পরীক্ষা আর্কাইভ

১৯তম বিশেষ বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষা

পরীক্ষাPSCতারিখ১১ ডিসেম্বর, ১৯৯৮সময়23 minutes৪২ বৈধ · অসম্পূর্ণ
মোট প্রশ্ন৫০
সিলেবাস
১৯তম বিশেষ বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষার মূল প্রশ্ন ও সমাধান [প্রাণীসম্পদ]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১৯তম বিশেষ বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষা

PSC · ১১ ডিসেম্বর, ১৯৯৮ · ৫০ প্রশ্ন

.
‘বিদ্রোহী’ কবিতাটি কবি নজরুল ইসলামের কোন কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত?
  1. অগ্নিবীণা
  2. বিষের বাঁশি
  3. দোলন চাঁপা
  4. বাঁধনহারা
ব্যাখ্যা
• 'বিদ্রোহী' কবিতা:
- বিদ্রোহী কবিতাটি কাজী নজরুল ইসলামের অগ্নিবীণা কাব্যগ্রন্থের দ্বিতীয় কবিতা।
- ‘বিদ্রোহী' কবিতাটি ২২ পৌষ, ১৩২৮ বঙ্গাব্দে (১৯২২ সালের ৬ জানুয়ারি) সাপ্তাহিক ‘বিজলী’ পত্রিকায় প্রকাশিত হয়।
- নজরুল দ্রোহ-ভাবাপন্ন আরোও কবিতা লিখলেও শুধু এক 'বিদ্রোহী' কবিতার জন্যই তিনি বাঙালির চিরকালের বিদ্রোহী কবি।
- কবিতার মূলে রয়েছে - বিদ্রোহ ও বিপ্লবের আবেগ।

- কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ 'অগ্নিবীণা'।
- এই কাব্যগ্রন্থটি তিনি বিপ্লবী বারীন্দ্রকুমার ঘোষকে উৎসর্গ করেন।
- এতে মোট ১২টি কবিতা রয়েছে।

'অগ্নিবীণা' কাব্যের কবিতাগুলো হলো:
- প্রলয়োল্লাস (প্রথম কবিতা), 
- বিদ্রোহী,
- রক্তাম্বরধারিণী মা,
- আগমনী,
- ধূমকেতু,
- কামালপাশা,
- আনোয়ার,
- রণভেরী,
- শাত-ইল-আরব,
- খেয়াপারের তরণী,
- কোরবানী এবং
- মোহররম।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর; বিদ্রোহী কবিতা, বাংলাপিডিয়া।
.
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছদ্মনাম হলো‒
  1. পরশুরাম
  2. নীললোহিত
  3. ভানুসিংহ ঠাকুর
  4. গাজী মিয়া
ব্যাখ্যা
• রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর মোট নয়টি ছদ্মনামে লিখতেন। এগুলো হলো-
- ভানুসিংহ ঠাকুর,
- অকপটচন্দ্র ভাস্কর,
- আন্নাকালী পাকড়াশী,
- দিকশূন্য ভট্টাচার্য,
- নবীন কিশোর শর্মণঃ,
- ষষ্ঠীচরণ দেবশর্মাঃ,
- বাণী বিনোদ বিদ্যাবিনোদ,
- শ্রীমতি মধ্যমা ও
- শ্রীমতি কনিষ্ঠা।

অন্যদিকে,
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ও রাজশেখর বসুর ছদ্মনাম ছিল- পরশুরাম।
- 'নীললোহিত', 'সনাতন পাঠক', 'নীল উপাধ্যায়' সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের ছদ্মনাম।
- মীর মোশাররফ হোসেন এর ছদ্মনাম হলো গাজী মিয়াঁ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
বাংলাদেশে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস‒
  1. ১৪ ডিসেম্বর
  2. ১৬ ডিসেম্বর
  3. ২১ ডিসেম্বর
  4. ২৩ ডিসেম্বর
ব্যাখ্যা
• শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস:
- ১৪ ডিসেম্বর — শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালন করা হয়।
- বুদ্ধিজীবী হত্যা ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় পূর্ব পাকিস্তানে বাঙালি বুদ্ধিজীবী নিধন ইতিহাসের নৃশংসতম ও বর্বরোচিত হত্যাযজ্ঞ।
- ১৪ ডিসেম্বর রাতে ঢাকায় দুই শতেরও বেশি বুদ্ধিজীবীকে তাঁদের বাড়ি থেকে তুলে নেয়া হয়।
- শহীদ বুদ্ধিজীবীদের স্মৃতির উদ্দেশে বাংলাদেশে শোকাবহ শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালিত হয়।
- পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ও তাদের এ দেশীয় দোসর রাজাকার, আল বদর, আল শামস বাহিনী জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান বরেণ্য হাজার হাজার শিক্ষাবিদ, গবেষক, চিকিৎসক, প্রকৌশলী, সাংবাদিক, কবি ও সাহিত্যিকদের চোখ বেঁধে বাড়ি থেকে ধরে নিয়ে তাদের ওপর চালায় নির্মম-নিষ্ঠুর নির্যাতন তারপর নারকীয় হত্যাযজ্ঞ।

- শহীদ বুদ্ধিজীবীদের মধ্যে রয়েছেন,
অধ্যাপক মুনির চৌধুরী, ডা.আলিম চৌধুরী, অধ্যাপক মুনিরুজ্জামান, ড. ফজলে রাব্বী, সিরাজ উদ্দিন হোসেন, শহীদুল্লাহ কায়সার, অধ্যাপক জিসি দেব, জ্যোতির্ময় গুহ ঠাকুরতা, অধ্যাপক সন্তোষ ভট্টাচার্য, মোফাজ্জল হায়দার চৌধুরী, অধ্যাপক গিয়াস উদ্দিন, অধ্যাপক আনোয়ার পাশা, অধ্যাপক রশীদুল হাসান, ড. আবুল খায়ের, ড.মুর্তজা, সাংবাদিক খন্দকার আবু তাহের, নিজামউদ্দিন আহমেদ, এসএ মান্নান (লাডু ভাই), এ এন এম গোলাম মোস্তফা, সৈয়দ নাজমুল হক, সেলিনা পারভিনসহ আরও অনেকে।

• কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ দিবস:
- স্বাধীনতা দিবস এবং জাতীয় দিবস - ২৬ মার্চ, 
- জাতীয় শোক দিবস - ১৫ আগষ্ট, 
- সশস্ত্রবাহিনী দিবস - ২১ নভেম্বর, 
- মুক্তিযোদ্ধা দিবস - ০১ ডিসেম্বর, 
- বিজয় দিবস - ১৬ ডিসেম্বর। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া, বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী, জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
.
উত্তরা গণভবন কোথায় অবস্থিত?
  1. রাজশাহী
  2. নওগাঁ
  3. বগুড়া
  4. নাটোর
ব্যাখ্যা
• উত্তরা গণভবন:
- ইতিহাস খ্যাত দিঘাপতিয়া রাজবাড়ী তথা উত্তরা গণভবন নাটোরে অবস্থিত।
- নাটোরের রাণী ভবানী তাঁর নায়েব দয়ারামের উপরে সন্তুষ্ট হয়ে তাঁকে দিঘাপতিয়া পরগনা উপহার দেন। 
- ১৯৫২ সালে দিঘাপতিয়ার শেষরাজা প্রতিভানাথ রায় সপরিবারে রাজপ্রাসাদ ত্যাগ করে কলকাতায় চলে যান।
- পরবর্তীতে রাজ প্রাসাদটি ১৯৬৬ সালে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান সরকারের নিয়ন্ত্রণে আসে।
- স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান দিঘাপতিয়া রাজবাড়িকে ‘উত্তরা গণভবন’ নামকরণ করেন।
- উত্তরা গণভবন ৪১.৫১ একর জমির উপর অবস্থিত।
- বর্তমানে এই রাজপ্রাসাদ থেকে হারিয়ে যাওয়া রাজা-রাণীর ব্যবহৃত ঐতিহাসিক দ্রব্যসামগ্রী উদ্ধার করে একটি সংগ্রহশালা নির্মাণের প্রক্রিয়া চলছে।

 উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
.
‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো ২১শে ফেব্রুয়ারি’ গানের রচয়িতা কে?
  1. আব্দুল গাফ্‌ফার চৌধুরী
  2. আলতাফ মাহমুদ
  3. আব্দুল লতিফ
  4. আব্দুল আলীম
ব্যাখ্যা
• আবদুল গাফফার চৌধুরীর অমর-কর্ম হচ্ছে ভাষা আন্দোলনের শহিদের স্মরণে রচিত গান: আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো /একুশে ফেব্রুয়ারী/ আমি কি ভুলিতে পারি।

• হাসান হাফিজুর রহমান সম্পাদিত ‘একুশে ফেব্রুয়ারী’ (১৯৫৩) সংকলন গ্রন্থে গানটি প্রথম প্রকাশিত হয়।
• গানটির প্রথম সুরকার আবদুল লতিফ। সেই সুর পরিবর্তন করে আলতাফ মাহমুদ পরে এর সুরারোপ করেন। সেটি এখন বলবৎ আছে।
• ‘রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি’ বলতে বোঝানো হয়েছে- যে একুশে ফেব্রুয়ারিতে বহু মানুষের রক্ত ঝরেছে।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞেসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
‘দ্য লিবারেশন অফ বাংলাদেশ’ গ্রন্থের রচয়িতা‒
  1. রফিকুল ইসলাম
  2. রশীদ করিম
  3. মেজর জেনারেল সুখওয়ান্ত সিং
  4. কর্নেল সিদ্দিক মালিক
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের ‍মুক্তিযুদ্ধের উপর ‘দ্য লিবারেশন অব বাংলাদেশ’ বইটি — মেজর জেনারেল সুখওয়ান্ত সিং রচিত।

