পরীক্ষা আর্কাইভ

জব সল্যুশন [৯ম - ১৩তম গ্রেড]

পরীক্ষাজব সল্যুশন [৯ম - ১৩তম গ্রেড]তারিখ৩০ অক্টোবর, ২০২৫সময়50 minutes৭৮ বৈধ · অসম্পূর্ণ
মোট প্রশ্ন৮০
সিলেবাস
বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ পদের নাম: নিরাপত্তা কর্মকর্তা পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার তারিখ: ১৭. ১০.২০২৫
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

জব সল্যুশন [৯ম - ১৩তম গ্রেড]

জব সল্যুশন [৯ম - ১৩তম গ্রেড] · ৩০ অক্টোবর, ২০২৫ · ৮০ প্রশ্ন

.
ভাষার প্রকৃতি নিয়ে আলোচনা করে-
  1. ধ্বনিতত্ত্ব
  2. রূপতত্ত্ব
  3. ব্যাকরণ
  4. বাক্যতত্ত্ব
ব্যাখ্যা

ব্যাকরণে ভাষার স্বরূপ ও প্রকৃতি নিয়ে আলোচনা করা হয়।
- ধ্বনি, শব্দ, বাক্য ইত্যাদি বিশ্লেষণের মাধ্যমে ভাষার মধ্যকার সাধারণ কিছু বৈশিষ্ট্য খুঁজে বের করা ব্যাকরণের কাজ।

অন্যদিকে, 
---------------
• ধ্বনিতত্ত্বের আলোচ্য বিষয় ধ্বনি। লিখিত ভাষায় ধ্বনিকে যেহেতু বর্ণ দিয়ে প্রকাশ করা হয়, তাই বর্ণমালা সংক্রান্ত আলোচনা এর অন্তর্ভুক্ত।

• রূপতত্ত্বে শব্দ ও তার উপাদান নিয়ে আলোচনা করা হয়। এই আলোচনায় বিশেষ্য, সর্বনাম, বিশেষণ, ক্রিয়া, ক্রিয়াবিশেষণ ইত্যাদি স্থান পায়। বিশেষ গুরুত্ব পায় শব্দগঠন প্রক্রিয়া।

• বাক্যতত্ত্বে বাক্য নিয়ে আলোচনা করা হয়। বাক্যের নির্মাণ ও গঠন বাক্যতত্ত্বের মূল আলোচ্য। বাক্যের মধ্যে পদ ও বর্গ কিভাবে বিন্যস্ত থাকে বাক্যতত্ত্বে তা বর্ণনা করা হয়। এছাড়া বাক্যের রূপান্তর, বাক্যের বাচ্য, উক্তি ইত্যাদি এই অংশের আলোচ্য বিষয়।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১-সংস্করণ)। 

.
বাংলা লিপিতে মূল বর্ণের সংখ্যা-
  1. ৩১টি
  2. ৪৯টি
  3. ৫০টি
  4. ৫১টি
ব্যাখ্যা

বাংলা লিপিতে মূল বর্ণের সংখ্যা- ৫০টি। স্বরবর্ণ ১১টি এবং ব্যঞ্জনবর্ণ ৩৯টি।

• বাংলা লিপির উৎস হচ্ছে ব্রাহ্মী লিপি।
- বাংলা ভাষার নিজস্ব লিপি রয়েছে। এই লিপির নাম বাংলা লিপি।
- বাংলা লিপিতে মূল বর্ণের সংখ্যা ৫০টি। স্বরবর্ণ ১১টি এবং ব্যঞ্জনবর্ণ ৩৯টি।

• প্রায় আড়াই হাজার বছর আগে উপমহাদেশে ব্রাহ্মী লিপির জন্ম হয়। ব্রাহ্মী লিপির পূর্ব-ভারতীয় শাখা দশম শতক নাগাদ কুটিল লিপি নামে পরিচিতি লাভ করে।
- বাংলা লিপি এই কুটিল লিপির বিবর্তিত রূপ।
- অহমিয়া, বোড়ো, মণিপুরি প্রভৃতি ভাষাও বাংলা লিপিতে লেখা হয়। সংস্কৃত এবং মৈথিলি ভাষা এক সময়ে এই লিপিতে লেখা হতো।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (সংস্করণ- ২০২১)।

.
বাংলা স্বরবর্ণের উপরে চন্দ্রবিন্দু ব্যবহার করা হয় কী বোঝাতে?
  1. অনুনাসিকতা
  2. ব্যঞ্জনা
  3. দীর্ঘস্বর
  4. অর্ধস্বর
ব্যাখ্যা

• 'অনুনাসিকতা' বোঝাতে বাংলা স্বরবর্ণের উপরে চন্দ্রবিন্দু ব্যবহার করা হয়।
- বাংলা ভাষায় অনুনাসিক স্বরধ্বনি ৭টি।

• অনুনাসিক স্বরধ্বনি:
- মৌলিক স্বরধ্বনিগুলো উচ্চারণের সময়ে বায়ু শুধু মুখ দিয়ে বেরিয়ে আসে।
- এ সময়ে কোমল তালু স্বাভাবিক অবস্থায় থাকে।
- কিন্তু ধ্বনিগুলো উচ্চারণের সময়ে কোমল তালু খানিকটা নিচে নেমে গেলে কিছুটা বায়ু নাক দিয়েও বের হয়।
- এর ফলে ধ্বনিগুলো অনুনাসিক হয়ে যায়।
- স্বরধ্বনির এই অনুনাসিকতা বোঝাতে বাংলা স্বরবর্ণের উপরে চন্দ্রবিন্দু (ঁ) ব্যবহৃত হয়ে থাকে।

• মৌলিক স্বরধ্বনি: [ই], [এ], [অ্যা], [আ], [অ], [ও], [উ]।
• অনুনাসিক ষ্বরধ্বনি: [ইঁ], [এঁ], [অ্যাঁ], [আঁ], [অঁ], [ওঁ], [উঁ]।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি ( ২০২১ সংস্করণ)।

.
'ভাষা প্রকাশ বাঙ্গালা ব্যাকরণ' কার রচনা?
  1. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্‌
  2. মুহম্মদ এনামুল হক
  3. মুনীর চৌধুরী
  4. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়
ব্যাখ্যা

• 'ভাষা প্রকাশ বাঙ্গালা ব্যাকরণ' গ্রন্থের রচয়িতা- সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়।

• সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়:
- ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় বাংলা ভাষার শ্রেষ্ঠ ভাষাবিজ্ঞানী।
- ১৯৩৬ সালে কলকাতার রয়েল এশিয়াটিক সোসাইটির ফেলো নির্বাচিত হন।
- তাঁর বিখ্যাত রচনা হলো অরিজিন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অব দি বেঙ্গলি ল্যাংগুয়েজ, (ওডিবিএল, ১৯২৬)।

তাঁর রচিত গ্রন্থ:
- অরিজিন এন্ড ডেভলেপমেন্ট অব বেঙ্গলি ল্যাঙ্গুয়েজ,
- ভাষা প্রকাশ বাঙ্গালা ব্যাকরণ,
- পশ্চিমের যাত্রী,
- বাংলা ভাষাতত্ত্বের ভূমিকা,
- ভারতের ভাষা ও ভাষা সমস্যা।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

.
নিচের কোনটি অলুক বহুব্রীহি সমাসের উদাহরণ?
  1. একগুয়ে
  2. কানেখাটো
  3. চিরুনদাতি
  4. কাজলকালো
ব্যাখ্যা

• অলুক বহুব্রীহি:
যে বহুব্রীহি সমাসে সমস্যমান পদের পূর্বপদের বিভক্তি অক্ষুন্ন থাকে, তাকে অলুক বহুব্রীহি বলে।
যেমন:
- গায়ে এসে পড়ে যে = গায়েপড়া।
- কানে খাটো যে = কানেখাটো।

----------------------
অন্যদিকে, 
• সমানাধিকরণ বহুব্রীহি সমাস: পূর্বপদ বিশেষণ এবং পরপদ বিশেষ্য হলে তাকে সমানাধিকার বহুব্রীহি বলে।
যেমন:
- এক গোঁ যার = একগুঁয়ে,
- লাল পাড় যে শাড়ির = লালপেড়ে।

• মধ্যপদলোপী বহুব্রীহি: ব্যাসবাক্যের মধ্যবর্তী পদ লোপ পেয়ে যে বহুব্রীহি সমাস হয় তাকে মধ্যপদলোপী বহুব্রীহি সমাস বলে।
যেমন:
- সোনার মতো উজ্জ্বল মুখ যার = সোনামুখী।
- চিরুনির মতো দাঁত যার = চিরুনদাঁতি।
[ বাক্যে ব্যাসবাক্যের মধ্যপদ লুপ্ত হয়ে বহুব্রীহি সমাস সৃষ্টি হয়েছে।]

• উপমান কর্মধারয় সমাস: যার সঙ্গে তুলনা করা হয় তা উপমান। কিছু কর্মধারয় সমাসে উপমানের সঙ্গে গুণবাচক শব্দের সমাস হয়।
এগুলোকে উপমান কর্মধারয় সমাস বলে।
যেমন:
- কাজলের মতো কালো = কাজলকালো।
- শশের মতো ব্যস্ত = শশব্যস্ত।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ) এবং ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

.
বাংলা বাক্যে উদ্দেশ্য কোথায় বসে?
  1. বাক্যের শুরুতে
  2. বাক্যের শেষে
  3. বাক্যের মাঝে
  4. যেকোনো জায়গায়
ব্যাখ্যা

• বাংলা বাক্যে, উদ্দেশ্য বাক্যের শুরুতে বসে বাক্য গঠন করে।

----------------
একটি বাক্যের প্রধান দুটি অংশ থাকে। যথা:
১. উদ্দেশ্য,
২. বিধেয়।

• উদ্দেশ্য: বাক্যের যে অংশে কাউকে উদ্দেশ্য করে কিছু বলা হয় সেই অংশকে বাক্যের উদ্দেশ্য বলে।
যেমন:
- মামুন বল খেলে।
[এই বাক্যে মামুনকে উদ্দেশ্য করে বলা হচ্ছে। অতএব 'মামুন' বাক্যটির উদ্দেশ্য।]

• বিধেয়: কর্তা বা উদ্দেশ্য সম্বন্ধে বাক্যে যা কিছু বলা হয় তাকে বিধেয় বলে।
বিধেয় অংশে সাধারণত ক্রিয়া থাকে।
যেমন:
- মামুন বল খেলে।
[এখানে 'বল খেলে' অংশটি বাক্যের বিধেয়।]

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ এবং বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।

.
কোন সন্ধিটি নিপাতনে সিদ্ধ?
  1. এক + দশ = একাদশ
  2. বাক্ + দান = বাগদান
  3. কথা + ছলে= কথাচ্ছলে
  4. উৎ + লাস = উল্লাস
ব্যাখ্যা

• নিপাতনে সিদ্ধ ব্যঞ্জনসন্ধি:
কতগুলো সন্ধি কোন নিয়ম অনুসারে হয় না, সেগুলোকে নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি বলে।

নিচে কয়েকটি নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধির উদাহরণ হলো:
- আ + চর্য = আশ্চর্য,
- গো পদ = গোষ্পদ,
- আ + পদ = আস্পদ,
- পর + পর পরস্পর,
- ষট্ + দশ = ষোড়শ,
- এক + দশ = একাদশ,
- হরি + চন্দ্র = হরিশ্চন্দ্র,
- পতৎ + অঞ্জলি = পতঞ্জলি ইত্যাদি।

অন্যদিকে, 
• বাক্ + দান = বাগদান (এখানে ঘোষধ্বনি দ-এর প্রভাবে ক হয়েছে গ)।
• স্বরধ্বনির পর 'ছ' থাকলে উক্ত ব্যঞ্জনধ্বনিটি দ্বিত্ব (চ্ছ) হয়। যথা- কথা + ছলে = কথাচ্ছলে। 
• উৎ + লাস = উল্লাস (এখানে ল-এর প্রভাবে ত হয়েছে ল)। 

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ) এবং ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

.
'আজকে নগদ কালকে ধার' -এখানে 'আজকে' কোন কারকে কোন বিভক্তি?
  1. কর্তায় ২য়া
  2. অধিকরণে ২য়া
  3. কর্মে ২য়া
  4. করণে২য়া
ব্যাখ্যা

• অধিকরণ কারক:
ক্রিয়ার আধারকে বলা হয় অধিকরণ কারক। আধার বলতে ক্রিয়া নিষ্পন্ন হওয়ার স্থান, কাল ও ভাবকে বোঝায়। অর্থাৎ ক্রিয়া সম্পাদনের কাল এবং আধারকে বলা হয় অধিকরণ কারক।
বাক্যের ক্রিয়াপদকে কোথায়, কখন ও কোনো বিষয় বোঝাতে অধিকরণ কারক হয়।

যেমন:
- বিকাল পাঁচটায় অফিস ছুটি হবে।
- আমরা স্বাধীন বাংলাদেশের নাগরিক।
- পুকুরে মাছ আছে।
- বনে বাঘ আছে।
- আকাশে চাঁদ উঠেছে।

এরূপ-
- আজকে নগদ কালকে ধার।
[বাক্যকে কখন দ্বারা প্রশ্ন করলে উত্তর পাওয়া যায় 'আজকে'। বাক্যটি ক্রিয়া নিষ্পন্ন হওয়ার কালকে বোঝাচ্ছে এবং এতে 'কে' বিভক্তি যুক্ত হয়েছে। সুতরাং 'আজকে' অধিকরণ কারকে ২য়া বিভক্তি।]

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ) এবং মাধ্যমিক বাংলা ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
বর্ণচোরা অর্থ-
  1. কপট
  2. ভণ্ড
  3. সংকীর্ণমনা
  4. মূর্খ
ব্যাখ্যা

• 'বর্ণচোরা' বাগ্‌ধারার অর্থ - ভণ্ড।

এরূপ কিছু বাগ্‌ধারা হলো-
• 'ডাকাবুকো' অর্থ- নির্ভীক।
• 'কানকাটা' অর্থ - বেহায়া।
• 'গোবর গণেশ' অর্থ - মূর্খ।
• 'তালকানা' অর্থ- কাণ্ডজ্ঞানহীন।
• 'গোঁফ খেজুরে' অর্থ- অত্যন্ত অলস।
• 'খয়ের খাঁ' অর্থ- তোষামোদকারী। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

