পরীক্ষা আর্কাইভ

বার কাউন্সিল এনরোলমেন্ট ⎯ ২০২৬

পরীক্ষাবার কাউন্সিল এনরোলমেন্ট ⎯ ২০২৬তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়12 minutes
মোট প্রশ্ন২৬
সিলেবাস
Exam - 12 The Code of Civil Procedure, 1908: Test-4 Topic ➝ • Temporary Injunction (Order-39) • Appointment of Receiver (Order-40) • Alternative Dispute Resolution (Sections 89A-89E) • Review (Sections 114 & Order-47) • Reference (Section 113) • Revision (Section 115) • Appeals (Sections 96-99, 104-112 & Orders 41-44) • Application for Restitution (Section 144) • Inherent power of the Court (Section 151) • Miscellaneous (Section 132-155)
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল এনরোলমেন্ট ⎯ ২০২৬

বার কাউন্সিল এনরোলমেন্ট ⎯ ২০২৬ · তারিখ অনির্ধারিত · ২৬ প্রশ্ন

.
আদেশ ৪০, বিধি ৫ অনুযায়ী আদালত কাকে রিসিভার হিসেবে নিয়োগ করতে পারেন?
  1. যেকোনো ব্যক্তিকে
  2. কালেক্টরকে
  3. যেকোনো সরকারী কর্মকর্তাকে
  4. মামলার কোন পক্ষকে
ব্যাখ্যা

আদেশ ৪০ বিধি ৫: যখন কালেক্টরকে রিসিভার নিয়োগ করা যায়:
যেক্ষেত্রে উক্ত সম্পত্তি সরকারকে রাজস্ব প্রদানকারী ভূমি বা উক্ত ভূমির রাজস্ব হস্তান্তরিত বা মুক্ত করা হয়ে থাকে এবং আদালত যদি মনে করেন যে, কালেক্টর কর্তৃক ব্যবস্থপনা চালিত হলে সংশ্লিষ্ট সকলের স্বার্থ রক্ষা হবে, সেক্ষেত্রে আদালত কালেক্টরের সম্মতিক্রমে তাকে উক্ত সম্পত্তির রিসিভার নিয়োগ করতে পারেন।

.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর ধারা ৯৬(২) অনুযায়ী, একতরফা মূল ডিক্রির বিরুদ্ধে-
  1. রিভিশন করতে হবে
  2. আপিল দায়ের করা যাবে না
  3. আপিল দায়ের করা যাবে
  4. রিভিশন দায়ের করা যাবে না
ব্যাখ্যা

ধারা ৯৬- মূল ডিক্রি হতে আপিল:
(১) এই আইনের কোন কোন অংশে অথবা বর্তমানে প্রচলিত অন্য কোন আইনে স্পষ্টতঃ অন্যরূপ বিধান না থাকলে, আদি এখতিয়ার প্রয়োগকারী আদালত কর্তৃক প্রদত্ত প্রত্যেক ডিক্রি হতে আপিল শ্রবণের ক্ষমতাসম্পন্ন আদালতে আপিল দায়ের করতে হবে।
(২) একতরফা মূল ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করা যাবে।
(৩) পক্ষগণের সম্মতিতে আদালত কোন ডিক্রি দান করলে তার বিরুদ্ধে কোন আপিল চলবে না।

.
আদেশ ৩৯ বিধি ৬ এর অন্তর্বর্তী বিক্রয়ের বিধান কোন ধরনের সম্পত্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য?
  1. স্থাবর সম্পত্তি
  2. অস্থাবর সম্পত্তি
  3. শুধুমাত্র সরকারি সম্পত্তি
  4. ক ও খ উভয়
ব্যাখ্যা

আদেশ ৩৯ বিধি-৬: অন্তর্বর্তী বিক্রয়ের আদেশ প্রদানের ক্ষমতা:
কোন অস্থাবর সম্পত্তি মোকদ্দমার বিষয়বস্তু হয়ে থাকে বা রায় ঘোষণার পূর্বেই উক্ত মোকদ্দমায় ক্রোক করা হয়ে থাকে তবে যা দ্রুত এবং স্বাভাবিক ক্ষয়শীল, অথবা যা অন্য কোন ন্যায়সঙ্গত এবং পর্যাপ্ত কারণে অবিলম্বে বিক্রয় করা বাঞ্চনীয় হয়ে পড়ে, তা আদালত মোকদ্দমার যে কোন পক্ষের আবেদনের উপর এর বিবেচনামত উপযুক্ত পদ্ধতি এবং শর্ত সাপেক্ষে কোন নির্দিষ্ট ব্যক্তির কর্তৃক বিক্রয়ের আদেশ দিতে পারে।

Rule 6: Power to order interim sale:
The Court may, on the application of any party to a suit, order the sale, by any person named in such order, and in such manner and on such terms as it thinks fit, of any movbale property, being the subject-matter of such suit, or attached before judgment in such suit, which is subject to speedy and natural decay, or which for any other just and sufficient cause it may be desirable to have sold at once.

.
আদেশ ৪১ বিধি ২১ এর অধীন একতরফা (Ex parte) ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল পুনঃশুনানি সর্বোচ্চ কয়বার করা যাবে?
  1. ৩ বার
  2. ২ বার
  3. ১ বার
  4. আদালতে ইচ্ছানুযায়ী
ব্যাখ্যা

আদেশ ৪১ বিধি ২১ – একতরফা (Ex parte) ডিক্রির বিরুদ্ধে পুনঃশুনানি:
যখন কোনো আপিল একতরফা (ex parte) শুনানি করা হয় এবং ডিক্রি বা রায় রেসপন্ডেন্টের বিরুদ্ধে দেওয়া হয়, তখন রেসপন্ডেন্ট আপিল আদালতে আবেদন করতে পারে যে আপিল পুনঃশুনানি করা হোক।
যদি রেসপন্ডেন্ট আদালতকে সন্তুষ্ট করতে পারে যে- নোটিশ যথাযথভাবে দেওয়া হয়নি, অথবা যথাযথ কারণে উপস্থিত হতে পারেননি যখন আপিল শুনানির জন্য ডাকা হয়েছিল, তাহলে আদালত আপিলটি পুনঃশুনানি করবে এবং প্রযোজ্য খরচ বা অন্য শর্ত সে অনুযায়ী আরোপ করতে পারে।

এই নিয়মের অধীনে একই আপিল একবারের বেশি পুনঃশুনানি করা যাবে না।

.
দেওয়ানি আদালতের সহজাত ক্ষমতা কোন ক্ষেত্রে প্রয়োগ করা যেতে পারে?
  1. আইনের বিধান অকার্যকর করতে
  2. আদালতের কার্যধারার অপব্যবহার রোধ করতে
  3. আদালতের কার্যধারা সীমিত করতে
  4. উল্লিখিত কোনো ক্ষেত্রে নয়
ব্যাখ্যা

• দেওয়ানি আদালতের অন্তর্নিহিত ক্ষমতা-
আদালতের সহজাত ক্ষমতা বা অন্তর্নিহিত ক্ষমতা (Inherent power of court) ন্যায় বিচারের স্বার্থে দেওয়ানী আদালতের একটি অলিখিত ক্ষমতা যা প্রয়োগের মাধ্যমে আদালত ন্যায় বিচার নিশ্চিত করতে সচেষ্ট হয়। কোন বিচারপ্রার্থী ন্যায় বিচার হতে বঞ্চিত না হওয়ার জন্য দেওয়ানি আদালতকে একটি বিশেষ ক্ষমতা প্রদান করা হয়েছে। যেক্ষেত্রে আইনের কোন সুস্পষ্ট বিধান নেই বা আইনের কোন সুস্পষ্ট দিক নির্দেশনা নেই সেক্ষেত্রে আদালত তার স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতা বলে ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা কল্পে বিচারকার্য পরিচালনা করতে পারেন। একেই বলা হয় আদালতের অন্তর্নিহিত ক্ষমতা বা সহজাত ক্ষমতা।

দেওয়ানি কার্যবিধির ১৫১ ধারামতে, দেওয়ানি আদালত ২টি ক্ষেত্রে সহজাত ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে। যথা-
i) ন্যায় বিচার নিশ্চিত করা (For the ends of justice); এবং
ii) আদালতের কার্যধারা বা আদালত কর্তৃক ক্ষমতার অপব্যবহার রোধ করা (To prevent abuse of the process of the court)

Section 151- Saving of inherent powers of Court:
Nothing in this Code shall be deemed to limit or otherwise affect the inherent power of the Court to make such orders as may be necessary for the ends of justice or to prevent abuse of the process of the Court.

.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৪১ এর কত বিধির অধীন আপিল আদালত মোকদ্দমা পুনঃপ্রেরণ করতে পারে?
  1. বিধি-২৩
  2. বিধি-২৪
  3. বিধি-২৫
  4. বিধি-২৭
ব্যাখ্যা

দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৪১ বিধি-২৩: বিচারের নিমিত্তে আপিল আদালত কর্তৃক মোকদ্দমা পুনঃপ্রেরণ:
যেখানে আদালত, যার ডিক্রি বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করা হয়েছে, মোকদ্দমা কোনো প্রাথমিক বিষয়ে নিষ্পত্তি করেছে এবং সেই ডিক্রি আপিলে রদ হয়েছে, সেখানে আপিল আদালত যদি উপযুক্ত মনে করে, মোকদ্দমাটি পুনঃপ্রেরণ (remand) করার আদেশ দিতে পারে।

এছাড়া, আপিল আদালত নির্দেশ দিতে পারে যে পুনঃপ্রেরিত মোকদ্দমায় কোন বিষয় বা বিষয়াবলী বিচার করতে হবে। আপিল আদালত তার রায় ও আদেশের একটি নকল সেই আদালতে পাঠাবে, যার ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করা হয়েছে। মূল আদালত মূল নম্বরের অধীনে মোকদ্দমাটি পুনরায় রেজিস্টার করবে এবং বিচার চলমান অবস্থায় মোকদ্দমা নির্ধারণ করবে। মূল বিচারকালে লিপিবদ্ধ সাক্ষ্য (যদি থাকে), সমস্ত যৌক্তিক ব্যতিক্রম বিবেচনা করে, পুনঃপ্রেরণের পরের বিচারে গ্রহণযোগ্য হবে।

.
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১০৬–এর উদ্দেশ্য কী?
  1. আপিলের মেয়াদ নির্ধারণ
  2. আদালতের এখতিয়ার বাড়ানো
  3. ডিক্রি বাতিল বা রদবদল করা
  4. কোন আদালতে আপিলের শুনানি হবে তা নির্ধারণ করা
ব্যাখ্যা

ধারা-১০৬: কোন আদালতে আপিলের শুনানি হবে:
যখন কোন আদেশের বিরুদ্ধে আপিলের অনুমতি দেয়া হয়, তখন যে মোকদ্দমায় অনুরূপ আদেশ প্রদত্ত হয়েছে, অনুরূপ মোকদ্দমার ডিক্রির বিরুদ্ধে যে আদালতে আপিল করা যায় এরূপ আদালতে এর শুনানি হবে, কিংবা যখন হাইকোর্ট বিভাগ নয় আপিল এতিয়ার প্রয়োগকারী এরূপ আদালত কর্তৃক অনুরূপ আদেশ প্রদান করা হয়, তখন হাইকোর্ট বিভাগে এর শুনানি হবে।

Sec.-106: What Courts to hear appeals:
Where an appeal from any order is allowed it shall lie to the Court to which an appeal would lie from the decree in the suit in which such other order was made, or where such order is made by a Court (not being the High Court Division) in the exercise of appellate jurisdiction, then to the High Court Division.

.
আদেশ ৪১ বিধি ১ এর বিধান অনুসারে, আপিলের স্মারকলিপির সঙ্গে কী সংযুক্ত করতে হবে?
  1. আপিল ফি রসিদ
  2. আপিলকারীর শপথপত্র
  3. যে ডিক্রি হতে আপিল করা হচ্ছে তার নকল
  4. উল্লিখিত সব
ব্যাখ্যা

আদেশ ৪১ বিধি ১ এর বিধান- আপীলের নমুনা স্মারকলিপির সঙ্গে যা থাকতে হবে:
(১) প্রত্যেকটি আপিল আপীলকারী বা তার উকিল কর্তৃক স্বাক্ষরিত একটি স্মারকলিপির (memorandum) আকারে দাখিল করতে হবে এবং তা আদালত বা এতদুদ্দেশ্যে আদালত কর্তৃক নিযুক্ত কর্মচারীর নিকট পেশ করতে হবে।
স্মারকলিপির সঙ্গে আপীলকৃত ডিক্রির নকল এবং (যদি আপীল আদালত এই প্রয়োজনীয়তা মওকুফ না করে) যেই রায়ের উপর ডিক্রি প্রতিষ্ঠিত, তার নকল সংযুক্ত করতে হবে।

(২) স্মারকলিপির বিষয়বস্তু:
স্মারকলিপিতে আপীলকৃত ডিক্রি সম্পর্কে আপত্তির কারণগুলো সংক্ষেপে ও পৃথক পৃথক শিরোনামে (distinct heads) উল্লেখ করতে হবে, কোনোরূপ তর্ক বা ধারাবাহিক বর্ণনা ব্যতীত। এবং উক্ত কারণগুলো ক্রমিক নম্বরযুক্ত হতে হবে।

.
নিম্নের কোন আদেশের বিরুদ্ধে ধারা ১০৪–এর অধীনে আপিল করা যায়?
  1. ধারা ৩৫ক-এর অধীনে আদেশ
  2. ধারা ৯৫-এর অধীনে আদেশ
  3. ক এবং খ উভয়
  4. ক বা খ কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

ধারা ১০৪: কোন আদেশগুলি থেকে আপিল করা যেতে পারে:

(১) নিম্নলিখিত আদেশগুলি থেকে আপিল করা যেতে পারে, এবং যদি এই কোডের মূল অংশে বা বর্তমানে কার্যকর কোনো আইনে অন্যথায় স্পষ্টভাবে প্রদান না করা হয়, তবে অন্য কোনো আদেশ থেকে আপিল করা যাবে না:
(চচ) ধারা ৩৫ক এর অধীনে একটি আদেশ;
(ছ) ধারা ৯৫ এর অধীনে একটি আদেশ;
(জ) এই কোডের কোনো ধারা অনুযায়ী একটি আদেশ যা কোনো ব্যক্তিকে অর্থদণ্ড প্রদান বা দেওয়ানি কারাগারে আটক বা আটক করার নির্দেশ দেয়, তবে এমন আটক বা আটককরণ যদি কোনো ডিক্রির কার্যকরীকরণের জন্য না হয়;
(ঝ) নিয়মের অধীনে করা কোনো আদেশ যা থেকে নিয়ম অনুযায়ী আপিল স্পষ্টভাবে অনুমোদিত হয়:
তবে শর্ত থাকে যে ধারা (চচ) এ উল্লিখিত কোনো আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে না, যদি না এই ভিত্তিতে যে কোনো আদেশ, বা কম পরিমাণ প্রদানের জন্য আদেশ করা উচিত ছিল না।

(২) এই ধারার অধীনে আপিলে দেয়া কোনো আদেশ থেকে আপিল করা যাবে না।

১০.
দেওয়ানি কার্যবিধিতে ADR–এর কয়টি পন্থা আছে?
  1. ১টি
  2. ২টি
  3. ৩টি
  4. ৪টি
ব্যাখ্যা

দেওয়ানি কার্যবিধিতে বিকল্প উপায়ে বিরোধ নিষ্পত্তি (ADR)–এর দুটি (২) পন্থা বর্ণিত হয়েছে:
১- মধ্যস্থতা (Mediation);
২- সালিশী (Arbitration)।

সাধারন নিয়মসমূহ-
⇒ মধ্যস্থতার আদেশ প্রদানের ১০ দিনের মধ্যে পক্ষদ্বয় আদালতকে জানাবে যে, তারা কাউকে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে নিয়োগ করেছে কিনা। যদি তারা নিয়োগ করতে ব্যর্থ হয় তবে আদালত ৭ দিনের মধ্যে একজন মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ করবে। অর্থাৎ সর্বাধিক ১৭ দিনের মধ্যে একজন মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ করতে হবে।মধ্যস্থতার ফি পক্ষগণ নির্ধারণ করবে। যদি তারা ব্যর্থ হন তবে আদালত তা নির্ধারণ করে দিবেন এবং সেটা পক্ষগণের উপর বাধ্যকর হবে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির অধীন মধ্যস্থতার এই বিধান অর্থ ঋণ আদালত আইন,২০০৩ এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না।

⇒ মধ্যস্থতাকারী ৬০ দিনের মধ্যে মধ্যস্থতা সম্পন্ন করবে। তবে আদালত স্বেচ্ছায় বা পক্ষদ্বয়ের যৌথ আবেদনের প্রেক্ষাপটে অতিরিক্ত ৩০দিন বাড়াতে পারবে। অর্থাৎ মোট ৯০ দিনের মধ্যে মধ্যস্থতা সম্পন্ন করতে হবে।

⇒ সমঝােতা সম্পন্ন হলে, তার প্রতিবেদন প্রাপ্তির ৭ দিনের মধ্যে আদালত আদেশ বা ডিক্রি জারী করবে। উক্ত আদেশ বা ডিক্রি জারী করলে তার বিরুদ্ধে কোন আপিল বা রিভিশন চলবে না।

১১.
অভিমত গ্রহণের জন্য হাইকোর্ট বিভাগের কাছে মোকদ্দমা প্রেরণ করতে পারে-
  1. যেকোনো আদালত
  2. কেবল জেলা জজ আদালত
  3. কেবল আপিল আদালত
  4. কেবল রিভিশনাল আদালত
ব্যাখ্যা

দেওয়ানী কার্যবিধির ১১৩ ধারায় রেফারেন্সের (Reference) বিধান রয়েছে। ১১৩ ধারার বিধান অনুযায়ী,
যেকোনো আদালত কোন মামলা হাইকোর্ট বিভাগের অভিমত গ্রহণের জন্য প্রেরণ করতে পারেন এবং হাইকোর্ট বিভাগ উক্ত মামলা সম্পর্কে উপযুক্ত আদেশ প্রদান করতে পারবেন।

Section 113: Reference of High Court Division:
Subject to such conditions and limitations as may be prescribed, any Court may state a case and refer the same for the opinion of the High Court Division, and the High Court Division may make such order thereon as it thinks fit.

১২.
আদেশ ৪৪ বিধি ২ অনুযায়ী, কোন আদালত আবেদনকারীর নিঃস্বতা সম্পর্কে তদন্ত করতে পারে?
  1. শুধু হাইকোর্ট বিভাগ
  2. কেবলমাত্র আপিল আদালত
  3. কেবলমাত্র যে আদালতের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল হয়েছে সেই আদালত
  4. খ বা গ
ব্যাখ্যা

আদেশ ৪৪ বিধি-২: নিঃস্বতা সম্বন্ধে তদন্ত:
আবেদনকারীকে নিঃস্বতা সম্পর্কে আপিল আদালত স্বয়ং অথবা যে আদালতের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল আদালতের আদেশক্রমে আপিল করা হয়েছে, সেই আদালত তদন্ত করতে পারবেঃ
তবে শর্ত থাকে যে, আবেদনকারী যদি যে আদালতের ডিক্রি হতে আপিল করা হয় সে আদালতে নিঃস্ব ব্যক্তি হিসাবে মোকদ্দমা বা আপিল করার অনুমতি পেয়ে থাকে, তাহলে আপিল আদালত অনুরূপ তদন্তের নির্দেশ দিতে কারণ না দেখলে তার নিঃস্বতা সম্পর্কে পুনরায় তদন্ত করার প্রয়োজন হবে না।

১৩.
দেওয়ানি কার্যবিধি (CPC)-এর আদেশ ৩৯, বিধি ৭ কোন বিষয়ে প্রযোজ্য?
  1. মোকদ্দমার ফি নির্ধারণ
  2. মোকদ্দমার বিষয়বস্তু আটক
  3. মোকদ্দমার ডিক্রি বাস্তবায়ন
  4. মোকদ্দমায় নিষেধাজ্ঞা জারি
ব্যাখ্যা

• আদেশ ৩৯ বিধি ৭: মোকদ্দমার বিষয়বস্তুর আটক, সংরক্ষণ, পরিদর্শন ইত্যাদি :
১) মোকদ্দমার কোনো পক্ষের আবেদনক্রমে এবং আদালতের বিবেচনায় উপযুক্ত শর্ত সাপেক্ষে, আদালত-
ক) যে সম্পত্তি কোনো মোকদ্দমার বিষয়বস্তু বা যা সম্পর্কে কোনো প্রশ্ন উত্থাপিত হতে পারে, তা আটক, সংরক্ষণ বা পরিদর্শনের আদেশ দিতে পারেন;
খ) উপরোক্ত যাবতীয় বা যেকোনো উদ্দেশ্য কোনো ব্যক্তিকে উক্ত মোকদ্দমার অপর কোনো পক্ষের দখলকৃত কোনো জমিতে বা দালানে প্রবেশ করার ক্ষমতা দান; এবং
গ) উপরোক্ত যাবতীয় বা যেকোনো উদ্দেশ্যে কোনো নমুনা সংগ্রহের বা কোনো পর্যবেক্ষণ করার বা পরীক্ষা করার জন্য, যা পূর্ণ তথ্য বা প্রমাণ লাভের উদ্দেশ্যে দরকারি বা সুবিধাজনক মনে হতে পারে, কোনো ব্যক্তিকে ক্ষমতা দান করতে পারেন।

২) পরোয়ানা জারি সংক্রান্ত বিধানসমূহ অত্র বিধি অনুসারে প্রবেশের ক্ষমতাপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন সাধনপূর্বক প্রযোজ্য হবে।

১৪.
দেওয়ানি মোকদ্দমায় দ্বিতীয় রিভিশন করার জন্য কার অনুমতি প্রয়োজন?
  1. জেলা জজের
  2. হাইকোর্ট বিভাগের
  3. প্রথম রিভিশনাল আদালতের
  4. কোনো অনুমতি প্রয়োজন নেই
ব্যাখ্যা

• দেওয়ানি কার্যবিধির ১১৫(৪) ধারায় ২য় রিভিশনের বিধান রয়েছে। এই ধারানুযায়ী,
১১৫(২) ও ১১৫(৩) ধারার অধীনে প্রাপ্ত ক্ষমতাবলে জেলা জজ বা অতিরিক্ত জেলা জজ রিভিশনে আইনের গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন-সম্পর্কিত বিষয়ে ভুল করে কোন আদেশ দিলে, তার বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগের অনুমতিসাপেক্ষে হাইকোর্ট বিভাগে দ্বিতীয় রিভিশন দায়ের করা যায়। অর্থাৎ, জেলা জজ বা অতিরিক্ত জেলা জজ প্রদত্ত (প্রথম) রিভিশনে আইনের গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন-সম্পর্কিত বিষয়ে ভুল আদেশ দিলে, হাইকোর্ট বিভাগের অনুমতি নিয়ে হাইকোর্ট বিভাগেই দ্বিতীয় রিভিশন করা যাবে।

গুরত্বপূর্ণ তথ্য:
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধিতে Second Appeal নেই তবে, অনুমতিসাপেক্ষে Second Revision করার বিধান আছে।
⇒ দেওয়ানি মোকদ্দমায় Review আছে, ফৌজদারী মামলায় Review নেই।
⇒ ফৌজদারী মামলায় শুধু খালাস [ধারা ৪১৭(১)] ও অপর্যাপ্ত দণ্ডের [ধারা ৪১৭ক] এর ক্ষেত্রে Second Appeal এর বিধান রয়েছে, কিন্তু Second Revision এর নেই।

১৫.
আদেশ ৪০ বিধি-৩ অনুযায়ী রিসিভারকে কখন হিসাবাদি দাখিল করতে হবে?
  1. মোকদ্দমার শেষে
  2. মোকদ্দমার পক্ষগণের চাহিদামাত্র
  3. সম্পত্তির মালিকের আবেদনসাপেক্ষে
  4. আদালতের নির্দেশিত মেয়াদে
ব্যাখ্যা

আদেশ ৪০ বিধি-৩: রিসিভারের দায়িত্ব:
অনুরূপে নিযুক্ত প্রত্যেক রিসিভার-
ক) সম্পত্তি সম্পর্কে সে যা পাবে তার যথাযথ দায়ী থাকার জন্য আদালত কর্তৃক উপযুক্তবিবেচনায় জামানত (যদি কোন) প্রদান করবে;
খ) আদালত কর্তৃক নির্দেশিত মেয়াদে এবং ফরমে তার হিসাবাদি দাখিল করবে;
গ) আদালতের নির্দেশ মত তার নিকট থেকে প্রাপ্য টাকা পরিশোধ করবে; এবং
ঘ) তার ইচ্ছামত বরখেলাপ বা গুরুতর অবহেলার দরুন সম্পত্তির ক্ষতিসাধিত হলে তজ্জন্য দায়ী হবে।

Rule 3: Duties.
Every receiver so appointed shall-
a) furnish such security (if any) as the Court thinks fit, duly to account for what he shall receive in respect of the property;
b) submit his accounts at such periods and in such form as the Court directs;
c) pay the amount due from him as the Court directs; and
d) be responsible for any loss occasioned to the property by his wilful default or gross negligence.

১৬.
দেওয়ানী কার্যবিধির ১৫২ ধারার অধীনে আদালত কখন ভুল সংশোধন করতে পারে?
  1. যে কোনো সময়
  2. ডিক্রি কার্যকর হওয়ার আগে
  3. ডিক্রির তারিখের ৩০ দিনের মধ্যে
  4. আপিল দাখিলের আগে
ব্যাখ্যা

দেওয়ানী কার্যবিধির ১৫২ ধারা- রায়, ডিক্রি বা আদেশসমূহের সংশোধন:
রায়, ডিক্রি বা আদেশে করণিক বা গাণিতিক ভুল অথবা কোন আকস্মিক ভ্রান্তি বা বিচ্যুতির কারণে তথায় কোন ভুল থাকলে যে কোন সময় আদালত নিজস্ব উদ্যোগে কিংবা কোন পক্ষের আবেদনে তা শুদ্ধ করতে পারে।

Section 152- Amendment of judgments, decrees or orders:
Clerical or arithmetical mistakes in judgments, decrees or orders or errors arising therein from any accidental slip or omission may at any time be corrected by the Court either of its own motion or on the application of any of the parties.

১৭.
আপিল আদালতের ডিক্রিতে কোন তারিখ উল্লেখ থাকবে?
  1. আপিলে দায়েরের তারিখ
  2. রায় ঘোষণার তারিখ
  3. ডিক্রি প্রদানের তারিখ
  4. ডিক্রির কপি পাওয়ার তারিখ
ব্যাখ্যা

আদেশ ৪১ বিধি-৩৫: ডিক্রির তারিখ ও বিষয়বস্তু:
১) আপিল আদালতের ডিক্রিতে যে দিন রায় ঘোষণা করা হয়েছিল, সে ঘোষণার তারিখ উল্লেখ থাকবে।
২) ডিক্রিতে আপিলের নম্বর, আপিলকারী ও উত্তরদায়কের নাম ও পরিচিতি এবং মঞ্জুরকৃত প্রতিকার বা অন্যরূপ সাব্যস্থ হয়েছে তার একটি সুস্পষ্ট বিবরণ থাকতে হবে।
৩) ডিক্রিতে আপিলে ব্যয়িত খরচসমূহের পরিমাণ এবং কার দ্বারা বা কোন সম্পত্তি হতে এবং কিঅনুপাতে ঐ খরচ এবং মোকদ্দমার খরচ পরিশোধ করতে হবে সেটাও বিবৃত থাকবে।
৪) ডিক্রি প্রদানকারী বিচারক বা বিচারকবৃন্দ কর্তৃক ডিক্রিতে স্বাক্ষর করতে ও তারিখযুক্ত হতেহবেঃ ভিন্ন মত পোষণকারী বিচারক কর্তৃক স্বাক্ষরিত হওয়ার প্রয়োজন নেইঃ

তবে শর্ত থাকে যে, যে ক্ষেত্রে একাধিক বিচারকবৃন্দ থাকেন এবং তাদের মধ্যে মতের ভিন্নতা থাকে সেক্ষেত্রে আদালতের রায় হতে ভিন্নমত পোষণকারী বিচারক কর্তৃক ডিক্রিতে স্বাক্ষর করার প্রয়োজন নেই।

১৮.
আদেশ ৪৭ বিধি-৭ অনুযায়ী, পুনর্বিবেচনার (Review) প্রার্থনা অগ্রাহ্য হলে, তার বিরুদ্ধে-
  1. আপিল করা যাবে
  2. রিভিশন করা যাবে
  3. আপিল করা যাবে না
  4. নতুন মামলা দায়ের করা যাবে
ব্যাখ্যা

আদেশ ৪৭ বিধি-৭: প্রত্যাখ্যাত আদেশ আপিলযোগ্য নয়, আবেদন মঞ্জুর আদেশের বিরুদ্ধে আপত্তি:
১) আদালত পুনর্বিবেচনার প্রার্থনা অগ্রাহ্যের আদেশ প্রদান করলে তার বিরুদ্ধে কোন আপিল চলবে না; কিন্তু প্রার্থনা কবুলের আদেশ প্রদান করলে তার বিরুদ্ধে নিম্নোক্ত কারণে আপত্তি পেশ করা যাবে-
ক) বিধি-২ তে বর্ণিত বিধানের পরিপন্থী;
খ) বিধি-৪ এ বর্ণিত বিধানের পরিপন্থী;
গ) আবেদনের জন্য নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ অতীত হওয়ার পর এবং যথেষ্ট কারণ ব্যতীত সেটি করা হয়েছিল বলে আপত্তি উত্থাপন করা যেতে পারে; আবেদন মঞ্জুর করে প্রদত্ত আদেশের বিরুদ্ধে, বা সংশ্লিষ্ট মোকদ্দমায় প্রদত্ত চূড়ান্ত ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল দাখিল করে ঐরূপ আপত্তি উত্থাপন করা চলবে।

১৯.
ধারা ১৪৪(১) অনুসারে আবেদন করে প্রত্যর্পণ বা অন্য কোন প্রতিকার পাওয়া গেলে, উক্ত উদ্দেশ্যে-
  1. নতুন মোকদ্দমা দায়ের করা যাবে
  2. পুনঃবিচারের আবেদন করা যাবে
  3. আদালত পুনরায় রায় দিতে বাধ্য হবে
  4. কোন নতুন মোকদ্দমা দায়ের করা যাবে না
ব্যাখ্যা

দেওয়ানি কার্যবিধির ১৪৪ ধারা: প্রত্যর্পণের দরখাস্ত:
(১) যে ক্ষেত্রে কোন ডিক্রির পরিবর্তন বা রদ করা হয়, সে ক্ষেত্রে সুবিধা পাওয়ার অধিকারী কোন পক্ষের আবেদনক্রমে, প্রাথমিক আদালত -(ডিক্রি প্রদানকারী আদালত) এরূপ প্রত্যর্পণের ব্যবস্থা করবেন, যাতে উক্ত ডিক্রি আদৌ প্রদত্ত না হলে পক্ষগণ যে অবস্থায় থাকতেন তাদেরকে সেই অবস্থায় স্থাপন করবেন এবং এই উদ্দেশ্যে আদালত ডিক্রি রদবদলের দরুন উদ্ভূত পরিস্থিতিতে প্রার্থীকে তার প্রাপ্য মোকদ্দমার খরচ, সুদ, ক্ষতিপূরণ ও অন্তর্বর্তীকালীন মুনাফা পরিশোধসহ আদালত যথোপযুক্ত আদেশ দান করতে পারেন।

(২) উপধারা (১) অনুসারে আবেদন করে প্রত্যর্পণ বা অন্য কোন প্রতিকার পাওয়া গেলে, এই উদ্দেশ্যে কোন মোকদ্দমা দায়ের করা চলবে না।

২০.
আদেশ ৪৩–এ মোট কতটি আপীলযোগ্য আদেশ (Appealable Order) রয়েছে?
  1. ২৫টি
  2. ৩০টি
  3. ৩৫টি
  4. ৪৫টি
ব্যাখ্যা

দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪৩ এর বিধান হলো- আদেশের বিরুদ্ধে আপিল। আদেশ ৪৩ এ মোট ২৫টি আপীলযোগ্য আদেশ (Appealable Order) এর তালিকা রয়েছে।

আদেশ ৪৩:
আদেশ ৪৩ মোট ২৫টি আপীলযোগ্য আদেশের তালিকা উল্লেখ করেছে যেগুলোর বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপীল করা যায়। যেমন - অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞা, স্থগিতাদেশ, মোকদ্দমা বাতিল করা, জামিন প্রত্যাখ্যান ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
দেওয়ানি কার্যবিধি ১৯০৮ এর ধারা ১০৪ আপীলযোগ্য আদেশগুলোর সামগ্রিক বর্ণনা দিয়েছে। এই ধারায় উল্লেখ আছে যে, যদি কোনো আদালত এমন কোনো আদেশ প্রদান করে যা চূড়ান্ত না হয়ে একটি বিষয়ের বিরাট অংশ নিষ্পত্তি করে দেয়, তাহলে সেই আদেশের বিরুদ্ধে আপীল করা যেতে পারে।

