পরীক্ষা আর্কাইভ

শিক্ষক নিবন্ধন (NTRCA) প্রস্তুতি [১৯তম]

পরীক্ষাশিক্ষক নিবন্ধন (NTRCA) প্রস্তুতি [১৯তম]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়17 minutes২৭ বৈধ · অসম্পূর্ণ
মোট প্রশ্ন২৮
সিলেবাস
পরীক্ষা - ৫৮ সাবজেক্ট ফাইনাল - সাধারণ জ্ঞান (বিজ্ঞান ও কম্পিউটার বিষয়ক)
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

শিক্ষক নিবন্ধন (NTRCA) প্রস্তুতি [১৯তম]

শিক্ষক নিবন্ধন (NTRCA) প্রস্তুতি [১৯তম] · তারিখ অনির্ধারিত · ২৮ প্রশ্ন

.
কোন প্রজন্মের মোবাইল ফোন LTE (Long Term Evolution) স্ট্যান্ডার্ডে কাজ করে?
  1. প্রথম প্রজন্ম
  2. দ্বিতীয় প্রজন্ম
  3. চতুর্থ প্রজন্ম
  4. পঞ্চম প্রজন্ম
সঠিক উত্তর:
চতুর্থ প্রজন্ম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চতুর্থ প্রজন্ম
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন প্রজন্মের মোবাইল ফোন: 
- উন্নয়নের এক একটি পর্যায় বা ধাপকে মোবাইল ফোনের প্রজন্ম নামে অভিহিত করা হয়। 
- প্রাথমিক পর্যায়ের মোবাইল ফোনের কার্যক্ষমতা ছিল খুবই কম; দুর্বল নেটওয়ার্কের দরুন সীমিত এলাকাভিত্তিতে ব্যবহার হতো। 
- 1940 সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় মার্কিন সামরিক বাহিনী প্রথম মোবাইল ফোনের ব্যবহার শুরু করে। 
- এশিয়ার সর্ববৃহৎ টেলিকমিউনিকেশন কোম্পানি জাপানের NTTC (Nippon Telegraph and Telephone Corporation) বাণিজ্যিকভাবে মোবাইল ফোন বা সেলুলার ফোন উৎপাদন শুরু করে। 
- বাণিজ্যিক ভিত্তিতে উৎপাদন থেকে বর্তমান পর্যন্ত মোবাইল ফোন উন্নতির সময়কালকে পাঁচটি প্রজন্মে ভাগ করা হয়েছে। 
১। প্রথম প্রজন্ম (First Generation-1G: 1979-1990), 
২। দ্বিতীয় প্রজন্ম (Second Generation-2G: 1991-2000), 
৩। তৃতীয় প্রজন্ম (Third Generation-3G: 2001-2008), 
৪। চতুর্থ প্রজন্ম (Fourth Generation-4G: 2009-2020) এবং 
৫। পঞ্চম প্রজন্ম (Fifth Generation-5G: 2020-...). 

চতুর্থ প্রজন্ম (Fourth Generation-4G: 2009-2020): 
- চতুর্থ প্রজন্মের মোবাইল ফোনের প্রযুক্তিগত বৈশিষ্ট্য হলো সার্কিট সুইচিং বা প্যাকেট সুইচিং ডেটা ট্রান্সমিশনের পরিবর্তে ইন্টারনেট প্রটোকলভিত্তিক নেটওয়ার্কের ব্যবহার। 
- ফলে LAN, WAN, VoIP, Internet প্রভৃতি সিস্টেমে প্যাকেট সুইচিংয়ের পরিবর্তে প্রটোকলভিত্তিক ভয়েস ডেটা ট্রান্সফার সম্ভব হচ্ছে। 
- দ্রুত চলনশীল ডিভাইসের ক্ষেত্রে এই প্রযুক্তির ডেটা ট্রান্সফার রেট 100 Mbps, ত্রিমাত্রিক এবং স্থির ডিভাইসের ক্ষেত্রে 1 Gbps পর্যন্ত হতে পারে। 
- এটি LTE (Long Term Evolution) স্ট্যান্ডার্ডে কাজ করে থাকে। 
- মোবাইল ওয়েব অ্যাকসেস, আই.পি টেলিফোনিং, গেমিং সার্ভিসেস, হাই ডেফিনিশন মোবাইল টিভি, ভিডিও কনফারেন্সিং, থ্রিডি টিভি ইত্যাদি ক্ষেত্রে 4G প্রযুক্তি প্রয়োগ করা হয়। 
- এর গতি 3G'র চেয়ে 50 গুণ বেশি। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি।
.
গ্যাসীয় পদার্থ নয় কোনটি?
  1. হাইড্রোজেন
  2. অ্যামোনিয়া
  3. অক্সিজেন
  4. সোনা
সঠিক উত্তর:
সোনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সোনা
ব্যাখ্যা
কঠিন পদার্থ: 
- কঠিন পদার্থের নির্দিষ্ট আকার ও আয়তন থাকে। 
- কঠিন পদার্থের অণুগুলোর মধ্যে পারস্পরিক আকর্ষণ বল খুবই তীব্র। 
যেমন- ইট, কাঠ, লোহা, সোনা, রূপা, কয়লা, চাল, গম ইত্যাদি। 

তরল পদার্থ: 
- তরল পদার্থের কোনো নির্দিষ্ট আকার নেই, তবে নির্দিষ্ট আয়তন আছে। 
- একে যখন যে পাত্রে রাখা যায় সে পাত্রের আয়তন ধারণ করে। 
- পানিকে কলসীতে রাখলে কলসীর আকার, বোতলে রাখলে বোতলের আকার, গ্লাসে রাখলে গ্লাসের আকার ধারণ করে। 
যেমন- দুধ, পানি, অ্যালকোহল, কেরোসিন তেল, নারিকেল তেল, সয়াবিন তেল এসবই তরল পদার্থ। 

গ্যাসীয় পদার্থ: 
- গ্যাসীয় পদার্থের নির্দিষ্ট আকার বা আয়তন নেই, তবে এর নির্দিষ্ট ওজন আছে। 
- এ ধরনের পদার্থকে যে পাত্রেই রাখা হোক না কেন সে পাত্রকে পূর্ণ করে রাখে। 
- যে পাত্রে গ্যাসীয় উপাদানকে রাখা হয় সে পাত্রের আয়তনই তার আয়তন, সে পাত্রের আকারই তার আকার। 
যেমন- অক্সিজেন, নাইট্রোজেন, হাইড্রোজেন, কার্বন ডাই-অক্সাইড, অ্যামোনিয়া -এরা সকলেই গ্যাসীয় পদার্থ। 
- গ্যাসীয় পদার্থের অণুগুলোর মধ্যে পারস্পরিক আকর্ষণ নেই বললেই চলে। 

উৎস: রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
কোন বিজ্ঞানী পড়ন্ত বস্তুর সূত্র আবিষ্কার করেছিলেন? 
  1. আইজ্যাক নিউটন
  2. আলবার্ট আইনস্টাইন
  3. জোহান কেপলার
  4. গ্যালেলিও গ্যালিলাই
সঠিক উত্তর:
গ্যালেলিও গ্যালিলাই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্যালেলিও গ্যালিলাই
ব্যাখ্যা
পড়ন্ত বস্তুর সূত্রসমূহ: 
- কোন বস্তুকে উপর থেকে ছেড়ে দিলে অভিকর্ষের প্রভাবে মাটিতে পড়ে। 
- বাতাসের বা অন্য কোন বাঁধা দ্বারা প্রভাবিত না হয়ে কেবল অভিকর্ষের প্রভাবে পড়ন্ত বস্তুকে বলা হয় মুক্তভাবে পড়ন্ত বস্তু। 
- ষোড়শ শতাব্দীতে ইটালীর বিখ্যাত গণিতবিদ ও বিজ্ঞানী গ্যালেলিও গ্যালিলাই পড়ন্ত বস্তু সম্পর্কে তিনটি সূত্র দেন, এই সূত্রগুলোকে পড়ন্ত বস্তুর সূত্র বলা হয়। 
- এই সূত্রগুলো এখন সর্বজন গৃহীত সূত্র। 
- সূত্রগুলো নিম্নরূপ - 
প্রথম সূত্র: 
- স্থির অবস্থান এবং একই উচ্চতা থেকে বিনা বাঁধায় বা মুক্তভাবে পড়ন্ত সকল বস্তু সমান সময়ে সমান পথ অতিক্রম করে। 

দ্বিতীয় সূত্র: 
- স্থির অবস্থান থেকে বিনা বাঁধায় পড়ন্ত বস্তু নির্দিষ্ট সময়ে প্রাপ্ত বেগ ঐ সময়ের সমানুপাতিক। 
অর্থাৎ, বস্তু t সময়ে v বেগ প্রাপ্ত হলে, v ∝ t  । 

তৃতীয় সূত্র: 
- স্থির অবস্থান থেকে বিনা বাঁধায় পড়ন্ত বস্তু নির্দিষ্ট সময়ে যে দূরত্ব অতিক্রম করে তা ঐ সময়ের বর্গের সমানুপাতিক। 
অর্থাৎ, t সময়ে বস্তু h দূরত্ব অতিক্রম করলে, h ∝ t2  । 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
পৃথিবীতে আবিস্কৃত মৌলের সংখ্যা কয়টি?
  1. ১১৮ টি
  2. ২০ টি
  3. ৯৮ টি
  4. ১০৮ টি
সঠিক উত্তর:
১১৮ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১৮ টি
ব্যাখ্যা
মৌল বা মৌলিক পদার্থ: 
- পৃথিবীতে অসংখ্য পদার্থগুলোর মধ্যে কতগুলো পদার্থ আছে যেগুলোকে ভেঙে যত ক্ষুদ্র কণাতে পরিনত করা হোক না কেন প্রত্যেক ক্ষুদ্র কণাতেই ঐ পদার্থের ধর্ম ও গুণাগুণ বিদ্যমান থাকে। 
- যে পদার্থগুলোকে ভাঙলে বা বিশ্লেষণ করলে ঐ পদার্থ ছাড়া অন্য কোন ধর্ম বিশিষ্ট পদার্থ পাওয়া যায় না তাদেরকে মৌলিক পদার্থ বা সংক্ষেপে মৌল বলা হয়। 
- পৃথিবীতে বর্তমানে আবিস্কৃত মৌলের সংখ্যা ১১৮টি, এর মধ্যে প্রাকৃতিকভাবে পাওয়া যায় প্রায় ৯৮টি মৌল, বাকি মৌলগুলো কৃত্রিমভাবে ল্যাবরেটরিতে তৈরি করা হয়েছে।
যেমন- হাইড্রোজেন, অক্সিজেন, নাইট্রোজেন, কার্বন, সোডিয়াম, পটাসিয়াম বা হিলিয়াম এগুলো সব মৌলিক পদার্থ। 
- এই মৌলিক পদার্থগুলোকে প্রতীক দ্বারা প্রকাশ করা হয়। 
যেমন- হাইড্রোজেনের প্রতীক H, আবার সোডিয়ামের প্রতীক Na। 
- প্রতিটি মৌলিক পদার্থের নির্দিষ্ট পারমাণবিক সংখ্যা ও ভরসংখ্যা রয়েছে। 

উৎস: রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
পরিবাহকের মধ্যে সংঘর্ষের কারণে ইলেকট্রনের বেগ হ্রাস পাওয়ার ফলে যে বাঁধা সৃষ্টি হয়, তাকে কী বলা হয়?
  1. অ্যাম্পিয়ার
  2. রোধ
  3. ভোল্টেজ
  4. তড়িৎ প্রবাহ
সঠিক উত্তর:
রোধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রোধ
ব্যাখ্যা
রোধ: 
- ইলেকট্রন প্রবাহই তড়িৎ প্রবাহের কারণ। 
- ইলেকট্রন নিম্ন বিভব থেকে উচ্চ বিভবের দিকে প্রবাহিত হয়। 
- পরিবাহীর মধ্যদিয়ে ইলেকট্রন প্রবাহের সময় পরিবাহীর মধ্যস্থ অণু-পরমাণুর সাথে সংঘর্ষ হয়, এই সংঘর্ষের ফলে ইলেকট্রনের গতি বাঁধা প্রাপ্ত হয় এবং বেগ হ্রাস পায়। 
- ইলেকট্রনের বেগ হ্রাস পাওয়ার ফলে তড়িৎ প্রবাহ বাঁধাগ্রস্থ হয়।
- পরিবাহীর যে ধর্মের কারণে এর মধ্য দিয়ে তড়িৎ প্রবাহ বাঁধাগ্রস্থ হয় তাকে রোধ বলে। 
- বর্তনীতে দুই প্রকার রোধ ব্যবহার করা হয়। 
যথা- 
১. স্থির রোধ: 
- যে সকল রোধের মান নির্দিষ্ট অর্থাৎ মানের পরিবর্তন করা যায় না তাদেরকে স্থির রোধ বলে। 

২. পরিবর্তনশীল রোধ: 
- যে সকল রোধের মান প্রয়োজন অনুসারে পরিবর্তন করা যায় তাদেরকে পরিবর্তনশীল রোধ বলে। 
- বর্তনীতে তড়িৎ প্রবাহ পরিবর্তন এবং বিভব পরিবর্তনের জন্য পরিবতনশীল রোধের প্রয়োজন পড়ে। 
- সাধারণত রেডিও, ক্যাসেট, অ্যামপ্লিফায়ার ইত্যাদিতে শব্দ নিয়ন্ত্রণের জন্য পরিবর্তনশীল রোধ লাগানো থাকে। 
- ফ্যানের রেগুলেটরে ফ্যানের পাখাকে জোরে বা আস্তে ঘোরানোর জন্য পরিবর্তনশীল রোধ ব্যবহার করা হয়, যেহেতু এগুলোকে ঘন ঘন পরিবর্তনের প্রয়োজন পড়ে তাই এটি বাইরের দিকে লাগানো হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
জাইলেম টিস্যু নয় কোনটি?
  1. ট্রাকিড
  2. ভেসেল
  3. বাস্ট তন্তু
  4. জাইলেম তন্তু
সঠিক উত্তর:
বাস্ট তন্তু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাস্ট তন্তু
ব্যাখ্যা
জটিল টিস্যু: 
- এ টিস্যুর প্রধান কাজ মাটি থেকে পানি ও অজৈব লবণ পরিবহন করে পাতায় পৌঁছানো এবং পাতায় যে খাদ্য প্রস্তুত হয় তা পরিবহন করে উদ্ভিদ দেহের বিভিন্ন অংশে পৌঁছানো। 
- এদের কাজ পরিবহন বলে এ টিস্যুকে পরিবহন টিস্যুও বলা হয়। 
- জটিল টিস্যু দু'প্রকার। যথা- (i) জাইলেম টিস্যু ও (ii) ফ্লোয়েম টিস্যু। 

জাইলেম টিস্যু: 
- এ টিস্যু পরিবহন টিস্যুগুচ্ছের অন্যতম অংশ। 
- ভাস্কুলার উদ্ভিদে জাইলেমের সাহায্যেই খাদ্য দ্রব্যের উপাদানগুলো মাটি থেকে মূলের মাধ্যমে পাতায় পরিবাহিত হয়। 
- উৎপত্তি ও বিকাশের ভিত্তিতে জাইলেম দু'রকম। 
যথা-প্রাথমিক জাইলেম ও সেকেন্ডারি জাইলেম। 
- ভ্রূণ থেকে উদ্ভিদ বিকাশের সঙ্গে সঙ্গে প্রোক্যাম্বিয়াম থেকে যে জাইলেমের সৃষ্টি হয় তাকে প্রাথমিক জাইলেম বলা হয়। 
- উদ্ভিদের সেকেন্ডারি বৃদ্ধির সময় ক্যাম্বিয়াম থেকে যে জাইলেমের সৃষ্টি হয় তাকে সেকেন্ডারি জাইলেম বলা হয়। 
- পরিণত অবস্থায় আবৃতবীজী উদ্ভিদে জাইলেম চার রকম কোষ দ্বারা গঠিত। 
যথা- (A) ট্রাকিড, (B) ট্রাকিয়া বা ভেসেল, (C) জাইলেম প্যারেনকাইমা ও (D) জাইলেম তন্তু। 

ফ্লোয়েম টিস্যু: 
- উদ্ভিদের পাতা ও অন্যান্য সবুজ অংশে যে খাদ্য উৎপাদন হয় তা উদ্ভিদের অন্যান্য অংশে পরিবহন করাই এদের কাজ। 
- ফ্লোয়েম টিস্যু চার ধরনের কোষ দ্বারা গঠিত। 
যথা- (A) সীভ নল, (B) সঙ্গী কোষ, (C) ফ্লোয়েম প্যারেনকাইমা এবং (D) ফ্লোয়েম ফ্লাইবার বা বাস্ট তন্তু। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
কোন নেটওয়ার্কটি পাবলিক নেটওয়ার্কের অন্তর্ভুক্ত? 
  1. CAN
  2. WAN
  3. LAN
  4. PAN
সঠিক উত্তর:
WAN
উত্তর
সঠিক উত্তর:
WAN
ব্যাখ্যা
নেটওয়ার্কের মালিকানা: 
- নেটওয়ার্কভুক্ত কম্পিউটারগুলোর মালিকানা বা নিয়ন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠানের উপর ভিত্তি করে কম্পিউটার নেটওয়ার্ককে প্রধানত দুই ভাগে ভাগ করা যায়। 
যথা- 
১। পাবলিক নেটওয়ার্ক (Public Network): 
- যে নেটওয়ার্কে ব্যবহারকারীর সংখ্যা নিয়ন্ত্রিত নয় এবং যেকোনো সময় যেকোনো কম্পিউটার নেটওয়ার্কে সংযুক্ত হতে পারে, তাকে পাবলিক নেটওয়ার্ক বলে। 
- এ ধরনের নেটওয়ার্ক পরিচালিত হয় অনেক প্রতিষ্ঠানের তত্ত্বাবধানে, অর্থাৎ এর একক মালিকানা থাকে না। 
- এর ব্যবহারকারীকে সাধারণত ফিস্ বা মূল্য পরিশোধ করতে হয় না। 
- WAN বা ইন্টারনেট হলো পাবলিক নেটওয়ার্কের উদাহরণ। 

২। প্রাইভেট নেটওয়ার্ক (Private Network): 
- যে নেটওয়ার্কে ব্যবহারকারীর সংখ্যা নিয়ন্ত্রিত এবং কোনো কম্পিউটারকে নেটওয়ার্কে যুক্ত করতে কর্তৃপক্ষের অনুমতির প্রয়োজন হয়, তাকে প্রাইভেট নেটওয়ার্ক বলে। 
- কেউ ইচ্ছা করলেই এই নেটওয়ার্কে অ্যাকসেস করতে পারে না। 
- এ ধরনের নেটওয়ার্ক পরিচালিত হয় একটি প্রতিষ্ঠানের মালিকানায় ও তত্ত্বাবধানে। 
- এর সিকিউরিটি সিস্টেম মজবুত এবং এতে ট্রাফিক নেই বললেই চলে। 
- ডেটা আদান-প্রদানে ডিলে (Delay) কম হয়। 
- PAN, LAN বা CAN এ ধরনের নেটওয়ার্ক। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি।
.
এক্স-রে হলো এক ধরনের- 
  1. কণিকা বিকিরণ
  2. তাপ বিকিরণ
  3. আলোক বিকিরণ
  4. তাড়িতচৌম্বক বিকিরণ
সঠিক উত্তর:
তাড়িতচৌম্বক বিকিরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তাড়িতচৌম্বক বিকিরণ
ব্যাখ্যা
এক্স-রে বা রঞ্জন রশ্মি: 
- এক্সরে হলো এক ধরনের তাড়িতচৌম্বক বিকিরণ। 
- এক্সরের তরঙ্গ দৈর্ঘ্য সাধারণ আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের চেয়ে অনেক কম। 
- এই রশ্মির তরঙ্গ দৈর্ঘ্য 10-10 m এর কাছাকাছি। 
- ১৮৯৫ সালে রন্টজেন এক্সরে আবিস্কার করেন, তাই এক্সরে রঞ্জনরশ্মি নামেও পরিচিত। 
- চিকিৎসা বিজ্ঞানে এক্সরের অবদান নিচে বর্ণনা করা হলো- 
১. স্থানচ্যুত হাড়, হাড়ে ফাটল, ভেঙে যাওয়া হাড় ইত্যাদি এক্সরের সাহায্যে খুব সহজেই সনাক্ত করা যায়। 
২. মুখমণ্ডলীর যে কোনো ধরনের রোগ নির্ণয়ে এক্সরের ব্যবহার অনেক যেমন- দাঁতের গোড়ায় ঘা এবং ক্ষয় নির্ণয়ে এক্সরে ব্যবহৃত হয়।
৩. পেটের এক্সরের সাহায্যে অন্ত্রের প্রতিবন্ধকতা সনাক্ত করা যায়।
৪. এক্সরের সাহায্যে পিত্ত থলি ও কিডনির পাথরকে সনাক্ত করা যায়।
৫. বুকের এক্সরের সাহায্যে ফুসফুসের রোগ যেমন- যক্ষ্মা, নিউমোনিয়া, ফুসফুসের ক্যান্সার ইত্যাদি নির্ণয় করা যায়।
৬. চিকিৎসার কাজেও এক্সরে ব্যবহার করা যায়। এটি ক্যান্সার কোষকে মেরে ফেলতে পারে। রেডিওথেরাপি প্রয়োগ করে ক্যান্সারের চিকিৎসা করা যায়। 