১০.
কোনটি শুদ্ধ?
  1. সৌজন্যতা
  2. সৌজন্য
  3. সৌজনতা
  4. সৌজয়তা
ব্যাখ্যা

• শুদ্ধ বানান- সৌজন্য। 
- এটি একটি সংস্কৃত শব্দ।
- শব্দটি বিশেষ্য পদ।

অর্থ:
- সুজনের ভাব বা আচরণ,
- সদাচরণ,
- ভদ্রতা,
- শিষ্টাচার।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান। 

১১.
'পঞ্চতন্ত্র' গ্রন্থটি কার রচনা? 
  1. ফররুখ আহমেদ
  2. সৈয়দ মুজতবা আলী
  3. আবুল ফজল
  4. সৈয়দ ওয়ালী উল্লাহ 
ব্যাখ্যা

• 'পঞ্চতন্ত্র' প্রবন্ধ সংকলন:
- সৈয়দ মুজতবা আলীর 'পঞ্চতন্ত্র' (১৯৫২) দুই পর্বে বিভক্ত ব্যক্তিগত প্রবন্ধ সংকলন।
- প্রথম পর্বে ৩৪, দ্বিতীয় পর্বে ৩১, মোট ৬৫টি রচনার সংকলন।
- উল্লেখযোগ্য রচনা: বই কেনা, মোপাসাঁ, চেখফ্-রবীন্দ্রনাথ, বিদেশে, মেশেদিনী, অনুবাদ সাহিত্য, অর্থং অর্থং ইত্যাদি।
- এইসব প্রবন্ধ 'বসুমতী' ও 'দেশ' পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছিল।
- প্রবন্ধগুলোর মধ্যে মুজতবা আলীর বিশেষ ও সরস গদ্যশৈলীর পরিচয় মেলে। তাছাড়া বিচিত্র বিষয় প্রীতির নিদর্শন পাওয়া যায়।
গ্রন্থটিকে রম্যসাহিত্যের অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

----------------------
• সৈয়দ মুজতবা আলী:
- সৈয়দ মুজতবা আলী ছিলেন শিক্ষাবিদ ও সাহিত্যিক। ১৯০৪ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর পিতার কর্মস্থল শ্রীহট্ট (সিলেট) জেলার করিমগঞ্জে তিনি জন্মগ্রহণ করেন, কিন্তু তাঁর পৈতৃক নিবাস ছিল মৌলভীবাজারের উত্তরসুর গ্রামে।
- তিনি বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯২৬ সালে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন।
- সৈয়দ মুজতবা আলী 'দেশে-বিদেশে' গ্রন্থের মাধ্যমে বাংলা সাহিত্যাঙ্গনে প্রথম প্রবেশ ও প্রতিষ্ঠা লাভ করেন। কাবুলে অবস্থানের বাস্তব অভিজ্ঞতা ও অন্তরঙ্গ উপলব্ধির ফসল এই গ্রন্থখানি।
- তাঁর একটি অনবদ্য গ্রন্থ 'পূর্ব-পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা'।
- তিনি কাজী নজরুল ইসলামের 'রুবাইয়াৎ-ই-ওমর খৈয়াম' গ্রন্থের ভূমিকা লিখেন।
- ১৯৭৪ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি ঢাকায় তাঁর মৃত্যু হয়।

তাঁর রচিত উপন্যাস:
- অবিশ্বাস্য,
- শবনম।

তাঁর রচিত রম্য-রচনা:
- পঞ্চতন্ত্র,
- ময়ূরকণ্ঠী।

তাঁর রচিত ছোটগল্পগ্রন্থ:
- চাচা-কাহিনী,
- টুনি মেম।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

১২.
কোনটি মানিক বন্দোপাধ্যায়ের প্রথম উপন্যাস?
  1. জননী
  2. পুতুল নাচের ইতিকথা
  3. পদ্মা নদীর মাঝি
  4. দিবারাত্রির কাব্য 
ব্যাখ্যা

• 'জননী' উপন্যাস:
- 'জননী' মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রথম প্রকাশিত উপন্যাস। ১৯৩৫ সালে প্রকাশিত হয়।
- নারীর জননী-জীবনের নানা স্তর এবং সন্তানের সঙ্গে জননীর সম্পর্কের সূক্ষ্ম মনস্তাত্ত্বিক বিশ্লেষণমূলক উপন্যাস।
- চরিত্র ও কাহিনির নির্মোহ বাস্তব রূপায়ণ এই উপন্যাসের বৈশিষ্ট্য।

---------------------
• মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়:
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় ১৯০৮ খ্রিস্টাব্দে বিহারের সাঁওতাল পরগনার দুমকা শহরে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পৈতৃক নিবাস ছিল ঢাকা জেলার বিক্রমপুরের নিকট মালবদিয়া গ্রামে।
- মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রকৃত নাম প্রবোধকুমার, 'মানিক' তাঁর ডাকনাম।

মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত উপন্যাস:
- জননী,
- দিবারাত্রির কাব্য,
- পদ্মানদীর মাঝি,
- পুতুলনাচের ইতিকথা ইত্যাদি।

মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত ছোটগল্প:
- অতসী মামী ও অন্যান্য গল্প,
- প্রাগৈতিহাসিক,
- সরীসৃপ,
- সমুদ্রের স্বাদ ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

১৩.
'সাঁঝের মায়া' কবিতাটির রচয়িতা কে?
  1. সেলিনা হোসেন
  2. সুফিয়া কামাল
  3. নুরজাহান বেগম
  4. রিজিয়া রহমান
ব্যাখ্যা

• 'সাঁঝের মায়া' সুফিয়া কামাল রচিত একটি কবিতা। কবিতাটি 'সাঁঝের মায়া' নামক কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত। 

• 'সাঁঝের মায়া' কাব্যগ্রন্থ:

- ১৯৩৮ সালে সুফিয়া কামালের প্রথম কাব্যগ্রন্থ 'সাঝের মায়া' প্রকাশিত হয়।
- এর ভূমিকা লিখেছিলেন কাজী নজরুল ইসলাম। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এটি পড়ে উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করেন।
- ২৮টি কবিতার এই নাতিদীর্ঘ সঞ্চয়নটির অন্যতম গুণ হচ্ছে সুফিয়া কামালের ভবিষ্যৎ সাহিত্য রচনার ভিত্তি স্থাপনা, যার স্বরূপ স্পষ্টভাবে ফুটে ওঠে এক নারীর কণ্ঠস্বরে, সংস্কৃতির শিকড়ে তার গভীর অথচ গতিময় সঞ্চরণে এবং এক বৈশ্বিক, সামগ্রিক চেতনার পরিচয়ে।
- কবি কামা ইভানোভা কর্তৃক অনূদিত 'সাঁঝের মায়া' গ্রন্থটির রাশিয়ান অনুবাদ প্রকাশিত হয় ১৯৮৪ সালে তদানিন্তন সোভিয়েত ইউনিয়নে।

--------------------
• সুফিয়া কামাল:
- সুফিয়া কামাল ছিলেন কবি, বুদ্ধিজীবী, সমাজনেত্রী। সুফিয়া কামালের জন্ম ১৯১১ সালের ২০শে জুন বরিশালের শায়েস্তাবাদে এক অভিজাত পরিবারে।
- তাঁকে 'জননী সাহসিকা' বলা হয়। সওগাত সম্পাদক মোহাম্মদ নাসিরউদ্দীন (১৮৮৮-১৯৯৪) ১৯২৬ সালে তাঁর প্রথম কবিতা 'বাসন্তী' প্রকাশ করেন।
- ১৯৩১ সালে সুফিয়া মুসলিম মহিলাদের মধ্যে প্রথম 'ভারতীয় মহিলা ফেডারেশন'- এর সদস্য নির্বাচিত হন।
- তিনি 'বেগম' (১৯৪৭) পত্রিকার প্রথম সম্পাদক ছিলেন।
- ১৯৬৯ সালে 'মহিলা সংগ্রাম পরিষদ' (বর্তমানে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ) গঠিত হলে তিনি তার প্রতিষ্ঠাতাপ্রধান নির্বাচিত হন এবং আজীবন তিনি এর সঙ্গে জড়িত থাকেন।
- ১৯৯৯ সালের ২০শে নভেম্বর ঢাকায় তাঁর জীবনাবসান ঘটে।

তাঁর রচিত উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ:
- মন ও জীবন,
- উদাত্ত পৃথিবী,
- সাঁঝের মায়া,
- অভিযাত্রিক,
- মোর যাদুদের সমাধি পরে,
- মায়া কাজল।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া, 'সাঁঝের মায়া' কাব্যগ্রন্থ।

১৪.
বাংলাদেশের 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটক কে রচনা করেছেন?
  1. আসকার ইবনে শাইখ
  2. মুনির চৌধুরী
  3. সিকান্দার আবু জাফর
  4. সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকটি রচনা করেছেন সিকানদার আবু জাফর। এটি একটি ঐতিহাসিক ও করুণরসাত্মক নাটক, যা পলাশীর যুদ্ধের পটভূমিতে এবং বাংলার শেষ স্বাধীন নবাব সিরাজউদ্দৌলার জীবনের ওপর ভিত্তি করে রচিত।
- এক অপরিসীম যন্ত্রনাদগ্ধ পরিণতির মধ্য দিয়ে সমাপ্ত হয়েছে রচনাটি। ট্রাজেডি সদৃশ বেদনা বহতা এই নাটকে বিদ্যমান।
- নাটকের কেন্দ্রীয় চরিত্র সিরাজের ব্যক্তিত্ব ও প্রজ্ঞা একইভাবে ট্র্যাজিডির শিল্পমানকে স্পর্শ করেছে।

---------------------
• সিকান্দার আবু জাফর:
- সাহিত্যিক, সাংবাদিক সিকান্দার আবু জাফর এর পূর্ণ নাম সৈয়দ আল্ হাশেমী আবু জাফর মুহম্মদ বন্ধ সিকান্দার
- ১৯১৯ সালের ১৯ মার্চ সাতক্ষীরা জেলার তেঁতুলিয়া গ্রামে তাঁর জন্ম।
- আবু জাফর ১৯৫০ সালে কলকাতা থেকে ঢাকায় আসেন এবং বিভিন্ন সময়ে দৈনিক নবযুগ, ইত্তেফাক, সংবাদ ও মিল্লাত পত্রিকায় সাংবাদিকতা করেন।
- তিনি মাসিক সমকাল পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা-সম্পাদক (১৯৫৭-১৯৭০) ছিলেন।

তাঁর উল্লেখযোগ্য কয়েকটি গ্রন্থ:
• উপন্যাস:
- পূরবী,
- নতুন সকাল। 

• ছোটগল্প:
- মাটি আর অশ্রু,
- কবিতা প্রসন্ন শহর,
- তিমিরাস্তিক,
- বৈরী বৃষ্টিতে,
- বৃশ্চিক-লগ্ন,
- বাংলা ছাড়ো। 

• নাটক:
- সিরাজ-উদ-দৌলা,
- মহাকবি আলাউল।

• আবু জাফর অনুবাদক হিসেবেও খ্যাত ছিলেন। তাঁর কয়েকটি অনূদিত গ্রন্থ:
- যাদুর কলস,
- সেন্ট লুইয়ের সেতু,
- রুবাইয়াৎ ওমর খৈয়াম ইত্যাদি।

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক সাহিত্যপাঠ (২০২০-২১ সংস্করণ); বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

১৫.
কাজী নজরুল ইসলামের রচনা নয় কোনটি?
  1. বালুচর
  2. ছায়ানট
  3. চক্রবাক
  4. চিত্তনামা
ব্যাখ্যা

'বালুচর' কবিতাটি জসীম উদ্‌দীনের 'ধানখেত' কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত।
- 'ধানখেত' কাব্যগ্রন্থটি ১৯৩৩ সালে প্রকাশিত হয়।
- বিখ্যাত 'নিমন্ত্রণ' কবিতাটিও এই কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত।

অন্যদিকে, 
-------------------
• 'ছায়ানট' কাব্যগ্রন্থ:
ছায়ানট কবি কাজী নজরুল ইসলাম রচিত একটি কাব্যগ্রন্থ। এই গ্রন্থটি বর্মণ পাবলিশিং হাউস, ১৯৩ কর্ণওয়ালিশ ষ্ট্রীট, কলকাতা হতে ১৯২৫ খ্রিষ্টাব্দে প্রথম প্রকাশিত হয়। প্রকাশক ছিলেন ব্রজবিহারী বর্মণরায়। এতে রয়েছে নজরুলের ৫০টি কবিতা।

• 'চক্রবাক' কাব্যগ্রন্থ:
চক্রবাক কবি কাজী নজরুল ইসলাম রচিত একটি কাব্যগ্রন্থ। ১৯২৯ খ্রিষ্টাব্দে এই গ্রন্থটি প্রথম প্রকাশিত হয়। এই গ্রন্থে মোট কবিতার সংখ্যা ১৯টি। এই কাব্যে নজরুল বেদনার ছবি তুুুলে ধরেছেন; এতে রয়েছে প্রেমের অনুুুভূতি এবং অতীত সুুখের স্মৃতিচারণা।

• 'চিত্তনামা' কাব্যগ্রন্থ:
- দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশ কে নিয়ে কাজী নজরুল ইসলাম 'চিত্তনামা' কাব্যগ্রন্থটি লিখেছেন।
- ১৩৩২ বঙ্গাব্দের ২ রা আষাঢ় চিত্তরঞ্জন দাশ মৃত্যুবরণ করলে, তাঁর মৃত্যুতে শোকাহত হয়ে নজরুল অর্ঘ্য, অকাল সন্ধ্যা, সান্ত্বনা, ইন্দ্রপ্তন, রাজভিখারি নামে কয়েকটি কবিতা সমকালীন পত্রিকায় লিখেন।
- কবিতাগুলোয় চিত্তরঞ্জনের প্রতি কবির অভির আবেগ মিশ্রিত শ্রদ্ধা প্রকাশিত হয়। এটি ১৯২৫ খ্রিস্টাব্দে (১৩৩২ বঙ্গাব্দ) প্রকাশিত হয়।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

১৬.
কাজী নজরুল ইসলামের গান ও স্বরলিপির বই কোনটি?
  1. বলাকা
  2. গীতবিতান
  3. বুলবুল
  4. ছায়ানট
ব্যাখ্যা

• কাজী নজরুল ইসলামের গান ও স্বরলিপির বই- বুলবুল। 

• 'বুলবুল' গীতিগ্রন্থ:

‘বুলবুল’ কাজী নজরুল ইসলাম রচিত গীতিগ্রন্থ, এটিই তাঁর প্রথম গ্রন্থ যাতে শুধু গান প্রকাশিত হয়েছিল। 'বুলবুল' প্রথম প্রকাশিত হয় ১৩৩৫ বঙ্গাব্দের আশ্বিন মুতাবিক নভেম্বর ১৯২৮, প্রকাশক গোপালদাস মজুমদার, ডি. এম. লাইব্রেরি, ৬১ কর্ণওয়ালিস ষ্ট্রীট, কলিকাতা। পৃষ্ঠা সংখ্যাক ৮ + ৭০; মূল্য এক টাকা; রাজসংস্করণ পাঁচ সিকা। তাতে মোট ৪২টি গান অন্তর্ভুক্ত ছিল। এই বঙ্গাব্দের চৈত্রে গ্রন্থটির দ্বিতীয় সংস্করণ প্রকাশিত হলে তাতে ‘নূতন গান’ বিভাগে সাতটি গান সংযোজিত হয়েছিল। 

১৩৩৫ বঙ্গাব্দের পৌষের ‘সওগাতে’ ‘অমলেন্দু দাশগুপ্ত’ ‘বুলবুলের কবি’ শিরোনামে ‘বুলবুল’ গ্রন্থের একটি আলোচনা প্রকাশ করেন, এটি গ্রন্থের দ্বিতীয় সংস্করণের গোড়ায় সন্নিবেশিত হয়। ‘বুলবুলে’র তৃতীয় সংস্করণ প্রকাশিত হয় ১৩৩৭ বঙ্গাব্দের ভাদ্রে; প্রকাশক গোপালদাস মজুমদার, ডি. এম. লাইব্রেরি, ৬১ কর্ণওয়ালিস ষ্ট্রীট, কলিকাতা। পৃষ্ঠা সংখ্যাক ৮+১৬+৮০; মূল্য এক টাকা চার আনা; রাজসংস্করণ দেড় সিকা। বাংলা একাডেমির নজরুল রচনাবলীতে এই সংস্করণের পাঠ অনুসৃত হয়েছে।

• কাজী নজরুল ইসলামের গানের বই:
'বুলবুল', 'চোখের চাতক', 'চন্দ্রবিন্দু', 'সুরসাকী', 'জুলফিকার', 'বনগীতি', 'গুলবাগিচা', 'গানের মালা', 'গীতি শতদল'।

অন্যদিকে, 
-----------------
• 'বলাকা' কাব্যগ্রন্থ:
'বলাকা' ১৯১৬ সালে রচিত রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গতিচেতনা বিষয়ক কাব্য। কাব্যটি রবীন্দ্র কবি মানসের বিবর্তন ধারাপথে আত্মপ্রকাশ করেছে। প্রাক্বলাকা কাব্যে কবির অনুভূতি আবেগের মধ্যে দিয়ে ব্যক্ত ছিল, কিন্তু বলাকা কাব্যে সেই অনুভূতির প্রকাশ হয়েছে বোধি ও বুদ্ধি, জ্ঞান ও অনুভবে এবং দ্রুতি ও দীপ্তির মাধ্যমে- বিষয়ের সঙ্গে একাত্মতায় ও নতুন চেতনায়। কাব্যটি রচনার পশ্চাতে তিনটি বিষয় কবিকে অনুপ্রাণিত করেছে; ক. কবির ইউরোপ ভ্রমণ, খ. কবির নোবেল পুরস্কার লাভ, গ. সমকালীন বিশ্বপরিস্থিতি ও প্রথম মহাযুদ্ধ। 

• 'গীতবিতান' গানের সংকলন:
গীতবিতান রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সমুদয় গানের সংকলন গ্রন্থ। ১৯৩১ সালে (আশ্বিন, ১৩৩৮ বঙ্গাব্দ) এই গ্রন্থের প্রথম সংস্করণটি দুই খণ্ডে প্রকাশিত হয়। গীতবিতান প্রকাশের পূর্বে রবীন্দ্রনাথের ‘সমুদয়’ গান মোট তেরোটি গীতিসংকলনে ছড়িয়ে ছিটিয়ে ছিল। প্রথম সংস্করণে গীতবিতান গ্রন্থের বর্তমান পর্যায়বিন্যাস করা হয়নি। পরবর্তীকালে এই সংস্করণের সকল গান কবি ‘পূজা’, ‘স্বদেশ’, ‘প্রেম’, ‘প্রকৃতি’, ‘বিচিত্র’ ও ‘আনুষ্ঠানিক’, 'গীতিনাট্য ও নৃত্যনাট্য', 'ভানুসিংহ ঠাকুরের পদাবলী, 'জাতীয় সংগীত' ও 'পরিশিষ্ট' পর্যায়ে বিন্যস্ত করেন। এই বিষয়ানুক্রমে সজ্জিত হয়ে রবীন্দ্রনাথের মৃত্যুর পর ১৯৪২ সালে (মাঘ, ১৩৪৮) গীতবিতান গ্রন্থের দ্বিতীয় সংস্করণ দুই খণ্ডে প্রকাশিত হয়। বর্তমানে এই সংস্করণটিই প্রচলিত। 

• 'ছায়ানট' কাব্যগ্রন্থ:
ছায়ানট কবি কাজী নজরুল ইসলাম রচিত একটি কাব্যগ্রন্থ। এই গ্রন্থটি বর্মণ পাবলিশিং হাউস, ১৯৩ কর্ণওয়ালিশ ষ্ট্রীট, কলকাতা হতে ১৯২৫ খ্রিষ্টাব্দে প্রথম প্রকাশিত হয়। প্রকাশক ছিলেন ব্রজবিহারী বর্মণরায়। এতে রয়েছে নজরুলের ৫০টি কবিতা।

উৎস: 'বুলবুল' গীতিগ্রন্থ; বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

১৭.
পূরবী কাব্যের রচয়িতা কে?
  1. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  2. কাজী নজরুল ইসলাম
  3. সৈয়দ মুজতবা আলী
  4. ফররুখ আহমদ
ব্যাখ্যা

'পূরবী' রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা একটি বাংলা কাব্যগ্রন্থ। এটি ১৯২৫ খ্রীস্টাব্দে প্রকাশিত হয়।
- ভিক্টোরিয়া ওকাম্পোকে রবীন্দ্রনাথ রচিত 'পূরবী' কাব্যগ্রন্থাটি উৎসর্গ করেন।

------------------
• রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর:
-  রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ছিলেন কবি, সঙ্গীতজ্ঞ, কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার, চিত্রশিল্পী, প্রাবন্ধিক, দার্শনিক, শিক্ষাবিদ ও সমাজ-সংস্কারক। জন্ম ১৮৬১ সালের ৭ মে (১২৬৮ বঙ্গাব্দের ২৫শে বৈশাখ) কলকাতার জোড়াসাঁকোর অভিজাত ঠাকুর পরিবারে।

- তিনি ছিলেন প্রকৃত অর্থেই অসামান্য প্রতিভাধর ব্যক্তি। বাল্যকালেই তাঁর কবি প্রতিভার উন্মেষ ঘটে।
- মাত্র পনের বছর বয়সে তাঁর 'বনফুল' কাব্য প্রকাশিত হয় এবং এশিয়ার বরেণ্য ব্যক্তিদের মধ্যে তিনিই প্রথম 'গীতাঞ্জলি' কাব্যের জন্য ১৯১৩ সালে নোবেল পুরস্কারে ভূষিত হন।
১৯৪১ সালের ৭ আগস্ট (২২শে শ্রাবণ, ১৩৪৮ বঙ্গাব্দ) জোড়াসাঁকোর বাড়িতে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত কাব্যগ্রন্থগুলো হলো:
- মানসী,
- সোনার তরী,
- চিত্রা,
- কল্পনা,
- ক্ষণিকা,
- গীতাঞ্জলি,
- বলাকা,
- পূরবী,
- পুনশ্চ,
- পত্রপূট,
- সেঁজুতি,
- শেষলেখা,
- কবি-কাহিনী ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

১৮.
মুসলিম রেনেসাঁর কবি কে?
  1. সিকান্দার আবু জাফর 
  2. ফররুখ আহমদ
  3. আহসান হাবীব
  4. আল মাহমুদ
ব্যাখ্যা

• ফররুখ আহমদ:
- ফররুখ আহমদ ছিলেন মুসলিম রেনেসাঁর কবি। ফররুখ আহমদ ১৯১৮ সালের ১০ জুন মাগুরা জেলার শ্রীপুর থানার মাঝাইল গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- 'সাত সাগরের মাঝি' ফররুখ আহমদ রচিত শ্রেষ্ঠ এবং প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ। 
- ১৯৪৪ সালে কলকাতার দুর্ভিক্ষের পটভূমিতে 'লাশ' কবিতা লিখে তিনি প্রথম খ্যাতি অর্জন করেন।
- ফররুখ আহমদ তাঁর বিখ্যাত কাহিনী কাব্য 'হাতেমতায়ী' এর জন্য ১৯৬৬ সালে আদমজি পুরস্কার লাভ করেন।
- ১৯৬৬ সালেই 'পাখির বাসা' শিশুতোষের জন্য ইউনেস্কো পুরস্কার লাভ করেন।
- 'মুহূর্তের কবিতা' ফররুখ আহমদ রচিত একটি সনেট সংকলন।

ফররুখ আহমদ রচিত কাব্যগ্রন্থসমূহ হলো:
- সাত সাগরের মাঝি,
- সিরাজাম মুনীরা,
- নৌফেল ও হাতেম,
- মুহূর্তের কবিতা,
- সিন্দাবাদ,
- হাতেমতায়ী,
- নতুন লেখা,
- হাবেদা মরুরকাহিনী।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

১৯.
'সোনালী কাবিন' -এর রচয়িতা কে?
  1. আল মাহমুদ
  2. হাসান হাফিজুর রহমান
  3. কাজী নজরুল ইসলাম 
  4. ফররুখ আহমদ 
ব্যাখ্যা

• 'সোনালী কাবিন' কাব্যগ্রন্থ:
- 'সোনালী কাবিন' কাব্যগ্রন্থের রচিয়তা আল মাহমুদ।
- আল মাহমুদ প্রকাশিত শ্রেষ্ঠ কাব্য গ্রন্থ 'সোনালী কাবিন'। সোনালী কাবিন কাব্য গ্রন্থটি ১৯৭৩ সালে প্রকাশিত হয়।
- এই গ্রন্থে বিভিন্ন শিরোনামের কবিতার সঙ্গে 'সোনালি কাবিন' নামে চৌদ্দটি সনেটের সমন্বয়ে একটি দীর্ঘ কবিতাও অন্তর্ভুক্ত আছে। এটিকে একটি ক্ষুদ্র কাব্যগ্রন্থও বলা যেতে পারে।

-----------------
• আল মাহমুদ:
- তিনি একজন প্রথিতযশা কবি। তিনি ১৯৩৬ সালের ১১ই জুলাই ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার মোড়াইল গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর প্রকৃত নাম মীর আবদুস শুকুর আল মাহমুদ।
- স্বাধীনতা উত্তরকালে তিনি 'দৈনিক গণকণ্ঠ' পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন।
- তাঁর প্রকাশিত শ্রেষ্ঠ কাব্যগ্রন্থ 'সোনালী কাবিন' (১৯৭৩)।

আল মাহমুদ রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- লোক লোকান্তর,
- কালের কলস,
- সোনালী কাবিন,
- পাখির কাছে ফুলের কাছে,
- অদৃষ্টবাদীদের রান্নাবান্না ইত্যাদি।

তাঁর রচিত উপন্যাস:
- ডাহুকী,
- উপমহাদেশ,
- আগুনের মেয়ে,
- চেহারার চতুরঙ্গ,
- কাবিলের বোন ইত্যাদি।

তাঁর রচিত গল্পগ্রন্থ:
- পানকৌড়ির রক্ত,
- সৌরভের কাছে পরাজিত,
- গন্ধবণিক,
- ময়ূরীর মুখ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

২০.
বাংলা লোক সাহিত্যে প্রাচীনতম সৃষ্টি কী কী?
  1. গান ও গীতিকা
  2. মঙ্গলকাব্য
  3. পুঁথি সাহিত্য ও গাঁথা
  4. প্রবচন ও ছড়া
ব্যাখ্যা

• লোকসাহিত্যের প্রাচীনতম সৃষ্টি-  প্রবচন ও ছড়া।

• লোকসাহিত্য:
- লোকসাহিত্য মৌখিক ধারার সাহিত্য যা অতীত ঐতিহ্য ও বর্তমান অভিজ্ঞতাকে আশ্রয় করে রচিত হয়।
- লোকসাহিত্য লোকসংস্কৃতির একটি জীবন্ত ধারা; এর মধ্য দিয়ে জাতির আত্মার স্পন্দন শোনা যায়।
- লোকসাহিত্যের উপাদান মূলত গ্রামীণ এলাকার অখ্যাত সাহিত্যিকদের রচনা। তাই রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর একে 'জনপদের হৃদয়-কলরব' বলে আখ্যায়িত করেছেন।
- লোকসাহিত্যকে প্রধানত লোকসঙ্গীত, গীতিকা, লোককাহিনী, লোকনাট্য, ছড়া, মন্ত্র, ধাঁধা ও প্রবাদ এই আটটি শাখায় ভাগ করা যায়। লোক সাহিত্যের প্রাচীনতম সৃষ্টি ছড়া।

উৎস: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম এবং বাংলাপিডিয়া।

২১.
The earth _____ round the sun.
  1. goes
  2. went
  3. is going
  4. gone
ব্যাখ্যা

General truth/ universal truth/ scientific truth সবসময় Present Indefinite Tense দ্বারা প্রকাশ করা হয়
- Present Indefinite Tense এর structure হলো: Subject + verb এর Present Form.
- Subject টি third person - singular number হলে verb এর সাথে 's' বা 'es' যুক্ত হয়।
- সুতরাং, এখানে সঠিক verb টি হবে 'goes'.

