পরীক্ষা আর্কাইভ

ব্যাংক নিয়োগ প্রস্তুতি ⎯ লং কোর্স

পরীক্ষাব্যাংক নিয়োগ প্রস্তুতি ⎯ লং কোর্সতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়13 minutes
মোট প্রশ্ন
সিলেবাস
[বাংলাদেশ ব্যাংক সহকারী পরিচালক নিয়োগ প্রস্তুতি - ২০২৩] বিষয়: বাংলা টপিক: বাংলা সাহিত্য সম্পূর্ণ (গুরুত্বপূর্ণ সাহিত্যিক ও তাদের সাহিত্যকর্ম)। বাগ্‌ধারা ও প্রবাদ-প্রবচন, প্রতিশব্দ, বিপরীতার্থক শব্দ, শব্দার্থ, শব্দজোড় ইত্যাদি।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ব্যাংক নিয়োগ প্রস্তুতি ⎯ লং কোর্স

ব্যাংক নিয়োগ প্রস্তুতি ⎯ লং কোর্স · তারিখ অনির্ধারিত · প্রশ্ন

.
'ঢেউ' এর সমার্থক শব্দ-
  1. ক) ঝটিকা
  2. খ) পারাবার
  3. গ) গর্জন
  4. ঘ) মহোর্মি
ব্যাখ্যা
• ‘ঢেউ’ এর সমর্থক শব্দ: তরঙ্গ, কল্লোল, ঊর্মি, হিল্লোল, লহরী, বীচি, জোয়ার, মহাতরঙ্গ, মহোর্মি, বীচিমালা, লহর, তরঙ্গহিল্লোল, দোলা, তরঙ্গভঙ্গ, ঊর্মিলহরী, তরঙ্গমালা, তরঙ্গলহরী ইত্যাদি। 

তাছাড়া, 
- 'পারাবার' হচ্ছে 'সমুদ্র' শব্দের সমার্থক। 
- 'গর্জন' হচ্ছে 'ঝংকার' শব্দের সমার্থক শব্দ। 
- 'ঝটিকা' হচ্ছে ঝড় শব্দের সমার্থক শব্দ। 

উৎস: প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ড. হায়াৎ মামুদ।
.
রবীন্দ্রনাথ যৌতুক প্রথার বিরুদ্ধে নারী-পুরুষের সম্মিলিত প্রতিরোধের কথকতা শুনিয়েছেন কোন গল্পে-
  1. ক) ক্ষুধিত পাষাণ
  2. খ) শেষকথা
  3. গ) অপরিচিতা
  4. ঘ) পোস্টমাস্টার
ব্যাখ্যা
⇒ “অপরিচিতা” ছোটগল্প:
“অপরিচিতা” গল্পে অপরিচিতা বিশেষণের আড়ালে যে বলিষ্ঠ ব্যক্তিত্বের অধিকারী নারীর কাহিনি বর্ণিত হয়েছে, তার নাম কল্যাণী। অমানবিক যৌতুক প্রথার নির্মম বলি হয়েছে এমন নারীদের গল্প ইতঃপূর্বে রচনা করেছিলেন রবীন্দ্রনাথ।কিন্তু এই গল্পেই প্রথম যৌতুক প্রথার বিরুদ্ধে নারী-পুরুষের সম্মিলিত প্রতিরোধের কথকতা শোনালেন তিনি।

এ গল্পে পিতা শম্ভুনাথ সেন এবং কন্যা কল্যাণীর স্বতন্ত্রবীক্ষা ও আচরণে সমাজে গেড়ে-বসা ঘৃণ্য যৌতুকপ্রথা প্রতিরোধের সম্মুখীন হয়েছে। পিতার বলিষ্ঠ প্রতিরোধ এবং কন্যা কল্যাণীর দেশচেতনায় ঋদ্ধ ব্যক্তিত্বের জাগরণ ও তার অভিব্যক্তিতে গল্পটি সার্থক।“অপরিচিতা” উত্তম পুরুষের জবানিতে লেখা গল্প। গল্পের কথক অনুপম বিশ শতকের দ্বিতীয় দশকের যুদ্ধসংলগ্ন সময়ের সেই বাঙালি যুবক, যে বিশ্ববিদ্যালয়ের উচ্চতর উপাধি অর্জন করেও ব্যক্তিত্বরহিত, পরিবারতন্ত্রের কাছে অসহায় পুতুলমাত্র। তারই বিয়ে উপলক্ষ্যে যৌতুক নিয়ে নারীর চরম অবমাননাকালে শম্ভুনাথ সেনের কন্যা-সম্প্রদানে অসম্মতি গল্পটির শীর্ষ মুহূর্ত।

• রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত অতিপ্রাকৃতিক গল্প:
- ক্ষুধিত পাষাণ,
- নিশীতে,
- মণিহার,
- কঙ্কাল।

• রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত আধুনিক মনস্তত্ব নিয়ে ছোটগল্প: 
- রবিবার,
- শেষকথা,
- ল্যাবরেটরি।

• রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত সমাজসমস্যামূলক ছোটগল্প: 
- দেনাপাওনা,
- রামকানাইয়ের নির্বুদ্ধিতা,
- যজ্ঞেশ্বরের যজ্ঞ,
- অনধিকার প্রবেশ।

উৎস: সাহিত্যপাঠ, একাদশ-দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি ও বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর; বাংলাপিডিয়া।
.
‘শামা’ শব্দের অর্থ কোনটি?
  1. ক) গাঢ়নীলবর্ণ
  2. খ) রূপবতী যুবতী
  3. গ) কৃষ্ণবর্ণ
  4. ঘ) প্রদীপ
ব্যাখ্যা
বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,
• শামা
- ফারসি শব্দ।
অর্থ: প্রদীপ।

অন্যদিকে,
• শ্যাম (সংস্কৃত শব্দ)
অর্থ: কৃষ্ণবর্ণ, গাঢ়নীলবর্ণ, সবুজবর্ণ, ফরসা নয় এমন।

• শ্যামা (সংস্কৃত শব্দ)
অর্থ: রূপবতী যুবতী, শ্যামাপাখি, দেবী কলিকা, যমুনা নদী, প্রিয়ঙ্গুলথা, শ্যামালথা ইত্যাদি।
.
সঠিক সমার্থক শব্দজোড় কোনটি?
  1. ক) মূঢ়, মূর্ছিত
  2. খ) কিয়ৎ, অবহুল
  3. গ) শুচি, বাহ
  4. ঘ) অলয়, অবয়ব
ব্যাখ্যা
সঠিক সমার্থক শব্দজোড় হচ্ছে :
“অল্প”  এর সমর্থক শব্দ - নগণ্য, কম, সামান্য, কিয়ৎ, একটু, অনধিক, অবহুল

অন্যান্য শব্দের সমার্থক হচ্ছে:
• “আগুন” এর সমর্থক শব্দ :  শিখিন, শুচি, অনল, বহ্নি, সর্বভুক, পাবক, হুতাশন, জ্বলন, শিখাবৎ, বায়ুসখ, হুতভুক, অনিলসখ।
• “অশ্ব” এর সমর্থক শব্দ: বাহ, ঘোড়া, ঘোটক, বাজী, তুরঙ্গম, তুরগ, বাহনশ্রেষ্ঠ, হ্রেষী, বামী
• “অজ্ঞ” এর সমর্থক শব্দ: মূঢ়, মুর্খ, নির্বোধ, অশিক্ষিত, জ্ঞানহীন, বেকুব, নিরক্ষর, অবিদ্বান, অপ্রজ্ঞা।
• ‘‘অচেতন” এর সমর্থক শব্দ: মূর্ছিত, আচ্ছন্ন, অসাড়, চেতনাশূন্য, সংজ্ঞাহীন, হেহুঁশ।
• “অক্ষয়” এর সমর্থক শব্দ: চিরন্তন, অলয়, অনশ্বর, ক্ষয়হীন, অমর, চিরায়ু, স্থায়ী, নাশহীন, অব্যয়।
• “অঙ্গ” এর সমর্থক শব্দ: বপু, দেহ, শরীর, অবয়ব, তনু, গতর, কাঠামো।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
.
‘চন্দ্র’ এর সঠিক সমার্থক শব্দ-
  1. ক) শশধর
  2. খ) মহীরুহ
  3. গ) শৃঙ্গধর
  4. ঘ) মহীধর
ব্যাখ্যা
• চন্দ্র এর অন্য সমর্থক শব্দগুলো হলো: চাঁদ, সুধাংশু, সুধাকর, শশাঙ্ক, শশধর, শশী, হিমাংশু, সুধানিধি, মৃগাঙ্ক, নিশাকর, হিমকর ইত্যাদি।

