছে।
 
আদেশ ২০ বিধি ৪০-

১) স্মল ক্লজ আদালতের রায়ে থাকবে-

⇒ নির্ধারণযোগ্য বিষয়সমূহ [points for determination] এবং
⇒ উহার উপর সিদ্ধান্ত [the decision thereon]।

২) অন্যান্য আদালত সমূহের রায়ে থাকবে-

⇒ মোকদ্দমার সংক্ষিপ্ত বিবরণ [a concise statement of the case]
⇒ নির্ধারণযোগ্য বিষয়সমূহ [the points for determination]
⇒ ঐ সকল বিষয়ের উপর সিদ্ধান্ত [the decision thereon] এবং
⇒ অনুরূপ সিদ্ধান্তের কারণসমূহ [the reasons for such decision].
৩০.
ডিক্রি দেয়ার পূর্বে আদালত কোনো বিচার্য বিষয় কেটে দিতে পারে-
  1. বিবাদী এবং বাদী পক্ষ আবেদনের সাপেক্ষে
  2. বাদী পক্ষের নিকট ভ্রান্তভাবে গঠিত হয়েছে বলে মনে হলে এবং বাদীর আবেদন সাপেক্ষে
  3. আদালতের নিকট ভ্রান্তভাবে গঠিত কিংবা প্রবর্তিত হয়েছে বলে মনে হলে
  4. উল্লিখিত কোনো ক্ষেত্রেই নয়
সঠিক উত্তর:
আদালতের নিকট ভ্রান্তভাবে গঠিত কিংবা প্রবর্তিত হয়েছে বলে মনে হলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতের নিকট ভ্রান্তভাবে গঠিত কিংবা প্রবর্তিত হয়েছে বলে মনে হলে
ব্যাখ্যা
আদেশ ১৪ বিধি ৫ঃ বিচার্য বিষয় সংশোধন এবং কর্তন ক্ষমতা (Power to attend and strike out issues)-

১) আদালত ডিক্রি প্রদানের পূর্বে যে কোন সময় আদালত উপযুক্ত মনে করে এরূপ শর্তে বিচার্য বিষয় সংশোধন কিংবা অতিরিক্ত বিচার্য বিষয় গঠন করতে পারে এবং পক্ষগণের মধ্যে বিরোধীয় বিষয়াবলী নির্ণয় করতে প্রয়োজনীয় হতে পারে এরূপ সংশোধনী কিংবা অতিরিক্ত বিচার্য বিষয় সেভাবে প্রণীত হবে। 
[The Court may at any time before passing a decree amend the issues or frame additional issues on such terms as it thinks fit, and all such amendments or additional issues as may be necessary for determining the matters in controversy between the parties shall be so made or framed.]

২) ডিক্রি দেয়ার পূর্বে আদালত আরো তার নিকট ভ্রান্তভাবে গঠিত কিংবা প্রবর্তিত হয়েছে বলে পরিদৃষ্ট হলে কোন বিচার্য বিষয় কেটে দিতে পারে।
[The Court may also at any time before passing a decree, strike out any issues that appear to it to be wrongly framed or introduced.]
৩১.
দেওয়ানি মোকদ্দমায় ক্ষতিপূরণ (Compensatory cost) দেয়া যায়-
  1. সর্বনিম্ন ২০,০০০ টাকা
  2. সর্বোচ্চ ৩০,০০০ টাকা
  3. সর্বনিম্ন ১০,০০০ টাকা
  4. সর্বোচ্চ ২০,০০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
সর্বোচ্চ ২০,০০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সর্বোচ্চ ২০,০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির আওতায় তিন (৩) ধরনের খরচ প্রদান করা হয়ে থাকে। যথা-

 i) সাধারণ খরচ;
ii) ক্ষতিপূরণমূলক খরচ;  এবং
iii) বিলম্বের জন্য খরচ। 

ধারা ৩৫ক: ক্ষতিপূরণমূলক খরচ (Compensatory cost)-

দেওয়ানি কার্যবিধির ৩৫ক ধারায় ক্ষতিপূরণমূলক খরচের বিধান রয়েছে। মূল মোকদ্দমায় বা ডিক্রি জারিতে কোন পক্ষ আরজি বা লিখিত জবাবে মিথ্যা বা বিরক্তিকর (false or vexatious) বিষয় দাবি করলে, আদালত মিথ্যা বা বিরক্তিকর দাবি উত্থাপনকারীকে সর্বোচ্চ ২০,০০০/-(বিশ হাজার) টাকা পর্যন্ত ক্ষতিপূরণ স্বরূপ খরচের আদেশ দিতে পারে।
৩২.
নিম্নের কোনটি সঠিক নয়?
  1. মোকদ্দমার শুনানি সমাপ্ত হওয়ার পর আদালত তৎক্ষণাৎ রায় ঘোষণা করবে
  2. মোকদ্দমার শুনানি সমাপ্ত হওয়ার পর ভবিষ্যত কোন দিনে রায় ঘোষণা করবে
  3. পক্ষদ্বয়ের উকিলগণের উপর যথাযথ বিজ্ঞপ্তি প্রদান করার পর যা দশদিনের মধ্যে রায় ঘোষণা করবে
  4. প্রকাশ্য আদালতে রায় ঘোষণা করবে
সঠিক উত্তর:
পক্ষদ্বয়ের উকিলগণের উপর যথাযথ বিজ্ঞপ্তি প্রদান করার পর যা দশদিনের মধ্যে রায় ঘোষণা করবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পক্ষদ্বয়ের উকিলগণের উপর যথাযথ বিজ্ঞপ্তি প্রদান করার পর যা দশদিনের মধ্যে রায় ঘোষণা করবে
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২০ এ রায় এবং ডিক্রির প্রস্তুতকরণ,বিষয়বস্তু,প্রচার ইত্যাদির বিধি-বিধান রয়েছে।

• আদেশ ২০ বিধি ১-
মোকদ্দমার শুনানি সমাপ্ত হওয়ার পর আদালতে তৎক্ষণাৎ কিংবা ভবিষ্যত কোন দিনে ,পক্ষগণের বা তাদের উকিলগণের উপর যথাযথ বিজ্ঞপ্তি প্রদান করার পর যা সাতদিনের বেশি হবে না প্রকাশ্য আদালতে রায় ঘোষণা করবে।
[The Court after the case has been heard, shall pronounce judgment in open Court either at once or on some future day, not beyond seven days of which due notice shall be given to the parties or their pleaders.]
৩৩.
কোন আদালত চূড়ান্ত শুনানির জন্য দৈনন্দিন কার্যতালিকায় সর্বোচ্চ কতটি মোকদ্দমা নির্ধারণ করবেন?
  1. ১৫টি
  2. ১০টি
  3. ৫টি
  4. ৭০টি
সঠিক উত্তর:
৫টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫টি
ব্যাখ্যা
কোন আদালত চূড়ান্ত শুনানির জন্য দৈনন্দিন কার্যতালিকায় সর্বোচ্চ ৫টি এবং চূড়ান্ত পর্যায়ে সর্বোচ্চ ১০০টি মোকদ্দমা নির্ধারণ করবেন।

• মোকদ্দমার শুনানী (Hearing of suit) অর্থ হলো, আদালতে কোনো মামলার বিচারকার্য যেখানে বিচারক সাক্ষ্য গ্রহণ করে বা যুক্তিতর্ক শোনে ইত্যাদি।
দেওয়ানি কার্যবিধির ১৮ নং আদেশে মোকদ্দমার শুনানী এবং সাক্ষীদের সাক্ষ্য গ্রহণ [Hearing of the Suit and Examination of Witnesses] সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।

আদেশ ১৮ বিধি ২০-

কোন আদালত চূড়ান্ত শ্রবণ কার্যের নিমিত্তে দৈনন্দিন কার্যতালিকায় আংশিক শ্রবণীয় মোকদ্দমাসহ পাঁচটির অধিক মোকদ্দমা এবং চূড়ান্ত পর্যায়ে একশতটির অধিক মোকদ্দমা নির্ধারণ করবে না; এবং নিষ্পত্তির পর চূড়ান্ত পর্যায়ের মোকদ্দমার সংখ্যা সত্তরটির নিম্নে নেমে আসলে সাধারণত দাখিল করা তারিখের উপর ভিত্তি করে আদালত চূড়ান্ত পর্যায়ে আরও মোকদ্দমা আনার ব্যবস্থা করতে পারবেঃ
তবে শর্ত থাকে যে, কোন আদালতে শ্রবণ কার্যের নিমিত্তে তৈরীকৃত মোকদ্দমার সংখ্যা উপযুক্ত মতে নির্ধারণের জন্য যথেষ্ট না হলে যথোপযুক্ত পদ্ধতিতে নির্ধারণ করার বিবেচনামূলক ক্ষমতা আদালতের থাকবে।

[Court shall not fix more than five suits including two part -heard suits, in the daily cause list for peremptory hearing and more than one hundred suits in the peremptory stage, and when upon disposal, the total number of suits in the peremptory stage comes down to less than seventy, the Court shall then bring in more suit in the peremptory stage, generally in the order of dates of institution of suits: 
Provided that if in any Court, the number of suits made ready for hearing is not sufficient for fixation in the manner as aforesaid, it shall be in the discretion of the Court to make the fixation in a reasonable manner.]
৩৪.
চূড়ান্ত নিষ্পত্তির নির্ধারিত দিনে প্রয়োজনীয় সাক্ষ্য কারণ ছাড়া দাখিল করতে ব্যর্থ হলে, আদালত-
  1. দো-তরফা ডিক্রি দিতে পারে
  2. রায় ঘোষণা করতে পারে
  3. মোকদ্দমা খারিজ করতে পারে
  4. একতরফা ডিক্রি দিতে পারে
সঠিক উত্তর:
রায় ঘোষণা করতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রায় ঘোষণা করতে পারে
ব্যাখ্যা
• যেক্ষেত্রে মোকদ্দমার চূড়ান্ত নিষ্পত্তির জন্য সমন দেওয়া হয়েছে এবং কোন পক্ষ যে সকল সাক্ষ্যের উপর নির্ভর করে সেটা দাখিল করতে কোন কারণ ছাড়া উপস্থিত হতে ব্যর্থ হয়েছে, সেইক্ষেত্রে আদালত তাৎক্ষণিক রায় ঘোষণা করতে পারে

আদেশ ১৫ বিধি ৪ মতে-
যেক্ষেত্রে মোকদ্দমা চূড়ান্ত নিষ্পত্তির জন্য সমন প্রদান করা হয়ে থাকে এবং কোন পক্ষ যে সাক্ষ্যের উপর নির্ভর করে উক্ত সাক্ষ্য দানে যথার্থ কারণ ব্যতীত ব্যর্থ হয়, সেক্ষেত্রে আদালত তৎক্ষণাৎ মোকদ্দমার রায় ঘোষণা করতে পারেন বা আদালত সঙ্গত মনে করলে- উক্তরূপ বিচার্য বিষয়ের উপর উহার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করার জন্য প্রয়োজনীয় হতে পারে, এমন সাক্ষ্য দানের জন্য বিচার্য বিষয় প্রণয়ন এবং লিপিবদ্ধ করার পর মোকদ্দমা স্থগিত রাখতে পারে।

[Where the summons has been issued for the final disposal of the suit and either party fails without sufficient cause to produce the evidence on which he relies, the Court may at once pronounce judgment or may if it thinks fit, after framing and recording issues adjourn the suit for the production of such evidence as may be necessary for its decision upon such issues.]
৩৫.
দেওয়ানি কার্যবিধির কত আদেশের অধীন আদালত সাক্ষীকে পুনঃআহ্বান (recall) করে জবানবন্দি গ্রহণ করতে পারে?
  1. আদেশ ১৮ বিধি ১২
  2. আদেশ ১৮ বিধি ১৫
  3. আদেশ ১৮ বিধি ১৭
  4. আদেশ ১৮ বিধি ১০
সঠিক উত্তর:
আদেশ ১৮ বিধি ১৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ ১৮ বিধি ১৭
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ১৮ নং আদেশে মোকদ্দমার শুনানী এবং সাক্ষীদের সাক্ষ্য গ্রহণ [Hearing of the Suit and Examination of Witnesses] সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।