Correct answer: The earth goes round the sun.

২২.
Prior _____ Paris. I visited London.
  1. visiting
  2. to visiting
  3. to visit
  4. coming
ব্যাখ্যা

• Prior to something:
- English meaning: Before a particular time or event.
- Bangla meaning: একটি নির্দিষ্ট সময় বা ঘটনার আগে।

• "Prior to" এর পরে সাধারণত verb এর gerund (-ing form) আসে।

• Correct answer: Prior to visiting Paris. I visited London.

Source: Cambridge dictionary.

২৩.
If you are suffering from fever, you _________ a doctor.
  1. will consult
  2. had better consult
  3. had consulted
  4. had better consulted
ব্যাখ্যা

Had better:
- এখানে had হলো unreal past বা অবাস্তব অতীত।
- Had better অর্থ তবুও/ বরং ভালো।
- এ ধরণের বাক্য সবসময় present বা future অর্থ প্রদান করে।
- Had better যুক্ত sentence past tense এর হলেও তা মূলত past tense নয়।
- এ জাতীয় বাক্যগুলি মূলত একটি উপদেশ বা suggestion প্রকাশ করে।
- Had better এর পরে verb এর base form বসে।

- Had better এর পর infinitive to বসে না।

Structure: Subject + had better/would better/had rather + verb এর base form.

Correct answer: If you are suffering from fever, you had better consult a doctor.

Example sentence:
- I had better meet him now.
- You had better stay today.

Source: A Passage to the English Language. S.M. Zakir Hossain

২৪.
Our examination _____ on 17 October 2025.
  1. begins
  2. has begun
  3. begun
  4. is beginning 
ব্যাখ্যা

Correct answer: Our examination begins on 17 October 2025.

• বাক্যটি নির্ধারিত ভবিষ্যৎ ঘটনা বোঝাচ্ছে। আমাদের পরীক্ষার দিন ঠিক আছে এবং এটি একটি scheduled event.
- Scheduled future events বোঝাতে simple present tense ব্যবহার করা হয়।
- তাই, sentence টিতে simple present tense হিসেবে begins সঠিক।

Source: A Passage To The English Language, S. M. Zakir Hussain.

২৫.
Very few countries in the world _____ by monarchs.
  1. now rule
  2. now rules
  3. now ruled
  4. are now ruled
ব্যাখ্যা

Correct answer: Very few countries in the world are now ruled by monarchs.

- Sentence টি Passive voice এ আছে। বাক্যটি present situation বোঝাচ্ছে।
- "Very few countries in the world" এটি (plural) subject, অর্থাৎ একাধিক দেশ।
- "are now ruled" এখানে Present tense এর Passive voice এর form এ আছে।
- এখানে "Monarchs" (রাজারা) active voice এর subject, যা passive voice এ object (by monarchs) হিসেবে বসেছে।

২৬.
Choose the correct sentence.
  1. He resembles to his father.
  2. He resembles as his father.
  3. He resembles his father.
  4. He resembles like his father.
ব্যাখ্যা

• Transitive verb এরপর কোন Preposition বসে না।
- সরাসরি Object বসে।
- কিছু কিছু Transitive verb হলো: reach, resemble, violate, discuss, resign, sign, investigate, recommend, order, command, enter ইত্যাদি।

Resemble একটি Transitive verb তাই এরপর কোন Preposition বসে না।

Correct sentence: He resembles his father.

• উল্লিখিত বাকি অপশনগুলোতে Resemble (verb) এরপর Preposition (to, as, like) এর ব্যবহার হয়েছে যার জন্য sentence গুলো ভুল


Note
As, like - Conjunction ও Verb এর পাশাপাশি similar to অর্থে Preposition হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- প্রদত্ত প্রশ্নে এখানে As, Like- Preposition হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে।

Source: A Passage To The English Language S. M. Zakir Hussain.

২৭.
Choose the correct sentence.
  1. He wants to resign the post.
  2. He wants to resign from the the post.
  3. He wants to resign to the post.
  4. He wants to resign on the post.
ব্যাখ্যা

• Transitive verb এরপর কোন Preposition বসে না।
- সরাসরি Object বসে।
- কিছু কিছু Transitive verb হলো: reach, resemble, violate, discuss, resign, sign, investigate, recommend, order, command, enter ইত্যাদি।

Resign একটি Transitive verb তাই এরপর কোন Preposition বসে না।

Correct sentence: He wants to resign the post.

• উল্লিখিত বাকি অপশনগুলোতে Resign (verb) এরপর Preposition (from, to, on) এর ব্যবহার হয়েছে যার জন্য sentence গুলো ভুল।

Source: A Passage To The English Language S. M. Zakir Hussain.

২৮.
Choose the correct sentence.
  1. Repeat it again.
  2. Repeat it.
  3. Repeat it again and again.
  4. Repeat it once again.
ব্যাখ্যা

Correct sentence: Repeat it.
- Bangla meaning: এটা পুনরায় করো।

• "Repeat" শব্দের অর্থই - পুনরায় বলা অথবা করা; পুনরায় ঘটা/ হওয়া। 
- আবার, again শব্দের অর্থ -  আবার; পুনর্বার।
- তাই repeat + again ব্যবহার করলে অর্থের পুনরাবৃত্তি (redundancy) হয়।

উল্লিখিত বাকি অপশনগুলো,
Repeat it again.
- ভুল, কারণ repeat এর মধ্যে again এর অর্থ অন্তর্নিহিত।

Repeat it again and again.
- কিছু ক্ষেত্রে ব্যবহার করা যায় যখন অনেকবার পুনরাবৃত্তি বোঝাতে হয়।
- তবে সাধারণ context এ এটি অপ্রয়োজনীয়।

Repeat it once again.
- কথ্যভাষায় শোনা যায়, তবে অতিরিক্ত শব্দ ব্যবহারের কারণে Standard English এর কম গ্রহণযোগ্য।

Source: Merriam & Webster Dictionary, Accessible Dictionary.

২৯.
Neptune is a very cold planet, and _____.
  1. so does Uranus
  2. Uranus so
  3. so is Uranus
  4. so has Uranus 
ব্যাখ্যা

• Affirmative & Negative agreement:
Affirmative agreement এর ক্ষেত্রে,
- কারো হ্যাঁ-সূচক বাক্যের সাথে একমত প্রকাশ করা।
- বাক্যের প্রথম অংশ হ্যাঁ-সূচক হলে so, too, also ইত্যাদি এর ব্যবহৃত হবে।
- So, auxiliary verb এর পূর্বে এবং too, also auxiliary verb এর পরে ব্যবহৃত হবে।

Structure:
Rule 01: Subject + positive verb + --- + and + so + auxiliary verb + Subject.
- Example: She took pictures, and so did I.

Rule 02: Subject + positive verb + --- + and + Subject + auxiliary verb + too/ also.
- Example: She took pictures, and I did too/ also.

• Correct answer: Neptune is a very cold planet, and so is Uranus.

Negative agreement এর ক্ষেত্রে,
- কারো না-সূচক বাক্যের সাথে একমত প্রকাশ করা।
- বাক্যের প্রথম অংশ না-বোধক হলে neither, nor, either ইত্যাদি এর ব্যবহৃত হবে।
- neither, nor auxiliary verb এর পূর্বে এবং either auxiliary verb + not এর পরে ব্যবহৃত হবে।

Structure:
Rule 01: Subject + verb (Negative) + --- + and + neither/ nor + auxiliary verb + Subject.
- Example: I did not know the answer, and neither/ nor did he.

Rule 02: Subject + verb (Negative) + --- + and + Subject + auxiliary verb + too/ also.
- Example: I did not know the answer, and he did not either.

Note:
- Auxiliary verb টি সর্বদাই প্রথম verb এর Tense অনুসারে হবে।

৩০.
Our office requires that we _____ our work timely.
  1. complete
  2. completed
  3. have completed 
  4. should complete
ব্যাখ্যা

Complete sentence: Our office requires that we complete our work timely.
- Bangla meaning: আমাদের অফিস দাবি করে যে আমরা আমাদের কাজ সময়মতো সম্পন্ন করি।

Present Subjunctive:
- চাওয়া বা ইচ্ছা প্রকাশ করতে sub-ordinate clause হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
- এ verb এর Base form ব্যবহারের রীতিই হলো Present Subjunctive.

Structure: Subject + verb (any tense) + that + subject + verb এর base form + extension.
- সাধারণত advise, necessary, ask, command, recommend, demand, urge, propose, suggest, insist, prefer, request, require, ইত্যাদি verb গুলো ব্যবহৃত হলে এই নিয়ম প্রযোজ্য হবে।
- এক্ষেত্রে that যুক্ত subordinate clause এ সর্বদাই verb এর Base form হবে এবং Negative এর ক্ষেত্রে base form এর পূর্বে শুধু not বসবে।
- be verb থাকলে শুধু 'be' বসবে।

More examples:
- He recommended that we watch the new movie this weekend.
- The manager insisted that the report be submitted by Monday.
- I suggest that he apply for the scholarship immediately.  

৩১.
Identify the imperative sentences.
  1. I shall go to school.
  2. The dog is barking.
  3. It has been raining since morning.
  4. March on.
ব্যাখ্যা

Imperative Sentence:
-  An imperative sentence is a type of sentence that gives a command, makes a request, or provides instructions. It is used to express a direct order or to ask someone to do something. 
- সাধারণত, Subject উহ্য রেখে Verb দিয়ে শুরু হওয়া বাক্য imperative sentence হয়ে থাকে. তাছাড়া imperative sentence বাক্যে আদেশ, নিষেধ, উপদেশ, অনুরোধ বুঝায়।
- অর্থাৎ, Verb + object হচ্ছে imperative sentence. 


প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে,
- March on. - অগ্রসর হও বা এগিয়ে চলো হচ্ছে Imperative sentence - কারণ এর দ্বারা আদেশ নির্দেশ করছে।

উল্লিখিত বাকি অপশনগুলো,
- I shall go to school. - Future simple tense.
- The dog is barking. - Statement/ Present continuous tense.
- It has been raining since morning. - Present perfect continuous tense.

Source: A Passage To The English Language S. M. Zakir Hussain.

৩২.
কোন প্রকারের বাক্যের মাধ্যমে প্রবল অনুভূতি প্রকাশ পায়?
  1. Assertive sentence
  2.  Exclamatory sentence
  3. Optative sentence
  4. Interrogative sentence
ব্যাখ্যা

The required answer is -  Exclamatory sentence.

• Exclamatory Sentence:
- যে sentence-এ বক্তার মনের আকস্মিক আবেগ-দুঃখ, রাগ, বিস্ময়, সুখ ইত্যাদি- সক্রিয়ভাবে প্রকাশ পায় তাকে Exclamatory Sentence বলে। 
- An exclamatory sentence is a sentence which expresses a sudden emotion or strong feeling of human mind.

• Exclamatory Sentence এ,
- মানব মনের আকস্মিক আবেগ প্রকাশ করে।
- Verb এর আগে subject বসে।
- বাক্যটির শেষে একটি note of exclamation বা বিস্ময়বোধক চিহ্ন (!) ব্যবহৃত হয় ।
- বাক্যটি What এবং How দিয়ে শুরু হয়।
- What দিয়ে Exclamatory Sentence শুরু হলে What এর পর 'a' বা 'an' বসে।

• Examples of Exclamatory Sentences:
- How fine the picture is!
- What a big ant it is!
- What a talented musician he is!

উল্লিখিত বাকি অপশনগুলো,
Assertive sentence:
- যে Sentence দ্বারা কোন কিছুর বর্ননা বা বিবৃতি প্রকাশ করে তাকে Assertive sentence বলে।
- An assertive sentence is a simple statement or assertion, and it may be affirmative or negative.
- structure: “subject + verb + object/complement/adverb”.
- যেমন: She is reading a book.

Optative Sentence:
- যে Sentence দ্বারা মনে ইচ্ছা কিংবা প্রার্থনা প্রকাশ করে তাকে Optative Sentence বলে।
- যেমন: May Allah bless you.

Interrogative Sentence:
- যে Sentence দ্বারা কোন প্রশ্ন করা হয় অথবা কোন কিছুর প্রত্যুত্তর পাওয়ার উদ্দেশ্যে জিজ্ঞেস করা হয় তখন তাকে Interrogative Sentence বলে।
- যেমন: What is your name?

Source: Advanced Learner's Communicative English Grammar & Composition By Chowdhury & Hossain.

৩৩.
Move or die. (make it simple)
  1. You shall move to die
  2. It you don't move, you will die.
  3. In case of your failure to move you will die.
  4. You will to move to die.
ব্যাখ্যা

• একটি simple sentence এ শুধুমাত্র একটি clause থাকে অর্থাৎ একটি subject এবং একটি finite verb থাকে।

এখানে অর্থের উপর ভিত্তি করে sentence টি কে simple করা হয়েছে
• Move or die. (Compound sentence)
- সরো না হয় মরো।
In case of your failure to move, you will die. (Simple sentence)
- সরতে ব্যর্থ হলে, তুমি মারা যাবে।

Or যুক্ত Compound sentence কে Simple sentence- এ রূপান্তরের নিয়ম:
- প্রথমে Without বসে।
- প্রথম বাক্যের মূল verb এর সাথে ing যোগ করতে হবে।
- Verb এর পরের অংশ বসে।
- or এর পরিবর্তে Comma (,) বসে।
- ২য় senetnce টি বসে।

• Compound sentence: Move or die.
• Simple sentence: Without moving, you will die.

Source: Advanced Learner's Communicative English Grammar & Composition By Chowdhury & Hossain.

৩৪.
Unless you work hard, you will not succeed. (Make it compound)
  1. Without working hard, you will not succeed.
  2. Work hard or you will not succeed.
  3. Work and you will not succeed.
  4. You work hard and will not succeed. 
ব্যাখ্যা

• Unless you work hard, you will not succeed.
- প্রশ্নে প্রদত্ত এই sentence টি একটি Complex Sentence.
- Unless দ্বারা শর্ত বোঝায়, আর শর্তযুক্ত সকল sentence ই Complex Sentence.

Complex sentence এর শুরুতে  “Unless” ও এর পরে second person (you) থাকলে, সেটি Compound sentence -এ রূপান্তর করার নিয়ম
- Unless এবং you উঠে যাবে।
- দুই clause এর মাঝে ”or” বসবে। 
- অন্য কোনো পরিবর্তন হবে না, যেভাবে আছে সেভাবেই থাকবে।

Complex sentence: Unless you work hard, you will not succeed.
Compound sentence: Work hard or you will not succeed.

• More examples:

- Complex: Unless you practice regularly, you will not improve.
- Compound: Practice regularly, or you will not improve.

Source: Advanced Learner's Communicative English Grammar & Composition By Chowdhury & Hossain.

৩৫.
Choose the correct sentence.
  1. She dyed her hair black.
  2. She dyed her black hair.
  3. She dye her black hair.
  4. She died her hair black.
ব্যাখ্যা

Correct answer: She dyed her hair black.
- Bangla meaning: সে তার চুল কালো রঙ করল।

• প্রদত্ত Sentence টিতে চুল কালো করার কথা বলা হয়েছে।
- আর Dye এর রঙ করা অর্থে এর past form ও past pasrticiple form হয় Dyed.
- তাই রঙ করা অর্থে সঠিক উত্তর হবে: She dyed her hair black.

উল্লিখিত বাকি অপশনগুলো,
• She dyed her black hair.
- অস্পষ্ট, কারণ রঙের পরিবর্তনের উদ্দেশ্য পরিষ্কার নয়।

• She dye her black hair.
- ভুল, verb tense অনুসারে (dyed) ঠিক নয়।

• She died her hair black.
- ভুল, died মানে মারা যাওয়া, অর্থ পুরোপুরি ভিন্ন।

Source: Oxford Dictionary, Merriam-Webster Dictionary.

৩৬.
Choose the correct spelling.
  1. Accommodation
  2. Acommodation
  3. Accomodation
  4. Acomodation
ব্যাখ্যা

• The correct spelling is 'Accommodation' (Noun).

Accommodation:
- English Meaning:
1. A room, group of rooms, or building in which someone may live or stay.
2. A convenient arrangement; a settlement or compromise.
- Bangla Meaning: 
1. ফ্ল্যাট, বাড়ি, ছাত্রাবাস, হোটেল ইত্যাদিতে সুসজ্জিত বা শূন্য কক্ষ; নিবাসন:
2. সহায়ক বা সুবিধাজনক কোনো কিছু।

Example Sentence
1. They were living in temporary accommodation.
2. The country is in a strong position to seek accommodation with the other powers.

Source: Accessible Dictionary, Oxford Dictionary, Merriam & Webster Dictionary.

৩৭.
Which one is correctly spelt.
  1. Kornel
  2. Cornel
  3. Conel
  4. Colonel
ব্যাখ্যা

• The correct spelling is 'Colonel' (Noun).

Colonel
- English meaning: An officer of high rank in the army, the marines, or the US air force.
- Bangla meaning: সেনাবাহিনীতে লেফটেন্যান্ট কর্নেলের পরবর্তী উচ্চতর পদমর্যাদার সেনাপতি; কর্নেল। 

Example sentence
- She was promoted to the rank of colonel last year.
- The colonel inspected the troops. 

Source: Accessible Dictionary, Oxford Dictionary, Merriam & Webster Dictionary.

৩৮.
Which word is different?
  1. Huge
  2. Gigantic
  3. Terrific
  4. Enormous
ব্যাখ্যা

উল্লিখিত অপশন গুলোর মধ্যে,

ক) Huge: (Adjective)
- English meaning: Extremely large in size or amount; great in degree.
- Bangal meaning: বিশাল; বিপুল।

খ) Gigantic: (Adjective)
- English meaning: Extremely large.
- Bangal meaning: বিশালাকার; প্রকাণ্ড; দানবীয়।

গ) Terrific: (Adjective)
- English meaning: Extremely disturbing or repellent.
- Bangal meaning: ভয়াবহ; ভীষণ; আতঙ্কজনক।।

ঘ) Enormous: (Adjective)
- English meaning: Extremely large. 
- Bangal meaning: প্রচুর; বিরাট।

অপশন গুলো বিবেচনা করলে দেখা যায় Terrific শব্দটি বাকি শব্দগুলো থেকে আলাদা।

Source: Merriam & Webster Dictionary, Oxford Dictionary, Accessible Dictionary.

৩৯.
The word 'afford' means-
  1. Exaggerate
  2. Charge
  3. Provide
  4. Able to pay
ব্যাখ্যা

The word 'afford' means - Able to pay.

Afford (Verb).
- English meaning: To be able to bear the cost of.
- Bangla meaning: (সময় বা অর্থব্যয়ের) সামর্থ্য থাকা।

উল্লিখিত অপশনগুলো,
- Exaggerate - অতিরঞ্জিত করা; অত্যুক্তি করা; বাড়িয়ে বলা;
- Charge - অভিযোগ, বিশেষত কারো বিরুদ্ধে আইন ভঙ্গের অভিযোগ;
- Provide - প্রস্তুত করিয়া রাখা; যোগানো;
- Able to pay - অর্থ খরচের সামর্থ্য বুঝানো।

Example sentence
- They can easily afford a luxury vacation.
- I cannot afford a new phone right now.

Source: Merriam & Webster Dictionary, Oxford Dictionary, Accessible Dictionary.

৪০.
An antonym of help is-
  1. Replace
  2. Hinder
  3. Work
  4. Miser
ব্যাখ্যা

• Correct Answer: Hinder.

• Help (Verb, Noun).
- English meaning: To make it easier or possible for somebody to do something by doing something for them or by giving them something that they need.
- Bangla meaning: সাহায্য; সহায়তা; উপকার; অনুবল।

Synonym: Assist, Aid, Support, Reinforce.
Antonym: Hinder, Restrain, Interfere, Impede.

উল্লিখিত অপশনগুলো,
- Replace - যথাস্থানে রাখা; স্থলাভিষিক্ত করা;
- Hinder - ব্যাহত/ বিঘ্নিত/ বিলম্বিত করা;
- Work - কোনোকিছু করা বা প্রস্তুত করতে শারীরিক বা মানসিক শক্তির প্রয়োগ;
- Miser - কৃপণ; অর্থপিশাচ; বখিল; কঞ্জুস।

Example sentence:
- The teacher always helps her students when they are in trouble.
- Can you help me with my homework?

Source: Merriam & Webster Dictionary, Oxford Dictionary, Accessible Dictionary.

৪১.
কতজন বালককে 125 টি কমলা লেবু এবং 145 টি কলা সমানভাবে ভাগ করে দেয়া যায়?
  1. 25 জন
  2. 15 জন
  3. 35 জন
  4. 5 জন
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: কতজন বালককে 125 টি কমলা লেবু এবং 145 টি কলা সমানভাবে ভাগ করে দেয়া যায়?

সমাধান:
এখানে,
125 ও 145 এর গ.সা.গু'ই হবে নির্ণেয় বালকের সংখ্যা।

125 ও 145 এর গ.সা.গু = 5

∴ 5 জন বালককে 125 টি আপেল ও 145 টি কমলা সমানভাবে ভাগ করে দেয়া যাবে।

৪২.
18 ফুট x 12 ফুট মাপের ফ্লোর সর্বোচ্চ বর্গাকৃতির (বর্গফুট) মাপের কতটি টাইলসে ঢাকা যাবে?
  1. 3 টি
  2. 4 টি
  3. 5 টি
  4. 6 টি
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: 18 ফুট x 12 ফুট মাপের ফ্লোর সর্বোচ্চ বর্গাকৃতির (বর্গফুট) মাপের কতটি টাইলসে ঢাকা যাবে?

সমাধান: 
ফ্লোরের মাপ: 18 ফুট × 12 ফুট
আমরা চাই, সর্বোচ্চ বর্গাকার টাইলসের সংখ্যা, মানে আমরা বড় বর্গাকার টাইল ব্যবহার করতে চাই যাতে পুরো ফ্লোর ঠিকভাবে ঢেকে যায়।
এজন্য আমাদের 18 এবং 12 এর সর্বোচ্চ সাধারণ গুণক (HCF) বের করতে হবে।

18 এর গুণক: 1, 2, 3, 6, 9, 18
12 এর গুণক: 1, 2, 3, 4, 6, 12

সাধারণ গুণক: 1, 2, 3, 6

সর্বোচ্চ সাধারণ গুণক = 6 ফুট

এখন প্রতিটি টাইলসে 6 ফুট × 6 ফুট।

ফ্লোরে টাইলসের সংখ্যা:
দৈর্ঘ্যে: 18 ÷ 6 = 3
প্রস্থে: 12 ÷ 6 = 2

মোট টাইলস: 3 × 2 = 6
সঠিক উত্তর: ঘ) 6 টি

৪৩.
250 টাকার 4% কত?
  1. 20
  2. 10
  3. 25
  4. 50
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: 250 টাকার 4% কত?

সমাধান:
250 টাকার 4% = 250 এর 4/100
= 10 টাকা

৪৪.
একটি সংখ্যার 12% নিলে 96 পাওয়া যায়, সংখ্যাটি কত?
  1. 120
  2. 1000
  3. 800
  4. 720
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি সংখ্যার 12% নিলে 96 পাওয়া যায়, সংখ্যাটি কত?

সমাধান:
সংখ্যাটির 12% = 96
∴ সংখ্যাটির 1% = 96/12
∴ সংখ্যাটির 100% = (96 × 100)/12 = 800

∴ সংখ্যাটি 800

৪৫.
ঢাকা হতে চট্টগ্রামের দূরত্ব 300 কি.মি. এবং ঢাকা হতে কুমিল্লার দূরত্ব 180 কি.মি.। ঢাকা হতে কুমিল্লার দূরত্ব, ঢাকা হতে চট্টগ্রামের দূরত্বের শতকরা কত অংশ?
  1. 40
  2. 50
  3. 60
  4. 70
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: ঢাকা হতে চট্টগ্রামের দূরত্ব 300 কি.মি. এবং ঢাকা হতে কুমিল্লার দূরত্ব 180 কি.মি.। ঢাকা হতে কুমিল্লার দূরত্ব, ঢাকা হতে চট্টগ্রামের দূরত্বের শতকরা কত অংশ?

সমাধান: 

• ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম ও কুমিল্লার দূরত্বের শতকরা হিসাব:
- ঢাকা থেকে চট্টগ্রামের দূরত্ব = 300 কি.মি.
- ঢাকা থেকে কুমিল্লার দূরত্ব = 180 কি.মি.
- শতকরা হিসাব করতে সূত্র হলো:

শতকরা (%) = (ঢাকা থেকে কুমিল্লার দূরত্ব ÷ ঢাকা থেকে চট্টগ্রামের দূরত্ব) × 100  

- মান বসালে পাই:  
শতকরা (%) = (180 ÷ 300) × 100  
শতকরা (%) = 0.6 × 100  
তকরা (%) = 60  

- অর্থাৎ, ঢাকা থেকে কুমিল্লার দূরত্ব ঢাকা থেকে চট্টগ্রামের দূরত্বের 60%

সঠিক উত্তর: গ) 60

৪৬.
শতকরা বার্ষিক কত মুনাফার 3000 টাকার 5 বছরের মুনাফা 1500 টাকা হবে?
  1. 20%
  2. 10%
  3. 5%
  4. 15%
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: শতকরা বার্ষিক কত মুনাফার 3000 টাকার 5 বছরের মুনাফা 1500 টাকা হবে?

সমাধান: 
এখানে,
P = আসল = 3000 টাকা
I = মুনাফা = 1500 টাকা
r = মুনাফার হার = ? 
n = সময় = 5 বছর 

আমরা জানি,
I = Pnr
বা, r/100 = I/Pn
বা, r/100 = 1500/(3000 × 5)
বা, r = (1500 × 100)/(3000 × 5)
∴ r = 10% 

∴ মুনাফার হার = 10%  

৪৭.
কোন আসল 3 বছরে মুনাফা-আসলে 5500 টাকা হয়। মুনাফা আসলের 3/8 অংশ হলে মুনাফার হার কত?
  1. 10%
  2. 12.5%
  3. 15%
  4. 12%
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: কোনো আসল 3 বছরে মুনাফা-আসলে 5500 টাকা হয়। মুনাফা আসলের 3/8 অংশ হলে মুনাফার হার কত?

সমাধান:
ধরি,
আসল = 8 টাকা
মুনাফা = 3 টাকা
মুনাফা-আসল = 11 টাকা

মুনাফা-আসল 11 টাকা হলে মুনাফা = 3 টাকা
মুনাফা-আসল 1 টাকা হলে মুনাফা = 3/11 টাকা
মুনাফা-আসল 5500 টাকা হলে মুনাফা = (3 × 5500)/11 টাকা
= 1500 টাকা

∴ আসল = (5500 - 1500) = 4000 টাকা

4000 টাকার 3 বছরের মুনাফা = 1500 টাকা
1 টাকার 1 বছরের মুনাফা = 1500/(4000 × 3)টাকা
100 টাকার 1 বছরের মুনাফা = (1500 × 100)/(4000 × 3)টাকা
= 12.5%

৪৮.
আসল-মুনাফা একত্রে 1250 টাকা, মুনাফা আসলের 1/4 হলে, আসল কত টাকা?
  1. 1000
  2. 1050
  3. 900
  4. 960
ব্যাখ্যা

 প্রশ্ন: আসল-মুনাফা একত্রে 1250 টাকা, মুনাফা আসলের 1/4 হলে, আসল কত টাকা?