২১.
কোন আদালত বা ব্যক্তিরা দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা ১৩৯–এর অধীনে হলফনামার শপথ পরিচালনা করতে পারে?
  1. শুধুমাত্র জেলা জজ
  2. কেবলমাত্র আইনজীবী
  3. যেকোনো আদালত বা ম্যাজিস্ট্রেট
  4. শুধুমাত্র সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১৩৯ ধারার বিধান হলফনামার শপথ যার দ্বারা পরিচালিত হবে: এই আইন মোতাবেক কোন এফিডেভিটের ক্ষেত্রে-
ক) যেকোনো আদালত বা ম্যাজিস্ট্রেট; অথবা
খ) যেকোনো অফিসার বা অন্য কোন ব্যক্তি যাকে সুপ্রিমকোর্ট এতদুদ্দেশ্যে নিয়োগ করতে পারেন; অথবা
গ) সরকার কর্তৃক সাধারণ বা বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত অন্য কোন আদালতে যে ব্যক্তিকে এই কার্যের জন্য নিযুক্ত করতে পারেন, তিনি শপথ গ্রহণকারীর প্রতি শপথ পরিচালনা করতে পারবেন।
------------
⇒ CPC Section: 139. Oath on affidavit by whom to be administered:
 In the case of any affidavit under this Code- 
(a) any Court or Magistrate, or 
(b) any officer or other person whom 107[the Supreme Court] may appoint in this behalf, or 
(c) any officer appointed by any other Court which the Government has generally or specially empowered in this behalf,
may administer the oath to the deponent.

২২.
অধস্তন আদালতের ভাষা ও দরখাস্তের রীতি নির্ধারণের ক্ষমতা কার?
  1. হাইকোর্টের
  2. সরকারের
  3. জেলা জজের
  4. উক্ত আদালতের বিচারকের
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১৩৭ ধারার বিধান: অধস্তন আদালতে ভাষা:
১) এই আইন কার্যকর হওয়ার সময় কোন হাইকোর্ট বিভাগের অধস্তন কোন আদালতে ভাষা যা ছিল, সরকার অন্যভাবে নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সেটাই উক্ত অধস্তন আদালতে ভাষা হিসাবে চলতে থাকবে।

২) অনুরূপ আদালতের ভাষা কি হবে এবং কোন রীতিতে অনুরূপ আদালত সমীপে দরখাস্ত এবং আদালতে কার্যধারা লিখিত হবে তা সরকার ঘোষণা করতে পারবে।

৩) যখন অনুরূপ কোন আদালতে সাক্ষীর জবানবন্দি লিপিবদ্ধ করা ব্যতীত অন্য কিছু লিখিতরূপে নিরূপণ করার জন্য এই আইন আদেশ প্রদান করে বা অনুমতি প্রদান করে, তখন অনুরূপ লিখন ইংরেজীতে হতে পারে; কিন্তু কোন পক্ষ বা তার আইনজীবী যদি ইংরেজীর সঙ্গে অপরিচিত হন, তবে তার অনুরোধে আদালতের ভাষায় উক্ত ইংরেজীর অনুবাদ তাকে সরবরাহ করা হবে, এবং এরূপ ক্ষেত্রে আদালত যেরূপ উপযুক্ত মনে করেন, অনুবাদের খরচ প্রদানের ব্যাপারে সেরূপ আদেশনামা প্রদান করবে।

২৩.
অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার শর্ত লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে আদালত কী করতে পারে?
  1. সম্পত্তি ক্রোক করতে পারে
  2. দেওয়ানি জেলে আটক করতে পারে
  3. ক এবং খ উভয়টি
  4. কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা

দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৩৯ বিধি-২: লংঘনের পুনরাবৃত্তি বা ধারাবাহিকতা রোধক্রমে নিষেধাজ্ঞা-
১) বিবাদীকে চুক্তি লঙ্ঘন বা অন্য কোন প্রকার অনিষ্ট করা থেকে বিরত রাখার মোকদ্দমায় ক্ষতিপূরণ দাবী করা হয়ে থাকুক বা না থাকুক, মোকদ্দমা শুরু হওয়ার পর যে কোন সময় এবং রায়ের পূর্বে বা পরে বাদী অভিযোগে আনীত চুক্তি লঙ্ঘন বা অনিষ্ট করা থেকে কিংবা একই চুক্তি থেকে উদ্ভূত অথবা একই সম্পত্তি বা অধিকারের সাথে সম্পর্কিত কোন চুক্তি লঙ্ঘন বা অনিষ্ট করা থেকে বিবাদীকে বিরত রাখার জন্য আদালতে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার জন্য আবেদন করতে পারে।

২) নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ, হিসাব রক্ষণ, জামানত প্রদান অথবা অন্য প্রকারে আদালত উপযুক্ত মনে করে এরূপ শর্ত সাপেক্ষে অনুরূপ নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করে আদেশ প্রদান করতে পারে।

৩) যদি অমান্য করা হয় কিংবা অনুরূপ কোন শর্ত লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুরকারী আদালত অনুরূপ অমান্য করা বা লঙ্ঘন করার জন্য দোষী ব্যক্তির সম্পত্তি ক্রোক করার নির্দেশ দিতে পারে এবং অনুরূপ ব্যক্তিকে অনধিক ছয় মাস মেয়াদের জন্য দেওয়ানি জেলে আটক রাখতেও নির্দেশ দিতে পারে, যদি না আদালত ইতোমধ্যে তার মুক্তির আদেশ প্রদান করে থাকে।

৪) এই বিধির অধীনে কোন ক্রোক এক বৎসরের অধিক বলবৎ থাকবে না এবং উক্ত সময়ের পরও যদি অমান্য বা লঙ্ঘন অব্যাহত থাকে তবে ক্রোকী সম্পত্তি বিক্রয় করা যাবে এবং বিক্রয়লব্ধ অর্থ হতে আদালত উপযুক্ত মনে করে এরূপ খেসারতের আদেশ প্রদান করতে পারে এবং অবশিষ্ট অর্থ, যদি থাকে, তাতে অধিকারী পক্ষকে প্রদান করবে।

২৪.
দেওয়ানি কার্যবিধির ১০৭ ধারা অনুযায়ী, আপিল আদালতের ক্ষমতা নয় কোনটি?
  1. অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণের ক্ষমতা
  2. মোকদ্দমা পুনর্বিচারে প্রেরণ
  3. চূড়ান্তভাবে মোকদ্দমা নিষ্পত্তি
  4. মামলা ফৌজদারি আদালতে প্রেরণ
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ঘ) মামলা ফৌজদারি আদালতে প্রেরণ।

দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা-১০৭: আপিল আদালতের ক্ষমতা:
১) যে সকল শর্ত ও নিয়ন্ত্রণ বিধি দ্বারা হতে পারে, তৎসাপেক্ষে আদালতের নিম্নলিখিত ক্ষমতাবলী থাকবে-
ক) কোন মোকদ্দমা চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তি করার;
খ) কোন মোকদ্দমা পুনর্বিচারে প্রেরণ করার;
গ) বিচার্য বিষয় গঠন এবং সেগুলো বিচারার্থে প্রেরণ করার;
ঘ) অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণ বা অনুরূপ সাক্ষ্য গ্রহণ করার জন্য তলব করতে ক্ষমতা।

২) এই আইনে কোন মৌলিক এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতের উপর তথাকার মোকদ্দমার ব্যাপারে যেরূপ ক্ষমতা প্রদত্ত এবং কর্তব্য আরোপিত হয়ে থাকে, উল্লেখিত শর্তসাপেক্ষে আপিল আদালতের উপরও এরূপ ক্ষমতা এবং প্রায় একইরূপ কর্তব্য বর্তাবে।

২৫.
দেওয়ানি কার্যবিধির ১৩৫ক ধারায় কাদের দেওয়ানি পরোয়ানায় আটক ও গ্রেফতার হতে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে?
  1. বিচারকদের
  2. সরকারী কর্মচারীদের
  3. সংসদ সদস্যদের
  4. বয়স্ক ব্যক্তিদের
ব্যাখ্যা

• দেওয়ানি কার্যবিধির ১৩৫ক ধারা: দেওয়ানি পরোয়ানায় আটক ও গ্রেফতার হতে সংসদ সদস্যদের অব্যাহতি:
১) নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে কোন ব্যক্তিকে দেওয়ানি পরোয়ানাধীনে গ্রেফতার অথবা জেলে আটক রাখা যাবে না-
ক) যদি উক্ত ব্যক্তি সংসদের সদস্য হন, তবে সংসদের অধিবেশন চলাকালীন সময়ে;
খ) যদি উক্ত ব্যক্তি সংসদের কোন কমিটির একজন সদস্য হন, তবে এরূপ কমিটির অধিবেশন চলাকালীন সময়ে; এবং এরূপ অধিবেশন বা বৈঠকের পূর্বের বা পরের চৌদ্দ দিন সময় পর্যন্ত।

২) উপ-ধারা (১) অনুসারে আটকাদেশ হতে মুক্ত কোন ব্যক্তিকে এই উপ-ধারায় উল্লেখিত বিধান সাপেক্ষে পুনঃগ্রেফতার করা যাবে এবং তিনি (১) উপ-ধারার বিধানের অধীনে মুক্ত না হলে আরও যতদিন আটক থাকতে হত, ততদিন তাকে আটক রাখা যাবে।

২৬.
যখন আপিলের স্মারকলিপি সংশোধন করা হয়, তখন সংশোধনীতে কার স্বাক্ষর থাকতে হবে?
  1. আপিলকারীর
  2. কেবল বিচারকের
  3. নোটারি পাবলিকের
  4. বিচারক অথবা এতদুদ্দেশ্যে নিযুক্ত কর্মকর্তার
ব্যাখ্যা

দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪১ বিধি-৩: স্মারকলিপি প্রত্যাখান বা সংশোধন:
১) যেক্ষেত্রে ইতোপূর্বে নির্দিষ্ট পদ্ধতি মোতাবেক আপিলের স্মারকলিপি প্রণীত হয় নি, সেক্ষেত্রে আদালত সেটি প্রত্যাখ্যান করতে পারবে, অথবা আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সেটি সংশোধনের জন্য অথবা তৎক্ষণাৎ সেটি সংশোধন করার জন্য আপিলকারীর নিকট ফেরত দেয়া যাবে।

২) যেক্ষেত্রে আদালত কোন স্মারকলিপি প্রত্যাখ্যান করে, সেক্ষেত্রে ঐ অগ্রাহ্যের কারণসমূহ লিপিবদ্ধ করে রাখবেন।

৩) যেক্ষেত্রে আপিলের স্মারকলিপি সংশোধন করা হয় সেক্ষেত্রে বিচারক অথবা তৎকর্তৃক এতদুদ্দেশ্যে নিযুক্ত কর্মকর্তা উক্ত সংশোধনীতে স্বাক্ষর বা অনুস্বাক্ষর করবেন।