অন্যান্য শব্দের সমার্থক হচ্ছে:  
'পর্বত' শব্দের সমার্থক শব্দ = মহীধর, পাহাড়, গিরি, অচল, শৈল, ভূধর, অদ্রি, শিখরী, শৃঙ্গী, শৃঙ্গধর, মহীধ্র, ভূভৃৎ, নগ।
'বৃক্ষ' শব্দের সমার্থক শব্দ = গাছ, পাদপ, তরু, বিটপী, দ্রুম, মহীরুহ, শাখী।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
.
'অবরোধবাসিনী' পর্দাপ্রথা নির্ভর হাস্যরসাত্মক গ্রন্থের রচয়িতা-
  1. ক) শামসুন্নাহার মাহমুদ
  2. খ) বেগম রোকেয়া
  3. গ) সুফিয়া কামাল
  4. ঘ) নীলিমা ইব্রাহিম
ব্যাখ্যা
'অবরোধবাসিনী':
বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন রচিত একটি নকশাধর্মী গ্রন্থ 'অবরোধবাসিনী'। এতে মোট ৪৭টি ঘটনাকে অনুগল্প আকারে লেখা আছে। এর মাধ্যমে বেগম রোকেয়া গল্প আকারে পর্দা প্রথার ফলে নারীদের অবস্থা সবার কাছে উপস্থাপন করেছেন। ঘটনাগুলো সব বাস্তব জীবন থেকে নেওয়া।

• বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন:  
- বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন একজন খ্যাতিমান বাঙালি সাহিত্যিক, সমাজ সংস্কারক এবং নারী জাগরণ ও নারীর অধিকার আন্দোলনের অন্যতম পথিকৃৎ। তাঁকে মুসলিম নারী জাগরণের অগ্রদূত হিসেবে গণ্য করা হয়।
- রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন ৯ই ডিসেম্বর ১৮৮০ সালে রংপুর জেলায় পায়রাবন্দ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- স্বামীর প্রেরণায় তিনি সাহিত্যচর্চা শুরু করেন। সমকালীন মুসলমান সমাজে প্রচলিত কুসংস্কারের বিরুদ্ধে তিনি লেখনী ধারণ করেন।
- সাখাওয়াত মেমোরিয়াল গার্লস স্কুল ও আনজুমান -ই- খাওয়াতীন -ই- ইসলাম প্রতিষ্ঠা করে তিনি মুসলমান নারীদের শিক্ষা ও সংস্কৃতির পথে অগ্রসর হতে সাহায্য করেন।

তাঁর উলে­খযোগ্য রচনার মধ্যে রয়েছে:
- মতিচূর (প্রবন্ধ, ২ খন্ড: ১ম খন্ড ১৯০৪, ২য় খন্ড ১৯২২),
- Sultana’s Dream (নকশাধর্মী রচনা, ১৯০৮),
- পদ্মরাগ (উপন্যাস, ১৯২৪),
- অবরোধবাসিনী (নকশাধর্মী গদ্যগ্রন্থ, ১৯৩১) প্রভৃতি। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।

বিশেষ দ্রষ্টব্য:
- বেগম রোকেয়াকে মুসলিম নারী জাগরণের অগ্রদূত বলা হয়৷
- আর নারী জাগরণের কবি হচ্ছেন - শামসুন্নাহার মাহমুদ।
.
‘ইরা’ শব্দের অর্থ কোনটি?
  1. ক) হাতি
  2. খ) জল
  3. গ) সখা
  4. ঘ) ইচ্ছা
ব্যাখ্যা
বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,
• ইরা (সংস্কৃত শব্দ)
- প্রকৃতি-প্রত্যয় = [√ই+র+আ (টাপ্)]
অর্থ: পৃথিবী, বাণী, জল, পানি, অন্ন. সুরা।
.
‘খুদা’ শব্দের অর্থ-
  1. ক) ক্ষুদ্র
  2. খ) ক্ষুধা
  3. গ) লালসা
  4. ঘ) খনন করা
ব্যাখ্যা
বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,
• ‘খুদা’ সংস্কৃত শব্দ ক্ষোদন থেকে উৎপত্তি।
অর্থ: খনন করা, উৎকীর্ণ করা, খোদিত করা, খোদিত।

অন্যদিকে,
• ‘খিদে’ সংস্কৃত শব্দ ক্ষুধা থেকে উৎপত্তি।
অর্থ: আহার করার ইচ্ছা, ক্ষুধা, ভোজনস্পৃহা, লালসা।