ধরি,
আসল = 4 টাকা
মুনাফা = 4 এর 1/4 = 1 টাকা
মুনাফা-আসল = 4 + 1 = 5 টাকা

এখন,  
মুনাফা-আসল 5 টাকা হলে আসল = 4 টাকা
মুনাফা-আসল 1 টাকা হলে আসল = 4/5 টাকা
মুনাফা-আসল 1250 টাকা হলে আসল = (4 × 1250)/5
= 1000 টাকা

৪৯.
একজন লোক সপ্তাহে 450 টাকা আয় করেন এবং 300 টাকা ব্যয় করেন। তার আয়ের সাথে সঞ্চয়ের অনুপাত কত?
  1. 3 : 2
  2. 3 : 1
  3. 2 : 1
  4. 5 : 2
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একজন লোক সপ্তাহে 450 টাকা আয় করেন এবং 300 টাকা ব্যয় করেন। তার আয়ের সাথে সঞ্চয়ের অনুপাত কত?

সমাধান:
 একজন লোক সপ্তাহে 450 টাকা আয় করেন 
300 টাকা ব্যয় করেন

সঞ্চয় করেন = (450 - 300) টাকা
= 150 টাকা

∴ আয়ের সাথে সঞ্চয়ের অনুপাত = 450 : 150
= 3 : 1

৫০.
দুইটি সংখ্যার বিয়োগফল তাদের যোগফলের 1/3 অংশ। সংখ্যা দুইটির অনুপাত কত?
  1. 3 : 1
  2. 2 : 3
  3. 1 : 4
  4. 2 : 1
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: দুইটি সংখ্যার বিয়োগফল তাদের যোগফলের 1/3 অংশ। সংখ্যা দুইটির অনুপাত কত?

সমাধান:
ধরি,
সংখ্যা দুইটি x ও y

প্রশ্নমতে,
x - y = 1/3 (x + y)
বা, 3x - 3y = x + y
বা, 3x - x = y + 3y
বা, 2x = 4y
বা, x = 2y
∴ x : y = 2 : 1

৫১.
একজন ব্যক্তি প্রতিমাসে 1400 টাকা সঞ্চয় করেন এবং তার মাসিক আয়ের 80% খরচ করেন। তবে মাসিক আয় কত টাকা?
  1. 4900
  2. 6300
  3. 7000
  4. 8400
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একজন ব্যক্তি প্রতিমাসে 1400 টাকা সঞ্চয় করেন এবং তার মাসিক আয়ের 80% খরচ করেন। তবে মাসিক আয় কত টাকা?

সমাধান:

মনেকরি, 
তার মাসিক আয় = x টাকা
সঞ্চয় = x এর (100 - 80)%
= x × 20% = 20x/100
= x/5

প্রশ্নমতে,
⇒ x/5 = 1400
∴ x = 7000
∴ তার মাসিক আয় = 7000 টাকা

৫২.
3 : 5 অনুপাত বিশিষ্ট দুটি সংখ্যার সমষ্টি 56 হলে, সংখ্যা দুটির অন্তর কত?
  1. 15
  2. 8
  3. 41
  4. 14
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: 3 : 5 অনুপাত বিশিষ্ট দুটি সংখ্যার সমষ্টি 56 হলে, সংখ্যা দুটির অন্তর কত?

সমাধান:
ধরি,
১টি সংখ্যা 3x
অপর সংখ্যা 5x 

প্রশ্নমতে,
3x + 5x = 56
বা, 8x = 56
∴ x = 7

১টি সংখ্যা = 3 × 7 = 21
অপর সংখ্যা = 5 × 7 = 35

∴ সংখ্যা দুটির অন্তর = 35 - 21 = 14

৫৩.
ক্রয়মূল্য C টাকা এবং বিক্রয়মূল্য P টাকা হলে মুনাফা কত?
  1. C.P
  2. P - C
  3. C × P
  4. P/C
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: ক্রয়মূল্য C টাকা এবং বিক্রয়মূল্য P টাকা হলে মুনাফা কত?

সমাধান:
ক্রয়মূল্য = C টাকা ও বিক্রয়মূল্য = P টাকা
লাভ/মুনাফা = বিক্রয়মূল্য - ক্রয়মূল্য
= P - C

৫৪.
একটি চেয়ার 180 টাকায় বিক্রি করার 20% লাভ হলো। চেয়ারটির ক্রয়মূল্য কত? 
  1. 150 টাকা
  2. 120 টাকা
  3. 160 টাকা
  4. 100 টাকা
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি চেয়ার 180 টাকায় বিক্রি করার 20% লাভ হলো। চেয়ারটির ক্রয়মূল্য কত? 

সমাধান:
২০% লাভে,
ক্রয়মূল্য ১০০ টাকা হলে বিক্রয়মূল্য (১০০ + ২০) টাকা বা ১২০ টাকা

বিক্রয়মূল্য  ১২০ টাকা হলে ক্রয়মূল্য ১০০ টাকা
বিক্রয়মূল্য ১ টাকা হলে ক্রয়মূল্য (১০০/১২০) টাকা
বিক্রয়মূল্য ১৮০ টাকা হলে ক্রয়মূল্য (১০০ × ১৮০)/১২০ টাকা
= ১৫০ টাকা

৫৫.
20% ডিসকাউন্টের পরে একটি বইয়ের খরচ 400 টাকা দাড়ায়। তবে বইটির প্রকৃত মূল্য কত?
  1. 500 টাকা
  2. 480 টাকা
  3. 320 টাকা
  4. 333 টাকা
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: 20% ডিসকাউন্টের পরে একটি বইয়ের খরচ 400 টাকা দাড়ায়। তবে বইটির প্রকৃত মূল্য কত?

সমাধান:
20% ডিসকাউন্টে,
ক্রয়মূল্য দাড়ায় = (100 - 20) টাকা
= 80 টাকা

বইয়ের ক্রয়মূল্য 80 টাকা হলে প্রকৃত মূল্য = 100 টাকা
বইয়ের ক্রয়মূল্য 1 টাকা হলে প্রকৃত মূল্য = 100/80 টাকা
বইয়ের ক্রয়মূল্য 400 টাকা হলে প্রকৃত মূল্য = (100 × 400)/80 টাকা
= 500 টাকা

৫৬.
প্রথম 10 কেজি পরিবহনের জন্য প্রতি কেজিতে 5 টাকা এবং 10 কেজির উপর প্রতি কেজিতে 4 টাকা ফি নেওয়া হয়। 27 কেজি পরিবহনের জন্য কত ফি দিতে হবে?
  1. 102 টাকা
  2. 106 টাকা
  3. 110 টাকা
  4. 118 টাকা
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: প্রথম 10 কেজি পরিবহনের জন্য প্রতি কেজিতে 5 টাকা এবং 10 কেজির উপর প্রতি কেজিতে 4 টাকা ফি নেওয়া হয়। 27 কেজি পরিবহনের জন্য কত ফি দিতে হবে?

সমাধান:
প্রথম ১০ কেজির মধ্যে 
১ কেজি পরিবহনের জন্য দিতে হবে = ৫ টাকা
১০ কেজি পরিবহনের জন্য দিতে হবে = ৫ × ১০ টাকা
= ৫০ টাকা

 (২৭ - ১০) = ১৭ কেজিতে 
১ কেজি পরিবহনের জন্য দিতে হবে = ৪ টাকা
১৭ কেজি পরিবহনের জন্য দিতে হবে = ৪ × ১৭ টাকা
= ৬৮ টাকা

২৭ কেজিতে ফি দিতে হবে = (৫০ + ৬৮) টাকা
= ১১৮ টাকা 

৫৭.
একটি শ্রেণিতে 10 জন ছাত্রের প্রত্যেকে তার সহপাঠির সংখ্যার সমান চাঁদা দিলে মোট কত টাকা চাঁদা উঠবে?
  1. 50
  2. 80
  3. 90
  4. 10
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি শ্রেণিতে 10 জন ছাত্রের প্রত্যেকে তার সহপাঠির সংখ্যার সমান চাঁদা দিলে মোট কত টাকা চাঁদা উঠবে?

সমাধান:

ছাত্রদের চাঁদা সম্পর্কিত সমস্যা:
- একটি শ্রেণিতে ১০ জন ছাত্র আছে।  
- প্রত্যেক ছাত্র তার সহপাঠির সংখ্যার সমান টাকা চাঁদা দেয়।  
- অর্থাৎ, প্রত্যেক ছাত্র তার নিজের বাদে বাকি ছাত্রদের সংখ্যা অনুযায়ী টাকা দেয়।  
তাই, প্রত্যেক ছাত্রের সহপাঠির সংখ্যা = (মোট ছাত্র - ১) = (১০ - ১) = ৯।  

সুতরাং, প্রত্যেক ছাত্র ৯ টাকা করে চাঁদা দেবে।  
মোট চাঁদা = ১০ × ৯ = ৯০ টাকা।  


এখানে, মূলত প্রতিটি ছাত্র নিজের বাদে বাকি ছাত্রদের সংখ্যা অনুযায়ী টাকা দেয়।  
ফলে প্রতিটি ছাত্র ৯ টাকা দেয়, কারণ তার ৯ জন সহপাঠি আছে।  
১০ জন ছাত্রই যদি ৯ টাকা করে দেয়, তাহলে মোট হবে ৯০ টাকা।  

∴ সঠিক উত্তর: ৯০ টাকা​

৫৮.
1 ডজন ডিমের দাম 90 টাকা হলে, 55 টাকার কয়টি ডিম পাওয়া যাবে?
  1. 8 টি
  2. 10 টি
  3. 9 টি
  4. 11 টি
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: 1 ডজন ডিমের দাম 90 টাকা হলে, 55 টাকার কয়টি ডিম পাওয়া যাবে?

সমাধান: 
90 টাকায় ডিম পাওয়া যায় = 12টি
55 টাকায় ডিম পাওয়া যায় = (12 × 55)/90টি
= 7.33333 টি

উল্লেখ্য, 7.33 ডিম , ডিম কখনো ভগ্নাংশে কেনা যায় না। 
কিন্তু অপশনের মধ্যে সবচেয়ে কাছাকাছি মান 8টি ডিম (কারণ 8 × 7.5 = 60 টাকা, যা সামান্য বেশি, কিন্তু সবচেয়ে কাছাকাছি পূর্ণসংখ্যা)

৫৯.
ছয়টি সংখ্যার গড় 6। যদি প্রত্যেক সংখ্যা থেকে 3 বিয়োগ করা হয়, তবে নতুন সংখ্যাগুলোর গড় কত হবে?
  1. 18
  2. 15
  3. 4
  4. 3
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: ছয়টি সংখ্যার গড় 6। যদি প্রত্যেক সংখ্যা থেকে 3 বিয়োগ করা হয়, তবে নতুন সংখ্যাগুলোর গড় কত হবে?

সমাধান: 
ছয়টি সংখ্যার গড় = ৬ 
∴ ছয়টি সংখ্যার সমষ্টি = (৬ × ৬)
= ৩৬

আবার,
প্রত্যেকটি সংখ্যা থেকে ৩ বিয়োগ করা হলে-
ছয়টি সংখ্যার সমষ্টি = {৩৬ - (৬ × ৩)}
= (৩৬ - ১৮)
= ১৮

∴ নতুন সংখ্যাগুলোর গড় = ১৮/৬
= ৩

৬০.
কোনটি ক্ষুদ্রতম?
  1. ডেসিমিটার
  2. সেন্টিমিটার
  3. ডেকামিটার
  4. মিলিমিটার
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: কোনটি ক্ষুদ্রতম?

সমাধান: 

• দৈর্ঘ্যের একক ও ক্ষুদ্রতম একক নির্ধারণ:

- দৈর্ঘ্য পরিমাপের জন্য বিভিন্ন একক ব্যবহৃত হয় যেমন — ডেকামিটার, ডেসিমিটার, সেন্টিমিটার, এবং মিলিমিটার।  
- প্রতিটি একক মিটারের উপর বা নিচে নির্ভর করে গঠিত হয়।  
- নিচে প্রতিটি এককের সম্পর্ক দেখানো হলো —  

১ ডেকামিটার (dam) = ১০ মিটার  
১ মিটার (m) = ১০ ডেসিমিটার (dm)  
১ ডেসিমিটার (dm) = ১০ সেন্টিমিটার (cm)  
১ সেন্টিমিটার (cm) = ১০ মিলিমিটার (mm)  

- সুতরাং দেখা যাচ্ছে, মিলিমিটার হলো সবচেয়ে ক্ষুদ্র একক, কারণ এটি সেন্টিমিটারের দশভাগের এক ভাগ।  
- অন্যদিকে ডেকামিটার সবচেয়ে বড় এককগুলোর একটি, কারণ এটি ১০ মিটার সমান।  
- দৈর্ঘ্য পরিমাপে ছোট এককের মান বেশি সূক্ষ্ম ও নির্ভুল পরিমাপ দেয়।  

ডেকামিটার > মিটার > ডেসিমিটার > সেন্টিমিটার > মিলিমিটার  

সুতরাং, ক্ষুদ্রতম হলো — ঘ) মিলিমিটার।

৬১.
বাংলাদেশে বর্তমানে বিভাগের সংখ্যা কয়টি?
  1. ৬টি
  2. ৭টি
  3. ৮টি
  4. ৯টি
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশ বর্তমানে আটটি 'বিভাগ' রয়েছে।
• বাংলাদেশের ৮টি বিভাগগুলো হলো:
- ঢাকা বিভাগ,
- চট্টগ্রাম বিভাগ,
- রাজশাহী বিভাগ,
- খুলনা বিভাগ,
- সিলেট বিভাগ,
- বরিশাল বিভাগ,
- রংপুর বিভাগ,
- ময়মনসিংহ বিভাগ।

উল্লেখ্য,
- ফরিদপুর ও কুমিল্লা জেলার নামেই নতুন দুটি প্রশাসনিক বিভাগ প্রতিষ্ঠার পথে এগোচ্ছে সরকার।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৬২.
আয়তনে বাংলাদেশের সবচেয়ে ছোট বিভাগ কোনটি?
  1. ময়মনসিংহ
  2. বরিশাল
  3. রাজশাহী
  4. সিলেট
ব্যাখ্যা