এটির পুরো নাম হলো ‘ইন্ডিয়ান ওয়ার সিন্স ইন্ডিপেন্ডেন্স : দ্য লিবারেশন অব বাংলাদেশ’ (১৯৯৮)।
মেজর জেনারেল সুখওয়ান্ত সিং ১৯৭১ সালে ভারতীয় সেনাবাহিনীর পূর্বাঞ্চলীয় কমান্ডে কর্মরত ছিলেন।

সূত্র: দৈনিক প্রথম আলো, জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
.
বাগেরহাট খান জাহান আলীর প্রতিষ্ঠিত মসজিদটি কত গম্বুজ বিশিষ্ট?
  1. চৌষট্টি
  2. ষাট
  3. একাশি
  4. আশি
ব্যাখ্যা
ষাট গম্বুজ মসজিদ:
• ষাট গম্বুজ মসজিদ বাগেরহাটে অবস্থিত।
• ষাট গম্বুজ মসজিদটি বর্তমানে বাগেরহাট শহর থেকে তিন মাইল পশ্চিমে ঘোড়াদীঘির পূর্ব পাড়ে অবস্থিত। এটি নির্মাণ করেন খান জাহান আলী।
• ষাট গম্বুজ মসজিদ নামে পরিচিত ষাট গম্বুজ মসজিদ, এটি বৃহত্তম মসজিদটি সুলতানি আমলে নির্মিত হয়।
• খান জাহান আলি (উলুঘ খান) এটি নির্মাণ করেন ১৫০০ শতাব্দীতে।
• মসজিদটির মোট গম্বুজ সংখ্যা ৮১ টি ।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন, বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন।
.
স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় বাংলাদেশ কতগুলো সেক্টরে বিভক্ত ছিল?
  1. ১৯ টি
  2. ৯ টি
  3. ৮ টি
  4. ১১ টি
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর ও সাব-সেক্টর সমূহ:
- মুক্তিযুদ্ধকালে বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল।
- ১১টি সেক্টরের অধীনে ৬৪টি সাব-সেক্টরে ভাগ করা হয়।
- ঢাকা ও কুমিল্লা অঞ্চল নিয়ে ২নং সেক্টর গঠন করা হয়।

- চট্টগ্রাম অঞ্চল নিয়ে ১নং সেক্টর গঠন করা হয়।
- নৌ সেক্টর ছিলো ১০ নং সেক্টরের অধিনে ।
- ১০ নং সেক্টরের নিয়মিত কোনো সেক্টর কমান্ডার ছিলো না।
- ২ নং সেক্টর প্রথমে মেজর খালেদ মোশাররফ এবং পরে মেজর এ.টি.এম হায়দারের অধীনে ছিল।
- ১ নং সেক্টরে সেক্টর প্রধান ছিলেন প্রথমে মেজর জিয়াউর রহমান এবং পরে মেজর রফিকুল ইসলাম।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
.
বাংলাদেশের জাতীয় পাখি‒
  1. ময়না
  2. কাক
  3. শালিক
  4. দোয়েল
ব্যাখ্যা
- জাতীয় পাখি : দোয়েল, 
- জাতীয় ফল : কাঁঠাল, 
- জাতীয় গাছ : আম গাছ, 
- জাতীয় মাছ : ইলিশ, 
- জাতীয় ফুল : শাপলা, 
- জাতীয় পশু : রয়েল বেঙ্গল টাইগার, 
- জাতীয় দিবস : ২৬শে মার্চ।

(তথ্যসূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও বাংলাপিডিয়া)
১০.
রাজশাহীর উত্তরাংশ, বগুড়ার পশ্চিমাংশ, রংপুর ও দিনাজপুরের কিছু অংশ নিয়ে গঠিত‒
  1. পললগঠিত সমভূমি
  2. বরেন্দ্রভূমি
  3. চলনবিল
  4. পাহাড়পুর
ব্যাখ্যা
জনপদগুলোর অবস্থান:
- গৌড় জনপদ: বর্তমান চাপাইনবাবগঞ্জ থেকে শুরু করে পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ, বীরভূম ও বহরমপুর এলাকায় এটি বিস্তৃত ছিলো।
- বঙ্গ জনপদ: বঙ্গ জনপদ অন্তর্ভুক্ত ছিলো বৃহত্তর ফরিদপুর, বাখেরগঞ্জ ও পটুয়াখালীর নিচু জলাভূমি, ঢাকা, বরিশাল, ময়মনসিংহের কিছু অংশ।
- পুণ্ড্র জনপদ: বগুড়া, রংপুর, দিনাজপুর, রাজশাহী প্রভৃতি অঞ্চল নিয়ে এই জনপদটি গঠিত হয়েছিলো।
- বরেন্দ্র জনপদ: বর্তমান রাজশাহী, রংপুর ও দিনাজপুর অঞ্চল জুড়ে বিরাজমান ছিলো।

- হরিকেল জনপদ: সিলেট ও চট্টগ্রামের অংশবিশেষ ছিলো।
- চন্দ্রদ্বীপ জনপদ: বর্তমান বরিশাল অঞ্চলে চন্দ্রদ্বীপ নামক একটি জনপদের সৃষ্টি হয়েছিল। এ জনপদটি বালেশ্বর ও মেঘনার মধ্যবর্তী স্থানে অবস্থিত।
- সমতট জনপদ: বর্তমান বৃহত্তর নোয়াখালী ও কুমিল্লা অঞ্চল জুড়ে বিস্তৃত ছিলো।
- তাম্রলিপ্ত: মেদিনীপুর।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
১১.
বাংলাদেশের বনাঞ্চলের পরিমাণ মোট ভূমির কত শতাংশ?
  1. ১৯ শতাংশ
  2. ১২ শতাংশ
  3. ১৬ শতাংশ
  4. ৯ শতাংশ
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]
------------------------
বনাঞ্চল:

- বাংলাদেশের মোট আয়তনের ১৫ দশমিক ৫৮ শতাংশ এলাকায় বনভূমি রয়েছে।
সুতরাং,
সে হিসেবে উত্তর ১৬ শতাংশ ধরা হয়েছে।

- এর মধ্যে বন অধিদপ্তর নিয়ন্ত্রিত বনভূমির পরিমাণ ১০ দশমিক ৭৪ শতাংশ।
- বাংলাদেশে সংরক্ষিত বনের পরিমাণ ১৫.৫ লক্ষ হেক্টর।
- বাংলাদেশের বনাঞ্চলের মোট আয়তন ২৫৭৫১৯৬.০১ হেক্টর বা ২৫.৭৫ লক্ষ হেক্টর।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের আয়তন ১,৪৭,৫৭০ বর্গ কি.মি. এবং বনভূমির পরিমাণ প্রায় ২৬ লক্ষ হেক্টর।
- ভৌগলিক অবস্থান ও জলবায়ুর তারতম্যের কারণে বাংলাদেশে বিভিন্ন ধরনের বনাঞ্চল রয়েছে।
- যেমন- পাহাড়ী বন, প্রাকৃতিক ম্যনগ্রোভ বন, সৃজিত উপকূলীয় বন, শাল বন, জলাভূমির বন ইত্যাদি।
- বর্তমানে দেশের মোট আয়তনের মোট ১৩.২৮% এলাকা বৃক্ষাচ্ছাদিত।
- বনভূমি ছাড়াও দেশের গ্রাম এলাকায় প্রচুর গাছপালা রয়েছে।

উৎস: বন অধিদপ্তর ওয়েবসাইট, প্রথম আলো রিপোর্ট (৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪)।
১২.
বঙ্গবন্ধু সেতুর দৈর্ঘ্য‒
  1. ৪.৮ কিলোমিটার
  2. ৭.২ কিলোমিটার
  3. ৬.০ কিলোমিটার
  4. ৬.২ কিলোমিটার
ব্যাখ্যা
• বঙ্গবন্ধু সেতু:
- বঙ্গবন্ধু সেতু ১৯৯৮ সালের জুনে উন্মুক্ত করা হয়।
- এই সেতুর যমুনা নদীর পূর্ব পাড়ের ভুয়াপুর এবং পশ্চিম পাড়ে সিরাজগঞ্জকে সংযুক্ত করেছে।
- এটি ১৯৯৮ সালে নির্মাণকালীন সময়ে পৃথিবীর ১১তম বৃহত্তম সেতু এবং বর্তমানে এটি দক্ষিণ এশিয়ার ৬ষ্ঠ বৃহত্তম সেতু।
- এটি যমুনা নদীর উপর দিয়ে নির্মিত যা বাংলাদেশের প্রধান তিনটি সেতুর একটি এবং পানি প্রবাহের উপর ভিত্তি করে বিশ্বের পঞ্চম বৃহত্তম।
- সেতু দৈর্ঘ্য: ৪.৮ কি.মি.
- ভায়াডাক্ট দৈর্ঘ্য (উভয় প্রান্ত) : ১২৮ মি.
- সেতুর প্রস্থ: ১৮.৫ মি.
- স্প্যান: ৪৭+২ টি।।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ ওয়েবসাইট।
১৩.
বাংলাদেশ নৌ-বাহিনীর প্রতীক কী?
  1. রণতরী
  2. শাপলা
  3. নৌকা
  4. বলাকা
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ নৌ সদরদপ্তর অবস্থিত -বনানী, ঢাকা।
- প্রতীক- কাছি বেস্টিত নোঙ্গর ও এর উপরে শাপলা।
সুতরাং,
অপশনে শুধু শাপলা থাকায় প্রশ্নটি বাতিল করা হয়েছে। 

- স্লোগান- শান্তিতে সংগ্রামে সমুদ্রে দুর্জয়।
- বিএনএস শেখ হাসিনা কার্যত বাংলাদেশের প্রথম সাবমেরিন ঘাঁটি। এটি পেকুয়া,কক্সবাজার,চট্রগ্রামে অবস্থিত।

অন্যদিকে,
- বাংলাদেশ বিমানের প্রতীক বলাকা।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ নৌবাহিনীর ওয়েবসাইট, বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১৪.
বাংলাদেশের লোকশিল্প জাদুঘর কোথায় অবস্থিত?
  1. ময়মনসিংহে
  2. বগুড়ায়
  3. সোনারগাঁওয়ে
  4. রাঙামাটিতে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ লোকশিল্প জাদুঘর:
- সোনারগাঁয়ে লোকশিল্প জাদুঘর রাজধানী ঢাকা থেকে ২৪ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁও উপজেলায় অবস্থিত।

⇒ বাংলাদেশের লোকশিল্পের সংরক্ষণ, বিকাশ ও সর্বসাধারণের মধ্যে লোকশিল্পের গৌরবময় দিক তুলে ধরার জন্য ১৯৭৫ সালে শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীনের উদ্যোগে বাংলাদেশ সরকার বিশাল এলাকা নিয়ে এই জাদুঘর প্রতিষ্ঠা করেন।
- সোনারগাঁয়ের 'বড়সর্দারবাড়ি' নামে পরিচিত একটি প্রাচীন জমিদার প্রাসাদে এই জাদুঘর স্থাপন করা হয়েছে।
- এখানে আরো রয়েছে একটি সমৃদ্ধ গ্রন্থাগার, কারুপল্লী ও একটি বিশাল লেক ।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১৫.
[তৎকালীন সাম্প্রতিক প্রশ্ন। অনুগ্রহ করে ব্যাখ্যা থেকে বর্তমান তথ্য দেখে নিন।] বাংলাদেশে জিডিপিতে প্রাণিসম্পদের অবদান কত?
  1. ২%
  2. ১০%
  3. ৬.৫%
  4. ১৫%
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

২০২৩-২৪ অর্থবছরে,
• জিডিপিতে স্থিরমূল্যে প্রাণিসম্পদ খাতের অবদান ১.৮০%, প্রবৃদ্ধির হার ৩.১৫%।
• কৃষিজ জিডিপি'তে প্রাণিসম্পদ খাতের অবদান ১৬.৩৩%।

উৎস: প্রাণীসম্পদ অধিদপ্তর।
১৬.
[তৎকালীন সাম্প্রতিক প্রশ্ন। অনুগ্রহ করে ব্যাখ্যা থেকে বর্তমান তথ্য দেখে নিন।] বর্তমানে বিদেশ থেকে কত টাকার গুঁড়োদুধ আমদানি করা হয়?
  1. ৫০০ কোটি টাকা
  2. ৪০০ কোটি টাকা
  3. ৩০০ কোটি টাকা
  4. ১২৫ কোটি টাকা
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

২০২২-২৩ অর্থবছরে,
দুধ আমদানি করা হয় - ৪২,৩৩৩ মিলিয়ন টাকা।

উৎস: বিবিএস।
১৭.
বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় গো-প্রজনন খামার কোথায় অবস্থিত?
  1. রাজশাহী
  2. চট্টগ্রাম
  3. সিলেট
  4. সাভার
ব্যাখ্যা
• কেন্দ্রীয় গো-প্রজনন কেন্দ্র:
- কেন্দ্রীয় গো-প্রজনন ও দুগ্ধ খামার ঢাকার — সাভারে অবস্থিত একটি সরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান।
- এটি ১৯৫৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এই প্রতিষ্ঠানে উন্নত জাতের ষাঁড়ের জাত উন্নয়ন এবং পশুখাদ্য বিষয়ে গবেষণা করা হয়।

সূত্র: কেন্দ্রীয় গো-প্রজনন খামার ওয়েবসাইট।
১৮.
বাংলাদেশের জাতীয় পশু কোনটি?
  1. গরু
  2. ছাগল
  3. গয়াল
  4. রয়েল বেঙ্গল টাইগার
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের:
- জাতীয় গাছ : আম গাছ, 
- জাতীয় পাখি : দোয়েল, 
- জাতীয় ফল : কাঁঠাল, 
- জাতীয় মাছ : ইলিশ, 
- জাতীয় ফুল : শাপলা, 
- জাতীয় পশু : রয়েল বেঙ্গল টাইগার,
- জাতীয় দিবস : ২৬শে মার্চ।

তথ্যসূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও বাংলাপিডিয়া।
১৯.
[তৎকালীন সাম্প্রতিক প্রশ্ন। অনুগ্রহ করে ব্যাখ্যা থেকে বর্তমান তথ্য দেখে নিন।] রপ্তানি আয়ে বর্তমানে প্রাণিসম্পদের অবদান কত?
  1. ৮ ভাগ
  2. ১০ ভাগ
  3. ১২ ভাগ
  4. ১৩ ভাগ
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]
------------------------- 
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪:
• একক পণ্য হিসাবে নীটওয়্যার সবচেয়ে বেশি রপ্তানি হয়। পরিমাণ – ১৮,৫৯২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
• রপ্তানিতে ‘প্রাথমিক পণ্য’-এর অবদান/রপ্তানির হার ২.৬৩% এবং ‘শিল্পজাত পণ্য’-এর অবদান/রপ্তানির হার – ৯৭.৩৭%।
• প্রাথমিক পণ্য হিসেবে সবচেয়ে বেশি রপ্তানি হয়েছে – ‘কৃষিজাত পণ্য’। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রপ্তানি হয়েছে – ‘হিমায়িত খাদ্য’।

প্রাণিসম্পদের মধ্যে, রপ্তানি আয়ে চামড়ার অবদান - ০.২৩ শতাংশ।

প্রাণিজাত পণ্য রপ্তানি:
- বাংলাদেশ চামড়ার পাশাপাশি হিমায়িত মাংস, গরু-মহিষের নাড়ি-ভুঁড়ি, মিট অফালস, ওম্যাসাম, এবোম্যাসাম, মিষ্টি জাতীয় পণ্য, হোয়ে পাউডার, বোন চিপস, জিলাটিন, বুলস্টিক, গরুর লেজের লোম, হাঁসের পালক, ফিড সাপ্লিমেন্ট প্রভৃতি প্রাণিজ উপজাত রপ্তানি করে থাকে। - ২০২২-২৩ অর্থবছরে মোট রপ্তানির পরিমাণ ছিল ৪,৩৯০ কোটি টাকা।

উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
২০.
[তৎকালীন সাম্প্রতিক প্রশ্ন। অনুগ্রহ করে ব্যাখ্যা থেকে বর্তমান তথ্য দেখে নিন।] দেশের রপ্তানি আয়ের মধ্যে চামড়ার অবস্থান কত?
  1. ১ম
  2. ২য়
  3. ৩য়
  4. ৪র্থ
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

• অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুসারে,

২০২২-২৩ অর্থবছরে মোট রপ্তানি আয়ের পরিমাণ পূর্ববর্তী অর্থবছরের তুলনায় ৬.৬৭ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ৫৫.৫৬ বিলিয়ন ইউএস ডলারে দাঁড়িয়েছিল। ২০২৩-২৪ অর্থবছরের জুলাই থেকে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত রপ্তানি আয় দাঁড়িয়েছে ৩৮.৪৫ বিলিয়ন ইউএস ডলার, যা পূর্ববর্তী অর্থবছরের একই সময়ের রপ্তানি আয়ের তুলনায় ৩.৭১ শতাংশ বেশি।

জুলাই-ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ পর্যন্ত,
পণ্যভিত্তিক রপ্তানি আয়, হার ও প্রবৃদ্ধি
রপ্তানির ক্ষেত্রে,
শিল্পজাত পণ্যের মধ্যে 'চামড়ার' অবস্থান - সপ্তম। যার পরিমাণ - ৮৯ লিয়ন মার্কিন ডলার। 

তথ্যসূত্র:
- অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
২১.
কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বপ্রথম উপাচার্য কে ছিলেন?
  1. ড. এস ডি চৌধুরী
  2. ড. কাজী ফজলুর রহিম
  3. ড. ওসমান গণি
  4. অধ্যাপক মোসলেহ উদ্দিন আহমেদ
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়:
- বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশের কৃষি বিষয়ক একটি উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।
- এটি ময়মনসিংহ শহরে অবস্থিত।
- দেশের কৃষিশিক্ষা ও গবেষণার সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়৷ কৃষিবিজ্ঞানের সকল শাখা এর আওতাভূক্ত। 
-কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বপ্রথম উপাচার্য ছিলেন — ড. ওসমান গণি। 

উৎস:  বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ওয়েবসাইট।
২২.
[তৎকালীন সাম্প্রতিক প্রশ্ন। বর্তমানে গুরুত্বহীন।] সাম্প্রতিককালে নোবেল পুরস্কারপ্রাপ্ত কোন কৃষিবিজ্ঞানী বাংলাদেশ সফর করেন?
  1. প্রফেসর ড. আব্দুস সালাম
  2. প্রফেসর নরম্যান বোরলগ
  3. ড. আব্দুল কাদের
  4. ড. স্বামিনাথন
ব্যাখ্যা

• প্রফেসর নরম্যান বোরলগ: 
- ১৯৯৯ সালে নোবেল পুরস্কারপ্রাপ্ত কৃষি বিজ্ঞানী প্রফেসর নরম্যান বোরলগ বাংলাদেশ সফর করেন।
- প্রফেসর নরম্যান বোরলগ ১৯৯৯ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
- তিনি "সবুজ বিপ্লব"-এর জনক হিসেবে পরিচিত।
- এবং বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় তাকে সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রি প্রদান করে।
- বোরলগ খাদ্য সুরক্ষা এবং টেকসই কৃষি অর্জন এবং প্রচারের জন্য তাঁর স্বপ্নের জন্য তাঁর জীবন উৎসর্গ করেছিলেন।

সূত্র: দ্য ডেইলি স্টার।

২৩.
গবাদিপশুর জাত উন্নয়নে পাক-ভারত উপমহাদেশে কোন ব্রিটিশ প্রথম অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন?
  1. মি. জে এইচ বি হেলেন
  2. লর্ড লিনলিথগো
  3. লর্ড ক্লাইভ
  4. ওয়ারেন হেস্টিংস
ব্যাখ্যা
• গবাদিপশুর জাত উন্নয়নে পাকিস্তান-ভারত উপমহাদেশে প্রথম অগ্রণী ভূমিকা পালন করে – ব্রিটিশ নাগরিক লর্ড লিনলিথগো।

উল্লেখ্য, 
১৯৩৬ সালের এপ্রিল থেকে ১৯৪৩ সালের এপ্রিল পর্যন্ত লিনলিথগো ভারতের গভর্নর জেনারেল ছিলেন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
২৪.
বাংলাদেশের কোন অঞ্চলে গো-চারণের জন্য বাথান আছে?
  1. সিরাজগঞ্জ
  2. দিনাজপুর
  3. বরিশাল
  4. ফরিদপুর
ব্যাখ্যা
• চারণ ভূমি:
- বাথান হলো বিস্তৃত তৃণাচ্ছাদিত ভূমি যেখানে গবাদি পশুর পাল উন্মুক্তভাবে চরে ঘাস খায় এবং নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত সেখানেই থাকে।
- অতীতে দেশের সর্বত্রই বাথান ‍ভূমির উপস্থিতি থাকলেও বর্তমানে চলনবিল সংলগ্ন সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর, নাটোর, হাওরাঞ্চল ও চরাঞ্চলে অস্থায়ী বাথান ভূমি দেথতে পাওয়া যায়।

- সিলেট, হবিগঞ্জ, নেত্রকোনা ও কিশোরগঞ্জের হাওর এলাকায় শীতকালে কিছু অস্থায়ী বাথান গড়ে ওঠে।
- সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরের বাথান ‍ভূমির আয়তন প্রায় ১,২০০ (বারশো) একর।
- বাংলাদেশের মধ্যে সবচেয়ে সমৃদ্ধ এবং উন্নত দুগ্ধশিল্প গড়ে উঠেছে শাহজাদপুরে।
- এরই ধারাবাহিকতায় শাহজাদপুরে তৈরি হয়েছে বাংলাদেশের বৃহত্তম দুগ্ধপ্রক্রিয়াজাতকরণ কারখানা 'মিল্ক ভিটা'।
- আর এর মূলে রয়েছে এখানকার ঐতিহ্যবাহী বাথানভূমির আবদান

উৎস: সিরাজগঞ্জ জেলা ওয়েবসাইট এবং বাংলাপিডিয়া।
২৫.
[তৎকালীন সাম্প্রতিক প্রশ্ন। অনুগ্রহ করে ব্যাখ্যা থেকে বর্তমান তথ্য দেখে নিন।] বিশ্বব্যাংকের ১৯৯৭ সালের হিসাব অনুসারে বাংলাদেশের মানুষের মাথাপিছু আয় কত?
  1. ২০০ মার্কিন ডলার
  2. ২২৫ মার্কিন ডলার
  3. ২৪০ মার্কিন ডলার
  4. ২৬০ মার্কিন ডলার
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪:
- বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যা: ১৭১ মিলিয়ন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির স্বাভাবিক হার: ১.৩৩%।
- গড় আয়ু: ৭২.৩ বছর।
- মাথাপিছু জাতীয় আয়: ২,৭৮৪ মার্কিন ডলার।
- মাথাপিছু জিডিপি: ২,৬৭৫ মার্কিন ডলার।

তথ্যসূত্র:
- অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
২৬.
বাংলাদেশের পার্বত্য শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরিত হয়‒
  1. ২ ডিসেম্বর, ১৯৯৭
  2. ৩ ডিসেম্বর, ১৯৯৭
  3. ২২ ডিসেম্বর, ১৯৯৭
  4. ৩ জানুয়ারি, ১৯৯৮
ব্যাখ্যা
পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তিচুক্তি:
- ১৯৯৭ সালে বাংলাদেশ সরকার এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির মধ্যে স্বাক্ষরিত একটি আনুষ্ঠানিক চুক্তি।
- ১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- বাংলাদেশ সরকার এবং পার্বত্য চট্রগ্রাম জনসংহতি সমিতির মধ্যে পার্বত্য চটগ্রাম শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। 
- চুক্তিতে বালাদেশ সরকারের পক্ষে আবুল হাসনাত আব্দুল্লাহ এবং জনসংহতি সমিতির পক্ষে জোতিরিন্দ্র বোধিপ্রিয় লারমা (সন্তু লারমা) স্বাক্ষর করেন। এই চুক্তির ফলে পার্বত্য শান্তি স্থাপনের পথ সুগম হয়।
- ২ ডিসেম্বর, ২০২২ সালে পার্বত্য চট্রগ্রাম শান্তি চুক্তির ২৫ বছর পূর্তি হয়েছে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
২৭.
বাংলাদেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ খনিজসম্পদ কোনটি?
  1. কয়লা
  2. চুনাপাথর
  3. সাদামাটি
  4. গ্যাস
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের প্রধান খনিজ সম্পদ হলো — প্রাকৃতিক গ্যাস।

অন্যদিকে, 
- ১৯৫৫ সালে বার্মা ওয়েল কোম্পানি এদেশে সর্বপ্রথম সিলেটের হরিপুরে গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কার করে। ১৯৫৭ সাল থেকে গ্যাসের উৎপাদন শুরু হয়।
- দেশে বর্তমানে আবিষ্কৃত গ্যাসক্ষেত্রের সংখ্যা ২৯টি।
- বাংলাদেশের অন্যান্য খনিজ সম্পদের মধ্যে কয়লা, চুনাপাথর, কঠিন শিলা, গন্ধক, খনিজতেল প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য।

সূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় : নবম-দশম শ্রেণী এবং পেট্রোবাংলা, প্রথম আলো।
২৮.
বাংলাদেশে একজন ভোটারের সর্বনিম্ন বয়স কত?
  1. ১৬ বছর
  2. ১৮ বছর
  3. ২০ বছর
  4. ২১ বছর
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ সংবিধান মতে- 
- বাংলাদেশের একজন ভোটারের সর্রনিম্ন বয়স ১৮ বছর, 
- বাংলাদেশের নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার সর্বনিম্ন বয়স ২৫ বছর,
- বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার সর্বনিম্ন বয়স ২৫ বছর, 
- বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি হওয়ার সর্বনিম্ন বয়স ৩৫ বছর। 

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
২৯.
গ্রীন হাউজ ইফেক্টের পরিণতিতে বাংলাদেশের সবচেয়ে গুরুতর ক্ষতি কী হবে?
  1. উত্তাপ অনেক বেড়ে যাবে
  2. বৃষ্টিপাত কমে যাবে
  3. নিম্নভূমি নিমজ্জিত হবে
  4. সাইক্লোনের প্রবণতা বাড়বে
ব্যাখ্যা
• গ্রিন হাউস ইফেক্টের পরিণতিতে বাংলাদেশের সবচেয়ে গুরুতর ক্ষতি- নিম্নভূমি নিমজ্জিত হবে।

- গ্রীন হাউস ইফেক্টের কারনে বাংলাদেশসহ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের উপকূলীয় এলাকার এক বিরাট অংশ পানির নীচে তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
- আইসিসি ২০০৭ সালে তার সতর্কীকরণে বলেছে ২০৫০ সাল নাগাদ সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা ৪৫ সে.মি. বাড়লে বাংলাদেশের সমুদ্র উপকূলবর্তী ১০-১৫ শতাংশ ভূমি পানির নিচে চলে যাবে। আনুমানিক ৩.৫ কোটি মানুষ তাদের ঘরবাড়ি, ফসলি জমি হারিয়ে জলবায়ু উদ্বাস্তুতে পরিণত হবে।

• গ্রিন হাউজ প্রভাব:
- ওজোন স্তরে ক্ষত সৃষ্টি হলে পৃথিবীর উষ্ণতা বৃদ্ধি পেয়ে কৃষি ও পরিবেশের ওপর যে বিরুপ প্রভাব ফেলে একেই গ্রিন হাউজ প্রভাব (Green House Effect) বলা হয়।
- গ্রিন হাউস ইফেক্টের ফলে বায়ুমণ্ডল উত্তপ্ত হচ্চে।
- ফলে মেরু অঞ্চলের বরফ ক্রমে গলে যাচ্ছে।
- এর ফলে বাংলাদেশ সহ পৃথিবীর নিম্নভূমি ক্রমশ নিমজ্জিত হবে।
- গ্রীন হাউজ ইফেক্টের জন্য দায়ী গ্যাসগুলোকে বলা হয় গ্রীন হাউজ গ্যাস।

• কয়েকটি উল্লেখযোগ্য গ্রীন হাউজ গ্যাস হচ্ছে:
- জলীয় বাষ্প,
- কার্বন ডাই-অক্সাইড,
- নাইট্রাস অক্সাইড,
- মিথেন,
- ওজোন,
- ক্লোরোফ্লোরো কার্বন ইত্যাদি।
- কার্বন ডাই সালফাইড এবং কার্বনিল সাইফাইড পরোক্ষ গ্রিন হাউজ গ্যাস।

উৎস:
১. বাংলাপিডিয়া।
২. ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৩০.
১৯৯৮ বিশ্বকাপ ফুটবলে গোল্ডেন বুট পান কে?
  1. রোনালদো
  2. জিদান
  3. সুকের
  4. বেবেতা
ব্যাখ্যা
[এটি তৎকালীন সাম্প্রতিক প্রশ্ন যা বর্তমানে গুরুত্বপূর্ণ নয়। পরিবর্তনশীল তথ্যগুলো অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য থেকে দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

