পরীক্ষা আর্কাইভ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

পরীক্ষাডেইলি কুইজ [২০০ দিন]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়09 minutes
মোট প্রশ্ন১২
সিলেবাস
বাংলাদেশ বিষয়াবলি: টপিকসমূহ: ১. ১৯৭১ সালের অসহযোগ আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধ; ২. বাংলাদেশের সংবিধান উৎস: ইতিহাস সংক্রান্ত বোর্ড বই (NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়), স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিলপত্র, বাংলাপিডিয়া বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ সহ সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট, বাংলাদেশের সংবিধান ও যেকোনো গাইডবই। [গাইড বই থেকে পড়ার ক্ষেত্রে কনফিউজিং বিষয়গুলো ক্রসচেক করে পড়া উত্তম।]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন] · তারিখ অনির্ধারিত · ১২ প্রশ্ন

.
ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণ বাংলাদেশের সংবিধানের কোন তফসিলে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে?
  1. ক) চতুর্থ তফসিল
  2. খ) পঞ্চম  তফসিল
  3. গ) ষষ্ঠ তফসিল
  4. ঘ) সপ্তম তফসিল
ব্যাখ্যা
- ২০১১ সালে সংবিধানের ১৫তম সংশোধনী দ্বারা সংবিধানে নতুন করে ৩টি তফসিল যুক্ত করা হয়।
- বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ৭ টি তফসিল রয়েছে :-ঃ
- প্রথম তফসিল:- অন্যান্য বিধান সত্ত্বেও কার্যকর আইন।
- দ্বিতীয় তফসিল:- রাষ্টপতি নির্বাচন।
- তৃতীয় তফসিল- শপথ ও ঘোষণা।
- চতুর্থ তফসিল – ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবালী
- পঞ্চম তফসিল – ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ তারিখে ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দেওয়া ঐতিহাসিক ভাষণ।
- ষষ্ঠ তফসিল -১৯৭১ সালের ২৫মার্চ মধ্যরাত শেষে অর্থাৎ ২৬মার্চ প্রথম প্রহরে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কর্তৃক প্রদত্ত বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা।
- সপ্তম তফসিল- ১০এপ্রিল ১৯৭১ এর মুজিবনগর সরকারের জারিকৃ্ত স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র ।
- এই তফসিল  সংবিধানের  ১৫০(২) নং অনুচ্ছেদ র্বণনা প্রদান করা হয়েছে। 
- ১৫০(২) ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চ তারিখ হতে ১৯৭২ সালের ১৬ই ডিসেম্বর তারিখে এই সংবিধান প্রবর্তন হওয়ার অব্যবহিত পূর্ব পর্যন্ত সময়ের মধ্যে সংবিধানের পঞ্চম তফসিলে বর্ণিত ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চ তারিখে ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে দেওয়া জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ভাষণ, ষষ্ঠ তফসিলে বর্ণিত ১৯৭১ সালের ২৬শে মার্চ তারিখে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কর্তৃক বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণার টেলিগ্রাম এবং সপ্তম তফসিলে বর্ণিত ১৯৭১ সালের ১০ই এপ্রিল তারিখে মুজিবনগর সরকারের জারিকৃত স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র হল বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও মুক্তি সংগ্রামের ঐতিহাসিক ভাষণ ও দলিল, যাহা উক্ত সময়কালের জন্য ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবলী বলে গণ্য হবে।

 উৎস:-  বাংলাদেশের সংবিধান।
.
পাকিস্তান স্বাধীন বাংলাদেশকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেয় কত তারিখ?
  1. ক) ২১ জানুয়ারি, ১৯৭৪
  2. খ) ২২ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৪
  3. গ) ২৩ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৫
  4. ঘ) ২৪ জুলাই, ১৯৭৩
ব্যাখ্যা
- পাকিস্তান ২২ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৪ সালে বাংলাদেশকে একটি সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।
- ঐ অনুষ্ঠানের শর্ত হিসেবে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্তানের নিকট থেকে বাংলাদেশকে একটি সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি আদায় করে নেন।
- ১৯৭৪ সালে লাহোরে অনুষ্ঠিত OIC এর দ্বিতীয় সম্মেলনে বাংলাদেশকে আমন্ত্রণ জানানো হয়।

উৎস:- বাংলাপিডিয়া।
.
মুজিবনগর সরকারের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে কে ছিলেন?
  1. ক) সৈয়দ নজরুল ইসলাম 
  2. খ) এ.এইচ.এম. কামারুজ্জামান
  3. গ) ক্যাপ্টেন মনসুর আলী 
  4. ঘ) তাজউদ্দীন আহমেদ
ব্যাখ্যা
মুজিবনগর সরকার:
- ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল ঘোষিত মুজিবনগর সরকার ১৭ এপ্রিল কুষ্টিয়ার মেহেরপুর মহকুমার ভবেরপাড়া গ্রামের বৈদ্যনাথতলায় শপথ গ্রহণ করে।
- বৈদ্যনাথতলার পরিবর্তিত নাম মুজিবনগর।
- তাজউদ্দিন আহমেদ ১২ এপ্রিল মন্ত্রীদের মধ্যে দপ্তর বণ্টন করেন।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান - প্রেসিডেন্ট।
- সৈয়দ নজরুল ইসলাম - ভাইস-প্রেসিডেন্ট।
- তাজউদ্দীন আহমেদ - প্রধানমন্ত্রী, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়।
- খন্দকার মোশতাক আহমদ - পররাষ্ট্র, আইন ও সংসদ।
- এ.এইচ.এম. কামারুজ্জামান - অভ্যন্তরীণ সরকার, ত্রাণ ও পুনর্বাসন।
- ক্যাপ্টেন মনসুর আলী - অর্থ, বাণিজ্য ও শিল্প।

উৎস:- বাংলাপিডিয়া।
.
সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান কোনটি?
  1. ক) পারমাণবিক শক্তি কমিশন
  2. খ) জাতীয় রাজস্ব বোর্ড
  3. গ) কম্পট্রোলার এন্ড অডিটর জেনারেল অব বাংলাদেশ
  4. ঘ) বাংলাদেশ বিনিয়োগ বোর্ড
ব্যাখ্যা
- সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানসমূহ বাংলাদেশ সরকারের আইনি প্রতিষ্ঠান হিসেবে সরকারের আইনি কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে।
- বাংলাদেশের সংবিধানের আওতায় বেশ কয়েকটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান রয়েছে।

সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানসমূহ:-  
- জাতীয় সংসদ।
- সুপ্রিম কোর্ট। 
-নির্বাচন কমিশন।
- বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি)।
- এটর্নি জেনারেলের কার্যালয়।
- কম্পট্রোলার এন্ড অডিটর জেনারেল অব বাংলাদেশ।

উৎস:- জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
.
বাংলাদেশের স্বাধীনতার ইশতেহার ঘোষণা করা হয় কখন?
  1. ক) ৩ মার্চ ১৯৭১
  2. খ) ৭ মার্চ ১৯৭১
  3. গ) ২ মার্চ ১৯৭১
  4. ঘ) ২৬ মার্চ ১৯৭১
ব্যাখ্যা
- ৩ মার্চ (১৯৭১) অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় সংসদের অধিবেশন স্থগিতের প্রতিবাদে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ২ মার্চ
ঢাকায় এবং পরদিন সারাদেশে হরতাল ডাকেন।
- তাঁর আহবানে সাড়া দিয়ে পূর্ব পাকিস্তানবাসী বিক্ষোভে ফেটে পড়ে।
- ২ এবং ৩ মার্চ হরতালের ফলে সকল সরকারি কর্মকান্ড অচল হয়ে পড়ে।
- কোনো কোনো ছাত্র এবং শ্রমিক সংগঠন স্বাধীনতার ঘোষণা দাবি করেন।
- পূর্ব পাকিস্তান ছাত্রলীগ ৩ মার্চ ১৯৭১ ঢাকায় পল্টন ময়দানে আয়োজিত জনসভায় স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব গ্রহণ করে।
- সভায় ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান উপস্থিতিে ‘স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের ঘোষণা ও কর্মসূচি’ শীর্ষক একটি ইশতেহার ঘোষণা করা হয়।

উতস:- বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্ব সভ্যতা, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
১৯৭১ সালে ঢাকা শহরে 'অপারেশন সার্চলাইট' পরিচালনার মূল দায়িত্বে ছিলেন কে?
  1. ক) জেনারেল রাও ফরমান আলী
  2. খ) জেনারেল টিক্কা খান
  3. গ) জেনারেল ইয়াহিয়া খান
  4. ঘ) জেনারেল আবদুল হামিদ খান
ব্যাখ্যা
- অপারেশন সার্চলাইট পাকিস্তানে স্বৈরাচারী শাসনের বিরুদ্ধে আন্দোলনকারী মুক্তিকামী বাঙালিদের কঠোর হস্তে দমনের জন্য ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী যে সশস্ত্র অভিযান পরিচালনা করে সামরিক কর্তৃপক্ষ একে ‘অপারেশন সার্চলাইট’ নামে অভিহিত করে।
- অপারেশন সার্চলাইটের আওতায় ২৫ মার্চ রাত সাড়ে এগারটা থেকে মধ্য মে পর্যন্ত বড় বড় শহরে অভিযান পরিচালিত হয়।
- অপারেশন সার্চলাইট  অভিযান শুরুর সময় নির্ধারিত ছিল ২৬ মার্চ রাত ১টা।-
লেফটেন্যান্ট জেনারেল টিক্কা খান ও এ.এ.কে নিয়াজীর জনসংযোগ কর্মকর্তা মেজর সিদ্দিক সালেক মন্তব্য করেছেন যে, বাঙালি বিদ্রোহীদের প্রবল প্রতিরোধ সৃষ্টির আগেই পাকিস্তান বাহিনী ঢাকার বিভিন্ন স্থানে পৌঁছার লক্ষ্যে অভিযান এগিয়ে ২৫ মার্চ রাত ১১-৩০ মিনিটে শুরু হয়। 
পাকিস্তান বাহিনীর ১৪ ডিভিশনের জিওসি মেজর জেনারেল খাদিম হোসেন রাজা এবং ৫৭ ডিভিশনের জিওসি মেজর জেনারেল রাও ফরমান আলী খান ১৯৭১ সালের - ২২ ফেব্রুয়ারি অপারেশন সার্চলাইট নামে একটি সামরিক অভিযানের বিষয়ে সিদ্ধান্তে পৌঁছেন।
- পাঁচ পৃষ্ঠার এই পরিকল্পনাটি রাও ফরমান আলী নিজ হাতে লিখেন।
- সিদ্ধান্ত হয়, ২৫ মার্চ রাত ১টায় অপারেশন সার্চলাইটের আওতায় অভিযানে ঢাকায় নেতৃত্ব দিবেন জেনারেল রাও ফরমান আলী।
- দেশের অন্যান্য অঞ্চলে নেতৃত্ব দিবেন জেনারেল খাদিম রাজা।

উৎস:- বাংলাপিডিয়া।
.
মুক্তিযুদ্ধে যশোর কত নং সেক্টরের অর্ন্তভুক্ত ছিল?
  1. ক) ৭নং
  2. খ) ৮নং
  3. গ) ৯নং
  4. ঘ) ১১নং
ব্যাখ্যা
-১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার সামরিক কৌশল হিসেবে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের সমগ্র ভৌগোলিক এলাকাকে ১১টি সেক্টর বা রণাঙ্গনে ভাগ করা হয়। 
- প্রতি সেক্টরে একজন সেক্টর কমান্ডার (অধিনায়ক) নিয়োগ করা হয়।
- যুদ্ধ পরিচালনার সুবিধার জন্য প্রতিটি সেক্টরকে কয়েকটি সাব-সেক্টরে বিভক্ত করা হয় এবং প্রতিটি সাব-সেক্টরে একজন করে কমান্ডার নিয়োজিত হন।
- ৮ নং সেক্টর  এই সেক্টরের অপারেশনাল এলাকা ছিল কুষ্টিয়া, যশোর, খুলনা, বরিশাল, ফরিদপুর ও পটুয়াখালী জেলা।
- সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর আবু ওসমান চৌধুরী এবং পরে মেজর এম.এ মঞ্জুর।
- এই সেক্টরের হেডকোয়ার্টার ছিল কল্যানীতে।
- সেক্টরের সৈন্যদের মধ্যে ৩০০০ ছিল নিয়মিত বাহিনী এবং ২৫০০০ গেরিলা সৈন্য।
 
উৎস:- পৌরনীতি ও নাগরিকতা, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
সাংবিধানিক পদ কোনটি?
  1. ক) সিটি কর্পোরেশনের মেয়র
  2. খ) জেলা প্রশাসক
  3. গ) বিভাগীয় কমিশনার
  4. ঘ) সরকারী কর্ম- কমিশনের চেয়ারম্যান
ব্যাখ্যা
- সরকারি কর্ম কমিশন একটি স্বাধীন সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান।
- বাংলাদেশ সংবিধানের নবম ভাগে দ্বিতীয় পরিচ্ছেদে সরকারি কর্ম কমিশন প্রতিষ্ঠা, সদস্য-নিয়োগ, পদের মেয়াদ, কমিশনের দায়িত্ব এবং বার্ষিক রিপোর্ট সম্পর্কে লিপিবদ্ধ করা হয়েছে।
- বার্ষিক রিপোর্ট সম্পর্ক - অনুচ্ছেদ ১৪১ (১)।
 - বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদে ১৩৭ অনুযায়ী প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীদের আইনের দ্বারা এক বা একাধিক কর্মকমিশন গঠন করার কথা বলা  আছে। 

 সাংবিধানিক পদ:- 
রাষ্ট্রপতি  
স্পিকার
প্রধানমন্ত্রী ও অন্যান্য মন্ত্রীগণ 
ডিপুটি স্পিকার 
প্রধান বিচারপতি  
সংসদ সদস্য 
প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্যান্য নির্বাচন কমিশনার 
মহা-হিসাব রক্ষক ও নিয়ন্ত্রক 
সরকারী কর্ম- কমিশনের চেয়ারম্যান ও অন্যান্য ।

উৎস:- জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
.
বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ শেখ এর সমাধি কোথায়?
  1. ক) নড়াইল
  2. খ) যশোর
  3. গ) রাঙামাটি
  4. ঘ) ব্রাহ্মণবাড়িয়া
ব্যাখ্যা
- বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ শেখের জন্ম ২৬শে ফেব্রুয়ারি ১৯৩৬, যশোর জেলার অর্ন্তঃগত নড়াইল মহকুমার মহিষখোলা গ্রামে।
- ২৬শে ফেব্রুয়ারি ১৯৫৯, তদানিন্তন ইপিআর-এ সৈনিক হিসেবে যোগদান করেন।
মুক্তিযুদ্ধে সেক্টর গঠন হলে তাঁর উপর ন্যস্ত হয় ৮নং সেক্টরের দায়িত্ব।
- তিনি নিয়োগ পান বয়রা সাব-সেক্টরে।
- এই সাব-সেক্টরের অধীনে গোয়ালহাটি, ছুটিপুর ঘাট, ছুটিপুর সেনাক্যাম্প, বরনী আক্রমণে অংশ নেন এবং বীরত্ব প্রদর্শন করেন।
- বরনীতে নিজের জীবনের ঝুকি নিয়ে সাব-সেক্টর কমান্ডার ক্যাপ্টেন নাজমুল হুদার জীবন রক্ষা করেন।
- ৫ই সেপ্টেম্বর ১৯৭১, সুতিপুর প্রতিরক্ষা অবস্থানের সামনে ষ্ট্যান্ডিং পেট্রোলের অধিনায়কের দায়িত্ব পালনের সময় পাকিস্তান সেনাবাহিনীর আক্রমণ নস্যাৎ করে দেন প্রায় একাই।
- আহত অবস্থায় অধীনস্থ সৈনিকদের নিরাপদে পিছনে পাঠিয়ে দেন এবং শত্রুর মোকাবেলা অব্যাহত রাখার সময় শাহাদাত বরণ করেন।
- পরবর্তীতে সহযোদ্ধারা তার মৃতদেহ উদ্ধার করে সীমান্তবর্তী যুদ্ধক্ষেত্র যশোরের কাশীপুরে সমাহিত করে।
- স্বাধীন বাংলাদেশ সরকার বীরত্বের স্বীকৃতি স্বরুপ তাকে 'বীরশ্রেষ্ঠ' খেতাবে ভূষিত করে।

উৎস:- মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং বাংলাপিডিয়া।
১০.
বীর প্রতীক খেতাবপ্রাপ্ত তারামন বিবি মুক্তিযুদ্ধে কোন সেক্টরে যুদ্ধ করেন?
  1. ক) ১১নং
  2. খ) ১০নং
  3. গ) ৯নং
  4. ঘ) ৮নং
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের দুইজন বীর প্রতীক খেতাব প্রাপ্ত নারী মুক্তিযোদ্ধার একজন কুড়িগ্রামের তারামন বিবি।
- মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি কুড়িগ্রাম জেলায় নিজ গ্রাম শংকর মাধবপুরে ছিলেন।
- তিনি ১১ নং সেক্টরে যুদ্ধ করেছেন যার সেক্টর কমান্ডার ছিলেন আবু তাহের বীর উত্তম। 
- তারামন বিবি মুক্তিযুদ্ধে যোগ দেন মুহিব হাবিলদার নামে এক মুক্তিযোদ্ধার উৎসাহে।
- তারামনের বয়স যখন মাত্র ১৩ কিংবা ১৪ তখন তিনিই তারামনকে ক্যাম্পে রান্নাবান্নার জন্য নিয়ে আসেন।
- তিনি ১১ নম্বর সেক্টরে ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের সৈনিকদের সঙ্গে কুড়িগ্রাম জেলার নদী-তীরবর্তী অঞ্চল মোহনগঞ্জ, তারাবর, কোদালকাটি ও গাইবান্ধা জেলার ফুলছড়িতে অগ্রবর্তী দলের হয়ে কয়েকটি সশস্ত্র যুদ্ধে বীরত্বের সাথে অংশগ্রহণ করেন।  তারামন অনেক যুদ্ধে পুরুষ মুক্তিযোদ্ধাদের সাথে অংশ নেন। 
- ১৯৭৩ সালে তৎকালীন বঙ্গবন্ধুর সরকার মুক্তিযুদ্ধে তারামন বিবির সাহসীকতা ও বীরত্ব পূর্ণ অবদানের জন্য তাঁকে “বীর প্রতীক” উপাধিতে ভূষিত করেন।
- কিন্তু এরপর ১৯৯৫ সাল পর্যন্ত তাঁকে খুঁজে বের করা সম্ভব হয়নি।
- ১৯৯৫ সালে ময়মনসিংহের একজন গবেষক প্রথম তাঁকে খুঁজে বের করেন এবং নারী সংগঠনগুলো তাঁকে ঢাকায় নিয়ে আসেন।
- অবশেষে ১৯৯৫ সালের ১৯শে ডিসেম্বর এক অনাড়ম্বর পরিবেশে আনুষ্ঠানিক ভাবে তারামন বিবিকে বীরত্বের পুরস্কার তাঁর হাতে তুলে দেয়া হয়।

উৎস:- জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১১.
বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ ইউনেস্কো কী নামে লিপিবব্ধ করেছে?
  1. ক) The Declaration Of Independence
  2. খ) The best Address to the Nation
  3. গ) The Greatest Leaders Address
  4. ঘ) Worlds Documentary Heritage
ব্যাখ্যা
- ৩০ অক্টোবর ২০১৭ খিস্টাব্দে ইউনেস্কো কর্তৃক জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণকে ইউনেস্কো কর্তৃক মেমোরি অব দ্য ওয়ার্ল্ড ইন্টারন্যাশনাল রেজিস্টারে অন্তর্ভুক্তিকরণে ওয়ার্ল্ড ডেমোক্রেসি হেরিটেজের অংশ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
- পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণকে Worlds Documentary Heritage নামে ইউনেস্কো কর্তৃক মেমোরি অব দ্য ওয়ার্ল্ড ইন্টারন্যাশনাল রেজিস্টারে অন্তর্ভুক্তিকরণে ওয়ার্ল্ড ডেমোক্রেসি হেরিটেজের অংশ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। 
- ঐতিহাসিক গুরুত্ব বিবেচনায় বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ অনন্য এবং অসাধারণ এই কারণে যে, এই ভাষণ সমগ্র বাঙালি জনগোষ্ঠীকে পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে স্বাধীন বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে একতাবদ্ধ করেছিল।
- বঙ্গবন্ধুর সেই জাদুকরী ভাষণ দেশের জনগণের মাঝে এমনভাবে প্রভাব বিস্তার করেছিল যে, সেই সময়ে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা লালনকারী সব জনগোষ্ঠী বঙ্গবন্ধুর এই ভাষণ তাদের মনোজাগতিক উদ্দীপনার অংশ হিসাবে পরিগণিত হয়েছিল।
- আর এ কারণেই এ ভাষণের গুরুত্ব অনুধাবন করে ইউনেস্কো কর্তৃক মেমোরি অব দ্য ওয়ার্ল্ড রেজিস্টার কমিটি চেয়ারপারসন থেকে শুরু করে সবাই একবাক্যে বঙ্গবন্ধুর এই ঐতিহাসিক ভাষণকে স্বীকৃতির জন্য নির্বাচিত করে।
- মেমোরি অব দ্য ওয়ার্ল্ড রেজিস্টারে বঙ্গবন্ধুর এই ভাষণ স্থান করে নেওয়ার ক্ষেত্রে রয়েছে একটি সুদীর্ঘ পরিকল্পনা ও ইতিহাস।

উৎস:- ইউনেস্কোর ওয়েবসাইট এবং পত্রিকা রিপোর্ট। 
১২.
বঙ্গবন্ধুর 'স্বাধীনতার ঘোষণা' ২৬ মার্চ চট্রগ্রাম বেতার কেন্দ্র থেকে কে প্রথম প্রচার করেন?
  1. ক) অধ্যাপক ইউসুফ আলী
  2. খ) এম এ হান্নান
  3. গ) মেজর জিয়াউর রহমান
  4. ঘ) মেজর রফিকুল ইসলাম
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা:-
- বঙ্গবন্ধু বন্দি হওয়ার পূর্বেই চট্টগ্রামস্থ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জনাব এম. এ. হান্নানের নিকট বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার ঘোষণা বাণী প্রেরণ করেন।
- বাণীটি স্বাধীনতার দলিলপত্র তৃতীয় খন্ডে লিপিবদ্ধ করা হয়েছে।
- বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা (বাংলা অনুবাদ): ‘আজ থেকে বাংলাদেশ স্বাধীন। এই আমার শেষ কথা। যে যেখানেই থাকুন না কেন সকলের প্রতি
আমার আবেদন রইল, যার কাছে যা আছে তাই নিয়ে দখলদার বাহিনীর মোকাবিলা করুন এবং বাংলার মাটি থেকে পাক
দখলদার বাহিনীকে সমূলে উৎখাত করে চুড়ান্ত বিজয় না-হওয়া পর্যন্ত লড়ে যান’। 
এম.এ. হান্নান বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার ঘোষণা ২৬ মার্চ দুপুরে চট্টগ্রাম বেতার কেন্দ্র থেকে প্রচার করেন।
২৭ মার্চ কালুরঘাটে স্থাপিত স্বাধীন বাংলা বিপ্লবী বেতার কেন্দ্র (পরে স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র) থেকে মেজর জিয়াউর
রহমান বঙ্গবন্ধুশেখ মুজিবুর রহমানের পক্ষে স্বাধীনতার ঘোষণা পাঠ করেন। এই ঘোষণাটিও স্বাধীনতার দলিলপত্রে
অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

উৎস:- বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এস এস সি প্রোগ্রাম,বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।