পরীক্ষা আর্কাইভ

GKPedia - বাংলাদেশ বিষয়াবলি

পরীক্ষাGKPedia - বাংলাদেশ বিষয়াবলিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়07 minutes
মোট প্রশ্ন২০
সিলেবাস
পরীক্ষা – ১০ টপিক: বাংলাদেশ বিষয়াবলী: শিল্প ও বাণিজ্য শিল্প খাতের অন্তর্ভুক্ত অধিদপ্তরসমূহ ও সংস্থা/কর্পোরেশন রাজস্বনীতি ও ব্যবস্থাপনা , বাংলাদেশের বিভিন্ন শিল্প [পোশাক, চামড়া, কাগজ, পাট, সার, চিনি প্রভৃতি] খনিজ সম্পদ ও যোগাযোগ ব্যবস্থা (সড়ক, রেল, স্থল) [Live Class - 15 & 16 মেন্টর: জন রানা]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

GKPedia - বাংলাদেশ বিষয়াবলি

GKPedia - বাংলাদেশ বিষয়াবলি · তারিখ অনির্ধারিত · ২০ প্রশ্ন

.
BSFIC-এর পূর্ণরূপ কোনটি?
  1. Bangladesh Sugar and Food Institute Corporation
  2. Bangladesh Salt and Food Industry Corporation
  3. Bangladesh Sugar and Food Industries Corporation
  4. Bangladesh Standard Food and Industry Commission
ব্যাখ্যা

• BSFIC:
- BSFIC বা বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প করপোরেশন হলো শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি স্বায়ত্তশাসিত সরকারি প্রতিষ্ঠান।
- এটি চিনি উৎপাদনসহ বিভিন্ন খাদ্যশিল্পের কার্যক্রম পরিচালনা করে।
- ১৯৭৬ সালের ১ জুলাই এটি বাংলাদেশ সুগার অ্যান্ড ফুড ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশন নামে প্রতিষ্ঠিত হয়। 
- BSFIC-এর পূর্ণরূপ: Bangladesh Sugar and Food Industries Corporation.
∗ কর্পোরেশনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য:
- আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহারে উচ্চ ফলনশীল আখ চাষ এবং চিনিকলে আখ সরবরাহ নিশ্চিত করা।
- উৎপাদিত পণ্যের বিপণন, বাজার সম্প্রসারণ এবং ব্যয় হ্রাসের মাধ্যমে আর্থিক অবস্থার উন্নয়ন করা।

উৎস: বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প করপোরেশন। 

.
কর্ণফুলী পেপার মিলস লিমিটেড-এর প্রধান কাঁচামাল কী? 
  1. পাট
  2. কাঠের টুকরা
  3. বাঁশ
  4. আখ
ব্যাখ্যা

• কর্ণফুলী পেপার মিলস লিমিটেড:
- কর্ণফুলী পেপার মিলস লিমিটেড (KPM) চট্টগ্রামের চন্দ্রঘোনায় কর্ণফুলী নদীর তীরে অবস্থিত।
- এটি একটি রাষ্ট্রায়ত্ত কাগজ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান।
- এটি বাংলাদেশের বৃহৎ কাগজ উৎপাদনকারী কারখানা হিসেবে পরিচিত।
- মিলটির প্রধান কাঁচামাল হচ্ছে বাঁশ। 
- ১৯৫৩ সালে পাকিস্তান শিল্প উন্নয়ন সংস্থা (PIDC) এ মিলটি প্রতিষ্ঠা করে।
- বর্তমানে এটি বাংলাদেশ রাসায়নিক শিল্প কর্পোরেশন (BCIC) কর্তৃক পরিচালিত হয়। 

উৎস: কর্ণফুলী পেপার মিলস্ লিমিটেড, চন্দ্রঘোনা, কাপ্তাই, রাঙ্গামাটি।

.
বাংলাদেশ ফার্টিলাইজারস অ্যান্ড এগ্রো কেমিক্যালস লিমিটেড কোন সংস্থার অধীনে পরিচালিত হয়? 
  1. Bangladesh Power Development Board 
  2. Bangladesh Textile Mills Corporation
  3. Bangladesh Sugar and Food Industries Corporation 
  4. Bangladesh Chemical Industries Corporation
ব্যাখ্যা