আদেশ ১৮ বিধি-১৭ঃ আদালত কর্তৃক সাক্ষীকে পুনঃ আহ্বান ও জবানবন্দি (recall and examine witness)-

যে সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করা হয়েছে, আদালতে উক্ত সাক্ষীকে মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে পুনঃ আহ্বান করতে পারে এবং (বর্তমানে প্রচলিত সাক্ষ্য আইনের বিধান সাপেক্ষে) আদালত সঙ্গত মনে করে এরূপ প্রশ্ন তাকে জিজ্ঞাসা করতে পারে।
[The Court may at any stage of a suit recall any witness who has been examined and may (subject to the law of evidence for the time being in force) put such questions to him as the Court thinks fit.]
৩৬.
বিচার্য বিষয় গঠন করা হয়-
  1. মোকদ্দমার প্রথম শুনানীতে
  2. লিখিত জবাব দাখিলের পর
  3. ক বা খ এর মধ্যে যেটা পরে ঘটে তার ১৫ দিনের মধ্যে
  4. মোকদ্দমার যেকোনো পর্যায়ে
সঠিক উত্তর:
ক বা খ এর মধ্যে যেটা পরে ঘটে তার ১৫ দিনের মধ্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক বা খ এর মধ্যে যেটা পরে ঘটে তার ১৫ দিনের মধ্যে
ব্যাখ্যা
আদেশ ১৪ বিধি ১ (বিচার্য বিষয় প্রণয়ন)-

১) ঘটনা কিংবা আইনের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে এক পক্ষ দৃঢ়ভাবে ঘোষণা করে এবং অপরপক্ষ অস্বীকার করে, তখনই বিচার্য বিষয়ের উদ্ভব হয়।

২) গুরুত্বপূর্ণ বিষয়াবলী আইন কিংবা ঘটনার সে সমস্ত বিষয়াবলী যা বাদিকে তার মোকদ্দমা করার অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে অবশ্যই নালিশ করতে হয় কিংবা বিবাদিতে তার আত্মপক্ষ সমর্থন করতে অবশ্যই প্রতিবাদ করতে হয়।

৩) একপক্ষ কর্তৃক দৃঢ়ভাবে ঘোষিত এবং অপর পক্ষ কর্তৃক অস্বীকৃত প্রত্যেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় একটি আলাদা বিচার্য বিষয়ের সৃষ্টি করবে।

৪) বিচার্য বিষয় দুই প্রকারেরঃ ক) ঘটনা সংক্রান্ত বিচার্য বিষয়, খ) আইন সংক্রান্ত বিচার্য বিষয়।

৫) মোকদ্দমার প্রথম শুনানির দিন আদালত বাদির আরজি এবং লিখিত বর্ণনা(যদি কোন) পাঠ করার পর এবং প্রয়োজনমত পক্ষগণের এরূপ পরীক্ষা করার পর ঘটনা কিংবা আইনের কোন গুরুত্বপূর্ণ বিবৃতির উপর পক্ষগণ এর বিরোধ তা নির্ধারণ করবে এবং ইহার পর যে সকল বিচার্য বিষয়ের উপর মোকদ্দমার সঠিক সিদ্ধান্ত নির্ভর করে বলে প্রতীয়মান হয়, সে সমস্ত বিচার্য বিষয় প্রণয়নে অগ্রসরমান হবে এবং তা লিপিবদ্ধ করবেঃ

