পরীক্ষা আর্কাইভ

ব্যাংক নিয়োগ বিষয়ভিত্তিক প্রস্তুতি

পরীক্ষাব্যাংক নিয়োগ বিষয়ভিত্তিক প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়20 minutes
মোট প্রশ্ন৪৬
সিলেবাস
Exam - 18 Subject: General Knowledge (Bangladesh Affairs) Topic: (Full Syllabus)
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ব্যাংক নিয়োগ বিষয়ভিত্তিক প্রস্তুতি

ব্যাংক নিয়োগ বিষয়ভিত্তিক প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ৪৬ প্রশ্ন

.
The country's only agricultural Export Processing Zone (EPZ) is located in -
  1. Pabna
  2. Nilphamari
  3. Kurigram
  4. Chittagong
ব্যাখ্যা

উত্তরা ইপিজেড:
- উত্তরা ইপিজেড দেশের একমাত্র কৃষিভিত্তিক ইপিজেড।

উল্লেখ্য,
- এটি নীলফামারী জেলার সদর উপজেলার সংগলশী ইউনিয়নে অবস্থিত। 
- প্রতিষ্ঠিত হয়: জুলাই, ১৯৯৯। 
- উদ্বোধন হয়: জুলাই, ২০০১।
- মোট আয়তন ২১৩.৬৬ একর।

উৎস: Bepza ওয়েবসাইট।

.
Which ethnic group in Bangladesh celebrates 'Sohrai'?
  1. Santal
  2. Garo
  3. Chakma
  4. Marma
ব্যাখ্যা

সাঁওতাল:
- সাঁওতাল বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী।
- তাদের বাসস্থান মূলত রাজশাহী, দিনাজপুর, রংপুর ও বগুড়া জেলায়।
- সাঁওতালরা অস্ট্রিক ভাষাভাষী আদি-অস্ট্রেলীয় (প্রোটো-অস্ট্রালয়েড) জনগোষ্ঠীর বংশধর। সাঁওতালি ভাষা অস্ট্রিক ভাষার পরিবারভুক্ত। সাঁওতালদের নিজস্ব ভাষা আছে কিন্তু লেখ্য বর্ণমালা নেই।
- তাদের বছর শুরু হয় ফাল্গুন মাসে। 
- সাঁওতালদের প্রধান উৎসব সোহরাই। সোহরাই উৎসব সাঁওতালদের একপ্রকার জাতীয় উৎসব যা পৌষ সংক্রান্তির দিন অত্যন্ত জাঁকজমকের সঙ্গে উদ্যাপিত হয়।
- সাওতালদের সমাজ হলো পিতৃতান্ত্রিক।
- সাঁওতালদের প্রধান উপাস্য সূর্য।
- সাঁওতাল সমাজ প্রধানত কৃষিনির্ভর। সাঁওতালদের মধ্যে এখনও ১২টি গোত্রবিভাগ রয়েছে।  সাঁওতাল গ্রামগুলো দিশাম নামে পরিচিত।

⇒ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যে:
- সাঁওতাল সম্প্রদায়ের মাঝে প্রচলিত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের মাঝে অন্যতম হলো ঝুমুর গান ও নাচ।
- সাধারণত বিয়ের উৎসব ও করম উসবে সাঁওতালরা ঝুমুর গান ও নাচ পরিবেশন করে থাকে।
- এছাড়া মুন্ডা, ওঁরাও এবং বর্তমানে বাঙালি হিন্দু-মুসলমানদের মাঝেও এই গান ও নাচ জনপ্রিয়।
- ঝুমুর নাচ রংপুর এবং রাজশাহী অঞ্চলের বিখ্যাত নাচ।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, অষ্টম শ্রেণি।

.
In which year did Bangladesh Television (BTV) officially begin its journey?
  1. in 1962
  2. in 1964
  3. in 1988
  4. in 1994
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ টেলিভিশন:
- বাংলাদেশ টেলিভিশন বাংলা ভাষায় বিশ্বের প্রথম টেলিভিশন।

⇒ ১৯৬৪ সালের ২৫শে ডিসেম্বর একটি পাইলট প্রকল্প হিসেবে এর যাত্রা শুরু হয়।
- ১৯৬৭ সালে তৎকালীন পাকিস্তান টেলিভিশন কর্পোরেশন ও ১৯৭২ সালে রাষ্ট্রপতির আদেশে (পি.ও নং-১১৫) বাংলাদেশ টেলিভিশন নামে রাষ্ট্রীয় টিভি চ্যানেলে পরিণত হয়।
- ১৯৭৫ সালের ৯ই ফেব্রুয়ারি বিটিভি স্থানান্তরিত হয় রামপুরার নিজস্ব টিভি ভবনে।
- ৬ই মার্চ ১৯৭৫ সাল হতে রামপুরা টিভি ভবনে নতুন আঙ্গিকে শুরু হয় বিটিভির সম্প্রচার কার্যক্রম।
- ১৯৮০ সালের ১ ডিসেম্বর তারিখে রামপুরা টিভি কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশে প্রথম রঙিন টেলিভিশন সম্প্রচার শুরু হয়।
- বিটিভি ওয়ার্ল্ডের সম্প্রচার শুরু হয় ১১ এপ্রিল ২০০৪ তারিখে।
- ২০১৩ সাল থেকে আইপিটিভি, মোবাইল টিভি ও ওয়েবটিভি এর মাধ্যমেও বিটিভির অনুষ্ঠানমালা দেশে ও বিদেশে দেখার সুযোগ পাচ্ছেন দর্শকরা।

⇒ ২০২৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর সংবাদভিত্তিক পূর্ণাঙ্গ টেলিভিশন চ্যানেল হিসেবে “বিটিভি নিউজ” নামে যাত্রা শুরু করে।

উৎস: i) বাংলাদেশ টেলিভিশন ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো।

.
Which is the second 'Ramsar site' in Bangladesh?
  1. Tanguar Haor
  2. Sundarbans
  3. Hakaluki Haor
  4. Chalan Beel
ব্যাখ্যা

রামসার কনভেনশন:
- রামসার কনভেনশন (Ramsar Convention) হলো বিশ্বব্যাপী জৈবপরিবেশ রক্ষার একটি সম্মিলিত প্রয়াস।
- ১৯৭১ খ্রিস্টাব্দে ইরানের রামসারে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশসমূহ 'কনভেনশন অন ওয়েটল্যান্ডস' নামক একটি আন্তর্জাতিক চুক্তিতে স্বাক্ষর করে।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ ১৯৯২ সালের ২১ সেপ্টেম্বর রামসার সনদ কার্যকর করে।
- বাংলাদেশের ২টি স্থান রামসার সাইট (Ramsar sites) হিসেবে অন্তর্ভুক্ত। রামসার সাইট ২টি হলো: সুন্দরবন, টাঙ্গুয়ার হাওর।
-  ২০০০ সালের ২৯ জানুয়ারি এই হাওরকে বাংলাদেশের দ্বিতীয় ‘রামসার সাইট’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়।

⇒ টাঙ্গুয়ার হাওর:
- বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম মিঠা পানির জলাভূমি টাঙ্গুয়ার হাওর সিলেটের সুনামগঞ্জ জেলায় অবস্থিত।
- হাওরটি সুনামগঞ্জ শহর থেকে প্রায় ৪০ কিলোমিটার দূরে তাহিরপুর ও ধর্মপাশা উপজেলায়।
- প্রায় ১০০ বর্গকিলোমিটার এলাকাজুড়ে বিস্তৃত এই হাওরের স্থানীয় নাম বেশ মজার, ‘নয়কুড়ি কান্দার ছয়কুড়ি বিল’।

উৎস: Ramsar Convention ওয়েবসাইট।

.
Which is the the first privatized bank of our country? 
  1. Dutch Bangla Bank 
  2. Uttara Bank PLC
  3. AB Bank PLC
  4. City Bank
ব্যাখ্যা

উত্তরা ব্যাংক পিএলসি:
- উত্তরা ব্যাংক পিএলসি বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ বেসরকারি ব্যাংক।
- এটি বাংলাদেশের প্রথম বেসরকারিকৃত (privatized) বাণিজ্যিক ব্যাংক।
- বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পরে ব্যাংকটি প্রথম বেসরকারিকরণ করা হয়েছিল।
- ১৯৮৩ সালের ৩০ জুন ব্যাংকটি বেসরকারিকৃত করা হয়।

উল্লেখ্য,
- ১৯৬৫ সালের ২৮ জানুয়ারি বিখ্যাত বাঙালি ব্যবসায়ীর উদ্যোগে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের সুবিধাবঞ্চিত মানুষের সুবিধার্থে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল এবং "ইস্টার্ন ব্যাংকিং কর্পোরেশন" নামে চারটি শাখা নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে ব্যাংকিং কার্যক্রম শুরু করে।
- ১৯৭১ সালে অসহযোগ আন্দোলনের সময় এই ব্যাংকটি পূর্ব বাংলার কোষাগারের দায়িত্ব পালন করে।
- স্বাধীনতার পর ইস্টার্ন ব্যাংকিং কর্পোরেশনকে জাতীয়করণ করা হয় এবং "উত্তরা ব্যাংক" নামকরণ করা হয় এবং ২৬ মার্চ ১৯৭২ থেকে ব্যাংকিং কার্যক্রম পুনরায় শুরু করে। 
- ১৯৮৩ সালের জুনে বেসরকারিকরণের পর এটি "উত্তরা ব্যাংক লিমিটেড" নাম ধারণ করে।
- ৩ জুলাই, ২০২৩ থেকে এটি "উত্তরা ব্যাংক লিমিটেড" এর পরিবর্তে "উত্তরা ব্যাংক পিএলসি" নামে তার নতুন যাত্রা শুরু করে। 
- বর্তমানে ব্যাংকটির ২৪৯টি শাখা এবং ৪৭টি উপশাখা রয়েছে।
- চেয়ারম্যান: জনাব আজহারুল ইসলাম।

অন্যদিকে,
- বাংলাদেশের প্রথম বেসরকারি ব্যাংক (private bank) এবি ব্যাংক পিএলসি। 

উৎস: UTTARA BANK PLC ওয়েবসাইট।

.
The Constituent Assembly of Pakistan recognized Bengali as a state language -
  1. in 1953
  2. in 1954
  3. in 1956
  4. in 1958
ব্যাখ্যা

বাংলাকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষার সাংবিধানিক স্বীকৃতি:
- ভাষা আন্দোলনের সময় পাকিস্তানে বাংলা ভাষায় কথা বলত—৫৬ % মানুষ।
- ১৯৪৭ সালের ১ অক্টোবর প্রথম রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয়। প্রথম রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়ক ছিলেন নূরুল হক ভূঁইয়া।
- ১৯৫২ সালে ভাষা আন্দোলনের সময় পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন খাজা নাজিমউদ্দিন।
- ভাষা আন্দোলনের সময় পূর্ব বাংলার প্রাদেশিক গভর্নর — ফিরোজ খান নূন।
- পাকিস্তান গণপরিষদে সর্বপ্রথম বাংলা ভাষার দাবি উত্থাপন করেন—ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত; ২৩ ফেব্রুয়ারি ১৯৪৮।
- ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে মানুষ ১৪৪ ধারা অমান্য করে রাস্তায় নামলে শহীদ হন সালাম, রফিক, সফিক, বরকত, জব্বার প্রমুখ জাতির সূর্যসন্তান। সেদিন থেকেই বাংলাকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা করার প্রক্রিয়াটি শুরু হয়ে গিয়েছিল।
- ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি ছিল — বৃহস্পতিবার; ৮ ফাল্গুন, ১৩৫৮।

⇒ বাংলা ভাষাকে পাকিস্তান গণপরিষদ রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেয় ৯ মে ১৯৫৪।
- বাংলা ভাষাকে পাকিস্তান জাতীয় পরিষদ সাংবিধানিকভাবে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেয় ১৯৫৬ সালে।
- বাংলা ভাষা প্রচলন আইন জারি হয় ১৯৮৭ সালে।
- ইউনেস্কো ২১ ফেব্রুয়ারিকে ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ ঘোষণা করে— ১৭ নভেম্বর ১৯৯৯।

উৎস: i) দৈনিক ইত্তেফাক। 
ii) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
Currently, which district in Bangladesh has the highest poverty rate? [Sep, 2025]
  1. Mymensingh
  2. Madaripur
  3. Jamalpur
  4. Jhenaidah
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের দারিদ্র্য ম্যাপ ২০২২:
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) সম্প্রতি জানুয়ারি, ২০২৫-এ 'বাংলাদেশের দারিদ্র্য ম্যাপ ২০২২' প্রকাশ করেছে।
- রিপোর্ট অনুযায়ী দেশে বর্তমানে দারিদ্র্যের হার ১৯.২ শতাংশ।
- শহরে দারিদ্র্যের হার ১৬.৫ শতাংশ এবং গ্রামে দারিদ্র্যের হার ২০.৩ শতাংশ।

⇒ দারিদ্র্যের হার সবচেয়ে বেশি বরিশাল বিভাগে ২৬.৬ শতাংশ এবং সবচেয়ে কম চট্টগ্রাম বিভাগে ১৫.২ শতাংশ।
- দেশের সবচেয়ে দরিদ্র জেলা মাদারীপুর এবং সবচেয়ে দরিদ্র উপজেলা মাদারীপুরের ডাসার। অন্যদিকে, দেশের সবচেয়ে ধনী থানা ঢাকার পল্টন; জেলা হিসেবে সবচেয়ে ধনী নোয়াখালী।

উল্লেখ্য,
- বিবিএস ১৯৭৩ সাল থেকে খানার আয় ও ব্যয় জরিপ থেকে দারিদ্র্য পরিমাপ করে আসছে। তারই ধারাবাহিকতায় ২০২২ সালে খানার আয় ও ব্যয় জরিপ ২০২২-এর ১৭তম রাউন্ড পরিচালিত হয়েছিল। যেখান থেকে জাতীয় ও বিভাগ পর্যায়ের তথ্য উপাত্ত উঠে এসেছে। মূলত খানার আয় ও ব্যয় জরিপ এবং জনশুমারি ও গৃহগণনার উপর ভিত্তি করে স্মল এরিয়া এস্টিমেশন পদ্ধতি ব্যবহার করে দেশের সকল জেলা ও উপজেলার দারিদ্র্য হার প্রাক্কলন করা হয় এবং প্রয়োজনীয় বিভিন্ন দারিদ্র্য মানচিত্র প্রণয়ণ করে থাকে, যেখানে দারিদ্র্য প্রবণ অঞ্চল ও অতি দারিদ্র্য প্রবণ অঞ্চলসমূহ মানচিত্রে উপস্থাপন করা হয়।
- ‘বাংলাদেশের দারিদ্র্য মানচিত্র ২০২২’ প্রণয়নে বিশ্ব ব্যাংক টেকনিক্যাল সহযোগিতা করেছে এবং বিশ্ব খাদ্য সংস্থা (ডব্লিউএফপি) আর্থিক সহযোগিতা করছে।

উৎস: i) বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।
ii) বণিক বার্তা।

.
Which article of the Constitution provides for amendment of the Constitution?
  1. 136
  2. 139
  3. 141
  4. 142
ব্যাখ্যা

সংবিধান সংশোধন:
- সময়ের চাহিদা ও প্রয়োজনে জনগণের কল্যাণার্থে সংবিধানের সংশোধন, পরিবর্তন, সংযোজন ও বিয়োজন করা হয়ে থাকে। 
- বাংলাদেশ সংবিধানের দশম ভাগে ১৪২ নং অনুচ্ছেদে এ সংক্রান্ত সুনির্দিষ্ট নিয়ম ও পদ্ধতির কথা উল্লেখ রয়েছে। 
- বাংলাদেশের সংবিধান এ পর্যন্ত ১৭ বার সংশোধিত হয়েছে। 

⇒ সংবিধানের ১৪২ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, সংবিধানের বিধান সংশোধনের ক্ষমতা -
- সংসদের আইন-দ্বারা এই সংবিধানের কোন বিধান সংযোজন, পরিবর্তন, প্রতিস্থাপন বা রহিতকরণের দ্বারা সংশোধিত হতে পারবে।
- সংসদের মোট সদস্য-সংখ্যার অন্যূন দুই-তৃতীয়াংশ ভোটে গৃহীত না হলে অনুরূপ কোন বিলে সম্মতিদানের জন্য তা রাষ্ট্রপতির নিকট উপস্থাপিত হবে না;
- উপরি-উক্ত উপায়ে কোন বিল গৃহীত হবার পর সম্মতির জন্য রাষ্ট্রপতির নিকট তা উপস্থাপিত হলে উপস্থাপনের সাত দিনের মধ্যে তিনি বিলটিতে সম্মতিদান করবেন, এবং তিনি তা করতে অসমর্থ হলে উক্ত মেয়াদের অবসানে তিনি বিলটিতে সম্মতিদান করেছেন বলে গণ্য ইবে।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

.
Which is the first Geographical Indication (GI) product of Bangladesh?
  1. Hilsha
  2. Jamdani Sari
  3. Moshlin
  4. Tangail Sari
ব্যাখ্যা

জিআই (GI):
- জিআই (GI) এর পূর্ণরুপ হলো (Geographical indication) ভৌগলিক নির্দেশক।
- জাতিসংঘের সংস্থা WIPO (World Intellectual Property Organization) হলো জিআই পণ্যের স্বীকৃতি দানকারী প্রতিষ্ঠান।
- ভৌগোলিক নির্দেশক (Geographical indication) হচ্ছে একটি প্রতীক বা চিহ্ন, যা পণ্য ও সেবার উৎস, গুণাগুণ ও সুনাম ধারণ এবং প্রচার করে।
- কোনো দেশের আবহাওয়া ও পরিবেশ যদি কোনো পণ্য উৎপাদনের ক্ষেত্রে বিশেষ কোনো গুরুত্ব রাখে, সেই দেশের সংস্কৃতির সঙ্গে যদি বিষয়টি সম্পর্কিত হয়, তাহলে সেটাকে সে দেশের ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।

⇒ দেশের প্রথম জিআই পণ্য হিসেবে নিবন্ধন পায় জামদানি।
- ২০১৬ সালে এটি জিআই পণ্যের স্বীকৃতি লাভ করে। 

উৎস: i) পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো।

১০.
Which is the first Bangladesh's full-length Three Dimensional (3D) movie?
  1. Girikanya
  2. Shamol Chaya
  3. Alatchakra 
  4. Takridi
ব্যাখ্যা

অলাতচক্র:
- দেশের প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য Three Dimensional (3D)/ থ্রিডি সিনেমা ‘অলাতচক্র’।
- প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক আহমদ ছফার উপন্যাস অবলম্বনে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিকায় সিনেমাটি নির্মিত হয়েছে।
- এটি পরিচালনা করেছেন হাবিবুর রহমান।

⇒ ‘অলাতচক্র’ ২০১৭-১৮ অর্থবছরে সরকারি অনুদানপ্রাপ্ত সিনেমা।
- মহান মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে নির্মিত এ ছবিতে তায়েবা চরিত্রে অভিনয় করেছেন জয়া আহসান ও দানিয়েল চরিত্রে আহমেদ রুবেল।

উৎস: i) The Daily Star Bangla.
ii) দৈনিক ইত্তেফাক।

১১.
When did Dr. Muhammad Yunus receive the President's Award?
  1. in 1978
  2. in 1987
  3. in 1992
  4. in 1999
ব্যাখ্যা

ড. মুহাম্মদ ইউনূস:
- বাংলাদেশের বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
- তিনি ১৯৭৮ সালে প্রেসিডেন্ট পদক লাভ করেন।

⇒ ড. মুহাম্মদ ইউনূস বাংলাদেশি নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ব্যাংকার ও অর্থনীতিবিদ। তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের একজন শিক্ষক ছিলেন।
- তিনি ক্ষুদ্রঋণ নামক অর্থনৈতিক ব্যবস্থার জনক হিসেবে সমাদৃত।
- তিনি গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা।
- তিনি এবং তার প্রতিষ্ঠিত গ্রামীণ ব্যাংক যৌথভাবে ২০০৬ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।
- এছাড়াও র‍্যামন ম্যাগসেসে এওয়ার্ড ও বিশ্ব খাদ্য পুরস্কারসহ আরও অনেক জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পুরস্কার লাভ করেছেন।

⇒ ড. মুহাম্মদ ইউনূস বিশ্বজুড়ে আলোচিত তার তিন শূন্য বা থ্রি জিরো তত্ত্বের জন্য।
- সেগুলো হচ্ছে দারিদ্র্য, বেকারত্ব ও কার্বন নিঃসরণ শূন্যে নামিয়ে আনা।
- তা অর্জনে প্রয়োজন তারুণ্য, প্রযুক্তি, সুশাসন ও সামাজিক ব্যবসা।

উল্লেখ্য,
- ড. মুহাম্মদ ইউনূস ১৯৮৭ সালে স্বাধীনতা পদক লাভ করেন।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) প্রথম আলো।

১২.
Which product has been declared as the 'product of the year-2025'?
  1. Jute
  2. Furniture
  3. Handicrafts
  4. ICT products
ব্যাখ্যা

২০২৫ সালের বর্ষপণ্য (Product of the year-2025):
- ২০২৫ সালের জন্য ফার্নিচার বা আসবাবপত্রকে বর্ষপণ্য ঘোষণা করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

উল্লেখ্য,
- দেশীয় পণ্যের প্রচার, প্রসার ও বিপণনের পাশাপাশি এসব পণ্যের ব্যাপারে আন্তর্জাতিক দৃষ্টি আকর্ষণ করতে ১৯৯৫ সাল থেকে ডিআইটিএফ আয়োজন করে আসছে বাংলাদেশ। 
- মেলার যৌথ আয়োজক বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি)।
- ১ জানুয়ারি, ২০২৫ নতুন বছরের প্রথম দিন পূর্বাচলের বাংলাদেশ-চায়না ফ্রেন্ডশিপ এক্সিবিশন সেন্টারে (বিসিএফসি) ২৯তম ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আসবাবপত্রকে ২০২৫ সালের বর্ষপণ্য ঘোষণা করেন তিনি।
- ভারত, নেপাল ছাড়াও যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্যসহ ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশগুলোতে বাংলাদেশের ফার্নিচার রফতানি হয়ে থাকে।
- পণ্যের পাশাপাশি সেবা খাতে বিনিয়োগ এবং রপ্তানি বৃদ্ধির লক্ষ্যে এগিয়ে আসার জন্য ব্যবসায়ীদের অনুরোধ জানান প্রধান উপদেষ্টা।

উৎস: প্রথম আলো।

১৩.
When did Bangladesh become a member of the World Olympic Association?
  1. 1976
  2. 1980
  3. 1982
  4. 1984
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ অলিম্পিক এসোসিয়েশন:
- বাংলাদেশ অলিম্পিক সংস্থা (Bangladesh Olympic Association - BOA) বাংলাদেশের জাতীয় অলিম্পিক কমিটি.
- এটি আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটির (IOC) স্বীকৃতিপ্রাপ্ত। 
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৭৬ সালে।
- বিশ্ব অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশানের সদস্যপদ লাভ করে: ১৯৮০ সালে।
- সদর দপ্তর: পুরানা পল্টন, ঢাকা। 
- বর্তমান সভাপতি: জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান।

উৎস: Bangladesh Olympic Association ওয়েবসাইট।

১৪.
Which of the following serves as a clearing house?
  1. Bangladesh Bank
  2. Rupali Bank
  3. Agrani Bank
  4. Janata Bank
ব্যাখ্যা

নিকাশ ঘর (clearing house):
- নিকাশ এমন একটি প্রক্রিয়া যাহার মাধ্যমে বিভিন্ন ব্যাংকের মধ্যে দেনা পাওনা অতি সহজেই নিষ্পত্তি করা যায়।
- এই প্রক্রিয়াটি সমাধা করার জন্য বিভিন্ন ব্যাংকের প্রতিনিধিগণ নির্দিষ্ট সময়ে একটি নির্দিষ্ট স্থানে সমবেত হয়ে নেতা ব্যাংকের তত্ত্বাবধানে একে অন্যের উপর আদিষ্ট চেক, ড্রাফট ইত্যাদি দলিলসমূহ বিনিময় করেন।
-  ব্যাংক ব্যবস্থার সূচনা হতেই বিভিন্ন ব্যাংকের মধ্যে সহজে দেনা পাওনা নিষ্পত্তির জন্য কোন প্রকার বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি চালু ছিল না।
- ১৯৩৫ সালে রিজার্ভ ব্যাংক অব ইন্ডিয়া প্রতিষ্ঠিত হবার পূর্ব পর্যন্ত পাক-বাংলা-ভারত-উপমহাদেশে ইম্পোরিয়াল ব্যাংক অব ইন্ডিয়ার তত্ত্বাবধানে বিকাশ কার্য পরিচালিত হত।
- নিকাশ ঘরে বিভিন্ন ব্যাংকের প্রতিনিধিগণ মিলিত হয় এবং সকলে সেখানে আসার সময় অন্য ব্যাংকের নামে কাটা চেকসমূহ সাথে করে নিয়ে আসে।
- নিকাশ-ঘরে একত্রিত হওয়ার পর তারা চেক বিনিময় করে।

⇒ ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর নিকাশ ব্যবস্থার দায়িত্ব 'বাংলাদেশ ব্যাংক' গ্রহণ করে।
- যেখানে বাংলাদেশ ব্যাংকের শাখা নেই সেখানে সোনালী ব্যাংক বাংলাদেশ ব্যাংকের হয়ে নিকাশ ঘরের দায়িত্ব পালন করে।
- বর্তমানে বাংলাদেশ ব্যাংক ১৬টি জেলা শহরে নিকাশ ঘর ব্যবস্থা পরিচালনা করছে।
- এর মধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংক সরাসরি ৪টি কেন্দ্র এবং সোনালী ব্যাংক ১২টি কেন্দ্র পরিচালনা করে।

উৎস: i) বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।
ii) ফিন্যান্স, ব্যাংকিং ও বিমা দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৫.
The first commercially viable oil reserves in Bangladesh were found in -
  1. Haripur
  2. Chhatak
  3. Kailashtila
  4. Titas
ব্যাখ্যা

হরিপুর খনিজ তৈল ক্ষেত্র: 
- বাংলাদেশের প্রথম খনিজ তেলক্ষেত্রটি হরিপুর তেলক্ষেত্র।
- এটি আবিষ্কৃত হয় ১৯৮৬ সালে সিলেটের হরিপুরে।
- ১৯৮৭ সালে তেলক্ষেত্রটি থেকে তেল উৎপাদন শুরু হয়।
- ১৯৯৪ সাল থেকে তেল উৎপাদনে স্থগিত হয়ে যায়। ১৯৮৭ থেকে ১৯৯৪ পর্যন্ত এই সাত বছরে তেলক্ষেত্রটি থেকে মোট প্রায় ৫ লাখ ব্যারেল তেল উৎপাদিত হয়।

⇒ হরিপুর গ্যাসক্ষেত্র:
- বাংলাদেশের প্রথম গ্যাসক্ষেত্র আবিস্কৃত হয়েছিলো সিলেটের হরিপুরে।
- ১৯৫৫ সালে সর্বপ্রথম এখানে গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয়।
- ১৯৫৭ সালে প্রথম গ্যাস উত্তোলন শুরু হয়।
- হরিপুর গ্যাসক্ষেত্রের ৭ ও ৯ নম্বর কূপ থেকে বর্তমানে গ্যাস উত্তোলন করা হচ্ছে।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) প্রথম আলো। 
iii) বাংলাপিডিয়া।

১৬.
Which district of Bangladesh produces the most wheat?
  1. Barisal
  2. Dinajpur
  3. Thakurgaon
  4. Faridpur
ব্যাখ্যা

গম:
- গম বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ দানাজাতীয় খাদ্যশস্য।
- দানাজাতীয় খাদ্যশস্যের মধ্যে ধান ও ভুট্টার পরেই গমের অবস্থান।
- গম অধিক পুষ্টিগুণ সম্পন্ন, কৃষি উপকরণ সাশ্রয়ী ও পরিবেশবান্ধব একটি ফসল।
- গম বপনের উপযুক্ত সময় নভেম্বর মাসের ১৫ থেকে ৩০ পর্যন্ত (অগ্রহায়ণ মাসের ১ম থেকে ২য় সপ্তাহ পর্যন্ত)।

⇒ গম চাষোপযোগী মাটির বৈশিষ্ট্য:
- দোআঁশ অথবা মাঝারি দোআঁশ মাটি গম চাষের জন্য ব্যাপক উপযোগী। অধিকন্তু এটেল দোআঁশ মাটিও গমের চাষের জন্য নির্বাচিত করা যেতে পারে।
- উঁচু ও মাঝারি উঁচু জমি গম চাষের জন্য উপযুক্ত। হাওড় বা বিল অঞ্চল গম চাষের জন্য অনুপযোগী।
- সহজে পানি নিস্কাশিত হয় এমন ভারী মাটিতে (যেমন, এঁটেল ও এঁটেল দোআঁশ) গমের চাষ করা যেতে পারে।
 -লবণাক্ত মাটি গম চাষের অনুকুল নয়।

উল্লেখ্য,
- গম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: ঠাকুরগাঁও ও শীর্ষ বিভাগ: রাজশাহী।

উৎস: i) কৃষি তথ্য সার্ভিস।
ii) কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।
iii) কৃষি শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৭.
When will Bangladesh graduate from Least Developed Country (LDC) status?
  1. November 22, 2025
  2. November 24, 2025
  3. November 22, 2026
  4. November 24, 2026
ব্যাখ্যা

LDC:
- ১৯৭১ সালের ১৮ নভেম্বর প্রথম স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা করা হয়।
- বর্তমানে ৪৪টি দেশ এলডিসি তালিকাভুক্ত।
- মাথাপিছু কম জাতীয় আয়, অনুন্নত মানবসম্পদসহ আর্থসামাজিক উন্নয়নে নিম্ন সূচকের দেশগুলোই এলডিসির অন্তর্ভুক্ত।
- সিডিপি তিনটি সূচক যথা মাথাপিছু জাতীয় আয়, মানবসম্পদ সূচক এবং অর্থনৈতিক ও পরিবেশগত ভঙ্গুরতা সূচকের ভিত্তিতে তিন বছর পরপর স্বল্পোন্নত দেশগুলোর আর্থসামাজিক পরিস্থিতি মূল্যায়নের মাধ্যমে স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উত্তরণের বিষয় পর্যালোচনা করে।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ ১৯৭৫ সালে এই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়।
- জাতিসংঘের আয়োজনে ১৯৭১ সালে এলডিসি তালিকা প্রণয়নের পর থেকে এযাবৎ এলডিসি থেকে উত্তরণ হওয়া ৮টি দেশ এবং উত্তরণের প্রক্রিয়াধীন ছয়টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশই একমাত্র সদস্য রাষ্ট্র, যেটি টানা তিন বারের মূল্যায়নে সকল সূচকে সাফল্যের সঙ্গে উত্তীর্ণ হয়েছে। 
- ২০২৬ সালের ২৪ নভেম্বর বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে LDC তালিকা থেকে বের হয়ে যাবে।

উৎস: i) UN ওয়েবসাইট।
ii) তথ্য অধিদফতর (পিআইডি)।

১৮.
Where is National Primary Education Academy (NAPE) located?
  1. Dhaka
  2. Mymensingh
  3. Rajbari
  4. Munshiganj
ব্যাখ্যা

 NAPE:
- NAPE-এর পূর্ণরূপ: National Academy for Primary Education.
- জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি বাংলাদেশের প্রাথমিক শিক্ষা ক্ষেত্রে প্রশিক্ষন ও গবেষণাধর্মী জাতীয় প্রতিষ্ঠান।
- এটি ময়মনসিংহে অবস্থিত।

উল্লেখ্য,
- ১৯৬৯ সালে জুনিয়র ট্রেনিং কলেজ (জেটিসি) হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়। সে সময় দুই বছর মেয়াদি ইন্টারমিডিয়েট ইন এডুকেশন (আইএড) কোর্স পরিচালিত হত।
- স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালে জুনিয়র ট্রেনিং কলেজগুলো পরিবর্তন হয়ে কলেজ অব এডুকেশন নামে শুরু হয়।
- পরবর্তীতে ১৯৭৮ সালে ময়মনসিংহ কলেজ অব এডুকেশনে কশনে মৌলিক শিক্ষা একাডেমি (Academy for Fundamental Education) নামে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৮৫ সালে এর নামকরণ করা হয় জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি ও (National Academy for Primary Education)।
- ২০০৪ সালের ১লা অক্টোবর থেকে একাডেমি স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচালিত হয়।

⇒ প্রশিক্ষণ ও গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনার মাধ্যমে বাংলাদেশের প্রাথমিক শিক্ষার প্রশিক্ষিত ও পেশাগত দক্ষতা সম্পন্ন মানবসম্পদ উন্নয়নের মাধ্যমে যোগ্যতাভিত্তিক প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিত করা এ সংস্থার প্রধান উদ্দেশ্য।
- নেপের প্রশাসনিক ব্যবস্থপনায় নির্বাহী কর্মকর্তা- একজন মহাপরিচালক।
- নেপ পরিচালনার জন্য ১৪ সদস্যের বোর্ড অব গভর্নরস রয়েছে। 

উৎস: NAPE ওয়েবসাইট।

১৯.
What is the amount of the Bangladesh's Annual Development Program (ADP) for the fiscal year 2025-26?
  1. 2.26 trillion Taka
  2. 2.3 trillion Taka
  3. 2.5 trillion Taka
  4. 2.65 trillion Taka
ব্যাখ্যা

২০২৫-২৬ বাজেট:
- বাজেটের ক্রম: ৫৪তম (অন্তর্বর্তীকালীনসহ ৫৫তম)।
- বাজেৎ উত্থাপনকারী: অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ।
- বাজেটের শিরোনাম: বৈষম্যহীন ও টেকসই অর্থনৈতিক ব্যবস্থা গড়ার প্রত্যয়।
- বাজেট ঘোষণা: ২ জুন, ২০২৫।
- বাজেট কার্যকর: ১ জুলাই, ২০২৫।
- বাজেটের আকার: ৭,৮৯,৯৯৯ কোটি টাকা (জিডিপির ১২.৭ শতাংশ)।
- রাজস্ব প্রাপ্তির লক্ষ্যমাত্রা: ৫,৬৪,০০০ কোটি টাকা।
- বাজেট ঘাটতি: ২,২৬,০০০ কোটি টাকা (জিডিপির ৩.৬২ শতাংশ)।
- বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচী (ADP): ২,৩০,০০০ কোটি টাকা।
- অনুমিত মুদ্রাস্ফীতির হার: ৬.৫%।
- সামাজিক নিরাপত্তার ঝার বৃদ্ধি: ১২.১৮%।
- জিডিপি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা: ৫.৫%। 


উৎস: জাতীয় বাজেট ২০২৫-২৬।

২০.
Which is the first six-lane bridge in Bangladesh?
  1. Padma Bridge
  2. Jamuna Bridge
  3. Kalna Bridge
  4. Maolana Bhasani Bridge
ব্যাখ্যা

কালনা সেতু (মধুমতী সেতু):
- এটি দেশের প্রথম ৬ লেনবিশিষ্ট সেতু। 
- সেতু নির্মাণে মোট ব্যয় হয় ৯৫৯ দশমিক ৮৫ কোটি টাকা।
- সেতুর দৈর্ঘ্য ৬৯০ মিটার ও প্রস্থ ২৭ দশমিক ১০ মিটার।
- উভয় পাশে সংযোগ সড়ক ৪ দশমিক ২৭৩ কিলোমিটার, যার প্রস্থ ৩০ দশমিক ৫০ মিটার।
- সেতুর মধ্যখানে বসানো হয়েছে ১৫০ মিটার স্টিলের দীর্ঘ স্প্যান।
- সেতু নির্মাণে মোট ব্যয় হয় ৯৫৯ দশমিক ৮৫ কোটি টাকা।
- সওজের ক্রস বর্ডার রোড নেটওয়ার্ক ইমপ্রুভমেন্ট প্রকল্পের আওতায় জাইকার অর্থায়নে এ সেতু নির্মিত হয়েছে।

⇒ নড়াইল, খুলনা, মাগুরা, সাতক্ষীরা, চুয়াডাঙ্গা, যশোর, ঝিনাইদহসহ দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ১০টি জেলার সঙ্গে রাজধানী ঢাকাকে সরাসরি সংযুক্ত করছে এই সেতু।
- নিয়েলসন-লোহসে আর্চ ডিজাইন পদ্ধতি ব্যবহার করে নির্মিত হয়েছে। জাপানে এই নকশা অত্যন্ত কার্যকর এবং সুপরিচিত। এই নকশার মূল বৈশিষ্ট্য হলো এর ইস্পাতনির্মিত খিলান সুপারস্ট্রাকচার, যা সেতুকে একটি স্বতন্ত্র এবং দৃষ্টিনন্দন রূপ দেয়।

উৎস: প্রথম আলো।

২১.
Who was the Sector Commander of Sector No. 10 during the Liberation War?
  1. Rafiqul Islam
  2. K.M. Shafiullah
  3. M. Abu Taher
  4. None
ব্যাখ্যা

মুক্তিযুদ্ধ:
- একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার জন্য তৎকালীন অস্থায়ী বাংলাদেশ সরকার সমগ্র পূর্ব পাকিস্তানকে (বর্তমান বাংলাদেশ) ১১টি সেক্টরে বিভক্ত করে।
- এটি ছিলো যুদ্ধ পরিচালনার একটি সামরিক কৌশল।
- ১৯৭১ সালের জুন মাসে প্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিপরিষদের বৈঠকে এই সেক্টর গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। 

⇒ ১০ নং সেক্টর:
- সমুদ্র উপকূলীয় অঞ্চল, নৌ কমান্ডো ও আভ্যন্তরীন নৌ-পরিবহন ছিল ‘সেক্টর নং ১০’ এর অধিনে।
- এ সেক্টরে নৌ কমান্ডোরা যখন যে সেক্টরে মিশনে নিয়োজিত থাকতেন, তখন সে সেক্টরের কমান্ডারের নির্দেশে কাজ করতেন।
- এই সেক্টরে কোনো সাব-সেক্টর ছিল না এবং ছিল না নিয়মিত কোনো সেক্টর কমান্ডার।
- প্রধান সেনাপতির নিয়ন্ত্রণাধীন বিশেষ বাহিনী ছিল এটি।

এছাড়াও সেক্টর কমান্ডার,
- ১নং সেক্টর: মেজর জিয়াউর রহমান, মেজর রফিকুল ইসলাম।
- ৩নং সেক্টর: মেজর কে এম শফিউল্লাহ, মেজর এএনএম নুরুজ্জামান।
- ৪ নং সেক্টর: মেজর চিত্তরাজন দত্ত, ক্যাপ্টেন এ রব।
- ৫নং সেক্টর: মেজর মীর শওকত আলী।
- ৬নং সেক্টর: উইং কমান্ডার এম খেদেমুল বাশার।
- ৭নং সেক্টর: মেজর নজরুল হক, সুবেদার মেজর এ রব এবং মেজর কাজী নুরুজ্জামান।
- ৮নং সেক্টর: মেজর আবু ওসমান চৌধুরী, মেজর এম এ মঞ্জুর।
- ৯নং সেক্টর: মেজর এম জলিল, মেজর এম এ মঞ্জুর এবং মেজর জয়নাল আবেদীন।
- ১১নং সেক্টর: মেজর এম আবু তাহের।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

২২.
Which ethnic group in Bangladesh call their language 'Mandi khusik'
  1. Garo
  2. Tripura
  3. Monipuri
  4. Chakma
ব্যাখ্যা

গারো:
- ‘গারো' ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী বাংলাদেশের বৃহত্তর ময়মনসিংহ তথা টাংগাইল, জামালপুর, শেরপুর, ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা, সুনামগঞ্জ, সিলেট, গাজীপুর জেলায় বাস করে।
- গারো জনগোষ্ঠীর আদি আবাসস্থল তিব্বতে।
- গারোরা ভাষা অনুযায়ী বোডো মঙ্গোলীয় ভাষাগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত।
- জাতিগত পরিচয়ের ক্ষেত্রে অনেক গারোই নিজেদেরকে মান্দি বলে পরিচয় দেন।
- গারোদের নিজস্ব ভাষার নাম  ‘আচিক খুসিক’ বা 'মান্দি খুসিক'।
- গারোদের সমাজ ব্যবস্থা মাতৃতান্ত্রিক।
- সমগ্র গারোসমাজ ১৩টি দলে বিভক্ত। 
- তাদের আদি ধর্মের নাম 'সাংসারেক'।
- তাদের প্রধান ধর্মীয় ও সামাজিক উৎসবের নাম 'ওয়ানগালা'।
- বর্তমানে গারোদের বেশিরভাগই খ্রিস্টধর্মে বিশ্বাসী।


উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) নৃ-গোষ্ঠীসনদ বাংলাদেশ।

২৩.
July Martyrs' Day is celebrated annually on -
  1. July 16
  2. July 18
  3. July 31
  4. August 5
ব্যাখ্যা

জুলাই শহীদ দিবস:
- ১৬ জুলাই জুলাই শহীদ দিবস পালিত হবে।
- বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার ৫ আগস্টকে 'জুলাই গণ–অভ্যুত্থান দিবস' ও ১৬ জুলাইকে ‘জুলাই শহীদ দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করেছে।

⇒ ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকার পতনের দিন ৫ আগস্টকে ‘জুলাই গণ–অভ্যুত্থান দিবস’ ঘোষণা করেছে অন্তর্বর্তী সরকার।
- গণ-আন্দোলন চলাকালে রংপুরে পুলিশের গুলিতে আবু সাঈদের নিহত হওয়ার দিন ১৬ জুলাইকে ‘জুলাই শহীদ দিবস’ ঘোষণা করা হয়েছে।
- ২৫ জুন, ২০২৫ তারিখে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ–সংক্রান্ত পরিপত্র জারি করা হয়েছে।
- ৫ আগস্ট জুলাই গণ–অভ্যুত্থান দিবস ‘ক’ শ্রেণিভুক্ত এবং অপর দিবস ‘খ’ শ্রেণিভুক্ত করা হয়েছে বলে তথ্য বিবরণীতে জানানো হয়েছে।

উৎস: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ওয়েবসাইট। 

২৪.
Which is the largest market of Bangladesh Garments export in RMG Sector?
  1. USA
  2. Uk
  3. Japan
  4. European Union
ব্যাখ্যা

ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাজারে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানি:
- বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের সবচেয়ে বড় বাজার ইইউ (European Union)। বাংলাদেশের মোট পোশাক রপ্তানির অর্ধেকের গন্তব্য হচ্ছে ইইউভুক্ত দেশগুলো। এই বাজারে তৈরি পোশাক রপ্তানিতে শীর্ষ দুই অবস্থানে রয়েছে চীন ও বাংলাদেশ।
- একক দেশ হিসেবে তৈরি পোশাকের সবচেয়ে বড় বাজার যুক্তরাষ্ট্র।

⇒ বাংলাদেশ রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) প্রকাশিত ২০২৪-২৫ অর্থবছরের রপ্তানির রিপোর্ট অনুযায়ী, ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) এ খাতের সবচেয়ে বড় বাজার হিসেবে অবস্থান করছে। ইউরোপীয় বাজারে বাংলাদেশের আরএমজি রপ্তানি হয়েছে ১৯.৭১ বিলিয়ন ডলার যা দেশে মোট আরএমজি রপ্তানির ৫০.১০ শতাংশ।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি হয়েছে ৭.৫৪ বিলিয়ন ডলার (১৯.১৮ শতাংশ)।
- কানাডা ও যুক্তরাজ্যে রপ্তানি হয়েছে যথাক্রমে ১.৩০ বিলিয়ন ডলার (৩.৩১ শতাংশ) এবং ৪.৩৫ বিলিয়ন ডলার (১১.০৫ শতাংশ)।
- ইউরোপের মধ্যে জার্মানি বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বাজার, যেখানে রপ্তানি হয়েছে ৪.৯৫ বিলিয়ন ডলার। এরপর রয়েছে স্পেন (৩.৪০ বিলিয়ন ডলার), ফ্রান্স (২.১৬ বিলিয়ন ডলার), নেদারল্যান্ডস (২.০৯ বিলিয়ন ডলার), পোল্যান্ড (১.৭০ বিলিয়ন ডলার), ইতালি (১.৫৪ বিলিয়ন ডলার) এবং ডেনমার্ক (১.০৪ বিলিয়ন ডলার)।

উৎস: i) BIDA ওয়েবসাইট।
ii) রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো ওয়েবসাইট।
iii) প্রথম আলো। 

২৫.
'Doel' is a hybrid varieties of which crop?
  1. Rice
  2. Maize
  3. Potato
  4. Wheat
ব্যাখ্যা

বিভিন্ন ফসলের উন্নত জাত:
• উন্নত জাতের গম: সোনালিকা, বলাকা, দোয়েল, অগ্রণী, আনন্দ, কাঞ্চন, শতাব্দী ও আকবর।
• উন্নত জাতের ধান: ইরাটম, ব্রি হাইব্রিড - ১, চান্দিনা, হীরা, মালা, বিপ্লব, দুলাভোগ, মোহিনী, সুফলা, আশা, প্রগতি। 
• উন্নত জাতের তামাক: সুমাত্রা ও ম্যানিলা।
• উন্নত জাতের ভুট্টা: বর্ণালী, শুভ্রা ও উত্তরণ।
• উন্নত জাতের আম: মহানন্দা, ল্যাংড়া, গোপালভোগ, হাড়িভাঙ্গা, ক্ষীরসাপাতি ও মােহনভােগ।
• উন্নত জাতের টমেটো: বাহার, মানিক, রতন, অপূর্ব, মিন্টো, ঝুমকা, সিঁদুর, শ্রাবণী।
• উন্নত জাতের মরিচ: যমুনা।
• উন্নত জাতের বেগুন: শুকতারা, নয়নতারা, তারাপুরী, ইসলামপুরী, কাজলা, বিজয়, মুক্তকেশী, ঝুমকো।
• উন্নত জাতের আলু: হিরা, আইলসা, পেট্রোনিস, মুল্টা, ডায়ামন্ট, কার্ডিনাল, মন্ডিয়াল, কুফরী সিন্দুরী, চমক, ধীরা, গ্রানোলা, ক্লিওপেট্রা ও চিনেলা।
• উন্নত জাতের তুলা: সিবি-১০, রূপালী, ডেলফোজ।
• উন্নত জাতের আনারস: জায়ান্ট কিউ, হানি কুইন, ঘোড়াশাল, জলঢুপি।

উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস।

২৬.
How many points are there in the July Declaration?
  1. 8
  2. 17
  3. 21
  4. 28
ব্যাখ্যা

জুলাই ঘোষণাপত্র:
-  ‘জুলাই ঘোষণাপত্র’ হলো ২০২৪ সালের জুলাইয়ের গণ-অভ্যুত্থানের একটি দলিল যার মাধ্যমে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানকে রাষ্ট্রীয় ও সাংবিধানিকভাবে স্বীকৃতি দেওয়া হবে।
- অন্যদিকে জুলাই জাতীয় সনদ হলো রাষ্ট্রের বিভিন্ন ক্ষেত্রে সংস্কার প্রস্তাব বাস্তবায়নে ঐকমত্যের একটি রাজনৈতিক দলিল।
- অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস ৫ আগস্ট, ২০২৫ তারিখে র ‘৩৬ জুলাই উদ্‌যাপন’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে জুলাই ঘোষণাপত্র পাঠ করেছেন।

⇒ জুলাই ঘোষণাপত্রে ২৮টি ধারা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। 
- ২৮ দফা এ ঘোষণাপত্রে বলা হয়েছে, “বাংলাদেশের জনগণ এই অভিপ্রায় ব্যক্ত করছে যে, ছাত্র-গণঅভ্যুত্থান ২০২৪-এর উপযুক্ত রাষ্ট্রীয় ও সাংবিধানিক স্বীকৃতি প্রদান করা হবে এবং পরবর্তী নির্বাচনে নির্বাচিত সরকারের সংস্কারকৃত সংবিধানের তফসিলে এ ঘোষণাপত্র সন্নিবেশিত থাকবে।

উৎস: প্রথম আলো।

২৭.
According to the government gazette, how many people were martyred in the July 2024 mass uprising?
  1. 834
  2. 846
  3. 844
  4. 836
ব্যাখ্যা

জুলাই গণ–অভ্যুত্থান ২০২৪–এর শহীদদের গেজেট:
- জুলাই গণ–অভ্যুত্থান ২০২৪–এ শহীদদের তালিকা গেজেট আকারে প্রকাশ করেছে সরকার।
- মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় এটি প্রকাশ করেছে।
- সরকারি এ গেজেট অনুযায়ী, ওই গণ–অভ্যুত্থানে শহীদের সংখ্যা ৮৩৬।
- মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপসচিব হরিদাস ঠাকুর স্বাক্ষরিত ওই গেজেটে ‘মেডিকেল কেস আইডি’, শহীদদের নাম, বাবার নাম, বর্তমান ঠিকানা, স্থায়ী ঠিকানা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

⇒ সরকারি গেজেট অনুযায়ী, ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ১০ জন নারী শহীদ হয়েছেন।
- শহীদ ১০ জন নারীর মধ্যে ৭ জন ঢাকায়, ২ জন নারায়ণগঞ্জে ও ১ জন সাভারে গুলিবিদ্ধ হয়েছিলেন।

উৎস: i) মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়।
ii) প্রথম আলো।

২৮.
When did China recognize Bangladesh after independence?
  1. 22 April 1975
  2. 24 April 1975
  3. 30 August 1975
  4. 31 August 1975
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি:
- বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর আনুষ্ঠানিকভাবে মোট ১৫০টি দেশ স্বীকৃতি দিয়েছে।
- বাংলাদেশকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসাবে সর্বপ্রথম স্বীকৃতি দেয় ভুটান এবং ভারত।
- উভয় দেশই বাংলাদেশকে ৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ সালে স্বীকৃতি দিয়েছিল।
- অপরদিকে সর্বশেষ দেশ হিসেবে চীন বাংলাদেশকে ১৯৭৫ সালের ৩১ আগস্ট স্বীকৃতি দেয়।

উল্লেখ্য,
- তৃতীয় দেশ ও প্রথম ইউরোপীয় দেশ হিসেবে পূর্ব জার্মানি ১৯৭২ সালের ১১ জানুয়ারি বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।
- স্বাধীনতা যুদ্ধে বাংলাদেশের বিজয়ের পর ১৯৭২ সালের ২৪ জানুয়ারি সোভিয়েত ইউনিয়ন বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে এবং ২৫ জানুয়ারি রাষ্ট্রদ্বয়ের মধ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপিত হয়।

এছাড়াও,
⇒ বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দানকারী প্রথম মুসলিম দেশ আফ্রিকার সেনেগাল।
- এশিয়ার মুসলিম দেশগুলোর মধ্যে মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়া প্রথম বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।
- এশিয়ার বাইরে প্রথম দেশ হিসেবে ১৯৭২ সালের ১১ জানুয়ারি স্বীকৃতি দেয় পূর্ব-জার্মানি।
- প্রথম পশ্চিমা দেশ হিসেবে গ্রেট ব্রিটেন বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় ১৯৭২ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র স্বীকৃতি দেয় ৪ এপ্রিল, ১৯৭২।
- প্রথম আরব দেশ হিসেবে ইরাক ৮ জুলাই, ১৯৭২ তারিখে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।
- দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশের মধ্যে সর্ব প্রথম বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে ভেনিজুয়েলা (২ মে ১৯৭২)।
 
উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
         ii) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।

২৯.
National Special Economic Zone of Bangladesh is located in -
  1. Gazipur
  2. Narayanganj
  3. Chittagong
  4. Kurigram
ব্যাখ্যা

জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল (National Special Economic Zone):
- দেশের বৃহত্তম অর্থনৈতিক অঞ্চল জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল।
- এটি চট্টগ্রাম জেলার মিরসরাই ও সীতাকুন্ড উপজেলা এবং ফেনী জেলার সোনাগাজী উপজেলার উপকূলীয় এলাকায় অবস্থিত।

⇒ 'জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল' ৩টি ইকোনমিক জোন নিয়ে গঠিত।
- এই শিল্পনগরের আয়তন ৩৩ হাজার ৮০৫ একর।
- এর ৪১ শতাংশ বা ১৪ হাজার একরে শুধু শিল্পকারখানা হবে, বাকি ৫৯ শতাংশ এলাকার মধ্যে আছে খোলা জায়গা, বনায়ন, বন্দর–সুবিধা, আবাসন, স্বাস্থ্য, প্রশিক্ষণ ও বিনোদনকেন্দ্র।
- ২০১৬ সালে মিরসরাই অর্থনৈতিক অঞ্চল নামে এই শিল্পনগরের উদ্বোধন করা হয়।

উল্লেখ্য,
- জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলটি ১২টি পৃথক অঞ্চলে বিভক্ত।
- সেখানে বেপজা অর্থনৈতিক অঞ্চল, পোশাক (বিজিএমইএ) শিল্পপার্ক, ভারতীয় অর্থনৈতিক অঞ্চল, এসবিজি (শিকদার, বসুন্ধরা ও গ্যাসমেন গ্রুপ) অর্থনৈতিক অঞ্চলের মতো আলাদা জোন রয়েছে।
- পুরো অর্থনৈতিক অঞ্চলটি চালু হলে সেখানে ১৫ লাখ লোকের কর্মসংস্থান হবে এবংংসেখান থেকে প্রতিবছর রপ্তানি আয় হবে ১ হাজার ৫০০ কোটি ডলার।

উৎস: i) বেপজা ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো।

৩০.
How many foreign commercial banks are currently operating in Bangladesh?
  1. 5
  2. 6
  3. 9
  4. 13
ব্যাখ্যা

বাণিজ্যিক ব্যাংক:
- যে ব্যাংকিং আর্থিক প্রতিষ্ঠান আমানত গ্রহণ ও ঋণদান করে তাকে বাণিজ্যিক ব্যাংক বলে। 
-  ১৯৯১ সালের ব্যাংক কোম্পানি আইনানুসারে বাণিজ্যিক ব্যাংক গঠিত ও পরিচালিত হয়।
- বাংলাদেশে ৬টি রাষ্ট্রয়াত্ত, ৪৩টি বেসরকারি ও ৯টি বিদেশি বাণিজ্যিক ব্যাংক রয়েছে।

⇒ বিদেশি বাণিজ্যিক ব্যাংক:
১. ব্যাংক আলফালাহ্ লিমিটেড,
২. কমার্শিয়াল ব্যাংক অব সিলন,
৩. হাবিব ব্যাংক লিমিটেড,
৪. এইচএসবিসি,
৫. ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তান,
৬. সাসটেইনেবল ফাইন্যান্স ডিপার্টমেন্ট,
৭. স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়া,
৮. স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক,
৯. উরি ব্যাংক।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।

৩১.
In Bangladesh, Judiciary has been separated from the executive in -
  1. 1999
  2. 2001
  3. 2005
  4. 2007
ব্যাখ্যা

বিচার বিভাগ পৃথকীকরণ:
- মূলত বিচার বিভাগকে নির্বাহী বিভাগ থেকে পৃথক করার জন্য ১৯৯৪ সালে একটি রিট মামলা করেছিলেন জেলা জজ ও জুডিশিয়াল এসোসিয়েশনের তৎকালীন মহাসচিব মাসদার হোসেন।
- সেই মামলাটি 'মাসদার হোসন মামলা' নামে পরিচিত, সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ থেকে যার চূড়ান্ত রায় হয়েছিল ১৯৯৯ সালে।
- রায়ের আট বছর পর নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগ স্বাধীন হয়: ১ নভেম্বর ২০০৭ সালে।

উল্লেখ্য,
- ১৯৯৯ সালে সর্বোচ্চ আদালত বিচার বিভাগকে নির্বাহী বিভাগ থেকে পৃথক করার রায় দেন।
- বিচার বিভাগকে নির্বাহী বিভাগ থেকে আলাদা করতে দেওয়া রায়ে ১২ দফা নির্দেশনা বাস্তবায়ন করতে বলা হয়।

এছাড়াও,
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ২২ নং অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রের নির্বাহী বিভাগসমূহ থেকে বিচারবিভাগের পৃথকীকরণের কথা বলা হয়েছে।
- বাংলাদেশের প্রথম প্রধান বিচারপতি ছিলেন বিচারপতি আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েম।

উৎস: i) বিবিসি বাংলা।
ii) সুপ্রিমকোর্ট ওয়েবসাইট।

৩২.
Which picture on the new Bangladesh's Taka One Hundred note?
  1. Shaat Gambuj Mosque
  2. Tara Mosque
  3. Bojra Shahi  Mosque
  4. Baitul Mukarram National Mosque
ব্যাখ্যা

১০০ টাকার নতুন নোট:
- ১২ আগস্ট, ২০২৫ তারিখে বাজারে ১০০ টাকার নতুন নোট প্রচলনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। 
- গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুরের স্বাক্ষরিত নতুন এই নোটের এক পাশে ষাট গম্বুজ মসজিদ এবং অপর পাশে সুন্দরবনের ছবি আছে।
 - নোটের মূল রং নীল।

⇒ বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্র জানিয়েছে, মোট ১ হাজার ৫০০ কোটি টাকার নতুন এ নোট ছাপানো হবে।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান জানান, সুনির্দিষ্ট কোনো ব্যাংকের শাখায় নয়, যেসব ব্যাংক কেন্দ্রীয় ব্যাংকে আগ্রহ জানিয়েছে, তাদেরকে স্বল্প পরিমাণে নতুন ১০০ টাকার নোট দেওয়া হয়েছে। 

উৎস: i) The Business Standard.
ii) Bangladesh Bank ওয়েবসাইট।

৩৩.
How many factories are operating under BCIC?
  1. 9
  2. 10
  3. 11
  4. 13
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাষ্ট্রিজ কর্পোরেশন (বিসিআইসি):
- বর্তমানে বিসিআইসি’র অধীনে ১১টি চালু শিল্প কারখানা রয়েছে।

⇒ চালু কারখানাগুলোর মধ্যে:
• ইউরিয়া সার কারখানা: ৫টি (চিটাগাং ইউরিয়া ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরী লিমিটেড, যমুনা ফার্টিলাইজার কোম্পানী লিমিটেড,আশুগঞ্জ ফার্টিলাইজার এ্যান্ড কেমিক্যাল কোম্পানী লিঃ, শাহজালাল ফার্টিলাইজার কোম্পানী লিঃ,ঘোড়াশাল পলাশ ফার্টিলাইজার পাবলিক লিমিটেড কোম্পানী )।
• ডিএপি সার কারখানা: ১টি (ডিএপি ফার্টিলাইজার কোং লিঃ)।
• টিএসপি সার কারখানা: ১টি (টিএসপি কমপ্লেক্স লিঃ)।
• কাগজ কারখানা: ১টি (কর্ণফুলী পেপার মিলস্ লিঃ)।
• সিমেন্ট কারখানা: ১টি (ছাতক সিমেন্ট কোম্পানী লিঃ)।
• গ্লাসশীট কারখানা: ১টি (উসমানিয়া গ্লাসশীট ফ্যাক্টরী লিঃ)।
• স্যানিটারীওয়্যার ইস্যুলেটর কারখানা: ১টি (বাংলাদেশ ইস্যুলেটর এন্ড স্যানিটারীওয়্যার ফ্যাক্টরী লিঃ)।

উৎস: BCIC ওয়েবসাইট। 

৩৪.
According to e-Commerce Association of Bangladesh (e-CAB), e-commerce businesses started journey -
  1. in 1998
  2. in 1999
  3. in 2000
  4. in 2001
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের ই-কমার্স:
- ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানগুলোর সংগঠন ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ই-ক্যাব) তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশে ই-কমার্স শুরু হয় ১৯৯৯ সাল থেকে।
- তবে পূর্ণাঙ্গ ও পেশাদার ই-কমার্সের যাত্রা শুরু তারও ১০ বছর পর অর্থাৎ ২০০৯ সালে।
- এ খাতের বিকাশ শুরু ২০১৪ সালে।
- ই-কমার্স এসোসিয়েশন স্বীকৃতি পায় ২০১৫ সালে। 
- ই-কমার্স উদ্যোগ হিসেবে জনপ্রিয় হয়ে উঠে ২০১৬ সাল থেকে। 
- সরকার ডিজিটাল কমার্স পলিসি ঘোষণা করে ২০১৮ সালে। 
- ই-কমার্সের ব্যাপক বিজ্ঞাপন শুরু হয় ২০১৯ সালে। 
- ই-কমার্সের ব্যাপক প্রসার ঘটে ২০২০ সালে। 
- ই-ক্যাব ডিজিটাল বাংলাদেশ পুরষ্কার পায় ২০২০ সালে। 

⇒ ই-কমার্স: সাধারণ তথ্য:
১। ইলেকট্রনিক্স মাধ্যম ব্যবহার করে যেকোনো ব্যবসাই ই-কমার্স ব্যবসা হতে পারে।
২। ই-কমার্স বিভিন্ন প্রকার হতে পারে। যেমন: বিটুবি, বিটুসি, সিটুবি, বিটুজি, জিটুসি, জিটুবি
৩। প্লাটফর্ম অনুসারে ই-কমার্স ৪ ধরনের হতে পারে ক) মার্কেটপ্লেস: একটা বড়ো প্লাটফর্মে হাজার হাজার বিক্রেতা তাদের পণ্য বিক্রি করে। যেমন দারাজ, আজকের ডিল। খ) অনলাইন শপ: একটি ই-কমার্ষ ওয়েবসাইটের মাধ্যমে নিজেরা বিভিন্ন ধরনের বিভিন্ন ব্রান্ডের পণ্য বিক্রি করে। গ) এক্সক্লুসিভ অনলাইন শপ: শুধুমাত্র নিজেদের উৎপাদিত পণ্য অনলাইনে বিক্রি করে। যেমন অথবা ডট কম, ওয়ালটন। ঘ) সোসালমিডিয়া ভিত্তিক ব্যবসা: যারা শুধুমাত্র ফেসবুক পেইজ দিয়ে ব্যবসা করে থাকে।  

উৎস: i) ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ই-ক্যাব) ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো।

৩৫.
Who is the current chairperson of ECNEC? [Sep, 2025]
  1. Muhammad Yunus
  2. Salehuddin Ahmed
  3. Ashik Chowdhury
  4. Mr. Mahbubul Alam
ব্যাখ্যা

ECNEC:
- ECNEC-এর পূর্ণরূপ: The Executive Committee of the National Economic Council.
- জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (ECNEC) সরকারের দ্বিতীয় শক্তিশালী কমিটি।
- গঠিত হয়: ১৯৮২ সালে
- সভাপতি: প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
- অর্থমন্ত্রী এর বিকল্প চেয়ারম্যান বা সভাপতি: সালেহউদ্দিন আহমেদ।
- এ কমিটির সদস্যগণ সরকার প্রধান কর্তৃক মনোনীত হয়ে থাকেন।

উল্লেখ্য,
- জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদকে সহায়তাদানকারী কর্মকর্তা হিসেবে আছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব, মুখ্য সচিব/সচিব, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, পরিকল্পনা বিভাগের সচিব, পরিকল্পনা কমিশনের সদস্যবৃন্দ এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সচিবরা।
- ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ তারিখে এই পরিষদ গঠন করা হয়েছে।
- সামগ্রিক অর্থনৈতিক উন্নয়ন কর্মকাণ্ড সম্পর্কিত নীতি ও কৌশল গ্রহণে দিক-নির্দেশনা দেওয়া; দীর্ঘমেয়াদি ও মধ্যমেয়াদি পরিকল্পনা, বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি, সংশোধিত বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি ও কর্মপন্থা চূড়ান্তকরণ এবং অনুমোদন প্রদান; দীর্ঘমেয়াদি ও মধ্যমেয়াদি পরিকল্পনা, বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি, সংশোধিত বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি বাস্তবায়নের অগ্রগতি পর্যালোচনা; আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও দিক-নির্দেশনা প্রদান এবং জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের দায়িত্ব পালনে সহায়ক বিবেচিত যে কোনো কমিটি গঠন।

উৎস: i) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
ii) দৈনিক ইত্তেফাক।

৩৬.
What percentage of the country's total export earnings comes from the ready-made garments sector?
  1. about 50%
  2. about 60%
  3. about 70%
  4. about 80%
ব্যাখ্যা

রপ্তানি আয়:
- সর্বশেষ বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুসারে, পণ্যভিত্তিক রপ্তানি আয়: ৩৮,৪৫২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরে শীর্ষ রপ্তানি খাত তৈরি পোশাক। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে তৈরি পোশাক ও নীটওয়্যার পণ্যের রপ্তানি আয়: ৩২,৮৫৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। এটি মোট রপ্তানি আয়ের ৮৫.৪৫%।

এর মধ্যে, 
- নীটওয়্যার: ১৮,৫৯২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (৪৮.৩৫%)।
- তৈরি পোশাক: ১৪,২৬৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (৩৭.১০%)।

উল্লেখ্য,
- ২য় সর্বোচ্চ রপ্তানি আয়: পাটজাত পণ্য - ৪৮২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (১.২৫%)।
- ৩য় সর্বোচ্চ রপ্তানি আয়: ইঞ্জিনিয়ারিং (প্রকৌশল) দ্রব্য - ৩৩৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (০.৮৮%)।

এছাড়াও,
সার্বিক রপ্তানি পরিস্থিতি:
১. কৃষিজাত পণ্য: ৫৩৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (১.৩৯%)।
২. হিমায়িত খাদ্য: ২৭৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (০.৭১%)।
৩. কাঁচাপাট: ১০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (০.২৬%)।
৪. চা: ৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (০.০০%)।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।

৩৭.
Recently, who among the following bangladeshi has crossed the English Channel? (September, 2025)
  1. Mahfizur Rahman Sagar 
  2. Wasfia Nazreen
  3. Ikramul Hasan Shakil
  4. Musa Ibrahim
ব্যাখ্যা

ইংলিশ চ্যানেল:
- ইংলিশ চ্যানেল আটলান্টিক মহাসাগরের একটি অংশ।
- এটি উত্তর ফ্রান্স থেকে গ্রেট ব্রিটেনের দ্বীপকে পৃথক করে।
- এই চ্যানেল উত্তর সাগর ও আটলান্টিক মহাসাগরকে সংযুক্ত করেছে। 

⇒ সম্প্রতি  ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দিয়েছে বাংলাদেশের দুই ব্যক্তি দুই সাঁতারু নাজমুল হক হিমেল ও মাহফিজুর রহমান সাগর।
- দীর্ঘ ৩৭ বছর পর ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দিয়েছেন বাংলাদেশের এই দুই সাঁতারু।
- ২৯ জুলাই, ২০২৫ তারিখে ১২ ঘণ্টা ১০ মিনিট সাঁতরিয়ে তারা ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দেন।

⇒ এখন পর্যন্ত সর্বমোট পাঁচজন বাংলাদেশী ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দিয়েছেন। 
-  ইংলিশ চ্যানেল অতিক্রমকারী প্রথম এশীয় সাঁতারু ব্রজেন দাস। ১৯৫৮ থেকে ১৯৬১ সালের মধ্যে মোট ছয়বার চ্যানেলটি অতিক্রম করেন তিনি।
- এরপর ১৯৬৫ সালে আবদুল মালেক ও ১৯৮৭ সালে মোশাররফ হোসেন ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দেন।
- সম্প্রতি  ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দিয়েছে বাংলাদেশের দুই ব্যক্তি দুই সাঁতারু নাজমুল হক হিমেল ও মাহফিজুর রহমান সাগর। দীর্ঘ ৩৭ বছর পর ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দিয়েছেন বাংলাদেশের এই দুই সাঁতারু। ২৯ জুলাই, ২০২৫ তারিখে ১২ ঘণ্টা ১০ মিনিট সাঁতরিয়ে তারা ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দেন।

উৎস: i) The Daily Star Bangla.
         ii) Britannica.

৩৮.
Recently where was the 'Cashless Bangladesh Summit - 2025' held?
  1. Dhaka
  2. Chittagong
  3. Sylhet
  4. Cox's Bazar
ব্যাখ্যা

ক্যাশলেস বাংলাদেশ সামিট-২০২৫:
- আগস্ট, ২০২৫-এ  মাস্টারকার্ড ও বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব কস্ট অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্ট্যান্টস (ICMAB) যৌথ উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয়েছে ক্যাশলেস বাংলাদেশ সামিট-২০২৫।
- এটি অনুষ্ঠিত হয়েছে ঢাকার প্যান প্যাসিফিক হোটেলে। 
- ‘দ্য ইন্টারসেকশন অব ফাইন্যান্স অ্যান্ড টেকনোলজি’ প্রতিপাদ্যে আয়োজিত এই সম্মেলনে ব্যাংক ও ফিনটেক খাতের গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার, নিয়ন্ত্রক সংস্থা ও নীতিনির্ধারকেরা একত্রিত হয়ে ক্যাশলেস অর্থনীতির সম্ভাবনা, চ্যালেঞ্জ ও ভবিষ্যৎ রূপরেখা নিয়ে আলোচনা করেন।
- সামিটে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিভাগের সচিব শীষ হায়দার চৌধুরী।
- উদ্বোধনী আলোচনায় ছিল ‘ক্যাশলেস অর্থনীতি গঠনে ফিনটেকের ভূমিকা’। 
- একটি ক্যাশলেস সোসাইটি উদ্ভাবনকে ত্বরান্বিত করে, দক্ষতা বৃদ্ধি করে ও সমাজের সব স্তরে আর্থিক অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করে। 

উৎস: ICMAB ওয়েবসাইট। 

৩৯.
Who Directed the documentary film 'Stop Genocide'?
  1. Zahir Raihan
  2. Tanvir Mokammel
  3. Munir Chowdhury
  4. Simon Dring
ব্যাখ্যা

Stop Genocide:
- মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রামাণ্যচিত্র Stop Genocide.
- Stop Genocide নির্মাণ করেন জহির রায়হান।
- মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে ১৯৭১ সালের মে/জুন মাসে এটি প্রথম কলকাতায় প্রদর্শিত হয়।
- মূলত বিভিন্ন সূত্র থেকে পাওয়া স্টক ফুটেজ ও নিউজ রিলের ছবির ওপর নির্ভর করেই তৈরি হয় স্টপ জেনোসাইড। 
- একজন চলচ্চিত্র-নির্মাতা হিসেবে জহির রায়হান দুনিয়ার মানুষকে বাংলাদেশে চলতে থাকা গণহত্যার খবর জানান দেওয়ার এক বড় দায়িত্ব কাঁধে নেন। 
- বিভিন্ন জাতির আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার প্রসঙ্গে লেনিনের একটি বক্তব্য দিয়ে শুরু হয় ছবিটি।
- ২০ মিনিটের এই ছবিতে বাংলাদেশের মানুষ আছে, এর প্রকৃতি আছে, আছে পাকিস্তানিদের অত্যাচার, নির্যাতন, অগ্নিসংযোগের দৃশ্য। 

উল্লেখ্য,
- জহির রায়হান চলচ্চিত্র নির্মাতা, লেখক।
- ১৯৩৫ সালে তিনি ফেনী জেলার মজিপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। 
- ছাত্রজীবনেই তিনি লেখালেখিতে আগ্রহ প্রকাশ করেন।
- তাঁর লিখিত অন্যান্য বইগুলি হচ্ছে শেষ বিকেলের মেয়ে, হাজার বছর ধরে, আরেক ফাল্গুন, বরফ গলা নদী এবং আর কত দিন।
- তাঁর নির্মিত চলচ্চিত্র হলো: কাজল, কাঁচের দেয়াল, বেহুলা, জীবন থেকে নেয়া, আনোয়ারা, সঙ্গম এবং বাহানা। 

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
         ii) প্রথম আলো।

৪০.
Who is the author of the book Banker to the Poor?
  1. Abhijit Banerjee
  2. Amartya Sen
  3. Fazle Abed
  4. Muhammad Yunus
ব্যাখ্যা

Banker to the Poor:
- গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের একটি আত্মজীবনী 'Banker to the Poor'।
- এই বইটি তার মাইক্রোক্রেডিট অভিজ্ঞতা নিয়ে লেখা।

⇒ ড. মুহাম্মদ ইউনূসের আরও কিছু বই: দারিদ্র্যমুক্ত বিশ্বের জন্য, গ্রামীণ ব্যাংক ও আমার জীবন, বাংলাদেশ ২০১০, যোগ্য প্রার্থী আন্দোলন, ক্রিয়েটিং অ্যা ওয়ার্ল্ড উইদাউট পোভার্টি, সামাজিক ব্যবসা, এ ওয়ার্ল্ড অব থ্রি জিরোস, বালক পরিব্রাজকের দিনলিপি প্রভৃতি।

⇒  ড. মুহাম্মদ ইউনূস নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ব্যাংকার ও অর্থনীতিবিদ।
- তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের একজন শিক্ষক ছিলেন।
- তিনি ক্ষুদ্রঋণ নামক অর্থনৈতিক ব্যবস্থার জনক হিসেবে সমাদৃত।
- অধ্যাপক ইউনূস গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা।
- মুহাম্মদ ইউনূস এবং তার প্রতিষ্ঠিত গ্রামীণ ব্যাংক যৌথভাবে ২০০৬ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।

উৎস: i) Rokomari.com
ii) Banker to the Poor.

৪১.
How many gas fields are there in the country currently according to Petrobangla? [Sep, 2025]
  1. 28
  2. 29
  3. 30
  4. 31
ব্যাখ্যা

গ্যাসক্ষেত্র:
- পেট্রোবাংলার /Bangladesh Oil, Gas and Mineral Corporation (Petrobangla) তথ্য অনুযায়ী, দেশে বর্তমানে ২৯টি গ্যাসক্ষেত্র রয়েছে।
 - এর মধ্যে উৎপাদনে আছে ২০টি।
- উত্তোলন শুরু হয়নি ৪টি। সেগুলো হলো: ভোলার ইলিশা ও ভোলা নর্থ, সিলেটের জকিগঞ্জ এবং কুতুবদিয়া।
- উত্তোলনযোগ্য গ্যাস শেষ ৫টি। খনিগুলো হলো: নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ, সিলেটের ছাতক, গাজীপুরের কামতা, ফেনী ও সাংগু (চট্টগ্রাম)।

উল্লেখ্য,
- ২০২৪ সালের ১ জুলাইয়ের হিসাবে, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার তিতাসে অবশিষ্ট মজুত আছে প্রায় ২ টিসিএফ। হবিগঞ্জের বিবিয়ানায় আছে ১ দশমিক ৬৬ টিসিএফ। সিলেটের মৌলভীবাজারে আছে প্রায় ২০ বিসিএফ (বিলিয়ন বা শতকোটি ঘনফুট) গ্যাস। ৭০০ বিসিএফের কম মজুত আছে জালালাবাদে। সিলেটের বাখরাবাদ, কৈলাসটিলা, রশিদপুরসহ বাকি গ্যাসগুলোতেও মোটামুটি পরিমাণে গ্যাসের মজুত আছে।
- বর্তমানে দেশীয় গ্যাসক্ষেত্রগুলো থেকে দিনে ১৮০ কোটি ঘনফুট গ্যাস উত্তোলন করা হয়।
এছাড়া,
- দেশের সবচেয়ে বড় গ্যাসক্ষেত্রে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার তিতাস আবিষ্কৃত হয়েছিল ১৯৬২ সালে। সর্বশেষ বড় গ্যাসক্ষেত্রের সন্ধান পাওয়া গিয়েছিল ১৯৯৮ সালে, সেটি সিলেটের বিবিয়ানা। বিবিয়ানা থেকেই এখন সবচেয়ে বেশি গ্যাস উত্তোলন করা হচ্ছে। এরপর আর কোনো বড় গ্যাসক্ষেত্রের সন্ধান পাওয়া যায়নি। সর্বশেষ ২০২১ সালে সিলেটের জকিগঞ্জে একটি গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয়। যদিও সেখানে মজুত মাত্র ৫২ বিসিএফ।

উৎস: প্রথম আলো।

৪২.
What type of organization is SPARRSO?
  1. Financial institution
  2. Social welfare organization
  3. Environmental organization
  4. Space research organization
ব্যাখ্যা

SPARRSO:
- SPARRSO এর পূর্ণরূপ: Space Research and Remote Sensing Organization বা বাংলাদেশ মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠান। 

⇒ বাংলাদেশ  মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠান (স্পারসো) প্রযুক্তি ভিত্তিক বহুমাত্রিক গবেষণা ও প্রয়োগ বিষয়ে একটি সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠান।
- প্রতিষ্ঠানটির ম্যান্ডেট হচ্ছে- কৃষি, বন, মৎস্য, ভূতত্ত্ব, মানচিত্র অংকন, পানি সম্পদ, ভূমি ব্যবহার, আবহাওয়া, পরিবেশ, ভূগোল, সমুদ্র বিজ্ঞান, শিক্ষা এবং জ্ঞান ও বিজ্ঞানের অন্যান্য ক্ষেত্রে মহাকাশ ও দূর অনুধাবন প্রযুক্তিকে শান্তিপূর্ণভাবে ব্যবহার করা এবং উক্ত প্রযুক্তির উন্নয়ন ও ব্যবহারিক প্রয়োগের জন্য গবেষণা কাজ পরিচালনা করা।

⇒ ১৯৬৮ সালে পরমাণু শক্তি কমিশনে অটোমেটিক পিকচার ট্রান্সমিশন (APT) গ্রাউন্ড স্টেশন স্থাপিত হয়। ১৯৭২ সালে যুক্তরাষ্ট্র কর্তৃক প্রথম Earth Resources Technology Satellite (ERTS) উৎক্ষেপণের পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশে মহাকাশ প্রযুক্তি গবেষণার লক্ষ্যে ERTS প্রোগ্রাম এবং মহাকাশ ও বায়ুমন্ডল গবেষণা কেন্দ্র (SARC) চালু করা হয়। পরবর্তীতে ERTS ও SARC থেকে পর্যায়ক্রমে ১৯৮০ সালে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিভাগের অধীন স্পারসো প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৯৮৫ সালে প্রতিষ্ঠানটি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন স্থানান্তর করা হয়। ১৯৯১ সালে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের ২৯ নম্বর আইন দ্বারা স্পারসোকে সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠানে রূপান্তর করা হয়। ১৯৯৫ সালে গেজেট বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে দেশে ও বিদেশে মহাকাশ সংক্রান্ত কার্যক্রমের জন্য স্পারসোকে “ন্যাশনাল ফোকাল পয়েন্ট” নির্ধারণ করা হয়।

⇒ স্পারসোর নীতি নির্ধারণ ও পরিচালনার জন্য সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতাবান হলো স্পারসো বোর্ড। সরকার কর্তৃক নিয়োগকৃত ১ জন চেয়ারম্যান ও ৪ জন সদস্য সমন্বয়ে বোর্ড গঠিত। ১৬ টি কারিগরি বিভাগ ও ৫ টি সহায়ক শাখা এবং সাভারে অবস্থিত ১ টি আঞ্চলিক দূর অনুধাবন কেন্দ্রের (RRSC) সমন্বয়ে স্পারসোর কার্যক্রম পরিচালিত হয়।

⇒ ভিশন:
- মহাকাশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জ্ঞান অর্জন এবং শান্তিপূর্ণ ব্যবহারের মাধ্যমে জনগণের জীবনমান উন্নয়ন তথা জাতীয় উন্নয়নে অবদান রাখা।

উৎস: বাংলাদেশ মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠান (স্পারসো) ওয়েবসাইট।

৪৩.
The Bangladesh government first awarded the titles for freedom fighters through a gazette notification on -
  1. 1972
  2. 1973
  3. 1975
  4. 1976
ব্যাখ্যা

খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা:
- ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় মুক্তিবাহিনীর সদস্যদের বীরত্ব ও সাহসিকতাপূর্ণ কাজের স্বীকৃতিদান এবং তাদের মধ্যে আত্মত্যাগের প্রেরণা সৃষ্টির লক্ষে বীরত্বসূচক খেতাব প্রদান করা হয়। এই প্রস্তাব উপস্থাপন করেন মুক্তিযুদ্ধের প্রধান সেনাপতি এম এ জি ওসমানী।
- ১৯৭২ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি ৪৩ জন মুক্তিযোদ্ধাকে বীরত্বসূচক খেতাবের জন্য নির্বাচন করা হয়।
- ১৯৭৩ সালের ২৬ মার্চ পূর্বের ৪৩ জনসহ মোট ৫৪৬ জন মুক্তিযোদ্ধা খেতাবের জন্য নির্বাচিত হন।
- ১৯৭৩ সালের ১৪ ডিসেম্বর প্রতিরক্ষা মন্ত্রী হিসেবে প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান খেতাব তালিকায় স্বাক্ষর করেন।
- ১৫ ডিসেম্বর, ১৯৭৩ সালে সরকারি গেজেট নোটিফিকেশনের মাধ্যমে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার মুক্তিযোদ্ধাদের খেতাব প্রদান করেন।

⇒ মুক্তিযুদ্ধের খেতাব ৪ পর্বে বিভক্ত।
- মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বসূচক অবদানের জন্য ৬৭৬ জনকে খেতাব প্রদান করা হয়। যথা:
• বীরশ্রেষ্ঠ ৭ জন,
• বীর উত্তম ৬৮ জন,
• বীর বিক্রম ১৭৫ জন এবং
• বীর প্রতীক ৪২৬ জন।


উৎস: i) মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
ii) বাংলাপিডিয়া।

৪৪.
Who successfully expelled the Magh (Arakanese) and Portuguese pirates from Chittagong?
  1. Murshid Quli Khan
  2. Mir Jumla
  3. Mir Kashem
  4. Shaista Khan
ব্যাখ্যা

শায়েস্তা খান:
- ইরানি বংশোদ্ভূত শায়েস্তা খান মোগল আমলে বাংলার একজন বিখ্যাত সুবাদার ছিলেন।
- তাঁর প্রকৃত নাম ছিল আবু তালিব।
- মুঘল সম্রাট জাহাঙ্গীর তাঁকে শায়েস্তা খান নাম দেন।
- শায়েস্তা খান সম্রাট আওরঙ্গজেবের মামা ছিলেন।
- ১৬৬৩ সালে বাংলার সুবাদার মীর জুমলার মৃত্যু হলে ১৬৬৪ সালে আওরঙ্গজেব তাঁকে বাংলার সুবাদার হিসেবে নিযুক্ত করেন।
- শায়েস্তা খান ৬৩ বছর বয়সে প্রথম বাংলায় আসেন।
- শায়েস্তা খান দুই দফায় সর্বমোট ২২ বছর বাংলা শাসন করেন।

⇒ শায়েস্তা খানের বিজয়াভিযানের মধ্যে চট্টগ্রাম বিজয় উল্লেখযোগ্য। তাঁর শাসনামলে তিনি কুচবিহার বিদ্রোহ দমন করেন, চট্টগ্রাম জয় ও মগ দস্যুদের বিতাড়িত করেন (১৬৬৬ সালে)। 
- ১৪৫৯ সালে আরকান রাজ চট্টগ্রামকে বাংলার সুলতানদের নিকট থেকে দখল করে নিয়েছিলেন। চট্টগ্রাম পুনর্দখলের উদ্দেশ্য শায়েস্তা খান সেনাবাহিনী প্রেরণ করেছিলেন। তাঁর সেনাবাহিনী সন্দ্বীপ দখল করে চট্টগ্রামের দিকে মনোনিবেশ করেন। এ সময় চট্টগ্রামের মগ-রাজা ও স্থানীয় পর্তুগিজদের মধ্যে বিবাদ বাঁধে। চট্টগ্রামের ফিরিঙ্গীরা তখন নোয়াখালিতে এসে আশ্রয় নেয়। শায়েস্তা খান ফিরিঙ্গী নেতাকে নিজ দলভুক্ত করেন। ১৬৬৫ সালের ডিসেম্বর মাসে ফিরিঙ্গীদের ৪০টি রণতরী সহ ইবনে হুসাইনের নেতৃত্বে বিশাল নৌবাহিনীসহ চট্টগ্রামে আক্রমণ করে। সম্মিলিত বাহিনীর মুকাবিলায় আরাকান বাহিনী পরাজিত হয়। ১৬১৬ খ্রিস্টাব্দের ২৬ জানুয়ারি বুজুর্গ উমেদ খান বিজয়ীর বেশে চট্টগ্রামে প্রবেশ করেন। দীর্ঘদিন এ দেশে থাকবার পর তিনি দিল্লিতে ফিরে যাবার জন্য সম্রাটের অনুমতি প্রার্থনা করেন। সম্রাট আওরঙ্গজেব তাঁর প্রার্থনা মঞ্জুর করলে তিনি দিল্লিতে ফিরে যান।

এছাড়াও, 
- তাঁর শাসনামলে টাকায় আট মণ চাল পাওয়া যেত।
- তিনি লালবাগ কেল্লা, শায়েস্তা খান মসজিদ, ছোট কাটরা, সাত গম্বুজ মসজিদ প্রভৃতি নির্মাণ করেন।
- ১৬৯৪ সালে তিনি ৯৪ বছর বয়সে মারা যান।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) ইতিহাস, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪৫.
What is the population of the country according to the 6th Population and Housing Census, 2022?
  1. 16,28,28,911 
  2. 16,74,28,911 
  3. 16,89,28,911 
  4. 16,98,28,911 
ব্যাখ্যা

জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) জনশুমারি পরিচালনা করে।
- ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুষ্ঠিত হয়: ১৫-২১ জুন ২০২২।
- এটি দেশের প্রথম ডিজিটাল শুমারি। 
- চুড়ান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ: ৯ এপ্রিল, ২০২৩।
- গণনা পদ্ধতি: Modified Defacto। 
- মোট জনসংখ্যা: ১৬,৯৮,২৮,৯১১ জন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.১২%। 
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১,১১৯ জন।  
- সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব): ৭৪.৮০%।
- পুরুষ: ৭৬.৭১%।
- নারী: ৭২.৯৪%।

উৎস: জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ চূড়ান্ত রিপোর্ট।

৪৬.
Who introduced the permanent settlement in India?
  1. Lord Clive
  2. Lord Dalhousie
  3. Lord Cornwallis
  4. Warren Hastings
ব্যাখ্যা

চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত (permanent settlement):
- ১৭৯৩ সালে লর্ড কর্নওয়ালিস চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত ব্যবস্থা চালু করেন।
- চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত প্রশাসন কর্তৃক ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি সরকার ও বাংলার ভূমি মালিকদের (সকল শ্রেণির জমিদার ও স্বতন্ত্র তালুকদারদের) মধ্যে সম্পাদিত একটি স্থায়ী চুক্তি।
- এ চুক্তির আওতায় জমিদার উপনিবেশিক রাষ্ট্রব্যবস্থায় ভূ-সম্পত্তির নিরঙ্কুশ স্বত্বাধিকারী হন।
- জমির স্বত্বাধিকারী হওয়া ছাড়াও জমিদারগণ স্বত্বাধিকারের সুবিধার সাথে চিরস্থায়ীভাবে অপরিবর্তনীয় এক নির্ধারিত হারের রাজস্বে জমিদারিস্বত্ব লাভ করেন। 

⇒ “একশালা” ও “পাঁচশালা”  বাস্তবায়নে ব্যর্থ হয়ে লর্ড কর্নওয়ালিসের (১৭৩৮-১৮০৫) প্রস্তাবনা মেনে নিয়ে ১৭৯৩ সালে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি ব্রিটিশ ভারতে চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত চালু করেন।
- এটি মূলত ভূমি রাজস্ব আদায়ের একটি মাধ্যম।
- এর মাধ্যমে জমিদারদেরকে জমির মালিক এবং কৃষকদেরকে তাদের প্রজা রূপে রূপায়িত করা হয়। 

উল্লেখ্য,
- ইস্ট-ইন্ডিয়া কোম্পানির গভর্নর জেনারেল ওয়ারেন হেস্টিংস ‘পাঁচসালা বন্দোবস্ত এবং ‘একসালা বন্দোবস্ত' প্রবর্তন করেন।
- কিন্তু এ দুটি বন্দোবস্ত রাজস্ব আদায়ের ক্ষেত্রে ফলপ্রসূ হয়নি।
- এমতাবস্থায় গভর্নর জেনারেল লর্ড কর্নওয়ালিশ নানা বিচার-বিশ্লেষণ করে ১৭৯৩ সালে ভূমি ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে এক নতুন প্রথার প্রবর্তন করেন। ইতিহাসে এটি ‘চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত' নামে পরিচিত।
- এর মাধ্যমে ইংরেজরা এদেশে তাদের আর্থ-সামাজিক ও রাজনৈতিক ক্ষমতার ভিত্তি প্রতিষ্ঠিত করতে চেয়েছিলেন।
- এক্ষেত্রে তারা অনেক সফলতা লাভ করলেও এ ব্যবস্থার ফলে সাধারণ কৃষক এমনকি অনেক সম্ভ্রান্ত বনেদি জমিদার সর্বশান্ত হয়ে পড়ে।
- অন্যদিকে নগদ টাকার মালিক ও পুঁজিপতি মহাজনরা রাতারাতি জমিদারে পরিণত হয়।
- নব সৃষ্ট এ জমিদার শ্রেণী ইংরেজ শাসনের জন্য একটি সামাজিক ও রাজনৈতিক ভিত্তি স্থাপনে সহায়ক শক্তির ভূমিকা পালন করে।
- ১৯৫০ সালে এ ব্যবস্থা উচ্ছেদ করা হয় ।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) ইতিহাস, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।