• Bangladesh Fertilizers & Agro Chemicals Ltd.:
- বাংলাদেশ ফার্টিলাইজারস অ্যান্ড এগ্রো কেমিক্যালস লিমিটেড হলো বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন (বিসিআইসি)-এর একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান।
- বাংলাদেশ ফার্টিলাইজার অ্যান্ড এগ্রো কেমিক্যালস লিমিটেড (BFACL) প্রতিষ্ঠিত হয় ১ জুলাই ১৯৭৬ সালে।
- এটি গঠিত হয় বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন (BCIC) তৈরির সময়, যখন দেশের বিভিন্ন সার কারখানাকে একত্র করা হয়।

- এর প্রধান কাজ হলো:
• ইউরিয়া সারসহ বিভিন্ন রাসায়নিক সার ও কৃষি-রাসায়নিক পণ্য উৎপাদন ও বিতরণ করা;
• যা দেশের খাদ্য নিরাপত্তা এবং কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
- এটি বিসিআইসির অধীনে একাধিক কারখানার দায়িত্ব পালন করে, যেমন :
• ঘোড়াশাল ও পলাশ ইউরিয়া সার কারখানা।
• চট্টগ্রাম ইউরিয়া ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরি লিমিটেড।

উৎস: বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন।

.
আশুগঞ্জ ফার্টিলাইজার অ্যান্ড কেমিক্যাল কোম্পানি লিমিটেড প্রধানত কোন ধরনের সার উৎপাদন করে?  
  1. MOP সার
  2. DAP সার
  3. SSP সার
  4. ইউরিয়া সার
ব্যাখ্যা

• আশুগঞ্জ ফার্টিলাইজার অ্যান্ড কেমিক্যাল কোম্পানি লিমিটেড:
- আশুগঞ্জ ফার্টিলাইজার অ্যান্ড কেমিক্যাল কোম্পানি লিমিটেড(AFCLL) ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার আশুগঞ্জে অবস্থিত।
- এই কারখানাটি বিসিআইসি-এর অধীনস্ত একটি প্রতিষ্ঠান।
- আশুগঞ্জ সার কারখানাটি ১৯৮১ সালে পরীক্ষামূলক উৎপাদন শুরু করে এবং
- ১৯৮৩ সালের ১ জুলাই বাণিজ্যিকভাবে কার্যক্রমে প্রবেশ করে।
- কারখানাটি মূলত ইউরিয়া সার উৎপাদন ও সরবরাহ করে।

উৎস: বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন।

.
ডিএপি ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু করে কোন সালে? 
  1. ২০০৬
  2. ২০১২
  3. ২০০৮
  4. ২০০২
ব্যাখ্যা

• ডিএপি ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (DAPFCL):
- DAPFCL বাংলাদেশে চট্টগ্রামের রাউজানে অবস্থিত।
- এর প্রধান কাজ হলো:
• ডায়ামোনিয়াম ফসফেট (DAP) সার উৎপাদন ও সরবরাহ করা;
- যা ফসলের শিকড় গঠন, বৃদ্ধি এবং সার্বিক উন্নয়নে সহায়ক।
DAPFCL আনুষ্ঠানিকভাবে ২০০৬ সালে দুটি কারখানায় বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু করে।
- ডিএপি-১ কারখানা ২০০৬ এর আগস্ট এ উৎপাদন শুরু করে।
- ডিএপি-২ কারখানা ২০০৬ এর সেপ্টেম্বরে উৎপাদন শুরু করে।

উৎস: ডিএপি ফার্টিলাইজার কোম্পানী লিমিটেড অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

.
কেরু এন্ড কোম্পানি বাংলাদেশ লিমিটেড বাংলাদেশের কোন জেলায় অবস্থিত? 
  1. খুলনা
  2. রংপুর
  3. চুয়াডাঙ্গা
  4. চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা

• কেরু এন্ড কোম্পানি বাংলাদেশ লিমিটেড:
- কেরু অ্যান্ড কোম্পানি (বাংলাদেশ) লিমিটেড হলো দেশের বৃহত্তম চিনিকল।
- আয়তন ও উৎপাদন ক্ষমতার দিক থেকে এটি এশিয়ার বৃহত্তম চিনিকল হিসেবেও পরিচিত।
- বাংলাদেশে এটি ১৯৩৮ সালে বাংলাদেশের চুয়াডাঙ্গা জেলার দর্শনায় প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটি একটি বৃহৎ শিল্প কমপ্লেক্স, যা চিনি কারখানা, ডিস্টিলারি, বাণিজ্যিক খামার এবং জৈব সারকারখানা নিয়ে গঠিত। 
- এই প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প কর্পোরেশন এর মালিকানাধীন।

উৎস: বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প করপোরেশন। 

.
বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো মূল্য সংযোজন কর (VAT) প্রবর্তিত হয় কবে? 
  1. ১৯৭৩
  2. ১৯৮৬
  3. ১৯৯৬
  4. ১৯৯১
ব্যাখ্যা

• মূল্য সংযোজন কর:
- মূল্য সংযোজন কর বা VAT হলো একটি আধুনিক পরোক্ষ কর।
- এটি যেকোনো ব্যবসায়ের মাধ্যমে সৃষ্ট মূল্য সংযোজনের ওপর আরোপিত হয়।
- দেশীয় পণ্য উৎপাদন ও বিক্রয়ের ক্ষেত্রে এই কর প্রযোজ্য।
- বিদেশী পণ্য আমদানি এবং রপ্তানির ক্ষেত্রে VAT আরোপিত হয়।
- দেশীয় সেবা বা পরিষেবা উৎপাদন ও বিক্রয়ের ক্ষেত্রেও এটি প্রযোজ্য।
- করটি উৎপাদন থেকে খুচরা বিক্রয় পর্যন্ত বিভিন্ন স্তরে আদায় করা হলেও এর চূড়ান্ত দায়ভার পণ্য বা সেবার ভোক্তা বহন করে। 
- বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো VAT ব্যবস্থা প্রবর্তিত হয় ১৯৯১ সালের ১ জুলাই।
- এই পরোক্ষ করটি সরকারের সর্বোচ্চ রাজস্ব আয়ের উৎস।

উৎস:
1. National Board of Revenue (NBR) Official Website;
2. বাংলাপিডিয়া।

.
ন্যাশনাল প্রোডাকটিভিটি অর্গানাইজেশন বাংলাদেশের কোন মন্ত্রণালয়ের অধীনে পরিচালিত হয়?
  1. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়
  2. শিল্প মন্ত্রণালয়
  3. বাণিজ্য মন্ত্রণালয়
  4. কৃষি মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যা

• ন্যাশনাল প্রোডাকটিভিটি অর্গানাইজেশন:
- ন্যাশনাল প্রোডাকটিভিটি অর্গানাইজেশন বা NPO হলো শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনস্ত একটি সরকারি সংস্থা।
- NPO এর পূর্ণরূপ: National Productivity Organization.
- এই সংস্থাটি দেশের কৃষি, শিল্প এবং সেবা খাতে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি করতে কাজ করে।
- এটি ১৯৮৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।

উল্লেখ্য,
- এই সংস্থার মূল কাজ হলো:
• উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি, 
• সচেতনতা সৃষ্টি, 
• অবকাঠামো উন্নয়ন এবং
• উৎপাদনশীলতা-বিষয়ক সরকারি নীতি বাস্তবায়নে সহায়তা করা।

উৎস: ন্যাশনাল প্রোডাকটিভিটি অর্গানাইজেশন অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

.
পণ্যের গুণগত মান নিয়ন্ত্রণ করা কোন সংস্থার কাজ?
  1. Bangladesh Standards and Testing Institution 
  2. National Productivity Organization
  3. Bangladesh Sugar and Food Industries Corporation
  4. Bangladesh Fertilizers & Agro Chemicals Ltd. 
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস এন্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (BSTI):
- বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস এন্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন হলো শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনে একটি স্বায়ত্তশাসিত সরকারি সংস্থা।
- BSTI এর পূর্ণরূপ: Bangladesh Standards and Testing Institution.
- এটি ১৯৮৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর সদর দপ্তর ঢাকার তেজগাঁও এলাকায় অবস্থিত।
- BSTI এর কাজ হচ্ছে:
পণ্যের গুণগত মান নিয়ন্ত্রণ করা;
• সেবা ও পণ্যের মান নিশ্চিতকরণ এবং
• ওজন ও পরিমাপের একক নির্ধারণ করা। 

উৎস: বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস এন্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন অফিসিয়াল ওয়েবসাইট। 

১০.
ভ্যাট (VAT) প্রথম কোন দেশে চালু হয়েছিল? 
  1. ফ্রান্স
  2. জার্মানি
  3. আর্জেন্টিনা
  4. জাপান
ব্যাখ্যা

• মূল্য সংযোজন কর:
- মূল্য সংযোজন কর (Value Added Tax) সংক্ষেপে ভ্যাট (VAT) নামে পরিচিত।
- এতে ব্যবসায়ীরা নিট অংশটুকু কর কর্তৃপক্ষের নিকট প্রদান করে।
- বর্তমানে ভ্যাট হলো বাংলাদেশ সরকারের সবচেয়ে বড় রাজস্ব উৎস।
- ভ্যাট (Value Added Tax বা VAT) প্রথম চালু হয়েছিল ফ্রান্সে। এটি ১৯৫৪ সালে ফ্রান্সে প্রবর্তিত হয়।আধুনিক ভ্যাট সিস্টেমের উদ্ভাবক ফরাসি কর কর্মকর্তা মরিস লরে (Maurice Lauré)।
উল্লেখ্য, VAT ধারণাটি প্রথম প্রস্তাব করেন জার্মান শিল্পপতি উইলহেল্ম ফন সিমেন্স ১৯১৮ সালে।
- বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো VAT ব্যবস্থা প্রবর্তিত হয় ১৯৯১ সালের ১ জুলাই। 

উৎস: National Board of Revenue (NBR) Official Website.

১১.
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ সার কারখানা কোনটি? [ডিসেম্বর, ২০২৫]
  1. পলাশ সার কারখানা
  2. ঘোড়াশাল পলাশ ইউরিয়া সার কারখানা
  3. ফেঞ্চুগঞ্জ সার কারখানা
  4. শাহজালাল সার কারখানা
ব্যাখ্যা

∗ ঘোড়াশাল পলাশ ইউরিয়া সার কারখানা:
• ঘোড়াশাল পলাশ ইউরিয়া ফার্টিলাইজার পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি নরসিংদীর পলাশ উপজেলায় অবস্থিত।
• এটি পূর্বের ঘোড়াশাল এবং পলাশ কারখানাকে একত্রিত করে ২০২১ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
• কারখানাটি ২০২৩ সালের নভেম্বর মাসে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উদ্বোধন করেন।
এটি বাংলাদেশের বৃহত্তম এবং দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম বৃহত্তম ইউরিয়া সার উৎপাদন কেন্দ্র।
• কারখানার মূল লক্ষ্য হলো:
- দেশের ইউরিয়া সারের চাহিদা পূরণ করা এবং
- আমদানি নির্ভরতা হ্রাস করা।  

উল্লেখ্য,
- ফেঞ্চুগঞ্জ সার কারখানা সিলেট জেলার ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলায় অবস্থিত।
- এটি এশিয়ার প্রথম সার কারখানা হিসেবে পরিচিত।
- মূলত এর মুলনাম ছিল ন্যাচারাল গ্যাস ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরি লিমিটেড (NGFFL)।
- এটি ১৯৬১ সালে স্থাপিত হয় এবং ২০১২ সালে বন্ধ হয়ে যায়।
- বর্তমানে এটি শাহজালাল ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (SFCL) নামে পরিচিত।
- নতুন কারখানাটি আধুনিক, শক্তি সাশ্রয়ী এবং পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তিতে পরিচালিত। 
- শাহজালাল সার কারখানা বিসিআইসি-এর অধীনে পরিচালিত হয় এবং এটি বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ ইউরিয়া সার উৎপাদন কেন্দ্র।     

উৎস:
১. জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, সিলেট ওয়েবসাইট;
২. SFCL Official Website.

১২.
পরিবেশবান্ধব চামড়া শিল্পনগরী কোথায় অবস্থিত?
  1. সাভার
  2. গাজীপুর
  3. নারায়ণগঞ্জ
  4. টাঙ্গাইল
ব্যাখ্যা

• চামড়া শিল্পনগরী:
- পরিবেশবান্ধব পরিকল্পিত চামড়া শিল্পনগরী সাভারের হেমায়েতপুরে অবস্থিত।
- ঢাকার চামড়া শিল্পনগরীকে পরিবেশবান্ধব করার উদ্দেশ্যে এটি প্রতিষ্ঠিত হলেও, বাস্তবে এটি এখনও পরিবেশগত চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন।
- সেন্ট্রাল এফ্লুয়েন্ট ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট (সিইটিপি) সম্পূর্ণ কার্যকর না হওয়ায়, বর্জ্য পরিশোধন না করে সরাসরি ধলেশ্বরী নদীতে ফেলা হচ্ছে, যা পরিবেশ দূষণের একটি বড় কারণ।

উল্লেখ্য,
- উদ্যোক্তারা দীর্ঘদিন ধরে বিসিকের গড়িমসি ও অদক্ষতার অভিযোগ করে আসছেন। 
- এসব কারণে সরকার শিল্পনগরীটি বিসিকের কাছ থেকে নিয়ে বেপজার হাতে হস্তান্তর করার পরিকল্পনা করেছে—যাতে সমন্বয়হীনতা কমে, পরিবেশ ব্যবস্থাপনা উন্নত হয় এবং রপ্তানিযোগ্য প্রতিযোগিতা বাড়ে।

উৎস: প্রথম আলো।

১৩.
বাংলাদেশ থেকে প্রথম তৈরি পোশাক রপ্তানি করে কোন গার্মেন্টস প্রতিষ্ঠান?
  1. দেশ গার্মেন্টস
  2. রিয়াজ গার্মেন্টস
  3. আজিম গ্রুপ
  4. বেক্সিমকো টেক্সটাইলস
ব্যাখ্যা

• রিয়াজ গার্মেন্টস:
- রিয়াজ গার্মেন্টস স্বাধীনতার পর ১৯৭৩ সালে ‘মেসার্স রিয়াজ গার্মেন্টস লিমিটেড’ নামে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটি ছিল দেশের প্রথম রপ্তানিমুখী তৈরি পোশাক কারখানা।
- প্রতিষ্ঠার কয়েক বছরের মধ্যে প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম আরও বিস্তৃত হয়।
- ১৯৭৮ সালে তারা প্যারিসভিত্তিক এক ফার্মের কাছে ১০ হাজার পিস ছেলেদের শার্ট রপ্তানি করে।
 
উল্লেখ্য,
- এই রপ্তানির মোট মূল্য ছিল ১৩ মিলিয়ন ফ্রাংক, যা তখনকার বাংলাদেশী টাকায় প্রায় ৪ লাখ ২৭ হাজার টাকার সমান।
- এই রপ্তানিটিই স্বাধীন বাংলাদেশ থেকে তৈরি পোশাকের প্রথম বাণিজ্যিক রপ্তানি হিসেবে ইতিহাসে স্থান করে নেয়।

উৎস: The Business Standard. 

১৪.
টেক্সটাইল শিল্পে Blue Sign মূলত কোন বিষয়ের মানদণ্ড নির্ধারণ করে?
  1. পরিবেশ ও রাসায়নিক নিরাপত্তা 
  2. রপ্তানির পরিমাণ
  3. শ্রমিকের বেতন
  4. উৎপাদনগত গতি
ব্যাখ্যা

• Blue Sign:
- Blue Sign হলো পোশাক ও টেক্সটাইল শিল্পে ব্যবহৃত একটি আন্তর্জাতিক পরিবেশবান্ধব সার্টিফিকেশন।
- এটি পুরো উৎপাদন প্রক্রিয়াকে নিরাপদ, টেকসই এবং মানবিক মানদণ্ডে পরিচালিত হচ্ছে কি না তা নিশ্চিত করে।
- Blue Sign শুধুমাত্র পণ্যের মান নয় - এর উৎপাদনের প্রতিটি ধাপ ও পর্যবেক্ষণ করে।
- যেমন:
রাসায়নিক ব্যবহার,
• পরিবেশগত প্রভাব
• পানি ও শক্তি সাশ্রয়, 
• বর্জ্য ব্যবস্থাপনা - সবই কঠোরভাবে পর্যবেক্ষণ করে।

উল্লেখ্য,
- যে পণ্যগুলো Blue Sign স্ট্যান্ডার্ড অনুসরণ করে, সেগুলোর ওপর “Blue Sign Approved” বা “Blue Sign PRODUCT” লেবেল দেওয়া হয়।
- এই সার্টিফিকেশন ক্ষতিকর রাসায়নিক পরিহারে সাহায্য করে, পরিবেশ দূষণ কমায় এবং কর্মী ও ভোক্তা—দু’পক্ষের জন্যই নিরাপদ পরিবেশ তৈরি করে।

উৎস: Blue Sign Official Website.

১৫.
আদমজী পাটকল কত সালে বন্ধ হয়ে যায়?
  1. ৩০ জুন, ২০০০
  2. ৩০ জুন, ২০০৫
  3. ৩০ জুন, ২০০২
  4. ৩০ জুন, ২০১১ 
ব্যাখ্যা

∗ আদমজী পাটকল:
• আদমজী পাটকল একসময় এশিয়ার সবচেয়ে বড় পাটকল ছিল।
• কিন্তু দীর্ঘদিনের লোকসান, দুর্বল ব্যবস্থাপনা, শ্রমিক অসন্তোষ এবং বিশ্ববাজারে প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়ার কারণে মিলটি ধীরে ধীরে অচল হয়ে পড়ে। 
• জাতীয়করণের পর এর মুনাফা কমে যায়।
• দুর্নীতি ও রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে শ্রমিকদের বারবার আন্দোলন উৎপাদনকে বাধাগ্রস্ত করে। 
• শেষ পর্যন্ত এসব সমস্যার কারণে সরকার ৩০ জুন ২০০২ সালে আদমজী পাটকল বন্ধ করে দিতে বাধ্য হয়।

উল্লেখ্য, 
• বাংলাদেশ পাটকল করপোরেশন -১৯৭২ সালে রাষ্ট্রপতির আদেশে ৭৮টি রাষ্ট্রায়ত্ত জুট মিল পরিচালনার জন্য প্রতিষ্ঠিত হয়, যা পরে ৪টি মিল যুক্ত হয়ে ৮২-এ পৌঁছে।
• বিরাষ্ট্রীয়করণ ও হস্তান্তর প্রক্রিয়ায় বিভিন্ন সময়ে মিল সংখ্যা কমতে কমতে বর্তমানে মোট মিল দাঁড়িয়েছে ৩১টি।
- বিজেএমসি’র লক্ষ্য:
• পাটখাতের উন্নয়ন,
• মিল আধুনিকায়ন, বিনিয়োগ আকর্ষণ,
• দক্ষ জনবল তৈরি এবং
• সম্পদের সঠিক ব্যবহার।
- চ্যালেঞ্জগুলোর মধ্যে রয়েছে :
• বন্ধ মিল চালু করা,
• শ্রমিকদের পাওনা পরিশোধ,
• আধুনিক প্রযুক্তি প্রয়োগ ও বিনিয়োগ নিশ্চিত করা।

উৎস: বস্ত্র ও পাট মন্ত্রনালয় অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

১৬.
নিচের কোনটি সামুদ্রিক গ্যাসক্ষেত্র? 
  1. তিতাস
  2. কুতুবদিয়া
  3. সিলেট 
  4. হবিগঞ্জ
ব্যাখ্যা

• সামুদ্রিক গ্যাসক্ষেত্র:
- বাংলাদেশের বঙ্গোপসাগরে দুটি গ্যাসক্ষেত্র রয়েছে: সাঙ্গু এবং কুতুবদিয়া।

∗ কুতুবদিয়া গ্যাসক্ষেত্র:
• অবস্থান: কক্সবাজারের উপকূলে, বঙ্গোপসাগরে।
• আনুমানিক মজুদ: প্রায় ৭৮০ বিলিয়ন ঘনফুট (বিসিএফ)।
• বর্তমান অবস্থা: এটি একটি ক্ষুদ্রাকৃতির গ্যাসক্ষেত্র এবং বাপেক্স (বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানি লিমিটেড)-এর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

উল্লেখ্য,
∗ সাঙ্গু গ্যাসক্ষেত্র:
• অবস্থান: ১৬ নং ব্লকে, চট্টগ্রামের সলিমপুরের কাছে।
• আবিষ্কার: ১৯৯৬ সালে।
• বর্তমান অবস্থা: গ্যাস সরবরাহ বন্ধ হওয়ায় পরিত্যক্ত।

উৎস:
১. প্রথম আলো;
২. Britannica.

১৭.
বাংলাদেশের প্রথম কয়লা নির্ভর বিদ্যুৎ কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?
  1. সাভার
  2. কাপ্তাই
  3. বড়পুকুরিয়া
  4. সীতাকুন্ড
ব্যাখ্যা

• বড়পুকুরিয়া:
- বাংলাদেশের প্রথম কয়লা নির্ভর বিদ্যুৎ কেন্দ্র হলো বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র।
- এটি দিনাজপুর জেলার পার্বতীপুর উপজেলায় অবস্থিত। 
- এটি ২০০৬ সালে গড়ে ওঠে।
- এর মোট উৎপাদন ক্ষমতা ৫২৫ মেগাওয়াট, যা তিনটি ইউনিটের মাধ্যমে উৎপাদিত হয়।
- বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি ১৯৮৫ সালে আবিষ্কৃত হয় এবং
- এটি বাংলাদেশের একমাত্র বাস্তবায়িত কয়লা খনি।
- বড়পুকুরিয়া কয়লাখনিতে হিরক ও সোনার সন্ধান পাওয়া গেছে।

উৎস: প্রথম আলো।

১৮.
বাংলাদেশ সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে বার্ষিক আর্থিক বিবৃতি (বাজেট) উল্লেখ আছে?
  1. অনুচ্ছেদ ৭৫
  2. অনুচ্ছেদ ৮৫
  3. অনুচ্ছেদ ১০৫
  4. অনুচ্ছেদ ৮৭
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ সংবিধান ও বার্ষিক আর্থিক বিবৃতি (বাজেট):
- সংবিধানের পঞ্চম ভাগের দ্বিতীয় পরিচ্ছেদের আওতায় ৮৭ থেকে ৯৩ নম্বর অনুচ্ছেদ সরকারি অর্থ ও বাজেট ব্যবস্থার ভিত্তি নির্ধারণ করে।
- এর মধ্যে বার্ষিক আর্থিক বিবৃতি, অনুমোদন প্রক্রিয়া এবং অর্থ-সংক্রান্ত নিয়মাবলী অন্তর্ভুক্ত।
- বাংলাদেশ সংবিধানের ৮৭ নং অনুচ্ছেদে বার্ষিক আর্থিক বিবৃতি বা বাজেটের উল্লেখ আছে।
- এখানে বলা হয়েছে, প্রতি অর্থবছরের জন্য সরকারের অনুমিত আয় ও ব্যয়-সংবলিত একটি বিবৃতি সংসদে উপস্থাপন করতে হবে, যা প্রকৃতপক্ষে বাংলাদেশের বাজেট।
- এই বিবৃতিই সরকারের আয় ও ব্যয়ের প্রাক্কলন হিসেবে কাজ করে।

অন্যদিকে,
• সংবিধানের ৭৫ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী:
- সংসদ তার কার্যপ্রণালী নিজেই নির্ধারণ করবে।
- এবং রাষ্ট্রপতি তা প্রণয়ন করতে পারেন বিধি না থাকলে।
- সংসদে সিদ্ধান্ত গ্রহণ, কোরাম ও সদস্যদের ভোটাধিকার সংক্রান্ত নিয়মাবলীও এই অনুচ্ছেদে বর্ণিত।

• সংবিধানের ৮৫ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী:
- সরকারি অর্থের নিয়ন্ত্রণ, জমা ও উত্তোলন সংসদের আইন দ্বারা নির্ধারিত হবে।
- এবং আইন না থাকলে রাষ্ট্রপতি প্রণীত নিয়ম প্রযোজ্য হবে।

• সংবিধানের ১০৫ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী:
- সুপ্রিম কোর্টের আপীল বিভাগ তার প্রদত্ত রায় বা আদেশ পুনর্বিবেচনা করতে পারে।
- তবে এই ক্ষমতা সংসদের প্রণীত আইনের বিধান অনুসারে প্রয়োগ করতে হবে।

উৎস: 
১. Laws of Bangladesh;
২. বাংলাদেশ সংবিধান, আরিফ খান। 

১৯.
মোংলা সমুদ্রবন্দর কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল? 
  1. ১৯৪৭
  2. ১৯৫০
  3. ১৯৫৩
  4. ১৯৫৫
ব্যাখ্যা

• মোংলা সমুদ্রবন্দর:
- মোংলা হলো বাংলাদেশের দ্বিতীয় সমুদ্রবন্দর।
- এটি  বাগেরহাট জেলার মোংলা উপজেলায় অবস্থিত।
-  সমুদ্রবন্দরটি খুলনা বিভাগের একটি সমুদ্রবন্দর এবং
- পশুর নদীর তীরে অবস্থিত।
- মোংলা বন্দর প্রথম স্থাপিত হয় ১৯৫০ সালের ১ ডিসেম্বর খুলনার চালনা এলাকায়
- ভৌগোলিক কারণে তিন বছরের মধ্যে বন্দরটি মোংলা, বাগেরহাটে স্থানান্তরিত করা হয়।

উল্লেখ্য, 
- ১৯৫০ সালের ১১ ডিসেম্বর ‘দ্য সিটি অব লিয়নস’ নামের ব্রিটিশ বাণিজ্যিক জাহাজ মোংলায় আগমন করার পর বন্দরের কার্যক্রম শুরু হয়।

উৎস:
১. প্রথম আলো;
২. মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ ওয়েবসাইট।

২০.
CNG-এর পূর্ণরূপ কী? 
  1. Compressed Nitrogen Gas
  2. Compressed Normal Gas
  3. Compressed Natural Gas
  4. Compressed Neon Gas
ব্যাখ্যা

• CNG:
- CNG-এর পূর্ণরূপ হলো: Compressed Natural Gas.
- এটি পরিবেশবান্ধব জ্বালানি যা পেট্রোল, এলপিজি বা ডিজেলের বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করা হয়। 
- মূলত এটি উচ্চ চাপে সংকুচিত প্রাকৃতিক গ্যাস, যা প্রধানত মিথেন দিয়ে তৈরি করা হয়।

উল্লেখ্য,
- CNG পেট্রোল ইঞ্জিনের মতোই স্পার্ক-প্রজ্বলিত অভ্যন্তরীণ দহন ইঞ্জিনে শক্তি জোগায়।
- CNG পোড়ালে পেট্রোল বা ডিজেলের তুলনায় কম বিষাক্ত গ্যাস নির্গত হয়, যা পরিবেশের জন্য ভালো।
- গ্যাসকে উচ্চ চাপে সংকুচিত করে বিশেষ সিলিন্ডারে সংরক্ষণ করা হয়, সাধারণত গাড়ির পেছনে রাখা হয়। 

উৎস: বাংলাদেশ তেল, গ্যাস ও খনিজসম্পদ কর্পোরেশন (পেট্রোবাংলা) ওয়েবসাইট।