পরীক্ষা আর্কাইভ

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি

পরীক্ষা১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়17 minutes
মোট প্রশ্ন৫০
সিলেবাস
পরীক্ষা - ৮৬ বিষয় - বাংলা সাহিত্য টপিক - বাংলা সাহিত্যের আধুনিক যুগের লেখকগণ [গুরুত্বপূর্ণ লেখকদের জীবনী, সাহিত্য-কর্ম, অবদান, স্বীকৃতি ইত্যাদি সম্পর্কে বিস্তারিত পড়তে হবে। অন্যান্য লেখকদের গুরুত্বপূর্ণ অবদান ও সাহিত্যকর্ম সম্পর্কে পড়লেই হবে।] ১. গুরুত্বপূর্ণ লেখকগণ: শওকত আলী, শওকত ওসমান, শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, শামসুদ্দীন আবুল কালাম, শামসুর রাহমান, সুফিয়া কামাল, সেলিনা হোসেন, সেলিম আল দীন, সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ, সৈয়দ মুজতবা আলী, সৈয়দ শামসুল হক। ২. অন্যান্য লেখকগণ: শহীদ কাদরী, শহীদুল্লা কায়সার, শামসুজ্জামান খান, সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, সত্যেন সেন, সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত, সমর সেন, সরদার জয়েন উদ্দিন, সানাউল হক, সিকান্দার আবু জাফর, সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী, স্বর্ণকুমারী দেবী, সোমেন চন্দ, হরপ্রসাদ শাস্ত্রী, সুকান্ত ভট্টাচার্য, সুকুমার রায়, সুধীন্দ্রনাথ দত্ত, সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়, সৈয়দ আলী আহসান, সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজী, রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ ও সম-সাময়িক গুরুত্বপূর্ণ লেখক। এবং বিষয় - কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি টপিক - তথ্য-প্রযুক্তি ১. আধুনিক প্রযুক্তির ডিভাইসসমূহ - স্মার্ট ফোন, স্মার্ট ওয়াচ, ট্যাব ইত্যাদি। ২. মোবাইল প্রযুক্তির বৈশিষ্ট্যসমূহ; মোবাইল নেটওয়ার্ক ও এর বৈশিষ্ট্য; সেলুলার ডাটা নেটওয়ার্ক: টুজি, থ্রিজি, ফোরজি, ওয়াইম্যাক্স ইত্যাদি। ৩. তথ্যপ্রযুক্তির বড় প্রতিষ্ঠান ও তাদের সেবা/তথ্যসমূহ: গুগল, মাইক্রোসফট, আইবিএম ইত্যাদি। ৪. ক্লায়ন্ট-সার্ভার ম্যানেজমেন্ট ও ক্লাউড কম্পিউটিং সেবা। ৫. সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং: ফেসবুক, টুইটার, ইন্সটাগ্রাম ইত্যাদি। ৬. আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার, ৭. আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির সম্পর্কিত সমসাময়িক ইস্যু ৮. রোবটিক্স, ৯. ডিজাইন ও প্রোগ্রামিং ভাষা সম্পর্কে ধারণা ইত্যাদি। ------------------ [এই রুটিনে সারাবছর জুড়ে পরীক্ষা চলমান থাকে। আজ বা যেকোন সময় পরীক্ষা শুরু করা হলেও নির্দিষ্ট সময়ে পুরো সিলেবাস সম্পন্ন হবে]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ৫০ প্রশ্ন

.
শওকত আলী তাঁর রচিত কোন গ্রন্থটি স্ত্রী শওকত আরা বেগমকে উৎসর্গ করেন?
  1. প্রদোষে প্রাকৃতজন
  2. পিঙ্গল আকাশ
  3. যেতে চাই
  4. কুলায় কালস্রোত
সঠিক উত্তর:
পিঙ্গল আকাশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পিঙ্গল আকাশ
ব্যাখ্যা

• 'পিঙ্গল আকাশ' উপন্যাস:
- পিঙ্গল আকাশ কথা সাহিত্যিক শওকত আলী লিখিত প্রথম উপন্যাস। ১৯৬৩ সালে এটি প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল।
- পিঙ্গল আকাশ গ্রন্থাকারে প্রকাশের পূর্বে ১৯৬১ সালে মাসিক পূবালী'র ঈদ সংখ্যায় প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল। পরে কলকাতার হরফ প্রকাশনী থেকেও ১৯৬৬ সালে উপন্যাসটির একটি সংস্করণ প্রকাশিত হয়।
- গ্রন্থটি তিনি উৎসর্গ করেন স্ত্রী শওকত আরা বেগমকে।
- উপন্যাসের নায়ক মঞ্জু। মঞ্জুর নিজস্ব বয়ানে কাহিনী বেড়ে উঠেছে। তার জীবন সংগ্রামই এই কাহিনীর মূল বিষয়বস্তু। এক দ্বান্দ্বিক কাহিনি রয়েছে উপন্যাসটিতে।

-----------------
• শওকত আলী:
- শওকত আলী ছিলেন সামরিক কর্মকর্তা, রণাঙ্গনের মুক্তিযোদ্ধা, আইনজীবী ও রাজনীতিবিদ। )। জন্মস্থান দিনাজপুর জেলার রায়গঞ্জ।
- একটি ছোট উপন্যাস ‘পিঙ্গল আকাশ” (১৯৬৪) তাঁর প্রথম প্রকাশিত বই। এর পর প্রকাশিত হয়েছে। দুটি ছােটগল্প সংকলন ও একটি উপন্যাস।
- শিশুকিশোরদের জন্যেও তিনি লিখে থাকেন। বাংলা ছোটগল্পে বিশেষ অবদান রাখার জন্য শওকত আলী বাঙলা একাডেমি পুরস্কার পান ১৯৬৮ সালে।
- ১৯৭৭ সালে বাংলাদেশ লেখক শিবির তাঁকে হুমায়ুন কবির স্মৃতি পুরস্কার প্রদান করে।

শওকত আলী রচিত উল্লেখযোগ্য উপন্যাস:
- পিঙ্গল আকাশ,
- প্রদোষে প্রাকৃতজন,
- দক্ষিণায়নের দিন,
- কুলায় কালস্রোত,
- পূর্বরাত্রি পূর্বদিন,
- যেতে চাই,
- ওয়ারিশ,
- বাসর মধুচন্দ্রিমা,
- উওরের খেপ,
- বসত,
- হিসাবনিকাশ,
- দলিল,
- উত্তরের ছাপ ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

.
শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত ছোটগল্প নয় কোনটি?
  1. মহেশ
  2. বিলাসী
  3. পণ্ডিতমশাই
  4. মামলার ফল
সঠিক উত্তর:
পণ্ডিতমশাই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পণ্ডিতমশাই
ব্যাখ্যা

• 'পণ্ডিত মশাই' উপন্যাস:
- ১৯১৪ সালের প্রাক্কালে, যখন বঙ্গের সন্তানেরা মোটামুটি পড়ালেখা শিখে আধুনিক জীবনের সন্ধানে শহরমুখী হচ্ছে, সেই সময়ের গ্রামীণ পটভূমিতে রচিত শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ‘পণ্ডিত মশাই’ উপন্যাস।

- ১৩২১ বঙ্গাব্দের বৈশাখ ও শ্রাবণ সংখ্যা ‘ভারতবর্ষ’ মাসিক পত্রে ‘পণ্ডিত মশাই’ প্রথম প্রকাশিত হয়। অতঃপর, একই অব্দের ভাদ্রের শেষ বা আশ্বিনের শুরুতে (১৫ই সেপ্টেম্বর, ১৯১৪ খৃষ্টাব্দ) গ্রন্থাকারে প্রথম প্রকাশিত হয়। 

- উপন্যাসের প্রধান চরিত্র বৃন্দাবন অধিকারী, বৈষ্ণব সম্প্রদায়ের বৃন্দাবন মূলত সমাজের নীচু শ্রেণীর মানুষের পড়ালেখার নিমিত্তে তার নিজের খরচে নিজ গৃহে একটি পাঠশালা খুলে বসে। এই পাঠশালার বাচ্চাদের লেখাপড়ার সরঞ্জামাদির টাকাও যোগাত বৃন্দাবন নিজে। দেশমাতৃকার জন্যে গভীর দায়িত্ববোধসম্পন্ন এই স্ব-প্রণোদিত ‘পণ্ডিতমশাই’য়ের নামেই উপন্যাসের নাম।
- উপন্যাসের প্রধান নারী চরিত্র, কার্যত উপন্যাসেরও প্রধান চরিত্র পঞ্চদশী কিশোরী কুসুম।

-----------------------
• শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়:
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বাংলা সাহিত্যের একজন অমর কথাশিল্পী। ১৮৭৬ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর হুগলি জেলার দেবানন্দপুরে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর প্রথম উপন্যাস 'বড়দিদি' (১৯০৭) ভারতী পত্রিকায় প্রকাশিত হয়।
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের প্রথম প্রকাশিত গল্পের নাম 'মন্দির'।
- তিনি 'মন্দির' গল্পের জন্য ১৯০৩ সালে কুন্তলীন সাহিত্য পুরষ্কার লাভ করেন।
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত রাজনৈতিক উপন্যাস হলো 'পথের দাবী' যা ১৯২৬ সালে প্রকাশিত হয়। এটি ব্রিটিশ সরকার বাজেয়াপ্ত করেছিল।

• শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত বিখ্যাত গল্পগুলো হলো:
- মহেশ,
- বিলাসী,
- সতী,
- রামের সুমতি,
- মামলার ফল,
- ছবি,
- বিন্দুর ছেলে ইত্যাদি।

তাঁর রচিত বিখ্যাত উপন্যাস:
- দেনা-পাওনা,
- বড়দিদি,
- বিরাজবৌ,
- পণ্ডিতমশাই,
- পরিণীতা,
- চন্দ্রনাথ,
- দেবদাস,
- চরিত্রহীন,
- গৃহদাহ,
- পথের দাবী,
- শেষ প্রশ্ন,
- শেষের পরিচয়।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

.
'আসাদের শার্ট' কবিতাটি কবি শামসুর রাহমানের কোন কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত?
  1. প্রথম গান দ্বিতীয় মৃত্যুর আগে
  2. বন্দী শিবির থেকে
  3. বুক তার বাংলাদেশের হৃদয়
  4. নিজ বাসভূমে
সঠিক উত্তর:
নিজ বাসভূমে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিজ বাসভূমে
ব্যাখ্যা

• 'আসাদের শার্ট' কবিতা:
- শহীদ আসাদ স্মরণে কবি শামসুর রাহমান লিখেছিলেন কালজয়ী কবিতা ‘আসাদের শার্ট’।
- ১৯৬৯ সালের ২০জানুয়ারি শামসুর রাহমান রচনা করেন ‘আসাদের শাট’র্ কবিতাটি।
- তাঁর লেখা ‘আসাদের শার্ট’ কবিতাটির পিছনে রয়েছে পুলিশের গুলিতে নিহত আসাদের শার্ট উঁচুতে তুলে ধরে প্রতিবাদী এক বিশাল মিছিলের মুখোমুখি হওয়া কবির তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া।
- ‘আসাদের শার্ট’ কবিতাটি কবি শামসুর রাহমানের 'নিজ বাসভূমে' কাব্যগ্রন্থে সংকলিত হয়েছে। 

-----------------------
শামসুর রাহমান রচিত অন্যান্য সাহিত্যকর্মগুলো হলো-
• উপন্যাস:
- অক্টোপাস,
- নিয়ত মন্তাজ,
- এলো সে অবেলায়।

• কাব্যগ্রন্থ:
- বাংলাদেশ স্বপ্ন দ্যাখে,
- প্রথম গান দ্বিতীয় মৃত্যুর আগে,
- রৌদ্র করোটিতে,
- বিধ্বস্ত নীলিমা,
- নিরালোকে দিব্যরথ,
- নিজ বাসভূমে,
- বন্দী শিবির থেকে,
- ফিরিয়ে নাও ঘাতক কাঁটা,
- আমি অনাহারী,
- প্রতিদিন ঘরহীন ঘরে,
- উদ্ভট উটের পিঠে চলেছে স্বদেশ,
- বুক তার বাংলাদেশের হৃদয়,
- হরিণের হাড়,
- তুমি নিঃশ্বাস তুমি হৃদস্পন্দন ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা; 'নিজ বাসভূমে' কাব্যগ্রন্থ এবং বাংলাপিডিয়া।

.
মানিকগঞ্জের লোকায়ত জীবন-সংস্কৃতির সাথে সেলিম আল দীন কোন নাটক রচনার পর্বে পরিচিত হন?
  1. মুনতাসীর ফ্যান্টাসি
  2. কিত্তনখােলা
  3. জন্ডিস ও বিবিধ বেলুন
  4. কেরামতমঙ্গল
সঠিক উত্তর:
কিত্তনখােলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কিত্তনখােলা
ব্যাখ্যা

• ‘কিত্তনখােলা’ নাটক:
- ‘কিত্তনখােলা’ নাটকটের রচয়িতা সেলিম আল দীন।
- ‘কিত্তনখোলা’ নাটক রচনার মধ্য দিয়ে সেলিম আল দীন বাংলা-নাট্যশিল্পকে নতুন রূপ দান করেন। মূলত, এ নাটকের মাধ্যমেই পাশ্চাত্য নাট্যরীতি পরিহারপূর্বক প্রাচ্যীয় রীতির প্রবর্তন শুরু হয়।
- ‘কিত্তনখোলা’ হয়ে ওঠেছে বাঙালির প্রান্তিক জনমানুষের প্রথাগত জীবনে স্থিত সাংস্কৃতিক আচার-আচরণের ইতিবৃত্ত।
- লেখকের ভাষায় - কিত্তনখোলা পর্বে আমি মানিকগঞ্জের লোকায়ত জীবন-সংস্কৃতি এবং এর অপূর্ব নিসর্গের সাথে পরিচিত হই।

-----------------------
সেলিম আল দীন রচিত নাট্যগ্রন্থ:
- সর্প বিষয়ক গল্প ও অন্যান্য,
- বাসন,
- কেরামতমঙ্গল,
- কিত্তনখোলা,
- হাতহদাই,
- শকুন্তলা,
- মুনতাসীর ফ্যান্টাসি,
- জন্ডিস ও বিবিধ বেলুন,
- চাকা,
- যৈবতী কন্যার মন,
- হরগজ,
- নিমজ্জন ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা; বাংলাপিডিয়া এবং ‘কিত্তনখোলা’ নাটক।

.
সেলিনা হোসেন কোন জেলায় জন্মগ্রহণ করেন?
  1. রাজশাহী 
  2. ঢাকা 
  3. কুমিল্লা 
  4. বরিশাল 
সঠিক উত্তর:
রাজশাহী 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাজশাহী 
ব্যাখ্যা

• সেলিনা হোসেন:
- বাংলা কথাসাহিত্যের অন্যতম জনপ্রিয় লেখিকা সেলিনা হোসেন। সেলিনা হোসেন ১৯৪৭ সালের ১৪ জুন রাজশাহী শহরে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পৈতৃক নিবাস লক্ষ্মীপুর জেলার হাজিরপাড়া গ্রামে।
- রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তিনি বাংলা ভাষা ও সাহিত্য বিষয়ে স্নাতক সম্মান ও স্নাতকোত্তর লাভ করেন।
- অসাম্প্রদায়িক জীবনবোধ, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, নারীমুক্তি তাঁর কথাসাহিত্যের মূলগত আখ্যান।
- সাহিত্যক্ষেত্রে অসাধারণ অবদানের জন্য তিনি বাংলা একাডেমি পুরস্কার, আলাওল সাহিত্য পুরস্কার ও ফিলিপ্স সাহিত্য পুরস্কারসহ অনেক পুরস্কার ও সম্মাননায় ভূষিত হয়েছেন।
- তার রচিত উপন্যাস ‘হাঙ্গর নদী গ্রেনেড’। মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক এ উপন্যাসটি ১৯৭৬ সালে প্রকাশিত হয়।
- পরবর্তীকালে এ উপন্যাস অবলম্বনে চলচ্চিত্র পরিচালক চাষী নজরুল ইসলাম হাঙর নদী গ্রেনেড নামে একটি চলচ্চিত্র নির্মাণ করেন।

• তাঁর রচিত উপন্যাসসমূহের মধ্যে উল্লেখযোগ্য:
- হাঙর নদী গ্রেনেড,
- মগ্ন চৈতন্যে শিস,
- যাপিত জীবন,
- চাঁদবেনে,
- পোকামাকড়ের ঘরবসতি,
- গায়ত্রী সন্ধ্যা,
- দীপান্বিতা ইত্যাদি।

