পরীক্ষা আর্কাইভ

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি

পরীক্ষা১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়18 minutes
মোট প্রশ্ন৩৯
সিলেবাস
পরীক্ষা - ১৬: বিষয় - বাংলাদেশ বিষয়াবলি টপিক - বাংলাদেশের অর্থনীতি ১. উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রেক্ষিত ও পঞ্চবার্ষিকী, জাতীয় আয়-ব্যয়, রাজস্ব নীতি ও বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি, দারিদ্র্য বিমোচন ইত্যাদি। ২. অর্থনৈতিক সমীক্ষা, বাজেট, কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ, আমদানি-রপ্তানি রিপোর্ট। এবং বিষয় - কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি টপিক - কম্পিউটার ১. কম্পিউটার পেরিফেরালস: ইনপুট, আউটপুট ও স্টোরেজ ডিভাইসসমূহ - কি-বোর্ড, মাউস, ওসিআর (OCR) ইত্যাদি। ২. কম্পিউটারের অঙ্গ-সংগঠন: সিপিইউ, হার্ড ডিস্ক, ALU, BIOS, পাওয়ার সিস্টেম ইত্যাদি। ৩. কম্পিউটারের পারঙ্গমতা ও দৈনন্দিন জীবনে কম্পিউটারের ব্যবহার: কৃষি, যোগাযোগ, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, খেলাধুলা ইত্যাদি। ৪. কম্পিউটারের সংখ্যা পদ্ধতি ও কোড, ডিজিটাল লজিক ইত্যাদি। ------------------ [এই রুটিনে সারাবছর জুড়ে পরীক্ষা চলমান থাকে। আজ বা যেকোন সময় পরীক্ষা শুরু করা হলেও নির্দিষ্ট সময়ে পুরো সিলেবাস সম্পন্ন হবে]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ৩৯ প্রশ্ন

.
‘VGF’ হচ্ছে -
  1. দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন পরিকল্পনা
  2. ত্রাণ কর্মসূচি
  3. বাজেট বিশ্লেষণ
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
VGF:
- VGF- এর পূর্ণরূপ: Vulnerable Group Feeding.
- VGF হলো খাদ্য ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ের একটি ত্রাণ কর্মসূচির নাম।
- ভিজিএফ কর্মসূচিতে প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত জনগণের মধ্যে খাদ্যশস্য সরবরাহ করা হয়।

⇒ সাধারণত দুর্যোগ পরবর্তী সময়ে দরিদ্র মানুষের জীবিকা পুনর্বহাল না হওয়া পর্যন্ত ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারসমূহকে এই সহায়তা প্রদান করা হয়।
- প্রতি পরিবারকে মাসিক ২০-৪০ কেজি করে ২ থেকে ৫ মাস পর্যন্ত এ সহায়তা দেয়া হয়।
- এছাড়া, মা ইলিশ ও জাটকা আহরণে বিরত থাকা জেলেরাও ভিজিএফ সহায়তা পেয়ে থাকেন।
- বিভিন্ন ধর্মীয় উৎসবে দরিদ্র জনগণও ভিজিএফ সহায়তা পান।
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরে এ খাতে বরাদ্দ রয়েছে ১,০৮৯.৭৮ কোটি টাকা।

⇒ ভিজিএফ একটি মানবিক সহায়তা কর্মসূচি, যার মাধ্যমে সরকার দরিদ্র পরিবারের মধ্যে খাদ্য বিতরণ করে থাকে।
- ভিজিএফ কর্মসূচিতে প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত জনগণের মধ্যে খাদ্যশস্য সরবরাহ করা হয়।

⇒ এই কর্মসূচির উদ্দেশ্য হচ্ছে দরিদ্র পরিবারের দারিদ্র্য হ্রাস করা:
(১) দুঃস্থ ও গরীর জনগণের দুর্যোগ ঝুঁকি প্রশমন করার লক্ষ্যে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা;
(২) পীড়িত জনগণ এবং শিশুদের রোগ প্রতিরোধ করা;
(৩) মন্দার সময়ে কর্মহীন জনগণের মধ্যে খাদ্য সরবরাহ করা;
(৪) উপকারভোগীদেরকে সাময়িক সাহায্যেরমাধ্যমে দারিদ্র্য নিরসনে অবদান রাখা, বিশেষ করে অতিদরিদ্র জনগোষ্ঠীর আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে সহায়তা করা।

⇒ এই কর্মসূচির উপকারভোগী হচ্ছে:
(১) যার বসতভিটা ব্যতীত অন্য কোন জমি নাই এরূপ ভূমিহীন ব্যক্তি;
(২)দরিদ্র ও অতিদরিদ্র ব্যক্তি/পরিবার, যারা সাধারণত: দৈনিক ২ বেলা খাবারের ব্যবস্থা করতে পারে না;
(৩)প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি/পরিবার, যারা তীব্র খাদ্য ও অর্থ সংকটাপন্ন; (
৪) ব্যক্তি/পরিবার যারা বেকারত্বের জন্য খাদ্যের ব্যবস্থা করতে পারে না;
(৫) অতি দরিদ্র ব্যক্তি/পরিবার, যারা বিশেষ পেশায় নিয়োজিত এবং যাদেরকে জনস্বার্থে তাদের পেশা থেকে নিবৃত রাখা প্রয়োজন হয়;
(৬) প্রাথমিক বিদ্যালয়গামী শিশু, যারা অপুষ্টিতে ভুগছে।

উৎস: i) বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
ii) সমাজসেবা অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।
.
কোন উৎস থেকে বাংলাদেশ সরকারের রাজস্ব আয় সর্বোচ্চ? 
  1. ভূমি ও রাজস্ব
  2. আমদানি ও রপ্তানি
  3. আয়কর
  4. মূল্য সংযোজন কর
ব্যাখ্যা
আয়ের উৎস:
- বাংলাদেশ সরকার বার্ষিক রাজস্ব ও উন্নয়ন ব্যয় নির্বাহের জন্য যে সমস্ত উৎস থেকে সম্পদ সংগ্রহ করে তাকে সরকারের আয়ের উৎস বলে।

- যে সমস্ত বিভিন্ন উৎস থেকে বাংলাদেশ সরকারে মোট প্রাপ্তি সংগৃহীত হয় তা দু'ভাগে বিভক্ত, যথা-
• কর রাজস্ব এবং
• কর বহির্ভূত রাজস্ব।

কর রাজস্ব:
- কর বাংলাদেশ সরকারের রাজস্ব আয়ের প্রধান উৎস।
- বাংলাদেশ সরকারের কর রাজস্বের উৎসগুলো নিম্নরূপ:
১। আয় ও মুনাফা কর,
২। আমদানি শুল্ক,
৩। মুল্য সংযোজন কর,
৪। আবগারি শুল্ক,
৫। সম্পূরক শুল্ক:,
৬। যানবাহন কর,
৭। ভূমি রাজস্ব,
৮। নন জুডিশিয়াল স্ট্যাম্প বিক্রয়,
৯। অন্যান্য কর ও শুল্ক।

কর বহির্ভূত রাজস্বের প্রধান:
১। লভ্যাংশ ও মুনাফা,
২। সুদ,
৩। প্রশাসনিক রাজস্ব,
৪। রেলওয়ে,
৫। ডাক বিভাগ,
৬। সেবা বাবদ প্রাপ্তি,

⇒ বাংলাদেশ সরকার সর্বোচ্চ রাজস্ব আয় করে মূল্য সংযোজন কর থেকে।
- অন্যান্য যেকোনো উৎসের তুলনায় সকল অর্থবছরেই মূল্য সংযোজন কর (মুসক) থেকেই সবচেয়ে বেশি রাজস্ব আহরিত হয়।
- দ্বিতীয় প্রধান উৎস হলো আয়কর (আয়, মুনাফা, ও মূলধনের উপর কর)।

উৎস: i) জাতীয় রাজস্ব বোর্ড। [link]
ii) অর্থনীতি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
বাংলাদেশে সর্বাধিক বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী খাত কোনটি? [মে, ২০২৫]
  1. তৈরি পোশাক
  2. চা
  3. পাট
  4. সার
ব্যাখ্যা
শীর্ষ রপ্তানি খাত তৈরি পোশাক:
- অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুসারে, বাংলাদেশের শীর্ষ রপ্তানি খাত তৈরি পোশাক।
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরে তৈরি পোশাক ও নীটওয়্যার পণ্যের রপ্তানি আয়: ৩২,৮৫৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। এটি মোট রপ্তানি আয়ের ৮৫.৪৫%।
- তৈরি পোশাক বাংলাদেশে সর্বাধিক বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী খাত।

এছাড়াও,
- ২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রথমার্ধে (জুলাই-ডিসেম্বর) বাংলাদেশ থেকে ১৯ বিলিয়ন ডলারের পোশাক রপ্তানি হয়েছে।

⇒ বাংলাদেশ রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো -ইপিবি’র বৃহস্পতিবার প্রকাশিত পরিসংখ্যান অনুযায়ী, অর্থবছরের প্রথমার্ধে দেশের তৈরি পোশাক খাতের রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১৩ দশমিক ২৮ শতাংশ।
- ইপিবির পরিসংখ্যান অনুযায়ী, অর্থমূল্য বিবেচনায় চলতি অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে বাংলাদেশ থেকে রপ্তানি হওয়া শীর্ষ পণ্যগুলো হলো পোশাক, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, কৃষিপণ্য, হোম টেক্সটাইল এবং পাট ও পাটজাত পণ্য।
- মোট রপ্তানিতে সবচেয়ে বড় অবদান রাখা পণ্য পোশাকের অংশ ছিল ৮১ শতাংশ।

উৎস: i) বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
ii) রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো ওয়েবসাইট।
.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুযায়ী, বাংলাদেশের জিডিপিতে শিল্পের অবদান কত?
  1. ৩৭.৯৫ ভাগ
  2. ৩৭.২৩ ভাগ
  3. ৩৮.৭৫ ভাগ
  4. ৩৮.৪৩ ভাগ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের জিডিপিতে শিল্প খাত:
- বাংলাদেশের জিডিপিতে শিল্পের অবদান শিল্প খাতের অবদান ৩৭.৯৫ শতাংশ।
- প্রবৃদ্ধির হার ৬.৬৬ শতাংশ।

উল্লেখ্য,
• শিল্পখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ: ১৭.০০%।

• সাময়িক হিসাবে ২০২২-২৩ অর্থবছরে –
- শিল্প খাতের প্রবৃদ্ধি দাঁড়িয়েছে ৬.৬৬% শতাংশ।পূর্ববর্তী অর্থবছরে ছিল ৮.১৮ শতাংশ।

• গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
- কর্মসংস্থানের দিক থেকে ছোট খাত: শিল্পখাত (১৭.০০% শ্রমশক্তি নিয়োজিত)।
- জিডিপির সবচেয়ে দ্রুত বর্ধনশীল খাত: শিল্পখাত।
- সার্বিকভাবে জিডিপিতে শিল্পখাতের অবদান: ক্রমবর্ধমান।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
.
জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদ (এনইসি) অনুমোদিত বাংলাদেশ ব-দ্বীপ মহাপরিকল্পনা কত বছরের জন্য প্রণয়ন করা হয়েছে?
  1. ৬০ বছর
  2. ৮০ বছর
  3. ১০০ বছর
  4. ১২০ বছর
ব্যাখ্যা
ব-দ্বীপ মহাপরিকল্পনা:
- ডেল্টা প্ল্যান ২১০০ বা ব-দ্বীপ পরিকল্পনা দেশের সবচেয়ে বড় উন্নয়ন পরিকল্পনা।
- বাংলাদেশের ডেল্টা প্ল্যান ১০০ বছরের জন্য প্রণয়ন করা হয়েছে।
- এই পরিকল্পনা প্রণয়নে ও বাস্তবায়নে নেদারল্যান্ডস সরকার বাংলাদেশকে সহায়তা করছে।
- ২০১৮ সালের ৪ সেপ্টেম্বর জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদে এই পরিকল্পনা অনুমোদন দেওয়া হয়।

উল্লেখ্য,
- ডেল্টা প্ল্যানে ছয়টি লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে: বন্যা, নদী ভাঙন, নদী ব্যবস্থাপনা, নগর ও গ্রামে পনি সরবরাহ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, বন্য নিয়ন্ত্রণ ও নিষ্কাশন।
- ২০২০ সালের ১ জুলাই ১২ সদস্যের এই কাউন্সিল গঠন করে প্রজ্ঞাপন জারি করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
- ধাপে ধাপে বাস্তবায়নযোগ্য এই মহাপরিকল্পনার প্রথম ধাপে অর্থাৎ ২০৩০ সাল নাগাদ বাস্তবায়নের জন্য গ্রহণ করা হয়েছে ৮০টি প্রকল্প।

⇒ ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০ তে দেশের আটটি হাইড্রোলজিক্যাল অঞ্চলকে ভিত্তি হিসেবে ব্যবহার করে প্রতিটি অঞ্চলের প্রাকৃতিক দুর্যোগজনিত ঝুঁকির মাত্রার উপর গুরুত্ব প্রদান করা হয়েছে।
- একই ধরণের প্রাকৃতিক দুর্যোগজনিত ঝুঁকির সম্মুখীন জেলাসমূহকে একেকটি গ্রুপের আওতায় আনা হয়েছে যাকে "হটস্পট" (পানি ও জলবায়ু উদ্ভূত প্রায় অভিন্ন সমস্যাবহুল অঞ্চল) হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে।

উৎস: পরিকল্পনা কমিশন ওয়েবসাইট।
.
বাংলাদেশ সরকার কত সময়ের কর্মসূচি হিসেবে ADP ঘোষণা করে?
  1. ৬ মাস
  2. ১ বছর
  3. ১.৫ বছর
  4. ৫ বছর
ব্যাখ্যা
ADP:
- ADP-এর পূর্ণরূপ: Annual Development Programme.

⇒ বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) কোনো একটি পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায় প্রক্ষেপিত সরকারি খাতের উন্নয়ন নীতিমালা, কর্মসূচি, বিনিয়োগ এবং লক্ষ্যমাত্রাসমূহ পরিচালনা ও অর্জনের জন্য ঐ পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার কোন একটি নির্দিষ্ট বছরে বাস্তবায়নযোগ্য বিভিন্ন খাতের প্রকল্পসমূহের তালিকা এবং তাদের জন্য আর্থিক বরাদ্দসহ প্রণীত কর্মসূচি। প্রচলিত নিয়মানুযায়ী প্রতিটি পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনাকে লক্ষ্য অর্জনের সুবিধার্থে পাঁচটি বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে বিভক্ত করা হয় এবং প্রত্যেকটি প্রকল্পের জন্য স্থানীয় ও বৈদেশিক উভয় মুদ্রায় বরাদ্দ রাখা হয়।
- প্রতি বছরের এডিপি সে বছরের জন্য জাতীয় সংসদ কর্তৃক অনুমোদিত উন্নয়ন বাজেটের ভিত্তিতে প্রণীত হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
.
বাংলাদেশে আমদানিকৃত প্রাথমিক পণ্য কোনটি?
  1. ভোজ্যতৈল
  2. ক্লিংকার
  3. সার
  4. তৈলবীজ
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশে আমদানিকৃত প্রধান প্রাথমিক পণ্য:
১. তুলা: ২,২৩৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
২. গম: ১,১৪২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৩. তৈলবীজ: ৭২২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৪. অপরিশোধিত পেট্রোলিয়াম: ৬৮১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৫. চাল: ১৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

• বাংলাদেশে আমদানিকৃত প্রধান শিল্পজাত পণ্যসমূহ:
১. পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যসামগ্রী: ৩,২৭১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
২. সার: ২,০৯৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৩. সুতা: ২,০৬৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৪. ভোজ্যতৈল: ১,৪১০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৫. স্টেপল ফাইবার: ৯৫৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৬. ক্লিংকার: ৬২০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
.
বাংলাদেশের শ্রমশক্তি বিদেশে প্রেরণ করা হয় কোন সাল থেকে?
  1. ১৯৭৫ সাল
  2. ১৯৭৬ সাল
  3. ১৯৭৭ সাল
  4. ১৯৭৮ সাল
ব্যাখ্যা
জনশক্তি রপ্তানি:
- বৈদেশিক কর্মসংস্থান বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক প্রেক্ষাপটে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
- দেশ স্বাধীন হওয়ার পর যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশের অর্থনীতি পুনরুদ্ধার করার লক্ষ্যে ১৯৭২ সালের ২০ জানুয়ারি শ্রম ও জনশক্তি মন্ত্রণালয় প্রতিষ্ঠা করা হয় এবং কূটনৈতিক তৎপরতার মাধ্যমে বৈদেশিক কর্মসংস্থান ও কর্মী প্রেরণ বিষয়ে মধ্যপ্রাচ্যের মুসলিম দেশসমূহের সাথে সমঝোতা সৃষ্টি হয়। 
- শ্রম ও জনশক্তি মন্ত্রণালয়ের কাজের পরিধি বৃদ্ধি এবং বৈদেশিক কর্মসংস্থান ক্ষেত্রে সর্বাধিক গুরুত্ব প্রদান করে বাংলাদেশ সরকার ২০০১ সালের ২০ ডিসেম্বর তারিখে ‘প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়’ নামে একটি পৃথক মন্ত্রণালয় গঠন করে। 

⇒ পোশাক খাতের পরপরই দেশের জিডিপিতে সবচেয়ে বেশি অবদান জনশক্তি রপ্তানি খাতের।
- ১৯৭৩ সালে সৌদিসহ মধ্যপ্রাচ্যের জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধির ফলে সেসব দেশের ফুলেফেঁপে ওঠা অর্থনীতিই বাংলাদেশসহ তৎকালীন স্বল্পোন্নত দেশগুলোর জনশক্তি রপ্তানির দ্বারোন্মোচন করে।
- ১৯৭৬ সালে প্রথম জনশক্তি রপ্তানি দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির নতুন অধ্যায়ের সূচনা করে।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ থেকে জনশক্তি রপ্তানির মূল গন্তব্য উপসাগরীয় সহযোগিতা সংস্থাভুক্ত (জিসিসি) ছয়টি দেশ।
- অর্থাৎ সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কুয়েত, ওমান, বাহরাইন, ও কাতার।
- পরবর্তী সময়ে এই তালিকায় যুক্ত হয় মালয়েশিয়ার নাম।
- এছাড়াও সিঙ্গাপুর, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডাসহ বিশ্বের প্রায় ১৭০টি দেশে বাংলাদেশি অভিবাসী রয়েছে।

উৎস: i) জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো।
ii) দৈনিক ইত্তেফাক।
.
বাংলাদেশের আমদানি বাণিজ্যে শীর্ষ দেশ কোনটি? [অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪]
  1. জাপান
  2. ভারত
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. চীন
ব্যাখ্যা
দেশভিত্তিক আমদানি:
- বাংলাদেশের আমদানি বাণিজ্যে শীর্ষ দেশ চীন।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিসংখ্যান বিভাগের তথ্য মতে, ২০২৩-২৪ অর্থবছরের (জুলাই-ফেব্রুয়ারি) পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি আমদানি করেছে চীন থেকে।

⇒ আমদানি রিপোর্ট:
- চীন: ১২,৫৫৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (২৮.৪৬%)।
- ভারত: ৫,৯১৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (১৩.৪২%)।
- যুক্তরাষ্ট্র: ১,৯৯০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (৪.৫১%)।
- মালয়েশিয়া: ১,৪৮২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (৩.৩৬%)।
- সিঙ্গাপুর: ১,৩৮৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (৩.১৫%)।
- জাপান: ১,৩৪৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (৩.০৫%)।
- দক্ষিণ কোরিয়া: ৭৫২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (১.৭০%)।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
১০.
বাংলাদেশের মোট শ্রম শক্তির কতভাগ শিল্পখাতে নিয়োজিত? [অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪]
  1. ১৭ শতাংশ
  2. ৩৪ শতাংশ
  3. ২৭ শতাংশ
  4. ৩৮ শতাংশ
ব্যাখ্যা
খাতভিত্তিক কর্মসংস্থান:
⇒ বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সেক্টরগুলোর মধ্যে -
• কৃষি খাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ: ৪৫.০০%।
• শিল্পখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ: ১৭.০০%।
• সেবাখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ: ৩৮.০০%।

⇔ বাংলাদেশের মোট শ্রম শক্তির ১৭ শতাংশ শিল্পখাতে নিয়োজিত।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
১১.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুসারে, একক দেশ হিসেবে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে -
  1. জার্মানিতে
  2. ফ্রান্সে
  3. জাপানে
  4. যুক্তরাষ্ট্রে
ব্যাখ্যা
দেশভিত্তিক রপ্তানি আয়:
- একক দেশ হিসাবে সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে যুক্তরাষ্ট্রে।

⇒ অঞ্চল হিসাবে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলোতে।
- এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে জাপানে।

উল্লেখ্য,
⇒ দেশভিত্তিক রপ্তানি আয়ের পরিমাণ ⎯
১. শীর্ষ দেশ: যুক্তরাষ্ট্র,
- রপ্তানির পরিমাণ: ৬,১০৩.১৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার,
- রপ্তানির হার: ১৫.৮৭%।

২. দ্বিতীয় দেশ: জার্মানি,
- রপ্তানির পরিমাণ: ৪,৩১২.১১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার,
- রপ্তানির হার: ১১.২১%।

৩. তৃতীয় দেশ: যুক্তরাজ্য,
- রপ্তানির পরিমাণ: ৪,০৪৫.৭৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার,
- রপ্তানির হার: ১০.৫২%।

৪. চতুর্থ দেশ: ফ্রান্স,
- রপ্তানির পরিমাণ: ২,১৯২.৮২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার,
- রপ্তানির হার: ৫.৭০%।

৫. পঞ্চম দেশ: ইতালি,
- রপ্তানির পরিমাণ: ১,৬২৭.৫৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার,
- রপ্তানির হার: ৪.২৩%।

উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
১২.
বাংলাদেশের জিডিপিতে প্রাণী সম্পদের অবদান কত? [মে, ২০২৫]
  1. ১.২৪%
  2. ১.৬৪%
  3. ১.৪২%
  4. ১.৮০%
ব্যাখ্যা
জিডিপিতে প্রাণিসম্পদের অবদান:
⇒ ২০২৩-২৪ অর্থবছরে, জিডিপিতে স্থিরমূল্যে প্রাণিসম্পদ খাতের অবদান ১.৮০%, প্রবৃদ্ধির হার ৩.১৫%।
- কৃষিজ জিডিপি'তে প্রাণিসম্পদ খাতের অবদান ১৬.৩৩%।

এছাড়াও,
- বর্তমানে মৎস্য সেক্টরে ১৪ লক্ষ নারীসহ প্রায় ১ কোটি ৯৫ লক্ষ মানুষ প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জীবিকা নির্বাহ করছে।
- বিশ্বে ইলিশ উৎপাদনকারী ১১টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশ প্রথম।
- জিডিপিতে ইলিশের অবদান শতকরা ১% এর বেশি।
- বর্তমানে দেশের চাহিদা মিটিয়ে মৎস্য ও মৎস্যজাত পণ্য পৃথিবীর ৫২টি'র অধিক দেশে রপ্তানি করছে।
- মিঠা পানির মাছ আহরণে বাংলাদেশ চীনকে টপকে বিশ্বে ২য় অবস্থানে উঠে এসেছে।
- জনসংখ্যার প্রায় ২০% প্রত্যক্ষ এবং ৫০% পরোক্ষভাবে প্রাণিসম্পদ খাতের ওপর নির্ভরশীল।

উৎস: প্রাণীসম্পদ অধিদপ্তর।
১৩.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩ অনুসারে, দেশে ইলিশ উৎপাদনের পরিমাণ -
  1. ৯.৬৩%
  2. ১০.৬৩%
  3. ১১.৬৩%
  4. ১২.৬৩%
ব্যাখ্যা
মৎস্য উৎপাদন:
- মোট মৎস্য উৎপাদনের পরিমাণ: ৪৯,১৪,৭১৫ মে.টন। এর মধ্যে -
• ইলিশ - ১১.৬৩%।
• চিংড়ি - ৫.৫২%।
• মেজরকার্প (রুই, কাতলা, মৃগেল) - ২২.০৬%।
• এক্সটিককার্প (সিলভারকার্প, গ্রাসকার্প, ইত্যাদি) - ১১.০৯%।
• অন্যান্যকার্প (কালিবাউস, বাটা, ঘনিয়া) - ২.৯৪%।
• তেলাপিয়া - ৮.৫৭%।

⇒ মিঠা পানির মাছ উৎপাদন:
- মিঠা পানিতে উৎপাদনেরপ পরিমাণ: ৪২,৩৫,৩৩০ মে.টন।

⇒ মিঠা পানির মাছ উৎপাদনে শীর্ষ জেলা:
১. ময়মনসিংহ - ৩,৩৮,৯৫৯ মেট্রিক টন।
২. কুমিল্লা - ৩,০৯,৮৮৭ মেট্রিক টন।
৩. যশোর - ২,৪১,২২৩ মেট্রিক টন।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩।
১৪.
বাংলাদেশ বিশ্বের কতটি দেশে ওষুধ রপ্তানি করে? [মে, ২০২৫]
  1. ১৫৭টি
  2. ১৫৮টি
  3. ১৫৯টি
  4. ১৬০টি
ব্যাখ্যা
ঔষধ শিল্প:
- স্বাধীনতা অর্জনের পর বাংলাদেশে ঔষধ প্রাপ্তি মূলত আমদানির ওপর নির্ভরশীল ছিল।
- ফলে অনেক উচ্চ মূল্যে জনগণকে ঔষধ ক্রয় করতে হতো।
- বর্তমানে দেশের চাহিদার প্রায় ৯৮% ঔষধ দেশে উৎপাদিত হয়।
- বাংলাদেশ ইতোমধ্যে ঔষধ আমদানিকারক দেশ হতে রপ্তানিকারক দেশে পরিণত হয়েছে।
- বর্তমানে বাংলাদেশের ৫৪টি ঔষধ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান রয়েছে।
- এরা বিভিন্ন প্রকারের ঔষধ ও ঔষধের কাঁচামাল উন্নত বিশ্বের ইউরোপ ও আমেরিকাসহ রপ্তানি করছে ১৫৭টি দেশে।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ থেকে ওষুধ রপ্তানি শুরু হয় ১৯৮৫ সালে।
- এরপর গত কয়েক দশকে স্বল্পোন্নত দেশগুলোয় ওষুধের বৃহত্তম উৎস হয়ে উঠেছে বাংলাদেশ।

উৎস: i) বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪। 
ii) বণিক বার্তা।
১৫.
বাংলাদেশের জাতীয় আয়ের কোন খাতে জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার সবচেয়ে বেশি? [মে, ২০২৫]
  1. শিল্প
  2. সেবা
  3. কৃষি
  4. মৎস্য
ব্যাখ্যা
খাতভিত্তিক GDP প্রবৃদ্ধি:
- কৃষি খাতে জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার ৩.২১ শতাংশ।
- শিল্প খাতে জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার ৬.৬৬ শতাংশ।
- সেবা খাতে জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার ৫.৮০ শতাংশ।

⇒ বাংলাদেশের জাতীয় আয়ের শিল্প খাতে জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার সবচেয়ে বেশি।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
১৬.
বর্তমান আয়কর আইনে পুরুষদের জন্য নিম্নতম করযোগ্য আয় কত টাকা? [মে, ২০২৫]
  1. ৩,০০,০০০ টাকা
  2. ৩,২৫,০০০ টাকা
  3. ৩,৫০,০০০ টাকা
  4. ৩,৭৫,০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
করমুক্ত আয়সীমা:
- আয়কর আইনের অধীনে আরোপযোগ্য বা পরিশোধযোগ্য কোনো প্রকারের কর বা সারচার্জ হলো আয়কর।
- সাধারণভাবে, মোট আয়ের করহারের তফসিল অনুযায়ী করহার প্রয়োগ করে একজন করদাতার মোট আয়ের উপর আরোপযোগ্য আয়করের পরিমান নিরূপণ করা হয়।
- আয়কর আইন, ২০২৩ (২০২৩ সনের ১২ নং আইন) এর ধারা ২(৬৯) এ সংজ্ঞায়িত ব্যক্তিগণের মধ্যে অনিবাসী বাংলাদেশীসহ সকল স্বাভাবিক ব্যক্তি (Indivisual), হিন্দু অবিভক্ত পরিবার ও অংশীদারি ফার্মের ক্ষেত্রে মোট আয়ের উপর আয়করের হার নিম্নরূপ হবে:

