পরীক্ষা আর্কাইভ

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি

পরীক্ষা১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়20 minutes
মোট প্রশ্ন১৭
সিলেবাস
পরীক্ষা - ২১: বিষয় - সাধারণ বিজ্ঞান টপিক - ভৌত বিজ্ঞান: রসায়ন বিজ্ঞান বিষয়ক ১. পদার্থের অবস্থা ও ধর্ম, পারমাণবিক গঠন, মৌলিক কণা, মৌলের ধর্ম, পদার্থের ভৌত ও রাসায়নিক পরিবর্তন, সাধারণ রাসায়নিক বিক্রিয়া, কার্বনের বহুমুখী ব্যবহার, এসিড, ক্ষার, লবণ, পদার্থের ক্ষয়। ২. মৌলিক কণা, ধাতব পদার্থ এবং তাদের যৌগসমূহ, পদার্থের দ্রবণ ধর্ম ও দ্রাব্যতা, সাবানের কাজ, অধাতব পদার্থ, জারণ-বিজারণ, ব্যাপন, অভিস্রবণ, প্রস্বেদন, তড়িৎ কোষ, অজৈব ও জৈব যৌগ, পলিমার। এবং বিষয় - আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি টপিক - আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা ও আন্তঃরাষ্ট্রীয় ক্ষমতা সম্পর্ক i) বৈশ্বিক দ্বন্দ্ব ও গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল, দ্বন্দ্বপূর্ণ সাগর ও অন্যান্য; ii) NATO, Warsaw Pact, INTERPOL, ANZUS, নিরাপত্তা সম্মেলন সমূহ; iii) নিরাপত্তা সংক্রান্ত চুক্তি; iv) বিভিন্ন গোয়েন্দা, গেরিলা ও জঙ্গী সংস্থা, বিদ্রোহী জোট; [FBI, CIA, FSB, RAW, Fairfax, মোসাদ, আমান, M16, হামাস, হিজবুল্লাহ, আল শাবাব, আইরিস রিপানলিকান আর্মি, টুপাক আমারু, ফার্ক, আবু শায়াফ, শাইনিং পাথ, M-23, উলফা, খেমারুজ, পিকেকে, ব্ল্যাক সেপ্টেম্বর, গডস আর্মি, ইসলামিক স্ট্যাট, হুথি বিদ্রোহী, লস্কর - ই তৈইব্যা, জইশ মোহাম্মদ, হিজবুত তাহরীর, JKLF, নকশাল, তানজিম আল জিহাদ, M19]।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ১৭ প্রশ্ন

.
যে মৌল বা যৌগ ইলেকট্রন দান করে, তাকে কী বলে?
  1. জারক
  2. বিজারক
  3. জারিত
  4. বিজারিত
সঠিক উত্তর:
বিজারক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিজারক
ব্যাখ্যা
- যে মৌল বা যৌগ ইলেকট্রন দান করে তাকে বিজারক বলে।
- উদাহরণ: সকল ধাতু, হাইড্রোজেন।

- যে মৌল বা যৌগ ইলেকট্রন গ্রহণ করে তাকে জারক বলে।
- উদাহরণ: অক্সিজেন, ক্লোরিন, ফ্লোরিন, ব্রোমিন, আয়োডিন, পটাশিয়াম ইত্যাদি।

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি [২০১৭ সংস্করণ]।
.
নিচের কোন গ্যাসটির ব্যাপনের হার সবচেয়ে কম?
  1. সালফার
  2. কার্বন ডাই অক্সাইড
  3. অক্সিজেন
  4. ক্লোরিন
সঠিক উত্তর:
ক্লোরিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্লোরিন
ব্যাখ্যা
♦ ব্যাপন:
- একই তাপমাত্রা ও বায়ুমন্ডলীয় চাপে কোনো পদার্থের অধিকতর ঘনস্থান হতে কম ঘন স্থানে বিস্তার লাভ প্রক্রিয়াকে ব্যাপন বলে।
- যে গ্যাসের আণবিক ভর যত কম সে গ্যাসের ব্যাপন হার তত বেশি হয়।
- বিপরীতভাবে যে গ্যাসের আণবিক ভর যত বেশি সে গ্যাসের ব্যাপন হার তত কম হয়। 
• অক্সিজেনের আণবিক ভর ৩২
• কার্বন ডাই অক্সাইডের আণবিক ভর ৪৪
• ক্লোরিনের আণবিক ভর ৭০
• সালফারের আণবিক ভর ৬৪

- ক্লোরিনের আণবিক ভর সবচেয়ে বেশি, তাই ক্লোরিনের ব্যাপনের হারও সবচেয়ে কম হবে।

উৎস:
১. রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি [২০১৭ সংস্করণ]।
২. উদ্ভিদবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
নিচের কোনটি সাবানের ক্ষেত্রে মিথ্যা?
  1. খর পানিতে ভাল কাজ করতে পারে।
  2. সাবান উৎপন্ন করার প্রক্রিয়াকে সাপনিফিকেশন বলে।
  3. সাবান তৈরির মূল উপাদান চর্বি।
  4. সাবান তৈরির উপজাত হিসেবে গ্লিসারিন পাওয়া যায়।
সঠিক উত্তর:
খর পানিতে ভাল কাজ করতে পারে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খর পানিতে ভাল কাজ করতে পারে।
ব্যাখ্যা
• সাবান:
- সাবান হলো দীর্ঘ কার্বন শিকলবিশিষ্ট ফ্যাটি এসিডের সোডিয়াম বা পটাশিয়াম লবণ।
- এটি খর পানিতে ভাল কাজ করতে পারে না।
- ডিটারজেন্টের চেয়ে পরিষ্কারকরণের ক্ষমতা কম।
- অতিরিক্ত সাবান ব্যবহার করলে ক্ষার হাতের ক্ষতি করে।
- সাবানের রাসায়নিক সংকেত- C17H35COONa.
- সাবান তৈরির উপজাত হিসেবে গ্লিসারিন পাওয়া যায়।
- চর্বি বা ট্যাল্লো, ক্ষার, অন্যান্য রাসায়নিক দ্রব্যাদি যেমন সোডিয়াম-বাই-কার্বনেট, সোডিয়াম সিলিকেট এবং বিভিন্ন প্রকার সুগন্ধি ও রঞ্জক পদার্থ সাবান তৈরির মূল উপাদান।
- সাবান উৎপন্ন করার প্রক্রিয়াকে সাবানায়ন বা সাপনিফিকেশন (Saponification) বলে।