 • গল্পগ্রন্থ:
- উৎস থেকে নিরন্তর,
- খোলকরতাল,
- মুক্তিযুদ্ধের গল্প ইত্যাদি;

• শিশু-কিশোর উপযোগ্য রচনা:
- সাগর,
- বাংলা একাডেমী গল্পে বর্ণমালা,
- বর্ণমালার গল্প,
- জ্যোৎস্নার রঙে আঁকা ছবি,
- চাঁদের বুড়ির পান্তা ইলিশ ইত্যাদি। 

উৎস: বাংলা সাহিত্য, নবম-দশম শ্রেণি এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

.
'পূর্ণ স্বাধীনতা চূর্ণ স্বাধীনতা' শওকত ওসমান রচিত কোন ধরনের গ্রন্থ?
  1. উপন্যাস 
  2. গল্পগ্রন্থ 
  3. নাটক 
  4. প্রবন্ধগ্রন্থ 
সঠিক উত্তর:
নাটক 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নাটক 
ব্যাখ্যা

• 'পূর্ণ স্বাধীনতা চূর্ণ স্বাধীনতা' নাটকটির রচয়িতা শওকত ওসমান।
- ১৯৯০ সালে প্রকাশিত হয়।

------------------------
• শওকত ওসমান: 
- শওকত ওসমান কথাসাহিত্যিক ও প্রাবন্ধিক। ১৯১৭ সালের ২ জানুয়ারি পশ্চিমবঙ্গের হুগলি জেলার সবলসিংহপুর গ্রামে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর প্রকৃত নাম শেখ আজিজুর রহমান; ‘শওকত ওসমান’ তাঁর সাহিত্যিক নাম।
- ‘নেকড়ে অরণ্য’ - শওকত ওসমান রচিত উপন্যাস। মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে রচিত নেকড়ে অরণ্য গ্রন্থে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী কর্তৃক বাংলার নরনারীর নির্যাতনের করুণ বিবরণ আছে।
- তাঁর জননী ও ক্রীতদাসের হাসি উপন্যাস দুটি প্রশংসিত হয়েছে।
- জননীতে সামাজিক জীবন ও ক্রীতদাসের হাসিতে রাজনৈতিক জীবনের কিছু অন্ধকার দিক উন্মোচিত হয়েছে।
- 'জাহান্নাম হইতে বিদায়' শওকত ওসমান রচিত মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক উপন্যাস। 

• শওকত ওসমান রচিত কয়েকটি উপন্যাস-
- ক্রীতদাসের হাসি,
- সমাগম,
- রাজা উপাখ্যান,
- দুই সৈনিক,
- নেকড়ে অরণ্য,
- পতঙ্গ পিঞ্জর,
- রাজসাক্ষী,
- জলাঙ্গী,
- পুরাতন খঞ্জর,
- বনি আদম,
- জননী,
- চৌরসন্ধি,

• শওকত ওসমান রচিত নাটক-
- তস্কর নস্কর,
- পূর্ণ স্বাধীনতা চূর্ণ স্বাধীনতা,
- আমলার মামলা।

• শওকত ওসমান রচিত গল্পগ্রন্থ-
- ঈশ্বরের প্রতিদ্বন্দী,
- পিঁজরাপোল,
- জন্ম যদি তব বঙ্গে ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

.
'পূর্ব-পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা' অনবদ্য গ্রন্থটি কার রচনা?
  1. সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজী
  2. সৈয়দ মুজতবা আলী
  3. শহীদ কাদরী
  4. সৈয়দ আলী আহসান
সঠিক উত্তর:
সৈয়দ মুজতবা আলী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সৈয়দ মুজতবা আলী
ব্যাখ্যা

• সৈয়দ মুজতবা আলী:
- তিনি ছিলেন  শিক্ষাবিদ ও সাহিত্যিক। ১৯০৪ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর পিতার কর্মস্থল শ্রীহট্ট (সিলেট) জেলার করিমগঞ্জে তিনি জন্মগ্রহণ করেন, কিন্তু তাঁর পৈতৃক নিবাস ছিল মৌলভীবাজারের উত্তরসুর গ্রামে।
- তিনি বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯২৬ সালে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন।
- সৈয়দ মুজতবা আলী 'দেশে-বিদেশে' গ্রন্থের মাধ্যমে বাংলা সাহিত্যাঙ্গনে প্রথম প্রবেশ ও প্রতিষ্ঠা লাভ করেন। কাবুলে অবস্থানের বাস্তব অভিজ্ঞতা ও অন্তরঙ্গ উপলব্ধির ফসল এই গ্রন্থখানি।
- তাঁর একটি অনবদ্য গ্রন্থ 'পূর্ব-পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা'।
- তিনি কাজী নজরুল ইসলামের 'রুবাইয়াৎ-ই-ওমর খৈয়াম' গ্রন্থের ভূমিকা লিখেন।
- ১৯৭৪ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি ঢাকায় তাঁর মৃত্যু হয়।

• তাঁর রচিত উপন্যাস:
- অবিশ্বাস্য,
- শবনম।

• তাঁর রচিত ছোটগল্পগ্রন্থ:
- চাচা-কাহিনী,
- টুনি মেম।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

.
সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্ রচিত 'বহিপীর' নাটকটি কত সালে প্রকাশিত হয়?
  1. ১৯৭০ সালে
  2. ১৯৬৫ সালে
  3. ১৯৬১ সালে
  4. ১৯৬০ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৬০ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৬০ সালে
ব্যাখ্যা

• 'বহিপীর' নাটক:
- সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্ রচিত নাটক 'বহিপীর' ১৯৬০ সালে ঢাকা থেকে প্রথম প্রকাশিত হয়।
- নাটকটি গড়ে উঠেছে বহিপীরের সর্বগ্রাসী স্বার্থ ও নতুন দিনের প্রতীক এক বালিকার বিদ্রোহের কাহিনীকে কেন্দ্র করে।
- নাটকের এই কেন্দ্রীয় চরিত্রটির নাম অনুসারেই নাটকের নামকরণ করা হয়েছে বহিপীর।
- এখানে ধর্মকে ভণ্ডবহিপীর ব্যক্তিস্বার্থে ব্যবহার করে।

উল্লেখযোগ্য চরিত্র:
- বহিপীর,
- তাহেরা,
- হাতেম,
- আমেনা,
- হাশেম।
-----------------------

সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্ রচিত সাহিত্যকর্মগুলো হলো- 
উপন্যাস:
- লালসালু,
- চাঁদের অমাবস্যা, 
- কাঁদো নদী কাঁদো,
- দি আগলি এশিয়ান। 

তাঁর রচিত উল্লেখযোগ্য নাটক:
- বহিপীর উজানে মৃত্যু,
- সুড়ঙ্গ,
- তরঙ্গভঙ্গ। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া। 

.
'দ্বিতীয় দিনের কাহিনী' উপন্যাসটি কোন পটভূমিতে রচিত?
  1. দুর্ভিক্ষের 
  2. দেশভাগের  
  3. সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার  
  4. মুক্তিযুদ্ধের 
সঠিক উত্তর:
মুক্তিযুদ্ধের 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুক্তিযুদ্ধের 
ব্যাখ্যা

• 'দ্বিতীয় দিনের কাহিনী' উপন্যাস:
- সব্যসাচী লেখক সৈয়দ শামসুল হকের মুক্তিযুদ্ধের উপন্যাস 'দ্বিতীয় দিনের কাহিনী'। এটি প্রকাশিত হয় ১৯৮৪ সালে।
- মুক্তিযুদ্ধ-পরবর্তী আর্থসামাজিক ও রাজনৈতিক বাস্তবতাকে চমৎকারভাবে চিহ্নিত করেছেন তিনি।
- বাঙালি জাতিসত্তার আত্মপরিচয়, সংগ্রাম, স্বপ্ন ও আকাঙ্ক্ষার কথা পরম মমতায় তুলে ধরেছেন এ উপন্যাসে।
- একজন প্রধান শিক্ষক তাহের উদ্দীন খন্দকারের আত্মোপলব্ধি, অন্বেষণ ও স্মৃতিচারণার মধ্য দিয়ে উঠে আসে মুক্তিযুদ্ধে জলেশ্বরীর দুর্বার ভূমিকার কথা। বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে থাকা জলেশ্বরীর সন্তানদের মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেওয়ার বিষয়টিও উঠে আসে তাহেরের স্মৃতিচারণায়।

-----------------------
সৈয়দ শামসুল হক রচিত উপন্যাস:
- নিষিদ্ধ লোবান,
- নীল দংশন,
- দ্বিতীয় দিনের কাহিনী,
- আয়না বিবির পালা,
- খেলারাম খেলে যা,
- তুমি সেই তরবারী ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

১০.
বরিশাল অঞ্চলের ভূপ্রকৃতি, লোকজীবন ও গ্রামীণ দিগন্ত চিত্রায়িত হয়েছে নিচের কোন উপন্যাসে?
  1. অনেক দিনের আশা
  2. কাশবনের কন্যা
  3. দুই হৃদয়ের তীর
  4. পথ জানা নাই
সঠিক উত্তর:
কাশবনের কন্যা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কাশবনের কন্যা
ব্যাখ্যা

• 'কাশবনের কন্যা' উপন্যাস:
- শামসুদ্দীন আবুল কালাম রচিত উপন্যাস ‘কাশবনের কন্যা’। উপন্যাসটি প্রকাশিত হয় ১৯৫৪ সালে।
- শামসুদ্দীন আবুল কালামের 'কাশবনের কন্যা' উপন্যাসে গ্রামকে এমনভাবে তুলে আনা হয়েছে যে, দুঃখ দারিদ্রতা থাকলেও গ্রামেই সুখের স্বর্গ, সমস্ত বিশ্বাসের আধার।
- উপন্যাসে বরিশাল অঞ্চলের ভূপ্রকৃতি, লোকজীবন, গ্রামীণ দিগন্ত চিত্রায়িত হয়েছে।
- এই উপন্যাসের চরিত্র সমূহ: সিকদার, হোসেন, জোবেদা, মেহেরজান ইত্যাদি।

--------------------
শামসুদ্দীন আবুল কালাম রচিত উপন্যাস:
- আলমনগরের উপকথা,
- কাশবনের কন্যা,
- কাঞ্চনমালা,
- জায়মঙ্গল ইত্যাদি।

শামসুদ্দীন আবুল কালাম রচিত গল্পগ্রন্থ:
- অনেক দিনের আশা,
- ঢেউ,
- পথ জানা নাই,
- দুই হৃদয়ের তীর।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞেসা এবং বাংলাপিডিয়া।

১১.
নিচের কোন কাব্যগ্রন্থে স্বাধীনতা যুদ্ধের রক্তঝরা দিনগুলোর প্রেক্ষাপটে স্বাধীনতা সংগ্রাম এবং দেশপ্রেমের কবিতা স্থান পেয়েছে?
  1. মায়া কাজল
  2. সাঁঝের মায়া
  3. মোর যাদুদের সমাধি পরে
  4. অভিযাত্রিক
সঠিক উত্তর:
মোর যাদুদের সমাধি পরে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোর যাদুদের সমাধি পরে
ব্যাখ্যা

• "মোর যাদুদের সমাধি পরে" কাব্যগ্রন্থ:
- "মোর যাদুদের সমাধি পরে" কবি সুফিয়া কামালের সপ্তম কাব্যগ্রন্থ, যা ১৯৭২ সালে প্রকাশিত হয়।
- এই কাব্যগ্রন্থটেতে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের রক্তঝরা দিনগুলোর প্রেক্ষাপটে স্বাধীনতা সংগ্রাম এবং দেশপ্রেমের কবিতা স্থান পেয়েছে।

--------------------
• সুফিয়া কামাল:
- সুফিয়া কামাল বাংলাদেশের একজন প্রথিতযশা কবি, লেখিকা ও নারী আন্দোলনের অন্যতম পথিকৃৎ।
- সুফিয়া কামালের জন্ম ১৯১১ সালের ২০ জুন বরিশালের শায়েস্তাবাদে এক অভিজাত পরিবারে।-
- তাকে 'জননী সাহসিকা' বলা হয়। তিনি রবীন্দ্র কাব্য ধারার 'গীতিকবিতা' রচনা করতেন।
- তিনি 'বেগম' পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ছিলেন।
- তাঁর প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ 'সাঁঝের মায়া'।
- বেগম রোকেয়ার সামাজিক আদর্শ সুফিয়া কামালকে আজীবন প্রভাবিত করেছে। তিনি রোকেয়ার ওপর অনেক কবিতা রচনা করেন এবং তাঁর নামে 'মৃত্তিকার ঘ্রাণ' সংকলনটি উৎসর্গ করেন।

• তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- সাঁঝের মায়া,
- মায়া কাজল,
- মন ও জীবন,
- উদাত্ত পৃথিবী,
- অভিযাত্রিক,
- মোর যাদুদের সমাধি পরে।

• গল্প:
- কেয়ার কাঁটা।

• আত্মজীবনী:
- একালে আমাদের কাল।

• স্মৃতিকথা/ ডায়েরী:
- একাত্তরের ডায়েরী।

উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা; "মোর যাদুদের সমাধি পরে" কাব্যগ্রন্থ এবং বাংলাপিডিয়া।

১২.
শহীদ কাদরী রচিত প্রথম কাব্যগ্রন্থ কোনটি?
  1. উত্তরাধিকার
  2. উত্তরফাল্গুনী
  3. দশমী
  4. কুলায় ও কালপুরুষ
সঠিক উত্তর:
উত্তরাধিকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উত্তরাধিকার
ব্যাখ্যা

• 'উত্তরাধিকার' কাব্যগ্রন্থ:
- বাংলা কবিতার পঞ্চাশ দশকের সর্বোচ্চ সম্ভাবনা ও সাফল্য দেখা যায় হীদ কাদরীর প্রথম কাব্যগ্রন্থ 'উত্তরাধিকার'- এ (১৯৬৭)।
- এতে ৪০টি কবিতা অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।
- এ কাব্যের পঙক্তিতে পঙ্‌ক্তিতে তিনি দৃশ্যমান বস্তুকে দেখেছেন প্রবল অন্তরঙ্গে, মননের শাসনে ও আবেগের প্রাবল্যের যৌথ প্রচষ্টায়।
- বাংলাদেশের বাংলা কবিতা সত্যিকার অর্থেই আধুনিকতার চূড়ান্তমুখী হয় তাঁর এ কাব্যগ্রন্থের মাধ্যমে।

----------------------------
• শহীদ কাদরী:
- তিনি ছিলেন স্বাধীন বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় আধুনিক কবি। ১৯৪২ সালের ১৪ই আগস্ট, কলকাতায় তাঁর জন্ম।
- তিনি ১৯৭৩ সালে বাংলা একাডেমি পুরস্কার লাভ করেন।
- ২০১৬ সালের ২৮শে আগস্ট যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে মারা যান।

• তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- উত্তরাধিকার,
- তোমাকে অভিবাদন প্রিয়তমা,
- কোথাও কোন ক্রন্দন নেই,
- আমার চুম্বনগুলো পৌঁছে দাও।

অন্যদিকে, 
সুধীন্দ্রনাথ দত্ত রচিত কাব্যগ্রন্থ- উত্তরফাল্গুনী (১৯৪০),  দশমী (১৯৫৬);
সুধীন্দ্রনাথ দত্ত রচিত গদ্যগ্রন্থ- কুলায় ও কালপুরুষ (১৯৫৭)। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং 'উত্তরাধিকার' কাব্যগ্রন্থ।

১৩.
শহীদুল্লা কায়সারের অসমাপ্ত উপন্যাস কোনটি?
  1. সংশপ্তক
  2. দিগন্তে ফুলের আগুন
  3. সারেং বৌ
  4. কবে পোহাবে বিভাবরী
সঠিক উত্তর:
কবে পোহাবে বিভাবরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কবে পোহাবে বিভাবরী
ব্যাখ্যা

• শহীদুল্লা কায়সার:
- শহীদুল্লা কায়সার একজন কথাসাহিত্যিক, সাংবাদিক, লেখক। তিনি ১৯২৭ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি ফেনী জেলার মজুপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
 - তাঁর প্রকৃত নাম আবু নাঈম মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ।
- ১৯৪৯ সালে ঢাকার সাপ্তাহিক ইত্তেফাক পত্রিকায় শহীদুল্লার সাংবাদিক জীবন শুরু হয়।
- শহীদুল্লা কায়সার বাংলা একাডেমী পুরস্কার (১৯৬২)এবং আদমজী সাহিত্য পুরস্কার (১৯৬২) লাভ করেন।

তাঁর রচিত উপন্যাসগুলো হলো:
- সারেং বৌ,
- সংশপ্তক,
- কৃষ্ণচূড়া মেঘ,
- তিমির বলয়,
- দিগন্তে ফুলের আগুন,
- সমুদ্র ও তৃষ্ণা,
- চন্দ্রভানের কন্যা,
- কবে পোহাবে বিভাবরী (অসমাপ্ত)।

• স্মৃতিকথা: রাজবন্দীর রোজনামচা।
• ভ্রমণবৃত্তান্ত: পেশোয়ার থেকে তাসখন্দ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

১৪.
"মানুষ বৃদ্ধ না হইলে সুন্দর হয় না।"- উক্তিটির রচয়িতা কে?
  1. শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
  2. সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
  3. সুধীন্দ্রনাথ দত্ত
  4. সোমেন চন্দ
সঠিক উত্তর:
সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
ব্যাখ্যা

•  "মানুষ বৃদ্ধ না হইলে সুন্দর হয় না।"- উক্তিটির রচয়িতা সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়। 

• 'পালামৌ' ভ্রমণকাহিনি: 

-  সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত ‘পালামৌ’ বাংলা সাহিত্যের একটি শ্রেষ্ঠ্য ভ্রমণকাহিনি।
- এটি ১২৮৪ থেকে ১২৮৯ বঙ্গাব্দের মধ্যে “বঙ্গদর্শন” পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। এটি সঞ্জীবের জীবদ্দশায় গ্রন্থ আকারে প্রকাশিত হয় নি।
- বিহারের পালামৌ এলাকায় দুই বছর ম্যাজিস্ট্রেট থাকাকালে এর স্মৃতিচারণ নিয়ে লেখা বাংলা সাহিত্যের প্রথম ভ্রমণকাহিনী পালামৌ।
- এই বইয়ের বিখ্যাত উক্তি: বন্যেরা বনে সুন্দর, শিশুরা মাতৃক্রোড়ে। 

 'পালামৌ' গ্রন্থের কিভহু উল্লেখযোগ্য উক্তি- 
- "বন্যেরা বনে সুন্দর শিশুরা মাতৃক্রোড়ে ৷"
- "মানুষ বৃদ্ধ না হইলে সুন্দর হয় না।"
- "যাহার ভাগ্যে কঠিন পাষাণ, পাষাণই তাহার অবলম্বন ।"
- "একদিন আপনার অহঙ্কারে আপনি হাসিব ।'
- "যে হারে, সেই রাগে ।"

-----------------------
• তাঁর রচিত গল্প: 
- রামেশ্বরের অদৃষ্ট,

• তাঁর রচিত প্রবন্ধ:
- যাত্রা,

• তাঁর রচিত উপন্যাস:
- কণ্ঠমালা,
- মাধবীলতা।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

১৫.
সত্যেন সেন রচিত শিশুসাহিত্য গ্রন্থ কোনটি?
  1. আবোলতাবোল
  2. ব্যাঙের সমুদ্র দেখা
  3. বহুরূপী
  4. অভিযাত্রী
সঠিক উত্তর:
অভিযাত্রী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অভিযাত্রী
ব্যাখ্যা

• 'অভিযাত্রী' সত্যেন সেন রচিত শিশুসাহিত্য গ্রন্থ। 

-------------------
• সত্যেন সেন:

- সত্যেন সেন মূলত সাহিত্যিক ও রাজনীতিবিদ ছিলেন। সত্যেন সেন ১৯০৭ সালে বিক্রমপুরের সোনারঙ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি ১৯৬৮ সালে 'উদীচী' নামে একটি সাংস্কৃতিক সংগঠন প্রতিষ্ঠা করেন।
- তিনি ১৯৭০ সালে উপন্যাসে বাংলা একাডেমি পুরস্কার লাভ করেন।

• তাঁর রচিত উপন্যাস হলো:
- ভোরের বিহঙ্গী,
- অভিশপ্ত নগরী,
- পাপের সন্তান,
- রুদ্ধদ্বার মুক্তপ্রাণ,
- অভিশপ্ত নগরী,
- পদচিহ্ন,
- আলবেরুনী,
- সাত নম্বর ওয়ার্ড ইত্যাদি।

• তাঁর রচিত ইতিহাসগ্রন্থ হলো:
- মহাবিদ্রোহের কাহিনী,
- প্রতিরোধ সংগ্রামে বাংলাদেশ,
- বাংলাদেশের কৃষকের সংগ্রাম ইত্যাদি।

• তাঁর রচিত শিশুসাহিত্য গ্রন্থ:
- পাতাবাহার,
- অভিযাত্রী ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
-----------------
• সুকুমার রায়ের শিশুতোষ সাহিত্য গুলো হলো
- আবোলতাবোল,
- হ-য-ব-র-ল,
- পাগলা দাশু,
- বহুরূপী,
- ব্যাঙের সমুদ্র দেখা,
- খাইখাই ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

১৬.
বাংলা ভাষার নিজস্ব বাগ্‌ধারা ও ধ্বনি সহযোগে নতুন ছন্দসৃষ্টি করেছেন কোন কবি?
  1. সুকুমার রায়
  2. সমর সেন
  3. সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত
  4. সুধীন্দ্রনাথ দত্ত
সঠিক উত্তর:
সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত
ব্যাখ্যা

•  সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত:
- কবি ও ছান্দসিক সত্যেন্দ্রনাথ দত্তের জন্ম কলকাতার নিকটবর্তী নিমতা গ্রামে ১৮৮২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারীতে।
- পিতা রজনীনাথ দত্ত ছিলেন কলকাতার বিশিষ্ট ব্যবসায়ী এবং পিতামহ  অক্ষয়কুমার দত্ত ছিলেন ‘তত্ত্ববোধিনী’ পত্রিকার সম্পাদক।
- সত্যেন্দ্রনাথ ছিলেন ভারতী পত্রিকাগোষ্ঠীর অন্যতম বিশিষ্ট কবি।
- প্রথম জীবনে তিনি  মাইকেল মধুসূদন দত্ত, দেবেন্দ্রনাথ সেন, অক্ষয়কুমার বড়াল প্রমুখের দ্বারা প্রভাবিত হন। পরে রবীন্দ্রানুসারী হলেও তিনি কবিস্বভাবে হয়ে ওঠেন স্বতন্ত্র।
- তিনি নানাবিধ ছন্দোনির্মাণ ও ছন্দ উদ্ভাবনে বিশেষ পারদর্শী ছিলেন।  বাংলা ভাষার নিজস্ব বাগ্‌ধারা ও ধ্বনি সহযোগে নতুন ছন্দসৃষ্টি তাঁর কবিপ্রতিভার মৌলিক কীর্তি। এজন্য তিনি ‘ছন্দের জাদুকর’ ও ‘ছন্দোরাজ’ নামে সাধারণ্যে পরিচিত।
- ১৯১৮ সালে ভারতী পত্রিকার বৈশাখ সংখ্যায়  ছন্দ সম্পর্কিত তাঁর প্রসিদ্ধ রচনা ‘ছন্দ-সরস্বতী’ প্রকাশিত হয়। বাংলা শব্দের সঙ্গে আরবি-ফারসি শব্দের সমন্বিত ব্যবহার দ্বারা বাংলা কাব্যভাষার শক্তি বৃদ্ধির প্রাথমিক কৃতিত্ব তাঁরই।
- সত্যেন্দ্রনাথ একাধিক ছদ্মনামে কাব্যচর্চা করতেন, যেমন নবকুমার, কবিরত্ন, অশীতিপর শর্মা, ত্রিবিক্রম বর্মণ, কলমগীর ইত্যাদি।

তাঁর উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থগুলো হলো:
- সবিতা,
- সন্ধিক্ষণ,
- বেণু ও বীণা,
- কুহু ও কেকা,
- অভ্র-আবীর,
- হসন্তিকা,
- বেলা শেষের গান,
- বিদায়-আরতি,
- কাব্য সঞ্চয়ন ইত্যাদি।

তাঁর রচিত অনুবাদকাব্য:
- তীর্থ রেণু,
- মণি মঞ্জুষা।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

১৭.
'বন্দর থেকে বন্দরে' সানাউল হক রচিত কোন দেশের ভ্রমণকাহিনি ভিত্তিক গ্রন্থ?
  1. অস্ট্রেলিয়া
  2. প্যারিস 
  3. লন্ডন
  4. আফগানিস্তান 
সঠিক উত্তর:
অস্ট্রেলিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অস্ট্রেলিয়া
ব্যাখ্যা

• 'বন্দর থেকে বন্দরে' সানাউল হক রচিত (১৯৬৪) অস্ট্রেলিয়ার ভ্রমণ-কাহিনিটি বেশ খ্যাতি লাভ করেছে।

-----------------------
• সানাউল হক:

- সানাউল হক ছিলেন কবি, অনুবাদক, সংস্কৃতিকর্মী, সংগঠক, শিক্ষাবিদ। জন্ম ব্রাহ্মণবাড়ীয়া জেলার চাউরা গ্রামে, ১৯২৪ সালের ২৩ মে।
- সানাউল হকের প্রকৃত নাম আল মামুন সানাউল হক।
- চল্লিশের দশকের একজন খ্যাতিমান কবি হিসেবে সানাউল হক পরিচিতি লাভ করেন। 
- তাঁর মামা মোতাহের হোসেন চৌধুরী ছিলেন কবি ও লেখক। তাঁর সান্নিধ্য ও উৎসাহে সানাউল হক সাহিত্যচর্চায় অনুপ্রাণিত হন।

সানাউল হকের সাহিত্যকর্মগুলো হলো-
• নদী ও মানুষের কবিতা (১৯৫৬), সম্ভবা অনন্য (১৯৬২), সূর্য অন্যতর (১৯৬৩), বিচূর্ণ আর্শিতে (১৯৬৮), একটি ইচ্ছা সহস্র পালে (১৯৭৩), কাল সমকাল (১৯৭৫) প্রভৃতি কাব্যগ্রন্থে সানাউল হক মানবজীবন ও জগতের ছবি আঁকার চেষ্টা করেছেন। 

• তাঁর কবিতায় তাঁর ব্যক্তিত্বকে প্রত্যক্ষ করা যায়, যেখানে তিনি সমস্যা ও সম্ভাবনায় কখনও আশাহত, কখনও আনন্দিত। এরূপ কিছু কাব্যগ্রন্থ হলো- মধ্যে পদ্মিনী শঙ্খিনী (১৯৭৬), প্রবাসে যখন (১৯৮১), বিরাশির কবিতা (১৯৮২), উত্তীর্ণ পঞ্চাশ (১৯৮৪ প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য।

উৎস: বাংলাপিডিয়া। 

১৮.
মাসিক ‘সমকাল' পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা-সম্পাদক ছিলেন-
  1. শামসুদ্দীন আবুল কালাম
  2. সিকান্দার আবু জাফর 
  3. শামসুজ্জামান খান
  4. সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী
সঠিক উত্তর:
সিকান্দার আবু জাফর 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিকান্দার আবু জাফর 
ব্যাখ্যা

• মাসিক ‘সমকাল' পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা-সম্পাদক ছিলেন সিকান্দার আবু জাফর। 

‘সমকাল' পত্রিকা:

- সিকান্দার আবু জাফর সম্পাদিত ১৯৫৭ খ্রিষ্টাব্দে ঢাকা থেকে প্রকাশিত মাসিক সাহিত্যপত্র ‘সমকাল'।
- এর সহকারী সম্পাদক ছিলেন হাসান হাফিজুর রহমান। তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান, আজকের বাংলাদেশের আধুনিক সাহিত্যের বীজতলা নির্মাণে ‘সমকালে’র ভূমিকা অনস্বীকার্য।
- পঞ্চাশ ও ষাটের দশকের বাংলাদেশের বাঙালি উল্লেখযােগ্য লেখকদের মধ্যে এমন কেউ নেই যিনি 'সমকালে' লেখেন নি। 'সমকালে' লেখা ছিল গর্বের।
- সম্পাদক সিকান্দার আবু জাফর একজন সংগঠকের মতাে বাংলাদেশের বাঙালি লেখকদের বিনির্মাণে ‘সমকাল' পত্রিকা নিয়ে এগিয়ে এসেছিলেন।
- 'সমকাল' ছাড়াও তিনি দৈনিক ইত্তেফাক (সহযোগী সম্পাদক) ও দৈনিক মিল্লাত (সহযোগী সম্পাদক) পত্রিকার সাথে যুক্ত ছিলেন।

--------------------------
• সিকান্দার আবু জাফর:
- তাঁর পূর্ণ নাম সৈয়দ আল্ হাশেমী আবু জাফর মুহম্মদ বখ্ত সিকান্দার।
- ১৯১৯ সালের ১৯ মার্চ সাতক্ষীরা জেলার তেঁতুলিয়া গ্রামে তাঁর জন্ম।
- তিনি মাসিক সমকাল পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা-সম্পাদক (১৯৫৭-১৯৭০) ছিলেন।

• তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- প্রসন্ন শহর।
- তিমিরান্তিক।
- বৈরী বৃষ্টিতে।
- বৃশ্চিক-লগ্ন।

• তাঁর রচিত নাটক:
- সিরাজ-উদ-দৌলা।
- মহাকবি আলাউল।
- শকুন্ত উপাখ্যান।

• তাঁর রচিত উপন্যাস:
- মাটি আর অশ্রু।
- জয়ের পথে।
- নবী কাহিনী।
- পূরবী।

• তাঁর কয়েকটি অনূদিত গ্রন্থ:
- যাদুর কলস।
- সেন্ট লুইয়ের সেতু।
- রুবাইয়াৎ:ওমর খৈয়াম ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

১৯.
'বাতাসে লাশের গন্ধ' কবিতার রচয়িতা কে?
  1. রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ
  2. শহীদুল্লা কায়সার
  3. শওকত আলী
  4. শামসুর রাহমান
সঠিক উত্তর:
রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ
ব্যাখ্যা

বিখ্যাত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক কবিতা 'বাতাসে লাশের গন্ধ' রচনা করেন ' রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ'।

রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ ইতিহাস-সচেতন কবি। ‘বাতাসে লাশের গন্ধ’ কবিতায় তিনি যখন বলেন:

‘আজো আমি বাতাসে লাশের গন্ধ পাই,
আজো আমি মাটিতে মৃত্যুর নগ্ননৃত্য দেখি,
ধর্ষিতার কাতর চিৎকার শুনি আজো আমি তন্দ্রার ভেতরে—
এ—দেশ কি ভুলে গেছে সেই দুঃস্বপ্নের রাত, সেই রক্তাক্ত সময়?’

