পরীক্ষা আর্কাইভ

ICT Expert

পরীক্ষাICT Expertতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়12 minutes
মোট প্রশ্ন১৫
সিলেবাস
পরীক্ষা – ১০ টপিক: রিভিশন [ICT Expert সম্পূর্ণ সিলেবাস] [ক্লাস ১ – ২২]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ICT Expert

ICT Expert · তারিখ অনির্ধারিত · ১৫ প্রশ্ন

.
নিম্নলিখিত ডিভাইসগুলোর মধ্যে কোনটি ইনপুট ও আউটপুট উভয় কাজ করে? 
  1. মাইক্রোফোন
  2. কিবোর্ড
  3. স্পিকার
  4. মডেম
সঠিক উত্তর:
মডেম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মডেম
ব্যাখ্যা

• নির্দিষ্ট ডিভাইসগুলোর মধ্যে মডেম (ঘ) হলো এমন একটি ডিভাইস যা ইনপুট এবং আউটপুট উভয় কাজ করতে সক্ষম। মাইক্রোফোন কেবল ইনপুট ডিভাইস, কারণ এটি শব্দকে সিগন্যাল বা ডেটায় রূপান্তরিত করে কম্পিউটারে পাঠায়। কিবোর্ডও কেবল ইনপুট ডিভাইস, যা ব্যবহারকারীর কমান্ড বা তথ্য কম্পিউটারে প্রেরণ করে। স্পিকার কেবল আউটপুট ডিভাইস, যা কম্পিউটারের সিগন্যালকে শব্দে রূপান্তরিত করে আমাদের শোনায়। অন্যদিকে মডেম ডেটাকে ডিজিটাল থেকে অ্যানালগ এবং অ্যানালগ থেকে ডিজিটালে রূপান্তর করে, ফলে এটি কম্পিউটার থেকে ডেটা পাঠাতে (ইনপুট) এবং গ্রহণ করতে (আউটপুট) ব্যবহৃত হয়। তাই মডেমই একমাত্র ডিভাইস যা উভয় কাজ করতে পারে।

• মডেম:
- মডেম হলো একটি কমিউনিকেশন ডিভাইস যা তথ্যকে এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে টেলিফোন নেটওয়ার্ক ব্যবস্থার মাধ্যমে পৌঁছে দেয়।

• মডেম একটি ইনপুট ও আউটপুট উভয় ধরনের ডিভাইস।
- মডেম শব্দটি এসেছে Modulator-Demodulator থেকে।
- এটি এমন একটি যন্ত্র যা কম্পিউটারের ডিজিটাল সিগন্যালকে অ্যানালগে রূপান্তর করে (Modulation)।
- এ কাজের জন্য এতে একটি ডেক (DAC) নামক চিপ বা সার্কিট থাকে। 
- আবার অ্যানালগকে ডিজিটালে রূপান্তর করে (Demodulation)।
- এ কাজের জন্য এতে একটি ADC নামক চিপ থাকে। 
- ফলে এটি তথ্য প্রেরণ ও গ্রহণ-উভয় কাজই করতে পারে।
- তথ্য প্রেরণকারী ও গ্রহণকারী উভয় কম্পিউটারে মডেম সংযুক্ত থাকতে হয়।

তথ্যসূত্র:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

.
কোন মেমোরিটি সহায়ক বা স্থায়ী (non-volatile) নয়?
  1. ডিভিডি
  2. সিডি
  3. র‍্যাম
  4. হার্ডডিস্ক
সঠিক উত্তর:
র‍্যাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
র‍্যাম
ব্যাখ্যা

• স্থায়ী (non-volatile) মেমোরি হলো এমন মেমোরি যা বিদ্যুৎ বন্ধ হলেও ডেটা সংরক্ষণ করতে পারে। ডিভিডি, সিডি, এবং হার্ডডিস্ক সবই স্থায়ী মেমোরি, কারণ এগুলোতে তথ্য বিদ্যুৎ বন্ধ থাকার পরও থাকে। তবে র‍্যাম (RAM) হলো অস্থায়ী বা ভলাটাইল মেমোরি, যা কেবল কম্পিউটার চালু থাকা অবস্থায় তথ্য রাখে। কম্পিউটার বন্ধ হলেই র‍্যামের সব তথ্য মুছে যায়। তাই ডিভিডি, সিডি, এবং হার্ডডিস্কের তুলনায় র‍্যাম তথ্য সংরক্ষণের জন্য স্থায়ী নয়। ফলে, প্রশ্নে অপশন চারটির মধ্যে শুধুমাত্র র‍্যামই non-volatile নয়। এটি মূলত কম্পিউটারের কাজ করার জন্য অস্থায়ী ডেটা সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত হয়।

• মেমোরি:
- কম্পিউটারের অভ্যন্তরে যে অংশে তথ্যসমূহ স্থায়ী বা অস্থায়ীভাবে জমা থাকে তাকে কম্পিউটারের মেমোরি বলা হয়। 

• মেমোরির শ্রেণিবিভাগ:
কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত মেমোরিকে প্রধানত তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
-  প্রধান মেমোরি বা মুখ্য মেমোরি (Main Memory or Primary Memory,
-  সহায়ক মেমোরি বা গৌণ মেমোরি (Secondary Memory or Mass Memory),
-   ইন্টারনাল মেমোরি (Internal Memory)।

• সহায়ক মেমোরি:
- কম্পিউটারের যে মেমোরিতে বিভিন্ন তথ্য, নির্দেশাবলি, অডিও, ভিডিও, ইমেজ স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায় তাকে সহায়ক মেমোরি বলা হয়।

• উদাহরণ:
- হার্ডডিস্ক, সিডি, ডিভিডি, পেনড্রাইভ, জিপ ড্রাইভ, ম্যাগনেটিক টেপ ইত্যাদি।

• সহায়ক মেমোরির বৈশিষ্ট্য:
- কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশের (CPU) সঙ্গে সরাসরি সংযোগ থাকে না, ফলে ধীরগতির হয়। 
- এ ধরনের মেমরিকে নন-ভোলাটাইল মেমোরিও (Non-Volatile Memory) বলা হয়।
- যেকোনো তথ্য বা প্রোগ্রাম স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায়।
- ধারণক্ষমতা অত্যধিক।
- সহজে পরিবহন করা যায়।
- পুরাতন তথ্য মুছা যায় এবং নতুন তথ্য সংরক্ষণ করা যায়।
- কম্পিউটার বন্ধ করলে বা বিদ্যুৎ প্রবাহ বন্ধ হলে সংরক্ষিত তথ্যসমূহ সাধারণত মুছে যায় না।

তথ্যসূত্র:
- মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
ক্রায়োসার্জারিতে মূল কার্যকারী উপাদান কোনটি?
  1. হাইড্রোজেন পার-অক্সাইড
  2. তরল নাইট্রোজেন
  3. মিথেন
  4. ইথানল
সঠিক উত্তর:
তরল নাইট্রোজেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তরল নাইট্রোজেন
ব্যাখ্যা

• ক্রায়োসার্জারিতে মূল কার্যকারী উপাদান হলো তরল নাইট্রোজেন। এটি অত্যন্ত কম তাপমাত্রায় থাকে, প্রায় −১৯৬°C, যা জীবিত টিস্যুতে দ্রুত জমাট বাঁধার মাধ্যমে কোষ ধ্বংস করতে সক্ষম। চিকিৎসা ক্ষেত্রে এর ব্যবহার প্রধানত ছোট ক্ষত, তিল বা অস্বাভাবিক কোষ অপসারণের জন্য করা হয়। তরল নাইট্রোজেনের প্রয়োগে আক্রান্ত স্থানের পানি বরফে রূপান্তরিত হয়ে কোষ ফেটে যায়, ফলে টিস্যু নষ্ট হয় এবং দাগ কমে। অন্যান্য পদার্থ যেমন হাইড্রোজেন পার-অক্সাইড, মিথেন বা ইথানল ক্রায়োসার্জারির জন্য প্রাথমিক কার্যকরী পদার্থ নয়। তাই তরল নাইট্রোজেনই ক্রায়োসার্জারির মূল উপাদান।

• ক্রায়োসার্জারি:
- যে পদ্ধটিতে অত্যন্ত ঠান্ডা তাপমাত্রা প্রয়োগ করে ত্বকের অস্বাভাবিক এবং রোগাক্রান্ত টিস্যু ধ্বংস করা হয় তাকে ক্রায়োসার্জারি বলে।
- ক্রায়োসার্জারিকে ক্রায়োথেরাপিও বলা হয়।
- জেমস আরনট কর্তৃক মাইনাস ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় লবণ পানিকে জমাকৃত করে ব্যবহার করার পদ্ধতি বর্ণিত হওয়ার মাধ্যমে ১৮৪৫ সালে ইংল্যান্ডে প্রথম ক্রায়োসার্জারির ব্যবহার শুরু হয়।
- গ্রিক শব্দ 'ক্রায়ো' (বরফের মতো ঠান্ডা) এবং 'সার্জারি' (হাতের কাজ) শব্দ দু'টি হতে ক্রায়োসার্জারি শব্দটি এসেছে।
- ক্রায়োসার্জারি বিভিন্ন রোগ যেমন ক্যান্সার, ছানি, হাড়ের সমস্যাসমূহ, যকৃতের সমস্যা এবং প্রোস্টেট ক্যান্সারের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়।

• ব্যবহৃত উপাদানসমূহ:
- তরল নাইট্রোজেন, তরল কার্বন ডাই-অক্সাইড, তরল নাইট্রাস অক্সাইড, তরল আর্গন, ইথাইল ক্লোরাইড, ফ্লোরিনেটেড হাইড্রোকার্বন ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

.
Full screen মোড অন বা অফ করার জন্য কোন কী ব্যবহার করা হয়?
  1. F9
  2. F10
  3. F12
  4. F11
সঠিক উত্তর:
F11
উত্তর
সঠিক উত্তর:
F11
ব্যাখ্যা

• Full screen মোড অন বা অফ করার জন্য সাধারণত F11 কী ব্যবহার করা হয়। যখন কোনো ব্রাউজার বা সফটওয়্যার খুলে থাকেন, তখন F11 চাপলে স্ক্রিনটি পুরোপুরি পূর্ণ হয়ে যায়, মানে টাস্কবার, মেনু বা অন্যান্য ইন্টারফেস লুকিয়ে যায়। আবার একই F11 চাপলে পূর্ণ স্ক্রিন মোড বন্ধ হয়ে সাধারণ ভিউ ফিরে আসে। অন্য কোনো ফাংশন কী যেমন F9, F10 বা F12 সাধারণত এই কাজের জন্য ব্যবহৃত হয় না; যেমন F12 ব্রাউজারে ডেভেলপার টুলস খুলতে ব্যবহার হয়। তাই ফ্লেক্সিবলি পূর্ণ স্ক্রিন মোডে কাজ করতে হলে F11 সবচেয়ে প্রচলিত এবং সুবিধাজনক। এটি ব্যবহার করলে মনোযোগ কেন্দ্রীভূত করতে সহজ হয়।

• ফাংশন কী:
ফাংশন কী হলো কিবোর্ডে থাকা বিশেষ ধরনের কী, যা বিভিন্ন সফটওয়্যারে নির্দিষ্ট কাজ করতে ব্যবহৃত হয়। সাধারণত এগুলো F1 থেকে F12 পর্যন্ত থাকে।
- কি-বোর্ডে ১২টি ফাংশন কী রয়েছে।
- কি-বোর্ডে মোট ১০৫ টি কী রয়েছে।

• F1-F12: ফাংশন কী-এর কাজ দেওয়া হলো:
- F1 এর সাহায্যে সাধারণত Help মেনু খুলে।
- F2 এর সাহায্যে নির্বাচিত ফাইল বা ফোল্ডারের নাম পরিবর্তন (Rename) করতে ব্যবহৃত হয়।
- F3 এর সাহায্যে দ্রুত সার্চ বা খোঁজার অপশন চালু করে।
- F4 এর সাহায্যে Alt + F4 চাপলে বর্তমান উইন্ডো বন্ধ হয়।
- F5 ব্রাউজারে বা ডেস্কটপে Refresh করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- F6 ব্রাউজারে Address bar সিলেক্ট করে।
- F7 মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে Spelling ও Grammar Check চালু করে।
- F8 উইন্ডোজ চালুর সময় সেফ মোড (Safe Mode) চালুর জন্য ব্যবহৃত হয়।
- F9 কোয়ার্ক এক্সপ্রেসের মেজারমেন্ট টুলবার চালু করার জন্য ব্যবহার করা হত।
- F10 মেনু বার চালু করে।
- F11 ফুলস্ক্রিন মোড চালু বা বন্ধ করে।
- F12 ইংরেজি থেকে বাংলা বা বাংলা থেকে ইংরেজি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।

উৎস: ১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও
২। ব্রিটানিকা।

.
CPU এর মধ্যে তথ্য সাময়িকভাবে সংরক্ষণের স্থান কোনটি?
  1. ইউএসবি ড্রাইভে
  2. হার্ড ডিস্কে
  3. রেজিস্টারে
  4. ক্যাশ মেমোরিতে
সঠিক উত্তর:
রেজিস্টারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রেজিস্টারে
ব্যাখ্যা

• CPU-এর মধ্যে তথ্য সাময়িকভাবে সংরক্ষণের স্থান হলো রেজিস্টার। রেজিস্টার হলো একটি ছোট, উচ্চ-গতিসম্পন্ন মেমোরি ইউনিট যা সরাসরি CPU-র সাথে সংযুক্ত থাকে। এটি প্রসেসরের জন্য প্রয়োজনীয় ডেটা, নির্দেশনা এবং অস্থায়ী গণনার ফলাফল সংরক্ষণ করে। রেজিস্টার ব্যবহার করা হয় কারণ এটি RAM বা হার্ড ডিস্কের চেয়ে অনেক দ্রুত, যা CPU-কে দ্রুত তথ্য প্রক্রিয়াকরণের সুবিধা দেয়। অন্যদিকে, USB ড্রাইভ এবং হার্ড ডিস্ক দীর্ঘমেয়াদি তথ্য সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত হয় এবং তাদের অ্যাক্সেসের গতি রেজিস্টারের তুলনায় অনেক ধীর। ক্যাশ মেমোরিও CPU-এর কাছাকাছি অবস্থান করলেও এটি রেজিস্টারের চেয়ে বড় এবং কিছুটা ধীর, তাই মূলত ডেটা অস্থায়ীভাবে দ্রুত অ্যাক্সেসের জন্য রেজিস্টারই ব্যবহার করা হয়।

- সঠিক উত্তর: গ) রেজিস্টার।

প্রসেসর বা CPU এর সংগঠন এর প্রধানত তিনটি অংশ থাকে-
১) নিয়ন্ত্রণ অংশ,
২) অ্যারিথমেটিক লজিক ইউনিট (গাণিতিক যুক্তি অংশ),
৩) রেজিস্টার বা মেমোরি (স্মৃতি)।

• নিয়ন্ত্রণ অংশ:
- কম্পিউটারে সম্পাদিত সমস্ত কাজের নিয়ন্ত্রন করে এ নিয়ন্ত্রণ অংশ।
- এ অংশ সিপিইউ, মেমোরি, এবং ইনপুট/আউটপুট ডিভাইসের মাধ্যমে ডাটা প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করে।
- কন্ট্রোল একক ROM ও RAM এ সঞ্চিত নির্দেশ অনুসারে কাজ করতে কম্পিউটারের অন্য সব অংশকে আদেশ দেয়।
- তাছাড়া বাইনারি কোডের ইন্সট্রাকশনকে স্মৃতি থেকে গ্রহণ করে এবং এগুলোকে ডিকোড করে।

• অ্যারিথমেটিক লজিক ইউনিট/গাণিতিক যুক্তি অংশ:
- এটা CPU এর সেই অংশ যেখানে বিভিন্ন ধরনের অপারেশন যেমন- যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ, OR, AND, NOR, XOR ইত্যাদি ডাটার উপর সম্পাদিত হয়।
- এতে একটি প্রোগ্রাম কাউন্টার আছে যাতে পূর্বের ইন্সট্রাকশনের ঠিকানা থাকে।
- কোন ইন্সট্রাকশন কখন সম্পাদিত হবে তা এ ঠিকানা থেকে স্মৃতি হিসেবে পাঠ করা যায়।

• রেজিস্টার বা মেমোরি/স্মৃতি:
- রেজিস্টার হচ্ছে CPU এর একটি অংশ।
- এসব রেজিস্টারে দ্রুত লিখন ও পঠন সম্ভব।
- গাণিতিক যুক্তি অংশে তথ্য প্রক্রিয়াকরণে এসব রেজিস্টার সাহায্য করে।
- কোনো একটি কাজ সম্পাদনের সময় এ সমস্ত রেজিস্টার সাময়িকভাবে ডাটা সংরক্ষণ করতে ব্যবহৃত হয়।
- অপারেশনের ফল এখানে সাময়িকভাবে সঞ্চিত থাকে।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।

.
কোন সম্পর্কের মাধ্যমে রিলেশনাল ডাটাবেজে একটি প্যারেন্ট রেকর্ড একাধিক চাইল্ড রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হয়?
  1. One-to-many
  2. Self-referencing
  3. Many-to-many
  4. One-to-one
সঠিক উত্তর:
One-to-many
উত্তর
সঠিক উত্তর:
One-to-many
ব্যাখ্যা

• রিলেশনাল ডাটাবেজে One-to-many (এক-থেকে-বহু) সম্পর্কের মাধ্যমে একটি প্যারেন্ট রেকর্ড একাধিক চাইল্ড রেকর্ডের সঙ্গে যুক্ত হয়। এই ধরনের সম্পর্কে একটি টেবিলের প্রতিটি রেকর্ড অন্য টেবিলের এক বা একাধিক রেকর্ডকে নির্দেশ করতে পারে, কিন্তু চাইল্ড টেবিলের প্রতিটি রেকর্ড শুধুমাত্র একটি প্যারেন্ট রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত থাকে। উদাহরণস্বরূপ, একটি স্কুলের ডাটাবেজে শিক্ষক টেবিলের এক শিক্ষক একাধিক ছাত্র টেবিলের রেকর্ডের সঙ্গে যুক্ত হতে পারে। এটি ডাটার পুনরাবৃত্তি কমায় এবং ডাটার সংহতি বজায় রাখে। অন্য বিকল্পগুলোর মধ্যে, One-to-one এক-এক সম্পর্ক তৈরি করে, Many-to-many অনেক-থেকে-অনেক এবং Self-referencing টেবিল নিজেই নিজের সঙ্গে সম্পর্কিত হয়। সুতরাং সঠিক উত্তর হলো: ক) One-to-many.

• ডাটাবেজ রিলেশন:
- বিভিন্ন ডাটা ফাইল থেকে ডাটা নিয়ে কাজ করার জন্য এরূপ সংযোগ স্থাপন করানোকে ডাটাবেজ রিলেশন বলা হয়।

• রিলেশনের প্রকারভেদ:
- একাধিক ডাটা ফাইলের মধ্যে উপাত্ত প্রক্রিয়াকরণের প্রয়োজনে প্রাইমারি কী ফিল্ডের ভিত্তিতে রিলেশন স্থাপন করা যায়।
- ডাটাবেজের অন্তর্গত ডাটা ফাইলের মধ্যকার রিলেশনকে চার ভাগে ভাগ করা যায়। যেমন-

• Many to One রিলেশন:
- যদি কোন একটি ফাইলের একাধিক রেকর্ড অপর এক বা একাধিক ফাইলের একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হয় তখন তাদের মধ্যকার রিলেশনকে Many to One রিলেশন বলা হয়।
- যেমন- Home ডাটাবেজের Child ফাইলের একাধিক রেকর্ড Parent ফাইলের একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে। ফলে Child এবং Parent ফাইলের মধ্যে প্রয়োজনে Many to One রিলেশন তৈরি।

• One to One রিলেশন:
- যদি কোন ডাটাবেজের কোন একটি ফাইলের একটি রেকর্ড অপর এক বা একাধিক ফাইলের একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত থাকে তবে তাদের মধ্যে যে রিলেশন স্থাপন করা যায় তাকে বলা হয় One to One রিলেশন।
- যেমন: কলেজ ডাটাবেজের Exam ফাইলের একটি রেকর্ড Personal ফাইলের কেবল একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত হতে পারে।

• One to Many রিলেশন:
- যদি কোন ডাটাবেজের কোন একটি ফাইলের একটি রেকর্ড অন্য এক বা একাধিক ফাইলের একাধিক রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত থাকে তবে তাদের মধ্যে One to Many রিলেশন তৈরি করা সম্ভব।
- যেমন- Business Center নামক ডাটাবেজের বিক্রেতাদের তথ্যের জন্য Sales ফাইলের একটি রেকর্ড, ক্রেতাদের তথ্যের জন্য ব্যবহৃত Customer ফাইলের একাধিক রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে।

• Many to Many রিলেশন:
- যদি কোন ডাটাবেজের অন্তর্গত একাধিক ডাটা ফাইলের প্রত্যেকটির একটি রেকর্ড অপর কোন ফাইলের একাধিক রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হয় তবে তাদের মধ্যে যে রিলেশন সৃষ্টি হয় তাকে Many to Many রিলেশন বলা হয়।
- Many to Many রিলেশন তৈরি করতে হলে তৃতীয় একটি টেবিল তৈরি করতে হয়।
- এই তৃতীয় টেবিলটিকে জাংশন টেবিল বলা যায়।
- জাংশন টেবিলটি One to Many এর মতো কাজ করে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
RDBMS-এ কোনো ডেটা টেবিলের প্রতিটি এন্ট্রি স্বতন্ত্র করতে কোন কী ব্যবহৃত হয়?
  1. কম্পোজিট প্রাইমারি কী
  2. কম্পোজিট কী
  3. প্রাইমারি কী
  4. ফরেন কী
সঠিক উত্তর:
প্রাইমারি কী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রাইমারি কী
ব্যাখ্যা

• RDBMS-এ কোনো ডেটা টেবিলের প্রতিটি এন্ট্রি বা রেকর্ড স্বতন্ত্রভাবে চিহ্নিত করতে প্রাইমারি কী (Primary Key) ব্যবহার করা হয়। এটি একটি বিশেষ কলাম বা কলামগুলোর সমষ্টি যা টেবিলের প্রতিটি রেকর্ডের জন্য অনন্য মান নিশ্চিত করে। প্রাইমারি কী কখনো খালি (NULL) হতে পারে না এবং এটি টেবিলের প্রতিটি এন্ট্রিকে স্বতন্ত্রভাবে শনাক্ত করার জন্য অপরিহার্য। অন্যদিকে কম্পোজিট কী হলো একাধিক কলাম মিলিয়ে তৈরি করা যায় এমন চাবি, এবং ফরেন কী অন্য টেবিলের প্রাইমারি কীকে রেফার করে। তাই সরাসরি প্রতিটি রেকর্ডকে আলাদা করার জন্য ব্যবহৃত হয় প্রাইমারি কী।

- উত্তর: গ) প্রাইমারি কী।

• ডেটাবেজ সিস্টেমে কী ফিল্ড প্রধানত ৩ প্রকার।
- যথা: প্রাইমারি কী, কম্পোজিট কী এবং ফরেন কী।

• প্রাইমারি কী:
- যে ফিল্ড কোন একটি রেকর্ডকে অদ্বিতীয়তাবে (Unique) সনাক্ত করে তাকে প্রাইমারি কী (Key) বলে।
- যেমন, একটি শ্রেণিতে শিক্ষার্থীদের রোল নম্বর একটিই থাকে। তাই রোল নম্বরটিই হলো প্রাইমারি কী।

• ফরেন কী:
- কোন একটি টেবিলের প্রাইমারি যদি অন্য টেবিলে ব্যবহৃত হয় তখন ঐ কী-কে ফরেন কী বলে।
- ফরেন কীর সাহায্যে একটি টেবিলের সাথে অন্য টেবিলের সম্পর্ক স্থাপন করা হয়।

• কম্পোজিট প্রাইমারি কী:
- যখন কোন ডেটাবেজ ফাইলে কোন সুনির্দিষ্ট প্রাইমারি কী থাকে না, সেসব ক্ষেত্রে একাধিক ফিল্ডকে একত্রে প্রাইমারি কী ফিল্ড হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
- এ ধরনের প্রাইমারি কী ফিল্ডকে বলা হয় কম্পোজিট প্রাইমারি কী ফিল্ড।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
Zigbee কোন ধরনের নেটওয়ার্ক আর্কিটেকচারে ব্যবহৃত হয়?
  1. MAN
  2. LAN
  3. WAN
  4. PAN
সঠিক উত্তর:
PAN
উত্তর
সঠিক উত্তর:
PAN
ব্যাখ্যা

• Zigbee একটি কম-শক্তি এবং কম-ব্যান্ডউইথ ওয়্যারলেস কমিউনিকেশন প্রযুক্তি যা মূলত ছোট দূরত্বে ডিভাইসগুলোর মধ্যে ডাটা আদানপ্রদান করতে ব্যবহৃত হয়। এটি ব্যক্তিগত এলাকা নেটওয়ার্ক বা PAN (Personal Area Network) আর্কিটেকচারে কাজ করে। Zigbee সেন্সর, স্মার্ট লাইট, হোম অটোমেশন, এবং IoT ডিভাইসগুলোর মধ্যে সংযোগ স্থাপনের জন্য উপযুক্ত। এটি সীমিত রেডিও রেঞ্জ ব্যবহার করে, যা সাধারণত ১০–১০০ মিটার পর্যন্ত সীমাবদ্ধ থাকে, তাই এটি MAN, LAN বা WAN-এর মতো বড় নেটওয়ার্কের জন্য ব্যবহার করা হয় না। Zigbee-এর মূল উদ্দেশ্য হলো কম শক্তিতে নির্ভরযোগ্য এবং ছোট ডিভাইস ভিত্তিক নেটওয়ার্ক তৈরি করা।

- সঠিক উত্তর: ঘ) PAN.

• Zigbee:
- জিগবি (Zigbee) একটি তারবিহীন পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক যা (PAN) তৈরি করার IEEE ৮০২.১৫.৪-ভিত্তিক আদর্শমানের প্রযুক্তি।
- এটি কম বিদ্যুৎ শক্তি ব্যবহার করে ডিজিটাল রেডিও যোগাযোগের সাহায্যে উচ্চ স্তরের যোগাযোগের প্রোটোকলগুলির জন্য পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বা প্যান তৈরি করে।
- জিগবি একটি কম বিদ্যুৎ শক্তির, স্বল্প তথ্য হার বা ডেটারেট এবং ব্যক্তিগত এলাকার বেতার অ্যাড-হক নেটওয়ার্ক।
- এটি অন্যান্য বেতার বা ওয়ারলেস পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (WPAN) যেমন ব্লুটুথ বা ওয়াই-ফাই থেকে সহজ এবং কম ব্যয়বহুল।
- এই নেটওয়ার্কগুলি ১২৮ বিট সিমেট্রিক এনক্রিপশন কী দ্বারা সুরক্ষিত থাকে।
- জিগবি নেটওয়ার্ক থেকে বিরতিহীন ২৫০ kbit/s ডেটা ট্রান্সমিশন হতে পারে।
- জিগবি ১৯৯৮ সালে প্রণীত, ২০০৩ সালে প্রমীতকরণ, এবং ২০০৬ সালে সংশোধিত হয়েছিল।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

.
স্টার টপোলজিতে কম্পিউটারগুলো একে অপরের সঙ্গে কীভাবে যুক্ত থাকে?
  1. এলোমেলোভাবে সংযুক্ত
  2. একটি কেন্দ্রীয় কম্পিউটারের সাথে
  3. বৃত্তাকারভাবে সংযুক্ত
  4. পরপর লাইন দিয়ে সংযুক্ত
সঠিক উত্তর:
একটি কেন্দ্রীয় কম্পিউটারের সাথে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একটি কেন্দ্রীয় কম্পিউটারের সাথে
ব্যাখ্যা

• স্টার টপোলজিতে কম্পিউটারগুলো একটি কেন্দ্রীয় কম্পিউটারের সাথে সংযুক্ত থাকে (খ)। এই কেন্দ্রীয় ডিভাইসটি সাধারণত হাব, সুইচ বা সার্ভার হয়ে থাকে। প্রতিটি কম্পিউটার আলাদা আলাদা কেবলের মাধ্যমে সরাসরি কেন্দ্রীয় ডিভাইসের সাথে যুক্ত হয়, কিন্তু একে অপরের সাথে সরাসরি যুক্ত থাকে না। কোনো কম্পিউটার থেকে ডাটা পাঠাতে হলে প্রথমে তা কেন্দ্রীয় ডিভাইসে যায়, তারপর সেখান থেকে নির্দিষ্ট কম্পিউটারে পৌঁছে। এই টপোলজির সুবিধা হলো একটি কম্পিউটার নষ্ট হলেও পুরো নেটওয়ার্ক বন্ধ হয় না। তবে কেন্দ্রীয় ডিভাইস নষ্ট হলে পুরো নেটওয়ার্ক অচল হয়ে যায়।

• স্টার টপোলজি:
- স্টার টপোলজি বা স্টার সংগঠনে কম্পিউটারসমূহ একটি কেন্দ্রীয় কম্পিউটারের সাথে যুক্ত থাকে।
- এ সংগঠনে নেটওয়ার্কভুক্ত কম্পিউটারগুলো সরাসরি নিজেদের মধ্যে তথ্য বা ডাটা আদান প্রদান করতে পারে না।
- প্রতিটি কম্পিউটারই কেন্দ্রীয় কম্পিউটারের মাধ্যমে অন্য কম্পিউটারে সংকেত পাঠাতে পারে।
- কেন্দ্রীয় কম্পিউটারটি এক্ষেত্রে সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করে।
- কেন্দ্রীয় কম্পিউটারটিতে সমস্যা দেখা দিলে সমস্ত নেটওয়ার্কটি অচল হয়ে যায়।
- কিন্তু অন্য কোন কম্পিউটার বিকল হলে নেটওয়ার্কের কাজ শুধুমাত্র ঐ কম্পিউটারেই ব্যহত হয়, নেটওয়ার্কের অন্য অংশে কাজের কোন রকম অসুবিধা হয় না।

উৎস: এসএসসি প্রোগ্রাম, কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

১০.
কোন হ্যাকার তথ্য চুরি করে আর আর্থিক ক্ষতিসাধন করে?
  1. ডার্ক হ্যাট হ্যাকার
  2. গ্রে হ্যাট হ্যাকার
  3. ব্ল‍্যাক হ্যাট হ্যাকার
  4. হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার
সঠিক উত্তর:
ব্ল‍্যাক হ্যাট হ্যাকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্ল‍্যাক হ্যাট হ্যাকার
ব্যাখ্যা

• তথ্য চুরি করে এবং আর্থিক ক্ষতিসাধন করে যে হ্যাকার, সে হলো ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকার। ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকাররা অবৈধভাবে কম্পিউটার সিস্টেমে প্রবেশ করে গোপন তথ্য, ব্যাংক ডাটা, পাসওয়ার্ড ইত্যাদি চুরি করে এবং তা ব্যক্তিগত লাভের জন্য ব্যবহার করে। তারা সাইবার অপরাধের সঙ্গে সরাসরি জড়িত থাকে এবং ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান এমনকি রাষ্ট্রেরও বড় ক্ষতি করে। অন্যদিকে হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার নিরাপত্তা বাড়াতে কাজ করে, গ্রে হ্যাট মাঝামাঝি অবস্থানে থাকে এবং ডার্ক হ্যাট শব্দটি সাধারণত ব্ল্যাক হ্যাটের সঙ্গেই মিলিয়ে ব্যবহার করা হয়।

• হ্যাকিং (Hacking):
- প্রোগ্রাম রচনা ও প্রয়োগের মাধ্যমে কোনো কম্পিউটার সিস্টেম বা নেটওয়ার্কের ক্ষতিসাধন করাকে হ্যাকিং বলা হয়।

• বর্তমানে প্রধানত তিন ধরনের হ্যাকার দেখতে পাওয়া যায়। যথা-
ক. হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার:
- সাধারণত এরা ডেটা বা সিস্টেমের ক্ষতি করে না, তবে কাজের ক্ষেত্রে ভীষণ দক্ষ হয়।

খ. ব্ল‍্যাক হ্যাট হ্যাকার:
- বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য, আর্থিক তথ্যাদি হাতিয়ে নিয়ে আর্থিক ক্ষতিসাধন করে।

গ. গ্রে হ্যাট হ্যাকার:
- এরা নেটওয়ার্কের দুর্বলতাকে খুঁজে বের করে তা যথাযথ কর্তৃপক্ষকে অবহিত করে এবং দুর্বল দিকগুলোর ঠিক করার মাধ্যমে নেটওয়ার্কের সুরক্ষার জন্য কাজ করে অর্থ উপার্জন করে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।

১১.
কোন ধরনের ডেটা ট্রান্সমিশন ব্যবহারে কম্পিউটার প্রিন্টারের সাথে যোগাযোগ করে?
  1. Simplex
  2. Half-Duplex
  3. Multiplex
  4. Full-Duplex
সঠিক উত্তর:
Simplex
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Simplex
ব্যাখ্যা

• কম্পিউটার প্রিন্টারের সাথে যোগাযোগের ক্ষেত্রে সাধারণত Simplex ডেটা ট্রান্সমিশন ব্যবহৃত হয়। Simplex পদ্ধতিতে ডেটা একমুখীভাবে আদান–প্রদান হয়, অর্থাৎ তথ্য শুধু এক দিকেই প্রবাহিত হয়। কম্পিউটার থেকে প্রিন্টারের দিকে ডেটা পাঠানো হয়, কিন্তু প্রিন্টার থেকে কম্পিউটারে কোনো ডেটা ফেরত পাঠানো হয় না। যেমন- ডকুমেন্ট, ছবি বা লেখা কম্পিউটার থেকে প্রিন্টারে যায় এবং প্রিন্টার সেটি কাগজে মুদ্রণ করে। এখানে প্রিন্টার শুধুমাত্র গ্রহণকারী ডিভাইস হিসেবে কাজ করে। তাই কম্পিউটার ও প্রিন্টারের মধ্যে যোগাযোগের জন্য ক) Simplex ডেটা ট্রান্সমিশন সবচেয়ে উপযুক্ত।

• ডাটা প্রবাহের দিকের উপর ভিত্তি করে ডাটা ট্রান্সমিশন মোডকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
১. সিমপ্লেক্স (Simplex),
২. হাফ-ডুপ্লেক্স (Half-Duplex) ও
৩. ফুল-ডুপ্লেক্স (Full-Duplex).

• সিমপ্লেক্স:
- সিমপ্লেক্স হলো একমুখী ডেটা ট্রান্সমিশন পদ্ধতি, যেখানে ডেটা শুধুমাত্র একটি দিক থেকে অন্য দিকে প্রবাহিত হতে পারে।
- এক্ষেত্রে গ্রাহক যন্ত্রটি কখনোই প্রেরক যন্ত্রটিতে ডাটা পাঠাতে পারে না।
উদাহরণ: রেডিও, টেলিভিশন, কম্পিউটার থেকে প্রিন্টারে ডেটা প্রেরণ, কী-বোর্ড থেকে কম্পিউটারে ডেটা প্রেরণ ইত্যাদি।

• হাফ-ডুপ্লেক্স:
- হাফ-ডুপ্লেক্স ডেটা ট্রান্সমেশন মোডে উভয় দিক থেকে ডেটা প্রেরণের সযোগ থাকে, তবে একই সময়ে উভয় দিক থেকে ডেটা প্রেরণ সম্ভব না।
- উদাহরণ: ওয়াকি-টকি।

• ফুল-ডুপ্লেক্স:
- ফুল ডুপ্লেক্স ডেটা ট্রান্সমিশন মোডে একইসাথে উভয় দিক থেকে ডেটা প্রেরণের ব্যবস্থা থাকে।
- উদাহরণ: টেলিফোন।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১২.
কোন ধরনের সাইবার অপরাধে হ্যাকার ব্যবহারকারীর তথ্য ব্লক করে এবং মুক্তিপণ চাইতে পারে?
  1. Ransomware
  2. Data diddling
  3. Debugging
  4. Phishing
সঠিক উত্তর:
Ransomware
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Ransomware
ব্যাখ্যা

• উল্লিখিত অপশন গুলোর মধ্যে ক) Ransomware হলো সেই ধরনের সাইবার অপরাধ যেখানে হ্যাকার ব্যবহারকারীর গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বা পুরো সিস্টেমে প্রবেশাধিকার বন্ধ করে দেয় এবং তা পুনরুদ্ধারের জন্য মুক্তিপণ দাবি করে।
সাধারণত ম্যালওয়্যারের মাধ্যমে কম্পিউটার বা নেটওয়ার্কে প্রবেশ করে ফাইলগুলো এনক্রিপ্ট করা হয়, ফলে ব্যবহারকারী নিজের ডেটা আর ব্যবহার করতে পারে না। হ্যাকার নির্দিষ্ট অঙ্কের টাকা (প্রায়ই ক্রিপ্টোকারেন্সিতে) পরিশোধ করলে ডেটা ফেরত দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেয়। Data diddling ডেটা পরিবর্তনের সঙ্গে, Debugging ত্রুটি সংশোধনের সঙ্গে এবং Phishing প্রতারণামূলকভাবে তথ্য হাতিয়ে নেওয়ার সঙ্গে সম্পর্কিত।

• ম্যালওয়্যার (Malware):
- ম্যালওয়্যার (Malware) একটি ইংরেজি শব্দ যার পূর্ণ শব্দরূপ হলো Malicious Software।
- সাধারণভাবে ম্যালওয়্যার বলতে সেই সমস্ত সফটওয়‍্যারকে বোঝানো হয়, যে সফটওয়্যারগুলো ডিজাইন করা হয় ব্যবহারকারীর অজান্তে কোনো কম্পিউটারে অবৈধ অনুপ্রবেশ করে উক্ত কম্পিউটার সিস্টেমের ক্ষতিসাধনের উদ্দেশ্যে।
- কম্পিউটার ভাইরাস হলো এমন এক ধরনের কম্পিউটার প্রোগ্রাম বা ব্যবহারকারীর অনুমতি বা ধারণা ছাড়াই স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিজে নিজেই কপি হতে পারে এবং এটি কম্পিউটার সিস্টেমে থাকা বিভিন্ন সফটওয়্যার প্রোগ্রামকে আক্রান্ত করে থাকে।
- অপরপক্ষে ম্যালওয়‍্যার আরও অনেক বিস্তৃত একটি টার্ম হিসেবে ব্যবহৃত হয় যার অন্যতম সাধারণ একটি টাইপ হচ্ছে কম্পিউটার ভাইরাস।
- কম্পিউটার ভাইরাস ছাড়াও ম্যালওয়্যারের অন্তর্ভুক্ত সফটওয়্যারগুলোর মধ্যে রয়েছে স্পাইওয়্যার, অ্যাডওয়্যার, ট্রোজান হর্স, ওয়ার্ম প্রভৃতি।
- প্রত্যেকটি ম্যালওয়্যারের এক একটি টাইপ হিসেবে বিবেচিত হয়ে থাকে। এমনকি আর্থিক প্রতারণা বা অবৈধ উপায়ে অর্থ আদায়ে ব্যবহৃত সফটওয়‍্যারগুলোকেও অ্যাডভান্স লেভেলের ম্যালওয়্যার হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়, যেমন: Ransomware.

উল্লেখ্য,
- Phishing: এটি এক ধরনের সাইবার অপরাধ যেখানে একজন প্রতারক ই-মেইল বা মেসেজের মাধ্যমে কোনো বিশ্বস্ত প্রতিষ্ঠানের ছদ্মবেশ ধারণ করে ব্যক্তিগত তথ্য, যেমন পাসওয়ার্ড বা ক্রেডিট কার্ডের বিবরণ, হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে।
- Debugging: এটি কোনো অপরাধ নয়। এটি কম্পিউটার প্রোগ্রামিংয়ের একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া, যেখানে কোডের মধ্যে থাকা ভুল বা ত্রুটি (bugs) খুঁজে বের করে তা ঠিক করা হয়।
- Data diddling: এটি এমন একটি সাইবার অপরাধ যেখানে ডেটা ইনপুট হওয়ার সময় বা প্রক্রিয়াকরণের সময় তাতে অবৈধভাবে পরিবর্তন করা হয়। এটি ফাইল এনক্রিপ্ট করে মুক্তিপণ চাওয়ার মতো নয়।

তথ্যসূত্র:
১। কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
২। ব্রিটানিকা।

১৩.
অনুমতি ছাড়া কোনো কম্পিউটার সিস্টেমে গোপন প্রবেশকে সাইবার নিরাপত্তায় কী নামে অভিহিত করা হয়?
  1. স্প্যামিং
  2. স্পুফিং
  3. প্লেজিয়ারিজম
  4. স্নিকিং
সঠিক উত্তর:
স্নিকিং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্নিকিং
ব্যাখ্যা

• অনুমতি ছাড়া কোনো কম্পিউটার সিস্টেমে গোপনে প্রবেশ করার ঘটনাকে সাইবার নিরাপত্তায় স্নিকিং (Sneaking) বলা হয়। স্নিকিং বলতে বোঝায়, কোনো ব্যক্তি বৈধ অনুমতি বা অধিকার ছাড়াই কৌশলে অন্যের কম্পিউটার, নেটওয়ার্ক বা তথ্যব্যবস্থায় প্রবেশ করা। এ ধরনের কাজে সাধারণত নিরাপত্তা দুর্বলতা, পাসওয়ার্ড চুরি বা গোপন কৌশল ব্যবহার করা হয়। স্নিকিংয়ের মাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য চুরি, পরিবর্তন বা নষ্ট করা সম্ভব, যা ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান ও রাষ্ট্রের জন্য বড় ঝুঁকি তৈরি করে। তাই সাইবার নিরাপত্তায় স্নিকিং একটি গুরুতর অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হয় এবং এর বিরুদ্ধে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা জরুরি।

• সাইবার অপরাধ:
- বিভিন্ন ধরনের সাইবার অপরাধ হয়ে থাকে। নিচে অতি সংক্ষিপ্তভাবে অপরাধসমূহের তালিকা দেওয়া হলো:
- কম্পিউটার সিস্টেম অথবা নেটওয়ার্কে অযাচিত প্রবেশ করা।
- ইলেকট্রনিক ফর্মে থাকা তথ্য চুরি করা।
- প্লেজিয়ারিজম- অন্যের লেখা চুরি করে নিজের নামে চালিয়ে দেওয়া বা প্রকাশ করা।
- স্নিকিং- গোপনে ব্যবহারকারীর চোখ এড়িয়ে কম্পিউটার বা নেটওয়ার্ক সিস্টেমে প্রবেশ করে নিজের আওতায় আনা।
- স্পুফিং- ভুল তথ্য দিয়ে নেটওয়ার্ককে বিভ্রান্ত করা।
- ই-মেইল বম্বিং - বিশাল ই-মেইল পাঠানোর মাধ্যমে সিস্টেম ক্র্যাশ করা।

- Salami Attack - অবৈধ আর্থিক বিনিময় কিংবা আর্থিক ক্ষতি সাধন।
- Denial of Service Attack - বেশি পরিমাণেরিকোয়েস্ট পাঠিয়ে সিস্টেম ক্র্যাশ করা।- ভাইরাস/ওয়ার্ম আক্রমণ।
- স্প্যামিং (Spamming): অনাকাঙ্ক্ষিত ও অবাঞ্ছিত ই-মেইল কিংবা মেসেজ পাঠানোকে স্প্যামিং বলে। এই কাজ যারা করে তাদেরকে স্প্যামার বলা হয়।
- লজিক বম্ব - ইভেন্ট নির্ভর প্রোগ্রামের মাধ্যমে সিস্টেমে এ্যাটাক করা।
- ট্রোজান এ্যাটাক - পরোক্ষভাবে কারো সিস্টেমে প্রবেশ করে সিস্টেমের কন্ট্রোল গ্রহণ করা।
- ওয়েব সাইট হ্যাক করে তথ্য পরিবর্তন করা।

উৎস:
১। কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, ভোকেশনাল।
২। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

১৪.
কোন প্রজন্মের কম্পিউটারে ট্রানজিস্টর প্রবর্তিত হয়?
  1. 4G
  2. 2G
  3. 5G
  4. 3G
সঠিক উত্তর:
2G
উত্তর
সঠিক উত্তর:
2G
ব্যাখ্যা

• ট্রানজিস্টর প্রথম প্রবর্তিত হয় দ্বিতীয় প্রজন্মের কম্পিউটারে। প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটারগুলোতে ভ্যাকুয়াম টিউব ব্যবহৃত হতো, যা আকারে বড়, বেশি বিদ্যুৎখরচী এবং অতিরিক্ত তাপ উৎপন্ন করত। এই সমস্যাগুলো সমাধানের জন্য ট্রানজিস্টর ব্যবহার শুরু হয়, যা আকারে ছোট, বেশি নির্ভরযোগ্য এবং কম বিদ্যুৎ খরচ করত। ট্রানজিস্টরের ফলে কম্পিউটার আরও দ্রুত, স্থিতিশীল ও সাশ্রয়ী হয়। তাই ট্রানজিস্টর ব্যবহারের সূচনা হয় দ্বিতীয় প্রজন্মের কম্পিউটারে। প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে সঠিক উত্তর হলো খ) 2G.

• দ্বিতীয় প্রজন্ম:
- ১৯৬০ থেকে ১৯৬৪ সাল পর্যন্ত সময় কালকে কম্পিউটারের দ্বিতীয় প্রজন্ম বলে ধরা হয়।
- ১৯৬৪ সালে এ প্রজন্মের IBM 1620 কম্পিউটার দিয়ে বাংলাদেশে কম্পিউটারের ব্যবহার শুরু হয় এবং ঢাকা পরমাণু শক্তি কেন্দ্রে সুদীর্ঘ কয়েক বছর চালু ছিল।

- দ্বিতীয় প্রজন্মে কম্পিউটারের বৈশিষ্ট্যসমূহ নিম্নরূপ-
১. ভ্যাকুয়াম টিউবের পরিবর্তে ট্রানজিস্টরের ব্যবহার।
২. ম্যাগনেটিক কোর মেমরির ব্যবহার।
৩. আকৃতির সংকোচন ও অধিক নির্ভরযোগ্যতা।
৪. উচ্চগতিসম্পন্ন ও উন্নতমানের ইনপুট-আউটপুট ব্যবস্থার প্রচলন।
৫. অপেক্ষাকৃত বেশি তথ্য ধারণক্ষমতা।
৬. উচ্চস্তরের ভাষার ব্যবহার (যেমন- COBOL, FORTRAN)।
৭. টেলিফোন লাইন ব্যবহার করে এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে ডেটা আদান-প্রদানের ব্যবস্থা ইত্যাদি।

কম্পিউটারের প্রজন্মকে ৫ ভাগে ভাগ করা হয়:
- প্রথম প্রজন্ম (1940-1956): ভ্যাকুয়াম টিউব।
- দ্বিতীয় প্রজন্ম (1956-1963): ট্রানজিস্টর।
- তৃতীয় প্রজন্ম (1964-1971): ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট (IC)।
- চতুর্থ প্রজন্ম (1971-বর্তমান): মাইক্রোপ্রসেসর।
- পঞ্চম প্রজন্ম (বর্তমান এবং ভবিষ্যৎ): কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা।

উৎস:
১) মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২) ব্রিটানিকা।

১৫.
কোন ইন্টারফেস ব্যবহারকারীকে OS-এর ফিচারগুলোর সাথে ইন্টারঅ্যাকশনের সুযোগ দেয়?
  1. Command Prompt
  2. API
  3. Shell
  4. Scheduler
সঠিক উত্তর:
Shell
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Shell
ব্যাখ্যা

• ব্যবহারকারীকে অপারেটিং সিস্টেমের (OS) বিভিন্ন ফিচারের সাথে সরাসরি ইন্টারঅ্যাকশনের সুযোগ দেয় Shell। Shell হলো ব্যবহারকারী ও অপারেটিং সিস্টেমের মধ্যবর্তী একটি ইন্টারফেস, যার মাধ্যমে ব্যবহারকারী কমান্ড প্রদান করে এবং সিস্টেম সেই অনুযায়ী কাজ সম্পন্ন করে। এটি কমান্ড লাইন ভিত্তিক (যেমন Bash) অথবা গ্রাফিক্যাল হতে পারে। Command Prompt আসলে Shell-এর একটি উদাহরণ, API মূলত প্রোগ্রাম ও সফটওয়্যারের মধ্যে যোগাযোগের মাধ্যম, আর Scheduler কাজের সময়সূচি নিয়ন্ত্রণ করে। তাই সঠিক উত্তর হলো গ) Shell.
 
• অপারেটিং সিস্টেম:
- কম্পিউটারকে সঠিকভাবে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের জন্য প্রয়োজন অপারেটিং সিস্টেম, যা সিস্টেম সফটওয়্যার নামে পরিচিত।
- কম্পিউটারকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের জন্য যে প্রোগ্রাম বা প্রোগ্রাম সমষ্টি ব্যবহার করা হয় তাকে অপরেটিং সিস্টেম বলা হয়।
- এককথায় অপারেটিং সিস্টেম কম্পিউটার ব্যবহারকারীর সাথে হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের সংযোগ স্থাপন করে বিভিন্ন ধরনের কাজ সম্পাদন করে।
- অপারেটিং সিস্টেমের উদাহরণ: CP/M, Android, Symbian OS, Palm OS, MS-DOS, PC-DOS, Windows 95/98, Windows NT Server, Windows 2003/2008 Server, Unix, Linux ইত্যাদি।

• অপশন আলোচনা:
- Scheduler:
- Scheduler হলো অপারেটিং সিস্টেমের একটি অংশ, যা প্রসেসগুলির মধ্যে CPU-র সময় ভাগ করে। এটি ব্যবহারকারীর সাথে সরাসরি যোগাযোগের জন্য নয়। এটি কাজ করে ব্যাকগ্রাউন্ডে।

- API (Application Programming Interface):
- API হলো এক ধরনের ইন্টারফেস যা সফটওয়্যার প্রোগ্রামগুলি অন্য সফটওয়্যার বা সিস্টেমের সাথে যোগাযোগ করতে ব্যবহার করে। এটি প্রোগ্রামারদের জন্য, ব্যবহারকারীর জন্য সরাসরি নয়।

- Shell:
- Shell হলো একটি ইন্টারফেস যা ব্যবহারকারীকে অপারেটিং সিস্টেমের সাথে যোগাযোগ করার সুযোগ দেয়। এটি ব্যবহারকারীর কমান্ডগুলো গ্রহণ করে এবং সেগুলো অপারেটিং সিস্টেমে প্রসেস করার জন্য পাঠায়। এটি গ্রাফিকাল (GUI) বা টেক্সট-ভিত্তিক (CLI) হতে পারে।

- Command Prompt:
- Command Prompt হলো উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমের একটি নির্দিষ্ট প্রোগ্রাম যা ব্যবহারকারীর কাছ থেকে টেক্সট-ভিত্তিক কমান্ড গ্রহণ করে। যদিও এটি Shell-এর একটি উদাহরণ, প্রশ্নে নির্দিষ্টভাবে "ইন্টারফেস" সম্পর্কে বলা হয়েছে, এবং Shell একটি জেনেরিক শব্দ যা সব অপারেটিং সিস্টেমে প্রযোজ্য।

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।