• সাধারণ করদাতা (পুরুষ): ৩,৫০,০০০ টাকা।
• মহিলা ও ৬৫ বছর বা তদুর্ধ্ব বয়সের করদাতা: ৪,০০,০০০ টাকা।
• প্রতিবন্ধী ও তৃতীয় লিঙ্গ করদাতা: ৪,৭৫,০০০ টাকা।
• গেজেটভুক্ত যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা করদাতা: ৫,০০,০০০ টাকা।
• কোন প্রতিবন্ধী ব্যক্তির পিতামাতা বা আইনানুগ অভিবাবকের ক্ষেত্রে এরূপ প্রত্যেক সন্তান/পোষ্যের জন্য করমুক্ত সীমা ৫০,০০০/- টাকা বেশি।

উৎস: জাতীয় রাজস্ব বোর্ড।
১৭.
নিচের কোনটি প্রাথমিক স্টোরেজ ডিভাইস নয়?
  1. RAM
  2. Cache
  3. Hard Disk
  4. ROM
ব্যাখ্যা
প্রাথমিক স্টোরেজ ডিভাইস (Primary Storage Device): প্রাথমিক স্টোরেজ ডিভাইস হলো কম্পিউটারের সেই মেমোরি যা প্রোগ্রাম চলা অবস্থায় এদের যাবতীয় ডাটা প্রাথমিক ভাবে সংরক্ষন করে থাকে । এদের গতি বেশি হয় এবং এটি সাধারণত ভোলাটাইল (কম্পিউটার বন্ধ হয়ে গেলে তথ্য মুছে যায়)।

প্রাথমিক স্টোরেজ ডিভাইসের উদাহরণ:
- RAM (Random Access Memory)
- ROM (Read Only Memory)
- Cache Memory 

অপরদিকে ,
• Hard Disk হল একটি গৌণ স্টোরেজ ডিভাইস (Secondary Storage Device), যেখানে স্থায়ীভাবে ডেটা সংরক্ষিত থাকে।
এটি তুলনামূলকভাবে ধীরগতির এবং বড় আকারের ডেটা সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত হয়।

তথ্যসূত্র:
-  তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (ICT), নবম-দশম শ্রেণি।
- Oxford Dictionary of Computing.
- Computer Fundamentals by P.K. Sinha.
১৮.
ফ্ল্যাশ মেমোরি কোন শ্রেণির মধ্যে পরে?
  1. প্রাইমারি
  2. সেকেন্ডারি
  3. ক্যাশ
  4. রেজিস্টার
ব্যাখ্যা
• ফ্ল্যাশ মেমোরি (Flash Memory) হলো একটি নন-ভোলাটাইল মেমোরি, অর্থাৎ বন্ধ থাকলেও এটি ডেটা ধরে রাখতে পারে। যেহেতু  এর মাধ্যমে ডেটা স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায়, তাই এটি সাধারণত সেকেন্ডারি স্টোরেজ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। সিপিইউ সঙ্গে সরাসরি সংযুক্ত না থাকায় এতে ডেটা পঠন/লিখনের গতি ধীর হয়।

•  ফ্ল্যাশ মেমোরির ব্যাবহার:
- পেন ড্রাইভ (Pen Drive)
- SSD (Solid State Drive)
- মেমোরি কার্ড (Memory Card)
- USB ডিভাইস  ইত্যাদিতে।

যদিও ফ্ল্যাশ মেমোরি প্রাইমারি RAM এর চেয়ে দ্রুততর, কিন্তু এটি সিপিইউ দ্বারা সরাসরি ব্যবহৃত হয় না, তাই এটি সেকেন্ডারি মেমোরির শ্রেণিতে পড়ে।  

তথ্যসূত্র:
- ৯ম ও ১০ম শ্রেণী কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-১(ভোকেশনাল)।
- Computer Fundamentals by P.K. Sinha
১৯.
নিচের কোনটি CPU performance নির্ধারণে সরাসরি প্রভাব ফেলে না?
  1. Clock Speed
  2. Cache Size
  3. Number of Registers
  4. ROM Size
ব্যাখ্যা
• CPU Performance বা প্রসেসরের কার্যক্ষমতা নির্ধারণে নিচের বিষয়গুলো সরাসরি প্রভাব ফেলে:

- Clock Speed:    প্রতি সেকেন্ডে কতবার প্রসেসর নির্দেশনা সম্পাদন করতে পারে অর্থাৎ স্পষ্টভাবে পারফরম্যান্স নির্ধারণ করে। 

- Cache Size:   তথ্য দ্রুত প্রসেস করতে সাহায্য করে; ক্যাশ বড় হলে CPU কম সময়ে বেশি তথ্য নিতে পারে।

- Number of Registers:   রেজিস্টার সংখ্যা বেশি হলে CPU বেশি ডেটা মেমোরিতে না পাঠিয়ে দ্রুত কাজ করতে পারে।

 কিন্তু ROM Size CPU পারফরম্যান্সের ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলে না। কারন ROM সাধারণত বুটিং এর সময় BIOS-এর তথ্য সংরক্ষণ করে এবং এতে নির্দেশনা ধ্রুবক থাকে। র‍্যাম এর মতো অতিরিক্ত রম চিপ যোগ  করা যায় না। 

তথ্যসূত্র:
- ৯ম ও ১০ম শ্রেণী কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-১(ভোকেশনাল)।
- Computer Organization and Design – David A. Patterson & John L. Hennessy
২০.
নিচের কোনটি RAM-এর বৈশিষ্ট্য?
  1. স্থায়ী মেমোরি।
  2. ভোলাটাইল মেমোরি।
  3. শুধুমাত্র রিড করা যায়।
  4. শুধুমাত্র BIOS সংরক্ষণ করে।
ব্যাখ্যা
• RAM বা Random Access Memory হল একটি ভোলাটাইল মেমোরি, অর্থাৎ বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হলে এর তথ্য মুছে যায়। এটি কম্পিউটারের প্রাথমিক (Primary) মেমোরি হিসেবে ব্যবহৃত হয়। 
এটি এমন একটি স্টোরেজ ডিভাইস যেখানে কম্পিউটার প্রসেসর কাজ করার সময় প্রয়োজনীয় ডেটা ও প্রোগ্রাম সাময়িকভাবে সংরক্ষণ করে।

• RAM-এর বৈশিষ্ট্যসমূহ:

- ভোলাটাইল মেমোরি (Volatile Memory): বিদ্যুৎ না থাকলে RAM-এর সব ডেটা মুছে যায়।
- প্রাথমিক মেমোরি: এটি কম্পিউটারের প্রধান মেমোরি, যা প্রসেসিংয়ের সময় সক্রিয় থাকে।
- রানিং প্রোগ্রাম ও প্রসেস: বর্তমানে চালু থাকা সফটওয়্যার, অ্যাপ্লিকেশন এবং অপারেটিং সিস্টেমের অংশবিশেষ RAM-এ লোড থাকে।
- দ্রুত ডেটা অ্যাক্সেস: CPU, RAM থেকে খুব দ্রুত তথ্য পড়তে ও লিখতে পারে।
- কম্পিউটারের কার্যক্ষমতা নির্ভর করে RAM-এর আকার ও গতির উপর।

অন্যদিকে, 
স্থায়ী মেমোরি (Permanent Memory): এটি ROM বা হার্ড ডিস্ক-এর বৈশিষ্ট্য।

শুধুমাত্র রিড করা যায়: এটি ROM-এর বৈশিষ্ট্য, RAM থেকে ডেটা রিড এবং রাইট উভয়ই করা যায়।

শুধুমাত্র BIOS সংরক্ষণ করে:
BIOS সাধারণত ROM বা Flash Memory-তে সংরক্ষিত থাকে, RAM-এ নয়।


তথ্যসূত্র:
- ৯ম ও ১০ম শ্রেণী কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-১(ভোকেশনাল)।
- "Computer Organization and Design" by David A. Patterson & John L. Hennessy.
-  Intel - What is RAM?
২১.
একটি হার্ড ডিস্ক ড্রাইভে ডেটা কোথায় মূলত সংরক্ষিত হয়?
  1. Platters
  2. Read/Write Head
  3. Cache Buffer
  4. BIOS
ব্যাখ্যা
• Hard Disk Drive (HDD) হলো একটি সেকেন্ডারি স্টোরেজ ডিভাইস, যা কম্পিউটারে ডেটা স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করে। এতে অপারেটিং সিস্টেম, সফটওয়্যার এবং ব্যবহারকারীর সব ফাইল সংরক্ষিত থাকে।
হার্ডডিস্কে ডেটা মেগনেটিক পদ্ধতিতে রাইট ও রিড করা হয়।

• একটি হার্ডডিস্কের অভ্যন্তরে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান থাকে,
যেমন: 
-  Platters (প্লাটার): মেটাল বা গ্লাসের চাকতি যেগুলোর ওপর ডেটা মেগনেটিক পদ্ধতিতে লেখা ও পড়া হয়।
-  Read/Write Head: প্রতিটি প্লাটারের জন্য একটি হেড থাকে, যা ডেটা রিড ও রাইট করে।
-  Spindle: প্লাটারগুলোকে ধরে রাখে এবং উচ্চ গতিতে ঘোরায়।
-  Actuator Arm: হেডগুলোকে সঠিক অবস্থানে চালিত করে।
-  Controller Board: হার্ডডিস্কের সার্কিট বোর্ড, যা ডেটা পরিচালনা করে।
-  Platters: Platter হলো একটি গোলাকার ডিস্ক, যা হার্ডডিস্কের প্রধান অংশ। এই প্লাটারে ডেটা সংরক্ষন করা হয়। প্রতিটি প্লাটার দুটি পৃষ্ঠে ডেটা সংরক্ষণ করতে পারে।

Platters-এর বৈশিষ্ট্য:
-  প্রতিটি প্লাটারকে ট্র্যাক, সেক্টর, ও সারফেস-এ ভাগ করা হয়।
- একাধিক প্লাটার হার্ডডিস্কে ব্যবহৃত হয় স্টোরেজ ক্ষমতা বাড়াতে।
- প্লাটার গ্লাস বা অ্যালুমিনিয়াম দিয়ে তৈরি এবং উপরে মেগনেটিক লেয়ারে আবৃত থাকে।

অন্যদিকে,
Read/Write Head: এটি প্ল্যাটারের উপর ঘুরে ঘুরে ডেটা পড়ে ও লেখে, কিন্তু নিজে ডেটা সংরক্ষণ করে না।

Cache Buffer: এটি একটি অস্থায়ী মেমোরি, যেটি দ্রুত ডেটা অ্যাকসেস করার জন্য ব্যবহৃত হয়। তবে এটি মূল সংরক্ষণ স্থান নয়।

BIOS: BIOS মূলত মাদারবোর্ডে থাকা একটি ফার্মওয়্যার, এটি হার্ড ডিস্কের অংশ নয় এবং ডেটা সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত হয় না।

তথ্যসূত্র:
-  তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (ICT) ৯ম-১০ম শ্রেণি
-  School of computer science, Carleton University.
-  “Computer Architecture: A Quantitative Approach” by Hennessy & Patterson.
২২.
মাদারবোর্ডে নিচের কোন চিপসেট দুটি আলাদাভাবে কাজ করে?
  1. CPU ও RAM
  2. BIOS ও CMOS
  3. Northbridge ও Southbridge
  4. GPU ও PSU
ব্যাখ্যা
• কম্পিউটারের মাদারবোর্ডে ব্যবহৃত দুটি প্রধান চিপসেট হলো:- 
- Northbridge (নর্থব্রিজ)
- Southbridge (সাউথব্রিজ)

• এই দুটি চিপসেট মিলে চিপসেট আর্কিটেকচার গঠন করে, যা CPU, RAM, গ্রাফিক্স ও I/O ডিভাইসের মধ্যে তথ্য প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করে।
এরা একে অপরের সাথে যুক্ত থাকলেও আলাদা আলাদা কাজ সম্পাদন করে। 

Northbridge  এর সাথে সংযুক্ত থাকে

- CPU
- RAM (Primary Memory)
- AGP/PCIe Graphics Card
- Front Side Bus (FSB)
এটি মেমোরি কন্ট্রোলার হিসেবে কাজ করে।

Southbridge এর সাথে যুক্ত থাকে
- SATA/IDE Storage Devices
- USB Ports
- Audio Devices
- Network Interfaces (Ethernet)
- BIOS
- Expansion Slots (PCI, ISA)

• Southbridge, Northbridge এর মাধ্যমে CPU-র সাথে পরোক্ষভাবে যুক্ত থাকে।
এটি ইনপুট/আউটপুট (I/O) ফাংশনগুলো নিয়ন্ত্রণ করে।

         CPU
           │
   Northbridge 
           │
    Southbridge 
           │
Input/Output Devices

অন্যদিকে,
CPU ও RAM: এরা চিপসেট নয়, বরং দুটি কম্পিউটার কম্পোনেন্ট।

BIOS ও CMOS: BIOS হলো একটি ফার্মওয়্যার, CMOS হলো একটি ছোট ব্যাটারি-পাওয়ার্ড চিপ; এরা চিপসেট নয়।

GPU ও PSU: GPU হলো গ্রাফিক্স প্রসেসিং ইউনিট, আর PSU হলো পাওয়ার সাপ্লাই ইউনিট। এরা একে অপরের সাথে যুক্ত হলেও চিপসেট নয়।

• এখনকার আধুনিক কম্পিউটারগুলোতে Northbridge ও Southbridge আলাদাভাবে আর ব্যবহার হয় না।  পরিবর্তে System-on-Chip (SoC) ডিজাইন বা Platform Controller Hub (PCH) ব্যবহৃত হয়, যেখানে এই সব ফাংশন একত্রিত থাকে।

অর্থাৎ Northbridge ও Southbridge এই দুইটি চিপসেট বাকি CPU,RAM  ,BIOS, CMOS, GPU, PSU গুলোর তুলনায় আলাদা ভাবে কাজ করে।

তথ্যসূত্র:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (ICT) , নবম-দশম শ্রেণি। 
- "Computer Organization and Architecture" by William Stallings.
- Intel Chipset Architecture – Intel.com
২৩.
কৃষিক্ষেত্রে “Precision Farming” সম্ভব হয় কোন প্রযুক্তির মাধ্যমে?
  1. Social Media
  2. Geographic Information System (GIS)
  3. Audio Compression
  4. QR Code
ব্যাখ্যা
• Precision Farming হলো একটি আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি, যেখানে উন্নত প্রযুক্তির মাধ্যমে জমির প্রতিটি অংশের জন্য আলাদা যত্ন নেওয়া হয়। এতে কম খরচে বেশি ফলন পাওয়া যায় এবং সম্পদ (সার, পানি, কীটনাশক) সঠিকভাবে ব্যবহৃত হয়। 

• মূল বৈশিষ্ট্য:
- জমির বিভিন্ন অংশের ডেটা সংগ্রহ করে চাষাবাদে ভিন্ন ভিন্ন কৌশল প্রয়োগ।
- GPS ও GIS প্রযুক্তির সহায়তায় জমি নিরীক্ষণ ।
- রিমোট সেন্সিং এবং ড্রোনের মাধ্যমে ফসলের অবস্থা বিশ্লেষণ।
- স্বয়ংক্রিয় যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে নির্ভুলভাবে সার/বীজ প্রয়োগ। 

লক্ষ্য:
- সর্বোচ্চ উৎপাদন এবং পরিবেশের সুরক্ষা নিশ্চিত করা।

আবার,
• GIS একটি প্রযুক্তি যার মাধ্যমে ভৌগোলিক তথ্য ডিজিটালভাবে সংগ্রহ, সংরক্ষণ, বিশ্লেষণ ও উপস্থাপন করা হয়। 

 GIS যেভাবে কাজ করে:
- ম্যাপ বা মানচিত্রের মাধ্যমে ডেটা উপস্থাপন করে।
- স্যাটেলাইট ইমেজ ব্যবহার করে ভূ-পৃষ্ঠের বিশ্লেষণ করে।
- জমির উর্বরতা, পানি প্রবাহ, তাপমাত্রা, বৃষ্টিপাতের ইতিহাস ইত্যাদি বিশ্লেষণ করে।

Precision Farming-এ GIS-এর ব্যবহার:
- জমির মাটি ও পানি সম্পর্কিত ম্যাপ তৈরি।
- কোন অংশে কোন ফসল ভালো হবে তা পূর্বাভাস দেওয়া।
- সার, পানি এবং কীটনাশক কতটুকু লাগবে তা নির্ধারণ।
- পরিবেশবান্ধব চাষাবাদের পরিকল্পনা তৈরি।

অর্থাৎ GIS প্রযুক্তি ব্যবহার না করলে Precision Farming সফল হয় না। এটি কৃষকের জন্য এক ধরনের ডিজিটাল সহকারী যা জমির মানচিত্র, আবহাওয়া তথ্য ও ফসলের অবস্থা বুঝিয়ে দেয়।

অন্যদিকে, 
Social Media: কৃষি তথ্য ছড়াতে সহায়ক, তবে Precision Farming এর সরাসরি প্রযুক্তি নয়।

Audio Compression: সাউন্ড কম্প্রেশন টেকনোলজি, কৃষিতে প্রযোজ্য নয়।

QR Code: তথ্য স্টোর ও স্ক্যান করার জন্য ব্যবহৃত, কৃষিক্ষেত্রে তেমন উপযোগী নয় Precision Farming-এর ক্ষেত্রে।

তথ্যসূত্র:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (ICT), নবম-দশম শ্রেণি
- "Precision Agriculture Technology for Crop Farming" by Qin Zhang.
২৪.
কোনটি অক্টাল সংখ্যা?
  1. 198
  2. 87
  3. 749
  4. 701
ব্যাখ্যা
অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি (Octal Number System) হলো এমন একটি সংখ্যা পদ্ধতি যেখানে ভিত্তি (base) হলো 8 এবং কেবলমাত্র 0 থেকে 7 পর্যন্ত অঙ্ক ব্যবহৃত হয়।
অর্থাৎ, অক্টাল সংখ্যায় 8 বা তার বেশি কোনো অঙ্ক (যেমন 8, 9) থাকা চলবে না।

এখন, 
198  → এখানে 9 আছে, তাই এটি অক্টাল নয়।

87  → এখানে 8 আছে, তাই এটি অক্টাল নয়।

749  → এখানে 9 আছে যা অক্টাল অঙ্ক নয়। তাই 749  অক্টাল নয়।

701  → এতে 7, 0, 1 — সবই অক্টাল অঙ্ক, তাই এটি অক্টাল সংখ্যা।

তথ্যসূত্র:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি , ৯ম ও ১০ম শ্রেণী।
- “Digital Logic and Computer Design” by M. Morris Mano.
২৫.
কোন পেরিফেরাল ডিভাইসটিকে BIOS প্রাথমিকভাবে সনাক্ত করতে পারে না?
  1. USB মাউস
  2. SATA হার্ডডিস্ক
  3. Bluetooth কীবোর্ড
  4. HDMI মনিটর
ব্যাখ্যা
• BIOS (Basic Input/Output System) হলো একটি ফার্মওয়্যার, যা কম্পিউটার চালু হলে প্রথমে হার্ডওয়্যারগুলো পরীক্ষা করে।
• BIOS মূলত যেসব ডিভাইসের সাথে বুটিংয়ের সময় সরাসরি সংযোগ করতে পারে, সেগুলোকে প্রাথমিকভাবে সনাক্ত করতে পারে। 

BIOS  যেসব ডিভাইস সনাক্ত করতে পারে:
-  প্লে-স্টেশন , USB মাউস ও কীবোর্ড।
-  SATA বা IDE হার্ডডিস্ক। 
-  VGA/HDMI মনিটর। 

 BIOS ,  CMOS ব্যাটারির সাহায্যে কনফিগারেশন সংরক্ষণ করে।
বুটিং-এর সময়ই BIOS একবারই কাজ করে ।

Bluetooth কীবোর্ড –  এটি BIOS সনাক্ত করতে পারে না, কারণ Bluetooth কীবোর্ড  ড্রাইভার ইনস্টল হওয়ার পরেই কাজ করে। BIOS এর সময় ব্লুটুথ সাপোর্ট থাকে না।

অন্যদিকে, 
USB মাউস – BIOS সাধারণত USB ইনপুট ডিভাইস সনাক্ত করতে পারে, বিশেষ করে যদি Legacy USB Support BIOS-এ সক্রিয় থাকে।
SATA হার্ডডিস্ক – BIOS অবশ্যই SATA ড্রাইভ সনাক্ত করে, কারণ এটি বুট ডিভাইস হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
HDMI মনিটর – BIOS গ্রাফিক্স আউটপুট দেয় VGA/HDMI পোর্টে, তাই HDMI মনিটর সাধারণত সনাক্তযোগ্য হয়।

তথ্যসূত্র:
-  তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, ৯ম ও ১০ম শ্রেণী। 
-  "Computer Organization and Design" by David A. Patterson
-  Intel BIOS Documentation
২৬.
কোন কোডটি Excess-3 কোডের সাথে সম্পর্কিত নয়?
  1. Binary
  2. Decimal
  3. BCD
  4. Hexadecimal
ব্যাখ্যা
• Excess-3 কোড একটি  self-complementary বাইনারি কোড, যা মূলত BCD (Binary Coded Decimal) কোডের উপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়। এই কোড ব্যবহৃত হয় ডিজিটাল সিস্টেমে দশমিক সংখ্যাকে কোড করতে।

-  Excess-3 কোড = BCD কোড + 3 (প্রতিটি ডিজিটে ৩ যোগ করা হয়)
-  এই কোডে Decimal সংখ্যা যেমন 0 থেকে 9 কে বিশেষভাবে বাইনারি রূপে উপস্থাপন করা হয়।

 উদাহরণ:
- Decimal 2 = BCD → 0010
- Excess-3 → 0010 + 0011 = 0101

অন্যদিকে,
Hexadecimal হলো  একটি ভিন্ন কোডিং পদ্ধতি যা 16টি চিহ্ন (0–9, A–F) ব্যবহার করে। এটি Excess-3 এর সাথে সম্পর্কিত নয় এবং কোনোভাবে তার বেস বা রূপান্তরের উপর নির্ভর করে না।

তথ্যসূত্র:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি,  ৯ম ও ১০ম শ্রেণী ।
- M. Morris Mano, "Digital Logic and Computer Design", Chapter: Number Systems.
২৭.
হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা A5 এর দশমিক রূপ—
  1. 161
  2. 180
  3. 163
  4. 165
ব্যাখ্যা
হেক্সাডেসিমাল (Hexadecimal) সংখ্যা পদ্ধতি হলো base-16 সংখ্যা পদ্ধতি, যেখানে ১৬টি অক্ষর ব্যবহার হয়:

অক্ষরগুলো হলো 0, 1, 2, ..., 9, A, B, C, D, E, F
এখানে A = 10, B = 11, ..., F = 15

A5 হেক্সাডেসিমাল এর অর্থ হলো:
A = 10 (Hex), 5 = 5

এখন,
A5 এর দশমিক রূপ, 
 = (A × 16¹) + (5 × 16⁰)
= (10 × 16) + (5 × 1)
= 160 + 5
= 165 (Decimal)

তথ্যসূত্র:
- কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি - ২; ৯ম ও ১০ম শ্রেণী (ভোকেশনাল)।
- M. Morris Mano, Digital Logic and Computer Design.
২৮.
খেলাধুলায় “VAR” প্রযুক্তির ব্যবহার কোন খাতে ঘটে?
  1. স্কোর গণনা
  2. ভিডিও রিপ্লে বিশ্লেষণ
  3. জার্সি ডিজাইন
  4. স্টেডিয়াম নিরাপত্তা
ব্যাখ্যা
• VAR বা Video Assistant Referee হলো একটি প্রযুক্তিনির্ভর সহকারী রেফারি পদ্ধতি, যা ফুটবলসহ কিছু নির্দিষ্ট খেলায় ব্যবহৃত হয় গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তগুলো যাচাই ও নিশ্চিত করার জন্য।

• VAR প্রযুক্তির মূল ব্যবহার:
-  গোল হয়েছে কি না তা যাচাই করা। 
-  পেনাল্টি সিদ্ধান্ত বিশ্লেষণ। 
-  সরাসরি লাল কার্ড প্রদানের সিদ্ধান্ত যাচাই। 
-  ভুল খেলোয়াড়কে কার্ড দেওয়ার সংশোধন।
এটি ভিডিও রিপ্লে বিশ্লেষণ করে মাঠে রেফারিকে সহায়তা করে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে।

তথ্যসূত্র:
-  তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (ICT), ৯ম ও ১০ম শ্রেণী। 
-  FIFA Official Website – VAR Explained.
-  UEFA VAR Protocol.
২৯.
ডিজিটাল লজিকে ‘1’ মানে কী বোঝায়?
  1. False
  2. 0 ভোল্ট
  3. High Voltage
  4. None
ব্যাখ্যা
ডিজিটাল লজিক-এ মাত্র দুটি লজিক স্তর (logic levels) ব্যবহার করা হয়:

0 → Low Voltage (লজিক 0)
1 → High Voltage (লজিক 1)

এখানে ‘1’ মানে True বা ON অবস্থা বোঝায়, যা সাধারণত High Voltage দিয়ে প্রকাশ করা হয়।
- ভোল্টেজের সঠিক মান বিভিন্ন সার্কিটে ভিন্ন হতে পারে (যেমন: TTL logic এ 5V, CMOS logic এ 3.3V ইত্যাদি), কিন্তু ধারণাগতভাবে ‘1’ মানেই হচ্ছে উচ্চ ভোল্টেজ স্তর।

তথ্যসূত্র:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি , ৯ম ও ১০ম শ্রেণী। 
- Morris Mano – Digital Logic and Computer Design.
- IEEE Digital Design Standards.
৩০.
CMOS ব্যাটারি কী সংরক্ষণ করে?
  1. BIOS সফটওয়্যার
  2. অপারেটিং সিস্টেম
  3. হার্ডডিস্ক ডেটা
  4. সিস্টেম টাইম ও কনফিগারেশন
ব্যাখ্যা
• CMOS ব্যাটারি একটি ছোট ব্যাটারি যা মাদারবোর্ডে সংযুক্ত থাকে।
• এটি হলো একটি ছোট চিপ যা কম্পিউটারের গুরুত্বপূর্ণ হার্ডওয়্যার সেটিংস সংরক্ষণ করে, যেমন:
-  সিস্টেম ক্লক (System Time and Date)। 
-  বুট অর্ডার।
-  হার্ডওয়্যার কনফিগারেশন (যেমন: HDD, RAM, CD/DVD info)।
এই তথ্যগুলো সংরক্ষিত থাকে CMOS ব্যাটারির মাধ্যমে। এটি সাধারণত একটি ছোট CR2032 লিথিয়াম ব্যাটারি যা মাদারবোর্ডে থাকে।

•  এর কাজ হলো
-  সিস্টেম টাইম ও তারিখ সংরক্ষণ করা (যেমন: ঘড়ির সময় ও ক্যালেন্ডার),
 -  বেসিক হার্ডওয়্যার কনফিগারেশন সংরক্ষণ করা (যেমন: বুট অর্ডার, হার্ডডিস্কের ধরন, কী-বোর্ড বা ইউএসবি সেটিংস),
 -  BIOS/UEFI সেটিংস-এর ডেটা সংরক্ষণ (BIOS সফটওয়্যার না, বরং BIOS-এ করা কনফিগারেশন সংরক্ষণ করে)।

যদি CMOS ব্যাটারি নষ্ট বা খালি হয়ে যায়, তাহলে যা ঘটে
-  কম্পিউটার প্রতিবার চালু করার সময় টাইম/ডেট রিসেট হয়ে যায়।
-  BIOS কনফিগারেশন মুছে যেতে পারে।

তথ্যসূত্র:
-  তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, ৯ম ও ১০ম শ্রেণী।
-  Computer Organization & Design – David A. Patterson and John L. Hennessy.
-  Intel Technical Documentation on CMOS & RTC.
৩১.
দশমিক সংখ্যা 82 এর বাইনারি রূপ কী?
  1. 1010010
  2. 1101010
  3. 1000010
  4. 1010100
ব্যাখ্যা
দশমিক সংখ্যা 82 কে বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তর করার নিয়মহলো:

বাইনারিতে রূপান্তর করতে হলে 82 কে 2 দিয়ে ভাগ করতে হয় যতক্ষণ না ভাগশেষ ০ হয়:

ভাগফল                   ভাগশেষ

82 ÷ 2 = 41                 0
41 ÷ 2 = 20                 1
20 ÷ 2 = 10                 0
10 ÷ 2 = 5                   0
5 ÷ 2 = 2                     1
2 ÷ 2 = 1                     0
1 ÷ 2 = 0                     1

ভাগশেষগুলো উল্টোভাবে লিখলে পাওয়া যায় বাইনারি রূপ।  যা হলো
1010010 

তথ্যসূত্র:
-  কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২; ৯ম ও ১০ম শ্রেণী (ভোকেশনাল)।
-  "Digital Fundamentals" by Thomas L. Floyd.
৩২.
কোন কোডটি "Error Detection" এর জন্য ব্যবহৃত হয়?
  1. ASCII
  2. Parity Bit
  3. Unicode
  4. EBCDIC
ব্যাখ্যা
• Parity Bit হলো এমন একটি error detection code, যা কম্পিউটারে তথ্য প্রেরণ বা সংরক্ষণের সময় ত্রুটি সনাক্ত করার জন্য ব্যবহৃত হয়। 

এটি যেভাবে কাজ করে- 
Even Parity (জোড় Parity):
-  ডেটার মধ্যে 1 বিট সংখ্যা জোড় রাখতে একটি Parity Bit যোগ করা হয়।
-  যদি 1-এর সংখ্যা বিজোড় হয়, তাহলে 1 যোগ করে জোড় করা হয়।

Odd Parity (বিজোড় Parity):
-  ডেটার মধ্যে 1 বিট সংখ্যা বিজোড় রাখতে Parity Bit যোগ করা হয়।
 
সীমাবদ্ধতা
-  Parity Bit কেবলমাত্র একটি বিট পরিবর্তন শনাক্ত করতে পারে।
-  একাধিক বিট পরিবর্তন ঘটলে এটি নির্ণয় করতে পারে না।

অন্যদিকে, 

ASCII: ASCII হলো এমন একটি Character Encoding Standard, যা কম্পিউটারে টেক্সট (Text) ডেটা সংরক্ষণ ও বিনিময়ের জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি বাইনারি কোড ব্যবহার করে অক্ষর, সংখ্যা ও প্রতীককে প্রতিনিধিত্ব করে। এটি error detection এর জন্য  ব্যবহৃত হয় না।

Unicode: Unicode একটি স্ট্যান্ডার্ড ক্যারেক্টার এনকোডিং সিস্টেম, যা বিশ্বের প্রায় সব ভাষা, প্রতীক, স্ক্রিপ্ট ও চিহ্ন ডিজিটালভাবে উপস্থাপন করতে সক্ষম।

EBCDIC: এটি IBM-এর তৈরি character encoding পদ্ধতি।

তথ্যসূত্র:
-  IBM Docs.
-  Stallings, William. Computer Organization and Architecture.
৩৩.
একটি 4-bit বাইনারি সংখ্যায় সর্বোচ্চ মান কী?
  1. 15
  2. 16
  3. 14
  4. 8
ব্যাখ্যা
• একটি 4-bit বাইনারি সংখ্যায় ৪টি বিট থাকে। প্রতিটি বিটের মান হতে পারে 0 অথবা 1।
তাই, সর্বোচ্চ মান পাওয়ার জন্য সবগুলো বিটকে 1 ধরা হয়:
1111 (binary)

এটিকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর করলে: 
= (1 × 2³) + (1 × 2²) + (1 × 2¹) + (1 × 2⁰)  
= 8 + 4 + 2 + 1  
= 15 (decimal)

অন্যদিকে,
16: এটি 5-bit সংখ্যায় প্রকাশ করা যায় (10000)।

14: এটি 4-bit হলেও সর্বোচ্চ নয় (1110)।

8: এটি 1000, কিন্তু সর্বোচ্চ নয়। 

• 4-bit দিয়ে মোট সংখ্যা প্রকাশ করা যায় = 2⁴ = 16টি (0 থেকে 15 পর্যন্ত) 
যেখানে,
সর্বনিম্ন মান = 0000 (Binary) = 0 (Decimal)
সর্বোচ্চ মান = 1111 (Binary) = 15 (Decimal)

তথ্যসূত্র:  
-  HSC ICT, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেনী , ২০২৩। 
-  Stallings, William. Computer Organization and Architecture.
-  Khan Academy - Binary number system .
৩৪.
শিক্ষাক্ষেত্রে “Adaptive Learning” এর প্রধান বৈশিষ্ট্য কী?
  1. সকল ছাত্রকে একই কনটেন্ট দেওয়া
  2. ছাত্রের গতিবিধি অনুযায়ী কনটেন্ট পরিবর্তন
  3. শুধুমাত্র মাল্টিমিডিয়া ব্যবহার
  4. সময় নির্ধারণ করে প্রশ্নপত্র দেওয়া
ব্যাখ্যা
•  Adaptive Learning হল একটি আধুনিক শিক্ষাব্যবস্থা যেখানে প্রতিটি শিক্ষার্থীর শেখার ধরণ, গতি এবং সক্ষমতার উপর ভিত্তি করে পাঠ্যবস্তু (Content) নিজে থেকেই পরিবর্তন হয় বা মানিয়ে নেয়।
এটি সাধারণত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) এবং বিশ্লেষণাত্মক অ্যালগরিদম ব্যবহার করে শেখার অভিজ্ঞতাকে আরও কার্যকর করে তোলে। 

•  বৈশিষ্ট্য:
-  ছাত্রের প্রদর্শন এবং প্রয়োজন অনুযায়ী পাঠ পরিবর্তন হয়
-  দুর্বল জায়গা চিহ্নিত করে পুনরায় অনুশীলনের সুযোগ দেয়
-  রিয়েল-টাইম ফিডব্যাক প্রদান করে
-  শিক্ষক ও ছাত্র উভয়ের জন্য পারফরম্যান্স ডেটা বিশ্লেষণ করে

অন্যদিকে, 
সকল ছাত্রকে একই কনটেন্ট দেওয়া: এটি প্রচলিত শিক্ষাব্যবস্থা, Adaptive Learning-এ ঠিক এর বিপরীত ঘটে।

শুধুমাত্র মাল্টিমিডিয়া ব্যবহার: মাল্টিমিডিয়া হয়তো ব্যবহৃত হয়, কিন্তু এটি মূল বৈশিষ্ট্য নয়।

সময় নির্ধারণ করে প্রশ্নপত্র দেওয়া: এটি পরীক্ষার একটি দিক, তবে Adaptive Learning-এর মূল বিষয় নয়।

তথ্যসূত্র:
-  UNESCO Glossary.
-  World Bank edTech Notes.
-  Brookings Institute: "Adaptive learning and the future of personalized education".
৩৫.
কোন আউটপুট ডিভাইসটি পিক্সেল রেজোলিউশন অনুযায়ী কাজ করে না?
  1. LCD Monitor
  2. Printer
  3. LED Monitor
  4. Projector
ব্যাখ্যা
• Pixel Resolution বা পিক্সেল রেজোলিউশন মূলত এমন একটি বিষয় যা ডিজিটাল স্ক্রীনভিত্তিক আউটপুট ডিভাইস—যেমন: LCD, LED মনিটর, প্রজেক্টর—এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয়। পিক্সেল রেজোলিউশনএর সংখ্যা নির্দেশ করে স্ক্রিনে কতগুলো পিক্সেল (ছোট ছোট বিন্দু) রয়েছে। 

• প্রিন্টার: প্রিন্টার একটি আউটপুট ডিভাইস যা পিক্সেল রেজোলিউশন অনুযায়ী সরাসরি কাজ করে না।  এটি কাজ করে "DPI" (যেমন 300 DPI, 600 DPI) এর ভিত্তিতে। এখানে প্রতিটি ইঞ্চিতে কতটি ডট ছাপা হচ্ছে, সেটিই রেজোলিউশন নির্দেশ করে।
প্রিন্টার ডেটা প্রক্রিয়াকরণ করে ডটস পার ইঞ্চি (DPI) অনুযায়ী, যেখানে ছোট ছোট কালির বিন্দু দিয়ে চিত্র মুদ্রণ করা হয়। অর্থাৎ, প্রিন্টারের রেজোলিউশন ডিজিটাল স্ক্রিনের পিক্সেল রেজোলিউশন থেকে আলাদা।

অন্যদিকে, 
LCD Monitor: পিক্সেল রেজোলিউশন নির্ভর করে।

LED Monitor: LCD-এর মতোই পিক্সেল ভিত্তিক ডিসপ্লে ডিভাইস।

Projector: ডিজিটাল পিক্সেল সিগন্যালকে প্রজেক্ট করে, তাই এটিও পিক্সেল ভিত্তিক।

তথ্যসূত্র:
- এনসিটিবি ICT পাঠ্যবই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেনী, ২০২৩ সংস্করণ। 
- Computer Fundamentals by P.K. Sinha.
৩৬.
নিচের কোন ইনপুট ডিভাইসটি বিশেষভাবে visually impaired (দৃষ্টিহীন) ব্যবহারকারীদের জন্য উপযোগী?
  1. টাচপ্যাড
  2. ব্রেইল কীবোর্ড
  3. গেম কন্ট্রোলার
  4. OCR স্ক্যানার
ব্যাখ্যা
Braille Keyboard (ব্রেইল কীবোর্ড) হলো বিশেষ ধরনের ইনপুট ডিভাইস যা দৃষ্টিহীন বা দৃষ্টি-প্রতিবন্ধী ব্যবহারকারীদের জন্য তৈরি। এতে ব্রেইল স্ক্রিপ্ট ব্যবহার করে টাইপ করা যায়, যেখানে ফিজিক্যাল ডটস থাকে যা কিছুটা উচু হয়ে থাকে যার ফলে ব্যবহারকারী স্পর্শের মাধ্যমে প্রতিটি অক্ষর অনুভব করতে পারে।

•  ব্রেইল কিবোর্ড যেভাবে কাজ করে: 
-  ব্রেইল অক্ষর তৈরি হয় ৬টি (বা ৮টি) ডটের সংমিশ্রণে।
-  ব্রেইল কীবোর্ডে এই ডটগুলোর প্রতিনিধিত্বকারী ৬ বা ৮টি কী থাকে, যেগুলো একসাথে বা আলাদাভাবে চেপে ব্যবহারকারী কোনো অক্ষর তৈরি করেন।
-  সাধারনভাবে এটি কম্পিউটারের স্ট্যান্ডার্ড কীবোর্ডের বিকল্প হিসেবে কাজ করে।

•  ব্রেইল কিবোর্ডের বৈশিষ্ট্য: 
-  স্পর্শযোগ্য ডট দিয়ে অক্ষর লিখা যায়।
-  অনেক সময় এতে ভয়েস আউটপুট যুক্ত থাকে (screen reader support)।
-  অনেক ব্রেইল কীবোর্ডে ব্রেইল ডিসপ্লে থাকে, যা ব্যবহারকারীদের রিয়েল টাইমে আউটপুট পড়তে সহায়তা করে।
-  এটি USB বা Bluetooth মাধ্যমে কম্পিউটারের সাথে সংযুক্ত হতে পারে।

•  এর ব্যবহার:
-  দৃষ্টিশক্তিহীন বা দৃষ্টিশক্তি সীমিত ব্যক্তিরা এটি ব্যবহার করতে পারে। 
-  শিক্ষা, চাকরি, ও দৈনন্দিন কাজে প্রযুক্তি ব্যবহারে সহায়ক ভূমিকা রাখে।

তথ্যসূত্র:
-  American Foundation for the Blind (AFB).
-  WHO Priority Assistive Product List.
৩৭.
নিচের কোন স্টোরেজ ডিভাইসটিতে কোনো চলমান অংশ (moving parts) থাকে না?
  1. CD-ROM
  2. SSD
  3. HDD
  4. Floppy Disk
ব্যাখ্যা
• SSD (Solid State Drive) হলো একটি স্টোরেজ ডিভাইস যা কোনো যান্ত্রিক বা চলমান অংশ ছাড়াই তথ্য সংরক্ষণ করে।
এটি সম্পূর্ণভাবে ইলেকট্রনিক চিপ (Flash Memory) দ্বারা তৈরি, যার কারণে এতে ডিস্ক ঘোরা বা হেড মুভ করার প্রয়োজন নেই, যেমনটা দেখা যায় HDD বা CD-ROM-এ।

•  SSD এর বৈশিষ্ট্য-
-  দ্রুত ডেটা প্রসেস করে,
-  বিদ্যুৎ খরচ কম করে,
-  নীরবভাবে কাজ করে, এবং
-  ধাক্কা বা কম্পনের প্রতি অনেক বেশি সহনশীল। 

অন্যদিকে, 
CD-ROM, HDD, Floppy Disk এগুলোতে ডিস্ক থাকে যা ঘুরে এবং ডাটা প্রসেস করে। 

তথ্যসূত্র:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (ICT), একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণী। 
- Intel – Solid State Drive Basics.
- Samsung – SSD vs HDD.
- PCMag Encyclopedia.
৩৮.
কোন ইনপুট ডিভাইসটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) ও ভাষা প্রক্রিয়াকরণের সহায়তায় কাজ করে?
  1. কীবোর্ড
  2. অ্যামাজন ইকো
  3. টাচস্ক্রিন
  4. মাউস
ব্যাখ্যা
ভয়েস রিকগনিশন সিস্টেম:
- ভয়েস রিকগনিশন সিস্টেম হল একটি বিশেষধরনের ইনপুট প্রযুক্তি যা মানব কণ্ঠস্বরকে শনাক্ত, বিশ্লেষণ এবং অনুবাদ করে লিখিত টেক্সট বা কমান্ডে রূপান্তর করে।
- এই প্রযুক্তি মানুষের কণ্ঠের স্বরলিপি, উচ্চারণ, শব্দচয়ন ও ভাষা বোঝার জন্য কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) এবং প্রাকৃতিক ভাষা প্রক্রিয়াকরণ (Natural Language Processing - NLP) ব্যবহার করে।
অ্যামাজন ইকো(Amazon Echo) (Alexa)  হলো এমন একটি ইনপুট ডিভাইস যেটি ভয়েস ইনপুট নিয়ে ভয়েস রিকগনিশন সিস্টেম এর মাধ্যমে নির্দেশনা প্রক্রিয়াকরন করে। 

এটি যেভাবে কাজ করে:
শব্দ সনাক্তকরণ (Speech Detection): AI মডেলগুলো কণ্ঠস্বর থেকে শব্দ শনাক্ত করে।

ভাষা বিশ্লেষণ (Language Processing): NLP ব্যবহার করে শব্দগুলোর অর্থ বুঝে নেয়, যেমন কন্ঠের মাধ্যমে কমান্ড দেওয়া হয়েছে নাকি প্রশ্ন করা হয়েছে সেটি বোঝানো হয়। 

বিষয় অনুসন্ধান (Context Understanding): AI পূর্ববর্তী কথোপকথনের প্রসঙ্গ অনুযায়ী উত্তর দিতে পারে। 

মেশিন লার্নিং (Machine Learning): বারবার ব্যবহার ও ডেটা বিশ্লেষণের মাধ্যমে সিস্টেমটি আরও স্মার্ট হয়ে ওঠে।

ভয়েস রিকগনিশন সিস্টেম যুক্ত কয়েকটি প্রযুক্তি হলো- 
Siri (Apple) – ভয়েস দিয়ে প্রশ্ন করলে তা বোঝে এবং উত্তর দেয়।
Alexa (Amazon Echo ) – ভয়েস কমান্ডে ডিভাইস নিয়ন্ত্রণ করে।
Google Assistant – ভয়েস ব্যবহার করে ফোন কল, মেসেজ প্রেরণ, বা সার্চ করে।

অন্যদিকে,
 কিবোর্ড, টাচস্ক্রিন ও মাউস হলো সাধারণ ইনপুট ডিভাইস। 

তথ্যসূত্র:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি,একাদশ-দ্বাদশ ও আলীম শ্রেনী।
- IBM - what is voice recognition.
- Microsoft - Ai and Speech recognition.
৩৯.
OCR ব্যবহার করা হয়—
  1. টেক্সট পড়ার জন্য
  2. গাণিতিক সমস্যা সমাধানের জন্য
  3. ইমেজ থেকে টেক্সট রূপান্তরের জন্য
  4. ডিভাইস সংযোগের জন্য
ব্যাখ্যা
• OCR (Optical Character Recognition) এমন একটি প্রযুক্তি যা ইমেজ বা স্ক্যানকৃত ডকুমেন্ট থেকে টেক্সট সনাক্ত করে এবং তা ডিজিটাল টেক্সটে রূপান্তর করে।
- এটি এমন একটি ইনপুট প্রযুক্তি যা ছবি বা স্ক্যানকৃত কাগজপত্র থেকে লেখা চিনে নিতে সক্ষম।

এর কার্যপদ্ধতি
- OCR প্রযুক্তি মূলত স্ক্যানকৃত ছবি, পিডিএফ, কিংবা হস্তলিখিত কনটেন্ট বিশ্লেষণ করে।
- এরপর কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও প্যাটার্ন রিকগনিশনের সাহায্যে তা ডিজিটাল টেক্সটে রূপ দেয়। 
- এটি ম্যানুয়াল টাইপিং-এর প্রয়োজনীয়তা হ্রাস করে, যেমন: বই টাইপ না করে  বই স্ক্যান করে তা ডিজিটাল বইয়ে রূপান্তর করা যায়।

এর ব্যবহার:
- বই বা কাগজ স্ক্যান করে ডিজিটাল ফর্ম তৈরি করা।
- ব্যাংক চেক থেকে অটোমেটিক তথ্য সংগ্রহ।
- জাতীয় পরিচয়পত্র বা সরকারি নথি ডিজিটালাইজেশন।
- Google Lens, Adobe Scan, Microsoft OneNote- OCR এর বাস্তব প্রয়োগ।

তথ্যসূত্র:
-  একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি।
-   HSC ICT , বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।