তখন তাঁর কবিস্বরূপ আপনাতেই ধরা পড়ে। তাঁর এ সংগ্রামী চেতনা পাঠককে বর্তমানের নৈরাশ্য থেকে আশান্বিত করে তোলে ভবিষ্যতের দিকে।

---------------------------
• রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ:
- রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ প্রতিবাদী কবি হিসেবে খ্যাত। তিনি ১৯৫৬ সালের ১৬ অক্টোবর বরিশালে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পৈতৃক নিবাস বাগেরহাট জেলার মংলা থানার অন্তর্গত সাহেবের মেঠ গ্রাম।
- তাঁর প্রকৃত নাম শেখ মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ ; ‘রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ' নামটি তিনি নিজে গ্রহণ করেন।
- ছাত্রজীবনেই তাঁর দুটি কাব্যগ্রন্থ 'উপদ্রুত উপকূল' (১৯৭৯) ও 'ফিরে চাই স্বর্ণগ্রাম' (১৯৮১) প্রকাশিত হয়।
তাঁর কবিতায় বৈষম্যহীন সমাজ প্রতিষ্ঠার আকাঙ্ক্ষা প্রতিফলিত হয়েছে।
- সাহিত্য-সাধনার স্বীকৃতিস্বরূপ ১৯৮০ সালে তিনি ‘মুনীর চৌধুরী স্মৃতিপুরস্কার' লাভ করেন।
- ১৯৯১ সালের ২১ জুন ঢাকায় তাঁর মৃত্যু হয়।

তাঁর রচিত অন্যান্য কাব্যগ্রন্থ :
- ছোবল,
- মানুষের মানচিত্র
- দিয়েছিলে সকল আকাশ,
- মৌলিক মুখোশ,
- একগ্লাস অন্ধকার,
- উপদ্রুত উপকূলইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা ও বাংলাপিডিয়া।

২০.
স্বর্ণকুমারী দেবী দীর্ঘ ত্রিশ বছর কোন পত্রিকার সম্পাদনার সাথে যুক্ত ছিলেন?
  1. বলাকা 
  2. সাধনা
  3. ভারতী
  4. বঙ্গদর্শন 
সঠিক উত্তর:
ভারতী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভারতী
ব্যাখ্যা

• স্বর্ণকুমারী দেবী:
- স্বর্ণকুমারী দেবী ছিলেন কবি, নাট্যকার, সাংবাদিক ও সমাজকর্মী। তিনি ১৮৫৫ সালের ২৮শে আগস্ট জোড়াসাকোঁর ঠাকুর পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।
- স্বর্ণকুমারী দেবী দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর এর দশম সন্তান এবং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এর ভগ্নী। 
- তিনি আধুনিক বাংলা সাহিত্যের প্রথম মহিলা ঔপন্যাসিক ।
- ছোটবেলা থেকেই স্বর্ণকুমারী সাহিত্যের ক্ষেত্রে প্রতিভার ছাপ রাখেন এবং জোড়াসাঁকোর সাংস্কৃতিক পরিমন্ডল ও সাহিত্য কর্মকান্ডে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন।
- স্বর্ণকুমারী দেবী দীর্ঘ ত্রিশ বছর মাসিক 'ভারতী' পত্রিকার লেখক ও সম্পাদক হিসেবে খ্যাতি লাভ করেন। 
- জাতীয়তাবাদী রাজনীতি ও সমাজ সংস্কারে সক্রিয় স্বর্ণকুমারী দেবী বিধবা ও দরিদ্র নারীদের সাহায্যার্থে ’সখী সমিতি’ নামে একটি সংগঠন প্রতিষ্ঠায় সহায়তা করেন।
- ১৯২৭ সালে তিনি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক ’জগত্তারিণী স্বর্ণ পদকে’ ভূষিত হন। 
- ১৯২৯ সালে তিনি বঙ্গীয় সাহিত্য সম্মেলনের সভাপতিত্ব করেন।

• তাঁর রচিত উপন্যাস:
- দীপ নির্বাণ, 
- মেবার রাজ, 
- মালতী, 
- বিদ্রোহ, 
- বিচিত্রা, 
- স্বপ্নবাণী, 
- মিলনরাত্রি।

• তাঁর রচিত নাটক:
- বসন্ত উৎসব, 
- দেব কৌতুক।

• তাঁর রচিত কাব্য:
- গাথা, 
- কবিতা ও গান।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

২১.
হরপ্রসাদ শাস্ত্রী কোন বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক ডি.লিট উপাধি লাভ করেন? 
  1. কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়
  2. বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়
  3. চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়
  4. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
সঠিক উত্তর:
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যাখ্যা

• হরপ্রসাদ শাস্ত্রী:
- হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ছিলেন প্রাচ্যবিদ্যা বিশারদ এবং সংস্কৃতের পণ্ডিত।
- হরপ্রসাদ ভট্টাচার্য (শাস্ত্রী)-র জন্ম ৬ ডিসেম্বর, ১৮৫৩ সালে নৈহাটি, পশ্চিমবঙ্গে। এ পরিবারের আদি নিবাস ছিল খুলনা জেলার কুমিরা গ্রামে।
- তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা ও সংস্কৃত বিভাগের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ছিলেন।
- তিনি বাংলা ভাষার প্রথমগ্রন্থ 'চর্যাপদ' নেপালের রাজদরবার গ্রন্থাগার থেকে উদ্ধার করেন।
- তিনি ১৮৯৮-তে 'মহামহোপাধ্যায় এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক ডি.লিট (১৯২৭) উপাধি লাভ করেন।
- ১৯৩১ সালের ১৭ নভেম্বর তাঁর মৃত্যু হয়।

তাঁর রচিত উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ:
- বাল্মীকির জয়,
- মেঘদূত,
- কাঞ্চন মালা (উপন্যাস),
- হাজার বছরের পুরান বাঙ্গালা ভাষার বৌদ্ধগান ও দোহা,
- বেণের মেয়ে (উপন্যাস),
- প্রাচীন বাংলার গৌরব,
- বৌদ্ধধর্ম।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

২২.
কিশোর কবি, মাকর্সবাদী কবি এবং মানবতার কবি বলা হয় কাকে?
  1. সত্যেন সেন
  2. সুকান্ত ভট্টাচার্য
  3. সোমেন চন্দ
  4. সুধীন্দ্রনাথ দত্ত
সঠিক উত্তর:
সুকান্ত ভট্টাচার্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুকান্ত ভট্টাচার্য
ব্যাখ্যা

• সুকান্ত ভট্টাচার্য:
- 'কিশোর কবি' সুকান্ত ভট্টাচার্য ১৯২৬ জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি কিশোর কবি, মাকর্সবাদী কবি এবং মানবতার কবি।
- তাঁর কাব্যে পৃথিবীর মানুষের, শোষিত মানুষের জীবন-যন্ত্রণা, বিক্ষোভ ও বিদ্রোহের কথা উচ্চারিত হয়েছে।
- নজরুলের পরে সুকান্তের কবিতায় সবচেয়ে বেশি বিদ্রোহের বাণী লক্ষ্য করা যায়।

সুকান্ত ভট্টাচার্য রচিত কাব্যগ্রন্থগুলো:
- পূর্বাভাস,
- ঘুম নেই,
- ছাড়পত্র,
- অভিযান।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

২৩.
সুকুমার রায় গান্ধীজির অহিংসা সত্যাগ্রহ নীতির বিরোধিতা করেন কোন রচনার মাধ্যমে?
  1. আবোল তাবোল
  2. খাই খাই
  3. হযবরল
  4. পাগলা দাশু
সঠিক উত্তর:
আবোল তাবোল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আবোল তাবোল
ব্যাখ্যা

• 'আবোল তাবোল' ছড়ার সংকলন:
- 'আবোল তাবোল' সুকুমার রায়ের বিখ্যাত ননসেন্স ছড়ার সংকলন।
- এটি ১৯২৩ সালে ইউ রায় এন্ড সন্স থেকে প্রকাশিত হয়। এই সংকলনে মোট ছড়ার সংখ্যা ৫০টি, যার মধ্যে ৭টি বেনামে লেখা হয়েছে। এবং তিনি এটি বাবু সমাজ কে সমালোচনা করার জন্য লিখেছিলেন।
- এটির দ্বারা তিনি গান্ধীজির অহিংসা সত্যাগ্রহ নীতির বিরোধিতা করেন। ছোটদের উদ্দেশ্যে লেখা সুকুমার রায় কবিতাগুলির মধ্যে লুকিয়ে রয়েছে তৎকালীন সমাজ, সংস্কৃতি ও রাজনৈতিক আবহের প্রচ্ছন্ন রূপ। 

'আবোল তাবোল' ছড়ার সংকলনের গুরুত্বপূর্ণ কিছু ছড়া হলো-
- অবাক কাণ্ড
- আবোল তাবোল
- আহ্লাদী
- একুশে আইন
- কাঠবুড়ো
- কাতুকুতু বুড়ো
- কাঁদুনে
- কিম্ভূত
- কৈফিয়ত
- খিচুড়ি
- খুড়োর কল ইত্যাদি। 

----------------------
সুকুমার রায় রচিত সাহিত্যকর্মগুলো হলো:
• কবিতার বই:
- আবোল তাবোল,
- খাই খাই।

• গল্প: হযবরল।
• গল্প সংকলন: পাগলা দাশু।
• নাটক: চলচ্চিত্তচঞ্চরী।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং 'আবোল তাবোল' ছড়ার সংকলন।

২৪.
নিচের কোনটি সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় রচিত গ্রন্থ? 
  1. বাঙ্গালা ভাষার ইতিবৃত্ত
  2. ভাষা ও সাহিত্য
  3. সরল ভাষা প্রকাশ বাঙ্গালা ব্যাকরণ
  4. বাঙ্গালা ব্যাকরণ
সঠিক উত্তর:
সরল ভাষা প্রকাশ বাঙ্গালা ব্যাকরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরল ভাষা প্রকাশ বাঙ্গালা ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা

• ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় রচিত "ভাষা-প্রকাশ বাঙ্গালা ব্যাকরণ" (১৯৩৯) আধুনিক বাংলা ব্যাকরণের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও প্রামাণ্য গ্রন্থ, যা সাধারণ মানুষের ব্যবহারের জন্য সরল ভাষায় রচিত।

• সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়:

- তিনি ছিলেন বাংলা ভাষার শ্রেষ্ঠ ভাষাবিজ্ঞানী। ১৮৯০ সালের ২৬ অক্টোবর পশ্চিমবঙ্গের হাওড়া জেলার শিবপুরে তাঁর জন্ম। 
- ভাষা বিষয়ে সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের বিখ্যাত গ্রন্থ হলো ‘অরিজিন এণ্ড ডেভেলপমেন্ট অফ বেঙ্গলি ল্যাঙ্গুয়েজ’।
- শেষের কবিতা উপন্যাসে সুনীতিকুমারের স্বীকৃতি আছে।
- ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়কে 'ভাষাচার্য' উপাধি দেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।
- ১৯৭৭ সালের ২৯ মে কলকাতায় তাঁর মৃত্যু হয়। 

তাঁর রচিত বিখ্যাত গ্রন্থ:
- বেঙ্গলি ফোনেটিক রিডার্স,
- বাংলা ভাষাতত্ত্বের ভূমিকা,
- সরল ভাষা প্রকাশ বাঙ্গালা ব্যাকরণ,
- ল্যাঙ্গুয়েজ এণ্ড লিটারেচর অফ মডার্ন ইন্ডিয়া।

অন্যদিকে, 
• ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্ রচিত গ্রন্থ- বাঙ্গালা ভাষার ইতিবৃত্ত, ভাষা ও সাহিত্য, বাঙ্গালা ব্যাকরণ। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

২৫.
'আমার সাক্ষ্য' আত্মজীবনী গ্রন্থটি কার রচনা?
  1. সানাউল হক
  2. সৈয়দ আলী আহসান
  3. সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজী
  4. সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
সঠিক উত্তর:
সৈয়দ আলী আহসান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সৈয়দ আলী আহসান
ব্যাখ্যা

• সৈয়দ আলী আহসান এর আত্মজীবনী - আমার সাক্ষ্য।

---------------------
• সৈয়দ আলী আহসান:
- তিনি মূলত শিক্ষাবিদ ও সাহিত্যিক ছিলেন। তিনি ১৯২২ সালের ২৬শে মার্চ মাগুরা জেলার আলোকদিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। 
- ১৯৩৭ সালে আর্মানীটোলা স্কুলে অধ্যয়নকালে স্কুল ম্যাগাজিনে সৈয়দ আলী আহসানের ‘The Rose’ নামে একটি ইংরেজি কবিতা প্রকাশিত হয়।
- রাজশাহী ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
-  ১৯৬৭ সালে তিনি কবিতার জন্য বাংলা একাডেমি পুরস্কার, ১৯৮৩ সালে একুশে পদক এবং ১৯৮৭ সালে স্বাধীনতা পদক লাভ করেন।
- ২০০২ সালের ২৫ জুলাই তাঁর বর্ণাঢ্য কর্মময় জীবনের অবসান ঘটে।

• তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- অনেক আকাশ,
- একক সন্ধ্যায় বসন্ত,
- সহসা সচকিত,
- উচ্চারণ,
- আমার প্রতিদিনের শব্দ,
- সমুদ্রেই যাবো।

• তাঁর রচিত প্রবন্ধ-গবেষণাগ্রন্থ:
- কবিতার কথা,
- নজরুল ইসলাম,
- রবীন্দ্র কাব্যবিচারের ভূমিকা,
- কবিতার কথা ও অন্যান্য বিবেচনা,
- বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস,
- পদ্মাবতী।

• তাঁর রচিত আত্মজীবনী:
- আমার সাক্ষ্য।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

২৬.
শাসন ব্যবস্থায় ডিজিটাল পদ্ধতির প্রয়োগকে কী বলে?
  1. E-Learning
  2. E-Service
  3. E-Governance
  4. E-Commerce
সঠিক উত্তর:
E-Governance
উত্তর
সঠিক উত্তর:
E-Governance
ব্যাখ্যা

• Quick Revision:
- E-Governance = Electronic Governance,
- মূল উদ্দেশ্য: সরকারি সেবা ডিজিটাল করা,
- মাধ্যম: ইন্টারনেট, মোবাইল, এসএমএস,
- উদাহরণ: অনলাইন ফলাফল, অনলাইন ভর্তি।

• ই-গভর্নেন্স (E-Governance):
- ই-গভর্নেন্স-এর পূর্ণরূপ হলো ইলেকট্রনিক গভর্নেন্স (Electronic Governance)।
- এটি এমন একটি পদ্ধতি বা ব্যবস্থা, যার মাধ্যমে সরকারের কার্যক্রম ইলেকট্রনিক বা ডিজিটাইজড আকারে রূপান্তর করা হয়।
- ই-গভর্নেন্সের মাধ্যমে জনগণের সঙ্গে সরকারের সরাসরি যোগাযোগ স্থাপন করা সম্ভব হয়।
- ডিজিটাইজড ইনফরমেশন ও তথ্যপ্রযুক্তির বিভিন্ন মাধ্যম ব্যবহার করে বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠান সেবা প্রদান করে।

• ই-গভর্নেন্সের প্রয়োগক্ষেত্র:
- সরকারি কার্যক্রম ও প্রক্রিয়ায় ডিজিটাল পদ্ধতির প্রয়োগই ই-গভর্নেন্সের মূল লক্ষ্য।
- অতীতে পাবলিক পরীক্ষার ফলাফল বিশেষ করে এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফল সংগ্রহ করা ছিল সময়সাপেক্ষ ও কষ্টসাধ্য।
- বর্তমানে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির কল্যাণে পরীক্ষার ফল প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গে ইন্টারনেট বা মোবাইল ফোনের এসএমএসের মাধ্যমে ফলাফল জানা যায়।
- এখন পরীক্ষার ফল পুনঃমূল্যায়নের জন্যও অনলাইনে আবেদন করা যায় এবং ফলাফল অনলাইনে পাওয়া যায়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২৭.
ই-পর্চা সেবা বলতে কী বোঝায়?
  1. জমি বা ভূমি সংক্রান্ত তথ্য অনলাইনে সংগ্রহের সেবা
  2. জমি ক্রয়-বিক্রয়ের অনলাইন ব্যবস্থা
  3. ভূমি উন্নয়ন কর আদায়ের পদ্ধতি
  4. ভূমি জরিপ পরিচালনার ডিজিটাল পদ্ধতি
সঠিক উত্তর:
জমি বা ভূমি সংক্রান্ত তথ্য অনলাইনে সংগ্রহের সেবা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জমি বা ভূমি সংক্রান্ত তথ্য অনলাইনে সংগ্রহের সেবা
ব্যাখ্যা

• ই-পর্চা সেবা বলতে জমি বা ভূমি সংক্রান্ত তথ্য অনলাইনে সংগ্রহের সেবা।

• ই-পর্চা সেবা:

- ই-পর্চা সেবা হলো জমি বা ভূমি সংক্রান্ত যেকোনো তথ্য দ্রুত ও সহজে অনলাইনের মাধ্যমে সংগ্রহ করার একটি ডিজিটাল ব্যবস্থা।
- পূর্বে জমির রেকর্ড সংগ্রহ করতে সরাসরি ভূমি বা জমি রেজিস্ট্রি অফিসে যেতে হতো, যা ছিল সময়সাপেক্ষ, ব্যয়বহুল এবং ঝামেলাপূর্ণ।
- এই জটিলতা ও ভোগান্তি কমানোর জন্য বর্তমানে চালু করা হয়েছে ই-পর্চা সেবা।
- ই-পর্চা সেবার মাধ্যমে দেশের সকল জমির রেকর্ড অনলাইনে সংরক্ষণ করা হচ্ছে।
- এর ফলে নাগরিকরা অনলাইনের মাধ্যমে সহজেই জমির রেকর্ডের কপি বা পর্চা সংগ্রহ করতে পারছেন।
- বর্তমানে ই-পর্চা সেবার আওতায় আবেদনকারীরা জেলা ও উপজেলা ভূমি অফিস, ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার অথবা ই-সেবা কেন্দ্রের মাধ্যমে অনলাইনে আবেদন করতে পারেন।
- নির্দিষ্ট ফি প্রদান করে দেশ-বিদেশের যেকোনো স্থান থেকে অনলাইনের মাধ্যমে ই-পর্চা সংগ্রহ করা সম্ভব।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২৮.
ফেসবুক প্রতিষ্ঠিত হয়-
  1. ২০০৪ সালের ৪ জানুয়ারি
  2. ২০০৬ সালের ১৪ জানুয়ারি
  3. ২০০৪ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি
  4. ২০০৬ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি
সঠিক উত্তর:
২০০৪ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০৪ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি
ব্যাখ্যা