উৎস: 
১. রসায়ন বোর্ড বই, নবম-দশম শ্রেণি[২০১৯ সংস্করণ]
২. সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
ব্যাটারিতে সাধারণত কোন অংশটি থাকে?
  1. অ্যানোড
  2. ক্যাথোড
  3. ইলেকট্রোলাইট
  4. সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
ব্যাখ্যা
• ব্যাটারি:
- ব্যাটারি বলতে একাধিক কোষের (Cell) সমন্বয়কে বুঝানো হয়। 
- একটি তড়িৎ ব্যাটারি বলে উল্লেখ করলেও প্রকৃতপক্ষে ব্যাটারি হলো একাধিক তড়িৎ কোষের সমন্বয়। 
- ব্যাটারি সেলে ব্যবহারের জন্য তড়িৎ শক্তি জমা থাকে। 
- ব্যাটারিতে সাধারণত তিনটি অংশ থাকে। যেমন- একটি অ্যানোড, একটি ক্যাথোড এবং মাঝখানে থাকে ইলেকট্রোলাইট। 
- ব্যাটারি সেলের বিভব পার্থক্য সবসময় সমান থাকে বলে এগুলোকে ডিসি সাপ্লাই বলা হয়। 
- আমাদের বাসায় যে বৈদ্যুতিক সাপ্লাই দেওয়া হয়, সেগুলো প্রতি সেকেন্ডে ৫০বার ধনাত্মক থেকে ঋনাত্মক বিভবে পরিবর্তিত হয় বলে সেগুলোকে এসি (Alternating Current) বলা হয়। 
- একটি সাধারন ব্যাটারি সেলে বিভব পার্থক্য মাত্র ১.৫V।
- সেই তুলনায় আমাদের বাসার বিদ্যুৎ সাপ্লাই ২২০V। 
- আবার ২২০V সাপ্লাই থেকে অনেক বড় ইলেকট্রিক শক খাওয়া সম্ভব এবং এই ইলেকট্রিক শকের কারণে শরীরের ভেতর দিয়ে যথেষ্ট বিদ্যুৎ প্রবাহ হয় বলে মানুষের মৃত্যুও হতে পারে। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি [২০১৭ সংস্করণ]।
.
উদ্ভিদ কোন প্রক্রিয়ায় মাটি হতে পানি শোষণ করে?
  1. ব্যাপন
  2. অভিস্রবণ
  3. শোষণ
  4. ক ও খ উভয় প্রক্রিয়ায়
সঠিক উত্তর:
অভিস্রবণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অভিস্রবণ
ব্যাখ্যা
• অভিস্রবণ:
- দুটি ভিন্ন ঘনত্বের দ্রবণ একটি অর্ধভেদ্য পর্দা দ্বারা পাশাপাশি পৃথক থাকলে দ্রাবক অণু কম ঘনত্বের দ্রবণ থেকে অধিক ঘনত্বের দ্রবণের দিকে পর্দা অতিক্রম করে প্রবেশ করার প্রক্রিয়াকে অভিস্রবণ বলে।
-  প্রক্রিয়া ততক্ষণ পর্যন্ত চলতে থাকবে যতক্ষণ পর্যন্ত দুটি দ্রবণের ঘনত্ব সমান না হবে।
- অভিস্রবণ একটি ভৌত প্রক্রিয়া, কিন্তু উদ্ভিদের ক্ষেত্রে প্রোটোপ্লাজমের নিয়ন্ত্রণে ঘটে বলে এটি একটি জৈব প্রক্রিয়া।
- অভিস্রবণ প্রক্রিয়ায় উদ্ভিদ মাটি হতে পানি শোষণ করে।

- একই তাপমাত্রা ও বায়ুমন্ডলীয় চাপে কোনো পদার্থের অধিকতর ঘন স্থান হতে কম ঘন স্থানে বিস্তার লাভ প্রক্রিয়াকে ব্যাপন বলে।
- উদ্ভিদ মূলের সাহায্যে মাটি থেকে খনিজ লবণ ব্যাপন প্রক্রিয়ায় শোষণ করে।

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
pH হলো-
  1. এসিড নির্দেশক
  2. ক্ষারীয় নির্দেশক
  3. নিরপেক্ষ নির্দেশক
  4. উপরের সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলোই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলোই
ব্যাখ্যা
• pH ও এর ব্যবহার:
- ১৯১৯ খ্রিষ্টাব্দে বিজ্ঞানী সোরেনসেন (Sorensen) pH স্কেল ব্যবহার করেন।
- pH স্কেল ব্যবহার করে কোনো দ্রবণ কতটা অম্লীয় না ক্ষারীয় না নিরপেক্ষ তা বোঝা যায়।
- pH এর p এসেছে জার্মান শব্দ Potenz থেকে যার অর্থ হলো ক্ষমতা এবং H দ্বারা হাইড্রোজেন বোঝানো হয়েছে।
- অর্থাৎ pH হলো Potenz of hydrogen। pH কোনো দ্রবণের হাইড্রোজেন আয়নের (H+) এর ঘনমাত্রা প্রকাশ করে।
- কোনো দ্রবণের হাইড্রোজেন আয়ন (H+) এর ঘনমাত্রার ঋণাত্মক লগারিদমকে ঐ দ্রবণের pH বলে। অর্থাৎ pH = -log[H+]
- pH মিটার দ্বারা কোনো দ্রবণের pH মাপা হয় এবং দ্রবণের pH মান 0 থেকে 14 এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে।
- দ্রবণের pH মান যদি 7 অপেক্ষা কম হয় তবে দ্রবণটি হবে অ্যাসিড, 7 অপেক্ষা বেশি হলে দ্রবণটি ক্ষার এবং যদি 7 এর সমান হয় তবে দ্রবণটি নিরপেক্ষ হয়।
pH মান:

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
আইপিএস চালানোর জন্য এবং গাড়ির ব্যাটারিতে ব্যবহৃত অত্যাবশ্যকীয় উপাদান কোনটি?
  1. নাইট্রিক এসিড
  2. সালফিউরিক এসিড
  3. ফসফরিক এসিড
  4. হাইড্রোক্লোরিক এসিড
সঠিক উত্তর:
সালফিউরিক এসিড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সালফিউরিক এসিড
ব্যাখ্যা
- সৌর প্যানেলে তৈরি সৌরবিদ্যুৎ সংরক্ষণের জন্য সালফিউরিক এসিড (H₂SO₄) ব্যবহার করা হয়।
- বাসাবাড়িতে আইপিএস (IPS) চালানোর জন্য এবং গাড়িতে যে ব্যাটারি ব্যবহার করা হয়, তার অত্যাবশ্যকীয় একটি উপাদান হলো সালফিউরিক এসিড (H₂SO₄)।
- ফসল উৎপাদনের জন্য সার হলো অতি প্রয়োজনীয় একটি জিনিস।
- সার হিসেবে আমরা যেগুলো ব্যবহার করি তার মধ্যে অন্যতম হলো অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট (NH₄NO₃), অ্যামোনিয়াম সালফেট [(NH₄)₂SO₄] ও অ্যামোনিয়াম ফসফেট [(NH₄)₃PO₄]।
- সার কারখানায় এগুলো তৈরি করা হয় যথাক্রমে নাইট্রিক এসিড (HNO₃), সালফিউরিক এসিড (H₂SO₄) এবং ফসফরিক এসিড (H₃PO₄) ব্যবহার করে।

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি [২০১৭ সংস্করণ]।
.
কোন দ্রবণে অতিরিক্ত দ্রব যোগ করলেও দ্রবণের ঘনমাত্রার কোনো পরিবর্তন ঘটে না?
  1. সম্পৃক্ত দ্রবণে
  2. অসম্পৃক্ত দ্রবণে
  3. অতিপৃক্ত দ্রবণে
  4. খ ও গ উভয়ই
সঠিক উত্তর:
সম্পৃক্ত দ্রবণে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্পৃক্ত দ্রবণে
ব্যাখ্যা
• দ্রবণ (Solution): 
- কঠিন, তরল বা গ্যাসীয় যেকোনো ভৌত অবস্থায় একাধিক উপাদানের সম্পূর্ণ সমসত্ত্ব মিশ্রণ, যাতে উপাদানগুলোর পরিমাণের অনুপাত একটি সীমার মধ্যে আবদ্ধ থাকে তাকে দ্রবণ বলা হয়। 
- দ্রবণের প্রতিটি অংশের গঠন, ভৌত ও রাসায়নিক ধর্ম অভিন্ন হয়। 
- দ্রবণের মধ্যে যে উপাদান কম পরিমাণে থাকে অর্থাৎ যা দ্রবীভূত হয়, তাকে দ্রব বলা হয়। 
- দ্রবণের মধ্যে যে উপাদানের পরিমাণ বেশি এবং যার মধ্যে দ্রব যোগ করা হয় তাকে দ্রাবক বলা হয়।

দ্রবণের শ্রেণিবিভাগ: 
- ঘনমাত্রা অনুযায়ী দ্রবণকে তিন ভাগে ভাগ করা হয়। আথা: 

i. সম্পৃক্ত দ্রবণ (Saturated Solution): 
- কোনো নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় নির্দিষ্ট পরিমাণ দ্রাবকে সর্বাধিক দ্রব দ্রবীভূত হয়ে যে দ্রবণ উৎপন্ন করে তাকে ঐ নির্দিষ্ট তাপমাত্রার সম্পৃক্ত দ্রবণ বলা হয়। 
- এ অবস্থায় দ্রবণে অতিরিক্ত দ্রব যোগ করলেও দ্রবণের ঘনমাত্রার কোনো পরিবর্তন ঘটে না। 

ii. অসম্পৃক্ত দ্রবণ (Unsaturated Solution): 
- কোনো নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় নির্দিষ্ট পরিমাণ দ্রাবকে সর্বাধিক যে পরিমাণ দ্রব দ্রবীভূত হতে পারে তার চেয়ে কম পরিমাণ দ্রব দ্রবণে উপস্থিত থাকলে তাকে অসম্পৃক্ত দ্রবণ বলা হয়। 
- অসম্পৃক্ত দ্রবণে অতিরিক্ত দ্রব যোগ করলে দ্রবণের ঘনমাত্রা বেড়ে যায়। 

iii. অতিপৃক্ত দ্রবণ (Super-saturated Solution): 
- কোনো নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় কোনো নির্দিষ্ট পরিমাণ দ্রাবকে সর্বাধিক যে পরিমাণ দ্রব দ্রবীভূত থাকতে পারে যদি কোনো বিশেষ কারণে দ্রবণে আরও অতিরিক্ত দ্রব দ্রবীভূত থাকে তবে ঐ দ্রবণকে অতিপৃক্ত দ্রবণ বলা হয়। 
- অতিপৃক্ত দ্রবণ অস্থায়ী প্রকৃতির হয়। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
নিচের কোনটি অ্যালুমিনিয়ামের আকরিক নয়?
  1. বক্সাইট
  2. ডলোমাইট
  3. কোরান্ডাম
  4. ক্রায়োলাইট
সঠিক উত্তর:
ডলোমাইট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডলোমাইট
ব্যাখ্যা
• আয়রন বা লোহার আকরিক: 
- ম্যাগনেটাইট,
- হেমাটাইট,
- আয়রন পাইরাইটস,
- লিমোনাইট ইত্যাদি।

• সোডিয়ামের আকরিক:
- রকসল্ট,
- চিলি সল্টপিটার,
- ন্যাট্রোন,
- বোরাক্স ইত্যাদি।

• ক্যালসিয়ামের আকরিক:
- চুনাপাথর,
- জিপসাম,
- ডলোমাইট ইত্যাদি।

• অ্যালুমিনিয়ামের আকরিক:
- বক্সাইট,
- কোরান্ডাম,
- ক্রায়োলাইট ইত্যাদি।

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি [২০১৭ সংস্করণ]।
১০.
যদি ইলেকট্রনের সংখ্যা স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি থাকে তবে তাকে কী বলে?
  1. অ্যানায়ন
  2. ক্যাটায়ন
  3. নিউট্রন
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
অ্যানায়ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যানায়ন
ব্যাখ্যা
• কোনো অম্ল, ক্ষারক বা লবণ জাতীয় পদার্থের দ্রবণের মধ্য দিয়ে তড়িৎ প্রবাহিত হলে এর দ্রব পদার্থের প্রত্যেকটি অণু দুটি তড়িতাহিত অংশে বিভক্ত হয়ে যায়। যথা:
১। তড়িৎ বিশ্লেষণ:
- কোনো দ্রবণের মধ্য দিয়ে তড়িৎ প্রবাহিত করে এর অণুগুলোকে ধনাত্মক ও ঋনাত্মক অংশে বিভক্ত করার পদ্ধতিকে তড়িৎ বিশ্লেষণ বলে।

২। তড়িৎ বিশ্লেষ্য:
- তড়িৎ প্রবাহের দ্বারা দ্রবণের যে দ্রবটিকে দুইভাগে বিভক্ত বা বিশ্লেষণ করা হয় তাকে তড়িৎ দ্রব বা তড়িৎ বিশ্লেষ্য পদার্থ বলে।
-  সকল এসিড, ক্ষার, কয়েকটি নিরপেক্ষ লবণ, এসিড মেশানো পানি ইত্যাদি তড়িৎ দ্রব বা তড়িৎ বিশ্লেষ্য পদার্থ। যেমন: H2SO4, NaOH, NaCl ইত্যাদি। 
- তড়িৎ বিশ্লেষণে পদার্থের মূলকগুলো আয়নিক হয়।
- কোনো অণু, পরমাণু বা মূলক -এ যদি স্বাভাবিক সংখ্যার চেয়ে কম বা বেশি ইলেকট্রন থাকে তবে তাকে আয়ন বলে।
- যদি ইলেকট্রনের সংখ্যা স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি থাকে তবে তাকে ঋনাত্মক আয়ন বা অ্যানায়ন বলে।
- আর যদি ইলেকট্রনের সংখ্যা স্বাভাবিকের চেয়ে কম থাকে তবে তাতে ধনাত্মক চার্জের অস্তিত্ব প্রকাশ পায়, এ কারণে তাকে ধনাত্মক আয়ন বা ক্যাটায়ন বলে।
- স্বাভাবিক অবস্থায় কোনো অণু, পরমাণু বা মূলকের মোট ইলেকট্রনের সংখ্যা নিউক্লিয়াসে অবস্থিত মোট প্রোটনের সংখ্যার সমান হয়।

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১.
মৌমাছির হুলে কোনটি থাকে?
  1. ফরমিক অ্যাসিড
  2. মেলিটিন
  3. অ্যাপামিন
  4. সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
ব্যাখ্যা
- মৌমাছির হুল ফুটালে বা পিঁপড়া কামড়ের জ্বালা কমানোর জন্য আমরা যে ক্যালামিন লোশন ব্যবহার করি তা হলো জিংক কার্বোনেট।
- অনেকে বেকিং সোডাও ব্যবহার করে থাকেন।
- পিঁপড়ার কামড়ে মূলত ফরমিক অ্যাসিড থাকে।
- মৌমাছির হুলে ফরমিক অ্যাসিড, মেলিটিন, ও অ্যাপামিন নামক অ্যাসিডিক পদার্থ নিঃসৃত হয়।
- যেকারনে  ঐ স্থান জ্বালা-পোড়া করে ও ফুলে যায়।
- এই অ্যাসিড নিষ্ক্রিয় করতে বিভিন্ন ক্ষারীয় বস্তু ব্যবহার করা হয়ে থাকে।
- মাটির অ্যাসিডিটি বাড়লে এর উর্বরতা শক্তি নষ্ট হয়।
- তাই মাটির উর্বরতাশক্তি ফেরাতে চুন (CaO), চুনা পাথর জাতীয় ক্ষারক পদার্থ ব্যবহার করা হয়।
- মিল্ক অফ লাইম নামক ক্ষারীয় বস্তু পোকামাকড় দমনে ব্যবহার করা হয়।

উৎস; সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২.
লেন্টিকুলার প্রস্বেদন উদ্ভিদের কোন অংশে হয়?
  1. মূল
  2. কান্ড
  3. পাতা
  4. ফুল
সঠিক উত্তর:
কান্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কান্ড
ব্যাখ্যা
• প্রস্বেদন:
- উদ্ভিদের পাতা ও অন্যান্য বায়বীয় অঙ্গ হতে জলীয়বাষ্প বের হয়ে যাবার প্রক্রিয়াকে বলা হয় প্রস্বেদন।
- উদ্ভিদ তার মূল দিয়ে মাটি হতে পানি শোষণ করে থাকে এবং এ পানিই কান্ড, শাখা-প্রশাখা, পাতা ও অন্যান্য বায়বীয় অঙ্গে স্থানান্তরিত হয়। কা
- উদ্ভিদের অভ্যন্তরস্থ পানি বাষ্প হয়ে সাধারণত তিনটি পথে বায়ুমন্ডলে নির্গত হয়। এ তিনটি পথই হচ্ছে প্রস্বেদন অঙ্গ। যথা-

• পত্ররন্ধ্রীয় প্রস্বেদন:
- পত্ররন্ধ্রের মাধ্যমে যে প্রস্বেদন হয়, তাকে বলে পত্ররন্ধ্রীয় প্রস্বেদন।
- কোনো উদ্ভিদের মোট প্রস্বেদনের প্রায় ৯০-৯৫ ভাগ হয়ে থাকে পত্ররন্ধ্র দিয়ে। 

• কিউটিকুলার প্রস্বেদন:
- কিউটিক্লের মধ্য দিয়ে প্রস্বেদন হয় বলে একে কিউটিকুলার প্রস্বেদন বলে।

• লেন্টিকুলার প্রস্বেদন:
- পরিণত উদ্ভিদ কান্ডে সেকেন্ডারি বৃদ্ধির ফলে স্থানে স্থানে ত্বক ফেটে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র ছিদ্রের সৃষ্টি হয়।
- এ ছিদ্রকে বলা হয় লেন্টিসেল।
- উদ্ভিদের কিছু পরিমাণ প্রস্বেদন লেন্টিসেলের মাধ্যমে হয়ে থাকে।
- লেন্টিসেলের মধ্য দিয়ে সংঘটিত প্রস্বেদনকে বলা হয় লেন্টিকুলার প্রস্বেদন

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩.
একই পদার্থের তিন অবস্থায় রূপান্তরের কারন কী?
  1. তাপের প্রভাব
  2. পরমাণুর বিন্যাস
  3. রাসায়নিক পরিবর্তন
  4. অণুর বিন্যাস
সঠিক উত্তর:
তাপের প্রভাব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তাপের প্রভাব
ব্যাখ্যা
- যে বস্তুর নির্দিষ্ট ভর আছে এবং জায়গা দখল করে তাকে পদার্থ বলে।
- আমাদের দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহৃত বিভিন্ন বস্তু যেমন, বই, খাতা, কলম, চেয়ার, টেবিল, পানি, বরফ, জলীয় বাষ্প, তেল, দুধ, কেরোসিন, তরল পানীয়, সোডা ওয়াটার ইত্যাদি সব পদার্থ।
- পদার্থ সাধারণত তিন অবস্থায় থাকতে পারে। যথা: কঠিন, তরল ও বায়বীয়।
- কক্ষ তাপমাত্রায় বেশির ভাগ পদার্থই কঠিন হলেও তরল ও বায়বীয় অবস্থাতেও পদার্থ অবস্থান করে।
- তাপমাত্রার পরিবর্তন পদার্থের অবস্থার পরিবর্তন ঘটায়।
- পদার্থের এ তিন অবস্থার মধ্যে আবার বেশ সুনির্দিষ্ট বৈশিষ্ট্য ও ধর্ম বর্তমান। 
- সাধারণ তাপমাত্রা ও চাপে কঠিন পদার্থের আকার ও আয়তনের কোনো পরিবর্তন ঘটে না।
- তরলের ক্ষেত্রে আয়তন ঠিক থাকলেও আকারের পরিবর্তন ঘটে।
- পানিকে গ্লাসে রাখলে গ্লাসের আকার ধারণ করে এবং বোতলে রাখলে ঐ বোতলের আকার ধারণ করে।
- বায়বীয় পদার্থের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট কোন আকার ও আয়তন থাকে না।
- পদার্থের অবস্থার পরিবর্তনের ক্ষেত্রে তাপমাত্রা বিশেষ ভূমিকা রাখে।

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৪.
জারণ-বিজারণ বিক্রিয়া একটি-
  1. সংযোজন বিক্রিয়া
  2. বিয়োজন বিক্রিয়া
  3. যুগপৎ বিক্রিয়া
  4. প্রশমন বিক্রিয়া
সঠিক উত্তর:
যুগপৎ বিক্রিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুগপৎ বিক্রিয়া
ব্যাখ্যা
- জারণ বিক্রিয়ায় ইলেকট্রনের বর্জন ঘটে এবং বিজারণে গ্রহণ হয়।
- যে বিক্রিয়ক ইলেকট্রন গ্রহণ করে তাকে জারক (Oxidant) এবং যে বিক্রিয়ক ইলেকট্রন বর্জন করে তাকে বিজারক (Reductant) বলে।
-  জারক অন্যকে জারিত করে এবং নিজে বিজারিত হয়, বিজারক অন্যকে বিজারিত করে এবং নিজে জারিত হয়।
- জারণ বিক্রিয়া একটি যুগপৎ বিক্রিয়া।

• জারণ অর্ধবিক্রিয়া Na0 → Na+ + e (ইলেকট্রন দান বা জারণ)
• বিজারণ অর্ধবিক্রিয়া Cl0 + e → Cl- (ইলেকট্রন গ্রহণ বা বিজারণ)

- এই দুই অর্ধবিক্রিয়াকে যোগ করলে জারণ-বিজারণ বিক্রিয়া পাওয়া যায়।
• জারণ-বিজারণ বিক্রিয়া: Na0 + Cl0 → Na+ + Cl- → NaCl

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি [২০১৭ সংস্করণ]।
১৫.
ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা RAW প্রতিষ্ঠা লাভ করে?
  1. ১৯৬৭ সালে
  2. ১৯৬৮ সালে
  3. ১৯৬৯ সালে
  4. ১৯৭৫ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৬৮ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৬৮ সালে
ব্যাখ্যা
• RAW:
→ ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা সংস্থা- RAW.
→ এর পূর্ণরুপ- Research and Analysis Wing (RAW)।
→ এটি প্রতিষ্ঠা লাভ করে-১৯৬৮ সালে।
→ RAW প্রতিষ্ঠার পূর্বে Intelligence Bureau ভারতের অভ্যন্তরীন এবং বাহ্যিক উভয় ক্ষেত্রে তৎপরতা চালাতো।
→ প্রতিষ্ঠাকালিন পরিচালক ছিলেন - রামেশ্বর নাথ কাও।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।
১৬.
'আল শাবাব' প্রতিষ্ঠা লাভ করে কত সালে?
  1. ২০০৪
  2. ২০০৬
  3. ২০০৮
  4. ২০০৯
সঠিক উত্তর:
২০০৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০৬
ব্যাখ্যা
• আল-শাবাব:
→ আল-শাবাব পুরো নাম হরকাত আল শাবাব আল মুজাহিদিন। সোমালিয়ার রাজধানী-সহ বৃহদাংশ নিয়ন্ত্রণকারী শক্তি ইসলামিক কৌর্টস ইউনিয়ন থেকে ভেঙ্গে এসে গড়ে উঠেছে আল-শাবাব - যার অর্থ হচ্ছে তারুণ্য।
→ সোমালিয়ায় ইসলামি শাসন প্রতিষ্ঠা করার লক্ষে জাতিসংঘ সমর্থিত সরকার ও পশ্চিমা বিশ্বের বিরুদ্ধে লড়াই করছে।
→ সদর দপ্তর: জিলিব, সোমালিয়া।
→ প্রতিষ্ঠা লাভ করে - ২০০৬।
→ সোমালিয়ার বিলুপ্ত 'ইউনিয়ন অব ইসলামিক কোর্টস'-এর চরমপন্থী যুবসংগঠন হিসেবে আল-শাবাব যাত্রা শুরু করে।

তথ্যসূত্র: আজ জাজিরা নিউজ।
১৭.
রাশিয়া এবং যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে কখন স্টার্ট-২ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল?
  1. ৩ জানুয়ারি, ১৯৯৩ সালে
  2. ৩ জানুয়ারি, ১৯৯৪ সালে
  3. ৭ জানুয়ারি, ১৯৯৬ সালে
  4. ১৩ জানুয়ারি, ১৯৯১ সালে
সঠিক উত্তর:
৩ জানুয়ারি, ১৯৯৩ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ জানুয়ারি, ১৯৯৩ সালে
ব্যাখ্যা
• স্টার্ট-২ চুক্তি:
→ স্বাক্ষরিত হয়- ৩ জানুয়ারি, ১৯৯৩ সালে।
→ স্বাক্ষরকারী দেশ- রাশিয়া এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।
→ উদ্দেশ্য- দুরপাল্লার পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্র ১০ বছরের মধ্যে দু-তৃতীয়াংশ হ্রাস করা।

তথ্যসূত্র: Britannica.com