- এক্সরের অপ্রয়োজনীয় বিকিরণ সম্পাত যাতে রোগীর ক্ষতি করতে না পারে এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। 
- এজন্য এক্সরে নেওয়ার সময় রোগীকে সীসা নির্মিত এপ্রোন দ্বারা যথাসম্ভব আচ্ছাদিত করতে হবে। 
- অতি জরুরী না হলে গর্ভবতী মহিলাদের উদর এবং পেলভিক অঞ্চলের এক্সরে করা উচিত নয়। 
- অন্য কোনো এক্সরে পরীক্ষা প্রয়োজন হলে সীসা নির্মিত এপ্রোন অবশ্যই ব্যবহার করতে হবে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
কোন তাপমাত্রায় পানির ঘনত্ব সব চেয়ে বেশি হয়?
  1. 4° C
  2. 4° K
  3. 25° C
  4. 100° C
সঠিক উত্তর:
4° C
উত্তর
সঠিক উত্তর:
4° C
ব্যাখ্যা
ঘনত্ব (Density): 
- একই আয়তনের সকল পদার্থের ভর সমান নয়, তাই পদার্থের একক আয়তনের ভরকে তার ঘনত্ব হিসেবে বিবেচনা করা হয়। 
যেমন- দশ একক আয়তনের বস্তুর ভর বিশ একক হলে ঐ বস্তুর ঘনত্ব দুই একক। 
অর্থাৎ, বস্তুর একক আয়তনের ভরকে তার উপাদানের ঘনত্ব বলে।
গাণিতিকভাবে বলা হয়, V আয়তনের কোন বস্তুর ভর m হলে ঐ বস্তুর ঘনত্ব, ρ = m/V  । 
এখানে, বস্তুর ভরকে m দ্বারা, আয়তনকে V দ্বারা এবং ঘনত্বকে ρ [গ্রীক অক্ষর রো] অথবা d অথবা D অক্ষর দ্বারা প্রকাশ করা হয়। 
- যেহেতু ভরের একক কিলোগ্রাম (kg) এবং আয়তনের একক ঘনমিটার (m3), তাই ঘনত্বের একক কিলোগ্রাম প্রতি ঘনমিটার (সংক্ষেপে কিলোগ্রাম/ঘনমিটার (kg/m3)।
- ব্যবহারিক বা প্রায়োগিক ক্ষেত্রে ঘনত্বের একক গ্রাম প্রতি ঘন সেন্টিমিটার (সংক্ষেপে গ্রাম/সিসি (g/cc অথবা g/cm3) বহুল প্রচলিত, এটি S.I এককের উপগুণিতক। 
- ভরের মাত্রাকে আয়তনের মাত্রা দিয়ে ভাগ করলে ঘনত্বের মাত্রা পাওয়া যায়। ঘনত্বের মাত্রা, [ρ] = ML-3  । 

- তাপমাত্রার পরিবর্তন হলে একই বস্তুর আয়তন পরিবর্তন হয়, তাই ঘনত্বেরও পরিবর্তন হয়।
- পরীক্ষা করে দেখা গেছে, পানির ঘনত্ব সব চেয়ে বেশি হয় 4° C তাপমাত্রায়
- 4° C থেকে তাপমাত্রা বাড়লেও পানির ঘনত্ব কমে যায়, 4° C থেকে তাপমাত্রা কমলেও পানির ঘনত্ব কমে যায়।
- কেবল মাত্র 4° C তাপমাত্রায় 1 ঘনমিটার পানির ভর 1000 কিলোগ্রাম হয়, তাই পানির ঘনত্ব 1000 kgm-3 অথবা 1gm/cc ।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০.
ফ্লিপ-ফ্লপের কতটি স্থায়ী অবস্থা থাকে?
  1. ১ টি
  2. ২ টি
  3. ৩ টি
  4. ৪ টি
সঠিক উত্তর:
২ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ টি
ব্যাখ্যা
ফ্লিপ ফ্লপ: 
- ফ্লিপ-ফ্লপ লজিক গেইট দ্বারা তৈরি এক ধরনের মেমরি উপাদান যা একটি বাইনারি বিট সংরক্ষণ করতে পারে। 
- ফ্লিপ-ফ্লপের দুটি স্থায়ী অবস্থা (0,1) আছে এবং ফ্লিপ-ফ্লপ দুটি স্থায়ী অবস্থার যে কোন একটিতে থাকতে পারে। 

ফ্লিপ-ফ্লপের ব্যবহার: 
১। বিভিন্ন রেজিস্টার তৈরিতে ফ্লিপ-ফ্লপ ব্যবহার করা হয়। 
২। সিকোয়েন্সিয়াল সার্কিটে মেমরি উপাদান হিসেবে ফ্লিপ-ফ্লপ ব্যবহার করা হয়। 
৩। ডিজিটাল ঘড়ি, ডিজিটাল ক্যামেরা, মোবাইল ফোন ইত্যাদিতে ফ্লিপ-ফ্লপ ব্যবহৃত হয়। 

ফ্লিপ-ফ্লপের প্রকারভেদ: 
- ফ্লিপ-ফ্লপ সাধারণত ৫ প্রকার। 
যথা- 
১. SR ফ্লিপ-ফ্লপ, 
২. D ফ্লিপ-ফ্লপ, 
৩. JK ফ্লিপ-ফ্লপ, 
৪. T ফ্লিপ-ফ্লপ ও 
৫. মাস্টার-স্লেভ ফ্লিপ-ফ্লপ। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১.
কোন সাল থেকে প্রথম ই-মেইল পাঠানোর প্রচলন শুরু হয়? 
  1. ১৯৬৯ সালে
  2. ১৯৭১ সালে
  3. ১৯৭৩ সালে
  4. ১৯৬৭ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭১ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭১ সালে
ব্যাখ্যা
ই-মেইল (E-mail): 
- ইলেকট্রনিক মেইল (Electronic mail)-এর সংক্ষিপ্ত রূপ হচ্ছে ই-মেইল (E-mail)। 
- ই-মেইল বলতে বুঝায় কম্পিউটার, ট্যাবলেট, স্মার্টফোন ইত্যাদি ডিজিটাল ডিভাইস দিয়ে নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে একজন বা অনেক জনের সাথে ডিজিটাল তথ্য বিনিময় করা। 
- ১৯৭১ সালে প্রথম ই-মেইল পাঠানো শুরু হয় এবং মাত্র ২৫ বছরের ভেতরে পোস্ট অফিস ব্যবহার করে পাঠানো চিঠি থেকে ই-মেইলের সংখ্যা বেশি হয়ে গিয়েছিল। 
- ই-মেইল পাঠানোর জন্য প্রথমেই যিনি পাঠাবেন এবং যিনি পাবেন দুজনেরই ই-মেইলের ঠিকানার দরকার হয়। 
- ই-মেইল ঠিকানাটি @ বর্ণটি দিয়ে ভাগ করা হয়েছে। 
- যদি abc@def.com একটি ই-মেইল ঠিকানা হয়ে থাকে তাহলে @ এর পরের অংশটুকু হচ্ছে ডোমেইন নেইম, যেটি দিয়ে বুঝানো হয় ব্যবহারকারী কোন প্রতিষ্ঠানের সাথে জড়িত। 
- প্রথম অংশটুকু হচ্ছে ব্যবহারকারীর কোনো ধরনের পরিচয়। 

- বর্তমানে ই-মেইল বিনিময় করার অনেক জনপ্রিয় উপায় হচ্ছে ইন্টারনেটের দেওয়া ই-মেইল সার্ভিস। 
যেমন- Gmail, Yahoo, Hotmail ইত্যাদি ই-মেইলের সেবা শুধু যে বিনামূল্যে দেওয়া হয় তা নয়, ব্যবহারকারীর ই-মেইল সংরক্ষণ করার দায়িত্বও গ্রহণ করে থাকে। 
- একটি ই-মেইল একাধিক গ্রাহকের কাছে পাঠানো যায়, প্রয়োজনে ই-মেইলকে অন্য একজনকে ‘কার্বন কপি’ (CC) হিসেবে পাঠানো যায়। 
- ই-মেইলের শুরুতে বিষয় হিসেবে ই-মেইলের বক্তব্যটি একটি শিরোনাম লিখা যায়। 
- শুধু তা-ই নয় ই-মেইলের বিষয়বস্তু লেখার পাশাপাশি তার সাথে অন্য কোনো ডকুমেন্ট, ছবি সংযুক্ত করে পাঠিয়ে দেওয়া যায়। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১২.
পত্ররন্ধ্রের খোলা ও বন্ধ হওয়ার প্রক্রিয়ায় কোন খনিজ উপাদান সরাসরি নিয়ন্ত্রণ করে?
  1. আয়রন
  2. মলিবডেনাম
  3. ম্যাগনেসিয়াম
  4. পটাসিয়াম
সঠিক উত্তর:
পটাসিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পটাসিয়াম
ব্যাখ্যা
পুষ্টি উপাদানের গুরুত্ব: 
- উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধিতে বিভিন্ন খনিজ উপাদানের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। 
যেমন- 
• নাইট্রোজেন (N): নিউক্লিক অ্যাসিড, প্রোটিন ও ক্লোরোফিলের অত্যাবশ্যকীয় উপাদান। উদ্ভিদের স্বাভাবিক দৈহিক বৃদ্ধিতে নাইট্রোজেন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে এবং কোষকলায় পানির পরিমাণ বৃদ্ধি করে। 
• ফসফরাস (P): নিউক্লিক অ্যাসিড, বিভিন্ন ফসফোলিপিড, NADP, ATP ইত্যাদি বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ রাসায়নিক দ্রব্যের সাংগঠনিক উপাদান। উদ্ভিদের মূল বর্ধনের জন্য ফসফরাস অত্যন্তপ্রয়োজনীয় উপাদান। 
পটাসিয়াম (K): উদ্ভিদের পানি শোষণে সাহায্য করে। পত্ররন্ধ্র খোলা এবং বন্ধ হওয়ার ক্ষেত্রে পটাসিয়ামের গুরুত্ব অপরিসীম। ইহা মূল, ফুল ও ফল উৎপাদন এবং বর্ধনে সাহায্য করে। 
ম্যাগনেসিয়াম (Mg): ক্লোরোফিল অণুর একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। উদ্ভিদের শ্বসন প্রক্রিয়ায় সাহায্য করে। 
আয়রন (Fe): উদ্ভিদের বায়বীয় শ্বসন এর উপর নির্ভরশীল। ক্লোরোফিল সৃষ্টিতে আয়রনের ভূমিকা অপরিসীম। 
• ম্যাঙ্গানিজ (Mn): ক্লোরোপ্লাস্ট গঠন ও সংরক্ষণের জন্য ম্যাঙ্গানিজ প্রয়োজন। 
• তামা (Cu): টমেটো, সূর্যমুখী উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য এবং শ্বসন প্রক্রিয়ার উপর তামার প্রভাব উল্লেখযোগ্য। 
• বোরন (B): উদ্ভিদের স্বাভাবিক বর্ধনশীল অঞ্চলের জন্য বোরন প্রয়োজন। চিনি পরিবহনে বোরন পরোক্ষ প্রভাব বিস্তার করে। 
• দস্তা বা জিংক (Zn): অ্যামাইনো অ্যাসিড সংশ্লেষণের জন্য দস্তা প্রয়োজন। উদ্ভিদের স্বাভাবিক বিপাকীয় কার্যে এর প্রয়োজন হয়। 
মলিবডেনাম (Mo): অণুজীব দ্বারা বায়বীয় নাইট্রোজেন সংবন্ধনের জন্য এটি আবশ্যক। 
• ক্লোরিন (Cl): সুগারবীট এর মূল ও কান্ডের বৃদ্ধির জন্য ক্লোরিন প্রয়োজন। 
উদ্ভিদের শ্বসন প্রক্রিয়ায় সরাসরি অংশগ্রহণ করে না কোন খনিজ উপাদান?

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩.
তাপমাত্রা পরিমাপের আন্তর্জাতিক একক কোনটি?
  1. কেলভিন
  2. ফারেনহাইট
  3. সেলসিয়াস
  4. ডিগ্রী সেলসিয়াস
সঠিক উত্তর:
কেলভিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কেলভিন
ব্যাখ্যা
তাপ (Heat): 
- তাপ এক প্রকার শক্তি যার অভাবে ঠান্ডা এবং যার প্রভাবে বস্তু গরম হয়। 
- এক সময় বিজ্ঞানীদের ধারণা ছিল তাপ ক্যালরিক নামে এক প্রকার সূক্ষ্ম তরল বা বায়বীয় পদার্থ, কোনো বস্তুতে ক্যালরিক কম হলে বস্তু ঠান্ডা এবং বেশি হলে বস্তু গরম হয়। 
- ১৭৭৮ খ্রি: বিজ্ঞানী কাউন্ট রামফোর্ড আবিষ্কার করেন, পদার্থের মধ্যে অণুসমূহের গতির ফলই তাপ। 
- তাপ হলো বস্তুর বা পদার্থের অভ্যন্তরস্থ অণুসমূহের গতির সঙ্গে সম্পর্কিত এক প্রকার শক্তি যা ঠান্ডা ও গরমের অনুভূতি সৃষ্টি করে। 
- তাপ শক্তি দ্বারা কাজ সম্পাদন হয়, এই শক্তিকে অন্য শক্তিতে রূপান্তর করা যায় আবার অন্য শক্তিও তাপ শক্তিতে রূপান্তরিত হয়। 
যেমন- বৈদ্যুতিক বাতিতে বিদ্যুৎ শক্তিকে তাপ শক্তিতে এবং তাপ শক্তিকে আলোক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়। 
- তাপের S.I একক জুল (J), এক সময় তাপ পরিমাপের জন্য একক ধরা হতো ক্যালরি। 
- 1 গ্রাম পানির তাপমাত্রা 1° C বাড়াতে বা কমাতে যতটা তাপের প্রয়োজন তাকে 1 ক্যালরি (Cal) ধরা হতো, 4.2 জুল যান্ত্রিক শক্তি 1 ক্যালরি তাপের সমতুল্য। তাই 1 ক্যালরি = 4.2 জুল। 
- তাপ পরিমাপের যন্ত্র ক্যালরিমিটার। 
- তাপের প্রবাহ তাপের পরিমাণের ওপর নির্ভর করে না। 
- দুটি বস্তুর তাপের পরিমাণ এক হলেও এদের তাপমাত্রার পরিমাণ ভিন্ন হতে পারে। 

তাপমাত্রা (Temparature): 
- কোনো বস্তুকে তাপ দিতে থাকলে, যত তাপ দেয়া হয় তত বেশি গরম হয়। গরমের মাত্রা বুঝানোর জন্য ব্যবহার করা হয় উষ্ণতা বা তাপমাত্রা শব্দটি। 
- দু'টি বস্তুকে পরস্পরের তাপীয় সংস্পর্শে আনলে এদের মধ্যে তাপের আদান প্রদান ঘটে। 
- এই আদান প্রদান বস্তুর মধ্যে তাপের পরিমাণের ওপর নির্ভর করে না, নির্ভর করে বস্তুর তাপীয় অবস্থার উপর। 
- বস্তু দুটির তাপীয় অবস্থা সমান না হওয়া পর্যন্ত তাপ একটি থেকে অন্যটিতে (গরমটি থেকে ঠান্ডাটিতে) প্রবাহিত হয়, বস্তুর এই তাপীয় অবস্থার নাম উষ্ণতা বা তাপমাত্রা। 
অর্থাৎ, তাপমাত্রা বা উষ্ণতা হলো বস্তুর তাপীয় অবস্থা যা ঐ বস্তু থেকে অন্য বস্তুতে তাপ প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করে। 
- তাপমাত্রা পরিমাপের S.I বা আন্তর্জাতিক একক কেলভিন, তবে তাপমাত্রার কেলভিন ছাড়াও বহুল প্রচলিত দুটি একক আছে। যেমন- সেলসিয়াস বা সেন্টিগ্রেড এবং ফারেনহাইট । 
- তাপমাত্রা পরিমাপের যন্ত্র থার্মোমিটার। 
- তাপের প্রবাহ তাপমাত্রার ওপর নির্ভর করে। 
- দুটি বস্তুর তাপমাত্রা এক হলেও এদের মধ্যে তাপের পরিমাণ ভিন্ন হতে পারে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৪.
কোন ‘কী’র সাহায্যে একাধিক টেবিলের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করা হয়? 
  1. প্রাইমারি কী
  2. ফরেন কী
  3. কম্পোজিট ফরেন কী
  4. কম্পোজিট প্রাইমারি কী 
সঠিক উত্তর:
ফরেন কী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফরেন কী
ব্যাখ্যা
কী ফিল্ড: 
- যে ফিল্ডের উপর ভিত্তি করে ফাইলের রেকর্ড অনুসন্ধান, সনাক্তকরণ, সম্পর্ক স্থাপন ইত্যাদি কাজগুলো করা হয় তাকে কী ফিল্ড বলে। 
- কী ফিল্ড ৩ ধরনের হতে পারে। 
যথা- 
১. প্রাইমারি কী (Primary Key): 
- যে ফিল্ড কোন রেকর্ডকে ইউনিকভাবে (অদ্বিতীয়) সনাক্ত করতে পারে তাকে প্রাইমারি কী বলে। 

২. ফরেন কী (Foreign Key): 
- কোন একটি টেবিলের প্রাইমারি কী যদি অন্য টেবিলে ব্যবহার করা হয় তবে তাকে ফরেন কী বলে। 
- ফরেন কী এর সাহায্যে একাধিক টেবিলের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করা হয়। 

৩. কম্পোজিট প্রাইমারি কী (Composite Primary Key): 
- কোন ডেটাবেজ ফাইলে সুনির্দিষ্ট প্রাইমারি কী অনুপস্থিত থাকলে একাধিক ফিল্ডকে একত্রে প্রাইমারি কী হিসেবে ব্যাবহার করা হয়, এই ধরনের কী ফিল্ডকে কম্পোজিট প্রাইমারি কী বলে। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৫.
সেন্টিমোলার দ্রবণের ক্ষেত্রে প্রতিলিটার দ্রবণে দ্রবীভূত দ্রবের পরিমাণ কত?
  1. ১ মোল
  2. ০.১ মোল
  3. ০.০১ মোল
  4. ০.০০১ মোল
সঠিক উত্তর:
০.০১ মোল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
০.০১ মোল
ব্যাখ্যা
- সেন্টিমোলার দ্রবণের ক্ষেত্রে প্রতিলিটার দ্রবণে দ্রবীভূত দ্রবের পরিমাণ হচ্ছে- ০.০১ মোল । 

মোলার দ্রবণ: 

দুই বা ততোধিক কঠিন তরল বা গ্যাসীয় পদার্থের সমস্বত্ত্ব মিশ্রনকে দ্রবণ বলে। 
- দ্রবণের দুটি অংশ-একটি দ্রাবক ও অপরটি দ্রব, অর্থাৎ দ্রবণ = (দ্রাবক + দ্রব)। 
- দ্রবণে যে উপাদান অপর উপাদানকে দ্রবীভূত করে তাকে দ্রাবক বলে। যেমন- পানি, অ্যালকোহল, কেরোসিন তেল, এসিড প্রভৃতি দ্রাবক হিসেবে ব্যবহার করা হয়। 
- পানিকে দ্রাবক হিসেবে ব্যবহার করে প্রস্তুতকৃত দ্রবণকে জলীয় দ্রবণ বলে। 
- সাধারণত দ্রবণের ভৌত অবস্থা নির্ধারিত হয় দ্রাবকের ভৌত অবস্থার উপর। 
- দ্রবণে যে উপাদানাটির আপেক্ষিক পরিমাণ কম থাকে তাকে দ্রব বলে। 
- দ্রব, দ্রাবকের মধ্যে দ্রবীভূত হয়। 
- সাধারণভাবে দ্রবণের ঘনমাত্রা বলতে দ্রবণের একটি নির্দিষ্ট আয়তনে কী পরিমাণ দ্রব দ্রবীভূত আছে তা বোঝা যায়। 
- প্রতি একক আয়তন দ্রবণে একই দ্রবের বিভিন্ন পরিমাণ দ্রবীভূত থাকলে দ্রবণের ঘনমাত্রা বিভিন্ন হয়। 
- দ্রবণে দ্রবীভূত দ্রবের পরিমাণকে বিভিন্ন এককে প্রকাশ করা হয়। 
যেমন- গ্রাম, মোল, গ্রাম-অণু, গ্রাম-তুল্যভর ইত্যাদি। 
- প্রকৃত পক্ষে ল্যাবরেটরিতে প্রস্তুতকৃত দ্রবণের ঘনমাত্রা প্রকাশের বিভিন্ন পদ্ধতি থাকলেও মোলারিটি দ্রবনের ঘনমাত্রার প্রকাশের একটি আদর্শ পদ্ধতি। 
- নির্দিষ্ট তাপমাত্রার দ্রবণের প্রতি লিটার আয়তনের মধ্যে কোনো দ্রবের এক মোল পরিমাণ দ্রব দ্রবীভূত থাকলে ঐ দ্রবণকে ঐ দ্রবের মোলার দ্রবণ বলে। 
- প্রকৃতপক্ষে দ্রবণের প্রতি লিটারে মধ্যে যত মোল দ্রব দ্রবীভূত থাকে দ্রবনের মাত্রা তত মোলার, মোলার দ্রবণকে M দ্বারা প্রকাশ করা হয়। 


উৎস: রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৬.
রিং টপোলজিতে তথ্য কীভাবে প্রবাহিত হয়? 
  1. নির্দিষ্ট একটি দিকে
  2. একাধিক দিকে
  3. এলোমেলোভাবে
  4. শুধু ক্লায়েন্ট থেকে সার্ভারে
সঠিক উত্তর:
নির্দিষ্ট একটি দিকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নির্দিষ্ট একটি দিকে
ব্যাখ্যা
রিং টপোলজি: 
- রিং টপোলজি গোলাকার বৃত্তের মতো। 
- এই টপোলজিতে প্রত্যেকটা কম্পিউটার অন্য দুটো কম্পিউটারের সাথে যুক্ত। 
- এই টপোলজিতে এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে তথ্য যায় একটা নির্দিষ্ট দিকে। 
- রিং টপোলজিতে কম্পিউটারগুলোকে কিন্তু বৃত্তাকারে থাকার দরকার নেই; সেগুলো এলোমেলোভাবে থাকতে পারে। কিন্তু যদি সব সময়েই কম্পিউটারগুলোর মাঝে বৃত্তাকার যোগাযোগ থাকে তাহলেই সেটি রিং টপোলজি। 
- উল্লেখ্য এক্ষেত্রে কোনো একটি কম্পিউটার নষ্ট হয়ে গেলে সম্পূর্ণ নেটওয়ার্ক বিকল হয়ে যাবে। 

বাস টপোলজি: 

- এই টপোলজিতে একটা মূল ব্যাকবোন বা মূল লাইনের সাথে সবগুলো কম্পিউটারকে জুড়ে দেওয়া হয়। 
- বাস টপোলজিতে কোনো একটা কম্পিউটার যদি অন্য কোনো কম্পিউটারের সাথে যোগাযোগ করতে চায়, তাহলে সব কম্পিউটারের কাছেই সেই তথ্য পৌঁছে যায়। 
- তবে যার সাথে যোগাযোগ করার কথা কেবল সেই কম্পিউটারটি তথ্যটা গ্রহণ করে, অন্য সব কম্পিউটার তথ্যগুলোকে উপেক্ষা করে। 
- তবে মূল বাস/ব্যাকবোন নষ্ট হয়ে গেলে সম্পূর্ণ নেটওয়ার্ক অকেজো হয়ে যায়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ  প্রযুক্তি, অষ্টম শ্রেণি।
১৭.
ডান ফুসফুস কতটি খণ্ডে বিভক্ত? 
  1. এক খণ্ডে
  2. দুই খণ্ডে
  3. তিন খণ্ডে
  4. চার খণ্ডে
সঠিক উত্তর:
তিন খণ্ডে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তিন খণ্ডে
ব্যাখ্যা
ফুসফুস: 
- ফুসফুস শ্বাসতন্ত্রের প্রধান অঙ্গ। 
- বক্ষগহ্ববরের ভেতর হৃদপিন্ডের দু'পাশে দুটি ফুসফুস অবস্থিত। 
- এটি স্পঞ্জের ন্যায় নরম ও কোমল, হালকা লালচে রঙের। 
- ডান ফুসফুস তিন খণ্ডে ও বাম ফুসফুস দু'খণ্ডে বিভক্ত। 


- ফুসফুস দু'ভাঁজবিশিষ্ট প্লুরা নামক পর্দা দ্বারা আবৃত।
- দু'ভাঁজের মধ্যে এক প্রকার রস নির্গত হয়। ফলে শ্বাসক্রিয়া চলার সময় ফুসফুসের সাথে বক্ষগাত্রের কোন ঘর্ষণ লাগে না। 
- ফুসফুসে অসংখ্য বায়ুথলি বা বায়ুকোষ, সূক্ষ্ম সূক্ষ্ম শ্বাসনালি ও রক্তনালি থাকে। 
- বায়ু থলিগুলোই হলো অ্যালভিওলাস (Alveolus)। 
- বায়ুথলি পাতলা আবরণী দ্বারা আবৃত হয়, প্রতিটি বায়ুথলি কৈশিকনালিকা দ্বারা পরিবেষ্টিত। 
- এ বায়ুথলি ও কৈশিক নালিকাগুলোর ভেতর দিয়ে গ্যাসীয় আদান প্রদান ঘটে। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৮.
প্রাথমিক পর্যায়ে কোন ধরনের মডেম ব্যবহৃত হতো? 
  1. DSL মডেম
  2. কেবল মডেম
  3. ফাইবার অপটিক মডেম
  4. ডায়াল-আপ মডেম
সঠিক উত্তর:
ডায়াল-আপ মডেম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডায়াল-আপ মডেম
ব্যাখ্যা
মডেম (Modem): 
- ইন্টারনেটের মাধ্যমে নেটওয়ার্কে যুক্ত থাকার জন্য অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্র হলো মডেম। 
- Modulator-এর Mo এবং Demodulator হতে Dem এই অংশ দুটির সমন্বয়ে Modem শব্দটি তৈরি হয়েছে। 
- মডেম তার দ্বারা সংযুক্ত বা তারবিহীন (wireless) প্রযুক্তিতে ব্যবহৃত হতে পারে। 
- ইন্টারনেটের মাধ্যমে ডেটা বা উপাত্ত পাঠানোর জন্য এক ধরনের সিগনাল দরকার হয়, মডেম এমন একটি নেটওয়ার্ক যন্ত্র (network device), যা কম্পিউটার হতে প্রাপ্ত ডিজিটাল সিগনালকে রূপান্তর করে network কে প্রেরণ করে। আবার নেটওয়ার্ক হতে প্রাপ্ত সিগনালকে রূপান্তর করে কম্পিউটারে প্রেরণ করে। 
- পূর্বে স্বল্প গতির ডায়াল-আপ মডেম ব্যবহার করা হতো, বর্তমানে এর পরিবর্তে দ্রুতগতির কেবল বা DSL (Digital Subscribers Line) মডেম ব্যবহার হচ্ছে। 
- এছাড়া বর্তমানে প্রচুর পরিমাণে Wi-Fi ব্যবহৃত হচ্ছে। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ  প্রযুক্তি, অষ্টম শ্রেণি।
১৯.
কোন উদ্ভিদের পুষ্পায়নে আলো কোনো প্রভাব ফেলে না?
  1. তামাক
  2. আফিম
  3. টমেটো
  4. সয়াবিন
সঠিক উত্তর:
টমেটো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টমেটো
ব্যাখ্যা
- উদ্ভিদের বিভিন্ন অঙ্গ বিকাশের ক্ষেত্রে আলো ও উষ্ণতার প্রভাব বেশ লক্ষণীয়। 
- এ সকল উদ্দীপনার ফলে বিভিন্ন সংশ্লেষণ পদ্ধতির মাধ্যমে ভিন্ন ভিন্ন উপাদান উৎপন্ন হয়ে নতুন অঙ্গের সৃষ্টি করে এবং কোষের উপাদানগুলো নিচের দিকে স্থানান্তরিত হয়। 
- উদ্ভিদে আলো-অন্ধকারের ছন্দকে বায়োলজিক্যাল ক্লক বলা হয়। 
- উদ্ভিদের আলো-অন্ধকারের ছন্দের উপর ভিত্তি করে পুষ্পধারী উদ্ভিদকে তিন ভাগে ভাগ করা হয়। 
যথা- 
১। স্বল্প দিবা দৈর্ঘ্যের উদ্ভিদ: 
- যে সব উদ্ভিদে পুষ্পায়নে দৈনিক গড়ে ৮-১২ ঘণ্টা আলো প্রয়োজন। 
যেমন- সয়াবিন, আলু, ইক্ষু, তামাক, শিম, চন্দ্রমল্লিকা, ডালিয়া ইত্যাদি। 

২। দীর্ঘ দিবা দৈর্ঘ্যের উদ্ভিদ: 
- পুষ্পায়নে দৈনিক গড়ে ১২-১৬ ঘণ্টা আলো প্রয়োজন হয়। 
যেমন- পালংশাক, আফিম, ভুট্টা, যব, লেটুস, ঝিঙা ইত্যাদি। 

৩। আলোক নিরপেক্ষ উদ্ভিদ: 
- পুষ্পায়নে আলো কোনও প্রভাব ফেলে না। 
যেমন- টমেটো, কার্পাস, আউশ ধান, শসা, সূর্যমুখী ইত্যাদি। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২০.
তরঙ্গ সঞ্চালনের সময় কোনো কণার একটি পূর্ণ কম্পন (স্পন্দন) সম্পন্ন করতে যে সময় লাগে, তাকে কী বলে?
  1. কম্পাঙ্ক
  2. পর্যায়কাল
  3. বিস্তার
  4. তরঙ্গ দৈর্ঘ্য
সঠিক উত্তর:
পর্যায়কাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পর্যায়কাল
ব্যাখ্যা
তরঙ্গ: 
- জড় মাধ্যমের কণাগুলোর স্পন্দনের ফলে সৃষ্ট যে পর্যাবৃত্ত আন্দোলন ঐ মাধ্যমের এক স্থান থেকে অন্য স্থানে শক্তি সঞ্চালিত করে কিন্তু মাধ্যমের কণাগুলো স্থানান্তরিত হয় না সেই পর্যাবৃত্ত আন্দোলনকে তরঙ্গ বলে। 

তরঙ্গ দৈর্ঘ্য: 
- তরঙ্গ সঞ্চারকারী কোনো কণার একটি পূর্ণ স্পন্দন সম্পন্ন হতে যে সময় লাগে, সেই সময়ে তরঙ্গ যে দূরত্ব অতিক্রম করে তাকে তরঙ্গ দৈর্ঘ্য বলে। 
- তরঙ্গের উপর পরপর দুটি সমদশা সম্পন্ন কণার মধ্যবর্তী দূরত্বই তরঙ্গ দৈর্ঘ্য। 
- তরঙ্গ দৈর্ঘ্যকে গ্রীক বর্ণ λ (ল্যামডা) দ্বারা প্রকাশ করা হয়। 
- পর পর দুটি তরঙ্গ শীর্ষ বা পরপর দুটি তরঙ্গ পাদের মধ্যবর্তী দূরত্বও একটি তরঙ্গ দৈর্ঘ্য। 

তরঙ্গ শীর্ষ ও তরঙ্গ পাদ: 
- তরঙ্গের সাম্যাবস্থান থেকে সর্বোচ্চ (ধনাত্মক) বিস্তারের বিন্দুটিকে তরঙ্গ শীর্ষ এবং সর্বনিম্ন (ঋণাত্মক) বিস্তারের বিন্দুটিকে তরঙ্গ পাদ বলা হয়। 
- অসংখ্য তরঙ্গ পাদ এবং তরঙ্গ শীর্ষ নিয়ে তরঙ্গ সৃষ্টি হয়। 

তরঙ্গ বেগ: 
- তরঙ্গ নির্দিষ্ট দিকে একক সময়ে যে দূরত্ব অতিক্রম করে তাকে ঐ তরঙ্গের বেগ বা সংক্ষেপে তরঙ্গ বেগ বলে। 
- তরঙ্গ বেগকে v দ্বারা প্রকাশ করা হয়। 

পর্যায়কাল: 
- তরঙ্গ সঞ্চারণকারী কোন কণার একটি স্পন্দন সম্পন্ন করতে যে সময় লাগে তাকে ঐ তরঙ্গের পর্যায়কাল বলে। 
- পর্যায়কালকে T অক্ষর দ্বারা প্রকাশ করা হয়। পর্যায়কালের একক সেকেন্ড (s)। 

কম্পাঙ্ক: 
- তরঙ্গ সঞ্চারণকারী কোনো কণা এক সেকেন্ডে যতগুলো স্পন্দন সম্পন্ন করে তাকে ঐ কণার বা তরঙ্গের কম্পাঙ্ক বলে। 
- কম্পাঙ্ককে সাধারণত ƒ দ্বারা প্রকাশ করা হয়। কম্পাঙ্কের একক হার্জ (Hz)। 

বিস্তার: 
- তরঙ্গ সঞ্চারণকারী কোনো কণা সাম্য অবস্থান থেকে যে কোনো একদিকে সর্বাধিক যে দূরত্ব অতিক্রম করে তাকে তরঙ্গের বিস্তার বলে। 

দশা: 
- তরঙ্গ সঞ্চারণকারী কোনো কণার যে কোনো মুহূর্তের গতির সম্যক অবস্থানকে তার দশা বলে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২১.
তেজস্ক্রিয় মৌলের তেজস্ক্রিয়তার মাত্রা নির্ভর করে- 
  1. চাপের উপর
  2. তাপমাত্রার উপর
  3. রাসায়নিক বিক্রিয়ার উপর
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
কোনোটিই নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
তেজস্ক্রিয়তা (Radioactivity): 
- হেনরি বেকরেল 1896 সালে ইউরেনিয়ামের তেজস্ক্রিয়তা আবিস্কার করেন। 
- পরবর্তিতে বিজ্ঞানী (মাদাম) মেরি কুরি থোরিয়াম মৌলেও ইউরেনিয়ামের মত ধর্ম দেখতে পান। পরবর্তিতে মেরি কুরি এবং পিয়েরে কুরি ইউরেনিয়াম আকরিক থেকে পোলোনিয়াম ও রেডিয়াম নিস্কাশন করেন। এদের তেজস্ক্রিয়তা কয়েক হাজার গুণ বেশি। 
- তেজস্ক্রিয় পদার্থ হতে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অবিরাম এক রহস্যময়ী কণা এবং রশ্মি নির্গত হয়, এই প্রক্রিয়াকে তেজস্ক্রিয়তা বলে। 
- কোনো অস্থায়ী নিউক্লিয়াস থেকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে বিকিরণ নিঃসরণের প্রক্রিয়াকে তেজস্ক্রিয়তা বা তেজস্ক্রিয় ক্ষয় বলে। 
- তেজস্ক্রিয় বিকিরণকে তেজস্ক্রিয় রশ্মি বলে। 
- তেজস্ক্রিয় মৌলের যে পরমাণুর তেজস্ক্রিয় ক্ষয় ঘটে তাকে জনক পরমাণু বলে। 
- নিউক্লিয়াসে থেকে তেজস্ক্রিয় রশ্মি নির্গত হবার পর যে পরমাণুটি পড়ে থাকে তাকে দুহিতা পরমাণু বলে। 

তেজস্ক্রিয়তার বৈশিষ্ট্য: 
১। তেজস্ক্রিয়তা একটি স্বতঃস্ফূর্ত বিরামহীন ঘটনা। 
২। তেজস্ক্রিয় পদার্থের রাসায়নিক পরিবর্তন ঘটলেও তেজস্ক্রিয়তার মাত্রা অপরিবর্তিত থাকে অর্থাৎ কোনো মৌলের যেকোনো যৌগের তেজস্ক্রিয় ধর্ম অভিন্ন। 
৩। এটি একটি অপ্রত্যাবর্তী প্রক্রিয়া। 
৪। তেজস্ক্রিয়তা তেজস্ক্রিয় পদার্থের তাপমাত্রা, চাপ, রাসায়নিক সংযোগ, আলো, তড়িৎক্ষেত্র, চৌম্বকক্ষেত্র ইত্যাদির উপর নির্ভর করে না। 
৫। তেজস্ক্রিয়তার উৎপত্তিস্থল পদার্থের নিউক্লিয়াসে। 
৬। তেজস্ক্রিয়তার বিকিরণ ধনাত্মক চার্জযুক্ত কণা, ঋণাত্মক চার্জযুক্ত কণা ও তাড়িতচৌম্বক তরঙ্গ প্রবাহের সমষ্টি। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২২.
শরীরবৃত্তীয় বায়োমেট্রিক পদ্ধতির উদাহরণ কোনটি?
  1. আইরিশ শনাক্তকরণ
  2. কণ্ঠস্বর যাচাইকরণ
  3. হাতে করা স্বাক্ষর যাচাইকরণ
  4. কিবোর্ডে টাইপিং গতি যাচাইকরণ
সঠিক উত্তর:
আইরিশ শনাক্তকরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইরিশ শনাক্তকরণ
ব্যাখ্যা
বায়োমেট্রিক (Biometric): 
- মানুষের দৈহিক গঠন বা আচরণগত বৈশিষ্ট্য পরিমাপের ভিত্তিতে কোনো ব্যক্তিকে অদ্বিতীয়ভাবে শনাক্ত করার জন্য ব্যবহৃত প্রযুক্তিকে বায়োমেট্রিক বলে। 
- একজন মানুষের সাথে অন্য মানুষের আচরণ বা গাঠনিক বৈশিষ্ট্য কখনোই একরকম হবে না। 
- বৈশিষ্ট্যের ভিন্নতায় বায়োমেট্রিকের প্রকারভেদ দুইরকম। 
যথা- 
ক) শরীরবৃত্তীয় (Physiological) বায়োমেট্রিক পদ্ধতি: 
১। আইরিশ শনাক্তকরণ (Irish scanning): 
- এ পদ্ধতিতে চোখের মণির চারপাশে বেষ্টিত রঙিন বলয় বা আইরিশ বিশ্লেষণ করে শনাক্তকরণের কাজ সম্পন্ন করা হয়। শনাক্তকরণের জন্য সময়ও তুলনামূলকভাবে কম লাগে এবং সূক্ষ্মতাও গ্রহণযোগ্য মাত্রায় হয়ে থাকে। তবে কন্টাক্ট লেন্স পরা থাকলে এ পদ্ধতি সবসময় কার্যকরী নাও হতে পারে। 

২। আঙুলের ছাপ শনাক্তকরণ (Finger print): 
- এ পৃথিবীতে প্রকৃতিগতভাবে প্রতিটি মানুষের আঙুলের ছাপ ভিন্ন অর্থাৎ একজনের সাথে অন্য আরেকজনের আঙুলের ছাপের মিল নেই। একজনের টিপসই কখনোই অন্যজনের সাথে খাপ খাবে না। 
- ফিংগার প্রিন্ট রিডারে কারো আঙুলের ছাপ দেয়ার পর ছাপটির ছবি কম্পিউটার ডেটাবেজে সংরক্ষিত হয়ে যায়। 
- ফিংগার প্রিন্ট মেশিনটি আঙুলের রেখার বিন্যাস, ত্বকের টিস্যু এবং ত্বকের নিচের রক্ত সঞ্চালনের উপর ভিত্তি করে ইলেকট্রোম্যাগনেটিক পদ্ধতিতে আঙুলের ছাপচিত্র তৈরি করে ও আঙুলের দৈর্ঘ্য বিশ্লেষণ করে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়।

৩। মুখমণ্ডলের অবয়ব শনাক্তকরণ (Face recognition): 
- এই পদ্ধতিতে পুরো মুখমন্ডলের ছবি তুলে শনাক্ত করা হয়। আগে থেকে রক্ষিত স্যাম্পল মানের সাথে যার মুখমণ্ডলের আকৃতি তুলনা করা হবে তার ছবি ক্যামেরার মাধ্যমে ধারণ করে সেটি তুলনা করা হয়। 

৪। ডিএনএ পর্যবেক্ষণ (DNA test): 
- ডিএনএ (DNA: Deoxyribo Nucleic Acid) টেস্টের মাধ্যমে যে কোনো ব্যক্তিকে অত্যন্ত নিখুঁত ও প্রশ্নাতীতভাবে শনাক্ত করা যায়। 
- মানব শরীরের যে কোনো উপাদান যেমন- রক্ত, চুল, আঙুলের নখ, মুখের লালা হতে ডিএনএ'র নমুনা সংগ্রহ করা হয়। পরবর্তীকালে নমুনা নিয়ে পূর্ববর্তী ডেটার সাথে মিলিয়ে কোনো ব্যক্তিকে অদ্বিতীয়ভাবে শনাক্ত করা যায়। 

(খ) আচরণগত (Behavioral) বায়োমেট্রিক পদ্ধতি: 
১। হাতে করা স্বাক্ষর যাচাইকরণ (Signature verification): 
- এটি একটি বহুল ব্যবহৃত ও দীর্ঘদিনের প্রচলিত পদ্ধতি। এ পদ্ধতিতে কোনো ব্যক্তিকে শনাক্তকরণের ক্ষেত্রে স্বাক্ষরের আকার, ধরন, লেখার গতি, সময়, লেখার মাধ্যমের (যেমন- কলম, পেনসিল ইত্যাদি) চাপকে যাচাই করে শনাক্তকরণ করা হয়। 

২। কিবোর্ডে টাইপিং গতি যাচাইকরণ (Typing keystroke verification): 
- কিবোর্ড কিংবা এ জাতীয় কোনো ইনপুট ডিভাইসে তার গোপনীয় কোড কত দ্রুত টাইপ করে দিতে পারে তার সময় পূর্বের সময়ের সাথে মিলিয়ে কোনো ব্যক্তিকে শনাক্তকরণের কাজ সম্পন্ন করা হয়। 

৩। কণ্ঠস্বর যাচাইকরণ (Voice recognition): 
- এই পদ্ধতিতে ব্যবহারকারীর কন্ঠস্বরকে মাইক্রোফোনের মাধ্যমে ধারণপূর্বক কম্পিউটার প্রোগ্রামিং-এর সাহায্যে ইলেকট্রিক সিগন্যালে রূপান্তর করে ডেটাবেজে সংরক্ষণ করা হয়। পরবর্তীকালে ভয়েস রেকর্ডারের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর কন্ঠস্বর রেকর্ড করা হয় এবং পূর্বের ধারণকৃত কণ্ঠস্বরের সাথে তুলনা করে শনাক্তের কাজ সম্পন্ন করা হয়। এ পদ্ধতিতে ব্যক্তির সর্দি, কাশি হলে শনাক্তকরণে বিঘ্নের সৃষ্টি হয়। 
- এছাড়াও মৃতদেহ শনাক্তকরণ, অপরাধী শনাক্তকরণ, পিতৃত্ব বা মাতৃত্ব শনাক্তকরণ, জাতীয় পরিচয়পত্র, বায়োমেট্রিক পাসপোর্ট, ড্রাইভিং লাইসেন্স, ভোটার নিবন্ধন, এটিএম ও অনলাইন ব্যাংকিং, প্রবেশ নিয়ন্ত্রণ ও উপস্থিতি নির্ণয়, কম্পিউটার বা মোবাইল ফোন লগইন, ই-কমার্স ও স্মার্ট কার্ড ইত্যাদিতে বায়োমেট্রিক প্রযুক্তির ব্যবহার হয়ে থাকে। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি।
২৩.
স্নায়ু টিস্যু যে বিশেষ কোষ দ্বারা গঠিত তাকে কী বলা হয়?
  1. অ্যাক্সন
  2. নিউরন
  3. ডেনড্রাইট
  4. সাইন্যাপস
সঠিক উত্তর:
নিউরন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিউরন
ব্যাখ্যা
স্নায়ু টিস্যু: 
- স্নায়ুতন্ত্র এক বিশেষ ধরনের টিস্যু দ্বারা গঠিত, এ বিশেষ ধরনের টিস্যুকে বলা হয় স্নায়ু টিস্যু। 
- এরা পরিবেশ থেকে উদ্দীপনা গ্রহণ করে দেহের ভেতরে পরিবাহিত করতে পারে এবং সে অনুযায়ী উপযুক্ত উদ্দীপনা সৃষ্টি করতে পারে। 
- স্নায়ু টিস্যু যে বিশেষ কোষ দ্বারা গঠিত তাকে স্নায়ু কোষ বা নিউরন বলা হয়, তাই নিউরন হলো স্নায়ু তন্ত্রের গাঠনিক একক। 
- এটা ভ্রূণীয় এক্টোডার্ম জাত। 
- নিউরন বিভিন্ন ধরনের বাহ্যিক এবং অভ্যন্তরীণ উদ্দীপনা ও স্নায়ু তাড়না গ্রহণ করতে পারে এবং দেহের অভ্যন্তরে তা পরিবহন করতে পারে। 
- একটা পরিণত নিউরনের তিনটি অংশ থাকে। 
যথা- কোষদেহ, ডেনড্রাইট এবং অ্যাক্সন। 
- কোষ দেহ বহুভুজাকৃতি এবং নিউকিদ্বয়াসযুক্ত। 
- কোষের সাইটোপ্লাজমে মাইটোকন্ড্রিয়া, গলগি বডি, রাইবোসোম, আন্তঃপ্লাজমীয় নালিকা ইত্যাদি অঙ্গাণু থাকে। তবে নিউরনের সাইটোপ্লাজমে সক্রিয় সেন্ট্রিয়োল থাকে না বলে নিউরন বিভাজিত হয় না।
- কোষ দেহ থেকে একাধিক শাখা কোষ বের হয়। এরা উদ্দীপনা বা স্নায়ু তাড়না নিউরনের (সেনসরি নিউরন) দেহের দিকে পরিবাহিত করে।

- সাধারণত এরা অ্যাক্সন এর বিপরীত দিকে হয় এবং সংখ্যায় এক বা একাধিক থাকে।
- নিউরনের কোষ দেহ থেকে একটা লম্বা তন্তু স্নায়ু উদ্দীপনা পরবর্তী নিউরনের ডেনড্রাইটের দিকে পরিবহন করে।
- একটা নিউরনে একমাত্র অ্যাক্সন থাকে।
- পর পর দু'টো নিউরনের প্রথমটার অ্যাক্সন এবং পরেরটার ডেনড্রাইটের মধ্যে একটা স্নায়ু সন্ধি গঠিত হয়, একে সাইন্যাপস বা সিনাপস বলা হয়।
- সিনাপস এর মধ্য দিয়েই একটা নিউরন থেকে স্নায়ু উদ্দীপনা পরবর্তী নিউরনে প্রবাহিত হয়।
- স্নায়ু তন্ত্রে এরা অবস্থান করে। প্রাণীর স্নায়ু তন্ত্রে অসংখ্য নিউরন থাকে।
- উদ্দীপনা গ্রহণ করে উপযুক্ত প্রতিবেদন সৃষ্টি করে এবং তা বাস্তবায়ন করে, উচ্চতর প্রাণীতে স্মৃতি সংরক্ষণ করে ও দেহের বিভিন্ন অঙ্গের কাজ নিয়ন্ত্রণ করে। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৪.
URL এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Unique Routing Link
  2. Unified Reference Link
  3. Universal Resource Locator
  4. Uniform Resource Locator
সঠিক উত্তর:
Uniform Resource Locator
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Uniform Resource Locator
ব্যাখ্যা
URL: 
- একটি ওয়েবসাইট বা পেজের পূর্ণাঙ্গ এড্রেসকে URL বলে। 
- URL এর পূর্ণরূপ হলো Uniform Resource Locator.
যেমন- http://www.shikkha.com; তবে উল্লেখ্য যে, শুধুমাত্র www. shik-kha.com বা shikkha.com কে URL বলা হয় না। 
- URL এর তিনটি অংশ থাকে। 
যথা-
(১) প্রোটোকলের নাম, 
(২) হোস্টনেইম ও 
(৩) ফাইলের অবস্থানসহ নাম। 
যেমন- 


উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ  প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণি।
২৫.
শব্দেতর তরঙ্গের কোন ব্যবহারটি সঠিক? 
  1. আলট্রাসনোগ্রাফি
  2. সমুদ্রের গভীরতা নির্ণয়
  3. পরমাণু বিক্রিয়া মনিটরিং
  4. ধাতব খন্ডের মধ্যকার ফাটল অনুসন্ধান
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: পারমাণবিক বিস্ফোরণ ও তেজষ্ক্রিয় কণিকার অস্তিত্ব মনিটরিং প্রকৌশলে। 
অপশনে সঠিক উত্তর না থাকায় প্রশ্নটি বাতিল করা হলো। 
------------------------------------- 

শব্দেতর তরঙ্গ: 
- মানুষের শ্রাব্যতার পাল্লার নিচের (≤ 20 Hz) কম্পন বিশিষ্ট তরঙ্গকে শব্দেতর তরঙ্গ বলা হয়। 
অর্থাৎ, শ্রাব্যতার সীমার নিচের কম্পাঙ্কের তরঙ্গ শব্দেতর তরঙ্গ। 

শব্দেতর তরঙ্গের ব্যবহার: 
- শব্দেতর তরঙ্গের বিভিন্ন ব্যবহার পরিলক্ষিত হয়। 
যেমম- 
১. পারমাণবিক বিস্ফোরণ ও তেজষ্ক্রিয় কণিকার অস্তিত্ব মনিটরিং প্রকৌশলে। 
২. প্রাকৃতিক দুর্যোগ সম্পর্কে পূর্বাভাস দিতে। (কিছু কিছু প্রাণী প্রকৃতিক বিপর্যয় পূর্ব শব্দেতর তরঙ্গ থেকে বিপর্যয় সম্পর্কে অগ্রিম সতর্কতা প্রদর্শন করে এ থেকে ভূমিকম্প ও সামুদ্রিক ঝড়ের পূর্বাভাস পাওয়া যায়)। 
৩. চিকিৎসা বিজ্ঞানে থেরাপির কাজে। 
৪. ছোট শিশু কিশোরদের চোখের মাইওপিয়া ত্রুটির চিকিৎসায়। 
৫. এন্টিব্যাকটেরিয়াল ড্রাগ হিসাবে ব্যাকটেরিয়া জনিত কারণে চোখের প্রদাহ চিকিৎসায়। 
৬. বায়ুমণ্ডলের অবস্থা (আবহাওয়া) মনিটরিং কাজে এই তরঙ্গ ব্যবহৃত হয়। 

শব্দোত্তর তরঙ্গ: 
- মানুষের শ্রাব্যতার পাল্লার উপরের (≥ 20 KHz) কম্পন বিশিষ্ট তরঙ্গকে শব্দোত্তর তরঙ্গ বলা হয়। 
অর্থাৎ, শ্রাব্যতার সীমার উপরের কম্পাঙ্কের তরঙ্গ শব্দোত্তর তরঙ্গ। 

শব্দোত্তর তরঙ্গের ব্যবহার: 
- শব্দোত্তর তরঙ্গের বিভিন্ন ব্যবহার পরিলক্ষিত হয়। 
যেমন- 
১. দেহের নরম টিস্যু এবং রোগ নির্ণয়ের জন্য চিকিৎসকগণ দেহ অভ্যন্তরের বিভিন্ন অঙ্গের ছবি তুলতে শব্দোত্তর তরঙ্গ ব্যবহার করেন, একে আলট্রাসনোগ্রাফি বলা হয়। 
২. রক্তের গতি জানতে হৃদরোগ সনাক্ত করণে, মাতৃ গর্ভে জন্ম-পূর্ব শিশুর অবস্থা সনাক্ত করতে (আলট্রাসনোগ্রাফি)। 
৩. সমুদ্রের গভীরতা নির্ণয়, ডুবো জাহাজ, হিমশৈল ইত্যাদির অবস্থান জানতে।  
৪. ধাতব পাত বা ধাতব খন্ডের মধ্যের সূক্ষ্ম ফাটল অনুসন্ধানে। 
৫. সূক্ষ্ম যন্ত্রপাতি পরিষ্কার করতে। 
৬. ক্ষতিকারক ব্যাকটেরিয়া ধ্বংসের কাজে। 
৭. সাধারণভাবে মিশে না এমন (যেমন পানি-পারদ বা পানি-তেল) তরলসমূহের মিশ্রণ তৈরিতে। 
৮. মানুষ ছাড়াও অন্যান্য প্রাণীরাও শব্দোত্তর তরঙ্গ ব্যবহার করে। 
যেমন- বাদুর পথ চলতে এবং খাদ্য বস্তুর অনুসন্ধানের জন্য, তিমি পরস্পরের সাথে যোগাযোগ এবং মনোভাব আদান প্রদানের জন্য শব্দোত্তর তরঙ্গ ব্যবহার করে (বলা হয় শব্দোত্তর তরঙ্গই তিমির ভাষা)। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২৬.
দ্রবণের pH মান কোন সীমার মধ্যে থাকে?
  1. 0 থেকে 7 এর মধ্যে
  2. 0 থেকে 14 এর মধ্যে
  3. 7 থেকে 14 এর মধ্যে
  4. 6 থেকে 14 এর মধ্যে
সঠিক উত্তর:
0 থেকে 14 এর মধ্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
0 থেকে 14 এর মধ্যে
ব্যাখ্যা
pH স্কেল: 
- বিজ্ঞানী সোরেনসেখ দ্রবণের H+ আয়নের ঘনমাত্রা pH দ্বারা প্রকাশ করার পদ্ধতি প্রচলন করেন। 
- pH এর অর্থ হলো Potenz of hydrogen; potenz জার্মান শব্দ, এর অর্থ ক্ষমতা। 
- কোনো দ্রবণের হাইড্রোজেন আয়ন (H+) এর ঘনমাত্রার ঋণাত্মক লগারিদম মানকে ঐ দ্রবণের pH বলে। 
অর্থাৎ, pH = -log[H+

- pH মিটার দ্বারা দ্রবণের pH মানকে মাপা হয়। 
- pH মিটারের pH স্কেল থাকে। 
- দ্রবণের pH মান 0 থেকে 14 এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। 
- দ্রবণের pH মান যদি 7 অপেক্ষা কম হয় তবে দ্রবণটি হবে এসিড, 7 অপেক্ষা বেশি হলে দ্রবণটি ক্ষার এবং 7 এর সমান হলে দ্রবণটি প্রশমন হয়। 
- দ্রবণের pH মান 7 অপেক্ষা কম হলে ঐ দ্রবণে নীল লিটমাস লাল বর্ণ ধারণ করে। আর যদি দ্রবণের pH মান 7 অপেক্ষা বেশি হয় তবে ঐ দ্রবণে লাল লিটমাস নীলবর্ণে পরিবর্তিত হয়। 
- এভাবে লিটমাস কাগজ অথবা লিটমাস দ্রবণ ব্যবহার করেও ঐ দ্রবণের pH মান 7 এর উপরে না নীচে তা নির্ধারণ করা যায়। 

উৎস: রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৭.
মোবাইল ইন্টারনেট -এ কোন প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়?
  1. WAP
  2. GPRS
  3. EDEG
  4. সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
ব্যাখ্যা
মোবাইল ইন্টারনেট: 
- GPRS, EDEG, WAP ইত্যাদি প্রযুক্তির মাধ্যমে মোবাইল ফোনে ইন্টারনেট ব্যবহার করার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। 
- মোবাইল ফোনে ই-মেইল আদান-প্রদান, ওয়েব ব্রাউজিং, সোসাল নেটওয়ার্কিং, টিভি দেখাসহ বিভিন্ন ধরনের গুরুত্বপূর্ণ তথ্যাদি এক নিমিষেই পাওয়া সম্ভব হচ্ছে। 
- মোবাইল ফোনে ইন্টারনেট ব্যবহার করতে হলে উপযুক্ত হ্যান্ডসেট ব্যবহার করতে হয়, কারণ সকল ধরনের হ্যান্ডসেট ইন্টারনেট ব্যবহারে সক্ষম হয় না। 
- এক্ষেত্রে খানিকটা উঁচু মানের হ্যান্ডসেট ও স্মার্টফোন ব্যাবহার করে ইন্টারনেট অ্যাকসেস করা যায়। 
- বর্তমানে বাজারে স্বল্পমূল্যে ইন্টারনেট ব্যবহারের উপযোগী বিভিন্ন ধরনের মোবাইল ফোন কিনতে পাওয়া যায়। 

মোবাইলে ইন্টারনেট ব্যবহারের সুবিধা: 
• সাশ্রয়ী বিভিন্ন ইন্টারনেট সার্ভিস নিয়ে ইচ্ছে অনুযায়ী ইন্টারনেট ব্যবহার করা যায়। 
• কভারেজের আওতাভুক্ত যে কোন স্থান থেকে ইন্টারনেট ব্যবহার করা যায়। 
• সার্বক্ষণিক ইন্টারনেটের সাথে যুক্ত থাকা যায়। 
• যে কোন স্থান থেকে ই-মেইল চেক ও প্রেরণ করা যায়। 
• দূরে অবস্থানরত বন্ধু-বান্ধবদের সাথে চ্যাটিং করা যায়। 
• বিশ্বের যে কোন প্রান্তে মোবাইলে ভয়েস কল করা যায়। 
• থ্রিজি প্রযুক্তি ব্যবহার করে ভিডিও কল করা যায়। 
• স্মার্টফোনের ক্ষেত্রে ইন্টারনেটের মাধ্যমে বিভিন্ন অ্যাপস ব্যবহার করে টেলিভিশন দেখা যায়। 

মোবাইলে ইন্টারনেট ব্যবহারের অসুবিধা: 
• শুধুমাত্র বিশেষ পর্যায়ের হ্যান্ডসেটগুলোতেই ইন্টারনেট ব্যবহারের সুযোগ পাওয়া যায়। 
• লো-কনফিগারেশনের মোবাইলগুলোতে ফ্ল্যাশ ও অন্যান্য ভারী কনটেন্ট চালানো সহজ হয় না। 
• মেসেজ বা ই-মেইল টাইপ করতে সময় বেশি লাগে। 
• ইন্টারনেটের খরচ অনেক বেশি। 
• ওয়েব সাইটে থাকা পিডিএফ, ভিডিও ফাইল পড়তে ও দেখতে সমস্যা হয়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৮.
কৃষ্ণবিবরের আবিষ্কারক কে? 
  1. কার্ল সাগান
  2. জন হুইলার
  3. স্টিফেন হকিং
  4. অ্যালবার্ট আইনস্টাইন
সঠিক উত্তর:
জন হুইলার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জন হুইলার
ব্যাখ্যা
কৃষ্ণবিবর (Black hole): 
- ১৯৬৯ সালে জন হুইলার নামক জনৈক মার্কিন বিজ্ঞানী কৃষ্ণবিবর আবিষ্কার করেন। 
- তিন সৌর ভরের সমান বা বেশি ভরের নক্ষত্রের সুপার নোভা বিস্ফোরণের পর এর অন্তর্বস্তু অনির্দিষ্টভাবে সংকুচিত হতে থাকে। 
- সংকোচনের কারণে আয়তন প্রায় শূন্য এবং ঘনত্ব প্রায় অসীম হওয়ায় মহাকর্ষ ক্ষেত্র এমন প্রবল হয় যে, এ জাতীয় বস্তু থেকে এর মহাকর্ষকে কাটিয়ে কোনো প্রকার আলো বা সংকেতও বেরিয়ে আসতে পারে না। তাই বস্তুটিকে আর দেখা যায় না, নক্ষত্রের এই অবস্থাকে বলা হয় কৃষ্ণবিবর বা Black hole । 
- বাস্তবে g-এর মান এত বেশি হয় যে, এমনটি ফোটন কণাও এর পৃষ্ঠ থেকে মুক্ত হতে বা বেরিয়ে আসতে পারে না। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।