• Quick Revision:
- Facebook: সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম,
- Founder: Mark Zuckerberg,
- Established: February 4, 2004,
- Website: www.facebook.com,
- Uses: যোগাযোগ, শেয়ারিং, বিজ্ঞাপন, অনলাইন ব্যবসা।

• ফেসবুক (Facebook):
- ফেসবুক একটি সামাজিক যোগাযোগব্যবস্থার জনপ্রিয় ওয়েবসাইট, যেখানে ব্যবহারকারীরা বন্ধু তৈরি করতে পারে এবং বার্তা, সংবাদ, ছবি, অডিও ও ভিডিও আদান-প্রদান, আপলোড ও ডাউনলোড করতে পারে।
- ফেসবুকের ওয়েব ঠিকানা হলো: www.facebook.com ।
- ফেসবুক প্রতিষ্ঠিত হয় ২০০৪ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি। এটি মার্ক জুকারবার্গ ও তার কয়েকজন বন্ধু পরীক্ষামূলকভাবে তৈরি করেন।
- পরবর্তীতে ফেসবুক সারা বিশ্বে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে এবং বিপুল জনপ্রিয়তা অর্জন করে।
- বর্তমানে বিশ্বের প্রায় সব দেশেই ফেসবুকের ব্যবহার রয়েছে।
- ব্যবহারকারীরা ফেসবুকের মাধ্যমে বন্ধুদের সাথে যোগাযোগ, বার্তা পাঠানো, ব্যক্তিগত মতামত প্রকাশ এবং ছবি, ভিডিও ও বিভিন্ন কনটেন্ট শেয়ার করতে পারে।
- ফেসবুকে ব্যক্তি ছাড়াও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান তাদের নিজস্ব পেজ তৈরি করতে পারে।
- প্রতিষ্ঠানগুলো ফেসবুক পেজের মাধ্যমে বিজ্ঞাপন প্রচার, পণ্য বিপণন এবং অনলাইন ব্যবসা পরিচালনা করতে পারে।
- বর্তমানে বিশ্বজুড়ে প্রায় ২০০ কোটির বেশি ফেসবুক ব্যবহারকারী রয়েছে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২৯.
ইন্টারনেট শব্দের পূর্ণরূপ কোনটি?
  1. Internal Network
  2. Inter Connected Networks
  3. International Network
  4. Integrated Network
সঠিক উত্তর:
Inter Connected Networks
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Inter Connected Networks
ব্যাখ্যা

• ইন্টারনেট হলো বহু নেটওয়ার্কের সমন্বয়ে গঠিত একটি ব্যবস্থা, তাই এর পূর্ণরূপ Inter Connected Networks.

• ইন্টারনেট:

- ইন্টারনেট শব্দের পূর্ণরূপ হলো ইন্টারকানেক্টেড নেটওয়ার্ক (Inter Connected Networks)।
- অন্য কথায়, নেটওয়ার্কের নেটওয়ার্কই হলো ইন্টারনেট।
- বিশ্বের বিভিন্ন কম্পিউটার নেটওয়ার্ককে একত্রে আন্তঃসংযোগের মাধ্যমে যুক্ত করার বৈশ্বিক মাধ্যমকে ইন্টারনেট (Internet) বলা হয়।

• ইন্টারনেটের মাধ্যমে প্রাপ্ত প্রধান সুবিধাসমূহ:

- ইন্টারনেটের মাধ্যমে বিশ্বের যেকোনো স্থানে দ্রুত তথ্য আদান-প্রদান করা যায়।
- ইন্টারনেট ব্যবহার করে মুহূর্তের মধ্যে বিশ্বের যেকোনো প্রান্তে ই-মেইল পাঠানো ও গ্রহণ করা যায়।
- ইন্টারনেটের মাধ্যমে ফ্যাক্স সুবিধা পাওয়া যায়।
- VOIP-এর মাধ্যমে ইন্টারনেট ব্যবহার করে খুব কম খরচে বিশ্বের যেকোনো প্রান্তে কথা বলা যায়।
- ইন্টারনেট টিভি ও ইন্টারনেট রেডিও চালু থাকায় ঘরে বসেই কম্পিউটারের মাধ্যমে বিভিন্ন টেলিভিশন ও রেডিও চ্যানেল উপভোগ করা যায়।
- বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের সফটওয়্যার, ফ্রিওয়্যার ও বিভিন্ন উপকরণ ইন্টারনেট থেকে ডাউনলোড করা যায়।
- ঘরে বসেই বিশ্বের বিভিন্ন দেশের পত্রিকা পড়া সম্ভব।
- ইন্টারনেট ব্যবহার করে ই-কমার্সের মাধ্যমে ঘরে বসেই পণ্য ক্রয়-বিক্রয় করা যায়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩০.
মার্শাল ম্যাকলুহান কোন গ্রন্থে প্রথম ‘গ্লোবাল ভিলেজ’ ধারণা উপস্থাপন করেন?
  1. Understanding Media
  2. The Medium is the Message
  3. Digital Civilization
  4. The Gutenberg Galaxy
সঠিক উত্তর:
The Gutenberg Galaxy
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The Gutenberg Galaxy
ব্যাখ্যা

• ১৯৬২ সালে প্রকাশিত ‘The Gutenberg Galaxy: The Making of Typographic Man’ গ্রন্থে ম্যাকলুহান প্রথম গ্লোবাল ভিলেজ ধারণা দেন।

• মার্শাল ম্যাকলুহান (Marshall McLuhan):

- কানাডার টরন্টো বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক ও বিখ্যাত দার্শনিক মার্শাল ম্যাকলুহান সর্বপ্রথম ‘গ্লোবাল ভিলেজ’ বা ‘বৈশ্বিক গ্রাম’ ধারণাটি ব্যবহার করেন।
- তিনি ১৯১১ সালের ২১ জুলাই জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৯৮০ সালের ৩১ ডিসেম্বর মৃত্যুবরণ করেন।
- ১৯৬২ সালে প্রকাশিত তাঁর গ্রন্থ ‘The Gutenberg Galaxy: The Making of Typographic Man’–এ প্রথম গ্লোবাল ভিলেজের ধারণা উপস্থাপন করেন।
- পরবর্তীতে ১৯৬৪ সালে প্রকাশিত ‘Understanding Media’ গ্রন্থে তিনি এই ধারণাটি আরও বিস্তৃতভাবে ব্যাখ্যা করেন।
- তাঁর মতে, ইলেকট্রনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে পুরো বিশ্বকে একটি গ্রামে পরিণত করাই হলো গ্লোবাল ভিলেজ, যার ফলে পৃথিবীর যেকোনো প্রান্তের মানুষের সঙ্গে মুহূর্তের মধ্যেই যোগাযোগ করতে পারবে।
- এখানে ইলেকট্রনিক প্রযুক্তি বলতে মূলত ইন্টারনেট ও আধুনিক যোগাযোগ মাধ্যমকে বোঝানো হয়েছে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩১.
চিকিৎসা শিক্ষায় ভার্চুয়াল রিয়েলিটি ব্যবহারের সবচেয়ে বড় সুবিধা কোনটি?
  1. রোগীর ওপর সরাসরি পরীক্ষা
  2. বাস্তব ঝুঁকি ছাড়াই বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জন
  3. চিকিৎসকের সংখ্যা কমানো
  4. হাসপাতালের খরচ বৃদ্ধি
সঠিক উত্তর:
বাস্তব ঝুঁকি ছাড়াই বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাস্তব ঝুঁকি ছাড়াই বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জন
ব্যাখ্যা

• ভার্চুয়াল রিয়েলিটির মাধ্যমে শিক্ষানবীশ চিকিৎসকরা রোগীর ক্ষতি না করেই বাস্তব অস্ত্রোপচারের মতো অভিজ্ঞতা অর্জন করতে পারে।

• চিকিৎসা ক্ষেত্রে ভার্চুয়াল রিয়েলিটির ব্যবহার:

- চিকিৎসাবিজ্ঞানের বিভিন্ন ক্ষেত্রে বর্তমানে ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (Virtual Reality) ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটির মাধ্যমে চিকিৎসা প্রক্রিয়ায় সম্ভাব্য ভুল ও ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস করা সম্ভব হচ্ছে।
- উন্নত বিশ্বে চিকিৎসকদের আধুনিক মানের প্রশিক্ষণ প্রদানে ভার্চুয়াল রিয়েলিটি একটি কার্যকর মাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।
- শিক্ষানবীশ সার্জনদের জন্য অভিজ্ঞতা অর্জনের অন্যতম প্রধান উপায় হলো অভিজ্ঞ সার্জনের তত্ত্বাবধানে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করা।
- এ ক্ষেত্রে নতুন চিকিৎসকরা ভার্চুয়াল রিয়েলিটিকে একটি মেডিক্যাল ট্রেনিং টুল হিসেবে সহজেই ব্যবহার করতে পারে।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটির সাহায্যে শিক্ষানবীশ চিকিৎসকরা অপারেশন থিয়েটারে রোগীর ওপর বাস্তব অস্ত্রোপচারের মতোই বাস্তবিক অনুভূতি ও অভিজ্ঞতা অর্জন করতে পারে।
- ভার্চুয়াল অপারেটিং কক্ষে শিক্ষার্থীরা কৌশলগত দক্ষতা, অপারেশন পদ্ধতি এবং রোগ সম্পর্কিত তাত্ত্বিক বিষয়ের কার্যপ্রণালি অনুশীলনের সুযোগ পায়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩২.
নিম্নের কোনটি মানুষের মতো নির্দিষ্ট কাজ করতে সক্ষম রোবটের উদাহরণ?
  1. সুপার কম্পিউটার
  2. মুরাতা বয়
  3. ডেস্কটপ কম্পিউটার
  4. সার্ভার কম্পিউটার
সঠিক উত্তর:
মুরাতা বয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুরাতা বয়
ব্যাখ্যা

• জাপানের মুরাতা কোম্পানির মুরাতা বয় একটি উন্নত রোবট, যা মানুষের মতো নির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনে সক্ষম।
- অন্যান্য অপশনগুলো কম্পিউটারভিত্তিক সিস্টেম, রোবট নয়।


• রোবটিক্স (Robotics):
- কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত যে যন্ত্র মানুষের মতো কাজ করতে সক্ষম, তাকে রোবট (Robot) বলা হয়।
- যে প্রযুক্তি শাখায় রোবটের নকশা, গঠন, নিয়ন্ত্রণ ও কার্যপ্রণালি নিয়ে আলোচনা করা হয়, তাকে রোবটিক্স (Robotics) বলা হয়।

• রোবটিক্স প্রযুক্তির বৈশিষ্ট্যসমূহ:
- রোবটিক্স প্রযুক্তির মাধ্যমে রোবটের দর্শন ক্ষমতা, স্পর্শ ক্ষমতা, হাত ও পায়ের সঠিক পরিচালনা, চলাচলের ক্ষমতা এবং শারীরিক মুভমেন্ট বিকশিত হয়েছে।
- রোবটিক্স প্রযুক্তির উন্নয়নের ধারা ক্রমাগত অব্যাহত রয়েছে।

• রোবটের সক্ষমতা ও সীমাবদ্ধতা:
- রোবট অত্যন্ত দ্রুতগামী, ক্লান্তিহীন ও নিখুঁত কর্মক্ষম যন্ত্র।
- রোবটের সাহায্যে মানুষের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ বা প্রতিকূল পরিবেশে কাজ করা সম্ভব।
- তবে রোবট তৈরি করা একটি ব্যয়বহুল ও শ্রমসাধ্য প্রক্রিয়া।

• উল্লেখযোগ্য রোবটের উদাহরণ:
- জাপানের মুরাতা কোম্পানির “মুরাতা বয়”,
- হোন্ডা কোম্পানির “আসিমো”,
- সনি কর্পোরেশনের “আইবো”—
 এই রোবটগুলো মানুষের মতো নির্দিষ্ট কিছু কাজ দক্ষতার সঙ্গে সম্পাদন করতে সক্ষম।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩৩.
নিম্নের কোনটি দেহের গঠন ও শারীরবৃত্তীয় বৈশিষ্ট্যভিত্তিক বায়োমেট্রিক পদ্ধতি?
  1. ভয়েস রিকগনিশন
  2. সিগনেচার ভেরিফিকেশন
  3. ফিঙ্গারপ্রিন্ট
  4. কীস্ট্রোক ভেরিফিকেশন
সঠিক উত্তর:
ফিঙ্গারপ্রিন্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফিঙ্গারপ্রিন্ট
ব্যাখ্যা

• ফিঙ্গারপ্রিন্ট মানুষের শারীরবৃত্তীয় বৈশিষ্ট্যের ওপর ভিত্তি করে কাজ করে।

• বায়োমেট্রিক্স (Biometrics):
- গ্রিক শব্দ “Bio” অর্থ জীবন এবং “Metron” অর্থ পরিমাপ—এই দুইটি শব্দ থেকে Biometrics শব্দের উৎপত্তি।
- বায়োমেট্রিক্স হলো এমন একটি পদ্ধতি, যার মাধ্যমে কোনো ব্যক্তির দেহের গঠনগত ও আচরণগত বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে তাকে অদ্বিতীয়ভাবে সনাক্ত বা চিহ্নিত করা যায়।
- কম্পিউটার বিজ্ঞানে বায়োমেট্রিক পদ্ধতি ব্যক্তি সনাক্তকরণ এবং কোনো সিস্টেমে প্রবেশাধিকার নিয়ন্ত্রণের কৌশল হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

• বায়োমেট্রিক পদ্ধতির প্রকারভেদ:
 - দেহের গঠন ও আচরণগত বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে বায়োমেট্রিক পদ্ধতি প্রধানত দুই প্রকার—

• ক. দেহের গঠন ও শারীরবৃত্তীয় বৈশিষ্ট্যভিত্তিক বায়োমেট্রিক পদ্ধতি:
- ফিঙ্গারপ্রিন্ট (Fingerprint),
- হ্যান্ড জিওমেট্রি (Hand Geometry),
- আইরিস ও রেটিনা স্ক্যান (Iris and Retina Scan),
- ফেস রিকগনিশন (Face Recognition),
- ডিএনএ টেস্ট (DNA Test).

• খ. আচরণগত বৈশিষ্ট্যভিত্তিক বায়োমেট্রিক পদ্ধতি:
- ভয়েস রিকগনিশন (Voice Recognition),
- সিগনেচার ভেরিফিকেশন (Signature Verification),
- টাইপিং কীস্ট্রোক ভেরিফিকেশন (Keystroke Verification).

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩৪.
কম্পিউটার ডাটা কমিউনিকেশনে কার্ড রিডার বা প্রিন্টারের মতো স্বল্পগতির ইনপুট–আউটপুট ডিভাইসে সাধারণত কোন ব্যান্ডউইডথ ব্যবহৃত হয়?
  1. ন্যারো ব্যান্ড
  2. ভয়েস ব্যান্ড
  3. ব্রড ব্যান্ড
  4. স্যাটেলাইট ব্যান্ড 
সঠিক উত্তর:
ভয়েস ব্যান্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভয়েস ব্যান্ড
ব্যাখ্যা

• কম্পিউটার ডাটা কমিউনিকেশনে প্রিন্টার বা কার্ড রিডারের ক্ষেত্রে ভয়েস ব্যান্ড ব্যবহৃত হয়।

• ব্যান্ডউইডথ (Bandwidth):
- এক স্থান থেকে অন্য স্থানে অথবা এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে ডাটা স্থানান্তরের হারকে ডাটা ট্রান্সমিশন স্পিড (Data Transmission Speed) বলা হয়।
- এই ডাটা ট্রান্সমিশন স্পিডকেই অনেক সময় ব্যান্ডউইডথ (Bandwidth) বলা হয়।
- ব্যান্ডউইডথ সাধারণত বিট পার সেকেন্ড (Bit Per Second – bps) এককে পরিমাপ করা হয়।
- অর্থাৎ প্রতি সেকেন্ডে যত পরিমাণ বিট ট্রান্সমিট করা হয়, তাকে bps বা ব্যান্ডউইডথ বলা হয়।

• ডাটা ট্রান্সফার গতির ভিত্তিতে ব্যান্ডউইডথের প্রকারভেদ:
 - ডাটা স্থানান্তরের গতির উপর ভিত্তি করে ব্যান্ডউইডথকে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা যায়—

• ১. ন্যারো ব্যান্ড (Narrow Band):
- ন্যারো ব্যান্ডের ডাটা স্থানান্তর গতি সাধারণত ৪৫ bps থেকে ৩০০ bps পর্যন্ত হয়ে থাকে।
- এই ডাটা ট্রান্সমিশন গতিকে ন্যারো ব্যান্ড বা সাব-ভয়েস ব্যান্ড (Sub Voice Band) বলা হয়।
- এটি ধীরগতির ডাটা স্থানান্তরের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।
- উদাহরণ: টেলিগ্রাফিতে ন্যারো ব্যান্ড ব্যবহৃত হয়।

• ২. ভয়েস ব্যান্ড (Voice Band):
- ভয়েস ব্যান্ডের ডাটা স্থানান্তর গতি সাধারণত ৯৬০০ bps পর্যন্ত হয়ে থাকে।
- এটি প্রধানত টেলিফোন যোগাযোগে ব্যবহৃত হয়।
- এছাড়া কম্পিউটার ডাটা কমিউনিকেশনে—
- কম্পিউটার থেকে প্রিন্টারে ডাটা স্থানান্তর,
- কার্ড রিডার থেকে কম্পিউটারে ডাটা স্থানান্তরের ক্ষেত্রেও
- এই ব্যান্ডউইডথ ব্যবহৃত হয়।

• ৩. ব্রড ব্যান্ড (Broad Band):
- ব্রড ব্যান্ড হলো উচ্চগতিসম্পন্ন ডাটা স্থানান্তর ব্যান্ডউইডথ।
- এর ডাটা স্থানান্তর গতি সাধারণত কমপক্ষে ১ মেগাবিট পার সেকেন্ড (Mbps) থেকে শুরু করে অত্যন্ত উচ্চ গতি পর্যন্ত হয়ে থাকে।
- সাধারণত কো-এক্সিয়াল ক্যাবল এবং অপটিক্যাল ফাইবারে ডাটা স্থানান্তরের ক্ষেত্রে ব্রড ব্যান্ড ব্যবহৃত হয়।
- এছাড়া স্যাটেলাইট কমিউনিকেশন ও মাইক্রোওয়েভ কমিউনিকেশনেও ব্রড ব্যান্ড ব্যবহার করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩৫.
গ্রুপভিত্তিক ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের ক্ষেত্রে কোন ডাটা ডেলিভারি পদ্ধতি সবচেয়ে উপযুক্ত?
  1. ইউনিকাস্ট
  2. ব্রডকাস্ট
  3. মাল্টিকাস্ট
  4. উপরের কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
মাল্টিকাস্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাল্টিকাস্ট
ব্যাখ্যা

• মাল্টিকাস্ট মোডে শুধুমাত্র নির্দিষ্ট গ্রুপের অনুমোদিত সদস্যরা ডাটা গ্রহণ করতে পারে, যা ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের জন্য উপযুক্ত।

• ডাটা ট্রান্সমিশন মোড (Data Transmission Mode):

- ডাটা কমিউনিকেশন ব্যবস্থায় একটি প্রেরক (Sender) থেকে এক বা একাধিক প্রাপক (Receiver)–এর কাছে ডাটা প্রেরণ করা হয়।
- প্রাপকের সংখ্যা এবং ডাটা গ্রহণের অধিকারের ভিত্তিতে ডাটা ট্রান্সমিশন মোডকে প্রধানত তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়।
 
• ডাটা ট্রান্সমিশন মোডের প্রকারভেদ:

১. ইউনিকাস্ট (Unicast)
২. ব্রডকাস্ট (Broadcast)
৩. মাল্টিকাস্ট (Multicast)
 
• ১. ইউনিকাস্ট (Unicast):

- ইউনিকাস্ট পদ্ধতিতে একটি প্রেরক থেকে শুধুমাত্র একটি প্রাপক ডাটা গ্রহণ করতে পারে।
- একই সময়ে একাধিক প্রাপক ডাটা গ্রহণ করতে পারে না।
- এ কারণে সিমপ্লেক্স (Simplex), হাফ-ডুপ্লেক্স (Half Duplex) ও ফুল-ডুপ্লেক্স (Full Duplex) মোডকে ইউনিকাস্ট মোডও বলা হয়।
 
• ২. ব্রডকাস্ট (Broadcast):

- ব্রডকাস্ট মোডে কোনো একটি যন্ত্র (কম্পিউটার বা অন্যান্য ডিভাইস) থেকে ডাটা প্রেরণ করলে তা নেটওয়ার্কের অধীনস্থ সকল যন্ত্র গ্রহণ করতে পারে।
- অর্থাৎ প্রেরিত ডাটা সবার জন্য উন্মুক্ত থাকে।
- উদাহরণ: টেলিভিশন সম্প্রচার কেন্দ্রে কোনো অনুষ্ঠান বা মুভি সম্প্রচার করলে নেটওয়ার্কভুক্ত সকল দর্শক তা গ্রহণ ও উপভোগ করতে পারে।
 
• ৩. মাল্টিকাস্ট (Multicast):

- মাল্টিকাস্ট মোড অনেকটা ব্রডকাস্ট মোডের মতো হলেও এদের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য রয়েছে।
- মাল্টিকাস্টে একটি প্রেরক থেকে ডাটা প্রেরণ করলে নেটওয়ার্কের সকল নোড তা গ্রহণ করতে পারে না।
- শুধুমাত্র নির্দিষ্ট একটি গ্রুপের সদস্যরাই ডাটা গ্রহণ করতে পারে।
- উদাহরণ: ভিডিও কনফারেন্সিং ব্যবস্থায় শুধুমাত্র অনুমোদিত সদস্যরাই অংশগ্রহণ ও ডাটা গ্রহণ করতে পারে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩৬.
WiMAX–এর পূর্ণরূপ কোনটি? 
  1. Wireless Microwave Access
  2. Worldwide Interoperability for Microwave Access
  3. World Internet Microwave Access
  4. Wireless Interconnection for Mobile Access 
সঠিক উত্তর:
Worldwide Interoperability for Microwave Access
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Worldwide Interoperability for Microwave Access
ব্যাখ্যা

• Quick Revision:
- WiMAX Full form: Worldwide Interoperability for Microwave Access,
- IEEE: 802.16,
- Nature: Wireless broadband,
- Coverage: Wide area,
- Use: Internet + Telecommunication.

• ওয়াইম্যাক্স (WiMAX):

- ওয়াইম্যাক্স (WiMAX)–এর পূর্ণরূপ হলো Worldwide Interoperability for Microwave Access।
- ওয়াইম্যাক্স প্রযুক্তির IEEE মান (Standard) হলো IEEE 802.16।
- “WiMAX” নামটি প্রদান করে WiMAX Forum, যা ২০০১ সালের জুন মাসে গঠিত হয়।
- ওয়াইম্যাক্স প্রযুক্তির মাধ্যমে উচ্চগতির ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবা তারবিহীন (Wireless) পদ্ধতিতে বিস্তৃত এলাকাজুড়ে প্রদান করা যায়।
- এর মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা বৃহৎ ভৌগোলিক এলাকায় সহজেই ইন্টারনেট অ্যাকসেস সুবিধা পায়।
 
• ওয়াইম্যাক্সের সুবিধাসমূহ:

- ওয়াইম্যাক্সের মাধ্যমে ওয়াই-ফাই হটস্পটে ইন্টারনেট সেবা প্রদান করা যায়।
- ক্যাবল ও DSL-এর বিকল্প হিসেবে তারবিহীন উপায়ে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট অ্যাকসেস করা সম্ভব।
- প্রত্যন্ত অঞ্চলেও ওয়াইম্যাক্সের মাধ্যমে ইন্টারনেট সেবা প্রদান করা যায়, এমনকি যেখানে টেলিফোন সংযোগ পৌঁছায়নি সেখানেও।
- ওয়াইম্যাক্স প্রযুক্তির মাধ্যমে তথ্য ও টেলিযোগাযোগ সেবা একসাথে প্রদান করা যায়।
- এটি নিরাপদ (Secure) ইন্টারনেট সংযোগ সুবিধা প্রদান করে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩৭.
বর্তমান বিশ্বে বহুল পরিচিত দুটি মৌলিক সেলুলার ফোন প্রযুক্তি কোনগুলো? 
  1. GSM ও CDMA
  2. WiFi ও WiMAX
  3. Bluetooth ও NFC
  4. LTE ও 5G
সঠিক উত্তর:
GSM ও CDMA
উত্তর
সঠিক উত্তর:
GSM ও CDMA
ব্যাখ্যা

• GSM ও CDMA হলো বিশ্বব্যাপী ব্যবহৃত দুটি প্রধান মৌলিক সেলুলার ফোন প্রযুক্তি।

• WiFi ও WiMAX মূলত তারবিহীন ইন্টারনেট অ্যাকসেস প্রযুক্তি, সেলুলার ফোন প্রযুক্তি নয়।
• Bluetooth ও NFC স্বল্প দূরত্বের ডাটা আদান-প্রদানের প্রযুক্তি।
• LTE ও 5G হলো উন্নত প্রজন্মের মোবাইল নেটওয়ার্ক প্রযুক্তি, মৌলিক সেলুলার প্রযুক্তি নয়।

• জিএসএম (GSM) ও সিডিএমএ (CDMA):

- GSM ও CDMA বর্তমান বিশ্বে বহুল পরিচিত দুটি মৌলিক সেলুলার ফোন প্রযুক্তি।
 
• জিএসএম (GSM):

- GSM প্রযুক্তির যাত্রা শুরু হয় আশির দশকে (1980s).
- প্রথমদিকে GSM–এর পূর্ণরূপ ছিল Group Special Mobile.
- পরবর্তীতে ১৯৯১ সালে, GSM কনসোর্টিয়ামের মাধ্যমে এর নতুন সংজ্ঞা নির্ধারিত হয়—
- Global System for Mobile Communication।
- এই নতুন সংজ্ঞার পর GSM প্রযুক্তি বিশ্বব্যাপী ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করে।
 
• সিডিএমএ (CDMA):

- CDMA হলো একটি Advanced Digital Technology.
- এই প্রযুক্তিটি আবিষ্কার করে আমেরিকান ওয়্যারলেস যোগাযোগ গবেষণা ও উন্নয়ন প্রতিষ্ঠান Qualcomm.
- CDMA প্রযুক্তিতে ইউনিক কোডিং সিস্টেম ব্যবহার করে ডাটা আদান-প্রদান করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩৮.
জাপানের কোন টেলিকমিউনিকেশন প্রতিষ্ঠান ১৯৭৯ সালে সেলুলার টেলিফোন উৎপাদন শুরু করে?
  1. Panasonic
  2. Toshiba
  3. NTT
  4. Sony
সঠিক উত্তর:
NTT
উত্তর
সঠিক উত্তর:
NTT
ব্যাখ্যা

• NTT → Nippon Telegraph and Telephone জাপানের বৃহৎ টেলিকমিউনিকেশন প্রতিষ্ঠান, যা ১৯৭৯ সালে সেলুলার টেলিফোন উৎপাদন শুরু করে।

• প্রথম প্রজন্ম (First Generation – 1G) : ১৯৫০–১৯৮৯

- প্রথম প্রজন্মের মোবাইল ফোন ১৯৭৩ সালে অ্যানালগ সিস্টেম এবং পোর্টেবল ডিভাইসের উপর ভিত্তি করে তৈরি হয়।
- এই প্রযুক্তির আবির্ভাবের মাধ্যমে মোবাইল কমিউনিকেশনে একটি যুগান্তকারী পরিবর্তন সাধিত হয়।
- ১৯৭৯ সালে, এশিয়ার অন্যতম বৃহৎ টেলিকমিউনিকেশন কোম্পানি জাপানের NTT (Nippon Telegraph and Telephone) সেলুলার টেলিফোন উৎপাদন শুরু করে।
- ১৯৮০ সালের শুরুর দিকে, কানাডা, যুক্তরাষ্ট্র ও মেক্সিকোতে সেলুলার টেলিফোনের সীমিত ব্যবহার শুরু হয়।
- ১৯৮১ সালে, NMT (Nordic Mobile Telephone) প্রযুক্তির মাধ্যমে ডেনমার্ক, ফিনল্যান্ড, নরওয়ে ও সুইডেনে আন্তর্জাতিক রোমিং সুবিধাসহ প্রথম প্রজন্মের মোবাইল নেটওয়ার্কের বিস্তার ঘটে।
 
• প্রথম প্রজন্মের মোবাইল সিস্টেমের উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্যসমূহ:

- নেটওয়ার্কে রেডিও সিগন্যাল হিসেবে অ্যানালগ সিস্টেমের ব্যবহার।
- সেমিকন্ডাক্টর প্রযুক্তির ব্যবহার।
- অপেক্ষাকৃত কম ফ্রিকোয়েন্সি ব্যান্ডের ব্যবহার।
- মাইক্রোপ্রসেসরের ব্যবহার।
- ছোট ও হালকা আকারের মোবাইল ফোনের ব্যবহার।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩৯.
মোবাইল ফোনে ইন্টারনেট ব্যবহারের জন্য কোন প্রযুক্তিটি ব্যবহৃত হয়?
  1. WAP
  2. FTP
  3. HTTP
  4. SMTP
সঠিক উত্তর:
WAP
উত্তর
সঠিক উত্তর:
WAP
ব্যাখ্যা

• WAP → Wireless Application Protocol; মোবাইল ফোনে তারবিহীনভাবে ইন্টারনেট ব্যবহারের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- FTP → ফাইল আদান-প্রদানের প্রোটোকল; মোবাইল ইন্টারনেট অ্যাকসেস প্রযুক্তি নয়।
- HTTP → ওয়েব পেজ ট্রান্সফারের প্রোটোকল; মোবাইল নেটওয়ার্কে ইন্টারনেট সংযোগ স্থাপনের প্রযুক্তি নয়।
- SMTP → ই-মেইল প্রেরণের প্রোটোকল; ইন্টারনেট সংযোগ প্রযুক্তি নয়।

• মোবাইল ইন্টারনেট (Mobile Internet):

- GPRS ও EDGE প্রযুক্তি ব্যবহার করে মোবাইল ফোনে ইন্টারনেট ব্যবহারের ব্যবস্থাকেই মোবাইল ইন্টারনেট বলা হয়।
- মোবাইল ফোনে ইন্টারনেট ব্যবহারের জন্য WAP (Wireless Application Protocol) প্রযুক্তিও ব্যবহৃত হয়।
- এ কারণে মোবাইল ফোনে ইন্টারনেট সংযোগের জন্য কোনো ধরনের ক্যাবল বা মডেমের প্রয়োজন হয় না।
- WAP প্রযুক্তির মাধ্যমে মোবাইল ফোন ব্যবহার করে দ্রুত ইন্টারনেট ব্রাউজিং করা সম্ভব।
- এর সাহায্যে ই-মেইল আদান-প্রদান, ই-ব্যাংকিং, ই-কমার্সসহ বিভিন্ন অনলাইন কার্যাবলি সহজে সম্পাদন করা যায়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪০.
কোন প্রতিষ্ঠান ২০০৬ সালে বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিং সেবা চালু করে?
  1. IBM
  2. Google
  3. Microsoft
  4. Amazon Web Services
সঠিক উত্তর:
Amazon Web Services
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Amazon Web Services
ব্যাখ্যা

• Amazon Web Services → ২০০৬ সালে বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিং সেবা (AWS) চালু করে, যা আধুনিক ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের সূচনা করে।

• ক্লাউড কম্পিউটিং (Cloud Computing): ইতিহাস ও ধারণা:

- ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের ইতিহাসের সূচনা হয় ১৯৬০–এর দশকে।
- ২০০৬ সালে, বিশ্ববিখ্যাত Amazon Web Services (AWS) বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিং সেবা চালু করে।
- ২০১০ সালে, The Rackspace Cloud এবং NASA যৌথভাবে উন্মুক্ত Application Programming Interface (API) চালু করে।
- এর ফলে ক্লাউড কম্পিউটিং ধীরে ধীরে সাধারণ মানুষের নাগালের মধ্যে চলে আসে।
 
• NIST অনুযায়ী ক্লাউড কম্পিউটিং-এর সংজ্ঞা:

- যুক্তরাষ্ট্রের National Institute of Standards and Technology (NIST)–এর মতে, ক্লাউড কম্পিউটিং হলো এমন একটি মডেল যেখানে
গ্রাহকের তথ্য ও বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশন সেবাদাতার সিস্টেমে আউটসোর্স করা হয়, এবং এই মডেলে নির্দিষ্ট কিছু বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান থাকে।
 
• ক্লাউড কম্পিউটিং-এর প্রধান বৈশিষ্ট্যসমূহ (NIST):

• ১. রিসোর্স স্কেলেবিলিটি (Resource Scalability):

- গ্রাহকের চাহিদা ছোট বা বড় যাই হোক না কেন, সব ধরনের প্রয়োজন পূরণ করা যায়।
- গ্রাহক যত বেশি সেবা চায়, সেবাদাতা তত বেশি পরিমাণে রিসোর্স সরবরাহ করতে পারে।

• ২. অন-ডিমান্ড (On-Demand):

- গ্রাহক যখন চাইবে, তখনই সেবা গ্রহণ করতে পারে।
- গ্রাহক তার প্রয়োজন অনুযায়ী যেকোনো সময় সেবার পরিমাণ বাড়াতে বা কমাতে পারে।

• ৩. পে-অ্যাজ-ইউ-গো (Pay-as-you-go):

- এটি একটি ব্যবহারভিত্তিক পেমেন্ট মডেল।
- গ্রাহককে আগে থেকে কোনো সার্ভিস রিজার্ভ করতে হয় না।
- গ্রাহক যতটুকু সেবা ব্যবহার করবে, শুধুমাত্র ততটুকুর জন্যই অর্থ প্রদান করবে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪১.
নিম্নের কোনটি একটি প্রোগ্রামিং ভাষা?
  1. Windows
  2. MS Word
  3. HTML
  4. Python
সঠিক উত্তর:
Python
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Python
ব্যাখ্যা

• Python → একটি পূর্ণাঙ্গ উচ্চতর প্রোগ্রামিং ভাষা, সমস্যা সমাধানে ব্যবহৃত হয়।
- Windows → এটি একটি অপারেটিং সিস্টেম; প্রোগ্রামিং ভাষা নয়।
- MS Word → এটি একটি ওয়ার্ড প্রসেসিং সফটওয়্যার; প্রোগ্রামিং ভাষা নয়।
- HTML → এটি একটি মার্কআপ ভাষা; প্রোগ্রামিং ভাষা নয়।

• প্রোগ্রামিং ভাষা (Programming Language):

- কম্পিউটার ব্যবহার করে কোনো সমস্যা সমাধানের জন্য যে সকল ভাষা ব্যবহার করে প্রোগ্রাম রচনা করা হয়, সে সকল ভাষাকে প্রোগ্রামিং ভাষা বলা হয়।
- উদাহরণ: C, C++, Visual Basic, Java, Oracle, Algol, Fortran, Python ইত্যাদি।
 
• প্রোগ্রামিং ভাষার ইতিহাস ও শ্রেণিবিভাগ:

- ১৯৪৫ সাল থেকে এ যাবৎ বহু প্রোগ্রামিং ভাষার উদ্ভব হয়েছে।
- বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে প্রোগ্রামিং ভাষাগুলোকে প্রধানত পাঁচটি স্তর বা প্রজন্মে ভাগ করা যায়।
 
• প্রোগ্রামিং ভাষার প্রজন্মসমূহ:

• ১. প্রথম প্রজন্মের ভাষা (1945): মেশিন ভাষা (Machine Language)
• ২. দ্বিতীয় প্রজন্মের ভাষা (1950): অ্যাসেম্বলি ভাষা (Assembly Language)
• ৩. তৃতীয় প্রজন্মের ভাষা (1960): উচ্চতর ভাষা (High Level Language)
• ৪. চতুর্থ প্রজন্মের ভাষা (1970): অতি উচ্চতর ভাষা (Very High Level Language)
• ৫. পঞ্চম প্রজন্মের ভাষা (1980): স্বাভাবিক বা ন্যাচারাল ভাষা (Natural Language)
 
• লো-লেভেল ও হাই-লেভেল ভাষা:

- মেশিন ভাষা ও অ্যাসেম্বলি ভাষা–কে লো-লেভেল ভাষা বলা হয়।
- কারণ, এ ভাষাগুলো কম্পিউটারের নিজস্ব ভাষা অর্থাৎ ০ ও ১ (বাইনারি)–এর খুব কাছাকাছি।
- অন্যদিকে, হাই-লেভেল বা উচ্চতর ভাষা মানুষের ভাষার কাছাকাছি, যেমন—ইংরেজি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

৪২.
কম্পিউটার সরাসরি কোন ভাষা বুঝতে পারে? 
  1. C
  2. Java
  3. Python
  4. Machine Language
সঠিক উত্তর:
Machine Language
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Machine Language
ব্যাখ্যা

কম্পিউটার কেবলমাত্র মেশিন ভাষার বাইনারি নির্দেশনাই সরাসরি বুঝে ও কার্যনির্বাহ করতে পারে।

- C একটি উচ্চস্তরের ভাষা; কম্পিউটার সরাসরি বুঝতে পারে না।
-  জাভা ভার্চুয়াল মেশিন ও অনুবাদকের মাধ্যমে মেশিন ভাষায় রূপান্তরিত হয়।
- পাইথন ইন্টারপ্রেটেড উচ্চস্তরের ভাষা; সরাসরি মেশিন ভাষা নয়।

• মেশিন ভাষা:
- কম্পিউটারের সবচেয়ে নিম্নস্তরের ভাষা হলো মেশিন ভাষা।
- কম্পিউটারের নিজস্ব ভাষাকেই মেশিন ভাষা বা নিম্নস্তরের ভাষা বলা হয়।
- এটি কম্পিউটারের মৌলিক ও প্রাথমিক ভাষা।

• লেখার পদ্ধতি:
- মেশিন ভাষায় সকল নির্দেশনা বাইনারি সংখ্যা (০, ১), অথবা কখনো হেক্সাডেসিম্যাল পদ্ধতি, ব্যবহার করে প্রকাশ করা হয়।

• বোঝার সক্ষমতা:
- কম্পিউটার শুধুমাত্র মেশিন ভাষাই সরাসরি বুঝতে পারে।
- অন্য কোনো ভাষায় প্রোগ্রাম লেখা হলে, কার্যনির্বাহের আগে উপযুক্ত অনুবাদক (Translator), এর মাধ্যমে সেটিকে মেশিন ভাষায় রূপান্তর করা হয়।

• অভ্যন্তরীণ কার্যনির্বাহ:
- কম্পিউটারের অভ্যন্তরীণ কার্যনির্বাহে ব্যবহৃত বিদ্যুৎ তরঙ্গের পারস্পরিক ক্রিয়া–প্রতিক্রিয়ার সাথে মেশিন ভাষার সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে।

• জটিলতা ও বৈশিষ্ট্য:
- শুধুমাত্র ০ ও ১ ব্যবহার করে প্রোগ্রাম লেখা অত্যন্ত জটিল ও শ্রমসাধ্য, হওয়ায় এই ভাষাকে লো-লেভেল ল্যাঙ্গুয়েজ (Low-level Language) বা নিম্নস্তরের ভাষা বলা হয়।


উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।  

৪৩.
উচ্চ স্তরের ভাষা কোন ধরনের ভাষা?
  1. সংকেতনির্ভর ভাষা
  2. সাংকেতিক কোডনির্ভর ভাষা
  3. মানুষের ভাষার মতো ভাষা
  4. শুধুমাত্র মেশিন বোঝে এমন ভাষা 
সঠিক উত্তর:
মানুষের ভাষার মতো ভাষা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মানুষের ভাষার মতো ভাষা
ব্যাখ্যা

• উচ্চ স্তরের ভাষা মানুষের ভাষার মতো হওয়ায় এটি সহজবোধ্য ও ব্যবহারবান্ধব।

• উচ্চ স্তরের ভাষা (High Level Language):

- হাই-লেভেল বা উচ্চ স্তরের ভাষা কোনো সংকেত বা সাংকেতিক কোডনির্ভর নয়।
এই ভাষাগুলো মানুষের ভাষার সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ, যেমন—ইংরেজি ভাষা।
 
• লো-লেভেল ভাষার সীমাবদ্ধতা:

- মেশিন ভাষা বা অ্যাসেম্বলি ভাষার একটি বড় অসুবিধা হলো—
- এক ধরনের কম্পিউটারের জন্য লেখা প্রোগ্রাম অন্য ধরনের কম্পিউটারে সরাসরি ব্যবহার করা যায় না।
- এসব ভাষায় প্রোগ্রাম লেখা অত্যন্ত কষ্টকর ও শ্রমসাধ্য।
- সাধারণ মানুষের পক্ষে লো-লেভেল ভাষা বোঝা সহজ নয়।
 
• উচ্চ স্তরের ভাষার উদ্ভবের কারণ:

- লো-লেভেল ভাষার উল্লিখিত সীমাবদ্ধতাগুলো দূর করার জন্য উচ্চ স্তরের ভাষার উদ্ভব হয়।
- উচ্চ স্তরের ভাষায় লেখা প্রোগ্রাম বিভিন্ন ধরনের মেশিনে ব্যবহার করা সম্ভব, অর্থাৎ এগুলো তুলনামূলকভাবে মেশিন-স্বাধীন (Machine Independent)।
 
• উচ্চ স্তরের ভাষার বৈশিষ্ট্য:

- মানুষের ভাষার কাঠামোর সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
- প্রোগ্রাম লেখা, বোঝা ও রক্ষণাবেক্ষণ করা সহজ।
 
• উচ্চ স্তরের ভাষার উদাহরণ:

- BASIC,
- COBOL,
- FORTRAN,
- PASCAL,
- C++,
- JAVA,
- PROLOG ইত্যাদি।
 
• কম্পাইলার ও ইন্টারপ্রেটারের ভূমিকা:

- উচ্চ স্তরের ভাষায় লেখা প্রোগ্রাম সরাসরি কম্পিউটার বুঝতে পারে না।
- এজন্য Compiler বা Interpreter নামক প্রোগ্রামের মাধ্যমে এসব প্রোগ্রামকে মেশিন ভাষায় অনুবাদ করা হয়।
- অনুবাদের পর কম্পিউটার উক্ত প্রোগ্রাম নির্বিঘ্নে বুঝতে ও চালাতে পারে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪৪.
IBM নিচের কোনটি নামে পরিচিত?
  1. Big Tech
  2. Blue Chip
  3. Big Blue
  4. Crack Tech
সঠিক উত্তর:
Big Blue
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Big Blue
ব্যাখ্যা

• IBM-কে দীর্ঘদিন ধরে তার কর্পোরেট পরিচিতি ও নীল রঙের প্রতীকের কারণে Big Blue বলা হয়।

আইবিএম (IBM):

- IBM একটি আমেরিকান বহুজাতিক প্রযুক্তি কোম্পানি।
- IBM এর পুরো নাম International Business Machines
- Corporation. ১৯১১ সালে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- IBM কে Big Blue (বিগ ব্লু) বলা হয়।
- IBM এর সদর দপ্তর আরমংক, নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত।
- IBM এর নির্বাহী পরিচালকের (CEO) নাম হল অরবিন্দ কৃষ্ণ।
- IBM এর তৈরিকৃত প্রথম কম্পিউটার- IBM 5150.

উৎস: আইবিএম ওয়েবসাইট।

৪৫.
সি (C) ভাষাটি কোন প্রতিষ্ঠানে তৈরি করা হয়?
  1. মাইক্রোসফট
  2. অ্যাপল
  3. আইবিএম
  4. বেল ল্যাবস 
সঠিক উত্তর:
বেল ল্যাবস 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেল ল্যাবস 
ব্যাখ্যা

• ডেনিস রিচি বেল ল্যাবসে ১৯৭২ সালে সি (C) প্রোগ্রামিং ভাষা তৈরি করেন।

• সি (C) প্রোগ্রামিং ভাষা:

- সি একটি সাধারণভাবে ব্যবহৃত, অত্যন্ত জনপ্রিয় প্রোগ্রামিং ভাষা। এটি একটি উচ্চ স্তরের (High-level) হলেও কাঠামোগত (Structured) প্রোগ্রামিং ভাষা হিসেবে পরিচিত।

• উদ্ভব ও প্রণেতা:
- সি ভাষাটি ১৯৭২ সালে, ডেনিস রিচি (Dennis Ritchie) বেল ল্যাবসে (Bell Labs) তৈরি করেন।

• ভাষাগত বৈশিষ্ট্য:
- সি ভাষা জানা থাকলে কম্পিউটারের অন্যান্য অনেক ভাষা শেখা তুলনামূলকভাবে সহজ হয়।
- এই ভাষার মাধ্যমে অপারেটিং সিস্টেম, কম্পাইলার, ডিভাইস ড্রাইভার এবং ইন্টারপ্রেটার সহ বিভিন্ন সিস্টেম সফটওয়্যার তৈরি করা যায়।

• কার্যকারিতা ও ব্যবহারযোগ্যতা:
- সি একটি দক্ষ ও শক্তিশালী প্রোগ্রামিং ভাষা, যা হার্ডওয়্যারের সাথে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতে সক্ষম।
- এতে কোড ছোট ছোট অংশে ভাগ করে লিখে, সেগুলো সমন্বয় করে একটি জটিল ও কার্যকর প্রোগ্রাম তৈরি করা যায়।

• গুরুত্ব:
- উচ্চ কর্মক্ষমতা, পোর্টেবিলিটি এবং নিয়ন্ত্রণক্ষমতার কারণে সি ভাষা এখনো প্রোগ্রামিং জগতে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও ভিত্তিমূলক ভাষা হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

উৎস: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি।

৪৬.
কোন অনুবাদক প্রোগ্রাম পুরো প্রোগ্রাম একসাথে অনুবাদ করে?
  1. ইন্টারপ্রেটার
  2. কম্পাইলার
  3. এডিটর
  4. অ্যাসেম্বলার
সঠিক উত্তর:
কম্পাইলার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কম্পাইলার
ব্যাখ্যা

• কম্পাইলার সম্পূর্ণ প্রোগ্রামটি একবারে পরীক্ষা করে মেশিন কোডে অনুবাদ করে।
→ ইন্টারপ্রেটার লাইন বাই লাইন বা স্টেটমেন্ট বাই স্টেটমেন্ট অনুবাদ করে।
→ অ্যাসেম্বলার শুধু অ্যাসেম্বলি ভাষাকে মেশিন কোডে অনুবাদ করে।
→ এডিটর কোড লেখার ও সম্পাদনার জন্য ব্যবহৃত হয়, অনুবাদক প্রোগ্রাম নয়। 

• অনুবাদক প্রোগ্রাম (Translator Program):
- বর্তমানে ব্যবহৃত প্রোগ্রামিং ভাষাগুলোর মধ্যে সব ভাষা সরাসরি মেশিন ভাষা নয়।
- যে প্রোগ্রামিং ভাষায় প্রোগ্রাম লেখা হয়, কম্পিউটার তা সরাসরি বুঝতে পারে না।

- এজন্য প্রোগ্রামকে কার্যনির্বাহের আগে মেশিন ভাষায় রূপান্তর করা প্রয়োজন।
-যে প্রোগ্রামের মাধ্যমে উচ্চ স্তরের বা অ্যাসেম্বলি ভাষার প্রোগ্রামকে মেশিন ভাষায় অনুবাদ করা হয়, তাকে অনুবাদক প্রোগ্রাম (Translator Program) বলা হয়।
 
• অ্যাসেম্বলার (Assembler):

- অ্যাসেম্বলি ভাষায় লেখা প্রোগ্রামকে মেশিন কোডে অনুবাদ করার জন্য যে অনুবাদক প্রোগ্রাম ব্যবহৃত হয়, তাকে অ্যাসেম্বলার বলা হয়।
- এটি অ্যাসেম্বলি ভাষা ও মেশিন ভাষার মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে।
 
• উচ্চ স্তরের ভাষার অনুবাদক:

- উচ্চ স্তরের ভাষাকে সরাসরি মেশিন কোডে রূপান্তর করার জন্য দুই ধরনের অনুবাদক ব্যবহৃত হয়।
- যথা— কম্পাইলার (Compiler) এবং ইন্টারপ্রেটার (Interpreter)।
- প্রতিটি উচ্চ স্তরের প্রোগ্রামিং ভাষার জন্য নির্দিষ্ট কম্পাইলার বা ইন্টারপ্রেটার প্রয়োজন হয়।
 
• কম্পাইলার (Compiler):

- কম্পাইলার সম্পূর্ণ প্রোগ্রামটি একসাথে পরীক্ষা করে এবং মেশিন কোডে অনুবাদ করে।
- প্রোগ্রামে কোনো Syntax Error থাকলে, তা প্রোগ্রাম চালানোর আগেই শনাক্ত করে।
- একবার কম্পাইল সফল হলে, প্রোগ্রামটি পরবর্তীতে বারবার চালানো যায়।
তাই বড় ও জটিল প্রোগ্রামের ক্ষেত্রে কম্পাইলার ব্যবহার তুলনামূলকভাবে কার্যকর।
 
• ইন্টারপ্রেটার (Interpreter):

- ইন্টারপ্রেটার প্রোগ্রামকে লাইন বাই লাইন বা স্টেটমেন্ট বাই স্টেটমেন্ট অনুবাদ করে।
- প্রতিটি লাইনের অনুবাদের পর সাথে সাথে সেই লাইনটি কার্যনির্বাহ করা হয়।
- প্রোগ্রামে কোনো ত্রুটি থাকলে, ত্রুটিযুক্ত লাইনে পৌঁছালে অনুবাদ বন্ধ হয়ে যায়।
- ইন্টারপ্রেটারের ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ প্রোগ্রাম একবারে অনুবাদ না হওয়ায় গতি তুলনামূলকভাবে কম হয়, তবে ত্রুটি নির্ণয় সহজ হয়।
 
উৎস: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি।

৪৭.
কোন ক্লাউড মডেলে সার্ভার, স্টোরেজ ও নেটওয়ার্কিং ভাড়া দেওয়া হয়?
  1. NaaS
  2. PaaS
  3. SaaS
  4. IaaS
সঠিক উত্তর:
IaaS
উত্তর
সঠিক উত্তর:
IaaS
ব্যাখ্যা

• IaaS (Infrastructure as a Service)→ IaaS মডেলে সার্ভার, স্টোরেজ ও নেটওয়ার্কিংসহ ভার্চুয়াল অবকাঠামো ভাড়া দেওয়া হয়।
- NaaS (Network as a Service) → NaaS কেবল নেটওয়ার্ক-সংক্রান্ত পরিষেবা প্রদান করে, সম্পূর্ণ অবকাঠামো নয়।
- PaaS (Platform as a Service)→ PaaS মডেলে অ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপমেন্টের জন্য প্ল্যাটফর্ম সরবরাহ করা হয়, অবকাঠামো নয়।
- SaaS (Software as a Service)→ SaaS মডেলে ব্যবহারকারী সরাসরি সফটওয়্যার ব্যবহার করে, অবকাঠামো ভাড়া দেওয়া হয় না।

• ক্লাউড কম্পিউটিং ও এর সুবিধা:

- ক্লাউড কম্পিউটিং এমন একটি প্রযুক্তি, যেখানে ব্যবহারকারীরা ইন্টারনেটের মাধ্যমে বিভিন্ন ডেটা ও কম্পিউটিং সেবা গ্রহণ করতে পারে।
- এতে ডেটা সংরক্ষণ, সফটওয়্যার ব্যবহার এবং কম্পিউটিং শক্তি ব্যবহারের সুবিধা পাওয়া যায়।
- ক্লাউড কম্পিউটিং-এর বিভিন্ন পরিষেবাকে সাধারণত চারটি প্রধান ভাগে বিভক্ত করা হয়।
 
• ১. ইনফ্রাস্ট্রাকচার অ্যাজ আ সার্ভিস (IaaS – Infrastructure as a Service):

- এই মডেলে ভার্চুয়াল অবকাঠামো, যেমন— সার্ভার, স্টোরেজ ও নেটওয়ার্কিং, ভাড়া দেওয়া হয়।
- ব্যবহারকারী নিজে অপারেটিং সিস্টেম ও প্রয়োজনীয় সফটওয়্যার ইনস্টল ও নিয়ন্ত্রণ করতে পারে।
- উদাহরণ: Amazon EC2 (Elastic Compute Cloud), যেখানে বিভিন্ন ভার্চুয়াল মেশিন (VM) সরবরাহ করা হয়।
 
• ২. প্ল্যাটফর্ম অ্যাজ আ সার্ভিস (PaaS – Platform as a Service):

- এই মডেলে অপারেটিং সিস্টেম, প্রোগ্রামিং পরিবেশ ও ডেভেলপমেন্ট টুল একসাথে সরবরাহ করা হয়।
- এতে ব্যবহারকারী সহজেই অ্যাপ্লিকেশন তৈরি ও ডিপ্লয় করতে পারে।
- নতুন অ্যাপ ডেভেলপারদের জন্য এটি বিশেষভাবে উপযোগী।
- উদাহরণ: Microsoft Azure, Google App Engine.
 
• ৩. সফটওয়্যার অ্যাজ আ সার্ভিস (SaaS – Software as a Service):

- এই মডেলে ব্যবহারকারী সরাসরি ইন্টারনেটের মাধ্যমে সফটওয়্যার ব্যবহার করতে পারে।
- ব্যবহারকারীকে সফটওয়্যার ইনস্টল বা রক্ষণাবেক্ষণের ঝামেলা পোহাতে হয় না।
- উদাহরণ: Google Apps, Dropbox, HubSpot।
 
• ৪. নেটওয়ার্ক অ্যাজ আ সার্ভিস (NaaS – Network as a Service):

- এই মডেলে নেটওয়ার্ক-সংক্রান্ত পরিষেবা, যেমন— নেটওয়ার্ক স্থাপন ও ব্যবস্থাপনা, সরবরাহ করা হয়।
- ব্যবহারকারী ক্লাউডের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় নেটওয়ার্ক পরিষেবা গ্রহণ করতে পারে।
- উদাহরণ: Aryaka, Pertino, Smart WAN, VPN (Secure Virtual Private Network) পরিষেবা।
 
• ক্লাউড কম্পিউটিং-এর অতিরিক্ত সুবিধাসমূহ:

- স্কেলযোগ্যতা: প্রয়োজন অনুযায়ী সহজেই সেবা বাড়ানো বা কমানো যায়।
- খরচ-সাশ্রয়ী: প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যবহার করায় অতিরিক্ত খরচ কম হয়।
- সহজ ব্যবহার: ব্যবহারকারী সহজে বিভিন্ন সেবা গ্রহণ করতে পারে।
- ব্যবসায়িক সুবিধা: নতুন ব্যবসা বা স্টার্টআপ সহজেই প্রযুক্তিগত সুবিধা নিতে পারে।
 
উৎস: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি।

৪৮.
কোন ধরনের পাসওয়ার্ড ব্যবহার করা উচিত নয়?
  1. দীর্ঘ বাক্যাংশ
  2. বড় ও ছোট হাতের অক্ষরের সমন্বয়
  3. 123456 বা qwerty
  4. বিশেষ চিহ্নযুক্ত পাসওয়ার্ড 
সঠিক উত্তর:
123456 বা qwerty
উত্তর
সঠিক উত্তর:
123456 বা qwerty
ব্যাখ্যা

• 123456 বা qwerty → এগুলো অত্যন্ত সহজ ও প্রচলিত হওয়ায় সহজেই অনুমান বা হ্যাক করা যায়।
- দীর্ঘ বাক্যাংশ সাধারণত শক্তিশালী ও নিরাপদ পাসওয়ার্ড হিসেবে বিবেচিত।
- বড় ও ছোট হাতের অক্ষরের সমন্বয় পাসওয়ার্ডের শক্তিমত্তা বাড়ায়।
- বিশেষ চিহ্ন ব্যবহার করলে পাসওয়ার্ড আরও নিরাপদ হয়।

• অনলাইন পরিচিতি ও নিরাপত্তা:

- একজন ব্যক্তির অনলাইন পরিচিতি এক বা একাধিক পরিচয়-জ্ঞাপক দ্বারা নির্ধারিত হতে পারে।
- অনলাইন পরিচিতির প্রধান উপাদান হলো—
- ই-মেইল ঠিকানা,
- সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যবহৃত প্রোফাইলের নাম।
 
• অ্যাকাউন্ট নিরাপত্তার গুরুত্ব:

- ই-মেইল বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অ্যাকাউন্ট যেন অন্য কেউ ব্যবহার করতে না পারে, সে বিষয়ে সর্বদা সতর্ক থাকতে হয়।
প্রতিটি অনলাইন সাইটে ব্যবহৃত পাসওয়ার্ডের গোপনীয়তা রক্ষা করা অত্যন্ত জরুরি।
 
• পাসওয়ার্ডের গোপনীয়তা রক্ষার কৌশলসমূহ:

১. দীর্ঘ পাসওয়ার্ড ব্যবহার:

- সংক্ষিপ্ত পাসওয়ার্ডের তুলনায় দীর্ঘ পাসওয়ার্ড বেশি নিরাপদ।
- প্রয়োজনে প্রিয় বাক্য বা বাক্যাংশ পাসওয়ার্ড হিসেবে ব্যবহার করা যেতে পারে।
- তবে সহজ পাসওয়ার্ড, যেমন— 123456, abcdef, qwerty, asdfghjkl, password, ব্যবহার করা উচিত নয়।

২. বিভিন্ন ধরনের অক্ষর ব্যবহার:

- শুধু ছোট হাতের অক্ষর নয়, বড় হাতের অক্ষর, সংখ্যা ও বিশেষ প্রতীক ব্যবহার করা উচিত।
- এতে পাসওয়ার্ডের শক্তিমত্তা বৃদ্ধি পায়।

৩. শক্তিশালী পাসওয়ার্ড তৈরি করা:

- শক্তিশালী পাসওয়ার্ডে শব্দ, সংখ্যা ও বিশেষ চিহ্নের সমন্বয় থাকা উচিত।
- উদাহরণ: Z26a1$alr18a1@gmail.com

৪. পাসওয়ার্ডের শক্তিমত্তা যাচাই:

- অধিকাংশ অনলাইন সাইটে পাসওয়ার্ডের শক্তিমত্তা যাচাইয়ের সুবিধা থাকে।
- নিয়মিত এই সুবিধা ব্যবহার করে প্রয়োজন অনুযায়ী পাসওয়ার্ড আরও শক্তিশালী করা উচিত।

৫. সামাজিক জায়গায় ব্যবহারে সতর্কতা:

- সাইবার ক্যাফে বা পাবলিক কম্পিউটারে অনলাইন ব্যবহারের পর অবশ্যই সংশ্লিষ্ট সাইট থেকে লগ আউট করতে হবে।

৬. পাসওয়ার্ড ম্যানেজার ব্যবহার:

- LastPass, KeePass ইত্যাদি পাসওয়ার্ড ম্যানেজার ব্যবহার করে পাসওয়ার্ড নিরাপদে সংরক্ষণ করা যায়।

৭. নিয়মিত পাসওয়ার্ড পরিবর্তন:

- নিরাপদ অভ্যাস হিসেবে নির্দিষ্ট সময় পরপর পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করা উচিত।
- এতে অ্যাকাউন্ট সর্বদা সুরক্ষিত থাকে।
 
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, অষ্টম শ্রেণি।

৪৯.
নিম্নের কোনটি NIST নির্ধারিত ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের বৈশিষ্ট্য নয়?
  1. Resource Scalability
  2. Fixed Bandwidth
  3. On-Demand Service
  4. Pay-as-you-go
সঠিক উত্তর:
Fixed Bandwidth
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Fixed Bandwidth
ব্যাখ্যা

• Fixed Bandwidth → নির্দিষ্ট বা স্থির ব্যান্ডউইডথ ক্লাউডের বৈশিষ্ট্য নয়; ক্লাউডে রিসোর্স ও সক্ষমতা পরিবর্তনযোগ্য।
- Resource Scalability → NIST অনুযায়ী ক্লাউডে চাহিদা অনুযায়ী রিসোর্স বাড়ানো–কমানো যায়; এটি একটি মূল বৈশিষ্ট্য।
- On-Demand Service → গ্রাহক যখন চাইবে তখনই সেবা নিতে পারে; এটি NIST নির্ধারিত বৈশিষ্ট্য।
- Pay-as-you-go → গ্রাহক ব্যবহৃত সেবার পরিমাণ অনুযায়ী অর্থ প্রদান করে; এটি ক্লাউডের গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য।

• NIST অনুযায়ী ক্লাউড কম্পিউটিং-এর সংজ্ঞা:

- যুক্তরাষ্ট্রের National Institute of Standards and Technology (NIST)–এর মতে, ক্লাউড কম্পিউটিং হলো এমন একটি মডেল যেখানে
গ্রাহকের তথ্য ও বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশন সেবাদাতার সিস্টেমে আউটসোর্স করা হয়, এবং এই মডেলে নির্দিষ্ট কিছু বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান থাকে।
 
• ক্লাউড কম্পিউটিং-এর প্রধান বৈশিষ্ট্যসমূহ (NIST):

• ১. রিসোর্স স্কেলেবিলিটি (Resource Scalability):

- গ্রাহকের চাহিদা ছোট বা বড় যাই হোক না কেন, সব ধরনের প্রয়োজন পূরণ করা যায়।
- গ্রাহক যত বেশি সেবা চায়, সেবাদাতা তত বেশি পরিমাণে রিসোর্স সরবরাহ করতে পারে।

• ২. অন-ডিমান্ড (On-Demand):

- গ্রাহক যখন চাইবে, তখনই সেবা গ্রহণ করতে পারে।
- গ্রাহক তার প্রয়োজন অনুযায়ী যেকোনো সময় সেবার পরিমাণ বাড়াতে বা কমাতে পারে।

• ৩. পে-অ্যাজ-ইউ-গো (Pay-as-you-go):

- এটি একটি ব্যবহারভিত্তিক পেমেন্ট মডেল।
- গ্রাহককে আগে থেকে কোনো সার্ভিস রিজার্ভ করতে হয় না।
- গ্রাহক যতটুকু সেবা ব্যবহার করবে, শুধুমাত্র ততটুকুর জন্যই অর্থ প্রদান করবে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫০.
নিম্নের কোনটি আচরণগত বৈশিষ্ট্যভিত্তিক বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতির উদাহরণ?
  1. আইরিস স্ক্যান
  2. রেটিনা স্ক্যান
  3. ডিএনএ টেস্ট
  4. ভয়েস রিকগনিশন 
সঠিক উত্তর:
ভয়েস রিকগনিশন 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভয়েস রিকগনিশন 
ব্যাখ্যা

• ভয়েস রিকগনিশন ব্যক্তির আচরণগত বৈশিষ্ট্যের ওপর নির্ভর করে, শারীরিক গঠনের ওপর নয়।

• বায়োমেট্রিক্স (Biometrics):
- গ্রিক শব্দ “Bio” অর্থ জীবন এবং “Metron” অর্থ পরিমাপ—এই দুইটি শব্দ থেকে Biometrics শব্দের উৎপত্তি।
- বায়োমেট্রিক্স হলো এমন একটি পদ্ধতি, যার মাধ্যমে কোনো ব্যক্তির দেহের গঠনগত ও আচরণগত বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে তাকে অদ্বিতীয়ভাবে সনাক্ত বা চিহ্নিত করা যায়।
- কম্পিউটার বিজ্ঞানে বায়োমেট্রিক পদ্ধতি ব্যক্তি সনাক্তকরণ এবং কোনো সিস্টেমে প্রবেশাধিকার নিয়ন্ত্রণের কৌশল হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

• বায়োমেট্রিক পদ্ধতির প্রকারভেদ:
 - দেহের গঠন ও আচরণগত বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে বায়োমেট্রিক পদ্ধতি প্রধানত দুই প্রকার—

• ক. দেহের গঠন ও শারীরবৃত্তীয় বৈশিষ্ট্যভিত্তিক বায়োমেট্রিক পদ্ধতি:
- ফিঙ্গারপ্রিন্ট (Fingerprint),
- হ্যান্ড জিওমেট্রি (Hand Geometry),
- আইরিস ও রেটিনা স্ক্যান (Iris and Retina Scan),
- ফেস রিকগনিশন (Face Recognition),
- ডিএনএ টেস্ট (DNA Test).

• খ. আচরণগত বৈশিষ্ট্যভিত্তিক বায়োমেট্রিক পদ্ধতি:
- ভয়েস রিকগনিশন (Voice Recognition),
- সিগনেচার ভেরিফিকেশন (Signature Verification),
- টাইপিং কীস্ট্রোক ভেরিফিকেশন (Keystroke Verification).

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।