পরীক্ষা আর্কাইভ

ব্যাংক ডেইলি কুইজ [লং কোর্সের অংশ]

পরীক্ষাব্যাংক ডেইলি কুইজ [লং কোর্সের অংশ]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়06 minutes
মোট প্রশ্ন১৩
সিলেবাস
Exam - 36 Daily Quiz ICT: Topics: E-Commerce, Cellular Data Network, Computer Network, Information Technologies in Practical Fields, World Wide Web – WWW, Internet.
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ব্যাংক ডেইলি কুইজ [লং কোর্সের অংশ]

ব্যাংক ডেইলি কুইজ [লং কোর্সের অংশ] · তারিখ অনির্ধারিত · ১৩ প্রশ্ন

.
Who is the father of Internet?
  1. Vint Cerf
  2. Tim Berners-Lee
  3. Alan Turing
  4. Charles Babbage
ব্যাখ্যা

• ইন্টারনেট:
- ১৯৬৮ সালের ARPANET ছিলো ইন্টারনেটের প্রাথমিক পর্যায়।
- ARPANET এর পূর্ণরূপ হলো ‘Advanced Research Projects Agency Network’
- মার্কিন নাগরিক ভিনটন জি কার্ফ ১৯৬৯ সালে ইন্টারনেট আবিষ্কার করেন।
- ভিনটন জি কার্ফ কে ইন্টারনেটের জনক বলা হয়।
- যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে ১৯৬৯ সালে ARPANET এর প্রকৃত যাত্রা শুরু হয়।
- ১৯৮২ সালে TCP/IP উদ্ভাবনের মাধ্যমে ইন্টারনেটের প্রাথমিক যাত্রা শুরু হয়।
- ইন্টারনেটের মাধ্যমে তথ্য আদান-প্রদানের জন্য সর্বাধিক ব্যবহৃত প্রটোকল TCP/IP
- ১৯৯২ সালে ইন্টারনেট সোসাইটি (ISOC) প্রতিষ্ঠিত হয়।

অন্যান্য অপশন:
- Tim Berners-Lee: তিনি World Wide Web (WWW)-এর জনক।
- Alan Turing: আধুনিক কম্পিউটার বিজ্ঞান এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI)-এর জনক।
- Charles Babbage: কম্পিউটারের জনক বলা হয়। তিনি ‘অ্যানালিটিক্যাল ইঞ্জিন’-এর নকশা করেছিলেন।

উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, ব্রিটানিকা।

.
Which system recognizes individuals through physiological and behavioral traits?
  1. Biometrics
  2. Bioinformatics
  3. Virtual Reality
  4. Nano-technology
ব্যাখ্যা

• বায়োমেট্রিক্স:
- বায়োমেট্রিক্স হলো এমন একটি পদ্ধতি যেখানে কোনো ব্যক্তির দেহের গঠন এবং আচরণগত বৈশিষ্ট্যের উপর ভিত্তি করে তাকে অদ্বিতীয়ভাবে চিহ্নিত বা সনাক্ত করা যায়।
- কম্পিউটার বিজ্ঞানে বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতিকে ব্যক্তি সনাক্তকরণ এবং কোন সিস্টেমে প্রবেশাধিকার নিয়ন্ত্রণের কৌশল হিসেবে ব্যবহার করা হয়।

- মানুষ যেভাবে চিন্তা করে তেমনি কৃত্রিম উপায়ে কম্পিউটারে সেভাবে চিন্তা ভাবনার রূপদান করাকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা Artificial Intelligence (AI) বলে। AI এর প্রধান উদ্দেশ্য হলো কম্পিউটারকে উন্নত করা যাতে কম্পিউটার চিন্তা করার ক্ষমতা, পাশাপাশি দেখতে পারা, শুনতে পারা, হাঁটা এবং অনুভব করার ক্ষমতা পায়।
- জীববিজ্ঞানের সমস্যাগুলো যখন কম্পিউটার প্রযুক্তি কৌশল ব্যবহার করে সমাধান করা হয়, তখন তাকে বায়োইনফরমেটিক্স বলা হয়।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি হচ্ছে হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের সমন্বয়ে কম্পিউটার সিস্টেমের মাধ্যমে কোনো বস্তু, ঘটনা বা পরিবেশের বাস্তবভিত্তিক বা ত্রিমাত্রিক চিত্রভিত্তিক রূপায়ণ। অর্থাৎ বাস্তব নয় কিন্তু বাস্তবের চেতনা উদ্যোগকারী বিজ্ঞাননির্ভর কল্পনাকে ভার্চুয়াল রিয়েলিটি বলে।
- Nano-technology হলো আণবিক পর্যায়ের ক্ষুদ্র প্রযুক্তি।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।

.
The concept of online marketing and selling of products and services through the internet is-
  1. C2B
  2. B2B
  3. C2C
  4. B2C
ব্যাখ্যা

• ইন্টারনেটের মাধ্যমে সরাসরি সাধারণ ক্রেতাদের কাছে পণ্য ও সেবা বিপণন এবং বিক্রয় করার প্রক্রিয়াকে B2C (Business-to-Consumer) বলা হয়। যেমন: অ্যামাজন (Amazon), আলীএক্সপ্রেস (AliExpress) বা দারাজ (Daraz) থেকে পণ্য কেনা।

• ই-কমার্সের প্রকারভেদ:
- ডিজিটাল উপাত্ত প্রক্রিয়াকরণ এবং সঞ্চারণের মাধ্যমে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের ব্যবসায় সংক্রান্ত আদান-প্রদানকে ই-কমার্স বলে।
- ই-কমার্স সিস্টেমে ইন্টারনেট, এক্সট্রানেট এবং ইন্ট্রানেট প্রযুক্তি ব্যবহার করে ব্যবসা, ভোক্তা এবং অন্যান্য সহযোগী সংস্থার মধ্যে সংযোগ সাধন করা হয়।
- সেবা ও পণ্য লেনদেনের ভিত্তিতে ই-কমার্সকে সাধারণত চারটি ক্যাটাগরিতে বিভক্ত করা যায়। যথা-

১. ব্যবসা থেকে ব্যবসা (Business to Business- B2B):
- দুটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে পাইকারি কেনাবেচাকে বিজনেস টু বিজনেস (B2B) বলা হয়।
- B2B ই-কমার্সের উদাহরণ: alibaba.com, sindabad.com ইত্যাদি।

২. ব্যবসা থেকে ভোক্তা (Business to Consumer- B2C):
- এক বা একাধিক ক্রেতা ও ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের মধ্য খুচরা বা পাইকারি লেনদেনসমূহ বিজনেস টু কনজিউমার (B2C)-এর অন্তর্গত।
- B2C ই-কমার্সের উদাহরণ: amazon.com, rokomari.com, othoba.com ইত্যাদি।

৩. ভোক্তা থেকে ব্যবসা (Consumer to Business- C2B):
- যখন কোনো ভোক্তা এককভাবে অন্য কোনো ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের সাথে সরাসরি লেনদেন করে তখন তাকে ভোক্তা থেকে ব্যবসায় বা কনজিউমার টু বিজনেস বলা হয়।
- এ ধরনের সিস্টেমে ভোক্তারা বা গ্রাহকরা সাধারণত কোনো বিজনেস সাইট থেকে পণ্য ক্রয়ের পরিবর্তে পণ্য ও সেবা বিক্রয় করে থাকে।
- C2B ই-কমার্সের উদাহরণ: monster.com, ajkerdeal.com, daraz.com ইত্যাদি।

৪. ভোক্তা থেকে ভোক্তা (Consumer to Consumer- C2C):
- অন্য কোনো ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের যোগাযোগ ছাড়াই ভোক্তা থেকে ভোক্তার লেনদেনকে ভোক্তা থেকে ভোক্তা বা কনজিউমার টু কনজিউমার (C2C) বলা হয়।
- এ জাতীয় ব্যবসায় কোনো বিজনেস মিডলম্যান থাকে না।
- C2C ই-কমার্সের উদাহরণ: ebay.com, taobao.com ইত্যাদি।

উৎস: ই-কমার্স, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
What type of network topology is star topology?
  1. MAN
  2. WAN
  3. LAN
  4. VPN
ব্যাখ্যা

• স্টার টপোলজি সাধারণত একটি LAN (Local Area Network) টপোলজি হিসেবে পরিচিত।
- এই ব্যবস্থায় প্রতিটি কম্পিউটার বা ডিভাইস একটি কেন্দ্রীয় হাব (Hub) বা সুইচের (Switch) সাথে সরাসরি যুক্ত থাকে। এটি ছোট পরিসরে যেমন—অফিস, স্কুল বা বাসাবাড়িতে নেটওয়ার্ক তৈরির জন্য সবচেয়ে জনপ্রিয় মাধ্যম।

- বিভিন্ন দূরত্বে অবস্থিত একাধিক কম্পিউটার যখন আন্তঃসংযোগের মাধ্যমে তথ্য আদান-প্রদান এবং প্রক্রিয়াকরণ করতে পারে তখন সম্পূর্ণ সিস্টেমকে কম্পিউটার নেটওয়ার্ক বলা হয়।
- দুটি কম্পিউটারকে যখন নেটওয়ার্কের মাধ্যমে নিয়ে আসা হয় তখন আমরা প্রধান যে সুবিধা পাই তা হলো দুটি কম্পিউটার পরস্পরের রিসোর্স শেয়ার করতে পারে।
- রিসোর্স বলতে এখানে তথ্য এবং হার্ডওয়্যার ডিভাইসকে বুঝায়।
- যেসব নেটওয়ার্ক খুব কাছাকাছি অবস্থিত কম্পিউটার সমূহ ও যন্ত্রপাতির মধ্যেকরা হয়ে থাকে লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বলা হয়।
- নেটওয়ার্কভুক্ত কম্পিউটারসমূহের সংযোগের অবস্থানগত বিন্যাসের কাঠামো হচ্ছে টপোলজি।
- তাই টপোলজিকে লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (Local Area Network-LAN)-এর সংগঠন হিসাবে অভিহিত করা হয়।
- লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কে সাধারণত চার ধরনের সংযোগ পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়। যথা:
১. স্টার টপোলজি,
২. বাস টপোলজি,
৩. রিং টপোলজি ও
৪. ট্রি টপোলজি ।

উৎস: কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
Which protocol family does FTP belong to?
  1. SMTP
  2. TCP/IP
  3. SNA
  4. SNMP
ব্যাখ্যা

• FTP:
- FTP-এর পুরো নাম File Transfer Protocol।
- FTP এমন একটি সার্ভিস, যা ব্যবহার করে এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে ফাইল কপি করা যায়।
- এটি টিসিপি/আইপি প্রোটোকল সুট ফ্যামিলির অন্যতম সদস্য।
- ফাইল কপি করার জন্য এফটিপি ব্যবহার করা হবে যখন দুটো কম্পিউটারেই নেটওয়ার্কে সংযুক্ত থাকবে।
- লোকাল কম্পিউটার থেকে কোনো ডেটা বা ফাইল রিমোট কম্পিউটারে কপি করার প্রক্রিয়াকে বলা হয় আপলোডিং এবং রিমোট কম্পিউটার থেকে কোনো ফাইল বা ডেটা লোকাল কম্পিউটারে কপি করাকে বলা হয় ডাউন লোডিং।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
HTTPS stands for-
  1. Hypertext Transfer Process Secure
  2. Hypertext Transfer Protocol Secure
  3. High-level Transfer Protocol System
  4. Hypertext Translation Protocol Service
ব্যাখ্যা

• HTTPS-এর পূর্ণরূপ হলো Hypertext Transfer Protocol Secure। 
- এটি HTTP-এর একটি নিরাপদ সংস্করণ যা ইন্টারনেটে ডেটা আদান-প্রদানের জন্য ব্যবহৃত হয়।
HTTP এবং HTTPS-এর মূল পার্থক্য হলো নিরাপত্তা।
- HTTPS ডেটা এনক্রিপ্ট করার জন্য SSL/TLS প্রোটোকল ব্যবহার করে। এর ফলে ব্যবহারকারীর সংবেদনশীল তথ্য (যেমন: পাসওয়ার্ড, ক্রেডিট কার্ড নম্বর) হ্যাকারদের হাত থেকে সুরক্ষিত থাকে।

• HTTPS:
- https এর পূর্ণরূপ হচ্ছে- Hypertext Transfer Protocol Secure.
- HTTPS হলো একটি প্রোটোকল যা ব্যবহারকারীর ওয়েব ব্রাউজার এবং একটি ওয়েবসাইটের মধ্যে যোগাযোগ এবং ডেটা স্থানান্তর সুরক্ষিত করে।
- কোন ওয়েবসাইটের ঠিকানায় ব্যবহৃত https এর 'S' দিয়ে Secured (সুরক্ষিত) বোঝায়।
- HTTPS Protocol-টি ইন্টারনেটে তথ্য আদান-প্রদানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে থাকে।
- https, http-এর চেয়ে অধিকতর নিরাপদ। 
- সাধারণত প্রায় সব ওয়েব অ্যাড্রেসই শুরু হয় http:// দিয়ে।
- তাই ওয়েব অ্যাড্রেসে এ অংশটি লিখা হয় না। www অংশ দিয়েই শুরু করা হয়।

উৎস: 
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২. ব্রিটানিকা।

.
Which platform primarily allows users to buy and sell products online?
  1. Stack Overflow
  2. Daraz
  3. Google
  4. Zoom
ব্যাখ্যা

• Daraz হলো একটি ই-কমার্স (E-commerce) প্ল্যাটফর্ম বা অনলাইন মার্কেটপ্লেস, যেখানে বিক্রেতারা তাদের পণ্য বিক্রির জন্য প্রদর্শন করেন এবং ক্রেতারা তা অনলাইনে ক্রয় করতে পারেন। এটি মূলত B2C (Business to Consumer) এবং C2C (Consumer to Consumer) মডেল অনুসরণ করে। 

• ই-কমার্স (E-Commerce):
- ইলেকট্রনিক কমার্সকেই সাধারণ অর্থে ই-কমার্স (e-commerce or Commerce) বলা হয়।
- ইন্টারনেট বা অন্য কোনো কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে কোনো পণ্য বা সেবা ক্রয়-বিক্রয়, সরবরাহ, ব্যবসায় সংক্রান্ত লেনদেন ইত্যাদি কাজকে সম্মিলিতভাবে ই-কমার্স বলে।
- পণ্য বা সেবার উপাদান, মার্কেটিং, ডেলিভারি, সার্ভিসিং, মূল্য পরিশোধের অনলাইন প্রক্রিয়াসমূহ সামগ্রিকভাবে ইলেকট্রনিক কমার্সের অন্তর্ভুক্ত।
- ১৯৯৫ সালে অ্যামাজন নামের ই-কমার্স ওয়েবসাইটের যাত্রা শুরুর মাধ্যমে ই-কমার্সের এক নতুন অধ্যায় শুরু হয়।

• জনপ্রিয় কিছু ওয়েবাসউট হলো,
- www.bikroy.com
- www.daraz.com.
- www.alibaba.com.
- www.ebay.com.

- Stack Overflow হলো প্রোগ্রামারদের সমস্যার সমাধান খোঁজার ফোরাম।
- Google হলো একটি সার্চ ইঞ্জিন।
- Zoom হলো ভিডিও কনফারেন্সিং সফটওয়্যার।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মো. মাহবুবুর রহমান।

.
What is the frequency of Wi-Fi?
  1. 1.6 to 4.2 GHz
  2. 2.4 to 5 GHz
  3. 10 to 20 GHz
  4. 2.4 to 5 MHz
ব্যাখ্যা

• Wi-Fi:
- Wi-Fi এর পূর্ণরূপ হলো Wireless Fidelity.
- Wi-Fi হলো একটি জনপ্রিয় তারবিহীন প্রযুক্তি যা উচ্চগতির ইন্টারনেট ও নেটওয়ার্ক সংযোগসমূহ সরবরাহ করে থাকে রেডিও ওয়েভ ব্যবহাররের মাধ্যমে।
- ওয়াই-ফাই সাধারণত 2.4 থেকে 5 GHz ফ্রিকোয়েন্সিতে কাজ করে।
- এটি Wi-fi Alliance এর একটি ট্রেডমার্ক এবং IEEE 802.11 স্ট্যান্ডার্ড ব্যবহারকারী পণ্যসমূহের একটি ব্র্যান্ড নাম।
- ভিক্টর ভিক হেরেসকে ওয়াই-ফাই এর জনক বলা হয়।
- ওয়াই-ফাই এর ডাটা ট্রান্সমিশনে এ হাফ ডুপ্লেক্স মুড ব্যবহৃত হয়।
- কাভারেজ ঘরের ভিতর ৩৩ মিটার এবং বাইরে প্রায় ১০০ মিটার জুড়ে হয়ে থাকে।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি , প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
Which of the following devices is commonly used in a MAN network?
  1. Switch
  2. Router
  3. Gateway
  4. All of the above
ব্যাখ্যা

• MAN (Metropolitan Area Network) হলো একটি শহরের বড় এলাকা জুড়ে বিস্তৃত নেটওয়ার্ক। এই নেটওয়ার্কটি অত্যন্ত বড় এবং জটিল হওয়ায় এতে ডেটা আদান-প্রদান ও বিভিন্ন সাব-নেটওয়ার্ককে যুক্ত করার জন্য Switch, Router, এবং Gateway সবগুলো ডিভাইসেরই প্রয়োজন হয়।

• MAN:
- MAN এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Metropolitan Area Network।
- একই শহরের বিভিন্ন স্থানে অবস্থিত কম্পিউটারগুলোর সংযোগে, যা বিভিন্ন ডিভাইস এবং LAN এর মাধ্যমে গঠিত হয়, তাকে MAN বলা হয়।
- MAN এ সাধারণত টেলিফোন লাইন, মডেম বা মাইক্রোওয়েভ ট্রান্সমিশন মিডিয়া হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- যখন MAN এ তারবিহীন সংযোগ প্রদান করা হয়, তখন তাকে WMAN (Wireless Metropolitan Area Network) বলা হয়।
- MAN নেটওয়ার্কে হাব, গেটওয়ে, সুইচ, ব্রিজ, রাউটার প্রভৃতি ডিভাইস ব্যবহৃত হয়।
- MAN নেটওয়ার্কের মালিকানা সাধারণত একটি সংগঠনের থাকে।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।

১০.
What is the method of data transmission in Walkie-talkie?
  1. Simplex
  2. Half Duplex
  3. Full Simplex
  4. Full Duplex
ব্যাখ্যা

• ওয়াকি-টকি (Walkie-talkie) হলো Half Duplex ডেটা ট্রান্সমিশন মোডের একটি বাস্তব উদাহরণ।
- এই পদ্ধতিতে ডেটা বা তথ্য উভয় দিকেই (প্রেরক থেকে প্রাপক এবং প্রাপক থেকে প্রেরক) প্রবাহিত হতে পারে, তবে তা একই সময়ে সম্ভব নয়। অর্থাৎ, যখন একজন কথা বলেন, তখন অন্যজনকে শুনতে হয়। একপক্ষের কথা বলা শেষ হলে অন্যপক্ষ কথা বলতে পারে।

• ডেটা ট্রান্সমিশন মোড:
- উৎস থেকে গন্তব্যে ডাটা ট্রান্সফারের ক্ষেত্রে ডেটা প্রবাহের দিককে বিবেচনা করে ডেটা পাঠানোর পদ্ধতিকে ডেটা ট্রান্সমিশন মোড বলা হয়।
- ডেটা প্রবাহের দিকের উপর ভিত্তি করে ডেটা ট্রান্সমিশন মোডকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। যথা
১. সিমপ্লেক্স:
- শুধুমাত্র একদিকে ডেটা প্রেরণের মোড বা পদ্ধতিকে বলা হয় সিমপ্লেক্স।
- এক্ষেত্রে গ্রাহক যন্ত্রটি কখনোই প্রেরক যন্ত্রটিতে ডেটা পাঠাতে পারে না।
- উদাহরণ- রেডিও, টিভি।

২. হাফ-ডুপ্লেক্স:
- হাফ-ডুপ্লেক্স পদ্ধতিতে যে কোন প্রান্ত ডেটা গ্রহণ অথবা প্রেরণ করতে পারে কিন্তু গ্রহণ এবং প্রেরণ একই সাথে করতে পারে না।
- উদাহরণ- ওয়াকিটকি।

৩. ফুল-ডুপ্লেক্স:
- এক্ষেত্রে একই সময়ে উভয় দিক হতে ডাটা প্ররণের ব্যবস্থা থাকে।
- যে কোন প্রান্ত প্রয়োজনে ডেটা প্রেরণ করার সময় ডেটা গ্রহণ অথবা ডাটা গ্রহণের সময় প্রেরণও করতে পারবে।
- উদাহরণ- টেলিফোন, মোবাইল।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১.
What is the main benefit of IPv6 over IPv4?
  1. Higher Transmission Frequency
  2. Shorter Network Range
  3. Larger address space
  4. Analog Signal Support
ব্যাখ্যা

• IPv6 (Internet Protocol version 6) তৈরির প্রধান কারণ হলো IPv4 এর আইপি অ্যাড্রেসের সীমাবদ্ধতা দূর করা। IPv4 ব্যবহার করে সর্বোচ্চ প্রায় 4.3 billion (232) অ্যাড্রেস তৈরি করা সম্ভব, যা বর্তমান বিশ্বের চাহিদার তুলনায় অপর্যাপ্ত। অন্যদিকে, IPv6 128-bit অ্যাড্রেসিং সিস্টেম ব্যবহার করে প্রায় 2128 ইউনিক আইপি অ্যাড্রেস প্রদান করতে পারে।

• আইপি এড্রেস: 
- আইপি হলো প্রতিটি কম্পিউটারের জন্যে ব্যবহৃত স্বতন্ত্র আইডেন্টিটি।
- ‘IP’ এর পূর্ণরূপ হলো ‘Internet Protocol’.
- (1st Octet) (2nd Octet) (3rd Octet) (4th Octet) চারটি অংশের সমন্বয়ে গঠিত হয়আইপি অ্যাড্রেস I
- IPv4 (IP ভার্সন 4) নামে পরিচিত।
- IPv4 এই অ্যাড্রেস হলাে 4 × 8 বা 32 বিটের। যার 232 বা 4294967296 সংখ্যক নেটওয়ার্কযুক্ত কম্পিউটার বা ডিভাইসকে সনাক্ত করা যায়।
- IPv6 হলো ইন্টারনেট প্রটোকলের ৬ষ্ঠ ভার্সন।
- IPv4 এর সংখ্যা অপ্রতুল হয়ে যায় তা সমাধানের জন্যে IPv6 ভার্সন চালু করা হয়।
- IPv6 অ্যান্ড্রেস ১২৮ বিটে হয়। অর্থাৎ আইপি অ্যাড্রেসের এই ভার্সনে ৮টি ভাগ থাকে এবং প্রতিভাগ 16 bit এর হয়ে থাকে।
- এক্ষেত্রে ১২৮ বিটের সাহায্যে ২১২৮ সংখ্যক ডিভাইসকে সনাক্ত করা যায়।
- IPV6 এর অ্যাড্রেস সাধারণত Hexadecimal ফরম্যাট এ লিখা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

১২.
In which network does each computer simultaneously act as both a server and a client?
  1. Client-to-peer network
  2. Client-server Network
  3. Peer-to-Peer network
  4. Peer-to-server network
ব্যাখ্যা

• ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক:
- কেন্দ্রীয়ভাবে ডাটা স্টোর, নিরাপত্তা দেওয়া, বিভিন্ন এ্যাপ্লিকেশন চালানোর জন্য ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক খুবই উপযোগী।
- এই নেটওয়ার্কে একটি কম্পিউটারে সকল রিসোর্স থাকে এবং অন্যান্য সকল কম্পিউটারগুলো এসব রিসোর্স ব্যবহার করে।
- যে কম্পিউটার রিসোর্স শেয়ার করে সেটিকে সার্ভার বলে আর যেসব কম্পিউটার রিসোর্স ব্যবহার করে তাদেরকে ক্লায়েন্ট বলে।
- নেটওয়ার্কের সমস্ত রিসোর্স সার্ভারে জমা থাকায় রিসোস ম্যানেজম্যান্ট অনেক সহজ হয়।

• পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্ক:
- পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্কে প্রত্যেক কম্পিউটার হতে রিসোর্স শেয়ার করা যায়।
- এই নেটওয়ার্কে প্রতিটি কম্পিউটার একই সাথে সার্ভার এবং ক্লায়েন্ট।
- এরা প্রত্যেকেই রিসোর্স শেয়ারের ক্ষেত্রে সমান ভুমিকা পালন করে।
- ডেডিকেটেড সার্ভার না থাকায় কম্পিউটারগুলোর কোন শ্রেণীবিন্যাস নেই।

• প্রাইভেট নেটওয়ার্ক:
- এই ধরনের নেটওয়ার্ক সাধারণত কোন প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তির মালিকানাধীন হয়।
- অন্য যে কেউ চাইলেই এই নেটওয়ার্ক ব্যবহার করতে পারে না।
- এই ধরনের নেটওয়ার্কের সিকিউরিটি অনেক ভালো হয়।
- সাধারণত এ ধরনের নেটওয়ার্কে ডাটা ট্রান্সমিশনের গতি অনেক ভালো হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৩.
"Which generation of mobile phone system does GSM belong to?"
  1. First generation
  2. Second generation
  3. Third generation
  4. Fourth generation
ব্যাখ্যা

• GSM (Global System for Mobile Communications) হলো মোবাইল ফোনের দ্বিতীয় প্রজন্মের বা 2G স্ট্যান্ডার্ড।
- এটি ১৯৯১ সালে ফিনল্যান্ডে প্রথম চালু হয়। এটিই প্রথম ডিজিটাল সেলুলার সিস্টেম যা অ্যানালগ সিগন্যালের পরিবর্তে ডিজিটাল রেডিও সিগন্যাল ব্যবহার করে ভয়েস কল এবং এসএমএস (SMS) আদান-প্রদান নিশ্চিত করে।

• GSM:
- GSM এর পূর্ণরূপ Global System for Mobile Communications.
- GSM হলো মোবাইল টেলিফোনি সিস্টেমের জন্য বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় স্ট্যান্ডার্ড।
- একে দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোন সিস্টেম হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
- মোবাইল নেটওয়ার্ক অপারেটরদের মধ্যে রোমিং চুক্তি থাকার ফলে বিশ্বের যেকোনো স্থান থেকে যেকোনো ব্যক্তি জিএসএম-এর আওতায় থাকা অবস্থায় নিজের মোবাইল ফোনটি ব্যবহার করতে পারেন।

• GSM-এর বৈশিষ্ট্য:
- সেলুলার নেটওয়ার্ক বিধায় নির্দিষ্ট এলাকাতে মোবাইল ফোনগুলো জিএসএম এর সাথে সংযুক্ত হয়।
- সর্বোচ্চ দূরত্ব হলো ৩৫ কিলোমিটার।
- ব্যান্ডউইথকে টাইম স্লটে ভাগ করে।
- কলের খরচ বেশী।
- রোমিং সুবিধা পাওয়া যায়।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।