তবে শর্ত থাকে যে, ৪ এবং ৫ বিধির বিধানাবলী সাপেক্ষে যে কোন ক্ষেত্রে মোকদ্দমার প্রথম শুনানির কিংবা লিখিত বর্ণনা দাখিলের পনের দিনের মধ্যে যেটাই পরে ঘটে তখন বিচার্য বিষয় প্রণয়ন এবং লিপিবদ্ধ করতে হবে।

৬) মোকদ্দমার প্রথম শুনানির সময় বিবাদি আত্মপক্ষ সমর্থন না করলে এই বিধির কোন বিধানেই আদালত বিচার্য বিষয় প্রণয়ন এবং লিপিবদ্ধ করবে না।
৩৭.
চূড়ান্ত শুনানীর আগে (Before Peremptory hearing) আদালত উভয় পক্ষকে খরচ ছাড়া এবং খরচসহ মোট কয়টি মুলতবি মঞ্জুর করতে পারে?
  1. ৯ টি
  2. ১৮ টি
  3. ৬ টি
  4. ৩ টি
সঠিক উত্তর:
১৮ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮ টি
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধির ১৭ নং আদেশে Adjournment বা মূলতবির বিধান রয়েছে। আদালতে সময়ের প্রার্থনা (Time petition) করাই হলো মুলতবির আবেদন।

• ১৭ নং আদেশের ১ নং বিধিমতে-

> আদালত মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে (At any stage of the suit) মোকদ্দমার শুনানী মুলতবি রাখতে পারে।

> চূড়ান্ত শুনানীর আগে (Before Peremptory hearing) আদালত প্রত্যেক পক্ষকে খরচ ছাড়া সর্বোচ্চ ৬টি এবং খরচসহ সর্বোচ্চ ৩টি করে মোট ৯টি মুলতবি মঞ্জুর করতে পারে। অর্থ্যাৎ উভয় পক্ষকে খরচসহ এবং খরচ ছাড়া মোট ১৮টি মুলতবি মঞ্জুর করতে পারেন।

> অন্যদিকে চূড়ান্ত শুনানী পর্যায়ে ( At the Peremptory hearing) আদালত প্রত্যেক পক্ষকে খরচসহ সর্বোচ্চ ৩টি মুলতবি মঞ্জুর করতে পারে। তবে খরচ ছাড়া আদালত কোন মুলতবি মঞ্জুর করেনা।

> মুলতবির খরচ সর্বনিম্ন ২০০ টাকা এবং সর্বোচ্চ ১০০০ টাকা হতে পারে।

> মুলতবির আবেদন মঞ্জুর করা বা না করা আদালতের বিবেচনামূলক ক্ষমতা।
৩৮.
মোকদ্দমার সামগ্রিক বা আংশিকভাবে স্বীকৃতির উপর আদালত কখন রায় প্রদান করবেন?
  1. মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে
  2. স্বীকৃতির বিষয়ে কোন পক্ষের আবেদেনের প্রেক্ষিতে
  3. আদালত সঙ্গত মনে করলে
  4. 'ক', 'খ' ও 'গ'-এ বর্ণিত উল্লেখিত সকল ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
'ক', 'খ' ও 'গ'-এ বর্ণিত উল্লেখিত সকল ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'ক', 'খ' ও 'গ'-এ বর্ণিত উল্লেখিত সকল ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১২ বিধি ৬ এ (Judgment on admissions) এর বিধান রয়েছে।

• আদেশ ১২ বিধি-৬ (স্বীকারোক্তির উপর রায়)-
যখন আরজি জবাবে কিংবা অন্যপ্রকারে কোন ঘটনা সম্পর্কে স্বীকারোক্তি করা হয়েছে তদক্ষেত্রে মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে যে কোন পক্ষ আদালতে এ মর্মে আবেদন করতে পারে যে, পক্ষগণের মধ্যে অন্য কোন প্রশ্ন নির্ধারণের জন্য অপেক্ষা না করে, উপরের স্বীকারোক্তি যতদূর তার পক্ষে হয়েছে, সে পর্যন্ত রায় কিংবা আদেশ দান করা হোক এবং আদালত অনুরূপ আবেদনক্রমে যেরূপ সঙ্গত মনে করতে পারে, সেরূপ রায় কিংবা আদেশ দিতে পারে।

[Rule-6: Judgment on admissions —
Any party may, at any stage of a suit, where admissions of fact have been made, either on the pleadings or otherwise, apply to the Court for such judgment or order as upon admissions he may be entitled to, without waiting for the determination of any other question between the parties: and the Court may upon such application make such order or give such judgment, as the Court may think just.]্য 
৩৯.
উভয়পক্ষের আবেদনে আদালত মুলতবি অনুমোদন করলে খরচের টাকা কাকে দিতে হবে?
  1. কোনো খরচ দিতে হবে না
  2. বাদীকে
  3. বিবাদীকে
  4. রাষ্ট্রের রাজস্ব খাতে
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রের রাজস্ব খাতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রের রাজস্ব খাতে
ব্যাখ্যা
• আইনে মুলতবি [Adjournment] অর্থ হলো আদালতের কার্যপ্রণালিতে কোনো মামলার শুনানি পরবর্তী কোনো তারিখ পর্যন্ত স্থগিত বা মুলতবি করা। সাধারণত কোন মোকদ্দমার শুনানী শুরু হলে তা চলমান থাকবে। কিন্তু অনিবার্য অবস্থার প্রেক্ষাপটে মোকদ্দমার কোন পক্ষ আদালতে হাজির নাও হতে পারে এবং তখন শুনানী মুলতবির আবেদন করা প্রয়োজনীয় হয়।

দেওয়ানী কার্যবিধির ১৭ নং আদেশে [Adjournment] বা মূলতবির বিধানসমূহ রয়েছে।আদালত মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে (At any stage of the suit) মোকদ্দমার শুনানী মুলতবি রাখতে পারে। মুলতবির খরচ সর্বনিম্ন ২০০ টাকা এবং সর্বোচ্চ ১০০০ টাকা হতে পারে।

• আদেশ ১৭ বিধি ১(৫)-
যেক্ষেত্রে উভয় পক্ষ কর্তৃক মুলতবির দরখাস্ত দাখিল করা হয় এবং ব্যয়াদির খরচসহ আদেশসমূহ অনুমোদন করা হয়, সেক্ষেত্রে আদালত প্রতিটি পক্ষকে রাষ্ট্রের রাজস্ব খাতে অনুরূপ খরচাদি জমা প্রদান করার আদেশ দিবে।
[Where applications are made by both the parties for any adjournment the applications are allowed with costs, the court shall direct each party to pay such cost as revenue to the state.]
৪০.
মোকদ্দমার যেকোন পর্যায়ে কোন সম্পত্তি বা বস্তু সম্পর্কে কোন প্রশ্নের উদ্ভব হলে আদালত তা _____ করতে পারেন।
  1. পরিদর্শন
  2. ক্রোক
  3. অনুসন্ধান
  4. তদন্ত
সঠিক উত্তর:
পরিদর্শন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পরিদর্শন
ব্যাখ্যা
• মোকদ্দমার শুনানী (Hearing of suit) অর্থ হলো, আদালতে কোনো মামলার বিচারকার্য যেখানে বিচারক সাক্ষ্য গ্রহণ করে বা যুক্তিতর্ক শোনে ইত্যাদি।
দেওয়ানি কার্যবিধির ১৮ নং আদেশে মোকদ্দমার শুনানী এবং সাক্ষীদের সাক্ষ্য গ্রহণ [Hearing of the Suit and Examination of Witnesses] সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।

• আদেশ ১৮ বিধি-১৮ঃ আদালত কর্তৃক পরিদর্শনের ক্ষমতা (Power of court to inspect):

মোকদ্দমার যেকোন পর্যায়ে কোন সম্পত্তি বা বস্তু সম্পর্কে কোন প্রশ্নের উদ্ভব হলে আদালত তা পরিদর্শন করতে পারেন।
[The Court may at any stage of a suit inspect any property or thing concerning which any question may arise.]
৪১.
দেওয়ানি কার্যবিধির ১৮নং আদেশের কত বিধিতে স্থাবর সম্পত্তি উদ্ধারের ডিক্রির (Decree for recovery of immovable property) বিধান দেয়া হয়েছে?
  1. বিধি ৮
  2. বিধি ৯
  3. বিধি ১১
  4. বিধি ১৩
সঠিক উত্তর:
বিধি ৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিধি ৯
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির ১৮নং আদেশের ৯নং বিধিতে স্থাবর সম্পত্তি উদ্ধারের ডিক্রির (Decree for recovery of immovable property) বিধান দেয়া হয়েছে।

• আদেশ ১৮ বিধি ৯-

যেক্ষেত্রে মোকদ্দমার বিষয়বস্তু স্থাবর সম্পত্তি হয় সেক্ষেত্রে তা সনাক্ত করার জন্য যথেষ্ট এরূপ বর্ণনা থাকবে এবং যেক্ষেত্রে উক্ত সম্পত্তি চৌহদ্দি দ্বারা কিংবা সেটেলমেন্ট রেকর্ডের নাম্বার বা জরিপের সংখ্যা দ্বারা সনাক্ত হতে পারে, সেক্ষেত্রে ডিক্রিতে উত্তরূপ চৌহদ্দি বা সংখ্যা সঠিকভাবে বর্ণনা থাকবে।

[Where the subject-matter of the suit is immoveable property, the decree shall contain a description of such property sufficient to identify the same and where such property can be identified by boundaries or by numbers in a record of settlement or survey, the decree shall specify such boundaries or numbers.]
৪২.
মোকদ্দমার কোন পক্ষ অপর পক্ষকে কোন ঘটনার সত্যতা স্বীকারের জন্য, মোকদ্দমা শুনানীর তারিখ থেকে কত দিন পূর্বে নোটিশ প্রদান করতে হবে?
  1. ৯ দিন
  2. ৭ দিন
  3. ১৫ দিন
  4. ১০ দিন
সঠিক উত্তর:
৯ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯ দিন
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধির ১২ নং আদেশ অনুযায়ী স্বীকারোক্তি তিন (৩) প্রকার-

১/ মামলা স্বীকারের নোটিশ [বিধি-১]
২/ দলিল স্বীকার নোটিশ  [বিধি-২]
৩/ ঘটনা স্বীকারের জন্য নোটিশ [বিধি ৪]

• আদেশ-১২, বিধি-৪: ঘটনার সত্যতা স্বীকারের জন্য নোটিশ-

মোকদ্দমার কোন পক্ষ অপর পক্ষকে কোন ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে নেওয়ার জন্য মোকদ্দমা শুনানীর তারিখ থেকে ৯ দিন পূর্বে নোটিশ প্রদান করবে এবং নোটিশ প্রদানের ৬ দিনের মধ্যে বা আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সময়ের মধ্যে উক্ত পক্ষকে নোটিশের জবাব দিতে হবে।
৪৩.
রায় ঘোষনাকারী বিচারক ডিক্রি স্বাক্ষর না করে অফিস পরিত্যাগ করলে,সেক্ষেত্রে তৈরীকৃত ডিক্রি কে স্বাক্ষর করতে পারেন?
  1. আদালতের প্রধান কেরানী
  2. পক্ষদ্বয়ের আইনজীবী
  3. পরবর্তী বিচারক
  4. উল্লিখিত কেউ নয়
সঠিক উত্তর:
পরবর্তী বিচারক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পরবর্তী বিচারক
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২০ এর ৮নং বিধি অনুযায়ী-

যেক্ষেত্রে রায় ঘোষণা করার পর কিন্তু ডিক্রি স্বাক্ষর না করে কোন বিচারক অফিস পরিত্যাগ করেছেন, সেক্ষেত্রে এরূপ রায় অনুযায়ী তৈরীকৃত ডিক্রি তার পরবর্তী বিচারক স্বাক্ষর করতে পারেন
উক্ত আদালত যদি অস্তিত্ববিহীন হয়, সেক্ষেত্রে ঐ আদালত যে আদালতের অধঃস্তন ছিল ঐ আদালতের বিচারক কর্তৃক তা স্বাক্ষরিত হতে পারে।

[Where a Judge has vacated office after pronouncing judgment but without signing the decree, a decree drawn up in accordance with such judgment may be signed by his successor or if the Court has ceased to exist, by the Judge of any Court to which such Court was subordinate.]
৪৪.
নিম্নের কোন ক্ষেত্রে আদালত তাৎক্ষণিক রায় ঘোষণা করতে পারেন?
  1. যেক্ষেত্রে কোন পক্ষের আইনজীবী মোকদ্দমার কোন নির্দিষ্ট অংশ স্বীকার করে নেয়, যা মোকদ্দমাটি নিষ্পত্তি করার জন্য যথেষ্ট
  2. মোকদ্দমার বিচার্য বিষয় গঠন করার পর আদালত যদি মনে করে যে, আর কোন যুক্তিতর্ক বা সাক্ষ্যের প্রয়োজন নেই
  3. ক বা খ
  4. উল্লেখিত কোন ক্ষেত্রেই নয়
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
ব্যাখ্যা
যদি কোন পক্ষের আইনজীবী মোকদ্দমার কোন নির্দিষ্ট অংশ স্বীকার করে নেয় যা মোকদ্দমাটি নিষ্পত্তি করার জন্য যথেষ্ট বা  মোকদ্দমার বিচার্য বিষয় গঠন করার পর আদালত যদি মনে করে যে আর কোন যুক্তিতর্ক বা সাক্ষ্যের প্রয়োজন নেই, তাহলে আদালত তাৎক্ষণিক রায় ঘোষণা করতে পারে।

• আদেশ-১৫, বিধি ৩-
১) যেক্ষেত্রে পক্ষদের মধ্যে আইন কিংবা ঘটনার প্রশ্নে বিচার্য বিষয় থাকে এবং পূর্বের বিধানানুযায়ী আদালত কর্তৃক বিচার্য বিষয় প্রণীত হয়ে থকে এবং আদালত যদি এ মর্মে সন্তুষ্ট হন যে, মোকদ্দমায় সিদ্ধান্তের জন্য পর্যাপ্ত হতে পারে এমন বিচার্য বিষয়ের উপর পক্ষগণ তখনই যা প্রয়োগ করতে পারে তা অপেক্ষা অধিকতর যুক্তিতর্ক বা প্রমাণ এর প্রয়োজন নেই এবং তাৎক্ষনিক মোকদ্দমার কার্যক্রম গ্রহণে কোনরূপ অবিচার সংঘটিত হবে না,
সেক্ষেত্রে আদালত উক্তরূপ বিচার্য বিষয়গুলি নির্ধারণ করতে অগ্রসর হবে এবং ইহর উপর পর্যাবেক্ষণী সিদ্ধান্তের সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য যথেষ্ট বিবেচিত হলে শুধুমাত্র বিচার্য বিষয় নির্ধারণের জন্য কিংবা মোকদ্দমা চূড়ান্ত নিষ্পত্তির জন্য সমন দেয়া হলেও আদালত সেই অনুযায়ী রায় ঘোষণা করতে পারবেনঃ

তবে শর্ত থাকে যে, শুধুমাত্র বিচার্য বিষয় স্থিরীকরণের জন্য সমন দেয়া হয়ে থাকলে যদি পক্ষগণ কিংবা তাদের উকিলগণ উপস্থিত থাকে এবং কোনো আপত্তি না করে।

২) যেক্ষেত্রে সিদ্ধান্তের জন্য পর্যবেক্ষণী পর্যাপ্ত নয়, সেক্ষেত্রে আদালত মোকদ্দমার অতিরিক্ত শুনানি স্থগিত রাখবে এবং ক্ষেত্র বিশেষে অতিরিক্ত সাক্ষ্য বা যুক্তি উপস্থাপনের জন্য সময় নির্ধারণ করবে।