পরীক্ষা আর্কাইভ

GKPedia - বাংলাদেশ বিষয়াবলি

পরীক্ষাGKPedia - বাংলাদেশ বিষয়াবলিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়07 minutes
মোট প্রশ্ন১২
সিলেবাস
পরীক্ষা – ৭ বাংলাদেশের সরকার জাতীয় ও স্থানীয় পর্যায়ের প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনা কাঠামো, প্রশাসনিক পুনর্বিনাস ও সংস্কার এবং বাংলাদেশের জাতীয় বিষয়াবলি প্রাচীনকাল হতে সমসাময়িক কালের ইতিহাস - ১ [Live Class – 9 & 10]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

GKPedia - বাংলাদেশ বিষয়াবলি

GKPedia - বাংলাদেশ বিষয়াবলি · তারিখ অনির্ধারিত · ১২ প্রশ্ন

.
বঙ্গ ও গৌড় দুটি স্বাধীন রাষ্ট্রের উদ্ভব ঘটে কত শতকে?
  1. সপ্তম শতকে
  2. ষষ্ঠ শতকে
  3. দশম শতকে
  4. পঞ্চম শতকে
ব্যাখ্যা
ষষ্ঠ শতকে বঙ্গ ও গৌড় দুটি স্বাধীন রাষ্ট্রের উদ্ভব ঘটে। 

⇒ ৬ষ্ঠ শতাব্দীতে বিশাল গুপ্ত সাম্রাজ্যের পতন ঘটে।
⇒ সেই অস্থিতিশীল পরিবেশে বাংলাদেশে দুটো স্বাধীন রাষ্ট্রের উত্থান ঘটে। 
⇒ এর একটি হচ্ছে স্বাধীন ‘বঙ্গ রাষ্ট্র’, অপরটি ‘গৌড় রাজ্য।
⇒ গুপ্ত সাম্রাজ্যের দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে সমগ্র দক্ষিণ ও পূর্ব বঙ্গে একটি স্বাধীন রাজ্যের উত্থান ঘটে। বর্তমান পশ্চিমবঙ্গের কিছু অংশ পর্যন্ত এর বিস্তৃতি ছিল।
⇒ স্বাধীন বঙ্গ রাষ্ট্রের রাজারা তামার পাতে খোদাই করা রাজ নির্দেশ জারি করতেন। এগুলোকে তাম্রশাসন বলা হতো।
⇒ এ রকম ৭টি তাম্রশাসন পাওয়া গেছে। স্বাধীন বঙ্গরাজ্যে চন্দ্রগুপ্ত, ধর্মাদিত্য ও সমাচারদেব নামের তিনজন রাজার নাম জানা যায়।
⇒ তারা ৫২৫ থেকে ৬০০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত মোট ৭৫ বছর রাজত্ব করেন। সম্ভবত চন্দ্ৰগুপ্ত একাই ৩৩ বছর শাসন করেছেন বলে জানা যায়।
⇒ বঙ্গের রাজাগণ ‘মহাধিরাজ’ উপাধি ধারণ করতেন।
⇒ ৬ষ্ঠ শতাব্দীর শেষের দিকে দাক্ষিণাত্যের চাণক্য রাজ বংশের রাজা কীর্তি বর্মণ দ্বারা বাংলা আক্রান্ত হয়।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী।
.
কৌটিল্য কোন শাসকের মন্ত্রীসভার সদস্য ছিলেন?
  1. সম্রাট দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্ত
  2. সম্রাট বিন্দুসার
  3. সম্রাট অশোক
  4. সম্রাট চন্দ্রগুপ্ত
ব্যাখ্যা
চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য

- ভারতবর্ষের প্রথম সাম্রাজ্যের নাম মৌর্য সাম্রাজ্যে।
- মৌর্য সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা পুরুষ হচ্ছেন চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য। তাঁর রাজত্বকাল খ্রিস্টপূর্ব ৩২২-২৯৮ অব্দ পর্যন্ত।
- তাঁর সময় থেকেই সর্বভারতীয় চিন্তা-চেতনার প্রসার ঘটে, মৌর্য শাসন ব্যবস্থার সূচনা হয়, বৌদ্ধ ধর্মের প্রচার-প্রসার বাড়তে থাকে।
- তার রাজধানী ছিল পাটালিপুত্র।
- সম্রাট চন্দ্রগুপ্ত মৌর্যের প্রধানমন্ত্রী ছিল কৌটিল্য। 
- অর্থশাস্ত্র গ্রন্থের রচয়িতা হলেন প্রাচীন ভারতের শ্রেষ্ঠ দার্শনিক, অর্থনীতিবিদ ও সমরবিদ কৌটিল্য। এই বইয়ে রাজনীতি, অর্থনীতি, সমরনীতি, কৃষি, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক প্রভৃতি বিষয় সম্পর্কে বর্ণনা করা হয়েছে। 
- আলেকজান্ডারের সেনাপতি সেলুকাসকে পরাজিত করে উপমহাদেশ থেকে গ্রিকদের বিতাড়িত করেন।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
প্রাচীন জনপদ সমতটের প্রধান কেন্দ্র কোনটি ছিল?
  1. পুন্ড্রনগর
  2. ত্রিপুরা
  3. কর্ণসুবর্ণ
  4. বড় কামতা
ব্যাখ্যা
সমতটঃ

⇒ পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্ব বাংলার প্রাচীন জনপদের নাম সমতট।
⇒ প্রাচীন বঙ্গরাজ্যের দক্ষিণ-পূর্ব অংশের নতুন নামের আর একটি বিশাল রাজ্য। মধ্যবাংলার কিছু অংশ এর অন্তর্ভুক্ত ছিল। বর্তমান ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের কিছু অংশ, বাংলাদেশের বৃহত্তর কুমিল্লা অঞ্চল সমতট নামে পরিচিত ছিল।
ত্রিপুরাকে সমতটের প্রধান কেন্দ্র বলা হতো।
⇒ রাজ্য রাজভট্টের (৭ম শতকে) অন্যতম রাজধানী ছিল কর্মান্ত বা ত্রিপুরা (কুমিল্লা) জেলার ময়নামতির অদূরে বড় কামতা।
⇒ হিউয়েন সাঙ সপ্তম শতকে সমতটে এসেছিলেন।
⇒ হিউয়েন সাঙ বৌদ্ধ সংস্কৃতির বিদ্যমান অবস্থার যে বর্ণনা রেখে গেছেন তা থেকে বোঝা যায় যে, কুমিল্লার লালমাই অঞ্চলই সমতট।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
মন্ত্রণালয়ের নির্বাহী প্রধানের দায়িত্ব কে পালন করেন?
  1. সচিব
  2. মন্ত্রী
  3. উপ সচিব
  4. মহাপরিচালক
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় প্রশাসন এর দুইটি প্রধান শাখা হচ্ছে সচিবালয় এবং মন্ত্রণালয়।

সচিবালয়ঃ 
⇒ সকল মন্ত্রণালয়ের কেন্দ্রীয় অফিসকে বলা হয় সচিবালয়। 
⇒ সচিবালয়ের অধীনস্ত মন্ত্রণালয় সমন্বয়ের জন্য পৃথক যে Unit আছে তাকে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ বলা হয় এবং এর প্রধান মন্ত্রিপরিষদ সচিব। 
⇒ রাষ্ট্রপতি সচিবালয়, কর্মকমিশন সচিবালয়, নির্বাচন কমিশন সচিবালয়, জাতীয় সংসদ সচিবালয়, বাংলাদেশ সচিবালয়।

মন্ত্রণালয়ঃ 
⇒ সচিবালয়ের অধীন একটি প্রশাসনিক ইউনিট হলো মন্ত্রণালয়।
যার নির্বাহী প্রধান হলেন মন্ত্রী এবং প্রশাসনিক প্রধান সচিব। 
⇒ মন্ত্রীপরিষদের প্রধান হলেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি সরকারের প্রধান। 
⇒ মন্ত্রীপরিষদ তাদের কাজকর্মের জন্য জাতীয় সংসদের নিকট দায়ী থাকেন।

তথ্যসূত্র- উচ্চ মাধ্যমিক পৌরনীতি ও সুশাসন , প্রফেসর মোজাম্মেল হক।
.
বাংলাদেশের সুপ্রীম কোর্টের আপিল বিভাগে নিয়োগপ্রাপ্ত নারী বিচারপতি হলেন -
  1. নাজমুন আরা সুলতানা
  2. জিনাত আরা
  3. কৃষ্ণা দেবনাথ
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের সুপ্রীম কোর্টে আপিল বিভাগে নারী বিচারপতি হয়েছেন এখন পর্যন্ত ৩ জন। উনারা হলেন:
- নাজমুন আরা সুলতানা,
- জিনাত আরা ও
- কৃষ্ণা দেবনাথ।

বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের আপিল বিভাগের প্রথম নারী বিচারপতি নাজমুন আরা সুলতানা।
• বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের আপিল বিভাগের প্রথম হিন্দু নারী বিচারপতি কৃষ্ণা দেবনাথ।

উৎস: সুপ্রিম কোর্ট ওয়েবসাইট।
.
হাইকোর্টের বেঞ্চ গঠন করেন কে?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. প্রধান বিচারপতি
  3. সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিল
  4. অ্যাটর্নি জেনারেল
ব্যাখ্যা
বিচার বিভাগ:

⇒ বাংলাদেশের নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগ স্বাধীন হয়: ১ নভেম্বর ২০০৭ সালে।
⇒ ২০০০ সালের ২৮ মে মাসে উচ্চ আদালতে প্রথমবারের মতো নিয়োগ পান নারী বিচারপতি নাজমুন আরা সুলতানা।
⇒ হাইকোর্টের বেঞ্চ গঠন করেন প্রধান বিচারপতি।
⇒ প্রধান বিচারপতি নিয়োগ দিয়ে থাকেন রাষ্ট্রপতি।
⇒ বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতির বয়সসীমা দায়িত্ব গ্রহণের তারিখ হতে পরবর্তী ৫ বছর।
⇒ সংবিধানের প্রণয়নকালে বিচারপতিদের চাকরির বয়সসীমা ছিল ৬২ বছর।
⇒ দেশে সাইবার ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয় ২৮ জানুয়ারি ২০১৩ সালে।
⇒ বাংলাদেশের প্রথম প্রধান বিচারপতি ছিলেন বিচারপতি আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েম।

উৎস: সুপ্রিমকোর্ট ওয়েবসাইট।
.
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এর পূর্বনাম কী ছিল?
  1. সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়
  2. পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়
  3. সংস্থাপন মন্ত্রণালয়
  4. উপরের কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়:

⇒ জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের একটি মন্ত্রণালয়।
সংস্থাপন মন্ত্রণালয় হলো 'জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়' এর পূর্ব নাম।
⇒ ১৯৮২ সালে Martial Law Committee on Reorganizational Set-up সকল সরকারি মন্ত্রণালয়, বিভাগ, দপ্তর/পরিদপ্তরসহ সকল স্বায়ত্তশাসিত সংস্থার পুনর্গঠনের উদ্যোগ গ্রহণ করে।
⇒ সময়ের আবর্তনে কার্যসম্পৃক্ত নামকরণের চাহিদা অনুভূত হওয়ায় ২৮/০৪/১১ সালে তারিখে সংস্থাপন মন্ত্রণালয়ের নাম পরিবর্তন করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় (Ministry of Public Administration) করা হয়।

সাংগঠনিক কাঠামো:
- এ মন্ত্রণালয়ে ৯টি অনুবিভাগ, ২৬টি অধিশাখা ও ৭৩টি শাখা/ইউনিট/কোষ রয়েছে।
- তাছাড়া বাংলাদেশ সচিবালয় কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগার এবং লোক-প্রশাসন কম্পিউটার কেন্দ্র এ মন্ত্রণালয়ের অধীন।

উৎস: জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
.
'তাম্রশাসন' বলতে কী বোঝায়?
  1. তামার যুগের শাসন
  2. তামার পাতে খোদাই করা আদেশ
  3. তামার যুগের আইন-কানুন
  4. কালো আইন
ব্যাখ্যা
⇒ ষষ্ঠ শতকে বঙ্গ ও গৌড় দুটি স্বাধীন রাষ্ট্রের উদ্ভব ঘটে। 
স্বাধীন বঙ্গ রাষ্ট্রের রাজারা তামার পাতে খোদাই করা রাজ নির্দেশ জারি করতেন। এগুলোকে তাম্রশাসন বলা হতো।
⇒ এ রকম ৭টি তাম্রশাসন পাওয়া গেছে। স্বাধীন বঙ্গরাজ্যে চন্দ্রগুপ্ত, ধর্মাদিত্য ও সমাচারদেব নামের তিনজন রাজার নাম জানা যায়।
⇒ তারা ৫২৫ থেকে ৬০০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত মোট ৭৫ বছর রাজত্ব করেন। সম্ভবত চন্দ্ৰগুপ্ত একাই ৩৩ বছর শাসন করেছেন বলে জানা যায়।
⇒ বঙ্গের রাজাগণ ‘মহাধিরাজ’ উপাধি ধারণ করতেন।
⇒ ৬ষ্ঠ শতাব্দীর শেষের দিকে দাক্ষিণাত্যের চাণক্য রাজ বংশের রাজা কীর্তি বর্মণ দ্বারা বাংলা আক্রান্ত হয়।

উৎস - একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির ইতিহাস বোর্ড বই, উম্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
অধিদপ্তরের প্রধানকে কী বলা হয়?
  1. সচিব
  2. পরিচালক
  3. মহাপরিচালক
  4. যুগ্ম সচিব
ব্যাখ্যা
অধিদপ্তর

⇒ সাধারণত মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ এক বা একাধিক দপ্তরকে অধিদপ্তর বলে, যার প্রধান হলেন মহাপরিচালক।
⇒ যিনি অতিরিক্ত সচিবের মর্যাদাসম্পন্ন।
⇒ অন্যদিকে অধিদপ্তরের অধীনস্ত এক বা একাধিক দপ্তরকে পরিদপ্তর বলে, যার প্রধান হলেন পরিচালক।
⇒ যিনি একজন যুগ্ম সচিব বা উপসচিবের মর্যাদাসম্পন্ন।

সূত্র : পৌরনীতি ও নাগরিকতা : নবম-দশম শ্ৰেণী।
১০.
কোনটি শহরভিত্তিক স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা?
  1. পৌরসভা
  2. সিটি কর্পোরেশন
  3. উপজেলা পরিষদ
  4. ক ও খ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা:

- বর্তমান বাংলাদেশে শহুরে ও গ্রামীণ দুই ধরনের স্থানীয় সরকার কার্যকর রয়েছে।
- বাংলাদেশে শহরের জন্য দুই স্তর বিশিষ্ট ও
- গ্রামের জন্য তিন স্তর বিশিষ্ট স্থানীয় সরকার কাঠামো রয়েছে।

⇨ শহর অঞ্চলের স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা-
- পৌরসভা এবং
- সিটি কর্পোরেশন।

⇨ গ্রাম অঞ্চলের স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা -
- ইউনিয়ন পরিষদ,
- উপজেলা পরিষদ এবং
- জেলা পরিষদ।

⇨ এছাড়া পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনে ৩টি জেলা নিয়ে আঞ্চলিক স্থানীয় প্রশাসন রয়েছে। পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা। 
পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক আঞ্চলিক পরিষদ-
১. বান্দরবান পাহাড়ী জেলা পরিষদ,
২. রাঙ্গামাটি পাহাড়ী জেলা পরিষদ,
৩. খাগড়াছড়ি পাহাড়ী জেলা পরিষদ।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও নাগরিকতা, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১.
বাংলাদেশের কোন স্থানকে সার্কের সাংস্কৃতিক রাজধানী হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়?
  1. ময়নামতি
  2. সোনারগাঁও
  3. মহাস্থানগড়
  4. পাহাড়পুর
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের প্রাচীন জনপদ বগুড়ার মহাস্থানগড়কে ২০১৬ সালে সার্কের সাংস্কৃতিক রাজধানী হিসেবে চূড়ান্ত স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
⇒ ২০১৭ সালের ২১ জানুয়ারি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।
⇒ মহাস্থানগড় বাংলাদেশের একটি অন্যতম প্রাচীন পুরাকীর্তি।
⇒ প্রাচীন পুণ্ড্রবর্ধন রাজ্যের রাজধানী মহাস্থানগড়ের নাম ছিল পুণ্ড্রনগর। এখানে মৌর্য, গুপ্ত, পাল, সেন সাম্রাজ্যের প্রচুর নিদর্শন পাওয়া গিয়েছে।
⇒ বগুড়া শহর থেকে প্রায় ১৩ কিলোমিটার উত্তরে করতোয়া নদীর পশ্চিম তীরে মহাস্থান গড় সুমহান ঐতিহ্যের সাক্ষী হয়ে আজও দাঁড়িয়ে আছে।
⇒ ২০১৫ সাল থেকে সার্ক কালচারাল সেন্টার সার্কভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে কোনো একটি প্রাচীন ঐতিহ্যবাহী অঞ্চলকে সার্কের রাজধানী হিসেবে ঘোষণা করে আসছে।
⇒ সার্কভুক্ত দেশগুলোর ইংরেজি নামের আদ্যক্ষরের ভিত্তিতে দেশগুলোর স্থান বেছে নেওয়া হয়।
⇒ এ জন্য আফগানিস্তানের বামিয়ানকে ২০১৫ সালে সার্কের সাংস্কৃতিক রাজধানী হিসেবে ঘোষণা দেওয়া হয়।

উৎস: দৈনিক প্রথম আলো রিপোর্ট।
১২.
কত বছর বাংলায় 'মাৎস্যন্যায়' অবস্থা বিরাজমান ছিল?
  1. প্রায় ৩০০ বছর
  2. প্রায় ২০০ বছর
  3. প্রায় ১০০ বছর
  4. প্রায় ২৫০ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ ৬৩৭ খ্রিস্টাব্দে বাংলার প্রথম স্বাধীন নৃপতি শশাঙ্কের মৃত্যুর পর যোগ্য শাসকের অভাবে বাংলায় অরাজকতা দেখা দেয়। সর্বত্র অনিয়ম, বিশৃঙ্খলা, লুটতরাজ প্রভৃতিতে ছেয়ে যায়। ঐতিহাসিকরা এ অবস্থাকে 'মাৎস্যন্যায়' হিসেবে অভিহিত করেন।
⇒ পুকুরে যেমন বড় মাছ ছোট মাছকে খেয়ে ফেলে, এ সময়ে বাংলার অবস্থাও তেমনটিই ছিলো। যার কারণে এ সময়কে মাৎস্যন্যায় বলা হয়।
⇒ ৭ম শতকের মাঝামাঝি থেকে ৮ম শতকের মাঝামাঝি পর্যন্ত প্রায় ১০০ বছর এ অবস্থা বিরাজমান ছিলো।
⇒ ৭৫০ সালে গোপাল কর্তৃক পাল শাসনের সূত্রপাতের মাধ্যমে মাৎস্যন্যায় অবস্থার অবসান হয়।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী।