পরীক্ষা আর্কাইভ

শিক্ষক নিবন্ধন (NTRCA) প্রস্তুতি [১৯তম]

পরীক্ষাশিক্ষক নিবন্ধন (NTRCA) প্রস্তুতি [১৯তম]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়09 minutes
মোট প্রশ্ন১৮
সিলেবাস
পরীক্ষা – ১২ বিষয়: সাধারণ জ্ঞান (আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি) টপিক: বিশ্ব ভৌগোলিক পরিচিতি (মহাদেশ, দেশ, রাজধানী, মুদ্রা, পার্লামেন্ট এবং নদী, প্রণালী, দ্বীপ, মহাসাগর), আন্তর্জাতিক রাজনীতি ও আনুষঙ্গিক বিষয়াবলি। উৎস: বোর্ড বই [NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়], ব্রিটানিকা, ওয়ার্ল্ড এটলাস ওয়েবসাইট, সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট এবং যেকোনো গাইডবই। [গাইড বই থেকে পড়ার ক্ষেত্রে কনফিউজিং বিষয়গুলো ক্রসচেক করে পড়া উত্তম।]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

শিক্ষক নিবন্ধন (NTRCA) প্রস্তুতি [১৯তম]

শিক্ষক নিবন্ধন (NTRCA) প্রস্তুতি [১৯তম] · তারিখ অনির্ধারিত · ১৮ প্রশ্ন

.
কোন শহরটি 'সিটি অব লাভ' নামে পরিচিত?
  1. ভেনিস
  2. প্যারিস
  3. সিঙ্গাপুর
  4. নিউইয়র্ক
ব্যাখ্যা
প্যারিস: ভালোবাসার শহর
- প্যারিস 'সিটি অব লাভ' নামে পরিচিত। 
- ফ্রেঞ্চ ভাষাকে যদি “ভালোবাসার ভাষা” বলা হয়, কিংবা সেন নদীর ধারে রোমান্টিক হাঁটার অভিজ্ঞতাই হোক—এই সব মিলিয়ে প্যারিস “ভালোবাসার শহর” হিসেবে নিজের একটি বিশেষ পরিচয় গড়ে তুলেছে।
- দীর্ঘদিন ধরেই এই শহর প্রেমে নিবেদিত লেখক ও শিল্পীদের আকর্ষণ করেছে।
- শহরজুড়ে প্রেমের ছোঁয়া খুঁজে পাওয়া যায়। 
- হোক তা আরামদায়ক ছোট্ট কোনো ক্যাফেতে, কিংবা সেই বিখ্যাত "আর্টস ব্রিজ"-এ, যেখানে ২০০০-এর দশকের শুরুতে প্রেমিক-প্রেমিকারা ভালোবাসার প্রতীক হিসেবে তালা ঝুলিয়ে দিতেন একে অপরের প্রতি তাঁদের প্রতিশ্রুতি প্রকাশ করতে।

এছাড়া,
- কায়রো: হাজার মিনারের শহর।
- সিডনি: হারবার সিটি। 
- মুম্বাই: স্বপ্নের শহর। 
- লাস ভেগাস: সিন সিটি। 
- উশুয়াইয়া: পৃথিবীর শেষ প্রান্ত। 
- জেনেভা: শান্তির রাজধানী। 
- নিউ ইয়র্ক সিটি: দ্য বিগ অ্যাপেল। 

উৎস: Britannica.
.
ইউক্রেনের রাজধানীর নাম কী?
  1. মারিউপোল
  2. খারকিভ
  3. কিয়েভ
  4. খেরসন
ব্যাখ্যা
কিয়েভ: 
- কিয়েভ (Kyiv) ইউক্রেনের রাজধানী এবং প্রধান শহর।
- এটি ডিনিপার নদীর তীরে অবস্থিত একটি গুরুত্বপূর্ণ বন্দরনগরী এবং একটি বড় রেল সংযোগস্থল।
- কিয়েভের ইতিহাস গৌরবময় ও প্রাচীন।
- প্রায় এক হাজার বছর আগে এটি ছিল পূর্ব স্লাভদের প্রথম রাষ্ট্র কিয়েভান রাস (Kyivan Rus)-এর কেন্দ্রস্থল।
- সে কারণে কিয়েভ পেয়েছিল “রাশিয়ান শহরসমূহের জননী” উপাধি।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় শহরটি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল।
- তবে ১৯৫০-এর দশকের মাঝামাঝি নাগাদ এটি পুনর্নির্মিত হয়।
- ২০শ শতাব্দীর দ্বিতীয়ার্ধে কিয়েভ ছিল একটি সমৃদ্ধ অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্র।
- ১৯৯১ সালে ইউক্রেন সোভিয়েত ইউনিয়ন থেকে স্বাধীনতা লাভ করলে কিয়েভ আবারও একটি গুরুত্বপূর্ণ ইউরোপীয় রাজধানী হিসেবে তার মর্যাদা ফিরে পায়।

উৎস: Britannica.
.
অটোয়া চুক্তি কী সম্পর্কিত কনভেনশন?
  1. স্থলমাইন নিষিদ্ধকরণ
  2. পারমাণবিক অস্ত্র নিষিদ্ধকরণ
  3. ক্ষেপণাস্ত্র নিষিদ্ধকরণ
  4. অ্যান্টি-এয়ারক্রাফট নিষিদ্ধকরণ
ব্যাখ্যা
অটোয়া চুক্তি: 
- অটোয়া চুক্তি অ্যান্টি-পারসোনেল মাইন নিষিদ্ধকরণ, মজুদ, উৎপাদন ও স্থানান্তর এবং সেগুলোর ধ্বংস সংক্রান্ত কনভেনশন। 
- এটি অ্যান্টি-পারসোনেল মাইন ব্যান কনভেনশন, অটোয়া কনভেনশন, বা মাইন ব্যান চুক্তি নামেও পরিচিত।
- এটি হলো অ্যান্টি-পারসোনেল মাইন দ্বারা সৃষ্ট দুর্ভোগ ও প্রাণহানি বন্ধের জন্য আন্তর্জাতিক প্রচেষ্টার মূল ভিত্তি।
- এই চুক্তির সূচনা হয় অটোয়া প্রক্রিয়া (Ottawa Process) নামক একটি উদ্যোগের মাধ্যমে, যা ছিল এক ধরনের "সাহসী পদক্ষেপ"।
- এই প্রক্রিয়া সফল হয় মূলত আন্তর্জাতিক সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল ক্যাম্পেইন টু ব্যান ল্যান্ডমাইনস এবং রেড ক্রস ইন্টারন্যাশনাল কমিটি-এর জোরালো প্রচারণা ও একদল নিষেধাজ্ঞা-সমর্থক রাষ্ট্রের অংশগ্রহণের ফলে।
- তাদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় ১৯৯৭ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর নরওয়ের অসলো শহরে এই কনভেনশন গৃহীত হয়।
- চুক্তিতে স্বাক্ষর শুরু হয় ৩-৪ ডিসেম্বর ১৯৯৭, কানাডার অটোয়াতে, এবং এটি খোলা থাকে যতক্ষণ না কনভেনশনটি ১ মার্চ ১৯৯৯-এ আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর হয়।

উৎস: Anti-Personnel Mine Ban Convention ওয়েবসাইট।
.
বিশ্বের সবচেয়ে বড় দ্বীপ কোনটি?
  1. নিউ গিনি
  2. গ্রীনল্যান্ড
  3. বোর্নিও
  4. মাদাগাস্কার
ব্যাখ্যা
গ্রীনল্যান্ড: 
- গ্রীনল্যান্ড বিশ্বের সবচেয়ে বড় দ্বীপ।
- এটি উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরে অবস্থিত।
- গ্রীনল্যান্ড (স্থানীয় ভাষায় কালালিত নুনাত) পরিচিত এর বিশাল তুন্দ্রা অঞ্চল ও বিশাল হিমবাহের জন্য।
- যদিও গ্রীনল্যান্ড এখনো ডেনমার্ক রাজ্যের অংশ, দ্বীপটির হোম-রুল সরকার বেশিরভাগ অভ্যন্তরীণ বিষয়ে দায়িত্ব পালন করে।
- গ্রীনল্যান্ডের মানুষ প্রধানত ইনুইট, যারা অঞ্চলভেদে নিজেদের ভিন্ন নামে ডাকেন। 
- পশ্চিম গ্রীনল্যান্ডের বাসিন্দারা নিজেদের কালালিত বলে। 
- থুলে জেলার লোকেরা নিজেদের ইনুগুইট। 
- আর পূর্ব গ্রীনল্যান্ডের লোকেরা নিজেদের আইট বলে পরিচয় দেন।
- তাঁরা তাঁদের মাতৃভূমিকে বলেন কালালিত নুনাত, অর্থাৎ “গ্রীনল্যান্ডবাসীদের দেশ”।
- গ্রীনল্যান্ডের রাজধানীর নাম নুক (ডেনিশ ভাষায় গোথহোব)।

এছাড়া,
- নিউ গিনি বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম দ্বীপ। 
- বোর্নিও বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম দ্বীপ। 
- মাদাগাস্কার বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম দ্বীপ।

উৎস: Britannica.
.
সব ধরনের পারমাণবিক বিস্ফোরণ নিষিদ্ধ করে কোন চুক্তি?
  1. NPT
  2. ABM
  3. CTBT
  4. Ottawa
ব্যাখ্যা
Comprehensive Nuclear-Test-Ban Treaty (CTBT): 
- CTBT হলো একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি যা সামরিক বা শান্তিপূর্ণ যেকোনো উদ্দেশ্যে সব ধরনের পারমাণবিক বিস্ফোরণ নিষিদ্ধ করে।
- এই চুক্তিতে একটি ভূমিকা অংশ (preamble), ১৭টি অনুচ্ছেদ, দুটি সংযুক্তি (annexes), এবং একটি প্রোটোকল রয়েছে, যার সাথেও দুটি সংযুক্তি যুক্ত রয়েছে।
- ১৯৯৬ সালের ১৯ নভেম্বর চুক্তিতে স্বাক্ষরকারী রাষ্ট্রগুলো একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব (Resolution) গ্রহণ করে যার মাধ্যমে Comprehensive Nuclear-Test-Ban Treaty Organization (CTBTO) গঠনের জন্য প্রস্তুতিমূলক কমিশন প্রতিষ্ঠা করা হয়।

পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা (Verification Regime):
- চুক্তির কার্যকারিতা নিশ্চিত করতে, CTBT-এর একটি অনন্য পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা রয়েছে, যা পৃথিবীর যেকোনো প্রান্তে সংঘটিত পারমাণবিক বিস্ফোরণ—সে ভূগর্ভে, পানির নিচে অথবা বায়ুমণ্ডলে হোক না কেন—সনাক্ত করতে সক্ষম।

উল্লেখ্য,
- NPT (পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি) পারমাণবিক অস্ত্রের বিস্তার রোধ এবং পারমাণবিক শক্তির শান্তিপূর্ণ ব্যবহারে সহযোগিতা প্রচারের লক্ষ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক চুক্তি।
- অ্যান্টি-ব্যালিস্টিক মিসাইল (ABM) চুক্তিটি ছিলমার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে একটি অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ চুক্তি যা ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধে ব্যবহৃত অ্যান্টি-ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা (ABM) স্থাপন সীমিত করে।
- অটোয়া চুক্তি অ্যান্টি-পার্সোনেল মাইনের ব্যবহার, মজুদ, উৎপাদন এবং স্থানান্তর নিষিদ্ধকরণ এবং তাদের ধ্বংস সম্পর্কিত কনভেনশনকে বোঝায়।

উৎস: CTBTO ওয়েবসাইট।
.
অ্যান্টার্কটিক চুক্তির মূল স্বাক্ষরকারী দেশ কয়টি?
  1. ৮টি
  2. ১০টি
  3. ১২টি
  4. ১৫টি
ব্যাখ্যা
অ্যান্টার্কটিক চুক্তি (Antarctic Treaty): 
- অ্যান্টার্কটিক চুক্তি হলো অ্যান্টার্কটিকা মহাদেশ নিয়ে একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি। 
- এটি ১ ডিসেম্বর, ১৯৫৯ সালে ১২টি দেশ (মূল স্বাক্ষরকারী) স্বাক্ষর করে।
- এই চুক্তির মাধ্যমে অ্যান্টার্কটিকা মহাদেশকে একটি সামরিক-বর্জিত অঞ্চল হিসেবে ঘোষণা করা হয়, যেখানে শুধুমাত্র বৈজ্ঞানিক গবেষণার উদ্দেশ্যে কাজ করা যাবে।
- চুক্তিটির মূল লক্ষ্য ছিল অ্যান্টার্কটিকাকে সামরিকীকরণ থেকে মুক্ত রাখা এবং সেখানে আন্তর্জাতিক সহযোগিতার ভিত্তিতে শান্তিপূর্ণ বৈজ্ঞানিক গবেষণা চালিয়ে যাওয়া।
- এই চুক্তি গঠিত হয় ওয়াশিংটন ডিসি-তে অনুষ্ঠিত একটি সম্মেলনের মাধ্যমে, যেখানে অংশগ্রহণ করে নিম্নলিখিত ১২টি দেশের প্রতিনিধিরা:
১. আর্জেন্টিনা
২. অস্ট্রেলিয়া
৩. বেলজিয়াম
৪. ব্রিটেন
৫. চিলি
৬. ফ্রান্স
৭. জাপান
৮. নিউজিল্যান্ড
৯. নরওয়ে
১০. দক্ষিণ আফ্রিকা
১১. যুক্তরাষ্ট্র
১২. সোভিয়েত ইউনিয়ন

উৎস: Britannica.
.
আরব বসন্তের সূচনা হয় কোথায়?
  1. মিশরে
  2. আলবেনিয়ায়
  3. আলজেরিয়ায়
  4. তিউনিসিয়ায়
ব্যাখ্যা
আরব বসন্ত:
- আরব বসন্ত ছিল মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকার বিভিন্ন দেশে ঘটে যাওয়া এক তরঙ্গময় গণআন্দোলন।
- এই আন্দোলন শুরু হয় ২০১০ সালের শেষদিকে তিউনিসিয়ায়। 
- ২০১১ সালের শুরুতে তা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে মিশর, লিবিয়া, সিরিয়া, ইয়েমেন সহ অনেক আরব দেশে।
- তিউনিসিয়ার একজন তরুণ রাস্তার ফেরিওয়ালা মোহাম্মদ বুয়াজিজি, পুলিশের নির্যাতনের প্রতিবাদে নিজেকে আগুন দিয়ে আত্মাহুতি দেন।
- এই ঘটনাই “জ্যাসমিন বিপ্লব” নামে গণআন্দোলনের সূত্রপাত করে।

বিভিন্ন দেশে আন্দোলন:
- তিউনিসিয়া – সরকার পতন ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন।
- মিশর – হোসনি মুবারক পদত্যাগ করেন।
- লিবিয়া – গাদ্দাফির পতন এবং সহিংস গৃহযুদ্ধ।
- সিরিয়া – গৃহযুদ্ধ শুরু হয়।
- ইয়েমেন – সরকারে পরিবর্তন, কিন্তু পরে সংঘর্ষ।

উৎস: Britannica.
.
গুমবিরোধী আন্তর্জাতিক সনদ কোনটি?
  1. ICPPED
  2. CEDAW
  3. UNCCD
  4. UDHR
ব্যাখ্যা
গুমবিরোধী আন্তর্জাতিক সনদ (International Convention for the Protection of All Persons from Enforced Disappearance বা ICPPED): 
- গুমবিরোধী আন্তর্জাতিক সনদ হল ICPPED.
- ICPPED হল বলপূর্বক অন্তর্ধান (গুম) সম্পর্কিত প্রথম সর্বজনীনভাবে আইনত বাধ্যতামূলক মানবাধিকার দলিল।
- জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের রেজুলেশন ৬১/১৭৭-এ দ্বারা গৃহীত হয়।
- গৃহীত হয়: ২০ ডিসেম্বর ২০০৬ সাল। 
- কার্যকর হয়: ২৩ ডিসেম্বর, ২০১০ সাল।
- কনভেনশনটি অনুমোদনকারী দেশগুলি আইনত এর দ্বারা আবদ্ধ হতে সম্মত হয় এবং তাদেরকে রাষ্ট্রপক্ষ বলা হয়।

উৎস: ohchr.org
.
কোন দেশের নারীরা সর্বপ্রথম ভোটাধিকার লাভ করে?
  1. নিউজিল্যান্ড
  2. ব্রিটেন
  3. অস্ট্রেলিয়া
  4. কানাডা
ব্যাখ্যা
নারীদের ভোটাধিকার:
- প্রাচীন গ্রিস ও রোমে, এবং এমনকি ১৮শ শতকের শেষ দিকে ইউরোপের উদীয়মান গণতান্ত্রিক দেশগুলোতেও নারীরা ভোট দিতে পারতেন না।
- ১৮৩২ সালে যুক্তরাজ্যে যখন সাধারণ জনগণের ভোটাধিকার কিছুটা সম্প্রসারিত হয়, তখনও নারীদের ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত রাখা হয়।
- ১৯শ শতকে যুক্তরাজ্য এবং যুক্তরাষ্ট্রে নারীদের ভোটাধিকার নিয়ে বড় আন্দোলন শুরু হয়।
- তবে এই দুটি দেশ সবার আগে নারী ভোটাধিকার দেয়নি।
- ১৮৯৩ সালে সর্বপ্রথম নিউজিল্যান্ডের নারীদের ভোটাধিকার প্রদান করা হয়।
- অস্ট্রেলিয়া ১৯০২ সালে নারীদের ভোটাধিকার প্রদান করে।
- ফিনল্যান্ড ১৯০৬ সালে নারীদের ভোটাধিকার প্রদান করে।
- নরওয়ে ১৯১৩ সালে নারীদের ভোটাধিকার প্রদান করে।
- সুইডেন এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে কিছু স্থানীয় নির্বাচনে তাদের ভোটদানের অধিকার ছিল।
- নারীদের ভোটাধিকার ছিল দীর্ঘ ও কঠিন আন্দোলনের ফল।
- আজকে যেটা নারীদের মৌলিক অধিকার, এক সময় সেটা অর্জন করতে বহু নারী আন্দোলন, সংগ্রাম এবং আত্মত্যাগ করেছেন।

উৎস: Britannica.
১০.
কূটনৈতিক সম্পর্ক বিষয়ক ভিয়েনা কনভেনশন কত সালে গৃহীত হয়?
  1. ১৯৫১ সাল
  2. ১৯৬১ সাল
  3. ১৯৬৬ সাল
  4. ১৯৮৬ সাল
ব্যাখ্যা
কূটনৈতিক সম্পর্ক বিষয়ক ভিয়েনা কনভেনশন (Vienna Convention on Diplomatic Relations): 
- স্থান: ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া
- গৃহীত হয়: ১৮ এপ্রিল ১৯৬১ সাল। 
- কার্যকর হয়: ২৪ এপ্রিল ১৯৬৪ (ধারা ৫১ অনুযায়ী)। 
- স্বাক্ষরকারী দেশ: ৬০টি । 
- পক্ষ: ১৯৩টি দেশ। 
- এই কনভেনশনটি ১৯৬১ সালের ১৪ এপ্রিল জাতিসংঘের উদ্যোগে ভিয়েনা শহরের Neue Hofburg-এ অনুষ্ঠিত "Diplomatic Intercourse and Immunities" সম্মেলনে গৃহীত হয়।
- এই কনভেনশন হলো আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক সম্পর্কের মৌলিক ভিত্তি, যা রাষ্ট্রসমূহের মধ্যে কূটনৈতিক মিশন ও কূটনীতিকদের অধিকার, দায়মুক্তি ও দায়িত্ব নির্ধারণ করে।

উৎস: United Nations Treaty Collection ওয়েবসাইট।
১১.
তাইওয়ান প্রণালীর অন্যনাম -
  1. সুশিমা প্রণালী
  2. পূর্ব চীন প্রণালী
  3. ফরমোজা প্রণালী
  4. কোরীয় প্রণালী
ব্যাখ্যা
তাইওয়ান প্রণালী:
- প্রশান্ত মহাসাগরের অংশ, যা চীনের ফুকিয়েন প্রদেশ এবং তাইওয়ানের মধ্যে অবস্থিত।
- এর প্রস্থ সবচেয়ে সরু অংশে ১০০ মাইল (১৬০ কিমি)।
- গভীরতা প্রায় ৭০ মিটার (২৩০ ফুট)।
- এতে পেস্কাডোরেস দ্বীপপুঞ্জ রয়েছে, যা তাইওয়ানের সরকারের নিয়ন্ত্রণে।
- তাইওয়ান প্রণালীর অন্যনাম ফরমোজা প্রণালী।

উৎস: Britannica.
১২.
হেলসিঙ্কি বিধি (Helsinki Rules) কী সম্পর্কিত?
  1. আন্তর্জাতিক নদী আইন
  2. নিরাপত্তা ও সহযোগিতা
  3. অর্থনৈতিক সহযোগিতা
  4. বাণিজ্যিক আইন
ব্যাখ্যা
হেলসিঙ্কি বিধি (The Helsinki Rules on the Uses of Water of International Rivers): 
- আন্তর্জাতিক নদীর জলের ব্যবহার সংক্রান্ত হেলসিঙ্কি বিধি (The Helsinki Rules on the Uses of Water of International Rivers) হল একটি আন্তর্জাতিক নির্দেশিকা যা জাতীয় সীমানা অতিক্রমকারী নদী এবং তাদের সংযুক্ত ভূগর্ভস্থ জল কীভাবে ব্যবহার করা যেতে পারে তা নিয়ন্ত্রণ করে। 
- এটি ১৯৬৬ সালে ফিনল্যান্ডের হেলসিঙ্কিতে আন্তর্জাতিক আইন সমিতি (ILA) দ্বারা গৃহীত হয়েছিল।

উল্লেখ্য,
- হেলসিঙ্কি চুক্তি (১ আগস্ট, ১৯৭৫) ফিনল্যান্ডের হেলসিঙ্কিতে ইউরোপে নিরাপত্তা ও সহযোগিতা সংক্রান্ত প্রথম সম্মেলন (CSCE; বর্তমানে ইউরোপে নিরাপত্তা ও সহযোগিতা সংস্থা নামে পরিচিত) এর সমাপ্তিতে স্বাক্ষরিত একটি প্রধান কূটনৈতিক চুক্তি ।

উৎস: IWRM ACTION HUB ওয়েবসাইট।
১৩.
যুক্তরাজ্যের বর্তমান রাজা/রাণী কে? [মে, ২০২৫]
  1. উইলিয়াম
  2. দ্বিতীয় এলিজাবেথ
  3. তৃতীয় চার্লস
  4. দ্বিতীয় চার্লস
ব্যাখ্যা
তৃতীয় চার্লস:
- তৃতীয় চার্লস ৮ সেপ্টেম্বর ২০২২ সাল থেকে যুক্তরাজ্যের রাজা।
- তিনি রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথ এবং প্রিন্স ফিলিপের জ্যেষ্ঠ পুত্র।
- তিনি ৭৩ বছর বয়সে সিংহাসনে আরোহণ করেন।
- তিনি ব্রিটেনের ৪০তম রাজা।
- সিংহাসনে বসার পর, চার্লস তার বড় ছেলে উইলিয়ামকে প্রিন্স অব ওয়েলস উপাধি প্রদান করেন।
- রাজা যুক্তরাজ্যের রাষ্ট্র-প্রধান।
- তবে তার ক্ষমতা প্রতীকী এবং আনুষ্ঠানিক।
- তিনি রাজনৈতিকভাবে নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করেন।
- প্রতিদিন ব্রিটিশ সরকারের কাজের রিপোর্ট তার কাছে লাল রঙের চামড়ার একটি বাক্সে করে পাঠানো হয়, যার মধ্যে থাকে গুরুত্বপূর্ণ কোনো বৈঠকের আগে সে সম্পর্কে ব্রিফিং, অথবা কাগজপত্র যাতে তার স্বাক্ষর করা প্রয়োজন।
- সাধারণত ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী প্রতি বুধবার বাকিংহাম প্রাসাদে গিয়ে রাজার সঙ্গে দেখা করে তার সরকারের কার্যক্রম সম্পর্কে রাজাকে অবহিত করেন।
- এসব বৈঠক একান্ত ব্যক্তিগত এবং সেখানে যেসব কথাবার্তা হয় সেগুলোর আনুষ্ঠানিক কোনো রেকর্ড রাখা হয় না।
- ব্রিটিশ রাজা কমনওয়েলথেরও প্রধান।
- কমনওয়েলথের ১৫টি দেশে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে চার্লসই রাজা।

উৎস: বিবিসি বাংলা
Britannica.
১৪.
ABM চুক্তি কোন দুটি দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত হয়?
  1. যুক্তরাজ্য এবং সোভিয়েত ইউনিয়নে
  2. যুক্তরাষ্ট্র এবং যুক্তরাজ্য
  3. যুক্তরাষ্ট্র এবং সোভিয়েত ইউনিয়ন
  4. যুক্তরাজ্য এবং জাপান
ব্যাখ্যা
অ্যান্টি-ব্যালিস্টিক মিসাইল চুক্তি (ABM চুক্তি):
- অ্যান্টি-ব্যালিস্টিক মিসাইল চুক্তি (ABM Treaty) ছিল একটি অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ চুক্তি, যা ১৯৭২ সালে যুক্তরাষ্ট্র এবং সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে স্বাক্ষরিত হয়।
- এই চুক্তির লক্ষ্য ছিল ইন্টারকন্টিনেন্টাল ব্যালিস্টিক মিসাইল (ICBM) প্রতিহত করার জন্য তৈরি প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সীমিত করা।
- যুক্তরাষ্ট্র প্রথম এই ধরনের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে নিষিদ্ধ করার প্রস্তাব দেয় ১৯৬৬ সালে।
- আলোচনা শুরু হয় ১৯৬৯ সালের শেষ দিকে, যা SALT (Strategic Arms Limitation Talks)-এর অংশ ছিল।
- চুক্তিটি স্বাক্ষর করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট রিচার্ড নিক্সন এবং সোভিয়েত নেতা লিওনিড ব্রেজনেভ, মে ১৯৭২-তে মস্কো সম্মেলনে।
- পরে উভয় দেশের আইনসভা চুক্তিটি অনুমোদন করে।
- এই চুক্তি দুই পরাশক্তির মধ্যে পারমাণবিক ভারসাম্য রক্ষা করেছিল, কারণ উভয় পক্ষই জানত প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সীমিত থাকলে আক্রমণের ঝুঁকি দুই পক্ষের জন্যই সমান থাকবে।
- ফলে এটি একটি স্থিতিশীলতা ও পারমাণবিক প্রতিরোধের যুগ সূচিত করেছিল।

উৎস: Britanniaca.
১৫.
জেনেভা কনভেনশনে কয়টি চুক্তি রয়েছে?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫টি
ব্যাখ্যা
জেনেভা কনভেনশন:
- জেনেভা কনভেনশনে ৪টি চুক্তি ও ৩টি প্রটোকল রয়েছে। 
- জেনেভা কনভেনশন হলো ১৮৬৪ থেকে ১৯৪৯ সালের মধ্যে জেনেভাতে স্বাক্ষরিত আন্তর্জাতিক চুক্তিসমূহের একটি সিরিজ, যা যুদ্ধের সময় সৈন্য ও বেসামরিক জনগণের মানবিক অবস্থার উন্নতির লক্ষ্যে গৃহীত হয়।
- এই চুক্তিগুলোর মাধ্যমে যুদ্ধকালীন সময়ে নির্দিষ্ট নীতিমালা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, যা যুদ্ধের সময় মানবাধিকারের সুরক্ষায় সহায়ক।
- জেনেভা কনভেনশন যুদ্ধকালীন মানবাধিকারের সুরক্ষায় একটি বৈশ্বিক মাইলফলক এবং এটি আজও আন্তর্জাতিক আইনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
i) জেনেভা কনভেনশন প্রথমবার গৃহীত হয় ১৮৬৪ সালে, যা রেড ক্রসের প্রতিষ্ঠাতা অঁরি দুঁনার-এর উদ্যোগে।
- আহত সৈন্যদের চিকিৎসাকেন্দ্র এবং সংশ্লিষ্ট কর্মীদের নিরাপত্তা।
- সকল যোদ্ধার প্রতি নিরপেক্ষ আচরণ।
- আহতদের সহায়তায় নিয়োজিত বেসামরিক ব্যক্তিদের সুরক্ষা।
- রেড ক্রস প্রতীককে সুরক্ষা ও শনাক্তকরণের প্রতীক হিসেবে গ্রহণ।
ii) ১৯০৬: প্রথম চুক্তি সংশোধন ও সম্প্রসারণ।
iii) ১৯২৯: তৃতীয় চুক্তি, যেখানে যুদ্ধবন্দীদের প্রতি মানবিক আচরণ এবং তাদের সঠিক রক্ষণাবেক্ষণের বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
iv) ১৯৪৯: দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় মানবাধিকার লঙ্ঘনের প্রেক্ষিতে চারটি নতুন কনভেনশন গৃহীত হয়:
- স্থলযুদ্ধে আহতদের জন্য।
- সমুদ্রে আহত এবং উদ্ধারকৃতদের জন্য।
- যুদ্ধবন্দীদের সুরক্ষা।
- যুদ্ধকালীন সময়ে বেসামরিক জনগণের সুরক্ষা।

উৎস: Britannica.
icrc.org
১৬.
বিশ্বের বৃহত্তম এবং গভীরতম মহাসাগর কোনটি?
  1. প্রশান্ত মহাসাগর
  2. আটলান্টিক মহাসাগর
  3. ভারত মহাসাগর
  4. আর্কটিক মহাসাগর
ব্যাখ্যা
প্রশান্ত মহাসাগর:
- প্রশান্ত মহাসাগর বিশ্বের বৃহত্তম এবং গভীরতম মহাসাগর।
- এটি চীন থেকে ক্যালিফোর্নিয়া পর্যন্ত ৬৩ মিলিয়ন বর্গমাইলেরও বেশি এলাকা জুড়ে বিস্তৃত এবং কিছু কিছু অঞ্চলে জলের পৃষ্ঠের হাজার হাজার ফুট নীচে বিস্তৃত।
- মহাসাগরীয় অববাহিকা পৃথিবীর মোট পৃষ্ঠের প্রায় ৩২% এবং জলের পৃষ্ঠের ৪৬% জুড়ে বিস্তৃত।
- প্রশান্ত মহাসাগর কতটা বিশাল তা বোঝার জন্য, বিশ্বের সমস্ত স্থলভাগ সমুদ্রের সাথে মিশে যেতে পারে, যেখানে প্রচুর স্থান অবশিষ্ট রয়েছে।
- মহাসাগর উত্তরে আর্কটিক অঞ্চল থেকে দক্ষিণে অ্যান্টার্কটিক অঞ্চল পর্যন্ত বিস্তৃত।

উৎস: World Atlas.
১৭.
কোন মুসলিম দেশ সামরিক জোট ন্যাটোর সদস্য?
  1. তুরস্ক
  2. মালয়েশিয়া
  3. আলবেনিয়া
  4. ক ও গ
ব্যাখ্যা
NATO:
- তুরস্ক ও আলবেনিয়া মুসলিম দেশ হলেও সামরিক জোট ন্যাটোর সদস্য। 
- NATO, বা উত্তর আটলান্টিক চুক্তি সংস্থা, ১৯৪৯ সালে প্রতিষ্ঠিত একটি আন্তর্জাতিক সামরিক জোট।
- NATO (North Atlantic Treaty Organization) উত্তর আটলান্টিক চুক্তির ভিত্তিতে গঠিত হয়।
- এটি সদস্য দেশগুলোর সম্মিলিত প্রতিরক্ষা নিশ্চিত করে।
- এর মূল উদ্দেশ্য ছিল ইউরোপ ও উত্তর আমেরিকার দেশগুলির মধ্যে সামরিক সহযোগিতা এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।
- NATO চুক্তির "পঞ্চম অনুচ্ছেদ" অনুযায়ী, যদি কোনো সদস্য রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে আক্রমণ করা হয়, তবে তা সমগ্র সংগঠনের বিরুদ্ধে আক্রমণ হিসেবে গণ্য হবে এবং সমস্ত সদস্য একে অপরকে রক্ষা করতে বাধ্য হবে।
- বর্তমানে, NATO-তে ৩২টি সদস্য দেশ রয়েছে (সর্বশেষ সুইডেন- ২০২৪ সালে) । [মে,২০২৫]
- এর সদর দপ্তর ব্রাসেলস, বেলজিয়ামে অবস্থিত।

উৎস: NATO ওয়েবসাইট।
১৮.
ANZUS চুক্তি কোন অঞ্চলে সম্মিলিত নিরাপত্তা নিশ্চিত করার চেষ্টা করে?
  1. প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে
  2. আটলান্টিক মহাসাগরীয় অঞ্চলে
  3. ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলে
  4. সবগুলো
ব্যাখ্যা
ANZUS চুক্তি (ANZUS Pact): 
- ANZUS চুক্তি একটি নিরাপত্তা বিষয়ক চুক্তি। 
- এটি অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড এবং যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে স্বাক্ষরিত হয়। 
- স্বাক্ষরিত হয়: ১ সেপ্টেম্বর, ১৯৫১ সালে, সান ফ্রান্সিসকো, ক্যালিফোর্নিয়াতে।
- এর মূল উদ্দেশ্য ছিল: আক্রমণের শিকার হলে পারস্পরিক সহায়তা প্রদান এবং সব বিরোধ শান্তিপূর্ণ উপায়ে মীমাংসা করা।
- এই চুক্তি ১৯৫২ সালে কার্যকর হয়।
- তিনটি দেশের নামের আদ্যক্ষর A (Australia), NZ (New Zealand), US (United States) একত্রে মিলিয়ে "ANZUS" নামকরণ করা হয়।
- ANZUS চুক্তির আওতায় এই তিন দেশ পারস্পরিক পরামর্শমূলক সম্পর্ক বজায় রাখে এবং প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে সম্মিলিত নিরাপত্তা নিশ্চিত করার চেষ্টা করে।

উৎস: Britannica.