- এর মধ্যে আয়তনে সবচেয়ে ছোট বিভাগ ময়মনসিংহ।

বিভাগ:

- বাংলাদেশে মোট ৮টি বিভাগ রয়েছে।
- এর মধ্যে আয়তনে সবচেয়ে ছোট বিভাগ ময়মনসিংহ।
- এর আয়তন ১০,৫৫২ বর্গ কিমি।
- আয়তনে সবচেয়ে বড় বিভাগ চট্টগ্রাম ৩৩,৯০৪ বর্গ কিমি।
- জনসংখ্যায় সবচেয়ে বড় বিভাগ ঢাকা এবং সবচেয়ে ছোট বরিশাল বিভাগ।
- সবচেয়ে বেশি জেলা রয়েছে ঢাকা বিভাগে ১৩টি।
- সবচেয়ে কম ৪টি করে জেলা রয়েছে সিলেট ও ময়মনসিংহ বিভাগে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও বাংলাপিডিয়া।

৬৩.
বাংলাদেশে মোট কতটি থানা আছে?
  1. ৬৫২টি
  2. ৬৫০টি
  3. ৫৬০টি
  4. ৬৬২টি
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশে মোট ৬৩৯টি থানা রয়েছে।

[প্রশ্নটির সঠিক উত্তর না থাকায় বাতিল করা হয়েছে]

- বাংলাদেশে মোট ৬৩৯টি থানা রয়েছে।
- মেট্রোপলিটন এলাকার ১১০টি থানা রয়েছ।
- বিভিন্ন  জেলায় ৫২৯টি থানার রয়েছে।

উল্লেখ্য ,
- বর্তমানে দেশে জেলা রয়েছে ৬৪টি।
- বিভাগ রয়েছে ৮টি।
- ফরিদপুর ও কুমিল্লা জেলার নামেই নতুন দুটি প্রশাসনিক বিভাগ প্রতিষ্ঠার পথে এগোচ্ছে সরকার।

উৎস: ডেইলি স্টার বাংলা।[লিঙ্ক]

৬৪.
বিদেশে বাংলাদেশের কূটনৈতিক মিশন কয়টি?
  1. ৭০টি 
  2. ৭১টি
  3. ৮১টি
  4. ৮০টি
ব্যাখ্যা

বিশ্বে বাংলাদেশের প্রায় ৮১টি কূটনৈতিক মিশন রয়েছে, এর মধ্যে -
- আফ্রিকা - ৯টি, 
- আমেরিকা - ৯টি, 
- পূর্ব এশিয়া - ৭টি, 
- পূর্ব ইউরোপ- ৬টি, 
- দক্ষিণ এশিয়া- ১২টি, 
- দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া- ৯টি, 
- পশ্চিম এশিয়া- ১৩টি,
- পশ্চিম ইউরোপ- ১৬টি।

উৎস:  বাংলাদেশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট। [লিঙ্ক]

৬৫.
জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশের অবস্থান কত?
  1. প্রথম
  2. দ্বিতীয়
  3. পঞ্চম
  4. দশম
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা

-  সৈন্যদের অবদানের শর্তে জাতিসংঘের শান্তি অভিযানে বাংলাদেশের অবস্থান ৩য়।
[প্রশ্নটি সঠিক উত্তর না থাকায় বাতিল করা হয়েছে]

শান্তিরক্ষা কার্যক্রম:

- সৈন্যদের অবদানের শর্তে জাতিসংঘের শান্তি অভিযানে বাংলাদেশের অবস্থান ৩য়।
-  ১৯৪৮ সালে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশন শুরু হয়।
- জাতিসংঘের নিজস্ব কোন শান্তিরক্ষা বাহিনী নেই।
- ১৯৮৮ সাল থেকে বাংলাদেশের সেনাবাহিনীও জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে অংশ নিচ্ছে।
- ১৯৮৮ সালে বাংলাদেশ দুটি অপারেশনে অংশগ্রহণ করে, একটি ইরাক-ইরান (UNIIMOG) এবং অন্যটি নামিবিয়া (UNTAG)।
- UNIIMOG মিশনে ১৫ জন সদস্য প্রেরণ করে আনুষ্ঠানিকভাবে শান্তিরক্ষী মিশন কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করে।

• বিভিন্ন দেশের অবস্থান: 
- জাতিসংঘ শান্তি রক্ষা মিশনে শান্তিরক্ষী পাঠানো দেশগুলোর মধ্যে প্রথম স্থানে আছে নেপাল।
- এ সময় মিশনে নেপালের মোট শান্তিরক্ষী ৬১১৯ জন।
- দ্বিতীয় অবস্থানে আছে রুয়ান্ডা।
- পাঁচ হাজার ৬৮৬ জন শান্তিরক্ষী নিয়ে বাংলাদেশের অবস্থান তৃতীয়।
- চতুর্থ অবস্থান ভারত।

উৎস: বাংলাদেশ আর্ম ডিভিশন। [লিঙ্ক] এবং  UN Peacekeeping. [লিঙ্ক]

৬৬.
ধান উৎপাদনে পৃথিবীতে বাংলাদেশের অবস্থান কততম?
  1. ২য়
  2. ৩য়
  3. ৪র্থ
  4. ৫ম
ব্যাখ্যা

• ধান উৎপাদন:
- ধান উৎপাদনে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান ৩য়।
- ধান উৎপাদনে বিশ্বে শীর্ষ দেশ:
- ১ম: ভারত (২৮%),
- হয়: চীন (২৭%),
- ৩য়: বাংলাদেশ (৭%),
- ৪র্থ: ইন্দনেশিয়া (৬%),
- ৫ম: ভিয়েতনাম (৫%)।

উৎস: USDA Foreign Agricultural Service (.govt.) [লিঙ্ক]

৬৭.
বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি পাট উৎপন্ন হয় কোন জেলায়?
  1. ফরিদপুর
  2. রংপুর
  3. দিনাজপুর
  4. রাজশাহী
ব্যাখ্যা

- পাট উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ফরিদপুর।

কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষ গ্রন্থ ২০২৪:

- তামাক উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কুষ্টিয়া।
- তামাক উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ খুলনা।
- চা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা মৌলভীবাজার।
- ভুট্টা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা দিনাজপুর।
- তুলা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঝিনাইদহ।
- পাট উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ফরিদপুর।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষ গ্রন্থ ২০২৪।

৬৮.
বাংলাদেশে বিদ্যুৎ শক্তির উৎস- 
  1. খনিজ তেল
  2. প্রাকৃতিক গ্যাস 
  3. পাহাড়ী নদী
  4. উপরের সব সঠিক
ব্যাখ্যা

• সঠিক উত্তরটি হলো ঘ) উপরের সব সঠিক।
• বাংলাদেশে বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য উল্লেখিত সবগুলো উৎসই ব্যবহার করা হয়। 
প্রাকৃতিক গ্যাস (Natural Gas):
- এটি বাংলাদেশের বিদ্যুৎ উৎপাদনের প্রধান উৎস। মোট উৎপাদিত বিদ্যুতের একটি বৃহৎ অংশ গ্যাস-ভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে আসে (প্রায় ৪০% এর বেশি)।
খনিজ তেল (Oil/Liquid Fuel):
- তেল-ভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র, বিশেষ করে ফার্নেস তেল (HFO) এবং ডিজেল (HSD) ব্যবহার করে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়। এটিও বাংলাদেশের বিদ্যুৎ উৎপাদনে একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎস (প্রায় ২০% এর কাছাকাছি)।
পাহাড়ী নদী (Hydro/জলবিদ্যুৎ):
- বাংলাদেশের একমাত্র জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রটি হলো কর্ণফুলী জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র (কাপ্তাই বাঁধ) যা পাহাড়ী নদী কর্ণফুলী থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন করে। যদিও মোট উৎপাদনে এর ভাগ খুব কম, কিন্তু এটি একটি ব্যবহৃত উৎস।

-  উপরিউক্ত তিনটি প্রধান উৎস ছাড়াও, বাংলাদেশে বর্তমানে কয়লা (Coal), আমদানিকৃত বিদ্যুৎ (Imported Electricity) এবং নবায়নযোগ্য শক্তি (Renewable Energy - সৌরশক্তি, বায়ুশক্তি) ব্যবহার করেও বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়।
- যদিও সবগুলোই উৎস, তবে বর্তমানে প্রাকৃতিক গ্যাস বাংলাদেশের বিদ্যুৎ শক্তির প্রধান উৎস।

উৎস: বিজ্ঞান , সপ্তম শ্রেণি।

৬৯.
বাংলাদেশের সবচেয়ে বৃহৎ রপ্তানি বাজার-
  1. ভারত
  2. যুক্তরাজ্য
  3. জাপান
  4. মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা

রপ্তানি (২০২৪-২৫):
- বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে যুক্তরাষ্ট্রে।
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ জার্মানি
- তৃতীয় সর্বোচ্চ- যুক্তরাজ্য।
- চতুর্থ সর্বোচ্চ - স্পেন।

এছাড়াও,
- দেশ হিসেবে/একক দেশ হিসেবে/রপ্তানি বাণিজ্যের সবচেয়ে বড় অংশীদার দেশ যুক্তরাষ্ট্র।
- যুক্তরাষ্ট্রের সাথে সবচেয়ে বেশি বাণিজ্যিক উদ্ধৃত্ত রয়েছে/বাণিজ্য ঘাটতি নেই।
- এছাড়াও জার্মানি, ফ্রান্সসহ ইউরোপের বেশ কয়েকটি দেশের সাথে বাংলাদেশের বাণিজ্য উদ্ধৃত্ত রয়েছে।
- যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য তৈরি পোশাক।

উৎস: বানিজ্য মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।

৭০.
বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে?
  1. চীন
  2. ভারত
  3. যুক্তরাজ্য
  4. জাপান
ব্যাখ্যা

-  বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে চীন।

দেশভিত্তিক আমদানি:

- মোট আমদানি ব্যয়ের পরিমাণ: ৪৪,১০৮.০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- যা পূর্ববর্তী অর্থবছরের একই সময়ের মোট আমদানি ব্যয়ের (৫২,১১৯.০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার) তুলনায় ১৫.৫ শতাংশ কম।
- বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি আমদানি করে: চীন থেকে।
- চীন থেকে আমদানির পরিমাণ: ২৮.৪৬%।
- দ্বিতীয় অবস্থানে: ভারত (১৩.৪২%)।
- তৃতীয় অবস্থানে: যুক্তরাষ্ট্র (৪.৫১%)।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।

৭১.
বিশ্ব ব্রহ্মান্ডের সবচেয়ে বেশি গ্যাসটি হলো-
  1. অক্সিজেন
  2. কার্বন-ডাই-অক্সাইড
  3. নাইট্রোজেন
  4. হাইড্রোজেন
ব্যাখ্যা

বিশ্ব ব্রহ্মান্ডের (Universe) সবচেয়ে বেশি গ্যাসটি হলো হাইড্রোজেন।
- মহাবিশ্বের সবচেয়ে প্রচুর পরিমাণে প্রাপ্ত মৌলিক উপাদান হলো হাইড্রোজেন।
- ধারণা করা হয়, মহাবিশ্বের মোট স্বাভাবিক (সাধারণ) পদার্থের মোট ভরের প্রায় ৭৫% হলো হাইড্রোজেন।
- মহাবিশ্বের মোট পদার্থের মধ্যে, তারার (Stars) গঠন (যেমন: সূর্য), আন্তঃনাক্ষত্রিক মেঘ (Interstellar Clouds) এবং গ্যালাক্সিদের মধ্যবর্তী স্থানে (Intergalactic Space) হাইড্রোজেন গ্যাস মুখ্য উপাদান হিসেবে থাকে।
- তারার মধ্যে নিউক্লীয় ফিউশন (Nuclear Fusion) প্রক্রিয়ার মাধ্যমে হাইড্রোজেন ক্রমাগত হিলিয়ামে রূপান্তরিত হতে থাকে।
- হাইড্রোজেন হলো পর্যায় সারণির সবচেয়ে হালকা মৌল।
- এরপরেই প্রচুর পরিমাণে প্রাপ্ত গ্যাস হলো হিলিয়াম; এটি প্রায় ২৪% এর কাছাকাছি থাকে।
- বাকি সমস্ত উপাদান (যেমন: অক্সিজেন, নাইট্রোজেন, কার্বন, ইত্যাদি) একত্রে মাত্র ১% এরও কম পরিমাণে থাকে।

অন্যান্য অপশন:
-  ক) অক্সিজেন, গ) নাইট্রোজেন: এই গ্যাস দুটি পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের প্রধান উপাদান (নাইট্রোজেন প্রায় ৭৮%, অক্সিজেন প্রায় ২১%)। তবে, মহাবিশ্বের সামগ্রিক ভরের তুলনায় এদের পরিমাণ খুবই নগণ্য।
- খ) কার্বন-ডাই-অক্সাইড: এটি পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের একটি গৌণ উপাদান এবং মহাবিশ্বের মৌলিক উপাদানগুলোর মধ্যে এর পরিমাণ খুবই কম।

উৎস: নাসা ওয়েবসাইট, ব্রিটানিকা।

৭২.
সূর্যের নিকটতম নক্ষত্রের নাম-
  1. ভেগা
  2. সেটাম
  3. নেচুলা
  4. প্রক্সিমা সেন্টেরাই
ব্যাখ্যা

সূর্যের নিকটতম নক্ষত্রের নাম হলো প্রক্সিমা সেন্টেরাই। 
- সূর্য থেকে এর দূরত্ব প্রায় ৪.২৪ আলোকবর্ষ।
- এটি আলফা সেন্টেরাই (Alpha Centauri) নামক ত্রয়ী নক্ষত্রমণ্ডলের (Three-star system) একটি অংশ, যা আলফা সেন্টেরাই C নামেও পরিচিত।
- প্রক্সিমা সেন্টেরাই একটি লাল বামন নক্ষত্র (Red Dwarf Star)।
- এটিই আমাদের সৌরজগতের সবচেয়ে কাছের নক্ষত্র (সূর্য ছাড়া)।
- এটি আমাদের থেকে প্রায় ৪.২৪ আলোকবর্ষ (Light-years) দূরে অবস্থিত।
 
অন্যান্য অপশন:
- ভেগা (Vega): এটি Lyra নক্ষত্রমণ্ডলের একটি উজ্জ্বল নক্ষত্র, যা ২৫ আলোকবর্ষের বেশি দূরে অবস্থিত।
- সেটাম (Cetaceum/Cetus): এটি একটি তারামণ্ডল বা Constellation-এর নাম।
- নেচুলা (Nebula): এটি মহাকাশে গ্যাস ও ধূলিকণার বিশাল মেঘ (যেমন: নক্ষত্র জন্মের স্থান), কোনো একক নক্ষত্রের নাম নয়।

৭৩.
পৃথিবীর সর্বাধিক জনবহুল দেশ কোনটি?
  1. চীন
  2. রাশিয়া
  3. ভারত
  4. কানাডা
ব্যাখ্যা

বিশ্ব জনসংখ্যা প্রতিবেদন ২০২৪:
- বর্তামান সর্বাধিক জনবহুল দেশ ভারত। [অক্টোবর, ২০২৫]
- মোট জনসংখ্যা: ১,৪৬৩.৯ মিলিয়ন।
- ২য় জনবহুল দেশ: চীন।
- জনসংখ্যা: ১,৪১৬.১ মিলিয়ন।
- তৃতীয় জনবহুল দেশ যুক্তরাষ্ট্র।
- জনসংখ্যা: ৩৪৭.৩ মিলিয়ন।
- চতুর্থ জনবহুল দেশ ইন্দোনেশিয়া।
- জনসংখ্যা: ২৮৫.৭ মিলিয়ন।
- পঞ্চম জনবহুল দেশ পাকিস্তান।
- জনসংখ্যা: ২৫৫.২ মিলিয়ন।

উল্লেখ্য,
- বিশ্বের সবচেয়ে কম জনসংখ্যার দেশ হলো ভ্যাটিকান সিটি।

উৎস: World Population review [লিঙ্ক]l

৭৪.
পৃথিবীর সর্বোচ্চ গড় আয়ুর দেশ কোনটি?
  1. নরওয়ে
  2. স্পেন
  3. জাপান
  4. চীন
ব্যাখ্যা

- পৃথিবীর সর্বোচ্চ গড় আয়ুর দেশ- জাপান।
- তবে ২০২৫ সালে গড় আয়ুতে সবচেয়ে এগিয়ে থাকা দেশ মোনাকো,সান মারিনো, হংকং, জাপান ।
- প্রথম তিনটি  অপশনে নেই তাই জাপান নেওয়া হয়েছে।

• World Population Review 2025: 

মোনাকো

- বিশ্বের অন্যতম ক্ষুদ্র দেশ মোনাকো।
- জাতিসংঘের হিসাব অনুযায়ী, ২০২৪ সালে গড় আয়ুতে সবচেয়ে এগিয়ে থাকা দেশ মোনাকো।
- দেশটির মানুষদের গড় আয়ু সাড়ে ৮৬.৫ বছর।
- দেশটিতে পুরুষদের তুলনায় নারীরা বেশি দিন বাঁচেন।
- সেখানে পুরুষদের গড় আয়ু ৮৪ দশমিক ১৭ বছর ও নারীদের গড় আয়ু ৮৮ দশমিক ৬ বছর।

উল্লেখ্য,
- পৃথিবীর সর্বোচ্চ গড় আয়ুর দেশ- মোনাকো।
- পৃথিবীর ‍দ্বিতীয় সর্বোচ্চ গড় আয়ুর দেশ- সান মারিনো।
- পৃথিবীর তৃতীয় সর্বোচ্চ গড় আয়ুর দেশ- হংকং।
- পৃথিবীর চতুর্থ সর্বোচ্চ গড় আয়ুর দেশ- জাপান।

উৎস: World Population Review.[লিঙ্ক]

৭৫.
বৈশ্বিক জ্ঞান সূচকে শীর্ষ দেশ কোনটি?
  1. সুইজারল্যান্ড
  2. নরওয়ে
  3. সুইডেন
  4. যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা

• বৈশ্বিক জ্ঞান সূচক (Global Knowledge Index - GKI) ২০২৪-এ শীর্ষ স্থানে রয়েছে সুইডেন।
এই সূচকটি মোহাম্মদ বিন রশিদ আল মাকতুম জ্ঞান ফাউন্ডেশন (MBRF) এবং ইউএনডিপি (UNDP) দ্বারা প্রকাশিত,
- যা ১৪১টি দেশের জ্ঞান-ভিত্তিক অবস্থান মূল্যায়ন করে।
- বর্তমানে বৈশ্বিক জ্ঞান সূচকে শীর্ষ দেশ সুইডেন।(৬৮.২৮)
- বৈশ্বিক জ্ঞান সূচকে  দ্বিতীয় শীর্ষ দেশ ফিনল্যান্ড।(৬৭.৯৯)
- বৈশ্বিক  জ্ঞান সূচকে  তৃতীয় শীর্ষ দেশ সুইজারল্যান্ড।(৬৭.৯১)।
- আরব বিশ্বে ইউএই শীর্ষে (বিশ্বে ২৬তম)।
• বাংলাদেশের অবস্থান ১১৩ তম।

উৎস: Global Knowledge Index[লিঙ্ক]

৭৬.
সার্ক এর সদস্য দেশ কয়টি?
  1. ৬টি
  2. ৭টি
  3. ৮টি
  4. ৯টি
ব্যাখ্যা

- সার্কের বর্তমান সদস্য রাষ্ট্র ৮টি। 

• সার্ক( SAARC):

- এর পূর্ণরূপ: South Asian Association for Regional Cooperation.
- এটি প্রতিষ্ঠত হয়: ৮ ডিসেম্বর, ১৯৮৫ সালে ঢাকায়।
- সার্কের বর্তমান সদস্য রাষ্ট্র ৮টি।[ অক্টোবর,২০২৫]
- SAARC ৮টি সদস্য রাষ্ট্র নিয়ে গঠিত। যথা:
- বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, ভুটান, মালদ্বীপ, নেপাল, শ্রীলঙ্কা এবং আফগানিস্তান।
-  সার্ক এর মালদ্বীপ ও শ্রীলংকা দ্বীপ রাষ্ট্র।
- SAARC এর সচিবালয় কাঠমান্ডু, নেপালে অবস্থিত।
- সচিবালয়: ১৯৮৭ সালের ১৭ জানুয়ারী নেপালের কাঠমান্ডু-তে।
- এর সর্বশেষ সদস্য হলো আফগানিস্তান।

• SAARC এর আঞ্চলিক কেন্দ্র:
- সার্ক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র: গুজরাট, গান্ধীনগর, ভারত।
- সার্ক কৃষি কেন্দ্র: ঢাকা, বাংলাদেশ।
- সার্ক যক্ষা ও এইডস কেন্দ্র: কাঠমান্ডু, নেপাল।
- সার্ক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র: কলম্বো, শ্রীলঙ্কা।
- সার্ক জ্বালানি কেন্দ্র: ইসলামাবাদ, পাকিস্তান।

উৎস: SAARC ওয়েবসাইট।

৭৭.
বাংলাদেশের কয়টি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর আছে?
  1. ৩টি 
  2. ৪টি
  3. ৫টি
  4. ৬টি
ব্যাখ্যা

আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর:
- দেশে বর্তমানে ৩টি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর রয়েছে।
• এগুলো হলো:
১. হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, ঢাকা।
২. শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, চট্টগ্রাম।
৩. ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, সিলেট।

উল্লেখ্য,
- ১২ অক্টোবর, ২০২৫ তারিখে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় কক্সবাজার বিমানবন্দরকে 'আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর' ঘোষণা করেছে।
- ২৪ শে অক্টোবর ২০২৫ কক্সবাজার বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ঘোষণার দুই সপ্তাহ পর সরকার পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত আন্তর্জাতিক ফ্লাইট কার্যক্রম স্থগিত করে একটি অফিস আদেশ জারি করেছে।

উৎস: i) বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
ii) বিএসস। [লিঙ্ক]

৭৮.
Apartheid কি?
  1. লিঙ্গ বৈষম্য
  2. ধর্ম বৈষম্য
  3. বর্ণ বৈষম্য
  4. শিক্ষা বৈষম্য
ব্যাখ্যা

- Apartheid হচ্ছে বর্ণ বৈষম্য আইন। 

Apartheid: 
- Apartheid ছিল একটি বর্ণবৈষম্যমূলক নীতি যা ১৯৪৮ থেকে ১৯৯৪ সাল পর্যন্ত দক্ষিণ আফ্রিকায় কার্যকর ছিল।
- এই নীতি অনুযায়ী, দক্ষিণ আফ্রিকার শ্বেতাঙ্গ সরকার আইন করে কৃষ্ণাঙ্গ, শ্বেতাঙ্গ, দক্ষিণ এশীয়, বর্ণসংকর ইত্যাদি জাতিগত শ্রেণিতে মানুষকে বিভক্ত করেছিল।
- এবং অ-শ্বেতাঙ্গদের থেকে সকল রাজনৈতিক ও সামাজিক অধিকার কেড়ে নিয়েছিল। 
- কিন্তু ১৯৪৮ সালে ড্যানিয়েল এফ. ম্যালানের নেতৃত্বাধীন ন্যাশনাল পার্টি ক্ষমতায় এসে এই নীতিকে আরও বিস্তৃত করে "অ্যাপার্থাইড" নাম দেয়। 
- ১৯৬০-এর দশক থেকে এটিকে "সেপারেট ডেভেলপমেন্ট" (বিচ্ছিন্ন উন্নয়ন) বলে অভিহিত করা হয়।
- এর ভিত্তি ছিল ১৯১৩ এবং ১৯৩৬ সালের ল্যান্ড অ্যাক্ট, যা সাদাদের জন্য অসমানুপাতিকভাবে জমি বরাদ্দ করেছিল।

উৎস: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট।

৭৯.
'Black Lives Matter' কি?
  1. একটি পানীয়
  2. বর্ণবাদ বিরোধী আন্দোলন
  3. একটি গ্রন্থ
  4. একটি NGO
ব্যাখ্যা

- 'Black Lives Matter  বর্ণবাদ বিরোধী আন্দোলন।

ব্ল‍্যাক লাইভস ম্যাটার আন্দোলন('Black Lives Matter)':

- উৎপত্তি স্থান: যুক্তরাষ্ট্র
- শুরু হয়: ২০১৩ সালে
• ঘটনার প্রেক্ষাপট:
- ট্রেভন মার্টিন নামে এক কৃষ্ণাঙ্গ কিশোরকে গুলি করে হত্যা করেন জর্জ জিমারম্যান।
- মামলায় জিমারম্যান খালাস পাওয়ার পর #BlackLives Matter হ্যাশট্যাগটি সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
- প্রতিষ্ঠাতা: তিনজন কৃষ্ণাঙ্গ নারীনেত্রী।
- অ্যালিসিয়া গারজা (Alicia Garza)।
- প্যাট্রিস কালারস (Patrisse Cullors)।
- ওপাল টোমেটি (Opal Tometi)।

• আন্দোলনের লক্ষ্য:
- কৃষ্ণাঙ্গদের বিরুদ্ধে পদ্ধতিগত বর্ণবাদ ও পুলিশি সহিংসতার বিরুদ্ধে সচেতনতা ও প্রতিবাদ গড়ে তোলা।
- পরবর্তীতে: এই আন্দোলন যুক্তরাষ্ট্র ছাড়িয়ে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে মানবাধিকার ও সামাজিক ন্যায়ের প্রতীকে পরিণত হয়।

উৎস: 'Black Lives Matter ওয়েবসাইট।

৮০.
জাতি রাষ্ট্রের স্বপ্নদ্রষ্টা কে?
  1. ম্যাকিয়াভেলি
  2. বিসমার্ক
  3. হিটলার
  4. পোপ জন পল
ব্যাখ্যা

- ইতালীয় রাষ্ট্রদার্শনিক নিকোলো ম্যাকিয়াভেলি জাতি রাষ্ট্রের (Nation State) স্বপ্নদ্রষ্টা।

জাতি ও জাতীয়তা:

- উৎপত্তিগত দিক থেকে জাতি ও জাতীয়তা মূলত এক ও অভিন্ন।
- এদিক থেকে জাতি ও জাতীয়তা বলতে বোঝায় একই বংশোদ্ভূত জনসমষ্টি।
- কিন্তু বর্তমান সময়ের লেখকগণ জাতি ও জাতীয়তার মধ্যে পার্থক্য নির্দেশ করেছেন।
- তাদের মতে জনসমাজের' (People) মধ্যে রাজনৈতিক চেতনার উদ্ভব ঘটলে তা জাতীয়তায়' (Nationality) পরিণত হয়।
- জাতীয়তার এই চেতনা দ্বারা উদ্বুদ্ধ জনসমাজ স্বাধীন হলে বা স্বাধীন হতে চাইলে তাকে জাতি' (Nation) বলে।
- জাতীয়তা একটি চেতনা, কিন্তু জাতি একটি রাজনৈতিক সংগঠন।
- ইতালীয় রাষ্ট্রদার্শনিক নিকোলো ম্যাকিয়াভেলি জাতি রাষ্ট্রের (Nation State) স্বপ্নদ্রষ্টা।
- জাতীয়তাবাদের উন্মেষের রেনেসা' বা নবজাগরণের ভূমিকাও অসামান্য।

এছাড়াও,
- ষোড়শ শতকের একচ্ছত্র রাজতন্ত্র বিরোধী আন্দোলন, ১৭৮৯ সালের ফরাসি বিপ্লব ইত্যাদিও জাতীয়তাবাদী চেতনাকে উজ্জীবিত করে তুলেছিল।
- উনিশ শতকের শেষাংশ এবং বিংশ শতক হলো জাতীয়তাবাদের স্বর্ণযুগ।
- জাতীয়তাবাদী চেতনার বিকাশের ফলেই ইউরোপ, এশিয়া ও আফ্রিকায় নতুন নতুন জাতি রাষ্ট্রের উদ্ভব ঘটে।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।