১৯৯৮ বিশ্বকাপ ফুটবলে গোল্ডেন বুট পান ডেভর সুকার।

উল্লেখ্য,
⇒ ফুটবল বিশ্বকাপ ২০২২:
- আয়োজক দেশ: কাতার।
- এটি বিশ্বকাপ ফুটবলের ২২তম আসর।
- সময়কাল: ২০ নভেম্বর - ১৮ ডিসেম্বর।
- অংশগ্রহণকারী দেশ: ৩২টি।
- চ্যাম্পিয়ন: আর্জেন্টিনা (৩য় বার)।
- রানার্স আপ: ফ্রান্স।
- গোল্ডেন বল: লিওনেল মেসি (আর্জেন্টিনা)।
- সর্বাধিক গোলদাতা/গোল্ডেন বুট: কিলিয়ান এমবাপ্পে (৮টি)।
- গোল্ডেন গ্লাভস/সেরা গোলরক্ষক: এমিলিয়ানো মার্টিনেজ (আর্জেন্টিনা)।
- সেরা উদীয়মান খেলোয়াড়: এনজো ফার্নান্দেজ (আর্জেন্টিনা)।
- টুর্নামেন্ট সেরা গোল: রিচার্লিসন (ব্রাজিলের হয়ে সার্বিয়ায় বিপক্ষে)।
- ফুটবল বিশ্বকাপের ইতিহাসে প্রথম নারী রেফারি দায়িত্ব পালন করেন এ বিশ্বকাপে।

উৎস: FIFA ওয়েবসাইট।
৩১.
বিশ্ব খাদ্য ও কৃষি সংস্থার সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত?
  1. জেনেভা
  2. প্যারিস
  3. লন্ডন
  4. রোম
ব্যাখ্যা
FAO:
- FAO-এর পূর্ণরুপ: Food and Agriculture Organization.
- এটি জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা।
- প্রতিষ্ঠা লাভ করে: ১৬ অক্টোবর ১৯৪৫।
- FAO প্রতিষ্ঠার স্থান: কুইবেক, কানাডা।
- জাতিসংঘের বিশেষায়িত সংস্থার মর্যাদা লাভ করে: ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৪৬।
- সদর দপ্তর: রোম, ইতালি।
- বর্তমান সদস্য: ১৯৫টি (১৯৪টি দেশ ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন)।
- বর্তমান মহাপরিচালক: ড. কু ডংগিউ (চীনের নাগরিক)।

⇒ জাতিসংঘের অন্যতম মূলসংস্থা ECOSOC-এর তত্ত্বাবধানে ১৬ অক্টোবর, ১৯৪৫ সালে কানাডার কুইবেকে এক সম্মেলনের মাধ্যমে এটি প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
- এই সংস্থা গঠনের মূল লক্ষ্য হচ্ছে - বিশ্বব্যাপী খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার মাধ্যমে ক্ষুধা নির্মুল করা এবং সবাইকে পুষ্টিকর খাদ্য সরবরাহ নিশ্চিত করা।

⇒ FAO প্রতিষ্ঠার তারিখ হিসেবে ১৬ অক্টোবর বিশ্ব খাদ্য দিবস পালিত হয়।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (FAO)-এর সদস্যপদ লাভ করে ১২ নভেম্বর, ১৯৭৩ তারিখে।

উৎস: FAO ওয়েবসাইট।
৩২.
কসোভো কোথায় অবস্থিত?
  1. আলবেনিয়ায়
  2. রুমানিয়ায়
  3. সার্বিয়ায়
  4. গ্রিসে
ব্যাখ্যা
কসোভো:
- কসোভো ইউরোপের ভূমিবেষ্টিত ছোট্ট একটি দেশ।
- এর চারদিকে রয়েছে বলকানের চারটি দেশ: আলবেনিয়া, নর্থ মেসিডোনিয়া, মন্টেনিগ্রো এবং সার্বিয়া।
- এটি সার্বিয়ার উপনিবেশ ছিল।
- ২০০৮ সালে সার্বিয়া থেকে স্বাধীন হয় কসোভো।
- রাজধানী: প্রিস্টিনা।
- প্রধান ভাষা: আলবেনীয় ও সার্বীয়।
- মুদ্রা: ইউরো।

উল্লেখ্য,
- ১৩৮৯ সালে কসোভো যুদ্ধের পর এখানে ইসলামের আগমন ঘটে।
- এরপর থেকে ১৯১২ সাল পর্যন্ত তা অটোমান সাম্রাজ্যের অধীনে ছিল।
- বলকান যুদ্ধের পর, এটি সার্বিয়া এবং মন্টিনিগ্রোকে হস্তান্তর করা হয়।
- যুগোস্লাভিয়ার মধ্যে একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রদেশে পরিণত হয়।
- ১৯৯০-এর দশকে যুগোশ্লাভিয়া ভেঙ্গে যাবার পরপরই স্বাধীনতার ইচ্ছে প্রকাশ করে কসোভো।
- ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সালে সার্বিয়া থেকে স্বাধীন হয় কসোভো।

উৎস: Britannica.
৩৩.
গিল্ডার কোন দেশের মুদ্রার নাম?
  1. নরওয়ে
  2. নেদারল্যান্ড
  3. রুমানিয়া
  4. গ্রিস
ব্যাখ্যা
[এটি তৎকালীন সাম্প্রতিক প্রশ্ন যা বর্তমানে গুরুত্বপূর্ণ নয়। পরিবর্তনশীল তথ্যগুলো অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য থেকে দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

নেদারল্যান্ডসের সাবেক মুদ্রার নাম গিল্ডার। নেদারল্যান্ডসের বর্তমান মুদ্রা ইউরো।

উল্লেখ্য,
⇒ ইউরো:
- ইউরো হলো ইউরোপীয় ইউনিয়নের আর্থিক একক এবং মুদ্রা, যা € প্রতীক দ্বারা উপস্থাপিত হয়।
- ইউরো ১৯৯১ সালের মাস্ট্রিচ চুক্তি থেকে উদ্ভূত হয়েছিল।
- ইউরো আনুষ্ঠানিকভাবে ১লা জানুয়ারী, ১৯৯৯ সালে জারি করা হয়েছিল।
- ইউরো ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক দ্বারা পরিচালিত হয়।
- ইউরো ব্যবহার সদস্য: ২০টি।
- সর্বশেষ সদস্য দেশ: ক্রোয়েশিয়া।
- ২০তম দেশ হিসেবে ১লা জানুয়ারী, ২০২৩ তারিখে ক্রোয়েশিয়া ইউরো মুদ্রা চালু করে।
- ইউরো ব্যবহারকারী দেশগুলো: অস্ট্রিয়া, বেলজিয়াম, ক্রোয়েশিয়া, সাইপ্রাস, এস্তোনিয়া, ফিনল্যান্ড, ফ্রান্স, জার্মানি, গ্রীস, আয়ারল্যান্ড, ইতালি, লাটভিয়া, লিথুয়ানিয়া, লুক্সেমবার্গ, মাল্টা, নেদারল্যান্ড, পর্তুগাল, স্লোভাকিয়া, স্লোভেনিয়া, স্পেন।

অন্যদিকে,
- নরওয়ের মুদ্রা ক্রোনা।
- রোমানিয়ার মুদ্রা রোমানিয়ান লিউ।
- গ্রীসের মুদ্রা ইউরো।

উৎস: EU ওয়েবসাইট।
৩৪.
[এটি তৎকালীন প্রশ্ন। অপশনে সঠিক উত্তর না থাকায় প্রশ্নটি বাতিল করা হলো।]
নেপালের পার্লামেন্টের নাম কী?
  1. সিনেট
  2. পঞ্চায়েত
  3. কংগ্রেস
  4. মজলিস
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
⇒ নেপালের দ্বিকক্ষবিশিষ্ট আইনসভার নাম ফেডারেল পার্লামেন্ট।
- উচ্চকক্ষের নাম ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলি, যার সদস্য সংখ্যা ৫৯।
- নিম্নকক্ষের নাম হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভ, যার সদস্য সংখ্যা ২৭৫।
অপশনে সঠিক উত্তর না থাকায় প্রশ্নটি বাতিল করা হয়েছে।

নেপাল:

- নেপাল দক্ষিণ এশিয়ার একটি দেশ।
- রাজধানী: কাঠমান্ডু।
- মুদ্রা: নেপালি রুপি।
- ভাষা: নেপালি।
- বর্তমান প্রধানমন্ত্রী: কে পি শর্মা ওলি।
- বর্তমান রাষ্ট্রপতি: রাম চন্দ্র পাওদেল।
- নেপালের আইনসভার নাম ফেডারেল পার্লামেন্ট।
- নেপালের আইনসভা দ্বিকক্ষবিশিষ্ট।

⇒ নেপালকে হিমালয় কন্যা বলা হয়।
- গ্রেট হিমালয়, মাউন্ট এভারেস্ট নেপালে অবস্থিত।
- ভারত ও চীন দ্বারা বেষ্টিত দেশটিতে এভারেস্টসহ বিশ্বের ৮টি সর্ববৃহৎ পর্বত অবস্থিত।

উল্লেখ্য,
- ১৭৬৮ সালে পৃথ্বী নারায়ণ শাহ কাঠমান্ডু জয় করেন ও ঐক্যবদ্ধ একটি রাজ্যের ভিত্তি স্থাপন করেন।
- ১৭৬৯ সালে নেপালে রাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়।
- নেপালের ১ম রাজা ছিলেন পৃথ্বী নারায়ণ শাহ।
- নেপালের সর্বশেষ রাজা ছিলেন রাজা জ্ঞানেন্দ্র বীর বিক্রম শাহ দেব।
- তিনি রাজা বীরেন্দ্রের হত্যার পর সিংহাসনে আরোহণ করেন।
- তিনি সর্বশেষ হিন্দু রাজাও ছিলেন।

⇒ ২৮ মে, ২০০৮-এ, নবনির্বাচিত গণপরিষদ নেপালকে একটি ফেডারেল ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক ঘোষণা করে।
- এভাবে ২৪০ বছরের পুরোনো রাজতন্ত্র বিলুপ্ত করে।

উৎস: Britannica.
৩৫.
ইতিহাস বিখ্যাত ট্রয় নগরী কোথায়?
  1. গ্রিসে
  2. ইতালিতে
  3. তুরস্কে
  4. স্পেনে
ব্যাখ্যা
ট্রয় নগরী:
- ঐতিহাসিক ট্রয় নগরীর বর্ণনা পাওয়া যায় হোমারের মহাকাব্য ইলিয়াড -এ।
- ইতিহাস বিখ্যাত ট্রয় নগরী বর্তমান তুরস্কের হেসারলিক বা আনাতোলিয়া নামক স্থানে অবস্থিত।
- ট্রয়ের যুদ্ধ শুরু খ্রিষ্টপূর্ব ১২৫০ শতকে এবং শেষ খ্রিষ্টপূর্ব ১২৪০ শতকে।
- দীর্ঘ ১০ বছর ধরে চলেছিল যুদ্ধ।
- এই যুদ্ধ ট্রোজান যুদ্ধ নামে পরিচিত।
- ট্রয় নগরী ধ্বংস হয়েছিল, সেই সময়ে পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দরী নারী স্পার্টার রানি ও ট্রয় রাজপুত্র প্যারিসের প্রেমিকা হেলেনের জন্য।
- ১৯৯৮ সালে ইউনেসকোর ‘বিশ্ব ঐতিহ্য’ তালিকায় যুক্ত হয় ট্রয়।

উল্লেখ্য,
- ইলিয়াড এবং ওডিসির কারনে এই রোমান্টিক ট্রয়ের ট্র্যাজেডি অমর হয়ে আছে।
- এই ঐতিহাসিক ট্রয় নগরীর রাজা ছিলেন প্রিয়াম এবং রাণীর নাম ছিলেন হেকবা।
- তাদের আদরের পুত্রের নাম ছিল প্যারিস।
- এই প্যারিসই ছিল মূলত ট্রয় যুদ্ধের পেছনে মূল হোতা।
- সেই সময় পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দরী রমণী ছিল হেলেন।
- হেলেন ছিলেন স্পার্টার রাজা মেনেলাউস এর স্ত্রী।
- প্যারিস স্পার্টা থেকে হেলেনকে নিয়ে ট্রয়ে পালিয়ে যায়।
- এতে ক্রোধান্বিত হয়ে মেনেলাউস তার ভাই আগামেমনন এর সহায়তায় ট্রয় আক্রমণ করে।
- গ্রিক ও ট্রোজানদের মধ্যে দীর্ঘ দশ বছর ধরে যুদ্ধ হয়।
- পরবর্তীতে গ্রিকদের দ্বারা ট্রয় নগরী ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়।

উৎস: Britannica.
৩৬.
নাসা কোন দেশের সংস্থা?
  1. জার্মানি
  2. রাশিয়া
  3. ফ্রান্স
  4. যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
NASA:
- NASA-এর পূর্ণরূপ হলো: National Aeronautics and Space Administration.
- NASA মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ২৯ জুলাই, ১৯৫৮।
- বাণিজ্যিকভাবে যাত্রা শুরু: ১ অক্টোবর, ১৯৫৮।
- সদরদপ্তর: ওয়াশিংটন ডি.সি.।
- ফ্লোরিডার কেপ ক্যানাভেরাল হলো এটির উৎক্ষেপণ কেন্দ্র।

উৎস: NASA ওয়েবসাইট।
৩৭.
জনসংখ্যার ভিত্তিতে বিশ্বের সবচেয়ে বড় মুসলিম দেশ কোনটি?
  1. বাংলাদেশ
  2. পাকিস্তান
  3. সৌদি আরব
  4. ইন্দোনেশিয়া
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

ইন্দোনেশিয়া:

- ভারত ও প্রশান্ত মহাসাগরের মূল ভূখণ্ডের দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার উপকূলে অবস্থিত দেশ ইন্দোনেশিয়া।
- দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সবচেয়ে সমৃদ্ধ অর্থনীতির দেশ এটি।
- জনসংখ্যার ভিত্তিতে বিশ্বের সবচেয়ে বড় মুসলিম দেশ ইন্দোনেশিয়া।
- এক সময়ের ডাচ উপনিবেশ থাকা দেশটি আন্দোলনের মাধ্যমে ১৯৪৯ সালে স্বাধীন হয়।
- রাজধানী: নুসানতারা (নতুন)।
- মুদ্রা: ইন্দোনেশীয় রুপিয়া।
- ইন্দোনেশিয়ার প্রধান দ্বীপ হলো: সুমাত্রা, জাভা, বোর্নিও, পাপুয়া নিউ গিনি।
- ইন্দোনেশিয়ার বর্তমান রাষ্ট্রপতি হলেন জোকো উইদোদো।

উল্লেখ্য, 
⇒ জনসংখ্যার ভিত্তিতে বিশ্বের ২য় বৃহত্তম মুসলিম দেশ পাকিস্তান।
- জনসংখ্যার ভিত্তিতে বিশ্বের ৩য় বৃহত্তম মুসলিম দেশ ভারত।
- জনসংখ্যার ভিত্তিতে বিশ্বের ৪র্থ বৃহত্তম মুসলিম দেশ বাংলাদেশ। 
- জনসংখ্যার ভিত্তিতে বিশ্বের ৫ম বৃহত্তম মুসলিম দেশ নাইজেরিয়া।

উৎস: i) Britannica.
ii) World Population Review.
৩৮.
এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় কোথায়?
  1. ব্যাংকক
  2. সিঙ্গাপুর
  3. টোকিও
  4. ম্যানিলা
ব্যাখ্যা
ADB:
- ADB-এর পূর্ণরূপ: Asian Development Bank.
- এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক।
- প্রতিষ্ঠা লাভ করে: ২২ আগস্ট, ১৯৬৬ সালে।
- আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে: ১৯ ডিসেম্বর, ১৯৬৬ সালে।
- বর্তমান সদস্য: ৬৯টি।
- সর্বশেষ সদস্য দেশ: ইসরায়েল।
- এর মধ্যে ৪৯টি সদস্য এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসগরীয় অঞ্চলের এবং বাকিগুলো অন্যান্য অঞ্চলের।
- সদরদপ্তর: ম্যানিলা, ফিলিপাইন।
- বর্তমান প্রেসিডেন্ট: মাসাতসুগু আসাকাওয়া।

উল্লেখ্য,
- সেপ্টেম্বর, ২০২৪-এ ইসরায়েল ADB-এর ৬৯তম দেশ হিসেবে সদস্যপদ লাভ করে।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ ১৯৭৩ সালে এডিবি’র সদস্যপদ লাভ করে।

উৎস: ADB ওয়েবসাইট।
৩৯.
[এটি তৎকালীন সাম্প্রতিক প্রশ্ন যা বর্তমানে গুরুত্বপূর্ণ নয়। অপশনে সঠিক উত্তর না থাকায় প্রশ্নটি বাতিল করা হলো।]
যুক্তরাষ্ট্র চায় ইসরাইল কত শতাংশ জায়গা ফিলিস্তিনিদের কাছে হস্তান্তর করবে?
  1. ১২ শতাংশ
  2. ১০ শতাংশ
  3. ১৩ শতাংশ
  4. ১১ শতাংশ
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
[এটি তৎকালীন সাম্প্রতিক প্রশ্ন যা বর্তমানে গুরুত্বপূর্ণ নয়। পরিবর্তনশীল তথ্যগুলো অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য থেকে দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

ইসরাইল:
- মধ্যপ্রাচ্যের মুসলিম দেশগুলোর মাঝখানে ছোট্ট একটি দেশ ইসরাইল।
- রাজধানী: জেরুজালেম।
- মুদ্রা: শেকেল।
- ইসরাইলের ভাষা হিব্রু।
- ফিলিস্তিন অংশের ভূমি দখল করে রাষ্ট্র গঠন করে ইসরাইল।
- মুসলমান, ইহুদি ও খ্রিস্টান এই তিন ধর্মাবলম্বীদের কাছে পবিত্রভূমি ফিলিস্তিনের জেরুজালেম।
- বেলফোর ঘোষণা ইসরায়েল রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠার সঙ্গে সম্পর্কিত।
- ১৯৪৮ সালের ১৪ই মে ব্রিটিশ ও মার্কিনদের সহায়তায় ইহুদিরা আরব ভূমিতে ইসরাইল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করে।
- তারাই একমাত্র দেশ যারা শুধুমাত্র ধর্মের ভিত্তিতে সরাসরি নাগরিকত্ব দেয়।
- গোয়েন্দা সংস্থা: মোসাদ, আমান।
- ইসরাইলের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন ডেভিড বেন গুরিয়েন।

ফিলিস্তিন:
- ফিলিস্তিন মধ্যপ্রাচ্যের একটি দেশ।
- ভৌগোলিকভাবে এশিয়া মহাদেশের অন্তর্গত।
- এটি দুটি প্রধান অঞ্চলে বিভক্ত: পশ্চিম তীরে (West Bank) এবং গাজা উপত্যকা (Gaza Strip)।
- এটি বর্তমানে ইসরায়েল ও ফিলিস্তিনিদের মধ্যে বিরোধের কারণে বেশ পরিচিত।

উল্লেখ্য,
- স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র ঘোষণা করা হয় ১৫ নভেম্বর ১৯৮৮ সালে।
- ১৯৮৮ সালের ১৫ নভেম্বর আলজেরিয়ার রাজধানী আলজেয়ার্সে প্যালেস্টাইন ন্যাশনাল কাউন্সিলের সভায় এ ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল।
- ফিলিস্তিনের প্রয়াত নেতা ইয়াসির আরাফাত পবিত্র জেরুজালেমকে রাজধানী করে ১৯৬৭ সালের সীমারেখায় এই ঘোষণা দিয়েছিলেন।
- এর মাধ্যমে প্যালেস্টাইন লিবারেশন অর্গানাইজেশন (পিএলও) ইসরায়েল-ফিলিস্তিন বিরোধের দ্বিরাষ্ট্রীয় সমাধানের পক্ষে কাজ শুরু করে।
- স্বাধীন ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দানকারী প্রথম দেশ আলজেরিয়া।
- ফিলিস্তিন জাতিসংঘের পর্যবেক্ষক রাষ্ট্রের মর্যাদা লাভ করে ২৯ নভেম্বর, ২০১২ সালে।

উৎস: i) Britannica.
ii) Al Jazeera.
৪০.
জাতিসংঘের সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত?
  1. জেনেভা
  2. নিউইয়র্ক
  3. হেগ
  4. প্যারিস
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘ:
- বিশ্বের বৃহত্তম আন্তর্জাতিক সংস্থা হলো জাতিসংঘ (United Nations Organization).
- এটি জাতিপুঞ্জের (League of Nations) উত্তরসূরী।
- জাতিসংঘ সনদ স্বাক্ষরিত হয়: ২৬ জুন, ১৯৪৫।
- জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠিত হয়: ২৪ অক্টোবর, ১৯৪৫।
- স্বাক্ষরের স্থান: যুক্তরাষ্ট্রের সানফ্রান্সিসকো।
- প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য: ৫১টি।
- বর্তমান সদস্য: ১৯৩টি।
- সর্বশেষ সদস্য: দক্ষিণ সুদান।
- বর্তমান মহাসচিব: আন্তোনিও গুতেরেস।
- সদর দপ্তর: ম্যানহাটন, নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র।
- দাপ্তরিক ভাষা ৬টি: ইংরেজি, ফ্রেঞ্চ, চীনা, রুশ, স্প্যানিশ এবং আরবি।
- কার্যকরী দাপ্তরিক ভাষা ২টি: ইংরেজি ও ফ্রেঞ্চ।
- জাতিসংঘের স্থায়ী পর্যবেক্ষকের সংখ্যা ২টি: ভ্যাটিকান সিটি, ফিলিস্তিন।

⇒ জাতিসংঘের মূল অঙ্গসংস্থা ছয়টি:
• সাধারণ পরিষদ
• নিরাপত্তা পরিষদ
• অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদ
• আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচার আদালত
• অছি পরিষদ ও
• জাতিসংঘ সচিবালয়।

উৎস: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
৪১.
যুক্তরাষ্ট্রে ক্রীতদাস প্রথা বিলোপকারী প্রেসিডেন্টের নাম কী?
  1. জর্জ ওয়াশিংটন
  2. আব্রাহাম লিংকন
  3. রুজভেল্ট
  4. কেনেডি
ব্যাখ্যা
আব্রাহাম লিংকন:
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ১৬তম প্রেসিডেন্ট আব্রাহাম লিংকন।
- তার রাজনৈতিক দল ছিল রিপাবলিকান পার্টি।
- তাঁকে যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে সবচেয়ে সফল ও জনপ্রিয় প্রেসিডেন্ট হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

⇒ আব্রাহাম লিংকন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বহু বছরের দাসপ্রথা বিলুপ্ত করেন।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতির আধুনিকীকরণে তিনি অসামান্য ভূমিকা পালন করেন।
- তিনি ১৮৬৩ সালে দাসপ্রথার বিলুপ্তি ঘোষণা করেন।
- এটি ছিল দাসপ্রথার বিরুদ্ধে নেওয়া পৃথিবীর ইতিহাসের সবচেয়ে বড় পদক্ষেপ।

উল্লেখ্য,
⇒ ১৮৬৩ সালের ১৯ নভেম্বর লিংকন পেনসালভেনিয়ার গেটিসবার্গের যুদ্ধক্ষেত্রে দাঁড়িয়ে এক হৃদয়স্পর্শী ভাষণে বলেন, ‘গণতন্ত্র হলো জনগণের সরকার, জনগণের দ্বারা সরকার, জনগণের জন্য সরকার।’ প্রজাতন্ত্রবাদ, সমঅধিকার, স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রের প্রবক্তা, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ১৬তম প্রেসিডেন্ট আব্রাহাম লিংকন গণতন্ত্রের সবচেয়ে জনপ্রিয় এই সংজ্ঞাটা দিয়েছিলেন গেটিসবার্গ ভাষণে। তিন মিনিটের কম সময়ের সেই ভাষণকে বলা হয় পৃথিবীর শ্রেষ্ঠতম ভাষণের একটি। তার বিখ্যাত উক্তি - '‘Government by the people, for the people, of the people’।

উৎস: History Channel.
৪২.
ওজোন স্তরের ফাটলের জন্য মুখ্যত দায়ী কোন গ্যাস?
  1. মিথেন
  2. কার্বন ডাই-অক্সাইড
  3. কার্বন মনোক্সাইড
  4. ক্লোরোফ্লুরো কার্বন
ব্যাখ্যা
• ওজোন স্তরের ফাটলের জন্য মুখ্যত দায়ী ক্লোরোফ্লুরো কার্বন।

• ওজোন স্তর ধ্বংসের সহায়ক:

- রেফ্রিজারেটর, এয়ার কন্ডিশন, এ্যারোসল থেকে CFC (ক্লোরো ফ্লরো কার্বন) গ্যাস নির্গত হয়।
- এই সিএফসি গ্যাস বায়ুমন্ডলের ওজোন স্তর ধ্বংসের প্রধান সহায়ক।
- CFC-এর ব্যাপক ব্যবহারের ফলে ওজোন স্তরে ছিদ্র দেখা দিয়েছে।
- ওজোন স্তরে ছিদ্রের সৃষ্টি হলে সূর্য থেকে ক্ষতিকর অতিবেগুনীরশ্মি পৃথিবীতে চলে আসবে, যা ত্বক ক্যান্সারসহ অন্যান্য মারাত্মক রোগ সৃষ্টি করতে পারে।
- গ্রীন হাউজ প্রভাব সৃষ্টিকারী প্রধান গ্যাস কার্বন ডাই-অক্সাইড; কার্বন ডাই-অক্সাইড এ প্রভাবের জন্য শতকরা ৫০ ভাগ দায়ী।
- অন্যান্য গ্রীন হাউজ গ্যাস এর প্রভাব যেমন: মিথেন- ১৮%, ক্লোরোফ্লোরো কার্বন (সি. এফ সি)- ১৪%, নাইট্রাস অক্সাইড ৬% এবং অন্যান্য কারণে ১৩%।

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও ব্রিটানিকা।
৪৩.
কোনো দেশের পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার জন্য বনাঞ্চল প্রয়োজন মোট ভূমির‒
  1. ১৬ শতাংশ
  2. ২০ শতাংশ
  3. ২৫ শতাংশ
  4. ৩০ শতাংশ
ব্যাখ্যা
• কোনো দেশের পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার জন্য বনাঞ্চল প্রয়োজন মোট ভূমির ২৫ শতাংশ।

• বনভূমি:
- যে সকল স্থানে বিভিন্ন প্রকারের প্রচুর পরিমানে গাছপালা দেখা যায় তাকে বন ভূমি বলা হয়ে থাকে।
- এক সময় পৃথিবীর স্থল ভাগের প্রায় ৪০ ভাগ বনভূমি দ্বারা আবৃত ছিল।
- কিন্তু মানুষের বিভিন্ন প্রয়োজনে অপ্রয়োজনে বনভূমি থেকে গাছপালা কেটে ফেলে বর্তমানে তা প্রায় ২৪ ভাগে এসে দাড়িয়েছে।
- পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানের তাপ, মাটি, আলো, জলবায়ু প্রভৃতির কারণে বনভূমির তারতম্য হয়ে থাকে।
- দেশের অর্থনৈতিক ও প্রাকৃতিক পরিবেশের মধ্যে ভারসাম্য রক্ষার জন্য বনভূমি অপরিহার্য।
- একটি দেশের জন্য অন্তত ২৫% বনভূমির প্রয়োজন।
 
উৎস: বাণিজ্যিক ভূগোল, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৪.
মানুষের ক্রোমোজোমের সংখ্যা কত?
  1. ২০ জোড়া
  2. ২২ জোড়া
  3. ২৩ জোড়া
  4. ২৫ জোড়া
ব্যাখ্যা
• মানুষের ক্রোমোজোমের সংখ্যা ২৩ জোড়া।

• ক্রোমোজোম:
- বংশগতির প্রধান উপাদান হচ্ছে ক্রোমোজোম।
- এটি নিউক্লিয়াসের অন্যতম বস্তু।
- Strasburger (১৮৭৫) নিউক্লিয়াসে ক্রোমোজোম আবিষ্কার করেন কিন্তু তিনি এর নামকরণ করেননি।
- Weldeyer ১৮৮৮ সালে সর্বপ্রথম ক্রোমোজোম শব্দটি ব্যবহার করেন।
- প্রত্যেক প্রজাতির নিউক্লিয়াসে একটি নির্দিষ্ট সংখ্যক ক্রোমোজোম থাকে।
- মানবদেহের প্রতিটি কোষে ২৩ জোড়া বা ৪৬টি ক্রোমোজোম থাকে।
- এ ২৩ জোড়া ক্রোমোজোমের মধ্যে ২২ জোড়া ক্রোমোসোমকে বলা হয় অটোসোম।
- অটোসোম দেহের নানা প্রকার গঠন প্রণালি ও জৈবিক কাজ নিয়ন্ত্রণ করে।
- লিঙ্গ নির্ধারণে এদের কোনও ভূমিকা নেই।
- অপর এক জোড়া ক্রোমোজোমকে বলা হয় সেক্স ক্রোমোসোম বা লিঙ্গ নির্ধারক ক্রোমোসোম।
- সন্তান ছেলে না মেয়ে হবে তা নির্ধারণ করে লিঙ্গ নির্ধারক ক্রোমোজোম।
- লিঙ্গ নির্ধারক ক্রোমোজোম জোড়াকে X এবং Y নামে চিহ্নিত করা হয়।

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৫.
কোন জারক রস পাকস্থলীতে দুগ্ধ জমাট বাঁধায়?
  1. পেপসিন
  2. এমাইলেজ
  3. রেনিন
  4. ট্রিপসিন
ব্যাখ্যা
• রেনিন দুগ্ধ আমিষ কেসিনকে প্যারাকেসিনে পরিণত করে। যা পাকস্থলীতে দুগ্ধ জমাট বাঁধায়।

- দুধ একটি আদর্শ খাবার।
- এতে সুষম খাদ্যের ৬ টি উপাদানই বিদ্যমান।
- দুধে যে শর্করা থাকে তাকে ল্যাকটোজ বলে।
- এতে যে প্রোটিন থাকে তাকে কেসিন বলে।
- দুধকে জমাট বাঁধায় রেনিন।

উৎস: জীববিজ্ঞান ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি এবং ব্রিটানিকা।
৪৬.
ভায়াগ্রা কী?
  1. একটি জলপ্রপাত
  2. নতুন একটি ওষুধ
  3. সাড়া জাগানো চলচ্চিত্রের নাম
  4. নতুন জাহাজের নাম
ব্যাখ্যা
- ভায়াগ্রা হলো একটি ওষুধ যা পুরুষদের যৌনক্ষমতা বাড়ায়।
- ভায়াগ্রা ১৯৯৮ সালে বিক্রি শুরু হয় এবং প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই একটি সবচেয়ে বেশি বিক্রীত ওষুধে পরিণত হয়।
- প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান আমেরিকান ওষুধ কোম্পানি ফাইজার।
- ভায়াগ্রা হলো ইরেক্টাইল ডিসফাংশন বা লিঙ্গ শিথিলতার চিকিৎসার জন্য ইতিহাসে প্রথম অনুমোদিত ওষুধ।
- ২০০৮ সালে এর বার্ষিক বিক্রি প্রায় দুই বিলিয়ন ডলারে গিয়ে ঠেকে। যা এক বছরে ওষুধ বিক্রির শীর্ষে ছিল।

উৎস: বিবিসি নিউজ রিপোর্ট। [লিঙ্ক]
৪৭.
কম্পিউটার সফটওয়্যার জগতে নামকরা প্রতিষ্ঠান কোনটি?
  1. অলিভেটি
  2. আইবিএম
  3. অ্যাপেল ম্যাকিনটশ
  4. মাইক্রোসফট
ব্যাখ্যা
• কম্পিউটার সফটওয়্যার জগতে সবচেয়ে নামকরা প্রতিষ্টান হচ্ছে মাইক্রোসফট।

• মাইক্রোসফট:

- মাইক্রোসফটের সদরদপ্তর অবস্তিত যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে।
- মাইক্রোসফটের ক্লাউড ফ্লাটফর্ম Azure.
- মাইক্রোসফট সার্চ ইঞ্জিনের নাম Bing.
- মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাতা Bill Gates এবং Paul Allen.
- মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাকাল ১৯৭৫।
- মাইক্রোসফটের প্রথম প্রোগ্রাম MS DOS.
- মাইক্রোসফটের বর্তমান CEO সত্য নাদেলা।

উৎস: Microsoft Website.
৪৮.
ক্লোনিং পদ্ধতিতে জন্মগ্রহণকারী ভেড়ার নাম কী?
  1. নেনী
  2. টমি
  3. শেলী
  4. ডলি
ব্যাখ্যা
ক্লোনিং:
- প্রাকৃতিক ক্লোন হলো একটি জীব অথবা একদল জীব যাদের উদ্ভব ঘটে অযৌন অঙ্গজ জননের দ্বারা।
- এদের ধরন হয় মাতৃ জীবের ন্যায়।
- একটি কোষ বা কোষগুচ্ছ যখন একটিমাত্র কোষ থেকে উৎপন্ন হয় এবং তাদের প্রকৃতি মাতৃকোষের ন্যায় হয়, তাকেও ক্লোন বলে।
- প্রাকৃতিকভাবে ব্যাকটেরিয়া, অনেক শৈবাল, বেশিরভাগ প্রোটোজোয়া এবং ঈস্ট, ছত্রাক ক্লোনিং এর মাধ্যমে বংশবৃদ্ধি করে।
- জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং এর ক্ষেত্রে প্রয়োজনবোধে কোনো বিশেষ জিনের সংখ্যাবৃদ্ধি করে তার প্রতিলিপি তৈরি করা হয়।
- কোনো কোনো কোষকে বিশেষ প্রক্রিয়ায় আবাদ মাধ্যমে রেখে বিভাজন ঘটিয়ে এতে উৎপন্ন করা হয় একগুচ্ছ একই ধরনের কোষ।
- আবার কোনো অণুজীব উদ্ভিদ কিংবা প্রাণীর অনুরূপ অনেক জীব উৎপাদন করাকে ক্লোনিং বলে।
- ক্লোনিং তিন ধরনের। যথা- 

১। জিন ক্লোনিং:
- একই জিনের অসংখ্য প্রতিলিপি তৈরি করাকে জিন ক্লোনিং বলে।
- জিন ক্লোনিং রিকম্বিনেন্ট ডিএনএ প্রযুক্তির মাধ্যমে করা হয়।

২। সেল ক্লোনিং:
- একই কোষের অসংখ্য হুবহু একই ধরনের কোষ তৈরি করাকে সেল ক্লোনিং বলে।

৩। জীব ক্লোনিং:
- একটি মাত্র জীব থেকে জিনগত হুবহু এক বা একাধিক জীব তৈরির পদ্ধতিকে জীব ক্লোনিং বলে।
- প্রাকৃতিক পরিবেশে উদ্ভিদের ক্ষেত্রে অঙ্গজ জননের ফলে উৎপন্ন উদ্ভিদ একটি ক্লোন।
- মনোজাইগোটিক যমজ একে অপরের ক্লোন।

- সম্প্রতি জিন প্রযুক্তির দ্বারা সম্ভব হয়েছে একই প্রাণীর দেহকোষ থেকে সম্পূর্ণ নিউক্লিয়াসকে বের করে সে প্রাণীর নিষেককৃত ডিম্বাণুতে ইনজেকট করে নিউক্লিয়াস স্থাপন করা।
- ডিম্বাণুতে দেহকোষের নিউক্লিয়াস স্থাপন করার পূর্বে নিষেককৃত ডিম্বাণুর নিউক্লিয়াসকে অপসারণ করা হয়। এ ডিম্বাণু থেকে যে প্রাণী সৃষ্টি হয় তা হুবহু তার মাতার ন্যায় হয়।
- ডলি নামক ভেড়া হলো পৃথিবীর প্রথম স্তন্যপায়ী প্রাণী যা একটি পূর্ণবয়স্ক দেহকোষ থেকে ক্লোন করা হয়েছে।
- এ ক্লোনিং প্রযুক্তি ব্যবহার করে কোনো ইঁদুর, খরগোস, গরু ও শূকর এমনকি বানর পর্যন্ত ক্লোন করা হয়েছে।
- ইঁদুর, ডলি নামক ভেড়া, বানর, প্রভৃতি ক্লোনিংয়ের পর বিজ্ঞানীদের দৃষ্টি এখন মানুষের উপর।
- এ প্রক্রিয়াটি কিন্তু মোটেই দূরূহ নয়, তাই ইতিমধ্যে বিভিন্ন উন্নত দেশে মানুষের ক্লোন করার প্রক্রিয়া আইন করে নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

উৎস: বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৯.
প্রাণীর মলমূত্র থেকে ব্যাকটেরিয়ার সাহায্যে ফারমেন্টেশন প্রক্রিয়ায় উৎপন্ন হয়‒
  1. ইথেন
  2. এমোনিয়া
  3. মিথেন
  4. বিউটেন
ব্যাখ্যা
- প্রাণীর মলমূত্র থেকে ব্যাকটেরিয়ার সাহায্যে ফারমেন্টেশন প্রক্রিয়ায় উৎপন্ন হয় মিথেন।
- প্রাণীর মলমূত্র বিশেষ করে গরু, ঘােড়া, মহিষ ইত্যাদির গােবরের কিছু পচা লতা-পাতা ও পানি মিশালে গাঁজন বা ফার্মেন্টেশন প্রক্রিয়া সংগঠিত হয়।
- এ প্রক্রিয়ায় যে গ্যাসীয় মিশ্রণ উৎপন্ন হয় তাই বায়ােগ্যাস।
- বায়ােগ্যাসের উপাদানগুলাের মধ্যে মিথেন (CH4), কার্বন ডাই-অক্সাইড (CO2), হাইডােজেন সালফাইড (H2S) ও হাইড্রোজেন (H2) থাকে।
- এর শতকরা ৬০-৭০ ভাগই মিথেন গ্যাস।

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫০.
বহুমূত্র রোগে কোন হরমোনের দরকার?
  1. ইনসুলিন
  2. থাইরক্সিন
  3. এনড্রোজেন
  4. এস্ট্রোজেন
ব্যাখ্যা
• বহুমূত্র রোগে ইনসুলিন হরমোনের দরকার।

- বহুমূত্র রোগ বা ডায়াবেটিস মেলিটাস এক ধরনের বিপাকজনিত রোগ।
- ইনসুলিনের অভাবে ডায়াবেটিস রোগ হয়।
- প্যানক্রিয়াস থেকে ইনসুলিন নামক এক ধরনের হরমোন নির্গত হয়, যা রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণকে কমিয়ে দেয়।
- অগ্ন্যাশয়ের আইলেটস অব ল্যাঙ্গারহেন্স থেকে গ্লুকানল এবং ইনসুলিন নির্গত হয়।
- ডায়াবেটিস রোগে ইনসুলিন ব্যবহৃত হয়।
- কারো ডায়াবেটিস হলে প্যানক্রিয়াস যথেষ্ট ইনসুলিন নির্গত করতে পারে না, কিংবা শরীর ইনসুলিনকে ব্যবহার করতে পারে না।
- যে কারণে গ্লুকোজের পরিমাণ বেড়ে যায়।

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।