ব্যাখ্যা
ব্যাখ্যা:
- Buddhist Mystic Songs চর্যাপদের ইংরেজি অনুবাদ।
- এটি ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ অনুবাদ ও সম্পাদনা করেন।
- প্রকাশিত হয় ১৯৬০ সালে। এই গ্রন্থে ৫০ টি পদ রয়েছে।
উৎস : Buddhist Mystic Songs.
ফ্রি সাপ্তাহিক মডেল টেস্ট · তারিখ অনির্ধারিত · ৮৭ প্রশ্ন
ব্যাখ্যা:
- Buddhist Mystic Songs চর্যাপদের ইংরেজি অনুবাদ।
- এটি ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ অনুবাদ ও সম্পাদনা করেন।
- প্রকাশিত হয় ১৯৬০ সালে। এই গ্রন্থে ৫০ টি পদ রয়েছে।
উৎস : Buddhist Mystic Songs.
ব্যাখ্যা:
চর্যাপদের পদকর্তারা ‘পদ’ (কবিতা) রচনা করতেন বলে তাদেরকে সম্মান করে ‘পাদ’ (কবি) বলা হত।
- ‘পাদ’ শব্দের সংক্ষিপ্ত রূপ হলো ‘পা’, যার অর্থ কবি।
উৎস : বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
ব্যাখ্যাঃ
Quit এর অর্থ স্থান ত্যাগ করা, ছেড়ে দেওয়া। stop, relinquish, give up এই শব্দগুলো quit এর সমার্থক।
অন্যদিকে, Take up means ‘to continue, especially starting after sb/sth else has finished’
অতএব,take up এর অর্থ শুরু করা বা চালিয়ে যাওয়া যা quit এর বিপরীত।
Source: Oxford dictionary
“Self-reverence, self-knowledge, self-control,
These three alone lead life to sovereign power”- these lines occur in Alfred Tennyson’s poem ‘Oenone’. In this poem, the poet deals with the mythical story of Paris’s judgement of the beauty of three goddesses namely Hera, Athene and Aphrodite.
ব্যাখ্যাঃ
D.H. Lawrence is a prominent modern novelist whose major works are-
- The White Peacock
- Sons and Lovers
- The Rainbow
- Women in Love
- Lady Chatterley’s Lover
ব্যাখ্যাঃ
Murder in the Cathedral,The Family reunion,The Cocktail Party are dramas by T.S. Eliot.
But ‘Ash Wednesday’ is a famous poem by Eliot.
ব্যাখ্যা:
- রুবিওলা ভাইরাস মানবদেহে রুবেলা বা জার্মান হাম রোগের জন্য দায়ী।
- অ্যাডেনো ভাইরাস মানবদেহে ভাইরাল নিউমোনিয়ার জন্য দায়ী।
- ভ্যাকসিনিয়া ভাইরাস গবাদি পশুর ক্ষেত্রে গো- বসন্ত রোগের জন্য দায়ী।
- টুংরো ভাইরাস ধানের টুংরো রোগের জন্য দায়ী।
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক উদ্ভিদবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
ব্যাখ্যা:
'বাংলাদেশ উদ্ভিদ ও প্রাণী জ্ঞানকোষ' অনুযায়ী বাংলাদেশ থেকে বর্ণনাকৃত উদ্ভিদ প্রজাতির সংখ্যা হলোঃ
- ব্যাকটেরিয়া ১৭১টি
- ছত্রাক ২৭৫টি
- শৈবাল ২২৪৫টি
- মস জাতীয় উদ্ভিদ ২৪৮টি
- ফার্ন জাতীয় উদ্ভিদ ১৯৫টি
- নগ্নবীজী উদ্ভিদ ০৫টি
- আবৃতবীজী উদ্ভিদ ৩৬১১টি
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক উদ্ভিদবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
ব্যাখ্যা:
- যে ফুল খাড়াভাবে কেন্দ্র বরাবর কাটলে একবারের অধিক সমান দুটি অংশে বিভক্ত হয়, তাকে বহুপ্রতিসম ফুল বলে, যেমন- সরিষা, জবা ইত্যাদি।
- যে ফুল খাড়াভাবে কেন্দ্র বরাবর কাটলে মাত্র একবার দুটি সমান অংশে বিভক্ত হয়, তাকে একপ্রতিসম ফুল বলে, যেমন- শিম ও অপরাজিতা ফুল।
- যে ফুল খাড়াভাবে কেন্দ্র বরাবর কাটলে কখনোই দুটি সমান অংশে বিভক্ত করা যায় না, তাকে অপ্রতিসম ফুল বলে, যেমন- কলাবতী ফুল।
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক উদ্ভিদবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
ব্যাখ্যা:
বিজ্ঞানের বিষয় হিসাবে বিশ্ব সৃষ্টিতত্ত্ব এর জন্ম শুরু হয় ১৯১৬ সালে আলবার্ট আইনস্টাইনের সাধারণ আপেক্ষিক তত্ত্ব প্রণয়নের পর থেকে। ১৯২৯ সালে এডুইন হাবল এর মহাবিশ্বের সম্প্রসারণ আবিষ্কারের ফলে এর উৎপত্তি এর উৎপত্তি সম্পর্কীয় আলোচনা সম্পূর্ণ পরিবর্তিত হয়। আজ থেকে ১৫০০-২০০০ কোটি বছর আগে মহাবিশ্বের আকৃতি ছিলো ডিম্বাকার। অভ্যন্তরীণ বিপুল চাপ ও তাপের কারণে প্রচন্ড শব্দে ডিম্বাকার বস্তুর মহাবিষ্ফোরণ ঘটে। এই বিষ্ফোরণের ফলেই সৃষ্টি হয়েছিলো আমাদের এই মহাবিশ্ব। এটাই বিগ ব্যাঙ তত্ত্ব বা মহাবিষ্ফোরণ তত্ত্ব। বেলজিয়ামের বিজ্ঞানী জর্জ ল্যামেটার এই তত্ত্বের প্রবক্তা।
অনেকেরই ধারণা বিগ ব্যাং তত্ত্বের প্রবক্তা স্টিফেন হকিং। এটি ভুল ধারণা। বিগ ব্যাং তত্ত্বের প্রবক্তা বিজ্ঞানী জর্জ ল্যামেটার। স্টিফেন হকিং শুধুমাত্র বিগ ব্যাং তত্ত্বের আধুনিক ব্যাখ্যা প্রদান করেন।
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
ব্যাখ্যা:
- ব্ল্যাক হোল বা কৃষ্ণগহ্বর হল মহাকাশের এমন এলাকা যেখানে মাধ্যাকর্ষণ শক্তি এতটাই প্রচণ্ড যে সেখান থেকে কোনো কণা, এমনকি আলোর মত বিদ্যুৎ-চৌম্বকীয় তরঙ্গও বেরিয়ে আসতে পারে না। বিরাট আকৃতির কোনো নক্ষত্র যখন তার আয়ুষ্কাল শেষে চুপসে যায়, এর মাধ্যাকর্ষণ শক্তি প্রচণ্ড মাত্রা পায়, বিপুল পরিমাণ ভর সন্নিবেশিত হয় তুলনামূলকভাবে ক্ষুদ্র আয়তনের ভেতরে, তখনই তা পরিণত হয় কৃষ্ণগহ্বরে।
জার্মান পদার্থবিদ আলবার্ট আইনস্টাইন ১৯১৫ সালে তার সাধারণ আপেক্ষিকতাবাদ তত্ত্বে মহাকর্ষীয় তরঙ্গের ধারণা দেন, যা স্থান-কালকে বাঁকিয়ে দেয়। তার ওই তত্ত্বেই ব্ল্যাক হোলের অস্তিত্বের ধারণা আরো জোর পায়, যদিও আইনস্টাইন নিজেও এক সময় ওই তত্ত্ব ‘ভুল’ বলে ভাবতে শুরু করেন। তার মনে হয়েছিল, বাস্তবে ব্ল্যাক হোলের মত কিছু থাকা সম্ভব না।
আইনস্টাইনের মৃত্যুর ১০ বছর পর ১৯৬৫ সালে তার সেই সংশয় দূর করেন অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গাণিতিক পদার্থবিদ রজার পেনরোজ।
গাণিতিকভাবে তিনি দেখিয়ে দেন ব্ল্যাক হোল সত্যিই থাকা সম্ভব। আর কীভাবে তা তৈরি হয়, তাও তিনি গাণিতিক সমাধানে দেখিয়ে দেন আইনস্টাইনের সেই সাধারণ আপেক্ষিকতাবাদের পথ ধরেই।
আইনস্টাইনের তত্ত্বের পর পেনরোজের ওই গাণিতিক সমাধানকেই সাধারণ আপেক্ষিকতাবাদের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় কাজ বলে বিবেচনা করা হয়।
- জার্মানির ম্যাক্স প্লাংক ইনস্টিটিউট ফর এক্সট্রাটেরেস্ট্রিয়াল ফিজিক্সের গবেষক রাইনার্ড গেনসেল এবং লস অ্যাঞ্জেলেসের ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়ার আন্দ্রেয়া গেজ ১৯৯০ এর দশকে আলাদা দুই দল জ্যোতির্বিদকে নিয়ে নজর রাখছিলেন আমাদের ছায়াপথের ঠিক মাঝামাঝি এলাকার একটি অংশে, যাকে বলা হয় ‘স্যাগিটেরিয়াস এ’।
ওই এলাকার কাছাকাছি সবচেয়ে উজ্জ্বল নক্ষত্রটির কক্ষপথ পরিমাপ করতে গিয়ে দুই দলই এক অদৃশ বস্তুর সন্ধান পান, যা আকারে আমাদের সৌরজগতের চেয়ে ছোট, কিন্তু ভর আমাদের সূর্যের ভরের প্রায় ৪০ লাখ গুণ বেশি। আর অদৃশ্য সেই বস্তু প্রচণ্ড শক্তিতে আশপাশের নক্ষত্রগুলোকে টানছে।
আসলে তাদের ওই গবেষণার মধ্য দিয়েই আমাদের আকাশগঙ্গার ঠিক কেন্দ্রে বিপুল বিশাল এব ব্ল্যাক হোলের অস্তিত্ব প্রমাণিত হয়। এ আবিষ্কারের জন্য তাঁরা ২০২০ সালে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরষ্কারে ভূষিত হন।
সূত্র: www.nobelprize.org ওয়েবসাইট
ব্যাখ্যা:
তেজস্ক্রিয়তা একটি স্বতঃস্ফূর্ত স্বীয় বিচ্ছিন্নকারী প্রক্রিয়া। ১৮৯৬ খিস্টাব্দে বিখ্যাত বিজ্ঞানী হেনরী বেকরেল সর্বপ্রথম তেজস্ক্রিয়তা আবিষ্কার করেন। তিনি লক্ষ্য করেন যে, ইউরেনিয়াম এবং তাদের যৌগ হতে আপনা আপনি এক প্রকার রহস্যজনক কণা এবং রশ্মি নির্গত হতে থাকে। এর পরে পিয়েরে কুরী এবং তাঁর স্ত্রী মাদাম কুরী থোরিয়ামের মধ্যে একই গুণ আবিষ্কার করেন।
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
ব্যাখ্যা:
অর্ধপরিবাহী পদার্থের বৈশিষ্ট্যগুলো হলো,
- পরমশূন্য তাপমাত্রায় এরা অন্তরক।
- কোনো অপদ্রব্য মিশালে এর তড়িৎ পরিবাহকত্ব বৃদ্ধি পায়।
- নির্দিষ্ট তাপমাত্রা পাল্লা পর্যন্ত তাপমাত্রা বৃদ্ধির সাথে তড়িৎ পরিবাহকত্ব বৃদ্ধি পায় ও রোধ হ্রাস পায়।
- দুই প্রান্তের মধ্যবর্তী বিভবপার্থক্য বৃদ্ধি করলে তড়িৎ পরিবাহকত্ব বৃদ্ধি পায়।
- সিলিকন, জার্মেনিয়াম হলো অর্ধপরিবাহী পদার্থ।
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
ব্যাখ্যা:
- জারক পদার্থ অপর পদার্থকে জারিত করে, কিন্তু নিজে বিজারিত হয়। ক্লোরিন, ফ্লোরিন ইত্যাদি প্রায় সকল অধাতু হলো জারক।
- বিজারক পদার্থ অপর পদার্থকে বিজারিত করে, কিন্তু নিজে জারিত হয়। ক্যালসিয়াম, অ্যালুমিনিয়াম ইত্যাদি প্রায় সকল ধাতু এবং কার্বন হলো বিজারক পদার্থ।
সুত্র: মাধ্যমিক রসায়ন বোর্ড বই, নবম-দশম শ্রেণি
ব্যাখ্যা:
- আল্ট্রাসনোগ্রাফিতে শব্দশক্তির সাহায্যে মানবদেহের রোগ নির্ণয় করা হয়।
- সিটি স্ক্যানে তড়িচ্চুম্বকীয় তরঙ্গকে মানবদেহের রোগ শনাক্তকরণে কাজে লাগানো হয়।
- এমঅারঅাই তে চৌম্বক শক্তিকে মানবদেহের রোগ শনাক্তে কাজে লাগানো হয়।
- ইসিজি তে হৃদযন্ত্রের বৈদ্যুতিক কর্মকান্ডকে লেখের সাহায্যে উপস্থাপন করা হয়।
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি